বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

দৈনন্দিন জীবনে তথ্য-প্রযুক্তি (ইমেইল, স্মার্টফোন ইত্যাদি)

মোট প্রশ্ন৯৭৪এই পাতা৭১প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

দৈনন্দিন জীবনে তথ্য-প্রযুক্তি (ইমেইল, স্মার্টফোন ইত্যাদি)

PrepBank · পাতা ১০ / ১০ · ৯০১৯৭১ / ৯৭৪

৯০১.
কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে দূর অবস্থান করেও মিটিং এ অংশগ্রহণ করা যায়?
  1. ক) ইমেইল
  2. খ) ইন্সটাগ্রাম
  3. গ) টেলিকনফারেন্সিং
  4. ঘ) ফেসবুক
ব্যাখ্যা
টেলিকনফারেন্স ব্যবহার করে দূর থেকেও মিটিং এ অংশগ্রহণ করা যায়। 

- টেলিফোন সংযোগ ব্যবহার করে কম্পিউটার অডিও মডেম ও ভিডিও যন্ত্রের সাহায্যে পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে কোন সভায় অংশগ্রহণ করার পদ্ধতিই হলো টেলিকনফারেন্সিং।

টেলিকনফারেন্সিং এর কয়েকটি সুবিধা হলো –
১. পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে মিটিং এ অংশগ্রহণ করা যায়।
২. বাসায় বসেও মিটিং করা যায়।
৩. পাবলিক কনফারেন্স সকলের জন্য উন্মুক্ত।
৪. ব্যবসা বাণিজ্যে বেশি ব্যবহৃত হয়।
৫. কোন জায়গায় যেয়ে মিটিং বা সভা করার ঝামেলা থাকে না।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৯০২.
WWW স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করে দেয়-
  1. ক) W3B
  2. খ) W3G
  3. গ) W3C
  4. ঘ) ARPANET
ব্যাখ্যা
The World Wide Web Consortium is the main international standards organization for the World Wide Web. It was founded by Tim Berners Lee.
Source: w3.org
৯০৩.
IPS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Instant Power Source
  2. Interrupted Power Supply
  3. Instant Power Supply
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আইপিএস
IPS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Instant Power Supply.
- এটি মূলত পাওয়ার স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- IPS বিদ্যুৎ সরবরাহের মেইন লাইন হতে পাওয়ার রিজার্ভ করে সঞ্চিত রাখে এবং বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে গেলে ব্যাকআপ প্রদান করে। এটি অনেকটা ইউপিএসের মতো। তবে UPS বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথে বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে পারে, সেখানে IPS 0.1 সেকেন্ড পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।
- UPS এর তুলনায় IPS বেশি সময় ব্যাকআপ দিয়ে থাকে।

ইউপিএস
UPS -এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Uninterrupted Power Supply.
- এটি এক ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে পারে।
- সাধারণত কোনো কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে কিছু সময় এর জন্য কম্পিউটারকে সচল রাখার জন্য কম্পিউটারে ইউপিএস (UPS) ব্যবহার করা হয়। 
- কম্পিউটার, প্রিন্টার, প্লটার, রেফ্রিজারেটর, টিভি ইত্যাদিতে UPS ব্যবহার করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০৪.
EFTS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Electronic Fund Transfer Service
  2. Electronic Fund Transfer System
  3. Electronic Finance Transaction Service
  4. Electronic Finance Transaction System
ব্যাখ্যা
ই-ব্যাংকিং: 
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকিং এর যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তাকে ই-ব্যাংকিং বা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বলে।
- ১৯৬১ সালে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রের ‘The National City Bank of New York’ ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে EFTS (Electronic Fund Transfer System) নামে।
- ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘Barclays bank’ প্রথম Cash Dispenser (CD) স্থাপন করে। 
- সুইডেন, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড প্রথম 'National Cash Dispenser Network' ব্যবহার শুরু করে।  
- জাপান ও আমেরিকা ১৯৬৯ সালে CD মেশিন ব্যবহার করা শুরু করে।
- Loyd’s Bank ১৯৭২ সালে প্রথম Cashpoint বসিয়ে আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহকগণ সাধারণ ব্যাংকিং এর পাশাপাশি ATM কার্ড, ডেভিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, Online Banking, SMS ব্যাংকিং, Home ব্যাংকিং ইত্যাদি সেবা গ্রহণ করে থাকে। 
- ব্যাংকের সার্ভারে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার জন্য Firewall ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: ফিনান্স, ব্যাংকিং ও বিমা, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০৫.
নিচের কোনটি ই-কমার্স সাইট নয়?
  1. ক) walmart.com
  2. খ) alibaba.com
  3. গ) daraz.com
  4. ঘ) wordpress.com
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয় ব্লগ পাবলিশিং অ্যাপলিকেশনস এবং শক্তিশালী কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS), যা পিএইচপি এবং মাইএসকিউএল দ্বারা তৈরিকৃত ওপেন সোর্স ব্লগিং সফটওয়্যার। বাকি সব গুলো ই-কমার্স সাইট।
৯০৬.
কয়েকটা প্রশ্ন আমাদের আগের পরীক্ষা থেকে রিপিট আছে।
১) Affiliate Marketing কোন বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ক) প্রযুক্তিপণ্য
  2. খ) ই-কমার্স
  3. গ) সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
  4. ঘ) মার্কেটিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা
Affiliate Marketing--a marketing arrangement by which an online retailer pays commission to an external website for traffic or sales generated from its referrals.
Source: Oxford
৯০৭.
OCR technology is fundamentally a sub-discipline of which broader field of computer science?
  1. Quantum Computing
  2. Financial Software
  3. Predictive Analytics
  4. Computer Vision
ব্যাখ্যা

OCR (Optical Character Recognition) হলো একটি প্রক্রিয়া যা ছবি থেকে অক্ষর শনাক্ত করে, যা সরাসরি কম্পিউটার ভিশন এবং প্যাটার্ন রিকগনিশন-এর অন্তর্ভুক্ত।

OCR:
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৯০৮.
রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি কাজ করতে কোন সফটওয়্যারটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Care 360
  2. খ) Therapy Notes
  3. গ) Next Gen Ambulatory EHR
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
টেলিমেডিসিন:
- টেলিমেডিসিন বলতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসা সেবা দেওয়াকে বোঝায়।
- এর মূল কথা হলো তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবাকে জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।
- নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোয় টেলিকনফারেন্স, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা শুরু হয়েছে এবং জনসাধারণ এর সুফল ভোগ করা শুরু করেছেন।
- Teladoc, Maven Clinic, iCliniq, MDlive, Amwell, Doctor on Demand, treatmentonline নামীয় অসংখ্য ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে বিশ্বের যে কোনো প্রান্ত থেকে অনলাইন চিকিৎসা সেবা পাওয়া যায়।
- সঠিক রোগ নির্ণয় হচ্ছে রোগীর যথাযথ চিকিৎসার পূর্বশর্ত।

- বর্তমান বিশ্বে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যথাযথ প্রয়োগ দ্বারা সুক্ষ্মভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে এছাড়াও ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড (EHR: Electronic Health Record) ব্যবস্থাপনায় ডেটাবেজে রোগীর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোনো স্থান হতে তার রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি যে কোনো স্থানে বসে পেতে পারেন।
- রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি কাজ করতে যে সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয় তার মধ্যে Therapy Notes, Epic care, Next Gen Ambulatory EHR, Care 360 ইত্যাদি অন্যতম। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৯০৯.
একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে খুচরা বা পাইকারি ব্যবসায়ের লেনদেনকে কী বলা হয়?
  1. C2C
  2. G2B
  3. B2C
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে খুচরা বা পাইকারি ব্যবসায়ের লেনদেনকে - B2C বলা হয়।

• ই-কমার্স:

- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business- B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ : alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer- B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহকে বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ : amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business- C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ : monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer- C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের উদাহরণ: ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১০.
নিচের কোনটি ই-রিটেইলিং-এর উদাহরণ?
  1. eBay
  2. Amazon
  3. bikroy.com
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• ই-রিটেইলিং:
- ই-রিটেইলিং এর পূর্ন অর্থ ইলেকট্রনিক রিটেইলিং (Electronic Retailing)।
- ই-রিটেইলিং হলো বিজনেস টু কনজিউমার (B2C) লেনদেনের প্রতিশব্দ।
- সাধারণভাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুচরা পণ্য বিক্রি করাকে ই-রিটেইলিং বলে।
- পৃথিবীর জনপ্রিয় দুইটি ই-রিটেইলিং শপ হলো Amazon ও eBay.
- দেশি ই-রিটেইলিং শপ-এর মধ্যে bikroy.com উল্লেখযোগ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১১.
What does 'HMD' stand for in Virtual Reality?
  1. High Magnification Display
  2. Haptic Motion Device
  3. Head Mounted Display
  4. Hybrid Motion Detection
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
→ অর্থাৎ, প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
→ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
→ কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
→ ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভবপর হয়।
→ ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথায় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display- HMD), হাতে একটা ডাটা গ্লোভ (Data Glove) বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit) পরতে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১২.
নিচের কোনটি ই-কমার্সের একটি ধরণ?
  1. B2C
  2. D2H
  3. B2R
  4. F2P
ব্যাখ্যা

• পণ্য লেনদেনের প্রকৃতি ও ধরন অনুসারে ই-কমার্সকে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
-ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C)
- ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B)
- ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C)
- ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B)

ই-কমার্সের সুবিধা:
১. ব্যবসার মান বিশেষভাবে উন্নয়ন করা যায়।
২. ব্যবসাকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করানো যায়।
৩. তথ্যের বিনিময় ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন।
৪. খরচ ব্যাপকভাবে কমায়।
৫. তথ্যের নির্ভুলতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।
৬. পণ্য ও সেবার মান উন্নয়ন করা যায় ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯১৩.
হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ কোন ধরনের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ?
  1. শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স
  2. আচরণগত বায়োমেট্রিক্স
  3. কৃত্রিম বায়োমেট্রিক্স
  4. জৈবিক বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ হলো আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ।

• বায়োমেট্রিক্স:
- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা
১. শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
• আইরিশ শনাক্তকরণ,
• মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ,
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২. আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ,
• কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯১৪.
Which protocol is used to download emails from a mail server to a computer?
  1. HTTP
  2. POP3
  3. SMTP
  4. FTP
ব্যাখ্যা

• ইমেইল সার্ভার থেকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারে মেইল ডাউনলোড করার জন্য POP3 প্রোটোকলটি ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেইল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেইল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।
- সহজ কথায়, যখন কোনো ইমেল পাঠানো হয়, তখন SMTP সেই ইমেলটিকে তার গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উল্লেখ্য-
- HTTP (Hypertext Transfer Protocol): এটি ওয়েবপেজ অ্যাক্সেস করার জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোটোকল। এটি ওয়েব ব্রাউজার এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে। এর সাথে ইমেল প্রেরণের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
- FTP (File Transfer Protocol): এটি ফাইল স্থানান্তরের প্রোটোকল, ইমেইল ব্যবস্থার জন্য নয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।

৯১৫.
ইন্টারনেটে কেনাকাটার পদ্ধতির নাম কি?
  1. ই-পুজি
  2. ই-ট্রেড
  3. ই-ক্রেডিট
  4. ই-কমার্স
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স:
- E-Commerce-এর পূর্ণরূপ: Electronic Commerce।
- ইন্টারনেটে কেনাকাটার পদ্ধতির নাম ই-কমার্স।

⇒ মূলত ইন্টারনেট বা অন্য কোন কম্পিউটার নেটওইয়ার্ক এর মাধ্যমে পণ্য ও সেবার ক্রয়-বিক্রয়, অথবা তহবিল বা ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি করাকেই ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স বিজনেসের প্রসারের মাধ্যমে এখন ঘরে বসেই যে কোন পণ্য বা সেবা অনলাইনে কেনাকাটা করা যাচ্ছে। 
- ই-বিজনেস পরিচালিত হয় বিজনেস টু বিজনেস, বিজনেস টু কাস্টমার ও কাস্টমার টু কাস্টমার পদ্ধতি ব্যবহার করে।
- অর্থাৎ এই ব্যবসায় সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তার মধ্যকার লেনদেন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়।

⇒ একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইটে বিভিন্ন প্রকারের পণ্য থাকে এবং সেগুলো পছন্দ করে অনলাইনে কিনে নেওয়ার ব্যবস্থা করা থাকে।
- পছন্দের পণ্য কেনার পর অনলাইনেই উক্ত পণ্যের দাম পরিশোধ করার সিস্টেম আছে যা ওয়েবসাইটে সেটআপ ও কনফিগার করা থাকে।
- পেমেন্ট করা হয়ে গেলে ডেলিভারি লোকেশন দিতে হয় যাতে পণ্যটি আপনার বাসায় পৌঁছাতে পারে।
- মোটকথা, ঘরে বসে অনলাইনে কেনা কাটা করার জন্য তৈরি করা ওয়েবসাইটকে ই-কমার্স বা ইলেক্ট্রনিক কমার্স বলা হয়। 

উৎস: i) Investopedia.
ii) TechTarget.
৯১৬.
Twitter এর বর্তমান নাম কী?
  1. Meta
  2. Insta
  3. X
  4. Threads
ব্যাখ্যা
Twitter এর বর্তমান নাম X.

Twitter:
- এটি একটি অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এবং মাইক্রোব্লগিং সেবা।
- এটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্ল্যাটফর্মে ২৮০ অক্ষরের বেশি নয় — এমন ছোট বার্তা বা টুইট পাঠানো হয়।
- ২১শ শতকের শুরুর দিকে রাজনীতি ও সংস্কৃতি গঠনে Twitter/X-এর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল।
- Twitter-এর উত্তরসূরি X Corp.
- X Corp. এর মালিকানা রয়েছে X Holdings Corp.-এর কাছে।
- X Holdings Corp.-এর মালিক হলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী আমেরিকান উদ্যোক্তা Elon Musk.
- এটি ব্যবহারকারীদের মধ্যে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদানে সহায়ক একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯১৭.
AI-এর কোন শাখা Chatbot তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Natural Language Processing
  2. Mecine Learning
  3. Virtual Reality
  4. Cloud Computing
ব্যাখ্যা
• Natural Language Processing (NLP) হলো AI-এর সেই শাখা যা Chatbot তৈরিতে প্রধানত ব্যবহৃত হয়। Machine Learning Chatbot-এ ব্যবহৃত হয় কিন্তু এটি NLP-এর সাহায্যেই কাজ করে। Virtual Reality এবং Cloud Computing এর সাথে Chatbot তৈরির সরাসরি কোন সম্পর্ক নেই।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

• Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System,
- Speech Recognition System,
- Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১৮.
http://www.bteb.gov.bd/home/main ওয়েব অ্যাড্রেসটির home অংশটি কী?
  1. ওয়েব প্রোটোকল
  2. ওয়েব সার্ভারের নাম ( ডোমেইন নাম )
  3. ডিরেক্টরি নাম (পাথ)
  4. ফাইল
ব্যাখ্যা
কোনো ওয়েব পেইজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়। 
URL হল ওয়েব সাইটের একক ঠিকানা। 
প্রতিটি URL এ থাকেঃ
ওয়েব প্রোটোকল 
ডোমেইন নেইম 
ডিরেক্টরি নাম(পাথ) 
ফাইল
৯১৯.
What is the primary benefit of using biometrics in authentication?
  1. Increased complexity
  2. Enhanced security
  3. Decreased user convenience
  4. Reduced accuracy
ব্যাখ্যা
• বায়োমেট্রিক্স: 
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা শনাক্ত করা যায়। 
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিকে ব্যক্তি শনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

বায়োমেট্রিক্সের ব্যবহার: 
১. কম্পিউটার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে, 
২. অপরাধী ও ব্যক্তি শনাক্তকরণে, 
৩. নিরাপত্তা বৃদ্ধি সংক্রান্ত বিষয়ে,
৪. পাসপোর্ট তৈরিতে, 
৫. মোবাইল সিম ক্রয়ে গ্রাহককে সহায়তা করে, 
৬.পরিচয়পত্র তৈরিতে, 
৭. বাংলাদেশে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ইত্যাদিতে ব্যবহার হয়। 

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
৯২০.
SMS – এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Short Message Server
  2. খ) Short Message System
  3. গ) Short Message Service
  4. ঘ) Short Multimedia Service
ব্যাখ্যা
SMS – এর পূর্ণরূপ Short Message Service. 
৯২১.
ডকুমেন্ট স্ক্যান করার কাজটি ফ্যাক্স মেশিনের কোন অংশ করে?
  1. Modem
  2. Scanner
  3. Printer
  4. Memory
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স মেশিনে ডকুমেন্ট পাঠানোর জন্য প্রথমে সেটি স্ক্যান করতে হয়। এই কাজটি করে স্ক্যানার অংশটি। এটি ডকুমেন্টের ছবি ডিজিটাল সংকেত হিসেবে রূপান্তরিত করে, যা পরে মোডেমের মাধ্যমে অন্যদিকে প্রেরণ করা হয়।

• অপশন আলোচনা:
- Modem: ডেটা পাঠানো এবং গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Printer: প্রাপ্ত ডেটা প্রিন্ট করার জন্য।
- Memory: সাময়িক ডেটা সংরক্ষণের জন্য। 

• ফ্যাক্স:
- ফ্যাক্স মেশিন ১৮৪৩ সালে বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পূর্ণরূপ হলো ফ্যাক্সিমিল।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- PSTN (Public Switched Telephone Network) হলো ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত ব্যবহৃত প্রযুক্তি।
- ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয় কোনো ডকুমেন্টের হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য।
- প্রেরক যেকোনো ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান, তিনি ফ্যাক্স মেশিনের মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ সেই ডকুমেন্টের হুবহু কপি প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৯২২.
কোন প্রযুক্তি NFC-এর সাথে সম্পর্কিত?
  1. RFID
  2. Wi-Fi
  3. Bluetooth
  4. Infrared
ব্যাখ্যা

• NFC (Near Field Communication) হলো একটি সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার দূরত্বে ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় করতে ব্যবহৃত হয়। এই প্রযুক্তি মূলত RFID (Radio-Frequency Identification) এর সাথে সম্পর্কিত। NFC মূলত RFID-এর একটি উন্নত ও ছোট রেঞ্জের রূপ, যেখানে দুইটি ডিভাইস একে অপরের কাছাকাছি এনে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদানের সুবিধা দেয়। অন্য প্রযুক্তিগুলো যেমন Wi-Fi এবং Bluetooth দীর্ঘ দূরত্বের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর Infrared সাধারণত সরাসরি লাইন-অফ-সাইট যোগাযোগের জন্য সীমিত। সুতরাং, NFC প্রযুক্তি সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত RFID এর সাথে।

- সঠিক উত্তর: ক) RFID.

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯২৩.
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ফলে সংবাদের কোন দিকটি সবচেয়ে বেশি পরিবর্তিত হয়েছে?
  1. কাগজের মান
  2. প্রচারের গতি
  3. ভাষার ব্যবহার
  4. মুদ্রণ খরচ
ব্যাখ্যা

• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ফলে সংবাদের প্রচারের গতি সবচেয়ে বেশি পরিবর্তিত হয়েছে।

• সংবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তি:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারে সংবাদ সংগ্রহ, সম্পাদনা ও প্রচার সহজ হয়েছে।
- ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের কারণে সংবাদ এখন তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা সম্ভব।
- পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

• সংবাদের প্রচারের গতি:
- আগে সংবাদ পৌঁছাতে দীর্ঘ সময় লাগত।
- বর্তমানে প্রযুক্তির কারণে সংবাদ মুহূর্তের মধ্যেই সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
- এ কারণেই সংবাদের প্রচারের গতি সবচেয়ে বেশি পরিবর্তিত হয়েছে।

• সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম:
- সংবাদপত্র
- রেডিও
- টেলিভিশন
- অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

• সংবাদ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা:
- দ্রুত প্রচারের ফলে ভুল বা গুজবভিত্তিক সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
- যাচাই ছাড়া সংবাদ প্রচার বিভ্রান্তির সৃষ্টি করতে পারে।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৯২৪.
QR কোডে ব্যবহৃত হয় -
  1. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
  2. অপটিক্যাল রিডিং
  3. রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি
  4. তড়িৎ চৌম্বকত্ব 
ব্যাখ্যা

 • QR কোড: 
- QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি। 
- QR কোডে অপটিক্যাল রিডিং ব্যবহৃত হয়
- এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়। 
- কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে। 

• QR কোডের ব্যবহার: 
- মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
- এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়। 

• QR কোড স্ক্যান ও বৈশিষ্ট্য: 
- QR কোড স্ক্যান করতে ব্যবহারকারীদের ফোন বা লেজার স্ক্যানার প্রয়োজন হয়।
- বিশেষ সফটওয়্যার তথ্যটি ডিকোড করে দেখায়।
- সবচেয়ে বড় QR কোড (Version 40) 177 × 177 পিক্সেলের হয় এবং সবচেয়ে ছোট (Version 1) 21 × 21 পিক্সেলের হয়।
- Version 40 QR কোডে প্রায় 7,089টি সংখ্যা বা 4,296টি আলফানিউমেরিক অক্ষর সংরক্ষণ করা যায়।
- অনেক স্মার্টফোনে বিল্ট-ইন QR রিডার থাকায় এগুলি বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় সহজেই ব্যবহার করা যায়।


উৎস:
১। Kaspersky. 
২। Britannica.

৯২৫.
Which organization developed the open-source AI model "Llama"?
  1. Microsoft
  2. Meta
  3. OpenAI
  4. Anthropic 
ব্যাখ্যা

• মেটা (Meta) তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণার অংশ হিসেবে 'Llama' (Large Language Model Meta AI) তৈরি করেছে। এটি একটি ওপেন-সোর্স লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ,যা বর্তমানে AI জগতে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং শক্তিশালী।

• LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
- LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU). 

• LLama (Large Language Model Meta AI):
- LLama হলো একটি বড় ভাষা মডেল যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত ভাষার বোঝাপড়া, টেক্সট জেনারেশন এবং ভাষা সম্পর্কিত বিভিন্ন কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- LLama মডেলটি Meta কোম্পানি দ্বারা ডেভেলপ করা হয়েছে।
- Meta তাদের এই মডেলে "Responsible AI" ফ্রেমওয়ার্ক যুক্ত করেছে যা ক্ষতিকর উত্তর প্রদান প্রতিরোধে সাহায্য করে।
- LLama বিভিন্ন NLP (Natural Language Processing) কাজের জন্য গবেষণা এবং শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Microsoft: মাইক্রোসফট মূলত OpenAI-এর প্রধান অংশীদার এবং তারা 'Copilot' সেবা প্রদান করে। তবে তাদের নিজস্ব ছোট এআই মডেলের নাম 'Phi' ।
- OpenAI: এটি 'ChatGPT' এবং 'GPT-4' এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। এটি একটি ক্লোজড-সোর্স মডেল (অর্থাৎ এর সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত নয়)।
- Anthropic: এটি 'Claude' নামক এআই মডেল তৈরি করেছে।

উৎস: 
- LLama [link]

৯২৬.
LLM চালানোর জন্য নিম্নোক্ত কম্পিউটারের কোন যন্ত্রাংশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
  1. RAM
  2. Processor
  3. Graphics Card
  4. Storage Device
ব্যাখ্যা

• LLM বা Large Language Model চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ হলো Graphics Card (GPU)। কারণ LLM-এর প্রশিক্ষণ ও ব্যবহার উভয় ক্ষেত্রেই বিপুল পরিমাণ ম্যাট্রিক্স গণনা ও প্যারালাল প্রসেসিং প্রয়োজন হয়, যা সাধারণ Processor (CPU) দিয়ে ধীরগতিতে সম্পন্ন হয়। শক্তিশালী GPU একসঙ্গে লক্ষাধিক অপারেশন দ্রুত সম্পাদন করতে সক্ষম, ফলে মডেল কার্যকরভাবে চালানো যায়। RAM, Storage Device এবং Processor অবশ্যই সহায়ক ভূমিকা রাখে, তবে মূলত GPU-এর ক্ষমতাই নির্ধারণ করে মডেল কতটা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করবে। তাই LLM চালানোর ক্ষেত্রে Graphics Card-ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

• LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
- LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU). 

• Graphics Card (GPU):
- GPU বিশাল পরিমাণ ডেটা সমান্তরালভাবে প্রসেস করতে পারে।  
- LLM মডেলগুলোর প্রশিক্ষণ ও কার্যকরভাবে চালানোর জন্য হাজার হাজার কোর বিশিষ্ট GPU ব্যবহৃত হয়।  
- CPU এর তুলনায় GPU অনেক দ্রুতগতিতে ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন করতে সক্ষম।  
- LLM ট্রেনিং ও ইনফারেন্স—দুটোর ক্ষেত্রেই GPU অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।  
- বর্তমান সময়ে NVIDIA A100, H100 এর মতো GPU LLM এর জন্য সবচেয়ে ব্যবহৃত।  
- GPU এর ক্ষমতা যত বেশি হবে, তত দ্রুত ও কার্যকরভাবে LLM চালানো সম্ভব হবে।  

অন্য যন্ত্রাংশগুলোর ভূমিকা:  
- RAM: ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে এবং GPU/CPU তে সরবরাহ করে।  
- Processor (CPU): সাধারণ কাজ, সিস্টেম কন্ট্রোল ও ডেটা হ্যান্ডলিং এ সহায়তা করে।  
- Storage Device: ডেটাসেট, মডেল ফাইল ও চেকপয়েন্ট সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।  

- যদিও RAM, Processor এবং Storage Device জরুরি, কিন্তু LLM চালানোর জন্য - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল Graphics Card (GPU).

সূত্র: 
- ASUS [link]
- geeksforgeeks [link]

৯২৭.
জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স মার্কেট প্লেস 'freelancer.com' যাত্রা শুরু করে কত সালে?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৫
  3. ২০০৭
  4. ২০০৯
ব্যাখ্যা
• ফ্রিল্যান্সার ডট কম:
- freelancer.com হলো আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে অনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য নির্ভরযোগ্য একটি ওয়েব সাইট তথা ফ্রিল্যান্স মার্কেট প্লেস।
- ২০০৯ সালে সাইটটি যাত্রা শুরু করে।
- এখানে যে কেউ তার নিজের যোগ্যতা অনুসারে প্রোফাইল তৈরি করে অনলাইনের বায়ারদের পোস্টকৃত বিভিন্ন কাজের জন্য বিডের মাধ্যমে বিভিন্ন আউটসোর্সিং এর কাজ পেতে পারে।
- এখানে কাজের জন্য অসংখ্য ক্যাটাগরি রয়েছে এবং এর পেমেন্ট সিস্টেমও যথেষ্ট নির্ভরযোগ্য।
- বাংলাদেশের আউটসোর্সিং-এর কাজে নিয়োজিতদের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেট প্লেস।
- এই কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা হলেন ম্যাট ব্যারি এবং এর কার্যালয় বর্তমানে ম্যানিলা, সিডনি, ভানকোভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা, বুয়েন্স আয়ার্স, লন্ডন ও জাকার্তায় রয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯২৮.
ফ্যাক্স(Fax)–এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Facsimile
  2. Fast Exchange
  3. File Access System
  4. Fixed Access Machine
ব্যাখ্যা

• Fax এর পূর্ণরূপ হলো Facsimile, যার অর্থ হুবহু অনুলিপি।

• ফ্যাক্স(Fax):
- ফ্যাক্স(Fax)–এর পূর্ণরূপ হলো Facsimile.
- ১৮৪২ সালে বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন (Alexander Bain) ফ্যাক্স মেশিন আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে দূরবর্তী স্থানে পাঠানো যায়।
- দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি ডকুমেন্ট ফ্যাক্সের মাধ্যমে পাঠানো সম্ভব।
- প্রেরকের ফ্যাক্স মেশিন থেকে ডকুমেন্ট পাঠানো হলে প্রাপক তার ফ্যাক্স মেশিন থেকে প্রিন্ট কপি গ্রহণ করতে পারে।
 
• ফ্যাক্সের মূলনীতি(Principle of Fax):
- ফ্যাক্স মেশিন মূলত টেলিফোন, স্ক্যানার, প্রিন্টার ও মোডেমের সমন্বয়ে গঠিত একটি যন্ত্র।
- প্রেরক প্রথমে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- প্রেরকের ডকুমেন্টটি স্ক্যানারের মাধ্যমে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তরিত হয়।
- মোডেম সেই ডিজিটাল ছবিকে এনালগ সংকেতে রূপান্তর করে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে পাঠায়।
- প্রাপকের মোডেম প্রাপ্ত এনালগ সংকেতকে পুনরায় ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- শেষে প্রিন্টারের মাধ্যমে প্রাপক প্রেরিত ডকুমেন্টের হুবহু কপি পেয়ে যায়।

 উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২৯.
What does CMS stand for in the context of E-commerce?
  1. Customer Management System.
  2. Content Marketing Strategy.
  3. Customer Messaging Service.
  4. Content Management System.
ব্যাখ্যা
CMS (Content Management System):
-  Content Management System (CMS), ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি, পরিবর্তন এবং পরিচালনার জন্য সহযোগী সফটওয়্যার।
- CMS একটি ওয়েবসাইট সেট আপ করার একটি খুব সহজ উপায়, যা একসময় একটি কঠিন এবং ব্যয়বহুল সম্ভাবনা ছিল।

একটি CMS দুটি অংশ নিয়ে গঠিত:
(1) Content Management Application (CMA),
(2) Content Delivery Application (CDA).

ই-কমার্স:
- ই- কমার্স হল ইলেকট্রনিক কমার্স যা এমন একটি মাধ্যম যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম (ইন্টারনেট বা অন্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/বিক্রয় হয়ে থাকে। অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়কে, ই-কমার্স বলে।

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
(i) ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B),
(ii) ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C),
(iii) ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B),
(iv) ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C).

ই-কমার্সের সুবিধাসমূহ:
১. ব্যবসার মান বিশেষভাবে উন্নয়ন করা যায়৷
২. ই-কমার্সের সাহায্যে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যবসাকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে করানো যায়৷
৩. তথ্যের বিনিময় ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা যায়৷
৪. ব্যবসায়িক কার্যক্রমের খরচ ব্যাপকভাবে কমায়।
৫. ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যে সহজে সুসম্পর্ক তৈরি করে।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২) Link ⇒ Britannica
৯৩০.
নিচের কোন রোগের জন্য ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না?
  1. ছানি
  2. লিভার ক্যান্সার
  3. প্লাস্টিক সার্জারি
  4. প্রোস্টেট ক্যান্সার
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান,
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩১.
Apple's virtual assistant is named:
  1. Siri
  2. Cortana
  3. Alexa
  4. Google Assistant
ব্যাখ্যা
Virtual Assistant (VA):
- Virtual Assistant, AI সহকারী বা ডিজিটাল সহকারীও বলা হয়।
- এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম যা প্রাকৃতিক ভাষা (Natural Language)- এর Voice Command বোঝে এবং ব্যবহারকারীর নির্দেশ দেয়া কাজ সম্পূর্ণ করে।

অপশন আলোচনা:
- Siri হলো Apple কর্তৃক উদ্ভাবিত Virtual Assistant Software.
- Cortana হলো Microsoft কর্তৃক উদ্ভাবিত Virtual Assistant Software.
- Google Assistant হলো Google উদ্ভাবিত Virtual Assistant Software.
- Alexa হলো Amazon উদ্ভাবিত Virtual Assistant Software.

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৯৩২.
ই-কমার্স বলতে কী বোঝায়?
  1. কেবল দোকানে গিয়ে পণ্য কেনা
  2. ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে পণ্য ও সেবার লেনদেন
  3. শুধুমাত্র মোবাইল ফোনে কেনাকাটা
  4. কাগজভিত্তিক বাণিজ্য
ব্যাখ্যা

 ই-কমার্স বলতে ইন্টারনেট ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্য, সেবা ও তথ্যের ক্রয়–বিক্রয় বা বিনিময়কে বোঝায়।

• ই-কমার্স (E-commerce):
- ই-কমার্স শব্দটির পূর্ণরূপ Electronic Commerce।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, যার একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল হলো ই-কমার্সের বিকাশ।
 
• ই-কমার্সের সংজ্ঞা:
- ইন্টারনেট প্রযুক্তি, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যম ব্যবহার করে পণ্য, সেবা ও তথ্যের ক্রয়–বিক্রয়, হস্তান্তর বা বিনিময় কার্যক্রমকে ই-কমার্স বলা হয়।
- এটি এমন একটি বাণিজ্য ব্যবস্থা, যেখানে ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পূর্ণ লেনদেন সম্পন্ন হয়।
 
• ই-কমার্স পরিচালনার মাধ্যম:
- আধুনিক ই-কমার্স প্রধানত World Wide Web (WWW)–এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- এছাড়াও—মোবাইল কমার্স (M-commerce), ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT), অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেন পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
 
• ই-কমার্সের সুবিধাসমূহ:
- ব্যবসার মান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে।
- জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশে সহায়তা করে।
- তথ্য তৈরি, বিতরণ, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের খরচ কমায়।
- ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে সহজে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে।
- সময় সাশ্রয় করে এবং দ্রুত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করে।
- যোগাযোগ ব্যয় হ্রাস করে।
- পণ্য ও সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক।
 
• বাংলাদেশে ই-কমার্সের অবস্থা:
- ২০১১–১২ সাল থেকে বাংলাদেশে ধীরে ধীরে ই-কমার্সের প্রসার শুরু হয়।
- বর্তমানে বই, পোশাক, খাবার, সৌখিন সামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্যের অনলাইন বেচাকেনা হচ্ছে।
- ভবিষ্যতে অধিকাংশ ব্যবসা-বাণিজ্য ই-কমার্সভিত্তিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩৩.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ধারণা কোন তত্ত্ব থেকে উদ্ভূত?
  1. অভিবাসন তত্ত্ব
  2. শিক্ষণ তত্ত্ব
  3. কানেকটিভিটি তত্ত্ব
  4. সিমুলেশন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (VR) ধারণা মূলত সিমুলেশন তত্ত্ব থেকে উদ্ভূত। সিমুলেশন তত্ত্ব অনুযায়ী, বাস্তব বিশ্বের অভিজ্ঞতা এবং পরিস্থিতি কৃত্রিমভাবে নকল বা পুনর্গঠন করা যায় যাতে ব্যবহারকারী একটি বাস্তবসম্মত পরিবেশে নিজেকে উপস্থিত মনে করতে পারে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এই তত্ত্বকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে বাস্তবায়ন করে, যেখানে কম্পিউটার জেনারেটেড পরিবেশ ব্যবহারকারীকে দর্শন, শ্রবণ, স্পর্শ বা অন্যান্য ইন্দ্রিয় অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী বাস্তব বা কল্পিত দৃশ্যের সঙ্গে সরাসরি ইন্টারঅ্যাকশন করতে পারে। শিক্ষণ, অভিবাসন বা কানেকটিভিটি তত্ত্বের তুলনায় সিমুলেশন তত্ত্ব VR-এর মূল ধারণার সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
 
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩৪.
ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশের মধ্যে কোন চিহ্ন দ্বারা বিভাজন করা হয়?
  1. #
  2. $
  3. @
  4. &
ব্যাখ্যা
ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশের মধ্যে '@' চিহ্ন দ্বারা বিভাজন করা হয়।

• E-mail:
- E-mail বা Electronic Mail হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এটি ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।

• একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে:
- যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং
- শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত।
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে।
যেমন: mitu123@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার mitu123@ অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং
এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯৩৫.
হারমনি অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) আইবিএম
  3. গ) হুয়াওয়ে
  4. ঘ) অ্যাপল
ব্যাখ্যা
চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে উদ্ভাবিত নতুন অপারেটিং সিস্টেম হলো হারমনি। এটি ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট প্রথম অবমুক্ত করা হয়। এটি মাইক্রোকার্নেলের উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়। ইন্টারনেট অব থিংস বা সকল স্মার্ট ডিভাইসে এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার উপযোগী। (সূত্রঃ হুয়াওয়ে)
৯৩৬.
এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধু ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)
  2. শুধু অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR)
  3. VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
  4. শুধু 3D ভিডিও গেম
ব্যাখ্যা

• এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) হলো এমন একটি প্রযুক্তি ক্ষেত্র যা বাস্তব এবং ভার্চুয়াল জগতের অভিজ্ঞতাকে একত্রিত করে। এটি কেবল ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) বা অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) নয়, বরং উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR) এর মতো আরও উন্নত ফর্মগুলিও এতে আসে। VR ব্যবহারকারীকে সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল পরিবেশে নিয়ে যায়, AR বাস্তব জগতের সঙ্গে ভার্চুয়াল উপাদান overlay করে, আর MR বাস্তব এবং ভার্চুয়াল উপাদানকে মিলিয়ে ইন্টারেক্টিভ অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
- তাই XR হলো VR, AR এবং MR এর সমন্বয়, যা প্রযুক্তি ও ইন্টারঅ্যাকশনের নতুন মাত্রা উন্মোচন করে। সঠিক উত্তর: গ) VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)।


• এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR):
- এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) হলো একটি প্রযুক্তি যা বাস্তব ও ভার্চুয়াল পরিবেশের মধ্যে ইন্টারঅ্যাকশনকে একত্রিত করে।
- এটি শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং VR, AR এবং MR-কে একসাথে অন্তর্ভুক্ত করে।
- XR ব্যবহারকারীদের বাস্তব ও ভার্চুয়াল উপাদানের সাথে মিলিয়ে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়।
- এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমন- শিক্ষা, গেমিং, চিকিৎসা এবং শিল্পক্ষেত্রে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- VR হলো একটি কম্পিউটার-জেনারেটেড পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারী সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করে।
- ব্যবহারকারী সাধারণত হেডসেট বা VR গিয়ার ব্যবহার করে ভার্চুয়াল পরিবেশের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করে।

• অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR):
- AR হলো প্রযুক্তি যা বাস্তব জগতে ভার্চুয়াল উপাদানগুলো সংযুক্ত করে।
- এটি বাস্তব ও ভার্চুয়াল উপাদানকে একসাথে প্রদর্শন করে, যেমন- মোবাইল স্ক্রিন বা AR চশমার মাধ্যমে।

• মিক্সড রিয়েলিটি (MR):
- MR হলো এমন প্রযুক্তি যা ভার্চুয়াল এবং বাস্তব উপাদানকে একত্রিত করে এবং ব্যবহারকারীকে উভয়ের সাথে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়।
- এটি VR এবং AR এর মিশ্রণ হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: University of California, Los Angeles - Advanced Research Computing [link]

৯৩৭.
স্মার্টওয়াচ সাধারণত কোন ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে?
  1. প্রজেক্টর
  2. রাউটার
  3. স্মার্টফোন
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
স্মার্টওয়াচ সাধারণত স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।

স্মার্ট ওয়াচ:
- স্মার্ট ওয়াচ হলো সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস।
- সময় বলার পাশাপাশি স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন। প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে এবং যা পরিধানকারীর স্মার্টফোনের ক্ষমতা তাঁর ঘড়িতে প্রসারিত করতে সক্ষম।
- ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতেও পারে। তাছাড়াও, ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন।
- ১৯৭৫ সালে Calcron নামে প্রথম ক্যালকুলেটর ঘড়ি তৈরি হয়।
- ১৯৮০-এর দশকে, Seiko কোম্পানি কম্পিউটিং সুবিধাসম্পন্ন ঘড়ি বাজারে আনে।
- ২০১৪ সালে, Google স্মার্টওয়াচের জন্য Android Wear অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে।

• স্মার্টওয়াচের কাজ (Functions of Smartwatch):
- কল, এসএমএস, ইমেইল ও অ্যাপ নোটিফিকেশন দেখায়।
- কিছু স্মার্টওয়াচ থেকে সরাসরি ফোন কল করা যায়।
- স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে পেডোমিটার ও হার্ট রেট মনিটর থাকে।
- টাচস্ক্রিন বা বোতামের মাধ্যমে চালানো যায়।
- স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযোগ করে বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শন করে।
- রঙিন বা সাদা-কালো ই-পেপার ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়।

সোর্স: ব্রিটানিকা।
৯৩৮.
মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা - কোনটির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ই-সার্ভিস
  2. খ) ই-লার্নিং
  3. গ) ই-গভর্ন্যান্স
  4. ঘ) ই-কমার্স
ব্যাখ্যা

শাসন ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স।
ই-গভর্ন্যান্সের ফলে নাগরিকের হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসান ঘটে।
ই-গভর্ন্যান্সের একটি উদাহরণ হলো মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা। এর ফলে ফলাফল জানার যে বিলম্ব এবং বিড়ম্বনা, তার অবসান ঘটে।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৯৩৯.
সার্চ ইঞ্জিন নয় কোনটি?
  1. ক) Google.com
  2. খ) Amazon.com
  3. গ) Yahoo.com
  4. ঘ) Bing.com
ব্যাখ্যা
সার্চ ইঞ্জিন:
- সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ওয়েব সার্চ (তথ্য সার্চ) করার জন্য মূলত এটি ডিজাইন করা হয়েছে।
- Google.com, Yahoo.com, Bing.com হল জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। 
- এছাড়াও আরও জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন যেমন- Baidu, Duck Duck Go, Yandex ইত্যাদি। 

অন্যদিকে,
- Amazon.com হল কেনাবেচার জন্য ওয়েবসাইট।
- ekanei.com, Olx.com এই ওয়েবসাইটগুলো ই-কমার্স সাইট। এগুলোর সাহায্যে অনলাইনে কেনাবেচা করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯৪০.
ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. PSTNN
  2. FAXTN
  3. PIST
  4. PSTN
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.

- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪৩ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৪১.
ভিডিও কনফারেন্সিং প্রক্রিয়াটি একটি ___ প্রক্রিয়া।
  1. ক) একমুখী
  2. খ) উভমুখী
  3. গ) বহুমুখী
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে কিছু ব্যক্তি অবস্থান করে টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে কোন সভা অথবা সেমিনার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং।
বিভিন্ন ধরনের টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন- পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স এবং অনলি কনফারেন্স।
টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৪২.
বাংলাদেশে তথ্য অধিকার আইন চালু হয় কবে?
  1. ২০০৮
  2. ২০০৯
  3. ২০১০
  4. ২০১১
ব্যাখ্যা

তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন মানুষের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করে।
২০০৯ সালে 'বাংলাদেশে তথ্য অধিকার ২০০৯' নামে একটি আইন চালু হয়েছে।
এই আইনের আওতায় কর্তৃপক্ষের নিকট হতে প্রত্যেক নাগরিকের তথ্য লাভের অধিকার রয়েছে এবং কোনাে নাগরিকের অনুরোধের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবেন। এই আইনের মূল প্রতিপাদ্য হলাে জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা হলে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারী ও বিদেশী অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বেসরকারী সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, দুর্নীতি হ্রাস ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৯৪৩.
কোন প্রযুক্তি IoT ডিভাইসগুলোকে সমস্ত ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর পরিবর্তে স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াকরণ করতে সাহায্য করে?
  1. Edge computing
  2. Blockchain
  3. 5G network
  4. Cloud storage
ব্যাখ্যা

• IoT ডিভাইসগুলো সাধারণত বড় পরিমাণে ডেটা উৎপন্ন করে, যা সরাসরি ক্লাউডে পাঠালে ব্যান্ডউইথ সমস্যা ও সময় বিলম্ব ঘটতে পারে। এই সমস্যা কমাতে Edge Computing প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। এটি IoT ডিভাইসের কাছাকাছি বা স্থানীয় সার্ভারে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম, ফলে ডেটার রিয়েল-টাইম বিশ্লেষণ সম্ভব হয় এবং লেটেন্সি কমে। এছাড়া, ডেটা স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াকরণের কারণে নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে Blockchain ডেটার নিরাপত্তা বাড়ায়, 5G দ্রুত সংযোগ দেয় এবং Cloud Storage ডেটা সংরক্ষণে সাহায্য করে, কিন্তু এগুলো স্থানীয় প্রক্রিয়াকরণ সরাসরি করে না। সুতরাং সঠিক উত্তর ক) Edge computing.

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু বা ডিভাইস ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের মাধ্যমে মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই কাজ সম্পাদন করা। এর ফলে, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং সিস্টেম আরও স্মার্ট এবং দক্ষ হয়ে ওঠে।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, অথবা একটি স্মার্ট লাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বলে ও নিভে যেতে পারে।
- IoT ডিভাইসগুলো ইন্টারনেট ব্যবহার করে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, যা ব্যবহারকারীকে যেকোনো স্থান থেকে তাদের যন্ত্রপাতি পরিচালনা করার সুবিধা দেয়।
- এই প্রযুক্তিতে সেন্সরের মাধ্যমে ডেটা সংগ্রহ করে AI বা মেশিন লার্নিং দিয়ে বিশ্লেষণ করা যায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও সহজ হয়।

• Edge computing:
- Edge computing-এর মূল লক্ষ্য হলো ডেটা উৎস (যেমন সেন্সর, IoT ডিভাইস, স্মার্টফোন) এর কাছাকাছি কম্পিউটিং প্রসেসিং করা। এতে করে ডেটা ক্লাউড বা সেন্ট্রাল সার্ভারে পাঠানোর পূর্বেই প্রাথমিক প্রসেসিং সম্পন্ন করা যায়। এর ফলে:
- Latency কমে: ডেটা দ্রুত প্রসেস হওয়ায় রিয়েল-টাইম রেসপন্স সম্ভব হয়।
- Bandwidth খরচ কমে: সব ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর দরকার হয় না, ফলে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কম ব্যবহার হয়।
- Security বাড়ে: লোকালি ডেটা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ঝুঁকি কমে।
- Cloud storage খরচ কমলেও, এটা প্রাথমিক উদ্দেশ্য নয়, বরং একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

উৎস:
1) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
2) IBM [link]

৯৪৪.
Which of these is the correct format of Email address?
  1. ক) abcd.bdlink.com.bd
  2. খ) abcd.bdlink@com.bd
  3. গ) abcd@bdlink.com.bd
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা
- ‘abcd@bdlink.com.bd’ email address টি সঠিক নিয়মে গঠিত।
- ই-মেইলের মাধ্যমে কোন তথ্য আদান-প্রদান করতে E-mail Address থাকা আবশ্যক। 

E-mail: 

- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Electronic Mail.
- Email দুইটি অংশে বিভক্ত। প্রথম ভাগে User name এবং দ্বিতীয় ভাগে Domain name বসে। 
- Email address এ User name ও Domain name এর মাঝখানে @ (at sign) ব্যবহৃত হয়।
- at sign (@) সর্বপ্রথম ১৯৭১ সালে ব্যবহৃত হয়। 

অর্থাৎ ‘abcd@bdlink.com.bd’ ঠিকানায়-
- @ (at sign) এর আগে User name ' karimjannat' বসেছে।
- @ এর পরে  Domain name 'bdlink' বসেছে ।

সোর্স:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯৪৫.
RTGS is often utilized for transactions that require:
  1. Delayed processing
  2. Immediate settlement
  3. Batch processing
  4. Manual authorization
ব্যাখ্যা
• RTGS:
→ RTGS is the Payment System.
→ RTGS এর পূর্ণরূপ - Real Time Gross Settlement.
→ রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আর টি জি এস – RTGS) একটি ফান্ড ট্রান্সফার সিস্টেমকে বোঝায় যা তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ ট্রান্সফার করতে সক্ষম।
→ নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং দক্ষ আন্তঃব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমকে সহজতর করার জন্য, বাংলাদেশ ব্যাংক তার ডিজিটালাইজেশন উদ্যোগের অংশ হিসাবে ২৯ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (BD-RTGS) সিস্টেম চালু করেছে।
→ RTGS হল একটি ইলেকট্রনিক সেটেলমেন্ট সিস্টেম যেখানে একটি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাঙ্কে রিয়েল-টাইমে তহবিল স্থানান্তর করা হয়।
→ দুটি পদ্ধতি আছে যার মাধ্যমে গ্রাহকরা RTGS পরিষেবা পেতে পারেন:
১. অনলাইন, মোবাইল এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে।
২. RTGS সক্ষম শাখায় নগদ টাকা জমা দিয়ে অফলাইন।
 
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
৯৪৬.
মেইল সার্ভার থেকে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. FTP
  4. POP
ব্যাখ্যা

POP (Post Office Protocol) সরাসরি মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল বার্তা ডাউনলোড করে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে সংরক্ষণ করে।
- POP3 সংস্করণটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@gmail.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- ইনবক্সে থাকা ইমেইল ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ডাউনলোড করে।
 - মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol.
- HTTP হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ডেটা যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল। 
- এটি ওয়েবসাইট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

FTP:
- FTP এর পূর্ণরূপ হলো File Transfer Protocol.
- ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে ফাইল স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৯৪৭.
ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ডাক্তারের কাছ থেকে রোগীর চিকিৎসা পাওয়ার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. টেলিযোগাযোগ
  2. ডিজিটাল হেলথ
  3. ই-হেলথ
  4. টেলিমেডিসিন
ব্যাখ্যা
• ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ডাক্তারের কাছ থেকে রোগীর চিকিৎসা পাওয়ার পদ্ধতিকে টেলিমেডিসিন বলা হয়।

• টেলিমেডিসিন:
- টেলিমেডিসিন হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে অবস্থানরত রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা চিকিৎসাসেবা প্রদান করা।
- মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের উন্নত ব্যবহারের মাধ্যমে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা দূরবর্তী অবস্থান থেকেও রোগী পরামর্শ, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসার তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করতে পারেন।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রোগীকে চাক্ষুষ দেখা এবং ই-মেইলের মাধ্যমে রিপোর্ট ও পরামর্শপত্র আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়।
• এ ধরনের উল্লেখযোগ্য সেবাগুলোর মধ্যে:
- Teledoc,
- Maven,
- Clinic,
- iClinic, MDlive,
- Amwell,
- Doctor on Demand ইত্যাদি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, NCTB.
৯৪৮.
IoT ব্যবস্থায় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ কোনটি?
  1. অ্যাপ ডিজাইন
  2. নেটওয়ার্কের স্পিড
  3. হার্ডওয়্যারের রঙ
  4. সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি
ব্যাখ্যা

• IoT (ইন্টারনেট অব থিংস) ব্যবস্থায় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি। কারণ এই ধরনের সিস্টেমে অসংখ্য ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং ব্যক্তিগত তথ্য, সেন্সর ডেটা ও সংবেদনশীল তথ্য আদান-প্রদান হয়। যদি নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হয়, তবে হ্যাকাররা সহজেই ডেটা চুরি, ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ বা সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করতে পারে। প্রাইভেসি সুরক্ষা না থাকলে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হতে পারে, যা বড় ধরনের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই IoT সিস্টেম ডিজাইন করার সময় নেটওয়ার্ক স্পিড বা অ্যাপ ডিজাইন কম গুরুত্বপূর্ণ হলেও সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি সবসময় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায়।
 
 ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।

IoT ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- কম শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, 
- ছোট আকারের কম্পিউটার চিপ ব্যবহার করে, 
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা হয়, 
- সেন্সর, একচুয়েটর এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে। 

উৎস:
১। Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট।

৯৪৯.
নিম্নলিখিত কোনটি একটি জনপ্রিয় ই-বুক রিডার?
  1. Spotify
  2. Kindle
  3. Wikipedia
  4. None of them
ব্যাখ্যা
Kindle একটি জনপ্রিয় ই-বুক রিডার।

• ই-বুক (Ebook):
- ই-বুক এর পূর্ণাঙ্গ অর্থ হলো 'ইলেকট্রনিক বুক'।
- প্রিন্টকৃত বইয়ের ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল ভার্সনকে ই-বুক বলা হয়।
- যা কম্পিউটার, মোবাইল বা বিশেষভাবে ডিজাইনকৃত কোনো বহনযোগ্য ডিভাইসে পাঠ করা যায়।
- এটি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা যায়, যা বিভিন্ন ধরনের ই-রিডার দিয়ে পড়া যায়।
- প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- ই-বুকের জনক হলেন মাইকেল এস হার্ট (Michael S Hart)।
- তাঁকে ই-বুকের আবিষ্কারক বা জনক বলা হয়, কেননা তিনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনামূল্যে ই-বুক বিতরণের প্রথম প্রজেক্ট গুটেনবার্গ- এর উদ্যোক্তা ছিলেন।

• বাকি অপশনগুলো-
- Spotify হলো একটি আধুনিক এবং জনপ্রিয় music streaming প্ল্যাটফর্ম। 
- Wikipedia একটি মুক্ত বিশ্বকোষ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
৯৫০.
বাংলাদেশে সবার জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত করা হয় -
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৬
  3. ১৯৯৭
  4. ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
- ১৯৯০ সাল থেকেই বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যবহার দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও বাংলাদেশ অনেক পরে এ মহাযাত্রায় যোগ দেয়।
- ১৯৯৫ সালে অফলাইন ই-মেইল (offline e-mail)-এর মাধ্যমে প্রথম এদেশে সীমিত আকারে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালে দেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।

অর্থ্যাৎ, ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয় ১৯৯৫ সালে। তবে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয় ১৯৯৬ সালে।

[সূত্র: বাংলাপিডিয়া।]
৯৫১.
বিট কয়েনের আবিষ্কারক কে?
  1. মার্ক জুকারবার্গ
  2. ইয়োশি কিরিমাতো
  3. ইয়োশাই কিরিমাতো
  4. সাতোশি নাকামাতো
ব্যাখ্যা

• ক্রিপ্টোকারেন্সি:
- ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন সরকার বা ব্যাংক) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় না।
- প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি ছিল বিটকয়েন, যেটি ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto) নামে পরিচিত একজন বা একদল অজ্ঞাতনামা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করেন।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৫২.
জীব সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণ করে বুঝার জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি এবং সফটওয়্যার টুলস উন্নয়ন করাকে কি বলে?
  1. ক) বায়োমেট্রিক্স
  2. খ) জেনেটিক্স
  3. গ) বায়োইনফরমেটিক্স
  4. ঘ) বায়োলজিস্টিক্স
ব্যাখ্যা
জীব সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণ করে বুঝার জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি এবং সফটওয়্যার টুলস উন্নয়ন করাকে বায়োইনফরমেটিক্স বলে। [সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান]
৯৫৩.
What kind of satellite is Bangabandhu-2?
  1. ক) Communication satellite
  2. খ) Earth observation satellite
  3. গ) Weather satellite
  4. ঘ) Navigation satellite
ব্যাখ্যা
- রাশিয়া সরকারের সহযোগিতায় ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
- আর্থ অবজারভেটরি ক্যাটাগরির স্যাটেলাইটটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহৃত হবে।
- এতে অপটিক্যাল ভিএইচআর-সার (Synthetic Aperture Radar-SAR) ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমি ও সমুদ্র এলাকার ছবি তোলা যাবে।
- 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ প্রস্তুত ও উৎক্ষেপণ করবে - Glavkosmos, রাশিয়া।
- এটি রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত মহাকাশ সংস্থা Roscosmos এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এ সংক্রান্ত চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি (BSCL)।
- ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ এ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

সূত্র: বিডি নিউজ ও Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২।
৯৫৪.
'SWIFT' নেটওয়ার্কের প্রধান কাজ বা উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. ব্যাংকগুলিকে ঋণ প্রদান করা
  2. ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা
  3. একটি স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে কাজ করা
  4. ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

• SWIFT-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদভাবে আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা। এটি কোনো ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা স্টক এক্সচেঞ্জ নয় এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, যা ব্যাংকগুলোকে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে অর্থমূলক বার্তা আদানপ্রদান করার সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে যেমন ব্যাংক ট্রান্সফার, লোন বা অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের তথ্য নিরাপদে আদানপ্রদান করা সম্ভব হয়। তাই এটি বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং সেক্টরে লেনদেনের নির্ভরযোগ্য ও সুরক্ষিত মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: খ) ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা।

SWIFT Code: 
- SWIFT (Societyfor Worldwide Interbank Finnancial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেনের নেটওয়ার্ক। 
- সুইফট-এর মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পরিচিতি শনাক্ত করা হয়।
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক প্রদান করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদভাবে টাকা স্থানান্তরের নির্দেশসহ বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজতর করে। 
- এই শনাক্তকরণ মূলতঃ সংকেতলিপি তথা কোডের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। 
- এক্ষেত্রে লেনদেনের তারবার্তা (ওয়্যার) এই সুইফট কোডের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়। 
- বিশ্বের দু'শতাধিক দেশে ১১ হাজার ব্যাংক সুইফট ব্যবহার করে। 
- আর্থিক লেনদেনে কোড পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুইফট সম্মিলিতভাবে পরিচালনা করছে বিশ্বের অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে সুইফট-এর সেবা নেয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৯৫৫.
নিচের কোন প্রযুক্তি 'Pay as You Go' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
  1. Client-Server Systems
  2. Cloud Computing
  3. Internet of Things (IoT)
  4. Big Data Analytics
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং(NIST) এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্মোক্ত ৩ টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১) রিসোর্স স্কেলেবিলিটি,
২) অন-ডিমান্ড,
৩) পে-অ্যাজ-ইউ-গো।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
৯৫৬.
কর্মক্ষেত্রে আইসিটির কয় ধরণের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরণের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
ব্যাখ্যা
- কর্মক্ষেত্রে আইসিটির দুই ধরণের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়
- প্রথমটি হচ্ছে কর্মক্ষেত্রগুলোতে আইসিটির ব্যবহারের ফলে কর্মদক্ষতার বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণ।
- অন্যটি হচ্ছে আইসিটির প্রভাবে নতুন নতুন কর্মক্ষেত্রের সৃষ্টি।
- কর্মক্ষেত্রে আইসিটি ব্যবহারের ফলে কর্মীদের দক্ষতা, জবাবদিহি এবং স্বচ্ছতা বেড়েছে।
- অন্যদিকে এর ফলে সেবার মানও উন্নত হয়েছে।
- বর্তমান সময়ে আইসিটির ব্যবহারের উপর পারদর্শিতা চাকুরি নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ব্যাংক, বিমা থেকে শুরু করে বহুজাতিক কোম্পানি, সরকারি দপ্তরে কাজ করার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল করা, নানান ধরণের বিশ্লেষণী সফটওয়্যার ব্যবহার ইত্যাদিতে দক্ষ হতে হয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্বব্যাপি কর্মসংস্থানের বাজার হয়েছে উন্মুক্ত।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং।
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফটওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫৭.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) প্রযুক্তি মূলত কোন ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে?
  1. বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া
  2. সিমুলেটেড বাস্তব অভিজ্ঞতা তৈরি
  3. ন্যানো টেকনোলজি প্রয়োগ
  4. রিমোট সেন্সিং পদ্ধতির প্রয়োগ
ব্যাখ্যা

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির মূল ভিত্তি হল সিমুলেটেড বা কৃত্রিম বাস্তব অভিজ্ঞতা সৃষ্টি করা।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- ব্যবহারকারী একটি হেডসেট এবং সেন্সরের সাহায্যে সেই পরিবেশে প্রবেশ করতে এবং তার সাথে মিথস্ক্রিয়া (interact) করতে পারেন।
- VR-এর প্রধান লক্ষ্য হলো এমন একটি কৃত্রিম, কিন্তু বাস্তব-সদৃশ অভিজ্ঞতা তৈরি করা যা ব্যবহারকারীকে মনে করিয়ে দেয় যে তারা সত্যিই সেই পরিবেশে আছে। এই পদ্ধতিকে সিমুলেশন (Simulation) বলা হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- গেমিং, শিক্ষা, চিকিৎসা, প্রশিক্ষণ (যেমন - পাইলট বা সার্জনদের জন্য) এবং স্থাপত্যের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

অন্যদিকে,
• বায়োমেট্রিক শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া: এটি ব্যক্তি শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তি, VR-এর মূল কার্যনীতি নয়।
• ন্যানো টেকনোলজি প্রয়োগ: ন্যানো প্রযুক্তি অতি ক্ষুদ্র পার্টিকেল নিয়ে কাজ করে, সিমুলেশন তত্ত্বের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
• রিমোট সেন্সিং পদ্ধতি: দূর থেকে বস্তুর ডেটা সংগ্রহ করার একটি পদ্ধতি, যা মূলত ভূগোল বা আবহাওয়ার মতো ক্ষেত্রগুলিতে ব্যবহৃত হয়। এটি VR-এর মূল কৌশল নয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৯৫৮.
ইন্টারনেট সংযোগ দিতে নিম্নের কোন পদ্ধতিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে?
  1. ক) ডায়াল-আপ সিস্টেম
  2. খ) আইএসডিএন
  3. গ) ব্রডব্যান্ড
  4. ঘ) ওয়াই-ফাই
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট কথার অর্থ হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কম্পিউটারগুলোর নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক। অর্থাৎ ইন্টারনেট হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থিত কম্পিউটারগুলোর নেটওয়ার্ক। বিশ্বের বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে তাকে ইন্টারনেট বলে। 
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে। ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারের সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।

- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো- 
১। ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২। আইএসডিএন (ISDN)
৩। ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪। ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫। ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System):
- ডায়াল আপ সিস্টেম পদ্ধতিতে ইন্টারনেট সংযোগ দিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে
- কম্পিউটার টেলিফোন লাইন ও মডেমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট আইএসপি (ISP) বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। 
- তবে ডায়াল আপ সিস্টেমটি তুলনামূলক সহজ কিন্তু ইন্টারনেটের স্পিড তুলনামূলক অনেক কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫৯.
কোনটি ই-মেইলের ফাইল এক্সটেনশন নয়?
  1. .vcf
  2. .pst
  3. .svg
  4. .oft
ব্যাখ্যা
• ই-মেইলের সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু ফাইল এক্সটেনশন রয়েছে, যেমন .pst (Outlook Personal Storage Table), .vcf (ভিজিটিং কার্ড ফাইল), এবং .oft (Outlook Template)। এই ফাইলগুলো ই-মেইল পরিচালনা, সংরক্ষণ বা টেমপ্লেট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- তবে .svg একটি ইমেজ ফাইল ফরম্যাট (Scalable Vector Graphics), যা সাধারণত গ্রাফিক্স বা ওয়েব ডিজাইনের কাজে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইলের নিজস্ব কোনো ফাইল ফরম্যাট নয়। তাই .svg ই-মেইলের ফাইল এক্সটেনশন নয়।
- সঠিক উত্তর: গ) .svg

• ই-মেইল: 
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 ও IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

• ইমেইল ফাইল এক্সটেনশনমূহ:
.email - Outlook Express e-mail message file.
.eml - E-mail message file from multiple e-mail clients, including Gmail.
.emlx - Apple Mail e-mail file.
.msg - Microsoft Outlook e-mail message file.
.oft - Microsoft Outlook e-mail template file.
.ost - Microsoft Outlook offline e-mail storage file.
.pst - Microsoft Outlook e-mail storage file.
.vcf - E-mail contact file.

উৎস:
১.  মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computer Hope Website
৯৬০.
What is the basic unit of information in quantum computing?
  1. Bit
  2. Byte
  3. Qubit
  4. Register
ব্যাখ্যা

• Quantum Computing-এ তথ্যের মৌলিক একক হলো Qubit (Quantum bit), যা classical bit-এর মতো শুধু 0 বা 1 নয়—একসাথে একাধিক অবস্থায় থাকতে পারে।

• Quantum Computing:
- Quantum Computing হলো এমন একটি কম্পিউটিং পদ্ধতি, যেখানে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে quantum mechanics-এর নীতি ব্যবহার করা হয়।
- এখানে classical computer-এর bit-এর পরিবর্তে qubit ব্যবহৃত হয়।

• Qubit (Quantum Bit):
- Qubit হলো quantum computing-এর মৌলিক তথ্য একক।
- Classical bit যেখানে শুধু 0 অথবা 1 হতে পারে, সেখানে qubit 0 এবং 1—দুই অবস্থাতেই একসাথে থাকতে পারে।
- এই বৈশিষ্ট্যকে superposition বলা হয়।
 
• Qubit কেন গুরুত্বপূর্ণ:
- Qubit একাধিক অবস্থায় থাকতে পারায় quantum computer একই সময়ে বহু গণনা করতে পারে।
- এর ফলে নির্দিষ্ট কিছু জটিল সমস্যা classical computer-এর তুলনায় দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Bit → Classical computing-এর তথ্য একক।
- Byte → 8টি bit নিয়ে গঠিত ডেটা একক।
- Register → একাধিক bit বা qubit ধারণের কাঠামো, মৌলিক একক নয়।
 
উৎস: IBM & Britannica.

৯৬১.
কোন ওয়েবসাইটটি সাধারণত অনলাইনে পণ্য কেনাবেচার জন্য ব্যবহৃত হয় না?
  1. Best Buy
  2. X
  3. Rakuten
  4. Shopify
ব্যাখ্যা
• সাধারণত অনলাইনে পণ্য কেনাবেচার জন্য ব্যবহৃত হয় না এমন ওয়েবসাইটটি হলো খ) X. X, যা পূর্বে টুইটার নামে পরিচিত ছিল, একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয়। এটি ব্যবহারকারীদের সংক্ষিপ্ত বার্তা শেয়ার করতে ও যোগাযোগ স্থাপন করতে সহায়তা করে, তবে এটি সরাসরি কোনো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নয়। অন্যদিকে, Best Buy, Rakuten এবং Shopify- এই তিনটি ওয়েবসাইটই পণ্য কেনাবেচার জন্য ব্যবহৃত হয়। Best Buy ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রয় করে, Rakuten একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস এবং Shopify ব্যবসায়ীদের নিজস্ব অনলাইন দোকান তৈরি করার সুযোগ দেয়। তাই, অনলাইন কেনাবেচার প্রেক্ষাপটে X এই তালিকায় ব্যতিক্রম।

• ই-কমার্স:
- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।
- ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সের কল্যাণে ঘরে বসেই কম্পিউটারের সাহায্যে ক্রেতারা সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারী গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- বাজারজাতকারী এবং ক্রেতা ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছে।

- ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং।
- এ ডাটা ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান তথ্যের আদানপ্রদান করছে।
- ট্রান্সমিশনের কাজটি সম্পাদিত হয় সবার ব্যবহার উপযোগী উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বই, কম্পিউটার ইত্যাদি দ্রব্য যা দৃশ্যমান তা বিক্রয়ের বিষয়টি সবার নজর কেড়েছে।
- Amazon.com, ekanei.com, Olx.com এই ওয়েবসাইটগুলো ই-কমার্স সাইট।
- এই ওয়েবসাইটগুলোর সাহায্যে অনলাইনে কেনাবেচা করা হয়।
- অন্যদিকে, Bing.com হলো জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।
৯৬২.
"BARD AI" - কোন ধরনের প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি?
  1. ডিপ লার্নিং এবং ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং
  2. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
  3. ফেসিয়াল রিকগনিশন
  4. অগমেন্টেড রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা
• "BARD AI" - "ডিপ লার্নিং এবং ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং" প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরি।

- ডিপ লার্নিং একটি মেশিন লার্নিংয়ের শাখা, যেখানে কম্পিউটার সিস্টেমগুলো বড় পরিসরে তথ্য বা ডেটা বিশ্লেষণ করে এবং নিজের থেকে শেখে।
- এটি বিশেষভাবে নিউরাল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, যা মানুষের মস্তিষ্কের মতো কাজ করে।
- ডিপ লার্নিং প্রযুক্তি মূলত ছবি, ভয়েস, টেক্সট বা অন্য কোন বড় ডেটা সেটের প্যাটার্ন বা নিয়ম বের করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

- ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP) হল একটি প্রযুক্তি যা কম্পিউটারকে মানুষের ভাষা বুঝতে, বিশ্লেষণ করতে এবং তৈরি করতে সহায়তা করে।
- এই প্রযুক্তি দিয়ে কম্পিউটার মানুষের লেখা বা কথাবার্তা বুঝতে এবং উত্তর দিতে পারে।
- উদাহরণস্বরূপ, গুগল সার্চ, ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট বা চ্যাটবট ব্যবহার করার সময় আমরা NLP প্রযুক্তি দেখতে পাই।

- "BARD AI" হল গুগলের একটি ভাষার ভিত্তিতে কাজ করা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি, যা ডিপ লার্নিং এবং NLP এর সংমিশ্রণ ব্যবহার করে, মানুষের ভাষা বুঝতে এবং সঠিক উত্তর তৈরি করতে সক্ষম। এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো প্রশ্ন করলে, এটি প্রাসঙ্গিক উত্তর প্রদান করে।

অপশন আলোচনা:
ক) ডিপ লার্নিং এবং ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং:
এটি দুটি প্রযুক্তির সংমিশ্রণ—ডিপ লার্নিং, যা মেশিন লার্নিংয়ের একটি শাখা, এবং ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), যা কম্পিউটারের মাধ্যমে মানুষের ভাষা বুঝতে এবং প্রক্রিয়া করতে সহায়তা করে।

খ) কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
এটি এক ধরনের নতুন প্রযুক্তি যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের নীতির উপর ভিত্তি করে তথ্য প্রক্রিয়া করে।

গ) ফেসিয়াল রিকগনিশন:
এটি একটি প্রযুক্তি যা মানুষের মুখের বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করে এবং তাকে শনাক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

ঘ) অগমেন্টেড রিয়েলিটি:
এটি একটি প্রযুক্তি যা বাস্তব পৃথিবী এবং ভার্চুয়াল উপাদানগুলোকে একত্রিত করে ব্যবহারকারীর সামনে একটি উন্নত পরিবেশ তৈরি করে।

এখন প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে—"BARD AI" এর জন্য সঠিক প্রযুক্তি কোনটি, এই বিষয়ে বেছে নিতে হবে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৬৩.
কোনটি ই-কমার্সের প্লাটফর্ম হিসাবে কাজ করতে পারে?
  1. Facebook
  2. Amazon
  3. YouTube
  4. All of the above
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ঘ) All of the above.
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম বলতে এমন মাধ্যমকে বোঝায়, যেখানে পণ্য বা সেবা অনলাইনে প্রচার, ক্রয়-বিক্রয় ও লেনদেন করা যায়। Facebook ই-কমার্সে ব্যবহৃত হয় Facebook Page, Marketplace ও Messenger-এর মাধ্যমে, যেখানে বিক্রেতা সরাসরি ক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে পণ্য বিক্রি করতে পারে। Amazon একটি পূর্ণাঙ্গ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম, যেখানে পণ্য তালিকাভুক্ত করা, অনলাইন পেমেন্ট ও হোম ডেলিভারির সুবিধা রয়েছে। YouTube-ও ই-কমার্সে ভূমিকা রাখে, কারণ ভিডিও কনটেন্টের মাধ্যমে পণ্যের প্রচার, রিভিউ এবং লিংকের মাধ্যমে বিক্রয় সম্ভব। তাই তিনটিই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে।
 
 • ই-কমার্স:
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নিজেদের সাথে বা একে অপরের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেনই হলো ই-কমার্স।
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।

• সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:
১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business: B2B),
২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer: B2C),
৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business: C2B),
৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer: C2C) ও
৫. এম-কমার্স (M-commerce).

• ই-কমার্স এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায়িক ফলাফল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানই ভোগ করতে পারে।
- ই-কমার্স পণ্য ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্র সর্বজনীন।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য কোনো আইনগত জটিলতা নেই।
- আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, সঠিক মূল্য এবং সময়ের সাথে মানানসই।
- মূলত ই কমার্স ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- ই-কমার্স বিভিন্ন ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড পরিচালনাতেও জটিলতা অনেকাংশে কমায়। যেমন দ্রব্য ও সেবা বিজ্ঞ ভাড়া ও সরবরাহসংক্রান্ত ব্যবসায় ই-কমার্স বিশেষ সুবিধা ও সুযোগ সৃষ্টি করছে।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ব্যবসায় পরিচালনা করা সম্ভব।

• এছাড়াও, 
- Amazon যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।
- Flipkart - ভারতের ই-কমার্স সাইট।
- Rokomari - বাংলাদেশের ই-কমার্স সাইট।
- Alibaba চীনভিত্তিক ই-কমার্স সাইট।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৯৬৪.
ই-মেইল পাঠানোর সময় অতিরিক্ত প্রাপককে কোন ফিল্ডে রাখা হয়?
  1. From
  2. CC
  3. Subject
  4. Body
ব্যাখ্যা
ই-মেইল পাঠানোর সময় অতিরিক্ত প্রাপককে CC ফিল্ডে রাখা হয়।

ই-মেইল পাঠানো নিয়ম:
ই-মেইল পাঠাতে হলে আমাদেরকে মোটামুটি তিনটি ধাপে কাজ করতে হবে।
১। ই-মেইলটি কম্পোজ করা,
২। ইন্টারনেটে কানেকশন দেয়া,
৩। ই-মেইল সেন্ড করা।

• ই-মেইল কম্পোজ করা:
ই-মেইল সফটওয়্যার ওপেন করতে হবে (যেমন: Outlook Express)
Message → New Message বা To Mail এ ক্লিক করতে হবে।

নিচের ঘরগুলো পূরণ করতে হয়:
- To: প্রাপকের ঠিকানা
- From: প্রেরকের ঠিকানা
- CC, BCC: অতিরিক্ত প্রাপক (প্রয়োজনে)
- Subject: মেইলের বিষয়
- Attach: ফাইল সংযুক্তির জন্য
- Body: মেসেজ লেখার জায়গা
- মেইল সেভ করে Outbox-এ রাখা যায়।
- এভাবে একইসাথে অনেকগুলো ই-মেইল কম্পোজ করে রাখা যায়।

• ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন:
ডায়াল আপ নেটওয়ার্ক বা অন্য কোন সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন নিতে হয়।

• ই-মেইল সেন্ড করা:
ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার পর:
File → Send Queued Message অথবা Send and Receive বাটনে ক্লিক করে মেইল পাঠানো হয়

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৫.
বহুল আলোচিত 'ডিপসিক' কোন দেশের সফটওয়্যার কোম্পানি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. জাপান
  4. চীন
ব্যাখ্যা
ডিপসিক: 
- চীনা কোম্পানি ডিপসিকের তৈরি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই চালিত চ্যাটবট ডিপসিক। 
- ডিপসিকের মুল প্রতিষ্ঠানটি বলছে তাদের নতুন এআই মডেল বাজারের শীর্ষ এই মডেল যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক চ্যাটজিপিটির সমকক্ষ।
- তবে চ্যাটজিপিটির তুলনায় তাদের এআই মডেল তৈরিতে খরচ হয়েছে বহুগুণ কম।
- অ্যাপ তৈরির গবেষণা দল বলছে এই অ্যাপটি তৈরি করতে তাদের ৬০ লাখ ডলার লেগেছে যা যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক এআই কোম্পানিগুলোর খরচ করা শতকোটি ডলারের তুলনায় রীতিমতো নগণ্য।
- ডিপসিক একটি চীনা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোম্পানি যার প্রতিষ্ঠা হয়েছিল দক্ষিণ-পূর্ব চীনের শহর হাংঝুতে।
 -কোম্পানিটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ২০২৩ সালের জুলাইয়ে।
- তবে তাদের জনপ্রিয় এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাপ যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ছাড়া হয় ২০২৫ সালের ১০ই জানুয়ারি।
- লিয়াং ওয়েনফেং ডিপসিকের সহ প্রতিষ্ঠাতা, যিনি নিজের প্রতিষ্ঠিত একটি হেজ ফান্ডের অর্থ ব্যবহার করে ডিপসিক তৈরি করেন।

উৎস: BBC NEWS বাংলা (২৮ জানুয়ারি ২০২৫)
৯৬৬.
নিচের কোনটি প্রথম ব্লকচেইন ভিত্তিক ক্রিপ্টোকারেন্সি?
  1. Ethereum
  2. Ripple
  3. Dogecoin
  4. Bitcoin
ব্যাখ্যা

• ২০০৮ সালে 'সাতোশি নাকামোতো' (Satoshi Nakamoto) ছদ্মনামের এক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী একটি হোয়াইট পেপারের মাধ্যমে বিটকয়েনের ধারণা দেন এবং ২০০৯ সালে এটি প্রথম ব্লকচেইন ভিত্তিক ডিজিটাল মুদ্রা হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- এটি কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি পিয়ার-টু-পিয়ার (P2P) লেনদেনের সুযোগ করে দেয়।

বিটকয়েন ও ব্লকচেইনের বৈশিষ্ট্য:
- এটি সম্পূর্ণ বিকেন্দ্রীভূত (Decentralized), অর্থাৎ কোনো সরকার বা সংস্থা এটি নিয়ন্ত্রণ করে না।
- এর মোট সরবরাহ সীমাবদ্ধ (সর্বোচ্চ ২১ মিলিয়ন বিটকয়েন হতে পারে)।
- লেনদেনগুলো পাবলিক লেজারে সংরক্ষিত থাকে, যা যে কেউ যাচাই করতে পারে।
- মাইনিং (Mining) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন বিটকয়েন তৈরি এবং লেনদেন যাচাই করা হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Ethereum: এটি ২০১৫ সালে চালু হওয়া দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্লকচেইন যা মূলত স্মার্ট কন্ট্রাক্ট (Smart Contract) তৈরির জন্য পরিচিত।
- Ripple: এটি মূলত ব্যাংকগুলোর মধ্যে দ্রুত এবং স্বল্প খরচে আন্তর্জাতিক অর্থ লেনদেনের জন্য ২০১২ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- Dogecoin: এটি ২০১৩ সালে বিটকয়েনকে ব্যাঙ্গ করে একটি 'মিম' (Meme) হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।[লিঙ্ক]

৯৬৭.
দুটি ব্লুটুথ ডিভাইস যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে, তার নাম কী?
  1. প্যায়ারিং
  2. বন্ডিং
  3. লিঙ্কিং
  4. ডিবাগিং
ব্যাখ্যা
• দুটি ব্লুটুথ ডিভাইস যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে, তাকে প্যায়ারিং (Pairing) বলা হয়। পেয়ারিং একটি নিরাপদ যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক ধাপ, যেখানে দুই ডিভাইস একে অপরকে শনাক্ত করে এবং একটি নিরাপদ চ্যানেল তৈরি করে ডেটা আদান-প্রদান করার জন্য। এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত একটি অথেন্টিকেশন বা পিন কোড প্রবেশ করাতে হয়, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে সংযোগটি অনুমোদিত। একবার পেয়ারিং সম্পন্ন হলে, ভবিষ্যতে ওই দুই ডিভাইস আবার সংযোগ স্থাপন করতে চাইলে আর পিন কোড প্রয়োজন হয় না, কারণ তখন তারা একে অপরের সাথে বন্ড হয়ে যায়। তবে প্রাথমিক প্রক্রিয়াটির নামই পেয়ারিং। সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) প্যায়ারিং।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৮.
নিচের কোন সফটওয়্যারটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য ব্যবহৃত হয়না?
  1. Maya
  2. Sybase
  3. VRToolKit
  4. Vizard
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- অর্থাৎ প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolKit, 3D Studio Max, Maya ইত্যাদি।

• Sybase একটি database management software.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬৯.
SWIFT-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যাংকগুলিকে ঋণ প্রদান করা
  2. ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা
  3. একটি স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে কাজ করা
  4. ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

• SWIFT-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদভাবে আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা। এটি কোনো ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা স্টক এক্সচেঞ্জ নয় এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, যা ব্যাংকগুলোকে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে অর্থমূলক বার্তা আদানপ্রদান করার সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে যেমন ব্যাংক ট্রান্সফার, লোন বা অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের তথ্য নিরাপদে আদানপ্রদান করা সম্ভব হয়। তাই এটি বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং সেক্টরে লেনদেনের নির্ভরযোগ্য ও সুরক্ষিত মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: খ) ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা।

SWIFT Code: 
- SWIFT (Societyfor Worldwide Interbank Finnancial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেনের নেটওয়ার্ক। 
- সুইফট-এর মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পরিচিতি শনাক্ত করা হয়।
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক প্রদান করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদভাবে টাকা স্থানান্তরের নির্দেশসহ বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজতর করে। 
- এই শনাক্তকরণ মূলতঃ সংকেতলিপি তথা কোডের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। 
- এক্ষেত্রে লেনদেনের তারবার্তা (ওয়্যার) এই সুইফট কোডের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়। 
- বিশ্বের দু'শতাধিক দেশে ১১ হাজার ব্যাংক সুইফট ব্যবহার করে। 
- আর্থিক লেনদেনে কোড পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুইফট সম্মিলিতভাবে পরিচালনা করছে বিশ্বের অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে সুইফট-এর সেবা নেয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৯৭০.
ইমেইলে ব্যবহৃত ফাইল এটাচমেন্ট এর সাইজ কত এর মধ্যে থাকতে হয়?
  1. ৫০ এমবি
  2. ২৫ এমবি
  3. ১০০ এমবি
  4. ১২৫ এমবি
ব্যাখ্যা
ইমেইল: 
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের আকার সাধারণত 25 MB এর মধ্যে থাকা উচিত, কারণ বেশিরভাগ জনপ্রিয় ইমেইল সেবাদাতা (যেমন Gmail, Yahoo, Outlook) একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে থাকে। এই সীমার মধ্যে থাকা অ্যাটাচমেন্ট ইমেইল প্রেরক এবং প্রাপক উভয়ের জন্য পাঠানো এবং গ্রহণ করা সহজ।

উৎস: britannica, Microsoft.
৯৭১.
অফিসের যাবতীয় কার্যক্রমকে স্বয়ংক্রিয় করাকে কী বলা হয়?
  1. টেলিকমিউনিকেশন
  2. স্মার্ট অফিস
  3. অটোমেশন
  4. ডিজিটালাইজেশন
ব্যাখ্যা
• অফিস অটোমেশন:
- অফিস পরিচালনার ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির একটি প্রায়োগিক টুল হলো অফিস অটোমেশন সিস্টেম।
- অফিস অটোমেশন হলো এমন এক ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম, যার মাধ্যমে কমপিউটার, নেটওয়ার্কিংসহ তথ্য প্রযুক্তির আরও অন্যান্য ডিভাইস ও সিস্টেম দ্বারা অফিসের সকল পেপার ওয়ার্ক ও যোগাযোগের কাজ পরিচালনা করা যায়।
- অফিস অটোমেশনে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলো হলো মাইক্রোসফট অফিস, ওপেন অফিস অর্গ, অ্যাক্রোবেট রিডার ইত্যাদি।
- এছাড়াও অফিস পরিচালনার ক্ষেত্রে যে সমস্ত তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে কমপিউটার, মোবাইল ফোন, ফ্যাক্স, স্ক্যানার, প্রিন্টার, ফটোকপিয়ার, প্রজেক্টর, সিসিটিভি, আইপি, পিএবিএক্স, কর্মীদের হাজিরার জন্য বায়োমেট্রিক্স ডিভাইস ইত্যাদি।
- বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক উৎকর্ষতার কারণে ঘরে বসেও অফিসের সকল কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ এবং অফিস পরিচালনার সব ধরনের নির্দেশ ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে প্রদান করা সম্ভব।
- চব্বিশ ঘণ্টা চালু থাকে এ ধরনের অফিসকে ভার্চুয়াল অফিস এবং প্রদত্ত সার্ভিসকে 24/7 সার্ভিস বলা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।