ব্যাখ্যা
- শব্দটি বিশেষ্য।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
- অর্থ: মধ্যরাত; গভীর রাত; গভীর রাতের নিদ্রা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৮ / ২৭ · ১,৭০১–১,৮০০ / ২,৬৯১
শুদ্ধ বানান- স্বায়ত্তশাসন।
• স্বায়ত্তশাসন: (বিশেষ্য)
- স্বশাসিত রাষ্ট্র (একনায়ক-শাসিত নয়)।
উৎস: বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান- কার্যালয়।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ।
-------------------
• বানানের নিয়ম:
রেফ এর পর তৎসম, অতৎসম শব্দে ব্যঞ্জনবর্ণের দ্বিত্ব হবে না।
যেমন:
- কার্য্যালয় হবে না, সঠিক বানান হবে কার্যালয়।
- নির্দ্দিষ্ট হবে না, সঠিক বানান নির্দিষ্ট।
- ধর্ম্মসভা বানানটি ভুল, সঠিক বানান হবে ধর্মসভা।
- তেমনি ভাবে পর্ব্বত হবে না , সঠিক বানান হবে পর্বত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
মনমোহন- এর শুদ্ধরূপ মনোমোহন।
ভস্ম, রামায়ণ, স্টেডিয়াম শুদ্ধ বানানে লেখা।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• শুদ্ধ বানান: নিষ্প্রভ।
অর্থ: প্রভাহীন, অনুজ্জ্বল।
অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধ রূপ হলো:
- নিষ্ঠাবান,
- পুরস্কার,
- নিষ্কণ্টক।
-------------------
• বানানের নিয়ম:
• বিসর্গযুক্ত অ-ধ্বনির সঙ্গে সন্ধি হলে বর্ণে সাধারণত 'স' যুক্ত হয় (পুরঃ + কার = পুরস্কার) এবং বিসর্গযুক্ত ই-ধ্বনির সঙ্গে সন্ধি হলে সাধারণত 'ষ' যুক্ত হয় (বহিঃ + কার = বহিষ্কার)।
• তবে স্ক / স্ক সংক্রান্ত সমস্যার সহজ সমাধানকল্পে বলা যায় : অ-যুক্ত বা মুক্ত বর্ণের পরে সাধারণত 'স' হবে। যেমন: নমস্কার, পুরস্কার, বনস্পতি, তিরস্কার, বাচস্পতি ইত্যাদি।
• ই-যুক্ত বর্ণের পর সাধারণত 'ষ' হবে। যেমন: আবিষ্কার, নিষ্কলঙ্ক, পরিষ্কার, নিষ্ফল, নিষ্প্রভ, নিষ্পাপ, নিষ্পন্ন, নিষ্কর, জ্যোতিষ্ক ইত্যাদি।
(স্প / স্ত / স্থ থাকলে 'ষ' হয় না। যেমন: নিস্পন্দ / নিস্তব্ধ / দুস্থ ইত্যাদি)।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
অশুদ্ধ বানান - ঠাণ্ডা।
• শুদ্ধ বানান- ঠান্ডা।
- হিন্দি ভাষার শব্দ।
- শব্দটি বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয়য় পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
----------------------
• মূর্ধন্য-ণ ও দন্ত্য-ন এর ব্যবহার:
- অতৎসম শব্দের বানানে ণ ব্যবহার করা হবে না।
যেমন:
অঘ্রান, ইরান, কান, কোরান, গভর্নর, গুনতি, গোনা, ঝরনা, ধরন, পরান, রানি, সোনা, হর্ন।
- তৎসম শব্দে ট, ঠ, ড, ঢ-য়ের পূর্বে যুক্ত নাসিক্যবর্ণ ণ হয়।
যেমন:
কণ্টক, প্রচণ্ড, লুণ্ঠন।
- কিন্তু অতৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ট ঠ ড ঢ-য়ের আগে কেবল ন হবে।
যেমন:
গুন্ডা, ঝান্ডা, ঠান্ডা, ডান্ডা, লন্ঠন।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
অর্ধাঙ্গিনী হচ্ছে প্রচলিত শব্দ কিন্তু অভিধান অনুসারে তা অশুদ্ধ প্রয়োগ।
• এর শুদ্ধ রূপ - অর্ধাঙ্গী।
- অর্ধাঙ্গী (সংস্কৃত শব্দ)।
- প্রকৃত-প্রত্যয় = [অর্ধ+অঙ্গ+ঈ]
অর্থ: পত্নী।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা বানানে বিসর্গ এর অবস্থান:
- পদান্তে বিসর্গ থাকবে না। যেমন: প্রথমত, দ্বিতীয়ত, ক্রমশ, প্রধানত, বস্তুত, মূলত।
- পদমধ্যস্থ বিসর্গ থাকবে। যেমন: অন্তঃস্থ, দুঃখ, দুঃসহ, নিঃশব্দ, পুনঃপুন, স্বতঃস্ফূর্ত।
- আভিধানসিদ্ধ হলে পদমধ্যস্থ বিসর্গ হবে না। যেমন:দুস্থ, নিশ্বাস, নিস্পৃহ, বহিস্থ, মনস্থ।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
• প্রশ্নে প্রদত্ত বাক্যে তিনটি ভুল রয়েছে। এখানে সুবিনাস্ত, সমস্টি ও বত্তা শব্দের বানানগুলো ভুল।
বানানগুলোর শুদ্ধ রূপ হলো-
• সুবিন্যস্ত,
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সুশৃঙ্খলভাবে সজ্জিত।
- উত্তমরূপে স্থাপিত।
• সমষ্টি,
- শব্দটি বিশেষ্য পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- সংখ্যার যোগফল, মোট।
- সাকুল্য, সমগ্রতা।
• বক্তা,
- শব্দটি বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয় পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- যে বলে বা ভাষণ দেয়।
- বাকপটু, বাগ্মী।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বাক্যটি হলো: তিনি সাক্ষ্য দিয়েছেন।
অন্যদিকে,
• 'দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়। ' বাক্যটি শুদ্ধরূপ - 'দৈন্য / দীনতা প্রশংসনীয় নয়। '
- অশুদ্ধ শব্দ: এতে আশ্চর্য হলাম।
- শুদ্ধ শব্দ: এতে আশ্চর্যান্বিত হলাম।
- অশুদ্ধ শব্দ: জ্ঞানি মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর।
- শুদ্ধ শব্দ: জ্ঞানি মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• শুদ্ধ বানান - মৃগনয়না।
- এটি একটি বিশেষণ পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
শব্দের অর্থ:
- হরিণের চোখের মতো সুন্দর চোখ বিশিষ্ট।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি ঘটেছে আরক্তিম শব্দে।
- শুদ্ধ রূপ- রক্তিম।
----------------------------
• সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি:
- শুদ্ধ – অশুদ্ধ
- অদ্যাপি / অদ্যও – অদ্যাপিও,
- অশ্রু - অশ্রুজল,
- আয়ত্ত - আয়ত্তাধীন,
- কেবল / মাত্র - কেবলমাত্র,
- কদাপি - কদাপিও,
- বিবিধ - বিবিধপ্রকার,
- শুধু / মাত্র - শুধুমাত্র,
- সমূল / মূলসহ – সমূলসহ,
- সময় / কাল - সময়কাল,
- সুবুদ্ধি / বুদ্ধিমান – সুবুদ্ধিমান,
- স্বাগত - সুস্বাগত,
- স্বাস্থ্য - সুস্বাস্থ্য,
- প্রয়োজন - প্রয়োজনীয়তা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
বাংলা একাডেমী আধুনিক বানান অভিধান অনুসারে,
• আকাঙ্ক্ষা বানানটি শুদ্ধ।
অন্য শব্দগুলোর বানানের শুদ্ধরূপ:
- ‘শিরশ্ছেদ’
- ন্যূনতম
- অপরাহ্ণ
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বানান অভিধান।
শুদ্ধ বানান: জবাবদিহি।
- এটি মিশ্র ভাষার শব্দ (জবাব (আরবি) এবং দিহি (হিন্দি) ভাষার শব্দ)।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ।
অর্থ:
- কারণ প্রদর্শন,
- কৈফিয়ত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• অশুদ্ধ বানান - প্রতিদ্বন্দী।
- শুদ্ধ বানান - প্রতিদ্বন্দ্বী।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- প্রতিদ্বন্দ্বকারী; প্রতিপক্ষ, প্রতিযোগী।
অন্যদিকে,
- মহিরুহ,
- বিশ্রুতি,
- সুশ্রী।
উপরিউক্ত শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
মাঢ়ি বানানটি সঠিক।
অর্থঃ [মাড়ি, মাঢ়ি] (বিশেষ্য) দন্তমূল আবরণকারী কোমল মাংস; gum (মাড়ি ফোলা)।
অন্যগুলোর শুদ্ধ বানানঃ
- ব্যর্থ
- নমস্কার
- নিষ্প্রভ।
[সূত্রঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমী অভিধান]
• শুদ্ধ বানান: অপরাহ্ণ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: মধ্যাহ্ন থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়, বিকেল।
অন্যদিকে,
• অশুদ্ধ বানান - আরাম্ভ।
শুদ্ধ বানান: আরম্ভ।
অর্থ: শুরু।
• অশুদ্ধ বানান - 'জাজ্জ্বল্যমান'।
- এর শুদ্ধ বানান - 'জাজ্বল্যমান'।
এর অর্থ:
- অতিশয় উজ্জ্বল।
• অশুদ্ধ বানান - আশ্বস্থ।
- এর শুদ্ধ বানান - আশ্বস্ত।
শব্দের অর্থ:
- ভরসাপ্রাপ্ত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• উপরিউক্ত বাক্যগুলো অশুদ্ধ।
অশুদ্ধ বাক্য: পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণীয়মান।
শুদ্ধ বাক্য: পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান।
অশুদ্ধ বাক্য: এটা অপক্ক হাতের লেখা।
শুদ্ধ বাক্য: এটা কাঁচা হাতের লেখা।
অশুদ্ধ বাক্য: সকল আলেমগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
শুদ্ধ বাক্য: সকল আলেম সভায় উপস্থিত ছিলেন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• তৎসম শব্দে 'প্র, পরি, নির' প্রভৃতি উপসর্গের পর কতকগুলো শব্দের 'দন্ত্য- ন' পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য- ণ' হয়।
যেমন- প্রণব, প্রণয়, প্রণাম, প্রয়াণ, প্রাণ, প্রণোদন ইত্যাদি।
• সে অনুসারে, 'প্রয়ান' এর শুদ্ধ বানান হবে- 'প্রয়াণ'।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
• জ্ঞ যুক্তাক্ষরে জ্ + ঞ- এই দুটি বর্ণ রয়েছে।
∴ জ্ঞান শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ- জ্ + ঞ।
• জ্ঞ (জ্ + ঞ) যুক্তবর্ণ দিয়ে গঠিত কিছু বাংলা শব্দ:
- বিজ্ঞান, সংজ্ঞা, অভিজ্ঞ, যজ্ঞ, প্রজ্ঞা, অজ্ঞ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান: শুশ্ৰূষু।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
- সেবা করতে ইচ্ছুক; সেবক।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• শুদ্ধ বানান - রীতিনীতি।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- এটি সংস্কৃত শব্দ।
শব্দের অর্থ:
- আচার-আচরণ।
- প্রথা, রেওয়াজ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• অশুদ্ধ বাক্য: আমি সাক্ষী দিব না।
• শুদ্ধ বাক্য: আমি সাক্ষ্য দিব না।
অন্যদিকে,
- মুমূর্ষু রোগীকে শুশ্রূষা কর।
- তোমার তিরস্কার বা পুরস্কার কিছুই চাই না।
- অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
- বাক্যগুলো শুদ্ধ।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি- ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন, বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
- ভুল বানানটি হলো ছান্দসীক।
- এর সঠিক বানানটি হবে ছান্দসিক।
- যার অর্থ ছন্দবিষয়ে জ্ঞানসম্পন্ন বা ছন্দবিষয়ক।
উৎসঃ প্রমিত বাংলা বানান রীতি ও বাংলা একাডেমির অভিধান।
• শুদ্ধ বানান- দুর্গ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ।
অর্থ:
- পরিখা বা প্রাচীরবেষ্টিত সংরক্ষিত কেল্লা।
অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ: নিক্বণ, দিশারি, নভশ্চর।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা বাংলা ভাষারই দুটো রীতি । তাই একই রচনায় সাধু ও চলিত ভাষার সংমিশ্রণ অসংগত ও অশুদ্ধ।
ভাষারীতির এ অশিষ্ট প্রয়োগকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে।
শবপোড়া (অশুদ্ধ) - শবদাহ (শুদ্ধ)
ঘোড়ারশকট (অশুদ্ধ) - ঘোড়ারগাড়ি (শুদ্ধ)
মড়াদাহ (অশুদ্ধ) - মড়াপোড়া (শুদ্ধ)
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• শুদ্ধ বানান - 'বন্দ্যোপাধ্যায়'
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: বন্দ্য + উপাধ্যায়।
অর্থে:
- পদবিবিশেষ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'তা' এবং 'ত্ব' হল বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়।
যা কেবল বিশেষণবাচক শব্দকে বিশেষ্য করে।
তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে তা বা 'ত্ব' যুক্ত করলে ভুল হবে।
প্রশ্নের সঠিক শব্দ - স্বতন্ত্রতা/স্বাতন্ত্র্য।
প্রশ্নের অন্যান্য অপশনগুলোর সঠিক উত্তর -
ঐক্য/একতা
পুরুষত্ব/পৌরুষ।
সখ্য।
উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- প্রদত্ত অপশনগুলোতে, 'গরুর খাঁটি দুধ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।' বাক্যটি সঠিক।
- 'ছেলেটি ভয়ানক মেধাবী।' বাক্যটি শুদ্ধরূপ হবে ছেলেটি অত্যন্ত মেধাবী।
- 'বিপদগ্রস্থকে সাহায্য কর।' বাক্যটির শুদ্ধরূপ হবে বিপদগ্রস্তকে সাহায্য কর।
- 'সকল আলেমগণ আজ উপস্থিত' বাক্যটি বাহুল্য দোষে দুষ্ট। এর শুদ্ধরূপ হবে 'সকল আলেম আজ উপস্থিত' বা 'আলেমগণ আজ উপস্থিত'।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ও ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• “রচনাটির উৎকর্ষতা অনস্বীকার্য।"- বাক্যটি প্রত্যয়ের ভুল প্রয়োগের কারণে অশুদ্ধ।
• প্রত্যয়ের ভুল প্রয়োগ:
- “রচনাটির উৎকর্ষতা অনস্বীকার্য” অশুদ্ধ কারণ এখানে ‘উৎকর্ষ’ (বিশেষ্য) শব্দের সাথে অতিরিক্ত ‘-তা’ প্রত্যয় সংযোজন করা হয়েছে, যা প্রত্যয়জনিত অশুদ্ধি।
- অর্থাৎ, ‘উৎকর্ষ’ ইতিমধ্যেই একটি পূর্ণ বিশেষ্য পদ যার অর্থ ভালো গুণ বা উৎকর্ষতা বোঝায়, তাই পুনরায় ‘-তা’ যোগ করার কোনো প্রয়োজন নেই।
- সঠিক রূপ হলো: “রচনাটির উৎকর্ষ অনস্বীকার্য”, এখানে বিশেষ্য ‘উৎকর্ষ’ যথাযথভাবে ব্যবহার হয়েছে।
---------------------------------------
• প্রত্যয়ের ভুল প্রয়োগের কারণে কিছু অশুদ্ধ — শুদ্ধ রূপ
অশুদ্ধ — ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল।
শুদ্ধ — ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।
অশুদ্ধ — সৌজন্যতার জন্য অর্থের প্রয়োজন হয় না।
শুদ্ধ — সৌজন্যের / সৌজন্যবোধের জন্য অর্থের প্রয়োজন হয় না।
অশুদ্ধ — দুর্বলতবশত সে আসতে পারেনি।
শুদ্ধ — দুর্বলতাবশত সে আসতে পারেনি।
অশুদ্ধ — ইহার আবশ্যক নেই।
শুদ্ধ — ইহার আবশ্যকতা নেই।
অশুদ্ধ — তাহার সৌন্দর্যতাবোধ আমাকে অভিভূত করেছে।
শুদ্ধ — তার সৌন্দর্যবোধ আমাকে অভিভূত করেছে।
অশুদ্ধ — ছেলেটি অহর্নিশি তার মাকে জ্বালাতন করে।
শুদ্ধ — ছেলেটি অহর্নিশ তার মাকে জ্বালাতন করে।
অশুদ্ধ — তার সাংঘাতিক আনন্দ হলো।
শুদ্ধ — তার অপরিসীম আনন্দ হলো।
অশুদ্ধ — মহাসমারোহে প্রধান অতিথিকে সুস্বাগত জানানো হল।
শুদ্ধ — মহাসমারোহে প্রধান অতিথিকে স্বাগত জানানো হল।
অশুদ্ধ — মিছিল করার জন্য সবাই একত্রিত হলো।
শুদ্ধ — মিছিল করার জন্য সবাই একত্র হলো।
অশুদ্ধ — সৌজন্যতা বজায় রাখা উচিত।
শুদ্ধ — সৌজন্য বজায় রাখা উচিত।
অশুদ্ধ — ঘটনাটি প্রমাণ হয়েছে।
শুদ্ধ — ঘটনাটি প্রমাণিত হয়েছে।
অশুদ্ধ — বাহুল্যতা পরিহার করা উচিত।
শুদ্ধ — বাহুল্য পরিহার করা উচিত।
অশুদ্ধ — মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠতর সন্তান।
শুদ্ধ — মুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান।
অশুদ্ধ — ঐক্যতার ভিত্তিতে কাজটি সম্পাদিত হয়েছে।
শুদ্ধ — ঐক্যের ভিত্তিতে কাজটি সম্পাদিত হয়েছে।
অশুদ্ধ — সে সমৃদ্ধশালী পরিবারের সন্তান।
শুদ্ধ — সে সমৃদ্ধ পরিবারের সন্তান।
অশুদ্ধ — লোকটির পোশাকে দারিদ্র্যতার ছাপ স্পষ্ট।
শুদ্ধ — লোকটির পোশাকে দারিদ্র্যের ছাপ স্পষ্ট।
উৎস:
বাংলা ভাষা ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
- অগ্রহায়ন বানানটি সঠিক নয়। এর শুদ্ধরূপ হবে অগ্রহায়ণ।
- ঋ, র, ষ এর পরে স্বরধ্বনি, হ, য়, ব, ং, ক-বর্গীয় এবং প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে পরবর্তী দন্ত ন মূর্ধন্য ণ হয়। যেমন-
• অভ্যন্তরীণ,
• পসারিণী,
• অগ্রহায়ণ,
• রূপায়ণ,
• প্রণয়ন,
• কৃপণ,
• গৃহিণী,
• নিরীক্ষণ,
• ক্ষণজীবী ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
• শুদ্ধ বাক্য: অনাবশ্যক ব্যাপারে কৌতূহল ভালো নয়।
অন্যদিকে,
- ভুল বাক্য: পূর্বদিকে সূর্য উদয় হয়।
- শুদ্ধ বাক্য: পূর্বদিকে সূর্য উদিত হয়।
- অশুদ্ধ বাক্য: অন্নাভাবে প্রতি ঘরে ঘরে হাহাকার।
- শুদ্ধ বাক্য: অন্নাভাবে ঘরে ঘরে হাহাকার।
- অশুদ্ধ বাক্য: মেয়েটি সুকেশা ও সুহাসি।
- শুদ্ধ বাক্য: মেয়েটি সুকেশী ও সুহাসিনী।
উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।