বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটারের প্রকারভেদ

মোট প্রশ্ন৩৯৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটারের প্রকারভেদ

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৩৯৭

.
নিচের কোনটি মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ?
  1. ALU
  2. Register set
  3. Control Unit
  4. All above
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাণিজ্যিকভাবে প্রথম সফল কম্পিউটারটির নাম কী?
  1. ক) ENIAC
  2. খ) IBM-650
  3. গ) IBM-704
  4. ঘ) UNIVAC-1
ব্যাখ্যা

IBM-650 বাণিজ্যিকভাবে সফল প্রথম কম্পিউটার।

- IBM কোম্পানি প্রথমে ৫০টি কম্পিউটার তৈরি করলেও পরে ১০০০টির বেশি কম্পিউটার তৈরি করে বাজারে ছাড়ে। 
- ENIAC হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার। 
- UNIVAC-1 হচ্ছে প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার। 
- IBM-704 হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

.
'পকেট কম্পিউটার' নামে পরিচিত -
  1. ক) ল্যাপটপ কম্পিউটার
  2. খ) নোটবুক কম্পিউটার
  3. গ) ডেস্কটপ কম্পিউটার
  4. ঘ) পামটপ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
পামটপ কম্পিউটার পকেট কম্পিউটার  নামেও পরিচিত। 

- PDA-এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistants. ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, যা হাতের তালুর মধ্যে রেখে ব্যবহার করা যায়, এমনকি পকেটে রেখে সহজে বহন করা যায়।
- এটি হেন্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কোনো প্রকার ডিস্ক ড্রাইভ থাকে না। সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো মূলত ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

সূত্র: ২৩ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 


.
কোন কম্পিউটারের আবিষ্কারের ফলে অন্যান্য স্বল্প মূল্যের কম্পিউটারের বাজারজাত শুরু হয়েছে?
  1. মেইনফ্রেম
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
[মাইক্রোকম্পিউটার হলো একটি ছোট, স্বল্পমূল্যের কম্পিউটার যা একটি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে। এটি ১৯৭০-এর দশকে আবিষ্কৃত হয় এবং এর ফলে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সহজলভ্য হয়ে ওঠে। এর মাধ্যমে অন্যান্য স্বল্পমূল্যের কম্পিউটারের বাজারজাত শুরু হয়, যা সাধারণ মানুষ ও ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করা সহজ করে তোলে।]

• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- পার্সোনাল কম্পিউটারের অপর নাম মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে ধারণ করা সম্ভব হয় এবং কম্পিউটার জগতে একটি নতুন প্রজন্মের আবির্ভাব হয়।
- মাইক্রো (Micro) শব্দের অর্থ ক্ষুদ্র। ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি কম্পিউটারকে তাই মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer) বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মাদারবোর্ডের সাথে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগ করার জন্য প্রাথমিকভাবে কোন স্লটটি ব্যবহার করা হয়?
  1. এমএসআই স্লট
  2. ওএসডি স্লট
  3. পিএসআই স্লট
  4. এজিপি স্লট
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন: কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot
2. RAM slot
3. PCI slot; ইত্যাদি।

- মাদারবোর্ডের সাথে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগ করার জন্য প্রাথমিকভাবে AGP স্লট ব্যবহার করা হয়।
- মাদারবোর্ডের সাথে keyboard, speaker ইত্যাদি সংযোগ করার জন্য USB ব্যবহার করা হয়।
- মাদারবোর্ডের সাথে hard drive, SSD ইত্যাদি সংযোগ করার জন্য SATA ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং মহাকাশ গবেষণার কাজে কোন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. মাইক্রো কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. সুপার কম্পিউটার
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রোকম্পিউটার

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রোগীর রক্তচাপ ও হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য কোন ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে?
  1. ক) ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. খ) অ্যানালগ কম্পিউটার
  3. গ) হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. ঘ) সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড কম্পিউটার
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি।
- তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন: মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
পামটপ কম্পিউটার নিচের কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) মিনি কম্পিউটার
  2. খ) মিনিফ্রেইম কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
মাইক্রো কম্পিউটার হচ্ছে ছোট আকারের কম্পিউটার।
আমরা হর হামেশা যে কম্পিউটার ব্যবহার করছি, সেগুলোকে মাইক্রো কম্পিউটার বলে।
ডেস্কটপ কম্পিউটার, লেপটপ কম্পিউটার, পামটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার হলো মাইক্রো কম্পিউটার।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
.
যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে তাকে বলা হয়-
  1. ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. অ্যানালগ কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এছাড়া গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
প্রথম চালুকৃত ওয়েব ব্রাউজার-
  1. ক) পাইথন
  2. খ) সরকিম
  3. গ) মজিলা ফায়ারফক্স
  4. ঘ) মোজাইক
ব্যাখ্যা
১৯৯৩ সালের জানুয়ারী ন্যাশনাল সেন্টার ফর সুপারকম্পিউটিং অ্যাপ্লিকেশনস মোজাইক ওয়েব ব্রাউজার বাজারে আনে। এটি তৈরি করে মার্ক অ্যান্ডারসন এবং এরিক বিনা। এটি সি ভাষায় ডেভেলপ করা হয়। তবে এটির পূর্বে টিম বার্নাস লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব নামে একটি ওয়েব ব্রাউজার তৈরি করেছিল। পাইথন হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, সরকিম স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম এবং ফায়ারফক্স হলো মজিলা উদ্ভাবিত একটি ওয়েবব্রাউজার যা ২০০৫ সালে অবমুক্ত করা হয়। (সূত্রঃ কম্পিউটার হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
১১.
এনালগ কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র নয় কোনটি?
  1. রাসায়নিক শিল্প
  2. পেট্রোলিয়াম শিল্প
  3. মুদ্রণ শিল্প
  4. খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে প্রকারভেদ: 
- কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
• এনালগ কম্পিউটার (Analog computer), 
• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer), 
• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)। 

এনালগ কম্পিউটার: 
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফল প্রদর্শিত করে। 
- সাধারণত চাপ, তাপ, রোধ, উপাত্তের জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে এনালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসাবে ব্যবহার করে। 
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদর্শনের কাটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় অথবা প্লুটার (Plotter) যন্ত্রের সাহায্যে কাগজে গ্রাফ আকারেও পাওয়া যেতে পারে। 
- মোটর গাড়ির গতিবেগ প্রদর্শনের মিটার এনালগ কম্পিউটারের একটি উদাহরণ। 
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, চাপ, তাপ পরিমাপনের জন্য এনালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 
- স্লাইড রুল, অপারেশনাল এমপ্লিফায়ার ইত্যাদি এনালগ কম্পিউটারের উদাহরণ। 
- এনালগ কম্পিউটার খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। কারণ খাদ্য শিল্পে একাধিক পর্যায়ে ডিজিটাল তথ্য সংশোধন এবং ডেটা জরিপের প্রয়োজন হয়, যা এনালগ কম্পিউটারের মাধ্যমে করা কঠিন। 
- এনালগ কম্পিউটার প্রায়শই রাসায়নিক শিল্প, পেট্রোলিয়াম শিল্প, এবং মুদ্রণ শিল্পে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১২.
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র কোনটি?
  1. সিকিউরিটি ক্যামেরা
  2. এসি
  3. এটিএম
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope Website.
১৩.
কোনটি এমবেডেড সিস্টেমের উদাহরণ নয়?
  1. ডিজিটাল ক্যামেরা
  2. ওয়াশিং মেশিন
  3. ডেস্কটপ কম্পিউটার
  4. স্মার্ট ফোন
ব্যাখ্যা

◉ ডিজিটাল ক্যামেরা, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্টফোন → এগুলো Embedded System এর উদাহরণ। অন্যদিকে, ডেস্কটপ কম্পিউটার একটি General-Purpose Computer.

​এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly.

উৎস:
১। Indian Institute of Embedded Systems.
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট। 

১৪.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশগুলোর বড় অসুবিধা কোনটি ছিল?
  1. বড় আকার এবং বেশি বিদ্যুৎ খরচ
  2. মেমোরির ধারণক্ষমতা বেশী
  3. কম তাপ উৎপাদন
  4. ছোট আকার এবং কম খরচ
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহৃত যন্ত্রাংশগুলোর প্রধান অসুবিধা ছিল তাদের বড় আকার এবং বেশি বিদ্যুৎ খরচ। এই কম্পিউটারগুলোতে বড় বড় ভ্যাকিউম টিউব ব্যবহার করা হত, যা অনেক জায়গা দখল করত এবং প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ করত। এছাড়া, এই যন্ত্রাংশগুলো বেশি তাপ উৎপাদন করত, যার ফলে সেগুলোকে শীতল রাখতে অতিরিক্ত ব্যবস্থা নিতে হত। এর ফলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো অত্যন্ত জটিল এবং ব্যয়বহুল ছিল।
- তাই ‘ক) বড় আকার এবং বেশি বিদ্যুৎ খরচ’ হলো প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের যন্ত্রাংশের বড় অসুবিধা।

 
• কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হতো এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন হতো।
- চালু অবস্থায় কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখতে মাঝে মাঝে ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করা হতো।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।

- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।
- বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এসব কম্পিউটারের ব্যবহার ছিল খুবই সীমিত।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
নিচের কোন ধরনের কম্পিউটার বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল পরিমাণ ডেটা প্রসেস করতে পারে?
  1. Supercomputer
  2. Mainframe
  3. Personal Computer
  4. Server
ব্যাখ্যা
• বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং আবহাওয়া পূর্বাভাসে প্রধানত সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

- বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রচুর পরিমাণে ডেটা প্রসেসিংয়ের প্রয়োজন হয়, যেমন কমপ্লেক্স সিমুলেশন, জেনেটিক গবেষণা, মহাকাশ গবেষণা, এবং আবহাওয়া পূর্বাভাস।
- এই ধরনের কাজের জন্য একটি অত্যন্ত শক্তিশালী কম্পিউটার সিস্টেম দরকার, যা দ্রুত ডেটা প্রসেস করতে সক্ষম।
- এর জন্য Supercomputer সবচেয়ে উপযুক্ত।

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

• সুপার কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বিশাল সংখ্যার প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
২. RAM টাইপ মেমরি ইউনিটের একটি বিশাল সংগ্রহ।
৩. নোডের মধ্যে উচ্চ গতির আন্তঃসংযোগ।
৪. উচ্চ ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের গতি।
৫. কাস্টম সফ্টওয়্যার ব্যবহার।
৬. কার্যকর তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা।
৭. এটি বিপুল পরিমাণ গণনা পরিচালনা করতে সক্ষম যা মানুষের ক্ষমতার বাইরে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৬.
IoT ডিভাইসগুলো মূলত কোন ধরনের কম্পিউটিং সিস্টেম ব্যবহার করে?
  1. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. এমবেডেড কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. ওয়ার্কস্টেশন
ব্যাখ্যা

◉ এমবেডেড কম্পিউটার হল বিশেষ ধরনের কম্পিউটিং সিস্টেম, যা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। IoT ডিভাইসগুলি সাধারণত ছোট, শক্তিশালী এবং কম শক্তি খরচ করে, যা এমবেডেড সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য।
উদাহরণস্বরূপ, স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট, স্মার্ট লাইট), ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার), এবং শিল্প IoT ডিভাইসগুলি এমবেডেড কম্পিউটিং সিস্টেম ব্যবহার করে।

ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IOT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।

IoT ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- কম শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, 
- ছোট আকারের কম্পিউটার চিপ ব্যবহার করে, 
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা হয়, 
- সেন্সর, একচুয়েটর এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে। 

উৎস:
১। Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট। 

১৭.
অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় -
  1. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  2. বিশেষ কম্পিউটার
  3. সংকর কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে।
- হাইব্রিড কম্পিউটারকে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন - মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
"Slide Rule" কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. Hybrid computer
  2. Quantum computer
  3. Digital computer
  4. Analog Computer
ব্যাখ্যা
⚪ Slide Rule হল একটি Analog Computer, যা গণনা (calculation) করার জন্য ব্যবহৃত হত মূলত ১৭শ শতক থেকে ২০শ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত।
এটি বৈদ্যুতিক নয়, বরং যান্ত্রিক একটি ডিভাইস।
এটি লগারিদমিক স্কেল ব্যবহার করে গুণ, ভাগ, বর্গমূল, সূচক ইত্যাদি হিসাব করতে পারে।
এটি ব্যবহার করা হতো বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও শিক্ষার্থীদের দ্বারা — বিশেষ করে ক্যালকুলেটরের আগমনের আগে।

⚪ অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

⚪ অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

⚪ স্লাইড রুল (Slide Rule):
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
PDA বলতে বোঝায় -
  1. Protocol Disk Administration
  2. Portable Document Assistant
  3. Personal Digital Assistants
  4. Primary Digital Assistant
ব্যাখ্যা

• পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistants.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
কোনটি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. PDP 11
  2. ENIAC
  3. IBM 704
  4. CDC 1604
ব্যাখ্যা
• PDP 11 তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

• তৃতীয় প্রজন্ম:
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার তৃতীয় প্রজন্মের ব্যপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭১ পর্যন্ত।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার ছিলো সিলিকন চিপ ভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা IC বেজড।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন।
- IBM 360, 370, PDP 8, ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- ENIAC, IBM 704 হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।
- CDC 1604 হচ্ছে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
Which of the following is an example of a Mini Computer?
  1. IBM Pentium
  2. IBM 4341
  3. CRAY-1
  4. NOVA 3
ব্যাখ্যা
NOVA 3 হচ্ছে একটি মিনি কম্পিউটার।

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
81 ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3. PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
কী বোর্ডের Ctrl, Shift এবং Alt - এই কী (Key) গুলোকে বলা হয় -
  1. ক) Functional Key
  2. খ) Numeric Key
  3. গ) Cursor Movement Key
  4. ঘ) Modifier Key
ব্যাখ্যা

- F1 থেকে F12 পর্যন্ত কী গুলোকে Functional Key বলে। ০-৯, যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এদের Numeric Key বলে।
- কী বোর্ডের যে সকল বোতাম চেপে কোন অক্ষর বিন্যাসের কাজ করা হয় তা Modifier Key।
যেমন - Shift, Alt, Ctrl, Space.
- Arrow Key গুলো মূলত Cursor Movement Key।

২৩.
অপারেটিং সিস্টেম safe mood এ চালু করার জন্য কোন ফাংশনাল কী ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) F6
  2. খ) F7
  3. গ) F8
  4. ঘ) F9
ব্যাখ্যা

- F6 ফাংশনাল কি ব্যাবহার করা হয় mouse এর cursor কে internet browser এর address bar এ নিয়ে যেতে চাইলে।
- F7 ফাংশনাল কি ব্যাবহার করা হয় microsoft word এ লেখা বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করার জন্য।
- F8 ফাংশনাল কি ব্যাবহার করা হয় অপারেটিং সিস্টেম safe mood এ চালু করার জন্য।
- F9 ফাংশনাল কি ব্যাবহার করা হয় কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য।

তথ্যসূত্র: Finacial Express ও ক্লাউড প্লাস।
Link - 1
Link - 2
২৪.
ল্যান পোর্ট কোথায় সংযুক্ত থাকে?
  1. হার্ড ডিস্কে
  2. মাদারবোর্ডে
  3. মনিটরে
  4. কী-বোর্ডে
ব্যাখ্যা
ল্যান পোর্ট (LAN Port):
- বর্তমানে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে ল্যান পোর্ট বিল্ড-ইন অবস্থায় থাকে।
- মাদারবোর্ডের ল্যান পোর্টে RJ-45 কানেক্টরের সাহায্যে ক্যাবল লাগিয়ে সরাসরি কিংবা সুইচের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক স্থাপন করা যায় বা ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া যায়।
- এছাড়া মাইক্রোকম্পিউটারে গেইম পোর্ট, টেলিফোন লাইন পোর্ট, FM রেডিও, ক্যাবল টিভি পোর্ট, MIDI পোর্ট HDMI পোর্ট প্রভৃতি ব্যবহার করা হয়।
- ইথারনেট, লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে (LAN) ব্যবহৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি।
- ইথারনেট 1973 সালে ক্যালিফোর্নিয়ার জেরোক্স কর্পোরেশনের পালো অল্টো রিসার্চ সেন্টার (জেরক্স পিএআরসি) এর একটি দল দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
২৫.
এমবেডেড সিস্টেমের একটি মূল বৈশিষ্ট্য কী?
  1. রিয়েল-টাইম অপারেশন
  2. উচ্চ মেমরি ক্ষমতা
  3. পিসির মতো মাল্টিটাস্ক করার সক্ষমতা
  4. উচ্চগতির গ্রাফিক্স প্রসেসিং
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড সিস্টেমের একটি মূল বৈশিষ্ট্য হলো রিয়েল-টাইম অপারেশন। এমবেডেড সিস্টেম সাধারণত নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয় এবং এটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম হতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, অটোমোবাইলের এয়ারব্যাগ সিস্টেম বা মেডিকেল ডিভাইসের মনিটরিং সিস্টেমে সময়মতো প্রতিক্রিয়া দেখানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের সিস্টেমে সাধারণত উচ্চ মেমরি ক্ষমতা বা পিসির মতো মাল্টিটাস্কিং সুবিধা প্রধান লক্ষ্য নয়। বরং নির্দিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা এবং নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করা এমবেডেড সিস্টেমের মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) রিয়েল-টাইম অপারেশন।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. geeksforgeeks [link]

২৬.
PDA এর 'A' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Assistant
  2. Architecture
  3. Automaton
  4. Application
ব্যাখ্যা
• পামটপ কম্পিউটার বা PDA:
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
নিচের কোনটি ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি?
  1. মাইক্রো কম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

- ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার, এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটার। 

মাইক্রো কম্পিউটার: 
- এ ধরনের কম্পিউটার বলতে ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির  কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়। এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়। 
- একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি,সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়। 
- এতে একটিমাত্র চিপের ওপর CPU (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) থাকে এবং সাধারণত এক সময়ে একজন ব্যবহারকারী এটি ব্যবহার করতে পারেন।
- উদাহরণ হিসেবে ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোন মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত। 

মিনি কম্পিউটার: 
- মিনি কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা ও কাজের গতি অপেক্ষাকৃত কম। 
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের মধ্যে কাজের ধরণ ও প্রক্রিয়াগত দিক থেকে কোন পার্থক্য নাই। 

সুপার কম্পিউটার: 
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার। 
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে। 
- সুপার কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।

মেইনফ্রেম কম্পিউটার: 
- যে কম্পিউটার মিনি ও মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে বড় এবং সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট তাকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার বলে।
- এতে অনেকগুলো কম্পিউটার যুক্ত থাকে এবং এক সঙ্গে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

২৮.
মেকানিক্যাল কম্পিউটার থেকে ডিজিটাল কম্পিউটার কতগুণ গতিসম্পন্ন হয়ে থাকে?
  1. ক) ১০০ গুণ
  2. খ) ১৫০ গুণ
  3. গ) ২০০ গুণ
  4. ঘ) ২৫০ গুণ
ব্যাখ্যা

- ডিজিটাল কম্পিউটার মেকানিক্যাল কম্পিউটার থেকে ২০০ গুণ গতিসম্পন্ন হয়ে থাকে।
- ডিজিটাল কম্পিউটার হল এমন কম্পিউটার সিস্টেম যা বাইনারি নম্বর সিস্টেম ব্যবহার করে গণনামূলক কাজ সম্পাদান করে।
- এই কম্পিউটারের তিনটি প্রধান উপাদান হল ইনপুট, প্রসেসিং এবং আউটপুট।
- মেকানিক্যাল কম্পিউটার হল একটি যান্ত্রিক কম্পিউটার একটি কম্পিউটার যা ইলেকট্রনিক উপাদানগুলির পরিবর্তে লিভার এবং গিয়ারের মতো যান্ত্রিক উপাদানগুলি থেকে তৈরি করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

২৯.
"প্ল্যানিমিটার"- কোন ক্যাটাগরির কম্পিউটার?
  1. ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. অ্যানালগ কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• প্ল্যানিমিটার হল একটি অ্যানালগ কম্পিউটার। এটি মূলত জ্যামিতিক আকারের পৃষ্ঠফল নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। অ্যানালগ কম্পিউটারগুলোর কাজ ভৌত পরিমাণ বা ক্রমাগত সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে, যেখানে সংখ্যাগত বা ডিজিটাল মান নয়। প্ল্যানিমিটারের হ্যান্ডেল বা পেন সরিয়ে কোনো বন্ধ আকারের রেখাচিত্রের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করা হয়, যা সরাসরি যান্ত্রিক গণনার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এটি ডিজিটাল বা হাইব্রিড কম্পিউটারের মতো প্রোগ্রামযোগ্য নয়, বরং নির্দিষ্ট ভৌত সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি। তাই প্ল্যানিমিটার স্পষ্টভাবে অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

- সঠিক উত্তর: গ) অ্যানালগ কম্পিউটার।

• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer): 
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
হাসপাতালগুলোতে হার্টের বৈদ্যুতিক সংকেত পর্যবেক্ষণের জন্য সাধারণত কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. এনালগ কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. ডিজিটাল কম্পিউটার
  4. হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• হাসপাতালে হার্টের বৈদ্যুতিক সংকেত পর্যবেক্ষণের জন্য সাধারণত হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি সিস্টেম যা এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় ধরণের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য সমন্বিত করে। হার্টের বৈদ্যুতিক সংকেত খুব সূক্ষ্ম এবং ধারাবাহিক এনালগ সিগন্যাল হিসেবে আসে, যা সরাসরি পর্যবেক্ষণ এবং প্রাথমিক বিশ্লেষণের জন্য এনালগ কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণে সুবিধাজনক। তারপর এই সিগন্যালগুলোকে ডিজিটাল ফর্ম্যাটে রূপান্তরিত করে বিস্তারিত বিশ্লেষণ, সংরক্ষণ এবং রোগীর ইতিহাসের সাথে তুলনা করা হয়। এই মিলিত প্রক্রিয়ার কারণে চিকিৎসকরা দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে রোগীর হার্টের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। হাইব্রিড কম্পিউটার তাই মেডিকেল মনিটরিংয়ের ক্ষেত্রে অপরিহার্য।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১.
An IBM System/38 represents the computer class of:
  1. ক) small-scale computer
  2. খ) high-scale computer
  3. গ) large-scale computer
  4. ঘ) super computer
ব্যাখ্যা
The System/38 is a discontinued minicomputer and midrange computer server platform manufactured and sold by the IBM Corporation. IBM announced the System/38 in 1978.The System/38 has 48-bit addressing, which was unique for the time, and a novel integrated database system.
৩২.
ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার কোনটি?
  1. ক) পিডিপি-৮
  2. খ) এডস্যাক
  3. গ) ইউনিভ্যাক-১
  4. ঘ) এনিয়াক-১
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার - পিডিপি-৮।
বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার - ইউনিভ্যাক-১।
প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার - এডস্যাক।
প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার - এনিয়াক-১।
৩৩.
কোন ক্ষেত্রে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. এটিএম
  2. এসি
  3. সিকিউরিটি ক্যামেরা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড কম্পিউটার এমন একটি বিশেষ-purpose কম্পিউটার যা কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। এটিএমে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় লেনদেন প্রক্রিয়া এবং নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের জন্য। এসিতে এটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ফ্যানের গতি ও এনার্জি ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে। সিকিউরিটি ক্যামেরায় এমবেডেড কম্পিউটার ভিডিও রেকর্ডিং, মোশন ডিটেকশন এবং রিমোট মনিটরিং নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এইভাবে, প্রতিটি ক্ষেত্রে এমবেডেড সিস্টেম নির্দিষ্ট কাজ দ্রুত, নির্ভুল এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম। তাই বলা যায়, এগুলো সব ক্ষেত্রেই এমবেডেড কম্পিউটারের ব্যবহার দেখা যায়।

সঠিক উত্তর: ঘ) সবগুলোই।


• এমবেডেড কম্পিউটার: 
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়ে কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. ডিজিটাল কম্পিউটার
  4. মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশেষ করে পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, মহাকাশ গবেষণা এবং জটিল রাসায়নিক প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার হলো অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের একটি সমন্বিত রূপ, যেখানে অ্যানালগ অংশ ডেটা সংগ্রহ করে এবং ডিজিটাল অংশ সেই ডেটা বিশ্লেষণ করে ফলাফল প্রদান করে।

• গঠন ও কাজের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।

২. ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।

৩. হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫.
স্লাইড রুল কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. Digital computer
  2. Analog Computer
  3. Quantum computer
  4. Hybrid computer
ব্যাখ্যা
• স্লাইড রুল হচ্ছে "Analog Computer"।

• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):

- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

• স্লাইড রুল (Slide Rule):
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার - একটি অ্যানালগ কম্পিউটার ছিল, এটি কোন ধরনের সমীকরণের সমাধানে প্রধানত ব্যবহার করা হত?
  1. Algebraic equations
  2. Boolean equations
  3. Differential equations
  4. Linear equations
ব্যাখ্যা
• ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার একটি প্রাথমিক এনালগ কম্পিউটার ছিল, যা মূলত ডিফারেনশিয়াল সমীকরণ (Differential Equations) সমাধান করতে ব্যবহৃত হত। এই কম্পিউটারটি বিশেষভাবে গতি, তাপ, বৈদ্যুতিক সার্কিটের মতো প্রকৌশল সমস্যার সমাধানে ব্যবহার করা হত, যেখানে পরিবর্তনশীল পরিমাণের মধ্যে সম্পর্ক ছিল এবং সেগুলি সময় বা স্থানের উপর নির্ভর করত।

• অপশন আলোচনা:
- Linear equations: লিনিয়ার সমীকরণ সমাধান করতে ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার ব্যবহার করা হত না, যদিও এটি লিনিয়ার সমীকরণে কিছু সাহায্য করতে পারত।
- Boolean equations: Boolean সমীকরণ ডিজিটাল কম্পিউটার এবং লজিক গেটগুলির জন্য ব্যবহৃত হয়, যা ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজারের উদ্দেশ্য ছিল না।
- Algebraic equations: এটি সাধারণত গাণিতিক সমীকরণ, কিন্তু ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার মূলত ডিফারেনশিয়াল সমীকরণের জন্য তৈরি হয়েছিল।

"ডিফারেনশিয়াল অ্যানালাইজার মূলত ডিফারেনশিয়াল সমীকরণ (Differential Equations) সমাধান করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, কিন্তু এটি লিনিয়ার সমীকরণ (Linear Equations) সমাধান করার জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হত না। তবে, কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে, এটি লিনিয়ার সমীকরণের সমাধান করতে সহায়ক হতে পারে।
তাই সঠিক উত্তর - Differential equations হবে।"


• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
ল্যাপটপের কোন ধরণের ডিজাইন সবচেয়ে প্রচলিত?
  1. বুকশেলফ ডিজাইন
  2. ক্ল্যামশেল ডিজাইন
  3. ফোল্ডেবল ডিজাইন
  4. মনোব্লক ডিজাইন
ব্যাখ্যা
ল্যাপটপের ক্ল্যামশেল ডিজাইন সবচেয়ে প্রচলিত।

 • ল্যাপটপ :
- ল্যাপটপ হলো পোর্টেবল কম্পিউটার, যার মধ্যে স্ক্রিন, কীবোর্ড ও টাচপ্যাড থাকে।
- এটি ব্যাটারি চালিত এবং মোবাইল ব্যবহারের জন্য উপযোগী।
- ল্যাপটপের ক্ল্যামশেল ডিজাইন হয়, যেখানে স্ক্রিন উপরে এবং কীবোর্ড নিচে থাকে।
- ডেস্কটপের তুলনায় ল্যাপটপ বেশি পোর্টেবল, কিন্তু কম পারফরম্যান্স দেয়।
- ১৯৮১ সালে Osborne 1 প্রথম কমার্শিয়াল ল্যাপটপ হিসেবে বাজারে আসে।
- Apple ১৯৯১ সালে PowerBook দিয়ে ল্যাপটপ ডিজাইনে নতুন দিগন্ত খুলে।
- ২০০৮ সালে Apple MacBook Air বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ল্যাপটপ হিসেবে পরিচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৮.
এম্বেডেড কম্পিউটার কী?
  1. কেবল সার্ভার রুমে ব্যবহৃত মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. সুপার কম্পিউটারের আরেক নাম
  3. বিশেষায়িত কম্পিউটার যা বড় কোনো সিস্টেমের অংশ
  4. এমন একটি সাধারণ উদ্দেশ্য কম্পিউটার যা বিভিন্ন সফটওয়্যার চালায়
ব্যাখ্যা

এম্বেডেড কম্পিউটার হচ্ছে বিশেষায়িত কম্পিউটার যা বড় কোনো সিস্টেমের অংশ।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবল সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্ করে থাকে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৯.
আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. মাইক্রোকন্ট্রোলার 
  2. ন্যানোপ্রসেসর
  3. কোয়ান্টাম চিপ
  4. ফাইবার অপটিক
ব্যাখ্যা
আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer):
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
​- সাধারণত এতে একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে। 
- ​আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহৃত হয়। 

​ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- এয়ার কন্ডিশন (এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনার,
- ATM,
​- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা।

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
প্রাথমিকভাবে একটি নোমোগ্রাম কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
  1. পরীক্ষামূলক ডেটা রেকর্ড করতে
  2. জটিল গণনা গ্রাফের মাধ্যমে সম্পন্ন করা
  3. রাসায়নিক সূত্র লিখতে
  4. থ্রিডি মডেল তৈরিতে
ব্যাখ্যা

• প্রাথমিকভাবে নোমোগ্রাম ব্যবহার করা হয় জটিল গণনা গ্রাফের মাধ্যমে সম্পন্ন করার জন্য। এটি একটি ভিজুয়াল টুল যা বিভিন্ন ভেরিয়েবল বা পরিমাপের মধ্যে সম্পর্ককে সরল রেখাচিত্রে দেখায়। নোমোগ্রামের সাহায্যে ব্যবহারকারী অঙ্কের জটিল হিসাব বা সমীকরণ ম্যানুয়ালি সমাধান করার পরিবর্তে সহজে বিভিন্ন মান নির্ণয় করতে পারে। এটি বিশেষভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং, পদার্থবিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে জনপ্রিয়, যেখানে ত্রুটিমুক্ত দ্রুত হিসাব করা গুরুত্বপূর্ণ। ফলে, পরীক্ষামূলক ডেটা রেকর্ড করা, রাসায়নিক সূত্র লেখা বা থ্রিডি মডেল তৈরির জন্য নয়, বরং এটি গণনাকে সহজ ও দ্রুত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: খ) জটিল গণনা গ্রাফের মাধ্যমে সম্পন্ন করা।

​• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer): 
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় ধরণের গণনাই ব্যবহার করে এমন কম্পিউটারকে বলা হয় -
  1. Quantum Computer
  2. Hybrid Computer
  3. Minicomputer
  4. Supercomputer
ব্যাখ্যা
• এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় ধরণের গণনা ব্যবহার করে এমন কম্পিউটারকে হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer) বলা হয়। এই কম্পিউটারটি এনালগ কম্পিউটারের দ্রুত গতি এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের নির্ভুলতা দুইয়ের সুবিধাই গ্রহণ করে। এনালগ অংশ বাস্তব বিশ্বের নিরবচ্ছিন্ন তথ্য যেমন তাপমাত্রা, চাপ ইত্যাদি গ্রহণ করে এবং ডিজিটাল অংশ সেগুলোকে প্রক্রিয়াজাত করে নির্দিষ্ট ফলাফল তৈরি করে। হাইব্রিড কম্পিউটার বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক ও ইঞ্জিনিয়ারিং কাজে ব্যবহৃত হয়, যেখানে দ্রুত এবং সঠিক হিসাব একসাথে প্রয়োজন হয়। তাই, বিভিন্ন ধরনের তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এটি খুবই কার্যকর। উল্লেখিত চারটি অপশনের মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) Hybrid Computer.

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।
- মিসাইল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
কোন ধরনের কম্পিউটারে FLOPS দিয়ে পারফরম্যান্স মাপা হয়?
  1. Personal Computer
  2. Server
  3. Supercomputer
  4. Embedded System
ব্যাখ্যা

FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো একটি পরিমাপের একক, যা দিয়ে কম্পিউটারের গণনাশক্তি (Computational Power) নির্ণয় করা হয়।
- সাধারণ Personal Computer বা Server-এর ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স মাপা হয় GHz, MIPS (Million Instructions Per Second) ইত্যাদি দিয়ে।
- Embedded System-এ সাধারণত নির্দিষ্ট কাজের দক্ষতা ও রিয়েল-টাইম পারফরম্যান্স দেখা হয়।
- কিন্তু Supercomputer-এর পারফরম্যান্স FLOPS দিয়ে মাপা হয়। 
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।​

​উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

​উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট।

৪৩.
Which of the following is still useful for adding numbers?
  1. ক) EDSAC
  2. খ) ENIAC
  3. গ) Abacus
  4. ঘ) UNIVAC
ব্যাখ্যা
Abacus: An abacus is a manual aid to calculating that consists of beads or disks that can be moved up and down on a series of sticks or strings within a usually wooden frame. The abacus itself doesn't calculate; it's simply a device for helping a human being to calculate by remembering what has been counted.
Source: Dictionary of Computer & Information Technology
৪৪.
প্রথম বাণিজ্যিক কম্পিউটার কোনটি?
  1. ENIAC
  2. UNIVAC
  3. MARK-II
  4. EDSAC
ব্যাখ্যা

UNIVAC (Universal Automatic Computer, 1951) → এটি ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত ও বিক্রি হওয়া কম্পিউটার। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সেন্সাস ব্যুরো ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহার শুরু করে।

UNIVAC:
- UNIVAC হলো সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- এটি ১৯৫১ সালে J. Presper Eckert (প্রেসপার একার্ট) এবং John Mauchly (জন মউসলি) দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
- ১৯৫২ সালে টমাস ওয়াটসন IBM-701 এবং ১৯৫৩ সালে IBM-650 কম্পিউটার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি করেন।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) হল প্রথম প্রোগ্রামযোগ্য, ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল কম্পিউটার।
- প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার হলো EDSAC.
- MARK-II ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
কোনটি পার্সোনাল কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. IBM-S/400
  2. NCR S/9290
  3. MACINTOSH
  4. IBM S/36
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে প্রকারভেদ:

• কম্পিউটার প্রধানত ৩ প্রকার। যথা: 
১. এনালগ কম্পিউটার,
২. ডিজিটাল কম্পিউটার,
৩. হাইব্রিড কম্পিউটার। 

• ডিজিটাল কম্পিউটার আবার ৪ ধরনের। যথা: 
১. সুপার কম্পিউটার
২. মাইনফ্রেম কম্পিউটার
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রো কম্পিউটার

মাইক্রো কম্পিউটার (পার্সোনাল কম্পিউটার):


• মাইক্রো (micro) শব্দটির অর্থ হল ক্ষুদ্র।
• মূলত মাইক্রো কম্পিউটার বলতে কম্পিউটারের ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়।
• এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়।
• আকার ও ক্ষমতার বিচারে সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোটো কম্পিউটার।
• এ কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বলে।
• উদাহরণ: IBM 386, IBM Pentium, MACINTOSH

- মিনি কম্পিউটার:
• মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু পার্সোনাল কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকারের কম্পিউটারকে মিনি কম্পিউটার বা মধ্যম সারির কম্পিউটার বা মিডরেঞ্জ কম্পিউটার বলা হয়।
• উদাহরন: IBM-S/400, NCR S/9290, IBM S/36, IBM S/34। উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

- মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
• মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
• উদাহরন: IBM - 1620. 

- সুপার কম্পিউটার: 
• এই ধরনের কম্পিউটার আকার ও আকৃতিতে বেশ বড় এবং একই সংগে অসংখ্য কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এই কম্পিউটারকে সুপার কম্পিউটার বলে।
• উদাহরণ: Sunway TaihuLight, পরম ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬.
নিচের কোনটিতে পাঠ (Read) করার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়?
  1. রম
  2. চৌম্বক টেপ
  3. ডিস্ক
  4. চৌম্বক কোর
ব্যাখ্যা

ধ্বংসাত্মক মেমমারি: যে মেমােরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিক তথ্য মুছে যায় তাকে ধ্বংসাত্মক মেমােরি বলা হয়।
যেমন- চৌম্বক কোর ।
অধ্বাংসাত্মক মেমােরি: যে মেমােরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না তাকে অধ্বংসাত্মক মেমােরি বলা হয়।
যেমন- রম, চৌম্বক টেপ, ডিস্ক ইত্যাদি।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৪৭.
ল্যাপটপ হলো -
  1. ক) মাইক্রো কম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
আকার, সামর্থ্য, দাম ও ব্যবহারের গুরুত্বের ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে আবার চার ভাগে ভাগ করা যায়। মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার। মাইক্রোকম্পিউটার হল এমন এক ধরণের কম্পিউটার যেখানে একটি মাইক্রোপ্রসেসর সিপিইউ হিসেবে কাজ করে। মাইক্রো কম্পিউটারগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ডেস্কটপ আর ল্যাপটপ। ১৯৮১ সালে প্রথম এপসন কোম্পানি ল্যাপটপ প্রবর্তন করে।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ]
৪৮.
PDA বলতে বোঝায়-
  1. Personal Data Analyzer
  2. Personal Digital Assistant
  3. Portable Device Application
  4. Public Digital Access
ব্যাখ্যা

• পামটপ কম্পিউটার (PDA):
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯.
IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার কোনটি?
  1. IBM 360
  2. IBM 1620
  3. IBM 540
  4. IBM 4040
ব্যাখ্যা
♦ তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- একীভূত বর্তনী বা IC  এর ব্যবহার শুরু হয়।
- IC সিলিকন দিয়ে তৈরী।
- IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হলো IBM 360.
- RAM, ROM এর ব্যবহার।
- RAM, ROM ও অর্ধপরিবাহী দিয়ে তৈরী।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০.
নিচের কোনটি সবচেয়ে দ্রুতগতির কম্পিউটার?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. নোটবুক কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• সবচেয়ে দ্রুতগতির কম্পিউটার হল সুপার কম্পিউটার। সুপার কম্পিউটারগুলো বিশেষভাবে গণনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উচ্চ ক্ষমতার জন্য তৈরি করা হয়। এগুলি অত্যন্ত জটিল বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সামরিক সমস্যার সমাধানে ব্যবহার করা হয়, যেমন আবহাওয়ার পূর্বাভাস, পারমাণবিক গবেষণা বা মহাকাশ সম্পর্কিত বিশ্লেষণ। মেইনফ্রেম কম্পিউটার সাধারণত বড় প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অনেক ব্যবহারকারী একসঙ্গে কাজ করতে পারে। মাইক্রো কম্পিউটার এবং নোটবুক কম্পিউটার সাধারণ ব্যক্তিগত ও অফিসের কাজের জন্য উপযুক্ত, কিন্তু এগুলোর গণনা ক্ষমতা সুপার কম্পিউটারের তুলনায় অনেক কম। তাই গতি ও ক্ষমতার দিক থেকে সুপার কম্পিউটারই সেরা।

​• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটারে একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এই ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং উচ্চ ক্ষমতার প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা থাকে।
- সুপার কম্পিউটারে একাধিক প্রসেসর একযোগভাবে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক এবং প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সুপার কম্পিউটারগুলি সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পরমাণু চুল্লির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১.
নিচের কোনটি এম্বেডেড কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ওয়াশিং মেশিন 
  2. ল্যাপটপ
  3. প্রিন্টার
  4. রেডিও সেট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) ওয়াশিং মেশিন।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
• কিছু উদাহরণ দেওয়া হল:
- আধুনিক গৃহস্থালী যন্ত্রপাতি: মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, ড্রায়ার, রেফ্রিজারেটর, 
- স্বয়ংক্রিয় গাড়ি: আধুনিক গাড়িগুলিতে ইঞ্জিন কন্ট্রোল, ঘড়ি, রেডিও 
- ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসর (ডিএসপি): তারবিহীন টেলিফোন, ডিজিটাল টেলিফোন
- ডিজিটাল ওয়ালেট: অ্যাপল এবং গুগল কর্তৃক প্রদত্ত ডিজিটাল ওয়ালেটগুলি তাদের সুবিধা

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫২.
অ্যাপলের 'নিউটন' নিচের কোনটির প্রাথমিক ভার্সন ছিল?
  1. পামটপ কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistants.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩.
মাইক্রোপ্রসেসর কোন ধরণের কম্পিউটারের সিপিইউ হিসেবে কাজ করে?
  1. মাইক্রোকম্পিউটার
  2. সুপারকম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
পার্সোনাল কম্পিউটারের অপর নাম মাইক্রোকম্পিউটার। ১৯৫৮ সালে অনেক ট্রানজিস্ট্রর, রেজিস্ট্যান্স ও ক্যাপাসিটরের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছিল ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি)।
১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল কোম্পানি অনেক আইসির সমন্বয়ে ইনটেল-৪০০৪ (Intel-4004) নামে একটি মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে।
এই মাইক্রোপ্রসসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে ধারণ করা সম্ভব হয় এবং কম্পিউটার জগতে একটি নতুন প্রজন্মের আবির্ভাব হয়।
মাইক্রো (Micro) শব্দের অর্থ ক্ষুদ্র। ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি কম্পিউটারকে তাই মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer) বলা হয়। এটিকে সাধারণ টেবিলের উপর রেখে কাজ করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য মাইক্রোকম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC)- ও বলা হয়। মাইক্রোকম্পিউটার হচ্ছে কারিগরি নাম এবং পিসি হচ্ছে চলতি নাম।
৫৪.
মানব মস্তিষ্কের অনুরূপ শক্তিশালী বিশ্বের প্রথম সুপার কম্পিউটার নির্মাণ করছেন একদল গবেষক- সুপার কম্পিউটারটির নাম কী?
  1. Tianhe-2
  2. Cambridge-1
  3. Frontera
  4. Deep South
ব্যাখ্যা
Deep South:
- অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক মানব মস্তিষ্ক পরিসরের একটি সুপার কম্পিউটার নির্মাণ করছেন যার নাম Deep South.
- এক সেকেন্ডে ২২৮ ট্রিলিয়ন সিন্যাপ্টিক সংযোগের মতো কার্যক্ষম ও ক্ষমতাশালী এই কম্পিউটার ২০২৪ সদালেই সক্রিয় হবে।
- অন্যদিকে, ১০০ ট্রিলিয়ন সিন্যাপ্টিক সংযোগ রয়েছে আমাদের মস্তিষ্কে।
-  সিন্যাপ্টিক সংযোগ হল দুটি স্নায়ু কোষের (নিউরন) মধ্যে বা একটি নিউরন এবং পেশী কোষের মধ্যে স্নায়ু আবেগ বা Nerve Impulse প্রেরণ করা।

Deep South সুপার কম্পিউটার নির্মাণের প্রধান লক্ষ্য হলো,
- মস্তিষ্ক এত অল্প শক্তি ব্যবহার করে কীভাবে বিপুল তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে, তা বোঝার চেষ্টা করা। অর্থাৎ এটি মানব মস্তিষ্ককে আরও ভালোভাবে বোঝার ক্ষেত্রে একধাপ এগিয়ে নেবে গবেষকদের। 

Deep South সুপারকম্পিউটার দুটি ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটির গবেষকরা।
১) নিউরোসায়েন্স গবেষণায়,
২) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণায়।

অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Tianhe-2 চীনের একটি শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার যা Milkyway-2 নামে পরিচিত।
- Cambridge-1 যুক্তরাজ্যের একদল গবেষকদের দ্বারা নির্মিত একটি সুপার কম্পিউটার যা বর্তমানে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান Nvidia-র মালিকানাধীন।
- যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দ্বারা নির্মিত Frontera সুপার কম্পিউটারটি বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী।

সূত্র:
১) Live Science.
২) লিঙ্ক → Western Sydney University
৩) New Scientist.
৫৫.
কোন কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MIPS এককে?
  1. ক) মাইক্রোকম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) সুপার কম্পিউটারের
  4. ঘ) পার্সোনাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- সাধারণত মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MHz বা GHz এ।
 - কিন্তু মিনি ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MIPS (Millions of Instructions per Second) বা BIPS (Billions of Instructions per Second) এ।
 - আবার সুপার কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MFLOPS (Millions of Floating Point Operations per Second), GFLOPS (Giga of Floating Point Operations per Second), TFLOPS (Tera of Floating Point Operations per Second) ইত্যাদিতে। 
 
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫৬.
বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার কোনটি?
  1. Altair 8800
  2. Colossus
  3. Ferranti Mark 1
  4. The Apollo Guidance Computer 
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হচ্ছে The Apollo Guidance Computer।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবল সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্ করে থাকে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫৭.
নিচের কোন ডিভাইসটি প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়?
  1. মাইক্রোকন্ট্রোলার
  2. হাই-অ্যান্ড সার্ভার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা

• প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয় মাইক্রোকন্ট্রোলার। 

• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮.
অ্যানালগ কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস কোনটি?
  1. কীবোর্ড
  2. পটেনশিওমিটার
  3. মাউস
  4. হার্ড ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস হলো পটেনশিওমিটার (খ)। অ্যানালগ কম্পিউটার মূলত অবিচ্ছিন্ন (continuous) তথ্য নিয়ে কাজ করে, যেমন ভোল্টেজ, তাপমাত্রা বা গতি। এই ধরনের ইনপুট সরবরাহ করতে পটেনশিওমিটার খুবই কার্যকর, কারণ এটি ঘূর্ণনের মাধ্যমে ভোল্টেজ পরিবর্তন করে, যা অ্যানালগ সিগনাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কীবোর্ড, মাউস বা হার্ড ড্রাইভ ডিজিটাল কম্পিউটারে বেশি ব্যবহৃত হয় এবং তারা বিযুক্ত (discrete) তথ্য দেয়, যা অ্যানালগ কম্পিউটারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই ইনপুট ডিভাইস হিসেবে অ্যানালগ কম্পিউটারে পটেনশিওমিটারই সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এছাড়া গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯.
কোনটি হাইব্রিড কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ইসিজি মেশিন
  2. পার্সোনাল কম্পিউটার
  3. স্মার্টফোন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ECG মেশিন হাইব্রিড কম্পিউটারের একটি উদাহরণ, কারণ এটি হার্টের ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যাল (অ্যানালগ ডেটা) সংগ্রহ করে এবং তা ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে বিশ্লেষণ করে।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০.
বিল গেটস এর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম হল ?
  1. ক) Windows 95
  2. খ) Tic-Tac-Toe
  3. গ) MS DOS
  4. ঘ) BASIC
ব্যাখ্যা
- লেক সাইড স্কুলে পড়ার সময়ই বিল গেটস প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করেন।
- টিক-ট্যাক-টো (Tic-tac-toe) নামক এই প্রোগ্রামটি কম্পিউটারের বিপরীতে গেম খেলার জন্য তৈরি প্রযুক্তি দুনিয়ার প্রথম প্রোগ্রাম।
- তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে তার প্রথম এই সফটওয়্যার প্রোগ্রামটি আবিষ্কার করেন। 

সূত্র: Britannica.com
৬১.
আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতার ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer): এই ধরনের কম্পিউটার আকার ও আকৃতিতে বেশ বড় এবং একই সংগে অসংখ্য কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এই কম্পিউটারকে সুপার কম্পিউটার বলে।

২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer): সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট কম্পিউটারকে বৃহৎ কম্পিউটার বা মেইনফ্রেম কম্পিউটার বলে।

৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer): মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় ছোট এবং কম ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।

৪। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২.
নিচের কোন ক্ষেত্রে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়?
  1. ভিডিও গেমস
  2. সেল ফোন
  3. থার্মোস্ট্যাট
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কাজই করে।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।

উৎস: computerhope website.
৬৩.
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করার প্রধান ক্ষেত্র কোনটি?
  1. মাইক্রোওয়েভ
  2. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  3. ভিডিও এডিটিং
  4. ওয়েব ব্রাউজিং
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণত এমন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশে ব্যবহৃত হয় যা নির্দিষ্ট কাজ বা ফাংশন সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা। এগুলো সাধারণ কম্পিউটারের মতো সার্বিক প্রোগ্রাম চালাতে পারে না, বরং নির্দিষ্ট কাজের জন্য বিশেষভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে। উদাহরণ হিসেবে, মাইক্রোওয়েভে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় ভেতরের তাপমাত্রা, সময় এবং শক্তি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, যাতে খাবার সঠিকভাবে গরম হয়। অন্যদিকে, ওয়ার্ড প্রসেসিং, ভিডিও এডিটিং বা ওয়েব ব্রাউজিং এর মতো জটিল সফটওয়্যার চালানোর জন্য সাধারণ ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রয়োজন। সুতরাং এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের প্রধান ক্ষেত্র হলো মাইক্রোওয়েভ।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- গাড়ি,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্গত নয় কোনটি?
  1. পামটপ কম্পিউটার
  2. নোটবুক কম্পিউটার
  3. ডেস্কটপ কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• মাইক্রো কম্পিউটার:
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।

• মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA),
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer),
৩। নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer) এবং
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer) ইত্যাদি।
- এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

• মিনি কম্পিউটার:
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু পার্সোনাল কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকারের কম্পিউটারকে মিনি কম্পিউটার বা মধ্যম সারির কম্পিউটার বা মিডরেঞ্জ কম্পিউটার বলা হয়।
- মেইনফ্রেম এবং মিনি কম্পিউটারে একই ধরনের কাজ করা যায়।
- মিনি কম্পিউটার আকারে ছোট এবং কাজের ক্ষমতাও কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫.
মাইক্রো কম্পিউটারে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. ভ্যাকুয়াম টিউব
  2. মাইক্রোপ্রসেসর
  3. ট্রানজিস্টর
  4. কোয়ান্টাম চিপ
ব্যাখ্যা
মাইক্রো কম্পিউটারে মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হয়।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৬.
The main technology used in fourth-generation computers is 
  1. Mechanical switches
  2. Magnetic tapes
  3. Transistors
  4. Microprocessors
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Microprocessors

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ – বর্তমান)
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার হলো মাইক্রোপ্রসেসর ও বৃহদাকার একীভূত বর্তনীর (Large Scale Integration Circuit) যুগ।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আকারে ছোট হলেও ক্ষমতা ও গতি উভয় দিক থেকেই অনেক উন্নত।
- এই সময়েই মাইক্রো কম্পিউটারের উদ্ভব ঘটে।
- সফটওয়্যার ও বিভিন্ন প্রোগ্রাম প্যাকেজের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়।
- তথ্য সংরক্ষণের জন্য CD, Pen Drive ইত্যাদি মাধ্যম ব্যবহৃত হতে থাকে।
- একই সঙ্গে মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের সূচনা ঘটে।

উদাহরণ:
- IBM PS/2,
- Apple Macintosh.

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭.
Quantum Computing এর জনক কাকে মনে করা হয়?
  1. David Deutsch
  2. Richard Feynman
  3. Paul Benloff
  4. Alexei Kitaev
ব্যাখ্যা

• কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জনক হিসেবে ডেভিড ডয়েচ (David Deutsch)-কে মনে করা হয়। তিনি ১৯৮৫ সালে প্রথম একটি সাধারণ উদ্দেশ্যপূর্ণ কোয়ান্টাম কম্পিউটার মডেল প্রস্তাব করেন, যা "ইউনিভার্সাল কোয়ান্টাম কম্পিউটার" নামে পরিচিত। তার কাজ প্রমাণ করে যে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের নীতি ব্যবহার করে এমন কম্পিউটার তৈরি করা সম্ভব, যা ক্লাসিক্যাল কম্পিউটার দিয়ে সমাধান করা প্রায় অসম্ভব কিছু সমস্যার সমাধান করতে পারে। যদিও রিচার্ড ফাইনম্যান, পল বেনিওফ প্রমুখ গবেষকরা কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের ধারণা ও ভিত্তি তৈরিতে অবদান রাখেন, তবুও পূর্ণাঙ্গ মডেল উপস্থাপনের জন্য ডয়েচ-ই এ ক্ষেত্রে “জনক” হিসেবে স্বীকৃত।


• “Father of quantum computing” উপাধিটি আধুনিক উৎসে সবচেয়ে বেশি David Deutsch -এর নামের সাথে ব্যবহৃত হয়। তিনি ১৯৮৫ সালে universal quantum computer-এর আনুষ্ঠানিক তত্ত্ব (quantum Turing machine, quantum logic gates) প্রস্তাব করেন—যা কেবল ধারণা নয়, একটি সাধারণ ফ্রেমওয়ার্ক দেয় কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম ও কম্পিউটেশনের জন্য। তাই গণমাধ্যম ও রেফারেন্স গ্রন্থে তাঁকে “father of quantum computing” বলা হয়।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষিতে, 
- David Deutsch এর পূর্বে Richard Feynman ১৯৮১/৮২ সালে Simulating Physics with Computers-এ কোয়ান্টাম সিস্টেমকে কোয়ান্টাম কম্পিউটার দিয়ে সিমুলেট করার যুক্তি দেন- যা ক্ষেত্রটির সূচনালগ্নের অনুপ্রেরণা। পরে Deutsch সেই ধারণাকে “universal” মডেলে রূপ দেন। তাই অনেক লেখায় Feynman-কে পথপ্রদর্শক/অগ্রদূত বলা হলেও “জনক” হিসেবে Deutsch-কেই বেশি উল্লেখকরা হয়। 
- উল্লেখ্য, রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন।
- Richard Feynman was the first scientist who proposed the idea of a quantum computer.

- কিন্তু, Quantum Computing এর জনক (Father Of Quantum Computing) হচ্ছেন - David Deutsch.

• অপশন আলোচনা:
ক) David Deutsch – কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জনক হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত, ১৯৮৫ সালে প্রথম কোয়ান্টাম টুরিং মেশিন প্রস্তাব করেন।
খ) Richard Feynman – ১৯৮১ সালে কোয়ান্টাম সিস্টেম সিমুলেশনের জন্য কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহারের ধারণা দেন।
গ) Paul Benioff – ১৯৮০ সালে প্রথম কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল মডেলে কম্পিউটার বর্ণনা করেন।
ঘ) Alexei Kitaev – টপোলজিক্যাল কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও কিটায়েভ অ্যালগরিদমের জন্য বিখ্যাত।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং- এ অবদান রাখা উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানী:

• ডেভিড ডয়চ (David Deutsch):
- ডেভিড ডয়চ একজন ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী।
- তিনি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর জনক হিসেবে পরিচিত।
- ডয়চ কোয়ান্টাম টিউরিং মেশিন (Quantum Turing Machine) ধারণাটি প্রবর্তন করেন।
- তার গবেষণায় কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর তাত্ত্বিক ভিত্তি তৈরি হয়।

• পিটার শোর (Peter Shor):
- পিটার শোর একজন আমেরিকান গণিতবিদ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
- শোরের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ কাজ হলো শোরের অ্যালগরিদম (Shor's Algorithm)।
- শোরের অ্যালগরিদম কোয়ান্টাম কম্পিউটারে বৃহৎ সংখ্যার ফ্যাক্টরাইজেশনকে কার্যকরীভাবে সমাধান করতে পারে।
- এটি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-এর নিরাপত্তা এবং ক্রিপ্টোগ্রাফির ক্ষেত্রে বিপ্লব সৃষ্টি করেছে।

• গ্রোভার(Lov Grover):
- লাভ্লস একজন আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
- গ্রোভারের অ্যালগরিদম (Grover's Algorithm) কোয়ান্টাম সার্চিং অ্যালগরিদম হিসেবে পরিচিত।
- এটি ডাটাবেস অনুসন্ধানের কাজকে তাত্ত্বিকভাবে দ্রুততর করে।
- গ্রোভার কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

• রিচার্ড ফেইনম্যান (Richard Feynman):
- রিচার্ড ফেইনম্যান একজন আমেরিকান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী।
- ফেইনম্যান কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং কুইন্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্স (QED) এর ক্ষেত্রে বিখ্যাত।
- তিনি প্রথমে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ধারণার ধারণা দেন এবং ১৯৮১ সালে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা করেন।
- ফেইনম্যান নোবেল পুরস্কার পান ১৯৬৫ সালে কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্সে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটার:
- এটি এমন একটি কম্পিউটার যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গুণাবলী (যেমন: সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট) ব্যবহার করে জটিল গণনা করে।
- প্রচলিত ডিজিটাল কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী হতে পারে।
- রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট (Quantum Bit), যা একসাথে 0 এবং 1 হতে পারে – একে বলে Superposition।
- একটি কিউবিট একই সাথে অনেকগুলো সম্ভাব্য অবস্থায় থাকতে পারে। এটি একাধিক গাণিতিক সমস্যার সমাধান একই সাথে করতে সাহায্য করে।
- ডেভিড ডয়চ (১৯৮৫): কোয়ান্টাম লজিক গেটের ধারণা দেন।
- পিটার শোর (১৯৯৪): কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম উদ্ভাবন করেন যা বড় সংখ্যা অল্প সময়ে ভেঙে ফেলতে পারে।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ৩টি মূল পদ্ধতি:
- NMR (Nuclear Magnetic Resonance): নিউক্লিয়াস স্পিন ব্যবহার করে।
- Ion Trap: আয়নকে ট্র্যাপ করে এবং লেজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- Quantum Dots: অতি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী অঞ্চলে ইলেকট্রনের স্পিন ব্যবহৃত হয়।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।

- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

Shor's Algorithm:
- Shor's Algorithm কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের একটি প্রধান অ্যালগরিদম যা বড় সংখ্যাকে দ্রুত গুণফলে বিভক্ত (factorization) করতে পারে।
- এটা বিন্যাসযোগ্য সংখ্যা গুণফল (large number factorization) বের করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এর মাধ্যমে আধুনিক ক্রিপ্টোগ্রাফি সিস্টেম যেমন RSA সিকিউরিটি ভেঙে ফেলতে পারে।
- Shor’s Algorithm একটি কোয়ান্টাম প্রক্রিয়া ব্যবহার করে গাণিতিক সমস্যাগুলি অনেক দ্রুত সমাধান করতে সক্ষম, যেখানে সাধারণ কম্পিউটারে এসব সমস্যা সমাধান করতে কয়েক হাজার বছর সময় লাগতে পারে।

- Grover's algorithm - কোয়ান্টাম কম্পিউটিং অ্যালগরিদমের আরেকটি উদাহরণ।

উৎস:
1) ব্রিটানিকা।
2) theguardian [link]
3) economist [link]
4) geeksforgeeks [link]

৬৮.
নিচের কোন হার্ডওয়্যারটি কম্পিউটারের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে (Heat sink) ব্যবহৃত হয়?
  1. Fan
  2.  Modem
  3. Sound card
  4. Network card
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের প্রসেসর (CPU) বা গ্রাফিক্স কার্ডের (GPU) মতো উপাদানগুলোর অতিরিক্ত তাপ নিয়ন্ত্রণ ও ঠান্ডা রাখতে ধাতব পাত বা হিট সিঙ্ক (Heat Sink) সরাসরি ব্যবহৃত হয়। 
- এটি সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম বা তামা দিয়ে তৈরি, যা উপাদানের তাপ শোষণ করে বাতাস বা ফ্যানের সাহায্যে বাইরে বের করে দেয়। এর সাথে প্রায়শই কুলিং ফ্যান যুক্ত থাকে। 

হিট সিঙ্কের প্রধান কার্যাবলি:
- CPU/GPU থেকে তাপ শোষণ করে।
- শোষণ করা তাপ বায়ুতে ছড়িয়ে দেয়।
- কম্পিউটারের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে স্থায়ী ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। 
- হিট সিঙ্কের দক্ষতা বাড়াতে এর মাঝে থার্মাল পেস্ট (Thermal Paste) ব্যবহার করা হয়।

উৎস: Corsair Website [Link]

৬৯.
নিচের কোনটি মাইক্রোকম্পিউটারের একটি উদাহরণ?
  1. IBM 360
  2. Cyber 205
  3. IBM PC
  4. PARAM 8000
ব্যাখ্যা

• IBM PC মাইক্রোকম্পিউটারের একটি উদাহরণ।

মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমরি, সহায়ক মেমরি এবং ইনপুট-আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত। - একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।
- এ ধরনের কম্পিউটার দামে সস্তা, আকারে ছোট, সহজে বহনযোগ্য এবং রক্ষণাবেক্ষণ সহজ বিধায় কম্পিউটার ব্যবহারকারীর কাছে খুবই জনপ্রিয়।
- অফিসের কাজ ও বাণিজ্যিক প্রয়োজন ছাড়াও শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণে, স্বয়ংক্রিয় অফিস ব্যবস্থাপনায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গৃহস্থালির কাজে, খেলাধুলায়, চিত্ত-বিনোদন, এমনকি ব্যক্তিগত কাজেও আজকাল জনপ্রিয়তার সাথে মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে।
- উদাহরণ: IBM PC, Apple Macintosh, TRS-80, HP 85, IBM Pentium, Power PC, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০.
এম্বেডেড অপারেটিং সিস্টেম হলো:
  1. সর্বদা লিনাক্স-ভিত্তিক
  2. সাধারণ-উদ্দেশ্য এবং বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ
  3. সর্বাধিক ব্যবহারকারী ইন্টারফেসের জন্য ডিজাইন করা
  4. রিয়েল-টাইম টাস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য ডিজাইন করা
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড অপারেটিং সিস্টেম হলো বিশেষ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম যা নির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মধ্যে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। এটি সাধারণত ছোট এবং সীমিত সম্পদের মধ্যে কাজ করে এবং রিয়েল-টাইম টাস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য উপযুক্ত। এম্বেডেড অপারেটিং সিস্টেমগুলো সাধারণ-উদ্দেশ্য বা বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ নয় এবং সর্বদা লিনাক্স-ভিত্তিকও নয়। এগুলো মূলত নির্দিষ্ট কাজের জন্য হালকা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া, এম্বেডেড সিস্টেমগুলো সাধারণত ব্যবহারকারী ইন্টারফেসের জন্য ডিজাইন করা হয় না বরং নির্দিষ্ট রিয়েল-টাইম কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তৈরি।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) রিয়েল-টাইম টাস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য ডিজাইন করা।


• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope Website.
৭১.
ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার কোনটি?
  1. মাইক্রোকম্পিউটার
  2. সুপার কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে। 

• মিনি কম্পিউটার:
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।

• মাইক্রোকম্পিউটার/পার্সোনাল কম্পিউটার:
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার। 
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২.
IBM 4300 ও UNIVAC 1100 হলো-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) মিনি কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক
ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে। এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুত গতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি। 
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, ব্যাংক, বিমা, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিপুল তথ্য আদান-প্রদান, সংরক্ষণ এবং জটিল ও সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম  উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং বৈজ্ঞানিক কর্মতৎপরতা পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়নের জন্য মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রয়োজন হয়ে থাকে।

উদাহরণ: UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭৩.
স্লাইড রুল কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. অ্যানালগ কম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. ডিজিটাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer): 
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

• স্লাইড রুল (Slide Rule):
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪.
বড় বড় শিল্প, ব্যাংক-বীমা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও জটিল তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মাইক্রোকম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) ল্যাপটপ
  4. ঘ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
ব্যাংক, বীমা, অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান ও জটিল তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 

মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- এটি সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- এখানে অনেকগুলো কম্পিউটার বা ডাম্ব টার্মিনাল যুক্ত করে একসাথে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে। 
- সুপার কম্পিউটারের চেয়ে তুলনামূলক কম শক্তিশালী মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
- অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা, শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ জটিল তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে এই কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: IBM 1620, IBM 4300, UNIVAC 1100, CYBER 170. 

সোর্স: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - ১, এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল)
৭৫.
হাইব্রিড কম্পিউটারের ব্যবহার করা হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক) ক্ষেপণাস্ত্র
  2. খ) নভোযান
  3. গ) আবহাওয়া
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড কম্পিউটার
- এটা মূলত Digital ও Analog কম্পিউটারের কাজের প্রক্রিয়ার সাথে সমন্বয় করে তৈরি করা হয়।
- এতে ডেটা গ্রহণ করে এনালগ প্রক্রিয়ার এবং প্রসেসের জন্য সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- হাসপাতাল, ক্ষেপণাস্ত্র, নভোযান, আবহাওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

সূত্র:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল
৭৬.
Mainframe Computer-এর উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. IBM 4341
  2. NCR N8370
  3. IBM-AS/400
  4. IBM Amdah 1580
ব্যাখ্যা
IBM-AS/400 হচ্ছে একটি Mini Computer।

• আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
হাইব্রিড কম্পিউটারের একটি উদাহরণ হিসেবে কোনটি উল্লেখযোগ্য?
  1. চিকিৎসা যন্ত্র, যেমন ইসিজি
  2. অ্যাবাকাস
  3. পার্সোনাল কম্পিউটার
  4. ডিজিটাল রিস্টওয়াচ
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হল এমন একটি কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল উভয় ধরনের ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। এটি অ্যানালগ ইনপুট থেকে তথ্য গ্রহণ করে তা ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তরিত করে প্রক্রিয়াজাত করে এবং ফলাফল আবার অ্যানালগ আউটপুট হিসেবে প্রদান করতে পারে। এই ধরনের কম্পিউটার সাধারণত এমন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেখানে দ্রুত ও সঠিক হিসাবের পাশাপাশি রিয়েল টাইম সেন্সর ডেটা প্রয়োজন। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখযোগ্য হলো চিকিৎসা যন্ত্র, যেমন ইসিজি (ECG)। ইসিজি রোগীর হার্টের অ্যানালগ সিগনাল নেয় এবং তা ডিজিটাল ফর্মে বিশ্লেষণ করে ফলাফল দেখায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) চিকিৎসা যন্ত্র, যেমন ইসিজি।

​• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার তৈরি হয়, তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে।
- এটি এমন একটি সিস্টেম যা অ্যানালগ কম্পিউটার (যেমন সিগন্যাল প্রসেসিং, অবিচ্ছিন্ন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ডিজিটাল কম্পিউটার (যেমন লজিক্যাল অপারেশন, ডেটা স্টোরেজ)-এর সক্ষমতাকে একত্রিত করে।
- এটি বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।

• হাইব্রিড কম্পিউটারের ব্যবহারসমূহ:
১। মিসাইল, সমরাস্ত্র ক্ষেত্রে।
২। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান তৈরিতে।
৩। রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
৪। হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮.
একটি "Edge Computing" ডিভাইসের উদাহরণ কী?
  1. ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ
  2. মেইনফ্রেম সার্ভার
  3. স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট
  4. অফিসের প্রচলিত ডেস্কটপ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: গ) স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট।

একটি Edge Computing ডিভাইস হল এমন ডিভাইস যা ডেটা সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিকভাবে প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম, যাতে বড় সার্ভারে সব ডেটা পাঠানোর প্রয়োজন না থাকে। স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট যেমন Nest বা Honeywell, ব্যবহারকারীর বাড়ির তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং ব্যবহার প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেয়- উদাহরণস্বরূপ, ঘরের তাপমাত্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করা। এটি ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর আগে স্থানেই প্রক্রিয়াকরণ করে, যা দ্রুততা বাড়ায়, ব্যান্ডউইথ কমায় এবং ব্যক্তিগত ডেটার নিরাপত্তা উন্নত করে। অন্যান্য অপশন যেমন ইউএসবি ড্রাইভ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার সাধারণ প্রক্রিয়াকরণ বা স্টোরেজের জন্য, কিন্তু এডজ কম্পিউটিংয়ের মতো স্থানীয় সিদ্ধান্ত নেয় না। মেইনফ্রেম সার্ভার সম্পূর্ণরূপে কেন্দ্রীভূত, তাই এটি Edge Computing নয়।

• Edge computing:
- Edge computing-এর মূল লক্ষ্য হলো ডেটা উৎস (যেমন সেন্সর, IoT ডিভাইস, স্মার্টফোন) এর কাছাকাছি কম্পিউটিং প্রসেসিং করা। এতে করে ডেটা ক্লাউড বা সেন্ট্রাল সার্ভারে পাঠানোর পূর্বেই প্রাথমিক প্রসেসিং সম্পন্ন করা যায়। এর ফলে:
- Latency কমে: ডেটা দ্রুত প্রসেস হওয়ায় রিয়েল-টাইম রেসপন্স সম্ভব হয়।
- Bandwidth খরচ কমে: সব ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর দরকার হয় না, ফলে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কম ব্যবহার হয়।
- Security বাড়ে: লোকালি ডেটা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ঝুঁকি কমে।
- Cloud storage খরচ কমলেও, এটা প্রাথমিক উদ্দেশ্য নয়, বরং একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

সূত্র: IBM. [link]

৭৯.
Which of the following is also known as SOROBAN
  1. ক) ENIAC
  2. খ) Abacus
  3. গ) EDSAC
  4. ঘ) UNIVAC
ব্যাখ্যা
The Soroban, or Japanese abacus. It consists of a wooden frame, which holds columns of beads.For hundreds of years, this tool was used by bankers and merchants as the original calculator.
৮০.
নিচের কোনটি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ডিজিটাল ঘড়ি
  2. ক্যালকুলেটর
  3. ল্যাপটপ
  4. অপারেশনাল অ্যাম্প্লিফায়ার
ব্যাখ্যা

• অ্যানালগ কম্পিউটার(Analog Computer):
-যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের উপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন করে, সেগুলোকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য বর্ণ বা অঙ্কের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ডায়াল বা ওসিলোস্কোপে প্রদর্শিত হয়।
 
• অ্যানালগ কম্পিউটারের ব্যবহার:
- সাধারণত চাপ, তাপমাত্রা, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির ওঠানামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ ও মহাকাশযানের গতিবেগ, বায়ু ও তরলের চাপ পরিমাপে অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপ করার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহৃত হয়।
 
• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যাম্প্লিফায়ার।
 
• অ্যানালগ কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা:
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা ও নির্ভুলতা তুলনামূলকভাবে কম।
- জটিল ও নির্ভুল গণনার ক্ষেত্রে এটি কম কার্যকর।

মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮১.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটভিত্তিক প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হলো-
  1. ক) আইবিএম সিস্টেম ৩৬০
  2. খ) পিডিবি-৮
  3. গ) অ্যালটেয়ার ৮৮০০
  4. ঘ) টিএক্সও
ব্যাখ্যা
১৯৫৮ সালে ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে জ্যাক কেলবি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি তৈরি করেন। এর ফলে কম্পিউটারের আকার হ্রাস পায়, ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, মূল্যও অনেক কমে আসে। আইসি দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হল আইবিএম সিস্টেম ৩৬০। এটি ১৯৬৪ সালের তৈরি করা হয়। (সূত্রঃ আইবিএম এবং কম্পিউটার হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
৮২.
কার্যনীতি, আকার ও ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা

কার্যনীতি, আকার ও ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- 
এনালগ কম্পিউটার:
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফল প্রদর্শিত করে।
- সাধারণত বিদ্যুতের তারের ভোল্টেজের উঠা-নামা, কোন পাইপের ভেতরের বাতাসের চাপ কম-বেশি হওয়া ইত্যাদি পরিমাপণের ভিত্তিতে এনালগ কম্পিউটার কাজ করে।

ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে কম্পিউটার প্রতীকী সংখ্যার মাধ্যমে প্রাপ্ত নির্দেশনার নিয়ে এবং বাইনারি কোড অর্থাৎ ভোল্টেজের উপস্থিতি শনাক্ত করে তার মাধ্যমে কাজ করে তাকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলে।
- অফিস-আদালত, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত প্রয়োজন ইত্যাদি সব ধরনের কাজে ডিজিটাল কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

হাইব্রিড কম্পিউটার:
- এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় সংকর বা হাইব্রিড কম্পিউটার। এতে ডেটা গ্রহণ করে এনালগ প্রক্রিয়ার এবং প্রসেসের জন্য সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৮৩.
কোন কম্পিউটারকে প্রথম "এমবেডেড কম্পিউটার" হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. Ferranti Mark 1
  2. Colossus
  3. The Apollo Guidance Computer 
  4. Altair 8800
ব্যাখ্যা

• প্রথম “এমবেডেড কম্পিউটার” হিসেবে The Apollo Guidance Computer (AGC) কে গণ্য করা হয়। এটি ১৯৬০-এর দশকে নাসার অ্যাপোলো মহাকাশযানের জন্য তৈরি করা হয়েছিল এবং সরাসরি মহাকাশযানের নিয়ন্ত্রণ, নেভিগেশন ও গাইডেন্সে ব্যবহৃত হয়। এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণত এমন একটি কম্পিউটার যা একটি নির্দিষ্ট কাজ বা ডিভাইসের মধ্যে একীকৃত থাকে এবং সেই নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। AGC মূলত একটি ছোট, দক্ষ, এবং নির্দিষ্ট ফাংশনের কম্পিউটার ছিল যা মহাকাশযান পরিচালনার জন্য আবিষ্কৃত হয়েছে। অন্য অপশনগুলো যেমন Ferranti Mark 1, Colossus বা Altair 8800 সাধারণ ব্যক্তিগত বা সাধারণ উদ্দেশ্যের কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত, যা এমবেডেড হিসেবে গণ্য হয় না।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবল সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্ করে থাকে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৪.
কোনটি চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা?
  1. ক) ADA
  2. খ) C
  3. গ) COBOL
  4. ঘ) QBE
ব্যাখ্যা
ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ, ভেরি হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ, নন-প্রসিডিউরাল ল্যাংগুয়েজ এবং একেট্রাল ল্যাংগুয়েজ এর সমন্বয়ে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা গঠিত। এই ভাষার স্বপ্নদ্রষ্টা হলো বিল গেটস। এই ভাষাকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তর করবে ইন্টেলিজেন্ট কম্পাইলার। বর্তমানে এই ভাষা উন্নয়নাধীন রয়েছে। QBE, SQL, ADF, CSP ইত্যাদি কিছু চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা। ADA, C এবং COBOL তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা। (সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, শাহ্ শাহজাহান সজীব)
৮৫.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার নয় কোনটি ?
  1. এনিয়াক (ENIAC)
  2. এডসেক (EDSAC)
  3. ইউনিভ্যাক (UNIVAC)
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

১৯৪২ হতে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে সাধারণত প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার বলা হয়।
এবিসি (ABC), প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারসমূহ: এনিয়াক (ENIAC), এডসেক (EDSAC), ইউনিভ্যাক (UNIVAC)

১৯৫৯ সাল হতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারসমূহ: IBM-1400, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, NCR 300, GE 200

১৯৬৫ সাল হতে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারসমূহ: IBM 360, IBM 370, PDP II, GE 600

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল হল ১৯৭১ সাল হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত।
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারসমূহ: IBM-3033, IBM-4341, IBM-PC, HP-3000, TRS-80, Apple Macintosh

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৮৬.
কম্পিউটারে সাধারণত কয় ধরনের স্মৃতি থাকে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ২
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে সাধারনত দুই ধরনের স্মৃতি থাকে।  যথা - 
১। প্রধান স্মৃতি (Main Memory)
২। সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory)
 
কম্পিউটারের সিপিইউ আবার তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা - নিয়ন্ত্রন অংশ (Control Unit), গাণিতিক-যুক্তিক অংশ (Arithmetic-logic Unit) এবং স্মৃতি (Memory)। 
 
তথ্যসূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৭.
কোনটি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ নয়?
  1. Fugaku
  2. Frontier
  3. Apple Macintosh
  4. Summit
ব্যাখ্যা
• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আবার এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।

- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।
- বর্তমানে (ফেব্রুয়ারি, ২০২০) সবচেয়ে শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার হলো যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত সামিট (Summit)।
- এই কম্পিউটারে ৯,২১৬টি ২২ কোরের IBM মাইক্রোপ্রসেসর আছে।
- Fugaku - জাপান নির্মিত, Frontier - USA নির্মিত সুপারকম্পিউটার।

অন্যদিকে,
- Apple Macintosh - USA নির্মিত পারসোনাল কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮.
কোন বাসটি মাইক্রোপ্রসেসর সিস্টেমে ডেটা পরিবহন করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. System Bus
  2. Address Bus
  3. Data Bus
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
⚪ মাইক্রোপ্রসেসর সিস্টেমে ডেটা বাস (Data Bus) ব্যবহার করা হয় ডেটা আদান-প্রদানের জন্য। এই বাসটির মাধ্যমে মাইক্রোপ্রসেসর এবং মেমোরি বা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করা হয়।

⚪ অপশন আলোচনা:
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus): এটি মেমোরির কোন স্থানে ডেটা যাবে বা আসবে, সেই ঠিকানা বহন করে।
- সিস্টেম বাস (System Bus): এটি ডেটা, অ্যাড্রেস ও কন্ট্রোল বাসের সমন্বয়।

⚪ মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

⚪ মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯.
নিচের অপশনগুলির মধ্যে অ্যানালগ কম্পিউটার কোনটি?
  1. Microcomputer
  2. Mini Computer
  3. Mainframe Computer
  4. Slide Rule
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে তাদেরকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

• ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ:
- মাইক্রোকম্পিউটার,
- মিনি কম্পিউটার,
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার,
- সুপার কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০.
হাইব্রিড কম্পিউটার সাধারণত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. দৈনন্দিন ব্যক্তিগত কাজ
  2. অফিস ম্যানেজমেন্ট
  3. মিসাইল ও সমরাস্ত্র
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯১.
আইসি (IC) দিয়ে তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম কী?
  1. IBM-360
  2. ENIAC
  3. MARK-1
  4. UNIVAC
ব্যাখ্যা

- আইসি (IC) বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ব্যবহার করে তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম হলো IBM System/360 (সংক্ষেপে IBM-360)। 
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন। মাইক্রোইলেকট্রনিকসের অগ্রযাত্রা মূলত তখন থেকে শুরু হয়।
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল। ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। একই সাথে কম্পিউটারের মেমরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে।

অপরদিকে,
- ENIAC হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- MARK-1 হলো পৃথিবীর প্রথম ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।
- UNIVAC হলো সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।

উৎস:
১। Guinnessworldrecords [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২.
পোটেনশিওমিটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার হিসেবে বিবেচনা করার মূল কারণ কী?
  1. এসি থেকে ডিসি রূপান্তর
  2. ডেটা স্থায়ীভাবে সঞ্চয়
  3. ভোল্টেজ বিভাজন নিয়ন্ত্রণ করে সমীকরণ সমাধান
  4. উচ্চ কারেন্ট সরাসরি পরিমাপ
ব্যাখ্যা

• পোটেনশিওমিটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার হিসেবে বিবেচনা করার মূল কারণ হলো এটি ভোল্টেজ বিভাজন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সমীকরণের সমাধান করতে সক্ষম। পোটেনশিওমিটারের প্রতিটি অবস্থান নির্দিষ্ট রেজিস্ট্যান্স মান তৈরি করে, যা ভোল্টেজকে অনুপাতিকভাবে ভাগ করে দেয়। অ্যানালগ কম্পিউটারের কাজ হলো ভৌত মানের মাধ্যমে গণনা বা সমস্যার সমাধান করা, এবং পোটেনশিওমিটার এই প্রক্রিয়ায় একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য ইনপুট হিসেবে কাজ করে। এটি এসি থেকে ডিসি রূপান্তর, ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ বা উচ্চ কারেন্ট পরিমাপের জন্য নয়, বরং সরাসরি ভোল্টেজ ভাগ করে সমীকরণে ব্যবহারযোগ্য আউটপুট প্রদান করে। তাই এর কার্যপ্রণালী অ্যানালগ কম্পিউটার হিসাবে কার্যকর।

উত্তর: গ) ভোল্টেজ বিভাজন নিয়ন্ত্রণ করে সমীকরণ সমাধান।

​• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩.
নিচের কোনটিতে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না?
  1. ওয়াশিং মেশিন
  2. মাইক্রোওয়েভ ওভেন
  3. ডেস্কটপ কম্পিউটার
  4. ডিজিটাল ঘড়ি
ব্যাখ্যা

ডেস্কটপ কম্পিউটারে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটার, যা বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক কার্যাবলি পরিচালনার জন্য সাধারণ মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে।
- এগুলো সাধারণত গৃহস্থালি সরঞ্জাম, মোটরযান, বিমান এবং শিল্প-কারখানার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়।
- এগুলো সাশ্রয়ী এবং এগুলোর জন্য খুব বেশি গতি বা জটিল হিসাব-নিকাশের প্রয়োজন হয় না।
- এমবেডেড প্রসেসরের একটি সাধারণ ধরণ হলো ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসর (DSP)।
- ডিজিটাল ও ওয়্যারলেস টেলিফোন, স্টিরিও সরঞ্জাম এবং ক্যাবল মডেমের মতো যন্ত্রপাতিতে DSP ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৪.
আইবিএম ১৬২০ কী ধরণের কম্পিউটার?
  1. ক) মিনি কম্পিউটার
  2. খ) মিনিফ্রেইম কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে ১৯৬৪ সালে পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত হয় আইবিএম ১৬২০ মডেলের মেইনফ্রেম কম্পিউটার। এটি ছিল দ্বিতীয় প্রজন্মের একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

ব্যাংক, বীমা, অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈজ্ঞানিক কর্ম তৎপরতা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

উৎসঃ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৫.
গ্রাফিক্স কার্ড কী ধরনের ছবি দেখাতে সক্ষম?
  1. ক) এক মাত্রিক
  2. খ) দ্বিমাত্রিক
  3. গ) ত্রিমাত্রিক
  4. ঘ) দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক
ব্যাখ্যা

সকল গ্রাফিক্স কার্ড আমাদের দ্বিমাত্রিক ছবি দেখাতে সক্ষম তবে বর্তমানে ত্রিমাত্রিক ছবি দেখাতে সক্ষম গ্রাফিক্স কার্ড পাওয়া যায়।
তথ্য সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি, পৃষ্ঠা- ৩১।

৯৬.
পারসোনাল কম্পিউটার যুক্ত করে নিচের কোনটি তৈরি করা যায়?
  1. ক) Supercomputer
  2. খ) Network
  3. গ) Server
  4. ঘ) Enterprise
ব্যাখ্যা
দুই বা ততোধিক পারসোনাল কম্পিউটার একসাথে যুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়।
এতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীর ফাইল, প্রিন্টার ও অন্যান্য তথ্যাদি নিজেদের মধ্যে শেয়ার করা যায়।
৯৭.
হাইব্রিড কম্পিউটার সাধারণত ব্যবহৃত হয়:
  1. শিল্প ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের জন্য
  2. ভিডিও গেম খেলার জন্য
  3. ডকুমেন্ট তৈরি করার জন্য
  4. সঙ্গীত শোনার জন্য
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল উভয় ধরনের ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। এটি অ্যানালগ কম্পিউটারের দ্রুত এবং নির্ভুল পরিমাপের ক্ষমতা এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের লজিক্যাল ও স্টোরেজ ক্ষমতা একত্রিত করে। সাধারণত হাইব্রিড কম্পিউটার শিল্প, চিকিৎসা, এবং গবেষণা ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেখানে সঠিক এবং দ্রুত পরিমাপের পাশাপাশি জটিল হিসাব করার প্রয়োজন হয়। উদাহরণস্বরূপ, হাসপাতালের রোগী মনিটরিং সিস্টেম, শিল্প কারখানায় প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ, বা বৈজ্ঞানিক গবেষণায় রিয়েল-টাইম ডেটা বিশ্লেষণের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) শিল্প ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের জন্য।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার তৈরি হয়, তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে।
- এটি এমন একটি সিস্টেম যা অ্যানালগ কম্পিউটার (যেমন সিগন্যাল প্রসেসিং, অবিচ্ছিন্ন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ডিজিটাল কম্পিউটার (যেমন লজিক্যাল অপারেশন, ডেটা স্টোরেজ)-এর সক্ষমতাকে একত্রিত করে।
- এটি বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।

• হাইব্রিড কম্পিউটারের ব্যবহারসমূহ:
১। মিসাইল, সমরাস্ত্র ক্ষেত্রে।
২। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান তৈরিতে।
৩। রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
৪। হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
চার্লস ব্যাবেজের 'অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন'-এর জন্য প্রথম প্রোগ্রাম বা অ্যালগরিদম কে লিখেছিলেন?
  1. জন নেপিয়ার
  2. লেডি অ্যাডা লাভলেস
  3. জন ভন নিউম্যান
  4. ব্লেইজ প্যাসকেল
ব্যাখ্যা

• জন নেপিয়ার:
- জন নেপিয়ার (১৫৫০-১৬১৭) ছিলেন একজন বিখ্যাত স্কটিশ গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং জ্যোতির্বিদ, যিনি মূলত লগারিদম (Logarithms) আবিষ্কারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
- নেপিয়ারের হাড় (Napier's Bones) এটি একটি ম্যানুয়ালি পরিচালিত গণনা যন্ত্র বা ক্যালকুলেটর, যা গুণ ও ভাগ করার কাজে ব্যবহৃত হতো।

• ব্লেইজ প্যাসকেল:
- ব্লেইজ প্যাসকেল (১৬২৩-১৬৬২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং দার্শনিক।
-  তিনি বিশ্বের অন্যতম প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন, যা প্যাসকেলাইন (Pascaline) নামে পরিচিত

• লেডি অ্যাডা লাভলেস:
- লেডি অ্যাডা লাভলেস (১৮১৫-১৮৫২) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও লেখিকা, যাকে বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- তিনি চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম প্রোগ্রাম বা অ্যালগরিদম লেখেন
- সর্বপ্রথম বাইনারি ইন্সট্রাকশনের সূচনা করেন। 

• জন ভন নিউম্যান:
- জন ভন নিউম্যান (১৯০৩-১৯৫৭) ছিলেন হাঙ্গেরীয়-বংশোদ্ভূত এক অসাধারণ মার্কিন গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং পলিম্যাথ, যাঁকে আধুনিক কম্পিউটিং এবং গেম থিওরির অন্যতম জনক বলা হয়। 
- তিনি 'ভন নিউম্যান আর্কিটেকচার' প্রবর্তন করেন, যা আজও বিশ্বের প্রায় সকল কম্পিউটারের মৌলিক কাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি ডেটা এবং প্রোগ্রামকে একই মেমরিতে সংরক্ষণের ধারণা (Stored-program concept) প্রবর্তন করে।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Britannica [Link]

৯৯.
মাইক্রো কম্পিউটার অন্য কী নামে পরিচিত? 
  1. মেইনফ্রেম
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. পার্সোনাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ মাইক্রো কম্পিউটার হলো একক ব্যবহারকারীর জন্য তৈরি ছোট আকারের কম্পিউটার, যা সাধারণত পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) নামে পরিচিত।

মাইক্রো কম্পিউটার:
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার ।

মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA),
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer),
৩। নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer) এবং
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer) ইত্যাদি।
- এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০০.
হাইব্রিড কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে কোনটি বিবেচিত হয়?
  1. ইসিজি মেশিন
  2. পার্সোনাল কম্পিউটার
  3. স্মার্টফোন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• ECG মেশিন হাইব্রিড কম্পিউটারের একটি উদাহরণ, কারণ এটি হার্টের ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যাল (অ্যানালগ ডেটা) সংগ্রহ করে এবং তা ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে বিশ্লেষণ করে।

হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।