বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

দৈনন্দিন জীবনে তথ্য-প্রযুক্তি (ইমেইল, স্মার্টফোন ইত্যাদি)

মোট প্রশ্ন৯৭৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

দৈনন্দিন জীবনে তথ্য-প্রযুক্তি (ইমেইল, স্মার্টফোন ইত্যাদি)

PrepBank · পাতা / ১০ · ৭০১৮০০ / ৯৭৪

৭০১.
GPS কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. অবস্থান নির্ণয়ে
  2. গতি নির্ণয়ে
  3. আকার নির্ণয়ে
  4. আয়তন নির্ণয়ে
ব্যাখ্যা
- GPS এর পূর্ণরূপ Global Positioning System
- Global Positioning System (GPS) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকে উদ্ভাবিত একটি প্রযুক্তি।
- প্রথম দিকে এর প্রয়োগ ছিল পুরোপুরি সামরিক। পরে জনসাধারণের নিমিত্তে এর ব্যবহার উন্মুক্ত করা হয়। এটি একটি কৃত্রিম উপগ্রহভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- যেকোন আবহাওয়াতে পৃথিবী যেকোনো চলমান অবস্থান আর সময়ের তথ্য সরবরাহ করাটা এর মূল কাজ।
৭০২.
মেইল সার্ভার থেকে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. IMAP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• POP (Post Office Protocol) সরাসরি মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল বার্তা ডাউনলোড করে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে সংরক্ষণ করে।
- POP3 সংস্করণটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@gmail.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- ইনবক্সে থাকা ইমেইল ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ডাউনলোড করে।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol.
- HTTP হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ডেটা যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল। 
- এটি ওয়েবসাইট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৭০৩.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি B2B পদ্ধতিতে সেবা ও পণ্য লেনদেন করে থাকে?
  1. amazon.com
  2. monster.com
  3. alibaba.com
  4. ebay.com
ব্যাখ্যা
- বর্তমান যুগের ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্য, সেবা ও তথ্য ক্রয়-বিক্রয়, হস্তান্তর বা বিনিময় কার্যকেই ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স (E-Commerce) একটি আধুনিক ব্যবসায় পদ্ধতি। E-Commerce -এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Electronic Commerce। বর্তমানে ব্যবসায়িক জগতে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।
- বস্তুত ই-কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদান। পণ্য ও সেবা লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা: 
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business-B2B)
২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer-B2C)
৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business-C2B) এবং
৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer) ।

ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business-B2B):
- ব্যবসা থেকে ব্যবসাসংক্রান্ত ই-কমার্স একাধিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংঘটিত হতে পারে। গতানুগতিক পদ্ধতিতে দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business-B2B) বলা হয়। 
- B2B ই-কমার্সে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো ইন্টারনেট এবং ওয়েবসাইট ব্যবহার করে সহজে এবং দ্রুতগতিতে ব্যবসায়িক সম্পর্ক তৈরি করে থাকে। আর ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবসা করার সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিনিয়তই B2B এর পরিধি বাড়ছে। 
- তাই বর্তমানে অধিকাংশ ই-কমার্স আইওএস (IOS: Inter Organizational Information System) এবং ইলেকট্রনিক মার্কেটের লেনদেনসমূহ ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business-B2B)-এর আওতায় পড়ে। উদাহরণ: alibaba.com। 

- ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer-B2C): উদাহরণ: amazon.com
- ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business-C2B): উদাহরণ: monster.com
 - ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer): উদাহরণ: ebay.com

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭০৪.
ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয় কাকে?
  1. ক) Richard Feynman
  2. খ) Albert Einstein
  3. গ) John von Neumann
  4. ঘ) Charles Babbage
ব্যাখ্যা
১৯৫৯ সালে আমেরিকান বিখ্যাত পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) তার “There’s Plenty of Room at the Bottom”  আলোচনায় প্রথম ন্যানো টেকনোলজির ধারণা বর্ণনা করেছিলেন।
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।
৭০৫.
আউটলুক সফটওয়্যারটি ই-মেইল আদান-প্রদান ছাড়াও আর কোন কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. ক্যালেন্ডার ও কন্টাক্ট ম্যানেজমেন্ট
  2. টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও নোট তৈরি
  3. ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবকটি
 
• ই-মেইল (E-mail):
- ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic mail)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-মেইল (E-mail)।
- ই-মেইল বলতে কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে ডিজিটাল তথ্য বিনিময় করাকে বোঝায়।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন। তাই তাকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।

• ই-মেইল এর জন্য ব্যবহৃত সাধারণ সফটওয়্যারসমূহ:
- ওয়েব ভিত্তিক ই-মেইল এর বাইরে ই-মেইলের জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রোগ্রামও ব্যবহার করা যায়।
- এদের কিছু বিনামূল্যে পাওয়া যায় আবার কিছু কিনে ব্যবহার করতে হয়।
- মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন ইমেইল সেবা হলো - আউটলুক (Outlook)।

• মাইক্রোসফট আউটলুক:
- আউটলুক একটি জনপ্রিয় ই-মেইল ক্লায়েন্ট এবং ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার, যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন দ্বারা তৈরি ও পরিচালিত হয়। 
- এটি কেবল ই-মেইল পাঠানো এবং গ্রহণ করার সুবিধা দেয় না, বরং এতে ক্যালেন্ডার, কন্টাক্ট, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট এবং নোট ফিচারও রয়েছে। আউটলুক ব্যবহারকারীদের পেশাদার ও ব্যক্তিগত জীবন সহজভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। 

• ই-মেইল ক্লায়েন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- জি-মেইল (Gmail),
- ইয়াহু মেইল (Yahoo Mail),
- মোজিলা থান্ডারবার্ড (Mozilla Thunderbird),
- ইএম ক্লায়েন্ট (eM Clent),
- ক্লজ মেইল (Claws Mail),
- ফক্সমেইল (Foxmail),
- অপেরা এমটু মেইল ক্লায়েন্ট (Opera M2 Mail Client),
- পেগাসাস মেইল (Pegasus Mail),
- ইনক্রেডিমেইল (Incredimail),
- মালবেরি (Mulberry),
- ড্রিম মেইল (Dream Mail),
- সিলফিড (SyIpheed),
- আউটলুক (Outlook),
- জিমব্রা (Zimbra),
- পোস্টবক্স (Portbox), ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
- বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭০৬.
বিশ্বের প্রথম ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অভিজ্ঞতা প্রদানকারী যন্ত্র কোনটি?
  1. Oculus Rift
  2. Sensorama
  3. Enigma machine
  4. ARPANET
ব্যাখ্যা

• ১৯৬২ সালে মর্টন হেইলিগ "Sensorama" আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ধারনার সূত্রপাত করেন
- ১৯৮৯ সালে জেরন লেইনার সর্বপ্রথম "virtual reality" শব্দটির প্রচলন করেন।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- এটি বাস্তব নয়, তবে কৃত্রিমভাবে বাস্তব জগৎ অনুভূতি প্রদান করে।

মূল ভিত্তি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।

প্রধান উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD): পরিধানযোগ্য ডিসপ্লে যা ত্রিমাত্রিক দৃশ্য উপস্থাপন করে।
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove): ব্যবহারকারীর হাতের গতিবিধি শনাক্ত এবং ভার্চুয়াল পরিবেশে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- বডি স্যুইট (Body Suit): স্পর্শ ও গতির অনুভূতি প্রদান করে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব:
- শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, বিনোদন, গেমিং, গবেষণা ও উন্নয়ন, নতুন প্রযুক্তি ও ধারণার পরীক্ষা-নিরীক্ষা।

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭০৭.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে দূরবর্তী স্থান থেকে রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. বায়োমেডিসিন
  2. টেলিমেডিসিন
  3. ইলেক্ট্রনিক হেলথ রেকর্ড
  4. ভার্চুয়াল হেল্প ডেস্ক
ব্যাখ্যা

দূরবর্তী স্থানে অবস্থানরত রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা চিকিৎসাসেবা প্রদান করে থাকে টেলিমেডিসিন।

• টেলিমেডিসিন:
- টেলিমেডিসিন হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে অবস্থানরত রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা চিকিৎসাসেবা প্রদান করা।
- মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের উন্নত ব্যবহারের মাধ্যমে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা দূরবর্তী অবস্থান থেকেও রোগী পরামর্শ, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসার তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করতে পারেন।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রোগীকে চাক্ষুষ দেখা এবং ই-মেইলের মাধ্যমে রিপোর্ট ও পরামর্শপত্র আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়।
- বিশেষত গ্রামীণ এলাকা, দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল বা যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব রয়েছে, সেখানে এই সেবা অত্যন্ত কার্যকর।
- কোভিড-১৯ মহামারীর সময় টেলিমেডিসিনের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

• এ ধরনের উল্লেখযোগ্য সেবাগুলোর মধ্যে:
- Teledoc,
- Maven.
- Clinic.
- iClinic, MDlive,
- Amwell.
- Doctor on Demand ইত্যাদি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে।

• বায়োমেডিসিন: চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি শাখা, যা জীববিজ্ঞান এবং ঔষধকে একত্রিত করে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার কৌশল তৈরি করে। টেলিমেডিসিনের সাথে সরাসরি সম্পর্ক নেই।
• ইলেক্ট্রনিক হেলথ রেকর্ড: এটি রোগীর স্বাস্থ্য তথ্য ডিজিটাল ফর্ম্যাটে সংরক্ষণ, চিকিৎসা প্রদান প্রক্রিয়া নয়।
• ভার্চুয়াল হেল্প ডেস্ক: এটি সাধারণত প্রযুক্তিগত বা গ্রাহকসেবা প্রদান করে, চিকিৎসাসেবা নয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৭০৮.
ই-মেইল এর ক্ষেত্রে কোন প্রোটোকলটির ব্যবহার নেই?
  1. ক) FTP
  2. খ) POP
  3. গ) SMTP
  4. ঘ) IMAP
ব্যাখ্যা
• মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol।
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP ব্যবহার করা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3।

- STMP এর পূর্ণরূপ হল Mail Transfer Protocol।
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।

- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

================
- FTP হচ্ছে File Transfer Protocol.
৭০৯.
SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) কোন ধরনের প্রোটোকল?
  1. বাইনারি-ভিত্তিক প্রোটোকল যা কম্পিউটার কোডের মাধ্যমে কাজ করে
  2. টেক্সট-ভিত্তিক প্রোটোকল যা কমান্ড ও ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়
  3. ভিডিও ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল
  4. অডিও স্ট্রিমিং বা সংক্রমণের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল
ব্যাখ্যা

টেক্সট-বেসড প্রোটোকল: SMTP সাধারণত plain text ব্যবহার করে কমান্ড এবং ডেটা আদান-প্রদান করে।

SMTP (Simple Mail Transfer Protocol):
- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) হলো একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল, যা মূলত ই-মেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি ইমেইল সার্ভার এবং সার্ভার বা ইমেইল ক্লায়েন্টের মধ্যে ইমেইল ট্রান্সফার করতে সাহায্য করে।

• SMTP এর মূল বৈশিষ্ট্য:
- ইমেইল পাঠানো: ব্যবহারকারী ইমেইল লিখে ‘Send’ করলে SMTP সেই মেইল সার্ভারের কাছে পাঠায়।
- সার্ভার-টু-সার্ভার যোগাযোগ: SMTP ইমেইল সার্ভারগুলোর মধ্যে মেইল রিলে করতে পারে।
- টেক্সট-বেসড প্রোটোকল: এটি সাধারণত plain text ব্যবহার করে কমান্ড এবং ডেটা আদান-প্রদান করে।
- পোর্ট ব্যবহার: ডিফল্টভাবে SMTP পোর্ট 25 ব্যবহার করে; নিরাপদ সংযোগের জন্য SSL/TLS সহ পোর্ট 465 বা 587 ব্যবহার করা হয়।

• SMTP এর কাজের ধারা:
- ব্যবহারকারী ইমেইল লিখে ‘Send’ ক্লিক করে।
- SMTP সার্ভার ইমেইল গ্রহণ করে।
- SMTP সার্ভার ইমেইল প্রাপক সার্ভারের কাছে পাঠায়।
- প্রাপক সার্ভারের মেইল ক্লায়েন্ট ইমেইল গ্রহণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১০.
What does ‘gmail.com’ represent?
  1. Domain name
  2. Password
  3. Username
  4. Inbox
ব্যাখ্যা
Correct Answer is - ক) Domain name.

E-mail:
- ই-মেইলের পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- E-mail বা Electronic Mail হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এটি ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।

একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে:
- যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং
- শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত।
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে।
- যেমন: ritu453@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার ritu453@ অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং
এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭১১.
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর জনক কে?
  1. রিচার্ড ফাইনম্যান
  2. টিম বার্নার্স-লি
  3. পল বার্গ
  4. অ্যালান টুরিং
ব্যাখ্যা

• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর জনক হিসেবে পল বার্গকে বলা হয়, কারণ তিনি রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic Engineering):
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো জীবের জিনগত গঠন পরিবর্তন বা নিয়ন্ত্রণ করার প্রযুক্তি।
- এর মাধ্যমে একটি জীবের ডিএনএ পরিবর্তন করে নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করা সম্ভব।
- এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উদ্ভিদ, প্রাণী বা অণুজীব তৈরি করা যায়।

• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মূল ধারণা:
- জীবের ডিএনএ বা জিন বিশ্লেষণ ও পরিবর্তন করা।
- একটি জীবের জিন অন্য জীবের মধ্যে স্থানান্তর করা।
- নতুন বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি বা বিদ্যমান বৈশিষ্ট্য উন্নত করা।

• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- কৃষিক্ষেত্রে উন্নত ও রোগপ্রতিরোধী ফসল উৎপাদন।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে ওষুধ ও ভ্যাকসিন তৈরি।
- জৈব প্রযুক্তি গবেষণা।
- শিল্পক্ষেত্রে বিভিন্ন জৈব পণ্য উৎপাদন।

• অন্যান্য অপশন:
- রিচার্ড ফাইনম্যান → ন্যানো প্রযুক্তির জনক হিসেবে পরিচিত।
- টিম বার্নার্স-লি → World Wide Web (WWW) উদ্ভাবনের জন্য পরিচিত।
- অ্যালান টুরিং → কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধারণা ও টুরিং পরীক্ষার জন্য পরিচিত।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

৭১২.
অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থায় SSL কী ভূমিকা পালন করে?
  1. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
  2. পণ্য প্রদর্শন
  3. ডেটা এনক্রিপশন
  4. পেমেন্ট প্রসেসিং
ব্যাখ্যা

• SSL (Secure Sockets Layer) অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে মূলত ডেটা এনক্রিপ্ট করে, যাতে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য (যেমন কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ডেটা) নিরাপদে ব্রাউজার থেকে সার্ভারে পৌঁছায়।

SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

৭১৩.
বায়োমেট্রিক্স শব্দটির উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে?
  1. গ্রিক
  2. স্লাভিক
  3. ল্যাটিন
  4. ইংরেজি
ব্যাখ্যা
♦ বারোমেট্রিক্স (Biometrics):
- গ্রিক শব্দ 'metric' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। যথা- 

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ 
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ 
• আইরিশ শনাক্তকরণ 
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ 
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test) ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ  
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ 
• কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭১৪.
মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী পাইরেসি নজরদারি করে কোনটি?
  1. EPUB
  2. IBM
  3. COD
  4. BSA
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) BSA — কারণ BSA (Business Software Alliance) বিশ্বব্যাপী সফটওয়্যার পাইরেসি নিয়ন্ত্রণ ও মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

বাকি অপশনগুলো সংক্ষেপে:

ক) EPUB – একটি ইলেকট্রনিক বুক ফর্ম্যাট।
খ) IBM – একটি প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার কোম্পানি।
গ) COD – সাধারণত “Cash on Delivery” বা “Call of Duty” সংক্ষেপ।

• মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী পাইরেসি নজরদারি (Intellectual Property Protection & Anti-Piracy):
- মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সৃজনশীল কাজ, সফটওয়্যার, প্রকাশনা, গান বা অন্যান্য কনটেন্টের স্বত্বাধিকার সুরক্ষিত করা হয়।  
- বিশ্বব্যাপী পাইরেসি নজরদারি নিশ্চিত করে যে অননুমোদিতভাবে সফটওয়্যার বা কনটেন্টের অবৈধ ব্যবহার বা বিতরণ না হয়।  
- এই কার্যক্রম সাধারণত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা দ্বারা পরিচালিত হয়, যা সফটওয়্যার, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল কনটেন্টের স্বত্ব সংরক্ষণের উপর মনোযোগ দেয়।  
- সংস্থা যেমন BSA (Business Software Alliance) সফটওয়্যার এবং ডিজিটাল কনটেন্টের পাইরেসি রোধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করে।  
- EPUB হলো ইলেকট্রনিক বই ফরম্যাট, IBM হলো প্রযুক্তি কোম্পানি, COD হলো নগদ পরিশোধের পদ্ধতি, যা সরাসরি মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ বা পাইরেসি নজরদারির সাথে সম্পর্কিত নয়।  

সুতরাং, মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী পাইরেসি নজরদারির জন্য মূল প্রতিষ্ঠান হলো BSA.
সঠিক উত্তর: ঘ) BSA.

সূত্র - sciencedirect [লিঙ্ক]

৭১৫.
কারও তৈরি করা কাজ বা চিন্তাধারা নিজের বলে উপস্থাপন করাকে আইসিটির ভাষায় কি বলে?
  1. ক) হ্যাকিং
  2. খ) পাইরেসি
  3. গ) চুরি
  4. ঘ) প্লেজিয়ারিজম
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
কারও তৈরি করা কাজ বা চিন্তাধারা নিজের বলে উপস্থাপন করাকে আইসিটির ভাষায় প্লেজিয়ারিজম বলে।এটি এক ধরনের সাইবার ক্রাইম।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৭১৬.
ফ্যাক্সের পুরো নাম কী? 
  1. ফাইল এক্সচেঞ্জ
  2. ফ্যাক্সিমিল
  3. ফাস্ট অ্যাক্সেস
  4. ফাইবার অ্যাক্সেস
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স (Fax): 
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন। 
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল। 
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়। 
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান। 

- ফ্যাক্স মেশিন হলো মূলতঃ টেলিফোন, স্ক্যানার, প্রিন্টার ও মোডেম সম্মিলিত একটি যন্ত্র। 
- প্রেরক কোনো ডকুমেন্ট পাঠাতে চাইলে তিনি প্রথমে টোলফোনে ডায়াল করে প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনের সাথে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করেন। 
- তারপর তাঁর ডকুমেন্টটি ফ্যাক্স মেশিনে রাখলে ডকুমেন্টের যাবতীয় লেখা বা ছবি স্ক্যানারের মাধ্যমে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তর হয়। 
- সেই ছবি মোডেমের সাহায্যে এনালগ সংকেতে রূপান্তর করে টেলিফোন লাইনের সাহায্যে প্রাপকের মোডেমে পাঠায়। 
- প্রাপকের মোডেম সেই এনালগ সংকেতকে পুনরায় ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে ফ্যাক্স মেশিনের প্রিন্টারে পাঠায় এবং প্রিন্টারে সাহায্যে প্রেরকের পাঠানো ডকুমেন্টের হুবহু কপি প্রাপক পেয়ে যান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১৭.
ই-গভর্নেন্স শব্দটির পূর্ণরূপ কী?
  1. Electronic Government
  2. Electronic Governance
  3. Efficient Governance
  4. Easy Governance 
ব্যাখ্যা

 E-governance শব্দটির পূর্ণরূপ Electronic Governance, যেখানে সরকারি কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়।

• ই-গভর্নেন্স (E-Governance):
- ই-গভর্নেন্স শব্দটির পূর্ণরূপ Electronic Governance।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে সরকারের কার্যক্রম ও প্রক্রিয়াগুলো ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়।
- এর মাধ্যমে সরকার ও জনগণের মধ্যে সরাসরি ও কার্যকর যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
 
• ই-গভর্নেন্সের মূল ধারণা:
- সরকারি তথ্য ও সেবাকে ডিজিটাল ইনফরমেশনে রূপান্তর করা।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য আদান–প্রদান নিশ্চিত করা।
- সরকারি সেবা সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করা।
 
• শিক্ষাক্ষেত্রে ই-গভর্নেন্সের উদাহরণ:
- পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল ইন্টারনেট ও এসএমএসের মাধ্যমে জানা।
- পরীক্ষার ফল পুনঃমূল্যায়নের জন্য অনলাইনে আবেদন ও দ্রুত ফল পাওয়া।
- কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি আবেদন ও ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।
 
• প্রশাসনিক সেবায় ই-গভর্নেন্স:
- জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিভিন্ন সেবা কম সময়ে ও কম খরচে পাওয়া যায়।
- আগে যেখানে সেবা পেতে কয়েক সপ্তাহ লাগত, এখন তা ২–৫ দিনের মধ্যে পাওয়া সম্ভব।
- তথ্য ডিজিটাল হওয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
 
• নাগরিক সেবায় ই-গভর্নেন্স:
- বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির বিল অনলাইনে বা মোবাইলের মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়।
- এতে সময় সাশ্রয় হয় এবং নাগরিক হয়রানি কমে।
 
• ই-গভর্নেন্সের সুবিধাসমূহ:
- সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি।
- নাগরিক জীবনমানের উন্নয়ন।
- অনেক সেবা ২৪×৭×৩৬৫ দিন পাওয়া সম্ভব।
- সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে আন্তঃসংযোগ ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি।
 
• বাংলাদেশে ই-গভর্নেন্সের অবস্থা:
- ই-গভর্নেন্স চালুর ফলে সরকারি সেবা প্রদান আরও দ্রুত ও কার্যকর হয়েছে।
- যদিও এখনো সব ক্ষেত্রে ই-গভর্নেন্স পুরোপুরি চালু হয়নি,
- সকল ক্ষেত্রে বাস্তবায়িত হলে দেশ আরও উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭১৮.
বর্তমানে জনপ্রিয় হটস্পট প্রযুক্তি-
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে দুই ধরনের ওয়্যারলেস ইন্টারনেট এক্সেস পয়েন্ট দেখা যায়। যথা- মোবাইল নেটওয়ার্ক ও হটস্পট।
- হটস্পট হলো এক ধরনের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক যা মোবাইল ও কম্পিউটার ডিভাইস, যেমন- স্মার্টফোন, নেটবুক, নোটবুক বা ল্যাপটপ, পিডিএ ইত্যাদিতে ইন্টারনেট সংযোগ সরবরাহ করে।
- বর্তমানের জনপ্রিয় তিনটি হটস্পট প্রযুক্তি হলো-
১. ব্লুটুথ,
২. ওয়াই-ফাই ও
৩. ওয়াইম্যাক্স।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭১৯.
অপটিক ফাইবার সাধারণত ডেটা পরিবহন করে কোনটির সাহায্যে?
  1. লাইট সিগন্যাল 
  2. ইলেকট্রিক সিগন্যাল
  3. সাউন্ড ওয়েভ
  4. ম্যাগনেটিক ফিল্ড
ব্যাখ্যা

• অপটিক ফাইবার হলো এক ধরনের ডেটা পরিবহন মাধ্যম যেখানে মূলত লাইট সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়। অপটিক ফাইবারের ভেতরে অত্যন্ত সূক্ষ্ম কাচ বা প্লাস্টিকের তৈরি কোর থাকে, যার ভেতর দিয়ে আলো প্রতিফলন ও প্রতিসরণের নীতিতে বারবার প্রতিফলিত হয়ে অগ্রসর হয়। এই আলোক সংকেতকে লেজার বা LED-এর মাধ্যমে তৈরি করা হয় এবং তা তথ্য বহন করে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে দেয়। ইলেকট্রিক সিগন্যালের তুলনায় অপটিক ফাইবারে ডেটা পরিবহন অনেক দ্রুত, নিরাপদ এবং দূরত্বে ক্ষয় কম হয়। তাই উত্তর হলো- ক) লাইট সিগন্যাল।

ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- অপটিকাল ফাইবারের মধ্য দিয়ে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা-

১. কোর:
- ভিতরের ডাই-ইলেকট্রিক কোর যার ব্যাস ৮ থেকে ১০০ মাইক্রোন হয়ে থাকে।

২. ক্ল্যাডিং:
- কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে।

৩. জ্যাকেট:
- অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে জ্যাকেট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭২০.
কোন ক্ষেত্রে 'ব্লকচেইন প্রযুক্তি' সর্বাধিক ব্যবহৃত হচ্ছে?
  1. ক) স্বাস্থখাতে
  2. খ) অটোমোবাইল
  3. গ) কৃষিখাতে
  4. ঘ) ক্রিপ্টোকারেন্সি
ব্যাখ্যা
- ব্লকচেইন হলো ডেটা সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ ও উন্মুক্ত পদ্ধতি।
- ব্লকচেইন মূলত P2P (পিয়ার-টু-পিয়ার) নেটওয়ার্ক তৈরি করে কাজ করে।
- এতে ডেটাগুলো বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয় এবং এতে ডেটার মালিকানা সংরক্ষিত থাকে। 
- এই পদ্ধতিতে ডেটা সংরক্ষণ করলে কোনো একটি ব্লকের ডেটা পরিবর্তন করতে চাইলে সেই চেইনে থাকা প্রতিটি ব্লকে পরিবর্তন আনতে হবে, যা অসম্ভব।
- তাই এই পদ্ধতিতে ডেটা সংরক্ষণ করাটা বেশ নিরাপদ।
- ডিজিটাল মুদ্রা (Cryptocurrency) তে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
৭২১.
ই-কমার্সের ক্যাটাগরি নয় কোনটি?
  1. B2B
  2. C2C
  3. B2C
  4. M2B
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্স:
- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।
- ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সের কল্যাণে ঘরে বসেই কম্পিউটারের সাহায্যে ক্রেতারা সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারী গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B),
২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C),
৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B) ও
৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C)।

উৎস: ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।
৭২২.
নিচের কোনটি E-Banking এর প্রডাক্ট নয়?
  1. ক) ATM
  2. খ) SMS banking
  3. গ) Plastic money
  4. ঘ) School banking
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৭২৩.
স্মার্টফোনের স্ক্রীন কোন প্রযুক্তির হয়ে থাকে?
  1. অ্যামোলেড
  2. ওলেড
  3. এলইডি
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট ফোন (Smart Phone):
- স্মার্টফোন হলো অত্যাধুনিক মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম সমৃদ্ধ এক ধরনের মোবাইল ফোন যা পার্সোনাল কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন ফিচারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্থির বা চলমান থাকা অবস্থায় হাতে ব্যবহার্য বিভিন্ন গুরূত্বপূর্ণ ফিচারের সমন্বয় করে।
- স্মার্টফোন যা সাধারনত পকেটে রাখার মত আকারের হয়ে থাকে কার্যকরভাবে সেল ফোনের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যেমন- ফোন করা বা রিসিভ করা, ক্ষুদ্র বার্তা পাঠানো ইত্যাদিকে অন্যান্য জনপ্রিয় ডিজিটাল মোবাইল যন্ত্রাংশের বৈশিষ্ট্যের সাথে সমন্বয় করে।
- অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে পার্সোনাল ডিজিটাল এসিস্ট্যান্ট যার অন্তর্ভুক্ত হলো ক্যালেন্ডারে সাক্ষাৎকার নির্দেশ করে রাখা, মিডিয়া প্লেয়ার, ভিডিও গেইমস, জিপিএস দিকনির্ণায়ক প্রযুক্তি, ডিজিটাল ক্যামেরা ও ডিজিটাল ভিডিও ক্যামেরা।
- অধিকাংশ স্মার্ট ফোন ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা সম্পন্ন এবং বিভিন্ন ধরনের এ্যাপস বা থার্ড-পার্টি সফটওয়্যার উপকরণ চালাতে সক্ষম। 
- স্মার্টফোনের স্ক্রীন এলসিডি (LCD), এলইডি (LED), ওলেড (OLED), অ্যামোলেড (AMOLED) ইত্যাদি প্রযুক্তির হয়ে থাকে এবং এই স্ক্রীনগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্পর্শের মাধ্যমে কাজ করে থাকে।
- বর্তমানে ৪ ধরনের স্মার্ট ফোন দেখা যায়। যথা- আইফোন, উইন্ডোজ ফোন, অ্যান্ড্রয়েড ফোন, ফায়ার ফোন।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭২৪.
ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে সেবা প্রদান করার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. ই-লার্নিং
  2. ই-মেইল
  3. ই-সার্ভিস
  4. ই-কমার্স
ব্যাখ্যা
• ই-সার্ভিস:
- ই-সার্ভিস এর পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক সার্ভিস।
- ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোন সেবা প্রদান করাকেই ই-সার্ভিস বা ই-সেবা বলা হয়।
- কুইক-উইন, ই-পর্চা, ইএমটিএস, ই-পুর্জি, ই-স্বাস্থ্যসেবা, ই-টিকেটিং এই সেবার অর্ন্তভুক্ত।
- সারা বিশ্বে অনলাইন লেনদেন বাড়ার কারণে ই-কমার্স এর গতি ও আকার বড় হচ্ছে।
- ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার লেনদেন হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২৫.
একটি ই-মেইল ঠিকানার @ প্রতীকের আগে যে অংশটি থাকে, সেটি কী নির্দেশ করে?
  1. User ID
  2. Domain Name
  3. Protocol Name
  4. Server Name
ব্যাখ্যা

ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নের পূর্ববর্তী অংশ সাধারণত ইউজার আইডি (User ID) নির্দেশ করে।
- এটি সেই ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের নাম বা পরিচিতি যা ই-মেইল অ্যাকাউন্টের মালিকানা প্রকাশ করে।
- যেমন, example@mail.com এই ঠিকানায় "example" হলো ইউজারনেম।
- @ প্রতীকের ডান পাশে থাকে ডোমেইন নেম, যা নির্দেশ করে কোন সার্ভারে ই-মেইল অ্যাকাউন্টটি হোস্ট করা আছে। যেমন, উপরের উদাহরণে "mail.com" হলো ডোমেইন নেম।

• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭২৬.
'Mozilla Thunderbird' হলো -
  1. ক) Web Browser
  2. খ) E-mail client
  3. গ) WebMail
  4. ঘ) Search Engine
ব্যাখ্যা
- Mozilla Thunderbird is an E-mail program.
- An e-mail program is also known as an e-mail client.
- When using an e-mail client, a server that stores and delivers your messages is used.
- This server is often hosted by your ISP but can be another Internet company.
- An e-mail client needs to connect to a server to download a new e-mail, whereas e-mail stored online is always available to any Internet-connected device.
৭২৭.
QR Code-এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Quality Response Code
  2. Quick Report Code
  3. Quick Response Code
  4. Quality Report Code
ব্যাখ্যা

- QR কোডের QR শব্দের পূর্ণরূপ হলো Quick Response. 
- এটি এমন এক ধরণের দুই-মাত্রিক বারকোড যা খুব দ্রুত তথ্য পড়া এবং শনাক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- প্রথমে জাপানের একটি কোম্পানি এটি উদ্ভাবন করে গাড়ির যন্ত্রাংশ দ্রুত ট্র্যাক করার উদ্দেশ্যে।
- বর্তমানে এটি মোবাইল পেমেন্ট, ওয়েবসাইট লিংক, পণ্যের তথ্য, টিকিটিংসহ নানা ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সাধারণ বারকোডের তুলনায় এতে অনেক বেশি ডেটা সংরক্ষণ করা যায় এবং স্ক্যানার বা স্মার্টফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে সহজে পড়া সম্ভব হয়।
- এই দ্রুত পড়ার ক্ষমতাই এর নামের সাথে “Quick Response” যুক্ত করেছে।

QR কোড: 
- QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি। 
- এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়। 
- কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে। 

QR কোডের ব্যবহার: 
- মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
- এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়। 

তথ্যসূত্র:
1. Kaspersky. 
2. Britannica.

৭২৮.
নিচের কোনটি টেলিমেডিসিন সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা?
  1. শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা
  2. কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনুবাদ করা
  3. অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয় করা
  4. দূরবর্তী রোগীর চিকিৎসা সহজলভ্য করা
ব্যাখ্যা

টেলিমেডিসিন প্রযুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো দূরবর্তী এলাকার রোগীদের জন্য সহজে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ পাওয়া সম্ভব হওয়া।

টেলিমেডিসিন (Telemedicine):
- টেলিমেডিসিন হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দূরবর্তী স্থানে থাকা রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করার পদ্ধতি।
- এর মাধ্যমে রোগী ও চিকিৎসক একই স্থানে উপস্থিত না থেকেও চিকিৎসা পরামর্শ ও সেবা প্রদান করা সম্ভব হয়।
- ইন্টারনেট, ভিডিও যোগাযোগ এবং ডিজিটাল মেডিকেল ডেটা ব্যবহারের মাধ্যমে এই সেবা পরিচালিত হয়।

টেলিমেডিসিনের বৈশিষ্ট্য:
- দূরবর্তী এলাকার রোগীরা সহজে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ পেতে পারে।
- চিকিৎসা সেবা দ্রুত ও সহজলভ্য হয়।
- সময় ও যাতায়াত ব্যয়ের সাশ্রয় হয়।
- জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা সম্ভব হয়।

টেলিমেডিসিনের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- দূরবর্তী এলাকায় চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান।
- রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ।
- স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ ও ফলোআপ সেবা।
- হাসপাতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্রের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান।

অন্যান্য অপশন:
- দূরবর্তী রোগীর চিকিৎসা সহজলভ্য করা → টেলিমেডিসিন প্রযুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা ও ব্যবহার ক্ষেত্র।
- কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনুবাদ করা → অনুবাদক প্রোগ্রাম (Compiler, Interpreter, Assembler) এর কাজ।
- অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয় করা → অফিস অটোমেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা → ইন্টারনেটভিত্তিক শিক্ষা পদ্ধতিকে ই-লার্নিং বলা হয়।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Encyclopaedia Britannica।
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

৭২৯.
ই-মেইল ঠিকানায় কোন অংশটি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নাম নির্দেশ করে? 
  1. ব্যবহারকারীর নাম
  2. @ চিহ্নের আগের অংশ
  3. @ চিহ্নের পরের অংশ
  4. ডট (.) চিহ্নের পরের অংশ
ব্যাখ্যা
ই-মেইল (E-mail): 
- ই-মেইল বা ইলেকট্রনিক মেইল আজকাল বহুল ব্যবহৃত একটি যোগাযোগ মাধ্যম। 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থিত এক কম্পিউটারের সাথে অন্য কম্পিউটারের সংযোগ স্থাপন করে যে কোনো ডকুমেন্ট, চিঠি-পত্র, চিত্র বা গ্রাফিক্স এবং যে কোনো তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
- টেলিফোন লাইন ও মোডেম ব্যবহার করে এ সংযোগ স্থাপন করা যায়। 
- প্রেরণকৃত তথ্য প্রাপক গ্রহণ না করা পর্যন্ত নেটওয়ার্কের একটি স্টোরেজে (সার্ভার) জমা থাকে। 
- বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করতে ফ্রি ই-মেইল পরিষেবা প্রদান করে। 
- ব্যবহারকারীরা এসব সাইটে বিনামূল্যে ই-মেইল একাউন্ট খুলতে পারেন। 
- একাউন্ট তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সাইন আপ বা ক্রিয়েট একাউন্ট অপশনে গিয়ে নির্দিষ্ট তথ্য পূরণ করতে হয়। 
- একাউন্ট তৈরি হলে সেটির মাধ্যমে ই-মেইল আদান-প্রদান করা যায়। 
- ই-মেইল ঠিকানায় সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের ডোমেইন থাকে, যেমন @gmail.com, @yahoo.com ইত্যাদি। 
- প্রতিটি একাউন্টের জন্য পৃথক পাসওয়ার্ড নির্ধারিত থাকে। 
- ওয়েবসাইটের ডোমেইন এক্সটেনশন থেকে তার ধরন চেনা যায়, যেমন .com (কমার্শিয়াল), .org (সংস্থা), .net (নেটওয়ার্ক), এবং .edu (শিক্ষা প্রতিষ্ঠান)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩০.
BTCL এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Bangladesh Telecoms and Connectivity Limited
  2. খ) Bangladesh Telecommunications Corporation Limited
  3. গ) Bangladesh Telecommunications Company Limited
  4. ঘ) Bangladesh Technology and Communications Limited
ব্যাখ্যা
BTCL
- বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের বর্তমান নাম BTCL.
- BTCL এর পূর্ণরূপ - Bangladesh Telecommunications Company Limited.
- The Bangladesh Telegraph and Telephone Board Ordinance, 1979 এর বিধান অনুসারে বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি) গঠিত হয়। 
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিটিটিবিকে বিলুপ্ত করে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ এর অধীনে যথাক্রমে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এবং এবং বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)  গঠন করা হয়। 
- BTCL এর OTT (Over The Top) কলিং সেবা 'আলাপ'।
 
উৎস: টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 
৭৩১.
কোন রোগের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না?
  1. প্রোস্টেট ক্যান্সার
  2. উচ্চ রক্তচাপ
  3. ছানি
  4. চর্মরোগ
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

- উচ্চ রক্তচাপ রোগের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩২.
বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস বা জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট-
  1. ক) Belancer
  2. খ) Upwork
  3. গ) Fiverr
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনাে প্রতিষ্ঠানের কাজ খণ্ডকালীন বা চুক্তিভিত্তিক পদ্ধতি যে কেউ স্বাধীনভাবে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করতে পারেন। এই ধরনের চুক্তিভিত্তিক কাজকে ফ্রিল্যান্সিং (স্ব-উদ্যোগের কাজ) বলা হয়। বিশ্বব্যাপী কয়েকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস বা জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট যেমন Upwork, Freelancer, Belancer. Fiverr ইত্যাদিতে ডেটা অ্যানালাইসিস, কপি রাইটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এফিলিয়েট মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), গুগল অ্যাডসেন্স, ভার্চুয়াল অ্যাসিসটেন্স, রিসার্চ এন্ড সার্ভে, আর্টিক্যাল-ব্লগ রাইটিং ইত্যাদি নানাধরনের বৈচিত্রময় কাজ করা যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
৭৩৩.
VAR সিস্টেম কী ধরনের খেলায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ফুটবল
  2. ব্যাডমিন্টন
  3. সাঁতার
  4. দাবা
ব্যাখ্যা
• VAR:
- VAR বা Video Assistant Referee হলো একটি প্রযুক্তিনির্ভর ভিডিও রিভিউ পদ্ধতি, যা ফুটবল খেলায় ব্যবহৃত হয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো যাচাই ও নিশ্চিত করার জন্য।

• VAR প্রযুক্তির মূল ব্যবহার:
- গোল হয়েছে কি না তা যাচাই করা।
- পেনাল্টি সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ।
- সরাসরি লাল কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত যাচাই।
- ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেওয়ার সংশোধন।
- এটি ভিডিও রিপ্লে বিশ্লেষণ করে মাঠে রেফারিকে সহায়তা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে।

তথ্যসূত্র:
- FIFA Official Website - 'VAR'
৭৩৪.
বাংলাদেশের প্রায় সকল ডাকঘরে কোন সেবাটি পাওয়া যায়?
  1. ই-পর্চা
  2. ই-টিকেট 
  3. ই-পূর্জি
  4. ই-এমটিএস
ব্যাখ্যা
ই-পূর্জি: 
- দেশের প্রথম দিককার ই-সেবাসমূহের একটি। 
- দেশের ১৫টি চিনিকলের সকল আখচাষি এখন এসএমএসের মাধ্যমে পূর্জি তথ্য পাচ্ছে। 
- পূর্জি হচ্ছে চিনিকলসমূহে কখন আখ সরবরাহ করতে হবে সে জন্য আওতাধীন আখচাষিদের দেওয়া একটি অনুমতিপত্র। 
- এসএমএসের মাধ্যমে আখচাষিরা তাৎক্ষণিকভাবে পূর্জির তথ্য পাচ্ছে বলে এখন তাদের হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসান হয়েছে। 
- পাশাপাশি সময়মতো আখের সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় চিনিকলের উৎপাদনও বেড়েছে। 

ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ই-এমটিএস): 
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে নিরাপদে, দ্রুত ও কম খরচে টাকা পাঠানো যায়। 
- ১ মিনিটের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়। 
- দেশের প্রায় সকল ডাকঘরে ই-এমটিএস সেবা পাওয়া যায়। 

ই-পর্চা: 
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা যায়, এটিকে বলা হয় ই-পর্চা। 
- পূর্বে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীগণ বড়ো বড়ো রেকর্ড বই থেকে তথ্যসমূহ পূর্ব নির্ধারিত ছকে পূরণ করে আবেদনকারীকে সরবরাহ করতেন। 
- এজন্য আবেদনকারীকে যেমন সরাসরি উপস্থিত হতে হতো তেমনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীরাও গতানুগতিক পদ্ধতিতে পর্চা তৈরি করতেন। 
- বর্তমানে এটি ই-সেবার আওতায় আসাতে আবেদনকারী দেশ-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকেই নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে পর্চা সংগ্রহ করতে পারেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৩৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটার এন্টিভাইরাস নয়?
  1. কোবরা
  2. এভিজি
  3. মেলিসা
  4. পিসিসিলিন
ব্যাখ্যা
• মেলিসা হলো একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

• এন্টিভাইরাস:
- এন্টিভাইরাস বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রামকে বোঝায় যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।
- এন্টিভাইরাস হলো সেই সফটওয়্যার যা ম্যালওয়‍্যারের সাথে সম্পৃক্ত সফটওয়‍্যারকে কম্পিউটারে অনুপ্রবেশে বাধা প্রদান করে।
- এন্টিভাইরাস সফটওয়‍্যার ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের এবং সাথে সাথে মূল্যবান ডাটার দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে।
- একজন সতর্ক কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরও এন্টিভাইরাস প্রোগাম ব্যবহারের প্রয়োজন আছে।
- ব্রাউজারের দুর্বলতা, প্লাগইনস, বিভিন্ন প্রকার লেনদেনে এবং অপারেটিং সিস্টেম প্রভৃতির জন্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকা প্রয়োজন।
- আবার ব্যবহারকারী যদি অনলাইনে লেনদেন করেন তাহলে তার পিসিতে এন্টিভাইরাস থাকা অবশ্যই প্রয়োজন, এখন অনেক এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার লেনদেনের সিকিউরিটি দিয়ে থাকে।

• কয়েকটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নাম নিচে দেয়া হলো:
- কাসপারস্কি,
- ম্যাকফি,
- নরটন,
- পিসিসিলিন,
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- ই-সেট,
- ই-স্ক্যান,
- কোবরা ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
৭৩৬.
নিচের কোনটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের উদাহরণ নয়?
  1. ক) ebay.com
  2. খ) amazon.com
  3. গ) alibaba.com
  4. ঘ) glassdoor.com
ব্যাখ্যা

Glassdoor.com ই-কমার্স ওয়েবসাইট নয়, বরং ইহা অনলাইনভিত্তিক যোগ্যতা অনুযায়ী চাকুরী খোঁজবার একটি ওয়েবসাইট।

অপরদিকে, amazon.com, alibaba.com, ebay.com হল জনপ্রিয় ই-কমার্স ওয়েবসাইট।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৭৩৭.
ইমেইল পাঠানোর প্রোটোকল কোনটি?
  1. IMAP
  2. SMTP
  3. Telnet
  4. SNMP
ব্যাখ্যা

ইমেইল পাঠানোর প্রোটোকল হচ্ছে SMTP। 

Simple Mail Transfer Protocol (SMTP):
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য SMTP প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়।
- প্রোটোকল হলো একটি নিয়মাবলী যা ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রেরণ নিশ্চিত করে, তথ্য কীভাবে সংগঠিত হবে এবং প্রতিটি পক্ষ কীভাবে ডেটা পাঠাবে ও গ্রহণ করবে তা নিয়ন্ত্রণ করে।

ই-মেইল (E-mail)
- ই-মেইল (Electronic Mail) হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এর সাহায্যে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি খুব দ্রুত একজন থেকে আরেকজনের কাছে পাঠানো যায়।
- প্রত্যেক ই-মেইল অ্যাকাউন্ট গোপন পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৭৩৮.
VR ট্যাকনোলজিতে ব্যবহৃত সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. 3d Studio Max
  2. Vizard
  3. Maya
  4. Lotus
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display HMD),
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove),
- একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit),
- উচ্চ মানের অডিও ব্যবস্থা,
- রিয়েলিটি ইঞ্জিন,
- বিভিন্ন ধরনের সেন্সর,
- বিভিন্ন সিমুলেশন, মডেলিং ও গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭৩৯.
প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন -
  1. ক) রেমন্ড স্যামুয়েল
  2. খ) টিম বার্নার্স লি
  3. গ) স্টীভ জবস
  4. ঘ) রোনাল্ড রিগান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই
৭৪০.
Which site allows you to buy products online?
  1. IMDb
  2. eBay
  3. BBC
  4. Stack Overflow
ব্যাখ্যা
• অনলাইনে পণ্য কেনার জন্য যে সাইটটি ব্যবহার করা যায় তা হলো eBay. এটি একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা নতুন ও পুরাতন পণ্য কিনতে ও বিক্রি করতে পারেন। eBay-তে নিলাম বা সরাসরি ক্রয়ের মাধ্যমে কেনাকাটা করা যায়। অন্যদিকে, IMDb একটি চলচ্চিত্র ও টিভি শোর তথ্যভিত্তিক সাইট, BBC একটি সংবাদমাধ্যম এবং Stack Overflow একটি প্রোগ্রামিং সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তরের প্ল্যাটফর্ম। এই তিনটি সাইটে পণ্য কেনার কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘খ) eBay’-ই একমাত্র সাইট যা অনলাইনে পণ্য কেনার সুযোগ দেয়।

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or Commerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য পরিশোধের অনলাইন প্রক্রিয়াসমূহ সামগ্রিকভাবে ইলেকট্রনিক কমার্সের অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৯৫ সালে অ্যামাজন নামের ই-কমার্স ওয়েবসাইটের যাত্রা শুরুর মাধ্যমে ই-কমার্সের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

• জনপ্রিয় কিছু ওয়েবাসইট হলো,
- www.bikroy.com
- www.daraz.com.
- www.alibaba.com.
- www.ebay.com.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৭৪১.
নিচের কোন প্রযুক্তি Face Recognition System-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে?
  1. Applied Artificial Intelligence (AI)
  2. Applied Internet of Things (IoT)
  3. Virtual Reality
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• Artificial Intelligence প্রযুক্তি Face Recognition System-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪২.
আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে কোন প্রটোকল ব্যবহার করা হয়?
  1. POP
  2. SMTP
  3. IMAP
  4. HTTP
ব্যাখ্যা

• SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ইন্টারনেট প্রটোকল যা এক সার্ভার থেকে অন্য সার্ভারে বা ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে ইমেইল পাঠানোর বা আউটগোয়িং মেইল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

• POP3:
- মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol।
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল সার্ভার থেকে কোনো ইমেইল ডাউনলোড করার ক্ষেত্রে POP ব্যবহার করা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3।

• HTML:
- HTML এর পূর্নরুপ Hyper Text Markup Language যা মূলত ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েবপেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরম্যাট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।
- HTML দ্বারা তৈরি ফাইলসমূহের এক্সটেনশন .html অথবা .htm হয় যা সাধারণত ওয়েবপেইজ নামে পরিচিত।
- জেনেভার সার্ন (CERN) এ কাজ করার সময় টিম বার্নাস লি (Tim Berners-Lee) সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে HTML আবিষ্কার করেন। HTML এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে HTML 5।

• SMTP:
- STMP এর পূর্ণরূপ হল Mail Transfer Protocol।
- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol।
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৪৩.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব উদ্ভাবন করেন কে? 
  1. জেমস মনরো
  2. টিম বার্নার্স লি
  3. জেনস স্টলটেনবার্গ
  4. এমারসন মানগাগওয়া
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব: 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হচ্ছে বিশ্বজাল। 
- WWW কে অধিকাংশ সময়ই ওয়েব নামে ডাকা হয়। 
- ওয়েব হলো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সকল কম্পিউটারের একটি নেটওয়ার্ক। 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব উদ্ভাবন করেন টিম বার্নার্স লি। 
- টিম বার্নার্স লি ১৯৮৯ সালে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব আবিষ্কার করেছিলেন। 
- ১৯৯২ সালের জানুয়ারিতে সাধারণ জনগণের কাছে প্রকাশিত হয়েছিল। 

উৎস: Britannica.
৭৪৪.
মেইল বক্সে প্রবেশ করার প্রটোকল IMAP এর বর্তমান ভার্সন কোনটি?
  1. ক) IMAP4
  2. খ) IMAP2bis
  3. গ) IMAP3
  4. ঘ) IMAP3bis
ব্যাখ্যা
ইমেইলে ব্যবহৃত তিনটি প্রটোকল নিম্নরূপ:
- the Simple Mail Transfer Protocol (SMTP),
- the Post Office Protocol (POP), and
- the Internet Message Access Protocol (IMAP).

উপরের সবগুলো TCP প্রটোকল ব্যবহার করে, এবং শেষের দুই প্রটোকল মেইল বক্সে প্রবেশ করতে ব্যবহৃত হয়। 

- POP এর বর্তমান ভার্সন (POP3) and IMAP এর বর্তমান ভার্সন (IMAP4).

Source: www.sciencedirect.com
৭৪৫.
ন্যানো প্রযুক্তির জনক হিসেবে কাকে বলা হয়?
  1. রিচার্ড ফাইনম্যান
  2. পল বার্গ
  3. মার্শাল ম্যাকলুহান
  4. জন ম্যাকার্থি
ব্যাখ্যা

• ন্যানো প্রযুক্তির জনক হিসেবে রিচার্ড ফাইনম্যানকে বলা হয়, কারণ তিনি ১৯৫৯ সালে “There's Plenty of Room at the Bottom” বক্তৃতায় ন্যানোস্কেল প্রযুক্তির ধারণা উপস্থাপন করেন।

• ন্যানো প্রযুক্তি (Nanotechnology):
- ন্যানো প্রযুক্তি হলো অতি ক্ষুদ্র মাত্রা বা ন্যানোমিটার স্তরে পদার্থকে নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- সাধারণত ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার স্কেলে পদার্থের গঠন, বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার নিয়ে কাজ করা হয়।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে অতি ক্ষুদ্র কণার গঠন পরিবর্তন করে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উপাদান তৈরি করা সম্ভব।

• ন্যানো শব্দের অর্থ:
- ন্যানো শব্দটি গ্রিক শব্দ “nanos” থেকে এসেছে।
- এর অর্থ অত্যন্ত ক্ষুদ্র বা বামন আকৃতির।
- এক ন্যানোমিটার হলো এক মিটারের এক বিলিয়ন ভাগের এক ভাগ।

• ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার ক্ষেত্র:
- চিকিৎসা বিজ্ঞানে ওষুধ সরবরাহ ও রোগ নির্ণয়।
- ইলেকট্রনিক্সে ক্ষুদ্র ও শক্তিশালী যন্ত্র তৈরি।
- পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ।
- শক্তি উৎপাদন ও সংরক্ষণ প্রযুক্তিতে উন্নয়ন।

• অন্যান্য অপশন:
- পল বার্গ → জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর জনক হিসেবে পরিচিত।
- মার্শাল ম্যাকলুহান → গ্লোবাল ভিলেজ ধারণার প্রবর্তক।
- জন ম্যাকার্থি → কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) ধারণার অন্যতম প্রবর্তক।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

৭৪৬.
QR Code এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Quick Reliable Code
  2. খ) Quick Response Code
  3. গ) Quick Readable Code
  4. ঘ) Quick Retaliation Code
ব্যাখ্যা
- QR Code এর পূর্ণরূপ Quick Response Code
- QR কোডকে  বারকোড এর  একটি সম্প্রসারণ হিসাবে ভাবা যায় যেখানে কালো বিন্দুগুলির উল্লম্ব এবং অনুভূমিক অবস্থান উভয়কে একটি অপটিক্যাল স্ক্যানার দ্বারা পড়া যায়৷
- বারকোড যেখানে অনুভূমিকভাবে তথ্য ধারণ করে, QR কোড অনুভূমিকভাবে ও  উল্লম্বভাবে তথ্য ধারণ করতে পারে। ফলে QR কোড বারকোডের তুলনায়  শত  গুণ বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে।
- QR Code এর মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে অপটিক্যাল স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়। 
- QR কোডে তথ্য কেবল পড়া যায়। 
- এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: ৭,০৮৯টি ক্যারেক্টার। 
৭৪৭.
কোন চিহ্নটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে?
  1. @
  2. !
  3. #
  4. %
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল ঠিকানায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য চিহ্ন হলো @। প্রতিটি ই-মেইল ঠিকানায় ব্যবহারকারীর নাম এবং ডোমেইন নাম থাকে, আর এই দুটি অংশকে আলাদা করে @ চিহ্ন। যেমন: example@gmail.com এ "example" হলো ব্যবহারকারীর নাম এবং "gmail.com" হলো ডোমেইন নাম। @ ছাড়া ই-মেইল ঠিকানা কখনো বৈধ হবে না, কারণ এটি প্রেরক ও গ্রহণকারীর সঠিক পরিচয় নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। অন্য চিহ্নগুলো (!, #, %) ঐচ্ছিকভাবে থাকতে পারে বা নাও থাকতে পারে, তবে @ ছাড়া ই-মেইল ঠিকানা গঠন করা সম্ভব নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) @.

ইমেইল: 
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।

- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy.
- BCC এর পূর্ণরূপ Blind Carbon Copy.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭৪৮.
'গ্লোবাল ভিলেজ' -এর প্রবক্তা বা উদ্ভাবক বলা হয় কাকে?
  1. মার্ক জুকারবার্গ
  2. ই. এফ. কড
  3. মার্শাল ম্যাকলুহান
  4. টিম বার্ণারস লী
ব্যাখ্যা
গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম: 
- গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক 'মার্শাল ম্যাকলুহান' সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- মার্শাল ম্যাকলুহান 'দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ' (the medium is the message) এবং 'গ্লোবাল ভিলেজ' (Global village) এর প্রবক্তা বা উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন
- তিনি ১৯৬২ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ 'The Gutenberg: The Making of Typographic Man' এবং ১৯৬৪ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ 'Understanding Media' এ গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম এর ধারণা দেন।
- তাঁর সময়ে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছিল।
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তারের ফলে সময় ও দূরত্ব সংকুচিত হয়ে পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে।
- তিনি এ প্রযুক্তির বিস্তৃতিকে 'ইলেকট্রনিক নার্ভাস সিস্টেম' (Electronic Nervous System) নামে আখ্যায়িত করেছেন।
- পৃথিবী এ সিস্টেমের সাহায্যে সংযুক্ত হয়ে বিশ্বগ্রাম (Global village) এ রূপান্তরিত হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৭৪৯.
Many email systems use ______ protocol to send messages from one server to another server.
  1. ক) ICMP
  2. খ) SMTP
  3. গ) POP3
  4. ঘ) HTTP
ব্যাখ্যা
SMTP এর পূর্ণরূপ Simple Mail Transfer Protocol.
- এই প্রটোকলটি ইমেইল আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়।
- যে সকল মেইল বাহিরে পাঠানো হয় সেগুলোকে বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।

The Simple Mail Transfer Protocol is an internet standard communication protocol for electronic mail transmission.
Mail servers and other message transfer agents use SMTP to send and receive mail messages.
 

৭৫০.
ডাক্তার রোগীর সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগাযোগ করে চিকিৎসা দিলে তাকে কী বলা হয়?
  1. ই-হেলথ
  2. ডিজিটাল হেলথ
  3. টেলিযোগাযোগ
  4. টেলিমেডিসিন
ব্যাখ্যা

• রোগীর সঙ্গে ডাক্তার ভিডিও কনফারেন্স বা অনলাইন মাধ্যমে যোগাযোগ করে চিকিৎসা দিলে তাকে টেলিমেডিসিন বলা হয়। এটি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের একটি ডিজিটাল মাধ্যম, যেখানে রোগী এবং ডাক্তার একই স্থানে না থাকলেও রোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরামর্শ, এবং চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়। টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে দূরবর্তী এলাকায় থাকা মানুষরাও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সেবা নিতে পারে, সময় ও ভ্রমণের খরচ কমে। এটি মূলত ইন্টারনেট, কম্পিউটার, স্মার্টফোন এবং ভিডিও কল প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে। বর্তমান যুগে টেলিমেডিসিন স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, বিশেষ করে করোনা মহামারীর সময়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) টেলিমেডিসিন।

• টেলিমেডিসিন:
- টেলিমেডিসিন হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে অবস্থানরত রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা চিকিৎসাসেবা প্রদান করা।
- মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের উন্নত ব্যবহারের মাধ্যমে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা দূরবর্তী অবস্থান থেকেও রোগী পরামর্শ, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসার তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করতে পারেন।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রোগীকে চাক্ষুষ দেখা এবং ই-মেইলের মাধ্যমে রিপোর্ট ও পরামর্শপত্র আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়।

• এ ধরনের উল্লেখযোগ্য সেবাগুলোর মধ্যে:
- Teledoc,
- Maven,
- Clinic,
- iClinic, MDlive,
- Amwell,
- Doctor on Demand ইত্যাদি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, NCTB.

৭৫১.
ক্রায়োসার্জারির মূল উপাদান হিসেবে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. ইথানল
  2. তরল নাইট্রোজেন
  3. মিথেন
  4. হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন যা তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি বিভিন্ন রোগ যেমন ক্যান্সার, ছানি, হাড়ের সমস্যাসমূহ, যকৃতের সমস্যা এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 

ব্যবহৃত উপাদানসমূহ:
- তরল নাইট্রোজেন, তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড, তরল নাইট্রাস অক্সাইড, তরল আর্গন, ইথাইল ক্লোরাইড, ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৫২.
NFC মূলত কোন প্রযুক্তির অন্তর্গত?
  1. Infrared
  2. Bluetooth
  3. Wi-Fi
  4. RFID
ব্যাখ্যা

• NFC (Near Field Communication) মূলত RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তির অন্তর্গত। এটি একটি সংক্ষিপ্ত-দূরত্বের তারবিহীন যোগাযোগ পদ্ধতি, যা সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার দূরত্বে কাজ করে। NFC ব্যবহার করে ডিভাইসগুলো একে অপরের সাথে তথ্য বিনিময় করতে পারে, যেমন মোবাইল পেমেন্ট, টিকেট যাচাই বা ডেটা স্থানান্তর। RFID-এর মতোই NFC-তেও রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, কিন্তু NFC-তে কম শক্তি ও ছোট পরিসরের জন্য এটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা। অন্য প্রযুক্তিগুলো যেমন Infrared, Bluetooth বা Wi-Fi তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে তথ্য পাঠাতে সক্ষম, কিন্তু NFC-এর মূল সুবিধা হলো দ্রুত ও নিরাপদ সংক্ষিপ্ত-দূরত্বের যোগাযোগ।

সঠিক উত্তর: ঘ) RFID.

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৫৩.
কোন প্রযুক্তি Natural Language Processing-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে?
  1. IoT
  2. AI
  3. VR
  4. CTR
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫৪.
Which system, developed in the early 1960s, allowed a computer’s resources to be shared in rapid succession with multiple users?
  1. ক) Time-sharing
  2. খ) Command-and-control
  3. গ) Host-to-host interactions
  4. ঘ) Batch-processing
ব্যাখ্যা
Developed in the early 1960s, time-sharing systems allowed a computer’s resources to be shared in rapid succession with multiple users, cycling through the queue of users so quickly that the computer appeared dedicated to each user’s tasks despite the existence of many others accessing the system “simultaneously.”
 
Source: Britannica
৭৫৫.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে প্রধানত কোন ল্যাঙ্গুয়েজটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Python
  2. Fortran
  3. C#
  4. COBOL
ব্যাখ্যা
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কৃত্রিম উপায়ে প্রযুক্তি নির্ভর করে যন্ত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করাকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য অনেক সময় সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়, এমন অ্যালগরিদম বা পদ্ধতি প্রয়োজন যার মাধ্যমে কম্পিউটার চিন্তা করে কোনো সমাধান বের করতে পারে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ঠিক যেমনটা মানুষ বা অন্যান্য বুদ্ধিমান প্রাণী করে থাকে।
- এ ধরণের পদ্ধতি এবং অ্যালগরিদম নিয়েই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে থাকে।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষাগুলো হলো- LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭৫৬.
WWW দিয়ে বোঝানো হয়-
  1. ক) World Wide Web
  2. খ) World Wide Ware
  3. গ) World Wireless Web
  4. ঘ) World Windows Web
ব্যাখ্যা
WWW এর  পূর্ণরূপ হলো - World Wide Web
- ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্ন এ কর্মরত অবস্থায় স্যার টিম বার্নার্স-লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করেন।

Source: britannica.com
৭৫৭.
নিচেরগুলো বিবেচনা করুন-
i. ফিঙ্গার প্রিন্ট (Finger Print)
ii. রেটিনা স্কানিং (Retina Scanning)
iii. কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ (Voice Recognition)
উপরের কোনটি/কোনগুলো বায়োমেট্রিক আইডেন্টিফিকেশন (Biometric identification) এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. শুধু i
  2. i ও iii
  3. ii ও iii
  4. i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
- অপশনে উল্লেখিত সবগুলোই বায়োমেট্রিক আইডেন্টিফিকেশন (Biometric identification) এর জন্য ব্যবহৃত হয়
 
বায়োমেট্রিক্স (Biometrics): 
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। 
যথা- 
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি-
আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ, 
আইরিশ (রেটিনা) শনাক্তকরণ
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ, 
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test):
- ডিএনএ (DNA Deoxyribo Nucleic Acid) টেস্টের মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তিকে অত্যন্ত নিখুঁত ও প্রশ্নাতীতভাবে শনাক্ত করা যায়।
- মানব শরীরের যে কোনো উপাদান যেমন- রক্ত, চুল, আঙুলের নখ, মুখের লালা হতে ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
- এরপর এগুলোর গঠন- প্রকৃতি শনাক্তের দ্বারা ম্যাপ বা ব্লু-প্রিন্ট বায়োলজিক্যাল ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়।
- পরবর্তীকালে নমুনা নিয়ে পূর্ববর্তী ডেটার সাথে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করা যায়।
 
২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি-
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ, 
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ, 
কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৭৫৮.
ই-মেইল ঠিকানার কোন চিহ্নটি ব্যবহারকারীর নাম ও ডোমেন অংশকে পৃথক করে?
  1. ডট (.)
  2. স্ল্যাশ (/)
  3. হাইফেন (-)
  4. এ্যাট (@)
ব্যাখ্যা

• এ্যাট (@) — ই-মেইল ঠিকানায় ব্যবহারকারীর নাম (Username) ও ডোমেন অংশকে পৃথক করতে @ চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ Electronic Mail।
- এটি ইন্টারনেটভিত্তিক সংবাদ আদান-প্রদান ব্যবস্থা।
- এর মাধ্যমে চিঠি, ডকুমেন্ট, তথ্য দ্রুত পৃথিবীর যে কোনো স্থানে প্রেরণ করা যায়।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- মেইল পাঠানোর জন্য প্রাপকের নাম বা পরিচিতিমূলক শব্দসম্বলিত ঠিকানাকে ই-মেইল এ্যাড্রেস বলে।
- উদাহরণ: xyz@yahoo.com, abc@gmail.com.
- ই-মেইল এ্যাড্রেসের অক্ষর ইংরেজি ছোট হাতের হয়।

• ই-মেইল এ্যাড্রেসের গঠন:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস তিনটি অংশে বিভক্ত।
- প্রথম অংশ → ব্যবহারকারীর নাম বা প্রতিষ্ঠানের নাম।
- দ্বিতীয় অংশ → ডোমেন বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী সার্ভারের নাম।
- প্রথম ও দ্বিতীয় অংশের মাঝে @ (এ্যাট) চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অংশের মাঝে ডট (.) চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: rahim123@gmail.com; rahim123 → Username, gmail.com → Domain part.

• অন্যান্য অপশন:
- ডট (.) → ডোমেন অংশের ভেতরে ব্যবহৃত বিভাজক চিহ্ন।
- স্ল্যাশ (/) → ওয়েব ঠিকানায় ব্যবহৃত হয়।
- হাইফেন (-) → শব্দ সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত চিহ্ন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫৯.
@ চিহ্নের পূর্বে ই-মেইলে থাকা অংশটি কী নির্দেশ করে?
  1. ইউজার আইডি
  2. সার্ভার নেম
  3. ডোমেইন নেম
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• ই-মেইলে @ চিহ্নের পূর্বে থাকা অংশটি সাধারণত ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত পরিচয় বা ইউজার আইডি নির্দেশ করে। ই-মেইল ঠিকানাটি দুটি অংশে বিভক্ত থাকে – @ চিহ্নের পূর্বের অংশ এবং @ চিহ্নের পরের অংশ। পূর্বের অংশটি হলো ব্যবহারকারীর নাম বা তাদের নির্দিষ্ট আইডেন্টিফায়ার যা সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে এবং ই-মেইল প্রেরণের সময় প্রাপককে কোন ইউজারের কাছে মেইল পৌঁছাতে হবে তা নির্দেশ করে। অন্যদিকে @ চিহ্নের পরের অংশটি সার্ভারের ঠিকানা বা ডোমেইন নেম নির্দেশ করে। তাই, @ চিহ্নের আগে থাকা অংশ ইউজার আইডি হিসেবে চিহ্নিত হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) ইউজার আইডি।


• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭৬০.
SWIFT বলতে কী বোঝায়?
  1. ক্রিপ্টোকারেন্সি নেটওয়ার্ক
  2. আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক
  3. মোবাইল পেমেন্ট অ্যাপ
  4. আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজার
ব্যাখ্যা

• SWIFT হলো একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক। এটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদভাবে অর্থ পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। SWIFT-এর পূর্ণরূপ হলো Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication। এটি কোনো ব্যাংকের টাকা সরাসরি রাখে না, বরং ব্যাংকগুলোর মধ্যে মানক বার্তা বিনিময় করে অর্থ স্থানান্তরকে সহজ ও দ্রুত করে। SWIFT ব্যবহার করে এক দেশের ব্যাংক থেকে অন্য দেশের ব্যাংকে টাকা পাঠানো যায় নিরাপদ ও নির্ভুলভাবে। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম।
- তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো (খ) আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক।


SWIFT Code:
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামে ভিত্তিক একটি আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেন নেটওয়ার্ক।
- সুইফট - এর মাধ্যমে ব্যাংক লেনদেনের পরিচয় বা শনাক্তকরণ করা হয়।
- SWIFT - এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক সরবরাহ করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদে টাকা স্থানান্তর ও অন্যান্য তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
- এই শনাক্তকরণ মূলত সংকেতলিপি বা কোডের মাধ্যমে করা হয়।
- লেনদেনের বার্তা (wire) এই সুইফট কোড ব্যবহার করে আদান-প্রদান করা হয়।
- বিশ্বের ২০০-এর বেশি দেশে প্রায় ১১ হাজার ব্যাংক SWIFT ব্যবহার করে।
- সুইফট আন্তর্জাতিকভাবে অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোড পরিচালনা করে।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে SWIFT - এর সেবা ব্যবহার করে।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৭৬১.
কোনটি এম্বেডেড সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য?
  1. উচ্চ মানের গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স
  2. পূর্ণ কীবোর্ড ও মাউস প্রয়োজন
  3. বিস্তৃত ও জটিল ইউজার ইন্টারফেস
  4. রিয়েল-টাইম অপারেশন
ব্যাখ্যা

• এম্বেডেড সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ঘ) রিয়েল-টাইম অপারেশন। এম্বেডেড সিস্টেম সাধারণত নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য তৈরি হয় এবং সেই কাজটি সঠিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করাই এর মূল লক্ষ্য। এখানে প্রতিক্রিয়ার সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সামান্য দেরি হলে পুরো সিস্টেম ব্যর্থ হতে পারে, যেমন ওয়াশিং মেশিন, ট্রাফিক সিগন্যাল, মেডিকেল ডিভাইস বা গাড়ির ব্রেকিং সিস্টেমে। এসব সিস্টেমে উচ্চ মানের গ্রাফিক্স, পূর্ণ কীবোর্ড বা জটিল ইউজার ইন্টারফেসের প্রয়োজন হয় না। বরং নির্ভুলতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং সময়ানুবর্তিতাই এম্বেডেড সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

​উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৭৬২.
কোন সালে '@' কে ই-মেইল ঠিকানায় ব্যবহারের জন্য বেছে নেয়া হয়?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৬
  3. ১৯৮০
  4. ১৯৮৪
ব্যাখ্যা
[Ray Tomlinson ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হোন এবং ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, সেহেতু ১৯৭১ সালে '@' কে ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহারের জন্য বেছে নেয়া হয়। কিন্তু অপশনে ১৯৭১ না থাকায় কাছাকাছি এবং সর্বোত্তম উত্তর হিসেবে ১৯৭২ সাল উত্তর নেয়া হয়েছে।]

• E-mail:
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই।
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন। তাই তাকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে।
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে।
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬৩.
Precision Agriculture এ সাধারণত নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. ইনফ্রা রেড ইমেজিং
  2.  আই.ও.টি (IoT), সেন্সর
  3. তার মাধ্যম সম্পন্ন নেটওয়ার্ক 
  4. ও.এল.ই.ডি (OLED) ডিসপ্লে
ব্যাখ্যা

• Precision Agriculture হল এমন একটি আধুনিক কৃষি পদ্ধতি যা ফসলের উৎপাদন, জমির স্বাস্থ্য এবং কৃষি সম্পদ কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনা করার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই ক্ষেত্রে ইনফ্রা রেড ইমেজিং, IoT ও সেন্সর এবং তার মাধ্যমে সম্পন্ন নেটওয়ার্ক মূল ভূমিকা রাখে। ইনফ্রা রেড ইমেজিং-এর মাধ্যমে ফসলের জল, পুষ্টি এবং রোগের অবস্থা নির্ণয় করা যায়। IoT ডিভাইস এবং সেন্সর জমির আর্দ্রতা, তাপমাত্রা ও অন্যান্য পরিবেশগত তথ্য সংগ্রহ করে। এই তথ্যগুলি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে রিয়েল-টাইম ডেটা প্রদান করে, যা কৃষককে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। অন্যদিকে OLED ডিসপ্লে সরাসরি Precision Agriculture-এ ব্যবহৃত হয় না।
- তবে, সঠিক উত্তর হিসেবে -  [আই.ও.টি (IoT), সেন্সর] নেয়া হয়েছে। 

- মাঠে স্থাপিত সেন্সরগুলো মাটি, পানি, আর্দ্রতা, তাপমাত্রা, এবং পুষ্টি উপাদানের তথ্য সংগ্রহ করে। এই ডেটা রিয়েল-টাইমে কৃষকদের কাছে পৌঁছে এবং তারা সেই অনুযায়ী সেচ, সার প্রয়োগ বা অন্যান্য ব্যবস্থা নিতে পারে। ফলে উৎপাদন বাড়ে, পরিবেশ দূষণ কমে এবং খরচ সাশ্রয় হয়। Precision Agriculture-এ শুধু সেন্সর নয়, IoT-এর মাধ্যমে এই ডেটা সংযুক্ত থাকে, যা স্বয়ংক্রিয় এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।

উত্তর: খ) IoT, সেন্সর।
 
• অপশন আলোচনা:
ক) ইনফ্রা রেড ইমেজিং: মাটি ও ফসলের স্বাস্থ্য ও আর্দ্রতা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত।
খ) আই.ও.টি (IoT), সেন্সর: মাটির আর্দ্রতা, তাপমাত্রা, পুষ্টি পরিমাপের জন্য প্রধান প্রযুক্তি। (সঠিক উত্তর)। 
গ) তার মাধ্যম সম্পন্ন নেটওয়ার্ক: সেন্সর ও ডিভাইসগুলোর ডেটা সংযোগ ও ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত।
ঘ) ও.এল.ই.ডি (OLED) ডিসপ্লে: মূলত ডিসপ্লে বা প্রদর্শনের জন্য, কৃষি প্রযুক্তিতে সরাসরি প্রয়োগ কম।

• ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- এটি ইন্টারনেটের সাথে শারীরিক ডিভাইস এবং দৈনন্দিন বস্তুকে সংযুক্ত করার ধারণাকে বোঝায়, তাদের ডেটা সংগ্রহ এবং বিনিময় করার অনুমতি দেয়।
- এই সংযুক্ত ডিভাইসগুলি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট এবং রেফ্রিজারেটরের মতো গৃহস্থালীর যন্ত্রপাতি থেকে শুরু করে শিল্প মেশিন, পরিধানযোগ্য এবং যানবাহন পর্যন্ত হতে পারে।
- IoT-এর প্রাথমিক লক্ষ্য হল এই ডিভাইসগুলিকে একে অপরের সাথে এবং কেন্দ্রীভূত সিস্টেম বা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করা।

• IoT এর উদাহরণ:
- স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট লাইট, স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট)।
- ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার)।
- শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি (Industrial IoT)।

উৎস:
- UNDP [link]
- digi [link]
- Britannica [link]

৭৬৪.
Which was the first smartphone developed by IBM?
  1. iPhone
  2. Simon
  3. Galaxy
  4. BlackBerry
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Simon

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৬৫.
নিচের কোনটি পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল?
  1. শুধু একটি সাইটে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
  2. কেবল ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার করা
  3. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
  4. সহজ এবং সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা
অনলাইন পরিচিতি ও নিরাপত্তা: 
- একজন ব্যক্তির অনলাইন পরিচিতি নিম্নোক্ত পরিচয় জ্ঞাপকের যেকোনো একটি বা তাদের সমন্বিত হতে পারে। 
(ক) ই-মেইল ঠিকানা এবং 
(খ) সামাজিক যোগাযোগের সাইটে তার প্রোফাইলের নাম। 
- ই-মেইল কিংবা ফেসবুকে নিজের একাউন্ট যেন অন্যে ব্যবহার করতে না পারে সেজন্য সতর্ক থাকা প্রয়োজন। 
- এক্ষেত্রে প্রত্যেক সাইটে ঢোকার ক্ষেত্রে যে পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হয়, সেটির গোপনীয়তা রক্ষা করাও জরুরি। 

- পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করার জন্য কয়েকটি টিপস বা কৌশল দেওয়া হলো- 
(১) সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা। প্রয়োজনে এমনকি কোনো প্রিয় বাক্যও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে 123456, abcdef, qwerty, asdfghjkl, password ইত্যাদি পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। 
(২) বিভিন্ন ধরনের বর্ণ ব্যবহার করা অর্থাৎ কেবল ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার না করে বড় হাতের এবং ছোট হাতের বর্ণ ব্যবহার করা। 
(৩) শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা অর্থাৎ শব্দ, বাক্য, সংখ্যা এবং প্রতীক সমন্বয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করা। যেমন- Z26a1$alr18a1@gmail.com । 
(৪) বেশির ভাগ অনলাইন সাইটে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাইয়ের সুযোগ থাকে। নিয়মিত সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাই করা এবং শক্তিমত্তা কম হলে তা বাড়িয়ে নেওয়া। 
(৫) অনেকেই সাইবার ক্যাফে, ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র ইত্যাদিতে অনলাইন ব্যবহার করে থাকেন, এরূপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আসন ত্যাগের পূর্বে সংশ্লিষ্ট সাইট থেকে লগ আউট করা। 
(৬) অনেকেই পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করেন। যেমন- lastpass, keepass ইত্যাদি এগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে। 
(৭) নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের অভ্যাস গড়ে তোলা। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৭৬৬.
মারশেল ম্যাকলুহানের বিশ্বগ্রামের ধারণা অনুযায়ী, "ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি" বলতে মূলত কী বুঝানো হয়েছে?
  1. মোবাইল ফোন
  2. ইন্টারনেট
  3. রেডিও
  4. টেলিভিশন
ব্যাখ্যা
• বিশ্বগ্রাম(Global Village):
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে এক দেশে বসে অন্য দেশে প্রতিবেশির মতো তথ্য বিনিময় করতে পারার প্রক্রিয়াটিই মূলত বিশ্বগ্রামের ধারণা।
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মারশেল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বৈশ্বিক গ্রাম কথাটি ব্যবহার করেন।
- মারশেল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম ১৯৬২ সালে তার রচিত ‘The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic' গ্রন্থে বিশ্বগ্রামের ধারণা দেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে 'Understanding Media' গ্রন্থে বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেন।
- তাঁর মতে, "ইলেক্‌ট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা বিশ্বকে একটি গ্রামে পরিণত করাই হল বিশ্বগ্রাম। যার মাধ্যমে খুব সহজেই পৃথিবীর যে কোন প্রান্তের মানুষের সাথে মুহূর্তের মধ্যে যোগাযোগ করা সম্ভব।" এখানে ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি বলতে ইন্টারনেটকে বুঝানো হয়েছে।
- সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জাতিগোষ্ঠীকে একটি ছাতার নিচে নিয়ে আসা হলো গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম।

• বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ:
- হার্ডওয়্যার (Hardware),
- সফট্ওয়্যার (Software),
- নেটওয়ার্ক সংযুক্ততা বা কানেকটিভিটি (Connectivity),
- ডেটা (Data) এবং
- মানুষের সক্ষমতা (Capacity)।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৭৬৭.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে “হ্যাপটিক ফিডব্যাক” কীভাবে কাজ করে?
  1. ওয়্যারলেস কানেক্টিভিটি
  2. চোখের গতিবিধি শনাক্তকরণ প্রযুক্তি
  3. হাই-রেজোলিউশন গ্রাফিক্স
  4. শারীরিক স্পর্শ বা কম্পন
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে (VR) “হ্যাপটিক ফিডব্যাক” মূলত ব্যবহারকারীর শারীরিক স্পর্শ বা কম্পন অনুভূতির মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতার অনুকরণ করে। যখন ব্যবহারকারী ভার্চুয়াল পরিবেশে কোনো অবজেক্ট স্পর্শ বা ধাক্কা অনুভব করে, তখন হ্যাপটিক ডিভাইস যেমন হ্যান্ডসেট, হ্যান্ডগ্লোভ বা বডি সুট নির্দিষ্ট কম্পন, চাপ বা টেক্সচার প্রকাশ করে। এটি সরাসরি ব্যবহারকারীর সেন্সরিতে প্রেরণ করা সংকেতের মাধ্যমে সম্ভব হয়, ফলে মস্তিষ্ক বাস্তবের মতো স্পর্শ বা প্রতিক্রিয়া অনুভব করে। হ্যাপটিক ফিডব্যাক ওয়্যারলেস সংযোগ, চোখের ট্র্যাকিং বা গ্রাফিক্সের রেজোলিউশন নয়, বরং সরাসরি শারীরিক স্পর্শের মাধ্যমে কাজ করে, যা VR অভিজ্ঞতাকে আরও ইমারসিভ এবং বাস্তবসম্মত করে তোলে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) শারীরিক স্পর্শ বা কম্পন।
 
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬৮.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক কে?
  1. ক) মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. খ) জন ম্যাকার্থি
  3. গ) বিল গেটস
  4. ঘ) স্টিভ জবস
  5. ঙ) নিউটন
ব্যাখ্যা
জন ম্যাকার্থিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৭৬৯.
Which of the following companies has developed the AI chatbot “Grok”?
  1. OpenAI
  2. xAI
  3. Google DeepMind
  4. Anthropic
ব্যাখ্যা

ইলন মাস্কের (Elon Musk) প্রতিষ্ঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা সংস্থা xAI তাদের বৃহৎ ভাষা মডেল (LLM) ভিত্তিক চ্যাটবট "Grok" তৈরি করেছে।

• xAI:
- xAI হলো একটি আমেরিকান আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোম্পানি, যা ২০২৩ সালের জুলাই মাসে Elon Musk কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কোম্পানির মূল লক্ষ্য: “Understand the true nature of the universe” এবং মানবজাতির বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারকে ত্বরান্বিত করা।

• Grok:
- ২০২৩ সালের ৪ নভেম্বর xAI প্রথমবারের মতো Grok চ্যাটবট প্রকাশ করে।
- Grok সরাসরি X (পূর্বের Twitter) প্ল্যাটফর্মের সাথে ইন্টিগ্রেটেড এবং রিয়েল-টাইম তথ্য ব্যবহার করতে পারে।
- "Grok" নামটি রবার্ট এ. হেইনলাইন (Robert A. Heinlein)-এর বিখ্যাত বিজ্ঞান কল্পকাহিনী 'Stranger in a Strange Land' থেকে নেওয়া হয়েছে, যার অর্থ হলো কোনো কিছুকে গভীরভাবে এবং স্বজ্ঞামূলকভাবে বোঝা।

• অন্যান্য অপশন:
- OpenAI: ChatGPT এবং GPT series মডেল তৈরি করেছে।
- Google DeepMind: Gemini (পূর্বে Bard) AI মডেল তৈরি করেছে।
- Anthropic: Claude AI মডেল তৈরি করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৭০.
বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন কোনটি?
  1. iPhone
  2. Blackberry
  3. Nokia Communicator
  4. IBM Simon
ব্যাখ্যা

বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন হলো IBM Simon.
- IBM বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যার নাম ছিল IBM Simon.
- এটি ১৯৯৪ সালে মার্কেটে নিয়ে আসা হয়।
- স্মার্টফোনে একটি টাচস্ক্রিন, ইমেইল ক্ষমতা, ক্যালকুলেটর এবং স্কেচ প্যাডসহ কয়েকটি অন্তর্নির্মিত অ্যাপ ছিল। এর কোড-নাম ছিল "অ্যাঙ্গলার"।
- ব্যাটারি একবার চার্জ করলে মাত্র ১ ঘণ্টা ব্যবহার করা যেত।
- ডিভাইসটি প্রথম ছয় মাসে কেবলমাত্র ৫০,০০০ ইউনিট বিক্রি করেছিল।
- এটিতেই প্রথম কল করার পাশাপাশি টাচ স্ক্রিন, ইমেইল আদান-প্রদান, ক্যালেন্ডার ইত্যাদি সুবিধা ছিলো।

•IBM Simon এর কিছু সীমাবদ্ধতা:
- ধীর গতির নেটওয়ার্ক
- খুবই ওজন ছিলো এবং সহজে বহনযোগ্য ছিলো না।
- কেবলমাত্র কয়েকটি অ্যাপ ব্যবহার করা যেতো।
- ব্যাটারি সময় খুবই স্বল্প, মাত্র ১ ঘণ্টা ছিলো।

উৎস: ব্রিটানিকা

৭৭১.
RISC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Reduced Instruction Set Computing 
  2. Random Instruction Set Computing
  3. Rapid Instruction System Control
  4. Read Instruction Set Command
ব্যাখ্যা

• RISC-এর পূর্ণরূপ হলো Reduced Instruction Set Computing. এটি একটি কম্পিউটার আর্কিটেকচার নীতি, যা কমান্ড বা ইনস্ট্রাকশনগুলিকে সহজ এবং সীমিত রাখে। RISC প্রক্রিয়াকরণে প্রতিটি নির্দেশ সাধারণত একক ক্লক সাইকেলে সম্পন্ন হয়, ফলে প্রসেসর দ্রুত এবং কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে। এই নীতি বড় ও জটিল ইনস্ট্রাকশন সেটের চেয়ে হালকা এবং দ্রুত অপারেশন প্রদান করে। কম কমপ্লেক্স ইনস্ট্রাকশন থাকার কারণে হার্ডওয়্যার ডিজাইন সহজ হয় এবং পাইপলাইনের মাধ্যমে একাধিক নির্দেশ একসাথে কার্যকর করা যায়। ফলে RISC প্রসেসর উচ্চ পারফরম্যান্স, কম শক্তি খরচ এবং দ্রুত প্রসেসিং নিশ্চিত করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) Reduced Instruction Set Computing.

• RISC (Reduced Instruction Set Computer):
- RISC হলো এমন এক মাইক্রোপ্রসেসর আর্কিটেকচার যা simplicity এবং গতির ওপর জোর দেয়। এর মূল ধারণা হলো, কম এবং সরল ইনস্ট্রাকশন সেট ব্যবহার করে প্রোগ্রামের কার্যসম্পাদনকে দ্রুততর করা।
- RISC প্রসেসরগুলো দ্রুত এবং দক্ষ, কারণ এগুলো কমপ্লেক্স ইনস্ট্রাকশনকে ছোট ছোট সহজ ইনস্ট্রাকশনে ভেঙে কার্যকর করে।
- আধুনিক মোবাইল প্রসেসরগুলো (যেমন ARM architecture) মূলত RISC ভিত্তিক।
- RISC আর্কিটেকচার কম শক্তি খরচ করে, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারে এবং ব্যাটারি-চালিত ডিভাইসের (যেমন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট) জন্য আদর্শ।

উৎস:
1. Arm.com Website. [Link]
2. Encyclopedia Britannica. [Link]

৭৭২.
নিচের কোনটি ইমেইলের ফাইল এক্সটেনশন নয়?
  1. .html
  2. .eml
  3. .msg
  4. .pst
ব্যাখ্যা
• .html ইমেইলের ফাইল এক্সটেনশন নয়।
- html এর পূর্ণরূপ Hyper Text Markup Language.
- html মূলত ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েবপেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরম্যাট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।

• ইমেইল ফাইল এক্সটেনশনমূহ-
.email – Outlook Express e-mail message file.
.eml – E-mail message file from multiple e-mail clients, including Gmail.
.emlx – Apple Mail e-mail file.
.msg – Microsoft Outlook e-mail message file.

.oft – Microsoft Outlook e-mail template file.
.ost – Microsoft Outlook offline e-mail storage file.
.pst – Microsoft Outlook e-mail storage file.
.vcf – E-mail contact file (vCard format).

.ics – E-mail calendar file (used for event invitations).
.mht – MHTML email file (web page archive format often used in email).
.mhtml – MHTML (Mime HTML) email file format.
.mbox – A file format used by various email clients, including Thunderbird and Apple Mail, to store email messages.

.rfc822 – E-mail message file (standard format for e-mails as per RFC 822).
.imap – Internet Message Access Protocol file (used for email access and management).
.pop3 – Post Office Protocol 3 (used for retrieving emails from a mail server).
.p7m – Signed and/or encrypted email (typically used with S/MIME).

.zip – Compressed archive often used to send multiple files via email.
.qfx – Quicken Financial Exchange file (used for sending financial data via email).
.dat – Email attachments that can contain different types of data, often used in obscure email systems.
.vcf – Virtual Contact File (a format used to share contacts via email).

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computer Hope Website.
৭৭৩.
What is the full form of ATM?
  1. Automated Teller Machine
  2. Automatic Transaction Machine
  3. Automated Transfer Machine
  4. Automatic Teller Mechanism
ব্যাখ্যা
The full form of ATM is Automated Teller Machine.

• Automated Teller Machine:

- অটোমেটেড টেলার মেশিনকে সংক্ষেপে ATM বলা হয়।
- ATM হচ্ছে ব্যাংকিং আর্থিক লেনদেন করার জন্য একটি বিশেষ ইলেকট্রনিক টেলিযোগাযোগ ডিভাইস, যা কোনো ব্যাংক টেলার বা ক্লার্ক ছাড়াই কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক) - এর গ্রাহকদের নগদ টাকা তোলার কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম।
- এ যন্ত্রের সাহায্যে বৈদ্যুতিক চুম্বক ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহক টাকা উত্তোলন করতে পারে।
- এই সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় মেশিনটি যেখানে স্থাপন করা হয়, তাকে ATM বুথ বলে এবং গ্রাহককে এখান থেকে টাকা উত্তোলন করার জন্য যে বিশেষ কার্ডটি প্রয়োজন তাকেই ATM কার্ড বলে।
- এই কার্ড ব্যবহার করে যে কোনো (24/7) সময় নিরাপদে টাকা উত্তোলন করা যায়।
- ATM বুথ থেকে কার্ড দিয়ে টাকা উত্তোলন করার সময় একটি গোপনীয় পিন কোডের প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৭৭৪.
ভার্চুয়াল রিয়ালিটিতে কী ধরনের ইমেজ তৈরি হয়?
  1. এক-মাত্রিক
  2. দ্বি-মাত্রিক
  3. ত্রি-মাত্রিক
  4. বহুমাত্রিক
ব্যাখ্যা
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ। 
অর্থাৎ প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে। 
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্তিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়। 
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও সম্ভবপর হয়। 
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথাইয় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HDM), হাতে একটি ডাটা গ্লোভ (Data Glove) বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit) পড়তে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৭৫.
ই-মেইলে @ এর পরের অংশটি কী নির্দেশ করে? 
  1. হোস্ট
  2. প্রোটকল
  3. ডোমেইন নেইম
  4. ইউজার আইডি
ব্যাখ্যা
ই-মেইল: 
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন। 
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। 
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়। 
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত। 
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম। 
- ই-মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৭৭৬.
ওয়েব পেজে তথ্য কোন ফাইলে লিখে সার্ভারে রাখা হয়?
  1. HTTP
  2. WWW
  3. URL
  4. HTML
ব্যাখ্যা
যে সমস্ত তথ্যাবলী Hyper Text Markup Language (HTML) ফাইলে লিখে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দেখার জন্য সার্ভারে রাখা হয় তাকে ওয়েব পেজ বলে। শত সহস্র ওয়েব পেজ নিয়ে ওয়েব গঠিত।
৭৭৭.
In the context of blockchain, what is a "block"?
  1. A single data entry in a database
  2. A group of transactions bundled together and added to the blockchain ledger
  3. A type of encryption key used in blockchain
  4. A software used for creating decentralized applications
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (খ) A group of transactions bundled together and added to the blockchain ledger.
• ব্লকচেইন প্রযুক্তিতে একটি ব্লক হলো ডিজিটাল তথ্যের একটি নির্দিষ্ট কন্টেইনার বা ভাণ্ডার। যখন নেটওয়ার্কে অনেকগুলো লেনদেন বা ডেটা আদান-প্রদান ঘটে, তখন সেগুলোকে একটি বান্ডেল বা গ্রুপ হিসেবে একত্রিত করা হয়, যা একটি ব্লক গঠন করে। প্রতিটি ব্লকে মূলত তিনটি প্রধান অংশ থাকে: তথ্য (Data), ব্লকের নিজস্ব পরিচিতি সংকেত (Hash), এবং তার ঠিক আগের ব্লকের পরিচিতি সংকেত (Previous Hash)। একবার একটি ব্লক পূর্ণ হয়ে মূল লেজারে যুক্ত হলে সেটি স্থায়ী হয়ে যায় এবং একটি চেইন তৈরি করে।

ব্লকচেইন:
- এই সিস্টেমে প্রতিটি ব্লক এক একটি একাউন্ট যার প্রতিটি লেনদেন ব্যবস্থাপনা চেইন আকারে পরিচালিত হয়।
- প্রত্যেকটি ব্লক হ্যাশিং (Hashing) এর মাধ্যমে উচ্চ মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যার ফলে কেউই এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- এটি তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে তথ্য বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি সাধারণ Block এ ৩টি অংশ থাকে। যথা-
১. A hash pointer to the previous block,
২. Timestamp এবং
৩. List of transactions.
- একমাত্র জেনেসিস ব্লক ছাড়া সব ব্লকেই A hash pointer to the previous block থাকে।
- ব্লকচেইনের প্রথম ব্লকটিকে জেনেসিস ব্লক বলা হয় এবং এটি 2009 সালে তৈরি করা হয়েছিল।

Blockchain-এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- Decentralization – নিয়ন্ত্রণ ছড়িয়ে থাকে নেটওয়ার্কের অংশগ্রহণকারীদের মাঝে।
- Transparency – সবাই লেনদেন যাচাই করতে পারে।
- Security – Cryptographic hashing ব্যবহৃত হয়।
- Immutability – একবার যুক্ত হলে ব্লক পরিবর্তন করা যায় না।

উৎস: Unlocking Digital Cryptocurrencies 1st Edition by Andreas M. Antonopoulos. [Chapter 7. The Blockchain]
২। আইবিএম ওয়েবসাইট। [link]

৭৭৮.
নিচের কোন ক্ষেত্রে RFID ব্যবহার করা হয়? 
  1. স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়
  2. সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিং
  3. স্টক ম্যানেজমেন্ট
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• RFID:
- RFID প্রযুক্তি ১৯৭০ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হয়।
- এর পূর্ণরূপ: Radio Frequency Identification.
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তি।
- যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে বস্তু বা ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে।
- ২০ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত দূরত্ব বস্তু চিহ্নিত করা যায়।

প্রযুক্তির উপাদান:
- ট্যাগ (Tag): ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণকারী চিপ ও অ্যান্টেনা।
- রিডার (Reader): ট্যাগ থেকে তথ্য পড়ে ডাটাবেসে প্রেরণকারী ডিভাইস।

• কার্যপ্রণালী:
- রিডার রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে।
- ট্যাগ সেই তরঙ্গ গ্রহণ করে তথ্য প্রেরণ করে।
- রিডার প্রাপ্ত তথ্য ডাটাবেসে আপডেট করে।

• ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ির চাবি ও নিরাপত্তা প্রবেশ কার্ড: অ্যাক্সেস কন্ট্রোল।
- সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিং।
- স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা।
- স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়।
- স্টক ম্যানেজমেন্ট,
- পশুদের পরিচয় নিশ্চিতকরণ।

• নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা:
- RFID কার্ডে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষিত থাকে না।
- শুধু একটি নম্বর থাকে, যা নিরাপদ ডাটাবেসে সংরক্ষিত তথ্যের দিকে নির্দেশ করে।
- তথ্য এনক্রিপশন ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ: NEXUS, SENTRI, FAST.
- ১৯৯৫ সাল থেকে সীমান্তে যাত্রীদের দ্রুত প্রবেশের জন্য ভিসিনিটি RFID প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে।

উৎস: US Homeland Security and Britannica. [Link] 

৭৭৯.
দোকানে পেমেন্ট করার সময় গুগল পে কীভাবে টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. Bluetooth এর মাধ্যমে
  2. SMS এর মাধ্যমে
  3. NFC এর মাধ্যমে
  4. MMS এর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• দোকানে পেমেন্ট করার সময় গুগল পে সাধারণত NFC (Near Field Communication) প্রযুক্তির মাধ্যমে টার্মিনালের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে। ব্যবহারকারী যখন তার স্মার্টফোনটি পয়েন্ট-অফ-সেল (POS) টার্মিনালের কাছে রাখে, NFC চিপের মাধ্যমে ফোন এবং টার্মিনালের মধ্যে ছোট দূরত্বে ওয়্যারলেসভাবে ডেটা আদান-প্রদান হয়। এই প্রক্রিয়ায় কার্ডের তথ্য সরাসরি শেয়ার করা হয় না; বরং গুগল পে একটি টোকেনাইজড পেমেন্ট কোড ব্যবহার করে, যা নিরাপদ ও এনক্রিপ্টেড। ফলে লেনদেন দ্রুত, সুবিধাজনক এবং নিরাপদ হয়। Bluetooth বা SMS সাধারণত পেমেন্ট সংযোগের জন্য ব্যবহার করা হয় না। তাই NFC হলো গুগল পে-এর প্রধান সংযোগ মাধ্যম।

• বাংলাদেশে গুগল পে:
- বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে 'গুগল পে' সেবা চালু হয়েছে ২৪ জুন, ২০২৫।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর (নভেম্বর, ২০২৫) এ সেবার উদ্বোধন করেন।
- গুগল, মাস্টারকার্ড ও ভিসার সহযোগিতায় সিটি ব্যাংক পিএলসি এই ডিজিটাল লেনদেন সেবা চালু করেছে।
- গুগল পে-এর এ সুবিধা আপাতত কেবল সিটি ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও ভবিষ্যতে অন্যান্য ব্যাংকও এই সেবায় যুক্ত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই। (তথ্য: নভেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত)
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের পূর্ব নাম হল ব্যাকরাব।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. tbsnews [link]

৭৮০.
Robot শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. গ্রিক
  2. ল্যাটিন
  3. স্লাভিক
  4. রোমান
ব্যাখ্যা
• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭৮১.
ই-মেইল প্রেরণে আউটগোয়িং প্রোটোকল—
  1. POP3
  2. IMAP
  3. SMTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা

SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) ই-মেইল প্রেরণের জন্য (Send/Outgoing) ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।

৭৮২.
অত্যাধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে রোগাক্রান্ত টিস্যুকে ধ্বংস করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. হোমোসার্জারি
  2. ক্রোমোসার্জারি
  3. বায়োসার্জারি
  4. ক্রায়োসার্জারি
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮৩.
Blockchain ensures data security mainly through the use of—
  1. Passwords only
  2. Cryptography
  3. Firewalls
  4. Antivirus software
ব্যাখ্যা

• ব্লকচেইনে ডাটা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় মূলত Cryptography ব্যবহারের মাধ্যমে।

Cryptography:
- Cryptography হলো ডাটা এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার একটি নিরাপদ পদ্ধতি।
- এর মাধ্যমে ডাটা এমনভাবে রূপান্তর করা হয়, যাতে অননুমোদিত কেউ সহজে তা পড়তে বা পরিবর্তন করতে না পারে।

• ব্লকচেইনে Cryptography-এর ভূমিকা:
- প্রতিটি ব্লক আগের ব্লকের সাথে cryptographic hash–এর মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
- কোনো ব্লকের ডাটা পরিবর্তন করলে তার hash পরিবর্তিত হয়, ফলে পুরো চেইনের সাথে অসামঞ্জস্য সৃষ্টি হয়।
- এজন্য ব্লকচেইনে সংরক্ষিত ডাটা পরিবর্তন বা জাল করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

• নিরাপত্তা ও অপরিবর্তনীয়তার সম্পর্ক:
- Cryptography ব্লকচেইনের Security এবং Immutability—এই দুইটি মূল বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে।
- নেটওয়ার্কের একাধিক নোড একই ডাটা যাচাই করায় নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Passwords সাধারণত একক সিস্টেমে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।
- Firewalls নেটওয়ার্কে অননুমোদিত প্রবেশ প্রতিরোধ করে।
- Antivirus software ক্ষতিকর প্রোগ্রাম শনাক্ত ও অপসারণে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: World Economic Forum, IBM & Encyclopaedia Britannica [Link].

৭৮৪.
একটি ই-মেইল সিস্টেমে কত ধরনের প্রাপক থাকে?
  1. ১ ধরনের
  2. ২ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৪ ধরনের
ব্যাখ্যা
ই-মেইলে তিনটি প্রাপক ক্ষেত্র রয়েছে। যথা- To, CC এবং BCC.

• To
- এখানে যার কাছে মেইল পাঠানো হবে তার মেইল এড্রেস লিখতে হয়।
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়।

• CC (Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তাহলে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা সকল গ্রাহক দেখতে পারে। 

• BCC (Blind Carbon Copy)
- একাধিক এড্রেসে মেইল পাঠাতে হলে কমা(,) দিয়ে একাধিক এড্রেস লিখতে হয়, তবে এক্ষেত্রে মেইলটি কাদেরকে পাঠানো হয়েছে তা গ্রাহকের কাছে প্রদর্শিত হয় না।  

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, computerhope.
৭৮৫.
কোনো প্রোগ্রামে করা ফাইলকে ই-মেইলে পাঠানোর কাজটি ই-মেইলের কোন অংশে সংঘটিত হয়?
  1. CC
  2. BCC
  3. Subject
  4. Attach
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল কম্পোজ উইন্ডোর বিভিন্ন অংশ:
To:
- এখানে যার কাছে ই-মেইল পাঠানো হবে তার ই-মেইল ঠিকানা লিখতে হয়।
- তবে একই মেইল একাধিক ঠিকানা পাঠাতে হলে প্রতিটি ঠিকানা কমা (,) দিয়ে আলাদা করে লিখতে হবে।

From:
- এখানে প্রেরকের ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসবে।
- তবে কনফিগারেশনের সময় যে ঠিকানাটি দেওয়া হবে সেটিই আসবে।

CC:
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy
- একই মেসেজ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাঠাতে চাইলে এখানে তাদের ঠিকানা কমা দিয়ে আলাদা আলাদা করে টাইপ করতে হবে।
- তাহলে গ্রাহক তার মেইলটি গ্রহণ করার পর এখানে প্রদর্শিত ঠিকানাসমূহ দেখে জানতে পারবে একই মেইল আর কার কার কাছে পাঠানো হয়েছে।
 
BCC:
- BCC এর পূর্ণরূপ Blind Carbon Copy
- একই মেসেজ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাঠাতে চাইলে এখানে তাদের ঠিকানা কমা দিয়ে আলাদা আলাদা করে টাইপ করতে হবে।
- CC এর মতো প্রাপকের নিকট এখানে ঠিকানাসমূহ প্রদর্শিত হবে না ফলে প্রাপক জানতে পারবে না একই মেইল আর কার কার কাছে পাঠানো হয়েছে।

Subject:
- Subject হলো ই-মেইলের বিষয়।
- গ্রাহক যাতে সহজেই বুঝতে পারে সেজন্য ই-মেইলের সাথে সম্পর্কিত কোনো বিষয় এখানে লেখা হয়।

Attach:
- সাধারণভাবে ই-মেইল করে নরমাল টেক্সট পাঠানো যায়।
- ই-মেইলের এটাচ কমান্ড ব্যবহার করে অন্য কোনো প্রোগ্রামে করা ফাইলকে ই-মেইলের সাথে অ্যাটাচ করে পাঠানো যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮৬.
কোনো ইমেইল পাঠাতে হলে কোনটি অবশ্যই লিখতে হয়?
  1. প্রাপকের ইমেইল ঠিকানা
  2. তারিখ
  3. সময়
  4. বিষয়
ব্যাখ্যা
কোনো ই-মেইল পাঠাতে হলে অবশ্যই প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা লিখতে হয়।
যদি ঠিকানা না লিখা হয় তাহলে ই-মেইল যাবে না।
৭৮৭.
কোন ইমেইল ক্লায়েন্টটি বিনামূল্যে সেবা প্রদান করে থাকে?
  1. জিম্ব্রা (Zimbra)
  2. ইঙ্কি (Inky)
  3. পোস্টবক্স (Postbox)
  4. সিলফিড (Sylpheed)
ব্যাখ্যা


উৎস: মাধ্যমিক তথ্যপ্রযুক্তি বই (ভোকেশনাল)।
৭৮৮.
ই-লার্নিং বলতে কী বোঝায়?
  1. ইলেকট্রনিক লার্নিং
  2. ই-মেইল লার্নিং
  3. ইঞ্জিন লার্নিং
  4. ই-বুক লার্নিং
ব্যাখ্যা
• ই-লার্নিং:
- ই-লার্নিং বলতে বোঝায় Electronic Learning. 
- ই-লার্নিং (E-Learning) হলো একটি ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি, যেখানে ইন্টারনেট, কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন, মাল্টিমিডিয়া, এবং বিভিন্ন সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনলাইন বা অফলাইনে পাঠদান করা হয়। 

• ই-লার্নিং-এর বৈশিষ্ট্য:
- ডিজিটাল মাধ্যমে শিখন ও পঠন (ভিডিও, অ্যানিমেশন, স্লাইড, পিডিএফ)। 
- যেকোনো সময়ে ও যেকোনো স্থান থেকে শিক্ষা গ্রহণের সুবিধা। 
- পরস্পরনির্ভর কন্টেন্ট ও মূল্যায়ন পদ্ধতি। 
- অনলাইন কোর্স, ওয়েবিনার, ভার্চুয়াল ক্লাস ইত্যাদি। 
- ই-লার্নিংয়ে টেক্সট, ছবি, অডিও, ভিডিও, অ্যানিমেশন, এবং গেম ব্যবহার করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের শেখার অভিজ্ঞতাকে আকর্ষণীয় এবং কার্যকর করে তোলে।
- শিক্ষার্থীরা অনলাইন গ্রুপ, চ্যাটরুম ব্যবহার করে একে অপরের সঙ্গে শিখন অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৮৯.
বাংলাদেশে প্রথম এটিএম কার্ড চালু করে-
  1. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  2. আরব বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রথম এটিএম কার্ড চালু করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ১৯৯৯৩ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু হয় ডাচ বাংলা ব্যাংক লিঃ ২০১০ সালে।
৭৯০.
TensorFlow মূলত কী কাজে লাগে?
  1. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  2. মোবাইল অ্যাপ বানানো
  3. মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং
  4. ডাটাবেস পরিচালনা
ব্যাখ্যা

• TensorFlow হলো একটি ওপেন সোর্স লাইব্রেরি যা মূলত মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং মডেল তৈরি, প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োগে ব্যবহৃত হয়। এটি গুগল দ্বারা তৈরি এবং বিশেষভাবে নিউরাল নেটওয়ার্ক ভিত্তিক কমপ্লেক্স অ্যালগরিদমের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। TensorFlow ব্যবহার করে ছবি, টেক্সট বা ভয়েস ডেটা বিশ্লেষণ করা যায়, ভবিষ্যদ্বাণী করা যায় এবং অটোমেশন সিস্টেম তৈরি করা যায়। এর সাহায্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রজেক্ট যেমন চিত্র সনাক্তকরণ, ভাষা অনুবাদ, স্বয়ংক্রিয় ড্রাইভিং ইত্যাদি তৈরি করা সম্ভব। এটি CPU, GPU ও TPU-তে সমর্থন পায়, যা প্রশিক্ষণ ও হিসাব দ্রুততর করে। তাই TensorFlow মূলত মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উত্তর: গ) মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং।


• ডিপ লার্নিং: 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)।
- বর্তমান Reinforcement Learning গবেষণার মূল ভিত্তি হচ্ছে একটি যন্ত্রকে আলাদাভাবে কোনো কিছু শেখানো হবে না।
- মেশিনের সামনে উপস্থিত বিশাল পরিমাণ ডেটা থেকে একটি যন্ত্র নিজেই শিখে নেবে।
- মেশিন লার্নিংয়ের উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ড্রাইভারবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচল, আবহাওয়ার সফল ভবিষ্যৎবাণী ইত্যাদি।
- এছাড়াও বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যা, অটোমোবাইল, ফাইন্যান্স, সার্ভেইল্যান্স, সোশাল মিডিয়া, এন্টারটেনমেন্ট, শিক্ষা, স্পেস এক্সপ্লোরেশন, গেমিং, রোবটিক্স, কৃষি, ই- কমার্সসহ স্টক মার্কেটের শেয়ার লেনদেন, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধান, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।

৭৯১.
ই-মেইল ঠিকানায় কোন চিহ্ন অপরিহার্য?
  1. $
  2. &
  3. #
  4. @
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল ঠিকানায় যে চিহ্নটি অপরিহার্য তা হলো “@”। এটি ব্যবহারকারীর নাম এবং ই-মেইল সার্ভারের ডোমেইন অংশকে আলাদা করে। উদাহরণস্বরূপ, user@example.com ই-মেইলে user হলো ব্যবহারকারীর নাম এবং example.com হলো সার্ভারের ডোমেইন। অন্য চিহ্ন যেমন $, &, বা # ই-মেইল ঠিকানায় সাধারণভাবে ব্যবহার করা যায় না এবং এগুলো কোনো প্রয়োজনীয় বিভাজক নয়। @ ছাড়া ই-মেইল ঠিকানা কার্যকর হয় না, কারণ এটি ঠিকানাটিকে দুটি অংশে ভাগ করে সার্ভারকে জানায় কোন অ্যাকাউন্টে মেইলটি পাঠাতে হবে। তাই ই-মেইলে @ চিহ্নটি অপরিহার্য।
 
ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।

- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy.
- BCC এর পূর্ণরূপ Blind Carbon Copy.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭৯২.
ক্যান্সার চিকিৎসায় অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ও কার্যকর হচ্ছে -
  1. ক) Cryosurgery
  2. খ) Extirpative surgery
  3. গ) Transplantation surgery
  4. ঘ) Reconstructive surgery
ব্যাখ্যা
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- ক্রয়োসার্জারিকে একটি কার্যকর ও নিরাপদ চিকিৎসা বিবেচনা করা হয়।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে।

ক্রায়োসার্জারির সুবিধাসমূহ- 
- ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে সার্জারি থেকে কম ক্ষতিকর।
- সার্জারির কারণে ব্যাথা, রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য যে অসুবিধা হয়, ক্রয়োসার্জারিতে তা হয় না ।
- ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতিতে চিকিৎসা খরচ কম ।
- অন্য পদ্ধতির তুলনায় হাসপাতালে কম সময় থাকতে হয়। ক্রায়োসার্জারির অসুবিধাসমূহ
- দীর্ঘমেয়াদী ভালো ফলাফলের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা।
- মাইক্রোকপিক ক্যান্সার বিস্তার রোধে ব্যর্থ।
- কার্যকর কৌশলের বিষয়ে প্রশ্নবিদ্ধ।

সূত্র: ২২ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯৩.
শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ঠ্যের ভিত্তিতে বায়োমেট্রিক সনাক্তকরণ পদ্ধতি কোনটি?
  1. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
  2. ফেস রিকগনিশন
  3. ভয়েস রিকগনিশন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিঃ
১. ফিংগার প্রিন্ট 
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি 
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান
৪. ফেইস রিকোগনিশন
৫. ডিএনএ টেস্ট

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিঃ
১. ভয়েস রিকগনিশন 
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন 
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক 

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

 
৭৯৪.
ফোল্ডেবল স্মার্টফোনে ব্যবহৃত বিশেষ স্ক্রিন টেকনোলজি কোনটি?
  1. OLED
  2. AMOLED
  3. পলিমার ডিসপ্লে
  4. লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে
ব্যাখ্যা

ফোল্ডেবল স্মার্টফোনে সাধারণত পলিমার-ভিত্তিক নমনীয় ডিসপ্লে ব্যবহৃত হয়, যা ভাঁজ করা ও খোলা যায় কিন্তু স্ক্রিনের কার্যকারিতা নষ্ট হয় না।

স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- ১৯৯৩ সালে আইবিএম "Simon" নামে প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উল্লেখ্য, OLED ও AMOLED: যদিও তারা ফোল্ডেবল ডিসপ্লেতে ব্যবহৃত হয়, তবে পলিমার ভিত্তিক না হলে ভাঁজযোগ্যতা সম্ভব নয়।

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা।
২। Android Authority ওয়েবসাইট। 

৭৯৫.
OpenAI মূলত কী জন্য পরিচিত?
  1. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়ন
  2. অনলাইন শিক্ষা
  3. ক্লাউড স্টোরেজ সেবা
  4. সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম
ব্যাখ্যা

• OpenAI মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য পরিচিত। এটি একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা যান্ত্রিক শিক্ষণ, ভাষা মডেল, এবং স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের উন্নয়নে কাজ করে। OpenAI-এর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলো ChatGPT, যা মানুষের মতো ভাষায় কথা বলার এবং জটিল তথ্য বোঝার সক্ষমতা রাখে। প্রতিষ্ঠানটি কেবল মডেল তৈরি করে না, বরং এদের ব্যবহার নিরাপদ ও নৈতিকভাবে করার দিকে গুরুত্ব দেয়। অনলাইন শিক্ষা, ক্লাউড স্টোরেজ বা সামাজিক মিডিয়া সেবা সরাসরি OpenAI-এর প্রধান কাজ নয়। তাই প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ক) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়ন।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় কিছু স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য:
- কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ। 
- সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ। 
- সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা। 
- সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা। 
- নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন। 
- ভাষা বুঝার ক্ষমতা। 
-  অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা। 
- মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো। 
- পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা। 
- ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা। 
- জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা। 
- নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯৬.
নিম্নলিখিত কোন সেবা কৃষকদের ইক্ষু সরবরাহ ব্যবস্থাকে সহজ ও উন্নত করেছে? 
  1. ই-পর্চা
  2. ই-পুর্জি
  3. ই-বুক
  4. ই-স্বাস্থ্যসেবা
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দেশে অনেক নাগরিক সেবা খুব সহজে পাওয়া যায়। 
- এই গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- 
১। ই-পর্চা: 
- জমি-জমার বিভিন্ন রেকর্ড সংগ্রহের জন্য পূর্বে অনেক হয়রানি হতো, বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় ই-সেবা কেন্দ্র থেকে তা সহজে সংগ্রহ করা যায়। 
- এজন্য অনলাইনে আবেদন করে আবেদনকারী জমি-জমা সংক্রান্ত বিভিন্ন দলিল এর সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারে, এর ফলে জনগণ খুব সহজে সেবা পাচ্ছেন। 
- অন্যদিকে সেবা প্রদানের সময় তথ্যাদি ডিজিটালকৃত হয়ে যাচ্ছে ফলে ভবিষ্যতে তথ্য প্রাপ্তির পথ সহজ হচ্ছে। 

২। ই-বুক: 
- সকল পাঠ্যপুস্তক অনলাইনে সহজে প্রাপ্তির জন্য সরকারিভাবে একটি ই-বুক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে (www.ebook.gov.bd)। 
- এতে বিভিন্ন শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক ও সহায়ক পুস্তক রয়েছে। 

৩। ই-পুর্জি: 
চিনিকলের পুর্জি (ইক্ষু সরবরাহের অনুমতিপত্র) স্বয়ংক্রিয়করণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে মোবাইল ফোনে কৃষকরা তাদের পুর্জি পাচ্ছে। 
- ফলে এ সংক্রান্ত হয়রানির অবসান হওয়ার পাশাপাশি কৃষকও তাদের ইক্ষু সরবরাহ উন্নত করতে পেরেছেন। 

৪। ই-স্বাস্থ্যসেবা: 
- জনগণের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য দেশের অনেক স্থানে টেলিমিডিসিন সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। 
- এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালসমূহের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে মোবাইল ফোনে বা এসএমএসে অভিযোগ পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এর ফলে স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে। 

৫। টাকা স্থানান্তর: 
- পোস্টাল ক্যাশ কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং, ইলেক্ট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম ইত্যাদির মাধ্যমে বর্তমানে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অর্থ প্রেরণ সহজ ও দ্রুত হয়েছে। 
- এছাড়া ইন্টারনেট ও অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সহজে টাকা স্থানান্তরিত করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৭৯৭.
প্রশ্নবোধক (?) চিহ্নিত স্থানে কোনটি যথার্থ হবে?
  1. SMTP Protocol
  2. IMAP Protocol
  3. POP3 Protocol
  4. Both B & C
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল:
- E-mail-এর পুরো নাম হলো Electronic Mail।
- ইলেকট্রনিক উপায়ে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে ডিজিটাল মেসেজ বা বার্তা আদান-প্রদান করাকে ই-মেইল বলা হয়।
- ই-মেইল প্রেরণের জন্য সাধারণত একটি কম্পিউটার, মডেম, টেলিফোন লাইন, ইন্টারনেট সংযোগ এবং কিছু সফটওয়‍্যার প্রয়োজন হয়।
- রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসনকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।

- ই-মেইল করার পর বা প্রেরণের পর প্রাপক যোগাযোগে উপস্থিত না থাকলে মেইলটি প্রাপকের চৌম্বক ডিস্কে জমা থাকে।
- প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর একটি ই-মেইল ঠিকানা বা অ্যাড্রেস থাকে।
- একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে দুটি অংশ থাকে। প্রথম অংশটি হলো user identity আর দ্বিতীয় অংশটি হলো domain name.
- যেমন- dulal03@gmail.com. এখানে dulal03 হলো user identity আর gmail.com হলো domain name.
- ই-মেইল সুবিধা-প্রাপ্তির জন্য অথবা ই-মেইল আদান-প্রদানের জন্য যে সমস্ত সফটওয়‍্যার ব্যবহৃত হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- Microsoft explorer, Netscape, Eudoro, Mozilla Firefox, Google Chrome, Outlook Express ইত্যাদি।
- ফ্রি ই-মেইল অ্যাড্রেস তৈরি করার জন্য "gmail.com, yahoo.com, hotmail.com" প্রভৃতি ডোমেইন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯৮.
Internet of Things (IoT) বলতে কী বোঝায়?
  1. ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভৌত ডিভাইসগুলোর পারস্পরিক সংযোগ
  2. শুধু কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান
  3. কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিং ব্যবস্থা
  4. ডেটা সংরক্ষণের একটি প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• Internet of Things (IoT) হলো এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে বিভিন্ন ভৌত ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।

• Internet of Things (IoT):
- Internet of Things (IoT) এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে বিভিন্ন physical device ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে ডেটা সংগ্রহ ও বিনিময় করে।
- IoT ডিভাইসগুলোতে সাধারণত sensor, software এবং network connectivity থাকে।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিভাইসগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

• IoT Devices:
- IoT device হলো এমন ডিভাইস যা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হয়ে ডেটা সংগ্রহ এবং আদান-প্রদান করতে পারে।
- উদাহরণ: Smartwatch, Smart Thermostat, Smart Home Devices, Connected Cars।

• Sensors in IoT:
- Sensor হলো এমন একটি ডিভাইস যা পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- IoT ডিভাইস সাধারণত temperature, motion, light, humidity ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহের জন্য sensor ব্যবহার করে।

• Smart Home:
- Smart home হলো IoT প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি এমন একটি বাসস্থান যেখানে বিভিন্ন ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- উদাহরণ: Smart Lighting, Smart Security System, Smart Thermostat।

• Machine-to-Machine Communication (M2M):
- Machine-to-Machine (M2M) যোগাযোগ হলো এমন প্রযুক্তি যেখানে ডিভাইসগুলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই একে অপরের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- IoT প্রযুক্তিতে M2M গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

• IoT এর ব্যবহার ক্ষেত্র:
- Smart Home, Smart City, Healthcare Monitoring, Industrial Automation, Connected Vehicles ইত্যাদি ক্ষেত্রে IoT প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- শুধু কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান → এটি সাধারণ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যোগাযোগকে নির্দেশ করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিং ব্যবস্থা → এটি CPU বা প্রসেসিং সিস্টেমের সাথে সম্পর্কিত।
- ডেটা সংরক্ষণের প্রযুক্তি → এটি স্টোরেজ প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
- Encyclopaedia Britannica – Internet of Things;
- IBM IoT Guide;
- Cisco IoT Overview.

৭৯৯.
What is cryosurgery?
  1. Surgical removal of tumors.
  2. Laser surgery.
  3. Treatment using extreme cold.
  4. Radiation therapy.
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।


figure: Cryosurgery (liquid nitrogen or argon gas to destroy cancer cells) [image source: National Cancer Institute]

- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃৎ, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- মাইনাস ৪১ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজ করে।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০০.
মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কী বলে?
  1. রোবটিক্স
  2. বায়োইনফরমেটিক্স
  3. বায়োমেট্রিক্স
  4. আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কীভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কীভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।
- তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:

১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫। নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১০। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।