বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আমদানি-রপ্তানি

মোট প্রশ্ন২৬২এই পাতা৫৮প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আমদানি-রপ্তানি

PrepBank · পাতা / · ২০১২৫৮ / ২৬২

২০১.
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস? [ডিসেম্বর- ২০২৫]
  1. পাটজাত পণ্য রপ্তানি
  2. রেমিট্যান্স 
  3. চিংড়ি রপ্তানি
  4. তৈরি পোশাক রপ্তানি
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক রপ্তানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক রপ্তানি
ব্যাখ্যা

দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন:
- দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় তৈরি পোশাক রপ্তানির মাধ্যমে।
- বাংলাদেশের এটিই সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত এবং দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- তৈরি পোশাক খাতের মধ্যে নিটওয়্যার রপ্তানি হয়েছে ২১.১৫ বিলিয়ন ডলার এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৮.১৮ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয় ৮.৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের থেকে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাটজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮২ কোটি মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৮৮ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার।

উৎস: i) বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
ii) প্রথম আলো।

২০২.
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল কোন দেশ? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. সৌদি আরব 
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত 
  3. জর্ডান 
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল সৌদি আরব। 
- মোট নারী অভিবাসীর ৭২ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।

এছাড়াও,
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ২য় বড় গন্তব্যস্থল জর্ডান (১৮%)।
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ৩য় বড় গন্তব্যস্থল কাতার (১৮%)।
- কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে গন্তব্যের পরিমাণ ১%।

উৎস: BMET ওয়েবসাইট। 

২০৩.
কোন জাহাজ চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের ব্যবসা শুরু করে?
  1. এমভি বাংলার প্রগতি
  2. এমভি বাংলার নবযাত্রা
  3. এমভি বাংলার দূত
  4. এমভি বাংলার মুখ
সঠিক উত্তর:
এমভি বাংলার দূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমভি বাংলার দূত
ব্যাখ্যা

এমভি বাংলার দূত:
- ১৯৭২ সালের জুনে ‘এমভি বাংলার দূত’ জাহাজ চালুর মাধ্যমে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের ব্যবসা শুরু করে সরকারি সংস্থা বিএসসি। 

⇒ সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৫) চীনের জিংজিয়াং বন্দর থেকে প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘এমভি বাংলার প্রগতি’। 
- এছাড়াও ডিসেম্বর, ২০২৫ প্রথম সপ্তাহে এমভি বাংলার নবযাত্রাও বিএসসির বহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি)  বাংলাদেশ এবং বর্হিবিশ্বের মাঝে খাদ্যশস্য, জ্বালানি, ভোজ্য তেল, পোশাক, প্রক্রিয়াজাতকরণ খাদ্য, চা, চামড়া, রাসায়নিক দ্রব্যসহ কনটেইনারজাত যে কোন মালামাল আমদানি ও রপ্তানির উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সংস্থা।
- ১৯৭২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- শিপিং কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠার পরপরই বাংলার দূত এবং বাংলার সম্পদ নামের দুটো সমুদ্রগামী জাহাজ বিএসসিতে সংযোজিত হয়। 

উৎস: i) বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

২০৪.
EPB এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Export Promotion Bureau
  2. Economic Planning Board
  3. Export Policy Board
  4. External Product Bureau
সঠিক উত্তর:
Export Promotion Bureau
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Export Promotion Bureau
ব্যাখ্যা

ইপিবি : 
- ​রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
​- EPB এর পূর্ণরূপ  Export Promotion Bureau.
​- মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পদাধিকার বলে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। 
​- ইপিবির ভাইস-চেয়ারম্যান (প্রধান নির্বাহী) পরিচালনা পর্ষদেরও ভাইস-চেয়ারম্যান যিনি পর্ষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেন।
​- ১৯৬২ সালে ইপিবি সরকারি সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। 

​উৎস: EPB ওয়েবসাইট।

২০৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার কত শতাংশ?
  1. ১৫.৮৭%
  2. ১৬.২৩%
  3. ১৭.৩৮%
  4. ১৮.৫১%
সঠিক উত্তর:
১৫.৮৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫.৮৭%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২০৬.
বাংলাদেশের আনন্দ শিপইয়ার্ড কোন জাহাজটি প্রথমবার রপ্তানি করে?
  1. এম ভি প্রিন্স অব ওয়েলস
  2. এম ভি স্টেলা ম্যারিস
  3. এম ভি হারকিউলিস
  4. এম ভি সি প্যালেস
সঠিক উত্তর:
এম ভি স্টেলা ম্যারিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম ভি স্টেলা ম্যারিস
ব্যাখ্যা

• আনন্দ শিপইয়ার্ড:
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনাঘাটে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম শিপইয়ার্ড।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার নয়াপল্টনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটি ১৯৯৯ সালে এটি বেসরকারি লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০০৯ সালে সরকারিভাবে যাত্রা শুরু করে।

⇒ বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম রপ্তানি হওয়া জাহাজটির নাম ছিল এমভি স্টেলা ম্যারিস।
- কনটেইনার পরিবহনের উপযোগী করে তৈরি জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
- জাহাজ রপ্তানির দুই বছর আগে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি মোজাম্বিকে ফেরি রপ্তানি করেছিল।

তথ্যসূত্র: i) আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

২০৭.
বর্তমানে দেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য বিশ্বের কয়টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ১২২টি
  2. ১৩৪টি
  3. ১৪৮টি
  4. ১৫৩টি
সঠিক উত্তর:
১৪৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৮টি
ব্যাখ্যা
দেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য:
- বর্তমানে দেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য বিশ্বের ১৪৮টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।

⇒ বাংলাদেশ থেকে কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব, জার্মানি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্যসহ ১৪৮টি দেশে কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যানুসারে, উল্লেখযোগ্য কৃষিজাত রপ্তানি পণ্য হলো পাট ও পাটজাত দ্রব্য, সুগন্ধি চাল, শাক-সবজি ও ফলমূল যেমন হিমায়িত আলু, কচু, পটোল, কচুমুখি, লাউ, পেঁপে, শিম, করলা, কাঁকরোল, চিচিঙ্গা, মিষ্টিকুমড়া, আম, কাঁঠাল, লেবু, লিচু, লটকন, আমড়া, পেয়ারা, শুকনা বরই ইত্যাদি। চা, ফুল, নানা রকম মসলা যেমন কালিজিরা, হলুদের গুঁড়া, মরিচের গুঁড়া, শুকনা মরিচ, বিরিয়ানি মসলা, কারি মসলা, তামাক, ড্রিংকস, ড্রাই ফুডস প্রভৃতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
- তবে এর মধ্যে ‘ড্রাই ফুড’ বা শুকনা খাদ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এসব ড্রাই ফুডের মধ্যে আছে বিস্কুট, চানাচুর, কেক, পটেটো ক্র্যাকার ও বাদামের মতো নানা রকম খাদ্যপণ্য। কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের মধ্যে বেশি রপ্তানি হয় রুটি, বিস্কুট ও চানাচুরজাতীয় শুকনা খাবার, ভোজ্যতেল ও সমজাতীয় পণ্য, ফলের রস, বিভিন্ন ধরনের মসলা, পানীয় এবং জ্যাম-জেলির মতো বিভিন্ন সুগার কনফেকশনারি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষিপণ্য থেকে ১.১২ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল সরকার।

উৎস: কালের কন্ঠ।
২০৮.
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল কোন দেশ? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত 
  2. কুয়েত 
  3. সৌদি আরব
  4. কাতার 
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল সৌদি আরব।
- মোট নারী অভিবাসীর ৭২ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।

এছাড়াও,
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ২য় বড় গন্তব্যস্থল জর্ডান (১৮%)।
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ৩য় বড় গন্তব্যস্থল কাতার (১৮%)।
- কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে গন্তব্যের পরিমাণ ১%।

উৎস: BMET ওয়েবসাইট।

২০৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ কত?
  1. ৪০,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৮,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৫৬,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
আমদানি পরিস্থিতি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২১০.
বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য গৃহীত অন্যতম পদক্ষেপ কোনটি?
  1. রপ্তানি পণ্যে নগদ সহায়তা
  2. রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণ
  3. নতুন বাজার খোঁজা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- উপরের সবগুলোই বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য গৃহীত অন্যতম পদক্ষেপ।

বাংলাদেশে আমদানি-রপ্তানি ভারসাম্যহীনতা দূর করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
রপ্তানি পণ্যে নগদ সহায়তা: সরকার রপ্তানিকারকদের উৎসাহিত করতে রপ্তানি পণ্যে নগদ সহায়তা প্রদান করে থাকে, যাতে তারা রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারে।
রপ্তানি পণ্য বৈচিত্র্যকরণ: একক পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর জন্য বৈচিত্র্যকরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
নতুন বাজার খোঁজা: বাংলাদেশ নতুন আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির সুযোগ তৈরির জন্য উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে বিশ্বব্যাপী রপ্তানি বাড়ানো যায়।
এই পদক্ষেপগুলো একত্রে কাজ করে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি ভারসাম্যহীনতা কমানোর লক্ষ্যে সহায়তা প্রদান করছে।

রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ এ বলা হয়েছে:
অপেক্ষাকৃত নিম্ন সুদ হার এবং সহজ শর্তে রপ্তানি ঋণ প্রদানসহ রপ্তানিকারকদেরকে বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা (Incetive) প্রদান করা;
পণ্য পরিচিতি (Product Branding)ও নতুন বাজার অন্বেষণ উদ্যোগের আওতায় বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি পণ্যের একক মেলা আয়োজন ও আন্তর্জাতিক মেলায় কার্যকরভাবে যোগদানের ক্ষেত্রে রপ্তানিকারকদেরকে সহায়তা প্রদান।
নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন, পণ্য বহুমুখীকরণ, পণ্য রপ্তানিতে উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জন ইত্যাদি কর্মকান্ডের জন্য বিভিন্ন খাতে প্রতি বছর শ্রেষ্ঠ রপ্তানিকারকদেরকে সিআইপি মর্যাদা ও জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান।
তৈরি পোশাকের পাশাপাশি Non-RMG খাত বিশেষকরে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা, হালকা প্রকৌশল পণ্য, ফার্মাসিউটিক্যালস, কৃষিপণ্য, উদ্ভিদ ও উদ্ভিদজাত পণ্য, পাটপণ্য, প্রাণি ও প্রাণিজাত পণ্য, হালাল পণ্য, অপ্রচলিত পণ্য, মেরিন রিসোর্স হতে আহরিত পণ্য খাতে রপ্তানি বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকারমূলক নীতি সুবিধা প্রদান। এছাড়া পণ্য বহুমুখীকরণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট খাতে বৈচিত্র্য আনয়নে (Diversification within the sector) উৎসাহ প্রদান প্রদান;

উৎস:বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
২১১.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট কত বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে? 
  1. ৬৫ বিলিয়ন
  2. ৬১ বিলিয়ন
  3. ৬০ বিলিয়ন
  4. ৫৫ বিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
৬১ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬১ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট ৬১ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছে, 
- যা  ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চেয়ে ৭ শতাংশ কম।
- ২০২৩-২৪  অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৬ হাজার ৫১৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- এনবিআরের তথ্যভান্ডার অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল, দেশীয় শিল্পের কাঁচামাল, মূলধনি যন্ত্রপাতিসহ দেশে প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়, এ রকম অনেক পণ্য আমদানি হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো। [লিঙ্ক]

২১২.
দেশে বর্তমানে কোন দেশ থেকে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে?
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়:
- দেশে বর্তমানে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ১ হাজার ৩০৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। 

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের জুলাই-নভেম্বর সময়ে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২০৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- যুক্তরাজ্য থেকে ১৬৭ কোটি,
- সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ১৫৮ কোটি,
- মালয়েশিয়া ১৪৩ কোটি এবং
- যুক্তরাষ্ট্র ১০৩ কোটি ডলার এসেছে।

⇒ একই সময়ে ইতালি থেকে ৮৩ কোটি, ওমান থেকে ৭৭ কোটি, কুয়েত থেকে ৬৪ কোটি, কাতার থেকে ৫৯ কোটি ও সিঙ্গাপুর থেকে ৫৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। [link]

২১৩.
২০২৪–২৫ অর্থবছরের জুলাই- ডিসেম্বর মাসে নিচের কোন খাত সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে?
  1. তৈরি পোশাক
  2. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. প্লাস্টিক পণ্য
  4. চামড়াবহির্ভূত জুতা
সঠিক উত্তর:
চামড়াবহির্ভূত জুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়াবহির্ভূত জুতা
ব্যাখ্যা
রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি: ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাস
- চামড়াবহির্ভূত জুতা বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা বাড়ছে।
- বাংলাদেশ এই খাতে ধীরে ধীরে চীনের পর বৈশ্বিক বাজারে অবস্থান মজবুত করছে।

প্রধান খাতের পারফরম্যান্স:
তৈরি পোশাক:
রপ্তানি আয়: ১,৯৮৯ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ১৩.২৮%।

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য:
রপ্তানি আয়: ৫৮ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ১০.৫%।

হিমায়িত মৎস্য:
রপ্তানি আয়: সাড়ে ২৪ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ১৩%।

প্লাস্টিক পণ্য:
রপ্তানি আয়: ১৬ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ৩০%।

চামড়াবহির্ভূত জুতা:
রপ্তানি আয়: সাড়ে ২৭ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ৩৯%।

বিশেষায়িত বস্ত্রপণ্য:
রপ্তানি আয়: সাড়ে ১৯ কোটি ডলার।
প্রবৃদ্ধি: ২৩%।

উৎস: প্রথম আলো (৩ জানুয়ারি ২০২৫)। (লিঙ্ক)
২১৪.
বাংলাদেশ কোন ‍উৎস থেকে সর্বাধিক রপ্তানি আয় করে থাকে?
  1. শাক সবজি
  2. হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ
  3. চমড়া
  4. তৈরি পোশাক
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ’তৈরি পোশাক’ থেকে সর্বাধিক রপ্তানি আয় করে থাকে।

- প্রধান প্রধান পণ্যের রপ্তানি অবস্থাঃ
→ নীট পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

→ ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%।

→ হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.৮১%।

→ চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

→ হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৪১.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ০.৯১%।

→ কৃষিজাত পণ্য খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০০৬.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.০৯%।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি পরিসংখ্যান।

২১৫.
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানিতে কোন প্রতিষ্ঠান শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. হা-মীম গ্রুপ
  2. ইয়াংওয়ান করপোরেশন
  3. ডিবিএল গ্রুপ
  4. মণ্ডল গ্রুপ
সঠিক উত্তর:
ইয়াংওয়ান করপোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াংওয়ান করপোরেশন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানিতে:
- বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানিতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি ইয়াংওয়ান করপোরেশন।
- দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্যোক্তা কিহাক সাংয়ের মালিকানাধীন ইয়াংওয়ান করপোরেশন।
- সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি ৯৭ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। 
- ইয়াংওয়ানের রপ্তানির ৯৪ শতাংশই তৈরি পোশাক। তৈরি পোশাক ছাড়াও জুতা, হাতব্যাগ, কৃত্রিম তন্তুর কাপড় ইত্যাদি রপ্তানি করে গ্রুপটি। 

⇒ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দেশীয় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদের মালিকানাধীন হা-মীম গ্রুপ। ইয়াংওয়ান ও হা-মীম ছাড়াও রপ্তানিতে সেরা দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকা বাকি আট শিল্প গ্রুপ হচ্ছে মণ্ডল গ্রুপ, ডিবিএল গ্রুপ, অনন্ত, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, স্কয়ার গ্রুপ, পলমল গ্রুপ, প্যাসিফিক জিনস গ্রুপ ও মাইক্রো ফাইবার গ্রুপ।

⇒ সেরা দশে থাকা নয়টি শিল্প গ্রুপের রপ্তানির ৯০ থেকে ১০০ শতাংশই তৈরি পোশাক। এই তালিকায় ব্যতিক্রম শুধু প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য থেকে শুরু করে জুতা, আসবাব, প্লাস্টিক ও হালকা প্রকৌশল পণ্য—প্রায় সবই আছে শিল্প গ্রুপটির রপ্তানির তালিকায়।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রপ্তানি পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে প্রথম আলো বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের শীর্ষ ১০ শিল্পগোষ্ঠীর এই তালিকা তৈরি করেছে। 
- এনবিআরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশ থেকে মোট ৪৬ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে শীর্ষ দশ গ্রুপের সম্মিলিত রপ্তানির পরিমাণ ৫ দশমিক ২৫ বিলিয়ন বা ৫২৫ কোটি মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১১ শতাংশ।

উৎস: প্রথম আলো।

২১৬.
বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে অপ্রচলিত সবচেয়ে বড় বাজার কোনটি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানি ২০২৪-২৫:
- চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে (জুলাই-মার্চ) অপ্রচলিত বা নতুন বাজারে ৫১২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে অপ্রচলিত সবচেয়ে বড় বাজার জাপান।
- জাপানে রপ্তানি হয়েছে ৯৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। এ রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি।
- দ্বিতীয় বড় বাজার অস্ট্রেলিয়ায় চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে ৬৫ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- ভারত বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের তৃতীয় শীর্ষ নতুন বাজার।
- নতুন বাজারের মধ্যে রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে।

উল্লেখ্য,
- অপ্রচলিত বা নতুন বাজার বলতে এমন দেশ বা অঞ্চলকে বোঝানো হয়, যেগুলো প্রচলিতভাবে কোনো দেশের পণ্য বা সেবার প্রধান ক্রেতা ছিল না, কিন্তু বর্তমানে যেসব দেশে রপ্তানি বাড়ছে বা রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
- প্রচলিত বাজার হিসেবে ২৭ জাতির জোট ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে গণ্য করা হয়।
- এর বাইরে সব দেশকে অপ্রচলিত বাজার হিসেবে গণ্য করা হয়। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত ও তুরস্ক অপ্রচলিত শ্রেণিতে উল্লেখযোগ্য নাম।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
২১৭.
'বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩' অনুসারে, পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩:

- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) কর্তৃক 'বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩' প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
- শিরোনাম: ‘ওয়াল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’।
- প্রকাশিত হয়: আগস্ট, ২০২৪।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী -
- বৈশ্বিক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ: চীন;
- বৈশ্বিক আমদানিতে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র;
- বস্ত্র রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ: চীন;
- বস্ত্র আমদানীতে শীর্ষ দে:শ যুক্তরাষ্ট্র;
- পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ: চীন;
- পোশাক আমদানীতে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট।
২১৮.
২০২৪–২০২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির কত শতাংশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে আয় করা হয়?
  1. ৪৩.২৯%
  2. ৪৬.২৯%
  3. ৪৪.২৯%
  4. ৪০.২৯%
সঠিক উত্তর:
৪৪.২৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪.২৯%
ব্যাখ্যা

⇒ ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের (জুলাই–জুন) সময়ে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, মাত্র চারটি বাজার থেকে মোট রপ্তানির একটি বড় অংশ অর্জিত হয়েছে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,৩৮৪.১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৪৪.২৯%।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮,৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ১৮.০০%।
- কানাডা থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ১,৪৬৩.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৩.০৩%।
- জাপান থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ১,৪১১.৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ২.৯২%।
- উপরোক্ত চারটি বাজার থেকে সর্বমোট রপ্তানি আয় হয়েছে ৩২,৯৫১.৮৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এ আয় উক্ত সময়ের বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৬৮.২৫% প্রতিনিধিত্ব করে।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

২১৯.
বিগত ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার ছিল কোন দেশ?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. জার্মানি
  3. স্পেন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার:
- বিগত ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার ছিল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)। যুক্তরাজ্যে রপ্তানিতে ৩.৬৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
-  বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত দেশের তৈরি পোশাকের দেশ ভিত্তিক রপ্তানি হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।

⇒ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২০১টি দেশ ও অঞ্চলে মোট ৪,৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় ৭৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

এছাড়াও,
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।

২২০.
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ
  3. চামড়া-চামড়াজাত পণ্য
  4. নীট পোষাক
সঠিক উত্তর:
নীট পোষাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীট পোষাক
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থ-বছরে, বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -  নীট পোষাক।

• পণ্যভিত্তিক রপ্তানি কার্যক্রম পর্যালোচনাঃ
- প্রধান প্রধান পণ্যের রপ্তানি অবস্থাঃ

• নীট পোষাক:
-  নীট পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার । উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।
 
• ওভেন পোষাক :
- ওভেন পোষাক খাতে  ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭% ।

• হোম টেক্সটাইল 
 - হোম টেক্সটাইল খাতে  ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.৮১%।

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
- চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১,১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার । উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

• হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ:
- হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ খাতে  ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৪১.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ।উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ খাতের অবদান ০.৯১।

• কৃষিজাত পণ্য :
- কৃষিজাত পণ্য খাতে  ২০২৪-২৫  অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে  ১০০৬.৯৩ মি: মা: ড: । উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের আবদান ২.০৯%।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি পরিসংখ্যান।

২২১.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে নীটওয়্যার ও তৈরি পোশাকের অবদান -
  1. ৪৮.৩৫%
  2. ৫৮.২৫%
  3. ৬৬.৮৫%
  4. ৮৫.৪৫%
সঠিক উত্তর:
৮৫.৪৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫.৪৫%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর- এ বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২২২.
২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ে বাংলাদেশের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় কত মিলিয়ন মার্কিন ডলার?
  1. ৪৫,০০০.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৫০,৫০০.৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৪৬,৭৫০.৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি কার্যক্রমঃ

- বিগত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে আমাদের রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা - বিগত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় 8.58% বেশী এবং নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ৯৬.৫৭% ।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।[লিংক]

২২৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এশিয়ার কোন দেশটিতে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. ভারত
  2. সৌদি আরব
  3. জাপান
  4. থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
• একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- রপ্তানি হার: ১৫.৮৭%।

• একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি করে: জার্মানি।
- রপ্তানি হার: ১১.২১%।

• একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি করে: যুক্তরাজ্য।
- রপ্তানি হার: ১০.৫২%।

⇒ এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপান।
- রপ্তানি হার: ৩.৪০%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২২৪.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে পণ্যভিত্তিক আমদানি ব্যয় কত দাঁড়িয়েছে?
  1. ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার
  2. ৫ হাজার ৮০০ কোটি ডলার
  3. ৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলার
  4. ৭ হাজার ৭৫ কোটি ডলার
সঠিক উত্তর:
৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলার
ব্যাখ্যা
পণ্যভিত্তিক আমদানি ব্যয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে ব্যয় ৭ হাজার ৭৫ কোটি ডলারে দাঁড়ায়।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ১০ দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলারে নেমে যায়।

- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৫২,১৯০.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

উৎস: যুগান্তর রিপোর্ট।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
২২৫.
বাগদা চিংড়ি কোন দশক থেকে রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়?
  1. পঞ্চাশ দশক
  2. ষাট দশক
  3. সত্তর দশক
  4. আশির দশক
সঠিক উত্তর:
আশির দশক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশির দশক
ব্যাখ্যা
◉ আশির দশক থেকে বাগদা চিংড়ি রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়।

বাগদা চিংড়ি:

- বাগদা চিংড়ির বৈজ্ঞানিক নাম Penaeus monodon।
- লোনা পানিতে উৎপাদিত চিংড়িকে Shrimp এবং স্বাদু পানিতে উৎপাদিত চিংড়িকে Prawn বলা হয়'।
- বাগদা লোনা পানির চিংড়ি (Shrimp)।
- রপ্তানি বাজারে এটি Black Tigar Shrimp নামে পরিচিত।
- বাগদা চিংড়ি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল এবং দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের উপকূল ও সামুদ্রিক অঞ্চলে উদ্ভুত একটি মৎস্য প্রজাতি।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
         ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
         iii) ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
২২৬.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ -
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. ফ্রান্স
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৩.৪২%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

২২৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী নিচের কোন দেশে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২২৮.
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী কোন পণ্য 'হোয়াইট গোল্ড' হিসেবে পরিচিত?
  1. ইলিশ
  2. পাট
  3. চিংড়ি
  4. চা
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
White gold:
- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২২৯.
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশি পণ্যে মোট কত শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে?  
  1. ১৮ শতাংশ 
  2. ২০ শতাংশ 
  3. ৩৪ শতাংশ 
  4. ৩৫ শতাংশ 
সঠিক উত্তর:
৩৪ শতাংশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ শতাংশ 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি (Agreement on Reciprocal Trade): 
- বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। 
- ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়। 
- চুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর আরোপ করা বাড়তি শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করা হয়েছে। 
- এতে করে মোট শুল্কহার আগের ৩৫ শতাংশ থেকে কমে হবে ৩৪ শতাংশ। আগের ১৫ শতাংশ শুল্কের সঙ্গে বাংলাদেশকে ১৯ শতাংশ পাল্টা শুল্ক দিতে হবে। 
- চুক্তির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করেছে।
- ফলে প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি পণ্য শুল্কমুক্ত বা বিশেষ সুবিধায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ঢুকতে পারবে। 
- তবে চুক্তিতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রাসহ এক ধরনের ‘নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্য’ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
- বাংলাদেশ আগামী ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন জ্বালানি, বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে রাজি হয়েছে।

- এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনবে। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বী ইউরোপের এয়ারবাসের বদলে মার্কিন কোম্পানিই অগ্রাধিকার পাবে। কৃষিখাতে বাংলাদেশ অন্তত ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য, যেমন গম ও সয়াবিনের মতো পণ্য আমদানি করবে।

উল্লেখ্য, 
- একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশী রফতানি পণ্যের প্রধান গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের সেনসাস ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি করে ৮৩৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলারের। - একই সময়ে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্য রফতানির অর্থমূল্য ছিল ২২৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার। এ হিসাবে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটতির পরিমাণ ৬০৬ কোটি ৩৫ লাখ, যা কমিয়ে আনতেই ট্রাম্প প্রশাসন পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছেন। 

তথ্যসূত্র: 
i) বনিক বার্তা। (Link)
ii) ডেইলি স্টার।(Link) 
iii) সমকাল। (Link)
iv) ইত্তফাক। (Link)

২৩০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুয়ায়ী, বাংলাদেশ প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে -
  1. সুতা
  2. গম
  3. সার
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি:
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৩১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় -
  1. সুতা
  2. সার
  3. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার
ব্যাখ্যা
একক পণ্য আমদানি:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।

শিল্পজাত পণ্য আমদানি:
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - সুতা।

প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - তৈলবীজ।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৩২.
প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে -
  1. নিট ওয়্যার
  2. হোম টেক্সটাইলস
  3. কৃষিজাত পণ্য
  4. পাট ও পাটজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
কৃষিজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষিজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
পণ্যভিত্তিক রপ্তানি:
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে – ‘কৃষিজাত পণ্য’।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে – ‘হিমায়িত খাদ্য’।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় – ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- একক পণ্য হিসাবে নীটওয়্যার সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়, পরিমাণ – ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ২.৬৩% ।
- ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার – ৯৭.৩৭%। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৪ ।
২৩৩.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কোন দেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. মালয়েশিয়া
  2. চীন
  3. ভারত
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:

- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
- একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাপানে রপ্তানি করে ১৩০৮.৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ⎯
১. শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১৫.৮৭%।

২. দ্বিতীয় দেশ: জার্মানি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১১.২১%।

৩. তৃতীয় দেশ: যুক্তরাজ্য,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,০৪৫.৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১০.৫২%।

৪. চতুর্থ দেশ: ফ্রান্স,
- রপ্তানির পরিমাণ: ২,১৯২.৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৫.৭০%।

৫. পঞ্চম দেশ: ইতালি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ১,৬২৭.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৪.২৩%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৩৪.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশে সবচেয়ে বেশি জনশক্তি রপ্তানি করেছে?
  1. সৌদি আরব
  2. কাতার
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি:
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যমতে, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে মোট ১০ লাখ ১৬ হাজার ৬৪ মানুষ বিদেশে গেছে। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ তিন হাজার ৩২ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ সৌদি আরবে সবচেয়ে বেশি জনশক্তি রপ্তানি করেছে।

⇒ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সৌদি আরবে সর্বোচ্চ সংখ্যক সাত লাখ ৩৯ হাজার ৫৭১ জন মানুষ কাজের সন্ধানে গেছে।
- এরপর কাতারে ৮২ হাজার ৩৩৮ জন, কুয়েতে ৩২ হাজার ৯৯৫ জন, সিঙ্গাপুর ৬২ হাজার ৯৮৬ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৭ হাজার ৭২৯ জন, জর্ডানে ১২ হাজার ৯৪৫ জন এবং মালদ্বীপে ১২ হাজার ৪৫৩ জন।

⇒ সর্বোচ্চ সংখ্যক জনশক্তি যাওয়া সৌদি আরব থেকে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় আসে ৪২ কোটি ৬৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২৮ কোটি ৩৮ লাখ ৩০ হাজার ডলার। এরপর মালয়েশিয়া থেকে ২৬ কোটি ৬৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার, ওমান থেকে ১৩ কোটি ৯৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার, কুয়েত থেকে ১৩ কোটি ২০ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং কাতার থেকে ১০ কোটি ৫৬ লাখ ২০ হাজার ডলার এসেছে।

উৎস: জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো ওয়েবসাইট।

২৩৫.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়ার কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে?
  1. ভারত
  2. শ্রীলংকা
  3. নেপাল
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

⇒ দক্ষিণ এশিয়ার দেশ 'ভারত' থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে।

দেশভিত্তিক আমদানি:

- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

⇒ ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ: চীন।
- আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬ %।

⇒ দেশে আমদানি ক্ষেত্রে ২য় শীর্ষ দেশ: ভারত।
- আমদানির পরিমাণ: ১৩.৪২%।

⇒ দেশে আমদানি ক্ষেত্রে ৩য় শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- আমদানির পরিমাণ: ৪.৫১%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৩৬.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে কোন দেশ থেকে? [আগস্ট,২০২৫]
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. ভারত
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

দেশভিত্তিক আমদানি:
- মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে: চীন থেকে।
- চীন থেকে আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।
- দ্বিতীয় অবস্থানে: ভারত (১৩.৪২%)।
- তৃতীয় অবস্থানে: যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

২৩৭.
বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত আমদানিকৃত পণ্য -
  1. স্টেপল ফাইবার
  2. ক্লিংকার
  3. সার
  4. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
সঠিক উত্তর:
সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার
ব্যাখ্যা
আমদানি ব্যয়:
- ২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫৮,৭৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১০.৩ শতাংশ কম।
- মোট শিল্পজাত পণ্যসমূহের আমদানি ব্যয় ১৩,৬৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত আমদানিকৃত পণ্যসমূহ: 
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,৭৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সুতা: ১,৮৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সার: ৪,১৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ২,০৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ১,০০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৭৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
২৩৮.
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. হা-মীম গ্রুপ
  2. অনন্ত গ্রুপ
  3. ডিবিএল গ্রুপ
  4. ইয়াংওয়ান
সঠিক উত্তর:
ইয়াংওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াংওয়ান
ব্যাখ্যা
তৈরি পোশাক রপ্তানির শীর্ষ প্রতিষ্ঠান:
- দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি ইয়াংওয়ান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইয়াংওয়ান ৮০ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে।
- তৈরি পোশাকের বাইরে ব্যাগ, জুতা ও পোশাকশিল্পের কাঁচামালসহ নানা পণ্য রপ্তানি করে ইয়াংওয়ান।

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় ৩ হাজার ৬৮৮ কোটি ডলার।
- বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানির শীর্ষ স্থানটি বিদেশি উদ্যোক্তার দখলেই আছে।

⇒ পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে শীর্ষ প্রতিষ্ঠান:
- ১ম: ইয়াংওয়ান।
- ২য়: হা-মীম গ্রুপ।
- ৩য়: মণ্ডল গ্রুপ।
- ৪র্থ: অনন্ত গ্রুপ।
- ৫ম: ডিবিএল গ্রুপ।

উৎস: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, প্রথম আলো। [link]
২৩৯.
বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি তুলা আমদানি করে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ব্রাজিল
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

• বর্তমান বাংলাদেশ ব্রাজিল থেকে সর্বাধিক তুলা আমদানি করে।

• শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ:
- বিশ্বের শীর্ষ তুলা আমদানিকারক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে তুলা সরবরাহে প্রতিবেশী ভারতকে পেছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্রাজিল।
- মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ বিপণনবর্ষে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন বেল কাঁচা তুলা আমদানি করেছে।
- এর মধ্যে ব্রাজিল প্রায় ১ দশমিক ৯ মিলিয়ন বেল তুলা সরবরাহ করেছে, যা মোট আমদানির ২৩ শতাংশ।
- ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন বেল নিয়ে সরবরাহকারী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত।
- এরপর যথাক্রমে বেনিন, ক্যামেরুন ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান।

উৎস: দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।

২৪০.
বাংলাদেশ প্রথম সরকারিভাবে ওষুধ রপ্তানি করেছে কোন দেশে?
  1. জাপান
  2. শ্রীলংকা
  3. ভুটান
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।
- বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে প্রথম ঔষধ রপ্তানি করা হয় শ্রীলংকায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
ii) বণিক বার্তা।
২৪১.
বিশ্বে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কত? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানিকারক দেশ:
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস ইন ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।

⇒ পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ দেশ চীন।
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।
- বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকের ৬৯ শতাংশেরই গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলো।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষ গন্তব্যগুলো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, ইতালি, কানাডা ও জাপান। প্রতিটি বাজারে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়।
- একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
১. চীন,
২. বাংলাদেশ,
৩. ভিয়েতনাম।

উৎস: i) WTO ওয়েবসাইট।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।
২৪২.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ?
  1. ৮০.৩৭%
  2. ৮৩.২৬%
  3. ৮৫.৪৫%
  4. ৮৭.৬৩%
সঠিক উত্তর:
৮৫.৪৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫.৪৫%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- 'শিল্পজাত পণ্য'- এর অবদান/রপ্তানির হার; ৯৭.৩৭%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৪৩.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোন খাদ্যশস্য আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. চাল
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. ডাল
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা
খাদ্যশস্য আমদানি:
- বাণিজ্যঘাটতি কমাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে সাত লাখ টন করে গম আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
- ২০ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের গম রপ্তানিকারক সমিতি বা ইউএস হুইট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করে সরকার।
- সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছর প্রতিবছর সরকারি পর্যায়ে দেশটি থেকে সাত লাখ টন করে গম প্রতিযোগিতামূলক দরে কেনা হবে।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্কের কারণে বাণিজ্যঘাটতি কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। 

উল্লেখ্য,
- প্রধান দুই খাদ্যশস্যের মধ্যে গম মূলত আমদানিনির্ভর। উৎপাদন কম হওয়ায় চাহিদার প্রায় ৮৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৬৩ কোটি ডলার ব্যয়ে ৫৯ লাখ টন গম আমদানি হয়।
- এই গম আমদানি হয়েছে বিশ্বের আটটি দেশ থেকে।
- গত ২২ বছরে অনিয়মিতভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে মাত্র ২২ লাখ টাকা গম আমদানি হয়েছে।
- এর মধ্যে বেসরকারি খাতে ১৭ লাখ টনের বেশি আমদানি হয়। সরকারি খাতে তিন লাখ টন আমদানি হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
২৪৪.
বাংলাদেশের তুলা আমদানির প্রধান উৎস দেশ কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ব্রাজিল
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের তুলা আমদানির প্রধান উৎস দেশ ব্রাজিল। 

• শীর্ষ তুলা সরবরাহকারী দেশ:
- বিশ্বের শীর্ষ তুলা আমদানিকারক এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে তুলা সরবরাহে প্রতিবেশী ভারতকে পেছনে ফেলে শীর্ষে অবস্থান করছে ব্রাজিল।
- মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ বিপণনবর্ষে বাংলাদেশ ৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন বেল কাঁচা তুলা আমদানি করেছে।
- এর মধ্যে ব্রাজিল প্রায় ১ দশমিক ৯ মিলিয়ন বেল তুলা সরবরাহ করেছে, যা মোট আমদানির ২৩ শতাংশ।
- ১ দশমিক ৪ মিলিয়ন বেল নিয়ে সরবরাহকারী দেশের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত।
- এরপর যথাক্রমে বেনিন, ক্যামেরুন ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান।

তথ্যসূত্র: দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।

২৪৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, দেশের রপ্তানি আয়ে শিল্পজাত পণ্যসমূহের মধ্যে পাটজাত পণ্যের অবস্থান কত?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
রপ্তানি পরিস্থিতি:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানি পরিস্থিতি -

⇒ প্রধান শিল্পজাত পণ্য:
১। নিটওয়্যার: ১৮৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২। তৈরি পোশাক (ওভেন): ১৪২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩। পাটজাত পণ্য: ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪। প্রকৌশল দ্রব্য: ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫। জুতা: ৩৪১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬। রাসায়নিক দ্রব্য: ২২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৭। চামড়া: ৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৮। হস্ত শিল্পজাত দ্রব্য: ২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসাবে নীটওয়্যার সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়।
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ২.৬৩% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার – ৯৭.৩৭%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে ‘কৃষিজাত পণ্য’।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৪৬.
বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদিআরব
  3. কুয়েত
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
সৌদিআরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদিআরব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে সৌদি আরবে।

বাংলাদেশের বৃহত্তম শ্রম বাজার:

- বাংলাদেশ থেকে ২০২৪ সালে মোট ১০ লাখ ১১ হাজার ৮৫৬ জন কর্মী বিদেশে গেছেন, যা বার্ষিক হিসাবে দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ।
- ২০২৪ সালে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণও রেকর্ড ২৬ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।
- তথ্য মতে, টানা তিন বছর ১০ লাখের বেশি করে কর্মী বিদেশে পাঠিয়ে রেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাত।

তথ্য মতে-
- ২০২৪ সালে সৌদি আরব সর্বোচ্চ ৬ লাখ ২৮ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিয়েছে, যা একক বছরে কোনো দেশের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যা।

⇒ ২০২৪ সালে ৯০ শতাংশ কর্মী গেছেন মাত্র ছয়টি দেশে।
- এগুলো হচ্ছে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান। 

উৎস: The Business Standard. [link] 
২৪৭.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী নীটওয়‍্যার পণ্যের রপ্তানি আয় মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ?
  1. ৮৫.৪৫%
  2. ৮০.৩৭%
  3. ৪৮.৩৫%
  4. ৩৭.১০%
সঠিক উত্তর:
৪৮.৩৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮.৩৫%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: কৃষিজাত পণ্য (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য (০.৭১%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৪৮.
বৈশ্বিক ‘ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫’ তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৫৮তম
  2. ৬৮তম
  3. ৭৮তম
  4. ৮৮তম
সঠিক উত্তর:
৬৮তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮তম
ব্যাখ্যা

‘ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫’ তালিকা:
- ২০২৪ সালে বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরের কনটেইনার পরিবহনের সংখ্যা হিসাব করে ‘ওয়ান হানড্রেড পোর্টস ২০২৫’ তালিকা প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক শিপিং–বিষয়ক বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো সংবাদমাধ্যম লয়েডস লিস্ট।
- বৈশ্বিক তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন অবস্থান এখন ৬৮তম।
- ২০২৪ সালে এই বন্দর ৩২ লাখ ৭৫ হাজার একক কনটেইনার পরিবহন করেছে।
- লয়েডস লিস্টের ক্রমতালিকা অনুযায়ী, গত বছর চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিল ৬৭তম। 

উল্লেখ্য,
- লয়েডস লিস্টের প্রকাশনা অনুযায়ী, শীর্ষ তালিকায় স্থান পাওয়া ১০০টি বন্দরে গত বছর ৭৪ কোটি ৩৬ লাখ একক কনটেইনার ওঠানো-নামানো হয়েছে।
- তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চীনের সাংহাই বন্দর। গত বছর বন্দরটি দিয়ে ৫ কোটি ১৫ লাখ একক কনটেইনার পরিবহন হয়েছে।
- তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর বন্দর। সিঙ্গাপুর বন্দরে গত বছর পরিবহন হয়েছে ৪ কোটি ১১ লাখ একক কনটেইনার।
- সবার শেষে, অর্থাৎ ১০০তম স্থানে রয়েছে চিলির সান অন্তোনিও বন্দর। এই বন্দর দিয়ে কনটেইনার পরিবহন হয়েছে ১৮ লাখ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

২৪৯.
'ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩' অনুসারে, পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩:
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) কর্তৃক 'বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩' প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
- শিরোনাম: ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’।
- সর্বশেষ প্রকাশিত হয়: আগস্ট, ২০২৪।
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
১. চীন, 
২. বাংলাদেশ,
৩. ভিয়েতনাম,
৪. তুরস্ক,
৫. ভারত।

এছাড়াও,
- পোশাক আমদানীতে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট। [link]
২৫০.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষ ক্রেতা কোম্পানি এইচ এন্ড এম কোন দেশের কোম্পানি?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ইতালি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৩,৬৩৭ কোটি ডলার মূল্যের পোশাক রপ্তানি করেছে।
- এর মধ্যে শীর্ষ ১০ ক্রেতা কিনেছে ১,০৫০ কোটি ডলারের পোশাক।
- এইচঅ্যান্ডএম, ইন্ডিটেক্স, ও প্রাইমার্ক একাই ৬০০ কোটি ডলারের পোশাক কিনেছে।
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানই নেয় রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকের প্রায় ২৯ শতাংশ।
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাক কেনায় শীর্ষে সুইডেনের বহুজাতিক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান এইচঅ্যান্ডএম।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় শীর্ষ ক্রেতার তালিকায় আছে যথাক্রমে স্পেনের ইন্ডিটেক্স ও আয়ারল্যান্ডের প্রাইমার্ক।

বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের শীর্ষ ১০ ক্রেতার তালিকা:
- এইচঅ্যান্ডএম
- ইন্ডিটেক্স
- প্রাইমার্ক
- ডেনমার্কের বেস্টসেলার,
- যুক্তরাজ্যের মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার,
- নেদারল্যান্ডসের সিঅ্যান্ডএ,
- জাপানের ইউনিক্লো,
- পোল্যান্ডের এলপিপি,
- যুক্তরাজ্যের নেক্সট ও
- পোল্যান্ডের পেপকো।

উৎস: প্রথম আলো (২৩ ডিসেম্বর ২০২৪)।
২৫১.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৫৫,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৬৫,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৬০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
৫৫,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২০২৬ অর্থ-বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি কার্যক্রম:

- গত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫৫,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ২৩,৯৯৬.৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি বিগত ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের একই সময়ের রপ্তানি আয় ২৪,৫৩৩.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২.১৯% কম।
- অর্জিত রপ্তানি আয় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৪৩.৬৩%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো [লিংক]।

২৫২.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘সাদা সোনা’ বলা হয় কোনটিকে?
  1. চা
  2. চিংড়ি
  3. ইলিশ
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা
White gold:
- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২৫৩.
রপ্তানি নীতি ২০২৪-২৭ অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ১০০ বিলিয়ন
  2. ১১০ বিলিয়ন
  3. ১২৫ বিলিয়ন
  4. ১৫০ বিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
১১০ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১০ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- ২০২৪-২৭ মেয়াদের নতুন নীতিতে ১১০ বিলিয়ন ডলার রফতানি আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
- রফতানি নীতি ২০২১-২৪-এর মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি বছরের জুনে।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৮ মেয়াদে রফতানি আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ হয় ৬০ বিলিয়ন ডলার।
- ২০১৮-২১ মেয়াদের নীতিতেও আয়ের লক্ষ্য অপরিবর্তিত ছিল।
- ২০২৪ সালের মধ্যে ৮০ বিলিয়ন ডলার রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ২০২১-২৪ মেয়াদের চলমান নীতিটি প্রণয়ন হয়েছিল। 

উৎস: বণিক বার্তা।

২৫৪.
বর্তমানে বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোন দেশ? (অক্টোবর ২০২৫)
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. স্পেন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৪ কোটি মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের তৈরি চামড়া ও চামড়াবিহীন জুতা এবং চামড়া পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। 
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে। তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাজার বিস্তারের জন্য ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্পের স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরে।

উৎস: প্রথম আলো। [link]

২৫৫.
যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত বাংলাদেশি পণ্যে ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কার্যকর হয় কবে?
  1. ১ আগস্ট, ২০২৫
  2. ৭ আগস্ট, ২০২৫
  3. ১০ আগস্ট, ২০২৫
  4. ১৭ আগস্ট, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৭ আগস্ট, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ আগস্ট, ২০২৫
ব্যাখ্যা

মার্কিন শুল্ক:
- ৩য় দফা আলোচনার পর ৩১ জুলাই, ২০২৫ বাংলাদেশের পণ্যে ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ নির্ধারণ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- নতুন এই শুল্কহার ৭ আগস্ট, ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিশনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ৮৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে দেশটি।
- এসব পণ্যের ওপর দেশটি শুল্ক আদায় করেছে ১২৭ কোটি ডলার।
- অর্থাৎ গত বছর বাংলাদেশের পণ্যে গড়ে শুল্কহার ছিল ১৫ শতাংশ।
- নতুন করে ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্ক যুক্ত হলে তা ৩৫ শতাংশে উন্নীত হবে।
- তবে পণ্যভেদে কার্যকর শুল্কহার ভিন্ন ভিন্ন হবে।

তথ্যসূত্র- বিবিসি।

২৫৬.
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার কোনটি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. জার্মানি 
  2. ব্রিটেন 
  3. জাপান 
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক (১৫.৮৭%)।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি (১১.২১%)।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য (১০.৫২%)।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
২৫৭.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সৌদি আরব
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে।
- ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিট্যান্স এসেছে দুই দশমিক নয় বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য,
- চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স আয়ের প্রধান উৎস ছিল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরব। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে—এ সময়ে শীর্ষ ৩০ দেশ থেকে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১৫ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার।
- ২০২৪ সালে দেশে মোট প্রায় ২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের রেমিট্যান্স প্রবাহ আগের বছরের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) The Daily Star Bangla।
২৫৮.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে, বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ ভারত থেকে আসে?
  1. ৩.৬৫%
  2. ৯.৩৪ %
  3. ১১.৪২ %
  4. ১৪.২২ %
সঠিক উত্তর:
৩.৬৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৬৫%
ব্যাখ্যা

• ২০২৪–২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের ভারতে ১,৭৬৪.২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা বিবেচ্য সময়ের মোট রপ্তানি আয়ের ৩.৬৫%।
- ভারতে রপ্তানিকৃত প্রধান পণ্য হলো পাট ও পাটজাতপণ্য (৫৩, ৬৩০৫১০) ,(২১১.২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), ওভেন গার্মেন্টস্ (৬২) (৪২৮.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), নীটওয়‍্যার (৬১) (২১৫.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), কটন ও কটন প্রোডাক্টস (৫২) (২৯.৮৮ মি: মা: ড:), প্লাস্টিক দ্রব্যাদি (৩৯) (৫৬.৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (৪১–৪৩, ৬৪০৩) (১০৮.১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
- বিগত বছরের একই সময়ের রপ্তানি আয় ১,৫৬৯.২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১২.৪৩% বেশি।

 উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমাদের রপ্তানি কার্যক্রম পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, বরাবরের মত আমাদের পণ্যের আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪–২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮,৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য যা উক্ত সময়ের মোট রপ্তানির ১৮.০০%। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।