বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

প্রণালী, সীমারেখা ও অন্যান্য ভৌগোলিক বিষয় সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন৩৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রণালী, সীমারেখা ও অন্যান্য ভৌগোলিক বিষয় সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৩৭৯

.
স্পেনকে মরক্কো থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী? 
  1. হরমুজ প্রণালী
  2.  জিব্রাল্টার প্রণালী
  3.  দারদানেলিস  প্রণালী 
  4. বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
 জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা

প্রণালী :
- প্রণালী হলো এমন এক সংকীর্ণ জলপথ, যা দুটি বৃহৎ জলভাগকে একত্রে সংযুক্ত করে এবং পাশাপাশি দুটি ভূখণ্ডের মাঝে স্বাভাবিকভাবে বিভাজন তৈরি করে।
- এটি মূলত প্রাকৃতিকভাবে গঠিত হলেও কখনো কখনো মানবসৃষ্ট পথও হতে পারে।

- কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীর মধ্যে জিব্রাল্টার প্রণালী অন্যতম :
• জিব্রাল্টার প্রণালী :
 - এ প্রণালী ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে এবং
- ইউরোপের স্পেনকে আফ্রিকার মরক্কো থেকে পৃথক করেছে।

  অন্যদিকে,
- হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং
- ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে পৃথক করেছে।
- দারদানেলিস প্রণালী মর্মর সাগর ও ইজিয়ান সাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং তুরস্কের ইউরোপীয় ও এশীয় অংশকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালী কৃষ্ণ সাগরকে মর্মর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে এবং তুরস্কের এশিয়া ও ইউরোপ অংশকে পৃথক করেছে।

উৎস : Britannica.

.
পানামা খাল কোন দুটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগর
  2. উত্তর ও প্রশান্ত মহাসাগর 
  3. আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক ও উত্তর মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

পানামা খাল:
- বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা প্রজাতন্ত্রের বুক চিরে বয়ে চলা কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে
- আর উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

.
ভারতের সেভেন সিস্টার্সভুক্ত কতটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলায়।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫ টি রাজ্যের সীমানা রয়েছে।

যথা: 
→ আসাম, 
→ মিজোরাম, 
→ ত্রিপুরা, 
→ মেঘালয়, 
→ পশ্চিমবঙ্গ।

- ভারতের সেভেন সিস্টার্সভুক্ত মণিপুর, অরুণাচল ও নাগাল্যান্ড এই তিনটি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস ও প্রথম আলো।
.
নিম্নের কোন পর্বতমালা ইউরোপে সর্বাধিক বিস্তৃত?
  1. আল্পস পর্বতমালা
  2. আন্দিস পর্বতমালা
  3. রকি পর্বতমালা
  4. অ্যাপালাচিয়ান পর্বতমালা। 
সঠিক উত্তর:
আল্পস পর্বতমালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল্পস পর্বতমালা
ব্যাখ্যা

- ইউরোপের দীর্ঘতম পর্বতমালা আল্পস পর্বতমালা। এটিই ইউরোপে সর্বাধিক বিস্তৃত।

• আল্পস পর্বতমালা:

- আল্পস পর্বতমালা ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি একটি বিস্তৃত পর্বতমালা।
- অবস্থান: দক্ষিণ-মধ্য ইউরোপে।
- অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লিচেনস্টাইন, মোনাকো, স্লোভেনিয়া এবং সুইজারল্যান্ড নামে আটটি আল্পাইন দেশ জুড়ে রয়েছে এই পর্বতমালা।
- আল্পস পর্বতশ্রেণী প্রায় ১,২০০ কিমি অর্ধচন্দ্রাকার আকারে বিস্তৃত।
- আল্পস পর্বতমালাকে তিনটি বিস্তৃত ভাগে ভাগ করা যায়: পূর্ব, মধ্য এবং পশ্চিম আল্পস।
- এটি একটি অবিচ্ছিন্ন পর্বতশ্রেণী এবং বিভিন্ন উচ্চতা এবং গভীরতার অসংখ্য চূড়া এবং উপত্যকা নিয়ে গঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের ভ্যালাইস ক্যান্টনে অবস্থিত ২২.৬ কিমি দীর্ঘ আলেচ হিমবাহটি আল্পসের বৃহত্তম হিমবাহ।
- এই পর্বতমালা দক্ষিণ ফ্রান্সের মোনাকোর কাছে ভূমধ্যসাগরের উত্তর থেকে সুইজারল্যান্ড, তারপর উত্তর ইতালি হয়ে দক্ষিণ জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে।
- আল্পস পর্বতশ্রেণি আলবেনিয়ায় রুক্ষ অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূলে শেষ হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 

.
বাব এল-মান্দেব প্রণালী কোন দুটি সাগরকে সংযুক্ত করেছে? 
  1. কোরিয়ান সাগর ও চীন সাগর 
  2. লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর
  3. ভূমধ্যসাগর ও উত্তর সাগর
  4. আটলান্টিক ও ক্যারিবিয়ান সাগর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর
ব্যাখ্যা

বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- যা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।

- প্রণালিটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত ইয়েমেন এবং আফ্রিকার অন্তরীপে অবস্থিত জিবুতি, ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়াকে পৃথক করেছে।

• প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।
- পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ 'কান্নার দ্বার'।

অন্যদিকে,
- জিব্রাল্টার প্রণালি: আফ্রিকা থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালি: এশিয়া থেকে উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালি: এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: World Atlas.

.
ম্যাকমোহন লাইন কোন দুটি দেশকে আলাদা করে রেখেছে?
  1. চীন-ভারত
  2. পাকিস্তান-ভারত
  3. আফগানিস্তান-পাকিস্তান
  4. ভারত-বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
চীন-ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন-ভারত
ব্যাখ্যা

• ম্যাকমোহন লাইন: 
- ম্যাকমোহন লাইন হলো তিব্বত ও ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের মাঝখান দিয়ে চলে যাওয়া একটি কূটনৈতিক সীমারেখা। 
- ১৯১৪ সালের সিমলা সম্মেলনে তৎকালীন ব্রিটিশ উপনিবেশের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের তত্ত্বাবধানে তিব্বত ও ভারতের প্রতিনিধিদের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তার নামানুসারে ম্যাকমোহন লাইনের নামকরণ করা হয়। 
- বর্তমানে এটি ভারত-চীন সীমান্তরেখা নামে বহুল পরিচিত। 
- কারণ, চীন বরাবরই তিব্বতকে নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করে আর মূলত এ নিয়েই দেশটির সঙ্গে তাদের বিরোধের সূত্রপাত। 
- পরবর্তী সময়ে ১৯৫০ সালে চীন তিব্বতকে পুরোপুরি দখল করে নেয় এবং তখন থেকে এখন পর্যন্ত দেশটি এ সীমান্তরেখাকে কখনো স্বীকৃতি দেয়নি।
- এ সংক্রান্ত বিরোধে চীন ও ভারত ১৯৬২ সালে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চীন ভারতের কিছু এলাকা দখল করে নেয়।
- পরবর্তীতে শান্তি চুক্তির মাধ্যমে তারা দখলকৃত অংশ ফিরিয়ে দেয়।

এছাড়া,
- ভারত-পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে লাইন অফ কন্ট্রোল।
- ভারত-বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছে র‍্যাডক্লিফ লাইন।
- পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে পৃথক করেছে ডুরাল্ড লাইন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

.
‘নাথু লা পাস’ কোন দুটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত?
  1. ভারত-চীন
  2. ভারত-নেপাল
  3. চীন-নেপাল
  4. ভারত-ভুটান
সঠিক উত্তর:
ভারত-চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত-চীন
ব্যাখ্যা
নাথু লা পাস:
- নাথু লা পাস ভারত ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি চীন ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত একটি গিরিপথ।
- মূলত এটি তিব্বত ও সিকিম সীমান্তে অবস্থিত।

⇒ এটি চীনের পুরাতণ সিল্ক রোডের একটি অংশ।
- এটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৪,৪৫০ ফুট উপরে অবস্থিত।
- বর্তমানে চীন-ভারতের বাণিজ্যের অন্যতম রুট হিসাবে এই গিরিপথটি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: সিকিমের সরকারি ওয়েবসাইট।
.
ইউরোপের ককপিট বলা হয় কোন দেশকে?
  1. ফিলিস্তিন
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. ইতালি
  4. বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
- অসংখ্য উল্লেখযোগ্য যুদ্ধের ইতিহাসের কারণে বেলজিয়ামকে প্রায়ই "ইউরোপের ককপিট" বলা হয়।

বেলজিয়ামে সংঘটিত কয়েকটি প্রধান যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে:
- গোল্ডেন স্পার্সের যুদ্ধ, 
- রামিলিস যুদ্ধ, 
- ম্যালপ্লাকেটের যুদ্ধ, 
- ফন্টেনয়ের যুদ্ধ, 
- ওয়াটারলু যুদ্ধ। 

সূত্র: ব্রিটানিকা।
.
কোন দুটি দেশের সীমান্ত ‘ওডার-নেইসে লাইন’(Oder–Neisse Line) হিসেবে পরিচিত?
  1. জার্মানি ও ফ্রান্স
  2. জার্মানি ও পােল্যান্ড
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
জার্মানি ও পােল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি ও পােল্যান্ড
ব্যাখ্যা
Oder–Neisse Line:
- ওডার-নেইসে লাইন হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, আঞ্চলিক সীমান্ত পরিবর্তনের মাধ্যমে জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যে স্থাপিত একটি সীমান্ত।
- এই সীমান্তে জার্মানির অনেক এলাকা পোল্যান্ডের হাতে চলে যায় এবং এটি জার্মানি (পশ্চিম জার্মানি) এবং সোভিয়েত ব্লকের মধ্যে ১৫ বছর ধরে বিতর্কের বিষয় ছিল।
- ইয়ালটা সম্মেলনে জার্মানি-পোল্যান্ড সীমান্তের ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।
- ১৯৫০ সালের পূর্ব জার্মানি ওডার-নেইসে লাইনকে স্থায়ী সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- পশ্চিম জার্মানি ১৯৭০ সালে ওডার-নেইসে লাইনকে বৈধ সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ওডার-নেইসে লাইন (ওডার নদী (Oder River) ও নেইসে নদী (Neisse River) বরাবর) পোল্যান্ডের পশ্চিম সীমান্ত হিসেবে নির্ধারিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- ওডার নদী পূর্ব-মধ্য ইউরোপের নদী।
- এটি বাল্টিক সাগরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নদীগুলির মধ্যে একটি।
-  এটি পোল্যান্ড এবং জার্মানির মধ্যে সীমানা তৈরি করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১০.
২৪তম প্যারালাল কোন দুইটি দেশের সীমারেখা নির্দেশ করে?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
  3. ভারত ও মায়ানমার
  4. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ১০ ডিগ্রী চ্যানেল: আন্দামান ও নিকোবর,
- ১৬তম প্যারালাল: নামিবিয়া ও অ্যাঙ্গোলা,
- ১৭তম প্যারালাল: উত্তর ভিয়েতনাম ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম,
- ২০তম প্যারালাল: লিবিয়া ও সুদান,
- ২২তম প্যারালাল: মিশর ও সুদান।
- ২৪তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ২৫তম প্যারালাল: মৌরিতানিয়া এবং মালি,
- ২৮তম প্যারালাল: ভারত ও পাকিস্তান,
- ৩১তম প্যারালাল: ইরাক ও ইরান,
- ৩৭তম প্যারালাল: ভারত ও মায়ানমার,
- ৩৮তম প্যারালাল: উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া,
- ৪৯তম প্যারালাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা,
- ৮⁰ চ্যানেল: ভারত (মিনিকয় দ্বীপ) ও মালদ্বীপ,

উৎস: Britannica.
১১.
উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার বিভক্তকারী রেখা হলো ______ উত্তর অক্ষাংশ। 
  1. ৩৮° 
  2. ৩৪°
  3. ৪৯° 
  4. ২৩.৫০° 
সঠিক উত্তর:
৩৮° 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮° 
ব্যাখ্যা

• ৩৮° অক্ষরেখা:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ৩৮° সমান্তরাল রেখায় ভাগ করে।
- ফলে কোরিয়া বিভক্ত হয়ে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া গঠন করে। 
- উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

অন্যদিকে,
• ৪৯° উত্তর অক্ষাংশ:
- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমা রেখা হিসেবে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে পৃথক করেছে।
- ৪৯° উত্তর অক্ষরেখাকে (49th parallel) মেডিসিন লাইন বলা হয়।
- ৪৯° উত্তর অক্ষরেখা  (49° N latitude) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যে দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক সীমান্তের একটি অংশ যা প্রধানত সোজা রেখা।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ অরক্ষিত (unfortified) সীমান্ত হিসেবে পরিচিত।
- এটি প্রায় ৫,৫২৫ মাইল দীর্ঘ সীমান্ত। 
- এই সীমান্ত ১৮৪৬ সালের ওরেগন ট্রিটি (Oregon Treaty) দিয়ে নির্ধারিত হয়।
 
• ২৩.৫°:
- ২৩.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়। 

• কর্কটক্রান্তি রেখা:
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত। 
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। 
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি। 
- কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদ বিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়। 
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

উৎস: i) Americas.org
ii) History.com
iii) Britannica.

১২.
পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যকার সীমানার নাম কী?
  1. ওডার-নেইস লাইন
  2. লাইন অব ডিমারকেশন
  3. ম্যাজিনো লাইন
  4. র‍্যাডক্লিফ লাইন
সঠিক উত্তর:
লাইন অব ডিমারকেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইন অব ডিমারকেশন
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ ‘আলপাইন লাইন'- ইতালি - ফ্রান্স।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৩.
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
  1. কয়লা
  2. পেট্রোলিয়ম
  3. চুনাপাথর
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
প্রধান খনিজ সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- এটি দেশের জ্বালানি চাহিদার অন্যতম প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে, যেমন- বিবিয়ানা, তিতাস, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, রশিদপুর ইত্যাদি।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি সিলেটের হরিপুর এলাকায় প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশে মোট ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে।
- এর মধ্যে ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের সর্বশেষ (২৯তম) গ্যাসক্ষেত্র।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি এবং পেট্রোবাংলা।
১৪.
কোন দেশগুলো মেডিসিন লাইন/সীমানা দ্বারা বিভক্ত?
  1. ব্রাজিল ও বলিভিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
  3. জার্মানি ও পোল্যান্ড
  4. মিশর ও সুদান
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
ব্যাখ্যা

 যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা মেডিসিন লাইন দ্বারা বিভক্ত।

মেডিসিন লাইন/সীমানা (Medicine Line):
- মেডিসিন লাইন (Medicine Line) হলো যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার সীমানা।
- বিশেষ করে ৪৯° উত্তর অক্ষরেখা (49th parallel) বরাবর টানা সীমারেখাকে বোঝাতে মেডিসিন লাইন ব্যবহার করা হয়।
- ৪৯° উত্তর অক্ষরেখা  (49° N latitude) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যে দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক সীমান্তের একটি অংশ যা প্রধানত সোজা রেখা।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ অরক্ষিত (unfortified) সীমান্ত হিসেবে পরিচিত।
- এটি প্রায় ৫,৫২৫ মাইল দীর্ঘ সীমান্ত। 
- এই সীমান্ত ১৮৪৬ সালের ওরেগন ট্রিটি (Oregon Treaty) দিয়ে নির্ধারিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- কানাডার স্থানীয়রা এই লাইনটিকে মেডিসিন লাইন হিসেবে উল্লেখ করে থাকেন। 

অন্যদিকে,  
- ওডার-নীস লাইন হলো জার্মানি এবং পোল্যান্ডের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক সীমানা।
- ২২° উত্তর অক্ষরেখা (22°N parallel) মিশর এবং সুদানের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক সীমানা। এটি হালায়েব ত্রিভুজ (Hala'ib Triangle) নামেও পরিচিত।

উৎস: i) Americas.org
ii) History.com

১৫.
ইউরোপ মহাদেশকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. ডোভার প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. সুন্দা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বসফরাস প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা

বসফরাস প্রণালী:
- এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে বসফরাস প্রণালী।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

অন্যদিকে,
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ডোভার প্রণালী গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালী ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৬.
ভোলার আদি নাম ছিল-
  1. ইন্দ্রকপুর
  2. বাকলা
  3. গগেুায়ানাল্যান্ড
  4. শাহবাজপুর
সঠিক উত্তর:
শাহবাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহবাজপুর
ব্যাখ্যা
ভোলা:
- বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা।
- ভোলা একদা বৃহত্তর বরিশাল জেলার একটি মহকুমা ছিল। 
- ১৯৮৪ সালে মহকুমা থেকে জেলার মর্যাদা পায়।
-  ভোলার আদি নাম ছিল দক্ষিণ শাহবাজপুর। 
- ১৫১৭ সালে জন ডি সিলবেরা নামক জনৈক পর্তুগীজ জলদস্যু দ্বীপটি দখল করে।
- ভোলায় রয়েছে,  চর কুকরী মুকরী, ঢালচর, লতার চর ও চর নিজাম সহ অসংখ্য চর।

উৎস: ভোলা জেলা ওয়েব সাইট।
১৭.
নিচের কোন রেখা উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পৃথক করেছে?
  1. ১৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
  2. ৪৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
  3. ৩৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
  4. ২৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
৩৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা
৩৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষ রেখা:
- উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পৃথককারী রেখা।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ১৯৪৫ সালে পটস্‌ডাম কনফারেন্সে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কুশীলবরা এটিকে সামরিক সীমা হিসেবে বেছে নেয়।
- এর এক পাশে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যপাশে সোভিয়েত বাহিনী অবস্থান নেয়।
- পরে ১৯৫০ সালে দুই কোরিয়ার মধ্যে সংঘাতের পর এর অস্ত্র বিরতি অনুযায়ী এটিকে দুই কোরিয়ার সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- এই লাইনের দুই কিলোমিটার এলাকাকে নিরস্ত্রীকৃত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়।
- এটি ২৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
এছাড়া,
- ১৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষ রেখা সাবেক উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামকে পৃথককারী রেখা।
- ২৪ ডিগ্রি উত্তর অক্ষ রেখা হলো পাকিস্তানের দাবিকৃত ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত রেখা।
- ৪৯ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখা যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে পৃথক করেছে।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১৮.
সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্ত রেখার নাম কী? 
  1. পার্পল লাইন
  2. গ্রিন লাইন
  3. ব্লু লাইন
  4. সিগফ্রিড লাইন 
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পার্পল লাইন
ব্যাখ্যা

• গোলান মালভূমি:
- গোলান হলো সিরিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ১৮০০ বর্গকিলোমিটার (প্রায় ১০০০ বর্গমাইল) আয়তনের এক পাথুরে মালভূমি।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।
- গোলান মালভূমি নিয়ে সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- গোলান মালভূমি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের (যা ইয়োম কাপুর নামেও পরিচিত) সিরিয়া গোলানের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়।
- ১৯৭৪ সালে দুই দেশই অস্ত্রবিরতিতে সই করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার ঘোষণা করে যে গোলান মালভূমি এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।

⇒ এই এলাকায় ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বে কখনও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মেলেনি।
- তবে মার্কিন নীতি ভঙ্গ করে ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই দখলদারিত্বে স্বীকৃতি দেন।

অন্যদিকে -
- সিগফ্রিড লাইন ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা।
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।
- গ্রিন লাইন ইসরাইল ও তার পার্শ্ববর্তী দেশ (মিশর, জর্ডান, লেবানন এবং সিরিয়া) এর মধ্যে অবস্থিত সীমারেখা। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৯.
পর্বত থেকে নিচু কিন্তু সমভূমি থেকে উঁচু বিস্তীর্ণ সমতল ভূমিকে কী বলে?
  1. সমভূমি
  2. মালভূমি
  3. হৃদ
  4. উপত্যকা
সঠিক উত্তর:
মালভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালভূমি
ব্যাখ্যা
মালভূমি:
- মালভূমি হলো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অপেক্ষাকৃত উঁচু এবং সমতল বা কিছুটা ঢালু একটি বিস্তৃত ভূখণ্ড
- এটি চারপাশের এলাকা থেকে অনেকটা উঁচুতে অবস্থিত,
- কিন্তু তার উপরের পৃষ্ঠ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমতল বা ঢালু হয়।

অপরদিকে,
- উপত্যকা হল পাহাড় বা পর্বতমালার মধ্যে অবস্থিত একটি দীর্ঘায়িত নিম্নভূমি অঞ্চল।
- যা সাধারণত একটি নদী বা স্রোত ধারণ করে।
- হ্রদ হল একটি প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট, অপেক্ষাকৃত বড় জলের অংশ যা শুষ্ক ভূমি দ্বারা বেষ্টিত একটি অববাহিকায় স্থানান্তরিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
২০.
কোন স্থানকে 'রাঙামাটির ছাদ' বলা হয়?
  1. হাজাছড়া ঝর্ণা
  2. সাজেক ভ্যালি
  3. যমচুগ বনবিহার
  4. পেদা টিংটিং
সঠিক উত্তর:
সাজেক ভ্যালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাজেক ভ্যালি
ব্যাখ্যা

• সাজেক:
- সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙামাটির ছাদ।
- সাজেক উপত্যকা বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নে অবস্থিত।
- সাজেক উপত্যকা একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ।
- সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত। সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত।
- সাজেক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন যার আয়তন ৭০২ বর্গমাইল।
- সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উঁচুতে অবস্থিত বিজিবি ক্যাম্প।
- সাজেক রুইলুইপাড়া এবং কংলাক পাড়া এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত।
- সাজেকে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২১.
Which strait connects the Tasman Sea and the Pacific Ocean?
  1. Cook Strait
  2. Bab al-Mandeb Strait
  3. Bosphorus Strait
  4. Panama Canal
  5. Strait of Hormuz
সঠিক উত্তর:
Cook Strait
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cook Strait
ব্যাখ্যা
কুক প্রণালী:
- কুক প্রণালী নিউজিল্যান্ডের উত্তর ও দক্ষিণ দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- তাসমান সাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে কুক প্রণালী।
- এটি প্রায় ১৪ মাইল প্রশস্ত এবং ৪২০ ফুট গভীর।

উল্লেখ্য,
- ১৬৪২ সালে ডাচ নাবিক আবেল তাসমান এটিকে উপসাগর ভেবে প্রবেশ করেন।
- ১৭৭০ সালে ক্যাপ্টেন জেমস্‌ কুক এটির সত্যতা যাচাই করে প্রণালী হিসেবে অভিহিত করেন।
- তার নামানুসারে এটি কুক প্রণালী হিসেবে পরিচিত।

অন্যদিকে -
- লোহিত সাগর ও আরব সাগরকে যুক্ত করেছে বাব আল-মান্দেব প্রণালী।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালি।

উৎস: World Atlas.
২২.
আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা-
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. রাঙ্গামাটি
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

রাঙ্গামাটি:
- নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা ২২০- ২৭" ও ২৩০-৪৪" উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°- ৫৬" ও ৯২০- ৩৩" পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে - অবস্থিত।
- রাঙ্গামাটির উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম, দক্ষিণে বান্দরবান, পূর্বে মিজোরাম ও পশ্চিমে চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি।
- রাঙ্গামাটি জেলা আয়তনের দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ জেলা।
- দেশের একমাত্র রিক্সা বিহীন শহর, হ্রদ পরিবেষ্টিত পর্যটন শহর এলাকা।
- এ জেলায় চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, মুরং, বোম, খুমি, খেয়াং, চাক্, পাংখোয়া, লুসাই, সুজেসাওতাল, রাখাইন সর্বোপরি বাঙ্গালীসহ ১৪টি জনগোষ্ঠি -বসবাস করে।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান- এই তিন পার্বত্য অঞ্চলকে নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা সৃষ্টির পূর্বের নাম ছিল কার্পাস মহল।

এছাড়াও,
-পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা থেকে১৯৮১ সালে বান্দরবান এবং ১৯৮৩ সালে খাগড়াছড়ি পৃথক জেলা সৃষ্টি করা হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলার  মূল অংশ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- প্রথাগত রাজস্ব আদায় ব্যবস্থায় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় রয়েছে চাক্কা সার্কেল চীফ।
- চাক্কা রাজা হলেন নিয়মতান্ত্রিক চাকমা সার্কেল চীফ।

উৎস:  রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।

২৩.
আফ্রিকা এবং ইউরোপ মহাদেশকে বিভক্তকারী প্রণালীর নাম কী?
  1. মালাক্কা প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. বাব এল মান্দেব প্রণালী
  4. বেরিং প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
• জিব্রাল্টার প্রণালী :
- ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ,
- এটি স্পেন এবং আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশকে বিভক্ত করে।

• মালাক্কা প্রণালী :
- আন্দামান সাগর ( ভারত মহাসাগর ) এবং দক্ষিণ চীন সাগর ( প্রশান্ত মহাসাগর ) এর মধ্যে সংযোগকারী জলপথ ।
- এটি সুমাত্রা এবংমালয়েশিয়া পৃথক করে।

• বাব এল মান্দেব প্রণালী : 

- লোহিত সাগর এবং এডেন সাগর কে যুক্ত করে।
- আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশ কে বিভক্ত করে।

• বেরিং প্রণালী :
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ কে বিভক্ত করে।
-  প্রশান্ত মহাসাগর এবং  উত্তর মহাসাগরকে যুক্ত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং worldatla
২৪.
সুয়েজ খাল কোন দুইটি মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. ইউরোপ ও এশিয়া
  2. আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকা
  3. উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা
  4. এশিয়া ও আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খালের অবস্থান সিনাই উপদ্বীপ, মিশর।
- এর খনন কাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে।
- সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে খোলা হয়েছে ১৮৬৯ সালে।
- এর দৈর্ঘ্য ১৯৩ কি.মি।
- সুয়েজ খাল মিশর জাতীয়করণ করে ১৯৫৬ সালে।
- সুয়েজ খাল সংযুক্ত করেছে - ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে।
- সুয়েজ খাল পৃথক করেছে - এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২৫.
কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের কোন দিক বরাবর অতিক্রম করেছে?
  1. উত্তর-দক্ষিণ
  2. পূর্ব-পশ্চিম
  3. উত্তর-পশ্চিম
  4. দক্ষিণ-পূর্ব
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-পশ্চিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব-পশ্চিম
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে এমন জেলাগুলো হচ্ছে - চুয়াডাঙা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার ছেদ বিন্দু পড়েছে বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলায়।
- এছাড়াও বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
২৬.
ভূ-ভাগ হঠাৎ খাড়াভাবে নেমে সমুদ্রের গভীর তলদেশের সাথে মিশে যাওয়া অংশকে কী বলে?
  1. শৈলশিরা
  2. সমুদ্রখাত
  3. মহীঢাল
  4. মহীসোপান
সঠিক উত্তর:
মহীঢাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহীঢাল
ব্যাখ্যা
মহীঢাল (Continental Slope):
- মহীঢাল হলো খাড়া ঢালু অংশ।
- মহীসোপানের শেষ সীমা হতে ভূ-ভাগ হঠাৎ খাড়াভাবে নেমে সমুদ্রের গভীর তলদেশের সাথে মিশে যাওয়া অংশটিই মহীঢাল।
- সমুদ্রে এর গভীরতা ২০০ মিটারের পর হতে ৩,৬০০ মিটার পর্যন্ত।
- মহীঢাল অধিক খাড়া হওয়ায় প্রশস্ততা খুব বেশি হয় না।
- এটি গড়ে ১৬ থেকে ৩২ কিলোমিটার পর্যন্তপ্রশস্ত।
- এখানে অসংখ্য আন্ত:সাগরীয় গিরিখাত অবস্থান করায় তা খুবই বন্ধুর প্রকৃতির।
- মহীঢালের শেষ প্রান্তে জীবজন্তুর দেহাবশেষ, বিভিন্ন খনিজ ও পলি জমা হয় এবং সেখানে মহীউত্থানের সৃষ্টি করে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
কোন প্রণালী রাশিয়া ও শাখালিন দ্বীপকে বিচ্ছিন্ন করেছে?
  1. তাতার প্রণালী
  2. মেসিনা প্রণালী
  3. ডোভার প্রণালী
  4. হরমুজ প্রণালী
সঠিক উত্তর:
তাতার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাতার প্রণালী
ব্যাখ্যা
তাতার প্রণালী:
- তাতার প্রণালী (Tatar Strait) হলো একটি সামুদ্রিক প্রণালী যা রাশিয়ার প্রিমোরি অঞ্চলের পূর্ব উপকূলে এবং সাখালিন দ্বীপের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।
- এটি জাপান সাগর এবং ওখোটস্ক সাগর কে যুক্ত করেছে।
- এটি রাশিয়া ও শাখালিন দ্বীপকে বিচ্ছিন্ন করেছে।

উল্লেখ্য,
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭০ কিলোমিটার (৪৩ মাইল) এবং প্রস্থ সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোমিটার (৯৩ মাইল)।
- শাখালিন দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।

অন্যদিকে,
- মেসিনা প্রণালী পৃথক করেছে ইতালী-সিসিলি।
- আরব আমিরাত ও ইরানকে পৃথক করেছে হরমুজ প্রণালী।
- ডোভার প্রণালী গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica.
২৮.
বসফরাস প্রণালী কোন দুটি সমুদ্রকে সংযুক্ত করে?
  1. ভূমধ্যসাগর এবং কাস্পিয় সাগর
  2. লোহিত সাগর এবং আরব সাগর
  3.  কৃষ্ণ সাগর এবং মার্মারা সাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভূমধ্যসাগর
সঠিক উত্তর:
 কৃষ্ণ সাগর এবং মার্মারা সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 কৃষ্ণ সাগর এবং মার্মারা সাগর
ব্যাখ্যা

• বসফরাস প্রণালী:
- পৃথক করেছে: এশিয়া ও ইউরোপ।
- সংযুক্ত করেছে:  কৃষ্ণ সাগর এবং মার্মারা সাগর।
- বসফরাস প্রণালী ১৯ মাইল দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ প্রস্থ উত্তর প্রান্তে ২.৩ মাইল।
- এর গভীরতা মাঝখানে ১২০ থেকে ৪০৮ ফুট পর্যন্ত।
- বসফরাস প্রণালীটি ব্যাপকভাবে মাছ ধরা হয়,
- কারণ এটি মাছের ঋতুকালীন অভিবাসন পথ হিসেবে কাজ করে,
- যা মাছকে কৃষ্ণ সাগর থেকে মারমারা সাগরে এবং বিপরীত দিকে নিয়ে যায়।

এছাড়াও,
- কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) শহরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত বসফরাস প্রণালীটি।
- এই কারণে বাইজেন্টাইন সম্রাটরা এবং পরবর্তীতে উসমানীয় সুলতানরা প্রণালীর তীরে দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন,
- বিশেষ করে ইউরোপীয় তীরে।
- আনাদোলুহিসারি, যা ১৩৯০–৯১ সালে বাইয়াজিদ প্রথম নির্মাণ করেছিলেন,
- এবং রুমেলিহিসারি, যা ১৪৫২ সালে মেহমেদ দ্বিতীয় নির্মাণ করেছিলেন।

উৎস: Britannica.

২৯.
The Strait of Malacca connects -
  1. Pacific Ocean and Atlantic Ocean
  2. Atlantic Ocean and Indian Ocean
  3. Indian Ocean and Pacific Ocean
  4. Arctic Ocean and Indian Ocean
  5. Antarctic Ocean and Arctic Ocean
সঠিক উত্তর:
Indian Ocean and Pacific Ocean
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Indian Ocean and Pacific Ocean
ব্যাখ্যা
মালাক্কা প্রণালী:
- মালাক্কা প্রণালী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে মালয় উপদ্বীপ এবং ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
- উত্তরে ভারত মহাসাগরের আন্দামান সাগরকে দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- বঙ্গোপসাগর ও জাভা সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- প্রণালীটি ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- প্রণালীটির দক্ষিণ প্রান্তে অনেকগুলি দ্বীপ আছে ।
- মালাক্কা প্রণালীর উপকূলে অবস্থিত প্রধান বন্দরগুলির মধ্যে আছে মালয় উপদ্বীপের পেনাং, পোর্ট সোয়েটেনহাম ও মালাক্কা, এবং সুমাত্রা দ্বীপের বেলাওয়ান বন্দর।
- সিঙ্গাপুর এই প্রণালীর দক্ষিণতম প্রান্তে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
৩০.
বাব-এল-মান্দেব প্রণালী কোন দুটি স্থলভাগের মাঝে অবস্থিত?
  1. সৌদি আরব ও ইরান
  2. সোমালিয়া ও ওমান
  3. সুদান ও সৌদি আরব
  4. ইয়েমেন ও জিবুতি
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন ও জিবুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়েমেন ও জিবুতি
ব্যাখ্যা
বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
-বাব এল-মান্দেব প্রণালী আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- ইয়েমেন ও জিবুতি/ইরিত্রিয়া দুটি স্থলভাগের মাঝে অবস্থিত।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত। পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ 'কান্নার দ্বার'।

উৎস: Britannica.com
৩১.
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে কোনটি?
  1. সুয়েজ খাল
  2. হরমুজ প্রণালী
  3. পানামা খাল
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
পানামা খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানামা খাল
ব্যাখ্যা

পানামা খাল:
- বিশ্ব বাণিজ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ রুট।
- পানামা প্রজাতন্ত্রের বুক চিরে বয়ে চলা কৃত্রিম খালটি জাহাজ চলাচলের জন্য ১৯০৪ সালে খনন করা হয় যেটি বিশ্ববাসীর কাছে পানামা খাল হিসেবে সমাধিক পরিচিত।
- ১৯০৪ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় এবং ১৯১৪ সালে সমাপ্ত হয়।
- পানামা খালের দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ৩০ থেকে ৯০ মিটার পর্যন্ত।
- তবে গভীর জলভাগ থেকে এর দৈর্ঘ্য হিসেব করলে এর দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় ৮২ কিলোমিটার।
- গভীরতা স্থানভেদে ৪৬ থেকে ৮৫ ফুট।
- এটি আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ কে পৃথক করেছে।
- এই খাল নির্মাণের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পুর্ব থেকে পশ্চিম উপকূলে চলাচলকারী জাহাজ গুলোর পথ প্রায় ১৫ হাজার কিলোমিটার হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র - এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৩২.
সনোরা লাইন কোন দুটি দেশের মধ্যকার সীমানা? 
  1. পর্তুগাল ও স্পেন
  2. মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত ও পাকিস্তান
  4. ইসরাইল ও সিরিয়া
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- ম্যাকমোহন লাইন ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা। -
- রেডক্লিফ লাইন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব কন্ট্রোল ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল চীন ও ভারত মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- সনোরা লাইন মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যকার সীমানা।

উৎস- Britannica.com.

৩৩.
সুয়েজ খাল কোন দুটি সাগরকে সংযুক্ত করে?
  1. কাস্পিয়ান সাগর ও আরব সাগর 
  2. দক্ষিণ সাগর ও চীনা সাগর
  3. ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর
  4. ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগর
ব্যাখ্যা

• সুয়েজ খাল- 
- মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত সুয়েজ খাল মনুষ্য নির্মিত একটি কৃত্রিম খাল। 
- খালটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করে।
- ১৮৫৯ সালে শুরু হয়ে দশ বছর ধরে চলে এই খনন কাজ।
- ১৮৬৯ সালে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় এটি।
- মিশর ১৯৫৬ সালে সুয়েল খালকে জাতীয়করণ করে।

উৎস: Suez Canal Authority.

৩৪.
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ পৃথক করেছে কোন দুটি সাগরকে?
  1. বঙ্গোপসাগর এবং ভারত মহাসাগর
  2. বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগর
  3. ভারত মহাসাগর এবং আন্দামান সাগর
  4. জাভা সাগর এবং আন্দামান সাগর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগর
ব্যাখ্যা
• আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ:
- আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ যা বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগরকে পৃথক করে।
- দুটি প্রধান দ্বীপগুচ্ছ নিয়ে গঠিত, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ।
- এই দ্বীপপুঞ্জগুলো বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- এবং ভারতের অধীনস্থ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
- আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে মোট ৫৭২টি দ্বীপ রয়েছে্
- যার মধ্যে মাত্র ৩৮টিতে স্থায়ী জনবসতি রয়েছে।

উল্লেখ্য
- ২০০৪ সালে, ভারত মহাসাগরে সংঘটিত হয়।
-  শক্তিশালী ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামি এই দ্বীপপুঞ্জে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ করে।

উৎস: World Atlas.
৩৫.
নিচের কোনটি "Date line divider" হিসেবে পরিচিত?
  1. ১৮০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা
  2. ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা
  3. ০° দ্রাঘিমারেখা
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line):
- ১৮০° দ্রাঘিমারেখা বা অন্তর্রাষ্ট্রীয় তারিখরেখা (International Date Line) পৃথিবীর পশ্চিম ও পূর্ব গোলার্ধকে আলাদা করে দেয়।
- এই রেখা ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিম ও ১৮০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখার সাথে সমান্তরাল।
- সুতরাং ১৮০ ডিগ্রি পশ্চিম এবং ১৮০ ডিগ্রি পূর্ব অবস্থানের দৃষ্টিকোণ থেকে একই স্থান।
- ফলে এই রেখা পৃথিবীর তারিখ ও সময় বিভাজনের কাজ করে।

অর্থাৎ ১৮০° দ্রাঘিমারেখা পৃথিবীর পশ্চিম বা পূর্ব গোলার্ধের তারিখ বিভাজিকার (Date line divider) কাজ করে। ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিম একই স্থান।
- এজন্যই ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে। ১৮০° দ্রাঘিমা রেখা "Date line divider" হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
৩৬.
বর্তমানে বিশ্বের গভীরতম হ্রদ কোনটি?
  1. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  2. বৈকাল হ্রদ
  3. টাঙ্গানিকা হ্রদ
  4. সুপিরিয়র হ্রদ
সঠিক উত্তর:
বৈকাল হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈকাল হ্রদ
ব্যাখ্যা
বৈকাল হ্রদ: 
- যা দক্ষিণ সাইবেরিয়ার বুরিয়াত প্রজাতন্ত্র ও ইরকুতস্ক ওব্লাস্ট-এর মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম মিঠা পানির হ্রদ হিসেবে এটি খ্যাত।
- যা আয়তনের দিক থেকে নয় বরং পানির পরিমাণ বা আয়তন (volume) অনুসারে প্রথম।
- পৃথিবীর মোট ভূপৃষ্ঠের কমপক্ষে ২২% মিঠা পানি এই হ্রদে সংরক্ষিত।
- উত্তর আমেরিকার সমস্ত গ্রেট লেকসের পানির পরিমাণ একত্র করলেও তা লেক বাইকাল পূর্ণ করতে পারে - 
- বৈকাল হ্রদ সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ।
- এটি বিশ্বের অন্যতম স্বচ্ছ (clearest) হ্রদ হিসেবেও পরিচিত।

অপরদিকে,
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশুদ্ধ পানির আধার।
- টাঙ্গানিকা হ্রদ এটি বিশ্বের দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদ।
- সুপিরিয়র হ্রদ উত্তর আমেরিকার সর্ববৃহৎ হ্রদ। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 
৩৭.
Which two countries are separated by the 'Strait of Dover'?
  1. France and Italy
  2. Italy and Portugal
  3. United Kingdom and France
  4. Spain and Portugal
  5. United Arab Emirates and Iran
সঠিক উত্তর:
United Kingdom and France
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Kingdom and France
ব্যাখ্যা
ডোভার প্রণালী:
- ডোভার প্রণালী যুক্তরাজ্যকে ফ্রান্স থেকে পৃথক করেছে।
- এটি ইংলিশ চ্যানেল তথা আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে।
- প্রণালীটি ১৮ থেকে ২৫ মাইল (৩০ থেকে ৪০ কিমি) প্রশস্ত।
- এর গভীরতা ১২০ থেকে ১৮০ ফুট (৩৫ থেকে ৫৫ মিটার) পর্যন্ত।
- ডোভার প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত সমুদ্রপ্রণালী।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩৮.
মরমর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে সংযুক্ত করেছে-
  1. ফ্লোরিডা প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বসফরাস প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বসফরাস প্রণালী
ব্যাখ্যা
• বসফরাস প্রণালী:
- পৃথক করেছে: এশিয়া ও ইউরোপ।
- সংযুক্ত করেছে: কৃষ্ণ সাগর ও মরমর সাগর।
- বসফরাস প্রণালী ১৯ মাইল দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ প্রস্থ উত্তর প্রান্তে ২.৩ মাইল।

অপরদিকে, 
- বেরিং প্রণালী: আমেরিকা-এশিয়া পৃথক করেছে।
- হরমুজ প্রণালী: ইরান-আরব আমিরাত পৃথক করেছে।
- ফ্লোরিডা প্রণালী: কিউবা-ফ্লোরিডা পৃথক করেছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩৯.
আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযোগকারী কৌশলগত জলপথ কোনটি?
  1. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
  2. সুয়েজ খাল
  3. পানামা খাল
  4. হরমুজ প্রণালী
সঠিক উত্তর:
পানামা খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানামা খাল
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- পানামা খাল আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযোগকারী কৌশলগত জলপথ। 
- পানামা খাল একটি লক-টাইপ খাল।
- এটি পানামা প্রজাতন্ত্রের মালিকানাধীন ও পরিচালিত।
- খালটি পানামার সরু ভূমি দিয়ে আটলান্টিক (বিশেষত ক্যারিবিয়ান সাগর) এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করে।
- খালটি আগস্ট ১৯১৪ সালে সম্পন্ন হয়।
- এটি বিশ্বের দুটি সবচেয়ে কৌশলগত কৃত্রিম জলপথের একটি (অন্যটি সুয়েজ খাল)।
- যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব এবং পশ্চিম উপকূলের মধ্যে ভ্রমণকারী জাহাজগুলো কেপ হর্ন ঘুরে আসার পরিবর্তে প্রায় ৮,০০০ নটিক্যাল মাইল (১৫,০০০ কিমি) দূরত্ব কমে।
- উত্তর আমেরিকার একটি উপকূল থেকে দক্ষিণ আমেরিকার বিপরীত পাশে বন্দরগুলোর যাত্রাপথে প্রায় ৩,৫০০ নটিক্যাল মাইল (৬,৫০০ কিমি) দূরত্ব কমে।
- ইউরোপ থেকে পূর্ব এশিয়া বা অস্ট্রেলিয়ার যাত্রাপথে প্রায় ২,০০০ নটিক্যাল মাইল (৩,৭০০ কিমি) দূরত্ব কমে।
- পানামা খাল বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য এবং নৌচলাচলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সেতু।

উল্লেখ্য,
- বাব এল মান্দেব লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযোগকারী একটি প্রণালী।
- সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করেছে।
- হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরের মধ্যে অবস্থিত একটি প্রণালী।

উৎস: Britannica.
৪০.
'গ্রেট বেরিয়ার রিফ' নামের প্রবাল প্রাচীরটি কোন মহাদেশের তীর ঘেঁষে উত্থিত হয়েছে?
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. ইউরোপ
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
গ্রেট বেরিয়ার রিফ:
- গ্রেট বেরিয়ার রিফ হলো বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর।
- এটি ২৯০০ এর বেশি একক রিফের সমন্বয়ে গঠিত।
- অস্ট্রেলিয়ার উপকূলীয় শহর কুইন্সল্যান্ডের কোরাল সাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অবস্থিত।
- অস্ট্রেলিয়ায় কুইন্সল্যান্ডের সমুদ্রতটে গড়ে ওঠা এই প্রবাল প্রাচীরটি প্রায় ৩৪,৪৪,০০০ বর্গ কিলোমিটার স্থান জুড়ে অবস্থিত।
- অর্থাৎ 'গ্রেট বেরিয়ার রিফ' নামের প্রবাল প্রাচীরটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের তীর ঘেঁষে উত্থিত হয়েছে।
- UNESCO এটিকে ১৯৮১ সালে বিশ্ব হেরিটেজ সাইটেও অন্তর্ভুক্ত করে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। লিঙ্ক
৪১.
স্পেন ও মরক্কোর মধ্যবর্তী বিভাজন কোন প্রণালীর মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে?
  1. হরমুজ প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. দারদানেলিস প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা

• প্রণালী :
- প্রণালী হলো এমন এক সংকীর্ণ জলপথ, যা দুটি বৃহৎ জলভাগকে একত্রে সংযুক্ত করে এবং পাশাপাশি দুটি ভূখণ্ডের মাঝে স্বাভাবিকভাবে বিভাজন তৈরি করে। 
- এটি মূলত প্রাকৃতিকভাবে গঠিত হলেও কখনো কখনো মানবসৃষ্ট পথও হতে পারে।

- কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীর মধ্যে জিব্রাল্টার প্রণালী অন্যতম :

• জিব্রাল্টার প্রণালী :

 - এ প্রণালী ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে এবং 
- ইউরোপের স্পেনকে আফ্রিকার মরক্কো থেকে পৃথক করেছে।

  অন্যদিকে,
- হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং 
- ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে পৃথক করেছে।
- দারদানেলিস প্রণালী মর্মর সাগর ও ইজিয়ান সাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং তুরস্কের ইউরোপীয় ও এশীয় অংশকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালী কৃষ্ণ সাগরকে মর্মর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে এবং তুরস্কের এশিয়া ও ইউরোপ অংশকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: Britannica.

৪২.
মরা কটাল কখন হয়?
  1. পঞ্চমীতে
  2. অষ্টমীতে
  3. নবমীতে
  4. একাদশীতে
সঠিক উত্তর:
অষ্টমীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টমীতে
ব্যাখ্যা

• মরা কটাল (Neap Tide):
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়।
- সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না।
- এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল (Neap Tide) বলে। 
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে জোয়ার-ভাটার মরা কটাল হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. বসফরাস প্রণালী
  3. পক প্রণালী
  4. বেরিং প্রণালী
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
ব্যাখ্যা

পক প্রণালী:
- পক প্রণালী ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্য এবং শ্রীলঙ্কার উত্তর অঞ্চলের জাফনা জেলার মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- এটি সংযুক্ত করেছে ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরকে।
- পক প্রণালী পৃথক করেছে ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে।
- এই প্রণালীর নাম রবার্ট পকের নামে রাখা হয়, যিনি রাজ আমলে মাদ্রাজের গভর্নর (1755–1763) ছিলেন।

অন্যদিকে,
- জিব্রাল্টার প্রণালী উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের সাইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- বসফরাস প্রণালী পৃথক করেছে এশিয়া ও ইউরোপকে আর সংযুক্ত করেছে মরমর সাগর ও কৃষ্ণ সাগর।
- বেরিং প্রণালী সংযুক্ত করেছে বেরিং সাগর ও উত্তর সাগর আর পৃথক করেছে এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে।
- মালাক্কা প্রণালী সংযুক্ত করেছে বঙ্গোপসাগর-জাভা সাগর আর পৃথক করেছে সুমাত্রা-মালয়েশিয়াকে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

৪৪.
পৃথিবীর জ্বালানি তেলের কত ভাগ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২০%
সঠিক উত্তর:
২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০%
ব্যাখ্যা
হরমুজ প্রণালী:
- পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে হরমুজ প্রণালী।
- আরব উপদ্বীপ থেকে ইরানকে পৃথক করেছে।
- এই চ্যানেলটি ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ।
- এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের জন্য দুটো লেন রয়েছে এবং প্রতিটি লেন দুই মাইল প্রশস্ত।
- হরমুজ প্রণালী সংকীর্ণ হতে পারে। কিন্তু জ্বালানী তেল বহনের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জাহাজ চলাচল করার জন্য বিখ্যাত হরমুজ প্রণালী।
- পৃথিবীতে যে পরিমাণ জ্বালানী তেল রপ্তানি হয়, তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ বা ২০% হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৪৫.
বসফরাস প্রণালী কোন শহরের মধ্য দিয়ে যায়?
  1. আঙ্কারা
  2. ইস্তানবুল
  3. সাফা
  4. বুন্দেস
সঠিক উত্তর:
ইস্তানবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্তানবুল
ব্যাখ্যা

• বসফরাস প্রণালী:
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৪৬.
'লাইন অব কন্ট্রোল' বলতে কোন দুটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখাকে চিহ্নিত করে?
  1. ইসরাইল ও জর্ডান
  2. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  3. চীন ও তাইওয়ান
  4. ভারত ও পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল' বলতে কোন ভারত ও পাকিস্তান-এর সীমান্তবর্তী রেখাকে চিহ্নিত করে।

সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC ): ভারত ও চীন।

উৎস: UN Peacemaker.
৪৭.
Ninety Degree East Ridge কী?
  1. দ্রাঘিমারেখা
  2. একটি পাহাড় এর নাম
  3. একটি সুমুদ্রখাত এর নাম
  4. একটি শৈলশিরা
সঠিক উত্তর:
একটি শৈলশিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি শৈলশিরা
ব্যাখ্যা
৯০° পূর্ব-শৈলশিরা (Ninety Degree East Ridge):
- এই শৈলশিরাটি বঙ্গোপসাগরের মাঝ বরাবর উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রায় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা বরাবর বিস্তৃত বলে একে ৯০° পূর্ব শৈলশিরা বলে।
- এটি বেঙ্গল শৈলশিরা নামেও পরিচিত।
- এই শৈলশিরা ১৫০° উত্তর অক্ষাংশ থেকে শুরু করে ৩০° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত প্রায় ৫,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮.
জিব্রাল্টার প্রণালী কোন কোন মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা ও ইউরোপ
  2. উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা
  3. ইউরোপ থেকে আফ্রিকা
  4. এশিয়া ও ইউরোপ
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ থেকে আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ থেকে আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৪৯.
হরমুজ প্রণালী সংযুক্ত করেছে -
  1. ভূমধ্যসাগর এবং লোহিত সাগর
  2. পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগর
  3. কৃষ্ণ সাগর এবং মর্মর সাগর
  4. ভূমধ্যসাগর এবং আরব সাগর
সঠিক উত্তর:
পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগর
ব্যাখ্যা
হরমুজ প্রণালী:
- অবস্থান: পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগর ও আরব সাগর সংযোগকারী জলপথ।
- প্রস্থ: ৩৫-৬০ মাইল (৫৫-৯৫ কিমি)।
- হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ।
- পারস্য উপসাগরের বিভিন্ন বন্দর থেকে অপরিশোধিত তেল বহনকারী ট্যাঙ্কারদের জন্য এটি প্রধান পথ।
- ২০১০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে সরবরাহকৃত মোট তেলের এক-পঞ্চমাংশ এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়েছে।
- তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) রপ্তানির ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ, যা বিশ্বব্যাপী সরবরাহের এক-তৃতীয়াংশ বহন করে।
- হরমুজ প্রণালী আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও অর্থনীতির ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানী রপ্তানির ক্ষেত্রে এটি একটি প্রধান প্রবেশদ্বার হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: Britannica.
৫০.
বঙ্গোপসাগরের প্রবেশপথ বলা হয় -
  1. মোজাম্বিকা প্রণালী
  2. পক প্রণালী
  3. হরমুজ প্রণালী
  4. দার্দানেলিস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক প্রণালী
ব্যাখ্যা
• পক প্রণালী :
- দক্ষিণ-পূর্ব ভারত এবং উত্তর শ্রীলঙ্কার মধ্যে বঙ্গোপসাগরের একটি প্রবেশপথ।
- এটি ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করে।
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর কে যুক্ত করে। 

• হরমুজ প্রণালী- পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগর এর সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল ।
- এই প্রণালীটি ইরানকে ও আরব উপদ্বীপ ওমান (দক্ষিণ) থেকে পৃথক করে।

• মোজাম্বিকা প্রণালী,- ভারত মহাসাগরের একটি প্রণালী যা, মোজাম্বিকা ও মাদাগাস্কার কে পৃথক করেছে।

দার্দানিসিলস প্রণালী :
- ভূমধ্যসাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে সংযুক্তকারী প্রণালী, দার্দানেলিস প্রাণালী।


উৎস: ব্রিটানিকা ও The Business Standard.
৫১.
নিচের কোন দিনকে মহাবিষুব বলা হয়?
  1. ২১ জুন
  2. ২১ মার্চ
  3. ২১ মে
  4. ২১ জুলাই
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ মার্চ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী তার কক্ষপথে চলতে চলতে ২২ ডিসেম্বরের পর থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত এমন স্থানে ফিরে আসে যখন সূর্য নিরক্ষরেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
- ফলে ২১এ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয়।
- দিনের বেলায় সূর্যকিরণের কারণে ভূপৃষ্ঠের বায়ুস্তর গরম হয় এবং রাত্রিবেলায় বিকিরিত হয়ে ঠান্ডা হয়।
- এই সময় উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল।
- ২১ মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিনরাত্রি সমান হয় এবং ঐ দিনটিকে বাসন্ত বিষুব বা মহাবিষুব বলে। 

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৫২.
ব্যাফিন উপসাগর কোন প্রণালীর মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে যুক্ত?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. ডেভিস প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
ডেভিস প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেভিস প্রণালী
ব্যাখ্যা

ব্যাফিন উপসাগর: 
- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি প্রান্তিক সাগর।
- এটি কানাডার বেফিন দ্বীপ ও গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণ–পশ্চিম উপকূলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
- এর দক্ষিণে ডেভিস প্রণালী ও ল্যাব্রাডর সাগর হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে যুক্ত।
- এটি উত্তরে ন্যারেস প্রণালীর মাধ্যমে উত্তর মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত।
- বছরের অধিকাংশ সময় এই উপসাগরটি বরফে আচ্ছাদিত থাকে।
- ভাসমান বরফ ও হিমশৈলের কারণে এই উপসাগর নৌ চলাচল অত্যন্ত সীমিত।

উৎস: ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ব্রিটানিকা।

৫৩.
বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা কোনটি?
  1. রামু
  2. থানচি
  3. শিবগঞ্জ
  4. টেকনাফ
সঠিক উত্তর:
থানচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানচি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী স্থান:
সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকাষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৫৪.
পৃথিবীর নিম্নতম বিন্দুটি কোথায় অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরে
  2. আটলান্টিক মহাসাগরে
  3. বঙ্গোপসাগরে
  4. এন্টার্কটিকা মহাদেশে
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরে
ব্যাখ্যা
মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
- পৃথিবীর নিম্নতম বা গভীরতম স্থান - মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরে তলদেশে অবস্থিত।
- হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ ও ফিলিপাইনের মধ্যবর্তী স্থানে এটির অবস্থান।
- এর গভীরতা প্রায় ৩৬,০৭০ ফুট বা ১১,০৩৪ মিটার।
- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ এর গভীরতম স্থান কে  চ্যালেঞ্জার ডিপ বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৫৫.
ম্যাজিনো লাইন কোন দুই দেশের মধ্যে অবস্থিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  2. পর্তুগাল ও স্পেন
  3. ফ্রান্স ও জার্মানি
  4. রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স ও জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স ও জার্মানি
ব্যাখ্যা

ম্যাজিনো লাইন:
- ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে একটি সীমারেখা।
- ম্যাজিনো লাইন ছিল ফ্রান্সের একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অংশ,
- যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানি ও ইতালির সীমান্ত বরাবর নির্মাণ করা হয়েছিল।
- এটি সম্ভাব্য আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এক অদম্য প্রতিরক্ষা ব্যূহ হিসেবে বিবেচিত হতো।
- তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান বাহিনী এই লাইনকে পাশ কাটিয়ে এবং ভেঙে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।

অপরদিকে,
- ম্যানারহেম রেখা: রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড,
- লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেন,
- ওডারনিস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মানি ও ফ্রান্স।
- সনোরা লাইন: যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৫৬.
জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. ওডার-নেইস লাইন
  2. সনোরা লাইন
  3. পার্পল লাইন
  4. ডুরান্ড লাইন
সঠিক উত্তর:
ওডার-নেইস লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওডার-নেইস লাইন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনোরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৫৭.
আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান কোনটি?
  1. মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  2. পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ
  3. জাভা ট্রেঞ্চ
  4. টোঙ্গা ট্রেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা

আটলান্টিক মহাসাগর:
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এর আয়তন ৮১,৭৬০,০০০ বর্গ কিমি।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ।
- এর গড় গভীরতা ১১,৯৬২ ফুট  এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ২৭,৪৯৩ ফুট।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৫৮.
মালাক্কা প্রণালী কোন দুটি জলভাগকে সংযুক্ত করেছে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর ও ভারত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগর
  3. লোহিত সাগর ও ভারত মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগর
ব্যাখ্যা

মালাক্কা প্রণালী:
- এটি ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযোগকারী জলপথ।
- মালাক্কা প্রণালী সুমাত্রা এবং মালয় উপদ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ২৫,০০০ বর্গ মাইল (৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- প্রণালীটি ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি) দীর্ঘ।
- এটি দক্ষিণে মাত্র ৪০ মাইল (৬৫ কিমি) ও উত্তরে ১৫৫ মাইল (২৪৯ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভ্রমণকারী শিপিং চ্যানেলগুলির মধ্যে একটি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৫৯.
সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৯ সাল
  2. ১৯৫২ সাল
  3. ১৯৪৯ সাল
  4. ১৯৫৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সাল
ব্যাখ্যা
• সুয়েজ খাল- 
- মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত সুয়েজ খাল মনুষ্য নির্মিত একটি কৃত্রিম খাল। 
- খালটি ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরের মাঝে সংযোগ স্থাপন করে।
- ১৮৫৯ সালে শুরু হয়ে দশ বছর ধরে চলে এই খনন কাজ।
- ১৮৬৯ সালে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় এটি।
- মিশর ১৯৫৬ সালে সুয়েল খালকে জাতীয়করণ করে।

উৎস: Suez Canal Authority.
৬০.
বাংলাদেশের সাথে স্থল সীমান্ত রয়েছে-
  1. এক দেশের
  2. তিন দেশের
  3. চার দেশের
  4. দুই দেশের
সঠিক উত্তর:
দুই দেশের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই দেশের
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সাথে স্থল সীমান্ত রয়েছে- দুই দেশের।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান: 
- বাংলাদেশের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত।
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত।
- আর দক্ষিণে রয়েছে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর। 
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- এদেশ প্রায় ২০°৩৪′ উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১′ পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১.
সোনালী প্যাগোডার দেশ বলা হয় কোন দেশকে?
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. মিয়ানমার
  3. থাইল্যান্ড
  4. তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
সোনালী প্যাগোডার দেশ:
- মিয়ানমারে অসংখ্য সোনালী রঙের প্যাগোডা ও স্তূপ ধর্ম, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের প্রতীক।
- এই বিরল ও বিস্ময়কর স্থাপত্যিক ঐতিহ্যের কারণে দেশটিকে “Land of Golden Pagodas” বলা হয়।

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com
৬২.
'Line of Control' যে দুটি দেশের সীমান্তে অবস্থিত-
  1. ভারত-বাংলাদেশ
  2. ভারত-পাকিস্তান
  3. উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া
  4. পাকিস্তান-আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত-পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত-পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন ও ভারত মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- সনেরা লাইন - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যকার সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬৩.
তামার দেশ হিসেবে পরিচিত- 
  1. ইতালি
  2. জাম্বিয়া
  3. মিশর
  4. তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
জাম্বিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাম্বিয়া
ব্যাখ্যা

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com.

৬৪.
নিচের কোনটি স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র নয়?
  1. ডেনমার্ক
  2. সুইডেন
  3. নরওয়ে
  4. হাঙ্গেরি
সঠিক উত্তর:
হাঙ্গেরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাঙ্গেরি
ব্যাখ্যা
• স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা - নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

উৎস: Worldatlas.com ও Britannica.com।
৬৫.
আল্পস পর্বত কোন শ্রেণির পর্বতের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. ক্ষয়জাত পর্বত
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভঙ্গিল পর্বত
ব্যাখ্যা

ভঙ্গিল পর্বত:
- স্তরীভূত পাললিক শিলাস্তরে পার্শ্বচাপের ফলে ভাঁজ সৃষ্টি হয়ে যে পর্বতের উৎপত্তি ঘটে, তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলা হয়।
- সাধারণত সমুদ্রের গভীরে অবনমিত অঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে বিপুল পরিমাণ পলি সঞ্চিত হয়।
- উপর্যুপরি পলির ভারে সেই অঞ্চল আরও নিম্নমুখী হয়।
- পরবর্তীকালে পার্শ্ববর্তী কঠিন ভূমিখণ্ড থেকে প্রবল পার্শ্বচাপের কারণে শিলাস্তরে উর্ধ্বভাঁজ ও অধঃভাঁজের সৃষ্টি হয়।
- বিস্তৃত এলাকাজুড়ে এই ভাঁজযুক্ত ভূমিরূপের সমষ্টিতেই ভঙ্গিল পর্বতের গঠন সম্পন্ন হয়।
- এশিয়ার হিমালয় পর্বত, ইউরোপের আল্পস পর্বত, উত্তর আমেরিকার রকি এবং দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬.
জিব্রাল্টার প্রণালী যুক্ত করেছে-
  1. আটলান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ক্যারিবিয়ান সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর
  4. দক্ষিণ চীন সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- যুক্ত করেছে: ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৬৭.
আকাবা কোন দেশের সমুদ্র বন্দর?
  1. ইরাক
  2. মিয়ানমার
  3. জর্ডান
  4. ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্ডান
ব্যাখ্যা
- 'আকাবা' সমুদ্রবন্দর অবস্থিত জর্ডানে। 

আরো কিছু গুরত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর: 
- 'এডেন' সমুদ্রবন্দর ইয়েমেনে অবস্থিত।
- 'মন্ট্রিল', 'কুইবেক', 'ভ্যাঙ্কুভার' সমুদ্রবন্দর অবস্থিত কানাডায়।
- 'গ্লাসগো' সমুদ্র বন্দর অবস্থিত স্কটল্যান্ডে।

উৎস: সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারি ওয়েবসাইট।
৬৮.
'লাইন অব কন্ট্রোল' কোন দুটি রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী রেখা চিহ্নিত করে?
  1. ইসরাইল ও জর্ডান
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. চীন ও তাইওয়ান
  4. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল (LOC):
- ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী রেখা।

⇒ সিমলা চুক্তি (Simla Agreement):
- ১৯৭১ সালে ভারত পাকিস্তান সমঝোতার মাধ্যমে যে নিয়ন্ত্রণ সীমা তৈরি হয় তার নাম এল.ও.সি বা লাইন অব কন্ট্রোল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে পরবর্তী সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং যুদ্ধবন্দীদের হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সিমলা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির অধীনেই ভারত সব যুদ্ধবন্দিকে বিনা বিচারে পাকিস্তানে ফেরত পাঠায়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২ জুলাই, ১৯৭২।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: সিমলা, হিমাচল প্রদেশ, ভারত।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ভারত ও পাকিস্তান।
- ভারতের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী।
- পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষরকারী: প্রেসিডেন্ট জুলফিকার আলী ভুট্টো।
- চুক্তির লক্ষ্য: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়াবলীর শান্তিপূর্ণ সমাধান, বন্ধুত্বপূর্ণ পারস্পারিক সহাবস্তান, যুদ্ধবন্দী বিনিময়, লাইন অব কন্ট্রোলকে বিরোধপূর্ণ কাশ্মীরের সীমানা হিসাবে পুনঃনির্ধারণ ইত্যাদি।

উৎস: i) Ministry of External Affairs.
ii) UN Peacemaker.
৬৯.
'আলপাইন লাইন' কোন দুটি দেশের সীমানা?
  1. সাইপ্রাস-রাশিয়া
  2. ইতালি -ফ্রান্স
  3. ফ্রান্স-জার্মান
  4. যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
ইতালি -ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি -ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• সীমারেখা:
- আলপাইন লাইন'- ইতালি - ফ্রান্স।

এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:
- লাইন অব কন্ট্রোল’ -ভারত-পাকিস্তান।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত-চীন।
- সনোরা লাইন - যুক্তরাষ্ট্র - মেক্সিকো।
- কার্জন লাইন- পোল্যান্ড-রাশিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭০.
ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী প্রণালী কোনটি?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
  3. ডোভার প্রণালী
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭১.
বিশ্বের বৃহত্তম ও দীর্ঘতম প্রবালপ্রাচীর কমপ্লেক্স কোনটি?
  1. রেইনবো রীফ
  2. গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ
  3. রেড সি রীফ
  4. কোরাল ট্রায়াঙ্গেল
সঠিক উত্তর:
গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ: 
- গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূলের কাছে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম ও দীর্ঘতম প্রবালপ্রাচীর কমপ্লেক্স।
- এটি প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের এক অনন্য নিদর্শন।
- এটি উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রসারিত, দৈর্ঘ্য ১,২৫০ মাইল (২,০০০ কিমি)। 
- উপকূল থেকে দূরত্ব: ১০ থেকে ১০০ মাইল (১৬ থেকে ১৬০ কিমি)। 
- এটি প্রবালপ্রাচীর, ছোট ছোট দ্বীপ ও শোলার একটি জটিল গঠন। 
- প্রায় ৯,০০০ প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী ও উদ্ভিদ এখানে বাস করে। 
- "জীবিত জীবদের দ্বারা নির্মিত সবচেয়ে বড় গঠন" হিসেবে বর্ণনা করা হলেও, এটি কিছুটা অতিরঞ্জিত। 
- জলবায়ু পরিবর্তন, সামুদ্রিক দূষণ ও প্রবাল ফ্যাকিংয়ের কারণে হুমকির মুখে রয়েছে। 
- গ্রেট ব্যারিয়ার রীফ শুধু অস্ট্রেলিয়ার নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের জন্য এক অতুলনীয় প্রাকৃতিক সম্পদ—যা সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য।

উৎস: Britannica.
৭২.
বসফরাস প্রণালী কোন শহরকে দুটি অংশে ভাগ করেছে?
  1. আঙ্কারা
  2. ইস্তানবুল 
  3. তেবরিজ
  4. সাভোনা
সঠিক উত্তর:
ইস্তানবুল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্তানবুল 
ব্যাখ্যা

• বসফরাস প্রণালী:
- বসফরাস প্রণালী এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যবর্তী অঞ্চলের একটি অংশের সীমানা নির্দেশ করে।
- এটি তুরস্কের ইস্তানবুল শহরকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটিকে তাই ইস্তাম্বুল প্রণালীও বলা হয়।
- এই প্রণালীটি বিশ্বের নৌ চলাচলের ব্যবহৃত সবচেয়ে সরু জলপথ।
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৩.
নিচের কোনটি শীতল মরুভূমির উদাহরণ?
  1. সাহারা
  2. কালাহারি
  3. লাদাখ
  4. আতাকামা
সঠিক উত্তর:
লাদাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাদাখ
ব্যাখ্যা
মরুভূমি:
- যেখানে সামান্য বৃষ্টিপাত (Precipitaion) হয় তাকে মরুভূমি বলা হয়।
- মরুভূমি ২ ধরনের। শীতল ও উষ্ণ মরুভুমি।
- যেসব মরুভূমির উষ্ণতা অনেক বেশি সেগুলো উষ্ণ মরুভুমি।
- সাহারা, কালাহারি, আতাকামা  এগুলো উষ্ণ মরুভুমির উদাহরণ।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মরুভূমি আফ্রিকার সাহারা। 
- যেসব মরুভূমির উষ্ণতা অনেক কম থাকে সেগুলো শীতল মরুভুমি।
- লাদাখ, গ্রিনল্যান্ড, অ্যান্টার্কটিকা প্রভৃতি শীতল মরুভূমির উদাহরণ
- উচ্চতা, হিমালয়ের নিকটবর্তী অবস্থান ও বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চলে হওয়ায় লাদাখ এ অনেক কম বৃষ্টিপাত হয় কিন্তু শীতল আবহাওয়া থাকে। 

উৎস: Britannica.
৭৪.
নিচের কোনটি জাভা সাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে?
  1. পানামা খাল
  2. সুন্দা প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. তাইওয়ান প্রণালী
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দা প্রণালী
ব্যাখ্যা
সুন্দা প্রণালী:
- সুন্দা প্রণালী জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথককারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক চ্যানেল।
- এটি জাভা সাগর (প্রশান্ত মহাসাগরের অংশ)কে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।
- প্রস্থ: ১৬ থেকে ৭০ মাইল (২৬–১১০ কিমি)।
- প্রণালীর মধ্যে রয়েছে কয়েকটি আগ্নেয় দ্বীপ, সবচেয়ে বিখ্যাত হলো ক্রাকাটোয়া।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪২ সালে মিত্রবাহিনী ও জাপানি বাহিনীর মধ্যে একটি নৌ-সংঘর্ষ ঘটে এই প্রণালীতে।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ, যা ভারত মহাসাগরকে পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করে
- বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী।
- সুন্দা প্রণালী শুধুমাত্র ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং ইতিহাস ও প্রকৃতির দিক থেকেও এটি বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছে।

উৎস: Britannica.
৭৫.
'Gate of Tears' কোন দুটি মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. এশিয়া ও ইউরোপ
  2. আফ্রিকা ও ইউরোপ
  3. ইউরোপ ও আমেরিকা
  4. এশিয়া ও আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও আফ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়া ও আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

⇒ বাব এল-মান্দেব প্রণালী 'Gate of Tears' নামে পরিচিত।
- 'Gate of Tears' এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।

বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭৬.
সুন্দা প্রণালী কোন দুইটি মহাসাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর ও উত্তর মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
সুন্দা প্রণালী:
- সুন্দা প্রণালী ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগর (জাভা সাগর) কে যুক্ত করেছে।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
- সুন্দা প্রণালী ব্যতীত মালাক্কা প্রণালীও ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে,
- পক প্রণালী ভারত মহাসাগরের বঙ্গোপসাগর ও পক উপসাগরকে যুক্ত করেছে।
- ফরমোজা প্রণালী প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী ভূম্যসাগরকে উত্তর আটলান্টিক সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।লিঙ্ক
৭৭.
কোনটি ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি? 
  1. স্পেন
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. মেক্সিকো
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
কানাডা:
- ম্যাপল পাতার দেশ নামে পরিচিতি কানাডা।
- দেশটিতে ম্যাপল গাছের আধিক্য এবং কানাডার জনজীবনে এর সংশ্লিষ্টতার জন্যে কানাডাকে ম্যাপল পাতার দেশ বলা হয়।
- কানাডার জাতীয় পতাকায়ও ম্যাপল পাতার ছবি রয়েছে।
- বিশ্বের মোট ম্যাপল সিরাপের ৭০ ভাগই কানাডা থেকে রপ্তানি হয়।
- কানাডা উত্তর আমেরিকার একটি দেশ।
- এটি আয়তনে পৃথিবীর ২য় বৃহত্তম দেশ।
- কানাডার রাজধানীর নাম অটোয়া।
- টরেন্টো হচ্ছে কানাডার বৃহত্তম শহর।
- দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।

সূত্র - কানাডার সরকারি ওয়েবসাইট।
৭৮.
নিচের কোনটি ভারত ও পাকিস্তানের সীমারেখা?
  1. লাইন অব এ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল
  2. লাইন অব কন্ট্রোল
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. ম্যাকমোহন
সঠিক উত্তর:
লাইন অব কন্ট্রোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইন অব কন্ট্রোল
ব্যাখ্যা
লাইন অব কন্ট্রোল (LoC):
- লাইন অব কন্ট্রোল  ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ রেখা।
- এটি একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা, যা আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবে স্বীকৃত নয়।
- তবে কার্যত এটি দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত হিসেবে কাজ করে।
- ১৯৭২ সালের শিমলা চুক্তির মাধ্যমে এই রেখা প্রতিষ্ঠিত হয়।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সীমারেখা:
- ম্যাকমোহন লাইন: ভারত ও চীন,
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তান,
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান,
- তিন বিঘা করিডোর: ভারত ও বাংলাদেশ,
- লাইন অব কন্ট্রোল (LOC): ভারত ও পাকিস্তান,
- লাইন অব এ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC): ভারত ও চীন।

উৎস: অক্সফোর্ড রিসার্স এনসাইক্লোপেডিয়া।
৭৯.
মকরক্রান্তি রেখা কোনটি?
  1. ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
  2. ২৩°৩০′ উত্তর অক্ষাংশ
  3. ২৩°৫′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
  4. ২৩°৫′ উত্তর অক্ষাংশ
সঠিক উত্তর:
২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখা বা ২৩°৩০′ দক্ষিণ অক্ষাংশকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতি এবং নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে অবস্থান করার ফলে সূর্যের কিরণ এই দুই অক্ষরেখা পর্যন্ত লম্বভাবে কিরণ দিয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০.
‘বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ’ হিসেবে বিবেচিত হয় কোনটি?
  1. পক প্রণালী
  2. হরমুজ প্রণালী
  3. জিব্রাল্টার প্রণালী
  4. মালাক্কা প্রণালী
সঠিক উত্তর:
হরমুজ প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমুজ প্রণালী
ব্যাখ্যা
হরমুজ প্রণালী:
- হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগরে যাওয়ার একমাত্র সামুদ্রিক প্রবেশপথ।
- এর এক পাশে ইরান, অন্য পাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- এ প্রণালী পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- এই প্রণালীটি ৩৫ থেকে ৬০ মাইল (৫৫ থেকে ৯৫ কিমি) প্রশস্ত এবং ইরানকে (উত্তর) আরব উপদ্বীপ (দক্ষিণ) থেকে পৃথক করে।
- প্রণালীটির সবচেয়ে সরু অংশ ৩৩ কিলোমিটার (২১ মাইল) চওড়া।
- এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও কৌশলগত জলপথ।
- মধ্যপ্রাচ্য থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় তেল রপ্তানি করা হয় হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে।
- পৃথিবীতে যে পরিমাণ জ্বালানী তেল রপ্তানি হয়, তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়।
- যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য সংস্থা হরমুজ প্রণালিকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ’ বলে বর্ণনা করেছে।

অন্যদিকে,
• পক প্রণালী:
- পক প্রণালী ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী একটি সামুদ্রিক প্রণালী।

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- ভূমধ্যসাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযুক্তকারী চ্যানেল।
- এটি স্পেন এবং আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত।

• মালাক্কা প্রণালী:
- আন্দামান সাগর (ভারত মহাসাগর) এবং দক্ষিণ চীন সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) এর মধ্যে সংযোগকারী জলপথ।
- এটি ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ এবংমালয়েশিয়াকে পৃথক করে।

তথ্যসূত্র- Britannica.
৮১.
কোন দেশকে ‘সূর্যোদয়ের দেশ’ দেশ বলা হয়?
  1. ভুটান
  2. জাপান
  3. মিয়ানমার
  4. তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভৌগলিক উপনাম: 

• বজ্রপাতের দেশ, বজ্র ড্রাগনের দেশ: ভুটান।
• সূর্যোদয়ের দেশ: জাপান।
• নিষিদ্ধ দেশ: তিব্বত।
• সাদা হাতির দেশ: থাইল্যান্ড।
• সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
• হাজার হ্রদের দেশ: ফিনল্যান্ড।
• নীল নদের দেশ: মিশর।
• মরুভুমির দেশ: আফ্রিকা।
• চীর সবুজের দেশ: নাটাল (দ: আফ্রিকা)।
• ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
• পিরামিডের দেশ: মিশর।
• প্রাচীরের দেশ: চীন।
• ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।
• ম্যাপল পাতার দেশ: কানাডা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৮২.
উত্তর গোলার্ধে ‘বাসন্ত বিষুব’ কবে ঘটে?
  1. ২১শে মার্চ
  2. ২১শে জুন
  3. ২৩শে সেপ্টেম্বর
  4. ২২শে ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১শে মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১শে মার্চ
ব্যাখ্যা
বাসন্ত বিষুব ও শারদ বিষুব:
- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০০) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়। একে বিষুব বলা হয়।
- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব' নামে অভিহিত।
- অপরদিকে, ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব 'শারদ বিষুব' নামে অভিহিত হয়।

প্রকৃতপক্ষে,
- বাসন্ত বিষুব ও শারদ বিষুব উভয় গোলার্ধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- একটি গোলার্ধে বিষুব অবস্থা চলাকালীন যে ঋতু বিরাজ করে, উক্ত ঋতু অনুসারে ঐ গোলার্ধে বাসন্ত বা শারদ বিষুব হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩.
'পার্পল লাইন' কোন দুইটি দেশের মধ্যকার সীমানা?
  1. পর্তুগাল ও স্পেন
  2. চীন ও ভারত
  3. ইসরাইল ও সিরিয়া
  4. মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল ও সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরাইল ও সিরিয়া
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- সনেরা লাইন - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৮৪.
বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম স্থল সীমান্ত কোন দুই দেশের মাঝে অবস্থিত?
  1. চীন - ভারত
  2. চীন - রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র - মেক্সিকো
  4. কানাডা - যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
কানাডা - যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা - যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ স্থল সীমান্ত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে।
- আয়তনে বিশ্বের বড় দেশগুলোর তালিকায় শুরুর দিকে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা।
- আয়তনে যা ৮ হাজার ৮৯৩ কিলোমিটার।
 - দুই দেশের মধ্যে মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের জন্য শতাধিক স্থলবন্দর রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের মেইন, নিউ হ্যাম্পশায়ার, ভারমন্ট, নিউইয়র্ক, পেনসিলভানিয়া, মিশিগান, নর্থ ডাকোটা, মন্টানাসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের সঙ্গে কানাডার সীমান্ত রয়েছে।

⇒ এছাড়াও,
- পৃথিবীর বৃহত্তম দেশটির প্রতিবেশী রাশিয়ার সঙ্গে ৭ হাজার ৬৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। 
- কাজাখস্তান-রাশিয়ার সীমান্ত বিশ্বের বুকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দীর্ঘ স্থল সীমান্তের স্বীকৃতি পেয়েছে।
- আর্জেন্টিনা ও চিলি বিশ্বে তৃতীয় দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত।
- মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে চীনের ৪ হাজার ৬৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।
- এটা বিশ্বের চতুর্থ দীর্ঘতম স্থলসীমান্ত।

উৎস: Britannica.
৮৫.
Which two countries are separated by Strait of Gibraltar?
  1. Algeria & Portugal
  2. Spain & Algeria
  3. Morocco & Spain
  4. Italy & Libya
  5. Portugal & Morocco
সঠিক উত্তর:
Morocco & Spain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Morocco & Spain
ব্যাখ্যা
জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৮৬.
বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমারেখা কোনটি?
  1. পর্তুগাল ও স্পেন
  2. রাশিয়া ও চীন
  3. ফ্রান্স ও ব্রিটেন
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
ব্যাখ্যা
• কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্ত:
- বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ কানাডা,
- যুক্তরাষ্ট্রের ও কানাডা সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক স্থলসীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে।
- একটি অংশ হলো কানাডার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মূলভূখণ্ডের সীমান্ত।
- এবং অপর অংশ হলো আলাস্কার সঙ্গে উত্তর কানাডার সীমান্ত।
- এই যৌথ সীমান্ত বরাবর কানাডার ৮টি প্রভিন্স (প্রদেশ) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি অঙ্গরাজ্য অবস্থিত।
- কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র স্থলসীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ৮,৮৯৩ কিলোমিটার।
- সেন্ট লরেন্স নদী ও গ্রেট লেকস এই দুই দেশের মধ্যে সীমান্তের একটি অংশ গঠন করেছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৮৭.
ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছে কোন প্রণালি?
  1. পক প্রণালি
  2. বেরিং প্রণালি
  3. মালাক্কা প্রণালি
  4. জিব্রাল্টার প্রণালি
  5. সুন্দা প্রণালি
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালি
ব্যাখ্যা
মালাক্কা প্রণালি:
- মালয় উপদ্বীপ ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এই প্রণালীটি ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- মালাক্কা প্রণালি বিশ্বের ব্যস্ততম শিপিং রুটগুলোর একটি।

⇒ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রণালী:
সুন্দা প্রণালি:
- সুমাত্রা ও জাভা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এই প্রণালীটি ভারত মহাসাগর ও জাভা সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।।
- সুন্দা প্রণালি ইন্দোনেশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোর একটি।

বেরিং প্রণালি:
- এই প্রণালীটি উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- যা আলাস্কার প্রদেশ ও রাশিয়ার শাখালিন দ্বীপের মধ্যে বিস্তৃত।
- বেরিং প্রণালি বেরিং সাগরকে প্রশান্ত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করে।

পক প্রণালি:
- ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে অবস্থিত।
- এই প্রণালীটি ভারত মহাসাগর ও আরব সাগরের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- পক প্রণালি প্রায় ২৭ কিলোমিটার প্রশস্ত।
- এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Britannica.
৮৮.
'পার্পল লাইন' সীমারেখাটি কোন দটি দেশকে পৃথক করেছে?
  1. মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র
  2. সিরিয়া-ইসরাইল
  3. ফ্রান্স-জার্মানি
  4. লেবানন-ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া-ইসরাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়া-ইসরাইল
ব্যাখ্যা
পার্পল লাইন:
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ১১৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি মালভূমি যা গোলান পর্বতমালার অংশ।
- এটি সিরিয়া-ইসরাইল সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- সেই বছর, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোলান মালভূমিতে প্রবেশ করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার গোলান হাইটসকে সংযুক্ত করে, বা ঘোষণা করে যে এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।

অন্যদিকে -
- সিগফ্রিড লাইন ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে নিরুপিত সীমারেখা।
- ব্লু লাইন ইসরাইল এবং লেবাননের মধ্যকার সীমারেখা।

উৎস: Britannica.
৮৯.
কোন প্রণালীটি দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে?
  1. মালাক্কা প্রণালী
  2. ফরমোজা প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. পক প্রণালী
সঠিক উত্তর:
ফরমোজা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমোজা প্রণালী
ব্যাখ্যা
• ফরমোজা প্রণালী:
- ফারমোজা প্রণালি তাইওয়ান ও চীন থেকে পৃথক করেছে।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণ চীন সাগর ও পূর্ব চীন সাগরকে যুক্ত করেছে।

অন্যদিকে-
- মালাক্কা প্রণালি : আন্দামান সাগর (ভারত মহাসাগর) ও দক্ষিণ চীন সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর) কে যুক্ত করেছে।
- বসফরাস প্রণালি: এশিয়াকে ইউরোপ থেকে পৃথক করেছে।
- পক প্রণালী: ভারতকে শ্রীলংকা হতে পৃথক করেছে।

তথ্যসূত্র: World Atlas, ব্রিটানিকা। 
৯০.
জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. ব্লু লাইন
  2. পার্পল লাইন
  3. সনেরা লাইন
  4. ওডার-নেইস লাইন
সঠিক উত্তর:
ওডার-নেইস লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওডার-নেইস লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৯১.
ম্যাকমোহন লাইন কোন দুটি দেশের মধ্যকার সীমান্তরেখা?
  1. চীন ও নেপাল
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. ভারত ও চীন
  4. জার্মানি ও পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ভারত ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও চীন
ব্যাখ্যা

ম্যাকমোহন লাইন: 
- ম্যাকমোহন লাইন হলো চীনের তিব্বত ও ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলের মধ্যে কূটনৈতিক সীমারেখা,
- এটা ১৯১৪ সালের সিমলা চুক্তির মাধ্যমে নির্ধারিত হয়।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:
- ভারত-পাকিস্তানকে বিভক্ত করেছে লাইন অফ কন্ট্রোল।
- ভারত-বাংলাদেশকে বিভক্ত করেছে র‍্যাডক্লিফ লাইন।
- পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে পৃথক করেছে ডুরাল্ড লাইন।
- উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনামকে পৃথক করেছে ম্যাকনামারা লাইন।
- জার্মানি ও ফ্রান্সকে বিভক্ত করেছে সিগফ্রেড লাইন।
- জার্মানি ও পোল্যান্ডকে পৃথক করেছে হিনডেন বার্গ লাইন।
- ভারত ও চীন এর মধ্যবর্তী লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (LAC)।
- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পৃথক করেছে ৩৮তম প্যারালাল লাইন।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৯২.
মালাক্কা প্রণালী কোন দুটি ভূখণ্ডকে বিভক্ত করে?
  1. ভারত ও শ্রীলঙ্কা
  2. মালেশিয়া ও সুমাত্রা দ্বীপ
  3. জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া
  4. থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
মালেশিয়া ও সুমাত্রা দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালেশিয়া ও সুমাত্রা দ্বীপ
ব্যাখ্যা

• মালাক্কা প্রণালী (Strait of Malacca):
- মালাক্কা প্রণালী হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ যা আন্দামান সাগর (ভারত মহাসাগর) এবং দক্ষিণ চীন সাগর (প্রশান্ত মহাসাগর)কে সংযুক্ত করে।
- এটি মালেশিয়া ও সুমাত্রাকে বিভক্ত করে।
- পশ্চিমে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ, পূর্বে পশ্চিম মালয়েশিয়া এবং দক্ষিণ থাইল্যান্ড।
- প্রণালীর মোট এলাকা প্রায় ২৫,০০০ বর্গমাইল (৬৫,০০০ বর্গকিমি)।
- দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি)।
- ফানেলের মতো আকৃতির, দক্ষিণে প্রায় ৪০ মাইল (৬৫ কিমি) চওড়া যা উত্তরদিকে প্রশস্ত হয়ে প্রায় ১৫৫ মাইল (২৫০ কিমি) পর্যন্ত পৌঁছে।
- প্রণালীর নাম এসেছে মেলারকা (প্রাক্তন মালাক্কা) বাণিজ্যিক বন্দরের নাম থেকে। ১৬ ও ১৭ শতকে এটি মালয় উপকূলে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল।
- ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরের সংযোগ হিসেবে, এটি ভারত ও চীনের মধ্যে সংক্ষিপ্ততম সমুদ্রপথ।
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম জাহাজ চলাচলের চ্যানেল।
- ক্রমান্বয়ে আরব, পর্তুগিজ, ডাচ এবং ব্রিটিশরা প্রণালীর নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- প্রণালীর দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত, যা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বন্দর।
- প্রণালীটি মধ্যপ্রাচ্যের তেলক্ষেত্র থেকে জাপান ও পূর্ব এশিয়ার বন্দরগুলোতে বৃহৎ তেল ট্যাঙ্কার চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৯৩.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিষয়ক বিরোধের নিষ্পত্তি করেছে-
  1. Permanent Council of Arbitration
  2. Permanent Court of Arbitration
  3. International Court of Arbitration
  4. Permanent Court of Sea Arbitration
সঠিক উত্তর:
Permanent Court of Arbitration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Permanent Court of Arbitration
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশর সমুদ্রসীমা:

- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হয় নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত Permanent Court Arbitration (PCA) বা স্থায়ী সালিশী আদালতে।
-এই আদালত শুনানি শেষে ৭ জুলাই ২০১৪ রায় প্রদান করে।
- এতে বিরোধপূর্ণ ২৫,৬০২ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমার মধ্যে বাংলাদেশ ১৯,৪৬৭ এবং ভারত ৬,১৩৫ বর্গকিমি এলাকা পায়।

উল্লেখ্য,
⇒ Permanent Court Arbitration (PCA) ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশ ও কমিউনিটির মধ্যে বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য এই আদালত স্থাপন করা হয়। 
- এর সদস্য সংখ্যা ১২২ টি । বাংলাদেশ ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল এর সদস্য হয়।

সূত্র: Permanent Court Arbitration ওয়েবসাইট।
৯৪.
এশিয়া মহাদেশকে উত্তর আমেরিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. বাব-এল-মানদেব প্রণালী
  2. বসফরাস প্রণালী
  3. বেরিং প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিং প্রণালী
ব্যাখ্যা

• বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দুটিকে পৃথক করেছে ।
- এবং প্রশান্ত মহাসাগর ও আর্কটিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি রাশিয়া (এশিয়া মহাদেশের অংশ) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার মধ্যে অবস্থিত।

• জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।

• বাব এল-মান্দেব প্রণালী (Bab el-Mandeb Strait):
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- বাব এল-মান্দেব লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযোগকারী একটি প্রণালী।

• বসফরাস প্রণালী:
- মর্মর সাগর ও কৃষ্ণ সাগরকে যুক্ত করেছে বসফরাস প্রণালী।
- এই প্রণালী এশিয়া থেকে ইউরোপকে পৃথক করেছে।

উৎস: Britannica.

৯৫.
’ব্ল লাইন’ কোন দুই দেশের সীমারেখা?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. মিশর ও ইসরায়েল
  3. ইসরায়েল ও লেবানন
  4. চীন ও ভারত
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও লেবানন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল ও লেবানন
ব্যাখ্যা
Blue Line: 
- UN কর্তৃক লেবানন ও ইসরায়েলের সীমারেখা।
- এটি ২০০০ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক নির্ধারিত একটি সীমারেখা,
- যা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়েছিল যে ইসরায়েল লেবানন থেকে পূর্ণরূপে প্রত্যাহার করেছে।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু সীমারেখা:

- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।
- সিগফ্রিড লাইন: জার্মান ও ফ্রান্স।
- ম্যাকনামারা লাইন: সাবেক উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল: চীন ও ভারত।
- ওডের-নিস লাইন: জার্মান ও পোল্যান্ড।
- ব্ল লাইন: লেবানন ও ইসরাইল।
- হিন্ডারবার্গ লাইন: জার্মান ও পোল্যান্ড। 

উৎস: Britannica.
৯৬.
ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযোগকারী জলপথ কোনটি?
  1. হরমুজ প্রণালী
  2. জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. মালাক্কা প্রণালী
  4. ডোভার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালাক্কা প্রণালী
ব্যাখ্যা

মালাক্কা প্রণালী:
- এটি ভারত মহাসাগর এবং দক্ষিণ চীন সাগরকে সংযোগকারী জলপথ।
- মালাক্কা প্রণালী সুমাত্রা এবং মালয় উপদ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
- এর আয়তন প্রায় ২৫,০০০ বর্গ মাইল (৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- প্রণালীটি ৫০০ মাইল (৮০০ কিমি) দীর্ঘ।
- এটি দক্ষিণে মাত্র ৪০ মাইল (৬৫ কিমি) ও উত্তরে ১৫৫ মাইল (২৪৯ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।
- প্রণালীটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভ্রমণকারী শিপিং চ্যানেলগুলির মধ্যে একটি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৯৭.
ইউরোপ থেকে আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে কোনটি?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. পানামা খাল
  3. পক প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৯৮.
কোন প্রণালীটি 'কান্নার দ্বার' হিসেবে পরিচিত?
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. বেরিং প্রণালী
  3. বাব এল-মান্দেব প্রণালী
  4. বসফরাস প্রণালী
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাব এল-মান্দেব প্রণালী
ব্যাখ্যা
বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- এই প্রণালী লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালিটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত ইয়েমেন এবং আফ্রিকার অন্তরীপে অবস্থিত জিবুতি, ইরিত্রিয়া ও সোমালিয়াকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ 'কান্নার দ্বার'।

উৎস: World Atlas.
৯৯.
এশিয়া ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে -
  1. লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল
  2. ভূমধ্যসাগর ও জিব্রাল্টার
  3. আরব সাগর ও সুয়েজ খাল
  4. লোহিত সাগর ও বসফরাস
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল
ব্যাখ্যা
- এশিয়া ও আফ্রিকাকে পৃথক করেছে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল। 

লোহিত সাগর:

- রেড সি (লোহিত সাগর) হল এক সংকীর্ণ জলপ্রবাহ যা মিশরের সুয়েজ (Suez) থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রায় ১,২০০ মাইল (১,৯৩০ কিমি) বিস্তৃত হয়ে বাব এল-মানদেব প্রণালী পর্যন্ত গিয়েছে।
- বাব এল-মানদেব প্রণালী আডেন উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।
- ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে সুয়েজ ও আকাবা উপসাগর (Elat) রেড সি-এর উত্তরাংশের সম্প্রসারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- এটি আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশকে পৃথক করেছে।
- লোহিত সাগর এর অবস্থান: পশ্চিমে রয়েছে: মিশর, সুদান, ও ইরিত্রিয়া, পূর্বে রয়েছে: সৌদি আরব ও ইয়েমেন। 
- সর্বোচ্চ প্রস্থ: ১৯০ মাইল
- সর্বোচ্চ গভীরতা: ৯,৯৭৪ ফুট (৩,০৪০ মিটার)
- মোট আয়তন: প্রায় ১,৭৪,০০০ বর্গমাইল (৪,৫০,০০০ বর্গকিমি)

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল হল একটি সমুদ্র-পৃষ্ঠ বরাবর খনন করা জলপথ, যা মিশরের সুয়েজ ভূখণ্ডের (Isthmus of Suez) উপর দিয়ে উত্তর-দক্ষিণমুখী পথে চলে গেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ভূমধ্যসাগর ও রেড সি (লোহিত সাগর)-কে সংযুক্ত করেছে।
- এটি আফ্রিকা এবং এশিয়া মহাদেশকে আলাদা করেছে।
- এটি ইউরোপ ও ভারত ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সমুদ্রপথ সরবরাহ করে।
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে ব্যস্ত জাহাজ চলাচলের পথগুলোর একটি।
- খালটির দৈর্ঘ্য ও পথ:
- মোট দৈর্ঘ্য: ১৯৩ কিমি (১২০ মাইল)
- উত্তর প্রান্তে এবং দক্ষিণ প্রান্তে ড্রেজ করা অ্যাপ্রোচ চ্যানেল রয়েছে, যা খালটিকে দুই প্রান্তের সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

উৎস: Britannica.
১০০.
জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট কোন ধরনের পর্বতের প্রকৃষ্ট উদাহরণ? 
  1. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
  2. ভঙ্গিল পর্বত 
  3. উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত 
  4. আগ্নেয় পর্বত 
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
ব্যাখ্যা
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountain):

• ভূ-আলোড়নের ফলে শিলাস্তরের সংকোচন ও প্রসারণে দুটি ফাঁটলের মাঝের অংশ অনেক সময় উপরে ওঠে যায় বা নিচে বসে যায়।এই ধরনের পর্বতকে চ্যুতি-স্তূপ পর্বত বলে। 
• চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের উৎপত্তি: তিন ধরনের পরিস্থিতিতে চ্যুতি-স্তূপ পর্বত সৃষ্টি হতে পারে। 
• প্রথমত: ভূ-ত্বকের শিলাস্তরে টানজনিত চাপের কারণে।
- উদাহরণ- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা, নিউ মেক্সিকো, ক্যালিফোর্নিয়ায় এ ধরনের স্তূপ পর্বত দেখা যায়।
• দ্বিতীয়ত: ভূ-ত্বকের কোনো অংশ ভূ-অভ্যন্তরস্থ কারণে ওপরের দিকে উঠতে থাকলে।
- যেমন- পূর্ব আফ্রিকার স্রস্ত উপত্যকার পাশ্ববর্তী উঁচু পার্বত্য স্তূপই এ ধরনের চ্যুতি-স্তূপ পর্বত।
• তৃতীয়ত: কোনো কারণে ভূ-ত্বকের এক অংশ খাড়াভাবে পাশের সমভূমির ওপরে উঠে গেলে।
- উদাহরণ- জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট, ফ্রান্সের ভোঁজ এবং ভারতের বিন্ধ্যা ও ত্রিপুরা পর্বতদ্বয় চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
• ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ: এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।
• আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ: জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।
• উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বতের উদাহরণ: আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাক হিলস্, কলোরাডোর ফ্রান্ট রেঞ্জ (কলোরাডো)। 

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।