বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জনমিতিক বিষয়সমূহ

মোট প্রশ্ন১,৫৬৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জনমিতিক বিষয়সমূহ

PrepBank · পাতা / ১৬ · ২০১৩০০ / ১,৫৬৭

২০১.
মুসলিম ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী পাঙ্গনদের বসবাস মূলত কোন জেলায়?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাজশাহী
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

• পাঙ্গন জাতিসত্তা: 
• পাঙ্গন জাতিসত্তা মূলত মণিপুরি মুসলিম বা পাঙাল নামেও পরিচিত এবং তারা মণিপুরি জনগোষ্ঠীর একটি অংশ।
- তারা বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত।
- সপ্তদশ শতকের প্রথম দিকে খাজা ওসমানের সৈন্যাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সানীর নেতৃত্বে ইসলাম ধর্মের অনুসারী এক দল সৈন্যবাহিনী মণিপুর রাজ্যে অভিযান চালায়। 
- তখনকার মণিপুরের রাজা খাগোম্বার সাথে এক সন্ধির ফলে এই বাহিনী মণিপুরে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করে। 
- পরবর্তীকালে মোগল শাসক মীর জুমলা আসাম আক্রমণে বিপর্যস্ত হলে ঐ সৈন্যবাহিনীর অনেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্য মণিপুরে আশ্রয় নেয়।
- তারা মণিপুরের স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ইসলাম ধর্ম প্রচার করে। 
- মণিপুরের মুসলমান জনগোষ্ঠীরাই পাঙ্গান নামে পরিচিত।
- পাঙ্গানরা 'মেইতেইলোন' ভাষায় কথা বলে যা টিবেটো-বার্মান শাখার কুকি-চিন ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- এরা সবাই ইসলাম ধর্মের সুন্নী মতাবলম্বী। 
- নিজেদের সম্প্রদায়ের মধ্যেই সাধারণত বিয়ে হয়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ অংশে এদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

উৎস:  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি, ২০১৮ বোর্ড বই। 

২০২.
'সাংলান' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব?
  1. বম
  2. খিয়াং
  3. চাক
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
খিয়াং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খিয়াং
ব্যাখ্যা

খিয়াং:
- খিয়াং পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি নৃজাতি গোষ্ঠী।আরাকান-ইয়োমা উপত্যকার অববাহিকা অঞ্চলে বসবাসরত নৃগোষ্ঠী থেকে খিয়াংদের আগমন।
- বর্তমানে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় এ জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- খিয়াংরা চীনা-তিববতীয় ভাষাগোষ্ঠীর তিববতি-ব্রহ্ম শাখার কুকি-চীন দলভুক্ত।
- খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ‘সাংলান’।
- তারা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেয়। তবে তাদের আদি দেব-দেবীদের পূজা করতেও দেখা যায়।
- বর্তমানে অনেকে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে।
- পাহাড়ের উপর খোলা জায়গায় এবং ছোট খাল বা ঝর্ণাধারার কাছে এদের গ্রামগুলি গড়ে উঠে।
- এরা ঘরকে বলে ‘ইম’ এবং গ্রামকে বলে ‘নাম’।
- খিয়াংদের সমাজব্যবস্থায় একজন নেতা থাকে যাকে বলা হয় কার্বারী।
- খিয়াংদের সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

২০৩.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনায় গণনা পদ্ধতি কী ছিল?
  1. De-jure
  2. Modified De-facto
  3. Pure De-facto
  4. Traditional
সঠিক উত্তর:
Modified De-facto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modified De-facto
ব্যাখ্যা

​ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-facto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।

​উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

২০৪.
কোন মোগল সুবেদার পর্তুগীজদের এ দেশ থেকে বিতাড়িত করেন?
  1. ক) আকবর 
  2. খ) জাহাঙ্গীর 
  3. গ) শাহজাহান 
  4. ঘ) শায়েস্তা খান 
সঠিক উত্তর:
ঘ) শায়েস্তা খান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শায়েস্তা খান 
ব্যাখ্যা
পর্তুগীজ:
-  পর্তুগীজরা প্রথম  বাংলাদেশের চট্টগ্রামে তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং কুঠিগুলোকে দুর্গে পরিণত।
- সুলতান মাহমুদ শাহ তাদের এই অনুমতি দেন।
- পর্তুগিজরাই প্রথম ইউরোপীয় যাঁরা ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য কাজে এদেশে সুদূরপ্রসারী ও স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে। তাদের জলদস্যুদের বলা হতো হার্মাদ।
- পর্তুগিজরা কেবল ব্যবসা-বাণিজ্যই করত না, তারা এদেশের জমিদার ও প্রতাপশালী বার ভূঁইয়াদের সেনাবাহিনীতেও চাকরী করত।
- তাদের অপরাধের মাত্রা বেড়ে গেলে সম্রাট শাহজাহান পর্তুগিজদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করেন
- সর্বশেষ বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান তাদের চট্টগ্রাম ও সনদ্বীপ ঘাঁটি দখল করে চিরতরে এ দেশ থেকে উচ্ছেদ করেন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৫.
দেশে বর্তমানে উপজেলার সংখ্যা কতটি?
  1. ৪৯৩টি
  2. ৪৯৪টি
  3. ৪৯৫টি
  4. ৪৯৬টি
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
ব্যাখ্যা
দেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বিভাগ - ৮টি।
- জেলা - ৬৪টি।
- সিটি কর্পোরেশন - ১২টি।
- উপজেলা - ৪৯৫টি।
- ইউনিয়ন - ৪,৫৯৬টি।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন।
২০৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা - ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশে বর্তমান সাক্ষরতার হার-
  1. ৭৪.৮%
  2. ৭৬.৮%
  3. ৭৬.৪%
  4. ৭৩.২%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮: ১০০,৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
২০৭.
দেশের সবচেয়ে বেশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে কোন বিভাগে?
  1. রাজশাহী বিভাগ
  2. চট্টগ্রাম বিভাগ
  3. ঢাকা বিভাগ
  4. বরিশাল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিভাগ
ব্যাখ্যা
দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হার:
- দেশে বর্তমানে ২২ লাখ ৬৫ হাজার ২০১ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে, যা মোট জনসংখ্যার ১.৩৭ শতাংশ।
- পুরুষ প্রতিবন্ধী ১২ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯১ জন।
- নারী প্রতিবন্ধী ৯ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৯ জন।
- তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ৫৪১ জন।
- সবচেয়ে বেশি ৪,৫৮,৬৮৩ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বাস ঢাকা বিভাগে।
- চট্টগ্রাম বিভাগে ৪,১৬,১৫৮ জনের বাস।
- রাজশাহী বিভাগে রয়েছে ৩,২৭,৪৫২ জন। 
- সবচেয়ে কম ১,৪২,০৯৬ জন বরিশাল বিভাগে।
- দেশে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা সর্বাধিক যা মোট প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ৩৩.৩৮%। 

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
২০৮.
২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে _____ ।
  1. ক) ১৬ কোটি ২৮ লাখ
  2. খ) ১৭ কোটি ৩৬ লক্ষ
  3. গ) ১৮ কোটি ৫০ লক্ষ
  4. ঘ) ১৯ কোটি ৬৮ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ কোটি ৩৬ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ কোটি ৩৬ লক্ষ
ব্যাখ্যা
UNFPA এর তথ্য অনুসারে ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে সর্বোচ্চ ১৭ কোটি ৩৬ লক্ষ এবং ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে সর্বোচ্চ ২২ কোটি ৩৫ লক্ষ।
Source: BANGLADESH BUREAU OF STATISTICS (BBS), STATISTICS AND INFORMATICS DIVISION (SID), MINISTRY OF PLANNING.
২০৯.
নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানটি জনসংখ্যা বিষয়ে গবেষণা করে?
  1. NAPE
  2. NICAR
  3. NAEM
  4. NIPORT
সঠিক উত্তর:
NIPORT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NIPORT
ব্যাখ্যা
NIPORT:
- NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়‌।
- নিপোর্ট এই মন্ত্রণায়লের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

অন্যদিকে,
• NAPE:
- NAPE-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Primary Education.
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি।

• NAEM:
- NAEM-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Educational Management.
- জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি।

• NICAR:
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform.
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
২১০.
বাংলাদেশে বাস নেই এমন উপজাতির নাম-
  1. সাঁওতাল
  2. মাওরি
  3. মুরং
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
মাওরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওরি
ব্যাখ্যা
• মাওরি — নিউজিল্যান্ডের উপজাতি সম্প্রদায়ের নাম।
- বাংলাদেশে এদের অবস্থান নেই।
- বাংলাদেশে মোট ৫০ টি উপজাতি রয়ছে।
- বাংলাদেশ সরকার ৫০ টি উপজাতির নাম উল্লখে করে গেজেট প্রকাশ করে।

• অন্যদিকে,
 সাঁওতাল, মুরং, গারো সম্প্রদায় বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। 

উল্লেখ্য, 
- সাঁওতাল জনগোষ্ঠী রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া প্রভৃতি জেলায় বসবাস করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলায় মুরং উপজাতি বাস করে।
- গারোদের বসবাস ময়মনসিংহ অঞ্চলে।
 
সুত্র: বাংলাপিডিয়া, ব্রিটানিকা, সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
২১১.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট কতটি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে? [নভেম্বর- ২০২৪]
  1. ৯ টি
  2. ১০ টি
  3. ১১ টি
  4. ১২ টি
সঠিক উত্তর:
১২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজ: 
- বাংলাদেশ এ বর্তমানে ক্যাডেট কলেজের সংখ্যা ১২ টি।
- যার মধ্যে মহিলা ক্যাডেট কলেজ সংখ্যা ৩ টি।
- ময়মনসিংহ, জয়পুরহাট, ফেনী জেলায় ১ টি করে গার্লস ক্যাডেট কলেজ অবস্থিত।
- বাংলাদেশ এর প্রথম ক্যাডেট কলেজ- ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ।
- প্রথম মহিলা ক্যাডেট কলেজ- ময়মনসিংহ মহিলা ক্যাডেট কলেজ।

বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজের তালিকা: 
- ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ,
- ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ,
- মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ,
- রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ,
- বরিশাল ক্যাডেট কলেজ,
- পাবনা ক্যাডেট কলেজ,
- সিলেট ক্যাডেট কলেজ,
- রংপুর ক্যাডেট কলেজ,
- কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ,
- ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ,
- ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ,
- জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ।

- এগুলোর মধ্যে প্রথম নয়টি ছেলেদের, পরের তিনটি মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
২১২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে মোট সিটি কর্পোরেশন কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:-
- দেশে মোট সিটি কর্পোরেশন আছে - ১২টি।
- দেশে মোট উপজেলা আছে - ৪৯৫টি।
- মেট্রো থানা আছে - ১০৫টি।
- ইউনিয়নের সংখ্যা - ৪৫৯৬টি।
- মোট গ্রামের সংখ্যা - ৯০০৪৯টি।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২১৩.
বর্তমানে বাংলদেশে মাতৃত্বকালীন ছুটি কত মাস?
  1. ক) ৩ মাস
  2. খ) ৪ মাস
  3. গ) ৫ মাস
  4. ঘ) ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ মাস
ব্যাখ্যা
• ২০১১ সালের ৯ জানুয়ারি ১৯৭ ধারার উপধারা-১ সংশোধন করে মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ বেতনসহ চার মাস থেকে ছয় মাসে উন্নীত করা হয়েছিল।
• ছয় মাসের কম বয়সী শিশুসন্তান নিয়ে প্রথম সরকারি চাকরিতে যোগ দিলে পূর্ণ বেতনে মাতৃত্বকালীন ছুটি পাবেন নারীরা।
- ২০২১ সালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
২১৪.
'ঝুমুর গান' কোন সম্প্রদায়ের পার্বণ?
  1. সাঁওতাল
  2. গারো
  3. মণিপুরী
  4. লুসাই
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে।
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই। সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য সূর্য।
- সাঁওতাল সমাজ প্রধানত কৃষিনির্ভর।
- সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত। সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই।
- সাঁওতালদের মধ্যে এখনও ১২টি গোত্রবিভাগ রয়েছে।
- সাঁওতাল গ্রামগুলো দিশাম নামে পরিচিত।

⇒ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে:
- সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মাঝে প্রচলিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাঝে অন্যতম হলো ঝুমুর গান ও নাচ।
- সাধারণত বিয়ের উৎসব ও করম উসবে সাঁওতালরা ঝুমুর গান ও নাচ পরিবেশন করে থাকে।
- এছাড়া মুন্ডা, ওঁরাও এবং বর্তমানে বাঙালি হিন্দু-মুসলমানদের মাঝেও এই গান ও নাচ জনপ্রিয়।
- ঝুমুর নাচ রংপুর এবং রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
২১৫.
চাকমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব কোনটি?
  1. বৈসু
  2. ওয়ানগালা
  3. সাংগ্রাই
  4. বিজু
সঠিক উত্তর:
বিজু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজু
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
২১৬.
হাজং জনগোষ্ঠীর বসবাস কোন জেলায়?
  1. ক) নেত্রকোনা
  2. খ) শেরপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• হাজং জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস ময়মনসিংহ জেলায়।
• এছাড়া নেত্রকোনা, শেরপুরসিলেট জেলাতেও হাজংদের বসবাস রয়েছে।
• হাজংদের আদি নিবাস উত্তর বার্মায়।
• এদের সমাজ কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
• হাজং শব্দের অর্থ ‘মাটির পোকা’।
• হাজংরা ধর্মীয় বিশ্বাসে হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
• তবে তাদের কিছু নিজস্ব আদি বিশ্বাস আছে। উপাসানাভেদে হাজংদের কেউ কেউ শক্তির উপাসক। আবার কেউ কেউ বৈষ্ণবপন্থি।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
২১৭.
'সোহরাই' বাংলাদেশর কোন উপজাতির ঐতিহ্যবাহী উৎসব?
  1. খাসিয়া
  2. মারমা
  3. সাঁওতাল
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:

- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য তবু পর্বত দেবতাও (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২১৮.
'ওয়ানগালা' কোন উপজাতির উৎসব?
  1. ক) রাখাইন
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) গারো
সঠিক উত্তর:
ঘ) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গারো
ব্যাখ্যা
- ওয়ানগালা হলো গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব। এটি তাদের প্রধান সামাজিক ও কৃষিকেন্দ্রিক উৎসব।
অন্যদিকে,
- সোহরাই হলো সাঁওতালদের প্রধান উসব।
- মুরংদের প্রধান উৎসব চিয়াৎসপয়
- ওরাঁওদের প্রধান উৎসব হলো কারাম উৎসব।

(তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণী)
২১৯.
বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা কতটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪৮টি
  2. ৪৯টি
  3. ৫০টি
  4. ৫১টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- বাংলাদেশে ৫০টি আদিবাসী বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।  এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।
২২০.
বর্তমানে বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর(প্রতি হাজারে) হার কত?
  1. ক) ২১ জন
  2. খ) ৮৫ জন
  3. গ) ৩৫ জন
  4. ঘ) ৪২ জন
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ জন
ব্যাখ্যা

বর্তমানে বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর(প্রতি হাজারে) ২১ জন।
- দেশে শিশুমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। স্বাধীনতার সময় শিশুমৃত্যুর হার ছিল ১৪১, এখন তা ২১।
- শিশুমৃত্যুর হার কমেছে ৮৫ শতাংশ।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

২২১.
ম্রো জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে কোন জেলায়?
  1. বান্দরবান
  2. পটুয়াখালী
  3. সিলেট
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
মুরং/ম্রো:

- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২২২.
কোন উপজাতির পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক?
  1. মারমা
  2. গারো
  3. রাখাইন
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
• গারো:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- গারোরা টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে। 
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ।

- এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে - ময়মনসিংহে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত।

- একই উপগোত্রের মধ্যে বিবাহ গারো সমাজে নিষিদ্ধ।
- গারোরা নিজেদের আচিক্ মান্দে (পাহাড়ের মানুষ) বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- গারোদের প্রধান খাদ্য ভাত।
- বর্তমানে গারোদের শতকরা নিরানব্বইজনই খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী।
- তাদের প্রধান উৎসব- ওয়ানগালা।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২২৩.
প্রধানত নিচের কোন জেলায় রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করে?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
ঘ) পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা - ৫০টি।
তাদের মধ্যে রাখাইন উপজাতিরা প্রধানত পটুয়াখালী এবং কক্সবাজার জেলায় বসবাস করে। এছাড়াও রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও বরগুনা জেলায় কিছু সংখ্যক রাখাইন সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে। রাখাইনরা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, পটুয়াখালী জেলা।
২২৪.
জনশুমারি - ২০২৫ অনুসারে বাংলাদেশে উপজেলার সংখ্যা কতটি?
  1. ৫০২টি
  2. ৪৯৫টি
  3. ৪৯৩টি
  4. ৪৯৭টি
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৫টি
ব্যাখ্যা
দেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বিভাগ : ৮টি।
- জেলা : ৬৪টি।
- সিটি কর্পোরেশন : ১২ টি।
- উপজেলা  :  ৪৯৫ টি।
- মেট্রো থানা :  ১০৫ টি।
- পৌরসভা :  ৩৩০ টি।
- ইউনিয়ন :  ৪,৫৯৬ টি।
- মৌজা :  ৫৮,৮৪৬ টি।
- গ্রাম :  ৯০,০৪৯ টি।
- মহল্লা : ১৫,১৫৩ টি।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২, স্থানীয় সরকার বিভাগ ।
২২৫.
ওঁরাও জাতিগোষ্ঠীর প্রধান বসতিস্থল কোনটি?
  1. বরেন্দ্র অঞ্চল
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  3. সিলেট অঞ্চল
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র অঞ্চল
ব্যাখ্যা

ওঁরাও:
- ওঁরাও দক্ষিণ এশিয়ার একটি বড় নৃগোষ্ঠী।
- ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে এদের বাস।
- ওঁরাওদের প্রধান বসতিস্থল হলো বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চল। বাংলাদেশে বর্তমানে গাজীপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা ওঁরাওদের প্রধান বসতিস্থল।

⇒ ওঁরাওদের ভাষার নাম কুরুখ ও সাদ্রি।
- এই ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই।
- ওঁরাও আদিবাসীরা নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তরপুরুষ।
- ওঁরাও সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

⇒ এদের গ্রামপ্রধানকে বলা হয় মাহাতো।
- এদের নিজস্ব আঞ্চলিক পরিষদ আছে, যা পাহতো নামে পরিচিত।
- এই পরিষদে কয়েকটি গ্রামের প্রতিনিধিরা থাকে।
- অন্যান্য আদিবাসী জাতির মতো ওঁরাও সমাজও সর্বপ্রাণবাদী প্রকৃতি উপাসক, তবে এদের ধর্মবিশ্বাসে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে সর্বশক্তিমান ‘ধরমী’ বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’ স্বীকৃত।
- এদের প্রধান উৎসবের নাম কারাম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২২৬.
নিচের কোন উপজাতীয় ভাষাদ্বয়ের নিজস্ব বর্ণমালা আছে?
  1. চাকমা ও মগ
  2. হাজং ও সাওতালী
  3. চাকমা ও মণিপুরী
  4. হাজং ও চাকমা
সঠিক উত্তর:
চাকমা ও মগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা ও মগ
ব্যাখ্যা
উপজাতি:
- বাংলাদেশে ৫০ টি উপজাতি বসবাস করলেও এদের সকলের নিজস্ব ভাষা নেই।
- কোচ, রাজবংশী, হাড়ি, পাতোর, বেদে সহ অনেকগুলো উপজাতীরই নিজস্ব ভাষা নেই।
- এরা বাংলা ভাষায় কথা বলে। বাংলাদেশে উপজাতী ভাষার সংখ্যা ত্রিশটির অধিক।
- এদের মধ্যে একমাত্র চাকমা এবং মগ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট ১১ টি উপজাতি বসবাস করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
২২৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, নারী সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭২.৮০%
  2. ৭২.৯৪%
  3. ৭৪.৮০%
  4. ৭৪.৯৪%
সঠিক উত্তর:
৭২.৯৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২.৯৪%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।

⇒ সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%। 
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%। 
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%। 
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

২২৮.
হাজংদের বাস নেই কোন জেলায়?
  1. শেরপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. নেত্রকোনা
  4. জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
ব্যাখ্যা
হাজংদের বাস নেই - জয়পুরহাটে।

• হাজং:
- হাজং  বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।

- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এটি তারা নিজেদের মধ্যেই ব্যবহার করে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২২৯.
৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুসারে, সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম কোন বিভাগে?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. বরিশাল
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা:
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
২৩০.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে বসবাস করে না?
  1. ক) মুন্ডা
  2. খ) নাগা
  3. গ) মাহাতো
  4. ঘ) খিয়াং
সঠিক উত্তর:
খ) নাগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাগা
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী:
- নাগা নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে বাস করে না। এরা উত্তর-পূর্ব ভারত এবং উত্তর-পশ্চিম মায়ানমারের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী।
- মুন্ডা, মাহাতো ও খিয়াং নৃগোষ্ঠীসহ বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ব্রিটানিকা।
২৩১.
নিচের কোনটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. খাসিয়া
  2. চাকমা
  3. মারমা
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:

- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২৩২.
নিম্নোক্ত কোন সালে বাংলাদেশে আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশে আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়নি। 

জনশুমারি:

- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম জনশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ জনশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

সূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২৩৩.
চাকমা সমাজে পাড়ার প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. মৌজা
  2. আদাম
  3. কার্বারি
  4. হেডম্যান
সঠিক উত্তর:
কার্বারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বারি
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- বাংলাদেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- নৃতাত্ত্বিক বিচারে চাকমারা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর লোক।
- তাদের মুখমণ্ডল গোলাকার, নাক চ্যাপ্টা, চুল সোজা এবং কালো, গায়ের রং ঈষৎ হলদেটে।
- বাংলাদেশের বাইরেও চাকমারা ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও অরুণাচলে বসবাস করে।

সামাজিক জীবন:
- চাকমা সমাজে মূল অংশ পরিবার।
- কয়েকটি চাকমা পরিবার নিয়ে গঠিত হয় ‘আদাম’ বা ‘পাড়া’।
- পাড়ার প্রধানকে বলা হয় কার্বারি।
- কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- মৌজার প্রধানকে বলা হয় হেডম্যান।
- কার্বারি ও হেডম্যান মিলে যথাক্রমে পাড়া ও মৌজার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে।
- কয়েকটি মৌজা মিলে চাকমা সার্কেল গঠিত হয় এবং এর প্রধান হলেন চাকমা রাজা।
- চাকমা সমাজে রাজার পদটি বংশানুক্রমিক।
- চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। চাকমা পরিবারে পিতাই প্রধান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
২৩৪.
পার্বত্য তিন জেলার আয়তন -
  1. ক) ৯২৯৫ বর্গ কি.মি
  2. খ) ১৩২৯৫ বর্গ কি.মি
  3. গ) ২৩৮৯১ বর্গ কি.মি
  4. ঘ) ১৭৭২৫ বর্গ কি.মি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩২৯৫ বর্গ কি.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৩২৯৫ বর্গ কি.মি
ব্যাখ্যা

পার্বত্য তিনটি জেলার মোট আয়তন ১৩,২৯৫ বর্গ কিলোমিটার।
- ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী এ অঞ্চলের মোট জনসংখ্যা ১৫,৮৭,০০০ জন।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও জাতিসত্তা সমূহের অধিবাসীদের মধ্যে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চংগ্যা, ম্রো, লুসাই, বোম, পাংখো, খুমি, চাক, খেয়াং প্রভৃতি উপজাতি রয়েছে।
- অ-উপজাতীয়দের মধ্যে ৪৮ ভাগ মুসলমান এবং বাকীরা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী|

উৎস: mochta.gov.bd(পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়)

২৩৫.
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ উপজাতি-
  1. ক) খাসিয়া
  2. খ) হাজং
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) গারো
সঠিক উত্তর:
গ) সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ উপজাতি সাঁওতাল
- এদের বসবাস দিনাজপুর, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় প্রভৃতি জেলায়।
- এদের ধর্ম সনাতন ও খ্রিস্টান।
- এদের উৎসব সোহরাই।
- এদের ভাষা অস্ট্রিক।
- ঝুমুর, দোন ও ঝিকা হলো সাঁওতাল নাচ।
- সাঁওতাল সমাজের মূল ভিত্তি হলো গ্রাম-পঞ্চায়েত।
২৩৬.
মণিপুরি জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় উৎসব কোনটি?
  1. চৈত্রসংক্রান্তি
  2. মাঘীপূর্ণিমা
  3. ওয়ানগালা
  4. মহারাসলীলা
সঠিক উত্তর:
মহারাসলীলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহারাসলীলা
ব্যাখ্যা

• মণিপুরী:
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।

⇒ মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙান।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

⇒ মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব 'মহারাসলীলা'। 

অন্যদিকে,
- চৈত্র সংক্রান্তি হলো বাংলা বছরের শেষ দিনের উৎসব। 
- গারোদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- মাঘী পূর্ণিমা হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের একটি অত্যন্ত পবিত্র উৎসব। 

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৩৭.
কোন নৃ-গোষ্ঠীর তিব্বত থেকে এসেছে?
  1. ক) গারো
  2. খ) ম্রো
  3. গ) ওঁরাত
  4. ঘ) খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গারো
ব্যাখ্যা
গারোরা বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বসবাস করে। তারা তিব্বত থেকে এদেশে আসে। এরা নৃতাত্ত্বিকভাবে মঙ্গোলয়েড জাতিগোষ্ঠীর। নিজেদের গারোরা মান্দি বলে পরিচয় দিয়ে থাকে। তাদের ভাষার নাম আচিক খুসিক। তবে গারো ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণী।
২৩৮.
চাকমা সমাজে পাড়ার প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. ক) আদাম
  2. খ) কার্বারি
  3. গ) হেডম্যান
  4. ঘ) চাকমা রাজা
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বারি
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- বাংলাদেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। 
- নৃতাত্ত্বিক বিচারে চাকমারা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর লোক।
- তাদের মুখমণ্ডল গোলাকার, নাক চ্যাপ্টা, চুল সোজা এবং কালো, গায়ের রং ঈষৎ হলদেটে।
- বাংলাদেশের বাইরেও চাকমারা ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও অরুণাচলে বসবাস করে।

সামাজিক জীবন:
- চাকমা সমাজে মূল অংশ পরিবার।
- কয়েকটি চাকমা পরিবার নিয়ে গঠিত হয় ‘আদাম’ বা ‘পাড়া’।
- পাড়ার প্রধানকে বলা হয় কার্বারি
- কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- মৌজার প্রধানকে বলা হয় হেডম্যান।
- কার্বারি ও হেডম্যান মিলে যথাক্রমে পাড়া ও মৌজার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে।
- কয়েকটি মৌজা মিলে চাকমা সার্কেল গঠিত হয় এবং এর প্রধান হলেন চাকমা রাজা।
- চাকমা সমাজে রাজার পদটি বংশানুক্রমিক।
- চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক । চাকমা পরিবারে পিতাই প্রধান।
- তারপরে মা ও জ্যেষ্ঠপুত্রের স্থান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
২৩৯.
বাংলাদেশে মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোনটি?
  1. চাকমা
  2. সাঁওতাল
  3. মারমা 
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

গারো:
- ‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ তথা টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- গারো জনগোষ্ঠীর আদি আবাসস্থল তিব্বতে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- বর্তমানে গারোদের বেশিরভাগই খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।

২৪০.
BIRDEM এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) ডা. ক্ষিতিশ চন্দ্র মণ্ডল
  2. খ) ডা. নুরুল ইসলাম
  3. গ) ডা. আখতার হামিদ
  4. ঘ) ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
BIRDEM (Bangladesh Institute of Research and Rehabilitation in Diabetes, Endocrine and Metabolic Disorders) এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

বারডেম ১৯৮০ সালে ঢাকার শাহবাগে সরকার প্রদত্ত জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয়। বারডেম বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতির অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।

(তথ্যসূত্র: বারডেম ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
২৪১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে চরম দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ক) ২০.৫%
  2. খ) ১১.৫%
  3. গ) ১০.৫ %
  4. ঘ) ২১.৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ১০.৫ %
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০.৫ %
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ তথ্য অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা ১৭কোটি ৮লাখ বা  ১৭০.৮ মিলিয়ন। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১১৪০ জন। 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ১০০.২ : ১০০।
- গড় আয়ু বা প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল ৭২.৮ বছর।
- দারিদ্র্যের হার ২০.৫%। 
- চরম দারিদ্র্যের হার ১০.৫%
- সাক্ষরতার হার ৭৫.২%। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২। 
২৪২.
মারমাদের আদি নিবাস কোথায় ছিল?
  1. তিব্বত 
  2. আরাকান
  3. ত্রিপুরা
  4. মিজোরাম
সঠিক উত্তর:
আরাকান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরাকান
ব্যাখ্যা

- মারমাদের আদি নিবাস ছিল আরাকান।

মারমাদের জাতিগত উৎপত্তি:
- মারমারা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- তারা মূলত মায়ানমারের আরাকানিদের বংশধর।
- মারমা সম্প্রদায়ের গায়ের রঙ হলদে ফর্সা, উচ্চতা তুলনামূলকভাবে খাটো, নাক বোঁচা, কালো চুল ও ছোট চোখ।
- ১৪ থেকে ১৭ শতকে বার্মিজরা আরাকান জয় করলে মারমারা আরাকান থেকে বিতাড়িত হয়।
- তখন তারা থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলে অনুপ্রবেশ করে।
- মায়ানমারের প্রাচীন পেগুসিটি হল মারমা সম্প্রদায়ের আদি বাসস্থান।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪৩.
বাংলাদেশে  জনসংখ্যায় দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী- (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. মারমা 
  2. খাসিয়া
  3. মণিপুরি 
  4. ত্রিপুরা 
সঠিক উত্তর:
মারমা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা 
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে,

- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)। 
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় লালমনিরহাট (১১৮ জন)। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

২৪৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার -
  1. ১.১২%
  2. ১.২২%
  3. ১.৩৩%
  4. ১.২১%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) গ্রামে বাস করে।

⇒ সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
২৪৫.
'গারো উপজাতি' কোন জেলায় বাস করে? 
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. ময়মনসিংহ
  4. টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• 'গারো' উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস — ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।

তাছাড়া,
- শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে।

উল্লেখ্য, 
গারো উপজাতি মূলত ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বাস করে। বিশেষ করে, গারো উপজাতির মানুষেরা ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ী অঞ্চলে বসবাস করে। তাদের মূল আবাসস্থল হচ্ছে ময়মনসিংহের গারো পাহাড় এলাকা।
সিলেট জেলায় কিছু সংখ্যক গারো বাস করলেও বেশিরভাগ গারো 'ময়মনসিংহ' জেলায় বাস করে বিধায় উত্তর হিসেবে ময়মনসিংহ গ্রহণ করা হলো।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: 
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'। 
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান। 
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'। 
- গারোদের ভাষা মান্দি। 
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক। 

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
২৪৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭১.৮০%
  2. ৭৪.৮০%
  3. ৮০.৮০%
  4. ৭৯.৮০%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।

উলেখ্য, 
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- নারীর সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।

সূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২৪৭.
‘ঝুমুর নাচ’ কাদের সংস্কৃতির অংশ?
  1. সাঁওতাল 
  2. চাকমা 
  3. গারো 
  4. মারমা
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল 
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল: 
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।
- সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মাঝে প্রচলিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাঝে অন্যতম হলো ঝুমুর গান ও নাচ।
- সাধারণত বিয়ের উৎসব ও করম উসবে সাঁওতালরা ঝুমুর গান ও নাচ পরিবেশন করে থাকে।
- এছাড়া মুন্ডা, ওঁরাও এবং বর্তমানে বাঙালি হিন্দু-মুসলমানদের মাঝেও এই গান ও নাচ জনপ্রিয়। 
- ঝুমুর নাচ রংপুর এবং রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ।

উৎস:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

২৪৮.
বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ অনুসারে, ২০৬২ সাল থেকে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কী হবে?
  1. ধনাত্মক
  2. স্থিতিশীল
  3. ঋণাত্মক 
  4. শূন্য
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক 
ব্যাখ্যা

'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
- রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয়।
- প্রতিবছর ১১ জুলাই জনসংখ্যা দিবস পালন কর হলেও অনিবার্য কারণে মন্ত্রণালয় গতকাল এই দিবস পালন করেছে।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।

- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- ২০৬২ সাল থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।

- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো।

২৪৯.
গারো উপজাতি প্রধানত কোন অঞ্চলের বাসিন্দা?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
গারোরা বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বসবাস করে। তারা তিব্বত থেকে এদেশে আসে। এরা নৃতাত্ত্বিকভাবে মঙ্গোলয়েড জাতিগোষ্ঠীর। নিজেদের গারোরা মান্দি বলে পরিচয় দিয়ে থাকে। তাদের ভাষার নাম আচিক খুসিক। তবে গারো ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
২৫০.
জনশুমারি পরিচালনা করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. IPH
  2. BBS
  3. ICDDRB
  4. CAPI
সঠিক উত্তর:
BBS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BBS
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২৫১.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র ব্যক্তি কে?
  1. ক) অমিত চাকমা
  2. খ) ইউ কে চিং
  3. গ) পীড়েন স্যানাল
  4. ঘ) সাচিং প্রু জেরি
সঠিক উত্তর:
খ) ইউ কে চিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউ কে চিং
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে ইউ কে চিং বীর বিক্রম খেতাব লাভ করেন।
- তিনি মারমা সম্প্রদায়ভুক্ত ও বান্দরবান জেলার বাসিন্দা।
- ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই তিনি মারা যান।
(সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
২৫২.
বাংলাদেশে বসবাসরত কোন নৃগোষ্ঠীর মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা রয়েছে?   
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. গারো
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

গারো নৃগোষ্ঠী: 
- গারোরা বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- বসবাস: টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর।
- ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা: ময়মনসিংহ (হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া), নেত্রকোনা (দুর্গাপুর, কলমাকান্দা), শেরপুর (নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী), টাঙ্গাইল (মধুপুর)।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয়ে বাসকরে।
- নৃ-বিজ্ঞান অনুযায়ী: মঙ্গোলীয় জাতির তিব্বতি-বর্মী শাখার বোড়ো উপশাখা।
- সমাজ ব্যবস্থা: মাতৃতান্ত্রিক।
- উত্তরাধিকারী কন্যা: নক্না।
- আত্মপরিচয়: আচিক্ মান্দে।
- গোত্র: সাংমা, মারাক, মোমিন, শিরা, আরেং।
- প্রধান ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (ব্যাপ্টিস্ট ও ক্যাথলিক)।
- প্রধান উৎসব: ওয়ানগালা (ধান কাটার উৎসব, ফসল উৎস।
- চাকমা, মারমা, সাঁওতাল পিতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবাস্থা।

উল্লেখ্য
আদি ইতিহাস
- আদি বাসভূমি: চীনের উত্তর-পশ্চিমের সিনকিয়াং প্রদেশ।
- পরবর্তীতে: তিব্বতে, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বাংলাদেশ।
- প্রায় ৪–৪.৫ হাজার বছর আগে গারো পাহাড়ে বসতি স্থাপন।
- সর্বশেষ ময়মনসিংহে আশ্রয় নিয়ে ক্ষুদ্র সামন্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

২৫৩.
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়-
  1. ক) ১১ জুলাই
  2. খ) ২২ এপ্রিল
  3. গ) ১০ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১০ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১১ জুলাই
ব্যাখ্যা
১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়। ১৯৮৯ সালে ইউএনডিপি”র উদ্যোগে দিবসটি পালন করা শুরু হয়। ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। ১০ অক্টোবর বিশ্ব মনসিক স্বাস্থ্য দিবস। (সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
২৫৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা কোনটি?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৫৫.
মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী? 
  1. বৈসুক
  2. সাংগ্রাই
  3. ওয়ানগালা
  4. বিজু
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংগ্রাই
ব্যাখ্যা

মারমা:
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- এই ভাষা 'ভোট বর্মী' শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম 'সাংগ্রাই'।
- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান হলেন একজন হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান হলেন রাজা।
- গ্রামের কারবারি মৌজার হেডম্যান এবং সার্কেল প্রধানের মূল দায়-দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।

অন্যদিকে, 
- চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম ⎯ বিজু।
- ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসুখ/বৈসু/বাইশু,
- মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম সাংগ্রাই,
এবং ওয়ানগালা (গারো জাতির একটি উৎসব)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৫৬.
বাংলাদেশে বসবাসরত মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী- 
  1. গারো 
  2. খাসিয়া 
  3. সাঁওতাল
  4. ক + খ 
সঠিক উত্তর:
ক + খ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + খ 
ব্যাখ্যা

- গারো ও খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।

খাসিয়া:

- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- এদের অধিকাংশই সীমান্ত অঞ্চলে বাস করে।
- গায়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর এবং জোয়াই ও জৈন্তাপুরের মাঝখানে অনেক খাসিয়া বসতি রয়েছে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।

গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ছাড়াও টাঙ্গাইল, সিলেট, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকাও গাজীপুরজেলায় গারোরা বাস করে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৫৭.
নিচের কোনটি চাকমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্ববৃহৎ উৎসব?
  1. বিজু
  2. সাংগ্রাই
  3. বৈসু
  4. ওয়ানগালা
সঠিক উত্তর:
বিজু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজু
ব্যাখ্যা
চাকমাদের সংস্কৃতি: 
- চাকমাদের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্ববৃহৎ উৎসব হলো 'বিজু'।
- বাংলা বর্ষের শেষ দুদিন ও নববর্ষের প্রথম দিনে চাকমারা বিজু উৎসব পালন করে।
- অন্যান্য নৃগোষ্ঠীর তুলনায় চাকমারা তুলনামূলকভাবে বেশি শিক্ষিত।
- চাকমাদের নিজস্ব ভাষা ও বর্ণমালা রয়েছে।

এছাড়া, 
- মারমারা পুরাতন বর্ষকে বিদায় ও নববর্ষকে বরণ উপলক্ষে সাংগ্রাই উৎসব উদযাপন করে।
- নতুন ধান মাড়াইয়ে বাঙালির নবান্ন আর গারো নৃগোষ্ঠীর ওয়ানগালা একই সূত্রে গ্রোথিত।
- বৈসু ত্রিপুরাদের উৎসবের নাম। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৫৮.
৬ষ্ঠ জনশুমারিতে কয় ধরনের তথ্য নেওয়া হয়েছে?
  1. ৩০
  2. ৩৮
  3. ৪১
  4. ৪৫
সঠিক উত্তর:
৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫
ব্যাখ্যা
৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা:   
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- ডিজিটাল শুমারিতে প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে ৩৫ ধরনের তথ্যসহ আরও ১০টি সহায়ক তথ্য নেওয়া নিয়েছেন তথ্য সংগ্রহকারীরা।
- এতে করে একজন নাগরিকের মোট ৪৫ ধরনের তথ্য নেওয়া হয়েছে।


জনশুমারি নিয়ে কিছু তথ্য:
- ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৮৭২ সালে।পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে। এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে একবছর পিছিয়ে যায়।
- পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সেই সময় বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৩ লাখ। 
- ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে।

উৎস: i) ১৫ জুন ২০২২, বিবিসি বাংলা।
          i) ১৫ জুন ২০২২, প্রথম আলো।
২৫৯.
'চেরাউ নৃত্য' কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যের অংশ?
  1. খুমি
  2. লুসাই
  3. বম
  4. মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
বম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বম
ব্যাখ্যা

বম জনগোষ্ঠী:
- বাংলাদেশের বান্দরবানে বেশিরভাগ বম জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- বমদের গ্রামগুলির চারপাশে শক্ত গাছের খুঁটি পুঁতে বেষ্টনী তৈরি করা হতো।
- বমরা মাটিতে খুঁটি পুঁতে উঁচু পাহাড়ের উপর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে তাতে বাড়িঘর নির্মাণ করে। তাদের ঘরকে মাচাং বলা হয়। মাচাং বাঁশ বা কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়।
- সামাজিক আচার-আচরণ, বিচার সালিশ এবং বিবাদ মীমাংসার জন্য এদের নিজস্ব সামাজিক অবকাঠামো আছে।
- এই কাঠামো সামগ্রিকভাবে সামাজিক আচার-ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- বমরা তাদের জীবন পরিচালনা করে বম কাস্টমারি ল’ গ্রন্থের নির্দেশিকা অনুযায়ী।
- বমদের বাঁশনৃত্য তাদের জীবনেরই অপরিহার্য অংশ। এটি পরিবেশ থেকে নেওয়া নৃত্যানুষ্ঠান।
- 'চেরাউ নৃত্য' বম জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য।
- বমদের চেরাউ নৃত্য ও সঙ্গীত আসলে কোন আনন্দের বা উৎসবের নৃত্য বা গান নয়।
- এ নৃত্য ও গান পরিবেশিত হয় বম পরিবারের দুঃখ ও শোকের দিনে। বিশেষ করে পরিবারের কারও অকাল বা অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে এই গান করা হয়।
- শোকের সময় মানুষকে সান্ত্বনা ও সাহস দেওয়ার এটাই বমদের রীতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৬০.
'ষষ্ঠ আদমশুমারি'কে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) জনশুমারি ও গৃহগণনা
  2. খ) জনশুমারি
  3. গ) জনগণনা
  4. ঘ) জনগণনা ও গৃহগণনা
সঠিক উত্তর:
ক) জনশুমারি ও গৃহগণনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জনশুমারি ও গৃহগণনা
ব্যাখ্যা
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'
- এটি শুরু হয় ১৫ জুন যা শেষ হয় ২১ জুন,২০২২ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৫টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে।

- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হবে।
- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আনুষ্ঠানিক আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়ো’র সময়।
- এই আদমশুমারি গুণগতভাবে মানসম্পন্ন ছিলো না। তবে এই আদমশুমারি থেকেই বাংলা একটি মুসলিম প্রধান রাজ্য হিসেবে প্রথম চিহ্নিত হয়।


তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
২৬১.
The tribe "Hajong" mainly lives in______.
  1. ক) Mymensingh and Netrokona
  2. খ) Cox's Bazar and Bandarban
  3. গ) Rangpur and Dinajpur
  4. ঘ) Sylhet and Rangamati
সঠিক উত্তর:
ক) Mymensingh and Netrokona
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Mymensingh and Netrokona
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন উপজাতিদের বাসস্থান:

- গারো ও হাজংদের বসবাস ময়মনসিংহ অঞ্চলে।
- বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে রাখাইন জনগোষ্ঠী।
- বাংলাদেশে মনিপুরী উপজাতি বাস করে সিলেট অঞ্চলে।
- ওরাওঁ জনগোষ্ঠী রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
২৬২.
খাসিয়াদের সম্পর্কে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. গ্রামকে পুঞ্জি বলে
  2. পিতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী
  3. মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত
  4. প্রধান দেবতা উব্লাই নাংথউ
সঠিক উত্তর:
পিতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদের মালিক হয় নারীরা।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চেপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জিপ্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বাংলাদেশে এদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে।
- ভাত, মাংস, শুঁটকি মাছ ও মধু খাসিয়াদের প্রধান খাদ্য।
- তারা পান-সুপারিকে খুবই পবিত্র মনে করে।
- খাসিয়াদের প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।
- বর্তমানে বেশিরভাগ খাসিয়াই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৬৩.
মনিপুরীদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. সোহরাই
  2. জলকেলি
  3. ওয়ানগালা
  4. রাসপূর্ণিমা
সঠিক উত্তর:
রাসপূর্ণিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসপূর্ণিমা
ব্যাখ্যা
মনিপুরী নৃগোষ্ঠী ও রাস উৎসব:
- মনিপুরীদের প্রধান উৎসব রাসপূর্ণিমা বা রাস উৎসব।
- শরতের পূর্ণিমায় এই রাস হয়।
- রাস উৎসবের দুটি পর্ব।
- দিনের বেলায় রাখালরাস আর রাতে মহারাস।
- সম্প্রতি, মনিপুরী সম্প্রদায়ের ১৮২তম রাসোৎসব পালিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- মনিপুরী এর পূর্ব পুরুষরা হলো পাখাংবা এর বংশধর।
- ৩৩ সালে মণিপুরী রাজা পাখাংবা-র (Pakhangba) সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়। 
- তবে তারা অধিক সংখ্যক বাস করে মৌলভীবাজার জেলায়।

এছাড়াও,
- সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব হলো সোহরাই।
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব হলো - ওয়ানগালা।
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের সম্মিলিত বর্ষবরণ উৎসব হলো "বৈসাবি"।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো নিউজ।
২৬৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এ তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি ছিল কোনটি?
  1. PAPI
  2. CAPI
  3. CAWI
  4. CATI
সঠিক উত্তর:
CAPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAPI
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৬৫.
ভাষাভাষী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলা পৃথিবীর কততম ভাষা?
  1. ৫ম
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৭ম
  4. ৮ম
সঠিক উত্তর:
৭ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• বাংলা ভাষা:

- বাঙালি জনগোষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা।
- বাংলা ভাষা 'ইন্দো-ইউরোপীয়' ভাষা-পরিবারের সদস্য।
- বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় 'অহমিয়া' ও 'ওড়িয়া'।
- ধ্রুপদি ভাষা 'সংস্কৃত' এবং 'পালির' সঙ্গে বাংলা ভাষার রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।

[বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণী (নতুন বই) অনুসারে, মাতৃভাষার দিক থেকে বিশ্বে বাংলা ভাষার অবস্থান ষষ্ঠ। Ethnologue এর রিপোর্ট অনুসারে, ভাষাভাষীর জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলা ভাষার অবস্থান সপ্তম।]

[আমরা অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে সপ্তম উত্তর নিয়েছি তবে এই প্রশ্নটি পরীক্ষায় আসলে আপনি চাইলে নিজ বিবেচনায় উত্তর করতে পারেন।]

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ), Encyclopedia Britannica (Link).
২৬৬.
নিচের কোন উপজাতিটি বাংলাদেশে বাস করে না?
  1. কোল
  2. গুর্খা
  3. আফ্রিদি
  4. তঞ্চঙ্গা
সঠিক উত্তর:
আফ্রিদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফ্রিদি
ব্যাখ্যা
আফ্রিদি উপজাতি বাংলাদেশে বসবাস করে না। এরা পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী একটি জাতিগোষ্ঠী।

বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
এগুলো হলো:
- ওরাওঁ
- কোচ
- কোল
- খাসিয়া/খাসি
- খিয়াং
- খুমি
- গারো
- চাক
- চাকমা
- ডালু
- তঞ্চঙ্গা
- ত্রিপুরা
- পাংখোয়া/পাংখো
- বম
- বর্মণ
- মণিপুরী
- মারমা
- পাহাড়ী/মালপাহাড়ী
- মুন্ডা
- ম্রো/মুরং
- রাখাইন
- লুসাই
- সাঁওতাল
- হাজং
- মাহাতো/কুর্মি মাহাতো/বেদিয়া মাহাতো
- কন্দ
- কড়া
- গঞ্জু
- গড়াইত
- গুর্খা
- তেলী
- তুরি
- পাত্র
- বাগদী
- বানাই
- বড়াইক/বাড়াইক
- বেদিয়া
- ভিল
- ভূমিজ
- ভূঁইমালী
- মালো/ঘাসিমালো
- মাহালী
- মুসহর
- রাজোয়াড়
লোহার
- শবর
- হুদি
- হো
- খারিয়া/খাড়িয়া
- খারওয়ার/খেড়োয়ার।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গেজেট ও ব্রিটানিকা)
২৬৭.
ভ্রাম্যমান জনগোষ্ঠী 'বেদে' সম্প্রদায়ের আদি নাম কী?
  1. মনতং
  2. মুরং
  3. রাজবংশী
  4. নাগা
সঠিক উত্তর:
মনতং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনতং
ব্যাখ্যা

বেদে:
- বেদে সাধারণভাবে বাদিয়া বা বাইদ্যা নামে পরিচিত একটি ভ্রাম্যমাণ জনগোষ্ঠী।
- কথিত আছে যে, ১৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে শরণার্থী আরাকানরাজ বল্লাল রাজার সাথে এরা ঢাকায় আসে।
- পরবর্তীকালে তারা ইসলাম ধর্মে দীক্ষা নেয়।
- এরা প্রথমে বিক্রমপুরে বসবাস শুরু করে এবং পরে সেখান থেকে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে, এমনকি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামেও তারা ছড়িয়ে পড়ে।
- বেদের আদি নাম মনতং।
- অধিকাংশ বেদেই চিকিৎসার সাথে সম্পৃক্ত বলে মনতংরা কালক্রমে বেদে নামে অভিহিত হয়।
- বেদেরা আরাকান রাজ্যের মনতং আদিবাসী (Mon-tong) গোত্রের দেশত্যাগী অংশ। তাই এরা নিজেদের মনতং বলে পরিচয় দিতে বেশি আগ্রহী।
- যুদ্ধ ও শিকারে অতিশয় দক্ষ বেদেরা কষ্টসহিষ্ণু ও সাহসী।
- এদের গাত্রবর্ণ ও আকৃতি বাঙালিদের মতোই।
- বেদেদের নিজস্ব ভাষা আছে। ওই ভাষার নাম ঠেট বা ঠের। স্বগোত্রীয়দের সঙ্গে কথা বলার সময় তারা ওই ভাষা ব্যবহার করে থাকে। তবে বাংলা ভাষাভাষীদের সঙ্গে তারা বাংলা ভাষা ব্যবহার করে।
- বেদেদের সমাজ পিতৃপ্রধান হলেও মেয়েরা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- নৌকাই তাদের জীবন-জীবিকার সব। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে, এক নগর থেকে আরেক নগরে ঘুরে বেড়ায় নৌকা দিয়ে।
- বেদেরা সাপ ধরে খেলা দেখায় এবং সাপের বিষ বিক্রি করে।
 - এ ছাড়া তারা তাবিজ-কবচও বিক্রি করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৬৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি -
  1. মারমা
  2. ত্রিপুরা
  3. সাঁওতাল
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০ টি। এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

শুমারি অনুযায়ী, 
- ৫০টি জাতিসত্তার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯।
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে - মারমা।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে  ত্রিপুরা।
- চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল।

- জেলার নিরিখে দেশে রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪।
- এরপরই আছে আরেক পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। এখানে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ (২৭ জুলাই, ২০২২)।
২৬৯.
কোন উপজাতিটির আবাসস্থল “বিরিশিরি” নেত্রকোনায়?
  1. ক) সঁওতাল
  2. খ) গারো
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) মুরং
সঠিক উত্তর:
খ) গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গারো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর অন্যতম গারো সম্প্রদায়।
- গারো নৃ-গোষ্ঠী নিজেদের ‘মান্দি’ হিসেবে পরিচয় দিতে স্বচ্ছন্দবোধ করে।
- গারোরা ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইলের মধুপুর এবং গাজীপুরের শ্রীপুরে বসবাস করে।
- গারোদের আদি নিবাস ছিল তিব্বতে।
- গারো নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার নাম ‘আচিক খুসিক’ যার অর্থ পাহাড়ী ভাষা। তবে সমতলের গারোদের ভাষা ‘লামদানী’ নামে পরিচিত।
- গারোদের প্রধান উৎসবের নাম ওয়ানগালা। এটি কৃষিকেন্দ্রিক উৎসব।
- গারো সমাজব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- তাদের আদি ধর্মের নাম ‘সাংসারেক’ যার প্রধান দেবতা ছিলো ‘তাতারা রাবুগা’। তবে বর্তমানে অধিকাংশ গারো খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারি।

সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী।

২৭০.
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-২০২০ অনুসারে জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) ৬ষ্ঠ
  2. খ) ৭ম
  3. গ) ৮ম
  4. ঘ) ৯ম
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল কর্তৃক প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-২০২০ অনুসারে জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম। এশিয়ায় পঞ্চম, মুসলিম বিশ্বে ৪র্থ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয়। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬.৪৭ কোটি।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার : আগস্ট)
২৭১.
মনিপুরীদের পূর্বপুরুষ হল-
  1. ক) সুসাইম
  2. খ) পাখাংবা
  3. গ) চান্দো
  4. ঘ) মাইতে
সঠিক উত্তর:
খ) পাখাংবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাখাংবা
ব্যাখ্যা

মনিপুরী এর পূর্ব পুরুষরা হলো পাখাংবা এর বংশধর।
- ৩৩ সালে মণিপুরী রাজা পাখাংবা-র (Pakhangba) সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

২৭২.
The highest densely populated country of the world is-
  1. ক) Bangladesh
  2. খ) India
  3. গ) Monaco
  4. ঘ) Indonesia
সঠিক উত্তর:
গ) Monaco
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Monaco
ব্যাখ্যা
বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০২৩ অনুযায়ী -
- পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ মেকাও দ্বিতীয় মোনাকো। অপশনে মেকাও না থাকায় সঠিক উত্তর হবে-  মোনাকো
- দেশটির জনসংখ্যার ঘনত্ব(প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাসকারী লোকসংখ্যা ১৮,১৪৯ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম - গ্রীন্ডল্যান্ডে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ১০ দেশ:
- মেকাও, মোনাকো, সিঙ্গাপুর, হংকং, জিব্রাল্টার, বাহরাইন, মালদ্বীপ, মাল্টা, বাংলাদেশ, সিন্ট মার্টেন।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০২৩
২৭৩.
কোন জনপদ থেকে 'বাঙালি' নৃগোষ্ঠীর উৎপত্তি ঘটেছিল?
  1. চন্দ্রদ্বীপ
  2. রাঢ়
  3. গৌড়
  4. বঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
ব্যাখ্যা

- বঙ্গ জনপদ থেকে 'বাঙালি' নৃগোষ্ঠীর উৎপত্তি ঘটেছিল।

বঙ্গ:

- 'বঙ্গ' একটি অতি প্রাচীন জনপদ।
- বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গ জনপদ নামে একটি অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- অনুমান করা হয়, এখানে 'বঙ্গ' বলে একটি জাতি বাস করতো।
- তাই জনপদটি পরিচিত হয় 'বঙ্গ' নামে।
- প্রাচীন শিলালিসিতে বঙ্গের দুইটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়-একটি 'বিক্রমপুর', আর অন্যটি 'নাব্য'।
- বর্তমানে নাব্য বলে কোনো জায়গার অস্তিত্ব নেই।
- ধারণা করা হয়, ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি এ নাব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- প্রাচীন বঙ্গ জনপদ ছিল খুব শক্তিশালী অঞ্চল।
- 'বঙ্গ' থেকে 'বাঙালি' জাতির উৎপত্তি ঘটেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

২৭৪.
বাংলাদেশে অ্যামেচার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৬ সালে
  3. গ) ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে অ্যামেচার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭২ সালে। 

অ্যাথলেটিকস:-
- পৃথিবীতে যত প্রকার খেলাধুলার প্রচলন রয়েছে তার মধ্যে দৌড়, লাফ ও নিক্ষেপই সবচেয়ে প্রাচীন।
- আদিম যুগে মানুষকে বাঁচার জন্য দৌড়াতে, বাধা অতিক্রম করতে লাফাতে এবং শিকার বা শত্রুকে ঘায়েল করতে নিক্ষেপের সাহায্য নিতে হতো।
- মানব সভ্যতার ক্রমবিবর্তনে এই দৌড়, লাফ ও নিক্ষেপই ক্রীড়ায় রূপান্তরিত হয়ে অ্যাথলেটিকস নামে পরিচিতি লাভ করেছে।
- ১৯১২ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যামেচার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন (I.A.A.F) গঠিত হয়।
- এটিই অ্যাথলেটিকস এর সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে অ্যামেচার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এই আন্তর্জাতিক এ্যামেচার অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সদস্য।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৫.
বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে কোন নৃগোষ্ঠীর প্রভাব সর্বাধিক?
  1. ক) নেগ্রিটো
  2. খ) অস্ট্রিক
  3. গ) দ্রাবিড়
  4. ঘ) মঙ্গোলীয়
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
- নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক
-  ইন্দোচীন থেকে আদি অস্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত অস্ট্রিক জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে।

- এই অস্ট্রিক নরগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।
- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালি রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
২৭৬.
NIPORT (নিপোর্ট) কী?
  1. জরুরি সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান
  2. অর্থনীতি বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  4. নদী রক্ষা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান (নিপোর্ট): 
- NIPORT বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক একটি জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান। 
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- রাজধানী ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠানটি জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতের দক্ষ জনবল তৈরি এবং এ সংক্রান্ত নীতিমালা উন্নয়নে অবদান রাখে।
 
সূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট।
২৭৭.
সাঁওতালদের বছর শুরু হয় কোন মাসে?
  1. বৈশাখ
  2. ফাল্গুন
  3. আশ্বিন
  4. কার্তিক
সঠিক উত্তর:
ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

⇒ সাঁওতালদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে।

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠী মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায় বসবাস করে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজ ব্যবস্থা পুরুষতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

২৭৮.
মণিপুরী উপজাতি কোন জেলায় বাস করে?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) সিলেট
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল মণিপুরী নাচের জন্যে বিখ্যাত। সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলায় বসবাসকারী মণিপুরী সম্প্রদায় সংস্কৃতির দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী। তাদের সংস্কৃতির সবচেয়ে উজ্জ্বলতম দিক হলো মণিপুরী নৃত্য যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে। (সূত্র: মৌলভীবাজার জেলা সরকারি ওয়েবসাইট)
২৭৯.
বাংলাদেশের কোন জেলায় রাখাইনদের বসবাস রয়েছে?
  1. বরিশাল
  2. ফরিদপুর
  3. বরগুনা
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
বরগুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরগুনা
ব্যাখ্যা
রাখাইনদের নৃতাত্ত্বিক পরিচয় ও আবাস:
- রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য অনেক প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ।
- তারা 'মগধ' রাজ্য থেকে মায়ানমারের আরাকান রাজ্যে বসবাস শুরু করে।
- ১৭৮৪ সালে বার্মিজ রাজা 'বোদোপ্রা' আরাকান রাজ্য জয় করলে বিপুলসংখ্যক রাখাইন সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালী এবং কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়।
- রাখাইনরা মঙ্গোলীয়দের ভোটবার্মি (Bhotbormi) সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় রাখাইনদের বসবাস।
- পটুয়াখালির কুয়াকাটা ও খেপুপাড়ায় রাখাইনদের বসতি রয়েছে।।
- কক্সবাজারের রামু, পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, মানিকছড়ি, টেকনাফ ও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলাতেও রাখাইনদের বসতি লক্ষ করা যায়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮০.
বাংলাদেশের কোন সম্প্রদায়ের মাঝে ‘মাতৃতান্ত্রিক পরিবার’ প্রথা চালু আছে?
  1. চাকমা
  2. মনিপুরী
  3. সাঁওতাল
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
• খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- তারা মাতৃপ্রধান পরিবারে বসবাস করে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের ভাষা বর্মী।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২৮১.
দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা কত? (জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২)
  1. ৪৯টি
  2. ৫১টি
  3. ৪৭টি
  4. ৫০টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা

- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)। 
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় লালমনিরহাট (১১৮ জন)। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

২৮২.
'ওয়ানগালা' উৎসব কাদের?
  1. গারোদের
  2. মারমাদের
  3. কুকিদের
  4. চাকমাদের
সঠিক উত্তর:
গারোদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারোদের
ব্যাখ্যা

গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ছাড়াও টাঙ্গাইল, সিলেট, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকাও গাজীপুরজেলায় গারোরা বাস করে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।

অপরদিকে,
- বৈসাবি বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের তিনটি প্রধান আদিবাসী সম্প্রদায়ের - ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমাদের - নববর্ষের উৎসবের একটি সম্মিলিত নাম।
- রথযাত্রা বা রথদ্বিতীয়া একটি আষাঢ় মাসে আয়োজিত অন্যতম প্রধান হিন্দু উৎসব।
- সাংগ্রাই বাংলাদেশী মারমা এবং রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উৎসবের নাম।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

২৮৩.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুসারে, কোন বিভাগে সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে?
  1. খুলনা বিভাগে
  2. রংপুর বিভাগে
  3. রাজশাহী বিভাগে
  4. বরিশাল বিভাগে
সঠিক উত্তর:
বরিশাল বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল বিভাগে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা: ঢাকা।
- সবচেয়ে কম ঘন বসতি পূর্ণ জেলা: রাঙ্গামাটি।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে: বরিশাল বিভাগে।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
২৮৪.
কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকে?
  1. হাজং
  2. ম্রো
  3. পাংখোয়া
  4. লুসাই
সঠিক উত্তর:
ম্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্রো
ব্যাখ্যা
মুরং/ম্রো:

- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২৮৫.
আর্যরা কখন বাংলাদেশ ভূখণ্ডে আসে?
  1. ক) খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে
  2. খ) খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে
  3. গ) খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে
  4. ঘ) খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দে
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দে
ব্যাখ্যা
আর্যদের আদি নিবাস ছিলো ইউরাল পর্বতমালার দক্ষিণে বর্তমান ইরান ও কিরগিজস্থানে। সেখান থেকে খ্রিস্টপূর্ব দুই হাজার অব্দে আর্যরা ভারতে আগমন করে। আর্যরা বাংলাকে অপবিত্র মনে করতো বিধায় দীর্ঘদিন তারা বাংলা ভূখন্ডে প্রবেশ করেনি। পরবর্তীতে খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দ থেকে আর্যরা বাংলায় প্রবেশ ও বসতি স্থাপন করতে শুরু করে। প্রথমে তারা গাঙ্গেয় উচ্চভূমিতে বসতি স্থাপন করে। পরবর্তীতে গাঙ্গেয় নদী অঞ্চলে আর্যদের প্রভাব বিস্তৃত হলেও এরা বাংলার অনার্য জনগোষ্ঠীর সাথে গভীরভাবে মিশেনি। এর ফলে বাঙালি জাতিগঠন প্রক্রিয়ায় অনার্য জাতিগোষ্ঠী অস্ট্রিক ও দ্রাবিড়দের প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়। বাংলায় পাল আমলে আর্য সংস্কৃতি বিকাশ লাভ করে। (সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২৮৬.
কোন উপজাতিগোষ্ঠীতে মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা বিদ্যমান?
  1. সাঁওতাল
  2. চাকমা
  3. খাসিয়া
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি:
- গারো।
- খাসিয়া।

পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি:
- চাকমা
- সাঁওতাল
- হাজং
- মারমা

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৮৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, মোট জনসংখ্যা -
  1. ক) ১৬৮.৮ মিলিয়ন
  2. খ) ১৭৯.৮ মিলিয়ন
  3. গ) ১৭০.৮ মিলিয়ন
  4. ঘ) ১৭১.৮ মিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭০.৮ মিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭০.৮ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, 

মোট জনসংখ্যা = ১৭ কোটি ৮ লাখ (১৭০.৮ মিলিয়ন)
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১.৩৭%
জনসংখ্যার ঘনত্ব = ১১৪০/বর্গ কি.মি.
গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল =  ৭২.৮ বছর (পুরুষ - ৭১.২ বছর ও নারী - ৭৪.৫ বছর)
স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) =  ৭৫.২%  (পুরুষ - ৭৭.৪% ও নারী - ৭২.৯%)

পুরুষ ও নারীর অনুপাত = ১০০.২ : ১০০
ডাক্তার প্রতি জনসংখ্যার অনুপাত =  ১ : ১৭২৪
সুপেয় পানি গ্রহণকারী = ৯৮.৩%

দারিদ্র্যের হার =  ২০.৫%
চরম দারিদ্র্যের হার = ১০.৫%
স্থূল জন্মহার (প্রতি হাজারে) =  ১৮.১ জন
স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে) =  ৫.১ জন

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
২৮৮.
'সেং কুটস্নেম' কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর উৎসব?
  1. খাসিয়া
  2. গারো
  3. চাকমা
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৮৯.
বাংলাদেশের কোন নৃ-গোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক?
  1. চাকমা
  2. খাসিয়া
  3. মুরং
  4. পাঙন
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
• উপজাতি:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ৫০টি উপজাতি রয়েছে।
- খাসিয়া এবং গারো সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক, বাকি সবগুলো উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- গারো নৃ-গোষ্ঠী নিজেদের ‘মান্দি’ হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসে।
- এরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে। এদের আদি নিবাস ছিল তিব্বতে।
- গারোদের ভাষার নাম আচিক খুসিক। তাদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা।

এছাড়াও,
- এছাড়া কোচ সমাজেও আংশিক মাতৃতান্ত্রিকতা বিদ্যমান রয়েছে।
- বাংলাদেশে খাসিয়াদের বসবাস- সিলেট, হবিগঞ্জ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেনি এবং বাংলাপিডিয়া।
২৯০.
বাংলাদেশে কত শতাংশ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে?
  1. ক) ৮৪.৫ শতাংশ
  2. খ) ৮০.১ শতাংশ
  3. গ) ৭৭.৯ শতাংশ
  4. ঘ) ৭২.৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৭.৯ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৭.৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ Multiple Indicator Cluster Survey-2019 অনুসারে বাংলাদেশে ৭৭.৯ শতাংশ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করে। অন্যদিকে শহরাঞ্চলে বসবাস করে ২২.১ শতাংশ মানুষ।
বিভাগ অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে ২৫.৩ শতাংশ। সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে ৫.৭০ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর Multiple Indicator Cluster Survey-2019)
২৯১.
Which dynasty ruled Bengal for 400 years?
  1. ক) Gupta
  2. খ) Sen
  3. গ) Pal
  4. ঘ) Maurja
সঠিক উত্তর:
গ) Pal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Pal
ব্যাখ্যা

-- শশাঙ্ক পরবর্তী বাংলায় অরাজকতার যুগের অবসান ঘটিয়ে গোপাল বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং পাল রাজ বংশের সূচনা করেন। 
-- গোপালের রাজত্বকাল সম্পর্কে সঠিকভাবে জানার উপায় নেই।
-- অনুমান করা হয় গোপাল ৭৫৬ হতে ৭৮১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন। 
-- পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা-- গোপাল।
-- গোপাল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পাল রাজবংশের শাসন বাংলায় প্রায় ‘চারশ' বছর স্থায়ী হয়েছিল।
-- গোপালের ক্ষমতা লাভ সর্ম্পকে খালিমপুর তাম্রশাসন থেকেও জানা যায়। গোপালের উত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয় পাল রাজবংশ। 
-- প্রায় চারশত বছর ধরে ১৭ জন পাল নৃপতি বাংলা শাসন করেন।
-- গোপাল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শাসনের উপর ভিত্তি করে তার পরবর্তী দুই উত্তরাধিকারী ধর্মপাল ও দেবপাল সাম্রাজ্যকে উন্নতির চরম শিখরে নিয়ে যান। 

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস প্রথম পত্র, (BA & BSS) প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯২.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত? 
  1. ৭২.৮%
  2. ৭৪.৮%
  3. ৭৪.২%
  4. ৭১.৮%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮%
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

২৯৩.
বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর কোনটি?
  1. ক) চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর
  2. খ) মংলা সমুদ্রবন্দর
  3. গ) মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর
  4. ঘ) পায়রা সমুদ্রবন্দর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পায়রা সমুদ্রবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পায়রা সমুদ্রবন্দর
ব্যাখ্যা
পায়রা সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর'।
- ‘পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অনত্মর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- শিপিং-বান্ধব বিস্মীর্ণ এলাকা হিসেবে এটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই উপযুক্ত একটি অঞ্চল।
- ১৩ আগস্ট, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
- এ উদ্বোধনের দ্বারা বাংলাদেশের আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নে নতুন মাইল ফলক রচিত হবে বলে আশা করা যায়।
- ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
- এটি বঙ্গোপসাগরের কাছে রামনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

উৎস: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
২৯৪.
বাংলাদেশের ওরাওঁ নৃগোষ্ঠী বসবাস করে কোন জেলায়?
  1. হবিগঞ্জ
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাজশাহী
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
ওরাওঁ নৃগোষ্ঠী: 
- ওরাওঁ নৃগোষ্ঠীর বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে। তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।

উল্লেখ্য, 
- তাদের ভাষা কুরুক। পোশাকের ক্ষেত্রে পুরুষরা লুঙ্গি, ধুতি ও শার্ট পরিধান করে, আর নারীরা শাড়ি, ব্লাউজ ও সালোয়ার-কামিজ পরে। ঐতিহ্যগতভাবে তারা জড়োপাসক এবং ধরমেশ বা সূর্যদেবতার উপাসক। তাদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসব। ওরাওঁদের খাবারের মধ্যে ভাত, শাক-সবজি ও শুঁটকি মাছ প্রধান, পাশাপাশি দেশীয় মদও তাদের সংস্কৃতির অংশ। তারা বিভিন্ন নৃত্য ও সঙ্গীত উৎসবের মাধ্যমে সামাজিক জীবনকে আনন্দময় করে তোলে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২৯৫.
মণিপুরীরা সাধারণত কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. সিলেটে
  2. ময়মনসিংহ
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
সিলেটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেটে
ব্যাখ্যা

মণিপুরী:
- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাসা (Rasa) নৃত্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৯৬.
নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন কোন আদিবাসী জনগোষ্ঠী?
  1. রাখাইন
  2. খেয়াং
  3. লুসাই
  4. ম্রো
সঠিক উত্তর:
ম্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্রো
ব্যাখ্যা
মুরং/ম্রো:

- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২৯৭.
ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী?
  1. সাংলান
  2. চাপচারকূত
  3. বৈসু
  4. ওয়ানগালা
সঠিক উত্তর:
বৈসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈসু
ব্যাখ্যা

ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

২৯৮.
"জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২" বাংলাদেশের কততম জনশুমারি ছিলো?
  1. সপ্তম
  2. ষষ্ঠ
  3. পঞ্চম
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ২০২২ সালে বাংলাদেশে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।

সূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২৯৯.
'NIPORT'-এর পূর্নরূপ কী?
  1. National Institute of Population Research and Training
  2. National Institute of Population Reduction and Training
  3. National Institute of Population Recognition and Training
  4. National Institute of Population Research and Technical
সঠিক উত্তর:
National Institute of Population Research and Training
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Institute of Population Research and Training
ব্যাখ্যা
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট):
- NIPORT-এর পূর্নরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NIPORT)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।

উৎস: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ওয়েবসাইট। 
৩০০.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে কোন ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা সর্বাধিক? 
  1. বৌদ্ধ
  2. হিন্দু
  3. খ্রিষ্টান
  4. ইসলাম
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ধর্ম: 
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মধ্যে বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী সবচেয়ে বেশি।

- ২০২২ সালের জনশুমারি অনুসারে, দেশের মোট বৌদ্ধ জনসংখ্যা প্রায় ১০ লাখ (০.৬১%), যার অধিকাংশই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- খ্রিস্টান ধর্মানুসারী প্রায় ৪ লাখ (০.৩০%), এবং হিন্দু ধর্মানুসারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীতে কম, কারণ হিন্দু জনসংখ্যা (৭.৯৫%) মূলত বাঙালি সম্প্রদায় থেকে আসে।

» তুলনামূলক অন্যান্য ধর্ম:
• খ্রিস্টান: 
- বাংলাদেশে মোট খ্রিস্টান ধর্মানুসারী প্রায় ৪ লাখ (০.৩০%)।  যার অধিকাংশই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত। 
- এদের মধ্যে গারো (প্রধানত খ্রিস্টান), সাঁওতালের একটি অংশ, ওরাওঁ, খাসিয়া, লুসাই, বম ইত্যাদি অন্যতম।
- এদের সংখ্যা বৌদ্ধদের তুলনায় কম।
• হিন্দু: 
- বাংলাদেশে মোট হিন্দু ধর্মানুসারী প্রায় ১৩ মিলিয়ন (৭.৯৫% )।
- কিন্তু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীতে হিন্দু অনুসারী কম (যেমন ত্রিপুরা, সাঁওতালের একটি অংশ, মণিপুরী)।
- এর মূল কারণ মোট হিন্দু জনসংখ্যার অধিকাংশ বাঙালি হিন্দু।

• অন্যান্য: 
- কিছু গোষ্ঠী (যেমন ম্রো, কিছু খুমিঐতিহ্যবাহী প্রকৃতি-উপাসনা করে।

তথ্যসূত্র: 
i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) US State Department. (Link)
iii) IWGIA - International Work Group for Indigenous Affairs. (Link)