• উত্তর: খ) ATM machine.
হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার, যেখানে অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের উভয় বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি দ্রুত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে এবং একই সঙ্গে সুনির্দিষ্ট হিসাবও সম্পাদন করতে সক্ষম। ATM (Automated Teller Machine) একটি হাইব্রিড কম্পিউটারের উদাহরণ, কারণ এটি অ্যানালগ সেন্সর ও যান্ত্রিক অংশের মাধ্যমে কার্ড পড়ে, টাকা গণনা করে এবং ডিজিটাল অংশের মাধ্যমে তথ্য যাচাই, হিসাব ও লেনদেন সম্পন্ন করে। অর্থাৎ, এতে তথ্যের রূপান্তর ও প্রক্রিয়াকরণ উভয় ধরণের কাজ একসঙ্গে হয়, যা হাইব্রিড কম্পিউটারের মূল বৈশিষ্ট্য।
কার্যাবলি অনুযায়ী কম্পিউটার ৪ প্রকার।
১. মিনি কম্পিউটার:
- মিনি কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার, যার কাজের গতি ও ক্ষমতা তুলনামূলক কম ।
- এগুলো সাধারণত ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ হলো: IBM S/34, IBM S/36, PDP 11, NCR S/9290 ইত্যাদি।
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- সাধারণত সুপার কম্পিউটারের চেয়ে কম শক্তিশালী।
- এ ধরনের কম্পিউটার বড় বড় অফিস, শিল্প প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা ও গবেষণা কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার একসাথে অনেক ব্যবহারকারীর কাজ করতে পারে এবং জটিল ও বিশাল তথ্য সহজে প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।
- উদাহরণ: IBM 4300, UNIVAC 1100, CYBER 170.
৩. সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতির কম্পিউটার।
- এই ধরনের কম্পিউটার সাধারণত গবেষণাগার, আবহাওয়া বিশ্লেষণ, সামরিক গবেষণা, পরমাণু পরীক্ষা ইত্যাদির মতো কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের বিসিসি-তে একটি সুপার কম্পিউটার রয়েছে।
- উদাহরণ: CYBER-205 (যুক্তরাষ্ট্র), SuperSXII (জাপান)।
৪. হাইব্রিড কম্পিউটার:
- হাইব্রিড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষ ধরণের কম্পিউটার, যা ডিজিটাল এবং অ্যানালগ কম্পিউটারের সংমিশ্রণে তৈরি।
- এটি অ্যানালগ অংশের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এবং ডিজিটাল অংশের মাধ্যমে সেই তথ্য প্রক্রিয়া করে ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার সাধারণত হাসপাতাল, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।