বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা৪২প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা ১৯ / ১৯ · ১,৮০১১,৮৪২ / ১,৮৬১

১,৮০১.
রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়িত হলে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৯.১%
  2. ৯.৭%
  3. ৯.৯%
  4. ৯.১১%
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
ব্যাখ্যা
রূপকল্প-২০৪১:

- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯ শতাংশ।
- গড় মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৯৪ মার্কিন ডলার।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছর।
- এ সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ দাঁড়াবে ৪৬.৯ শতাংশ এবং রাজস্ব আদায়ের হার দাঁড়াবে ২৪.১শতাংশ।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেন কমিটির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- দারিদ্র্য নিরসন, আয়বৈষম্য হ্রাস, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্য ও লেনদেনে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, টেকসই বিদ্যুত ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মতো ইস্যুগুলোকে সামনে রেখে এই রূপকল্প প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
১,৮০২.
কোন ধরণের চেক ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হয়?
  1. বাহকের চেক
  2. ক্রসকৃত চেক
  3. দুইজন স্বাক্ষরিত চেক
  4. অস্পষ্ট চেক
সঠিক উত্তর:
ক্রসকৃত চেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রসকৃত চেক
ব্যাখ্যা

• দাগ কাটা চেক (Crossed Cheque):
- এই চেকে সাধারণত চেকের উপরের বাম কোণে দুটি সমান্তরাল দাগ বা লাইন কাটা থাকে, যেটাকে "দাগ কাটা" বলা হয়।
- দাগ কাটা চেক এর অন্য নাম হলো ক্রসকৃত চেক (Crossed Cheque)।
- এই চেকের টাকা শুধুমাত্র যাঁর নামে চেক ইস্যু করা হয়েছে, তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা দিতে হয়।
- নগদ উত্তোলন সম্ভব নয়, তাই এটি নিরাপদ। এ ধরনের চেক হারিয়ে গেলে বা খোয়া গেলেও টাকা হারিয়ে যায় না। এটা সব চেয়ে নিরাপদ চেক। এতে ঝুঁকির পরিমাণ সর্বনিম্ন। 

অন্যদিকে: 
বাহক চেক:
- যে চেক যে কোন ব্যক্তি ব্যাংকে উপস্থাপন করে টাকা তুলতে পারে তাকে বাহক চেক বলে। এ ধরনের চেকে প্রাপকের নামের শেষে 'অথবা' শব্দটি যদি লিখা থাকে তবে তা বাহক চেক হয়। এ ধরনের চেক কোন প্রকার দাগ কাটা থাকা চলবে না। যে এই চেক ধারণ করবে সেই এই চেকের মালিক হবে। যে ব্যক্তিই এই চেক ব্যাংকে যথা সময়ে নিয়ম মাফিক উপস্থাপন করবে সেই এ দরনের চেকের টাকা পাবার অধিকারী।

দুইজন স্বাক্ষরিত চেক:
- এটি সাধারণত প্রতিষ্ঠানের হয়ে ইস্যু হয়। তবে ক্রস না থাকলে নগদেও তোলা যায়, জমার নিশ্চয়তা নেই।

অস্পষ্ট চেক:
- লিখা অস্পষ্ট থাকলে ব্যাংক গ্রহণ নাও করতে পারে। এটি সন্দেহজনক বা অকার্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়।

সূত্র: ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৮০৩.
জিডিপিতে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত হয় না?
  1. দেশের অভ্যন্তরে বিদেশি কোম্পানির উৎপাদন
  2. বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের প্রেরিত অর্থ
  3. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত সেবা
  4. দেশীয় নাগরিকদের দেশে উৎপাদিত আয়
সঠিক উত্তর:
বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের প্রেরিত অর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের প্রেরিত অর্থ
ব্যাখ্যা

মোট দেশজ উৎপাদন:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত (includes) হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে, তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি (includes) থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- অর্থাৎ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮০৪.
বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক 
  2. জনতা ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক 
  4. ব্র্যাক ব্যাংক 
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক 
ব্যাখ্যা

- বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়  বাংলাদেশ ব্যাংক। 
- এটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- ব্রাক ব্যাংক বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক।

• তালিকাভুক্ত (Scheduled) ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তালিকাভুক্ত থাকে।
- মোট তালিকাভুক্ত ব্যাংক: ৬২টি। [অক্টোবর, ২০২৫]

• রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক মোট: ৬টি (SOCBs):
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি,
- জনতা ব্যাংক পিএলসি ,
- অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি,
- রূপালী ব্যাংক পিএলসি,
- বেসিক ব্যাংক পিএলসি,
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল) পিএলসি,

• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অতালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

- বিশেষায়িত ব্যাংক (SDBs): মোট ৩টি।
- ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (PCBs):
- ব্রাক ব্যাংক 
- মোট: ৪৩টি।
- প্রচলিত পদ্ধতির ব্যাংক: ৩৩টি (সুদ ভিত্তিক)।
- ইসলামি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক: ১০টি (লাভ-লোকসান ভাগাভাগির ভিত্তিতে পরিচালিত)
- ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: মোট: ১টি।
- অবস্থা: এখনও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমতি পায়নি
- বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (FCBs): মোট: ৯টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১,৮০৫.
একমাত্র দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল-
  1. ১৯৭৬ - ১৯৭৮
  2. ১৯৭৮ - ১৯৮০
  3. ১৯৭১ - ১৯৭৩
  4. ১৯৭৩ - ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ - ১৯৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ - ১৯৮০
ব্যাখ্যা
• দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-৮০):
- প্রথম পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা শেষ হওয়ার পরে স্বাভাবিক নিয়মে দ্বিতীয় পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা আরম্ভ হওয়ার কথা।
- কিন্তু তা না করে ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ এ দু বছরের জন্য একটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা রচনা করা হয়।
- কারণ হিসেবে বলা হয় প্রথম পরিকল্পনার অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো শেষ করা, প্রথম পরিকল্পনার ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা, বৈদেশিক সাহায্যের সম্ভবনা যাচাই প্রভৃতির জন্য দুৎবছর মেয়াদী একটি অন্তর্বতীকালীন পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮০৬.
রূপকল্প ২০৪১-এর বাস্তবায়নের সময়কাল কত?
  1. ২০২০-২০৪১
  2. ২০২১-২০৪১
  3. ২০২৫-২০৪১
  4. ২০২৬-২০৪১
সঠিক উত্তর:
২০২১-২০৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১-২০৪১
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রূপকল্প ২০৪১
:
- এটি একটি পরিকল্পনা।
- বাস্তবায়নের সময়কাল: ২০২১-২০৪১।
- রূপকল্প ২০২১ এর ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৈরি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে রূপকল্প ২০৪১ ঘোষণা করেন।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- রূপকল্প ২০৪১ এ ২৬টি লক্ষ্যের কথা বলা আছে।
- রূপকল্প-২০৪১ চারটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভ যথা: সুশাসন, গণতন্ত্র, বিকেন্দ্রীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এই পরিকল্পনার সুফলভোগী হবে জনগণ এবং তারাই হবে প্রবৃদ্ধি ও রূপান্তর প্রক্রিয়ার প্রধান চালিকাশক্তি।

⇒ উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা: ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
- দারিদ্র্য নিরসনের অভীষ্ট হল: ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নির্মূল করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ৩% বা এর নিচে নিয়ে আসা।
- ২০৪১ সালে বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা হবে ৫১ হাজার মেগাওয়াট।
- ২০৪১ অবধি ৯% জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা।
- বিনিয়োগ / জিডিপি অনুপাত ৪৬.৮৮ শতাংশে বৃদ্ধি করা।
- রাজস্ব কর জিডিপির ২০% পর্যন্ত বাড়ানো।
- রপ্তানি আয় ৩০০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করা।
- গড় আয়ু বাড়িয়ে ৮০ বছর করা।
- মোট জনসংখ্যার ৭৫% কে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।
- কার্যকর কর এবং ব্যয়ের নীতিমালা কার্যকর করা।
- অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তির বিকেন্দ্রীকরণ।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
১,৮০৭.
সম্প্রতি, দেশের কয়টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ১০টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- দেশের ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিকল্পনা বাতিল করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।
- প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়।
- এর মধ্যে পাঁচটি সরকারি এবং পাঁচটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল আছে।

- বাতিল করা অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে সরকারিগুলো হলো: 
সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক (কক্সবাজার), সুন্দরবন ট্যুরিজম পার্ক (বাগেরহাট), গজারিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (মুন্সীগঞ্জ), শ্রীপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল (গাজীপুর) এবং ময়মনসিংহ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ময়মনসিংহ)।

- বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো হলো:
বিজিএমইএ গার্মেন্টস শিল্প পার্ক (মুন্সীগঞ্জ), ছাতক ইকোনমিক জোন (সুনামগঞ্জ), ফমকম ইকোনমিক জোন (বাগেরহাট), সিটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন (ঢাকা) এবং সোনারগাঁও অর্থনৈতিক অঞ্চল (নারায়ণগঞ্জ)।

- এছাড়াও নেপালের জন্য আলাদা একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১,৮০৮.
Bangladesh Economic Zones Authority গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ২০১০ সালে
  4. ঘ) ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA) ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর গঠিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।

- এটির কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিবন্ধন প্রদান করা।
- বেজার অধীনে দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এর মধ্যে সর্ববৃহৎ হলো চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলা জুড়ে বিস্তৃত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরী।

(তথ্যসূত্র: বেজা ওয়েবসাইট)
১,৮০৯.
বর্তমানে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন কত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ১০০ কোটি টাকা
  2. ১৫০ কোটি টাকা
  3. ২৫০ কোটি টাকা
  4. ৩০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

ডিজিটাল ব্যাংক:
- ডিজিটাল ব্যাংক হবে ইন্টারনেট ও অ্যাপ-নির্ভর সেবা যা যন্ত্রের মাধ্যমে নিতে হবে।
- এই ব্যাংকের স্থাপনা থেকে কোনো সেবা নেওয়া যাবে না।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৩ সালের ১৪ জুন ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা করে।
- নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংকের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন হবে ৩০০ কোটি টাকা।
- এটির কার্যক্রম পরিচালনার জন্য শুধু প্রধান কার্যালয় থাকবে। তবে সেবা প্রদানের জন্য কোনো কার্যালয় থাকবে না। অর্থাৎ এই ব্যাংক কোনো ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) বা বুথ বসিয়ে সেবা দেবে না। ডিজিটাল ব্যাংকের নিজস্ব কোনো শাখা বা উপশাখা, এটিএম, সিডিএম অথবা সিআরএমও থাকবে না। সব সেবাই দেওয়া হবে অ্যাপস, মুঠোফোন বা ডিজিটাল যন্ত্রের মাধ্যমে।

⇒ ডিজিটাল ব্যাংকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই সেবা মিলবে। গ্রাহকদের লেনদেনের সুবিধার্থে এই ব্যাংক ভার্চ্যুয়াল কার্ড, কিউআর কোড ও অন্য কোনো উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পণ্য চালু করতে পারবে। তবে লেনদেনের জন্য কোনো প্লাস্টিক কার্ড দিতে পারবে না। এই ব্যাংকের সেবা নিতে গ্রাহকেরা অন্য ব্যাংকের এটিএম, এজেন্টসহ নানা সেবা ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ডিজিটাল ব্যাংক কোনো ঋণপত্র (এলসি) খুলতে এবং বড় ও মাঝারি শিল্পে কোনো ঋণ দিতে পারবে না। শুধু ছোট ঋণ দিতে পারবে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। এগুলো হলো: ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৮১০.
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত করদাতার ন্যূনতম আয়কর কত? [মে, ২০২৫]
  1. ৩৫০০ টাকা
  2. ৪০০০ টাকা
  3. ৫০০০ টাকা
  4. ৬০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়কর সীমা:
- স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়কর সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
- মহিলা করদাতা এবং ৬৫ বৎসর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,০০,০০০ টাকা;
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা;
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫,০০,০০০ টাকা;
- কোনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবকের প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫০,০০০ টাকা অধিক হবে; প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা ও মাতা উভয়েই করদাতা হইলে যেকোনো একজন এই সুবিধা ভোগ করবেন।

মোট আয়ের পরিমাণ করমুক্ত আয়ের সীমার অধিক হলে করদাতার অবস্থানভেদে ন্যূনতম আয়করের পরিমাণ নিম্নরূপ:
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত করদাতা - ৫০০০ টাকা 
- অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থিত করদাতা - ৪০০০ টাকা 
- সিটি কর্পোরেশন ব্যতীত অন্যান্য এলাকায় অবস্থিত করদাতা - ৩০০০ টাকা 

উৎস: আয়কর পরিপত্র ২০২৪-২০২৫
১,৮১১.
এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB) কোন দেশের শেয়ার সবচেয়ে বেশি?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. বাংলাদেশ
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

• AIIB:
- AIIB বেইজিং, চীনে অবস্থানরত একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- AIIB এর পূর্ণরূপ হলো- Asian Infrastructure Investment Bank.
- এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং
- ২০১৬ সালে কার্যক্রম শুরু করে।
- AIIB সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি বিনিয়োগও উৎসাহিত করে;
-  ‘পরিষ্কার ও সবুজ’ নীতির মাধ্যমে জলবায়ু-বান্ধব প্রকল্পে বিনিয়োগ করে।
- বর্তমানে ১১৪টি দেশ এর সদস্য, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে।
- এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (AIIB)-এ চীন সবচেয়ে বড় শেয়ারহোল্ডার, যার শেয়ার প্রায় ২৬.৫২%–২৭% এর মধ্যে
- ভারত দ্বিতীয় বৃহত্তম শেয়ারহোল্ডার, যার শেয়ার প্রায় ৭.৫৭%।
- বাংলাদেশের শেয়ার ০.৬৭%।

উৎস: Asian Infrastructure Investment Bank Official Website.

১,৮১২.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদান্তে, মুদ্রাস্ফীতি কত হবে?
  1. ৪.৬০%
  2. ৪.৮০%
  3. ৪.৯২%
  4. ৫.৩০%
সঠিক উত্তর:
৪.৬০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৬০%
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- মেয়াদ - জুলাই,২০২০-জুন, ২০২৫।
- প্রাক্কলিত ব্যায় - ৬,৪৯৫,৯৮০ কোটি টাকা।
- মেয়াদান্তে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৮.৫১%।
- মেয়াদান্তে মুদ্রাস্ফীতি হবে - ৪.৬০%।
- মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.১৮ হবে।
- মেয়াদান্তে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
১,৮১৩.
বাংলাদেশ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
একনেক:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)
- এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮২ সাল।
- চেয়ারম্যান বা প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি: অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য: পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
১,৮১৪.
বাংলাদেশের জাতীয় মহাসড়কের দৈর্ঘ্য কত? ( মে ২০২৫)
  1. ৩,৯৯১ কিলোমিটার
  2. ৪,৮৯৮ কিলোমিটার
  3. ১৩,৫৭৬ কিলোমিটার
  4. ১২,৪৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৩,৯৯১ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৯৯১ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতায় দেশে বিভিন্ন ধরণের মহাসড়ক আছে - ২২,৪৭৬ কিলোমিটার (মে ২০২৫ )
- জাতীয় মহাসড়ক - ৩,৯৯১ কিলোমিটার।
- আঞ্চলিক মহাসড়ক - ৪,৮৯৮ কিলোমিটার।
- জেলা সড়ক - ১৩,৫৮৭ কিলোমিটার।

এছাড়া ও ,
- বর্তমান রেলপথের দৈর্ঘ্য - ৩,২৫৪ কিলোমিটার।

উৎস : অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
১,৮১৫.
নিচের কোনটি কর বহির্ভূত রাজস্ব?
  1. রেলওয়ের আয়
  2. ভূমি রাজস্ব 
  3. আয়কর
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
রেলওয়ের আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেলওয়ের আয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ: 
- সরকারের আয়ের উৎস: কর রাজস্ব এবং কর বহির্ভূত রাজস্ব।
​• কর-বহির্ভূত রাজস্ব:
- লভ্যাংশ ও মুনাফা, 
​- রেলওয়ের আয়, ডাক আয় ইত্যাদি।
​- সরকারের অআর্থিক সম্পদ' বিক্রয় লব্ধ আয় সুদ,
​- ভাড়া, বিপননযোগ্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিক্রয়,
​- প্রশাসনিক ফি,
​- জরিমানা,
​- দন্ড, বাজেয়াপ্ত,
​- কুয়াসি-কর্পোরেশনের উদ্বৃত্ত আয়।

​অন্যদিকে, 
​- ভূমি রাজস্ব, আয়কর, আমদানি শুল্ক  কর রাজস্ব।

​উৎস: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

১,৮১৬.
বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থার বিলুপ্তির মাধ্যমে কোন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
  3. উত্তরা ব্যাংক পিএলসি
  4. জনতা ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক।
- বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থাকে একীভূত করে ১৬/১১/২০০৯ খ্রি. তারিখে শতভাগ রাষ্ট্র মালিকানাধীন বিশেষায়িত বাণিজ্যিক ব্যাংক (পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি) হিসেবে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) "কোম্পানি আইন ১৯৯৪ (১৯৯৪ সালের ১৮নং আইন)" এর আওতায় ১৬ নভেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এন্ড ফার্মস-এ রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হয় এবং ব্যাংক পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ১৯ নভেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে ব্যাংকিং লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিডিবিএল এর মধ্যে ৩১ ডিসেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে সম্পাদিত Vendors Agreement মোতাবেক বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (বিএসআরএস) ও বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংকের সকল সম্পদ-দায় বিডিবিএল এর নিকট হস্তান্তরিত হয় এবং ০৩ জানুয়ারি, ২০১০ খ্রি. তারিখে ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

⇒ প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী:
- দেশের অন্যতম প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই), অবকাঠামো, ইউটিলিটি, পরিবহন, যোগাযোগ এবং অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পসহ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের জন্য ঋণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতা প্রদান;
- আমানত সংগ্রহের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ভিত্তি সুদৃঢ় করা এবং সঞ্চয়ের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে জনগণের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা;
- দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা।

উৎস: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১,৮১৭.
বাংলাদেশে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৩৫টি
  2. খ) ৩৬টি
  3. গ) ৩৭টি
  4. ঘ) ৩৮টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩৬টি
ব্যাখ্যা
আর্থিক প্রতিষ্ঠান:

- দেশে মোট তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৬১টি।
- বাংলাদেশে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৬টি।
- রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বিশেষায়িত ব্যাংক  - ৩টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক – ৪৩টি।
- বৈদেশিক ব্যাংক – ৯টি।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ এবং প্রথম আলো [Link]
১,৮১৮.
নিচের কোন দেশটি ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে সহায়তা করছে?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. জাপান
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

⇒ উল্লেখ্য:
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

১,৮১৯.
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা কত টাকা?
  1. ক) ৩ লক্ষ টাকা
  2. খ) ৩.৫ লক্ষ টাকা
  3. গ) ৪.০ লক্ষ টাকা
  4. ঘ) ৪.৫ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ লক্ষ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লক্ষ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গ, মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতাদের সাধারণ করমুক্ত আয় সীমা ৩.৫ লক্ষ টাকা।
- প্রতিবন্ধি করতাদাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৪.৫ লক্ষ টাকা।
- যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৪.৭৫ লক্ষ টাকা।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,৮২০.
নিম্নলিখিত কোন ব্যাংকটি দ্য মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক এবং দ্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক থেকে পুনর্গঠিত হয়েছিল?
  1. Sonali Bank PLC
  2. Janata Bank PLC
  3. Rupali Bank PLC
  4. Jamuna Bank PLC
সঠিক উত্তর:
Rupali Bank PLC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rupali Bank PLC
ব্যাখ্যা

Rupali Bank PLC:
- বাংলাদেশ ব্যাংক (জাতীয়করণ) আদেশ ১৯৭২ (১৯৭২ সালের পিও নং ২৬) এর অধীনে ২৬ মার্চ, ১৯৭২ সালে তৎকালীন পাকিস্তানে পরিচালিত ৩টি পূর্বতন বাণিজ্যিক ব্যাংক যথা: মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, অস্ট্রেলিয়া ব্যাংক লিমিটেড এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের একীভূতকরণের মাধ্যমে রূপালী ব্যাংক গঠিত হয়।
- রূপালী ব্যাংক ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৮৬ পর্যন্ত একটি জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে কাজ করে।
- রূপালী ব্যাংক পিএলসি ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৬ সালে দেশের বৃহত্তম পাবলিক লিমিটেড ব্যাংকিং কোম্পানি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা পাকিস্তান হতে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ১,১৩০টি শাখা নিয়ে এর কার্যক্রম শুরু করে। স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার বিদেশি ব্যাংক ব্যতীত বাংলাদেশে কার্যরত সকল পাকিস্তানি মালিকানাধীন ব্যাংকসমূহ অধিগ্রহণ করে। অতঃপর ১৯৭২ সালের ব্যাংক জাতীয়করণ আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ২টি ব্যাংকসহ অধিকৃত ১০টি পাকিস্তানি ব্যাংকের সমন্বয়/একত্রীকরণের মাধ্যমে ৬টি স্বতন্ত্র ব্যাংক গঠন করে। সেগুলিকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- নতুন নামকরণকৃত ও পুনর্গঠিত ব্যাংকগুলি হচ্ছে: সোনালী ব্যাংক (দ্য ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, দ্য ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর, দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক), অগ্রণী ব্যাংক (হাবিব ব্যাংক, কমার্স ব্যাংক), জনতা ব্যাংক (দ্য ইউনাইটেড ব্যাংক, দ্য ইউনিয়ন ব্যাংক), রূপালী ব্যাংক (দ্য মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক, দ্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক), পূবালী ব্যাংক (দ্য অস্ট্রেলেশিয়া ব্যাংক, দ্য ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক) এবং উত্তরা ব্যাংক (দ্য ইস্টার্ন ব্যাংকিং কর্পোরেশন)।

উৎস: i) Rupali Bank PLC.
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৮২১.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বর্তমান চেয়ারপারসন কে? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. আসিফ নজরুল
  3. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ
  4. মো. নাহিদ ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

⇒ নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং,
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উল্লেখ্য,
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে চেয়ারপারসন করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) গঠন করা হয়েছে।
- এ পরিষদে সদস্য হিসেবে আছেন সরকারের বাকি সব উপদেষ্টা।
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদকে সহায়তাদানকারী কর্মকর্তা হিসেবে আছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিব/সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা।
- ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে এই পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
- সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত নীতি ও কৌশল গ্রহণে দিক-নির্দেশনা দেওয়া; দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও কর্মপন্থা চূড়ান্তকরণ এবং অনুমোদন প্রদান; দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা; আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দিক-নির্দেশনা প্রদান এবং জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের দায়িত্ব পালনে সহায়ক বিবেচিত যে কোনো কমিটি গঠন।

উৎস: i) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১,৮২২.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট রাজস্ব প্রাপ্তি -
  1. ক) ৩,৩৪,৬৪১ কোটি টাকা
  2. খ) ৪,৩৩,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ৫,০০,০০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৫,০৮,০০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ৫,০০,০০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫,০০,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটের আকার: ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (ADP) বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- মোট রাজস্ব প্রাপ্তি: ৫,০০,০০০ কোটি টাকা
- অনুদান সহ রাজস্ব প্রাপ্তি: ৫,০৩,৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।

১,৮২৩.
বাংলাদেশের প্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. ক) বড়পুকুরিয়া
  2. খ) হরিপুর
  3. গ) রূপপুর
  4. ঘ) দাশিয়ারা
সঠিক উত্তর:
খ) হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হরিপুর
ব্যাখ্যা
হরিপুর তেলক্ষেত্র: 
-  বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।
-  ১৯৯৪ সালের জুলাই মাস থেকে হরিপুর তেলক্ষেত্রে তেল উৎপাদন স্থগিত রয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৮২৪.
গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম কোন দেশে চালু হয়?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. মালয়েশিয়া
  3. ফিলিপাইন
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- এটি বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে গ্রামীণ ব্যাংক।
- ব্যাংক হিসেবে চালু হয় ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৮২৫.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বিকল্প চেয়ারম্যান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বানিজ্যমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
একনেক (ECNEC):
- ECNEC এর পূর্ণরূপ হলো: Executive Committee of the National Economic Council.
- ECNEC প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮২ সালে।
- এর প্রথম সভাপতি ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী। 
- ১৯৯১ সালে পর প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতিত্ব শুরু করেন।
- ECNEC এর সভাপতি প্রধানমন্ত্রী
- এবং তার অনুপস্থিতিতে সভাপতি অর্থমন্ত্রী ।
- এর সদস্য- মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
১,৮২৬.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয় কত সালে?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৮২৭.
ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় কয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৮টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৮২৮.
নিচের কোনটি অ-তফসিলি ব্যাংক নয়?
  1. গ্রামীণ ব্যাংক
  2. কর্মসংস্থান ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে।
- যথা:
১। তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।

২। অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।

⇒ বর্তমানে অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
১. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
২. কর্মসংস্থান ব্যাংক,
৩. গ্রামীণ ব্যাংক,
৪. জুবিলি ব্যাংক,
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে -
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক একটি বিশেষায়িত ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১,৮২৯.
নিচের কোনটি অ-তফসিলী ভুক্ত ব্যাংক?
  1. প্রাইম ব্যাংক
  2. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  3. অগ্রণী ব্যাংক
  4. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে,
- তফসিলী ভুক্ত বেসরকারি ব্যাংক- প্রাইম ব্যাংক।
- বিশেষায়িত ব্যাংক - রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
- রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক - অগ্রণী ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১,৮৩০.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে?
  1. সিটি ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  4. আইএফআইসি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৮৩১.
অর্থ পাচারের কারণ নয় কোনটি?
  1. দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতি না থাকা
  2. অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করা
  3. কর ফাঁকি না দেয়া
  4. কোম্পানির মুনাফা লুকানো
সঠিক উত্তর:
কর ফাঁকি না দেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর ফাঁকি না দেয়া
ব্যাখ্যা

⇒ অর্থ পাচারের কারণ নয় কর ফাঁকি না দেয়া।

অর্থ পাচার:
- অর্থ পাচার হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে অপরাধীরা তাদের বেআইনি উপার্জনের উৎস ও মালিকানা লুকানোর চেষ্টা করে।
- এটি প্রত্যেক দেশের জন্যই একটি ক্ষরণ-জাতীয় জটিল সমস্যা হিসেবে বিবেচিত করা হয়।
- অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) পেছনে প্রধান কারণসমূহ:
• দেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিস্থিতি না থাকা।
• ব্যবসায়ীরা প্রতিযোগিতার চাপের মধ্যে টিকে থাকতে না পারা।
• বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রতি আস্থা না থাকা।
• অবৈধভাবে উপার্জিত অর্থ গোপন করার চেষ্টা।

তথ্যসূত্র - বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট ও সিপিডি ওয়েবসাইট।

১,৮৩২.
মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে -
  1. কর্মসংস্থান
  2. জাতীয় আয়ে প্রবৃদ্ধি
  3. দ্রব্যমূল্যে স্থিতিশীলতা
  4. সুদের হার হ্রাস
সঠিক উত্তর:
কর্মসংস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মসংস্থান
ব্যাখ্যা
আর্থিক নীতি (Monetary policy):
- যে নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করে তাকে আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি বলে।
- দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।
- আর্থিক নীতির উল্লিখিত দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
1. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
2. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
3. উচ্চ কর্মসংস্থান,
4. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
5. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক এক বছরে দুইবার (জানুয়ারি ও জুলাই) মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশে মুদ্রানীতি বাস্তবায়নের সরঞ্জাম ও উপকরণ হল ব্যাংক রেট, ওপেন মার্কেট অপারেশনস (ওএমও), পুনঃক্রয় চুক্তি (রেপো) এবং রিভার্স রেপো, সংবিধিবদ্ধ রিজার্ভ রিকোয়ারমেন্ট (এসএলআর এবং সিআরআর)।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১,৮৩৩.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে, বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ ভারত থেকে আসে?
  1. ৩.৬৫%
  2. ৯.৩৪ %
  3. ১১.৪২ %
  4. ১৪.২২ %
সঠিক উত্তর:
৩.৬৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৬৫%
ব্যাখ্যা

• ২০২৪–২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের ভারতে ১,৭৬৪.২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা বিবেচ্য সময়ের মোট রপ্তানি আয়ের ৩.৬৫%।
- ভারতে রপ্তানিকৃত প্রধান পণ্য হলো পাট ও পাটজাতপণ্য (৫৩, ৬৩০৫১০) ,(২১১.২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), ওভেন গার্মেন্টস্ (৬২) (৪২৮.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), নীটওয়‍্যার (৬১) (২১৫.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), কটন ও কটন প্রোডাক্টস (৫২) (২৯.৮৮ মি: মা: ড:), প্লাস্টিক দ্রব্যাদি (৩৯) (৫৬.৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (৪১–৪৩, ৬৪০৩) (১০৮.১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
- বিগত বছরের একই সময়ের রপ্তানি আয় ১,৫৬৯.২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১২.৪৩% বেশি।

 উল্লেখ্য,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমাদের রপ্তানি কার্যক্রম পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, বরাবরের মত আমাদের পণ্যের আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪–২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮,৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য যা উক্ত সময়ের মোট রপ্তানির ১৮.০০%। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১,৮৩৪.
জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক অনুসারে, কোন বিভাগে বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের হার সর্বনিম্ন? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ঢাকা
  2. সিলেট
  3. খুলনা
  4. চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা

জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক:
প্রতিবেদনের শিরোনাম: National Multidimensional Poverty Index For Bangladesh.
প্রকাশকাল: ৩১ জুলাই, ২০২৫। 
প্রকাশক: পরিকল্পনা কমিশনের আওতাধীন সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (GED)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বিবিএসের ২০১৯ সালের মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভের (এমআইসিএস) তথ্য ব্যবহার করে বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক (এমপিআই) নিরূপণ করা হয়েছে। 
- বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের হার ১১টি সূচকের সমন্বয়ে হিসাব করা হয়। 
- এমপিআই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে ২৪.৫ শতাংশ মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্যে রয়েছে, যা সংখ্যায় প্রায় ৩ কোটি ৯৮ লাখ।
- গ্রামীণ এলাকায় এই হার ২৬.৯৬ শতাংশ, আর শহরে ১৩.৪৮ শতাংশ।
- সিলেট বিভাগে এই দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ ৩৭.৭০ শতাংশ  এবং সর্বনিম্ন খুলনা বিভাগে ১৫.২২ শতাংশ।

তথ্যসূত্র- National Multidimensional Poverty Index For Bangladesh.

১,৮৩৫.
NNP এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Net National Product
  2. Net National Profit
  3. National Gross Product
  4. National Net Product
সঠিক উত্তর:
Net National Product
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Net National Product
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৩৬.
বাংলাদেশে উৎপাদিত তামাকের ওপর ধার্যকৃত করকে কী বলে?
  1. বাণিজ্য শুল্ক
  2. আবগারি শুল্ক
  3. সম্পূরক শুল্ক
  4. মূল্য সংযোজন কর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে উৎপাদিত তামাকের ওপর ধার্যকৃত করকে আবগারি শুল্ক বলে।

আবগারি শুল্ক:
- আবগারি শুল্ক  দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্যের ওপর আরোপিত কর। 
- আবগারি শুল্ক সরকারি রাজস্ব সংগ্রহের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, আবার এটি আয়ের পুনর্বণ্টনের উদ্দেশ্যেও ব্যবহৃত হতে পারে।
- করারোপের সুবিধার নীতি প্রয়োগের জন্যও আবগারি শুল্ককে ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন, কোনো বিশেষ দ্রব্যের (যথা, তামাকের) ওপর আবগারি শুল্ক সংগ্রহ করে উক্ত তহবিল ওই দ্রব্যের ভোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সহায়তার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। 
- ১৯৯১-৯২ সালে মূসক-এর আওতা বহির্ভুত যেসব দ্রব্য ও সেবার ওপর আবগারি শুল্ক আরোপযোগ্য ছিল, সেগুলি হলো তামাক, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলজাত দ্রব্য, সংবাদপত্রের কাগজ, সোনা-রুপা ও সোনা-রূপার জিনিসপত্র, লবণ, ব্যাংক চেক এবং সাধারণ ইট। 

অন্যদিকে,
- বহিঃশুল্ক: আমদানি-রপ্তানির উপর আরোপিত শুল্ককে বহিঃশুল্ক বলে।
- বাণিজ্য শুল্ক: বাণিজ্য শুল্ক কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস। সাধারণতঃ আমদানি-রপ্তানির উপর এই শুল্ক ধার্য করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর: দেশের পণ্য সামগ্রীর উৎপাদন থেকে ভোগ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের ভিত্তিতে এ কর ধার্য করা হয়। এটি একটি পরোক্ষ কর। এটি সংক্ষেপে ভ্যাট নামে পরিচিত।
- সম্পূরক শুল্ক: কিছু বিলাস সামগ্রীর আমদানি ও ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে এসব পণ্যের উপর মুসক ছাড়াও বিভিন্ন হারে অতিরিক্ষ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়ে থাকে।

উৎস: i)  অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৮৩৭.
ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়নে কোন দেশ সহায়তা করছে?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

১,৮৩৮.
To eliminate liquidity crisis for Islamic Shariah based banks which one is formed?
  1. ক) Islamic Banks Liquid Currency Facility
  2. খ) Islamic Banks Currency Facility
  3. গ) Islamic Banks Liquidity Facility
  4. ঘ) Islamic Banks Money Facility
সঠিক উত্তর:
গ) Islamic Banks Liquidity Facility
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Islamic Banks Liquidity Facility
ব্যাখ্যা

৫ ডিসেম্বর ২০২২ দেশের ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোর জন্য তারল্য সংকট দূর করতে গঠন করা হয় - Islamic Banks Liquidity Facility (IBLF).

সূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩

১,৮৩৯.
Which Ministry controls banking sectors in Bangladesh?
  1. Commerce
  2. Finance
  3. Planning
  4. Industries
সঠিক উত্তর:
Finance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Finance
ব্যাখ্যা
অর্থ মন্ত্রনালয় (Ministry of Finance):
- অর্থ মন্ত্রনালয় নিম্নে বর্ণিত চারটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত:
১. আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি),
২. অর্থ বিভাগ (এফডি),
৩. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং
৪. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।

• আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (FID):
- ২০১০ সালের জানুয়ারী মাসে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ক্যাপিটাল মার্কেট, বীমা খাত এবং মাইক্রোক্রেডিট খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত আইন ও নীতি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এ বিভাগ পুঁজির পর্যাপ্ততা সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ এবং বিদ্যমান নীতি ও কর্মসূচীর পর্যালোচনা সংক্রান্ত কার্যক্রম সমন্বয় করে।
- এ ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ), সামাজিক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসডিএফ), বাংলাদেশ মিউনিসিপ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, BMDF এবং বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন ইত্যাদির মত বিভিন্ন সংস্থায় প্রদত্ত বিদেশী ঋণ ও অন্যান্য সহায়তার যথাযথ ব্যবহার বিষয়ে তদারকি করাও এ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
- এ বিভাগের অধীনস্থ বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমী (BIA) এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (BICM) দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থা যেমন: বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) ও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA)- এর সাথে সমন্বয়মূলক কার্যাবলী সম্পাদন করে।

উৎস: অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
১,৮৪০.
বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নরের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৪ 
সঠিক উত্তর:
৪ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ 
ব্যাখ্যা

⇔ বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বনাম ছিল : State Bank of Pakistan.
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর স্থপতি হচ্ছে শফিউল কাদের।
- এই ব্যাংক এর ১ম গভর্নর ছিল- A.N Hamidullah.
- গভর্নরের মেয়াদ হচ্ছে ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর বর্তমান শাখা ১০টি।
- সর্বশেষ শাখা ময়মনসিংহে অবস্থিত।

উৎস: Bangladesh Bank Official Website.

১,৮৪১.
চলতি বাজেটে সরকারি আয়ের প্রধান খাত ধরা হয়েছে কোনটিকে?
  1. আয়কর
  2. মূসক
  3. সম্পূরক শুল্ক
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
মূসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূসক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ (২০২১-২০২২ অর্থবছর হিসাব):
- প্রথম : মূল্য সংযোজন কর (৩৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : আয়কর (৩১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (১৬.৫ শতাংশ)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (১১.৫ শতাংশ)।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,৮৪২.
ECNEC এর বিকল্প সভাপতি কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. অর্থমন্ত্রী
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।