বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ

মোট প্রশ্ন১৭,৪৩৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগ

PrepBank · পাতা ১৫৬ / ১৭৪ · ১৫,৫০১১৫,৬০০ / ১৭,৪৩৭

১৫,৫০১.
স্বর্ণকুমারী দেবী সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের-
  1. ভগ্নী
  2. ভ্রাতুষ্পুত্রী
  3. বৌদি
  4. কাকি
সঠিক উত্তর:
ভগ্নী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভগ্নী
ব্যাখ্যা
• স্বর্ণকুমারী দেবী:
- তিনি ১৮৫৫ সালের ২৮শে আগস্ট জোড়াসাকোঁর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, নাট্যকার, সাংবাদিক ও সমাজকর্মী।
- স্বর্ণকুমারী দেবী দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এর দশম সন্তান এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ভগ্নী।
- তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক।
- স্বর্ণকুমারী দেবী দীর্ঘ ত্রিশ বছর মাসিক 'ভারতী' পত্রিকার লেখক ও সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন।
- তিনি ৩রা জুলাই, ১৯৩২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- দীপ নির্বাণ,
- মেবার রাজ,
- মালতী,
- বিদ্রোহ,
- বিচিত্রা,
- স্বপ্নবাণী,
- মিলনরাত্রি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্ত উৎসব,
- দেব কৌতুক।

• তাঁর রচিত কাব্য:
- গাথা,
- কবিতা ও গান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫০২.
'মহেন্দ্র' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. করুণা
  2. গোরা
  3. নৌকাডুবি
  4. মালঞ্চ
সঠিক উত্তর:
করুণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করুণা
ব্যাখ্যা
করুণা:
- 'করুণা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা প্রথম উপন্যাস, কিন্তু গ্রন্থাকারে প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস নয় (প্রথম উপন্যাসগ্রন্থের নাম 'বউ ঠাকুরানীর হাট')।
- মাসিক 'ভারতী' পত্রিকায় এক বছর ধরে (আশ্বিন-ভাদ্র ১২৮৪-৮৫) 'করুণা' উপন্যাসটি ছাপা হয়।
- এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবৎকালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় নি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'জীবনস্মৃতি'তেও এই রচনার কোনো উল্লেখ করেন নি।
- পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক প্রকাশিত 'রবীন্দ্র রচনাবলি'তে (১৯৬১) 'করুণা' প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- সাতাশ পরিচ্ছেদ বিশিষ্ট এই উপন্যাস।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: মহেন্দ্র, মোহিনী, রজনী।

উল্লেখ্য, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চোখের বালি' উপন্যাসের চরিত্রও 'মহেন্দ্র'।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- শেষের কবিতা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- বউ ঠাকুরানীর হাট,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- চতুরঙ্গ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৫,৫০৩.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. কবি কাহিনী
  2. বনফুল
  3. সোনার তরী
  4. বউ ঠাকুরাণীর হাট
সঠিক উত্তর:
কবি কাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবি কাহিনী
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: 'কবি-কাহিনী' (১৮৭৮)।
- আট বছর বয়সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতা লেখা শুরু করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা: 'হিন্দুমেলার উপহার' (১৮৭৪)।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস বউ ঠাকুরাণীর হাট।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- তিনি ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রকাশিত মোট কাব্যগ্রন্থ - ৫৬টি।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫০৪.
'নিতাই' - চরিত্রটির স্রষ্টা কে?
  1. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. বুদ্ধদেব বসু
সঠিক উত্তর:
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

'কবি' উপন্যাস:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'কবি'। ডোম সম্প্রদায়ের একজন যুবকের কবি রূপে প্রতিষ্ঠা এবং দুটি নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক বিষয়ক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হচ্ছে নিতাই।
- উপন্যাসের ক্লাসিক সংলাপ- 'এই খেদ আমার মনে, ভালবেসে মিটলোনা সাধ, কুলালোনা এই জীবনে। হায়! জীবন এতো ছোট ক্যানে? এই ভুবনে।'

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- কবি,
- হাঁসুলী বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য নিকেতন,
- পঞ্চপুণ্ডলী,
- রাধা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫,৫০৫.
"চোর দোষী বটে, কিন্তু কৃপণ ধনী তদপেক্ষা শত গুণে দোষী। চোরের দণ্ড হয়; চুরির মূল যে কৃপণ, তাহার দণ্ড হয় না কেন?" - কোন গ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. রাজবন্দীর জবানবন্দী
  2. আমার পথ 
  3. বিড়াল
  4. যৌবনের গান 
সঠিক উত্তর:
বিড়াল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিড়াল
ব্যাখ্যা

'বিড়াল' প্রবন্ধ:
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত 'বিড়াল' একটি আকর্ষণীয় রম্যরচনা।
• প্রবন্ধটি 'কমলাকান্তের দপ্তর' গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।
• ‘রিড়াল’ রূপকের মাধ্যমে লেখক আমাদের সমাজের দরিদ্র, বঞ্চিত ও শোষিত মানুষের প্রতি ধনী সমাজের প্রভাবের কথা তুলে ধরেছেন।
• সমাজে শৃঙ্খলা আনতে হলে মানুষকে যে বিচারবুদ্ধি নিয়ে চলতে হবে এবং বৈষম্য দূর করতে হলে যে মানুষকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে তা লেখক সুস্পষ্টভাবে প্রবন্ধটিতে তুলে ধরেছেন।

অন্যদিকে,
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'রাজবন্দীর জবানবন্দী' একটি প্রবন্ধ।

-----------------------

⇒ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
- ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
 - আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'সাম্য' গ্রন্থটি রচনা করেন।
- বঙ্কিমচন্দ্রের দুটি তত্ত্বমূলক উপন্যাস হলো আনন্দমঠ ও দেবী চৌধুরাণী।

• তাঁর অন্যান্য উপন্যাস সমূহ:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫০৬.
নিচের কোন প্রবন্ধগ্রন্থটি বেগম রোকেয়া রচনা করেন?
  1. ক) মতিচূর
  2. খ) অবরোধবাসিনী
  3. গ) পদ্মরাগ
  4. ঘ) পদ্মগোখরা
সঠিক উত্তর:
ক) মতিচূর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মতিচূর
ব্যাখ্যা
•'মতিচূর' প্রবন্ধগ্রন্থটি- বেগম রোকেয়া রচনা করেন।

রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের 1 অধিকার আদায়ের জন্য ১৯১৬ সালে

- আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন বেগম রোকেয়া   ।

•Sultana's Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Landবা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।

উলেখযোগ্য কিছু রচনা:

»মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড)

»Sultana's Dream (নকশাধর্মী রচনা)

»পদ্মরাগ (উপন্যাস, অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ) প্রভৃতি।

এছাড়া আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ।

এছাড়াও- 

'পদ্মগোখরা' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫০৭.
‘চাচা কাহিনী'র লেখক-
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. মুহম্মদ আব্দুল হাই
  4. শওকত ওসমান
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা
• ‘চাচা কাহিনী'র  লেখক - সৈয়দ মুজতবা আলী
- এটি তাঁর রচিত ছোটগল্পগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯৫২ সালে প্রকাশিত হয়।

সৈয়দ মুজতবা আলী:
- ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল মৌলভীবাজারের উত্তরসুর গ্রামে।
- তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।
- তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলী 'দেশে বিদেশে' গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে প্রথম প্রবেশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফসল এই গ্রন্থখানি।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত ছোটগল্পগ্রন্থ:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫০৮.
তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপস্যাসের মধ্যে কোনটি নেই?
  1. ক) কালিন্দী
  2. খ) ধাত্রীদেবতা
  3. গ) গণদেবতা
  4. ঘ) পঞ্চগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) কালিন্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কালিন্দী
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা :
কালিন্দী তারাশঙ্করের অন্যতম উপন্যাস। এটি ১৯৪০ সালে প্রকাশিত হয়। বিবদমান দুই জমিদার বাড়ির কাহিনি নিয়ে এটি লেখা।
তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস হলো:
- ধাত্রীদেবতা
- গণদেবতা
- পঞ্চগ্রাম
উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
১৫,৫০৯.
"নিশুতি রাতের গাথা" আনোয়ার পাশা রচিত কোন ধরনের সাহিত্য?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. নাটক
  3. উপন্যাস
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা
আনোয়ার পাশা:
- আনোয়ার পাশা বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক।
- জন্ম ১৯২৮ সালের ১৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ডাবকাই গ্রামে।

আনোয়ার পাশা রচিত উপন্যাস: 
- নিশুতি রাতের গাথা,
- নীড় সন্ধানী ও
- রাইফেল রোটি আওরাত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫১০.
'ধূমকেতু' কোন ধরনের পত্রিকা হিসেবে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়?
  1. মাসিক 
  2. অর্ধ-সাপ্তাহিক
  3. দৈনিক 
  4. সাপ্তাহিক 
সঠিক উত্তর:
অর্ধ-সাপ্তাহিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধ-সাপ্তাহিক
ব্যাখ্যা

• 'ধূমকেতু' পত্রিকা:
- ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে অর্ধ সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে 'ধূমকেতু' কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সম্পাদক। ব্রিটিশ বিরোধী রচনা এখানে ছাপা হতো।
- নজরুলের কবিতা 'আনন্দময়ীর আগমনে' পত্রিকায় প্রকাশ হলে কবিতা ও পত্রিকা উভয়ই ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করে। এজন্য নজরুলকে এক বছর কারাবাসও করতে হয়।

রবীন্দ্রনাথ পত্রিকার সাফল্য কামনা করে লেখেন:
'আয় চলে আয় রে ধূমকেতু
আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু দুর্দিনের এই দুর্গশিরে
উড়িয়ে দে তোর বিজয়কেতন।'

কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকা:
• 'লাঙ্গল' (১৯২৫) পত্রিকার প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, এটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়।
• 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকাটি কাজী নজরুল ইসলাম কমরেড মুজাফ্ফর আহমদ এর সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫১১.
‘সম্মুখের দিগন্তজোড়া মাঠখানা জ্বলিয়া পুড়িয়া ফুটিফাটা হইয়া আছে, আর সেই লক্ষ ফাটল দিয়া ধরিত্রীর বুকের রক্ত নিরন্তর ধুঁয়া হইয়া উড়িয়া যাইতেছে।’ - আলোচ্য উক্তিটি কোন গল্পের?
  1. ক) বিলাশী
  2. খ) মহেশ
  3. গ) অতিথির স্মৃতি
  4. ঘ) ছবি
সঠিক উত্তর:
খ) মহেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহেশ
ব্যাখ্যা

‘সম্মুখের দিগন্তজোড়া মাঠখানা জ্বলিয়া পুড়িয়া ফুটিফাটা হইয়া আছে, আর সেই লক্ষ ফাটল দিয়া ধরিত্রীর বুকের রক্ত নিরন্তর ধুঁয়া হইয়া উড়িয়া যাইতেছে।’ - আলোচ্য উক্তিটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর মহেশ গল্পের।
মহেশ গল্পটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর হরিলক্ষ্মী গল্পগ্রন্থের।
মহেশ গল্পের কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হল -
মহেশ, গফুর মিঞা, আমিনা,তর্করত্ন, জমিদার শিববাবু প্রমুখ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৫,৫১২.
অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান রচিত গবেষণা পত্র কোনটি?
  1. ক) বাংলা গদ্যরীতির ইতিহাস
  2. খ) বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা
  3. গ) বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
  4. ঘ) মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান রচিত গবেষণা পত্র 'মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য'।
- ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ইংরেজি আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানদের চিন্তাধারা (১৭৫৭-১৯১৮)' শিরোনামে ডক্টরেট অর্জন করেন। 
- এই গবেষণা পত্রকে তিনি 'মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য' (১৯৬৪) গ্রন্থরূপ দেন। 

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম:
- স্বরূপের সন্ধানে, 
- আঠারো শতকের বাংলা চিঠি, 
- বাঙালি নারী: সাহিত্য ও সমাজে, 
- কাল নিরবধি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫১৩.
সেলিনা হোসেন রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ কোনটি?
  1. নারীর মূল্য 
  2. স্বদেশ পরবাসী
  3. তরুণের বিদ্রোহ 
  4. স্বদেশ ও সাহিত্য
সঠিক উত্তর:
স্বদেশ পরবাসী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বদেশ পরবাসী
ব্যাখ্যা

সেলিনা হোসের রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ - স্বদেশ পরবাসী।

সেলিনা হোসেন:

- সেলিনা হোসেন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক।
- সেলিনা হোসেন ১৪ই জুন ১৯৪৭ সালে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর লাভ করেন।
- অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, নারীমুক্তি তাঁর কথাসাহিত্যের মূলগত আখ্যান।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- স্বদেশ পরবাসী 
- একাত্তরের ঢাকা 
- নির্ভয় করো হে ।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- হাঙর নদী গ্রেনেড,
- মগ্ন চৈতন্যে শিস,
- যাপিত জীবন,
- চাঁদবেনে,
- পোকামাকড়ের ঘরবসতি,
- গায়ত্রী সন্ধ্যা,
- দীপান্বিতা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রবন্ধ-
১. নারীর মূল্য ।
২.তরুণের বিদ্রোহ 
৩. স্বদেশ ও সাহিত্য

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫,৫১৪.
বিহারে কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস-
  1. অশনি সংকেত
  2. আরণ্যক
  3. দেবযান
  4. দৃষ্টি প্রদীপ
সঠিক উত্তর:
আরণ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরণ্যক
ব্যাখ্যা

• 'আরণ্যক' উপন্যাস:
- 'আরণ্যক' কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত চতুর্থ উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৩৯ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিহারে তার কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে উপন্যাসটি রচনা করেন।
- আরণ্যক উপন্যাসটির রচনাকাল ১৯৩৭-৩৯ খ্রিষ্টাব্দ। "কাত্যায়ণী বুক স্টল" থেকে তা গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- বই হিসাবে প্রকাশের আগে 'প্রবাসী' মাসিক পত্রিকায় কার্তিক ১৯৩৮ থেকে ফাল্গুন ১৯৩৯ পর্যন্ত উপন্যাসটি ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়।
- বিভূতিভূষণ এই উপন্যাসটি অকালে-লোকান্তরিতা তার প্রথমা স্ত্রী গৌরী দেবীকে উৎসর্গ করেন।
- মূল বাংলা ছাড়াও 'আরণ্যক' সাহিত্য একাডেমির প্রচেষ্টায় ভারতের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত করা হয়েছে। যেমন- ওড়িয়া, তেলুগু, গুজরাটি, মারাঠী, মালয়ালম, পাঞ্জাবী এবং হিন্দি।

 বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত অন্যান্য উপন্যাস: 
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত,
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান,
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫১৫.
কোন সাহিত্যিক ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বরে শহিদ হন?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. জহির রায়হান
  4. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
মুনীর চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• মুনীর চৌধুরী:
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- তিনি শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
- ঢাকার প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘ, কমিউনিস্ট পার্টি, ভাষা আন্দোলন ইত্যাদির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। 
- ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের দুদিন আগে ১৪ ডিসেম্বর তিনি পাকবাহিনীর সহযোগীদের দ্বারা অপহৃত ও নিহত হন।

• তাঁর রচিত প্রধান নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- দণ্ডকারণ্য,
- পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য।

• তাঁর রচিত অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা,
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- মীর মানস,
- তুলনামূলক সমালোচনা,
- বাংলা গদ্যরীতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫১৬.
'দুর্দিনের দিনলিপি' গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. সৈয়দ মুজতবা আলী
  2. আবুল ফজল
  3. জাহানারা ইমাম 
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
সঠিক উত্তর:
আবুল ফজল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল ফজল
ব্যাখ্যা

• 'দুর্দিনের দিনলিপি':
- 'দুর্দিনের দিনলিপি' গ্রন্থটির রচয়িতা- আবুল ফজল। গ্রন্থটি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি তার মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের রোজনামচা।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাক সেনাদের হাত থেকে বাঁচার জন্য আত্মগোপন করেন এবং সে সময় তিনি এই ডায়রি লিখেন।

-----------------------
• আবুল ফজল কবি পরিচিতি:
আবুল ফজল ছিলেন একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক, ও কথাসাহিত্যিক। তিনি ১৯০৩ সালের ১ জুলাই চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজ (১৯২৬) প্রতিষ্ঠার সঙ্গে যুক্ত হন এবং ১৯৩০ সালে এর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আবুল ফজল উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, আত্মকথা, ধর্ম, ভ্রমণকাহিনীসহ বিভিন্ন বিষয়ে অসংখ্য গ্রন্থ রচনা করেছেন।

তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
• উপন্যাস:
- চৌচির,
- প্রদীপ ও পতঙ্গ,
- রাঙ্গা প্রভাত।

• গল্পগ্রন্থ:
- মাটির পৃথিবী,
- মৃতের আত্মহত্যা।

• দিনলিপি:
- রেখাচিত্র,
- দুর্দিনের দিনলিপি প্রভৃতি।

অন্যদিকে, 
• জাহানারা ইমাম রচিত গ্রন্থ "প্রবাসের দিনলিপি"।

উৎস:  'দুর্দিনের দিনলিপি' গ্রন্থ; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫১৭.
কতটি কবিতার সমন্বয়ে কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১২
  3. গ) ১৫
  4. ঘ) ২০
সঠিক উত্তর:
খ) ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২
ব্যাখ্যা
• ‘অগ্নি-বীণা’ কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১২টি কবিতার সমন্বয়ে 'অগ্নি-বীণা’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।

• এই কাব্যের ১২টি কবিতা হলো:
- প্রলয়োল্লাস
- বিদ্রোহী
- রক্তাম্বর-ধারিণী মা
- আগমণী
- ধূমকেতু
- কামাল পাশা
- আনোয়ার
- রণভেরী
- শাত-ইল-আরব
- খেয়াপারের তরণী
- কোরবানি
- মোহররম

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫১৮.
'দেশে বিদেশে' ভ্রমণ কাহিনিটি যে শহরকে নিয়ে লেখা?
  1. আফগানিস্তানের কাবুল
  2. ভারতের দিল্লী
  3. পাকিস্তানের লাহোর
  4. ইরানের তেহরান
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তানের কাবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তানের কাবুল
ব্যাখ্যা

'দেশে বিদেশে' উপন্যাস:
- 'দেশে বিদেশে' সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনি।
- সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ 'দেশে বিদেশে'। 
- 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণ কাহিনিটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।
- এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি চরিত্র:
- বহির
- আজাহার
- আরজান
- রহমিউদ্দিন

• সৈয়দ মুজতবা আলী: 
- ১৯০৪ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ- ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।  
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলীর রচিত উপন্যাস: অবিশ্বাস্যও শবনম।
- তাঁর রচিত ছোটগল্প: চাচা-কাহিনী ও টুনি মেম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
সৈয়দ মুজতবা আলী – দেশে বিদেশে (প্রথম প্রকাশ: ১৯৪৮)

১৫,৫১৯.
বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রথম সার্থক গীতিকবিতা কোনটি?
  1. স্বপ্নদর্শন
  2. সঙ্গীতশতক
  3. বঙ্গসুন্দরী
  4. বন্ধু বিয়োগ
সঠিক উত্তর:
বঙ্গসুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গসুন্দরী
ব্যাখ্যা
• বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- বিহারীলাল চক্রবর্তী  আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচত।
- বাংলা গীতিকবিতার জনক হিসেবে পরিচিত বিহারীলাল চক্রবর্তী।
- তিনি আধুনিক বাংলা গীতিকাব্যের প্রথম ও প্রধান কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' উপাধিতে আখ্যায়িত করেন।
- বিহারীলাল চক্রবর্তীর প্রথম সার্থক গীতিকবিতা ‘বঙ্গসুন্দরী’।
- তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ: সারদা মঙ্গল। 

বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীতশতক,
- বঙ্গসুন্দরী,
- নিসর্গ সন্দর্শন,
- বন্ধু বিয়োগ,
- সারদা মঙ্গল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫২০.
'পূর্বাভাস' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. বিষ্ণু দে
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা

• 'পূর্বাভাস' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা - সুকান্ত ভট্টাচার্য।

সুকান্ত ভট্টাচার্য:

- তিনি ছিলেন মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি।
- ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট কলকাতায় মাতুলালয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায়। 
- সুকান্ত ভট্টাচার্য কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা দৈনিক স্বাধীনতা-র (১৯৪৫) ‘কিশোর সভা’ বিভাগ সম্পাদনা করতেন।
- সুকান্তের সাহিত্য-সাধনার মূল ক্ষেত্র ছিল কবিতা। সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, যন্ত্রণা ও বিক্ষোভ তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়বস্তু।
- তাঁর রচনাকর্মে গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাণীসহ শোষণহীন এক নতুন সমাজ গড়ার অঙ্গীকার উচ্চারিত হয়েছে।
- ‘এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাবো আমি' - সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত উক্তি।
- তিনি ২৯শে বৈশাখ, ১৩৫৪; ১৩ই মে, ১৯৪৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
- ছাড়পত্র,
- ঘুম নেই,
- মিঠে কড়া,
- অভিযান,
- হরতাল,
- গীতিগুচ্ছ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
২) বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫২১.
কোনটি গোলাম মোস্তফা রচিত গদ্যগ্রন্থ?
  1. খোশরোজ
  2. বনি আদম
  3. বিশ্বনবী
  4. বুলবুলিস্তান
সঠিক উত্তর:
বিশ্বনবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বনবী
ব্যাখ্যা
• গোলাম মোস্তফা:
• গোলাম মোস্তফা (১৮৯৭-১৯৬৪)  কবি ও লেখক। যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) জেলার শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতা গোলাম রববানী এবং পিতামহ কাজী গোলাম সরোয়ার দুজনেই ছিলেন লোককবি।

• গোলাম মোস্তফা পাকিস্তানি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় উর্দুর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন। ১৯৪৯ সালে গঠিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা সংস্কার কমিটির সচিব হিসেবে তিনি কাজ করেন। তিনি গদ্য ও পদ্য রচনায় সমান দক্ষ ছিলেন, তবে কবি হিসেবেই তাঁর মুখ্য পরিচয় ছিল।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- রক্তরাগ, 
- খোশরোজ, 
- কাব্য-কাহিনী,
- সাহারা, 
- হাসনাহেনা,
- বুলবুলিস্তান, 
- তারানা-ই-পাকিস্তান,
- বনি আদম, 
- গীতিসঞ্চালন ইত্যাদি।

• তাঁর গদ্যরচনার মধ্যে-
- বিশ্বনবী,
- ইসলাম ও কমিউনিজম,
- ইসলাম ও জেহাদ,
- আমার চিন্তাধারা,
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ইত্যাদি প্রধান।


তাঁর বিশ্বনবী গ্রন্থখানি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। এতে তিনি হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে ঐতিহাসিক মহামানব হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন।
- গোলাম মোস্তফার কাব্যের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো সহজ ও শিল্পসম্মত প্রকাশভঙ্গি এবং ছন্দোলালিত্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫২২.
কোন বিখ্যাত সাহিত্যিক ঐতিহাসিক কাগমারি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন?
  1. ক) আবুল মনসুর আহমদ
  2. খ) আবু জাফর শামসুদ্দীন
  3. গ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  4. ঘ) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
সঠিক উত্তর:
খ) আবু জাফর শামসুদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবু জাফর শামসুদ্দীন
ব্যাখ্যা
- কাগমারি সম্মেলন হলো ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার কাগমারিতে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের চতুর্থ কাউন্সিল ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন।
- আবু জাফর শামসুদ্দীন ঐতিহাসিক  কাগমারি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন। 

• আবু জাফর শামসুদ্দীন প্রথম জীবনে মানবেন্দ্রনাথ রায়ের (এম.এন রায়) ‘র‌্যাডিক্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির’ সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- পরে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে  ন্যাপ (১৯৫৭) গঠিত হলে তার প্রাদেশিক সাংগঠনিক কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।
- তিনি ঐতিহাসিক  কাগমারি সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির কেন্দ্রীয় আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।
- মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত ‘অল্পদর্শী’ ছদ্মনামে দৈনিক সংবাদে ‘বৈহাসিকের পার্শ্বচিন্তা’ শীর্ষক সাপ্তাহিক কলাম লিখে তিনি বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস 'পরিত্যক্ত স্বামী' প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে।

তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- ভাওয়াল গড়ের উপাখ্যান 
- পদ্মা মেঘনা যমুনা 
- সংকর সংকীর্তন 
- দেয়াল

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫২৩.
'ডা. রমেশ চক্রবর্তী' ও 'মায়মুন' আবু ইসহাক রচিত কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. মহাপতঙ্গ
  2. পদ্মার পলিদ্বীপ
  3. জাল
  4. সূর্য-দীঘল বাড়ী
সঠিক উত্তর:
সূর্য-দীঘল বাড়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য-দীঘল বাড়ী
ব্যাখ্যা
'সূর্য-দীঘল বাড়ী' উপন্যাস:
- আবু ইসহাক রচিত 'সূর্য-দীঘল বাড়ী' উপন্যাসটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত।
- বাংলাদেশের গ্রামজীবনের বিশ্বস্ত দলিল এই গ্রন্থ।
- বিশেষত গ্রামীণ মুসলমান জীবনের বিশ্বস্ত এবং আন্তরিক পরিচয় সমকালীন বাংলা সাহিত্যে বিরল।
- প্রকাশের অব্যবহিত পর থেকে বাস্তব চিত্রণ, চরিত্রায়ণের স্বাভাবিকতা ও প্রকাশভঙ্গির ঋজুতার জন্য উপন্যাসটি সমালোচক ও পাঠকসমাজে নন্দিত হয়েছে।
- জয়গুনদের বাড়িটিতে রাতে কথিত ভূতের ঢিল পড়ে, সে বাড়িতে নির্ভয়ে থাকা যায় না। তাই সূর্য-দীঘল বাড়ি অমঙ্গলের প্রতীকে পরিণত হয়।
- উপন্যাসে গ্রামের মানুষের দারিদ্র্য, কুসংস্কার, মোড়ল ও মোল্লাদের দৌরাত্ম্য, হৃদয়হীনা শাশুড়ির বৌয়ের প্রতি অত্যাচার ইত্যাদি এমন বিশ্বস্তভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যে কারণে এটি হয়ে উঠেছে গ্রামীণ জীবনের যথার্থ উপস্থাপনা।
- উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র: জয়গুন, তার ছেলে হাসু, মেয়ে মায়মুন, শফি, ডা. রমেশ চক্রবর্তী, মোড়ল গদু প্রধান।

আবু ইসহাক:
- তিনি ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর শরিয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, অভিধান-প্রণেতা।
- কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত 'নবযুগ' পত্রিকায় আবু ইসহাকের ‘অভিশাপ’ নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।
- তিনি সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধান (২ খন্ড, ১৯৯৩, ১৯৯৮) রচনা করে বাংলা কোষগ্রন্থের পরিধিকে বাড়িয়ে তুলেছেন।
- সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য আবু ইসহাক ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’ (১৯৬৩), ‘সুন্দরবন সাহিত্য পদক’ (১৯৮১), ‘বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ সাহিত্য পদক’ (১৯৯০), ‘একুশে পদক’ (১৯৯৭), ‘স্বাধীনতা পদক’ (মনণোত্তর, ২০০৪) এবং ‘শিশু একাডেমি পদক’ (মরণোত্তর, ২০০৬) লাভ করেন।
- ২০০৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- সূর্য-দীঘল বাড়ী,
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫২৪.
নিচের কোনটি পল্লী কবি জসীম উদদীনের আত্মকথা?
  1. ক) যাদের দেখছি
  2. খ) ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়
  3. গ) জীবন কথা
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কবি জসীম উদদীন রচিত আত্মকথা সমূহ- যাদের দেখেছি, ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায়, জীবন কথা, স্মৃতিপট ইত্যাদি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৫,৫২৫.
টেলিভিশনে প্রচারিত সেলিম আল দীনের প্রথম নাটক কোনটি?
  1. হাতহদাই
  2. কেরামতমঙ্গল
  3. ঘুম নেই
  4. সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য
সঠিক উত্তর:
ঘুম নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘুম নেই
ব্যাখ্যা
টেলিভিশনে প্রচারিত সেলিম আল দীনের প্রথম নাটক — 'ঘুম নেই'। 
- ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে এই নাটক প্রচারিত হয়। প্রযোজক ছিলেন আতিকুল হক চৌধুরী। 
----------------------- 
সেলিম আল দীন: 
-  তিনি ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ই নভেম্বর তৎকালীন নোয়াখালি জেলার সোনাগাজির সেনেরখিল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- সেলিম আল দীন কবিতাই লিখতেন। কিন্তু ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর রচিত 'নীল শয়তান: তাহিতি ইত্যাদি' নাটকটি টেলিভিশন ও বেতারে প্রচার হলে তাঁর নাট্যরচনার কথা জানাজানি হয়। 
- একই বছর ডাকসু মঞ্চস্থ করে 'জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন' এবং নাট্য প্রতিযোগিতাতেও নাটকটি প্রথম পুরস্কার পায়। 
- ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে ডাকসু নাট্যচক্র তাঁর লেখা 'এক্সপ্লোসিভ ও মূল সমস্যা' মঞ্চস্থ করলে নাট্যকার হিসেবে সেলিম আল দীন সবার পরিচিতি পান। 

সেলিম আল দীন রচিত নাট্যগ্রন্থ: 
- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য, 
- বাসন, 
- কেরামতমঙ্গল, 
- কীর্তন খোলা, 
- হাতহদাই, 
- শকুন্তলা, 
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি, 
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, 
- চাকা, 
- যৈবতী কন্যার মন, 
- হরগজ, 
- নিমজ্জন ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫২৬.
কায়কোবাদের প্রকৃত নাম কী?
  1. ক) কাজেম আল কোরেশী
  2. খ) আবু নাসের কায়কোবাদ
  3. গ) কায়কোবাদ ইসলাম
  4. ঘ) আবুল হোসেন কায়কোবাদ
সঠিক উত্তর:
ক) কাজেম আল কোরেশী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাজেম আল কোরেশী
ব্যাখ্যা
• কায়কোবাদ আধুনিক বাংলা মহাকাব্য ধারার শেষ কবি।
- তাঁর প্রকৃত নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী, ‘কায়কোবাদ’ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম। 
- কায়কোবাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বিরহ বিলাপ’
- কবি বলেছেন ‘আমি যখন বার বৎসর বয়স্ক বালক সেই সময় আমার বিরহ- বিলাপ  নামক ক্ষুদ্র কাব্য প্রকাশিত হয়।’ 
-কায়কোবাদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ  ‘মহাশ্মশান’ 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড.সৌমিত্র শেখর
১৫,৫২৭.
জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর প্রায় ৫০ বছর পর প্রকাশিত উপন্যাস কোনটি? 
  1. বনলতা সেন
  2. কল্লাণী
  3. বেলা অবেলা কালবেলা
  4. মল্লিকা
সঠিক উত্তর:
কল্লাণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কল্লাণী
ব্যাখ্যা

জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর প্রায় ৫০ বছর পর প্রকাশিত উপন্যাস: কল্লাণী।
--------------------------------------------
জীবনানন্দ দাশ:
-জীবনানন্দ দাশ ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রধান আধুনিক বাঙালি কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক।
- জীবনানন্দ দাশের জন্ম ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ এবং মা কুসুমকুমারী দাশ দুজনেই সাহিত্যচর্চার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
- তিনি ‘রূপসী বাংলার কবি’ নামে পরিচিত।
- বাংলা কবিতায় আধুনিকতার পথিকৃৎ হিসেবে তিনি পরিচিত।
- এছাড়া, রবীন্দ্র-পরবর্তী যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি হিসেবেও তাকে গণ্য করা হয়।
- তাঁর কবিতায় প্রকৃতি, মানবতা এবং নিঃসঙ্গতার এক স্বতন্ত্র জগৎ ফুটে ওঠে।
- যদিও জীবদ্দশায় তিনি খুব পরিচিত ছিলেন না, কিন্তু মৃত্যুর পর বিশেষত ১৯৯৯ সালে জন্মশতবার্ষিকী পালনের পর তার জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়।

তাঁর মৃত্যুর প্রায় ৫০ বছর পর তাঁর কল্লাণী উপন্যাসটি প্রকাশ পায়।
- উপন্যাসটি জমিদারি প্রথার অবক্ষয়ের পটভূমিতে রচিত, যেখানে গল্পের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ছিল পঙ্কজবাবুর মেয়ে কল্যাণী।

• তার উপন্যাসগুলো হলো : 
- কল্লাণী,
- মাল্যবান,
- বিভা,
- সুতীর্থ ,
- চারজন।

• তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বনলতা সেন’,
- ‘রূপসী বাংলা’,
- ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’,
- ‘ঝরাপালক’,
- ‘সাতটি তারার তিমির’,
- বেলা অবেলা কালবেলা,
- রূপসী বাংলা।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ - কবিতার কথা।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫২৮.
নীলিমা ইব্রাহিম রচিত নাটক -
  1. কেয়াবন সঞ্চারিণী
  2. এক পথ দুই বাঁক
  3. বিশ শতকের মেয়ে
  4. যে অরণ্যে আলো নেই,
সঠিক উত্তর:
যে অরণ্যে আলো নেই,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে অরণ্যে আলো নেই,
ব্যাখ্যা
নীলিমা ইব্রাহিম:
- তিনি মূলত শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত।
- নীলিমা ইব্রাহিমের ১৯২১ সালে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজকল্যাণ ও নারী-উন্নয়সংস্থা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের সঙ্গে যু্ক্ত ছিলেন

তাঁর রচিত নাটক:
- দুয়ে দুয়ে চার,
- যে অরণ্যে আলো নেই,
- রোদ জ্বলা বিকেল,
- সূর্যাস্তের পর ।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়াবন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫২৯.
বুদ্ধদেব বসু কত সালে ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) ১৯৬৭ সালে
  2. খ) ১৯৭০ সালে
  3. গ) ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা

বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪) সাহিত্যিক, সমালোচক, সম্পাদক।
- ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম।
- তপস্বী ও তরঙ্গিণী নাটকের জন্য তিনি সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (১৯৬৭) লাভ করেন।
- ১৯৭০ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘পদ্মভূষণ’ পুরস্কারে ভূষিত করে।
- এছাড়া স্বাগত বিদায় কাব্যগ্রন্থের জন্য তিনি মরণোত্তর ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ (১৯৭৪) লাভ করেন।

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

১৫,৫৩০.
'সবটাই মোর ঘর আছে' - কবিতা টি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) চিত্রা
  2. খ) আরোগ্য
  3. গ) উৎসর্গ
  4. ঘ) খেয়া
সঠিক উত্তর:
গ) উৎসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উৎসর্গ
ব্যাখ্যা
'সবটাই মোর ঘর আছে' - কবিতা টি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'উৎসর্গ' কব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে।

৪৬ টি কবিতার সংকলন রয়েছে এই কাব্যে। রবীন্দ্রনাথের বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কবিতা এই কাব্যগ্রন্থটিতে সংযুক্ত হয়েছে। তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগয় হলো: 
- আমি চঞ্চল হে
- তোমার পাছে সহজে বুঝি
- সবটাই মোর ঘর আছে।

• তাঁর অন্যান্য গ্রন্থে উল্লেখিত কবিতা:
চিত্রা:
- উর্বশী
- জীবনদেবতা
- স্বর্গ হইতে বিদায়
- এবার ফিরাও মোরে ইত্যাদি।
খেয়া:
- বিদায়
- আগমন
- দীঘি
- জাগরণ
- পথের শেষ ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৩১.
হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর 'তৈল' প্রবন্ধটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল?
  1. ভারতী 
  2. তত্ত্ববোধিনী 
  3. বঙ্গদর্শন
  4. সংবাদ প্রভাকর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা

• 'তৈল' প্রবন্ধ:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত প্রবন্ধ 'তৈল'। 
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী 'তৈল' রচনাটি লিখেছিলেন ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায়। এটি প্রকাশিত হয়েছিল ১২৮৫ বাংলায়।

প্রবন্ধের কিছু অংশ:
বাঙালীর বল নাই, বিক্রম নাই, বিদ্যাও নাই, বুদ্ধিও নাই। সুতরাং বাঙালীর একমাত্র ভরসা তৈল- বাঙালীর যে কেহ কিছু করিয়াছেন, সকলই তৈলের জোরে, বাঙালীদিগের তৈলের মূল্য অধিক নয়; এবং কি কৌশলে সেই তৈল বিধাতৃপুরুষদিগের সুখসেব্য হয়, তাহাও অতি অল্পলোক জানেন। যাঁহারা জানেন, তাঁহাদিগকে আমরা ধন্যবাদ দিই। তাঁহারাই আমাদের দেশের বড় লোক, তাঁহারাই আমাদের দেশের মুখ উজ্জ্বল করিয়া আছেন।

--------------------------
• হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কারক।
- তিনি 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে 'চর্যাপদ' সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাঞ্চনমালা ও
- বেণের মেয়ে।

তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ-
- হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা,
- প্রাচীন বাংলার গৌরব,
- মেঘদূত ব্যাখ্যা,
- ভারত মহিলা,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫,৫৩২.
‘বাঘে ছুঁলে সাত ঘা, আর জমিদার ছুঁলে আঠারো ঘা।’- উক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. দীনবন্ধু মিত্র
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. সেলিম আল দীন
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা
• ‘বাঘে ছুঁলে সাত ঘা, আর জমিদার ছুঁলে আঠারো ঘা।’- উক্তিটির মীর মশাররফ হোসেন রচিত ‘জমিদার দর্পণ’ নাটকের অন্তর্ভুক্ত।

• জমিদার দর্পণ:

- ‘জমিদার দর্পণ’ মীর মশাররফ হোসেন রচিত তিন অঙ্ক বিশিষ্ট একটি নাটক।
- অত্যাচারী ও চরিত্রহীন জমিদার হায়ওয়ান আলীর অত্যাচার এবং অধীনস্থ প্রজা আবু মোল্লার গর্ভবতী স্ত্রী নুরুন্নেহারকে ধর্ষণ ও হত্যার কাহিনি ‘জমিদার দর্পণ’ (১৮৭৩) এর মূল ঘটনা।
- লেখক লিখেছে, নাটকটির কিছুই সাজানো নয়, অবিকল ছবি তুলে ধরা হয়েছে প্রচলিত সমাজের। 
- নামকরণে দীনবন্ধু মিত্রের 'নীল-দর্পণ' নাটকের প্রভাব যেমন প্রবল, নাটকটির ঘটনা বিন্যাসেও এর ছায়া পড়েছে। 

নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- নুরুন্নেহার,
- আবু মোল্লা,
- জিতু মোল্লা,
- ফজু।

নাটকের উল্লেখযোগ্য কিছু উক্তি হলো:
- ‘বাঘে ছুঁলে সাত ঘা, আর জমিদার ছুঁলে আঠারো ঘা।’- নাটকে উক্তিটি জিতু মোল্লার।
- ‘আপনি গরীবের বাপ-মা হুজুর।’- নাটকে উক্তিটি আবু মোল্লার।
- ‘তোমাকে আমি জেলের ঘাটি টানিয়ে ছাড়ব।’- নাটকে উক্তিটি ফজুর।

--------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মোশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- মীর মশাররফের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯) প্রকাশিত হয়। 
- বঙ্কিমচন্দ্রের দুর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার চার বছর পর, মশাররফের প্রথম উপন্যাস রত্নবতী (১৮৬৯) প্রকাশিত হয়। 
 
• নাটক:
- বসন্তকুমারী, 
- জমীদার দর্পণ, 
- বেহুলা গীতাভিনয়।
 
• উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু, 
 
• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৩৩.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
  1. ক্রীতদাসের হাসি
  2. মাটি আর অশ্রু
  3. হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. সারেং বউ
সঠিক উত্তর:
হাঙর নদী গ্রেনেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাঙর নদী গ্রেনেড
ব্যাখ্যা
• 'হাঙর নদী গ্রেনেড' উপন্যাস:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু উপন্যাস লিখেছেন সেলিনা হোসেন। তারমধ্যে ভীষণ আলোচিত উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড'। মুক্তিযুদ্ধের এক আবেগী ও প্রতিবাদী উপন্যাস এটি।
- হলদী গ্রামের এক বয়স্ক নারীর জীবন এই উপন্যাসে মূর্ত হয়ে ওঠে।
- এই নারী তাঁর নিজের ছেলেদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে যেমন উদ্বুদ্ধ করেন, তেমনি মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে নিজের মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেন পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।
- উপন্যাসে এই মায়ের আত্মসংগ্রাম, দেশের জন্য ত্যাগের অপার মহিমা ভাস্বর হয়ে ওঠে।
- আর উপন্যাসে বর্ণিত গ্রামটিও যেন মুক্তিযুদ্ধের প্রতীকী এক বাংলাদেশ।

------------------
• সেলিনা হোসেন:
- সেলিনা হোসেন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক।
- তিনি ১৪ই জুন ১৯৪৭ সালে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর লাভ করেন।
- অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, নারীমুক্তি তাঁর কথাসাহিত্যের মূলগত আখ্যান।
- সাহিত্যক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার ও ফিলিপ্স সাহিত্য পুরস্কারসহ অনেক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- হাঙর নদী গ্রেনেড,
- মগ্ন চৈতন্যে শিস,
- যাপিত জীবন,
- চাঁদবেনে,
- পোকামাকড়ের ঘরবসতি,
- গায়ত্রী সন্ধ্যা,
- দীপান্বিতা ইত্যাদি।

• গল্পগ্রন্থ:
- উৎস থেকে নিরন্তর,
- খোলকরতাল,
- মুক্তিযুদ্ধের গল্প ইত্যাদি;

• শিশু-কিশোর উপযোগ্য রচনা:
- সাগর,
- বাংলা একাডেমী গল্পে বর্ণমালা,
- বর্ণমালার গল্প,
- জ্যোৎস্নার রঙে আঁকা ছবি,
- চাঁদের বুড়ির পান্তা ইলিশ ইত্যাদি।

অভিসম্বন্ধ: বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি এবং 'যাপিত জীবন' উপন্যাস সেলিনা হোসেন।
১৫,৫৩৪.
'গীতাঞ্জলি' কি ধরনের রচনা?
  1. নাটক
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. গল্প
  4. প্রবন্ধ
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থ:
- 'গীতাঞ্জলি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭টি গানের সংকলন (কাব্যগ্রন্থ)।
- গানগুলি ১৯০৮ ও ১৯০৯ সালে রচিত এবং ১৯১০।
- গীতাঞ্জলির গানগুলো মূলত কবিতা।
- গীতাঞ্জলি এর ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings (১৯১২)
- Song Offerings এর ভূমিকা লেখেন ইংরেজ কবি W.B. Yeats।
- Song Offerings এর জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৩৫.
রবীন্দ্র-উপন্যাসের কোন চলচ্চিত্রে কাজী নজরুল ইসলাম সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন?
  1. চোখের বালি
  2. ঘরে বাইরে
  3. গোরা
  4. চার অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
গোরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোরা
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্র-উপন্যাসের 'গোরা' চলচ্চিত্রে কাজী নজরুল ইসলাম সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন।

• 'গোরা' উপন্যাস ও চলচ্চিত্র:
- রবীন্দ্রনাথের 'গোরা' উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৩৮ সালে একই নামে মুক্তি পায় একটি চলচ্চিত্র। 
- এ ছবির একটি গান রচনা, একটি গানের সুর দেওয়া ছাড়াও ছবিটির সার্বিক সঙ্গীত পরিচালনা করেন কাজী নজরুল ইসলাম।

• 'কাজী নজরুল ইসলাম ও চলচ্চিত্র:
- তিনি প্রথমে যে ছায়াছবির জন্য কাজ করেন সেটি ছিল গিরিশচন্দ্র ঘোষের কাহিনী ভক্ত ‘ধ্রুব’ (১৯৩৪)।
- এ ছায়াছবির পরিচালনা, সঙ্গীত রচনা, সুর সংযোজনা ও পরিচালনা এবং নারদের ভূমিকায় অভিনয় ও নারদের চারটি গানের প্লেব্যাক নজরুল নিজেই করেন।
- ছবির আঠারোটি গানের মধ্যে সতেরোটির রচয়িতা ও সুরকার ছিলেন নজরুল।

• এ ছাড়া তিনি আর যেসব চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন সেগুলি হলো:
- পাতালপুরী (১৯৩৫),
- গ্রহের ফের (১৯৩৭),
- বিদ্যাপতি (বাংলা ও হিন্দি ১৯৩৮),
- গোরা (১৯৩৮),
- নন্দিনী (১৯৪৫) এবং
- অভিনয় নয় (১৯৪৫)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া। 
১৫,৫৩৬.
'বাঙালি মুসলমানের মন' কার লেখা?
  1. আহমেদ শরীফ
  2. আহমদ ছফা
  3. আনিসুজ্জামান
  4. আবুল ফজল
সঠিক উত্তর:
আহমদ ছফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহমদ ছফা
ব্যাখ্যা

আহমদ ছফা:
- আহমদ ছফা ছিলেন একজন প্রতিবাদী লেখক, প্রগতিপন্থি সাহিত্যকর্মী ও সংগঠক।
- আহমদ ছফা ৩০শে জুন, ১৯৪৩ সালে গাছবাড়িয়া, চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত ছিলেন চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক।
- তিনি স্বদেশ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭০ সালের গোড়ার দিকে আহমদ ছফার সম্পাদনায় সাহিত্য পত্রিকা ‘স্বদেশ’ প্রকাশিত হয়েছিল। মাত্র তিন সংখ্যা প্রকাশের পর পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।

• বাঙালি মুসলমানের মন:
- রচয়িতা: আহমদ ছফা।
- প্রথম প্রকাশ: ১৯৮১ সাল।

• আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস:
- গাভী বিত্তান্ত,
- ওঙ্কার,
- অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস,
- বাঙালি মুসলমানের মন,
- সাম্প্রতিক বিবেচনা: বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস,
- সিপাহী যুদ্ধের ইতিহাস।

কবিতা গ্রন্থ:
- জল্লাদ সময়,
- দুঃখের দিনের দোহা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৩৭.
অমিয় চক্রবর্তীর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) কবিতাবলী
  2. খ) এক মুঠো
  3. গ) মাটির দেয়াল
  4. ঘ) অমরাবতী
সঠিক উত্তর:
ক) কবিতাবলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কবিতাবলী
ব্যাখ্যা
• অমিয় চক্রবর্তী:
- অমিয় চক্রবর্তী পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে জন্ম জন্মগ্রহণ করেন।
- অমিয় চক্রবর্তী তাঁর জীবনের প্রথম দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিকট-সান্নিধ্যে এসেছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত সচিব ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে বহুদেশে ভ্রমণ করেছেন।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।

• অমিয় চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থ:
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘কবিতাবলী’।
- তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের সংখ্যা ১৫৷

• তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ:
- উপহার,
- খসড়া,
- এক মুঠো,
- মাটির দেয়াল,
- অভিজ্ঞান বসন্ত,
- পারাপার,
- পালাবদল,
- ঘরে ফেরার দিন,
- হারানো অর্কিড,
- পুষ্পিত ইমেজ,
- অমরাবতী,
- অনিঃশেষ,
- নতুন কবিতা ইত্যাদি।

• কবিতার জন্য তিনি বহু পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।
- উল্লেখযোগ্য পুরস্কার: ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬০), ভারতীয় ন্যাশনাল একাডেমী পুরস্কার।
- বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬৩) এবং ভারত সরকার ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৭০) উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৯৮৬ সালের ১২জুন শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৩৮.
'ভবিষ্যতের বাঙালি' প্রবন্ধের রচয়িতা কে?
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. এস ওয়াজেদ আলী
  3. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. আহমদ শরীফ
সঠিক উত্তর:
এস ওয়াজেদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস ওয়াজেদ আলী
ব্যাখ্যা
• 'ভবিষ্যতের বাঙালি' গ্রন্থটির রচয়িতা- এস ওয়াজেদ আলি।
- ভবিষ্যতের বাঙালী তার বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। 
- এই গ্রন্থে সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত দেশ গঠনের লক্ষ্যে হিন্দু- মুসলমানের ঐক্যবদ্ধকরণের কথা আছে। 

এস ওয়াজেদ আলি: 
- তিনি একজন প্রাবন্ধিক, গল্পলেখক ও ভ্রমণকাহিনী রচয়িতা।
- তিনি ১৮৯০ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম- গল্পগ্রন্থ 'গুলদাস্তা' 
- তাঁর প্রথম প্রবন্ধ ’অতীতের বোঝা’ ১৯১৯ সালে প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তিনি 'গুলিস্তাঁ' নামে একটি বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- জীবনের শিল্প, 
- প্রাচ্য ও প্রতীচ্য, 
- ভবিষ্যতের বাঙালী, 
- আকবরের রাষ্ট্র সাধনা, 
- মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ;

তাঁর রচিত গল্প: 
- গুলদাস্তা, 
- মাশুকের দরবার, 
- বাদশাহী গল্প, 
- গল্পের মজলিশ। 

তাঁর রচিত উপন্যাস: 
- গ্রানাডার শেষ বীর। 

ভ্রমণকাহিনী: 
- পশ্চিম ভারত, 
- মোটর যোগে রাঁচী সফর। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৩৯.
মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্রকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি প্রদান করেন কে?
  1. রাজা চন্দ্রগুপ্ত
  2. রাজা রঘুনাথ রায়
  3. রাজা সুধর্মা
  4. রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
সঠিক উত্তর:
রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
ব্যাখ্যা
• ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর(১৭১২-১৭৬০):
- মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি, আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- ইন্দ্রনারায়ণ তাঁর বিশিষ্ট বন্ধু নবদ্বীপ-কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সঙ্গে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেন। মহারাজা কবির পাণ্ডিত্য ও ব্যবহারে মুগ্ধ হন এবং তাঁকে ৪০ টাকা মাসোহারা দিয়ে আমত্য বা রাজসভাসদ পদে নিয়োগ দেন।
- মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে ‘গুণাকর’ অর্থাৎ ‘সকল গুণের আধার’ উপাধিতে সম্মানিত করেন। 

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহ:
- অন্নদামঙ্গল,
- গঙ্গাষ্টক,
- রসমঞ্জরী।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৪০.
আবু ইসহাক রচিত গল্পগ্রন্থ কোনটি?
  1. জাল
  2. পদ্মার পলিদ্বীপ
  3. মহাপতঙ্গ
  4. সূর্য-দীঘল বাড়ী
সঠিক উত্তর:
মহাপতঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাপতঙ্গ
ব্যাখ্যা
• আবু ইসহাক রচিত গল্পগ্রন্থ - মহাপতঙ্গ।
- গ্রন্থটি ১৯৬৩ সালে প্রকাশিত হয়।

• আবু ইসহাক:
- তিনি ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর শরিয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, অভিধান-প্রণেতা।
- কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত 'নবযুগ' পত্রিকায় আবু ইসহাকের ‘অভিশাপ’ নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।
- তিনি সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধান (২ খন্ড, ১৯৯৩, ১৯৯৮) রচনা করে বাংলা কোষগ্রন্থের পরিধিকে বাড়িয়ে তুলেছেন।
- সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য আবু ইসহাক ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার’ (১৯৬৩), ‘সুন্দরবন সাহিত্য পদক’ (১৯৮১), ‘বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ সাহিত্য পদক’ (১৯৯০), ‘একুশে পদক’ (১৯৯৭), ‘স্বাধীনতা পদক’ (মনণোত্তর, ২০০৪) এবং ‘শিশু একাডেমি পদক’ (মরণোত্তর, ২০০৬) লাভ করেন।
- ২০০৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- সূর্য-দীঘল বাড়ী,
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- হারেম,
- মহাপতঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৪১.
পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় রচিত ‘নবান্ন’ নাটকের রচয়িতা কে?
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. বিষ্ণু দে
  3. মামুনুর রশিদ
  4. বিজন ভট্টাচার্য
সঠিক উত্তর:
বিজন ভট্টাচার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজন ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
'নবান্ন' নাটক: 
- এটি বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক।
- ‘নবান্ন' (১৯৪৪) পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিকায় কৃষক জীবনের দুঃখ দুর্দশা ও জীবন সংগ্রামের কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক।
- নবনাট্য আন্দোলনের পথিকৃৎ বিজন ভট্টাচার্য এই নাটকের মাধ্যমে বাংলা নাট্যধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- তাই এই নাটকটিকে বাংলা নাট্য আন্দোলনের ইতিহাসে যুগান্তকারী বলা চলে।
- অনেকে দীনবন্ধুর 'নীল-দর্পণে'র সঙ্গে এর তুলনা করেছেন।
- এ নাটকটি ভারতীয় গণনাট্য সঙ্ঘ ১৯৪৪ সালে প্রথম অভিনয় করেন।
 
বিজন ভট্টাচার্য:
-তিনি ছিলেন নাট্যকার, অভিনেতা।  
- ফরিদপুর জেলার খানখানাপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ক্ষীরোদবিহারী ভট্টাচার্য ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক। 
- বিজন ভট্টাচার্য অসহযোগ আন্দোলনে (১৯২০-২২) যোগ দিয়ে কারাবরণ করেন।
 
তাঁর রচিত নাটক: 
- নবান্ন, 
- জনপদ, 
- কলঙ্ক,
- মরাচাঁদ,
- অবরোধ,
- গোত্রান্তর।
 
উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৪২.
‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ - গানটির সুরকার কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. নজরুল ইসলাম বাবু
  3. গোবিন্দ হালদার
  4. আপেল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
নজরুল ইসলাম বাবু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা

• নজরুল ইসলাম বাবু: 
- তাঁর লেখা কালজয়ী দুটি গান- 'সবকটা জানালা খুলে দাও না' এবং 'একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার'।   

• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরও কিছু বিখ্যাত গান: 
- একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’, ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যাঁরা’, ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা তোমার আমার ঠিকানা’ ইত্যাদি কালজয়ী গানের রচয়িতা ও গীতিকার গোবিন্দ হালদার

- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।   
- সিকান্দার আবু জাফর রচিত ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই’ গানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় জনগণকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।  

ব্রি:দ্র: 'সবকটা জানালা খুলে দাও না' গানটির গীতিকার হচ্ছেন নজরুল ইসলাম বাবু এবং আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের সুর ও সঙ্গীত পরিচালনায় এই গানে কণ্ঠ দেন সাবিনা ইয়াসমিন।

[অপশনে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের নাম না থাকায় কাছাকাছি সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন (খ) গ্রহণ করা হলো।]

উৎস:
বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো (২৬ মার্চ ২০২৩ ও ১৭ জানুয়ারি ২০১৫), দ্যা ডেইলি ষ্টার বাংলা (৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২)।

১৫,৫৪৩.
'বর্ণপরিচয়' গ্রন্থটির রচয়িতা -
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. উইলিয়াম কেরি
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

• 'বর্ণপরিচয়' গ্রন্থটির রচয়িতা- 'ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর'। 

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতালপঞ্চবিংশতি'।

• বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা, 
- সীতার বনবাস, 
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৪৪.
ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. History of Bengali Language
  2. A Code of Gentoo Laws
  3. Vocabulario
  4. The Development of Bengali Language
সঠিক উত্তর:
A Code of Gentoo Laws
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A Code of Gentoo Laws
ব্যাখ্যা
• ওয়ারেন হেস্টিংসের অনুরোধে ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড রচনা করেন 'A Code of Gento Laws'।

•মার্সেল প্রুস্টের 'ইন সার্চ অব লস্ট টাইম' 'A Code of Gento Laws': 
- ওয়ারেন হেস্টিংসের অনুরোধে ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড রচনা করেন 'A Code of Gento Laws' or Ordinations of the Pundits।
- গ্রন্থটি ১৭৭৬ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়।
- এটি মূলত হিন্দু আইনশাস্ত্রের একটি সারসংকলন, যা এগারোজন ব্রাহ্মণ পন্ডিত সংস্কৃত ভাষায় সংকলন করেন।
- পরে একজন মুন্সি এটি প্রথমে ফারসি ভাষায় অনুবাদ করেন
- সেখান থেকে হ্যালহেড ইংরেজিতে অনুবাদ করেন।
-------------------------
ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড (১৭৫১-১৮৩০):
- তিনি ছিলেন প্রাচ্যবিদ ও বৈয়াকরণিক।
- তিনিই প্রথম বৈয়াকরণিক যিনি বাংলা  ব্যাকরণ রচনায় উদাহরণ ব্যবহার করে বাংলা পাঠ ও  বাংলা লিপি ব্যবহার করেন।
- এর আগে পর্তুগিজ ধর্মযাজকরা রোমান অক্ষরে অতি সাধারণভাবে বাংলা ব্যাকরণ ও  অভিধান রচনার চেষ্টা করেন।
- কিন্তু নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হ্যালহেডই প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।
- তাঁর রচিত  A Grammar of the Bengal Language গ্রন্থটি ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয়। 
- ওয়ারেন হেস্টিংসের অনুরোধে হ্যালহেড এটি রচনা করেন।
- ১৭৪৩ সালে লিসবন শহর থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটি মূলত এদেশে  খ্রিস্টধর্ম প্রচারের সুবিধার জন্যই সংকলিত হয়েছিল।

• কয়েকটি ব্যাকরণ গ্রন্থ: 
Manuel da Assumpção--- 'Vocabulario idioma em Bengalla e portuguez dividido em duas Partes' (১৭৪৩)
ব্রাসি হ্যালহেড --- ' A Grammar of the Bengal Language' (১৭৭৮)।
উইলিয়াম কেরি --- 'A Grammar of the Bengali Language' (১৮০১)
দীনেশচন্দ্র সেন - History of Bengali Language and Literature 
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় - Origin and Development of Bengali Language’ (ODBL)
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৪৫.
'প্রবন্ধমালা' প্রবন্ধটির রচয়িতা কে?
  1. ক) আহমদ ছফা
  2. খ) কাজী আবদুল ওদুদ
  3. গ) আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  4. ঘ) কাজী ইমদাদুল হক
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাজী ইমদাদুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কাজী ইমদাদুল হক
ব্যাখ্যা
কাজী ইমদাদুল হক (১৮৮২-১৯২৬) :
'আঁখিজল' ও 'লতিকা' তাঁর রচিত কাব্য।
'প্রবন্ধমালা' তাঁর রচিত প্রবন্ধ এবং 'নবীকাহিনী' তাঁর রচিত শিশুতোষগ্রন্থ।
'আবদুল্লাহ্' তাঁর রচিত উপন্যাস।
- তিনি 'বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি' (১৯১১) নামক প্রতিষ্ঠাটির অন্যতম স্থপতি ছিলেন।
- তিনি 'শিক্ষক' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন৷
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৪৬.
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকের রচয়িতা কে?
  1. ক) আবদুল্লাহ আল মামুন
  2. খ) নুরুল মোমেন
  3. গ) সৈয়দ শামসুল হক
  4. ঘ) আলাউদ্দিন আল আজাদ
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ শামসুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল রচিত মুক্তযুদ্ধের কাব্যনাটক।
- এটি রচিত হয়েছে ১৯৭৫ সালে।
- এটি বাঙালির মুক্তির চেতনায় উজ্জীবন মূলক নাটক।
- নাটকটিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যনাট্য-
- গণনায়ক,
- নুরুলদীনের সারাজীবন,
- এখানে এখন,
- বাংলার মাটি বাংলার জল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৪৭.
"সংবাদ প্রভাকর" পত্রিকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর কত সালে পুনর্বার ছাপা হয়?
  1. ১৮৩১ সালে
  2. ১৮৩৯ সালে
  3. ১৮৩৮ সালে
  4. ১৮৩৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৩৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩৬ সালে
ব্যাখ্যা

সংবাদ প্রভাকর:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- কিছুদিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু ১৮৩৬ সালে পুনর্বার ছাপা হয়।
- ১৮৩৯ সালে বাংলা ভাষায় প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি এ পত্রিকায় সাহিত্যচর্চাও হত।
- 'বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়', 'দীনবন্ধু মিত্রের' প্রাথমিক রচনাগুলো সংবাদ প্রভাকরেই প্রথম প্রকাশিত হত।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষণ্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৪৮.
দিনের আলো নিবে এল সুয্যি ডোবে ডোবে।
আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে চাঁদের লোভে লোভে।- পঙক্তিদ্বয় কোন কবিতার অন্তর্গত?
  1. যেতে নাহি দিব
  2. বর্ষার দিনে
  3. উর্বশী
  4. বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর
ব্যাখ্যা
দিনের আলো নিবে এল সুয্যি ডোবে ডোবে।
আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে চাঁদের লোভে লোভে।
- পঙক্তিদ্বয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘কড়ি ও কোমল’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত‘ বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর’ কবিতার। 

‘কড়ি ও কোমল’ কাব্যগ্রন্থ:
- 'কড়ি ও কোমল' (১৮৮৬) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।

এই কাব্যের গুরুত্বপূর্ণ কবিতাগুলো হলো:
- প্রাণ;
- বাহু পুরাতন;
- নূতন;
- বিষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর;
- হৃদয় আকাশ;
- হৃদয়-আসন;
- মরীচিকা।

বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর কবিতার অংশবিশেষ:

দিনের আলো নিবে এল,
সুয্যি ডোবে ডোবে।

আকাশ ঘিরে মেঘ জুটেছে
চাঁদের লোভে লোভে।

মেঘের উপর মেঘ করেছে,
রঙের উপর রঙ।

মন্দিরেতে কাঁসার ঘন্টা।
বাজল ঠঙ্ ঠঙ্।

উৎস: কড়ি ও কোমল বাক্যগ্রন্থ, বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর কবিতা এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৫,৫৪৯.
'সাহিত্যরত্ন' উপাধিটি কার?
  1. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  2. গোবিন্দচন্দ্র দাস
  3. আবুল হোসেন
  4. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নজিবর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ নজিবর রহমান
ব্যাখ্যা
মোহাম্মদ নজিবর রহমান:
- মোহাম্মদ নজিবর রহমান ছিলেন মূলত ঔপন্যাসিক। তিনি আনুমানিক ১৮৬০ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজিবর রহমান ইসমাইল হোসেন সিরাজীর প্রত্যক্ষ অনুপ্রেরণায় সাহিত্যকর্মে ব্রত হন।
- নজিবর রহমান তাঁর উপন্যাসে গ্রামীণ মুসলিম পরিবারের অন্তরঙ্গ ছবি তুলে ধরতে সক্ষম হন।
- সাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি ‘সাহিত্যরত্ন’ উপাধি লাভ করেন।
- প্রথম সামাজিক উপন্যাস আনোয়ারা লিখে তিনি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
- তাঁর জনপ্রিয় উপন্যাসের নাম ‘আনোয়ারা’।

অন্যদিকে,
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক ‘কাব্যকণ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত হন।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৫০.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গকৃত 'বসন্ত' একটি-
  1. উপন্যাস
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. নাটক
  4. প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
নাটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটক
ব্যাখ্যা
• বসন্ত:
• 'বসন্ত' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি গীতিনাট্য।
- এটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর রচিত বসন্ত নাটকটি কাজী নজরুল ইসলাম কে উৎসর্গ করেছিলেন।
- কাজী নজরুল ইসলাম তার সঞ্চিতা কাব্যগ্রন্থ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।

উল্লেখ্য,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'কালের যাত্রা' নাটকটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে উৎসর্গ করেন।
-  তিনি তাঁর 'তাসের দেশ' নাটক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে উৎসর্গ করেন।
-  ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোকে তাঁর রচিত 'পূরবী' কাব্যগ্রন্থাটি উৎসর্গ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৫১.
‘সুখ ও সভ্যতা’ উপন্যাসদ্বয় কার রচনা?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. নীলিমা ইব্রাহিম
  3. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
মোতাহের হোসেন চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• মোতাহের হোসেন চৌধুরী:
- শিক্ষাবিদ, লেখক মোতাহের হোসেন চৌধুরীর জন্ম নোয়াখালী জেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে।
- মোতাহের হোসেনের প্রবন্ধের গদ্যশৈলীতে প্রমথ চৌধুরীর এবং মননে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- তিনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
- ‘সংস্কৃতি কথা’ তাঁর রচিত প্রধান প্রবন্ধ গ্রন্থ।
- মুক্তবুদ্ধিচর্চার প্রবক্তা, উদার মানবতাবাদী ও মননশীল প্রবন্ধকার হিসেবে মোতাহের হোসেন চৌধুরীর বিশেষ খ্যাতি আছে।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- সংস্কৃতি কথা,
- সুখ (বার্ট্রান্ড রাসেলের Conquest of Happiness গ্রন্থের  ভাবানুবাদ।)
- সভ্যতা (ক্লাইভ বেল-এর Civiliszation গ্রন্থের ভাবানুবাদ)।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- আমাদের দৈন্য,
- আদেশপন্থী ও অনুপ্রেরণাপন্থী,
- মুসলমান সাহিত্যিকদের চিন্তাধারা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৫২.
"হনহন পনপন" কবিতার রচয়িতা কে?
  1. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. সমর সেন
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. সুকুমার রায়
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকুমার রায়
ব্যাখ্যা
'হনহন পনপন' সুকুমার রায় রচিত 'হ-য-ব-র-ল' কাব্যগ্রন্থের একটি জনপ্রিয় কবিতা।

হনহন পনপন
- সুকুমার রায়

চলে হনহন
ছোটে পনপন
ঘোরে বনবন
কাজে ঠনঠন
বায়ু শনশন
শীতে কনকন
কাশি খনখন
ফোঁড়া টনটন
মাছি ভনভন
থালা ঝন ঝন।

• সুকুমার রায়:
- তিনি ছিলেন শিশুসাহিত্যিক।
- ১৮৮৭ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতায় তাঁর জন্ম। তাঁদের আদি নিবাস ছিল কিশোরগঞ্জ জেলার মসুয়ায়।
- বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও যন্ত্রকুশলী উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী তাঁর পিতা এবং অস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় তাঁর পুত্র।
- তিনি সুগায়ক ও সুঅভিনেতা হিসেবে খ্যাত ছিলেন।
- তিনি ১৯২৩ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত শিশুতোষ সাহিত্য:
- আবোল তাবোল,
- হ-য-ব-র-ল,
- পাগলা দাশু,
- বহুরূপী,
- খাই খাই,
- অবাক জলপান,
- শব্দকল্পদ্রুম,
- ঝালাপালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৫৩.
'মধুসূদন' কোন উপন্যাসের নায়ক চরিত্র?
  1. নৌকাডুবি
  2. যোগাযোগ
  3. মালঞ্চ
  4. শেষের কবিতা
সঠিক উত্তর:
যোগাযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগাযোগ
ব্যাখ্যা

• 'যোগাযোগ' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যোগাযোগ উপন্যাস প্রথমে তিন পুরুষ নামে বিচিত্রা মাসিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। পরে উপন্যাসের নাম হয় যোগাযোগ।
- নায়িকা কুমুদিনী ও নায়ক মধুসূদনের ব্যক্তিত্বের তীব্র বিরোধ উপন্যাসের কেন্দ্র।
- শেষ পর্যন্ত স্বামীর কাছে কুমুদিনীর দ্বিধান্বিত সমর্পণে কাহিনির সমাপ্তি হলেও কুমুদিনীর মধ্যে এক বিদ্রোহী নারীর রূপ স্পষ্ট হয়।

অন্যদিকে, 
• 'নৌকাডুবি' উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলো হচ্ছে: রমেশ, হেমনলিনী, কমলা, অন্নদাবাবু, নলিনাক্ষ।
• মালঞ্চ' রবীন্দ্রনাথের পরকীয়া নির্ভর ত্রিভুজ প্রেমের উপন্যাস। উল্লেখযোগ্য চরিত্র: নীরজা, আদিত্য, সরলা।
• 'শেষের কবিতা' উপন্যাসের চরিত্রগুলো হলো: অমিত, লাবণ্য, কেতকী রায় এবং শোভনলাল।

---------------
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- শেষের কবিতা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- দুইবোন,
- মালঞ্চ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'যোগাযোগ' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৫৪.
'রহমত ও খুকী' — কোন সাহিত্যকর্মের চরিত্র?
  1. পোস্টমাস্টার 
  2. সমাপ্তি
  3. কাবুলিওয়ালা
  4. ক্ষুধিত পাষাণ
সঠিক উত্তর:
কাবুলিওয়ালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাবুলিওয়ালা
ব্যাখ্যা

'কাবুলিওয়ালা' ছোটগল্প:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত সামাজিক ছোটগল্প - কাবুলিওয়ালা।
- এই গল্পের শেষ লাইন - কিন্তু মঙ্গল আলোকে আমার শুভ উৎসব উজ্জ্বল হইয়া উঠিল।
- এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র - রহমত, খুকী প্রমুখ।

অন্যদিকে,
• 'সমাপ্তি' গল্পের উল্লেখযোগ্য চরিত্র 'মৃণ্ময়ী'।
• 'পোস্টমাস্টার' গল্পের প্রধান চরিত্র: রতন।
• ‘ক্ষুধিত পাষাণ’ ছোটগল্পের চরিত্র 'মেহের আলি'।

উৎস: রবীন্দ্রনাথ রচনাবলী।

১৫,৫৫৫.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক নয়?
  1. ক) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  2. খ) কী চাহ শঙ্খচিল
  3. গ) কবর
  4. ঘ) স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
গ) কবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কবর
ব্যাখ্যা
'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক।

- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক। 
- 'কী চাহ শঙ্খচিল' ও 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা' মমতাজুদ্‌দীন আহমদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।  

বর মুনীর চৌধুরীর একাঙ্ক বিশিষ্ট নাটক। বাংলা ভাষা আন্দোলনের পক্ষে কাজ করার অভিযোগে মুনীর চৌধরীকে আটক করা হয়।
- জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় অন্য রাজবন্দি বামপন্থী লেখক রণেশ দাশগুপ্ত মুনীর চৌধুরীকে নাটক লিখতে বলেন।
- মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত Bury The Dead নাটকের অনুসরণে ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ‘কবর’ নাটকটি রচিত হয়েছে।
- রাজবন্দিরা এই নাটকটি জেলেই মঞ্চস্থ করেন।


উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৫৬.
অমিয় চক্রবর্তীর ‘বাংলাদেশ’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
  1. মাত্রাবৃত্ত
  2. অক্ষরবৃত্ত
  3. মুক্তক 
  4. পয়ার
সঠিক উত্তর:
অক্ষরবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্ষরবৃত্ত
ব্যাখ্যা

• 'বাংলাদেশ' কবিতা:
- অমিয় চক্রবর্তী রচিত 'বাংলাদেশ' কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- অমিয় চক্রবর্তী রচিত বিখ্যাত কবিতা ‘বাংলাদেশ’ অনিঃশেষ (১৯৭৬) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা।
- কবিতাটি স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- কবিতাটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে রচিত।

• অমিয় চক্রবর্তী:
- ১০ এপ্রিল, ১৯০১ পশ্চিমবঙ্গের হুগলীর শ্রীরামপুরে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন কবি, গবেষক ও শিক্ষাবিদ।
- তিরিশের পঞ্চকবির মধ্যে তিনি অন্যতম একজন।
- তিনি পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ পাস (১৯২১) করে শান্তিনিকেতনের গবেষণা বিভাগে যোগদান করেন।
- পরে তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন (১৯২৬-১৯৩৩)।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৫৭.
‘ইহারা গহন পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।'- উক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• 'কুহেলিকা' উপন্যাস:
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'কুহেলিকা' উপন্যাসটি ১৯৩৪ বঙ্গাব্দে 'নওরোজ' পত্রিকায় প্রকাশ আরম্ভ হয়।
- এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস।
- এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে।
- কুহেলিকা উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর।
- এই উপন্যাসে কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বিখ্যাত উক্তি, 'ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।'

• এই উপন্যাসের চরিত্রগুলো হচ্ছে:
- কুহেলিকা,
- তাহমিনা,
- ফিরদৌস বেগম।

-------------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাসসমূহ-
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা ও
- কুহেলিকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৫৮.
‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর-টুপুর’- শিশু সাহিত্যের রচনাকারী –
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. খ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. গ) ইব্রাহিম খাঁ
  4. ঘ) আহসান হাবিব
সঠিক উত্তর:
ঘ) আহসান হাবিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আহসান হাবিব
ব্যাখ্যা
আহসান হাবিবের শিশু সাহিত্য হলোঃ ছোটদের পাকিস্তান, বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, ছুটির দিন দুপরে, পাখিরা ফিরে আসে, রেলগাড়ি ঝমাঝম, জোৎস্না রাতের গল্প। রেফারেন্সঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য – মোহসীনা নাজিলা।
১৫,৫৫৯.
কাজী নজরুল ইসলাম কোন কবিতা রচনার কারণে কারারুদ্ধ হন?
  1. বিদ্রোহী
  2. ধূমকেতু
  3. আনন্দময়ীর আগমনে
  4. প্রলোয়াল্লাস
সঠিক উত্তর:
আনন্দময়ীর আগমনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনন্দময়ীর আগমনে
ব্যাখ্যা

• 'আনন্দময়ীর আগমনে' — কবিতার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল।

• 'আনন্দময়ীর আগমনে:
- ধূমকেতু পত্রিকার ১৯২২ সালে ২৬ সেপ্টেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত হয় ‘আনন্দময়ীর আগমনে'।
- কবিতাটি প্রকাশিত হলে কাজী নজরুল ইসলাম কুমিল্লা থেকে ৮ই নভেম্বর গ্রেফতার হন।
- "আনন্দময়ীর আগমনে" কবিতাটি কবির " দোলনচাঁপা" কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

• কাজী নজরুল ইসলাম:
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’, ত্যাড়া ক্ষ্যাপা, নজর আলি, নুরু, ব্যাঙাচি।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- বাংলা সাহিত্যে মুক্তক ছন্দের প্রবর্তক।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ই ভাদ্র (১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট) মৃত্যুবরণ করেন।

• কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থ: 
- কাজী নজরুল ইসলামের মোট কাব্যগ্রন্থ ২২টি।
- অগ্নি-বীণা,
- বিষের বাঁশি,
- ভাঙার গান,
- সাম্যবাদী,
- সর্বহারা,
- ফণি-মণসা,
- জিঞ্জির,
- সন্ধ্যা,
- প্রলয়শিখা,
- সিন্দু-হিন্দোল ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- বিদ্রোহী, প্রলোয়াল্লাস, ধূমকেতু কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের কবিতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫,৫৬০.
পশুপতি ও মনোরমার প্রেমকাহিনি বর্ণিত আছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত কোন উপন্যাসে?
  1. বিষবৃক্ষ
  2. রাজসিংহ
  3. মৃণালিনী
  4. যুগলাঙ্গুরীয়
সঠিক উত্তর:
মৃণালিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃণালিনী
ব্যাখ্যা
⇒ ‘মৃণালিনী' উপন্যাস:
• ‘মৃণালিনী' (১৮৬৯) ত্রয়োদশ শতাব্দীর বাংলাদেশ ও তুর্কি আক্রমণ এর ঐতিহাসিক পটভূমিতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস। • মগধের রাজপুত্র হেমচন্দ্রের সঙ্গে মৃণালিনীর প্রণয় এবং দেশরক্ষার জন্য হেমচন্দ্রের সংকল্প ও ব্যর্থতার সঙ্গে এক রহস্যময়ী নারী মনোরমার কাহিনি এ উপন্যাসের মূল কথাবস্তু।
• বঙ্কিমের দেশাত্মবোধ এবং ইতিহাস জিজ্ঞাসার প্রথম প্রকাশ পাওয়া যায় এই উপন্যাসে।
• ঐতিহাসিক ঘটনার অন্তরালে হেমচন্দ্র-মৃণালিনী এবং পশুপতি-মনোরমার প্রেমকাহিনি এই উপন্যাসে প্রধান হয়ে উঠেছে।
• ইতিহাসের উপাদান নিয়ে এখানে জীবনকে মুখ্য করা হয়েছে।

⇒ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:

- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ললিতা তথা মানস’।
- তাঁর রচিত প্রথম ও বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’।

•  বঙ্কিমচন্দ্র রচিত ত্রয়ী উপন্যাসগুলো হলো:
- আনন্দমঠ,
- দেবী চৌধুরানী ও
- সীতারাম উপন্যাস।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাসগুলো হলো:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৬১.
'ধনের উপর ধান্যের, শক্তির উপর প্রেমের ও মৃত্যুর উপর জীবনের' জয়গান গাওয়া হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন নাটকে?
  1. রক্তকরবী
  2. বিসর্জন
  3. প্রায়শ্চিত্ত
  4. ডাকঘর
সঠিক উত্তর:
রক্তকরবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তকরবী
ব্যাখ্যা

• 'রক্তকরবী' নাটক:
- রক্তকরবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাংকেতিক নাটক। নাটকটি বাংলা ১৩৩০ সনের শিলং-এর শৈলবাসে রচিত। তখন এর নামকরণ হয়েছিল যক্ষপুরী।
- ১৩৩০ সনের আশ্বিন মাসে যখন প্রবাসীতে প্রকাশিত হয় তখন এর নাম হয় রক্তকরবী।

- মানুষের অসীম লোভ কীভাবে জীবনের সব সৌন্দর্য ও স্বাভাবিকতাকে অস্বীকার করে মানুষকে নিছক যন্ত্র ও উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপকরণে পরিণত করেছে এবং এর ফলে তার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদ কীরূপ ধারণ করেছে এরই প্রতিফলন ঘটেছে এ নাটকটিতে।

- রক্তকরবীতে 'ধনের উপর ধান্যের, শক্তির উপর প্রেমের ও মৃত্যুর উপর জীবনের' জয়গান গাওয়া হয়েছে।
- নাটকে 'নন্দিনী' চরিত্রটি নিপীড়িত মানুষের মাঝখানে দেখা দিয়েছে আনন্দের দূত রূপে। 'রঞ্জন' বিদ্রোহের বাণী বহন করে এনেছে। শেষপর্যন্ত জয়ী হয়েছে মানুষের প্রাণশক্তি।

উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- নন্দিনী,
- রঞ্জন।

------------------
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কিছু নাটক:
- বিসর্জন,
- রাজা,
- অচলায়তন,
- চিরকুমার সভা,
- তাসের দেশ,
- শারদোৎসব,
- প্রায়শ্চিত্ত,
- ডাকঘর,
- বসন্ত,
- চণ্ডালিকা,
- নটীর পূজা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৬২.
'নূরলদীনের সারাজীবন' নাটকের প্রেক্ষাপট -
  1. সাঁওতাল বিদ্রোহ
  2. দেশভাগ
  3. কৃষক বিদ্রোহ
  4. নীল বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
কৃষক বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষক বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
'নূরলদীনের সারাজীবন' কাব্যনাট্য:
- 'নূরলদীনের সারাজীবন' সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য।
- ১৭৮৩ এর কৃষক আন্দোলনের বিষয়বস্তু তুলে ধরেছেন।
- রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীনের সামন্তবাদ বিরােধী সংগ্রাম অবলম্বনে রচিত নাটক- নূরলদীনের সারাজীবন (১৯৮২)।
- ব্রিটিশ বিরােধী আন্দোলনের নায়ক নূরলদীনের অবিস্মরণীয় আহবান- ‘জাগাে বাহে, কোনঠে সবাই'।
- ১৪ টি দৃশ্যে কাব্যনাটকটি রচিত।

সৈয়দ শামসুল হক: 
- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।

তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- নুরুলদীনের সারাজীবন,
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়,
- এখানে এখন।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস,
- শীত বিকেল,
- আনন্দের মৃত্যু,
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান,
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৬৩.
'বৃত্রসংহার' কী ধরনের রচনা?
  1. ক) স্মৃতিকথা
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) গল্পগ্রন্থ
  4. ঘ) প্রবন্ধ
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রবন্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা

- সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার নৈহাটি শহরের নিকটস্থ কাঁঠালপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর রচিত গল্পঃ
- রামেশ্বরের অদৃষ্ট,
- দামিনী।

প্রবন্ধঃ
- যাত্রা,
- বৈজিকতত্ত্ব,
- বাল্যবিবাহ,
- সৎকার,
- বৃত্রসংহার।

উপন্যাসঃ
- কণ্ঠমালা,
- মাধবীলতা,
- জালপ্রতাপ চাঁদ ইত্যাদি।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

উল্লেখ্য,
বৃত্রসংহার - নামে হেমচন্দ্রের একটি মহাকাব্যও রয়েছে।

 
১৫,৫৬৪.
'নদী ও নারী' উপন্যাসের উপজীব্য কী?
  1. কৃষকদের দুর্দশা 
  2. চরের মানুষের জীবনালেখ্য
  3. নগরজীবনের জটিলতা ও একাকীত্ব
  4. ঐতিহাসিক ঘটনাবলির বর্ণনা
সঠিক উত্তর:
চরের মানুষের জীবনালেখ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চরের মানুষের জীবনালেখ্য
ব্যাখ্যা

• 'নদী ও নারী' উপন্যাস:
- 'নদী ও নারী' উপন্যাসের রচয়িতা হুমায়ুন কবির।
- ১৯৪৫ সালে তাঁর 'নদী ও নারী' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় এবং একই বছর 'Men and Rivers' নামে এর একটি ইংরেজি সংস্করণও প্রকাশিত হয়।
- এ উপন্যাসের পটভূমিতে রয়েছে চরের মানুষের জীবনালেখ্য।
- নজু মিয়া আর আসগর মিয়া দুই বন্ধু। তাদের জীবনের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে 'নদী ও নারী উপন্যাসের কাহিনি।
- এ উপন্যাসে তিনি পদ্মা নদীর পরিবেশে বাঙালি মুসলমান সমাজজীবনের একটি নিখুঁত চিত্র উপস্থাপন করেছেন।
- ১৯৬৫ সালে ঢাকায় উপন্যাসটি চলচ্চিত্রায়িত হয়।

------------------
• হুমায়ুন কবির:
- তিনি একাধারে রাজনীতিবিদ, লেখক, দার্শনিক ছিলেন। ১৯০৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর জেলার কোমরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর প্রকৃত নাম হুমায়ুন জহিরউদ্দিন আমির-ই-কবির।
- তিনি 'চতুরঙ্গ' পত্রিকা সম্পাদনা করে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
- ১৯৬৯ সালের ১৮ আগস্ট হৃদরোগে তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নসাধ,
- সাথী,
- অষ্টাদশী।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- নদী ও নারী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৬৫.
'দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থটি কার রচনা?
  1. ক) শওকত আলী
  2. খ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  3. গ) শওকত ওসমান
  4. ঘ) হুমায়ুন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
খ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যা
'অন্য ঘরে অন্য স্বর', 'খোঁয়ারি', 'দুধেভাতে উৎপাত', 'দোজখের ওম', 'জাল স্বপ্ন, স্বপ্নের জাল' ইত্যাদি আক্তারুজ্জামান ইলিয়াসের গল্পগ্রন্থ।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসীনা নাজিলা।
১৫,৫৬৬.
‘নিতাই’ চরিত্রটির স্রষ্টা কে?
  1. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. জহির রায়হান
  3. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. বন্দে আলী মিয়া
সঠিক উত্তর:
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• 'কবি' উপন্যাস:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস 'কবি'।
- ডোম সম্প্রদায়ের একজন যুবকের কবি রূপে প্রতিষ্ঠা এবং দুটি নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক বিষয়ক উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হচ্ছে নিতাই।
- উপন্যাসের ক্লাসিক সংলাপ- 'এই খেদ আমার মনে, ভালবেসে মিটলোনা সাধ, কুলালোনা এই জীবনে। হায়! জীবন এতো ছোট ক্যানে? এই ভুবনে।'

-----------------------------
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, একজন কথাসাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ।
- তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
- তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস- ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম।

• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- কবি,
- হাঁসুলী বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরগ্য নিকেতন,
- পঞ্চপুণ্ডলী,
- রাধা ইত্যাদি।

• তাঁর প্রসিদ্ধ ছোটগল্প:
- রসকলি,
- বেদেনী,
- ডাকহরকরা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া; 'কবি' উপন্যাস।
১৫,৫৬৭.
‘কারাগারের রোজনামচা' রচনাটির নামকরণ কে করেন?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) শেখ হাসিনা
  3. গ) শেখ রেহানা
  4. ঘ) শেখ ফজিলাতুন্নেছা
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ রেহানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শেখ রেহানা
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়েরি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দি অবস্থায় লিখেছিলেন।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- নামকরণ করেন শেখ রেহেনা।
- প্রচ্ছদ ও নকশা করেন তারিক সুজাত।
- তবে প্রচ্ছদে ব্যবহৃত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি অঙ্কন করেন শিল্পী রাসেল কান্তি দাশ। 

উৎস: কারাগারের রোচনামচা।
১৫,৫৬৮.
কোনটি বাংলা সনেটের আদি গ্রন্থ?
  1. ব্রজাঙ্গনা কাব্য
  2. চতুর্দশপদী কবিতাবলী
  3. তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
  4. বীরাঙ্গনা কাব্য
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশপদী কবিতাবলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশপদী কবিতাবলী
ব্যাখ্যা

‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী':
- এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ১০২টি সনেটের সংকলন।
- মধুসূদনের আগে বাংলা সনেট বা সনেটগ্রন্থ রচিত হয়নি।
- সে বিচারে বাংলা সনেটের আদি গ্রন্থ এটি।
- গ্রন্থটি ১৮৬৬ সালের ১লা অগস্ট গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ।
- কবিতাগুলি প্রবাসে রচিত।
- সনেটগুলির কয়েকটি পেত্রার্কের আদর্শে এবং বেশির ভাগ শেক্সপিয়রীয় আদর্শে রচিত।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাব্য:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য, 
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য (পত্রকাব্য),
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
২) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৩) বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৬৯.
সনেটের শেষ অংশকে কি বলে?
  1. ষষ্টক
  2. শেষ সপ্তম
  3. অষ্টক
  4. ষষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
ষষ্টক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্টক
ব্যাখ্যা
সনেট (Sonnet):
- গীতিকবিতার যে রূপটি চৌদ্দ চরণ এবং চৌদ্দ মাত্রার সমন্বয়ে গঠিত হয় তাকে চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট বলে ।
- কবিতাগুলো ১৪টি চরণে সংগঠিত হয়।
- একটি আদর্শ সনেটের দুটি অংশ থাকে। যেমন: অষ্টক ও ষষ্টক।
- প্রথম ৮ চরণকে অষ্টক (Octave) এবং শেষ ৬ চরণকে ষষ্টক (Sestet) বলা হয়
- সনেটের জনক - ইতালীয় কবি পেত্রার্ক।
- বাংলা ভাষায় প্রথম সনেট রচনা করেন - মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৭০.
কোন কবিকে দুঃখ বর্ণনার কবি বলা হয়?
  1. ক) যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
  2. খ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  3. গ) জীবনানন্দ দাস
  4. ঘ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
খ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
- মুকুন্দরাম চক্রবর্তী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মানব-রসের প্রথম ও একমাত্র স্রষ্টা।
- চণ্ডীমঙ্গলের প্রধান কবি হলেন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী। তিনি ষোল শতকের কবি।
- মেদিনীপুরের রাজা রঘুনাথ রায়ের অনুরোধে তিনি চণ্ডীমঙ্গল কাব্য লেখেন।
- গণজীবনের করুণ চিত্র তাঁর কাব্যে তুলে ধরেন।
- কবির প্রতিভার স্বকৃতিস্বরূপ রাজা রঘুনাথ তাকে কবিকঙ্কন উপাধি প্রদান করেন।
- তাঁকে দুঃখ বর্ণনার কবি বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৭১.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত 'মেঘনাদবধ কাব্যে'র প্রকাশকাল-
  1. ক) ১৮৫৯ সাল
  2. খ) ১৮৬০ সাল
  3. গ) ১৮৬১ সাল
  4. ঘ) ১৮৬৫ সাল
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৬১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৬১ সাল
ব্যাখ্যা
বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত ও প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'মেঘনাদবধ কাব্য'। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে।
তাঁর রচিত অন্যান্য সাহিত্যকর্ম- দ্য ক্যাপটিভ লেডি, তিলোত্তমাসম্ভব, ব্রজাঙ্গনা, বীরঙ্গনা, চতুর্দশপদী কবিতাবলী ইত্যাদি তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ।
শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী, কৃষ্ণকুমারী, মায়াকানন তাঁর রচিত নাটক এবং
একেই কি বলে সভ্যতা, বড় শালিকের ঘাড়ে রোঁ তাঁর রচিত প্রহসন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৭২.
'জীবন বিনিময়' কবিতাটি গোলাম মোস্তফার কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. বনি আদম
  2. বুলবুলিস্তান
  3. রক্তরাগ
  4. সাহারা
সঠিক উত্তর:
বুলবুলিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুলবুলিস্তান
ব্যাখ্যা
• 'জীবন বিনিময়' কবিতাটি গোলাম মোস্তফার 'বুলবুলিস্তান' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- গ্রন্থটি ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হয়।

গোলাম মোস্তফা: 
 - ১৮৯৭ সালে যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) জেলার শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। 
- তিনি ছিলেন কবি ও লেখক।
- ১৯৪৯ সালে গঠিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা সংস্কার কমিটির সচিব হিসেবে তিনি কাজ করেন।
- তিনি পাকিস্তানি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় উর্দুর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন। 
- তিনি গদ্য ও পদ্য রচনায় সমান দক্ষ ছিলেন, তবে কবি হিসেবেই তাঁর মুখ্য পরিচয় ছিল।
- সাহিত্য-সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি যশোর সংঘ কর্তৃক ‘কাব্য সুধাকর’ (১৯৫২) এবং পাকিস্তান সরকার কর্তৃক ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ (১৯৬০) উপাধি লাভ করেন।
- তিনি ১৯৬৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রক্তরাগ,
- খোশরোজ,
- কাব্যকাহিনী,
- গীতি সঞ্চয়ন,
- সাহারা,
- হাসনাহেনা,
- বুলবুলিস্তান,
- বনি আদম ইত্যাদি।

তাঁর রচিত অনুবাদকাব্য:
- মুসাদ্দাস-ই-হালী,
- কালামে ইকবাল,
- শিকওয়া ও জওয়াব-ই-শিকওয়া (১৯৬০)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; 'বুলবুলিস্তান' কাব্যগ্রন্থ, গোলাম মোস্তফা।
১৫,৫৭৩.
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত পত্রিকা ''সংবাদ প্রভাকর' কত সালে দৈনিক পত্রে রূপান্তরিত হয়?
  1. ১৮৩১ সালে
  2. ১৮৩৯ সালে
  3. ১৮৩৬ সালে
  4. ১৮৩৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৩৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৩৯ সালে
ব্যাখ্যা
'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা:
- 'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- কিছুদিনের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু ১৮৩৬ সালে পুনর্বার ছাপা হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সুযোগ্য সম্পাদনায় পত্রিকার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেলে ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন থেকে এটি দৈনিক পত্রে রূপান্তরিত হয়।
- সংবাদ প্রকাশের পাশাপাশি এ পত্রিকায় সাহিত্যচর্চাও হত।
- 'বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়', 'দীনবন্ধু মিত্রের' প্রাথমিক রচনাওগুলো সংবাদ প্রভাকরেই প্রথম প্রকাশিত হত।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৭৪.
প্রণয়ােপাখ্যানগুলাের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে-
  1. ক) অনুকরণপ্রিয়তা
  2. খ) মুসলিমের রচনা
  3. গ) রাজাদের কাহিনী
  4. ঘ) মানবিক প্রেম
সঠিক উত্তর:
ঘ) মানবিক প্রেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মানবিক প্রেম
ব্যাখ্যা
বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের উল্লেখযােগ্য অবদান রােমান্টিক প্রণয়ােপাখ্যান। এ‌ রােমান্টিক প্রণয়ােপাখ্যান কাব্যগুলােতে মানবীয় প্রেম স্থান পেয়েছে। এর পূর্বে মধ্যযুগের সাহিত্যে দেব দেবীর প্রাধান্য ছিল। উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ডঃ. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৭৫.
‘বিদেশী ভাষা শিখিব মাতৃভাষায় শিক্ষিত হইবার পর, আগে নয়।’ উদ্ধৃতিটি-
  1. ক) প্রমথ চৌধুরীর
  2. খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
  3. গ) আবুল মনসুর আহমদের
  4. ঘ) সৈয়দ মুজতবা আলীর
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল মনসুর আহমদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আবুল মনসুর আহমদের
ব্যাখ্যা

‘বিদেশী ভাষা শিখিব মাতৃভাষায় শিক্ষিত হইবার পর, আগে নয়।’ উদ্ধৃতিটি আবুল মনসুর আহমদের।

তার রচিত উপন্যাসঃ
-সত্যমিথ্যা,
-জীবন ক্ষুধা,
-আবে হায়াত।

গল্পগ্রন্থঃ
-আয়না,
-ফুড কনফারেন্স।

সোর্সঃ পত্রিকা এবং বাংলাপিডিয়া। 

১৫,৫৭৬.
কালিদাস রচিত 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম্‌' নাটকটি মূলত কোন ভাষায় রচিত?
  1. বাংলা
  2. সংস্কৃত
  3. হিন্দি
  4. ব্রজবুলি
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত
ব্যাখ্যা
• কালিদাস রচিত 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম্‌' নাটকটি মূলত সংস্কৃত ভাষায় রচিত।

শকুন্তলা:
- প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম্‌' নাটক অবলম্বনে ১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান বা উপন্যাসোপম  কাহিনি লিখে নাম দেন 'শকুন্তলা'।
- 'শকুন্তলা'য় কাহিনি নির্মাণ ও ভাষাব্যবহারে বিদ্যাসাগর যথেষ্ট স্বাধীন্তা নিয়েছেন।
- চন্দ্রবংশীয় রাজা দুষ্মন্ত শিকারে এসে কম্ব মুনির তপোবনে উপস্থিত হয়।
- সেখানে শকুন্তলা, প্রিয়ংবদা, অনসূয়া নামের মুনির তিন রূপবতী পালিতা কন্যার মধ্যে শকুন্তলার সঙ্গে দুষ্মন্তের বিয়ে হয়। 
- দৈববাণীতে দুষ্মন্ত সব অবগত হয় এবং শকুন্তলা- ভরতকে যোগ্য স্থান দেয়।
- বৃদ্ধ বয়সে দুষ্মন্ত ভরতকে নিজ রাজ্যের উত্তরাধিকারী করে।
- বাংলা সাহিত্যে 'শকুন্তলা' গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে, এ গ্রন্থের আগে গদ্যে রচিত এতো চমৎকার কাহিনি বা আখ্যান বর্ণনা পাওয়া যায় না।
- গদ্যসাহিত্য প্রতিষ্ঠার যুগে 'শকুন্তলা' একটি অসাধারণ সৃষ্টি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৭৭.
‘পদচারণ’ প্রমথ চৌধুরী রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. গল্প
  3. প্রবন্ধগ্রন্থ
  4. গল্পগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• ‘পদচারণ’ প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- পদচারণ কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৯ সালে। 

------------------
• প্রমথ চৌধুরী:

- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ। 

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত ও গল্পসংগ্রহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৭৮.
'শিউলি' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. ক) হাসান আজিজুল হক
  2. খ) শওকত ওসমান
  3. গ) সত্যেন সেন
  4. ঘ) হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
সঠিক উত্তর:
ক) হাসান আজিজুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাসান আজিজুল হক
ব্যাখ্যা
'শিউলি' উপন্যাসের রচয়িতা - হাসান আজিজুল হক। এছাড়া তাঁর আরো কয়েকটি উপন্যাস - আগুন পাখি, সাবিত্রী উপাখ্যান, বৃত্তায়ন ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
১৫,৫৭৯.
'জামাই বারিক' প্রহসনের রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. দীনবন্ধু মিত্র
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. বন্দে আলী মিয়া
সঠিক উত্তর:
দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা
• 'জামাই বারিক':
- ‘জামাই বারিক’ প্রহসনটি সামাজিক বিষয়াবলম্বনে রচিত।
- ১৮৭২ সালে প্রহসনটি প্রকাশিত হয়।
- জামাতা পোষণ পদ্ধতি ব্যঙ্গ করে লিখিত এই নাটকে তিনি যথেষ্ট কৃতিত্ব প্রকাশ করেছেন।

-------------------
• দীনবন্ধু মিত্র:
• দীনবন্ধু মিত্র (১৮৩০-১৮৭৩) নাট্যকার। পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ।
• দীনবন্ধু কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বর গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে সংবাদ প্রভাকর, সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন। তবে নাটক ও প্রহসন লিখেই তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
• ‘নীলদর্পণ‘ (১৮৬০) তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও। সমকালের নীলচাষ ও নীলকর সাহেবদের প্রজাপীড়ন এবং শাসকশ্রেণীর পক্ষপাতমূলক আচরণ নাটকটির বিষয়বস্তু। নাটকটি তৎকালীন সমাজে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কৃষকদের নীলবিদ্রোহে ইন্ধন জোগায়।
• 'নবীন তপস্বিনী' (১৮৬৩) দীনবন্ধু মিত্রের দ্বিতীয় নাটক। এতে যে দুটি ভিন্ন কাহিনি স্থান পেয়েছে তা পরিপূর্ণভাবে মিশ্রিত হয় নি। 'তে গ্রাম্যতা ও রুচিবিকল্পতা থাকলেও তা গুরুত্বপূর্ণ রচনা।
• 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' (১৮৬৬) বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে লিখিত একটি প্রহসন। নামের মাধ্যমেই এর পরিচয় প্রকাশমান।
• দীনবন্ধু মিত্রের 'লীলাবতী' (১৮৬৭) নাটকটি রচনা হিসেবে সার্থকতা লাভ করতে পারে নি।
• 'কমলে কামিনী' (১৮৮৩) তাঁর শেষ রচনা। রোম্যান্টিক প্রণয়চিত্র হিসেবে এর গুরুত্ব।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহাবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৮০.
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ত্রয়ী উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. ধাত্রীদেবতা
  2. পঞ্চগ্রাম
  3. জলসাঘর
  4. গণদেবতা
সঠিক উত্তর:
জলসাঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলসাঘর
ব্যাখ্যা
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, একজন কথাসাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ।
- তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তারাশঙ্করের প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
- তারাশঙ্করের ত্রয়ী উপন্যাস- ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম। 

• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস: 
- চৈতালি ঘূর্ণি, 
- ধাত্রীদেবতা, 
- কালিন্দী, 
- কবি, 
- হাঁসুলি বাঁকের উপকথা, 
- গণদেবতা, 
- আরগ্য, 
- নিকেতন, 
- পঞ্চপুণ্ডলী, 
- রাধা ইত্যাদি। 

• তাঁর প্রসিদ্ধ  ছোটগল্প:
- রসকলি, 
- বেদেনী, 
- ডাকহরকরা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর , বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৮১.
মাইকেল মধুসূদন দত্ত সম্পর্কে সত্য নয় কোনটি?
  1. অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক
  2. প্রথম আধুনিক নাট্যকার
  3. বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী লেখক
  4. প্রথম সার্থক উপন্যাসের রচয়িতা
সঠিক উত্তর:
প্রথম সার্থক উপন্যাসের রচয়িতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সার্থক উপন্যাসের রচয়িতা
ব্যাখ্যা
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত সম্পর্কে সত্য নয় - প্রথম সার্থক উপন্যাসের রচয়িতা
- প্রথম সার্থক উপন্যাসের রচয়িতা - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে, এক জমিদার বংশে তাঁর জন্ম। 
- তিনি ছিলেন মহাকবি, প্রথম আধুনিক নাট্যকার, বাংলা ভাষার সনেট প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক, বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী লেখক
- পিতা রাজনারায়ণ দত্ত ছিলেন কলকাতার একজন প্রতিষ্ঠিত উকিল।
- মা জাহ্নবী দেবীর তত্ত্বাবধানে মধুসূদন দত্তের শিক্ষারম্ভ হয়।
- ১৮৩৩ সালে হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। সেখানে তিনি বাংলা, সংস্কৃত ও ফারসি ভাষা শেখেন।
- হিন্দু কলেজে অধ্যয়নের সময়েই মধুসূদন দত্ত কাব্যচর্চা শুরু করেন। তখন তাঁর কবিতা জ্ঞানান্বেষণ, Bengal Spectator, Literary Gleamer, Calcutta Library Gazette, Literary Blossom, Comet প্রভৃতি পত্রিকায় প্রকাশিত হতো।
- মধুসূদন দত্ত ১৮৪৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯ বছর বয়সে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং তখন থেকে তাঁর নামের পূর্বে 'মাইকেল' শব্দটি যুক্ত হয়। 
- স্ত্রী হেনরিয়েটার মৃত্যুর তিনদিন পরে ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন, কলকাতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

তাঁর রচিত নাটক:
- শর্মিষ্ঠা,
- পদ্মাবতী,
- কৃষ্ণকুমারী,
- মায়াকানন।

তাঁর রচিত প্রহসন:
- একেই কি বলে সভ্যতা,
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৮২.
সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. পোকামাকড়ের ঘরবসতি
  2. যাপিত জীবন
  3. গায়ত্রী সন্ধ্যা
  4.  উৎস থেকে নিরন্তর
সঠিক উত্তর:
 উৎস থেকে নিরন্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 উৎস থেকে নিরন্তর
ব্যাখ্যা

• 'উৎস থেকে নিরন্তর' গল্পগ্রন্থ:
- 'উৎস থেকে নিরন্তর' সেলিনা হোসেনের প্রথম গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯৬৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- ভাষা আন্দোলন, নারী-পুরুষের সমতা প্রত্যাশা, গ্রামীণ পারিবারিক পরিমণ্ডলের ভাঙ্গন ইত্যাদি বিষয়বস্তুর পেক্ষাপটে গল্পগুলো রচিত।
- গৈরিক বাসনা, বৈশাখী গান, রতি বিলাস, মাস্টার, কান্নার তৃতীয় দিন, গোলাপ ফোঁটা সকাল-ইত্যাদি গল্প সংকলিত হয়েছে এই গল্পগ্রন্থে।

--------------------
• সেলিনা হোসেন:
- সেলিনা হোসেন খ্যাতিমান কথাসাহিত্যিক। সেলিনা হোসেন ১৪ই জুন ১৯৪৭ সালে রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর লাভ করেন।
- অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, নারীমুক্তি তাঁর কথাসাহিত্যের মূলগত আখ্যান।
- সাহিত্যক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার ও ফিলিন্স সাহিত্য পুরস্কারসহ অনেক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।

তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- হাঙর নদী গ্রেনেড,
- মগ্ন চৈতন্যে শিস,
- যাপিত জীবন,
- চাঁদবেনে,
- পোকামাকড়ের ঘরবসতি,
- গায়ত্রী সন্ধ্যা,
-দীপান্বিতা ইত্যাদি।

গল্পগ্রন্থ:
- উৎস থেকে নিরন্তর,
- খোলকরতাল,
- মুক্তিযুদ্ধের গল্প ইত্যাদি;

শিশু-কিশোর উপযোগ্য রচনা:
- বাংলা একাডেমী গল্পে বর্ণমালা,
- বর্ণমালার গল্প,
- জ্যোৎস্নার রঙে আঁকা ছবি,
- চাঁদের বুড়ির পান্তা ইলিশ ইত্যাদি।

অভিসম্বন্ধ: বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি; 'উৎস থেকে নিরন্তর' গল্পগ্রন্থ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫,৫৮৩.
'আদর্শ ছেলে' কবিতাটির রচয়িতা কে?
  1. সুফিয়া কামাল
  2. সুকুমার রায়
  3. জসিম উদ্দিন
  4. কুসুমকুমারী দাস
সঠিক উত্তর:
কুসুমকুমারী দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুসুমকুমারী দাস
ব্যাখ্যা

• কুসুমকুমারী দাশের বিখ্যাত কবিতা আদর্শ ছেলে।
- তাঁর রচিত এই কবিতা পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করায় সর্বাধিক পরিচিত।

• কুসুমকুমারী দাশ: 
- তিনি ১৮৮২ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর গদ্যগ্রন্থের নাম- পৌরাণিক আখ্যায়িকা।
- কুসুমকুমারী দাশ হলেন জীবনানন্দ দাশের মাতা।
- কুসুমকুমারী দাশ শিশুদের জন্য রচনা করেন 'কবিতা-মুকুল'। 
- তাঁর কবিতা প্রকাশিত হত 'প্রবাসী, ব্রহ্মবাদী, মুকুল প্রভৃতি পত্রিকায়।

আদর্শ ছেলে
কুসুমকুমারী দাশ। 

আমাদের দেশে সেই ছেলে কবে হবে
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে?
মুখে হাসি বুকে বল, তেজে ভরা মন
'মানুষ হইতে হবে'- এই তার পণ।
বিপদ আসিলে কাছে হও আগুয়ান
নাই কি শরীরে তব রক্ত, মাংস, প্রাণ?
হাত পা সবারই আছে, মিছে কেন ভয়?
চেতনা রয়েছে যার, সে কি পড়ে রয়?
সে ছেলে কে চাই বল, কথায় কথায়
আসে যার চোখে জল, মাথা ঘুরে যায়?
মনে প্রাণে খাট সবে, শক্তি কর দান,
তোমরা 'মানুষ' হলে দেশের কল্যাণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও আমার বাংলা বই তৃতীয়-শ্রেণি।

১৫,৫৮৪.
‘বনফুল’ কাব্যগ্রন্থ কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. জ্ঞানাঙ্কুর
  2. বঙ্গদর্শন
  3. সবুজপত্র
  4. তত্ত্ববোধিনী
সঠিক উত্তর:
জ্ঞানাঙ্কুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্ঞানাঙ্কুর
ব্যাখ্যা
বনফুল:
- ১৮৭৬ সালে বনফুল কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলো ধারাবাহিকভাবে ‘জ্ঞানাঙ্কুর’ ও ‘প্রতিবিম্ব’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথের বয়স তখন ১৫ বছর।
- বনফুল ১৮৮০ সালে রবীন্দ্রনাথের দ্বিতীয় গ্রন্থ হিসেবে প্রকাশিত হয়।
- তখন বয়স ছিল ১৯ বছর।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কবি-কাহিনী।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: 
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি  দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স  দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর বেণীমাধব রায়চৌধুরীর মেয়ে মৃণালিনী দেবী রায়চৌধুরীকে বিয়ে করেন রবীন্দ্রনাথের ঠাকুর।
- তিনি ১৯১৫ সালে ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি পান এবং ১৯১৯ সালে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের কারণে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর নিজ বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো:
- মানসী,
- চিত্রা,
- চৈতালী,
- সোনার তরী,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপুট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া। 
১৫,৫৮৫.
'বাঙালী মুসলমানের মন' প্রবন্ধগ্রন্থটি রচনা করেন -
  1. আব্দুল কাদির
  2. আব্দুল মান্নান সৈয়দ
  3. মুহম্মদ আব্দুল হাই
  4. আহমদ ছফা
সঠিক উত্তর:
আহমদ ছফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহমদ ছফা
ব্যাখ্যা
• 'বাঙালী মুসলমানের মন' প্রবন্ধগ্রন্থটি রচনা করেন - আহমদ ছফা। 

আহমদ ছফা:
- তিনি মূলত ছিলেন চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন।
- আহমদ ছফা ছিলেন একজন প্রতিবাদী লেখক, প্রগতিপন্থি সাহিত্যকর্মী ও সংগঠক।
- আহমদ ছফা ৩০শে জুন, ১৯৪৩ সালে গাছবাড়িয়া, চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস:
- গাভী বিত্তান্ত,
- ওঙ্কার,
- অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী,
- অলাতচক্র ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস,
- বাঙালি মুসলমানের মন,
- সাম্প্রতিক বিবেচনা,
- সিপাহী যুদ্ধের ইতিহাস।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস।
১৫,৫৮৬.
ফররুখ আহমদের জন্মস্থান কোথায়?
  1. বাগেরহাট
  2. কুষ্টিয়া
  3. মাগুরা
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
মাগুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাগুরা
ব্যাখ্যা
ফররুখ আহমদ: 
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৮৭.
'আমার মাথার দিব্যি রইল, এসব তুমি আর কখনো করো না'। - উক্তিটি কোন গল্পের?
  1. বিলাসী
  2. দেনাপাওনা
  3. হৈমন্তী
  4. জীবন ও মৃত
সঠিক উত্তর:
বিলাসী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলাসী
ব্যাখ্যা
- 'আমার মাথার দিব্যি রইল, এসব তুমি আর কখনো করো না'। - উক্তিটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিলাসী গল্পের।
- 'বিলাসী' গল্পটি মাসিক 'ভারতী' পত্রিকায় ১৯১৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি 'ছবি' গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- শরৎচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- তাঁঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। 
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত ছোটগল্প: 
- মহেশ,
- বিলাসী,
- সতী, 
- মামলার ফল ইত্যাদি। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস :
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পন্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয় ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৮৮.
'সুরধুনী কাব্য' - কে লিখেছেন?
  1. নবীনচন্দ্র সেন
  2. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. দীনবন্ধু মিত্র
  4. বুদ্ধদেব বসু
সঠিক উত্তর:
দীনবন্ধু মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা

• 'সুরধুনী কাব্য':
- 'সুরধুনী কাব্য' গ্রন্থটির লেখক- দীনবন্ধু মিত্র।
- সুরধুনী কাব্য হিমালয় থেকে গঙ্গাদেবীর সাগরসঙ্গমে যাত্রার ছন্দোবদ্ধ বর্ণনা।
- এতে উত্তর ভারতের বিভিন্ন জনপদ এবং বঙ্গদেশ ও সমকালীন কলকাতার বিশিষ্ট স্থান ও স্মরণীয় ব্যক্তিদের চমৎকার বর্ণনা রয়েছে।

--------------
দীনবন্ধু মিত্র: 
- রায়বাহাদুর দীনবন্ধু মিত্র একজন নাট্যকার ছিলেন।
- ১৮৩০ সালে পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চৌবেড়িয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতৃদত্ত নাম গন্ধর্বনারায়ণ। 
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের অনুপ্রেরণায় কবিতা লিখতেন।
- তিনি কলেজে পড়ার সময়ই ঈশ্বর গুপ্তের সংস্পর্শে গিয়ে সংবাদ প্রভাকর, সাধুরঞ্জন প্রভৃতি পত্রিকায় কবিতা লিখতে শুরু করেন।
- তবে নাটক ও প্রহসন লিখেই তিনি সর্বাধিক খ্যাতি অর্জন করেন।
- নীলদর্পণ তাঁর শ্রেষ্ঠ নাটক এবং শ্রেষ্ঠ রচনাও।

দীনবন্ধু মিত্রের কাব্যগ্রন্থ -
- দ্বাদশ কবিতা ও
- সুরধুনী কাব্য।

দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন:
-  সধবার একাদশী,
- বিয়ে পাগলা বুড়ো ও
- জামাই বারিক 

নাটক:
- লীলাবতী,
- নবীন তপস্বিনী,
- কমলে কামিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৮৯.
‘বাংলাদেশ কথা কয়' গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. সুফিয়া কামাল
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• 'বাংলাদেশ কথা কয়' গ্রন্থটির লেখক - আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী।
- এটি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
----------------------------------- 
• আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী:
- তিনি ১৯৩৪ সালের ১২ই ডিসেম্বর বরিশালের উলানিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম 'ডানপিটে শওকত' (১৯৫৩)। এটি একটি শিশুতোষ গ্রন্থ।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের নাম 'কৃষ্ণপক্ষ' (১৯৫৯)।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম 'চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান' (১৯৬০)।
- তিনি ভাষা আন্দোলনের শহিদের স্মরণে 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো / একুশে ফেব্রুয়ারি / আমি কি ভুলিতে পারি।' গানটি রচনা করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনভিত্তিক 'পলাশী থেকে ধানমন্ডি' চলচ্চিত্রের কাহিনি রচনা করে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান,
- নাম না জানা ভোর,
- নীল যমুনা ও
- শেষ রাত্রির চাঁদ।

• তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ:
- বাংলাদেশ কথা কয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৯০.
বুদ্ধদেব বসু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। পত্রিকাটির নাম কী?
  1. কবিতা
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পত্রিকা
  3. বাসন্তিকা
  4. চতুরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বাসন্তিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসন্তিকা
ব্যাখ্যা
• বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা- 
- প্রগতি → (১৯২৭-১৯),
- কবিতা→ (১৩৪২-৪৭), 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে থাকা অবস্থায় তিনি বাসন্তিকা পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। 
- হুমায়ুন কবিরের সাথে তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা 'চতুরঙ্গ'। 

• বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র, সমর সেন এই তিন কবি 'কবিতা' পত্রিকার সূচনা পর্বের সম্পাদনা সূত্রে সাথে যুক্ত ছিলেন।
- পত্রিকাটি  ১৯৩৫ সালে প্রথম প্রকাশ পায় এবং ১৯৬১ সাল পর্যন্ত চলে। 
- এ পত্রিকায় শুধু কবিতা ও কবিতা বিষয়ক গদ্য ছাপা হতো। 
---------------------
 বুদ্ধদেব বসু:
- বুদ্ধদেব বসু একজন সাহিত্যিক, সমালোচক ও সম্পাদক।
- তিনি ১৯০৮ সালের ৩০ নভেম্বর কুমিল্লায় জন্ম গ্রহণ করেন।
- বাংলা কাব্যের পঞ্চপাণ্ডবের অন্যতম বুদ্ধদেব বসু।
- বুদ্ধদেব বসু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ছিলেন এবং জগন্নাথ হলে থাকা অবস্থায় তার সম্পাদনায় ‘বাসন্তিকা’ পত্রিকা প্রকাশিত হতো যা এখনো প্রকাশিত হয়। 
- তিনি প্রগতি (১৯২৭-২৯) ও কবিতা (১৩৪২-৪৭) নামে আরো দুটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
- এছাড়া তিনি হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বিখ্যাত ত্রৈমাসিক পত্রিকা ‘চতুরঙ্গ’ ও সম্পাদনা করতেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৯১.
'কাবিলের বোন' উপনাসের রচয়িতা কে?
  1. আহমদ শরীফ
  2. আবু ইসহাক
  3. আল মাহমুদ
  4. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
সঠিক উত্তর:
আল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
⇒ 'কাবিলের বোন' উপন্যাস:
- 'কাবিলের বোন' আল মাহমুদ রচিত উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ২০০১ সালে প্রকাশিত হয়।
- যুক্ত ভারত ভেঙে পাকিস্তান এই শিকড় থেকে উপন্যাসের শুরু।
- এখানে এসেছে ভাষা আন্দোলন, বাঙালি-বিহারী ভাষাগত সমস্যা, উর্দুভাষী হলেই বিহারী মনে করা, আগরতলা মামলা, শেখ মুজিবের ৬দফা, ছাত্র আন্দোলন তথা বেশ ক'জন মানব- মানবীর প্রেম-ভালোবাসা, দুঃখ-কষ্ট, চাওয়া- পাওয়া নিয়ে যাপিত জীবনের বড় ক্যানভাসে মুক্তিযুদ্ধ। শেষ পর্যন্ত পাওয়া না পাওয়ার অসহনীয় কথামালার বিপুল আয়োজন।
- এই গ্রন্থে তিনি প্রমাণ করেছেন তিনি শুধু কবি আল মাহমুদ নন-তিনি জীবন থেকে নেয়া সময়ের সাহসী দ্রষ্টা ও স্রষ্টা।

----------------------
• আল মাহমুদ:

- কবি আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।
- কবি আল মাহমুদ তার অনবদ্য গল্প ও উপন্যাসের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

• কবি আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো,
- আরব্য রজনীর রাজহাঁস,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- কবি ও কোলাহল ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘কাবিলের বোন' উপন্যাস।
১৫,৫৯২.
বাংলা অক্ষরে মুদ্রিত প্রথম একটানা দীর্ঘ মৌলিক রচনা কোনটি?
  1. হিতোপদেশ 
  2. লিপিমালা
  3. রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
  4. কথোপকথন
সঠিক উত্তর:
রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
ব্যাখ্যা

• রামরাম বসু রচিত গ্রন্থ 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র'। গ্রন্থটি ১৮০১ খ্রিষ্টব্দে রচিত। 
•  বাঙালি রচিত এবং বাংলা অক্ষরে মুদ্রিত প্রথম একটানা দীর্ঘ মৌলিক রচনা 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' গ্রন্থে রাজা প্রতাপাদিত্য সম্পর্কে জ্ঞাত কাহিনিগুলো স্থান পেয়েছে।

অন্যদিকে, 
• দ্বিতীয় গ্রন্থ 'লিপিমালা' ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ছাত্রদের চলিত ভাষা ও দেশীয় লোকের বৈষয়িক ব্যবহারের পরিচয়দানের জন্য পত্রাকারে লিখিত প্রবন্ধ। গ্রন্থের রচনারীতি সহজ সরল ও মৌখিক রীতির কাছাকাছি বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। তার রচনাশৈলী সাধুভাষার অনুগত হলেও তা কথ্যরীতির অনুসারী ছিল। 

• গোলোকনাথ শর্মা (মৃত্যু ১৮০৩) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শিক্ষক না হয়েও মিশনারিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তাঁর 'হিতোপদেশ' ১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পাঠ্যপুস্তকরূপে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়। বইটি সংস্কৃত থেকে অনুবাদ। লেখকের সংস্কৃতজ্ঞানের স্বল্পতার জন্য এর অনুবাদ আক্ষরিক হয় নি। তাই এতে স্বাধীন রচনার সুগম্যতা লক্ষণীয়। গ্রন্থের কোথাও কোথাও কথ্যরীতির অনুসরণের ফলে রচনায় প্রাঞ্জলতা সঞ্চারিত হয়েছে।

'কথোপকথন' গ্রন্থের রচয়িতা- 'উইলিয়াম কেরী'। কথোপকথন বাংলা ভাষায় মুদ্রিত এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত দ্বিতীয় গ্রন্থ। একাধিক মানুষের মুখের সাধারণ কথা বা কথোকথন বা ডায়লগ এ গ্রন্থের উপজীব্য। এ গ্রন্থের ঐতিহাসিক মূল্য প্রচুর।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৫৯৩.
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত গল্পগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. রেইনকোট
  2. খোঁয়ারি
  3. দোজখের ওম
  4. দুধেভাতে উৎপাত
সঠিক উত্তর:
রেইনকোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেইনকোট
ব্যাখ্যা

• 'রেইনকোট' ছোটগল্প:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত 'রেইনকোট' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প।
- রেইনকোট ছোটগল্পটিতে মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার থাকলেও এটি মূলত প্রতীকী গল্প। 'রেইনকোট' গল্পটি ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোট গায়ে দিয়ে ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার মধ্যে সঞ্চারিত হয় যে উষ্ণতা, সাহস ও দেশপ্রেম-তারই ব্যঞ্জণাময় প্রকাশ ঘটেছে এ গল্পে।
- এটি লেখকের সর্বশেষ গল্পগ্রন্থ 'জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল' (১৯৯৭) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- 'জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল' আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত সংকলনের বিভিন্ন গল্পে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক এবং সামাজিক বাস্তবতার চিত্র ফুটে উঠেছে।

অন্যদিকে,
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত গল্পগ্রন্থ- খোঁয়ারি (১৯৮২), দুধেভাতে উৎপাত (১৯৮৫) ও দোজখের ওম (১৯৮৯)। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫,৫৯৪.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম-
  1. নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী
  2. মধুসূদন ও কুমুদিনী
  3. গোবিন্দলাল ও রোহিনী
  4. সুরেশ ও অচেলা
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দলাল ও রোহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দলাল ও রোহিনী
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণকান্তের উইল:
- এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং সমকালে বিতর্কিত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিধবা নারী রোহিনীকে অবলম্বন করে বঙ্কিমচন্দ্র নিজেই শিল্পবোধ ও নৈতিক আদর্শের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন।
- ঔপন্যাসিকের জীবদ্দশায় এই গ্রন্থের চারটি সংস্করণ হয়।

• উপন্যাসটির প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- রোহিনী,
- গোবিন্দলাল,
- ভ্রমর।

-------------------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'সাম্য' গ্রন্থটি রচনা করেন।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৯৫.
‘ঊর্ধ্বশির যদি তুমি কুল মনে ধনে; করিওনা ঘৃণা তব নীচ শির জনে!’ কবিতাংশটি কার রচনা?
  1. ক) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
  2. খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) লালন শাহ্
সঠিক উত্তর:
খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্তএকজন মহাকবি, নাট্যকার। তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জম্ম গ্রহণ করেন।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলাভাষার সনেট প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। 
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)
- অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ - তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। অর্থ্যাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দ্য ক্যাপটিভ লেডি। এটি ইংরেজিতে রচিত।

রসাল ও স্বর্ণলতিকা
– মাইকেল মধুসূদন দত্ত

রসাল কহিল উচ্চে স্বর্ণলতিকারে;-
শুন মোর কথা, ধনি, নিন্দ বিধাতারে।
নিদারুণ তিনি অতি;
নাহি দয়া তব প্রতি;
তেঁই ক্ষুদ্র-কায়া করি সৃজিলা তোমারে।
----------------------------------
মহাঘাতে মড়মড়ি
রসাল ভূতলে পড়ি
হায়, বায়ুবলে
হারাইল আয়ু-সহ দর্প বনস্থলে!
ঊর্ধ্বশির যদি তুমি কুল মান ধনে;
করিও না ঘৃণা তবু নিচ-শির জনে।

উৎস: রসাল ও স্বর্ণলতিকা– মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
১৫,৫৯৬.
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি? 
  1. শঙ্খনীল কারাগার
  2. আগুনের পরশমণি
  3. নন্দিত নরকে
  4. অবেলায় অসময়
সঠিক উত্তর:
আগুনের পরশমণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা
• হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'আগুনের পরশমণি'।

• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২)।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনিল বাগচীর একদিন।

অন্যদিকে,
- আমজাদ হোসেন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'অবেলায় অসময়'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৯৭.
'বিদ্যাভূষণ' কোন সাহিত্যিকের উপাধি?
  1. শেখ ফজলুল করিম
  2. কায়কোবাদ
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. আবদুল হক
সঠিক উত্তর:
কায়কোবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা
• কায়কোবাদ (১৮৫৭-১৯৩৮):
জন্ম: ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা গ্রামে।
প্রকৃত নাম: মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী।
ছদ্মনাম: কায়কোবাদ।

কর্মজীবন ও কাব্য:
সাহিত্যিক অবদান: বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচয়িতা।
প্রথম কাব্য: তেরো বছর বয়সে ‘বিরহবিলাপ’ কাব্যটি প্রকাশিত হয়।

বিশিষ্ট উপাধি লাভ:
- নিখিল ভারত সাহিত্য সংঘ কর্তৃক কাব্যভূষণ, বিদ্যাভূষণ ও সাহিত্যরত্ন উপাধি প্রদান।

অন্যদিকে,
• 'শেখ ফজলুল করিম' এর উপাধি - সাহিত্য বিশারদ।  
• 'কলমসৈনিক' আবদুল হকের উপাধি।
• গোলাম মোস্তফা'র উপাধি - কাব্য সুধাকর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৫৯৮.
'দাদা ভাই'র আসল নাম -
  1. নীহাররঞ্জন গুপ্ত
  2. রোকনুজ্জামান খান
  3. রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ক ও খ উভয়েরই
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়েরই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়েরই
ব্যাখ্যা
• 'দাদা ভাই'র আসল নাম - নীহাররঞ্জন গুপ্ত ও রোকনুজ্জামান খান (ক ও খ উভয়েরই)।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছদ্মনাম:
• কালিকানন্দ এর ছদ্মনাম - অবধূত।
• দক্ষিণারঞ্জন মিত্রমজুমদার ও মধুসূদন মজুমদার এর ছদ্মনাম - দৃষ্টিহীন।
• নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম - সুনন্দ।
• সতীনাথ ভাদুড়ী এর ছদ্মনাম - চিত্রগুপ্ত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ,ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫,৫৯৯.
‘গভীর গভীরতর অসুখ’ কি ধরণের রচনা?
  1. ক) উপন্যাস
  2. খ) কবিতা
  3. গ) ছোটগল্প
  4. ঘ) স্মৃতিকথা 
সঠিক উত্তর:
ক) উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উপন্যাস
ব্যাখ্যা
আবদুল মান্নান সৈয়দ কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক।
তিনি ১৯৪৩ সালের ৩ আগস্ট পশ্চিম বঙ্গের চবিবশ পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি প্রথম জীবনে অশোক সৈয়দ ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
১৯৮১ সালে তিনি বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৯৮ সালে নজরুল পুরস্কার (চুরুলিয়া, বর্ধমান, পশ্চিম বাংলা); ২০০১ সালে নজরুল ইনস্টিটিউট কর্তৃক নজরুল পদক। 

উপন্যাস
- পরিপ্রেক্ষিতের দাসদাসী (১৯৭৪),
- অ-তে অজগর (১৯৮২),
- গভীর গভীরতর অসুখ (১৯৮৩),
- ক্ষুধা প্রেম আগুন (১৯৪৪),
- শ্রাবস্তীর দিনরাত্রি (১৯৯৮); 

[উৎস: বাংলাপিডিয়া]
১৫,৬০০.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কোনটি?
  1. টেকচাঁদ ঠাকুর
  2. বীরবল
  3. লীলাময় রায়
  4. ভানুসিংহ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
ভানুসিংহ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভানুসিংহ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নয়টি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন।
- এগুলো হলো:
- ভানুসিংহ ঠাকুর;
- অকপটচন্দ্র ভাস্কর;
- আন্নাকালী পাকড়াশী;
- দিকশূন্য ভট্টাচার্য;
- নবীনকিশোর শর্মণ;
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মা;
- বাণীবিনোদ বিদ্যাবিনোদ;
- শ্রীমতী কনিষ্ঠা;
- শ্রীমতী মধ্যমা;

• অন্যদিকে:
• অন্নদাশঙ্কর রায়ের ছদ্মনাম- লীলাময় রায়।
• প্যারীচাঁদ মিত্র এর ছদ্মনাম- টেকচাঁদ ঠাকুর।
• 'প্রমথ চৌধুরী' এর সাহিত্যিক ছদ্মনাম- বীরবল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।