উত্তর
ব্যাখ্যা
To start a check of the spelling and grammar in your file just press F7
Source: support.microsoft.com
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৮ / ৪৭ · ৩,৭০১–৩,৮০০ / ৪,৬১৯
To start a check of the spelling and grammar in your file just press F7
Source: support.microsoft.com
ন্যান্ড (NAND) গেইট, নর (NOR) গেইট দ্বারা সকল ধরনের গেইট বাস্তবায়ন করা যায় বলে এদেরকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
সার্বজনীন গেইট তৈরি করার খরচ কম বিধায় ডিজিটাল সার্কিটে এই গেইট বেশি ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রফেসর মুজিবুর রহমান।
• রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS) এমন একটি ডাটাবেস সিস্টেম যেখানে তথ্য টেবিল আকারে (rows এবং columns) সংরক্ষণ করা হয় এবং তাদের মধ্যে সম্পর্ক (relationship) স্থাপন করা যায়। এই ধরনের ডাটাবেসে Structured Query Language (SQL) ব্যবহার করে ডাটা সংরক্ষণ, অনুসন্ধান ও পরিচালনা করা হয়। রিলেশনাল ডাটাবেসে ডাটা সুশৃঙ্খলভাবে থাকে এবং জটিল কুয়েরিও সহজে চালানো যায়। উদাহরণস্বরূপ, MySQL একটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স RDBMS, যা ওয়েবসাইট ও অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। অপরদিকে, MongoDB, Cassandra ও Redis হলো NoSQL ডাটাবেস, যা রিলেশনাল নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো — গ) MySQL.
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।
• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• MS-DOS একটি বর্ণভিত্তিক (Text-Based) অপারেটিং সিস্টেম, যেখানে কাজ সম্পন্ন করতে টেক্সট কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
• অপারেটিং সিস্টেম (Operating System):
- অপারেটিং সিস্টেম হলো সেই প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি, যা কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
• অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
• বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text-Based OS):
- কেবল টেক্সট কমান্ড ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করে।
- ব্যবহারকারীকে কীবোর্ডের মাধ্যমে কমান্ড প্রদান করতে হয়।
- উদাহরণ: MS-DOS, PC DOS, CP/M.
• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম (Graphics-Based OS):
- ছবি ও আইকন ব্যবহার করে সহজ ইন্টারফেসে কাজ সম্পন্ন করে।
- মাউস ও গ্রাফিক্যাল পরিবেশ ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: Windows 95, Windows 98, Windows XP, Windows 2000, Windows 7, Mac OS.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে ক্যাশ (Cache) মেমোরি সর্বোচ্চ অ্যাক্সেস গতি সরবরাহ করে।
•ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
Cache Memory - SRAM দিয়ে গঠিত।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
• ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি হলো সেই মেমোরি যা কেবলমাত্র বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকাকালীন তথ্য ধরে রাখতে পারে। Cache Memory (ক্যাশ মেমোরি) হলো অত্যন্ত দ্রুতগতির একটি ভোলাটাইল মেমোরি যা সিপিইউ-এর খুব কাছাকাছি থাকে এবং প্রসেসিংয়ের সময় সাময়িকভাবে ডেটা জমা রাখে। বিদ্যুৎ চলে গেলে এতে থাকা সমস্ত ডেটা মুছে যায়। RAM এবং Registers-ও ভোলাটাইল মেমোরির অন্তর্ভুক্ত।
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
অন্যান্য অপশন:
- Flash Memory: নন-ভোলাটাইল, বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও তথ্য সংরক্ষণ করে। এটি USB ড্রাইভ ও SSD-তে ব্যবহৃত হয়।
- Hard Disk: একটি নন-ভোলাটাইল স্টোরেজ ডিভাইস, যেখানে চুম্বকীয় প্রযুক্তি দিয়ে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।
- EEPROM: এটি একটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি যা বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়াও ডাটা ধরে রাখে এবং বিশেষ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল দিয়ে তথ্য মুছে পুনরায় লেখা যায়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
সঠিক উত্তর: (খ) A group of transactions bundled together and added to the blockchain ledger.
• ব্লকচেইন প্রযুক্তিতে একটি ব্লক হলো ডিজিটাল তথ্যের একটি নির্দিষ্ট কন্টেইনার বা ভাণ্ডার। যখন নেটওয়ার্কে অনেকগুলো লেনদেন বা ডেটা আদান-প্রদান ঘটে, তখন সেগুলোকে একটি বান্ডেল বা গ্রুপ হিসেবে একত্রিত করা হয়, যা একটি ব্লক গঠন করে। প্রতিটি ব্লকে মূলত তিনটি প্রধান অংশ থাকে: তথ্য (Data), ব্লকের নিজস্ব পরিচিতি সংকেত (Hash), এবং তার ঠিক আগের ব্লকের পরিচিতি সংকেত (Previous Hash)। একবার একটি ব্লক পূর্ণ হয়ে মূল লেজারে যুক্ত হলে সেটি স্থায়ী হয়ে যায় এবং একটি চেইন তৈরি করে।
ব্লকচেইন:
- এই সিস্টেমে প্রতিটি ব্লক এক একটি একাউন্ট যার প্রতিটি লেনদেন ব্যবস্থাপনা চেইন আকারে পরিচালিত হয়।
- প্রত্যেকটি ব্লক হ্যাশিং (Hashing) এর মাধ্যমে উচ্চ মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যার ফলে কেউই এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- এটি তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে তথ্য বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি সাধারণ Block এ ৩টি অংশ থাকে। যথা-
১. A hash pointer to the previous block,
২. Timestamp এবং
৩. List of transactions.
- একমাত্র জেনেসিস ব্লক ছাড়া সব ব্লকেই A hash pointer to the previous block থাকে।
- ব্লকচেইনের প্রথম ব্লকটিকে জেনেসিস ব্লক বলা হয় এবং এটি 2009 সালে তৈরি করা হয়েছিল।
Blockchain-এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- Decentralization – নিয়ন্ত্রণ ছড়িয়ে থাকে নেটওয়ার্কের অংশগ্রহণকারীদের মাঝে।
- Transparency – সবাই লেনদেন যাচাই করতে পারে।
- Security – Cryptographic hashing ব্যবহৃত হয়।
- Immutability – একবার যুক্ত হলে ব্লক পরিবর্তন করা যায় না।
উৎস: Unlocking Digital Cryptocurrencies 1st Edition by Andreas M. Antonopoulos. [Chapter 7. The Blockchain]
২। আইবিএম ওয়েবসাইট। [link]
IEEE 754-1985 অনুসারে, Precision Level বুঝাতে এই দুইটি প্রচলিত -
• বেঞ্চমার্কিং এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কম্পিউটার বা সিস্টেমের কার্যক্ষমতা নির্দিষ্ট পরীক্ষার মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়। সাধারণত এতে CPU-র গতি, মেমোরি থ্রুপুট, নেটওয়ার্ক লেটেন্সি, স্টোরেজ পারফরম্যান্স ইত্যাদি মূল্যায়ন করা হয়। তবে স্ক্রিন ব্রাইটনেস কোনোভাবেই সিস্টেমের কম্পিউটিং পারফরম্যান্সের অংশ নয়, কারণ এটি হার্ডওয়্যার প্রদর্শন বৈশিষ্ট্য মাত্র এবং সিস্টেমের প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা বা তথ্য আদান-প্রদানের দক্ষতার সঙ্গে যুক্ত নয়। তাই বেঞ্চমার্কিং-এ স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা সাধারণত মাপা হয় না। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) Screen brightness.
• কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা:
- কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বলতে বোঝায়, কম্পিউটার কত দ্রুত কাজ করতে পারে। এটিকে বিভিন্নভাবে পরিমাপ করা যায়, যেমন প্রসেসিং স্পিড, মেমোরি স্পিড, হার্ডডিস্কের গতি ইত্যাদি।
• Benchmark সফটওয়্যার হল এমন একটি বিশেষ ধরণের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের দক্ষতা (performance) যাচাই করতে সাহায্য করে।
- এটি CPU, GPU, RAM, ডিস্ক স্পিড ইত্যাদির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে।
- ফলাফল হিসেবে একটি স্কোর বা তুলনামূলক রিপোর্ট দেয় — যা অন্য কম্পিউটারের সাথে তুলনা করা যায়।
• কিছু জনপ্রিয় Benchmark সফটওয়্যারের নাম:
- Cinebench,
- Geekbench,
- 3DMark,
- PassMark.
তথ্যসূত্র:
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
দেওয়া আছে,
B1 = 20, B2 = 24, B3 = 15, B4 = 20
Average (B1, B2) দ্বারা বুঝায় B1 ও B2 এর গড় বের করতে হবে
Average (B1, B2) = (20 + 24) / 2 = 22
Product (B3 : B4) দ্বারা বুঝায় B3 ও B4 এর গুণফল বের করতে হবে
Product (B3 : B4) = 15 × 20 = 300
Min (Average (B1, B2), Product (B3 : B4)) দ্বারা বুঝায় Average (B1, B2) ও Product (B3 : B4) এর মাঝে কে ছোট তা বের করতে হবে
Min (22, 300) = 22
সুতরাং,ফর্মুলাটির ফল হবে 22.
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।
• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।
• প্রাইভেট নেটওয়ার্ক:
- এই ধরনের নেটওয়ার্ক সাধারণত কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির মালিকানাধীন হয়।
- অন্য যে কেউ চাইলেই এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারে না।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের সিকিউরিটি অনেক ভালো হয়।
- সাধারণত এ ধরনের নেটওয়ার্কে ডাটা ট্রান্সমিশনের গতি অনেক ভালো হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• র্যাম বা RAM (Random Access Memory):
- র্যাম কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।
- সংরক্ষিত ডেটা যে কোনো ক্রমে অ্যাক্সেস করা যায় বিধায় একে র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি (RAM) বলে। এছাড়াও ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই সম্ভব হওয়ায় একে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম র্যামে লোড হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলে।
- এটি চলমান প্রোগ্রাম এবং বারবার পরিবর্তনশীল ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সিপিইউ (CPU)-এর গাণিতিক ও যুক্তি অংশের (ALU) সাথে প্রধানত রেজিস্টার (Register) এবং প্রাথমিক মেমরি বা মেইন মেমরি (RAM) -এর প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকে।
- র্যামকে অপারেটিং মোড অনুযায়ী দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
১. স্ট্যাটিক র্যাম (Static RAM)
২. ডাইনামিক র্যাম (Dynamic RAM)
• স্ট্যাটিক র্যাম (Static RAM):
- স্ট্যাটিক র্যাম ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট ব্যবহার করে ০ ও ১ সংরক্ষণ করে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা পর্যন্ত তথ্য মেমোরিতে থাকে।
- বিদ্যুৎ বন্ধ হলে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায়।
- স্ট্যাটিক র্যাম অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন, তাই এটি ভিডিও র্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
• ডাইনামিক র্যাম (Dynamic RAM):
- ডাইনামিক র্যামে বাইনারি ০ ও ১ তথ্য ক্যাপাসিটরে বৈদ্যুতিক চার্জ হিসেবে সংরক্ষিত থাকে।
- ক্যাপাসিটরে চার্জ থাকলে ১, না থাকলে ০ বোঝায়।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলেও ক্যাপাসিটরের চার্জ ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়।
- তাই প্রতি কয়েক মিলিসেকেন্ডে র্যাম কন্ট্রোলার মেমোরি কোষের তথ্য পুনরায় লিখে, যা মেমোরি রিফ্রেশিং (Memory refreshing) নামে পরিচিত।
- মাইক্রোকম্পিউটারের প্রধান মেমোরি হিসেবে ডাইনামিক র্যাম ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১। Geeksforgeeks [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
HTTP (HyperText Transfer Protocol) standard application-level protocol used for exchanging files on the World Wide Web.
HTTP runs on top of the TCP/IP protocol.
Web browsers are HTTP clients that send file requests to Web servers which in turn handle the requests via an HTTP service.
Source: Britannica.com
• ডকুমেন্টে কোনো লেখা Cut করলে সেটি স্থায়ীভাবে মুছে যায় না; বরং সাময়িকভাবে Clipboard নামে কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি স্থানে সংরক্ষিত হয়। Clipboard–এ থাকা ডেটা পরে Paste কমান্ড ব্যবহার করে অন্য স্থানে বসানো যায়। এটি কোনো ক্লাউড স্টোরেজ, রিসাইকেল বিন বা হার্ড ড্রাইভে জমা থাকে না, কারণ সেখানে স্থায়ী সংরক্ষণ প্রয়োজন হয়, কিন্তু Clipboard শুধুই অস্থায়ী ডেটা ধরে রাখে। কম্পিউটার বন্ধ করলে বা নতুন কিছু কপি/কাট করলে Clipboard-এর আগের তথ্য মুছে যায়। তাই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হলো- ঘ) Clipboard.
• ক্লিপবোর্ড কমান্ড:
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে।
- ক্লিপবোর্ড র্যামের একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোনো স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি – cut, copy, paste।
- যখন কোনো প্রোগ্রামের এডিট মেনু থেকে cut বা copy কমান্ড দিয়ে কোনো টেক্সট, ইমেজ বা অন্য কোনো ধরনের ডেট ফাইল সিলেক্ট করা হয়, তখন তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Router নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি Communication Hardware.
• Communication Hardware:
- কম্পিউটার শুধু ডেটা প্রক্রিয়াকরণই করে না, বরং বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- এই তথ্য আদান-প্রদান বা শেয়ার করার জন্য যে সকল হার্ডওয়্যার ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে Communication Hardware বলা হয়।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার বা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
• উল্লেখযোগ্য Communication Hardware:
- Modem,
- Hub,
- Switch,
- Repeater,
- Bridge,
- Router,
- Gateway,
- Network Interface Card (NIC).
• Modem:
- ডেটা যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
• Hub:
- একাধিক ডিভাইসকে একই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করে।
• Switch:
- নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা সঠিক ডিভাইসে পাঠায়।
• Repeater:
- সিগন্যাল শক্তিশালী করে দীর্ঘ দূরত্বে প্রেরণ করে।
• Bridge:
- দুটি নেটওয়ার্ক সেগমেন্ট সংযুক্ত করে।
• Router:
- বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা রাউটিং করে।
- ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
• Gateway:
- ভিন্ন প্রোটোকলের নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
• Network Interface Card (NIC):
- কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত কার্ড।
• অন্যান্য অপশন:
- Printer → আউটপুট হার্ডওয়্যার, ফলাফল মুদ্রণ করে।
- RAM → প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত অস্থায়ী মেমরি।
- Scanner → ইনপুট হার্ডওয়্যার, তথ্য কম্পিউটারে প্রবেশ করায়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট)।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং রেজিস্টার স্মৃতি।
- ALU (Arithmetic Logic Unit) হচ্ছে কম্পিউটারের ক্যালকুলেটর স্বরূপ। ইহা সকল গাণিতিক এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে থাকে।
- অপশনে CPU না থাকলে উত্তর হিসেবে ALU (গাণিতিক যুক্তি ইউনিট) বেছে নিতে হবে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
সঠিক উত্তর - খ) Wireless broadband internet
WiMAX
- পূর্ণরূপ: Worldwide Interoperability for Microwave Access
- এটি একটি আধুনিক বেতার (wireless) ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL বা তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- WiMAX ব্যবহার করে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যায়।
- ডেটা প্রেরণের জন্য এটি ফুল ডুপ্লেক্স (Full Duplex) মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX-এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- ডেটা স্থানান্তরের গতি: ৮০ - ১০০০ Mbps,
- ব্যান্ডউইথ: ৩০ - ৭৫ Mbps,
- কভারেজ এরিয়া: ১০ - ৫০ কিলোমিটার।
WiMAX-এর প্রধান উপাদান:
1. বেস স্টেশন (Base Station)
2. অ্যান্টেনা সংযুক্ত WiMAX রিসিভার (Antenna with WiMAX Receiver)
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• বেশিরভাগ টেক্সট এডিটরে কার্সরকে এক লাইন উপরে নেওয়ার জন্য “Up Arrow” কী ব্যবহার করা হয়। এই কী চাপলে কার্সর বর্তমান লাইনের উপরের ঠিক আগের লাইনে চলে যায়, যা লেখালেখি, সম্পাদনা বা নেভিগেশনের সময় খুবই কার্যকর। Down Arrow কার্সরকে নিচে, Page Up পুরো পৃষ্ঠার মতো বড় অংশ উপরে এবং Home লাইনের একেবারে শুরুতে নিয়ে যায়। কিন্তু এক লাইন ঠিক উপরে যাওয়ার নির্দিষ্ট কাজটি শুধুমাত্র Up Arrow-ই করে, তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Up Arrow.
নেভিগেশন কী:
- নেভিগেশন কী সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়।
• নেভিগেশন কী ১০টি। যথা:
- Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত।
• কন্ট্রোল কী:
- কীবোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের নির্দেশ প্রদানের জন্য কন্ট্রোল কীসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: Ctrl, Alt, the Windows logo key ইত্যাদি।
• মডিফায়ার কী:
- এই কী-গুলো একা বা অন্য কোনো কী-এর সাথে মিলে কাজ সম্পাদন করতে পারে।
- যেমন: Shift, Ctrl, Alt, Esc.
• নিউমেরিক কী প্যাড:
- 0-9 এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত ১৭টি নিউমেরিক কী রয়েছে।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Microsoft website.
• অ্যান্ড্রয়েড (Android) মূলত লিনাক্স কার্নেলের (Linux Kernel) একটি বিশেষ সংস্করণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। গুগল এটিকে মোবাইল ডিভাইসের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় করার জন্য লিনাক্স আর্কিটেকচার ব্যবহার করে তৈরি করেছে।
- অন্যদিকে উইন্ডোজ বা ম্যাক ওএস সম্পূর্ণ আলাদা কার্নেল ব্যবহার করে কাজ করে।
• Android:
- Android হল সেলুলার টেলিফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- Android 2003 সালে আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি Android Inc. এর একটি প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল, ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করার জন্য।
- 2004 সালে প্রকল্পটি স্মার্টফোনের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম হয়ে ওঠে।
- 2005 সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. Android Inc. কিনে নেয়।
- Google-এ, Android টিম তাদের প্রকল্পটিকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের জন্য একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম Linux-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়।
অন্যান্য অপশন:
- Windows: এটি মাইক্রোসফটের তৈরি একটি ক্লোজড-সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা নিজস্ব এনটি (NT) কার্নেল ব্যবহার করে।
- Mac OS: এটি অ্যাপলের তৈরি একটি অপারেটিং সিস্টেম যা মূলত ইউনিক্স (Unix) ভিত্তিক হলেও এটি লিনাক্স থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
- DOS: এটি একটি পুরনো টেক্সট-ভিত্তিক অর্থাৎ কমান্ড-লাইন ইন্টারফেস ভিত্তিক সিস্টেম যা লিনাক্সের সাথে সম্পর্কিত নয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• Google Pay পেমেন্ট প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে অনুমোদন গ্রহণ করে। এটি মূলত Biometric authentication (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি) এবং PIN বা প্যাটার্ন - এই দুই ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। ব্যবহারকারীর ফোনে যেটি সক্রিয় আছে, Google Pay সেটি ব্যবহার করে পেমেন্ট অথেন্টিকেট করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি ফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেট করা থাকে, তাহলে তা দিয়ে পেমেন্ট অথেন্টিকেট হবে; অন্যদিকে যদি পিন বা প্যাটার্ন ব্যবহার হয়, তাহলে সেটিও গ্রহণযোগ্য। তাই, সঠিক উত্তর হলো: গ) Both A and B - অর্থাৎ, Google Pay পেমেন্ট অথেন্টিকেশনের জন্য বায়োমেট্রিক ও পিন/প্যাটার্ন উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করে।
• বাংলাদেশে গুগল পে:
- বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে 'গুগল পে' সেবা চালু হয়েছে ২৪ জুন, ২০২৫।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর (জুন, ২০২৫) এ সেবার উদ্বোধন করেন।
- গুগল, মাস্টারকার্ড ও ভিসার সহযোগিতায় সিটি ব্যাংক পিএলসি এই ডিজিটাল লেনদেন সেবা চালু করেছে।
- গুগল পে-এর এ সুবিধা আপাতত কেবল সিটি ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও ভবিষ্যতে অন্যান্য ব্যাংকও এই সেবায় যুক্ত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
• গুগল (Google):
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।
সূত্র:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ittefaq [লিংক]
• ARPANET ছিল একটি প্রাথমিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা মূলত গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান সহজ করার জন্য ১৯৬০-এর দশকে তৈরি হয়। এটি প্রথমে ছোটো সংখ্যা গবেষণাগারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেছিল, কিন্তু ধীরে ধীরে এর নকশা এবং প্রোটোকল উন্নয়নের মাধ্যমে বিস্তৃত নেটওয়ার্কে পরিণত হয়। ARPANET-এর প্রযুক্তি এবং আইডিয়াগুলো পরবর্তীতে TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সংযোগের ভিত্তি গড়ে তোলে। এই প্রসেসের ফলে এটি এক সমন্বিত, বৃহৎ, এবং পাবলিক নেটওয়ার্কে রূপান্তরিত হয়, যা আমরা আজ “ইন্টারনেট” নামে চিনে থাকি। তাই ARPANET-এর সরাসরি উত্তর হলো ঘ) Internet.
• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• Personal Area Network (PAN) হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক যা একজন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে স্বল্প দূরত্বে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
• কম্পিউটার নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ (ভৌগোলিক বিস্তৃতির ভিত্তিতে):
- ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এর মধ্যে প্রধান চারটি হলো: Personal Area Network (PAN), Local Area Network (LAN), Metropolitan Area Network (MAN), Wide Area Network (WAN)।
• Personal Area Network (PAN):
- PAN এর পূর্ণরূপ Personal Area Network।
- এটি কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।
- PAN-এ যুক্ত ডিভাইসগুলো সাধারণত একজন ব্যক্তির ব্যবহৃত ডিভাইস হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- PAN USB Bus, FireWire Bus ইত্যাদির মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারে।
- PAN-এ ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: Laptop, PDA, Mobile phone, Printer ইত্যাদি।
• অন্যান্য অপশন:
- Local Area Network (LAN) → সীমিত ভৌগোলিক এলাকায় (যেমন অফিস, স্কুল, একই ভবন) কেবল বা নেটওয়ার্ক ডিভাইসের মাধ্যমে সংযুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- Metropolitan Area Network (MAN) → একটি শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে গঠিত নেটওয়ার্ক।
- Wide Area Network (WAN) → বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকায় (দেশ বা বিশ্বব্যাপী) বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যেখানে একাধিক LAN ও MAN সংযুক্ত থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ইনপুট ডিভাইস:
- ইনপুট ডিভাইস হল একটি গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার যা কম্পিউটার বা ডিজিটাল সিস্টেমের সাথে সরাসরি ইন্টারফেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি ব্যবহারকারী এবং মেশিনের মধ্যে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের সুবিধা প্রদান করে, ডেটা স্থানান্তরের জন্য একটি বাহক হিসেবে কাজ করে।
- ব্যবহারকারীর ক্রিয়া বা কমান্ডগুলিকে ইলেকট্রনিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস হলো Keyboard, Mouse, MICR, Microphone, Camera ইত্যাদি।
- MICR এর পূর্ণরূপ হল ম্যাগনেটিক ইঙ্ক ক্যারেক্টার রিকগনিশন।
- এই প্রযুক্তিটি মূলত ব্যাংকিং শিল্পে চেক এবং অন্যান্য নথিপত্রের প্রক্রিয়াকরণ এবং ক্লিয়ারেন্সকে সহজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- MICR নম্বর হল একটি ইউনিক আইডেনটিটি যা এই নথিগুলির দ্রুত এবং নির্ভুল প্রক্রিয়াকরণে সহায়তা করে।
আউটপুট ডিভাইস:
- আউটপুট ডিভাইসগুলি প্রক্রিয়াকৃত ডেটা ব্যবহারকারীর কাছে ফিরিয়ে দেয়।
- ইনপুট ডিভাইস দ্বারা শুরু হওয়া যোগাযোগ প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস হলো Printer, Modem, Projector, Monitor ইত্যাদি।
অপশন আলোচনা:
খ) Printer:
- প্রিন্টার হলো এমন একটি আউটপুট যন্ত্র যা কম্পিউটার থেকে টেক্সট এবং গ্রাফিক্স ইনপুট গ্রহণ করে এবং এই তথ্য কাগজ, শিটে স্থানান্তর করে।
- প্রিন্টার তার কাছে প্রেরিত যেকোনো তথ্য মুদ্রণ করতে পারে, তা টেক্সট, সংখ্যা বা ছবি যাই হোক না কেন। এটি প্রিন্টারের ধরণের উপর উপর নির্ভর করে।
গ) Modem:
- মডেম মানে মডুলেটর/ডিমোডুলেটর।
-মডেম একই সাথে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস।
ঘ) Projector:
- প্রজেক্টর হল এমন একটি যন্ত্র যা আলো এবং লেন্স ব্যবহার করে একটি ছবি বা ভিডিও কোনও পৃষ্ঠের উপর, বিশেষ করে দেয়াল বা স্ক্রিনে প্রদর্শন করে।
- ব্যবহারকারীর প্রয়োজনীয়তা অনুসারে প্রজেক্টর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এবং স্থানে ব্যবহৃত হয়। প্রজেক্টরের সবচেয়ে সাধারণ ব্যবহার হল উপস্থাপনা, শ্রেণীকক্ষ, খোলা আকাশের নীচে, থিয়েটার সহ আরও অনেক কিছুতে।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- Bangladesh Open University
২। Lenovo website [Link]
In Powerpoint, few shortcuts are:
- Create new presentation - Ctrl + N
- Add a new slide - Ctrl + M
- Make selected text bold - Ctrl + B
- Change the font size for selected text - Alt + H, F, S
- Open the Zoom dialog - Alt + W, Q
- Cut selected text, object, or slide - Ctrl + X
- Copy selected text, object, or slide - Ctrl + C
- Paste cut or copied text, object, or slide - Ctrl + V
- Undo the last action - Ctrl + Z
- Save the presentation - Ctrl + S
- Insert a picture - Alt + N, P
Source: Microsoft Support.
কিংডম:
- ব্যাকটেরিয়া মনেরা কিংডমের অন্তর্ভুক্ত৷
- এরা এক কোষী জীব৷
- এদের কোষ বিভাজন দ্বিবিভাজন পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়৷
এছাড়াও,
- মাশরুম ফানজাই কিংডম এর অন্তর্ভুক্ত প্রাণী।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি।
• Unicode মূলত ঘ) Text encoding এর জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের সমস্ত ভাষার অক্ষর, সংখ্যা ও প্রতীককে কম্পিউটারে এককভাবে সনাক্ত এবং প্রদর্শন করতে সাহায্য করে। আগে বিভিন্ন ভাষার জন্য আলাদা অক্ষর কোড ব্যবহৃত হত, যা ডেটা বিনিময় এবং সফটওয়্যার সংযোগে জটিলতা সৃষ্টি করত। Unicode ব্যবহার করলে একক সিস্টেমে বাংলাসহ যে কোনো ভাষার লেখা সঠিকভাবে প্রদর্শন ও বিনিময় করা সম্ভব হয়। এটি ওয়েব, মোবাইল, ডকুমেন্ট এবং সফটওয়্যারে সমন্বিতভাবে ব্যবহৃত হয়, ফলে ভাষার স্বাধীনতা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সহজ হয়। Unicode এর মাধ্যমে লিপি এবং প্রতীকগুলির স্থায়ী ও সার্বজনীন মান নিশ্চিত করা যায়।
• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।
• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।
• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• iBAS++ বাংলাদেশে Integrated Budget and Accounting System এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি একটি আধুনিক আর্থিক ব্যবস্থাপনা সিস্টেম যা সরকারী বাজেট প্রণয়ন, ব্যয় অনুমোদন এবং হিসাবরক্ষণ কার্যক্রমকে স্বয়ংক্রিয় ও কেন্দ্রীয়কৃত করে। iBAS++ ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এবং সংস্থা তাদের আর্থিক লেনদেন অনলাইনে রেকর্ড করতে পারে, যা স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা এবং সময়োপযোগী হিসাবরক্ষণ নিশ্চিত করে। এটি সরকারের আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ সহজ করে, বাজেটের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমায় এবং সরকারি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে কার্যকর করে। কর্মচারীদের বেতন, পেনশন ও জিপিএফসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রক্রিয়া iBAS++ ব্যবহার করে সম্পন্ন করা হয়। সুতরাং, iBAS++ বাংলাদেশের সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন।
- উত্তর: খ) Integrated Budget and Accounting System.
• iBAS++:
- iBAS++ হলো সরকারের একটি সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।
- এটি বাজেট তৈরি, অনুমোদন এবং বাস্তবায়ন—সবকিছু এক জায়গায় পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- সরকারি অফিসগুলোর খরচ, বরাদ্দ ও হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে এতে রেকর্ড হয়।
- সিস্টেমটি বাস্তব সময়েই (real-time) আর্থিক তথ্য দেখায়, ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
- কর্মচারীদের বেতন, পেনশন, জিপিএফসহ নানা আর্থিক কার্যক্রমও iBAS++ এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- চেক বা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে পেমেন্ট ছাড়ানোর সুবিধা রয়েছে।
- বরাদ্দ অনুযায়ী খরচ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এতে বাজেট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের আর্থিক রিপোর্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করা যায়।
- এটি সরকারের আর্থিক কার্যক্রমকে স্বচ্ছ, দ্রুত এবং কাগজবিহীন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সামগ্রিকভাবে, iBAS++ পুরো সরকারি অর্থব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করে তুলেছে।
সূত্র: iBAS++ [link]
• F2 কী সাধারণত কোনো ফাইল, ফোল্ডার বা শর্টকাটের নাম পরিবর্তন (Rename) করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
• ফাংশন কী:
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইনটারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: Microsoft website (link)
◉ Quantum Supremacy হলো সেই অবস্থা, যেখানে একটি quantum computer এমন একটি কাজ করতে পারে যা classical computer এর জন্য প্রায় অসম্ভব বা অত্যন্ত সময়সাপেক্ষ।
Google AI Quantum Team প্রথম 2019 সালে তাদের Sycamore quantum processor দিয়ে quantum supremacy অর্জনের দাবি করে। তারা দেখায়,
- Sycamore processor একটি নির্দিষ্ট গাণিতিক সমস্যা মাত্র 200 সেকেন্ডে সমাধান করতে পারে।
- যেখানে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী classical supercomputer IBM Summit-এর কমপক্ষে 10,000 বছর লাগবে!
Google-এর দাবির পর, IBM যুক্তি দেয় যে তাদের supercomputer (Summit) এই একই সমস্যাকে 2.5 দিনে সমাধান করতে পারে, যদি সঠিকভাবে অপ্টিমাইজ করা হয়। - তবে, Google-এর গবেষণা এখনও quantum computing-এর ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলস্টোন হিসেবে স্বীকৃত।
উল্লেখ্য, John Preskill (2012)— প্রথমবার Quantum Supremacy ধারণাটি প্রস্তাব করেন।
উৎস:
১। Nature. [Link]
২। John Preskill's Original Concept.