বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটারের পারঙ্গমতা

মোট প্রশ্ন১২২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটারের পারঙ্গমতা

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ১২২

.
কোনটি গিগাবাইটের চেয়ে বড়?
  1. বাইট
  2. কিলোবাইট
  3. টেরাবাইট
  4. মেগাবাইট
ব্যাখ্যা

• গিগাবাইটের চেয়ে বড় একক হলো টেরাবাইট। কম্পিউটার ডেটা মাপার জন্য বিভিন্ন একক ব্যবহার করা হয়। সবচেয়ে ছোট হলো বাইট, যা একটি অক্ষর বা সংখ্যা সংরক্ষণ করতে পারে। তার চেয়ে বড় হলো কিলোবাইট, যা সাধারণত ১০২৪ বাইট সমান হয়। মেগাবাইট আরও বড়, যা ১০২৪ কিলোবাইটের সমান। এরপর আসে গিগাবাইট, যা ১০২৪ মেগাবাইটের সমান। সর্বশেষ এবং এগুলোর চেয়ে বড় হলো টেরাবাইট, যা ১০২৪ গিগাবাইটের সমান। সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে গিগাবাইটের চেয়ে বড় একক হলো টেরাবাইট। এটি সাধারণত বড় ফাইল বা ডেটা স্টোরেজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

পরিমাপ:
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
MIPS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Multiple Instructions Per Second
  2. Mega Instructions Per Second
  3. Million Instructions Per Second
  4. Multiple Instructions Per System
ব্যাখ্যা

• MIPS বোঝায় প্রতি সেকেন্ডে প্রসেসর কত মিলিয়ন নির্দেশনা সম্পাদন করে।

• MIPS:

- MIPS (Million Instructions Per Second) হলো কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশনা কার্যকর করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়।
- এটি বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computer) প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য জনপ্রিয় ছিল, যদিও বর্তমানে প্রসেসরের গতি MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি ও সফটওয়্যারের অপটিমাইজেশনের ওপর।
- এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পরিমাপ পদ্ধতি, যা কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি সরাসরি নির্দেশ করে।
- একটি প্রসেসরের MIPS রেটিং যত বেশি, তার ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা তত বেশি।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

.
কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে তথ্যের মৌলিক ইউনিট কোনটি?
  1. Qubit
  2. Bit
  3. Byte
  4. Register
ব্যাখ্যা

• কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে তথ্যের মৌলিক ইউনিট হলো Qubit. সাধারণ কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণের জন্য Bit ব্যবহার করা হয়, যা কেবল ০ বা ১ অবস্থায় থাকতে পারে। কিন্তু Qubit এক ধরনের কণা যা একই সময়ে ০ এবং ১ উভয় অবস্থায় থাকতে পারে, এই বৈশিষ্ট্যকে বলা হয় superposition। এছাড়াও, Qubit গুলি একে অপরের সাথে সংযুক্ত হতে পারে entanglement এর মাধ্যমে, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটিংকে প্রচলিত কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী করে তোলে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম এবং জটিল সমস্যার সমাধানে অত্যন্ত কার্যকর। তাই Qubit হলো কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মূল ভিত্তি।

সঠিক উত্তর: ক) Qubit.

• কোয়ান্টাম কম্পিউটার:
- এটি এমন একটি কম্পিউটার যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গুণাবলী (যেমন: সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট) ব্যবহার করে জটিল গণনা করে।
- প্রচলিত ডিজিটাল কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী হতে পারে।
- রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট (Quantum Bit), যা একসাথে 0 এবং 1 হতে পারে – একে বলে Superposition।
- একটি কিউবিট একই সাথে অনেকগুলো সম্ভাব্য অবস্থায় থাকতে পারে। এটি একাধিক গাণিতিক সমস্যার সমাধান একই সাথে করতে সাহায্য করে।
- ডেভিড ডয়চ (১৯৮৫): কোয়ান্টাম লজিক গেটের ধারণা দেন।
- পিটার শোর (১৯৯৪): কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম উদ্ভাবন করেন যা বড় সংখ্যা অল্প সময়ে ভেঙে ফেলতে পারে।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ৩টি মূল পদ্ধতি:
- NMR (Nuclear Magnetic Resonance): নিউক্লিয়াস স্পিন ব্যবহার করে।
- Ion Trap: আয়নকে ট্র্যাপ করে এবং লেজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- Quantum Dots: অতি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী অঞ্চলে ইলেকট্রনের স্পিন ব্যবহৃত হয়।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।

- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

Shor's Algorithm:
- Shor's Algorithm কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের একটি প্রধান অ্যালগরিদম যা বড় সংখ্যাকে দ্রুত গুণফলে বিভক্ত (factorization) করতে পারে।
- এটা বিন্যাসযোগ্য সংখ্যা গুণফল (large number factorization) বের করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এর মাধ্যমে আধুনিক ক্রিপ্টোগ্রাফি সিস্টেম যেমন RSA সিকিউরিটি ভেঙে ফেলতে পারে।
- Shor’s Algorithm একটি কোয়ান্টাম প্রক্রিয়া ব্যবহার করে গাণিতিক সমস্যাগুলি অনেক দ্রুত সমাধান করতে সক্ষম, যেখানে সাধারণ কম্পিউটারে এসব সমস্যা সমাধান করতে কয়েক হাজার বছর সময় লাগতে পারে।

- Grover's algorithm - কোয়ান্টাম কম্পিউটিং অ্যালগরিদমের আরেকটি উদাহরণ।

উৎস:
1) ব্রিটানিকা।
2) geeksforgeeks [link]

.
৪ নিবল _______ বিটের সমান।
  1. ১৮
  2. ১২
  3. ১৬
ব্যাখ্যা

• ৪ নিবল কত বিটের সমান তা বোঝার জন্য প্রথমে “নিবল” এবং “বিট” সম্পর্কটি জানা দরকার। একটি নিবল (Nibble) হলো ৪ বিট (Bit) এর সমান। এখানে বিট হলো সবচেয়ে ছোট তথ্যের একক যা ০ বা ১ হতে পারে। সুতরাং, যদি ৪টি নিবল থাকে, তাহলে মোট বিটের সংখ্যা হবে ৪ × ৪ = ১৬। তাই চারটি নিবল ১৬ বিটের সমান। অতএব সঠিক উত্তর হলো ঘ) ১৬। এটি কম্পিউটার এবং ডিজিটাল সিস্টেমে তথ্যের সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের মৌলিক ধারণা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

• নিবল (Nibble):
- এক বাইটের অর্ধেক বা ৪ বিটকে নিবল বলা হয়।
- নিবল মূলত হেক্সাডেসিমাল সংখ্যাকে কম্পিউটারের অভ্যন্তরে ব্যবহারে কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এর কারণ হলো বাইনারির চারটি বিটকে একত্রে গ্রুপ করলে সেই গ্রুপটিকে একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা দ্বারা উপস্থাপন করা সম্ভব।
- হেক্সাডেসিমালের এই চার বিটের কোডকে প্রকাশের জন্য মূলত নিবল উপস্থাপন করা হয়ে থাকে।

- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট = ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পিটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
সিপিইউ এর গতি সাধারণত কোন এককে মাপা হয়?
  1. Gigahertz
  2. Gigabytes
  3. Megapixels
  4. Kilograms
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ এর গতি সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়। এটি নির্দেশ করে যে সিপিইউ প্রতি সেকেন্ডে কতবার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। এক গিগাহার্টজ মানে হচ্ছে এক বিলিয়ন সাইকেল প্রতি সেকেন্ডে। সিপিইউ-এর গতি যত বেশি হয়, এটি তত দ্রুত কমান্ড সম্পাদন করতে সক্ষম হয়। এটি কম্পিউটারের কর্মক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। অন্যদিকে, Gigabytes মেমোরি বা স্টোরেজ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়, Megapixels ক্যামেরার রেজোলিউশন বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং Kilograms ভরের একক, যা প্রযুক্তির গতি বোঝাতে প্রযোজ্য নয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো—ক) Gigahertz.

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
১ গিগাবাইট = ?
  1. ১০২৪ মেগাবাইট
  2. ১০০০ টেরাবাইট
  3. ১০২৪ কিলোবাইট
  4. ১০২৪ বাইট
ব্যাখ্যা

১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।

বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

পরিমাপ:
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত MIPS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mega Integrated Processing System
  2. Multiple Instruction Processing Standard
  3. Million Instructions Per Second
  4. Microprocessor Integrated Program System
ব্যাখ্যা

MIPS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Million Instructions Per Second.

MIPS:
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশাবলী কার্যকর করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়। 
- এটি বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computer) প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য জনপ্রিয় ছিল। যদিও বর্তমানে প্রসেসরের গতি MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।
- এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পরিমাপ পদ্ধতি যা কম্পিউটারের প্রসেসরের গতিকে সরাসরি নির্দেশ করে।
- একটি প্রসেসরের MIPS রেটিং যত বেশি, তার ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা তত বেশি।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

.
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ভ্যাকুয়াম টিউব
  2. ট্রানজিস্টর
  3. আইসি
  4. VLSI
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার প্রজন্ম বলতে বোঝানো হয় কম্পিউটার প্রযুক্তির ধাপে ধাপে উন্নয়ন, পরিবর্তন ও উৎকর্ষতার সময়কালকে, যেখানে প্রতিটি প্রজন্মে নতুন প্রযুক্তি, যন্ত্রাংশ ও কার্যক্ষমতার অভাবনীয় পরিবর্তন ঘটে।

কম্পিউটার প্রজন্ম বিভাগ করা হয় এর যান্ত্রিক পরিবর্তন এবং উন্নয়নের ভিত্তিতে।  

প্রথম প্রজন্ম – এসময় ভ্যাকুয়াম টিউব এর ব্যবহার শুরু হয়।
দ্বিতীয় প্রজন্ম – এসময় ভ্যাকুয়ামের পরিবর্তে  ট্রানজিস্টর  এর ব্যবহার শুরু হয়। ফলে যন্ত্রপাতির আকার তুলনামূলক ভাবে ছোট হয়ে যায়।
তৃতীয় প্রজন্ম – এসময় আইসি(IC: Integrated Circuit) বা সমন্বিত সার্কিটের ব্যবহার  শুরু হয়। 
চতুর্থ প্রজন্ম – এসময় VLSI (Very Large Scale Integration) চিপের ব্যাপক ব্যবহার ও অভাবনীয় উন্নয়ন এবং বিকাশ সাধন হয়। 
পঞ্চম প্রজন্ম-  এসময়  Artificial Intelligence (AI), ULSI, Robotics ইত্যাদির ব্যাপক উন্নয়ন ঘটে। 

তথ্যসূত্র: 
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি -১ ; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী (ভোকেশনাল)।
.
প্রোগ্রামে থাকা ত্রুটি চিহ্নিত করা এবং ঠিক করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Installation
  2. Debugging
  3. Compiling
  4. Programming
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রামে থাকা ত্রুটি চিহ্নিত করা এবং সেগুলি ঠিক করার প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়। যখন একটি সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম লেখা হয়, তখন প্রায়ই কোডে লজিক্যাল, সিনট্যাক্স বা রানটাইম সংক্রান্ত ত্রুটি থাকতে পারে। এই ত্রুটিগুলি প্রোগ্রামের সঠিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে। ডিবাগিং-এর মাধ্যমে প্রোগ্রামার প্রোগ্রামের প্রতিটি অংশ পরীক্ষা করে, ত্রুটির উৎস খুঁজে বের করে এবং সঠিক সমাধান প্রয়োগ করে। এটি শুধুমাত্র ত্রুটি সনাক্ত করাই নয়, বরং প্রোগ্রামের কার্যকারিতা উন্নত করতে ও সম্ভাব্য সমস্যার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সাহায্য করে। তাই ডিবাগিং সফটওয়্যার উন্নয়নের একটি অপরিহার্য ধাপ।

- সঠিক উত্তর: খ) Debugging.

• প্রোগ্রাম ডিবাগিং:

- প্রোগ্রাম তৈরির সময় বিভিন্ন কারণে প্রোগ্রামে ভুল হতে পারে, প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ (Bug) বলে।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং সংশোধন করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- সব ভুল-ত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।

• প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা:
- ডেটা ভুল,
- যুক্তিগত ভুল এবং
- সিনট্যাক্স ভুল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১০.
কম্পিউটার সম্পর্কিত এককের মধ্যে বৃহত্তম কোনটি?
  1. টেরাবাইট
  2. পেটাবাইট
  3. এক্সাবাইট
  4. ইয়োটাবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি বা স্টোরেজ মাপার জন্য বিভিন্ন একক ব্যবহৃত হয়, যেমন:

     একক                           মান 

1 KB (কিলোবাইট)       1,024 Bytes

1 MB (মেগাবাইট)        1,024 KB

1 GB (গিগাবাইট)          1,024 MB

1 TB (টেরাবাইট)           1,024 GB

1 PB (পেটাবাইট)         1,024 TB

1 EB (এক্সাবাইট)          1,024 PB

1 ZB (জেটাবাইট)        1,024 EB

1 YB (ইয়োটাবাইট)       1,024 ZB 

এখানে, টেরাবাইট> পেটাবাইট >এক্সবাইট >ইয়োটাবাইট

অর্থাৎ এককগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো ইয়োটাবাইট।

তথ্যসূত্র: 
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি -১ ; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী (ভোকেশনাল)।
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha.
১১.
CPU-এর কার্যক্ষমতা কী এককে নির্ধারণ করা হয়?
  1. Gigahertz
  2. Gigabytes
  3. Megapixels
  4. Kilograms
ব্যাখ্যা

• CPU-এর কার্যক্ষমতা সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে নির্ধারণ করা হয়। Gigahertz মূলত প্রসেসরের ঘড়ির গতি বোঝায়, যা প্রতি সেকেন্ডে কত কোটি চক্র সম্পন্ন করতে পারে তা নির্দেশ করে। এটি প্রসেসরের গতিশীলতা ও কমান্ড প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতার একটি সূচক। বেশি GHz মানে CPU দ্রুত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে, ফলে কম্পিউটার দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম হয়। অন্য একক যেমন Gigabytes, Megapixels বা Kilograms CPU-এর কার্যক্ষমতা বোঝায় না; এগুলো যথাক্রমে মেমোরি, চিত্র মান ও ওজনের পরিমাপ।
- তাই সঠিক উত্তর হলো Gigahertz.
 
 • সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
১০২৪ এক্সাবাইটের সমতুল্য-
  1. ১ পেটাবাইট
  2. ১ জেটাবাইট
  3. ১ টেরাবাইট
  4. ১ ইয়োটাবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
1 Bit = Binary Digit,
8 Bits = 1 Byte.

1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte),
1024 KB = 1 MB (Mega Byte),
1024 MB = 1 GB (Giga Byte),
1024 GB = 1 TB (Terra Byte),
1024 TB = 1 PB (Petabyte),
1024 PB = 1 EB (Exa Byte),
1024 EB = 1 ZB (Zetta Byte),
1024 ZB = 1 YB (Yotta Byte ),

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
১৩.
1 KB =?
  1. 1024 bits
  2. 1024 bytes
  3. 1024 MB
  4. 1024 GB
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
- 1 Bit = Binary Digit
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

উৎস: Computerhope website.
১৪.
কোনটি প্রসেসরের ধরন নয়?
  1. NVIDIA GeForce
  2. Intel Core i7
  3. AMD Ryzen
  4. Apple M1
ব্যাখ্যা

•  প্রসেসর বা সিপিইউ (CPU) হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট, যা সমস্ত কম্পিউটেশনের কাজ সম্পন্ন করে। বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের প্রসেসর তৈরি করে, যেমন Intel Core i7, AMD Ryzen, এবং Apple M1। এগুলো কম্পিউটারের বিভিন্ন ক্ষমতার জন্য ডিজাইন করা। তবে NVIDIA GeForce কোনো প্রসেসর নয়; এটি মূলত গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (GPU), যা ভিডিও, গেম এবং গ্রাফিক্স সংক্রান্ত কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, NVIDIA GeForce প্রসেসরের মধ্যে গণ্য হয় না, কারণ এটি CPU-এর মতো সাধারণ প্রক্রিয়াকরণ কাজ সম্পাদন করে না।

প্রসেসর: 
- প্রসেসরকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়, কারণ কম্পিউটারের সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এর মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।
- কম্পিউটারের মূল চালিকাশক্তি হলো এই সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) বা প্রসেসর। 
- অনেক সময় সিস্টেম ইউনিটকে ভুলবশত CPU বলা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে CPU হলো সেই ছোট্ট চিপ, যা কেন্দ্রীয়ভাবে সমস্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে। আকারে ছোট হলেও এর কর্মক্ষমতা অত্যন্ত শক্তিশালী।
- কম্পিউটারের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা অনেকাংশে প্রসেসরের গতি ও মানের উপর নির্ভরশীল।
- আধুনিক প্রসেসর একাধিক কোর-এর সমন্বয়ে তৈরি, যা মাল্টিটাস্কিং করতে সক্ষম। অর্থাৎ একাধিক প্রোগ্রাম বা কাজ একই সাথে দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

উৎস:
- শিক্ষায় আইসিটি, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Nvidia [link]

১৫.
FLOPS নিম্নের মধ্যে কোনটি পরিমাপ করে?
  1. CPU-গুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের হার
  2. একটি সিস্টেমের মেমোরি ক্ষমতা
  3. একটি সিস্টেম প্রতি সেকেন্ডে যত গণনা করতে পারে
  4. একটি সুপারকম্পিউটারের বিদ্যুৎ খরচ
ব্যাখ্যা
⚪ FLOPS কী?

FLOPS হলো Floating Point Operations Per Second এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি একটি পরিমাপের একক, যা বোঝায় একটি কম্পিউটার এক সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।

⚪ Floating Point Operations কী?

ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন মানে হলো – দশমিক সংখ্যার উপর ভিত্তি করে করা হিসাব যেমন:

3.14 × 2.71

5.0 ÷ 1.25

- এই ধরণের হিসাবগুলো উচ্চ গণনাশক্তির প্রয়োজন হয়, বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), এবং 3D গ্রাফিক্সে।

⚪ FLOPS কী পরিমাপ করে?

- FLOPS মূলত একটি কম্পিউটার বা প্রসেসরের গণনাগতির দক্ষতা পরিমাপ করে। বিশেষত, এটি বলে দেয় - “একটি সিস্টেম প্রতি সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।”

⚪ FLOPS কী পরিমাপ করে না? (অপশন আলোচনা):

- মেমোরি ক্যাপাসিটি – এটি RAM বা স্টোরেজ স্পেস বোঝায়, FLOPS নয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট – CPU বা অন্য যন্ত্রাংশের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান কেমন তা পরিমাপ করে Bandwidth বা Bus Speed।
- বিদ্যুৎ খরচ – এটি Power Consumption দিয়ে পরিমাপ হয়, FLOPS দিয়ে নয়।

উৎস: techtarget [লিংক]
১৬.
সুপার কম্পিউটারের গতি নির্ণয়ে ব্যবহৃত FLOPS শব্দটির সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Floating Point Operations Per Second
  2. Fixed Point Operations Per Second
  3. Fast Logical Operations Per Second
  4. Floating Line Operations Per Second
ব্যাখ্যা

• FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

১৭.
১ পেটাবাইট = কত?
  1. ১০২৪ মেগাবাইট
  2. ১০২৪ গিগাবাইট
  3. ১০২৪ টেরাবাইট
  4. ১০২৪ ইয়োট্রাবাইট
ব্যাখ্যা
• বিট ও বাইট:
- ১ বাইট=৮ বিট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
১৮.
One petabyte is equal to 1024-
  1. Exabyte
  2. Terabyte
  3. Giga
  4. Zetta
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
১৯.
print(2 + 3 * 4)
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-এ এর আউটপুট কী হবে?
  1. 20
  2. 14
  3. 24
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• Python প্রোগ্রামিং ভাষায় গাণিতিক অপারেশনের ক্ষেত্রে operator precedence বা অপারেটরের অগ্রাধিকার অনুসরণ করা হয়। এখানে print(2 + 3 * 4) কোডে প্রথমে * (গুণ) অপারেটর কাজ করবে, কারণ গুণের অগ্রাধিকার যোগের চেয়ে বেশি। তাই প্রথমে 3 * 4 = 12 হিসাব করা হবে। এরপর সেই ফলাফলের সাথে 2 যোগ করা হবে অর্থাৎ 2 + 12 = 14। সুতরাং প্রোগ্রামের আউটপুট হবে 14। সঠিক উত্তর হলো খ) 14। এভাবে Python সবসময় PEMDAS (Parentheses, Exponent, Multiplication/Division, Addition/Subtraction) নিয়ম অনুসরণ করে।

⚪ পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।

- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২০.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) কোন দেশ থেকে সূচনা হয়েছে?
  1. United States
  2. Germany
  3. Switzerland
  4. United Kingdom
ব্যাখ্যা

- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) বা ওয়েবের সূচনা হয়েছে Switzerland থেকে। 

- ১৯৮৯ সালে, সার্ভারের মাধ্যমে তথ্য আদানপ্রদান সহজ করার জন্য টিম বার্নার্স-লি নামের একজন বিজ্ঞানী সর্নর্নাল ইন্সটিটিউট অফ ফিজিকাল সায়েন্সেসে (CERN) কাজের সময় ওয়েবের ধারণা প্রস্তাব করেন।
- ১৯৯১ সালে তিনি প্রথম ওয়েবসাইট চালু করেন যা তথ্য শেয়ারিং এবং ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর পথপ্রদর্শক হয়।
- এই আবিষ্কার ইন্টারনেটের গতি ও ব্যাপ্তি বৃদ্ধি করে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও তথ্য প্রবাহে বিপ্লব ঘটায় ।

• WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়। 
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১.
In an n-bit binary counter, the maximum number of states that can be represented is—
  1. n!
  2. n2
  3. 2n
  4. 2n
ব্যাখ্যা

• n-bit বাইনারি কাউন্টার 0 থেকে 2n − 1 পর্যন্ত গণনা করতে পারে, তাই এর মোট স্টেট সংখ্যা 2n

• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যার মধ্যে প্রদত্ত ইনপুট পালসের সংখ্যা গণনা করা যায়।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস (কাউন্ট পালস) ক্লক পালস বা অন্য কোনো পালস হতে পারে।
- কাউন্ট পালস নির্দিষ্ট সময় পরপর আসতে পারে অথবা অনিয়মিতভাবেও আসতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স (Sequence) বা ক্রম অনুসরণ করতে পারে, তবে সবচেয়ে সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n-বিট বাইনারি কাউন্টার n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট দ্বারা গঠিত।
- এটি 0 থেকে 2n − 1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে।

• মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার:
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গণনা করতে পারে তাকে তার মডিউলাস বা মোড নাম্বার বলা হয়।
- কোনো কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস হয় 2n
- ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করলে মোড নাম্বার বা মডিউলাসও বৃদ্ধি পায়।

• কাউন্টারের ব্যবহার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়।
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে।
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে।
- ডিজিটাল ঘড়িতে।
- ডিজিটাল কম্পিউটারে।
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তরের কাজে ব্যবহার করা হয়।

• কাউন্টারের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে বিভিন্ন ধরনের কাউন্টার ব্যবহৃত হয়।

• সিঙ্ক্রোনাস কাউন্টার (Synchronous counter):
- এ ধরনের কাউন্টারে একটি মাত্র ক্লক পালস দিয়ে সব ফ্লিপ-ফ্লপের অবস্থা পরিবর্তন ঘটে। উদাহরণ: রিং কাউন্টার, মড-১০ কাউন্টার।

• অ্যাসিঙ্ক্রোনাস কাউন্টার (Asynchronous counter):
- এ ধরনের কাউন্টারে একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট অন্য ফ্লিপ-ফ্লপের ক্লক পালস হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ: রিপল কাউন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
সিপিইউ-এর গতি সাধারণত কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. Kilograms
  2. Gigahertz
  3. Megapixels
  4. Gigabytes
ব্যাখ্যা

• সিপিইউ এর গতি সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়। 

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
দুটি সিপিইউ-এর আর্কিটেকচার একই, কিন্তু CPU A এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B এর গতি ২.৫ GHz. সাধারণ পরিস্থিতিতে কোনটি দ্রুত?
  1. CPU A
  2. CPU B
  3. উভয়ই সমানভাবে দ্রুত
  4. RAM এর ওপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

• CPU-এর গতি বা ক্লক স্পিড (GHz-এ মাপা হয়) নির্দেশ করে CPU কত দ্রুত নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। প্রশ্নে বলা হয়েছে দুটি CPU-এর আর্কিটেকচার একই, তাই নির্দেশনা প্রতি চক্রের সংখ্যা (Instructions Per Cycle, IPC) সমান। CPU A-এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B-এর গতি ২.৫ GHz। যেহেতু CPU A প্রতি সেকেন্ডে বেশি চক্র সম্পন্ন করতে পারে, তাই একই আর্কিটেকচারের ভিত্তিতে CPU A সাধারণ পরিস্থিতিতে দ্রুত কাজ করবে। যদিও RAM-এর গতি কিছু ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে, সাধারণ প্রসেসিং পারফরম্যান্স নির্ভর মূলত CPU-এর ক্লক স্পিডের উপর। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) CPU A.

• ক্লক স্পিড:
- প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন সাইকেলের সংখ্যা হলো ক্লক স্পিড। প্রতিটি সাইকেলে একটি বা একাধিক অপারেশন সম্পন্ন হতে পারে।
- ক্লক স্পিডকে প্রসেসরের "সাইকেল প্রতি সেকেন্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- একটি সাইকেল হলো প্রসেসরের একটি মৌলিক অপারেশন। ক্লক স্পিড যত বেশি, প্রসেসর তত দ্রুত কাজ করতে পারে।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- উদাহরণস্বরূপ, 3 GHz CPU প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করে, যা 2 GHz CPU-এর তুলনায় দ্রুত।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন, কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel Website.

২৪.
কমিউনিকেশন সিস্টেমে গেটওয়ে কি কাজে ব্যবহার হয়?
  1. বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার কাজে
  2. একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার কাজে
  3. এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- অন্যদিকে, গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
২৫.
ন্যানোসেকেন্ড বলতে কোন সময়কে বুঝায়?
  1. এক সেকেন্ডের দুইশত কোটি ভাগের এক ভাগ
  2. এক সেকেন্ডের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ
  3. এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ
  4. এক মিনিটের দশ কোটি ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকস যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
যদি একটি CPU-র ক্লক স্পিড ৩ GHz হয়, এটি প্রতি সেকেন্ডে কতটি সাইকেল সম্পন্ন করে?
  1. ৩০০ বিলিয়ন
  2. ৩ লাখ
  3. ৩ বিলিয়ন
  4. ৩ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা

• একটি CPU-র ক্লক স্পিড বলতে বোঝায়, প্রতি সেকেন্ডে প্রসেসর কতবার সিগন্যাল বা সাইকেল সম্পন্ন করে। যদি একটি CPU-র ক্লক স্পিড ৩ GHz হয়, তবে এখানে "GHz" মানে হলো "গিগাহার্টজ"। ১ হার্টজ মানে প্রতি সেকেন্ডে ১ সাইকেল। ১ GHz সমান ১ বিলিয়ন (১০) সাইকেল প্রতি সেকেন্ডে। সুতরাং, ৩ GHz মানে ৩ × ১০ সাইকেল, অর্থাৎ ৩ বিলিয়ন সাইকেল প্রতি সেকেন্ডে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ বিলিয়ন, যা CPU-র গতির মানকে নির্দেশ করে।

- প্রসেসরের স্পিড (Clock Speed - GHz): যত বেশি GHz, তত দ্রুত কম্পিউটার ডাটা প্রসেস করতে পারে।
- কোর সংখ্যা (Cores): একাধিক কোর থাকলে প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়ে (যেমন: Dual-core, Quad-core, Octa-core)।
- ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory): দ্রুত ডাটা অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে।

সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।

সূত্র: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Intel [link]

২৭.
মাইক্রোকম্পিউটারের গতি নির্ধারণ করা হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. র‍্যাম
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. ক্লক স্পিড
ব্যাখ্যা

• CPU-এর ক্লক স্পিডই কম্পিউটারের কাজ করার গতি নির্ধারণ করে।

• সিপিইউ / মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:


- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি নির্ধারণ করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse বা Tick) সম্পন্ন হয় তার উপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজ (Hz) এককে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার ক্ষমতাকে ১ মেগাহার্টজ (MHz) হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন— কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ নির্দেশনা আদান–প্রদান করতে পারবে।
এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ (kHz), মেগাহার্টজ (MHz) বা গিগাহার্টজ (GHz)-এর তা বোঝায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
২ নিবল = কত বিট?
  1. ২ বিট
  2. ১২ বিট
  3. ১৬ বিট
  4. ৮ বিট
ব্যাখ্যা

• নিবল (Nibble) হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানে একটি তথ্যের একক যা ৪টি বিট নিয়ে গঠিত। এক বিট হলো দুটি মানের মধ্যে একটি মান ধারণ করতে সক্ষম (০ বা ১), তাই ৪টি বিট একত্রিত হলে মোট ১৬টি ভিন্ন মান প্রকাশ করা যায়। যেহেতু একটি নিবল = ৪ বিট, তাই ২ নিবল = ৪ × ২ = ৮ বিট।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৮ বিট, যা দুইটি নিবলকে বিটে রূপান্তরিত করার সঠিক মান।


• বিট ও বাইট:

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ নিবল = ৪ বিট। 
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৯.
FLOPS সাধারণত কোনটির কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. সিপিইউ ও জিপিইউ
  2. হার্ডড্রাইভ
  3. গ্রাফিক্স ডিসপ্লে
  4. নেটওয়ার্ক রাউটার
ব্যাখ্যা

• FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো একটি একক যা সাধারণত কম্পিউটারের গাণিতিক কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ভাসমান বিন্দু সংখ্যার গণনার ক্ষেত্রে। এটি মূলত CPU এবং GPU-এর ক্ষমতা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়, কারণ এই দুটি ডিভাইস প্রধানত সংখ্যা প্রক্রিয়াকরণ ও জটিল হিসাব করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এবং গ্রাফিক্স প্রসেসিংয়ে FLOPS খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, হার্ডড্রাইভ, গ্রাফিক্স ডিসপ্লে বা নেটওয়ার্ক রাউটার তাদের কাজের ধরন অনুযায়ী FLOPS দিয়ে মাপা হয় না। সুতরাং, FLOPS মূলত CPU এবং GPU-এর কার্যক্ষমতা নির্দেশ করে।

- সঠিক উত্তর: ক) সিপিইউ ও জিপিইউ।

• FLOPS কী?:
- FLOPS হলো Floating Point Operations Per Second এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি একটি পরিমাপের একক, যা বোঝায় একটি কম্পিউটার এক সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।

• Floating Point Operations কী?:

ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন মানে হলো – দশমিক সংখ্যার উপর ভিত্তি করে করা হিসাব যেমন:

3.14 × 2.71

5.0 ÷ 1.25

- এই ধরণের হিসাবগুলো উচ্চ গণনাশক্তির প্রয়োজন হয়, বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), এবং 3D গ্রাফিক্সে।

• FLOPS কী পরিমাপ করে?:

- FLOPS মূলত একটি কম্পিউটার বা প্রসেসরের গণনাগতির দক্ষতা পরিমাপ করে। বিশেষত, এটি বলে দেয় - “একটি সিস্টেম প্রতি সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।”

উৎস: Lenovo. [link]

৩০.
যদি একটি CPU-র ক্লক স্পিড বেশি হয়, তবে এর মানে হল:
  1. এটি কম তাপ উৎপন্ন করে
  2. এটি কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে
  3. এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে
  4. এতে বেশি স্টোরেজ ক্ষমতা থাকে
ব্যাখ্যা

• একটি CPU-র ক্লক স্পিড বেশি হলে এর মানে হলো এটি প্রতি সেকেন্ডে বেশি সংখ্যক নির্দেশনা (Instruction) প্রক্রিয়া করতে সক্ষম। ক্লক স্পিড সাধারণত গিগাহার্টজ (GHz) এ মাপা হয় এবং যত বেশি হবে, CPU তত দ্রুত গণনা ও নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারবে। তবে এর মানে এই নয় যে CPU কম তাপ উৎপন্ন করবে বা কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করবে, বরং উচ্চ ক্লক স্পিড অনেক সময় বেশি শক্তি খরচ ও তাপ উৎপন্ন করতে পারে। একইভাবে ক্লক স্পিডের সঙ্গে স্টোরেজ ক্ষমতার কোনো সম্পর্ক নেই। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো- এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে।

ক্লক স্পিড (Clock Speed):

- ক্লক স্পিড হলো কম্পিউটারের প্রসেসর কত দ্রুত কাজ করতে পারে তার পরিমাপ।
- এটি সাধারণত GHz (Gigahertz) বা MHz (Megahertz) এককে প্রকাশ করা হয়।
- ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসর তত দ্রুত নির্দেশনা (Instruction) সম্পাদন করতে পারবে।
- এটি নির্ধারণ করে প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো সাইকেল (Cycle) সম্পন্ন হচ্ছে।
- তবে শুধু ক্লক স্পিড বেশি হওয়াই কম্পিউটারকে দ্রুতগতির করে না, প্রসেসরের আর্কিটেকচার এবং কোর সংখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ক্লক সাইকেল টাইম (Clock Cycle Time):
- ক্লক সাইকেল টাইম হলো একটি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে।
- এটি সাধারণত ন্যানোসেকেন্ড (ns) এ পরিমাপ করা হয়।
- ক্লক সাইকেল টাইম এবং ক্লক স্পিড একে অপরের বিপরীত অনুপাতিক। অর্থাৎ, ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, ক্লক সাইকেল টাইম তত কম হবে।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি ক্লক স্পিড হয় 2 GHz, তবে ক্লক সাইকেল টাইম হবে প্রায় 0.5 ns।
- প্রসেসরের পারফরম্যান্স বুঝতে ক্লক স্পিড এবং ক্লক সাইকেল টাইম—দুটোই গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: 
- Intel [link]
- sciencedirect [link]

৩১.
রেজিস্টার কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে
  2. ক্যাশ মেমোরি হিসেবে
  3. ডিজিটাল ঘড়িতে
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• Register:
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- সব ডেটা প্রসেস হওয়ার পূর্বে রেজিস্টারে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়।
- রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- n বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফুপ থাকে এবং n নিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- রেজিস্টার প্রথম মেমোরি ডিভাইস হিসেবে CPU-এর অভ্যন্তরে থাকে এবং প্রসেসিং-এর সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চিত রাখে।

• গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং
২. শিফট রেজিস্টার।

• রেজিস্টার-এর ব্যবহার:
- ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।
- অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
- ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
একটি কম্পিউটার সেকেন্ডে 109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারলে একটি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে কত সময় লাগে?
  1. 2 ন্যানো সেকেন্ড
  2. 1 ন্যানো সেকেন্ড
  3. 0.5 ন্যানো সেকেন্ড
  4. 1.50 ন্যানো সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কম্পিউটার সেকেন্ডে 109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারলে একটি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে কত সময় লাগে?

সমাধান:
109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সময় লাগে = 1 সেকেন্ড
∴ 1 ট নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সময় লাগে = 1/109 সেকেন্ড
= 10-9 সেকেন্ড
= 1 ন্যানো সেকেন্ড।
৩৩.
কম্পিউটার মেমরির ক্ষেত্রে “access time” বলতে কী বোঝায়?
  1. CPU একটি নির্দেশ সম্পন্ন করতে কার্যকর সময়
  2. মেমরি থেকে তথ্য রিড বা রাইটের সময়
  3. হার্ডড্রাইভ চালু হতে সময়
  4. প্রোগ্রাম ইন্সটল করার সময়
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার মেমরির ক্ষেত্রে “access time” বলতে সেই সময়কে বোঝায় যা মেমরি থেকে কোনো তথ্য রিড (read) বা রাইট (write) করতে লাগে। যখন CPU কোনো ডেটা বা ইনস্ট্রাকশন প্রসেস করতে চায়, তখন এটি মেমরিতে পৌঁছে সংশ্লিষ্ট তথ্যটি পড়ে বা লিখে। এই পুরো প্রক্রিয়ার সময়কে access time বলা হয়। এটি মেমরির কর্মক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক, কারণ কম access time মানে তথ্য দ্রুত পাওয়া যাচ্ছে, যা সিস্টেমের সামগ্রিক গতি বৃদ্ধি করে। সাধারণভাবে RAM-এর access time হার্ডড্রাইভের তুলনায় অনেক কম।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) মেমরি থেকে তথ্য রিড বা রাইটের সময়।


• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।

এছাড়াও,
• সিক টাইম (Seek Time): 
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time): 
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

• লিখন অপারেশন (Write Operation): 
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. অ্যাকসেস টাইম
  2. ল্যাটেন্সি টাইম
  3. রিড টাইম
  4. সিক টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

• পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৩৫.
উচ্চ CPU ক্লক স্পিড কী নির্দেশ করে?
  1. উন্নত গ্রাফিক্স
  2. বেশি স্টোরেজ
  3. ধীর প্রক্রিয়াকরণ
  4. দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• উচ্চ CPU ক্লক স্পিড মূলত প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে কতটি নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে তা নির্দেশ করে। ক্লক স্পিড যত বেশি হয়, CPU তত দ্রুত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও গণনা সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়। এর ফলে সফটওয়্যার চালানো, মাল্টিটাস্কিং, গেমিং কিংবা ভারী অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে সিস্টেমের সাড়া দ্রুত পাওয়া যায়। উচ্চ ক্লক স্পিড গ্রাফিক্সের মান বা স্টোরেজের পরিমাণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয় এবং এটি ধীর প্রক্রিয়াকরণকেও বোঝায় না। তাই উচ্চ CPU ক্লক স্পিডের সঠিক অর্থ হলো দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ, যা কম্পিউটারের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৬.
কম্পিউটার বা সফটওয়্যার প্রোগ্রামের পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. সিস্টেম কনফিগারেশন
  2. ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার
  3. টাস্ক ম্যানেজার
  4. সিস্টেম রিস্টোর
ব্যাখ্যা

• সিস্টেম রিস্টোর প্রোগ্রাম, কম্পিউটারের আগের অবস্থা বা প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়।

সিস্টেম রিস্টোর:
- System Restore হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম।
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারের পূর্বের স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
- এটি সফটওয়্যার, ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংসে সমস্যা হলে আগের অবস্থায় রিস্টোর করে।
- এটি সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা, বা ম্যালওয়্যার আক্রমণের কারণে সিস্টেম বাধাগ্রস্থ হলে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তিগত ফাইল (যেমন: ছবি, ডকুমেন্ট) এটি প্রভাবিত করে না।

উল্লেখ্য,
- সিস্টেম কনফিগারেশন: এটি একটি টুল যা উইন্ডোজ স্টার্টআপ, সার্ভিস এবং অন্যান্য সিস্টেম সেটিংস পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি সিস্টেমকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য নয়।
- ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার: এটি হার্ড ডিস্কে ছড়িয়ে থাকা ফাইলগুলোকে একত্রিত করে ডিস্কের পারফরম্যান্স বাড়ায়। এটি সিস্টেমের অবস্থায় কোনো পরিবর্তন আনে না।
- টাস্ক ম্যানেজার: এটি একটি মনিটরিং টুল যা কম্পিউটারের চলমান প্রোগ্রাম, প্রসেস এবং পারফরম্যান্স দেখতে ব্যবহৃত হয়। এটি সিস্টেমের পূর্বাবস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে না।

উৎস: মাইক্রোসফট অফিসিয়াল সাপোর্ট ওয়েবসাইট।

৩৭.
'Pixel' দ্বারা কী বুঝায়?
  1. Pixie land 
  2. Person length
  3. Pixure length
  4. Picture element
ব্যাখ্যা

• ‘Pixel’ শব্দটি Picture Element-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি ডিজিটাল ছবি বা স্ক্রিনে প্রদর্শিত সবচেয়ে ছোট একক। একটি ছবি অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পিক্সেল দিয়ে গঠিত হয় এবং প্রতিটি পিক্সেল নির্দিষ্ট রঙ ও উজ্জ্বলতার তথ্য বহন করে। স্ক্রিনে যত বেশি পিক্সেল থাকে, ছবি তত বেশি স্পষ্ট ও বিস্তারিত দেখা যায়। টিভি, মোবাইল, কম্পিউটার মনিটর- সব ডিজিটাল ডিসপ্লের ছবির মান নির্ভর করে পিক্সেলের সংখ্যার উপর।
- তাই Pixel বলতে Picture Element-কেই বোঝানো হয়। সঠিক উত্তর হলো ঘ) Picture element.

 
• পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে (DPI)।
- অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ পিকচার টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি-এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- পেছনের দিকে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপের জন্য একটি ইলেকট্রন গান থাকে।
- ইলেকট্রন বিম ফসফরাসের ওপরে পতিত হলে ফসফরাস উজ্জ্বল আলো নির্গত করে।
- ফসফরাসের ধরনের ভিত্তিতে মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত বিষয় এক রঙের বা বহু রঙের হতে পারে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়।
-  মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে।
- বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
১ কিলোবাইটে কয় বিট থাকে?
  1. ৮০৯৬
  2. ৮১৯২
  3. ৮০২৪
  4. ৮০০০
ব্যাখ্যা

• বাইট (Byte) হলো ডেটা পরিমাপের একটি মৌলিক একক, যা ৮ বিটের সমান।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ × ৮ = ৮১৯২ বিট।
- কিলোবাইট (KB) হলো ডেটা পরিমাপের একটি বড় একক, যা কম্পিউটার মেমরিতে সাধারণত বাইনারি পদ্ধতিতে গণনা করা হয়।

• কম্পিউটার মেমোরির অন্যান্য হিসাব:
⇒ ৮ বিট = ১ বাইট।
⇒ ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট।
⇒ ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট।
⇒ ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট।
⇒ ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট।

তথ্যসূত্র: NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৩৯.
প্রসেসরের কার্যক্ষমতা কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. Kilograms
  2. Megapixels
  3. Gigabytes
  4. Gigahertz
ব্যাখ্যা

• প্রসেসরের কার্যক্ষমতা সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে পরিমাপ করা হয়। গিগাহার্টজ হলো প্রসেসরের ক্লক স্পিড বা ঘড়ির গতি পরিমাপের একক, যা নির্দেশ করে প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে। ক্লক স্পিড যত বেশি হয়, প্রসেসর তত দ্রুত নির্দেশনা কার্যকর করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি 3.5 GHz প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন অপারেশন সম্পাদন করতে সক্ষম। যদিও কার্যক্ষমতা নির্ভর করে কোর সংখ্যা, ক্যাশ মেমরি এবং আর্কিটেকচারের উপরও, তবুও প্রসেসরের গতির সাধারণ মানদণ্ড হিসেবে গিগাহার্টজ ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) Gigahertz.

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০.
What is the basic unit of data communication?
  1. Byte
  2. Megabit
  3. Kilobyte
  4. Bit
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) Bit

• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪১.
সুপার কম্পিউটারের প্রসেসিং এর গতি পরিমাপক 'FLOPS' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Floating Line Operations Per Second
  2. Fast Logical Operations Per Second
  3. Fixed Point Operations Per Second
  4. Floating Point Operations Per Second
ব্যাখ্যা

FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

৪২.
(CPU)-এর কার্যক্ষমতা বা ক্লক স্পিড কোন পরিমাপের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়?
  1.  Volt (V)
  2.  Hertz (Hz)
  3. Joule (J)
  4. Byte (B)
ব্যাখ্যা

একটি CPU-এর ক্লক স্পিড হার্টজ (Hertz) এককের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়, যা প্রতি সেকেন্ডে CPU কতগুলো সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে তা নির্দেশ করে।
- এটি মূলত প্রসেসরের কাজের গতি নির্ধারণ করে।
- এক গিগাহার্টজ (GHz) মানে হলো CPU প্রতি সেকেন্ডে 1 বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে।
- হার্টজ (Hz) হলো ফ্রিকোয়েন্সির আন্তর্জাতিক একক, এবং CPU-এর ক্লক স্পিড একটি ফ্রিকোয়েন্সি।

ক্লক স্পিড:
- প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন সাইকেলের সংখ্যা হলো ক্লক স্পিড। প্রতিটি সাইকেলে একটি বা একাধিক অপারেশন সম্পন্ন হতে পারে।
- ক্লক স্পিডকে প্রসেসরের "সাইকেল প্রতি সেকেন্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- একটি সাইকেল হলো প্রসেসরের একটি মৌলিক অপারেশন। ক্লক স্পিড যত বেশি, প্রসেসর তত দ্রুত কাজ করতে পারে।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- উদাহরণস্বরূপ, 3 GHz CPU প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করে, যা 2 GHz CPU-এর তুলনায় দ্রুত।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন, কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
যখন একটি CPU-র ক্লক স্পিড বাড়ানো হয়, তখন এর মানে হলো -
  1. এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে
  2. এতে বেশি স্টোরেজ ক্ষমতা থাকে
  3. এটি কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে
  4. এটি কম তাপ উৎপন্ন করে
ব্যাখ্যা

• যখন একটি CPU-র ক্লক স্পিড বাড়ানো হয়, তখন এর মানে হলো এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে। ক্লক স্পিড হলো CPU-এর প্রতি সেকেন্ডে কতটি সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে তার পরিমাপ। ক্লক স্পিড বেশি হলে CPU দ্রুততরভাবে নির্দেশনা পড়া, গণনা এবং প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম হয়। তবে এটি সরাসরি স্টোরেজ ক্ষমতা, বিদ্যুৎ ব্যবহার বা তাপ উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- তাই ক্লক স্পিড বাড়ানোর মূল প্রভাব হলো প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি।

ক্লক স্পিড (Clock Speed):
- ক্লক স্পিড হলো কম্পিউটারের প্রসেসর কত দ্রুত কাজ করতে পারে তার পরিমাপ।
- এটি সাধারণত GHz (Gigahertz) বা MHz (Megahertz) এককে প্রকাশ করা হয়।
- ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসর তত দ্রুত নির্দেশনা (Instruction) সম্পাদন করতে পারবে।
- এটি নির্ধারণ করে প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো সাইকেল (Cycle) সম্পন্ন হচ্ছে।
- তবে শুধু ক্লক স্পিড বেশি হওয়াই কম্পিউটারকে দ্রুতগতির করে না, প্রসেসরের আর্কিটেকচার এবং কোর সংখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ক্লক সাইকেল টাইম (Clock Cycle Time):
- ক্লক সাইকেল টাইম হলো একটি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে।
- এটি সাধারণত ন্যানোসেকেন্ড (ns) এ পরিমাপ করা হয়।
- ক্লক সাইকেল টাইম এবং ক্লক স্পিড একে অপরের বিপরীত অনুপাতিক। অর্থাৎ, ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, ক্লক সাইকেল টাইম তত কম হবে।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি ক্লক স্পিড হয় 2 GHz, তবে ক্লক সাইকেল টাইম হবে প্রায় 0.5 ns।
- প্রসেসরের পারফরম্যান্স বুঝতে ক্লক স্পিড এবং ক্লক সাইকেল টাইম—দুটোই গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: 
- Intel. [link]

৪৪.
"1 zetaFLOPS" গতির সুপারকম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে কতটি গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে পারবে?
  1. 1 trillion
  2. 1 quadrillion
  3. 1 octillion
  4. 1 sextillion
ব্যাখ্যা
• "1 zetaFLOPS" গতির সুপারকম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে 1 sextillion বা, 1021 গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে পারবে।

• জাপান তাদের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় বিশ্বের প্রথম ‘জেটা-ক্লাস’ সুপারকম্পিউটার নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এই প্রকল্পটি জাপানকে সুপারকম্পিউটিংয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বনেতৃত্ব অর্জনে সহায়তা করবে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এবং জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

• ‘জেটা-ক্লাস’ সুপারকম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
অত্যাধুনিক গতি:
- জেটা-ক্লাস সুপারকম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে ১ জেটাফ্লপস (১০^২১ ফ্লোটিং পয়েন্ট গণনা) সম্পাদন করতে সক্ষম হবে। এটি বর্তমানের দ্রুততম সুপারকম্পিউটারগুলোর তুলনায় বহু গুণ দ্রুত।

গবেষণার নতুন দ্বার উন্মোচন: এই সুপারকম্পিউটার জটিল বৈজ্ঞানিক সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হবে, যেমন:
- প্রোটিনের গঠন বিশ্লেষণ।
- মহাবিশ্বের সিমুলেশন।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নে সহায়তা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের গবেষণা:
- জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব বুঝতে এবং সমাধান খুঁজে বের করতে এটি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

অর্থনৈতিক উন্নয়ন:
- জাপান এই প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে একটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

জাপানের পরিকল্পনার গুরুত্ব:
- জাপান ইতোমধ্যে ফুগাকু (Fugaku) সুপারকম্পিউটারের নির্মাতা হিসেবে খ্যাত, যা ২০২০ সালে বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- জেটা-ক্লাস সুপারকম্পিউটার নির্মাণ জাপানের এই সাফল্যের একটি উন্নত রূপ এবং এটি তাদের প্রযুক্তিগত ক্ষমতা আরও বাড়াবে।
- এই প্রকল্পে জাপান নতুন চিপ এবং শক্তি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, যা ভবিষ্যতের সুপারকম্পিউটারের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করবে।

অপশন আলোচনা:
ক) 1 trillion
ব্যাখ্যা: 1 ট্রিলিয়ন মানে ১০১২, অর্থাৎ ১-এর পরে ১২টি শূন্য। এটি সুপারকম্পিউটারের ক্ষমতার চেয়ে অনেক কম।

খ) 1 quadrillion
ব্যাখ্যা: 1 কোয়াড্রিলিয়ন মানে ১০১৫, অর্থাৎ ১-এর পরে ১৫টি শূন্য। এটি "1 zetaFLOPS" সুপারকম্পিউটারের গতি বর্ণনা করতে যথেষ্ট নয়।

গ) 1 octillion
ব্যাখ্যা: 1 অক্টিলিয়ন মানে ১০২৭, অর্থাৎ ১-এর পরে ২৭টি শূন্য। এটি "1 zetaFLOPS" গতির তুলনায় অতিরিক্ত বেশি।

ঘ) 1 sextillion
সঠিক উত্তর: 1 সেক্সটিলিয়ন মানে ১০২১, অর্থাৎ ১-এর পরে ২১টি শূন্য। "1 zetaFLOPS" গতির সংজ্ঞা অনুযায়ী, এটি প্রতি সেকেন্ডে ১ সেক্সটিলিয়ন গাণিতিক সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম।

সূত্র: thefinancialexpress [লিংক]
৪৫.
ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় মৌলিক একক হিসেবে কোনটি সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে?
  1. Kilobyte
  2. Character
  3. Byte
  4. Bit
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় মৌলিক একক হিসেবে Bit সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে। Bit অর্থ হলো "Binary Digit", যা কেবল দুটি মান ধারণ করতে পারে — ০ বা ১। এটি সব ধরনের ডিজিটাল ডেটা প্রক্রিয়াকরণের ভিত্তি। কম্পিউটারে সমস্ত তথ্য, যেমন সংখ্যা, বর্ণ, ছবি, শব্দ ইত্যাদি, বিটের সমন্বয়ে তৈরি হয়। ৮টি বিট মিলে একটি Byte, একটি বা একাধিক বাইট মিলে Character, এবং ১০২৪ বাইট মিলে হয় Kilobyte। তাই বিট হচ্ছে সবচেয়ে ছোট এবং মৌলিক একক, যার ওপর ভিত্তি করে সব উচ্চতর ডেটা ইউনিট তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর: ঘ) Bit 

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিমাপ:
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট = ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পিটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।

• উল্লেখ্য, Word হলো একাধিক বিটের সমন্বয়ে তৈরি একটি ইউনিট, যার আকার কম্পিউটারের স্থাপত্য অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে (যেমন 16-bit, 32-bit, 64-bit ইত্যাদি)।
আবার, ক্যারেক্টার একাধিক বিটের সমান। 
১ ASCII-code = ১ বাইট।
১ UTF-16 character = ২ বাইট।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. Computerhope website.ক্যারেক্টার একাধিক বিটের সমান। 

উৎস: ব্রিটানিকা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
৪৬.
নিচের কোনটি সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ নয়?
  1. কন্ট্রোল বাস
  2. আউটপুট বাস
  3. অ্যাড্রেস বাস
  4. ডেটা বাস
ব্যাখ্যা

আউটপুট বাস কোনো সিস্টেম বাসের ধরন নয়।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

• সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা -
১. ডেটা বাস,
২. অ্যাড্রেস বাস এবং
৩. কন্ট্রোল বাস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭.
কম্পিউটারের আগের অবস্থা বা প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ডিস্ক ক্লিনআপ
  2. সিস্টেম রিস্টোর
  3. টাস্ক ম্যানেজার
  4. ব্যাক আপ
ব্যাখ্যা

সিস্টেম রিস্টোর প্রোগ্রাম, কম্পিউটারের আগের অবস্থা বা প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়।

- System Restore হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম।
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারের পূর্বের স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
- এটি সফটওয়্যার, ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংসে সমস্যা হলে আগের অবস্থায় রিস্টোর করে।
- এটি সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা, বা ম্যালওয়্যার আক্রমণের কারণে সিস্টেম বাধাগ্রস্থ হলে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তিগত ফাইল (যেমন: ছবি, ডকুমেন্ট) এটি প্রভাবিত করে না।

উল্লেখ্য,
- ডিস্ক ক্লিনআপ: অপ্রয়োজনীয় ফাইল খালি করে, কিন্তু সিস্টেমকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনে না।
- টাস্ক ম্যানেজার: চলমান প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নিরীক্ষণ করে।
- ফাইল কম্প্রেশন: ফাইলের আকার কমিয়ে স্টোরেজ সাশ্রয় করে।

উৎস: মাইক্রোসফট অফিসিয়াল সাপোর্ট ওয়েবসাইট। [link]

৪৮.
যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন সম্পন্ন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. ১ PFLOPS
  2. ১ GFLOPS
  3. ১ TFLOPS
  4. ১ MFLOPS
ব্যাখ্যা

• যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন সম্পন্ন করতে পারে, তখন তাকে ১ জি‌ফ্লপস (GFLOPS) ক্ষমতার বলা হয়। “ফ্লপস” শব্দটি এসেছে “Floating Point Operations Per Second” থেকে, যা একটি প্রসেসরের গণনার গতিশীলতা বা পারফরম্যান্স পরিমাপ করে। এখানে “জি” মানে “গিগা”, যা এক বিলিয়নের সমান। তাই, ১ জি‌ফ্লপস মানে প্রতি সেকেন্ডে এক বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট গণনা করা। GFLOPS (Giga Floating-Point Operations Per Second)। অন্য অপশনগুলো যেমন মেগাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন), টেরাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক ট্রিলিয়ন), এবং পেটাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক কোয়াড্রিলিয়ন) ভিন্ন স্কেলে আসে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) ১ GFLOPS.
 
• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪২ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

৪৯.
কোন ধরনের মেমোরি সবচেয়ে দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে?
  1. SSD
  2. Registers
  3. RAM
  4. Hard Disk
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মেমরি হায়ারার্কি অনুসারে, রেজিস্টার হলো CPU-এর মধ্যে থাকা সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুততম মেমরি।
- এটি সরাসরি CPU-এর কার্যনির্বাহক ইউনিটের অংশ হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেস করতে সবচেয়ে কম সময় লাগে।

রেজিস্টার:
-
রেজিস্টার হলো সিপিইউ-এর মধ্যে অবস্থিত সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুততম মেমরি যা প্রোগ্রাম কার্যকর করার জন্য ডেটা ও নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করে।
- এর অ্যাক্সেস সময় ন্যানোসেকেন্ডে পরিমাপ করা হয়।
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, তাই এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০.
পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির প্রাথমিক লক্ষ্য কী?
  1. ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রসেসের গতি বৃদ্ধি করা
  2. কোয়ান্টাম কম্পিউটারের আক্রমণ থেকে তথ্য সুরক্ষিত রাখা
  3. সকল প্রচলিত ক্রিপ্টোগ্রাফি অবিলম্বে প্রতিস্থাপন করা
  4. এনক্রিপশন অ্যালগরিদমগুলিকে সরলীকৃত করা
ব্যাখ্যা

• পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির প্রাথমিক লক্ষ্য হলো কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ক্ষমতা থেকে তথ্যকে সুরক্ষিত রাখা। কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রচলিত ক্রিপ্টোগ্রাফি, যেমন RSA বা ECC, সহজেই ভেঙে দিতে পারে কারণ এগুলো বড় সংখ্যা গুণফল বা লগারিদমিক সমস্যা সমাধান করার উপর নির্ভর করে। পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি এমন অ্যালগরিদম তৈরি করে যা কোয়ান্টাম কম্পিউটারও ভাঙতে পারবে না। এটি ডেটা নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা রক্ষা করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে ভবিষ্যতে যখন কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহারযোগ্য হবে। অন্য কোনো উদ্দেশ্য যেমন গতি বৃদ্ধি বা প্রচলিত অ্যালগরিদম সরলীকরণ এই প্রযুক্তির প্রধান লক্ষ্য নয়।

 • পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি (Post-Quantum Cryptography):
- পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির মূল লক্ষ্য হলো এমন এনক্রিপশন অ্যালগরিদম তৈরি করা যা ভবিষ্যতের কোয়ান্টাম কম্পিউটার দ্বারা ভাঙা সম্ভব নয়।
- বর্তমান ক্রিপ্টোগ্রাফিক অ্যালগরিদম যেমন RSA, ECC ইত্যাদি কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে খুব দ্রুত ভাঙা যেতে পারে।
- পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি নিশ্চিত করে যে তথ্য এবং যোগাযোগ সুরক্ষিত থাকবে এমন ভবিষ্যতে, যেখানে কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হবে।
- এটি প্রচলিত অ্যালগরিদমগুলিকে অবিলম্বে প্রতিস্থাপন করার জন্য নয়, বরং ধাপে ধাপে নতুন নিরাপদ অ্যালগরিদমে রূপান্তর ঘটানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি মূলত তথ্য নিরাপত্তা বাড়াতে এবং এনক্রিপশন অ্যালগরিদম সরলীকরণের জন্য নয়।

সূত্র: cloudflare. [link]

৫১.
কোন এককের মাধ্যমে CPU-এর ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয়?
  1. বাইট
  2. হার্টজ
  3. বিট
  4. ভোল্ট
ব্যাখ্যা
• CPU-এর ক্লক স্পিড পরিমাপের একক হলো হার্টজ। 

• ক্লক স্পিড:
- একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে তার পরিমাণকে কম্পিউটারের ক্লক স্পিড বলা হয়। 

• মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel website. 
৫২.
কম্পিউটারের কার্যসম্পাদনের গতি প্রধানত কোন উপাদানের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. RAM এর ক্যাপাসিটি
  2. মনিটরের পিক্সেল ঘনত্ব
  3. মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড
  4. হার্ড ড্রাইভের স্টোরেজ
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের প্রসেসিং স্পিড (Processing Speed) মূলত প্রসেসরের ক্লক স্পিড, কোর সংখ্যা এবং ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদির উপর নির্ভর করে।

প্রসেসরের স্পিড (Clock Speed - GHz): যত বেশি GHz, তত দ্রুত কম্পিউটার ডাটা প্রসেস করতে পারে।
কোর সংখ্যা (Cores): একাধিক কোর থাকলে প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়ে (যেমন: Dual-core, Quad-core, Octa-core)।
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory): দ্রুত ডাটা অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে।

সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।

সূত্র:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। এইচপি ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৫৩.
'Boot Process' নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
  1. Motherboard
  2. CPU
  3. BIOS
  4. RAM
ব্যাখ্যা
BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি প্রথম Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫৪.
MAN (Metropolitan Area Network)-এর সাধারণ কভারেজ এলাকা কী?
  1. একটি শহর বা নগর
  2. একটি একক ভবন
  3. একটি সম্পূর্ণ দেশ
  4. একটি মহাদেশ
ব্যাখ্যা

• MAN (Metropolitan Area Network) হল এমন একটি নেটওয়ার্ক যা বড় এলাকা কভার করতে সক্ষম, কিন্তু এটি WAN-এর চেয়ে ছোট এবং LAN-এর চেয়ে বড়। সাধারণত MAN একটি শহর বা নগর এলাকার মধ্যে বিভিন্ন ল্যানকে সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি অফিস, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল বা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। MAN কেবলমাত্র একটি একক ভবন নয়, কারণ এটি বহু ভবন ও স্থানের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। এটি সম্পূর্ণ দেশ বা মহাদেশ কভার করতে পারে না; সেই ক্ষেত্রে WAN ব্যবহার করা হয়। তাই MAN-এর সাধারণ কভারেজ এলাকা একটি শহর বা নগর। সঠিক উত্তর: ক) একটি শহর বা নগর।

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN):
- MAN এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত কোন ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া কোনো শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক MAN এর উদাহরণ।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫.
একটি কম্পিউটারের প্রোসেসর ক্লক স্পিড ৪.০০ গিগা হার্জ হলে এর ক্লক মাইকেল টাইম কত?
  1. ২.৫ ন্যানো সেকেন্ড (ns)
  2. ২.৫ মাইক্রো সেকেন্ড (ms)
  3. ৪ (ms)
  4. ৪ (ns)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি কম্পিউটারের প্রসেসর ক্লক স্পিড 4.00 GHz হলে তার ক্লক সাইকেল টাইম কত?
(মূল প্রশ্নে কিছু বানান ভুল ছিল, মাইকেল ⇒ সাইকেল)। 

প্রদত্ত ক্লক স্পিড: 
f = 4.00 GHz = 4.00 × 109 Hz

ক্লক পিরিয়ড (Clock Cycle Time) = 1 / ফ্রিকোয়েন্সি 
T = 1 / f = 1 / (4.00 × 109) seconds

হিসাব করি: 
T = 0.25 × 10-9 s = 0.25 ns

লক্ষ্যযোগ্য বিষয়:
প্রকৃত ক্লক টাইম = 0.25 ns, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কাছাকাছি হলো ২.৫ ns। সম্ভবত প্রশ্নে টাইপো বা স্পিড 400 MHz ধরে নেওয়া হয়েছে।

ক্লক স্পিড (Clock Speed):
- ক্লক স্পিড হলো কম্পিউটারের প্রসেসর কত দ্রুত কাজ করতে পারে তার পরিমাপ।
- এটি সাধারণত GHz (Gigahertz) বা MHz (Megahertz) এককে প্রকাশ করা হয়।
- ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসর তত দ্রুত নির্দেশনা (Instruction) সম্পাদন করতে পারবে।
- এটি নির্ধারণ করে প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো সাইকেল (Cycle) সম্পন্ন হচ্ছে।
- তবে শুধু ক্লক স্পিড বেশি হওয়াই কম্পিউটারকে দ্রুতগতির করে না, প্রসেসরের আর্কিটেকচার এবং কোর সংখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ক্লক সাইকেল টাইম (Clock Cycle Time):
- ক্লক সাইকেল টাইম হলো একটি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে।
- এটি সাধারণত ন্যানোসেকেন্ড (ns) এ পরিমাপ করা হয়।
- ক্লক সাইকেল টাইম এবং ক্লক স্পিড একে অপরের বিপরীত অনুপাতিক। অর্থাৎ, ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, ক্লক সাইকেল টাইম তত কম হবে।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি ক্লক স্পিড হয় 2 GHz, তবে ক্লক সাইকেল টাইম হবে প্রায় 0.5 ns।
- প্রসেসরের পারফরম্যান্স বুঝতে ক্লক স্পিড এবং ক্লক সাইকেল টাইম—দুটোই গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: 
- Intel [link]
- sciencedirect [link]

৫৬.
কোন ধরনের আর্কিটেকচার RISC-এর বিপরীতে কাজ করে?
  1. SPARC
  2. ARM
  3. CISC
  4. MIPS
ব্যাখ্যা

• RISC (Reduced Instruction Set Computer) আর্কিটেকচারের বিপরীতে কাজ করে CISC (Complex Instruction Set Computer) আর্কিটেকচার। RISC-এ কম এবং সরল নির্দেশনা থাকে, যা দ্রুত এক্সিকিউশনের জন্য ডিজাইন করা হয়। কিন্তু CISC আর্কিটেকচারে অনেক জটিল এবং বহু-ধাপের নির্দেশনা থাকে, যা একক ইনস্ট্রাকশনে জটিল কাজ করতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, মেমরি থেকে ডেটা লোড, অ্যারিথমেটিক অপারেশন এবং স্টোর করার কাজ এক ইনস্ট্রাকশনে করা যায়। RISC-ভিত্তিক আর্কিটেকচারের মধ্যে ARM, MIPS এবং SPARC অন্তর্ভুক্ত, যা সহজ এবং দ্রুত নির্দেশনা ব্যবহার করে। ফলে, CISC হলো সেই আর্কিটেকচার যা RISC-এর সরল এবং কম নির্দেশনামূলক নীতির বিপরীতে চলে।

- সঠিক উত্তর: গ) CISC.

• RISC (Reduced Instruction Set Computer):
- RISC হলো এমন এক মাইক্রোপ্রসেসর আর্কিটেকচার যা simplicity এবং গতির ওপর জোর দেয়। এর মূল ধারণা হলো, কম এবং সরল ইনস্ট্রাকশন সেট ব্যবহার করে প্রোগ্রামের কার্যসম্পাদনকে দ্রুততর করা।
- RISC প্রসেসরগুলো দ্রুত এবং দক্ষ, কারণ এগুলো কমপ্লেক্স ইনস্ট্রাকশনকে ছোট ছোট সহজ ইনস্ট্রাকশনে ভেঙে কার্যকর করে।
- আধুনিক মোবাইল প্রসেসরগুলো (যেমন ARM architecture) মূলত RISC ভিত্তিক।
- RISC আর্কিটেকচার কম শক্তি খরচ করে, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারে এবং ব্যাটারি-চালিত ডিভাইসের (যেমন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট) জন্য আদর্শ।

উৎস:
- Encyclopedia Britannica.

৫৭.
GHz কিসের একক? 
  1. মেমরির আকার
  2. প্রসেসরের গতি
  3. তথ্য স্থানান্তরের গতি
  4. তথ্য উৎপাদনের পরিমাণ
ব্যাখ্যা

• GHz হলো প্রসেসরের গতি পরিমাপের একক। GHz মানে “গিগাহার্জ,” যেখানে ১ GHz = ১০ হার্জ। হার্জ হলো প্রতি সেকেন্ডে একটি কম্পিউটার প্রসেসর কতবার নির্দেশনা (instruction) সম্পন্ন করতে পারে তার মাপ। তাই, একটি ৩ GHz প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ বিলিয়ন নির্দেশনা সম্পাদন করতে সক্ষম। এটি মেমরির আকার বা তথ্য স্থানান্তরের গতি নয়, বরং প্রসেসরের কার্যক্ষমতা বা গতি বোঝায়। প্রসেসরের উচ্চ ঘনত্ব মানে কম্পিউটার দ্রুত কাজ করতে পারে এবং সফটওয়্যার দ্রুত চালানো সম্ভব হয়। অতএব, GHz মূলত প্রসেসরের গতি পরিমাপের একক।

- সঠিক উত্তর: খ) প্রসেসরের গতি।

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮.
কোনটি ১ বাইটের সমান বিট নির্দেশ করে?
  1. ৩২ বিট
  2. ১৬ বিট
  3. ১২ বিট
  4. ৮ বিট
ব্যাখ্যা

• ১ বাইটের সমান বিট নির্দেশ করে: ৮ বিট। 

• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫৯.
FLOPS দ্বারা সুপারকম্পিউটারের গতি পরিমাপ করা হয়। এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Fixed Point Operations Per Second
  2. Fast Logical Operations Per Second
  3. Floating Line Operations Per Second
  4. Floating Point Operations Per Second
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ঘ) Floating Point Operations Per Second.

FLOPS-এর পূর্ণরূপ হলো Floating Point Operations Per Second। এটি সুপারকম্পিউটারের গতি বা গণনাক্ষমতা পরিমাপ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ একক। FLOPS দ্বারা বোঝানো হয়, একটি কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো ফ্লোটিং পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন সম্পন্ন করতে পারে। ফ্লোটিং পয়েন্ট অপারেশন সাধারণত জটিল বৈজ্ঞানিক গণনা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, মহাকাশ গবেষণা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। কোনো সুপারকম্পিউটারের FLOPS যত বেশি হয়, তার গণনার গতি ও ক্ষমতাও তত বেশি হয়। তাই সুপারকম্পিউটারের কর্মক্ষমতা তুলনা করার ক্ষেত্রে FLOPS একটি মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

৬০.
CPU-এর গতি বোঝাতে কোন এককের ব্যবহার হয়?
  1. Watt
  2. Hertz
  3. Volt
  4. Byte
ব্যাখ্যা
• CPU-এর গতি বোঝাতে Hertz (Hz) এককের ব্যবহার করা হয়। এটি এক সেকেন্ডে কত বার কোনো কাজ বা অপারেশন সম্পন্ন হচ্ছে তা মাপার একক। উদাহরণস্বরূপ, ৩ গিগাহার্টজ (GHz) CPU মানে সে প্রতি সেকেন্ডে ৩০০০ মিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে।
- Watt শক্তি মাপার একক, Volt বিদ্যুৎ এর ভোল্টেজ মাপার একক এবং Byte ডেটার মাপের একক। তাই CPU-এর গতি মাপার জন্য Hertz সঠিক একক।

- সঠিক উত্তর: খ) Hertz.

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
আপনার পারসোনাল কম্পিউটারে (পিসি) কোন একটি প্রোগ্রাম এর কর্মদক্ষতা (performance) বৃদ্ধির জন্য কোন্ কাজটি করা সর্বোত্তম হবে বলে আপনি মনে করেন?
  1. প্রোগ্রামটির জন্য এমন একটা এলগরিদম তৈরি করা যা asymptotically faster 
  2. পিসির Configuration উন্নত করা
  3. খুব দ্রুত গতির I/O devices লাগানো
  4. খ এবং গ উভয়েই
ব্যাখ্যা

• আপনার পারসোনাল কম্পিউটারে কোনো প্রোগ্রামের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো প্রোগ্রামের জন্য এমন একটি এলগরিদম তৈরি করা যা asymptotically faster। কারণ একটি কার্যকর এলগরিদম প্রোগ্রামের মূল লজিক ও কাজের ধারা পরিবর্তন করে, ফলে প্রোগ্রাম বড় ডেটা সেটেও দ্রুত কার্যকর হয়। পিসির কনফিগারেশন উন্নত করা বা দ্রুত I/O ডিভাইস ব্যবহার করলেও পারফরম্যান্স কিছুটা বাড়বে, তবে তা প্রোগ্রামের এলগরিদমের সীমাবদ্ধতার বাইরে যায় না। এলগরিদম উন্নয়ন একবার করা হলে, এটি যেকোনো হার্ডওয়্যারেও কার্যকর থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে স্থায়ী ও ব্যয়-সাশ্রয়ী সমাধান। তাই মূল ফোকাস হওয়া উচিত দ্রুত এবং দক্ষ এলগরিদম তৈরিতে।

• প্রোগ্রামের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির উপায়: 
- একটি প্রোগ্রামের কর্মদক্ষতা (performance) বৃদ্ধি করার মূল লক্ষ্য হলো প্রোগ্রামটি কম সময়ে এবং কম সম্পদ ব্যবহার করে কাজ শেষ করা। 

• এলগরিদম উন্নয়ন (Algorithm Improvement):
- প্রোগ্রামের জন্য এমন একটি এলগরিদম তৈরি করা যা asymptotically faster, অর্থাৎ বড় ইনপুটের ক্ষেত্রে কম সময়ে কাজ সম্পন্ন করে, তা কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির সবচেয়ে কার্যকর উপায়। 
- এলগরিদম উন্নয়নের ফলে প্রোগ্রামের রUNTIME সরাসরি কমে যায়। 
- উদাহরণ: O(n2) এলগরিদমকে O(n log n) এ রূপান্তর করা। 
- এটি শুধু হার্ডওয়্যার আপগ্রেডের উপর নির্ভরশীল নয়। 

• পিসির কনফিগারেশন উন্নয়ন (Hardware Upgrade):
- পিসির RAM, CPU, বা GPU উন্নত করলে কিছু পরিমাণে প্রোগ্রামের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেতে পারে। 
- তবে, যদি এলগরিদম খুব ধীর হয়, তাহলে হার্ডওয়্যার আপগ্রেড সীমিত প্রভাব ফেলবে। 
- এটি মূলত প্রোগ্রামের পারফরম্যান্সের সীমা বাড়ায় কিন্তু সমস্যার মূল সমাধান নয়। 

• দ্রুত I/O ডিভাইস ব্যবহার:
- দ্রুত SSD বা উন্নত I/O ডিভাইস ব্যবহার করলে ডাটা লোডিং এবং সঞ্চয় দ্রুত হয়। 
- এটি প্রোগ্রামের জন্য কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে, যেমন বড় ডাটাবেস বা ফাইল প্রসেসিং। 
- কিন্তু কোডের লজিক বা এলগরিদমের ধীরতা ঠিক হবে না। 

সুতরাং, প্রোগ্রামের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো - প্রোগ্রামের জন্য এমন একটি এলগরিদম তৈরি করা যা asymptotically faster.  
- সঠিক উত্তর: ক) এলগরিদম উন্নয়ন।

সূত্র: MIT news. [link]

৬২.
একটি সুপারকম্পিউটারের কর্মক্ষমতার জন্য কোন উপাদানটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
  1. অপারেটিং সিস্টেমের থিম
  2. কীবোর্ডের লেআউট
  3. প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা 
  4. মনিটরের আকার
ব্যাখ্যা

• সুপারকম্পিউটারের কর্মক্ষমতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা। প্রসেসর বা সিপিইউ হল কম্পিউটারের মস্তিষ্ক, যা সকল গণনা ও নির্দেশাবলী সম্পাদন করে। যত বেশি কোর থাকবে এবং গতি দ্রুত হবে, সুপারকম্পিউটার তত দ্রুত এবং বড় পরিমাণের তথ্য প্রক্রিয়া করতে পারবে। অপারেটিং সিস্টেমের থিম, কীবোর্ডের লেআউট বা মনিটরের আকার কেবল ব্যবহারকারীর সুবিধা বা ইন্টারফেসকে প্রভাবিত করে, কিন্তু কর্মক্ষমতায় তাদের প্রভাব নেই। তাই গণনা ও তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রসেসরের শক্তি ও দক্ষতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সুপারকম্পিউটার যত শক্তিশালী হবে, জটিল বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত কাজ তত দ্রুত করা সম্ভব।

- সঠিক উত্তর: গ) প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা। 

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আবার এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।
- যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত সামিট (Summit) অন্যতম একটি শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার। এই কম্পিউটারে ৯,২১৬টি ২২ কোরের IBM মাইক্রোপ্রসেসর আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৬৩.
১০২৪ পেটাবাইট = ?
  1. 1024 টেরাবাইট
  2. 1 টেরাবাইট
  3. 1 এক্সাবাইট
  4. 1024 ইয়োট্রাবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
- 1 Bit = Binary Digit
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
  2. ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
  3. ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
  4. ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট
ব্যাখ্যা
বিট (Bit) :
- বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ কে বলা হয় বিট।
- মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।

বাইট (Byte) :
- ৮ বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি বাইট।
- বিট বা বাইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় শব্দ।

মেমরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপ:
- ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
- ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট (1 KB)
- ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (1 MB)
- ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (1 GB)
- ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (1 TB)
- ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (1 PB)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬৫.
যদি একটি প্রসেসর 1 সেকেন্ডে 20 লাখ নির্দেশনা সম্পন্ন করে, তাহলে এর MIPS রেটিং কত হবে?
  1. 2 MIPS
  2. 1 MIPS
  3. 4 MIPS
  4. 0.5 MIPS
ব্যাখ্যা

• একটি প্রসেসর যদি ১ সেকেন্ডে ২০ লাখ (২,০০,০০০০) নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে, তবে তার MIPS রেটিং নির্ণয় করা যায়। MIPS অর্থ “Million Instructions Per Second”, যা বোঝায় প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশনা প্রসেসরটি সম্পাদন করতে সক্ষম। এখানে নির্দেশনাগুলোর সংখ্যা ২ মিলিয়ন এবং সময় ১ সেকেন্ড। MIPS হিসাব করার সূত্র হলো:

MIPS = (Number of Instructions Executed) / (Execution Time in Seconds × 106)

যদি আমরা সংখ্যা বসাই: MIPS = 2,000,000 / (1 × 106) = 2

অতএব, এই প্রসেসরের MIPS রেটিং হলো 2 MIPS. এটি নির্দেশ করে যে প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ২ মিলিয়ন নির্দেশনা কার্যকর করতে সক্ষম।

• MIPS:
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশাবলী কার্যকর করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়। 
- এটি বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computer) প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য জনপ্রিয় ছিল। যদিও বর্তমানে প্রসেসরের গতি MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।
- এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পরিমাপ পদ্ধতি যা কম্পিউটারের প্রসেসরের গতিকে সরাসরি নির্দেশ করে।
- একটি প্রসেসরের MIPS রেটিং যত বেশি, তার ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা তত বেশি।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

৬৬.
কম্পিউটার পারফরম্যান্স পরিমাপের ক্ষেত্রে MIPS-এর অর্থ কী?
  1. Manipulation of Information Per Session
  2. Multiple Instruction Processing System
  3. Microprocessor Integrated Program System
  4. Million Instructions Per Second
ব্যাখ্যা

• MIPS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Million Instructions Per Second. 

MIPS: 
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা প্রতি সেকেন্ডে সম্পাদিত মিলিয়ন সংখ্যক নির্দেশনার সংখ্যা বোঝায়।
- এটি সাধারণত CPU পারফরম্যান্স নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computing) প্রসেসরগুলোর ক্ষেত্রে।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

৬৭.
কম্পিউটার যদি সঠিক ফলাফল না দেখায়, তখন তাকে কী বলা হয়?
  1. NOVA
  2. GOGI
  3. GIGO
  4. DECOMPRESSION
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার যদি সঠিক ফলাফল না দেখায়, তখন সাধারণত তাকে Garbage In, Garbage Out (GIGO) বলা হয়। এর অর্থ হলো- কম্পিউটারে যদি ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক তথ্য ইনপুট দেওয়া হয়, তাহলে আউটপুটও ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক হবে। কম্পিউটার নিজে থেকে চিন্তা বা বিচার করতে পারে না; এটি কেবল দেওয়া নির্দেশনা ও ডেটার ভিত্তিতে কাজ করে। তাই ইনপুট ডেটা সঠিক না হলে ফলাফলও নির্ভুল হবে না। উদাহরণস্বরূপ, কোনো হিসাবের সফটওয়্যারে ভুল সংখ্যা দিলে চূড়ান্ত হিসাবও ভুল হবে। এই কারণেই কম্পিউটার ব্যবহারের সময় সঠিক তথ্য ও নির্দেশনা দেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হলো গ) GIGO.

• GIGO:
- কম্পিউটারে যদি ভুল বা অযৌক্তিক ডেটা ইনপুট দেওয়া হয়, তাহলে কম্পিউটার সেই অনুযায়ী ভুল আউটপুট দেয়।
- এটাই হলো GIGO, অর্থাৎ "Garbage In, Garbage Out"।
- উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,
  যদি ক্যালকুলেটরে ভুল সংখ্যা দেওয়া হয়, সঠিক গাণিতিক নিয়মেও ফলাফল ভুল হবে।

• তাই, কম্পিউটারের আউটপুট সবসময় নির্ভর করে ইনপুটের উপর।
 - GIGO বলতে বোঝানো হয় - ভুল ডেটা দিলে, ভুল ফলাফলই পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha.

৬৮.
কোনটি ১ বাইটের সমতুল্য বিট নির্দেশ করে?
  1. ৮ বিট
  2. ১২ বিট
  3. ১৬ বিট
  4. ৩২ বিট
ব্যাখ্যা

• ১ বাইটের সমতুল্য বিট হলো ৮ বিট। কম্পিউটার বিজ্ঞানে, বাইট হল তথ্যের মাপের একটি মৌলিক একক, যা সাধারণত একটি অক্ষর বা সংখ্যা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। একটি বাইটে ৮টি বিট থাকে, যেখানে প্রতিটি বিটের মান ০ বা ১ হতে পারে। তাই, ১ বাইট = ৮ বিট। অন্য অপশন গুলো যেমন ১২ বিট, ১৬ বিট, বা ৩২ বিট এক বা একাধিক বাইটের সমান হতে পারে, তবে সরাসরি ১ বাইটের সমতুল্য নয়। উদাহরণস্বরূপ, ১৬ বিট = ২ বাইট এবং ৩২ বিট = ৪ বাইট। সুতরাং, প্রশ্নে ১ বাইটের সমতুল্য বিট হলো ৮ বিট, অর্থাৎ সঠিক উত্তর হলো ক) ৮ বিট।
 
• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৯.
স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম ব্যবহার করে তৈরি করা যায়
i. জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ
ii. পরিসংখ্যানিক হিসাবনিকাশ
iii. স্কুল কলেজের ফলাফল
  1. iii
  2. i ও ii
  3. i ও iii
  4. i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
• স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার। 
- গ্রাফ কাগজের ন্যায় X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপখোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সম্বলিত বড় শিটকে স্পেডশিট বলা হয়। 
- যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে। 
- উইন্ডোজভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ, অর্থনৈতিক ও পরিসংখ্যানিক হিসাবনিকাশ এবং যুক্তিমূলক কার্যক্রমসহ তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ইত্যাদি করা যায়। 
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারকে ইলেকট্রনিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামও বলা হয়। 
যেমন- মাইক্রোসফট এক্সেল, লোটাস ১-২-৩, কোয়াট্রোপ্রো, মাল্টিপ্ল্যান, সুপারক্যালক ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০.
ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক কী?
  1. কিলোবাইট
  2. বাইট
  3. মেগাবাইট
  4. বিট
ব্যাখ্যা
ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক হচ্ছে বিট।

• বিট ও বাইট:
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭১.
How many bits make up one byte?
  1. 10 bits
  2. 8 bits
  3. 16 bits
  4. 32 bits
ব্যাখ্যা

• বিট ও বাইট:
- ১ বাইট = ৮ বিট।

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলেবিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান। ব্রিটানিকা।

৭২.
প্রোগ্রাম চালানোর সময় CPU কোন ধরণের অ্যাড্রেস তৈরি করে?
  1.  Logical address 
  2. Physical address
  3. MAC address
  4. IP address
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রাম চালানোর সময় CPU মূলত Logical Address তৈরি করে। ব্যবহারকারী যখন কোনো প্রোগ্রাম রান করে, তখন CPU নির্দেশনা এবং ডেটার জন্য ঠিকানা তৈরি করে, যা সরাসরি হার্ডওয়্যার মেমরিতে নয় বরং একটি ভার্চুয়াল বা লজিক্যাল স্পেসে নির্দেশ করে। এই লজিক্যাল অ্যাড্রেসকে পরে Memory Management Unit (MMU) রূপান্তর করে Physical Address-এ, যা আসলে RAM-এ অবস্থিত। MAC বা IP Address নেটওয়ার্ক যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়, CPU দ্বারা নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো Logical Address, কারণ এটি প্রোগ্রাম এক্সিকিউশনের সময় CPU উৎপন্ন করে।

• Logical Address:
- সিপিইউ দ্বারা প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় সর্বদা Logical Address generate করে।
- অন্যদিকে, ভৌত ঠিকানা (Physical Address) হচ্ছে, মেমরি ইউনিট দ্বারা প্রদর্শিত ঠিকানা।
- অর্থাৎ, CPU Logical অ্যাড্রেস জেনারেট করে এবং মেমরি ইউনিট Physical অ্যাড্রেস প্রদর্শন করে।
- কম্পিউটারে চলমান এপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো Physical Address দেখতে পায় না। তারা সবসময় Logical Adress ব্যবহার করে কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৭৩.
যদি আপনার ইন্টারনেট স্পিড 50 Mbps হয়, তাহলে তাত্ত্বিকভাবে আপনি 1 সেকেন্ডে কত মেগাবিট ডাউনলোড করতে পারবেন?
  1. 500 Mb
  2. 5 Mb
  3. 50 Mb
  4. 0.5 Mb
ব্যাখ্যা

• যদি আপনার ইন্টারনেট স্পিড 50 Mbps হয়, তাহলে “Mbps” মানে হলো মেগাবিট প্রতি সেকেন্ড। এটি নির্দেশ করে যে এক সেকেন্ডে আপনার ডিভাইস কত মেগাবিট ডেটা ডাউনলোড করতে সক্ষম। এখানে স্পিড 50 Mbps, অর্থাৎ তাত্ত্বিকভাবে 1 সেকেন্ডে আপনি 50 মেগাবিট ডেটা ডাউনলোড করতে পারবেন। এটি একটি সরাসরি সম্পর্ক: স্পিড যত বেশি, ডাউনলোড ক্ষমতাও তত বেশি। অতএব, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) 50 Mb। বাস্তব জীবনে কিছুটা কম হতে পারে কারণ নেটওয়ার্ক ল্যাটেন্সি বা সার্ভার পারফরম্যান্স ডাউনলোড স্পিডকে প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাত্ত্বিক হিসাব অনুযায়ী এটি সঠিক।

- 'MbPS' এর পূর্ণরূপ Megabits per second.
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত bit per second (bps) এ হিসাব করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bit per second (bps) বা ব্যান্ডউইডথ বলে।

• bps অর্থ হলো bit per second (1) বিট = 1 বা 0)
- kbps হলো kilobits per second (1000 বিট =1 কিলোবিট)
- Mbps হলো megabits per second (1000 কিলোবিট = 1 মেগাবিট)
- Gbps হলো gigabits per second (1000 মেগাবিট = 1 গিগাবিট)
- Tbps হলো Terabits per second (1000 গিগাবিট =1 টেরাবিট)
- Pbps হলো Petabits per second (1000 টেরাবিট=1 পেটাবিট

• MBps vs Mbps:
- নোট: এখানে MBps দ্বারা মেগা বাইট পার সেকেন্ড এবং Mbps দ্বারা মেগা বিট পার সেকেন্ড বোঝানো হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ বড় হাতের B থাকলে সেটি হবে মেগা বাইট পার সেকেন্ড এবং ছোটো হাতের b থাকলে সেটি হবে মেগা বিট পার সেকেন্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৪.
দুটি সিপিইউ-এর আর্কিটেকচার একই, কিন্তু CPU A এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B এর গতি ২.৫ GHz. সাধারণত কোনটি দ্রুত?
  1. CPU A
  2. CPU B
  3. উভয়ই সমানভাবে দ্রুত
  4. RAM এর ওপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

• দুটি CPU-এর আর্কিটেকচার একই হলেও তাদের ক্লক স্পিড ভিন্ন। CPU-এর গতি মূলত GHz (গিগাহার্টজ) দ্বারা প্রকাশিত হয়, যা নির্দেশ করে CPU প্রতি সেকেন্ডে কত কোটি চক্র সম্পন্ন করতে পারে। CPU A-এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B-এর গতি ২.৫ GHz। যেহেতু CPU A প্রতি সেকেন্ডে বেশি চক্র সম্পন্ন করতে সক্ষম, তাই এটি CPU B-এর তুলনায় সাধারণত দ্রুত। অবশ্য, বাস্তব পারফরম্যান্স RAM, ক্যাশে মেমরি এবং সফটওয়্যারের কার্যকর ব্যবহারের ওপরও কিছুটা নির্ভর করে, কিন্তু শুধুমাত্র ঘড়ির গতি বিবেচনা করলে CPU A দ্রুত।

• ক্লক স্পিড:
- প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন সাইকেলের সংখ্যা হলো ক্লক স্পিড। প্রতিটি সাইকেলে একটি বা একাধিক অপারেশন সম্পন্ন হতে পারে।
- ক্লক স্পিডকে প্রসেসরের "সাইকেল প্রতি সেকেন্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- একটি সাইকেল হলো প্রসেসরের একটি মৌলিক অপারেশন। ক্লক স্পিড যত বেশি, প্রসেসর তত দ্রুত কাজ করতে পারে।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- উদাহরণস্বরূপ, 3 GHz CPU প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করে, যা 2 GHz CPU-এর তুলনায় দ্রুত।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন, কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel [link]

৭৫.
এক পিকো সেকেন্ড = কত?
  1. ১০-৩ সেকেন্ড
  2. ১০-৬ সেকেন্ড
  3. ১০-৯ সেকেন্ড
  4. ১০-১২ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• ১ মিলি সেকেন্ড = ১০-৩ সেকেন্ড [১ সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের এক ভাগ]
• ১ মাইক্রো সেকেন্ড = ১০-৬ সেকেন্ড [১ সেকেন্ডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ]
• ১ ন্যানো সেকেন্ড = ১০-৯ সেকেন্ড [১ সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ]
১ পিকো সেকেন্ড = ১০-১২ সেকেন্ড [১ সেকেন্ডের এক লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ] 

উৎস: Britannica.com.
৭৬.
২ নিবল = কত বিট?
  1. ২ বিট
  2. ৪ বিট
  3. ৮ বিট
  4. ১৬ বিট
ব্যাখ্যা

• একটি নিবল (Nibble) হলো ৪ বিটের সমান। কম্পিউটার সিস্টেমে বিট (Bit) হলো সর্বনিম্ন তথ্যের একক, যা কেবল ০ বা ১ হতে পারে। ৮ বিট এক বাইটের সমান এবং ৪ বিট এক নিবলের সমান। তাই, যদি ২ নিবলকে বিটে রূপান্তর করি, তাহলে ২ × ৪ = ৮ বিট হয়। অর্থাৎ, ২ নিবল ৮ বিট সমান। সুতরাং প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হবে গ) ৮ বিট। এই ধারণাটি ডেটা স্টোরেজ এবং প্রসেসিং এর মূল ভিত্তি হিসেবে কম্পিউটার আর্কিটেকচারে ব্যবহার করা হয়।

সঠিক উত্তর: গ) ৮ বিট।

• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৭৭.
MIPS সাধারণত কোন বিষয়টি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ
  2. ডিস্কের কর্মক্ষমতা
  3. মেমোরির ধারণক্ষমতা
  4. প্রসেসরের গতি
ব্যাখ্যা

• MIPS হলো “Million Instructions Per Second” বা প্রতি সেকেন্ডে মিলিয়ন নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষমতা। এটি মূলত প্রসেসরের কার্যক্ষমতা বা গতি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। একটি কম্পিউটার বা মাইক্রোপ্রসেসর কত দ্রুত প্রোগ্রামের নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারে তা MIPS দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এটি নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ, ডিস্কের কর্মক্ষমতা বা মেমোরির ধারণক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি প্রসেসর ৫০০ MIPS হয়, তবে তা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ মিলিয়ন নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সক্ষম। তাই, প্রসেসরের গতি মাপার ক্ষেত্রে MIPS একটি প্রচলিত একক।

- সঠিক উত্তর: ঘ) প্রসেসরের গতি। 

• MIPS:
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশাবলী কার্যকর করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়। 
- এটি বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computer) প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য জনপ্রিয় ছিল। যদিও বর্তমানে প্রসেসরের গতি MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।
- এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পরিমাপ পদ্ধতি যা কম্পিউটারের প্রসেসরের গতিকে সরাসরি নির্দেশ করে।
- একটি প্রসেসরের MIPS রেটিং যত বেশি, তার ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা তত বেশি।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

৭৮.
রিফ্রেশ রেট কোন এককে প্রকাশ করা হয়?
  1. ডিপিআই
  2. পিক্সেল
  3. মেগাবাইট
  4. হার্টজ
ব্যাখ্যা
- রিফ্রেশ রেট হলো পিক্সেলের উজ্জ্বলতা ঠিক রাখার জন্য প্রতি সেকেন্ডে পিক্সেলগুলো কতবার রিচার্জ হয় তার সংখ্যা।
- Refresh Rate যত বেশি হবে ইমেজ স্ক্রীনে তত বেশি দৃঢ় দেখাবে।
- Refresh Rate কে হার্টজ এককে প্রকাশ করা হয়।
- সাধারণভাবে মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে রিফ্রেশ করা হয়।
- এছাড়া কী F5 বোর্ডেরে বোতাম চেপে রিফ্রেশ করা যায়।

উৎস: [intel.com]
৭৯.
১ টেরাবাইট = ?
  1. ১০২৪ গিগাবাইট
  2. ১০২৪ পেটাবাইট
  3. ১০২৪ মেগাবাইট
  4. ১০২৪ নিবল
ব্যাখ্যা

১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।

বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

পরিমাপ:
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৮০.
যদি একটি কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে ১ ট্রিলিয়ন ফ্লোটিং পয়েন্ট অপারেশন করতে পারে, তবে তাকে বলা হয়:
  1. ১ TFLOPS
  2. ১ PFLOPS
  3. ১ MFLOPS
  4. ১ GFLOPS
ব্যাখ্যা

• যদি একটি কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে ১ ট্রিলিয়ন ফ্লোটিং পয়েন্ট অপারেশন করতে পারে, তাহলে তাকে বলা হয় ১ TFLOPS। এখানে TFLOPS এর অর্থ হলো Tera Floating Point Operations Per Second, যেখানে "Tera" মানে ১০১২ বা এক ট্রিলিয়ন। কম্পিউটারের গতি বা পারফরম্যান্স পরিমাপের জন্য FLOPS ব্যবহার করা হয়, যা একটি সেকেন্ডে কতটি ফ্লোটিং পয়েন্ট গণনা সম্পন্ন করতে পারে তা নির্দেশ করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে ১০১২টি ফ্লোটিং পয়েন্ট হিসাব করতে সক্ষম হয়, তাহলে এটি উচ্চ ক্ষমতার সুপারকম্পিউটার হিসেবে গণ্য হয়। অন্যদিকে, GFLOPS, MFLOPS বা PFLOPS পৃথক মাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) ১ TFLOPS.

• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক। 
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। [link]

৮১.
১ পেটাবাইট =
  1. 250 বাইট
  2. 240 বাইট
  3. 230 বাইট
  4. 220 বাইট
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:

৪ বিট = 1 বাইট = 1 অক্ষর।
210 বাইট বা 1024 বাইট = 1 কিলোবাইট (1KB).
220 বাইট বা 1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (1MB).
230 বাইট বা 1024 মেগাবাইট = 1 গিগাবাইট (1GB).
240 বাইট বা 1024 গিগাবাইট = 1 টেরাবাইট (1TB).
250 বাইট বা 1024 টেরাবাইট = 1 পেটাবাইট (1PB).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২.
ফায়ারওয়াল ব্যবহৃত হয়-
  1. কম্পিউটারের সহায়ক মেমরি হিসেবে
  2. কম্পিউটার এর গতি বৃদ্ধি করতে
  3. ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে
  4. রিড-রাইট অপারেশনের জন্য
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। 
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়াল- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮৩.
বিট (Bit) কী?
  1. একটি বাইটের সমান
  2. ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস
  3. দশমিক সংখ্যা
  4. বাইনারি ডিজিট
ব্যাখ্যা

• বিট (Bit) হলো বাইনারি ডিজিট (০ বা ১)।

• বিট ও বাইট:
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অঙ্ককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
 
• ডেটার এককসমূহ:
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট,
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট,
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট,
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
 
- ৮ বিট নিয়ে ১ বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট,
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট,
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট,
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট,
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মুজিবুর রহমান)।

৮৪.
যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন করে, তবে সেটিকে বলা হয়:
  1. ১ জি‌ফ্লপস
  2. ১ টেরাফ্লপস
  3. ১ মেগাফ্লপস
  4. ১ পেটাফ্লপস
ব্যাখ্যা

• যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন করতে পারে, তবে সেটিকে ১ জি‌ফ্লপস (GFLOPS) বলা হয়। “ফ্লপস” মানে Floating Point Operations Per Second, অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো দশমিক ভিত্তিক গণনা করা হচ্ছে। এখানে “জি” মানে Giga, যা ১ বিলিয়নের সমান। তাই ১ জি‌ফ্লপস মানে প্রতি সেকেন্ডে ১,০০০,০০,০০০০ (১০) ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন। তুলনামূলকভাবে, মেগাফ্লপস (MFLOPS) প্রতি সেকেন্ডে ১ মিলিয়ন অপারেশন নির্দেশ করে, টেরাফ্লপস (TFLOPS) ট্রিলিয়ন অপারেশন, আর পেটাফ্লপস (PFLOPS) কোয়াড্রিলিয়ন অপারেশন নির্দেশ করে। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো ক) ১ জি‌ফ্লপস।
 
• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪২ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

৮৫.
কম্পিউটার সিস্টেমের বেঞ্চমার্কিং করা হয় কী পরিমাপের জন্য?
  1. সিস্টেমের দাম
  2. সিস্টেমের কর্ম ক্ষমতা (Performance)
  3. শুধু বিদ্যুৎ শক্তি খরচের পরিমাণ
  4. স্টোরেজের ধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার সিস্টেমের বেঞ্চমার্কিং মূলত সিস্টেমের কর্মক্ষমতা (Performance) পরিমাপের জন্য করা হয়। বেঞ্চমার্ক হল একটি মানক পরীক্ষা বা সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের প্রসেসর, মেমরি, গ্রাফিক্স, স্টোরেজ এবং অন্যান্য উপাদানের কার্যকারিতা যাচাই করে। এটি ব্যবহারকারীদের এবং নির্মাতাদের সিস্টেমের তুলনামূলক দক্ষতা বোঝার সুযোগ দেয়। বেঞ্চমার্কিংয়ের মাধ্যমে বোঝা যায়, একটি কম্পিউটার নির্দিষ্ট কাজ কত দ্রুত সম্পন্ন করতে পারে এবং বিভিন্ন সিস্টেমের মধ্যে পার্থক্য শনাক্ত করা যায়। তাই বেঞ্চমার্কিং সরাসরি দাম, বিদ্যুৎ শক্তি খরচ বা স্টোরেজ ক্ষমতা নয়, বরং কর্মক্ষমতা মূল্যায়নের উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: খ) সিস্টেমের কর্ম ক্ষমতা (Performance)।

• কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা:
- কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বলতে বোঝায়, কম্পিউটার কত দ্রুত কাজ করতে পারে। এটিকে বিভিন্নভাবে পরিমাপ করা যায়, যেমন প্রসেসিং স্পিড, মেমোরি স্পিড, হার্ডডিস্কের গতি ইত্যাদি।

• Benchmark সফটওয়্যার হল এমন একটি বিশেষ ধরণের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের দক্ষতা (performance) যাচাই করতে সাহায্য করে।
- এটি CPU, GPU, RAM, ডিস্ক স্পিড ইত্যাদির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে।
- ফলাফল হিসেবে একটি স্কোর বা তুলনামূলক রিপোর্ট দেয় — যা অন্য কম্পিউটারের সাথে তুলনা করা যায়।

• কিছু জনপ্রিয় Benchmark সফটওয়্যারের নাম: 
- Cinebench, 
- Geekbench, 
- 3DMark, 
- PassMark.

তথ্যসূত্র: 
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৮৬.
একটি ২ GHz CPU-এর এক ক্লক সাইকেলের সময়কাল আনুমানিক:
  1. ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড
  2. ২ ন্যানোসেকেন্ড
  3. ৫০০ ন্যানোসেকেন্ড
  4. ২ মিলিসেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• একটি ২ GHz CPU-এর অর্থ হলো এটি প্রতি সেকেন্ডে ২ বিলিয়ন (২ × ১০) ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে। তাই এক ক্লক সাইকেলের সময়কাল হবে ১ সেকেন্ড ÷ ২ × ১০= ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড। অর্থাৎ, প্রতি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড সময় লাগে। GHz মানে হলো গিগাহার্টজ, যা একক সময়ের মধ্যে কতটি সাইকেল সম্পন্ন হয় তা বোঝায়। তাই ঘড়ির স্পিড যত বেশি, প্রতি সাইকেলের সময়কাল তত কম। এক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হচ্ছে: ক) ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড। এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে বোঝা যায় ক্লক স্পিড ও সময়ের সম্পর্ক বিপরীতমুখী।

• কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকস যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
ফ্লপি ডিস্ক এক ধরনের-
  1. Register memory
  2. Auxiliary memory
  3. Primary memory
  4. Cache memory
ব্যাখ্যা
• ফ্লপি ডিস্ক:
- ১৯৭৩ সালে প্রথম প্রচলন শুরু হয়।
- এটি ডিসকেট নামেও পরিচিত।
- এটি এক ধরনের সহায়ক স্মৃতি।
- এটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ মাধ্যম।
- এর ধারণ ক্ষমতা মাত্র ১.৪৪ মেগাবাইট।
- প্লাস্টিকের উপর চৌম্বকের প্রলেপ দিয়ে তৈরী করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮.
কম্পিউটার অপারেশনে কোন ধরনের গাণিতিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. জ্যামিতি
  2. বুলিয়ান
  3. দশমিক
  4. বাইনারি
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্য পদ্ধতি।-  এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়। 
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- বাইনারিতে দুটি অংক ব্যবহৃত হয় বিধায় এ পদ্ধতির বেজ ২। (১১০)২, (১১০১)২, (১০১.০১১)২ ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যার উদাহরণ।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে। 
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯.
মেমরি হতে ডাটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে কী বলা হয়?
  1. Cycle Time
  2. Access Time
  3. lateral Time
  4. Transfer Rate
ব্যাখ্যা
• মেমরি হতে ডাটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলা হয়। 

• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।

• প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০.
ন্যানোসেকেন্ড বলতে বোঝায়-
  1. ১০-১১ সেকেন্ড
  2. ১০-৬ সেকেন্ড
  3. ১০-১০ সেকেন্ড
  4. ১০-৯ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার:
- কম্পিউটার এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা ইনপুট হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ কেন্দ্রিয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সাহায্যে প্রক্রিয়াকরণ করে আউটপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে ফলাফল প্রদান করে থাকে।
- ল্যাটিন শব্দ Computare থেকে ইংরেজি Computer শব্দটির উৎপত্তি।
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র।
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়।
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে।
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে।
- ন্যানোসেকেন্ড বলতে বোঝায় এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ বা ১০-৯ সেকেন্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১.
সুপারকম্পিউটারের গতি পরিমাপে FLOPS ব্যবহার করা হয়। এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Floating Line Operations Per Second
  2. Fast Logical Operations Per Second
  3. Floating Point Operations Per Second
  4. Fixed Point Operations Per Second
ব্যাখ্যা

• সুপারকম্পিউটারের গতি বা কর্মক্ষমতা পরিমাপের জন্য সাধারণত FLOPS এককটি ব্যবহার করা হয়। FLOPS দ্বারা বোঝায় একটি কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো গাণিতিক হিসাব করতে পারে, বিশেষ করে দশমিক বা ভগ্নাংশযুক্ত সংখ্যার ক্ষেত্রে। কারণ বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পূর্বাভাস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি জটিল কাজে floating point গণনার প্রয়োজন হয়। তাই সুপারকম্পিউটারের প্রকৃত ক্ষমতা বোঝাতে এই পরিমাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। FLOPS-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Floating Point Operations Per Second.

• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

৯২.
সিপিইউ-এর স্পিড সাধারণত কোন এককে প্রকাশ করা হয়?
  1. Kilograms
  2. Megapixels
  3. Gigahertz
  4. Gigabytes
ব্যাখ্যা

• সিপিইউ এর গতি সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়। এটি নির্দেশ করে যে সিপিইউ প্রতি সেকেন্ডে কতবার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। 

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩.
সিপিইউ ক্লক স্পিড বাড়ালে সাধারণত:
  1. সিপিইউ আর্কিটেকচার পরিবর্তিত হয়
  2. কোরের সংখ্যা কমে
  3. সিপিইউর তাপমাত্রা কমে
  4. নির্দেশের কার্যকারিতা দ্রুত হয় 
ব্যাখ্যা

• সিপিইউর ক্লক স্পিড বাড়ালে সাধারণত নির্দেশের কার্যকারিতা দ্রুত হয়, অর্থাৎ ঘ) সঠিক। ক্লক স্পিড হলো সিপিইউ প্রতি সেকেন্ডে কতটি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে তার পরিমাপ। ক্লক স্পিড বেশি হলে সিপিইউ অল্প সময়ে বেশি নির্দেশ প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে, ফলে প্রোগ্রাম দ্রুত সম্পন্ন হয়। তবে এতে সিপিইউর আর্কিটেকচার পরিবর্তিত হয় না এবং কোরের সংখ্যাও কমে না। বরং ক্লক স্পিড বাড়লে সাধারণত তাপমাত্রা ও বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। তাই উচ্চ ক্লক স্পিড পারফরম্যান্স বাড়ালেও তাপ নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

• ক্লক স্পিড:
- একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে তার পরিমাণকে কম্পিউটারের ক্লক স্পিড বলা হয়। 

• মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel website. [link]

৯৪.
কম্পিউটার গ্রাফিক্সের কার্যক্ষমতা কোন ধরনের বেঞ্চমার্ক দ্বারা মাপা হয়?
  1. GPU benchmark
  2. CPU benchmark
  3. Memory benchmark
  4. Disk benchmark
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার গ্রাফিক্সের কার্যক্ষমতা মূলত GPU benchmark দ্বারা মাপা হয়, কারণ গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (GPU) জটিল ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট, থ্রিডি রেন্ডারিং এবং উচ্চ রেজোলিউশনের ইমেজ প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। GPU benchmark পরীক্ষায় নির্দিষ্ট গ্রাফিক্যাল টাস্ক যেমন ফ্রেম রেট, রেজোলিউশন হ্যান্ডলিং, শেডার পারফরম্যান্স এবং রেন্ডারিং স্পিড যাচাই করা হয়। CPU, মেমরি বা ডিস্ক বেঞ্চমার্ক মূলত সিস্টেমের অন্যান্য দিক যেমন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চয় ও মেমরি ম্যানেজমেন্ট মূল্যায়ন করে, যা সরাসরি গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স নির্ধারণ করে না। তাই কম্পিউটার গ্রাফিক্সের গুণগত ও কার্যকর মূল্যায়নে GPU benchmark সবচেয়ে উপযুক্ত।

• কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা:
- কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বলতে বোঝায়, কম্পিউটার কত দ্রুত কাজ করতে পারে। এটিকে বিভিন্নভাবে পরিমাপ করা যায়, যেমন প্রসেসিং স্পিড, মেমোরি স্পিড, হার্ডডিস্কের গতি ইত্যাদি।

• Benchmark সফটওয়্যার হল এমন একটি বিশেষ ধরণের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের দক্ষতা (performance) যাচাই করতে সাহায্য করে।
- এটি CPU, GPU, RAM, ডিস্ক স্পিড ইত্যাদির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে।
- ফলাফল হিসেবে একটি স্কোর বা তুলনামূলক রিপোর্ট দেয় — যা অন্য কম্পিউটারের সাথে তুলনা করা যায়।

• কিছু জনপ্রিয় Benchmark সফটওয়্যারের নাম: 
- Cinebench, 
- Geekbench, 
- 3DMark, 
- PassMark.

তথ্যসূত্র: 
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
- sciencedirect [link]

৯৫.
সাধারণত সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স নির্ধারণে কোন একক ব্যবহৃত হয়?
  1. Gigahertz
  2. Gigabytes
  3. Megapixels
  4. Kilograms
ব্যাখ্যা

• সাধারণত সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স নির্ধারণে যে এককটি ব্যবহৃত হয় তা হলো Gigahertz (GHz)। গিগাহার্টজ মূলত সিপিইউ-এর ক্লক স্পিড নির্দেশ করে, অর্থাৎ প্রসেসর এক সেকেন্ডে কত বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে। ক্লক স্পিড যত বেশি হয়, সাধারণভাবে সিপিইউ তত দ্রুত নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে, Gigabytes মেমোরি বা স্টোরেজের পরিমাপ বোঝায়, Megapixels ক্যামেরার রেজোলিউশন নির্দেশ করে এবং Kilograms ওজন পরিমাপের একক। তাই সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স বোঝাতে সঠিক উত্তর হলো গিগাহার্টজ।

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬.
রিড বা রাইটের জন্য মেমোরি কত দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়, সেটি বোঝাতে কোন পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Data throughput
  2. Seek time
  3. Page fault time
  4. Access time
ব্যাখ্যা
• রিড বা রাইটের জন্য মেমোরি কত দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়, সেটি বোঝাতে Access time শব্দটি ব্যবহৃত হয়। মেমোরি অ্যাক্সেস টাইম হলো সেই সময়ের পরিমাণ যা একটি কম্পিউটার মেমোরির নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে ডেটা পড়া বা লেখার জন্য লাগে। এটি মেমোরির দ্রুততা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ কারণ কম অ্যাক্সেস টাইম মানে দ্রুত ডেটা পাওয়া যায় এবং প্রক্রিয়াকরণ দ্রুত হয়। অন্য বিকল্পগুলো যেমন Data throughput হলো ডেটা প্রেরণের হার, Seek time হলো হার্ড ডিস্কের মাথা কোন অবস্থানে পৌঁছানোর সময়, আর Page fault time হলো ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবস্থায় পেজ মিসের সময়। তাই দ্রুত মেমোরি অ্যাক্সেস বুঝাতে Access time সবচেয়ে উপযুক্ত।

• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. ল্যাটেন্সি টাইম
  2. সিক টাইম
  3. অ্যাকসেস টাইম
  4. লিখন অপারেশন
ব্যাখ্যা
• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি সাধারণত কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. গিগাহার্টজ (GHz)
  2. গিগাবাইট (GB)
  3. পিক্সেল
  4. বাইট
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি মাপা হয় হার্টজ (Hz) এককে, যা প্রতি সেকেন্ডে কতটি সাইকেল সম্পন্ন হচ্ছে তা নির্দেশ করে। আধুনিক প্রসেসরের গতি সাধারণত গিগাহার্টজ (GHz) এ প্রকাশ করা হয়, যেখানে ১ GHz = ১ বিলিয়ন সাইকেল/সেকেন্ড।

সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯৯.
কিলোবাইট দ্বারা সাধারণত মাপা হয়…
  1. ফাইলের আকার
  2. নেটওয়ার্ক বিলম্ব
  3. পর্দার রেজোলিউশন
  4. প্রসেসরের গতি
ব্যাখ্যা

• কিলোবাইট (KB) হল তথ্য সংরক্ষণের একটি একক যা সাধারণত কম্পিউটারের ফাইল বা ডাটার আকার পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। একটি কিলোবাইট প্রায় ১০২৪ বাইটের সমান। কম্পিউটারে যে কোনও ফাইল, যেমন টেক্সট, ছবি বা সফটওয়্যার প্রোগ্রাম, এর আকার কিলোবাইট, মেগাবাইট বা গিগাবাইটে পরিমাপ করা হয়। কিলোবাইট ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারী জানতে পারে একটি ফাইল কতটা স্থান দখল করবে এবং স্টোরেজ ব্যবস্থাপনায় সহায়তা পায়। এটি নেটওয়ার্ক বিলম্ব, পর্দার রেজোলিউশন বা প্রসেসরের গতি পরিমাপের জন্য ব্যবহার হয় না। সুতরাং, কিলোবাইট মূলত ফাইলের আকার পরিমাপের একক হিসেবে পরিচিত।

উত্তর: ক) ফাইলের আকার।


• বিট ও বাইট:
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

• ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০০.
বর্তমানে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) পরিবেশে সবচাইতে জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসর কোনটি?
  1. Wordstar
  2. LaTeX
  3. Microsoft Word
  4. Note Pad
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ড প্রসেসিং (Word Processing):
- ওয়ার্ড শব্দের অর্থ শব্দ আর প্রসেসিং শব্দের অর্থ প্রক্রিয়াকরণ।
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনাই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে অনেক দক্ষতার সাথে চমৎকারভাবে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়।
- কম্পিউটারের বহুবিদ ব্যবহারের মধ্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার।
- আর ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়।
- মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে
- আধুনিক ডকুমেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ প্রোগ্রাম হচ্ছে।
- উল্লেখযোগ্য ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রামসমূহ হলো- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word), ওয়ার্ডস্টার (Wordstar), ওয়ার্ডপারফেক্ট (Wordperfect), ল্যাটেক্স (Latex), নোড প্যাড (Note Pad), ম্যাকরাইট (Mac Write), ওয়ার্ড প্যাড (Word Pad), অপেন অফিস রাইটার ইত্যাদি।
- তবে বর্তমানে পিসিতে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস পরিবেশে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word) হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত এবং ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।