PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
কম্পিউটারের ইতিহাস
কম্পিউটারের ইতিহাস
PrepBank · পাতা ২ / ৬ · ১০১–২০০ / ৫৭২
ব্যাখ্যা
- যদিও Dell এবং IBM পরবর্তীতে জনপ্রিয় ল্যাপটপ নির্মাতা হিসেবে পরিচিত হয়, Epson-ই প্রথম এই প্রযুক্তি বাজারে চালু করে।
- সঠিক উত্তর: খ) Epson.
• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারে মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL) তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দেশকে অগ্রগামী করে তুলতে ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে আসছে।
- বিসিসি সরকারি পর্যায়ে অবকাঠামো উন্নয়ন, ই-গভার্ন্যান্স প্রতিষ্ঠা, কানেক্টিভিটি স্থাপন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, আইসিটি সক্ষমতা উন্নয়ন, আইসিটি শিল্পের উন্নয়ন, আইসিটিতে বাংলা ভাষার উন্নয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ ব্রান্ডিং এবং সর্বোপরি দেশে উদ্ভাবনী ও স্টার্টআপ সংস্কৃতির উন্নয়নে কাজ করছে।
- প্রথমে ভিন্ন নামে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি নিম্নলিখিত ধাপে বিসিসি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়-
• জাতীয় কম্পিউটার কমিটি: ১৯৮৩
• জাতীয় কম্পিউটার বোর্ড: ১৯৮৮
• বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল অধ্যাদেশ: ১৯৮৯
• বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল আইন: ১৯৯০।
- জাতীয় সংসদের ১৯৯০ সালের ৯নং আইন বলে জাতীয় কম্পিউটার বোর্ড-কে রূপান্তরিত করে ‘‘বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল” নামে একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয় যা রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের অধীন পরিচালিত হতে থাকে।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলকে তৎকালীন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (পরবর্তীকালে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়)-এর অধীনস্ত করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
এখান থেকেই শুরু হয় প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ , এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার বিকাশের দ্বিতীয় প্রজন্মে (Second Generation) প্রথম ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
• দ্বিতীয় প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৫৯ সাল হতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটারে বায়ুশূন্য টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
ট্রানজিস্টরে কোনো চলমান অংশ নেই এবং এর কাজ সুইচের মতো।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ট্রানজিস্টর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়, দাম কমে যায়, কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণও অনেক কমে যায়।
- এই সময়ে কম্পিউটারের তাপ সমস্যার সমাধান হয়।
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি এবং উচ্চ গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট অংশ এই সময়ে কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারেই প্রথম উচ্চতর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন ফোরট্রান (FORTRAN), কোবল (COBOL) ইত্যাদির উদ্ভব ও প্রচলন শুরু হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন (Dr. Howard Aeiken) ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
• ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator):
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মডসাল এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একটি (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এনিয়াক (ENIAC) কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।
• UNIVAC (Universal Automatic Computer):
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতারা UNIVAC (Universal Automatic Computer) কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন। ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল। UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
- Summit হচ্ছে একটি সুপার কম্পিউটারের নাম যা যুক্তরাষ্ট্রের Oak Ridge National Laboratory তে অবস্থিত।
উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charls Babbage) আরো উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Differenc Engine) বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন।
- চার্লস ব্যাবেজ ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী। তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- ১৮১৩ সালে তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিনকে উন্নত করার জন্য রয়েল সোসাইটি থেকে অনুদান পান।
- ১৮৩৩ সালে ব্যাবেজ 'অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন' নামে অপর একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন এবং নকশা তৈরি করেন।
- ব্যাবেজ আধুনিক কম্পিউটারের মতোই তাঁর মেশিনে নিয়ন্ত্রণ অংশ, গাণিতিক অংশ, স্মৃতি অংশ, গ্রহণ মুখ, নির্গমন মুখ চিহ্নিত করেন।
- চালর্স ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
• Gottfried Von Leibniz - রিকোনির যন্ত্রের জনক।
• Blaise Pascal - যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর যার নাম প্যাসকেলেন এর জনক।
• Herman Hollerith - টেবুলেটিং মেশিনের জনক।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER-205, ETA-D2P, Summit ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।
• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।
- IBM PC, Apple Macintosh, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC, ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয়- নিজস্ব বুদ্ধি বা চিন্তা ক্ষমতা আছে।
কম্পিউটার:
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভূলভাবে করা যায়।
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা(আইকিউ- Intelligence Quotient) করার ক্ষমতা নেই।
- মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে।
- কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে।
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল-
• বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা,
• নির্ভূলভাবে কাজ করা এবং
• অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার হতো।
- এনিয়াক (ENIAC) কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।
- প্রোগ্রামিংয়ের জন্য তারের সংযোগ বদলানোর প্রয়োজন হতো এবং শত শত সংযোগ বদলানোর জন্য কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত।
- এ ধরনের অসুবিধার দূর করার লক্ষ্যে আমেরিকায় এডভ্যাক (EDVAC) তৈরির সময়েই কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক মার্কস উইলকিসের নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC(Electronic Delay Storage Automatic Calcualtor) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেন।
- প্রকৃতপক্ষে এডস্যাক (EDSAC) কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
• ENIAC-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ :
১. এটি ৩০ টন এবং ১৯ হাজার ইলেকট্রনিক টিউব দিয়ে নির্মিত।
২. এটি চালানোর জন্য ১৩০ হতে ১৪০ কিলোওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হতো।
৩. প্রতি সেকেন্ডে ৫ হাজারটি যোগ এবং ৫ শতটি গুণ করতে পারত।
৪. দশ অংকের দুটি সংখ্যা গুণ করতে তিন মিলি সেকেন্ড সময় লাগত।
৫. প্রোগ্রামের জন্য এ কম্পিউটারের তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হয়েছিল।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) হল বাংলাদেশের সফটওয়্যার অ্যান্ড আইটি এনভলড সার্ভিস শিল্পের জাতীয় বাণিজ্য সংস্থা।
- ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি দেশে গতিশীল সফটওয়্যার ও আইটি পরিষেবা শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছে।
উৎস: BASIS ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
- ১৬১৭ সালে জন নেপিয়ার দাগকাটা এবং সংখ্যা বসানো দণ্ড ব্যবহার করে সংখ্যাভিত্তিক গণনাযন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম পরবর্তীতে স্লাইড রুলের উন্নতি সাধন করেন।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- আইসি (IC) বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ব্যবহার করে তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম হলো IBM System/360 (সংক্ষেপে IBM-360)।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন। মাইক্রোইলেকট্রনিকসের অগ্রযাত্রা মূলত তখন থেকে শুরু হয়।
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল। ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। একই সাথে কম্পিউটারের মেমরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে।
অপরদিকে,
- ENIAC হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- MARK-1 হলো পৃথিবীর প্রথম ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।
- UNIVAC হলো সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
উৎস:
১। Guinnessworldrecords [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
◉ চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোর মূল প্রযুক্তি হলো মাইক্রোপ্রসেসর।
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার:
- ১৯৭১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্ম শুরু হয় বলে ধরা হয়।
- ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI(Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large Scale Integration) চিপের আবিষ্কার ঘটে।
- একটি একক VLSI সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও বেশি ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একত্রিত থাকে।
- কম্পিউটার তৈরিতে বড় ধরনের বিপ্লব সাধিত হয় ১৯৭১ সালে আইসি এবং ভিএলএসআই বর্তমানের সাহায্যে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মাধ্যমে।
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই চিপ।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।
- ১৯৮১ সালে আইবিএম কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি শুরু করে।
- IBM - 3033, IBM - 4341, Pentium Series, আইবিএম পিসি ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার।
উল্লেখ্য,
প্রথম প্রজন্ম (১৯৪০–১৯৫৬) → ব্যবহৃত হতো ভ্যাকুয়াম টিউব।
দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৫৬–১৯৬৩) → ব্যবহৃত হতো ট্রানজিস্টর।
তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬৪–১৯৭১) → ব্যবহৃত হতো ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC Chip)।
চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭১–বর্তমান) → ব্যবহৃত হচ্ছে মাইক্রোপ্রসেসর। Intel 4004 (1971) ছিল বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর, যা চতুর্থ প্রজন্মের সূচনা করে।
পঞ্চম প্রজন্ম (বর্তমান ও ভবিষ্যৎ) → নির্ভর করছে Artificial Intelligence (AI) এবং Parallel Processing এর উপর।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯-১৯৬৫):
- ট্রানজিস্টার ব্যবহার।
- আকার ছোট ও হালকা।
- দ্রুত গতি।
- কম উত্তাপ।
- চুম্বকীয় কোর মেমোরি ব্যবহৃত।
- অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন।
- যেমন: IBM 1600, CDC 1604, NCR 300 সিরিজ।
• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম বা জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।
• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২-১৯৫৯):
- আকারে বড় ও ভারী।
- উচ্চ শব্দ ও উত্তাপ সমস্যা।
- সীমিত তথ্য ধারণ ক্ষমতা।
- ধীর গতিসম্পন্ন।
- প্রথমে মেশিন ভাষা, তারপর এসেম্বলি ভাষার ব্যবহার।
- যেমন: ABC, ENIAC, UNIVAC.
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.
• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১- বর্তমান):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার।
- আরও ছোট ও শক্তিশালী।
- মাইক্রো কম্পিউটারের উদ্ভব।
- সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম প্যাকেজের ব্যবহার।
- CD, Pen Drive ইত্যাদি মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।
- উদাহরণ: IBM PS/2, Apple Macintosh.
• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২-বর্তমান):
- তথ্য ধারণ ক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি।
- উন্নত মানের operating system.
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI- Artificial Intelligence) এর ব্যবহার।
- নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি থাকবে।
- মানুষের কন্ঠস্বর বুঝতে পারবে।
- পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে (ডাক্তার, শিক্ষক ইত্যাদি)।
- বিশাল তথ্য ধারণ ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
সকল গ্রাফিক্স কার্ড আমাদের দ্বিমাত্রিক ছবি দেখাতে সক্ষম তবে বর্তমানে ত্রিমাত্রিক ছবি দেখাতে সক্ষম গ্রাফিক্স কার্ড পাওয়া যায়।
তথ্য সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি, পৃষ্ঠা- ৩১।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
এনিয়াক কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হত।
প্রোগ্রামিংয়ের জন্য তারের সংযোগ বদলানোর প্রয়োজন হতো এবং শত শত সংযোগ বদলানোর জন্য কয়েকদিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত।
এই অসুবিধা দূর করার জন্য ১৯৪৯ সালে যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মরিস উইলথিম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট প্রথম কম্পিউটার EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Computer) তৈরি করেন।
উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ENIAC: ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন। এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
UNIVAC: ১৯৫১ সালে ENIAC এর নির্মাতারা UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
ইউনিভাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব ̈বহার করা হয়েছিল।
EDVAC: EDVAC কম্পিউটারে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহের কিছু সুবিধা ছিল।
EDSAC: EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
অনেকেই একে প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
এই মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কম্পিউটার জগতে একটি নতুন প্রজন্মের আবির্ভাব হয়৷
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম হলো ENIAC।
• ENIAC :
- এর পূর্ণরূপ: Electronic Numerical Integrator and Computer।
- ১৯৪৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জন মাউচলি এবং জে. প্রেসপার একার্ট এটি তৈরি করেন।
- এটি ছিল প্রথম সাধারণ-উদ্দেশ্য সম্পন্ন এবং প্রোগ্রামযোগ্য ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এটি তৈরিতে প্রায় ১৮,০০০ ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মূলত সামরিক কাজের জন্য এটি ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
অপশন আলোচনা:
MARK-I: এটি ছিল প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল (Electro-mechanical) কম্পিউটার।
EDSAC: এটি প্রথম প্রোগ্রাম সংরক্ষিত (Stored-program) কম্পিউটারগুলোর একটি।
UNIVAC: এটি ছিল বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার।
উৎস : ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• ড. হাওয়ার্ড আইকেন—তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে Mark-I ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার নির্মাণে নেতৃত্ব দেন।
• ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার(Electro-Mechanical Computer):
- ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার হলো এমন কম্পিউটার, যা যান্ত্রিক অংশ ও বৈদ্যুতিক উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে।
- এটি যান্ত্রিক কম্পিউটার ও সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের মধ্যবর্তী ধাপ হিসেবে বিবেচিত।
• মার্ক–১(Mark-I) কম্পিউটার:
- বিশ্বের প্রথম বৃহৎ ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার হলো মার্ক–১(Mark-I)।
- ড. হাওয়ার্ড আইকেন(Dr. Howard Aiken)–এর নেতৃত্বে এটি নির্মিত হয়।
- মার্ক–১ কম্পিউটার ১৯৪৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপন করা হয়।
- এটি IBM–এর সহায়তায় নির্মিত হয়।
• মার্ক–১ কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য:
- এতে প্রায় ৩ হাজার ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল রিলে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- দৈর্ঘ্য প্রায় ৫১ ফুট এবং উচ্চতা প্রায় ৮ ফুট ছিল।
- এটি অত্যন্ত ধীরগতির হলেও নির্ভুল গণনা করতে পারত।
- এতে যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করা সম্ভব ছিল।
- বৈজ্ঞানিক ও সামরিক গবেষণায় এটি ব্যবহৃত হতো।
• ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারের গুরুত্ব:
- আধুনিক কম্পিউটার উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
- স্বয়ংক্রিয় গণনার ধারণাকে আরও উন্নত করে।
- পরবর্তীতে সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার উদ্ভাবনের পথ সুগম করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশগুলো হচ্ছে-
১. ইনপুট ইউনিট - যেখান দিয়ে তথ্য, উপাত্ত বা ডাটা প্রদান করা হয়।
২. আউটপুট ইউনিট - যেটা ফলাফল প্রদর্শন করে।
৩. গাণিতিক ও যুক্তি নির্ণয় কেন্দ্র - যেখানে গাণিতিক ও যুক্তি নির্দেশাবলী সম্পাদিত হয়।
৪. স্মৃতি কেন্দ্র - যেখানে তথ্য বা ডাটা সংরক্ষিত থাকে।
ব্যাখ্যা
• জন ম্যাকার্থি: তিনি প্রথম Artificial Intelligence শব্দটি ব্যবহার করেন এবং AI গবেষণার ভিত্তি স্থাপন করেন।
• কম্পিউটার ও আইসিটিতে বিভিন্ন বিষয়ের জনক:
• আধুনিক কম্পিউটারের জনক:
- চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage)–কে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি Analytical Engine–এর ধারণা প্রদান করেন।
• কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক:
- অ্যালান টুরিং (Alan Turing)–কে কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- তিনি Turing Machine ধারণা প্রদান করেন।
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক(AI):
- জন ম্যাকার্থি (John McCarthy)–কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক বলা হয়।
- তিনিই প্রথম Artificial Intelligence শব্দটি ব্যবহার করেন।
• ইন্টারনেটের জনক:
- ভিন্ট সার্ফ (Vint Cerf) ও রবার্ট কান (Robert Kahn)–কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- তারা TCP/IP প্রোটোকল উন্নয়ন করেন।
• World Wide Web-এর জনক:
- টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee)–কে WWW–এর জনক বলা হয়।
- তিনি HTTP, HTML ও URL উদ্ভাবন করেন।
• ই-মেইলের জনক:
- রে টমলিনসন (Ray Tomlinson)–কে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- তিনি প্রথম ই-মেইলে @ (at) চিহ্ন ব্যবহার করেন।
• প্রোগ্রামিং ভাষার জনক (C Language):
- ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie)–কে C প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
• অপারেটিং সিস্টেমের জনক (UNIX):
- ডেনিস রিচি ও কেন থম্পসন (Ken Thompson)–কে UNIX অপারেটিং সিস্টেমের জনক বলা হয়।
• কম্পিউটার মাউসের জনক:
- ডগলাস এঙ্গেলবার্ট (Douglas Engelbart)–কে কম্পিউটার মাউসের জনক বলা হয়।
• কম্পিউটার গ্রাফিক্সের জনক:
- ইভান সাদারল্যান্ড (Ivan Sutherland)–কে কম্পিউটার গ্রাফিক্সের জনক বলা হয়।
• ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের জনক:
- চার্লস সিমনি (Charles Simonyi)–কে আধুনিক ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের পথিকৃৎ বলা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার কে তৈরি করেন- হাওয়ার্ড আইকেন।
কম্পিউটার ইতিহাস:
- কম্পিউটার আবিষ্কার করেন হাওয়ার্ড এইকিন।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই
ব্যাখ্যা
• প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে পরিচিত আছেন আডা লাভলেস (Ada Lovelace)।
- তিনি ছিলেন বিখ্যাত কবি লর্ড বাইরনের মেয়ে এবং ১৯শ শতকের একজন গাণিতিক প্রতিভা।
- চার্লস ব্যাবেজের “অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন” নামক যন্ত্রটির জন্য আডা লাভলেস একটি প্রোগ্রাম লিখেছিলেন, যা প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম হিসেবে বিবেচিত হয়।
- তার লেখা কোড যান্ত্রিক গণনার নিয়মাবলী নির্দেশ করত, যা আধুনিক প্রোগ্রামিংয়ের সূচনা বলে গণ্য।
- তাই, আডা লাভলেসকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের প্রথিতযশা পায়োনিয়ার বলা হয়।
• প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার:
• ডিফারেন্স ইঞ্জিনের পরিকল্পনা:
- ১৭৮৬ সালে, জার্মানির মুলার 'ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।
• চার্লস ব্যাবেজের অবদান:
- ১৮১২ সালে, ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ আরও উন্নত একটি ডিফারেন্স ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- চার্লস ব্যাবেজকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
• অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনা:
- ১৮৩৩ সালে, ব্যাবেজ 'অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন' নামে একটি নতুন যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন এবং তার নকশা প্রস্তুত করেন।
• অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের বৈশিষ্ট্য:
- ব্যাবেজ তাঁর মেশিনে আধুনিক কম্পিউটারের মতো নিয়ন্ত্রণ অংশ, গাণিতিক অংশ, স্মৃতি অংশ, গ্রহণ মুখ এবং নির্গমন মুখ চিহ্নিত করেন।
- এই যন্ত্রে সাধারণ অ্যাসেম্বলি ভাষার মতো প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হতো।
• এডা লাভলেস:
- এডা লাভলেস (Ada Lovelace) অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম প্রোগ্রাম রচনা করেন এবং তিনি পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে পরিচিত হন।
- আধুনিক প্রোগ্রামিং ভাষা "এডা" তাঁর নামানুসারে রাখা হয়।
উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- IBM ১৯৭৫ সালে এটি বাজারে আনে, যা পরবর্তীতে ল্যাপটপ নামক ছোট কম্পিউটারে রূপ নেয়।
- Alan Kay ১৯৭৬ সালে Dynabook নামক পোর্টেবল কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।
- Adam Osborne এপ্রিল, ১৯৮১ সালে Osborne-I নামক পোর্টেবল কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।
- এপসণ কোম্পানি ১৯৮১ সালে Epson HX-20 নামক ল্যাপটপ বাজারে নিয়ে আসেন, যেইটার সাথে প্রিন্টারের সুবিধাও ছিল।
সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো
বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হতো এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন হতো।
- চালু অবস্থায় কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখতে মাঝে মাঝে ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করা হতো।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।
• IBM 360, IBM 370, PDP II, GE 600 ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন (Pascalene)।
- প্যাসকেলের যন্ত্রের সাহায্যে যোগ ও বিয়োগ করা যেত। তিনি পুনঃপুনঃ যোগ ও বিয়োগের মাধ্যমে যথাক্রমে গুণ এবং ভাগ করার পদ্ধতিও আবিষ্কার করেন।
- ১৬৭১ সালে জার্মান দার্শনিক ও গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন।
- তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine)।
- এটির সাহায্যে গুণ, ভাগসহ হিসাবের অন্যান্য বিষয় আরো সহজ হয়ে যায়।
- মূলত রিকোনির যন্ত্রটিই ছিল বাণিজ্যিক ক্যালকুলেটর। যন্ত্রটির যান্ত্রিক অসুবিধার জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি।
- তবে পরে ১৮২০ সালে টমাস ডি কোমার (Thomas De Colmar) রিকোনিং যন্ত্রের যান্ত্রিক অসুবিধা দূর করে লিবনিজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন।
• ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine):
- ১৭৮৬ সালে জার্মানির মুলার ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- এর প্রায় দুই যুগ পর ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charls Babbage) আরো উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine) বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন।
- চার্লস ব্যাবেজ ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী। তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
• নেপিয়ারের অস্থি বা হাড় (Napier's bone):
- ১৬১৪ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার (John Napier) লগারিদমের সারণি আবিষ্কার করেন যার ফলে অনেক জটিল গাণিতিক হিসাব সহজ হয়।
- এর তিন বছর পর তিনিই ১৬১৭ সালে দাগকাটা এবং সংখ্যা বসানো দণ্ড ব্যবহার করে সংখ্যাভিত্তিক গণনাযন্ত্র আবিষ্কার করেন। এসব দণ্ড নেপিয়ারের অস্থি নামে পরিচিত।
• স্লাইড রুল (Slide Rule):
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
অ্যাস্কি বা ASCII এর পূর্ণরূপ হল American Standard Code for Information Interchange। কম্পিউটার ও বিভিন্ন ধরনের টেলিযোগাযোগের যন্ত্র সহ অন্যান যেসব যন্ত্রে বর্ণভিত্তিক (Text Based) ইন্টারফেস দরকার হয় তাতে ব্যবহারের জন্য ইংরেজি ভাষার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা একধরনের character encoding এই অ্যাস্কি। ইংরেজি ছাড়াও অন্যান ভাষার সুবিধা দিতে পারে যেসব আধুনিক character encoding তাদেরও অনেকে ঐতিহাসিক দিক থেকে অ্যাস্কির সাথে কোনভাবে সম্পর্কিত। সর্বশেষ প্রকাশিত সংষ্করণ অনুযায়ী অ্যাস্কি কোডের ধারণক্ষমতা ১২৮ টি বর্ণ, তার মধ্যে ৯৫টি ছাপারযোগ্য বর্ণ এবং ৩৩টি নিয়ন্ত্রণ সংকেত (control characters) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। npn এবং pnp দুই ধরনের ট্রানজিস্টর।
npn ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢােকে তার নাম Collector এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম Emitter।
মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতাে। এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে।
আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি পদার্থ বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা
• ইন্টেল কর্পোরেশন:
- ইন্টেল কর্পোরেশন (Intel Corporation) হলো ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি শীর্ষস্থানীয় আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যার সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে মূল্যবান সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারক কোম্পানি, যা প্রধানত মাইক্রোপ্রসেসর, চিপসেট, মাদারবোর্ড এবং এআই (AI) প্রযুক্তির উপাদান তৈরি করে।
- ইন্টেল তাদের উদ্ভাবনী ডিজাইন দিয়ে কম্পিউটার এবং বিভিন্ন শিল্পখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
• ইন্টেল কোম্পানির মূল তথ্য:
প্রতিষ্ঠা: ১৮ জুলাই, ১৯৬৮।
প্রতিষ্ঠাতা: গর্ডন মুর এবং রবার্ট নয়েস।
সদর দপ্তর: সান্তা ক্লারা, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
প্রধান পণ্য: মাইক্রোপ্রসেসর (Core, Xeon, Pentium, Celeron, Atom), চিপসেট, মাদারবোর্ড এবং নেটওয়ার্কিং উপাদান।
উৎস:
১। Britannica [Link]
২। Intel [Link]
ব্যাখ্যা
- তৃতীয় প্রজন্মে IC - (Integrated Circuit) এর ব্যবহার শুরু হয়।
• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম/জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.
উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার আবিষ্কার হওয়ার পর থেকে এর প্রযুক্তিগত উন্নতি,কাজের গতি এবং আকৃতিগত পরিবর্তন বা বিবর্তন ঘটতে থাকে।
• কম্পিউটারের বিবর্তন ও বিকাশের এক একটি ধাপকে প্রজন্ম বলে।
• কম্পিউটারের প্রজন্মকে ৫ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।যথাঃ
- ১৯৫১ - ৫৯ =১ম প্রজন্ম
- ১৯৫৯-৬৫=২য় প্রজন্ম
- ১৯৬৫-৭১ = ৩য় প্রজন্ম
- ১৯৭১-বর্তমান=৪র্থ প্রজন্ম
- ভবিষ্যৎ প্রজন্ম=৫ম প্রজন্ম
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলাের বৈশিষ্ট্যগুলাে হচ্ছে (Features 3rd generation computer)
- আইসি বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহার।
- সেমিকন্ডাক্টর মেমােরির ব্যবহার।
- হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজের ব্যবহার।
- আউটপুটের জন্য ভিডিও ডিসপ্লে ইউনিট (VDU) এবং লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এস এসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- এর নাম Computer History Museum (CHM) যেটি ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত এবং ১৯৯৬ সালে স্থাপিত।
- বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- পাকিস্তান পরমাণু শক্তি কমিশনের পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, ঢাকাতে ১৯৬৪ সালে স্থাপিত হয় বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) প্রথম কম্পিউটার।
- বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কম্পিউটারটি ছিলো আইবিএম কোম্পানির ১৬২০ সিরিজের একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয় ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয় ১৯৭৯ সালে।
- সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ১৯৮১ সালে প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয়।
উৎস:
১. বাংলাপিডিয়া।
২. computermuseumofamerica.
ব্যাখ্যা
◉ Ted Hoff ১৯৭১ সালে ইন্টেল (Intel)-এ কাজ করার সময় তিনি প্রথম বাণিজ্যিক মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004 ডিজাইন করেন। এজন্য তাকেই মাইক্রোপ্রসেসরের জনক (Father of Microprocessor) বলা হয়।
মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান হার্ডওয়্যার অংশ।
- এটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- মাইক্রোপ্রসেসর সিলিকনের তৈরি একটি VLSI - Very Large Scale Integration চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে, যা ছিল Intel 4004 নামের ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ বিটের সংখ্যা এর ওপর ভিত্তি করে করা হয়, যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
এছাড়াও,
Charles Babbage: তাঁকে বলা হয় কম্পিউটারের জনক (Father of Computer), কারণ তিনি ১৯শ শতকে Analytical Engine-এর নকশা করেন।
Alan Turing: তিনি ছিলেন আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের তাত্ত্বিক ভিত্তি প্রণেতা, এবং টিউরিং মেশিন ধারণা দেন।
Wilhelm Leibniz: তিনি একজন গণিতবিদ ও দার্শনিক, যিনি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (binary system)-এর ভিত্তি তৈরি করেন।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
১. মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)
২. NLP (অনুবাদ/তথ্য সমন্বয়)
৩. স্পিচ (স্পিচ টু টেক্সট/স্পিচ টু স্পিচ)
৪. রোবটিক্স
৫. ভিশন (ইমেজ প্রসেসিং)
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়েছিল।
- টিউবের তুলনায় ট্রানজিস্টর আকারে ছোট, বিদ্যুৎ খরচ কম, দামে সস্তা এবং দ্রুত গতিসম্পন্ন হওয়ায় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আকৃতিতে ছোট, দ্রুতগতি ও অধিক নির্ভরযোগ্য ছিল।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কাজ করলেও স্থায়িত্ব ছিল অনেক বেশি।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে সর্বপ্রথম হাইলেভেল ভাষার ব্যবহার শুরু হয়।
- আবার চুম্বকীয় কোর মেমরি এবং উচ্চগতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থাও এ প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- IBM 1401, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, BCR 300, GE 200, Honey well 200, 1600 IBM 1620 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।
• দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
২। ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
৩। আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
৪। উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
৫। অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
৬। উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার (যেমন- COBOL, FORTRAN)।
৭। টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা; ইত্যাদি।
• ম্যাগনেটিক কোর মেমরি:
- ম্যাগনেটিক কোর মেমরি হলো কম্পিউটারের ইতিহাসের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন, যা মূলত ১৯৫৫ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত কম্পিউটারের প্রধান মেমরি বা RAM হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- এটি দেখতে অনেকটা ক্ষুদ্রাকার ডোনাট বা রিংয়ের মতো, যেগুলোকে 'ফেরাইট কোর' (Ferrite Cores) বলা হয়। এই রিংগুলো অত্যন্ত ছোট (প্রায় ১ মিমি ব্যাস) এবং এগুলো সিরামিক ও আয়রন অক্সাইডের মিশ্রণে তৈরি।এই কোরগুলোকে জালের মতো সাজানো তারের গ্রিডে গেঁথে রাখা হতো।
- প্রতিটি কোর ১-বিট ডেটা ধারণ করতে পারে। তারের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে এই কোরগুলোকে চুম্বকীয় করা হয়। কোরটি ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) চুম্বকীয় হলে তাকে '১' এবং বিপরীত দিকে হলে '০' ধরা হয়।
- এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, বিদ্যুৎ চলে গেলেও এতে থাকা তথ্য মুছে যায় না। কারণ চুম্বকত্ব একবার সেট হয়ে গেলে তা স্থায়ীভাবে থেকে যায়।
- তথ্য পড়ার সময় মেমরি থেকে তা মুছে যেত (Destructive Read), তাই পড়ার পরপরই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্যটি আবার সেখানে লিখতে হতো।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Benchmark-software [Link]
ব্যাখ্যা
• মার্ক-১ (Mark-I):
- ১৯৪৪ সালে ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন। মার্ক-১ ছিল হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
মার্ক-১ (Mark-1)-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. মার্ক-১ দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট এবং প্রন্থ ছিল ৮ ফুট।
২. ওজন ছিল প্রায় ৫ টন।
৩. সাত লক্ষেরও অধিক যন্ত্র সংযোগের জন্য প্রায় ৫০০ মাইল লম্বা তার ব্যবহার করা হয়েছিল।
৪. গিয়ার ও চাকার পরিবর্তে চৌম্বক রিলে ব্যবহৃত হয়।
৫. মার্ক-১-এর সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
৬. মার্ক-১ দ্বারা দু'টি সংখ্যার যোগ ও গুণ করতে যথাক্রমে ০.৩ ও ৪.৫ সেকেন্ড সময় প্রয়োজন হতো।
মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল। প্রদর্শনের জন্য এটি বর্তমানে হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন।
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির (সেমি কন্ডাক্টর মেমোরি) উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল ছিল ১৯৪০ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো ইলেকট্রনিক সিগন্যালের পরিবর্ধন ও সুইচিং এর জন্য।
- ভ্যাকুয়াম টিউবগুলো বড় আকারের, বেশি বিদ্যুৎ খরচকারী এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন করত।
- ফলে কম্পিউটারগুলো অনেক বড় এবং ভারী হতো।
- মেমোরি ও স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত হতো ম্যাগনেটিক ড্রাম।
- ইনপুট ও আউটপুট মাধ্যম হিসেবে পাঞ্চ কার্ড এবং পাঞ্চ টেপ ব্যবহৃত হতো।
- প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহৃত হতো শুধুমাত্র মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ (0 ও 1)।
• প্রথম প্রজন্মের উল্লেখযোগ্য কম্পিউটারসমূহ:
- ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) - ১৯৪৬.
- EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) - ১৯৪৯.
- UNIVAC-I (Universal Automatic Computer) - ১৯৫১.
- EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) - ১৯৪৯.
উৎস: Britannica. [লিংক]
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা একটি কম্পিউটার ভাইরাস।
কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।
অন্যদিকে, এভিরা, পান্ডা, অ্যাভাস্ট হচ্ছে এন্টিভাইরাস।
সোর্স: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
Source: Google
ব্যাখ্যা
উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• ENIAC:
- ENIAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer.
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ইউনিভ্যাক-১।
- প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এডস্যাক।
- ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার পিডিপি-৮।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
চার্লস ব্যবেজ একজন ইংরেজ গণিতবিদ ১৮০ সালে প্রথম এনালগ কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।
- ব্যাবেজ ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ, মৌলিক ও উদ্ভাবনী চিন্তাবিদ। তবে কম্পিউটারের জনক হিসাবে তিনি সমধিক পরিচিত।
- ১৮২০ এর দশকে ব্যাবেজ তার ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন’ নিয়ে কাজ করা শুরু করেন।
- এটি ছিল এমন একটি যন্ত্র, যা গাণিতিক গণনা করতে পারে।
- শুরুতে ইঞ্জিনটির ছয় চাকার একটি মডেল নির্মাণ করা হয় এবং প্রদর্শনীর জন্য জনসম্মুখে রাখা হয়। এরপর তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন-২ এর জন্য একটি বড় ও উন্নত মেশিন তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- পাশাপাশি জটিল বিশ্লেষণাত্মক ইঞ্জিন নামে আরও একটি উদ্ভাবন কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। যার কাজ ছিল পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করে যে কোনো গাণিতিক গণনা সম্পাদন করা।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
উৎস: আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি
ব্যাখ্যা
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- সাধারণত মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MHz বা GHz এ।
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
◉ পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) বিপ্লবের সূচনা হয় ১৯৭০-এর দশকে।
পার্সোনাল কম্পিউটার:
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। National Museum of American History ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
একটি হল মানুষের ভাষা যেমন বাংলা, ইংরেজি, আরবি, স্প্যানিস ইত্যদি এবং অন্যটি হল প্রোগ্রমিং ল্যাংগুয়েজ যা মানুষের ভাষা ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরি করে।
ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ সাধারণত অনেকটা ইংরেজি অথবা মানুষের ভাষার মত।
মানুষের ভাষার মত স্বাভাবিক ভাষা কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য এখনও অনেক পরীক্ষা- নিরীক্ষা চলছে।
এ ধরনের ভাষাকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে বুদ্ধিমান বা ইনটেলিজেন্ট কম্পাইলার বলা হয় ।
এটি মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের একটি ক্ষেত্র।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
-MARK-1 হচ্ছে যৌথভাবে আবিষ্কৃত প্রথম ইলেক্ট্রিক্যাল কম্পিউটার। Howard Aiken এবং IBM যৌথভাবে এই কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।
-MARK-1 থেকেই মূলত প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার শুরু হয়।
-UNIVAC হচ্ছে বাণিজ্যিক ইলেকট্রিক ডিজিটাল কম্পিউটার।
- IBM-704 হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।
সূত্র- ১৫ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ এলান টুরিং।
১৯৫০ সালে তার আবিষ্কৃত 'টুরিং টেস্ট' কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধারনার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে।
- তবে অনেক জায়গায় জন ম্যাকার্থিকেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক বলা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ব্যবহারের প্রধান সুবিধা হলো ছোট আকার, বেশি নির্ভরযোগ্যতা এবং কম খরচ। ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং অন্যান্য উপাদান একটি ছোট সিলিকন চিপের মধ্যে সংযুক্ত থাকে। এর ফলে সার্কিট ছোট হয়ে যায়, স্থাপন সহজ হয় এবং বিদ্যুৎ খরচও কম থাকে। IC ব্যবহার করলে যান্ত্রিক ত্রুটি কমে যায়, কারণ আলাদা আলাদা উপাদান সংযুক্ত করতে হয় না। এছাড়া উৎপাদন খরচও কম হয় এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। তাই আধুনিক কম্পিউটার এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোতে IC-এর ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: গ) ছোট আকার, বেশি নির্ভরযোগ্যতা, কম খরচ।
• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম/জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট:
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
- আইসি আবিষ্কারের সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।
উৎস:
- কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের ভিত্তি ছিলো ট্রানজিস্টর।
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার ছিলো সিলিকন চিপ ভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা IC বেজড৷
Source: columbia.edu
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
HOLLERITH MACHINE এর অপর নাম Tabulating Machine.
- ইহা বিদ্যুৎচালিত প্রথম মেশিন।
- আবিষ্কারক হলেন HERMAN HOLLERITH.
- এই মেশিনে প্রথম PuncheDcard ব্যবহার করা হয়।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
- একীভূত বর্তনী বা IC এর ব্যবহার শুরু হয়।
- IC সিলিকন দিয়ে তৈরী।
- IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হলো IBM 360.
- RAM, ROM এর ব্যবহার।
- RAM, ROM ও অর্ধপরিবাহী দিয়ে তৈরী।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- প্রথমদিকে ইন্টারনেটের নাম ছিল আরপানেট (ARPANET)।
- ১৯৬৮ সালের আরপানেট ছিল এর প্রাথমিক পর্যায়।
- এ প্রযুক্তির উন্নয়ন সাধিত হয় আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে।
- ১৯৬৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর আরপানেট-এর মাধ্যমে বিশেষ ব্যবস্থায় প্রথম যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হয়।
- লস এঞ্জেলসের UCLA ল্যাবরেটরিতে স্থাপিত উক্ত নেটওয়ার্কটির নাম ছিল ইন্টারফেস ম্যাসেজ প্রসেসর (Interface Message Processor- IMP)।
- IMP পদ্ধতির মাধ্যমেই প্রথম দুটি দূরবর্তী কম্পিউটারের যোগাযোগ স্থাপন করা হয়।
- এ পরীক্ষাটি চালানো হয় লস এঞ্জেলস থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কের স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইনিসটিটিউট (Stanford Research Institute)-এর মধ্যবর্তী দুটি কম্পিউটারের মধ্যে।
- চূড়ান্তভাবে চারটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আরপানেট-এর মাধ্যমে।
- প্রথম যে চারটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় সে কম্পিউটারগুলো লস এঞ্জেলস, মেনলো পার্ক, সান্তা বারবারা (U.C. Santa Barbara) এবং Utah (The University of Utah)- তে অবস্থিত ছিল।
উৎস: তথ্য ব্যবস্থাপনা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারের নাম 'মার্ক-১'।
• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
ব্যাখ্যা
- এটি ছিল আইবিএম কোম্পানির একটি মেইনফ্রেইম কম্পিউটার
- IBM 1620 সিরিজের কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্থান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র।
- যন্ত্রটির প্রধান ব্যবহার ছিল জটিল গবেষণা কাজে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন-করণ।
- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ষাটের দশকের শেষ দিকে হাবিব ব্যাংক ও ইউনাইটেড ব্যাংক কম্পিউটার স্থাপন করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো 1969 সালের দিকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
ব্যাখ্যা
হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির Howard H. Aiken, একটি মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ছিলেন।
- হাওয়ার্ড আইকেন কম্পিউটার তৈরির ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি অটোমেটিক সিক্যুয়েন্স কন্ট্রোল ক্যালকুলেটর (Automatic Sequence Control Calculator) বা ASCC নামে একটি ইলেকট্রোমেকানিক্যাল যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
ব্যাখ্যা
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
ব্যাখ্যা
- মারশেল ম্যাকলুহান ১৯১১ সালের ২১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮০ সালের ৩১ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি সর্বপ্রথম ১৯৬২ সালে তাঁর রচিত ‘The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic' গ্রন্থে বিশ্বগ্রামের ধারণা দেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে ‘Understanding Media' গ্রন্থে বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেন। তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা বিশ্বকে একটি গ্রামে পরিণত করাই হল বিশ্বগ্রাম।
বিশ্বগ্রামের সুবিধাসমূহ-
- তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ বর্তমানে সারা বিশ্বের সাথে সহজেই যোগাযোগ করতে পারছে।
- মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে।
- মানুষের কাজের দক্ষতা ও গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- অনলাইনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারছে।
- টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমে ঘরে বসেই দক্ষ চিকিৎসকের সেবা নিতে পারছে।
- ই-লার্নিং এর মাধ্যমে ঘরে বসেই বিশ্বের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষসেবা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে।
- বিশ্ব ভাতৃত্ববোধ জাগ্রত হচ্ছে; ইত্যাদি।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ইলেক্ট্রনিক্সের শুরু হয় ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে। আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৪৭ সালে জন বারডিন, উইলিয়াম শকলে এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর উদ্ভাবন করেন।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- ১৭৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর লন্ডনে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি পেশায় ছিলেন গণিতবিদ।
- চার্লস ব্যাবেজ ১৮৩৩ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ ও নকশা তৈরি করেন। তার এই অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনায় আধুনিক কম্পিউটারের ধারণা নিহিত থাকায় চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- ১৮২২ সালে চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন।
উৎস: মাধ্যমিক এর ICT বই, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
Blog শব্দটির আবির্ভাব Weblog থেকে।
১৯৯৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর মার্কিন নাগরিক জর্ন বার্জার(Jorn Barger) সর্বপ্রথম Weblog শব্দটি ব্যবহার করেন।
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
ব্যাখ্যা
Source: americanhistory.si.edu
ব্যাখ্যা
◉ UNIVAC-এর প্রধান পরিচয় হলো এটি ইতিহাসের প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত ও বিক্রিত কম্পিউটার যা আধুনিক কম্পিউটার শিল্পের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।
UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
- ENIAC: Electronic Numerical Integrator and Computer.
- EDVAC: Electronic Discrete Variable Automatic Computer.
- ASSC (MARK-1): Automatic Sequence Control Calculator.
- ABC: Atanasoff-Berry Computer.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
From Ray Tomlinson himself -
'During the summer and autumn of 1971, I was part of a small group of programmers who were developing a time-sharing system called TENEX that ran on Digital PDP-10 computers............................Next, the CPYNET code was incorporated into SNDMSG. It remained to provide a way to distinguish local mail from network mail. I chose to append an at sign and the host name to the user's (login) name. I am frequently asked why I chose the at sign, but the at sign just makes sense. The purpose of the at sign (in English) was to indicate a unit price (for example, 10 items @ $1.95). I used the at sign to indicate that the user was 'at' some other host rather than being local.'
Also among many resources this one is from The Guardian.
ব্যাখ্যা
• EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) ছিল ১৯৪৯ সালে ইউনিভার্সিটিতে তৈরি একটি প্রাথমিক ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও গণনা করা। এটি বিভিন্ন জটিল গণিত সমস্যার সমাধান, যেমন পদার্থবিজ্ঞান এবং গাণিতিক মডেল তৈরিতে ব্যবহৃত হতো। EDSAC শিক্ষাবিদ ও গবেষকদের গবেষণার জন্য দ্রুত এবং নির্ভুল গণনা করার সুযোগ প্রদান করেছিল। এটি সামরিক বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং শিক্ষামূলক ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য পরিকল্পিত হয়েছিল।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও গণনার জন্য।
• EDSAC:
- EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDSAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Delay Storage Automatic Calculator.
- EDSAC নির্মিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী এ্যাডস্যাক আবিষ্কার করেন।
- UNIVAC ⇒ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDSAC ⇒ প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। [অনেকেই প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।]
- Mark-I ⇒ পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।
- ABC ⇒ প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- ENIAC ⇒ প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
১) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়।
২) এটি কম দামে ক্রয় করা যায়।
৩) এটি আকারে ছোট।
৪) এটি সহজে বহন করা যায়।
৫) এতে বিদ্যুৎশক্তি কম খরচ হয়।
৬) অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ।
৭) উন্নত কার্যকারিতা ও নির্ভরযোগ্যতা।
৮) বিভিন্ন ধরনের স্মৃতি ব্যবস্থার প্রচলন। Magnatic tape, hard disk drive, floppy disk drive ইত্যাদির উদ্ভাবন।
৯) বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং করার ব্যবস্থা ।
১০) আউটপুট হিসাবে ভিডিও ডিসপ্লে ইউনিট এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
১১) অত্যধিক কর্ম ক্ষমতা।
১২) উচ্চতর ভাষার বহুল ব্যবহার।
উদাহরণ: IBM-370, PDP-8, IBM-360, IBM-350, GE- 600 ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)
ব্যাখ্যা
তিনি ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী।
তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
তিনি প্রথম ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তার উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
তবে ১৯৯১ সালে তার ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
এ থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, চার্লসের দুটি ইঞ্জিনই গণনার কাজ করতে পারত।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বই।
ব্যাখ্যা
১৯৪২ হতে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে সাধারণত প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার বলা হয়।
এবিসি (ABC), এনিয়াক (ENIAC), এডসেক (EDSAC), ইউনিভ্যাক (UNIVAC) প্রভৃতি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।
UNIVAC (Universal Automatic Computer/Calculator) হলো বাণিজ্যিকভাবে তৈরি প্রথম ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার। ড. জন মাউসলি এবং প্রেসপার একার্ট এটি তৈরী করেন।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
ব্যাখ্যা
◉ FORTRAN (Formula Translation): এটি বিশ্বের প্রথম উচ্চস্তরের (High-level) প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ১৯৫৭ সালে IBM দ্বারা উদ্ভাবিত হয়। দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হতো এবং সেসময়েই উচ্চস্তরের ভাষার সূচনা হয়, যার মধ্যে FORTRAN অন্যতম।
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারেই প্রথম উচ্চতর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন ফোরট্রান (FORTRAN), কোবল (COBOL) ইত্যাদির উদ্ভব ও প্রচলন শুরু হয়।
- ১৯৫৯ সাল হতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটারে বাযুশূন্য টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
- ট্রানজিস্টরে কোনো চলমান অংশ নেই এবং এর কাজ সুইচের মতো।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ট্রানজিস্টর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়, দাম কমে যায়, কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণও অনেক কমে যায়।
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি এবং উচ্চ গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট অংশ এই সময়ে কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল, কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
- ডিজিটাল কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মনিটরে প্রদর্শিত হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের গতি ও কার্যকারিতা অ্যানালগ কম্পিউটারের চেয়ে অনেক বেশি ও ভালো।
- মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।
• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ১৮৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড. হারম্যান হলিরিথ (Dr. Herman Hollerith) নামের একজন পরিসংখ্যানবিদ সেন্সাস মেশিন বা টেবুলেটিং মেশিন নামে একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্রে তিনি পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করে ১৮৯০ সালের শুমারি মাত্র তিন বছরে শেষ করেন।
- অথচ এ ধরনের মেশিন ছাড়া ১৮৮০ সালের শুমারি করতে সময় লেগেছিল দশ বছর।
- সেন্সাস মেশিন ব্যবহার করে অনেক দিন পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করা যেত।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
এ টিকে বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার বা মাইক্রো কম্পিউটার ধরা হয়। এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
পরবর্তীতে,
অ্যাপল কোম্পানি মাইক্রো/পার্সোনাল কম্পিউটার এর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- অ্যাপল ১৯৮৪ সালে প্রথম অ্যাপল ম্যাকিনটোশ বাজারজাত করে যা তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে ব্যবসা সফল পার্সোনাল কম্পিউটার।
তথ্যসূত্র: americanhistory.si.edu এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা- ৫।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্মে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার শুরু হয়।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হত, যা বড়, বেশি বিদ্যুৎ খরচকারী এবং কম বিশ্বাসযোগ্য ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় প্রজন্মে ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হওয়ার ফলে কম্পিউটার ছোট, দ্রুত এবং আরও কার্যকর হয়।
- ট্রানজিস্টর কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কারণে এটি কম্পিউটার প্রযুক্তিতে বিপ্লব এনে দেয়।
- তাই, দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারই প্রথম যেখানে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয় এবং এই পরিবর্তন প্রযুক্তির উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
• দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ:
- IBM 1401, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, BCR 300, GE 200, Honey well 200, 1600 IBM 1620 ইত্যাদি।
• দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
- ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
- আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
- অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার ছিলো সিলিকন চিপ ভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা IC বেজড ৷
• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার:
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।
• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার।
- অধিক সমৃদ্ধশালী মাইক্রো প্রসেসরের ব্যবহার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১.এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলিতে ভ্যাকুয়াম টিউব এর পরিবর্তে ট্রানজিস্টর এর ব্যবহার এর ফলে কম্পিউটার গুলি আকারে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার থেকে কিছুটা ছোট ছিল।
২.পূর্বের কম্পিউটার গুলি থেকে এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলির বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক বেশি ছিল।
৩.পূর্বের কম্পিউটার গুলির থেকে এই কম্পিউটারের গতি ছিল অনেক বেশি।
৪.এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলিতে অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ হতো এবং তাপ ও গম উৎপন্ন হতো।
উদাহরণ- IBM-1400, IBM-1600, NCR-300, GE-200 ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) Fourth generation
• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১- বর্তমান):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার।
- আরও ছোট ও শক্তিশালী।
- মাইক্রো কম্পিউটারের উদ্ভব।
- সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম প্যাকেজের ব্যবহার।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।
- উদাহরণ: IBM PS/2, Apple Macintosh.
• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম বা জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।
• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২-১৯৫৯):
- আকারে বড় ও ভারী।
- উচ্চ শব্দ ও উত্তাপ সমস্যা।
- সীমিত তথ্য ধারণ ক্ষমতা।
- ধীর গতিসম্পন্ন।
- প্রথমে মেশিন ভাষা, তারপর এসেম্বলি ভাষার ব্যবহার।
- যেমন: ABC, ENIAC, UNIVAC.
• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯-১৯৬৫):
- ট্রানজিস্টার ব্যবহার।
- আকার ছোট ও হালকা।
- দ্রুত গতি।
- কম উত্তাপ।
- চুম্বকীয় কোর মেমোরি ব্যবহৃত।
- অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন।
- যেমন: IBM 1600, CDC 1604, NCR 300 সিরিজ।
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.
• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২-বর্তমান):
- তথ্য ধারণ ক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি।
- উন্নত মানের operating system.
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI- Artificial Intelligence) এর ব্যবহার।
- নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি থাকবে।
- মানুষের কন্ঠস্বর বুঝতে পারবে।
- পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে (ডাক্তার, শিক্ষক ইত্যাদি)।
- বিশাল তথ্য ধারণ ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনা ও উন্নয়নে ইংরেজ কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অগাস্টা এডা বায়রনের (Augusta Ada Byron) অবদান অনস্বীকার্য।
- এ যন্ত্রে সাধারণ অ্যাসেম্বলি ভাষার মতোই প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হতো। এডা লাভল্যাচ অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রোগ্রাম রচনা করেন।
- প্রকৃতপক্ষে এডা লাভল্যাস (Ada Lavelace) পৃথিবীর সর্বপ্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার। আধুনিক প্রোগ্রামিং ভাষা এডা তাঁর নামানুসারেই রাখা হয়।
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
ব্যাখ্যা
• ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) হলো বিশ্বের প্রথম সাধারণ উদ্দেশ্যসম্পন্ন (General Purpose) পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার। এটি ১৯৪৬ সালে জে. প্রেসপার একার্ট (J. Presper Eckert) এবং জন মকলি (John Mauchly) কর্তৃক উদ্ভাবিত হয়। এটি ভ্যাকুয়াম টিউব প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল এবং এর মাধ্যমেই কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম (First Generation of Computers)-এর সূচনা হয়।
• ENIAC:
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- বিশ্বের সর্বপ্রথম ইলেট্রনিক কম্পিউটার ENIAC.
• UNIVAC:
- ১৯৫১ সালে ENIAC এর নির্মাতারা UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক- ফিতা ব'বহার করা হয়েছিল।
• EDVAC:
- EDVAC কম্পিউটারে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহের কিছু সুবিধা ছিল।
• EDSAC:
- EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- অনেকেই একে প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।
• ABACUS:
- এটি মূলত একটি প্রাচীন যান্ত্রিক গণনাকারী যন্ত্র, কোনো ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার নয়।
সূত্র:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা [link].
ব্যাখ্যা
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- গুটি গুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা যেত।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া ( Sketia)।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
Source: Britannica
ব্যাখ্যা
◉ ইতিহাসে প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার হলো Harvard Mark-I, যাকে Automatic Sequence Controlled Calculator (ASCC) নামেও ডাকা হতো। এটি ১৯৪৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে Howard Aiken এবং IBM-এর সহযোগিতায় তৈরি করা হয়।
ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
ক) EDVAC → এটি প্রথম ইলেকট্রনিক স্টোরড-প্রোগ্রাম কম্পিউটার, ১৯৪৯ সালে তৈরি হয়।
খ) IBM 701 → IBM-এর তৈরি প্রথম বাণিজ্যিক বৈজ্ঞানিক কম্পিউটার, ১৯৫২ সালে প্রকাশিত।
গ) ENIAC → বিশ্বের প্রথম সাধারণ উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার, ১৯৪৫ সালে সম্পন্ন।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটকে মাইক্রোইলেক্ট্রনিক সার্কিট, মাইক্রোচিপ নামেও অভিহিত করা হয়।
- এটি ১৯৫৮ সালে আবিষ্কার করেন জ্যাক কেলবি
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহক চিপে সাধারণত থাকে- রোধক, ধারক, ডায়োড, ট্রানজিস্টর ইত্যাদি।
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের সুবিধা সমূহ-
১. এটি আকারে বেশ ছোট্ট।
২. অনেক জটিল সার্কিট একটি একক চিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং তাই এটি একটি জটিল বৈদ্যুতিক সার্কিটের নকশাকে সহজতর করে। এছাড়াও এটি সার্কিটের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩. আইসিগুলোর নির্ভরযোগ্যতা বেশি।
৪. অধিক উৎপাদনের কারণে এগুলো কম খরচে পাওয়া যায়।
৫. আইসিগুলো খুব অল্প শক্তি গ্রহণ করে।
৬. প্যারাসাইটিক ক্যাপাসিট্যান্স প্রভাব না থাকায় এদের অপারেটিং গতি অনেক উচ্চ হয়।
৭. মূল সার্কিট থেকে খুব সহজেই প্রতিস্থাপন করা যায়।
৮. আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি)।
সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, শাহ্ শাহজাহান সজীব
ব্যাখ্যা
১৯৪৪ সালে আইবিএম মার্ক-১ (Harvard Mark I) যা বিশ্বের প্রথম স্বয়ংক্রিয় গণনা যন্ত্র বাজারজাত বা বিক্রয় করতে শুরু করে। মার্ক-১ যন্ত্রের সাহায্যে জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান করা যেত।
মার্ক-১ কম্পিউটারের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল -
- এটি পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্র এবং
- এটির সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
ব্যাখ্যা
• ENIAC হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জন মউসলি (Dr. John Mauchly) ABC কম্পিউটার দেখে খুবই উৎসাহিত হন। ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট (Presper Eckert) মিলে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামে একটি কম্পিউটার তৈরি করেন। এটিই ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
• ENIAC-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- ১. এটি ৩০ টন ওজনের এবং ১৯ হাজার ইলেকট্রনিক টিউব দিয়ে তৈরি।
- ২. এটি চালাতে ১৩০ থেকে ১৪০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ লাগত।
৩. প্রতি সেকেন্ডে এটি ৫ হাজারটি যোগ এবং ৫ শতটি গুণ করতে পারত।
৪. দশ অঙ্কের দুটি সংখ্যা গুণ করতে তিন মিলি সেকেন্ড সময় লাগত।
৫. প্রোগ্রাম করার জন্য এই কম্পিউটারে তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।
উল্লেখ্য,
- Mark I পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।