• ট্রানজিস্টর প্রথমবার কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) কম্পিউটারে। এটি ১৯৫০-এর দশকে তৈরি কম্পিউটারগুলিতে দেখা যায়। ট্রানজিস্টর ভ্যাকুয়াম টিউবের বিকল্প হিসেবে এসেছে, যা অনেক বড়, বেশি বিদ্যুৎ খরচকারী এবং তাপ উৎপন্ন করত। ট্রানজিস্টর ব্যবহার কম্পিউটারকে ছোট, দ্রুত এবং আরো নির্ভরযোগ্য করে তুলেছিল। দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলি মূলত ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে তৈরি হয় এবং এতে ট্রানজিস্টরের সাহায্যে প্রোগ্রাম এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণ অনেক দ্রুত হয়েছিল। ফলে, এটি কম্পিউটার প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল, যা আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
- সঠিক উত্তর: ক) 2G.
• দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয় এবং ঢাকা পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে সুদীর্ঘ কয়েক বছর চালু ছিল।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ-
১. ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
২. ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
৩. আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
৪. উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
৫. অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
৬. উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার (যেমন- COBOL, FORTRAN)।
৭. টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা ইত্যাদি।
কম্পিউটারের প্রজন্মকে ৫ ভাগে ভাগ করা হয়:
- প্রথম প্রজন্ম (1940-1956): ভ্যাকুয়াম টিউব।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম (1956-1963): ট্রানজিস্টর।
- তৃতীয় প্রজন্ম (1964-1971): ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC)।
- চতুর্থ প্রজন্ম (1971-বর্তমান): মাইক্রোপ্রসেসর।
- পঞ্চম প্রজন্ম (বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।