বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটারের প্রকারভেদ

মোট প্রশ্ন৩৯৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটারের প্রকারভেদ

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৩৯৭

২০১.
একটি সুপারকম্পিউটারের কর্মক্ষমতার জন্য কোন উপাদানটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
  1. অপারেটিং সিস্টেমের থিম
  2. কীবোর্ডের লেআউট
  3. প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা 
  4. মনিটরের আকার
সঠিক উত্তর:
প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা 
ব্যাখ্যা

• সুপারকম্পিউটারের কর্মক্ষমতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা। প্রসেসর বা সিপিইউ হল কম্পিউটারের মস্তিষ্ক, যা সকল গণনা ও নির্দেশাবলী সম্পাদন করে। যত বেশি কোর থাকবে এবং গতি দ্রুত হবে, সুপারকম্পিউটার তত দ্রুত এবং বড় পরিমাণের তথ্য প্রক্রিয়া করতে পারবে। অপারেটিং সিস্টেমের থিম, কীবোর্ডের লেআউট বা মনিটরের আকার কেবল ব্যবহারকারীর সুবিধা বা ইন্টারফেসকে প্রভাবিত করে, কিন্তু কর্মক্ষমতায় তাদের প্রভাব নেই। তাই গণনা ও তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রসেসরের শক্তি ও দক্ষতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সুপারকম্পিউটার যত শক্তিশালী হবে, জটিল বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত কাজ তত দ্রুত করা সম্ভব।

- সঠিক উত্তর: গ) প্রসেসরের গতি ও কোর সংখ্যা। 

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আবার এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।
- যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত সামিট (Summit) অন্যতম একটি শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার। এই কম্পিউটারে ৯,২১৬টি ২২ কোরের IBM মাইক্রোপ্রসেসর আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

২০২.
'ল্যাপটপ' হলো এক ধরনের-
  1. পর্বতারোহণ সামগ্রী
  2. ছোট কুকুর
  3. বাদ্যযন্ত্র
  4. ছোট কম্পিটার
সঠিক উত্তর:
ছোট কম্পিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোট কম্পিটার
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ হলো এক ধরনের ছোট কম্পিউটার।

• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড (টেশিস)।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. dw.com
২০৩.
PC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Private Computer
  2. খ) Prime Computer
  3. গ) Personal Computer
  4. ঘ) Professional Computer
সঠিক উত্তর:
গ) Personal Computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Personal Computer
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২০৪.
প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করেন কে?
  1. ক) উইলিয়াম শেকলে
  2. খ) জন বারডিন
  3. গ) এইচ এডওয়ার্ড রবার্ট
  4. ঘ) প্রেসপার একার্ট
সঠিক উত্তর:
গ) এইচ এডওয়ার্ড রবার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এইচ এডওয়ার্ড রবার্ট
ব্যাখ্যা
এইচ এডওয়ার্ড রবার্ট ১৯৭৪ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক কম্পিউটার এবং প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার অ্যালটেয়ার ৮৮০০ তৈরি করেন। এর মাধ্যমেই বর্তমান সময়ে পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি'র পথ সুগম হয়। এইচ এডওয়ার্ড রবার্ট কে মাইক্রোকম্পিউটারের জনক বলা হয়।
(সূত্রঃ ieee.org)
২০৫.
এমবেডেড কম্পিউটারের উদাহরণ কোনটি?
  1. ডেস্কটপ কম্পিউটার
  2. ল্যাপটপ
  3. স্মার্টফোন
  4. সার্ভার
সঠিক উত্তর:
স্মার্টফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মার্টফোন
ব্যাখ্যা

◉ Embedded Computer হলো এমন একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার, যা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য অন্য কোনো ডিভাইসের ভেতরে স্থাপন করা থাকে। স্মার্টফোন এর একটি উদাহরণ, কারণ এর ভেতরে এমবেডেড প্রসেসর/চিপ থাকে যা নির্দিষ্ট কাজ (ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ, নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট, সেন্সর কন্ট্রোল ইত্যাদি) সম্পাদন করে।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।

এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৬.
বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কোন ধরনের কম্পিউটার বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. পামটপ কম্পিউটার
  4. ন্যানো কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
মেইনফ্রেম কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে মেইনফ্রেম কম্পিউটার বেশি ব্যবহৃত হয়।

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৭.
IBM-PC is an example of-
  1. ক) A main frame
  2. খ) Machine-in-built
  3. গ) Micro computer
  4. ঘ) Special purpose computer
সঠিক উত্তর:
গ) Micro computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Micro computer
ব্যাখ্যা
Microcomputer, an electronic device with a microprocessor as its central processing unit (CPU). Microcomputer was formerly a commonly used term for personal computers, particularly any of a class of small digital computers whose CPU is contained on a single integrated semiconductor chip.
Source: britannica.com/technology
২০৮.
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় কোনটিতে?
  1. ক) ওয়াশিং মেশিন
  2. খ) মাইক্রোওয়েভ ওভেন
  3. গ) এটিএম
  4. ঘ) উপরের সবগুলোতে
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোতে
ব্যাখ্যা
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- তবে, আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্‌, ATM, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
২০৯.
প্যারালাল পোর্ট সাধারণত কত পিনবিশিষ্ট হয়?
  1. ৩০
  2. ২৮
  3. ২৫
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
• প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
-এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১০.
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. ক) মাইক্রোপ্রসেসরের প্রচলন
  2. খ) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহার শুরু হয়
  3. গ) FORTRAN ভাষার প্রচলন শুরু হয়
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) মাইক্রোপ্রসেসরের প্রচলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাইক্রোপ্রসেসরের প্রচলন
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার থেকেই মাইক্রোপ্রসেসরের প্রচলন শুরু হয়। 

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. প্রধান সুইচিং উপাদান হিসাবে মাইক্রো প্রসেসর ব্যবহার।
২. এগুলোকে মাইক্রো কম্পিউটার বা ব্যক্তিগত কম্পিউটারও বলা হয়।
৩. এর আকার ডেস্কটপ থেকে ল্যাপটপ বা পামটপে পরিবর্তিত হয়।
৪. উচ্চ গতির প্রক্রিয়াকরণ, নির্ভুলতা, নির্ভরযোগ্য, এবং বহুমুখী ব্যবহার।
৫. খুব বড় স্টোরেজ ক্ষমতা সম্পন্ন।

উদাহরণ- IBM-3033, HP-3000 ইত্যাদি। 

সূত্র- ১৮ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২১১.
কোন কম্পিউটার পরিমাপের ভিত্তিতে কাজ করে?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. ডিজিটাল কম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- এনালগ কম্পিউটার পরিমাপন পদ্ধতিতে কাজ করে থাকে।
- এনালগ কম্পিউটার বিদ্যুতের তারের ভোল্টেজের উঠা-নামা, কোনো পাইপের ভেতরের বাতাস বা তরল পদার্থের চাপ কম বেশি হওয়া, বাতাসের প্রবাহ ও চাপ পরিবর্তিত হওয়া ইত্যাদি পরিমাপনের ভিত্তিতে এনালগ কম্পিউটার কাজ করে।
- ডিজিটাল কম্পিউটার কাজ করে প্রতীকী সংখ্যার মাধ্যমে প্রাপ্ত ইনসট্রাকশনের মাধ্যমে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার মূলত ডিজিটাল এবং এনালগ কম্পিউটারের কাজের প্রক্রিয়ার সাথে সমন্বয় করে তৈরি করা হয়।
- এতে ডেটা গ্রহণ করে এনালগ প্রক্রিয়ায় এবং প্রসেসরের জন্য সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- হাসপাতাল, ক্ষেপণাস্ত্র, নভোযান, আবহাওয়া ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২১২.
বর্তমান বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটার কোনটি?
  1. ক) সামিট
  2. খ) পরম
  3. গ) ফুগাকো
  4. ঘ) জেনিথ
সঠিক উত্তর:
গ) ফুগাকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফুগাকো
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি জাপানের ফুগাকো সুপার কম্পিউটার বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটারের মর্যাদা লাভ করেছে। এই কম্পিউটারটি করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ব্যবহার হচ্ছে।
Source: BBC
২১৩.
রিয়েল-টাইম এমবেডেড সিস্টেমের প্রধান ব্যবহার হচ্ছে -
  1. সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ
  2. ই-বুক রিডার
  3. এয়ারপ্লেন কন্ট্রোল সিস্টেম
  4. ডেস্কটপ পাবলিশিং
সঠিক উত্তর:
এয়ারপ্লেন কন্ট্রোল সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এয়ারপ্লেন কন্ট্রোল সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• রিয়েল-টাইম এমবেডেড সিস্টেমের প্রধান ব্যবহার হলো গ) এয়ারপ্লেন কন্ট্রোল সিস্টেম। কারণ এই ধরনের সিস্টেমে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সঠিকভাবে কাজ সম্পন্ন করা অত্যন্ত জরুরি। এয়ারপ্লেনের গতি নিয়ন্ত্রণ, উচ্চতা বজায় রাখা, নেভিগেশন ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলো তাৎক্ষণিকভাবে নিতে হয়। সামান্য দেরি বা ত্রুটি বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই রিয়েল-টাইম এম্বেডেড সিস্টেম নির্ভরযোগ্য, দ্রুত ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ করার ক্ষমতার জন্য এয়ারপ্লেন কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
 
• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৪.
ব্যক্তিগত কম্পিউটারে এমবেডেড সিস্টেমের উদাহরণ কোনটি?
  1. মাদারবোর্ড
  2. র‍্যাম
  3. গ্রাফিক্স কার্ড
  4. প্রসেসর
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
ব্যক্তিগত কম্পিউটারে মাদারবোর্ড থাকে যা এমবেডেড সিস্টেমের একটি বড় উদাহরণ।
এ ধরনের একটি মাদারবোর্ড কম্পিউটারের সকল কাজ করে না কিন্তু তাকে সচল রাখতে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা রাখে।
এটি হার্ডডিস্ক, RAM, প্রসেসর, গ্রাফিক্স কার্ড সকলের সংযোজন মাধ্যম বা ভিত্তি হিসাবে কাজ করে যা এমবেডেড সিস্টেমের একটা বৈশিষ্ট্য।
২১৫.
চাপ, তাপমাত্রা ও তরল পদার্থের প্রবাহ পরিমাপে কোন কম্পিউটার বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. পার্সোনাল কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. ডিজিটাল কম্পিউটার
  4. অ্যানালগ কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• অ্যানালগ কম্পিউটার: চাপ, তাপ ও প্রবাহের মতো ক্রমাগত পরিবর্তনশীল মান পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।

• কম্পিউটারের শ্রেণিভাগ(গঠন ও কাজের ধরন অনুযায়ী):
- কম্পিউটার হলো একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নির্দেশ সংরক্ষণ করে।
- কম্পিউটার দ্বারা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ও নির্ভুলভাবে জটিল হিসাব-নিকাশসহ বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করা যায়।
- গঠন, কাজের ধরন ও প্রকৃতির ভিত্তিতে কম্পিউটারকে প্রধানত তিন ভাগে শ্রেণিবিভাগ করা হয়—
- অ্যানালগ কম্পিউটার,
- ডিজিটাল কম্পিউটার,
- হাইব্রিড কম্পিউটার।
 
• অ্যানালগ কম্পিউটার(Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের উপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন করে, সেগুলোকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- এই কম্পিউটারে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল মান ব্যবহার করে কাজ করা হয়।
- সাধারণত চাপ, তাপমাত্রা, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির ওঠানামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।
 
• ডিজিটাল কম্পিউটার(Digital Computer):
- যে সকল কম্পিউটার ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে, সেগুলোকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটার অ্যানালগ কম্পিউটারের তুলনায় দ্রুতগতিসম্পন্ন ও অধিক কার্যকর।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের ফলাফলের নির্ভুলতা ও সূক্ষ্মতা অনেক বেশি।
- বর্তমানে বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল কম্পিউটার।
 
• ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ:
- মাইক্রোকম্পিউটার,
- মিনি কম্পিউটার,
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার,
- সুপার কম্পিউটার।
 
• হাইব্রিড কম্পিউটার(Hybrid Computer):
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- এতে অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য একসাথে বিদ্যমান থাকে।

 উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

২১৬.
পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ হলো-
  1. Newton
  2. Abacus
  3. ARPANET
  4. Backrub
সঠিক উত্তর:
Newton
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Newton
ব্যাখ্যা
• Newton ছিল পিডিএ (Personal Digital Assistant) এর প্রাথমিক সংস্করণ, যা ১৯৯৩ সালে Apple Inc. এর দ্বারা বাজারে আনা হয়েছিল। এটি একটি হাতের আকারে ডিজিটাল ডিভাইস ছিল, যা ব্যক্তিগত হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ, নোট তৈরি এবং আরও অনেক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হত। এটি ছিল সেরা উদাহরণ পিডিএ প্রযুক্তির শুরু, যা পরবর্তীতে স্মার্টফোনের রূপে বিকশিত হয়।

• অপশন আলোচনা:
- Abacus: এটি একটি প্রাচীন গণনা যন্ত্র, যা পিডিএ প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত নয়।

- ARPANET: এটি ছিল একটি গবেষণামূলক নেটওয়ার্ক, যা ইন্টারনেটের প্রাথমিক সংস্করণ হিসেবে কাজ করেছিল।

- Backrub: এটি গুগলের পূর্ববর্তী নাম ছিল, যা ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

• পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৭.
এমবেডেড কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. এটি আকারে অনেক বড় হয়
  2. এটি সাধারণ কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়
  3. এটি নির্দিষ্ট কোনো যন্ত্রের অভ্যন্তরে স্থাপিত ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটার
  4. এটি সুপার কম্পিউটারের চেয়ে শক্তিশালী
সঠিক উত্তর:
এটি নির্দিষ্ট কোনো যন্ত্রের অভ্যন্তরে স্থাপিত ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি নির্দিষ্ট কোনো যন্ত্রের অভ্যন্তরে স্থাপিত ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer) হলো একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহত্তর যান্ত্রিক বা বৈদ্যুতিক সিস্টেমের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়
- এটি সাধারণ পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) এর মতো সব ধরনের কাজ না করে শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট বা ডেডিকেটেড কাজ সম্পন্ন করার জন্য ডিজাইন করা হয়। 

• এমবেডেড কম্পিউটারের গঠন:
একটি সাধারণ এমবেডেড সিস্টেমে তিনটি প্রধান অংশ থাকে-
ক. হার্ডওয়্যার: এতে মাইক্রোপ্রসেসর বা মাইক্রোকন্ট্রোলার থাকে।
খ. সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার: এটি নির্দিষ্ট কাজের নির্দেশনা বহন করে।
গ. রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS): যা কাজগুলোকে সময়মতো পরিচালনা করে।

• মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১) এটি নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা থাকে (যেমন: এসির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা)।
২) এগুলো সাধারণত খুব কম বিদ্যুৎ খরচ করে।
৩) এগুলো আকারে অনেক ছোট হয় এবং মূল যন্ত্রের ভেতরেই থাকে।
৪) এটি খুব দ্রুত ইনপুটের সাড়া দিতে পারে।
৫) এতে সাধারণত রম (ROM) বা ফ্ল্যাশ মেমোরিতে সফটওয়্যার সংরক্ষিত থাকে।

• দৈনন্দিন জীবনে উদাহরণ:
আমাদের চারপাশে থাকা অসংখ্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়:
গৃহস্থালি সরঞ্জাম: মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট টিভি, এসি।
যোগাযোগ ব্যবস্থা: স্মার্টফোন, রাউটার।
চিকিৎসা সরঞ্জাম: পেসমেকার, ইসিজি মেশিন, এমআরআই স্ক্যানার।
যানবাহন: গাড়ির অ্যান্টি-লক ব্রেকিং সিস্টেম (ABS), এয়ারব্যাগ কন্ট্রোল সিস্টেম।
শিল্প কারখানা: রোবটিক আর্ম, অটোমেটেড প্রোডাকশন লাইন।

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা।
২। Computer & ICT Cloud

২১৮.
নিচের কোনটিতে এমবেডেড কম্পিউটারের ব্যবহার নেই?
  1. এসি
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. স্পিডোমিটার
  4. স্মার্টফোন
সঠিক উত্তর:
স্পিডোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিডোমিটার
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো: গাড়ি, সেলফোন ও স্মার্টফোন, প্রিন্টার, ওভেন, মাইক্রোওয়েভ, ওয়াশিং মেশিন, এয়ার কন্ডিশন(এসি), ঘড়ি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

• মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৯.
Apple Macintoch - কোন ধরণের কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ক) মাইক্রোকম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) হাইব্রিড কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
ক) মাইক্রোকম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাইক্রোকম্পিউটার
ব্যাখ্যা
Apple Macintoch এক ধরণের মাইক্রোকম্পিউটার। 

- ছোট আকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer) বলে।
- আমরা দৈনন্দিন জীবনে যে কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি তাকেই মাইক্রো কম্পিউটার বলে।
- একে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা বিজনেস কম্পিউটারও বলা হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র, তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমরি, সহায়ক মেমরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।
- এ ধরনের কম্পিউটার দামে সস্তা, আকারে ছোট, সহজে বহনযোগ্য এবং রক্ষণাবেক্ষণ সহজ বিধায় কম্পিউটার ব্যবহারকারীর কাছে খুবই জনপ্রিয় ।
- অফিসের কাজ ও বাণিজ্যিক প্রয়োজন ছাড়াও শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণে, স্বয়ংক্রিয় অফিস ব্যবস্থাপনায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গৃহস্থালির কাজে, খেলাধুলায়, চিত্র-বিনোদন, এমনকি ব্যক্তিগত কাজেও আজকাল জনপ্রিয়তার সাথে মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে।
- IBM PC, Apple Macintoch, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC, ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

সূত্র: ২২ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২২০.
এমবেডেড কম্পিউটারের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) প্রিন্টার
  2. খ) নোটবুক
  3. গ) স্মার্টফোন
  4. ঘ) মাইক্রোওয়েভ
সঠিক উত্তর:
খ) নোটবুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নোটবুক
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেমের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে কেবল পূর্বনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদন করে। এতে কেবল মাইক্রোপ্রসেসর, রম এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস সংযোজন সিস্টেম থাকে। এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলোঃ গাড়ি, সেলফোন ও স্মার্টফোন, প্রিন্টার, কপিয়ার, মাইক্রোওয়েভ, ওয়াশিং মেশিন, এয়ার কন্ডিশন, ঘড়ি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।
২২১.
PDA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Personal Data Access
  2. Personal Digital Assistant
  3. Personal Device Adapter
  4. Portable Digital Application
সঠিক উত্তর:
Personal Digital Assistant
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Personal Digital Assistant
ব্যাখ্যা

PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.

• পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistants.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২২.
পাের্টেবল কম্পিউটার কত ধরনের?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- সাধারণত দুই ধরনের পার্সোনাল কম্পিউটার পাওয়া যায়। একটির নাম ডেস্কটপ (Desktop) এবং অন্যটি পাের্টেবল (Portable)।
- পাের্টেবল (Portable) কম্পিউটার ৩ ধরনের হয়। যেমন-
১। ল্যাপটপ (Laptop): Attach কেসের মত দেখতে এবং ১-২ কিলােগ্রাম ওজন হয়ে থাকে। এটা ডেস্কটপের মতই কাজ করে।
২। নােটবুক (Notebook): এটা দেখতে নােটবুকের মত এবং ১-৩ কিলােগ্রাম ওজন হয়ে থাকে।
৩। পামটপ (Palmtop): এটি দেখতে পকেট ক্যালকুলেটরের মত।

উৎস- কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
২২৩.
IBM 1620 কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. ক) Micro Computer
  2. খ) Mainframe Computer
  3. গ) Supercomputer
  4. ঘ) Mini Computer
সঠিক উত্তর:
খ) Mainframe Computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Mainframe Computer
ব্যাখ্যা

পাকিস্তান পরমাণু শক্তি কমিশনের পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, ঢাকা-তে ১৯৬৪ সালে স্থাপিত হয় বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) প্রথম কম্পিউটার।
এটি ছিল আইবিএম (International Business Machines - IBM) কোম্পানির 1620 সিরিজের একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer)
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

২২৪.
কোন প্রজন্মের ফোনে Radio Access Technology (RAT) সুবিধা চালু হয়?
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৩য়
  3. গ) ৪র্থ
  4. ঘ) ৫ম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ম
ব্যাখ্যা

৫ম প্রজন্মের মােবাইলফোনে স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

২২৫.
মাইক্রোকন্ট্রোলার একটি -
  1. ক) ছোট আকারের মাদারবোর্ড
  2. খ) ছোট আকারের মাইক্রোচিপ
  3. গ) ছোট আকারের মাইক্রোপ্রসেসর
  4. ঘ) ছোট আকারের কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছোট আকারের কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ছোট আকারের কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- ইংরেজি শব্দ 'Micro' অর্থ ছোট এবং 'Controller' অর্থ নিয়ন্ত্রণকারী।
- মাইক্রোকন্ট্রোলার কোনো প্রক্রিয়া বা ডিভাইসকে নিয়ন্ত্রণকারী ছোট আকারের একটি কম্পিউটার।
- এটি VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তিতে একক চিপে (Single Chip) জটিল সিকুয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিটে তৈরি ছোট, প্রোগ্রামযোগ্য (Programmable) ও সর্বজনীন কম্পিউটার।
- এটি মূলত একটি আইসি (IC, Integrated Circuit), যাতে ডেস্কটপ কম্পিউটারের প্রায় সকল অংশই বিদ্যমান।
২২৬.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে কী ব্যবহার করা হতো?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. সেমিকন্ডাক্টর
  3. ভ্যাকুয়াম টিউব
  4. আইসি চিপ
সঠিক উত্তর:
ভ্যাকুয়াম টিউব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যাকুয়াম টিউব
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হতো এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন হতো।
- চালু অবস্থায় কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখতে মাঝে মাঝে ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করা হতো।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।
- বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এসব কম্পিউটারের ব্যবহার ছিল খুবই সীমিত।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৭.
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত ‘IBM 1620’ মডেলের মেইনফ্রেম কম্পিউটারটি ছিল-
  1. ক) প্রথম প্রজন্মের
  2. খ) দ্বিতীয় প্রজন্মের
  3. গ) তৃতীয় প্রজন্মের
  4. ঘ) চতুর্থ প্রজন্মের
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয় প্রজন্মের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয় প্রজন্মের
ব্যাখ্যা
১৯৬৪ সালে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত হয় ‘আইবিএম-১৬২০ (IBM 1620)’ মডেলের একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
-এটি ছিল দ্বিতীয় প্রজন্মের মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
-ব্যাংক, বীমা, অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈজ্ঞানিক কর্ম তৎপরতা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
[উৎসঃ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি]
২২৮.
বিজনেস কম্পিউটার (BC) বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) হাইব্রিড কম্পিউটার
  2. খ) ডিজিটাল কম্পিউটার
  3. গ) এনালগ কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রোকম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাইক্রোকম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাইক্রোকম্পিউটার
ব্যাখ্যা
মাইক্রোকম্পিউটার হচ্ছে ছােট আকারের কম্পিউটার। একজন ব্যক্তি একটি মাত্র কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন। অফিস-আদালত, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত প্রয়োজন ইত্যাদি সব ধরনের কাজে মাইক্রো কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে। অর্থাৎ, আমরা দৈনন্দিন জীবনে যে কম্পিউটার ব্যবহার করছি সেগুলোকেই Microcomputer বা পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) বা বিজনেস কম্পিউটার (BC) বলা হয়।

উৎস: কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
২২৯.
নিচের কোনটি ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি নয়?
  1. ক) ভিসা
  2. খ) মাস্টার কার্ড
  3. গ) আমেরিকান এক্সপ্রেস
  4. ঘ) ডিনার'স কার্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডিনার'স কার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডিনার'স কার্ড
ব্যাখ্যা
ক্রেডিট কার্ড এমন এক ধরনের কার্ড যার দ্বারা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ধারে পণ্য কেনাবেচা থেকে শুরু করে যেকোনো ধরনের লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। সাধারণত ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহককে এ ধরনের কার্ড সরবরাহ করে। এই ঋণ গ্রহণের জন্য ব্যাংককে বাৎসরিক একটি নির্দিষ্ট হারে চার্জ প্রদান করতে হয়। বিশ্বে বর্তমানে ভিসা, মাস্টার কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস প্রভৃতি ক্রেডিট কার্ড প্রচলিত আছে।
২৩০.
স্লাইড রুল কোন শ্রেণির কম্পিউটার?
  1. Digital computer
  2. Quantum computer
  3. Analog Computer
  4. Hybrid computer
সঠিক উত্তর:
Analog Computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Analog Computer
ব্যাখ্যা
• স্লাইড রুল একটি Analog Computer-এর উদাহরণ। এটি এমন একটি যন্ত্র যা পরিমিত মান বা অবিচ্ছিন্ন ডেটা দিয়ে কাজ করে। স্লাইড রুল ব্যবহার করে গুণ, ভাগ, লগারিদম, বর্গমূল ইত্যাদি গাণিতিক হিসাব করা যায়। এটি মূলত ১৭শ শতকে উদ্ভাবিত হয়েছিল এবং দীর্ঘ সময় ধরে বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও ছাত্ররা এটি ব্যবহার করেছে। স্লাইড রুলে চলমান স্কেল থাকে, যা সংখ্যা ও গাণিতিক অনুপাতের ভিত্তিতে মান নির্ধারণ করে। যেহেতু এটি ডিজিটাল বা কোয়ান্টাম ভিত্তিক নয় এবং অবিচ্ছিন্ন মানের উপর নির্ভর করে কাজ করে, তাই এটি গ) Analog Computer শ্রেণির অন্তর্গত।

• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

• স্লাইড রুল (Slide Rule):
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩১.
A typical modern computer uses
  1. ক) LSI chips
  2. খ) Vacuum tubes
  3. গ) Valves
  4. ঘ) All the above
সঠিক উত্তর:
ক) LSI chips
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) LSI chips
ব্যাখ্যা
LSI chips: Large-scale integration (LSI) is the process of integrating or embedding thousands of transistors on a single silicon semiconductor microchip. LSI technology was conceived in the mid-1970s when computer processor microchips were under development.
Source: Google Books
২৩২.
এমবেডেড কম্পিউটারের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) রাউটার
  2. খ) এটিএম
  3. গ) স্পিডোমিটার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) স্পিডোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্পিডোমিটার
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেমের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে কেবল পূর্বনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদন করে। এতে কেবল মাইক্রোপ্রসেসর, রম এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস সংযোজন সিস্টেম থাকে।
আজকের প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এমবেডেড সিস্টেম এর প্রভাব রয়েছে। যেমনঃ
ভিসিআর, সেল ফোন, এয়ার কন্ডিশনার, প্রিন্টার, ভিডিও গেম, এটিএম, ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, গান শুনবার এম.পি.থ্রি. প্লেয়ার, গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম, টেলিফোন, রোবটিক্স, ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম, ফটোকপি মেশিন, ডিজিটাল ঘড়ি, মোটর গাড়ি ইত্যাদি।
এনালগ কম্পিউটারের উদাহরণ- মোটর গাড়ির স্পিডোমিটার, পাইড রুল, অপারেশনাল এমপ্লিফায়ার ইত্যাদি।
২৩৩.
এমবেডেড কম্পিউটারের প্রয়োগ ক্ষেত্র কোনটি?
  1. মাইক্রোওয়েভ
  2. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  3. ভিডিও এডিটিং
  4. ওয়েব ব্রাউজিং
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা

•  এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষ উদ্দেশ্যের জন্য ডিজাইন করা কম্পিউটার সিস্টেম, যা সাধারণত বড় কম্পিউটার বা ডেস্কটপের মতো মাল্টি-ফাংশনাল নয়। এগুলি যন্ত্র বা ডিভাইসের ভেতরে স্থাপিত থাকে এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে দক্ষ। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, মাইক্রোওয়েভ ও অন্যান্য গৃহস্থালীর যন্ত্রের মধ্যে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়, যা সময়, তাপমাত্রা ও রান্নার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যদিকে, ওয়ার্ড প্রসেসিং, ভিডিও এডিটিং বা ওয়েব ব্রাউজিং হলো সাধারণ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের কাজ, যা বহুমুখী প্রসেসিং সক্ষমতা প্রয়োজন। সুতরাং, এমবেডেড কম্পিউটারের প্রয়োগ ক্ষেত্র হলো মাইক্রোওয়েভ।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- গাড়ি,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং ইত্যাদি।

উৎস:
-. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩৪.
মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. পামটপ কম্পিউটার
  2. নোটবুক কম্পিউটার
  3. ডেস্কটপ কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
সুপার কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোকম্পিউটার:
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমরি, সহায়ক মেমরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত। - একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।

• মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন আকৃতির মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন-
১. পামটপ কম্পিউটার
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার
৩. নোটবুক কম্পিউটার
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার
- এছাড়াও ট্যাবলেট পিসি, ফ্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৫.
Which of the following is the world’s first electronic computer?
  1. ENIAC
  2. MARK-1
  3. EDVAC
  4. UNIVAC
সঠিক উত্তর:
ENIAC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ENIAC
ব্যাখ্যা
ENIAC হচ্ছে প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

• ENIAC:
- ১৯৪৬ সালে আমেরিকার পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন মশলি ও প্রেসলার একাট যৌথভাবে বৃহদাকার ইলেকট্রনিক কম্পিউটার তৈরি করেন।
- তাঁরা কম্পিউলিরটির নাম দেন 'এনিয়াক' (ENIAC)।
- এনিয়াক হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

• EDVAC:
- EDVAC তৈরি হয়েছিল ১৯৪৬ সালে।
- এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ছিল।

• UNIVAC:
-জন মশলি ও প্রেসপার একাটি ১৯৪৬ সালে একটি কোম্পানি গঠন করে ১৯৫১ সালে প্রথম ইউনিভ্যাক-(UNIVAC-1) কম্পিউটার তৈরি করেন।
- এই ইউনিভ্যাকই ছিল প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার।
-১৯০২ সালে IBM কোম্পানি IBM-650, 701 কম্পিউটার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ও বাজারজাত করে।

• MARK-1:
- মার্ক-১ একটি ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার যেটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্‌টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine) কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
- হাওয়ার্ড এইকিনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৪ সালে এটি নির্মিত হয়।
- মার্ক-১ ছিল পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র।
- এটি দ্বারা যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, এমনকি ত্রিকোণমিতিক হিসাবও করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউদির শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২৩৬.
ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Computer) কম্পিউটার তৈরি করেন-
  1. ক) মার্কস উইলকিস এবং প্রেসপার একার্ট
  2. খ) ড. জন মউসলি এবং প্রেসপার একার্ট
  3. গ) ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ এবং ক্লিফ ব্যারি
  4. ঘ) ড. জন মউসলি এবং ক্লিফ ব্যারি
সঠিক উত্তর:
খ) ড. জন মউসলি এবং প্রেসপার একার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ড. জন মউসলি এবং প্রেসপার একার্ট
ব্যাখ্যা
১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Computer) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- এটিই হলাে প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
[উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)]
২৩৭.
'Mainframe Computer' এর চেয়ে বৃহৎ কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
  1. ক) Super Computer
  2. খ) Mini Computer
  3. গ) Micro Computer
  4. ঘ) Nano Computer
সঠিক উত্তর:
ক) Super Computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Super Computer
ব্যাখ্যা
সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট কম্পিউটারকে বলা হয় মেইনফ্রেম কম্পিউটার। 

আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা
হয়।
১. অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer)
২. বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer)
৩. ছোট কম্পিউটার (Mini Computer)
৪. ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer)
এছাড়াও মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারকে কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়।
যেমন - সুপার মাইক্রো, ডেক্সটপ, ল্যাপটপ, নোটবুক ইত্যাদি।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর কম্পিউটার বই (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
২৩৮.
তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ______ ব্যবহার করে।
  1. ক) ডেসিমাল ডিজিট
  2. খ) হেক্সাডেসিমাল ডিজিট
  3. গ) বাইনারি ডিজিট
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) বাইনারি ডিজিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাইনারি ডিজিট
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল, কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে বাইনারি ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
- ডিজিটাল কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মনিটরে প্রদর্শিত হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের গতি ও কার্যকারিতা অ্যানালগ কম্পিউটারের চেয়ে অনেক বেশি ও ভালো।
- আবার ডিজিটাল কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা অ্যানালগ কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।
- বর্তমান বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল পদ্ধতির কম্পিউটার। মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৯.
আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে কিসের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়?
  1. মাইক্রোচিপ
  2. মাইক্রোপ্রসেসর
  3. মাইক্রোকন্ট্রোলার
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকন্ট্রোলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকন্ট্রোলার
ব্যাখ্যা
♦ এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope website.
২৪০.
বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কম্পিউটারটি ছিল-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রো কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ১৯৬৪ সালে পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত হয় আইবিএম ১৬২০ মডেলের মেইনফ্রেম কম্পিউটার। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪১.
কম্পিউটারের কোন প্রজন্মে প্রথম আইসি ব্যবহৃত হয়?
  1. চতুর্থ প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. প্রথম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রথম ইন্টেগ্রেটেড সার্কিট (আইসি) ব্যবহৃত হয়।

• কম্পিউটারের তৃতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৬৫ সাল হতে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- Integrated Circuit, অর্ধপরিবাহী স্মৃতি, উন্নত কার্যকারিতা, নির্ভরশীলতা এই প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- একীভূত বর্তনীতে অনেক ট্রানজিস্ট্রর, অর্ধপরিবাহী ডায়োড এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ থাকে।
- কম্পিউটারের আকার আরও ছোট হয়, দাম কমে, কাজের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে- অধিক সংখ্যক ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস সংযোজন, অধিক প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা, সুর ও শব্দ সৃষ্টির ক্ষমতা, তারের সাহায্যে দূরবর্তী কোন কম্পিউটারের সাথে তথ্য আদান প্রদান ক্ষমতা ইত্যাদি।
- এই সময়ে মিনি কম্পিউটারের উদ্ভব ঘটে।
- এই প্রজন্মে উচ্চতর ভাষার প্রচলন এবং নির্বাহী পদ্ধতির উন্নয়ন ঘটে।
- IBM 360, IBM 370, GE 600 ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪২.
এটিএম মেশিন কোন ধরনের কম্পিউটার সিস্টেম এর উদাহরণ?
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মাইক্রো কম্পিউটার
  3. গ) এমবেডেড কম্পিউটার
  4. ঘ) পার্সোনাল কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
গ) এমবেডেড কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এমবেডেড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

Embedded processor, a class of computer, or computer chip, embedded in various machines. These are small computers that use simple microprocessors to control electrical and mechanical functions.
They generally do not have to do elaborate computations or be extremely fast, nor do they have to have great input/output capability, and so they can be inexpensive.
Embedded processors help to control aircraft and industrial automation, and they are common in automobiles and in both large and small household appliances.

Source: britannica.com

২৪৩.
'UNIVAC' এর পূর্ণরূপ-
  1. ক) Universal Automatic Computer
  2. খ) Universe Automatic Calculator
  3. গ) Universial Automatic Computer
  4. ঘ) Universal Automatic Calculator
সঠিক উত্তর:
ক) Universal Automatic Computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Universal Automatic Computer
ব্যাখ্যা
জন মাউসলি ও প্রেসপার একার্ট ১৯৫১ সালে ইউনিভ্যাক (UNIVAC = Universal Automatic Computer) তৈরি করেন। এটা ছিল বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদিত প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার।
২৪৪.
কোন ধরনের কম্পিউটারের জন্য সাধারণত ‘নেটওয়ার্ক সার্ভার’ টার্মটি ব্যবহৃত হয়?
  1. সুপারকম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. মিনি কম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
মেইনফ্রেম কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• ‘নেটওয়ার্ক সার্ভার’ নামকরণটি সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মেইনফ্রেম কম্পিউটার হলো বড় আকারের এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার, যা অনেক ব্যবহারকারী একসাথে ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন শেয়ার করতে পারে। 

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪৫.
পার্সোনাল কম্পিউটারের জনক-
  1. ভন নিউম্যান
  2. উইলিয়াম অডরেট
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট
সঠিক উত্তর:
হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট
ব্যাখ্যা
•পার্সোনাল কম্পিউটারের জনক হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট।
- বাণিজ্যিকভাবে তৈরিকৃত প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার Altair 8800 আবিষ্কার করেন হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট।
- আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ।
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- ১৮৮০ সালে ড. হারম্যান হলিরিথ, সেন্সাস মেশিন বা টেবুলেটিং মেশিন নামে একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং BBC.
২৪৬.
কোন ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার সাধারণত ব্যবহার করা হয় না?
  1. মহাকাশ ও বিজ্ঞান গবেষণা
  2. পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়
  3. অফিস ও ব্যক্তিগত কাজ
  4. চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
অফিস ও ব্যক্তিগত কাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অফিস ও ব্যক্তিগত কাজ
ব্যাখ্যা

• অফিস ও ব্যক্তিগত কাজে ডিজিটাল কম্পিউটার ব্যবহার হয়।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার তৈরি হয়, তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে।
- এটি এমন একটি সিস্টেম যা অ্যানালগ কম্পিউটার (যেমন সিগন্যাল প্রসেসিং, অবিচ্ছিন্ন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ডিজিটাল কম্পিউটার (যেমন লজিক্যাল অপারেশন, ডেটা স্টোরেজ)-এর সক্ষমতাকে একত্রিত করে।
- এটি বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।

• হাইব্রিড কম্পিউটারের ব্যবহারসমূহ:
১। মিসাইল, সমরাস্ত্র ক্ষেত্রে।
২। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান তৈরিতে।
৩। রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
৪। হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

২৪৭.
আধুনিক কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. দ্রুত গতিতে কাজ করা
  2. নির্ভুলভাবে কাজ করা
  3. ক্লান্তিহীন কাজ করা
  4. গণনার সুক্ষ্মতা খুবই কম
সঠিক উত্তর:
গণনার সুক্ষ্মতা খুবই কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণনার সুক্ষ্মতা খুবই কম
ব্যাখ্যা
আধুনিক কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য :
ক. দ্রুত গতিতে কাজ করা।
খ. নির্ভুলভাবে কাজ করা।
গ. স্মৃতিতে কাজ জমা রাখা। 
ঘ. কম্পিউটারে প্রাপ্ত ফলাফলের সুক্ষ্মতা অতুলনীয়।
ঙ. গণনার সূক্ষ্মতা অত্যন্ত বেশি অর্থাৎ গাণিতিক হিসেবের ক্ষেত্রে অনেক দশমিক স্থান পর্যন্ত ফলাফল দিতে সক্ষম।
চ. দীর্ঘক্ষণ একটানা কাজ করলেও কম্পিউটার ক্লান্ত হয় না বা গণনায় ভুল করে না।

উৎস: www.ebookbou.edu.bd.
২৪৮.
কোন ধরণের কাজে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয়?
  1. সিকিউরিটি ক্যামেরা
  2. এসি
  3. এটিএম
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড সিস্টেম এমন একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার সিস্টেম যা নির্দিষ্ট কাজ বা ফাংশন সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। সিকিউরিটি ক্যামেরায় এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় ভিডিও ক্যাপচার, স্টোরেজ এবং মোশন ডিটেকশন নিয়ন্ত্রণ করতে। এসি-তে এটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ফ্যান স্পিড এবং এনার্জি ব্যবস্থাপনা সহজ করে। এটিএম-তে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় লেনদেন প্রক্রিয়া, পিন ভেরিফিকেশন এবং ডেটা নিরাপত্তা পরিচালনার জন্য। এই উদাহরণগুলো দেখায় যে এমবেডেড সিস্টেম কেবল একটি নির্দিষ্ট যন্ত্রেই নয়, বরং বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসের স্বয়ংক্রিয় ও দক্ষ কার্যক্রম নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) সবগুলোই।
 
• এমবেডেড কম্পিউটার: 
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪৯.
কোনটি এমবেডেড সিস্টেমের একটি বৈশিষ্ট্য?
  1. উচ্চ মেমোরি প্রয়োজন
  2. মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য তৈরি
  3. নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য ডিজাইনকৃত
  4. ঘন ঘন হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য ডিজাইনকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য ডিজাইনকৃত
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড সিস্টেম হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা নির্দিষ্ট একটি নির্দিষ্ট কাজ বা ফাংশন সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। এটি সাধারণত বিশেষায়িত এবং সীমিত সম্পদ সম্পন্ন হয়, যেমন কম মেমোরি এবং প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা। এমবেডেড সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য তৈরি, অর্থাৎ এটি মাল্টিটাস্কিং বা একাধিক কাজ একই সময়ে চালানোর জন্য নয়, বরং নির্দিষ্ট কাজটি দক্ষতার সঙ্গে সম্পাদন করার জন্য অপ্টিমাইজ করা হয়। এমবেডেড সিস্টেমে হার্ডওয়্যার খুব ঘন ঘন পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় না, কারণ এটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের জন্য স্থিরভাবে ডিজাইন করা হয়। 

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope website.
২৫০.
নিচের কোন কাজে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. বৈজ্ঞানিক গবেষণা
  2. রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়
  3. পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• গঠন ও কাজের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অ্যানালগ কম্পিউটার,
২. ডিজিটাল কম্পিউটার ও
৩. হাইব্রিড কম্পিউটার।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫১.
কোন কাজের জন্য সাধারণত সুপারকম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. ইমেইল যোগাযোগ
  2. আবহাওয়ার পূর্বাভাস
  3. শব্দ প্রক্রিয়াকরণ
  4. গ্রাফিক ডিজাইন
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়ার পূর্বাভাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবহাওয়ার পূর্বাভাস
ব্যাখ্যা

• সুপারকম্পিউটার সাধারণত আবহাওয়ার পূর্বাভাস-এর মতো অত্যন্ত জটিল ও বৃহৎ হিসাবনির্ভর কাজে ব্যবহার করা হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো খ) আবহাওয়ার পূর্বাভাস।
আবহাওয়ার পরিবর্তন নির্ণয়ের জন্য বিপুল পরিমাণ উপাত্ত, যেমন তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুপ্রবাহ একসঙ্গে বিশ্লেষণ করতে হয়। এই বিশ্লেষণে জটিল গাণিতিক মডেল ও সিমুলেশন ব্যবহৃত হয়, যা সাধারণ কম্পিউটারের পক্ষে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা সম্ভব নয়। সুপারকম্পিউটার তার অত্যন্ত উচ্চ গণনাশক্তির মাধ্যমে অল্প সময়ে এই বিশাল ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে এবং তুলনামূলকভাবে নির্ভুল আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদান করে।

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205 ইত্যাদি।

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580 ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3. PDP 11, IBM-AS/400 ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486. IBM Pentium ইত্যাদি।

- ক্ষুদ্র বা মাইক্রো কম্পিউটারের জগতে সর্বাধুনিক সংযোজন হচ্ছে ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫২.
নিচের কোনটি ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ৮০৮০
  2. ৮০১৮৬
  3. Intel Core i3
  4. ৪০০৪
সঠিক উত্তর:
৮০১৮৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০১৮৬
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৪০০৪, ৪০৪০।
• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০০৮, ৮০৮০।
• ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬
• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৩.
হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (ICU) রোগীর রক্তচাপ ও হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া মাপার জন্য কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. ল্যাপটপ
  2. অ্যানালগ কম্পিউটা
  3. ডিজিটাল কম্পিউটার
  4. হাইব্রিড কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer):
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়। ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়াও হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫৪.
কোন কম্পিউটার প্রজন্মে প্রথমবার ট্রানজিস্টর ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর প্রথমবার ব্যবহৃত হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের (২য়) কম্পিউটারে। প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হতো, যা ছিল আকারে বড়, অনেক তাপ উৎপন্ন করত এবং অধিক বিদ্যুৎ খরচ করত। ১৯৫৬ সালে ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারের পর দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে এটি ভ্যাকুয়াম টিউবের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। ট্রানজিস্টর তুলনামূলক ছোট, শক্তি সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য ছিল, যার ফলে কম্পিউটার আরও দ্রুত ও কার্যকর হয়। এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো ছিল ছোট আকৃতির, কম তাপ উৎপাদনকারী এবং রক্ষণাবেক্ষণে সহজ। ফলে কম্পিউটার প্রযুক্তির এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য:
- ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার।
- কাজের গতি ও নির্ভরযোগ্যতার উন্নতি।
- প্রক্রিয়াকরণের গতি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের থেকে দ্রুততর।
- আকারে ছোট (৫১ বর্গফুট)
- ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইসগুলো দ্রুত ছিল৷
- টেলিফোন লাইনের মধ্যদিয়ে ডাটা প্রেরণের ব্যবস্থা।
- উদাহরণ: IBM-400, RCA-501, GE-200 ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২৫৫.
এনালগ কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র কোনটি?
  1. মুদ্রণ শিল্প
  2. রাসায়নিক শিল্প
  3. পেট্রোলিয়াম শিল্প
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে প্রকারভেদ:
- কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• এনালগ কম্পিউটার (Analog computer),
• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

• এনালগ কম্পিউটার:
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফল প্রদর্শিত করে।
- সাধারণত চাপ, তাপ, রোধ, উপাত্তের জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে এনালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসাবে ব্যবহার করে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদর্শনের কাটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় অথবা প্লুটার (Plotter) যন্ত্রের সাহায্যে কাগজে গ্রাফ আকারেও পাওয়া যেতে পারে।
- মোটর গাড়ির গতিবেগ প্রদর্শনের মিটার এনালগ কম্পিউটারের একটি উদাহরণ।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, চাপ, তাপ পরিমাপনের জন্য এনালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- স্লাইড রুল, অপারেশনাল এমপ্লিফায়ার ইত্যাদি এনালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- এনালগ কম্পিউটার খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। কারণ খাদ্য শিল্পে একাধিক পর্যায়ে ডিজিটাল তথ্য সংশোধন এবং ডেটা জরিপের প্রয়োজন হয়, যা এনালগ কম্পিউটারের মাধ্যমে করা কঠিন।
- এনালগ কম্পিউটার প্রায়শই রাসায়নিক শিল্প, পেট্রোলিয়াম শিল্প, এবং মুদ্রণ শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
২৫৬.
এমবেডেড কম্পিউটারের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ডিজিটাল ক্যামেরা
  2. রোবটিক্স
  3. পাইড রুল
  4. রাউটার
সঠিক উত্তর:
পাইড রুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাইড রুল
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেমের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে কেবল পূর্বনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদন করে। এতে কেবল মাইক্রোপ্রসেসর, রম এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস সংযোজন সিস্টেম থাকে।
আজকের প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এমবেডেড সিস্টেম এর প্রভাব রয়েছে। যেমনঃ
ভিসিআর, সেল ফোন, এয়ার কন্ডিশনার, প্রিন্টার, ভিডিও গেম, এটিএম, ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, গান শুনবার এম.পি.থ্রি. প্লেয়ার, গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম, টেলিফোন, রোবটিক্স, ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম, ফটোকপি মেশিন, ডিজিটাল ঘড়ি, মোটর গাড়ি ইত্যাদি।
এনালগ কম্পিউটারের উদাহরণ - মোটর গাড়ির স্পিডোমিটার, পাইড রুল, অপারেশনাল এমপ্লিফায়ার ইত্যাদি।
২৫৭.
Analytical & Differential Engine আবিষ্কার করেন কে?
  1. জন নেপিয়ার
  2. ব্লেইজ প্যাসকেল
  3. লেডি অ্যাডা লাভলেস
  4. চার্লস ব্যাবেজ
সঠিক উত্তর:
চার্লস ব্যাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্লস ব্যাবেজ
ব্যাখ্যা

• জন নেপিয়ার:
- জন নেপিয়ার (১৫৫০ - ১৬১৭) ছিলেন একজন বিখ্যাত স্কটিশ গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং জ্যোতির্বিদ, যিনি মূলত লগারিদম (Logarithms) আবিষ্কারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
- নেপিয়ারের হাড় (Napier's Bones) এটি একটি ম্যানুয়ালি পরিচালিত গণনা যন্ত্র বা ক্যালকুলেটর, যা গুণ ও ভাগ করার কাজে ব্যবহৃত হতো।

• ব্লেইজ প্যাসকেল:
- ব্লেইজ প্যাসকেল (১৬২৩ - ১৬৬২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং দার্শনিক।
-  তিনি বিশ্বের অন্যতম প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন, যা প্যাসকেলাইন (Pascaline) নামে পরিচিত

• লেডি অ্যাডা লাভলেস:
- লেডি অ্যাডা লাভলেস (১৮১৫-১৮৫২) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও লেখিকা, যাকে বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম প্রোগ্রাম বা অ্যালগরিদম লেখেন।
- সর্বপ্রথম বাইনারি ইন্সট্রাকশনের সূচনা করেন। 

• চার্লস ব্যাবেজ:
- চার্লস ব্যাবেজ (১৭৯১–১৮৭১) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ, দার্শনিক ও যন্ত্র প্রকৌশলী, যাকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়। তিনি প্রথম ডিজিটাল প্রোগ্রামযোগ্য কম্পিউটারের ধারণা তৈরি করেছিলেন।
- তিনি ১৮২২ সালে 'ডিফারেন্স ইঞ্জিন' এবং ১৮৩৩ সালে 'অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন' তৈরির পরিকল্পনা করেন যা আধুনিক কম্পিউটারের ভিত্তি।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Britannica [Link]

২৫৮.
বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার কোনটি?
  1. IBM-AS/400
  2. IBM Amdah 1580
  3. Apollo Guidance
  4. CYBER 205
সঠিক উত্তর:
Apollo Guidance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Apollo Guidance
ব্যাখ্যা
Apollo Guidance হচ্ছে বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি ক্যাবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

বাকি অপশনগুলো:
- CYBER 205 একটি অতিবৃহৎ কম্পিউটার,
- IBM Amdah 1580 একটি বৃহৎ কম্পিউটার,
- IBM-AS/400 একটি ছোট কম্পিউটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৫৯.
আইবিএম - ৪৩৩১ সিস্টেম (মেইনফ্রেম কম্পিউটার) কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা

আইবিএম ৪৩৩১ (IBM-4331) কম্পিউটারটি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার। ১৯৭৯ সালে আইবিএম প্রথম কম্পিউটারটি জন সম্মুখে উপস্থাপন করে।

- আইবিএম ৪৩৩১ সিস্টেম (মেইনফ্রেম কমপিউটার) - ১৯৮৬ সালে বুয়েটের কম্পিউটার সেন্টার তৃতীয় প্রজন্মের এই কম্পিউটারটি সংগ্রহ করে।
- বিভিন্ন সময়ে এটিতে নানা সংযোজন বিয়োজন ঘটে। এই সিস্টেমের অপারেটিং সিস্টেম ছিল VM/CMS ।
- এই সিস্টেমে একসংগে প্রায় শতাধিক ব্যাক্তির কাজ করার সুযোগ ছিল তবে এর সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩০টি টারমিনাল লাগানো হয়েছিল অর্থাৎ ৩২ জন ব্যবহারকারী এক সঙ্গে এই কম্পিউটারে কাজ করার সুযোগ পেত। 

তথ্যসূত্র: আইবিএম ওয়েবসাইট ও জাতীয় বিজ্ঞান যাদুঘরের ওয়েবসাইট।

২৬০.
কম্পিউটারের মেমোরী ভাগ করা হয়েছে -
  1. ক) দুই ভাগে
  2. খ) তিন ভাগে
  3. গ) চার ভাগে
  4. ঘ) পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর:
ক) দুই ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই ভাগে
ব্যাখ্যা

• স্মৃতি বা মেমরি (Memory):
- কম্পিউটারের স্মৃতি অতি বিশাল, কোটি কোটি ডেটা ও নির্দেশ তাতে জমা রাখা যায়।
- কম্পিউটারের সঞ্চয় ক্ষমতাকে ব্যবহার করে অতি সহজে একই ধরনের কাজ বিভিন্ন সময় দ্রুতগতিতে করা সম্ভব।
- মেমরি থেকে কোনো ডেটা খুঁজে বের করতে কম্পিউটারের সময় লাগে ১ ন্যানো সেকেন্ড

• কম্পিউটার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:

১. প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):

- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM (Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- ROM কে Non - Volatile Memory বলে।

২. সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরির উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি
- ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- জিপ ড্রাইভ
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২৬১.
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) মাইক্রোওয়েভ
  2. খ) অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার
  3. গ) স্লাইড রুল
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) মাইক্রোওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
- এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলোঃ গাড়ি, সেলফোন ও স্মার্টফোন, প্রিন্টার, ওভেন, মাইক্রোওয়েভ, ওয়াশিং মেশিন, এয়ার কন্ডিশন(এসি), ঘড়ি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

সূত্র: কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
২৬২.
কম্পিউটারের বাহ্যিক (External) হার্ডওয়্যারের উদাহরণ কোনটি?
  1. RAM
  2. Power supply
  3. Video card
  4. Joystick
সঠিক উত্তর:
Joystick
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joystick
ব্যাখ্যা

• হার্ডওয়্যার (Hardware):
- কম্পিউটার সিস্টেম পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের উপাদান নিয়ে গঠিত, যা ব্যবহারকারী প্রদত্ত কোনো প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি পালন করে এবং ফলাফল প্রদান করে।
- কম্পিউটারব্যবস্থায় হার্ডওয়‍্যার অন্যতম উপাদান। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্য ডিভাইসসমূহ যেমন-ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি। উল্লিখিত সকল যন্ত্রপাতিই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার।

• কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ:
-CPU (central processing unit).
-Drive (e.g., Blu-ray, CD-ROM, DVD, floppy drive, hard drive, and SSD).
-Fan (heat sink)
-Modem
-Motherboard
-Network card
-Power supply
-RAM
-Sound card
-Video card 

• কম্পিউটারের বাহ্যিক হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ: 
-Flat-panel, monitor, and LCD
-Game pad
-Joystick
-Keyboard
-Microphone
-Mouse
-Printer
-Projector
-Scanner
-Speakers
-USB thumb drive 

উৎস:
১। Computer Hope Website [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৩.
কোয়ান্টাম কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট কী নামে পরিচিত?
  1. ফ্লপ
  2. বিট
  3. কিউবিট
  4. লজিক গেট
সঠিক উত্তর:
কিউবিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউবিট
ব্যাখ্যা

কোয়ান্টাম কম্পিউটার: 
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়। 
- এটি এমন একটি কম্পিউটার যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গুণাবলী (যেমন: সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট) ব্যবহার করে জটিল গণনা করে। 
- প্রচলিত ডিজিটাল কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী হতে পারে। 
- রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন। 
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট (Quantum Bit), যা একসাথে 0 এবং 1 হতে পারে, একে বলে Superposition
- একটি কিউবিট একই সাথে অনেকগুলো সম্ভাব্য অবস্থায় থাকতে পারে। এটি একাধিক গাণিতিক সমস্যার সমাধান একই সাথে করতে সাহায্য করে। 
- ডেভিড ডয়চ (১৯৮৫): কোয়ান্টাম লজিক গেটের ধারণা দেন। 
- পিটার শোর (১৯৯৪): কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম উদ্ভাবন করেন যা বড় সংখ্যা অল্প সময়ে ভেঙে ফেলতে পারে। 

• কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ৩টি মূল পদ্ধতি: 
- NMR (Nuclear Magnetic Resonance): নিউক্লিয়াস স্পিন ব্যবহার করে। 
- Ion Trap: আয়নকে ট্র্যাপ করে এবং লেজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। 
- Quantum Dots: অতি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী অঞ্চলে ইলেকট্রনের স্পিন ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং economist [লিঙ্ক]।

২৬৪.
প্রথম কত সালে ল্যাপটপ কম্পিউটারের প্রচলন শুরু হয়?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা
ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুৎ এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৬৫.
প্রধানত কোন কাজে একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার তৈরি করা হয়েছে?
  1. ক্যালকুলেটরের মতো সাধারণ গণনার জন্য
  2. উচ্চ-মাত্রার লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ এবং বৃহৎ পরিসরের কম্পিউটিং
  3. গেমিং ও বিনোদন
  4. ব্যক্তিগত ডেস্কটপ ব্যবহারের জন্য
সঠিক উত্তর:
উচ্চ-মাত্রার লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ এবং বৃহৎ পরিসরের কম্পিউটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ-মাত্রার লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ এবং বৃহৎ পরিসরের কম্পিউটিং
ব্যাখ্যা

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার মূলত উচ্চ ক্ষমতার তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং বৃহৎ পরিসরের কম্পিউটিংয়ের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এগুলো সাধারণত বড় প্রতিষ্ঠানের ব্যাঙ্ক, বিমা কোম্পানি বা সরকারি সংস্থায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোটি কোটি লেনদেনের হিসাব, ডেটা সংরক্ষণ এবং জটিল বিশ্লেষণ প্রয়োজন। মেইনফ্রেমের লক্ষ্য হলো নির্ভরযোগ্যতা, নিরাপত্তা এবং একসাথে অসংখ্য ব্যবহারকারীর কাজ সমর্থন করা। এটি ক্যালকুলেটরের মতো ছোট গণনা বা গেমিং-এর জন্য নয়, বরং উচ্চ-মাত্রার লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ ও বড় ডেটা সেট পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। ব্যক্তিগত ডেস্কটপের চেয়ে এর ক্ষমতা অনেক বেশি এবং ব্যয়ও যথেষ্ট বেশি।

- সঠিক উত্তর: খ) উচ্চ-মাত্রার লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ এবং বৃহৎ পরিসরের কম্পিউটিং।
 
• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

• অপশন আলোচনা:
- সুপারকম্পিউটার: বৈজ্ঞানিক গণনার জন্য, নেটওয়ার্ক সার্ভিংয়ের জন্য নয়। 
- মাইক্রোকম্পিউটার: পার্সোনাল কম্পিউটিং বা ছোট সার্ভারের জন্য। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৬.
What does RTOS stand for in embedded systems?
  1. Remote Terminal Operating System
  2. Real-Time Operating System
  3. Run-Time Optimization System
  4. Resource Task Operating Software
সঠিক উত্তর:
Real-Time Operating System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Real-Time Operating System
ব্যাখ্যা

• RTOS এর পূর্ণরূপ হলো Real-Time Operating System।
- RTOS হলো এমন একটি অপারেটিং সিস্টেম যা অত্যন্ত দ্রুত এবং সুনির্দিষ্ট সময়সীমার (Time-bound) মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। সাধারণ অপারেটিং সিস্টেম (যেমন- Windows) যেখানে ইউজার ইন্টারফেস এবং মাল্টিটাস্কিংকে গুরুত্ব দেয়, সেখানে RTOS ডেডলাইন এবং কাজের নিশ্চয়তাকে (Determinism) অগ্রাধিকার দেয়। এটি এমবেডেড ডিভাইসের মেমোরি এবং প্রসেসরকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে যেন যেকোনো ইনপুটের বিপরীতে তাৎক্ষণিক আউটপুট পাওয়া যায়।

• রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Real-Time Operating System): 
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

• কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম: 
- FreeRTOS, 
- VxWorks,
- QNX, 
- ThreadX,
- RTLinux ইত্যাদি।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)। 
২। আইবিএম ওয়েবসাইট। [link]

২৬৭.
CRAY-1 কী ধরনের কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত?
  1. ক্ষুদ্র কম্পিউটার
  2. বৃহৎ কম্পিউটার
  3. ছোট কম্পিউটার
  4. অতিবৃহৎ কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
অতিবৃহৎ কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিবৃহৎ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ CRAY-1 হলো বিশ্বের প্রথম সফল সুপারকম্পিউটার (অতিবৃহৎ কম্পিউটার), যা ১৯৭৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
এটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং জটিল গাণিতিক গণনার জন্য ব্যবহৃত হতো। সুপারকম্পিউটার সাধারণ কম্পিউটারের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন হয়।

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer)
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer)
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer)
৪। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer)

অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- এ যাবৎ কাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে শক্তিশালী ও অত্যন্ত দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে সুপার কম্পিউটার।
উদাহরণ CRAY-1, CYBER 205 ইত্যাদি।

বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- ক্ষমতা ও আকার বিচারে মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট কিন্তু মাইক্রো কম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন।
উদাহরণ IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580 ইত্যাদি।

ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম বা বৃহৎ কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট ও কম ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে মিনি কম্পিউটার।
- এর কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশটি সাধারণ টেবিলের উপর বসানো সম্ভব।
উদাহরণ NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400 ইত্যাদি।

ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্য বিচারে সবচেয়ে ছোট কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রো বা ছোট কম্পিউটার।
- উদাহরণ IBM 486, IBM Pentium ইত্যাদি।
- ক্ষুদ্র বা মাইক্রো কম্পিউটারের জগতে সর্বাধুনিক সংযোজন হচ্ছে ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৮.
অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ কোনটি?
  1. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. মাইক্রোকম্পিউটার
  4. স্পিডোমিটার
সঠিক উত্তর:
স্পিডোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিডোমিটার
ব্যাখ্যা

• মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে তাদেরকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

অন্যদিকে,
- মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

২৬৯.
অ্যানালগ কম্পিউটার সাধারণত কী পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটা প্রক্রিয়াকরণ
  2. গ্রাফিক্স ডিজাইন
  3. চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ
  4. টেক্সট ফাইল ব্যবস্থাপনা
সঠিক উত্তর:
চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে তাদেরকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭০.
কোনটি পারসোনাল কম্পিউটার নয়?
  1. ক) ল্যাপটপ
  2. খ) সারফেস ট্যাব
  3. গ) ডেস্কটপ
  4. ঘ) সুপার কম্পিউটার
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুপার কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২৭১.
বিশ্বের সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন কম্পিউটার কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. পার্সোনাল কম্পিউটার (PC)
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. সুপারকম্পিউটার
  4. ওয়ার্কস্টেশন
সঠিক উত্তর:
সুপারকম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপারকম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণির মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগতির হলো সুপারকম্পিউটার। এরা Floating Point Operations Per Second (FLOPS) এককে তাদের কর্মক্ষমতা মাপা হয়। আধুনিক সুপারকম্পিউটারগুলো পেটাফ্লপস (1015 FLOPS) থেকে শুরু করে এক্সাফ্লপস (1018 FLOPS) পর্যন্ত ক্ষমতাসম্পন্ন।

​সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আবার এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭২.
এমবেডেড কম্পিউটারের মূল অংশ কোনটি?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. প্রিন্টার
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. ফ্লপি ডিস্ক
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটারের মূল অংশ হচ্ছে মাইক্রোপ্রসেসর।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবল সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্ করে থাকে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৭৩.
নিম্নলিখিত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে কোনটি সর্বোচ্চ প্রসেসিং ক্ষমতা সম্পন্ন, যা প্রায়ই জটিল সিমুলেশন ও আবহাওয়া মডেলিংয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. পারসোনাল কম্পিউটার
  2. ওয়ার্কস্টেশন
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
সুপার কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• Supercomputer (সুপারকম্পিউটার) হলো এমন একটি কম্পিউটার যার প্রসেসিং ক্ষমতা অত্যন্ত উচ্চ মানের। এটি একসাথে লক্ষ লক্ষ গণনা খুব দ্রুত সম্পন্ন করতে পারে। সুপারকম্পিউটারগুলো সাধারণত বড় বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পূর্বাভাস, পারমাণবিক গবেষণা, জলবায়ু পরিবর্তনের মডেলিং, মহাকাশ গবেষণা, এবং অন্যান্য জটিল ও তথ্য-গভীর সিমুলেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

• সুপার কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বিশাল সংখ্যার প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
২. RAM টাইপ মেমরি ইউনিটের একটি বিশাল সংগ্রহ।
৩. নোডের মধ্যে উচ্চ গতির আন্তঃসংযোগ।
৪. উচ্চ ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের গতি।

৫. কাস্টম সফ্টওয়্যার ব্যবহার।
৬. কার্যকর তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা।
৭. এটি বিপুল পরিমাণ গণনা পরিচালনা করতে সক্ষম যা মানুষের ক্ষমতার বাইরে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২৭৪.
“অ্যাপল কম্পিউটার” কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) স্টিভ জবস
  2. খ) স্টিভ জবস ও স্টিভ ওজনিয়াক
  3. গ) স্টিভ জবস, রোনাল্ড ওয়েনে ও স্টিভ ওজনিয়াক
  4. ঘ) স্যামুএল টমলিনসন
সঠিক উত্তর:
গ) স্টিভ জবস, রোনাল্ড ওয়েনে ও স্টিভ ওজনিয়াক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্টিভ জবস, রোনাল্ড ওয়েনে ও স্টিভ ওজনিয়াক
ব্যাখ্যা

“অ্যাপল কম্পিউটার” কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস, রোনাল্ড ওয়েনে ও স্টিভ ওজনিয়াক।
তথ্য সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা- ৫।

২৭৫.
কোন শ্রেণীর কম্পিউটারকে "নেটওয়ার্ক সার্ভার" হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. সুপারকম্পিউটার
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
মেইনফ্রেম কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• নেটওয়ার্ক সার্ভার সাধারণত এমন একটি কম্পিউটার যা একাধিক ব্যবহারকারীকে তথ্য সংরক্ষণ, অ্যাপ্লিকেশন রান এবং নেটওয়ার্ক সংযোগের সুবিধা প্রদান করে। এই ধরনের কাজের জন্য মেইনফ্রেম কম্পিউটার সবচেয়ে উপযুক্ত। মেইনফ্রেম কম্পিউটার শক্তিশালী প্রসেসিং ক্ষমতা, বড় ডাটা স্টোরেজ এবং উচ্চস্তরের নির্ভরযোগ্যতা সরবরাহ করতে পারে, যা বহু ব্যবহারকারীর একসঙ্গে অ্যাক্সেসের জন্য জরুরি। মাইক্রোকম্পিউটার বা সুপারকম্পিউটার সাধারণত ব্যক্তিগত কাজ বা উচ্চতর বৈজ্ঞানিক হিসাবের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নেটওয়ার্ক সার্ভারের মতো বহুব্যবহারকারী পরিবেশে এটি দক্ষ নয়। তাই নেটওয়ার্ক সার্ভার হিসেবে প্রধানত মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
 
• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

• অপশন আলোচনা:
- সুপারকম্পিউটার: বৈজ্ঞানিক গণনার জন্য, নেটওয়ার্ক সার্ভিংয়ের জন্য নয়। 
- মাইক্রোকম্পিউটার: পার্সোনাল কম্পিউটিং বা ছোট সার্ভারের জন্য। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭৬.
হাইব্রিড কম্পিউটার সাধারণত কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. গেম খেলার জন্য
  2. স্কুল শিক্ষায়
  3. সাধারণ অফিশিয়াল কাজ
  4. মিসাইল এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায়
সঠিক উত্তর:
মিসাইল এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিসাইল এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায়
ব্যাখ্যা

• গঠন ও কাজের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

২. ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কাজ সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
- মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।

৩. হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন- মিসাইল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭৭.
পিডিএ (PDA) এর প্রাথমিক ভার্সনটি কোন কোম্পানি তৈরি করেছিল?
  1. মাইক্রোসফট
  2. অ্যাপল
  3. সনি
  4. লেনোভো
সঠিক উত্তর:
অ্যাপল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাপল
ব্যাখ্যা
• পামটপ বা পিডিএ কম্পিউটার:
- পিডিএ (PDA) এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistants।
- এটি ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতাদের দ্বারা তৈরি হয়।
- পিডিএ এর প্রথম সংস্করণ ছিল অ্যাপলের ‘নিউটন’।
- এই কম্পিউটারগুলো ছোট আকারের এবং ক্যালকুলেটরের মতো দেখতে, তাই একে পকেট কম্পিউটারও বলা হয়।
- টাচ স্ক্রিন এবং ডিজিটাল পেনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- এটি সাধারণত স্প্রেডশিট, লেখালেখি, টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এবং এজেন্ডা তৈরি রাখার কাজে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৮.
পেসমেকার কী ধরনের এম্বেডেড সিস্টেম?
  1. Safety-critical 
  2. Networked
  3. Real-time
  4. ক + গ
সঠিক উত্তর:
ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক + গ
ব্যাখ্যা
• পেসমেকার একটি Safety-critical এবং Real-time এম্বেডেড সিস্টেম। এটি হৃদয়ের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখতে বৈদ্যুতিক সঙ্কেত প্রেরণ করে, যা মানুষের প্রাণ রক্ষা করে। যেহেতু এটি সরাসরি জীবন রক্ষার সাথে জড়িত, তাই এটি Safety-critical হিসেবে বিবেচিত হয়। পাশাপাশি এটি হৃদপিণ্ডের অবস্থা অনুযায়ী তাত্ক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক সময়ে বৈদ্যুতিক সঙ্কেত প্রদান করে, তাই এটি একটি Real-time সিস্টেমও। যেকোনো বিলম্ব মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। পেসমেকার সাধারণত নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকে না এবং এটি একাই কাজ করে, তাই এটি Stand-alone বা Networked নয়।
- সঠিক উত্তর: ক) Safety-critical এবং গ) Real-time.

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস: IEEE [লিংক]
২৭৯.
গণনার ক্ষেত্রে এনালগ ও ডিজিটাল পদ্ধতি দু’টি একসাথে ব্যবহৃত হয় এমন কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
  1. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. সুপারকম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• গণনার ক্ষেত্রে যদি একটি কম্পিউটার একই সাথে এনালগ এবং ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে, তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটার মূলত দুটি বিশ্বের সুবিধা একত্রিত করে: এনালগ অংশ জটিল অ্যানালগ সিগন্যাল এবং বাস্তব সময়ের ডেটা দ্রুত গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, আর ডিজিটাল অংশ নির্ভুল সংখ্যাগত হিসাব এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই ধরনের কম্পিউটার সাধারণত চিকিৎসা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পূর্বাভাস, এবং ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশনে ব্যবহৃত হয়, যেখানে বড় এবং জটিল ডেটা বাস্তব সময়ে বিশ্লেষণ করা দরকার। তাই, এনালগ এবং ডিজিটাল দুটো পদ্ধতির সংমিশ্রণে কাজ করতে সক্ষম কম্পিউটার হলো হাইব্রিড কম্পিউটার।

- সঠিক উত্তর: গ) হাইব্রিড কম্পিউটার।

​হাইব্রিড কম্পিউটার:

- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।
- মিসাইল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- ​কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিউবিট ব্যবহার করে অতিদ্রুত গণনা করতে পারে, কিন্তু এটি এনালগ+ডিজিটাল মিশ্রণ নয়।
- সুপারকম্পিউটার অত্যন্ত উচ্চ গতির গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু তা পুরোপুরি ডিজিটাল।
- মাইক্রোকম্পিউটার সাধারণ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি (যেমন পিসি, ল্যাপটপ)।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮০.
Which method is used to connect a remote computer?
  1. ক) Device
  2. খ) Dialup
  3. গ) Diagnostic
  4. ঘ) Logic circuit
সঠিক উত্তর:
খ) Dialup
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Dialup
ব্যাখ্যা
Dialup: Dial-up Internet access is a form of Internet access that uses the facilities of the public switched telephone network (PSTN) to establish a connection to an Internet service provider (ISP) by dialing a telephone number on a conventional telephone line.
Source: oxford learners dictionaries
২৮১.
বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার (আইবিএম - ১৬২০ সিস্টেম) কোথায় সংরক্ষিত আছে?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল
  3. গ) জাতীয় যাদুঘর
  4. ঘ) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর
ব্যাখ্যা

- জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরএ ২০০১ সালের ১৭ জুলাই তথ্যপ্রযুক্তি গ্যালারী চালু হয়।
- এই গ্যালারী চালুর মাধ্যমে কম্পিউটারের বিবর্তন তুলে ধরা ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সাথে স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীদের পরিচয় করিয়ে দেয়া সম্ভব হচ্ছে।
- এটি মূলত বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার থেকে শুরু করে আধুনিক কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংগ্রহশালা।
- এই গ্যালারীতে আ্যানালগ কম্পিউটার, আইবিএম ১৬২০, আইবিএম ১৪০১, আইবিএম ৩৭০, আইবিএম ৪৩৩১, হানিওয়েল ডি পি এস ৬, আইবিএম পিসি সহ কম্পিউটার সম্পর্কিত বিভিন্ন চার্ট প্রদর্শীত হচ্ছে।।

তথ্যসূত্র: জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ওয়েবসাইট।

২৮২.
প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর কোন প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছিল?
  1. Intel
  2. AMD 
  3. IBM
  4. Microsoft
সঠিক উত্তর:
Intel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intel
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): 
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। 
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল (Intel) নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে। 
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়। 
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়। 
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। 
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়। 
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮৩.
ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারকে কী বলা হয়? 
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. মিনিকম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকম্পিউটার
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): 
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। 
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে। 
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়। 
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়। 
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। 
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়। 
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৪.
NOVA 3 কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
মিনি কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
NOVA 3 হচ্ছে Mini Computer.

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।

• আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৫.
গঠন এবং ক্রিয়া নীতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
গঠন এবং ক্রিয়া নীতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। 

কম্পিউটার: 
- Computer হলো একটি বহুমুখি সফ্টওয়্যার চালিত একটি ইলেকট্রিক মেশিন যা অন্যান্য ইলেকট্রিক যন্ত্র থেকে
আলাদা। 
- এটি এমন একটি যন্ত্র যা তথ্য গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন ক্রিয়ার মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন করে। 
- এটির আভিধানিক অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। 

গঠন এবং ক্রিয়া নীতির উপর ভিত্তি করেকম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার।
২। ডিজিটাল কম্পিউটার।
৩। হাইব্রিড কম্পিউট।

[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
২৮৬.
IBM-709 কোন প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) প্রথম
  4. ঘ) তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
গ) প্রথম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রথম
ব্যাখ্যা
IBM-709 হচ্ছে তৃতীয় প্রজন্মের একটি কম্পিউটার।

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. কম নির্ভর যোগ্যতাসম্পন্ন একটি যন্ত্র। 
২. পাগ বোর্ড দিয়ে প্রোগ্রাম চালনা করা হতো। 
৩. এটি সীমিত পরিমাণে তথ্য ধারণ করতে পারতো। 
৪. এই প্রজন্মের কম্পিউটার দশমিক পদ্ধতিতে কাজ করতো। 

সূত্র- ১৫ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।  
২৮৭.
কোন ধরনের কম্পিউটারের ইনপুট এনালগ প্রকৃতির এবং আউটপুট ডিজিটাল প্রকৃতির?
  1. মেইনফ্রেম
  2. হাইব্রিড
  3. ল্যাপটপ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার হচ্ছে এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় পদ্ধতির সমন্বয়।
• ইনপুট এনালগ প্রকৃতির এবং আউটপুট ডিজিটাল প্রকৃতির।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৮৮.
কোনটি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ক) NOVA3
  2. খ) IBM PC
  3. গ) Apple Macintosh
  4. ঘ) Summit
সঠিক উত্তর:
ঘ) Summit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Summit
ব্যাখ্যা
• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আবার এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।
- বর্তমানে (ফেব্রুয়ারি ২০২০) সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার হলো যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত সামিট (Summit)
- এই কম্পিউটারে ৯,২১৬টি ২২ কোরের IBM মাইক্রোপ্রসেসর আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৯.
নিম্নলিখিত কোনটি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. সার্ভার
  2. সুপারকম্পিউটার
  3. স্মার্টফোন
  4. ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার
সঠিক উত্তর:
ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ হলো ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার। এটি একটি যান্ত্রিক বা ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইস, যা ভৌত পরিমাণের পরিবর্তনকে অবিরাম সিগন্যালের মাধ্যমে হিসাব করে। অ্যানালগ কম্পিউটার ডিজিটাল কম্পিউটারের মতো সংখ্যা ব্যবহার না করে ধারাবাহিক পরিবর্তনশীল তথ্য নিয়ে কাজ করে। সার্ভার, সুপারকম্পিউটার এবং স্মার্টফোন - ডিজিটাল কম্পিউটার যা ডিজিটাল তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার বিভিন্ন জটিল অঙ্কের সমাধান করতে ব্যবহৃত হত, বিশেষ করে ডিফারেনশিয়াল সমীকরণের জন্য। এটি বিভিন্ন হার, ভোল্টেজ বা চাপের মাধ্যমে গণনা সম্পন্ন করত, যা আধুনিক ডিজিটাল কম্পিউটারের পূর্বসূরী। তাই ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার অ্যানালগ কম্পিউটারের নিদর্শন।

• ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
- মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।

• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯০.
EDSAC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Electronic Digital Storage Automatic Calculator
  2. খ) Electronic Delay Storage Analog Calculator
  3. গ) Electronic Dual Storage Automatic Calculator
  4. ঘ) Electronic Delay Storage Automatic Calculator
সঠিক উত্তর:
ঘ) Electronic Delay Storage Automatic Calculator
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Electronic Delay Storage Automatic Calculator
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রনিকস কম্পিউটার: 
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি ও প্রেসপার একটি (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন। এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এনিয়াক (ENIAC) কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো। প্রোগ্রামিংয়ের জন্য তারের সংযোগ বদলানোর প্রয়োজন হতো এবং শত শত সংযোগ বদলানোর জন্য কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত। এ ধরনের অসুবিধার দূর করার লক্ষ্যে আমেরিকায় এডভ্যাক (EDVAC) তৈরির সময়েই কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক মার্কস উইলকিসের নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেন।
- প্রকৃতপক্ষে এডস্যাক (EDSAC) কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতারা UNIVAC (Universal Automatic Computer) কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন। ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল। UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯১.
কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ নয় -
  1. ক) Mainframe
  2. খ) Maxframe
  3. গ) Super
  4. ঘ) Micro
সঠিক উত্তর:
খ) Maxframe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Maxframe
ব্যাখ্যা
Maxframe কোনো কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ নয়। 

ডিজিটাল কম্পিউটার ৪ প্রকার।
১। সুপার কম্পিউটার।
২। মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
৩। মিনি কম্পিউটার।
৪। মাইক্রোকম্পিউটার। 
অর্থাৎ অপশনের বাকিগুলো ডিজিটাল কম্পিউটার। 
সোর্স: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - ১, এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল)
২৯২.
৮০৮০ মাইক্রোপ্রসেসর সর্বাধিক কতটুকু মেমোরি অ্যাড্রেস করতে সক্ষম?
  1. 1 KB
  2. 64 KB
  3. 16 KB
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
64 KB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
64 KB
ব্যাখ্যা
• ৮০৮০ মাইক্রোপ্রসেসর একটি ১৬-বিট অ্যাড্রেস বাস ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে সর্বাধিক 64 KB (65536 বাইট) পর্যন্ত মেমোরি অ্যাড্রেস করতে পারে। একটি ১৬-বিট অ্যাড্রেস বাসের কারণে এটি 216 = 65536টি আলাদা মেমোরি লোকেশন অ্যাড্রেস করতে পারে। প্রতিটি মেমোরি লোকেশন ১ বাইট ধারণ করতে পারে, তাই মোট 64 KB মেমোরি ব্যবহার সম্ভব। এটি ৮-বিটের ডেটা বাস সমর্থন করে, অর্থাৎ একসাথে ৮-বিট ডেটা প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। ৮০৮০ ছিল প্রথম দিককার জনপ্রিয় মাইক্রোপ্রসেসরগুলোর একটি, যা ছোট কম্পিউটার ও এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হতো।
- সঠিক উত্তর: খ) 64 KB 

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর। 

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
 ৪০০৪,
৪০৪০।

• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮০০৮,
৮০৮০।

• ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮০৮৬,
৮০৮৮, 
৮০১৮৬।

• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
Intel Core i3,
Core i5,
Core i7,
Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৩.
ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার-
  1. ক) PDP-8
  2. খ) CDC-6600
  3. গ) TX-O
  4. ঘ) Altair-880
সঠিক উত্তর:
গ) TX-O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) TX-O
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার- TX-O (Transistor Experimental Computer)। ডিজিটাল ইকুইপমেন্ট কর্পোরেশন ১৯৬৫ সালে উপস্থাপন করে পিডিপি-৮ নামক ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার। মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক প্রথম- Altair-8800 এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল প্রথম সুপার কম্পিউটার CDC-6600।
২৯৪.
Palmtop এক ধরনের-
  1. ক) কম্পিউটার
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) অ্যান্টিভাইরাস
  4. ঘ) প্রিন্টার
সঠিক উত্তর:
ক) কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
Palmtop হলো এক ধরনের ছোট বা মাইক্রোকম্পিউটার যা হাতের তালুতে রেখে কাজ করা যায় । আগে পামটপ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও এখন তা প্রচলিত নয়। কারণ এখন পামটপ অপেক্ষাও ছোট আকারের ডিভাইস তথা স্মার্টফোন প্রচলিত। অতীতে সুপার ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় ছোট কম্পিউটারের ক্ষেত্রে পামটপ শব্দ ব্যবহার করা হতো।
২৯৫.
যে ধরনের কম্পিউটার গণনার ক্ষেত্রে একই সাথে এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. সুপারকম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  4. হাইব্রিড কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার যা এনালগ কম্পিউটারের ধারাবাহিক ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের যথার্থ গাণিতিক গণনার সুবিধা—দুটোই একসাথে ব্যবহার করে।

​হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।
- মিসাইল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- ​কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিউবিট ব্যবহার করে অতিদ্রুত গণনা করতে পারে, কিন্তু এটি এনালগ+ডিজিটাল মিশ্রণ নয়।
- সুপারকম্পিউটার অত্যন্ত উচ্চ গতির গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু তা পুরোপুরি ডিজিটাল।
- মাইক্রোকম্পিউটার সাধারণ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি (যেমন পিসি, ল্যাপটপ)।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯৬.
নিচের কোন ডিভাইসটি প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়?
  1. রাউটার
  2. সুপার কম্পিউটার
  3. হাই-অ্যান্ড সার্ভার
  4. মাইক্রোকন্ট্রোলার
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকন্ট্রোলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোকন্ট্রোলার
ব্যাখ্যা

• প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয় মাইক্রোকন্ট্রোলার-এ। এম্বেডেড সিস্টেম হলো একটি বিশেষ উদ্দেশ্য সম্পন্ন কম্পিউটার সিস্টেম, যা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। মাইক্রোকন্ট্রোলার সাধারণত ছোট আকারের এবং একক চিপে প্রসেসর, মেমোরি ও ইনপুট/আউটপুট পেরিফেরাল থাকে। এটি ঘড়ি, টেলিভিশন, ওয়াশিং মেশিন, সিকিউরিটি ডিভাইস এবং অন্যান্য ছোট ইলেকট্রনিক ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, রাউটার, সুপার কম্পিউটার বা হাই-এন্ড সার্ভার সাধারণত জেনেরাল-পারপাস কম্পিউটিং বা নেটওয়ার্কিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এগুলো এম্বেডেড সিস্টেম হিসেবে বিবেচিত হয় না। তাই এম্বেডেড অ্যাপ্লিকেশনের জন্য মাইক্রোকন্ট্রোলারই সঠিক উত্তর।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Auburn University Samuel Ginn College of Engineering [link]

২৯৭.
পিডিপি-৮ একটি-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) পার্সোনার কম্পিউটার
  4. ঘ) মিনি কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিনি কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
পিডিপি-৮ হলো একটি মিনি কম্পিউটার। ১৯৬৫ সালে ডিজিটাল ইকুইপমেন্ট কর্পোরেশন এই কম্পিউটারটি তৈরি করে। এটি ১৯৭৩ সালের দিকে সর্বাধিক বিক্রিত কম্পিউটারগুলোর একটি। এটি ১২ বিটের এবং ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার। (সূত্র: পিডিপি-৮ ডটনেট)
২৯৮.
বিশ্বের প্রথম এম্বেডেড কম্পিউটারের নাম কী?
  1. AGC
  2. Intel 4004
  3. IBM System/360
  4. ENIAC
সঠিক উত্তর:
AGC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AGC
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম এম্বেডেড কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত AGC (Apollo Guidance Computer)। এটি ১৯৬০-এর দশকে নাসার অ্যাপোলো মহাকাশ অভিযানের জন্য তৈরি করা হয়। AGC-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মহাকাশযানকে সঠিকভাবে নেভিগেট করা এবং অভিযান পরিচালনা করা। এটি ছোট আকারের এবং নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা একটি কম্পিউটার, যা এম্বেডেড সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য বহন করে। অন্যান্য অপশন যেমন Intel 4004, IBM System/360, এবং ENIAC সাধারণ কম্পিউটার বা মাইক্রোপ্রসেসর হিসেবে পরিচিত, কিন্তু বিশেষভাবে একটি যন্ত্রে সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য AGC-কে প্রথম এম্বেডেড কম্পিউটার হিসেবে গণ্য করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৯৯.
বর্তমানে মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারে কোন ধরনের প্রধান স্মৃতি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) চুম্বকীয় কোর স্মৃতি
  2. খ) অর্ধপরিবাহী স্মৃতি
  3. গ) চার্জ কাপল স্মৃতি
  4. ঘ) পাতলা পর্দা স্মৃতি
সঠিক উত্তর:
খ) অর্ধপরিবাহী স্মৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অর্ধপরিবাহী স্মৃতি
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী স্মৃতিঃ
বর্তমানে মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারে অর্ধপরিবাহী স্মৃতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। চুম্বকীয় কোরের তুলনায় অর্ধপরিবাহী স্মৃতি অনেক ছোট ও সস্তা। অর্ধপরিবাহী পদার্থ দিয়ে তৈরি বলেই একে অর্ধপরিবাহী স্মৃতি বলে।
বহুল ব্যবহৃত দুই ধরনের অর্ধপরিবাহী স্মৃতির একটি হল অস্থায়ী স্মৃতি বা র‍্যাম (RAM = Random Access Memory) এবং অপরটি হল স্থায়ী স্মৃতি বা রম (ROM = Read Only Memory)।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩০০.
Digital ও analog  কম্পিউটারের কাজের প্রক্রিয়ার সাথে সমন্বয় করে-
  1. Mini computer
  2. Super computer
  3. Hybrid computer
  4. Mainframe computer
সঠিক উত্তর:
Hybrid computer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hybrid computer
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড কম্পিউটার Digital ও analog  কম্পিউটারের কাজের প্রক্রিয়ার সাথে সমন্বয় করে থাকে।

Digital কম্পিউটারের প্রকারভেদ:
১. মিনি কম্পিউটার:
- মিনি কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার, যার কাজের গতি ও ক্ষমতা  তুলনামূলক কম ।
- এগুলো সাধারণত ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়। 
- উদাহরণ হলো: IBM S/34, IBM S/36, PDP 11, NCR S/9290, ইত্যাদি।

২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- সাধারণত সুপার কম্পিউটারের চেয়ে কম শক্তিশালী।
- এ ধরনের কম্পিউটার বড় বড় অফিস, শিল্প প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা ও গবেষণা কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার একসাথে অনেক ব্যবহারকারীর কাজ করতে পারে এবং জটিল ও বিশাল তথ্য সহজে প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। 
- উদাহরণ: IBM 4300, UNIVAC 1100, CYBER 170, ইত্যাদি।

৩. সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতির কম্পিউটার।
- এই ধরনের কম্পিউটার সাধারণত গবেষণাগার, আবহাওয়া বিশ্লেষণ, সামরিক গবেষণা, পরমাণু পরীক্ষা ইত্যাদির মতো কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- বাংলাদেশের বিসিসি-তে একটি সুপার কম্পিউটার রয়েছে। 
- উদাহরণ: CYBER-205 (যুক্তরাষ্ট্র), SuperSXII (জাপান)।

৪. হাইব্রিড কম্পিউটার:
- হাইব্রিড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষ ধরণের কম্পিউটার, যা ডিজিটাল এবং অ্যানালগ কম্পিউটারের সংমিশ্রণে তৈরি।
- এটি অ্যানালগ অংশের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এবং ডিজিটাল অংশের মাধ্যমে সেই তথ্য প্রক্রিয়া করে ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার সাধারণত হাসপাতাল, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।