বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

মোট প্রশ্ন১,৩২০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ৭০১৮০০ / ১,৩২০

৭০১.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য কোন লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়?
  1. অর গেইট
  2. অ্যান্ড গেইট
  3. নট গেইট
  4. নর গেইট
সঠিক উত্তর:
নট গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নট গেইট
ব্যাখ্যা
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।

• মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা:
১. অর গেইট:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

২. অ্যান্ড গেইট:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

৩. নট গেইট:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭০২.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগ এবং পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য যথাক্রমে কোন মৌলিক লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়?
  1. NOT এবং OR
  2. AND এবং OR
  3. OR এবং NOT
  4. AND এবং NOT
সঠিক উত্তর:
OR এবং NOT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OR এবং NOT
ব্যাখ্যা
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

OR gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

AND gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

NOT gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭০৩.
কাউন্টার সর্বাধিক যতগুলো সংখ্যা গুণতে পারে তাকে কি বলে?
  1. ক) রেজিসটার
  2. খ) মডিউলাস
  3. গ) অ্যাডার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) মডিউলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মডিউলাস
ব্যাখ্যা
• কাউন্টার সর্বাধিক যতগুলো সংখ্যা গুণতে পারে, তাকে মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
• কাউন্টার: কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, যা ফ্লিপ-ফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট এবং যা ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- সাধারণত ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট দ্বারা এটি তৈরি করা হয়।
- কোন কাউন্টার যতটি ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হবে, এটিকে তত বিটের কাউন্টার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতগুলো সংখ্যা গুণতে পারে, তাকে মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭০৪.
নিচের কোনটি অকটাল সংখ্যা নয়?
  1. ক) ৭১৪
  2. খ) ৭৬৫
  3. গ) ৫৬৭
  4. ঘ) ৪৮৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৮৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪৮৫
ব্যাখ্যা
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ কিন্তু ৪৮৫ অকটাল সংখ্যা নয় কারণ ৮ অকটাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
৭০৫.
(9F23)16 = (?)2
  1. 1001111101100011
  2. 1001101100100011
  3. 1001111100100011
  4. 1001111100000011
সঠিক উত্তর:
1001111100100011
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1001111100100011
ব্যাখ্যা
(9F23)16 = (?)2
প্রদত্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি ডিজিটের জন্য চার বিটের বাইনারি নিয়ে পাই:
9 = 1001 
F = 1111
2 = 0010
3 = 0011


(9F23)16 = (1001111100100011)2
৭০৬.
কোনটি নন-পজিশনাল নাম্বার সিস্টেম?
  1. ক) Octal Number System
  2. খ) Binary Number System
  3. গ) Roman Number System
  4. ঘ) Hexadecimal Number System
সঠিক উত্তর:
গ) Roman Number System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Roman Number System
ব্যাখ্যা

সূত্র - একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, ICT, বোর্ড বই
৭০৭.
37 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 11001000
  2. 00110111
  3. 11001100
  4. 00011010
সঠিক উত্তর:
00110111
উত্তর
সঠিক উত্তর:
00110111
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

7 এর বিসিডি 0111
3 এর বিসিডি 0011
∴ 37 এর বিসিডি 00110111

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০৮.
124 (বেস-৮) কে দশমিক সিস্টেমে লিখলে কী মান পাওয়া যায়? 
  1. 84
  2. 86
  3. 88
  4. 92
সঠিক উত্তর:
84
উত্তর
সঠিক উত্তর:
84
ব্যাখ্যা

• 124 (বেস-৮) কে দশমিক সিস্টেমে লিখলে 84 পাওয়া যায়। 

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(124)8
= 1 × 82 + 2 × 81 + 4 × 80
= 1 × 64 + 2 × 8 + 4 × 1
= 64 + 16 + 4
= 84

অতএব, 124 (বেস-৮) কে দশমিক সিস্টেমে লিখলে 84 পাওয়া যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭০৯.
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কত প্রকার?
  1. ৪ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ১ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা

সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিতের উপর নির্ভর করে।
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি ৪ প্রকার -
- দশমিক বা ১০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি
- বাইনারি বা ২ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি
- অক্টাল বা ৮ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি
- হেক্সাডেসিমেল বা ১৬ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি
[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি , পৃষ্ঠা নং -১৯১]

৭১০.
এক word কত বিট বিশিষ্ট হয়?
  1. 8
  2. 16
  3. 4
  4. 2
সঠিক উত্তর:
16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16
ব্যাখ্যা
বিট (Bit):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে।
- ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)।
- এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte):
- ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়।
- এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়।
- এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।

অপরদিকে,
- কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে।
- সাধারণত ১৬ বা ৩২ বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৭১১.
(654)8 = (?)2
  1. 110101110
  2. 110101101
  3. 110101100
  4. 111101100
সঠিক উত্তর:
110101100
উত্তর
সঠিক উত্তর:
110101100
ব্যাখ্যা
• 1 বিট অক্টাল সংখ্যাকে প্রকাশ করতে সর্বোচ্চ 3 বিট বাইনারি লাগে।

অক্টাল 6 এর সমতুল্য বাইনারি = 110
অক্টাল 5 এর সমতুল্য বাইনারি = 101
অক্টাল 4 এর সমতুল্য বাইনারি = 100
∴ (654)8 = (110101100)2
৭১২.
CMOS প্রযুক্তিতে সাধারণত কোন ইউনিভার্সাল গেট দ্রুত কাজ করে?
  1. NOR
  2. OR
  3. AND
  4. NAND 
সঠিক উত্তর:
NAND 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND 
ব্যাখ্যা

• CMOS প্রযুক্তিতে সাধারণত NAND গেট সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে। এর প্রধান কারণ হলো CMOS সার্কিটে NAND গেটের ট্রানজিস্টর বিন্যাস তুলনামূলকভাবে কার্যকর। NAND গেটে পুল-ডাউন নেটওয়ার্কে NMOS ট্রানজিস্টরগুলো সিরিজে থাকলেও পুল-আপ নেটওয়ার্কে PMOS ট্রানজিস্টরগুলো প্যারালালে থাকে, ফলে আউটপুট দ্রুত হাই লেভেলে যেতে পারে। যেহেতু ইলেকট্রনের গতিশীলতা হোলের চেয়ে বেশি, NMOS দ্রুত কাজ করে এবং সামগ্রিক ডিলে কম হয়। অন্যদিকে NOR গেটে PMOS ট্রানজিস্টর সিরিজে থাকায় গতি কমে যায়। তাই CMOS প্রযুক্তিতে NAND গেটকে বেশি দ্রুত ও কার্যকর ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যেসব গেইট ব্যবহার করে AND, OR ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়, সেগুলোকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- OR, AND এবং NOT - এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সব ধরনের লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেই যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- এর কারণ, NAND গেইট দিয়েই OR, AND ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একইভাবে শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়েও OR, AND ও NOT গেইট তথা যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- তাই NAND এবং NOR গেইট - এই দুইটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- sciencedirect. [link]

৭১৩.
Internet Protocol Address কত বিটের হয়ে থাকে?
  1. ক) ৩০
  2. খ) ৩১
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৩৩
  5. ঙ) ৩৪
সঠিক উত্তর:
গ) ৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩২
ব্যাখ্যা
Internet Protocol Address ৩২ বিটের হয়ে থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৭১৪.
(১৫)10 কে বাইনারিতে প্রকাশ করুন-
  1. 1100
  2. 1000
  3. 1011
  4. 1111
সঠিক উত্তর:
1111
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1111
ব্যাখ্যা

ভাগ

ভাগফল

ভাগশেষ

১৫÷২

৭÷২

৩÷২

সর্বশেষ ভাগশেষ ১ থাকে

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান)

৭১৫.
IC-7432 দ্বারা কোন গেইটকে বুঝানো হয়?
  1. ক) OR
  2. খ) AND
  3. গ) NOT
  4. ঘ) XOR
সঠিক উত্তর:
ক) OR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) OR
ব্যাখ্যা
IC এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Circuit. আই.সি. কে সিলিকন চিপ বা চিপ বলা হয়। এটি এক ধরনের মাইক্রো ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, যাতে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, ডায়োড, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি কম্পোনেন্ট সিলিকন চিপের উপর নির্মান করে জোড়া লাগানো হয়। আই.সি. ব্যাবহারের ফলে সার্কিট অনেক ছোট এবং অধিক কর্মক্ষমতা সম্পন্ন হয়। 

লজিক গেইট গুলোকেও এমন IC আকারে বাজারে পাওয়া যায়। যেমন:

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৭১৬.
কোন অক্ষরটি হেক্সাডেসিমাল গণনা পদ্ধতির একটি মান নির্দেশ করে?
  1. F
  2. G
  3. H
  4. K
সঠিক উত্তর:
F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামিং -এ চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- 
১। ডেসিম্যাল (Decimal) বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি, 
২। বাইনারি (Binary) সংখ্যা পদ্ধতি, 
৩। অকটাল নাম্বার সিস্টেম পদ্ধতি এবং 
৪। হেক্সাডেসিম্যাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতি। 

হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি: 
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি হল ১৬-ভিত্তিক একটি সংখ্যা পদ্ধতি। 
অর্থাৎ, শুধুমাত্র প্রতিটি সংখার জন্য ১৬টি সম্ভাব্য মান নিয়ে ষোড়শিক সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত হয়। 
- ষোড়শিক সংখ্যা পদ্ধতির অঙ্কগুলো হল 0-9 এবং A, B, C, D, E, F পর্যন্ত মোট ১৬টি বর্ণ। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)।
৭১৭.
বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে কতটি বাইনারি বিট একসাথে ব্যবহৃত হয়?
  1. ২টি
  2. ১৬টি
  3. ৩টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় সাধারণত ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে নেওয়া হয়। কারণ একটি অক্টাল সংখ্যা ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মান নিতে পারে, যা বাইনারিতে ৩টি বিট দ্বারা প্রকাশ করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি ০০০ মানে অক্টাল ০, ১১১ মানে অক্টাল ৭। তাই বড় কোনো বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সেটি তিনটি করে বিট ভাগ করে অক্টাল মান বের করা হয়। এটি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং কোনো মান হারানোর ঝুঁকি কমায়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো: ৩টি।

• একটি অক্টাল সংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করলে প্রতি অঙ্কের জন্য ৩টি বাইনারি বিট লাগে।
উদাহরণস্বরূপ:
অক্টাল 7 = বাইনারি 111
অক্টাল 5 = বাইনারি 101

সুতরাং, বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের সময় প্রতি ৩টি বাইনারি বিট = ১টি অক্টাল ডিজিট। এজন্য ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে গ্রুপ করা হয়।

বাইনারি থেকে অক্ট্যাল রূপান্তর: 
- একটি অক্ট্যাল সংখ্যা তিন বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা যায়। 
- আমরা জানি, বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২ এবং অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮। 
- বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সংখ্যাটির অংকগুলোকে তিন বিট বিশিষ্ট ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এরপর প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে তা বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরিত হয়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১৮.
(1010)2 এর সমতুল্য মানের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) (10)10
  2. খ) (14)8
  3. গ) (A)16
  4. ঘ) সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
খ) (14)8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) (14)8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (1010)2 এর সমতুল্য মানের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?

সমাধান:
৭১৯.
কোন দুটি গেট দিয়ে যেকোন লজিক গেট বানানো সম্ভব?
  1. AND এবং NOT
  2. OR এবং AND
  3. OR এবং NOT
  4. NAND এবং NOR
সঠিক উত্তর:
NAND এবং NOR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND এবং NOR
ব্যাখ্যা

NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭২০.
NAND গেটকে কেন "Universal Gate" বলা হয়?
  1. এটি সবচেয়ে সাধারণভাবে ব্যবহৃত গেট
  2. এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়
  3. এটি কম বিদ্যুৎ খরচ করে
  4. এটি তৈরি করা সহজ
সঠিক উত্তর:
এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়
ব্যাখ্যা
• NAND গেটকে "Universal Gate" বলা হয় কারণ এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়। অর্থাৎ, NAND গেটের সাহায্যে AND, OR, NOT, NOR, XOR প্রভৃতি সকল লজিক গেট ডিজাইন করা সম্ভব। এই গেটটি এতই কার্যকরী যে, শুধুমাত্র NAND গেট দিয়েই একটি পূর্ণ লজিক সার্কিট নির্মাণ করা যায়। তাই, এটি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল ব্যবহৃত। 

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে, 
মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭২১.
অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংককে কত বিট বিশিষ্ট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হয়-
  1. ৮ বিট
  2. ৪ বিট
  3. ৩ বিট
  4. ২ বিট
সঠিক উত্তর:
৩ বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বিট
ব্যাখ্যা
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-

১ = ০০১
২ = ০১০
৩ = ১০১
৪ = ১০০

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২২.
ASCII-8 কোড দ্বারা প্রকাশযোগ্য অংক, অক্ষর এবং চিহ্নের সংখ্যা কত?
  1. 1024 টি
  2. 512 টি
  3. 524 টি
  4. 256 টি
সঠিক উত্তর:
256 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
256 টি
ব্যাখ্যা

• ASCII-8 কোড হলো এক ধরনের অক্ষর সংরক্ষণ প্রণালী যা প্রতিটি অক্ষরকে ৮ বিট বা ১ বাইট ব্যবহার করে প্রকাশ করে। যেহেতু ৮ বিটে সর্বোচ্চ 28 = 256টি পৃথক মান প্রকাশ করা সম্ভব, তাই ASCII-8 কোড দ্বারা সর্বাধিক ২৫৬টি ভিন্ন অক্ষর, সংখ্যা, ও বিশেষ চিহ্নের প্রতিনিধিত্ব করা যায়। এর মধ্যে প্রথম ১২৮টি মান মূল ASCII মান হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং বাকিগুলো বিভিন্ন প্রসারিত বা বিশেষ চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ASCII-8 কোড দ্বারা সর্বোচ্চ ২৫৬টি অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন প্রকাশযোগ্য। সঠিক উত্তর: ঘ) 256 টি।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২৩.
অ্যাসকি কোড কত বিটের কোড?
  1. ৪ বিট
  2. ৭ বিট
  3. ৮ বিট
  4. ৩ বিট
সঠিক উত্তর:
৭ বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বিট
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

• 'A' এর ASCII code = 65.
• 'B' এর ASCII code = 66.
• 'C' এর ASCII code = 67.
• 'a' এর ASCII code = 97.
• 'b' এর ASCII code = 98.
• 'c' এর ASCII code = 99.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২৪.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা নয়?
  1. ক) 101
  2. খ) 367
  3. গ) 452
  4. ঘ) 681
সঠিক উত্তর:
ঘ) 681
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 681
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7.
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 8। যেমন- 101, 367, 452 কিন্তু 681 অক্টাল সংখ্যা নয় কারণ 8 অঙ্কটি অক্টাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭২৫.
নিচের কোন লজিক গেইটের ক্ষেত্রে সবগুলো ইনপুট 1 হলে, আউটপুট 1 হবেনা?
  1. AND
  2. NAND
  3. XNOR
  4. OR
সঠিক উত্তর:
NAND
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND
ব্যাখ্যা
• AND + NOT = NAND গেট।
• NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়। অন্যথায় আউটপুট 1 হয়।
৭২৬.
The hexadecimal number (5DF)16 to decimal is -
  1. 1503
  2. 1513
  3. 1403
  4. 1523
সঠিক উত্তর:
1503
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1503
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) 1503

পূর্ণ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
১। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি ডিজিটকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেজ 16 দ্বারা গুণ করতে হবে।
২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। উদাহরণস্বরূপ: একক স্থানীয় অংককে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংককে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংককে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে।
৩। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার কোনো অংক যদি A, B, C, D, E বা F হয়; তাহলে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
৪। প্রাপ্ত গুণফলগুলোকে যোগ করলে দশমিক সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।



সুতরাং (5DF)16 = (1503)10

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭২৭.
(1100101)2 + (1000101)2 = ?
  1. ক) 10011011
  2. খ) 10101010
  3. গ) 10011001
  4. ঘ) 10101101
সঠিক উত্তর:
খ) 10101010
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 10101010
ব্যাখ্যা
(1100101)2 + (1000101)2 = (10101010)2
৭২৮.
নর (NOR) গেইটের আউটপুট ১ পেতে হলে ইনপুট কত দিতে হবে?
  1. ক) ০, ০
  2. খ) ১, ০
  3. গ) ০, ১
  4. ঘ) ১, ১
সঠিক উত্তর:
ক) ০, ০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০, ০
ব্যাখ্যা
নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
- নিচে ২ ইনপুট বিশিষ্ট নর গেইটের সত্যক সারণি দেখানো হলো -



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৭২৯.
নিচের কোনটি অকটাল সংখ্যা নয়?
  1. ক) ৪১৭
  2. খ) ২৫৬
  3. গ) ৩৫০
  4. ঘ) ৬৫৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬৫৮
ব্যাখ্যা
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ কিন্তু ৪৫৮ অকটাল সংখ্যা নয় কারণ ৮ অকটাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
৭৩০.
নিচের চিত্রে, x = 1 এবং y = 1 হলে, আউটপুট কত?
 
  1. 1
  2. 0
  3. 1 অথবা 0
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা
চিত্রে, x = 1 এবং y = 1 হলে, আউটপুট 1
৭৩১.
৫টি আউটপুট বিশিষ্ট এনকোডারের ইনপুট সংখ্যা কত?
  1. ৪৮টি
  2. ৬৪টি
  3. ৩২টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২টি
ব্যাখ্যা

৫টি আউটপুট বিশিষ্ট এনকোডারের ইনপুট সংখ্যা হলো ৩২টি।

এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যদি 25 = 32টি ইনপুট হয় তাহলে 5টি আউটপুট হবে।
- যদি 26 = 64টি ইনপুট হয় তাহলে 6টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৩২.
নিচের কোন দুটি সিগনালকে প্রথমে NOR গেইট এবং পরে NOT গেইটে পাঠালে আউটপুট মিথ্যা হবে?
  1. ক) 0, 0
  2. খ) 1, 0
  3. গ) 0, 1
  4. ঘ) 1, 1
সঠিক উত্তর:
ক) 0, 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 0, 0
ব্যাখ্যা
 
অর্থাৎ, 0, 0 এই দুটি সিগনালকে প্রথমে NOR তারপর NOT এ পাঠালে আউটপুট মিথ্যা আসবে।
৭৩৩.
বাইনারি সংখ্যার ২ এর পরিপূরক এবং ১ এর পরিপূরক এর মধ্যে পার্থক্য -
  1. ক) ০
  2. খ) ১
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ০ অথবা ১
সঠিক উত্তর:
খ) ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
১ এর পরিপূরক মানে ০ এর স্থলে ১  এবং ১ এর স্থলে ০ হবে।

⇒ ১ এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করলে বাইনারি সংখ্যার ২ এর পরিপূরক পাওয়া যায় ।

⇒ অর্থাৎ বাইনারি সংখ্যার ২ এর পরিপূরক এবং ১ এর পরিপূরক এর মধ্যে পার্থক্য ১.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৩৪.
(123)8 সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. ক) 85
  2. খ) 84
  3. গ) 83
  4. ঘ) 80
সঠিক উত্তর:
গ) 83
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 83
ব্যাখ্যা
(123)8
= (1 x 82) + (2 x 81) + (3 x 80)
= 83
৭৩৫.
(5C)16 = (?)10
  1. 86
  2. 88
  3. 90
  4. 92
সঠিক উত্তর:
92
উত্তর
সঠিক উত্তর:
92
ব্যাখ্যা
⚪ হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(5C)16
= 12 × 160 + 5 × 161
= 12 × 1 + 5 × 16
= 12 + 80
= 92
সুতরাং, (5C)16 = (92)10

.................................
............................................
⚪ দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System):

এটি আমাদের দৈনন্দিন গাণিতিক কাজে ব্যবহৃত সাধারণ সংখ্যা পদ্ধতি। এটি Base-10 অর্থাৎ ১০টি অঙ্ক (০ থেকে ৯) ব্যবহার করে।

উদাহরণ:

345 মানে হচ্ছে

= 3 × 10² + 4 × 10¹ + 5 × 10⁰

= 300 + 40 + 5

= 345

⚪ হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):

এটি Base-16 অর্থাৎ মোট ১৬টি চিহ্ন ব্যবহার করে:

০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F

যেখানে A = 10, B = 11, ..., F = 15

উদাহরণ:

2F মানে হচ্ছে

= 2 × 16¹ + 15 × 16⁰

= 32 + 15 = 47 (Decimal)

⚪ রূপান্তর (Conversion):

⚪ Hex → Decimal:

প্রতিটি অক্ষরকে তার দশমিক মানে রূপান্তর করো এবং base-16 অনুসারে গুন করো।

উদাহরণ: (3B)16 = 3 × 16 + 11 = 59 (Decimal)

⚪ Decimal → Hex:

দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করো। ভাগশেষকে নিচ থেকে উপরের দিকে সাজাও।

উদাহরণ: 9210

92 ÷ 16 = 5, বাকি 12 → 12 = C

ফলাফল: (5C)16

⚪ ব্যবহার:
-
Hexadecimal সাধারণত ব্যবহৃত হয় কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, মেমোরি অ্যাড্রেস, কালার কোডিং ইত্যাদিতে।
- Decimal ব্যবহার হয় আমাদের প্রতিদিনের সংখ্যার কাজে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৩৬.
অর গেইটের বিপরীত গেইট কোনটি?
  1. নর গেইট
  2. এক্স অর গেইট
  3. এক্স নর গেইট 
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নর গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নর গেইট
ব্যাখ্যা
নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

এক্স অর গেইট
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

এক্স নর গেইট
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR)গেইট বলে।
- এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইটর বিপরীত কাজ করে।
- দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৭৩৭.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. ৬১৩
  2. ৩৮৭
  3. ৬৭
  4. ১৭১০
সঠিক উত্তর:
৩৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮৭
ব্যাখ্যা
• ৩৮৭ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:

- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৬১৩, ১৭১০, ৬৭ কিন্তু ৩৮৭ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৭৩৮.
(2AF)16 = (?)10
  1. ক) 687
  2. খ) 532
  3. গ) 456
  4. ঘ) 367
সঠিক উত্তর:
ক) 687
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 687
৭৩৯.
কোন গেট ব্যবহার করে যেকোনো বুলিয়ান ফাংশন বাস্তবায়ন সম্ভব?
  1. NOR
  2. XNOR Gate
  3. NAND
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

• NAND এবং NOR উভয়কেই বলা হয় Universal Gate. কারণ শুধু NAND অথবা শুধু NOR দিয়েই যেকোনো বুলিয়ান ফাংশন (AND, OR, NOT, XOR ইত্যাদি) তৈরি করা যায়।

লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0.
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৪০.
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা A5 এর দশমিক রূপ—
  1. 161
  2. 180
  3. 163
  4. 165
সঠিক উত্তর:
165
উত্তর
সঠিক উত্তর:
165
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতি হলো base-16 সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে ১৬টি অক্ষর ব্যবহার হয়:

অক্ষরগুলো হলো 0, 1, 2, ..., 9, A, B, C, D, E, F
এখানে A = 10, B = 11, ..., F = 15

A5 হেক্সাডেসিমাল এর অর্থ হলো:
A = 10 (Hex), 5 = 5

এখন,
A5 এর দশমিক রূপ, 
 = (A × 16¹) + (5 × 16⁰)
= (10 × 16) + (5 × 1)
= 160 + 5
= 165 (Decimal)

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি - ২; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী (ভোকেশনাল)।
- M. Morris Mano, Digital Logic and Computer Design.
৭৪১.
কোন ইলেক্ট্রনিক লজিক গেইটের সকল ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে?
  1. ক) OR
  2. খ) AND
  3. গ) NOR
  4. ঘ) XOR
সঠিক উত্তর:
গ) NOR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) NOR
ব্যাখ্যা
NOR ইলেক্ট্রনিক লজিক গেইটের আউটপুট 1 হবে শুধুমাত্র যখন সকল ইনপুট 0 হয়।

নর গেইট (NOR Gate):
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে। 


 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪২.
NOR গেইটে আউটপুট 1 পেতে হলে-
  1. সবগুলো ইনপুট 1 হতে হবে
  2. সবগুলো ইনপুট 0 হতে হবে
  3. যেকোনো একটি ইনপুট 0 হতে হবে
  4. যেকোনো একটি ইনপুট 1 হতে হবে
সঠিক উত্তর:
সবগুলো ইনপুট 0 হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো ইনপুট 0 হতে হবে
ব্যাখ্যা
♦ নর গেইট:
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে। 
- NOR গেইটে সবগুলো ইনপুট 0 হলে কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে।


                    চিত্র: NOR গেইট


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪৩.
বাইনারি থেকে অক্টালে কনভার্ট করার সময় প্রতিটি অক্টাল ডিজিটে কয়টি বিট ব্যবহৃত হয়?
  1. ১৬
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• বাইনারি থেকে অক্টালে কনভার্ট করার সময় প্রতিটি অক্টাল (octal) সংখ্যা ৮-এর ঘাত অনুযায়ী তৈরি হয়। কারণ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র ৮টি ডিজিট (0 থেকে 7) ব্যবহার করা হয়। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রতিটি সংখ্যা ২-এর ঘাত অনুযায়ী তৈরি হয় এবং প্রতিটি ডিজিটকে ০ বা ১ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অক্টাল সংখ্যা পেতে, বাইনারি সংখ্যাকে তিনটি করে বিটে ভাগ করা হয়, কারণ ২ = ৮। অর্থাৎ, তিনটি বাইনারি বিট একেকটি অক্টাল সংখ্যা প্রকাশ করতে যথেষ্ট। উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি 101 কে তিনটি বিট হিসেবে নেওয়া হলে এটি অক্টাল 5 হিসাবে প্রকাশ করা যায়। সুতরাং, প্রতিটি অক্টাল ডিজিটের জন্য ৩টি বিট ব্যবহার করা হয়। উত্তর: গ) ৩।

• বাইনারি থেকে অক্ট্যাল রূপান্তর: 
- একটি অক্ট্যাল সংখ্যা তিন বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- আমরা জানি, বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২ এবং অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮।
- বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সংখ্যাটির অংকগুলোকে তিন বিট বিশিষ্ট ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়।
- এরপর প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে তা বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরিত হয়।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪৪.
নিচের কোনটি আলফানিউমেরিক কোড নয়?
  1. ক) EANC
  2. খ) ASCII
  3. গ) UNICODE
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই আলফানিউমেরিক কোড
সঠিক উত্তর:
ক) EANC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) EANC
ব্যাখ্যা

৮-বিট বিসিডি কোডের সাহায্যে সংখ্যা, অক্ষরসহ প্রায় সব ধরণের বিশেষ চিহ্ন বা ক্যারেক্টার (যেমন- +, -, ⋆, /, @, $ ইত্যাদি) প্রকাশ করা যায়। এ ধরণের কোডকে আলফানিউমেরিক কোড বলা হয়।
অন্যভাবে বলা যায়, সংখ্যাসূচক চিহ্নের পাশাপাশি অন্যান্য বর্ণ বা চিহ্নের জন্য কম্পিউটারে যে কোড ব্যবহৃত হয় তাকে আলফানিউমেরিক কোড বলে।
আলফানিউমেরিক কোডগুলো হলো : অ্যাসকি কোড (ASCII Code), ইবিসিডিক কোড (EBCDIC Code) ও ইউনিকোড (Unicode)

৭৪৫.
2’s Complement পদ্ধতি কম্পিউটারে সাধারণত কোন ধরনের কাজে ব্যবহার করা হয়?
  1. Character প্রকাশ করতে
  2. Floating Point প্রকাশ করতে
  3. ধনাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
  4. ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
ব্যাখ্যা

• 2’s Complement পদ্ধতি কম্পিউটারে প্রধানত ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে ব্যবহার করা হয়। এটি একটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি যা ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যাকে একই ধরণের বাইনারি রূপে উপস্থাপন করতে সক্ষম। 2’s Complement ব্যবহার করলে বিটের সর্বোচ্চ মানকে চিহ্নবিট হিসেবে ধরে ঋণাত্মক সংখ্যা সহজভাবে গণনা করা যায় এবং ধনাত্মক সংখ্যার সঙ্গে যোগ-বিয়োগ করা যায় কোনো অতিরিক্ত জটিল প্রক্রিয়া ছাড়াই। এতে কম্পিউটার arithmetic operations যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ অনেক সহজ এবং দ্রুত হয়। এছাড়া, এই পদ্ধতি overflow নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং hardware design-এ সুবিধাজনক।
- তাই এটি character বা floating point প্রকাশের জন্য নয়, বরং ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়।

২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।

উদাহরণ: 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭৪৬.
কোন লজিক গেইটের ক্ষেত্রে সমস্ত ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হবে না?
  1. OR
  2. XNOR
  3. NAND
  4. AND
সঠিক উত্তর:
NAND
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND
ব্যাখ্যা
⚪ অপশন আলোচনা:
ক) OR গেইট: OR গেইটে যদি সব ইনপুট 1 থাকে, তবে আউটপুট হবে 1। কারণ OR গেইটে কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 থাকলেই আউটপুট 1 হয়।

খ) XNOR গেইট: XNOR গেইটে ইনপুটগুলো একে অপরের সমান হলে আউটপুট 1 হয়। সব ইনপুট 1 থাকলে আউটপুট হবে 1, কারণ 1 এবং 1 একে অপরের সমান।

গ) NAND গেইট: NAND গেইটে সব ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0। NAND গেইটের আউটপুট হচ্ছে NOT-AND, অর্থাৎ AND গেইটের বিপরীত। AND গেইটের আউটপুট 1 হলে, NAND গেইটের আউটপুট 0 হয়।

ঘ) AND গেইট: AND গেইটে সব ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 1, কারণ AND গেইটে সব ইনপুট 1 থাকলে আউটপুটও 1 হয়।

• AND + NOT = NAND গেট।
• NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়। অন্যথায় আউটপুট 1 হয়।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪৭.
(0.46)10 এর বাইনারি রূপ কোনটি?
  1. (0.01110...)2
  2. (0.01011...)2
  3. (0.10101...)2
  4. (0.11001...)2
সঠিক উত্তর:
(0.01110...)2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(0.01110...)2
ব্যাখ্যা

• (0.46)10 এর বাইনারি রূপ (0.01110...)2



উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৭৪৮.
Which base numbering system is commonly used in computer science?
  1. Binary
  2. Decimal
  3. Octal
  4. Hexadecimal
সঠিক উত্তর:
Binary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Binary
ব্যাখ্যা
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বা দ্বিমিক সংখ্যা পদ্ধতি একটি সংখ্যা পদ্ধতি যাতে সকল সংখ্যাকে কেবলমাত্র ০ এবং ১ দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এই সংখ্যাপদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। তাছাড়া প্রায় সকল আধুনিক কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- বাইনারি পদ্ধতিতে প্রতিটি অঙ্ককে বিট বলা হয়।

• সংখ্যা পদ্ধতিকে সাধারণত ৪ ভাগে ভাগ করা হয়।
(১) ডেসিমেল নাম্বার সিস্টেম,
(২) বাইনারী নাম্বার সিস্টেম,
(৩) অক্টাল নাম্বার সিস্টেম ‍ও
(৪) হেক্সা ডেসিমেল নাম্বার সিস্টেম।

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্য পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়। এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- বাইনারিতে দুটি অংক ব্যবহৃত হয় বিধায় এ পদ্ধতির বেজ ২। (১১০), (১১০১), (১০১.০১১) ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যার উদাহরণ।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে। আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৪৯.
কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে কোনটি?
  1. এনকোডার
  2. ডিকোডার
  3. অ্যাডার
  4. রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
ডিকোডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিকোডার
ব্যাখ্যা
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে। 
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।

• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১. হাফ-অ্যাডার:
-  যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।
২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।
- n টি বিট দিয়ে 2n টি বাইনারি সংখ্যা লেখা যায়। যেমন- 3টি বিট দিয়ে 0000(0) থেকে 111(7) পর্যন্ত 2n = 8টি বাইনারি সংখ্যা লেখা সম্ভব।
- সুতরাং আউটপুট লাইনগুলোকে 0,1,2.... ইত্যাদি নম্বর দিলে ডিকোডারের সাহায্যে বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করা যা

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৫০.
দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির 20 - এর হেক্সাডেসিমেল মান কত?
  1. F
  2. 20
  3. 24
  4. 14
সঠিক উত্তর:
14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14
ব্যাখ্যা

হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস - ১৬ যেখানে দশমিক পদ্ধতির বেস - ১০।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা গুলো হচ্ছে - 0,1,2,3,4,5,6,7,8,9,A,B,C,D,E,F।
সংখ্যা ও অক্ষর উভয়ই থাকার কারনে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।
দশমিক - 20 এর হেক্সাডেসিমাল মান - 14; অক্টাল মান - 24 এবং বাইনারি মান - 10100

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

৭৫১.
একটি OR গেইটের একটি ইনপুট Low এবং অন্যটি High হলে আউটপুট কত ?
  1. ক) Low
  2. খ) high
  3. গ) low-high
  4. ঘ) high low
সঠিক উত্তর:
খ) high
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) high
ব্যাখ্যা
Low মানে ০
High মানে ১
০ + ১ =১ (high) 
৭৫২.
00111+10101 এর বাইনারি সংখ্যার যোগফল কত?
  1. ক) 11000
  2. খ) 11101
  3. গ) 11100
  4. ঘ) 01100
সঠিক উত্তর:
গ) 11100
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 11100
ব্যাখ্যা
বাইনারি যোগ:
দুটি বাইনারি অংক যোগের জন্য চারটি নিম্নরূপ অবস্থা পাওয়া যায়:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 0 এবং এর সাথে হাতে 1 থাকবে (হাতে থাকাকে ক্যারি (Carry) বলে)। 


সুতরাং, 00111+10101 = 11100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫৩.
ASCII কোডটি আবিষ্কার করে-
  1. Bell lab
  2. ANSI
  3. Xerox cor.
  4. Sony Cor.
সঠিক উত্তর:
ANSI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ANSI
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫৪.
যেসব দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে আট বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয়, সে সব ক্ষেত্রে কোন কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ইউনিকোড
  2. অ্যাসকি কোড
  3. বিসিডি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
সঠিক উত্তর:
ইউনিকোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিকোড
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,535 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে ৪ বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয় সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫৫.
নিচের কোনটি NAND গেইট?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা
    • NAND গেইট:
    → AND গেইট + NOT গেইট = NAND গেইট।
    → NAND গেইট AND গেইটের বিপরীত।
    → NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়। অন্যথায় আউটপুট 1 হয়।
    → অর্থাৎ, NAND গেইটে দুটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।
    → NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
    → কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

    figure: NAND গেইট।

    figure: NAND গেইটের সত্যক সারণি।

    অপশন আলোচনা:
    ..........................................................................................................
    অপশন (ক) → AND গেইট।

    ............................................................................................................
    অপশন (খ) → OR গেইট।

    ............................................................................................................
    অপশন (গ) → NOR গেইট।

    .............................................................................................................
    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ৭৫৬.
    2 বিটে সর্বোচ্চ কতটি ভিন্ন সংখ্যা প্রকাশ করা যায়?
    1. 2
    2. 3
    3. 4
    4. 8
    সঠিক উত্তর:
    4
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    4
    ব্যাখ্যা

    ◉ বিট (Bit) হল বাইনারি ডিজিট (0 বা 1)।
    2 বিট দিয়ে তৈরি সম্ভাব্য সংখ্যা: 
    00 (দশমিকে 0)
    01 (দশমিকে 1)
    10 (দশমিকে 2)
    11 (দশমিকে 3)

    মোট 4টি ভিন্ন সংখ্যা (0 থেকে 3 পর্যন্ত) প্রকাশ করা যায়।

    বিট ও বাইট:
    - ১ বাইট =৮ বিট।
    - বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
    - বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
    - ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
    - ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
    - ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
    - ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
    - ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
    - ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
    - ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
    - ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
    - ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
    - ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
    - ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।

    ৭৫৭.
    MAC address কোন ফরম্যাটে লেখা হয়?
    1. Binary format
    2. Octal format
    3. Decimal format
    4. Hexadecimal format
    সঠিক উত্তর:
    Hexadecimal format
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Hexadecimal format
    ব্যাখ্যা
    - MAC address হল একটি 12-সংখ্যার হেক্সাডেসিমেল নাম্বার (6-বাইট বাইনারি নম্বর), যা বেশিরভাগ কোলন-হেক্সাডেসিমেল নোটেশন ব্যবহার করা হয়। 
    - ইহা একটি ৪৮ বিট বিশিষ্ট নাম্বার। 
    - MAC address মূলত এই ফরমেট অনুসরণ করে: XX:XX:XX:XX:XX:XX
    - ইহা একটি ইউনিক এড্রেস। দুটি ডিভাইসের একই MAC ঠিকানা থাকতে পারে না।
    ৭৫৮.
    100111 (base 2) কে base 10-এ রূপান্তর করলে কত পাওয়া যায়?
    1. 45
    2. 37
    3. 39
    4. 21
    সঠিক উত্তর:
    39
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    39
    ব্যাখ্যা

    • 100111 (base 2) কে base 10-এ রূপান্তর করলে 39 পাওয়া যায়। 

    • বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
    - বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
    - গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
    - প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

    এখানে,
    100111
    = 1 × 25 + 0 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 1 × 20
    = 32 + 0 + 0 + 4 + 2 + 1
    = 39

    অতএব, 100111 (base 2) কে base 10-এ রূপান্তর করলে 39 পাওয়া যায়। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

    ৭৫৯.
    101B সংখ্যাটি কোন পদ্ধতিতে লেখা হয়েছে? 
    1. ক) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
    2. খ) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
    3. গ) ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
    4. ঘ) অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
    সঠিক উত্তর:
    খ) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
    ব্যাখ্যা
    হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
    (Hexa Decimal)হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ ১৬।
    এই পদ্ধতিতে গণনার জন্য ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F এই ১৬টি চিহ্নব্যবহার হয়।
    ছোট-বড় প্রায় সকল কম্পিউটারে এই গণনা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

    101B সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা হয়েছে। 

    উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
    ৭৬০.
    14 এর 2 এর পরিপূরক কত?
    1. ক) 00101011
    2. খ) 11001001
    3. গ) 111110011
    4. ঘ) 11110010
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) 11110010
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) 11110010
    ব্যাখ্যা
    14 এর বাইনারি = 1110
    8 বিটে লিখে পাই = 0000 1110
    1 এর পরিপূরক = 11110001
    1 যোগ করে পাই,
    = 11110001 + 1
    = 11110010
    ৭৬১.
    নিচের কোনটি অক্টাল নাম্বার?
    1. ক) A3
    2. খ) 909
    3. গ) 4004
    4. ঘ) CA2
    সঠিক উত্তর:
    গ) 4004
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গ) 4004
    ব্যাখ্যা

    Octal number system এ আটটি অংক ব্যবহৃত হয়।
    যথা- ০,১,২,৩,৪,৫,৬ এবং ৭। 

    Binary number system এ দুইটি অংক ব্যবহৃত হয়।
    যথা- ০,১।

    Decimal number system এ দশটি অংক ব্যবহৃত হয়।
    যথা- ০,১,২,৩,৪,৫,৬, ৭, ৮, ৯। 

    Hexadecimal number system এ ষোলটি অংক ব্যবহৃত হয়।
    যথা- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F। 

    অপশনগুলোর মধ্যে 4004 হচ্ছে অক্টাল নাম্বার।

    ৭৬২.
    (726)10 কে base-16 এ প্রকাশ করলে মান কত হয়?
    1. 2D6
    2. 2E5
    3. 3F4
    4. 2E3
    সঠিক উত্তর:
    2D6
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2D6
    ব্যাখ্যা

    • (726)10 কে base-16 এ প্রকাশ করলে মান কত হয়: 2D6

    • দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর: 
    - দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে 16 দ্বারা (যেহেতু হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16) উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল শূন্য (০) হয়।
    - অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ অংক (LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাম থেকে ডানে সাজালে সংখ্যাটির সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।

    ১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
    ২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
    ৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
    ৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
    ৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০→ A, ১১→ B, ১২→ C, ১৩→ D, ১৪→ E ও ১৫→ F সংখ্যা লিখতে হবে।

     

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৭৬৩.
    বুলিয়ান অ্যালজেব্রার কোন সূত্রটি ভুল বা ত্রুটিপূর্ণ?
    1. A + A = A
    2. A ⋅ A = A
    3. A + Ā = 0
    4. A ⋅ Ā = 0
    সঠিক উত্তর:
    A + Ā = 0
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    A + Ā = 0
    ব্যাখ্যা

    বুলিয়ান অ্যালজেব্রার পরিপূরক (Complementary) সূত্র অনুযায়ী A + Ā এর মান সর্বদা 1 (এক) হয়, 0 (শূন্য) নয়। অর্থাৎ, A + Ā = 1. 

    বুলিয়ান অ্যালজেবরা:
    - প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুল ১৮৪৭ সালে তাঁর প্রকাশিত প্রথম গ্রন্থ "দ্য ম্যাথমেটিক্যাল অ্যানালাইসিস ওফ লজিক"- এ সর্বপ্রথম বুলিয়ান অ্যালজেবরা নিয়ে আলোচনা করেন।
    - ১৮৫৪ সালে গণিত ও যুক্তির মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে তাঁর "An investigation of the Laws of Thought" গ্রন্থে বুলিয়ান অ্যাালজেবরা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
    - মূলত সত্য ও মিথ্যা এই দুই লজিকের ওপর ভিত্তি করে আলোচনা করা হয়।
    - বাইনারি সংখ্যা আবিষ্কারের পর বুলিয়ান অ্যাালজেবরায় সত্য ও মিথ্যাকে বাইনারি 1 ও0 দিয়ে পরিবর্তন করার মাধ্যমে কম্পিউটারে অঙ্ক কষার সমস্ত গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়।
    - জর্জ বুল'কে বুলিয়ান অ্যালজেবরার আবিষ্কারক বলা হয়।

    বুলিয়ান এলজেবরার সাধারণ মৌলিক উপপাদ্য:
    A + 0 = A
    A + Ā = 1
    A + A = A
    A + 1 = 1
    A . 1 = A
    A . Ā = 0
    A . A = A
    A . 0 = 0

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

    ৭৬৪.
    নিচের কোনটি NOR গেইট?
      সঠিক উত্তর:
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ব্যাখ্যা
      • NOR গেইট:
      - OR গেইট + NOT গেইট = NOR গেইট।
      - NOR গেইট OR গেইটের বিপরীত।
      - NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
      - কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

      figure: NOR গেইট।

      অপশন আলোচনা:

      এটি AND গেইট।


      এটি OR গেইট।


      এটি NAND গেইট।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
      ৭৬৫.
      ডিজিটাল লজিকে ‘1’ মানে কী বোঝায়?
      1. False
      2. 0 ভোল্ট
      3. High Voltage
      4. None
      সঠিক উত্তর:
      High Voltage
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      High Voltage
      ব্যাখ্যা
      ডিজিটাল লজিক-এ মাত্র দুটি লজিক স্তর (logic levels) ব্যবহার করা হয়:

      0 → Low Voltage (লজিক 0)
      1 → High Voltage (লজিক 1)

      এখানে ‘1’ মানে True বা ON অবস্থা বোঝায়, যা সাধারণত High Voltage দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
      - ভোল্টেজের সঠিক মান বিভিন্ন সার্কিটে ভিন্ন হতে পারে (যেমন: TTL logic এ 5V, CMOS logic এ 3.3V ইত্যাদি), কিন্তু ধারণাগতভাবে ‘1’ মানেই হচ্ছে উচ্চ ভোল্টেজ স্তর।

      তথ্যসূত্র:
      - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , ৯ম ও ১০ম শ্রেণী। 
      - Morris Mano – Digital Logic and Computer Design.
      - IEEE Digital Design Standards.
      ৭৬৬.
      Binary পদ্ধতিতে কয়টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়?
      1. ক) ১টি
      2. খ) ২টি
      3. গ) ৩টি
      4. ঘ) ৪টি
      সঠিক উত্তর:
      খ) ২টি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      খ) ২টি
      ব্যাখ্যা

      - বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বা দ্বিমিক সংখ্যা পদ্ধতি (ইংরেজি: Binary number system) একটি সংখ্যা পদ্ধতি যাতে সকল সংখ্যাকে কেবলমাত্র ০ এবং ১ দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
      - এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি দুই।
      - ডিজিটাল ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এই সংখ্যাপদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। তাছাড়া প্রায় সকল আধুনিক কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
      - বাইনারি পদ্ধতিতে প্রতিটি অঙ্ককে বিট বলা হয়। 

      ৭৬৭.
      (735)8 এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
      1. 477
      2. 377
      3. 278
      4. 378
      সঠিক উত্তর:
      477
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      477
      ব্যাখ্যা

      ◉ 735 অক্টাল সংখ্যার দশমিক সমতুল্য মান হলো 477.

      অক্ট্যাল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
      অক্ট্যাল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ৮ দ্বারা গুণ করতে হবে। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ৮ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
      যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ৮ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ৮ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ৮ দশমিক মান পাওয়া যাবে।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ৭৬৮.
      ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিকে কী বলে?
      1. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
      2. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
      3. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
      4. কোনটিই নয়
      সঠিক উত্তর:
      পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
      ব্যাখ্যা
      • সংখ্যা পদ্ধতি (Number System):
      - প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
      - সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

      ১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-Positional Number System):
      - নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
      - নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
      - তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
      - প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

      ২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System):
      - কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
      - ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

      উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৭৬৯.
      হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 13A কে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে কোন মানটি পাওয়া যাবে?
      1. 272
      2. 388
      3. 502
      4. 472
      সঠিক উত্তর:
      472
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      472
      ব্যাখ্যা
      • হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 13A কে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে 472 পাওয়া যাবে।

      - হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল এ প্রকাশ করার জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটিকে বাইনারি তে প্রকাশ করতে হয়।
      - তারপর বাইনারি থেকে অক্টালে নিতে হয়।
      - হেক্সাডেসিমেল এর 1 বিটকে বাইনারি 4 বিটে রূপান্তরিত করা হয়।
      - অক্টাল এর 1 বিটকে বাইনারির 3 বিটে রূপান্তরিত করতে হয়।
      ৭৭০.
      ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে অ্যাডারের প্রধান কাজ কী?
      1. দুইটি বাইনারি সংখ্যা বিয়োগ করা
      2. দুইটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করা
      3. দুইটি বাইনারি সংখ্যা গুণ করা
      4. দুইটি বাইনারি সংখ্যা ভাগ করা
      সঠিক উত্তর:
      দুইটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করা
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      দুইটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করা
      ব্যাখ্যা
      • ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে অ্যাডারের প্রধান কাজ হলো দুইটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করা। এটি একটি মৌলিক সার্কিট যা দুটি বাইনারি সংখ্যার bit-by-bit যোগফল নির্ণয় করে। অ্যাডার সাধারণত কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়, যেখানে দ্রুত ও সঠিক গণনার জন্য এটি অপরিহার্য। অ্যাডার দুই ধরনের হয়—হাফ অ্যাডার এবং ফুল অ্যাডার। হাফ অ্যাডার দুটি বিট যোগ করতে পারে, আর ফুল অ্যাডার অতিরিক্ত ক্যারি বিটসহ কাজ করে। তাই, ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে অ্যাডারের প্রধান উদ্দেশ্য হল দুইটি বাইনারি সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করা।

      সঠিক উত্তর: খ) দুইটি বাইনারি সংখ্যা যোগ করা।

      • অ্যাডার:
      - কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে অ্যাডার।
      - কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
      - গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
      - আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
      - কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

      • ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে দুই ধরনের অ্যাডার আছে। যথা:
      ১. হাফ-অ্যাডার ও
      ২. ফুল-অ্যাডার।

      • ডিকোডার:
      - ডিকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডকে মানুষের বোধগম্য ফরম্যাটে রূপান্তরিত করে।

      • এনকোডার:
      - এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।

      উৎস:
      ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
      ৭৭১.
      নিচের কোন লজিক গেইটে শুধুমাত্র ১টি ইনপুট ও ১টি আউটপুট থাকে?
      1. ক) AND
      2. খ) OR
      3. গ) NOT
      4. ঘ) NAND
      সঠিক উত্তর:
      গ) NOT
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      গ) NOT
      ব্যাখ্যা
      নট গেইট: 
      - এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
      - যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
      - এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.



      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৭৭২.
      বুলিয়ান বীজগণিতে একটি চলকের কয়টি মান থাকতে পারে?
      1. ১ টি
      2. ২ টি
      3. ৩ টি
      4. অসংখ্য
      সঠিক উত্তর:
      ২ টি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ২ টি
      ব্যাখ্যা
      ♦ বুলিয়ান অ্যালজেবরা:
      - সাধারণ বীজগণিতে কোন চলক বা ভেরিয়েবলের বিভিন্ন মান হতে পারে।
      - বুলিয়ান বীজগণিতে একটি চলকের কেবল দু'টি মান 'সত্য' (True বা T কিংবা 1) অথবা 'মিথ্যা' (False বা F কিংবা 0) হতে পারে।
      - এটি একই সাথে অপটিক্যাল ফাইবারে আলোহীন বা আলোযুক্ত অবস্থা হতে পারে

      • বুলিয়ান অ্যালজেবরায় তিনটি মৌলিক ক্রিয়া আছে। যথা-
      ১. বুলিয়ান যোগের ক্রিয়া (Logical OR Operation), 
      ২. বুলিয়ান গুণের ক্রিয়া (Logical AND Operation) ও
      ৩. বুলিয়ান পূরকের ক্রিয়া (Logical NOT Operation)।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
      ৭৭৩.
      দশমিক সংখ্যা ১০ এর বাইনারি মান কত?
      1. ক) ১১০০
      2. খ) ১০১০
      3. গ) ১০০১
      4. ঘ) ১০১১
      সঠিক উত্তর:
      খ) ১০১০
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      খ) ১০১০
      ৭৭৪.
      (25)10 = (?)8
      1. 37
      2. 31
      3. 19
      4. 33
      সঠিক উত্তর:
      31
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      31
      ব্যাখ্যা
      Divide by the base 8 to get the digits from the remainders:
      Division
      by 8
      Quotient

      Remainder

      (Digit)
      Digit #
      (25)/8 3 1 0
      (3)/8 0 3 1

      = (31)8
      ৭৭৫.
      কোন লজিক গেইট একই ইনপুটের জন্য সর্বদা বিপরীত আউটপুট দেয়?
      1. OR গেইট
      2. AND গেইট
      3. NOT গেইট
      4. XOR গেইট
      সঠিক উত্তর:
      NOT গেইট
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      NOT গেইট
      ব্যাখ্যা

      ◉ NOT গেইট একটি ইনভার্টিং (Inverting) লজিক গেইট, যা একটি ইনপুটের জন্য সর্বদা বিপরীত আউটপুট প্রদান করে

      নট গেইট: 
      এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
      - যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
      - এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে । এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

      ৭৭৬.
      নিচের কোনটি সর্বাধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা নির্দেশ করে?
      1. ক) পেটাবাইট
      2. খ) জেটাবাইট
      3. গ) টেরাবাইট
      4. ঘ) এক্সাবাইট
      সঠিক উত্তর:
      খ) জেটাবাইট
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      খ) জেটাবাইট
      ব্যাখ্যা
      (ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
      (খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
      (গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
      (ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
      (ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
      (চ) ১০২৪ টেরাবাইট =১ পেটাবাইট (PB)
      (ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
      (জ) ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
      (ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট =১ ইট্রাবাইট (YB)

      ইট্টাবাইট(YB)> জেটাবাইট(ZB)> এক্সাবাইট(EB)> পেটাবাইট(PB)> টেরাবাইট(TB)> গিগাবাইট(GB)> মেগাবাইট(MB)> কিলোবাইট(KB> বাইট(B)
      বিট(B): বিট এখানে সবচেয়ে ছোট এবং ৮ বিট মিলে হয় এক বাইট।


      কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
      বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

      উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
      ৭৭৭.
      কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি?
      1. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
      2. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
      3. হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি
      4. ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি
      সঠিক উত্তর:
      ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি
      ব্যাখ্যা

      ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি হচ্ছে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

      নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
      - নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
      - নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হসেবে ব্যবহার করা হতো।
      - তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
      - প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

      অন্যদিকে,
      - ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।
      - যেমন: বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি,দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি, হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি।

      উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ৭৭৮.
      অক্টাল সংখ্যা (34)8 এর সঠিক বাইনারি রূপ কোনটি?
      1. 011101
      2. 011100
      3. 101100
      4. 010101
      সঠিক উত্তর:
      011100
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      011100
      ব্যাখ্যা

      • অক্টাল সংখ্যা (34)8 এর সঠিক বাইনারি রূপ হচ্ছে: 011100

      • অক্টাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:

      - যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
      - অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-
      3 = 011
      4 = 100

      ∴ (34)8 = (011100)2

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ৭৭৯.
      বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির প্রথম ধারণা দেন কে? 
      1. গটফ্রেইড লিবনিজ
      2. জর্জ বুল
      3. রে টমলিনসন
      4. ওয়াল্টার ব্রাটেইন
      সঠিক উত্তর:
      গটফ্রেইড লিবনিজ
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      গটফ্রেইড লিবনিজ
      ব্যাখ্যা
      বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
      - বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্য পদ্ধতি। 
      - এ পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়। 
      - গটফ্রেইড লিবনিজ বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির প্রথম ধারণা দেন। 
      - এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়। 
      - বাইনারিতে দুটি অংক ব্যবহৃত হয় বিধায় এ পদ্ধতির বেজ ২। 
      যেমন- (১১০), (১১০১), (১০১.০১১) ইত্যাদি। 
      - কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে। 
      - আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে। 

      উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৭৮০.
      ডেসিমালে ‘৩১’ সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমালে কত?
      1. ক) 1A
      2. খ) 1B
      3. গ) 1D
      4. ঘ) 1F
      সঠিক উত্তর:
      ঘ) 1F
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ঘ) 1F
      ৭৮১.
      নিচের কোনটি দিয়ে যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যাবে?
      1. NAND
      2. AND
      3. OR
      4. NOT
      সঠিক উত্তর:
      NAND
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      NAND
      ব্যাখ্যা
      ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ন্যান্ড (NAND) গেইট, নর (NOR) গেইট দ্বারা সকল ধরনের গেইট বাস্তবায়ন করা যায় বলে এদেরকে সার্বজনীন গেইট বলে।
      সার্বজনীন গেইট তৈরি করার খরচ কম বিধায় ডিজিটাল সার্কিটে এই গেইট বেশি ব্যবহার করা হয়৷
      উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
      ৭৮২.
      (15.25)10 - এর বাইনারি মান কত হবে?
      1. 1001.10
      2. 1101.01
      3. 1111.10
      4. 1111.01
      সঠিক উত্তর:
      1111.01
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      1111.01
      ব্যাখ্যা
      পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর -
      ১. দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে 2 দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে
      ২. ভাগফলকে পুনরায় 2 দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
      ৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য 0 হয়।
      ৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা।
      ভগ্নাংশ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর -
      ১. ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি 2 দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
      ২. এভাবে ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি 2 দিয়ে গুণ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না গুণফলের ভগ্নাংশ 0 হয়।
      ৩. অত:পর প্রাপ্ত পূর্ণ অংশ শুরু থেকে শেষের দিকে করে সাজালেই কাঙ্খিত সংখ্যাটি পেয়ে যাবে।
      উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
      ৭৮৩.
      32 টি ইনপুট লাইন বিশিষ্ট এনকোডারে কয়টি আউটপুট লাইন থাকবে?
      1. ক) 4 টি
      2. খ) 6 টি
      3. গ) 7 টি
      4. ঘ) 5 টি
      সঠিক উত্তর:
      ঘ) 5 টি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ঘ) 5 টি
      ব্যাখ্যা
      - এনকোডার হলো এক ধরনের সমবায় সার্কিট যা কোন ডেটা, সিগন্যাল বা সংকেতকে ডিজিটাল সিস্টেমে বোধগম্য কাংঙ্খিত কোন কোডে পরিবর্তন করে।
      - এনকোডারে কোন মুহুর্তে একটি মাত্র ইনপুট ১ ও বাকি সব ইনপুট ০ থাকে।
      - একই সময়ে সকল ইনপুট ০ হয় না।
      - সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে আউটপুট পাওয়া যায়।
      - এখানে, ইনপুট 32 = 25 টি তাহলে, আউটপুট 5 টি।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
      ৭৮৪.

      F এর মান - 
      1. ক) A
      2. খ) A+B
      3. গ) AB
      4. ঘ) A(A+B)
      সঠিক উত্তর:
      গ) AB
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      গ) AB
      ব্যাখ্যা

      F এর মান = AB(A + B)
      = AAB + ABB
      = AB + AB
      = AB
      ৭৮৫.
      (1011)2 এর দশমিক রূপ কত?
      1. ক) (10)10
      2. খ) (11)10
      3. গ) (12)10
      4. ঘ) (13)10
      সঠিক উত্তর:
      খ) (11)10
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      খ) (11)10
      ৭৮৬.
      এনকোডার দ্বারা ৬৪ টি ইনপুট থেকে কতটি আউটপুট পাওয়া যায়?
      1. ৪টি
      2. ৫টি
      3. ৬টি
      4. ৮টি
      সঠিক উত্তর:
      ৬টি
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ৬টি
      ব্যাখ্যা
      • এনকোডার:
      - এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
      - এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
      - যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
      - যদি 25 = 32টি ইনপুট হয় তাহলে 5টি আউটপুট হবে।
      - যদি 26 = 64টি ইনপুট হয় তাহলে 6টি আউটপুট হবে।
      - যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
      - এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ৭৮৭.
      যদি একটি কাউন্টারে 'n' সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে, তবে তার মডিউলাস বা মোড নাম্বার কত হবে?   
      1. n2
      2. 2n
      3. 2n
      4. n + 1
      সঠিক উত্তর:
      2n
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      2n
      ব্যাখ্যা

      • কাউন্টার:
      - কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
      - কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
      - কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
      - যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
      - একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
      - কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
      - কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n
      - কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

      ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
      - ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
      - টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
      - ডিজিটাল ঘড়িতে
      - ডিজিটাল কম্পিউটারে
      - অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ৭৮৮.
      Nano Second বলতে বুঝায় ?
      1. ক) 10-3 Second
      2. খ) 10-6Second
      3. গ) 10-9 Second
      4. ঘ) 10-12 Second
      সঠিক উত্তর:
      গ) 10-9 Second
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      গ) 10-9 Second
      ব্যাখ্যা

      1 Nano Second = 10-9

      ১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগকে ১ ন্যানো সেকেন্ড বলে। অর্থাৎ ১ ন্যানো সেকেন্ড=১০-৯ |

      - ১ মিলি সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের এক ভাগ।
      - ১ মাইক্রো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ।
      - ১ ন্যানো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ।
      - ১ পিকো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের এক লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ।

      উৎস: Britannica.com

      ৭৮৯.
      হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির 'A' কে বাইনারি পদ্ধতিতে কিভাবে লিখা যাবে?
      1. ক) ১০০১
      2. খ) ১০১০
      3. গ) ১১০০
      4. ঘ) ১০১১
      সঠিক উত্তর:
      খ) ১০১০
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      খ) ১০১০
      ৭৯০.
      10 ভিত্তিতে 12-এর 1-এর পরিপূরক নির্ণয় করুন।
      1. 1010
      2. 0100
      3. 0011
      4. 1100
      সঠিক উত্তর:
      0011
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      0011
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: 10 ভিত্তিতে 12-এর 1-এর পরিপূরক নির্ণয় করুন।

      সমাধান:
      (12)10 = (1100)2

      1100 এর 1 এর পরিপূরক = 0011

      উল্লেখ্য, ১-এর পরিপূরক হলো প্রতিটি বিটের বিপরীত রূপ। এটি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে নেতিবাচক সংখ্যার প্রতিনিধিত্বের জন্য ব্যবহার হয়। বাইনারি সংখ্যার ১-এর পরিপূরক বের করা খুবই সহজ, কেবল প্রত্যেকটি বিট উল্টে দিতে হয়।

      উৎস:
      - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

      ৭৯১.
      নিচের কোন Octal সংখ্যাটি Decimal সংখ্যা 52-এর সমতুল্য?
      1. ক) 75
      2. খ) 64
      3. গ) 72
      4. ঘ) 67
      সঠিক উত্তর:
      খ) 64
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      খ) 64
      ব্যাখ্যা
      ৫২কে ৮ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ৬ ও ভাগশেষ ৪ থাকে। 
      ৬কে ৮ দ্বারা ভাগ করলে ভাগফল ০ ও ভাগশেষ ৬ থাকে। 

      ভাগশেষকে নিচ থেকে উপরে সাজালে পাই, ৬৪
      সুতরাং, Decimal সংখ্যা 52-এর সমতুল্য  Octal সংখ্যা = 64
      ৭৯২.
      (C8)16 = (P)10 , এখানে, P এর মান কত হবে? 
      1. 200
      2. 220
      3. 320
      4. 150
      সঠিক উত্তর:
      200
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      200
      ব্যাখ্যা

      • (C8)16 = (P)10 , এখানে, P এর মান 200 হবে। 
      - অর্থাৎ হেক্সাডেসিমেল C8 কে দশমিক সিস্টেমে প্রকাশ করলে 200 হবে। 

      হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
      - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যা রূপান্তর করতে হলে, প্রতিটি অংককে ১৬-এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করতে হবে।

      স্থানীয় মান অনুযায়ী গুণ করা:
      - একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা গুণ করতে হবে।
      - দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা গুণ করতে হবে।
      - শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে, এবং এভাবে বামে যাওয়ার সাথে সাথে ১৬-এর ঘাত বাড়বে।

      হেক্সাডেসিমেল অংকের মান:
      - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা A, B, C, D, E, এবং F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, এবং ১৫ মানের সমান। এই মানগুলোও গুণফলে ব্যবহার করতে হবে।

      চূড়ান্ত হিসাব:
      - গুণফলগুলো যোগ করে, আপনি উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পেতে পারবেন।
      - এভাবে, আপনি সহজেই যে কোন হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করতে পারবেন!

      এখানে,
      (C8)16
      = 12 × 16+ 8 × 160
      = 12 × 16 + 8 × 1
      = 192 + 8
      = 200

      ​সুতরাং, (C8)16= (200)10

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ৭৯৩.
      বুলিয়ান আলজেবরায় কোনটি সঠিক?
      1. ক) A + 1 = A
      2. খ) A + A = 2A
      3. গ) A . A = A
      4. ঘ) A . A' = 1
      সঠিক উত্তর:
      গ) A . A = A
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      গ) A . A = A
      ব্যাখ্যা
      বুলিয়ান উপপাদ্য গুলো হলো-
      A + 0 = A
      A + A = A
      A + A' = 1
      A + 1 = 1
      A . 1 = A
      A . A' = 0
      A . A = A
      A . 0 = 0

      উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
      ৭৯৪.
      হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে, 'D' = ?
      1. 13
      2. 9
      3. 12
      4. 10
      সঠিক উত্তর:
      13
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      13
      ব্যাখ্যা

      হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে, 'D' এর ডেসিমেল মান হলো 13

      হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
      - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
      - অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে।
      - এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E, F.
      - বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
      - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15.
      - (151)16, (1B)16, (ABC.B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ৭৯৫.
      নিচের কোনটি একই ধরনের গেইট?
      1. ক) AND, NOR, NOT
      2. খ) OR, NOT, XNOR
      3. গ) XOR, AND, NOT
      4. ঘ) AND, NOT, OR
      সঠিক উত্তর:
      ঘ) AND, NOT, OR
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ঘ) AND, NOT, OR
      ব্যাখ্যা
      ঘ) অপশনে AND, NOT, OR - তিনটি মৌলিক গেইট।
      ৭৯৬.
      A digital circuit made from logic gates that stores 1 bit of information is called -
      1. Register
      2. Multiplexer
      3. Decoder
      4. Flip-Flop
      সঠিক উত্তর:
      Flip-Flop
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      Flip-Flop
      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর - ঘ) Flip-Flop

      ফ্লিপ-ফ্লপ:
      - ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেট ব্যবহার করে তৈরি একটি ডিজিটাল সার্কিট, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে সক্ষম।
      - প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
      - এটি মূলত এক বিটের জন্য কাজ করে এবং মাল্টিপল বিট পরিচালনা করতে পারে না।
      - একটি ফ্লিপ-ফ্লপের মান ০ অথবা ১ হতে পারে।
      - এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই-স্টেবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

      ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
      1. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
      2. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
      3. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

      ৭৯৭.
      (726.48)10 = (?)16
      1. 2D5.7AE14.....
      2. 2C6.7AE14.....
      3. 2D6.7AE14.....
      4. 2D2.8AE24.....
      সঠিক উত্তর:
      2D6.7AE14.....
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      2D6.7AE14.....
      ৭৯৮.
      কাউন্টার কী?
      1. একটি মেমরি স্টোরেজ সার্কিট
      2. একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
      3. একটি কম্বিনেশনাল সার্কিট
      4. একটি ডিজিটাল টাইমার সার্কিট
      সঠিক উত্তর:
      একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর - খ) একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট

      কাউন্টার:
      - কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
      - কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস বলা হয়) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে। কাউন্ট নির্দিষ্ট সময় পরপর আসতে পারে বা অনিয়মিতভাবেও আসতে পারে।
      - কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স (Sequence) বা ক্রম অনুসরণ করতে পারে, তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
      - যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলা হয়।
      - একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2ⁿ-1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
      - কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
      - কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2ⁿ হয়।
      - কাউন্টারের ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ৭৯৯.
      43 সংখ্যাটির বাইনারি রূপ কোনটি?
      1. ক) 111001
      2. খ) 101101
      3. গ) 101011
      4. ঘ) 110101
      সঠিক উত্তর:
      গ) 101011
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      গ) 101011
      ব্যাখ্যা

      - ডান পাশ থেকে শুরু, 1 থেকে দ্বিগুণ করে যতটা বাইনারি সংখ্যা থাকবে ততটা দশমিক সংখ্যার দ্বিগুণ লিখতে হবে।
      - তারপর বাইনারি সংখ্যার যেগুলোতে 1 থাকবে তত তম দশমিক সংখ্যার সাথে 1 গুণ করতে হবে। যেমন এখানে 6টি বাইনারি সংখ্যা আছে। তাহলে 32-16-8-4-2-1 ছয়টি সংখ্যা লেখা হলো। এখন কোন কোন সংখ্যার যোগফল 43 হবে সেই সংখ্যার জায়গায় 1 বসিয়ে বাকী গুলোতে 0 বসিয়ে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
      (32×1) +(16×0) + (8×1) + (4×0) + (2×1) + (1×1)
      = 32 + 0 + 8 + 0 + 2 + 1
      = 43

      ৮০০.
      AND গেইটে A ও B এর মান শূন্য হলে আউটপুট কী হবে?
      1. ক) 0
      2. খ) 1
      3. গ) 10
      4. ঘ) 11
      সঠিক উত্তর:
      ক) 0
      উত্তর
      সঠিক উত্তর:
      ক) 0
      ব্যাখ্যা
      অ্যান্ড গেইট:
      এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে। অর্থাৎ যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট
      ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে। সবগুলো ইনপুট ১ হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট ১
      হবে; অন্যথায় আউটপুট ০ হবে। নিচে দুই ইনপুট বিশিষ্ট অ্যান্ড গেইটের বর্তনী এবং সত্যক সারণি দেখানো হলো:

       
       
      উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি