বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

মোট প্রশ্ন১,৩২০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার নম্বর সিস্টেম ও লজিক গেইটসমূহ

PrepBank · পাতা / ১৪ · ১০০ / ১,৩২০

.
NAND গেইটের আউটপুট কখন 0 হয়?
  1. যখন A = 1, B = 1
  2. যখন A = 0, B = 1
  3. যখন A = 1, B = 0
  4. যখন দুই ইনপুটই 0
সঠিক উত্তর:
যখন A = 1, B = 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন A = 1, B = 1
ব্যাখ্যা
A=1, B=1 হলে AND = 1 হয়, আর NOT করলে ফলাফল হয় 0।

ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।



উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
(2FA)16 = ?
  1. (988)8
  2. (101010111110)2
  3. (772)10
  4. (1372)8
সঠিক উত্তর:
(1372)8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(1372)8
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টালে রূপান্তর করার জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি এবং পরবর্তীতে বাইনারি থেকে অক্টালে রুপান্তর করে সহজেই তা সমাধান করা যায়।

• (2FA)16 কে বাইনারি রূপান্তর: হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অংককে ৪ বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।


∴ (2FA)16 = (001011111010)2

• (001011111010)2 কে অক্টালে রূপান্তর: কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৩ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।



∴ (001011111010)2 = (1372)8

অর্থাৎ (2FA)16 = (1372)8
.
নিচের কোন উক্তিটি ইউনিকোড সম্পর্কে সঠিক?
  1. এটি 16 বিটের একটি কোড
  2. এটি শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষার জন্য
  3. এটি ব্যবহার করে বাংলাসহ বিশ্বের সব ভাষা প্রকাশ করা যায়
  4. ক + গ
সঠিক উত্তর:
ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + গ
ব্যাখ্যা

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের সমস্ত ভাষার অক্ষরকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রদর্শন করতে সক্ষম
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,535 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে ৪ বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয় সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড এনকোডিং ফরম্যাট বিভিন্ন ধরণের থাকতে পারে, যার মধ্যে UTF-8 সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Half Adder কোন ধরনের কাজ সম্পন্ন করে?
  1. দুইটি সংখ্যা গুন করে 
  2. দুইটি সংখ্যা বিয়োগ করে 
  3. তিনটি বাইনারি সংখ্যার যোগফল এবং ক্যারি বের করে 
  4. দুইটি বাইনারি সংখ্যার যোগফল এবং ক্যারি বের করে 
সঠিক উত্তর:
দুইটি বাইনারি সংখ্যার যোগফল এবং ক্যারি বের করে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি বাইনারি সংখ্যার যোগফল এবং ক্যারি বের করে 
ব্যাখ্যা

• Half Adder হলো একটি মৌলিক লজিক সার্কিট যা দুটি বাইনারি ইনপুট গ্রহণ করে এবং দুইটি আউটপুট প্রদান করে।

Sum (যোগফল):
- XOR গেট ব্যবহার করে গণনা করা হয়।
- AND গেট ব্যবহার করে গণনা করা হয়।

- যদি ইনপুট দুটি সংখ্যা হয় 0 এবং 1, তাহলে Sum হবে 1; যদি ইনপুট দুটি সংখ্যা হয় 1 এবং 1, Sum হবে 0।
- যদি ইনপুট দুটি সংখ্যা হয় 1 এবং 1, তাহলে Carry হবে 1; অন্য সব ক্ষেত্রে Carry হবে 0।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
- Half Adder মাত্র দুটি ইনপুট নিয়ে কাজ করে।
- তিনটি ইনপুটের জন্য Full Adder ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র:
NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ। 

.
কোনটি ইউনিকোড ক্যারেক্টার ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. বিরামচিহ্ন
  2. সংখ্যা
  3. অক্ষর
  4. মেমোরি
সঠিক উত্তর:
মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেমোরি
ব্যাখ্যা

• ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক মান, যা কম্পিউটারে সকল ভাষার অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন এবং প্রতীককে স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়। ইউনিকোড ক্যারেক্টার ক্যাটাগরি মূলত অক্ষর (Letter), সংখ্যা (Number), বিরামচিহ্ন (Punctuation) ইত্যাদিতে ভাগ করা হয়। এই ক্যাটাগরিগুলো কম্পিউটারকে প্রতিটি চিহ্নের ধরন ও ব্যবহার বুঝতে সাহায্য করে। কিন্তু মেমোরি (Memory) কোনো ক্যারেক্টার ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত নয়। মেমোরি হলো কম্পিউটারের ডেটা সংরক্ষণ বা প্রসেসিং সংক্রান্ত ধারণা, যা ইউনিকোডের ক্যারেক্টার ধরনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- তাই, সঠিক উত্তর হলো ঘ) মেমোরি।


• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
লজিক গেইট কিসের উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. লিনিয়ার অ্যালজেবরা
  2. বুলিয়ান অ্যালজেবরা
  3. ম্যাট্রিক্স অ্যালজেবরা
  4. কমপ্লেক্স অ্যালজেবরা
সঠিক উত্তর:
বুলিয়ান অ্যালজেবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুলিয়ান অ্যালজেবরা
ব্যাখ্যা

লজিক গেইট বুলিয়ান অ্যালজেবরার উপর ভিত্তি করে কাজ করে।

​• ​লজিক গেইট 
- ​লজিক গেইট (Logic Gate) বুলিয়ান অ্যালজেবরার ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক সার্কিট ব্যবহার করা হয়। 
- ​এ সকল ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক সার্কিটকে লজিক গেইট বলে। 
​- গেইট হচেছ ইলেক্ট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে একটিমাত্র আউটপুট প্রদান করে। 
- অন্যভাবে বলা যায় যে, যে সকল ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক সার্কিট যুক্তিভিত্তিক সংকেতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে সে সকল সার্কিটকে লজিক গেইট বলে। 
- ​ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে তিনটি মৌলিক লজিক গেইট ব্যবহার হয়। যথা- ১। অর (OR) গেইট ২। অ্যান্ড (AND) গেইট ৩। নট (NOT) গেইট। 
​- এখানে উল্লেখ্য, ডিজিটাল সিস্টেমে বাইনারি ০ বা ১ প্রকৃতপক্ষে ০ বা ১ ভোল্টেজকে প্রকাশ করে না। 
​- কোন নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ভোল্টেজের লেবেলকে প্রকাশ করে। 
- ​ভোল্টেজ লেবেল ০ থেকে ০.৮ ভোল্ট হলে লজিক ০ এবং ভোল্টেজ লেবেল ২ থেকে ৫ ভোল্ট হয় তাকে লজিক ১ ধরা হয়। 
- ​এই লজিক ০ এবং লজিক ১ এর উপর ভিত্তি করেই বুলিয়ান অ্যালজেবরা কাজ করে এবং লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (307)16 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?
  1. 875
  2. 765
  3. 775
  4. 855
সঠিক উত্তর:
775
উত্তর
সঠিক উত্তর:
775
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) 775

পূর্ণ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
১। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি ডিজিটকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেজ 16 দ্বারা গুণ করতে হবে।
২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। উদাহরণস্বরূপ: একক স্থানীয় অংককে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংককে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংককে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে।
৩। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার কোনো অংক যদি A, B, C, D, E বা F হয়; তাহলে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
৪। প্রাপ্ত গুণফলগুলোকে যোগ করলে দশমিক সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।



সুতরাং, (307)16 = (775)10

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
A Terabyte is equal to-
  1. ক) 1024 Megabytes.
  2. খ) 1024 Kilobytes
  3. গ) 1024 Gigabytes
  4. ঘ) 1024 Bytes
সঠিক উত্তর:
গ) 1024 Gigabytes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 1024 Gigabytes
ব্যাখ্যা
১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ২১০ বা ১০২৪ টেরাবাইট

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
অক্টাল সংখ্যা 157 কে ডেসিমেলে রূপান্তর করলে কত পাওয়া যায়?
  1. 105
  2. 111
  3. 113
  4. 119
সঠিক উত্তর:
111
উত্তর
সঠিক উত্তর:
111
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (base) ৮। এটি ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করে, যেমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- প্রতিটি অঙ্কের মান নির্ধারণ করা হয় তার অবস্থান (position) অনুযায়ী এবং ৮-এর ঘাত (power) ব্যবহার করে।
- এই পদ্ধতিটি সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে তখন যখন বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে হয়, কারণ তিনটি বাইনারি বিট = একটি অক্টাল সংখ্যা।
- উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি সংখ্যা 101010 কে অক্টালে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় 52।

এখানে,
(157)8
= (1 × 82) + (5 × 81) + (7 × 80)
= (1 × 64) + (5 × 8) + (7 × 1)
= 64 + 40 + 7
= (111)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০.
বাইনারী পদ্ধতিতে কয়টি প্রতীক ব্যবহার হয়?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
ইংরেজী Binary শব্দের প্রথম দুটি অক্ষর এবং Digit শব্দের শেষ অক্ষরটি নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়েছে। ০ এবং ১ বাইনারী পদ্ধতির এই অংক দুটির প্রত্যেকটির প্রত্যেকটিকে এক একটি Bit বলা হয়। বাইনারি পদ্ধতিতে এই দুইটি প্রতিক ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১.
এনকোডারে ইনপুট D0 = 1, D1 = 0, D2 = 0, D3 = 0, D4 = 0, D5 = 0, D6 = 0, D7 = 0 হলে, আউটপুট যথাক্রমে X, Y, Z কত হবে?
  1. 1, 0, 0
  2. 0, 1, 0
  3. 0, 0, 0
  4. 1, 0, 1
সঠিক উত্তর:
0, 0, 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0, 0, 0
ব্যাখ্যা
• এনকোডারে ইনপুট D0 = 1, D1 = 0, D2 = 0, D3 = 0, D4 = 0, D5 = 0, D6 = 0, D7 = 0 হলে, আউটপুট যথাওক্রমে X = 0, Y = 0, Z = 0 হবে।

• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 23 = 8টি ইনপুট হয় তাহলে 3টি আউটপুট হবে।

- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।
- এনকোডারের সাহায্যে যে কোন আলফানিউমেরিক বর্ণকে অ্যাসকি, ইবিসিডিক ইত্যাদি কোডে পরিণত করা যায়। সেজন্য ইনপুট ব্যবস্থায় কী-বোর্ডের সঙ্গে এনকোডার যুক্ত থাকে।



উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
BCD কোড 1000 0100 কোন দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে?
  1. 72
  2. 64
  3. 82
  4. 84
সঠিক উত্তর:
84
উত্তর
সঠিক উত্তর:
84
ব্যাখ্যা

• BCD (Binary-Coded Decimal) কোড হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি দশমিক সংখ্যা ৪-বিট বাইনারি আকারে প্রকাশ করা হয়। এখানে প্রতিটি চারটি বিট একটি একক দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে। দেওয়া BCD কোডটি হলো 1000 0100। প্রথম চার বিট 1000 হলো বাইনারি সংখ্যা 8, যা দশমিক সংখ্যা 8 নির্দেশ করে। দ্বিতীয় চার বিট 0100 হলো বাইনারি সংখ্যা 4, যা দশমিক সংখ্যা 4 নির্দেশ করে। সুতরাং, পুরো BCD কোডটি একত্র করলে এটি দশমিক সংখ্যা 84 প্রকাশ করছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) 84। BCD কোড সাধারণত ডিজিট ভিত্তিক কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংখ্যা প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করা হয়।

​বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

8 এর বিসিডি 1000
4 এর বিসিডি 0100
∴ 84 এর বিসিডি 1000 0100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
কে প্রথম বাইনারি ইন্সট্রাকশনের সূচনা করেন?
  1. ক) Charles Babbage
  2. খ) Lady Ada Augasta Byron
  3. গ) Blaise Pascal
  4. ঘ) John Napier
সঠিক উত্তর:
খ) Lady Ada Augasta Byron
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Lady Ada Augasta Byron
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত কবি Lord Byron এর কন্যা Lady Ada Augasta Byron এই বাইনারি ইন্সট্রাকশনের সূচনা করেন।
তাই, তাকে পৃথিবীর প্রথম প্রোগ্রামার বলা হয়।

Charles Babbage- Different Engine আবিষ্কার করায়, তাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
Blaise Pascal একজন ফ্রেঞ্চ গণিতবিদ যিনি Pascal's Calculator আবিষ্কার করেন, যা পৃথিবীর প্রথম ক্যালকুলেটর।
John Napier সৃষ্টি করেন লগারিদমস।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১৪.
(১২৭) কে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে সংখ্যাটি হবে-
  1. ৫৫
  2. ৫৭
  3. ২৭
  4. ১২
সঠিক উত্তর:
৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭
ব্যাখ্যা

অক্টাল (৮-ভিত্তিক) সংখ্যা (127)8 কে হেক্সাডেসিমাল (১৬-ভিত্তিক) সংখ্যায় রূপান্তর করতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করা হলো:

ধাপ ১: অক্টাল থেকে বাইনারি (Binary) রূপান্তর
প্রতিটি অক্টাল ডিজিটকে ৩-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করুন।

1 → 001
2 → 010
7 → 111

সুতরাং, (127)8 = 001 010 1112
(অপ্রয়োজনীয় শূন্য বাদ দিলে: 1010111₂)

ধাপ ২: বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর
বাইনারি সংখ্যাটিকে ডান থেকে বামে ৪-বিটের গ্রুপে ভাগ করুন (প্রয়োজনে বাম দিকে শূন্য যোগ করুন)।

প্রদত্ত বাইনারি: 1010111
গ্রুপিং করার জন্য বামে একটি শূন্য যোগ করি: 01010111

0101 → 5
0111 → 7

সুতরাং, (127)8 = 5716

১৫.
যৌক্তিক পূরকের জন্য কোন গেইট ব্যবহৃত হয়?
  1. অর গেইট
  2. অ্যান্ড গেইট
  3. নট গেইট
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
নট গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নট গেইট
ব্যাখ্যা
তিন প্রকার মৌলিক গেইটগুলাে হলাে :
১. অর গেইট (OR Gato): যৌক্তিক যোগের জন্য।
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) : যৌক্তিক গুণের জন্য।
৩. নট গেইট NOT Gate) : যৌক্তিক পূরকের জন্য।

(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
১৬.
নিচের কোনটি Octal number নয়?
  1. ক) 1019
  2. খ) 2456
  3. গ) 1263
  4. ঘ) 3654
সঠিক উত্তর:
ক) 1019
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 1019
ব্যাখ্যা
• Octal number system এ আটটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এগলো হল - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7।
তাই, 1019 Octal number নয়।
১৭.
(0.71)10 কে হেক্সাডেসিমাল আকারে প্রকাশ করুন।
  1. 0.B5C...
  2. 0.C5C...
  3. 0.B5D...
  4. 0.B7C...
সঠিক উত্তর:
0.B5C...
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.B5C...
ব্যাখ্যা

• (0.71)10 কে হেক্সাডেসিমাল আকারে প্রকাশ করলে: 0.B5C... হয়। 



• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal) – ভিত্তি ১০। 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary) – ভিত্তি ২। 
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal) – ভিত্তি ৮। 
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal) – ভিত্তি ১৬। 

- প্রতিটি পদ্ধতিতে সংখ্যা প্রকাশের নিয়ম আলাদা, কিন্তু মূল ধারণা একই- একটি নির্দিষ্ট ভিত্তির উপর সংখ্যাগুলো লেখা।

হেক্সাডেসিমাল ব্যবহার:

- কম্পিউটার প্রোগ্রামিং: যেমন C, C++ এ 0x দ্বারা হেক্সাডেসিমাল নির্দেশ করা হয়।
- মেমোরি ঠিকানা: প্রতিটি মেমোরি লোকেশনকে ছোট হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা দিয়ে উপস্থাপন করা যায়।
- রঙের কোডিং (HTML/CSS): উদাহরণ: #FF5733 → RGB রঙ।
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স: বাইট বা ওয়ার্ডের মান সংক্ষেপে দেখানোর জন্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৮.
(৩০.১২৫)১০ এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা কোনটি?
  1. ১১০১০.১০১
  2. ১০১১০.০১১
  3. ১১১১০.০০১
  4. ১১১০১.১০১
সঠিক উত্তর:
১১১১০.০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১১০.০০১
১৯.
(159.69)16 = (P)
এখানে, P এর মান কত?
  1. 547.788
  2. 583.934
  3. 563.432
  4. 531.322
সঠিক উত্তর:
531.322
উত্তর
সঠিক উত্তর:
531.322
ব্যাখ্যা

• (159.69)16 = (P)
এখানে,  P এর মান হচ্ছে: 531.322

• Hexadecimal থেকে Octal এ রূপান্তর করার জন্য সরাসরি একটি ধাপ রয়েছে না, তাই সাধারণত আমরা প্রথমে Hexadecimal (base-16) সংখ্যাটিকে Binary (base-2) এ রূপান্তর করি। কারণ Hexadecimal এবং Binary এর মধ্যে সম্পর্ক সরাসরি, প্রতিটি Hexadecimal ডিজিটকে ৪টি Binary বিটে প্রকাশ করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, Hexadecimal ‘A’ হলো Binary ‘1010’। এরপর এই Binary সংখ্যাটিকে ৩টি বিট করে গ্রুপে ভাগ করা হয়, কারণ Octal (base-8) এ প্রতিটি ডিজিট ৩টি বিট দিয়ে তৈরি হয়। প্রতিটি ৩-বিট গ্রুপকে Octal ডিজিটে রূপান্তর করলে আমরা অবশেষে Hexadecimal সংখ্যাটির সমতুল্য Octal মান পাই। এই পদ্ধতিটি সহজ, দ্রুত এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

২০.
যে ইলেক্ট্রনিক লজিক গেইটের আউটপুট লজিক 0 শুধুমাত্র যখন সকল ইনপুট লজিক 1 তার নাম-
  1. AND গেইট
  2. OR গেইট
  3. NAND গেইট
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
NAND গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND গেইট
ব্যাখ্যা
• যে ইলেক্ট্রনিক লজিক গেইটের আউটপুট লজিক 0 শুধুমাত্র যখন সকল ইনপুট লজিক 1 তার নাম - NAND গেইট। 

• NAND গেইট:
- AND গেইট + NOT গেইট = NAND গেইট।
- NAND গেইট AND গেইটের বিপরীত।
- NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়। অন্যথায় আউটপুট 1 হয়।
- অর্থাৎ, NAND গেইটে দুটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একটি লজিক গেট-এর আউটপুট 1 হয় যখন এর সব ইনপুট 0 থাকে। এই গেটটি - NAND গেইট।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১.
নিচের কোনটি সার্বজনীন গেইট?
  1. ক) অর গেইট
  2. খ) নট গেইট
  3. গ) নর গেইট
  4. ঘ) বাফার গেইট
সঠিক উত্তর:
গ) নর গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নর গেইট
ব্যাখ্যা
সার্বজনীন গেইট
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- ন্যান্ড গেইট এবং নর গেইটকে বলা হয় সার্বজনীন গেইট।

ন্যান্ড গেইট
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২২.
বাইনারি সংখ্যা 10001 এর দশমিক মান কত?
  1. ক) 14
  2. খ) 14
  3. গ) 16
  4. ঘ) 17
সঠিক উত্তর:
ঘ) 17
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 17
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা 10001 এর দশমিক মান 17.
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।
- যেমন: 10001 এর ক্ষেত্রে,
(1 Χ 24)+(0 Χ 23)+(0 Χ 22)+(0 Χ 21)+(1 Χ 20)
= 16+0+0+0+1
=17

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৩.
মৌলিক গেইটের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) NAND Gate
  2. খ) NOR Gate
  3. গ) X-NOR Gate
  4. ঘ) AND Gate
সঠিক উত্তর:
ঘ) AND Gate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) AND Gate
ব্যাখ্যা

ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সকল গেইট সব বিন্দুর মূলে কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলে।
যেমন- OR Gate, AND Gate, NOT Gate
যৌগিক গেইট: দুই বা ততোধিক মৌলিক গেইটের সাহায্যে যে গেইট তৈরি করা হয় তাকে যৌগিক গেইট বলে।
যেমন- AND Gate +NOT Gate = NAND Gate, OR Gate + NOT Gate = NOR Gate।
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও ভোকেশনাল

২৪.
সার্বজনীন গেইট কোনটি? 
  1. নট গেইট
  2. অর গেইট
  3. নর গেইট
  4. অ্যান্ড গেইট
সঠিক উত্তর:
নর গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নর গেইট
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট: 
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়। 
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে তিনটি মৌলিক গেইট রয়েছে। 
যেমন- 
১। অর গেইট (OR Gate), 
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও 
৩। নট গেইট (NOT Gate). 

সার্বজনীন গেইট: 
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে। 
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়; কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৫.
Hexadecimal সংখ্যা B3C এর Decimal মান কত?
  1. 2876
  2. 2984
  3. 3076
  4. 3176
সঠিক উত্তর:
2876
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2876
ব্যাখ্যা

• Hexadecimal সংখ্যা B3C এর Decimal মান হচ্ছে - 2876.

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির প্রত্যেক অংককে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলসমূহকে যোগ করতে হবে। এভাবে প্রাপ্ত যোগফলই হবে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক সংখ্যা।
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা,.....গুণ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির কোন অংক A, B, C, D, E ও F হলে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
B3C = (B × 162) + (3 × 161) + (C × 160)
= (11 × 256) + (3 × 16) + (12 × 1)
= 2816 + 48 + 12
= 2876

২৬.
কোন গেইটের সিগন্যাল কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আউটপুটে যায়?
  1. নট গেইট
  2. বাফার গেইট
  3. ন্যান্ড গেইট
  4. নর গেইট
সঠিক উত্তর:
বাফার গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাফার গেইট
ব্যাখ্যা
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা -
১. অর গেইট (OR Gate), 
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩. নট গেইট (NOT Gate)। 

• অর গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 

• অ্যান্ড গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

• নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- ন্যান্ড গেইট এবং নর গেইটকে বলা হয় সার্বজনীন গেইট।

• ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

• নর গেইট:
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

• বাফার গেইট:
- বাফার গেইটের সিগন্যাল কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আউটপুটে যায়।
- এতে একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট রয়েছে।
- বাফার গেইটের আচরণ নট গেইটের বিপরীত।
- উদাহরণ: বাফার গেইটে ইনপুট ০ হলে, আউটপুট ০ হবে এবং ইনপুট ১ হলে, আউটপুট ১ হবে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭.
BCD 1000 1000 কোন দশমিক সংখ্যার সমতুল্য?
  1. 81
  2. 88
  3. 86
  4. 83
সঠিক উত্তর:
88
উত্তর
সঠিক উত্তর:
88
ব্যাখ্যা

• BCD বা Binary-Coded Decimal হলো একটি সংখ্যা প্রকাশের পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি দশমিক সংখ্যা আলাদা ৪-বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, 0 থেকে 9 পর্যন্ত প্রতিটি সংখ্যা ৪-বিটের বাইনারি আকারে লেখা হয়। এখন প্রশ্নে দেওয়া BCD হলো 1000 1000। BCD 1000 1000 দশমিক সংখ্যা 88 প্রকাশ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) 88

• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

8 এর বিসিডি 1000
8 এর বিসিডি 1000
∴ BCD 1000 1000 হচ্ছে 88 দশমিক সংখ্যার সমতুল্য। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
ASCII-7 দিয়ে কয়টি অদ্বিতীয় চিহ্ন কম্পিউটারকে বুঝানো যায়?
  1. ক) ৬৪
  2. খ) ১২৮
  3. গ) ২৫৬
  4. ঘ) ৫১২
সঠিক উত্তর:
খ) ১২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২৮
ব্যাখ্যা
ASCII - American Standard Code For Information Interchange.
- আধুনিক কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত কোড।
- এর প্রকাশক ANSI - American National Standard Institute, 1963 সালে।

ASCII ২ ধরনের হয়:
1) ASCII-7: যার সাহায্যে 27 বা 128 টি অদ্বিতীয় চিহ্ন প্রকাশ করা যায়। 
2) ASCII-8: যার সাহায্যে 28 বা  256 টি অদ্বিতীয় চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।
২৯.
একটি OR গেইটের ৪ টি ইনপুট A, B, C,D হলে আউটপুট কত?
  1. ক) AB+CD
  2. খ) ABCD
  3. গ) A+B+C+D
  4. ঘ) A+C+B
সঠিক উত্তর:
গ) A+B+C+D
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) A+B+C+D
ব্যাখ্যা
OR গেইট ইনপুটগুলো যোগ করে।
A,B,C,D ইনপুট যোগ করলে আউটপুট = A+B+C+D
৩০.
"8D" এর সমতুল্য ডেসিমেল কত?
  1. 121
  2. 131
  3. 67
  4. 141
সঠিক উত্তর:
141
উত্তর
সঠিক উত্তর:
141
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।  
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
 
∴ (8D)16 = (8 × 161) + (13 × 160
= 128 + 13
= (141)10
 
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
Unicode মূলত কী সরবরাহ করে?
  1. একটি প্রোগ্রামিং ভাষা
  2. ফাইল কম্প্রেস করার একটি পদ্ধতি
  3. সব ভাষার অক্ষরের জন্য একটি এঙ্কোডিং স্ট্যান্ডার্ড
  4. একটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
সব ভাষার অক্ষরের জন্য একটি এঙ্কোডিং স্ট্যান্ডার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব ভাষার অক্ষরের জন্য একটি এঙ্কোডিং স্ট্যান্ডার্ড
ব্যাখ্যা

• Unicode মূলত সব ভাষার অক্ষরের জন্য একটি এঙ্কোডিং স্ট্যান্ডার্ড সরবরাহ করে। এটি এমন একটি আন্তর্জাতিক মান, যা পৃথিবীর প্রায় সব ভাষার বর্ণমালা, প্রতীক, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নগুলোকে একটি অভিন্ন কোডে উপস্থাপন করে। Unicode ব্যবহারের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন প্ল্যাটফর্ম, ডিভাইস এবং সফটওয়্যারে একই অক্ষর একইভাবে প্রদর্শিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ইংরেজি, বাংলা, আরবি বা চীনা—সব ভাষার জন্য আলাদা আলাদা কোড পয়েন্ট Unicode-এ নির্ধারিত আছে। এর ফলে বহুভাষিক ডকুমেন্ট তৈরি, ওয়েব কনটেন্ট প্রকাশ এবং ডেটা বিনিময় সহজ হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো (গ)।

ইউনিকোড (Unicode):
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন। 
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 
- ইউনিকোড মূলতঃ ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড। 
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬ বা ২০ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। 
- ইউনিকোড হল একটি আন্তর্জাতিক অক্ষর-এনকোডিং সিস্টেম। এটি আধুনিক এবং প্রাচীন বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার লিখিত পাঠ্যের  ইলেকট্রনিক আদান-প্রদান, প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রদর্শনে সহায়তা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ ১৯৯১ সালে প্রবর্তিত হয়েছিল। এর সর্বশেষ সংস্করণে ১০০,০০০-এরও বেশি অক্ষর রয়েছে। 
- ইউনিকোডের আগে অসংখ্য এনকোডিং সিস্টেম ছিল, যার মধ্যে ASCII অন্যতম। 
- ইউনিকোডের বিশেষত্ব হল এর প্রতিটি অক্ষরের জন্য দেওয়া ইউনিক নম্বর যেকোনো সিস্টেমে একই থাকে, যা ইউনিকোড সমর্থন করে।

উৎস: ১।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৩২.
নিচের কোন নাম্বার সিস্টেমের উদাহরণটি ভুল?
  1. ক) (৪৭৫)
  2. খ) (৩A৮)১৬
  3. গ) (১৬৭১)১০
  4. ঘ) (৪১৩)
সঠিক উত্তর:
ঘ) (৪১৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) (৪১৩)
ব্যাখ্যা
নাম্বার সিস্টেমের উদাহরণঃ
হেক্সাডেসিমাল - (৩A৮)১৬
দশমিক - (১৬৭১)১০
বাইনারি - (১০১)
অক্টাল - (৪৭৫)
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৩.
(10101)2 + (1101)2 = ?
  1. ক) 110010
  2. খ) 101010
  3. গ) 100010
  4. ঘ) 100101
সঠিক উত্তর:
গ) 100010
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 100010
ব্যাখ্যা

  10101
    1101
100010

৩৪.
(101011)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?
  1. 39
  2. 47
  3. 41
  4. 43
সঠিক উত্তর:
43
উত্তর
সঠিক উত্তর:
43
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (101011)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?

সমাধান: 
101011 = (1 × 25) + (0 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 32 + 8 + 2 + 1
= 43
৩৫.
গাণিতিক যুক্তি সম্পাদনে কোন গণনাযন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ABACUS
  2. খ) SOROBAN
  3. গ) ক ও খ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক ও খ
ব্যাখ্যা

চীনে ABACUS নামক এক ধরণের গণনাযন্ত্রের ব্যবহার শুরু করা হয়। এরপর কাছাকাছি একটি যন্ত্রের ব্যবহার শুরু হয়, যার নাম SOROBON.
চীনের ABACUS এর উপরের দিকে ২টি সারি এবং SOROBON এর উপরের দিকে একটি সারি বিদ্যমান।
এইসকল যন্ত্র এখনো চীন, রাশিয়া এবং জাপানে ব্যবহার করা হয়।
গাণিতিক যুক্তি সম্পাদনে এইসকল যন্ত্র ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।

৩৬.
কাউন্টারের ব্যবহার হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
  2. ডিজিটাল ঘড়িতে
  3. ডিজিটাল কম্পিউটারে
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলেন।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে। 

• কাউন্টারের ব্যবহার:
ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
১। ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে।
২। টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে।
৩। ডিজিটাল ঘড়িতে।
81 ডিজিটাল কম্পিউটারে।
৫। অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে ব্যবহার করা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
NAND-এর পাশাপাশি কোন গেটটি ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. NOR 
  2. XOR
  3. XNOR
  4. AND
সঠিক উত্তর:
NOR 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOR 
ব্যাখ্যা

• NAND গেটের পাশাপাশি NOR গেটও ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে পরিচিত। ইউনিভার্সাল গেট বলতে এমন একটি গেট বোঝায় যা একটিমাত্র ধরণের ব্যবহার করে যে কোনো লজিক ফাংশন তৈরি করা যায়, যেমন AND, OR, NOT ইত্যাদি। NOR গেটও NAND এর মতোই এই ক্ষমতা রাখে, কারণ এটি ব্যবহার করে আমরা NOT, OR এবং AND ফাংশন সহজেই রূপান্তর করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, NOR-এর আউটপুটকে আবার NOR করলে আমরা NOT ফাংশন তৈরি করতে পারি। তাই, শুধুমাত্র NOR ব্যবহার করেও জটিল ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইন করা সম্ভব, যা এটিকে ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে বৈশিষ্ট্যযুক্ত করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) NOR.
 
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে,
• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৮.
MAC Address কী?
  1. দুইটি ডিভাইসের মধ্যে তথ্য বিনিময়ের ঠিকানা
  2. একটি ৪৮ বিটের IP ক্রমিক নম্বর
  3. ৪৮ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর
  4. নেটওয়ার্কে যুক্ত কম্পিউটারের লজিক্যাল অ্যাড্রেস
সঠিক উত্তর:
৪৮ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড MAC অ্যাড্রেস প্রদান করে। এই কার্ডের বৈশিষ্ট্য হলো এতে ৪৮ বিটের একটি অদ্বিতীয় কোড বা ক্রমিক নম্বর থাকে যাকে MAC অ্যাড্রেস বলে। এই কার্ডে প্রদত্ত ম্যাক অ্যাড্রেসের একটির সাথে অপরটির কোনো মিল থাকে না। এই ম্যাক অ্যাড্রেস কম্পিউটারের (ROM) রমে সংরক্ষিত থাকে। এই কার্ড পিসি এবং ডেটা কেবলের মধ্যে সিগন্যাল আদান-প্রদানের কাজটি সমন্বয় করে থাকে।
৩৯.
(7)10 সংখ্যাটির বাইনারি সংখ্যা কোনটি? 
  1. ক) 100
  2. খ) 101
  3. গ) 110
  4. ঘ) 111
সঠিক উত্তর:
ঘ) 111
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 111
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ২ দ্বারা (যেহেতু বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২) ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়।
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Bit - MSB) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Bit - LSB) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান নির্ণয় করা যায়।


সুতরাং, (7)10 = (111)2

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
59F কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. বাইনারি
  2. অকটাল
  3. ডেসিমাল
  4. হেক্সাডেসিমাল
সঠিক উত্তর:
হেক্সাডেসিমাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেক্সাডেসিমাল
ব্যাখ্যা
যে সংখ্যা পদ্ধতি ১৬টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
তাই 59F সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল।
৪১.
লজিক গেইটসমূহের মধ্যে কোনটি সার্বজনীন গেট?
  1. OR গেইট
  2. XOR গেইট
  3. X-NOR গেইট
  4. NOR গেইট
সঠিক উত্তর:
NOR গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOR গেইট
ব্যাখ্যা

NOR গেইট ব্যবহার করে তিনটি মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) সহ যেকোনো জটিল ডিজিটাল সার্কিট তৈরি করা সম্ভব, তাই একে সার্বজনীন (Universal) গেইট বলা হয়।

লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস: ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪২.
নিচের কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) ডেসিমেল 
  3. গ) অক্টাল 
  4. ঘ) রোমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) রোমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রোমান
ব্যাখ্যা
রোমান সংখ্যা পদ্ধতিতে অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ নয়।
যেই সংখ্যা পদ্ধতিতে অবস্থান বিবেচ্য বিষয় নয় তাকে নন-পজিশনাল সংখ্যা বলে। তাই রোমান সঠিক উত্তর।

বাইনারি, ডেসিমাল ও অক্টাল - পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।
৪৩.
নিচের কোন লজিক গেইট ফুল-অ্যাডারে ব্যবহার করা হয় না?
  1. NOT
  2. OR
  3. AND
  4. XOR
সঠিক উত্তর:
NOT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOT
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-

১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে, তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।


২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।


- চিত্রে দেখা যাচ্ছে, ফুল-অ্যাডারে XOR, AND ও OR গেইট ব্যবহৃত হয়, NOT গেইট ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এইচ এইচ সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪.
মৌলিক লজিক গেইটের সংখ্যা কত?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট:

- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথাঃ-
১। অর গেইট (OR Gate)
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate)

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫.
  1. ক) A
  2. খ)
  3. গ) 0
  4. ঘ) 1
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে সমাধান করে পাই,

৪৬.
ইউনিকোডের রক্ষণাবেক্ষণ করে কোন সংগঠন?
  1. IANA
  2. Unicode Consortium
  3. ICANN
  4. World Wide Web Consortium
সঠিক উত্তর:
Unicode Consortium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unicode Consortium
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code (সর্বজনীন কোড)।
- পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং Xerox Corporation-এর একদল কম্পিউটার প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আসকি কোডের পাশাপাশি ইউনিকোড সিস্টেম চালু হয়েছে।
- ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- Unicode Consortium নামে একটি সংগঠন ইউনিকোডের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যার সদস্য হয়ে বাংলা ভাষাও ইউনিকোডভুক্ত হয়েছে।
- 1991 সালে 24টি ভাষা নিয়ে ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ 1.0.0 প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে বাংলা ভাষাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- 2020 সালে ইউনিকোডের 13 সংস্করণে 154টি ভাষা স্থান পেয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৪৭.
নিচের কোনটি আলফানিউমেরিক কোড?
  1. হেক্সাডেসিমেল
  2. ইউনিকোড
  3. অক্টাল
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ইউনিকোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিকোড
ব্যাখ্যা
আলফানিউমেরিক কোড: কম্পিউটার সিস্টেমে সংখ্যাসূচক(০-৯) চিহ্নের পাশাপাশি বিভিন্ন বর্ণ (a-z,A-Z) ও বিভিন্ন গাণিতিক এবং বিশেষ চিহ্ন (+,$,⋆,#,% ইত্যাদি) ব্যবহৃত হয়। এসকল সংখ্যা, বর্ণ ও চিহ্নের জন্য যে কোড ব্যবহৃত হয় তাকে আলফানিউমেরিক কোড বলে।
বিভিন্ন আলফানিউমেরিক কোড-
1. ইবিসিডিক (EBCDIC)
2. অ্যাসকি (ASCII)
3. ইউনিকোড (Unicode)

(রেফারেন্সঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেনীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি)
৪৮.
হেক্সাডেসিমেলে ‘E’ এর সমুতল্য বাইনারি মান কত?
  1. ১০১০
  2. ১১০১
  3. ১১০০
  4. ১১১০
সঠিক উত্তর:
১১১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১০
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেলে ‘E’ এর সমুতল্য বাইনারি মান ১১১০

শূন্য সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিতের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।

- হেক্সাডেসিমেলে A এর সমুতল্য বাইনারি মান ১০১০
- হেক্সাডেসিমেলে C এর সমুতল্য বাইনারি মান ১১০০
- হেক্সাডেসিমেলে D এর সমুতল্য বাইনারি মান ১১০১

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৯.
নিচের কোনটি অক্টাল নাম্বার নয়?
  1. ক) ২৪
  2. খ) ৫৬
  3. গ) ৪৮
  4. ঘ) ৩২
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৮
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ০-৭ পর্যন্ত (৮ টি) অংক ব্যবহার করা হয়। তাই ৪৮ অক্টাল নাম্বার হতে পারবে না।
৫০.
নিচের কোনটি বুলিয়ান অপারেটর নয়?
  1. ক) OR Operator
  2. খ) NAND Operator
  3. গ) NOT Operator
  4. ঘ) Inverter
সঠিক উত্তর:
খ) NAND Operator
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) NAND Operator
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান অপারেটরগুলাের নামঃ
১. অ্যান্ড অপারেটর (AND Operator)
২. অর অপারেটর (OR Operator) এবং
৩. নট অপারেটর (NOT Operator) বা ইনভার্টার
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))

৫১.
কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট ০ হবে কোন গেইটের ক্ষেত্রে?
  1. অর গেইট
  2. অ্যান্ড গেইট
  3. নট গেইট
  4. ক ও গ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
অর গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর গেইট
ব্যাখ্যা
♦ মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)। 

• অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট ০ হবে। 

• অ্যান্ড গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 

• নট গেইট:
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
মেমরি অ্যাড্রেসিং-এ হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা প্রাধান্য পায় কারণ:
  1. এগুলো মেমরির আকার কমায়
  2. এগুলো CPU-এর গতি বাড়ায়
  3. এগুলো বাইনারি অ্যাড্রেসের আরও সংক্ষিপ্ত রূপ দেয়
  4. গুলো প্রোগ্রামে লিখতে দশমিকের চেয়ে সহজ
সঠিক উত্তর:
এগুলো বাইনারি অ্যাড্রেসের আরও সংক্ষিপ্ত রূপ দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগুলো বাইনারি অ্যাড্রেসের আরও সংক্ষিপ্ত রূপ দেয়
ব্যাখ্যা

• মেমরি অ্যাড্রেসিং-এ হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা প্রাধান্য পায় কারণ এগুলো বাইনারি অ্যাড্রেসের আরও সংক্ষিপ্ত রূপ দেয়। কম্পিউটার মেমরির প্রতিটি অবস্থানকে বাইনারি সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়, যা দীর্ঘ হলে পড়া এবং বোঝা কঠিন হয়ে যায়। হেক্সাডেসিমাল (১৬ ভিত্তিক) সংখ্যা ব্যবহার করলে প্রতি চারটি বাইনারি বিটকে একটি হেক্সাডেসিমাল ডিজিট দ্বারা প্রকাশ করা যায়। এর ফলে বড় বড় বাইনারি অ্যাড্রেসগুলো সংক্ষিপ্তভাবে লেখা যায় এবং মানুষের জন্য বোঝা সহজ হয়। এটি প্রোগ্রামিং এবং ডিবাগিং-এ সুবিধা দেয়, কারণ মেমরি লোকেশন দ্রুত চিনতে এবং লিখতে সাহায্য করে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা মেমরি অ্যাড্রেসিং-এ কার্যকর।

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩.
নিচের কোনটি মৌলিক লজিক গেইট নয়?
  1. NOT
  2. OR
  3. NAND
  4. AND
সঠিক উত্তর:
NAND
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND
ব্যাখ্যা
• NOT, OR এবং AND - এই তিনটি গেইটকে মৌলিক (Basic) লজিক গেইট বলা হয়। এদের মাধ্যমে যেকোনো জটিল লজিক সার্কিট গঠন করা সম্ভব। NAND গেইট একটি কমপোজিট গেইট, যা মৌলিক গেইটগুলোর সমন্বয়ে তৈরি। যদিও NAND গেইট দিয়ে একাই সব ধরনের লজিক অপারেশন করা যায় (এটিকে Universal Gate বলা হয়), তবুও এটি মৌলিক নয়। মৌলিক গেইট হতে হলে সেটি সরাসরি লজিক অপারেশনের ভিত্তি হতে হবে এবং অন্য গেইটের সমন্বয়ে তৈরি হওয়া যাবে না।
- সুতরাং, অপশনগুলোর মধ্যে NAND গেইটটি মৌলিক লজিক গেইট নয়।


• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩. নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৪.
অক্টাল সংখ্যা ১১ কে বাইনারিতে প্রকাশ করা যাবে কিভাবে?
  1. ক) ১০১০
  2. খ) ১০০১
  3. গ) ১১০০
  4. ঘ) ১১০১
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০০১
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা ৭ = বাইনারি ১১১
অক্টাল সংখ্যা ১০ = বাইনারি ১০০০
অক্টাল সংখ্যা ১১ = বাইনারি সংখ্যা ১০০১
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই -প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৫৫.
অক্টাল সংখ্যা 145 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. 101
  2. 105
  3. 112
  4. 120
সঠিক উত্তর:
101
উত্তর
সঠিক উত্তর:
101
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যাগত পদ্ধতি যেখানে মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের বিভিন্ন লো-লেভেল অপারেশনে অক্টাল সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বাইনারি ও হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• উদাহরণ:
 (২০৪), (৫১৫) ইত্যাদি।

এখানে,
(145)8
= (1 × 82) + (4 × 81) + (5× 80)
= 64 + 32 + 5
= 101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫৬.
(111110011)2 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা কোনটি?
  1. 2A4
  2. 3B1
  3. 1F3
  4. 2B2
সঠিক উত্তর:
1F3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1F3
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর:
- কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৪ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।
- তবে কখনো এমন হতে পারে যে, সর্ব বামের গ্রুপ তৈরির জন্য ৪ বিট নেই। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুসারে বাম দিকে একটি বা দু'টি, শূন্য (০) বসিয়ে ৪ বিটের গ্রুপ সম্পন্ন করতে হবে।
- এভাবে গ্রুপ সম্পন্ন হওয়ার পরে প্রতিটি গ্রুপকে এর সমতুল্য মান বসিয়ে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
৫৭.
(.7AE1)16 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. (.179992)10
  2. (.279992)10
  3. (.379992)10
  4. (.479992)10
সঠিক উত্তর:
(.479992)10
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(.479992)10
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (.7AE1)16 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হবে?

সমাধান:

৫৮.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় 1 + 1 = কত হয়?
  1. ক) 2
  2. খ) 0
  3. গ) 1
  4. ঘ) 0, ক্যারি 1
সঠিক উত্তর:
গ) 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 1
ব্যাখ্যা
বাইনারিতে,
1 + 1 = 0 এবং ক্যারি 1

বুলিয়ানে,
1 + 1 = 1

সাধারণ বা দশমিক পদ্ধতিতে,
1 + 1 = 2


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৫৯.
যে সমবায় বর্তনীয় সাহায্যে যোগের কাজ করা হয়, তাকে বলে -
  1. ক) ফ্যারাডে
  2. খ) অ্যাডার
  3. গ) অ্যাড
  4. ঘ) ক্যাড
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাডার
ব্যাখ্যা
যোগের কাজ করে এডার (Adder) 
Add মানে যোগ করা 
Adder মানে যে যোগ করে। 
৬০.
বুলিয়ান অ্যালজেবরা অনুসারে কোনটি সঠিক নয়?
  1. A + 0 = A
  2. A + A′ = 0
  3. A + A′ B = A + B
  4. A + 1 = 1
সঠিক উত্তর:
A + A′ = 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A + A′ = 0
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান অ্যালজেবরা উপপাদ্যঃ
A + 0 = A
A + A′ = 1
A + A′ B = A + B
A + 1 = 1
A.1 = A
A + A = A
A.0 = 0
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বই।

৬১.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা নয়?
  1. ক) ৭
  2. খ) ৮
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যাতে ০-৭ অঙ্ক ব্যবহার করা হয় তাই ৮ অক্টাল সংখ্যা নয়।
৬২.
"ABC" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল কত?
  1. 31
  2. 25
  3. 21
  4. 18
সঠিক উত্তর:
21
উত্তর
সঠিক উত্তর:
21
ব্যাখ্যা
• "ABC" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল হবে: 21.

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

∴ (ABC)16 = (10 × 162) + (11 × 161) + (12 × 160
= (10 × 256) + (11 × 16) + (12 × 1)
= 2560 + 176 + 12
= 2748

∴ "ABC" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল হচ্ছে =  2 + 7 + 4 + 8 = 21
৬৩.
একটি 8 বিট শিফট রেজিস্টার নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা হবে-
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• রেজিস্টার: 
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ-ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। 
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- n ফ্লিপ-ফ্লপ সংযোগ করে একটি n-bit শিফট রেজিস্টার তৈরি করা যেতে পারে। 
- তাহলে, একটি ৪-বিট শিফট রেজিস্টার নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা ৪ হবে। 
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪.
ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যানালগ সিগন্যাল কনভার্শন
  2. ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং
  3. স্টেট স্টোরেজ
  4. ভোল্টেজ রেগুলেশন
সঠিক উত্তর:
স্টেট স্টোরেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেট স্টোরেজ
ব্যাখ্যা

◉ ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বেসিক ডিজিটাল সার্কিট যা ১-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। এটি বাইনারি স্টেট (০ বা ১) ধরে রাখতে পারে যতক্ষণ না সেটিতে নতুন ইনপুট দেওয়া হয়। এজন্য এটি মেমোরি এলিমেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং রেজিস্টার, কাউন্টার ও অন্যান্য সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৬৫.
(10110011)2 এর 2 কমপ্লিমেন্ট(পরিপূরক) নিচের কোনটি?
  1. ক) 01001100
  2. খ) 10010010
  3. গ) 01011100
  4. ঘ) 01001101
সঠিক উত্তর:
ঘ) 01001101
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 01001101
ব্যাখ্যা

কোনাে বাইনারি সংখ্যার 1 কে 0 এবং 0 কে 1 দিয়ে পরিবর্তন করে (বা 1 এর পরিপূরক নিয়ে) যে সংখ্যা পাব তার সাথে 1 যােগ করে নেয়া হলে সেটি মূল বাইনারি সংখ্যার নেগেটিভ হিসেবে কাজ করবে। এই ধরণের সংখ্যাকে বলা হয় মূল সংখ্যাটির 2 -এর পরিপূরক।
10110011 সংখ্যার 2 -এর পরিপূরক: 01001101
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)

৬৬.
যে লজিক গেইটে যা ইনপুট দেওয়া হয় তাই আউটপুট পাওয়া যায় তাকে কী গেইট বলে? 
  1. বাফার গেইট
  2. নট গেইট
  3. এক্স-নর গেইট
  4. এক্স-অর গেইট
সঠিক উত্তর:
বাফার গেইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাফার গেইট
ব্যাখ্যা
বাফার গেইট: 
- যে গেইটের মধ্যে দিয়ে যা ইনপুট করা হয় তাই আউটপুট পাওয়া যায় তাকে বাফার গেট বলে। 
- বাফার গেইটের সিগন্যাল কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আউটপুটে যায়। 
- এতে একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট রয়েছে। 
- বাফার গেইটের আচরণ নট গেইটের বিপরীত। 
- উদাহরণ: বাফার গেইটে ইনপুট ০ হলে, আউটপুট ০ হবে এবং ইনপুট ১ হলে, আউটপুট ১ হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৭.
(101101)2 বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?
  1. 43
  2. 59
  3. 36
  4. 45
সঠিক উত্তর:
45
উত্তর
সঠিক উত্তর:
45
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (101101)2 বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?

সমাধান:
(101101)2 = (1 × 25) + (0 × 24) + (1 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 32 + 0 + 8 + 4 + 0 + 1
= 45
∴ (101101)2 = (45)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৮.
৮ বিটস (bits) এ কি হয়?
  1. ক) Bit
  2. খ) Byte
  3. গ) kilobyte
  4. ঘ) Megabyte
সঠিক উত্তর:
খ) Byte
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Byte
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৬৯.
(127)8 সংখ্যার হেক্সাডেসিমেল রূপ কী?
  1. 57
  2. 43
  3. 34
  4. 28
সঠিক উত্তর:
57
উত্তর
সঠিক উত্তর:
57
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) (127)8 = (57)16

• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেল:
- অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যার সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যাবে।



সুতরাং, (127)8 = (57)16

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০.
(5012)10 কে হেক্সাডেসিমেলে প্রকাশ করলে কত হবে? 
  1. (4931)16
  2. (1A34)16
  3. (1394)16
  4. (1934)16
সঠিক উত্তর:
(1394)16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(1394)16
ব্যাখ্যা

দশমিক সংখ্যা (5012)10 কে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে (1394)16 হবে।

• ডেসিমেল থেকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, ডেসিমেল সংখ্যাটিকে ধারাবাহিকভাবে 16 দিয়ে ভাগ করতে হয় এবং ভাগফলগুলোর অবশিষ্ট (remainder) উল্টো দিক থেকে সাজিয়ে লিখতে হয়।
• এখানে, দশমিক সংখ্যাটি হলো 5012।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১.
হেক্সাডেসিমেল 0xAB এর দশমিক মান কত?
  1. Ox171
  2. 171
  3. 17162
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
171
উত্তর
সঠিক উত্তর:
171
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল (Hexadecimal) সংখ্যা ব্যবস্থা ১৬ ভিত্তিক, যেখানে সংখ্যা 0 থেকে 9 এবং অক্ষর A থেকে F ব্যবহার করা হয়। এখানে A মানে ১০ এবং B মানে ১১। 0xAB কে দশমিক (Decimal) এ রূপান্তর করতে হলে, প্রথম অঙ্ক A (১০) কে ১৬ দিয়ে গুণ করতে হবে এবং দ্বিতীয় অঙ্ক B (১১) যোগ করতে হবে। হেক্সাডেসিমেল 0xAB-এর দশমিক মান 171. সুতরাং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) 171. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা সাধারণত কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এবং ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়, যা বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার সুবিধা দেয়।

• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক রূপান্তর (Hexadecimal to Decimal):  
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 0xAB
- এখানে A হলো 10 এবং B হলো 11

- হেক্সাডেসিমেল 0xAB কে দশমিক রূপান্তরে রূপান্তর করার জন্য:  
  (A × 161) + (B × 160) = (10 × 16) + (11 × 1)  

10 × 16 = 160  
11 × 1 = 11  

- সব যোগ করলে: 160 + 11 = 171  

- সুতরাং, হেক্সাডেসিমেল 0xAB এর দশমিক মান হলো 171
- সঠিক উত্তর: 171

• হেক্সাডেসিমেল নোটেশন (Hexadecimal Notation):  
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা বোঝানোর জন্য প্রিফিক্স 0x ব্যবহার করা হয়।  
- উদাহরণ: 0xAB  

- এখানে 0x মানে হলো "এই সংখ্যা হেক্সাডেসিমেল (base 16)"।  
- AB হলো হেক্সাডেসিমেল ডিজিট।  

- কেন প্রয়োজন?  
  - কম্পিউটার বিভিন্ন বেসে সংখ্যা পড়তে পারে (binary, octal, decimal, hexadecimal)।  
  - প্রিফিক্স ছাড়া AB কে ভুল করে ভেরিয়েবল বা decimal হিসেবে মনে করা যেতে পারে।  
  - 0x ব্যবহার করলে স্পষ্ট হয় যে সংখ্যা হেক্সাডেসিমেল।  

- উদাহরণ:  
  - 0 x 10 → decimal-এ 16 (1 × 16 + 0 × 1 = 16)  
  - 10 → decimal-এ 10  

- সুতরাং, 0x হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত একটি সাধারণ নোটেশন।  

সূত্র: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- sciencedirect [link]

৭২.
কোন গেইট Inverter হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) AND
  2. খ) NOR
  3. গ) NAND
  4. ঘ) NOT
সঠিক উত্তর:
ঘ) NOT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) NOT
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে পূরকের কাজ (Complement) সম্পাদনের জন্য যে ইলেক্ট্রনিক সার্কিট ব্যবহার করা হয় তাকে নট (NOT) গেইট বলে।

এই গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে।
এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট ১ হয়।

এই গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৩.
যে সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে তার নাম কী?
  1. ক) কাউন্টার
  2. খ) রেজিস্টার
  3. গ) এডার
  4. ঘ) এনকোডার
সঠিক উত্তর:
ক) কাউন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাউন্টার
ব্যাখ্যা
কাউন্টার
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্ট নির্দিষ্ট সময় পরপর আসতে পারে বা অনিয়মিতভাবেও আসতে পারে। কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স বা ক্রম অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলেন।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ ০ থেকে ২n - 1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস বা মোড নাম্বার বলে। কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস ২n
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধিকরা যায়।
৭৪.
অ্যাডার কত প্রকার?
  1. ক) দুই প্রকার
  2. খ) তিন প্রকার
  3. গ) চার প্রকার
  4. ঘ) পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
ক) দুই প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই প্রকার
ব্যাখ্যা
দুই প্রকার:
১.হাফ এডার, ও ২. ফুল এডার।
৭৫.
নিচের কোনটি অক্টাল নাম্বার?
  1. ৫৩৭
  2. ০১৯
  3. ৯৮১
  4. ১২৮
সঠিক উত্তর:
৫৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩৭
ব্যাখ্যা

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির আটটি অংক হল ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭
তাই ৫৩৭ একটি অক্টাল সংখ্যা
[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি , পৃষ্ঠা নং -১৯৪]

৭৬.
A এর NOR গেইট এবং AND গেইটের আউটপুট এর OR কত?
  1. ক) A
  2. খ) 1
  3. গ) 0
  4. ঘ) Ā
সঠিক উত্তর:
খ) 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 1
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে,
A + Ā = 1 ;
A + A = A ;
A. A = A ;

• A এর NOR গেইটের আউটপুট Ā ;
• A এর AND গেইটের আউটপুট A ;

তাহলে,
A এবং Ā এর OR হল A + Ā = 1
৭৭.
একটা 4-bit বাইনারি সিস্টেমে শূণ্য এর 2's complement এর ডেসিম্যাল মান কত হবে?
  1. ১৬
  2. ১৫
  3. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• 4-bit বাইনারি সিস্টেমে শূন্য (0000) এর 2’s complement বের করতে হলে প্রথমে 1’s complement নেওয়া হয়,
অর্থাৎ সব বিট উল্টালে পাওয়া যায় 1111.
এরপর এর সাথে 1 যোগ করলে আবার ফলাফল হয় 0000। তাই শূন্যের 2’s complement আসলে শূন্যই থাকে।
যেহেতু 4-bit signed 2’s complement পদ্ধতিতে 0000 এর ডেসিম্যাল মান 0, সেহেতু শূন্যের 2’s complement এর ডেসিম্যাল মানও 0.
এই কারণে সঠিক উত্তর হলো খ) ০

• ২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

উদাহরণ: 
12 এর ২-এর পরিপূরক (2's Complement) বের করতে হলে, 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭৮.
NOT গেইটে কোনটি থাকে?
  1. ১টি ইনপুট ও ১টি আউটপুট।
  2. ২টি ইনপুট ও ২টি আউটপুট।
  3. ৩টি ইনপুট ও ৩টি আউটপুট।
  4. সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
১টি ইনপুট ও ১টি আউটপুট।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি ইনপুট ও ১টি আউটপুট।
ব্যাখ্যা
নট গেইটঃ এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে। যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে।
৭৯.
ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড কোন কোডের অনুরূপ?
  1. অ্যাসকি
  2. বিসিডি
  3. আলফানিউমেরিক
  4. ইবিসিডিক
সঠিক উত্তর:
অ্যাসকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসকি
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- ফলে যে সমস্ত ভাষাকে কোডভুক্ত করার জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন-চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানীজ ইত্যাদি) সে সকল ভাষার সকল চিহ্নকে সহজেই কোডভুক্ত করা সহজতর হলো।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকি ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮০.
ইউনিকোডের মাধ্যমে সম্ভাব্য কতগুলো চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ২৫৬টি
  2. ৪০৯৬টি
  3. ৬৫৫৩৬টি
  4. ৪২৯৪৯৬৭২৯৬টি
সঠিক উত্তর:
৬৫৫৩৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫৫৩৬টি
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোডের মাধ্যমে ৬৫৫৩৬টি চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code।
- পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোডের Standard এ প্রত্যেকটা বর্ণের জন্য 000016 থেকে শুরু করে 10FFFF16 এর ভেতর একটি সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে।
- ফলে ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- অর্থাৎ, এখানে প্রতিটি ভাষার জন্য 4 বাইট পর্যন্ত স্থান সংরক্ষণ করা আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮১.
(101101)2 = (?)10
  1. 31
  2. 42
  3. 45
  4. 52
সঠিক উত্তর:
45
উত্তর
সঠিক উত্তর:
45
ব্যাখ্যা
(101101)2
= 1 × 25 + 0 × 24 + 1 × 23 + 1 × 22 + 0 × 21 + 1 × 20
= 32 + 0 + 8 + 4 + 0 + 1
= (45)10
৮২.
কম্পিউটারে 2's Complement প্রধানত কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ধনাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
  2. ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
  3. ডেটা এনক্রিপ্ট করতে
  4. মেমরি অ্যাড্রেস গণনা করতে
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যায় কাজ করে। ধনাত্মক সংখ্যা সরাসরি বাইনারি আকারে প্রকাশ করা যায়। কিন্তু ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে 2’s Complement পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

• ২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।

উদাহরণ: 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮৩.
এক্স-অর গেইটের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) ইনপুট ০, ০ হলে আউটপুট ০ হবে।
  2. খ) ইনপুট ১, ০ হলে আউটপুট ১ হবে।
  3. গ) ইনপুট ০, ১ হলে আউটপুট ১ হবে।
  4. ঘ) ইনপুট ১, ১ হলে আউটপুট ১ হবে।
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইনপুট ১, ১ হলে আউটপুট ১ হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইনপুট ১, ১ হলে আউটপুট ১ হবে।
ব্যাখ্যা
এক্স-অর গেইট [Exclusive OR (XOR) Gate]:
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- XOR গেইটে দুটি ইনপুট একই মানের জন্য আউটপুট ০ এবং ভিন্ন মানের জন্য আউটপুট ১ হয়।। 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. 1231
  2. 764
  3. 382
  4. 637
সঠিক উত্তর:
382
উত্তর
সঠিক উত্তর:
382
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৫১২, ১৬২০, ৬৪ কিন্তু ২৮১ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৮৫.
XNOR গেইটে ইনপুট দুইটি সমান হলে, আউটপুট কত হবে?
  1. 0
  2. 1
  3. 2
  4. 3
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা
• এক্স নর গেইট বা Exclusive NOR (XNOR) Gate:
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR) গেইট বলে।
- এক্স অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে অর্থাৎ, এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইট যে কাজ করে এই গেইট তার বিপরীত কাজ করে অর্থাৎ, দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬.
ABC এবং DEF-কে যোগ করলে নিচের কোনটি হবে?
  1. ক) 12AB
  2. খ) 18AB
  3. গ) 16AB
  4. ঘ) 10AB
সঠিক উত্তর:
খ) 18AB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 18AB
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৮৭.
12 এর 2's Complement কোনটি?
  1. ক) 11110100
  2. খ) 11110101
  3. গ) 11110000
  4. ঘ) 11111100
সঠিক উত্তর:
ক) 11110100
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 11110100
ব্যাখ্যা
২-এর পরিপূরক (2's Complement): 
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে। 
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়। 

12 এর 2's Complement:
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100   

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮৮.
n-বিট রেজিস্টারে ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা কত?
  1. n - 1 সংখ্যক
  2. n +1 সংখ্যক
  3. 2n সংখ্যক
  4. n সংখ্যক
সঠিক উত্তর:
n সংখ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
n সংখ্যক
ব্যাখ্যা
• n-বিট রেজিস্টারে ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা হয় n সংখ্যক।

কারণ, একটি n-বিট রেজিস্টার তৈরির জন্য nটি ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার, প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ 1 বিট তথ্য ধরে রাখে।


• রেজিস্টার (Register):
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- সব ডেটা প্রসেস হওয়ার পূর্বে রেজিস্টারে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়।
- রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- n বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফুপ থাকে এবং n নিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

- রেজিস্টার প্রথম মেমোরি ডিভাইস হিসেবে CPU-এর অভ্যন্তরে থাকে এবং প্রসেসিং-এর সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চিত রাখে।
- সরল ও সাধারণ রেজিস্টারগুলো শুধুমাত্র ফ্লিপ ফ্লপ সার্কিট দ্বারা গঠিত এবং ক্লক পালস্ দ্বারা পরিচালিত হয়।
- গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং শিফট রেজিস্টার।

• রেজিস্টার-এর ব্যবহার (Application of Register):
১. অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে ব্যবহৃত হয়।
৪. ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯.
একটি NOT গেইটে ইনপুট high হলে আউটপুট কত?
  1. ক) Low
  2. খ) high
  3. গ) low-high
  4. ঘ) high low
সঠিক উত্তর:
ক) Low
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Low
ব্যাখ্যা
NOT গেইটে ইনপুট Low হলে আউটপুট high (1) হয়।
৯০.
মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে কোনটি?
  1. অ্যাডার
  2. রেজিস্টার
  3. ডিকোডার
  4. এনকোডার
সঠিক উত্তর:
এনকোডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনকোডার
ব্যাখ্যা
• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা- হাফ-অ্যাডার ও ফুল-অ্যাডার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯১.
(15.8125)10 = (?)8
  1. 15.97
  2. 17.64
  3. 21.42
  4. 25.73
সঠিক উত্তর:
17.64
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17.64
৯২.
A hard disk has the storage capacity of 500 GB. How many bytes of information it can store?
  1. 500 × 236 bytes
  2. 500 × 228 bytes
  3. 500 × 232 bytes
  4. 500 × 230 bytes
সঠিক উত্তর:
500 × 230 bytes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
500 × 230 bytes
ব্যাখ্যা
⇒ ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
⇒ ২১০ বাইট = ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB),
⇒ ২১০ কিলােবাইট = ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB),
⇒ ২১০ মেগাবাইট  = ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB),

১ গিগাবাইট (GB) = ২১০ মেগাবাইট
= ২১০ × ২১০ কিলোবাইট 
= ২২০ × ২১০ বাইট 
= ২৩০ বাইট 

৫০০ গিগাবাইট (GB) = ৫০০ × ২৩০ বাইট 


উৎস: ব্রিটানিকা। 
৯৩.
বুলিয়ান উপপাদ্য A + AB = ?
  1. ক) A
  2. খ) 0
  3. গ) 1
  4. ঘ) B
সঠিক উত্তর:
ক) A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) A
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য,
A + AB
= A . 1 + AB
= A (1 + B)
= A (B + 1)
= A . 1   [যেহেতু B + 1 = 1]
= A        [যেহেতু A . 1 = A]
৯৪.
নিচের কোন ইনপুট জোড়ের জন্য NAND গেইটে আউটপুট মিথ্যা হবে?
  1. 1, 1
  2. 1, 0
  3. 0, 1
  4. 0, 0
সঠিক উত্তর:
1, 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1, 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন ইনপুট জোড়ের জন্য NAND গেইটে আউটপুট মিথ্যা হবে?

সমাধান: 


অর্থাৎ দুইটি সংকেত সত্যি হলেই আউটপুট মিথ্যা হবে।
৯৫.
ডিকোডারের ইনপুট সংখ্যা 4 হলে আউটপুট হবে-
  1. ক) 4
  2. খ) 8
  3. গ) 16
  4. ঘ) 32
সঠিক উত্তর:
গ) 16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 16
ব্যাখ্যা
ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- n টি বিট দিয়ে 2n টি বাইনারি সংখ্যা লেখা যায়। যেমন, 4টি বিট দিয়ে 24 = 16 টি বাইনারি সংখ্যা লেখা সম্ভব। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
কোন পদ্ধতিতে 2’s complement নির্ণয় করা হয়?
  1. প্রতিটি বিট উল্টিয়ে 2 যোগ করা
  2. প্রতিটি বিট উল্টিয়ে 1 যোগ করা
  3. শুধু বাম দিকের বিট উল্টানো
  4. সংখ্যার সাথে সরাসরি 1 যোগ করা
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি বিট উল্টিয়ে 1 যোগ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি বিট উল্টিয়ে 1 যোগ করা
ব্যাখ্যা

- প্রতিটি বিট উল্টিয়ে 1 যোগ করা পদ্ধতিতেই 2’s complement নির্ণয় করা হয়, কারণ প্রথমে 1’s complement নিয়ে পরে 1 যোগ করলে 2’s complement পাওয়া যায়।

• 2-এর পরিপূরক (2’s Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে, অর্থাৎ 0 এর স্থানে 1 এবং 1 এর স্থানে 0 বসিয়ে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে 1-এর পরিপূরক (1’s Complement) বলে।
- বাইনারি সংখ্যার 1-এর পরিপূরক বের করে তার সাথে 1 যোগ করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক (2’s Complement) বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের জন্য 2-এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

• 2’s Complement নির্ণয়ের ধাপ:
- প্রথম ধাপ: প্রদত্ত বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিট উল্টানো।
- দ্বিতীয় ধাপ: প্রাপ্ত 1’s complement সংখ্যার সাথে 1 যোগ করা।
- ফলাফলই হবে 2’s complement।

• উদাহরণ:
- 12 এর বাইনারি মান = 1100.
- 8-bit রেজিস্টারে মান = 00001100.
- 1’s complement = 11110011.
- 1’s complement + 1 = 11110100.
- সুতরাং, 12 এর 2’s complement = 11110100.
- এই পদ্ধতি কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য বহুল ব্যবহৃত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৯৭.
(10110)2 কে দশমিক সংখ্যায় রুপান্তর করুন -
  1. ক) 21
  2. খ) 22
  3. গ) 27
  4. ঘ) 31
সঠিক উত্তর:
খ) 22
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 22
ব্যাখ্যা
(10110)2
= (1 × 24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (0 × 20)
= 16 + 0 + 4 + 2 + 0
= (22)10
৯৮.
00011001 এর 1's complement কোনটি?
  1. 1100 0011
  2. 001011000
  3. 11100111
  4. 11100110
সঠিক উত্তর:
11100110
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11100110
ব্যাখ্যা

• ​একটি বাইনারি সংখ্যার 1’s complement বের করার জন্য প্রতিটি বিটকে উল্টাতে হয়, অর্থাৎ 0 কে 1 এবং 1 কে 0 করতে হয়। 
00011001 এর 1's complement হল 11100110


• ১ এর পরিপূরক গঠন (1's complement form):
- বাইনারি সংখ্যায়, ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) করা হয়।
- অর্থাৎ সংখ্যার বিট গুলোকে উল্টিয়ে দেয়া হয়।

এখানে,
00011001 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 11100110 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৯৯.
কোন সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি দুই?
  1. বাইনারি
  2. ডেসিমেল
  3. অক্টাল
  4. হেক্সাডেসিমেল
সঠিক উত্তর:
বাইনারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইনারি
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করার জন্য ২টি অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
যেমন-(১০১০)।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে যেহেতু ০ এবং ১ এই দুইটি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। 
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি হচ্ছে ২ (দুই) । 
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ মোট ২টি মৌলিক অঙ্ক আছে। 
- বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে কম্পিউটারের সমস্ত যোগ বিয়োগ ও অন্যান্য কার্যাদি সম্পন্ন করা হয়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১০০.
একটি কাউন্টার সার্কিট প্রধানত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. তথ্য সংরক্ষণ
  2. সংকেত বৃদ্ধি
  3. ক্লক পালস গণনা
  4. তথ্য এনকোডিং
সঠিক উত্তর:
ক্লক পালস গণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লক পালস গণনা
ব্যাখ্যা

• একটি কাউন্টার সার্কিট মূলত ক্লক পালস গণনা করার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ধরণের ডিজিটাল লজিক সার্কিট, যা এক বা একাধিক ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে ক্রমান্বয়ে ইনক্রীমেন্ট বা ডিক্রিমেন্ট করতে পারে। কাউন্টার সার্কিট সময়ের সাথে পালসের সংখ্যা নির্ধারণে, নির্দিষ্ট ইভেন্ট গণনা করতে, টাইমার, ডিভিশন এবং সিকোয়েন্সিয়াল লজিক ডিজাইনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ডিজিটাল ঘড়ি বা মাইক্রোপ্রসেসর সিস্টেমে কাউন্টার পালসের সংখ্যা গণনা করে সময় মাপতে সাহায্য করে। তাই, এটি কোনো তথ্য সংরক্ষণ, সংকেত বৃদ্ধি বা এনকোডিং-এর জন্য নয়, বরং ক্লক বা ইভেন্টের গণনা করার জন্য ডিজাইন করা হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) ক্লক পালস গণনা।
 
কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n।
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
- ডিজিটাল ঘড়িতে
- ডিজিটাল কম্পিউটারে
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।