বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

প্রণালী, সীমারেখা ও অন্যান্য ভৌগোলিক বিষয় সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন৩৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রণালী, সীমারেখা ও অন্যান্য ভৌগোলিক বিষয় সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৩৭৯

২০১.
সূর্য কোন তারিখে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর লম্বভাবে কিরণ দেয়?
  1. ২১শে জুন
  2. ২১শে মার্চ
  3. ২২শে ডিসেম্বর
  4. ২৩শে সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১শে জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১শে জুন
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফল ও দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি:
⇒ পৃথিবী নিজ কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে ২১শে জুন তারিখে এমন অবস্থানে আসে যে, ঐ দিন উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর সূর্য রশ্মি লম্বভাবে পতিত হয়।
- অর্থাৎ সূর্য ২১শে জুন তারিখে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
- ২১ শে জুন তারিখে উত্তর গোলার্ধে সর্বাপেক্ষা বড় দিন (১৪ ঘণ্টা) ও সর্বাপেক্ষা ছোট (১০ ঘণ্টা) রাত হয়ে থাকে।
- সূর্যের এই অবস্থানকে সূর্যের উত্তরায়ণ বলে।
- এ সময়ে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে হেলে থাকায় দীর্ঘ দিবাভাগ ও অপেক্ষাকৃত কম দীর্ঘ রাত্রি সংঘটিত হয়।
- এ সময়ে সূর্যের কিরণ দীর্ঘ সময় যাবৎ ভূ-পৃষ্ঠ ও তৎসংলগ্ন বায়ুস্তরকে অত্যন্ত উত্তপ্ত করে তোলে।
- ফলে এপ্রিল মাসের প্রথম ভাগ থেকে জুন মাসের শেষ ভাগ পর্যন্ত উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল বিরাজ করে।
- অপরদিকে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্য থেকে অধিক দূরত্বে অবস্থান করায় সে সময়ে ঐ গোলার্ধে শীতকাল বিরাজ করে।
- সূর্য উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা বা কর্কটক্রান্তি রেখা পর্যন্ত লম্বভাবে কিরণ দিতে পারে।
- অতএব ২১ শে জুন ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখায় সূর্যের উত্তরায়ণকে কর্কট সংক্রান্তি বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০২.
বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করে কোন প্রণালী? 
  1. তাতার প্রণালী
  2. পক প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. হরমুজ প্রণালী
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালী
ব্যাখ্যা

মালাক্কা প্রণালী:
- মালাক্কা প্রণালী বিশ্বের দীর্ঘতম প্রণালী, যা মালয় উপদ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- মালাক্কা প্রণালী ভারতের আন্দামান সাগর (বঙ্গোপসাগরের অংশ) এবং প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযুক্ত করে।
- এই প্রণালী বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকেও সংযুক্ত করে।
- এই প্রণালী মালয় উপদ্বীপ (মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের অংশ) এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- এটি প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ।।
- প্রণালীর পশ্চিমে সুমাত্রা এবং পূর্বে মালয়েশিয়া ও দক্ষিণে থাইল্যান্ড অবস্থিত।
- এই প্রণালীর নাম এসেছে মালাকা বাণিজ্য বন্দর থেকে।

অন্যদিকে,
- তাতার প্রণালী দক্ষিণে জাপান সাগরকে উত্তরে ওখোটস্ক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে পক প্রণালী।
- পক প্রণালী সংযুক্ত করেছে ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরকে।
- হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

উৎস: Britannica.

২০৩.
সুয়েজ খাল যুক্ত করেছে কোন দুই সাগরকে?
  1. কৃষ্ণ সাগর ও ভূমধ্যসাগর
  2. ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
  3. লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
  4. লোহিত সাগর ও কৃষ্ণ সাগর 
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল:  
- সুয়েজ খালের গুরুত্ব মিশরের অর্থনীতিতে অপরিসীম। 
- ফরাসি ব্যক্তিত্ব ফার্দিন্যান্ড ডি লেসসেপস এর নির্দেশনায় সুয়েজ খাল নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয় ১৮৬৯ সালে।
- মিশর এটি জাতীয়করণ করে ১৯৫৬ সালে।
- সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে ভূ-মধ্যসাগর এবং লোহিত সাগরকে।
- এই জলপথের একপ্রান্তে রয়েছে পোর্ট সৈয়দ বন্দর এবং অপরপ্রান্তে সুয়েজ বন্দর।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত জাহাজ চলাচলের পথগুলির মধ্যে একটি।

 উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

২০৪.
38th parallel is border of which two countries?
  1. South Vietnam and North Vietnam
  2. North Korea and South Korea
  3. Libya and Sudan
  4. Egypt and Sudan
  5. Iran and Iraq
সঠিক উত্তর:
North Korea and South Korea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
North Korea and South Korea
ব্যাখ্যা
৩৮তম প্যারালাল উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার সিমানা নির্দেশ করে।

বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২০তম প্যারালাল: লিবিয়া ও সুদান,
- ২২তম প্যারালাল: মিশর ও সুদান।
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৫তম প্যারালাল: মৌরিতানিয়া এবং মালি,
- ৩১তম প্যারালাল: ইরাক ও ইরান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,

উৎস: Britannica.
২০৫.
গ্রিনল্যান্ড ও বাফিন দ্বীপকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী? 
  1. ডেভিস প্রণালী
  2. ফ্লোরিডা প্রণালী 
  3. হাডসন প্রণালী
  4. ইউক্যাটান প্রণালী
সঠিক উত্তর:
ডেভিস প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিস প্রণালী
ব্যাখ্যা

ডেভিস প্রণালী (Davis Strait)
- অবস্থান: গ্রিনল্যান্ড এবং কানাডার বাফিন দ্বীপের মাঝে অবস্থিত।
- পৃথক করেছে: গ্রিনল্যান্ড ও বাফিন দ্বীপকে।
- সংযুক্ত করেছে: উত্তরে বাফিন উপসাগর এবং দক্ষিণে ল্যাব্রাডর সাগরকে (আটলান্টিক মহাসাগরের অংশ)।

• ফ্লোরিডা প্রণালী (Straits of Florida)
- অবস্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য এবং কিউবার মাঝে অবস্থিত।
- পৃথক করেছে: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা ও কিউবাকে।
- সংযুক্ত করেছে: মেক্সিকো উপসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে।

• হাডসন প্রণালী (Hudson Strait)
- অবস্থান: কানাডার কুইবেক প্রদেশ এবং বাফিন দ্বীপের মাঝে অবস্থিত।
- পৃথক করেছে: বাফিন দ্বীপ ও কানাডার মূল ভূখণ্ডকে (কুইবেক/ল্যাব্রাডর)।
- সংযুক্ত করেছে: পশ্চিমে হাডসন উপসাগর এবং পূর্বে ল্যাব্রাডর সাগরকে (আটলান্টিক মহাসাগর)।

• ইউক্যাটান প্রণালী
- মেক্সিকো এবং কিউবাকে পৃথক করেছে ইউক্যাটান প্রণালী (Yucatan Channel)।
- এটি মেক্সিকোর ইউক্যাটান উপদ্বীপ এবং কিউবা দ্বীপের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
- সংযুক্ত করেছে: মেক্সিকো উপসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে।
- বিশেষত্ব: এটি বিখ্যাত 'গাল্ফ স্ট্রিম' সমুদ্রস্রোতের প্রধান প্রবেশপথ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২০৬.
Which border line Separate the United States and Mexico?
  1. Hindenburg Line
  2. Siegfried Line
  3. Sonora Line
  4. Durand Line
  5. None of above
সঠিক উত্তর:
Sonora Line
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sonora Line
ব্যাখ্যা
সনোরা লাইন:
- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে পৃথককারী সীমান্তরেখা সনোরা লাইন।
- এটি মেক্সিকোর সনোরা প্রদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্য থেকে পৃথক করেছে।
- ১৮৫৩ সালে এই সীমান্ত রেখা ভাগ করা হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

উৎস: Britannica.
২০৭.
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে কোনটি?
  1. সুয়েজ খাল
  2. পানামা খাল
  3. পক প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
পানামা খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানামা খাল
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা প্রজাতন্ত্রের বুক চিরে বয়ে চলা কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ কে পৃথক করেছে।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র - এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
২০৮.
ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. হরমুজ প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. বেরিং প্রণালী 
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার:
- ভূমধ্যসাগরের তীরে স্পেন উপকূলে ব্রিটিশ শাসিত একটি ভূখণ্ড জিব্রাল্টার।
- অঞ্চলটি ব্রিটিশদের অন্যতম সামরিক ও নৌঘাঁটি।
- এর ওপর আধিপত্য বিস্তার করে আছে ‘রক অব জিব্রাল্টার’, যার পাদদেশে প্রায় ৩৪ হাজার মানুষের বসবাস।
- জিব্রাল্টার নামটি নেওয়া হয়েছে আরবি জবাল তারিক বা তারিকের পাহাড় থেকে। 
- ১৭০৪ সালে স্পেনের কাছ থেকে জ্রিব্রাল্টার দখল করে ব্রিটিশরা।
- এর পর থেকেই অঞ্চলটি ব্রিটিশদের দখলে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এটি রয়েল নেভির গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি ছিল।
- জিব্রাল্টার প্রণালি বা স্ট্রেইট অব জিব্রাল্টার নামে পরিচিত প্রণালিটির পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর আর পূর্বে ভূমধ্যসাগর।
- এটি আটলান্টিক ও ভূমধ্যসাগরের মধ্যে অবস্থিত এবং সাগর দুটিকে যুক্ত করে।
- আর পৃথক করেছে ইউরোপের স্পেন এবং আফ্রিকার মরক্কোকে।
- জিব্রাল্টার প্রণালির দৈর্ঘ্য ৬০ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৪.৩ কিলোমিটার।
- বর্তমানেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য এই প্রণালি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে,
• হরমুজ প্রণালী:
- এই চ্যানেলটি ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি।
- আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।

• পক প্রণালী: 
- পক প্রণালী (Palk Strait) ভারত মহাসাগরের মধ্যে অবস্থিত।
- আরব উপসাগর এবং বঙ্গোপসাগরকে সংযুক্ত করে।
- এটি শ্রীলঙ্কার মান্নার জেলা এবং ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যকে পৃথক করেছে।
- শ্রীলঙ্কা ও ভারত পৃথক করেছে।

• বেরিং প্রণালী:
- The Gateway to the Arctic নামে পরিচিত। 
- বেরিং প্রণালী উত্তর মহাসাগর ও বেরিং সাগরকে যুক্ত করেছে।
- এটি এশিয়া (রাশিয়া) ও উত্তর আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা) কে পৃথক করেছে।
- সবচেয়ে সরু অংশ ৮৫ কিলোমিটার (৫৫ মাইল) চওড়া

উৎস: Britannica.

২০৯.
The Golan Heights is located on the border of which country?
  1. Israel and Syria
  2. Egypt and Israel
  3. France and Egypt
  4. Egypt and Syria
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Israel and Syria
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Israel and Syria
ব্যাখ্যা
গোলান মালভূমি:
- ১১৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি মালভূমি যা গোলান পর্বতমালার অংশ।
- এটি সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- সেই বছর, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোলান মালভূমিতে প্রবেশ করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার গোলান হাইটসকে সংযুক্ত করে, বা ঘোষণা করে যে এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- পরবর্তীতে, ১৯৭৩ সালে চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি ফেরত দেয়।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica.
২১০.
কোনটি ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যবর্তী সীমানা হিসেবে বিবেচিত ?
  1. ইউরাল পর্বতমালা
  2. পিরিনিজ পর্বতমালা
  3. অ্যাটলাস পর্বতমালা
  4. কারাকোরাম পর্বতমালা
সঠিক উত্তর:
ইউরাল পর্বতমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরাল পর্বতমালা
ব্যাখ্যা
⇒ ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যবর্তী সীমানা হিসেবে বিবেচিত- ইউরাল পর্বতমালা। 

⇒ ইউরাল পর্বতমালা:
- ইউরাল পর্বত এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সীমানা।
- এটি রাশিয়ায় অবস্থিত এবং দেশটিকে ইউরোপীয় ও এশীয় অংশে বিভক্ত করেছে।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার।

 অন্যদিকে, অন্যান্য উল্লেখযোগ্য পর্বতমালা:
- কারাকোরাম পর্বতমালা দক্ষিণ এশিয়ার অংশ এবং এটি পাকিস্তান, ভারত, ও চীনের মধ্যে বিস্তৃত।
- পিরেনিজ পর্বত স্পেন ও ফ্রান্সের মধ্যে সীমান্ত তৈরি করেছে।
- অ্যাটলাস পর্বতমালা মরক্কো, আলজেরিয়া এবং তিউনিসিয়ার মধ্যে বিস্তৃত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ওয়েবসাইট।
২১১.
ইংলিশ চ্যানেলকে উত্তর সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে কোন প্রণালী?
  1. বসফরাস প্রণালী
  2. দার্দানেলিস প্রণালী
  3. ডোভার প্রণালী
  4. মোজাম্বিক প্রণালী
সঠিক উত্তর:
ডোভার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোভার প্রণালী
ব্যাখ্যা

ডোভার প্রণালী: 
- এটি একটি সংকীর্ণ জলপ্রণালী যা ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের মধ্যে অবস্থিত।
- এই প্রণালী ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যকে পৃথক করেছে।
- ইংলিশ চ্যানেলকে উত্তর সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে এই ডোভার প্রণালী।
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম সামুদ্রিক পথ, যেহেতু ইউরোপ এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে প্রধান নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এর নিচ দিয়ে চ্যানেল টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- যা রেলপথের মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে সংযুক্ত করে।

অন্যদিকে,
- মোজাম্বিক প্রণালী – ভারত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং মাদাগাস্কার ও মোজাম্বিক কে পৃথক করেছে। 
- বসফরাস প্রণালী- সংযুক্ত করেছে: কৃষ্ণ সাগর ও মরমর সাগর। আর এশিয়া ও ইউরোপ অংশকে পৃথক করেছে
- দার্দানেলিস প্রণালীপ্রণালী- মর্মর সাগর ও ইজিয়ান সাগরকে যুক্ত করেছে। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২১২.
বাফিন উপসাগর এবং ল্যাব্রাডর সাগর কে যুক্ত করেছে-
  1. ফ্লোরিডা প্রণালী
  2. তাতার প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. ডেভিস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
ডেভিস প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিস প্রণালী
ব্যাখ্যা
ডেভিস প্রণালী:
• বাফিন উপসাগর এবং ল্যাব্রাডর সাগর কে যুক্ত করেছে ডেভিস প্রণালী।
• ডেভিস প্রণালি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে, কানাডার বাতুশ দ্বীপপুঞ্জ ও গ্রিনল্যান্ডের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত।
 
• তাতার প্রণালী: জাপান সাগর ও ওখোটস্ক সাগর কে যুক্ত করেছে।

• মেক্সিকো উপসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর কে যুক্ত করেছে ফ্লোরিডা প্রণালী।

• মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২১৩.
নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলাকে পৃথককারী সীমারেখা কোনটি?
  1. ১৭তম প্যারালাল
  2. ৩৮তম প্যারালাল
  3. ১৬তম প্যারালাল
  4. ২৪তম প্যারালাল
সঠিক উত্তর:
১৬তম প্যারালাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬তম প্যারালাল
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC ): ভারত ও পাকিস্তান,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন,
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,
- ইংলিশ চ্যানেল: ইংল্যান্ড ও ফ্রান্স,
- ওডার-নাইসে লাইন: পূর্বতন পূর্ব জার্মানি ও পোল্যান্ড,
- গ্রেট চ্যানেল: ভারত (আন্দামান, নিকোবর) ও সুমাত্রা,
- ডানকান প্যাসেজ: গ্রেট আন্দামান ও লিটন আন্দামান,
- ম্যাগিনট লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- সিগফ্রেড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স,
- হিনডেন বার্গ লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
২১৪.
কোন খালটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে?
  1. কিয়েল খাল
  2. পানামা খাল
  3. করিন্থ খাল
  4. সুয়েজ খাল
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল: 
- পৃথিবীর দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল হলো সুয়েজ খাল।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দে লেসেপ্স।
- সুয়েজ খালের খনন কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং 
- এটি চালু হয় ১৮৬৯ সালে।
- এই খাল লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ১৯৫৬ সালে মিশর সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করে। 
- মিশরের এই জাতীয়করণের ফলেই দ্বিতীয় আরব–ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়। 

অন্যদিকে,
• কিয়েল খাল:
- জার্মানিতে অবস্থিত এই খালটি উত্তর সাগর ও বাল্টিক সাগরকে সংযুক্ত করে।
- এটি ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচলের পথ।

• পানামা খাল:
- মধ্য আমেরিকায় অবস্থিত।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
- এটি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথ হিসেবে পরিচিত।

• করিন্থ খাল:
- গ্রিসে অবস্থিত এই খালটি পেলোপোনিজ উপদ্বীপকে মূল ভূমি থেকে আলাদা করে।
- এটি ছোট হলেও স্থানীয় ও পর্যটন নৌযান চলাচলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: Britannica.

২১৫.
আমেরিকাকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. ফ্লোরিডা
  2. পক
  3. জিব্রাল্টার
  4. বেরিং
সঠিক উত্তর:
বেরিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিং
ব্যাখ্যা

বেরিং প্রণালী:
-বেরিং প্রণালী হল প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ।
- এই প্রণালী এশিয়া মহাদেশ ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ পৃথক করেছে।
- দেশ হিসেবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথক করেছে এই প্রণালী।
- বেরিং প্রণালী এবং সাগর উভয়েরই নামকরণ করা হয়েছিল ভিটাস বেরিংয়ের সম্মানে।
- বেরিং প্রণালী তুলনামূলকভাবে অগভীর। 
- এর গড় গভীরতা ৫০ মিটার। এটি গভীরতম বিন্দুতে মাত্র ৯০ মিটার গভীর।
- প্রণালীতে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ এবং সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

২১৬.
লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগর কে যুক্ত করে-
  1. বাব এল মান্দেব প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. দার্দনেলিস প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বাব এল মান্দেব প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব এল মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা

• বাব এল মান্দেব প্রণালী :
- লোহিত সাগর এবং এডেন উপসাগর কে যুক্ত করে।
- আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশ কে বিভক্ত করে।

​অন্যদিকে,
​• বেরিং প্রণালী = বেরিং সাগর এবং উত্তর সাগরকে যুক্ত করে।
• ​দার্দনেলিস প্রণালী = ইজিয়ান সাগর এবং মর্মর সাগরকে যুক্ত করে।
• বসফরাস প্রণালী = কৃষ্ণসাগর এবং মর্মর সাগর।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

২১৭.
কোন প্রণালী ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. হরমুজ প্রণালী
  2. বসফরাস প্রণালী
  3. বেরিং প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- এই জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।

অন্যদিকে,
- কৃষ্ণসাগর ও ভূমধ্যসাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করেছে বসফরাস প্রণালি ও দার্দানেলিস প্রণালি।
- দুটি প্রণালিই তুরস্কে অবস্থিত এবং এশিয়া থেকে ইউরোপ কে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালি কৃষ্ণসাগর ও মর্মরসাগর এবং দার্দানেলিস প্রণালি মর্মর সাগর ও ঈজিয়ান সাগর তথা ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- হরমুজ প্রণালি পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে।

উৎস: Worldatlas.com
২১৮.
দক্ষিণ আমেরিকার কোন দেশ 'চির বসন্তের দেশ' হিসেবে পরিচিত?
  1. চিলি
  2. ইকুয়েডর
  3. কলম্বিয়া
  4. প্যারাগুয়ে
সঠিক উত্তর:
ইকুয়েডর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকুয়েডর
ব্যাখ্যা
ইকুয়েডর:
- দেশটির নামের অর্থ "নিরক্ষীয় অঞ্চল"।
- ইকুয়েডর উত্তর-পশ্চিম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ। 
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার চির বসন্তের দেশ।
- এর রাজধানীর নাম কুইটো।
- বর্তমানে ইকুয়েডর যা আছে তার বেশিরভাগই ইনকা সভ্যতার অন্তর্ভুক্ত।
- ইকুয়েডর নিরক্ষরেখায় অবস্থিত , সিয়েরা ব্যতীত বেশিরভাগ দেশই আর্দ্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু অনুভব করে।
- ওরিয়েন্ট সারা বছর ধরে একটি অস্থির সামুদ্রিক গ্রীষ্মমন্ডলীয় বায়ু দ্বারা প্রভাবিত হয়।

তথ্যসূত্র: Britannica.com
২১৯.
বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের সীমান্তবর্তী রাজ্যে কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা:
- মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩টি। যথা-
- কক্সবাজার,
- রাঙ্গামাটি ও
- বান্দরবান।
- বাংলাদেশের সাথে মায়ানমারের ২টি রাজ্যের সীমান্ত আছে। সেগুলি হল- 
- রাখাইন প্রদেশ (Rakhaing) ও
- চিন (chin) প্রদেশ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমার দুটি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২২০.
ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালী কোনটি?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. মালাক্কা প্রণালী
  3. ডোভার প্রণালী
  4. পক প্রণালী
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
ব্যাখ্যা
পক প্রণালী:
- পক প্রণালী ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালী।
- এটি বঙ্গোপসাগর ও মান্নার উপসাগরকে একসঙ্গে যুক্ত করেছে।
- প্রণালীটি ৮৫ মাইল দীর্ঘ ।
- এই প্রণালীটি ৪০-৮৫ মাইল প্রশস্ত।
- জাফনা বন্দর, উত্তর শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যিক কেন্দ্র, এই প্রণালীতে অবস্থিত।
- ব্রিটিশ ভারতের মাদ্রাজ প্রেসিডেন্সির গভর্নর রবার্ট পকের নামে এই প্রণালীর নামকরণ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২২১.
কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা কোন জেলায় পরস্পরকে ছেদ করেছে?
  1. কক্সবাজার
  2. ঝিনাইদহ
  3. ফরিদপুর
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
 কর্কটক্রান্তি রেখা:
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি। 
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।
- ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায় কর্কটক্রান্তি রেখা ও ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা পরস্পরকে ছেদ করেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
২২২.
উত্তর গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম রাত কত তারিখ?
  1. ২১ মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ জুন
  4. ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
ব্যাখ্যা
• উত্তর গোলার্ধে ক্ষুদ্রতম রাত ২১ জুন।

• ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধে দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত বিরাজ করে।
- একই দিন উত্তর গোলার্ধে দীর্ঘতম রাত ও ছোট দিন।

• ২১ জুন উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও সবচেয়ে ছোট রাত । 
- এদিন দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও সবচেয়ে বড় রাত।

• ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
২২৩.
লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে কোন খাল?
  1. সুয়েজ খাল
  2. গ্রান্ড খাল
  3. পানামা খাল
  4. গোটা খাল
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল হলো পৃথিবীর দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল।
- ফরাসি প্রকৌশলী ফার্দিনান্দ দে লেসেপ্স হলেন সুয়েজ খাল নির্মাণের মূল পরিকল্পনাকারী।
- ১৮৫৯ সালে সুয়েজ খালের খনন কাজ শুরু হয়।
- এটি চালু হয় ১৮৬৯ সালে।
- সুয়েজ খাল লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে।
- মিশর সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করে ১৯৫৬ সালে। 
- দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয় মিশরের এই জাতীয়করণের ফলেই।

উল্লেখ্য,
- পানামা খাল আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
- গ্রান্ড খাল পৃথিবীর প্রাচীনতম ও দীর্ঘতম কৃত্রিম খাল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২২৪.
Which of the following border lies between India and Pakistan?
  1. McMahon Line
  2. Durand Line
  3. Mannerheim line
  4. Radcliffe Line
  5. Line of Actual Control
সঠিক উত্তর:
Radcliffe Line
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Radcliffe Line
ব্যাখ্যা
র‍্যাডক্লিফ লাইন:
- ১৯৪৭ সালের ৩রা জুন মাউন্টব্যাটেন তার ভারত বিভাগ পরিকল্পনা প্রকাশের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণের জন্যে ব্রিটিশ সরকার স্যার সিরিল জন র‍্যাডক্লিফকে চেয়ারম্যান করে র‍্যাডক্লিফ কমিশন গঠন করে।
- এই কমিশনের অধীন বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন ও পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে র‍্যাডক্লিফ রোয়েদাদ প্রকাশ করা হয়।
- এর ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়।
- ভারত-পাকিস্তানের সীমানাকে র‍্যাডক্লিফ লাইন বলা হয়।

অন্যদিকে -
- ম্যাকমোহন লাইন হলো চীন ও ভারতের মধ্যে কার্যকরী সীমানা।
- ম্যানারহেইম লাইন হলো ফিনল্যান্ড ও রাশিয়াকে বিভক্ত করেছে।
- ডুরান্ড লাইন আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত একটি সীমান্ত রেখা বা লাইন।
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল ভারত ও চীনের মাঝে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
২২৫.
ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে রিয়াদের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা কম। ঢাকার দ্রাঘিমারেখা ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা হলে রিয়াদের দ্রাঘিমারেখা কত?
  1. ১৩৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
  2. ৪৫° পশ্চিম দ্রাঘিমা
  3. ৯০° পশ্চিম দ্রাঘিমা
  4. ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
সঠিক উত্তর:
৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট। এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

২। যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়। ক্রনোমিটার নামক ঘড়ি গ্রীনিচ সময় অনুসারে চলে। তাই এই ঘড়ি দেখে কোনো স্থানের স্থানীয় সময়ের সাথে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

সমাধান:
আমরা জানি, ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে ১° ।
৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫° ।

অর্থাৎ ঢাকার থেকে রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫°।
প্রশ্নে উল্লিখিত ঢাকার থেকে রিয়াদের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা কম দেখে আমরা বুঝতে পারি, রিয়াদ ঢাকার পশ্চিমে অবস্থিত। তাই ঢাকার দ্রাঘিমা থেকে ৪৫° দ্রাঘিমা বাদ দিলে রিয়াদের দ্রাঘিমারেখা পাওয়া যাবে। 
সুতরাং রিয়াদের দ্রাঘিমারেখা (৯০° - ৪৫°)= ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।

উত্তর: রিয়াদের দ্রাঘিমারেখা ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।

অন্যভাবে,
যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত। গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
গ্রীনিচের সাথে ঢাকার দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০° এবং সময়ের পার্থক্য ৬ ঘণ্টা বেশি।(GMT+6)

প্রশ্নমতে, ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে রিয়াদের স্থানীয় সময় ৩ ঘণ্টা কম, অর্থাৎ রিয়াদের স্থানীয় সময় গ্রীনিচের থেকে ৩ ঘণ্টা বেশি। (GMT+3)
∴ ৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট) সময়ের পার্থক্য হলে দ্রাঘিমার পার্থক্য হবে (১৮০/৪)= ৪৫°।
অর্থাৎ ঢাকার থেকে রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫° কম আবার গ্রীনিচের থেকে রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৪৫° বেশি।

এখানে, আমরা ঢাকার দ্রাঘিমা থেকে ৪৫° বিয়োগ করে বা গ্রীনিচের দ্রাঘিমার সাথে ৪৫° যোগ করে রিয়াদের দ্রাঘিমারেখা পাব।

সুতরাং রিয়াদের দ্রাঘিমারেখা (৯০° - ৪৫°)= ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা। বা (০° + ৪৫°)=৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা।
( ঢাকার ও রিয়াদের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক তাই বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত বা GMT+)

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে কোন সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে?
  1. ৮° অক্ষরেখা
  2. ১০° অক্ষরেখা
  3. ২৮° অক্ষরেখা
  4. ৩৮° অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
৩৮° অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮° অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
৩৮° অক্ষরেখা:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে।
- উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

⇒ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,

উৎস: Britannica.
২২৭.
কিলিমাঞ্জারো পর্বত কোন দেশে অবস্থিত?
  1. তানজানিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. রাশিয়া
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
তানজানিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানজানিয়া
ব্যাখ্যা

• কিলিমাঞ্জারো পর্বত:
- কিলিমাঞ্জারো পর্বত তানজানিয়ায় অবস্থিত।
- মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো হল আফ্রিকা মহাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যার উচ্চতা ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)। 
- এই রাজকীয় পর্বতটি একটি তুষারাবৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি তিনটি ভিন্ন শৃঙ্গ নিয়ে গঠিত: Kibo, Mawenzi, এবং Shira।
- কিলিমাঞ্জারোর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হলো Kibo, যার উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)।

তথ্যসূত্র: National Geographic Society এবং ব্রিটানিকা।

২২৮.
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডরের মাঝখানে?
  1. মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী
  2. হরমুজ ও পক প্রণালী
  3. সুয়েজ খাল ও জিব্রাল্টার প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার ও বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান  মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী সামুদ্রিক করিডরের মাঝখানে। 

• মালাক্কা প্রণালী:
 - এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মালয়েশিয়া এবং ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে অবস্থিত,
- যা ভারত মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম সামুদ্রিক পথগুলোর একটি, যার মাধ্যমে এশিয়া, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে তেল, গ্যাস এবং অন্যান্য পণ্য পরিবহন হয়।

• হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগরকে পূর্বের ওমান উপসাগর ও আরব  সাগরের সাথে যুক্ত করে। 
- যা মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানির প্রধান পথ।
-  বাংলাদেশের অবস্থান বঙ্গোপসাগরে এই দুটি প্রণালীর মধ্যে কৌশলগত সংযোগ তৈরি করে।

• পক প্রণালী: 
-পক প্রণালী ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালী।
- এটি বঙ্গোপসাগর ও মান্নার উপসাগরকে একসঙ্গে যুক্ত করেছে।

• সুয়েজ খাল ও জিব্রাল্টার প্রণালী:
- সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর এবং লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করে,
-  জিব্রাল্টার প্রণালী ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করে। 
- এই দুটি পথই বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে এবং ভৌগোলিকভাবে এর অবস্থানের সাথে কৌশলগতভাবে সম্পর্কিত নয়।

• হরমুজ ও পক প্রণালী বাংলাদেশের  সামুদ্রীক করিডর মধ্য অবস্থান নয়। এটি একদিকে অবস্থান করে।
- তাই এটি সঠিক উত্তর যুক্তি যসঙ্গত নয়।
 
∴ সঠিক উত্তর: মালাক্কা ও হরমুজ প্রণালী।

উৎস: indiannavy.nic.in.

২২৯.
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ-
  1. সুলাওয়েসি
  2. বোর্নিও
  3. সুমাত্রা
  4. গ্রিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- গ্রিনল্যান্ড হল বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ। 
- বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপটি তার বিশাল হিমবাহের জন্য পরিচিত।
- এটি আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত, 
- রাজধানী: নুউক।
- অফিসিয়াল ভাষা: গ্রিনল্যান্ডিক (ড্যানিশ এবং ইংরেজিও সাধারণত কথ্য)
- গ্রিনল্যান্ডের প্রায় অর্ধেক অংশ গ্রিনল্যান্ডের জাতীয় উদ্যান হিসেবে সুরক্ষিত।

অন্যদিকে,
ইন্দোনেশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ সমূহ হলো : 
- সুমাত্রা,
- জাভা,
- বোর্নিও 
- সুলাওয়েসি।

উৎস: National Geographic Kids,
২৩০.
বিশ্বের চিনি ভাণ্ডার” (Sugar Bowl of the World) নামে কোন দেশটি পরিচিত?
  1. পানামা
  2. কিউবা
  3. ফিলিপাইনস
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
কিউবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউবা
ব্যাখ্যা
ভৌগলিক উপনাম: 
- বিশাল আখ চাষ, ঐতিহাসিক চিনি উৎপাদন, ও রপ্তানি নির্ভর অর্থনীতির কারণে কিউবাকে “বিশ্বের চিনি ভাণ্ডার” বলা হয়।

- কিউবার প্রধান অর্থকরী ফসল: আখ।
- কিউবার প্রধান কৃষিপণ্য হলো আখ।
- দেশটির উষ্ণ আবহাওয়া ও উর্বর মাটি আখ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
- ১৮শ ও ১৯শ শতাব্দীতে কিউবা ছিল বিশ্বের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী দেশ।
- উপনিবেশিক যুগে স্প্যানিশরা কিউবায় ব্যাপকভাবে আখ চাষ শুরু করে এবং তা ইউরোপে রপ্তানি করত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৩১.
বাংলাদেশের সাথে কয়টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
সীমান্তবর্তী জেলা:
বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। তার মধ্যে - 
→ একটি ভারত এবং
→ অপরটি মিয়ানমার।

- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হচ্ছে - কক্সবাজার, রাঙামাটি ও বান্দরবান।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা হচ্ছে রাঙামাটি।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
২৩২.
নিরক্ষরেখার অপর নাম কোনটি?
  1. বিষুব রেখা
  2. মকরক্রান্তি রেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুব রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুব রেখা
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা: 
- পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে। 
- নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো- বিষুবরেখা (Equator), ০° অক্ষরেখা (০° Latitude), মহাবৃত্ত (Great circle)। 

কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে। 
- আমাদের বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। 
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে। 

সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত: 
- উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে। 

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা: 
- দ্রাঘিমারেখার নিয়মানুসারে মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে অগ্রসর হলে প্রতি ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ৪ মিনিট সময়ের ব্যবধান হয়। 
- আমরা জানি ০° দ্রাঘিমার ঠিক উল্টো দিকে ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩৩.
যে দেশের সাথে সবচেয়ে বেশি দেশের সীমানা রয়েছে -
  1. ভারত
  2. ব্রাজিল
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

রাশিয়া:
- আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া।
- রাজধানী ও বৃহত্তম নগরী: মস্কো।
- রাষ্ট্রীয় ভাষা: রুশ।
- মুদ্রা: রুবল।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ভ্লাদিমির পুতিন।
- দেশটির পার্লামেন্ট: ডুমা।
- রাশিয়ার সম্রাটদের বলা হয় জার।

উল্লেখ্য,
- রাশিয়া ও চীনের সাথে সবচেয়ে বেশি দেশের সীমানা রয়েছে। উভয় দেশের সাথে ১৪টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।

⇒ সর্বাধিক প্রতিবেশী রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত:
• রাশিয়া:
- সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।
- সীমান্তবর্তী দেশ: আজারবাইজান, বেলারুশ, চীন, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, জর্জিয়া, কাজাখস্তান, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, মঙ্গোলিয়া, উত্তর কোরিয়া, নরওয়ে, পোল্যান্ড, ইউক্রেন।

• .চীন:
- সীমান্তবর্তী দেশ ১৪টি।
- সীমান্তবর্তী দেশ: আফগানিস্তান, ভুটান, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, লাওস, মঙ্গোলিয়া, মায়ানমার, নেপাল, উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, ভিয়েতনাম।

• ব্রাজিল:
- সীমান্তবর্তী দেশ ১০টি।
- সীমান্তবর্তী দেশ: আর্জেন্টিনা, বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ফ্রান্স (ফরাসি গায়ানা), গায়ানা, প্যারাগুয়ে, পেরু, সুরিনাম, উরুগুয়ে, ভেনিজুয়েলা।

উৎস: Worldatlas.

২৩৪.
The Strait of Bosphorus is located in -
  1. Turkey
  2. Italy
  3. Spain
  4. Monaco
সঠিক উত্তর:
Turkey
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Turkey
ব্যাখ্যা
তুরস্ক:
- তুরস্ককে বলা হয় ইউরেশিয়ান রাষ্ট্র।
- এর ইস্তানবুল শহরের একাংশ পড়েছে ইউরোপে এবং বাকি অংশ পড়েছে এশিয়ায়।
- এটি বিচ্ছিন্ন হয়েছে বসফরাস প্রণালী দ্বারা।
- তাই ইস্তানবুল শহরকে ইউরেশিয়ান শহর বলা হয়।
- ইস্তানবুল শহরের পূর্বনাম কনস্ট্যান্টিনোপল।
 
উল্লেখ্য,
- বসফরাস প্রণালি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরে অবস্থিত।
- কৃষ্ণসাগর ও ভূমধ্যসাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালি।
 
উৎস: Britannica.
২৩৫.
জার্মান আক্রমন হতে রক্ষা পাবার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা কোনটি?
  1. ম্যাকমোহন লাইন
  2. ডুরান্ড লাইন
  3. ম্যাজিনো লাইন
  4. সনোরা লাইন
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিনো লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিনো লাইন
ব্যাখ্যা
ম্যাজিনো লাইন:
- জার্মান আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা ম্যাজিনো লাইন।
- ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে অবস্থিত সীমান্ত বরাবর নির্মিত দুর্ভেদ্য লাইন ম্যাজিনো লাইন।
- ফ্রান্স ১৯৩০ এর দশকে এটি নির্মাণ করে।
- জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়।
- ১৯৩৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

অন্যদিকে -
- ম্যাকমোহন লাইন হলো চীন ও ভারতের মধ্যে কার্যকরী সীমানা।
- ডুরান্ড লাইন আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সীমান্তে অবস্থিত একটি সীমান্ত রেখা বা লাইন।
- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে পৃথককারী সীমান্তরেখা সনোরা লাইন।

উৎস: Britannica.
২৩৬.
’সাহারা মরুভূমি’ উত্তর আফ্রিকার কতটি অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে?
  1. ১১টি
  2. ৬টি
  3. ১৫টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।

সাহারা মরুভূমি:

- প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সাহারা মরুভূমিকে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ (গরম) মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি,
- শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের মেরু মরুভূমির পরেই অবস্থান।
- এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% অংশ দখল করে রেখেছে।
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।
- এই দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, মিশর, লিবিয়া, সুদান, মরক্কো, তিউনিশিয়া, চাঁদ, মালি, নাইজার, মরিতানিয়া, পশ্চিম সাহারা।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২৩৭.
ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে কোন প্রণালীর অবস্থান?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. সুন্দা প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. পক প্রণালী
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
ব্যাখ্যা
পক প্রণালী:
- পক প্রণালী বঙ্গোপসাগরের একটি প্রবেশদ্বার, যা ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব অংশ এবং শ্রীলঙ্কার উত্তর অংশের মধ্যে অবস্থিত।
- প্রণালীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ পাল্ক উপসাগর নামে পরিচিত।
- প্রস্থ: ৪০ থেকে ৮৫ মাইল (৬৪ থেকে ১৩৭ কিমি)।
- দৈর্ঘ্য: ৮৫ মাইল।
- গড় গভীরতা: ১০০ মিটার (৩৩০ ফুটের কম)।
- ভারতের বৈগাই নদীসহ বেশ কয়েকটি নদী এই প্রণালীতে প্রবাহিত হয়।
- শ্রীলঙ্কার উত্তরের বাণিজ্যিক কেন্দ্র জাফনা এই প্রণালীর পাশে অবস্থিত।
- শৈলশৃঙ্খল ও ছোট ছোট দ্বীপ থাকার কারণে শুধু ছোট জাহাজ চলাচল করতে পারে।

উৎস: Britannica.
২৩৮.
বাংলাবান্ধা সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাদেশের কোন দিকের অবস্থিত?
  1. সর্ব পূর্বের
  2. সর্ব পশ্চিমের
  3. সর্ব উত্তরের
  4. সর্ব দক্ষিণের
সঠিক উত্তর:
সর্ব উত্তরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্ব উত্তরের
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী স্থান:
সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর বাংলাদেশের তেঁতুলিয়া উপজেলার ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র স্থল বন্দর যার মাধ্যমে চারটি দেশের (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভূটান)মধ্যে পণ্য আদান-প্রদানের সুবিধা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্ব-উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার মহানন্দা নদীর তীরে এ বন্দরটি অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় ১০ একর জায়গার উপর স্থলবন্দরটি অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত স্থান বাংলাবান্ধা।

এছাড়াও, সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৩৯.
কুক প্রণালী কোন দেশে অবস্থিত?
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. রাশিয়া
  3. ইংল্যান্ড
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
কুক প্রণালী (Cook Strait): 
- কুক প্রণালী (Cook Strait) হলো নিউজিল্যান্ডের উত্তর ও দক্ষিণ দ্বীপকে পৃথককারী একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী।
- এটি তাসমান সাগর থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে শেষ হয়, এবং উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বিস্তৃত।
- সংকীর্ণতম প্রস্থ: প্রায় ১৪ মাইল (২৩ কিমি)। 
- গড় গভীরতা: প্রায় ৪২০ ফুট (১২৮ মিটার)। 
- উভয় তীরেই রয়েছে খাড়া খাড়া পাহাড়ি খাড়ি ও উপসাগর, বিশেষত দক্ষিণ দ্বীপে। 
- উত্তর দ্বীপের ওয়েলিংটন থেকে দক্ষিণ দ্বীপের ব্লেনহাইম পর্যন্ত যাতায়াত প্রধানত রেল ফেরি ও বিমানযোগে হয়
- কুক প্রণালীর তলদেশ দিয়ে বিদ্যুৎ এবং টেলিযোগাযোগ ক্যাবল সংযুক্ত আছে, যা উত্তর ও দক্ষিণ দ্বীপকে সংযুক্ত রাখে
- এই প্রণালী শুধু একটি ভৌগোলিক বিভাজক নয়, বরং এটি নিউজিল্যান্ডের পরিবহন ও অবকাঠামো নেটওয়ার্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

উৎস: Britannica.
২৪০.
'র‍্যাডক্লিফ লাইন' কোন দুইটি দেশের সীমানা রেখা?
  1. ভারত ও চীন
  2. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. ভারত ও নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

র‍্যাডক্লিফ লাইন:
- ১৯৪৭ সালে স্যার সাইবিল র‍্যাডক্লিফ কর্তৃক চিহ্নিত সীমারেখা।
- এটি ভারত ও তৎকালীন পাকিস্তানের মধ্যকার সীমারেখা।

• বিশ্বের বিখ্যাত কয়েকটি সীমারেখা:
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা রেখা- লাইন অব কন্ট্রোল।
- ভারত ও চীনের সীমানা রেখা (কাশ্মীর সীমান্তে)- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল।
- বর্তমানে ডুরান্ড লাইন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- ম্যাকমোহন লাইন- স্যার ম্যাকমোহন কর্তৃক চিহ্নিত ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা রেখা।
- সনোরা লাইন- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন- পর্তুগাল ও স্পেনের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- ব্লু লাইন- ইসরাইল ও লেবাননের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

২৪১.
গ্রান্ড খাল কোন দেশে অবস্থিত?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. জার্মানি
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন খাল ও তাদের অবস্থান:
গ্রান্ড খাল - চীন
কিয়েল খাল – জার্মানি।
প্রিন্সেস জুলিয়ানা খাল – হল্যান্ড।
গোটা খাল – সুইডেন।
সুয়েজ খাল- মিশর।
পানামা খাল- পানামা।

উৎস: Britannica
২৪২.
এশিয়া মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে গিয়েছে কোন ভৌগোলিক রেখা?
  1. ৪৫° পূর্ব-পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা
  2. ১২০° উত্তর-পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা
  3. ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা
  4. ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা
সঠিক উত্তর:
৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা
ব্যাখ্যা
• এশিয়া মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

• এশিয়া (Asia):
- আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া।
- পৃথিবীর স্থলভাগের প্রায় এক তৃতীয়াংশের কাছাকাছি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এর আয়তন ১৭,২২৬,২০০ বর্গ মাইল (৪৪,৬১৪,০০০ বর্গ কিমি)।
- মহাদেশটির উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর, পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগর ও আফ্রিকা মহাদেশ এবং পশ্চিমে ভূ-মধ্যসাগর ও ইউরোপ মহাদেশ অবস্থিত।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।
- এর মধ্যে আয়তনে চীন বৃহত্তম এবং মালদ্বীপ ক্ষুদ্রতম।
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৪৩.
কোন শহরকে "সাত পাহাড়ের শহর" বলা হয়?
  1. প্যারিস
  2. ইস্তাম্বুল
  3. রোম
  4. লিসবন
সঠিক উত্তর:
রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোম
ব্যাখ্যা
সাত পাহাড়ের দেশ:
- 'সাত পাহাড়ের দেশ' নামে পরিচিত রোম।
- কারন ইতালির রাজধানী রোম নগরীতে সাতটি পাহাড় রয়েছে।
- এগুলোর নাম হলো অ্যাভেনটাইন, কেইলিয়ান, ক্যাপিটোলাইন, ইসকুইলিন, প্যালেটাইন, কুইরিনাল ও ভিমিনাল।
- এই পাহাড়গুলো নগরীর ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে।
- এজন্য রোম নগরীকে সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয়।

• কয়েকটি ভৌগলিক উপনাম: 
-
মুক্তার দেশ- কিউবা,
- নীলনদের দেশ - মিশর,
- ধীবরের দেশ - নরওয়ে,
- বজ্রপাতের দেশ- ভূটান,
- সিল্ক রুটের দেশ – ইরান,
- পিরামিডের দেশ - মিশর,
- সূর্যোদয়ের দেশ জাপান,
- ভূমিকম্পের দেশ - জাপান,
- শ্বেতহস্তীর দেশ – থাইল্যান্ড।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৪৪.
’লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল’ কোন দুটি দেশের সীমানা বিভক্তকারী রেখা?
  1. পাকিস্তান - চীন
  2. ভারত - পাকিস্তান
  3. পাকিস্তান - আফগানিস্তান
  4. ভারত - চীন
সঠিক উত্তর:
ভারত - চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত - চীন
ব্যাখ্যা
ভারত – চীন – পাকিস্তান - আফগানিস্তান সীমান্ত বিভক্তকারী রেখা: 
- ম্যাকমেহান (ভারত-চীন);
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল (ভারত-চীন);
- 'লাইন অব কন্ট্রোল (ভারত-পাকিস্তান);
- ডুরান্ড লাইন (পাকিস্তান-আফগানিস্তান);

উৎস: ব্রিটানিকা, BBC.
২৪৫.
বিশ্বের চিনির ভান্ডার নামে কোন দেশটি পরিচিত?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. গাম্বিয়া
  3. কিউবা
  4. প্যারাগুয়ে
সঠিক উত্তর:
কিউবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউবা
ব্যাখ্যা
ভৌগলিক উপনাম: 
- বিশাল আখ চাষ, ঐতিহাসিক চিনি উৎপাদন, ও রপ্তানি নির্ভর অর্থনীতির কারণে কিউবাকে “বিশ্বের চিনি ভাণ্ডার” বলা হয়।
- কিউবার প্রধান অর্থকরী ফসল: আখ।
- কিউবার প্রধান কৃষিপণ্য হলো আখ।
- দেশটির উষ্ণ আবহাওয়া ও উর্বর মাটি আখ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
- ১৮শ ও ১৯শ শতাব্দীতে কিউবা ছিল বিশ্বের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী দেশ।
- উপনিবেশিক যুগে স্প্যানিশরা কিউবায় ব্যাপকভাবে আখ চাষ শুরু করে এবং তা ইউরোপে রপ্তানি করত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৪৬.
নিচের কোন দেশটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত নয়?
  1. চিলি
  2. বলিভিয়া
  3. পর্তুগাল
  4. ইকুয়েডর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগাল
ব্যাখ্যা
- পর্তুগাল ইউরোপে অবস্থিত।

পর্তুগাল:
- পর্তুগালের ভূমধ্যসাগর বরাবর উপকূলরেখা নেই।
- পর্তুগাল আইবেরিয়ান উপদ্বীপের পশ্চিম উপকূলে, দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপে অবস্থিত।
- এর আয়তন ৯২,২২৫ বর্গ কিমি।
- দেশটির রাজধানী: লিসবন।
- প্রশাসনিকভাবে, অ্যাজোরস এবং মাদেইরার আটলান্টিক দ্বীপপুঞ্জ পর্তুগালের অংশ।

অন্যদিকে:
- বলিভিয়া, চিলি, ইকুয়েডর - দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত। 

উৎস: Worldatlas.com & Britannica.com.
২৪৭.
পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু বিস্তীর্ণ সমতল ভূমি হলো-
  1. উপত্যকা
  2. সমভূমি
  3. মালভূমি
  4. মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালভূমি
ব্যাখ্যা
মালভূমি:
- মালভূমি হলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অপেক্ষাকৃত উঁচু এবং সমতল বা কিছুটা ঢালু একটি বিস্তৃত ভূখণ্ড।
- এটি চারপাশের এলাকা থেকে অনেকটা উঁচুতে অবস্থিত,
- কিন্তু তার উপরের পৃষ্ঠ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমতল বা ঢালু হয়।

অপরদিকে,
- উপত্যকা হল পাহাড় বা পর্বতমালার মধ্যে অবস্থিত একটি দীর্ঘায়িত নিম্নভূমি অঞ্চল।
- যা সাধারণত একটি নদী বা স্রোত ধারণ করে।
- হ্রদ হল একটি প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট, অপেক্ষাকৃত বড় জলের অংশ যা শুষ্ক ভূমি দ্বারা বেষ্টিত একটি অববাহিকায় স্থানান্তরিত হয়।
- মরুভূমি বলতে বোঝায় অত্যন্ত শুস্ক, বৃষ্টিবিরল ও অধিকাংশ ক্ষেত্রে বালি দিয়ে আবৃত অঞ্চল। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
২৪৮.
বাবেল মান্দেব প্রণালী কোন দুইটি সাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. পার্সিয়ান উপসাগর ও আন্দামান সাগর
  2. লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর
  3. লোহিত সাগর ও আন্দামান সাগর
  4. আরব উপসাগর ও বঙ্গোপসাগর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর
ব্যাখ্যা

বাবেল মান্দেব প্রণালী:
- বাবেল মান্দেব প্রণালী এশিয়া মহাদেশ এবং আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে পৃথকীকরণের জন্য প্রধান ভূমিকা পালন করে। 
- এই প্রণালীটি আফ্রিকার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযোগকারী একটি প্রণালী। 
- এটি দুই মহাদেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যা সঠিকভাবে তাদের বিভক্ত করে।
- এর অবস্থান: ইয়েমেন (আরব উপদ্বীপ) এবং ডিজিবুতি‑ইথিওপিয়ার অংশ (আফ্রিকা)।
- আরবী বাব এল মান্দেবের অর্থ দুর্দশার দুয়ার।
- ইংরেজিতে প্রণালীটিকে কখনও কখনও মান্দাব প্রণালী হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- বাব এল মান্দেব লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল হয়ে ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগরের মধ্যে একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ হিসেবে কাজ করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৪৯.
নিচের কোন প্রণালীটি রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আলাদা করেছে?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. পক প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা

• বেরিং প্রণালী:
- বেরিং প্রণালী হল প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ এবং এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে, বিশেষ করে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আলাদা করেছে।
- বেরিং প্রণালী এবং সাগর উভয়েরই নামকরণ করা হয়েছিল ভিটাস বেরিংয়ের সম্মানে।
- বেরিং প্রণালী তুলনামূলকভাবে অগভীর, যার গড় গভীরতা ৫০ মিটার। এটি গভীরতম বিন্দুতে মাত্র ৯০ মিটার গভীর।
- প্রণালীতে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ এবং সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

২৫০.
'লম্বক প্রণালী' কোন দুটি দ্বীপের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত? 
  1. লম্বক ও বালি
  2. লম্বক ও সুমাত্রা
  3. সুলাওয়েসি ও বোর্নিও
  4. ফ্লোরেস ও তিমোর
সঠিক উত্তর:
লম্বক ও বালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লম্বক ও বালি
ব্যাখ্যা

• লম্বক প্রণালী (Lombok Strait): 
- একটি প্রণালী (Strait) হলো প্রাকৃতিকভাবে গঠিত একটি সংকীর্ণ জলপথ, যা দুটি স্থলভাগের মধ্যে অবস্থান করে এবং দুটি বড় জলরাশিকে সংযুক্ত করে।
- লম্বক প্রণালী ইন্দোনেশিয়ার লম্বক ও বালি দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ভারত মহাসাগরকে জাভা সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- লম্বক প্রণালী ৬০ কিমি দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ গভীরতা ২৫০ মিটার (৮২০ ফুট)।



তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 

২৫১.
সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া ও ক্যারিবিয়ান সাগর
  2. ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর
  3. নরওয়ে ও ব্যাল্টিক সাগর
  4. আরব ও ভূমধ্যসাগর সাগর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর
ব্যাখ্যা

• সুয়েজ খাল- 
- মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত সুয়েজ খাল মনুষ্য নির্মিত একটি কৃত্রিম খাল। 
- খালটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করে।
- ১৮৫৯ সালে শুরু হয়ে দশ বছর ধরে চলে এই খনন কাজ।
- ১৮৬৯ সালে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় এটি।
- মিশর ১৯৫৬ সালে সুয়েল খালকে জাতীয়করণ করে।

উৎস: Suez Canal Authority.

২৫২.
কিল প্রণালী (Kiel Canal) কোন দুটি সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে? 
  1. আরব সাগর এবং ভারত মহাসাগর 
  2. ভূমধ্যসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর
  4. উত্তর সাগর এবং বাল্টিক সাগর 
সঠিক উত্তর:
উত্তর সাগর এবং বাল্টিক সাগর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর সাগর এবং বাল্টিক সাগর 
ব্যাখ্যা

কিল প্রণালী (Kiel Canal): 
- যা ইডার কানাল  কাইজার-উইলহেল্ম কানাল, নর্ড-ওস্টসি-কানাল, নর্ড-ওস্টসি-কানাল বা উত্তর সাগর-বাল্টিক সাগর প্রণালী নামেও পরিচিত।
- জার্মানির উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- এটি পূর্বমুখী ৯৮ কিলোমিটার (৬১ মাইল) দৈর্ঘ্যের এই প্রণালী।
- উত্তর সাগর এবং বাল্টিক সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- প্রণালীটি ব্রুনসবুটেলকুগ (উত্তর সাগরে, এলব নদীর মুখে) থেকে হোলটেনাউ (বাল্টিক সাগরে কিয়েল বন্দরে) পর্যন্ত বিস্তৃত।

উল্লেখ্য,
- কিল প্রণালী ১৮৮৭ থেকে ১৮৯৫ সালের মধ্যে নির্মিত হয়, যা প্রথমে জার্মান সামরিক চাহিদা মেটানোর জন্য তৈরি করা হয় যাতে জাহাজগুলিকে ডেনমার্কের জুটল্যান্ড উপদ্বীপের চারপাশে উত্তরমুখী যাত্রা এড়ানো যায়। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

২৫৩.
দেশ হিসেবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. ডোভার প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. হরমুজ প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা

বেরিং প্রণালী:
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ।
- বেরিং প্রণালী পৃথক করেছে এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে।
- এটি দেশ হিসেবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথক করেছে।
- এই প্রণালীর নামকরণ করা হয়েছিল ভিটাস বেরিং-এর সম্মানে।
- বেরিং প্রণালী তুলনামূলকভাবে অগভীর।
- এর গড় গভীরতা: ৫০ মিটার, গভীরতম বিন্দু: ৯০ মিটার।
- বেরিং প্রণালীতে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ ও সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ডোভার প্রণালী ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যকে পৃথক করেছে।
- পক প্রণালী শ্রীলঙ্কা ও ভারত পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালী: ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে পৃথক করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৫৪.
ভঙ্গিল পর্বত এর উদাহরণ কোনটি?
  1. দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ
  2. উত্তর আমেরিকার রকি
  3. ইউরোপের আল্পস
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ভঙ্গিল পর্বত (Folded Mountain):
- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- চার ধরনের পর্বতের মধ্যে ভঙ্গিল পর্বত সর্বাধিক বিস্তৃত।
- এ ধরনের পর্বত এর শিলা কাঠামো ভাঁজ ও চ্যুতিযুক্ত।
- ভঙ্গিল পর্বত সাধারণত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত। 
- যেমন-এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৫.
হরমুজ প্রণালীর কৌশলগত গুরুত্বের প্রধান কারণ কী?
  1. এটি বিশ্বের সামরিক ঘাঁটির প্রধান কেন্দ্র
  2. এটি পর্যটনের জন্য বিখ্যাত
  3. এটি মৎস্য শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ
  4. এটি বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০% পরিবহন করে
সঠিক উত্তর:
এটি বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০% পরিবহন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি বিশ্বের মোট তেলের প্রায় ২০% পরিবহন করে
ব্যাখ্যা
হরমুজ প্রণালী:
- এই চ্যানেলটি ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি।
- আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালির সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ ৩৩ কিলোমিটার। সবচেয়ে প্রশস্ত অংশ ৯৫ কিলোমিটার।
- এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের জন্য দুটো লেন রয়েছে এবং প্রতিটি লেন দুই মাইল প্রশস্ত।

⇒ বৈশ্বিক তেল–বাণিজ্যের অপরিহরণীয় পথ হচ্ছে হরমুজ প্রণালি। 
- ইরানের উপকূলঘেঁষা এই চ্যানেলের মাধ্যমে জ্বালানি তেলসমৃদ্ধ পারস্য উপসাগর ও আরব সাগর সংযুক্ত হয়েছে। শুধু ইরানই নয়, পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও ইরানের জ্বালানি তেল রপ্তানির প্রায় পুরোটাই নির্ভর করে এ পথের ওপর।
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) এক প্রতিবেদন অনুসারে, এ পথ দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিবাহিত হয়, বৈশ্বিক বাণিজ্যের যা প্রায় ২১ শতাংশ।

⇒ আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) বলছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত জ্বালানি তেলের প্রায় ৭০ শতাংশেরই ভোক্তা দক্ষিণ এশিয়া।
- এর মধ্যে রয়েছে চীন, জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ফিলিপাইন।
- এ ছাড়া বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাও সরাসরি মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮০-১৯৮৮ সালের ইরান-ইরাক সংঘাতের সময় উভয় দেশই পারস্য উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে।
- এই পর্বটি ‘ট্যাংকার যুদ্ধ’ নামে পরিচিত। 

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.
২৫৬.
দার্দানেলিস প্রণালি সংযুক্ত করেছে- 
  1. ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর
  2. এজিয়ান ও মর্মর সাগর
  3. মর্মর সাগর ও কৃষ্ণসাগর
  4. কৃষ্ণসাগর ও কাম্পিয়ান সাগর
সঠিক উত্তর:
এজিয়ান ও মর্মর সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজিয়ান ও মর্মর সাগর
ব্যাখ্যা

 • দার্দানেলিস প্রণালী:
- দার্দানেলিস প্রণালী হলো উত্তর-পশ্চিম তুরস্কে অবস্থিত একটি সংকীর্ণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- এটি কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- এটি এশিয়া ও ইউরোপকে পৃথক করে।
- এছাড়া, এশিয়া মাইনরের আনাতোলিয়াকে ইউরোপের গ্যালিপোলি উপদ্বীপ থেকে আলাদা করে।
- এই প্রণালী এজিয়ান সাগরকে মর্মর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে, যা পরে বসফরাস প্রণালীর মাধ্যমে কৃষ্ণ সাগরের সঙ্গে যুক্ত হয়।
- ফলে কৃষ্ণ সাগরের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর জন্য এটি বিশ্বের সঙ্গে একমাত্র সমুদ্র সংযোগ হিসেবে কাজ করে।
- সংযোগটি হলো: এজিয়ান সাগর → মর্মর সাগর → বসফরাস প্রণালী → কৃষ্ণ সাগর।
- প্রাচীনকালে দার্দানেলিস প্রণালী হেলেস্পন্ট নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: Britannica.

২৫৭.
বাংলার ভেনিস বলা হয় কোন শহরকে? 
  1. বরিশাল
  2. চাঁদপুর
  3. ভোলা
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলার ভেনিস:
- বরিশালকে বাংলার ভেনিস বলা হয়।
- প্রাচীন চন্দ্র দ্বীপের বর্তমান নাম - বরিশাল।
- বরিশাল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি শহর।
- কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এই শহর।

সূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রত্রিকা রিপোর্ট। 
২৫৮.
বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি-
  1. আরব মরুভূমি
  2. সাহারা মরুভূমি
  3. কালাহারি মরুভূমি
  4. থর মরুভূমি
সঠিক উত্তর:
সাহারা মরুভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাহারা মরুভূমি
ব্যাখ্যা

সাহারা মরুভূমি:
- প্রায় ৯,২০০,০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- সাহারা মরুভূমিকে বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ (গরম) মরুভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি,
- শুধুমাত্র অ্যান্টার্কটিকা ও আর্কটিকের মেরু মরুভূমির পরেই অবস্থান।
- এবং এটি আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় ৩১% অংশ দখল করে রেখেছে।
- সাহারা মরুভূমি উত্তর আফ্রিকার ১১টি দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত।
- এই দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, মিশর, লিবিয়া, সুদান, মরক্কো, তিউনিশিয়া, চাঁদ, মালি, নাইজার, মরিতানিয়া, পশ্চিম সাহারা।

অপরদিকে,
- এটি বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম মরুভূমি এবং এশিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি।
-  কালাহারি মরুভূমি আফ্রিকা মহাদেশের সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত।
- থর মরুভূমি, ভারতীয় উপমহাদেশে ঘূর্ণায়মান বালির পাহাড়ের শুষ্ক অঞ্চল।
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

২৫৯.
উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকাকে বিচ্ছিন্ন করেছে -
  1. ইংলিশ চ্যানেল
  2. পানামা খাল
  3. সুয়েজ খাল
  4. দার্দানেলিস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
পানামা খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানামা খাল
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- পানামা খাল (Panama Canal) হলো একটি কৃত্রিম জলপথ, যা মধ্য আমেরিকার পানামা প্রদেশে অবস্থিত।
- এটি উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকাকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- এই খালটি পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিপিং রুট এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
- খালটি তৈরি করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮২ কিলোমিটার।

⇒ ১৯০৪ সালে, যুক্তরাষ্ট্র পানামা খালের নির্মাণের দায়িত্ব নেয় এবং ১৯১৪ সালে এটি শেষ হয়।
- এটি চালু হলে, এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম জলপথ হিসেবে পরিগণিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে দেশটি পানামার সঙ্গে একটি চুক্তি করে খালটি তাদের কাছে হস্তান্তরের জন্য।
- খালটি ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পানামা ও যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯৭৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার স্বাক্ষরিত এক চুক্তির আওতায় ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র খালটির মালিকানা পানামার কাছে হস্তান্তর করে।

উৎস: Britannica.
২৬০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে কোন সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে?
  1. ৮° অক্ষরেখা
  2. ২৮° অক্ষরেখা
  3. ৩৮° অক্ষরেখা
  4. ৪১° অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
৩৮° অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮° অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
• ৩৮° অক্ষরেখা:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে।
- উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

• বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২৬১.
'উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম'-এর সীমান্ত নির্দেশ করে -
  1. ১৭তম প্যারালাল
  2. ২৪তম প্যারালাল
  3. ৩৮তম প্যারালাল
  4. ৪৯তম প্যারালাল
সঠিক উত্তর:
১৭তম প্যারালাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭তম প্যারালাল
ব্যাখ্যা
'উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম'-এর সীমান্ত নির্দেশ করে ১৭তম প্যারালাল।

বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখা:

- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২০তম প্যারালাল: লিবিয়া ও সুদান,
- ২২তম প্যারালাল: মিশর ও সুদান।
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৫তম প্যারালাল: মৌরিতানিয়া এবং মালি,
- ৩১তম প্যারালাল: ইরাক ও ইরান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।

উৎস: Britannica.
২৬২.
এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. বেরিং 
  2. বাব এল-মান্দেব 
  3. মালাক্কা 
  4. বসফরাস 
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব 
ব্যাখ্যা

• বাব এল-মান্দেব প্রণালী (Bab el-Mandeb Strait):
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- বাব এল-মান্দেব লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযোগকারী একটি প্রণালী।

অন্যদিকে,
• বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দুটিকে পৃথক করেছে ।
- এবং প্রশান্ত মহাসাগর ও আর্কটিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি রাশিয়া (এশিয়া মহাদেশের অংশ) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার মধ্যে অবস্থিত।

• বসফরাস প্রণালী:
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

• মালাক্কা প্রণালী:
- মালাক্কা প্রণালী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে মালয় উপদ্বীপ এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি সুমাত্রাকে মালয়েশিয়া উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.

২৬৩.
ইস্তাম্বুল প্রণালী নামে পরিচিত কোনটি?
  1. বসফরাস প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. দার্দানেলিস প্রণালী
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বসফরাস প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা
বসফরাস প্রণালী:
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।

দার্দানেলিস প্রণালী:
- দার্দানেলিস প্রণালী তুরস্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী, যা এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যকার সীমানা নির্দেশ করে। 
- কৃষ্ণসাগর ও ভূমধ্যসাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করেছে বসফরাস প্রণালি ও দার্দানেলিস প্রণালী।
- দার্দানেলিস প্রণালী তুরস্কের থ্রেস (European) ও আনাতোলিয়া (Asian) অংশের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি এজিয়ান সাগর এবং মারমারা সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং তাই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।

উৎস: Britannica.
২৬৪.
’র‍্যাডক্লিফ লাইন’ কোন দুটি দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. চীন ও ভারত
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. ভারত ও নেপাল
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
র‍্যাডক্লিফ লাইন:
-
র‌্যাডক্লিফ লাইন দুটি নতুন আধিপত্যের মধ্যে সীমানা চিহ্নিত করেছে,
- যার নাম সীমানা কমিশনের চেয়ারম্যান স্যার সিরিল র‌্যাডক্লিফের নামে রাখা হয়েছে। 
- যা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিভক্ত হয়। 
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান সীমারেখা।

আন্তর্জাতিক সীমারেখা:

- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC): ভারত ও চীন,
- লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তান। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
২৬৫.
Which of the following straits separates asia from africa?
  1. Bosphorus Strait
  2. Bering Strait
  3. Strait of Gibraltar
  4. Strait of Bab-el Mandeb
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Strait of Bab-el Mandeb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Strait of Bab-el Mandeb
ব্যাখ্যা
বাবেল মান্দেব প্রণালি:
- আফ্রিকা থেকে এশিয়াকে পৃথক করেছে।
- প্রণালিটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত ইয়েমেন এবং আফ্রিকার অন্তরীপে অবস্থিত জিবুতি, ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়াকে পৃথক করেছে।

অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালি: আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালি: এশিয়া থেকে আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালি: এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: World Atlas.
২৬৬.
'লাইন অব কন্ট্রোল' কোন দুইটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে?
  1. ভারত ও চীন
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল (LOC ):
- 'লাইন অব কন্ট্রোল' ভারত ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে।

এছাড়াও, আন্তর্জাতিক সীমারেখা:

- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।

উৎস: i) Britannica.
ii) WorldAtlas.
২৬৭.
নিচের কোন প্রণালী 'কান্নার দ্বার' নামে পরিচিত?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. দার্দানেলিস প্রণালী
  4. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা
বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী যা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২৬৮.
’সাদা হাতির দেশ’ বলা হয় কোন দেশকে?
  1. ভারত
  2. থাইল্যান্ড
  3. ভুটান
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ভৌগলিক উপনাম: 
- সাদা হাতি থাইল্যান্ডে একটি পবিত্র, রাজকীয় এবং সৌভাগ্যের প্রতীক।
- এবং সেগুলোর সাথে দেশটির ধর্ম, ইতিহাস ও সংস্কৃতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
- তাই থাইল্যান্ডকে বলা হয় সাদা হাতির দেশ।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।

উৎস: ব্রিটানিকা
২৬৯.
ভূ-মধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে কোন প্রণালির অবস্থান?
  1. হরমুজ
  2. জিব্রাল্টার
  3. বসফরাস
  4. দার্দানোলিস
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার
ব্যাখ্যা

ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে জিব্রাল্টার প্রণালী অবস্থিত।

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ।

অন্যদিকে -
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি। এটি আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- দার্দানেলিস প্রণালী তুরস্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী, যা এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যকার সীমানা নির্দেশ করে। কৃষ্ণসাগর ও ভূমধ্যসাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করেছে বসফরাস প্রণালি ও দার্দানেলিস প্রণালী।

উৎস: Britannica.

২৭০.
এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে -
  1. বেরিং প্রণালী
  2. পানামা খাল
  3. জিব্রাল্টার প্রণালী
  4. সুয়েজ খাল
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খালের অবস্থান সিনাই উপদ্বীপ, মিশর।
- এর খনন কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে।
- সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা হয়েছে ১৮৬৯ সালে।
- এর দৈর্ঘ্য ১৯৩ কি.মি।
- সুয়েজ খাল মিশর জাতীয়করণ করে ১৯৫৬ সালে।
- সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে - ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে।
- সুয়েজ খাল পৃথক করেছে - এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে।

উৎস: Britannica.com

২৭১.
পানামা খাল কোন দুটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর ও দক্ষিণ মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর ও ভারত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

পানামা খাল:
- বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা প্রজাতন্ত্রের বুক চিরে বয়ে চলা কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ কে পৃথক করেছে পানামা খাল।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র - এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

২৭২.
কোন প্রণালীকে তার বিপদসংকুল নৌপথের জন্য “মৃত্যুকূপ” নামে অভিহিত করা হয়?
  1. বাব-আল-মান্দেব প্রণালী
  2. মালাক্কা প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বাব-আল-মান্দেব প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব-আল-মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা

বাব-আল-মান্দেব প্রণালী :
- বাব-আল-মান্দেব প্রণালী হলো একটি সংকীর্ণ সামুদ্রিক প্রণালি যা ইয়েমেন (এশিয়া) ও জিবুতি (আফ্রিকা)-কে পৃথক করেছে।
- এটি লোহিত সাগর  ও আডেন উপসাগর (Gulf of Aden)-এর সংযোগকারী পথ।
- এই প্রণালির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩০ কিলোমিটার। 
- এটি ইউরোপ-এশিয়া-বাণিজ্য রুটের একটি কৌশলগত স্থানে অবস্থিত।
- বাব আল-মান্দেব প্রণালীকে “মৃত্যুকূপ” বলা হয় কারণ এর আরবি নামের আক্ষরিক অর্থই “অশ্রুর দ্বার” বা “মৃত্যুর প্রবেশদ্বার”।
- এই নামের পেছনে দুটি প্রধান কারণ রয়েছে।
- প্রথমত, প্রাচীন আরব কাহিনিতে বলা হয় যে, আফ্রিকা থেকে আরব উপদ্বীপে যাত্রাকালে এই প্রণালী পার হতে গিয়ে বহু লোক ডুবে প্রাণ হারিয়েছিল।
- দ্বিতীয়ত, অতীতে প্রণালীটি ছিল দিকনির্দেশনার দিক থেকে অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ, যার ফলে নৌযাত্রায় বিপদের মাত্রা ছিল বেশি এবং এর ফলে বহু নাবিকের মৃত্যু ঘটত।

উৎস : Britannica.

২৭৩.
'র‍্যাডক্লিফ লাইন' কোন দুইটি দেশের সীমারেখা?
  1. ভারত ও পাকিস্তানের
  2. ভারত ও চীনের
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের
  4. ইসরাইল ও লেবাননের
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তানের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তানের
ব্যাখ্যা

র‍্যাডক্লিফ লাইন:
- 'র‌্যাডক্লিফ লাইন' ভারত-পাকিস্তান দুটি দেশের চিহ্নিত সীমারেখা ।
- র‍্যাডক্লিফ লাইন বা র‍্যাডক্লিফ রেখা হল ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশ ও বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিকে বিভাজন করে নবগঠিত ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারনকারী রেখা৷
- এটি এই রেখার পরিকল্পক স্যার শেরিল র‌্যাডক্লিফ এর নামে নামাঙ্কিত৷
- তিনি প্রায় ৮.৮ কোটি মানুষের বসতি ও সর্বমোট ১, ৭৫, ০০০ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃৃত বাংলা ও পাঞ্জাব উভয় প্রদেশের জনবিন্যাসগত সুষ্ঠু বিভাজন পরিকল্পনার যুগ্মসভাপতি হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন৷
- ১৭ই আগস্ট ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ভারত বিভাজন সংক্রান্ত সীমানা নির্ধারন রেখার অন্তিম পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়৷
- বর্তমানে এই রেখাটির পশ্চিমভাগ ভারত - পাকিস্তান সীমান্ত ও পূর্বভাগ বাংলাদেশ - ভারত সীমান্ত নামে পরিচিত৷

• বিশ্বের বিখ্যাত সীমারেখা:
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা রেখা- লাইন অব কন্ট্রোল।
- ভারত ও চীনের সীমানা রেখা (কাশ্মীর সীমান্তে)- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল।
- বর্তমানে ডুরান্ড লাইন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- ম্যাকমোহন লাইন- স্যার ম্যাকমোহন কর্তৃক চিহ্নিত ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা রেখা।
- সনোরা লাইন- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন- পর্তুগাল ও স্পেনের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।
- ব্লু লাইন- ইসরাইল ও লেবাননের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

২৭৪.
ফ্লোরিডা প্রণালী কোন দুটি দেশের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেছে? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবা
ব্যাখ্যা

• ফ্লোরিডা প্রণালী: 
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ যা মেক্সিকো উপসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে যুক্ত করে।
- ফ্লোরিডা প্রণালী যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবাকে পৃথক করেছে।  
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা কীজের (Florida Keys) উত্তরে এবং কিউবার দক্ষিণে অবস্থিত, যা পূর্বদিকে বাহামাস দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি একটি L-আকৃতির চ্যানেল যা ফ্লোরিডা উপদ্বীপকে কিউবা এবং গ্রেট বাহামা ব্যাঙ্ক থেকে পৃথক করে।



- ১৫১৩ সালে স্প্যানিশ অভিযাত্রী জুয়ান পন্সে দে লিওন প্রথমবার এই প্রণালী দিয়ে যাত্রা করেন।
এখান দিয়ে ফ্লোরিডা কারেন্ট (Florida Current) প্রবাহিত হয়, যা গাল্ফ স্ট্রিমের প্রারম্ভিক অংশ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

২৭৫.
’বরেন্দ্রভূমি’ বাংলাদেশের কোন ভূ-অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. প্লাবন সমভূমি
  2. প্লাইস্টোসিনকালের উচ্চভূমি
  3. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  4. স্রোতজ বনভূমি
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের উচ্চভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের উচ্চভূমি
ব্যাখ্যা

• প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ: 
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

• বরেন্দ্রভূমি:
দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বরেন্দ্রভূমি বিস্তৃত। 
প্লাবন সমভূমি হতে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের।

• মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়:
টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় মধুপুর এবং গাজীপুর জেলায় ভাওয়ালের গড় অবস্থিত।
এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
 সমভূমি থেকে এরউচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।
মাটির রং লালচে ও ধূসর।

• লালমাই পাহাড়:
কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

২৭৬.
উত্তমাশা অন্তরীপ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
উত্তমাশা অন্তরীপ:
- উত্তমাশা অন্তরীপ বা Cape of Good Hope।
- এটি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত। 
- এটি দক্ষিণ আফ্রিকার আটলান্টিক উপকূলে অবস্থিত কেপ পেনিনসুয়ালার একটি অন্তরীপ।

উল্লেখ্য,
- ভূপৃষ্ঠের কোন অংশ ক্রমশ সরু হয়ে সাগরে প্রবেশ করলে সেই সংকীর্ণ অংশকে অন্তরীপ বলা হয়।
- উত্তমাশা অন্তরীপ নামকরণ করেন পর্তুগিজ অভিযাত্রী বার্থোলোমিউ ডিয়াজ।
- তিনি ১৪৮৮ সালে প্রথম কেপ এলাকায় পৌঁছেন এবং অন্তরীপটির নাম দেন 'কেপ অব স্টর্মস'। 
- পরবর্তী সময় পর্তুগালের দ্বিতীয় জন নামটি পরিবর্তন করে কেপ অব গুড হোপ বা উত্তমাশা অন্তরীপ নামকরণ করেন।

উৎস: Britannica.
২৭৭.
ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমারেখা কোনটি?
  1. সনোরা লাইন
  2. ম্যাকমোহন লাইন 
  3. সিগফ্রিড লাইন
  4. হিন্ডারবার্গ লাইন
সঠিক উত্তর:
ম্যাকমোহন লাইন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাকমোহন লাইন 
ব্যাখ্যা

ম্যাকমোহন লাইন:
- ম্যাকমোহন লাইন হলো পূর্ব হিমালয় অঞ্চলে ভারত ও চীনের (বিশেষত তিব্বত) মধ্যকার একটি ঐতিহাসিক ও কার্যত সীমান্তরেখা।
- এটি ১৯১৪ সালের সিমলা চুক্তির ভিত্তিতে ব্রিটিশ ভারত ও তিব্বতের মধ্যে নির্ধারিত হয়।
- এই রেখা মূলত ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও তিব্বতের সীমানা নির্ধারণ করে।
- ব্রিটিশ ভারতের পররাষ্ট্র সচিব স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের নামানুসারেই এর নামকরণ করা হয়।
- ভুটান অঞ্চল থেকে শুরু করে হিমালয় পর্বতমালা বরাবর ব্রহ্মপুত্র নদের বৃহৎ বাঁক পর্যন্ত এই সীমারেখাটি বিস্তার লাভ করেছে। 
- এই সীমারেখাকে ভারত বৈধ আন্তর্জাতিক সীমানা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- কিন্তু চীন সিমলা চুক্তিতে স্বাক্ষর না করে আজও এই সীমারেখাকে বিতর্কিত বলে মনে করে ও প্রত্যাখ্যান করে।

অন্যদিকে, 
- মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী রেখা হচ্ছে- সনোরা লাইন। 
- জার্মানি ও ফ্রান্সকে বিভক্তকারী সীমারেখা- সিগফ্রিড লাইন। 
- আর জার্মানি ও পোল্যান্ডকে বিভক্তকারী লাইন হচ্ছে- হিন্ডারবার্গ লাইন। 

উৎস: Britannica. 

২৭৮.
পৃথিবীর উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত কাল্পনিক রেখাগুলোকে কী বলা হয়?
  1. অক্ষরেখা
  2. দ্রাঘিমা রেখা
  3. কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমা রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমা রেখা
ব্যাখ্যা

• অক্ষাংশ ও অক্ষরেখা এবং দ্রাঘিমাংশ ও দ্রাঘিমা রেখা:
• দ্রাঘিমাংশ:- ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থানে মূল মধ্যরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে দ্রাঘিমাংশ বলে।
দ্রাঘিমা রেখা:
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমারেখা বলে।
- অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমা রেখা (Latitude)।
- প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা একেকটি অর্ধবৃত্ত।

অন্যদিকে,
অক্ষাংশ:- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে।
অক্ষরেখা:- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
নিরক্ষরেখা:- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে সমভাবে দুইভাগে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটি নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা নামে অভিহিত।
- এটি সর্ববৃহৎ অক্ষাংশ রেখা।
কর্কটক্রান্তি রেখা:- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
মকরক্রান্তি রেখা:- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২৭৯.
ইসরাইল ও জর্ডানকে বিভক্তকারী সীমারেখা কোনটি?
  1. ম্যাকমোহন লাইন
  2. গ্রিন লাইন
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. পার্পল লাইন
সঠিক উত্তর:
গ্রিন লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিন লাইন
ব্যাখ্যা
গ্রিন লাইন:
- ইসরাইল ও জর্ডানের মধ্যকার সীমারেখা।

অন্যদিকে: 
- ভারত-চীনের মধ্যে চিহ্নিত সীমারেখা - ম্যাকমোহন লাইন।
- ডুরান্ড লাইন হল পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক সীমারেখা। 
- ইসরাইল ও সিরিয়াকে বিভক্তকারী সীমারেখা - পার্পল লাইন হলো

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৮০.
মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে বিভক্তকারী সীমারেখা কোনটি?
  1. সনোরো লাইন
  2. ম্যাজিনো লাইন
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. হিন্ডেনবার্গ লাইন
সঠিক উত্তর:
সনোরো লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সনোরো লাইন
ব্যাখ্যা

সনোরা লাইন:
- যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোকে পৃথককারী সীমান্তরেখা সনোরা লাইন।
- এটি মেক্সিকোর সনোরা প্রদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্য থেকে পৃথক করেছে।
- ১৮৫৩ সালে এই সীমান্ত রেখা ভাগ করা হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- ম্যাজিনো লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।

উৎস: Britannica.

২৮১.
Which fortified border line built by France on the German-French border to prevent German invasion?
  1. Maginot Line
  2. Oder–Neisse line
  3. Durand Line
  4. Sonora Line
  5. None of above
সঠিক উত্তর:
Maginot Line
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Maginot Line
ব্যাখ্যা
ম্যাজিনো লাইন:
- জার্মান আক্রমণ হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফ্রান্স কর্তৃক জার্মান-ফ্রান্স সীমান্তে নির্মিত সুরক্ষিত সীমারেখা ম্যাজিনো লাইন।
- ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে অবস্থিত সীমান্ত বরাবর নির্মিত দুর্ভেদ্য লাইন ম্যাজিনো লাইন।
- ফ্রান্স ১৯৩০ এর দশকে এটি নির্মাণ করে।
- জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়।
- ১৯৩৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

অন্যদিকে,
⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সীমারেখা:
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

উৎস: Britannica.
২৮২.
ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং রিয়াদের দ্রাঘিমা ৪৫° পূর্ব। ঢাকার স্থানীয় সময় দুপুর ২.২০ টা হলে সেই সময় রিয়াদের স্থানীয় সময় কত?
  1. সকাল ১০.৪০ টা
  2. বিকাল ৫.২০ টা
  3. সকাল ১১.২০ টা
  4. দুপুর ১২.২০ টা
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১.২০ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১.২০ টা
ব্যাখ্যা
সমাধান:
আমরা জানি, প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট

ঢাকা ও রিয়াদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০°- ৪৫° = ৪৫°
সময়ের পার্থক্য হবে ৪৫ × ৪ = ১৮০ মিনিট অর্থাৎ ৩ ঘণ্টা
প্রশ্নে উল্লিখিত ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা দেখে আমরা বুঝতে পারি, রিয়াদ ঢাকার পশ্চিমে অবস্থিত। তাই ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে এই ৩ ঘণ্টা বাদ যাবে।

প্রশ্নেমতে,
⇒ রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে
= দুপুর ২.২০টা – ৩ ঘণ্টা। [এখানে দুপুর ২.২০টা বলতে ১৪.২০টা হবে।]
= ১৪.২০টা – ৩ ঘণ্টা
= ১১.২০টা

উত্তর: রিয়াদের স্থানীয় সময় হবে সকাল ১১.২০টা।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
২৮৩.
নেপালি ভাষায় সাগরমাথা (Sagarmatha) নামে পরিচিত নিচের কোনটি?
  1. K2
  2. মাউন্ট এভারেস্ট
  3. কংচেনজঙ্ঘা
  4. মানাসলু
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট এভারেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউন্ট এভারেস্ট
ব্যাখ্যা

মাউন্ট এভারেস্ট:
- মাউন্ট এভারেস্ট বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
- এটি হিমালয় পর্বতমালায় নেপাল ও চীনের (তিব্বত) সীমান্তে অবস্থিত।
- এটির উচ্চতা ৮৮৪৮.৮৬ মিটার।
- নেপালি ভাষায় এটি সাগরমাথা (Sagarmatha) এবং তিব্বতি ভাষায় চোমোলুংমা (Chomolungma) নামে পরিচিত।
- আর চীনারা ডাকে কোমোলাংমা (Qomolangma) যা হলো চীনা পিনইন (pinyin) এর প্রতিবর্ণকরণ।

অন্যদিকে,
- পাকিস্তান ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ K2। এর আরেক নাম Godwin-Austen। এটির উচ্চতা ৮৬১১ মিটার।
- নেপাল ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত কংচেনজঙ্ঘা বিশ্বের ৩য় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। এটির উচ্চতা ৮৫৮৬ মিটার।
- নেপালে অবস্থিত মানাসলু। এটির উচ্চতা ৮১৬৩ মিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৮৪.
ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে-
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. বাবেল মান্দেব
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. হরমুজ প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
• পৃথককারী গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী:
- বেরিং প্রণালী পৃথক করেছে আমেরিকাকে-এশিয়া থেকে।
- হরমুজ প্রণালী পৃথক করেছে- সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানকে।
- মালাক্কা প্রণালী পৃথক করেছে- সুমাত্রা- মালয়েশিয়াকে।
- বসফরাস প্রণালী পৃথক করেছে- এশিয়া থেকে ইউরোপকে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- পক প্রণালী ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালী।

উৎস: ব্রিটানিকা
২৮৫.
মর্মর সাগর – কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করে কোন প্রণালী? 
  1.  তিরান প্রণালী
  2. দার্দানেলেস প্রণালী
  3. বাব এল মান্দেব প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বসফরাস প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা

বসফরাস প্রণালী:
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

অন্যদিকে,

• তিরান প্রণালী: লোহিত সাগর এবং আকাবা উপসাগরকে সংযুক্ত করে ।
• দারদানেলিস প্রণালী : এটি এজিয়ান সাগরকে মারমারা সাগরের সাথে সংযুক্ত করে।
• এডেন – লোহিত সাগরকে যুক্ত করে- বাব এল মান্দেব প্রণালী।

উৎস: Britannica.

২৮৬.
অক্ষাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে
  2. গ্রিনিচের সময় দ্বারা
  3. ধ্রুবতারার সাহায্যে
  4. ক ও গ উভয়
সঠিক উত্তর:
গ্রিনিচের সময় দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিনিচের সময় দ্বারা
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ (Latitude) ও দ্রাঘিমাংশ (longitude) নির্ণয়ের পদ্ধতি:
অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়:-(উন্নতি কোণ ব্যবহার করে)
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ৯০° – (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি +/- বিষুবলম্ব)]
২। ধ্রুবতারার সাহায্যে [সূত্র: অক্ষাংশ = ধ্রুবতারার উন্নতি (নিরক্ষরেখায় ০° ও মেরুতে ৯০°)]

দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়:-(সময়ের পার্থক্য ব্যবহার করে)
১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা
সূত্র: প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্য = ১° দ্রাঘিমার পার্থক্য। সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের পূর্বদিকের দেশগুলো এগিয়ে থাকে এবং পশ্চিম দিকের দেশগুলো পিছিয়ে থাকে।
[বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে তাই বাংলাদেশে সময় ৬ ঘন্টা এগিয়ে]

তথ্যসূত্র: Live MCQ ক্লাস লেকচার এবং ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৭.
এশিয়া মহাদেশ ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ পৃথক করেছে কোনটি?
  1. সুয়েজ খাল
  2. মালাক্কা প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. বেরিং প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা

বেরিং প্রণালী:
-বেরিং প্রণালী হল প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ।
- এই প্রণালী এশিয়া মহাদেশ ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ পৃথক করেছে।
- দেশ হিসেবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পৃথক করেছে এই প্রণালী।
- বেরিং প্রণালী এবং সাগর উভয়েরই নামকরণ করা হয়েছিল ভিটাস বেরিংয়ের সম্মানে।
- বেরিং প্রণালী তুলনামূলকভাবে অগভীর। 
- এর গড় গভীরতা ৫০ মিটার। এটি গভীরতম বিন্দুতে মাত্র ৯০ মিটার গভীর।
- প্রণালীতে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ এবং সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

২৮৮.
পানামা খাল কোন দুইটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
  2. প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক ও উত্তর মহাসাগর
  4. উত্তর ও প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

পানামা খাল:
- পানামা খাল (Panama Canal) হলো একটি কৃত্রিম জলপথ, যা মধ্য আমেরিকার পানামা প্রদেশে অবস্থিত।
- এটি উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকাকে বিচ্ছিন্ন করেছে।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- এই খালটি পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিপিং রুট এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।
- পানামা খাল নির্মাণ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮২ কিলোমিটার।
- এটি পরিচালনা করে পানামা খাল কর্তৃপক্ষ, যা পানামার একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।

⇒ ১৯০৩ সালে কলম্বিয়ার কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে পানামা।
- ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র পানামা খালের নির্মাণের দায়িত্ব নেয়।
- খরচ হয় ৩৮ কোটি ডলার।
- ১৯১৪ সালের ১৫ আগস্ট পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালে দেশটি পানামার সঙ্গে একটি চুক্তি করে খালটি তাদের কাছে হস্তান্তরের জন্য।
- ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত দুই দেশ যৌথভাবে পানামা খাল নিয়ন্ত্রণ করে।
- ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পানামার কাছে এ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।
- ১৯৭৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার স্বাক্ষরিত এক চুক্তির আওতায় ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র খালটির মালিকানা পানামার কাছে হস্তান্তর করে।

উৎস: Britannica.

২৮৯.
মালাক্কা প্রণালী সংযুক্ত করেছে -
  1. উত্তর সাগর ও বেরিং সাগর
  2. টির ইনিয়ান ও আইওনিয়ান সাগর
  3. ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
  4. বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগর
ব্যাখ্যা
মালাক্কা প্রণালী:
- মালাক্কা প্রণালী ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
- উত্তরে ভারত মহাসাগরের আন্দামান সাগরকে দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- প্রণালীটি ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- প্রণালীটির দক্ষিণ প্রান্তে অনেকগুলি দ্বীপ আছে ।
- মালাক্কা প্রণালীর উপকূলে অবস্থিত প্রধান বন্দরগুলির মধ্যে আছে মালয় উপদ্বীপের পেনাং, পোর্ট সোয়েটেনহাম ও মালাক্কা, এবং সুমাত্রা দ্বীপের বেলাওয়ান বন্দর।
- সিঙ্গাপুর এই প্রণালীর দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত।

অন্যদিকে -
- বেরিং প্রণালী এশিয়া এ আমেরিকাকে পৃথক করেছে এবং উত্তর সাগর ও বেরিং সাগরকে সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালি আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছ এবং ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- মেসিনা প্রণালী ইটালী – সিসিলি পৃথক করেছে এবং টির ইনিয়ান – আইওনিয়ান সাগরকে সংযুক্ত করেছে।

উৎস: Britannica.
২৯০.
পানামা খাল কোন দুইটি মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. এশিয়া ও ইউরোপ
  2. আমেরিকা ও এশিয়া
  3. উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা
  4. ইউরোপ ও আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা
ব্যাখ্যা

পানামা খাল :
- বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা প্রজাতন্ত্রের বুক চিরে বয়ে চলা কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- পানামা খাল উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ কে পৃথক করেছে।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ও  ব্রিটানিকা।

২৯১.
৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা ও কর্কটক্রান্তি রেখার ছেদ বিন্দুটি বাংলাদেশের কোন জেলায় পড়েছে?
  1. মাদারীপুর
  2. দিনাজপুর
  3. ফরিদপুর
  4. পিরোজপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদ বিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
২৯২.
‘মাউন্ট লেওটোবি লাকি-লাকি’ আগ্নেয়গিরি কোথায়  অবস্থিত?
  1. আফ্রিকা
  2. জাপান
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
‘মাউন্ট লেওটোবি লাকি-লাকি’ আগ্নেয়গিরি: 
- ৪ নভেম্বর ২০২৪ ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে মাউন্ট লেওটোবি লাকি-লাকি আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাতে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
- ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, ফ্লোরেসের দূরবর্তী দ্বীপে একাধিক অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।
- ইন্দোনেশিয়া, একটি বিস্তীর্ণ দ্বীপপুঞ্জের দেশ, প্রশান্ত মহাসাগরের "রিং অফ ফায়ার" এর অবস্থানের কারণে ঘন ঘন অগ্ন্যুৎপাতের সম্মুখীন হয়।
- এটি তীব্র আগ্নেয়গিরি এবং ভূমিকম্প প্রবন একটি এলাকা।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স সংবাদ ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। লিঙ্ক
২৯৩.
ঢাকার দ্রাঘিমা ৯০° পূর্ব এবং জেদ্দার দ্রাঘিমা ৪৫° পূর্ব। ঢাকার স্থানীয় সময় দুপুর ২.২০ টা হলে সেই সময় জেদ্দার স্থানীয় সময় কত?
  1. সকাল ১০.৪০ টা
  2. বিকাল ৫.২০ টা
  3. সকাল ১১.২০ টা
  4. দুপুর ১২.২০ টা
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১.২০ টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকাল ১১.২০ টা
ব্যাখ্যা

সমাধান:
আমরা জানি, প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট

ঢাকা ও জেদ্দার দ্রাঘিমার পার্থক্য ৯০°- ৪৫° = ৪৫°
সময়ের পার্থক্য হবে ৪৫ × ৪ = ১৮০ মিনিট অর্থাৎ ৩ ঘণ্টা
প্রশ্নে উল্লিখিত ৪৫° পূর্ব দ্রাঘিমা দেখে আমরা বুঝতে পারি, জেদ্দা ঢাকার পশ্চিমে অবস্থিত। তাই ঢাকার স্থানীয় সময় থেকে এই ৩ ঘণ্টা বাদ যাবে।

প্রশ্নেমতে,
⇒ জেদ্দার স্থানীয় সময় হবে
= দুপুর ২.২০টা – ৩ ঘণ্টা। [এখানে দুপুর ২.২০টা বলতে ১৪.২০টা হবে।]
= ১৪.২০টা – ৩ ঘণ্টা
= ১১.২০টা

উত্তর: জেদ্দার স্থানীয় সময় হবে সকাল ১১.২০টা।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।

২৯৪.
ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগরকে যুক্ত করেছে কোন প্রণালী?
  1. পক প্রণালী
  2. ফরমোজা প্রণালী
  3. সুন্দা প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালী
ব্যাখ্যা
 সুন্দা প্রণালী:
- সুন্দা প্রণালী ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর (জাভা সাগর) কে যুক্ত করেছে
- এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালী ব্যতীত মালাক্কা প্রণালীও ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- সুন্দা প্রণালীর সর্বনিম্ন প্রস্থ প্রায় ২৪ কি.মি এবং সর্বনিম্ন গভীরতা প্রায় ২০ মিটার। 

অন্যদিকে,
- পক প্রণালী ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ফরমোজা প্রণালী প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী ভূম্যসাগরকে উত্তর আটলান্টিক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

উৎস: WorldAtlas.
২৯৫.
'Gate of Tears' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
  2. ডোভার প্রণালী
  3. সুয়েজ খাল
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা

⇒ বাব এল-মান্দেব প্রণালী 'Gate of Tears' নামে পরিচিত।

বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২৯৬.
Which two countries are separated by the Strait of Florida?
  1. Africa and Spain
  2. United States and Cuba
  3. Canada and Finland
  4. Italy and Sicily
সঠিক উত্তর:
United States and Cuba
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United States and Cuba
ব্যাখ্যা
ফ্লোরিডা প্রণালী (Straits of Florida):
- ফ্লোরিডা প্রণালী যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবাকে পৃথক করেছে এবং মেক্সিকো উপসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করে।

⇒ অবস্থান: উত্তরে: ফ্লোরিডা কিস (Florida Keys), যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণে: কিউবা, পূর্বদিকে: বাহামা দ্বীপপুঞ্জ।
- প্রস্থ: সবচেয়ে সংকীর্ণ স্থানে প্রায় ৯৩ মাইল (১৫০ কিমি)। -
- স্রোত: এখান দিয়েই ফ্লোরিডা কারেন্ট (Florida Current) প্রবাহিত হয়, যা গালফ স্ট্রিমের (Gulf Stream) প্রাথমিক অংশ
- এই প্রণালী দিয়ে ১৫১৩ সালে স্প্যানিশ অভিযাত্রী হুয়ান পনসে দে লিওন প্রথম নৌযাত্রা করেন বলে লিপিবদ্ধ আছে।

অন্যদিকে,
- জিব্রাল্টার প্রণালী পৃথক করেছে আফ্রিকা-স্পেন।
- মেসিনা প্রণালী পৃথক করেছে ইতালী-সিসিলি।
- কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডকে পৃথক করেছে ডেভিস প্রণালী।

উৎস: Britannica.
২৯৭.
কার্চ প্রণালী কোন দুইটি সাগরকে সংযুক্ত করেছে?
  1. বাল্টিক সাগর ও অ্যাজভ সাগর
  2. কাস্পিয়ান সাগর ও কৃষ্ণ সাগর
  3. কৃষ্ণ সাগর ও ভূমধ্যসাগর
  4. অ্যাজভ সাগর ও কৃষ্ণ সাগর
সঠিক উত্তর:
অ্যাজভ সাগর ও কৃষ্ণ সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাজভ সাগর ও কৃষ্ণ সাগর
ব্যাখ্যা

কার্চ প্রণালী:
- কার্চ প্রণালী হলো একটি সরু জলপ্রবাহ যা অ্যাজভ সাগরকে কৃষ্ণ সাগরের সাথে সংযুক্ত করে। 
- এটি পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত।
- প্রণালীটি পশ্চিমে ক্রিমিয়ার কার্চ উপদ্বীপ আর পূর্বে রাশিয়ার তামান উপদ্বীপ-এর মধ্যে বয়ে যায়।
- প্রস্থ প্রায় ৩-৫ কিমি থেকে ১৫ কিমি পর্যন্ত এবং গভীরতা প্রায় ১৮ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- এই প্রণালী শিপিং ও নৌপরিবহন জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, বিশেষ করে আজভ সাগরের পরশ্চিমাঞ্চলের বন্দরগুলোর জন্য।

উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সালে রাশিয়ার ক্রিমিয়া দখলের পর থেকে এই প্রণালী ও তার ব্যবস্থাপনা রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৯৮.
ইংলিশ চ্যানেল উত্তর সাগর এবং কোন মহাসাগরকে সংযুক্ত করে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. দক্ষিণ মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এটি প্রায় ৫৬৩ কিমি (৩৫০ মাইল) দীর্ঘ এবং এর প্রস্থে ২৪০ কিমি (১৫০ মাইল)।

উল্লেখ্য,
- ডোভার প্রণালী হলো এই চ্যানেলের সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ।
- পূর্বদিকে এর বিস্তার কমে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার হয়ে যায় এবং সেখানে এটি ডোভার প্রণালীর মাধ্যমে উত্তর সাগরের সাথে সংযুক্ত।
- ইংলিশ চ্যানেলের প্রধান দ্বীপগুলির মধ্যে আছে আইল অভ ওয়াইট এবং চ্যানেল দ্বীপপুঞ্জ।

তথ্যসূত্র: Britannica.
২৯৯.
বাব এল মান্দেব প্রণালী কোন দুটি জলভাগকে সংযুক্ত করেছে?
  1. লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগর
  2. লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর
  3. এডেন উপসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
  4. লোহিত সাগর ও কৃষ্ণসাগর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর
ব্যাখ্যা

বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী 'Gate of Tears' নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৩০০.
নাসার বিঞ্জানীরা সৌরজগতে সূর্যের চারপাশে ঘুরে চলেছে আরও এক চাঁদ সদৃশ বস্তু আবিষ্কার করেছেন যার নাম-
  1. ২০২৫ পিএন৮
  2. ২০২৪ পিএন৭
  3. ২০২৩ পিএন৭
  4. ২০২৫ পিএন৭
সঠিক উত্তর:
২০২৫ পিএন৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৫ পিএন৭
ব্যাখ্যা

- নাসার বিজ্ঞানীরা যে নতুন চাঁদ-সদৃশ বস্তুটি আবিষ্কার করেছেন তার নাম ২০২৫ পিএন৭।
- এটি পৃথিবীর উপগ্রহ নয়, বরং সূর্যের চারপাশে এমন একটি কক্ষপথে ঘুরছে যা দেখে মনে হয় এটি পৃথিবীর সঙ্গেই চলেছে।
- এই মহাজাগতিক শিলাটিকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় ‘কোয়াসি-মুন’ বা আধা-চাঁদও বলা হয়। 
- ‘২০২৫ পিএন৭’ নামের নতুন চাঁদটি মূলত ১৯ মিটার ব্যাসের একটি ছোট গ্রহাণু।
- আকারে ছোট হলেও গ্রহাণুটি ২০৮৩ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি অবস্থান করবে।
- আর তাই বিজ্ঞানীরা গ্রহাণুটিকে কোয়াসি-মুন বা আংশিক চাঁদ বলছেন।

উৎস: বিবিসি নিউজ।[লিঙ্ক]