বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

মোট প্রশ্ন১,৩২০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

PrepBank · পাতা ১০ / ১৪ · ৯০১১,০০০ / ১,৩২০

৯০১.
NOR গেট ছাড়াও আর কোন গেট দিয়ে AND, OR এবং NOT গেট বাস্তবায়ন করা সম্ভব?
  1. NAND
  2. XOR
  3. XNOR
  4. শুধুমাত্র AND
ব্যাখ্যা

 • সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে,
• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯০২.
নিচের কোন বুলিয়ান উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) x + 0 = x
  2. খ) x . 1 = x
  3. গ) x + x = x
  4. ঘ) x . 0 = x
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান উপপাদ্যঃ
অপরিবর্তনীয় উপপাদ্য (Idempotent):
x + x = x ;
x . x = x

পরিচিতি উপপাদ্য (Identity):
x + 0 = x;
x . 1 = x

কর্তৃত্ব উপপাদ্য (Domination):
x + 1 = 1;
x . 0 = 0
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)

৯০৩.
NAND গেটের আউটপুট কখন ‘০’ হয়?
  1. সব ইনপুট ‘১’ হলে
  2. সব ইনপুট ‘০’ হলে
  3. যেকোনো ইনপুট ‘১’ হলে
  4. ইনপুট ভিন্ন হলে
ব্যাখ্যা

◉ NAND গেট হলো AND গেটের পর NOT গেট, তাই সব ইনপুট ‘১’ হলে আউটপুট ‘০’ হয়।

ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০৪.
বাইনারি সংখ্যা প্রকাশ করতে নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ০
  2. খ) ৪
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বা দ্বিমিক সংখ্যা পদ্ধতি এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যাতে সকল সংখ্যাকে কেবলমাত্র ০ এবং ১ দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি দুই।
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এই সংখ্যাপদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।
- তাছাড়া প্রায় সকল আধুনিক কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- বাইনারি পদ্ধতিতে প্রতিটি অঙ্ককে বিট বলা হয়।

সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও ভোকেশনাল।

৯০৫.
BCD কোড 1000 0100 কোন দশমিক সংখ্যার প্রতিনিধিত্ব করে?
  1. 84
  2. 82
  3. 86
  4. 88
ব্যাখ্যা

• BCD (Binary-Coded Decimal) কোড হল একটি ৪-বিট বাইনারি সিস্টেম যা প্রতিটি দশমিক সংখ্যাকে আলাদা করে প্রকাশ করে। প্রতিটি ৪-বিটের গ্রুপ একটি দশমিক অঙ্ক নির্দেশ করে।
- BCD কোডের সুবিধা হলো এটি সরাসরি মানুষের পড়ার জন্য সহজ এবং ডিজিটাল সিস্টেমে অঙ্কগুলোর প্রতিফলন সহজ করে।
- BCD কোড 1000 0100 "84" দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে।

​বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

8 এর বিসিডি 1000
4 এর বিসিডি 0100
∴ 84 এর বিসিডি 1000 0100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯০৬.
প্যারিটি বিটের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটা প্রেরণে ত্রুটি শনাক্ত করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ বৃদ্ধি করা
  3. ডেটা সংক্ষেপ করা
  4. ডেটা এনক্রিপ্ট করা
ব্যাখ্যা

• প্যারিটি বিটের মূল উদ্দেশ্য হলো ডেটা প্রেরণে ত্রুটি শনাক্ত করা। এটি একটি সহজ ত্রুটি নির্ণয় পদ্ধতি যা ডেটার প্রতিটি বাইটের সঙ্গে একটি অতিরিক্ত বিট যুক্ত করে কাজ করে। প্যারিটি বিট ১ বা ০ হতে পারে, যা নির্ধারণ করে যে বাইটে থাকা ১-এর সংখ্যা জোড় না বিজোড়। যখন ডেটা প্রেরণ করা হয়, প্রাপক এই প্যারিটি বিট পরীক্ষা করে দেখতে পারে যে প্রেরিত ডেটায় কোনো ত্রুটি হয়েছে কি না। এটি মূলত ডেটা সংরক্ষণ, সংক্ষেপ বা এনক্রিপশনের জন্য ব্যবহৃত হয় না, বরং যোগাযোগের সময় ত্রুটি শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো (ক) ডেটা প্রেরণে ত্রুটি শনাক্ত করা।

• প্যারিটি বিট:
এটি যেভাবে কাজ করে- 
Even Parity (জোড় Parity):
-  ডেটার মধ্যে 1 বিট সংখ্যা জোড় রাখতে একটি Parity Bit যোগ করা হয়।
-  যদি 1-এর সংখ্যা বিজোড় হয়, তাহলে 1 যোগ করে জোড় করা হয়।

Odd Parity (বিজোড় Parity):
-  ডেটার মধ্যে 1 বিট সংখ্যা বিজোড় রাখতে Parity Bit যোগ করা হয়।
 
সীমাবদ্ধতা:
-  Parity Bit কেবলমাত্র একটি বিট পরিবর্তন শনাক্ত করতে পারে।
-  একাধিক বিট পরিবর্তন ঘটলে এটি নির্ণয় করতে পারে না।

তথ্যসূত্র:
-  IBM Docs.
-  Stallings, William. Computer Organization and Architecture.

৯০৭.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার কোন উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) A + 0 = A
  2. খ) A . 1 = 1
  3. গ) A + A = A
  4. ঘ) A + A' = 1
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য:
- A + 0 = A
- A + A = A
- A + A' = 1
- A + 1 = 1
- A . 1 = A
- A . A' = 0
- A . A = A
- A . 0 = 0

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯০৮.
IPC এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Information Performance Cycle
  2. খ) Information Per Code
  3. গ) Instructions Period Cycle
  4. ঘ) Instructions Per Cycle
ব্যাখ্যা
In computer architecture, instructions per cycle (IPC), commonly called instructions per clock is one aspect of a processor's performance: the average number of instructions executed for each clock cycle. It is the multiplicative inverse of cycles per instruction.

Source:
Computer Architecture: A Quantitative Approach
By - John L. Hennessy, David A. Patterson
৯০৯.
"একটি ২ (দুই) ইনপুট লজিক সেটের আউটপুট ০ হবে, যদি এর ইনপুটগুলো সমান হয়"- এই উক্তিটি কোন সেটের জন্য সত্য?
  1. AND
  2. NOR
  3. Ex-OR
  4. OR
ব্যাখ্যা
• যদি Ex-OR Gate (XOR) গেটের ক্ষেত্রে উভয় ইনপুট এর মান সমান হলে, তবে লজিক সেটের আউটপুটের মান ০ হয়।তবে ইনপুট এর মান ভিন্ন হলে আউটপুট ১ হয়।

- AND, OR এবং NOR গেটের ক্ষেত্রে, উভয় ইনপুটের মান একই হলে আউটপুট 0 অথবা 1 দুইটিই হতে পারে।[ইনপুট দুইটি 0 হলে আউটপুট 0, ইনপুট দুইটি 1 হলে আউটপুট 1]
৯১০.
ASCII-7 কোডের মাধ্যমে কতটি চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ক) ৩২
  2. খ) ১২৮
  3. গ) ২৫৬
  4. ঘ) ৬৫৫৩৬
ব্যাখ্যা
অ্যাসকি কোড (ASCII Code)
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
-1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়। এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯১১.
নিচের কোনটি বাইনারি সংখ্যা নয়?
  1. 101
  2. 112
  3. 111
  4. 100
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি অর্থাৎ এ সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি বা বেজ ২।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি হলো সরলতম গণনা পদ্ধতি।
- বাইনারি পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি মাত্র অংক ব্যবহৃত হয়।
- এ জন্য এই পদ্ধতিকে দ্বিমিতিক সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- প্রদত্ত সংখ্যা গুলোর মধ্যে 100, 101, 111 এই তিনটি বাইনারি সংখ্যা।

অন্যদিকে,
- 112 বাইনারি সংখ্যা নয় কারণ বাইনারি সংখ্যা মূলত ২ টি সংখ্যা (0, 1) নিয়ে গঠিত হয়ট

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯১২.
(321)8 এর ডেসিমেল নাম্বার কোনটি? 
  1. ক) 98
  2. খ) 109
  3. গ) 193
  4. ঘ) 209
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা (Octal Number): 
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি। 

এখানে, 
(321)
= 3 × 82 + 2 × 81 + 1 × 80 
= 3 × 64 + 2 × 8 + 1×1
= 192 + 16 + 1
= 209

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯১৩.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির বেস কত?
  1. ১৬ 
  2. ১০ 
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির বেস হলো ১৬। এই সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬টি ভিন্ন অঙ্ক ব্যবহৃত হয়: ০ থেকে ৯ পর্যন্ত দশটি সংখ্যা এবং A থেকে F পর্যন্ত ছয়টি ইংরেজি বর্ণ, যেখানে A মানে ১০, B মানে ১১, C মানে ১২, D মানে ১৩, E মানে ১৪ এবং F মানে ১৫। এটি মূলত কম্পিউটিং ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়, কারণ বাইনারি (বেস ২) সংখ্যাকে সহজভাবে প্রকাশ করার জন্য হেক্সাডেসিমেল খুবই সুবিধাজনক। যেমন, ৮-বিট বাইনারি সংখ্যাকে মাত্র দুটি হেক্সাডেসিমেল অঙ্কে প্রকাশ করা যায়। অতএব, হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতির বেস ১৬, সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) ১৬।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।

যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১৪.
একটি ডিজিটাল সার্কিট যা বিট প্যাটার্নগুলিকে সংরক্ষণ করতে এবং একটি নির্দিষ্ট দিকে সরাতে ব্যবহৃত হয়-
  1. ফ্লিপ-ফ্লপ
  2. কাউন্টার
  3. মাল্টিপ্লেক্সার
  4. শিফট রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

◉ শিফট রেজিস্টার হলো এক ধরনের সিকুয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট, যা ডেটা বিটগুলিকে স্টোর (সংরক্ষণ) করে এবং ক্লক সিগন্যালের সাহায্যে ডেটাকে লেফট বা রাইট দিকে শিফট (সরানো) করতে পারে।

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসরের অভ্যন্তরে থাকা একটি উচ্চগতির বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- এটি ডেটা প্রসেসিংয়ের আগে অস্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে, যা প্রসেসরের কার্যক্ষমতাকে দ্রুততর করে।
- রেজিস্টার একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত একটি সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- একটি n-বিট রেজিস্টার-এ n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে এবং এটি n-বিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
- রেজিস্টার হলো CPU-এর অভ্যন্তরে থাকা প্রথম মেমোরি ডিভাইস, যা প্রসেসিং-এর সময় দ্রুত ডেটা সঞ্চয় ও পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করে।
- সরল এবং সাধারণ রেজিস্টারগুলো শুধুমাত্র ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট দ্বারা তৈরি হয় এবং ক্লক পালস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

• গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং
২. শিফট রেজিস্টার।

শিফট রেজিস্টার: 
- যে রেজিস্টার বাইনারি ডাটাকে ডানদিক বা বাম দিকে বা উভয় দিকে সরাতে পারে তাকে শিফট রেজিস্টার বলে।
- শিফট রেজিস্টারে একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ চেইন আকারে একটির সাথে অপরটি যুক্ত থাকে যাতে একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট পরবর্তী ফিল্প-ফ্লপের ইনপুটের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ পায় যা একটি স্টেজ থেকে অপর স্টেজে শিফট সূচনা করে।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ দেওয়া হয়। এক একটি পালসে এক একটি বিট সরানো হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯১৫.
কোন গেইটটি ইনপুটের বিপরীত মান প্রদান করে?
  1. NOT Gate
  2. OR Gate
  3. XOR Gate
  4. AND Gate
ব্যাখ্যা
NOT Gate গেইটটি ইনপুটের বিপরীত মান প্রদান করে।

কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিজিটাল যন্ত্রের ভিত্তি তিনটি গেইট:
১। OR Gate (অর গেইট)
২। AND Gate (অ্যান্ড গেইট)
৩। NOT Gate (নট গেইট)

• OR Gate (অর গেইট): ইনপুটগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি ১ হলে আউটপুট হবে ১।


• AND Gate (অ্যান্ড গেইট): সব ইনপুট ১ হলে তবেই আউটপুট ১ হয়, না হলে ০।


• NOT Gate (নট গেইট): ইনপুটের উল্টো মান দেয়।


উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১৬.
হাফ-অ্যাডার ব্যবহার করে ফুল-অ্যাডার বাস্তবায়নের জন্য কী প্রয়োজন?
  1. NOR Gate
  2. OR Gate
  3. AND Gate
  4. NAND Gate
ব্যাখ্যা

◉ ফুল-অ্যাডার (Full Adder) কে হাফ-অ্যাডার (Half Adder) ব্যবহার করে বাস্তবায়ন করা যায়। তবে, যেহেতু হাফ-অ্যাডার কেবল দুটি বিট যোগ করতে পারে এবং ক্যারি ইনপুট গ্রহণ করতে পারে না, তাই ফুল-অ্যাডার তৈরি করতে দুটি হাফ-অ্যাডার এবং একটি OR গেট প্রয়োজন

অর্ধযোগের বর্তনী দ্বারা পূর্ণযোগের বর্তনী বাস্তবায়ন:
- হাফ অ্যাডারের সাহায্যে ফুল এডার তৈরীর জন্য ২টি Half-adder এবং Carry যোগের জন্য ১টি অতিরিক্ত অর গেইটের প্রয়োজন হয়।

ধরি, একটি পূর্ণযোগের বর্তনীর ইনপুট সংকেত ও ক্যারি যথাক্রমে A, B ও Ci এবং আউটপুট বা যোগফল S এবং ক্যারি Co।
- নিম্নে হাফ এডার দ্বারা ফুল এডার বাস্তবায়নের ব্লক ডায়াগ্রাম দেয়া হলো-

প্রথম হাফ-অ্যাডারের ইনপুট A ও B থেকে যোগফল S ও ক্যারি C পাওয়া যায়।
- দ্বিতীয় হাফ-অ্যাডারে ইনপুট হিসেবে ১ম অ্যাডারের যোগফল ST ও ক্যারি C দেয়া হয়, যার থেকে যোগফল S2 ও ক্যারি C2 পাওয়া যায়।
- দ্বিতীয় হাফ অ্যাডারের যোগফলই হবে ফুল অ্যাডারের যোগফল।
- ১ম ও ২য় হাফ অ্যাডারের ক্যারি যোগ করে পাওয়া যাবে ফুল অ্যাডারের ক্যারি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯১৭.
(.46)10 = (?)2
  1. 0.01110......
  2. 0.11110......
  3. 0.11111......
  4. 0.01010......
ব্যাখ্যা
• (.46)10 = (0.01110......)2

• ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে দশমিক হতে বাইনারিতে রূপান্তর:
দশমিক ভগ্নাংশকে ২ দ্বারা গুণ করতে হয় এবং গুণফলের পূর্ণ অংশটি সংরক্ষিত রেখে ভগ্নাংশকে পুনরায় ২ দ্বারা গুণ করতে হয়, এরপর পূর্ণ অঙ্ক হিসেবে প্রাপ্ত অঙ্কগুলো প্রাপ্তির ক্রমানুসারে পাশাপাশি লিখে দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯১৮.
A = 0 এবং B =1 হলে, NOR গেইটের ক্ষেত্রে আউটপুট কী হবে?
  1. 11
  2. 1
  3. 0
  4. 10
ব্যাখ্যা
 নর গেইট:
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে। 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১৯.
(1001)8 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. ক) 521
  2. খ) 513
  3. গ) 522
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (1001)8 এর ডেসিমেল মান কত?

সমাধান:
1001
= (1 × 83) + (0 × 82) + (0 × 81) + (1 × 80)
= 512 + 0 + 0 + 1
= 513
৯২০.
NOR গেটটি কোন ধরনের গেটের সমন্বয় দ্বারা তৈরি করা যায়?
  1. NOT + AND
  2. AND + OR
  3. NOT + OR
  4. XOR + NOT
ব্যাখ্যা

• NOR গেট একটি ডিজিটাল লজিক গেট যা OR গেটের আউটপুটকে উল্টো করে দেয়। সহজভাবে বলতে গেলে, NOR গেট হল একটি OR গেটের আউটপুটের NOT অপারেশন। তাই, NOR গেটকে গঠন করা যায় OR গেট এবং NOT গেটের সমন্বয় দ্বারা। এখানে প্রথমে দুটি ইনপুটকে OR গেট দিয়ে যুক্ত করা হয় এবং তারপর সেই আউটপুটকে NOT গেটের মাধ্যমে বিপরীত করা হয়। ফলস্বরূপ, NOR গেট তখনই ‘1’ আউটপুট দেয় যখন সমস্ত ইনপুটই ‘0’ হয়। সুতরাং, NOR গেটের জন্য সঠিক সমন্বয় হলো NOT + OR। অপশন গুলোর মধ্যে অন্য কোনো সমন্বয় এটি তৈরি করতে সক্ষম নয়।

সঠিক উত্তর: গ) NOT + OR

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩. নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯২১.
11110101 সংখ্যাটির 1’s complement কত?
  1. 10110011
  2. 11001100
  3. 10010011
  4. 00001010
ব্যাখ্যা

• সব বিট উল্টালে 11110101 → 00001010 হয়।

• ১-এর পরিপূরক (1’s Complement):

- বাইনারি সংখ্যায় ১-এর পরিপূরক (1’s complement) গঠন করার জন্য—

- যেখানে ০ আছে সেখানে ১ বসাতে হয় এবং
- যেখানে ১ আছে সেখানে ০ বসাতে হয়।
অর্থাৎ, সংখ্যাটির সব বিট উল্টে (Invert) দিতে হয়।

• উদাহরণ:

- প্রদত্ত বাইনারি সংখ্যা: 11110101.
- প্রতিটি বিট উল্টালে পাই: 00001010.
সুতরাং,
11110101 এর 1’s complement = 00001010.
 
• মূল ধারণা:

- 1’s complement পদ্ধতিতে কোনো যোগ বা বিয়োগ প্রয়োজন হয় না।
- কেবলমাত্র বিট ইনভার্সন করলেই ফলাফল পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৯২২.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. ৫১২
  2. ২৮১
  3. ১৬২০
  4. ৬৪
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৫১২, ১৬২০, ৬৪ কিন্তু ২৮১ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৯২৩.
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কোনটি?
  1. মেয়ান
  2. ট্যালি
  3. বাইনারি
  4. হায়ারোগ্লিফিক্স
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা পদ্ধতি (Number System): 
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি। 
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-Positional Number System):
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। 

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System):
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৪.
"B" এর ASCII ভ্যালু কত?
  1. 66
  2. 67
  3. 65
  4. 97
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৫.
(469)10 = (?)8
  1. 825
  2. 425
  3. 925
  4. 725
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) (469)10 = (725)8

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১। দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যার বেজ ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২। ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩। এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ হয়।
৪। সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে শুরু বা সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD-Most Significant Digit) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণের অংক (LSD-Least Significant Digit) পর্যন্ত অক্টাল মান পাওয়া যাবে।



সুতরাং, (469)10 = (725)8

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৬.
দশমিক সংখ্যা 10 এর হেক্সাডেসিমেল মান নিচের কোনটি?
  1. ক) A
  2. খ) 8
  3. গ) D
  4. ঘ) F
ব্যাখ্যা
 
৯২৭.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা B5D এর সমতূল্য ডেসিমেল মান কত?
  1. 2634
  2. 2784
  3. 2909
  4. 3012
ব্যাখ্যা
(B5D)₁₆
= (11 × 16²) + (5 × 16¹) + (13 × 16⁰)
= 2816 + 80 + 13
= (2909)₁₀
৯২৮.
কোনটি গণনা পদ্ধতি নয়?
  1. ক) ডেসিমেল
  2. খ) হেক্সাডেসিমেল
  3. গ) বিসিডি
  4. ঘ) অক্টাল
ব্যাখ্যা
ডেসিমাল, হেক্সাডেসিমেল ও অক্টাল হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
অন্যদিকে, বিসিডি (BCD) হলো একটি কোড, এটি কোন সংখ্যা পদ্ধতি নয়। 
৯২৯.
(110)10 কে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রুপান্তর করলে নিম্নের কোনটি পাওয়া যাবে?
  1. ক) 5C
  2. খ) 5D
  3. গ) 6E
  4. ঘ) 100
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে hexadecimal এ নিতে হলে ১৬ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- প্রথমে ভাগফল  এবং একটি হাইফেন দিয়ে ভাগশষ লিখতে হয়।
- এভাবে প্রাপ্ত ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- ভাগফলের স্থানে ০ আসলে ভাগ করা বন্ধ করে ভাগশেষসমূহ নিচ থেকে উপরের দিকে লিখলেই hexadecimal এ রূপান্তরিত হয়।
∴ (110)10 = (6E)16
৯৩০.
যে বর্তনীতে দুটি ইনপুট যোগ করলে ১টি সাম ও ১টি ক্যারি থাকে তাকে বলে-
  1. ক) হাফ অ্যাডার
  2. খ) ফুল অ্যাডার
  3. গ) রেজিস্টার
  4. ঘ) ডিকোডার
ব্যাখ্যা
হাফ অ্যাডার:
- দুইটি বাইনারি বিট যোগ করার জন্য যে বর্তনী ব্যবহার করা হয় তাকে হাফ অ্যাডার বলা হয়।
- দুইটি বিট A ও B যোগ করে এই বর্তনী হতে যোগফল (S) এবং হাতের সংখ্যা বা ক্যারি (C) পাওয়া যায়।
- ক্যারি যোগের ব্যবস্থা থাকে না বলে এই বর্তনীকে অর্ধযোগের বর্তনী বলে। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩১.
কোন গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে?
  1. ক) অর গেইট
  2. খ) অ্যান্ড গেইট
  3. গ) নট গেইট
  4. ঘ) নর গেইট
ব্যাখ্যা
অর গেইট
- এই গেইট যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 

অ্যান্ড গেইট
- এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

নট গেইট
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।

নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৯৩২.
পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য কোন মৌলিক লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়?
  1. XOR
  2. NOT
  3. OR
  4. AND
ব্যাখ্যা
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
 
OR gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
 
AND gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
 
NOT gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
 
অন্যদিকে,
- XOR গেইট একটি বিশেষ গেইট।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৩৩.
যে লজিক গেটের আউটপুট 1 হওয়ার জন্য প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটি ইনপুটকেই 1 হতে হয়। সেটি হল-
  1. ক) XOR
  2. খ) AND
  3. গ) NOT
  4. ঘ) NAND
ব্যাখ্যা
NOT গেট একটি ইনপুটের বিপরীত অবস্থান তৈরি করে। AND গেটের আউটপুট 1 হওয়ার জন্য প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটি ইনপুটকেই 1 হতে হয়। OR গেটের আউটপুট 1 হওয়ার জন্য প্রথম অথবা দ্বিতীয় যে কোনােটি অথবা দুটিই 1 হতে হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
৯৩৪.
(111011)2, (101011)2 সংখ্যা দুটি যোগ করুন।
  1. 1100110
  2. 010000
  3. 111011
  4. 101011
ব্যাখ্যা
• বাইনারি যোগ (Binary Addition):
- বাইনারি যোগ দশমিক সংখ্যার যোগের মত বাইনারি সংখ্যায় বিটগুলো যোগের পর হাতে যে সংখ্যা থাকে, তা বামের বিটের সাথে যোগ হয়।
- দুটি বাইনারি অংক বা বিটের যোগের সময় চারটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা দেখা যায়। যেমন:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 0 এবং হাতে থাকে 1 (ক্যারি 1), যা বাম দিকের সারিতে যোগ করতে হয়।
আবার 1 + 1 + 1 = 1 বসে এবং হাতে থাকে 1 (ক্যারি 1)।


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
৯৩৫.
(100101)2   = (?)10
  1. 37
  2. 25
  3. 39
  4. 41
ব্যাখ্যা
(100101)₂ = (1 × 2⁵) + (0 × 2⁴) + (0 × 2³) + (1 × 2²) + (0 × 2¹) + (1 × 2⁰) = (37)₁₀
৯৩৬.
Compound Gate এর সকল ইনপুট ১ হলে আউটপুট কত হয়?
  1. ক) ১
  2. খ) -১
  3. গ) ২
  4. ঘ) ০
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
Compound Gate-এর সকল ইনপুট ১ হলে আউটপুট ০ হয় এবং অন্য যেকোন অবস্থায় আউটপুট ১ হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৯৩৭.
বাইনারি ডিজিটকে সংক্ষেপে কী বলা হয়?
  1. বিট
  2. বিসিডি
  3. কিলোবাইট
  4. বাইট
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দু'টিমাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 2.
- যেমন: (110)2, (1101)2 ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।
- এই পদ্ধতির 0 এবং 1 এই অংক দু'টিকে সংক্ষেপে বিট (Binary থেকে Bi এবং Digit থেকে t নিয়ে Bit) বলা হয়।
- 0 এবং 1 কে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যে কোন সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা সম্ভব। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩৮.
(962)10 = (?)16
  1. 4B1
  2. 2E5
  3. 3C2
  4. 5A2
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০→A, ১১→B, ১২→C, ১৩→D, ১৪→E ও ১৫→F সংখ্যা লিখতে হবে।
৯৩৯.
66C কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. বাইনারি
  2. হেক্সাডেসিমেল
  3. অক্টাল
  4. ডেসিমেল
ব্যাখ্যা
-  66C একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা।

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি:

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (1209A)16
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট 16 টি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 16.
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত 16 টি  (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।  
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
........... 20   21   22   23   24   25   26   27  28  29  2A  2B   2C  2D  2E  2F..........

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪০.
কোন ধরনের ফ্লিপ-ফ্লপকে "ডিলে ফ্লিপ-ফ্লপ" বলা হয়?
  1. T Flip-Flop
  2. SR Flip-Flop
  3. D Flip-Flop
  4. JK Flip-Flop
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - D Flip-Flop.

ফ্লিপ ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0, 1) আছে এবং এটি দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে। ধরা যাক, এটি প্রথম অবস্থায় আছে, তাহলে - এটি প্রথম অবস্থাতেই থাকবে যতক্ষণ না এতে বাইরে থেকে একটি তড়িৎপ্রবাহ (যাকে ট্রিগার (Trigger) বলা হয়) দেওয়া হচ্ছে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের একটি আউটপুট অপর আউটপুটের বিপরীত হয়। 

ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
- বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

৬.৯.২ ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ:
ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকারের হয়ে থাকে। যথা:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
- D ফ্লিপ-ফ্লপ,
- JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
- T ফ্লিপ-ফ্লপ,
- মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৪১.
নিচের কোনটি 90(16) এর বাইনারী রূপ?
  1. ক) 01110011(2)
  2. খ) 00001100(2)
  3. গ) 10010001(2)
  4. ঘ) 10010000(2)
ব্যাখ্যা
Convert every hex digit (start lowest digit) to 4 binary digits, with this table:
Hex    Binary
0    0000
1    0001
2    0010
3    0011
4    0100
5    0101
6    0110
7    0111
8    1000
9    1001
A    1010
B    1011
C    1100
D    1101
E    1110
F    1111
 
Convert each hex digit to 4 binary digits (see conversion table below):
90
= 9 0
= 1001 0000
= 10010000
৯৪২.
১ নিবল সমান -
  1. ক) ০.৫ বিট
  2. খ) ০.৫ বাইট
  3. গ) ৮ বিট
  4. ঘ) ৪ বাইট
ব্যাখ্যা
- ১ নিবল সমান অর্ধ বাইট বা ৪ বিট।
- ১ বাইট সমান ১ ক্যারেক্টার বা ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট সমান ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট সমান ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট সমান ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট সমান ১০২৪ গিগাবাইট।

উৎসঃ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৯৪৩.
5 লাইন ডিকোডারের জন্য আউটপুট লাইন হবে:
  1. 16 টি 
  2. 32 টি 
  3. 64 টি 
  4. 88 টি 
ব্যাখ্যা

• 5-লাইন ডিকোডারের জন্য আউটপুট লাইনের সংখ্যা নির্ধারণ করা যায় বিন্যাস অনুযায়ী। সাধারণত, একটি লিনিয়ার ডিকোডার n-লাইন ইনপুট পেলে আউটপুট লাইনের সংখ্যা হয় 2n
- এখানে ইনপুট লাইনের সংখ্যা 5, তাই আউটপুট লাইনের সংখ্যা হবে 25, অর্থাৎ 32 


• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকিগুলোতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

∴ 5 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন = 25 = 32 টি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৪৪.
বাইনারি ১০১১১০ হেক্সাডেসিমাল-এ কত?
  1. ক) 2D
  2. খ) 2E
  3. গ) 2F
  4. ঘ) 2B
৯৪৫.
Which of the following is not an example of a Non-Positional Number System?
  1. Tally System
  2. Hexadecimal System
  3. Hieroglyphics System
  4. Mayan System
ব্যাখ্যা
Hexadecimal System একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪৬.
০ এবং ১, বাইনারী পদ্ধতির এই অংক দুটির প্রত্যেকটিকে এক একটি ____ বলা হয়।
  1. ক) Bit
  2. খ) Byte
  3. গ) Kb
  4. ঘ) KB
ব্যাখ্যা
ইংরেজী Binary শব্দের প্রথম দুটি অক্ষর এবং Digit শব্দের শেষ অক্ষরটি নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়েছে। ০ এবং ১ বাইনারী পদ্ধতির এই অংক দুটির প্রত্যেকটিকে এক একটি Bit বলা হয়।
৯৪৭.
(3E.1A)16 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 59.027
  2. 76.064
  3. 73.172
  4. 37.421
ব্যাখ্যা
- হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল এ প্রকাশ করার জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটিকে বাইনারি তে প্রকাশ করতে হয়।
- তারপর বাইনারি থেকে অক্টালে নিতে হয়।
- হেক্সাডেসিমেল এর 1 বিটকে বাইনারি 4 বিটে রুপান্তরিত করা হয়।
- অক্টাল এর 1 বিটকে বাইনারির 3 বিটে রুপান্তরিত করতে হয়।

∴ (3E.1A)16 = (76.064)8
৯৪৮.

এর মান কত?
  1. ক) X
  2. খ) 1
  3. গ) 0
  4. ঘ) X + Z
৯৪৯.
"1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল কত?
  1. 5
  2. 11
  3. 21
  4. 16
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল কত?

সমাধান:
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- এগুলোর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- A, B, C, D, E, F গুলোকে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, 15 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

এখানে, (1F4)16 কে ডেসিমেলে রূপান্তর করি:
(1F4)16 = 1 × 162 + 15 × 161 + 4 × 160
= 1 × 256 + 15 × 16 + 4 × 1
= 256 + 240 + 4
= 500

∴ "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল = 5 + 0 + 0 = 5

৯৫০.
(195)10 সংখ্যাটির অক্টাল সংখ্যা কোনটি?
  1. (301)8
  2. (303)8
  3. (308)8
  4. (312)8
ব্যাখ্যা

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১। দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যার বেজ ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২। ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩। এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ হয়।
৪। সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে শুরু বা সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD-Most Significant Digit) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণের অংক (LSD-Least Significant Digit) পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে লিখলে সংখ্যাটির সমকক্ষ অক্টাল মান পাওয়া যাবে।

 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৫১.
হেক্সাডেসিমেল 4D এর সমতুল্য দশমিক মান কত? 
  1. 52
  2. 17
  3. 77
  4. 64
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে। 
যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে। 
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে। 

এখানে, 
(4D)16
= 13 × 160 + 4 × 161
= 13 × 1 + 4 × 16
= 13 + 64
= 77
সুতরাং, (4D)16 = (77)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫২.
নিচের কোনটি 12(16) এর বাইনারী রূপ?
  1. ক) 11011010(2)
  2. খ) 101010010(2)
  3. গ) 10110100(2)
  4. ঘ) 00010010(2)
ব্যাখ্যা
Convert each hex digit to 4 binary digits (see conversion table below):
12
= 1 2
= 0001 0010
= 00010010

========
Convert every hex digit (start lowest digit) to 4 binary digits, with this table:

Hex    Binary
0    0000
1    0001
2    0010
3    0011
4    0100
5    0101
6    0110
7    0111
8    1000
9    1001
A    1010
B    1011
C    1100
D    1101
E    1110
F    1111
৯৫৩.
(১১১১০১)২ বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য ডেসিমাল সংখ্যা হবে-
  1. ক) ৪৯
  2. খ) ৫৪
  3. গ) ৫৮
  4. ঘ) ৬১
ব্যাখ্যা
বাইনারি অঙ্কগুলোকে নিজস্ব স্থানীয় মান দিয়ে গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে বাইনারি সংখ্যাটির সমান দশমিক সংখ্যা পাওয়া যাবে। যেমন- (১১১১০১)২ = ১ × ২^৫ + ১ × ২^৪ + ১ × ২^৩ + ১ × ২^২ + ০ × ২^১ + ১ × ২^০ = (৬১)১০. উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯৫৪.
A+B কে তিনবার NOT গেইটে পাঠালে কি আউটপুট আসবে?
  1. ক) AB
  2. খ) A+B
  3. গ)
  4. ঘ)
৯৫৫.
ফুল-অ্যাডার ইনপুট হিসেবে কয়টি বিট নিতে পারে?
  1. ২ টি
  2. ৬ টি
  3. ৩ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১) হাফ-অ্যাডার।
২) ফুল-অ্যাডার।

• হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটো বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।

• ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৫৬.
নিচের কোনটি অক্টাল নাম্বার নয়?
  1. ক) 1111
  2. খ) 1026
  3. গ) 1568
  4. ঘ) 3232
ব্যাখ্যা
অক্টাল পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 ও 7 এই ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করা হয়।
1568 এই সংখ্যাটি অক্টাল নাম্বার নয় কারণ অক্টাল পদ্ধতিতে 8 ও 9 ব্যবহার করা হয় না।
৯৫৭.
F = (A + B) + C সমীকরণটি কোন গেইট নির্দেশ করে?
  1. ক) OR
  2. খ) AND
  3. গ) NOR
  4. ঘ) NOT
ব্যাখ্যা
• অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
 

• F = (A + B) + C = A + B + C অর গেইট এর সমীকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫৮.
21D কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) ডেসিমেল
  3. গ) হেক্সাডেসিমেল
  4. ঘ) অক্টাল
ব্যাখ্যা

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিঃ
এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ১৬। অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে ১৬ টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯ এবং অতঃপর A, B, C, D, E এবং F।
বর্ণ এবং সংখ্যা উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৫। (151)16 , (1B)16 , (ABC. B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র,এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯৫৯.
দশমিক সংখ্যা ১৬ - এর বাইনারি রূপ কোনটি?
  1. ক) (10001)2
  2. খ) (10000)2
  3. গ) (11100)2
  4. ঘ) (00011)2
ব্যাখ্যা

ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ
পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-
ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়। অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।

যেমন ১৬ এর ক্ষেত্রে,
১৬ / ২ = ৮ ভাগশেষ - ০
৮ / ২ = ৪ ভাগশেষ - ০
৪ / ২ = ২ ভাগশেষ - ০
২ / ২ = ১ ভাগশেষ - ০
১ / ২ = ০ ভাগশেষ - ১

অর্থাৎ, দশমিক সংখ্যা ১৬-এর বাইনারি রূপ = (১০০০০)

৯৬০.
The gate that alone can be used to construct all basic gates is called -
  1. Digital Gate
  2. Universal Gate 
  3. Logic Gate
  4. Binary Gate
ব্যাখ্যা

The gate that alone can be used to construct all basic gates is called Universal Gate.

সার্বজনীন গেইট (Universal Gate):
- যেসব গেইট ব্যবহার করে AND, OR ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়, সেগুলোকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- OR, AND এবং NOT - এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সব ধরনের লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেই যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- এর কারণ, NAND গেইট দিয়েই OR, AND ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একইভাবে শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়েও OR, AND ও NOT গেইট তথা যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- তাই NAND এবং NOR গেইট - এই দুইটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬১.
ASCII মূলত কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. টেক্সট উপস্থাপনা 
  2. ইমেজ প্রক্রিয়াকরণ
  3. অডিও কমপ্রেশন
  4. ভিডিও স্ট্রিমিং
ব্যাখ্যা

• ASCII মূলত টেক্সট উপস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড চরিত্র এনকোডিং সিস্টেম, যা কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসগুলিতে অক্ষর, সংখ্যা এবং কিছু বিশেষ চিহ্নকে বাইনারি ফরম্যাটে রূপান্তর করে সংরক্ষণ ও প্রেরণের সুযোগ দেয়। উদাহরণস্বরূপ, ‘A’ অক্ষরটি ASCII অনুযায়ী ৬৫ নম্বরের বাইনারি মানের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। এটি প্রধানত কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, ডেটা স্টোরেজ এবং টেক্সট কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়। যদিও ইমেজ প্রক্রিয়াকরণ, অডিও কমপ্রেশন বা ভিডিও স্ট্রিমিং-এ অন্যান্য এনকোডিং পদ্ধতি প্রযোজ্য, ASCII শুধু টেক্সটকে ডিজিটালভাবে উপস্থাপন ও আদানপ্রদানের জন্য কার্যকর।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) টেক্সট উপস্থাপনা।

• ASCII এর পূর্ণরূপ American Standard Code for Information Interchange.
-  ASCII (উচ্চারণ: অ্যাসকি) হল একটি ক্যারেক্টার এনকোডিং স্ট্যান্ডার্ড, যা কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে টেক্সট তথ্য বিনিময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি নির্দিষ্ট এনকোডিং পদ্ধতি যা টেক্সটকে কম্পিউটারের জন্য বোধগম্য করে তোলে।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- পূর্ণরূপ: ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
- আবিষ্কার: ASCII কোডটি ১৯৬৩ সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI) কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।

• বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি ৭ বিটের কোড, যা দ্বারা ১২৮টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং কিছু বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এই কোডটি ASCII-৭ কোড নামে পরিচিত।

• ASCII-৮ কোড:
- ASCII-৭ কোডের সর্ববামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-৮ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-৮ কোড মাধ্যমে ২৫৬টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং অন্যান্য বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এভাবে কোডের বিভিন্ন সংস্করণ ও তাদের বৈশিষ্ট্য গুলি স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়েছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬২.
(175)10 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান - 
  1. 267
  2. 275
  3. 257
  4. 287
ব্যাখ্যা

◉ (175)10 = (257)8

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬৩.
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে দুইটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে কী বলে?
  1. ক) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  2. খ) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  3. গ) অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. ঘ) হেক্সা-ডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে দুইটি অঙ্ক বা, চিহ্ন ব্যাবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 

- বাইনারি নাম্বার সিস্টেমের বেস হচ্ছে ২। 
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ দুইটি মৌলিক সংখ্যা আছে। 
- যে পদ্ধতিতে বিভিন্ন সংখ্যা লিখে প্রকাশ করা যায় এবং উক্ত সংখ্যাগুলোর উপর বিভিন্ন অপারেশন প্রয়োগ, যথা- যোগ, বিয়োগ, ভাগ, গুণ, এবং শতকরায়  রুপান্তর করে হিসেব নিকেশ সম্পাদান করা যায়, তাকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 

সূত্র- ৮ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৯৬৪.
A, B এবং C তিনটি চলকের যৌক্তিক গুণফল কখন 1 হবে?
  1. ক) যখন তিনটি মানই 0
  2. খ) যখন তিনটি মানই 1
  3. গ) যখন কোন একটি মান 1
  4. ঘ) যখন কোন দুটির মান 1
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান অ্যালজেবরা গুণের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ:
0 . 0 = 0
0 . 1 = 0
1 . 0 = 0
1 . 1 = 1
বুলিয়ান গুণকে লজিক্যাল গুণ বা লজিক্যাল অ্যান্ড অপারেশন (Logical AND Operation) বলা হয়।

• তিন ইনপুট বিশিষ্ট অ্যান্ড গেইটের ক্ষেত্রে:



সুতরাং, A, B এবং C তিনটি চলকের যৌক্তিক গুণফল 1 হবে যখন, A, B এবং C তিনটির মানই 1 হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৫.
(1101011)2 কে দশমিক সংখ্যায় প্রকাশ করলে কত হয়?
  1. 88
  2. 98
  3. 102
  4. 107
ব্যাখ্যা
• (1101011)2 কে দশমিক সংখ্যায় প্রকাশ করলে 107 হয়।
(1101011)2 হলো একটি বাইনারি সংখ্যা। বাইনারি সংখ্যা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করতে, আমরা প্রতিটি বিটকে তার স্থানের মান দিয়ে গুণ করি এবং সবগুলো যোগ করি।

1101011 = (1 × 26) (1 × 25) + (0 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= (64 + 32 + 8 + 2 + 1)
= 107
৯৬৬.
In the hexadecimal number system, which symbol represents the decimal value 15?
  1. A
  2. C
  3. E
  4. F
ব্যাখ্যা

• Hexadecimal Number System-এ দশমিক 15 সংখ্যাটি F প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

• Hexadecimal Number System:
- Hexadecimal Number System হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (Base) 16।
- এই পদ্ধতিতে মোট 16টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
- প্রতীকগুলো হলো: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- এখানে A, B, C, D, E, F দ্বারা যথাক্রমে দশমিক 10, 11, 12, 13, 14, 15 বোঝানো হয়।

• Hexadecimal সংখ্যা পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য:
- এটি Binary সংখ্যা পদ্ধতির তুলনায় বেশি সংক্ষিপ্তভাবে সংখ্যা প্রকাশ করতে পারে।
- কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, মেমরি অ্যাড্রেসিং, এবং ডিজিটাল সিস্টেমে Hexadecimal বহুল ব্যবহৃত।
- একটি Hexadecimal অঙ্ক 4-bit Binary সংখ্যার সমতুল্য।

• Hexadecimal প্রতীক ও দশমিক মান:
- A → Decimal 10
- B → Decimal 11
- C → Decimal 12
- D → Decimal 13
- E → Decimal 14
- F → Decimal 15

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬৭.
Which of the following is a Universal Gate?
  1. OR
  2. NAND
  3. XOR
  4. XNOR
ব্যাখ্যা

NAND গেইটকে "Universal Gate" বলা হয় কারণ এটি ব্যবহার করে অন্য যেকোনো লজিক গেইট (যেমন: AND, OR, NOT, XOR ইত্যাদি) তৈরি করা যায়। অর্থাৎ, NAND গেইট দিয়ে যেকোনো লজিক সার্কিট ডিজাইন করা সম্ভব।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে,
• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৬৮.
0101.0110 BCD এর দশমিক মান কত?
  1. ক) 6.5
  2. খ) 5.6
  3. গ) 7.5
  4. ঘ) 5.7
ব্যাখ্যা
 BCD করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে 4 বিট এর বাইনারিতে রুপান্তরিত করতে হয়।
তাহলে বাইনারি সংখ্যাটিকে 4 বিট করে আলাদা করে তারপর দশমিকে রুপান্তরিত করতে হয়।


৯৬৯.
কোন লজিক গেটের আউটপুট শুধুমাত্র তখনই 1 হয়, যখন এর সব ইনপুট 0 থাকে?
  1. AND গেট
  2.  EX-OR গেট
  3. NAND গেট
  4.  NOR গেট
ব্যাখ্যা

NOR গেটের নিয়ম অনুসারে, আউটপুট 1 হওয়ার একমাত্র শর্ত হলো এর সমস্ত ইনপুট 0 হতে হবে।

নর গেইট:
- NOR গেট হলো একটি ইউনিভার্সাল গেট যা OR গেট এবং NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত। এটি প্রথমে ইনপুটগুলোর OR অপারেশন করে এবং তারপর ফলাফলটিকে উল্টে দেয়।
- অর (OR) গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- এর আউটপুটকে ​ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
- NOR গেইটের আউটপুট 1 হবে যখন সবগুলো ইনপুট 0 হবে।
- NOR গেইটের আউটপুট 0 হবে যখন যে কোনো ইনপুট 0 হবে এবং দুইটি ইনপুট যখন 1 হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৭০.
Natural Binary Coded Decimal (NBCD) কোড নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ৭৬৫৪৩২১
  2. ৮৪২১
  3. ৪৩২১
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- BCD এর পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal.
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে।
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- ৪টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- ৪টি বিট দ্বারা ২৪ বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- তাই ১৬ টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার বিসিডি কোড সম্ভব।
- ৮৪২১ বিসিডি কোড যা Natural Binary Coded Decimal (NBCD) কোড নামেও পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৭১.
ডেসিমেল সংখ্যা (928.375) এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 1574.24
  2. 1640.3
  3. 1726.271
  4. 1756.6
৯৭২.
Which of the following is classified as a special logic gate?
  1. AND gate
  2. OR gate
  3. NAND gate
  4. XNOR gate
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে Logic Gate হলো এমন একটি electronic circuit, যা এক বা একাধিক input নিয়ে একটি নির্দিষ্ট logical rule অনুসারে output প্রদান করে।
- কম্পিউটার, মাইক্রোপ্রসেসর এবং ডিজিটাল ডিভাইসের ভিত্তি হলো এই logic gates.

• Logic gate সাধারণত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়—

1. Basic Logic Gates (মৌলিক লজিক গেইট): এগুলো ডিজিটাল সার্কিটের সবচেয়ে প্রাথমিক ও ভিত্তিমূলক গেইট।

- AND Gate: সব input যদি 1 হয়, তবেই output 1 হয়।
- অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে output 0.

- OR Gate: যেকোনো একটি input 1 হলেই output 1.
- সব input 0 হলে output 0.

- NOT Gate: এটি single-input gate.
- Input-এর বিপরীত output দেয়.
- Input 1 হলে output 0, input 0 হলে output 1.

2. Universal Logic Gates (সার্বজনীন গেইট): যে গেইট ব্যবহার করে সব ধরনের logic gate বা logic circuit বাস্তবায়ন করা যায়, তাকে Universal Gate বলে।

- NAND Gate এবং NOR Gate কে Universal Gate বলা হয় কারণ—
- শুধুমাত্র NAND gate ব্যবহার করে AND, OR, NOT সহ যেকোনো gate তৈরি করা যায়।
- একইভাবে শুধুমাত্র NOR gate দিয়েও সব logic gate বাস্তবায়ন সম্ভব।

 
3. Special Logic Gates (বিশেষ লজিক গেইট): এগুলো বিশেষ ধরনের logical operation সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত basic gate থেকে তৈরি।

- XOR (Exclusive OR) Gate:
- Input দুটি ভিন্ন হলে output 1.
- Input দুটি একই হলে output 0.

- XNOR (Exclusive NOR) Gate:
- Input দুটি একই হলে output 1.
- Input দুটি ভিন্ন হলে output 0.

- XOR ও XNOR–কে বলা হয় Special Logic Gates, কারণ এদের কাজ সাধারণ AND/OR-এর মতো নয়, বরং condition-based logic অনুসরণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৭৩.
(1100101)2 + (1010101)2 = (?)2
  1. ক) 10111010
  2. খ) 10111011
  3. গ) 11111010
  4. ঘ) 10111110
ব্যাখ্যা

(1100101)2 + (1010101)2 = (10111010)2
৯৭৪.
দশমিক সংখ্যায় 288 এর অক্টাল মান কত?
  1. 444
  2. 440
  3. 645
  4. 635
ব্যাখ্যা
(288)10 = (440)8

দশমিক সংখ্যাকে পর্যায়ক্রমে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষগুলোকে একত্র করে দশমিক সংখ্যাটির অকট্যাল সমকক্ষ সংখ্যা পাওয়া যায়।
আর দশমিক ভগ্ন্যাংশ অকটালে রূপান্তর করার জন্য গুণফল ০ না হওয়া পর্যন্ত সংখ্যাটিকে অনবরত ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে।
৯৭৫.
81 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 1101001
  2. 00110101
  3. 10000001
  4. 10111001
ব্যাখ্যা

• 81 এর বিসিডি কোড  হচ্ছে : 10000001

• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

8 এর বিসিডি 1000
1 এর বিসিডি 0001
∴ 46 এর বিসিডি 10000001

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৭৬.
নিচের কোনটি ১০০১০০ এর ১ কমপ্লিমেন্ট?
  1. ক) ১০০০১১
  2. খ) ০১১০১১
  3. গ) ০০১০০১
  4. ঘ) ০১১১১০
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যায় ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে অর্থাৎ সংখ্যার বিটগুলােকে উল্টিয়ে, সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) গঠন পাওয়া যায়।
অতএব, ১০০১০০ সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক হলো ০১১০১১
৯৭৭.
710(10) = ?(8)
  1. 1306
  2. 1403
  3. 1725
  4. 1434
৯৭৮.
45 দশমিক সংখ্যার বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. 101001
  2. 101010
  3. 110001
  4. 101101
ব্যাখ্যা
- ডান পাশ থেকে শুরু, 1 থেকে দ্বিগুণ করে যতটা বাইনারি সংখ্যা থাকবে ততটা দশমিক সংখ্যার দ্বিগুণ লিখতে হবে। 
- তারপর বাইনারি সংখ্যার যেগুলোতে 1 থাকবে তত তম দশমিক সংখ্যার সাথে 1 গুণ করতে হবে। যেমন এখানে 6টি বাইনারি সংখ্যা আছে। তাহলে 32-16-8-4-2-1 ছয়টি সংখ্যা লেখা হলো। এখন কোন কোন সংখ্যার যোগফল 43 হবে সেই সংখ্যার জায়গায় 1 বসিয়ে বাকী গুলোতে 0 বসিয়ে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
(32×1) + (16×0) + (8×1) + (4×1) + (2×0) + (1×1)
= 32 + 0 + 8 + 4 + 0 + 1
= 45
৯৭৯.
Which of the following is a valid hexadecimal number?
  1. 3F9A
  2. 5K2E
  3. 7M8D
  4. 2Q5F
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) 3F9A
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন একটি সংখ্যা যা ১৬ টি অক্ষর বা ডিজিট দিয়ে গঠিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত ১৬টি প্রতীক (Symbols) ব্যবহার করা হয়: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F.
- এখানে, A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, এবং F = 15.

এখন, দেওয়া সংখ্যাগুলোতে দেখা যাক,
ক) 3F9A: এই সংখ্যাটির সমস্ত প্রতীক (3, F, 9, A) হেক্সাডেসিমেল সেটের (0-9, A-F) মধ্যে রয়েছে। তাই এটি একটি বৈধ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
খ) 5K2E: তে K আছে যা বৈধ নয়।
গ) 7M8D: তে M আছে, যা বৈধ নয়।
ঘ) 2Q5F: তে Q আছে, যা বৈধ নয়।

সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৮০.
(110110)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কোনটি?
  1. 48
  2. 54
  3. 44
  4. 50
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (110110)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কোনটি?

সমাধান: 
110110 = (1 × 25) + (1 × 24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (0 × 20)
= 32 + 16 + 4 + 2
= 54
৯৮১.
ডেসিমেল সংখ্যা 15.25 এর সমতুল্য বাইনারি মান কত?
  1. 1001.01
  2. 1010.10
  3. 1111.01
  4. 1011.11
৯৮২.
110 একটি -
  1. দ্বিমিক সংখ্যা
  2. দশমিক সংখ্যা
  3. অক্টাল সংখ্যা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
Octal number system এ আটটি অংক ব্যবহৃত হয়। যথা- ০,১,২,৩,৪,৫,৬ এবং ৭। তাই ১১০ Octal number। 
Binary number system এ দুইটি অংক ব্যবহৃত হয়। যথা- ০,১। তাই ১১০ Binary number। 
Decimal number system এ দশটি অংক ব্যবহৃত হয়। যথা- ০,১,২,৩,৪,৫,৬, ৭, ৮, ৯। তাই ১১০ Decimal number। 
Hexa decimal number system এ ষোলটি অংক ব্যবহৃত হয়। যথা- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F। তাই ১১০ Hexa Decimal number।
৯৮৩.
অক্টাল সংখ্যা ১৬ এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা কত? 
  1. ১১০১
  2. ১০১০
  3. ১০০১
  4. ১১১০
ব্যাখ্যা
অক্টাল থেকে বাইনারি: 
- অক্টাল সংখ্যার অঙ্কগুলাে হচ্ছে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এবং এই প্রত্যেকটি সংখ্যাকে তিন বিট বাইনারি সংখ্যা হিসেবে প্রকাশ করা যায়। 
Octal → Binary 
0 → 000 
1 → 001 
2 → 010 
3 → 011 
4 → 100 
5 → 101 
6 → 110 
7 → 111 
- এই রূপান্তরটি ব্যবহার করে যে কোনাে অক্টাল সংখ্যাকে তার জন্য প্রযােজ্য তিনটি বাইনারি সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করলেই পুরাে অক্টাল সংখ্যার বাইনারি রূপ বের হয়ে যাবে। 
যেমন:
(16)8 = (001110)2 = (1110)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৯৮৪.
(930.375)10 = (?)8
  1. 1232.3
  2. 1642.3
  3. 1872.3
  4. 1562.3
ব্যাখ্যা

এখানে, (930)10 =(1642)8
এবং (.375)10 = (.3)8
∴ (930.375)10 = (1642.3)8
৯৮৫.
হেক্সাডেসিমেলের 'C' দশমিক সংখ্যার কত এর সমান?
  1. ক) 10
  2. খ) 11
  3. গ) 12
  4. ঘ) 13
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- অর্থাৎ, এই পদ্ধতিতে ১৬ টি মৌলিক অংক রয়েছে।
- এই সংখ্যাসমূহ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯ এবং অতঃপর A, B, C, D, E এবং F.
- বর্ণ এবং সংখ্যা উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৫।
- (151)16 , (1B)16 , (ABC. B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র,এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯৮৬.
লজিক ফাংশন ____ দিকে সরল করতে হয়।
  1. ক) বাম থেকে ডান
  2. খ) ডান হতে বামে
  3. গ) ডান হতে ডান
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান রাশিমালাকে সরলীকরণের ফলে লজিক গেটের সংখ্যা কমে বলে সময় ও খরচ দুটোই কমে যায়। মূলত বুলিয়ান রাশিমালাকে সরল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের বুলিয়ান উপপাদ্যসমূহ ব্যবহৃত হয়। তবে সরলীকরণের ক্ষেত্রে কতকগুলো নিয়ম মেনে সরল করতে হয়। যেমন-
- লজিক ফাংশন বাম হতে ডান দিকে সরল করতে হয়।
- প্রথম বন্ধনীর কাজ আগে করতে হয়।
- পূরক অপারেশনের কাজ শুরুতে করতে হয়।
- এরপর সকল অ্যান্ড (.) অপারেশনের কাজ করতে হয়।
- এরপর সকল অর (+) অপারেশনের কাজ করতে হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৯৮৭.
কোনটি নট গেইটের বিপরীত আচরণ?
  1. ক) বাফার গেইট
  2. খ) অ্যান্ড গেইট
  3. গ) নর গেইট
  4. ঘ) ন্যান্ড গেইট
ব্যাখ্যা
• বাফার গেইট:
- বাফার গেইটের সিগন্যাল কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আউটপুটে যায়।
- এতে একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট রয়েছে।
- বাফার গেইটের আচরণ নট গেইটের বিপরীত
- উদাহরণ: বাফার গেইটে ইনপুট ০ হলে, আউটপুট ০ হবে এবং ইনপুট ১ হলে, আউটপুট ১ হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৮৮.
কোনটি কম্পিউটারের অকটাল সংখ্যা নয়?
  1. ক) 763
  2. খ) 642
  3. গ) 537
  4. ঘ) 780
ব্যাখ্যা

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 8। যেমন- 763, 642, 537 কিন্তু 780 অকটাল সংখ্যা নয় কারণ 8 অক্টাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৮৯.
(২৪৭৯.৫০)১০ এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা কত?
  1. ৯AF.৮
  2. ৮BF.৭
  3. ৭AC.৯
  4. ৭AF.৬
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
- সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
- ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০ → A, ১১ → B, ১২→ C, ১৩→D, ১৪ ও ১৫ F সংখ্যা লিখতে হবে।
৯৯০.
কোনটি সঠিক অক্টাল সংখ্যা?
  1. 1239
  2. 89A
  3. 198
  4. 765
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যেগুলির প্রতিটি ডিজিট ০ থেকে ৭ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। অর্থাৎ, অক্টাল সংখ্যায় ৮ বা ৯ বা কোনো অক্ষর থাকা যায় না। এখন প্রশ্নে দেওয়া সংখ্যাগুলো থেকে সঠিক অক্টাল সংখ্যা হলো ৭৬৫, কারণ এর সব ডিজিট ৭ এর মধ্যে আছে।
- অন্য সংখ্যাগুলো যেমন ১২৩৯ তে ৯ আছে, ৮৯এ তে ৮ ও A (যে অক্ষর নয়), আর ১৯৮ তে ৮ আছে, তাই তারা অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।

- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) 765.

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯১.
(5A)16 এর বাইনারি মান -
  1. ক) 1011010
  2. খ) 1011011
  3. গ) 1010101
  4. ঘ) 1011110
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (5A)16 এর বাইনারি মান -

সমাধান:
5 = 101
A = 1010

∴ (5A)16 = (1011010)2
৯৯২.
ইউনিকোড কত বাইটের কোড?
  1. ক) ৪
  2. খ) ২
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
- ইউনিকোড ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন ও জেরক্স কর্পোরেশনের একদল প্রকৌশলীর যৌথ প্রচেষ্টায় উদ্ভাবিত হয়।
- ইউনিকোড ২ বাইট বা ১৬ বিটের যা দ্বারা ২১৬ বা ৬৫,৫৩৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- অর্থাৎ বিশ্বের ছোট বড় প্রায় সকল ভাষা ইউকোডের মাধ্যমে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করা যায়।
- ইউনিকোড বর্তমানে ইউনিকোড কনসোর্টিয়ামের অধীনে পরিচালিত।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৯৯৩.
111000 এর 2's complement কোনটি?
  1. 000111
  2. 001000
  3. 111001
  4. 001001
ব্যাখ্যা
বাইনারি পদ্ধতিতে প্রকাশিত সংখ্যার 0 ও 1 ডিজিট দুটিকে যথাক্রমে 1 ও 0 দ্বার বদল করা হলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে 1's complement বলে।
1's complement এর সাথে 1 যোগ করলে 2's complement হয়।

তাই 111000 এর 1's complement হবে 000111.
এর সাথে 1 যোগ করলে হবে 001000.
সুতরাং 111000 এর 2's complement = 001000 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৯৪.
X= PQR কোন গেইট নির্দেশ করে?
  1. ক) AND
  2. খ) OR
  3. গ) NOT
  4. ঘ) NAND
ব্যাখ্যা
গুণ আকারে থাকা মানে AND গেইট। 
৯৯৫.
কোন সংখ্যা পদ্ধতি কম্পিউটারে মেমোরি অ্যাড্রেসিং এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. বাইনারি
  2. অক্টাল
  3. ডেসিমাল
  4. হেক্সাডেসিমাল
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের মেমোরি অ্যাড্রেসিং এর জন্য হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। এটি একটি বেস-16 সংখ্যা পদ্ধতি, যা বাইনারি এর চেয়ে বেশি কমপ্যাক্ট এবং মানুষের পড়ার জন্য সহজ।
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি মেমোরি অ্যাড্রেস, রেজিস্টার মান, এবং অন্যান্য লো-লেভেল ডেটা রিপ্রেজেন্টেশনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,A,B,C,D,E,F) প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬। - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,A,B,C,D,E,F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভূল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

উদাহরণ:
একটি 32-বিট মেমোরি অ্যাড্রেস বাইনারিতে 11010101101011101101101010101101 হিসেবে লেখা যায়, কিন্তু হেক্সাডেসিমালে এটি D5AED6AD হিসেবে লেখা হয়, যা পড়া এবং বুঝতে অনেক সহজ।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। লেনোভো ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৯৯৬.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার সাধারণ উপপাদ্য অনুযায়ী নিচের কোনটি ভুল?
  1. A + B.C = (A + B)(A + C)
  2. A + A = A
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান উপপাদ্য:
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।
- নিম্নে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সাধারণ উপপাদ্যগুলো দেয়া হলো

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯৭.
(A1D.FC)₁₆=?₈ 
  1. 5335.770
  2. 5035.770
  3. 5035.870
  4. 5135.770
ব্যাখ্যা
(A1D.FC)₁₆=(5035.770)₈ 

• হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে 3 বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্টাল মান বসালে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্টাল মান পাওয়া যায়।




সুতরাং, (A1D.FC)₁₆=(5035.770)₈ 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯৮.
১০-এর হেক্সাডেসিমাল মান কত?
  1. B
  2. 9
  3. A
  4. 8
ব্যাখ্যা

• ১০-এর হেক্সাডেসিমাল মান হলো A। হেক্সাডেসিমাল বা ষোড়শভাজক সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গুলো ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত থাকে। এখানে A, B, C, D, E, F দ্বারা ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত সংখ্যা প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ, ১০ ডেসিমালে হলে হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতিতে এটি A হবে।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) A.

দশমিক ---- বাইনারি ---- অকট্যাল ---- হেক্সাডেসিমাল
৮ ------------ ১০০০ ---------- ১০ ------------ ৮
৯ ------------ ১০০১ ----------- ১১ ------------ ৯
১০ -----------১০১০ ----------- ১২------------- A
১১ ----------- ১০১১ ----------- ১৩ ------------ B

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৯৯.
১০১০১ বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?
  1. ১৯
  2. ২৩
  3. ২২
  4. ২১
ব্যাখ্যা
দশমিক মান: 
• বাইনারি সংখ্যা 10101 এর দশমিক মান 21.

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
10101 
= (1 ×24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 16+0+4+0+1
=21


= ১ + ৪ + ১৬ 
= ২১
(প্রদত্ত ছকে যে সংখ্যাগুলোর নিচে শূন্য আছে সে সংখ্যাগুলো বাদে বাকি সংখ্যাগুলো যোগ করলে দশমিক মান পাওয়া যাবে)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
১,০০০.
AB হেক্সাডেসিমেল-এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কোনটি?
  1. 163
  2. 167
  3. 171
  4. 173
ব্যাখ্যা
AB এর সমতুল্য ডেসিমেল হলো 171
A এর সমতুল্য ডেসিমেল হলো 10 এবং B এর 11
= ( 10 × 161) + ( 11 × 160)
= 160 + 11
= 171