বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ

মোট প্রশ্ন১৭,৪৩৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ

PrepBank · পাতা ৭৬ / ১৭৪ · ৭,৫০১৭,৬০০ / ১৭,৪৩৭

৭,৫০১.
'বনি আদম' কাব্যগ্রন্থটি কে রচনা করেছেন?
  1. ক) গোলাম সারোয়ার
  2. খ) কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গ) গোলাম মোস্তফা
  4. ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) গোলাম মোস্তফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গোলাম মোস্তফা
ব্যাখ্যা
গোলাম মোস্তফা (১৮৯৭-১৯৬৪):
বাঙালি কবি ও লেখক। গোলাম মোস্তফা পাকিস্তানি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় উর্দুর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন।
তার রচিত কাব্যগ্রন্থঃ রক্তরাগ (১৯২৪), খোশরোজ (১৯২৯), কাব্য-কাহিনী (১৯৩২), সাহারা (১৯৩৬), হাস্নাহেনা (১৯৩৮), বুলবুলিস্তান (১৯৪৯), তারানা-ই-পাকিস্তান (১৯৫৬), বনি আদম (১৯৫৮), গীতিসঞ্চালন (১৯৬৮) ইত্যাদি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫০২.
কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অতিপ্রাকৃত ছোটগল্প নয়?
  1. ক) কঙ্কাল
  2. খ) মনিহারা
  3. গ) ক্ষুধিত পাষাণ
  4. ঘ) নষ্ঠনীড়
সঠিক উত্তর:
ঘ) নষ্ঠনীড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নষ্ঠনীড়
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অতিপ্রাকৃত ছোটগল্প গুলো হলো- কঙ্কাল, নিশীথে, মনিহারা, ক্ষুধিত পাষাণ, গুপ্তধন। উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৭,৫০৩.
সত্তেন্দ্রনাথ দত্তের একটি মৌলিক কাব্য -
  1. ক) অভ্র আবীর
  2. খ) তীর্থ সলিল
  3. গ) তীর্থরেণু
  4. ঘ) বেণু-বীণা
সঠিক উত্তর:
ক) অভ্র আবীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অভ্র আবীর
ব্যাখ্যা

ছন্দের জাদুকর বা ছন্দের রাজা হিসাবে খ্যাত - সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কয়েকটি মৌলিক কাব্যগ্রন্থঃ
সবিতা, সন্ধিক্ষণ, বেণু ও বীণা, কুহ ও কেকা, অভ্র আবীর, হসন্তিকা, বেলা শেষের গান, বিদায় আরতি, কাব্য সঞ্চয়ন ইত্যাদি।
অনুবাদ কাব্যঃ
তীর্থরেণু, মণি মঞ্জূষা।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৭,৫০৪.
"রঞ্জন" চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটকের?
  1. বিসর্জন
  2. রক্তকরবী
  3. মুক্তধারা
  4. ডাকঘর
সঠিক উত্তর:
রক্তকরবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তকরবী
ব্যাখ্যা

• 'রক্তকরবী' নাটক:
- রক্তকরবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাংকেতিক নাটক। নাটকটি বাংলা ১৩৩০ সনের শিলং-এর শৈলবাসে রচিত। তখন এর নামকরণ হয়েছিল যক্ষপুরী।
- ১৩৩০ সনের আশ্বিন মাসে যখন প্রবাসীতে প্রকাশিত হয় তখন এর নাম হয় রক্তকরবী।
- মানুষের অসীম লোভ কীভাবে জীবনের সব সৌন্দর্য ও স্বাভাবিকতাকে অস্বীকার করে মানুষকে নিছক যন্ত্র ও উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপকরণে পরিণত করেছে এবং এর ফলে তার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদ কীরূপ ধারণ করেছে এরই প্রতিফলন ঘটেছে এ নাটকটিতে।
- রক্তকরবীতে ধনের উপর ধান্যের, শক্তির উপর প্রেমের ও মৃত্যুর উপর জীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে।
- নাটকে 'নন্দিনী' চরিত্রটি নিপীড়িত মানুষের মাঝখানে দেখা দিয়েছে আনন্দের দূত রূপে। 'রঞ্জন' বিদ্রোহের বাণী বহন করে এনেছে। শেষপর্যন্ত জয়ী হয়েছে মানুষের প্রাণশক্তি।

উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- নন্দিনী,
- রঞ্জন।

অন্যদিকে,
• 'বিসর্জন' নাটকের চরিত্র- অপর্ণা, জয়সিংহ, রঘুপতি, গুণবতী, গোবিন্দমাণিক্য।
• 'মুক্তধারা' নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র- 'অভিজিৎ'।
• 'ডাকঘর' নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র- ' অমল'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৭,৫০৫.
জন ক্লার্ক মার্শম্যান সম্পাদিত পত্রিকা কোনটি?
  1. সমাচার দর্পণ
  2. গভর্নমেন্ট গেজেট
  3. দিগদর্শন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• জন ক্লার্ক মার্শম্যান:
- জন ক্লার্ক মার্শম্যান ছিলেন মিশনারি, ইতিহাসবিদ, সাংবাদিক। ১৭৯৪ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডের ব্রিস্টলে তাঁর জন্ম।
- ১৮১৮ সালে মার্শম্যান শ্রীরামপুর কলেজ এর অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।
- এছাড়াও তিনি ১৮৩৩ সালে সরকারের অনুবাদক এবং ১৮৪০ সালে Government Gazette এর সম্পাদকের দায়িত্ব লাভ করেন।

তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা:
- দিগদর্শন,
- সমাচার দর্পণ,
- ফ্রেন্ড অব ইন্ডিয়া,
- গভর্নমেন্ট গেজেট।

জন ক্লার্ক মার্শম্যান রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- ভারতবর্ষের ইতিহাস,
- পুরাবৃত্তের সংক্ষিপ্ত বিবরণ,
- জ্যোতিষ গোলাধ্যায়,
- সদগুণ ও বীর্জের ইতিহাস ঈশপস ফেলস,
- Murray's Grammar,
- Outline of the History of Bengal,
- The History of India,
- How Wars Arrive in India,
- ক্ষেত্রবাগান বিবরণ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৭,৫০৬.
সোমেন চন্দের পূর্ণ নাম কী?
  1. ইন্দ্রকুমার সোম
  2. সোমেন্দ্র কুমার
  3. সোমেন চন্দ্র সরকার
  4. সোমেন্দ্র কুমার চন্দ
সঠিক উত্তর:
সোমেন্দ্র কুমার চন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমেন্দ্র কুমার চন্দ
ব্যাখ্যা
সোমেন চন্দ:
- তিনি ছিলেন রাজনৈতিক কর্মী ও সাহিত্যিক। তাঁর পূর্ণ নাম সোমেন্দ্র কুমার চন্দ। এবং সোমেন চন্দের ছদ্মনাম- ইন্দ্রকুমার সোম।
- ফ্যাসিবাদ সমর্থকদের হাতে ছুরিকাহত হয়ে তিনি নিহত হন।
- তাঁর বিখ্যাত গল্প ‘ইঁদুর’ পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- তিনি রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে বিভিন্ন গল্পে গণচেতনা ও অস্তিত্বের সংগ্রামের কথা বলেছেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থ:

- সংকেত ও অন্যান্য গল্প,
- কলকাতা থেকে বনস্পতি,
- অন্যান্য গল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫০৭.
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে রচিত কাব্য কোনটি?
  1. ক) রক্তাক্ত প্রান্তর
  2. খ) কবর
  3. গ) বাবুরের মহত্ত্ব
  4. ঘ) মহাশ্মশান
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহাশ্মশান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহাশ্মশান
ব্যাখ্যা
'মহাশ্মশান' (১৯০৫) কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ রচনা।
- এটি একটি মহাকাব্য।
- এটি ধারাবাহিকভাবে 'কোহিনূর' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 
- এর উপজীব্য ১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ।
- মহাশ্মশান কাব্যের মোট তিনটি খন্ড রয়েছে এবং ৬০টি সর্গ আছে।
- এর চরিত্র: ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা বেগম, হিরণ বালা, আতা খাঁ, ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫০৮.
'কালো বরফ' উপন্যাসের লেখক কে?
  1. মাহমুদুল হক
  2. আল মাহমুদ
  3. হাসান আজিজুল হক
  4. হাসান হাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
মাহমুদুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহমুদুল হক
ব্যাখ্যা
• 'কালো বরফ' উপন্যাসটির লেখক - মাহমুদুল হক।
- এই উপন্যাসে সাতচল্লিশের দেশবিভাগের কাহিনী ব্যাপকভাবে উঠে এসেছে।

• মাহমুদুল হক:
- তিনি ১৯৪০ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৭৭ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি ২০০৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কালো বরফ,
- জীবন আমার বোন (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক),
- খেলাঘর (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক),
- অনুর পাঠশালা,
- নিরাপদ তন্দ্রা,
- অশরীরী,
- মাটির জাহাজ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৫০৯.
বিটিভিতে প্রচারিত শিশু–কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণ অনুষ্ঠানের নাম ‘নতুন কুঁড়ি’ রাখা হয়েছিল কোন কবিতা থেকে?
  1. ডালিম কুমার
  2. কিশোর
  3. হাসু 
  4. এক পয়সার বাঁশী
সঠিক উত্তর:
কিশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিশোর
ব্যাখ্যা

• ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান টেলিভিশনে প্রথম প্রচারিত হয় ‘নতুন কুঁড়ি’। অনুষ্ঠানের নাম রাখা হয়েছিল কবি গোলাম মোস্তফার ‘কিশোর’ কবিতা থেকে। যার প্রথম ১৫ লাইন অনুষ্ঠানের সূচনাসংগীত হিসেবে ব্যবহৃত হতো।

• স্বাধীনতার পর ১৯৭৬ সালে মোস্তফা মনোয়ারের প্রযোজনায় আবার শুরু হয় ‘নতুন কুঁড়ি’। সে সময় বিটিভির অন্যতম আলোচিত এই অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে শিশু-কিশোরদের স্বপ্নের মঞ্চ।

কিশোর- কবিতা,
– গোলাম মোস্তফা।
আমরা নূতন, আমরা কুঁড়ি নিখিল বন-নন্দনে,
ওষ্ঠে রাঙা হাসির রেখা, জীবন জাগে স্পন্দনে।
লক্ষ আশা অন্তরে
ঘুমিয়ে আছে মন্তরে,
ঘুমিয়ে আছে বুকের ভাষা পাঁপড়ি-পাতার বন্ধনে ।

অন্যদিকে,
• জসীম উদ্‌দীনের শিশুতোষ রচনা:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট;লিংক।

৭,৫১০.
'উত্তম পুরুষ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. শওকত ওসমান
  2. জহির রায়হান
  3. শহীদুল্লাহ কায়সার
  4. রশীদ করীম
সঠিক উত্তর:
রশীদ করীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রশীদ করীম
ব্যাখ্যা
• উত্তম পুরুষ:
- রশীদ করীম রচিত এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৬১ সালে।
- উপন্যাসের চরিত্রে মনস্তাত্ত্বিক জটিলতায় কোথাও কোথাও শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির উদ্ভব করেছে।
- আধুনিক মননশীলতা, পরিশীলতা, আঙ্গিক, অভিজ্ঞতার নির্লিপ্ত বর্ণনায় পাঠকের পাঠতৃষ্ণার নিবারণ হয়।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র শাকেরকে ঘিরে সেলিনা, অণিমা, শেখর, মুশতাক, সলিল, চন্দ্রা, নিহার ভাবি, শিশির এ রকম অসংখ্য চরিত্র আবর্তিত হয়েছে।

-------------------
• রশীদ করীম:
- তিনি ১৪ই আগস্ট, ১৯২৫ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৭২), একুশে পদক (১৯৮৪), লেখিকা সংঘ পুরস্কার (১৯৯১), জনকণ্ঠ পুরস্কার (২০০১) লাভ করেন।
- তিনি ২০১১ সালের ২৬শে নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- উত্তমপুরুষ,
- প্রসন্ন পাষাণ,
- আমার যত গ্লানি,
- সোনার পাথর বাটি,
- বড়ই নিঃসঙ্গ,
- লান্সবাক্স ইত্যাদি।

• প্ৰবন্ধ:
- আর এক দৃষ্টিকোণ,
- মনের গহীনে তোমার মুরতিখানি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫১১.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. অমর একুশে
  2. মানচিত্র
  3. শহিদ মিনারে
  4. সোনালি কাবিন
সঠিক উত্তর:
মানচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানচিত্র
ব্যাখ্যা
• 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতাটির রচয়িতা আলাউদ্দিন আল আজাদ। 
- কবিতাটি তাঁর 'মানচিত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- মহান একুশে নিয়ে এটি তাঁর একটি বিখ্যাত কবিতা।

কবিতাটি নিম্নরূপ- 

স্মৃতিস্তম্ভ,
-আলাউদ্দিন আল আজাদ

স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো
চারকোটি পরিবার
খাড়া রয়েছি তো ! যে-ভিত কখনো কোনো রাজন্য
পারেনি ভাঙতে
হীরের মুকুট নীল পরোয়ানা খোলা তলোয়ার
খুরের ঝটকা ধুলায় চূর্ণ যে পদ-প্রান্তে
যারা বুনি ধান
গুণ টানি, আর তুলি হাতিয়ার হাঁপর চালাই
সরল নায়ক আমরা জনতা সেই অনন্য ।
ইটের মিনার
ভেঙেছে ভাঙুক ! ভয় কি বন্ধু, দেখ একবার আমরা জাগরী
চারকোটি পরিবার ।

লেখকের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- মানচিত্র (১৯৬১)
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ (১৯৬২)

উৎস: স্মৃতিস্তম্ভ, আলাউদ্দিন আল আজাদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫১২.
'স্পেনবিজয় কাব্য' এর রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যা
• 'স্পেনবিজয় কাব্য':
- ইসমাইল হোসেন সিরাজী মহাকাব্য লিখতে চেয়েছিলেন। এই প্রচেষ্টার ফসল 'স্পেনবিজয় কাব্যে'। তবে বৈশিষ্ট্যের বিচারে এটি পরিপূর্ণ মহাকাব্য হয়নি।
- 'স্পেনবিজয় কাব্যে' (১৯১৪) মুসলিম বীর তারেক ও স্পেনের সম্রাট রডারিকের সংগ্রামের কাহিনি বর্ণনায় মুসলিমদের অতীত বীরত্বপূর্ণ অধ্যায় নতুন করে তুলে ধরা হয়েছে।

----------------
উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ, 
- উচ্ছ্বাস, 
- উদ্বোধন, 
- স্পেনবিজয় কাব্য। 

উপন্যাস:
- তারা-বাঈ, 
- রায়নন্দিনী, 
- ফিরোজা বেগম। 

• প্রবন্ধ:
- স্বজাতি প্রেম,
- তুর্কিনারি জীবন,
- স্পেনীয় মুসলমান সভ্যতা। 

• ভ্রমন কাহিনি:
- তুরস্ক ভ্রমণ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫১৩.
'তোতা ইতিহাস' গ্রন্থের রচয়িতা-
  1. কামিনী রায়
  2. দীনেশচন্দ্র সেন
  3. জসীমউদ্দীন
  4. চণ্ডীচরণ মুনশী
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীচরণ মুনশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চণ্ডীচরণ মুনশী
ব্যাখ্যা

- চণ্ডীচরণ মুনশী ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের একজন বাঙ্গালি লেখক এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাঙ্গলা ভাষার অন্যতম অধ্যাপক।
- তাঁর রচিত একটি উপাখ্যান 'তোতা ইতিহাস'।
- যা বাঙালা গদ্য সাহিত্যের অন্যতম আদি নিদর্শন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৭,৫১৪.
"শোনা গেল লাসকাটা ঘরে
নিয়ে গেছে তারে
কাল রাতে -ফাল্গুনের রাতের আঁধারে" - কবিতাংশটুর রচয়িতা কে?
  1. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  2. রজনীকান্ত সেন
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
• "শোনা গেল লাসকাটা ঘরে
নিয়ে গেছে তারে;
কাল রাতে -ফাল্গুনের রাতের আঁধারে।
"

-
কবিতাংশটুর জীবনানন্দ দাশের 'আট বছর আগের একদিন' কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।

--------------
আট বছর আগের একদিন
জীবনানন্দ দাশ

"শোনা গেল লাসকাটা ঘরে
নিয়ে গেছে তারে;
কাল রাতে -ফাল্গুনের রাতের আঁধারে
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
মরিবার হলো তার সাধ।
বধূ শুয়ে ছিলো পাশে-শিশুটিও ছিলো

------------------------
জীবনানন্দ দাশ:
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।তাঁর ডাক নাম ছিল মিলু।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ অক্টোবর জীবনানন্দ দাশ কলকাতায় এক ট্রাম-দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক (এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য গ্রন্থ),
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ।

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কবিতার কথা।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
৭,৫১৫.
স্বর্ণকুমারী দেবীর কবিতার সংকলন কোনটি?
  1. বিচিত্রা
  2. বসন্ত উৎসব
  3. স্বপ্নবাণী
  4. গাথা
সঠিক উত্তর:
গাথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাথা
ব্যাখ্যা
• 'গাথা' স্বর্ণকুমারী দেবীর কবিতার সংকলন।

• স্বর্ণকুমারী দেবী:
- তিনি ১৮৫৫ সালের ২৮শে আগস্ট জোড়াসাকোঁর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, নাট্যকার, সাংবাদিক ও সমাজকর্মী।
- স্বর্ণকুমারী দেবী দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এর দশম সন্তান এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ভগ্নী।
- তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক।
- ছোটবেলা থেকেই স্বর্ণকুমারী সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রতিভার ছাপ রাখেন এবং জোড়াসাঁকোর সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল ও সাহিত্য কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
- স্বর্ণকুমারী দেবী দীর্ঘ ত্রিশ বছর মাসিক 'ভারতী' পত্রিকার লেখক ও সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।
- জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও সমাজ সংস্কারে সক্রিয় স্বর্ণকুমারী দেবী বিধবা ও দরিদ্র নারীদের সাহায্যার্থে ’সখী সমিতি’ নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেন।
- ১৯২৭ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ’জগত্তারিণী স্বর্ণ পদকে’ ভূষিত হন।
- ১৯২৯ সালে তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন।
- তিনি ৩রা জুলাই, ১৯৩২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- দীপ নির্বাণ,
- মেবার রাজ,
- মালতী,
- বিদ্রোহ,
- বিচিত্রা,
- স্বপ্নবাণী,
- মিলনরাত্রি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্ত উৎসব,
- দেব কৌতুক।

• তাঁর রচিত কাব্য:
- গাথা,
- কবিতা ও গান।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২. বাংলাপিডিয়া।
৭,৫১৬.
'ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়' স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. জীবনানন্দ দাশ
  2. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
  3. কায়কোবাদ
  4. জসীম উদ্‌দীন
সঠিক উত্তর:
জসীম উদ্‌দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
• 'ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়':
- 'ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়' জসীম উদ্‌দীন রচিত স্মৃতিকথামূলক রচনা। গ্রন্থটি ১৩৬৮ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়। 

- 'ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়' গ্রন্থটি দুই ভাগে ভাগ করা। প্রথম ভাগে রবী ঠাকুরের সাথে লেখকের পরিচয় এবং সম্পর্কের কথা উঠে এসেছে আর দ্বিতীয় ভাগে রবী ঠাকুরের ভাতিজা অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে লেখকের ঘনিষ্টতার চিত্র ফুটে উঠেছে।

-----------------
• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন ছিলেন কবি ও শিক্ষাবিদ। ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি  ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। 
- জসীমউদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে। 'পল্লীকবি' হিসেবে তাঁর বিশেষ ও স্বতন্ত্র পরিচিতি রয়েছে।

- জসীম উদ্‌দীনের কবিত্ব শক্তির প্রকাশ ঘটে ছাত্রজীবনেই। কলেজজীবনে ‘কবর’ কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়। কবি হিসেবে এটি তাঁর এক অসামান্য সাফল্য।

- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। 
- জসীমউদ্দীন জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শীদা গান (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন। 

স্মৃতিকথা ও আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- যাদের দেখেছি,
- ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়,
- জীবন কথা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫১৭.
“কেরী সাহেবের মুন্সী” কার লেখা?
  1. ক) মন্মথ রায়
  2. খ) মনীশ ঘটক
  3. গ) প্রমথনাথ বিশী
  4. ঘ) শিব্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) প্রমথনাথ বিশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রমথনাথ বিশী
ব্যাখ্যা
প্রমথনাথ বিশী রচিত উপন্যাস ও গল্পের মধ্যে প্রধান গ্রন্থ হলো: জোড়াদিঘির চৌধুরী পরিবার (১৯৩৮), কেশবতী (১৯৪১), গল্পের মতো গল্প (১৯৪৫), ডাকিনী (১৯৪৫), ব্রহ্মার হাসি (১৯৪৮), সিন্ধুদেশের প্রহরী (১৯৫৫), চলন বিল (১৯৫৭), অলৌকিক (১৯৫৭), কেরী সাহেবের মুন্সী (১৯৫৮)।
রামরাম বসু উইলিয়াম কেরীকে বাংলা ভাষা শেখান। রামরাম বসু ‘কেরী সাহেবের মুন্সি’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৭,৫১৮.
‘শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. কাজী ইমদাদুল হক
  2. শামসুর রাহমান
  3. আবুল মনসুর আহমদ
  4. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা
⇒ আবুল মনসুর আহমদ রচিত রাজনীতি বিষয়ক গ্রন্থ হলো: 'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর'। গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ সালে।
⇒ তাঁর রচিত আরেকটি রাজনীতি বিষয়ক গ্রন্থ ‘শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু’ (১৯৭৩)।

⇒ আবুল মনসুর আহমদ:
- আবুল মনসুর আহমদ (১৮৯৮-১৯৭৯): সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক।
- আবুল মনসুর আহমদ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকলেও বিদ্রুপাত্মক রচনার লেখক হিসেবেই তিনি সমধিক পরিচিত।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- আয়না ও
- ফুড কনফারেন্স।

তাঁর রচিত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে:
- সত্যমিথ্যা, 
- জীবন ক্ষুধা ও
- আবে-হায়াৎ।

আত্মচরিত:
- আত্মকথা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫১৯.
বদরুদ্দীন উমর কোন সাময়িকী সম্পাদন করেন ?
  1. ক) সংস্কৃতি
  2. খ) সবুজপত্র
  3. গ) নিরুক্ত
  4. ঘ) নারীশক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) সংস্কৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সংস্কৃতি
ব্যাখ্যা

বদরুদ্দীন উমর একজন বাংলাদেশি মার্কসবাদী–লেনিনবাদী তাত্ত্বিক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) (উমর)-এর নেতা।
- তিনি সভাপতি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষক ফেডারেশন এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ছিলেন গণতান্ত্রিক বিপ্লবী জোটের।
- তিনি 'সংস্কৃতি' নামে একটি রাজনৈতিক সাময়িকী সম্পাদনা করেছেন।
উল্লেখযোগ্য রচনা:
- সাম্প্রদায়িকতা (১৯৬৬)
- সংস্কৃতির সংকট (১৯৬৭)
- সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা (১৯৬৮)
- যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ (১৯৭৪)
- যুদ্ধ পূর্ব বাঙলাদেশ (১৯৭৬) ইত্যাদি
[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর]

৭,৫২০.
'মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।' - পংক্তিটির রচয়িতা-
  1. বিদ্যাপতি
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গােবিন্দদাস
  4. কৃষ্ণদাস কবিরাজ
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• 'মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান।' পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এটি তাঁর রচিত 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' কাব্যের অন্তর্গত 'মরণ' কবিতার অংশবিশেষ।

মরণ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মরণ রে,
তুঁহু মম শ্যামসমান।
মেঘবরণ তুঝ, মেঘজটাজুট,
রক্ত কমলকর, রক্ত অধরপুট,
তাপবিমোচন করুণ কোর তব
মৃত্যু-অমৃত করে দান।
তুঁহু মম শ্যামসমান।।

• “ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী” কাব্যের সারসংক্ষেপ:
- ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বৈষ্ণব পদাবলির ধারার এবং ব্রজবুলি ভাষায় লিখিত একটি কাব্য।
- ১২৯১ সনে আষাঢ়ের মাঝামাঝি এ কাব্যটির প্রকাশকালে কবির নাম হিসেবে আখ্যাপত্রে লিখিত হয় ভানুসিংহ ঠাকুর। আর গ্রন্থটির প্রকাশক হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।                                                                                                                                      
- প্রকাশকের বিজ্ঞাপনে বলা হয়: ভানুসিংহের পদাবলী শৈশব সঙ্গীতের আনুষঙ্গিক স্বরূপে প্রকাশিত হইল। ইহার অধিকাংশই পুরাতন কালের খাতা হইতে সন্ধান করিয়া বাহির করিয়াছি।
- ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' গ্রন্থে বর্তমানে মোট ২০টি পদ রয়েছে।
-  উল্লেখযোগ্য কবিতা- মরণ, প্রশ্ন।
- ‘মরণ’ কবিতার বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি: "মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যামসমান।"

উৎস: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী কাব্যগ্রন্থ এবং 'মরণ' কবিতা। 
৭,৫২১.
'বীরবল' ছদ্মনামে কে লিখতেন?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. সমরেশ বসু
  4. প্রমথ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন। 

প্রমথ চোধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। 
- তেল নুন লকড়ি - প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। 

• প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫২২.
জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. মাল্যবান
  2. রূপসী বাংলা
  3. কল্যাণী
  4. সতীর্থ
সঠিক উত্তর:
রূপসী বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা
⇒ ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থ: 
• জীবনানন্দ দাশ রচিত ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় কবির মৃত্যুর পর, ১৯৫৭ সালে।
• গ্রন্থটি উৎসর্গ কারা হয় ‘আবহমান বাংলা, বাঙালী’কে।
• ‘সেইদিন এই মাঠ’ রূপসীয় বাংলা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা। কবিতার স্তবক-সংখ্যা দুটি। প্রমথটি নয় পঙক্তি বিশিষ্ট দ্বিতীয়টি চার পঙক্তির।

⇒ জীবনানন্দ দাশ:

- জীবননান্দ দাশ আধুনিক যুগের এবং ত্রিশের দশকের অন্যতম কবি।
- তিনি ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে “চিত্ররূপময়” কবিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- তাঁকে বলা হয়ে থাকে- ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলার কবি।

• জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- মাল্যবান;
- সতীর্থ;
- কল্যাণী।

• জীবনানন্দের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক, [প্রথম কাব্যগ্রন্থ]
- ধূসর পাণ্ডুলিপি, 
- বনলতা সেন, 
- সাতটি তারার তিমির, 
- রূপসী বাংলা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড সৌমিত্র শেখর।
৭,৫২৩.
হুমায়ুন কবির রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ কোনটি?
  1. অষ্টাদশী
  2. সাথী
  3. স্বপ্নসাধ
  4. বাংলার কাব্য
সঠিক উত্তর:
বাংলার কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলার কাব্য
ব্যাখ্যা
হুমায়ুন কবির:
- তিনি ফরিদপুর জেলার কোমরপুর গ্রামে ১৯০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম খান বাহাদুর কবিরুদ্দিন আহমদ।
- লেখক ও রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি বেশ খ্যাতি কুঁড়িয়েছেন।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- বাংলার কাব্য
- মার্কসবাদ, 
- শিক্ষক ও শিক্ষার্থী,

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নসাধ, 
- সাথী, 
- অষ্টাদশী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫২৪.
রামমোহন রায় রচিত ব্যকরণ গ্রন্থের নাম কী?
  1. ক) ব্যকরণ কৌমুদী
  2. খ) সম্বাদ কৌমুদী
  3. গ) গোড়ীয় ব্যকরণ
  4. ঘ) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
সঠিক উত্তর:
গ) গোড়ীয় ব্যকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গোড়ীয় ব্যকরণ
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায় একজন সমাজসংস্কারক এবং বাংলা গদ্যের প্রস্তুতীকালীন লেখকদের একজন৷
তিনিই প্রথম বাঙালি যিনি বাংলা ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যকরণ 'গৌড়ীয় ব্যকরণ' (১৮৩৩) রচনা করেন৷
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৭,৫২৫.
'অপু' চরিত্রটি পাওয়া যায় কোন উপন্যাসে?
  1. ক) আরণ্যক
  2. খ) আদর্শ হিন্দু হোটেল
  3. গ) বিষবৃক্ষ
  4. ঘ) অপরাজিত
সঠিক উত্তর:
ঘ) অপরাজিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অপরাজিত
ব্যাখ্যা
'অপরাজিত' (১৯৩১) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। 
- এটি তাঁর প্রথম উপন্যাস 'পথের পাঁচালী' এর পরিপূরক কথাশিল্প।
- উপন্যাসটি ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় মাসিক 'প্রবাসি' তে।
- উপন্যাসটির প্রথম নামকরণ করা হয়েছিল 'আলোর সারথি'।
চরিত্র: অপু, অপর্ণা, লীলা, কাজল প্রমুখ। 

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত অন্যান্য উপন্যাস-
- পথের পাঁচালী (১৯২৯),
- আরণ্যক (১৯৩৮),
- দৃষ্টি প্রদীপ (১৯৩৫),
- আদর্শ হিন্দু হােটেল (১৯৪০),
- দেবযান (১৯৪৪),
- ইছামতী (১৯৪৯)
- অশনি সংকেত (১৯৫৯) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫২৬.
বাংলা কাব্যসাহিত্যে ইটালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন কে?
  1. কায়কোবাদ
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. ফররুখ আহমদ
  4. আল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল’।
- ‘বীরবলেন হালখাতা’ তাঁর রচিত প্রথম চলিত রীতির গদ্য রচনা।
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

• প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
• বাংলা ভাষার সনেট এর প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। 

অন্যদিকে,
• কায়কোবাদ মুসলমান কবিদের মধ্যে সর্বপ্রথম সনেট এবং মহাকাব্য রচনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫২৭.
জসীম উদ্‌দীন রচিত 'কবর' কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. বালুচর
  2. রাখালী
  3. মাটির কান্না
  4. সোজন বাদিয়ার ঘাট
সঠিক উত্তর:
রাখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখালী
ব্যাখ্যা

• 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীন রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী। কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- এতে মোট ১৯টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।

--------------------
• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ। তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীম উদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- পল্লীবধূ,
- মধুমালা,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

শিশুতোষ গ্রন্থ:
- এক পয়সার বাঁশী,
- হাসু,
- ডালিম কুমার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

৭,৫২৮.
স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিক অস্থিরতাকে আশ্রয় করে রশীদ করিম রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. উত্তম পুরুষ
  2. আমার যত গ্লানি
  3. প্রসন্ন পাষান
  4. সোনার পাথ বাটি
সঠিক উত্তর:
আমার যত গ্লানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমার যত গ্লানি
ব্যাখ্যা
রশীদ করিমের জন্ম কলকাতায়।
তার রচিত সাহিত্যকর্ম:
উপন্যাস -
- উত্তমপুরুষ
- প্রষন্ন পাষাণ
- আমার যত গ্লানি
- সোনার পাথর বাটি ইত্যাদি।

প্রবন্ধ -
- আর এক দৃষ্টিকোণ,
- মনের গহীনে তোমার মুরতিখানি

স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিক অস্থিরতাকে আশ্রয় করে রশীদ করিম রচনা করেন 'আমার যত গ্লানি' উপন্যাসটি।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- নায়ক এরফান অন্তর্গতভাবে দহন হবার ফলে সামাজিক কঠিন বাস্তবতার কাছে বারংবার পরাজিত হয়।
- কিন্তু অন্তরাত্মাকে সজাগ রাখে বলে শেষ অবধি সে অপরাজিত থাকে।
- এই অপরাজেয় মানসিকতাই উপন্যাসের মূলসুর।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫২৯.
'নেমেসিস' নাটকটি রচনা করেন কে?
  1. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  2. বিজন ভট্টাচার্য
  3. নুরুল মোমেন
  4. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
সঠিক উত্তর:
নুরুল মোমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল মোমেন
ব্যাখ্যা
'নেমেসিস' নাটক:
- 'নেমেসিস' নুরুল মোমেন রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক।
- ১৯৩৯-৪৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নুরুল মোমেন ১৯৪৪ সালে নাটকটি লেখেন এবং ‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়।
- নাটকটি গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায় ১৯৪৮ সালে।
- নাটকটি স্কুল মাস্টার সুরজিত নন্দী নামের এক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক। এক চরিত্র বিশিষ্ট এমন নাটক বাংলা সাহিত্যে কম বলে ‘নেমেসিস’ উল্লেখযোগ্য।
- এ নাটকে সমকালীন দুর্ভিক্ষ, মজুতদারদের পিশাচবৃত্তি ও নিরন্নদের হাহাকারের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
- 'নেমেসিস' নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম- সুরজিত নন্দী।

নুরুল মোমেন এর বিখ্যাত নাটক:
- যদি এমন হতো,
- নয়া খান্দান,
- আলোছায়া,
- আইনের অন্তরালে,
- শতকরা আশি,
- রূপলেখা,
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৩০.
'বিষবৃক্ষ' কোন ধরনের উপন্যাস?
  1. ঐতিহাসিক উপন্যাস
  2. কাব্যধর্মী উপন্যাস
  3. সামাজিক উপন্যাস
  4. গোয়েন্দা উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
সামাজিক উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক উপন্যাস
ব্যাখ্যা

‘বিষবৃক্ষ’ উপন্যাস:
- 'বিষবৃক্ষ' (১৮৭৩) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সামাজিক উপন্যাস।
- উপন্যাসের কাহিনির সঙ্গে বিধবা বিবাহ, পুরুষের একাধিক বিবাহ, পুরুষের রূপতৃষ্ণা ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব, নারীর আত্মসম্মান ও অধিকারবোধ প্রভৃতি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
- চরিত্রায়ণে, ঘটনা সংস্থানে এবং জীবনের কঠিন সমস্যার রূপায়ণে 'বিষবৃক্ষ' বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- বাল্যবিধবা কুন্দনন্দিনীর প্রেম ও কামনার বিকাশকে তৎকালীন সমাজ যে প্রশ্রয় দেয় নি, এ উপন্যাস তার প্রমাণ।
- লেখকও মনে করেছেন, কুন্দনন্দিনীর কাহিনি পাঠ করার ফলে ঘরে ঘরে অমৃত ফলবে অর্থাৎ এ ধরনের প্রণয়াকাঙ্ক্ষা রহিত হবে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কী চেয়েছেন সেটি মুখ্য নয়। 'বিষবৃক্ষে' তিনি সমস্যার যে যথার্থ রূপায়ণ করতে পেরেছেন এটাই আসল।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ, হীরা, সূর্যমুখী ইত্যাদি।
- 'বিষবৃক্ষ' আজও শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোর একটি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

৭,৫৩১.
সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. টুনি মেম
  2. শবনম
  3. চাচা-কাহিনী
  4. সুড়ঙ্গ
সঠিক উত্তর:
শবনম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শবনম
ব্যাখ্যা

•'শবনম' সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত উপন্যাস।

• সৈয়দ মুজতবা আলী:

- তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।
- ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল মৌলভীবাজারের উত্তরসুর গ্রামে।
- সৈয়দ মুজতবা আলী 'দেশে বিদেশে' গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে প্রথম প্রবেশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফসল এই গ্রন্থখানি।

সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম।

সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত ছোটগল্পগ্রন্থ:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

অন্যদিকে,
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচিত নাটক - সুড়ঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৭,৫৩২.
কোনটি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় এর ঐতিহাসিক নাটক?
  1. সাজাহান
  2. পরপারে
  3. সোহরাব - রুস্তম
  4. সীতা
সঠিক উত্তর:
সাজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাজাহান
ব্যাখ্যা
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় এর ঐতিহাসিক নাটক সাজাহান.

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়:
- ১৯ জুলাই, ১৮৬৩ সালে নদীয়ার কৃষ্ণনগরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা সমবেত কণ্ঠসঙ্গীতের প্রবর্তক।
- তিনি বাংলা নাটকে প্রথম দ্বন্দ্বমূলক চরিত্র সৃষ্টি করেছেন।
• নাটক:
• ঐতিহাসিক নাটক:
সাজাহান,
মেবার পতন , 
নূরজাহান, 
প্রতাপসিংহ, 
তারাবাঈ, 
সিংহল বিজয়, 
তাপসী।

রোমান্টিক নাটক:
সীতা, ভীষ্ম, সোহরাব- রুস্তম।

সামাজিক নাটক:
পরপারে, বঙ্গনারী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
৭,৫৩৩.
কাজী আবদুল ওদুদ রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) নদীবক্ষে
  2. খ) নদী ও নারী
  3. গ) নারী
  4. ঘ) অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী
সঠিক উত্তর:
ক) নদীবক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নদীবক্ষে
ব্যাখ্যা
কাজী আবদুল ওদুদ (১৮৯৪- ১৯৭০) রচিত উপন্যাস হলো 'নদীবক্ষে'৷
তিনি একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, চিন্তাবিদ ছিলেন। তার জন্ম ফরিদপুর জেলার পাংশা উপজেলার বাগমারা গ্রামে।
'আজাদ' (১৯৪৮) তাঁর আরেকটি উপন্যাস।
নাটকও রচনা করেন দু’টি, পথ ও বিপথ (১৯৩৯) এবং মানব-বন্ধু (১৯৪১)। মানব-বন্ধু পরবর্তীকালে তরুণ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৩৪.
‘নক্সী কাঁথার মাঠ’ প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৩২ সালে
  2. ১৯২৯ সালে
  3. ১৯২৫ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৯ সালে
ব্যাখ্যা
নক্সী কাঁথার মাঠ:
- 'নক্সী কাঁথার মাঠ' জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'নক্সীকাঁথার মাঠ' গ্রন্থের প্রথম অংশে আছে চাষির ছেলে রূপাই ও পাশের গ্রামের মেয়ে সাজুর প্রথম পরিচয় থেকে তাদের অনুরাগের বিকাশ ও বিবাহ এবং কয়েক মাসের সুখময় জীবনের কথা।
- দ্বিতীয় অংশের বিষয় তাদের বিচ্ছেদ।
- পূর্ববঙ্গ গীতিকায় যে বর্ণনাভঙ্গি এবং ভাষারীতি; জসীমউদ্‌দীন তাকে অবলম্বন করেছেন।
- গ্রামীণ জীবনের মাধুর্য ও কারুণ্য, বৈচিত্র্যহীন ক্লান্তিকরতা এবং মানুষের অসহায়তা এই কাব্যের উপকরণ।
- আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এই কাব্য এক বিশেষ স্বাতন্ত্র্য নিয়ে লেখা হয়েছিল।
- ১৯৩৯ সালে E.M Milford, The Field of the Embroidered Quilt নামে এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থ হলো:
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে,
- বালুচর,
- রাখালী,
- রূপবতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৩৫.
ড. সুকুমার সেন বাংলার গদ্যরীতির কয়টি স্তর নির্দেশ করেছেন?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• ১৫৫৫ সালে আসামরাজকে লেখা কোচবিহারের রাজার একটি পত্রকে বাংলা গদ্যের প্রাপ্ত প্রাচীনতম নিদর্শন বলে মনে করা হয়।
• ষোল শতক থেকে গদ্যরীতির সূচনা হলেও উনিশ শতকের পূর্ব পর্যন্ত এই সুদীর্ঘ সময়ে প্রয়োজনের মধ্যে তা সীমাবদ্ধ থাকে।
• পশ্চাতে খ্রিষ্টান পসরা সাজিয়ে আগত পর্তুগিজ পাদ্রিদের হাতেই বাংলা গদ্যের ব্যাপক ব্যবহারের সূত্রপাত হয়।

• ড. সুকুমার সেন বাংলার গদ্যরীতির চারটি স্তর নির্দেশ করেছেন। যথা:
১. সূচনা: ষোল শতক-১৮০০ সালের পুর্ব পর্যন্ত।
২. উন্মেষ: ১৮০০-১৮৪৭ সালের পুর্ব পর্যন্ত।
৩. অভ্যুদয়: ১৮৪৭-১৮৬৫ সালের পুর্ব পর্যন্ত।
৪. পরিণতি ১৮৬৫ থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত।


উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৭,৫৩৬.
‘ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি’- গানটির গীতকার কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  3. ইমন সাহা
  4. ররীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
⇒ কালজয়ী সঙ্গীতস্রষ্টা কাজী নজরুল ইসলাম:
• কালজয়ী সঙ্গীতস্রষ্টা কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬) সৃষ্টি সুখের উল্লাসে মেতে রচনা করেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার গান।
• এই মহান স্রষ্টার অনন্য সাধারণ সৃষ্টি বিশ শতকের বিশের দশকের শুরু থেকে চল্লিশের দশকের প্রথমাবধি সঙ্গীতরস সন্ধানীদের মাতিয়ে তোলে।
• উল্লেখ্য, ১৯২৮ থেকে ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় পনের বছর তিনি ছিলেন গ্রামোফোন, বেতার, চলচ্চিত্র ও মঞ্চ এই চারটি প্রচার মাধ্যমের অন্যতম প্রধান সঙ্গীতস্রষ্টা।
• পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে দেশকে মুক্ত করার লক্ষ্যে গণজাগরণ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে দেশাত্মবোধক সঙ্গীতের ক্ষেত্রে তখন গভীর শূন্যতা বিরাজ করছিল। তিনি সে শূন্যতা পূরণে সমর্থ হন।
• বীররসের এক অভূতপূর্ব ব্যঞ্জনায় তাঁর দেশাত্মবোধক গান সকলকে উদ্দীপ্ত করে। তাঁর সঙ্গীতের আত্মবিসর্জনকারী আহ্বান ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’, ‘কারার ঐ লৌহ-কপাট’, ‘মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম’ ইত্যাদি।
• পরাধীনতার বিরুদ্ধে এই গানগুলো ছিল নজরুলের সংগ্রামমূলক। এ ধরনের গানে সঙ্গীত রচয়িতা হিসেবে তাঁর প্রতিভার সর্বোচ্চ প্রকাশ ঘটে।
• দেশপ্রেমের মাধুর্যমণ্ডিত গান রচনার ক্ষেত্রেও তাঁর সাফল্য উল্লেখযোগ্য। যেমন- একি অপরূপ রূপে মা তোমায়’, ‘ও ভাই খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি আমার দেশের মাটি’ ইত্যাদি।

উৎস: জনকণ্ঠ রিপোর্ট।
৭,৫৩৭.
কোন বাঙালি সাহিত্যিক প্রথম গ্রামীণ ক্ষুদ্রঋণ ও গ্রাম উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতিষ্ঠা করে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. বেগম রোকেয়া
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম গ্রামীণ ক্ষুদ্রঋণ ও গ্রাম উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতিষ্ঠা করেন। 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ মে ১৮৬১ – ৭ আগস্ট ১৯৪১; ২৫ বৈশাখ ১২৬৮ – ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ)
- তিনি ছিলেন অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীতস্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, অভিনেতা, কণ্ঠশিল্পী, দার্শনিক, সমাজসেবী ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি হিন্দু মুসলিম মিলনের জন্য রাখীবন্ধন উৎসবের সূচনা করেন। 
- তিনি ১৮৮৪ সালে ব্রাহ্মস্মাজের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 
- বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে 'তিনি আমার সোনার বাংলা' রচনা করেন। 
- পাঞ্জাবের জালিনওয়ালাবাগ হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে "নাইটহুড বা স্যার' উপাধি ত্যাগ করেন ১৯১৯ সালের এপ্রিলে। 
- ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি এশীয়দের মধ্যে সাহিত্যে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

> প্রথম প্রকাশিত কবিতা: 'হিন্দুমেলার উপহার' (১৮৭৪)
> প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: 'কবি-কাহিনি' (১৮৭৮)
> প্রথম নাটক: 'বাল্মীকি প্রতিভা' (১৮৮১)
> প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস: 'বৌঠাকুরানীর হাট' (১৮৮৩)
> প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প: 'ভিখারিনী' (১৮৭৪)
> প্রথম প্রবন্ধ: 'বিবিধ প্রসঙ্গ' (১৮৮৩) 
>  শেষ উপন্যাস: 'চার অধ্যায়'
> সর্বশেষ প্রবন্ধগ্রন্থ: 'সভ্যতার সংকট' (১৯৪১)

উৎস:বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৩৮.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন-
  1. ক) উইলিয়াম কেরি
  2. খ) জোশুয়া মার্শম্যান
  3. গ) লর্ড ওয়েলেসলি
  4. ঘ) ফোর্ট উইলিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড ওয়েলেসলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা
লর্ড ওয়েলেসলি ১৮০০ খ্রিস্টাব্দের ৪ মে কলকাতার লালবাজারে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। ২৪ শে নভেম্বর থেকে কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়। কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যক্ষ ছিলেন উয়িলিয়াম কেরি।
শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
৭,৫৩৯.
'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথের একটি-
  1. উপন্যাস
  2. কবিতা
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. নাটক
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা
শেষের কবিতা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'শেষের কবিতা' তাঁর একটি রোমান্টিক উপন্যাস।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে।
- এটিকে কাব্যোপন্যাসও বলা হয়।
- শেষের কবিতা উপন্যাস বিংশ শতকের বাংলার নবশিক্ষিত অভিজাত সমাজের জীবনকথা।
- উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র:
- অমিত,
- কেতকী ও
- লাবণ্য।
- উপন্যাসের কতিপয় বাক্য আজও জনপ্রিয়। যথা:
- ফ্যাশনটা হলো মুখোশ, স্টাইলটা হলো মুখশ্রী।
- কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও - 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস:
- বৌ ঠাকুরাণীর হাট,
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চতুরঙ্গ, 
- চার অধ্যায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫৪০.
“বাড়ীর কাছে আরশীনগর, সেথায় এক পড়শী বসত করে ... “ এই পঙক্তিটি কার লেখা?
  1. ক) পাগলা কানাৈই
  2. খ) সিরাজ সাঁই
  3. গ) লালন শাহ
  4. ঘ) মদন বাউল
সঠিক উত্তর:
গ) লালন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লালন শাহ
ব্যাখ্যা
লালন শাহ বাউল সাধক ও বাউল কবি। তার গানগুলো আধ্যাত্মভাব ও মরমি রসব্যঞ্জনা সমৃদ্ধ। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গান--
খাচার ভিতর অচিন পাখি, বাড়ির কাছে আরশী নগর, আমার ঘরের চাবি পরের হাতে, সময় গেলে সাধন হবে না প্রভৃতি।
৭,৫৪১.
'রোহিণী' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কোন উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র? 
  1. কৃষ্ণকান্তের উইল
  2. বিষবৃক্ষ
  3. চন্দ্রশেখর
  4. রাজসিংহ
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকান্তের উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকান্তের উইল
ব্যাখ্যা

• 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাস:
- 'কৃষ্ণকান্তের উইল' (১৮৭৮) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং সমকালে বিতর্কিত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিধবা নারী 'রোহিণী'কে অবলম্বন করে -বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নিজেই শিল্পবোধ ও নৈতিক আদর্শের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন।
- ঔপন্যাসিকের জীবদ্দশায় এই গ্রন্থের চারটি সংস্করণ হয়। প্রধান চরিত্র: রোহিণী, গোবিন্দলাল, ভ্রমর ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র- নগেন্দ্রনাথ, কুন্দনন্দিনী, সূর্যমুখী, হীরা ইত্যাদি।
• 'চন্দ্রশেখর' উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলি হলো- চন্দ্রশেখর, শৈবলিনী এবং প্রতাপ।
• 'রাজসিংহ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলির মধ্যে আছেন- রাজসিংহ, ঔরঙ্গজেব এবং জেবউন্নিসা।

------------------------
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৭,৫৪২.
কৃষকদের দুঃখ দুর্দশা ও মুক্তির পথ নির্দেশ করে আবুল হুসেন রচিত গ্রন্থ -
  1. বাংলার বলশী
  2. পল্লীসমাজ
  3. বাংলাদেশের কৃষকের সংগ্রাম
  4. রুদ্ধদ্বার মুক্তপ্রাণ
সঠিক উত্তর:
বাংলার বলশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলার বলশী
ব্যাখ্যা
⇒ আবুল হুসেন:
• আবুল হুসেন একজন প্রাবন্ধিক, চিন্তাবিদ, সমাজ সংস্কারক ছিলেন।
• আবুল হুসেন মুসলমান সমাজে আধুনিক শিক্ষা ও জ্ঞানের আলো বিস্তারের উদ্দেশ্যে লেখনী পরিচালনা করেন।
• আবুল হুসেন ছিলেন 'শিখা' পত্রিকার প্রথম বর্ষের সম্পাদক।

• তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম: - বাংলার বলশী, মুসলিম কালচার ও বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা সমস্যা ইত্যাদি।
• “বাংলার বলশী” গ্রন্থে তিনি কৃষকদের দুঃখ দুর্দশা চিহ্নিত করে তাদের মুক্তির পথ নির্দেশ করেন। মননশীল প্রবন্ধকার হিসেবে তিনি কৃষক-সমাজের দুঃখ-দুর্দশার মুক্তির পথ নির্দেশ করেন তাঁর 'বাংলার বলশী' গ্রন্থের প্রবন্ধসমূহে।
• রুশবিপ্লবের প্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ‘কৃষকের আর্তনাদ’, ‘কৃষকের দুর্দশা’ ও ‘কৃষি বিপ্লবের সূচনা' নামক প্রবন্ধ রচনা করেন।
• ঢাকায় যে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন হয় তাতে আবুল হুসেনই নেতৃত্ব দেন ।
• তিনি ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ (১৯২৬) গঠন এবং এর মুখপত্র শিখা সম্পাদনা ও প্রকাশ করে এ আন্দোলনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন।

অন্যদিকে,
- ‘পল্লীসমাজ’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।
- ‘বাংলাদেশের কৃষকের সংগ্রাম’ ও ‘রুদ্ধদ্বার মুক্তপ্রাণ’ সত্যের সেন রচিত উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫৪৩.
কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত 'ধূমকেতু' পত্রিকা কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯২০ সালে
  2. ১৯৩২ সালে
  3. ১৯২২ সালে
  4. ১৯৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২২ সালে
ব্যাখ্যা
'ধূমকেতু' পত্রিকা:
- কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় অর্ধসপ্তাহিক পত্রিকা ধূমকেতু (১৯২২)।
- পত্রিকাটি সপ্তাহে দুবার প্রকাশিত হতো।
- বিশের দশকে অসহযোগ ও খিলাফত আন্দোলনের ব্যর্থতার পর সশস্ত্র বিপ্লববাদের পুনরাবির্ভাবে ধূমকেতু পত্রিকার তাৎপর্যপূর্ণ অবদান    ছিল।
- এক অর্থে এ পত্রিকা হয়ে উঠেছিল সশস্ত্র বিপ্লবীদের মুখপত্র।
- পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো ‘কাজী নজরুল ইসলাম কল্যাণীয়েষু, আয় চলে আয়রে ধূমকেতু'।
- ধূমকেতুর ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯২২ সংখ্যায় নজরুলের প্রচ্ছন্ন রাজনৈতিক কবিতা ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ প্রকাশিত হলে ৮ নভেম্বর পত্রিকার ওই সংখ্যাটি নিষিদ্ধ করা হয়।

কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ  (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। 
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

- তাঁর সাহিত্যকর্ম:
কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- চক্রবাক,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- নতুন চাঁদ,
- পুবের হাওয়া,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- দোলনচাঁপা,
- চন্দ্রবিন্দু,
- সিন্ধু হিন্দোল,
- ভাঙার গান,
- সন্ধ্যা ইত্যাদি।

উপন্যাস:
- বাঁধনহারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

গল্পগ্রন্থ:
- ব্যথার দান,
- রিক্তের বেদন,
- শিউলিমালা।

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- যুগবাণী,
- রাজবন্দীর জবানবন্দী,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- রুদ্রমঙ্গল।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৩) বাংলা প্রথম পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৪৪.
'এখন দুঃসময়' নাটক কে রচনা করেছেন?
  1. হাসান আজিজুল হক
  2. মাহমুদুল হক
  3. আবদুল্লাহ আল মামুন
  4. সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ আল মামুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা
• 'এখন দুঃসময়' নাটক আবদুল্লাহ আল মামুন রচনা করেছেন।

• আব্দুল্লাহ আল মামুন:

- তিনি একজন প্রসিদ্ধ বাংলাদেশী অভিনেতা, নাট্যকার, নির্দেশক, চলচ্চিত্র পরিচালক।
- ১৯৪২ সালের ১৩ জুলাই জামালপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর মৃত্যু ২১ আগস্ট ২০০৮।

• তার রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক:
- অরক্ষিত মতিঝিল,
- সুবচন নির্বাসনে,
- এখন দুঃসময়,
- সেনাপতি,
- এখনও ক্রীতদাস,
- কোকিলারা,
- মেরাজ ফকিরের মা,

• তাঁর লিখিত উপন্যাস:
- মানব তোমার সারা জীবন,
- হায় পার্বতী,
- খলনায়ক,
- আহ্ দেবদাস,
- তাহাদের যৌবনকাল,
- এই চুনীলাল,
- গুন্ডাপান্ডার বাবা।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড সৌমিত্র শেখর) ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৪৫.
'ইয়ংবেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন-
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. জোশুয়া মার্শম্যান
  3. হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
  4. জর্জ আব্রাহাম গ্রিয়ারসন
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
ব্যাখ্যা

• হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও:
- হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ছিলেন একজন ইউরেশীয় তরুণ কবি, যুক্তিবাদী, চিন্তাবিদ ও শিক্ষক।

- তরুণ হেনরী লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ১৮২৬ সালে মাত্র সতেরো বছর বয়সে কলকাতা হিন্দু কলেজের শিক্ষক নিযুক্ত হন।
- হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ১৮২৮ সালে 'অ্যাকাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন' নামে সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।

- 'ইয়ংবেঙ্গল' ডিরোজিও প্রভাবিত এক তরুণ ছাত্রগোষ্ঠী। ছাত্রদেরকে জ্ঞানানুরাগী হতে এবং যে কোন অন্ধবিশ্বাস পরিত্যাগ করতে দীক্ষা দিয়েছিলেন ডিরোজিও। এ ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত ছিল ইতিহাস আর দর্শন। তাঁর উপদেশ ছিল 'সত্যের জন্য বাঁচা, সত্যের জন্য মরা'।

---------------
ইয়ংবেঙ্গল নিয়ে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
• 'ইয়ংবেঙ্গল' ডিরোজিও প্রভাবিত এক তরুণ ছাত্রগোষ্ঠী। 'ইয়ংবেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও।
• ইয়ংবেঙ্গলদের নিয়ে মদধুসূদন দত্তের বিখ্যাত প্রহসন: 'একেই কি বলে সভ্যতা'।
• হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও অনুসারীরা ছিলেন: মুক্তচিন্তক গোষ্ঠী।
• 'ইয়ং বেঙ্গলে' ডিরোজিও প্রভাবিত তাঁর প্রিয় ছাত্রগোষ্ঠী ছিলেন: কৃষ্ণমোহ্ন বন্দ্যোপাধ্যায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, রামগোপাল ঘোষ, রামতনু লাহিড়ী, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, প্যারীচাঁদ মিত্র, এবং তারাচাঁদ চক্রবর্তী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

৭,৫৪৬.
'বনস্পতি' গল্পের রচয়িতা কে?
  1. ক) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. খ) শহীদ কাদরী
  3. গ) সোমেন চন্দ
  4. ঘ) হুমায়ুন কবির
সঠিক উত্তর:
গ) সোমেন চন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোমেন চন্দ
ব্যাখ্যা
সোমেন চন্দ্র রচিত গল্প- বনস্পতি, ইঁদুর, দাঙ্গা, সংকেত, স্বপ্ন ইত্যাদি। উৎস: শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
৭,৫৪৭.
প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. ফেরারী ফৌজ
  2. হরিণ চিতা চিল
  3. প্রথমা
  4. প্রতিশোধ
সঠিক উত্তর:
প্রতিশোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিশোধ
ব্যাখ্যা
• প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত উপন্যাস: প্রতিশোধ।

অন্যদিকে, 
ফেরারী ফৌজ, হরিণ চিতা চিল, প্রথমা - প্রেমেন্দ্র মিত্র রচিত কাব্যগ্রন্থ।

• প্রেমেন্দ্র মিত্র:
- প্রেমেন্দ্র মিত্র একাধারে কবি, কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, সম্পাদক।
- তাঁর জন্ম ১৯০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কাশিতে।
- তিনি কল্লোল পত্রিকার একজন নিয়মিত লেখক ছিলেন।
- প্রেমেন্দ্র মিত্র কলকাতার সাউথ সাবার্বন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক (১৯২০) পাস করে সাহিত্য-সাধনায় মনোযোগী হয়ে ওঠেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- প্রথমা,
- সম্রাট,
- ফেরারী ফৌজ,
- সাগর থেকে ফেরা,
- হরিণ চিতা চিল,
- কখনো মেঘ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পঞ্চশর, 
- বেনামী বন্দর, 
- পুতুল ও প্রতিমা, 
- মৃত্তিকা ইত্যাদি।
 
তাঁর রচিত উপন্যাস: 
- পাঁক, 
- কুয়াশা, 
- মিছিল, 
- উপনয়ন , 
- আগামীকাল, 
- প্রতিশোধ, 
- প্রতিধ্বনি ফেরে ইত্যাদি। 
 
উৎস:
১)বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫৪৮.
'মামলার ফল' - ছোটগল্পটির লেখক কে?
  1. শওকত আলী
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. শওকত ওসমান
  4. সিকান্দার আবু জাফর
সঠিক উত্তর:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

• 'মামলার ফল' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ছোটগল্প।
'মামলার ফল' গল্পে দুই ভাইয়ের (শিবু ও শম্ভু) মামলায় নিঃসন্তান সঙ্গামণির অপত্য স্নেহ শিশু গয়ারামকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত হয়েছে।

--------------------
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত গল্প:
- মহেশ,
- বিলাসী,
- সতী,
- মামলার ফল ইত্যাদি।

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৭,৫৪৯.
বাংলার নবজাগরণের আদি পুরুষ - 
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. প্যারীচাঁদ মিত্র
  4. কালীপ্রসন্ন সিংহ
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা

রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের আদি পুরুষ রাজা রামমোহন রায় এর জন্ম ১৭৭২ সালের ২২শে মে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও ব্রাহ্মণ পরিবারে ।
- ১৮৩০ সালে খেতাবসর্বস্ব মুগল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর (১৮০৬-১৮৩৭) রামমোহন রায়কে ‘রাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন এবং তাঁর পক্ষে ব্রিটিশ রাজ ও পার্লামেন্টে ওকালতি করার জন্য ইংল্যান্ডে পাঠান।
- রামমোহন রায় কলকাতায় ২০ আগস্ট, ১৮২৮ সালে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সহায়তায় 'ব্রাহ্মসমাজ' স্থাপন করেন।
- রাজা রামমোহন রায় শিব প্রসাদ রায় ছদ্মনামে একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করতেন। 
- তিনি প্রায় ৩০ টি গ্রন্থ রচনা করেন।

রাজা রামমোহন রায় রচিত গ্রন্থ:
- বেদান্তগ্রন্থ,
- বেদান্তসার,
- ভট্টাচার্যের সহিত বিচার,
- গোস্বামীর সহিত বিচার,
- সহমরন বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ,
- গৌড়ীয় ব্যাকরণ ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
২) বাংলাপিডিয়া।

৭,৫৫০.
বাংলা সাহিত্যের কিশোরকবির জীবিতাবস্থায় প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) ছাড়পত্র
  2. খ) ঘুম নেই
  3. গ) পূর্বাভাস
  4. ঘ) আকাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকাল
ব্যাখ্যা
সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোরকবি হিসেবে পরিচিত৷
তার রচিত গ্রন্থের নামঃ ছাড়পত্র, ঘুম নেই, পূর্বাভাস, হরতাল, গীতিগুচ্ছ ইত্যাদি।
সুকান্তের জীবিতাবস্থায় প্রকাশিত একমাত্র গ্রন্থ হচ্ছে ‘আকাল’।
মাত্র বিশ বছর বয়সে এ কবির অকাল প্রয়াণ ঘটে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫৫১.
ফাঁস কাগজ প্রহসনটি কার রচনা?
  1. নবীনচন্দ্র সেন
  2. কাঙ্গাল হরিনাথ
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. দীনবন্ধু মিত্র
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা

ফাঁস কাগজ প্রহসনটি মীর মশাররফ হোসেনের রচিত।
------------------------------------------
মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭-১৯১২) ছিলেন একজন বাঙালি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও প্রাবন্ধিক।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও মুসলিম সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম ছিল ‘গাজী মিয়া’।
- তিনি গো-জীবন নামক প্রবন্ধ রচনা করে মামলায় জড়িয়ে পড়েন।
- গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ (১৮৪৩), পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি সাহিত্যজীবনে প্রবেশ করেন - যার সম্পাদক ছিলেন কাঙ্গাল হরিনাথ।

- তাঁর নাটকগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
• 'বসন্তকুমারী' ও
• 'জমিদার দর্পণ'।

• মীর মশাররফ হোসেনের আত্মজীবনীমূলক রচনা হচ্ছে গাজী মিয়াঁর বস্তানী। 

- তার রচিত প্রহসন হচ্ছে:
ফাঁস কাগজ', 
•'ভাই ভাই এইতো চাই', 
• 'এর উপায় কি'।

- তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম হলো কারবালার যুদ্ধকে উপজীব্য করে লেখা উপন্যাস 'বিষাদ সিন্ধু' - যার তিনটি খণ্ড হলো:
• মহররম পর্ব,
• উদ্ধার পর্ব ও
• ইয়াজিদ বধ পর্ব।

অন্যদিকে,
• নবীনচন্দ্র সেন— ‘পলাশীর যুদ্ধ’ ও ‘ত্রয়ী ’ মহাকাব্যের রচয়িতা।
• কাঙ্গাল হরিনাথ— ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’র সম্পাদক ছিলেন।
• দীনবন্ধু মিত্র— ‘নীলদর্পণ’ নাটকের রচয়িতা।

উৎস:  বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর।

৭,৫৫২.
'রাজবন্দীর রোজনামচা' কোন ধরনের সাহিত্য?
  1. জবানবন্দী
  2. প্রবন্ধগ্রন্থ
  3. উপন্যাস
  4. স্মৃতিকথা
সঠিক উত্তর:
স্মৃতিকথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মৃতিকথা
ব্যাখ্যা
• 'রাজবন্দীর রোজনামচা' :
- "রাজবন্দীর রোজনামচা" শহীদুল্লা কায়সার রচিত একটি বিখ্যাত স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ, যেখানে তিনি তাঁর রাজনৈতিক বন্দিজীবনের অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধিগুলো তুলে ধরেছেন।
- শহীদুল্লা কায়সারে আট বছরের কারাজীবনের আশা, আকাঙ্ক্ষা, দুঃখ, বেদনা নিয়ে রচিত স্মৃতিকথা মূলক গ্রন্থ 'রাজবন্দীর রোজনামচা'। গ্রন্থটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থের শুরুতে তিনি লিখেছেন- আট বছরের কারাজীবনে আশা আকাঙ্ক্ষা দুঃখ বেদনায় যারা ছিল নিত্যদিনের সাথী তাদের হাতে তুলে দিলাম বন্দী-জীবনের রোজনামচা।

প্রথম সংস্করণের ভূমিকা তিনি লেখেন:
অনুজ জহির রায়হান ডায়রি লেখার ফরমাশ জানিয়ে একখানা খাতা পাঠিয়েছিল জেলখানায়। সুদৃশ্য মলাট আর রঙিন কাগজ দেখে রীতিমতো যত্ন করেই খাতাটাকে তুলে রেখেছিলাম বেশ কিছুদিন। মাঝে মাঝে হাত বুলিয়ে মলাটের মসৃণতাটা অনুভব করেছি আর হয়ত টুকে রেখেছি দুচারটি টুকরো কথা, এঁকে রেখেছি- এক আধটি ছবির রেখা। রাজবন্দীর রোজনামচার এটাই হল উৎপত্তি। কিন্তু এই উৎপত্তি থেকে রোজনামচা কখনো ছাপার অক্ষরে পরিণত রূপে আত্ম-প্রকাশ করতে পারত না, যদি না থাকতো কারাগারের সাথী সন্তোষ গুপ্তের অক্লান্ত শ্রম এবং বন্ধুসুলভ নিষ্ঠা। কাগজ সংগ্রহে সাহায্য করেছেন সিদু ভাই। এদের দুজনের কাছেই আমি ঋণী। আর একজন, এ পুস্তক প্রকাশে আমার মতোই আশা উৎকণ্ঠা উদ্বেগের যার অন্ত ছিল না, আমার কৃতজ্ঞতা তার অনভিপ্রেত। তাই নামটাও তার অনুক্ত থাকল।

উৎস 'রাজবন্দীর রোজনামচা' শহীদুল্লা কায়সার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
৭,৫৫৩.
জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস- 
  1. গঙ্গা
  2. পুতুলনাচের ইতিকথা
  3. হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
  4. গৃহদাহ
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা
ব্যাখ্যা

• গঙ্গা:
- সমরেশ বসুর অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা ‘গঙ্গা’ ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট অবিভক্ত ২৪ পরগনার গঙ্গাতীরবর্তী মৎস্যজীবী সমাজের জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে রচিত।
- এখানে জেলে-জীবনের অনিশ্চয়তা, প্রকৃতির সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই, ক্ষুদ্র আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং তাদের বিশ্বাস–সংস্কারের বাস্তব চিত্র জীবন্ত হয়ে উঠেছে।
- লেখক চরিত্রকে আলাদা করে নয়, বরং পুরো জেলে-সমাজের সামষ্টিক টানাপোড়েনকে প্রধান বিষয় হিসেবে তুলে ধরেছেন।
- গল্পে নিবারণ, তার ভাই পাঁচু, ছেলে বিলাস, হিমি, পাচী (ছায়া), বশীর, রসিক, দুলাল, অমর্তের বউ, দামিনী, আতর, ব্রজেন ঠাকুর—এমন বহু চরিত্র রয়েছে।
- কিন্তু মূল কেন্দ্রে রয়েছে নিবারণ;
-তাকে ঘিরেই উপন্যাসে নির্মিত।
- সমগ্র উপন্যাসে গঙ্গা নদী যেন নিজেই এক শক্তিশালী চরিত্র, যার বুকে জেলেদের টিকে থাকার লড়াই উপন্যাসের প্রধান সুর।

অন্যদিকে,
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুতুলনাচের ইতিকথা এমন এক উপন্যাস, যেখানে গ্রামের মানুষদের জীবনকে নিয়তির বাঁধনে আটকে থাকা পুতুলের মতো দেখানো হয়েছে।
- গল্পে দেখা যায় যে, ডাক্তার শশী শহর থেকে গ্রামে ফিরে আসার পর কুসুমের প্রতি তার পুরনো অনুভূতি আবার জেগে ওঠে।
- কিন্তু গ্রাম্য পরিবেশ, মানুষজনের কথা, আর নিজের দ্বিধা–দ্বন্দ্ব তাকে এগোতে দেয় না।
- শশী, কুসুম, পরাণ ও অন্যদের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে মানুষের ভালোবাসা, হতাশা, ভীতি এবং নিজের জীবনের ওপর নিয়ন্ত্রণহীনতার যন্ত্রণা ধরা পড়ে।
- পুরো উপন্যাসে ‘পুতুলনাচ’ মূলত এই কথাই বুঝিয়েছে যে, মানুষ যেন সমাজের সুতোয় বাঁধা, নিজের চাওয়া-পাওয়া থাকা সত্ত্বেও পরিস্থিতির দোলনায় নড়ে।
- শশী–কুসুমের অসম্পূর্ণ সম্পর্ক সেই সীমাবদ্ধ জীবনেরই প্রতীক।

• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাঁসুলী বাঁকের উপকথা মূলত একটি গ্রামীণ সমাজের পরিবর্তনের গল্প।
- বীরভূমের হাঁসুলী বাঁক এলাকার কাহার সম্প্রদায়ের জীবন, তাদের পুরোনো বিশ্বাস ও আচার;
- এবং নতুন যুগের প্রভাবের সঙ্গে তাদের টানাপোড়েন - সব মিলিয়ে এই উপন্যাসে গ্রামবাংলার বাস্তবতা ও সামাজিক রূপান্তরের শক্তিশালী চিত্র ফুটে উঠেছে।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গৃহদাহ
প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২০ সালে ভারতবর্ষ পত্রিকায়।
- উপন্যাসের কেন্দ্র গড়ে উঠেছে অচলা, সুরেশ ও মহিম এই তিনজনের ত্রিভুজ প্রেমের গল্প নিয়ে।
- যেখানে প্রেমের সাথে যুক্ত হয় সন্দেহ, সংঘাত ও মানসিক টানাপোড়েন।
- অচলাকে ঘিরে মহিম ও সুরেশের দ্বন্দ্ব ধীরে ধীরে গভীর সংকটে পরিণত হয়।
- এখানে ‘গৃহদাহ’ মানে শুধু ঘরের আগুন নয় বরং মানুষের ভেতরের ভালোবাসার ঘর পুড়ে যাওয়াও বোঝায়।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

৭,৫৫৪.
'সুরধুনী কাব্য' এর রচয়িতা-
  1. ক) জীবনানন্দ দাশ
  2. খ) দীনবন্ধু মিত্র
  3. গ) হাসান আজিজুল হক
  4. ঘ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা
'সুরধুনী কাব্য' গ্রন্থটির রচয়িতা- দীনবন্ধু মিত্র।
- সুরধুনী কাব্য হিমালয় থেকে গঙ্গাদেবীর সাগরসঙ্গমে যাত্রার ছন্দোবদ্ধ বর্ণনা।
- এতে উত্তর ভারতের বিভিন্ন জনপদ এবং বঙ্গদেশ ও সমকালীন কলকাতার বিশিষ্ট স্থান ও স্মরণীয় ব্যক্তিদের চমৎকার বর্ণনা রয়েছে।

দীনবন্ধু মিত্র: 
- রায়বাহাদুর দীনবন্ধু মিত্র একজন নাট্যকার ছিলেন।
- ১৮৩০ সালে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ। 
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের অনুপ্রেরণায় কবিতা লিখতেন।
- তিনি কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বর গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে সংবাদ প্রভাকর, সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন।
- তবে নাটক ও প্রহসন লিখেই তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন।
- নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।

দীনবন্ধু মিত্রের কাব্যগ্রন্থ -
- দ্বাদশ কবিতা ও
- সুরধুনী কাব্য।

দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন:
-  সধবার একাদশী,
- বিয়ে পাগলা বুড়ো ও
- জামাই বারিক 

নাটক:
- লীলাবতী,
- নবীন তপস্বিনী,
- কমলে কামিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৫৫.
'এখনও ক্রীতদাস' কোন জাতীয় রচনা?
  1. ক) উপন্যাস
  2. খ) নাটক
  3. গ) ছোটগল্প
  4. ঘ) প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
খ) নাটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাটক
ব্যাখ্যা
'এখনও ক্রীতদাস'- আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত একটি নাটক।

'এখনও ক্রীতদাস'
নাটক 
-
আব্দুল্লাহ আল মামুন রচিত মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী কাহিনি নিয়ে রচিত নাটক 'এখনও ক্রীতদাস।'
- এই নাটকে ঢাকা শহরে 'গলাচিপা বস্তির যুদ্ধাহত পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা বাক্কা মিয়াঁর পরিবারের মধ্য দিয়ে
প্রকাশ পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের নিম্নবর্গের মানুষের অসহায় জীবন যাপনের ইতিবৃত্ত। 
- পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় নারীদের উপর নির্যাতনের চিহ্নও তলে ধরা হয়েছে। 

আবদুল্লাহ আল মামুন
- - আবদুল্লাহ আল মামুন একজন নাট্যকার ও নাট্যাভিনেতা হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর একক চরিত্র নির্ভর নাটক হলো 'কোকিলারা'।
- ‘শপথ’ (১৯৬৪) তাঁর প্রকাশিত প্রথম নাটক।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক:
- শপথ (প্রথম প্রকাশিত),
- সুবচন নির্বাসনে,
- এখন দুঃসময়,
- এবার ধরা দাও,
- শাহজাদীর কাল নেকাব,
- চারদিকে যুদ্ধ,
- এখনো ক্রীতদাস,
- কোকিলারা,
- মেরাজ ফকিরের মা ইত্যাদি।

 উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৫৬.
পাঞ্জেরী কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. ক) সিরাজুম মুনিরা
  2. খ) মুহূর্তের কবিতা
  3. গ) নৌফেল ও হাতেম
  4. ঘ) সাত সাগরের মাঝি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাত সাগরের মাঝি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাত সাগরের মাঝি
ব্যাখ্যা

- পাঞ্জেরী কবিতাটি ফররুখ আহমদ রচিত সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- এটি কবির প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ।
- পাঞ্জেরী কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত।
- এই কাব্যগ্রন্থের ১৯টি কবিতার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-সাত সাগরের মাঝি, পাঞ্জেরী,সিন্দাবাদ, আকাশ-নাবিক প্রভৃতি।

উৎস: সাহিত্য পাঠ (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)

৭,৫৫৭.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোন মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে 'মেঘনাদবধ' কাব্যটি রচনা করেন?
  1. মহাভারতের যুদ্ধের কাহিনির
  2. অসহযোগ আন্দোলনের
  3. স্বদেশী আন্দোলনের
  4. সিপাহি বিপ্লবের স্বাধীনতার
সঠিক উত্তর:
সিপাহি বিপ্লবের স্বাধীনতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহি বিপ্লবের স্বাধীনতার
ব্যাখ্যা
• 'মেঘনাদবধ' কাব্য:
- মধুসূদনের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
- মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর মহাকাব্য 'মেঘনাদবধ কাব্য'।
- সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ' এর ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনি অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালের জুন মাসে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন।
- ১৮৫৭ সালে সংঘটিত সিপাহি বিপ্লবের স্বাধীনতামন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে রাবণকে নায়ক এবং রামকে খলনায়ক করে মধুসূদন দত্ত এটি রচনা করেন।
- নয় সর্গে রচিত মেঘনাদবধ কাব্যে বর্ণিত আছে- মোট তিন দিন দুই রাতের ঘটনা।
- কাব্যের কয়েকটি প্রধান চরিত্র: রাবণ, মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা, সরমা ইত্যাদি।
- কাব্যের সর্গগুলো হলো: অভিষেক, অস্ত্রলাভ, সমাগম, অশোক বন, উদ্যোগ, বধ, শক্তিনির্ভেদ, প্রেতপুরী, সংস্ক্রিয়া।

উল্লেখ্য,
• 'বৃত্রসংহার' হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত মহাকাব্য। মহাভারতের কাহিনি অবলম্বনে রচিত হয়েছে এ কাব্যটি এবং এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা এতে মূলত সমসাময়িক সমাজের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ন্যায়ের জয় ঘোষিত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৫৮.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক 'সাজাহান' কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯০৫ সালে
  2. ১৯০৮ সালে
  3. ১৯০৭ সালে
  4. ১৯০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৯ সালে
ব্যাখ্যা
• 'সাজাহান' নাটক:
- নাটকটি মোগল সম্রাট সাজাহানের জীবন কাহিনি নিয়ে রচিত ঐতিহাসিক নাটক।
- 'সাজাহান' নাটককে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঐতিহাসিক নাটক হিসেবে ধরা হয় ।
- নাটকটি ১৯০৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- সম্রাট সাজাহানকে নিয়ে দ্বিজেন্দ্রলালই সর্বপ্রথম নাটক রচনা করেন।
- 'ধনধান্য পুষ্প ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা' গানটির রচয়িতা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। গানটি তাঁর 'সাজাহান' নাটকে ছিল। 

------------------------
• দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: 
- দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কবি, নাট্যকার, গীতিকার।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের  নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরে তাঁর জন্ম। 
- দ্বিজেন্দ্রলাল ১৯০৫ সালে কলকাতায় ‘পূর্ণিমা মিলন’ নামে একটি সাহিত্যিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
-  ছাত্রজীবনে তাঁর আর্য্যগাথা এবং বিলেতে থাকাকালে Lyrics of Ind (১৮৮৬) কাব্য প্রকাশিত হয়।
- ১৯০৩ সাল পর্যন্ত তিনি মূলত কাব্যই রচনা করেন এবং এ সময় পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ বারোটি।
- ১৯০৫ সালে  বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশে যে গণজাগরণমূলক গান রচনার প্রচলন শুরু হয়, তাতে দ্বিজেন্দ্রলালের অবদান ছিল অসামান্য। 
- দ্বিজেন্দ্রলাল রচিত জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গানগুলির মধ্যে ‘বঙ্গ আমার জননী আমার’, ‘ধনধান্যপুষ্পভরা’ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৯১৩ সালের ১৭ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকগুলো হলো:
 - তারাবাঈ,
 - প্রতাপ-সিংহ,
 - দুর্গাদাস,
 - নূরজাহান,
 - মেবার পতন,
 - সাজাহান,
 - চন্দ্রগুপ্ত,
 - সিংহলবিজয় ইত্যাদি।

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত সামাজিক নাটকগুলো হলো:
 - পরপারে,
 - বঙ্গনারী।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫৫৯.
'কালের পুতুল' বুদ্ধদেব বসুর কোন জাতীয় রচনা?
  1. উপন্যাস
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. গল্পগ্রন্থ
  4. প্রবন্ধগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• 'কালের পুতুল' বুদ্ধদেব বসু রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ
- গ্রন্থটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হয়।

বুদ্ধদেব বসু:
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ত্রিশ দশকের একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগ্ননাথ হলের ছাত্র অবস্থায় তিনি 'বাসন্তিকা' পত্রিকা প্রকাশের সাথে যুক্ত ছিলেন।
- ঢাকা থেকে 'প্রগতি' (১৯২৭-১৯২৯) এবং কলকাতা থেকে 'কবিতা' (১৯৩৫-১৯৬০) পত্রিকা প্রকাশ ও সম্পাদনা তাঁর জীবনের উল্লেখযোগ্য কর্ম।
- তিনি রোম্যান্টিক কবিচেতনার অধিকারী ছিলেন; তবে পরবর্তীকালে তিনি আবেগ অপেক্ষা মননশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
- মননশীল প্রবন্ধ ও সাহিত্য-সমালোচনায় তিনি সূক্ষ্ম বুদ্ধিবৃত্তির পরিচয় দিয়েছেন।
- তাঁর গদ্যশৈলীতে আছে ব্যক্তিত্বের ছাপ। পদ্যগদ্য মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থসংখ্যা শতাধিক।
- রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁকে সব্যসাচী লেখক বলা হয়। 
- 'তপস্বী ও তরঙ্গিণী' নাটকের জন্য তিনি সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৬৭) লাভ করেন।
- ১৯৭০ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কারে ভূষিত করে।
- এছাড়া 'স্বাগত বিদায়' কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৭৪) লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালের ১৮ মার্চ কলকাতায় মৃত্যু হয়।ন

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- হঠাৎ আলোর ঝলকানি,
- কালের পুতুল,
- সাহিত্যচর্চা,
- রবীন্দ্রনাথ: কথাসাহিত্য ইত্যাদি। 

অভিসম্বন্ধ: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৬০.
মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'পদ্মাবতী' নাটকটির প্রকাশকাল কত?
  1. ১৮৬২ সালে
  2. ১৮৬০ সালে
  3. ১৮৫৮ সালে
  4. ১৮৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬০ সালে
ব্যাখ্যা

• 'পদ্মাবতী' নাটক:
- 'পদ্মাবতী' নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম কমেডি ধাচের নাটক এবং এতে প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করা হয়। ১৮৬০ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- মাইকেল মধুসূদন নাটকটি গ্রীক পুরাণের প্রসিদ্ধ গল্প "Apple of Discord" এর ছায়া অবলম্বন করে রচনা করেন।

- এ নাটকেই তিনি পরীক্ষামূলকভাবে ইংরেজি কাব্যের অনুকরণে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার বরেন। বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহার এটাই প্রথম এবং এর ফলে তিনি বাংলা কাব্যকে ছন্দের বন্ধন থেকে মুক্তি দেন। বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের ব্যবহারে এই সফলতা তাঁকে ভীষণভাবে উৎসাহিত করে এবং এই ছন্দে একই বছর তিনি রচনা করেন তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য।

নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- পদ্মাবতী,
- ইন্দ্রনীল,
- শচী,
- মুরজা,
- রতী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ।

৭,৫৬১.
কাদম্বরী দেবীর আত্মহত্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেন--
  1. ক) নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ
  2. খ) বউ ঠাকুরানীর হাট
  3. গ) কথা ও কাহিনী
  4. ঘ) কড়ি ও কোমল
সঠিক উত্তর:
ঘ) কড়ি ও কোমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কড়ি ও কোমল
ব্যাখ্যা
কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুতে সৃষ্ট বিরাগের প্রভাব পরেছে 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থে। 

'কড়ি ও কোমল' (১৮৮৬) সম্পর্কে বলা হয়, এই গ্রন্থের বিষয় বিচিত্র, ভাব সুস্পষ্ট, ভাষা সুদৃঢ়, ছন্দ মধুর। 
- তারুণ্যের উচ্ছলতা, নারীদেহের প্রতি মুগ্ধতা ও মৃত্যুর রহস্যময়তার প্রতি আকর্ষণ-এই তিনটি লক্ষণে কাব্যটি বিশিষ্ট। 
- রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন "মৃত্যুর নিবিড় উপলব্ধি আমার কাব্যের একটি বিশেষ ধারা, নানা বাণিতে যার প্রকাশ। কড়ি ও কোমলেই তার প্রথম উদ্ভব।" 
- ১৮৮৪ সালে বৌদি কাদম্বরী দেবীর আত্মহত্যাজনিত মৃত্যু রবীন্দ্র মনে যে বিরাগের সৃষ্টি করেছিল, সেই প্রভাব 'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থে আছে।

এ কাব্যগ্রন্থের 'প্রাণ' কবিতার বিখ্যাত চরণ- 
"মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে 
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই" 

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা - চুম্বন, বাহু, চরণ, কেন, মোহ। 

 উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
৭,৫৬২.
১৬ ডিসেম্বর ২০২২ মুক্তি পাওয়া মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) একাত্তরের জয়গান
  2. খ) স্বাধীনতার ৫০ বছর
  3. গ) অপরাজেয় বাংলা
  4. ঘ) জয় বাংলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয় বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয় বাংলা
ব্যাখ্যা
১৬ ডিসেম্বর ২০২২ মুক্তি পায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘জয় বাংলা'।
চলচ্চিত্রটির পরিচালক কাজী হায়াৎ।

ততথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩।
৭,৫৬৩.
কোনটি  সেলিনা হোসেন রচিত গ্রন্থ? 
  1. কেয়াবন সঞ্চারিনী
  2. যে অরণ্যে আলো নেই
  3. নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
  4. বিশ শতকের মেয়ে
সঠিক উত্তর:
নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
ব্যাখ্যা

সেলিনা হোসেন রচিত গ্রন্থ- নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি।

• 'নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি':
- সেলিনা হোসেনের নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি উপন্যাসের পটভূমি ব্রিটিশ শাসন থেকে পাকিস্তান আমলের অস্থির পরিস্থিতি।
- এতে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ এবং ১৯৪৭-এর দেশভাগের প্রভাব দেখা যায়।
- এই গ্রন্থে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং ৫২-এর ভাষা আন্দোলনের আগে বাঙালি মধ্যবিত্তের জাগরণ ও সংগ্রাম ফুটে উঠেছে।
- উপন্যাসটি বাঙালি জাতিসত্তা, সামাজিক ন্যায় ও ভাষার অধিকার আদায়ের সংগ্রামের একটি জীবন্ত দলিল।
---------------------------------------------
সেলিনা হোসেন:
- সেলিনা হোসেন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক, গল্পকার ও গবেষক।
- সেলিনা হোসেন ১৪ জুন, ১৯৪৭ সালে রাজশাহী শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস লক্ষ্মীপুর জেলার হাজিরপাড়া গ্রামে। 
- তার রচনায় ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, নারী ও সমাজের জীবনচিত্র উঠে এসেছে।
- তিনি বাংলা একাডেমি ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করেছেন।

• সেলিনা হোসেনের উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে:
- ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’,
- নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
- ‘যাপিত জীবন’,
- ‘নীল ময়ূরের যৌবন’,
- ‘জ্যোস্নায় সূর্যজ্বালা’,
- ‘পদশব্দ’,
- ‘গায়ত্রী সন্ধ্যা’ (তিন খণ্ড),
- ‘ক্ষরণ’,
- ‘কাঁটাতারে প্রজাপতি’,
- ‘পোকামাকড়ের ঘরবসতি’।
---------------------------------- 
অন্যদিকে, 
- কেয়াবন সঞ্চারিণী, বিশ শতকের মেয়ে- নীলিমা ইব্রাহীমের রচিত উপন্যাস।
- আর যে অরণ্যে আলো নেই- নীলিমা ইব্রাহীমের রচিত নাটক। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

৭,৫৬৪.
‘সাহিত্যিকী’ পত্রিকাটি কোন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত হয়?
  1. ক) বাংলা একাডেমি
  2. খ) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সােসাইটি
  3. গ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত ‘সাহিত্যকী’ পত্রিকা।

[উৎস: সাহিত্য বিষয়ক সাময়িকী ]
৭,৫৬৫.
অমর একুশের প্রথম কবিতা কোনটি?
  1. ক) বর্ণমালা আমার দুঃখিনী বর্ণমালা।
  2. খ) স্মৃতিস্তম্ভ
  3. গ) কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি।
  4. ঘ) একুশে ফেব্রুয়ারি।
সঠিক উত্তর:
গ) কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি।
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম কবিতা - 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'।
- কবিতাটি লেখেন মাহবুব উল আলম চৌধুরী।
- ২২ ফেব্রুয়ারি ১৭ পৃষ্ঠার একটি পুস্তিকায় ছাপা হয় কবিতাটি। 

- প্রথম নির্মিত শহীদ মিনার ধ্বংসের প্রতিবাদে আলাউদ্দিন আজাদ লিখেন 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতাটি। 
- একুশের প্রথম সংকলনের নাম ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’।
- 'বর্ণমালা, আমার দুঃখীনি বর্ণমালা' কবিতাটি শামসুর রাহমানের 'নিজ বাসভূমে' কাব্যগ্রন্থের অন্তুর্গত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৬৬.
“টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী।
হাড়িত ভাত নাহি নিতি আবেশী”
উপরোক্ত পদের পদকর্তা কে?
  1. লুইপা
  2. কাহ্নপা
  3. কুক্কুরীপা
  4. ঢেন্ডণপা
সঠিক উত্তর:
ঢেন্ডণপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢেন্ডণপা
ব্যাখ্যা

চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের কবির সংখ্যা ২৩ মতান্ত্বরে ২৪ জন। 

- ঢেন্ডণপা নবম শতকের কবি।
- তার পদ সংখ্যা একটি (৩৩ নং)।
- তিনি তার পদে বাঙ্গালী জীবনের দারিদ্রের ছবি চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

ঢেন্ডণপা তাঁর পদে তিনি লিখেছেন,
“টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী।
হাড়িত ভাত নাহি নিতি আবেশী”
অর্থাৎ, লোকশূণ্য স্থানে প্রতিবেশীহীন আমার বাড়ি। হাড়িতে ভাত নাই, অথচ প্রেমিক এসে ভিড় করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া

৭,৫৬৭.
'চোরাবালি' কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. বিষ্ণু দে
  2. বিজন ভট্টাচার্য
  3. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  4. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণু দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যা
বিষ্ণু দে:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন। তাঁর কবিতায় টি.এস. এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’ (১৯৪৮)।
- ১৯৮২ সালের ৩ ডিসেম্বর তিনি কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ,
- সাত ভাই চম্পা,
- সেই অন্ধকার চাই,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ,
- রবিকরোজ্জ্বল নিজদেশ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫৬৮.
'শ্রী সত্যসুন্দর দাস' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. সুভাষ মুখোপাধ্যায়ে
  3. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
  4. মোহিতলাল মজুমদার
সঠিক উত্তর:
মোহিতলাল মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহিতলাল মজুমদার
ব্যাখ্যা

মোহিতলাল মজুমদার:
- মোহিতলাল মজুমদার ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যসমালোচক।
- ১৮৮৮ সালের ২৬ অক্টোবর নদীয়ার কাঁচড়াপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস হুগলির বলাগড়ে।
- পেশায় তিনি একজন অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন।
- তিনি তাঁর সমালোচনামূলক প্রবন্ধগুলিতে 'কৃত্তিবাস ওঝা', 'সব্যসাচী', 'শ্রী সত্যসুন্দর দাস' ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন
- তিনি মৃত্যুবরণ করেন ২৬ জুলাই ১৯৫২ সালে।

অন্যদিকে,
- বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪) বাংলা সাহিত্যের একজন প্রভাবশালী ও বহুমুখী লেখক, যাঁকে "সব্যসাচী" লেখক বলে অভিহিত করা হয়।
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিল - সুবচনী।
- নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক ছদ্মনাম - সুনন্দ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৭,৫৬৯.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম নয় -
  1. আরেক ফাল্গুন
  2. উপমহাদেশ
  3. একুশের গল্প
  4. কবর
সঠিক উত্তর:
উপমহাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপমহাদেশ
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্যকর্ম নয় - উপমহাদেশ
- এটি আল মাহমুদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।

অন্যদিকে,
• জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস - আরেক ফাল্গুন।
• জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক ছোটগল্প - একুশের গল্প।
• মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক - কবর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫৭০.
বুলবুল চৌধুরী খ্যাত-
  1. ক) অভিনয়ের জন্য
  2. খ) নৃত্যের জন্য
  3. গ) ছবি আঁকার জন্য
  4. ঘ) লেখক হিসাবে
সঠিক উত্তর:
খ) নৃত্যের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নৃত্যের জন্য
ব্যাখ্যা

বুলবুল চৌধুরী (১৯১৯-১৯৫৪): নৃত্যশিল্পী, লেখক।
- প্রকৃত নাম রশীদ আহমদ চৌধুরী, ‘বুলবুল চৌধুরী’ তাঁর ছদ্মনাম।
- ১৯১৯ সালের ১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানার চুনতি গ্রামে তাঁর জন্ম।
- ১৯৩৭ সালে ওরিয়েন্টাল ফাইন আর্টস অ্যাসোসিয়েশন (OFA) প্রতিষ্ঠায় বুলবুল চৌধুরী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া।

৭,৫৭১.
'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে শীতল বাবুর স্ত্রীর নাম কি?
  1. ক) মালা
  2. খ) যুগী
  3. গ) কপিলা
  4. ঘ) ময়না
সঠিক উত্তর:
খ) যুগী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুগী
ব্যাখ্যা
যৌনাকাঙ্খার সঙ্গে উদরপূর্তি সমস্যা ভিত্তিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস পদ্মা নদীর মাঝি ১৯৩৪ সাল থেকে ‘পূর্বাশা’ পত্রিকায় ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হতে থাকে। গ্রন্থাকারে প্রকাশ ১৯৩৬ সালে। উল্লেখযোগ্য চরিত্রঃ কুবের, কপিলা, মালা, হোসেন মিয়া, ধনঞ্জয়, শীতলবাবু। উপন্যাসে শীতল বাবুর স্ত্রীর নাম যুগী। মালা এ উপন্যাসের নায়ক চরত্র কুবেরের স্ত্রী। কপিলা এ উপন্যাসের নায়িকা, মালার বোন এবং শ্যামাদাসের স্ত্রী।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
৭,৫৭২.
শামসুর রাহমানের আগমনী কবিতা বলা হয় কোনটিকে?
  1. হরতাল
  2. এ লাশ আমরা রাখব কোথায়
  3. হাতির শূঁড়
  4. রূপালি স্নান
সঠিক উত্তর:
রূপালি স্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপালি স্নান
ব্যাখ্যা
• ‘রূপালি স্নান’ কবিতা:
কলকাতা থেকে বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত কবিতা পত্রিকায় শামসুর রাহমানের ‘রূপালি স্নান’ প্রকাশের মাধ্যমে কবিতার বৃহত্তর বাংলায় তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। ‘রূপালি স্নান’ কে বলা যায় শামসুর রাহমানের আগমনী কবিতা। এর সর্বাংশেই জড়িয়ে আছে তাঁর স্বকীয়তা ও সৃষ্টিশীলতার চিহ্ন।

তবে,  ১৯৬০ সালে তাঁর প্রথম কাব্য "প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে"-র প্রকাশ কবিতায় তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
‘রূপালি স্নান’ কবিতাটি "প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে" কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

"প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে" কাব্যগ্রন্থের অন্যান্য কবিতা গুলো হলো: 
- প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রুপালি স্নান, 
- মনে মনে, 
- তার শয্যার পাশে,
- জর্নাল, শ্রাবণ,
- ১৩৫৭-র একটি দিন,
- অতি পুরাতন বৃষ্টি,
- যুদ্ধ,
- পুরোনো তৈলচিত্র,
- আত্মজীবনীর খসড়া,
- পূর্বরাগ,
- তোমাকেই বলি,
- শিখা। 

অন্যদিকে, 
•  ১৯৭০ সালে প্রকাশিত 'নিজ বাসভূমে' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত কবিতা-  ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’,  ‘পুলিশ রিপোর্ট’, ‘হরতাল’, ‘এ লাশ আমরা রাখব কোথায়’।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং "প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে" কাব্যগ্রন্থ।
৭,৫৭৩.
'ভ্রমণকারী বন্ধু' কার ছদ্মনাম-
  1. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
  2. মধুসূদন মজুমদার
  3. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত।
- 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ছদ্মনাম।
- কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা 'সংবাদ প্রভাকর' সম্পাদনা করেন।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

অন্যদিকে,
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম ছিল- যাযাবর।
- মধুসূদন মজুমদার এর ছদ্মনাম ছিল- দৃষ্টিহীন।
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যাযয়ের ছদ্মনাম ‘বনফুল'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৭,৫৭৪.
ধ্বনিবিজ্ঞানের ওপর লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রন্থের নাম কী?
  1. ধ্বনিতত্ত্ব
  2. শব্দতত্ত্ব
  3. শব্দমঞ্জুরি
  4. শব্দকল্পদ্রুম
সঠিক উত্তর:
শব্দতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
•  শব্দ ও ভাষা সংক্রান্ত ধ্বনিবিজ্ঞানের উপর লেখা রবীন্দ্রনাথ রচিত গ্রন্থ হলো- 'শব্দতত্ত্ব'। 
- গ্রন্থটি ১৯০৯ সালে প্রকাশিত হয়
- এছাড়া তিনি বাংলা ব্যাকরণ থেকে সম্প্রদান কারক কে বাদ দেওয়ার কথা বলেছিলেন।
-------------------- 
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর ‘বনফুল’ কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস:বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, লাল নীল দীপাবলি-হুমায়ুন আজাদ, এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৭৫.
’অনলপ্রবাহ’-গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী 
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী 
ব্যাখ্যা

'অনল প্রবাহ'
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ:
- এটি তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ
- কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে ব্রিটিশ সরকার তা বাজেয়াপ্ত করেছিল।
- প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি।
- এগুলোর মধ্যে: অনল প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্চ্ছনা, বীর-পূজা, অভিভাষণ, মরক্কো সংকটে উল্লেখযোগ্য।
-------------------- 
• সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী: 
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী লেখক, বাগ্মী এবং কৃষক নেতা।
- তিনি সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন (এ কারণেই তিনি তাঁর নামের সঙ্গে ‘সিরাজী’ উপাধি যুক্ত করেন)।
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দে সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- অনল প্রবাহ, 
- আকাঙ্ক্ষা, 
- উচ্ছ্বাস, 
- উদ্বোধন, 
- নব উদ্দীপনা, 
- স্পেন বিজয় কাব্য, 
- সঙ্গীত সঞ্জীবনী। 

• তাঁর রচিত উপন্যাস: 
- রায়নন্দিনী, 
- তারাবাঈ, 
- ফিরোজা বেগম, 
- নূরুদ্দীন। 

• তাঁর রচিত  প্রবন্ধ:
- স্বজাতি প্রেম,
- তুর্কি নারী জীবন, 
- স্পেনীয় মুসলমান সভ্যতা। 

• ভ্রমণ কাহিনী: 
 -তুরস্ক ভ্রমণ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

৭,৫৭৬.
মোদের গরব মোদের আশা/ আ-মরি বাংলা ভাষা'- চরণ দুইটির রচয়িতা কে?
  1. আবদুল গাফফার চৌধুরী
  2. অতুল প্রসাদ সেন
  3. প্রতুল মুখোপাধ্যায়
  4. আব্দুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
অতুল প্রসাদ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতুল প্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
‘মোদের গরব, মোদের আসা আ মরি বাংলা ভাষা’- চরণ দুইটির রচয়িতা অতুলপ্রসাদ সেন।
- বিখ্যাত গানটিতে অতুলপ্রসাদের মাতৃভাষার প্রতি মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে।
- এ গান বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিদের মধ্যে অফুরন্ত প্রেরণা জুগিয়েছে।

অতুলপ্রসাদ সেন: 
- তিনি ছিলেন একজন কবি, গীতিকার ও গায়ক।
- তিনি বাংলা গানে সর্বপ্রথম ঠুমরি আমদানি করেন৷
- তাঁর রচিত গানের সংখ্যা প্রায় দুশটি৷ 
- তাঁর রচিত গানের সঙ্কলনের নাম 'কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫৭৭.
‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল বিষয় কী?
  1. শিক্ষা ও বিজ্ঞান প্রচার
  2. শহুরে জীবন ও ব্যবসা
  3. গ্রামীণ সংস্কৃতি ও কৃষিজীবন
  4. সামাজিক কুসংস্কার ও নারী স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
সামাজিক কুসংস্কার ও নারী স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক কুসংস্কার ও নারী স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা

‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল বিষয় হচ্ছে সামাজিক কুসংস্কার ও নারী স্বাধীনতা। 

‘লালসালু’
- লালসালু ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসে বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তবতা, সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা ফুটে উঠেছে।
- নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের চরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে স্থানীয় মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে তা তুলে ধরেছে।
- জমিলা চরিত্র বিদ্রোহী ও প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- মূল বিষয় হলো ধর্মব্যবসায়ীদের স্বার্থপর চরিত্রের উন্মোচন এবং নারী জাগরণের প্রেক্ষাপটে সমাজচেতনা।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: মজিদ, খালেক ব্যাপারি, জমিলা, রহিমা, আমেনা, আক্কাস, তাহেরের বাবা, হাসুনির মা।
- উক্তি: “খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।”
- লালসালু আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছে এবং ১৯৬৭ সালে ইংরেজিতে Tree Without Roots নামে অনূদিত হয়েছে। ফরাসি অনুবাদ হয়েছে ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১), যা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরি করেছেন।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ (ডেপুটি) বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি একজন কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার।
- তাঁর পিতা সৈয়দ আহমদউল্লাহ ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা।
- ফেনী হাইস্কুলে ছাত্র থাকাকালেই তিনি সাহিত্যচর্চা শুরু করেন এবং হাতে লেখা পত্রিকা ভোরের আলো সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রথম গল্প হঠাৎ আলোর ঝলকানি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার লাভ করেছেন, যেমন ১৯৬১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৬৫ সালে আদমজি পুরস্কার এবং ১৯৮৩ সালে একুশে পদক (মরণোত্তর)।
- ১৯৭১ সালের ১০ অক্টোবর তিনি প্যারিসে মৃত্যুবরণ করেন।

উপন্যাসসমূহ:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- দি আগলি এশিয়ান। 

গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প। 

নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া। 

৭,৫৭৮.
'প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়' কোন সাহিত্যিকের প্রকৃত নাম?
  1. ক) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. গ) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. ঘ) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
সঠিক উত্তর:
খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়, ‘মানিক’ তাঁর ডাকনাম।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, এর জন্ম ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।  

তাঁর উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প,
- প্রাগৈতিহাসিক (১৯৩৭), সরীসৃপ,
- সমুদ্রের স্বাদ (১৯৪৩), হলুদ পোড়া,
- আজ কাল পরশুর গল্প (১৯৪৬),
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প,
- ফেরিওয়ালা ইত্যাদি।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৭৯.
'বেহুলা' বাংলা সাহিত্যের কোন কাব্যধারার চরিত্র? 
  1. ধর্মমঙ্গল
  2. মনসামঙ্গল
  3. চণ্ডীমঙ্গল
  4. অন্নদামঙ্গল
সঠিক উত্তর:
মনসামঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যা
- 'বেহুলা' বাংলা সাহিত্যের 'মনসামঙ্গল' কাব্যধারার চরিত্র। 

মনসামঙ্গল: 

- মনসামঙ্গল মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে প্রাচীনতম। 
- এই মনসামঙ্গল কাব্যটি সাপের দেবী মনসার স্তব, স্তুতি, কাহিনি ইত্যাদি নিয়ে রচিত। 
- মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি- কানা হরিদত্ত। 
- এছাড়াও বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকা দাস, ক্ষেমানন্দ প্রমুখ মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন। 
- মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান প্রধান চরিত্রগুলো হলো- 
• চাঁদ সওদাগর, 
• সনকা, 
বেহুলা
• লখিন্দর প্রমুখ। 

উল্লেখ্য, 
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের চরিত্র - কালকেতু, ফুল্লরা, ভাড়ুদত্ত, মুরারিশীল। 
- ধর্মমঙ্গল কাব্যের চরিত্র -কর্পূর সেন, মহামদ পাত্র। 
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের চরিত্র - ঈশ্বরী পাটনী, হীরা মালিনী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর) এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৮০.
আবুল হুসেন ছিলেন -
  1. 'শিখা' পত্রিকার প্রথম বর্ষের সম্পাদক।
  2. 'শিখা' পত্রিকার দ্বিতীয় বর্ষের সম্পাদক।
  3. 'শিখা' পত্রিকার তৃতীয় বর্ষের সম্পাদক।
  4. 'শিখা' পত্রিকার চতুর্থ বর্ষের সম্পাদক।
সঠিক উত্তর:
'শিখা' পত্রিকার প্রথম বর্ষের সম্পাদক।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'শিখা' পত্রিকার প্রথম বর্ষের সম্পাদক।
ব্যাখ্যা
আবুল হুসেন: 
- তিনি ১৮৯৬ সালের ৬ জানুয়ারি যশোর জেলার পানিসারা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস যশোরের কাউরিয়া গ্রামে। 
- তিনি প্রাবন্ধিক, চিন্তাবিদ, সমাজ সংস্কারক ছিলেন।
- তিনি মুসলমান সমাজে আধুনিক শিক্ষা ও জ্ঞানের আলো বিস্তারের উদ্দেশ্যে লেখনী পরিচালনা করেন।
- ঢাকায় যে 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন হয়' তাতে আবুল হুসেনই নেতৃত্ব দেন।
- তিনি ঢাকায় 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' (১৯২৬) গঠন এবং এর মুখপত্র 'শিখা' (১৯২৭-১৯৩১) সম্পাদনা ও প্রকাশ করে এ আন্দোলনকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেন।
- তিনি ছিলেন 'শিখা' পত্রিকার প্রথম বর্ষের সম্পাদক
- কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ ও আবুল ফজল তাঁকে এ কাজে সাহায্য করেন।
- মননশীল প্রবন্ধকার হিসেবে তিনি কৃষক-সমাজের দুঃখ-দুর্দশার মুক্তির পথ নির্দেশ করেন তাঁর 'বাংলার বলশী' গ্রন্থের প্রবন্ধসমূহে।
- রুশবিপ্লবের প্রেরণায় অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ‘কৃষকের আর্তনাদ’, ‘কৃষকের দুর্দশা’ ও ‘কৃষি বিপ্লবের সূচনা’ নামক প্রবন্ধ রচনা করেন।
- ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ১৯৩৮ সালের ১৫ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- বাংলার বলশী,
- মুসলিম কালচার ও
- বাঙালি মুসলমানদের শিক্ষা সমস্যা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৮১.
কোনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা?
  1. ক) চতুরঙ্গ
  2. খ) চতুষ্কোণ
  3. গ) চতুর্দশী
  4. ঘ) চতুষ্পাঠী
সঠিক উত্তর:
ক) চতুরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চতুরঙ্গ
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাধু ভাষায় লিখিত সর্বশেষ উপন্যাস- 'চতুরঙ্গ'।

'চতুরঙ্গ' উপন্যাস:
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস- চতুরঙ্গ।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে।
- এটি সাধু ভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস।

তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলো হলো:
- চোখের বালি,
- গোরা,
- যোগাযোগ,
- চুতরঙ্গ,
- ঘরে-বাহিরে,
- চার অধ্যায়,
- মালঞ্চ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৮২.
হরচন্দ্র ঘোষ রচিত নাটক কোনটি?
  1. মালতীমাধব
  2. রত্নাবলী 
  3. ভানুমতী চিত্তবিলাস
  4. অভিজ্ঞান শকুন্তলা
সঠিক উত্তর:
ভানুমতী চিত্তবিলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভানুমতী চিত্তবিলাস
ব্যাখ্যা

• অনুবাদ নাটক বাংলা নাটকের বিকাশের ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছিল। এই ক্ষেত্রে হরচন্দ্র ঘোষের অনুবাদ নাটকের কথা উল্লেখযোগ্য। তাঁর 'ভানুমতী চিত্তবিলাস' (১৮৫২) ও 'চারুমুখ চিত্তহারা' (১৮৬৪) যথাক্রমে সেক্সপীয়রের 'মার্চেন্ট অব ভেনিস' ও 'রোমিও জুলিয়েটে'র ভাবানুবাদ।

অন্যদিকে, 
• সংস্কৃতে সুপণ্ডিত রামনারায়ণ তর্করত্ন সংস্কৃত থেকে কতিপয় নাটক বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন। বেণীসংহার (১৮৫৬), রত্নাবলী (১৮৫৮), অভিজ্ঞান শকুন্তলা (১৮৬০) ও মালতীমাধব (১৮৬৭)-এই চারটি নাটক সংস্কৃত থেকে অনূদিত। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম।

৭,৫৮৩.
"তোমাদের যা বলার ছিল/ বলছে কি তা বাংলাদেশ?" - কে লিখেছেন?
  1. দাউদ হায়দার
  2. আসাদ চৌধুরী
  3. রফিক আজাদ
  4. হেলাল হাফিজ
সঠিক উত্তর:
আসাদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসাদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
'শহীদদের প্রতি' কবিতা – আসাদ চৌধুরী।

তোমাদের যা বলার ছিলো
বলছে কি তা বাংলাদেশ?
শেষ কথাটি সুরের ছিলো?
ঘৃণার ছিলো
নাকি ক্রোধের,
প্রতিশোধের,
কোনটা ছিলো?
নাকি কোনো সুখের
নাকি মনে তৃপ্তি ছিল,
দীপ্তি ছিল-
এই যাওয়াটাই সুখের। (সংক্ষেপিত)

কবি আসাদ চৌধুরী:
১৯৪৩ সালে বরিশালে জন্মগ্রহন করেন। তিনি ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান এবং ২০১৩ সালে একুশে পদক পান।

উৎস: শহীদদের প্রতি – আসাদ চৌধুরী; বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট।
৭,৫৮৪.
প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ রচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) জোছনা ও জননীর গল্প
  2. খ) বাদশাহ নামদার
  3. গ) দেয়াল
  4. ঘ) প্রথম আলো
সঠিক উত্তর:
খ) বাদশাহ নামদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাদশাহ নামদার
ব্যাখ্যা
'বাদশাহ নামদার' হুমায়ূন আহমেদ রচিত বাংলা ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস।
- এটি ২০১১ সালে অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়।
- বইটিকে হুমায়ূন আহমেদের অন্যতম সেরা সৃষ্টি বলে গণ্য করা হয়।
- তাঁর রচিত অপর একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - মধ্যাহ্ন

- হুমায়ূন আহমেদ রচিত শেষ উপন্যাস 'দেয়াল' (অপ্রকাশিত-পটভূমি ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ড ও তৎকালীন রাজনৈতিক ঘটনা)।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা জনপ্রিয় উপন্যাস 'জোছনা ও জননীর গল্প'। 
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত  বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস 'প্রথম আলো'। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৮৫.
গদ্যে প্রথম সংস্কৃত ব্যাকরণ রচনা করেন -
  1. ক) অক্ষয়কুমার দত্ত
  2. খ) প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. গ) কালীপ্রসন্ন সিংহ
  4. ঘ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
- গদ্যে প্রথম সংস্কৃত ব্যাকরণ রচনা করেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
- দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা গদ্যের প্রাথমিক পর্যায়ের একজন বিশিষ্ট লেখক হসেবেও উল্লেখযোগ্য।
- ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’ ও ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’র প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তিনি সুপরিচিত।
- তিনি ‘ঋগ্বেদে’র প্রথম বঙ্গানুবাদের সূত্রপাত করেন। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম
৭,৫৮৬.
মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন
'মানুষ হইতে হবে'- এই যার পণ।- পঙ্‌ক্তিদ্বয় কার রচনা?
  1. কামিনী রায়
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. কুসুমকুমারী দাশ
  4. কায়কোবাদ
সঠিক উত্তর:
কুসুমকুমারী দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুসুমকুমারী দাশ
ব্যাখ্যা
• মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন
'মানুষ হইতে হবে'- এই তার পণ।- পঙ্‌ক্তিদ্বয় কুসুমকুমারী দাশ রচিত ‘আদর্শ ছেলে’ কবিতার অন্তর্গত।

• কুসুমকুমারী দাশ:

- কুসুমকুমারী দাশ ১৮৮২ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর গদ্যগ্রন্থের নাম- পৌরাণিক আখ্যায়িকা।
- কুসুমকুমারী দাশ হলেন জীবনানন্দ দাশের মাতা।
- কুসুমকুমারী দাশ শিশুদের জন্য রচনা করেন 'কবিতা-মুকুল'।
- তাঁর কবিতা প্রকাশিত হত 'প্রবাসী, ব্রহ্মবাদী, মুকুল প্রভৃতি পত্রিকায়।

কুসুমকুমারী দাশ রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা-

আদর্শ ছেলে
কুসুমকুমারী দাশ
আমাদের দেশে সেই ছেলে কবে হবে
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে?
মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন
'মানুষ হইতে হবে'- এই যার পণ।
'আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে,
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫৮৭.
বাল্যবিধবা 'কুন্দনন্দিনী' চরিত্রটি কোন উপন্যাসের?
  1. মৃণালিনী
  2. বিষবৃক্ষ
  3. কৃষ্ণকান্তের উইল
  4. চরিত্রহীন
সঠিক উত্তর:
বিষবৃক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষবৃক্ষ
ব্যাখ্যা
• 'বিষবৃক্ষ' উপন্যাস:
- 'বিষবৃক্ষ' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস।
- এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। 
- চরিত্র: কুন্দনন্দিনী, নগেন্দ্রনাথ।
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৭৩ খ্রিষ্টাব্দে। 
- এতে বিধবা বিবাহ,পুরুষের একাধিক বিবাহ,নারীর আত্মসম্মান ও অধিকারবোধ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- বাল্যবিধবা কুন্দনন্দিনী এ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র।

• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস এবং চরিত্র সমূহ:
- কৃষ্ণকান্তের উইল- উপন্যাসের চরিত্র: রোহিনী, গোবিন্দলাল, ভ্রমর। 
- দুর্গেশনন্দিনী - চরিত্র- আয়েশা, তিলোত্তমা, 
- কপালকুণ্ডলা - চরিত্র- কপালকুণ্ডলা, নবকুমার, কাপালিক। 
- মৃণালিনী - চরিত্র- হেমচন্দ্র, মৃনালিনী, পশুপতি, মনোরমা।
- বিষবৃক্ষ - চরিত্র- কুন্দনন্দিনী,নগেন্দ্রনাথ,

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫৮৮.
'বাঙ্গালীর ইতিহাস' বইটির লেখক কে?
  1. নীহাররঞ্জন রায়
  2. মুহম্মদ আবদুল হাই
  3. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  4. আব্দুল করিম
সঠিক উত্তর:
নীহাররঞ্জন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীহাররঞ্জন রায়
ব্যাখ্যা
• 'বাঙ্গালীর ইতিহাস' বইটির লেখক - নীহাররঞ্জন রায়। 

নীহাররঞ্জন রায়:

- তিনি ভারতের শেষ বহুশাস্ত্রজ্ঞদের মধ্যে অন্যতম একজন। 
- মানব অভিজ্ঞতার রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিকগুলির মধ্যে সমন্বয় সাধনে নীহাররঞ্জন রায় এর প্রয়াস পরিণতি লাভ করেছে তাঁর প্রধান সাহিত্যকর্ম বাঙ্গালীর ইতিহাস গ্রন্থে।

তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- Maurya and Sunga Art,
- বাঙ্গালীর ইতিহাস,
- Nationalism in India, 
- Idea and Image of Indian Art.

তাঁর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রচনা হচ্ছে:
- Mughal Court Painting,
- The Sikh Gurus and the Sikh Society,
- Dutch Activities in the East,
- An Approach to Indian Art।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৮৯.
নিচের কোনটি শরৎচন্দ্রের ছোটগল্প নয়?
  1. ক) ছুটি
  2. খ) মহেশ
  3. গ) বিন্দুর ছেলে
  4. ঘ) রামের সুমতি
সঠিক উত্তর:
ক) ছুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ছুটি
ব্যাখ্যা
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ছোটগল্প হলো - মন্দির, রামের সুমতি, বিন্দুর ছেলে, মেজদিদি, কাশীনাথ, বিলাসী, মহেশ, অভাগীর স্বর্গ, হরিলক্ষ্মী, অনুরাধা,সতী, পরেশ, ইত্যাদি।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
৭,৫৯০.
আজ ২২শে অক্টোবর বাংলা ভাষার কোন অন্যতম প্রধান কবির প্রয়াণ দিবস?
  1. ক) শামসুর রহমান
  2. খ) বুদ্ধদেব বসু
  3. গ) জীবনানন্দ দাশ
  4. ঘ) সমর সেন
সঠিক উত্তর:
গ) জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• জীবননান্দ দাশ:
- জীবননান্দ দাশ একজন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দের 'ধূসর পান্ডুলিপি' পড়ে তার কবিতাকে 'চিত্ররূপময় কবিতা' বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।

জীবনানন্দের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ -
- ঝরাপালক (১৯২৮) [প্রথম কাব্যগ্রন্থ]
- ধূসর পান্ডুলিপি (১৯৩৬)
- বনলতা সেন (১৯৪২)
- সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮)
- রূপসী বাংলা (১৯৫৭)

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া ।
৭,৫৯১.
নিচের কোনটি স্মৃতিকথা নয়?
  1. ক) আমার বিশ্বাস
  2. খ) স্মৃতির নোটবুক
  3. গ) শ্রাবন্তীর দিনরাত্রি
  4. ঘ) ভেসেছিলাম ভাঙ্গা ভেলায়
সঠিক উত্তর:
গ) শ্রাবন্তীর দিনরাত্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শ্রাবন্তীর দিনরাত্রি
ব্যাখ্যা
আবদুল মান্নান সৈয়দ এর রচিত স্মৃতিকথা হলোঃ আমার বিশ্বাস (১৯৮৮), স্মৃতির নোটবুক (২০০১), ভেসেছিলাম ভাঙ্গা ভেলায় (২০০৯), মিটিলনা সাধ ভালবাসিয়া তোমায়(২০১২)। শ্রাবন্তীর দিনরাত্রি হলো তার রচিত উপন্যাস। রেফারেন্সঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য – মোহসীনা নাজিলা।
৭,৫৯২.
উপন্যাস হলো-
  1. আধুনিক যুগের মহাকাব্য
  2. আধুনিক যুগের কাহিনি
  3. আধুনিক যুগের জীবনচিত্র
  4. আধুনিক যুগের গদ্যকাব্য
সঠিক উত্তর:
আধুনিক যুগের মহাকাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধুনিক যুগের মহাকাব্য
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা :
প্রাচীন ও মধ্যযুগে মহাকাব্য লেখা হত। কিন্তু আধুনিক যুগে গদ্যের প্রচলন হলে মহাকাব্যের স্থান দখল করে উপন্যাস।
তাই উপন্যাসকে আধুনিক যুগের মহাকাব্য বলা হয়।
উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৭,৫৯৩.
'ছড়ার আসর' শিশুতোষ রচনাটি কার লেখা?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম 
  2. আহসান হাবীব
  3. বন্দে আলী মিয়া
  4. ফররুখ আহমেদ
  5. সুকুমার রায়
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফররুখ আহমেদ
ব্যাখ্যা

• ফররুখ আহমদ:
- একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি কবি।
- ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে তাঁর জন্ম। 
-  ফররুখ আহমদ 'মুসলিম রেনেসাঁর কবি' বা 'মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
- তাঁর কাব্যের মৌলিক প্রবণতা মুসলিম সংস্কৃতির গৌরবকীর্তন ও জাতীয় চেতনার পুনর্জাগরণ।
- পাকিস্তানবাদ, ইসলামিক আদর্শ ও আরব-ইরানের ঐতিহ্য তাঁর কবিতায় উজ্জ্বলভাবে ফুটে উঠেছে।
- হাতেমতায়ী কাহিনিকাব্যের জন্যে তিনি আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- পাখির বাসা গ্রন্থের জন্যে ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য:
- সাত সাগরের মাঝি ,
- সিরাজাম মুনিরা ,
- নৌফেল ও হাতেম ,
- মুহূর্তের কবিতা ,
- হাতেমতায়ী ,
- হাবেদা মরুর কাহিনী, ইত্যাদি।

• তাঁর শিশুতোষ রচনা:
- পাখির বাসা ,
- হরফের ছড়া ,
- ছড়ার আসর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৭,৫৯৪.
‘বনলতা সেন ‘ কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেন-
  1. ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. ঘ) জীবনানন্দ দাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) জীবনানন্দ দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জীবনানন্দ দাস
ব্যাখ্যা
• জীবনানন্দ দাস ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে। 
• জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি বলা হয়। ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’ (১৯৩৬) নামে একটি কাব্যগ্রন্থ আছে জীবনানন্দ দাশের। কিন্তু শুধু এ কারণেই তাঁকে ‘ধূসরতার কবি’ বলা হয়-তা নয়। তাঁর বহু কবিতায় হতাশা ও বিবর্ণের কথা আছে। তাঁর কবিতার চালচিত্রে আছে ধূসর বর্ণ। তাই জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি বলা হয়।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় কবিতা বলেছেন।

• জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থঃ
 - ঝরাপালক (প্রথম প্রকাশিত), 
- ধূসর পান্ডুলিপি, 
- বনলতা সেন, 
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহঃ
- মাল্যবান, 
- সুতীর্থ, 
- নিরুপম যাত্রা, 
- বিভা,
- জলপাইহাটি ইত্যাদি।

জীবনানন্দের বনলতা সেন  কাব্যগ্রন্থ নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত (১৯৫৩) হয়। এছাড়া জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা গ্রন্থটিও ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৫৪) লাভ করে। ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৯৫.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচিত নাটক কোনটি?
  1. ক) কোকিলারা
  2. খ) উজানে মৃত্যু
  3. গ) নেমেসিস
  4. ঘ) জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন
সঠিক উত্তর:
খ) উজানে মৃত্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উজানে মৃত্যু
ব্যাখ্যা
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ একজন  কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

নাটক:
- বহিপীর,
- সুড়ঙ্গ,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজানে মৃত্যু ইত্যাদি।

উপন্যাস:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- দি আগলি এশিয়ান ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- আবদুল্লাহ আল মামুন - রচিত ''কোকিলারা'' একটি এক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক। 
- নুরুল মোমেনের শ্রেষ্ঠ নাটক 'নেমেসিস'। ১৯৩৯-৪৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ১৯৪৪ সালে রচনা করা হয় এই নাটক।
- 'জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন' সেলিম আল দীন রচিত একটি নাটক।


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭,৫৯৬.
'মিলির হাতে স্টেনগান' গল্পটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের কোন গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. খোয়ারি
  2. অন্য ঘরে অন্য স্বর
  3. দুধেভাতে উৎপাত
  4. দোজখের ওম
সঠিক উত্তর:
দুধেভাতে উৎপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুধেভাতে উৎপাত
ব্যাখ্যা

• 'মিলির হাতে স্টেনগান' গল্প:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত 'দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'মিলির হাতে স্টেনগান' গল্পে স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে।

গল্পের কাহিনি সংক্ষেপ-
মিলির হাতে স্টেনগান গল্পটির প্রেক্ষাপট বাহাত্তর বা তিয়াত্তর সালের ঢাকা শহর। মা, বাবা, দুই ভাই ও এক বোন নিয়ে মিলিদের পরিবার। বড় ছেলে রানা একজন মুক্তিযোদ্ধা। অস্ত্র জমা দেয়নি সে, নিজের কাছেই লুকিয়ে রেখেছে তার স্টেনগানটি।

না, দীর্ঘ নয় মাসের জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দোদুল্যমান প্রতিটি মুহূর্তের বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে অস্ত্রটির প্রতি একান্ত ভালবাসা থেকে স্টেনগানটি রেখে দেয়নি রানা, বরং এই অস্ত্রটিকেই বর্তমানে টিকে থাকার অবলম্বন হিসেবে এখনো সযত্নে আগলে রেখেছে সে।

অবশ্য শুধু টিকে থাকার ব্যাপারে সাহায্য করাই যে স্টেনগানটির মূল লক্ষ্য, তা কিন্তু নয়। বরং মাঝেমধ্যে আনকোরা নতুন টিভি সেট বা অন্য কোনো গৃহসজ্জার উপকরণ হস্তগত করার কাজেও যে অস্ত্রটি এখনো সফল পার্শ্বচর হিসেবে রানার সাথে সাথে অবস্থান করে, গল্পটি পড়ে তা বুঝতে বেগ পেতে হয় না।

কিন্তু যত সমস্যা বাঁধাচ্ছে আব্বাস পাগলা। এই ‘থরোব্রেড বাস্টার্ড’টা নির্লজ্জের মতো রানার কাছে তার সাধের স্টেনগানটা চেয়ে বসে। আব্বাস পাগলার ভাষ্যমতে, চাঁদের মধ্যে নাকি দখলদার বাহিনী ঘাঁটি গেড়ে বসেছে। সেই হানাদারদের গুষ্টির পিণ্ডি চটকানোর জন্য রানার স্টেনগানটাই যথেষ্ট আব্বাস পাগলার জন্য।

--------------------
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত গল্পগ্রন্থ: 
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি, 
- দুধভাতে উৎপাত,
- দোজখের ওম।

উৎস: 'মিলির হাতে স্টেনগান' গল্প; 'দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া। 

৭,৫৯৭.
কোনটি উইলিয়াম কেরি রচিত গ্রন্থ?
  1. কথোপকথন
  2. বত্রিশ সিংহাসন
  3. হিতোপদেশ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কথোপকথন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কথোপকথন
ব্যাখ্যা
উইলিয়াম কেরী:
- উইলিয়াম কেরি ছিলেন একজন ইংরেজ মিশনারি।
- বাংলা গদ্যের বিকাশে এই বিদেশের অবদান সর্বাধিক।

উইলিয়াম কেরি রচিত গ্রন্থ:
- কথোপকথন,
- ইতিহাসমালা।

অন্যদিকে,
- হিতোপদেশ, বত্রিশ সিংহাসন - মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের রচনা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৯৮.
কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস কোনটি?
  1. নন্দিত নরকে
  2. এই সব দিনরাত্রি
  3. জোছনা ও জননীর গল্প
  4. আগুনের পরশমণি
সঠিক উত্তর:
নন্দিত নরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নন্দিত নরকে
ব্যাখ্যা
• হুমায়ূন আহমেদের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস- নন্দিত নরকে (১৯৭২)।

• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলা।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- আগুনের পরশমণি,
- অনিল বাগচীর একদিন,
- শ্যামল ছায়া,
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- ১৯৭১ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- এই সব দিনরাত্রি,
- আমার আছে জল,
- নক্ষত্রের রাত,
- ফেরা,
- বহুব্রীহি,
- গৌরীপুর জংশন,
- শ্রাবণ মেঘের দিন,
- দুই দুয়ারী,
- কোথাও কেউ নেই,
- বৃষ্টি বিলাস,
- বাদশাহ নামদার,
- মেঘের ওপর বাড়ি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৯৯.
বুদ্ধদেব বসু রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. কালো হাওয়া
  2. কঙ্কাবতী
  3. লালমেঘ
  4. তিথিডোর
সঠিক উত্তর:
কঙ্কাবতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঙ্কাবতী
ব্যাখ্যা

বুদ্ধদেব বসু:
- তিনি একজন সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালে ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পরিবারের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের মালখানগরে।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মর্মবাণী,
- বন্দীর বন্দনা,
- কঙ্কাবতী,
- যে আঁধার আলোর অধিক,
- মরচেপড়া পেরেকের,
- একদিন চিরদিন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- তিথিডোর,
- সাড়া,
- সানন্দা,
- লালমেঘ,
- পরিক্রমা,
- কালো হাওয়া,
- নির্জন স্বাক্ষর,
- নীলাঞ্জনার খাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৭,৬০০.
অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত ভ্রমণকাহিনি কোনটি?
  1. ক) জাপান যাত্রী
  2. খ) ইউরোপের যাত্রী
  3. গ) ইউরোপের চিঠি
  4. ঘ) পশ্চিমের যাত্রী
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোপের চিঠি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোপের চিঠি
ব্যাখ্যা
‘ইউরোপের চিঠি’ অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি।
তার রচিত আরেকটি উল্লেখযোগ্য ভ্রমণ কাহিনী ‘পথে প্রবাসে’।

অন্যদিকে, 
'জাপান-যাত্রী' (১৯১৯) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি।
'পশ্চিমের যাত্রী' (১৯৩৮) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত ভ্রমণ কাহিনি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।