বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা ১৭ / ১৯ · ১,৬০১১,৭০০ / ১,৮৬১

১,৬০১.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে কয়বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. ৪ বার
সঠিক উত্তর:
২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বার
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি (Monetary policy):
- যে নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করে তাকে আর্থিক নীতি বা মুদ্রানীতি বলে।
- দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।
- আর্থিক নীতির উল্লিখিত দেশের অর্থ কর্তৃপক্ষ বলতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমন্বিত ব্যবস্থাকে বোঝানো হয়।
- মুদ্রানীতি হলো মুদ্রার প্রক্ষেপণ যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রণয়ন করে থাকে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে দুইবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য।
- পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে ১ বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করতো।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
1. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
2. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
3. উচ্চ কর্মসংস্থান,
4. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
5. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এক বছরে দুইবার (জানুয়ারি ও জুলাই) মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশে মুদ্রানীতি বাস্তবায়নের সরঞ্জাম ও উপকরণ হল ব্যাংক রেট, ওপেন মার্কেট অপারেশনস (ওএমও), পুনঃক্রয় চুক্তি (রেপো) এবং রিভার্স রেপো, সংবিধিবদ্ধ রিজার্ভ রিকোয়ারমেন্ট (এসএলআর এবং সিআরআর)।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১,৬০২.
স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কীভাবে ত্বরান্বিত হয়?
  1. সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে
  2. প্রবৃদ্ধি উপেক্ষা করে
  3. শুধু কৃষি প্রবৃদ্ধি
  4. প্রবৃদ্ধি হ্রাস করে
সঠিক উত্তর:
সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করে
ব্যাখ্যা

স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা:
- সুনির্দিষ্ট কতগুলো আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য স্বল্প সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করাকে স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা বলে।
- স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনার মধ্যে এমন ধরনের কর্মসূচি, প্রকল্প ও লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে যেগুলো জাতীয় স্বার্থে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই বাস্তবায়িত হওয়া প্রয়োজন।
- কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, বাণিজ্যের প্রসার, পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেচ ব্যবস্থার প্রসার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন প্রভৃতি লক্ষ্যগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য ফেলে রাখা যায় না। সামাজিক স্বার্থে এগুলো স্বল্প সময়ের মধ্যে অর্জন দরকার।

⇒ স্বল্পমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য:
• আর্থ-সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ও কর্মসূজির দ্রুত বাস্তবায়ন।
• মেয়াদ ভিত্তিক বৈদেশিক সাহায্যের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
• বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির সফলতা ও বিফলতা মুল্যায়ন করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
• দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার জন্য সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
• কখনও কখনও দেশে বিরাজমান বিশেষ পরিস্থিতির কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনার মত একটি স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা।
• পরবর্তী পরিকল্পনাগুলোর উন্নয়ন প্রক্রিয়া সহজ ও ত্বরান্বিত করা।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬০৩.
আব্দুর রউফ তালুকদার বাংলাদেশ ব্যাংকের কততম গভর্নর?
  1. ১০তম
  2. ১১তম
  3. ১২তম
  4. ১৩তম
সঠিক উত্তর:
১২তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
-  বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি। 

উল্লেখ্য,
- আব্দুর রউফ তালুকদার বাংলাদেশ ব্যাংকের ১২তম গভর্নর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৬০৪.
বাংলাদেশে কোন ব্যাংক প্রথম ক্রেডিট কার্ড চালু করে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক 
  2. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  3. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
  4. আইএফআইসি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক:
- বাংলাদেশের প্রথম বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।
- ১৯০৫ সালে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক পিএলসি রয়্যাল চার্টার ১৮৫৩-এর অধীনে নিবন্ধিত একটি ব্রিটিশ ব্যাংক এবং এর প্রধান কার্যালয় লন্ডনে অবস্থিত।
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে ১৯৪৮ সালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশে ব্যাংকটির কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক পিএলসি ২০০০ সালের এপ্রিল মাসে এএনজেড গ্রুপ-এর নিকট থেকে এএনজেড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংকের বিশ্বব্যাপী সমুদয় ব্যাংক ব্যবসায় ক্রয় করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংক পিএলসি হিসেবে এর পুনঃনামকরণ করে।

⇒ বাংলাদেশে ১৯৯৬ সালে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক প্রথম ক্রেডিট কার্ড চালু করে।
- ওই সময়ে তৎকালীন ‘বণিক বাংলাদেশ’ (বর্তমানে লংকাবাংলা) ও ন্যাশনাল ব্যাংকও ক্রেডিট কার্ড চালু করে।

উৎস: i) স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১,৬০৫.
বাংলাদেশের উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা -
  1. জাইকা
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. আইএফসি
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা- বিশ্বব্যাংক।

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম- বাংলাদেশ  এইড গ্রুপ।
-  বাংলাদেশ এইড গ্রুপ প্রতিষ্ঠাতা লাভ করে- ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম বৈঠক হয়- ২৯ অক্টোবর ১৯৭৪ ফ্রান্সের প্যারিসে।
- তৎকালীন এইড গ্রুপের সদস্য ছিল ১৬টি দেশ এবং ৪টি দাতা সংস্থা।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম করা হয়- ২০০২ সালে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বৈদেশিক সাহায্য শীর্ষ-  আইডিএ।
- দেশ হিসেবে বৈদেশিক শীর্ষ দেশ - জাপান।
- বাংলাদেশের ঋণদাতার শীর্ষ দেশ- জাপান।

উৎস:  ইআরডি ওয়েবসাইট।
১,৬০৬.
আনারস সব চেয়ে বেশি উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. টাঙ্গাইল
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাঙ্গামাটি
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
• আনারস
- মোট উৎপাদন ২,০৬,১৬৪.৫১ মে.টন বা, ৩৩,৫৮১.৮৭ একর। 
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন
• প্রথম: ঢাকা বিভাগ (১,৩৯,৫৬৭.২ মে.টন)
• দ্বিতীয় – চট্টগ্রাম বিভাগ (৮৯,০৫০.২ মে.টন)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন
• প্রথম: টাঙ্গাইল জেলা (১,২৯,৬৪০.৬ মে.টন)
• দ্বিতীয় রাঙ্গামাটি জেলা (২৪,৮৪৪ মে.টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ।
১,৬০৭.
Which is the first mobile banking service in Bangladesh?
  1. Nagad
  2. Upay
  3. bKash
  4. Rocket
সঠিক উত্তর:
Rocket
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rocket
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:

- বাংলাদেশে মোবাইলের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় মার্চ ২০১১ সালে।
- ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম সেবাটি চালু করে, যার নাম এখন রকেট।
- পরে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- ২০১৯ সালের মার্চে চালু হয় ডাক বিভাগের সেবা নগদ।
- পরে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- বর্তমানে বিকাশ,রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ,উপায়,শিওর ক্যাশসহ ১৫টি ব্যাংক এ সেবা দিচ্ছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো,২৯ মার্চ ২০২১।
১,৬০৮.
What is the term for a sustained increase in the aggregate price level?
  1. Recession
  2. Stagflation
  3. Depression
  4. Inflation
সঠিক উত্তর:
Inflation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inflation
ব্যাখ্যা
মূল্যস্ফীতি (Inflation):
- মূল্যস্ফীতি হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাম বৃদ্ধির হার।
- মূল্যস্ফীতি এমন একটি পরিস্থিতি যখন অর্থের প্রকৃত মূল্য হ্রাস পায়।
- মূল্যস্ফীতির সময়ে একই দ্রব্য কিনতে আমাদেরকে বেশি অর্থ দিতে হয়।
- সাধারণত, মূল্যস্ফীতি এমন একটি পরিস্থিতি যখন দ্রব্য ও সেবার ক্ষেত্রে অর্থের যোগানের অনুপাত বৃদ্ধি পায় এবং এটি সাধারণ মূল্যস্তরকে বৃদ্ধি করে।
- বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে মূল্যস্ফীতি অর্থনৈতিক তত্ত্বের ব্যতিক্রমী।
- সাধারণত, পূর্ণ নিয়োগের পরে মূল্যস্ফীতি ঘটে।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোতে, যদিও তাদের কিছু সম্পদ অব্যবহৃত থাকে তথাপি মূল্যস্ফীতি দেখা যায়।
- একটি উন্নয়নশীল দেশে, মূলধনের অভাব, নিম্নমানের প্রযুক্তি, ত্রুটিপূর্ণ উৎপাদন ব্যবস্থা এবং সঠিক পরিকল্পনার অভাবে মূল্যস্ফীতি ঘটে।
- বাংলাদেশও এসব সমস্যার সম্মুখীন হয় এবং এখানে মূল্যস্ফীতি ঘটে।

উৎস: সামষ্টিক অর্থনীতি, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০৯.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে কয়টি নতুন বিভাগ চালু করেছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২ এর অধীনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

সম্প্রতি,
বিভিন্ন কার্যক্রম আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার লক্ষ্যে নতুন চারটি বিভাগ চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নতুন চালু হওয়া বিভাগগুলোর মধ্যে রয়েছে—
- ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-৯,
- পরিদর্শন পরিপালন বিভাগ,
- মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিভাগ এবং
- ইসলামী ব্যাংকিং রেগুলেশন্স অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট।

- নতুন এই বিভাগগুলো যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বিভাগ সংখ্যা ৬১ থেকে বেড়ে ৬৫-এ দাঁড়িয়েছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
১,৬১০.
২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবসম্পদ উন্নয়ন খাতে মোট বাজেটের কত শতাংশ ব্যয় হবে?
  1. ক) ১৩.২৫
  2. খ) ১৮.২৭
  3. গ) ২৩.২৬
  4. ঘ) ১৬.৭৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬.৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৬.৭৫
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ২৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ বাবদ মোট বরাদ্দ ৮৭,৬২০ কোটি টাকা যা মোট বাজেট বরাদ্দের ১৬.৭৫ শতাংশ এবং জিডিপির ৩.০৪ শতাংশ।সূত্রঃ mof.portal.gov.bd এর বার্ষিক প্রতিবেদন।
১,৬১১.
আয়কর বিভাগের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সংস্থাকে বলা হয়-
  1. ক) BSEC
  2. খ) NRB
  3. গ) ECNEC
  4. ঘ) NBR
সঠিক উত্তর:
ঘ) NBR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) NBR
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের আয়কর বিভাগের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সংস্থাকে বলা হয় - NBR
- র্পূণরুপ - National Board of Revenue
- এটি বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭২ সালে গঠিত হয়।
- প্রদাধিকার বলে এনবিআরের চেয়ারম্যান হন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব।
- প্রতিষ্ঠানটির স্লোগান: 'উন্নয়নের অক্সিজেন রাজস্ব'
- অনলাইন ভ্যাট হেল্পলাইন ১৬৫৫৫।

উৎস:  এনবিআর ওয়েবসাইট।
১,৬১২.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কোন মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. রাজস্ব মন্ত্রণালয়
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭৬ (The National Board of Revenue Order, 1972) এর ভিত্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি কাস্টমস, মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর বিষয়ক রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ।
- বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক দেশের মোট রাজস্বের ৮৬% এর অধিক আহরিত হচ্ছে।
- এনবিআর বাংলাদেশের রাজস্ব সংগ্রহের জন্য আইনি কাঠামো, নীতিমালা ও ব্যবস্থা প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়ন করে।
- এর আওতাভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে ভ্যাট, আয়কর, শুল্কসহ অন্যান্য সকল রাজস্ব সংগ্রহের কার্যক্রম রয়েছে।
- এনবিআর রাষ্ট্রের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে কাজ করে এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, একই সাথে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগেরও সচিব।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) এবং বোর্ড প্রশাসনের অধীনে তথ্যপ্রযুক্তি শাখা কাজ করছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,৬১৩.
বাংলাদেশের সকল সরকারি-বেসরকারি সংস্থার ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান-
  1. ক) PKSF
  2. খ) IDRA
  3. গ) BRAC
  4. ঘ) MRA
সঠিক উত্তর:
ঘ) MRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) MRA
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে কর্মরত ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের জন্য ২০০৬ সালে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (এমআরএ) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্যে এমআরএ অনুমতি প্রদান করে।
- দেশে কর্মরত সকল সরকারি-বেসরকারি সংস্থার ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের তথ্যাদি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটির অন্যতম প্রধান কাজ।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১,৬১৪.
প্রবৃদ্ধির হারে বৃহৎখাত কোনটি?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
• জিডিপিতে প্রধান ৩টি খাত।

• জিডিপিতে অবদান: 
সেবাখাত - ৫১.৪৪%
শিল্পখাত - ৩৭.০৭%
কৃষিখাত - ১১.৫০%

• প্রবৃদ্ধির হার:
সেবাখাত - ৬.৩১%
শিল্পখাত - ১০.৪৪%
কৃষিখাত - ২.২০%

• নিয়োজিত শ্রমশক্তি:
সেবাখাত - ৩৯.০%
শিল্পখাত - ২০.৪%
কৃষিখাত - ৪০.৬%

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৬১৫.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ অনুযায়ী, মানুষের মাথাপিছু আয় কত?
  1. ক) ২,৮৮৬ মার্কিন ডলার
  2. খ) ২,৮৫১ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২,৯৬১ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ৩,২৩৯ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
গ) ২,৯৬১ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২,৯৬১ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২৩:

- মাথাপিছু আয় ২,৯৬১ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা/কর্পোরেশন ও এক্সপোর্ট ক্রেডিট এজেন্সিসহ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মোট আকার ২,৭৪,৬৭৪ কোটি টাকা।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ২,৭৭,৫৮২ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৬১৬.
Which economic indicator measures the total value of goods and services produced within a country's borders and is often used to assess the overall economic health of a nation?
  1. Gross Domestic Product (GDP)
  2. Consumer Price Index (CPI)
  3. Inflation rate
  4. Gross National Product (GNP)
সঠিক উত্তর:
Gross Domestic Product (GDP)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gross Domestic Product (GDP)
ব্যাখ্যা
জিডিপি:

- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে বা ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তাদের বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি বলে।
- জিডিপি একটি দেশের সীমানার মধ্যে উত্পাদিত পণ্য ও পরিষেবার মোট মূল্য পরিমাপ করে এবং প্রায়শই একটি জাতির সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্বাস্থ্যের মূল্যায়ন করতে ব্যবহৃত হয়।
- এ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট দেশে কর্মরত দেশি বিদেশি সকল নাগরিক ও কোম্পানির আয় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- তবে বিদেশে কর্মরত সংশ্লিষ্ট দেশের নাগরিকের আয় ও কোম্পানির আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৬১৭.
According to Economic review 2023, the percentage of contribution of industrial sector to GDP?
  1. ক) 29.76%
  2. খ) 37.56%
  3. গ) 43.51%
  4. ঘ) 44.23%
সঠিক উত্তর:
খ) 37.56%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 37.56%
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে গুরুত্বপূর্ণ খাত সমূহ:

- জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১১.২০%।
- কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪৫.৩৩%।
- জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৩৭.৫৬%।
- জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.০২%।
- জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান ৫১.২৪%।
- সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৭.৬৫%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৬১৮.
বাংলাদেশে কোন ব্যাংকটি মুদ্রা ছাপিয়ে থাকে?
  1. ক) সোনালি ব্যাংক
  2. খ) আইএফআইসি ব্যাংক
  3. গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. ঘ) রূপালি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই ব্যাংকের অন্যতম দায়িত্ব হলো মুদ্রা ছাপানো ও সরবরাহ করা। গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন মুদ্রা ছাপানোর কাজ করে থাকে।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
১,৬১৯.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ৪৮.৫৫ শতাংশ
  2. খ) ৫০.১৯ শতাংশ
  3. গ) ৫১.৫৩ শতাংশ
  4. ঘ) ৫২.১২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৫১.৫৩ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫১.৫৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা

সদ্যসমাপ্ত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে প্রধান খাত সমূহের অবদান:
- কৃষিখাত : ১৩.৪৭ শতাংশ
- শিল্পখাত : ৩৪.৯৯ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫১.৫৩ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যা ব্যুরো ওয়েবসাইট)

১,৬২০.
মোট জাতীয় আয় (GNI)-এর অপর নাম কী?
  1. GDP
  2. NDP
  3. GNP
  4. NNP
সঠিক উত্তর:
GNP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GNP
ব্যাখ্যা

মোট জাতীয় আয় (Gross National Income বা GNI):
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত আর্থিক বছরে কোনো দেশের নাগরিকগণ কর্তৃক যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপন্ন হয় তার বাজারমূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় আয় (GNI) বলে।
- একে মোট জাতীয় উৎপাদনও (GNP) বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনের সাথে নিট উপাদান আয় যোগ করে মোট জাতীয় আয় পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
ক) GDP – Gross Domestic Product (মোট দেশজ উৎপাদন);
খ) NDP – Net Domestic Product (নিট দেশজ উৎপাদন);
ঘ) NNP – Net National Product (নিট জাতীয় উৎপাদন)।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি বোর্ড বই, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৬২১.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কবে?
  1. ১৫ আগস্ট, ২০২৩
  2. ১৭ আগস্ট, ২০২৩
  3. ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
  4. ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
১৭ আগস্ট, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ আগস্ট, ২০২৩
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা
- ২৪ জানুয়ারি, ২০২৩ জাতীয় সংসদে 'সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল ২০২৩' পাস হয়।
- দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনতে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।
- চাঁদাদাতার বয়স ৬০ বছর হওয়ার পর তার ব্যাংক হিসাবে অথবা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে মাসিক পেনশন দেওয়া হবে।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৪টি স্কিম রাখা হয়েছে।
- এগুলো হলো যথাক্রমে
• প্রবাস স্কিম  • প্রগতি স্কিম  • সুরক্ষা  • সমতা স্কিম।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- জাতীয় পরিচয়পত্র ভিত্তি ধরে ১৮ বছরে থেকে শুরু করে ৫০ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রণ করতে পারবে।
- পেনশনে থাকাকালে ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মৃত্যুবরণ করলে পেনশনারের নমিনি বাকি সময়ের (মূল পেনশনারের বয়স ৭৫ বছর পর্যন্ত) জন্য মাসিক পেনশন পাবেন।

উৎস: বাসস ও প্রথম আলো।
১,৬২২.
'E-TIN' চালু করা হয় কত সালে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধন আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,৬২৩.
ব্যাংকে কোন্ ধরণের হিসাব থেকে বেশি সুদ/মুনাফা পাওয়া যায়?
  1. স্থায়ী হিসাব
  2. চলতি হিসাব
  3. সঞ্চয়ী হিসাব
  4. যৌথ হিসাব
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী হিসাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থায়ী হিসাব
ব্যাখ্যা
ব্যাংক হিসাবের শ্রেণীভেদ:
কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্যাংকের ব্যাংকার গ্রাহক (Banker-Customer) সম্পর্ক তখনই সৃষ্টি হবে যখন ঐ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ঐ ব্যাংকে কোন হিসাব খোলেন। সুতরাং ব্যাংকের নিজস্ব বই বা কম্পিউটারে যে নামের মাধ্যমে গ্রাহকের জমা ও উত্তোলনের কার্যক্রম পরিচালনা করে তাকে ব্যাংক হিসাব বলে।

⇒ বিভিন্ন ধরনের ব্যাংক হিসাব রয়েছে। যেমন:
- চলতি হিসাব (Current Account)
- সঞ্চয়ী হিসাব (Savings Account) 
- স্থায়ী হিসাব (Fixed Account)
- বিশেষ হিসাব (Special Accounts)

⇒ ব্যাংকে স্থায়ী হিসাব থেকে বেশি সুদ/মুনাফা পাওয়া যায়।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬২৪.
আমেরিকার পোশাক ব্র্যান্ডগুলোর উদ্যোগে গঠিত সংগঠন কোনটি?
  1. Allienet
  2. Accord
  3. Alliance
  4. Antros
সঠিক উত্তর:
Alliance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alliance
ব্যাখ্যা

• Alliance:
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন
- 'Alliance for Bangladesh Worker's Safety' ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন Accord I
- অ্যাকর্ড হল ব্র্যান্ড এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলির মধ্যে একটি স্বাধীন, আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা বাংলাদেশে একটি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর পোশাক এবং টেক্সটাইল শিল্পের লক্ষ্যে কাজ করে।
- অ্যাকর্ড বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলিকে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের জন্য নিরাপদ করে তুলতে - এবং নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্র: Accord Bangladesh, দ্যা ডেইলি স্টার।

১,৬২৫.
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়
  3. স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন।

বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন ৪টি বিভাগ রয়েছে।
এগুলো হলো:
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ,
- অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ,
- অর্থ বিভাগ এবং
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১,৬২৬.
Which country-based commercial bank 'Woori Bank' operates in Bangladesh?
  1. ক) Japan
  2. খ) China
  3. গ) South Korea
  4. ঘ) Malaysia
সঠিক উত্তর:
গ) South Korea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) South Korea
ব্যাখ্যা
বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক:

- উরি ব্যাংক (Woori Bank) দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিদেশি তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এগুলো হলো:
• স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড।
• হাবিব ব্যাংক লিমিটেড।
• স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।
• কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন।
• ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।
• সিটি ব্যাংক এনএ।
• উরি ব্যাংক।
• হংকং সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন (এইচএসবিসি) লিমিটেড।
• ব্যাংক আল-ফালাহ লিমিটেড।
- এদের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড সবচেয়ে পুরনো এবং বৃহৎ বিদেশি ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৬২৭.
GSP এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) General System of Prevention
  2. খ) Generalized System of Preferences
  3. গ) General System of Preferences
  4. ঘ) Generalized System of Procurement
সঠিক উত্তর:
খ) Generalized System of Preferences
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Generalized System of Preferences
ব্যাখ্যা
- GSP এর পূর্ণরূপ Generalized System of Preferences.
- GSP হচ্ছে পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রথম GSP সুবিধা চালু করে।
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা হারায় ২৭ জুন, ২০১৩ সালে।

উৎস: প্রথম আলো ।
১,৬২৮.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি? 
  1. জাইকা
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. ওআইসি
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম- বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম করা হয়- ২০০২ সালে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা: বিশ্বব্যাংক।
- বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য শীর্ষ- আইডিএ।
- জাইকা (JICA) জাপানের একটি সরকারি সংস্থা,
- যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা হিসাবে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র: ইআরডি ওয়েবসাইট।

১,৬২৯.
Which is the first stock market of Bangladesh?
  1. DSC
  2. CSE
  3. DEC
  4. DSE
সঠিক উত্তর:
DSE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DSE
ব্যাখ্যা
শেয়ার বাজার:

- বাংলাদেশে ২টি শেয়ার বাজার আছে।
- সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয় ৮ জুন ১৯৯৩ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড (ডিএসই)।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড (ডিএসই) ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ নামে গঠিত হয়।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এর ট্রেডিং কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৫৬ সালে।
- পরবর্তীকালে ১৯৬২ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর পুণঃনামকরণ করা হয়।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)  ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৬৩০.
বাংলাদেশের জিডিপির প্রধান খাত কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. কৃষি
  2. শিল্প
  3. সেবা
  4. খনিজ সম্পদ
সঠিক উত্তর:
সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অর্থনীতির খাত: (২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রেক্ষাপটে)
- অর্থনীতির প্রধান খাত: সেবা খাত (Service Sector)
- অতীতে কৃষি খাত প্রধান ছিল, তবে বর্তমানে জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে সেবা খাত

 
• খাতভিত্তিক জিডিপি অবদান
- কৃষি খাত: ১১.৬২%
- শিল্প খাত: ৩৪.৮১%
- সেবা খাত: ৫৩.৫৬%
 
• জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর (চূড়ান্ত হিসাব) → ৪.২২%
- ২০২৪-২৫ অর্থবছর (সাময়িক হিসাব) → ৩.৯৭%
 
• মাথাপিছু আয়
- ২,৮২০ মার্কিন ডলার। 
 
• খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব)
- কৃষি খাত: ১.৭৯%
- শিল্প খাত: ৪.৩৪%
- সেবা খাত: ৪.৫১%। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। (Link)

১,৬৩১.
What is the Statutory Liquidity Ratio (SLR) for the Islamic scheduled commercial banks in Bangladesh?
  1. ক) 4.0%
  2. খ) 13%
  3. গ) 5.5%
  4. ঘ) 9%
সঠিক উত্তর:
গ) 5.5%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 5.5%
ব্যাখ্যা
Statutory Liquidity Ratio (SLR)                     
Traditional Banking :  13%    
Islamic Banking :  5.5%    
 
Cash Reserve Ratio (CRR)
Traditional Banking : 4.0%
Islamic Banking : 4.0%
 
Source: Bangladesh Bank Website
১,৬৩২.
বাংলাদেশে কোন ধরনের অর্থব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে?
  1. ইসলামিক
  2. মিশ্র
  3. পুঁজিবাদী
  4. সমাজতান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
মিশ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশ্র
ব্যাখ্যা

মিশ্র অর্থব্যবস্থা:
- অর্থনীতিতে যখন সরকারি এবং ব্যক্তিগত খাত একসাথে সহাবস্থান করে তখন সেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে।
- বাংলাদেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।
- কারণ এখানে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সুসমন্বয় বিদ্যমান।
- বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থায় সম্পদের মালিকানা, উৎপাদন ব্যবস্থা, ব্যবসায়-বাণিজ্য প্রত্যেক খাতে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানার উপস্থিতি বিদ্যমান।
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু সম্পদ ব্যক্তি মালিকানায় রেখে বাকি সম্পদ সরকারকে বাৎসরিক করের বিনিময়ে ব্যক্তি মালিকানার হাতে থাকে।
- সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ খাতসহ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা খাতসমূহে সরকারি উদ্যোগে বিনিয়োগ পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের অর্থনীতির অধিকাংশই বেসরকারি বিনিয়োগের উপর নির্ভরশীল।
- তবে বেসরকারি বিনিয়োগের উপর সরকারের পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৩৩.
সর্বশেষ তফসিলি ব্যাংক কোনটি?
  1. ক) কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
গ) বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ ৬০তম তফসিলি ব্যাংক হলো বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। ২০১৮ সালে ৫৯তম তফসিলি ব্যাংক হিসেবে অনুমোদন পায় কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বনিকবার্তা)
১,৬৩৪.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. বিশ্ব ব্যাংক
  4. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- প্রতিটি দেশে বাধ্যতামূলকভাবে একটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকে।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে মুদ্রা বাজার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থেকে এসকল কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে।
- এটিকে সরকারের ব্যাংক বলে।
- তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাহায্য ছাড়া অর্থ ও মূদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্ব অপরিসীম।
- সৃষ্টির পর থেকেই মুদ্রা প্রচলন, অর্থ সরবরাহ এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক পালন করে আসছে।

⇒ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি:
- মুদ্রা প্রচলন।
- মুদ্রার মুল্যমান সংরক্ষণ।
- মুদ্রা বাজার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ।
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ।
- রিজার্ভ সংরক্ষণ।
- বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- বৈদেশিক মূদ্র্য ও বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- সরকারের উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি।
- সরকারের আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৩৫.
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি।
- যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উল্লেখ্য,
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।
১,৬৩৬.
নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়ের কয়টি বিভাগ করা হবে? [সেপ্টেম্বর,২০২৫]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

অর্থ মন্ত্রণাল:
• বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আওতায় রয়েছে চারটি বিভাগ- 
- অর্থ বিভাগ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি), অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি)। - আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে 'রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ' বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার।
- নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী বিভাগ করা হবে ৫টি।
- নতুন পাঁচ বিভাগের মধ্যে অর্থ বিভাগ, ইআরডি ও এফআইডি থাকবে।বাদ পড়বে আইআরডি।
- তবে নতুন যুক্ত হবে রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।]

উৎস:  প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

১,৬৩৭.
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা চালু হয় কবে?
  1. ১ মার্চ, ১৯৭২
  2. ২ মার্চ, ১৯৭২
  3. ৩ মার্চ, ১৯৭২
  4. ৪ মার্চ, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:
- ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম একই ধরনের। তবে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র।
- ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়। ১ টাকার ও ১০০ টাকার নোট।
- ১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কথাটি স্থান পায় এবং তাতে স্বাক্ষর করেছিলেন সে সময়ের অর্থসচিব কে এ জামান।
- ১০০ টাকার নকশায় দেখা যায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এবং তাতে লেখা থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০০ টাকার ব্যাংক নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রথম গভর্নর এ এন হামিদ উল্ল্যাহ্ স্বাক্ষরিত।
- ৪ মার্চ ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো পালিত হয়েছে 'টাকা দিবস'।

তথ্যসুত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ০৪ মার্চ, ২০২১।
১,৬৩৮.
নিম্নের বাংলাদেশের কোন ব্যাংকটি নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত?
  1. সোনালী ব্যাংক 
  2. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক 
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১,৬৩৯.
When was Dhaka Stock Exchange established?
  1. 1951
  2. 1952
  3. 1953
  4. 1954
সঠিক উত্তর:
1954
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1954
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১,৬৪০.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সমাপ্ত বছর -
  1. ২০২৫ সাল
  2. ২০২৬ সাল
  3. ২০৩১ সাল
  4. ২০৪১ সাল
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।

সূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন।
১,৬৪১.
বাংলাদেশ সরকার কোন উৎস থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে?
  1. ভূমি রাজস্ব
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আয়কর
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

⇒ সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
১,৬৪২.
আমদানি শুল্ক আরোপের পর অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করা হয় তাকে কী বলে?
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. অতিরিক্ত ভ্যাট
  3. শুল্ক অব্যাহতি
  4. অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক
সঠিক উত্তর:
সম্পূরক শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূরক শুল্ক
ব্যাখ্যা

• সম্পূরক শুল্ক:
- অনেক দ্রব্যসামগ্রীর ওপর আমদানি শুল্ক বা আবগারি শুল্ক বা ভ্যাট আরোপের পর অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করা হয়, তাকে সম্পূরক শুল্ক বলা হয়।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস।

উল্লেখ্য,
- অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক : দেশীয় কোনো পণ্য দেশে যে দামে বিক্রি হয়, তার চেয়ে কম দামে যদি তা বিদেশ থেকে আমদানি হয়, তাহলে দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য যে শুল্ক আরোপ করা হয়, তার নাম অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক।
- শুল্ক অব্যাহতি : সাধারণ নিয়মে যেসব পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক দিতে হয়, সরকার কখনও কখনও সেই শুল্ক সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মওকুফ করে দেয়, একে বলা হয় শুল্ক অব্যাহতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,৬৪৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) সেবা খাত
  2. খ) কৃষি খাত
  3. গ) শিল্প খাত
  4. ঘ) চিকিৎসা খাত
সঠিক উত্তর:
ক) সেবা খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেবা খাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা: সেবা খাত, কৃষিখাত, শিল্পখাত।

- জিডিপিতে অবদানের দিক থেকে: 
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭%
- সেবা খাত ৫১.৪৪%
- কৃষি খাত ১১.৫০%

জিডিপিতে প্রবৃদ্ধির দিক থেকে: 
- শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ১০.৪৪%
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি ২.২০%
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি ৬.৩১%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
১,৬৪৪.
বর্তমানে কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) ভুটান
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
গ) ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভুটান
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ভুটানের সাথে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে। 

- অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে ভুটানের ১৮টি এবং ভুটানে বাংলাদেশের ৯০টি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।
- এছাড়া ভুটানকে আরও ১৬টি ও বাংলাদেশেকে ১০টি পণ্যকে শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদানের জন্য সম্মত হয়েছে। 
- ভুটান ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া ও নেপালের সাথে PTA স্বাক্ষরের বিষয়ে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২২।  
১,৬৪৫.
জুলাই যোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা কত হবে?
  1. ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা
  2. ৫ লাখ টাকা
  3. ৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা
  4. ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুসারে করমুক্ত ব্যক্তির আয়সীমা:
- বাজেট-২০২৫  সাধারণ ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়সীমায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। অর্থাৎ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় থাকলেই একজন ব্যক্তিতে আয়কর দিতে হবে।
- নারী ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা।
- আর প্রতিবন্ধীদের জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। 
- এছাড়া গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য, 
- করমুক্ত আয়সীমায় নতুন যুক্ত হয়েছেন ‘জুলাই যোদ্ধারা’।
- ২০২৬ - ২০২৭ অর্থবছরে তাদের করমুক্ত আয়সীমা হবে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। 

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
১,৬৪৬.
নিচের কোনটি খাতটি বৃহৎ শিল্পখাতের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) খনিজ ও খনন
  2. খ) নির্মাণ
  3. গ) রিয়েল এস্টেট
  4. ঘ) বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি
সঠিক উত্তর:
গ) রিয়েল এস্টেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রিয়েল এস্টেট
ব্যাখ্যা

- জিডিপি নির্ণয়ের সুবিধার্থে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রধানত কৃষি, শিল্প ও সেবা তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে। এসব প্রধান খাতসমূহ ১৫টি উপখাতের সমন্বয়ে গঠিত।
কৃষিখাতের উপখাত সমূহ হলো:
- কৃষি ও বনজ
- মৎস্য

শিল্পখাতের অন্তর্গত উপখাত সমূহ:
- ম্যানুফ্যাকচারিং
- খনিজ ও খনন
- নির্মাণ
- বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি সম্পদ

সেবাখাতের উপখাত সমূহ হলো:
- পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য
- হোটেল ও রেস্তোরাঁ
- পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ
- আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা
- রিয়েল এস্টেট
- লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা
- শিক্ষা
- স্বাস্থ্য
- কমিউনিটি ও ব্যক্তিগত সেবা৷

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)

১,৬৪৭.
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন:
- পিডিবিএফ একটি সংবিধিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে 'পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)' প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পিডিবিএফ সৃষ্টির গোড়ায় ছিল আরডি-২ আরপিপি, আরডি-১২ প্রকল্প এবং পল্লী বিত্তহীন কর্মসূচী।
- ১৯৮৪ সাল থেকে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) কানাডিয়ান সিডার আর্থিক ও কারিগরী সহায়তায় এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে আসছিল।
- সরকারী সেক্টরে এগুলিই সর্বপ্রথম বিত্তহীন কল্যাণ প্রোগ্রাম যা পরবর্তীতে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) নামে একটি স্বশাসিত স্থায়ী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋন এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋন (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬৪৮.
ট্যাক্স হলিডে বলতে কী বোঝায়?
  1. সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করা
  2. ট্যাক্স খেলাপীদের জন্য বিশেষ আইন
  3. ট্যাক্স দিবস পালনের বিশেষ দিন
  4. ট্যাক্স সংগ্রহের জন্য ছুটির দিন
সঠিক উত্তর:
সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস প্রধানত দুইটি।
যথা- কর রাজস্ব এবং করবহির্ভূত রাজস্ব।
- কর পরিশোধে ২০১২ সালের মে মাসে বাংলাদেশে ই-পেমেন্ট পদ্ধতি চালু হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বেশি আয় আসে ভ্যাট থেকে।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রথম প্রবর্তিত হয় ১ জুলাই, ১৯৯১।
- শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করাই হচ্ছে ট্যাক্স হলিডে।
- অর্থাৎ, কর অবকাশ (ট্যাক্স হলিডে) হচ্ছে অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্থা।  

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি এবং এনবিআর।
১,৬৪৯.
বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. পঞ্চম
  2. ষষ্ঠ
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- ২০২৩ সালে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় প্রাপ্তিতে শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে ৭ম অবস্থানে থাকবে বাংলাদেশ।
- এ বছরে শেষে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
- বিশ্বব্যাংক ও নোমাডের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ ৩৯-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৩ সালের শেষেও বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- রেমিট্যান্সের উৎস হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে থাকবে সৌদি আরব। 

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (২১ ডিসেম্বর ২০২৩)।
১,৬৫০.
কোনটি ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা?
  1. MRA
  2. MCA
  3. DRA
  4. IDRA
সঠিক উত্তর:
MRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MRA
ব্যাখ্যা

MRA:
- ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (MRA)।
- ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানসমূহ নিয়ন্ত্রণের দৃষ্টিকোন এবং আনুষ্ঠানিক আর্থিক বিভাগের সাথে ক্ষুদ্রঋণের সংযোগ স্থাপনের বিষয়টি পরীক্ষাকরণের উদ্দেশ্যে ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক একটি অধ্যয়ন পরিচালনা করা হয়।
- বেসরকারী ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর মধ্যে আনয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০০৬ সালের ২৭ আগস্ট হতে ‘মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সালের ৩২নং আইন) কার্যকর করেন।
- এই আইনের আওতায় ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে সরকার ‘মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (এমআরএ)’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরকে পূর্ণাঙ্গ নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর মধ্যে আনয়নের লক্ষ্যে উল্লিখিত আইনের প্রয়োগ এবং ইহার উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার জন্য অথরিটিকে ক্ষমতায়ন এবং দায়বদ্ধ করা হয়।
- প্রতিষ্ঠানটি ৫ সদস্যের একটি পরিচালনা পর্ষদ দ্বারা পরিচালিত হয়।
- চেয়ারম্যান: গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক (ড. আহসান এইচ মনসুর)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
- ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী। তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।
- ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি ওয়েবসাইট।

১,৬৫১.
’ভিজিএফ’ নিচের কোন কর্মসূচির আওতাভুক্ত?
  1. সামাজিক আন্দোলন
  2. স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
  3. অর্থনৈতিক উন্নয়ন
  4.  সামাজিক নিরাপত্তা
সঠিক উত্তর:
 সামাজিক নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 সামাজিক নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

• সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি :
-দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালিন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এবং কৃষি ক্ষেত্রে কর্মহীন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাধীন মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে। এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

(১) দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)
(২) খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)

• ভিজিএফ :
-ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা।

• জিআর :
- জিআর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি মানবিক সহায়তা কমসূচি, যাতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে জরুরি সাহায্য হিসেবে খাদ্যশস্য/নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। 

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের।

১,৬৫২.
মুদ্রাস্ফীতি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোন পদক্ষেপ নেবে?
  1. ক) সুদের হার কমিয়ে দেবে
  2. খ) অর্থ সরবরাহ বাড়িয়ে দেবে
  3. গ) ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেবে
  4. ঘ) ডেবিট/ঋণ বাড়িয়ে দেবে
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেবে
ব্যাখ্যা
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক ছাড়া অন্য কোন ব্যাংক মুদ্রা সরবরাহ করতে পারে না।
- মুদ্রার গতিবিধি প্রক্ষেপণ কর, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা।
- বেসরকারি ঋণের যোগান ধার্য করা।
- মুদ্রা নীতি ঘোষণা, বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ দেয়া।
- নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন।
- ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেবে।
- তবে এই কাজ গুলোর করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এর মূল উদ্দেশ্য হলো মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ রাখা।
- মুদ্রাস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রার সাথে সঙ্গতি রেখে অর্থ এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পায়।
- প্রাকৃতিক হারের সমান সুদের প্রকৃত হার বজায় রাখার মাধ্যমে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আর্থিক নির্গমনকে বাধা দেয় যা মূল্যের অবাঞ্ছিত পরিবর্তনকে বাধ্য করে।

উৎস: - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট এবং বিভিন্ন পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৬৫৩.
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে কোন দেশ থেকে?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) কুয়েত
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
- প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
- ২০২০-২১ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে (৩,৯৩১.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
- দ্বিতীয় - সংযুক্ত আরব আমিরাত, তৃতীয় - কুয়েত।
- পশ্চিমা ও ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস:- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’, বাংলাদেশ ব্যাংক
১,৬৫৪.
২০২২-২৩ বাজেট অনুসারে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা -
  1. ক) ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা
  2. খ) ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
  3. গ) ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২২-২৩
বাজেটের আকা: ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা

বাজেটের আয়
রাজস্ব আয় প্রাক্কলন: ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) লক্ষ্যমাত্রা : ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা
এনবিআর বহির্ভূত কর: ১৮ হাজার কোটি টাকা
করছাড় প্রাপ্তি: ৪৩ হাজার কোটি টাকা
বৈদেশিক অনুদান: ৩ হাজার ২৭১ কোটি টাকা

বাজেটের খরচ
বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বরাদ্দ: ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা
উন্নয়ন ব্যয়: ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা

প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৭ দশমিক ৫ শতাংশ
মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা: ৫ দশমিক ৬ শতাংশ

সূত্র: বাজেট ২০২২-২৩
১,৬৫৫.
'মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিভাগ' কোন সালে BFIU নাম ধারণ করে?
  1. ২০০২
  2. ২০০৮
  3. ২০১০
  4. ২০১২
সঠিক উত্তর:
২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২
ব্যাখ্যা
BFIU:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ।
- BFIU- এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Financial Intelligence Unit।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যোগদান করার মাধ্যমে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ কার্যক্রমের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার সাথে সম্পৃক্ত হয়।
- পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার অবৈধ হুন্ডি তৎপরতা, বিদেশে অর্থ পাচার এবং মানিলন্ডারিং তৎপরতা প্রতিরোধ ও দমনের কার্যক্রম জোরদারকরণের লক্ষ্যে ২৭ জানুয়ারি ২০০২ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় টাস্কফোর্স এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের আঞ্চলিক অফিসভিত্তিক ৭টি আঞ্চলিক টাস্কফোর্স গঠন করে এবং এপ্রিল ২০০২ এ দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম দেশ হিসেবে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন জারি করে।
- উক্ত আইনে বর্ণিত দায়িত্ব পালনের জন্য ১৮ জুন ২০০২ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক 'মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিভাগ' নামে একটি পৃথক বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে, যা ২০১২ সালে পরিবর্তিত হয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) নাম ধারণ করে

⇒ উদ্দেশ্য:
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) হলো সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিবেদন (এসটিআর), নগদ লেনদেন প্রতিবেদন (সিটিআর) এবং রিপোর্টিং এজেন্সি এবং থেকে প্রাপ্ত মানি লন্ডারিং (এমএল) / সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন (টিএফ) সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করার জন্য দায়ী অন্যান্য উত্স এবং প্রাসঙ্গিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে তথ্য/গোয়েন্দা তথ্য প্রচার করা।
- বিএফআইইউ-এর মূল উদ্দেশ্য হল অর্থ পাচার প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

⇒ নির্বাহী পরিচালক ও উপ-প্রধান: একেএম এহসান,
- পরিচালক: মোহাম্মদ আনিসুর রহমান,
- পরিচালক: মোঃ মোস্তাকুর রহমান।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BFIU ওয়েবসাইট।
১,৬৫৬.
বাংলাদেশে ভ্যাট (VAT) এর স্তর কয়টি?
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ভ্যাট (VAT) এর স্তর ৪টি। 

• বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- বর্তমানে ভ্যাট স্তর চারটি: ৫%, ৭.৫%, ১০% ও ১৫%।

সূত্রঃ NBR ওয়েবসাইট।
১,৬৫৭.
মেট্রোরেল প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে কোন উন্নয়ন সংস্থা?
  1. ক) আইএমএফ
  2. খ) বিশ্ব ব্যাংক
  3. গ) জাইকা
  4. ঘ) এডিবি
সঠিক উত্তর:
গ) জাইকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাইকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে মেট্রোরেল চালু করার জন্য সরকার ‘ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ নামে একটি প্রকল্পের ধারণা নিয়ে কাজ করছিল।
- অবশেষে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে, ‘ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ বা ‘মেট্রো রেল’ প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) দ্বারা অনুমোদিত হয়।
- প্রকল্পের জন্য মোট ৫টি রুট লাইন প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে এমআরটি লাইন ১, ২, ৪, ৫, এবং ৬।
- জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এর অর্থায়নে ‘দ্য ঢাকা আরবান ট্রান্সপোর্ট নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট সার্ভে (ডিএইচইউটিএস ১)’ মূল্যায়ন করা হয় এবং ‘এমআরটি লাইন-৬’ নামে মেট্রো রেলের জন্য প্রথম এমআরটি রুট নির্বাচন করা হয়।
- প্রকল্পের মোট ব্যয় আনুমানিক ২.৮২ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে জাইকা ০.০১ শতাংশ সুদের হারে প্রায় ৭৫ শতাংশ বা ২.১৩ বিলিয়ন ডলার প্রদান করছে।
- বাকি ২৫ শতাংশ তহবিল দেবে বাংলাদেশ সরকার।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জুন ২০১৬ সালে নির্মাণ কাজের সূচনা করেন।
- প্রাথমিকভাবে, ‘এমআরটি লাইন ৬’-এর দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার হিসাবে প্রস্তাব করা হয়েছিল, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত, যা পরে কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়, যার ফলে রুটটির দৈর্ঘ্য আরও ১.১৬ কিলোমিটার বৃদ্ধি পায়। এটির মোট দৈর্ঘ্য হবে ২১.২৬ কিমি.। রুটে মোট ১৭টি স্টেশন থাকবে এবং রুটে ২৪টি ট্রেন সেট চলবে।
- ২৯ আগস্ট ২০২১-এ, প্রথম ট্রায়াল রান দিয়া বাড়ি থেকে উত্তরা পর্যন্ত পরিচালিত হয়। মেট্রোরেল উত্তরা-আগারগাঁও রুটে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করবে।
- প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে, সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ঢাকা মেট্রো রেলে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৬০,০০০ যাত্রী বা প্রতিদিন ৯৬০,০০০ জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট ও যুগান্তর। 
১,৬৫৮.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক -
  1. ড. রেহমান সোবহান
  2. ড. আখতার হামিদ খান
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  4. ড. ফজলে হাসান আবেদ
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

১,৬৫৯.
গ্রামীণ ব্যাংকের নতুন (সেপ্টেম্বর,২০২৪) চেয়ারম্যান কে?
  1. এ কে এম সাইফুল মজিদ
  2. আবদুল হান্নান চৌধুরী
  3. অধ্যাপক রেহমান সোবহান
  4. ড. মোহাম্মদ ইউনূস
সঠিক উত্তর:
আবদুল হান্নান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল হান্নান চৌধুরী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরীকে গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

সূত্র- গ্রামীণ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
১,৬৬০.
কৃষি জমিতে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত রাসায়নিক সার কোনটি?
  1. ক) ইউরিয়া সার
  2. খ) ডিএপি সার
  3. গ) টিএসপি সার
  4. ঘ) জিংক সালফেট
সঠিক উত্তর:
ক) ইউরিয়া সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইউরিয়া সার
ব্যাখ্যা
• কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে
- সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ইউরিয়া সার; পরিমাণ - ২,১৫৮ হাজার/২১.৫৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১,৪৪২ হাজার/১৪.৪২ লক্ষ মেট্রিক টন।
• বাংলাদেশের কৃষিতে ২০২১-২২ অর্থবছরে মোট রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয় - ৫,৬৯১.৫০ হাজার মেট্রিক টন/৫৬.৯১ লক্ষ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৬৬১.
বিবিএস এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? [মে, ২০২৫]
  1. ২৬৯৪ ইউএস ডলার
  2. ২৭৩৮ ইউএস ডলার
  3. ২৮৬৮ ইউএস ডলার
  4. ২৯৪৮ ইউএস ডলার
সঠিক উত্তর:
২৭৩৮ ইউএস ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭৩৮ ইউএস ডলার
ব্যাখ্যা
চলতি মূল্যে মাথাপিছু আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩০৪,১০২ টাকা (২,৭৩৮ ইউএস ডলার)।
- পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২২-২৩ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২৭৩,৩৬০ টাকা (২,৭৪৯ ইউএস ডলার)।
- ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশীয় মুদ্রায় মাথাপিছু আয় বাড়লেও ডলার মূল্যে কিছুটা কমেছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
১,৬৬২.
রূপকল্প-২০৪১ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৭.৬%
  2. ৮.২%
  3. ৯.৯%
  4. ১০.১%
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৯%
ব্যাখ্যা

রূপকল্প-২০৪১:
- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদিত হয়।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- সুশাসন, জনগণের সক্ষমতা ও ক্ষমতায়ন হবে এই অগ্রযাত্রার মূলমন্ত্র।

উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
- দারিদ্র্য দূরীকরণ।
- ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৮০ বছর।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,৬৬৩.
বেকারত্ব বলতে কী বোঝায়?
  1. ক) কাজ করতে অনীহা
  2. খ) শারীরিক অক্ষমতা
  3. গ) সামর্থ্য ও ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কাজের সুযোগ না পাওয়া
  4. ঘ) অলসতা
সঠিক উত্তর:
গ) সামর্থ্য ও ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কাজের সুযোগ না পাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সামর্থ্য ও ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কাজের সুযোগ না পাওয়া
ব্যাখ্যা
⇨ কাজ করার সামর্থ্য ও ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে কর্মলাভে ব্যর্থ হওয়ার ফলে সক্ষম ব্যক্তির কর্মহীন অবস্থাই হলো বেকারত্ব।
⇨ জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এদেশে কর্মের সুযোগ বৃদ্ধি প্রাপ্ত না হওয়ার ফলে বেকারত্ব ক্রমশ বেড়ে চলেছে।
⇨ বেকারত্ব দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং ক্রমাগতভাবে বেকার ব্যক্তিকে সুবিধা বঞ্চিত করে তোলে।  

তথ্যসূত্র:- সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৬৪.
What is the full form of BFIU?
  1. Bangladesh Financial Interchanging Unit
  2. Bangladesh Financial Interlinking Union
  3. Bangladesh Financial Intelligence Unit
  4. Bangladesh Financial International union
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Financial Intelligence Unit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Financial Intelligence Unit
ব্যাখ্যা
Bangladesh Financial Intelligence Unit:
-  BFIU full form - Bangladesh Financial Intelligence Unit.
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে ২০০২ সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য আলাদা একটি বিভাগ চালু করে।
- এভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের 'এন্টি মানি লন্ডারিং ডিপার্টমেন্ট' নামে বাংলাদেশে ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ২০০২ সালে স্থাপিত হয়।
- এন্টি মানি লন্ডারিং ডিপার্টমেন্ট এর কাজের অধিকতর স্বাধীনতা এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১২ সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে একটি আইন পাশ করা হয়।
- উক্ত আইনের ২৪ ধারা মোতাবেক ২০১২ সালের ২৫ জানুয়ারি এন্টি মানি লন্ডারিং ডিপার্টমেন্ট এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট রাখা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। [লিঙ্ক]
১,৬৬৫.
একটি হিসাব কত ধরনের জের প্রকাশ করতে পারে?
  1. ডেবিট জের
  2. ক্রেডিট জের
  3. ডেবিট, ক্রেডিট এবং শূন্য জের
  4. ডেবিট এবং ক্রেডিট জের দু'টোই
সঠিক উত্তর:
ডেবিট, ক্রেডিট এবং শূন্য জের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেবিট, ক্রেডিট এবং শূন্য জের
ব্যাখ্যা
একটি হিসাব তিন ধরনের জের প্রকাশ করতে পারে:

১. ডেবিট জের: যখন কোনো হিসাবে ডেবিট পক্ষের যোগফল ক্রেডিট পক্ষের যোগফল থেকে বেশি হয়, তখন ডেবিট জের দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, নগদান হিসাব সাধারণত ডেবিট জের দেখায়।

২. ক্রেডিট জের: যখন কোনো হিসাবে ক্রেডিট পক্ষের যোগফল ডেবিট পক্ষের যোগফল থেকে বেশি হয়, তখন ক্রেডিট জের দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, দেনাদার হিসাব সাধারণত ক্রেডিট জের দেখায়।

৩. শূন্য জের: যখন কোনো হিসাবে ডেবিট এবং ক্রেডিট পক্ষের যোগফল সমান হয়, তখন শূন্য জের দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো হিসাবের উভয় পক্ষের লেনদেন সমান হলে শূন্য জের হয়।

উৎস: হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৬৬.
বাংলাদেশের বীমা খাতের জন্য প্রণীত জাতীয় বীমা নীতি কোনটি?
  1. জাতীয় বীমা নীতি ২০১০
  2. জাতীয় বীমা নীতি ২০১২
  3. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪
  4. জাতীয় বীমা নীতি ২০১৬
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪
ব্যাখ্যা
জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪:
বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালে জাতীয় বীমা নীতি প্রণয়ন করে, যা দেশের বীমা খাতের উন্নয়ন, সুরক্ষা এবং ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে। এই নীতির লক্ষ্য বীমা খাতকে আরও শক্তিশালী করা, জনগণের আস্থা বৃদ্ধি করা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে বীমার ভূমিকা নিশ্চিত করা।
বীমাযোগ্য ঝুঁকিসমূহ নিরসনে বীমা সম্বন্ধে মানুষের সচেতনতা সৃষ্টি, বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উন্নয়ন, আর্থিক শৃংখলা বজায়, বীমা সেবা পরিচালনায় পেশাদারিত্ব সৃষ্টি এবং বীমা সেবার সাথে জড়িত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ করে বীমা খাতকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে সময়োপযোগী দিকনির্দেশনা প্রদান সম্ভব হবে।

মূল উদ্দেশ্য:
বীমা খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা।
গ্রাহকদের সুরক্ষা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করা।
দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখা।
নতুন প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী পদ্ধতি ব্যবহার করে বীমা খাতকে আধুনিক করা।
বীমার মাধ্যমে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা উন্নত করা।

উৎস: জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬৬৭.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর ধার্য করা হয় কোনটি?
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. আবগারি শুল্ক
  3. আয়কর
  4. অ্যান্টি- ডাম্পিং শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,৬৬৮.
এসডিজির কোন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বাংলাদেশের অগ্রগতি সবচেয়ে ভালো?
  1. ক) ক্ষুধামুক্তি
  2. খ) দারিদ্র্য নিরসন
  3. গ) সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ
  4. ঘ) জেন্ডার সমতা
সঠিক উত্তর:
খ) দারিদ্র্য নিরসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দারিদ্র্য নিরসন
ব্যাখ্যা
- পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ প্রকাশিত ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট : বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রতিবেদন-২০২০’ অনুসারে এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে একমাত্র ‘দারিদ্র্য নিরসনে’ বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে।
- পাঁচটি অভীষ্ট অর্জনে অবস্থা পরিমিত মাত্রায় দুর্বল তবে অগ্রসরমান।
- ছয়টি অভীষ্ট অর্জনে অবস্থান দুর্বল ও স্থবির।
- একটি অভীষ্টের (১৫-স্থল জীবন) বাস্তবায়ন খুবই খারাপ ও অবনতিশীল।
- চারটি অভীষ্টের কোন উপাত্ত পাওয়া যায়নি।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর রিপোর্ট)
১,৬৬৯.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশ সরকারের কর বহির্ভূত রাজস্ব?
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. বাণিজ্য শুল্ক
  3. মূল্য সংযোজন কর
  4. লভ্যাংশ ও মুনাফা
সঠিক উত্তর:
লভ্যাংশ ও মুনাফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লভ্যাংশ ও মুনাফা
ব্যাখ্যা
কর ব্যতীত রাজস্ব প্রাপ্তির মধ্যে রয়েছে, লভ্যাংশ ও মুনাফা, সুদ, ফি, জরিমানা, সরকারি সম্পত্তি, টোল ও লেভি, বাণিজ্যিক আয়, বিশেষ কর ইত্যাদি।

উৎসঃ অর্থনীতি ২য় পত্র-উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (এইচ এস সি প্রোগ্রাম)
১,৬৭০.
বাংলাদেশ LDC-তে অন্তর্ভুক্ত ও বের হয়ে আসার সাল যথাক্রমে -
  1. ১৯৭১ সাল ও ২০২৪ সাল
  2. ১৯৭১ সাল ও ২০২৬ সাল
  3. ১৯৭৫ সাল ও ২০২৪ সাল
  4. ১৯৭৫ সাল ও ২০২৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সাল ও ২০২৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সাল ও ২০২৬ সাল
ব্যাখ্যা
LDC:
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা- এই তিন সূচকে বিচার করা হয় একটি দেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল ধাপে উত্তরণ করবে কি না। 
- উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হতে হলে অন্তত দুটি সূচক পূরণ করতে হয় একটি দেশকে।
- স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম দেশ হিসেবে তিনটি সূচকের সব কটি পূরণ করে পরবর্তী ধাপে উন্নীত হয়েছে।
- স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত প্রথমবারের মতো পূরণ করে ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ।
- ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বের হয়ে অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের কাতারে চলে যাবে বাংলাদেশ।
- আশা করা যায়, ২০৩১ সালে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পাওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির অভিঘাতে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তা সামাল দিতে এ সময়সীমা দুই বছর বাড়ানো হয়েছে।
- ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উৎস: i) যুগান্তর, ০৪ এপ্রিল, ২০২১।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬৭১.
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. ক) হিমায়িত পণ্য
  2. খ) চিংড়ী
  3. গ) তৈরি পোশাক
  4. ঘ) কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক। 
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
• জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। • অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে  ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
•  ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
• এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - জাপানে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৬৭২.
কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ক) ২.৮ কি.মি.
  2. খ) ৩.৪ কি.মি.
  3. গ) ৩.৮ কি.মি.
  4. ঘ) ৪.১ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.৪ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.৪ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে দেশের প্রথম সুরঙ্গপথ বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মিত হচ্ছে।
- এটির দৈর্ঘ্য ৩.৪ কিলোমিটার।
- চট্টগ্রাম শহরের পতেঙ্গা ও আনোয়ারা উপজেলাকে সংযুক্ত করে এটি নির্মিত হচ্ছে।
- দীর্ঘ টানেলটি নির্মাণে মোট ব্যয় প্রায় দশ হাজার চারশ কোটি টাকা।
- এটি নির্মাণে চীনা সরকার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা করছে। চায়না কমিউনিকেন্স কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এটি নির্মাণ করছে।
- ২০২২ সালে ডিসেম্বরে এটি যান চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: সেতু কর্তৃপক্ষ ও প্রথম আলো)
১,৬৭৩.
নিচের কোনটি পরোক্ষ কর নয়?
  1. মূসক
  2. আমদানি শুল্ক
  3. বিক্রয় কর
  4. আয়কর
সঠিক উত্তর:
আয়কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়কর
ব্যাখ্যা

• ’আয়কর’ পরোক্ষ কর নয়। এটি একটি প্রত্যক্ষ কর।

• প্রত্যক্ষ কর:
⇒ কোন ব্যক্তির উপর আরোপিত কর সরকার প্রত্যক্ষভাবে আদায় করলে এবং করদাতা ঐ করের বোঝা অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে সক্ষম না হলে তাকে 
প্রত্যক্ষ কর বলে।
যেমন: আয়কর, ভূমিকর, মুনাফা কর, ব্যয়কর ইত্যাদি।

• পরোক্ষ কর:
⇒ করদাতা নিজে প্রত্যক্ষভাবে বা সরাসরি কর প্রদান না করে অন্য কোনো মাধ্যমে সরকারকে কর প্রদান করলে তাকে 
পরোক্ষ কর বলে।
যেমন: মূসক, আমদানি শুল্ক, বিক্রিয় কর, পণ্যকর ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি বই।

১,৬৭৪.
'বয়স্ক ভাতা' নিচের কোন কর্মসূচির আওতাভুক্ত?
  1. ক) সামাজিক আন্দোলন
  2. খ) সামাজিক নিরাপত্তা
  3. গ) সামাজিক সংস্কার
  4. ঘ) সামাজিক কার্যক্রম
সঠিক উত্তর:
খ) সামাজিক নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সামাজিক নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা
• 'বয়স্ক ভাতা' সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতাভুক্ত।

বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি:
- ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর (১৯৯৮ সাল) হতে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করা হয়।
- শুরুতে প্রতি ওয়ার্ডের ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- পর্যায়ক্রমে ভাতাভোগীর সংখ্যা ও ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
- সমাজের দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তি যাদের বয়স পুরুষের ক্ষেত্রে ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ৬২ বছর বা তদূর্ধ্ব তারা এ কর্মসূচির আওতায় আসতে পারেন।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ভাতাভোগীর সংখ্যা ৪৯ লক্ষ জন হতে বৃদ্ধি করে ৫৭.০১ লক্ষ জনে উন্নীত করা হয়েছে, যারা প্রত্যেকে মাসিক ৫০০ টাকা হারে ভাতা পাচ্ছেন।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
১,৬৭৫.
What is the 'Secondary Market' Concerned With?
  1. ক) Agricultural market
  2. খ) Job market
  3. গ) Labor market
  4. ঘ) Stock market
সঠিক উত্তর:
ঘ) Stock market
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Stock market
ব্যাখ্যা
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশে ২টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে। এগুলো হলো -
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪) এবং
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫)।

- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে নারায়ণগঞ্জে এবং ১৯৫৮ সালে ঢাকার মতিঝিলে স্থানান্তরিত হয়। 
- বাংলাদেশে শেয়ার মার্কেট নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) যা ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

তথ্যসূত্র:- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১,৬৭৬.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন নিচের কোন সংগঠনের স্পনসর (Sponsor) শেয়ারহোল্ডার?
  1. ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
  2. ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স পিএলসি
  3. আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি
  4. ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেড
  5. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ করে ।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ, আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড এবং লিজিং কোম্পানি, ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেড, ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, আরামিট লিমিটেড, জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো প্রতিষ্ঠানসমূহের স্পন্সর শেয়ার হোল্ডার।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৬৭৭.
SLR এর পূর্ণরূপ -
  1. Security Liquidity Ratio
  2. Solitude Liquidity Ratio
  3. Solitary Liquidity Ratio
  4. Statutory Liquidity Ratio
সঠিক উত্তর:
Statutory Liquidity Ratio
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Statutory Liquidity Ratio
ব্যাখ্যা
SLR:
- SLR এর পূর্ণরূপ: Statutory Liquidity Ratio.
- সংবিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত (SLR) আমানতের ন্যূনতম শতাংশকে বোঝায় যা বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলিকে তাদের নিজস্ব ভল্টে সোনার সম্পদ, নগদ বা সরকার- অনুমোদিত সিকিউরিটি হিসাবে বজায় রাখার জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়।
- এই আমানতগুলি ব্যাংকগুলিকে নিজেরাই বজায় রাখতে হবে এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের কাছে নয়।
- এই অনুপাত বৃদ্ধির ফলে ব্যাংকের অর্থনীতিতে অর্থ ইনজেক্ট করার ক্ষমতা হ্রাস পায়।
- এসএলআর RBI দ্বারা নির্ধারিত হয়। 

উল্লেখ্য,
- CRR (ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও) এবং SLR হল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুদ্রানীতির প্রথাগত হাতিয়ার যাতে অর্থনীতিতে ঋণ বৃদ্ধি, তারল্য প্রবাহ এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- SLR ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রণ আইন, 1949 এর ধারা 24 (2A) দ্বারা নির্ধারিত হয়েছিল।

উৎস: ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, Business Standard.
১,৬৭৮.
খুচরা ব্যবসায় স্থূল মূল্য সংযোজন (Gross Value Addition) মোট বাণিজ্য সেবার কত শতাংশ?
  1. ক) ৬৯%
  2. খ) ৬৩%
  3. গ) ৬৭%
  4. ঘ) ৬৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৩%
ব্যাখ্যা
- সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ‘হোলসেল অ্যান্ড রিটেইল ট্রেড সার্ভে-২০২১’ শীর্ষক জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
- জরিপের ভিত্তিতে ব্যবসায় সেবা হতে জাতীয় অর্থনীতিতে স্থূল মূল্য সংযোজনের পরিমাণ নিরূপণ করা হয়েছে। 
- মোট স্থূল মূল্য সংযোজন পাওয়া গেছে ৩৩৩৯৯০১ মিলিয়ন টাকা। 
- খুচরা ব্যবসা হতে সর্বোচ্চ ২০৭৭১৯৯ মিলিয়ন টাকা (৬২.৫১%) এবং পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা এবং মোটরযান, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও রিকশা মেরামত হতে সর্বনিম্ন ৪১৬৬৭১ মিলিয়ন টাকা (১২.৪৮%) স্থূল মূল্য সংযোজন ছিল। 
 
নিচের সারণিতে স্থূল উৎপাদন এবং মোট মধ্যবর্তী ভোগের পরিমাণসহ স্থূল মূল্য সংযোজনের পরিমাণ দেখানো হলো।
 
উৎস: পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায় জরিপ প্রতিবেদন ২০২১
 
১,৬৭৯.
কোন জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী?
  1. ক) যশোর
  2. খ) রংপুর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ক) যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যশোর
ব্যাখ্যা
তুলা চাষ:

- তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী যশোর
- যশোর,রংপুর,ঢাকা ও চট্টগ্রাম এই ৪টি অঞ্চলে বর্তমানে তুলা চাষ হচ্ছে।
- যশোর ও রংপুর অঞ্চলের অধীনস্থ যশোর,ঝিনাইদহ,কুষ্টিয়া,চুয়াডাঙ্গা,রংপুর ও রাজশাহী এলাকায় সবচেয়ে বেশি তুলা চাষ হয়।

তথ্যসূত্র - তুলা উন্নয়ন বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৬৮০.
ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. নারীর ক্ষমতায়ন
  2. উদ্যোক্তা সৃষ্টি
  3. উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম:
- দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে দরিদ্র মহিলাদের মধ্যে গোষ্ঠীভিত্তিক ঋণ প্রদানের একটি কর্মসূচি হিসেবে প্রথমে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- বর্তমানে  বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এবং  কর্মসংস্থান ব্যাংক-এর মতো বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৮০০-এর অধিক  এনজিও দেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

• ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য নিম্নরূপ:
১। উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ।
২। উদ্যোক্তা সৃষ্টি।
৩। নারীর ক্ষমতায়ন।

⇒ এখানে অপশন বিবেচনায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি অধিক গ্রহণযোগ্য। তার যৌক্তিকতা হল - 
• গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম মূলত নারীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।
• এ কার্যক্রম নারীর ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করে।
• স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নারীরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছে।
• এর ফলে সমাজে নারীর দৃঢ় অবস্থান প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।

⇒ তাই বলা যায় ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে নারীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আয়বর্ধক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র -  জাতীয় তথ্য বাতায়ণ এবং অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৬৮১.
অর্থনৈতিক পরিষদে বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান কত সালে অনুমোদিত হয়?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান- ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা ।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস- চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।
- আয়ের ২.৫% এর মধ্যে ২% রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে।
- বাকি ০.৫% বেসরকারি খাত থেকে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৬৮২.
বিগত অর্থবছরে বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. তৈরি পোশাক
  2. চামড়াজাত শিল্প
  3. রেমিট্যান্স
  4. পাটজাত শিল্প
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা

দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় তৈরি পোশাক রপ্তানির মাধ্যমে।
- বাংলাদেশের এটিই সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত এবং দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- তৈরি পোশাক খাতের মধ্যে নিটওয়্যার রপ্তানি হয়েছে ২১.১৫ বিলিয়ন ডলার এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৮.১৮ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয় ৮.৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের থেকে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০.৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পাটজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮২ কোটি মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৩৮৮ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার।

উৎস: i) বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
ii) প্রথম আলো।

১,৬৮৩.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কত হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ৪৮ হাজার মেগাওয়াট
  2. ৫২ হাজার মেগাওয়াট
  3. ৫৭ হাজার মেগাওয়াট
  4. ৬২ হাজার মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
৬২ হাজার মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২ হাজার মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• রূপকল্প-২০৪১:
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- ২০২১ হতে ২০৪১ অর্থবছরের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রতি বছর গড়ে ৩১০০ মেগাওয়াট বৃদ্ধির মাধ্যমে ৬২ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ।
- ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।  

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন।
১,৬৮৪.
একনেকের চেয়ারম্যান বা সভাপতি কে?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) অর্থমন্ত্রী
  4. ঘ) পরিকল্পনামন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
ক) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কাউন্সিল বা ECNEC-এর সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প সভাপতি অর্থমন্ত্রী।
অপরদিকে NEC-এর সভাপতি প্রধানমন্ত্রী এবং সহ-সভাপতি পরিকল্পনামন্ত্রী।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণী।
১,৬৮৫.
২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে সর্বোচ্চ করের হার-
  1. ক) ১৫ শতাংশ
  2. খ) ২০ শতাংশ
  3. গ) ২৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৩০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে পুরুষ আয়কর দাতাদের সাধারণ করমুক্ত আয় সীমা ৩ লক্ষ টাকা। মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতাদের করমুক্ত আয় সীমা ৩.৫ লক্ষ টাকা। প্রতিবন্ধীদের করমুক্ত আয়সীমা ৪.৫ লক্ষ টাকা। সর্বনিম্ন করহার ৫% এবং সর্বোচ্চ ২৫%।
[সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট]
১,৬৮৬.
PRSP এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. Poverty Reduction Study Project
  2. Poverty Reduction Strategy Paper
  3. Poverty Reduction Strategic Programme
  4. Poverty Reduce Strategy Partnership
সঠিক উত্তর:
Poverty Reduction Strategy Paper
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Poverty Reduction Strategy Paper
ব্যাখ্যা

দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।

তথ্যসূত্র -  বাংলাপিডিয়া।

১,৬৮৭.
BRAC এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. খ) স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  3. গ) স্যামসন এইচ চৌধুরী
  4. ঘ) ড. রেহমান সোবহান
সঠিক উত্তর:
খ) স্যার ফজলে হাসান আবেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্যার ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
- BRAC (Bangladesh Rural & Advancement Committee) বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ BRAC প্রতিষ্ঠা করেন।
- BRAC বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের নয়টির অধিক দেশে কাজ করছে।
(তথ্যসূত্র: BRAC ওয়েবসাইট)
১,৬৮৮.
বাংলাদেশে অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. পরিকল্পনা কমিশন
  2. জাতীয় বাজেট কমিটি
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহি কমিটি
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহি কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহি কমিটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।

• ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক গঠিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- চেয়ারম্যান বা প্রধান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ।
- বিকল্প সভাপতি:   স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।।
- সদস্য: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

১,৬৮৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, মূল্যস্ফীতির পরিমাণ কত?
  1. ৬.১৭%
  2. ৭.৩৯%
  3. ৮.৪৮%
  4. ৯.২৫%
সঠিক উত্তর:
৮.৪৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮.৪৮%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১,৬৯০.
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের কোন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে?
  1. ক) ক্ষুধামুক্তি
  2. খ) দারিদ্র্য নিরসন
  3. গ) সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ
  4. ঘ) জেন্ডার সমতা
সঠিক উত্তর:
খ) দারিদ্র্য নিরসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দারিদ্র্য নিরসন
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ প্রকাশিত ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট : বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রতিবেদন-২০২০’ অনুসারে এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে একমাত্র ‘দারিদ্র্য নিরসনে’ বাংলাদেশ সঠিক পথে রয়েছে।
পাঁচটি অভীষ্ট অর্জনে অবস্থা পরিমিত মাত্রায় দুর্বল তবে অগ্রসরমান।
ছয়টি অভীষ্ট অর্জনে অবস্থান দুর্বল ও স্থবির।
একটি অভীষ্টের (১৫-স্থল জীবন) বাস্তবায়ন খুবই খারাপ ও অবনতিশীল।
চারটি অভীষ্টের কোন উপাত্ত পাওয়া যায়নি।
(সূত্র: দৈনিক যুগান্তর রিপোর্ট, ২৬ আগস্ট ২০২০)
১,৬৯১.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশে সর্বমোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে -
  1. ক) ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার।
  2. খ) ১ কোটি ৩০ লক্ষ ১৩ হাজার।
  3. গ) ১ কোটি ১০ লক্ষ ৬০হাজার।
  4. ঘ) ১ কোটি ২০ লক্ষ ৩০ হাজার।
সঠিক উত্তর:
ক) ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার।
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশে সর্বমোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে- ১ কোটি ১৩ লক্ষ ৩০ হাজার।

- জাতীয় পর্যায়ে মোট কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে - ৮.০৮ মিলিয়ন বা, ৮০ লক্ষ ৮০ হাজার। 
- প্রবাসী বা, বৈদেশিক কর্মসংস্থান হবে - ৩.২৫ মিলিয়ন বা, ৩২ লক্ষ ৫০ হাজার। 
- ভিশন- ২০৪১ বাস্তবায়নে ৫টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় প্রথমটি হচ্ছে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। বাংলাদেশ ইতিমধ্যে নিম্ন মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে। ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরন ও এসডিসি বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে।  

- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেয়া হবে- 
১. কর্মসংস্থান তৈরিতে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধি তরান্বিত করা। 
২. জলবায়ুর বিরুপ প্রভাব মোকাবিলা করা। 
৩. সবার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা নিশ্চিত করা।

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২। 
  
১,৬৯২.
Chittagong Stock Exchange was inaugurated in -
  1. 1995
  2. 1996
  3. 1997
  4. 1998
সঠিক উত্তর:
1995
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1995
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:

- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।
১,৬৯৩.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি কত প্রাক্কলন করা হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৩.৩৭%
  2. ৩.৩০%
  3. ৩.২১%
  4. ২.৩১%
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৩০%
ব্যাখ্যা
স্থির মূল্যে (ভিত্তি বছর ২০১৫-১৬) তিনটি বৃহৎ খাতের প্রবৃদ্ধির হার:
কৃষি (Agriculture) খাত:
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৩.৩০% প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৩.২১%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.০৭ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

শিল্প (Industry) খাত:
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ৩.৫১% প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৬.৬৬%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী শিল্প খাতের জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৮.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৪.৮৬ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।
- রপ্তানী আয়ের সংশোধিত হিসাব অনুযায়ী রপ্তানী নির্ভর শিল্প বিশেষভাবে তৈরি পোশাক শিল্পের উৎপাদনের নিম্নগতির কারণে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে।

সেবা (Service) খাত:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি ৫.০৯% প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৫.৮০%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী সেবা খাতের জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৫.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.২৮ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
১,৬৯৪.
লিঙ্গ সমতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকার কোন ‘বন্ড’ ইস্যু করেছে?
  1. ব্লু বন্ড
  2. পার্পল বন্ড
  3. গ্রিন বন্ড
  4. অরেঞ্জ বন্ড
সঠিক উত্তর:
অরেঞ্জ বন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অরেঞ্জ বন্ড
ব্যাখ্যা
অরেঞ্জ বন্ড:
- দেশে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের পথ সহজ করা, লিঙ্গ সমতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ‘অরেঞ্জ বন্ড’ চালু করছে সরকার।

উল্লেখ্য,
- ৭ নভেম্বর, ২০২৪ বাংলাদেশে অরেঞ্জ বন্ড প্রবর্তনের বিষয়ে ‘‘রিবিল্ডিং এন ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ উইথ অরেঞ্জ বন্ড’ শিরোনামে সভাটির আয়োজনে অর্থায়ন করে সুইডিশ সরকার ও ইউএনডিপির গভর্ন্যান্স অব ক্লাইমেট চেঞ্জ ফিন্যান্স (জিসিসিএফ)।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট এক্সচেঞ্জ (আইআইএক্স) এর যৌথ আয়োজনে জলবায়ু ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মকাণ্ড সহজ করতে অরেঞ্জ বন্ড চালু করছে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

⇒ বিশ্বের অনেক দেশে প্রচলিত হলেও অরেঞ্জ বন্ডের মতো অর্থায়ন বাংলাদেশে এবারই প্রথম।
- এই নতুন ধরনের উদ্যোগ এক বিলিয়ন পর্যন্ত টেকসই বন্ড ইস্যু করে লিঙ্গ সমতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করবে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাজ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
- এই অরেঞ্জ বন্ড টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের পথ সহজ করবে।

উৎস: প্রথম আলো।
১,৬৯৫.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত কোনটি?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. ওষুধ শিল্প
  3. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  4. পোশাক শিল্প
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- পোশাক খাতের পর চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত।
- ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ৪৭৭ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানি গত ২৫ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।
- এর মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার রপ্তানি আয় এসেছে।
- গত বছরের একই মাসে যা ছিল ৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের।
- এই রপ্তানি গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় ২৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
১,৬৯৬.
বাংলাদেশে কয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে  রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১ টি । এটি হচ্ছে জীবন বীমা কর্পোরেশন । 

বাংলাদেশে বীমা প্রতিষ্ঠান
বর্তমান বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত  বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ।
১. সাধারণ বীমা কর্পোরেশন । 
২. জীবন বীমা কর্পোরেশন । 

এই দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় । 
এছাড়াও, বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি ও ৩৫ টি জীবন বীমা কোম্পানি রয়েছে।  

বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন। এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে  Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয় । 

তথ্যসূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, জীবন বীমা কর্পোরেশন  ওয়েবসাইট ।
১,৬৯৭.
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম ইপিজেড:

- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড ‘চট্টগ্রাম ইপিজেড' ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড' ঢাকার সাভারে ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের বর্তমানে সরকারি ইপিজেড-এর সংখ্যা ৮টি এবং বেসরকারি ইপিজেড ১টি।
- 'কোরিয়ান ইপিজেড' চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত দেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড।।

তথ্যসুত্র - বেপজা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৬৯৮.
বিশ্বব্যাংক কবে বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে?
  1. ১ জুন ২০১৪
  2. ১ জুন ২০১৫
  3. ১ জুলাই ২০১৫
  4. ১ জুলাই ২০১৬
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই ২০১৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ:
- বিশ্বব্যাংকের মতে মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১০৪৫ মা, ডলারের অধিক হওয়ায় ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে ঘোষণা করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ২,৯৬১ মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৬৯৯.
ব্যাংকিং-এ RTGS হলো -
  1. সুদের হার নির্ণয় পদ্ধতি
  2. পেমেন্ট প্রক্রিয়া
  3. ডলার বিনিময় পদ্ধতি
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পেমেন্ট প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেমেন্ট প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
RTGS:
- RTGS-এর পূর্ণরূপ: Real Time Gross Settlement.
- অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটালাইজেশন উদ্যোগের অংশ হিসাবে নিরাপদ, সুরক্ষিত এবং দক্ষ আন্তঃব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমের সুবিধার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৯শে অক্টোবর ২০১৫ তারিখে রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (BD-RTGS) সিস্টেম চালু করে।
- এটি একটি পেমেন্ট প্রক্রিয়া।
- এই পেমেন্ট প্রক্রিয়াটি ইকোসিস্টেমে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
- এই পেমেন্ট প্রক্রিয়াটি দেশে বৃহৎ মূল্য এবং সময় সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থপ্রদানের তাৎক্ষণিক নিষ্পত্তি করে।
 
উল্লেখ্য,
- একটি ইলেকট্রনিক সিস্টেম হিসাবে, এটি একটি ব্যাংকের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য ব্যাংকে রিয়েল-টাইমে এবং মোট ভিত্তিতে তহবিল স্থানান্তর নিশ্চিত করে৷
- এখানে রিয়েল-টাইম লেনদেনগুলির জন্য কোন সময়ের প্রয়োজন নেই।
- লেনদেনগুলি কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে নিষ্পত্তি করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৭০০.
বাংলাদেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে -
  1. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  2. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  3. ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  4. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মাধ্যমে জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে তাকে এজেন্ট ব্যাংক বলা হয়।
- এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা দেয়া হচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা-সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।
- ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- যে কারণে ১৭ জানুয়ারি এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- মুন্সীগঞ্জ জেলার জৈনসার ইউনিয়নে প্রথম এজেন্ট আউটলেট খোলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে ব্রাজিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।