উত্তর
ব্যাখ্যা
A + 1 = 1
A + 0 = A
বুলিয়ান গুণের নিয়ম:
A . 1 = A
A . 0 = 0
উৎস: উচ্চ-মাধ্যমিক এর ICT বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২৫ / ৪৭ · ২,৪০১–২,৫০০ / ৪,৬১৯
On the bottom left of the worksheet we find the Sheet Tab Scroll Buttons to move to the First sheet, Previous sheet, Next sheet, and Last sheet.
They are followed by the tabs for the worksheets in our workbook and the Insert Worksheet button or tab, depending on the version of Excel we are using.
Source: Microsoft support.
প্রশ্নের অপশন কিছুটা মডিফাই করা হয়েছে।
• Field (ফিল্ড) হলো একটি Record-এর ক্ষুদ্রতম অংশ, যেখানে একটি নির্দিষ্ট Attribute বা তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
• ডাটাবেজের উপাদানসমূহ:
- ডাটাবেজ (Database) হলো সম্পর্কযুক্ত ডেটার সংগঠিত সংগ্রহ, যা সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ব্যবহারের জন্য সংগঠিত করা হয়।
- ডাটাবেজে সংরক্ষিত ডেটাগুলো সাধারণত Table আকারে থাকে এবং প্রতিটি Table-এ অনেক Record ও Field থাকে।
• Data (ডাটা):
- Data শব্দটি ল্যাটিন Datum শব্দের বহুবচন।
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম উপাদানকে Data বলা হয়।
- একটি Table-এর বিভিন্ন Field-এ যে তথ্যগুলো Input করা হয় সেগুলোই Data।
- উদাহরণ: Name field-এ “Tareq”, Address field-এ “Dhaka”, Job Title field-এ “Officer” — এগুলো প্রত্যেকটি Data।
• Record (রেকর্ড):
- অনেকগুলো Field একত্রে একটি Record গঠন করে।
- সাধারণত একটি Table-এর সম্পূর্ণ একটি Row-কে Record বলা হয়।
- যেমন কোনো Table-এ যদি একজন ব্যক্তির Name, Address, Phone Number ইত্যাদি থাকে, তবে এগুলো মিলেই একটি Record।
• Field (ফিল্ড):
- Record-এর ক্ষুদ্রতম অংশকে Field বলা হয়।
- Record-এর প্রতিটি উপাদান যেমন Name, Address, Telephone Number ইত্যাদি একটি করে Field।
- Table-এ সাধারণত Column আকারে Field থাকে এবং প্রতিটি Field একই ধরনের Data ধারণ করে।
• Data Table:
- একই ধরনের বা সমজাতীয় Data একটি Table-এ সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের তথ্য আলাদা Table-এ রাখা হতে পারে।
- যেমন: প্রশাসন, হিসাব, বিক্রয় বিভাগ—প্রতিটির জন্য আলাদা Table থাকতে পারে।
- এই Table-গুলো মিলেই একটি Database গঠিত হয়।
• অন্যান্য অপশন:
- Data → তথ্যের ক্ষুদ্রতম উপাদান বা মান।
- Record → একাধিক Field নিয়ে গঠিত একটি সম্পূর্ণ Row।
- Table → সমজাতীয় Record-এর সংগঠিত সংগ্রহ যেখানে Row ও Column থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• যে চারটি অপশন দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে File Explorer হল utility software-এর অন্তর্ভুক্ত নয়। Utility software মূলত কম্পিউটার সিস্টেমের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, ডাটা রক্ষা ও মেইনটেন্যান্সের জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন, Disk Defragmenter হার্ড ড্রাইভের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করে দ্রুত প্রবেশযোগ্য করে, Antivirus ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার থেকে সিস্টেমকে রক্ষা করে, এবং Disk Cleanup অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে কম্পিউটারকে দ্রুত ও কার্যকর রাখে। অন্যদিকে File Explorer মূলত ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোগ্রাম, যা অপারেটিং সিস্টেমের অংশ এবং সরাসরি সিস্টেম মেইনটেন্যান্স বা পারফরম্যান্স উন্নয়নে কাজ করে না। তাই এটি utility software-এর মধ্যে গণ্য হয় না।
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ:
- Antivirus Software – Protects against viruses and malware (e.g., Norton Antivirus, McAfee, Avast).
- File Management Tools – Helps organize, manage, and search files (e.g., Windows File Explorer, Total Commander).
- Disk Cleanup and Defragmentation Tools – Frees up space and improves performance (e.g., Windows Disk Cleanup, Defraggler).
- Backup Software – Creates copies of data for recovery (e.g., Acronis True Image, Google Drive Backup).
- Compression Tools – Reduces file sizes for storage and transfer (e.g., WinRAR, 7-Zip).
- Firewall Software – Monitors and controls network traffic for security (e.g., Windows Defender Firewall, ZoneAlarm).
- System Monitoring Tools – Tracks system performance and resources (e.g., Task Manager, CPU-Z).
- Driver Update Tools – Ensures hardware drivers are up to date (e.g., Driver Booster, Snappy Driver Installer).
- Registry Cleaners – Optimizes and repairs the Windows registry (e.g., CCleaner, Wise Registry Cleaner).
- Clipboard Managers – Enhances clipboard functionality (e.g., Ditto, ClipMate).
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
A game engine contains five components:
- The main game program which contains the game logic;
- a rendering engine which can be used to generate 3D animated graphics;
- an audio engine which consists of algorithms which are related to sounds;
- a physics engine to implement 'physical' laws within the system;
- and Artificial intelligence, a module designed to be used by software engineers with a specialist designation.
অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়। এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
আইনস্টাইন:
- আলবার্ট আইনস্টাইন ছিলেন জার্মান বংশোদ্ভূত পদার্থবিজ্ঞানী।
- তিনি ১৪ মার্চ ১৮৭৯ সালে জার্মানিতে জনগ্রহন করেন।
- আইনস্টাইনের গবেষণা কোয়ান্টাম মেকানিক্স থেকে শুরু করে মহাকর্ষ এবং গতি সম্পর্কে তত্ত্ব পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ১৯২১ সালে তিনি পদার্থবিদ্যার জন্য নোবেল পুরস্কার জিতেছিলেন।
এছাড়াও,
- E = mc2 সূত্রের আবিষ্কারক আলবার্ট আইনস্টাইন।
- ১৯০৫ সালে তিনি দেখান যে, পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন এবং পদার্থকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়।
- এটি আইনস্টাইনের 'থিওরি অফ রিলেটিভিটি' বা 'আপেক্ষিকতাবাদ' বলা হয়।
উৎস: World atlas এবং পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, আমির হোসেন।
• মেশ (Mesh) টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার বা ডিভাইস অন্য প্রতিটি ডিভাইসের সাথে সরাসরি এবং আলাদা আলাদা লিঙ্কের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। এর ফলে, যদি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইস বা সংযোগ লাইন নষ্ট হয়ে যায়, তবে নেটওয়ার্কের অন্য ডিভাইসগুলোর মধ্যে যোগাযোগে কোনো বিঘ্ন ঘটে না, কারণ ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বিকল্প অনেকগুলো পথ খোলা থাকে। এই বৈশিষ্ট্যটিকে 'ফল্ট টলারেন্স' (Fault Tolerance) বলা হয়, যা নেটওয়ার্কের উচ্চ নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে।
• মেশ টপোলজি (Mesh Topology):
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কমপিউটারকে প্রতিটি কমপিউটারের সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা মেশ টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়।
- একে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n-1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়। ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n-1)/2.
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। লেনোভো ওয়েবসাইট। [লিংক]
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে।
- এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
• র্যানসমওয়্যার (Ransomware):
- র্যানসমওয়্যার এক ধরনের ম্যালওয়্যার। র্যানসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
• স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• সঠিক উত্তর হলো: গ) Manage hardware and run applications.
System software হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার রিসোর্সগুলো পরিচালনা করে এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে সহায়তা করে। এটি ব্যবহারকারী ও হার্ডওয়্যারের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। System software-এর মধ্যে প্রধানত অপারেটিং সিস্টেম (যেমন Windows, Linux, macOS), ড্রাইভার, ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এগুলো কম্পিউটারের মেমোরি, প্রসেসর, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস এবং ফাইল ম্যানেজমেন্ট নিয়ন্ত্রণ করে। System software ছাড়া কোনো অ্যাপ্লিকেশন সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, তাই এটি কম্পিউটার পরিচালনার মূল ভিত্তি।
সফটওয়্যার:
সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে।
সফটওয়্যারের উদাহরণগুলো হলো: DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player, ইত্যাদি ।
• সিস্টেম সফটওয়্যার:
এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে।
উদাহরণ:-
- Windows OS (windows 8, 7, 10),
- Mac OS,
- Android,
- Anti virus (Avast, quick heal, Kaspersky),
- Computer language translators,
- Linux OS, UNIX, SUN Solaris DCompiler,
- Disk cleaner,
- Disk compression/File compression,
- Backup utility software,
- Network management software.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ভিআর (VR) বা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো একটি প্রযুক্তি যা ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়াল পরিবেশে অভিজ্ঞতা অর্জন করার সুযোগ দেয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, Oculus Quest একটি জনপ্রিয় VR প্ল্যাটফর্ম। এটি একটি স্ট্যান্ডঅ্যালোন VR হেডসেট যা ব্যবহারকারীদের গেম খেলা, ইন্টারেকটিভ অ্যাপ ব্যবহার এবং ভার্চুয়াল বিশ্ব অন্বেষণের সুযোগ দেয়। অন্যদিকে, Windows Media Player একটি মিডিয়া প্লেয়ার, Spotify একটি মিউজিক স্ট্রিমিং সার্ভিস এবং Kindle ই-বুক পড়ার ডিভাইস। এই তিনটি ভিআর প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তাই, ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য পরিচিত ও জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে Oculus Quest সঠিক উত্তর।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।
• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
• ASCII (American Standard Code for Information Interchange)-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন এবং নিয়ন্ত্রণ নির্দেশনাকে বাইনারি রূপে উপস্থাপন করা, যাতে কম্পিউটার সহজে সেগুলো বুঝতে ও প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। কম্পিউটার যেহেতু কেবল ০ এবং ১ বোঝে, তাই মানুষের ব্যবহৃত বর্ণমালা ও চিহ্নকে সরাসরি বুঝতে পারে না। ASCII প্রতিটি অক্ষরের জন্য একটি নির্দিষ্ট বাইনারি কোড নির্ধারণ করে, যেমন ‘A’, ‘a’, ‘1’ বা ‘@’। এর ফলে বিভিন্ন কম্পিউটার ও ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সহজ ও মানসম্মত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) To represent characters in binary form.
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- পূর্ণরূপ: ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
- আবিষ্কার: ASCII কোডটি ১৯৬৩ সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI) কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।
• বৈশিষ্ট্য:
- এটি একটি ৭ বিটের কোড, যা দ্বারা ১২৮টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং কিছু বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এই কোডটি ASCII-৭ কোড নামে পরিচিত।
• ASCII-৮ কোড:
- ASCII-৭ কোডের সর্ববামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-৮ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-৮ কোড মাধ্যমে ২৫৬টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর, চিহ্ন এবং অন্যান্য বিশেষ চিহ্ন প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এভাবে কোডের বিভিন্ন সংস্করণ ও তাদের বৈশিষ্ট্য গুলি স্পষ্টভাবে বোঝানো হয়েছে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• একটি প্রসেসরের ক্লক স্পিড নির্দেশ করে প্রতি সেকেন্ডে কতটি সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে। 3.5 GHz মানে প্রতি সেকেন্ডে 3.5 গিগাহার্টজ, যেখানে 1 গিগাহার্টজ সমান 1 বিলিয়ন সাইকেল। তাই 3.5 GHz প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে 3.5 বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করে। ক্লক স্পিড যত বেশি, প্রসেসর তত দ্রুত নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। সাধারণত এই সাইকেলগুলোর মধ্যেই কম্পিউটার প্রতিটি অপারেশন সম্পন্ন করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) 3.5 billion.
ক্লক স্পিড (Clock Speed):
- ক্লক স্পিড হলো কম্পিউটারের প্রসেসর কত দ্রুত কাজ করতে পারে তার পরিমাপ।
- এটি সাধারণত GHz (Gigahertz) বা MHz (Megahertz) এককে প্রকাশ করা হয়।
- ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসর তত দ্রুত নির্দেশনা (Instruction) সম্পাদন করতে পারবে।
- এটি নির্ধারণ করে প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো সাইকেল (Cycle) সম্পন্ন হচ্ছে।
- তবে শুধু ক্লক স্পিড বেশি হওয়াই কম্পিউটারকে দ্রুতগতির করে না, প্রসেসরের আর্কিটেকচার এবং কোর সংখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ক্লক সাইকেল টাইম (Clock Cycle Time):
- ক্লক সাইকেল টাইম হলো একটি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে।
- এটি সাধারণত ন্যানোসেকেন্ড (ns) এ পরিমাপ করা হয়।
- ক্লক সাইকেল টাইম এবং ক্লক স্পিড একে অপরের বিপরীত অনুপাতিক। অর্থাৎ, ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, ক্লক সাইকেল টাইম তত কম হবে।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি ক্লক স্পিড হয় 2 GHz, তবে ক্লক সাইকেল টাইম হবে প্রায় 0.5 ns।
- প্রসেসরের পারফরম্যান্স বুঝতে ক্লক স্পিড এবং ক্লক সাইকেল টাইম—দুটোই গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র:
- Intel [link]
- sciencedirect [link]
- Corporate database is the term for the collection of all initiatives and information of an organization from its beginning to the present.
• ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ।
- বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
- কর্পোরেট ডাটাবেজ হচ্ছে কোনো শিল্প/প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল ধরনের উদ্যোগ ও তা সম্পর্কিত তথ্য।
- এতে কোনো ব্যবসায়ের সমস্ত কার্যকলাপের তথ্য থাকে। এখানে প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস সম্পর্কিত তথ্যও থাকে।
- কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়্যারগুলোর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো:
- Informix,
- Oracle,
- SQL Server,
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access, ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ রাউটার হলো নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একাধিক কম্পিউটার/ডিভাইসকে একসাথে কানেক্ট করে (LAN/WAN-এ)। এটি ডাটা প্যাকেট সঠিক ডিভাইসে পাঠায় (ইন্টারনেট শেয়ারিংসহ)।
রাউটার (Router):
- রাউটার হলো একটি বুদ্ধিমান নেটওয়ার্ক ডিভাইস, যা একই প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
- রাউটার উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে সবচেয়ে কম দূরত্বের পথ ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেট (ডেটার সমষ্টি) পৌঁছে দেয় ।
- একই সাথে নেটওয়ার্কে ডেটার আধিক্য এবং ব্যস্ততা দেখতে পেলে রাউটার সেই রুট বা পাথ পরিহার করে অন্য রুট বা পাথ দিয়ে ডেটা পাঠাতে সক্ষম হয়।
- একাধিক LAN সংযুক্ত করতে বা WAN এর সাথে LAN-কে সংযুক্ত করতে রাউটার ব্যবহার করা হয়।
- এটি NAT (Network Address Translator) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
মনিটর → ডিসপ্লে ডিভাইস, নেটওয়ার্কে কোনো ভূমিকা নেই।
Socket → বৈদ্যুতিক কানেকশনে ব্যবহৃত হয়।
Repeater → রিপিটার হলো একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা সিগন্যাল বর্ধন করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
According to the location or deployment cloud computing are primarily 3 types
public cloud
private cloud
hybrid cloud
Source: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণী) প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
Motherboard:
- পার্সোনাল কম্পিউটারের মেইন সার্কিট বোর্ডকে মাদারবোর্ড (Motherboard) বলা হয়, যা কম্পিউটারের CPU, RAM, Graphics Card সহ অন্যান্য হার্ডওয়্যার সংযোগ করে ও তাদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে, যার ফলে পুরো সিস্টেম একসাথে কাজ করতে পারে।
মাদারবোর্ডের প্রধান উপাদান:
- CPU সকেট (Socket): প্রসেসর বসানোর জায়গা।
- RAM স্লট: মেমরি (RAM) লাগানোর জায়গা।
- এক্সপ্যানশন স্লট: গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড ইত্যাদির জন্য।
- চিপসেট: বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ডেটা চলাচলের সমন্বয় সাধন করে।
- পাওয়ার কানেক্টর: পাওয়ার সাপ্লাই থেকে বিদ্যুৎ গ্রহণের জন্য।
অপশন আলোচনা:
ক) System Unit:
- সিস্টেম ইউনিটের প্রধান কাজ হলো কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশসমূহের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করা।
- সিস্টেম ইউনিটের মধ্যে রয়েছে প্রসেসর, মেমোরি, স্টোরেজ ডিভাইস এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ। একে কম্পিউটারের মস্তিষ্কও বলা হয়।
গ) ROM:
- কম্পিউটার ROM হচ্ছে Read-Only Memory যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটার এর স্মৃতিতে কিছু প্রোগ্রাম এবং ডকুমেন্ট এমন ভাবে দেওয়া থাকে যা আমরা কোনভাবেই রিরাইট, ডিলিট বা কিচ্ছু করতে পারি না। কম্পিউটারের সেই স্মৃতিকেই মুলত বলা হয় ROM বা রিড অনলি মেমোরি।
- ROM এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে BIOS/UEFI ইত্যাদি।
ঘ) RAM:
- কম্পিউটার RAM হলো একটি অতি দ্রুতগতির অস্থায়ী মেমরি, যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে এবং প্রসেসরকে দ্রুত তথ্য সরবরাহ করে; বিদ্যুৎ চলে গেলে এর তথ্য মুছে যায়।
-এটি কম্পিউটারকে একাধিক অ্যাপ্লিকেশন একসাথে মসৃণভাবে চালাতে সাহায্য করে এবং এর ধারণক্ষমতা যত বেশি হবে, মাল্টিটাস্কিং তত ভালো হবে।
উৎস:
১। Lenovo Website.
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- মোঃ মজিবুর রহমান
• বিট ও বাইট:
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলেবিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান। ব্রিটানিকা।
• নির্দিষ্ট একটি কাজ সম্পাদনের জন্য তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে Narrow AI বা Weak AI বলা হয়। এটি এমনভাবে প্রোগ্রাম করা হয় যে, একটি নির্দিষ্ট ডোমেইন বা সমস্যার ক্ষেত্রেই এটি দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে, কিন্তু অন্যান্য ক্ষেত্রে এর কার্যক্ষমতা থাকে না। উদাহরণ হিসেবে Siri, Google Translate বা Chess-playing AI উল্লেখ করা যায়। এগুলো শুধুমাত্র নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে এবং নিজস্ব জ্ঞান ব্যবহার করে নতুন ক্ষেত্র শিখতে পারে না। General AI মানুষের মতো বহু রকমের কাজ শিখতে পারে, আর Superintelligence মানুষের বুদ্ধিমত্তাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে, কিন্তু Narrow AI শুধুমাত্র একক কাজের জন্য বিশেষায়িত।
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়। কারণ ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত। আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আলিম শ্রেণি।
• L1 (Level 1) ক্যাশ হলো প্রসেসরের সবচেয়ে নিকটবর্তী মেমোরি যা সরাসরি সিপিপিইউ (CPU) কোরের ভেতরে অবস্থান করে। এটি আকারে অত্যন্ত ছোট (সাধারণত কয়েক কিলোবাইট) হলেও এর গতি প্রসেসরের গতির প্রায় সমান। এটি অন্য সব মেমোরির তুলনায় সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে এবং এর উৎপাদন খরচও সবচেয়ে বেশি। প্রসেসর যখন কোনো কাজ করে, তখন সে প্রয়োজনীয় ডেটা সবার আগে L1 ক্যাশে খুঁজে দেখে।
• Cache Memory:
- Cache Memory হলো একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির বিশেষ ধরণের স্মৃতি, যা CPU বা প্রসেসরের খুব কাছে অবস্থান করে।
- এটি প্রধানত সেই ডেটা ও নির্দেশনা সংরক্ষণ করে, যেগুলো প্রসেসর বারবার ব্যবহার করে বা অতি দ্রুত অ্যাক্সেসের প্রয়োজন হয়।
• Cache Memory এর প্রয়োজনীয়তা:
- প্রসেসরের কাজের গতি অনেক বেশি, কিন্তু RAM বা Main Memory তুলনামূলক ধীর।
- প্রসেসর যখন RAM থেকে ডেটা আনতে চায়, তখন সময় বেশি লাগে। এই ব্যবধান কমাতে Cache Memory ব্যবহার করা হয়।
- Cache Memory প্রসেসর ও মূল স্মৃতির মধ্যে একটি উচ্চ গতির সেতু (Buffer Layer) হিসেবে কাজ করে। ফলে প্রয়োজনীয় ডেটা প্রসেসর খুব দ্রুত পায় এবং সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
• Cache Memory ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও সুবিধা:
- প্রসেসর অপেক্ষার সময় কমানো: RAM থেকে ডেটা আনতে যে বিলম্ব হয়, Cache সেই বিলম্ব দূর করে।
- গতি বৃদ্ধি: Cache থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করা RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত, ফলে CPU-এর কার্যক্ষমতা বাড়ে।
- প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ: CPU যে নির্দেশ বা ডেটা বারবার ব্যবহার করে, তা Cache Memory-তে রাখা হয়।
- Latency কমানো: ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে, যা সিস্টেমের Response Time উন্নত করে।
• Cache Memory এর স্তরসমূহ (L1, L2, L3):
- L1 Cache: সবচেয়ে ছোট কিন্তু সবচেয়ে দ্রুত, সরাসরি CPU কোরের সাথে সংযুক্ত।
- L2 Cache: L1-এর তুলনায় বড়, গতি কিছুটা কম, কিন্তু এখনো RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- L3 Cache: বহু কোরের জন্য শেয়ারড, বড় এবং অপেক্ষাকৃত ধীর কিন্তু RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- এই স্তরগুলো মিলে CPU-এর প্রয়োজনীয় ডেটা দ্রুত পৌঁছে দেয়।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।