বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Specific Relief Act, 1877

মোট প্রশ্ন১,১৭২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Specific Relief Act, 1877

PrepBank · পাতা / ১২ · ১০১২০০ / ১,১৭২

১০১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় 'Recovery of specific moveable property' সংক্রান্ত বিধান আছে?
  1. ১০
  2. ১১
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা করতে হয় ১০ ধারার বিধান অনুসারে।
অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় 'Recovery of specific moveable property' সংক্রান্ত বিধান আছে।

⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
 
ব্যখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
 
Explanation 1- A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation 2- A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
১০২.
সরকার কতৃর্ক বেআইনিভাবে বেদখল হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার অধীনে দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে হয়?
  1. ৮ ধারা
  2. ৯ ধারা
  3. ৩১ ধারা
  4. ৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৮ অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে নির্ধারিত পন্থায় পুনরুদ্ধার করতে পারে। 

এক্ষেত্রে,
⇒ বাদীকে স্বত্ব প্রমাণ করতে হবে;
⇒ বেদখল হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে হবে;
⇒ সরকার বাদী হলে ৬০ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে। (অনুচ্ছেদ-১৪৯)

উল্লেখ্য,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে কেননা এই ধারায় স্বত্ব সহ দখল পুনরুদ্ধারের কথা বলা হয়েছে। যেহেতু সরকার কারো স্বত্ব দখল করার অধিকার রাখে না তাই সরকার কারো স্বত্ব দখল করলে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে।
১০৩.
নির্দিষ্ট সময় বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত চলবে, এমন নিষেধাজ্ঞাকে কী বলা হয়?
  1. বিশেষ নিষেধাজ্ঞা
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৩ ধারায়, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এমন নিষেধাজ্ঞা যা নির্দিষ্ট সময় বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। এটি আদালতের আদেশের ভিত্তিতে মামলার যেকোনো পর্যায়ে দেওয়া যেতে পারে এবং মূলত সেই সময় পর্যন্ত কার্যকর থাকে যতক্ষণ না পরবর্তী আদেশ আসবে।
অন্যদিকে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা তখনই দেওয়া হয় যখন আদালত মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তিতে পক্ষগুলোর অধিকারের বিরোধিতার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।

অর্থাৎ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হলো এমন একটি নিষেধাজ্ঞা, যা আদালত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা আদালতের পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। এটি সাধারণত একটি জরুরি বা প্রাথমিক আদেশ হিসেবে দেওয়া হয়, যাতে কোনো পক্ষ কোনো কাজ করতে না পারে বা কোনো ক্ষতি না করতে পারে, যতক্ষণ না মূল মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন হয়। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা আদালত প্রদান করে, যাতে মামলা চলাকালীন সময়ে পক্ষগুলোর মধ্যে কোনো বড় ধরনের ক্ষতি না হয়, এবং পরবর্তী সময়ে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অথবা অন্য কোনো আদেশ দেওয়া হতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি জমি দখল করার চেষ্টা করে, তবে আদালত প্রথমে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে, যাতে সে ওই জমি দখল করতে না পারে, যতক্ষণ না মামলা শেষ হয়।
১০৪.
What is the provision of Section 36 of the Specific Relief Act,1877?
  1. Effect of declaration
  2. Rescission for mistake
  3. When rescission may be adjudged
  4. Principles of rectification
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-36. Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
----------------------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারার বিধান: ভুলের জন্য রদ:
-কেবলমাত্র ভুলের জন্য বিচারপূর্বক লিখিত চুক্তি রদ করা যায় না, যদি না যে পক্ষের বিরুদ্ধে রায় প্রদান করা হচ্ছে সে পক্ষকে উল্লেখযোগ্যভাবে একই মর্যাদায় পুনরুদ্ধার করা যায়, যেন কখনও চুক্তিই করা হয় নাই।
১০৫.
A তার ব্যবসায়ের অংশীদার B কে অংশীদারি দেনা ও লাভ গ্রহণ থেকে বিরত রাখতে একটি নিষেধাজ্ঞা প্রার্থনা করলো। দেখা গেল A অবৈধভাবে প্রতিষ্ঠানের হিসাব বই দখল করে রেখেছে এবং B কে তা দেখতে দিচ্ছেনা। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে।
  2. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
  3. শর্তসাপেক্ষে জরিমানা করবে।
  4. কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৫৬ অনুযায়ী নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যেতে পারে নাঃ

(ক) মামলায় নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হচ্ছে, সে মামলা রুজুর প্রেক্ষিতে একটি বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার উদ্দেশ্যে, যদি না কার্যধারার পৌনঃপুনিকতা রোধের জন্য তেমন নিবৃত্তি আবশ্যক হয়;

(খ) যে আদালতে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হচ্ছে, সে আদালতের অধীনস্থ নয় এমন কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;

(গ) কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হতে বিরত রাখার জন্য;

(ঘ) সরকারের কোন বিভাগের সরকারী কর্তব্যের বা বিদেশী সরকারের কোন সার্বভৌম কাজের হস্তক্ষেপের জন্য;

(ঙ) কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;

(চ) যে চুক্তির কাজ সম্পাদন সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যায় না, তেমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের লক্ষ্যে;

(ছ) উৎপাতের অজুহাতে এমন কোন কাজ নিরোধকের জন্য যা যুক্তিসঙ্গতভাবে সুস্পষ্ট হয় যে, তা উৎখাতের পর্যায়ে পড়বে;

(জ) এমন একটি ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধ করার জন্য যাতে বাদী মৌন সম্মতি প্রদান করেছে:

(ঝ) যখন জিম্মা ভঙ্গের মামলা ব্যতীত সমপরিমাণ ফলোৎপাদক প্রতিকার নিশ্চিতভাবেই অন্য কোন সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়;

(ঞ) যখন আবেদনকারী বা তার এজেন্টের আচরণ এমন হয় যে, তা তাকে আদালতের সাহায্য হতে বঞ্চিত করে;

(ট) যেখানে মামলার সারবস্তুতে আবেদনকারীর কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
১০৬.
যদি একই ভূমি নিয়ে নিবন্ধিত এবং অনিবন্ধিত উভয় দলিল থাকে, তাহলে উক্ত অনিবন্ধিত দলিলটির চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ এর জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় মামলা করা যায়?
  1. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায়
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায়
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায়
  4. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনের ৫০ ধারার বিধান ভূমি সম্পর্কিত কতিপয় নিবন্ধিত দলিল অ-নিবন্ধিত দলিলের বিপরীতে কার্যকর হইবে:-(১) এই আইনের ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক), (খ), (গ) ও (ঘ) এ উল্লিখিত প্রত্যেক প্রকারের দলিল এবং ধারা ১৮ এর অধীন নিবন্ধনযোগ্য প্রত্যেক দলিল, যে পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তি অন্তর্ভুক্ত করে বা স্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে কোন লেনদেন সংক্রান্ত কোনরূপ পণ গ্রহণ বা প্রদানের প্রাপ্তিস্বীকার করে, যদি যথাযথভাবে নিবন্ধিত হয় তাহা হইলে, আদালতের ডিক্রি বা আদেশ ব্যতীত, সেই একই পরিমাণ সম্পত্তি সংক্রান্ত অ-নিবন্ধিত দলিলের প্রতিকূলে কার্যকর হইবে, উক্ত অ-নিবন্ধিত দলিল নিবন্ধিত দলিলের মত একই প্রকৃতির হউক বা না হউক:

তবে শর্ত থাকে যে, পূর্বের তারিখের অনিবন্ধিত দলিলের অধীন যে ব্যক্তি সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তিনি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ (১৮৮২ সনের ৪নং আইন) এর ধারা ৫৩ক এর অধীন সকল প্রকার অধিকারপ্রাপ্ত হইবেন, যদি উক্ত ধারার সকল শর্ত পূরণ করা হয়:

আরও শর্ত থাকে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (১৮৭৭ সনের ১নং আইন) এর ধারা ২৭ এর দফা (খ) এর বিধান সাপেক্ষে, যে ব্যক্তির অনুকূলে অনিবন্ধিত দলিল সম্পাদিত হইয়াছে, তিনি উক্ত অনিবন্ধিত দলিলের চুক্তি, পরবর্তীতে নিবন্ধিত দলিলের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে বলবৎ করিবার জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা দায়ের করিবার অধিকারী হইবেন।

(২) এই ধারার উপ-ধারা (১) এর কোন কিছুই ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর শর্তাংশের অধীন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ইজারার ক্ষেত্রে বা একই ধারার উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত ফোম দলিলের ক্ষেত্রে, বা এই আইন প্রবর্তনকালে বলবৎ আইনের অধীন প্রাধান্য ছিল না এইরূপ ফোন মিবর্ধিত দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।
--------------
Section 50. Certain registered documents relating to land to take effect against unregistered documents:
(1) Every document of the kinds mentioned in clauses (a), (b), (c) and (d) of section 17, sub-section (1), and every document registrable under section 18, in so far as such document affects immoveable property or acknowledges the receipt or payment of any consideration in respect of any transaction relating to immoveable property, shall, if duly registered, take effect as regards the property comprised therein, against every unregistered document relating to the same property, and not being a decree or order, whether such unregistered document be of the same nature as the registered document or not: 
 
Provided that the person in possession of the property under an unregistered document prior in date, would be entitled to the rights under section 53A of the Transfer of Property Act, 1882 if the conditions of that section are fulfilled: 
 
Provided further that the person in whose favour an unregistered document is executed shall be entitled to enforce the contract under the unregistered document in suit for specific performance against a person claiming under a subsequent registered document, subject to the provisions of clause (b) of section 27 of the Specific Relief Act, 1877. 
 
(2) Nothing in sub-section (1) applies to leases exempted under the proviso to sub-section (1) of section 17 or to any document mentioned in sub-section (2) of the same section, or to any registered document which had not priority under the law in force at the commencement of this Act. 
১০৭.
ক রেজিস্টার্ড দলিলমূলে খ-এর নিকট একটি জমি বিক্রি করলো। বিক্রির পরে খ দেখলো যে এই জমির উপর গ এর চলাচলের অধিকার (easement) আছে যা শুধু ক জানতো। খ-এর প্রতিকার কী?
  1. দলিল সংশোধনের মামলা করা
  2. ক্ষতিপূরণের মামলা করা
  3. চুক্তি অবসানের মামলা করা
  4. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করা
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়ঃ লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যে কোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেনঃ
ক. যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
খ. যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ, এবং বাদীর চাইতে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি।
গ, যেখানে একটি বিক্রয় চুক্তি অথবা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা, ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে। যা আদালত তাকে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিসেবে গৃহীত খাজনা এবং লাভ বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদান করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন। একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায় আদেশের মাধ্যমে যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদানুযায়ী কাজ করা হয়নি , হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় অথবা সম্পূর্ণ চুক্তিই মামলায় ন্যায়বিচারের আবশ্যক অনুযায়ী রদ করে দিতে পারেন।
♦ অর্থাৎ ধারা ৩৫-এর বিধান মোতাবেক চুক্তি অবসানের মামলা করতে পারেন। ৩৫ ধারার উদাহরণ দ্রষ্টব্য।
১০৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব সম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকারের কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৭ ধারায়
  2. ১৮ ধারায়
  3. ১৯ ধারায়
  4. ২০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮ – বিক্রেতার অসম্পূর্ণ মালিকানা থাকলে ক্রেতার অধিকার (Specific Relief Act):
যদি কেউ কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি করে এবং তার মালিকানা সম্পূর্ণ না থাকে (অর্থাৎ অসম্পূর্ণ মালিকানা থাকে), তাহলে ক্রেতা বা ভাড়াটে নিম্নোক্ত অধিকার ভোগ করবেন (যদি এই অধ্যায়ে অন্যথা কিছু না বলা থাকে):

(ক) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াদাতা বিক্রয় বা ভাড়ার পর সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব অর্জন করেন, তাহলে ক্রেতা বা ভাড়াটে তাকে সেই স্বত্ব ব্যবহার করে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারেন।

(খ) যদি সম্পত্তির বৈধ মালিকানা নিশ্চিত করতে অন্য কারো সম্মতির প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতার অনুরোধে সম্মতি দিতে বাধ্য থাকে, তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।

(গ) যদি বিক্রেতা সম্পত্তিকে মুক্ত বলে দাবি করেন, কিন্তু তা বন্ধক থাকে (এবং বন্ধকের পরিমাণ ক্রয়মূল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে), তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই বন্ধক মুক্ত করতে এবং বন্ধকদাতার কাছ থেকে দলিল গ্রহণ করতে বাধ্য করতে পারেন।

(ঘ) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াদাতা specific performance মামলা করেন এবং সেই মামলা তার অসম্পূর্ণ মালিকানার কারণে খারিজ হয়ে যায়, তাহলে ক্রেতার অধিকার আছে—
- তার জমা দেওয়া টাকার ফেরত পাওয়ার,
- উক্ত টাকায় সুদ পাওয়ার,
- মামলার খরচ ফেরত পাওয়ার, এবং
- উপরোক্ত অর্থের জন্য বিক্রেতার সম্পত্তিতে লিয়েন (lien) বা দাবী প্রতিষ্ঠা করার।
১০৯.
কোন ধারায় চুক্তি ভঙ্গের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসাবে বা অতিরিক্ত হিসাবে ক্ষতিপূরণও চাওয়া যায়?
  1. ১৮ ধারা
  2. ২২ ধারা
  3. ২৭ ধারা
  4. ১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ১৯ ধারা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা করেছে সে উক্ত চুক্তি ভঙ্গের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসাবে বা অতিরিক্ত হিসাবে ক্ষতিপূরণও চাইতে পারে।
১১০.
গুদামরক্ষক 'A'-এর দায়িত্ব ছিল 'Z'-এর নিকট কিছু মাল অর্পন করা যা 'A'-এর দখল থেকে 'B' নিয়ে গেছে। এখানে 'A', 'B'-এর বিরুদ্ধে কী মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের
  2. মালামাল পুনরুদ্ধারের
  3. ক্ষতিপূরণের
  4. 'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারার বিধান: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার: 
- সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যখ্যা-১: এই ধারা অনুসারে একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা-২: সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-কে সারাজীবনের জন্য জমি উইল করে দেয় এবং 'গ'-কে পরবর্তী অধিকারী নির্দেশ করে। 'ক' মারা গেল। 'খ' জমিতে প্রবেশ করে কিন্তু 'গ', 'খ'-এর সম্মতি ছাড়াই স্বত্ব-সম্পর্কিত দলিলসমূহ হস্তগত করে। 'খ', 'গ'-এর নিকট হতে সেগুলি পুনরুদ্ধার করতে পারে।
(খ) 'ক' কিছু ঋণের জন্য 'খ'-এর নিকট কিছু অলংকার বন্ধক রাখে। 'খ' সেগুলি বিক্রয় করার অধিকারী হওয়ার আগেই বিক্রয় করে। 'ক' ঋণের অর্থ পরিশোধ না করেই অলঙ্কারাদির দখলের জন্য 'খ'-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলা অবশ্যই খারিজ হবে। কারণ 'ক' সেগুলির দখলের অধিকারী নয়, তার যতটুকু অধিকার তা হচ্ছে অলঙ্কারসমূহের নিরাপদ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।
(গ) 'ক', 'খ' কর্তৃক তার নিকট লিখিত একটি চিঠি পেল। 'খ', 'ক'-এর সম্মতি ছাড়াই উক্ত চিঠি ফিরিয়ে দিল। উক্ত চিঠিতে 'ক'-এর এমন এক স্বত্ব রয়েছে, যা তাকে 'খ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করার অধিকারী করে।
(ঘ) 'ক', 'খ'-এর নিকট নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য বই এবং কাগজপত্র জমা রাখে। 'খ' সেগুলি হারিয়ে ফেলল এবং 'গ' সেগুলি পেল, কিন্তু 'খ' যখন আইনের ১৬৮ ধারা অনুসারে 'গ'-এর যদি কোন অধিকার জন্মে থাকে তবে তৎসাপেক্ষে 'গ'-এর নিকট হতে পুনরুদ্ধার করতে পারে।
(ঙ) গুদামরক্ষক 'ক'-এর দায়িত্ব ছিল 'খ'-এর নিকট কিছু মাল অর্পণ করায় যা 'ক'- এর দখল হতে 'খ' নিয়ে গেছে। 'ক', 'খ'-এর বিরুদ্ধে উক্ত মালামালের জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
------------
SR Act: Section-10.Recovery of specific moveable property:
A person entitled to the possession of specific moveable property may recover the same in the manner prescribed by the Code of Civil Procedure.
Explanation-1: A trustee may sue under this section for the possession of property to the beneficial interest in which the person for whom he is trustee is entitled.
Explanation-2: A special or temporary right to the present possession of property is sufficient to support a suit under this section.
Illustration:
(a) A bequeaths land to B for his life, with remainder to C. A dies. B enters on the land, but C, without B's consent, obtained possession of the title-deeds. B may recover them from C.
(b) A pledges certain jewels to B to secure a loan. B disposes of them before he is entitled to do so. A, without having paid or tendered the amount of the loan, sues B for possession of the jewels. The suit should be dismissed, as A is not entitled to their possession, whatever right he may have to secure their safe custody.
(c) A receives a letter addressed to him by B. B gets back the letter without A's consent. A has such a property therein as entitles him to recover it from B.
(d) A deposits books and papers for safe custody with B. B losses them, and C finds them but refuses to deliver them to B when demanded. B may recover them from C, subject to C's right, if any, under section 168 of the Contract Act, 1872.
(e) A, warehouse-keeper, is charged with the delivery of certain goods to Z, which B takes out of A's possession. A may sue B for the goods.
১১১.
যেক্ষেত্রে বাদীর অধিকারে হস্তক্ষেপের ফলে যে প্রকৃত বা বাস্তব ক্ষতি হয়েছে বা হবে তা নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই, তখন আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্তটি নিতে পারে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা 
  3. অন্তর্বতীকালীন নিষেধাজ্ঞা 
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
-----------------------
54. Perpetual injunctions when granted: Subject to the other provisions contained in, or referred to by, this Chapter, a perpetual injunction may be granted to prevent the breach of an obligation existing in favour of the applicant, whether expressly or by implication.
When such obligation arises from contract, the Court shall be guided by the rules and provisions contained in Chapter II of this Act.
When the defendant invades or threatens to invade the plaintiff's right to, or enjoyment of, property, the Court may grant a perpetual injunction in the following cases (namely):-
(a) where the defendant is trustee of the property for the plaintiff;
(b) where there exists no standard for ascertaining the actual damage caused, or likely to be caused, by the invasion;
(c) where the invasion is such that pecuniary compensation would not afford adequate relief;
(d) where it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the invasion;
(e) where the injunction is necessary to prevent a multiplicity of judicial proceedings.

১১২.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ২৭ক কোন ধরনের চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. বন্ধকী চুক্তি
  2. স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি
  3. স্থাবর সম্পত্তির ইজার চুক্তি
  4. অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ক ধারা বিধান স্থাবর সম্পত্তির লিজের চুক্তির অংশবিশেষের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান:
এই অধ্যায়ের বিধানাবলির অধীনে, যদি স্থাবর সম্পত্তি লিজ দেয়ার একটি চুক্তি লিখিতভাবে পক্ষদ্বয় বা তাদের প্রতিনিধির স্বাক্ষরিত হয়, তবে যদিও চুক্তিটি নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন আছে কিন্তু নিবন্ধিত না হয়, তবুও আদেশ দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য একপক্ষ অন্যপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে যদি, -
(ক) যদি লিজদাতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল লিজ গ্রহীতাকে হস্তান্তর করেছেন; এবং
(খ) যদি লিজগ্রহীতা বাস্তবায়নের দাবি করে, তিনি চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে সম্পত্তির দখল নিয়েছেন, অথবা ইতোমধ্যে দখলে থেকে চুক্তির আংশিক বাস্তবায়নে দখল বজায় রেখেছেন এবং চুক্তির পরিপূরকে কোনও কাজ করেছেন।
তবে এই ধারার কিছুই এমন হস্তান্তরিতের অধিকারে প্রভাব ফেলবে না যে প্রতিফলস্বরূপ হস্তান্তর গ্রহণ করে এবং যার চুক্তি বা তার আংশিক বাস্তবায়নের কোনও সংবাদ নেই।
----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 27A- Specific performance in case of part performance of contract to lease:
Subject to the provisions of this Chapter, where a contract to lease immoveable property is made in writing signed by the parties thereto or on their behalf, either party may, notwithstanding that the contract, though required to be registered, has not been registered, sue the other for specific performance of the contract if,-
(a) where specific performance is claimed by the lessor, he has delivered possession of the property to the lessee in part performance of the contract; and
(b) where specific performance is claimed by the lessee, he has, in part performance of the contract, taken possession of the property, or, being already in possession, continues in possession in part performance of the contract, and has done some act in furtherance of the contract: Provided that nothing in this section shall affect the rights of a transferee for consideration who has no notice of the contract or of the part performance thereof.

১১৩.
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন কোন ব্যক্তির পক্ষে কার্যকর করা যাবে না?
  1. যে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করেছে
  2. যে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না
  3. যে ইতোমধ্যে ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করেছে
  4. উপরের সকল
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান:
প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 24-
Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favor of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
১১৪.
In legal terms, a perpetual injunction implies:
  1. A judicial process
  2. Preventive in nature
  3. Thing prevented is a wrongful act
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
Perpetual injunction হল একটি স্থায়ী আদেশ, যা আদালত থেকে একটি নির্দেশনা যা একজন ব্যক্তি বা পক্ষকে একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে বা না করতে বাধ্য করে। এটি মূলত একটি প্রতিরোধমূলক (preventive) ব্যবস্থা যা কোনো অপরাধমূলক কাজ বা অনুপযুক্ত কর্মকাণ্ড (wrongful act) বন্ধ করতে নেয়া হয়। এটি আদালতের একটি বিচারিক প্রক্রিয়ার (judicial process) অন্তর্ভুক্ত।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Section 53- Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
১১৫.
Who must be restored to their original position for a contract to be rescinded due to mistake under Section 36?
  1. Both parties involved
  2. The party who made the mistake
  3. The court deciding the case
  4. The party against whom rescission is adjudged
ব্যাখ্যা
Section 36: Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake, unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৬ ধারা: ভুলের জন্য রদ:
কেবল সাধারণ ভুলের জন্য লিখিত কোনো চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে তাকে অনুরূপ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তি করা হয়নি।
১১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩২ কোন চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. লিখিত চুক্তি
  2. মৌখিক চুক্তি
  3. মৌখিক ও লিখিত চুক্তি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩২ অনুযায়ী, চুক্তি সংশোধন (rectification) শুধুমাত্র লিখিত চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, এবং আদালতকে নিশ্চিত হতে হয় যে উভয় পক্ষ একটি ন্যায়সঙ্গত ও সুবিচারমূলক চুক্তি করতে চেয়েছিল। মৌখিক চুক্তির ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩২ ধারার বিধান: পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
-লিখিত চুক্তি সংশোধন করবার উদ্দেশ্যে আদালত অবশ্যই নিশ্চিত হবেন যে, চুক্তির সকল পক্ষের উদ্দেশ্য হচ্ছে সুষম ও সুবিচারমূলক চুক্তি সম্পাদন করা।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 Section:-32. Presumption as to intent of parties:
-For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.
১১৭.
চুক্তি রদের মামলার জন্য চুক্তিটি অবশ্যই-
  1. লিখিত এবং বৈধ হতে হবে
  2. মৌখিক এবং বাতিল হতে হবে
  3. লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
  4. মৌখিক এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে
ব্যাখ্যা
• চুক্তি রদের মামলার জন্য চুক্তিটি অবশ্যই লিখিত এবং বাতিলযোগ্য হতে হবে।

৩৫ ধারা: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।
১১৮.
X, Y এর অধীনে ৩ বছর শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কাজ করবেন মর্মে চুক্তিবদ্ধ হন। চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন _________।
  1. বলবৎযোগ্য
  2. শর্তসাপেক্ষে বলবৎযোগ্য
  3. বলবৎযোগ্য নয়
  4. আংশিক বলবৎযোগ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে কোন চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (Contracts not specifically enforceable )- চুক্তির প্রকৃতি অনুসারে কিছু কিছু চুক্তির সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদন করার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়ে থাকেন এবং কিছু কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের নির্দেশ প্রদান করে না। যে যে ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন নামঞ্জুর করতে পারে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। কারণ এগুলি সুনির্দিষ্টভাবে কার্য সম্পাদনের যোগ্য নয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে 
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে। 
৩) চুক্তির শর্তাবলী নির্ণয় করা না গেলে 
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে 
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানী কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে  অথবা
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারায় আদালত এই ৮টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আবেদন না মঞ্জুর করিবেন।

----------------------------------------
⇒ Section 21 Contracts not specifically enforceable: The following contracts cannot be specifically enforced:– 

(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief; 
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms; 
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty; 
(d) a contract which is in its nature revocable; 
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust; 
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers; 
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date; 
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist. 

And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
১১৯.
কোন ধরনের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন?
  1. চুক্তি বাতিলের
  2. চুক্তি সংশোধনের
  3. দলিল বাতিলের
  4. দলিল সংশোধনের
ব্যাখ্যা
৩৯ ধারা: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

অর্থাৎ দলিল বাতিলের মোকদ্দমায় আদালত তার ডিক্রির কপি নিবন্ধন কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন।
১২০.
A তার জমি B-কে হস্তান্তর করে, এবং B মৃত্যুর আগে সেই জমি C-কে উইল করে দেন। B মারা গেলে D জমিটির দখল নেয় এবং একটি জাল দলিল উপস্থাপন করে, যাতে বলা হয়েছে B আসলে D-এর পক্ষে ট্রাস্ট হিসেবে জমিটি নিয়েছিলেন। এক্ষেত্রে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে কে দলিল বাতিল করার মামলা করতে পারে?
  1. D
  2. A
  3. C
  4. আদালত
ব্যাখ্যা

ধারা ৩৯: কখন বাতিলকরণ আদেশ করা যেতে পারে:
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো লিখিত দলিল বাতিলযোগ্য (voidable) বা অকার্যকর (void), এবং যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা আছে যে ওই দলিলটি যদি বহাল থাকে তবে তা তাকে গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে- সে ব্যক্তি আদালতে মামলা করতে পারে যাতে দলিলটিকে অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য ঘোষণা করা হয়।

আদালত তার বিবেচনায় যদি মনে করে যে দলিলটি সত্যিই অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য, তাহলে আদালত সেটিকে তেমনভাবে ঘোষণা করতে পারে এবং দলিলটি জমা দিয়ে বাতিল করার আদেশ দিতে পারে।

যদি সেই দলিলটি ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন (Registration Act, 1908) অনুসারে নিবন্ধিত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি অনুলিপি সেই নিবন্ধন অফিসারের কাছে পাঠাবে, যার অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছে। ঐ অফিসার তার রেকর্ডে সংরক্ষিত দলিলের অনুলিপিতে তার বাতিল হওয়ার বিষয়টি নোট করে রাখবে।

উদাহরণসমূহ (Illustrations):

(ক) A, একটি জাহাজের মালিক, প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্রযাত্রার উপযোগী (seaworthy) বলে উপস্থাপন করে B-কে (যিনি বিমাকারী) সেটি বিমা করতে রাজি করান। B এই প্রতারণামূলক বিমা নীতিটি বাতিল করাতে পারেন।

(খ) A তার জমি B-কে হস্তান্তর করে, এবং B মৃত্যুর আগে সেই জমি C-কে উইল করে দেন। B মারা গেলে D জমিটির দখল নেয় এবং একটি জাল দলিল উপস্থাপন করে, যাতে বলা হয়েছে B আসলে D-এর পক্ষে ট্রাস্ট হিসেবে জমিটি নিয়েছিলেন। এই জাল দলিলটি বাতিল করার জন্য C মামলা করতে পারেন।

(গ) A দাবি করে যে তার জমির ভাড়াটেরা সবাই ইচ্ছামতো অবস্থান করছে (tenants at will), এবং সে জমিটি B-কে বিক্রি করে ১লা জানুয়ারি, ১৮৭৭ তারিখে দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করে। এরপর A প্রতারণামূলকভাবে একই জমির একটি অংশ C-কে লিজ দেয়, যার তারিখ ১লা অক্টোবর, ১৮৭৬ দেখানো হয় এবং সেটি নিবন্ধিতও করে। এই ক্ষেত্রে B সেই লিজ দলিলের বাতিল চাইতে পারেন।

(ঘ) A সম্মত হয় যে সে একটি জাহাজ B-কে বিক্রি ও সরবরাহ করবে, এবং মূল্য পরিশোধ হবে B-এর চারটি বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bills of Exchange) গ্রহণের মাধ্যমে, মোট ৩০,০০০ টাকা। বিলগুলো তৈরি ও গ্রহণ করা হলেও A চুক্তি অনুযায়ী জাহাজটি সরবরাহ করে না।এরপর A ওই বিলগুলোর একটির ভিত্তিতে B-এর বিরুদ্ধে মামলা করে। এই অবস্থায় B সব বিলের বাতিলের আবেদন করতে পারেন।

১২১.
কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যাবে না, যদি না চুক্তিটি হয়- 
  1. লিখিত
  2. প্রত্যায়িত ও সত্যায়িত
  3. সত্যায়িত
  4. লিখিত ও নিবন্ধিত
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২১(ক) অনুযায়ী, এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-

(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং

(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
১২২.
'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে-
  1. 'ক' ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে
  2. 'ক' নিষেধাজ্ঞা জারির মামলা দায়ের করতে পারে
  3. 'ক' নিষেধাজ্ঞা জারির মামলা দায়ের করতে পারে না
  4. উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' এর কোনো প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:

এই অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত বা উল্লিখিত অন্যান্য বিধানাধীন, আবেদনকারীর পক্ষে বিদ্যমান কোনো বাধ্যবাধকতা, সুস্পষ্ট বা গোপনীয়ভাবে ভঙ্গ প্রতিরোধ করার জন্য একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে।
যখন এমন বাধ্যবাধকতা চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়, আদালতকে এই আইনের অধ্যায় ২-এ অন্তর্ভুক্ত নিয়ম ও বিধানগুলিই অনুসরণ করতে হবে।
যখন বিবাদী পক্ষ বাদীর সম্পত্তির অধিকার বা উপভোগ আক্রমণ করে বা আক্রমণের হুমকি দেয়, তখন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে আদালত একটি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে পারে, যথাঃ
ক) যদি বিবাদী বাদীর জন্য সেই সম্পত্তির ট্রাস্টি হয়;
খ) যদি আক্রমণের ফলে সৃষ্ট বা সম্ভাব্য ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণের কোনো মান না থাকে;
গ) যদি আক্রমণটি এমন হয় যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে কাজ না করে;
ঘ) যদি আক্রমণের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে;
ঙ) যদি বহু আদালতি কার্যক্রম এড়াতে নিষেধাজ্ঞাটি প্রয়োজন হয়।

এখানে 'খ' চুক্তি লঙ্ঘন করে খনন কাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সুতরাং 'ক' আদালতে মামলা দায়ের করে 'খ'কে এই কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারবেন। আদালত যথাযথ বিবেচনা করে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
১২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার আওতায়, বাদী যদি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মামলা করে এবং তা কার্যকর না হয়, তবে বিকল্পভাবে কী প্রার্থনা করতে পারেন?
  1. নিষেধাজ্ঞা
  2. ক্ষতিপূরণ
  3. চুক্তি রদ
  4. চুক্তি সংশোধন
ব্যাখ্যা

→ সঠিক উত্তর: গ) চুক্তি রদ।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি কেউ লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের জন্য মামলা করেন, তাহলে তিনি বিকল্পভাবে আদালতের কাছে প্রার্থনা করতে পারেন যে:
"যদি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হয়, তবে সেটিকে রদ (rescission) করে দেওয়া হোক এবং বিলুপ্ত হিসেবে গণ্য করা হোক।"
-এই ধারার উদ্দেশ্য হলো বাদী যাতে বিকল্প প্রতিকার হিসেবে চুক্তি বাতিল বা রদ করতে পারেন—যাতে ভবিষ্যতে সেই চুক্তি নিয়ে আর কোনো দাব বা সমস্যা না থাকে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

১২৪.
কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে কোন ব্যক্তির অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় প্রতিকার পাওয়া সম্ভব?
  1. ৮ ধারায়
  2. ৪২ ধারায়
  3. ৩৫ ধারায়
  4. ৫৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষনামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:
i) ঘোষনামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষনা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষনামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষনামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষনা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে। 
১২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এ ব্যবহৃত শব্দগুলোর সংজ্ঞা কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধি, ১৮৬০
  2. চুক্তি আইন, ১৮৭২
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮
  4. উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫
ব্যাখ্যা
→ সঠিক উত্তর: চুক্তি আইন, ১৮৭২।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩ (ব্যাখ্যা ধারা) অনুযায়ী, এই আইনে ব্যবহৃত শব্দগুলোর সংজ্ঞা চুক্তি আইন, ১৮৭২ (Contract Act, 1872) থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, যদি এই আইনে কোনো শব্দ ব্যবহৃত হয় এবং সেই শব্দের সংজ্ঞা চুক্তি আইন, ১৮৭২-এ নির্ধারিত থাকে, তাহলে সেই শব্দকে চুক্তি আইনে উল্লিখিত সংজ্ঞার ভিত্তিতেই ব্যাখ্যা করতে হবে।
এটি করা হয়েছে আইনি ধারাবাহিকতা ও সুস্পষ্টতা বজায় রাখার জন্য, যাতে বিভিন্ন আইনের মধ্যে সংজ্ঞাগত পার্থক্যের কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়।
--------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-3: Words defined in Contract Act:
and all words occurring in this Act, which are defined in the Contract Act, 1872, shall be deemed to have the meanings respectively assigned to them by that Act.
১২৬.
কয়টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয় (Savings)?
  1. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ৩টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য নয়।
যেমন-
চুক্তি নয় এমন অঙ্গীকার,
রেজিষ্ট্রেশন আইন,
কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট কার্য্য সম্পাদন ছাড়া যা সে চুক্তির অধীন পেতে পারতো।
১২৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় কোন বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. দলিল বাতিল
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ
  4. সম্পত্তি পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section 44- Appointment of receivers discretionary, Reference to Code of Civil Procedure:
The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
১২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীন কার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না?
  1. সরকারের
  2. সরকারি কর্মচারীর
  3. সম্পত্তির সহ-দখলদারের
  4. উল্লিখিত সবার
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ৯ ধারা- স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।
এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

Section 9- Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
১২৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারার অধীনে আদালত কখন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে?
  1. যদি বাদী জালিয়াতির শিকার হয়
  2. যদি বাদী চুক্তির মাধ্যমে অন্যায় সুবিধা পায়
  3. যদি উভয় পক্ষ ক্ষতিপূরণে সম্মত হয়
  4. যদি বিবাদী ক্ষতিপূরণ দিতে সক্ষম না হয়
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২২ ধারা অনুযায়ী,
সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি প্রদানে এখতিয়ার হচ্ছে বিবেচনামূলক এবং কেবলমাত্র তা করা আইনসম্মত, এ কারণেই আদালত এমন প্রতিকার মঞ্জুর করতে বাধ্য না। আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা স্বেচ্ছাধীন হবেনা বরং নিখুত এবং যুক্তিযুক্ত, বিচার বিভাগীয় নীতি দ্বারা নিযন্ত্রিত এবং আপীল আদালত কর্তৃক সংশোধনযোগ্য হতে হবে। ২২ ধারায় ২টি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে। ১টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি দিতে যথাযথভাবে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ [solatium] প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
i. বিবাদীর প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে;
যেখানে এমন পরিস্থিতিতে চুক্তি সম্পন্ন করা হয়েছে যে, তা বাদীকে বিবাদীর উপর একটি অন্যায় সুবিধা প্রদান করছে, যদিও সেখানে বাদীর পক্ষ হতে কোন জালিয়াতি বা ভুল বিবরণ নাও থাকতে পারে।

ii. বিবাদীর প্রতি কঠোরতা;
যেখানে চুক্তির কাজ সম্পাদন বিবাদীকে কোন কঠোরতায় বা কষ্টে জড়িয়ে ফেলবে যা বিবাদী বুঝতে পারেনা, অপরদিকে উহা না করলে বাদীকে এমন ধরণের কোন কঠোরতায় জড়াবে না। এই দুটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
১৩০.
ধারা ৩৭ অনুযায়ী, চুক্তি রদ করার আবেদন কখন করা যায়?
  1. চুক্তি লিখিত না হলে
  2. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর সম্ভব হলে
  3. চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা সম্ভব না হলে
  4. ক্ষতিপূরণের বিকল্প হিসেবে
ব্যাখ্যা

• ধারা ৩৭- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

১৩১.
"When rescission may be adjudged" এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৩১
  2. ৩৫
  3. ৩৭
  4. ৩৯
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়:
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

- যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
 
- একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।
উদাহরণ:
উপধারা-ক এর-
'ক', 'খ'-এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করল। মাঠের উপর দিয়ে যাতায়াতের অধিকার সম্পর্কে 'ক'-এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল, কিন্তু তা সে 'খ'-এর নিকট গোপন রাখল। সে চুক্তি রদ করে নেওয়ার অধিকারী।
 
উপধারা-খ এর-
একজন অ্যাটর্নি 'ক' তার মক্কেল একজন হিন্দু বিধবা 'খ' কে 'খ' এর পাওনাদারগণের প্রতারণার উদ্দেশ্যে সম্পত্তি তার নামে হস্তান্তর করতে প্ররোচিত করল। এখানে পক্ষসমূহ সমভাবে দোষী নয় এবং 'খ' হস্তান্তরের দলিল রদ করিয়ে নেয়ার অধিকারী।
----------------
⇒ SR Act Section-35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:-
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff;
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff;
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay.
 
When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor.
 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require.
 
Illustrations:
to (a)-
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)-
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.
১৩২.
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual Injunction) কখন দেয়া হয়?
  1. ডিক্রির মাধ্যমে,
  2. মোকদ্দমার শুরুতে,
  3. মোকদ্দমার শেষে আদেশের মাধ্যমে,
  4. মোকদ্দমা চলাকালীন যে কোন সময়ে,
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
 
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
১৩৩.
'ক' একটি বাড়ী ১ লক্ষ টাকায় 'খ' এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তি করে। পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়ীটি ধ্বংস হয়ে যায়। এক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক হবে?
  1. ক, খ এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে
  2. খ, ক বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন
  3. খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে
  4. খ-কে চুক্তির ক্রয়মূল্য পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৩ ধারার বিধান- যে চুক্তির বিষয়বস্তুর আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছেঃ

চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার কোন বিধান সত্ত্বেও চুক্তি সম্পাদনের সময় অস্তিত্ব ছিল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদনের সময় আংশিকভাবে বিলুপ্ত হবার কারণে চুক্তি অনুযায়ী কাজ সম্পাদন পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন ঘূর্ণিঝড়ে বাড়িটি বিধ্বস্ত হয়ে গেল। এখন ক্রয়মূল্য প্রদানের মাধ্যমে 'খ'-কে চুক্তিতে তার অংশের কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যেতে পারে।

(খ) 'ক', 'খ'-এর নিকট একটি বাড়ি এক লক্ষ টাকায় বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হল। চুক্তি সম্পন্ন করার পরদিন 'খ' ঘোড়ার পিঠ হতে পড়ে মারা গেল। এখন 'খ'-এর প্রতিনিধিকে উক্ত অর্থ পরিশোধে বাধ্য করা যেতে পারে।
১৩৪.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন যাদের অনুকূলে করা যায় না তাদের সম্পর্কে বর্ণনা কোন ধারায় দেয়া আছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২২
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা-২৪ অনুসারে প্রতিকারের পথে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন নিম্নোক্ত ৪ ধরনের ব্যক্তিদের পক্ষে করা যায় নাঃ

(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না:

(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;

(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেচে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা

(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পর্ণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
১৩৫.
A ধোঁয়া দ্বারা বাতাসকে এতো দূষিত করে যে তা পাশ্ববর্তী বাড়িতে বসবাসরত B ও C এর দৈনন্দিন আরাম-আয়েশে উল্লেখযোগ্যভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। B ও C সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় প্রতিকার পেতে পারে?
  1. ৫৪ ধারায়
  2. ৫৫ ধারায়
  3. ৫৭ ধারায়
  4. এই আইনে প্রতিকার নেই
ব্যাখ্যা
♦ উক্ত বিষয়টি নিষেধাত্মক নিষেধাজ্ঞা আওতাধীন হবে। যে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে আদালত কোন পক্ষকে কোন অন্যায় কার্য করা হতে বিরত থাকার জন্য নির্দেশ দেয়, তাকে নিষেধাত্মক নিষেধাজ্ঞা বা Prohibitory injunction বলে। সাধারনত কোন চুক্তিভঙ্গ রোধ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা যেতে পারে।নিষেধাত্মক নিষেধাজ্ঞা SR Act এর ৫৪ ধারা কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে
১৩৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় দলিল সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ৩১
  4. ধারা ৩৫
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান মতে দলিল সংশোধনের আদেশ দেওয়া যায় যখন প্রতারণা বা পারস্পরিক বা উভয়পক্ষের ভুলের কারণে যদি দলিলের পক্ষদের সঠিক অভিপ্রায় প্রকাশ না পায়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী ২ ধরনের দলিল সংশোধন করা যায়-
i) লিখিত দলিল ও
ii) লিখিত চুক্তি।
⇒ ৩ কারণে দলিল সংশোধন করা যায়-
(১) দলিলের কোন পক্ষ প্রতারণা করলে;
(২) উভয় পক্ষে ভুল;
(৩) দলিলের উদ্দেশ্য ব্যক্ত না হইলে।
অর্থাৎ দলিল সংশোধন করতে হলে উক্ত ৩টি বিষয়ের যে কোন ১টি থাকতে হবে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে। দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)। চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয় ।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and
if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.

১৩৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় যখন-
  1. চুক্তিটি প্রাকৃতিকভাবে প্রত্যাহারযোগ্য হলে
  2. চুক্তিভঙ্গের ফলে অর্থ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয়
  3. চুক্তিভঙ্গের ফলে অর্থ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
  4. চুক্তির শর্তাবলি আদালত নিশ্চয়তার সঙ্গে নির্ধারণ করিতে পারে না 
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২,যে সকল ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন কার্যকরযোগ্য: এই অধ্যায়ে ভিন্নরূপ কোনো বিধান না থাকিলে, যে কোনো চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে কার্যকর করা যাইবে-
(ক) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে একটি ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করিলে প্রকৃতপক্ষে যে ক্ষতি সাধিত হইবে উহা নির্ণয় করিবার কোনো মানদণ্ড নাই;
(গ) যখন চুক্তিভুক্ত কাজটি এইরূপ হয় যে, উহা সম্পাদন না করিয়া আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার পাওয়া যায় না;
(ঘ) যখন চুক্তিভুক্ত কার্য সম্পাদন না করিবার জন্য কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা নাই।
-------------
The Specific Relief Act,1877, Section: 12, Cases in which specific performance enforceable: Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief;
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

১৩৮.
What does Section 43 of the Specific Relief Act primarily deal with?
  1. Effect of declaration
  2. Cause of declaration
  3. Execution of declaration
  4. Conditions of declaration
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section- 43: Effect of declaration:
A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.
------------
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারা- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

এই ধারায় বলা হয়েছে যে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীনে আদালত যে কোনো ঘোষণামূলক রায় প্রদান করবে, তা কার উপর বাধ্যকর হবে সে সম্পর্কে নির্দেশনা রয়েছে। এ রায় বাধ্যকর হবে:
১. মামলার পক্ষদের উপর;
২. পক্ষদের দাবিদারদের উপর (যারা পক্ষদের মাধ্যমে দাবি করছে);
৩. যদি কোনো পক্ষ ট্রাস্টি হন, তাহলে সেই ট্রাস্টিদের অধীনে যারা আছেন, তাদের উপর (যদি তারা ঘোষণার সময় বর্তমান থাকতেন);
অর্থাৎ ঘোষণামূলক রায়টি মামলার অন্তর্গত সরাসরি সম্পর্কিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলির উপর বাধ্যকর হবে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষের উপর এই রায় বাধ্যকর হবে না।
১৩৯.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ দিতে পারে?
  1. কোন পক্ষের প্রতারণার কারণে;
  2. পক্ষদের পারস্পরিক ভুলের কারণে;
  3. কোন পক্ষের ভুলের কারণে;
  4. উপরোক্ত সব।
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877,ধারা ৩১ অনুযায়ী যখন দলিল সংশোধন করা যেতেপারে।-যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুণ কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যে কোন পক্ষ কিংবা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেবার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে। যদি আদালত ইহা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যাপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
♦অর্থাৎ যে সব ক্ষেত্রে আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ মঞ্জুর করে থাকেন তা হলো-
i) প্রতারনা (fraud);
ii) পারষ্পরিক ভুল (mutual mistakes); অথবা
iii) চুক্তির প্রকৃত উদ্দেশ্য প্রকাশ না পেলে।
১৪০.
The Specific Relief Act, 1877 অনুযায়ী একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হলে দলিলের একটি অংশ বাতিলযোগ্য হলে-
  1. পুরো দলিল বাতিল হবে
  2. দলিলটি বাতিলযোগ্য হবে
  3. দলিলটির কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে
  4. দলিলটির দ্বারা দায় সৃষ্টি হলেও অধিকার সৃষ্টি হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৪০ ধারার বিধান যে সকল দলিল আংশিকভাবে বিলুপ্তযোগ্য: যেখানে দলিল বিভিন্ন অধিকার বা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার সাক্ষ্য হয়, সেখানে আদালত যথাযথ মামলায় আংশিকভাবে তা বিলুপ্তযোগ্য এবং অবশিষ্টাংশকে বহাল রাখতে পারেন।
উদাহরণঃ
'ক', 'খ' এর নামে একটি হুণ্ডি প্রণয়ন করল, উহা পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে 'গ' কে প্রদান করল, যার দ্বারা পৃষ্ঠাঙ্কনের ফলে তা 'ঘ' কে প্রদত্ত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, 'ঘ' আবার পৃষ্ঠাঙ্কনের মাধ্যমে তা 'ঙ' কে প্রদান করেছে। 'গ'-এর পৃষ্ঠাঙ্কন জাল ছিল। 'গ' হুণ্ডিকে অন্যান্য ব্যাপারে বহাল রেখে উক্ত পৃষ্ঠাঙ্কনের বিলুপ্তি পাবার অধিকারী।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ৪১ ধারার বিধান যে পক্ষের জন্য দলিল বিলুপ্ত করা হয়েছে, সে পক্ষের নিকট হতে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষমতা। দলিল বিলুপ্তির রায় প্রদানের সময় আদালত যে পক্ষকে তদ্রুপ প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেপক্ষের তরফ হতে অন্য পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীয়তা মোতাবেক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ The Specific Relief Act, 1877 অনুযায়ী একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হলে দলিলের একটি অংশ বাতিলযোগ্য হলে দলিলটির কেবল বাতিলযোগ্য অংশ নাকচ হবে।
১৪১.
মামলা চলাকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত রিসিভারের দায়দায়িত্ব নিয়ন্ত্রিত হয় ________ দ্বারা।
  1. The direction of the court
  2. The Limitation Act, 1908
  3. The Specific Relief Act, 1877
  4. The Code of Civil Procedure,1908
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, রিসিভার নিয়োগের বিষয়টি আদালতের বিবেচনাধীন। তবে রিসিভারের নিয়োগের ধরন, তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান দেওয়া আছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।
অতএব,মামলা চলাকালীন নিয়োগপ্রাপ্ত রিসিভারের দায়দায়িত্ব এবং কর্তব্য The Code of Civil Procedure, 1908 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
বিশেষ করে, দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশ (Order 40) তে রিসিভারের নিয়োগ, তার ক্ষমতা, অধিকার এবং দায়দায়িত্বের বিষয়ে বিস্তারিত বিধান রয়েছে।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভারের সংজ্ঞা (Definition of receiver)- আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে। অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন। রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক: -প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 44 Appointment of receivers discretionary: The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
Reference to Code of Civil Procedure: The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
১৪২.
X একটি গুদামে স্টোর কিপারের দায়িত্বে আছে। Y-এর কিছু পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার জন্য X কে দায়িত্ব দেওয়া হলো। পণ্যগুলো X এর দখল হতে জনৈক B গ্রহণ করলে X উক্ত পন্যগুলো ফেরত পাবার জন্য B এর বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা করবে?
  1. ৮ ধারায়
  2. ৯ ধারায়
  3. ১০ ধারায়
  4. ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
• X উক্ত পন্যের জিম্মাদার হওয়ায় উক্ত  পণ্যের বর্তমান দখলের অধিকারী, সে পণ্যের মালিক না হলেও পণ্যটি দখলে রাখার বিশেষ অধিকার রাখে।
• তাই উক্ত পণ্য উদ্ধার করার জন্য X সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১০ ধারায় B এর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে।
১৪৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৪ ধারা অনুসারে কয়টি ক্ষেত্রে রিসিভার নিয়োগ দেওয়া যাবে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪৪ ধারা অনুযায়ী আদালত ২টি ক্ষেত্রে রিসিভার/ তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ দিতে পারে (সম্পত্তি সংরক্ষনের জন্য, ডিক্রী জারির জন্য)।
• রিসিভারের দায় দায়িত্ব ও অধিকার CPC অনুসারে নিয়ন্ত্রিত হয়।
১৪৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার বিধান রয়েছে?
  1. ৩১ ধারা
  2. ৩২ ধারা 
  3. ৩৩ ধারা
  4. ৩৪ ধারা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৪ ধারা: সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরীকরণ:
লিখিত চুক্তি প্রথমত সংশোধিত হতে পারে এবং যদি বাদী আরজিতে প্রার্থনা করে থাকে এবং আদালত তা যুক্তিযুক্ত মনে করেন, তবে পরে তা সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে।
উদাহরণ:
'ক' তার অ্যাটর্নি 'খ'-কে খরচের টাকার পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রদানের জন্য লিখিতভাবে চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তিতে মক্কেলের নাম ও অধিকার ভুলভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়। যদি সঠিকভাবে তা ব্যাখ্যা করা হয়, তবে তা চুক্তির অধীনে সকল অধিকার হতে 'খ'-কে বঞ্চিত করবে। যদি আদালত উপযুক্ত মনে করেন তবে 'খ' চুক্তি সংশোধন করার এবং নির্দিষ্ট অংকের অর্থ প্রদানের আদেশ পাবার অধিকারী।
------------------
Section 34- Specific enforcement of rectified contract:
A contract in writing may be first rectified and then, if the plaintiff has so prayed in his plaint and the Court thinks fit, specifically enforced.
Illustration:
A contracts in writing to pay his attorney, B, a fixed sum in lieu of costs. The contract contains mistakes as to the name and rights of the client, which, if construed strictly, would exclude B from all rights under it. B is entitled, if the Court thinks, fit, to have it rectified, and to an order for payment of the sum, as if at the time of its execution it had expressed the intention of the parties.

১৪৫.
চুক্তি রদের ক্ষেত্রে আদালত কোন পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. তৃতীয় পক্ষকে
  2. যে পক্ষ চুক্তি কার্যকর করতে চায়
  3. যে পক্ষ চুক্তি রদ করেছে
  4. কোনো পক্ষকে নয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
১৪৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৯ ধারার মামলায় নিচের কোনটি প্রমাণ করতে হবে না-
  1. সম্পত্তিটি দখলে ছিল
  2. বিবাদী তাকে বেদখল করেছে
  3. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  4. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলাকরেছে
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার করতে হলে বাদীকে প্রমাণ করতে হবে নালিশী সম্পত্তি তার দখলে ছিল এবং উক্ত সম্পত্তি হতে তাকে গত ৬ মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে বেদখল করা হয়েছে। এই ধারায় স্বত্ব প্রমাণ বা স্বত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করার প্রয়োজন নেই, তথাপিও পক্ষ চাইলে উত্থাপন করতে পারেন।
১৪৭.
'ক' ৫০ কেজি চাল 'খ' এর নিকট বিক্রয় করার চুক্তি করে। কোন কারণ ব্যতিরেকেই উক্ত চাল 'খ'-কে সরবরাহ করা হয় নাই। 'খ'-এর প্রতিকার কী?
  1. শুধুমাত্র সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তিটি বলবৎ করতে পারবে
  2. ক্ষতিপূরণ লাভ করতে পারবে
  3. শুধুমাত্র চুক্তির ক্রয়মূল্য ফেরত পাবে
  4. কোনো ক্ষতিপূরণ পাবে না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন,১৮৭৭ ধারা ১৯: কতিপয় বিশেষ ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা

এই ধারা অনুযায়ী বাদী ২ রকম প্রতিকার চাইতে পারে:
১. চুক্তি সম্পাদনের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ;
২. চুক্তি সম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ।

এ ধারা অনুসারে, ক্ষতিপূরণ প্রদানে আদালতের ক্ষমতা-
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের পরিবর্তে [In Substitution of] ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবেন, অথবা
২. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের আদেশসহ অতিরিক্ত হিসেবে [In Addition to] ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবেন।

প্রশ্নের বর্ণনা অনুযায়ী,
চুক্তির বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি এবং বৈধ চুক্তি। যেহেতু একটি বৈধ চুক্তি কোনো কারণ ছাড়াই 'ক' ভঙ্গ করে 'খ'-এর ক্ষতি করেছে, সেহেতু সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনই এর জন্য উপযুক্ত প্রতিকার নয়। বরং পাশাপাশি অতিরিক্ত হিসেবে ক্ষতিপূরণও পাবে। সুতরাং 'খ' ক্ষতিপূরণ লাভ করবে।
১৪৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারা অনুসারে, যখন ক্রেতা বা ইজারাদার চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, আদালত কী করতে পারে?
  1. চুক্তি বলবৎ করতে পারে
  2. চুক্তি সংশোধন করতে পারে
  3. ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে পারে
  4. চুক্তি রদ করার নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার অধীনে, যদি কোনো ক্রেতা বা ইজারাদার আদালতের আদেশ অনুসারে চুক্তির শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত চুক্তি রদের (Rescission) নির্দেশ দিতে পারে।
এই ধারা অনুযায়ী, যদি ক্রেতা বা ইজারাদার অর্থ পরিশোধে বা অন্য কোনো শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়, এবং সে সম্পত্তির দখলে থাকে, তাহলে—
১) আদালত চুক্তি রদের আদেশ দিতে পারে
২) দখলকারীর দখলকে অবৈধ ঘোষণা করতে পারে
৩) বিক্রেতা বা ইজাদাতার ক্ষতিপূরণের জন্য ভাড়া বা লভ্যাংশ আদায়ের নির্দেশ দিতে পারে

উদাহরণ:
→ কোনো ব্যক্তি যদি সম্পত্তি কেনার চুক্তি করে, কিন্তু অর্থ পরিশোধ না করে, তাহলে বিক্রেতা চুক্তি রদের জন্য আদালতে যেতে পারেন।
→ কোনো ইজারাদার (Lessee) যদি ইজারার শর্ত মেনে চলতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মালিক চুক্তি রদের দাবি করতে পারেন।

অর্থাৎ যখন ক্রেতা বা ইজারাদার পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, তখন আদালত চুক্তি রদের নির্দেশ দিতে পারে। তাই সঠিক উত্তর "ঘ) চুক্তি রদ করার নির্দেশ দিতে পারে"।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 35. When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 

When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 

Illustrations:
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.to (b)- 
A, an Advocate, induces his client B, a Hindu widow, to transfer property to him for the purpose of defrauding B's creditors. Here the parties are not equally in fault, and B is entitled to have the instrument of transfer rescinded.
১৪৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারানুসারে আনীত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না
  2. বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন
  3. এটি স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত
  4. বাদী সম্পত্তি থেকে বেদখল হয়েছেন
ব্যাখ্যা
♦সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারায় বলা আছেঃ যথাযথ আইগত পন্থা ব্যতিরেকে যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।

♦এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না ।

♦এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না।

♦এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল করা যাবে না, অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রী পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

অর্থাৎ, The Specific Relief Act, 1877 এর ৯ ধারানুসারে আনীত মোকদ্দমার ক্ষেত্রে "বাদী স্বত্ব প্রতিষ্ঠায় বারিত হবেন" কথাটি সঠিক নয়।
১৫০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায়-
  1. শুধু অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
  2. শুধু স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
  3. স্থায়ী বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
  4. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারা- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়: আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।
-------------
Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual.

⇒ প্রতিরোধমূলক/ নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে। আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে
প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে; বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।

১৫১.
Section 12 of The Specific Relief Act, 1877 deals with-
  1. Recovery of specific moveable property
  2. Cases in which specific performance not enforceable
  3. Cases in which specific performance enforceable
  4. Bar in other cases of specific performance of part of contract
ব্যাখ্যা
Section 12- Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.

Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
১৫২.
ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। গ এর মাঠটির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার ছিল যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে-
  1. 'ক' চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  2. 'খ' চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করার অধিকারী
  3. 'খ' চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  4. উপরের কোনটি না
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়ঃ লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যে কোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যে কোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেনঃ
ক. যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
খ. যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ, এবং বাদীর চাইতে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি।
গ, যেখানে একটি বিক্রয় চুক্তি অথবা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা, ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে। যা আদালত তাকে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিসেবে গৃহীত খাজনা এবং লাভ বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদান করার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন। একই ক্ষেত্রে আদালত সে মামলায় আদেশের মাধ্যমে যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদানুযায়ী কাজ করা হয়নি , হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় অথবা সম্পূর্ণ চুক্তিই মামলায় ন্যায়বিচারের আবশ্যক অনুযায়ী রদ করে দিতে পারেন।
♦ অর্থাৎ ধারা ৩৫-এর বিধান মোতাবেক চুক্তি অবসানের মামলা করতে পারেন। ৩৫ ধারার উদাহরণ দ্রষ্টব্য। 
১৫৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা কখন মঞ্জুর করা হয়?
  1. চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য
  2. ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য
  3. বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ রোধের জন্য
  4. আদালতের রায় কার্যকর করার জন্য
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা "বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ রোধের জন্য" মঞ্জুর করা হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
- যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
------------
⇒Specific Relief Act- Section 55- Mandatory injunctions:
- When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
১৫৪.
'ক' 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুডিপাথর খনন বা উত্তোলন না করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে ক' নিম্নলিখিত কোন মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে?
  1. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবকরণ
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
  3. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
-এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
 
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
 
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক সম্পত্তি মর্মে পরিগণিত হবে।

উদাহরণ: 
(ক) 'ক', 'খ' কে নির্দিষ্ট জমি ভাড়া প্রদান করে এবং 'খ' সেখান থেকে বালি বা নুড়িপাথর খনন বা উত্তোলন না করবার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' কে চুক্তি লঙ্ঘনমূলক খনন কাজ থেকে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'ক' মামলা দায়ের করতে পারে।

(খ) একজন জিম্মাদার জিম্মা ভঙ্গের হুমকি প্রদান করে। তার সহ-জিম্মাদার যদি থেকে থাকে, অবশ্যই এবং উপকার লাভকারী মালিক চুক্তিভঙ্গ নিরোধের লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।

(ঘ) একটি অগ্নি এবং জীবন বীমা কোম্পানির পরিচালকবৃন্দ নৌ-বিমা করার ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাদেরকে তা হতে বিরত রাখবার লক্ষ্যে ইনজাংশন জারির জন্য যেকোনো অংশীদারই মামলা দায়ের করতে পারেন।

(ঙ) একজন কার্যনির্বাহী 'ক' অসদাচরণ বা দেউলিয়া অবস্থার মাধ্যমে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিকে বিপদাপন্ন করে তুলেছে। আদালত তাকে তার আয় পাওয়া থেকে নিবৃত্ত রাখবার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।
 
(চ) 'খ' এর জিম্মাদার 'ক' জিম্মা সম্পত্তির একটি ক্ষুদ্র অংশের অযৌক্তিক বিক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। 'খ' বিক্রয় থেকে বিরত রাখার লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য মামলা রুজু করতে পারে, যদিও আর্থিক ক্ষতিপূরণ তার পর্যাপ্ত প্রতিকার বিধান করে।
 
(ছ) 'ক', 'খ' ও তার সন্তানগণের নামে একটি সম্পত্তি নামজারি করে। 'ক' তারপর উক্ত সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করতে চুক্তিবদ্ধ হয়। বিক্রয় হতে বিরত থাকবার লক্ষ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' বা তার যেকোনো সন্তান মামলা দায়ের করতে পারে।
 
(জ) উকিল হিসাবে 'ক' এর নিয়োজিত থাকার সময় তার মক্কেল 'খ' এর কতিপয় দলিল তার হস্তগত হয়। 'ক' উক্ত দলিল সমূহ সাধারণ্যে প্রকাশ অথবা তার বিষয়বস্তু একজন আগন্তুকের নিকট প্রকাশ করে দেবার হুমকি প্রদান করে। 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা তে বিরত রাখবার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
 
(ঝ) 'ক', 'খ' এর মেডিকেল অ্যাডভাইজার। 'ক' টাকা দাবি করল যা 'খ' প্রদানে অস্বীকৃতি প্রকাশ করল। 'ক' তারপর রোগী হিসাবে 'খ' যে সমস্ত তথ্য তার নিকট প্রকাশ করেছে তা সাধারণ্যে প্রকাশ করার হুমকি প্রদান করল। এটি 'ক' এর কর্তব্যের বিপরীত এবং 'ক' কে তেমন কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
 
(ঞ) দু'টি সংলগ্ন বাড়ির মালিক 'ক', 'খ' এর নিকট বাড়ি ভাড়া প্রদান করে এবং পরবর্তী সময়ে 'গ' এর নিকট অপর বাড়িটি ভাড়া প্রদান করে। অতঃপর 'ক' ও 'গ', 'গ'-কে ভাড়া প্রদান করা বাড়ির পরিবর্তন আরম্ভ করল, যা 'খ' কে ভাড়া প্রদান করা বাড়ির স্বাচ্ছন্দ্যমূলক উপভোগকে বিঘ্নিত করবে। তাদেরকে তেমন কাজ করা থেকে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য 'খ' মামলা দায়ের করতে পারে।
১৫৫.
কোন ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত একটি ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে পারে যদি সম্পত্তিতে তার-
  1. প্রতীকী দখল থাকে
  2. দখল না থাকে
  3. আংশিক দখল থাকে
  4. একচ্ছত্র দখল থাকে
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

♦ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

♦ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

♦ঘোষনামূলক ডিক্রির প্রকৃতি
i) ঘোষনামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষনা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষনামূলক মামলা করা যায় না।

ii) ঘোষনামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষনা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।

iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।

♦৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।

♦ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।

২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।

৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।

♦ মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী রিট দায়ের করে প্রতিকার পাওয়া যায়।
১৫৬.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিষয়বস্তু স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করিবেন?
  1. Perpetual Injunction
  2. Prohibitory Injunction
  3. Temporary Injunction
  4. Mandatory Injunction
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।
⇒  নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।
⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে –
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই (Prima facie case) প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable loss) হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত (The balance of convenience and inconvenience of the Parties) বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ (Public interest) বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
-চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
-Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
১৫৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২০ অনুসারে, চুক্তিতে ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ থাকলে কী হবে?
  1. চুক্তি বাতিল বলে গণ্য হবে
  2. শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে
  3. সুনির্দিষ্ট কার্যকরকরণ করা যাবে না
  4. সুনির্দিষ্ট কার্যকরকরণ করা যেতে পারে
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ২০ অনুসারে, চুক্তিতে লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট পরিমাণ (liquidated damages) উল্লেখ থাকলেও, যদি চুক্তি অন্যথায় সুনির্দিষ্ট কার্যকরণের (specific performance) উপযুক্ত হয় এবং লঙ্ঘনকারী পক্ষ সেই ক্ষতিপূরণ পরিশোধ করতে প্রস্তুত থাকে, তাহলে সুনির্দিষ্ট কার্যকরণ প্রদানে কোনো বাধা হয় না। এটি নিশ্চিত করে যে ক্ষতিপূরণের বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকারের পথে বাধা সৃষ্টি করবে না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২০ অনুযায়ী, একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যেতে পারে, যদিও চুক্তিতে তার লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ করা থাকে এবং লঙ্ঘনকারী পক্ষ সেই অর্থ পরিশোধ করতে প্রস্তুত থাকে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানে বাধা সৃষ্টি করবে না।
------------
• The Specific Relief Act, 1877-Section: 20. Liquidation of damages not a bar to specific performance:
A contract, otherwise proper to be specifically enforced, may be thus enforced, though a sum be named in it as the amount to be paid in case of its breach, and the party in default is willing to pay the same.
Illustration:
A contracts to grant B an under-lease of property held by A under C, and that he will apply to C for a license necessary to the validity of the under lease, and that, if the license is not procured, A will pay B taka 10,000. A refuses to apply for the license and offers to pay B the taka 10,000. B is nevertheless entitled to have the contract specifically enforced it C consents to give the license.

১৫৮.
A “পেটেন্ট সিলেন” নামে একটি জিনিস তৈরি ও বিক্রি করে, যদিও বাস্তবে তা কখনো পেটেন্ট করা হয়নি। B ঐ নাম ব্যবহার করে পণ্য বিক্রি শুরু করে। এক্ষেত্রে, A কী প্রতিকার পাবে?
  1. আদালত তার পক্ষে নিষেধাজ্ঞা দেবে
  2. আদালত তার পক্ষে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করবে
  3. B এর পণ্য বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দেবে
  4. কোনো প্রতিকার পাবে না
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৬. যে সকল ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যায় না (Injunction when refused)

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা (injunction) প্রদান করতে পারে না—

(ক) সেই মামলার প্রবর্তনের সময়ে ইতিমধ্যে চলমান কোনো বিচারিক কার্যধারা (judicial proceeding) স্থগিত রাখার জন্য,
যদি না সেই নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একাধিক মামলা এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় হয়;

(খ) যে আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে, তার অধীনস্থ নয় এমন অন্য কোনো আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;

(গ) কোনো ব্যক্তিকে আইনসভা বা বিধানসভায় আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য;

(ঘ) সরকারের কোনো বিভাগের জনসাধারণের দায়িত্ব পালনে বা কোনো বিদেশি সরকারের সার্বভৌম কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করার জন্য;

(ঙ) কোনো ফৌজদারি কার্যধারা (criminal proceeding) স্থগিত রাখার জন্য;

(চ) এমন কোনো চুক্তি ভঙ্গ রোধ করার জন্য, যার নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যায় না;

(ছ) এমন কোনো কাজ রোধ করার জন্য যা স্পষ্টভাবে উপদ্রব (nuisance) বলে প্রতীয়মান নয়;

(জ) এমন কোনো চলমান ভঙ্গ (continuing breach) রোধ করার জন্য, যাতে আবেদনকারী নিজেই সম্মতি বা অনুমতি দিয়েছে (acquiesced);

(ঝ) যখন অন্য কোনো প্রচলিত উপায়ে সমান কার্যকর প্রতিকার (efficacious relief) পাওয়া সম্ভব,
তবে বিশ্বাসভঙ্গ (breach of trust)-এর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়;

(ঞ) যখন আবেদনকারীর বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন হয়েছে যে, তা তাকে আদালতের সাহায্য পাওয়ার অযোগ্য করে তুলেছে;

(ট) যখন আবেদনকারীর ঐ বিষয়ে কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ (personal interest) নেই।

উদাহরণসমূহ (Illustrations)-

(ক) A তার অংশীদার B-কে অংশীদারিত্বের দেনা-পাওনা গ্রহণ করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা চায়। দেখা গেল, A নিজেই অনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠানের বই-পত্র নিজের দখলে রেখেছে এবং B-কে সেগুলিতে প্রবেশাধিকার দিচ্ছে না। আদালত নিষেধাজ্ঞা দেবে না।

(খ) A “পেটেন্ট প্লাম্বাগো ক্রুসিবলস” নামে একটি জিনিস তৈরি ও বিক্রি করে, যদিও বাস্তবে তা কখনো পেটেন্ট করা হয়নি। B ঐ নাম ব্যবহার করে পণ্য বিক্রি শুরু করে। A এই নাম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা চাইলে আদালত তা দেবে না, কারণ A নিজেই প্রতারণামূলকভাবে “পেটেন্ট” শব্দটি ব্যবহার করছে।

(গ) A “মেক্সিকান বাম” নামে একটি ওষুধ বিক্রি করে, দাবি করে এটি নানা বিরল উপাদানে তৈরি এবং অসাধারণ ঔষধি গুণসম্পন্ন। B একই রকম একটি পণ্য বিক্রি করে যার নাম ও বিবরণ এমন যে মানুষ মনে করে এটি A-এর “মেক্সিকান বাম”। A নিষেধাজ্ঞা চায় যাতে B বিক্রি বন্ধ করে। কিন্তু B প্রমাণ করে যে A-এর “মেক্সিকান বাম” কেবল সুগন্ধিযুক্ত চর্বি। যেহেতু A-এর দাবি সৎ নয়, তাই আদালত তাকে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেবে না।

১৫৯.
ক একটি সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী, খ সম্পত্তিটির দখলে আছে। উক্ত সম্পত্তি সম্পর্কে নিম্ন লিখিত কোন মামলাটি সঠিক?
  1. ক শুধুমাত্র স্বত্ব ঘোষনার মামলা করতে পারবে
  2. ক স্বত্ব ঘোষনা এবং সম্পত্তির দখলের জন্য মামলা করতে পারে
  3. ক চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার এবং দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারে
  4. উপরের কোনটি না
ব্যাখ্যা
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৪২ ধারা অনুযায়ী স্বত্ব ঘোষনার মামলা করতে হবে এবং আনুষাঙ্গিক প্রতিকার হিসাবে ৮ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করবে।
- কারণ বাদী ক সম্পত্তির দখলে নাই বরং বিবাদী খ সম্পত্তির দখলে আছে।
- তাই ৪২ ধারার সঙ্গে আনুষাঙ্গিক প্রতিকার হিসাবে ৮ ধারার মামলা করলে আদালত ঘোষনা মঞ্জুর করবেন, এখানে আনুষাঙ্গিক প্রতিকার চাওয়া বাধ্যতামূলক।
১৬০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮-এর কার্যকারিতা প্রভাবিত করে না?
  1. ২ ধারা
  2. ৪ ধারা
  3. ৬ ধারা
  4. ৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-৪ ধারার বিধান কোন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না-
ⅰ) চুক্তি নয় এমন কোনো অঙ্গীকারের অধীন প্রতিকার, এবং
ii) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রযোজ্য হবে না।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections- 4. Savings:
Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed- 
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract; 
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or 
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.
১৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারায় চুক্তি ভঙ্গের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের বিকল্প হিসাবে বা অতিরিক্ত হিসাবে ক্ষতিপূরণও চাওয়া যায়?
  1. ১৭
  2. ১৯
  3. ২১
  4. ১২
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
-কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-----------------------
SR Act-Section-19: Power to award compensation in certain cases: 
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly. 
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly. 
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct. 
Explanation:- The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
১৬২.
The Specific Relief Act, 1877 এর ৮ ও ৯ ধারার দখল পুনরূদ্ধারের মামলার বিষয়ে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ৯ ধারার অধীনে স্বত্ব সাব্যস্তক্রমে দখল পুনরূদ্ধারের মামলায় বাধা হবে না
  2. ৮ ধারার মতে ৯ ধারায় স্বত্ব বিবেচনার সুযোগ নেই
  3. উভয় ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা চলবে
  4. ৯ ধারায় মামলার তামাদি নির্দিষ্ট মেয়াদ আছে
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, 1877 এর ৮ ধারায় সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় কিন্তু ৯ ধারায় সরকারের মোকদ্দমা দায়ের করা যায় না।
১৬৩.
আদালত কখন কোনো চলমান বিচারিক কার্যধারা স্থগিত রাখতে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে?
  1. ফৌজদারি মামলা হলে
  2. একাধিক মামলা এড়াতে
  3. প্রশাসনিক মামলা হলে
  4. নিষেধাজ্ঞা প্রদানকারী আদালতের অধীন হলে
ব্যাখ্যা

ধারা ৫৬. যে সকল ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যায় না (Injunction when refused)

নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা (injunction) প্রদান করতে পারে না—

(ক) সেই মামলার প্রবর্তনের সময়ে ইতিমধ্যে চলমান কোনো বিচারিক কার্যধারা (judicial proceeding) স্থগিত রাখার জন্য,
যদি না সেই নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একাধিক মামলা এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় হয়;

অর্থাৎ, যদি সেই নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা একাধিক মামলা (multiplicity of proceedings) প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় হয়,
তাহলে আদালত তা দিতে পারে।

(খ) যে আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে, তার অধীনস্থ নয় এমন অন্য কোনো আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য;

(গ) কোনো ব্যক্তিকে আইনসভা বা বিধানসভায় আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য;

(ঘ) সরকারের কোনো বিভাগের জনসাধারণের দায়িত্ব পালনে বা কোনো বিদেশি সরকারের সার্বভৌম কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করার জন্য;

(ঙ) কোনো ফৌজদারি কার্যধারা (criminal proceeding) স্থগিত রাখার জন্য;

(চ) এমন কোনো চুক্তি ভঙ্গ রোধ করার জন্য, যার নির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যায় না;

(ছ) এমন কোনো কাজ রোধ করার জন্য যা স্পষ্টভাবে উপদ্রব (nuisance) বলে প্রতীয়মান নয়;

(জ) এমন কোনো চলমান ভঙ্গ (continuing breach) রোধ করার জন্য, যাতে আবেদনকারী নিজেই সম্মতি বা অনুমতি দিয়েছে (acquiesced);

(ঝ) যখন অন্য কোনো প্রচলিত উপায়ে সমান কার্যকর প্রতিকার (efficacious relief) পাওয়া সম্ভব,
তবে বিশ্বাসভঙ্গ (breach of trust)-এর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়;

(ঞ) যখন আবেদনকারীর বা তার প্রতিনিধির আচরণ এমন হয়েছে যে, তা তাকে আদালতের সাহায্য পাওয়ার অযোগ্য করে তুলেছে;

(ট) যখন আবেদনকারীর ঐ বিষয়ে কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ (personal interest) নেই।

১৬৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুযায়ী, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে,বাদী পরবর্তীতে কোন ধরনের মামলা করতে পারে না ?
  1. চুক্তি সংশোধনের মামলা
  2. চুক্তির অবশিষ্ট অংশের কার্যসম্পাদনের জন্য মামলা
  3. চুক্তির ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ মামলা
  4. নতুন চুক্তি করার জন্য মামলা
ব্যাখ্যা

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯,খারিজের পর চুক্তি ভঙ্গের মামলা দায়েরে প্রতিবন্ধকতা: একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------------------------
The Specific Relief Act,1877, Section 29- Bar of suit for breach after dismissal: The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.

১৬৫.
A এবং B এর মধ্যকার এক মামলায় আদালত এ বিষয়ে ঘোষণামূলক রায় দেয় যে, B হল A-এর স্ত্রী। পরবর্তীতে C নামে একজন ব্যক্তি দাবি করে, B আসলে তার স্ত্রী এবং সে A-এর বিরুদ্ধে মামলা করে B-কে ফিরে পাওয়ার জন্য। এক্ষেত্রে, প্রথম মামলায় দেওয়া ঘোষণাটি -
  1. C-এর উপর বাধ্যতামূলক
  2. C-এর উপর বাধ্যতামূলক নয়
  3. A এর দাবি সাপেক্ষে C-এর উপর বাধ্যতামূলক
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৩ ধারার বিধান- ঘোষণার ফলাফল:
এই অধ্যায়ের বিধান মোতাবেক প্রদত্ত ঘোষণা কেবলমাত্র মামলার পক্ষসমূহ এবং তাদের মাধ্যমে দাবিরত ব্যক্তিদের উপর যেক্ষেত্রে পক্ষসমূহের কোন একটি হচ্ছে জিম্মাদার, সেক্ষেত্রে তেমন ব্যক্তিদের উপর ঘোষণার দিন পর্যন্ত তারা বেঁচে থাকলে তেমন পক্ষসমূহ যাদের জন্য জিম্মাদার হত, অবশ্য পালনীয় হবে।

অর্থাৎ, ঘোষণামূলক ডিক্রি শুধুমাত্র মোকদ্দমার পক্ষগণ বা তাদের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণের উপর বাধ্যকর হবে, কিন্তু এই ঘোষণা অন্য কারো ক্ষেত্রে অর্থাৎ কোন তৃতীয় পক্ষের উপর বাধ্যকর হবে না।

এই ক্ষেত্রে:
প্রথম মামলায় দেওয়া ঘোষণাটি C-এর উপর বাধ্যতামূলক (binding) নয়, কারণ সে সেই মামলার পক্ষ ছিল না।
১৬৬.
'একটি চুক্তির যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ২৩
  2. ২৪
  3. ২৭
  4. ২৮
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারামতে- 
যাদের বিরুদ্ধে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে [specific performance of a contract may be enforced against]-

(a) either party thereto;
ব্যাখ্যা: একটি চুক্তির যেকোনো পক্ষের বিরুদ্ধে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract;
ব্যাখ্যা: চুক্তির পরবর্তীতে যদি কেউ চুক্তির পক্ষের অধিকার দাবি করে, তাহলে তার বিরুদ্ধেও এই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তবে যদি কেউ সদ্ভাবে এবং মূল চুক্তির বিষয়ে অবগত না থেকে মূল্য প্রদান করে সেই অধিকার অর্জন করে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না।

(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant;
ব্যাখ্যা: কখনও কখনও কোনো ব্যক্তি চুক্তির আগে থেকেই কোনো অধিকার দাবি করতে পারেন। যদি এই অধিকার বাদীর জ্ঞাতসারে থাকে এবং বিবাদীর মাধ্যমে এই অধিকার বাতিল করার সুযোগ থাকে তাহলে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation;
ব্যাখ্যা: প্রথম পাবলিক কোম্পানিটি যদি কোনো চুক্তি করে এবং পরবর্তীতে অন্য কোনো পাবলিক কোম্পানির সাথে এক্রীভূত হয়ে নতুন কোম্পানি গঠিত হয়, তাহলে সেই নতুন কোম্পানির বিরুদ্ধেও প্রথম চুক্তিটির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation.
ব্যাখ্যা: যদি কোনো প্রতিষ্ঠাতারা একটি প্রস্তাবিত পাবলিক কোম্পানির গঠনের আগেই কোনো চুক্তিতে আবদ্ধ হন, তাহলে পরবর্তীতে সেই কোম্পানি গঠিত হলে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। তবে এর জন্য সেই কোম্পানির দ্বারা সেই চুক্তি অনুমোদন এবং গৃহীত হতে হবে।
১৬৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় "Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits do to so". এর বিধান আছে?
  1. ৩৫ ধারা
  2. ৪০ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ "Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits do to so". সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের  ৪২ ধারায় বলা আছে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় বলা হয়েছে, যেখানে বাদী শুধু স্বত্বের ঘোষণা [Mere Declaration of Title ] ছাড়া আরও প্রতিকার [further relief] দাবি করতে পারতো, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা দিবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার বিধান: মর্যাদা কিংবা অধিকার ঘোষণা সম্পর্কে আদালতের সুবিবেচনামূলক ক্ষমতা:
আইনানুগ পরিচয় অথবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি এমন যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে যে, তেমন মর্যাদা বা অধিকারের ব্যাপারে তার স্বত্ব অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করেছে বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপণ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে ঘোষণা করতে পারেন যে, তার তেমন অধিকার রয়েছে এবং তেমন মামলায় আরও কোন প্রতিকার দাবি করা বাদীর জন্য আবশ্যক নয়।
 
- এরূপ ঘোষণার পথে প্রতিবদ্ধকতা: শর্ত থাকে যে, যেখানে দাবি কেবলমাত্র স্বত্বের ঘোষণা ব্যতীত আরও প্রতিকার দাবি করতে সমর্থ, কিন্তু তা করা হতে বিরত থাকে, সেখানে আদালত তেমন ঘোষণা প্রদান করবেন না।
 
ব্যাখ্যা: একটি সম্পত্তির জিম্মাদার এমন একটি স্বত্ব "অস্বীকার করিতে আগ্রহী ব্যক্তি”, যে জীবিত নয় এমন এক ব্যক্তির স্বত্বের প্রতিকূল এবং যদি সে বেঁচে থাকত, তবে সে তার জন্য একজন জিম্মাদার হত।
-----------------
SR Act:- Section-42. Discretion of Court as to declaration of status or right. Bar to such declaration:
-Any person entitled to any legal character, or to any right as to any property, may institute a suit against any person denying, or interested to deny, his title to such character or right, and the Court may in its discretion make therein a declaration that he is so entitled, and the plaintiff need not in such suit ask for any further relief:
Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do so.
Explanation:- A trustee of property is a "person interested to deny" a title adverse to the title of some one who is not in existence, and for whom, if in existence, he would be a trustee.
 
Illustrations:
(a) A is lawfully in possession of certain land. The inhabitants of a neighboring village claim a right of way across the land. A may sue for a declaration that they are not entitled to the right so claimed.
১৬৮.
'ক', 'খ' এর নিকট ১,০০,০০০ টাকায় একটি বাড়ী বিক্রি করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। 'খ' ক্রয়মূল্য প্রদান করলেও 'ক' বাড়ী বিক্রয় করতে অস্বীকার করে। 'খ' এ প্রতিকার কি?
  1. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  2. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন
  3. চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যাবে না
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন এবং আর্থিক ক্ষতিপূরণ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে।
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে।
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে।
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভবনা না থাকলে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।

⇒  খ.গ, এবং ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা যায় চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ নির্ণয়ের কোন মানদণ্ড না থাকলে বা পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ না থাকলে বা আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া না গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে। বিপরীতভাবে বলা যায়, আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হলে বা নির্ণয় করা গেলে বা পাওয়া গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার দিবেনা বরং ক্ষতিপূরণ প্রতিকার দিবে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১২ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যদিনা এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ভিন্ন কিছু প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না, এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার এভাবে করা যায়।

যদি চুক্তির বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি যেমন জমি বিক্রয়ের চুক্তি বা জমি লিজের বা বন্ধকের চুক্তি হয়, তাহলে আদালত ধরে নিবে চুক্তি ভঙ্গের প্রতিকার পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না এবং এই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে ।

কিন্তু যদি চুক্তির বিষয়বস্তু অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের হয় যেমন গম বিক্রয়ের চুক্তি হয়, তাহলে আদালত ধরে নিবে চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া যায় এবং এই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিবে না বরং আর্থিক ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করতে পারে যদি বাদী প্রার্থনা করে।

⇒  সুতরাং বলা যায়, আইনের সাধারণ নীতি হলো স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য কিন্তু অস্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য না। শুধুমাত্র কতিপয় ব্যতিক্রম প্রেক্ষাপটে অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিও সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎযোগ্য হতে পারে।
১৬৯.
স্বত্বের দাবী উত্থাপন ব্যতিরেকে দখল পুনরুদ্ধারের মামলার কোন আদেশ বা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ পক্ষের প্রতিকার কী?
  1. শুধু আপিল
  2. শুধু রিভউ
  3. শুধু রিভিশন
  4. আপিল ও রিভিউ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed. যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা: যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তবে সে অথবা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে যদিও তেমন মামলায় অপর কোন স্বত্ব খাড়া করা হতে পারে, তথাপিও।
এই ধারার কোন কিছুই তেমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠা এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার জন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা দায়েরের পথে প্রতিবন্ধকতা হবে না।
এই ধারা অনুসারে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে না। এই ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার প্রদত্ত কোন ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপিল করা যাবে না অথবা তেমন কোন আদেশ বা ডিক্রি পুনর্বিবেচনার কোন অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ এ ধারার শেষের অংশে কোন ডিক্রি অথবা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল কিংবা পুনর্বিচারের প্রার্থনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ধারার অধীন কোন পক্ষ ডিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি তার প্রতিকার চেয়ে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মামলা করতে পারেন কিংবা দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারার অধীনে হাইকোর্ট পুনর্বিচারের প্রার্থনা করতে পারেন।
⇒ যেহেতু আপিল ও রিভিউ করা যায় না, সুতরাং রিভিশন করার সুযোগ আছে।
১৭০.
'A', 'B'- এর নিকট ২৫ শতক জমি বিক্রি করার চুক্তি করে, কিন্তু 'A' ২ শতক জমি হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হয়। এক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. উভয় পক্ষকে চুক্তি রদের
  2. সম্পূর্ন চুক্তি সম্পাদনের
  3. 'A' কে চুক্তি সংশোধনের
  4. 'B' কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টিভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

অর্থাৎ ১৪ ধারা অনুযায়ী কোনো চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে উক্ত চুক্তি সম্পাদন করা যাবে। উক্ত ধারামতে কোন চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট হলে, আদালত ঐ চুক্তির সম্পাদনযোগ্য বৃহত্তর অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের আদেশ এবং বাকী অংশের জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দিবে।

এখানে, চুক্তির সম্পাদিত অংশ ২৩ শতক তথা বড় এবং অসম্পাদিত অংশ ২ শতক তথা ছোট, তাই চুক্তিটি সম্পাদন করা যাবে এবং অসম্পাদিত অংশের জন্য B-কে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিবে।

Section 14- Specific performance of part of contract where part unperformed is small: 
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
১৭১.
'A' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'B' দাবি করে যে 'B' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'A' উক্ত সম্পত্তি 'B'-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এই ক্ষেত্রে 'A' এর প্রতিকার-
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  2. দখল উদ্ধারের মামলা
  3. ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
- সুতরাং শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।

- অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ) বলে।

-উল্লিখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'A' এর  প্রতিকার হল ঘোষণামূলক মামলা দায়ের।
১৭২.
প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) কোন ধারার অধীনে প্রদান করা হয়?
  1. ধারা ৫(ক)
  2. ধারা ৫(খ)
  3. ধারা ৫(গ)
  4. ধারা ৫(ঘ)
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫(গ) ধারার অধীনে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief) প্রদান করা হয়।
⇒ ৫(গ) ধারা অনুযায়ী:
- “কোনো পক্ষকে এমন কিছু করা থেকে বিরত রাখা, যা করা তার জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতার পরিপন্থী।”
⇒ ধারা ৬ অনুযায়ী:
- এই প্রতিরোধমূলক প্রতিকার-কে "Preventive Relief" বলা হয়। এটি সাধারণত আদালতের আদেশের (Injunction) মাধ্যমে প্রদান করা হয় যাতে কোনো ব্যক্তি বা পক্ষ অন্যের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে।

⇒ উদাহরণ:
- কোনো ব্যক্তি যদি অবৈধভাবে অন্যের জমিতে প্রবেশ করতে চায়, আদালত প্রতিরোধমূলক আদেশ জারি করে তাকে তা করতে নিষেধ করতে পারে।
- কোনো সংস্থা যদি অবৈধভাবে কপিরাইট লঙ্ঘন করে, আদালত প্রতিরোধমূলক প্রতিকার হিসাবে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করতে পারে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section: 5. Specific relief how given:
 Specific relief is given- 
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.

⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-6. Preventive relief:
- Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
১৭৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধানমতে, আদালত কয় ভাবে নিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ১ ভাবে
  2. ২ ভাবে
  3. ৩ ভাবে
  4. ৪ ভাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:
আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

⇒ Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. 

আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
১৭৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর কোন ধারায় কোন কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না তা উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ২১
  3. ধারা ২৫
  4. ধারা ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২১-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে কোন কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। এই ধারায় মোট ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারার বিধান অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না:
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে।
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে।
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে।
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য হলে।
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে।
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি।
৭) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
৮) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে (a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date)
- যে চুক্তির কার্য সম্পাদন করতে হলে চুক্তির কার্য শুরু করার তারিখ হতে তিন বছরেরও অধিক সময় পর্যন্ত ক্রমাগত কাজ করতে হয়, ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.

১৭৫.
যে পক্ষকে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে বাধ্য করা যায় না, তা সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ২১ ধারায়
  2. ২৫ ধারায়
  3. ২৮ ধারায়
  4. ৩০ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারামতে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না (What parties cannot be compelled to perform)- ভুল তথ্য বা ধারনা তথা প্রতারণার মাধ্যমে কোন চুক্তি হলে, প্রতারনার স্বীকার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ঐ চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
⇒  যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারায়, অন্যদিকে যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৪ ধারায়।
⇒  যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৭ ধারায়, অন্যদিকে যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে ২৮ ধারায়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারার বিধান: যে পক্ষগণকে কাজ সম্পাদনে বাধ্য করা যাবে না: নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন চুক্তিবদ্ধ পক্ষের বিরুদ্ধে কার্যকরী করা যাবে না:
(ক) যদি চুক্তির তারিখে বিরাজমান বিষয়বস্তুর অবস্থার তুলনায় তৎকর্তৃক গৃহীতব্য প্রতিদান এতই অপর্যাপ্ত হয় যে, তা নিজে বা অপরাপর পরিস্থিতির সহযোগে প্রতারণা বা বাদী কর্তৃক অন্যায় সুবিধা গ্রহণের সাক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়;
(খ) যদি চুক্তির অধীন যে পক্ষ কর্তৃক কাজ সম্পাদন করা কর্তব্য হয়, সেই পক্ষের সম্মতি ভুল বিবরণ (ইচ্ছাকৃত হোক বা অনিচ্ছাকৃত) গোপন চক্রান্ত বা অসদাচরণের মাধ্যমে অর্জন করা হয়ে থাকে বা তেমন পক্ষের এমন কোন আশ্বাস প্রদানের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে, যা উল্লেখযোগ্যভাবে পরিপূর্ণ করা হয়নি;
(গ) যদি ভুল তথ্য দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বা ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বা অপ্রত্যাশিতভাবে তার সম্পত্তি প্রদান করা হয়ে থাকে।
তবে শর্ত থাকে যে, যখন চুক্তিতে ভুলের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের বিধান থাকে তখন তেমন বিধানের আওতার মধ্যে ভুলের জন্য ক্ষতিপূরণ করা যেতে পারে এবং যদি তেমন কার্যকরীকরণ যথাযথ হয় তবে অন্যান্য বিষয়ে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করা যেতে পারে।
----------------
⇒ Section 28: Against whom Contracts cannot be specifically enforced:
 What parties cannot be compelled to perform: Specific performance of a contract cannot be enforced against a party thereto in any of the following cases:- 
(a) if the consideration to be received by him is so grossly inadequate, with reference to the state of things existing at the date of the contract, as to be either by itself or coupled with other circumstances evidence of fraud or of undue advantage taken by the plaintiff; 
(b) if his assent was obtained by the misrepresentation (whether wilful or innocent), concealment, circumvention or unfair practices, of any party to whom performance would become due under the contract, or by a promise of such party which has not been substantially fulfilled; 
(c) if his assent was given under the influence of mistake of fact, misapprehension or surprise: Provided that, when the contract provides for compensation in case of mistake, compensation may be made for a mistake within the scope of such provision, and the contract may be specifically enforced in other respects if proper to be so enforced. 
⇒ Illustrations 
to clause (c)- 
A, one of two executors, in the erroneous belief that he had the authority of his co-executor, enters into an agreement for the sale to B of his testator's property. B cannot insist on the sale being completed. 
A directs an auctioneer to sell certain land. A afterwards revokes the auctioneer's authority as to 20 bighas of this land, but the auctioneer inadvertently sells the whole to B, who has not notice of the revocation. B cannot enforce specific performance of the agreement.
১৭৬.
'A' এবং 'B' এর মধ্যে একটি চুক্তি অনুযায়ী 'A', 'B' কে কিছু রেলওয়ে শেয়ার বিক্রি করতে সম্মত হয়। 'A' চুক্তি সম্পাদন করতে অস্বীকার করলে 'B' এর কী অধিকার আছে?
  1. চুক্তি বাতিল করা
  2. A কে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা
  3. A কে শেয়ারগুলি হস্তান্তর করতে বাধ্য করা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
→ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার অধীনে, যদি কোনো চুক্তির লঙ্ঘনের ফলে ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার না হয় এবং চুক্তির বস্তু সীমিত বা অনন্য হয়, তবে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন আদেশ দিতে পারে।
উক্ত চুক্তির ক্ষেত্রে রেলওয়ে শেয়ার একটি সীমিত এবং বিশেষ ধরনের সম্পত্তি, যা বাজারে সবসময় সহজলভ্য নাও হতে পারে। সেই কারণে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যথেষ্ট প্রতিকার নয়, বরং আদালত 'A' কে শেয়ার হস্তান্তর করতে বাধ্য করতে পারে।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২(গ) ধারা:
"যখন চুক্তির লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার নয়, তখন চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।"

- উদাহরণ (আইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী):
একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক রেলওয়ে শেয়ারের চুক্তিতে, 'A' চুক্তি লঙ্ঘন করলে 'B' আদালতের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারে, কারণ শেয়ারগুলোর বাজারমূল্য পরিবর্তনশীল এবং সবসময় পাওয়া যায় না।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced- 
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust; 
(b) when 4[there] exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done; 
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or 
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done. 
 
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
১৭৭.
আবশ্যকীয় সম্পূরক প্রতিকার (Further Relief) না চাইলে The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারার মামলা ব্যর্থ হয়?
  1. ৩৯
  2. ৪২
  3. ৪৪
  4. ৫৩
ব্যাখ্যা
♦ The Specific Relief Act, 1877 এর ৪২ ধারার বলা আছে এরূপ ঘোষণার প্রতিবন্ধকতা: তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে বাদী শুধু স্বত্বের ঘোষণা ছাড়া আরও প্রতিকার পেতে সমর্থ অথচ তা করা হতে বিরত থাকেন সেক্ষেত্রে আদালত ঐরূপ কোন ঘোষণা প্রদান করবেন না ।
(Bar to such declaration: Provided that no Court shall make any such declaration where the plaintiff, being able to seek further relief than a mere declaration of title, omits to do SO)
♦ দেওয়ানি মামলায় মূল প্রতিকার থেকে সরাসরি সৃষ্ট প্রতিকারকে আনুষঙ্গিক প্রতিকার বলে। অর্থাৎ কোন মোকদ্দমায় মূল প্রতিকারের সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য যে প্রতিকার দাবী করা হয়, তাকে আনুষঙ্গিক প্রতিকার বা Consequential relief বলে।
♦ ঘোষণামূলক মামলায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার চাওয়া কী বাধ্যতামূলক- বাদী যদি আনুষঙ্গিক প্রতিকার পাওয়ার অধিকারী হয়, তাহলে ঘোষণামূলক মামলায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রার্থনা করা বাধ্যতামূলক।
♦ আনুষঙ্গিক প্রতিকার থাকার পরও বাদী মামলায় আনুষঙ্গিক প্রতিকার ছাড়া শুধুমাত্র ঘোষণামূলক ডিক্রির জন্য আবেদন করলে, আদালত মামলাটি খারিজ না করে ঘোষনাটি প্রত্যাখান করবে।
১৭৮.
একজন ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে চলমান একটি ফৌজদারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করতে আদালতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। এক্ষেত্রে আদালত-
  1. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে
  2. নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না
  3. আবেদনকারীকে জরিমানা করবে
  4. আবেদনকারীর বিরুদ্ধে নতুন দেওয়ানি মামলা দায়ের করবে
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা অনুযায়ী ১১ টি ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না। ক্ষেত্রগুলো নিম্নরূপ:

১। বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য।
২। কোন অধীনস্থ আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য।
৩। কোন ব্যক্তিকে আইন প্রণয়ন বিষয়ক কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা থেকে বিরত রাখার জন্য।
৪। সরকারের কোন বিভাগের সরকারি কর্তব্যে বা বিদেশি সরকারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করার জন্য
৫। কোন ফৌজদারি বিষয়ে কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য।
৬। কোন চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করা যায় না তেমন চুক্তি ভঙ্গ নিরোধের উদ্দেশ্যে।
৭। উৎপাত নয় এমন কাজ নিরোধ করার জন্য।
৮। বাদীর সম্মতি আছে এমন ক্রমাগত লঙ্ঘন নিরোধের জন্য।
৯। যখন জিম্মা ভঙ্গের প্রতিকার অন্য কোন সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়।
১০। যখন আবেদনকারীর আবেদন এমন যে তা তাকে আদালতে সাহায্য থেকে বঞ্চিত করে।
১১। যেখানে মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।

⇒ Section 56 Injunction when refused: An injunction cannot be granted- 
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings; 
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought; 
(c) to restraint persons from applying to any legislative body; 
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government; 
(e) to stay proceedings in any criminal matter; 
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced; 
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance; 
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced; 
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust; 
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court; 
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
১৭৯.
A একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবী করে। A মামলা করতে পারে-
  1. অগ্রক্রয়ের
  2. ক্ষতিপূরণের
  3. ঘোষণার
  4. বন্টনের
ব্যাখ্যা
♦ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

♦ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।

♦ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

♦ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।

♦যেহেতু A একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশি গ্রামবাসী উক্ত সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবী করে জমিতে A এর বৈধ দখলকে অস্বীকার করছে। এই ক্ষেত্রে উক্ত জমিতে A এর যে বৈধ অধিকার আছে তার ঘোষণা চেয়ে A দেওয়ানী আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
১৮০.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারানুসারে স্থাবর সম্পত্তির অনিবন্ধিত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবতযোগ্য নয়?
  1. 17
  2. 12
  3. 15
  4. 21A
ব্যাখ্যা
♦The Specific Relief Act, এর ধারা ২১ক হচ্ছে অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-

(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিষ্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা উহার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং

(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
১৮১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় বাদী সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের পরিবর্তে অথবা সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনসহ অতিরিক্ত হিসেবে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. ১৭ ধারা
  2. ১৮ ধারা
  3. ১৯ ধারা
  4. ২০ ধারা
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা: কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases: Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such a manner as the court may direct.

১৮২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারায় কোনটি বর্ণিত আছে?
  1. Rectification of instrument
  2. Rescission of Contract
  3. Cancellation of instrument
  4. Declaratory Decree
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার বিধান যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে:- যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষসমূহের পারস্পরিক ভুলের দরুন কোন চুক্তি বা অপর কোন লিখিত দলিল সত্যিকারভাবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে না, যেকোন পক্ষ বা তাদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিল সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং যদি আদালত এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের বেলায় প্রতারণা বা ভুল কার হয়েছে এবং তা কার্যকরী করার ব্যপারে পক্ষসমূহের সত্যিকার উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে অক্ষম হয়, সেখানে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যতদূর পর্যন্ত তা তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করে করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন, যাতে তা সে উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
--------------------------
⇒ Section 31 When instrument may be rectified: When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
১৮৩.
'ক', 'খ'-এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় যে, 'খ' কর্তৃক ১,০০০/- টাকা প্রদানের বিনিময়ে সে 'খ'-এর জন্য একটি ছবি আঁকবে; উক্ত চুক্তিটি-
  1. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করতে বাধ্য করা যাবে
  2. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে
  3. সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না
  4. আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা প্রতিকার মঞ্জুর করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ২১ ধারা মতে আটটি ক্ষেত্রে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
যথা- 
১। চুক্তি কার্যকর না করা হলে অর্থ দ্বারা ক্ষতিপূরণ সম্ভব। 
২। যে-সব চুক্তির শর্ত অস্পষ্ট, জটিল ; যার ফলে চুক্তির শর্ত সমূহ নির্ণয় করা সম্ভব না এবং শর্ত সমূহ সুনির্দিষ্ট ভাবে  সম্পাদন করা যায় না। 
৩। যে চুক্তি তার প্রকৃতির কারণে বাতিলযোগ্য। 
৪। ট্রাস্টিগণ কর্তৃক সম্পাদিত চুক্তি যা তাদের ক্ষমতা বহির্ভূত। 
৫। বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত কোনো কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানির চুক্তি যা তাদের ক্ষমতার অতিরিক্ত। 
৬। যে চুক্তির শর্ত আদালত যুক্তিসংগত ভাবে নির্ণয় করতে পারেনা। 
৭। যে চুক্তি সম্পাদন করতে গেলে শুরুর তারিখ হতে তিন বছরেরও বেশি সময় কাজ করতে হয়। 
৮। যে চুক্তির বিষয়বস্তু স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বেই বিলুপ্ত হয়েছে। 
 
উল্লিখিত প্রশ্নে 'ক', 'খ'-কে বিয়ে করার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়; উক্ত চুক্তিটি-সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। কারণ ২১ ধারায় বলা আছে কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে; তা আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনে আদেশ দিবে না।
 
-যেহেতু  চুক্তিটি ব্যক্তিগত যোগ্যতার উপর নির্ভরশীল তাই সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাবে না। 
-------------------
SR Act: Section-21. Contracts not specifically enforceable:
The following contracts cannot be specifically enforced:–
(a) a contract for the non-performance of which compensation in money is an adequate relief;
(b) a contract which runs into such minute or numerous details, or which is so dependent on the personal qualifications or volition of the parties, or otherwise from its nature is such, that the Court cannot enforce specific performance of its material terms;
(c) a contract the terms of which the Court cannot find with reasonable certainty;
(d) a contract which is in its nature revocable;
(e) a contract made by trustees either in excess of their powers or in breach of their trust;
(f) a contract made by or on behalf of a corporation or public company created for special purposes, or by the promoters of such company, which is in excess of its powers;
(g) a contract the performance of which involves the performance of a continuous duty extending over a longer period than three years from its date;
(h) a contract of which a material part of the subject- matter, supposed by both parties to exist, has, before it has been made, ceased to exist.
 
And, save as provided by the Arbitration Act, 1940, no contract to refer present or future differences to arbitration shall be specifically enforced; but if any person who has made such a contract other than an arbitration agreement to which the provisions of the said Act apply and has refused to perform it sues in respect of any subject which he has contracted to refer, the existence of such contract shall bar the suit.
১৮৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) এর বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
  1. ৬ ধারায়
  2. ৫২ ধারায়
  3. ৫৫ ধারায়
  4. ৫৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা অনুযায়ী, বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৫ অনুসারে, যদি কোনো বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধে আদালত নির্দিষ্ট কাজ করানোর ক্ষমতা রাখে, তাহলে বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয়। অর্থাৎ, আদালত পক্ষকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করতে পারে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারা: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
যে ক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতার ভঙ্গ করার রোধের লক্ষ্যে এবং এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সে ক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুসারে যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযােগ করা হয়েছে তা রােধ করা এবং সে সঙ্গে‌ প্রয়ােজনীয় কাজ সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 55- Mandatory injunctions:
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts.
১৮৫.
Section 26 of the Specific Relief Act deals with-
  1. Personal bars to the relief.
  2. Non-enforcement except with variation.
  3. What parties cannot be compelled to perform.
  4. The contracts which may specifically be enforced.
ব্যাখ্যা
SR Act, Section-26. Non-enforcement except with variation:
Where a plaintiff seeks specific performance of a contract in writing, to which the defendant sets up a variation, the plaintiff cannot obtain the performance sought, except with the variation so set up, in the following cases (namely):-
(a) where by fraud or mistake of fact the contract of which performance is sought is in terms different from that which the defendant supposed it to be when he entered into it;
(b) where by fraud, mistake of fact, or surprise the defendant entered into the contract under a reasonable misapprehension as to its effect as between himself and the plaintiff;
(c) where the defendant, knowing the terms of the contract and understanding its effect, has entered into it relying upon some misrepresentation by the plaintiff, or upon some stipulation on the plaintiff's part, which adds to the contract, but which he refuses to fulfil;
(d) where the object of the parties was to produce a certain legal result, which the contract as framed is not calculated to produce;
(e) where the parties have, subsequently to the execution of the contract, contracted to vary it.
-------------
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ২৬ ধারার বিধান: পরিবর্তন ব্যতীত কার্যকরীকরণ না করা:
-যেক্ষেত্রে বাদী লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন দাবি করে এবং প্রতিবাদী সে ব্যাপারে একটি পরিবর্তন খাড়া করে সেখানে বাদী নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে তেমন পরিবর্তন ব্যতীত সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে পারবে না:
(ক) যেখানে প্রতারণার দ্বারা বা তথ্যের ভুলের কারণে যে চুক্তির কাজ সম্পাদন দাবি করা হল তার শর্ত প্রতিবাদী চুক্তিবদ্ধ হবার সময় যেমন ভেবেছিল, তা হতে ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করেছে;
(খ) যেখানে প্রতারণার দ্বারা বা তথ্যগত ভুলের কারণে যা অত্যন্ত অপ্রত্যাশিতভাবে প্রতিবাদী তার এবং বাদীর মাধ্যমে চুক্তির ফলাফল সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে;
(গ) যেখানে প্রতিবাদী চুক্তির শর্তাবলী অবগত হয়ে এবং তার ফলাফল উপলব্ধি করেও বাদীর কতিপয় ভুল বিবরণের উপর বিশ্বাস করে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে অথবা বাদীর তরফ হতে এমন শর্তের প্রেক্ষিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, যা চুক্তিতে যুক্ত করা হয়েছে কিন্তু তা সে পালন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে; (ঘ) যেখানে পক্ষসমূহের লক্ষ্য নির্দিষ্ট আইনগত ফলাফল লাভ করা, কিন্তু চুক্তি যেভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে, তা তেমন ফলদায়ী হয় না;
(ঙ) যেখানে পক্ষসমূহ চুক্তিনামা সম্পাদনের সঙ্গে সঙ্গেই, তা পরিবর্তন করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়।
১৮৬.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে বিষয়বস্তু স্থিতিবস্থা বজায় রাখার জন্য আদালত কোন নিষেধাজ্ঞা প্রদান করিবেন?
  1. Temporary Injunction,
  2. Prohibitory Injunction,
  3. Perpetual Injunction,
  4. Mandatory Injunction,
ব্যাখ্যা
⇒ নিষেধাজ্ঞা হল একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম যেখানে কোন পক্ষকে নির্দিষ্ট কোন কাজ করা বা করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
সহজ ভাষায় বলতে গেলে, কোনো কিছু করা হতে মামলার পক্ষগণকে বিরত রাখা বা মামলা করার পর কোনো পক্ষের করা কাজের জন্য পরিবর্তিত কোনো সম্পত্তিকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে ইনজাংশন বা নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  নিষেধাজ্ঞার প্রধানত দুই প্রকার হতে পারে। যথাক্রমে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা। স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা অনন্তকালের জন্য চলতে পারে। মামলার রায় চূড়ান্ত আদেশ হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

⇒  মামলা চলাকালীন সময়ে বিবাদী যাতে মামলার বিষয়বস্তু হস্তান্তর বা কোন প্রকার রূপান্তর ঘটাতে না পারে সেই জন্য মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে এই কাজ হতে বিরত থাকার জন্য সাময়িকভাবে যে আদেশ দেয়া হয় তাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বলে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৯ আদেশের বিধি-১ বা বিধি-২ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পিটিশন দাখিল করতে হয়।

⇒  অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রার্থনার সময় আবেদনকারীকে কিছু বিষয় প্রমাণ করতে হবে –
(১) আবেদনকারীকে অবশ্যই (Prima facie case) প্রমাণ করতে হবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে মামলার গ্রহণযোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে।
(২) আবেদনকারী আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করবে যে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করা না হলে অপূরণীয় ক্ষতি (Irreparable loss) হবার সম্ভাবনা আছে। যেখানে অপূরণীয় ক্ষতি বলতে সেই ক্ষতিকে বুঝাবে যা অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়।
(৩) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন গ্রহণ করার ক্ষেরে আদালত (The balance of convenience and inconvenience of the Parties) বিবেচনা করেন। তাই আবেদনকারীকে সুবিধা এবং অসুবিধার ভারসাম্য আদালতে উপস্থাপন করতে হবে।
(৪) জনস্বার্থে আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা যায়। যা সাধারণত সরকারের বিপক্ষে করা হয়। সেই ক্ষেত্রে জনস্বার্থ (Public interest) বিষয়টি কার্যকর ভাবে উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫৩ ধারার মতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:-অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোন পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবলমাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
--------- 
⇒ Section 53 Temporary injunctions: Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
 
Perpetual injunctions: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit, the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
১৮৭.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের  ২১ক ধারা অনুসারে, কোন ধরণের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  1. যেকোনো মৌখিক চুক্তি
  2. রেজিস্ট্রি‑কৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
  3. অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
  4. অরেজিস্ট্রিকৃত অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
১৮৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোথায় নিরোধমূলক প্রতিকারের (Preventive Relief) বিধান আছে?
  1. Section 5(a)
  2. Section 5(b)
  3. Section 5(c)
  4. Section 5(d)
ব্যাখ্যা
⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়, যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার।
অন্যদিকে ৫ ধারার (গ) অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী ৫ ভাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয।
যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 5 Specific relief how given:
Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
১৮৯.
‘ট্রেডমার্ক’ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের দৃষ্টিতে কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. পণ্য
  2. লাইসেন্স
  3. সম্পত্তি
  4. দায়বদ্ধতা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
 
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
 
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক 'সম্পত্তি' মর্মে পরিগণিত হবে।
১৯০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার অনুযায়ী, ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুসারে ৬ বছর।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারার মোকদ্দমাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বলা হয়।
- শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি।
- তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী- ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
১৯১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় "Personal bars to the relief" সংক্রান্ত বিধান আছে?
  1. ১৮
  2. ২৪
  3. ২৩
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী চুক্তি পালনে ৪টি ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বাধার কথা বলা হয়েছে। যথা-
- ক্ষতিপূরণ আদায় অসম্ভব,
- পূর্বে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে,
- চুক্তি পালনে অক্ষম,
- পূর্বেই বিষয় বস্তু নিষ্পত্তি হয়েছে।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান: প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
-চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না:
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেচে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
-----------------
⇒ SR Act Section-24.Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favour of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject-matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
১৯২.
The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৪০ অনুযায়ী, একটি দলিল দ্বারা যদি বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং তার একটি অংশ বাতিলযোগ্য হয়, তবে কী হবে?
  1. পুরো দলিল বাতিল হবে
  2. শুধু বাতিলযোগ্য অংশ বাতিল হবে
  3. পুরো দলিল বলবৎ থাকবে
  4. আদালত কোনো প্রতিকার দিতে পারবে না
ব্যাখ্যা

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা অনুযায়ী,
যদি একই দলিল দ্বারা বিভিন্ন অধিকার সৃষ্টি হয় এবং সেই দলিলের কোনো একটি অংশ বাতিলযোগ্য (void) হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে কেবলমাত্র সেই বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বলে গণ্য হবে। দলিলের অবশিষ্ট অংশগুলি বলবৎ থাকবে।

অর্থাৎ দলিলের সম্পূর্ণ অংশই বাতিল হবে না, শুধু বাতিলযোগ্য অংশটিই বাতিল বা অকার্যকর হবে। দলিলের অন্যান্য অংশসমূহ যেখানে বৈধ অধিকার সৃষ্টি করা হয়েছে সেগুলি বলবৎ থাকবে।
এই বিধানের উদ্দেশ্য হল একই দলিলের সকল অংশকেই বাতিল না করে, শুধুমাত্র বাতিলযোগ্য অংশকেই বাতিল করা এবং বাকি দলিলটিকে কার্যকর রাখা। এতে দলিলের মূল উদ্দেশ্য বা বৈধ অংশগুলি বলবৎ থাকবে এবং কেবলমাত্র অবৈধ অংশটি বাতিল হবে। এটি দলিলের পক্ষদের স্বার্থরক্ষা করে।

১৯৩.
“Restoration of position” বা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার ধারণাটি The Specific Relief Act, 1877–এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ২০
  3. ধারা ৩৬
  4. ধারা ৩৯
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ধারা ৩৬।

The Specific Relief Act, 1877–এর ধারা ৩৬–এ ভুলের জন্য চুক্তি রদ (Rescission for mistake)–এর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে, যা হলো “Restoration of position”।

এই ধারার মূল বক্তব্য হলো-
কেবল সাধারণ ভুলের কারণে কোনো লিখিত চুক্তি বাতিল করা যাবে না, যতক্ষণ না পর্যন্ত যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিল করা হবে, তাকে এমন অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায় যেন চুক্তিটি কখনো করা হয়নি।

অর্থাৎ, চুক্তি বাতিলের পূর্বশর্ত হলো- পক্ষদ্বয়কে পূর্বের অবস্থায় (status quo ante) ফিরিয়ে আনার সক্ষমতা। এই কারণেই “Restoration of position” ধারণাটি সরাসরি ধারা ৩৬–এর সাথে সম্পর্কিত।

১৯৪.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় মোকদ্দমায় দায়ের করা যায় না-
  1. সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়
  2. দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল করলে
  3. বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করলে
  4. ক্ষতির পরিমাণ সহজেই নির্ণয়যোগ্য হলে 
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১১ ধারায় তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তি ৪টি ক্ষেত্রে মামলা করতে পারবে। যথা-
১। যে ক্ষেত্রে বিবাদী ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসেবে বাদীর অস্থাবর সম্পত্তি ধারণ করে;
২। বাদীর অস্থাবর সম্পত্তির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত না হয়;
৩। ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা কঠিন হলে;
৪। দাবি কৃত সম্পত্তিটি বিবাদী বেআইনিভাবে দখল/ হস্তান্তর করলে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১১,তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট দখল অর্পণের বিষয়ে মালিক ব্যতীত অন্য দখলকারী
ব্যক্তির দায়-দায়িত্ব। কোনো অস্থাবর সম্পত্তির অংশবিশেষ দখলকারী অথবা নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিকে, যাহার তিনি মালিক নহেন, নিম্নবর্ণিত যে কোনো ক্ষেত্রে, তাৎক্ষণিক দখলের অধিকারী ব্যক্তির নিকট সুনির্দিষ্টভাবে অর্পণ করিবার জন্য বাধ্য করা যাইবে:-
(ক) যখন দাবিকৃত বস্তু বিবাদির নিকট দাবিদারের ট্রাস্টি বা এজেন্ট হিসাবে রাখা হয়;
(খ) যখন আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে দাবিদারের দাবিকৃত বস্তুর ক্ষতির পর্যাপ্ত প্রতিকার বিধান করা যায় না;
(গ) যখন অনিষ্টের ফলে সাধিত ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করা অত্যন্ত কষ্টকর;
(ঘ) যখন দাবিকৃত বস্তুর দখল দাবিদারের নিকট হইতে ভুলভাবে হস্তান্তরিত হইয়াছে।
-----------------------
The Specific Relief Act,1877, Section11, Liability of person in possession, not as owner to deliver to person entitled to immediate possession:
 Any person having the possession or control of a particular article of movable property, of which he is not the owner, may be compelled specifically to deliver it to the person entitled to its immediate possession, in any of the following cases:-
(a) when the thing claimed is held by the defendant as the agent or trustee of the claimant;
(b) when compensation in money would not afford the claimant adequate relief for the loss of the thing claimed;
(c) when it would be extremely difficult to ascertain the actual damage caused by its loss;
(d) when the possession of the thing claimed has been wrongfully transferred from the claimant.

১৯৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে তত্ত্বাবধায়ক (receiver) নিয়োগের ক্ষমতা কার?
  1. বাদীর
  2. আদালতের
  3. মোকদ্দমার পক্ষসমূহের
  4. চুক্তির পক্ষসমূহের
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধান- তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:
প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।

তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।

Section- 44. Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure.

The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.

১৯৬.
A, একটি জাহাজের মালিক, প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্রযাত্রার উপযোগী (seaworthy) বলে উপস্থাপন করে B-কে সেটি বিমা করতে রাজি করান। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে B উপযুক্ত কী প্রতিকার পেতে পারেন?
  1. বিমা নীতি সংশোধন করতে পারেন
  2. বিমা নীতি বাতিল করতে পারেন
  3. ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারেন
  4. আদালতের মাধ্যমে জাহাজ জব্দ করতে পারেন
ব্যাখ্যা

⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৩৯ অনুযায়ী,
যদি কোনো দলিল বা চুক্তি মিথ্যা বা প্রতারণার মাধ্যমে করা হয়, এবং এতে কোনো পক্ষের গুরুতর ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, সেই পক্ষ আদালতে মামলা করে সেই চুক্তি বা দলিলকে বাতিল/voidable ঘোষণা করতে পারে।
এখানে, A প্রতারণা করেছে এবং B এর সম্মতিতে বিমা নীতি সম্পন্ন হয়েছে।
তাই B আদালতের মাধ্যমে বিমা নীতি বাতিল (rescind) করতে পারবেন, যাতে চুক্তিটি কার্যকর না থাকে এবং তার উপর আর কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা না থাকে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯: কখন বাতিলকরণ আদেশ করা যেতে পারে:
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো লিখিত দলিল বাতিলযোগ্য (voidable) বা অকার্যকর (void), এবং যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা আছে যে ওই দলিলটি যদি বহাল থাকে তবে তা তাকে গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে- সে ব্যক্তি আদালতে মামলা করতে পারে যাতে দলিলটিকে অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য ঘোষণা করা হয়।

আদালত তার বিবেচনায় যদি মনে করে যে দলিলটি সত্যিই অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য, তাহলে আদালত সেটিকে তেমনভাবে ঘোষণা করতে পারে এবং দলিলটি জমা দিয়ে বাতিল করার আদেশ দিতে পারে।

যদি সেই দলিলটি ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন (Registration Act, 1908) অনুসারে নিবন্ধিত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি অনুলিপি সেই নিবন্ধন অফিসারের কাছে পাঠাবে, যার অফিসে দলিলটি নিবন্ধিত হয়েছে। ঐ অফিসার তার রেকর্ডে সংরক্ষিত দলিলের অনুলিপিতে তার বাতিল হওয়ার বিষয়টি নোট করে রাখবে।

উদাহরণ:
(ক) A, একটি জাহাজের মালিক, প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্রযাত্রার উপযোগী (seaworthy) বলে উপস্থাপন করে B-কে (যিনি বিমাকারী) সেটি বিমা করতে রাজি করান। B এই প্রতারণামূলক বিমা নীতিটি বাতিল করাতে পারেন।

১৯৭.
সরকার কর্তৃক কোন ব্যক্তি তার জমি হতে বেদখল হলে সে মামলা করতে পারে-
  1. দখল উদ্ধারের
  2. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
  3. কেবল স্বত্ব ঘোষণার
  4. স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের
ব্যাখ্যা
⇒সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী সরকার কর্তৃক কোন ব্যক্তি তার জমি হতে বেদখল হলে সে কোন ভাবে সরকারের বিরুদ্ধে দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে না।
-কিন্তু উক্ত বেদখলকৃত ব্যক্তি ৮ এবং ৪২ ধারা অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারসহ স্বত্ব ঘোষণার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
-কারণ এই দুইটি ধারার অধীন সরকারের বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরে কোন বাধা নেই।

অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুযায়ী কোনো সম্পত্তি থেকে সরকার কর্তৃক অন্যায়ভাবে দখলচ্যুত হলে এবং দখলচ্যুত ব্যক্তি সম্পত্তির বৈধ মালিক বা দাবিদার হয়ে থাকলে: ৮ ও ৪২ ধারা অনুযায়ী স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা করতে পারবে।
১৯৮.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ক্ষেত্রে বিবাদী নিম্নলিখিত কোন যুক্তিটি আত্মপক্ষ সমর্থনের কারণ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে?
  1. কঠোরতা এবং অন্যায় সুবিধা
  2. অনিশ্চয়তা এবং ক্ষমতার অতিরিক্ত
  3. অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষমতার অতিরিক্ত
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুযায়ী, চুক্তি বলবৎকরণের মোকদ্দমায় যদি বিবাদী দেখাতে পারে যে, বিবাদির প্রতি বাদীর অন্যায় সুবিধা আছে এবং যেক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ বিবাদির প্রতি কষ্ট বা কঠোরতা hardship সৃষ্টি করবে কিন্তু চুক্তি বলবৎ না করলে বাদীকে এমন ধরনের কোন কঠোরতায় জড়াবে না,
সেই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং চুক্তি বলবৎকরণের ডিক্রি না দিয়ে বিবাদীকে ক্ষতিপূরণ (solatium) মঞ্জুর করতে পারে।
--------------------------------
SR Act Section-22. Discretion as to decreeing specific performance:
-The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
The following are cases in which the Court may properly exercise a discretion not to decree specific performance:-
I. Where the circumstances under which the contract is made are such as to give the plaintiff an unfair advantage over the defendant, though there may be no fraud or misrepresen-tation on the plaintiff's part.
II. Where the performance of the contract would involve some hardship on the defendant which he did not foresee, whereas its non-performance would involve no such hardship on the plaintiff.
III. Where the plaintiff has done substantial acts or suffered losses in consequence of a contract capable of specific performance.
১৯৯.
যদি বিক্রেতা বিক্রয়ের পরে সম্পত্তিতে অতিরিক্ত কোনো স্বার্থ (interest) অর্জন করেন, তবে The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৮(ক) অনুসারে ক্রেতার অধিকার কী?
  1. সেই স্বার্থ বাতিল করতে পারেন
  2. চুক্তি বাতিল করতে পারবেন
  3. চুক্তির শর্ত পরিবর্তন করতে পারবেন
  4. বিক্রেতাকে নতুন স্বার্থ থেকে চুক্তি পূরণে বাধ্য করতে পারেন
ব্যাখ্যা

The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৮: ত্রুটিপূর্ণ শিরোনামের বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার/ভাড়াটিয়ার অধিকার:
যে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি করলে এবং তার সেই সম্পত্তিতে কেবল ত্রুটিপূর্ণ শিরোনাম (imperfect title) থাকে, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়াকে (যদি অন্যথা এই অধ্যায়ে বলা না হয়) নিম্নলিখিত অধিকার থাকবে:

(ক) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া বিক্রয় বা ভাড়ার পরে সম্পত্তিতে কোনো স্বার্থ অর্জন করেন, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়া তাকে সেই স্বার্থ থেকে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারে।

(খ) যেখানে শিরোনামের বৈধতার জন্য অন্য ব্যক্তিদের সম্মতি প্রয়োজন এবং তারা বিক্রেতার/ভাড়াটিয়ার অনুরোধে স্থানান্তর করতে বাধ্য, ক্রেতা বা ভাড়াটিয়া বিক্রেতাকে সেই সম্মতি প্রাপ্তির জন্য বাধ্য করতে পারে।

(গ) যেখানে বিক্রেতা দাবি করেন যে সম্পত্তি ঋণমুক্ত (unencumbered), কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সম্পত্তি একটি মর্টগেজে বন্ধকী এবং সেই মর্টগেজের পরিমাণ ক্রয়মূল্যের সমান বা কম, এবং বিক্রেতার কেবল redeem করার অধিকার থাকে, ক্রেতা তাকে মর্টগেজ রিডিম করতে এবং মর্টগেজদাতার কাছ থেকে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে বাধ্য করতে পারে।

(ঘ) যেখানে বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়া চুক্তি পূরণের জন্য মামলা করেন এবং সেই মামলা তার অপরিপূর্ণ শিরোনামের কারণে খারিজ হয়ে যায়, তখন বিপক্ষের অধিকার থাকবে:
- তার জমা দেওয়া অর্থ (deposit) ফেরত পাওয়া, সুদসহ,
- মামলার খরচ ফেরত পাওয়া, এবং
- বিক্রেতা বা ভাড়াটিয়ার সম্পত্তিতে চুক্তি অনুযায়ী তার জমা, সুদ ও খরচের উপর lien থাকা।

২০০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা অনুসারে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ কোন অংশের জন্য দেওয়া হয়?
  1. সম্পূর্ণ চুক্তি
  2. ক্ষুদ্রতর অসম্পাদিত অংশ
  3. বৃহত্তর অসম্পাদিত অংশ
  4. কোনো অংশ নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১৪ অনুযায়ী, যখন চুক্তির একটি ক্ষুদ্রতর অংশ অনিবার্য কারণে সম্পাদন করা সম্ভব হয় না, এবং সেই অংশ মূল্য হিসেবে সামান্য ও অর্থের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়, তখন আদালত চুক্তির বৃহত্তর ও সম্পাদনযোগ্য অংশের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারেন, এবং বাকি ক্ষুদ্রতর অসম্পাদিত অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান: কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.