বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের জনমিতিক বিষয়সমূহ

মোট প্রশ্ন১,৫৬৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের জনমিতিক বিষয়সমূহ

PrepBank · পাতা ১৩ / ১৬ · ১,২০১১,৩০০ / ১,৫৬৭

১,২০১.
বাংলাদেশের ষষ্ঠ জাতীয় জনশুমারি ও গৃহ গণনা কোন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১০ জুন থেকে ১৬ জুন, ২০২২
  2. ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
  3. ১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই, ২০২২
  4. ২০ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই, ২০২২
সঠিক উত্তর:
১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
ব্যাখ্যা
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS).
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২। তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় - ২৭ জুলাই ২০২২।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১,২০২.
রাজবংশী আদিবাসী জনগোষ্ঠী নিচের কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর
  3. রাজশাহী
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
রাজবংশী:
- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা। মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২০৩.
লোকসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম স্থানে? 
  1. ৫ম
  2. ৭ম
  3. ৮ম
  4. ১০ম
সঠিক উত্তর:
৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------- 
• ২০২৪ সালে জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান — ৮ম। (২০২৪ সাল)


• এক নজরে বাংলাদেশ:
- সাংবিধানিক নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
- আন্তর্জাতিক ডায়ালিং কোড : +৮৮০।
- আন্তর্জাতিক সময় অঞ্চল: বিএসটি (জিএমটি +৬ ঘণ্টা)।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- ভৌগোলিক অবস্থান: ২৬° ৩৮' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২০° ৩৪' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮° ০১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।

- আয়তন: ১,৪৮,৪৬০ বর্গ কি.মি.।
- সমুদ্রতট রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- রাজনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার দৈর্ঘ্য ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- পৌরসভা রয়েছে ৩৩০টি।
- উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।
- ইউনিয়ন পরিষদ ৪৫৯৬টি।

উল্লেখ্য,
- জনসংখ্যার দিক দিয়ে পৃথিবীর ৮ম বৃহত্তম দেশ।
- বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।

উৎস:
i) World Population Review ওয়েবসাইট।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
iii) worldometers.info
১,২০৪.
কোন নৃ-গোষ্ঠীটি পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করে?
  1. ক) খাসিয়া
  2. খ) চাক
  3. গ) ওরাওঁ
  4. ঘ) মুন্ডা
সঠিক উত্তর:
খ) চাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাক
ব্যাখ্যা
চাক সম্প্রদায় বান্দরবান ও চট্টগ্রামের চাক পাহাড়ে বসবাস করে। এরা আরাকান রাজ্য থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে আসে। এরা নিজেদের আচাকঃ বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করে। তাদের ভাষার নাম চাক। খাসিয়া সম্প্রদায় বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল, ওরাওঁ জনগোষ্ঠী উত্তরবঙ্গ এবং মুন্ডা সম্প্রদায় উত্তরবঙ্গ, সিলেট অঞ্চলের চা বাগান এবং যশোর-খুলনা অঞ্চলে বসবাস করে। (সূত্র: বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
১,২০৫.
দেশে খানার আকার কত? [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২]
  1. ৩.৮৪
  2. ৩.৯৮
  3. ৪.০২
সঠিক উত্তর:
৩.৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৯৮
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- খানার আকার: ৩.৯৮।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।

১,২০৬.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী কোনটি? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. গারো
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা
ব্যাখ্যা

মারমা
- মারমা  বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- মারমা জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- প্রায়শই তাদের আলাদা জনগোষ্ঠী হিসেবে দেখা হয়। 
- ১৯৯১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের মারমা জনসংখ্যা ১,৫৭,৩০১। 
- ২০২২ সালের আদমশুমারিতে তাদের সংখ্যা ২,২৪,২৯৯  জন।

- মারমারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত। 
- মারমাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। 
- ভাষাতাত্ত্বিকদের মতে, মারমাদের ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- বর্ণমালার নাম ম্রাইমাজা। 
- বাম থেকে ডান দিকে লেখার রীতি অনুসারী বর্ণমালা
- উপমহাদেশীয় প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি হতে উদ্ভুত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, জনশুমারি-২০২২।

১,২০৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭২.৯৪%
  2. ৭৪.৮০%
  3. ৭৬.৭১%
  4. ৭৭.৫৫%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
→ সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
→ পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
→ মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
→ বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি - ঢাকা বিভাগে (৭৭.৫৫%)।

তথ্যসূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন।
১,২০৮.
বিবিএস-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুসারে, বর্তমানে দেশে মাথাপিছু আয় কত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৫৬ মার্কিন ডলার
  3. ২,৭২৯ মার্কিন ডলার
  4. ২,৬৬৬ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৭৩৮ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৭৩৮ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দেশের জনসংখ্যা, কৃষি, শিল্প, জনমিতি, অর্থনীতি, আর্থ-সামাজিক বিষয়াদি, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ, ইত্যাদি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রণয়ন ও প্রকাশ করে থাকে।
- ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাবের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

⇒ চূড়ান্ত হিসাব অনুসারে,
- বর্তমান মাথাপিছু জিডিপি ২,৬২৫ মার্কিন ডলার (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ২,৬৪৩ মার্কিন ডলার)।
- বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার)।

এছাড়াও, 
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.২২% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৫.৮২%)।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৩০% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.২১%)।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৫১% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৬.৬৬%)।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৫.০৯% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৫.৮০%)।

অন্যদিকে,
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় (সাময়িক) ছিল ২৭৮৪ মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
১,২০৯.
গ্রাম-পঞ্চায়েত কোন সমাজের মূল ভিত্তি?
  1. ক) গারো
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) মারমা
সঠিক উত্তর:
খ) সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি প্রধান নৃগোষ্ঠী হলো সাঁওতাল।
- তারা রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায় বাস করে।
- ধারণা করা হয়, সাঁওতালদের পূর্বপুরুষরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের এসব অঞ্চলে আসে।
- আমাদের পার্শ্ববর্তী ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডে সাঁওতালদের বসবাস রয়েছে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রালয়েড নৃগোষ্ঠীভুক্ত লোক। 
- তাঁদের দেহের রং কালো, উচ্চতা মাঝারি ধরনের এবং চুল কালো ও ঈষৎ ঢেউ খেলানো। 
- সাঁওতাল সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- তাদের সমাজে পিতার সূত্র ধরে সন্তানের দল ও গোত্র পরিচয় নির্ণয় করা হয়।
- সাঁওতাল সমাজের মূল ভিত্তি হচ্ছে গ্রাম পঞ্চায়েত
- পঞ্চায়েত পরিচালনার জন্য সাধারণত পাঁচজন সদস্য থাকেন। এরা হলো মাঞ্জাহি হারাম, জগমাঞ্জাহি, জগপরানিক, গোডেৎ ও নায়কি।
- নায়কিকে তারা পঞ্চায়েত সদস্য নয় বরং ধর্মগুরু হিসাবে মনে করে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
১,২১০.
নাগরিকের প্রধান অধিকার কোনটি?
  1. সামাজিক অধিকার
  2. অর্থনৈতিক অধিকার
  3. রাজনৈতিক অধিকার
  4. নৈতিক অধিকার
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক অধিকার
ব্যাখ্যা
নাগরিকের অধিকার
- প্রধানত ২ প্রকার। ১. নৈতিক ও ২. আইনগত অধিকার।
- নৈতিক অধিকারের কোন আইনগত ভিত্তি নেই।
- আইনগত অধিকার এর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার।

- নাগরিকের প্রধান অধিকার রাজনৈতিক অধিকার।
- ভোটাধিকার, নির্বাচন করার অধিকার ও রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার ইত্যাদি রাজনৈতিক অধিকার।

- জীবিকার অধিকার, চাকরি লাভের অধিকার, ব্যাবসা করার অধিকার ইত্যাদি অর্থনৈতিক অধিকার।

- সংগঠন করার অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার ইত্যাদি সামাজিক অধিকার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম দশম শ্রেণি।
১,২১১.
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে কয়টি জনশুমারি পরিচালিত হয়?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি ও গৃহগণনা হয়। 
- ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি হয়। 
- ১৯৮৬ সালে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছয়টি জনশুমারি পরিচালিত হয় যার সর্বশেষটি হয় ২০২২ সালে।
- ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১,২১২.
'কর্ণফুলী' উপন্যাসে কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মণিপুরী
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) মারমা
সঠিক উত্তর:
ক) চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চাকমা
ব্যাখ্যা
- সাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত উপন্যাস কর্ণফুলী।
- তাঁর 'কর্ণফুলী' উপন্যাস পাহাড় সমুদ্র ঘেরা একটি বিশেষ জনপদের উপন্যাস।
- উপন্যাসে চাকমা উপজাতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে
- আদিবাসী রাঙ্গামিলা, প্রেমিক দেওয়ানপুত্র (চাকমা), বাঙালি ইসমাইল, জলি, রমজান প্রমুখের জীবন যাপন ও প্রণয় এ উপন্যাসে বর্ণিত।
- উপজাতীয় জীবন কাহিনী নিয়ে রচিত চাকমাদের জীবন সংগ্রামের চিত্র এ উপন্যাসের উপজীব্য।
- এতে চাকমা ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস: কর্ণফুলী, তেইশ নম্বর তৈলচিত্র, ক্ষুধা ও আশা, খসড়া কাগজ, বিশৃঙ্খলা, স্বপ্নশীলা, শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১,২১৩.
বাংলাদেশের নারী:পুরুষের অনুপাত কত?
  1. ১০০:১০০.২
  2. ১০০.২:১০০
  3. ৯৮:১০০
  4. ১০০:৯৮.১
সঠিক উত্তর:
১০০:৯৮.১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০:৯৮.১
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা:   
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:   
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.২২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  
- স্বাক্ষরতার হার: ৭৪.৬৬%। 
- নারী:পুরুষের অনুপাত: ১০০:৯৮.১।

উৎস: i) ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা রিপোর্ট ২০২২।
          ii) পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১,২১৪.
দেশের কোন বিভাগে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম?
  1. ক) খুলনা বিভাগ
  2. খ) বরিশাল বিভাগ
  3. গ) ঢাকা বিভাগ
  4. ঘ) সিলেট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা বিভাগ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরঃ বর্তমানে ঢাকা বিভাগ।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ-২০১৬ অনুসারে, সিলেট বিভাগে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে কম। দারিদ্র্যের হার - ১৬.২%।
- তবে, অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২০ অনুসারে, ঢাকা বিভাগে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে কম। দারিদ্র্যের হার - ১৬.০%।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপের সময় ঢাকা বিভাগের সাথে ময়মনসিংহ বিভাগও অন্তর্ভূক্ত থাকায় ঢাকা বিভাগের দারিদ্রের হার বেশি ছিল। পরবর্তীতে, ময়মনসিংহ আলাদা বিভাগ হওয়ার পর ঢাকা বিভাগের দারিদ্র্যের হার হ্রাস পায়।
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ - এর নাম নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকলে উত্তর - সিলেট বিভাগ হতো।
কিন্তু, এখন এই প্রশ্ন অনুসারে সঠিক উত্তর - ঢাকা বিভাগ।

১,২১৫.
৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের স্বাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭২.৮০%
  2. ৭৩.৮০%
  3. ৭৪.৮০%
  4. ৭৫.৮০%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন, ২০২২।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- স্বাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।

সূত্র: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১,২১৬.
বাড়িতে অতিথি এলে পান সুপারি ও চা দিয়ে আপ্যায়ন করে নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) মুন্ডা
  3. গ) কোচ
  4. ঘ) খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং (Synteng) গোত্রভুক্ত জাতি। তারা কৃষিজীবী।
- ভাত ও মাছ তাদের প্রধান খাদ্য।
- তারা মাতৃপ্রধান পরিবারে বসবাস করে।
- তাদের মধ্যে কাচা সুপারি ও পান খাওয়ার প্রচলন খুব বেশি।
- খাসিয়াদের উৎপাদিত পান বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয়।
- বাড়িতে অতিথি এলে পান সুপারি ও চা দিয়ে আপ্যায়ন করে।
- চরম দারিদ্র্যের মধ্যে থেকেও এ সম্প্রদায়ের লোকজন শান্তিপ্রিয়।
- তাদের রয়েছে নিজস্ব নিয়ম-কানুন। তবে তাদের মধ্যে খাসিয়ারাই মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় পরিচালিত।
- তাদের সমাজ ব্যবস্থায় কোনো পুরুষ সম্পত্তির মালিক হয় না।
- পুরুষদের বিয়ে হলে তারা শ্বশুরবাড়ি গিয়ে ওঠে। তারাও এ অঞ্চলের অন্যান্য আদিবাসীর মতো একটি প্রাচীন সম্প্রদায় হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রীতি বজায় রেখে বসবাস করে আসছে। 

সূত্র: nrigostisanad.gov.bd
১,২১৭.
বাংলাদেশে আধুনিক জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৬২.৩ শতাংশ
  2. খ) ৬৩.৯ শতাংশ
  3. গ) ৬৪.৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৬৬.২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ক) ৬২.৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬২.৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রকাশিত SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার

জাতীয় পর্যায়ে : ৬৩.৯ শতাংশ
আধুনিক জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারী : ৬২.৩ শতাংশ
গ্রামাঞ্চলে : ৬৩.১ শতাংশ
শহরাঞ্চলে : ৬৪.৭ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2020)
১,২১৮.
কোন আদিবাসী জনগোষ্ঠী 'বৈসাবি' উৎসব পালন করে?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. উপরোক্ত সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবাই
ব্যাখ্যা

বৈসাবি:
- বৈসাবি হচ্ছে বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- পাহাড়ে বর্ষ বিদায় ও বর্ষবরণ উপলক্ষে পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর প্রধানতম সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব এটি।
- বাংলাদেশের তিনটি আদিবাসী সম্প্রদায় (ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমা) এই বর্ষবরণ উৎসব পালন করে।
- মূলত বৈ’ শব্দাংশটি ত্রিপুরাদের বৈসু থেকে, ‘সা’ মারমাদের সাংগ্রাই থেকে এবং ‘বি’ চাকমাদের বিজু থেকে এসেছে।
- বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে 'বৈসাবি' নামের উৎপত্তি।
- চৈত্র মাসের শেষ দুটি দিন এবং বৈশাখ মাসের প্রথম দিন এই তিন দিন অনুষ্ঠান পালন করে।
- প্রতিটি সম্প্রদায় নিজ নিজ বিশ্বাস ও সংস্কার অনুসারে প্রার্থনা করে নতুন বছর যেন সুখে-শান্তিতে কেটে যায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১,২১৯.
নিচের কোন জেলায় সাঁওতালদের বসবাস নেই?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. বগুড়া
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
♦ সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো- অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য তবু পর্বত দেবতাও (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২২০.
নিচের কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক?
  1. মারমা
  2. গারো
  3. ত্রিপুরা
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো:

- গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিববতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২২১.
৬ষ্ঠ আদমশুমারিতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে কারিগরি সহায়তা করবে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) বিসিএসআইআর
  2. খ) এশিয়াটিক সোসাইটি
  3. গ) নাসা
  4. ঘ) ইসরো
সঠিক উত্তর:
গ) নাসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাসা
ব্যাখ্যা
৬ষ্ঠ আদমশুমারি বা জনশুমারি অনুষ্ঠিত হবে ২০২১ সালের ২-৮ জানুয়ারী । এতে জনগণনায় স্যাটেলাইটের সাহায্য নেওয়া হবে। আর এ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যা ব্যুরো বা বিবিএসকে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। (সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো)
১,২২২.
কোন নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে বসবাস করে না?
  1. তঞ্চঙ্গ্যা
  2. মাওরি
  3. ওরাঁও
  4. ম্রো
সঠিক উত্তর:
মাওরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওরি
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশে বসবাস করে না মাওরি নৃ-গোষ্ঠীরা।
- ওরাঁও, তঞ্চঙ্গ্যা, ম্রো এরা সবাই বাংলাদেশে বসবাস করে।

• মাওরি: 
- মাওরিরা মূলত নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী সম্প্রদায়।
- বর্তমানে দেশটির মোট জনগোষ্ঠীর ২০ শতাংশ মাওরি।
- হাঁকা নাচকে মাওরি জনগোষ্ঠীরা প্রতিবাদের ভাষা হিসাবে ব্যবহার করে।
- এটা তাদের কাছে যুদ্ধ নৃত্য।
- আনুমানিক ১৩০০ সালের দিকে প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন দ্বীপ থেকে মাওরি জনগোষ্ঠীর লোকজন এখানে আসে।
- এরপর থেকে এরা নিউজিল্যান্ডের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- তারা হাঁকা নাচের সময় "কামাতে কামাতে,কামারা কামরা" শব্দ ধ্বনি উচ্চারণ করে।
- ওয়ে টাঙ্গি চুক্তি তাদের সাথে যুক্ত।

উৎস: The Financial Express.
১,২২৩.
'বৈসু' কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম?
  1. চাকমা
  2. লুসাই
  3. মারমা
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
ত্রিপুরা:

- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
১,২২৪.
কীর্তন কোন উপজাতিদের সংগীত?
  1. চাকমা
  2. ত্রিপুরা
  3. গারো
  4. বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী
ব্যাখ্যা
- সিলেট অঞ্চলে বসবাসকারী বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের প্রাণের সংগীত হলো কীর্তন। তাদের বিভিন্ন উৎসবে এই কীর্তন গাওয়া হয়।
- গারোদের জনপ্রিয় সংগীত হলো 'রে রে'। এটি তারা খালি গলায় গায়।
- চাকমা ভাষায় সংগীতকে গীত বলা হয়। যারা গীত গায় তাদের চাকমা ভাষায় গেংখুলি বলা হয় যার বাংলা অর্থ চারণ কবি।
(সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
১,২২৫.
'হাজং' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশের কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. ময়মনসিংহ
  2. মৌলভীবাজার
  3. বান্দরবন
  4. রাঙ্গামাটি
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,২২৬.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী 'মারাং বুরু' দেবতার উপাসনা করে?
  1. গারো
  2. ত্রিপুরা
  3. সাঁওতাল
  4. মারমা
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২২৭.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার -
  1. ৩.৮%
  2. ৪.১%
  3. ৫.৬%
  4. ৬.৪%
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

১,২২৮.
পৃথিবীতে বাংলাভাষী জনসংখ্যা প্রায়-
  1. ১৫ কোটি
  2. ২০ কোটি
  3. ৩০ কোটি
  4. ৪০ কোটি
সঠিক উত্তর:
৩০ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কোটি
ব্যাখ্যা

বিশ্বজুড়ে বাংলা:
- ২০২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পৃথিবীজুড়ে মোট বাংলাভাষীদের সংখ্যা প্রায় ৩০ কোটি।
- এদের মধ্যে প্রায় ২৮.৪ কোটি মানুষ বাংলা ভাষাকে তাদের প্রথম ভাষা হিসেবে ব্যবহার করে এবং আরও ৪.৩ কোটি মানুষ দ্বিতীয় ভাষাভাষী হিসেবে ব্যবহার করে। 
- এই সংখ্যার ভিত্তিতে বাংলা বিশ্বব্যাপী সপ্তম সর্বাধিক প্রচলিত ভাষা। 
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, মেঘালয়, বিহার, উড়িষ্যা, অল্প্রব্দপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, দিলি্লসহ বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে বাংলাভাষী জনগোষ্ঠী।
- দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তান ও নেপালেও রয়েছে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাভাষী।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের হিসেবে বিশ্বে সবথেকে বেশি ব্যবহৃত ১০টি ভাষা: ১. ইংরাজি ২. ম্যান্ডারিন চাইনিজ ৩. হিন্দি ৪. স্প্যানিশ ৫. স্ট্যান্ডার্ড আরবিক ৬. ফ্রেঞ্চ বা ফরাসি ৭. বাংলা ৮. পোর্তুগিজ ৯. রাশিয়ান ১০. ইন্দোনেশিয়ান

উৎস: i) Visual Capitalist. [link]
ii) সমকাল।

১,২২৯.
নিচের কোন জেলায় 'ওরাওঁ' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস নেই?
  1. নওগাঁ
  2. রাজশাহী
  3. রাঙ্গামাটি
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- তারা মুঘল শাসনামলে বরেন্দ্র অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং সে অঞ্চলে তাদের স্থায়ী নিবাস গড়ে তোলে।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।
- ওরাওঁরা জড়োপাসক, তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’।
- ওরাওঁরা তাদের সৃষ্টিকর্তা ধরমেশকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে পূজা করে এবং তাঁর উদ্দেশ্যে ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,২৩০.
চাকমা মৌজার প্রধানকে কি নামে ডাকা হয়?
  1. ক) কারবারি
  2. খ) হেডম্যান
  3. গ) চাকমা রাজা
  4. ঘ) সর্দার
সঠিক উত্তর:
খ) হেডম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হেডম্যান
ব্যাখ্যা
চাকমা: বাংলাদেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা নৃতাত্ত্বিক বিচারে চাকমারা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর লোক। বাংলাদেশের বাইরেও চাকমারা ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম ও অরুণাচলে বসবাস করে .

- সামাজিক জীবন: চাকমা সমাজে মূল অংশ পরিবার। কয়েকটি চাকমা পরিবার নিয়ে গঠিত হয় ‘আদাম' বা 'পাড়া'। পাড়ার প্রধানকে বলা হয় কারবারি। কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা। মৌজার প্রধানকে বলা হয় হেডম্যান। কার্বারি ও হেডম্যান মিলে যথাক্রমে পাড়া ও মৌজার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করে। কয়েকটি মৌজা মিলে চাকমা সার্কেল গঠিত হয় এবং এর প্রধান হলেন চাকমা রাজা। চাকমা সমাজে রাজার পদটি বংশানুক্রমিক। চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক । চাকমা পরিবারে পিতাই প্রধান। তারপরে মা ও জ্যেষ্ঠপুত্রের স্থান ।

- অর্থনৈতিক জীবন: চাকমাদের জীবিকার প্রধান উপায় হচ্ছে কৃষিকাজ। যে - পদ্ধতিতে তারা চাষ করে তাকে বলা হয় ‘জুম’। তবে বর্তমান সময়ে তারা হালচাষেও অভ্যস্ত হয়েছে।

- ধর্মীয় জীবন: চাকমারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের অধিকাংশ গ্রামে ‘কিয়াং' বা বৌদ্ধ মন্দির রয়েছে। চাকমারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিনকে ভক্তি সহকারে পালন করে। এর মধ্যে গৌতম বুদ্ধের জন্ম, মৃত্যু ও বুদ্ধত্ব প্রাপ্তির দিনটি তারা সাড়ম্বরে বৈশাখী পূর্ণিমা' হিসাবে পালন করে। তাছাড়া ‘মাঘী পূর্ণিমার' রাতে কিয়াং বা প্যাগোডার প্রাঙ্গণে গৌতম বুদ্ধের সম্মানে ফানুস উড়ায় । চাকমা সমাজে মৃতদেহ দাহ করা অর্থাৎ পোড়ানো হয় ।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই।
১,২৩১.
বাংলাদেশে আদমশুমারি পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) NIPORT
  2. খ) BBS
  3. গ) BENBAIS
  4. ঘ) BIAM
সঠিক উত্তর:
খ) BBS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) BBS
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে আদমশুমারি পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)
- এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। 
- দেশ স্বাধীনের পর প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন আদমশুমারি কমিশন আদমশুমারির দায়িত্বে ছিলো।
- ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার আদমশুমারি কমিশনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়াধীন ৪টি পরিসংখ্যান অফিসকে একীভূত করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো গঠন করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এছাড়া  বিভাগীয় শহরগুলোতে এটির শাখা রয়েছে।

অন্যদিকে,
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)।
- বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)।
- Bangladesh Institute of Administration and Management (BIAM).

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১,২৩২.
কততম কৃষি শুমারি প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষি শুমারি হিসেবে স্বীকৃত?
  1. তৃতীয়
  2. চর্তুথ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
চর্তুথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চর্তুথ
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।
- প্রতি দশ বছর অন্তর কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
-  ২০০৮ সালে সমগ্র দেশে শহর ও পল্লি এলাকায় সকল সাধারণ খানায় তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ৪র্থ কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়। 
- এটিই দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষি শুমারি।

উৎস: i) বিবিএস ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১,২৩৩.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ১৪.২%
  2. ১৫.৪%
  3. ১৮.৭%
  4. ২০.৩%
সঠিক উত্তর:
১৮.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮.৭%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

১,২৩৪.
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী, নিম্ন দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. খুলনা
  2. রংপুর
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
- ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ। 

• উচ্চ দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল (২৬.৯%)।
• নিম্ন দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা (১৪.৮%)।

অন্যদিকে -
- ঢাকা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৯%।
- রাজশাহী বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৬.৭%।
- চট্টগ্রাম বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৫.৮%। 
- রংপুর বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.৮%। 
- ময়মনসিংহ বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.২%।
- সিলেট বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৪%।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
১,২৩৫.
স্বাধীন বাংলাদেশে দ্বিতীয় আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি:
- ১৯৭৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বিতীয় আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮১ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম  'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

• আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হওয়ার সাল। যথা- 
- ১৯৭৪,
- ১৯৮১,
- ১৯৯১,
- ২০০১,
- ২০১১ ও
- ২০২২ সালে।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,২৩৬.
বাংলাদেশে মোট কয়টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,২৩৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১২%
  2. ১.১৭%
  3. ১.২১%
  4. ১.৩২%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১,২৩৮.
নিম্নোক্ত কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সিলেট অঞ্চলে সাধারণত বসবাস করে না?
  1. পাঙন
  2. মণিপুরী
  3. খাসিয়া
  4. তঞ্চঙ্গ্যা
সঠিক উত্তর:
তঞ্চঙ্গ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তঞ্চঙ্গ্যা
ব্যাখ্যা
- তঞ্চঙ্গ্যা সিলেট অঞ্চলে বাস করে না।

তঞ্চঙ্গ্যা:
- তঞ্চঙ্গ্যা পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার রইস্যাবিলি, বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়ার আশপাশের এলাকায় ও কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনার আশপাশের এলাকায়, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়, কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফে তঞ্চঙ্গ্যা জাতিগোষ্ঠীর বসবাস।
- তঞ্চঙ্গ্যাদের পেশা মূলত কৃষি।
- এরা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- এদের ভাষায় বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায় অনুষ্ঠানকে ‘বিষু’ বলা হয়।
- তঞ্চঙ্গ্যা সমাজে পিতার অবর্তমানে পুত্রসন্তানরা সম্পদের মালিকানা পায়।

উল্লেখ্য, 
- মণিপুরী, খাসিয়া, পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বাস করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,২৩৯.
‘সাংগ্রাই’ কোন নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব?
  1. ক) তঞ্চঙ্গ্যা
  2. খ) চাকমা
  3. গ) ত্রিপুরা
  4. ঘ) রাখাইন
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাখাইন
ব্যাখ্যা
- ‘সাংগ্রাই’ হলো রাখাইন ও মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব।
- চৈত্র মাসের শেষ দুদিন ও নববর্ষের প্রথম দিন জুড়ে এই উৎসব পালন করা হয়।
অন্যদিকে,
- চাকমা ও তঞ্চঙ্গাদের বর্ষবরণ উৎসব : বিঝু
- ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসব : বৈসু।
- পাহাড়ে বসবাসকারী এসব নৃগোষ্ঠীসমূহের বর্ষবরণ উৎসবের নামের আদ্যক্ষর নিয়ে সার্বজনীন বর্ষবরণ উৎসব ‘বৈসাবি’ নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণী)
১,২৪০.
‘অপোকপা’ কোন নৃগোষ্ঠীর প্রাচীন ধর্মের নাম?
  1. গারো
  2. মেইতেই মণিপুরী
  3. সাঁওতাল
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
মেইতেই মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেইতেই মণিপুরী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বসবাসকারী মণিপুরি সম্প্রদায়ের তিনটি শাখার মধ্যে অন্যতম হলো মেইতেই মণিপুরী।
- এদের প্রাচীন ধর্মের নাম ‘অপোকপা’। তাদের দেদেবীর মধ্যে অন্যতম হলো সানামাহি ও পাখংবা।
- তাদের ভাষার নাম মেইতেইলোন যা টিবেটো-বার্মান ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- গারোদের আদি ধর্মের নাম সাংসারেক।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)
১,২৪১.
মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. নেত্রকোণা
  2. মৌলভীবাজার
  3. কক্সবাজার
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
• মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি:
- মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে বৃহত্তর সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের শিববাজারে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১০ সালে মণিপুণি ললিতকলা একাডেমি একটি পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসিত সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে মণিপুরী ললিতকলা একাডেমীতে নৃত্য, নাটক, সংগীত, বাদ্যযন্ত্র ও উপজাতীয় সংগীত (মণিপুরী সংগীত) এই পাঁচটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

উৎস: মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।
১,২৪২.
সর্বশেষ জনশুমারি কত সালে অনুষ্ঠিত হয়? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. ২০২১
  2. ২০১৯
  3. ২০২০
  4. ২০২২
সঠিক উত্তর:
২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

১,২৪৩.
নৃতাত্ত্বিক বিচারে চাকমা কোন জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. তিব্বতী-বর্মী গোষ্ঠী
  2. অস্ট্রেলীয়
  3. মঙ্গোলীয়
  4. আরাকান
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলীয়
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- চাকমা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাস করে।
- চাকমারা মঙ্গোলীয় জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- চাকমারা আদি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। চাকমাদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক।
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু বা বিঝু।
- তাদের প্রধান জীবিকা কৃষি কাজ। জুম চাষের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন খাদ্যশস্য ও রবিশস্য উৎপাদন করে থাকে।

⇒ চাকমাদের ভাষার নামও চাকমা। চাকমাদের নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে।
- চাকমাদের গ্রামকে বলে আদাম বা পাড়া। চাকমাদের কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা। চাকমা গ্রামের প্রধান হলেন কারবারি। চাকমা মৌজার প্রধান হলেন হেডম্যান। চাকমা সমাজের প্রধান (বংশানুক্রমিক) চাকমা রাজা। চাকমাদের পরিবার পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪৪.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি কোন বিভাগে? 
  1. ঢাকা 
  2. বরিশাল
  3. রাজশাহী
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঢাকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা 
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১,২৪৫.
জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় কতজন মানুষ বাস করে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৯৯৯ জন
  2. ১,০১১ জন
  3. ১,১১৯ জন
  4. ১,২১১ জন
সঠিক উত্তর:
১,১১৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,১১৯ জন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- সাধারণভাবে একটি দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য যে দিক নির্দেশনা হয় তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যা নীতি। 
​- দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়। 
​- গত ১৪ জুলাই, ২০২৫ ‘বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫’ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
​- এতে বলা হয়েছে, দেশে প্রতি বর্গকিলোমিটার এলাকায় ১ হাজার ১১৯ জন মানুষ বাস করে।
​- দেশে মোট প্রজনন হার (টিএফআর) ২ দশমিক ৩ শতাংশ।
​- শিশুমৃত্যুর হার প্রতি হাজার জীবিত জন্মে ৩১, মাতৃমৃত্যুর হার প্রতি লাখে ১৩৫।
​- দেশে ১৫ বছর বা এর বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীর ৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেকার।

​​তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

১,২৪৬.
কোন জাতিগোষ্ঠী নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন?
  1. মারমা
  2. মণিপুরী
  3. সাঁওতাল
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
১,২৪৭.
গারো নৃগোষ্ঠীর বসবাস নেই কোন জেলায়?
  1. ক) টাংগাইল
  2. খ) শেরপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
গারো
• গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী। টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস। তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে। 
• বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে। নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
• গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক। মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
• পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে। গারোদের প্রথাগত আইন অনুযায়ী পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী  মেয়েরা। তবে শুধুমাত্র নির্বাচিত মেয়েই সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করে। সেই নির্বাচিত মেয়েকে গারো ভাষায় নক্না বলে। সাধারণত পরিবারের কনিষ্ঠ কন্যা সন্তানকেই নক্না নির্বাচন করা হয়।
• সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত।
• গারোরা নিজেদের আচিক্ মান্দে (পাহাড়ের মানুষ) বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১,২৪৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. চাকমা
  2. গারো
  3. খাসিয়া
  4. মারমা
  5. সাওঁতাল
সঠিক উত্তর:
মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২: 
- বাংলাদেশে 'ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর' সংখ্যা মোট ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
→ সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী: হলো চাকমা।
→ দ্বিতীয়:মারমা।
→ তৃতীয় : ত্রিপুরা।

উল্লেথ্য,
- জেলা হিসেবে,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে।
- দিয়ে-দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
১,২৪৯.
গারো পরিবারের সন্তানসন্ততিরা কার পদবি ধারণ করে?
  1. বাবার পদবি
  2. মায়ের পদবি
  3. দাদার পদবি
  4. দাদির পদবি
সঠিক উত্তর:
মায়ের পদবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মায়ের পদবি
ব্যাখ্যা
• গারো: 
- গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত। 
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,২৫০.
বাংলাদেশ ভূখণ্ডের জনগোষ্ঠী বাঙালি হিসেবে পরিচিতি পেতে শুরু করে-
  1. ক) অষ্টম শতক থেকে
  2. খ) নবম শতক থেকে
  3. গ) এয়োদশ শতক থেকে
  4. ঘ) চতুর্দশ শতক থেকে
সঠিক উত্তর:
ঘ) চতুর্দশ শতক থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চতুর্দশ শতক থেকে
ব্যাখ্যা
চতুর্দশ শতকে ১৩৫২ সালে সোনারগাঁও দখলের মাধ্যমে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলা জয় করেন এবং দুই বাংলাকে একত্রিত করে বৃহত্তর বাংলা গড়েন। তার সময় থেকেই বাংলাভাষী জনগণ বাঙালি হিসেবে পরিচিতি পায়।
তার আগে অস্ট্রিক, দ্রাবিড় প্রভৃতি অনার্য জনগোষ্ঠীর সাথে আর্য জনগোষ্ঠীর সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠে।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,২৫১.
‘জলকেলি উৎসব’ কোন সম্প্রদায় পালন করেন?
  1. রাখাইন
  2. চাকমা
  3. সাঁওতাল
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
ব্যাখ্যা

রাখাইন
- রাখাইন  বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী
- আঠারো শতকের শেষে আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- রাখাইনদের হাজার বছরের পুরানো এক সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে।
- রাখাইনরা মূলত কৃষিনির্ভর।
- রাখাইনদের ভাষা আঞ্চলিকভাবে ‘র‌্যামরা’ ও ‘মারৌও’ নামে পরিচিত।
- রাখাইন সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় বার্ষিক আয়োজন—‘জলকেলি উৎসব’।
- রাখাইনদের আরও সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলো হচ্ছে: প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, নববর্ষ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,২৫২.
বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি? ( নভেম্বর-২০২৫)
  1. মারমা
  2. গারো
  3. চাকমা
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে,
• দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা – ৫০টি।
• জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
• জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)। -
• জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
• ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)।
• ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় -লালমনিরহাট (১১৮ জন)।

উৎস: বিবিএস।

১,২৫৩.
'সাংগ্রাই পোয়ে' কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের উৎসব?
  1. চাকমা
  2. ত্রিপুরা
  3. তঞ্চঙ্গ্যারা
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
ব্যাখ্যা
রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশে বসবাসরত একটি  ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে। বর্তমানে বেশির ভাগ রাখাইনের বসবাস কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায়। এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও কিছু রাখাইন বাস করে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।

⇒ রাখাইনরা মূলত কৃষিনির্ভর। রাখাইনদের রয়েছে নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি।
- তাদের ভাষা আঞ্চলিকভাবে ‘র‌্যামরা’ ও ‘মারৌও’ নামে পরিচিত।

⇒ রাখাইদের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলো হচ্ছে: প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, জলকেলি (লেই খেখু), নববর্ষ প্রভৃতি।
- রাখাইন উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম সান্দ্রে।
- প্রতি বছর রাখাইন সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব 'সাংগ্রাই পোয়ে' বা 'জলকেলি উৎসব' উদযাপন করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয়।
- প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে ত্রিপুরা সম্প্রদায় ‘বৈসুক’, মারমারা ‘সাংগ্রাই’ এবং চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা ‘বিজু’ উৎসব পালন করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,২৫৪.
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি কোন জেলায়? (জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২)
  1. ঢাকা
  2. যশোর
  3. বরিশাল
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

 ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২
- অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - গাজীপুর (৩.৮৭%)
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

১,২৫৫.
খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. সোহরাই
  2. ওয়ানগালা
  3. সেং কুটস্নেম
  4. সাংসারেক
সঠিক উত্তর:
সেং কুটস্নেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেং কুটস্নেম
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৫৬.
According to 'sixth Population and Housing Census, 2022', what is the total population of the country?
  1. 169,818,911
  2. 169,858,911
  3. 169,828,911
  4. 169,878,911
সঠিক উত্তর:
169,828,911
উত্তর
সঠিক উত্তর:
169,828,911
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা:   
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:   
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.২২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  
- স্বাক্ষরতার হার: ৭৪.৬৬%। 
- নারী:পুরুষের অনুপাত: ১০০:৯৮.১।

উৎস: i) ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা রিপোর্ট ২০২২।
          ii) পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১,২৫৭.
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচির আওতায় মাসিক ভাতার হার কত?
  1. ৬৫০ টাকা
  2. ৮৫০ টাকা
  3. ১০৫০ টাকা
  4. ১২৫০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৮৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী:
- মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি।
-  দরিদ্র মা,র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি ও মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি।
- এর উদ্দেশ্য মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু হ্রাস, শীর্ণকায় ও খর্বাকার শিশুর সংখ্যা কমিয়ে আনা এবং শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ।
- ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছর থেকে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে দরিদ্র মা’র জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি শুরু করা হয়।
- বর্তমানে ৪২৬ টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান।
- ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় জুলাই/২০২৫ থেকে উপকারভোগীদের ভাতার পরিমাণ মাসে ৮০০/(আটশত) টাকার হতে ৮৫০/ (আটশত পঞ্চাশ) টাকা হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
- প্রতিমাসে ভাতা প্রদানের পাশাপাশি মা ও শিশুর পুষ্টি, শিশুর মনো-সামাজিক বিকাশ এবং বুদ্ধি বৃত্তিক বিকাশ বিষয়ে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণে বছরে ৫ দিন অংশগ্রহন করছেন। 
- সরকারের জাতীয় সামজিক নিরাপত্তা কৌশল অনুযায়ী ২০২৬ সালের মধ্যে ০ থেকেক ৪  বছরের মোট শিশুর অর্ধেক অর্থাৎ ৫০% কে এই কর্মসূচির আওতায় সহায়তা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে যার সম্বব্য সংখ্যা ৬৫ লক্ষ শিশু।

• মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচিতে আবেদনের যোগ্যতা-
- বয়স ২০-৩৫ বছর।
- এন আই ডি কার্ড।
- প্রথম অথবা দ্বিতীয় গর্ভবস্থা।
- নিজ নামে পছন্দসই অনলাইন/মোবাইল ব্যাঙক একাউন্ট।
- পারিবারিক মাসিক আয় সর্বোচ্চ ৮০০০ টাকা।

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

১,২৫৮.
রাখাইনদের বসবাস কোথায়?
  1. বরিশাল
  2. দিনাজপুর
  3. শেরপুর
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশে বসবাসরত একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে। বর্তমানে রাখাইন সম্প্রদায়ের বসবাস মূলত কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায়। এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কিছু রখাইন বসতি দেখা যায়। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।

⇒ রাখাইনরা মূলত কৃষিনির্ভর।
- রাখাইনদের রয়েছে নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি।
- তাদের ভাষা আঞ্চলিকভাবে ‘র‌্যামরা’ ও ‘মারৌও’ নামে পরিচিত।

⇒ রাখাইনরা রক্ষণশীল জাতি।
- তাদের রয়েছে নিজস্ব আচার-প্রথা।
⇒ রাখাইদের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলো হচ্ছে: প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, জলকেলি (লেই খেখু), নববর্ষ প্রভৃতি।
- রাখাইন উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম সান্দ্রে। প্রতি বছর রাখাইন সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব 'সাংগ্রাং পোয়ে' বা 'জলকেলি উৎসব'। উদযাপন করে থাকে।

উৎস: i) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১,২৫৯.
নিচের কোন জেলায় ওরাওঁ নৃগোষ্ঠীর বাস নেই?
  1. ক) নীলফামারী
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
গ) খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
ওরাওঁ নৃগোষ্ঠীর বাস নেই - খাগড়াছড়ি।

• ওরাওঁ উপজাতি:

- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।

- তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক।
- এ ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই। 
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত চারটি; তবে এর সাথে আরো কয়েকটি উৎসব রয়েছে -
১. সারহুল,
২. কারাম,
৩. পশু উৎসব,
৪. খারিয়ানি,
৫. ফাগুয়া,
৭. সোহরায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,২৬০.
বাহা উৎসব কারা পালন করে?
  1. গারো
  2. চাকমা
  3. সাঁওতাল
  4. ম্রো
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
বাহা উৎসব: 
- বাহা পরব বা বাহা উৎসব হল সাঁওতাল আদিবাসীদের দ্বারা পালিত একটি উৎসব।
- সাঁওতালি ভাষায় 'বাহা' মানে ফুল।
- বাহা পরবে (ফুল উৎসবে) পুরুষ, মহিলা ও শিশুরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত হয়।
- বাহা উৎসব সাঁওতাল বর্গের মানুষ প্রতি বছর ফাল্গুন মাসে্র দোল পূর্ণিমার পর থেকে পালন করে থাকেন।
- এই উৎসবে সমস্ত দেবতার থান গোবর দিয়ে নিকিয়ে রাখা হয়।
- পুরুষেরা দল বেঁধে শিকারে বের হন।
- উৎসবের শেষে নাচগান হয়।
- মেয়েরা নতুন ফুলে নিজেদেরকে সজ্জিত করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১,২৬১.
ওরাঁও সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসবের নাম -
  1. ক) কারাম
  2. খ) সাংগ্রাই
  3. গ) বোঙ্গাবোঙ্গি
  4. ঘ) বিজু
সঠিক উত্তর:
ক) কারাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কারাম
ব্যাখ্যা
ওরাঁও জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের সমতলে বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, রংপুর, নওগাঁ, বগুড়া, নাটোর, রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, নীলফামারী, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের চা বাগানে বসবাস করে।
এছাড়া গাজীপুর জেলায় কিছু সংখ্যক ওরাঁও জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। তবে রংপুর ও নওগাঁ জেলায় ওরাঁওদের বসবাস তুলনামূলক বেশি।

- ওরাঁও সম্প্রদায় প্রধানত প্রকৃতি পূজারি।
- তাদের সৃষ্টিকর্তা বা প্রধান দেবতার নাম ধার্মেশ।
- প্রধান উৎসবের নাম কারাম
- ওরাঁওদের গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম পাঞ্চেস।
- কুড়ুখ ও সাদরি ওরাঁওদের মধ্যে প্রচলিত দুটো ভাষা।
- ওরাঁও সম্প্রদায় তেভাগা আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলো।


তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী
১,২৬২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এ কোন পদ্ধতিতে তথ্যসংগ্রহ করা হয়?
  1. CAPI
  2. MAPI
  3. TAPI
  4. AAPI
সঠিক উত্তর:
CAPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAPI
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।
- আকস্মিক বন্যাজনিত কারণে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রমের সময়সীমা ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- শুমারিতে জিআইএস (Geographic Information System) বেইজড ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing) পদ্ধতিতে ট্যাবলেট এর মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারিতে প্রথমবারের মতো একটি ওয়েবভিত্তিক Integrated Census Management System (ICMS) প্রবর্তন করা হয়েছে যা ব্যবহার করে সদর দপ্তরে স্থাপিত Network Operations Centre (NOC) এর ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে শুমারিকালীন সকল গণনা এলাকা, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা পর্যায়ের গণনা কার্যক্রম তদারকি সম্ভব হয়েছে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২% । 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১,২৬৩.
ওরাওঁ মূলত বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. বরেন্দ্র অঞ্চল
  3. উপকূলীয় অঞ্চল
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরেন্দ্র অঞ্চল
ব্যাখ্যা

ওরাওঁ: 
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি আদিবাসী নৃগোষ্ঠী, তাদের প্রধান বসবাস বরেন্দ্র অঞ্চলজুড়ে।
- বরেন্দ্র অঞ্চল বলতে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলো বোঝানো হয়, যেমন রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, জয়পুরহাট, বগুড়া, দিনাজপুর ও গাইবান্ধা।
- এছাড়া তারা কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুর ও নীলফামারী জেলার বিভিন্ন গ্রামে বসবাস করে।
- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওরাওঁ জনগোষ্ঠী দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে।
- বর্তমানে গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলাতেও তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১,২৬৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা কোনটি?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন)।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে - ঢাকা বিভাগ।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে - ময়মনসিংহ বিভাগ।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১,২৬৫.
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুসারে, বিশ্বের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. টুভালু
  2. টোকেলাউ
  3. ভ্যাটিকান সিটি
  4. নাউরু
সঠিক উত্তর:
ভ্যাটিকান সিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যাটিকান সিটি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------------- 
[স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্বের জনসংখ্যার তথ্য প্রচার-প্রকাশ করে। ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের ২০২৪ সালের তথ্য অনুসারে, ভ্যাটিকান সিটির জনসংখ্যা সবচেয়ে কম। এই সংখ্যা ৪৯৬।]

ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের ২০২৪ সালের তথ্য অনুসারে, বিশ্বের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার ১০ দেশ-অঞ্চলের তালিকা দেওয়া হলো—

১. ভ্যাটিকান সিটি:
- ভ্যাটিকান সিটির জনসংখ্যা সবচেয়ে কম। এই সংখ্যা ৪৯৬।

২. নিউ:
- দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের স্বশাসিত দ্বীপরাষ্ট্র নিউ। জনসংখ্যা ১ হাজার ৮১৯ জন।

৩. টোকেলাউ:
- দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় নির্ভরশীল অঞ্চল টোকেলাউ। জনসংখ্যা ২ হাজার ৫০৬ জন।

৪. ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ:
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের জনসংখ্যা ৩ হাজার ৪৭০ জন।
 
৫. মন্টসের্রাট:
- ক্যারিবীয় এলাকায় অবস্থিত মন্টসের্রাটের জনসংখ্যা ৪ হাজার ৩৮৯ জন।

৬. সেন্ট পিয়ের ও মিকেলন:
- সেন্ট পিয়ের ও মিকেলনের জনসংখ্যা ৫ হাজার ৬২৮ জন।

৭. টুভালু:
- টুভালুর জনসংখ্যা ৯ হাজার ৬৪৬ জন।

৮. সেন্ট বার্থেলেমি:
সেন্ট বার্থেলেমির জনসংখ্যা ১১ হাজার ২৫৮ জন।

৯. ওয়ালিস ও ফুটুনা: 
- ওয়ালিস ও ফুটুনার জনসংখ্যা ১১ হাজার ২৭৭ জন।

১০. নাউরু:
- নাউরুর জনসংখ্যা ১১ হাজার ৯৪৭ জন।

উৎস:
- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ।
১,২৬৬.
কোন আদিবাসী জনগোষ্ঠী নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন?
  1. মারমা
  2. মুরং
  3. রাখাইন
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
মুরং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুরং
ব্যাখ্যা
মুরং/ম্রো:
- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
- পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২৬৭.
'মারাং বুরু' দেবতার উপাসনা করে কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী?
  1. ত্রিপুরা
  2. সাঁওতাল
  3. লুসাই
  4. মারমা
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২৬৮.
কোন জেলায় হাজংদের বসবাস নেই?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) শেরপুর
  3. গ) নেত্রকোনা
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা

- হাজং  বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী। ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিনিবাস উত্তর বার্মায়। 
- বর্তমানে হাজংদের সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,২৬৯.
খাসিয়াদের পুঞ্জি প্রধানকে কী বলা হয়? 
  1. রাজা 
  2. সিয়েম
  3. সর্দার
  4. হেডম্যান
সঠিক উত্তর:
সিয়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়েম
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া ও গারো বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চ্যাপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- এরা পাঁচ শত বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- খাসিয়াদের গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জিপ্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তরপূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ ,হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার আবাস তাদের।
- ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করে।
- বর্তমানে শতকরা ৮০-৯০ ভাগ খাসিয়াই খ্রিষ্টান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,২৭০.
তথ্য অধিকার আইন প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
তথ্য অধিকার আইন:
- সংসদে পাস: ২৯ মার্চ ২০০৯
- কার্যকর: ১ জুলাই ২০০৯ থেকে
- তথ্য কমিশন গঠন: ১ জুলাই ২০০৯

তথ্য অধিকার আইন-২০০৯ উদ্দেশ্য:
-সংবিধানে চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতা নাগরিকদের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত,
- এবং তথ্য প্রাপ্তির অধিকার- চিন্তা, বিবেক ও বাক স্বাধীনতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
- জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা হলে সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা,
- এবং সরকারি ও বিদেশি অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বেসরকারি সংস্থার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে।
- দুর্নীতি হ্রাস পাবে ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

উৎস: তথ্য ও সমপ্রচার মন্ত্রণালয়।
১,২৭১.
'রাসলীলা' কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের অনুষ্ঠান?
  1. মণিপুরি
  2. রাখাইন
  3. রাজবংশী
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
মণিপুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরি
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।

উল্লেখ্য,
- মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব মহা রাসলীলা। 
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে মণিপুরের রাজা মহারাজ ভাগ্যচন্দ্র প্রবর্তিত শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলানুকরণ বা রাসপূর্ণিমা নামের মণিপুরিদের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশে প্রায় দেড়শ বছর ধরে (আনুমানিক ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে) পালিত হয়ে আসছে।

⇒ মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙান।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৭২.
নিচের কোন জনগোষ্ঠী 'মগ' নামে পরিচিত ছিল?
  1. রাখাইন
  2. চাকমা
  3. খাসিয়া
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
ব্যাখ্যা

রাখাইন জনগোষ্ঠীরাখাইন জনগোষ্ঠী:

- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদিনিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য।
- এরা নিজেদের 'রাক্ষাইন' নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- রাখাইনরা এক সময় 'মগ' নামে পরিচিত ছিল।
- অনেক গবেষকের মতে রাখাইন এবং মারমারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত।
- রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি।

উল্লেখ্য, মারমারাও মগ নামে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

১,২৭৩.
৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে কতজন মানুষ বসবাস করে?
  1. ক) ১০৭৭ জন
  2. খ) ১১১৯ জন
  3. গ) ১১৩৯ জন
  4. ঘ) ১১৯০ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ১১১৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১১৯ জন
ব্যাখ্যা
১৫-২১ জুন ২০২২ বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা বা আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

- ৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুসারে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন (চূড়ান্ত হিসাবে)। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।

- জাতীয় পর্যায়ে প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব : ১১১৯ জন।

বিভা্গ অনুসারে জনসংখ্যা ঘনত্ব:
- সর্বোচ্চ : ঢাকা বিভাগে (২,১৫৬ জন)
- সর্বনিম্ন : বরিশালে (৬৮৮ জন)

জেলা অনুসারে:
- সর্বোচ্চ ঘনত্ব : ঢাকা জেলায় (১০০৬৭ জন)
- সর্বনিম্ন : রাঙামাটি জেলায় (১০৬ জন)।

(তথ্যসূত্র: ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা প্রাথমিক প্রতিবেদন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার)
১,২৭৪.
কোন জেলায় দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) নারায়ণগঞ্জ
  3. গ) মুন্সিগঞ্জ
  4. ঘ) কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ-২০১৬ অনুসারে দেশের মধ্যে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম নারায়ণগঞ্জ জেলায় ২.৬ শতাংশ।
দ্বিতীয় কম দারিদ্র্যপূর্ণ জেলা ‍মুন্সিগঞ্জ ৩.১ শতাংশ। তৃতীয় মাদারীপুর ৩.৭ শতাংশ। অন্যদিকে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি কুড়িগ্রাম জেলায় ৭০.৮ শতাংশ।
(সূত্রঃ বিবিএস খানা আয় ও ব্যয় জরিপ -২০১৬)
১,২৭৫.
চাকমা পাড়ার প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. কারবারি
  2. হেডম্যান
  3. মৌজা
  4. আদাম
সঠিক উত্তর:
কারবারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারবারি
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- চাকমারা দেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাস করে।
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু বা বিঝু।
- চাকমাদের পরিবার পিতৃতান্ত্রিক।
- চাকমাদের ধর্ম বৌদ্ধ।
- চাকমাদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক।
- চাকমাদের প্রধান পেশা কৃষি।

উল্লেখ্য, 
- চাকমাদের গ্রামকে বলে আদাম বা পাড়া। 
- চাকমাদের কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- চাকমা গ্রামের প্রধান হলেন কারবারি।
- চাকমা মৌজার প্রধান হলেন হেডম্যান।
- চাকমা সমাজের প্রধান (বংশানুক্রমিক) চাকমা রাজা।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৭৬.
নিচের কোন জেলায় হাজং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস নেই?
  1. নেত্রকোনা
  2. খাগড়াছড়ি
  3. শেরপুর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে। তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিনিবাস উত্তর বার্মায়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে হাজংদের পূর্বপুরুষের দলটি তাদের আদিনিবাস ত্যাগ করে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় প্রথমে প্রবেশ করে।
- সপ্তদশ শতকে মুগলদের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে হাজংরা গারো পাহাড়ে আশ্রয় নেয় এবং পরে সমতলভূমিতে বসতি স্থাপন করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- হাজং নারীরা যে কাপড় পরিধান করে সেটিকে তারা ‘পাথিন’ বলে।
- তিটি হাজং বাড়িতে ছোট করে হলেও সৃষ্টিকর্তাকে প্রণাম জানানোর জন্য আলাদা একটি ঘর নির্মাণ করে। হাজংরা সেটিকে ‘দেওঘর’ বলে।
- নবজাত শিশুর মঙ্গল কামনায় হাজংরা ময়লাদেওয়ের পূজা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২৭৭.
বাংলাদেশের ত্রিপুরা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় কোন ধর্মবিশ্বাসের অনুসারী?
  1. হিন্দু ধর্ম
  2. বৌদ্ধ ধর্ম
  3. খ্রিস্ট ধর্ম
  4. জৈন ধর্ম
সঠিক উত্তর:
হিন্দু ধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিন্দু ধর্ম
ব্যাখ্যা

ত্রিপুরা:
- ত্রিপুরা একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য। ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।

⇒ ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা ককবরক নামে অভিহিত। ককবরক ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল। ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে ককবরক রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।

⇒ ত্রিপুরারা সনাতন বা হিন্দু ধর্মের অনুসারী। এরা শিব ও কালীপূজা করেন। পাশাপাশি এরা নিজস্ব কিছু দেব-দেবীর উপাসনাও করে। যেমন গ্রামের সব লোকের মঙ্গলের জন্য এরা ‘কের’ পূজা করে।

⇒ ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক। পিতাই পরিবারের প্রধান এবং তার অবর্তমানে জ্যেষ্ঠ পুত্র পরিবারের কর্তা হন। সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে ছেলেরা বাবার সম্পত্তি ও মেয়েরা মায়ের সম্পত্তি লাভ করে থাকে।

⇒ ত্রিপুরা জাতির প্রথাগত উৎপাদন পদ্ধতির নাম জুম। জুম চাষের শুরু থেকেই শেষ অবধি সংগীত একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। লোক নৃত্যে ত্রিপুরাদের রয়েছে সমৃদ্ধ ঐতিহ্য। ঐতিহ্যবাহী লোকনৃত্যের মধ্যে সিমতুং, কাথারক, সাকচরাই, চুমলাই, কেরপূজা, গোমতী, নাইরাং, হাচুকমা, সিবরাই, জুয়াংফা, সাকাল, গড়িয়া, হজাগিরি, লেবাং, মামিতা, ত্রিপুরেশ্বরী, মাইখুলুম, হাবা, খুমকাম, অনজালা উল্লেখযোগ্য।

⇒ ত্রিপুরীদের রয়েছে বৈচিত্র্যমন্ডিত উৎসব ও পূজা পার্বণ। প্রধান উৎসব ও পূজা হলো: বৈষু, কের, গোমতী, সিবরাই, খাচী, হাকা। প্রধান উৎসবের নাম বৈষু।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,২৭৮.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সাঁওতালরা বসবাস করে না?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. বান্দরবান
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা

• সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো- অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য তবু পর্বত দেবতাও (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১,২৭৯.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তিতে মোট ধারা রয়েছে -
  1. ৭১টি
  2. ৭২টি
  3. ৭৩টি
  4. ৭৪টি
সঠিক উত্তর:
৭২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২টি
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি হলো বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন: বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রায় এক-দশমাংশ এলাকা পার্বত্য চট্টগ্রামে দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা সশস্ত্র লড়াইয়ের অবসান হয়।
- চুক্তিতে ৭২টি ধারা আছে।
- এর মাধ্যমে তিনটি জেলা পরিষদ এবং আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়।

⇒ পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি পাহাড়ি জনগণের বিশেষ অবস্থান ও মর্যাদার স্বীকৃতি দিয়েছে।
- এই শান্তিচুক্তির আওতায় তিন পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ সমন্বয়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
- উপজাতীয় আইন এবং সামাজিক বিচারকাজ এই পরিষদের অধীনে থাকবে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করা।
- উপজাতীয়দের ভূমি মালিকানা অধিকার ফিরিয়ে দেয়া।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করা।

উৎস: i) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১,২৮০.
'ফাগুয়া' উৎসব কোন নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ পালন অনুষ্ঠান?
  1. মারমা
  2. রাখাইন
  3. সাঁওতাল
  4. ওঁরাও
সঠিক উত্তর:
ওঁরাও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওঁরাও
ব্যাখ্যা
"আনন্দ উৎসব"
• বাংলাদেশের প্রায় সকল নৃগোষ্ঠীর মানুষ নাচ-গান এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনন্দ-উৎসব পালন করে থাকে।
- মণিপুরি নৃগোষ্ঠীর মানুষের কাছে রাধা-কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে কীর্তন ও নৃত্য অন্যতম প্রিয়; এ নৃত্যকে তারা 'গোপী নাচ' বলে। বসন্তকালে তারা জাঁকজমকের সাথে হোলি উৎসব পালন করে।

• ওঁরাও জনগোষ্ঠী ফাল্গুন মাস থেকেই নতুন বছর গণনা শুরু করে এবং নববর্ষকে বরণ করতে 'ফাগুয়া' উৎসব পালন করে।
- সাঁওতালরা সোহরাই, বাহা, পাসকা পরবসহ নানা ধর্মীয় ও মৌসুমী উৎসব পালন করে থাকে।

• পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা প্রভৃতি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বৈসুক, সাংগ্রাই ও বিজু এই তিন উৎসবকে একত্রিত করে 'বৈসাবি' নামে একটি বড় উৎসবে পরিণত করেছে, যা নববর্ষের সবচেয়ে বড় আয়োজন হিসেবে বিবেচিত। মারমা ও রাখাইন নৃগোষ্ঠী নববর্ষ উপলক্ষে বিশেষভাবে জল উৎসব পালন করে, যা তাদের সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়-৭ম শ্রেণি।
১,২৮১.
বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হল-
  1. গারো
  2. হাজং
  3. কোচ
  4. সকলেই
সঠিক উত্তর:
সকলেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকলেই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ভৌগোলিক অবস্থান: 
- সাধারণভাবে ভৌগোলিক অবস্থানভেদে বাংলাদেশে দুই ধরনের নৃগোষ্ঠীর মানুষ আছেন-পাহাড়ি ও সমতলবাসী।
- এদের একটি অংশ বসবাস করে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে তথা পার্বত্য চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়।
- এসব জেলায় বসবাসকারী নৃগোষ্ঠীগুলো হলো-চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, স্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, পাংখুয়া, চাক, খ্যাং, খুমি এবং লুসাই।
- নৃতাত্ত্বিক বিচারে এরা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর মানুষ। এরা পাহাড়ি নামেও পরিচিত।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাংশেও মঙ্গোলীয় ভিন্ন নৃগোষ্ঠীর বাস রয়েছে।
- এদের মধ্যে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের গারো, হাজং, কোচ এবং বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে খাসি ও মণিপুরি প্রভৃতি নৃগোষ্ঠীর নাম উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়াও কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায় বাস করে মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীভুক্ত রাখাইনরা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,২৮২.
পাহাড়িয়া জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় কি-বোর্ডের নাম কী?
  1. শিলা কি-বোর্ড
  2. মালত সাবা
  3. বৈসাবি সাবা
  4. মালত হরফ
সঠিক উত্তর:
মালত সাবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালত সাবা
ব্যাখ্যা
‘মালত সাবা’ কি-বোর্ড:
- পাহাড়িয়া জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় নির্মিত ‘মালত সাবা’ কি-বোর্ড উদ্বোধনের মাধ্যমে তাদের মাতৃভাষায় লেখালেখির পথে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে।
- এই কি-বোর্ডটি ২৯৫তম ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
নির্মাতা: পাহাড়িয়া গবেষক অভিলাষ বিশ্বাস পাহাড়িয়া ও সহযোগী ছিলেন শিলা বিশ্বাস।
- নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১২ সালে, এবং এটি শেষ হতে ১২ বছর সময় লেগেছে।
- পাহাড়িয়া জনগোষ্ঠীর ভাষায় কথোপকথন সম্ভব হলেও মাতৃভাষায় লিখতে না পারার যে প্রতিবন্ধকতা ছিল, তা দূর করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- ২৩ নভেম্বর ২০২৪, শনিবার রাজশাহী বিভাগের লিলিহল মোড় এলাকায় অবস্থিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির মিলনায়তনে উদ্বোধনী হয়।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাহাড়িয়া মাতৃভাষা চর্চার প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
- মালত সাবা কি-বোর্ড পাহাড়িয়া জনগোষ্ঠীর ভাষার লিখনশৈলীকে প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- এটি ভাষার সংরক্ষণ এবং প্রচারে ভূমিকা রাখবে।
- মাতৃভাষার শিক্ষার প্রসারে এটি সহায়ক হবে।

তথ্যসূত্র:- ঢাকা পোস্ট। [লিঙ্ক] 
১,২৮৩.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পরিবার মাতৃতান্ত্রিক?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. সাঁওতাল
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।
- তারা প্রচুর পান ও মধুর চাষ করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,২৮৪.
‘ফেবো’ উপন্যাসটি কোন ভাষায় লেখা হয়েছে?
  1. বাংলা
  2. মান্দি 
  3. চাকমা
  4. মিয়ানমার
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা

চাকমা:
- চাকমা শব্দের অর্থ – মানুষ।
- চাকমারা বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে বৃহত্তম।
- তারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। 
- তাদের প্রধান ধর্মীয় গ্রন্থ হলো ত্রিপিটক।
- চাকমাদের শিক্ষা স্তর অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর তুলনায় সর্বোচ্চ।
- তাদের সমাজে গ্রামকে বলা হয় আদম।
- গ্রামপ্রধানকে কারবারি বলা হয়।
- কয়েকটি গ্রাম মিলিত হয়ে মৌজা গঠন করে, যার প্রধানকে হেডম্যান বলা হয়।
- চাকমাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলো ফাল্গুনী পূর্ণিমা। 
- তাদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে বলা হয় বিজু।
- তাদের ইতিহাসে একজন গুরুত্বপূর্ণ নায়ক ছিলেন জুম্মা খান, যিনি চাকমা বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন।

- চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস হলো ফেবো (Phoebo)।
- এটি ২০০৪ সালে দেবপ্রিয় চাকমা রচনা করেন। 
- এটি চাকমা হরফে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসটি চাকমা সাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে গণ্য হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১,২৮৫.
বাংলাদেশে বসবাসকারী নিচের কোন নৃ-গোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক?
  1. ওরাঁও
  2. সাঁওতাল
  3. খাসিয়া
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতিসমূহের মধ্যে খাসিয়া এবং গারো সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক। এছাড়া কোচ সমাজেও আংশিক মাতৃতান্ত্রিকতা বিদ্যমান রয়েছে।
অন্যান্য উপজাতিসমূহের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,২৮৬.
নিচের কোন উপজাতির পরিবার ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) খাসিয়া
  3. গ) হাজং
  4. ঘ) রাখাইন
সঠিক উত্তর:
খ) খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খাসিয়া
ব্যাখ্যা
• খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- তারা মাতৃপ্রধান পরিবারে বসবাস করে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।

- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের ভাষা বর্মী।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,২৮৭.
'জলকেলি' কোন নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী উৎসব?
  1. সাঁওতাল
  2. খাসিয়া
  3. রাখাইন
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
ব্যাখ্যা

রাখাইন:
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- রাখাইনদের বসবাস পটুয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায়।
- রাখাইনদের আদিনিবাস মিয়ানমার।
- রাখাইনদের ধর্ম বৌদ্ধ।

অন্যদিকে:
- ওয়ানগালা হচ্ছে গারো সম্প্রদায়ের একটি নবান্ন উৎসব।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব হলো সোহরাই।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি ও প্রথম আলো।

১,২৮৮.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী 'সান্দ্রে' উৎসব পালন করে?
  1. খিয়াং
  2. রাখাইন 
  3. সাঁওতাল 
  4. মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
রাখাইন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন 
ব্যাখ্যা

রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশে বসবাসরত একটি  ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে। বর্তমানে বেশির ভাগ রাখাইনের বসবাস কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায়। এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও কিছু রাখাইন বাস করে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।

⇒ আদি ব্রাহ্মীলিপিতে প্রথম লিখিত আকারে পালি ভাষায় ‘আরাখা’ অর্থাৎ রক্ষ বা রক্ষিতা অথবা রক্ষক শব্দ থেকে রাখাইন শব্দটির উৎপত্তি।
- আর্য বংশোদ্ভূত রাখাইনদের প্রাচীন বাসস্থান ছিল মগধ রাজ্য।
- পরে মগধ থেকে আরাকানে এসে বসতি স্থাপন করে।
- পরিচিতি পায় মগধী বা মগ নামে।

⇒ রাখাইনরা মূলত কৃষিনির্ভর।
- রাখাইনদের রয়েছে নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি।
- তাদের ভাষা আঞ্চলিকভাবে ‘র‌্যামরা’ ও ‘মারৌও’ নামে পরিচিত। 

⇒ রাখাইনরা রক্ষণশীল জাতি।
- তাদের রয়েছে নিজস্ব আচার-প্রথা।
⇒ রাখাইদের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলো হচ্ছে: প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, জলকেলি (লেই খেখু), নববর্ষ প্রভৃতি।
- রাখাইন উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম সান্দ্রে। প্রতি বছর রাখাইন সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব 'সাংগ্রাং পোয়ে' বা 'জলকেলি উৎসব'। উদযাপন করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,২৮৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে জনসংখ্যা কত (মিলিয়নে)?
  1. ১৬৮.৫৬ মিলিয়ন
  2. ১৬৯.৮২ মিলিয়ন
  3. ১৭০.৮৩ মিলিয়ন
  4. ১৭১.০১ মিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
১৬৯.৮২ মিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৯.৮২ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) গ্রামে বাস করে।

• সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

• ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।

• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

১,২৯০.
হাজং জনগোষ্ঠী কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. সনাতন
  2. বৌদ্ধ
  3. খ্রিস্টান
  4. মুসলিম
সঠিক উত্তর:
সনাতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সনাতন
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস। 
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। 
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।


উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,২৯১.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে?
  1. হাজং
  2. চাকমা
  3. মারমা
  4. খাসিয়া
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
মাতৃতান্ত্রিক সমাজ:
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজ হচ্ছে সেসব পরিবার বা জনগোষ্ঠী, যাদের পরিবারের দায়িত্ব থাকে একজন নারীর ওপর এবং বংশের ধারাও নির্ধারিত হয় নারীর দিক থেকে।
- মায়ের পরিবার থেকেই উত্তরাধিকার ও বংশ-পদবি নির্ধারিত হয়।
- বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের খাসিয়া ও গারো নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে।

অপরদিকে,
চাকমা, হাজং এবং মারমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,২৯২.
গারোরা কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. ময়মনসিংহ
  2. নেত্রকোনা
  3. জামালপুর
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিব্বতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,২৯৩.
কোন জেলায় পাঙন উপজাতির বসবাস করে?
  1. রাঙামাটি
  2. নেত্রকোনা
  3. খাগড়াছড়ি
  4. মৌলভীবাজার
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
পাঙন উপজাতি:
- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় ।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

উৎস:- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং জস্তীয় তথ্য বাতায়ন।
১,২৯৪.
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রাজবংশীর প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নাম কী?
  1. হেনেই
  2. মাইলুকমা
  3. বিঝু
  4. হুদুমা
সঠিক উত্তর:
হুদুমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুদুমা
ব্যাখ্যা
রাজবংশী:
- বাংলাদেশের রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চল এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার সমতল অঞ্চলে, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিন দিনাজপুর ও সালদা জেলার কিছু অংশে বাংলা ভাষাভাষির একটি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করেন।
- এই জাতি গোষ্ঠীই রাজবংশী।
- আসামের গোয়ালাপাড়া, ধুবড়ি, মেঘালয়, বিহার ও নেপালের ঝাপা জেলাতেও এই ভাষার জাতিগোষ্ঠী বসবাস করেন।
- ভারতের কোচবিহার অঞ্চল থেকে আগত মঙ্গোলীয় নৃ-গোষ্ঠী কোচ জাতির অংশ। এদের মধ্যে প্রোটো-অষ্ট্রালয়েডদের মিশ্রন পরিলক্ষিত হয়। 

⇒ এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছ ধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা।
- মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশী জাতি পাহাড়, নদী, বন ও মাটিকেও উপাসনা করেন।
- এদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলো হলো: পাঁচকন্যা পূজা, বিষহরি পূজা, বেষমা পূজা, খরা-অনাবৃষ্টি কাটাতে হুদুমা পূজা, ব্যাঙ্গের বিয়ে প্রভৃতি।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই। এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্র রূপ।
- রাজবংশীরা মৃতদেহ পুড়িয়ে সৎকার কাজ সম্পন্ন করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,২৯৫.
খাসিয়ারা কোন জাতি ধারার ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী?
  1. অস্ট্রিক
  2. ককেশীয়
  3. মঙ্গোলীয়
  4. নিগ্রো
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গোলীয়
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।
- তারা প্রচুর পান ও মধুর চাষ করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,২৯৬.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষার নাম 'কুরুক'?
  1. মারমা
  2. হাজং
  3. ওরাওঁ
  4. লুসাই
সঠিক উত্তর:
ওরাওঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরাওঁ
ব্যাখ্যা
ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- তারা মুঘল শাসনামলে বরেন্দ্র অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং সে অঞ্চলে তাদের স্থায়ী নিবাস গড়ে তোলে।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।
- ওরাওঁরা জড়োপাসক, তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’।
- ওরাওঁরা তাদের সৃষ্টিকর্তা ধরমেশকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে পূজা করে এবং তাঁর উদ্দেশ্যে ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,২৯৭.
চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে কোন জনগোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. ক) মারমা
  2. খ) তঞ্চঙ্গা
  3. গ) লুসাই
  4. ঘ) চাকমা
সঠিক উত্তর:
ক) মারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মারমা
ব্যাখ্যা
বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত চিম্বুক পাহাড়কে বাংলার দার্জিলিং বলা হয়। এই পাহাড়ের পাদদেশে মারমা সম্প্রদায় বসবাস করে।
মারমা সম্প্রদায় বান্দরবান জেলার বোমাং সার্কেলের অন্তর্গত। বান্দরবানের সর্বত্রই মারমাদের বসতি লক্ষ্য করা যায়। বান্দরবান জেলায় প্রায় ৭৫ হাজারের অধিক মারমা জনগোষ্ঠী বসবাস করে। এছাড়া রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলাতেও এদের বসতি রয়েছে। জনসংখ্যায় মারমা সম্প্রদায় পার্বত্য চট্টগ্রামের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি। এরা আরাকান থেকে এদেশে এসেছে।
(সূত্র: পার্বত্য বান্দরবান জেলা পরিষদ ও বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট এবং দৈনিক যুগান্তর)
১,২৯৮.
'খাসিয়া' নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস নেই কোন জেলায়?
  1. ক) সুনামগঞ্জ
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের ভাষা বর্মী।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীদের গ্রামকে বলা হয় পঞ্জি।

- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,২৯৯.
'সাংতুং' কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর দেবতা?
  1. লুসাই
  2. গারো
  3. খাসিয়া
  4. ম্রো
সঠিক উত্তর:
ম্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্রো
ব্যাখ্যা
মুরং/ম্রো:
 
- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
- পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৩০০.
কোন উপজাতিদের ভাষা 'কুরুক' নামে পরিচিত?
  1. সাঁওতাল
  2. গারো
  3. হাজং
  4. ওরাওঁ
সঠিক উত্তর:
ওরাওঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরাওঁ
ব্যাখ্যা
ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- ওরাও নৃগোষ্ঠীর মানুষ রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক
- এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- যাবতীয় বিবাদ মেটানো ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গ্রাম সংগঠন আছে যাকে বলা হয় পাঞ্চেস।
- প্রতিটি গ্রামে একজন হেডম্যান বা মহাতোষ থাকে এবং একজন পুরোহিত বা নাইগাস থাকে।
- ওরাওঁরা জন্মান্তরবাদী।
- ওরাওঁদের মাঝে খ্রিস্টান ধর্মে বিশ্বাসীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত ফাগুয়া।
- ফাগুয়া অর্থাৎ ফাল্গুন মাস থেকে ওরাওঁদের বর্ষ গণনা শুরু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।