বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

নদী, হ্রদ, সাগর, মহাসাগর ইত্যাদি

মোট প্রশ্ন১,১২৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নদী, হ্রদ, সাগর, মহাসাগর ইত্যাদি

PrepBank · পাতা / ১২ · ১০১২০০ / ১,১২৭

১০১.
হোয়াংহো নদীর উৎপত্তি স্থল কোথায়?
  1. হিমালয়
  2. কুয়েনলুন পর্বত
  3. ব্ল্যাক ফরেস্ট
  4. আল্‌পস
ব্যাখ্যা
বিশ্বের কয়েকটি প্রধান নদীর উৎপত্তি স্থল:
- হোয়াংহো নদী: কুয়েনলুন পর্বত, চীন,
- মিসিসিপি নদী: মিনোসোটার হ্রদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
- দানিয়ুব নদী: ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, ইউরোপ,
- মারে ডার্লিং নদী: কোমিয়াস্কে, অষ্ট্রেলিয়া,
- তিস্তা নদী: সিকিমের পর্বত অঞ্চল,
- আমাজান নদী: আন্দিজ পর্বতমালা, দক্ষিণ আমেরিকা।

উৎস: i) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.
১০২.
বাংলাদেশের কোন নদী ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুণ্ঠপুরের একটি জলাশয় থেকে উৎপন্ন হয়েছে?
  1. মহানন্দা
  2. ভৈরব
  3. করতোয়া
  4. পুনর্ভবা
ব্যাখ্যা
- যমুনার দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম উপনদী করতোয়া ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুণ্ঠপুরের একটি জলাশয় থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- ভারতীয় অংশে করতোয়া অনেকগুলো উপনদী গ্রহণ করেছে। পূর্বে এটিই ছিল তিস্তার প্রধান প্রবাহখাত এবং সম্ভবত ব্রহ্মপুত্রের শাখানদী ছিল।
- দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলা থেকে করতোয়া নদী আত্রাই নাম ধারণ করে বরেন্দ্রভূমিকে দৈর্ঘ্য বরাবর ছেদ করেছে।
- অতঃপর এটি পাবনার বেড়া উপজেলায় গঙ্গার সঙ্গে যমুনার সংযোগ সাধনকারী বড়াল নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
উৎস : বাংলা পিডিয়া
১০৩.
ব্রহ্মপদ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে কোন জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. ক) চাপাইনবাবগঞ্জ
  2. খ) কুড়িগ্রাম
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra)
⇨ ব্রহ্মপদ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এরপর এটি তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।    
⇨ এই নদ ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় মিলিত হয়েছে।
⇨ বাংলাদেশের ভিতরে এ নদের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার।
⇨ ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী।
⇨ আর প্রধান শাখানদী হলো বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৪.
ইয়াংসিকিয়াং নদীর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৬৩৮০কিলোমিটার
  2. ৬২৭৫ কিলোমিটার
  3. ৬২৩০ কিলোমিটার
  4. ৬৫৩০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

ইয়াংসিকিয়াং এশিয়ার দীর্ঘতম নদী। এর দৈর্ঘ্য ৬৩৮০ কিলোমিটার।
- এটি তিব্বতের মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয় পূর্ব চীন সাগরে পতিত হয়েছে।
উৎসঃ মাধ্যমিক ভূগোল বই।

ব্রিটানিকার তথ্য মতে, ইয়াংসিকিং নদী - ৬৩০০ কি.মি বা ৩৯১৫ মাইল দীর্ঘ।

১০৫.
বঙ্গোপসাগর কোন মহাসাগরের অবস্থিত?
  1. উত্তর মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগর:
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের অংশ। অর্থাৎ বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের উত্তরের সম্প্রসারিত বাহু।
- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এ উপসাগরটি পশ্চিমে ভারত ও শ্রীলংকার পূর্ব উপকূল, উত্তরে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীপ্রণালী সৃষ্ট বদ্বীপ এবং পূর্বে মায়ানমার উপদ্বীপ থেকে আন্দামান-নিকোবর শৈলশিরা পর্যন্ত বিস্তৃত ভূভাগ দ্বারা বঙ্গোপসাগর তিনদিকে আবদ্ধ।
- সর্বমোট প্রায় ২২ লক্ষ বর্গ কিমি আয়তনের বিশাল এলাকা জুড়ে বঙ্গোপসাগর বিস্তৃত।
- এর গড় গভীরতা প্রায় ২,৬০০ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৫,২৫৮ মিটার।
- বঙ্গোপসাগরের সর্বউত্তর প্রান্তে বাংলাদেশ অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
১০৬.
জোয়ার-ভাটার প্রধান কারণ কী?
  1. চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণ
  2. পৃথিবীর বার্ষিক গতি
  3. পৃথিবীর ঘূর্ণন
  4. বায়ুর চাপ
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার (High Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা (Ebb or low Tide) বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়।
- অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু'বার জোয়ার ও দু'বার ভাঁটা হয়।
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়।
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে।

⇒ জোয়ার ভাঁটার কারণ:
- চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়। জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং, 
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৭.
দক্ষিণ আমেরিকার সর্ববৃহৎ নদী কোনটি?
  1. নীল
  2. আমাজন
  3. মিসিসিপি
  4. কঙ্গো
ব্যাখ্যা

• আমাজন নদী:
- দক্ষিণ আমেরিকার সর্ববৃহৎ নদী।
- এবং পৃথিবীর বৃহত্তম জলপ্রবাহ ও অববাহিকার অধিকারী।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পানি প্রবাহিতকারী নদী হিসেবে পরিচিত।

• দৈর্ঘ্য ও উৎস:
- অ্যামাজন নদীর মোট দৈর্ঘ্য আনুমানিক ৪,৩৪৫ মাইল (৬,৯৯২ কিলোমিটার),
- যা প্রথাগতভাবে বিবেচিত নীল নদী (৪,১৫০ মাইল বা ৬,৬৫০ কিলোমিটার) অপেক্ষা প্রায় ৯০ মাইল (১৪৫ কিলোমিটার) বেশি।
- এই পরিমাপটি ২০০৭ সালে ব্রাজিলীয় বিজ্ঞানীদের একটি দল নির্ধারণ করে,
- যারা নদীর উৎস হিসেবে পেরুর আন্দিজ পর্বতের নেভাডো মিসমি পর্বতের কাছাকাছি অবস্থিত অ্যাপাচেতা খালকে চিহ্নিত করেন।
- অ্যামাজন নদীর উৎস আন্দিজ পর্বতের উচ্চভূমিতে,
- প্রশান্ত মহাসাগর থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার (১০০ মাইল) দূরে অবস্থিত।
- এটি ব্রাজিলের উত্তর-পূর্ব উপকূলে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়।

তথ্যসূত্র: Britannica.

১০৮.
বিশ্বের বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ-
  1. বৈকাল হ্রদ
  2. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  3. মর্মর সাগর (মৃত সাগর)
  4. কাস্পিয়ান সাগর
ব্যাখ্যা

কাস্পিয়ান সাগর:
- কাস্পিয়ান সাগর আজারবাইজান, রাশিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কিমেনিস্তান ও ইরান জুড়ে অবস্থিত।
- বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ।
- কাস্পিয়ান সাগর বিশ্বের বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- দৈর্ঘ্য ১১৯৯ কিমি।
- এটি মূলত ভূ-বেষ্টিত সাগর।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের বৃহত্তম সুপেয় পানির হ্রদ- সুপিরিয়র।
- বিশ্বের গভীরতম হ্রদ - বৈকাল হ্রদ।
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ - পৃথিবীর ৩য় বৃহত্তম হ্রদ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও হিস্টোরি ডটকম।

১০৯.
বাংলাদেশের কোন নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত?
  1. সাঙ্গু
  2. কর্ণফুলী
  3. হালদা
  4. মাতামুহুরী
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের হালদা নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। 

প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র: 
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হলো হালদা নদী।
- খাগড়াছড়ির বাদনাতলী পর্বতশৃঙ্গে উৎপত্তি লাভ করা হালদা নদী কর্ণফুলী নদীর একটা উপনদী।
- এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত যা মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- এছাড়া সম্প্রতি সরকার হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- হালদা নদী বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী এবং এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র, যেখান থেকে সরাসরি রুই জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।

সূত্র: চট্টগ্রাম জেলা ও মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। 

১১০.
শৈবাল সাগর (Sargasso Sea) কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. আর্কটিক মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর
ব্যাখ্যা

শৈবাল সাগর (Sargasso Sea):
- মহাসাগরের মাঝখানে বিভিন্ন স্রোত মিলিত হয়ে কয়েক হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা জুড়ে একটি ঘূর্ণস্রোত বা জলাবর্তের সৃষ্টি করে।
- এই বিশাল জলাবর্তের মাঝখানে কোনোরকম জলপ্রবাহ থাকে না বলে স্রোতবিহীন এই অঞ্চলে নানারকম শৈবাল বা শেওলা, আগাছা ও জলজ উদ্ভিদ জন্মায়।
- এইজন্য এই অঞ্চলকে শৈবাল সাগর বলা হয়।

⇒ শৈবাল সাগর (Sargasso Sea) উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যভাগে অবস্থিত একটি অনন্য সামুদ্রিক অঞ্চল।
- এটি বিশ্বের একমাত্র 'সমুদ্র' যার কোনো স্থল সীমানা নেই।
- এটি সম্পূর্ণরূপে চারটি প্রধান সমুদ্রস্রোত দ্বারা বেষ্টিত: গালফ স্ট্রিম (Gulf Stream), উত্তর আটলান্টিক স্রোত (North Atlantic Current), ক্যানারি স্রোত (Canary Current), উত্তর বিষুবীয় স্রোত (North Equatorial Current)।
- এই স্রোতগুলো মিলিত হয়ে কয়েক হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকা জুড়ে একটি ঘূর্ণস্রোত বা জলাবর্তের সৃষ্টি করে।
- এই বিশাল জলাবর্তের মাঝখানে কোনোরকম জলপ্রবাহ থাকে না বলে স্রোতবিহীন এই অঞ্চলে নানারকম শৈবাল বা শেওলা, আগাছা ও জলজ উদ্ভিদ জন্মায়।

⇒ ​আটলান্টিক মহাসাগর:

- এটি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জুড়ে এটি অবস্থিত।
- আয়তনের দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান দ্বিতীয় এবং গভীরতার দিক থেকে আটলান্টিক মহাসাগরের স্থান তৃতীয়।
- এর আয়তন ৮,৫১,৩৩,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- অবস্থান: আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা।
- আটলান্টিক মহাসাগরের গভীরতম স্থান পোয়ের্তোরিকা ট্রেঞ্চ।
- এর গড় গভীরতা ১১,৯৬২ ফুট এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ২৭,৪৯৩ ফুট।

উৎস: i) Britannica.
ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১১.
'টিটিকাকা হ্রদ' কোথায় অবস্থিত?
  1. বলিভিয়া
  2. ভেনেজুয়েলা 
  3. চিলি
  4. আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা

• টিটিকাকা হ্রদ:
- টিটিকাকা হ্রদ পেরু এবং বলিভিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম মিঠা পানির হ্রদ।
- এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩,৮১০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।
- এটিকে পৃথিবীর সর্বোচ্চ বড় হ্রদগুলির মধ্যে একটি।

- ঐতিহাসিক এবং ভূতাত্ত্বিকরা বিশ্বাস করেন যে এটি প্রায় তিন মিলিয়ন বছরের পুরানো।
- হ্রদটির পরিমাপ ৮,৩০০ বর্গ কিলোমিটার বা ৩,২০০ বর্গ মাইল এবং এর প্রস্থ বিন্দুতে ৮০ কিলোমিটার বা ৫০ মাইল।
- হ্রদ সিস্টেমটি আসলে তার সরু প্রণালী দ্বারা দুটি ভাগে বিভক্ত যা টিকুইনা নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১১২.
Which channel separates the continents of Asia and Africa?
  1. ক) Bosphorus Strait
  2. খ) Bering Strait
  3. গ) Strait of Gibraltar
  4. ঘ) Bab el-Mandeb Strait
ব্যাখ্যা
বাব এল-মান্দেব প্রণালী:

- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- এই প্রণালী আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী যা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ "কান্নার দ্বার"।
- এটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১১৩.
জাঙ্গালিয়া ও ডাকাতিয়া কোন নদীর শাখা নদী?
  1. ক) মেঘনা
  2. খ) পদ্মা
  3. গ) যমুনা
  4. ঘ) কর্ণফুলি
ব্যাখ্যা
জাঙ্গাালিয়া ও ডাকাতিয়া মেঘনার শাখানদী।

• মেঘনা (Meghna):
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলার সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে।

- এর মধ্যে একটি উত্তর সিলেট থেকে সুরমা নামে এবং অন্যটি দক্ষিণ সিলেট থেকে কুশিয়ারা নামে প্রবাহিত হয়ে হবিগঞ্জের কালনী নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- পরে সুরমা, কুশিয়ারা এবং কালনী নদীর মিলিত স্রোত কালনী নাম ধারণ করে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- এরপর মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরববাজারের নিকট পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়েছে।

- অত:পর চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে আরো দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে মেঘনা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন প্রায় ২৯,৭৮৫ বর্গকিলোমিটার।
- মেঘনার উপনদীসমূহের মধ্যে মনু, বাউলাই, গোমতী, তিতাস, কাসনি অন্যতম।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১৪.
বাংলাদেশের গভীর সমুদ্র বন্দর কোথায় নির্মাণ করা হচ্ছে?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) কুতুবদিয়া
  3. গ) মহেশখালি
  4. ঘ) মংলা
ব্যাখ্যা

গভীর সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের মহেশখালীর সোনাদিয়ায় (পরবর্তীতে মাতারবাড়ী) গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে ভারত, চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশই তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ‘ডিপ সি-পোর্ট প্রজেক্ট’ নামে তিন পর্বের প্রকল্প বাস্তাবায়িত হবে ২০৫৫ সালের মধ্যে। 

- বন্দর নির্মাণে মোট ব্যায়ের ৩০% অর্থের যোগান দেবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বাকি ৭০% অর্থসংস্থান হবে সরকারি-বেসরকারি অংশগ্রহণে (PPP)।

- সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দরকে ঘিরে মহেশখালী দ্বীপের প্রায় সাত বর্গমাইল এলাকাজুড়ে গড়ে উঠবে নয়নাভিরাম উপশহর। যেখানে আমদানি-রপ্তানি ও বন্দর সংশ্লিষ্ট যাবতীয় অবকাঠামো গড়ে উঠবে। 

- গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হলে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের হলদিয়া ও কলকাতা বন্দরের পণ্য, তাদের উত্তরাঞ্চলের সাতটি রাজ্যের মধ্যে আমদানি-রপ্তানির স্বল্প খরচে ও কম সময়ে আনা-নেয়ার সুবিধা হবে। এ ছাড়া মিয়ানমার ও চীনের ইউনান প্রদেশের পণ্যসামগ্রী পরিবহণের কাজে এ গভীর সমুদ্রবন্দরকে সহজে ব্যবহার করা যাবে।

উৎস: Banglapedia
১১৫.
নীল নদের উৎস কোনটি?
  1. ইথিওপিয়ার পবর্তমালা
  2. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  3. আন্দিজ পর্বতমালা
  4. মিনোসোটার হ্রদ
ব্যাখ্যা
নীল নদ:
- নীল নদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
- নীল নদের দৈর্ঘ্য ৬৬৫০ কি.মি।
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া নীল নদের উৎস।
- বিভিন্ন দেশ হয়ে ভূ-মধ্যসাগরে নীল নদ পতিত হয়।
- নীলনদ ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নীল নদের অববাহিকা মিশর, সুদান, দক্ষিণ সুদান, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা, উগান্ডা এবং তানজানিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- এই নদ দুটি উপনদী নিয়ে গঠিত: সাদা নীল এবং নীল নীল।

তথ্যসূত্র - Britannica.com & Worldatlas.com
১১৬.
বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল কোন নদীসমূহ থেকে উদ্ভূত?
  1. কর্ণফুলী এবং গঙ্গা 
  2. গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থল
  3. যমুনা এবং তিস্তা
  4. মেঘনা এবং কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড: 
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের আরও কিছু বদ্বীপমুখী খাদ দেখতে পাওয়া যায়, যেমন সিন্ধু নদীর মোহনার অদূরে সিন্ধু খাদ, মিসিসিপি বদ্বীপের পশ্চিম পাশে মিসিসিপি খাদ।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- ধারণা করা হয়, বঙ্গোপসাগরের নিচে কান্দা ও উপ-বদ্বীপ উপত্যকার আকারে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড সাগর অভিমুখে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার সম্প্রসারিত হয়ে আছে।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের দিকে মুখ করে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের মোহনার কাছে বালুচর ও শৈলশিরার অবস্থিতি এই ইঙ্গিতই বহন করে যে, এই খাদ দিয়েই পলল বঙ্গোপসাগরের গভীরতর অংশে বাহিত হয়।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।
-এগুলো যথাক্রমে হিমালয়ের দক্ষিণ ও উত্তর দিক থেকে আসছে।
- বর্তমান অবস্থায় স্বল্প পরিমাণের ঘোলাটে স্রোত আর বালি সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের মাধ্যমে মহীসোপান থেকে গভীর সমুদ্রে পলল পরিবহণের প্রক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১৭.
বেরিং প্রণালি বিচ্ছিন্ন করেছে-
  1. আফ্রিকা ও ইউরোপকে
  2. আমেরিকা ও এশিয়াকে
  3. এশিয়া ও আফ্রিকাকে
  4. ওশেনিয়া ও এশিয়াকে
ব্যাখ্যা
- বেরিং প্রণালি এশিয়া মহাদেশের রাশিয়ার সাইবেরিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের আলাস্কাকে পৃথক করেছে।
- বেরিং প্রণালি বেরিং সাগরের সাথে চুকচি সাগরের সংযোগ সাধন করেছে।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
১১৮.
Which one is the widest River in Bangladesh?
  1. Jamuna
  2. Meghna
  3. Surma
  4. Padma
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী: 
- মেঘনা বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রশস্ততম নদী। 
- মেঘনার উৎপত্তি: আসামের লুসাই পাহাড় হতে বরাক নদী নামে।
- বাংলাদেশে প্রবেশ: সুরমা ও কুশিয়ারা নামে সিলেট জেলা দিয়ে ।
- সুরমা ও কুশিয়ারা মিলিত হয়েছে আজমিরীগঞ্জে এবং নামধারণ করেছে কালনী।
- কালনী ও পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের মিলিত স্রোতের নাম: মেঘনা (ভৈরববাজার)।
- উপনদী: ব্রহ্মপুত্র, গোমতী, শীতলক্ষা, ধলেশ্বরী, ডাকাতিয়া।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১৯.
পারস্য উপসাগর কোন মহাসাগরের অংশ?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

পারস্য উপসাগর:
- পারস্য উপসাগর ভারত মহাসাগরের একটি অংশ (এক ধরনের ভূমধ্যসাগরীয় সমুদ্র) এবং এটি পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি ওমান উপসাগরের সম্প্রসারিত অংশ, হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।
- এর আয়তন প্রায় ২,৫১,০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ৯০ মিটার, এবং গড় গভীরতা প্রায় ৫০ মিটার।
- উপসাগরটি ইরান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও ইরাকসহ কয়েকটি দেশ দ্বারা বেষ্টিত।
- মোট উপকূলরেখা প্রায় ৫,১১৭ কিলোমিটার, যার মধ্যে ইরানের উপকূলরেখা দীর্ঘতম (প্রায় ১,৫৩৬ কিমি)।
- পারস্য উপসাগরকে কিছু অঞ্চলে “Arabian Gulf” বা “Gulf of Iran” নামে উল্লেখের চেষ্টা থাকলেও, আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী নামটি সাধারণত “Persian Gulf” হিসাবেই ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১২০.
ম্যাকনামারা লাইন কোন দুটির মধ্যকার সীমারেখা?
  1. ভারত ও চীন
  2. উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
  3. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  4. রাশিয়া ও ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ম্যাকনামারা লাইন : উত্তর ও দক্ষিণ ভিয়েতনাম
অন্যদিকে:
- ম্যাকমোহন লাইন : ভারত ও চীন
- ম্যানারহেইম লাইন : ফিনল্যান্ড ও রাশিয়া
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
১২১.
দক্ষিণ আফ্রিকা কোন দুইটি মহাসাগরের উপকূলে অবস্থিত?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগর
  4. দক্ষিণ মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত রাষ্ট্র।
- দেশটির দক্ষিণে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- দুই মহাসাগর মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলীয় তটরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় ১৭৩৯ মাইল।

⇒ দক্ষিন আফ্রিকার রাজধানী ৩টি। যথা:
• নির্বাহী বা প্রশাসনিক রাজধানী: প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী: কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী: ব্লোয়েমফন্টেইন।

উল্লেখ্য,
- মহাসাগর পৃথিবীর প্রায় ৭১% আয়তন দখল করে আছে।
- বিশ্বে পাঁচটি প্রধান মহাসাগর রয়েছে: প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, আর্কটিক মহাসাগর এবং দক্ষিণ মহাসাগর।
- আটলান্টিক এবং ভারত মহাসাগর উভয়ের উপকূলরেখা সহ পৃথিবীতে মাত্র তিনটি দেশ রয়েছে।
- এই দেশগুলি হলো: দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর এবং ইসরাইল।

উৎস: i) Worldatlas.
ii) Britannica.
১২২.
বাঙালি নদী কোথায় যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে?
  1. বগুড়া
  2. নীলফামারি
  3. রংপুর
  4. গাইবান্ধা
ব্যাখ্যা
‘বাঙালি’ নদী:
- বাঙালি নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের গাইবান্ধা, বগুড়া এবং সিরাজগঞ্জ জেলার একটি নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ১৮৩ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১৪৩ মিটার।
- নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার।
- হাজার বছরের ঐতিহ্যে লালিত বাঙালি জাতির নামে বাংলাদেশের একমাত্র নদী এটি।ং

⇒ বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা 'পাউবো' কর্তৃক পাথরাজ নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৭৯।
- ২০০৭ সালে নদীটি বিশেষভাবে আলোচনায় আসে যমুনা নদীর সঙ্গে নদীটির মিশে যাবার আশঙ্কায়।
- এর ফলে এলাকার ব্যাপক ভৌগোলিক পরিবর্তন হতে পারে।

⇒ বাঙালি নদীর উৎপত্তি নীলফামারী জেলার তিস্তা নদী থেকে। 
- বাঙ্গালী নদী রংপুর জেলায় ঘাঘট নদীর অব্যাহত প্রবাহ।
- নদীটি পূর্ব প্রান্তে যমুনা নদীর সঙ্গে এবং পশ্চিমে রামনগরে কাটাখালির মাধ্যমে করতোয়া নদীর সঙ্গে সংযুক্ত।
- বাঙ্গালী নদী দক্ষিণে প্রবাহিত হওয়ার সময় যমুনা নদী থেকে বেরিয়ে আসা বাউলাই নদীকে উপনদী হিসেবে গ্রহণ করেছে।
- আরও দক্ষিণে প্রবাহিত হওয়ার পর নদীটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পশ্চিম শাখা হলহলিয়া এবং পূর্ব শাখা বাঙ্গালী নামেই প্রবাহিত হয়।
- বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার উত্তরে যমুনার উপনদী মানস-মধুখালী বাঙ্গালী নদীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- এই প্রবাহ কয়েক কিলোমিটার প্রবাহিত হওয়ার পর পুনরায় বিভক্ত হয়ে একটি শাখা ইছামতি নাম ধারণ করে সিরাজগঞ্জে দক্ষিণমুখী হয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

⇒ বাঙালি নদীর অনেক শাখা নদী আছে যথা: বেলাল, মানস, মধুখালি, ইছামতি, ভলকা এবং অন্যান্য।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১২৩.
উত্তর আমেরিকার রকি কোন ধরনের পর্বত?
  1. ক্ষয়জাত
  2. ভঙ্গিল
  3. ল্যাকোলিথ
  4. সঞ্চয়জাত
ব্যাখ্যা
পর্বত (Mountain):
- ভূ-পৃষ্ঠের অতি উচ্চ, সুবিস্তৃত এবং খাড়া ঢাল বিশিষ্ট শিলাস্তুপকে পর্বত বলে।
- পর্বত সাধারণত ৬০০ মিটারের বেশি উচ্চতা সম্পন্ন হয়।
- তবে পর্বতের উচ্চতা সমুদ্র সমতল থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
- কোনো কোনো পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে, যেমন- পূর্ব আফ্রিকার কিলিমানজারো।
- পর্বত গঠনের প্রক্রিয়াকে ওরোজেনেসিস (Orogenesis) বলে।
- পৃথিবীর প্রতিটি পর্বত দেখতে বাহ্যিকভাবে স্বতন্ত্র হলেও উৎপত্তিগত ও গঠন প্রকৃতির দিক দিয়ে এদের বিভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পর্বতকে চার ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা-
ক. ভঙ্গিল পর্বত,
খ. আগ্নেয় পর্বত,
গ. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত এবং,
ঘ. উত্থিত ক্ষয়জাত পর্বত।

উল্লেখ্য,
⇒ ভঙ্গিল পর্বত (Folded Mountain):
- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
- চার ধরনের পর্বতের মধ্যে ভঙ্গিল পর্বত সর্বাধিক বিস্তৃত।
- অভিসারী প্লেট সীমানায় সংকোচনজনিত চাপে এ ধরনের পর্বত গঠিত হয় বলে এর শিলা কাঠামো ভাঁজ ও চ্যুতিযুক্ত।
- ভঙ্গিল পর্বত সাধারণত পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত।
-যেমন: এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৪.
পানামা খাল কোন দুটি মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে?
  1. ভারত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর ও উত্তর সাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর ও আর্কটিক মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা

পানামা খাল (Panama Canal):
- এর অবস্থান মধ্য আমেরিকার পানামা প্রজাতন্ত্র।
- এটি একটি কৃত্রিম জলপথ।
- পানামা খাল প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ৮০ কিমি (৫০ মাইল)।
- নির্মাণকাল: ১৯০৪-১৯১৪।
- শাসন: প্রাথমিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে নির্মিত, বর্তমানে পানামা কর্তৃক পরিচালিত।
- বিশেষত্ব: বিশ্ব বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এবং অর্থনৈতিক কেন্দ্র।
- প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য: লক সিস্টেম, যা জাহাজকে খালের উচ্চতা অনুযায়ী উপরে-নিচে নিয়ে যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২৫.
ব্যাফিন উপসাগর কোন প্রণালীর মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে যুক্ত?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. ডেভিস প্রণালী
  3. বসফরাস প্রণালী
  4. মালাক্কা প্রণালী
ব্যাখ্যা

ব্যাফিন উপসাগর: 
- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের একটি প্রান্তিক সাগর।
- এটি কানাডার বেফিন দ্বীপ ও গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণ–পশ্চিম উপকূলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
- এর দক্ষিণে ডেভিস প্রণালী ও ল্যাব্রাডর সাগর হয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে যুক্ত।
- এটি উত্তরে ন্যারেস প্রণালীর মাধ্যমে উত্তর মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত।
- বছরের অধিকাংশ সময় এই উপসাগরটি বরফে আচ্ছাদিত থাকে।
- ভাসমান বরফ ও হিমশৈলের কারণে এই উপসাগর নৌ চলাচল অত্যন্ত সীমিত।

উৎস: ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ব্রিটানিকা।

১২৬.
কত সালের ভূমিকম্পের দ্বারা যমুনা নদীর উৎপত্তি ঘটেছে?
  1. ১৭৬২ সাল
  2. ১৭৮৭ সাল
  3. ১৮৬২ সাল
  4. ১৮৮৭ সাল
ব্যাখ্যা

যমুনা নদী:
- ব্রহ্মপুত্র-যমুনা বাংলাদেশের দ্বিতীয় এবং বিশ্বের দীর্ঘতম নদীসমূহের মধ্যে অন্যতম। প্রকৃতপক্ষে ব্রহ্মপুত্র নদের নিম্ন প্রবাহ যমুনা নামে অভিহিত।
- ১৭৮৭ সালে সংঘটিত প্রচণ্ড ভূমিকম্প ও ভয়াবহ বন্যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের তৎকালীন গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান কালের যমুনা নদীর সৃষ্টি হয়।
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের একটি হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে। তারপর তিব্বত ও আসামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদ ময়মনসিংহের দেওয়ানগঞ্জের কাছে এটি দুটি শাখায় বিভক্ত হয়ে ⎯ একটি যমুনা নামে প্রবাহিত হয়ে গোয়ালন্দের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- অপর শাখা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে ময়মনসিংহের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরবের নিকট মেঘনায় পতিত হয়েছে।
- যমুনার প্রধান শাখানদী ⎯ ধলেশ্বরী, বুড়িগঙ্গা।
- যমুনার উপনদী: তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, কালজানি, তোরসা, জলঢাকা, নাগর, দুপচাপিয়া, যমুনেশ্বরী, রায়ঢাক, ধবলা, ঘাঘট, বাঙালি, বড়াল, গঙ্গা, নারদ নদ, ধবল বা দুধকুমার, তুলসী গঙ্গা, শিব বরনাই।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন,
ii) ভূগোল, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
iii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি,
iv) বাংলাপিডিয়া।

১২৭.
হিন্ডেনবার্গ লাইন কোন দুটি দেশের মধ্যকার সীমারেখা?
  1. ফ্রান্স ও জার্মানি
  2. জার্মানি ও পোল্যান্ড
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  4. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
হিন্ডেনবার্গ লাইন : জার্মানি ও ফ্রান্স

অন্যদিকে,
- ওডারনিস লাইন : জার্মানি ও পোল্যান্ড
- সিগফ্রিড লাইন : জার্মানি ও ফ্রান্স
- সনোরা লাইন : যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো।
- ডুরান্ড লাইন : পাকিস্তান ও আফগানিস্তান।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)
১২৮.
হালদা নদী কেন বিখ্যাত?
  1. ক) এখান থেকে মাছের ডিম সংগ্রহ করা হয়
  2. খ) এটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়
  3. গ) এর মোহনায় সমুদ্রবন্দর গড়ে উঠেছে
  4. ঘ) এর নিচ দিয়ে টানেল করা হচ্ছে
ব্যাখ্যা

- হালদা নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি জেলা পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী নামক পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাউজান, এবং চট্টগ্রাম সদরের কোতোয়ালী থানার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলেছে। এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার হলেও মাত্র ২৯ কিলোমিটার অংশে সারা বছর বড় নৌকা চলাচলের উপযোগী থাকে।
- হালদা নদী থেকে ডিম আহরণ, আহরিত ডিম থেকে রেণু উৎপাদন এবং পরিচর্যার প্রযুক্তি স্থানীয়দের সম্পূর্ণ নিজস্ব (Indigenous) যা স্মরণাতীত কাল থেকে ধর্মীয় অনুভূতি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের সংমিশ্রণে উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- এটিই বিশ্বের একমাত্র জোয়ারভাটার নদী যেখান থেকে সরাসরি রুই জাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
- জাতীয় অর্থনীতিতে প্রতি বছর হালদার অবদান ৮০০ কোটি টাকা যা এখানে প্রাপ্ত ডিম, উৎপাদিত রেণু এবং মাছ থেকে আসে। এছাড়াও রয়েছে কৃষিজ উৎপাদন, যোগাযোগ এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যা হালদার অবদানকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সোর্সঃ BdFISH Bangla

১২৯.
লোহিত সাগরের তীরবর্তী কয়টি দেশ রয়েছে?
  1. ৫ টি
  2. ৬ টি
  3. ৪ টি
  4. ৮ টি
ব্যাখ্যা
- লোহিত সাগরের তীরবর্তী ৬টি দেশ।

• লোহিত সাগর (Red Sea):

- ভারত মহাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ।
- যা আফ্রিকা ও এশিয়ার মধ্যে অবস্থিত।
- এটি সুয়েজ প্রণালী ও বাব এল-মানদেব প্রণালীর মাধ্যমে ভূমধ্যসাগর ও আরব সাগরের সাথে সংযুক্ত।​

→ অবস্থান ও সীমান্তবর্তী দেশসমূহ:
- উত্তর সীমা: সিনাই উপদ্বীপ, সুয়েজ উপসাগর ও আকাবা উপসাগর;
- দক্ষিণ সীমা: বাব এল-মানদেব প্রণালী, যা গালফ অব অ্যাডেনের সাথে সংযুক্ত;
- লোহিত সাগরের তীরবর্তী ৬টি দেশ;
- পূর্ব তীর: সৌদি আরব ও ইয়েমেন;
- পশ্চিম তীর: মিশর, সুদান, ইরিত্রিয়া ও জিবুতি।

→ ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য:
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ১,২০০ মাইল (১,৯৩০ কিলোমিটার);
- সর্বোচ্চ প্রস্থ: ১৯০ মাইল;
- গভীরতা: গড় গভীরতা প্রায় ৪৫০ মিটার,
- সর্বোচ্চ গভীরতা ৩,০৪০ মিটার;
- আয়তন: প্রায় ৪৫০,০০০ বর্গ কিলোমিটার​।

উৎস: Britannica.
১৩০.
বাংলাদেশের গভীরতম নদী কোনটি?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) পদ্মা
  4. ঘ) ধলেশ্বরী
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী:

- বাংলাদেশের গভীরতম নদী মেঘনা।
- মেঘনা নদীকে চিরযৌবনা নদী বলা হয়।
- কারন, মেঘনা নদীতে সব সময় জোয়ার-ভাটা বহমান থাকে।
- মেঘনা নদী বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদী ও প্রশস্ততম নদী। চাঁদপুরের পর থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত পদ্মা ও মেঘনার মিলিত ধারার নাম মেঘনা।
- উৎপত্তিস্থলে মেঘনার নাম ছিল বরাক নদী।
- ভোলার চরফ্যাশন এলাকায় মেঘনা বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনার শাখা নদী হলো তিতাস ও ডাকাতিয়া ।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩১.
করতোয়া নদী কোন জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. রাজবাড়ি
  2. কুড়িগ্রাম
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মেঘনা ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- যমুনা ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একাট শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- করতোয়া নদী পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মহানন্দা নদী পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সাঙ্গু নদী বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ফেনী নদী ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩২.
উত্তর মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে কোন প্রণালী?
  1. ক) মালাক্কা প্রণালী
  2. খ) জিব্রাল্টার প্রণালী
  3. গ) বেরিং প্রণালী
  4. ঘ) পক প্রণালী
ব্যাখ্যা
বেরিং প্রণালী
- প্রণালী হল দুটি নদী বা সমুদ্রের সংযোগকারী সংকীর্ণ জলপ্রবাহ বা ধারা।
- বেরিং প্রণালী এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দুইটিকে পৃথককারী জলাশয়।
- এটি উত্তর মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে।
- এটি আলাস্কা ও সাইবেরিয়াকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটির সবচেয়ে সরু অংশ রাশিয়ার দেজনিয়ভ অন্তরীপ এবং আলাস্কার প্রিন্স অফ ওয়েল্‌স অন্তরীপের মধ্যে অবস্থিত। 
- প্রণালীটির গভীরতা ৩০-৫০ মিটার।

অন্যদিকে -
- জিব্রাল্টার প্রণালী (১৪.৩ কি.মি.): ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- মালাক্কা প্রণালী: মালয় উপদ্বীপ এবং সুমাত্রাকে পৃথক করেছে; যুক্ত করেছে ভারত মহাসাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরকে।
- পক প্রণালী: তামিলনাড়ু ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে।

উৎস: World Atlas.
১৩৩.
পদ্মা নদী কোন জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) খুলনা
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
পদ্মা নদী:

- পদ্মা নদী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে পদ্মা নদী উৎপত্তি লাভ করে।
- পদ্মা নদী ভারতের উপর দিয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়।
- এর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ২,৬০০ কি.মি.
- রাজবাড়ি জেলায় গোয়ালন্দের কাছে পদ্মা নদী ও যমুনা নদী একসাথে মিলিত হয়েছে
- চাঁদপুরের নিকট পদ্মা নদী ও মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো- মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি।
- এর উপনদী মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

অন্যদিকে,
- ব্রহ্মপুত্র তিব্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
- মেঘনা আসামের 'বরাক' নদী নাগা-মনিপুর পাহাড়ের দক্ষিণ থেকে উৎপত্তি লাভ করে।
- কর্ণফুলী নদী আসামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- করতোয়া নদীর মূলধারা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার বৈকুণ্ঠপুর জলাভূমিতে উৎপন্ন হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৪.
রূপসা নদীর উপর নির্মিত সেতু নিচের কোনটি?
  1. ক) দপদপিয়া সেতু
  2. খ) খানজাহান আলী সেতু
  3. গ) লালন শাহ সেতু
  4. ঘ) বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সেতু
ব্যাখ্যা
- রূপচাঁদ সাহার কাটা খালটি আজ বিশাল রূপসা নদী।
- যা দেখে জীবনানন্দ দাশ মুগ্ধ হয়ে লিখেছিলেন:
- ‘‘রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেড়া পালে  ডিঙ্গা  বায়;  রাঙা   মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে ’’
- সেই রূপসা নদীর ওপর একটি সেতু  হয়েছে  লোকে  বলে  রূপসা  সেতু। পোশাকি  নাম খানজাহান আলী সেতু।

উৎস: খুলনা জেলা ওয়েবসাইট।
১৩৫.
নিম্নের কোনটি পদ্মা নদীর উপনদী?
  1. তিস্তা
  2. গোমতী
  3. পুনর্ভবা
  4. ধরলা
ব্যাখ্যা

পদ্মা নদী:
- বাংলাদেশের প্রধান নদী পদ্মা। এ নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- পদ্মা নদী রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিশেছে। অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- পদ্মার শাখা নদীগুলো হলো ⎯ মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি ইত্যাদি এবং উপনদী ⎯ মহানন্দা, টাঙ্গন, নাগর, পুনর্ভবা, কুলিক।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন,
ii) ভূগোল, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
iii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি,
iv) বাংলাপিডিয়া।

১৩৬.
গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনায় সম্মিলিত নদী অববাহিকার কত শতাংশ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ১৪
  2. ৩৩
ব্যাখ্যা


বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদী:
গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ।
- নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।
- আবহমানকাল ধরে নদীমাতৃক বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা আবর্তিত হচ্ছে এসকল নদীর পানিকে ঘিরে।
- এ তিনটি নদীর অববাহিকার মোট আয়তন প্রায় — ১.৭২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যার মাত্র  — ৭ শতাংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত। এসকল নদীর অন্যান্য অববাহিকাভূক্ত দেশ হচ্ছে ভারত, নেপাল, ভূটান ও চীন।

উৎস: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।
১৩৭.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. হোয়াংহো নদী
  2. ইয়াংসিকিয়াং নদী
  3. মেকং নদী
  4. হেইলংজিয়াং
ব্যাখ্যা

ইয়াংসি নদী:
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী হলো ইয়াংসি নদী যা চীনে অবস্থিত। 
- এটি বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৩০০ কিলোমিটার।
- নদীটি তিব্বত মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে পূর্ব চীন সাগরে পতিত হয়।
- চীনে এটি 'ছাং চিয়াং' (দীর্ঘ নদী) নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য, 
- ইয়াংসিকিয়াং নদীর অববাহিকায় চংকিং, উহান, নানজিং এবং সাংহাইয়ের মতো বড় শহর অবস্থিত।
- নদীর মধ্যভাগে বিখ্যাত তিনটি গিরিখাত রয়েছে।
- ইয়াংসিকিয়াং নদী চীনের অর্থনীতি, কৃষি ও পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- থ্রি গর্জেস ড্যামসহ অনেক বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প এ নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে।
------------------------------------
অন্যদিকে, 
• হোয়াংহো নদী:
- হোয়াংহো বা পীত নদী চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- একে ‘চীনের দুঃখ’ বলা হয়।
• মেকং নদী দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী হিসেবে পরিচিত।
• হেইলংজিয়াং উত্তর-পূর্ব চীনের একটি প্রধান নদী, যা চীনের সীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত হয়।

উৎস: Britannica.

১৩৮.
দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদীর নাম কী? 
  1. ভলগা 
  2. আমাজন 
  3. মারে ডার্লিং
  4. নীলনদ
ব্যাখ্যা

• আমাজন নদী:
- পৃথিবীর দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী আমাজন নদী।
- আমাজন নদীর দৈর্ঘ্য ৬৪০০ কি.মি।
- এটি দক্ষিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় নদী।
- নদীটি দক্ষিণ আমেরিকার উত্তরাংশে অবস্থিত, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- এই নদীটি - পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় উৎপন্ন হয় এবং আটলান্টিক মহাসাগরে যুক্ত হয়েছে।
- আমাজনের মূল স্রোতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

অন্যদিকে, 
- ইউরোপের বৃহত্তম নদী ভলগা।
- ওশেনিয়া মহাদেশের বৃহত্তম নদী মারে ডার্লিং।
- বিশ্বের দীর্ঘতম নদ নীলনদ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

১৩৯.
নিচের কোনটি এশিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি?
  1. মোজাবে মরুভূমি
  2. গোবি মরুভূমি
  3. থর মরুভূমি
  4. ডেকান মরুভূমি
ব্যাখ্যা

গোবি মরুভূমি:
- অপশন অনুযায়ী গোবি মরুভূমি এশিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি।
- এবং গোটা বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম মরুভূমি।
- উত্তর ও উত্তরপূর্ব চীন এবং দক্ষিণ মঙ্গোলিয়ার অংশে অবস্থিত।
- গোবি সাধারণত পাথুরে ও খরাময় মরুভূমি,
- যেখানে বালির চেয়ে পাথর এবং ছোট বড় কঙ্কর বেশি দেখা যায়।
- এটি বেশিরভাগই সমতল থেকে কিছুটা উঁচু বা পার্বত্য এলাকা নিয়ে গঠিত।

বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান:
- থর মরুভূমি: ভারত ও পাকিস্তান।
- মোজাবে মরুভূমি: যুক্তরাষ্ট্র,
- সাহারা মরুভূমি: আফ্রিকা,
- গোবি মরুভূমি: চীন ও মঙ্গোলিয়া।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৪০.
‘ডেড সী’ কী?
  1. একটি নদী
  2. একটি সাগর
  3. একটি হ্রদ
  4. মৃত সাগর
ব্যাখ্যা
ডেড সি:

- ডেড সি জর্ডানে অবস্থিত।
- ডেড সি জর্ডান এবং ইসরায়েলের মধ্যে অবস্থিত দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার একটি লবণাক্ত হ্রদ।
- এই প্রাকৃতিক বিস্ময়টি সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে ৪৩০.৫ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত।
- ডেড সি পৃথিবীর সবচেয়ে লবণাক্ত জলাশয়গুলির মধ্যে একটি, সাধারণ সমুদ্রের জলের তুলনায় প্রায় দশ গুণ বেশি লবণাক্ত।
- এটি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে পানি হারায়। 
- উচ্চ লবণাক্ত স্তর এবং কঠোর জলবায়ু জন্যে ডেড সি তে কোনো মাছ জন্মায় না।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
১৪১.
‘হাইল হাওর’ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নেত্রকোনা
  2. মৌলভীবাজার
  3. সুনামগঞ্জ
  4. কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• ‘হাইল হাওর’:
- সিলেটের শষ্যভাণ্ডার বলে খ্যাত মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার সদর উপজেলা এবং হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ২৯টি গ্রাম নিয়ে গঠিত হাইল হাওর।
- ঐতিহ্যবাহী হাইল হাওর প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র ও জীবন জীবিকার বিবেচনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি।

- এছাড়াও হাইল হাওর দেশী বিদেশী নানা জাতের পাখি, শামুক, ঝিনুক, ফোকল, ঘাস, শাপলা, শালুক, উকল, হিজল-করচ গাছ ইত্যাদি এবং অন্য বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল।

তথ্যসূত্র: মৌলভীবাজার জেলার ওয়েবসাইট।

১৪২.
বিশ্বের বৃহত্তম মিঠা পানির হ্রদ কোনটি?
  1. বৈকাল হ্রদ
  2. ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  3. সুপিরিয়র হ্রদ
  4. এরি হ্রদ
ব্যাখ্যা
• লেক সুপিরিয়র:
অবস্থান:
- লেক সুপিরিয়র উত্তর আমেরিকার গ্রেট লেকস শৃঙ্খলের চরম উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। এটি কানাডার অন্টারিও প্রদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন, মিনেসোটা ও মিশিগান রাজ্যের উচ্চ উপদ্বীপ দ্বারা ঘেরা।
আয়তন ও স্থান: প্রায় ৮২,১০৩ বর্গ কিলোমিটার
- এটি গ্রেট লেকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়
- ভূপৃষ্ঠের দিক থেকে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিঠা পানির হ্রদ।
- আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম হ্রদ।
- পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠে থাকা মিঠা পানির প্রায় ১০% এই হ্রদে সংরক্ষিত।

উৎস: worldatlas. লিংক
১৪৩.
কুয়েত কোন সাগরের তীরে অবস্থিত?
  1. ক) বঙ্গোপসাগর
  2. খ) ভারত মহাসাগর
  3. গ) পারস্য উপসাগর
  4. ঘ) আরব সাগর
ব্যাখ্যা

কুয়েত একটি নগর রাষ্ট্র।
এটি পারস্য সাগরের তীরে অবস্থিত।
এর রাজধানী কুয়েত সিটি।

পারস্য উপসাগর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত।
এর আয়তন ২৫১০০০ বর্গ কিলোমিটার।
গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এই সাগরে অবস্থিত।
এর তীরে অবস্থিত দেশসমূহ হলো ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমান।

সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১৪৪.
বিল ডাকাতিয়া কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চাঁদপুর
  2. খ) মুন্সিগঞ্চ
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বিল ডাকাতিয়া খুলনা জেলার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলায় অবস্থিত।
- এটিকে পশ্চিমাবাহিনীর নদী বলা হয়।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৪৫.
‘বেন নেভিস’ হলো যুক্তরাজ্যের -
  1. পর্বত
  2. মালভূমি
  3. সমভূমি
  4. জলপ্রপাত
ব্যাখ্যা
‘বেন নেভিস’ পর্বতের নাম বোঝায়।

বেন নেভিস:

- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হল বেন নেভিস।
- এর উচ্চতা প্রায় ১,৩৪৫ মিটার (৪,৪১৩ ফুট)।
- বেন নেভিস স্কটিশ হাইল্যান্ডসের লোচাবার এলাকায় অবস্থিত, ফোর্ট উইলিয়াম শহরের কাছে।
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গটি গ্র্যাম্পিয়ান পর্বতমালার অংশ।

উল্লেখ্য,
- বেন নেভিসসহ যুক্তরাজ্যে ২০০ টিরও বেশি পর্বত রয়েছে যার বেশিরভাগই স্কটল্যান্ডে।
- প্রকৃতপক্ষে, যুক্তরাজ্যের ২০০টি সর্বোচ্চ পর্বতের মধ্যে ১৯২টি স্কটল্যান্ডে পাওয়া যায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) Global Adventure Challenges.
১৪৬.
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য প্রায় কত কিলোমিটার?
  1. ৮ কিলোমিটার
  2. ১২ কিলোমিটার
  3. ১৮ কিলোমিটার
  4. ২৪ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত:
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত একটি দীর্ঘ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যপূর্ণ সৈকত।
- এই সমুদ্র সৈকতটি "সাগর কন্যা" নামে পরিচিত।
- এই সৈকত প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ৩ কিলোমিটার প্রশস্ত। 

- সৈকতের আশেপাশে নারিকেল গাছ, ঝাউবন, নীল ঢেউ এবং রুপালি বালুকা ভূমি সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলে।
- কুয়াকাটার কাছে রাখাইন পল্লী ও বৌদ্ধ মন্দির রয়েছে।
- সৈকতের আশেপাশে প্রচুর লাল কাঁকড়া দেখা যায়। 
- সৈকতের পশ্চিমদিকে অবস্থিত ফাতরার ম্যানগ্রোভ বনকে "দ্বিতীয় সুন্দরবন" বলা হয়।
- এছাড়া, সৈকতের নামকরণের পেছনে ঐতিহাসিক কুয়াটিও আছে।
- কুয়াকাটায় স্থানীয় উৎসব, তাঁতশিল্প, নৌকা বাইচ এবং মাছ ধরার মতো সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয়।
- এখান থেকে একই স্থানেই সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করা যায়, যা বাংলাদেশের অন্য কোনো সমুদ্র সৈকতে বিরল।
- এই অনন্য বৈশিষ্ট্য এবং বঙ্গোপসাগরের মনোরম দৃশ্যের কারণে পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা ‘সাগর কন্যা’ নামে পরিচিতি লাভ করেছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১৪৭.
'দিয়াগো গার্সিয়া' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আন্দামান সাগর
  2. খ) ভারত মহাসাগর
  3. গ) দক্ষিণ চীন সাগর
  4. ঘ) পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
দিয়াগো গার্সিয়া দ্বীপটি মধ্যে ভারত মহাসাগরে অবস্থিত। 
দিয়াগো গার্সিয়া একটি প্রবাল দ্বীপ যা চ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ এর অন্তর্ভুক্ত। 
দ্বীপটি বর্তমানে ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান ওশান টেরিটোরির অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। 
এখানে ১৯৬৮ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস, ব্রিটানিকা।
১৪৮.
বাংলাদেশের কোন জেলায় ‘জাদিপাই ঝর্ণা’ অবস্থিত ?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. সিলেট
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

- জাদিপাই ঝর্ণাটি অবস্থান হচ্ছে - বান্দরবান জেলায়।

• জাদিপাই ঝর্ণা:
- জাদিপাই ঝর্ণাকে বলা হয় ঝর্ণার রানি। বাংলাদেশের আকর্ষণীয় ঝর্ণাগুলোর একটি জাদিপাই ঝর্ণা।
- আকৃতিতে দেশের সবচেয়ে বড় না হলেও গঠন আর অবস্থানের ভিত্তিতে এ ঝর্ণা অনন্য, অপরূপা। উঁচু পাহাড় আর চার দিকে সবুজের সমারোহ। 
- কেওক্রাডং, জংছিয়া ও জাদিপাই তিন পাহাড়ি ঝিরি একসঙ্গে মিলিত হয়ে জাদিপাই ঝর্ণার সৃষ্টি হয়েছে।
- প্রায় ২০০ ফুট উপর থেকে কালো পাথর বেয়ে স্বচ্ছ পানির ধারা নিচে নেমে আসে। ঝর্ণাটি পরে মিলিত হয়েছে সাঙ্গু নদীর সঙ্গে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪৯.
পৃথিবীর দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদের নাম কী?
  1. Lake Tanganyika
  2. Lake Titicaca
  3. Lake Baikal
  4. Lake Victoria
ব্যাখ্যা
- দৈর্ঘ্যে বিশ্বের দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদ হল টাঙ্গানিকা হ্রদ। 

Lake Tanganyika: 
- টাঙ্গানিকা হ্রদ পূর্ব আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম হ্রদ।
- এটি বিশ্বের দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদ (দৈর্ঘ্য প্রায় ৪১০ মাইল বা ৬৬০ কিলোমিটার) এবং রাশিয়ার বৈকাল হ্রদের পর গভীরতার দিক থেকে দ্বিতীয় (৪,৭১০ ফুট বা ১,৪৩৬ মিটার)।
- তুলনামূলকভাবে সরু এই হ্রদের প্রস্থ ১০ থেকে ৪৫ মাইল (১৬ থেকে ৭২ কিলোমিটার) পর্যন্ত এবং এটি প্রায় ১২,৭০০ বর্গমাইল (৩২,৯০০ বর্গকিলোমিটার) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- টাঙ্গানিকা হ্রদ তাঞ্জানিয়া ও কঙ্গো গণপ্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) মধ্যে সীমানায় অবস্থিত।   

অন্যদিকে: 
- Lake Titicaca বিশ্বের উচ্চতম নৌ চলাচলযোগ্য হ্রদ।
- Lake Baikal বিশ্বের গভীরতম। 
- Lake Victoria আফ্রিকার বৃহত্তম হ্রদ।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১৫০.
মহানন্দা এর উপনদী কোনটি?
  1. নাগর
  2. ট্যাংগন
  3. পুণর্ভবা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
মহানন্দা (Mahananda):
- হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিং এর নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বত হতে মহানন্দা নদী উৎপত্তি হয়েছে।
- ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- অতঃপর ভারতের পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চাপাইনবাবগঞ্জের নিকট বাংলাদেশে পুনরায় প্রবেশ করে গোদাগাড়ির কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে।
- নাগর, ট্যাংগন ও পুণর্ভবা এর উপনদী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫১.
নাফ নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. সিকিম
  2. আরাকান
  3. দার্জিলিং
  4. আসাম
ব্যাখ্যা
• নাফ নদী (Knaf):
- নাফ নদীর উৎপত্তি স্থল মিয়ানমার।
- আরাকান ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের অন্যান্য পাহাড় থেকে উৎসারিত নাফ নদী বঙ্গোপসাগরে এসে পড়েছে।
- এ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমার সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদীর মোহনা অত্যন্ত প্রশস্ত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণতম উপজেলা টেকনাফ নাফ নদীর ডান তীরে অবস্থিত।
- মায়ানমারের আকিয়াব বন্দর নাফ নদীর বাম তীরে অবস্থিত। 

বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল:

- পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল গঙ্গা নামে হিমালয় পর্বতের গাঙ্গোত্রী হিমবাহ।
- মেঘনা নদীর উৎপত্তিস্থল আসামের লুসাই পাহাড়।
- যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল ব্ৰহ্মপুত্ৰ নামে কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ।
- কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের লুসাই পাহাড়।
- করতোয়া নদীর উৎপত্তিস্থল সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল।
- সাঙ্গু নদীর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়।
- হালদা নদীর উৎপত্তিস্থল খাগড়াছড়ির বাদানাতলী পর্বতশৃঙ্গ।
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তিস্থল মহালড্রীম, দার্জিলিং।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫২.
ব্রহ্মপুত্র নদ কোন জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. দিনাজপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. কুড়িগ্রাম
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মেঘনা ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- যমুনা ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একাট শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- করতোয়া নদী পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মহানন্দা নদী পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সাঙ্গু নদী বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ফেনী নদী ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৩.
এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. খ) হাকালুকি হাওর
  3. গ) পশুর নদী
  4. ঘ) হালদা নদী
ব্যাখ্যা
• হালদা নদী:
- হালদা নদী বাংলাদেশের পূর্ব-পাহাড়ি অঞ্চলের খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলার একটি নদী। 
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হলো হালদা নদী।
- ডিম ছাড়ার বিশেষ সময়কে তিথি বলা হয়ে থাকে।
- ডিম ছাড়ার তিথির পূর্বেই স্থানীয় জেলে এবং ডিম সংগ্রহকারীরা নদীতে অবস্থান নেন এবং ডিম সংগ্রহ করেন।
- সংগৃহীত ডিমগুলি ফোটানোর জন্য নদীর তীরে কৃত্রিম ছোট মাটির কুয়ায় নেয়া হয় এবং কার্প পোনা উৎপাদন করা হয়।
- এটি একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সরকার হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করেছে।

উৎস: মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও হাটহাজারী উপজেলা ওয়েবসাইট।
১৫৪.
বর্তমানে পৃথিবীর পৃষ্ঠের প্রায় কত শতাংশ জুড়ে মহাসাগর রয়েছে?
  1. ৬১ শতাংশ
  2. ৭১ শতাংশ
  3. ৮০ শতাংশ
  4. ৯০ শতাংশ
ব্যাখ্যা

•মহাসাগর (Oceans): 
- ভূপৃষ্ঠের বিশাল, বিস্তৃত, সুগভীর ও লবণাক্ত জলরাশিকে মহাসাগর বলে।
- পৃথিবীর প্রায় ৭১% জায়গা জুড়ে রয়েছে এ মহাসাগর।
- পৃথিবীর মহাসাগরসমূহের জলরাশির আয়তন প্রায় ১.৩৩২ বিলিয়ন কিউবিক কিলোমিটার।
- প্রতিটি মহাসাগরের তলে রয়েছে বিশাল বিশাল পর্বতমালা, বিস্তীর্ণ অববাহিকা এবং উপত্যকা।
- মহাসাগর শব্দটি এসেছে গ্রীক 'ওকিয়ানোজ' শব্দ থেকে।
- জলভাগের মোট আয়তন ৩৬১,৪১৯,০০০ বর্গ কিলোমিটার (৭০.৯%)।
- এবং মহাসাগরসমূহের আয়তন ৩৩৫,২৫৮,০০০ বর্গ কিলোমিটার।

• পৃথিবীতে ৫টি মহাসাগর রয়েছে-
১. প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean);
২. আটলান্টিক মহাসাগর (Atlantic Ocean);
৩. ভারত মহাসাগর (Indian Ocean);
৪. দক্ষিণ মহাসাগর (Southern Ocean);
৫. উত্তর মহাসাগর (Arctic Ocean)।

উৎস:  ¡) National Geography.[Link]
          ¡¡)ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বি এড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৫.
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্র কোনটি?
  1. টোঙ্গা
  2. সেন্ট হেলেনা
  3. সিচিলিস
  4. সামোস
ব্যাখ্যা
গত ১৪ জানুয়ারি ২০২২ সালে, সমুদ্রতলদেশে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশ টোঙ্গার সুনামির সৃষ্টি হয়।
প্রশান্ত মহাসাগরের নিচে এক আগ্নেয়গিরিতে বিশাল অগ্ন্যুৎপাতের পর সুনামির বিরাট ঢেউ এসে আঘাত হেনেছে দ্বীপরাষ্ট্র টঙ্গাতে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১৫৬.
এডেন উপসাগরের তীরবর্তী রাষ্ট্র নয় কোনটি?
  1. সোমালিয়া
  2. ইয়েমেন
  3. হাইতি
  4. জিবুতি
ব্যাখ্যা
হাইতি এডেন উপসাগরের তীরবর্তী রাষ্ট্র নয়।

এডেন উপসাগর:

- এডেন উপসাগর হল ভারত মহাসাগরের একটি সম্প্রসারণ, যা আরব উপদ্বীপ এবং আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত। - এই উপসাগরটি বাব এল মান্দেব প্রণালী হয়ে লোহিত সাগরকে আরব সাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
- এডেন উপসাগর সুয়েজ খালের শিপিং রুটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা লোহিত সাগর এবং ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে। 
- এডেন উপসাগর তীরবর্তী রাষ্ট্র ৩টি। যথা:
- জিবুতি,
- সোমালিয়া,
- ইয়েমেন।
 
উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট।
১৫৭.
সুন্দরবনের পূর্বে যে নদী অবস্থিত -
  1. রায়মঙ্গল
  2. মাতামুহুরী
  3. বলেশ্বর
  4. রূপসা
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- বাংলাদেশ এবং ভারত জুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবনের বৃহত্তর অংশটি (৬২%) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অবস্থিত। 
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে বলেশ্বর নদী আর উত্তরে বেশি চাষ ঘনত্বের জমি বরাবর সীমানা। 
- উঁচু এলাকায় নদীর প্রধান শাখাগুলো ছাড়া অন্যান্য জলধারাগুলো সর্বত্রই বেড়িবাঁধ ও নিচু জমি দ্বারা বহুলাংশে বাঁধাপ্রাপ্ত।
- এটি সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী অঞ্চল জুড়ে রয়েছে বাংলাদেশে। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলে সুন্দরবন অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: খুলনা জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫৮.
কোন সাগর এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. পীত সাগর
  2. কাম্পিয়ান সাগর
  3. লোহিত সাগর
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
লোহিত সাগর:
- এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে লোহিত সাগর।
- লোহিত সাগর সৌদি আরব (এশিয়া) এবং মিশর (আফ্রিকা) কে পৃথক করেছে।

⇒ লোহিত সাগর (Red sea) ভারত মহাসাগরের একটি বিশেষ অংশ।
- এর দক্ষিণে বাব এল মান্দের প্রণালী।
- লোহিত সাগরে জলে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া আছে, যা বাতাস থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করে ট্রিকোডেসামিয়াম রিথ্রিয়াম নামে এক ধরনের অজৈব যৌগ গঠন করে।
- এর রং লাল হওয়ায় এই সাগরের জল লাল দেখায়।

উৎস: World Atlas.
১৫৯.
Find the odd one out-
  1. ক) Caspian Sea
  2. খ) Dead Sea
  3. গ) Baikal
  4. ঘ) Pacific ocean
ব্যাখ্যা
এখান একমাত্র প্রশান্ত মহাসাগর ছাড়া বাকিগুলো হ্রদ৷
Source: worldatlas
১৬০.
পৃথিবীর প্রাচীনতম 'ফিঙ্কে' নদী কোন দেশে অবস্থিত?
  1. বেলজিয়াম
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

ফিঙ্কে নদী:
- ধারণা করা হয়, অস্ট্রেলিয়ার ফিঙ্কে নদী পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন নদী।
- এটির বয়স ৩৫ থেকে ৪০ কোটি বছর। 
- এটি উত্তরাঞ্চলের ম্যাকডোনেল রেঞ্জের জিয়েল পর্বতের দক্ষিণ দিক থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- নদীর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০০ মাইল (৬৪০ কিমি)।
- অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসী জনগণ এই নদীকে ‘লারাপিনটা’ নামে ডাকে।
- বর্তমানে শুধু ভারী বৃষ্টির সময় নদীটি প্রবাহিত হয় এবং নদীর পানি লেক আইয়ার বেসিনে গিয়ে পড়ে। বছরের বেশির ভাগ সময় এটি শুকনা থাকে।

তথ্যসূত্র- ব্রিটানিকা, প্রথম আলো।

১৬১.
ফারাক্কা বাঁধ কোন নদীর উপর অবস্থিত?
  1. কর্ণফুলী নদী
  2. তিস্তা নদী
  3. ব্রহ্মপুত্র নদ
  4. গঙ্গা নদী
ব্যাখ্যা

ফারাক্কা বাঁধ:
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- যার অবস্থান বাংলাদেশ থেকে মাত্র ১৬.৫ কিলোমিটার উজানে ভারতের ভূখণ্ডে গঙ্গা নদীর ওপরে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের শেষ হয় ১৯৭৫ সালে।
- সেই বছর ২১ এপ্রিল থেকে বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা নিউজ।

১৬২.
নিচের কোন নদীটি বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের জলসীমায় সমাপ্ত হয়েছে?
  1. কর্ণফুলী নদী
  2. করতোয়া নদী
  3. সাঙ্গু নদী
  4. নাফ নদী
ব্যাখ্যা
সাঙ্গু নদী:
- সাঙ্গু নদী (Sangu River) বাংলাদেশের দক্ষিণে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত একটি পাহাড়ি নদী।
- শঙ্খ নদী নামেও এটি পরিচিত।
- এটি কর্ণফুলীর পর চট্টগ্রাম বিভাগের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী।
- নদীটির দৈর্ঘ্য ২৯৪ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১১৯ মিটার।
- এই নদীর উৎপত্তি মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমানার আরাকান পাহাড়ে।
- বান্দরবান জেলা ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও বাঁশখালীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এটি বঙ্গোপসাগরে গিয়ে মিশেছে।
- ১৮৬০ সালে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের গেজেটিয়ার প্রকাশকালে ব্রিটিশ শাসকরা ইংরেজিতে এটিকে সাঙ্গু নাম দেন।
- তবে মারমা সম্প্রদায়ের ভাষায় সাঙ্গুকে ‘রিগ্রাই থিয়াং’ অর্থাৎ স্বচ্ছ পানির নদ বলা হয়।
- সাঙ্গু নদী বান্দরবানের দক্ষিণাঞ্চলে সৃষ্টি হয়ে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে পশ্চিমে বাঁক নিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে শেষ হয়েছে।

অন্যদিকে,
- নাফ নদী উৎপন্ন হয়েছে মিয়ানমারের আরাকান পর্বত থেকে এবং বঙ্গোপসাগরে এসে পড়েছে।
- কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি লাভ করে বাংলাদেশের প্রবেশের পর রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলী নদী বঙ্গোপসাগরের পতিত হয়েছে।
- করতোয়া নদী উৎপন্ন হয়েছে বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলায়। অতঃপর এই নদীর জলধারা বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং দিনাজপুর সদর উপজেলা পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে আত্রাই নদীতে পতিত হয়েছে।

উৎস: i) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
        ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬৩.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহাসাগর কোনটি?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. প্রশান্ত মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগর: 
- প্রশান্ত মহাসাগর দক্ষিণে আন্টার্কটিকা থেকে উত্তর মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমে এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার পূর্বে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম মহাসাগর, যা পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠের এক-তৃতীয়াংশ জুড়ে বিস্তৃত।
- মোট আয়তন: ৬৩.৮ মিলিয়ন বর্গমাইল (১৬৫.২৫ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার)।
- গড় গভীরতা: ১৪,০৪০ ফুট (৪,২৮০ মিটার)।
- প্রশান্ত মহাসাগর বিশ্বের বৃহত্তম জলভাগ, যা বৈশ্বিক আবহাওয়া ও সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস: Britannica.
১৬৪.
পদ্মা ও মেঘনা কোথায় মিলিত হয়েছে?
  1. গোয়ালন্দ
  2. আজরিমিগঞ্জ
  3. চাঁদপুর
  4. ভৈরববাজার
ব্যাখ্যা

▪ পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল : গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী)
▪ পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল : চাঁদপুর
▪ সুরমা ও কুশিয়ারার মিলনস্থল : আজরিমিগঞ্জ (হবিগঞ্জ)
▪ ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার মিলনস্থল : চিলমারি (কুড়িগ্রাম)
▪ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার মিলনস্থল : ভৈরববাজার (কিশোরগঞ্জ)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬৫.
কোন দেশ পানামা খালের খনন কাজে তত্ত্বাবধান করেছিল?
  1. জার্মানি
  2.  যুক্তরাজ্য
  3. পানামা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• পানামা খাল:
 - পানামা খালটির নির্মাণ কাজ ১৯০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে শুরু হয়ে ১৯১৪ সালে শেষ হয়েছিল।
- ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত পানামা খালটি আমেরিকার নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- ১৯৭৯ সালের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পানামা প্রজাতন্ত্রের যৌথ সংস্থা খালটির নিয়ন্ত্রণ করে।
-  ১৯৯৯ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র পানামার কাছে খালটি পুরোপুরি হস্তান্তর করে।
- খালটি উত্তর আমেরিকার দেশ পানামাতে অবস্থিত।
- আটালান্টিক মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করেছে পানামা খাল।
- উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।

উৎস:- ব্রিটানিকা।
১৬৬.
ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করা আন্ত:সীমান্ত নদী কয়টি?
  1. ৪৮ টি
  2. ৫০ টি
  3. ৫৭ টি
  4. ৫৪ টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ যোথ নদী কমিশন:
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে।
- এর মধ্যে ৫৭ টি আন্তঃসীমান্ত নদী।
- আন্তঃসীমান্ত নদীর মধ্যে ৫৪টি নদী ভারত হতে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে 
- মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা নদী ৩ টি।
-  যথা:- নাফ, সাঙ্গু, মাতামুহুরী। 
- ৫৪ টির মধ্যে ৫১টি নদী বস্তুতঃপক্ষে তিনটি বৃহৎ নদী গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনার অববাহিকাভুক্ত।
- বাংলাদেশে উৎপত্তি হয়ে ভারতে যাওয়া নদী ১ টি (কুলিখ)।
- বাংলাদেশে উৎপত্তি ও সমাপ্তি হওয়া নদী ১টি (হালদা)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের স্ট্যাটিউট (Statute) স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: যৌথ নদী কমিশন।[Link]
১৬৭.
ওডার নদী-
  1. পূর্ব-মধ্য ইউরোপের নদী
  2. পূর্ব-মধ্য এশিয়ার নদী
  3. উত্তর-মধ্য আফ্রিকার নদী
  4. উত্তর-মধ্য এশিয়ার নদী
ব্যাখ্যা
ওডার নদী:

• এটি পূর্ব-মধ্য ইউরোপের নদী।
• এটি বাল্টিক সাগরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নদীগুলির মধ্যে একটি।
• এর উৎস থেকে চেক প্রজাতন্ত্রের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হয়েছে।
• এটি পোল্যান্ড এবং জার্মানির মধ্যে সীমানা তৈরি করে।
• ওডার নদীর মোট দৈর্ঘ্য ৫৩১ মাইল (৮৫৪ কিলোমিটার), যার মধ্যে ৪৬১ মাইল পোল্যান্ডে অবস্থিত।
• আয়তন: ৪৬০০০০ বর্গ মাইল (১১৯,০০০ বর্গ কিলোমিটার), যার প্রায় ৯০ শতাংশ পোলিশ অঞ্চলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 
১৬৮.
চীনের দুঃখ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) মেকং নদী
  2. খ) হোয়াংহো নদী
  3. গ) মেনাম নদী
  4. ঘ) ইয়াংসিকিয়াং নদী
ব্যাখ্যা
হোয়াংহো নদী
- হোয়াংহো নদী এশিয়া ও চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এটি সিংহাই প্রদেশের বায়ান হার পর্বতের উত্তরাংশে উৎপত্তি হয়ে পীত সাগরে পতিত হয়েছে।
- এর অপর নাম পীত নদী।
- নদীটি চীনের দুঃখ নামে পরিচিত।
- প্রাচীন চীনে প্রায়ই এই নদীর পানি ছাপিয়ে উঠে আশপাশের সব কিছু ভাসিয়ে দিত বলে একে চীনের দুঃখ বলা হয়।
- এর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ৫৪৬৪ কিলোমিটার।
- ইতিহাসে ২৬ বার এই নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে।
- এর ফলে প্রত্যেকবারই চীনের জনগণের জীবনে নেমে এসেছে অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশা।
- আধুনিক চীন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর চীন সরকার এই নদীর পাড়ের বেড়িবাঁধকে আরো মজবুত করে।
- এখানে চীনের প্রাচীনতম সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- লানজে, বাত্তথৌ, যেমষ্ঠে, জিনোন প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ শহর-বন্দর এ নদীর তীরে অবস্থিত।
- এই নদী ৯টি প্রদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে শানতুং প্রদেশের দংইং শহরের বোহাই সাগরে গিয়ে মিশেছে।

উৎস: i) কালের কন্ঠ, ১২ জুলাই, ২০১৯।
        ii) Britannica.
১৬৯.
নিচের কোন নদীটি সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে?
  1. মাতামুহুরী
  2. পশুর
  3. আত্রাই
  4. সাঙ্গু
ব্যাখ্যা
পশুর নদী:
- পশুর নদী (Pasur River) সুন্দরবনের এক অতি বৃহৎ নদী, প্রকৃতপক্ষে রূপসা নদীরই বর্ধিত রূপ।
- খুলনার দক্ষিণে ভৈরব বা রূপসা নদী আরও দক্ষিণে মংলা বন্দরের কাছে পশুর নামে প্রবাহিত হয়ে ত্রিকোনা ও দুবলা দ্বীপ দুটির ডানদিক দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- মংলার দক্ষিণে পশুর সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 
- নদীটি খুব গভীর এবং সারা বৎসরই নাব্য থাকে বলে এর মধ্য দিয়ে সামুদ্রিক জাহাজ প্রবেশ করতে পারে।
- এই নদীর তীরেই মংলা সমুদ্রবন্দর অবস্থিত। 
- পশুর ও এর শাখা-প্রশাখাগুলো সবই জোয়ারভাটা দ্বারা প্রভাবিত। 

এছাড়াও,
মহানন্দা (Mahananda):
- মহানন্দা নদীর উৎপত্তি হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত দার্জিলিং জেলার নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বতে। এরপর জলপাইগুড়ি জেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের সর্বত্র উত্তরের পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা দিয়ে প্রবেশ করেছে। এরপর বাংলাবান্ধা থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত বরাবর প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করেছে। অত:পর ভারতের পূর্ণিয়া ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চাপাইনবাবগঞ্জের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করে গোদাগাড়ির কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে। মহানন্দার উপনদী
পুবর্ভবা, নাগর, কুলিক, ট্যাংগন, পাগলা প্রভৃতি।

সাঙ্গু (Shangu):
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত আরাকান পাহাড় থেকে সাঙ্গু নদী উৎপত্তি হয়েছে। এরপর চট্টগ্রাম ও রাঙামাটি জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৪৪ কিলোমিটার।

হালদা (Haldha):
- খাগড়াছড়ি জেলার বাদনাতলী পর্বতশৃঙ্গ থেকে হালদা নদী উৎপন্ন হয়েছে। এরপর দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হয়ে কালুরঘাটের নিকট কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে।

ফেনী (Feni):
- ফেনী নদী ভারতের ত্রিপুরা পার্বত্য অঞ্চলে উৎপত্তি হয়েছে। এরপর ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। ফেনী নদীটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক জেলা ফেনীর নামে পরিচিত।

নাফ (Knaf):
- নাফ নদীর উৎপত্তি স্থল মিয়ানমার। এ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমার সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। নাফ নদীর মোহনা অত্যন্ত প্রশস্ত। উৎপত্তিস্থল থেকে বঙ্গোপসাগরে পতিত হওয়া পর্যন্ত এ নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫৬ কিলোমিটার।

মাতামুহুরী (Matamuhuri):
- মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তিস্থল লামার মাইভার পর্বত। উৎপত্তির পর উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার নিকট দিয়ে পশ্চিমে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। নদীটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কিলোমিটার।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
১৭০.
ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখানদী - 
  1. মধুমতী
  2. শীতলক্ষা
  3. করতোয়া 
  4. ধরলা 
ব্যাখ্যা

• ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান শাখানদী -  বংশী ও শীতলক্ষা।

অন্যদিকে,
- ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান উপনদী - ধরলা ও তিস্তা।
-  পদ্মা নদীর প্রধান উপনদী -  কুমার, মাথাভাঙা, ভৈরব, গড়াই, মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ ।
- যমুনা নদীর প্রধান উপনদী -  করতোয়া ও আত্রাই।

উৎস: ভূগোল পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৭১.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী-
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. পদ্মা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের নদ-নদী : 
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী - পদ্মা।

- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদীর দৈর্ঘ্য - ৩৪১ কি.মি.।
- নদীটির উৎস মুখ - ভারত। 
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী - ইছামতী।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী - গাঙ্গিনা।
- বাংলাদেশ - ভারত এবং বাংলাদেশ -মিয়ানমারের মধ্যে প্রবাহিত আন্তঃসীমান্ত নদীর - ৫৭টি ।

উৎস : যৌথ নদী কমিশন ও জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন 

১৭২.
কোন দুটি প্লেটের সংযোগস্থল বরাবর মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত?
  1. ইন্ডিয়ান ও আফ্রিকান
  2. ইন্ডিয়ান ও বার্মিজ
  3. ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান
  4. বার্মিজ ও ইউরেশিয়ান
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট পর্বত:
- মাউন্ট এভারেস্ট পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার গ্রেট হিমালয়ের চূড়ায় অবস্থিত পর্বত যা চীন ও নেপালের সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত।
- তিব্বত এবং নেপালের সীমান্তে উত্থিত, লক্ষ লক্ষ বছর আগে ভারতীয় এবং ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে একটি টেকটোনিক সংঘর্ষ থেকে মাউন্ট এভারেস্ট তৈরি হয়েছিল। 
- মাউন্ট এভারেস্ট হিমালয়ের মাঝের অংশে অবস্থিত।
- এভারেস্টের উচ্চতা ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার বা ২৯,০৩২ ফুট।

উৎস: i) Britannica।
ii) National Geographic।
১৭৩.
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাসাগর- 
  1. ভারত মহাসাগর
  2. উত্তর মহাসাগর
  3. দক্ষিণ মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা

• উত্তর মহাসাগর (Arctic Ocean):
- উত্তর মহাসাগরকে অনেক ক্ষেত্রে আটলান্টিক মহাসাগরের একটি সাগর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- উত্তর মহাসাগর উত্তর মেবুর বেশির ভাগ অংশকে আচ্ছাদিত করে রেখেছে।
- উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ এবং এশিয়া এ তিনটি মহাদেশের উত্তর দিকে অবস্থিত উত্তর মহাসাগর যা উত্তর মেরু অঞ্চল নামে পরিচিত।
- উত্তর মহাসাগর বা আর্কটিক মহাসাগর প্রায় সারা বছর ধরে বরফ দ্বারা আচ্ছাদিত থাকে।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাসাগর।
- উত্তর মহাসাগরের আয়তন প্রায় ১ কোটি ৪১ লক্ষ বর্গ কি. মি.।
- এবং গড় গভীরতা প্রায় ৯৩০ মিটার।
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ প্রশিক্ষণ, বি এড, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৪.
যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত নিম্নের কোন পর্বতশ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. আগ্নেয় পর্বত
  3. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
ব্যাখ্যা
পর্বত (Mountains):
- সমুদ্র সমতল থেকে অন্তত ১,০০০ মিটার-এর অধিক উঁচু, সুবিস্তৃত, খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তূপকে পর্বত বলে।
- অপর দিকে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬০০ থেকে ১,০০০ মিটার উঁচু, স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তূপকে পাহাড় বলে।
- পর্বতের ভূ-প্রকৃতি বন্ধুর, ঢাল খুব খাড়া এবং সাধারণত চূড়া বিশিষ্ট হয়।
- কোনো কোনো পর্বত বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করে, যেমন- পূর্ব আফ্রিকার কিলিমানজারো।
- আবার কিছু পর্বত অনেকগুলো পৃথক শৃঙ্গসহ ব্যাপক এলাকা জুড়ে অবস্থান করে, যেমন- হিমালয় পর্বতমালা।

• পর্বতের প্রকারভেদ:
- উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠন প্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত চার প্রকার। যথা:
(ক) ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountains),
(খ) আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains),
( গ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountains) এবং
(ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত (Dome/Laccolith Mountains)।

⇒ ল্যাকোলিথ পর্বত:
- ভূ-অভ্যন্তর থেকে গলিত শিলা বা ম্যাগমা বিভিন্ন উপায়ে ভূ-পৃষ্ঠে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে।
- কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে ম্যাগমাসমূহ বাঁধা পেয়ে ভূ-পৃষ্ঠের বাইরে না এসে ভূ-ত্বকের নিচে জমাট বেঁধে উর্ধ্বমুখী চাপের কারণে স্ফীত হয়ে ভূ-ত্বকের অংশবিশেষ গম্বুজ আকার ধারণ করে।
- এভাবে সৃষ্ট শৃঙ্গবিহীন সামান্য খাড়া ঢাল বিশিষ্ট ও স্বল্প অঞ্চল ব্যাপী বিস্তৃত এই পর্বতকে ল্যাকোলিথ পর্বত বলে।
- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত এর উদাহরণ।

অন্যদিকে,
- এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ।
- পূর্ব আফ্রিকার কিলিমানজারো আগ্নেয় পর্বত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৫.
“র‍্যাডক্লিফ লাইন” কোন দুটি দেশের চিহ্নিত সীমারেখা?
  1. ক) জার্মানি-ফ্রান্স
  2. খ) ভারত-পাকিস্তান
  3. গ) ভারত-চীন
  4. ঘ) উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের ৩রা জুন মাউন্টব্যাটেন তার ভারত বিভাগ পরিকল্পনা প্রকাশের পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণের জন্যে ব্রিটিশ সরকার স্যার সিরিল জন র‍্যাডক্লিফকে চেয়ারম্যান করে র‍্যাডক্লিফ কমিশন গঠন করে। এই কমিশনের অধীন বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন ও পাঞ্জাব বাউন্ডারি কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে র‍্যাডক্লিফ রোয়েদাদ প্রকাশ করা হয় যার ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়। ভারত পাকিস্তানের সীমানাকে র‍্যাডক্লিফ লাইন বলা হয়।
Source: Britannica এবং বাংলাপিডিয়া
১৭৬.
Which of the following two continents are divided by strait of Bering?
  1. North America and Africa
  2. Asia and North America
  3. South America and North America
  4. Asia and South America
ব্যাখ্যা
বেরিং প্রণালী:

- বেরিং প্রণালী হল প্রশান্ত মহাসাগরের সবচেয়ে উত্তরের অংশ এবং এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে, বিশেষ করে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আলাদা করেছে।
- বেরিং প্রণালী এবং সাগর উভয়েরই নামকরণ করা হয়েছিল ভিটাস বেরিংয়ের সম্মানে।
- বেরিং প্রণালী তুলনামূলকভাবে অগভীর, যার গড় গভীরতা ৫০ মিটার। এটি গভীরতম বিন্দুতে মাত্র ৯০ মিটার গভীর।
- প্রণালীতে ডায়োমেড দ্বীপপুঞ্জ এবং সেন্ট লরেন্স দ্বীপপুঞ্জসহ অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com
১৭৭.
মনট্রিক্স কনভেনশন কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. সুয়েজ খাল
  2. তুর্কি প্রণালিসমূহ
  3. পানামা খাল
  4. জর্ডান নদী
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৬ সালের ২০ জুলাই সুইজারল্যান্ডের মনট্রিক্স শহরে তুরস্কের বসফরাস প্রণালি, দার্দানেলিস প্রণালি ও মর্মর সাগরে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল বিষয়ে মনট্রিক্স কনভেনশন গৃহিত হয়।
- এই কনভেনশন অনুযায়ী বসফরাস ও দার্দানেলিস প্রণালি এবং মর্মর সাগর ভৌগোলিকভাবে তুরস্কের অধীন হিসেবে স্বীকৃত হয়।
- কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর জন্যে এই জলসীমা উন্মুক্ত থাকবে।
- অন্যান্য দেশের নৌ চলাচলের ক্ষেত্রে তুরস্ক সরকার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।
(সূত্র: মনট্রিক্স কনভেনশন)
১৭৮.
বঙ্গোপসাগরের সর্বনিম্ন খাদের নাম কী?
  1. মারিয়ানা ট্রেঞ্চ
  2. সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
  3. পুয়ের্তো রিকো খাত
  4. ম্যাতপান ট্রেঞ্চ
ব্যাখ্যা
• সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground)  খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি ১৪ কিলোমিটার ব্যাপী বঙ্গোপসাগরের গভীর খাদ।
- এটি সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- এই এলাকাটি বিভিন্ন প্রজাতির ডলফিন এবং তিমির মতো বিপন্ন প্রাণীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।
- সোয়ায অব নো গ্রাউন্ডকে গঙ্গা খাদ ও বলে।

অন্যদিকে,
প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরতম খাত- মারিয়ানা ট্রেঞ্চ।
পুয়ের্তো রিকো খাতটি ক্যারিবিয়ান সাগর এবং আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যবর্তী সীমানায় অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৭৯.
পদ্মা ও মেঘনা নদী কোথায় মিলিত হয়েছে?
  1. কিশোরগঞ্জ
  2. রাজশাহী
  3. ঢাকা
  4. চাঁদপুর
ব্যাখ্যা

পদ্মা নদী:
- গঙ্গা বিশ্বের ৩০তম দীর্ঘতম নদী (২৬০০ কি.মি.)।
- হিমালয় পর্বতের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপত্তি লাভ করে ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে গঙ্গা নামে প্রবাহিত হয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার ধুলিয়ান নামক স্থানে ভাগিরথী (বা হুগলি নদী) নামে এর একটি শাখা বের হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- মূল গঙ্গা নদীটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী জেলার দড়িাণ-পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার (৯০ মাইল) (সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ) /১৪৪ কি.মি. (সূত্র: উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল) পর্যনত্ম পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম দিক দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর এর নাম হয়েছে পদ্মা।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম ও গভীরতম নদী।
- তারপর এটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে রাজবাড়ি জেলায় আরিচার নিকট গোয়ালন্দের কাছে যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- এ মিলিত স্রোত পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরের নিকট মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বরিশাল ও নোয়াখালী জেলা হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- পদ্মার অপর নাম কীর্তিনাশা। বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের পরিমাণ প্রায় ৩৪,১৮৮ বর্গকিলোমিটার (সূত্র: মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ) যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ২৩.১৭%।
- উপনদী: মহানন্দা (প্রধান উপনদী), ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।
- শাখানদী: মধুমতি, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙ্গা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসাত, পশুর, বড়াল, গড়াই, ইছামতি, নবগঙ্গা, কালীগঙ্গা চিত্রা তেঁতুলিয়া বিষখালী কীর্তনখোলা ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

১৮০.
’গ্রীনল্যান্ড দ্বীপ’ কোন মহাসাগরে অবস্থিত? 
  1. ভূমধ্যসাগরে 
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে
  4. ভারত মহাসগরে
ব্যাখ্যা

গ্রীনল্যান্ড:
- গ্রীনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ।
- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রীনল্যান্ড (স্থানীয় ভাষায় কালালিত নুনাত) পরিচিত এর বিশাল তুন্দ্রা অঞ্চল ও বিশাল হিমবাহের জন্য।
- তাঁরা তাঁদের মাতৃভূমিকে বলেন কালালিত নুনাত, অর্থাৎ "গ্রীনল্যান্ডবাসীদের দেশ”।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানীর নাম নুক (ডেনিশ ভাষায় গোথহোব)।

অপরদিকে,
- নিউ গিনি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- বোর্নিও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- মাদাগাস্কার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ।

উৎস: Britannica.

১৮১.
মেক্সিকো উপসাগর প্রধানত কোন মহাদেশ দ্বারা বেষ্টিত?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ইউরোপ
ব্যাখ্যা
মেক্সিকো উপসাগর (Gulf Of Mexico): 
- উপসাগর (gulf) হলো সমুদ্রের একটি অংশ, যা স্থলের ভেতরে প্রবেশ করেছে।
- এটি টেকটোনিক প্লেটের পরিবর্তনের ফলে গঠিত হয় এবং সাধারণত বৃহৎ ও গভীর হয়ে থাকে।
- মেক্সিকো উপসাগর অ্যাটলান্টিক মহাসাগরের একটি প্রান্তিক সাগর।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম উপসাগর (gulf) যার আয়তন ১৫,০৭,৬৩৯ বর্গকিলোমিটার।
- এটি প্রধানত উত্তর আমেরিকা মহাদেশ দ্বারা বেষ্টিত।
- কিছু উপসাগর সংকীর্ণ জলপথের মাধ্যমে মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তবে এটি সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

উৎস: World Atlas
১৮২.
নিচের কোন দুইটি দেশের মধ্যে স্থল সীমান্ত নেই?
  1. রাশিয়া-উত্তর কোরিয়া
  2. আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল
  3. কানাডা-মেক্সিকো
  4. মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
- কানাডা ও মেক্সিকো দুইটি দেশই উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত হলেও এদের মধ্যে কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই।
- এই দুইটি দেশের মাঝে আমেরিকা অবস্থিত।
- পৃথিবীর বৃহত্তম রাষ্ট্র রাশিয়ার সাথে ১৬ টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- তন্মধ্যে উত্তর কোরিয়ার সাথে সবচেয়ে কম ১৭ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে।
- আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের মধ্যকার সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৮৩ মেইল। 
- দ্বীপ রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও ইন্দোনেশিয়ার সাথে বোর্ণিও দ্বীপে মালেশিয়ার ১২৫৫ মাইল দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৮৩.
এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হলো-
  1. হালদা নদী
  2. হাইল হাওর
  3. চলন বিল
  4. হাকালুকি
ব্যাখ্যা

• হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার। 
- এটি কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- হালদা নদী হলো দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র।
- প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে হালদা নদীতে কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।
- চট্টগ্রাম শহরের পণ্যসামগ্রীর অধিকাংশই হালদা নদীপথে বড় মালবাহী নৌকার মাধ্যমে পরিবহণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৮৪.
'দুর্গম চর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মাদারগঞ্জ
  2. খ) পরশুরাম
  3. গ) সন্দ্বীপ
  4. ঘ) রামগতি
ব্যাখ্যা
দুর্গম চর জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জে অবস্থিত। মুহুরীর চর ফেনী জেলার পরশুরামে অবস্থিত। উড়িরচর চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে অবস্থিত। আর চর আলেকজান্ডার ও চর গজারিয়া লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে অবস্থিত।
১৮৫.
বিশ্বের দীর্ঘতম মিঠা পানির হ্রদ কোনটি?
  1. সুপিরিয়র
  2. কাস্পিয়ান সাগর
  3. টাঙ্গানিকা
  4. বৈকাল
ব্যাখ্যা
টাঙ্গানিকা হ্রদ:
- এটি বিশ্বের দীর্ঘতম মিঠা পানির হ্রদ।
- হ্রদটি বুরুন্ডি, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গো, তানজানিয়া ও জাম্বিয়া-এই চার দেশের মধ্যে পড়েছে।
- চারটি দেশই আফ্রিকা অঞ্চলের।
- টাঙ্গানিকা হ্রদটি ৩২ হাজার ৯০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।
- এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গভীর হ্রদ।
- এর গভীরতা ১ হাজার ৪৭০ মিটার (৪ হাজার ৮২২ ফুট)।
- মিঠা পানির এই হ্রদটি আনুমানিক ৯০ লাখ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ বছরের পুরোনো।

অন্যদিকে,
- কাস্পিয়ান সাগর আয়তনে পৃথিবীর বৃহত্তম লবণাক্ত পানির হ্রদ।
- লেক সুপিরিয়র (Lake Supirior): এটি হল বিশ্বের সব চেয়ে বড় স্বচ্ছ জলের লেক।
- বৈকাল হ্রদ পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ।

উৎস: i) Guinness World Records ওয়েবসাইট। [link]
ii) Britannica.
১৮৬.
যমুনা নদী কোথায় পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়?
  1. চাঁদপুরের কাছে
  2. দৌলতদিয়ার কাছে
  3. মাওয়ার কাছে
  4. জাজিরার কাছে
ব্যাখ্যা
যমুনা:
- ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে দৌলতদিয়ার কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নাম ধারণ করে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।
- করতোয়া ও আত্রাই যমুনার প্রধান উপনদী।
- ধলেশ্বরী এর শাখানদী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৮৭.
দানিয়ুব নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. হিমালয় পর্বতমালা
  2. ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বতমালা
  3.  রকি পর্বতমালা
  4.  আন্দিজ পর্বতমালা
ব্যাখ্যা

• দানিয়ুব নদী (Danube):
- ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী (ভলগার পর)।
- উৎপত্তি: জার্মানির পশ্চিমাঞ্চল, ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বতমালা
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ১,৭৭০ মাইল (২,৮৫০ কিমি)।
পতিত হয়েছে: কৃষ্ণ সাগরে (Black Sea)।
- অতিক্রান্ত দেশসমূহ : জার্মানি, অস্ট্রিয়া, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, মলডোভা, ইউক্রেন।
- এটি মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে রাজনীতি ও বসতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ।
- এই নদীর তীরভূমি দুর্গ ও প্রাসাদের দ্বারা সীমারেখা হিসেবে ব্যবহৃত।
- এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

১৮৮.
নিঝুম দ্বীপ কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. ক) হাতিয়া
  2. খ) শ্যামনগর
  3. গ) টেকনাফ
  4. ঘ) মহেশখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য দ্বীপ ও তাদের অবস্থান: 
- ভোলা - ভোলা(দ্বীপজেলা)।
- সেন্টমার্টিন - টেকনাফ, কক্সবাজার।
- দক্ষিণ তালপট্টি/পূর্বাশা/নিউমুর - শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।
- নিঝুম দ্বীপ - হাতিয়া, নোয়াখালী।
- সোনাদিয়া - মহেশখালী, কক্সবাজার।
- মনপুরা দ্বীপ - মনপুরা, ভোলা।
- কতুবদিয়া - কুতুবদিয়া, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৮৯.
'পতেঙ্গা' সমুদ্র সৈকত কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) পটুয়াখালী
  2. খ) টেকনাফ
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

- পারকী, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত। লাবনী, হিমছড়ি, ইনানী, সাবরাং ইত্যাদি বিচ কক্সবাজারে অবস্থিত‌।
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালীতে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

১৯০.
জাপান সাগরের তীরে রুশ বন্দর ও নৌঘাঁটি কোনটি?
  1. ক) তাসখন্দ
  2. খ) ভ্লাদিভোস্টক
  3. গ) ক্রেমলিন
  4. ঘ) লেনিনগ্রাড
ব্যাখ্যা
- জাপান সাগর প্রশান্ত মহাসাগরের অন্তর্গত একটি সাগর।
- ভ্লাদিভস্ট জাপান সাগরের তীরে, বৃহৎ অর্থে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত রাশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর এবং নৌঘাটি।
- ১৮৬০ সালে দ্বিতীয় আফিম যুদ্ধের সময় রাশিয়া শহরটি চীনের নিকট থেকে দখল করে নেয়।
- ১৮৭২ সালে প্রশান্ত মহাসাগরের প্রধান রাশিয়ান নৌ ঘাঁটিটি সেখানে স্থানান্তরিত হয় এবং তারপরে ভ্লাদিভোস্টক বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। 
- ভ্লাদিভোস্টক রাশিয়ান দূরপ্রাচ্যের প্রধান শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

উৎস: - Britannica.com
১৯১.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কোন যুগে সৃষ্টি হয়েছে?
  1. টারশিয়ারি যুগে
  2. প্লাইস্টোসিনকালে
  3. সাম্প্রতিককালে
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground) খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।
- এটি প্লাইস্টোসিন কালে সৃষ্টি হয়েছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড অবক্ষেপপূর্ণ ঘোলাটে স্রোত এনে বেঙ্গল ফ্যানে ফেলছে।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের অধিকাংশ পলল গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সঙ্গমস্থলে উদ্ভূত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৯২.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. হোয়াংহো
  2. পদ্মা
  3. মেকং
  4. ইয়াংসিকিয়াং 
ব্যাখ্যা

ইয়াংসিকিয়াং:
- ইয়াংসিকিয়াং চীন ও এশিয়ার দীর্ঘতম নদী।
- এটি বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী।
- এর দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল বা ৬,৩০০ কিমি।
- এই নদীটি চীনে অবস্থিত।
- এটি চীনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী।
- তিব্বতের মালভূমি এর উৎপত্তিস্থল এবং পতিত হয়েছে পূর্ব চীন সাগরে।

অন্যদিকে,
- হোয়াংহো চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী।
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে দীর্ঘ নদী মেকং। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

১৯৩.
এশিয়ার বৃহত্তম নদী কোনটি?
  1. ক) হোয়াংহো
  2. খ) মেকং
  3. গ) ব্রহ্মপুত্র
  4. ঘ) The Yangtze River
ব্যাখ্যা
The Yangtze River, with a length of 6,300 km is the longest Asian River and the third longest river in the world.
Source: worldatlas.com
১৯৪.
মার্গুই দ্বীপপুঞ্জ কোন উপসাগরের অন্তর্গত?
  1. গিনি উপসাগর
  2. মেক্সিকো উপসাগর
  3. পারস্য উপসাগর
  4. বঙ্গোপসাগর
ব্যাখ্যা
মার্গুই দ্বীপপুঞ্জ 
- মার্গুই দ্বীপপুঞ্জ মিয়ানমারের সর্ব দক্ষিণ-পূর্বে তেনাসেরিম নদীর উপকূলে অবস্থিত।
- এই দ্বীপপুঞ্জ 200 টিরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত।
- এটি বঙ্গোপসাগরের অন্তর্গত।
- নয়নাভিরাম অশান্ত উপবন আর আদিম নির্জনতার আধার মিয়ানমারের এই দ্বীপপুঞ্জ।
এছাড়াও, 
- আন্দামান, নিকোবর ও সেন্টমার্টিন দ্বীপ বঙ্গোপসাগরের অন্তর্গত।
 
উল্লেখ্য, 
বঙ্গোপসাগর
- পৃথিবীর বৃহত্তম উপসাগর হল বঙ্গোপসাগর।
- বঙ্গোপসাগরের আয়তন - 21,73,000 বর্গ কিমি।
- এটি মোটামুটিভাবে 5°-22° উত্তর অক্ষাংশ এবং 80°-90° পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। 
- এই উপসাগরের পশ্চিমে শ্রীলঙ্কা এবং ভারত, উত্তরে বাংলাদেশ এবং মায়ানমার অবস্থিত।
- উপসাগরটি প্রায় 1,600 কিমি প্রশস্ত।
- গড় গভীরতা 8,500 ফুট (2,600 মিটার) এর বেশি। 
- সর্বোচ্চ গভীরতা 15,400 ফুট (4,694 মিটার)।
- মহানদী, গোদাবরী, কৃষ্ণা, কাবেরী, গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্র - বেশ কয়েকটি বড় নদী বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
১৯৫.
বাংলাদেশের কোন নদীটি সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. ইছামতী
  4. সাঙ্গু
ব্যাখ্যা
দেশের নদ-নদী: 
- বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের নদ-নদী: সংজ্ঞা ও সংখ্যাবিষয়ক সেমিনার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন দেশের নদ-নদীর সংখ্যা ও তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে।
- দেশে বর্তমানে জীবন্ত নদ-নদীর সংখ্যা ১০০৮।
- সব মিলিয়ে দেশে ২২ হাজার কিলোমিটারের দীর্ঘ নদীপথ রয়েছে।
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা। 
- দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী খুলনা বিভাগের ইছামতী নদী।
- এর পরই রয়েছে বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত সাঙ্গু বা শঙ্খ নদী। 
- দেশের ক্ষুদ্রতম নদী বলা হয়েছে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলায় অবস্থিত গাঙ্গিনা নদীকে (দৈর্ঘ্য ০.০৩২ কিলোমিটার)।
- সবচেয়ে বেশি ৩৬টি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদী মেঘনা।
- সবচেয়ে বেশি নদ-নদী রয়েছে ঢাকা বিভাগে, ২২২টি। 
- জেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নদী রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়, ৯৭টি।

উৎস: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১৯৬.
’ভবদহ বিল’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. যশোর 
  3. রাজশাহী
  4. পাবনা 
ব্যাখ্যা

- ভবদহ বিল যশোর জেলায় অবস্থিত।

যশোর জেলা:
- যশোর জেলায় অবস্থিত নদী সমূহের মধ্যে ভৈরব, চিত্রা, কপোতাক্ষ, হরিহর, দাদরা, বেত্রাবতী, কোদলা ও ইছামতি অন্যতম।
- যশোর জেলার উল্লেখযোগ্য বিল সমূহের মধ্যে রয়েছে ভবদহ, জলেশ্বর, বকর, হরিণা ইত্যাদি।
- প্রতিষ্ঠাকালের দিক থেকে যশোর বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন জেলা।
- এ জেলা সৃষ্টি হয়েছিল প্রায় দুইশত বৎসর পূর্বে ১৭৮৬ সালে।
- স্বাধীন যশোর রাজ্যের যারা শাসক ছিলেন তাঁদের মধ্যে মহারাজ বিক্রমমাদিত্য, রাজা প্রতাপাদিত্য, রাজা সীতারাম রায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৯৭.
আয়তনে ইন্দোনেশিয়ার বৃহত্তম দ্বীপ?
  1. জাভা
  2. সুমাত্রা
  3. বোর্নিও
  4. সুলাওয়েসি
ব্যাখ্যা
• ইন্দোনেশিয়া:
- ১৯ শতকে, ইন্দোনেশিয়া নেদারল্যান্ডের একটি উপনিবেশ ছিল এবং "নেদারল্যান্ডস ইন্ডিজ" নামে পরিচিত ছিল। 
- নেদারল্যান্ডসের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ (১৯৪৫ সালে)।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি (স্বাধীনতার নেতৃত্ব প্রদান) সুকর্ণ।
- বৃহত্তম দ্বীপ - সুমাত্রা (আয়তনে)।
- আচেহ প্রদেশ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায়।
- জনবহুল দ্বীপ - জাভা (রাজধানী জাকার্তায় অবস্থিত)।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৯৮.
কোন মহাসাগরের আকৃতি দেখতে ইংরেজি অক্ষর “S”–এর মতো? 
  1. প্রশান্ত মহাসাগর 
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা

আটলান্টিক মহাসাগর: 
- আটলান্টিক মহাসাগর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগর।
- এর আকৃতি দেখতে অনেকটা ইংরেজি অক্ষর “S”-এর মতো।
- আটলান্টিক মহাসাগর এর গড় গভীরতা ৩৬৪৬ মিটার।
- এটি ইউরোপ ও আফ্রিকাকে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আলাদা করেছে।
- এর গভীরতম স্থান হলো পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ যা ক্যারিবিয়ান সাগরের মধ্যখানে অবস্থিত।
- পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ এর গভীরতম বিন্দু হচ্ছে Milwaukee Deep.
- Milwaukee Deep এর গভীরতা ৮৩৮০ মিটার।
- এই মহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ হচ্ছে- গ্রীনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, বাহামা দ্বীপপুঞ্জ, বারমুডা, জ্যামাইকা, কিউবা, আয়ারল্যান্ড, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র।
- এ মহাসাগরটি প্রাচীন যুগ থেকেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, উপনিবেশ স্থাপন ও সমুদ্র অভিযানের প্রধান পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

অন্যদিকে,
• প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর
- আকৃতিতে এটি বৃহদাকার ত্রিভুজ এর মতো দেখতে।
• ভারত মহাসাগর পৃথিবীর ৩য় বৃহত্তম মহাসাগর।
• আর্কটিক মহাসাগর বা উত্তর মহাসাগর হলো পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম মহাসাগর। 

উৎস: Britannica. 

১৯৯.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ- 
  1. হোনশু
  2. মালদ্বীপ
  3. গ্রিনল্যান্ড
  4. মাদাগাস্কার
ব্যাখ্যা

গ্রিনল্যান্ড:
- গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ।
- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রীনল্যান্ড (স্থানীয় ভাষায় কালালিত নুনাত) পরিচিত এর বিশাল তুন্দ্রা অঞ্চল ও বিশাল হিমবাহের জন্য।
- তাঁরা তাঁদের মাতৃভূমিকে বলেন কালালিত নুনাত, অর্থাৎ "গ্রীনল্যান্ডবাসীদের দেশ”।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানীর নাম নুক (ডেনিশ ভাষায় গোথহোব)।

অপরদিকে,
- মালদ্বীপ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত।
- নিউ গিনি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- বোর্নিও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- মাদাগাস্কার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ।

উৎস: Britannica.

২০০.
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু কোন নদীর উপর নির্মিত?
  1. ঘাঘট নদী
  2. শঙ্খ নদী
  3. ফেনী নদী
  4. ধাইজান নদী
ব্যাখ্যা
♦ ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু
- ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে চালু হচ্ছে ১.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু।
- ২০২১ সালের মার্চে এই সেতুর উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ‘মৈত্রী সেতু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগের নতুন পথের সূচনা করবে।
- আগামী দিনে সেতুটি কার্গো ও ট্রান্সশিপমেন্ট ছাড়াও দুই দেশের যাত্রীদের চলাচলের সুবিধা করবে।’
- ফেনী নদীর উপর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর এবং ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর সংযোগস্থলে অবস্থিত এই সেতু।
- চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরত্বে ত্রিপুরার সাব্রুম।  

উৎস: LIVE MCQ সাম্প্রতিক সমাচার (ফেব্রুয়ারি)।