বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

উত্তর আধুনিক যুগ ও সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ লেখক

মোট প্রশ্ন২৬এই পাতা২৬প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

উত্তর আধুনিক যুগ ও সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ লেখক

PrepBank · পাতা / · ২৬ / ২৬

.
বাংলাদেশের অন্যতম বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক কে?
  1. হুমায়ন আহমেদ
  2. রশীদ করিম
  3. হুমায়ন আজাদ
  4. আবদুল্লাহ আল-মুতি
ব্যাখ্যা
আবদুল্লাহ আল-মুতী:
- বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক হচ্ছেন আবদুল্লাহ আল-মুতী।
- তিনি ১৯৫৩ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে এম.এসসি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিষয়ে ১৯৬০ সালে এম.এ ও ১৯৬২ সালে পিএইচ.ডি ডিগ্রি লাভ করেন।
- বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে আল-মুতী শরফুদ্দিনের অবদান অসামান্য।
- তিনি এদেশে বিজ্ঞানকে ছোটদের মধ্যে জনপ্রিয় করার পথিকৃৎ।
- তাঁর প্রকাশিত বিজ্ঞান, পরিবেশ ও শিক্ষাবিষয়ক বইয়ের সংখ্যা ২৮।
- উল্লেখযোগ্য বইগুলির মধ্যে রয়েছে- বিজ্ঞান ও মানুষ, এ যুগের বিজ্ঞান, বিপন্ন পরিবেশ, বিজ্ঞান-জিজ্ঞাসা, সাগরের রহস্যপুরী, মেঘ বৃষ্টি রোদ এবং পরিবেশের সংকট ঘনিয়ে আসছে।
- বিজ্ঞান শিক্ষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, একুশে পদক, শিশু একাডেমী পুরস্কার, ইউনেস্কোর কলিঙ্গ পুরস্কার এবং ড. কুদরত-ই-খুদা স্বর্ণপদকসহ এক ডজনের অধিক পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
.
'দেশপ্রেমিক' ও 'বিশ্বকর্মা' কোন সাহিত্যিকের ছদ্মনাম?
  1. শহীদুল্লা কায়সার
  2. শামসুর রাহমান
  3. সুকুমার রায়
  4. সিকান্দার আবু জাফর
ব্যাখ্যা
শহীদুল্লা কায়সার
- তার প্রকৃত নাম ছিল আবু নঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লা।
- তিনি একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক, লেখক ও বুদ্ধিজীবী। 
- শহীদুল্লা কায়সার ১৯২৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেনী জেলার সোনাগাজি উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ভাষা আন্দোলনে তার রাজনৈতিক ভূমিকার কারণে ১৯৫২ সালের ৩ জুন তিনি গ্রেফতার হন।
- তিনি ১৯৪৯ সালে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী পরিচালিত সাপ্তাহিক ইত্তেফাক পত্রিকায় যোগদান করেন৷

- শহীদুল্লা কায়সার সংবাদ পত্রিকায় 'দেশপ্রেমিক' ছদ্মনামে রাজনৈতিক পরিক্রমা এবং 'বিশ্বকর্মা' ছদ্মনামে বিচিত্র কথা এই দুটি কলাম লিখতেন।

- তিনি ১৯৬৯ সালে উপন্যাসে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৮৩ সালে সাংবাদিকতায় মরণোত্তর একুশে পদক এবং সাহিত্যে ১৯৯৮ সালে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।

♦♦ সাহিত্যকর্ম: 
- ১৪ অক্টোবর, ১৯৫৮ সালে তাঁকে জননিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার করে আইয়ুব সরকার। এরপর তিনি মুক্তি পেলেন ১৯৬২ সালের অক্টোবরে। 
- এই সময় কারাগারে বসেই তিনি লিখেন তাঁর অমর উপন্যাস 'সারেং বৌ', যা কারাগার মুক্তি হওয়ার এক মাস পরে ১৯৬২ সালের নভেম্বর মাসে ছাপা হয়।  
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'সংশপ্তক'(১৯৬৫), স্মৃতিকথা 'রাজবন্দীর রোজনামচা'ও  কারাগারে বসেই লিখেছিলেন।  

♦ অন্যান্য উপন্যাস: 
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ, 
- তিমির বলয়, 
- দিগন্তে ফুলের আগুন, 
- সমুদ্র ও তৃষ্ণা, 
- চন্দ্রভানের কন্যা, 
- কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)।

♦ স্মৃতিকথা: 
- রাজবন্দীর রোজনামচা।

♦ ভ্রমণকাহিনী: 
- পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ।

তথ্যসূত্র - প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) ওয়েবসাইট।

.
'ঢাকাই রঙ্গরসিকতা' নামক রম্য রচনাটির রচয়িতা কে?
  1. সরদার জয়েনউদ্দীন
  2. শামসুজ্জামান খান
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. সমর সেন 
ব্যাখ্যা

শামসুজ্জামান খান- 'ঢাকাই রঙ্গরসিকতা' নামক রম্য রচনাটির রচয়িতা। 
--------------------------------------------------- 
• শামসুজ্জামান খান:
- শামসুজ্জামান খান ছিলেন একজন প্রখ্যাত লেখক, গবেষক ও ফোকলোরবিদ।
- তিনি মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবে তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন।
- এছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন।
- ২০১৮ সালে শামসুজ্জামান খান 'ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার' অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
-
শামসুজ্জামান খান ২০২১ সালের ১৪ এপ্রিল ঢাকায় করোনায় মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান:
- তিনি ৬৪ খণ্ডে ৬৪ জেলার লোকজ সংস্কৃতির সংগ্রহশালা সম্পাদনা করেছেন।
-  এবং ১১৪ খণ্ডে বাংলাদেশের ফোকলোর সংগ্রহমালা সম্পাদনা করেছেন।
- এর মাধ্যমে তিনি দেশের লোকজ সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
• প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা প্রসঙ্গ,
- গণসঙ্গীত,
- মাটি থেকে মহীরুহ,
- মুক্তিবুদ্ধি,
- ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমকাল,
- আধুনিক ফোকলোর চিন্তা,
- ফোকলোর চর্চা। 

• রম্য রচনাসমূহ: 
- ঢাকাই রঙ্গরসিকতা,
- গ্রামবাংলার রঙ্গরসিকতা

• শিশুসাহিত্য:
- দুনিয়া মাতানো বিশ্বকাপ,
- লোভী ব্রাহ্মণ ও তেনালী রাম।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
কালের কন্ঠ পত্রিকা।

.
কোন বাঙালি সাহিত্যিক স্বাধীনতা পরবর্তী জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থায় নিযুক্ত ছিলেন?
  1. আহসান হাবীব
  2. আবু ইসহাক
  3. আল মাহমুদ
  4. আবু জাফর ওবায়েদউল্লাহ
ব্যাখ্যা
আবু ইসহাক
- তিনি ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর শরিয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, অভিধান- প্রণেতা।
- কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত 'নবযুগ' পত্রিকায় আবু ইসহাকের 'অভিশাপ' নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৯ সালে তিনি পুলিশ বিভাগে সহকারি পরিদর্শক হন। 
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে তিনি ঢাকায় এসে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার উপ-পরিচালক হন।
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার খুলনা বিভাগের প্রধান হয়ে ১৯৮৪ সালে অবসার গ্রহণ করেন।

- তিনি সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধান (২ খন্ড, ১৯৯৩, ১৯৯৮) রচনা করেছেন, যা বাংলা কোষগ্রন্থের পরিধিকে সমৃদ্ধ করেছে।
- তাঁর রচিত একমাত্র নাটক জয়ধ্বনি। 
- ২০০৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

- সূর্য দীঘল বাড়ী তাঁর প্রথম উপন্যাস। 
- বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি এই উপন্যাসটি রচনা করেন।

♦ তাঁর রচিত উপন্যাস:
- সূর্য-দীঘল বাড়ী,
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল (গোয়েন্দাভিত্তিক)।

♦ তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- হারেম,
- মহাপতঙ্গ।

♦ সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য আবু ইসহাক
- 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার' (১৯৬৩),
- 'একুশে পদক' (১৯৯৭),
- 'স্বাধীনতা পদক' (মনণোত্তর, ২০০৪) লাভ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'নেমেসিস' নাটকটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. সাধনা
  2. ভারতী
  3. শনিবারের চিঠি
  4. সবুজপত্র
ব্যাখ্যা

'নেমেসিস' নাটক:
- নুরুল মোমেনের 'নেমেসিস' নাটক শনিবারের চিঠি পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৯৪৫ সালে। গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- নাটকটি পঞ্চাশ-দশকের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত। এর রচনাশৈলী ও পরিকল্পনা অভিনব।
- একটি মাত্র চরিত্রের মাধ্যমে দীর্ঘ সংলাপের ভিতর দিয়ে পুরো নাট্যকাহিনি বিবৃত হয়েছে যার মধ্যে একটি পরিপূর্ণ ছবি পরিস্ফুট হয়ে ওঠে। ফলে নাটকটি নাট্যামোদীদের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয় এবং এ নাটকের মাধ্যমে তিনি বাংলা নাট্যসাহিত্যে অধিষ্ঠিত হন।

নুরুল মোমেন: 
- নুরুল মোমেন এর জন্ম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় ১৯০৬ সালে।
- নুরুল মোমেনের প্রথম নাটক ‘রূপান্তর’ ১৯৪২ সালে ঢাকা বেতার-এ প্রচারিত হয়।
- তিনি নিজে নাটকটি পরিচালনা করেন।
- ১৯৪৭ সালে নাটকটি গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয়।
- তাঁর 'নেমেসিস' নাটকটি প্রথম শনিবারের চিঠি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- 'নেমেসিস' নাটকটি পঞ্চাশ-দশকের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত।
- নুরুল মোমেন রচিত প্রথম রম্যগ্রন্থ 'বহুরূপা'।
- ১৯৪৮ সালে ‘বহুরূপা’ নামক রম্যরচনাটি প্রকাশিত হয়।

নুরুল মোমেন রচিত অন্যান্য রম্যগ্রন্থ হলো:
- নরসুন্দর,
- হিংটিং ছট (প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড)।

নুরুল মোমেন রচিত বিখ্যাত নাটকসমূহ:
- নেমেসিস,
- যদি এমন হতো,
- নয়া খান্দান, 
- আলোছায়া,
- আইনের অন্তরালে, 
- শতকরা আশি, 
- রূপলেখা, 
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

উৎস:
১)বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
কোন সাহিত্যাদর্শের মর্মে নৈরাশ্যবাদ আছে?
  1. রোমান্টিসিজম
  2. আধুনিকতাবাদ
  3. উত্তরাধুনিকতাবাদ
  4. বাস্তববাদ
ব্যাখ্যা
• উত্তর-আধুনিকতাবাদ:
- উত্তর-আধুনিকবাদ মতটি সংস্কৃতি, সাহিত্য, শিল্প, দর্শন, ইতিহাস, অর্থনীতি, স্থাপত্য, সমালোচনার ক্ষেত্রে Deconstruction ও Post-structural- ism-এর সঙ্গে অনেকটাই সংশ্লিষ্ট।

- Postmodernism শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় ১৮৭০ সালে। জন ওয়াটকিনস চ্যাপম্যান ফরাসি Impressionism থেকে চিত্রকলাকে পৃথক করার জন্য প্রথম এই ধারার চিত্রের কথা বলেন।

- সাহিত্যের ক্ষেত্রে Postmodern ধারণাটি প্রথম আসে ১৯৭২ সালে আমেরিকান 'সীমান্ত ২' (Boundary 2) পত্রিকার মাধ্যমে। ডেভিড এনটিন, চার্লস অলসন, জর্জ লুইস বর্জ প্রমুখ এই ধারাকে বেগবান করেন। আরব-আমেরিকার লেখক ইহাব হাসান ১৯৭১ সালে উত্তর-আধুনিক ধারায় সাহিত্য সমালোচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন।

- উত্তর-আধুনিকতার মূলকথা হচ্ছে: 'সব কিছুই বহমান ও খণ্ডিত। সত্যের কোনো বস্তুগত রূপ নেই। সমস্ত নৈতিক, সামাজিক রীতি-নীতি কৃত্রিম, বিধি বহির্ভূত অকারণ ও বাইরে থেকে চাপানো; সত্য কেবল বিষয়গত ও আধ্যাত্মীয়।'

- আরনল্ড টয়েনবি, আরভিং হো, হ্যারি লেভিন, এডওয়ার্ড সাইড প্রমুখ উত্তর-আধুনিক ধারার সমর্থক।

- এই ধারা মূলত আধুনিকতার বিপরীতে পথসন্ধান করে এবং মধ্যযুগের মূল্যবোধে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। মধ্যযুগ ব্যাখ্যায় বৈজ্ঞানিকতার বদলে অনেকে ধর্মীয় ব্যাখ্যায় স্থিত হন। এখানেই উত্তর-আধুনিকতার সীমাবদ্ধতা।

- মূলত নৈরাশ্য থেকে এ পথে তারা সর্বসমস্যার সমাধান খোঁজেন। তখন আধুনিক বৈজ্ঞানিক ধারাকে পাশ কাটিয়ে তারা পতিত হন ধর্মমোহে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য' এর রচয়িতা কে?
  1. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  2. আবুল মনসুর আহমেদ
  3. ইমদাদুল হক
  4. আহামেদ ছফা
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
- বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের জন্ম ১৯৩৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি। 
- ১৪ মে ২০২০ এ তিনি মৃত্যুবরন করেন।

- ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ইংরেজি আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারা' শিরোনামে ডক্টরেট লাভ করেন। এই গবেষণাপত্রকে তিনি 'মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য' (১৯৬৪) নামে গ্রন্থরূপ দেন।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ড. কুদরাত-এ-খুদাকে প্রধান করে গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশনের সদস্য ছিলেন।
- ২০১৮ সালের ১৯ জুন বাংলাদেশ সরকার তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়।

সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য তিনি, 
- 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার' (১৯৭০),
- 'একুশে পদক' (১৯৮৫),
- 'স্বাধীনতা পদক' (২০১৫) লাভ করেন।

- তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৫ সালে সম্মানিক ডি.লিট. পান।
- এছাড়াও ২০১৪ সালে ভারত সরকারের পদ্মভূষণ লাভ করেন।

 - তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম:
- স্বরূপের সন্ধানে,
- আঠারো শতকের বাংলা চিঠি,
- বাঙালি নারী: সাহিত্য ও সমাজে,
- কাল নিরবধি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'মে দিবস' নাটকটি কার লিখা?
  1. নুরুল মোমেন
  2. নজিবুর রহমান
  3. মামুনুর রশীদ
  4. মোজাম্মেল হক
ব্যাখ্যা
• মামুনুর রশীদ:
- মামুনুর রশীদ মূলত নাট্যকার হিসেবে পরিচিত।
- টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ১৯৪৮ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারিতে মামুনুর রশীদ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৯০ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কার পান৷

• তাঁর রচিত অন্যান্য নাটক:
- ওরা কদম আলী,
- ওরা আছে বলেই,
- মে দিবস,
- ইবলিশ,
- এখানে নোঙর,
- গিনিপিগ,
- সমতট,
- পাথর,
- লেবেদেফ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
হাসান হাফিজুর রহমান রচিত প্রবন্ধ -
  1. আধুনিক কবি ও কবিতা
  2. শোকার্ত তরবারি
  3. অন্তিম শহরের মতো
  4. প্রতিবিম্ব
ব্যাখ্যা
 হাসান হাফিজুর রহমান:
- হাসান হাফিজুর রহমান (জুন ১৪, ১৯৩২ – এপ্রিল ১, ১৯৮৩) বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক ছিলেন। 
- ১৯৩২ সালের ১৪ জুন জামালপুর শহরে তাঁর জন্ম।
- হাসান হাফিজুর রহমান রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ: বিমুখ প্রান্তর

• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত প্রবন্ধ:
- সাহিত্য প্রসঙ্গ,  
- আধুনিক কবি ও কবিতা,  
- মূল্যবোধের জন্য,  
- আলোকিত গহ্বর ইত্যাদি।

• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত কাব্য:
- বিমুখ প্রান্তর,
- প্রতিবিম্ব,
- আর্ত শব্দাবলী,
- অন্তিম শহরের মতো,
- যখন উদ্যত সঙ্গীন,
- শোকার্ত তরবারি ইত্যাদি।

• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত গল্প:
- আরো দুটি মৃত্যু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী কবি বলা হয় কাকে?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা
⇒ ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত (১৮১২-১৮৫৯): কবি, সাংবাদিক। 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল তাঁর ছদ্মনাম।
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত। কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়। ব্যঙ্গ-বিদ্রূপই ছিল তাঁর রচনার বিশেষত্ব।
• ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা ‘সংবাদ প্রভাকর’ সম্পাদনা করেন। তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন। এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
• তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
• ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

অন্যদিকে,
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের ‘শেষ বড় কবি’ বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া; লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১১.
হাসান আজিজুল হকের জীবনাবসান ঘটে -
  1. ১৫ নভেম্বর ২০২১
  2. ১৫ নভেম্বর ২০২২
  3. ১৫ নভেম্বর ২০১৯
  4. ১৫ নভেম্বর ২০২০
ব্যাখ্যা
• হাসান আজিজুল হক:
-  হাসান আজিজুল হক ১৯৩৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন ।
- হাসান আজিজুল হক মূলত কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৭ সালে আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৯৯ সালে একুশে পদক, ২০১৯ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ১৫ নভেম্বর ২০২১ সালে, হাসান আজিজুল হক মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত গল্প: 
- নামহীন গ্রোত্রহীন,
- শীতের অরণ্য,
- আত্মজা ও একটি করবী গাছ,
- আমরা অপেক্ষা করছি,
- পাতালে হাসপাতালে,
- জীবন ঘষে আগুন ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- আগুনপাখি,
- সাবিত্রী উপাখ্যান,
- শামুক,
- শিউলি,
- বৃত্তায়ন ইত্যাদি।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নুরুল মোমেন রচিত নাটক কোনটি?
  1. নয়া খান্দান
  2. আলোছায়া
  3. নেমেসিস
  4. রূপলেখা
ব্যাখ্যা
• 'নেমেসিস' নাটক: 
- 'নেমেসিস' নুরুল মোমেন রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক।
- ১৯৩৯ - ৪৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নুরুল মোমেন ১৯৪৪ সালে নাটকটি লেখেন এবং ‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায় ১৯৪৮ সালে।
- নাটকটি স্কুল মাস্টার সুরজিত নন্দী নামের এক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক।
- এ নাটকে সমকালীন দুর্ভিক্ষ, মজুতদারদের পিশাচবৃত্তি ও নিরন্নদের হাহাকারের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
- 'নেমেসিস' নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম- সুরজিত নন্দী। 

------------------------
• নুরুল মোমেন:
- নুরুল মোমেন এর জন্ম ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায় ১৯০৬ সালে।
- তাঁর 'নেমেসিস' নাটকটি প্রথম শনিবারের চিঠি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 'নেমেসিস' নাটকটি পঞ্চাশ-দশকের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত।

• নুরুল মোমেন এর বিখ্যাত নাটক:
- যদি এমন হতো,
- নয়া খান্দান,
- আলোছায়া,
- আইনের অন্তরালে,
- শতকরা আশি,
- রূপলেখা,
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

• তাঁর রচিত রম্যগ্রন্থগুলো হলো:
- বহুরূপা,
- নরসুন্দর,
- হিংটিং ছট।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
১৩.
'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' উপন্যাসটির রচয়িতা -
  1. আব্দুল কাদির
  2. আব্দুল মান্নান সৈয়দ
  3. আহমদ ছফা
  4. বেগম রোকেয়া
ব্যাখ্যা
আহমদ ছফা
- আহমদ ছফা ছিলেন একজন প্রতিবাদী লেখক, প্রগতিপন্থি সাহিত্যকর্মী ও সংগঠক।
- জন্ম - ৩০শে জুন, ১৯৪৩ সালে গাছবাড়িয়া, চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি স্বদেশ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- ১৯৭০ সালের গোড়ার দিকে আহমদ ছফার সম্পাদনায় সাহিত্য পত্রিকা 'স্বদেশ' প্রকাশিত হয়েছিল। 

আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস:
- গাভী বিত্তান্ত,
- ওঙ্কার,
- অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী,
- অলাতচক্র ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস,
- বাঙালি মুসলমানের মন,
- সাম্প্রতিক বিবেচনা,
- সিপাহী যুদ্ধের ইতিহাস।

আহমদ ছফার শিশুতোষ রচনা:
- দোলো আমার কনকচাঁপা,
- গো হাকিম ইত্যাদি।

কবিতা গ্রন্থ:
- জল্লাদ সময়,
- দুঃখের দিনের দোহা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
'তৈল' প্রবন্ধটি লিখেছেন -
  1. সুকুমার রায়
  2. রমেশচন্দ্র মজুমদার
  3. শিবনারায়ণ রায়
  4. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা
• হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত প্রবন্ধ ‘তৈল’।

• প্রবন্ধের কিছু অংশ:
বাঙালীর বল নাই, বিক্রম নাই, বিদ্যাও নাই, বুদ্ধিও নাই। সুতরাং বাঙালীর একমাত্র ভরসা তৈল — বাঙালীর যে কেহ কিছু করিয়াছেন, সকলই তৈলের জোরে, বাঙালীদিগের তৈলের মূল্য অধিক নয়; এবং কি কৌশলে সেই তৈল বিধাতৃপুরুষদিগের সুখসেব্য হয়, তাহাও অতি অল্পলোক জানেন। যাঁহারা জানেন, তাঁহাদিগকে আমরা ধন্যবাদ দিই। তাঁহারাই আমাদের দেশের বড় লোক, তাঁহারাই আমাদের দেশের মুখ উজ্জ্বল করিয়া আছেন।

• হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কারক।
- তিনি 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে 'চর্যাপদ' সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।

• হরপ্রসাদ বহু বিদ্যাপ্রতিষ্ঠানের সম্মাননা পেয়েছেন, যার মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য:
- ১৮৮৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আজীবন ফেলো মনোনয়ন;
- ১৮৯৮ সালে সরকারের দেওয়া সম্মান ‘মহামহোপাধ্যায়’ উপাধি (মহারানী ভিক্টোরিয়ার ৬০তম রাজ্যাঙ্কে প্রবর্তিত)।
- ১৯১১ সালে ‘সি.আই.ই’ উপাধি; ১৯২১ সালে ইংল্যান্ডের রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটির অনারারি মেম্বার মনোনয়ন;
- ১৯২৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনারারি ডি.লিট উপাধি লাভ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাঞ্চনমালা ও
- বেণের মেয়ে।

তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ-
- হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা,
- প্রাচীন বাংলার গৌরব,
- মেঘদূত ব্যাখ্যা,
- ভারত মহিলা,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা কে?
  1. মীর মোশাররফ হোসেন
  2. আল মাহমুদ
  3. ফররুখ আহামেদ
  4. জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
আল মাহমুদ
- কবি আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধকালে কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা বিভাগের জুনিয়র স্টাফ অফিসার পদে যোগ দেন। ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ২০১৯ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

- 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- এটি আল মাহমুদ রচিত সনেট, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।

কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- কালের কলস ,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- অদৃশ্যবাদীদের রান্নাবান্না ইত্যাদি।

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- উপমহাদেশ ইত্যাদি।

উল্লেখযোগ্য পুরস্কার:
- একুশে পদক (১৯৮৬),
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬.
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা 'উত্তরাধিকার' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন-
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. রফিক আজাদ
  3. শামসুর রাহমান
  4. সবাই
ব্যাখ্যা
• রফিক আজাদ: 
- রফিক আজাদ টাঙ্গাইল জেলার জাহিদগঞ্জের গুণীগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- রফিক আজাদের ডাক নাম ছিল 'জীবন'।

- তিনি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা 'উত্তরাধিকার' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'ভাত দে হারামজাদা'। এটি 'সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত।
- তিনি ২০১৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া,
- অসম্ভবের পায়ে,
- কোনো খেদ নেই,
- হৃদয়ের কী বা দোষ,
- সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে,
- প্রিয় শাড়িগুলো,
- অপর অরণ্যে,
- পরিকীর্ণ পানশালা আমার স্বদেশ,
- করো অশ্রুপাত,
- পাগলা গারদ থেকে প্রেমিকার চিঠি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭.
'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তার প্রকৃত নাম কী?
  1. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
  2. মীর আবদুস শুকুর
  3. আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
  4. কাজী আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
আল মাহমুদ
- কবি আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধকালে কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা বিভাগের জুনিয়র স্টাফ অফিসার পদে যোগ দেন। ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। 
- তিনি ২০১৯ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। 

- 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। 
- এটি আল মাহমুদ রচিত সনেট, যা ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।

কাব্যগ্রন্থ
- লোক লোকান্তর,
- কালের কলস ,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে, 
- অদৃশ্যবাদীদের রান্নাবান্না ইত্যাদি।

মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস
- কাবিলের বোন,
- উপমহাদেশ ইত্যাদি।

উল্লেখযোগ্য পুরস্কার
- একুশে পদক (১৯৮৬),
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮)।

উৎস - ১.ডেইলি স্টার বাংলা,
২.বাংলাপিডিয়া।
১৮.
বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' নামে কে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা

বিহারীলাল চক্রবর্তী:
- আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা বিহারীলাল চক্রবর্তী।
- তিনি রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু ছিলেন।
- ১৮৩৫ সালের ২১ মে তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- ব্যক্তির আত্মলীনতা, ব্যক্তিগত অনুভূতি ও গীতোচ্ছ্বাস সহযোগে কবিতা রচনা করে বাংলা কবিতাকে নতুন এক প্রেরণা দান করেন।
- এ ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন প্রথম। এইজন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন।

• বিহারীলাল চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থ গুলো হলো-
- স্বপ্নদর্শন,
- সঙ্গীতশতক
- বন্ধুবিয়োগ,
- প্রেমপ্রবাহিণী,
- নিসর্গসন্দর্শন,
- বঙ্গসুন্দরী,
- সারদামঙ্গল,
- নিসর্গসঙ্গীত,
- মায়াদেবী,
- দেবরাণী,
- বাউলবিংশতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

১৯.
শওকত আলী কোন উপন্যাসের জন্য ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন?
  1. দক্ষিণায়নের দিন
  2. কুলায় কালস্রোত
  3. পূর্বরাত্রি পূর্বদিন 
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
শওকত আলী
- ১৯৩৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি শওকত আলী দিনাজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিটি সাহিত্যে পরম মমতায় তুলে এনেছেন নিম্নবর্গের মানুষের উপাখ্যান।
- 'পিঙ্গল আকাশ' তাঁর প্রথম উপন্যাস।
- শওকত আলীর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'যাত্রা'। 
- ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস :
- ১.দক্ষিণায়নের দিন,
- ২.কুলায় কালস্রোত,
- ৩.পূর্বরাত্রি পূর্বদিন।
- এই ত্রয়ী উপন্যাসের জন্য তিনি ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬) লাভ করেন।

♦ অন্যান্য উপন্যাস :
- প্রদোষে প্রাকৃতজন,
- অপেক্ষা,
- দক্ষিণায়নের দিন,
- ভালোবাসা কারে কয়,
- ওয়ারিশ,
- উত্তরের খেপ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - ১.বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২. ডেইলি স্টার বাংলা।  
২০.
'মেঘ বলে চৈত্রে যাবো' আহসান হাবীবের একটি -
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. উপন্যাস
  3. শিশুতোষ গ্রন্থ
  4. ছোট গল্প
ব্যাখ্যা
আহসান হাবীব 
- ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি  পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- মধ্যবিত্তের সংকট ও জীবনযন্ত্রণা আহসান হাবীবের কবিতার মুখ্য বিষয়। 
- সাহিত্যসাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ইউনেস্কো সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬১), বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬১), আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৪), একুশে পদক (১৯৭৮) লাভ করেন।
- ১৯৮৫ সালের ১০ জুলাই ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

- আহসান হাবীবের প্রথম কবিতার বই রাত্রিশেষ প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে।
- তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- ছায়াহরিণ,
- সারা দুপুর,
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো, ইতাদি।

- তাঁর দুটি বিশিষ্ট  উপন্যাস হলো - অরণ্য নীলিমা  ও রাণীখালের সাঁকো।

- এ ছাড়া তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ:
- জ্যোৎস্না রাতের গল্প,
- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর ,
- ছুটির দিন দুপুরে ইত্যাদি।

উৎস - বাংলাপিডিয়া।
২১.
"এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।" - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
  1. রফিক আজাদ
  2. আবুল হাসান
  3. হেলাল হাফিজ
  4. রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• "এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।" - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা — হেলাল হাফিজ।

• হেলাল হাফিজ:
- ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায়ই তিনি দৈনিক পূর্বদেশে সার্বক্ষণিক সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন।
- 'যে জলে আগুন জ্বলে' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা- হেলাল হাফিজ।

• 'যে জলে আগুন জ্বলে' কাব্যগ্রন্থের বিখ্যাত কবিতা 'নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়' এর বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি- 
"এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়। 

• তাঁর কাব্যগ্রন্থসমূহ: 
- যে জলে আগুন জ্বলে, 
- কবিতা ৭১, 
- বেদনাকে বলেছি কেঁদোনা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও ড. সৌমিত্র শেখর, যে জলে আগুন জ্বলে- হেলাল হাফিজ।
২২.
প্রথম চীনা ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করেন-
  1. হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
  2. জন ক্লার্ক মার্শম্যান
  3. উইলিয়ম কেরী
  4. জোশুয়া মার্শম্যান
ব্যাখ্যা
• জোশুয়া মার্শম্যান:
- জোশুয়া মার্শম্যান (১৭৬৮-১৮৩৭) পণ্ডিত, প্রাচ্যবিদ্যাবিশারদ, ধর্মতাত্ত্বিক, শ্রীরামপুর মিশনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- তাঁর জন্ম ১৭৬৮ সালের ২০ এপ্রিল ইংল্যান্ডের ওয়াল্টশায়ারের ওয়েস্টবারি লিফ-এ।
- জোশুয়া মার্শম্যান ভারতে সংবাদপত্রের সূচনাকারীদের অন্যতম।
- তিনি ১৮১৮ সালে প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক সমাচার দর্পণ প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- এ ছাড়া তিনি Friends of India নামে একটি মাসিক পত্রিকাও প্রকাশ করেন। পরবর্তীকালে তাঁর পুত্র জন ক্লার্ক মার্শম্যান এটির প্রকাশনা ও সম্পাদনার কাজ চালিয়ে যান।
- মার্শম্যান সংস্কৃত এবং বাংলা ভাষায় ব্যাপক দক্ষতা অর্জন করেন। এর পরে তিনি ধ্রুপদী ভারতীয় সাহিত্য ইংরেজিতে এবং বাইবেল ভারতীয় ভাষায় অনুবাদ শুরু করেন।
- ১৮০৬ সালে মার্শম্যান উইলিয়ম কেরী সহযোগে বাল্মিকী রচিত রামায়ণ -এর ইংরেজি অনুবাদ শ্রীরামপুর প্রেস থেকে প্রকাশ করেন। ১৮০৮ সালে এর দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয়
- ১৮২১ সালে তিনি শিশুদের জন্য ধর্মীয় শিক্ষামূলক গ্রন্থ School Dialogues; or Lessons on the commandments and the way of Salvation প্রকাশ করেন।
- মার্শম্যান প্রথম চীনা ভাষায় বাইবেল অনুবাদ করেন। এটি ১৮২১ সালে শ্রীরামপর প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়। তিনি কিছু খ্রিস্টীয় প্রার্থনা সঙ্গীতও রচনা করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৩.
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর লেখা 'বাতাসে লাশের গন্ধ' কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম
  2. উপদ্রুত উপকূল
  3. মৌলিক মুখোশ
  4. একগ্লাস অন্ধকার
ব্যাখ্যা
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
- তিনি ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস বাগেরহাট জেলার মংলা থানার অন্তর্গত সাহেবের মেঠ গ্রাম।
- তিনি প্রতিবাদী কবি হিসেবে খ্যাত।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ; 'রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ' নামটি তিনি নিজে গ্রহণ করেন।

• 'উপদ্রুত উপকূল':
- ছাত্রজীবনেই তাঁর কাব্যগ্রন্থ 'উপদ্রুত উপকূল' প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থটি ১৯৭৯ সালে প্রকাশিত হয়।

এই কাব্যের উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- অভিমানের খেয়া,
- আজীবন জন্মের ঘ্রানে,
- বাতাসে লাশের গন্ধ,
- অবরোধ চারিদিকে,
- প্রত্যাশার প্রতিশ্রুতি,
- জানালায় জেগে আছি,
- আমি সেই অভিমান,
- বিষবৃক্ষ ভালোবাসা,
- কৃষ্ণপক্ষে ফেরা ইত্যাদি।

- সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে তিনি 'মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার' লাভ করেন।
- ১৯৯১ সালের ২১ জুন ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম
- ছোবল,
- দিয়েছিলে সকল আকাশ,
- মৌলিক মুখোশ,
- একগ্লাস অন্ধকার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৪.
হাসান আজিজুল হক রচিত 'নামহীন গ্রোত্রহীন' একটি -
  1. গল্পগ্রন্থ
  2. উপন্যাস
  3. কাব্য
  4. কবিতা
ব্যাখ্যা
• হাসান আজিজুল হক:
-  হাসান আজিজুল হক ১৯৩৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় জন্মগ্রহণ করেন ।
- হাসান আজিজুল হক মূলত কথাসাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৭ সালে আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৭০ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৯৯ সালে একুশে পদক, ২০১৯ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ১৫ নভেম্বর ২০২১ সালে, হাসান আজিজুল হক মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নামহীন গ্রোত্রহীন,
- শীতের অরণ্য,
- আত্মজা ও একটি করবী গাছ,
- আমরা অপেক্ষা করছি,
- পাতালে হাসপাতালে,
- জীবন ঘষে আগুন ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- আগুনপাখি,
- সাবিত্রী উপাখ্যান,
- শামুক,
- শিউলি,
- বৃত্তায়ন ইত্যাদি।

উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৫.
'চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান' উপন্যাসের রচয়িতা -
  1. জসীম উদ্দীন
  2. আবদুল গাফফার চৌধুরী
  3. আবু জাফর শামসুদ্দীন
  4. সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
আবদুল গাফফার চৌধুরী
- (১২ ডিসেম্বর ১৯৩৪ — ১৯ মে ২০২২)।
- তিনি ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো-এর রচয়িতা।
- স্বাধীন বাংলার প্রথম পত্রিকা সাপ্তাহিক জয়বাংলার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন।
- তিনি 1967 সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার , 1983 সালে একুশে পদক এবং 2009 সালে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে ভূষিত হন।

- তাঁর রচিত কিছু সাহিত্যাকর্ম :
- চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান (উপন্যাস),
- কৃষ্ণপক্ষ,
- নাম না জানা ভোর,
- সুন্দর হে সুন্দর।


উৎস: বাংলা পিডিয়া।
২৬.
‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র’ সম্পাদনা করেন কে?
  1. হাসান আজিজুল হক
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. শাহরিয়ার কবির
  4. সিকান্‌দার আবু জাফর
ব্যাখ্যা
 হাসান হাফিজুর রহমান:
- হাসান হাফিজুর রহমান (জুন ১৪, ১৯৩২ – এপ্রিল ১, ১৯৮৩) বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, সাংবাদিক ও সমালোচক ছিলেন। 
- ১৯৩২ সালের ১৪ জুন জামালপুর শহরে তাঁর জন্ম।
- হাসান হাফিজুর রহমান রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ: বিমুখ প্রান্তর।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ : দলিলপত্র:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ': 'দলিলপত্র  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর পনেরো খন্ডে রচিত একটি দালিলিক প্রকাশনা।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর ১৫ খণ্ডের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য দালিলিক প্রকাশনা। 
-  হাসান হাফিজুর রহমান এর সম্পাদনায় বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক “বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র” প্রকাশিত  হয়।  
- “বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র” মোট ১৫টি খণ্ডে ১৯৮২-৮৩ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের উদ্যোগে ১৯৭৩ সালে বাংলা একাডেমীর মাধ্যমে প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের তথ্য সংগ্রহের প্রকল্প শুরু হয়।

• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত প্রবন্ধ:
- আধুনিক কবি ও কবিতা,  
- মূল্যবোধের জন্য,  
- সাহিত্য প্রসঙ্গ,  
- আলোকিত গহ্বর ইত্যাদি।

• হাসান হাফিজুর রহমান রচিত গল্প:
- আরো দুটি মৃত্যু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।