বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জনমিতিক বিষয়সমূহ

মোট প্রশ্ন১,৫৬৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জনমিতিক বিষয়সমূহ

PrepBank · পাতা / ১৬ · ৭০১৮০০ / ১,৫৬৭

৭০১.
পঞ্চম আদমশুমারি রিপোর্ট অনুসারে কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
খ) বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
পঞ্চম আদমশুমারি রিপোর্ট অনুসারে দেশে ৭ বছর ও তার উর্ধ্বের জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাক্ষরতার হার ৫৬.০৯ শতাংশ। এছাড়া শুধু পড়তে পারে এমন জনগোষ্ঠীর হার ৭.৮৩ শতাংশ। বিভাগ অনুযায়ী সাক্ষরতার হার সর্বাধিক বরিশাল বিভাগে এবং সর্বনিম্ন সিলেট বিভাগে।
বরিশাল বিভাগ - ৫৯.৫৫ শতাংশ
চট্টগ্রাম বিভাগ - ৫৯.৪৮ শতাংশ
ঢাকা বিভাগ - ৫৬.৯৮ শতাংশ
খুলনা বিভাগ - ৫৬.৮০ শতাংশ
রাজশাহী বিভাগ - ৫৩.২৫ শতাংশ
রংপুর বিভাগ - ৫১.৯৭ শতাংশ
সিলেট বিভাগ - ৪৯.৭৮ শতাংশ
[তবে পঞ্চম আদমশুমারি পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিভাগ ভেঙ্গে ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টির পর সাক্ষরতার হার ঢাকা বিভাগে ৬০.৫৭ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫.৩৮ শতাংশ]
সর্বশেষ বিবিএস SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশের ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার সাক্ষরতার হার ৭৪.৪ শতাংশ এবং ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার সাক্ষরতার হার ৭৪.৭ বছর।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৭০২.
সার্বিকভাবে বৈশ্বিক রেমিট্যান্স প্রবাহে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৯ম
  2. খ) ৮ম
  3. গ) ৭ম
  4. ঘ) ৫ম
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ম
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক রেমিটেন্স প্রবাহ:
গত ২৯ অক্টোবর ২০২০ বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে ‘COVID-19 Crisis Through a Migration Lens’ নামক প্রতিবেদন। প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে-
শীর্ষ দেশ- ভারত
দ্বিতীয়- চীন
অষ্টম- বাংলাদেশ (উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান - সপ্তম)
৭০৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের নারী-পুরুষের অনুপাত -
  1. ক) ৯৮ : ১০০
  2. খ) ৯৭ : ১০০
  3. গ) ৯৮ : ১০২
  4. ঘ) ১০০ : ১০২
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮ : ১০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮ : ১০০
ব্যাখ্যা
প্রকৃতপক্ষে সঠিক উত্তর: ১০০ : ৯৮ যা অপশনে নেই।
অপশনে রয়েছে ৯৮ : ১০০ যা, এই প্রশ্নের বিষয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর।
তাই উত্তর বাতিল না করে অপশন ক) ৯৮ : ১০০ সঠিক উত্তর হিসাবে নেয়া হলো।
---------------------

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ন তথ্য:
- জানশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS).
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২। তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় - ২৭ জুলাই ২০২২।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত - ৯৮ : ১০০

- জনসংখ্যা - ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- পুরুষ: ৮,১৭,১২,৮২৪ জন;
- নারী: ৮,৩৩,৪৭,২০৬ জন;
- হিজড়া: ১২,৬২৯ জন।
[১৭,৫০৭টি খানার ৮৫,৯৫৭ জনের আংশিক]

- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ - ৭৬.৫৬%
- নারী - ৭২.৮২%

এছাড়াও -
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
- বর্তমানে দেশে স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৫.২%। যেখানে পুরুষ - ৭৭.৪% এবং নারী - ৭২.৯%। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট
৭০৪.
মাতৃতান্ত্রিক পারিবারিক কাঠামো লক্ষ্য করা যায় কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে?
  1. ক) মারমা
  2. খ) হাজং
  3. গ) রাখাইন
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসমূহের মধ্যে খাসিয়া এবং গারো সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক। 
• এছাড়া, কোচ সমাজেও আংশিক মাতৃতান্ত্রিকতা বিদ্যমান রয়েছে।
• অন্যান্য ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৭০৫.
খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা গ্রামকে কী বলে?
  1. পাড়া
  2. সিয়েম
  3. মৌজা
  4. পুঞ্জি
সঠিক উত্তর:
পুঞ্জি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঞ্জি
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭০৬.
নিচের কোনটির সাথে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ এর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে?
  1. ব্যবসায়
  2. জনসংখ্যা
  3. জলবায়ু
  4. পরিবেশ
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড:
- ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ধারণাটি মূলত জনসংখ্যার সাথে সংশ্লিষ্ট।
- যখন একটি দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা অর্থাৎ ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের অধিক হয় তখন তাকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থায় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী (১৫ বছরের কম ও ৬০+) সংখ্যা কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী অপেক্ষা কম হয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ অবস্থা অতিবাহিত করছে। বর্তমানে দেশে ১৫-৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ শতকরা ৬৩.৩ শতাংশ।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের তথ্যানুসারে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা ভোগ করবে।
- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হলে একটি দেশ দ্রুত উন্নয়ন সাধন করতে পারে।

উৎস: বিবিএস ও জাতিসংঘ ওয়েসাইট এবং ডেইলি স্টার।
৭০৭.
কোন পদ্ধতিতে দেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে?
  1. CAPI
  2. CATI
  3. CAWI
  4. PAPI
সঠিক উত্তর:
CAPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAPI
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক শুমারি:
- অর্থনৈতিক শুমারি হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট সময়ে সুনির্ধারিত অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে একটি নির্দিষ্ট সমগ্রকের (Population) সকল অর্থনৈতিক ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ গণনা পদ্ধতি।
- অর্থনৈতিক শুমারির মূল লক্ষ্য হলো সময়ের বিবর্তনে একটি দেশের অর্থনীতিতে যে কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক শুমারির মাধ্যমে কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অকৃষি খাত বিশেষ করে শিল্প ও সেবা খাতকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নমুখী করার লক্ষ্যে মানসম্মত পরিসংখ্যান প্রণয়ন করা।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ বাংলাদেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি।
- Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI) পদ্ধতিতে মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
- Allocation of Business অনুযায়ী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনা করে থাকে।
- পরিসংখ্যান আইন ২০১৩ অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর তথ্য উপাত্তের মাধ্যমে দেশের শিল্প উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা যাবে, সরকারের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, বদ্বীপ পরিকল্পনা, পরবর্তী ৯ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ এর আলোকে পরিকল্পনা পরিবীক্ষণ, জাতীয় অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও সম্পদ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

অন্যদিকে,
- PAPI (Paper and Pencil Interviewing): প্রথাগত কাগজ-কলম ভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি।
- CATI (Computer-Assisted Telephone Interviewing): টেলিফোনের মাধ্যমে কম্পিউটার সহায়তায় তথ্য সংগ্রহ।
- CAWI (Computer-Assisted Web Interviewing): ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ ফর্ম পূরণ করে তথ্য সংগ্রহ।

এছাড়াও,
⇒ বাংলাদেশে ১ম অর্থনৈতিক শুমারি ১৯৮৬ সালের ২৭-২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এ শুমারির নাম ছিল “কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও অক্ষম ব্যক্তিদের শুমারি-১৯৮৬"।
- ২য় অর্থনৈতিক শুমারিতে ২০০১ এবং ২০০৩ সালে দুটি পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। শহর এলাকায় ২০০১ সালে এবং পল্লী এলাকায় ২০০৩ সালে।
- ৩য় অর্থনৈতিক শুমারি ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

৭০৮.
নিচের কোন জেলায় তঞ্চঙ্গ্যা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. রাজশাহী
  2. রাঙামাটি
  3. রংপুর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

তঞ্চঙ্গ্যা:
- তঞ্চঙ্গ্যা পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চটগ্রামের রাঙামাটি জেলার কাউখালি উপজেলার রইস্যাবিলি ও কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনার আশেপাশের এলাকায়, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়, কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফে তঞ্চঙ্গ্যা জাতিগোষ্ঠীর বসবাস।
- তঞ্চঙ্গ্যাদের পেশা মূলত জুমচাষ।
- তাদের ভাষা ভারতীয় আর্য ভাষার অন্তর্গত পালি, প্রাকৃত, সদভুত বাংলা ভাষা।
- তারা ১২টি গোত্র বা গছায় বিভক্ত।
- তঞ্চঙ্গ্যারা বিয়েকে সাঙা বলে।
- তারা প্রধাণত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- তঞ্চঙ্গ্যা ভাষায় বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায় অনুষ্ঠানকে ‘বিষু’ বলা হয়।
- তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী উবাগীত, বারোগীত ও আধুনিক সংগীত বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - সিলেট জেলা ওয়েবসাইট ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৭০৯.
জনসংখ্যায় দেশের তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. ত্রিপুরা
  2. চাকমা
  3. মারমা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
• দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা - ৫০টি।
• জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
• জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে - মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
• জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
• ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)।
• ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় - লালমনিরহাট (১১৮ জন)।

উৎস:- জনশুমারি রিপোর্ট ২০২২।
৭১০.
'চেরাউ নৃত্য' কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যের অংশ?
  1. মণিপুরী
  2. বম
  3. লুসাই
  4. খুমি
সঠিক উত্তর:
বম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বম
ব্যাখ্যা
বম নৃ-গোষ্ঠী:
- বম নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের একটি অতি প্রাচীন নৃগোষ্ঠী।
- বমরা কুকি-চিন ভাষাভাষী মঙ্গোলীয় গােষ্ঠীভুক্ত।
- বম জনগােষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে বান্দরবান জেলায়। এ জেলায় রুমা, থানচি, রােয়াংছড়ি ও বান্দরবান সদর থানায় তারা বসবাস করেন। এছাড়া রাঙামাটি জেলায় বিলাইছড়ি থানায়ও এদের আবাস আছে।
- বম নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এ ভাষা তিব্বত-বর্মান ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
- বমরা শুনথলা (Sunthla) এবং পাংহয় (Panghawi) এই দুইটি গােত্রে বিভক্ত।
- বম সমাজ পুরুষতান্ত্রিক।
- বমরা মাটিতে খুঁটি পুঁতে উঁচু পাহাড়ের উপর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে তাতে বাড়িঘর নির্মাণ করে। তাদের ঘরকে মাচাং বলা হয়।
- বমরা তাদের জীবন পরিচালনা করে বম কাস্টমারি ল’ গ্রন্থের নির্দেশিকা অনুযায়ী।
- বমদের বাঁশনৃত্য তাদের জীবনেরই অপরিহার্য অংশ। বমদের চেরাউ নৃত্য ও সঙ্গীত আসলে কোন আনন্দের বা উৎসবের নৃত্য বা গান নয়। এ নৃত্য ও গান পরিবেশিত হয় বম পরিবারের দুঃখ ও শোকের দিনে। 
- বমদের প্রধান পেশা জুমচাষ।
- এরা খ্রিস্টান প্রধানত খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭১১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের কোন বিভাগে স্বাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম?
  1. রাজশাহী
  2. রংপুর
  3. সিলেট
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬ শতাংশ।
- পুরুষের স্বাক্ষরতার হার ৭৬.৫৬ এবং
- নারীদের স্বাক্ষরতার হার ৭২.৮২ শতাংশ।
- এই হার সর্বোচ্চ ঢাকায় (৭৮.৭৯ শতাংশ)। 
- সর্বনিম্ন ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.০৯ শতাংশ)৷
এছাড়া,
- বরিশাল বিভাগে ৭৭.৫৭ শতাংশ।
- চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৬.৫৩ শতাংশ।
- রাজশাহী বিভাগে ৭১.৯১ শতাংশ।
- সিলেট বিভাগে ৭১.৯২ শতাংশ।
- খুলনা বিভাগে ৭৫.০২ শতাংশ এবং
- রংপুর বিভাগে ৭০.৭৫ শতাংশ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২। লিঙ্ক
৭১২.
ওঁরাও জাতিসত্তার প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. রাস উৎসব
  2. কারাম উৎসব
  3. বুদ্ধ পূর্ণিমা
  4. বৈসুক
সঠিক উত্তর:
কারাম উৎসব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাম উৎসব
ব্যাখ্যা

- ​​ওঁরাওদের প্রধান উৎসব হলো কারাম উৎসব ও সরনা পূজা।

​​ওঁরাও জাতিসত্তা: 

- অবস্থান: ওঁরাও জাতিসত্তা প্রধানত ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
​- বাংলাদেশে তারা মূলত রাজশাহী, নওগাঁ, জয়পুরহাট, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও বগুড়ায় বসবাস করে।
- অন্য নাম: এদের “উরাঁও” বা “কুড়ুখ” নামেও ডাকা হয়।
- উৎপত্তি: ওঁরাও জাতিগোষ্ঠী অস্ট্রো-এশিয়াটিক মূলের হলেও বর্তমানে তারা দ্রাবিড়কৃত।
- তারা মূলত মধ্য ভারতের ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা অঞ্চল থেকে অভিবাসন করে এসেছে।
- ভাষা: তাদের নিজস্ব ভাষা কুড়ুখ।
- এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত।
- পাশাপাশি তারা বাংলা ভাষাও ব্যবহার করে।
- ধর্ম: প্রথাগতভাবে তারা প্রকৃতি উপাসক (সারনা ধর্ম)।
- বর্তমানে অনেকে হিন্দু ও খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছে।
- পেশা: প্রধানত কৃষিকাজে নিয়োজিত।
- সংস্কৃতি: ওঁরাওদের নিজস্ব গান, নাচ ও উৎসব আছে।
- তাদের প্রধান উৎসব হলো কারাম উৎসব ও সরনা পূজা।
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত চারটি- ১. সারহুল, ২. কারাম, ৩. পশু উৎসব, ৪. খারিয়ানি, ৫. ফাগুয়া, ৭. সোহরায়।


উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

৭১৩.
নগরায়ণ ও শিল্পায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব কোনটি?
  1. স্তরবিন্যাসের পরিবর্তন
  2. পারস্পরিক সম্পর্কের পরিবর্তন
  3. সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন
  4. সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন:
- নগরায়ণ ও শিল্পায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব হলো সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন।
- তাছাড়া নগরে বিভিন্ন বিষয়ে বহুমুখী সুযোগ-সুবিধা থাকায় সমাজের নানা শ্রেণির মানুষ শহরে ভীড় জমায়।
- এর ফলে সমাজের স্তরবিন্যাসের তথা শ্রেণি কাঠামোয় পরিবর্তন হয়।
- এ প্রেক্ষিতে সমাজ কাঠামোর মধ্যে পরিবর্তন সাধিত হয়।
- সমাজের মানুষের মধ্যে পেশাগত বৈচিত্র্য থাকায় সামাজিক বৈষম্য বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১৪.
’মারমা’ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাসস্থান কোথায়?
  1. সিলেট
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাজশাহী
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

মারমা
- মারমা  বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- মারমা জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- প্রায়শই তাদের আলাদা জনগোষ্ঠী হিসেবে দেখা হয়। 
- ১৯৯১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের মারমা জনসংখ্যা ১,৫৭,৩০১। 
- ২০২২ সালের আদমশুমারিতে তাদের সংখ্যা ২,২৪,২৯৯  জন।

- মারমারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত। 
- মারমাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। 
- ভাষাতাত্ত্বিকদের মতে, মারমাদের ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- বর্ণমালার নাম ম্রাইমাজা। 
- বাম থেকে ডান দিকে লেখার রীতি অনুসারী বর্ণমালা
- উপমহাদেশীয় প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি হতে উদ্ভুত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, জনশুমারি-২০২২।

৭১৫.
ময়মনসিংহের গারোপাহাড়ের অধিবাসী গারো জাতিগোষ্ঠীর প্রকৃত নাম-
  1. ক) কান্দি
  2. খ) নান্দি
  3. গ) মান্দে
  4. ঘ) তান্দি
সঠিক উত্তর:
গ) মান্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মান্দে
ব্যাখ্যা

গারোরা নিজেদের আচিক মান্দে (পাহাড়ের মানুষ) বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- সমগ্র গারো সমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত। এরা হলো: আওয়ে, আবেং, আত্তং, রূগা, চিবক, চিসক, দোয়াল, মাচ্চি, কচ্চু, আতিয়াগ্রা, মাৎজাংচি, গারা-গানচিং ও মেগাম।
_ বাংলাদেশে আবেং, রূগা, আত্তং, মেগাম, চিবক প্রভৃতি দলভুক্ত গারোরাই বসবাস করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৭১৬.
‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বলতে নিচের কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. জনসংখ্যার ঋণাত্মক বৃদ্ধির হার
  2. নির্ভরশীল অপেক্ষা কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা অধিক
  3. নির্ভরশীল জনসংখ্যার আধিক্য
  4. স্থিতিশীল জনসংখ্যা
সঠিক উত্তর:
নির্ভরশীল অপেক্ষা কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা অধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ভরশীল অপেক্ষা কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা অধিক
ব্যাখ্যা
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড:
- ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ধারণাটি মূলত জনসংখ্যার সাথে সংশ্লিষ্ট।
- যখন একটি দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা অর্থাৎ ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের অধিক হয় তখন তাকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থায় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী (১৫ বছরের কম ও ৬০+) সংখ্যা কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী অপেক্ষা কম হয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ অবস্থা অতিবাহিত করছে। বর্তমানে দেশে ১৫-৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ শতকরা ৬৩.৩ শতাংশ।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের তথ্যানুসারে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা ভোগ করবে।
- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হলে একটি দেশ দ্রুত উন্নয়ন সাধন করতে পারে।

উৎস: বিবিএস ও জাতিসংঘ ওয়েসাইট এবং ডেইলি স্টার।
৭১৭.
বাংলাদেশের প্রথম উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জামালপুর
  2. খ) কুয়াকাটা
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) বিরিশিরি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিরিশিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিরিশিরি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নেত্রকোনা জেলার বিরিশিরিতে অবস্থিত।
- এই উপজাতীয় সাংস্কৃতিক একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ আগস্ট, ১৯৭৭ সালে।
৭১৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশে মোট কতটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৪৮টি
  2. ৫০টি
  3. ৫১টি
  4. ৫২টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২:
- সময়কাল: ১৫-২১ জুন, ২০২২ সাল।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ তে বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি অনুসারে পরিচালনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৭১৯.
নিচের কোন উপজাতিটি সমতলে বসবাস করে?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) খুমি
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) তঞ্চঙ্গা
সঠিক উত্তর:
গ) সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল জনগোষ্ঠী রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর এবং বগুড়া জেলায় বসবাস করে। সাঁওতালরা অষ্ট্রালয়েড নৃগোষ্ঠীভুক্ত। সাঁওতাল সমাজে গ্রাম পঞ্চায়েত ব্যবস্থা বিদ্যমান। তাদের প্রধান উৎসবের নাম সোহরাই।
অন্যদিকে ত্রিপুরা, খুমি এবং তঞ্চঙ্গা নৃগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
৭২০.
বাংলাদেশের বিখ্যাত 'মণিপুরী নৃত্য' কোন অঞ্চলের?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. ময়মনসিংহ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।

⇒ মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙান।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

⇒ মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব 'মহা রাসলীলা'।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭২১.
চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস ফেবো প্রকাশিত হয়-
  1. ক) ২০০০ সালে
  2. খ) ২০০৪ সালে
  3. গ) ২০০৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাসের নাম- ফেবো। এটি প্রকাশিত হয় ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে।
৭২২.
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী বৃহত্তম জনগোষ্ঠী কোনটি?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মারমা
  3. গ) ত্রিপুরা
  4. ঘ) বাঙালি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঙালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঙালি
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট ১২ টি জাতি বসবাস করে। এদের মধ্যে ১১ টি হলো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এবং আরেকটি হলো বাঙালি। জনসংখ্যার বিচারে পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে বেশি বসবাস বাঙালি জনগোষ্ঠীর। বাঙালিরা পার্বত্য চট্টগ্রামের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫২ ভাগ। উপজাতিদের মধ্যে চাকমারা বৃহৎ জনগোষ্ঠী। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৭২৩.
বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ধর্মাবলম্বী নৃগোষ্ঠী হলো- 
  1. লুসাই
  2. খিয়াং
  3. হাজং
  4. পাঙন 
সঠিক উত্তর:
পাঙন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঙন 
ব্যাখ্যা

• পাঙাল (পাঙন):
- পাঙাল (পাঙন) হলো বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- তারা মূলত সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বসবাস করে
- পাঙালরা ধর্মের দিক থেকে মুসলমান।
- তারা নামাজ, রোজা, বিয়ে—সব কিছুই ইসলাম অনুযায়ী পালন করে।
- কিন্তু জাতিগত পরিচয়ে তারা বাঙালি নয়।
- তাদের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রা মনিপুরি জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- তাই সামাজিক অনুষ্ঠান, পোশাক বা রীতিনীতিতে তারা সাধারণ বাঙালিদের মতো নয়।
- মসজিদে জুমার খুতবা ও ধর্মীয় আলোচনা তারা পাঙাল ভাষায় করে।
- নিজেদের পরিচয় ও ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য তারা সাধারণত নিজেদের গোষ্ঠীর মধ্যেই বিয়ে করে।

অন্যদিকে, 
• লুসাই উপজাতির মানুষরা মূলত খ্রিস্টান ধর্ম পালন করে।
• খিয়াং ও চাক জনগোষ্ঠী প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
• হাজং, ত্রিপুরা ও বিষ্ণুপ্রিয়া (মণিপুরী) সম্প্রদায় প্রধানত হিন্দু ধর্মের অনুসারী।

উৎস:
১. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি: সপ্তম শ্রেণী;
২. BBC News Bangla. 

৭২৪.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান অংশ দেশের কোথায় বাস করে?
  1. রাজশাহী, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহে
  2. কুমিল্লা ও সিলেটে
  3. দক্ষিণ-পূর্বাংশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে
  4. ভোলা, ঝালকাঠি ও পটুয়াখালীতে
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্বাংশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্বাংশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান অংশ দেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে বাস করে।

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:

- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।
- জেলার নিরিখে দেশে রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪।
- এরপরই আছে আরেক পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। এখানে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।

⇒ বিভাগ অনুযায়ী, বরিশালে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী জনসংখ্যা ৪ হাজার ১৮১ জন, চট্টগ্রামে ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮৬০, ঢাকায় ৮২ হাজার ৩১১, খুলনায় ৩৮ হাজার ৯৯২, ময়মনসিংহে ৬১ হাজার ৫৫৯, রাজশাহীতে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৯২, রংপুরে ৯১ হাজার ৭০ ও সিলেটে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৪ জন।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।
৭২৫.
চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাসের নাম কী?
  1. জিত্তোবানি
  2. ফেবো
  3. মুই মত্যেই
  4. গঙ্গা মা
সঠিক উত্তর:
ফেবো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেবো
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- চাকমা সম্প্রদায় দেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাস করে।
- অনুমান করা হয় ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা আদি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু বা বিঝু।

উল্লেখ্য,
- চাকমাদের ভাষার নামও চাকমা। চাকমাদের নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে।
- চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস ফেবো।
- ২০০৪ সালে, প্রকাশিত হয়ে গেছে চাকমা ভাষা ও হরফে দেবপ্রিয় চাকমার লেখা 'ফেবো' নামের একটি উপন্যাস।
- প্রকাশিত খবর অনুসারে এই উপন্যাসের পটভূমি হল ১৯৮৬ সালে খাগড়াছড়ি জেলার লোগাংএ সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ড, আর শিরোনামে ব্যবহৃত শব্দটির দ্বিবিধ অর্থ হল 'ভয়ার্ত মুহূর্ত' ও 'ভয়ঙ্কর প্রাণি'।

এছাড়াও,
- ২০১৩ সালে কে ভি দেবাশীষ চাকমা নামের আরেক জন লেখকেরও চাকমা ভাষায় একটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে, যেটির শিরোনাম 'মুই মত্যেই' ('আমি আমার')।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২৬.
উপজাতি কালচারাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. নেত্রকোণা
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোণা
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি:
- অবস্থান: বিরিশিরি, দুর্গাপুর, নেত্রকোণা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭৭ সালে।
- গবেষণা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে একাডেমিকে ১৬-৭-১৯৭৯ তারিখে 'তথ্য সম্প্রচার, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের 'ক্রীড়া ও সংস্কৃতি' বিভাগে ন্যস্ত করা হয়। 
- ২০১০ সালে 'উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি-এর পরিবর্তে 'ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি' নামটি প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে।

⇒ অপরদিকে,
- মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি, মৌলভীবাজার।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি।
- রাখাইন সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রামু কক্সবাজার। 

 উৎস: ¡) বাংলাপিডিয়া।
          ¡¡) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৭২৭.
‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন'টি প্রণয়ন করে -
  1. ক) ২০১০ সালে
  2. খ) ২০১১ সালে
  3. গ) ২০১২ সালে
  4. ঘ) ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ বা ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’ বলতে মূলত অতীত ঐতিহ্যের ধারক ও প্রতিনিধিত্বকারী নৃগোষ্ঠীগুলোকে বোঝানো হয়।
- এই নৃগোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সামাজিক পটপরিবর্তনের মধ্যেও নিজ নিজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে অনেকাংশে ধরে রেখেছে।
- এভাবে তারা নিজস্ব সংস্কৃতির প্রাচীন ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেছে। অর্থাৎ, দেশের ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি এবং সংস্কৃতির পরিবর্তনের সাথে তারা মিশে যায়নি একেবারে।
- বরং তাদের সমাজ ব্যবস্থা ও সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানসমূহে অনেকাংশে নিজস্বতা বজায় রেখেছে।

•  সাধারণ কিছু সাদৃশ্যের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বোঝা যায়। যেমন-
(১) নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের মাঝে স্বতন্ত্র পরিচিতি ও জাতিসত্তার চেতনা ;
(২) অতীত ঐতিহ্য, বিশেষত প্রাক-ঔপনিবেশিক যুগের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা ;
স্বতন্ত্র সামাজিক, অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক ব্যবস্থা ;
(৫) বসবাসকৃত অঞ্চলের প্রকৃতির সাথে নিবিড় ও গভীর সম্পর্ক;
(৬) আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নৃগোষ্ঠীগুলোর অবস্থান অপেক্ষাকৃত দুর্বল এবং আধিপত্যহীন ।

•  এ ধরনের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নৃগোষ্ঠীগুলোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন ২০১০' নামে একটি আইন প্রণয়ন করে। এই আইনে বাংলাদেশের ‘অ-বাঙালি’ ও অতীত ঐতিহ্যবাহী জাতিসত্তাগুলোকে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী' নামে আখ্যায়িত করা হয় ।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ৬ষ্ঠ শ্রেণি ও nrigostisanad.gov.bd। 
৭২৮.
বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল -
  1. ৭.১৪ কোটি
  2. ৭.৬৪ কোটি
  3. ৮.১৪ কোটি
  4. ৮.৬৪ কোটি
সঠিক উত্তর:
৭.৬৪ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭.৬৪ কোটি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সেগুলো হলো: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
 
উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
৭২৯.
৬ষ্ঠ আদমশুমারি বা জনশুমারিতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যা ব্যুরো বা বিবিএসকে সহায়তা করবে কোন দেশের গবেষণা সংস্থা?
  1. ক) ভারত
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) কানাডা
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
৬ষ্ঠ আদমশুমারি বা জনশুমারি অনুষ্ঠিত হবে ২০২১ সালে। এতে জন গণনায় স্যাটেলাইটের সাহায্য নেওয়া হবে। আর এ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যা ব্যুরো বা বিবিএসকে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
[সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো]
৭৩০.
বাংলাদেশে ১ বছরের নিচে প্রতি হাজারে জীবিত জন্মে শিশু মৃত্যুহার কত?
  1. ক) ১৯
  2. খ) ২১
  3. গ) ২৫
  4. ঘ) ২৮
সঠিক উত্তর:
খ) ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রকাশিত SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে বিভিন্ন বয়সী শিশু মৃত্যুহার:

- ৫ বছর বয়সী : ২৮
- ১ বছর বয়সী : ২১
- ১ মাস বয়সী : ১৫।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস SVRS-2020 রিপোর্ট)
৭৩১.
হাজংদের অধিবাস কোথায়?
  1. ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
  2. কক্সবাজার ও রামু
  3. রংপুর ও দিনাজপুর
  4. সিলেট ও মণিপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
• হাজং:
- হাজং  বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।

- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এটি তারা নিজেদের মধ্যেই ব্যবহার করে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র:
- বাংলাপিডিয়া।
৭৩২.
উপজাতিদের বর্ষবরণ উৎসবকে সামগ্রিকভাবে কি বলা হয়?
  1. বৈসাবি
  2. ওয়াংগালা
  3. সংগ্রাই
  4. সোহরাই
সঠিক উত্তর:
বৈসাবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসাবি
ব্যাখ্যা

বৈসাবি
- বৈসাবি  বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে বৈসাবি নামের উৎপত্তি। 
- তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করে বাংলা নববর্ষ।
- পুরনো বছরের কালিমা আর জীর্ণতাকে ধুয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয় তারা। 
- আদিবাসীরা বর্ষবরণ উৎসব পালন করে বিভিন্ন নামে।
- কেউ বৈসু, কেউ সাংগ্রাই আবার কেউ বিজু।
- বর্ষবরণ উৎসবকে ত্রিপুরারা বৈসু, মারমারা সাংগ্রাই ও চাকমারা বিজু বলে অভিহিত করে এবং এগুলি বৈসাবি নামে পরিচিত।
- সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

অন্যদিকে,
- শুদুমাত্র গারোদের প্রধান উৎসবের নাম ওয়াংগালা।
- শুদুমাত্র মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম সাংগ্রাই।
- সাঁওতালদের সবচেয়ে বড় উৎসবের নাম সোহরাই।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৭৩৩.
খিয়াংদের গ্রাম কী নামে পরিচিত?
  1. নাম
  2. পাড়া
  3. পুঞ্জি
  4. বারাং
সঠিক উত্তর:
নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাম
ব্যাখ্যা
খিয়াং:
- খিয়াং পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি নৃজাতি গোষ্ঠী।আরাকান-ইয়োমা উপত্যকার অববাহিকা অঞ্চলে বসবাসরত নৃগোষ্ঠী থেকে খিয়াংদের আগমন।
- বর্তমানে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় এ জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- খিয়াংরা চীনা-তিববতীয় ভাষাগোষ্ঠীর তিববতি-ব্রহ্ম শাখার কুকি-চীন দলভুক্ত।
- খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ‘সাংলান’।
- তারা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেয়। তবে তাদের আদি দেব-দেবীদের পূজা করতেও দেখা যায়।
- বর্তমানে অনেকে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে।।
- পাহাড়ের উপর খোলা জায়গায় এবং ছোট খাল বা ঝর্ণাধারার কাছে এদের গ্রামগুলি গড়ে উঠে।
- এরা ঘরকে বলে ‘ইম’ এবং গ্রামকে বলে ‘নাম’।
- খিয়াংদের সমাজব্যবস্থায় একজন নেতা থাকে যাকে বলা হয় কার্বারী।
- খিয়াংদের সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭৩৪.
টাঙ্গাইল জেলা ও ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ে কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. চাকমা
  2. রাখাইন
  3. গারো
  4. খেয়াং
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইল জেলা ও ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ে গারো সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করে।

গারো:
- গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ ও বাংলাপিডিয়া।
৭৩৫.
উনিশ শতকে উপমহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা কোনটি?
  1. ক) খাসিয়া বিদ্রোহ
  2. খ) গারো বিদ্রোহ
  3. গ) সাঁওতাল বিদ্রোহ
  4. ঘ) রাখাইন বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
গ) সাঁওতাল বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাঁওতাল বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি প্রধান নৃগোষ্ঠী হলো সাঁওতাল। তারা রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায় বাস করে।
- ধারণা করা হয়, সাঁওতালদের পূর্বপুরুষরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের এসব অঞ্চলে আসে। আমাদের পার্শ্ববর্তী ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডে সাঁওতালদের বসবাস রয়েছে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রালয়েড নৃগোষ্ঠীভুক্ত লোক। তাঁদের দেহের রং কালো, উচ্চতা মাঝারি ধরনের এবং চুল কালো ও ঈষৎ ঢেউ খেলানো।

সামাজিক জীবন: সাঁওতাল সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক। তাদের সমাজে পিতার সূত্র ধরে সন্তানের দল ও গোত্র পরিচয় নির্ণয় করা হয়। সাঁওতাল সমাজের মুল ভিত্তি হচ্ছে গ্রাম-পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েত পরিচালনার জন্য সাধারণত পাঁচজন সদস্য থাকেন। এরা হলো মাঞ্জহি হারাম, জগমাঞ্জাবি, জাপরানিক, গোড়েৎ ও নায়কি । নায়কিকে তারা পঞ্চায়েত সদস্য নয় বরং ধর্মগুরু হিসাবে মনে করে। 

অর্থনৈতিক জীবন: সাঁওতালদের প্রধান জীবিকা হলো কৃষি। বৃহত্তর রাজশাহী, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় তারা মূলত কৃষি শ্রমিক হিসাবে কাজ করে। নারী ও পুরুষ উভয়ই ক্ষেতে কাজ করে । তারা ধান, সরিষা, তামাক, মরিচ, তিল, ইক্ষু প্রভৃতি ফসলের চাষ করে। তাছাড়া বাঁশ, বেত, শালপাতা প্রভৃতি দ্বারা নানা প্রকার মাদুর, ঝাড়ু প্রভৃতি তৈরি করে নিজেদের প্রয়োজন মিটায় ও হাটে বিক্রি করে।

ধর্মীর জীবন: সাঁওতালরা প্রধানত প্রকৃতি পূজারি । তবে এদের একাংশ খ্রিষ্ট ধর্ম গ্রহণ করেছে এবং তারা খ্রিষ্ট ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান পালন করে থাকে।

সাংস্কৃতিক জীবন: সাঁওতালদের প্রধান খাদ্য ভাত। তাদের বাড়ির দেয়াল মাটির তৈরি এবং তাতে খড়ের ছাউনি থাকে। সাঁওতালদের নিজস্ব উৎসবাদির মধ্যে 'সোহরাই' এবং 'বাহা' উল্লেখযোগ্য। তাদের সংস্কৃতির একটি উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান হলো ‘ঝুমুর নাচ'। সাঁওতালদের বিবাহ অনুষ্ঠানে আয়োজিত হয় 'দোন' ও 'ঝিকা' নাচ।

- সাঁওতালদের মধ্যে শিক্ষিতের হার খুব কম হলেও বর্তমানে সাঁওতাল পরিবারের ছেলে-মেয়েরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হচ্ছে।
- ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন সংঘটিত সাঁওতাল বিদ্রোহ ছিল ইংরেজ শাসন শোষণের বিরুদ্ধে ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম ঐতিহাসিক বিদ্রোহ । এই বিদ্রোহের নায়ক দুই ভাই সিধু ও কানুকে সাঁওতালরা বীর হিসেবে ভক্তি করে

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
৭৩৬.
কুরুখ নামে পরিচিত কোন জাতিগোষ্ঠী?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মুরং
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) ওঁরাও
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওঁরাও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওঁরাও
ব্যাখ্যা

ওরাঁও রা যে ভাষায় কথা বলেন, তার নাম কুরুখ ভাষা। তাদেরকে কুরুখ জাতিও বলা হয়।
- ওরাওঁ আদিবাসীরা নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তর পুরূষ।
- বাংলাদেশে বর্তমানে রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা ওরাওঁদের প্রধান বসতিস্থল।

উৎস: http://nrigostisanad.gov.bd/

৭৩৭.
এশিয়ার সর্বাধিক জনবহুল দেশ কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. ভারত
  2. চীন
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• এশিয়ার সর্বাধিক জনবহুল দেশ - ভারত।
--------------------- 
• বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ — ভারত।
- দেশটির জনসংখ্যা ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।
- 'ভারত' এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।  

[স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্বের জনসংখ্যার লাইভ (তাৎক্ষণিক) তথ্য প্রচার-প্রকাশ করে।] 
--------------------------- 
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুসারে, জনসংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা দেওয়া হলো-

১. ভারত:
জনসংখ্যা: ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।

২. চীন:
জনসংখ্যা: ১৪১ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার।

৩. যুক্তরাষ্ট্র:
জনসংখ্যা: ৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ২৭ হাজার।

৪. ইন্দোনেশিয়া:
জনসংখ্যা: ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার।

৫. পাকিস্তান:
জনসংখ্যা: ২৫ কোটি ১২ লাখ ৬৯ হাজার।

৬. নাইজেরিয়া:
জনসংখ্যা: ২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার।

৭. ব্রাজিল:
জনসংখ্যা: ২১ কোটি ১৯ লাখ ৯৯ হাজার।

৮. বাংলাদেশ:
জনসংখ্যা: ১৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার।

৯. রাশিয়া:
জনসংখ্যা: ১৪ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার।

১০. ইথিওপিয়া:
জনসংখ্যা: ১৩ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার।

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-২০২৪।
৭৩৮.
গারো উপজাতি কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. সনাতন
  2. বৌদ্ধ
  3. ইসলাম
  4. খ্রিষ্টান
সঠিক উত্তর:
খ্রিষ্টান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ্রিষ্টান
ব্যাখ্যা
গারো উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়। 
- শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে। 
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক। 
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান। 
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'। 
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'। 
- গারোদের ভাষা মান্দি। 

এছাড়া,
- বাংলাদেশে লুসাই, খাসিয়া ও মাহালী উপজাতির ধর্ম খ্রিস্টান।
- মণিপুরীদের ধর্ম বৈষ্ণব।
- ত্রিপুরা, হাজংদের ধর্ম সনাতন।
- রাখাইন, চাকমা, মারমা, চাক, খুমি, খিয়াং ইত্যাদি উপজাতির ধর্ম বৌদ্ধ।
- পাঙন উপজাতির ধর্ম ইসলাম।

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
৭৩৯.
নিচের কোন জেলায় খাসিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করে?
  1. ক) মৌলভীবাজার
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) নেত্রকোনা
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ক) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
খাসিয়া সম্প্রদায়:
- খাসিয়া (বা খাসি) বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে।
 - তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত। 
- খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
৭৪০.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. রেড ইন্ডিয়ান
  2. পিগমি
  3. বম
  4. ভাইকিং
সঠিক উত্তর:
বম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বম
ব্যাখ্যা
বম জনগোষ্ঠী:
- বমরা কুকি-চিন ভাষাভাষী মঙ্গোলীয় গােষ্ঠীভুক্ত। 
- বম জনগােষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে বান্দরবান জেলায়।
- এ জেলায় রুমা, থানচি, রােয়াংছড়ি ও বান্দরবান সদর থানায় তারা বসবাস করেন। এছাড়া রাঙামাটি জেলায় বিলাইছড়ি থানায়ও এদের আবাস আছে।
- বমরা শুনথলা (Sunthla) এবং পাংহয় (Panghawi) এই দুইটি গােত্রে বিভক্ত। 
- বম সমাজ পুরুষতান্ত্রিক।
- বমরা মাটিতে খুঁটি পুঁতে উঁচু পাহাড়ের উপর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে তাতে বাড়িঘর নির্মাণ করে। তাদের ঘরকে মাচাং বলা হয়। 
- বমরা তাদের জীবন পরিচালনা করে বম কাস্টমারি ল’ গ্রন্থের নির্দেশিকা অনুযায়ী।
- বমদের বাঁশনৃত্য তাদের জীবনেরই অপরিহার্য অংশ। 
- বমদের প্রধান পেশা জুমচাষ। 
- এরা খ্রিস্টান প্রধানত খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

অন্যদিকে,
- পিগমি মধ্য আফ্রিকার খর্বকায় উপজাতি।
- ‘ভাইকিং’ নরওয়ের প্রাচীন কঠোর পরিশ্রমী উপজাতি।
- রেড ইন্ডিয়ান আমেরিকার আদি অধিবাসী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭৪১.
নিচের কোন জেলায় মুন্ডা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. কক্সবাজার
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

মুন্ডা:
- মুন্ডা বাংলাদেশে বসবাসরত অন্যতম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল, সিলেট জেলার চা বাগান এবং বৃহত্তর যশোর এবং খুলনা জেলায় এদের বসবাস।
- মুন্ডারা নিজেদের মধ্যে মুন্ডারী ভাষায় কথা বলে।
- মুন্ডাদের পোশাকের নাম হাতকা।
- মৃত্যুর পর মুন্ডাদের মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলাই রীতি।
- ধর্ম বিশ্বাসে মুন্ডারা প্রকৃতি পূজারী।
- তাদের প্রধান দেবতা হচ্ছেন শিং বোঙ্গা। তাদের মতে, তিনিই এ বিশ্বব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করেছেন এবং পরিচালনা করছেন।
- গ্রাম পূজা মুন্ডাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৭৪২.
শিশু মৃত্যুহার হ্রাসের জন্য প্রধানমন্ত্রী লাভ করেন-
  1. ক) ডক্টরেট ডিগ্রি
  2. খ) planet 50-50
  3. গ) MDG award 2010
  4. ঘ) ইউনিসেফ এ্যাওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
গ) MDG award 2010
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) MDG award 2010
ব্যাখ্যা

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা( এমডিজি) এর অন্যতম গুগোল শিশুমৃত্যু হার কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ২০১০ সালে MDG award 2010 লাভ করেন।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ
- এবং ২০১৬ সালে নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য planet 50-50 চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

উৎস: pmo.gov.bd/(প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)

৭৪৩.
পাঙন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় কোন অঞ্চলে বাস করে?
  1. রাজশাহী
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
পাঙন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়:
- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৭৪৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুসারে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১৩%
  2. ১.১২%
  3. ১.৫%
  4. ১.২%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ :
- বাংলাদেশের মোট আয়াতন-১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার।
- মোট জনসংখ্যা - ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার- ১.১২%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব - ১,১১৯ জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা জেলায়।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রাঙামাটি জেলায়।

উৎস : জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২।
৭৪৫.
‘গজ্যাপজ্যা’ কোন নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব?
  1. ক) মারমা
  2. খ) চাকমা
  3. গ) গারো
  4. ঘ) খিয়াং
সঠিক উত্তর:
খ) চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাকমা
ব্যাখ্যা
- চাকমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব ‘বিঝু’ নামে পরিচিত। চৈত্র মাসের শেষ দুদিন ও বৈশাখের প্রথমসহ মোট তিনদিন জুড়ে বিঝু উৎসব পালিত হয়।
- বিঝু উৎসব তিনটি পর্বে বিভক্ত।
- প্রথমটি হলো ফুল বিঝু
- দ্বিতীয়টি হলো মূল বিঝু
- তৃতীয়টি হলো গজ্যাপজ্যা বিঝু বা নুঅ বঝর। পহেলা বৈশাখে গজ্যাপজ্যা বিঝু উৎসব পালিত হয়।
- বিঝু চাকমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৮৪/৮৫)
৭৪৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ঘনবসতিপূর্ণ জেলা কোনটি?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. চট্টগ্রাম
  3. ঢাকা
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
--------------------------- 
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৭৪৭.
মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী?
  1. সোহরাই
  2. সাংগ্রাই
  3. বিহু
  4. বাইসু
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই
ব্যাখ্যা

মারমা:
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- এই ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মারমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব সাংগ্রাই।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।
- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান হলেন একজন হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান হলেন রাজা।
- গ্রামের কারবারি মৌজার হেডম্যান এবং সার্কেল প্রধানের মূল দায়-দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।

উল্লেখ্য,
- সাংগ্রাই রাখাইন জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ ও প্রধান উৎসব।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

৭৪৮.
হাজং নৃগোষ্ঠী প্রধানত কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুমিল্লা
  3. রাঙামাটি
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিজ
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭৪৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, দেশে প্রতিবন্ধীর হার মোট জনসংখ্যার -
  1. ১.৩৭ শতাংশ
  2. ২.৩৭ শতাংশ
  3. ৩.৩৭ শতাংশ
  4. ৪.৩৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১.৩৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হার:
⇒ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে,
- দেশে বর্তমানে ২২ লাখ ৬৫ হাজার ২০১ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে, এটি মোট জনসংখ্যার ১.৩৭ শতাংশ।
- অর্থাৎ দেশে প্রতিবন্ধীর হার শতকরা ১.৩৭ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- পুরুষ প্রতিবন্ধী ১২ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯১ জন।
- নারী প্রতিবন্ধী ৯ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৯ জন।
- তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ৫৪১ জন।
- সবচেয়ে বেশি ৪,৫৮,৬৮৩ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বাস ঢাকা বিভাগে, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪,১৬,১৫৮ জন, রাজশাহী বিভাগে রয়েছে ৩,২৭,৪৫২ জন এবং সবচেয়ে কম ১,৪২,০৯৬ জন বরিশাল বিভাগে।
- দেশে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা সর্বাধিক যা মোট প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ৩৩.৩৮%।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
৭৫০.
নিচের কোন জেলায় চাক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. রাজশাহী
  2. সিলেট
  3. বান্দরবান
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

চাক:
- চাক বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থানার বাইশারি, নাইক্ষ্যংছড়ি, কামিছড়া, ক্রোক্ষং, বাকখালি, আলেখ্যং, ক্রোয়াংঝিড়ি ও ডুছড়ি এলাকায় চাকদের বসবাস।
- বান্দরবান বোমাং সার্কেলের বোমাং রাজপুস্তিকায় ও রাজ্য অভিষেক অনুষ্ঠানে চাকরা ‘মিঙসাক’ নামে তালিকাভুক্ত আছে।
- চাক সমাজ প্রধানত ২টি গোত্রে বিভক্ত। যা আবার কয়েকটি উপগোত্রে বিভক্ত। গোত্রীয় প্রতীক জালোয়া বা পইত্যা (পাকানো সুতার রশি)।
- চাকদের জীবনধারা বৈচিত্র্যপূর্ণ ও ঐতিহ্যমন্ডিত।
- শিশুর জন্ম ও নামকরণ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানাদির মধ্যে নাইংছাঙাহাং-এ অবস্থান, পুতরংবুওয়ে (জন্মপরবর্তী অনুষ্ঠান), ভেগলুংশাত পো (চুংবংলংউচ্ছেং ছাহেকা) উল্লেখযোগ্য।
- বিবাহ সংক্রান্ত প্রথার মধ্যে আচাংগায়ুগা (কনে দেখা), চাঁগায়ুগা (কোষ্ঠী বিচার)-সহ আরো অনেক প্রথা পালন করা হয়।
- ১৯৫৯ সালে চাক ধর্মগুরু মহাথেরো গন্ধর্ব ওয়েংসারের প্রচেষ্টায় চাক সমাজে শিক্ষার বিস্তার ঘটে।
- চাকরা দুই ধারায় বৌদ্ধ ধর্মীয় রীতি ও বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা (লক্ষ্মীপূজা বা ওয়াইগ্যা, ফুলপূজা, প্রদীপপূজা) করে।
- পিতৃতান্ত্রিক পরিবার কাঠামোতে চাকদের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী শুধু ছেলেরা।
- চাকরা বাড়িকে ‘কিং’ এবং গ্রামকে ‘ঠি’ বলে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৭৫১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, চার ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৫০,০০০ একর
  2. ৫১,০৩৪ একর
  3. ৫২,৬৪০ একর
  4. ৫৩,৮০১ একর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৭৫২.
খাসিয়া পুঞ্জি প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. মন্ত্রী
  2. কারবারি
  3. হেডম্যান
  4. সিয়েম
সঠিক উত্তর:
সিয়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়েম
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৫৩.
NIPORT কী?
  1. নদীবন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  2. আবহাওয়া বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  4. বাণিজ্য বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
NIPORT: 
- NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে ঢাকার আজিমপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও
- মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

সূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট।
৭৫৪.
মারমারা কোন কোন জেলায় বেশি বসবাস করে?
  1. কক্সবাজার ও সিলেট
  2. বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি
  3. সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা
  4. ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
মারমা:
- মারমা  বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- সাংগ্রাই উৎসব হলো মারমা জনগণের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব।
- এটি মূলত বাংলা নববর্ষের সময়, অর্থাৎ এপ্রিল মাসে পালিত হয়।
- উৎসবটি মূলত বৌদ্ধ নববর্ষ উদ্‌যাপনের একটি রূপ। 

উল্লেখ্য, 
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- বাসস্থান: রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি।
- ধর্ম: বৌদ্ধ।
- সবচেয়ে বড় উৎসব: সাংগ্রাই।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান: কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান: হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান: রাজা।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭৫৫.
বিখ্যাত 'ঝুমুর নাচ' কোন সম্প্রদায়ের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. গারো
  2. ত্রিপুরা
  3. সাঁওতাল
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল: 
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।
- সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মাঝে প্রচলিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাঝে অন্যতম হলো ঝুমুর গান ও নাচ।
- সাধারণত বিয়ের উৎসব ও করম উসবে সাঁওতালরা ঝুমুর গান ও নাচ পরিবেশন করে থাকে।
- এছাড়া মুন্ডা, ওঁরাও এবং বর্তমানে বাঙালি হিন্দু-মুসলমানদের মাঝেও এই গান ও নাচ জনপ্রিয়। 
- ঝুমুর নাচ রংপুর এবং রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ।

সূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৭৫৬.
২০২২ সালের জনশুমারীর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের কত শতাংশ লোক শহরে বাস করে?
  1. ২৮.৫৮
  2. ৩১.৬৬
  3. ৩৫.৩১
  4. ৪১.২৩
সঠিক উত্তর:
৩১.৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১.৬৬
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) থাকে গ্রামে।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৭৫৭.
শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কোন জেলায় প্রতিষ্ঠিত হবে?
  1. ক) কিশোরগঞ্জ
  2. খ) খুলনা
  3. গ) গোপালগঞ্জ
  4. ঘ) ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
খ) খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খুলনা
ব্যাখ্যা
দেশের পঞ্চম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে খুলনায়। নাম হবে ‘শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়’।
সূত্রঃ প্রথম আলো
৭৫৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭৭.৬১%
  2. ৭৮.৪০%
  3. ৭৪.৮০%
  4. ৭২.৮৪%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৭৫৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলার সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি?
  1. পিরোজপুর
  2. জামালপুর
  3. ফরিদপুর
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিরোজপুর
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৭৬০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি কোন জেলায়?
  1. গাজীপুর
  2. পিরোজপুর
  3. ঢাকা
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - ঢাকা (১০,০৬৭ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম যে জেলায় - রাঙামাটি (১০৬ জন)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা (৭+) - পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - গাজীপুর (৩.৮৭%)।

তথ্যসূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন।
৭৬১.
 ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ভাষার নাম কী?
  1. কুঁড়ুখ
  2. ম্রো
  3.  ককবরক
  4. আচিক খুসিক
সঠিক উত্তর:
 ককবরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ককবরক
ব্যাখ্যা

ককবরক ভাষা:
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ত্রিপুরাদের মাতৃভাষার নাম ‘ককবরক’।
- এর অর্থ 'মানুষের ভাষা'।
- এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, বৃহত্তর নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেটবাসী ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই ভাষা প্রচলিত।

এছাড়াও,
- ম্রো জনগোষ্ঠীর ভাষার নাম ম্রো ভাষা।
- ওঁরাও নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার নাম হচ্ছে কুঁড়ুখ ও সাদরি।
- আচিক খুসিক হচ্ছে গারো নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, সপ্তম শ্রেণি ও দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

৭৬২.
বাংলাদেশের কোথায় ’গারো নৃগোষ্ঠীর’ বসবাস নেই?
  1. বান্দারবান
  2. জামালপুর
  3. শেরপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
বান্দারবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দারবান
ব্যাখ্যা

- বান্দরবানে গারোদের আবাস নেই।

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার
- মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
 - নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিব্বতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭৬৩.
নিচের কোন অঞ্চলে হাজংদের বসবাস রয়েছে?
  1. রাজশাহী
  2. রংপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং  বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিনিবাস উত্তর বার্মায়।
- প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে হাজংদের পূর্বপুরুষের দলটি তাদের আদিনিবাস ত্যাগ করে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় প্রথমে প্রবেশ করে। 

ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠী:
- রাজবংশী উপজাতির বসবাস রংপুর।
- বাংলাদেশে মনিপুরী, খাসিয়া উপজাতি বাস করে সিলেট অঞ্চলে।
- রাঙ্গামাটিতে বাস করে চাকমা, মারমা, তনচংগা সহ বেশ কয়েকটি উপজাতির অংশবিশেষ।
- রাখাইন উপজাতিরা বসবাস করে পটুয়াখালীতে।
- সাওতাল - রাজশাহী, রংপুর।

সূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৭৬৪.
রাজবংশী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে কোন জেলায়?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
রাজবংশী:
- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা। মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭৬৫.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার -
  1. ১৬.৪%
  2. ১৭.৩%
  3. ১৮.৬%
  4. ২০.৫%
সঠিক উত্তর:
২০.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০.৫%
ব্যাখ্যা
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
৭৬৬.
পাংখোয়া জনগোষ্ঠী কোন ধর্মে বিশ্বাসী?
  1. মুসলিম
  2. হিন্দু
  3. খ্রিস্টান
  4. বৌদ্ধ
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
পাংখোয়া:
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত অদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাংখোয়া অন্যতম।
- পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী।
-  তবে একাধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মতো প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত।
- তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’।
- খোজিং পূজা পাংখোয়া সমাজে সবচেয়ে বড় উৎসব হিসেবে বিবেচিত হয়।
- পাংখোয়া সমাজে পিতাই পরিবারের প্রধান।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী দুটো গোত্রে বিভক্ত পাংখোয়া ও ভানজাঙ।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠীতেই মৃতদেহ কবর দেওয়ার রীতি প্রচলিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭৬৭.
পাংখোয়া উপজাতিদের ধর্ম বিশ্বাস কোনটি?
  1. ক) বৌদ্ধ
  2. খ) সাংসারেক
  3. গ) শিকাম
  4. ঘ) হিন্দু
সঠিক উত্তর:
ক) বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ১৩টি অদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাংখোয়া অন্যতম। পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে। পাংখোয়া জনগোষ্ঠী নিজেদের ধর্মবিশ্বাসে বৌদ্ধ বলে দাবি করে থাকে। তবে একাধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মতো প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত। তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’, যেমন লুসেইদের ‘পুথিয়ান’। বিশ্বসৃষ্টি সম্পর্কে তাদের সমাজে অনেক পৌরাণিক গল্পকাহিনী প্রচলিত আছে। সৃষ্টিকর্তা ‘পত্যেন’-এর পরই তাদের প্রধান উপাস্য দেবতার নাম ‘খোজিং’।
সূত্রঃ nrigostisanad.gov.bd
৭৬৮.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে সর্বাধিক সংখ্যক উপজাতি বসবাস করে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাসকারী ৫০টি উপজাতির মোট জনসংখ্যা আনুমানিক ৩১.৫ লক্ষ। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বাধিক ১৫ লক্ষ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।
এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৬ লক্ষ, ঢাকা বিভাগে ৩ লক্ষ, সিলেট বিভাগে ৩ লক্ষ, রংপুর বিভাগে ২ লক্ষ এবং বরিশাল ও খুলনা বিভাগে ২.৫ লক্ষ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)
৭৬৯.
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) কোথায় অবস্থিত?
  1. আজিমপুর, ঢাকা
  2. সেগুনবাগিচা, ঢাকা
  3. শাহবাগ, ঢাকা
  4. আগারগাঁও , ঢাকা
সঠিক উত্তর:
আজিমপুর, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজিমপুর, ঢাকা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ:
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- নিপোর্ট স্বস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।
- নিপোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়ন, গবেষণা এবং সার্ভে পরিচালনা করা এবং গবেষণার ফলাফলকে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করে কর্মসূচি উন্নয়নে কাজে লাগানো।

উৎস: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)।
৭৭০.
জাতিসংঘ কোন সময়কালকে ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী ভাষা দশক' ঘোষণা করে?
  1. ক) ২০২১ থেকে ২০৩১
  2. খ) ২০২২ থেকে ২০৩২
  3. গ) ২০২৩ থেকে ২০৩৩
  4. ঘ) ২০২০ থেকে ২০৩০
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২২ থেকে ২০৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২২ থেকে ২০৩২
ব্যাখ্যা
- ২৩ মার্চ ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' প্রজ্ঞাপন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন-২০১০ অনুযায়ী ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
- জাতিসংঘ ১৯৯৩ সালকে আদিবাসী বর্ষ ঘোষণা করে।
- ১৯৮২ সালের ৯ আগস্ট জাতিসংঘের আদিবাসী জনগোষ্ঠী বিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- এই দিনকে স্মরণ করার জন্য জাতিসংঘ ১৯৯৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর ৯ আগস্টকে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- ২০১৯ সালে জাতিসংঘ ২০২২ থেকে ২০৩২ সময়কালকে ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী ভাষা দশক' ঘোষণা করে।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭ জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ১৪৪টি রাষ্ট্রের সমর্থন, ৪টি রাষ্ট্রের বিরোধিতা ও ১১টি রাষ্ট্রের ভোট প্রদানে অনুপস্থিতিতে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে আদিবাসীদের কল্যাণার্থে অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার নিমিত্তে The Declaration on the Rights of Indigenous Peoples (UNDRIP) অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৭৭১.
লুসাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মৃত আত্মাদের স্মরণে কোন ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়?
  1. চাপচারকূত
  2. মীমতূত
  3. পলকূত
  4. তিলতূত
সঠিক উত্তর:
মীমতূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীমতূত
ব্যাখ্যা

লুসাই:
- লুসাই  নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৭৭২.
নিচের কোন জেলায় সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর বসবাস নেই?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. বান্দরবান
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
• বান্দরবান জেলায় সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর বসবাস নেই।

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭৭৩.
বাংলাদেশ জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাও
  2. সাভার
  3. সেগুনবাগিচা
  4. সারদা
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা Bangladesh Public Administration Training Centre (BPATC) – ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত।
এটি বাংলাদেশের পাবলিক সার্ভিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান।
এটি চারটি আলাদা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে –
• Bangladesh Administrative Staff College (BASC)
• National Institute of Public Administration (NIPA)
• Civil Officer’s Training Academy (COTA)
• Staff Training Institute (STI)
BPATC – এর অবস্থান – ঢাকার সাভারে।
প্রতিষ্ঠানের প্রধানের পদবী – রেক্টর।
বর্তমান রেক্টর – মোঃ রাকিব হোসাইন (এনডিসি)।
সুত্রঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।
৭৭৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে, কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

⇒ সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
৭৭৫.
নিচের কোন জেলায় হাজংদের বসবাস নেই?
  1. নেত্রকোনা
  2. রংপুর
  3. শেরপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

• হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস। এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭৭৬.
খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীরা বাংলাদেশের কোথায় বসবাস করে না?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. হবিগঞ্জ
  3. পটুয়াখালী
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
খাসিয়া
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চেপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে।
- এক কালে এ উপজাতিরা ছিল যাযাবর। 
- তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট জেলায় তাদের বসবাস।
- হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার সীমান্তে ৫টি, মৌলভীবাজারে ৬১টি এবং বর্তমান সিলেট জেলায় ৭টি খাসিয়া পুঞ্জি রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- পটুয়াখালী জেলায় রাখাইন উপজাতিরা বসবাস করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৭৭৭.
NIPORT-- কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কার্যক্রম পরিচালনা করে?
  1. ক) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. খ) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. গ) তথ্য মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট)
৭৭৮.
হাজং সম্প্রদায়ের বসবাস কোথায়?
  1. ক) শেরপুর
  2. খ) জামালপুর
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) বগুড়া
সঠিক উত্তর:
ক) শেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেরপুর
ব্যাখ্যা
- হাজং জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস ময়মনসিংহ জেলায়। এছাড়া নেত্রকোনা, শেরপুর ও সিলেট জেলাতেও হাজংদের বসবাস রয়েছে।
- তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- হাজংদের আদি নিবাস উত্তর বার্মায়।
- তারা হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
- সমাজ কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- হাজং শব্দের অর্থ মাটির পোকা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৭৭৯.
সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ–২০২৪ অনুযায়ী দেশের মোট শ্রমশক্তির কত শতাংশ নারী?
  1. ৩৯.২%
  2. ৪২.৬%
  3. ৪৪.২%
  4. ৪৬.৮% 
সঠিক উত্তর:
৪৪.২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪.২%
ব্যাখ্যা

নারী শ্রমশক্তি:
- সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ–২০২৪ অনুযায়ী দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৪.২ শতাংশ নারী।
- এর মধ্যে প্রায় ৯৬.৬ শতাংশ নারী অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত (বিশ্বব্যাংক, ২০২৪)। অর্থাৎ তাঁরা কৃষি, গৃহকর্ম, চা-বাগান, গৃহকেন্দ্রিক কাজ, দোকান বা ছোট উৎপাদন ইউনিটে কাজ করেন, যেগুলো শ্রম আইন বা সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসেনি।

⇒ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
- বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশ আসে তৈরি পোশাকশিল্প থেকে, যেখানে কাজ করেন প্রায় ৪০ লাখ নারী। 
- গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও কৃষিজমির মালিকানায় তাঁদের অংশ মাত্র ১২ শতাংশ (বিবিএস, ২০২৩)।
- বাংলাদেশে প্রায় ২০ লাখ নারী গৃহকর্মীর কাজ করেন (ডমেস্টিক ওয়ার্কার্স রাইটস নেটওয়ার্ক, ২০২৩)।
- চা-বাগানশ্রমিকদের মধ্যে ৭০ শতাংশ নারী।
- নির্মাণশিল্পে নারী শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু নিরাপত্তা ও মর্যাদা কমছে (আইএলও-বিজিএমইএ রিপোর্ট, ২০২৪ অনুযায়ী), নির্মাণ সাইটে নারী শ্রমিকদের মধ্যে ৬০ শতাংশ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম পান না। 

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
ii) প্রথম আলো।

৭৮০.
বাংলাদেশের বসবাসরত মাতৃতান্ত্রিক উপজাতিগুলো হলো -
  1. চাকমা-মারমা
  2. রাখাইন-মারমা
  3. গারো-খাসিয়া
  4. গারো-চাকমা
সঠিক উত্তর:
গারো-খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো-খাসিয়া
ব্যাখ্যা
মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা:
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজ হচ্ছে সেসব পরিবার বা জনগোষ্ঠী, যাদের পরিবারের দায়িত্ব থাকে একজন নারীর ওপর এবং বংশের ধারাও নির্ধারিত হয় নারীর দিক থেকে।
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজে বিয়ের পর পুরুষকে স্ত্রীর বাড়িতে চলে যেতে হয়।
- মায়ের পরিবার থেকেই উত্তরাধিকার ও বংশ-পদবি নির্ধারিত হয়। 
- মেয়েরাই পরিবারের সব সম্পত্তির উত্তরাধিকারিণী।
- বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের খাসিয়া ও গারো নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে।

অন্যদিকে,
- চাকমা, মারমা, রাখাইন-এদের সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
৭৮১.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, দেশে প্রতি বর্গ কি.মি.-এ জনসংখ্যার ঘনত্ব -
  1. ১,১১৯ জন
  2. ১,১২৩ জন
  3. ১,১৫৬ জন
  4. ১,১৭১ জন
সঠিক উত্তর:
১,১৭১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,১৭১ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩
:
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।

এছাড়াও,
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল জন্মহার ১৯.৪।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল মৃত্যুহার ৬.১।
- পুরুষদের প্রথম বিবাহের গড় বয়স ২৪.২ বছর এবং নারীদের ১৮.৪ বছর।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পল্লিতে আগমনের হার ২০.৪ এবং শহরে আগমনের হার ৪৩.৪।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৭৮২.
বাংলাদেশে পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৪ সালে
  2. খ) ১৯৭৫ সালে
  3. গ) ১৯৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
• পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম:
- বাংলাদেশের পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর হচ্ছে সরকারি সংস্থা। পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় ১৯৭৬ সালে
- সরকার ১৯৬০ সালে সীমিত আকারে এবং ১৯৬৫ সালে সারা দেশে জাতীয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম শুরু করে।
- অর্থাৎ সরকারের আগেই পরিবার পরিকল্পনার কাজ শুরু করেছিল এফপিএবি।
- স্বাধীনতার পর প্রতিষ্ঠানের নাম হয় বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি।
- বাংলাদেশে ১৯৭৬ সালে প্রথম জনসংখ্যা নীতি প্রণয়নে ভূমিকা রাখে বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি।
- ১৯৯০-র দশকের গোড়ার দিকে মুক্তবাজার অর্থনীতিতে প্রবেশের পর সরকার পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিতে প্রজনন স্বাস্থ্য রক্ষার উপাদানগুলি অন্তর্ভুক্তির একটি পূর্ণাঙ্গ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৭৮৩.
চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা সর্বাধিক কোথায়?
  1. রাঙ্গামাটি জেলায়
  2. খাগড়াছড়ি জেলায়
  3. বান্দরবান জেলায়
  4. সিলেট জেলায়
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি জেলায়
ব্যাখ্যা
- পরিসংখ্যান, পরিচিতি ও প্রভাবের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হচ্ছে চাকমা ।
- চাকমারা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে।
-  সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চাকমা বসবাস করে রাঙামাটি জেলায়। 
- পিতৃসূত্রীয় পরিবারে চাকমারা প্রধানত জুমচাষে অভ্যস্ত।
- গ্রামের হেডম্যান এবং সার্কেলের রাজা (চাকমা রাজা) তাদের রাজনৈতিক সংগঠনে নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- বৌদ্ধধর্মে বিশ্বাসী চাকমা সম্প্রদায়ে সাম্প্রতিককালে দৃশ্যমান সামাজিক পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে।

উৎস : সমাজ বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
৭৮৪.
জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম কোন জেলায়? (মে ২০২৫)
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. বরিশাল
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ :
- বাংলাদেশের মোট আয়াতন-১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার।
- মোট জনসংখ্যা - ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার- ১.১২%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব - ১,১১৯ জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা জেলায়।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রাঙামাটি জেলায়।

 উৎস : জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২।

৭৮৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, দেশে প্রতি বর্গ কি.মি.তে কতজন লোক বাস করে?
  1. ১১১০ জন
  2. ১১১৯ জন
  3. ১১৩৫ জন
  4. ১১৫৩ জন
সঠিক উত্তর:
১১১৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১৯ জন
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.২২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.তে: ১১১৯ জন। 
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ: ৭৬.৫৬%।
- নারী: ৭২.৮২%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৭৮৬.
ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে কোন বিভাগ?
  1. ময়মনসিংহ
  2. সিলেট
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
দেশে বসবাসকারী ভাসমান জনসংখ্যা:
- ভাসমান জনসংখ্যা বলতে সে সকল গৃহহীন মানুষকে বুঝায় যারা সাধারণত বিভিন্ন জায়গায় রাত্রি যাপন করে; যেমন রেলওয়ে স্টেশন, বাস টার্মিনাল, মাজার, ফুটপাথ, সিঁড়ি/ফুটওভারব্রিজের নিচে, লঞ্চ টার্মিনাল/ফেরি, বাজারের বারান্দা ইত্যাদি।
-তারা ২০২২ সালের আদমশুমারিতে ভাসমান জনসংখ্যা হিসাবে বিবেচিত হয়।

• ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বিভাগ (৯,৪৬২জন)।
• ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে- ময়মনসিংহ বিভাগ (৭০৩জন)।

উৎস:- জনশুমারি রিপোর্ট ২০২২। 
৭৮৭.
ম্রো ভাষার প্রথম ব্যাকরণ এর নাম কী?
  1. ক) ততোং
  2. খ) রেংমিচটা
  3. গ) আচিক
  4. ঘ) রুরুখ
সঠিক উত্তর:
ক) ততোং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ততোং
ব্যাখ্যা

- ম্রো ভাষার প্রথম ব্যাকরণ বইয়ের নাম ‘ততোং’।
- বইটি লিখেছেন ম্রো ভাষার লেখক ইয়াংঙান ম্রো।
- বাংলা ব্যাকরণ ও ইংরেজি গ্রামারের অনুকরণে ম্রো ভাষার ‘ততোং’ লেখা হয়েছে।
- ১৯৮২ সালের ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর ক্রামাদি মেনলে ম্রো ভাষার বর্ণমালা প্রবর্তন করেন।
- এটি বাম থেকে ডানে লেখার একটি সহজ বর্ণমালা।

তথ্যসূত্র- Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২।

৭৮৮.
বিবিএস SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল মৃত্যুহার কত?
  1. ক) ৪.৯
  2. খ) ৫.২
  3. গ) ৫.৫
  4. ঘ) ৮.৮
সঠিক উত্তর:
ক) ৪.৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪.৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল মৃত্যুহার ৪.৯। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে স্থূল মৃত্যুহার ৪.৪ এবং গ্রামাঞ্চলে স্থূল মৃত্যুহার ৫.৪। বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার ১৮.১।
(সূত্রঃ SVRS Report-2019, বিবিএস ওয়েবসাইট)
৭৮৯.
পাহাড়ের প্রধান উৎসব বৈসাবি পালিত হয়-
  1. ক) পৌষ মাসে
  2. খ) মাঘ মাসে
  3. গ) চৈত্র মাসে
  4. ঘ) বৈশাখ মাসে
সঠিক উত্তর:
গ) চৈত্র মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চৈত্র মাসে
ব্যাখ্যা
বৈসাবি উৎসব:
- পাহাড়ের প্রধান উৎসব বৈসাবি।
- পাহাড়ের প্রধান উৎসব বৈসাবি পালিত হয়- চৈত্র মাসে
- পাহাড়ের প্রধান তিন সম্প্রদায় ভিন্ন ভিন্ন নামে উৎসবটি পালন করে।
- পাহাড়ের এই উৎসবকে ত্রিপুরারা বলে ‘বৈসুক’, মারমারা বলে ‘সাংগ্রাই’ আর চাকমারা বলে ‘বিঝু’।
- ত্রিপুরাদের বৈসুক থেকে ‘বৈ’, মারমাদের সাংগ্রাই থেকে ‘সা’, আর চাকমাদের বিজু থেকে ‘বি’ একত্রে ‘বৈসাবি’ নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
৭৯০.
ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম -
  1. ওয়ানগালা
  2. বৈসু
  3. চাপচারকূত
  4. সাংলান
সঠিক উত্তর:
বৈসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসু
ব্যাখ্যা
ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
৭৯১.
নিচের কোনটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. ত্রিপুরা
  2. গারো
  3. মারমা
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো:

- গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিববতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭৯২.
‘ফাগুয়া’ উৎসব পালন করে কোন নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়?
  1. ওঁরাওরা
  2. সাঁওতালরা
  3. চাকমারা
  4. মারমারা
সঠিক উত্তর:
ওঁরাওরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওঁরাওরা
ব্যাখ্যা
ওঁরাওরা ফাল্গুন মাস থেকে বছর গণনা শুরু করে। নববর্ষকে বরণ করতে তারা পালন করে ‘ফাগুয়া’।
গারোদের প্রধান সামাজিক ও কৃষি উৎসব হলো ‘ওয়ানগালা’।
সাঁওতালদের নিজস্ব উৎসবাদির মধ্যে ‘সোহরাই’ ও ‘বাহা’ উল্লেখযোগ্য।
সাংগ্রাই’, ‘বৈসুক’ ও ‘বিজু’ বাঙালিদের পহেলা বৈশাখের ন্যায় যথাক্রমে মারমা, ত্রিপুরা এবং চাকমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণী]
৭৯৩.
কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মঙ্গোলীয়দের বংশধর-
  1. খুমি
  2. হাজং
  3. পাংখোয়া
  4. লুসাই
সঠিক উত্তর:
লুসাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুসাই
ব্যাখ্যা

লুসাই একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- তারা পূর্ব বাংলাদেশ, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং মায়ানমারে বসবাস করে। তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়। 
- তাদের অধিকাংশই পাহাড়ে জুম চাষ করে। লুসাই পাহাড়ের নামেই তাদের নামকরণ হয়েছে।
- লুসাইদের চাকমারা ‘কুগী’, মারমারা ‘লাঙ্গী’ ও ত্রিপুরারা ‘শিকাম’ নামে অভিহিত করে।

উৎস: nrigostisanad.gov.bd

৭৯৪.
’রাসা নৃত্য’ কোন নৃগোষ্ঠীর সাথে সম্পৃক্ত?
  1. সাঁওতাল
  2. মণিপুরী
  3. খাসিয়া
  4. ওঁরাও
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা
মণিপুরী: 
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।
- মহারাজ গরীব নেওয়াজের শাসনামলে সিলেট থেকে আগত মিশনারিগণ এই স্থানকে মহাভারতে বর্ণিত একটি স্থান মনে করে এই ভূখণ্ডের নাম দেন মণিপুর। 
- এভাবেই এখানকার প্রধান অধিবাসী মেইতেইদের নাম হয়ে যায় মণিপুরী।
- সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জে ও সুনামগঞ্জের  বসবাস করে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে  রাসা (Rasa) নৃত্য।
- চৈতন্য ধারার সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী।
- এছাড়া অনেক মণিপুরী আছে যারা একইসঙ্গে আগের বিশ্বাস এবং ইসলাম ধর্ম পালন করে।
- এদের বলা হয় মেইতেই পানগন (Meitei Pangon) বা মণিপুরী মুসলমান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৭৯৫.
খাসিয়ারা তাদের গ্রামকে কী বলে?
  1. মৌজা
  2. টং
  3. পুঞ্জি
  4. পাড়া
সঠিক উত্তর:
পুঞ্জি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঞ্জি
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৯৬.
সর্বশেষ জনশুমারি অনুসারে পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করে। তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য। 

⇒ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪। 
- জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- এর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস। এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।
- সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।

৭৯৭.
বিবিএস পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জত জন মানুষ বাস করে?
  1. ক) ১০৭৭ জন
  2. খ) ১১১৬ জন
  3. গ) ১১৯০ জন
  4. ঘ) ১২১৫ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ১১১৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১১৬ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশ প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১১৬ জন। মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫৬ লক্ষ। খানা প্রতি জনসংখ্যা ৪.২ জন। সাক্ষরতার হার ৭৩.২ শতাংশ। গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর। বেকারত্বের পরিমাণ ৪.২ শতাংশ। (সূত্রঃ বিবিএস ওয়েবসাইট)
৭৯৮.
চাকমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব -
  1. ওয়ানগালা
  2. বৈসু
  3. বিজু
  4. সাংগ্রাই
সঠিক উত্তর:
বিজু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজু
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
৭৯৯.
কোন জনগোষ্ঠীর মূল আবাস পার্বত্য চট্টগ্রামে নয়?
  1. চাক 
  2. খুমি 
  3. বম
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- খাসিয়াদের গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।
- তারা প্রচুর পান ও মধুর চাষ করে।

অন্যদিকে,
- খুমি: খুমি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী। আদিতে এরা পার্শ্ববর্তী দেশ মায়ানমার থেকে এসে বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাসমূহে বসবাস শুরু করে। খুমি জনগোষ্ঠী মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- চাক: চাক বাংলাদেশের ক্ষুদ্র আদিবাসী জনগোষ্ঠী। পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থানার বাইশারি, নাইক্ষ্যংছড়ি, কামিছড়া, ক্রোক্ষং, বাকখালি, আলেখ্যং, ক্রোয়াংঝিড়ি ও ডুছড়ি এলাকায় চাকদের বসবাস।
- বম: বমরা কুকি-চিন ভাষাভাষী মঙ্গোলীয় গােষ্ঠীভুক্ত। বম জনগােষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে বান্দরবান জেলায়। এ জেলায় রুমা, থানচি, রােয়াংছড়ি ও বান্দরবান সদর থানায় তারা বসবাস করেন। এছাড়া রাঙামাটি জেলায় বিলাইছড়ি থানায়ও এদের আবাস আছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮০০.
চাকমা শাসন ব্যবস্থায় ‘কারবারি’ বলতে কী বুঝানো হয়?
  1. ক) গ্রাম প্রধান
  2. খ) গোত্র প্রধান
  3. গ) বংশ প্রধান
  4. ঘ) মৌজা প্রধান
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রাম প্রধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রাম প্রধান
ব্যাখ্যা

- চাকমা শাসন ব্যবস্থায় গ্রাম প্রধানকে বলা হয় কারবারি।
- কারবারির কাজ হলো রাজার পক্ষ গ্রামের বিভিন্ন বিরোধের নিষ্পত্তি করা ।
- এদের রাজার সুপারিশে সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- কয়েকটি গ্রাম নিয়ে একটি মৌজা গঠিত হয়।
- মৌজার প্রধান হলো হেডম্যান।

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি , সপ্তম শ্রেণি।