ব্যাখ্যা
এই সমস্ত কাজ সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরে প্রয়োজনীয় বর্তনী থাকে। উপরে উল্লেখিত কাজগুলো সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরের সংগঠনকে আবার তিনভাগে ভাগ করা হয়।
১। নিয়ন্ত্রণ অংশ
২। গাণিতিক/যুক্তি অংশ
৩। স্মৃতি
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১ / ৬ · ১–১০০ / ৫৭২
এই সমস্ত কাজ সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরে প্রয়োজনীয় বর্তনী থাকে। উপরে উল্লেখিত কাজগুলো সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরের সংগঠনকে আবার তিনভাগে ভাগ করা হয়।
১। নিয়ন্ত্রণ অংশ
২। গাণিতিক/যুক্তি অংশ
৩। স্মৃতি
• পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগের পথপ্রদর্শক হিসেবে Altair 8800 (গ) মডেলটি পরিচিত। এটি ১৯৭৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পায় এবং ছোট, স্বয়ংক্রিয় ব্যবহারযোগ্য কম্পিউটারের ধারনা বাস্তবে রূপ দেয়। Altair 8800 একটি কিট হিসেবে বিক্রি হত, যা ব্যবহারকারী নিজে গঠন করতে পারত। এর প্রসেসর হিসেবে Intel 8080 ব্যবহার করা হয় এবং এটি মাইক্রোকম্পিউটারের সম্ভাবনা দেখায়, যা পরবর্তীতে Microsoft-এর মতো সফটওয়্যার কোম্পানির বিকাশে সহায়ক হয়। Altair 8800-এর জনপ্রিয়তা দেখায় যে, সাধারণ মানুষও কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবে, এবং এটি পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগের সূচনা করে।
পার্সোনাল কম্পিউটার:
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। National Museum of American History ওয়েবসাইট।
◉ UNIVAC-I (১৯৫১ সালে চালু) ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত কম্পিউটার যেখানে ম্যাগনেটিক টেপ ব্যবহার করা হয়েছিল প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়াম হিসেবে।
UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
- EDSAC কম্পিউটার হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- ENIAC হলো প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ এবং তার ছাত্র ক্লিফ ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন। তাদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasof Barry Computer)।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
IBM-650 বাণিজ্যিকভাবে সফল প্রথম কম্পিউটার।
- IBM কোম্পানি প্রথমে ৫০টি কম্পিউটার তৈরি করলেও পরে ১০০০টির বেশি কম্পিউটার তৈরি করে বাজারে ছাড়ে।
- ENIAC হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার।
- UNIVAC-1 হচ্ছে প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার।
- IBM-704 হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
◉ প্রথম মেকানিক্যাল ক্যালকুলেটরটির নাম ছিল Pascaline (বা Pascal’s Calculator)। এটি তৈরি করেছিলেন ফরাসি গণিতবিদ ও দার্শনিক ব্লেইস প্যাসকেল (Blaise Pascal) ১৬৪২ সালে।
যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর:
- ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল (Blaise Pascal) গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন (Pascaline)।
- প্যাসকেলের যন্ত্রের সাহায্যে যোগ ও বিয়োগ করা যেত। তিনি পুনঃপুনঃ যোগ ও বিয়োগের মাধ্যমে যথাক্রমে গুণ এবং ভাগ করার পদ্ধতিও আবিষ্কার করেন।
আর, ১৬৭১ সালে জার্মান দার্শনিক ও গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন।
- তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine)।
- এটির সাহায্যে গুণ, ভাগসহ হিসাবের অন্যান্য বিষয় আরো সহজ হয়ে যায়।
- মূলত রিকোনির যন্ত্রটিই ছিল বাণিজ্যিক ক্যালকুলেটর। যন্ত্রটির যান্ত্রিক অসুবিধার জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি।
- তবে পরে ১৮২০ সালে টমাস ডি কোমার (Thomas De Colmar) রিকোনিং যন্ত্রের যান্ত্রিক অসুবিধা দূর করে লিবনিজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর - খ) IBM
IBM (International Business Machines Corporation)
- IBM হলো একটি প্রধান আমেরিকান কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, যার মার্কেট শেয়ার যুক্তরাষ্ট্র ও বিদেশ উভয়ই উল্লেখযোগ্য। এর সদর দপ্তর অবস্থিত আর্মংক, নিউ ইয়র্কে।
- IBM মূলত 1911 সালে Computing-Tabulating-Recording Company নামে প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন তিনটি ছোট কোম্পানিকে একত্রিত করা হয়েছিল, যেগুলো পাঞ্চ-কার্ড ট্যাবুলেটর এবং অন্যান্য অফিস পণ্য তৈরি করত।
- 1924 সালে, Thomas Watson-এর নেতৃত্বে কোম্পানিটি International Business Machines Corporation নামে পরিচিতি পায়।
- Watson 1914 সালে জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং 1924 সালের মধ্যে কোম্পানির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেন।
- 1954 সালে IBM 650 চালু করা হয়, যা কলেজ ও ব্যবসায়িক ব্যবহারের জন্য IBM তৈরি করেছিল।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• EDVAC-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Discrete Variable Automatic Computer। এটি ১৯৪০-এর দশকে ডিজাইন করা একটি প্রাথমিক কম্পিউটার যা প্রথম প্রজন্মের বৈদ্যুতিন ডিজিটাল কম্পিউটারগুলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। EDVAC-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এটি স্টোরড-প্রোগ্রাম আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে তৈরি, অর্থাৎ প্রোগ্রাম এবং ডেটা একই মেমোরিতে রাখা যেত। এটি পূর্বের ENIAC-এর উন্নত সংস্করণ হিসেবে গণ্য করা হয়। EDVAC ডিজিটাল কম্পিউটিং-এর ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছিল এবং আধুনিক কম্পিউটারের নকশা ও কার্যপ্রণালীকে প্রভাবিত করেছে। এটি মূলত গাণিতিক এবং যৌক্তিক অপারেশন দ্রুত করার জন্য ব্যবহৃত হতো এবং পরবর্তীতে আরও উন্নত কম্পিউটারের পথ প্রশস্ত করে।
• EDVAC:
- EDVAC এর পূর্ণরূপ Electronic Discrete Variable Automatic Computer।
- EDVAC কম্পিউটারে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহের কিছু সুবিধা ছিল।
- ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে EDVAC কম্পিউটার নির্মাণ করেন।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ইন্টারনেট হল সারা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত, পরস্পরের সাথে সংযুক্ত অনেকগুলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমষ্টি যা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং যেখানে আইপি বা ইন্টারনেট প্রটোকল নামের এক প্রামাণ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্যাটা আদান-প্রদান করা হয়।
- ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট জন্ম হয়।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ।
- ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।
উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া
- NTT Docomo, Inc. একটি জাপানি মোবাইল ফোন অপারেটর।
- ২০০১ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে ৩য় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- 3G হল থার্ড জেনারেশন বা তৃতীয় প্রজন্ম-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি হল তৃতীয় প্রজন্মের তারবিহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি।
- এই প্রযুক্তিতে প্রতি সেকেন্ডে কমপক্ষে ২০০ কিলোবিট হারে তথ্য আদান প্রদান করা সম্ভব।
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
- F1 থেকে F12 পর্যন্ত কী গুলোকে Functional Key বলে। ০-৯, যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এদের Numeric Key বলে।
- কী বোর্ডের যে সকল বোতাম চেপে কোন অক্ষর বিন্যাসের কাজ করা হয় তা Modifier Key।
যেমন - Shift, Alt, Ctrl, Space.
- Arrow Key গুলো মূলত Cursor Movement Key।
• বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য তৈরি প্রথম মাইক্রোপ্রসেসরটি হল Intel 4004। এটি ১৯৭১ সালে ইন্টেল কোম্পানি তৈরি করে, যা পুরোপুরি একক চিপে কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হিসেবে কাজ করতে সক্ষম ছিল। Intel 4004 মূলত হিসাবসংক্রান্ত কাজ এবং ছোট কম্পিউটার সিস্টেমের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। এর আগেও অন্যান্য প্রসেসর বা চিপ তৈরি হয়েছিল, কিন্তু সেগুলো সম্পূর্ণ বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ বা একক চিপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। পরবর্তীতে Intel 8080 এবং AMD K6-এর মতো প্রসেসর বাজারে আসে, কিন্তু এগুলো Intel 4004-এর পরে উদ্ভাবিত। সুতরাং বাণিজ্যিকভাবে তৈরি প্রথম মাইক্রোপ্রসেসরটি হলো Intel 4004.
উত্তর: খ) Intel 4004.
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যথা: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
- F6 ফাংশনাল কি ব্যাবহার করা হয় mouse এর cursor কে internet browser এর address bar এ নিয়ে যেতে চাইলে।
- F7 ফাংশনাল কি ব্যাবহার করা হয় microsoft word এ লেখা বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করার জন্য।
- F8 ফাংশনাল কি ব্যাবহার করা হয় অপারেটিং সিস্টেম safe mood এ চালু করার জন্য।
- F9 ফাংশনাল কি ব্যাবহার করা হয় কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য।
◉ EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) ছিল প্রথম দিকের কম্পিউটারগুলোর একটি, যেখানে Stored Program Concept ব্যবহার করা হয়। এটি John von Neumann এর আর্কিটেকচার ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
EDVAC:
- EDVAC এর পূর্ণরূপ Electronic Discrete Variable Automatic Computer।
- এ কম্পিউটারে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহের কিছু সুবিধা ছিল।
- ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে EDVAC কম্পিউটার নির্মাণ করেন।
উল্লেখ্য,
ENIAC: প্রথম ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার।
UNIVAC: এটি প্রথম বাণিজ্যিক কম্পিউটার, যা 1951 সালে তৈরি করা হয়।
EDVAC: এটি ENIAC এর পরবর্তী সংস্করণ, যা 1949 সালে তৈরি করা হয়।
ABC: এটি Atanasoff-Berry Computer, যা 1942 সালে তৈরি করা হয়, কিন্তু এটি সম্পূর্ণরূপে ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার হিসেবে বিবেচিত হয় না।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক সংকেত সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালগুলোতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় (গ)। কারণ হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক সংকেত মূলত এনালগ প্রকৃতির, যা ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তিত হয়। এই এনালগ সংকেত প্রথমে এনালগ কম্পিউটারের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয় এবং পরে তা ডিজিটাল রূপে রূপান্তরিত করে বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণ করা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটার এনালগ ও ডিজিটাল- উভয় কম্পিউটারের সুবিধা একসাথে ব্যবহার করতে পারে। ফলে এটি দ্রুত, নির্ভুল ও কার্যকরভাবে হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে, যা চিকিৎসা ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
First generation of computers : started in 1946 with ENIAC, the first 'computer' to use electronic valves (ie. Vacuum tubes).
Second Generation (1956-1963) : Transistors replace vacuum tubes and ushered in the second generation of computers.
Third generation (1965-1971) : used integrated circuits (IC's) in place of transistors. A single IC has many transistors, resistors and capacitors along with the associated circuitry.
The fourth generation computers : uses microprocessor, microprocessor is a silicon chip contains millions of transistors. These computers uses LSI (Large Scale Integration) and VLSI (Very Large Scale Integration) technology. That was designed using LSI and VLSI technology.
Fifth generation computing devices : based on artificial intelligence, some applications, such as voice recognition, that are being used today.
The use of parallel processing and superconductors is helping to make artificial intelligence a reality.
- ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার, এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
মাইক্রো কম্পিউটার:
- এ ধরনের কম্পিউটার বলতে ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়। এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়।
- একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি,সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়।
- এতে একটিমাত্র চিপের ওপর CPU (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) থাকে এবং সাধারণত এক সময়ে একজন ব্যবহারকারী এটি ব্যবহার করতে পারেন।
- উদাহরণ হিসেবে ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোন মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।
মিনি কম্পিউটার:
- মিনি কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা ও কাজের গতি অপেক্ষাকৃত কম।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের মধ্যে কাজের ধরণ ও প্রক্রিয়াগত দিক থেকে কোন পার্থক্য নাই।
সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- সুপার কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- যে কম্পিউটার মিনি ও মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে বড় এবং সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট তাকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার বলে।
- এতে অনেকগুলো কম্পিউটার যুক্ত থাকে এবং এক সঙ্গে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড (টেশিস)।
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং dw.com ওয়েবসাইট।
অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে বলে জানা যায়। দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
-পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়। চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)।
-ফ্রেঞ্চ গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল(Blaise Pascal) ১৬৪২ সালে আবিষ্কার করেন Pascal's Calculator বা পাস্কালেন(Pascalene)। এটি পৃথিবীর প্রথম ক্যালকুলেটর।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
◉ পার্সোনাল কম্পিউটারের (PC) যুগ শুরু হয় ১৯৭০-এর দশকে, যখন ছোট আকারের, তুলনামূলকভাবে কমদামী এবং ঘরে ব্যবহারের উপযোগী কম্পিউটার বাজারে আসে। ১৯৭৫ সালে বাজারে আসে Altair 8800, যাকে প্রথম PC হিসেবে ধরা হয়।
পার্সোনাল কম্পিউটার:
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা
• EDSAC:
- EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDSAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Delay Storage Automatic Calculator.
- EDSAC নির্মিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী এ্যাডস্যাক আবিষ্কার করেন।
UNIVAC: বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
EDSAC: প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। [অনেকেই প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।]
Mark-I: পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।
ABC: প্রথম special-purpose ইলেকট্রনিক মেশিন।
ENIAC: প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল )।
Some computer of First Generation were:
ENIAC
EDVAC
UNIVAC
IBM-701
IBM-650
Source: niecdelhi.ac.in
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সঙ্গে বেল ল্যাবরেটরির তিনজন উদ্ভাবকের নাম জড়িত উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্ৰাটেইন।
From Bell Laboratory Official Site:
December 16, 1947, Bardeen, Brattain and Shockley managed to make the first working transistor, now known as the point-contact transistor.
যেহেতু, এই বেল ল্যাবেই ট্রানজিস্টরের উদ্ভাবন হয়েছে। তাই, ট্রানজিস্টর সম্পর্কিত তথ্যের ক্ষেত্রে রেফারেন্স হিসেবে এর থেকে যথাযথ রেফারেন্স আর হয় না।
তাই, ট্রানজিস্টর কত সালে আবিস্কার হয়?
এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, নিঃসন্দেহে ১৯৪৭ সাল হবে।
এছাড়াও, পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণী, কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) বইয়ে ১৯৪৭ এর কথাই বলা আছে।
তবে, অপশনে ১৯৪৭ না থাকলে ১৯৪৮ কে উত্তর হিসেবে নিতে হবে।
বিস্তারিতঃ Live MCQ Premium Section -> তথ্যকলদ্রুম অপশনের পোস্ট-০০৫ দেখুন।
• ট্রানজিস্টর প্রথম প্রবর্তিত হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে। প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হতো, যা আকারে বড়, বেশি বিদ্যুৎখরচী এবং অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন করত। এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার শুরু হয়, যা আকারে ছোট, বেশি নির্ভরযোগ্য এবং কম বিদ্যুৎ খরচ করত। ট্রানজিস্টরের ফলে কম্পিউটার আরও দ্রুত, স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী হয়। তাই ট্রানজিস্টর ব্যবহারের সূচনা হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) 2G.
• দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয় এবং ঢাকা পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে সুদীর্ঘ কয়েক বছর চালু ছিল।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ-
১. ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
২. ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
৩. আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
৪. উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
৫. অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
৬. উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার (যেমন- COBOL, FORTRAN)।
৭. টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা ইত্যাদি।
কম্পিউটারের প্রজন্মকে ৫ ভাগে ভাগ করা হয়:
- প্রথম প্রজন্ম (1940-1956): ভ্যাকুয়াম টিউব।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম (1956-1963): ট্রানজিস্টর।
- তৃতীয় প্রজন্ম (1964-1971): ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC)।
- চতুর্থ প্রজন্ম (1971-বর্তমান): মাইক্রোপ্রসেসর।
- পঞ্চম প্রজন্ম (বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
• ARPANET মূলত মিলিটারি এবং গবেষণা সংক্রান্ত কম্পিউটারগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এটি ১৯৬০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীনে ARPA (Advanced Research Projects Agency) দ্বারা উদ্ভাবিত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল একাধিক কম্পিউটারকে এক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত করে তথ্য বিনিময় এবং গবেষণামূলক যোগাযোগকে সহজ করা। তখনকার দিনে আলাদা আলাদা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারগুলো একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল না। ARPANET এর মাধ্যমে তথ্য দ্রুত স্থানান্তর করা সম্ভব হয় এবং এটি পরবর্তীতে আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি গড়ে তোলে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) মিলিটারি এবং গবেষণা কম্পিউটারগুলোকে সংযুক্ত করা।
• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• চার্লস ব্যাবেজ—তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিনের ধারণা প্রদান করেন এবং আধুনিক কম্পিউটার উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপন করেন।
• ডিফারেন্স ইঞ্জিন(Difference Engine):
- ডিফারেন্স ইঞ্জিন হলো একটি যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র, যা গাণিতিক হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য পরিকল্পিত।
- চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) ডিফারেন্স ইঞ্জিনের ধারণা প্রদান করেন।
- এটি মূলত গাণিতিক সারণি (Mathematical Tables) প্রস্তুতের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়।
• ডিফারেন্স ইঞ্জিনের আবিষ্কার ও উন্নয়ন:
- ১৮২২ সালে চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন নির্মাণের পরিকল্পনা করেন।
- যন্ত্রটি সম্পূর্ণভাবে নির্মিত হয়নি, কারণ—
- প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা,
- আর্থিক সংকট,
- যান্ত্রিক জটিলতা।
- তবে এটি আধুনিক কম্পিউটার উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
• ডিফারেন্স ইঞ্জিনের বৈশিষ্ট্য:
- এটি যোগ ও বিয়োগের নীতি (Method of Differences) ব্যবহার করে কাজ করত।
- গাণিতিক সারণিতে মানুষের ভুল কমানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল।
- এটি একটি স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্রের প্রাথমিক ধারণা প্রদান করে।
• ডিফারেন্স ইঞ্জিনের গুরুত্ব:
- আধুনিক কম্পিউটার উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- গণনার ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়তার ধারণা প্রতিষ্ঠা করে।
- পরবর্তীতে Analytical Engine উদ্ভাবনের পথ সুগম করে।
উৎস: Computer & ICT Cloud, Live Publications এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার শুরু হয়, যা কম্পিউটারকে আকারে ছোট এবং অধিক নির্ভরযোগ্য করে তোলে।
• দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ:
- IBM 1401, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, BCR 300, GE 200, Honey well 200, 1600 IBM 1620 ইত্যাদি।
• দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
- ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
- আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
- অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
এছাড়াও,
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার ছিলো সিলিকন চিপ ভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা IC বেজড ৷
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার:
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার।
- অধিক সমৃদ্ধশালী মাইক্রো প্রসেসরের ব্যবহার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কম্পিউটারের প্রসেসর (CPU) বা গ্রাফিক্স কার্ডের (GPU) মতো উপাদানগুলোর অতিরিক্ত তাপ নিয়ন্ত্রণ ও ঠান্ডা রাখতে ধাতব পাত বা হিট সিঙ্ক (Heat Sink) সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম বা তামা দিয়ে তৈরি, যা উপাদানের তাপ শোষণ করে বাতাস বা ফ্যানের সাহায্যে বাইরে বের করে দেয়। এর সাথে প্রায়শই কুলিং ফ্যান যুক্ত থাকে।
হিট সিঙ্কের প্রধান কার্যাবলি:
- CPU/GPU থেকে তাপ শোষণ করে।
- শোষণ করা তাপ বায়ুতে ছড়িয়ে দেয়।
- কম্পিউটারের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে স্থায়ী ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
- হিট সিঙ্কের দক্ষতা বাড়াতে এর মাঝে থার্মাল পেস্ট (Thermal Paste) ব্যবহার করা হয়।
উৎস: Corsair Website [Link]
উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম চালু করা হয় তৃতীয় প্রজন্মে।
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.
• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম বা জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।
উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• অ্যাবাকাস—এটি ইতিহাসে ব্যবহৃত সবচেয়ে প্রাচীন গণনা যন্ত্র, যার মাধ্যমে যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করা হতো।
• অ্যাবাকাস(Abacus):
- অ্যাবাকাস হলো প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা ফ্রেমে সাজানো গুটি বা বলের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে গণনার কাজ সম্পন্ন করে।
- এটি মূলত যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করার জন্য ব্যবহৃত হতো।
- অ্যাবাকাস শব্দের অর্থ হলো গণনাকারী বোর্ড (Counting Board)।
• অ্যাবাকাসের ইতিহাস:
- খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে চীনে প্রথম অ্যাবাকাসের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১২শ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- ১৫শ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
• বিভিন্ন দেশে অ্যাবাকাসের নাম:
- চীনে: সুয়ানপান(Suanpan)
- জাপানে: সরোবান(Soroban)
- রাশিয়ায়: স্কেটিয়া(Sketia)
• অ্যাবাকাসের গঠন:
- এটি সাধারণত কাঠের তৈরি আয়তাকার ফ্রেম।
- ফ্রেমের ভেতরে সুতা বা তারের ওপর বিভিন্ন রঙের গুটি বা বল লাগানো থাকে।
- সাধারণভাবে—
- প্রতিটি তারের উপরে ২টি গুটি,
- নিচে ৫টি গুটি থাকে।
- উলম্ব দণ্ডগুলো দ্বারা একক, দশক, শতক ইত্যাদি মান প্রকাশ করা হয়।
• অ্যাবাকাসের কার্যপদ্ধতি:
- গুটিগুলো সঞ্চালনের মাধ্যমে সংখ্যা গণনা করা হয়।
- প্রতিটি দণ্ড একটি নির্দিষ্ট স্থানমূল্য (একক, দশক, শতক) নির্দেশ করে।
- গুটির অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
HOLLERITH Machine এর অপর নাম Tebulating Machine.
- Tebulating Machine হল বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত প্রথম মেশিন।
- মেশিনটি আবিষ্কার করেন Hermam Hollerith.
- এই মেশিনটিতেই প্রথম PuncheDcard ব্যবহার করা হয়।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।