বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মের ইতিহাস ও অন্যান্য

মোট প্রশ্ন১,৩৪৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, ধর্মের ইতিহাস ও অন্যান্য

PrepBank · পাতা / ১৪ · ৬০১৭০০ / ১,৩৪৯

৬০১.
অর্থনীতিতে সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কার পান কে?
  1. কার্ল মার্ক্স
  2. র‍্যাগনার ফ্রিশ
  3. পল স্যামুয়েলসন
  4. জন মেনার্ড কেইনস
ব্যাখ্যা
র‍্যাগনার ফ্রিশ:
- অর্থনীতিতে প্রথম নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন জ্যান টিনবারগেন ও র‍্যাগনার ফ্রিশ।

⇒ র‍্যাগনার ফ্রিশ ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ‘অর্থনৈতিক পদ্ধতিসমূহের বিশ্লেষণের জন্য গতিশীল নকশা প্রণয়ন এবং এর উন্নয়নের জন্য এই পুরস্কার পান।
- ১৯৩৩ সালে র‍্যাগনার ফ্রিশ অর্থনীতিকে দুই ভাগে ভাগ করেন—ব্যষ্টিক ও সামষ্টিক অর্থনীতি। তিনি অর্থমিতি (Econometrics) চর্চার প্রবর্তনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- তাঁর বিখ্যাত বই Econometrics and Economic Theory in the 20th Century।

অন্যদিকে,
- পল স্যামুয়েলসন ১৯৭০ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- বিংশ শতাব্দীর প্রভাবশালী অর্থনীতিবিদদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন জন এম কেইনস। অর্থনীতিতে তাঁর তত্ত্বগুলো কেইনসীয় তত্ত্ব নামে সুপরিচিত। তার মতবাদ অর্থনৈতিক চিন্তাধারায় কেইনেসিয়ান বিপ্লবের জন্ম দেয় এবং যুক্তরাজ্যকে 'গ্রেট ডিপ্রেশন' বা মহামন্দা থেকে বেরিয়ে আসার পথ দেখায়। 
-কার্ল মার্কস ছিলেন একজন বিপ্লবী, সমাজবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ।

উৎস: Britannica.
৬০২.
গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান -
  1. কপিলাবস্তু
  2. বুদ্ধগয়া
  3. কুশিনারা
  4. তক্ষশীলা
ব্যাখ্যা
গৌতম বুদ্ধ:
- গৌতম বুদ্ধের ব্যক্তিগত নাম সিদ্ধার্থ।
- তাঁর জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৪র্থ শতাব্দীতে নেপালের কপিলাবস্তুর কাছে লুম্বিনীতে। 
- তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা।
- বুদ্ধ উপাধিটির অর্থ হল একজন আলোকিত সত্তা, যিনি অজ্ঞতার ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করেন।
- বৌদ্ধধর্মের সব রূপই গৌতম বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উদযাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর জন্ম, জ্ঞানার্জন এবং নির্বাণে উত্তরণ।
- তাঁর মৃত্যু কুশিনারা, মাল্লা প্রজাতন্ত্র, মগধ রাজ্যে।

অন্যদিকে -
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান তক্ষশীলা।
- গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান বুদ্ধগয়া।
- সারনাথ একটি উদ্যান যেখানে গৌতম বুদ্ধ সর্বপ্রথম ধর্ম নিয়ে ভেবেছিলেন। এই স্থানটি ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানাশী শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
৬০৩.
আলজাজিরা কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. ক) কাতার
  2. খ) আফগানিস্তান
  3. গ) আলজেরিয়া
  4. ঘ) আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
• আলজাজিরা কাতারের সংবাদ সংস্থা। 

• আল জাজিরা1996 সালে কাতারের আমির শেখ হামাদ ইবনে খলিফা আল থানি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। 

সূত্র: আলজাজিরা ওয়েব সাইট। 
৬০৪.
বাংলাদেশের প্রথম নারী এভারেস্ট জয়ী-
  1. ক) ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. খ) নিশাত মজুমদার
  3. গ) জেসমিন আরা বেগম
  4. ঘ) রৌশন আরা বেগম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী নারী নিশাত মজুমদার (১৯মে, ২০১২), দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী নারী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীম এবং এভারেস্টের দুই দিক থেকে দুইবার জয় করেন এম এ মুহিত।
উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৬০৫.
অন্ধদের জন্য লিখনরীতির উদ্ভাবন করেন কে?
  1. ডেভিটবোর
  2. কপার্নিকাস
  3. জোহান গুটেনবার্গ
  4. লুইস ব্রেইল
ব্যাখ্যা

• অন্ধদের জন্য লিখনরীতির উদ্ভাবন করেন- লুইস ব্রেইল।

• লুইস ব্রেইল (Louis Braille):
- অন্ধ ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য পড়ালেখার বিশেষ পদ্ধতির নাম ব্রেইল।
- এর আবিষ্কারক লুইস ব্রেইল।
- লুইস ব্রেইল ১৮০৯ সালের ৪ জানুয়ারি প্যারিসের নিকটবর্তী কুপভেরি নামের একটি ছোট শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিন বছর বয়সে বাবার কারখানায় খেলতে গিয়ে সুঁই জাতীয় ধারালো জিনিস দিয়ে এক মারাত্মক দুর্ঘটনায় তাঁর দুটো চোখই নষ্ট হয়ে যায়।
- তিনি অন্ধ হয়ে যান।
- ১৫ বছর বয়সে তিনি অন্ধদের লেখা ও পড়ার জন্য কাগজের ওপর মাত্র ছয়টি ডট দিয়ে একটি অতি সহজ ভাষা ও পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- ১৮২৭ সালে তিনি প্রথম ব্রেইল পদ্ধতির বই প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য,
- অন্ধ লোকেরা সেই ছয়টি ডটের জাদু দিয়ে তাঁদের জীবনকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারেন।
- আগে টাইপ মেশিনে ব্রেইল অক্ষর লেখা হতো, বর্তমানে লেখা হয় কম্পিউটারে।

উৎস: Britannica.

৬০৬.
কত সালে 'ট্রুম্যান ডকট্রিন' ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৪৭ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা

ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- 'ট্রুম্যান ডকট্রিন' ১৯৪৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হেনরি এস ট্রুম্যান দ্বারা ঘোষণা করা হয়।
- এটি ছিল একটি পররাষ্ট্রনীতি যার লক্ষ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূ-রাজনৈতিক বিস্তার প্রতিরোধ করা।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্কে চলমান কমিউনিস্ট বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্কের সামরিক বাহিনীকে আর্থিক সহায়তা দিতে শুরু করে। 

উৎস: National Archives (.gov).

৬০৭.
আদমসুরত বলা হয়-
  1. ক) কালপুরুষকে
  2. খ) সপ্তর্ষিমণ্ডলকে
  3. গ) ক্যাসিওপিয়াকে
  4. ঘ) সুরনদীকে
ব্যাখ্যা

কালপুরুষ বা অরিয়ন কে আদমসুরত বলা হয়।
এটা আসলে আকাশের কিছু তারার মানুষ আকৃতির বিন্যাস।
তারাগুলো মহাকাশের বিষুবীয় অঞ্চলে অবস্থান করায় পৃথিবীর সব অঞ্চল থেকে একে দেখা যায়।
উত্তর গোলার্ধে শরতের শেষ সময় হতে বসন্তের প্রাথমিক সময় পর্যন্ত এটি দেখা যায়।

৬০৮.
Man without society is either a beast or a God. উক্তিটি কার?
  1. ক) সক্রেটিস
  2. খ) প্লেটো
  3. গ) এরিস্টটল
  4. ঘ) জিউস
ব্যাখ্যা
- প্লেটোর ছাত্র এরিস্টটল একজন বড় দার্শনিক ছিলেন।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম দ্যা পলিটিক্স।
- তিনি লাইসিয়ামের এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি আলেকজান্ডার এর গৃহশিক্ষক।
- তার বিখ্যাত উক্তি -
- Man is Social and Political by Nature.
- Man without society is either a beast or a God. 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৬০৯.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট 'Emancipation Proclamation' এ স্বাক্ষর করেন?
  1. ক) উইনস্টন চার্চিল
  2. খ) আব্রাহাম লিঙ্কন
  3. গ) থিওডর রুজভেল্ট
  4. ঘ) থমাস জেফারসন
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন দাসপ্রথা বিলুপ্তির লক্ষ্যে, ১ জানুয়ারি ১৮৬৩ সালে তিনি 'Emancipation Proclamation' এ স্বাক্ষর করেন। মূলত এই ঘোষণার মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা নিষিদ্ধ হয়।
- এই ঘোষণাকে স্থায়ী বা সাংবিধানিক আইনে পরিণত করতে লিংকন সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী আনেন।
- ২ ডিসেম্বর ১৮৬৫ মার্কিন কংগ্রেসের হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ এ ১৩তম সংশোধনী পাস হয়। অর্থ্যাৎ, যুক্তরাষ্ট্রে সাংবিধানিকভাবে ১৮৬৫ সালে স্থায়ীভাবে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং নিউইয়র্ক টাইমস।
৬১০.
‘The Coalition Years’ বইটির রচয়িতা কে?
  1. ক) হোসনি মোবারক
  2. খ) প্রণব মুখার্জী
  3. গ) ডোনাল্ড ট্রাম্প
  4. ঘ) রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান
ব্যাখ্যা
‘The Coalition Years’ ভারতের ১৩তম রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জীর আত্মজীবনীমূলক বই।
এটি ২০১৭ সালের ১৩ অক্টোবর প্রকাশিত হয়।
গত ৩১ আগস্ট ২০২০ প্রণব ‍মুখার্জী মারা যান।
প্রণব ‍মুখার্জী ছিলেন ভারতের প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি।
(সূত্র: আমাজন ডটকম)
৬১১.
'দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ' (the medium is the message) এর প্রবক্তা কে?
  1. হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. হার্বার্ট মার্শাল ম্যাকলুহান
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
মার্শাল ম্যাকলুহান:
- মার্শাল ম্যাকলুহান 'দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ' (the medium is the message) এবং 'গ্লোবাল ভিলেজ' (Global village) এর প্রবক্তা বা উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিত।
- তিনি ১৯৬২ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ 'The Gutenberg: The Making of Typographic Man' এবং ১৯৬৪ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ 'Understanding Media' এ গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম এর ধারণা দেন।

অন্যদিকে,
- পার্সোনাল কম্পিউটারের জনক হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট।
- বাণিজ্যিকভাবে তৈরিকৃত প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার Altair 8800 আবিষ্কার করেন হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট।
- আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৬১২.
মদিনা শরীফের পূর্বনাম -
  1. ক) আল হারামাইন
  2. খ) আলমদিনা
  3. গ) মদিনাতুর রহমান
  4. ঘ) ইয়াসরিব
ব্যাখ্যা

- মদিনা শরিফের পূর্বনাম ছিল ইয়াসরিব।
- যেদিন বনু সালেম ইবনে আওফের মহল্লায় জুমার নামায আদায়ের পর রসূল (স) মদিনায় গমন করেন, সেদিন থেকেই ইয়াসরিবের নাম 'মদিনাতুর রসূল’ বা রসূল (স)- এর শহর সংক্ষেপে মদিনা হয়ে যায়।

৬১৩.
অর্থনীতিতে অবদান রাখায় পল স্যামুয়েলসন কত সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৭০ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
পল স্যামুয়েলসন (Paul Samuelson):
- পল স্যামুয়েলসন একজন বিশিষ্ট আমেরিকান অর্থনীতিবিদ।
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি আধুনিক অর্থনীতি শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ব্যক্তিত্বদের মধ্যে অন্যতম।
- স্যামুয়েলসনের সবচেয়ে বড় অবদান ছিল তার "ইকোনমিক্স" (Economics) বইটি, যা ১৯৪৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।

⇒ অর্থনৈতিক তত্ত্বের প্রায় সকল শাখায় মৌলিক অবদানের জন্য ১৯৭০ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: Britannica.
৬১৪.
”Materialism and Empirio-criticism” গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. কার্ল মার্কস
  2. ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
  3. ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন 
  4.  জোসেফ স্ট্যালিন
ব্যাখ্যা

 - ”Materialism and Empirio-criticism- বস্তুবাদ এবং অভিজ্ঞতা-সমালোচনা। প্রতিক্রিয়াশীল দর্শনের উপর সমালোচনামূলক মন্তব্য" বইটি লেনিন ১৯০৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর মাসে জেনেভা এবং লন্ডনে লিখেছিলেন। 
- মার্কসবাদের মাকবাদী সংশোধনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল বইটি।

ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন 

- ভ্লাদিমির লেলিনের জন্ম ১৮৭০ সালে ভলগা নদীর তীরের রাশিয়ার ছোট শহর সিমবির্স্কে।
- তারঁ জন্ম মধ্যবিত্ত পরিবারে, বড় ভাই আলেকজান্ডার প্রভাবিত ছিলেন (১৮৮৭ সালে জারকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ফাঁসি)
- শিক্ষা: আইন অধ্যয়ন, ১৮৮৯ সালে আইন অনুশীলনকালে মার্কসবাদী হয়ে ওঠেন।

- ১৯০৩ সালে লন্ডনে রাশিয়ান সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক ওয়ার্কার্স পার্টির সভায় বলশেভিক উপদলের নেতা।
- বিপ্লবী সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠা ও সম্পাদনা: দলকে সর্বহারা শ্রেণীর অগ্রদূত, পেশাদার বিপ্লবীদের কেন্দ্রীভূত সংগঠন হিসেবে উপস্থাপন।
- তত্ত্ব: পরবর্তীতে লেনিনবাদ নামে পরিচিত, যা কার্ল মার্ক্সের তত্ত্বের সঙ্গে যুক্ত হয়ে মার্কসবাদ-লেনিনবাদ গঠন করে এবং কমিউনিস্ট বিশ্বদৃষ্টিতে রূপান্তরিত হয়।
- তিনি ১৯০৫ সালের রুশ বিপ্লবের সময় রাশিয়ায় ফিরে আসেন।
- ১৯০৭ সালে আবার নির্বাসন শুরু, পরবর্তী ১০ বছর ধরে আন্দোলন চালান।
- ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের মাধ্যমে রাশিয়ায় ফিরে আসেন এবং বলশেভিক অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন, যা অস্থায়ী সরকার উৎখাত করে
সোভিয়েত রাষ্ট্রের নেতা হিসেবে জার্মানির সঙ্গে ব্রেস্ট-লিটোভস্ক চুক্তি স্বাক্ষর (১৯১৮) করেন।
- ১৯১৯ সালে কমিন্টার্ন (কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল) প্রতিষ্ঠা করেন।
- অর্থনৈতিক বিপর্যয় রোধের জন্য নতুন অর্থনৈতিক নীতি (NEP) চালু করেন।

ভ্লাদিমির লেনিন রচিত বই:
- State and Revolution.
- Imperialism, the Highest Stage of Capitalism.
- Philosophical Notebooks.
- Materialism and Empirio-criticism.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬১৫.
“নিজেকে জানো” - এই উপদেশমূলক বাণী কার?
  1. সক্রেটিস
  2. প্লেটো
  3. এরিস্টটল
  4. আলেকজান্ডার
ব্যাখ্যা

• গ্রিক দর্শন ও নীতিবিদ্যা:
- সক্রেটিসকে বলা হয় প্রাশ্চাত্য রাজনৈতিক দর্শনের পিতামহ এবং নীতি শাস্ত্রের পুরোধা।
- সক্রেটিসের বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে- 'Know Thyself' এর অর্থ হচ্ছে- 'নিজেকে জানো'।
- গ্রিক দার্শনিকদের যুক্তি, ব্যাখ্যা ও দর্শন জগতকে সমৃদ্ধিশালী করে।
- অদ্যাবধি জ্ঞানের জগতে যে সকল গ্রিক কবি দার্শনিক জ্ঞানের আলোক বর্তিকা বিতরণ করেছেন তাদের মধ্যে বিশ্ব বিখ্যাত শিক্ষাগুরু সক্রেটিস।
- এই উক্তিটি মানুষকে নিজের মধ্যে গভীরভাবে দৃষ্টি নিক্ষেপ করার এবং আত্ম-পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে সঠিকভাবে বুঝতে উৎসাহিত করে।
- এর মূল উদ্দেশ্য হল মানুষকে নিজের প্রকৃত স্বভাব, ইচ্ছা, দুর্বলতা ও শক্তিগুলি সম্পর্কে সচেতন করা এবং আত্ম-উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করা।

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১৬.
‘লেডি উইথ দি ল্যাম্প’ বলা হয় -
  1. মাদার তেরেসা
  2. মার্গারেট থ্যাচার
  3. ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
  4. প্রিন্সেস ডায়না
ব্যাখ্যা
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:

- তিনি ১২ মে ১৮২০ সালে ইতালিতে জন্মগ্রহন করেন।
- একজন স্বেচ্ছাসেবক নার্স হিসাবে, তাকে ক্রিমিয়ান যুদ্ধের সময় তুরস্কের সামরিক বাহিনীতে নার্সিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- 'ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল' নামটি ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সাথে জড়িত।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে আহতদের সেবা করে ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গেল 'লেডি উইথ দ্যা ল্যাম্প' খেতাব পান।
- ক্রিমিয়ার যুদ্ধে নার্সিং ইতিহাসের বৈপ্লবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটেছিল অপ্রতুল চিকিৎসা সেবার আলো হাতে নিয়ে পাশে এসে দাঁড়ান ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল কে লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প বলা হয়।
- তাকে আধুনিক নার্সিংয়ের অগ্রদূতও বলা হয়।
- তিনি ১৩ আগস্ট ১৯১০ সালে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬১৭.
বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস কোন দেশের কোন শহরে জন্মগ্রহন করেন?
  1. ক) গ্রিস, সিসিলি
  2. খ) ইতালি, রোম
  3. গ) স্পেন, বার্সিলোনা
  4. ঘ) ইংল্যান্ড,লন্ডন
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিস তৎকালীন গ্রিসের সিসিলিতে ২৮৭ খ্রিস্টপূর্বে জন্মগ্রহণ করেন। সিসিলি বর্তমানে ইতালির অন্তর্গত একটি দ্বীপ।
Source: Britannica
৬১৮.
'Wealth of nation'-এর রচয়িতা কে?
  1. এডাম স্মিথ
  2. পল স্যামুয়েলসন
  3. আলফ্রেড মার্শাল
  4. লায়ন রবিন্স
ব্যাখ্যা
অ্যাডাম স্মিথ:
- অ্যাডাম স্মিথ (১৭২৩-১৭৯০) অর্থনীতির জনক হিসেবে খ্যাত।
- তার জন্ম স্কটল্যান্ডে।
- তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত স্কটিশ দার্শনিক, নীতিবিদ এবং রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ।
- পড়াশোনা করেছিলেন অক্সফোর্ডের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনশাস্ত্রের ওপর।
-   অ্যাডাম স্মিথ মুক্তবাজার অর্থনৈতিক তত্ত্বের ভিত্তি প্রথম স্থাপন করেন। 
- তাকে ‘ফাদার অফ ইকোনমিক্স’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ এডাম স্মিথ ১৭৭৬ সালে Wealth of Nations গ্রন্থটি রচনা করেন। তাঁর লেখা 'Wealth of nations' বইটি তাঁকে আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক হিসেবে পরিচিত করেছে। এই বইয়ে তিনি অর্থনীতির মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেন। ‘অর্থনীতি এমন একটি বিজ্ঞান, যা জাতিসমূহের সম্পদের ধরন ও কারণ অনুসন্ধান করে’ উক্তিটি অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথের। বইটিতে স্মিথ শ্রমের বিভাজন, উৎপাদনশীলতা এবং মুক্ত বাজারের মতো বিষয়গুলিকে সম্বোধন করেন।
- 'Economics is the science of wealth'- উক্তিটি অ্যাডাম স্মিথের।

⇒ তার দুটি বিখ্যাত কাজ রয়েছে:
• নৈতিক অনুভূতির তত্ত্ব।
• ওয়েলথ অফ নেশনস।

এছাড়াও,
- ‘Theory of Moral Sentiment’ অ্যাডাম স্মিথের ১ম বই, যে বইটি ১৭৫৯ সালে প্রকাশিত হয়। বইটিতে তিনি বুঝাতে চেয়েছিলেন মানুষ কীভাবে সঠিক এবং ভুল নির্ধারণ করে। 

উৎস: i) Investopedia ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৬১৯.
ফিদেল ক্যাস্ট্রো কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
  1. ক) মেক্সিকো
  2. খ) কিউবা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
১৯৫৯ সালে কমিউনিস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে ফিদেল কাস্ত্রো তৎকালীন সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন। ১৯৭৬ সালে পদটি বিলুপ্ত করার পর তিনি পার্টি প্রধান ও দেশটির প্রেসিডেন্ট হন।
দীর্ঘ ৪৩ বছর পর প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী পেলো কিউবা। শনিবার (২১ ডিসেম্বর, ২০১৯) প্রথম প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল। পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রী ম্যানুয়েল মারেরো ক্রুজ কিউবার নতুন (প্রথম) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
উৎসঃ জানুয়ারি সংখ্যা, লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৬২০.
‘নির্বাণ’ ধারণাটি কোন ধর্মবিশ্বাসের সাথে সংযুক্ত রয়েছে? 
  1. বৌদ্ধধর্ম
  2. খ্রিষ্টধর্ম
  3. ইহুদীধর্ম
  4. জৈন ধর্ম
ব্যাখ্যা


নির্বাণ লাভ:
- গৌতম বুদ্ধের প্রচারিত ধর্মের মূল লক্ষ্য হল নির্বাণ।
- এর অর্থ হল সম্পূর্ণরূপে নির্বাপিত হওয়া।
- বৌদ্ধধর্ম ধর্মের মূল লক্ষ্য হল নির্বাণ লাভ।
- অর্থাৎ ভবচক্র বা জন্ম- মৃত্যুর ক্রমাবর্তন দুঃখ থেকে চিরমুক্তি লাভ করা।
- নির্বাণ শান্ত লক্ষণযুক্ত।
- দুঃখের উপশমই এর স্বভাব।
- নির্বাণ পরম সুখকর।
- কামনার বশবর্তী হয়ে জীবগণ ভব হতে ভবান্তরে জন্ম নিয়ে অশেষ দুঃখভোগ করে।
- তৃষ্ণা থেকে মুক্ত হতে পারলে দুঃখ নিরোধ হয়।
- এই ভবচক্র রূপ থেকে যিনি মুক্ত তিনি নির্বাণগামী হতে পারেন।
- অতএব তৃষ্ণাক্ষয়ের দ্বারা জন্ম- মৃত্যুরূপ দুঃখময় ভবচক্রের পূর্ণ নিরোধই নির্বাণ।

উৎস: বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২১.
২০১৯ সালে অ্যাবেল পুরস্কার জয় লাভ করেন কে?
  1. ক) জোখা আলহারথি
  2. খ) জেফরি হিন্টন
  3. গ) ইয়ান লিকুন
  4. ঘ) জোশুয়া বেনগিও
  5. ঙ) কেসকুলা উইলেনবেক
ব্যাখ্যা
২০০৩ সাল থেকে প্রবর্তিত গণিতে অসামাণ্য অবদানের জন্য অ্যাবেল পুরস্কার ২০১৯ লাভ করেন মাকিন নারী গতিজ্ঞ কেসকুলা উহলেনবেক। তিনি প্রথম নারী হিসেবে এই পদক লাভ করেন। অ্যাবেল পুরস্কারকে বিকল্প নোবেল পুরস্কার বলা হয়। ( সূত্রঃ অ্যাবেলপ্রাইজ ওয়েবসাইট)
৬২২.
কোন সেনাপতির নেতৃত্বে মুসলমানরা স্পেন বিজয় করেন?
  1. ক) খালিদ বিন ওয়ালিদ
  2. খ) ওসমান গাজী
  3. গ) তারিক বিন যিয়াদ
  4. ঘ) মুহাম্মদ বিন কাশেম
ব্যাখ্যা
- উত্তর আফ্রিকার মুসলিম গভর্নর মুসা বিন নুসাইর এর সেনাপতি তারিক বিন যিয়াদের নেতৃত্বে প্রায় ১২ হাজার মুসলিম সৈন্য ৭১১ সালে স্পেন আক্রমণ করে স্পেনের রাজা রডারিককে পরাজিত করে স্পেন দখল করেন।
- পরবর্তীতে মুসা বিন নুসাইর আরও ১২ হাজার সৈন্য নিয়ে স্পেনে প্রবেশ করলে সমগ্র স্পেন মুসলমানদের দখলে আসে।
- মুসলমানরা প্রায় আটশ বছর স্পেন শাসন করে।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস)
৬২৩.
প্রাচ্যকে পাশ্চাত্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় কে?
  1. ক) চেঙ্গিস খান
  2. খ) কুবলাই খান
  3. গ) মার্কো পোলো
  4. ঘ) হিউয়েন সাং
ব্যাখ্যা
- ক্রয়দশ শতাব্দীর শুরুতেই চেঙ্গিস খান শক্তিশালী মঙ্গোল সাম্রাজ্যের গোড়পত্তন করেন।
- তাঁর পৌত্র কুবলাই খান চীন থেকে ইউরোপ অব্দি বিস্তৃত বিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতি ছিলেন।
- ইউরপীয়দের কাছে চীনের তৎকালীন নাম ছিলো ক্যাথে।
- ইতালিয় পরিব্রাজক মার্কো পোলো ১২৭১ থেকে ১২৯৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপ থেকে সিল্ক রোডে এশিয়া ভ্রমণ করেন এবং এই ভ্রমণ কাহিনী নিয়ে বই লিখেন।
- তিনি প্রথম ইউরোপীয় ছিলেন না যে প্রাচ্যে ভ্রমণ করে; কিন্তু তিনিই ছিলেন প্রথম ইউরোপীয়, যিনি প্রাচ্যকে পাশ্চাত্যের কাছে পরিচয় করিয়ে দেন।

তথ্যসূত্র: নবম ও দশম শ্রেনীর ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।
৬২৪.
Who among these developed a system of writing for the blind?
  1. Ludwig van Beethoven
  2. Louis Braille
  3. Benjamin Franklin
  4. Davitbor
  5. None of above
ব্যাখ্যা
লুইস ব্রেইল:
- অন্ধ ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য পড়ালেখার বিশেষ পদ্ধতির নাম ব্রেইল।
- এর আবিষ্কারক লুইস ব্রেইল।
- লুইস ব্রেইল ১৮০৯ সালের ৪ জানুয়ারি প্যারিসের নিকটবর্তী কুপভেরি নামের একটি ছোট শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিন বছর বয়সে বাবার কারখানায় খেলতে গিয়ে সুঁই জাতীয় ধারালো জিনিস দিয়ে এক মারাত্মক দুর্ঘটনায় তাঁর দুটো চোখই নষ্ট হয়ে যায়।
- তিনি অন্ধ হয়ে যান।
- ১৫ বছর বয়সে তিনি অন্ধদের লেখা ও পড়ার জন্য কাগজের ওপর মাত্র ছয়টি ডট দিয়ে একটি অতি সহজ ভাষা ও পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- ১৮২৭ সালে তিনি প্রথম ব্রেইল পদ্ধতির বই প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য,
- অন্ধ লোকেরা সেই ছয়টি ডটের জাদু দিয়ে তাঁদের জীবনকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারেন।
- আগে টাইপ মেশিনে ব্রেইল অক্ষর লেখা হতো, বর্তমানে লেখা হয় কম্পিউটারে।

উৎস: Britannica.
৬২৫.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কে? [মে,২০২৫]
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  2. কমলা-হ্যারিস
  3. জেডি ভ্যান্স
  4. জেমস শেরম্যান
ব্যাখ্যা
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডোনাল্ড জন ট্রাম্প। (মে, ২০২৫)।
- বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

• ডোনাল্ড জন ট্রাম্প:
-ডোনাল্ড জন ট্রাম্প (Donald John Trump) ১৪ জুন, ১৯৪৬ সালে।
- জন্মস্থান: কুইন্স, নিউ ইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।
-জাতীয়তা: আমেরিকান।
- পেশা: ব্যবসায়ী, টিভি ব্যক্তিত্ব, রাজনীতিবিদ।
- প্রধান ব্যবসা: রিয়েল এস্টেট (Trump Organization)।
- টেলিভিশন: 'The Apprentice' নামে রিয়েলিটি শো-এর হোস্ট ছিলেন (২০০৪-২০১৫)।

রাজনৈতিক জীবন:
- রাজনৈতিক দল: রিপাবলিকান পার্টি।
- প্রেসিডেন্ট পদে অভিষেক: ২০ জানুয়ারি, ২০১৭।
- ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট।
- ২০২০ নির্বাচনে পরাজয় জো বাইডেনের কাছে হেরে যান।

উৎস: Britannica.
৬২৬.
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের প্রধান নেতা কে ছিলেন?
  1. চিয়াং কাইশেক
  2. সান ইয়েৎ সেন
  3. মাও সেতুং
  4. শি ঝংজুন
ব্যাখ্যা

চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব (Cultural Revolution):
- ১৯৬৬ সালে কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং - এর আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয়।
- ১৯৭৬ সালে সমাপ্ত হয় (১০ বছর স্থায়ী)।
- গণপ্রজাতন্ত্র চীন (People's Republic of China) প্রতিষ্ঠিত হয় মাও সেতুং নেতৃত্বে।
- তাকে বলা হয় গণচীনের জনক।
- সমগ্র চীনে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই বিপ্লব শুরু হয়।
- চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়। 
- চীন এই সময় বিদেশী পণ্য পরিহার করে শুধু নিজেদের উৎপাদিত পণ্য ব্যবহার শুরু করে।
- এর ফলে চীনের অর্থনীতি চাঙ্গা হয়।
- যদিও চীনের সমাজতন্ত্র বিরোধী জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ হত্যাকান্ড ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 

৬২৭.
The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. অমর্ত্য সেন
  2. উইলয়াম রস্টো
  3. গুনার মিরডাল
  4. বারাক ওবামা 
ব্যাখ্যা

​The Asian Drama' গ্রন্থটির রচয়িতা গুনার মিরডাল।

​গুনার মিরডাল:
- গুনার মিরডাল (Gunnar Myrdal) ছিলেন একজন সুইডিশ অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিবিদ.
​- উন্নয়নমূলক অর্থনীতিতে তার অবদান যথেষ্ট।
- তৃতীয় বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তার চিন্তাভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে প্রতিফলিত হয় তার বেশ কিছু লেখা ও প্রকাশিত পুস্তকে।
- 'Economic Theory and Underdeveloped Regions' মিরডাল ( লিখিত এরূপ একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
- উন্নয়নের হাত ধরে যে চক্রাকার ও ক্রমযৌগিক (Circular and cumulative) কার্যকারণ সম্পর্ক রচিত হয় তা প্রতিফলিত হয়েছে তার বর্তমান তত্ত্বে।

​উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে তিনি "অর্থনৈতিক ও সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ঘটনাগুলির পারস্পরিক নির্ভরতার তাৎপর্যপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য অর্থ ও অর্থনৈতিক
বৈষম্যের তত্ত্ব এবং তাদের তাৎপর্যপূর্ণ বিশ্লেষণের জন্য" ফ্রেডরিখ হায়েকের সাথে যৌথভাবে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।

​উৎস: Britannica.

৬২৮.
নিম্নোক্ত কোন সূত্র অনুসারে ব্যাড মানি ড্রাইভস এওয়ে গুড মানি আউট অব সার্কুলেশন?
  1. গ্রেশামস ল
  2. সেইজ ল
  3. মার্শাল ল র
  4. কেইনসিয়ান ল
ব্যাখ্যা
গ্র্যাশামের সূত্র:
- গ্র্যাশামের সূত্র অর্থনীতিতে বহুল পঠিত ও বহুল আলোচিত একটি সূত্র বা বিধি।
- এই সূত্রটি এখন আধুনিক বিশ্বে আচরণ বিজ্ঞানেও ব্যবহৃত হয় এবং মানব সম্পদ উন্নয়নে বিশেষজ্ঞরা তাকে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধি হিসেবে ব্যবহার করেন।

⇒ স্যার থমাস গ্র্যাশাম ছিলেন ষোড়শ শতাব্দীর একজন বণিক এবং প্রথিতযশা একজন অর্থনীতিবিদ।
- তিনি বৃটিশ রাজপরিবারের উপদেষ্টাও ছিলেন এবং বৃটিশ মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতার ব্যাপারে রাজাদের পরামর্শ দিতেন।
- স্যার গ্র্যাশাম রাজকীয় এক্সচেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং উইল করে তার যাবতীয় সম্পত্তি গ্র্যাসাম কলেজকে দান করে দিয়ে গিয়েছিলেন।
- গ্র্যাশাম কলেজ ছিল লন্ডনে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের প্রথম প্রতিষ্ঠান।

⇒ বাজারে প্রচলিত একাধিক খাদ বিশিষ্ট ধাতব মুদ্রার ব্যাপারে ভোক্তা আচরণের পূর্বাভাস হচ্ছে গ্র্যাশামের সূত্রের মূল কথা।
- গ্র্যাশামের সময় ইংল্যান্ডের বাজারে দু’ধরনের মুদ্রা ছিল।
- একটি ছিল আসল ধাতব মুদ্রা যার কোনো খাদ ছিল না, আরেকটি ছিল খাদ বিশিষ্ট মুদ্রা যা পরবর্তীকালে মুদ্রার উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে সরকার প্রচলন করেছিলেন।
- সরকারিভাবে উভয় মুদ্রাকে একই মূল্যমানের বলে গণ্য করা হয়।
- ফলে বিশুদ্ধ ধাতু দিয়ে তৈরি আসল মুদ্রাকে মানুষ তথা ভোক্তা জনগণ ভালো মুদ্রা (Good Money) এবং খাদ বিশিষ্ট মুদ্রাকে খারাপ মুদ্রা (Bad Money) হিসেবে গণ্য করতে শুরু করে।
- এর কারণ ভালো মুদ্রা খাদমুক্ত তথা মৌলিক ধাতু দিয়ে তৈরি এবং খারাপ মুদ্রা ছিল খাদযুক্ত ধাতুর তৈরি।
- মানুষ আসল ধাতুর তৈরি টাকা বা মুদ্রা মওজুত করতে শুরু করেছে।
- এতে করে ভালো মুদ্রা বাজার থেকে উঠে গেছে এবং খারাপ বা খাদযুক্ত মুদ্রায় বাজার ভর্তি হয়ে গেছে।
- এটাকেই বলা হয় Bad Money drives Good Money out of circulation, খারাপ মুদ্রা ভালো মুদ্রাকে বাজারছাড়া করে এবং এটাই গ্র্যাশামের সূত্র নামে খ্যাতি অর্জন করে।

উৎস: Britannica.
৬২৯.
পারমাণবিক বোমার জনক 'ওপেনহাইমার' কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক বোমার জনক 'ওপেনহাইমার' যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণ করেন। 

রবার্ট ওপেনহাইমার:
- ওপেনহাইমার ছিলেন ম্যানহাটান প্রজেক্টের কেন্দ্রীয় ব্যক্তি।
- তিনি পারমাণবিক বোমার জনক। 
- ওপেনহাইমারের জন্ম যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ১৯০৪ সালে।
- জার্মানি থেকে অভিবাসী হয়ে আমেরিকায় আসা এক ইহুদি পরিবারে তার জন্ম হয়েছিল।
- ওপেনহাইমার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন পড়েন।
- স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করেন ইংল্যান্ডের কেমব্রিজে।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল।
- এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'।
- সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: Britannica.
৬৩০.
নেলসন ম্যান্ডেলা কোন প্রথম দেশের কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
  1. জাম্বিয়া
  2. কেনিয়া
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা:
- ১৮ জুলাই ১৯১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার এমভেজোতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন কালো জাতীয়তাবাদী নেতা।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা।
- ১৯৪৪ সালে তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (ANC) যোগদান করেন।
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী বিচ্ছিন্নতার বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।
- ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক যৌথভাবে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভকরেন।
- 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' তার বই।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে মারা যান।

উৎস: Britannica.com
৬৩১.
আকুপাংচার হলো-
  1. জাপানের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি
  2. মিশরের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি
  3. চীনের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি
  4. ভারতের প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
- সূচিবেধী চিকিৎসা বা আকুপাংচার (ইংরেজি Acupuncture) হলো শারীরিক ব্যথা ও রোগ নিরাময় করার জন্য ব্যবহৃত এক ধরনের প্রাচীন চৈনিক চিকিৎসাপদ্ধতি। 
- শরীরের বহুসংখ্যক নির্দিষ্ট জায়গায় সরু লম্বা সুঁই ফুটিয়ে এই চিকিৎসাটি প্রয়োগ করা হয়। 
- বহুপূর্বে চীনা চিকিৎসাবিদ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলো আকুপাংচার। 
- আকুপাংচার, ব্যথা উপশম, রোগ নিরাময় এবং সাধারণ স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য প্রাচীন চীনা চিকিৎসা কৌশল। 
- Acupuncture, ancient Chinese medical technique for relieving pain, curing disease, and improving general health. 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৩২.
বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক কে?
  1. স্বামী বিবেকানন্দ
  2. সিদ্ধার্থ গৌতম
  3. বুদ্ধ গয়া।
  4. হিয়ামো গৌতম
ব্যাখ্যা
ধর্ম:
• বৌদ্ধধর্ম বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মসমূহের অন্যতম। সিদ্ধার্থ গৌতম এর প্রবর্তক।
• উপাসনালয় - বৌদ্ধ ধর্মের উপাসনালয় মঠ নামে পরিচিত।  
• পবিত্র স্থান - বুদ্ধ গয়া।
• বৌদ্ধধর্মের ধর্মগ্রন্থ - ত্রিপিটক।

অন্যদিকে,
• ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ - হিব্রু বাইবেল (তাওরাত)।
• হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ - বেদ।
• বৌদ্ধধর্মের ধর্মগ্রন্থ - ত্রিপিটক।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, বিএ, বিএসএস; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৩৩.
ইংল্যান্ডের রানি বাস করেন-
  1. ক) এলিসি প্রাসাদে
  2. খ) মারদেকা প্রাসাদে
  3. গ) কুইন্স প্রাসাদে
  4. ঘ) বাকিংহাম প্রাসাদে
ব্যাখ্যা
- ইংল্যান্ডের রানী বিখ্যাত বাকিংহাম প্রাসাদে বাস করেন।
- বাকিংহাম প্রাসাদ ব্রিটিশ রাজ পরিবার লন্ডনের বাসস্থান এবং বর্তমানে পৃথিবীতে বিদ্যমান বৃহত্তম রাজকীয় প্রাসাদ।
- নির্মাণ কালে প্রাসাদটির নাম ছিল বাকিংহাম হাউজ।
- রানী ভিক্টোরিয়া সর্বপ্রথম এ প্রাসাদে বসবাস শুরু করেন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন এবং কার্যালয় ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
৬৩৪.
বেঙ্গল প্যাক্টের রূপকার কে?
  1. পন্ডিত মতিলাল নেহেরু
  2. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. মাওলানা শওকত আলী
ব্যাখ্যা
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ:

- সি. আর দাশ নামেও পরিচিত দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ১৮৭০ সালের ৫ নভেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- কলকাতায় জন্মগ্রহণ করলেও তাঁর পৈতৃক নিবাস ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের অন্তর্গত তেলিরবাগ গ্রামে।
- ভবানীপুরের লন্ডন মিশনারী সোসাইটি স্কুল থেকে ১৮৮৬ সালে এন্ট্রান্স পাশ করার পর চিত্তরঞ্জন দাশ কলকাতার প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে বি. এ. ডিগ্রী লাভ করেন।
- ১৮৯৪ সালে তিনি ব্যারিস্টারি পরীক্ষা পাশ করে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিক থেকে তিনি রাজনীতিতে জড়িত হন। 
- অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে মহাত্না গান্ধীর ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি লাভজনক আইনজীবির পেশা পরিত্যাগ করে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে আরো বেশী সোচ্চার হয়ে ওঠেন।
- পরবর্তীতে তিনি কংগ্রেস ত্যাগ করে স্বরাজ পার্টি গঠন করেন।
- ১৯২৩ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পূর্বে তিনি নিজ প্রদেশে মুসলমান সম্প্রদায়ের সাথে একটি চুক্তি করেন যা ’বেঙ্গল প্যাক্ট' নামে পরিচিত। - 'বেঙ্গল প্যাক্ট' এ সরকারি চাকুরিতে মুসলমানদের জন্য শতকরা ৫৫ ভাগ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়।
- যতদিন মুসলমানরা ৫৫ শতাংশে না পৌঁছায়, ততদিন পর্যন্ত মোট সরকারি চাকুরির ৮০ ভাগ মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের কথা বলা হয়।
- দেশবন্ধু ১৯২৫ সালের ১৬ জুন অসুস্থ অবস্থায় দার্জিলিংয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩৫.
কোন দেশের মহিলারা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করে?
  1. USA
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. বাহামা
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
পরবর্তীতে,
- ১৯০২ সালে - অস্ট্রেলিয়া,
- ১৯০৬ সালে - ফিনল্যান্ড এবং
- ১৯১৫ সালে ডেনমার্কের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- যুক্তরাজ্যের নারীরা ১৯১৮ সালে প্রথম শর্ত সাপেক্ষে এবং ১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ১৯১৮ সালে কিরগিজস্তানের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে। ১৯৩০ সালে তুর্কি নারীরা এবং ১৯৪৯ সালে আরববিশ্বে প্রথম সিরিয়ার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে যথাক্রমে ১৯৪৭, ১৯৫০ এবং ১৯৭২ সালে।

সূত্র: Ministry for Women New Zealand (link)  ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন ওয়েবসাইট (link).
৬৩৬.
কার্ল মার্কস কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
  1. ইতালি
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• কার্ল মার্কস:
- কার্ল মার্কস ছিলেন একজন বিপ্লবী, সমাজবিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ এবং অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ১৮১৮ সালের ৫ মে জার্মানির রাইন প্রদেশের ট্রায়ারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সমাজতন্ত্র ও আধুনিক কমিউনিজমের জনক।
- তিনি লন্ডনে ১৮৮৩ সালের ১৪ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।

তার উল্লেখযোগ্য বই:
- The Communist Manifesto
- Das Kapital
- 'The German Ideology

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৩৭.
বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে একজন আমেরিকান ঐতিহাসিক মন্তব্য করেছেন; 'বাংলাদেশের রাজনীতি ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, ধারনা বা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়" এই ঐতিহাসিকের নাম কি?
  1. এন্থনি মাসকারেনহাস
  2. লরেঞ্চ জিরিং
  3. লরেঞ্চ লিফশূলজ্
  4. হেনরি কিসিঞ্জার
ব্যাখ্যা

♦ বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে একজন আমেরিকান ঐতিহাসিক মন্তব্য করেছেন; 'বাংলাদেশের রাজনীতি ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, ধারনা বা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়" এই ঐতিহাসিকের নাম লরেঞ্চ জিরিং। 

অধ্যাপক লরেঞ্চ জিরিং:
- 'বাংলাদেশের রাজনীতি ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, ধারণা বা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়'- লরেঞ্চ জিরিং (Lawrence Ziring) কর্তৃক প্রদত্ত।
- তিনি তাঁর গ্রন্থ 'বাংলাদেশ: মুজিব থেকে এরশাদ: একটি বিশ্লেষনধর্মী ইতিহাস'-এই গ্রন্থে এই পর্যবেক্ষণ করেছেন।
- যেখানে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিশ্লেষণ করেছেন।
- এই গ্রন্থে জিরিং উল্লেখ করেছেন যে, স্বাধীনতার প্রথম বিশ বছরে বাংলাদেশের রাজনীতি মূলত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছে, যারা জনগণের অনুভূতিগুলিকে প্রকাশ করার চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান বা ধারণার ভিত্তি স্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

- মূলত এটি একটি নিরপেক্ষ ইতিহাসের বই। ১৯৪০-১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রতিটি বাঙালি রাজনৈতিক নেতা, তাঁদের শাসনকাল, তাঁদের সাফল্য-ব্যর্থতা, রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা/অস্থিরতা সহ বিভিন্ন বিষয় নিরপেক্ষভাবে উঠে এসেছে।

⇒ এছাড়াও, তিনি "মুজিব, এরশাদ ও হাসিনা: রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের ইতিহাস" নামক একটি বইয়ের লেখক।


Link: core.ac.uk page: 124.

উৎস: বাংলাদেশ: মুজিব থেকে এরশাদ: একটি বিশ্লেষনধর্মী ইতিহাস।

৬৩৮.
রাষ্ট্রপ্রধান না হয়েও কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদা ভোগ করেন?
  1. ইয়াসির আরাফাত
  2. কফি আনান
  3. ওসামা বিন লাদেন
  4. অ্যারিয়েল শ্যারন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপ্রধান না হয়েও ইয়াসির আরাফাত রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদা ভোগ করেন। 

ইয়াসির আরাফাত:
- মুসলিম বিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা ও ফিলিস্তিনি মুক্তিসংগ্রামের মহান নেতা ইয়াসির আরাফাত।
- ইয়াসির আরাফাত একজন ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক নেতা ছিলেন।
- ইয়াসির আরাফাতের জন্ম ১৯২৯ সালে মিসরের কায়রোতে। 
- তিনি ১৯৬৯-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (PLO)-এর চেয়ারম্যান এবং ১৯৯৬-২০০৪ সাল পর্যন্ত প্যালেস্টাইন অথরিটির (PA) সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে তিনি ইসরায়েলি সরকারের সাথে শান্তি চুক্তিতে পিএলওকে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৪ সালে আরাফাত এবং ইজহাক রাবিন এবং ইসরায়েলের শিমন পেরেস যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

⇒ ১৯৫০ সালে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে যোগ দেন রাজনীতিতে।
- ১৯৫৯ সালে কুয়েতে নির্বাসিতকালে ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মুক্তির সংগঠন ‘ফাতাহ’ গঠন করেন।
- পরবর্তী সময়ে এই সংগঠনের নাম হয় প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)।
- ১৯৬৭-৬৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে সম্মুখসারিতে থেকে যুদ্ধ করেন ইয়াসির আরাফাত।
- ১৯৬৯ সালে তিনি নির্বাচিত হন পিএলওর চেয়ারম্যান হিসেবে।
- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে ইয়াসির আরাফাত নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেন।
- ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ১৯৯১ সালে মাদ্রিদ সম্মেলন, ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তি এবং ২০০০ সালে ক্যাম্পডেভিড সম্মেলনের মাধ্যমে ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটানোর চেষ্টা করেন তিনি।
- এই সময় হামাস ও অন্যান্য সংগঠনের উত্থান ঘটে, যারা ইয়াসির আরাফাতের ভিত্তি দুর্বল করে দিয়ে ফিলিস্তিনের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে নেয়।
- ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ২০০২ সাল থেকে ইয়াসির আরাফাতকে পশ্চিম তীরের রামাল্লায় তাঁর সদর দপ্তরে অবরুদ্ধ করে রাখে।

উল্লেখ্য,
- জীবনের শেষ দিনগুলোতে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখে।
- গৃহবন্দী থাকা অবস্থায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ২০০৪ সালের ১১ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে,
- জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ঘানার কফি আনান। তিনি ২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী।
- ওসামা বিন লাদেন ছিলেন জঙ্গি ইসলামি সংগঠন আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ১১ই সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার প্রধান হোতা।
- অ্যারিয়েল শ্যারন ছিলেন ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। ২০০১ সালে এরিয়েল শ্যারন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

উৎস: Britannica.
৬৩৯.
ইসলাম ধর্মে মোট আসমানি কিতাব কয় খানা?
  1. ৪ খানা
  2. ১০০ খানা
  3. ১০৪ খানা
  4. ১০০৪ খানা
ব্যাখ্যা
আসমানি কিতাব:
- আল্লাহর নিকট হতে অবতীর্ণ হয়েছে।
- সর্বমোট আসমানি কিতাব ১০৪ টি।
- প্রধান আসমানি কিতাব ৪ টি।
- ছোট আসমানি কিতাবকে বলা হয় সহীফা ।

• প্রধান আসমানি কিতাব যে নবীর উপর নাজিল হয়েছে:
১. তাওরাত - হযরত মুসা (আ.)।
২. যাবুর - হযরত দাউদ (আ.)।
৩. ইঞ্জিল - হযরত ঈসা (আ.)। 
৪. আল-কুরআন / আল ফুরকান - হযরত মুহাম্মদ (স.)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৪০.
বেনিতো মুসোলিনী নিম্নের কোন মতবাদের প্রবক্তা ছিলেন?
  1. বাস্তববাদ
  2. নৈরাজ্যবাদ
  3. ফ্যাসিবাদ
  4. উদারতাবাদ
ব্যাখ্যা
বেনিতো মুসোলিনি:
- বেনিতো মুসোলিনি ছিলেন একজন ইতালীয় রাজনৈতিক নেতা যিনি ১৯২৫ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত স্বৈরশাসক হয়েছিলেন।
- তিনি ফ্যাসিবাদের প্রবর্তক।
- বেনিতো মুসোলিনি একজন বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক নেতা ছিলেন।
- তিনি ছিলেন স্কুল শিক্ষক, প্রথাবিরোধী লেখক, সমাজতন্ত্রের পক্ষে একজন বক্তা এবং পত্রিকার সম্পাদক।
- ১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষনা করেন।
- বেনিতো মুসোলিনি ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
• ফ্যাসিবাদ:
- ইতালিয় শব্দ 'ফ্যাসিমো' এসেছে 'ফ্যাসিও' থেকে, অন্যদিকে 'ফ্যাসিও' শব্দটি এসছে ল্যাটিন শব্দ 'ফ্যাসেস' থেকে। এর অর্থ হচ্ছে, লাঠি, কাঠ বা রডের আটি, যেটি একত্রে বেধে রাখা হয়।
- ‘ফ্যাসিজম’ হচ্ছে একটি রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং গণআন্দোলন, যেটি ১৯১৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সংঘটিত হয়েছিল।
- ‘ফ্যাসিজম’ বা ‘ফ্যাসিবাদ’ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে উগ্র-ডানপন্থী জাতীয়তাবাদের আবির্ভাব ঘটে ইউরোপে। 
- এই মতাদর্শে বিরোধীদের কোন জায়গা ছিল না।
- ফ্যাসিবাদের মূলমন্ত্র: ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, ব্যক্তি স্বাধীনতার অবমূল্যায়ন, উগ্র জাতীয়তাবাদ।
- ১৯২২ সালে, মুসোলিনি ইতালিতে ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠা করেন এবং তার শাসনব্যবস্থা দ্রুত অন্যান্য দেশে প্রভাব বিস্তার করে।

অন্যদিকে,
⇒ জার্মানিতে হিটলারের নেতৃত্বে ‘নাৎসিজম’ বা ‘নাৎসিবাদ’– এর উত্থান হয়। এটি ছিল ‘ফ্যাসিজম’ এর একটি রূপ।
- ‘ফ্যাসিবাদ’ উত্থানের মধ্য দিয়ে ইউরোপে হিটলার ও মুসোলিনির মতো বিতর্কিত নেতার উদ্ভব হয়।
- ফ্যাসিস্টরা মার্ক্সবাদীদের বিরোধী ছিল।

উৎস: i) History.com
ii) BBC.
৬৪১.
'সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা' উক্তিটি কার?
  1. সক্রেটিস
  2. ফ্রান্সিস বেকন
  3. বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
  4. গ্ল্যাডস্টোন
ব্যাখ্যা
- 'সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা' : বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
- 'জ্ঞানই পূণ্য' এবং 'নিজেকে জানো' : সক্রেটিস
- Justice delayed is justice denied : গ্ল্যাডস্টোন।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৬৪২.
আল-আকসা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. মক্কা
  2. মদিনা
  3. বাগদাদ
  4. জেরুজালেম
ব্যাখ্যা
আল-আকসা মসজিদ জেরুজালেমে অবস্থিত।

আল-আকসা মসজিদ
:
- আল-আকসা মসজিদ জেরুজালেমে অবস্থিত।
- মক্কা ও মদিনার পরে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদকে ইসলামের তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ মসজিদটি ফিলিস্তিনের প্রাণকেন্দ্র পবিত্র জেরুজালেম নগরীতে অবস্থিত।
- ১৪ হেক্টর এলাকাজুড়ে অবস্থিত আল-আকসা মসজিদ।
- যা কিবলি মসজিদ নামেও পরিচিত।
- আল-আকসায় প্রথম ছোট একটি মসজিদ নির্মাণ করেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর, পরে ৭০৫ খ্রিস্টাব্দে এখানে প্রথম বড় আকারে মসজিদ নির্মাণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
ইহুদিদের জন্য:
- ইহুদিরা বিশ্বাস করে, এখানেই ছিল ইহুদিদের প্রথম ও দ্বিতীয় পবিত্র উপাসনালয়।
- টেম্পল মাউন্টকে ঘিরে থাকা ‘ওয়েস্টার্ন ওয়াল’ ইহুদিদের কাছে ‘পৃথিবীর ভিত্তিপ্রস্তর’ হিসেবে স্বীকৃত ও পবিত্র স্থান।
- চুনাপাথর দিয়ে বানানো প্রাচীন এই দেয়ালটি 'প্লেস অফ উইপিং' বা 'কান্নার জায়গা' নামেও পরিচিত।

খ্রিস্টানদের জন্য:
- খ্রিস্টানরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে এটাই সেই জায়গা যেখানে যীশু খ্রিস্ট ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন আর এখানকার গুহাতেই তার দেহ রাখা হয়েছিল।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ২১ এপ্রিল, ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৬৪৩.
The famous painting 'Last Supper' was painted by -
  1. ক) Michelangelo
  2. খ) Salvador Dalí
  3. গ) Pablo Picasso
  4. ঘ) Leonardo da Vinci
ব্যাখ্যা
 লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি 
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি রেনেসাঁর একজন মহান চিত্রশিল্পী।
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি ক্রমাগত শৈল্পিক ঐতিহ্য এবং কৌশলগুলি পরীক্ষা করেছিলেন।
- তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা তার উত্তরসূরিদের শিল্পকে প্রভাবিত করেছিল।
- দ্য ভিঞ্চির পেইন্টিং এবং ভাস্কর্যের অল্প কিছু টিকে আছে।
- তার দুটি বর্তমান কাজ বিশ্বের সবচেয়ে সুপরিচিত এবং প্রশংসিত চিত্রগুলির মধ্যে রয়েছে।
- একটি হলো 1495 থেকে 1498 সাল পর্যন্ত মিলানে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা 'দ্য লাস্ট সাপার'।
- বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত চিত্রগুলির মধ্যে এটি একটি।
- প্লাস্টারে একটি টেম্পেরা এবং তেলের ম্যুরাল, 'দ্য লাস্ট সাপার' শহরের মনাস্ট্রি অফ সান্তা মারিয়া ডেলের রিফেক্টরির জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
- এটি 'দ্য সিনাকল' নামেও পরিচিত।
- এই কাজটি প্রায় 15 বাই 29 ফুট।
- এটি নিস্তারপর্বের নৈশভোজকে চিত্রিত করে যেখানে যীশু খ্রিস্ট প্রেরিতদের সম্বোধন করেন এবং বলেন, 'তোমাদের মধ্যে একজন আমাকে বিশ্বাসঘাতকতা করবে'।

উৎস: Leonardo da Vinci: Facts, Paintings & Inventions, History Channel.
৬৪৪.
Mother Teresa was born in -
  1. England
  2. India
  3. Albania
  4. Germany
ব্যাখ্যা
মাদার তেরেসা:
- মাদার তেরেসার আসল নাম Agnes Gonxha Bojaxhiu.
- মাদার তেরেসা ছিলেন একজন আলবেনীয়-বংশোদ্ভুত ভারতীয় ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনী এবং ধর্মপ্রচারক। 
- উত্তর মেসিডোনিয়ায় ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯২৮ সালে কলকাতায় আসেন।
- তিনি কলকাতায় অর্ডার স্কুলে ১৭ বছর শিক্ষকতা করেছেন।
- ১৯৬২ সালে ভারত সরকার মাদার তেরেসাকে ভারতের জনগণের সেবার জন্য তাকে পদ্মশ্রী পদক প্রদান করে।
- মাদার তেরেসা ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

[অপশনে উত্তর মেসিডোনিয়া না থাকায় আলবেনিয়া উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: Noble Prize. [link]
৬৪৫.
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক দলের নাম কী?
  1. ডেমোক্র্যাটিক
  2. রিপাবলিকান
  3. ইনডিপেনডেন্ট
  4. কনজারভেটিভ
ব্যাখ্যা
ডোনাল্ড জন ট্রাম্প: 
- ডোনাল্ড জন ট্রাম্প (Donald John Trump) ১৪ জুন, ১৯৪৬ সালে।
- জন্মস্থান: কুইন্স, নিউ ইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয়তা: আমেরিকান।
- পেশা: ব্যবসায়ী, টিভি ব্যক্তিত্ব, রাজনীতিবিদ।
- প্রধান ব্যবসা: রিয়েল এস্টেট (Trump Organization)।
- টেলিভিশন: ‘The Apprentice’ নামে রিয়েলিটি শো-এর হোস্ট ছিলেন (২০০৪–২০১৫)।

• রাজনৈতিক জীবন:
- রাজনৈতিক দল: রিপাবলিকান পার্টি।
- প্রেসিডেন্ট পদে অভিষেক: ২০ জানুয়ারি, ২০১৭।
- ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট।
- ২০২০ নির্বাচনে পরাজয় জো বাইডেনের কাছে হেরে যান।

উৎস: Britannica.
৬৪৬.
কার ধর্মোপদেশকে ‘চতুর্যাম’ বলা হয়?
  1. ক) পার্শ্বনাথ
  2. খ) মহাবীর
  3. গ) শাক্যমুনি
  4. ঘ) গুরু নানক
ব্যাখ্যা
জৈন ঘটনাপঞ্জি মতে চব্বিশ জন তীর্থঙ্কর এ ধর্মের মতবাদ প্রচার করেন। এঁদের মধ্যে তেইশতম প্রচারক পার্শ্বনাথ ও চব্বিশতম মহাবীর ছিলেন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। মহাবীর ছিলেন গৌতম বুদ্ধের সমসাময়িক এবং তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৫৪০ থেকে ৪৬৮ অব্দ পর্যন্ত বেঁচেছিলেন। তাঁর পূর্বসূরি পার্শ্বনাথের আবির্ভাব ঘটে প্রায় আড়াই শ বছর আগে। পার্শ্বনাথ ও মহাবীরের শিক্ষা থেকেই জৈন ধর্মমতের উৎপত্তি। পার্শ্বনাথের ধর্মোপদেশকে বলা হয় চতুর্যাম। এতে পরিত্রাণের চারটি উপায়ের কথা বলা হয়েছে, যথা- সর্বজীবে দয়া, মিথ্যাকথন থেকে বিরত থাকা, চৌর্যবৃত্তিতে অংশ না নেওয়া এবং পার্থিব সম্পদ থেকে দূরে থাকা। সূত্র- বাংলাপিডিয়া।
৬৪৭.
মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা তাদের নাগরিকত্ব হারায় -
  1. ক) ১৯৬২ সনে
  2. খ) ১৯৮৬ সনে
  3. গ) ১৯৭৮ সনে
  4. ঘ) ১৯৮২ সনে
ব্যাখ্যা
Provisions in the 1982 law perpetuate the Rohingya citizenship crisis by denying Burmese citizenship to children born to those considered non-citizens. In order for a child to attain Burmese citizenship, at least one parent must already hold one of the three types of Burmese citizenship. [source: Human Rights Watch]
৬৪৮.
রাজা রামমোহন রায়ের প্রকাশিত পত্রিকা নিচের কোনটি?
  1. সংবাদ প্রভাকর
  2. পাষণ্ড পীড়ন
  3. সম্বাদ কৌমুদী
  4. সংবাদ সাধুরঞ্জন
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন:

- ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে রাজা রামমোহন রায় জন্ম গ্রহন করেন।
- তিনি সুফি মতবাদে বিশেষভাবে প্রভাবিত ছিলেন।
- তিনি বেদান্তসূত্র বেদান্তসারসহ উপনিষদের অনুবাদ প্রকাশ করেন।
- তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে আছে 'তুহফাত-উল-মোয়াহিদ্দীন' (একেশ্বরবাদ সৌরভ) “মানাজারাতুল আদিয়ান' (বিভিন্ন ধর্মের উপর আলোচনা)।
- তিনি ‘সম্বাদ কৌমুদী', 'মিরাত-উল-আখবার' ও 'ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন' নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশকও ছিলেন।
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্য প্রথা, মূর্তিপুজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে। আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- হিন্দুধর্মের সংস্কার তথা নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে ‘আত্মীয় সভা' নামে একটি সমিতি গঠন
করেন।
- ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে এই মহাপুরুষ, ভারতীয় নবজাগরণের স্রষ্টা, রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৬৪৯.
টাইটানিক জাহাজ কবে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যায়?
  1. ক) ১৯১১ সালে
  2. খ) ১৯১২ সালে
  3. গ) ১৯১৩ সালে
  4. ঘ) ১৯১৪ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল রাতে টাইটানিক জাহাজ তার প্রথম যাত্রায় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে আইসবার্গের সাথে ধাক্কা লেগে নিমজ্জিত হয়।
- তখন এতে ২২০০ যাত্রী ও ক্রু ছিলো যার মধ্যে প্রায় ১৫০০ জন মারা যায়।
- ১০ এপ্রিল নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে টাইটানিক জাহাজ ব্রিটেনের সাউদাম্পটন বন্দর ছেড়ে যায়।
- টাইটানিক জাহাজ ছিলো তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে বিলাসবহুল এবং অন্যতম বৃহৎ জাহাজ।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
৬৫০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আনা ফ্রাঙ্ক এবং তার পরিবার জার্মানি থেকে কোথায় পালিয়ে যায়?
  1. ক) আমেরিকা
  2. খ) বেলজিয়াম
  3. গ) নেদারল্যান্ড
  4. ঘ) ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
আনা ফ্রাঙ্ক (1929 -1945) ছিলেন তরুণ ইহুদি মেয়ে।
- তার বোন এবং তার বাবা-মা জার্মানি থেকে নেদারল্যান্ডে চলে আসেন যখন ১৯৩৩ সালে অ্যাডলফ হিটলার এবং নাৎসিরা সেখানে ক্ষমতায় আসেন এবং ইহুদিদের জীবন ক্রমশ কঠিন করে তোলে।
- ১৯৪২ সালে, ফ্রাঙ্ক এবং তার পরিবার জার্মান অধিকৃত আমস্টারডামে তার বাবার ব্যবসার পিছনে একটি গোপন অ্যাপার্টমেন্টে লুকিয়ে ছিলেন।
- তারা ১৯৪৪ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং পরবর্তিতে কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছিল। শুধু অ্যানির বাবা বেঁচে ছিলেন।
- আনা ফ্রাঙ্কের লুকিয়ে থাকার সময় তার পরিবারের ডায়েরি, যা প্রথম ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল, প্রায় ৭০ টি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে এবং এটি সবচেয়ে বেশি পড়া বইগুলির মধ্যে একটি।

উৎস: History.com
৬৫১.
ইতিহাসে ‘মরুভূমির শিয়াল’ নামে খ্যাত-
  1. ক) ফিল্ড মার্শাল রোমেল
  2. খ) আনোয়ার সাদাত
  3. গ) মার্শাল টিটো
  4. ঘ) কামাল আতাতুর্ক
ব্যাখ্যা
ফিল্ড মার্শাল রোমেল (১৮৯১ - ১৯৪৪) ছিলেন একজন জার্মান ফিল্ড মার্শাল।
তিনি ইতিহাসে ‘ডেজার্ট ফক্স’ বা ‘মরুভূমির শিয়াল’ নামে খ্যাত।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এনসাইক্লোপিডিয়া।
৬৫২.
শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নাম জড়িয়ে আছে-
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. কৃষক প্রজা পার্টি
  4. ছয় দফা
ব্যাখ্যা
শেরেবাংলা এ.কে ফজলুল হক:

- ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর শেরেবাংলা এ. কে ফজলুল হক বৃহত্তর বরিশাল জেলার রাজাপুর থানাধীন সাতুরিয়া গ্রামে নিজ মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবার বাড়ি বরিশালের চাখার।
- তাঁর পিতা কাজী ওয়াজেদ ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী।
- ফজলুল হক বাল্যকাল থেকেই তীক্ষ্ণ মেধা শক্তির পরিচয় দেন।
- তাঁর সারা জীবনের রাজনীতির অন্যতম লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের কল্যাণ সাধন।
- তাঁর জীবদ্দশায় তিনি পত্রিকা সম্পাদনা, আইন ব্যবসা, অধ্যাপনা, সরকারি চাকরি এবং রাজনীতি সবই করেছেন।
- ব্রিটিশ শাসন এবং অবাঙালি নেতৃত্বের বিরোধিতা ছিল তাঁর চেতনামূলে।
- কৃষক-প্রজা সাধারণ মানুষ ছিল তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতে।
- ১৯১৬ সালের হিন্দু-মুসলমান ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি' সম্পাদনে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ১৯১৮-১৯ সালে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯২৯ সালে তিনি ‘নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতি' প্রতিষ্ঠা করেন, ১৯৩৬ সালে যার নতুন নামকরণ হয় কৃষক-প্রজা পার্টি।
- ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি মারা যান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫৩.
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন -
  1. চিয়াং কাই শেক
  2. লি জিয়ানিয়ান
  3. সান ইয়েৎ সেন
  4. মাও সেতুং
ব্যাখ্যা
• চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব (Cultural Revolution):
১৯৬৬ সালে কমিউনিস্ট নেতা মাও সেতুং - এর আহ্বানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয় যা ১৯৭৬ সালে সমাপ্ত হয় (১০ বছর স্থায়ী)। 
→ সমগ্র চীনে কমিউনিস্ট শাসনের আওতায় আনা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার ও কমিউনিস্ট বিরোধী ভাবধারা প্রতিহত করার জন্য এই বিপ্লব শুরু হয়।
→ চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সমগ্র চীন ঐক্যবদ্ধ হয় এবং কমিউনিস্ট পার্টির অবস্থান দৃঢ় হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম।
৬৫৪.
নেলসন ম্যান্ডেলাকে কোন দ্বীপে অন্তরীণ রাখা হয়?
  1. গুয়াম দ্বীপ
  2. সেন্ট হেলেনা দ্বীপ
  3. রোবেন দ্বীপ
  4. ফকল্যান্ড দ্বীপ
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।
- ম্যান্ডেলাকে 'রোবেন দ্বীপ' এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- এখানে তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান।
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ম্যান্ডেলাকে রবেন দ্বীপের কারাগার থেকে পোলসমুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৮৮ সালে ম্যান্ডেলাকে ভিক্টর ভার্সটার কারাগারে সরিয়ে নেয়া হয়।
- ভিক্টর ভার্সটার কারাগার থেকে ম্যান্ডেলাকে ১৯৯০ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারি মুক্তি দেয়া হয়।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো ৪৬৬।
- কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে '৪৬৬৬৪' গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
- কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৯০ হতে ১৯৯৪ পর্যন্ত তিনি এই দলের নেতা ছিলেন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।
- A Long Walk to Freedom বইটির লেখক নেলসন ম্যান্ডেলা।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com.
৬৫৫.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের নাম - [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. জো বাইডেন
  2. জর্জ বুশ
  3. হিলারি ক্লিনটন
  4. ডিক চেনি
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।
- তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী/প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ/প্রথম আফ্রো-এশিয়ান এবং বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন কমলা দেবী হ্যারিস।
- তিনি দেশটির ৪৯তম ভাইস প্রেসিডেন্ট।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

উৎস: The White House (.gov) ওয়েবসাইট।
৬৫৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট জাপানে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের অনুমোদন করেছিলেন?
  1. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  4. অ্যাব্রাহাম লিঙ্কন
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হ্যারি এস. ট্রুম্যান জাপানে পারমানবিক বোমা নিক্ষেপের অনুমোদন করেছিলেন।

হ্যারি এস. ট্রুম্যান:
- হ্যারি এস. ট্রুম্যান (Harry S. Truman) ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম রাষ্ট্রপতি।
- তিনি ১৯৪৫ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ফ্র্যাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্টের মৃত্যুর পর উপরাষ্ট্রপতি থেকে রাষ্ট্রপতিত্বে উন্নীত হন এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি থেকে শীতল যুদ্ধের উত্থান পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলীর নেতৃত্ব দেন।
- হ্যারি এস. ট্রুম্যান জাপানে পারমানবিক বোমা নিক্ষেপের অনুমোদন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'। পারমাণবিক বোমার জনক রবার্ট ওপেনহেইমার ছিলেন ম্যানহাটান প্রজেক্টের প্রধান।
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

 
লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টের জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র। মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে। নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে। নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান।

উৎস: History.com

৬৫৭.
বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে 'I have a dream' শিরোনামে কে ভাষণ দিয়েছিলেন?
  1. রবার্ট মুগাবে
  2. নেলসন মেন্ডেলা
  3. এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক
  4. মার্টিন লুথার কিং
ব্যাখ্যা
মার্টিন লুথার কিং:
- মার্টিন লুথার কিং ছিলেন আফ্রিকান-আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গ মানবাধিকার কর্মী।
- যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আদায়ে আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা ছিলেন মার্টিন লুথার কিং।
- তিনি বর্ণবৈষম্য বিলোপ, শান্তি ও নাগরিক অধিকারের জন্য নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান-আমেরিকানদের মৌলিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট এক বিরাট মিছিলের নেতৃত্ব দেন, যা ‘1963 March on Washington’ নামে পরিচিত।
- মিছিল শেষে ওয়াশিংটনের লিংকন মেমোরিয়াল মঞ্চে তিনি এ ভাষণটি দেন তা ছিল বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে।
- তিনি বলেছিলেন, ‘I have a dream that my four little children will one day live in a nation where they will not be judged by the color of their skin but by the content of their character.’
- ভাষণটি সবাই এখন 'I have a dream' শিরোনামে জানে।
- এই ভাষণে উঠে এসেছে নিগ্রোদের প্রতি অত্যাচারের কথা, তাদের বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথা।
- মার্টিন লুথারের ওই ভাষণের পর আমেরিকায় বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অনেক আইন তৈরি হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.
৬৫৮.
The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. জন রলস
  2. জাস্টিন মডার্ন
  3. অমর্ত্য সেন 
  4. জ্যাক ডরসি
ব্যাখ্যা

অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন অমর্ত্য সেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য পৃথিবী জুড়েই তিনি শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
- তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলোস, ট্রিনিট্রি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং ক্যামব্রিজের একজন সিনিয়র ফেলো।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।

উৎস: Britannica.

৬৫৯.
'কোড নেপোলিয়ন' কোন দেশের আইন ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. ইতালি
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা

কোড নেপোলিয়ন (Napoleon Code) মূলত ফ্রান্সের আইন ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত।

কোড নেপোলিয়ন (Napoleon Code):
- নেপোলিয়নের অন্যতম প্রধান সংস্কার হচ্ছে ফ্রান্সে আইন সংস্কার যা Napoleon Code নামে খ্যাত।
- ১৮০৪ সালের ২১ মার্চ ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট Napoleonic Code প্রণয়ন করেন।
- এতে ব্যক্তি স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, আইনের সামনে সকলের সমতা নিশ্চিত করা হয়। এই কোড বিশ্বব্যাপী বহু দেশের আইন ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলেছে।

⇒ কোড নেপোলিয়নর প্রায় ২২৮০টি ধারা এবং তা দেওয়ানি কোড, ফৌজদারি কোড এবং বাণিজ্যিক কোর্ড এ তিন অংশে বিভক্ত ছিল। আইনের ধারাগুলি সহজ ও স্পষ্ট ভাষায় রচিত হয়। কোড নেপোলিয়ন বিশ্লেষণ করলে নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলি পরিলক্ষিত হয়:
 - আইনের চোখে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়;
- সামাজিক সাম্য স্থাপিত হয় এবং কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের বিশেষ অধিকার বিলোপ করা হয়। অর্থাৎ সকল নাগরিকের সমান মর্যাদা ও সুযোগ লাভের অধিকার স্বীকৃত হয়;
- একমাত্র যোগ্যতার ভিত্তিতে যে কোনো নাগরিকের চাকরি লাভের অধিকার স্বীকৃত হয়;
- সামন্ততন্ত্র লোপ করে নতুন ভূমিবন্দোবস্ত চালু করা হয়। ফলে বিপ্লবী যুগে কৃষক ও মধ্যবিত্তরা ভূমিতে বৈধ স্বত্ব লাভ করে। ভূমিদাস ও ম্যানর প্রভৃতি শোষণ মূলক প্রথার অবসান ঘটানো হয়। মোট কথা বিপ্লবের সময় বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা রোধ করে যে নতুন আইন করা হয়েছিল নেপোলিয়ন তা বহাল রাখেন।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

৬৬০.
ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি সাথে কার নাম জড়িত রয়েছে?
  1. রিচার্ড নিক্সন
  2. হিলারি ক্লিনটন
  3. বিল ক্লিনটন
  4. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
ব্যাখ্যা
→ রিচার্ড নিক্সন ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি সাথে  জড়িত।

• ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি:
- ১৯৭২ সালের ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির ইতিহাসে আলোচিত ঘটনা।
- ১৭ জুন এই কেলেঙ্কারির বিষয়টি সামনে আসে।
- মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি।
- এ ঘটনায় রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জুন ওয়াশিংটন ডিসির ওয়াটারগেট অফিস-অ্যাপার্টমেন্ট-হোটেল কমপ্লেক্সে;
- ডেমোক্র্যাটিক ন্যাশনাল কমিটির (ডিএনসি) সদর দপ্তরে পাঁচজন চোরকে গ্রেপ্তারের পর রিচার্ড এম. নিক্সনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রকাশ পায়।
- ১৯৭৪ সালের ৯ আগস্ট, কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সম্ভবত অভিশংসনের মুখোমুখি হয়ে।
- রিচার্ড নিক্সন পদত্যাগকারী একমাত্র মার্কিন রাষ্ট্রপতি।

অপরদিকে,
- হ্যারি এস. ট্রুম্যান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩ তম রাষ্ট্রপতি।
- ১৯৪৫ থেকে ১৯৩৩সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম রাষ্ট্রপতি।

উৎস: Britannica এবং প্রথম আলো।
৬৬১.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র?
  1. ক) হাঙর নদী গ্রেনেড
  2. খ) ধীরে বহে মেঘনা
  3. গ) আলোর মিছিল
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত সবগুলোই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। এর মধ্যে হাঙর নদী গ্রেনেড চলচ্চিত্রের পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম, ধীরে বহে মেঘনা চলচ্চিত্রের পরিচালক আলমগীর কবির এবং আলোর মিছিল চলচ্চিত্রের পরিচালক নারায়ণ ঘোষ মিতা।
(সূত্র: কালেরকণ্ঠ)
৬৬২.
টনি ব্লেয়ার কোন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. কানাডা
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

টনি ব্লেয়ার:
- যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন টনি ব্লেয়ার।
- লেবার পার্টির সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন টনি ব্লেয়ার।
- তিনি ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনিই ২০০৩ সালে যুক্তরাজ্যকে ইরাক যুদ্ধে জড়িত করেছিলেন।
- পরে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর (যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, রাশিয়া ও জাতিসঙ্ঘ) পক্ষে মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি উত্তর আয়ারল্যান্ডের শান্তি প্রক্রিয়া, সরকারি খাতের সংস্কার এবং ৯/১১ এবং ৭/৭ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়া তদারকি করেছিলেন।

⇒ ২০০৬ সালের ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধ চলাকালীন টনি ব্লেয়ার ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপকে সমর্থন করেছিলেন যা লেবার পার্টির অনেক সদস্য, বিশেষ করে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব পোষণকারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না।
- এছাড়াও, প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ. বুশের প্রতি তার সমর্থন অব্যাহত রাখায় অনেক লেবার এমপি এবং দলের মধ্যে ব্লেয়ারের প্রতি ক্ষোভ এবং অন্যান্য কারণের ফলে টনি ব্লেয়ার ২০০৭ সালের ২৭শে জুন প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিকল্পনায় গাজায় যুদ্ধপরবর্তী 'শান্তি বোর্ডে’ সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে নেতৃস্থানীয় ভূমিকায় রাখার প্রস্তাব করা হয়েছিল।
- কিন্তু ইরাক যুদ্ধের ইতিহাসের কারণে সেই অবস্থান থেকে এবার বাদ পড়লেন ব্লেয়ার। ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাজ্যকে জড়িয়েছিলেন টনি ব্লেয়ার। ওই যুদ্ধে ব্লেয়ারের ভূমিকার কারণে আরব ও মুসলিম দেশগুলো গাজা ‘শান্তি বোর্ড’- এ তাকে নেতৃস্থানীয় ভূমিকায় রাখার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে।

উৎস: i) GOV.UK
ii) BBC.

৬৬৩.
আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ কে ছিলেন?
  1. দাউদ খাঁ
  2. জহির শাহ
  3. নাদির শাহ
  4. নজীবুল্লাহ
ব্যাখ্যা
আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রীয় নাম: ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তান (Islamic Emirate of Afghanistan)।
- আফগানিস্তান শব্দটির অর্থ 'আফগান বা পশতুন জাতির দেশ'।
- ভাষা: পশতু, দারি।
- মুদ্রা: আফগানি।

⇒ আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ ছিলেন জহির শাহ।
- ১৯৩৩ সালে জহির শাহ ক্ষমতাসীন হওয়ার পর আফগানিস্তানে রাজনৈতিক সংকট শুরু হয়।
- তাঁর প্রধানমন্ত্রী ও চাচাতো ভাই মুহাম্মদ দাউদ ১৯৭৩ সালে অভ্যুত্থান ঘটালে রাজতন্ত্রের পতন ঘটে এবং রাজনৈতিক সংকট চরমে পৌঁছায়।
- এরপর থেকে আর কোনো দিন আফগানিস্তানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৯ সালে তৃতীয় ব্রিটিশ-আফগান যুদ্ধশেষে আফগানিস্তান দেশটি ব্রিটেন থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৯৬ সালে তালেবান গোষ্ঠী কাবুলের দখল নেয়।
- ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০০১-এর সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং ২০০১-এর শেষে তালেবানদের উৎখাত করে।
- এক বিধ্বংসী সামরিক অভিযানে ২০০১ সালে তালেবানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর গত ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানের সামরিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও তার নেটো মিত্ররা।
- ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারীতে যুক্তরাষ্ট্র এবং তালেবানের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়।
- ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর তালেবানরা কাবুল পুনরায় দখল করে।

উৎস: i) National Geographic Kids ওয়েবসাইট।
ii) ৫ অগাস্ট ২০২১, BBC.
৬৬৪.
জেমস মনরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কততম রাষ্ট্রপতি ছিলেন?
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম 
  4. ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা

 জেমস মনরো (১৭৫৮-১৮৩১)
 - তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি, যিনি ১৮১৭ থেকে ১৮২৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
- তাঁর কার্যকালকে প্রায়শই ভালো অনুভূতির যুগ হিসাবে উল্লেখ করা হয় ।

- মনরো ডকট্রিনের মাধ্যমে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন ।
- এই মতবাদ ইউরোপীয় দেশগুলিকে পশ্চিম গোলার্ধে হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছিল, এই নীতি প্রতিষ্ঠা করেছিল যে পুরাতন বিশ্ব এবং নতুন বিশ্ব আলাদা থাকা উচিত।

⇒ রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে, মনরো আমেরিকান বিপ্লবে লড়াই করেছিলেন এবং পরে টমাস জেফারসনের অধীনে আইন অধ্যয়ন করেছিলেন। তিনি মার্কিন সিনেটর এবং ফ্রান্সের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফ্লোরিডা অধিগ্রহণ করে এবং মিসৌরি সমঝোতা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৬৫.
পোলিও রোগের টিকা উদ্ভাবন করেন কে?
  1. ক) জ্যাকব হেইন
  2. খ) জোনাস এডওয়ার্ড সাল্‌ক
  3. গ) কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার
  4. ঘ) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
ব্যাখ্যা
‘পোলিওমাইটিলিজ’ এক ধরনের ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যা ‘পোলিও’ নামে অধিক পরিচিত।
১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন এবং ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।
১৯৫২ সালে জোনাস এডওয়ার্ড সাল্ক‌ পোলিওর টিকা উদ্ভাবন করেন। ১৯৫৭ সালে আলবার্ট সাবিন মুখে খাওয়ার পোলিও টিকা আবিষ্কার করেন।
বাংলাদেশে ১৯৫৫ সালে পোলিও টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয় এবং ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশকে পোলিও ‍মুক্ত ঘোষণা করে।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার)
৬৬৬.
কোন যুদ্ধের ভয়াবহতায় অনুতপ্ত হয়ে সম্রাট অশোক অহিংস নীতি গ্রহণ করেন?
  1. ক) গান্ধারের যুদ্ধ
  2. খ) কলিঙ্গ যুদ্ধ
  3. গ) কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ
  4. ঘ) বন্দিবাসের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
- মৌর্য সাম্রাজ্যের তৃতীয় শাসক সম্রাট অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন। এর আটবছর পর তিনি কলিঙ্গ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। কলিঙ্গরাজ্য উড়িষ্যার উত্তরাংশে অবস্থিত।
- এই যুদ্ধে লক্ষাধিক মানুষের হতাহতের ঘটনায় সম্রাট অশোকের মনে তীব্র অনুশোচনার সৃ্ষ্টি হয়। এর ফলে তিনি পররাজ্য দখলের নীতি পরিহার করে সৌহার্দ্য ও মৈত্রীর অহিংস নীতি গ্রহণ করেন।
- একই সময়ে তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন এবং এর ফলে বৌদ্ধধর্ম তার হাত ধরে বিশ্বধর্মে পরিণত হয়।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৬৬৭.
জঁ ফ্রেডেরিক জোলিও ছিলেন একজন নোবেলজয়ী -
  1. অর্থনীতিবিদ
  2. চিকিৎসক
  3. পদার্থবিজ্ঞানী
  4. রসায়নবিজ্ঞানী
ব্যাখ্যা
- বাংলায় পদকের নাম ‘জুলিও কুরি’ বলা হলেও এর ফরাসি উচ্চারণ ‘জোলিও ক্যুরি’।
- ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী জঁ ফ্রেডেরিক জোলিও ক্যুরি ১৯৫৮ সালে মৃত্যুবরণ করলে বিশ্বশান্তি পরিষদ তাদের শান্তি পদকের নাম ১৯৫৯ সাল থেকে রাখে ‘জোলিও ক্যুরি’।
- ফ্রেডেরিকের মূল নাম ছিল জঁ ফ্রেডেরিক জোলিও। ফ্রেডেরিকের স্ত্রী ইরেন ক্যুরি। তিনিও বিজ্ঞানী।
- বিয়ের পর ফ্রেডেরিক ও ইরেন উভয়ে উভয়ের পদবি গ্রহণ করেন এবং একজনের নাম হয় জঁ ফ্রেডেরিক জোলিও ক্যুরি এবং অন্যজনের নাম ইরেন জোলিও ক্যুরি।
- পরে যৌথভাবে তাঁরা নোবেল পুরস্কারও লাভ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্রেডেরিক জোলিও ক্যুরি শুধু বিজ্ঞানী হিসেবেই কাজ করেননি, তিনি গেরিলা বাহিনীতে যোগ দিয়ে এবং তাদের জন্য হাতিয়ার তৈরি করেও অবদান রাখেন।
- তাঁর অবদানের কারণেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরিসমাপ্তি সহজতর হয়। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এই যুদ্ধ পরিসমাপ্তি ছিল খুবই জরুরি।
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদ জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে।

তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো
৬৬৮.
'সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হচ্ছে শিক্ষা'-কার উক্তি?
  1. প্লেটো
  2. হেনরিক পেস্টালৎসী
  3. এরিস্টটল
  4. মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যা
শিক্ষা সম্পর্কে বিভিন্ন শিক্ষাবিদের মতামত:
- শিক্ষা শব্দটি অত্যন্ত ব্যাপক ও জটিল।
- বিভিন্ন যুগে, বিভিন্ন দেশে শিক্ষাবিদ ও দার্শনিকরা আপন আপন দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী শিক্ষার ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। 
 
সক্রেটিসের মতে,
- "শিক্ষা হলো মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের আবিষ্কার।"
 
দার্শনিক প্লেটোর (Plato) মতে,
- শিক্ষা হচ্ছে সেই শক্তি, যার দ্বারা সঠিক সময়ে আনন্দ ও বেদনা অনুভূতিবোধ জন্মায়।
- এটি শিক্ষার্থীর দেহে-মনে সকল সুন্দর ও অন্তর্নিহিত শক্তিকে বিকশিত করে তোলে।
 
দার্শনিক এরিস্টটলের (Aristotle) মতে,
- সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হচ্ছে শিক্ষা
- শিক্ষা দেহ-মনের সুষম এবং পরিপূর্ণ বিকাশের মাধ্যমে ব্যক্তির জীবনের প্রকৃত মাধুর্য ও পরম সত্য উপলব্ধিতে সহায়তা করে।
 
হেনরিক পেস্টালৎসীর মতে,
- "শিক্ষা হচ্ছে মানুষের শক্তি ও সামর্থ্যের স্বাভাবিক, প্রগতিশীল ও নিয়মানুগ বর্ধন ও সামঞ্জস্যপূর্ণ বিকাশ।
 
মহাত্মা গান্ধী বলেন,
- "শিক্ষা হলো শিশু ও মানুষের দেহ, মন ও আত্মার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ গুণগুলোর সুসামঞ্জস্যপূর্ণ বিকাশ।
 
রুশো মন্তব্য করেন,
- "আমরা অভাবের মধ্যে অসহায় অবস্থায় জন্মগ্রহণ করি।
- শিক্ষা দ্বারা আমাদের অভাব পূরণ হয়।
- প্রকৃতি, বস্তু ও মানুষের নিকট হতে আমরা শিক্ষা লাভ করি।"
 
উৎস: মাধ্যমিক শিক্ষা, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬৯.
'March on Rome' নিম্নের কার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ভ্লাদিমির লেনিন
  2. অ্যাডলফ হিটলার
  3. বেনিতো মুসোলিনি
  4. জোসেফ স্টালিন
ব্যাখ্যা
বেনিতো মুসোলিনি:
- ফ্যাসিবাদের প্রবর্তক বেনিতো মুসোলিনি।
- বেনিতো মুসোলিনি ছিলেন দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ কালে ইতালির সর্বাধিনায়ক। তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক নেতা।

⇒ তিনি বিশ শতকের ইউরোপে প্রথম ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯২২ সালে বেনিতো মুসোলিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষনা করেন।
- ১৯২২ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত তিনি ইতালির প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেন তিনি।
- মুসোলিনি ১৯৪০ সালে অক্ষশক্তির পক্ষে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যোগদান করেন।
- ১৯৪৩ সালে সিসিলিতে ক্ষমতাচ্যুত হলে তাকে বন্দী করা হয়।
- বেনিতো মুসোলিনি ১৯৪৫ সালের ২৮ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- 'মার্চ অন রোম' বেনিটো মুসোলিনি'র সাথে সম্পর্কিত।
- 'March on Rome' ছিল ১৯২২ সালের অক্টোবরে ফ্যাসিস্ট পার্টির একটি সংগঠিত অভিযান।
- ফ্যাসিস্টরা ইতালির বিভিন্ন শহরে সমাবেশ করে এবং রোমের দিকে যাত্রা শুরু করে।
- রাজা তৃতীয় ভিক্টর এমানুয়েল মুসোলিনিকে রোমে ডেকে পাঠান এবং তাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- মুসোলিনির ক্ষমতা দখল ইউরোপে ফ্যাসিবাদের উত্থানের সূচনাচিহ্ন হিসেবে চিহ্নিত হয়।

উৎস: i) History.com
ii) BBC.
৬৭০.
'My Life' বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কার?
  1. বিল ক্লিনটন
  2. হিলারী ক্লিনটন
  3. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  4. ফিদেল ক্যাস্ট্রো
ব্যাখ্যা
বিল ক্লিনটন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪২তম প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- তিনি ১৯ আগস্ট, ১৯৪৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসে জন্ম গ্রহণ করেন।
-তিনি দুই মেয়াদে (১৯৯৩-২০০১) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

• তাঁর রাজনৈতিক দল ডেমোক্রেটিক পার্টি।
- তিনি নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সিনেটর হিলারি ক্লিনটনের স্বামী।

⇒ তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ: My Life (2004).
- তার লিখা আরও কিছু বইসমূহ,
- Giving: How Each of Us Can Change the World (2007).
- Back to Work: Why We Need Smart Government for a Strong Economy 2011).
- The President's Daughter (2021).
The President is Missing (Novel).

অন্যদিকে,
- Wings of Fire ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি এপিজে আবুল কালামের আত্মজীবনীমূলক বই।
- My Life: A Spoken Autobiography: ফিদেল ক্যাস্ট্রোর আত্মজীবনীমূলক বই।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের আত্মজীবনীমূলক বইয়ের নাম - Trump: The Art of the Deal।

উৎস: Britannica.
৬৭১.
কবে পারস্যের নাম পরিবর্তন করে ইরান রাখা হয়?
  1. ১৯৩২ সালে
  2. ১৯৩৩ সালে
  3. ১৯৩৫ সালে
  4. ১৯৩৬ সালে
ব্যাখ্যা
ইরানের প্রাচীন নাম ও সভ্যতা:
- পারস্য বর্তমানে ইরান নামে পরিচিত।
- পারস্যের নামকরণ 'ইরান' করা হয় ২১ মার্চ, ১৯৩৫ সালে।
- পারস্য সভ্যতার ধর্ম ছিল জরথুস্ত্র।
- জরথুস্ত্রের আর্বিভাব ঘটে খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে।
- পারস্যের সাসানীয় রাজবংশের সম্রাট আরদাশিরের সময় জরথুস্ত্র ধর্ম রাজকীয় মর্যাদা লাভ করে।
- জরথুস্ত্রবাদ ছিলো একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী। বিশ্বের অন্যান্য ধর্মের উপর জরথ্রুস্ত্র ধর্মের ব্যাপক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- এদের প্রধান দেবতার নাম আছর মাজদা। ধর্মগ্রন্থের নাম জেন্দাবেস্তা।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ষষ্ঠ শ্রেণী এবং উচ্চ মাধ্যমিক ইসলামের ইতিহাস: প্রথমপত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭২.
চেঙ্গিস খানের আসল নাম কী ছিল?
  1. তাজউদ্দীন
  2. তৈমুর লং
  3. তৈমুদ্দিন 
  4. তেমুজিন 
ব্যাখ্যা

চেঙ্গিস খান:
- চেঙ্গিস খান মঙ্গোল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে।
- চেঙ্গিস খানের আসল নাম ছিল তেমুজিন। 
- তিনি ১১৬২ সালে মঙ্গোলিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন
- ১২০৬ সালে মঙ্গোলিয়ার যাযাবর উপজাতিগুলোকে সংগঠিত করার মাধ্যমে বিখ্যাত মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খান এই সাম্রাজ্যের পত্তন করেন।
- ১২০৬ সালে তাকে “চেঙ্গিস খান” উপাধি দেওয়া হয়
- চেঙ্গিস খানের সাম্রাজ্য ইতিহাসের সবচেয়ে বৃহৎ স্থল সাম্রাজ্য হিসেবে পরিচিত।
- নতুন আইনসংহিতা তৈরি করেন, যাকে বলা হতো “ইয়াসা (Yassa)”। 
- চেঙ্গিস খানের মৃত্যুর পর তার বংশধরগণ এই সাম্রাজ্যের আরো বিস্তৃতি ঘটান।
- মোঙ্গল সাম্রাজ্য তার সর্বোচ্চ শিখরের সময় পূর্ব ইউরোপ থেকে ইন্দোচীন পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো যার আয়তন ছিলো এক কোটি বর্গমাইলেরও অধিক।
- ১২২৭ সালে চেঙ্গিস খান মৃত্যুবরণ করেন। 

উৎস:  ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম ওয়েবসাইট। 

৬৭৩.
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে কে এক ওভারে ছয় ছক্কা মেরেছিলেন?
  1. কিরণ পোলার্ড
  2. হার্শেল গিবস
  3. যুবরাজ
  4. জাসকরন মালহোত্রা
ব্যাখ্যা
ছয় বলে ছয় ছক্কা:
- ২০০৭ সালে নেদারল্যান্ডস লেগ স্পিনার ড্যান ফন বাঞ্জির এক ওভারে ছয় ছক্কা মেরেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার হার্শেল গিবস।
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেটিই ছিল এক ওভারে সবগুলো ছয় মারার প্রথম ঘটনা।

অন্যদিকে -
- ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের স্টুয়ার্ট ব্রডকে এক ওভারে ছয়টি ছয় মেরেছিলেন যুবরাজ।
- ২০২১ সালে মার্চে শ্রীলঙ্কার আকিলা দনাঞ্জয়াকে এক ওভারে ছয় ছক্কা মেরেছিলেন পোলার্ড।
- ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিশ্বের চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে এক ওভারে ছয় ছক্কা হাকালেন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাটসম্যান জাসকরন মালহোত্রা।

উৎস: i) ESPN Cricinfo।
ii) ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
৬৭৪.
‘I am the Revolution’ – এই বিখ্যাত উক্তিটি কার? 
  1. ফিদেল কাস্ত্রো
  2. মার্টিন লুথার কিং 
  3. নেপোলিয়ন বোনাপার্ট 
  4. ভ্লাদিমির লেনিন
ব্যাখ্যা

• নেপোলিয়ন বোনাপার্ট :
- 'I am the Revoluation' উক্তিটি নেপোলিয়নের।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট একজন ফরাসি সামরিক জেনারেল এবং রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৭৬৯ সালের ১৫ আগস্ট জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি ফরাসি বিপ্লবে (১৭৮৯ থেকে ১৭৯৯) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- তিনি ফ্রান্সের প্রথম কনসাল (১৭৯৯ থেকে ১৮০৪) হিসাবে কাজ করেছিলেন এবং ফ্রান্সের প্রথম সম্রাট ছিলেন। 
- নেপোলিয়নকে ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক জেনারেল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৮১৫ সালের ১৮ জুন বেলজিয়ামের ওয়াটারলু নামক স্থানে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে সংঘটিত ঐতিহাসিক ওয়াটারলু যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনাপতি আর্থার ওয়েলেসলির (প্রথম ডিউক অব ওয়েলিংটন) নিকট পরাজিত হলে নেপোলিয়নকে আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- এর আগে রাশিয়া আক্রমণ করে পরাজিত হলে তাকে ভূমধ্যসাগরের সেন্ট এলবা দ্বীপে নির্বাসন দেওয়া হয়।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ১৮২১ সালের ৫ মে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 

৬৭৫.
রাজনীতিবিদ হয়ে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. বার্ট্রান্ড রাসেল
  2. উইনস্টোন চার্চিল
  3. লিউ জিয়াবো
  4. কার্ল ভন অসিসকাই
ব্যাখ্যা

 উইনস্টন চার্চিল:
- উইনস্টন চার্চিল যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি একজন রাজনীতিবিদ ও লেখক।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- 'The Second World War' গ্রন্থের জন্যে তিনি ১৯৫৩ সালে নোবেল সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তাঁর অবদানের জন্য চিরকাল স্মরণীয়।

উৎস: Britannica.

৬৭৬.
'আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস' (ANC) পার্টির সাথে কার নাম জড়িত?
  1. ক) Nnamdi Azikiwe
  2. খ) Kwame Nkrumah
  3. গ) Nelson Mandela
  4. ঘ) Patrice Lumumba
ব্যাখ্যা
• নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত কৃষ্ণাঙ্গনেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট।
• নেলসন ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC) পার্টির নেতা ছিলেন।
• ১৯৪৪ সালে তিনি ANC তে যোগ দেন।
• ১৯৯১-১৯৯৭ সময়ে তিনি ANC এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

জেনে রাখা ভাল, 
• বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে তিনি ১৯৬৩-১৯৯০ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর রোবেন দ্বীপে কারান্তরীণ ছিলেন।
• ১৯৯৪ সালের ১০ মে ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
• ১৯৯৩ সালে ম্যান্ডেলা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
• ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ম্যান্ডেলা মারা যান।
• তার ডাকনাম ছিলো মাদিবা।

তথ্যসূত্র:- নেলসন ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
৬৭৭.
'সর্বশ্রেষ্ঠ সুখ নীতি'র প্রবক্তা কে?
  1. নিকোলাস ম্যাকিয়াভেলি
  2. অ্যারিস্টটল
  3. জেরেমি বেন্থাম
  4. ইমানুয়েল কান্ট
ব্যাখ্যা
- জেরেমি বেন্থাম "সর্বশ্রেষ্ঠ সুখ নীতি" (Greatest Happiness Principle) -এর নীতির (১৭৮৯) প্রবক্তা।
এই নীতির অর্থ হলো কোন কিছু বা কোন কাজকে উদ্দেশ্য নয়, বরং ফলাফল দ্বারা মূল্যায়ন করতে হবে।

- জেরেমি বেন্থাম একজন ব্রিটিশ দার্শনিক ও তাত্বিক। তিনি ১৭৪৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৩২ সালের ৬ জুন মারা যান।
- তার বিখ্যাত বইয়ের মধ্যে রয়েছে The Principles of Morals and Legislation.

(তথ্যসূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
৬৭৮.
’ড্রিমস ফ্রম মাই ফাদার’- বিখ্যাত বইয়ের লেখক কে?
  1. ডোনাল্ড ট্রাম্প
  2. জো বাইডেন
  3. বারাক ওবামা
  4. হিলারি ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
বারাক ওবামা (Barack Obama):
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম রাষ্ট্রপতি।
- যিনি ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ওবামা ১৯৬১ সালের ৪ আগস্ট হাওয়াইয়ের হোনোলুলুতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতা ছিলেন কেনিয়ার একজন অর্থনীতিবিদ।
- এবং মাতা ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ার।

তার রচিত বইগুলোর মধ্যে:
- 'ড্রিমস ফ্রম মাই ফাদার’ (Dreams from My Father: A Story of Race and Inheritance),
- 'দ্য অডেসিটি অফ হোপ',
- আ গার্ল্ড প্রমাইজ।

« অপরদিকে,
• জো বাইডেন বই সমূহ:
- প্ল্যান অফ অ্যাকশন,
- দ্য ফাইট ফর দ্য ফিউচার,
- আনব্রোকেন।

উৎস: Britannica.
৬৭৯.
হিব্রু সভ্যতা কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রসিদ্ধ?
  1. ক) বাণিজ্য
  2. খ) ধর্ম সংস্কার
  3. গ) কৃষিকাজ
  4. ঘ) জ্যোতির্বিদ্যা
ব্যাখ্যা
- হিব্রু সভ্যতা বর্তমান প্যালেস্টাইনে বিকশিত হয়েছিলো। হিব্রু সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু ছিলো জেরুজালেম নগর। খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ১৮০০ অব্দে হযরত ইব্রাহিম (আ.) নেতৃত্বে হিব্রু সভ্যতার সূচনা ঘটে।
- বিশ্ব সভ্যতায় হিব্রুদের সর্বাধিক অবদান হলো ধর্মের ক্ষেত্রে। হিব্রুরাই প্রথম একেশ্বরবাদী ধর্মের সূত্রপাত করে। পরবর্তীতে খ্রিস্ট ও ইসলাম ধর্ম এই একেশ্বরবাদী ধর্ম গোটা পৃথিবীতে প্রচার করে।
- এছাড়া ‘ডিউটোরোনোমিক কোড’ নামে আইন প্রণয়নের জন্যেও হিব্রুরা সভ্যতা বিখ্যাত।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং ইতিহাস : এসএসসি প্রোগ্রাম : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৬৮০.
আয়াতুল্লাহ খামেনি কত সালে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি:
- আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা।
- সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এখন দেশটির সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চীফ।
- দেশের সব বড় বা গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তার সম্মতি দরকার হয়। এমনকি ইরান পারমাণবিক ক্ষমতার অধিকারী হবে কিনা অথবা জাতিসংঘের আণবিক শক্তি সংস্থাকে সহযোগিতা করবে কিনা, এসবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনি দেন।
- আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ১৯৮৯ সালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

⇒ ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার শাসনের এই ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে। ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানে রেজা শাহ পাহলভীর রাজতন্ত্রকে উৎখাত করা হয়। তাকে উৎখাতের পর ইরানে ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর দেশটি দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাদের পদবী হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়, শিয়া ধর্মাবলম্বীদের কাছে যার অর্থ সিনিয়র ধর্মীয় নেতা।
- ১৯৬২ সালে আলী খামেনি শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরুদ্ধাচরণকারী আয়াতুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন।
- ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর আলী খামেনি বিপ্লবী পরিষদে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরকে সংগঠিত করতে সহায়তাও করেন। এই বিপ্লবী গার্ড ইরানের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- ১৯৮১ সালে দেশটির বামপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ইরানের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ-আলী রাজাইকে হত্যা করে।
- রাজাইয়ের মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হিসেবে আলী খামেনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। আট বছর ধরে আনুষ্ঠানিক এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি।
- ১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ (ধর্মীয় আলেমদের একটি পরিষদ) আলী খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
- আয়াতুল্লাহ খামেনি শাসনামলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ ছয়জন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন করেন। 

উৎস: i) BBC.  [link]
ii) Middle East Eye.
৬৮১.
Who is the founder of classical economics?
  1. ক) David Ricardo
  2. খ) Adam smith
  3. গ) Paul Samuelson
  4. ঘ) J. M. Keynes
ব্যাখ্যা
অ্যাডাম স্মিথ:

- আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক অ্যাডাম স্মিথ অর্থনীতিকে - 'সম্পদের বিজ্ঞান' বলেছেন।
- অ্যাডাম স্মিথের বিখ্যাত গ্রন্থ- 'The Wealth of Nations'.
- তিনি ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।

অপরদিকে,
-অধ্যাপক মার্শাল অর্থনীতিকে 'কল্যাণের বিজ্ঞান' বলে অভিহিত করেছেন।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ÖPrinciple of EconomicsÖ।
- তিনি নিও-ক্লাসিকাল অর্থনীতির প্রবক্তা।
- অর্থনীতির আধুনিক মতবাদের প্রবক্তা লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লায়নেল রবিন্স।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি- একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
৬৮২.
পিকেকে কোন দেশের কুর্দি মিলিশিয়া সংগঠন?
  1. ক) সিরিয়া
  2. খ) ইরাক
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) ইরান
ব্যাখ্যা
কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি কুর্দি ভাষায় (Partiya Karkeren Kurdistan-PKK) পিকেকে নামে পরিচিত। এটি তুর্কি কুর্দিদের একটি রাজনৈতিক ও মিলিশিয়া সংগঠন।
১৯৭৮ সালে আব্দুল্লাহ ওচালান এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এরা তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে একটি কুর্দি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করে আসছে।
(সূত্র: কুর্দিস্তান প্রজেক্ট এবং বিবিসি ওয়ার্ল্ড)
৬৮৩.
কলকাতা হাইকোর্টে প্রথম মুসলিম বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. সৈয়দ আহমদ খান
  2. সৈয়দ মাহমুদ
  3. সৈয়দ আমীর আলী
  4. সৈয়দ আব্দুর মনির
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আমীর আলী

- উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমীর আলী।
- তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি করতে চেয়েছেন। 
- সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীতে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।
- কলকাতা হাইকোর্টে প্রথম মুসলিম বিচারপতি ছিলেন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।
- বাংলা তথা ভারতে তিনিই প্রথম মুসলমান  নেতা, যিনি বিশ্বাস করতেন মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন। 
- আকর্ষণের জন্য নিজস্ব রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন।
- তিনি ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠাকে স্বাগত জানান।
- ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে তিনি মুসলিম লীগের  সভাপতি নির্বাচিত হন।
- সৈয়দ আমীর আলী নারী অধিকারের বিষয়েও সচেতন ছিলেন। 
- বাঙালি মুসলিম রেনেসাঁসের অগ্রদূত সৈয়দ আমীর আলী ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
৬৮৪.
‘গরিব প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে খ্যাত হোসে মুজিকা কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?
  1. পেরু
  2. উগান্ডা
  3. নামিবিয়া
  4. উরুগুয়ে
ব্যাখ্যা
হোসে মুজিকা (১৯৩৫- ২০২৫):
- বিশ্বজুড়ে বামপন্থীদের কাছে এক কিংবদন্তি ও গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত উরুগুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসে মুজিকা।
- 'পেপে' নামে পরিচিত উরুগুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসে মুজিকা ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত উরুগুয়ে শাসন করেন।
- সাবেক এই গেরিলা তার পরিমিত জীবনযাপনের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে 'গরিব প্রেসিডেন্ট' হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তরুণ বয়সে মুজিকা উরুগুয়ের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক শক্তি ন্যাশনাল পার্টির সদস্য ছিলেন।
- ১৯৬০-এর দশকে তিনি টুপামারোস ন্যাশনাল লিবারেশন মুভমেন্ট (এমএলএন-টি) নামে একটি গেরিলা সংগঠন গড়ে তোলেন।
- রাজনৈতিক কারণে তিনি প্রায় ১৪ বছরের বেশি সময় কারাগারে কাটিয়েছেন এবং ২০১০ সালে ৭৪ বছর বয়সে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ক্যানসারের সঙ্গে এক বছর লড়াইয়ের পর গত ১৩মে, ২০২৫ ৮৯ বছর বয়সে সদ্য প্রয়াত হয়েছেন এই আদর্শিক নেতা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৬৮৫.
Who is known as the 'Lady of the Lamp'?
  1. Sorojini Naidu
  2. Hellen Killer
  3. Florence Nightingale
  4. Madame Teresa
ব্যাখ্যা
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল:
- ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ছিলেন আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত।
- তিনি ছিলেন ইতালিয়ান নাগরিক।
- ১৮২০ সালের ১২ মে ইতালির ফ্লোরেন্সে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।
- তিনি Lady with the Lamp নামে পরিচিত।
- ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।

⇒ ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নেও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।
- লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে নার্সিংকে সম্পূর্ণ পেশারূপে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ১৮৬০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘নাইটিঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’ যার বর্তমান নাম ‘ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল স্কুল অব নার্সিং।

উল্লেখ্য,
- তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে যুদ্ধরত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসেন।
- যুদ্ধটি ১৮৫৩-১৮৫৬ সময়কালে সংঘটিত হয়।
- তিনি দিনের বেলায় কাজ করে রাতের বেলায় আহত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন।
- এ যুদ্ধে চিকিৎসা সেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তাকে বলা হয় ‘লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প‘।

⇒ ১৮৮৩ সালে রানি ভিক্টোরিয়া তাকে ‘রয়েল রেডক্রস’ পদক প্রদান করেন।
- প্রথম নারী হিসেবে ‘অর্ডার অব মেরিট’ খেতাব লাভ করেন ১৯০৭ সালে।
- ১৯০৮ সালে লাভ করেন লন্ডন নগরীর ‘অনারারি ফ্রিডম’ উপাধি।

উৎস: Britannica.
৬৮৬.
ইমানুয়েল কান্ট কোন দেশের দার্শনিক?
  1. জার্মানি
  2. যুক্তরাজ্য
  3. গ্রিস
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• ইমানুয়েল কান্ট:
 - ইমানুয়েল কান্ট জার্মান দার্শনিক ও নীতিবিজ্ঞানী।
- 'কর্তব্যের জন্য কর্তব্য'-ধারণাটির প্রবর্তক তিনি।

- তার নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি।
যথা:
- সৎ ইচ্ছা,
- কর্তব্যের জন্য কর্তব্য
- শর্তহীন আদেশ।

• নীতিশাস্ত্রের উপর তাঁর রচিত বই:
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন- প্রথম পত্র, HSC Programme, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮৭.
নির্বাণ ধারণাটি কোন ধর্মের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. হিন্দু
  2. খ্রিস্টান
  3. বৌদ্ধ
  4. ইসলাম
ব্যাখ্যা

নির্বাণ 
⇒  ভারতীয় ধর্মীয় চিন্তাধারায়, নির্বাণ হল নির্দিষ্ট ধ্যান অনুশীলনের চূড়ান্ত লক্ষ্য। 
⇒  যদিও এই শব্দটি বেশ কয়েকটি প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্যে দেখা যায়, এটি প্রায়শই বৌদ্ধধর্মের সাথে যুক্ত , যেখানে এটি বৌদ্ধ পথের লক্ষ্য নির্দেশ করে সবচেয়ে প্রাচীন এবং সাধারণ শব্দ। নির্বাণ বলতে তৃষ্ণা, বিতৃষ্ণা এবং অজ্ঞতার নির্বাপণ এবং পরিণামে, দুঃখ এবং পুনর্জন্মকে বোঝায় এবং এর অর্থ "উড়িয়ে দেওয়া" বা "নিভে যাওয়া"।

- বৌদ্ধ ধ্যান হলো মানসিক একাগ্রতার অনুশীলন যা আধ্যাত্মিক স্বাধীনতা বা নির্বাণের দিকে ধাপে ধাপে এগিয়ে নিয়ে যায়। নির্বাণ পশ্চিমা ভাষায় প্রবেশ করেছে আনন্দময় বা স্বর্গীয় অবস্থা বোঝাতে।

বৌদ্ধধর্ম :
⇒ বৌদ্ধধর্ম একটি প্রধান বিশ্বধর্ম এবং দর্শন, যা খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ থেকে চতুর্থ শতাব্দীতে উত্তর-পূর্ব ভারতে সিদ্ধার্থ গৌতম (বুদ্ধ) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো দুঃখ ও পুনর্জন্মের চক্র থেকে মুক্তি (নির্বাণ) অর্জন করা। বৌদ্ধধর্ম ধ্যান এবং নৈতিক নীতির উপর জোর দেয়। বুদ্ধ তার শিষ্যদের মাধ্যমে শিক্ষা প্রচার করেন এবং বৌদ্ধ সন্ন্যাসী সমাজ (সংঘ) প্রতিষ্ঠা করেন।

⇒বৌদ্ধধর্মের মূল শিক্ষাগুলি চারটি আর্য সত্যে সংক্ষেপিত, যার মধ্যে চতুর্থ হলো অষ্টমুখী পথ। এটি কিছু হিন্দু ধারণা যেমন কর্মের মতবাদ গ্রহণ করলেও দেবতা ও অন্যান্য ধারণা প্রত্যাখ্যান করে।

⇒ ভারতে সম্রাট অশোক খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে বৌদ্ধধর্ম প্রচার করেন, কিন্তু পরবর্তী শতাব্দীতে হ্রাস পায়। এটি শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, চীন, কোরিয়া ও জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। উনিশ শতকে ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবং বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে পশ্চিমা বিশ্বে জনপ্রিয়তা লাভ করে।

⇒ বৌদ্ধধর্মের প্রধান দুটি শাখা হলো মহাযান এবং থেরবাদ, যা পৃথক অনুশীলন এবং ধর্মগ্রন্থের সংগ্রহ নিয়ে গঠিত। একবিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে বৌদ্ধধর্মের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৩৭৫ মিলিয়ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৮৮.
ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো কোন দেশের স্বৈরশাসক ছিলেন?
  1. ইতালি
  2. স্পেন
  3. ফ্রান্স
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো (Francisco Franco ):
- ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো ছিলেন স্পেনের স্বৈরশাসক।
- স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের পর ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো স্পেনে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- তিনি ১৯৩৬-১৯৩৯ সালের গৃহযুদ্ধে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নেতৃত্ব দেন।
- তার শাসনের অধীনে স্পেন আনুষ্ঠানিকভাবে 'Estado Español' নামে পরিচিত ছিল এবং প্রায়ই এটিকে "ফ্রাঙ্কোইস্ট স্পেন" বা "ফ্যাসিস্ট স্পেন" বলা হতো। 
- ১৯৭৫ সালে তাঁর মৃত্যুর পর স্পেনে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কো (Francisco Franco) ছিলেন স্পেনের এক সামরিক শাসক ও স্বৈরশাসক।
- তার শাসনকাল: ১৯৩৯ – ১৯৭৫ সাল।
- স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধে (১৯৩৬-১৯৩৯) হিটলারের নাৎসি জার্মানি এবং মুসোলিনির ফ্যাসিস্ট ইতালির সমর্থন পেয়ে তিনি জয়লাভ করেন এবং  স্পেনকে একটি ফ্যাসিস্ট-অভিমুখী একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করে।

উৎস: Britannica.

৬৮৯.
কোন বিদেশী রাষ্ট্রপধান প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ভাষণ দেন?
  1. ক) পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু
  2. খ) মার্শাল জোসেফ টিটো
  3. গ) লালবাহাদুর শাস্ত্রী
  4. ঘ) রিচার্ড নিক্সন
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

- ৩১ জানুয়ারি ১৯৭৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো জাতীয় সংসদে কোন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রথম ভাষণ দেন।
- ১৮ জুন ১৯৭৪ সালে ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিভি গিরি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ভাষণ দেন।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এ পর্যন্ত এই দুজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বক্তৃতা করেন।
উৎসঃ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট

৬৯০.
'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' বইটির লেখক কে?
  1. কফি আনান
  2. নেলসন ম্যান্ডেলা
  3. মার্টিন লুথার কিং
  4. আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা

নেলসন ম্যান্ডেলা:
- ১৮ জুলাই ১৯১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার এমভেজোতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন কালো জাতীয়তাবাদী নেতা।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলা।
- ১৯৪৪ সালে তিনি আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (ANC) যোগদান করেন।
- এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক দেশের বর্ণবাদী বিচ্ছিন্নতার বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে সাহায্য করেছিলেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ শাসনে শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করেছিলেন।
- ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক যৌথভাবে তাদের প্রচেষ্টার জন্য ১৯৯৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম' যা তার প্রথম জীবন এবং কারাগারে থাকা বছরগুলির বিবরণ দেয়, ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- নেলসন ম্যান্ডেলা ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে মারা যান।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৬৯১.
মূল্যবোধ শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে-
  1. ক) সাংস্কৃতিক অবরোধ রক্ষণ করা
  2. খ) সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা
  3. গ) রাজনৈতিক অবক্ষয় রোধ করা
  4. ঘ) অর্থনৈতিক অবক্ষয় রোধ করা
ব্যাখ্যা

• মূল্যবোধ শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা।
• মূল্যবোধ ও মূল্যবোধ শিক্ষার ধারণা মানুষের সামগ্রিক সামাজিক জীবনাচারের সাথে সম্পৃক্ত একটি প্রত্যয়।
• মানুষের সামাজিক আচরণের মূল অংশটি মূল্যবোধ থেকে উৎসারিত।
• তাই মূল্যবোধ শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মানুষের সামাজিক জীবনাচারের মধ্যেই বিস্তৃত ও গ্রোথিত।

৬৯২.
'The Green Book' গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. কার্ল মার্ক্স
  2. মুয়াম্মর গাদ্দাফি
  3. জন লক
  4. মিশেল ওবামা
ব্যাখ্যা

বই:
- 'The Green Book' গ্রন্থটির লেখক - মুয়াম্মর গাদ্দাফি।
- বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালে।
- এটি দ্য লিটল রেড বুক (চেয়ারম্যান মাও সে-তুঙের উদ্ধৃতি) দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল বলে বলা হয়।

অন্যদিকে,
- “Two Tracts on Government” এর লেখক -  জন লক।
- The Light We Carry গ্রন্থের লেখক মিশেল ওবামা।

উৎস: ওয়াশিংটন পোস্ট এবং openanthropology.org।[লিঙ্ক]

৬৯৩.
কাজী নজরুল ইসলাম ও মুজাফফর আহমেদ যুগ্মভাবে কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেন?
  1. ক) দৈনিক আজাদ
  2. খ) দৈনিক নবযুগ
  3. গ) আখবারে এসলামীয়া
  4. ঘ) দৈনিক পয়গাম
ব্যাখ্যা
দৈনিক নবযুগ পত্রিকা ১৯২০ সালের ১২ জুলাই প্রথম প্রকাশিত হয়। এটির মালিক ও পরিচালক ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও মুজাফফর আহমদ ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক। পত্রিকাটি প্রকাশের বছর খানেকের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৯৪২ সালে পুনরায় চালু হয়ে দুবছর পর চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।
দৈনিক নবযুগে কাজী নজরুল লিখিত কলামসমূহ নিয়ে নজরুলের ‍যুগবাণী প্রবন্ধগ্রন্থ প্রকাশিত হয় যা ব্রিটিশ সরকার রাজয়োপ্ত করে। অন্যদিকে দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন। আখবারে এসলামীয়া সম্পাদনা করেন মোহাম্মদ নইমুদ্দিন। দৈনিক পয়গামের সম্পাদক ছিলেন মুজীবুর রহমান খাঁ।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৬৯৪.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন -
  1. ক) হেনরী
  2. খ) দেসমন্ড টুটু
  3. গ) মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র
  4. ঘ) কেনেথ আউন্ডা
ব্যাখ্যা
মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র (১৫ জানুয়ারি, ১৯২৯ - ৪ এপ্রিল, ১৯৬৮):
- মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন সমাজকর্মী ও বর্ণবাদবিরোধী নেতা।
- তিনি আজীবন বর্ণবাদ ও আমেরিকার নিপীড়িত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্যে সংগ্রাম করে গেছেন।
- ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসির লিঙ্কন মেমোরিয়ালের সম্মুখে তিনি তার বিখ্যাত 'I Have a Dream' ভাষণটি প্রদান করেন।

- সেখানে তিনি এমন একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্নের কথা বলেছিলেন যা বিচ্ছিন্নতা এবং বর্ণবাদ মুক্ত।
- ১৯৬৪ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৮ সালের ৪ এপ্রিল তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেম্ফিস শহরে আততায়ীর গুলিতে তিনি মারা যান।
- মার্টিন লুথার হলেন খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায় ধর্মীয় নেতা।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৬৯৫.
Who said the words, 'Imperialism, the Highest Stage of Capitalism'?
  1. ক) Vladimir Lenin
  2. খ) Karl Marx
  3. গ) Patrick Henry
  4. ঘ) Aristotle
ব্যাখ্যা
Imperialism, the Highest Stage of Capitalism
- সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় হলো ভ্লাদিমির লেনিন লিখিত একটি বই।
- এটি তিনি ১৯১৬ সালের জানুয়ারি-জুন মাসে লিখেন।
- বইটি লেনিন লিখেন জুরিখে বসে 'পারুস' প্রকাশালয়ের জন্য।
- এই গ্রন্থে লেনিন লিখেন যে বিশ শতকের শুরু নাগাদ পুঁজিবাদ তার বিকাশের নতুন পর্বে, সাম্রাজ্যবাদের পর্বে প্রবেশ করেছে।
- তিনি প্রথমত, যুদ্ধের প্রকৃত কারণ ব্যাখ্যা করতে যাত্রা করেন; দ্বিতীয়ত, কেন সমাজতন্ত্রীরা দেশপ্রেমের জন্য আন্তর্জাতিকতাবাদ পরিত্যাগ করেছিল এবং যুদ্ধকে সমর্থন করেছিল; এবং তৃতীয়, কেন একা বিপ্লবই একটি ন্যায্য, গণতান্ত্রিক শান্তি আনতে পারে এই সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেন।

উৎস: Imperialism, the Highest Stage of Capitalism | work by Lenin, Britannica.
৬৯৬.
নেলসন ম্যান্ডেলা কোন দেশের বর্ণবাদ বিরোধী অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন? 
  1. কলম্বিয়া
  2. নাইজেরিয়া
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. কেনিয়া
ব্যাখ্যা

নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন।
- নেলসন মেন্ডেলার রাজনৈতিক দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস।
• ম্যান্ডেলাকে 'রোবেন দ্বীপ' এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- এখানে তিনি তাঁর ২৭ বছরের কারাবাসের প্রথম ১৮ বছর কাটান।
- ১৯৮২ সালের মার্চ মাসে ম্যান্ডেলাকে রবেন দ্বীপের কারাগার থেকে পোলসমুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়।
- কারা মুক্তির পর ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
-১৯৯০ হতে ১৯৯৪ পর্যন্ত তিনি এই দলের নেতা ছিলেন।
- তিনি ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৬৯৭.
দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. ড. বোথা
  2. ইয়ান সলসবারি
  3. ইয়ান স্মিথ
  4. এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক
ব্যাখ্যা
এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক:
- দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট ছিলেন এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক।
- ১৯৮৯-৯৪ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে ডি ক্লার্ক যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান। 
- ক্লার্ক বর্ণবাদের অবসান এবং ক্ষমতা হস্তান্তরে সহায়তা করার জন্য ম্যান্ডেলার সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩৬ সালে জোহানেসবার্গে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৯ সালে ন্যাশনাল পার্টির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি আইনজীবী ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। 
- ১৯৯৭ সালে ক্লার্ক আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতি থেকে অবসর নেন। 

উৎস: Britannica.
৬৯৮.
ওল্ড টেস্টামেন্ট (Old Testament) কোন সভ্যতার প্রধান ধর্মগ্রন্থ?
  1. পারসিক সভ্যতা 
  2. মিশরীয় সভ্যতা
  3. হিব্রু সভ্যতা
  4. গ্রীক সভ্যতা
ব্যাখ্যা

হিব্রু ধর্ম:
- তাওরাত বা ওল্ড টেস্টামেন্ট (Old Testament) হিব্রু ধর্মের (ইহুদী জাতির) প্রধান ধর্মগ্রন্থ।
- মুসা (আ:) এর নেতৃত্বে তারা একেশ্বরবাদের প্রতীক হিসেবে যেহোভার আরাধনায় আকৃষ্ট হয়।
- মুসা (আ:) এর মৃত্যুর পর হিব্রু ধর্ম কুসংস্কারে পতিত হয়। নিরাকার আল্লাহর স্থলে জেহোভাকে তারা আকার-বিশিষ্ট একেশ্বর বলে মনে করত। খ্রিস্টপূর্ব ৫৮৬ অব্দে পারস্যের হাতে জেরুজালেমের পতন ঘটলে হিব্রুরা পারস্যের অধীনস্থ হয়ে পড়ে।
- দীর্ঘদিন বন্দীদশায় থাকার পর এক পর্যায়ে হিব্রুদের মধ্যে নব চেতনার উদ্ভব হয়।
- এ যুগে ইহুদীরা জরথুস্ত্র ধর্মের প্রভাবে আসে এবং আবার একেশ্বরবাদে আকৃষ্ট হয়।

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

৬৯৯.
ভাস্কো দা গামা দ্বিতীয়বার ভারতে আসেন কত খ্রিস্টাব্দে ? 
  1. ১৪৯৭ 
  2. ১৪৯৮
  3. ১৫০০
  4. ১৫০২
ব্যাখ্যা

• ভাস্কো দা গামা:
- ভাস্কো দা গামা ছিলেন একজন পর্তুগিজ নাবিক ও অভিযাত্রী।
- তিনি ১৪৬০ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগালের সিনেস নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন।
- ইউরোপ থেকে ভারতের সমুদ্রপথ আবিষ্কারকারী প্রথম ব্যক্তি ছিলেন তিনি।
- ১৪৯৭ খ্রিস্টাব্দে পর্তুগালের রাজা মানুয়েল-এর আদেশে তিনি সমুদ্রপথে ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন।
- ১৪৯৮ সালের ২০ মে তিনি ভারতের ক্যালিকট (বর্তমান কোঝিকোড়, কেরালা) বন্দরে পৌঁছান।
- তাঁর এই অভিযাত্রার ফলে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে সরাসরি বাণিজ্যিক যোগাযোগের নতুন যুগ শুরু হয়।
- ভাস্কো দা গামা দ্বিতীয়বার ১৫০২ খ্রিস্টাব্দে ভারতে আসেন এবং পরবর্তীতে ১৫২৪ খ্রিস্টাব্দে ভারতে এসে মৃত্যুবরণ করেন (স্থান: কোচিন, বর্তমান কেরালা)।
- তাঁর অভিযাত্রা ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা ঘটায় ভারতে ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে।


উৎস:  ব্রিটানিকা ও হিস্টরি.কম ওয়েবসাইট। 

৭০০.
মার্কিন কোন প্রেসিডেন্ট দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় প্রথম 'ডমিনো তত্ত্ব' প্রয়োগ করেছিলেন?
  1. ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. থিওডোর রুজভেল্ট
  4. জেমস মনরো
ব্যাখ্যা
ডমিনো তত্ত্ব:
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার জন্য 'ডমিনো তত্ত্বটি' প্রযোজ্য ছিল।
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' অন্যতম।

⇒ ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।

⇒ সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম এই অঞ্চলে প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০-৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

উৎস: History.com