ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান - দুরাকাঙ্ক্ষী,
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃত প্রত্যয় = [দুঃ+আ+√কাঙ্ক্ষ্+ইন্]
অর্থ: অনুচিত উচ্চ আকাঙ্ক্ষাবিশিষ্ট।
দুরবগম্য, দুরাক্রম ও দুরারোহ শব্দের বানানগুলো শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২ / ২৭ · ১০১–২০০ / ২,৬৯১
আপনি স্বস্ত্রীক আসবেন - এই বাক্যটি অশুদ্ধ।
স্ব = নিজ
স = সহ, সঙ্গে, সাথে, সহিত
সুতরাং বাক্যটি হবে :
- আপনি সস্ত্রীক আসবেন।
এর মানে হলো আপনি স্ত্রীসহ আসবেন।
উৎস : ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ
• শুদ্ধ বানান- নির্দিষ্ট।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
- নির্দেশ করা হয়েছে এমন।
- স্থিরীকৃত, নির্ধারিত।
-------------------
• বানানের নিয়ম:
রেফ এর পর তৎসম, অতৎসম শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না।
যেমন:
- কার্য্যালয় হবে না, সঠিক বানান হবে কার্যালয়।
- নির্দ্দিষ্ট হবে না, সঠিক বানান নির্দিষ্ট।
- ধর্ম্মসভা বানানটি ভুল, সঠিক বানান হবে ধর্মসভা।
- তেমনি ভাবে পর্ব্বত হবে না , সঠিক বানান হবে পর্বত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
ট–বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে 'ষ' যুক্ত হয়৷
যথা: কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি।
আবার কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' হয়৷
যথা: ষড়ঋতু, ভাষণ, ঊষা, ভূষণ, ঔষধ ইত্যাদি৷
র-ধ্বনির পরে যদি অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধনি থাকে, তবে তার পরে 'ষ' বসে। যেমন - পরিষ্কার।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম-১০ম শ্রেণি
• অশুদ্ধ বানান - প্রতিদ্বন্দী।
- শুদ্ধ বানান - প্রতিদ্বন্দ্বী।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- প্রতিদ্বন্দ্বকারী; প্রতিপক্ষ, প্রতিযোগী।
অন্যদিকে,
- রৌদ্রকরোজ্জ্বল।
- মহিরুহ।
- ষাণ্মাসিক।
উপরিউক্ত শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান- অদ্ভুত।
- এটি সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
• বানানের নিয়ম:
অদ্ভুত শব্দটি ছাড়া বাকি সব ক্ষেত্রে ভূত বানানে ঊ-কার হবে।
যেমন:
- ভূতুড়ে,
- উদ্ভূত,
- ভূতপূর্ব,
- পুঞ্জীভূত,
- ঘনীভূত ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• সঠিক উত্তর - সবগুলোই। উপরিউক্ত সবগুলো বাক্যই অশুদ্ধ।
অশুদ্ধ বাক্য: তিনি স্বস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন।
শুদ্ধ বাক্য: তিনি সস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন।
অশুদ্ধ বাক্য: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্য হয়েছে।
শুদ্ধ বাক্য: তোমাকে দেখে সে আশ্চর্যান্বিত হয়েছে।
অশুদ্ধ বাক্য: আমি সন্তোষ হলাম।
শুদ্ধ বাক্য: আমি সন্তুষ্ট হলাম।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- আলি প্রত্যয়যুক্ত শব্দে ই-কার ব্যবহৃত হবে।
যেমন- সোনালি, মিতালি, বর্ণালি, খেয়ালি, রুপালি, হেঁয়ালি ইত্যাদি।
[ তবে ‘সোনালী ব্যাংক’ এর (সোনালী) বানানটি ব্যাংক কর্তৃক এভাবেই নিবন্ধিত। তাই সোনালী ব্যাংক লিখতে সোনালী শব্দটিই ব্যবহৃত হবে। যদিও বানানের নিয়ম অনুসারে (সোনালী) শব্দের সঠিক বানান সোনালি।]
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান - 'অন্তস্তল'।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
শব্দের অর্থ:
- মনো-মধ্য;
- মন, হৃদয়।
সুতরাং,
সঠিক বাক্যটি হবে- মানুষের অন্তস্তল বাইরে থেকে বোঝা যায় না।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'জাজ্বল্যমান'- শুদ্ধ বানান।
এর অর্থ:
- অতিশয় উজ্জ্বল।
• অশুদ্ধ বানান - 'জাজ্জ্বল্যমান'।
অন্য অপশনের শুদ্ধ বানানগুলো হলো:
• মুহর্মুহু - মুহুর্মুহু।
• আশ্বস্থ - আশ্বস্ত।
• বহ্ণি - বহ্নি।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
- অশুদ্ধ বাক্যের শুদ্ধরূপ গুলো হচ্ছে -
দেবী অন্তর্হিত হইয়াছেন
উৎস:বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'বয়ঃকনিষ্ঠ' শুদ্ধ।
অন্যদিকে,
অশুদ্ধ: কুপমন্ডুক
শুদ্ধ: কূপমণ্ডূক
অশুদ্ধ: আত্নস্থ
শুদ্ধ: আত্মস্থ
অশুদ্ধ: কৃচ্ছ্বসাধন
শুদ্ধ: কৃচ্ছ্রসাধন
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান 'ভুবন'।
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: √ভূ + অন।
অর্থ:
- পৃথিবী,
- জগৎ।
অন্যদিকে,
• শুদ্ধ বানান 'ত্রিভুজ'
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- তিনটি সরলরেখা-পরিবেষ্টিত ক্ষেত্র।
• শুদ্ধ বানান 'শূন্য'
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: √শ্বন্ + য।
অর্থ:
- পরিমাণ বা আয়তনের অভাব।
• শুদ্ধ বানান 'পুণ্য'
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: √পূ + উন্য।
অর্থ:
- সৎকর্ম,
- সওয়াব।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান - বয়ঃকনিষ্ঠ।
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
শব্দের অর্থ:
- বয়সে ছোটো।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা আধুনিক অভিধান অনুসারে,
• 'রূপায়ণ' বানানটি সঠিক।
- উৎস: সংস্কৃত।
- রূপায়ণ = রূপায়্ + অন
- অর্থ:
১) মূর্তি বা আকার দান, রূপদান।
২) বাস্তবে পরিণতকরণ (পরিকল্পনা রূপায়ণ)।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা আধুনিক অভিধান।
• তৎসম শব্দে ইন্-প্রত্যয়ান্ত শব্দের সঙ্গে ত, ‘ত্ব’, নী ও ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত হলে ই-কার হবে।
যেমন:
- কৃতী - কৃতিত্ব,
- যোগী - যোগিনী,
- মালী - মালিনী,
- একাকী- একাকিনী,
- দায়ী - দায়িত্ব,
- প্রতিযোগী - প্রতিযোগিতা,
- মন্ত্রী - মন্ত্রিত্ব,
- সহযোগী - সহযোগিতা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান - চূর্ণবিচূর্ন।
- শুদ্ধ বানান - চূর্ণবিচূর্ণ।
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
শব্দের অর্থ:
- সম্পূর্ণ চূর্ণিত,
- সম্পূর্ণ বিনষ্ট।
অন্যদিকে,
- রূপায়ণ,
- মহীয়সী,
- সম্পূর্ণ।
শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
নানা কারণে বাক্য ভুল হয়ে থাকে। কতিপয় নিচে উল্লেখ করা হলো।
1. সমাসজনিত অশুদ্ধি
2. বচনজনিত অশুদ্ধি
3. সন্ধিজনিত ত্রুটি
4. বাহুল্য দোষের কারণে
অপশন খ তে উল্লেখিত বাক্যটিতে ভুল আছে। কারণ বাক্যটিতে বচনজনিত সমস্যা রয়েছে।
বাক্যের ‘সব সমস্যাগুলো’ তে দুইবার বহুবচন উল্লেখ করা হয়েছে যা ভুল। বাক্যটির শুদ্ধরূপ: আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।
তথ্যসূত্র: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি-ড. হায়াৎ মাহমুদ এবং প্রমিত বাংলা বানান-ড. মোহাম্মদ আমীন।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• শুদ্ধ বানান- দুষ্কৃতকারী (বিশেষণ)
- সংস্কৃত শব্দ
- প্রকৃতি প্রত্যয় = [দুষ্কৃত+√কৃ+ইন্]
অর্থ: দুষ্কর্মকারী, অন্যায়কারী, অপরাধী।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'এতদ্দ্বারা'- বানানটি শুদ্ধ।
অন্যদিকে,
শ্রদ্ধাঞ্জলী - শ্রদ্ধাঞ্জলি;
কন্ঠস্ত - কণ্ঠস্থ;
স্তুপ- স্তূপ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- অধঃগতি এর শুদ্ধ বানান হবে -অধোগতি।
- 'অধোগতি' শব্দের অর্থ: নিম্নগতি, দুর্দশা।
- এটি একটি সংস্কৃত ভাষার শব্দ।
অন্যদিকে,
স্তূপ, পিপীলিকা, গার্হস্থ্য বানানগুলো শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বানানের নিয়ম অনুসারে অশুদ্ধ শব্দ- সঙ।
- শুদ্ধ বানান- সং।
----------------------
প্রমিত বানানের নিয়ম:
- শব্দের শেষে প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে সাধারণভাবে অনুস্বার (ং) ব্যবহৃত হবে।
যেমন:
গাং, ঢং, পালং, রং, রাং, সং।
- তবে অনুস্বারের সঙ্গে স্বর যুক্ত হলে ঙ হবে।
যেমন:
বাঙালি, ভাঙা, রঙিন, রঙের।
- ব্যতিক্রম: বাংলা ও বাংলাদেশ শব্দে অনুস্বার থাকবে।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• প্রমিত বানান - উষসী।
বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়মাবলী অনুসারে:
ক) উষশী → ভুল। প্রমিত: উষসী।
গ) জ্যোতীশাস্ত্র → ভুল। প্রমিত: জ্যোতিঃশাস্ত্র।
খ) ভ্রান্তিবশতঃ → ভুল। প্রমিত: ভ্রান্তিবশত।
গ) মনযোগ → ভুল। প্রমিত: মনোযোগ।
তথ্যসূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি প্রণীত নিয়ম অনুযায়ী রেফ এর পরে সাধারণত ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হয় না।
যেমন: অর্চনা, অর্জন, অর্থ।
তাই অপশন গ সঠিক উত্তর।
তথ্যসূত্র: প্রমিত বাংলা বানান-ড. মোহাম্মদ আমীন, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম-দশম শ্রেণি।
• শুদ্ধ বানান - অবমর্শন।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
শব্দের অর্থ:
- অভিনিবেশ, পরামর্শ।
- স্পর্শ, প্রণিধান; অনুচিন্তন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বাক্য- ইহার আবশ্যকতা নাই।
- বাক্যটি শুদ্ধ, কারণ ‘আবশ্যকতা’ একটি বিশেষ্য পদ; এর সঙ্গে ‘নাই’ ব্যবহার করে প্রয়োজনের অভাব সঠিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
-----------------------------
- ইহার আবশ্যক নাই- অশুদ্ধ, কারণ ‘আবশ্যক’ শব্দটি বিশেষণ (যার অর্থ প্রয়োজনীয়), কিন্তু বাক্যে প্রয়োজন বা দরকার বোঝাতে বিশেষ্য দরকার হয়; তাই ‘আবশ্যকতা’ ব্যবহার না করে ‘আবশ্যক’ বসানো পদগত ভুল।
- ইহার আবশ্যকীয় নাই- অশুদ্ধ, কারণ ‘আবশ্যক’ শব্দটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর বদলে ঈয় প্রত্যয় যোগ করে আবশ্যকীয় শব্দের ব্যবহার যথাযথ নয়।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
অশুদ্ধ: ছেলেটি বংশের মাথায় চুনকালি দিল।
শুদ্ধ: ছেলেটি বংশের মুখে চুনকালি দিল।
এরূপ কিছু শুদ্ধ ও অশুদ্ধ বাক্য হলো-
অশুদ্ধ: বিধি লঙ্ঘন হয়েছে।
শুদ্ধ: বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে।
অশুদ্ধ: হৃষিতা বুদ্ধিমান মেয়ে।
শুদ্ধ: হৃষিতা বুদ্ধিমতী মেয়ে।
অশুদ্ধ: তার পানিতে সমাধি হয়েছে।
শুদ্ধ: তার সলিল সমাধি হয়েছে।
অশুদ্ধ: সময় বড় সংক্ষেপ।
শুদ্ধ: সময় বড় সংক্ষিপ্ত।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
কর্নেল ফরাসি ভাষার শব্দ।
বানানরীতি অনুযায়ী বিদেশি/ অতৎসম শব্দে সবসময়ই দন্ত্য-ন হয়।
তাই 'কর্ণেল' বানানটি অশুদ্ধ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
• প্রাতঃকালে লোকটি গাত্রোত্থান করে। বাক্যটি শুদ্ধ।
অন্যদিকে,
- অশুদ্ধ: হস্তীটি অপরিসীম স্থূল।
- শুদ্ধ: হস্তীটি অত্যন্ত স্থূল।
- অশুদ্ধ: সে এমন রূপসী যেন অপ্সরী।
- শুদ্ধ: সে এমন রূপবতী যেন অপ্সরা।
- অশুদ্ধ: কালীদাস বিখ্যাত কবি।
- শুদ্ধ: কালিদাস বিখ্যাত কবি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• অশুদ্ধ বাক্য: এ কথা প্রমাণ হয়েছে।
• শুদ্ধ বাক্য: এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।
অন্যদিকে,
- শুদ্ধ বাক্য: তারা বাড়ি যাচ্ছে।
- শুদ্ধ বাক্য: এ কথা প্রমাণিত হয়েছে।
- শুদ্ধ বাক্য: বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেয়।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'পোষাক' শব্দে ‘ষ’ এর ব্যবহার অশুদ্ধ
- শুদ্ধ বানান - পোশাক।
অন্যদিকে,
- কলুষ, ঊষা ও কোষ শব্দে ‘ষ’ এর ব্যবহার শুদ্ধ।
'ষ' ব্যবহারের নয়িম:
- বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে 'ষ' ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।
যেমন:
কিশমিশ, নাশতা, পোশাক, বেহেস্ত, শখ, শয়তান, শরবত, শরম, শহর, শামিয়ানা, শার্ট, শৌখিন; আপস, জিনিস, মসলা, সন, সাদা, সাল (বৎসর), স্মার্ট, হিসাব; স্টল, স্টাইল, স্টিমার, স্ট্রিট, স্টুডিয়ো, স্টেশন, স্টোর। ইসলাম, তসলিম, মুসলমান, মুসলিম, সালাত, সালাম; এশা, শাওয়াল (হিজরি মাস), শাবান (হিজরি মাস)।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• অশুদ্ধ বানান - দেবচ্ছেন্দ।
- এর শুদ্ধ বানান - দেবচ্ছন্দ।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- শতনরি হার।
অন্যদিকে,
- শিরশ্ছেদ, বিকেন্দ্রীকরণ এবং ভাষাভাষী - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
শুদ্ধ বানান- 'জাজ্বল্যমান'।
• 'জাজ্বল্যমান' (বিশেষণ) শব্দ:
- এর সঠিক উচ্চারণ- জাজ্জোল্লোমান্।
- অর্থ: অত্যন্ত উজ্জ্বল; অত্যন্ত ভাস্বর;
- সুস্পষ্ট; সুপ্রকট।
অন্যান্য অপশন,
• 'দুর্বিসহ' এর শুদ্ধ বানান- দুর্বিষহ,
• 'ব্যাক্তি' এর শুদ্ধ বানান- ব্যক্তি,
• 'ভূল' এর শুদ্ধ বানান- ভুল।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান- অনির্বচনীয়।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- বর্ণনাতীত, অবর্ণনীয়। /অনিরবচোনিয়া।।
• এর স্ত্রীবাচক শব্দ- অনির্বচনীয়া।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
শুদ্ধ বাক্য- তার বৈমাত্রেয় ভ্রাতা ডাক্তার।
অশুদ্ধ বাক্য- আবশ্যক ব্যায়ে কার্পন্যতা উচিত নয়।
শুদ্ধ বাক্য- আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য উচিত নয়।
অশুদ্ধ বাক্য- আকণ্ঠ পর্যন্ত খেয়ে এখন হাঁসফাঁস লাগছে।
শুদ্ধ বাক্য- আকণ্ঠ খেয়ে এখন হাঁসফাঁস লাগছে।
অশুদ্ধ বাক্য- অধ্যাপনাই ছাত্রদের তপস্যা।
শুদ্ধ বাক্য- অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।