বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

রাষ্ট্র ও নাগরিক সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন৫৯এই পাতা৫৯প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

রাষ্ট্র ও নাগরিক সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা / · ৫৯ / ৫৯

.
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট সদস্য কত জন?
  1. ৭৫জন
  2. ১০০জন
  3. ৪৩৫জন
  4. ৫৩৫জন
সঠিক উত্তর:
১০০জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০জন
ব্যাখ্যা
মার্কিন সিনেট 
- মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ বা দ্বিতীয় কক্ষের নাম হলো সিনেট।
- সিনেটকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যসমূহের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রীয় নীতি অনুযায়ী কেন্দ্রিয় আইনসভা দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট হয়।
- নিম্নকক্ষকে জনসাধারণের এবং উচ্চকক্ষকে অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি রূপে গণ্য করা হয়।
- মার্কিন সিনেট কেন্দ্রিয় আইনসভার উচ্চকক্ষ এবং সেই হিসেবে এই কক্ষকে অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ বলা হয়।

সিনেটের সদস্য সংখ্যা
- মার্কিন অঙ্গরাজ্যসমূহের আয়তন ও লোকসংখ্যার তারতম্য থাকলেও প্রত্যেক অঙ্গরাজ্য থেকে সিনেটে দুই জন করে সদস্য নির্বাচিত হয় ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোট অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা হলো ৫০টি।
- ফলে সিনেটে মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ১০০।

উৎস- ব্রিটানিকা।
.
রাষ্ট্রের মূল উপাদান নয় -
  1. জনসমষ্টি
  2. সার্বভৌমত্ব
  3. সরকার
  4. শিক্ষা
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্র গঠনের উপাদান:
- বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রদত্ত রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের কয়েকটি উপাদান লক্ষ্য করা যায়।
- রাষ্ট্রের মূল উপাদান চারটি।
- এগুলো হল- জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখন্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব।
- এদের যেকোন একটি অনুপস্থিত থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হওয়া সম্ভব নয়।

অন্যদিকে, 
- জনগণের সার্বিক কল্যাণে রাষ্ট্র নানাবিধ কাজ করে থাকে যে গুলোকে রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কাজ বা কল্যাণমূলক কাজ বলা হয়।
- শিক্ষার বিস্তার বা স্বাস্থ্য সেবা দান হচ্ছে তত্ত্বগতভাবে ঐচ্ছিক কাজ।
- বর্তমানে কালে অবশ্য এই কাজগুলো রাষ্ট্রের জন্য অবশ্যপালনীয় হিসাবে বিবেচিত।

উৎস:  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
'বজ্র ড্রাগনের দেশ' নামে পরিচিত -
  1. সৌদি আরব
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. ভুটান
  4. নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
• ভুটান 
- ভুটান দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাজতন্ত্র।
- ভুটানের অধিবাসীরা নিজেদের দেশকে মাতৃভাষা জংখা ভাষায় 'দ্রুক ইয়ুল' বা 'বজ্র ড্রাগনের দেশ' নামে ডাকে।
- দেশটি ভারতীয় উপমহাদেশে হিমালয় পর্বতমালার পূর্বাংশে অবস্থিত।
- ভুটান ধূমপান নিষিদ্ধ করার জন্য বিশ্বের প্রথম দেশ।
- ভুটানের ২০১০ সালের তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে প্রকাশ্যে ধূমপান করা বা তামাক বিক্রি করা আইনত অবৈধ হয়েছে।

উৎসঃ LIVE MCQ লেকচার।
.
নিচের কোন দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা বিদ্যামান রয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. মালদ্বীপ
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা: 
- রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে।
- এবং তিনি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
- এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একই সঙ্গে রাষ্ট্রের প্রধান (Head of State)।
- এবং সরকার প্রধান (Head of Government) হিসেবে কাজ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্র, মালদ্বীপ ও ইন্দোনেশিয়ায় এ পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা রয়েছে।
 
উৎস:  Britannica.
.
কোন শাস্ত্র পাঠ করে নাগরিকতা, রাজনীতি ও রাষ্ট্র সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায়?
  1. অর্থনীতি
  2. নীতিশাস্ত্র
  3. সমাজবিজ্ঞান
  4. পৌরনীতি ও সুশাসন
সঠিক উত্তর:
পৌরনীতি ও সুশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরনীতি ও সুশাসন
ব্যাখ্যা
পৌরনীতি ও সুশাসন:
- এটি এমন একটি শাস্ত্র যা নাগরিকতা, রাজনীতি, রাষ্ট্র এবং সুশাসন সম্পর্কিত বিভিন্ন ধারণা, তত্ত্ব এবং বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করে।
- এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, আইন, শাসনব্যবস্থা এবং নাগরিক অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জ্ঞান প্রদান করে।
- নাগরিক জীবন ও রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সুশৃঙ্খল জ্ঞান লাভ করতে পৌরনীতি ও সুশাসন পাঠের বিকল্প নেই।
- এর মাধ্যমে নাগরিকের চিন্তাধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসে রাষ্ট্র সম্পর্কিত সঠিক ধারণা জাগ্রত হয়।

অন্যদিকে,
- সমাজবিজ্ঞান সমাজ ও সামাজিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে।
- অর্থনীতি সম্পদ উৎপাদন, বণ্টন ও ব্যবহার নিয়ে কাজ করে।
- নীতিশাস্ত্র নৈতিক মূল্যবোধ ও আদর্শ নিয়ে আলোচনা করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি নাগরিকের রাজনৈতিক অধিকার?
  1. ব্যবসা পরিচালনা
  2. মুনাফা লাভ
  3. ব্যাংক ঋণ গ্রহণ
  4. ভোটাধিকার
সঠিক উত্তর:
ভোটাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোটাধিকার
ব্যাখ্যা
ভোটাধিকারের ভিত্তি: 
- ভোটাধিকার নাগরিকদের শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক অধিকার।
- ভোটাধিকারের ভিত্তি বা শর্ত হল বয়স, নারী-পুরুষ, সম্পত্তি, বাসস্থান, শিক্ষা, মানসিক ও নৈতিক অবস্থা ইত্যাদি।
- কোন কোন দেশে নারীদের ভোটাধিকার দেওয়া হয় না।
- বাংলাদেশে ১৮ বছর বয়সে ভোটার হতে পারে।
- ভোটদানের পদ্ধতি দু'টি-
- (ক) প্রকাশ্য ভোটদান ও (খ) গোপন ভোটদান।

উৎস: পৌরনীতি, এইচ এসসি,প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে কত সালে?
  1. ১৯২০ সালে
  2. ১৮০০ সালে
  3. ১৮৯০ সালে
  4. ১৮৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

• ভোটাধিকার:
- প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকদের ভোটাধিকার একটি মৌলিক অধিকার।
- আব্রাহাম লিংকন এর মতে 'The ballot is stronger than bullet '।
- EVM - Electronic Voting Machine ।
- নারীরা প্রথম ভোটাধিকার পায় ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডে ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার পায় ১৯২০ সালে।
- মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বাহরাইন এর নারীরা ভোটাধিকার পায় ২০০২ সালে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং দৈনিক ইত্তেফাক।

.
আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?
  1. এরিস্টটল
  2. টমাস হবস
  3. সক্রেটিস
  4. ম্যাকিয়াভেলি
সঠিক উত্তর:
ম্যাকিয়াভেলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাকিয়াভেলি
ব্যাখ্যা

 রাষ্ট্রবিজ্ঞান:
- রাষ্ট্রের কার্যক্রম, রাষ্ট্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং সমস্যা সমাধানের জন্য রাষ্ট্রীয় সংগঠনের সুসংবদ্ধ অধ্যয়নকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান সরকারের মূলনীতি ও রাষ্ট্রের মূলভিত্তি নিয়ে আলোচনা করে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান রাষ্টীয় সংগঠন, শাসনব্যবস্থা, রাষ্ট্রের উদ্ভব ও বিকাশ, আন্ত:রাষ্ট্রীয় কার্যকলাপ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।
- প্লেটোর ন্যায় এরিস্টটল নীতিশাস্ত্র ও রাষ্ট্রনীতির মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের উপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন।
- এরিস্টটল বিশ্বাস করতেন, একমাত্র রাষ্ট্রের মাধ্যমেই মানুষ সর্বোৎকৃষ্ট নৈতিক জীবন যাপন করতে সক্ষম।  

উল্লেখ্য -
- এরিস্টটলকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক হিসেবে ইতালীয় দার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলিকে বিবেচনা করা হয়। 

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি কোনটি?
  1. কারেন
  2. রেড ইন্ডিয়ান
  3. টোডা
  4. জুলু
সঠিক উত্তর:
জুলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলু
ব্যাখ্যা
জুলু জনগোষ্ঠীঃ
- জুলু জাতির জনক হিসেবে অভিহিত করা হয় জুলু কন্টেভেলাকে, যিনি ১৭০৯ সালে জুলু জাতির গোড়া পত্তন করেন।
- তখন এই প্রদেশটিতে অনেক ক্ষুদ্র-ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বসতি ছিল। তাদের নাম ছিল উনগুনি বা ইমজি।
- জুলু জনগোষ্ঠীর ভাষা হলো ‘জুলু বা ইসিজুলু’, যা বান্টু ভাষা গোষ্ঠীর অন্তর্গত। আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে জুলু ভাষা হলো বান্টু ভাষার উনগুনি উপগোষ্ঠীর ভাষাশ্রেণির অন্তর্গত।
- জুলু দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে বেশি মানুষের কথিত ভাষা।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রায় অর্ধেক মানুষ এই ভাষায় কথা বলে।
- দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি হলো জুলু জাতি। 
-জুলুদের অনেকে আবার ইংরেজি, পর্তুগিজ ইত্যাদি ভাষায় কথা বলে, যার সবগুলো দক্ষিণ আফ্রিকার দাপ্তরিক ভাষার অর্ন্তগত।

 উৎসঃ ব্রিটানিকা। 
১০.
নিচের কোন দেশটিতে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থা রয়েছে? 
  1. পাকিস্তান 
  2. ভারত
  3. মালদ্বীপ
  4. ভুটান 
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা:
- রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে।
- এবং তিনি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
- এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একই সঙ্গে রাষ্ট্রের প্রধান (Head of State)।
- এবং সরকার প্রধান (Head of Government) হিসেবে কাজ করেন।
-রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, মালদ্বীপ ও ইন্দোনেশিয়ায় এ পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা রয়েছে।
- পাকিস্তান ,ভারত, পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী শাসিত রাষ্ট্রব্যবস্থা।

উৎস: Britannica.

১১.
রাষ্ট্র গঠনে সর্বাপেক্ষা মূল্যবান উপাদান কোনটি?
  1. সরকার
  2. নির্দিষ্ট ভূখন্ড
  3. জনসমষ্টি
  4. সার্বভৌমত্ব
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্র গঠনে সর্বাপেক্ষা মূল্যবান উপাদান হচ্ছে সার্বভৌমত্ব। 

- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আলােচ্য বিষয়সমূহের মধ্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়।
- যে চারটি উপাদানের সমন্বয়ে রাষ্ট্র গঠিত, তাদের মধ্যে সার্বভৌমত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযােগ্য উপাদান।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রকৃতি ও স্বরূপ বহুলাংশে সার্বভৌম ক্ষমতার প্রকৃতি ও অবস্থানের ওপর নির্ভর করে।
- সরকারকে যদি রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক বলে উল্লেখ করা হয় তাহলে সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের প্রাণ।
- সার্বভৌমিকতা বলতে রাষ্ট্রের চূড়ান্ত ক্ষমতা কে বোঝায়।
- এই সার্বভৌমিকতার নির্দেশে-ই হলো আইন, যাকে আমরা অমান্য করতে পারবোনা।
- সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের চরম অসীম অবিভাজ্য ও অহস্তান্তরযোগ্য ক্ষমতা।

উৎস: রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
"ভিজিএফ" কর্মসূচির অধীনে কোন ধরনের সহায়তা প্রদান করা হয়?
  1. দারিদ্র্য হ্রাস করা
  2. খাদ্য সহায়তা
  3. আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ভিজিএফ কর্মসূচি: 
- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
- দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
- মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
- উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা,
- বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩.
” বিকৃত সরকার হলো স্বৈরতন্ত্র, ধনতন্ত্র ” -উক্তিটি কার?
  1. জন লক
  2. ক্লিস্টেনস
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. এরিস্টটল
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিস্টটল
ব্যাখ্যা

গণতন্ত্র:
- গণতন্ত্রের জনক -ক্লিস্টেনস।
- আধুনিত গণতন্ত্রের জনক – জন লক।
- আব্রাহাম লিংকন এর মতে 'Democracy is a government of the people, by the people and for the people'।
- গ্রিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এরিস্টটল এর মতে, রাজতন্ত্র বা অভিজাততন্ত্র হলো স্বাভাবিক সরকার।
-  এরিস্টটল এর মতে ” বিকৃত সরকার হলো স্বৈরতন্ত্র, ধনতন্ত্র ” ।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১৪.
’ইপিআই কর্মসূচি’ কীসের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. শিক্ষা
  2. বানিজ্য
  3. কর্মসংস্থান
  4. টিকাদান
সঠিক উত্তর:
টিকাদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিকাদান
ব্যাখ্যা
ইপিআই কর্মসূচি:
- ইংরেজি: Expanded Program on Immunization সংক্ষেপে EPI
- এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত টিকাদান কর্মসূচি যার লক্ষ্য সারা পৃথিবীর সকল শিশুকে এ কর্মসূচির অধীন নিয়ে আসা।
- এটি শিশুর স্বাস্থ ও টিকাদান কর্মসূচি।
- নির্ধারিত দিনে টিকাদান কেন্দ্রে অথবা হাসপাতালে ০-১১ মাস বয়সি শিশুদের নিয়ে আসতে হয়।
- অতঃপর কর্মসূচি অনুযায়ী (প্রাপ্যতা অনুযায়ী) যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, ধনুষ্টংকার, হুপিংকাশি, পোলিও, হেপাটাইটিস বি, হিমো-ইনফ্লুয়েঞ্জা বি, হাম ও রুরেলা ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫.
'এককেন্দ্রিক সরকার' বলতে কী বোঝায়?
  1. যেখানে সরকারের ক্ষমতা বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত থাকে
  2. যেখানে প্রতিটি প্রদেশের আলাদা সরকার থাকে
  3. যেখানে সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে
  4. যেখানে শাসন ব্যবস্থা একাধিক সরকার দ্বারা পরিচালিত হয়
সঠিক উত্তর:
যেখানে সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেখানে সমস্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে
ব্যাখ্যা
• ক্ষমতা বন্টনের নীতির ভিত্তিতে সরকার:

এককেন্দ্রিক সরকার:
যে শাসন ব্যবস্থায় সাংবিধানিকভাবে সকল ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে এবং একটি কেন্দ্র থেকে সকল ক্ষমতা পরিচালিত হয়, তাকে এককেন্দ্রিক সরকার বলে। যেমন: ফ্রান্স, বাংলাদেশ, জাপান, ইতালি ইত্যাদি।

যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার:
যখন কতিপয় স্বাধীন রাষ্ট্র পরস্পর বিচ্ছিন্ন না হয়ে পারস্পারিক চুক্তির মাধ্যমে স্বাধীন সার্বভৌম কর্তৃত্বের অধীনে ঐক্যবদ্ধভাবে নতুন রাষ্ট্র গঠন করে, তাকে যুক্তরাষ্ট্র বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার একটি দ্বৈত সরকার। একসাথে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার বিদ্যমান। যেমন: ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর পৌরনীতি ও সুসাশন বই, ব্রিটানিকা।
১৬.
নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের কী বলা হয়?
  1. আফ্রিদি
  2. টোডা
  3. মাওরি
  4. রেড ইন্ডিয়ান
সঠিক উত্তর:
মাওরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওরি
ব্যাখ্যা
•উপজাতি:
উইঘুর—চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী তুর্কি বংশোদ্ভূত মুসলিম সম্প্রদায়।
কারেন – স্বাধীনতাকামী মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী উপজাতি।
গুর্খা – নেপালের যোদ্ধা জাতি।
টোডা - বহুস্বামী বিবাহ ভিত্তিক পরিবার দক্ষিণ ভারতীয় এই উপজাতিদের।
পশতুন – আফগানিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী।
এক্সিমো – সাইবেরিয়া রাশিয়া অঞ্চলে বসবাস। কুকুর চালিত স্লেজ গাড়ি - ব্যবহার করে।
পিগমি – পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকার উপজাতি।
জুলু – দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি।
রেড ইন্ডিয়ান - আমেরিকার আদিবাসী।
মাওরি- নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি.কম। 
১৭.
সর্বপ্রথম কোন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী রাষ্ট্রের ৪ টি মৌলিক উপাদান এর কথা বলেছেন?
  1. অধ্যাপক গার্নার
  2. উড্রো উইলসন
  3. অ্যারিস্টটল
  4. ম্যাকিয়া ভ্যালি
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক গার্নার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক গার্নার
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র ও তার উপাদান
- অধ্যাপক গার্নার বলেছেন – “রাষ্ট্র হল অল্প বিস্তর বা বহু সংখ্যক ব্যক্তি নিয়ে গঠিত একটি জন সমাজ ,যার নির্দিষ্ট ভূখন্ডে তারা স্থায়ীভাবে বসবাস করে, বহিশক্তির নিয়ন্ত্রণ মুক্ত, যার একটি সরকার আছে, যার প্রতি সমগ্র অধিবাসী আনুগত্য প্রকাশ করে।”

- গার্নার এর এই সংজ্ঞা অনুসারে, রাষ্ট্রের মৌলিক উপাদান ৪ টি ।যথা:
১. নির্দিষ্ট ভূ-খণ্ড
২. জনসমষ্টি
৩. সরকার;
৪. সার্বভৌমত্ব।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ .এস.সি প্রোগ্রাম, বাউবি।
১৮.
ফোকেটিং কোন দেশের আইনসভা?
  1. ডেনমার্ক
  2. বেলজিয়াম
  3. নরওয়ে
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
•ডেনমার্ক:
- ইউরোপের উত্তর-পশ্চিমের দেশ ডেনমার্ক।
- ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিকভাবে ডেনমার্ক স্ক্যান্ডিনেভীয় একটি অংশ।
- দেশটির রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর কোপেনহেগেন।
- এছাড়া আরাফাস, আলব্রোগা দেশটির বৃহত্তম শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- ডেনমার্কের আয়তন ৪২,৯২৪ বর্গকিলোমিটার।
- ডেনমার্কের রাষ্ট্র ভাষা 'ডেনীয়'।
- ডেনমার্কের বর্তমান জাতীয় পতাকা ১২১৯ সাল থেকে প্রচলিত।
- ডেনমার্কের  আইনসভার নাম ফোকেটিং। 

উৎস: Britannica.com 
১৯.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে কত সালে?
  1. ১৮৯৩ সালে
  2. ১৯০১ সালে
  3. ১৯২০ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২০ সালে
ব্যাখ্যা
নারীদের ভোটাধিকারঃ
- ১৮৯৩ সালে বিশ্বে প্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে। তবে সে সময় নারীরা ভোটাধিকার পেলেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারতেন না।
- ১৯ মে ১৯১৯ যুক্তরাষ্ট্রের  আইনসভার নিম্নকক্ষ হাউজ অভ রেপ্রেজেন্টেটিভ্‌স এ নারীদের ভোটাধিকারের জন্য সংবিধান সংশোধন বিলটি পাশ হয়। 
- অবশেষে ১৯২০ সালে ৩৬ তম রাজ্য হিসেবে টেনিসি বিলটিতে সমর্থন করার মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠা পায় আমেরিকায় নারীদের ভোটাধিকার।
- আমেরিকার ইতিহাসে এটা ছিল ১৯ তম সংবিধান সংশোধন।

তথ্যসূত্র-ব্রিটানিকা।
২০.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল নীতি কী?
  1. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
  2. আঞ্চলিক আধিপত্য
  3. উন্নয়ন সহযোগিতা বৃদ্ধি
  4. সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়
সঠিক উত্তর:
সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল নীতি:
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো "সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়"
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালে সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এই নীতির মূল লক্ষ্য হলো শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বহির্বিশ্বে ইতিবাচক সম্পর্ক স্থাপন করা।
- পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশ কোনো ধরনের শত্রুতার নীতি গ্রহণ করে না এবং জাতীয় স্বার্থে কারো পক্ষ নেওয়ার পরিবর্তে নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখে।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় সার্ক (SAARC), বিমসটেক (BIMSTEC), এবং অন্যান্য আঞ্চলিক জোটের মাধ্যমে উন্নয়ন এবং সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করে।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির এই নীতি দেশটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক স্থাপন ও উন্নয়নে একটি সুসংহত কাঠামো প্রদান করে।
- এই নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি শান্তিপ্রিয়, নিরপেক্ষ এবং সহযোগিতামূলক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২১.
রাষ্ট্র গঠনের উপাদান কয়টি?
  1. ৫ টি
  2. ৪ টি
  3. ৭ টি
  4. ৩ টি
সঠিক উত্তর:
৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ টি
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রে ধারণা: 
- প্রাচীনকালে গ্রীক দার্শনিকগণ 'রাষ্ট্র' অর্থে পোলিস (Polis) কথাটি ব্যবহার করতেন।
- রোমান দার্শনিকগণ 'রাষ্ট্র' বোঝাতে 'সিভিটাস' (Civitas) কথাটি ব্যবহার করতেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন বলেন, "রাষ্ট্র হচ্ছে আইনের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট ভূ-খন্ডে সংগঠিত একটি জনসমাজ।
- " অধ্যাপক জেমস গার্নার রাষ্ট্রের একটি সুন্দর ও গ্রহনযোগ্য সংজ্ঞা প্রদান করেছেন।
- তিনি বলেন, "সুনির্দিষ্ট ভূখন্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশক্তির নিয়ন্ত্রনমুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।"
- রাষ্ট্রের চারটি উপাদান থাকে।
- যথা- (১) জনসমষ্টি, (২) ভূ-খন্ড, (৩)সরকার ও (৪) সার্বভৌমত্ব।

 উৎস: পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
নিচের কোন দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা রয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. মালদ্বীপ
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা: 
- রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে।
- এবং তিনি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
- এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি একই সঙ্গে রাষ্ট্রের প্রধান (Head of State)।
- এবং সরকার প্রধান (Head of Government) হিসেবে কাজ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্র, মালদ্বীপ ও ইন্দোনেশিয়ায় এ পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা রয়েছে।
 
উৎস:  Britannica.

২৩.
'ভিজিডি’ কর্মসূচির লক্ষ্য কী?
  1. পল্লী বিদ্যুতায়ন কর্মসূচি
  2. গৃহঋণ বিতরণ
  3. দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা
  4. দুঃস্থ পুরুষদের খাদ্য সহায়তা
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা
ব্যাখ্যা
ভিজিডি কর্মসূচি:
- ভিজিডি কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের একটি সর্ববৃহৎ সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি।
- দুঃস্থ ও অসহায় এবং শারীরিকভাবে সক্ষম মহিলাদের উন্নয়ন স্থায়ীত্বের জন্য খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি,
- তাদের স্বাবলম্বী/আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে উন্নয়ন প্যাকেজ সেবার আওতায় নির্বাচিত এনজিওর মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই কর্মসূচির উপকারভোগীরা ১০০% মহিলা।
- ভিজিডি’ কর্মসূচি দুঃস্থ মহিলাদের খাদ্য সহায়তা।

অপরদিকে,
- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি,
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
- দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
- মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
- উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৪.
স্যাটেলাইট রাষ্ট্র বলতে কী বোঝায়?
  1. পরমাণু অস্ত্রের মালিকানাধীন রাষ্ট্র
  2. সামরিক শক্তিতে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র
  3. শক্তিশালী রাষ্ট্র দ্বারা প্রভাবিত দুর্বল রাষ্ট্র
  4. তথ্য প্রযুক্তিতে উন্নতশীল রাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী রাষ্ট্র দ্বারা প্রভাবিত দুর্বল রাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী রাষ্ট্র দ্বারা প্রভাবিত দুর্বল রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
স্যাটেলাইট রাষ্ট্র (Satellite State):
- কোনো বৃহৎ রাষ্ট্রের অর্থনীতি ও রাজনীতি দ্বারা অন্য কোনো রাষ্ট্র (বিশেষত,দুর্বল ও ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলো) কিংবা রাষ্ট্রের অর্থনীতি এবং রাজনীতি প্রভাবিত হয় তাহলে প্রভাবিত সেই রাষ্ট্র গুলোকে Satellite State বা পোষ্য রাষ্ট্র বলে।
(A satellite state is a political term for a country that is formally independent, but under heavy political, economic, and military influence or control by another country.)
- স্যাটেলাইট রাষ্ট্রগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হলেও তারা মূলত শক্তিশালী রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের অধীনে থাকে।
- এই রাষ্ট্রগুলি সাধারণত শক্তিশালী রাষ্ট্রের সামরিক বা অর্থনৈতিক প্রভাবের আওতায় থাকে।

উদাহরণ:
- মিয়ানমারের রাজনীতি ও অর্থনৈতিক সিস্টেম চীনের রাজনীতি ও অর্থনীতি দিয়ে প্রভাবিত।
- পাপুয়া নিউগিনি ও নাউরু অস্ট্রেলিয়ার সিস্টেম অর্থনীতি ও রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত।
- সম্প্রতি বেলারুশ রাশিয়ার স্যাটেলাইট স্টেট হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
২৫.
কোন দেশটি ভেনিজুয়েলার প্রতিবেশী রাষ্ট্র নয়?
  1. বলিভিয়া
  2. গায়ানা
  3. ব্রাজিল
  4. কলম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
বলিভিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলিভিয়া
ব্যাখ্যা
•ভেনিজুয়েলা
- ভেনিজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত একটি দেশ।
- ভেনিজুয়েলার উত্তরে ক্যারিবিয়ান সাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর, পূর্বে গায়ানা, দক্ষিণে ব্রাজিল এবং দক্ষিণ-পশ্চিম ও পশ্চিমে কলম্বিয়া দ্বারা বেষ্টিত।
- রাষ্ট্রীয় নাম- বলিভারিয়ান রিপাবলিক অফ ভেনিজুয়েলা।
- ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাস।
- ভেনিজুয়েলাতে অবস্থিত মারাকাইবো হ্রদ দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম হ্রদ।
- ভেনিজুয়েলার দর্শনীয় অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত।

সুতরাং বলিভিয়া ভেনিজুয়েলার প্রতিবেশী রাষ্ট্র নয়।
- বলিভিয়া পশ্চিম-মধ্য দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ এবং দক্ষিণ গোলার্ধের বৃহত্তম স্থলবেষ্টিত দেশ।
- বলিভিয়ার সাথে রয়েছ ৫টি দেশের সীমানা: উত্তর ও পূর্বে ব্রাজিল; দক্ষিণ-পূর্বে প্যারাগুয়ের দ্বারা; দক্ষিণে আর্জেন্টিনা দ্বারা; দক্ষিণ-পশ্চিমে চিলি এবং উত্তর-পশ্চিমে পেরু।

উৎস- এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২৬.
'সরকার হচ্ছে রাষ্ট্রের একটি যন্ত্র বা সংস্থা'- উক্তিটি কে বলেছেন?
  1. অধ্যাপক গার্নার
  2. অধ্যাপক উইলোবি
  3. অধ্যাপক লাস্কি
  4. অধ্যাপক গেটেল
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক গেটেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক গেটেল
ব্যাখ্যা
• সরকারের ধারণা:
-
যে চারটি উপাদান নিয়ে রাষ্ট্র গঠিত হয় তার মধ্যে অন্যতম একটি উপাদান হল সরকার।
- রাষ্ট্রের কর্মকান্ড সরকারের মাধ্যমেই প্রকাশিত হয়।
- সরকার হল একটি বাস্তব রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
- একে রাষ্ট্রের মুখপাত্রও বলা হয়।
- বৃহৎ অর্থে সরকার গঠিত হয় সকল নাগরিকের সম্মতিক্রমে।
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নির্বাচকমন্ডলী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সরকার গঠন বা পরিবর্তন করে থাকে।

• অধ্যাপক জে ডব্লিউ গার্নার বলেন,
- "সরকার হচ্ছে একটি কার্য-নির্বাহী মাধ্যম বা যন্ত্র যার মাধ্যমে সরকারের সাধারণ নীতিমালা নির্ধারিত হয় এবং যার দ্বারা সাধারণ বিষয়াদি নিয়ন্ত্রিত হয় ও সাধারণ স্বার্থ রক্ষিত হয়।"

• অধ্যাপক আর জি গেটেল বলেন: "সরকার হচ্ছে রাষ্ট্রের একটি যন্ত্র বা সংস্থা।"

উৎস: পৌরনীতি, এইচ এস সি, প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
ওপেনহাইম এর মতে, আইনের উৎস কতটি?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

• আইন:
⇒ আইনের ইংরেজি প্রতিশব্দ 'Law'। সাধারণভাবে আইন বলতে আমরা সুনির্দিষ্ট নীতি ও নিয়ম কানুনকে বুঝে থাকি যা সকলের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য।
⇒ এরিস্টটল এর মতে: "সমাজের যুক্তিসিদ্ধ ইচ্ছার অভিব্যক্তিই হচ্ছে আইন।"
⇒ অধ্যাপক হল্যান্ড এর মতে, আইন হচ্ছে, "সেই সাধারণ নিয়ম যা মানুষের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রয়োগ ও বলবৎ করা হয়।"
⇒ আইনবিদ স্যামন্ড এর মতে, "আইন হলো ন্যায় প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও প্রয়োগকৃত নীতিমালা।"

• আইনের উৎসসমূহ:
আইনের উৎস ৬টি।
১) প্রথা
২) ধর্ম
৩) বিচার সংক্রান্ত রায়
৪) বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা
৫) ন্যায়বোধ
৬) আইনসভা ।

• ওপেনহাইম এর মতে আইনের উৎস ৭টি। তিনি উপরে উল্লিখিত উৎস এর সাথে, জনমত ও আইনের উৎস বলে বিবেচনা করেন।।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

২৮.
বিশ্বের কোন দেশ সর্বপ্রথম মৃত্যুদণ্ড নিষেধ করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. ওমান
  4. বাহরাইন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- ইতিহাসে সর্বপ্রথম মৃত্যুদণ্ডের বিধান রহিত করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান রাষ্ট্রে ১৮৪৬ সালে।
- এরপর ১৮৬৭ সালে ভেনিজুয়েলা এবং ১৮৭০ সালে নেদারল্যান্ডস সেই পথ অনুসরণ করে।
- ১৯৭০ এর দশকে সারা বিশ্বে শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বিলুপ্ত করার হিড়িক পড়ে যায়।
- বর্তমানে  যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, তুরস্ক, নেদারল্যান্ডস, আর্জেন্টিনা পর্তুগাল, ডেনমার্কসহ ১১২টি দেশে মৃত্যুদণ্ডের বিধান একেবারেই তুলে দেয়া হয়েছে।

উৎস: বিবিসি।
২৯.
নিচের কোনটি নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য?
  1. ভোটদান করা
  2. ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান
  3. নিয়মিত কর প্রদান
  4. আইন মেনে চলা
সঠিক উত্তর:
ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান
ব্যাখ্যা
নাগরিকের কর্তব্য:
- কর্তব্য বলতে নাগরিকের দায়িত্ব বোঝায়।
- নাগরিকগণ যেমন রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার ভোগ করে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের কর্তব্যও রয়েছে।
- নাগরিক কর্তব্য দুই ভাগে বিভক্ত।
- যথা: (ক) নৈতিক কর্তব্য (খ) আইনগত কর্তব্য।

নৈতিক কর্তব্য:
নাগরিকদের বিবেক ও সামাজিক ন্যায়বোধ থেকে সৃষ্টি হওয়া কর্তব্যকে নৈতিক কর্তব্য বলা হয়।
- ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান,
- রোগীর সেবা,
- শোকার্তকে সান্ত্বনা প্রদান,
- দুর্যোগ, মহামারী, বন্যা, খরা ও দুর্ভিক্ষের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

আইনগত কর্তব্য:
রাষ্ট্রের আইন দ্বারা আরোপিত কর্তব্যই আইনগত কর্তব্য।
- নির্বাচনে ভোটদান করা,
- আইন মেনে চলা,
- নিয়মিত কর প্রদান করা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
নাগরিকতা অর্জনের ক্ষেত্রে জন্মসূত্রে কোন দুটি নীতি অনুসরণ করা হয়?
  1. রাষ্ট্র নীতি এবং নাগরিক নীতি
  2. জন্মনীতি এবং জন্মস্থান নীতি
  3. জন্মস্থান নীতি এবং অনুমোদন নীতি
  4. অনুমোদন সূত্র এবং রাজনৈতিক নীতি
সঠিক উত্তর:
জন্মনীতি এবং জন্মস্থান নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মনীতি এবং জন্মস্থান নীতি
ব্যাখ্যা
• নাগরিকতা অর্জনের দুটি পদ্ধতি রয়েছে। যেমন-
ক) জন্মসূত্র; ও
খ) অনুমোদন সূত্র।

ক. জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি:
জন্মগ্রহণই যখন নাগরিকতা অর্জনের ভিত্তি হিসেবে ধরা হয় তখন তাকে জন্মসূত্রে নাগরিক বলা হয়। জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের ক্ষেত্রে দুটি নীতি অনুসরণ করা হয়। যথা-
১। জন্মনীতি ও
২। জন্মস্থান নীতি।

১. জন্মনীতি:
জন্মনীতি এমন একটি নীতি যেখানে নাগরিকতা প্রাপ্তি নির্ভর করে বাবা-মায়ের নাগরিকত্বের উপর। অর্থাৎ, যেই ব্যক্তির জন্ম যার নাগরিক মা-বাবার মধ্যে হবে, সে সেই দেশের নাগরিক হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন ভারতীয় নাগরিকের সন্তান যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করে, তাহলে সেই সন্তানও ভারতীয় নাগরিক হতে পারে, কারণ তার বাবা-মা ভারতীয় নাগরিক।

২. জন্মস্থান নীতি:
জন্মস্থান নীতি হলো একটি নীতি যেখানে নাগরিকতা প্রাপ্তি নির্ভর করে জন্মস্থানের উপর। অর্থাৎ, যে দেশের সীমানার মধ্যে একজন ব্যক্তি জন্মগ্রহণ করে, সে সেই দেশের নাগরিক হতে পারে, এমনকি তার বাবা-মা অন্য দেশের নাগরিক হলেও। উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন বিদেশী নাগরিকের সন্তান যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করে, তবে সেই সন্তান যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে গণ্য হবে, কারণ যুক্তরাষ্ট্রে জন্মস্থান নীতি অনুসরণ করা হয়।

খ. অনুমোদন সূত্রে নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি:
কতগুলো শর্ত পালনের মাধ্যমে এক রাষ্ট্রের নাগরিক অন্য রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করলে তাকে অনুমোদন সূত্রে নাগরিক বলা হয় । সাধারণত অনুমোদন সূত্রে নাগরিকতা অর্জনের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত পালন করতে হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩১.
কোনটি রাষ্ট্রের প্রাণস্বরূপ?
  1. জনসমষ্টি
  2. সরকার
  3. সার্বভৌমত্ব
  4. নির্দিষ্ট ভূখন্ড
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা

সার্বভৌমত্ব:
- সার্বভৌমত্ব হল রাষ্ট্রের প্রাণস্বরূপ।
- সার্বভৌমত্বের মাধ্যমেই রাষ্ট্র তার অস্তিত্ব প্রকাশ করে।
- জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখন্ড ও সরকার থাকার পরও যদি তাদের সার্বভৌমত্ব না থাকে তবে রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।
- সার্বভৌমত্ব অর্জনের জন্য অনেক সময় চরম মূল্য দিতে হয়।
- সার্বভৌমত্বের বৈশিষ্ট্য দ্বারাই অন্য সকল সংগঠন অপেক্ষা রাষ্ট্রকে আলাদা ও ক্ষমতাবান হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রের মূল উপাদান চারটি।
- এগুলো হল- জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখন্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব।
- এদের যেকোন একটি অনুপস্থিত থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হওয়া সম্ভব নয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২.
"The ballot is stronger than bullet"- উক্তিটি কে করেছেন?
  1. জন এফ. কেনেডি
  2. মার্টিন লুথার কিং
  3. আব্রাহাম লিংকন
  4. জর্জ ওয়াশিংটন
সঠিক উত্তর:
আব্রাহাম লিংকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা
ভোটাধিকার:
→ প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকদের ভোটাধিকার একটি মৌলিক অধিকার।
→ আব্রাহাম লিংকন এর মতে — The ballot is stronger than bullet.
→ EVM – Electronic Voting Machine.
→ নারীরা প্রথম ভোটাধিকার পায় ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডে।
→ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার পায় ১৯২০ সালে।
→ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বাহরাইন এর নারীরা ভোটাধিকার পায় ২০০২ সালে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩৩.
নিচের কোনটি বাফার রাষ্ট্র?
  1. কানাডা
  2. রাশিয়া
  3. ভূটান
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ভূটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূটান
ব্যাখ্যা
• বাফার স্টেট: 
- বাফার রাষ্ট্র বলতে বোঝায় এমন একটি এলাকা বা দেশ যা দুইটি শক্তিশালী ও সম্ভাব্য শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্রের সীমান্তের মাঝখানে অবস্থিত।
- বেলজিয়াম (জার্মানি-ফ্রান্সের মাঝে)।
- নেপাল ও ভুটান (ভারত-চীন)।
- এবং মঙ্গোলিয়া (চীন-রাশিয়ার মাঝে) বাফার রাষ্ট্র।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩৪.
রাষ্ট্রের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রয়োজন-
  1. সার্বভৌমত্ব
  2. সরকার 
  3. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
  4. জনসমষ্টি
সঠিক উত্তর:
সরকার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার 
ব্যাখ্যা

• সরকার:
- রাষ্ট্রের অপরিহার্য তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার।
- সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মাধ্যমে রাষ্ট্র গঠন আংশিকভাবে সম্পন্ন হয়।
- রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে- আইনবিভাগ, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগ।
- এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়।
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের সরকার গঠন করে।
- সরকার পদ্ধতি বিভিন্ন রাষ্ট্রে বিভিন্ন হতে পারে।
- সরকার বলতে ব্যাপক অর্থে শাসকগোষ্ঠীর সকলকে বোঝায়, যারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিচালনায় অংশগ্রহণ
করে। অর্থাৎ রাষ্ট্রের ক্ষমতা সরকার কর্তৃক পরিচালিত হয়।
- অধ্যাপক গার্নারের মতে, 'রাষ্ট্র যদি হয় জীবদেহ তবে সরকার হলো এর মস্তিষ্কস্বরূপ'।

• রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান রয়েছে-
(১) জনসমষ্টি
(২) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
(৩) সরকার ও
(৪) সার্বভৌমত্ব।
এই চারটি উপাদান রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য। এর কোন একটি না থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩৫.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রের উপাদান নয়?
  1. জনসমষ্টি
  2. সরকার
  3. সংবিধান
  4. সার্বভৌমত্ব
সঠিক উত্তর:
সংবিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রের উপাদান:
- সংবিধান রাষ্ট্রের উপাদান নয়।
- রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্র গঠনের ৪টি মৌলিক উপাদান পাওয়া যায়। যথা-

১. জনসমষ্টি:
- নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীই রাষ্ট্রের জনসমষ্টি।
- জনসমষ্টি ব্যতীত রাষ্ট্র কল্পনাতীত।
২. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড:
- রাষ্ট্রের অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখাসম্পন্ন ভূখণ্ড থাকতে হবে।
৩. সরকার:
- জনসমষ্টির উপর শাসনকার্য পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রে একটি সংগঠিত সরকার অপরিহার্য।
৪. সার্বভৌমত্ব:
- সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা-যা অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত সকল কর্তৃত্বের ঊর্ধ্বে।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।
- সার্বভৌমত্ব ব্যতীত কোনো রাষ্ট্র পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত হয় না।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বোর্ড বই ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬.
রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ কাকে বলা হয়?
  1.  স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম
  2. আইনসভা 
  3. বিচার বিভাগ 
  4. সুশীল সমাজ
সঠিক উত্তর:
 স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম
ব্যাখ্যা

 স্বাধীন সংবাদমাধ্যম:
- স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।
- গণমাধ্যম যখন স্বাধীন হয়, তখনই তা প্রকৃতপক্ষে জনগণের পক্ষে কথা বলতে সক্ষম হয় এবং সত্য প্রকাশের মাধ্যমে রাষ্ট্রের তিনটি স্তম্ভের ওপর নজরদারি রাখতে পারে। 
- গণমাধ্যমকে যখন কোনোভাবে দমন করা হয়, তখন সমাজে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা হ্রাস পায়, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য ক্ষতিকর।

• রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সংবাদপত্রকে সর্বপ্রথম নির্দেশ করেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টারিয়ান এডমন্ড বার্ক। তিনি ১৭৮৭ সালে হাইজ অব কমন্সের সংসদীয় বিতর্ক পর্বে প্রত্যয়টি প্রথম ব্যবহার করেন।

অন্যদিকে -
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা মূলত তিনটি স্তম্ভ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে পরিচালিত হয়।
- এই মূল ভিত্তিগুলো গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায়, ক্ষমতার সুষম বন্টন নিশ্চিত করার মাধ্যমে শাসনকার্যকে পরিচালনা করতে সার্বিক সহায়তা করে।
- স্তম্ভগুলো হলো:
১. আইন বিভাগ,
২. শাসন বিভাগ,
৩. বিচার বিভাগ।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।

৩৭.
নিচের কোনটি ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র?
  1. ইতালি
  2. ফ্রান্স
  3. রাশিয়া
  4. ক্রোয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র:
- একটি স্বাধীন দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে যদি অন্য কোন স্বাধীন দেশ অবস্থান করে, তবে তাকে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র বলে।
- পৃথিবীতে ছিদ্রায়িত রাষ্ট্র ২টি।
- এগুলো হলো ইতালি ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
 -স্যানমেরিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র ইতালির অধিভুক্ত।
- দক্ষিণ আফ্রিকার অভ্যন্তরে ‘লেসোথ’ নামের আরেকটি স্বাধীন রাষ্ট্র অবস্থিত।

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস, ব্রিটানিকা।
৩৮.
নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি কয়টি?
  1. দুটি
  2. তিনটি
  3. একটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি
ব্যাখ্যা
নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি: 
- নাগরিকতা অর্জনের দু'টি পদ্ধতি রয়েছে।
- (ক) জন্মসূত্রে নাগরিক এবং (খ) অনুমোদনসূত্রে নাগরিক।
- যারা জন্মগতভাবে কোন রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে তাদেরকে জন্মসূত্রে নাগরিক বলে।
- আর যারা কতকগুলো শর্তপূরণ করে শর্ত আরোপকারী রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে তাদেরকে অনুমোদনসূত্রে নাগরিক বলে।

• জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের পদ্ধতি: 

- জন্মসূত্রে নাগরিকতা অর্জনের ক্ষেত্রে দু'টি নীতি মেনে চলা হয়- (ক) জন্মস্থান নীতি ও (খ) জন্মনীতি।

• জন্মস্থান-নীতি:
- জন্মস্থান নীতি অনুযায়ী শিশু যে রাষ্ট্রে ভূমিষ্ট হয় সে রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন করে।
- যদি কোন রাষ্ট্রের পতাকাবাহী জাহাজ, বিমান কিংবা দূতাবাসে জন্মগ্রহণ করে তবে সে সেই রাষ্ট্রের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে।
- যেমন বাংলাদেশের কোন পিতা-মাতার সন্তান যদি কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বা তাদের পতাকাবাহী বিমান বা দূতাবাসে জন্মগ্রহণ করে তবে সে সন্তান কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হবে।
- অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নীতি অনুসরণ করে।

• জন্মনীতি:
- এই নীতি অনুযায়ী শিশু যেখানেই ভূমিষ্ট হোক না কেন, পিতা-মাতার নাগরিকতাই তার নাগরিকতা নির্ধারণ করবে।
- যেমন জাপানের কোন পিতা-মাতার সন্তান যদি রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করে তবে সেই সন্তান জাপানের নাগরিক বলে বিবেচিত হবে।
- বাংলাদেশ, ফ্রান্স, জাপান, ইতালী প্রভৃতি রাষ্ট্র জন্মনীতি মেনে চলে।

উৎস: পৌরনীতি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯.
সংবিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিকগণ কী নামে পরিচিত?
  1. বাঙালী
  2. বাংলাদেশী
  3. নাগরিক
  4. বাঙালী নাগরিক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশী
ব্যাখ্যা
নাগরিকত্ব:
- বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
- বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী।
- এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হবে।
- সংবিধানের ৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।
• নাগরিকতা অর্জনের দুটি পদ্ধতি রয়েছে-
- (ক) জন্মসূত্রে নাগরিক, (খ) অনুমোদনসূত্রে নাগরিক।
- জন্মসূত্রে নাগরিককে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- জন্মনীতি ও জন্মস্থান নীতি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান ও পৌরনীতি এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
'অসমাপ্ত আত্নজীবনী' বইটির ভূমিকা লিখেছেন কে?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. শেখ হাসিনা
  3. শেখ রেহেনা
  4. শেখ কামাল
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
অসমাপ্ত আত্মজীবনী:
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বই।
- বঙ্গবন্ধুর প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির ভূমিকা লিখেছেন শেখ হাসিনা।
- এই প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ, সাহিত্যিক এবং সাংবাদিকদের একটি দল।
- বাংলা ভাষা ছাড়াও ইংরেজি ভাষায়ও এই বইয়ের অনুবাদ হয়েছে। বাংলাদেশে এই বই প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
- এছাড়া ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে ভারতে পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া থেকে এবং পাকিস্তানে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস পাকিস্তান থেকে। এছাড়া পাকিস্তানে উর্দু ভাষাতেও এর অনুবাদ বের হবার কথা রয়েছে।
- ইংরেজিতে এই বইয়ের ভাষান্তর করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ফকরুল আলম।

উৎসঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী। 
৪১.
মেক্সিকোর ২০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট কে?
  1. ক্লদিয়া শিনবাউম
  2. শ্রীমাভো বন্দরানায়েক
  3. ইসাবেলা পেরন
  4. মেঘবতী সুকর্নপুত্রী
সঠিক উত্তর:
ক্লদিয়া শিনবাউম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লদিয়া শিনবাউম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মেক্সিকোর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট

- মেক্সিকোর প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ক্লদিয়া শিনবাউম। তিনি ক্ষমতাসীন বামপন্থী দলের প্রার্থী।
- জলবায়ুবিজ্ঞানী এবং মেক্সিকো সিটির সাবেক মেয়র শিনবাউম ৫৮ দশমিক ৩ শতাংশ থেকে ৬০ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।
- গণতান্ত্রিক মেক্সিকোর ইতিহাসে এটাই কোনো প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর সর্বোচ্চ ভোটে জয়লাভ।
- শিনবাউমের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী শোচিত গ্যালভেজ ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ২৮ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।
- ১ অক্টোবর,২০২৪ তারিখে ক্ষমতা গ্রহণ করেছেন এবং এরপর দায়িত্ব পালন করবেন পরবর্তী ছয় বছর। 

সূত্র- CNN রিপোর্ট।  
৪২.
মজলিশ-ই-শুরা কোন দেশের আইনসভা?
  1. তুরস্ক
  2. মিশর
  3. পাকিস্তান
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
♦পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় আইনসভাঃ 
- পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ভবনের নাম মজলিশ-ই-শুরা। 
- সংবিধান অনুসারে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছে।
- কেন্দ্রীয় আইনসভায় দুটি কক্ষ রয়েছে – একটি উচ্চকক্ষ এবং অন্যটি নিম্নকক্ষ।
- উচ্চকক্ষের নাম হল সিনেট এবং নিম্নকক্ষের নাম হল জাতীয় পরিষদ।

(১) উচ্চকক্ষ সিনেটের আসন সংখ্যা ১০০। এর মধ্যে ৮৮ জন চারটি প্রদেশ থেকে এবং অবশিষ্ট ১২ জন ইসলামাবাদ ও উপজাতি অধ্যুষিত অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হন। সিনেটে ২০ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হয়।
(২)  নিম্নকক্ষ জাতীয় সভার আসন সংখ্যা ৩৪২। এর মধ্যে মহিলারা অন্তত ৬০টি আসনে এবং অমুসলিমরা ১০টি আসনে নির্বাচিত হতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৩.
রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান কী?
  1. ভূখণ্ড
  2. সরকার
  3. জনসংখ্যা
  4. সার্বভৌমত্ব
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা
সার্বভৌমত্ব:
- রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান হচ্ছে সার্বভৌমত্ব।
- সার্বভৌম শব্দ দ্বারা চরম এবং চূড়ান্ত ক্ষমতাকে বোঝায়।
- সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রের গঠনের পূর্ণতা পায়।
- এই ক্ষমতা রাষ্ট্রকে অন্যান্য সংস্থা থেকে পৃথক করে।
- সার্বভৌম ক্ষমতার অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক দুটি দিক রয়েছে।
- অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রের সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা পায়।
- আর বাহ্যিক ক্ষমতা দ্বারা রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক ও বহিঃশক্তির নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত থাকবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি। 
৪৪.
যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার ব্যবস্থায় ক্ষমতা কীভাবে ভাগ করা হয়?
  1. শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে
  2. শুধুমাত্র প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে
  3. কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে
  4. কেন্দ্রীয় ও সামরিক সরকারের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা:
- আধুনিক সরকারের শ্রেণিবিভাগের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা অন্যতম।
- যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থায় এমনভাবে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টিত হয়।
- সাংবিধানিকভাবে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার নিজ নিজ শাসনকার্য পরিচালনা করে এবং কেউ কারাে কাজে হস্তক্ষেপ করে না।
- আধুনিক বিশ্বের অনেক দেশেই যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

মূল বৈশিষ্ট্য:
- কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে ক্ষমতা বণ্টিত থাকে।
- ক্ষমতা তিনটি শাখায় বিভক্ত - নির্বাহী (Executive), আইনসভা (Legislative) এবং বিচার বিভাগ (Judiciary)।
- তিনটি শাখা একে অপরের ক্ষমতা সীমিত এবং ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে পারে।
- নাগরিকদের অধিকার রক্ষা করার জন্য সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো এবং স্বাধীন বিচারব্যবস্থা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৫.
কোন উপাদান ছাড়া কোনো দেশকে রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করা যায় না?
  1. জনসমষ্টি
  2. ভূখন্ড
  3. সরকার
  4. সার্বভৌমত্ব 
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব 
ব্যাখ্যা

 ♦রাষ্ট্রের উপাদান :
- রাষ্ট্র গঠনের চারটি প্রধান উপাদান রয়েছে।
 
⇔ প্রথম উপাদান হলো জনসমষ্টি, যা রাষ্ট্র গঠনের ভিত্তি। 
- জনসমষ্টি ছাড়া কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না।
- তবে একটি রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যার নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা প্রয়োজন নেই; এটি স্বাধীনভাবে নির্ধারিত হতে পারে।

⇔ দ্বিতীয় উপাদান হলো ভূখন্ড। 
- যা জনসমষ্টিকে স্থায়ীভাবে বসবাস করার সুযোগ প্রদান করে।
- ভূখন্ড বলতে রাষ্ট্রের ভূমি, নদ-নদী, পাহাড়, পর্বত এবং সামুদ্রিক জলসীমা বোঝায়।

⇔ তৃতীয় উপাদান হলো সরকার, যা রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় এবং এটি তিন ধরনের কাজ সম্পন্ন করে :
- আইন সংক্রান্ত, শাসন সংক্রান্ত এবং বিচার সংক্রান্ত।

⇔ চতুর্থ এবং সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সার্বভৌমত্ব।
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা হিসেবে বিবেচিত হয়।
- সার্বভৌমত্ব ছাড়া কোনো দেশকে রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য করা যায় না।
- উদাহরণস্বরূপ, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের আগে বাংলাদেশের সব অন্যান্য উপাদান থাকা সত্ত্বেও সার্বভৌম ক্ষমতা না থাকায় বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃত ছিল না।

উৎস: পৌরনীতি, দ্বাদশ শ্রেণি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪৬.
’মতামত প্রকাশ’ ব্যক্তির কী ধরনের অধিকার?
  1. সামাজিক
  2. রাজনৈতিক
  3. সাংস্কৃতিক
  4. ধর্মীয়
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক অধিকার :
- রাষ্ট্রীয় কাজে সক্রিয় হওয়ার জন্য নাগরিকগণ যে সমস্ত অধিকার ভোগ করেন তাকে রাজনৈতিক অধিকার বলে।
 যেমন -
- ভোটদানের অধিকার,
- নির্বাচিত হওয়ার অধিকার,
- মতামত প্রকাশের অধিকার,
- সরকার গৃহীত ব্যবস্থার পক্ষে-বিপক্ষে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার অধিকার প্রভৃতি রাজনৈতিক অধিকার।

• সামাজিক অধিকার :
- রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত ও সংরক্ষিত সংঘবদ্ধ জীবনের অধিকারকে সামাজিক অধিকার বলে।
যেমন-
- শিক্ষার অধিকার,
- সম্পত্তি অর্জন ও ভোগের অধিকার প্রভৃতি সামাজিক অধিকার।

• সাংস্কৃতিক অধিকার-
- নিজ ভাষা, সাহিত্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও ধর্মীয় প্রথা-প্রতিষ্ঠান অনুযায়ী জীবন গঠন ও পরিচালনার অধিকারকে সাংস্কৃতিক অধিকার বলে।


উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
স্যাটেলাইট রাষ্ট্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. তথ্য প্রযুক্তিতে উন্নতশীল
  2. পরমাণু অস্ত্রের মালিকানাধীন
  3. সামরিক বা অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রভাব
  4. সামরিক শক্তি দ্বারা শাসিত রাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
সামরিক বা অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক বা অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্রের প্রভাব
ব্যাখ্যা
স্যাটেলাইট রাষ্ট্র (Satellite State):
- কোনো বৃহৎ রাষ্ট্রের অর্থনীতি ও রাজনীতি দ্বারা অন্য কোনো রাষ্ট্র(বিশেষত,দুর্বল ও ক্ষুদ্র রাষ্ট্রগুলো) কিংবা রাষ্ট্রের অর্থনীতি এবং রাজনীতি প্রভাবিত হয় তাহলে প্রভাবিত সেই রাষ্ট্র গুলোকে Satellite State বা পোষ্য রাষ্ট্র বলে। (A satellite state is a political term for a country that is formally independent, but under heavy political, economic, and military influence or control by another country.)
- স্যাটেলাইট রাষ্ট্রগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হলেও তারা মূলত শক্তিশালী রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের অধীনে থাকে।
- রাষ্ট্রগুলি সাধারণত শক্তিশালী রাষ্ট্রের সামরিক বা অর্থনৈতিক প্রভাবের আওতায় থাকে।

উদাহরণ:
- মিয়ানমারের রাজনীতি ও অর্থনৈতিক সিস্টেম চীনের রাজনীতি ও অর্থনীতি দিয়ে প্রভাবিত।
- পাপুয়া নিউগিনি ও নাউরু অস্ট্রেলিয়ার সিস্টেম অর্থনীতি ও রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত।
- সম্প্রতি বেলারুশ রাশিয়ার স্যাটেলাইট স্টেট হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৪৮.
মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী উদ্দেশ্য-
  1. মাতৃমৃত্যু হ্রাস
  2. শিশু মৃত্যু হ্রাস
  3. শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী
- মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি।
-  দরিদ্র মা,র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি ও মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি।
- এর উদ্দেশ্য মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু হ্রাস, শীর্ণকায় ও খর্বাকার শিশুর সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ।
- ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছর থেকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি শুরু করা হয়।
- বর্তমানে ৪২৬ টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান।
- এই কর্মসূচিতে একজন দরিদ্র গর্ভবতী মা প্রথম অথবা দ্বিতীয় যে কোন এক সন্তানের জন্য এই ভাতা প্রদান কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে ৩৬ মাস ৮০০ টাকা হারে ভাতা পাচ্ছে।
- প্রতিমাসে ভাতা প্রদানের পাশাপাশি মা ও শিশুর পুষ্টি, শিশুর মনো-সামাজিক বিকাশ এবং বুদ্ধি বৃত্তিক বিকাশ বিষয়ে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে বছরে ৫ দিন অংশগ্রহন করছেন। 

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
৪৯.
ভারতের পিকাসো বলা হয় কাকে?
  1. সালভেদর দালি
  2. মকবুল ফিদা হুসেন
  3. সুভাষচন্দ্র বসু
  4. ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ
সঠিক উত্তর:
মকবুল ফিদা হুসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মকবুল ফিদা হুসেন
ব্যাখ্যা
• মকবুল ফিদা হুসেন
- মকবুল ফিদা হুসেন (জন্ম: সেপ্টেম্বর ১৭, ১৯১৫; মৃত্যু: জুন ৯, ২০১১) একজন অত্যন্ত জনপ্রিয় ভারতীয় চিত্রশিল্পী।
- তিনি এম.এফ. হুসেন নামেই বেশী পরিচিত।
- চল্লিশ দশকের শেষের দিকে এম.এফ. হুসেন চিত্রশিল্পী হিসাবে প্রথম পরিচিতি লাভ করেন।
- তাঁর প্রথম একক চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫২ সালে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ শহরে।
- এর পরবতী কয়েক বছরে তাঁর চিত্রকলা ইউরোপ ও আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৯৬৬ সালে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী পদকে ভুষিত করে।
- ভারতের পিকাসো  হিসেবে ব্যাপক পরিচিত মকবুল ফিদা হুসেন। 
- এর পরের বছরই তিনি তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র থ্রু দ্য আইজ অব আ পেইন্টার নির্মাণ করেন।
- এই চলচ্চিত্রটি বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয় এবং গোল্ডেন বেয়ার পদক প্রাপ্ত হয়।
- এছাড়া তার পরিচালিত গজ গামিনী চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেত্রী মাধুরী দিক্ষিত মূল ভূমিকায় অভিনয় করেন।
- মকবুল ফিদা হুসেন৷ ২০০৬ সালে থেকে তিনি কাতারে বসবাস শুরু করেন এবং ২০১০ সালে কাতারে নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন৷
- ভারত সরকারের পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ উপাধি গ্রহণ ছাড়াও তিনি রাজ্যসভার জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫০.
প্রাচ্যের হোমার বলা হয় কাকে?
  1. হাফিজ ইব্রাহিম
  2. আবুল কাসেম ফেরদৌসী
  3. ওমর খৈয়াম
  4. জালাল উদ্দিন রুমী
সঠিক উত্তর:
আবুল কাসেম ফেরদৌসী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাসেম ফেরদৌসী
ব্যাখ্যা
• আবুল কাসেম ফেরদৌসী
- প্রাচ্যের ‘হোমার’ খ্যাত ফারসি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি আবুল কাসেম ফেরদৌসী ছিলেন ইরানের প্রাচীন ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গৌরবগাথার সার্থক রূপকার।
- যে কারণে তাঁর জীবনকাহিনী রূপকথার ন্যায় ছড়িয়ে পড়েছে।
- বিশ্ববিখ্যাত বীরত্বগাথা শাহনামা রচনার মাধ্যমে তিনি ইরানিদের জাতিসত্তা ও ফারসি ভাষার মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্যকে সংরক্ষণ করেছেন।
- তাঁর এ কালোত্তীর্ণ বীরত্বগাথা শাহনামা গ্রন্থটি পৃথিবীর প্রসিদ্ধ ভাষাগুলোতে অনূদিত হয়েছে এবং অসংখ্য সাহিত্যামোদীর মনের খোরাক যুগিয়েছে।
- আবুল কাসেম ফেরদৌসি ৯৪০ খ্রিস্টাব্দে খোরাসানের তুস নগরীর অন্তর্গত তাবরানের বায নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 

উৎসঃ আবুল কাসেম ফেরদৌসি (১৩৭৪ সৌরবর্ষ): শাহনামেয়ে ফেরদৌসি, এনতেশারাতে তুস, তেহরান, ইরান।
৫১.
'পশতুন' জাতিগোষ্ঠী কোন দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ?
  1. মঙ্গোলিয়া
  2. আফগানিস্তান
  3. তাজিকিস্তান
  4. দক্ষিণ আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী:
- মাওরী: নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী।
- উইঘুর: চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলিম সম্প্রদায়।
- গুর্খা: নেপালের যোদ্ধা জাতি।
- কারেন: স্বাধীনতাকামী মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী উপজাতি।
- টোডা: বহুস্বামী বিবাহ ভিত্তিক পরিবার দক্ষিণ ভারতীয় এই উপজাতিদের বসবাস।
- পশতুন: আফগানিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী।
- এক্সিমো: সাইবেরিয়া রাশিয়া অঞ্চলে বসবাস।
- পিগমি: পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকার উপজাতি।
- জুলু: দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি।
- রেড ইন্ডিয়ান: আমেরিকার আদিবাসী।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৫২.
প্রাচীন নগর রাষ্ট্রের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলো-
  1. কায়রো
  2. ইরাক
  3. রোম
  4. এথেন্স
সঠিক উত্তর:
এথেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এথেন্স
ব্যাখ্যা

 • নগর রাষ্ট্র:
- প্রাচীন গ্রিসে এক একটি নগর ছিল এক একটি রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল এথেন্স এবং স্পার্টা।
- এ নগর রাষ্ট্রগুলোর আয়তন ও জনসংখ্যা ছিল অত্যন্ত কম।
- নগর রাষ্ট্রের সকল জনগণকে নাগরিক বলা হতো না।
- কেবল নগর রাষ্ট্রের যারা রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করতো।
- অর্থাৎ রাষ্ট্রের শাসনকার্য পরিচালনায় যারা অংশগ্রহণ করতো তাদেরকেই 'নাগরিক' হিসেবে আখ্যায়িত করা হতো।
- উল্লেখ্য নারী, দাস ও বিদেশীরা এসব নগর রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে বিবেচ্য হতো না।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান আধুনিক রাষ্ট্রগুলো গ্রিসের নগররাষ্ট্র (City State) এর মতো নয়।
- বরং এগুলো এখন জাতি রাষ্ট্র (Nation State) হিসেবেই পরিগণিত।
- প্রাচীন গ্রিসের নগররাষ্ট্রগুলোর অপেক্ষা বর্তমান আধুনিক জাতি রাষ্ট্রগুলো আয়তনে বড় এবং জনসংখ্যাও বেশি।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩.
সামাজিক চুক্তি মতবাদের সমর্থক কে?
  1. হবস, লক ও রুশো
  2. হক্স ও ভলটেয়ার
  3. লক ও বেন্থাম
  4. রুশো ও বেন্থাম
সঠিক উত্তর:
হবস, লক ও রুশো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবস, লক ও রুশো
ব্যাখ্যা
• সামাজিক চুক্তি মতবাদ:
- রাষ্ট্রের উৎপত্তির ব্যাপারে সামাজিক চুক্তি একটি কাল্পনিক মতবাদ।
- এই মতবাদের মূলকথা এই যে, পূর্বে মানুষ একটি প্রকৃতির রাজ্যে বাস করত।
- প্রকৃতির রাজ্যের মানুষ প্রকৃতির আইন অনুযায়ী চলত এবং প্রাকৃতিক অধিকার ভোগ করত।
- এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য প্রকৃতির রাজ্যের মানুষ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র গঠন করে।
- যেহেতু রাষ্ট্র চুক্তির ফল সেহেতু এই মতবাদকে সামাজিক চুক্তি মতবাদ বলে।
- সপ্তদশ শতাব্দীর চিন্তাবিদ টমাস হবস্ তার 'লেভীয়াথান' গ্রন্থে,
- জন লক তার 'টু ট্রিটিজেস অন সিভিল গভর্নমেন্ট' গ্রন্থে
- এবং অষ্টাদশ শতাব্দীর চিন্তাবিদ রুশো তার 'সোশাল কনট্রাক্ট' গ্রন্থে।
- সামাজিক চুক্তি মতবাদের প্রবক্তা রুশো, টমাস হবস, জন লক।

উৎস: পৌরনিতি, এইচ এস সি, প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
কোনো রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য কোনটি অপরিহার্য?
  1. জাতিসংঘের সমর্থন
  2. সার্বভৌমত্ব
  3. জনসমষ্টি 
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্র ও সরকার:
- রাষ্ট্র হলো একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর একটি সংগঠিত রাজনৈতিক কাঠামো, যেখানে সরকার বিদ্যমান থাকে এবং সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়।
- রাষ্ট্র তার ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
- রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য সরকার অপরিহার্য।
- একটি কার্যকর রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব—এই চারটি উপাদান অপরিহার্য।

উল্লেখ্য, 
• সরকার :
- সরকার হলো রাষ্ট্রের একটি অপরিহার্য উপাদান।
- সরকার আইন প্রণয়ন, প্রয়োগ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন তৈরি ও কার্যকর করে।
- এর মাধ্যমে রাষ্ট্র তার ভূখণ্ডের ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন ও বজায় রাখতে সক্ষম হয়।
- সরকার আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ এবং বিচার বিভাগ নিয়ে গঠিত।
- এই বিভাগগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি কার্যকর রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।

উৎস: 
পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
পৌরনীতি ও নাগরিকতা – নবম-দশম শ্রেণি।

৫৫.
রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জনের কয়টি পদ্ধতি আছে?
  1. ৪ টি
  2. ১ টি
  3. ২ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রের নাগরিকতা অর্জন:
- নাগরিকতা অর্জনের দুটি পদ্ধতি রয়েছে-
• (ক) জন্মসূত্রে নাগরিক, (খ) অনুমোদনসূত্রে নাগরিক।

• জন্মসূত্রে নাগরিককে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১। জন্মনীতি, ২। জন্মস্থান নীতি।
-  জন্মসূত্রে নাগরিক:
-  জন্মনীতি: সন্তান যেখানেই জন্মগ্রহণ করুক না কেন পিতা-মাতার নাগরিকত্বের দ্বারা সন্তানের নাগরিকত্ব নির্ধারিত হয়।
- যেমন- বাংলাদেশের নাগরিক যদি জাপানে জন্মগ্রহণ করে তবে সে এ নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে গণ্য হবে।
- চীন, রাশিয়া, ফ্রান্স, জাপান, যুক্তরাজ্য, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া এ নীতি অনুসরণ করে।

• জন্মস্থান নীতি:
- এ নীতি নির্ধারিত হয় জন্মস্থানের উপর ভিত্তি করে।
- সন্তান যে স্থান জন্মগ্রহণ করবে তার উপর ভিত্তি করে নাগরিকতা নির্ধারিত হবে।
- যেমন- ব্রিটিশ নাগরিকের সন্তান আমেরিকায় অথবা আমেরিকার পতাকাবাহী কোন জাহাজে জন্মগ্রহণ করলে সে আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভ করবে। আমেরিকায় এ নীতি অনুসরণ করা হয়। 

•  অনুমোদনসূত্রে নাগরিকতা অর্জন: 
১। অনুমোদনসূত্রে নাগরিকতা কয়েকটি শর্ত সাপেক্ষে অর্জন করা যায়।
- যে রাষ্ট্রের নাগরিক হতে ইচ্ছুক সে রাষ্ট্রে বিবাহ করতে হবে।
- কোন রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে হবে।
- সরকারি চাকরি লাভ করতে হয়।
- সেনাবাহিনীতে যোগদান করতে হয়।
- সচ্চরিত্রবান হতে হয়।

উৎস: পৌরনীতি এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬.
কোনো রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কাঠামো প্রধানত কোন দুটি ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. রাজতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্র
  2. সংসদীয় ও রাষ্ট্রপতি শাসিত
  3. পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক
  4. গণতান্ত্রিক ও একনায়কতান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
অর্থনীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র:
- সম্পত্তি বা অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপর নিয়ন্ত্রণ থাকা না-থাকার ভিত্তিতে রাষ্ট্র দুই ধরনের হয়, যেমন- 
১/ পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ও
২/ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।

• পুঁজিবাদী রাষ্ট্র:
- পুঁজিবাদী রাষ্ট্র এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা যেখানে নাগরিকদের সম্পত্তির উপর ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকৃত।
- এই ব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্য হলো ব্যক্তির স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিমালিকানার অধিকার।
- উৎপাদনের উপাদানসমূহ যেমন ভূমি, শ্রম, মূলধন এবং ব্যবস্থাপনা ব্যক্তিগত মালিকানায় থাকে।
- রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কার্যক্রম অবাধ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- উৎপাদন ও সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ থাকে না এবং নাগরিকরা সম্পদ অর্জন, মালিকানা এবং ভোগের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকে।
- বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ রাষ্ট্র পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় পরিচালিত, যেখানে মুক্ত বাজার অর্থনীতির প্রাধান্য রয়েছে।

• সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র:
- সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলো এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা যা ব্যক্তিমালিকানা স্বীকার করে না এবং উৎপাদনের উপকরণগুলোর উপর রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠিত।
- এটি পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিপরীত।
- ভূমি, শ্রম, মূলধন, এবং উৎপাদনের অন্যান্য উপকরণ রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে থাকে।
- অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্র দ্বারা পরিচালিত হয়।
- ব্যক্তিগত উদ্যোগ বা মালিকানার সুযোগ থাকে না, এবং ব্যক্তি স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না।
- চীন ও কিউবা হলো সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের উদাহরণ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৭.
নিচের কোনটি ’সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি’?
  1. গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ
  2. নারী পুলিশ নিয়োগ
  3. বয়স্ক ভাতা
  4. কর ব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
বয়স্ক ভাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বয়স্ক ভাতা
ব্যাখ্যা
বয়স্ক ভাতা: 
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প অথবা অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে উপার্জনক্ষম বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫৮ লক্ষ ০১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৬০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছর থেকে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচির আংশিক এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
- বর্তমানে সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৮.
অর্থনীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্রকে কোন দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. রাজতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্র
  2. পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক
  3. সংসদীয় ও রাষ্ট্রপতি শাসিত
  4. গণতান্ত্রিক ও একনায়কতান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঁজিবাদী ও সমাজতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
অর্থনীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র:
- সম্পত্তি বা অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপর নিয়ন্ত্রণ থাকা না-থাকার ভিত্তিতে রাষ্ট্র দুই ধরনের হয়, যেমন- 
১/ পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ও
২/ সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।


• পুঁজিবাদী রাষ্ট্র:
- পুঁজিবাদী রাষ্ট্র এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা যেখানে নাগরিকদের সম্পত্তির উপর ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকৃত।
- এই ব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্য হলো ব্যক্তির স্বাধীনতা এবং ব্যক্তিমালিকানার অধিকার।
- উৎপাদনের উপাদানসমূহ যেমন ভূমি, শ্রম, মূলধন এবং ব্যবস্থাপনা ব্যক্তিগত মালিকানায় থাকে।
- রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কার্যক্রম অবাধ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- উৎপাদন ও সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকারের হস্তক্ষেপ থাকে না এবং নাগরিকরা সম্পদ অর্জন, মালিকানা এবং ভোগের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন থাকে।
- বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ রাষ্ট্র পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় পরিচালিত, যেখানে মুক্ত বাজার অর্থনীতির প্রাধান্য রয়েছে।

• সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র:
- সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হলো এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা যা ব্যক্তিমালিকানা স্বীকার করে না এবং উৎপাদনের উপকরণগুলোর উপর রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠিত।
- এটি পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিপরীত।
- ভূমি, শ্রম, মূলধন, এবং উৎপাদনের অন্যান্য উপকরণ রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে থাকে।
- অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্র দ্বারা পরিচালিত হয়।
- ব্যক্তিগত উদ্যোগ বা মালিকানার সুযোগ থাকে না, এবং ব্যক্তি স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না।
- চীন ও কিউবা হলো সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের উদাহরণ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৯.
'ভারত স্বাধীনতা আইন' প্রণীত হয় কবে?
  1. ৪ অক্টোবর ১৯৪৭
  2. ২০ জুন ১৯৪৭
  3. ১৮ জুলাই ১৯৪৭
  4. ৩ জুন ১৯৪৭
সঠিক উত্তর:
১৮ জুলাই ১৯৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ জুলাই ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
♦ 'ভারত স্বাধীনতা আইন' 
- ব্রিটিশ ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসের গতিধারায় ১৯৪৭ সালের ভারত শাসন আইন ভারতীয়দের জাতীয় জীবনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য ঘটনা ।
- তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মি. এটলির ঘোষণা মোতাবেক ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন ভারতবর্ষকে বিভক্তির মাধ্যমে ভারতীয় শাসন পরিকল্পনায় যে সমস্ত সুপারিশ করেন সেগুলোকে সামনে রেখে ব্রিটিশ সরকার ভারতবর্ষের জনগণের স্বাধীনতা প্রদানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়।
- এবং এ আলোকেই ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই কতিপয় ধারা সংবলিত ভারত শাসন আইন পাস করে ।
- এই আইন অনুসারে ভারতবর্ষ থেকে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে ।
- এবং পৃথিবীর মানচিত্রে অখণ্ড ভারতের পরিবর্তে পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে ।

উৎস- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতাঃ নবম-দশম শ্রেণী।