বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা ১৫ / ১৯ · ১,৪০১১,৫০০ / ১,৮৬১

১,৪০১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান কত?
  1. ১৩.০২%
  2. ১১.০২%
  3. ১৪.০২%
  4. ১৫.০২%
সঠিক উত্তর:
১১.০২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.০২%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।

উল্লেখ্য, 
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।

- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।

- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

সূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৪০২.
পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মাথাপিছু আয় কত? [জুন, ২০২৫]
  1. ২৭২০ মার্কিন ডলার
  2. ২৮২০ মার্কিন ডলার
  3. ২৬৫০ মার্কিন ডলার
  4. ২৮৬৫ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ৮২০ মার্কিন ডলার।
- এই মাথাপিছু আয় এ যাবৎকালের রেকর্ড।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য দিয়েছে।
- গত অর্থবছরের চেয়ে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৮২ ডলার।
- গত অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২৭৩৮ ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১,৪০৩.
বাংলাদেশ কবে 'Least Developed Countries' হতে উত্তরণ করবে?
  1. ২০২৯ সালে
  2. ২০২৮ সালে
  3. ২০২৭ সালে
  4. ২০২৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা
• LDC (Least Developed Countries):
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC হতে উত্তরণ করবে।
- LDC হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এ পর্যন্ত মোট ৬টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
- অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উৎস: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৪০৪.
Letter of Credit  (LC) is a banking instrument used for
  1. ক) Foreign remittance
  2. খ) Money transfer
  3. গ) Export-Import
  4. ঘ) Loan security
সঠিক উত্তর:
গ) Export-Import
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Export-Import
ব্যাখ্যা
LC:

- এলসি হল আমদানিকারকের পক্ষে এবং রপ্তানিকারকের অনুকূলে আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য পরিশোধের নিশ্চয়তা।
- আমদানিকারকের পক্ষে এবং রপ্তানিকারকের অনুকূলে আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য পরিশোধের নিশ্চয়তা প্রদান করে আমদানিকারকের ব্যাংক যে পত্র ইস্যু করে তাকে প্রত্যয়পত্র বা এলসি বলে
১,৪০৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী কৃষি খাতে বনজ সম্পদ ও সহায়ক সেবার প্রবৃদ্ধি কত?
  1. ৪.১৬%
  2. ৫.১৬%
  3. ৬.১৬%
  4. ৭.১৬%
সঠিক উত্তর:
৫.১৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.১৬%
ব্যাখ্যা
কৃষিখাত:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী কৃষিখাতে বনজসম্পদ ও সহায়ক সেবার প্রবৃদ্ধি হার- ৫.১৬%।
- জিডিপি নির্ণয়ের সুবিধার্থে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রধানত তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।

• এগুলো হলো:
- কৃষিখাত
- শিল্পখাত ও
- সেবাখাত।
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবাখাত ও ছােট খাত - কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎ খাত - কৃষিখাত এবং ছােট খাত -শিল্পখাত।


তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৪০৬.
EPB এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Export Policy Board
  2. Export Promotion Board
  3. Export Promotion Bureau
  4. External Product Bureau
সঠিক উত্তর:
Export Promotion Bureau
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Export Promotion Bureau
ব্যাখ্যা

ইপিবি : 
- ​রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
​- EPB এর পূর্ণরূপ  Export Promotion Bureau.
​- মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পদাধিকার বলে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। 
​- ইপিবির ভাইস-চেয়ারম্যান (প্রধান নির্বাহী) পরিচালনা পর্ষদেরও ভাইস-চেয়ারম্যান যিনি পর্ষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেন।
​- ১৯৬২ সালে ইপিবি সরকারি সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। 

​উৎস: EPB ওয়েবসাইট।

১,৪০৭.
গ্রামীণ ব্যাংক কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে 
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে 
ব্যাখ্যা

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামের অতি স্বল্প জমির মালিক, ভূমিহীন এবং অন্যান্য অতি দরিদ্র নারী-পুরুষের মাঝে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো গ্রামীণ ব্যাংক।
- জনসাধারণকে এ ব্যাংক ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে।
- ১৯৮৩ সালে একটি বিশেষ অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংক আত্মপ্রকাশ করে। 
- এটি সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংক নয়।
-আইনত এর প্রধান মালিক হচ্ছেন এর দরিদ্র ত্রিশ লক্ষ গ্রাহকবৃন্দ।

• গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যাবলি ও অবদান:
১। সহজ শর্তে ঋণ প্রদান:
- গ্রামীণ ব্যাংক গ্রামের ভূমিহীন ও দরিদ্র কৃষকদেরকে জামানত ছাড়াই সহজ শর্তে ঋণ দেয়।

২। কৃষি উন্নয়নে ভূমিকা:
- শাকসবজি চাষ, গাভী পালন, হাঁস-মুরগি পালন, মৎস্য চাষ ও জমি চাষাবাদে ঋণ প্রদান করে।

৩। মহাজনের উপর নির্ভরতা হ্রাস:
- কৃষকদের চড়া সুদের মহাজনি ঋণ থেকে মুক্তি দেয়।

৪। অকৃষি খাতে সম্পৃক্তকরণ:
- গ্রামীণ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে (যেমন: বাঁশ-বেত, বিড়ি, সাবান, কাপড়, মিষ্টি তৈরি ইত্যাদি) ঋণ ও উপকরণ সরবরাহ করে।

৫। পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ:
- ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করে।


তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেনী।

১,৪০৮.
২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে দ্বিতীয় সর্বাধিক আমদানি করে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) জাপান
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভারত
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, 
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে - চীন থেকে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে - ভারত।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে - জাপান।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩
১,৪০৯.
কোন সূচক দ্বারা একটি দেশের মূল্যস্ফীতি পরিমাপ করা হয়?
  1. GDP
  2. GNP
  3. CPI
  4. WPI
  5. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
CPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPI
ব্যাখ্যা

একটি দেশের মূল্যস্ফীতি বা পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা পরিমাপের প্রধান সূচক হলো ভোক্তা মূল্য সূচক বা CPI (Consumer Price Index)।

CPI:
- CPI-এর পূর্ণরূপ: Consumer Price Index.
- ভোক্তা বা খুচরা গ্রাহকের পর্যায়ে নিত্যপণ্যের দামের পরিবর্তন পরিমাপ করে, যা সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকরী সূচক।
- একটি দেশের মূল্যস্ফীতি বা পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা পরিমাপের প্রধান সূচক হলো ভোক্তা মূল্য সূচক বা CPI (Consumer Price Index)।
- এটি সাধারণ মানুষের ব্যবহার করা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার খুচরা মূল্যের পরিবর্তনের মাধ্যমে জীবনযাত্রার খরচের ওপর ভিত্তি করে মূল্যস্ফীতি নির্ণয় করে।

উল্লেখ্য, মূল্যস্ফীতি:
- সাধারণত সামগ্রিক দামস্তরের বৃদ্ধিকে মূল্যস্ফীতি বলে।
- মূল্যস্ফীতি বলতে এমন একটি অবস্থা বুঝায় যে, একই পরিমান দ্রব্য বা সেবা ক্রয় করতে পূর্বের তুলনায় বেশি পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়।
- অর্থাৎ বলা যায় যে, মূল্যস্ফীতি হলে অর্থের মূল্য কমে যায়।
- সাধারণত কোন একটি দেশের অর্থনীতিতে যখন অর্থের যোগান বৃদ্ধির ফলে দ্রব্য সামগ্রীর কার্যকর চাহিদা বাড়ে অথচ সে তুলনায় দ্রব্য ও সেবার উৎপাদন যদি না বাড়ে তখন দেশের সামগ্রিক দামস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এই সময় অর্থের মূল্য তথা জনগনের ক্রয় ক্ষমতা ক্রমশ হ্রাস পেতে থাকে এবং অর্থনীতিতে এর বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি হয়।
- অর্থাৎ, যখন দেশে প্রচলিত অর্থের পরিমাণ উৎপাদিত মোট দ্রব্যসামগ্রীর তুলনায় অধিক হয় এবং তার ফলে দ্রব্যমূল্য বা দামস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে সে অবস্থাকেই 'মুদ্রাস্ফীতি' (Inflation) বলা হয়।

• মূল্যস্ফীতির পরিমাপ পদ্ধতি:
(i) ভোক্তার দাম সূচক (Consumer Price Index ),
(ii) উৎপাদকের দাম সূচক (Producer Price Index),
(iii) উৎপাদনের অবমূল্যায়ন সূচক (Production Devaluation Index)।

অন্যদিকে,
- GDP (Gross Domestic Product): দেশের মোট উৎপাদনের মান পরিমাপ করে, মূল্যস্ফীতি নয়।
- GNP (Gross National Product): নাগরিকদের মোট আয় পরিমাপ করে।
- WPI (Wholesale Price Index বা পাইকারি মূল্য সূচক): পাইকারি বা উৎপাদক পর্যায়ে মূল্য পরিবর্তন পরিমাপ করে। কিছু দেশে (যেমন ভারতের আগে) WPI ব্যবহার হতো, কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ দেশে (বাংলাদেশ সহ) CPI-কে প্রধান সূচক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪১০.
আধুনিক অর্থনীতিবিদদের মতে খাজনা নির্ধারিত হয় কী দ্বারা?
  1. জমির চাহিদা দ্বারা
  2. জমির পরিমাণ দ্বারা
  3. মূলধন দ্বারা
  4. জনসংখ্যার দ্বারা
সঠিক উত্তর:
জমির চাহিদা দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির চাহিদা দ্বারা
ব্যাখ্যা
খাজনা
উৎপাদন ক্ষেত্রে নিযুক্ত উপাদানের সুযোগ ব্যয় অপেক্ষা বাড়তি উপার্জিত আয়কে খাজনা বলে।

খাজনা নির্ধারণ
খাজনা নির্ধারণ সম্পর্কে প্রধান দুটি মতবাদ আছে। এগুলো হলো-
(১) রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্ব এবং
(২) আধুনিক খাজনা তত্ত্ব।

⇒ রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্ব অনুসারে খাজনা হলো জমির উৎপন্নের সেই অংশ যা জমির মৌলিক ও অবিনশ্বর শক্তি ব্যবহারের জন্য জমির মালিককে প্রদান করতে হয়। চাহিদার তুলনায় জমির স্বল্পতার কারণে খাজনা দেখা দেয়। বিভিন্ন জমির মধ্যে উর্বরতার পার্থক্যের কারণে নিকৃষ্ট জমি অপেক্ষা উৎকৃষ্ট জমিতে খাজনা দেখা দেয়। অবস্থানগত দিক থেকে নিকৃষ্ট জমির তুলনায় উৎকৃষ্ট জমিতে তারতম্যমূলক খাজনা দেখা দেয়। খাজনা হলো অনুপার্জিত আয় ।

⇒ আধুনিক খাজনা তত্ত্ব অনুসারে জমির খাজনা জমির চাহিদা ও যোগান দ্বারা নির্ধারিত হয়।

উৎস:
অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১১.
প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের মোট বাণিজ্যিক জ্বালানির শতকরা কত ভাগ পূরণ করে থাকে?
  1. ক) ৪৮ ভাগ
  2. খ) ৬০ ভাগ
  3. গ) ৭১ ভাগ
  4. ঘ) ৮৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) ৭১ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭১ ভাগ
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের বাণিজ্যিক জ্বালানির প্রায় ৭১ ভাগ পূরণ করে থাকে।
খাত অনুযায়ী প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
- বিদ্যুৎ উৎপাদন : ৪৩.২৮ শতাংশ
- শিল্পখাত : ১৫.৭৯ শতাংশ
- গৃহস্থালি : ১৫.২৫ শতাংশ
- ক্যাপটিভ : ১৫.১২ শতাংশ
- সার উৎপাদন : ৫.৫৪ শতাংশ
- সিএনজি : ৪.১৬ শতাংশ
- বাণিজ্যিক : ০.৭৬ শতাংশ
- চা বাগান : ০.১০ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-১৩৮)

১,৪১২.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP) কত সালে প্রণয়ন করে?
  1. ২০০৩ সাল
  2. ২০০১ সাল
  3. ২০০৫ সাল
  4. ২০০৯ সাল
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সাল
ব্যাখ্যা

দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।
- ২০০৮ সালে সম্পাদিত পিআরএসপি-২ এর সরকার বদলের ফলে কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ সরকার ২০১৫ সালে দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP) প্রণয়ন করে।

উৎস: IMF .

১,৪১৩.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক কোনটি?
  1. এবি ব্যাংক পিএলসি
  2. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  3. ব্র্র্যাক ব্যাংক পিএলসি
  4. যমুনা ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
এবি ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবি ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

এবি ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক এবি ব্যাংক পিএলসি।
- ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর এবি ব্যাংক পিএলসি আত্মপ্রকাশ করে।
- শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্যে আরব বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচিতি নিয়ে ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।
- ব্যারিষ্টার খায়রুল আলম চৌধুরী এবি ব্যাংক পিএলসি. -এর সম্মানিত চেয়ারম্যান।

উৎস: এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।

১,৪১৪.
রূপকল্প-২০৪১ এ প্রত্যাশিত গড় আয়ু কত বছর?
  1. ৭৫ বছর
  2. ৭৭ বছর
  3. ৮০ বছর
  4. ৮২ বছর
সঠিক উত্তর:
৮০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ বছর
ব্যাখ্যা
রূপকল্প-২০৪১:
- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেন কমিটির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- সুশাসন, জনগণের সক্ষমতা ও ক্ষমতায়ন হবে এই অগ্রযাত্রার মূলমন্ত্র।

উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
- দারিদ্র্য দূরীকরণ।
- ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৮০ বছর।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,৪১৫.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৬ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৩ বছর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
১,৪১৬.
জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন গণনায় নিচের কোনটি পরিমাপ করা হয়?
  1. সরকারি ও বেসরকারি মোট আয়
  2. প্রাথমিক দ্রব্য ও সেবার মূল্য
  3. চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য
  4. শুধু দেশীয় নাগরিকদের আয়
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য
ব্যাখ্যা

মোট দেশজ উৎপাদন:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত (includes) হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে, তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি (includes) থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- অর্থাৎ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪১৭.
নিচের কোনটি অবচয়ের বৈশিষ্ট্য?
  1. অনগদ ব্যয়
  2. আনুমানিক ব্যয়
  3. অদৃশ্য ব্যয়
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
অবচয়:
- কোন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত স্থায়ী সম্পত্তি ব্যবহার, কালের আবর্তন, অপ্রচলন, সরাসরি ভোগ, বাজার মূল্যের স্থায়ী পতন ইত্যাদি দৃশ্যমান বা অদৃশ্য কারনে সম্পত্তির গুণ, পরিমাণ ও মূল্যের যে হ্রাস ঘটে তাকে অবচয় বলা হয়।
- অবচয়ের ইংরেজী প্রতিশব্দ Depreciation ল্যাটিন শব্দ Depretium হতে উদ্ভূত হয়েছে।
- Depretium শব্দের অর্থ মূল্য হ্রাস।
- অর্থাৎ সম্পত্তি ব্যবহারের ফলে যে পরিমাণ মূল্য হ্রাস ঘটে তাকে অবচয় বলে।
- আধুনিক হিসাববিজ্ঞানে অবচয়কে একটি বণ্টন প্রক্রিয়া বলা হয়।
- অন্যান্য খরচের মত অবচয়ও একটি খরচ এবং প্রতিষ্ঠানের লাভ-লোকসান হিসাবে ডেবিট করা হয়।

অবচয়ের বৈশিষ্ট্য:
১. সম্পত্তির ব্যবহারজনিত ব্যয় (Expenditure due to uses of assets): মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য অর্জিত সম্পত্তি ব্যবহারের জন্য যে ব্যয় নির্ধারিত হয় তাই অবচয়। মুনাফা নির্ণয়ের জন্য অবচয় অন্যান্য ব্যয়ের মত লাভ-লোকসান হিসাবে ডেবিট করা হয়।
২. মূলধনজাতীয় ব্যয়ের মুনাফাজাতীয় ব্যয়ে রূপান্তর (Transformation of capital expenditure into revenue expenditure): সম্পত্তি অর্জন ব্যয় একটি মূলধনজাতীয় ব্যয়। ইহার অংশ বিশেষ অবচয় হিসাবে মুনাফাজাতীয় ব্যয়ে রূপান্তর করা হয়।
৩. অনগদ ব্যয় (Non-cash expenditure): অবচয় একটি মুনাফাজাতীয় ব্যয় কিন্তু মূলধনজাতীয় ব্যয়ের অংশ বিশেষ। অবচয়ের জন্য চলতি বছরের কোন অর্থ ব্যয় করতে হয় না। তাই অবচয়কে একটি অনগদ ব্যয় বলা হয়।
৪. আনুমানিক ব্যয় (Estimated expense): অভিজ্ঞতা ও সম্পত্তির আনুমানিক কার্যকর জীবনকালের ভিত্তিতে অবচয় নির্ণয় করা হয়। তাই অবচয় একটি আনুমানিক ব্যয়।
৫. অদৃশ্য ব্যয় (Non-visible expense) : প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ব্যয়ের মত অবচয় দৃশ্যমান নয়। তবে সম্পত্তির কার্যক্ষমতার হ্রাস পাওয়া বুঝা যায়।
৬. তহবিলের উৎস (Sources of fund): অবচয় সরাসরি কোন তহবিল সৃষ্টি না করলেও অবচয় অনগদ ব্যয় বিধায় প্রতিষ্ঠান ঐ পরিমাণ নগদ অর্থ ধরে রাখার সুযোগ পায়। এই যুক্তিতে অনেক হিসাববিজ্ঞানী অবচয়কে তহবিলের উৎস বলে থাকেন।

উৎস: হিসাববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১৮.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা কতটি? 
  1. ১টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

ব্যাংক:
 - অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫।

১,৪১৯.
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. গাজীপুর
  4. জামালপুর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
ব্যাখ্যা
যমুনা সার কারখানায়:
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৪২০.
ভিজিএফ কী?
  1. আশ্রয়ন সহায়তা
  2. দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা
  3. খাদ্য ও অর্থ সহায়তা
  4. আবাসন সহায়তা
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা
ব্যাখ্যা

মানবিক সহায়তা কর্মসূচি:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এবং কৃষি ক্ষেত্রে কর্মহীন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে।
- এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
(১) দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)
(২) খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)

⇒ দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ):
- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা:
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।

১,৪২১.
বাংলাদেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রটি অবস্থিত-
  1. ক) শাহবাজপুর
  2. খ) জকিগঞ্জ
  3. গ) বিয়ানীবাজার
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) জকিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জকিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র ২৮টি।
- দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রটি সিলেটের জকিগঞ্জে আবিষ্কৃত হয়।
১,৪২২.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মোট আকার নির্ধারণ করা হয়েছে -
  1. ২,২৬,০০০.০০ কোটি টাকা
  2. ২,৩০,০০০.০০ কোটি টাকা
  3. ২,৩৪,০০০.০০ কোটি টাকা
  4. ২,৫৬,০০০.০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
২,৩০,০০০.০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৩০,০০০.০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

ADP:
- ADP-এর পূর্ণরূপ: Annual Development Programme.
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) হলো বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের কৌশল ও লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা। স্বাধীনতা লাভের পর থেকে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের এডিপি'র আকার ছিল ৫০১ কোটি টাকা।
- ৫৩ বছরের ব্যবধানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মোট আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৩০,০০০.০০ কোটি (জিওবি ১,৪৪,০০০.০০ কোটি ও প্রকল্প ঋণ/অনুদান ৮৬,০০০.০০ কোটি) টাকা।
- এছাড়া, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা/কর্পোরেশন এর নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পসমূহের অনুকূলে বরাদ্দকৃত ৮,৫৯৯.৭১ কোটি টাকাসহ মোট এডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২,৩৮,৫৯৯.৭১ কোটি টাকা।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ৯২ মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ২,৮২০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।

১,৪২৩.
'ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন' কত সালে জাতীয় সংসদে পাস হয়?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন:
- বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই আইনটি প্রণীত হয়।
- এর মাধ্যমে ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড কে একটি স্বতন্ত্র ও আইনগত স্বীকৃত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- যা প্রবাসী কর্মীদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক সেবা প্রদান করে থাকে।
- 'ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন' ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদে পাস হয়।
- আইনটি বোর্ডের গঠন, দায়িত্ব ও কার্যক্রম নির্ধারণ করে। এতে বোর্ডের সদস্য সংখ্যা, তাদের নিয়োগ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে।
- আইনটি ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার ফান্ডের গঠন, ব্যবস্থাপনা ও ব্যয়ের দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
- প্রবাসী কর্মীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য বোর্ডকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড ওয়েবসাইট।

১,৪২৪.
কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু হয়-
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯২৩ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
• কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি:
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার ফুড ফর ওয়ার্ক বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু হয়।
- এ কর্মসূচির তাৎক্ষণিক লক্ষ্য ছিল পল্লী অঞ্চলের মানুষের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি।
- এবং একইসাথে অভাবগ্রস্ত এলাকাগুলিতে খাদ্যশস্যের সরবরাহ ও প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ।
১,৪২৫.
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রধান পণ্য কোনটি?
  1. পাট ও পাটজাত পণ্য
  2. চা
  3. হিমায়িত চিংড়ি
  4. তৈরি পোষাক
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোষাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোষাক
ব্যাখ্যা
রপ্তানি বাণিজ্য:

- একক দেশ হিসেবে হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত তৈরি পোষাক।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।

তথ্যসূত্র - রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
১,৪২৬.
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির সর্বশেষ স্কিম কোনটি? [মে, ২০২৪]
  1. প্রত্যয়
  2. সমতা
  3. প্রগতি
  4. প্রবাস
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন:
- দেশের মানুষের জন্য সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনা।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৫টি স্কিম রাখা হয়েছে। এগুলো হলো যথাক্রমে-
• প্রবাস স্কিম,
• প্রগতি স্কিম,
• সুরক্ষা,
• সমতা স্কিম,
• প্রত্যয়।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মচারী বা ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক এতে অংশ নিতে পারবেন।
- অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা নিজ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যেমন- কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেল, তাঁতিরা এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে।
- দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের ব্যক্তিরা (যাদের বর্তমান আয়সীমা বছরে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা) এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।
 
তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, ১৭ আগস্ট, ২০২৩ ও বিবিসি নিউজ, ২১ মার্চ ২০২৪।
১,৪২৭.
'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' অবস্থিত-
  1. ক) ফরিদপুরে
  2. খ) চাঁদপুরে
  3. গ) ময়মনসিংহে
  4. ঘ) গাজীপুরে
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহে
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত। 
- এটি কার্যক্রম শুরু করে ১৯৮৪ সালে।
- ২০২০ সালে গবেষণায় একুশে পদক লাভ করে।

- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট অবস্থিত চাঁদপুরে।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- নদীর মৎস্য কেন্দ্র অবস্থিত চাঁদপুরে।
- নদী গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত ফরিদপুরে।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,৪২৮.
জনতা ব্যাংকের পূর্বের নাম কী ছিলো?
  1. ক) জনতা বহুমুখী ব্যাংক
  2. খ) ইউনাইটেড ব্যাংক
  3. গ) জনতা কমার্স ব্যাংক
  4. ঘ) সমবায় ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
খ) ইউনাইটেড ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউনাইটেড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
জনতা ব্যাংক:

- জনতা ব্যাংকের পূর্বের নাম ছিলো ইউনাইটেড ব্যাংক। 

- জনতা ব্যাংক লিমিটেড  বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক
- ২০০৪-০৫ সালে গৃহীত Enterprise Growth and Bank Modernization Project (EGBMP)।শীর্ষক রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক সংস্কার কর্মসূচির ভিত্তিতে এবং বিদ্যমান কোম্পানি আইন মোতাবেক ‘জনতা ব্যাংক লিমিটেড’ গঠন করা হয়। 
- ১৫ নভেম্বর ২০০৭ তারিখ থেকে জনতা ব্যাংক লিমিটেড-এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকায় একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে ২৭টি বিভাগ রয়েছে

অন্যদিকে,
- অবিভক্ত বাংলায় সমবায় সমিতি ও কৃষক পর্যায়ে ঋণ প্রদানের লক্ষ্যে সরকারী উদ্যোগে ১৯২২ সালে সমবায় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস - বাংলাপিডিয়া।
১,৪২৯.
কোন আদিবাসী সম্প্রদায় পাবর্ত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বাইরে বসবাস করে?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
হাজং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজং
ব্যাখ্যা
• হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পাবর্ত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বাইরে বসবাস করে - হাজং।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।

- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এটি তারা নিজেদের মধ্যেই ব্যবহার করে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৪৩০.
ইলিশ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত তম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রথম
ব্যাখ্যা
ইলিশ মাছ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম।
বিশ্বের মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৮৬ ভাগ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়। ২০১৮-১৯ সময়ে দেশে ইলিশের মোট উৎপাদরে পরিমাণ ছিলো প্রায় ৫.৩৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
‘ওয়ার্ল্ড ফিশ’ প্রকাশিত ২০২০ সালে রিপোর্ট অনুসারে বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনে,
- প্রথম : বাংলাদেশ : ৮৬ শতাংশ
- দ্বিতীয় : ভারত : ১০.৫ শতাংশ
- তৃতীয় : মিয়ানমার : ৩ শতাংশ।
(সূত্রঃ মৎস্য অধিদপ্তর এবং প্রথম আলো রিপোর্ট)
১,৪৩১.
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গৃহীত হয় কোন সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- কিন্তু ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)। (বাতিল করা হয়েছে)

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

১,৪৩২.
নিম্নের কোন প্রক্রিয়ায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সহায়তা প্রদান করা হয়?
  1. ভিজিএফ
  2. টি. আর
  3. ক ও খ
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
• ভিজিএফ:
- সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
- প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
- এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

• টি. আর:
- দুর্যোগকালে দরিদ্র মানুষকে জরুরি নগদ অর্থ হিসেবে টিআর সহায়তা প্রদান করা হয়।

এছাড়াও,
• পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ):
- পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) পল্লীর দরিদ্র সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, আয় উৎসারী ও সামাজিক উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান, সঞ্চয় আহরণ, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি ও কর্মসৃজন, নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী পুরুষের সমতা বিধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

• ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ):
- দেশের পল্লী অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র কৃষক ও প্রান্তিক কৃষক পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন তথা দারিদ্র্য বিমোচনই ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (এসএফডিএফ) এর প্রধান লক্ষ্য।
- বর্তমানে ৩৬টি জেলার ২০০টি উপজেলায় এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
- ফাউন্ডেশনের আওতায় ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত সময়ে গ্রাম পর্যায়ে ৯,৬২২ টি কেন্দ্র গঠনের মাধ্যমে ২,৬৮,৯৩৭ জন পুরুষ/মহিলাকে সদস্যভুক্ত করা হয়েছে।
- ফাউন্ডেশনের সুফলভোগীদের শতকরা ৯৪ ভাগই মহিলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৪৩৩.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. বরিশাল
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- ১৯৬০ সালে খ্যাতনামা শিল্পোদ্যোক্তা জনাব আব্বাস খলিলি'র নেতৃত্বে সর্বপ্রথম একটি প্রকল্প আকারে তৈল শোধনাগার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। 
- ১৯৬৩ কোম্পানী আইন ১৯১৩ অনুসারে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী হিসেবে নিবন্ধিত  হয়। 
- ১৯৬৮ সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। 
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
-বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।

উৎস: ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড  এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৪৩৪.
বাংলাদেশে প্রথম মূল্য সংযোজন কর চালু হয় -
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ১৯৯২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয় - ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।

• মূল্য সংযোজন কর:

- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান।
১,৪৩৫.
নিচের কোনটি সরকারের কর বহির্ভূত রাজস্বের উৎস?
  1. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান
  2. চিড়িয়াখানা
  3. কোর্ট ফিস
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ বর্ণিত সবগুলো।

• করবহির্ভূত রাজস্ব (Non-Tax Revenue): 

- সরকার কর ও শুল্ক ছাড়া আরও অনেক উৎস হতে রাজস্ব সংগ্রহ করে।
- এই উৎসগুলো থেকে অর্জিত রাজস্বকে করবহির্ভূত রাজস্ব বলে।

→ সরকারের করবহির্ভূত রাজস্বের উৎসসমূহ হলো-
- সরকার তার মালিকানাধীন বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- যেমন- ব্যাংক, বিমা কোম্পানি এবং অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- যেমন- রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠান, পার্ক, চিড়িয়াখানা।
- সরকার জনগণকে প্রশাসনিক সেবা প্রদানের জন্য বিভিন্ন প্রকার ফি আদায় করে থাকে।
- যেমন- কোর্ট ফিস।
- সরকার তার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দ্বারা জনগণকে সেবা প্রদান করে থাকে।
- এ সেবাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আমদানি-রপ্তানি আইনের আওতায় প্রাপ্ত;
- ফিস, বাণিজ্য সংস্থা ও কোম্পানিসমূহ হতে প্রাপ্ত রেজিস্ট্রেশন ফিস, বিমা আইনের আওতায় প্রাপ্তি ও সমবায় সমিতিসমূহের অডিট ফিস, সমবায় সমিতি রেজিস্ট্রেশন ও নবায়ন ফিস ।

এছাড়াও
- ভাড়া ও ইজারা,
- টোল ও লেভি।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৪৩৬.
বাংলাদেশে বর্তমানে কতটি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৪৩টি
  2. ৫৯টি
  3. ৬১টি
  4. ৬২টি
সঠিক উত্তর:
৬২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ব্যাংক ব্যবস্থা:
- বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো তফসিলভুক্ত (Scheduled) ও অ-তফসিলভুক্ত (Non-Scheduled) ব্যাংক হিসেবে দুই ভাগে বিভক্ত।

তফসিলভুক্ত ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত ব্যাংক, যা ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ ও ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে ৬২টি তফসিলভুক্ত ব্যাংক রয়েছে। 

অ-তফসিলভুক্ত ব্যাংক:
- বিশেষ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক, যা তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
১,৪৩৭.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয় -
  1. ১ জুন, ১৯৯০
  2. ১ জুলাই, ১৯৯০
  3. ১ জুন, ১৯৯১
  4. ১ জুলাই, ১৯৯১
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয়: ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়: ১৫%।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর: ১৫%।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর: ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১,৪৩৮.
বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা

মুক্ত বাজার অর্থনীতি:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতি হচ্ছে সেই অর্থনীতি যেখানে ব্যক্তি মালিকানা এবং ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবাদকে স্বীকার করা হয়।
- বাংলাদেশে ১ জানুয়ারি, ১৯৯১ মুক্তবাজার অর্থনীতি চালু হয়।

মুক্ত বাজার অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য:
- মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে রাষ্ট্রীয় খাতের ক্রমাগত লোকসান বন্ধ হবে;
- ব্যক্তিগত সম্পত্তির স্বীকৃতি;
- মুক্তবাজার অর্থনীতি ব্যক্তিস্বার্থ নির্ভর বিধায় এ অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতার উৎপত্তি হয় এবং প্রতিযোগিতার ফলে সর্বনিম্ন দরে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদনে নিশ্চয়তা আসে;
- ভোক্তার সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত হয়;
- মুক্তবাজার অর্থনীতির ফলে আমদানী ব্যয় এবং রপ্তানী আয় বৃদ্ধি পায়;
- ভর্তুকি, কর-রেয়াত ইত্যাদি না থাকার ফলে রাষ্ট্রের অর্থ-সাশ্রয় হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৩৯.
মানব সম্পদ উন্নয়নের অপরিহার্য উপাদান হলো -
  1. স্বাস্থ্যসেবা
  2. শিক্ষা
  3. কর্মসংস্থান
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মানব সম্পদ উন্নয়নের উপাদানসমূহ:
- সম্পদ মূলত আংশিকভাবে জ্ঞানগত এবং আংশিকভাবে অর্জিত।
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অপরিহার্য উপাদানই হচ্ছে মানব সম্পদ।
- মানব সম্পদ ছাড়া উন্নয়নের অপরাপর উপাদান অকেজো হয়ে পড়ে।
- মানব সম্পদ যেহেতু আংশিকভাবে অর্জিত, সেহেতু তার উন্নয়ন সম্ভব এবং সম্পদে রূপান্তরিত করতে বিভিন্ন চিন্তাবিদ ভিন্ন ভিন্ন শর্ত আরোপ করেছেন যা মানব সম্পদ উন্নয়ন উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

⇒ মানব সম্পদ উন্নয়ন মূলত একটি প্রক্রিয়া।
- মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনার কার্যাবলির ফলে কর্মী তার কাজ করে এবং এর উপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্ঠান তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করে।

⇒ অর্থনীতিবিদ Gunar Myrdal মানব সম্পদ উন্নয়নে আটটি অপরিহার্য উপাদানের কথা উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হলো:
- স্বাস্থ্য সুবিধা;
- শিক্ষা;
- খাদ্য ও পুষ্টি;
- দক্ষতা;
- জনসংযোগ মাধ্যম;
- কর্মসংস্থান;
- পরিবহন;
- শক্তি ভোগ (Power Resources; বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি ইত্যাদি)।

উৎস: শিক্ষা এবং উন্নয়ন, স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৪০.
দেশের নবম সরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) কোথায় নির্মিত হচ্ছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. সিলেট
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. পটুয়াখালী
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

ইপিজেড - 
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪১০.৭৮ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে দেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)। 
- ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪৪২.৭৮ কোটি টাকা। 
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
 বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

সূত্র- বেপজা ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১,৪৪১.
According to the BBS Survey report 2022, which division identified as the highest poverty rate?
  1. Khulna division
  2. Rangpur division
  3. Rajshahi division
  4. Barishal division
  5. Sylhet division
সঠিক উত্তর:
Barishal division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Barishal division
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
- ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ। 
- দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল।
 
অন্যদিকে -
- বরিশাল বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৬.৯%।
- রংপুর বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.৮%। 
- ময়মনসিংহ বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.২%।
- ঢাকা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৯%।
- সিলেট বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৪%।
- রাজশাহী বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৬.৭%।
- চট্টগ্রাম বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৫.৮%। 
- খুলনা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৪.৮%।
 
উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
১,৪৪২.
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান ২১০০–এ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জলবায়ু ঝুঁকি বিবেচনায় দেশকে মোট কয়টি হটস্পটে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
  5. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

১,৪৪৩.
বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের মেয়াদ কত বছর?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
- তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৪৪৪.
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট কয়টি বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩৫টি
  2. ৩৬টি
  3. ৪৬টি
  4. ৮২টি
সঠিক উত্তর:
৮২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২টি
ব্যাখ্যা

বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলো হলো: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট। [link]
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। 

১,৪৪৫.
When Bangladesh launched its own currency?
  1. ক) 3 March 1972
  2. খ) 7 March 1972
  3. গ) 4 March 1972
  4. ঘ) 17 March 1972
সঠিক উত্তর:
গ) 4 March 1972
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 4 March 1972
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:

- বাংলাদেশে নিজস্ব মুদ্রা চালু হয় ৪ মার্চ ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম একই ধরনের। তবে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র।
- ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়। ১ টাকার ও ১০০ টাকার নোট
- ১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কথাটি স্থান পায় এবং তাতে স্বাক্ষর  করেছিলেন সে সময়ের অর্থসচিব কে এ জামান। 
- ১০০ টাকার নকশায় দেখা যায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  ছবি এবং  তাতে লেখা থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০০ টাকার ব্যাংক নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকে  প্রথম গভর্নর এ এন হামিদ উল্ল্যাহ্ স্বাক্ষরিত।
- ৪ মার্চ ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো পালিত হয়েছে ‘টাকা দিবস’

উৎস - দৈনিক প্রথম আলো, ০৪ মার্চ,২০২১।
১,৪৪৬.
বাংলাদেশে কখন থেকে বয়স্কভাতা চালু হয়?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু হয়- ১৯৯৮ সালে।
- এই কর্মসূচি প্রাথমিকভাবে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর অংশ হিসেবে শুরু করা হয়, যা দেশের দরিদ্র ও প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
তবে, 
বাংলাদেশে - ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়।
-------------------------- 

• বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারি ভাতা:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০১৩ সালে প্রণীত বাস্তবায়ন নীতিমালা সংশোধন করে যুগোপযোগীকরণ, অধিক সংখ্যক মহিলাকে ভাতা কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে মহিলাদের বয়স ৬৫ বছর থেকে কমিয়ে ৬২ বছর নির্ধারণ, উপকারভোগী নির্বাচনে স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ এবং ডাটাবেইজ প্রণয়ন।

সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে গৃহীত উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম: 
- সরকার ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচির জন্য মোট ৯০০৮.৮১ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করেছে, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় শতকরা ৭.১৩ ভাগ বেশি।

- চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৫৮.০১ লক্ষ জন, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৫.৭৫ লক্ষ জন, এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীর সংখ্যা ১.০০ লক্ষ জন।

- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ২৩.৬৫ লক্ষ জন হতে ২৯.০০ লক্ষ জনে উন্নীত করা হয়েছে এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ৮৫০ টাকা।  

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।
১,৪৪৭.
কোনটি তালিকাভুক্ত তফসিলী ব্যাংক নয়?
  1. জনতা ব্যাংক
  2. অগ্রণী ব্যাংক
  3. রূপালী ব্যাংক
  4. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে। যথা:
১। তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
- বর্তমানে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬২টি। যথা:
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: ১টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

২। অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- বর্তমানে অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
১. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
২. কর্মসংস্থান ব্যাংক,
৩. গ্রামীণ ব্যাংক,
৪. জুবিলি ব্যাংক,
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৪৪৮.
আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর কত শতাংশ?
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ৩০%
  4. ৩৩%
সঠিক উত্তর:
১৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫%
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,৪৪৯.
‘আবগারি শুল্ক’ কোন ধরনের কর?
  1. প্রত্যক্ষ কর
  2. পরোক্ষ কর
  3. আয়কর
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
যে সমস্ত কর পণ্যের ওপর ধার্য করা হয় এবং যে সমস্ত করের বোঝা অন্যের উপর স্থানান্তর করা যায় তাকে পরোক্ষ কর বলে।
যেমন-- আমদানি শুল্ক, রপ্তানি শুল্ক, আবগারি শুল্ক, মাদক শুল্ক, ভ্যাট ইত্যাদি।
অন্যদিকে, আয়কর, মুনাফা কর, করপোরেশন কর, ব্যয় কর ইত্যাদি প্রত্যক্ষ কর।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর অর্থনীতি (২য় পত্র) বই, প্রঃ মোস্তাফিজুর রহমান।
১,৪৫০.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  3. গ) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
খ) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- সংস্থাটির নিয়ন্ত্রক পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
- সংস্থাটির কাজ হচ্ছে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, নীতি নির্ধারণের জন্য অর্থনৈতিক খাতসমূহের উপাত্ত সংগ্রহ, সম্পাদনা, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ এবং সকল প্রকার পরিসংখ্যান কর্মসূচি- আদমশুমারি, কৃষিশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি, শিল্প-কারখানা শুমারি ও স্থাপনা শুমারি পরিচালনা।

১,৪৫১.
দেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. ব্র্যাক ব্যাংক
  2. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  3. এক্সিম ব্যাংক
  4. ব্যাংক এশিয়া
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা:
- বিশ্বের প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছিল ব্রাজিলে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা– সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।
- ওই নীতিমালার ওপর ভিত্তি করে দেশে ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- তারা পরীক্ষামূলকভাবে মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু করে।
- ওই উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের ব্যবসায়ী ইসলাম শেখকে প্রথম এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করে ব্যাংকটি।

সম্প্রতি,
- বাংলাদেশ ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে যে, দেশের ব্যাংকগুলোর এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার ন্যূনতম অর্ধেক বা ৫০ শতাংশ নারী এজেন্ট নিশ্চিত করতে হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১,৪৫২.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে কোন দেশ সহায়তা করছে?
  1. ক) চীন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা
পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে রাশিয়া কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করছে।
রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে সহায়তা করছে। জ্বালানি সরবরাহ করবে রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।
এটির উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট। মোট ব্যয় প্রায় ১২.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে রাশিয়া সরকার ঋণ দিচ্ছে ১১.৪ বিলিয়ন ডলার। ২০২৩ সালে কেন্দ্রটি চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
(সূত্র: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড)
১,৪৫৩.
দেশের বর্তমান মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কে?
  1. ক) মাসুদ আহমেদ
  2. খ) ড. আবদুর রউফ
  3. গ) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী
  4. ঘ) ফাতিমা ইয়াসমিন
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
দেশের বর্তমান ১২তম মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) হলেন মোহাম্মদ ‍মুসলিম চৌধুরী।
তিনি গত ১৭ জুলাই ২০১৮ দেশের ১২তম সিএজি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
(সূত্র: মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কার্যালয় ওয়েবসাইট)
১,৪৫৪.
বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. ড. আখতার হামিদ খান
  3. ড. রেহমান সোবহান
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

১,৪৫৫.
বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন ধরনের?
  1. ধনতান্ত্রিক
  2. সমাজতান্ত্রিক
  3. মিশ্র অর্থব্যবস্থা
  4. ইসলামী অর্থব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
মিশ্র অর্থব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশ্র অর্থব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

মিশ্র অর্থব্যবস্থা (Mixed Economic System):
- বাংলাদেশের অর্থনীতি মিশ্র অর্থনীতি।

- ধনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার সংমিশ্রণই হচ্ছে মিশ্র অর্থব্যবস্থা।
- মিশ্র অর্থব্যবস্থা এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদন, ভোগ, বণ্টন ইত্যাদি অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে স্বয়ংক্রিয় বাজার ব্যবস্থার সাথে সাথে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সংমিশ্রণ ঘটে।
- এ ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অনেক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত ব্যক্তি বা ফার্ম বাজার ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ে থাকে।
- আবার সরকারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বর্তমান সময়ে কোন অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই বিশুদ্ধ ধনতান্ত্রিক বা বিশুদ্ধ সমাজতান্ত্রিক নয়।
- অধিকাংশ গণতান্ত্রিক দেশসমূহে এ দু’ধরনের অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যসমূহ দেখা যায়।

• মিশ্র অর্থনীতি-
- যুক্তরাজ্য,
- কানাডা,
- জাপান,
- ভারত,
- বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে একটি সমাজ উৎপাদন, সম্পদের বন্টন ও বিনিময় এবং দ্রব্য ও সেবার ভোগ এসবের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে।

• বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- ধনতান্ত্রিক বা বাজার অর্থব্যবস্থা।
- সমাজতান্ত্রিক বা নির্দেশমূলক অর্থব্যবস্থা।
- মিশ্র অর্থব্যবস্থা।
- ইসলামী অর্থব্যবস্থা।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৫৬.
প্রথম গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ জারি করা হয়ছিল -
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- প্রথম গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ ১৯৮৩ সালে জারি করা হয়েছিল। এই অধ্যাদেশটি গ্রামীণ ব্যাংককে একটি স্বাধীন ব্যাংক হিসেবে কাজ করার জন্য জাতীয় আইন দ্বারা অনুমোদন দেয়।  ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- এই নারীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে উন্নত জীবনে এগিয়ে গেছে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি।
- গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

উৎস: i) গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১,৪৫৭.
‘বীমা কর্পোরেশন বিল ২০১৯' জাতীয় সংসদে পাস হয়
  1. ক) ৩০ এপ্রিল ২০১৯
  2. খ) ২৮ এপ্রিল ২০১৯
  3. গ) ২০ এপ্রিল ২০১৯
  4. ঘ) ২৫ এপ্রিল ২০১৯
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০ এপ্রিল ২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০ এপ্রিল ২০১৯
ব্যাখ্যা
• বীমা কর্পোরেশন বিল:
- বীমা কর্পোরেশন বিল ২০১৯ জাতীয় সংসদে পাস হয় ৩০শে এপ্রিল, ২০১৯
- অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
- স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ সময় বৈঠকে সভাপতিত্ব করছিলেন। 

তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর
১,৪৫৮.
বাংলাদেশ কয়টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। 
- এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়েছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ২০২০-২০২৫।
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৪৫৯.
কর বহির্ভূত রাজস্বের উৎস -
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. লভ্যাংশ ও মুনাফা
  3. মুল্য সংযোজন কর
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
লভ্যাংশ ও মুনাফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লভ্যাংশ ও মুনাফা
ব্যাখ্যা
আয়ের উৎস:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

• কর রাজস্ব:
- কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মুল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

• কর বহির্ভূত রাজস্বের প্রধান:
১। লভ্যাংশ ও মুনাফা,
২। সুদ,
৩। প্রশাসনিক রাজস্ব,
৪। রেলওয়ে,
৫। ডাক বিভাগ,
৬। সেবা বাবদ প্রাপ্তি,

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৬০.
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন:
- জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে 'পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা করা হয়: ১৯৯৯ সালে।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র - পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

১,৪৬১.
বর্তমানে মাতৃত্বকালীন ভাতার পরিমাণ কত? (মার্চ-২০২৬)
  1. ৮০০ টাকা
  2. ৭০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৯০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৮০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০০ টাকা
ব্যাখ্যা

মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী
- মাতৃত্বকাল ভাতা কর্মসূচী মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত।
- এটি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় দরিদ্র মায়েদের জন্য।
- কর্মসূচির লক্ষ্য: মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং আগামী প্রজন্মের মানসম্মত বিকাশ।
- গ্রামীণ এলাকার প্রায় ৭ লক্ষ ৭০ হাজার দরিদ্র গর্ভবতী মায়ের জন্য ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- লক্ষ্য বয়স: শিশুর জন্ম থেকে ৪ বছর পর্যন্ত।
- গুরুত্ব দেওয়া হয়: শিশুর পুষ্টি, মনো-সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ।
- উদ্দেশ্য: মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার হ্রাস, শীর্ণকায় ও খর্বাকার শিশুর সংখ্যা কমানো।
- কর্মসূচি শুরু হয়েছে ২০০৭-২০০৮ অর্থবছর থেকে।
- বর্তমানে ৪২৬টি উপজেলায় কার্যক্রম চলমান।
- ভাতা: একজন দরিদ্র গর্ভবতী মা প্রথম বা দ্বিতীয় সন্তানের জন্য ৩৬ মাসে ৮০০ টাকা। (২০২৫-২৬ অর্থবছর)
- ভাতা প্রদানের পাশাপাশি বছরে ৫ দিন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করা হয় মা ও শিশুর পুষ্টি, মনো-সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ বিষয়ক।
- সদর দফতর থেকে অর্থবছরের শুরুতে বরাদ্দ প্রাপ্তির ভিত্তিতে ইউনিয়ন কমিটির মাধ্যমে ভাতাভোগী নির্বাচন করা হয়।
- ভাতা প্রদান হয় তিনমাস অন্তর।
- সরকারের লক্ষ্য: ২০২৬ সালের মধ্যে ০–৪ বছরের ৫০% শিশু, অর্থাৎ ৬৫ লক্ষ শিশুকে কর্মসূচির আওতায় আনা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪৬২.
What is the GDP growth rate according to Economic Survey 2023?
  1. 5.07%
  2. 6.03%
  3. 6.08%
  4. 7.02%
সঠিক উত্তর:
6.03%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6.03%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:

- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী প্রতি বর্গ কিমি জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১৫৩ জন।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল - ৭২.৩ বছর।
- দারিদ্র্যের হার ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- সাক্ষরতার (৭+) হার- ৭৬.৪%।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার- ১.৩০%।
- পুরুষ-মহিলা অনুপাত - ৯৮.১ : ১০০।
- স্থির মূল্যে GDP প্রবৃদ্ধির হার - ৬.০৩%।
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭০,৪১৪ টাকা (২,৭৬৫ মা.ড)।
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু GDP - ২,৫৯,৯১৯ টাকা।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৪৬৩.
ন্যাশনাল কার্ড স্কিম 'টাকা পে' উদ্বোধন করা হয় -
  1. ৭ নভেম্বর, ২০২৩
  2. ৫ নভেম্বর, ২০২৩
  3. ৩ নভেম্বর, ২০২৩
  4. ১ নভেম্বর, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নভেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
টাকা পে কার্ড:
- ১ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে এই ডেবিট কার্ডের উদ্বোধন হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে চালু হয়েছে ‘টাকা পে’ কার্ড।
- এটি ভিসা, মাস্টারকার্ড ও অ্যামেক্সের মতো আন্তর্জাতিক কার্ড সেবার একটি স্থানীয় বিকল্প।

- প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংক, বেসরকারি খাতের দি সিটি ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক টাকা পে কার্ড সেবা চালু করেছে।
- টাকা পে কার্ডের লেনদেন নিষ্পত্তি হবে শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ অব বাংলাদেশ (এনপিএসবি)–এর মাধ্যমে। 

- ভবিষ্যতে টাকা পে কার্ড ভারতেও ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
- শুরু থেকেই দেশের সব এটিএম, পয়েন্টস অব সেলস ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে।
- এই কার্ডের নিরাপত্তায় ব্যবহার করা হচ্ছে ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৪৬৪.
বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে -
  1. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  2. অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি
  3. ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  4. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
ব্যাখ্যা

এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মাধ্যমে জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে তাকে এজেন্ট ব্যাংক বলা হয়।
- এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা দেয়া হচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা-সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।
- ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- যে কারণে ১৭ জানুয়ারি এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- মুন্সীগঞ্জ জেলার জৈনসার ইউনিয়নে প্রথম এজেন্ট আউটলেট খোলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে ব্রাজিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১,৪৬৫.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে -
  1. আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি
  2. ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি
  3. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  4. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যাংকিং:
- ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা দিয়ে থাকে তাকে এজেন্ট ব্যাংক বলা হয়।
- এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা দেয়া হচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা-সংক্রান্ত নীতিমালা জারি হয়: ৯ ডিসেম্বর, ২০১৩ সাল।
- বাংলাদেশ ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু হয়: ১৭ জানুয়ারি, ২০১৪ সাল।
- দেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংক চালু করে: ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- যে কারণে ১৭ জানুয়ারি এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- প্রথম এজেন্ট আউটলেট: জৈনসার ইউনিয়ন, মুন্সীগঞ্জ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
১,৪৬৬.
ECNEC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Executive Council of National Economic Committee
  2. Economic Committee of National Executive Council
  3. Executive Committee of the National Economic Council 
  4. Executive Council of the National Economy
সঠিক উত্তর:
Executive Committee of the National Economic Council 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Executive Committee of the National Economic Council 
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- একনেক গঠিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- চেয়ারম্যান বা প্রধান: সরকার প্রধান বা প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী।
- সদস্য: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী , পররাষ্ট্রমন্ত্রী , শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী  ।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

১,৪৬৭.
সর্বজনীন পেনশন স্কিমের পঞ্চম স্কিম কোনটি?
  1. প্রত্যয়
  2. সমতা
  3. প্রগতি
  4. প্রবাস
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন:
- দেশের মানুষের জন্য সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনা।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৫টি স্কিম রাখা হয়েছে। এগুলো হলো যথাক্রমে-
• প্রবাস স্কিম,
• প্রগতি স্কিম,
• সুরক্ষা স্কিম,
• সমতা স্কিম,
• প্রত্যয় স্কিম।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মচারী বা ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক এতে অংশ নিতে পারবেন।
- অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা নিজ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যেমন- কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেল, তাঁতিরা এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে।
- দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের ব্যক্তিরা (যাদের বর্তমান আয়সীমা বছরে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা) এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ডেইলি স্টার, ১৭ আগস্ট, ২০২৩ ও বিবিসি নিউজ, ২১ মার্চ ২০২৪।
১,৪৬৮.
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ):
- দারিদ্র্য বিমোচন সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও সর্বাধিক অগ্রাধিকার প্রাপ্ত একটি কার্যক্রম।
- এই কার্যক্রমকে সফলভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে “পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)” প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

⇒ পিডিবিএফ সৃষ্টির গোড়ায় ছিল আরডি-২ আরপিপি, আরডি-১২ প্রকল্প এবং পল্লী বিত্তহীন কর্মসূচী।
- ১৯৮৪ সাল থেকে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) কানাডিয়ান সিডার আর্থিক ও কারিগরী সহায়তায় এ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করে আসছিল।
- সরকারী সেক্টরে এগুলিই সর্বপ্রথম বিত্তহীন কল্যাণ প্রোগ্রাম যা পরবর্তীতে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) নামে একটি স্বশাসিত স্থায়ী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে।

⇒ মাইক্রোফাইনেন্স আন্দোলনে দেখানো হয়েছে যে আর্থিক পন্য তাদের কিছু চাহিদা প্রদান করলেও একটি সমৃদ্ধ বাজার দারিদ্র্যের ভিতর আছে। দরিদ্ররা যে কোন অথনীতিতে একটি সক্রিয় গ্রুপ। পিডিবিএফ দেখিযেছে যে তাদের চাহিদা পূরন করানোর পাশাপাশি সহায়ক প্রতিষ্ঠান লাভবান ও হতে পারে। পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋন এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋন (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

উৎস: পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

১,৪৬৯.
আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর কত?
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৩০%
সঠিক উত্তর:
১৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫%
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,৪৭০.
ECNEC এর বিকল্প সভাপতি কে?
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  3. বাণিজ্য মন্ত্রী
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
১,৪৭১.
মুদ্রাস্ফীতি হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে -
  1. ক) অর্থের মূল্য ক্রমাগত হ্রাস পায়
  2. খ) অর্থের মূল্য বৃদ্ধি পায়
  3. গ) দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়
  4. ঘ) ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ
ব্যাখ্যা
মূল্যস্ফীতির ধারনা
• সাধারণত সামগ্রিক দামস্তরের বৃদ্ধিকে মূল্যস্ফীতি বলে।
• মূল্যস্ফীতি বলতে এমন একটি অবস্থা বুঝায় যে, একই পরিমান দ্রব্য বা সেবা ক্রয় করতে পূর্বের তুলনায় বেশি পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। অর্থাৎ বলা যায় যে, মূল্যস্ফীতি হলে অর্থের মূল্য কমে যায়।
• যখন দেশে প্রচলিত অর্থের পরিমাণ উৎপাদিত মোট দ্রব্যসামগ্রীর তুলনায় অধিক হয় এবং তার ফলে দ্রব্যমূল্য বা দামস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে সে অবস্থাকেই ‘মুদ্রাস্ফীতি’ (Inflation) বলা হয়। 

তথ্যসূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৭২.
বর্তমানে দেশে কয়টি অ-তফসিলী ব্যাংক রয়েছে?
  1. ৪৩টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে।
- যথা:
১। তফসিলী ব্যাংক: যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। 
২। অ-তফসিলী ব্যাংক: যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
• মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত)।
এর মধ্যে –
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৪৭৩.
বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া বিশ্ব বাজারে কী নামে পরিচিত?
  1. ক) বেঙ্গল গ্রেড
  2. খ) কুষ্টিয়া গ্রেড
  3. গ) ঝিনাইদহ গ্রেড
  4. ঘ) রংপুর গ্রেড
সঠিক উত্তর:
খ) কুষ্টিয়া গ্রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুষ্টিয়া গ্রেড
ব্যাখ্যা
কুষ্টিয়া গ্রেড - বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়ার নাম।
• বাংলাদেশের প্রথম গবাদি পশুর ভ্রুণ বদল করা হয় - ৫ মে, ১৯৯৫।
• বাংলাদেশ গবাদি পশু গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত - ঢাকার সাভারে।
• দুগ্ধজাত সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত লাহিড়ীমোহন হাট অবস্থিত - পাবনায়।
• বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্র (সরকারি) অবস্থিত - করমজল, সুন্দরবন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং কৃষি শিক্ষা-একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৪৭৪.
Commercial Banks in Bangladesh are regulated under The Bank Companies Act of -
  1. Bank Company Act, 1972
  2. Bank Company Act, 1991
  3. Bank Company Act, 2003
  4. Bank Company Act, 2013
সঠিক উত্তর:
Bank Company Act, 1991
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bank Company Act, 1991
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- যে ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত গ্রহণ ও ঋণদান করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে। 
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনানুসারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশে ৬টি রাষ্ট্রয়াত্ত, ৪৩টি বেসরকারি ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যাবলী:
- আমানত গ্রহণ,
- অর্থ উত্তোলনের সুযোগ
- ঋণদান,
- বিনিয়োগ,
- ঋণ আমানত সৃষ্টি,
- বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি,
- মূলধন গঠন,
- বিল বাট্টাকরণ,
- কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সহায়তা দান,
- অর্থ স্থানান্তর,
- তথ্য সরবরা,
- পরামর্শ প্রদান,
- আধুনিক প্রযুক্তিগত সেবা প্রদান,
- আর্থিক সচ্ছলতার সনদ প্রদান,
- অর্থ ও সম্পদের নিরাপত্তা,
- অর্থ আদায় ও পরিশোধ,
- বৈদেশিক বাণিজ্যে সহায়তা,
- সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয়,
- অবলেখক হিসেবে কাজ,
- অছি হিসেবে কাজ,
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধি,
- গোপনীয়তা রক্ষা।

উৎস: i) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৪৭৫.
বর্তমানে দেশে অর্থনীতির খাত কয়টি রয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ১৬ টি
  2. ১৫ টি
  3. ১৯ টি
  4. ২০ টি
সঠিক উত্তর:
১৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ টি
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা – কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

• ১৯টি খাত: -
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি্
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস : অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০২৪।
১,৪৭৬.
বাংলাদেশ ব্যাংক কবে প্রথম ‘এক হাজার টাকা’র নোট প্রচলন করে?
  1. ক) ২০০৬ সালে
  2. খ) ২০০৭ সালে
  3. গ) ২০০৮ সালে
  4. ঘ) ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা
২০০৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম ১০০০ টাকার নোট প্রচলন করে।
- ১৯৭২ সালে ১, ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট প্রচলন হয়।
- ১৯৭৫ সালে : ৫০ টাকার নোট
- ১৯৭৭ সালে : ৫০০ টাকার নোট
- ১৯৮০ সালে : ২০ টাকার নোট
- ১৯৮৯ সালে : ২ টাকার নোট
- ২০২০ সালে : ২০০ টাকার নোট।
(সূত্র: প্রথম আলো)
১,৪৭৭.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (SDF) হার কত? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৮ শতাংশ
  2. ৮.৫ শতাংশ
  3. ৯ শতাংশ
  4. ৯.৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ):
- স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) হার ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি বিভাগ ১৫ জুলাই, ২০২৫ এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে।
- সার্কুলারে বলা হয়েছে, মুদ্রানীতি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে এবং তারল্য ব্যবস্থাপনা সুসংহত করার লক্ষ্যে নীতি সুদহার কমিয়ে ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এছাড়া, নীতি সুদহার করিডরের ঊর্ধ্বসীমা স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ১১.৫ শতাংশ এবং ওভার নাইট রেপো নীতি সুদহার ১০ শতাংশ অপরিবর্তিত আছে।
- এই সিদ্ধান্ত ১৬ জুলাই, ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]
১,৪৭৮.
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে 'ডাচ ডিজিজ' (Dutch Disease) শব্দটি কোন সেক্টরের ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত?
  1. কৃষি
  2. পোশাক শিল্প
  3. পর্যটন শিল্প
  4. জনসংখ্যা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
পোশাক শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোশাক শিল্প
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে 'ডাচ ডিজিজ' (Dutch Disease) শব্দটি পোশাক শিল্প ঝুঁকির সাথে সম্পর্কিত।
• অর্থনীতির পরিভাষায় 'ডাচ ডিজিজ' (Dutch Disease) বলতে এমন একটি পরিস্থিতিকে বোঝায় যেখানে কোনো দেশের একটি নির্দিষ্ট খাতের (সাধারণত প্রাকৃতিক সম্পদ বা কোনো প্রধান রপ্তানি পণ্য) অত্যধিক উন্নতির ফলে অন্য খাতগুলো  অবহেলিত হয় বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
-  বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক (RMG) শিল্প থেকে। এভাবে শুধু একটি খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

• ডাচ ডিজিজ’ (Dutch Disease):
- ‘ডাচ ডিজিজ’ (Dutch Disease) হলো একটি অর্থনৈতিক ধারণা।
- সহজভাবে বলতে গেলে, ডাচ ডিজিজ হলো এমন একটি অর্থনৈতিক ঘটনা, যা ঘটে যখন কোনো দেশের জন্য ভালো কোনো খবর থাকে; যেমন- কোনো প্রাকৃতিক সম্পদের আবিষ্কার।
- কিন্তু এর ফলে নিকট ভবিষ্যতে দেশটির অর্থনীতির উপর ইতিবাচক প্রভাব না পড়ে নেতিবাচক প্রভাবেরই প্রসার ঘটে।
- এক্ষেত্রে এমন কোনো সীমিত পরিমাণের বস্তুর (প্রাকৃতিক সম্পদ) ওপর অধিক নির্ভরশীল হয়ে ওঠে একটি দেশের অর্থনীতি।
- আর সীমিত কোনো সম্পদের উপর নির্ভরশীলতা কোনো দেশের জন্য সবসময়ই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

উল্লেখ্য,
- সর্বপ্রথম ১৯৭৭ সালে ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ ম্যাগাজিনে ‘ডাচ ডিজিজ’ শব্দের প্রয়োগ করা হয়।
- ম্যাগাজিনটি মূলত ১৯৫৯ সালে নেদারল্যান্ডসে প্রাকৃতিক গ্যাসের বিশাল এলাকা আবিষ্কৃত হওয়ার পর সেখানে কীরকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, তা ব্যাখা করার জন্য এটি ব্যবহার করে।
- সেই সময়ে প্রাকৃতিক গ্যাস এবং তেলের অতিরিক্ত রপ্তানি শুরু হয়। ফলে নেদারল্যান্ডসের আয় অতিরিক্ত বেড়ে যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও ডেইলি স্টার।

১,৪৭৯.
বাংলাদেশ সরকার গৃহীত প্রথম দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্রের মেয়াদ কোনটি?
  1. ২০০২-২০০৫
  2. ২০০৩-২০০৬
  3. ২০০৪-২০০৭
  4. ২০০৫-২০০৮
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৮
ব্যাখ্যা
দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র:
- 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র)।
- আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহীত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP।
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
- উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
১,৪৮০.
নিম্নের কোনটি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় নয়?
  1. দারিদ্র্য
  2. দুর্নীতি
  3. কার্বন নিঃসরণ
  4. বেকারত্ব
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি জিরো তত্ত্বের আলোচ্য বিষয় দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।

থ্রি জিরো তত্ত্ব:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।  
- এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
১,৪৮১.
কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঝিনাইদহ
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
- কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ঢাকার সাভারে অবস্থিত একটি সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানে উন্নত জাতের ষাঁড়ের জাত উন্নয়ন এবং পশুখাদ্য বিষয়ে গবেষণা করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার ওয়েবসাইট)
১,৪৮২.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. নুরুল হুদা
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  3. রেহমান সোবহান
  4. এম.এল. কোরেশী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না।

⇒ ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

উৎস: i) ২৫ আগস্ট ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) ১ এপ্রিল ২০১২, বিবিসি বাংলা।
১,৪৮৩.
‘সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা’ অনুযায়ী গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য জিডিপি-র কত শতাংশ বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ১%
  2. খ) ২%
  3. গ) ৩%
  4. ঘ) ৪%
সঠিক উত্তর:
ক) ১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১%
ব্যাখ্যা
‘সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা’ অনুযায়ী গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য জিডিপি-র ১ শতাংশ বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। সূত্র-পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১,৪৮৪.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এর দশম লক্ষ্য কোনটি?
  1. বৈষম্য হ্রাস
  2. বিশুদ্ধ পানি
  3. ন্যায়বিচার
  4. টেকসই শহর
সঠিক উত্তর:
বৈষম্য হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈষম্য হ্রাস
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):

- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ।
- SDGS-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) রয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১) দারিদ্র্য নির্মূল।
২) ক্ষুধামুক্তি।
৩) সুস্বাস্থ।
৪) মানসম্মত শিক্ষা।
৫) লিঙ্গ সমতা।
৬) বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন।
৭) সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
৮) উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।
৯) শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো।
১০) বৈষম্য হ্রাস।
১১) টেকসই শহর ও জনগণ।
১২) পরিমিত ভোগ ও উৎপান।
১৩) জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ।
১৪) সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান।
১৫) স্থলভাগের জীবন।
১৬) শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান।
১৭) অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

তথ্যসূত্র - SDG অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৪৮৫.
ডাক বিভাগ প্রবর্তিত ডিজিটাল আর্থিক সেবা কোনটি?
  1. ক) ইউক্যাশ
  2. খ) নগদ
  3. গ) পরিচয়
  4. ঘ) রকেট
সঠিক উত্তর:
খ) নগদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নগদ
ব্যাখ্যা
ডাক বিভাগ প্রবর্তিত মোবাইল আর্থিক সেবা হলো নগদ। ২০১৯ সালের ২৬শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে নগদ সেবা উদ্বোধন করেন।
রকেট, বিকাশ ও ইউক্যাশ হলো যথাক্রমে ডাচ বাংলা ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও ইউসিবিএল ব্যাংক প্রবর্তিত মোবাইল আর্থিক সেবা। পরিচয় হলো নির্বাচন কমিশনের ভেরিফিকেশন গেটওয়ে।
(সূত্র: নগদ ও প্রথম আলো)
১,৪৮৬.
বাংলাদেশে সরকারের পক্ষ হয়ে মুদ্রানীতি ঘোষণা করে কোন সংস্থা?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. সোনালী ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি (Monetary policy):
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নীতি গ্রহণ করা হয়, তাকে মুদ্রানীতি বলে।
- মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে ওই দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক কর্তৃপক্ষ।
- সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।
- এ জন্য দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে—এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য নীতি ঠিক করা হয়।
- বাজারে মুদ্রার সরবরাহ পরিস্থিতি দিয়েই মূলত এটি ঠিক করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- ২০২৫ সালের জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত সময়ের এ মুদ্রানীতিতে চড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রাখা ঘোষণা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর—এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।

⇒ ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম মুদ্রানীতি দেওয়া হয়। তখন বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করত বাংলাদেশ ব্যাংক।
- পরে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ফজলে কবির বছরে একবার মুদ্রানীতি প্রণয়নের ঘোষণা দেন।
- পরের কয়েক বছর এমনই ছিল।
- পরে ২০২৩ সাল থেকে আবার বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণার রীতিতে ফিরে যায় বাংলাদেশ।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,৪৮৭.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৬.৫%
  2. খ) ৭.৫%
  3. গ) ৮.৫%
  4. ঘ) ৯.৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ৭.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭.৫%
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:

- ২০২২-২৩ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস হয় ৬ জুন, ২০২৩।
- জিডিপির আকার -৫০,০৬,৭৮২ কোটি টাকা।
- অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.৫%।
- বাজেটের আকার ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৪৮৮.
ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য -
  1. উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ
  2. উদ্যোক্তা সৃষ্টি
  3. নারীর ক্ষমতায়ন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম:
- দরিদ্র জনগোষ্ঠী, বিশেষ করে দরিদ্র মহিলাদের মধ্যে গোষ্ঠীভিত্তিক ঋণ প্রদানের একটি কর্মসূচি হিসেবে প্রথমে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- বর্তমানে  বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি), রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এবং  কর্মসংস্থান ব্যাংক-এর মতো বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৮০০-এর অধিক  এনজিও দেশে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

• ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য নিম্নরূপ:
১। উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ।
২। উদ্যোক্তা সৃষ্টি।
৩। নারীর ক্ষমতায়ন।

⇒ এখানে অপশন বিবেচনায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি অধিক গ্রহণযোগ্য। তার যৌক্তিকতা হল - 
• গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম মূলত নারীদের লক্ষ্য করে পরিচালিত হয়।
• এ কার্যক্রম নারীর ক্ষমতায়নকে ত্বরান্বিত করে।
• স্ব-কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নারীরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠছে।
• এর ফলে সমাজে নারীর দৃঢ় অবস্থান প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।

⇒ তাই বলা যায় ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করার মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে নারীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং আয়বর্ধক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র -  জাতীয় তথ্য বাতায়ণ এবং অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৪৮৯.
বাংলাদেশে ভ্যাট (VAT) চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯১
  3. ১৯৯২
  4. ১৯৯৩
সঠিক উত্তর:
১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১
ব্যাখ্যা

• ভ্যাট:
- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
 - বাংলাদেশের ভ্যাট চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।

তথ্যসূত্র: NBR ওয়েবসাইট।

১,৪৯০.
’বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচি চালু করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সাল
  2. ১৯৯৮ সাল
  3. ১৯৯৫ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
ব্যাখ্যা
• বয়স্ক ভাতা :
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
- বয়স্কভাতা চালু হয়- ১৯৯৮ সালের এপ্রিল থেকে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর- সমাজসেবা অধিদফতর।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

উৎস: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
১,৪৯১.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক শুমারি:
- বাংলাদেশে ১৯৮৬ সালে প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনা করে।
- ১৯৮৬ সালের ২৭-২৯ ডিসেম্বর দেশজুড়ে এ শুমারি পরিচালনা করা হয়।
- সেবার এর শিরোনাম ছিল ‘Census on Non-Farm Economic Activities and Disabled Persons’।
- ওই বছরের শুমারিতে যেসব প্রতিষ্ঠান এবং খানা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড করত, সেগুলোকে শুমারির আওতায় আনা হয়েছিল।
- তবে কৃষি খানাগুলোকে শুমারির আওতায় রাখা হয়নি।

উৎস: পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
১,৪৯২.
এ পর্যন্ত বাংলাদেশ কয়টি দীর্ঘমেয়াদি বা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
ব্যাখ্যা
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ২টি দীর্ঘমেয়াদি বা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। 
- প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল ছিল ২০১০-২০২১। 
- উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সুষম ও সমন্বিত উন্নয়ন অর্জন।
- প্রধান লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত করা।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল হচ্ছে ২০২১-২০৪১ সাল।
- উদ্দেশ্য হচ্ছে দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুশাসন আরও সুসংহত করা এবং বাংলাদেশকে আধুনিক বিশ্বের দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
- প্রধান লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করানো।

উৎস : পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট
১,৪৯৩.
‘VGF’ হচ্ছে -
  1. দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা
  2. ত্রাণ কর্মসূচি
  3. বাজেট বিশ্লেষণ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ত্রাণ কর্মসূচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রাণ কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
VGF:
- VGF- এর পূর্ণরূপ: Vulnerable Group Feeding.
- VGF হলো খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের একটি ত্রাণ কর্মসূচির নাম।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
- প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
- এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

⇒ ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা:
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যেরমাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

⇒ এই কর্মসূচির উপকারভোগী হচ্ছে:
(১) যার বসতভিটা ব্যতীত অন্য কোন জমি নাই এরূপ ভূমিহীন ব্যক্তি;
(২)দরিদ্র ও অতিদরিদ্র ব্যক্তি/পরিবার, যারা সাধারণত: দৈনিক ২ বেলা খাবারের ব্যবস্থা করতে পারে না;
(৩)প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি/পরিবার, যারা তীব্র খাদ্য ও অর্থ সংকটাপন্ন; (
৪) ব্যক্তি/পরিবার যারা বেকারত্বের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করতে পারে না;
(৫) অতি দরিদ্র ব্যক্তি/পরিবার, যারা বিশেষ পেশায় নিয়োজিত এবং যাদেরকে জনস্বার্থে তাদের পেশা থেকে নিবৃত রাখা প্রয়োজন হয়;
(৬) প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী শিশু, যারা অপুষ্টিতে ভুগছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১,৪৯৪.
The Regulatory agency to the insurance sector in Bangladesh is _____.
  1. ক) Bangladesh Bank
  2. খ) IDRA
  3. গ) SEC
  4. ঘ) IFC
  5. ঙ) None
সঠিক উত্তর:
খ) IDRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) IDRA
ব্যাখ্যা
- IDRA এর পূর্ণরূপ Insurance Development and Regulatory Authority.
- IDRA এর মানে হলো বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করে। 
- আইডিআরএ বিমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
 
উৎস: idra.org.bd
১,৪৯৫.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন কে?
  1. এ. এন. হামিদুল্লাহ
  2. আবু সায়েম সাদাত
  3. ফরাস উদ্দিন আহম্মেদ
  4. সালেহ উদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
এ. এন. হামিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. এন. হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)। (নভেম্বর, ২০২৪)
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৪৯৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী সেবা খাত জিডিপির অবদান-
  1. ক) ৫২.৮৬ শতাংশ
  2. খ) ৫১.৯৯ শতাংশ
  3. গ) ৫১.৪৪ শতাংশ
  4. ঘ) ৫২.৩৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৫১.৪৪ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫১.৪৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫০ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।
১,৪৯৭.
মুক্তবাজার অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি কী?
  1. মুনাফা ও প্রতিযোগিতা
  2. সরকারী নিয়ন্ত্রণ
  3. কর ও শুল্ক ব্যবস্থা 
  4. আমদানি- রপ্তানি 
সঠিক উত্তর:
মুনাফা ও প্রতিযোগিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুনাফা ও প্রতিযোগিতা
ব্যাখ্যা

• মুক্তবাজার অর্থনীতি:
- মুক্তবাজার অর্থনীতি বা ধনতান্ত্রিক অর্থনীতি হলো এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে পণ্য উৎপাদন, মূল্য নির্ধারণ এবং বণ্টন মূলত বাজারের চাহিদা ও জোগানের ওপর নির্ভর করে।
- এই ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি হলো- মুনাফা অর্জন এবং অবাধ প্রতিযোগিতা। 
- এর মাধ্যমে উৎপাদনকারীরা উন্নত পণ্য ও সেবা সরবরাহে উৎসাহিত হয়।
- এবং সম্পদের কার্যকর বণ্টন নিশ্চিত হয়।
- এতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান স্বাধীনভাবে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
- সরকার মূলত নীতি নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশে মুক্তবাজার অর্থনীতি আনুষ্ঠানিকভাবে ১ জানুয়ারি, ১৯৯১ সালে চালু হয়।

- ১৯৯১ সালে এই নীতি চালু হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশে ব্যক্তিগত মালিকানা, অবাধ প্রতিযোগিতা, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে উদারীকরণ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে এই নীতি প্রবর্তনের পর রপ্তানিমুখী শিল্প, বেসরকারি ব্যাংকিং এবং টেলিযোগাযোগ খাতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। 

- মুক্তবাজার অর্থনীতির মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
• বাজার-ভিত্তিক দাম নির্ধারণ, 
• পণ্যের দাম চাহিদা ও যোগান অনুযায়ী ঠিক হয়,
• বেসরকারি খাতের প্রাধান্য ও প্রতিযোগিতা, যা পণ্যের গুণমান ও উদ্ভাবন বাড়ায়,
• উদার বাণিজ্য নীতি, যেখানে আমদানি-রপ্তানির শুল্ক ও কোটা সীমিত রাখা হয়,
• সম্পদ ও উৎপাদনের ওপর ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মালিকানা,
• এবং ভোক্তার স্বাধীনতা, যেখানে ক্রেতা নিজের পছন্দ অনুযায়ী পণ্য নির্বাচন করতে পারে।

উৎস:
ব্রিটানিকা; 
অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪৯৮.
গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে শুরু হয় কোথায়?
  1. চট্টগ্রামের হাটহাজারী
  2. চট্টগ্রামের রাউজান
  3. চট্টগ্রামের রামু
  4. চট্টগ্রামের জোবরা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের জোবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের জোবরা
ব্যাখ্যা
১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প প্রাথমিকভাবে শুরু করেন।

•গ্রামীণ ব্যাংকের ইতিহাস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনুসের গ্রামীণ ব্যাংক মাইক্রোফাইন্যান্সের বিপ্লব ঘটিয়েছে এবং দারিদ্র্য বিমোচনে  একটি মডেল হয়ে উঠেছে। প্রথম প্রচেষ্টায়  ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষের সময় থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। 
- এই ছোট পদক্ষেপটি প্রমাণ করেছিল যে, জামানত বিহীন কম সুদে ঋণ দেওয়া, মানুষকে ব্যবসা শুরু করতে সাহায্য করতে পারে। এই ধরনের আর্থিক সহায়তা জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দিলে তারা দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে পারে।
- ড.ইউনুস এই ধারণা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন এবং একটি সরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। 
- ১৯৭৬ সালে তিনি বাংলাদেশে চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প শুরু করেন। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল গ্রামীণ জনগণের মধ্যে মাইক্রোলোন প্রদান করে তাদের ব্যবসা শুরু করা এবং দারিদ্র্য কমানো। প্রকল্পটি সফল হওয়ার পর ১৯৮৩ সালে এটি একটি ব্যাংকে পরিণত হয়।
- ড. ইউনুসের এই কাজের জন্য ২০০৬ সালে তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়, যা বিশ্বের দারিদ্র্য বিমোচনে মাইক্রোক্রেডিটের ভূমিকা তুলে ধরেছে।

উৎসঃ গ্রামীন ব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৪৯৯.
বাংলাদেশ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করে কোনটি?
  1. ক) পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. খ) মূলধনী যন্ত্রসামগ্রী
  3. গ) সার
  4. ঘ) তেল
সঠিক উত্তর:
গ) সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সার
ব্যাখ্যা
একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার,
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী এবং
- তৃতীয় সর্বোচ্চ – মূলধন যন্ত্রসামগ্রী। 

- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
১,৫০০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে ভূমিহীন-গৃহহীনদের জন্য পুনর্বাসন কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করেন?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
আশ্রায়ন প্রকল্প:
→ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন নোয়াখালী বর্তমান লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা গ্রামে ভূমিহীন-গৃহহীন, অসহায় ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করেন।
→ ১৯৯৭ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে সমগ্র দেশে শুরু করেন আশ্রায়ন প্রকল্প।
===============================
→ আশ্রয়ণ প্রকল্পের যাত্রা শুরু ১৯৯৭ সাল।
→ এখন পযর্ন্ত ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত জেলা - ২১ টি।
→ এখন পযর্ন্ত ভূমিহীন-গৃহহীনমুক্ত উপজেলা - ৩৩৪ টি।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।