ব্যাখ্যা
-দেওয়ানী আদালত স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ৪ টি ক্ষেত্রে বা ৪ ধরনের চুক্তিকে সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করাতে পারেন বা আদালতে চুক্তি প্রবলের মামলা করে ৪ ধরনের চুক্তি সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকর করা যায়।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১ / ১২ · ১–১০০ / ১,১৭২
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৯ (Recovery of specific immovable property) অনুযায়ী: "যদি কোনো ব্যক্তি তার স্থাবর সম্পত্তির দখল থেকে বেআইনিভাবে বঞ্চিত হয়, তবে সে আদালতে মামলা দায়ের করে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।"
- ভাড়াটিয়া যদি ভাড়ার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বাড়ি না ছাড়ে, তাহলে সে বেআইনি দখলদার (trespasser) হয়ে যায়।
- বাড়ির মালিক ধারা ৯ এর আওতায় "possession" পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারেন।
- এটি দ্রুত প্রতিকার (summary remedy) এবং মালিকানার প্রশ্ন উঠে না — শুধু দখলের অধিকার দেখতে হবে।
অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৯-এ স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য একটি বিশেষ প্রতিকারের বিধান রয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনিভাবে বা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অন্যের স্থাবর সম্পত্তি (যেমন: বাড়ি, জমি) দখলে রাখে, তাহলে সম্পত্তির প্রকৃত মালিক এই ধারা অনুযায়ী একটি সরলীকৃত মামলার মাধ্যমে দখল পুনরুদ্ধার করতে পারেন।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী: "চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ (Specific Performance of Contract) সম্পর্কিত মামলা দায়ের করার তামাদি সময়সীমা ১ বছর, এবং এই সময়সীমা গণনা শুরু হবে যেদিন বাদীর সেই বলবৎকরণ চাওয়ার অধিকার উদ্ভব হয় সেই তারিখ থেকে।"
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুসারে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের (Specific Performance) মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় চুক্তিভঙ্গের তারিখ থেকে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী ৪টি ক্ষেত্রে চুক্তি বলবৎ করার জন্য মামলা করা যায়
(১) সম্পত্তিটি যদি সম্পূর্ণ/আংশিক ট্রাস্ট এর অন্তর্ভুক্ত হয়,
(২) ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব না হল,
(৩) টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণ সম্ভব না হল,
(৪) ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
-তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী ১২ ধারার মামলা ১ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারার বিধান: যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877-Section-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when there exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) when it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation - Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারার শিরোনাম "Injunction when refused" বা "নিষেধাজ্ঞা যখন মঞ্জুর করা হয় না" এবং এই ধারায় নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর না করার ১১টি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৬ ধারা-তে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোন কোন ক্ষেত্রে আদালত নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করবে না।
-এই ধারা অনুযায়ী ১১টি নির্দিষ্ট পরিস্থিতি বর্ণিত হয়েছে, যেখানে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হবে না। তা হলো:
১. যখন বিচার বিভাগীয় কার্যধারা স্থগিত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে হবে না।
২. যখন কোনো অধীনস্থ আদালতের কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না।
৩. যখন কোনো ব্যক্তি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে চায়।
৪. যখন সরকারের কোনো সরকারি কার্যক্রম বা বিদেশি সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করতে হবে না।
৫. যখন কোনো ফৌজদারি বিষয়ে কার্যধারা স্থগিত রাখতে হবে না।
৬. যখন কোনো চুক্তি ভঙ্গের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না সেই চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।
৭. যখন উৎপাত নয় এমন কাজ নিষেধ করতে হবে না।
৮. যখন বাদী সম্মতি দিয়েছে এমন ক্রমাগত লঙ্ঘন নিষেধ করতে হবে না।
৯. যখন জিম্মা ভঙ্গের প্রতিকার অন্য কোনো সাধারণ কার্যধারার মাধ্যমে পাওয়া যায়।
১০. যখন আবেদনকারীর আবেদন এমন যে তাকে আদালতের সাহায্য থেকে বঞ্চিত করবে।
১১. যখন মামলার বিষয়বস্তুতে আবেদনকারীর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই।
⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 56. Injunction when refused:
An injunction cannot be granted-
(a) to stay a judicial proceeding pending at the institution of the suit in which the injunction is sought, unless such restraint is necessary to prevent a multiplicity of proceedings;
(b) to stay proceedings in a Court not subordinate to that from which the injunction is sought;
(c) to restraint persons from applying to any legislative body;
(d) to interfere with the public duties of any department of the Government, or with the sovereign acts of Foreign Government;
(e) to stay proceedings in any criminal matter;
(f) to prevent the breach of a contract the performance of which would not be specifically enforced;
(g) to prevent, on the ground of nuisance, an act of which it is not reasonably clear that it will be a nuisance;
(h) to prevent a continuing breach in which the applicant has acquiesced;
(i) when equally efficacious relief can certainly be obtained by any other usual mode of proceeding except in case of breach of trust;
(j) when the conduct of the applicant on his agents has been such as to disentitle him to the assistance of the Court;
(k) where the applicant has no personal interest in the matter.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫(ঘ) অনুসারে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় "ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে"। এটি "অধিকার ঘোষণা" (Declaratory Relief)-এর সরাসরি বিধান, যা পক্ষগুলোর অধিকার সুনির্দিষ্টভাবে ঘোষণা করে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়াই।
অন্যান্য উপধারাগুলো:
(ক): সম্পত্তির দখল গ্রহণ ও প্রদান।
(খ): কোনো কাজ করার আদেশ।
(গ): কোনো কাজ না করার বিরতি (Injunction)।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ৫ ধারা মতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------
The Specific Relief Act, 1877 Section-5: Specific relief how given:
-Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২৪-এর শিরোনামই হলো "প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা" (Personal bars to the relief)। ধারা ২৪ অনুসারে যেসব ব্যক্তির পক্ষে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যাবে না:
- যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না
- যে নিজে চুক্তির কোনো প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করেছে
- যে ইতোমধ্যে অন্য প্রতিকার বেছে নিয়ে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে
- যে চুক্তি সম্পাদনের আগেই বিষয়বস্তুর বিলিবন্দোবস্ত সম্পর্কে জানত
অতএব, সঠিক উত্তর গ) ধারা ২৪।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারার বিধান: প্রতিকারের পথে ব্যক্তিগত প্রতিবন্ধকতা:
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন এমন ব্যক্তির পক্ষে করা যায় না-
(ক) যে চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবে না;
(খ) যে নিজে চুক্তির কোন প্রয়োজনীয় শর্ত ভঙ্গ করে বা শর্ত পালন করতে অসমর্থ হয় এবং যার ফলে তার নিজের অংশেরই কাজ সম্পাদন বাকী থাকে;
(গ) যে ইতোমধ্যে তার প্রতিকার বেছে নিয়েছে এবং কথিত চুক্তি ভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ পেয়েছে; বা
(ঘ) যে চুক্তি আগেই অবগত ছিল যে, তার বিষয়বস্তু (যদিও তা কোন মূল্যবান পণভিত্তিক নয়) বিলিবন্দোবস্ত করা হয়েছিল এবং তখন তা কার্যকরী ছিল।
------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 24- Personal bars to the relief:
Specific performance of a contract cannot be enforced in favor of a person-
(a) who could not recover compensation for its breach;
(b) who has become incapable of performing, or violates, any essential term of the contract that on his part remains to be performed;
(c) who has already chosen his remedy and obtained satisfaction for the alleged breach of contract; or
(d) who, previously to the contract, had notice that a settlement of the subject matter thereof (though not founded on any valuable consideration) had been made and was then in force.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ২১ক(খ)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার মামলায় চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য (balance amount of consideration) মোকদ্দমাটি রুজু/দায়েরের কালে (at the time of filing the suit) আদালতে জমা দিতে হবে। এটি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যকারিতার জন্য বাধ্যতামূলক শর্ত।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য: এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Section 21A Unregistered contract for sale not specifically enforceable: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless–
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি তার অনুমতি ছাড়া এবং আইনগত পন্থা অনুসরণ না করে স্থাবর সম্পত্তি থেকে দখলচ্যুত হয়, তবে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তি আদালতে মামলা করে সেই সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করতে পারে। এই ধারা এমন ব্যক্তির জন্য প্রযোজ্য যারা অবৈধভাবে তাদের সম্পত্তির দখল হারিয়েছে, এবং এটি সম্পত্তির বৈধতা বা মালিকানা প্রতিষ্ঠা করার জন্য নয়, বরং শুধুমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের জন্য।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
- যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
- সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
- আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
- Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
- No suit under this section shall be brought against the Government.
- No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩১ ধারার বিধান- যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোনো পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এব আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
----------------------
• SR Act-Section-31. When instrument may be rectified: When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
⇒ Specific Relief Act 1877-এর ধারা ৩৫-৩৮ এর অধীনে চুক্তির বাতিল (Rescission) সম্পর্কিত বিষয়গুলো আলোচিত হয়। এই ধারাগুলোতে বর্ণনা করা হয়েছে যে, কোনো চুক্তি পক্ষগুলোর পারস্পরিক সম্মতিতে বা আইনগত কারণে বাতিল করা যেতে পারে।
- ধারা ৩৫-৩৮ এর প্রধান বিষয় হলো চুক্তির বাতিল (Rescission), যেখানে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর পক্ষগুলো যদি তা বাতিল করতে চায়, তবে তারা আদালতে এর জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
- চুক্তি বাতিল হতে পারে যদি এটি অবৈধ কারণে করা হয়, পক্ষগুলোর মধ্যে প্রতারণা বা ভুল উপস্থাপনা থাকে, অথবা পক্ষগুলো পারস্পরিক সম্মতিতে চুক্তি থেকে মুক্তি পেতে চায়।
- বাতিল সাধারণত পক্ষগুলোর নতুন সম্মতির মাধ্যমে বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এটি চুক্তির বাধ্যবাধকতা থেকে পক্ষগুলোকে মুক্ত করে।
- অর্থাৎ ধারা ৩৫-৩৮ এর অধীনে চুক্তির বাতিল (Rescission) বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়, যেখানে পক্ষগুলো চুক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে পারে। এটি ন্যায়বিচারের নীতির উপর ভিত্তি করে পক্ষগুলোর অধিকার রক্ষা করে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৩৫ এবং তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১১৪ অনুসারে চুক্তি রদের (rescission of contract) মামলা দায়ের করার সর্বোচ্চ সময়সীমা ১ বছর।
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১১৪ অনুযায়ী, চুক্তি প্রত্যাহার করার মামলা যে সকল বিষয় বাদীকে চুক্তি বাতিল করার অধিকার প্রদান করে, সেগুলি সম্পর্কে বাদী যখন প্রথম অবগত হওয়ার ১ বছরের মধ্যে করতে হবে।
বিবেচনামূলক ক্ষমতা বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে প্রতিকার প্রদানে আদালত আইনত বাধ্য নয়। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন দেওয়ানি আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্র বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১. চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (ধারা ১২);
২. দলিল সংশোধন (ধারা ৩১);
৩. বাতিল বা বাতিলযোগ্য দলিল বাতিল (ধারা ৩৯);
৪. ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২);
৫. রিসিভার নিয়োগ (ধারা ৪৪);
৬. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৪);
৭. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৫);
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (ধারা ৫৩)।
আদালত ২টি ক্ষেত্রে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না:
১. সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা ৮);
২. স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৯)।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারায় পাওয়া প্রতিকারগুলো পক্ষগণের অধিকার।তাই ৮ ও ৯ ধারার অধীনে স্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের-১০ ধারা: সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তির দখলের অধিকারী ব্যক্তি দেওয়ানি কার্যবিধিতে নির্ধারিত পন্থায় তার দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ১:
এই ধারা অনুসারে, একজন জিম্মাদার যার জন্য জিম্মাদার নিযুক্ত হয়েছে, সে ব্যক্তির হিতকর স্বার্থে নিয়োগ করার অধিকার রয়েছে এমন অস্থাবর সম্পত্তির দখল পাওয়ার জন্য মামলা রুজু করতে পারে।
ব্যাখ্যা- ২:
সম্পত্তির বর্তমান দখলের জন্য অস্থায়ী বা বিশেষ অধিকারকেই এই ধারা অনুযায়ী দায়েরকৃত মামলাকে সমর্থন করার জন্য যথেষ্ট।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ধারা ৪৩:,ঘোষণার ফলাফল: এই অধ্যায়ের অধীনে প্রদত্ত ঘোষণা শুধু মামলার পক্ষগণ, এবং তাহাদের মাধ্যমে দাবিদার ব্যক্তিগণের উপর, এবং, যেক্ষেত্রে পক্ষগণের মধ্যে কোনো ট্রাস্টি থাকেন, সেক্ষেত্রে এইরূপ ব্যক্তিগণের উপর যাহারা ঘোষণার দিন পর্যন্ত বাঁচিয়া থাকিতেন, তাহা হইলে এইরূপ পক্ষগণ যাহাদের জন্য ট্রাস্টি হইতেন তাহাদের উপর, অবশ্য পালনীয় হইবে।
উদাহরণ ক একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বী, তাহার কথিত স্ত্রী খ এবং তাহার মাকে বিবাদি করিয়া দায়েরকৃত মামলায় তাহার বিবাহ যথারীতি সম্পন্ন হইয়াছে এই ঘোষণা প্রদান এবং তাহার দাম্পত্য অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আদেশ প্রদানের আবেদন জানান। আদালত সেইরূপ ঘোষণা ও আদেশ প্রদান করে। গ, খ কে তাহার স্ত্রী দাবি করেন এবং খ-কে উদ্ধার করিবার জন্য ক-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পূর্ববর্তী মামলায় প্রদত্ত ঘোষণা গ-এর উপর বাধ্যকর নহে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 43, Effect of declaration: A declaration made under this Chapter is binding only on the parties to the suit, persons claiming through them respectively, and, where any of the parties are trustees, on the persons for whom, if in existence at the date of the declaration, such parties would be trustees.
Illustration: A, a Hindu, in a suit to which B, his alleged wife, and her mother, are defendants, seeks a declaration that his marriage was duly solemnized and an order for the restitution of his conjugal rights. The Court makes the declaration and order. C, claiming that B is his wife, then sues A for the recovery of B. The declaration made in the former suit is not binding upon C.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ১২ অনুযায়ী, চুক্তির সুনির্দিষ্ট পারফরমেন্স আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নলিখিত চারটি ক্ষেত্রে আদায়যোগ্য:
১) যখন চুক্তিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত কোনো ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত থাকে।
২) যখন চুক্তিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি হবে তার মানদণ্ড নির্ধারণের কোন উপায় নেই।
৩) যখন চুক্তিভুক্ত কাজ এমন যে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে যথেষ্ট প্রতিকার পাওয়া যায় না।
৪) যখন সম্ভাবনা থাকে যে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
সুতরাং, মোট ৪টি পৃথক পরিস্থিতিতে আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ আদায় করতে পারে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা- যে-সব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদায়যোগ্য:
যদি এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে:
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।
ব্যাখ্যা: যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমনভাবে করা যায়।
----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 - Sections-12. Cases in which specific performance enforceable:
Except as otherwise provided in this Chapter, the specific performance of any contract may in the discretion of the Court be enforced-
(a) when the act agreed to be done is in the performance, wholly or partly, of a trust;
(b) when 4[there] exists no standard for ascertaining the actual damage caused by non-performance of the act agreed to be done;
(c) when the act agreed to be done is such that pecuniary compensation for its non-performance would not afford adequate relief; or
(d) When it is probable that pecuniary compensation cannot be got for the non-performance of the act agreed to be done.
Explanation- Unless and until the contrary is proved, the Court shall presume that the breach of a contract to transfer immoveable property cannot be adequately relieved by compensation in money, and that the breach of a contract to transfer moveable property can be thus relieved.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ ধারায় দলিল বাতিল সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী নিবন্ধিত দলিল বাতিল করা হলে, ডিক্রির একটি কপি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধিত হয়েছিলো।
• দলিল বাতিল সংক্রান্ত তথ্য:
⇒ দলিল বাতিলের মোকদ্দমা করতে পারে:
১) দলিলের যেকোনো পক্ষ;
২) দলিলের পক্ষ নয় এমন ব্যক্তি, কিন্তু যার ক্ষতিগ্রস্ত [Serious Injury] হওয়ার সম্ভাবনা আছে;
৩) যেকোনো ব্যক্তি; যার বিরুদ্ধে দলিলটি বাতিল বা বাতিলযোগ্য।
⇒ আদালত বিবেচনামূলক/স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নোক্ত আদেশ দিবে বা প্রতিকার মঞ্জুর করবে:
১. বাতিল বা বাতিলযোগ্য বলে আইনানুযায়ী নিষ্পত্তি করবে,বা
২. দলিলটি অর্পণের আদেশ দিবে, বা
৩. দলিলটি বাতিলের আদেশ দিবে।
তামাদির মেয়াদ: অবগত হওয়ার সময় থেকে ৩ বছর (অনুচ্ছেদ ৯১, তামাদি আইন)।
কোর্ট ফিস: মূল্যানুপাতিক [অ্যাড-ভ্যালোরেম]।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩ ধারা অনুসারে "ট্রাস্টি" শব্দটি প্রত্যেক ব্যক্তিকে বুঝায় যারা স্পষ্টভাবে, গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে বা কাঠামোগতভাবে আস্থাভাজন বা বিশ্বাসভাজন চরিত্র বহন করে।
---------------------------
The Specific Relief Act, 1877, Section 3, Interpretation clause: "trustee" includes every person holding, expressly, by implication, or constructively, a fiduciary character.
⇒ A তার দখল বা স্বত্বের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য আদালতে ঘোষণামূলক মামলা (Declaratory Suit) করতে পারে, যাতে আদালত ঘোষণা দেয় যে A সত্যিই সেই সম্পত্তি রাখার অধিকারী।
ঘোষণামূলক মামলা ও ডিক্রির সংজ্ঞা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। আদালত ঘোষণামূলক মামলায় যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে "ঘোষণামূলক ডিক্রি" (Declaratory Decree) বলে। এই ডিক্রির মাধ্যমে বাদীর আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার ঘোষণা করা হয়।
ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি:
i) বাদীকে আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হতে হবে।
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে- চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট পরিচয় এখানে প্রযোজ্য নয়।
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় বা সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হতে হবে বা অস্বীকারের উদ্যোগ নিতে হবে।
মোকদ্দমা দায়েরের যোগ্যতা:
১. যিনি আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. যিনি সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী, কিন্তু তার অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে।
৩. যাঁর পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৩ অনুসারে, অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা - অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হইল এইরূপ নিষেধাজ্ঞা যাহা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো সময় ইহা মঞ্জুর করা যাইবে, এবং দেওয়ানি কার্যবিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে।
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।- কেবল শুনানির পর এবং মামলার গুণাগুণের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা যাইবে: ইহার মাধ্যমে বিবাদিকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ, অথবা এমন একটি কাজ করা হইতে বিরত থাকিবার নির্দেশ দেওয়া হয় যাহা বাদির অধিকারের বিপরীতে হইবে।
-----------------
Temporary injunctions section ,53. Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.
Perpetual injunction: A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
ধারা ৩২ – পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
লিখিত চুক্তি সংশোধন (rectification) করার জন্য আদালতকে নিশ্চিত হতে হবে যে, চুক্তিতে অংশ নেওয়া সকল পক্ষই ন্যায়সঙ্গত ও বিবেকপূর্ণ (equitable and conscientious) চুক্তি করতে ইচ্ছুক ছিলেন।
সহজভাবে বলা যায়:
যদি আদালত কোনো লিখিত চুক্তি সংশোধন করতে চায়, তাকে প্রথমে দেখতে হবে যে চুক্তির সব পক্ষই চুক্তি করার সময় ন্যায়সঙ্গত ও সতর্কতার সাথে (বিবেকপূর্ণভাবে) কাজ করার অভিপ্রায় রাখতেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার শেষ অংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।"
সুতরাং, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণের পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে আদালতের বিবেচনার ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এটি সরকারি হার, পক্ষগুলোর সম্মতি বা চুক্তিতে উল্লিখিত হার দ্বারা সীমাবদ্ধ নয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
--------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 19: Power to award compensation in certain cases:
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly.
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct.
Explanation - The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.
The Specific Relief Act, 1877: Section 6. Preventive relief:
Specific relief granted under clause (c) of section 5 is called preventive relief.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৬ ধারার বিধান: নিরোধক প্রতিকার:
৫ ধারার (গ) উপধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত ও সুনির্দিষ্ট প্রতিকারকে নিরোধক প্রতিকার বলা হয়।
সঠিক উত্তর: যখন চুক্তিটি বৈধ নয়।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৪ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে, যদি কোনো চুক্তি বৈধ না হয়, তবে এ আইনের অধীনে তার জন্য কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না। অর্থাৎ, কোনো অবৈধ বা আইনত অকার্যকর চুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দাবি করা যাবে না।
তবে, বৈধ চুক্তির ক্ষেত্রে এ আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের দাবির পাশাপাশি অন্যান্য আইনি প্রতিকার পাওয়ার অধিকার অক্ষুণ্ন থাকে।
অন্য অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
(ক) যখন চুক্তিটি মৌখিক:
→ মৌখিক চুক্তিও আইনত কার্যকর হতে পারে যদি সেটি প্রমাণ করা যায়। তাই শুধুমাত্র মৌখিক হওয়ার কারণে প্রতিকার অযোগ্য হবে না।
(গ) যখন চুক্তিটি নিবন্ধিত নয়:
→ কিছু চুক্তির ক্ষেত্রে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, তবে সকল চুক্তির ক্ষেত্রে নয়। যদি চুক্তির নিবন্ধন আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক হয় এবং তা নিবন্ধিত না হয়, তবে প্রতিকার পাওয়া কঠিন হতে পারে। তবে নিবন্ধন-অপ্রয়োজনীয় চুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার দাবি করা যেতে পারে।
(ঘ) যখন চুক্তিটি দুই পক্ষের সম্মতিতে হয়েছে:
→ দুই পক্ষের সম্মতিতে সম্পাদিত চুক্তি আইনত কার্যকর হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পাওয়ার জন্য চুক্তিটির বৈধ হওয়া আবশ্যক। অবৈধ চুক্তি বা আইনবহির্ভূত কোনো সমঝোতা থাকলে এ আইনের অধীনে কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ৪ ধারা এই আইনের প্রয়োগসীমা নির্ধারণ করছে। এর প্রধান বিষয়গুলি হল:
(a) এই আইন যে সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে, চুক্তি ব্যতীত অন্য কোনো সমঝোতা/আইনিদৃষ্টিতে বাধ্যবাধকতা না থাকলে তার বিষয়ে কোনো প্রতিকারের অধিকার প্রদান করবে না।
(b) এই আইন কাউকে নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ব্যতীত অন্য কোনো চুক্তিজনিত প্রতিকারের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবে না।
(c) এই আইন 1908 সালের রেজিস্ট্রেশন আইন এবং নথিপত্রের উপর তার প্রভাব রাখবে না।
সংক্ষেপে,এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো যে, যদি কোনো চুক্তি বৈধ না হয়, তাহলে এ আইনে তার জন্য কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না।
-তবে, বৈধ চুক্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার ছাড়াও অন্যান্য প্রতিকার পাওয়ার অধিকার অক্ষুণ্ন থাকবে এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর বিধানাবলি এ আইনের মাধ্যমে প্রভাবিত হবে না।
-----------
⇒ Section 4- Savings: Except where it is herein otherwise expressly enacted, nothing in this Act shall be deemed-
(a) to give any right to relief in respect of any agreement which is not a contract;
(b) to deprive any person of any right to relief, other than specific performance, which he may have under any contract; or
(c) to affect the operation of the Registration Act, 1908 on documents.
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার: কোন প্রার্থীকে প্রতিকার প্রদান করাই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের লক্ষ্য। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার হলো এক ধরনের আইনগত প্রতিকার যা বাদী দেওয়ানী আদালতে প্রার্থনা করে এবং আদালত তা মঞ্জুর করেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৫ ধারা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় নিম্নোক্ত উপায়ে:
১) সম্পত্তি প্রত্যর্পণের মাধ্যমে;
২) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৩) নিষেধমূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে;
৪) ঘোষণামূলক ডিক্রির মাধ্যমে;
৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
- এখানে "রিসিভার নিয়োগ" একটি বৈধ ও স্বীকৃত উপায়, কিন্তু "আপিল দায়ের" এবং "ফৌজদারি মামলা" সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতাভুক্ত নয়।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা-
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
---------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section: 5. Specific relief how given:
- Specific relief is given-
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant;
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do;
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do;
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or
(e) by appointing a receiver.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারা-
যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে যখন প্রতারণার মাধ্যমে বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের জন্য কোন লিখিত চুক্তি বা অন্য কোন লিখিত দলিল প্রকৃত অর্থে তাদের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে না, তখন যেকোন পক্ষ অথবা তাদের স্বার্থ- সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি দলিলটি সংশোধিত করে নেওয়ার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে;
এবং আদালত যদি এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত দেখতে পান যে, দলিল প্রণয়নের সময় প্রতারণা অথবা ভুল করা হয়েছে এবং তা কার্যকর করবার ক্ষেত্রে পক্ষগণের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিরূপণ করতে সক্ষম হয়, তাহলে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে যতদূর পর্যন্ত তৃতীয় ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে অর্জিত অধিকারে হস্তক্ষেপ না করেই করা যায়, ততদূর পর্যন্ত দলিল সংশোধন করতে পারেন - যাতে দলিলের এই উদ্দেশ্য ব্যক্ত করতে সক্ষম হয়।
---------------
Section 31- When instrument may be rectified:
When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ধারা ২১ক। বিক্রয়ের জন্য অনিবন্ধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।- এই আইন বা আপাতত বলবৎ
অন্য কোনো আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যাইবে না যদিনা-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর অধীন নিবন্ধিত হয়, হস্তান্তরগ্রহীতা সম্পত্তি বা ইহার অংশ বিশেষের দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তির বিনিময় মূল্যের অবশিষ্ট অংশ চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের মামলা দায়ের করিবার সময় আদালতে জমা প্রদান করা হয়।
-------------------------
Unregistered contract, 21A: Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, no contract for sale of any immovable property can be specifically enforced unless-
for sale not specifically enforceable.
(a) the contract is in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof; and
(b) the balance amount of consideration of the contract is deposited in the court at the time of filing the suit for specific performance of the contract.
Section: 22. Discretion as to decreeing specific performance:
The jurisdiction to decree specific performance is discretionary, and the Court is not bound to grant such relief merely because it is lawful to do so; but the discretion of the Court is not arbitrary but sound and reasonable, guided by judicial principles and capable of correction by a Court of appeal.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩২ ধারা- পক্ষসমূহের অভিপ্রায় সম্পর্কে অনুমান:
একটি লিখিত চুক্তি সংশোধনের উদ্দেশ্যে, আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হবে যে সকল পক্ষই একটি ন্যায়সঙ্গত এবং বিবেকসম্মত চুক্তি করার উদ্দেশ্য নিয়েছিল।
--------------
Section 32- Presumption as to intent of parties-
For the purpose of rectifying a contract in writing, the Court must be satisfied that all the parties thereto intended to make an equitable and conscientious agreement.