বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

মোট প্রশ্ন১,৩২০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ২০১৩০০ / ১,৩২০

২০১.
হেক্সাডেসিমেল নম্বর গঠনের সংমিশ্রণ হলো-
  1. ক) বাইনারি ও ডেসিমেল
  2. খ) অক্ষর ও ডেসিমেল
  3. গ) বাইনারি ও অক্টাল
  4. ঘ) অক্টাল ও ডেসিমেল
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাতে 0-9 এবং A, B, C, D, E এবং F অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
২০২.
যে কম্পিউটার ভাষায় সবকিছু শুধুমাত্র বাইনারি কোডে লেখা হয় তাকে বলে-
  1. ক) Machine language
  2. খ) C
  3. গ) Java
  4. ঘ) Python
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা(Machine Language)। এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1 এবং 0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে। এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।

সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

২০৩.
কোন কোম্পানি EBCDIC ডেভেলপ করেছিল?
  1. Microsoft
  2. IBM
  3. Intel
  4. Apple
ব্যাখ্যা
• EBCDIC (Extended Binary Coded Decimal Interchange Code) হলো একটি অক্ষর কোডিং সিস্টেম যা IBM কোম্পানি তৈরি করেছিল। এটি মূলত মেইনফ্রেম কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হত, যেখানে ক্যারেক্টারগুলিকে বাইনারি ফর্মে রূপান্তর করা হয়। EBCDIC কোডিং সিস্টেমটি ASCII এর বিকল্প হিসেবে তৈরি হয়েছিল, যা IBM এর নিজস্ব কম্পিউটার প্ল্যাটফর্মে বেশি ব্যবহার করা হয়।
- অন্যদিকে, Microsoft, Intel, এবং Apple এর তৈরি কোডিং সিস্টেম বা ক্যারেক্টার এনকোডিং আলাদা এবং EBCDIC এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাই EBCDIC ডেভেলপ করেছিল IBM।
- সঠিক উত্তর: খ) IBM

• ইবিসিডিক কোড:
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড।
- সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।
- এই কোডে জোন বিট হিসেবে 0 থেকে 9 পর্যন্ত, সংখ্যার জন্য 1111, A থেকে Z পর্যন্ত বর্ণের জন্য 1100, 1101, 1110 এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য 0100, 0101, 0110 ও 0111 ব্যবহৃত হয়।
- দশমিক সংখ্যাগুলোকে BCD 8421 কোডের মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রত্যেক সংখ্যার সাথে 1111 যোগ করে EBCDIC কোড প্রকাশ করা হয়।

- যেমন- 5 কে EBCDIC-এ প্রকাশ করতে হলে 5 কে প্রথমে BCD 8421 অর্থাৎ 0101-এ প্রকাশ করে এর সাথে 1111 যোগ করতে হবে। কাজেই 5-এর EBCDIC হবে 111101011
'A' এর জন্য EBCDIC 1100 0001
'N' এর জন্য EBCDIC 1010 1100 ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৪.
(27.5)16 সংখ্যাটির অক্ট্যাল সংখ্যা কত?
  1. 37.24
  2. 39.31
  3. 47.24
  4. 49.31
ব্যাখ্যা

২০৫.
কাউন্টার সার্কিট সম্পর্কে নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. কম্বিনেশনাল সার্কিট
  2. সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
  3. এনালগ সার্কিট
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

◉ কাউন্টার একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, কারণ এটি বর্তমান স্টেট এবং ক্লক সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে আউটপুট নির্ধারণ করে।

কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
- ডিজিটাল ঘড়িতে
- ডিজিটাল কম্পিউটারে
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৬.
কোন গেইটকে NOR গেইট ব্যবহার করে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে?
  1. OR Gate
  2. AND Gate
  3. NOT Gate
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে, তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।

• কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে তিনটি মৌলিক গেইট রয়েছে, যথা:
- অর গেইট (OR Gate),
- অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
- নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইটের সাহায্যে মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT)সহ যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়, তাকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- NAND গেইট,
- NOR গেইট।

- এই দুটি গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয় কারণ শুধুমাত্র NAND গেইট অথবা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২০৭.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. 1234
  2. 7667
  3. 3181
  4. 6276
ব্যাখ্যা

3181 অক্টাল সংখ্যা নয়।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি বা বেস হলো 8।
- এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত মোট আটটি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়।
- অর্থাৎ, কোনো সংখ্যায় যদি 8 বা 9 অঙ্ক দুটি থাকে, তাহলে সেটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।
- 3181 সংখ্যাটিতে 8 অঙ্কটি রয়েছে, যা অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির নিয়মের পরিপন্থী। তাই এটি একটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের (.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২।
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি- ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

২০৮.
(5535)8 = ('?')16
  1. C5E
  2. A6D
  3. B5D
  4. D2A
ব্যাখ্যা
• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করার জন্য প্রথমে অক্টাল থেকে বাইনারি এবং পরবর্তীতে বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেলে রুপান্তর করে সহজেই তা সমাধান করা যায়।

• (5535)8 কে বাইনারি রূপান্তর: অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংককে ৩ বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।

এখানে,
অক্টাল 5 = বাইনারি 101
অক্টাল 3 = বাইনারি 11 

• (101101011101)2 হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর: কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৪ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।

এখানে,
বাইনারি 1011 = হেক্সাডেসিমেল B
বাইনারি 0101 = হেক্সাডেসিমেলে 5
বাইনারি 1101 = হেক্সাডেসিমেলে D

∴ (5535)8 = (B5D)16
২০৯.
NAND গেইট কোন দুটি গেইটের সমন্বিত রূপ?
  1. AND Gate, NOT Gate
  2. OR Gate, NOT Gate
  3. NOR Gate, OR Gate
  4. OR Gate, AND Gate
ব্যাখ্যা
• ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে নিচে ২ ইনপুট বিশিষ্ট ন্যান্ড গেইটের সত্যক সারণি ও চিত্র দেখানো হলো-



                   চিত্র: ন্যান্ড গেইট

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২১০.
10101011 এর 1's complement কোনটি?
  1. ক) 01100111
  2. খ) 01010100
  3. গ) 00000000
  4. ঘ) 11111111
ব্যাখ্যা
• 10101011 এর 1's complement 01010100.

১ এর পরিপূরক গঠন (1's complement form):
- বাইনারি সংখ্যায়, ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) করা হয়।
- অর্থাৎ সংখ্যার বিট গুলোকে উল্টিয়ে দেয়া হয়।

এখানে,
10101011 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 01010100 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২১১.
হেক্সাডেসিমেলকে বলা হয়:
  1. Base-2
  2. Base-8
  3. Base-10
  4. Base-16 
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল হলো সংখ্যা প্রকাশের একটি পদ্ধতি যা Base-16 হিসেবে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে মোট ১৬টি ভিন্ন সংখ্যা বা অক্ষর ব্যবহার করা হয়। সাধারণ সংখ্যাগুলি ০ থেকে ৯ পর্যন্ত এবং দশমিকের পরবর্তী অঙ্কগুলির জন্য অক্ষর A, B, C, D, E, F ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 1A5 এর মান দশমিক পদ্ধতিতে ৪২১। কম্পিউটার বিজ্ঞানে হেক্সাডেসিমেল ব্যবহার করা হয় কারণ এটি বাইনারি (Base-2) সংখ্যার সঙ্গে সহজভাবে সম্পর্কিত। প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অঙ্ক ঠিক ৪টি বাইনারি অঙ্কের সমান, যা কম্পিউটারের মেমরি এবং প্রোগ্রামিংয়ের জন্য সুবিধাজনক। তাই, হেক্সাডেসিমেল হলো Base-16, যা সংখ্যা সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের একটি কার্যকর পদ্ধতি।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Base-16
 
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।

যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১২.
বাইনারি সংখ্যা 10112 এবং 11012 যোগ করলে ফলাফল কত হবে?
  1. 110002
  2. 101012
  3. 111002
  4. 100112
ব্যাখ্যা

• বাইনারি যোগ (Binary Addition) হলো ২-এর ঘাত ব্যবস্থায় সংখ্যা যোগ করার পদ্ধতি। এখানে ১ + ১ হলে বাইনারি ক্যারি তৈরি হয়।

ডানদিকের বিট থেকে (LSB):
1 + 1 = 102 → 0, ক্যারি 1।
দ্বিতীয় বিট যোগ:
1 + 0 + ক্যারি 1 = 102 → 0, ক্যারি 1।
তৃতীয় বিট যোগ:
0 + 1 + ক্যারি 1 = 102 → 0, ক্যারি 1।
চতুর্থ বিট যোগ (MSB):
1 + 1 + ক্যারি 1 = 112 → 1, নতুন ক্যারি 1।

ফলাফলের সাথে শেষ ক্যারি যুক্ত করে পাই,
110002

২১৩.
দশমিক ১০ এর হেক্সাডেসিমাল মান কত?
  1. 8
  2. 9
  3. A
  4. B
ব্যাখ্যা

দশমিক ১০ এর হেক্সাডেসিমাল মান হচ্ছে A।

দশমিক ---- বাইনারি ---- অকট্যাল ---- হেক্সাডেসিমাল
৮ ------------ ১০০০ ---------- ১০ ------------ ৮
৯ ------------ ১০০১ ----------- ১১ ------------ ৯
১০ -----------১০১০ ----------- ১২------------- A
১১ ----------- ১০১১ ----------- ১৩ ------------ B

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২১৪.
(13A)16 এর সমতুল্য অক্টাল ভ্যালু কত হবে?
  1. 520
  2. 444
  3. 372
  4. 472
ব্যাখ্যা
• (13A)16 এর সমতুল্য অক্টাল ভ্যালু 472 হবে।

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে ৪ বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অত:পর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে ৩ বিট করে এক একটি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্ট্যাল মান পাওয়া যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৫.
ফ্লিপ-ফ্লপের কতটি স্থায়ী অবস্থা থাকে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
ব্যাখ্যা
ফ্লিপ ফ্লপ: 
- ফ্লিপ-ফ্লপ লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে। 
- ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0,1) আছে এবং ফ্লিপ-ফ্লপ দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে। 

ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার: 
১। বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। 
২। সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। 
৩। ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়। 

ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ: 
- ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার। 
যথা- 
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ, 
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ, 
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ, 
৪. T ফ্লিপ-ফ্লপ ও 
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৬.
কোন ধরনের টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো এমনভাবে সংযুক্ত থাকে যে তারা মিলিত হয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করে?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. স্টার টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারগুলো যদি এমনভাবে সংযুক্ত থাকে যে তারা মিলিত হয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করে, তাহলে তা রিং টপোলজি বলা হয়। রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার বা নোডের সাথে ঠিক দুইটি কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে, ফলে একটি পূর্ণাঙ্গ বৃত্ত গঠন হয়। তথ্য একটি নির্দিষ্ট দিক দিয়ে এক নোড থেকে অন্য নোডে প্রবাহিত হয়, যতক্ষণ না তা গন্তব্যে পৌঁছায়। এই টপোলজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ডেটার সংঘর্ষ কম হওয়া এবং সহজে ট্রাবলশুটিং করা যায়। তবে কোনো একটি নোড বা সংযোগে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক প্রভাবিত হতে পারে। তাই রিং টপোলজি বিশেষ করে ছোট এবং মাঝারি মাপের নেটওয়ার্কে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারগুলো বা নোডগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান-প্রদানের গতি এবং নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিভিন্নভাবে সংযুক্ত থাকে।

• নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টপোলজি হলো:
১. বাস টপোলজি
২. রিং টপোলজি
৩. স্টার টপোলজি 
৪. ট্রি টপোলজি 
৫. মেশ টপোলজি
৬. হাইব্রিড টপোলজি

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৭.
১ টেরাবাইট সমান কত বাইট?
  1. ক) ২৫০ বাইট
  2. খ) ২৬০ বাইট
  3. গ) ২৪০ বাইট
  4. ঘ) ২৩০ বাইট
ব্যাখ্যা

- ১ নিবল সমান ৪ বিট।
- ১ বাইট সমান ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট সমান ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট সমান ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট সমান ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট সমান ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পিটাবাইট সমান ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।

২১৮.
নিচের কোনটি 11001.1102 এর দশমিক রূপ?
  1. 20.2510
  2. 15.4510
  3. 24.5710
  4. 25.7510
ব্যাখ্যা

11001.1102
= 1×24 + 1×23 + 0×22 + 0×21 + 1×20 + 1×2-1 + 1×2-2 + 0×2-3
= 16 + 8 + 0 + 0 + 1 + 0.5 + 0.25 + 0
= 25.7510

২১৯.
ইউনিকোড উদ্ভাবনে নিচের কোন কোম্পানির প্রকৌশলীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে?
  1. ক) Microsoft Corporation
  2. খ) Apple Computer Corporation
  3. গ) Xerox Corporation
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
ইউনিকোড (UNICODE) বিশ্বের সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোড ভুক্ত করার জন্য বড় বড় কোম্পানিগুলাে একটি মান তৈরি করেছেন যাকে ইউনিকোড বলা হয়।
- ইউনিকোড-এর পূর্ণ অর্থ Universal Code বা সার্বজনীন কোড।
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আসকি কোডের পাশাপাশি ইউনিকোড সিস্টেম চালু হয়েছে।
- ইউনিকোড হচ্ছে ১৬ বিট কোড। বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার ও টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের মাধ্যমে ৬৫৫৩৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- পৃথিবীর সব ভাষাভাষীর জন্য তাদের ভাষায় কম্পিউটিং করা সহজ করার লক্ষ্যে ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং Xerox Corporation-এর একদল কম্পিউটার প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- Unicode Consortium-এর সদস্য হয়ে বাংলা ভাষাও ইউনিকোডভুক্ত হয়েছে।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
২২০.
১ গিগাবাইট = ?
  1. ক) ২১০ বাইট
  2. খ) ২২০ বাইট
  3. গ) ২৩০ বাইট
  4. ঘ) ২৪০ বাইট
ব্যাখ্যা
- ১ নিবল সমান ৪ বিট।
- ১ বাইট সমান ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট সমান ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট সমান ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট সমান ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট সমান ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পিটাবাইট সমান ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।
২২১.
1010101 বাইনারি সংখ্যার সাথে 1010111 বাইনারি সংখ্যার যোগফল কত?
  1. ক) 10101110
  2. খ) 10101110
  3. গ) 11101100
  4. ঘ) 10101100
ব্যাখ্যা
(1010101)2 + (1010111)2 = (10101100)2
২২২.
নিচের কোন সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. 19G
  2. 12H
  3. 7F
  4. 8Z
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমালে কেবল ০–৯ ও A–F গ্রহণযোগ্য।

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:

- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- যেখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে ব্যবহৃত হয়।
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z প্রভৃতি অক্ষর থাকতে পারে না, কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে বৈধ নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি :

কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়, যথা—
১। দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System),
৪। হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System).

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৩.
ইউনিকোডের মাধ্যমে সম্ভাব্য কতগুলো চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ক) 28
  2. খ) 216
  3. গ) 232
  4. ঘ) 264
ব্যাখ্যা
ইউনিকোড:
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,536 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- ফলে যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে 8 বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয় সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৪.
৪টি ইনপুট লাইন বিশিষ্ট এনকোডারে সর্বাধিক কতটি ইনপুট ১ হতে পারে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
এনকোডার:
- এনকোডার হলো এক ধরনের সমবায় সার্কিট যা কোন ডেটা, সিগন্যাল বা সংকেতকে ডিজিটাল সিস্টেমে বোধগম্য কাঙ্ক্ষিত কোন কোডে পরিবর্তন করে।
- এটি দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন- 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।
- এনকোডারের সাহায্যে যে কোন আলফানিউমেরিক বর্ণকে অ্যাসকি, ইবিসিডিক ইত্যাদি কোডে পরিণত করা যায়।
- সেজন্য ইনপুট ব্যবস্থায় কী-বোর্ডের সঙ্গে এনকোডার যুক্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৫.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে 29 এর পরবর্তী সংখ্যাটি কত হবে?
  1. 30
  2. 2A
  3. 28
  4. 2B
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভূল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
0, 1, 2, 3, ........... , 24, 25, 26, 27, 28, 29, 2A, 2B, 2C, 2D, 2E, 2F..........

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৬.
100111 (base 2) সংখ্যাটি ডেসিমেলে কত হয়?
  1. 45
  2. 43
  3. 41
  4. 39
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রতিটি সংখ্যা (বিট) হলো ২-এর ঘাতের ভিত্তিতে মান নির্ধারণ করে। সংখ্যা 1001112 কে ডেসিমেলে রূপান্তর করতে, আমরা প্রতিটি বিটের মান লিখব এবং ২-এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করব। পরিশেষে, 100111 (base 2) সংখ্যাটি ডেসিমেলে 39  হয়। 

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
100111
= 1 × 25 + 0 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 1 × 20
= 32 + 0 + 0 + 4 + 2 + 1
= 39

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২২৭.
কোন বুলিয়ান এক্সপ্রেশনটি AND গেইটকে প্রকাশ করে?
  1. A . B
  2. A + B
  3. A ⊕ B 
  4. A ⇔ B
ব্যাখ্যা

◉ AND গেইটের বুলিয়ান এক্সপ্রেশন হলো A · B (অথবা A AND B লিখেও প্রকাশ করা হয়)।

অ্যান্ড গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- অর্থাৎ যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

নিচে দুই ইনপুট বিশিষ্ট অ্যান্ড গেইটের বর্তনী এবং সত্যক সারণি দেখানো হলো:

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৮.
ন্যান্ড গেইট কোন কোন গেইটের সমন্বিত রূপ?
  1. ক) অ্যান্ড গেইট ও নট গেইট
  2. খ) অর গেইট ও নট গেইট
  3. গ) অ্যান্ড গেইট ও অর গেইট
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৯.
'১১০১' এর ১ এর পরিপূরক কত?
  1. ক) ১০১১
  2. খ) ১০১০
  3. গ) ০০১০
  4. ঘ) ০১০০
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
১ এর পরিপূরক মানে ০ এর স্থলে ১  এবং ১ এর স্থলে ০ হবে।

⇒ '১১০১' এর ১ এর পরিপূরক হবে ০০১০.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩০.
কোন টপোলজি কেন্দ্রীয় হাবের মাধ্যমে নোডগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে?
  1. Bus Topology
  2. Ring Topology
  3. Star Topology
  4. Mesh Topology
ব্যাখ্যা
• Star Topology এমন একটি নেটওয়ার্ক টপোলজি যেখানে সব নোড বা ডিভাইস একক কেন্দ্রীয় হাব, সুইচ বা রাউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি নোডের সঙ্গে সরাসরি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের লিংক থাকে, ফলে নোডগুলো পরোক্ষভাবে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে। এই কেন্দ্রীয় হাবই সকল ডেটা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রেরণ বা গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে যদি কোন নির্দিষ্ট নোডে সমস্যা হয়, তাহলে পুরো নেটওয়ার্কে প্রভাব পড়ে না; তবে কেন্দ্রীয় হাবে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে। এটি ইন্সটলেশন ও ম্যানেজমেন্টে সহজ এবং বেশি ব্যবহৃত।

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
- নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩১.
নিম্নের কোনটি ইউনিকোড এনকোডিং ফরম্যাট হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. MP3
  2. JPG
  3. UTF-8
  4. ASCII
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: গ) UTF-8

ইউনিকোড একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের সমস্ত ভাষার অক্ষরকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রদর্শন করতে সক্ষম। ইউনিকোড এনকোডিং ফরম্যাট বিভিন্ন ধরণের থাকতে পারে, যার মধ্যে UTF-8 সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত। UTF-8 এ প্রতিটি অক্ষরকে এক বা একাধিক বাইট ব্যবহার করে সংরক্ষণ করা হয়, যা ইংরেজি অক্ষরের জন্য সাধারণত এক বাইট এবং অন্যান্য ভাষার অক্ষরের জন্য একাধিক বাইট নেয়। এটি ব্যাকওয়ার্ড কম্প্যাটিবল এবং ইন্টারনেট ও সফটওয়্যারে সহজে ব্যবহারযোগ্য। অন্যদিকে, MP3 হলো অডিও ফাইল ফরম্যাট, JPG হলো ইমেজ ফাইল ফরম্যাট, আর ASCII হলো একটি সীমিত অক্ষর সেট যা শুধুমাত্র ইংরেজি অক্ষর ও কিছু বিশেষ চিহ্নকে সমর্থন করে। UTF-8-এর মাধ্যমে ইউনিকোড অক্ষরগুলো বিশ্বের যেকোনো ভাষায় উপস্থাপন করা যায়।
 
• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,535 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে ৪ বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয় সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩২.
নিচের কোনটি দ্যা মরগানের সূত্র?
  1. ক) A ∪ B = B ∪ A
  2. খ) (A∪B)∪C = A∪(B∪C)
  3. গ) (A∪B)' = A'∩B'
  4. ঘ) A ∩ B' = A - B
ব্যাখ্যা

দ্যা মরগানের সূত্রদ্বয়ঃ
(A∩B)' = A'∪B'
(A∪B)' = A'∩B'

২৩৩.
অ্যাপল মেকিনটোশ কম্পিউটার বাজারে আসে কত সালে?
  1. ক) ১৯৮১
  2. খ) ১৯৮২
  3. গ) ১৯৮৩
  4. ঘ) ১৯৮৪
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২৩৪.
IPv6 অ্যাড্রেস সাধারণত কোন ফরম্যাটে লেখা হয়?
  1. বাইনারি
  2. অক্টাল
  3. ডেসিমেল
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
-  আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 X ৪ বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
 
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩৫.
কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত রেজিস্টার কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়?
  1. Magnetic Disk
  2. Transistor
  3. Hard Disk
  4. Flip-Flop
ব্যাখ্যা
◉ রেজিস্টার হলো ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের একটি মৌলিক উপাদান, যা ডেটা সংরক্ষণ এবং স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ফ্লিপ-ফ্লপ দিয়ে তৈরি হয়, কারণ ফ্লিপ-ফ্লপগুলি বাইনারি ডেটা (0 এবং 1) সংরক্ষণ করতে সক্ষম।

রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৬.
বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার ও টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য কোন কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) EBCDIC
  2. খ) Unicode
  3. গ) ASCII
  4. ঘ) BCD
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড (Unicode):
- Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation -এর বিভিন্ন প্রকৌশলী ১৯৯১ সালে Unicode আবিষ্কার করেন।
- Unicode-এর পুরো নাম হলো Universal Code. একটি হলো 16 বিটের কোড যার সাহায্যে 216 বা 65536টি কোড গ্রুপ তৈরি করা যায়।
- কম্পিউটার টেকনোলজিতে ইউনিকাডকে কোড পয়েন্ট (Code Point) বলা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার ও টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- MS Windows, Mac OS, Linux ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম Unicode সাপোর্ট করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৭.
(928)10 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান কোনটি?
  1. 1520
  2. 1640
  3. 1680
  4. 1720
ব্যাখ্যা

এখানে, (928)10 =(1640)8
২৩৮.
দশমিক সংখ্যা 5 এর বাইনারি মান কত?
  1. ক) 101
  2. খ) 110
  3. গ) 100
  4. ঘ) 111
২৩৯.
ন্যান্ড গেইট কোন কোন গেইটের সমন্বিত রূপ?
  1. অ্যান্ড গেইট ও অর গেইট
  2. অ্যান্ড গেইট ও নট গেইট
  3. অর গেইট ও নট গেইট
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।

ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪০.
হিসাব-নম্বর কোন ধরনের ফিল্ড?
  1. ক) সংখ্যা সূচক
  2. খ) বর্ণসূচক
  3. গ) সময় সূচক
  4. ঘ) স্মৃতি সূচক
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২৪১.
(624)8 = (?)2
  1. 010101010
  2. 110010100
  3. 101010101
  4. 001110101
ব্যাখ্যা
1 বিট অক্টাল সংখ্যাকে প্রকাশ করতে সর্বোচ্চ 3 বিট বাইনারি লাগে।

অক্টাল 6 এর সমতুল্য বাইনারি= 110
অক্টাল 7 এর সমতুল্য বাইনারি = 010
অক্টাল 4 এর সমতুল্য বাইনারি = 100
∴ (624)8 = (110010100)2
২৪২.
100111 সংখ্যাটি যদি বাইনারি হয়, তবে ডেসিমেলে তার মান কত?
  1. 45
  2. 37
  3. 39
  4. 21
ব্যাখ্যা

• 100111 বাইনারি সংখ্যা ডেসিমেলে রূপান্তর করলে 39 হবে।

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
100111
= 1 × 25 + 0 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 1 × 20
= 32 + 0 + 0 + 4 + 2 + 1
= 39

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৪৩.
কোন শর্তে AND গেইটের আউটপুট ১ হবে?
  1. সব ইনপুট ১
  2. যেকোনো একটি ইনপুট ১
  3. সব ইনপুট ০
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• AND গেইট:
- বুলিয়ান বা যৌক্তিক গুণের কাজ বাস্তবায়নের জন্য যে ইলেকট্রনিক সার্কিট ব্যবহার করা হয় তাকে AND গেইট বলা হয়। 

• AND গেইটে দুই বা ততোধিক ইনপুট এবং একটি আউটপুট থাকে। 
- AND গেইটের সকল ইনপুট ১ হলেই কেবলমাত্র আউটপুট ১ হবে অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।

• AND গেইটের সত্যক সারণি:
A ও B ইনপুট এবং Y আউটপুট হলে,


তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৪৪.
111000 এর 2's complement হলো - 
  1. ক) 001000
  2. খ) 110001
  3. গ) 110100
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- বাইনারি পদ্ধতিতে প্রকাশিত সংখ্যার 0 ও 1 ডিজিট দুটিকে যথাক্রমে 1 ও 0 দ্বার বদল করা হলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে 1's complement বলে।
- 1's complement এর সাথে 1 যোগ করলে 2's complement হয়।
- তাই 111000 এর 1's complement হবে 000111। - এর সাথে 1 যোগ করলে হবে 001000।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৪৫.
AND গেইটে A ও B -এর মান 0 হলে আউটপুট কত?
  1. 0
  2. 1
  3. 10
  4. 01
ব্যাখ্যা
AND গেইট: 
- AND গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
অর্থাৎ, যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট ১ হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট ১ হবে; অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।
- নিচে দুই ইনপুট বিশিষ্ট অ্যান্ড গেইটের বর্তনী এবং সত্যক সারণি দেখানো হলো: 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২৪৬.
01101+10111 এর বাইনারি সংখ্যার যোগফল কত?
  1. ক) 110100
  2. খ) 101100
  3. গ) 100101
  4. ঘ) 100100
ব্যাখ্যা
বাইনারি যোগ:
- দুটি বাইনারি অংক যোগের জন্য চারটি নিম্নরূপ অবস্থা পাওয়া যায়:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 0 এবং এর সাথে হাতে 1 থাকবে (হাতে থাকাকে ক্যারি (Carry) বলে)। 



সুতরাং, 01101+10111 = 100100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৭.
4 টি আউটপুট লাইন বিশিষ্ট একটি এনকোডারে ইনপুট লাইন কয়টি?
  1. ক) ৮ টি
  2. খ) ১৬ টি
  3. গ) ৩২ টি
  4. ঘ) ৪ টি
ব্যাখ্যা
এনকোডার:
- এনকোডার হলো এক ধরনের সমবায় সার্কিট যা কোন ডেটা, সিগন্যাল বা সংকেতকে ডিজিটাল সিস্টেমে বোধগম্য কাংঙ্খিত কোন কোডে পরিবর্তন করে।
- এনকোডারে কোন মুহুর্তে একটি মাত্র ইনপুট ১ ও বাকি সব ইনপুট ০ থাকে।
- একই সময়ে সকল ইনপুট ০ হয় না।
- সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে আউটপুট পাওয়া যায়।
- এখানে, ইনপুট 16 = 24 টি তাহলে, আউটপুট 4 টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৪৮.
ফুল অ্যাডার (Full Adder) এবং হাফ অ্যাডার (Half Adder)-এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
  1. হাফ অ্যাডার বিয়োগ করতে পারে
  2. ফুল অ্যাডার ইনপুট ক্যারি (Carry) যোগ করতে পারে
  3. হাফ অ্যাডার অনেক বেশি দ্রুত
  4. ফুল অ্যাডার কেবল গুণ করতে পারে
ব্যাখ্যা

• অ্যাডার:
- ডিজিটাল সার্কিটে সংখ্যাগুলো যোগ করার জন্য অ্যাডার (Adder) নামক কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাডার দুটি বাইনারি সংখ্যা নিয়ে তাদের যোগফল তৈরি করে। এটি একটি মৌলিক কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা বিট ভিত্তিক গণনা করতে সক্ষম।
- এক বিট যোগফলের জন্য হাফ অ্যাডার (Half Adder) এবং একাধিক বিট যোগফলের জন্য ফুল অ্যাডার (Full Adder) ব্যবহার করা হয়।
- হাফ অ্যাডার শুধু দুটি ইনপুট বিটের যোগফল এবং ক্যারি বের করতে পারে, যেখানে ফুল অ্যাডার অতিরিক্ত ইনপুট ক্যারিও যোগ করতে পারে। 

এছাড়াও, 
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৪৯.
ডি ফ্লিপ-ফ্লপে 'D' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Delay
  2. Data
  3. Digit
  4. Dual
ব্যাখ্যা
• ডি ফ্লিপ-ফ্লপে 'D' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে - Data.

• D flip-flop:
- D flip-flop একটি ধরনের স্টোরেজ উপাদান যা এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি দুটি প্রধান অবস্থা থাকতে পারে, "0" অথবা "1", যা ইনপুটের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।
- D flip-flop-এ দুটি প্রধান পিন থাকে: ডেটা (D) এবং ক্লক (Clock)।
- যখন ক্লক সংকেত পরিবর্তিত হয়, তখন ডেটা পিনের মান (০ বা ১) আউটপুট পিনে সরাসরি কপি হয়ে যায়।
- এটি সাধারণত সিঙ্ক্রোনাস ডিজাইনে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়ের সাথে ইনপুট এবং আউটপুটের মান পরিবর্তিত হয়।

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।

- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২৫০.
BC3 হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 2800
  2. 2986
  3. 3011
  4. 4020
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস - ১৬
ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির বেস - ১০

(BC3)₁₆ = (11 × 16²) + (12 × 16¹) + (3 × 16⁰)
= (3011)₁₀
২৫১.
ভুল নাম্বার সিস্টেমের উদাহরণ নিচের কোনটি?
  1. ক) (5EB)16
  2. খ) (1011)10
  3. গ) (1101)2
  4. ঘ) (281)8
ব্যাখ্যা
নাম্বার সিস্টেমের উদাহরণঃ
হেক্সাডেসিমাল - (5EB)16
দশমিক - (1011)10
বাইনারি - (1101)2
অক্টাল - (271)8 [অক্টাল নাম্বারে 8 ও 9 থাকে না।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২৫২.
ASCII-7 কোডের মাধ্যমে মোট কতটি অদ্বিতীয় (Unique) চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. 64 টি
  2. 128 টি
  3. 256 টি
  4. 512 টি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) 128 টি 

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI-American National Standards Institute) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 27 বা 128 টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত, যার বাম দিকের 3 টি বিটকে জোন এবং ডান দিকের 4 টি বিটকে সংখ্যাসূচক বিট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যেমন- B অক্ষরটির ASCII-7 কোড হলো:



- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-8 কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 28 বা 256 টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়। 
- ডেটা কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোড বেশি জনপ্রিয় এবং বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার বিশেষ করে মিনি ও মাইক্রো- কম্পিউটারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 
- ​কীবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদির মধ্যে আলফানিউমেরিক ডেটা আদান-প্রদানের জন্য অ্যাসকি কোড ব্যবহৃত হয়। 

 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫৩.
অক্টাল সংখ্যা (255)8 এর বাইনারি মান কোনটি?  
  1. 010101100
  2. 010101111
  3. 010101101
  4. 110101101
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা (255)8 এর বাইনারি রূপান্তর:
- অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অংককে (অর্থাৎ 0 থেকে 7 পর্যন্ত) 3 বিট বাইনারি সমকক্ষ মান বসিয়ে অক্টাল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা যায়।
এখানে,
2 = 010,
5 = 101,
5 = 101.

অর্থাৎ, (255)8 = (010101101)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৪.
দশমিক সংখ্যা ২৩.১২৫ -এর অকটাল মান কত?
  1. ক) ২২.০১
  2. খ) ২৫.১২
  3. গ) ২৭.১
  4. ঘ) ২৮.১৫
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে পর্যায়ক্রমে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষগুলোকে একত্র করে দশমিক সংখ্যাটির অকট্যাল সমকক্ষ সংখ্যা পাওয়া যায়। আর দশমিক ভগ্ন্যাংশ অকটালে রূপান্তর করার জন্য গুণফল ০ না হওয়া পর্যন্ত সংখ্যাটিকে অনবরত ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে। উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৫৫.
কোন সার্কিটে সর্বোচ্চ ষোলটি ইনপুট থেকে চারটি আউটপুট পাওয়া যায়?
  1. ক) কাউন্টার
  2. খ) রেজিস্টার
  3. গ) ডিকোডার
  4. ঘ) এনকোডার
ব্যাখ্যা
এনকোডার:
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।

ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।

কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে। 
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলেন। একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n-1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৬.
110001 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) 27
  2. খ) 46
  3. গ) 49
  4. ঘ) 54
ব্যাখ্যা
• 110001 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার 49.

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
110001
= 1×25 + 1×24 + 0×23 + 0×22 + 0×21 + 1×20 
= 32+16+0+0+0+1
= 49

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৫৭.
'ANSI' এর সঠিক পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. American National code of Standard Institute
  2. American Nation Super Institute
  3. American National Standard Institution
  4. American National Standard Institute
ব্যাখ্যা

- সর্বপ্রথম ১৯৬৩ সালে ANSI (American National Standard Institute) কর্তৃক আসকি কোড উদ্ভাবিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে রবার্ট উইলিয়াম বীমার ৭ বিটের আসকি কোড উদ্ভাবন করেন।
- এ কোডের মাধ্যমে ২ বা ১২৮ টি চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২৫৮.
বাইনারি সংখ্যা (1101001.1101)2 কে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর -
  1. 150.74
  2. 152.65
  3. 151.64
  4. 153.66
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) 151.64

ভগ্নাংশ বাইনারি সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১। বাইনারি সংখ্যাটির অংকগুলোকে বাম দিক থেকে ক্রমান্বয়ে ডান দিকে 3 বিটবিশিষ্ট একেকটি গ্রুপে ভাগ করতে হবে।
২। যদি সর্ব ডানের গ্রুপ তৈরিতে 3 বিট না থাকে তাহলে প্রয়োজন অনুসারে ডান দিকে একটি বা দুটি, শূন্য (0) বসিয়ে 3 বিটের গ্রুপ সম্পন্ন করতে হবে।
৩। প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্টাল সংখ্যার মান বসালে বাইনারি সংখ্যাটি অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত হবে।



সুতরাং, (1101001.1101)2 = (151.64)8

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২৫৯.
123 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 0100 0100 0100
  2. 0001 0011 0010
  3. 0001 0010 0011
  4. 0101 0101 0101
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24
অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

1 এর বিসিডি 0001
2 এর বিসিডি 0010
3 এর বিসিডি 0011

∴ 123 এর বিসিডি কোড 0001 0010 0011

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬০.
যদি ন্যান্ড গেইটের ইনপুটসমূহ একই ধরনের হয় সেক্ষেত্রে ন্যান্ড গেইট কোন গেইটের মত কাজ করবে?
  1. অ্যান্ড গেইট
  2. অর গেইট
  3. নট গেইট
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• ন্যান্ড গেইট (NAND Gate):
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

যদি দুটি ইনপুট 1 হয়, তাহলে ন্যান্ড গেইটের আউটপুট হবে 0 (যেমন নট গেইটের আউটপুট)।
যদি দুটি ইনপুট 0 হয়, তাহলে ন্যান্ড গেইটের আউটপুট হবে 1, যা নট গেইটের আচরণের সাথে মেলে।

• নট গেইটের ক্ষেত্রে:

- যদি ন্যান্ড গেইটের ইনপুটসমূহ একই ধরনের হয় সেক্ষেত্রে ন্যান্ড গেইট নট গেইটের মত কাজ করবে


• অ্যান্ড গেইটের ক্ষেত্রে:
- চিত্রে দুটি ন্যান্ড গেইটের ইনপুট A ও B এমনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যাতে আউটপুট AB হয়।
- অর্থাৎ, ন্যান্ড গেইট দিয়ে অ্যান্ড গেইটের কাজ করা হয়েছে।


• অর গেইট:
- তিনটি ন্যান্ড গেইট দিয়ে অর গেইটের বাস্তবায়ন করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬১.
নিচের কোনটিকে বিশেষ লজিক গেইট বলা হয়?
  1. XOR Gate
  2. NOR Gate
  3. NOT Gate
  4. NAND Gate
ব্যাখ্যা

- XOR Gate হচ্ছে এক ধরনের বিশেষ লজিক গেইট

মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

২৬২.
ডেসিমেল সংখ্যা 930 এর সমতুল্য অক্টাল মান কোনটি?
  1. 1420
  2. 1576
  3. 1642
  4. 1780
২৬৩.
কোন সার্কিটের সাহায্যে ডেটাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করা হয়?
  1. এনকোডার
  2. ডিকোডার
  3. অ্যাডার
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে। 
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি

• অ্যাডার:

- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১. হাফ-অ্যাডার:
-  যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।
২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৬৪.
কোন গেইটে দুটি ইনপুট একই মানের জন্য আউটপুট 1 এবং ভিন্ন মানের জন্য আউটপুট 0 হবে?
  1. ক) OR
  2. খ) AND
  3. গ) XOR
  4. ঘ) XNOR
ব্যাখ্যা
এক্স নর গেইট:
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR) গেইট বলে।
- এক্স অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে অর্থাৎ এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইট যে কাজ করে এই গেইট তার বিপরীত কাজ করে অর্থাৎ দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 


 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৫.
কোনটি মৌলিক লজিক গেইট নয়?
  1. OR Gate
  2. XOR Gate
  3. NOT Gate
  4. AND Gate
ব্যাখ্যা
সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate, 
- AND Gate, 
- NOT Gate. 

সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate, 
- NOR Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৬৬.
২৩ অক্টাল নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) ৬৬
  2. খ) ৫২
  3. গ) ১৯
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
23
= (2 × 8¹) + (3 × 8⁰)
= 19
২৬৭.
(5012)10 সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় -
  1. 1392
  2. 1394
  3. 1492
  4. 14A2
ব্যাখ্যা
◉ (5012)10 সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় - 1394.

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
- সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
- ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০ → A, ১১ → B, ১২→ C, ১৩→D, ১৪ → E ও ১৫ → F সংখ্যা লিখতে হবে।



উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৮.
বুলিয়ান যোগের জন্য কোনটি সত্য নয়?
  1. 0 + 0 = 0
  2. 1 + 1 = 1
  3. 1 + 0 = 1
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান যোগঃ
0 + 0 = 0,
0 + 1 = 1,
1 + 0 = 1,
1 + 1 = 1.
২৬৯.
কাউন্টার কী?
  1. গাণিতিক অপারেশন করার সার্কিট
  2. ইনপুট পালস গণনা করা সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
  3. ডেটা স্টোর করার ডিভাইস
  4. আউটপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) ইনপুট পালস গণনা করা সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট

​​• কাউন্টার (Counter)
- কাউন্টার হলো একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, যা ইনপুট পাল্সের সংখ্যা গণনা করতে পারে। 
- ​এটি রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয় বিশেষ কাজের জন্য।
​- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ ০ থেকে 2n-1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n।
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

• কাউন্টারের ব্যবহার:
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনা,
- টাইমিং সিগনাল প্রদান,
- ডিজিটাল ঘড়ি,
- ডিজিটাল কম্পিউটার,
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৭০.
কোন ডিজিটাল সার্কিটের ইনপুট এবং আউটপুট সংখ্যা সমান?
  1. কাউন্টার
  2. হাফ অ্যাডার
  3. ফুল অ্যাডার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বা যোগের বর্তনী বলে।
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে দু ধরনের অ্যাডার আছে। যথা:
১. হাফ অ্যাডার ও
২. ফুল অ্যাডার

• হাফ অ্যাডার:
- দুইটি বাইনারি বিট যোগ করার জন্য যে বর্তনী ব্যবহার করা হয় তাকে হাফ অ্যাডার বা অর্ধযোগের বর্তনী বলা হয়।
- হাফ অ্যাডারের ইনপুট এবং আউটপুট সংখ্যা সমান।

• ফুল অ্যাডার:
- যে বর্তনীতে ক্যারিসহ দুইটি বিট যোগ করার মত ব্যবস্থা থাকে, তাকে ফুল অ্যাডার বা পূর্ণ যোগের বর্তনী বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৭১.
নিচের কোনটি সার্বজনীন গেইট?
  1. NAND
  2. NOR
  3. AND
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭২.
"2E7" এর সমতুল্য ডেসিমেল কত?
  1. 735
  2. 743
  3. 713
  4. 537
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।  
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
 
∴ (2E7)16 = (2 × 162) + (14 × 161) + (7 × 160
= 512+ 224 + 7
= (743)10
 
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৩.
বুলিয়ান আলজেবরার কোন উপপাদ্যটি সঠিক?
  1. ক) A + 1 = A
  2. খ) A + A' = 0
  3. গ) A + A = 1
  4. ঘ) A + 0 = A
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান উপপাদ্য:
- A + 0 = A
- A + A = A
- A + A' = 1
- A + 1 = 1
- A . 1 = A
- A . A' = 0
- A . A = A
- A . 0 = 0

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৭৪.
'1010101' কোন সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) অক্টাল
  3. গ) হেক্সাডেসিমেল
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
1010101 সংখ্যাটিতে  0 এবং 1 এই দুইটি ডিজিট আছে।
এই ডিজিট দুটি বাইনারি, অক্টাল, দশমিক এবং হেক্সাডেসিমেল সব সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত।

তাই, সংখ্যাটি সকল সংখ্যাপদ্ধতির অন্তর্গত।
২৭৫.
ফ্লিপ-ফ্লপ কয়টি বিট ধারণ করে রাখতে পারে?
  1. ১ বিট
  2. ২ বিট
  3. ৪ বিট
  4. ৮ বিট
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৬.
মৌলিক লজিক গেইট কয়টি?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭৭.
EBCDIC কোডে কতটি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে ব্যবহার উপযোগী করা হয়?
  1. 64
  2. 128
  3. 256
  4. 512
ব্যাখ্যা
♦ ইবিসিডিক কোড (EBCDIC):
- ৮-বিট বিসিডি কোড Extended Binary Coded Decimal Information Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত।
- ইবিসিডিক (EBCDIC) কোডে ০ থেকে ৯ সংখ্যার জন্য ১১১১, A থেকে Z বর্ণের জন্য ১১০০, ১১০১ ও ১১১০ এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য ০১০০, ০১০১, ০১১০ ও ০১১১ জোন বিট হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- ২৫৬টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে কোড করে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করা আছে।
- এ কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়।
- যেমন IBM মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে EBCDIC কোড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
২৭৮.
কোন লজিক গেটকে ইউনিভার্সাল গেট বলা হয়?
  1. AND
  2. NAND
  3. XOR
  4. OR
ব্যাখ্যা

• ইলেকট্রনিক্সে ইউনিভার্সাল গেট হলো এমন একটি লজিক গেট যা ব্যবহার করে অন্য সব ধরনের লজিক গেট (যেমন AND, OR, NOT, XOR) তৈরি করা যায়। এর অর্থ, একটি ইউনিভার্সাল গেটের সাহায্যে সম্পূর্ণ ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইন সম্ভব। এর মধ্যে NAND এবং NOR গেটই ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে, NAND গেট সবচেয়ে সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি দিয়ে AND, OR এবং NOT গেটসহ সমস্ত লজিক ফাংশন তৈরি করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি NAND গেটকে দুটি একসাথে ব্যবহার করে NOT গেট তৈরি করা যায়, এবং আরও জটিল কম্বিনেশন ব্যবহার করে AND ও OR গেট পাওয়া যায়। সুতরাং, প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো খ) NAND.

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে,
• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৭৯.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে AB + B + B` = ?
  1. A
  2. B
  3. 0
  4. 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে AB + B + B` = ?

সমাধান: 
AB + B + B`
= AB + 1 [B + B` = 1]
= 1 [A + 1 = 1]
২৮০.
NAND গেইটের আই সি নম্বর কোনটি?
  1. ক) IC - 7432
  2. খ) IC - 7408
  3. গ) IC - 7402
  4. ঘ) IC - 7400
ব্যাখ্যা
- IC এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Circuit.
- আই.সি. কে সিলিকন চিপ বা চিপ বলা হয়। এটি এক ধরনের মাইক্রো ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, যাতে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, ডায়োড, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি কম্পোনেন্ট সিলিকন চিপের উপর নির্মান করে জোড়া লাগানো হয় ৷
- আই.সি. ব্যবহারের ফলে সার্কিট অনেক ছোট এবং অধিক কর্মক্ষমতা সম্পন্ন হয় ৷

বিভিন্ন গেইট এর আই সি নং:



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮১.
নিচের কোনটি ১০০ এর ১ কমপ্লিমেন্ট?
  1. ১১১
  2. ১০১
  3. ০১১
  4. ০০১
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যায় ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে অর্থাৎ সংখ্যার বিটগুলােকে উল্টিয়ে, সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) গঠন পাওয়া যায়।
• অতএব, ১০০ সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক হলো ০১১।
২৮২.
(0.71)10 এর হেক্সাডেসিমেল রূপ কোনটি?
  1. (0.C5B...)16
  2. (0.D5C...)16
  3. (0.C5D...)16
  4. (0.B5C...)16
ব্যাখ্যা

• (0.71)10 এর হেক্সাডেসিমেল রূপ (0.B5C...)16




উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

২৮৩.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে, সাধারণত NOT গেটের জন্য কোন প্রতীক ব্যবহার করা হয়?
  1. আউটপুটে একটি বৃত্তসহ ত্রিভুজ
  2. আউটপুটে একটি বর্গসহ ত্রিভুজ
  3. আউটপুটে একটি বৃত্তসহ বর্গ
  4. আউটপুটে শুধু বর্গ
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে NOT গেট, যাকে ইনভার্টারও বলা হয়, এটি একটি মৌলিক লজিক গেট যা ইনপুটের বিপরীত আউটপুট দেয়। সাধারণত NOT গেটের প্রতীক হিসেবে আউটপুটে একটি বৃত্তসহ ত্রিভুজ ব্যবহার করা হয়। এখানে ত্রিভুজটি ইনপুট থেকে আউটপুটের দিক নির্দেশ করে এবং ত্রিভুজের ডগায় একটি ছোট বৃত্ত থাকে যা "বিপরীতকরণ" বা "inversion" নির্দেশ করে। এই বৃত্তটিই বোঝায় যে ইনপুটের বিপরীত মান আউটপুটে পাওয়া যাবে—যেমন, ইনপুট ১ হলে আউটপুট ০ হবে এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট ১ হবে। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) আউটপুটে একটি বৃত্তসহ ত্রিভুজ।

• NOT গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।
- এ গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে। ইনপুটের বিপরীত হবে আউটপুট। সেজন্য এ গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৪.
BCD কোড কত বিট বিশিষ্ট?
  1. ক) ২ বিট
  2. খ) ৪ বিট
  3. গ) ৮ বিট
  4. ঘ) ১৬ বিট
ব্যাখ্যা
দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারিতে রুপান্তরের জন্য বিসিডি কোড ব্যবহৃত হয়। 

- বিসিডি কোড : BCD এর পূর্ণ নাম Binary Coded Decimal।
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের জন্য এ কোড ব্যবহার করা হয়।
- এ কোডের মাধ্যমে ‘0’ থেকে ‘9’ পর্যন্ত মােট 10টি সংখ্যাকে 4 বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা নির্দেশ করা যায়।
- BCD একটি ৪বিট বাইনারি ভিত্তিক কোড।
- 4 বিট এর সমন্বয়ে অনেক রকম BCD কোড তৈরি করা যায়। 

সূত্র- সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২৮৫.
(২৩)১০ কে বাইনারীতে রূপান্তর করলে নিচের কোনটি হবে?
  1. ক) (১০১১১)
  2. খ) (১০০১১)
  3. গ) (১১০১১)
  4. ঘ) (১১১০০)
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২৮৬.
দশমিক (Decimal) সংখ্যার বাইনারি রূপান্তরই হলো -
  1. আলফানিউমেরিক কোড
  2. ইউনিকোড
  3. বিসিডি কোড
  4. নিউমেরিক কোড
ব্যাখ্যা
বিসিডি (BCD)) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড দশমিক (Binary Coded Decimal)। দশমিক (Decimal) সংখ্যার বাইনারি রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড। এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যার ০ থেকে ৯ পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়। ৪ বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ ১৬ ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই ১৬টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব। এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।
২৮৭.
'১১০০০' এর ২ এর পরিপূরক কত?
  1. ১১০০০
  2. ০১০০০
  3. ০১০০১
  4. ০০১১০
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
১ এর পরিপূরক মানে ০ এর স্থলে ১ এবং ১ এর স্থলে ০ হবে।

⇒ '১১০০০' এর ১ এর পরিপূরক হবে ০০১১১
⇒ ১ এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করলে বাইনারি সংখ্যার ২ এর পরিপূরক পাওয়া যায় ।
⇒ '১১০০০' এর ২ এর পরিপূরক হলো = ০০১১১ + ১ = ০১০০০
২৮৮.
প্রচলিত সংখ্যা 105 এর সমতুল্য বাইনারি মান কোনটি?
  1. ক) 1101001
  2. খ) 1111100
  3. গ) 1011111
  4. ঘ) 0011111
ব্যাখ্যা
প্রচলিত দশমিক সংখ্যাকে বাইনারিতে নিতে হলে ২ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- প্রথমে ভাগফল এবং একটি হাইফেন দিয়ে ভাগশষ লিখতে হয়। এভাবে প্রাপ্ত ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- ভাগফলের স্থানে ০ আসলে ভাগ করা বন্ধ করে ভাগশেশসমূহ নিচ থেকে উপরের দিকে লিখলেই বাইনারিতে রুপান্তরিত হয়।
২৮৯.
নিচের কোনটি অক্টাল নাম্বার?
  1. ক) ৮১২
  2. খ) ৩২৯
  3. গ) ১০১০
  4. ঘ) ৭১৯
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে -৮ এবং এর ব্যবহৃত অঙ্ক হচ্ছে ০-৭।
২৯০.
১ মেগাবাইট সমান কত বাইট?
  1. ক) ২১০ বাইট
  2. খ) ২৩০ বাইট
  3. গ) ২২০ বাইট
  4. ঘ) ২২৪ বাইট
ব্যাখ্যা
১ নিবল = ৪ বিট।
১ বাইট = ৮ বিট।
১ কিলোবাইট = ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
১ মেগাবাইট = ২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।
২৯১.
(৮৫০)১০ কে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর কর।
  1. (৩৫১)১৬
  2. (৩৪২)১৬
  3. (৩৫২)১৬
  4. (৩২৫)১৬
ব্যাখ্যা
  ভাজক    ভাজ্য  ভাগশেষ   
১৬ ৮৫০    
১৬ ৫৩  ২ সর্বনিম্ন গুরুত্বের অঙ্ক (LSB)
১৬  ↑
১৬ সর্বোচ্চ গুরুত্বের অঙ্ক (MSB)
 
সুতরাং, (৮৫০)১০  = (৩৫২)১৬
২৯২.
0 এর বুলিয়ান পূরক কত?
  1. ক) 0
  2. খ) 1
  3. গ) 10
  4. ঘ) 11
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান পূরক
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় দুটি সম্ভাব্য মান ০ এবং ১ কে একটি অপরটির পূরক বলা হয়।
- পূরককে ‘¯’ অথবা ‘ ’ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ ১ এর পূরক ০ এবং ০ এর পূরক ১।
- উক্ত কথাটিকে গণিতের ভাষায় লেখা হয়, A এর পূরক হলো A′
- অর্থাৎ যদি A এর মান ০ হয় তবে A′ = ১ এবং যদি A এর মান ১ হয় তবে A′ = ০

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২৯৩.
'MS Excel' সিটে সর্বোচ্চ কতটি সারি থাকতে পারে?
  1. ৬৫,৫৩৬ টি
  2. ২৫৬ টি
  3. ৬৫,৪৩৬ টি
  4. ৫১২ টি
ব্যাখ্যা
'MS Excel' সিটে সর্বোচ্চ ৬৫,৫৩৬ টি সারি থাকতে পারে।
মোট কলামের সংখ্যা ২৫৬ টি।
আর মোট সেলের সংখ্যা ১,৬৭,৭৭,২১৬টি।
২৯৪.
বাইনারি সংখ্যা (1011011)2 এর দশমিক মান কত?
  1. 68
  2. 84
  3. 91
  4. 99
ব্যাখ্যা

বাইনারি সংখ্যা (1011011)2 এর দশমিক মান হলো 91.

• বাইনারি থেকে দশমিকে রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য, প্রত্যেক বাইনারি অংককে তার স্থানীয় মান অনুযায়ী 2 এর ঘাত (power) দিয়ে গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময়, বাইনারি সংখ্যার সবচেয়ে ডানদিকের অংকটির স্থানীয় মান 20 থেকে শুরু করে বাম দিকে ক্রমান্বয়ে ঘাত বাড়াতে হয়।
- এরপর, প্রাপ্ত গুণফলগুলোকে যোগ করলে দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
1011011
= (1 × 26) + (0 × 25) + (1 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= (1 × 64) + (0 × 32) + (1 × 16) + (1 × 8) + (0 × 4) + (1 × 2) + (1 × 1)
= 64 + 0 + 16 + 8 + 0 + 2 + 1
= 91

সুতরাং, বাইনারি সংখ্যা 1011011 এর দশমিক মান হলো 91.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৯৫.
নট গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট কত?
  1. - ১
  2. ১১
ব্যাখ্যা
তিন প্রকার মৌলিক গেইটগুলাে হলাে :
১. অর গেইট (OR Gato): যৌক্তিক যোগের জন্য।
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) : যৌক্তিক গুণের জন্য।
৩. নট গেইট NOT Gate) : যৌক্তিক পূরকের জন্য।

নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৬.
একটি কম্পিউটার সিস্টেমে (১১০০১০১১) বাইনারি সংখ্যাটির মান ডেসিমেল এ কত হবে?
  1. - ৫২
  2. - ৫৩
  3. ২০৩
  4. উপরের সবকটি হতে পারে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি কম্পিউটার সিস্টেমে (11001011)2 বাইনারি সংখ্যাটির মান ডেসিমেল এ কত হবে?

একটি কম্পিউটার সিস্টেমে ৮-বিট বাইনারি সংখ্যা (11001011)2 এর মান নির্ভর করে আমরা কীভাবে তা ইন্টারপ্রেট করি তার ওপর। যদি এটি Unsigned সংখ্যা হিসেবে ধরা হয়, তাহলে সব বিটই ধনাত্মক অবদান রাখে এবং দশমিক মান হবে 128 + 64 + 0 + 0 + 8 + 0 + 2 + 1 = 203, অর্থাৎ অপশন (গ)।
- তবে, যদি আমরা এটিকে Signed Two’s Complement হিসেবে ধরি, তাহলে প্রথম বিট (MSB) = 1 হওয়ায় সংখ্যা ঋণাত্মক। Two’s complement বের করতে প্রথমে বিটগুলো উল্টে 00110100 পাই এবং ১ যোগ করলে 00110101 হয়, যার দশমিক মান = 53, সুতরাং Signed হিসেবে মান = - 53, অর্থাৎ অপশন (খ)।
- অন্যদিকে, One’s Complement অনুযায়ী, MSB = 1 → ঋণাত্মক, এবং বিটগুলো উল্টে 00110100 পাওয়া যায়, যার দশমিক মান = 52, অর্থাৎ মান = - 52, অর্থাৎ অপশন (ক)।
- তাই প্রাসঙ্গিক প্রসঙ্গে, একই বাইনারি সংখ্যা Unsigned, Signed Two’s Complement, বা One’s Complement হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন মান দিতে পারে, এবং প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী সবকটি মান সম্ভব।

- একই ৮-বিট সংখ্যা (11001011)2 এর জন্য Unsigned = 203, Two’s Complement Signed = -53, One’s Complement Signed = - 52

[উল্লেখ্য, PSC অপশন (ঘ) তে সচরারচর - "উপরের সবকটি" দিয়ে থাকে, কিন্তু ৪৭ তম বিসিএসে এবার অপশন (ঘ) - "উপরের সবকটি হতে পারে" দিয়েছে। সব ছোট বিষয়ও খেয়াল রেখে উত্তর করতে হবে।] 

• বিস্তারিত সমাধান:
১. যদি Unsigned সংখ্যা হিসেবে ধরা হয়:

(11001011)2 = (1 × 27) + (1 × 26) + (0 × 25) + (0 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 128 + 64 + 0 + 0 + 8 + 0 + 2 + 1 = 203
অতএব, Unsigned হলে মান = 203

২. যদি Signed (Two’s Complement, 8-bit) সংখ্যা হিসেবে ধরা হয়:
- প্রথম বিট = 1 → সংখ্যা নেগেটিভ।
- Two’s complement বের করতে: প্রথমে বিট ইনভার্ট → 00110100
- তারপর 1 যোগ করলে → 00110101 = 53
অতএব, Signed হলে মান = - 53

- Unsigned interpretation: 203
- Signed interpretation: - 53

(৩) One’s Complement নিয়ম (8-bit):

MSB = 1 → সংখ্যা ঋণাত্মক। 
Magnitude = Bitwise complement (বিটের উল্টো)

⇒ 8-bit সংখ্যা 110010112

⇒ MSB = 1 → সংখ্যা ঋণাত্মক। 

⇒ Bitwise complement: 
11001011 → 001101002

⇒ 001101002 এর দশমিক মান = 52

⇒  অতএব, One’s Complement অনুযায়ী এই সংখ্যার মান = -52 (অপশন ক)

উল্লেখ্য,
- MSB এর পূর্ণরূপ হলো: Most Significant Bit.
- এটি একটি বাইনারি সংখ্যার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিট।
- সাধারণত, MSB সংখ্যা নির্ধারণ করে যে সংখ্যা ধনাত্মক না ঋণাত্মক (Signed Binary Number) বা বাইনারি সংখ্যার সর্বোচ্চ মানের অংশ।
(11001011)2
এখানে, প্রথম 1 = MSB

Signed 8-bit Two’s Complement এ MSB = 1 → সংখ্যা ঋণাত্মক
MSB = 0 → সংখ্যা ধনাত্মক। 

সূত্র: 
- “Digital Design” by M. Morris Mano.
- “Digital Electronics: Principles and Applications” by Roger L. Tokheim.
- rapidtables [link]

২৯৭.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (2A6)16 এর দশমিক সংখ্যা কত? 
  1. ক) 512
  2. খ) 678
  3. গ) 726
  4. ঘ) 778
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A,B,C,D,E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে, 
(2A6)16 
= 2 × 162 + A × 161 + 6 × 160 
= 2 × 256 + 10 × 16 + 6 × 1
= 512 + 160 + 6
= (678)10

সুতরাং, (2A6)16 = (678)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৮.
ডি মরগ্যানের উপপাদ্য,=?
    ব্যাখ্যা
    - ডি মরগ্যানের উপপাদ্য:
     

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
    ২৯৯.
    কোন গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হয়?
    1. XOR
    2. XNOR
    3. NOT
    4. AND
    ব্যাখ্যা
    • এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
    - Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
    - মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে। 
    - এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়। 
    - এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 
    - মৌলিক গেইট (অ্যান্ড, অর, নট) দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা যায়। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৩০০.
    এক গিগাবাইট সমান-
    1. ক) ১০২৪ বাইট
    2. খ) ১০২৪ কিলোবাইট
    3. গ) ১০২৪ মেগাবাইট
    4. ঘ) ১০২৪ টেরাবাইট
    ব্যাখ্যা
    - ১ গিগাবাইট সমান ১০২৪ মেগাবাইট।

    তাছাড়া, 
    - ১ নিবল সমান অর্ধ বাইট বা ৪ বিট।
    - ১ বাইট সমান ১ ক্যারেক্টার বা ৮ বিট।
    - ১ কিলোবাইট সমান ১০২৪ বাইট।
    - ১ মেগাবাইট সমান ১০২৪ কিলোবাইট।
    - ১ টেরাবাইট সমান ১০২৪ গিগাবাইট।

    উৎস: তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।