বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশের অর্থনীতি

মোট প্রশ্ন১,৮৬১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশের অর্থনীতি

PrepBank · পাতা / ১৯ · ১০০ / ১,৮৬১

.
আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূসক হার কত?
  1. ১২%
  2. ১৫%
  3. ১৭%
  4. ১৮%
সঠিক উত্তর:
১৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫%
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়। 
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%। 
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। [link]
.
মূল্য সংযোজন কর চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
.
এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে মোট কত ডলার রেমিট্যান্স এসেছে? [মে, ২০২৫]
  1. ১৫০ কোটি ২০ লাখ
  2. ১৭৫ কোটি ২০ লাখ
  3. ২৫০ কোটি ২০ লাখ
  4. ২৭৫ কোটি ২০ লাখ
সঠিক উত্তর:
২৭৫ কোটি ২০ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭৫ কোটি ২০ লাখ
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স):
- বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এপ্রিলে দেশে এসেছে ২৭৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
- দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) যার পরিমাণ ৩৩ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা।
- এটি মাস হিসেবে সর্বোচ্চ দ্বিতীয় রেমিট্যান্স বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এই মাসে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
- গট বছরের একই মাসের তুলনায় যা প্রায় ৭১ কোটি ডলার বা ৩৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেশি।
- সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৮ দশমিক ৩০ শতাংশ। 

উল্লেখ্য,
- গত মার্চে দেশে এসেছে ৩২৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
- যা দেশের ইতিহাসে যেকোনো এক মাসে সর্বোচ্চ।
- আর তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৬৪ কোটি ডলার এসেছে গত ডিসেম্বর মাসে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
.
মানব সম্পদ উন্নয়নের জন্য নিচের কোনটি অপরিহার্য?
  1. অধিক অর্থ
  2. ভোগবাদী সংস্কৃতি
  3. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ
ব্যাখ্যা

মানব সম্পদ উন্নয়ন:
- মানব সম্পদ উন্নয়ন একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য উপাদান।
- মানব সম্পদ ছাড়া উন্নয়নের অন্যান্য উপাদান অর্থহীন হয়ে পড়ে।
- শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে মানব সম্পদকে অধিকতর দক্ষ ও উৎপাদনশীল করা যায়।
- কাজেই কর্মক্ষম জনশক্তিকে উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি জ্ঞানে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সমৃদ্ধ করার প্রক্রিয়াকে 'মানব সম্পদ উন্নয়ন' বলা যায়। 
- সুতরাং উৎপাদনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের কর্মদক্ষতা সুষ্ঠুভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মানুষের অন্তর্নিহিত কর্মগুণ, সুপ্ত প্রতিভা, উন্নত ও বিকশিত করে তোলাই হল 'মানব সম্পদ উন্নয়ন'।

উৎস:
i) শিক্ষা এবং উন্নয়ন, স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
প্রকল্প হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংক যাত্রা শুরু করে -
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
.
বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ
  2. খ) শিমুনতলী, গাজীপুর
  3. গ) শিবপুর, নরসিংদী
  4. ঘ) শাহাবাগ, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ক) কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড)    
• দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়ায় 'বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স' প্রতিষ্ঠা করা হয়। 
• ২০১২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড)'।
• একাডেমিটি মূলত প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।
 
তথ্যসূত্র:- বাপার্ড ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের প্রথম বাজেট পাস হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭১ সাল
  2. খ) ১৯৭২ সাল
  3. গ) ১৯৭৩ সাল
  4. ঘ) ১৯৭৪ সাল
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭২ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭২ সাল
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় বাজেট:

- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের ৩০ জুন তাজউদ্দিন আহমদ পেশকৃত দেশের প্রথম বাজেট পাশ হয়।
- এই বাজেটের আকার ছিলো ৭৮৬ কোটি টাকা।
- প্রথম বাজেটে একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ এবং ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট পেশ করা হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থ বিভাগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
২০২৫ সালে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. জাপান
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

• ২০২৫ সালে (ফিসিক্যাল ইয়ার ২০২৪-২৫) বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) সবচেয়ে বেশি এসেছে নেদারল্যান্ডস থেকে। • নেদারল্যান্ডস সর্বোচ্চ FDI নিয়ে শীর্ষে রয়েছে, যা মোট FDI প্রবাহের প্রায় ২৭% আসে এখান থেকে।




উল্লেখ্য,
বাংলাদেশে নিট প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) ২০২৫ অর্থবছরে ১৯.১৩% বৃদ্ধি পেয়ে ১.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের অর্থবছরে ছিল ১.৪ বিলিয়ন ডলার।
 
 উৎস: TBS ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

.
গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা কত?
  1. ৩,৫০,০০০/- টাকা
  2. ৪,০০,০০০/- টাকা
  3. ৪,৫০,০০০/- টাকা
  4. ৫,০০,০০০/- টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০,০০০/- টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০,০০০/- টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:

- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লক্ষ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক কবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  2. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  3. ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
  4. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের মুদ্রা ব্যবস্থাপনার প্রবর্তক ও নিয়ন্ত্রক, আর্থিক খাতের রেগুলেটর এবং ব্যাংকের ব্যাংক।
- এটি মুদ্রানীতি ও ব্যাংকিং বিষয়ক সরকারের পরামর্শদাতা এবং 'সরকারের ব্যাংক বা কোষাগার' হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২৭) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হলেও এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয় ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর অর্থাৎ বিজয় দিবস থেকে।
- এর পূর্বে ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির ২৬ নম্বর অধ্যাদেশ বলে এদেশে কার্যরত বারোটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে জাতীয়করণ এবং পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে রূপ দেয়া হয়।
- তবে বিদেশি ব্যাংকগুলোকে জাতীয়করণের আওতামুক্ত রাখা হয়। এছাড়া তদানীন্তন দু'টি বিশেষায়িত ব্যাংক- পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও শিল্প উন্নয়ন ব্যাংককে যথাক্রমে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক' এবং 'বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক' নামে নামকরণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ৩১ অক্টোবর ১৯৭২ তারিখের অনুমোদনক্রমে জারিকৃত বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ১২৭/১৯৭২) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়; যা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর বলে গণ্য হয়। দীর্ঘ নয়মাস সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়লাভের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, বাংলাদেশ। সেই দিন থেকে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১১.
বর্তমানে বাংলাদেশে কর রাজস্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. VAT
  2. Exsice Duty
  3. Income Tax
  4. Export Duty 
সঠিক উত্তর:
VAT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
VAT
ব্যাখ্যা

আয়ের উৎস:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা- কর রাজস্ব এবং কর বহির্ভূত রাজস্ব।

• কর রাজস্ব:
- কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ: আয় ও মুনাফা কর, আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, যানবাহন কর, ভূমি রাজস্ব, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়, অন্যান্য কর ও শুল্ক।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর (VAT) থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

• কর বহির্ভূত রাজস্ব:
- লভ্যাংশ ও মুনাফা, সুদ, প্রশাসনিক রাজস্ব, রেলওয়ে, ডাক বিভাগ, সেবা বাবদ প্রাপ্তি ইত্যাদি।

উৎস: i) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
ii) অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় -
  1. ক) রাজশাহীতে
  2. খ) ঢাকায়
  3. গ) সিলেটে
  4. ঘ) রংপুরে
সঠিক উত্তর:
ঘ) রংপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রংপুরে
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় রংপুর (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় ঢাকা  (২,80,15২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় রাজশাহী (৪,১৭,৫৬২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাও  (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা  উৎপাদন রংপুর  (২১,৬৯,৩০৮ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় দিনাজপুর (৫,৮৪,৯৮০ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী (১৬,১০,২৩৭ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
১৩.
দেশের প্রথম সরকারি ইপিজেড "চট্টগ্রাম ইপিজেড" কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ক) ১৯৮০
  2. খ) ১৯৮১
  3. গ) ১৯৮৩
  4. ঘ) ১৯৮৪
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৩
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট সরকারি ইপিজেড ৮টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড।
- এটি ঢাকার সাভারে অবস্থিত।

- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড।
- এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- ২০০১ সালে ২১৩.৬৬ একর জমিতে যাত্রা শুরু করে।

- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান চট্টগ্রামের পতেঙ্গা।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১৪.
ওয়েজ আর্নার্স স্কিম কত সালে প্রবর্তিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
ওয়েজ আর্নার্স স্কিম:
- ওয়েজ আর্নার্স স্কিম ১৯৭৪ সালে প্রবর্তিত হয়।
- বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্জিত আয় সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রেরণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।
- এ সময় বৈদেশিক মুদ্রা মজুত থাকার কারণে আমদানিকারকদের অনুকূলে বৈদেশিক মুদ্রার ছাড় হ্রাস পায়, যার ফলে স্কিমটি কার্যকারিতা অর্জন করে।
-  বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমজীবীদের প্রেরিত অর্থ খোলাবাজার বিনিময় হারের কাছাকাছি হারে বিনিময়ের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।

⇒ প্রবাসী কর্মীদের অবদানের বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের এবং দেশে বিদেশে কর্মীদের পরিবার পরিজনকে সাহায্য সহযোগিতা কিংবা উদ্ভূত সমস্যার সমাধান কল্পে তথা সার্বিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে সরকার Emigration Ordinance-1982 এর ১৯(১) ধারার ক্ষমতাবলে ১৯৯০ সালে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল” গঠন করে।
- “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আইন,২০১৮” এর মাধ্যমে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড” একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড ওয়েবসাইট।
১৫.
‘জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি’র নাম কী?
  1. ক) NICAR
  2. খ) ECNEC
  3. গ) BPSC
  4. ঘ) ECNES
সঠিক উত্তর:
খ) ECNEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ECNEC
ব্যাখ্যা
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)।
ECNEC ১৯৮২ সালে গঠিত হয়। এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
একনেকে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়।
(সূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া)
১৬.
বয়স্ক ভাতার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়সসীমা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. পুরুষ: ৬০ বছর, নারী: ৫৭ বছর
  2. পুরুষ: ৬৫ বছর, নারী: ৬২ বছর
  3. পুরুষ: ৭০ বছর, নারী: ৬৭ বছর
  4. পুরুষ: ৭৫ বছর, নারী: ৭২ বছর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ: ৬৫ বছর, নারী: ৬২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরুষ: ৬৫ বছর, নারী: ৬২ বছর
ব্যাখ্যা
বয়স্কভাতা কর্মসূচি:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬০ লক্ষ ০১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৬০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমানে সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- বয়স পুরুষের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬৫ বছর এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬২ বছর  হতে হবে।

বাস্তবায়নকারী দফতর:
সমাজসেবা অধিদফতর

কার্যক্রম শুরুর বছর:
১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
১৭.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা?
  1. জাইকা
  2. ইউএনডিপি
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. আইএমএফ
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো- বিশ্বব্যাংক।
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'।
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
১৮.
'সম্পূরক বাজেট’ কী ধরণের বাজেট?
  1. ক) আয়ব্যয়ের সমন্বয় সাধন করার বাজেট
  2. খ) উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনার অর্থ সম্বলিত বাজেট
  3. গ) সরকারি প্রকল্প সচল রাখার বাজেট
  4. ঘ) মূল বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থ সম্বলিত বাজেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূল বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থ সম্বলিত বাজেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূল বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থ সম্বলিত বাজেট
ব্যাখ্যা
- সম্পূরক বাজেট হলো মূল বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থসম্বলিত বাজেট।
 
• বাজেট:
- বাংলাদেশের ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেট ৫১তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫২তম)।
- বাজেটের আকার ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
- বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৭.৫%।
- বাজেটে মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে ৫.৬%।
- সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ জনপ্রশাসন খাতে যা বাজেটের ১৯.৯%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করমুক্ত আয়সীমা - ৩ লাখ টাকা।
 
উৎস: অর্থবিভাগের ওয়েবসাইট।
১৯.
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে গঠিত কাউন্সিলের চেয়ারম্যান কে?
  1. ক) পরিকল্পনামন্ত্রী
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) পনিসম্পদ মন্ত্রী
  4. ঘ) জলবায়ু, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্যে বাংলাদেশ সরকার গত ২৯ জুন ২০২০ ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল গঠন করে।
এর চেয়ারম্যান হলেন প্রধানমন্ত্রী। ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনামন্ত্রী। সদস্য সচিব হলেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সচিব। কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যা ১২জন।
(সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ)
২০.
প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ভাতার হার -
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৬৫০ টাকা
  3. ৭০০ টাকা
  4. ৮৫০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৮৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতিবন্ধী।
- বাংলাদেশে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রণীত হয়।
- বর্তমানে (মার্চ, ২০২৫) প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ভাতার হার: ৮৫০/- টাকা।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রুতি পূরণ;
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
• সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ।
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জরিপ করে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
২১.
বাংলাদেশে সরকারি EPZ সংখ্যা-
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু - ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি। 

• সরকারি EPZ:
- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- এগুলোর অবস্থান হলো- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (খুলনা), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা, নীলফামারী।

উৎস- বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
২২.
বর্তমানে বাংলাদেশে জীবন বীমা কোম্পানির সংখ্যা কতটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ২৮টি
  2. ৩৬টি
  3. ৪২টি
  4. ৪৯টি 
সঠিক উত্তর:
৩৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬টি
ব্যাখ্যা

• বীমা:
-  আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে, বেসরকারি খাতের বীমা কোম্পানিগুলি এই শিল্পে প্রবেশ শুরু করে এবং এটি সম্প্রসারিত হয়।
- বর্তমানে, ৮২টি কোম্পানি বীমা আইনের অধীনে কাজ করছে।

এর মধ্যে-

- ৩৬টি জীবন বীমা কোম্পানি, 
- ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি, 

• বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি নিম্নলিখিত পরিষেবাগুলি প্রদান করে:
- জীবন বীমা,
- সাধারণ বীমা,
- পুনর্বীমা,
- ক্ষুদ্র-বীমা,
- তাকাফুল বা ইসলামী বীমা।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষ।

২৩.
কৃষি খাতে অর্থায়নের জন্য কত সালে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক' প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ১৯৭২ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে 
  3. ১৯৭৪ সালে 
  4. ১৯৭৫ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি):
- কৃষি ও কৃষিভিত্তিক খাতে ঋণ সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিকেবি অর্ডার ১৯৭৩ এর অধীনে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

⇒ ১৯৭৩ সালের ২৭ নং রাষ্টপতি আদেশ অনুসারে, জলবায়ু-নির্ভর অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ কৃষি খাতে অর্থায়নের জন্য দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিকেবি আমানত, ঋণ, অনলাইন ব্যাংকিং, কম্পিউটারাইজড ব্যাংকিং, স্বয়ংক্রিয় বৈদেশিক রেমিটেন্স সিস্টেম এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনসহ সকল প্রকার ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পাদন করে। 
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি) বাংলাদশে কৃষি ঋণের অগ্রদূত। বিকেবি কৃষক, প্রান্তিক কৃষক, অতি দরিদ্র, বর্গা চাষী এবং সাধারন জনগনের জন্য ঋণ সুবিধা দিয়ে থাকে যারা কৃষি উৎপাদন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির সফলতার মূল পরিচালক।
- এর প্রধান কার্যালয়: মতিঝিল সি/এ, ঢাকা।

উৎস:  বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি) ওয়েবসাইট।

২৪.
How many specialized banks in Bangladesh?
  1. 3
  2. 4
  3. 5
  4. 6
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি। 
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩ট।

বিশেষায়িত ব্যাংক:
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। 
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৫.
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর-
  1. ক) কাজী হাবিবুল আউয়াল
  2. খ) কামাল উদ্দিন আহমেদ
  3. গ) আব্দুর রউফ তালুকদার
  4. ঘ) কবির বিন আনোয়ার
সঠিক উত্তর:
গ) আব্দুর রউফ তালুকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আব্দুর রউফ তালুকদার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান (১২তম) গভর্নর (প্রধান নির্বাহী) হলেন 'আব্দুর রউফ তালুকদার'
- তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন ৪ জুলাই, ২০২২ থেকে।
- তাঁর পূর্বে ১১তম গভর্নর  ছিলেন  ফজলে কবির (১৬ মার্চ ২০১৬ থেকে ৩ জুলাই ২০২২)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের  প্রথম গভর্নর ছিলেন এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ব্যাংকটির মূল কার্যনির্বাহী প্রধানকে ‘গভর্নর' বলা হয়।
- গভর্নরের মেয়াদকাল: ৪ বছর।
- গভর্নরের বয়সসীমা: ৬৭ বছর (২০২০ সালে ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়) ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকে বর্তমানে রিজার্ভের পরিমান: ৪৫.৮ বিলিয়ন ডলার (৪ জুলাই, ২০২২)।

উৎসঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
২৬.
মধ্যম মেয়াদী পরিকল্পনার মেয়াদ সর্বোচ্চ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনার ধারণা:
- পরিকল্পনা হলো ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের অগ্রিম সিদ্ধান্ত গ্রহণের একটি প্রক্রিয়া।
- পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার প্রথম ও প্রধান ধাপ।
- পূর্ব এবং বর্তমান অভিজ্ঞতা, পরিসংখ্যানিক তথ্যাদি এবং যুক্তিসঙ্গত কারণের উপর ভিত্তি করেই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়।

⇒ মেয়াদভিত্তিক শ্রেণীবিভাগ (Classification on the basis of time):
১. স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা (Short-term plan): এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর মেয়াদি বা আরও কম মেয়াদি হয়। স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা দুই প্রকারের হয়; যথা-এ্যাকশন প্লান ও রি-এ্যাকশন প্লান।
২. মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা (Medium-term plan): মধ্যম মেয়াদের পরিকল্পনা সাধারণত ১ বছর থেকে ৫ বছর মেয়াদী হয়ে থাকে। মধ্যম ও প্রথম স্তরের ব্যবস্থাপকদের জন্য এরূপ পরিকল্পনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৩. দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (Long-term plan): এ ধরনের পরিকল্পনা সাধারণত ৫ বছরের বেশী সময়ের জন্য হয়ে থাকে। কোন কোন কোম্পানী ১৫/২০ বছরের জন্যও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরি করে থাকে।

উৎস: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
'মূসক' কী ধরনের কর?
  1. সম্পূরক কর
  2. প্রত্যক্ষ কর
  3. পরোক্ষ কর
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (মূসক)  একটি পরোক্ষ কর।

মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২৮.
বাংলাদেশে মোট আয়তনের তুলনায় শতকরা কত ভাগ বনভূমি রয়েছে?
  1. ক) ১২ ভাগ
  2. খ) ১৪ ভাগ
  3. গ) ১৭ ভাগ
  4. ঘ) ২৪ ভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ ভাগ
ব্যাখ্যা
মাধ্যমিক ভূগোল বইয়ের তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ ১৭ ভাগ।
অন্যদিকে, জাতীয় সংসদে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ২৫,৪৭৫ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি রয়েছে যা দেশের মোট আয়তনের ১৭.২৬ শতাংশ।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলা ট্রিবিউন)
২৯.
কোন বিজ্ঞানী পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন?
  1. ক) আব্দুল খালেক
  2. খ) মাকসুদুল আলম
  3. গ) মোবারক আহমেদ খান
  4. ঘ) মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
খ) মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথিতযশা বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম ২০১০ সালে পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন। এছাড়াও তিনি পেঁপে, রাবার ও এক ধরনের ছত্রাকের জীবন রহস্য উদঘাটন করেন।
অন্যদিকে আব্দুল খালেক স্বর্না সার, মোবারক আহমেদ খান পাট থেকে পলিথিন তৈরির পদ্ধতি এবং মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ পাট থেকে জুটন নামের কাপড় তৈরির পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।
(সূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
৩০.
তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট কতটি? [ডিসেম্বর,২০২৫]
  1. ৬২ টি
  2. ৬১ টি
  3. ৬৩ টি
  4. ৬৪ টি
সঠিক উত্তর:
৬২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২ টি
ব্যাখ্যা

• তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬২টি।

• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

৩১.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মাথাপিছু জিডিপি-
  1. ক) ১৯০৯ মার্কিন ডলার
  2. খ) ১৯৭০ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২০২৭ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২০৬৪ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার এবং মাথাপিছু জিডিপি ১৯৭০ মার্কিন ডলার। স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ। শিল্পখাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ এবং সেবাখাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ওয়েবসাইট]
৩২.
ট্যাক্স হলিডে কী?
  1. ট্যাক্স দিবস পালন
  2. সাময়িক ভাবে ট্যাক্স মওকুফ করা
  3. ট্যাক্স সংগ্রহের জন্য ছুটির দিন
  4. ট্যাক্স খেলাপীদের জন্য বিশেষ আইন
সঠিক উত্তর:
সাময়িক ভাবে ট্যাক্স মওকুফ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাময়িক ভাবে ট্যাক্স মওকুফ করা
ব্যাখ্যা
ট্যাক্স হলিডে:
- শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করাই হচ্ছে ট্যাক্স হলিডে।
- অর্থাৎ, কর অবকাশ (ট্যাক্স হলিডে) হচ্ছে অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্থা।
- সাধারণভাবে বলা যায় কোনো প্রতিষ্ঠানকে আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি দেয়াকে কর অবকাশ বলা হয়।
- তবে আয়করের ক্ষেত্রে কর অবকাশ বলতে কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ শিল্পখাতকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে কতিপয় শর্ত পালন সাপেক্ষে কর প্রদান হতে অব্যাহতি দেয়াকে কর অবকাশ বলা হয়।
- নতুন প্রতিষ্ঠিত শিল্প এ ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকে।
- আঞ্চলিক সুষম উন্নয়নই এর প্রধান লক্ষ্য।
- নতুন শিল্প উদ্যোক্তারা এ ধরনের সুবিধার জন্যে শিল্প স্থাপনে (বিশেষত অনগ্রসর এলাকায় শিল্প স্থাপনে) আগ্রহী হয়ে থাকেন।

তথ্যসূত্র - এনবিআর ওয়েবসাইট ও কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের প্রধান খাত কোনটি?
  1. আয়কর
  2. সুদ
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় সরকার:
- কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের অভ্যন্তরে প্রশাসন পরিচালনা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার কার্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়।
- এই কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।
- কেন্দ্রীয় সরকার তার এই প্রয়োজনীয় অর্থ মূলতঃ কর এবং কর বহির্ভূত খাত থেকে আদায় করে থাকে।

⇒ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ -
১. আয়কর:
- আয়কর সরকারী আয়ের একটি বর্ধমান উৎস। জনগণের ব্যক্তিগত আয়ের উপর এ কার্য করা হয়।
২. ভূমি রাজস্ব:
- কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস হল ভূমি রাজস্ব। স্বাধীনতার পর ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করায় এ খাতে আয় কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
৩. মূল্য সংযোজন কর:
- দেশের পণ্য সামগ্রীর উৎপাদন থেকে ভোগ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের ভিত্তিতে এ কর ধার্য করা হয়। এটি একটি পরোক্ষ কর। এটি সংক্ষেপে ভ্যাট নামে পরিচিত।
8. বাণিজ্য শুল্ক:
- বাণিজ্য শুল্ক কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস। সাধারণতঃ আমদানি-রপ্তানির উপর এই শুল্ক ধার্য করা হয়।
৫. আবগারী শুল্ক:
- চা, চিনি, তামাক, সিগারেট, দিয়াশলাই, কেরোসিন, ঔষধ, প্রসাধনী প্রভৃতির উপর কেন্দ্রীয় সরকার আবগারী শুল্ক ধার্য করে।
৬. স্ট্যাম্প:
- বিভিন্ন দলিল, মামলা-মোকদ্দমার আবেদনপত্র, পাসপোর্ট ইত্যাদির উপর স্ট্যাম্প বসাতে হয়। স্ট্যাম্প বিক্রয়ের মাধ্যমে সরকার রাজস্ব আয় করে থাকে।
৭. রেজিস্ট্রেশন:
- বিভিন্ন দলিলপত্র রেজিস্ট্রি করতে হলে সম্পত্তির মূল্যের উপর সরকারকে রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হয়।
৮. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান:
- এসব প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ কেন্দ্রীয় সরকারের আয় হিসেবে গণ্য।
৯. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প:
- স্বাধীনতার পরে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানাগুলোর মধ্যে যেগুলো এখনও সরকারী মালিকানায় রয়েছে সেগুলো থেকে সরকারের আয় হয়।
১০. সুদ:
- কেন্দ্রীয় সরকার দেশের বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সরকারী কর্মচারীদের সুদে ঋণ মঞ্জুর করে থাকে।
১১. ডাক, তার ও দুরালাপনী:
- ফোন, ফ্যাক্স ও ডাক বিভাগের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার রাজস্ব আয় করে থাকে।
১২. যাতায়াত:
- যাতায়াত খাতে রেলওয়ে ও বিআরটিসি দীর্ঘদিন লোকসানী খাত ছিল। গত বছর রেলওয়ে খাতে আয় হয়েছে ১৩৪ কোটি টাকা। আর বিআরটিসি ব্যক্তি মালিকানায় ছেড়ে দেওয়াতে এটা বর্তমানে সরকারের লাভজনক খাতে পরিণত হয়েছে।
১৩. বন:
- বন যে কোন দেশের জাতীয় সম্পদ। বনাঞ্চল থেকে বাঁশ, কাঠ, মধু ও অন্যান্য বনজ সম্পদ বিক্রয় করে প্রতিবছর কেন্দ্রীয় সরকার কিছু না কিছু আয় করে।
১৪. যানবাহন:
- কেন্দ্রীয় সরকার যানবাহন থেকে কর আদায় করে।

উল্লেখ্য,
- আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আবগারি শুল্ক ধার্যের ভিত্তি হলো অর্জিত মুনাফা।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
VGF- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Vulnerable Group Feeding
  2. Vulnerable Group Funding
  3. Vulnerable General Feeding
  4. Vulnerable General Funding
সঠিক উত্তর:
Vulnerable Group Feeding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vulnerable Group Feeding
ব্যাখ্যা
VGF:
- VGF- এর পূর্ণরূপ: Vulnerable Group Feeding.
- VGF হলো খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের একটি ত্রাণ কর্মসূচির নাম।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
- প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
- এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

⇒ ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা:
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যেরমাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩৫.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৭৬ (The National Board of Revenue Order, 1972) এর ভিত্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি কাস্টমস, মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর বিষয়ক রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ।
- বর্তমানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক দেশের মোট রাজস্বের ৮৬% এর অধিক আহরিত হচ্ছে।
- এনবিআর বাংলাদেশের রাজস্ব সংগ্রহের জন্য আইনি কাঠামো, নীতিমালা ও ব্যবস্থা প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়ন করে।
- এর আওতাভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে ভ্যাট, আয়কর, শুল্কসহ অন্যান্য সকল রাজস্ব সংগ্রহের কার্যক্রম রয়েছে।
- এনবিআর রাষ্ট্রের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে কাজ করে এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান, একই সাথে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগেরও সচিব।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩৬.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি? 
  1. জাইকা
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. ওআইসি
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম- বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম করা হয়- ২০০২ সালে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা: বিশ্বব্যাংক।
- বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য শীর্ষ- আইডিএ।
- জাইকা (JICA) জাপানের একটি সরকারি সংস্থা,
- যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা হিসাবে পরিচিত। 

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।

৩৭.
কোন অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে?
  1. ক) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  2. খ) আমেরিকা
  3. গ) মধ্য এশিয়া
  4. ঘ) মধ্যপ্রাচ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) মধ্যপ্রাচ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মধ্যপ্রাচ্য
ব্যাখ্যা
- প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে  সৌদি আরব থেকে।
- দ্বিতীয় ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; তৃতীয় যুক্তরাজ্য।
- ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাজ্য।
৩৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে জিডিপিতে কোন খাতের অবদান বেশি?
  1. কৃষিখাত
  2. শিল্পখাত
  3. সেবাখাত
  4. নির্মাণ খাত
সঠিক উত্তর:
সেবাখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেবাখাত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।
অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩৯.
ট্যাক্স হলিডে বলতে বুঝায় -
  1. ক) ট্যাক্স দিবস পালনের জন্য ছুটি
  2. খ) অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্তা
  3. গ) ট্যাক্স খেলাপিদের জন্য বিশেষ আইন
  4. ঘ) ট্যাক্স সংগ্রহের জন্য ছুটির দিন
সঠিক উত্তর:
খ) অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্তা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস প্রধানত দুইটি।
যথা- কর রাজস্ব এবং করবহির্ভূত রাজস্ব।

কর পরিশোধে ২০১২ সালের মে মাসে বাংলাদেশে ই-পেমেন্ট পদ্ধতি চালু হয়।
বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বেশি আয় আসে ভ্যাট থেকে। বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রথম প্রবর্তিত হয় ১ জুলাই, ১৯৯১।
শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করাই হচ্ছে ট্যাক্স হলিডে।
অর্থাৎ, কর অবকাশ (ট্যাক্স হলিডে) হচ্ছে অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্তা।

সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান কে কর অবকাশ দেয়া হয়েছে যারা শিল্প অঙ্গীকার করেছে এবং সকল শর্ত পূরণ করে ১ জুলাই ২০১১ থেকে ৩০ জুন ২০১৯ এর মধ্যে ভৌত অবকাঠামো প্রতিষ্ঠিত করেছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি এবং এনবিআর
৪০.
সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদিত জেলা কোনটি?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) পাবনা
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
গ) নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাটোর
ব্যাখ্যা
• সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর জেলায়  (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

অন্যদিকে, 
• সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় পাবনা জেলায় (৫,০৯,২২৬ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি আনারস উৎপাদন হয় টাঙ্গাইল জেলায় (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয় ঝিনাইদহ জেলায় (২৮,৩৯৭.৬১ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাঁও জেলায়   (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।
• সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর জেলায়  (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।
• সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর জেলায় (১০,৬০৪ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
৪১.
সম্প্রতি দেশের কোন ব্যাংক প্রথমবারের মতো সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড চালু করেছে?
  1. ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি
  2. ইস্টার্ণ ব্যাংক পিএলসি
  3. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  4. মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ণ ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ণ ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড:
- দেশের প্রথম 'সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড' চালু করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি।

⇒ ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) আনুষ্ঠানিকভাবে ‘স্কাইফ্লেক্স ভিসা প্রিপেইড কার্ড’ চালু করেছে।
- এটি দেশের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক সোশ্যাল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ড।
- এতে কৌশলগত সহযোগিতা দিয়েছে দ্য ইউরস ট্রুলি ও ভিসা।
- এ উপলক্ষে গতকাল আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইবিএল এমডি আলী রেজা ইফতেখার, এএমডি আহমেদ শাহীন ও ডিএমডি এম খোরশেদ আনোয়ার; ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ এবং দ্য ইউরস ট্রুলির চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলম, এমডি মাহজাবিন ফেরদৌস ও সিইও ব্রেইটি সাবরিন।

উৎস: Eastern Bank PLC ওয়েবসাইট।
৪২.
অর্থনীতিতে চাহিদা বলতে কি বুঝায়?
  1. ক) আকাঙ্খা ও অর্থ প্রদানের সামর্থ্য
  2. খ) আকাঙ্খা
  3. গ) অর্থ প্রদানের সামার্থ্য
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) আকাঙ্খা ও অর্থ প্রদানের সামর্থ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আকাঙ্খা ও অর্থ প্রদানের সামর্থ্য
ব্যাখ্যা
সাধারণতঃ কোন নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট দামে একজন ব্যক্তি কোন দ্রব্যের যে পরিমাণ দ্রব্য কিনতে প্রস্তুত থাকে তাকে ঐ দ্রব্যের চাহিদা বলে। এখানে “কিনতে প্রস্তুত থাকে” এর মধ্যে তিনটি বৈশিষ্ট্য লুকায়িত থাকে। প্রথমে ব্যক্তির ঐ দ্রব্যটি কিনার ইচ্ছা থাকতে হবে, দ্বিতীয়তঃ দ্রব্যটি কিনার জন্য তার হাতে প্রয়োজনীয় অর্থ থাকতে হবে এবং সবশেষে তার ঐ টাকা ব্যয়ের ইচ্ছা থাকতে হবে।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪৩.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার জনক কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. সফিউল কাদের
  3. লুৎফর রহমান
  4. এম এ বাকী খলীলী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থার জনক বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বিশ্বে আধুনিক ক্ষুদ্রঋণের জনক তিনি।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

⇒ ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে মুহাম্মদ ইউনূসের সমসাময়িক কাজ করেন ব্র্যাকের স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও আশার প্রতিষ্ঠাতা মো. সফিকুল হক চৌধুরী।
- তারপর অন্যরাও এগিয়ে আসেন।

⇒ দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম দেখভালে বহু বছর কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা ছিল না।
- প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ২০০৬ সালে গঠিত হয় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)।
- এ সংস্থার সনদ ছাড়া বর্তমানে কেউ ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম চালাতে পারেন না।

⇒ ব্র্যাক, আশা, বুরো বাংলাদেশ, টিএমএসএস, এসএসএস, সাজেদা ফাউন্ডেশন, উদ্দীপন, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন, শক্তি ফাউন্ডেশন—এ ১০টি দেশের শীর্ষ ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের স্থপতি সফিউল কাদের।

উৎস: i) ২৫ আগস্ট ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) ১ এপ্রিল ২০১২, বিবিসি বাংলা।
৪৪.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কোন খাতের অবদান ক্রমবর্ধমান?
  1. ক) সেবাখাত
  2. খ) কৃষিখাত
  3. গ) মৎস্যখাত
  4. ঘ) শিল্পখাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিল্পখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিল্পখাত
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদানের চিত্র:
- ২০১৭-১৮ অর্থবছর : ৩৩.৬৬ শতাংশ
- ২০১৮-১৯ অর্থবছর : ৩৫.০০ শতাংশ
- ২০১৯-২০ অর্থবছর : ৩৫.৩৬ শতাংশ।
অন্যদিকে,
- একই সময়ে জিডিপিতে সেবা, কৃষি ও মৎস্য খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৪৫.
বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য সম্পর্ক আছে কিন্তু কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই কোন দেশের?
  1. ইসরাইল
  2. তাইওয়ান
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. হাইতি
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক সম্পর্ক:
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- চীনের আপত্তির কারণে তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেনি।
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে,
- দক্ষিণ আফ্রিকা ও হাইতি সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- ইসরাইলের সাথে বাংলাদেশের কোন প্রকার সম্পর্ক নেই।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪৬.
বাংলাদেশের অর্থনীতির খাতগুলোকে প্রধানত কত ভাগে ভাগ করা যায়?

  1. ৩ 


সঠিক উত্তর:
৩ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ 
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক কাঠামো:
- যেকোনো দেশের অর্থনীতিতে সংঘটিত অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সমষ্টিগত অবদানই দেশের অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তোলে। 
- এসব ভিত্তিক অর্থনীতিকে অর্থনৈতিক কাঠামো বা খাত (Economic Structure or Sector) বলা হয়।

- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অর্থনৈতিক খাতকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

 • অর্থনৈতিক কাঠামো বা খাতসমূহ
(১) উৎপাদনভিত্তিক খাত
- উৎপাদনভিত্তিক কর্মকাণ্ডের উপর নির্ভরশীল খাত।
- কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত অন্তর্ভুক্ত।

(২) মালিকানাভিত্তিক খাত
- কোন সংস্থা বা ব্যক্তির মালিকানার ভিত্তিতে বিভক্ত খাত।
- সরকারী, বেসরকারি ও মিশ্র মালিকানার খাত।

(৩) অঞ্চলভিত্তিক খাত
- ভৌগোলিক বা আঞ্চলিক ভিত্তিতে বিভক্ত খাত।
- বিভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭.
'বেইল আউট' শব্দটি জড়িত -
  1. ক) রাজনীতিতে
  2. খ) আদালতে
  3. গ) অর্থনীতিতে
  4. ঘ) কূটনীতিতে
সঠিক উত্তর:
গ) অর্থনীতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অর্থনীতিতে
ব্যাখ্যা
- বেইল আউট' শব্দটি অর্থনীতির জড়িত।

• বেইল আউট:

- বেইল আউট হচ্ছে দেনার দায়ে বা মূলধনসংকটে পড়ে দেউলিয়া হওয়ার পথে কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের তরফে আর্থিক সহায়তা করা।
- তবে রাষ্ট্রকেও অনেক সময় জাতীয় ব্যয় নির্বাহে বেইল আউটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অর্থ ও অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা করার উদাহরণ রয়েছে।
- এইরূপ সহায়তা দেয়া হতে পারে ঋণ, ঋণের গ্যারান্টি, নগদ সহায়তা, বন্ড বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ক্রয় করে।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোতে আর্থিক মন্দা কাটাতে বেইল আউট নীতি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
৪৮.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে -
  1. ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
  2. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  3. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  4. এবি ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়: ৩১ মার্চ, ২০১১ সালে।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম: রকেট।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৪৯.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে -
  1. ৭২ বছর
  2. ৭৩ বছর
  3. ৭৪ বছর
  4. ৭৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৭৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪ বছর
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে মাথাপিছু আয় হবে - ৩০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মেয়াদান্তে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৮.৫১%
- মেয়াদান্তে মুদ্রাস্ফীতি হবে - ৪.৬০%
- মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে - ৭৪ বছর।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৫০.
’জীবন তরী’ বলতে নিম্নের কোনটি বুঝায়?
  1. ক্লাব
  2. হোটেল
  3. স্টেডিয়াম
  4. হাসপাতাল
সঠিক উত্তর:
হাসপাতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসপাতাল
ব্যাখ্যা
• জীবন তরী:
- ’জীবন তরী’ একটি জাহাজের ওপর প্রতিষ্ঠিত দাতব্য ভাসমান হাসপাতাল।
- গ্রামের মানুষের চিকিৎসা এবং পঙ্গুত্বরোধের জন্য ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (IFB) নামের একটি বেসরকারি সংস্থা কর্তৃক এটি চালু হয়।
- সংস্থাটি ১৯৯৩ সালের ২৫ জুলাই ট্রাস্ট হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।
- ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালের এপ্রিল মাসে ‘জীবন তরী’ নামে পরিচিত বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এ ধরনের একটি ভাসমান হাসপাতাল চালু করে।
- দেশের প্রধান প্রধান নদীর ধারের মানুষ, যারা শহর বা নগরে খুব কমই যেতে পারে, তাদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫১.
একটি দেশে পন্য আমদানির ব্যয় রপ্তানি আয় অপেক্ষা কম হলে নিচের কোনটি সৃষ্টি হয়?
  1. বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য
  2. বাণিজ্যের ভারসাম্য
  3. বাণিজ্য ঘাটতি
  4. বাণিজ্য উদ্বৃত্ত
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য
ব্যাখ্যা
আমদানি ব্যয়
বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে যখন কোন পণ্য-দ্রব্য বা সেবা ক্রয় করে আনা হয়, তাকে আমদানি বলে। আমদানি করতে রাষ্ট্রের যে ব্যয় হয় সেটাই আমদানি ব্যয়।

রপ্তানি আয়
নিজের দেশ থেকে অন্য দেশে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য-দ্রব্য বিক্রয় বা প্রেরণকে বলা হয় রপ্তানি। রপ্তানি করে রাষ্ট্র যে পরিমান আয় করে সেটাই রপ্তানি আয়।

⇒ একটি দেশে পন্য আমদানির ব্যয় রপ্তানি আয় অপেক্ষা কম হলে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য সৃষ্টি হয়।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. খ) ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. গ) ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা মিলিয়ে মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর মধ্যে পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৪১ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৭ বিলিয়ন ডলার।
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে রপ্তানির মোট লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৫৪ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে পণ্য ও সেবা মিলিয়ে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার।
(সূত্রঃ প্রথম আলো)
৫৩.
নিচের কোনটি পরোক্ষ কর?
  1. আয়কর
  2. বাড়ি কর
  3. মূল্য সংযোজন কর
  4. দান কর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর- পরোক্ষ কর।
কর:
- কর হলো একটি বাধ্যতামূলক আর্থিক পরিশোধ, যা সরকার জনগণ ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন সেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ব্যয় করে। 
• কর প্রধানত দুই প্রকার:

প্রত্যক্ষ কর :
- এই কর সরাসরি ব্যক্তির আয়, সম্পদ বা অন্যান্য আর্থিক উপার্জনের উপর আরোপিত হয়। 
যেমন:
• আয়কর ,
• সম্পত্তি কর ,
• সম্পত্তি লাভ কর,

পরোক্ষ কর :
- এই কর পণ্য ও সেবার উপর আরোপিত হয় এবং সাধারণত ভোক্তা পণ্য বা সেবা ক্রয়ের সময় পরিশোধ করে। উদাহরণস্বরূপ:
যেমন:
মূল্য সংযোজন কর ,
• শুল্ক,
• ব্যবসায় কর,

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
দেশের বাণিজ্যিক জ্বালানির সিংহভাগ পূরণ হয় কিসের মাধ্যমে?
  1. ক) আমদানিকৃত তেল
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) এলএনজি
  4. ঘ) সৌর বিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
- প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের বাণিজ্যিক জ্বালানির প্রায় ৭১ ভাগ পূরণ করে থাকে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ ১০৪১.৮ বিলিয়ন ঘনফুট।
খাত অনুযায়ী প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
- বিদ্যুৎ উৎপাদন : ৪৩.২৮ শতাংশ
- শিল্পখাত : ১৫.৭৯ শতাংশ
- গৃহস্থালি : ১৫.২৫ শতাংশ
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-১৩৮)
৫৫.
কোন পদ্ধতিতে চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়?
  1. PAPI
  2. CATI
  3. CAPI
  4. CAWI
সঠিক উত্তর:
CAPI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAPI
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক শুমারি:
- অর্থনৈতিক শুমারি হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট সময়ে সুনির্ধারিত অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে একটি নির্দিষ্ট সমগ্রকের (Population) সকল অর্থনৈতিক ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ গণনা পদ্ধতি।
- অর্থনৈতিক শুমারির মূল লক্ষ্য হলো সময়ের বিবর্তনে একটি দেশের অর্থনীতিতে যে কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক শুমারির মাধ্যমে কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অকৃষি খাত বিশেষ করে শিল্প ও সেবা খাতকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নমুখী করার লক্ষ্যে মানসম্মত পরিসংখ্যান প্রণয়ন করা।

⇒ বাংলাদেশে ১ম অর্থনৈতিক শুমারি ১৯৮৬ সালের ২৭-২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এ শুমারির নাম ছিল “কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও অক্ষম ব্যক্তিদের শুমারি-১৯৮৬"।
- ২য় অর্থনৈতিক শুমারিতে ২০০১ এবং ২০০৩ সালে দুটি পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। শহর এলাকায় ২০০১ সালে এবং পল্লী এলাকায় ২০০৩ সালে।
- ৩য় অর্থনৈতিক শুমারি ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ বাংলাদেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি।
- Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI) পদ্ধতিতে মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
- Allocation of Business অনুযায়ী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনা করে থাকে।
- পরিসংখ্যান আইন ২০১৩ অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর তথ্য উপাত্তের মাধ্যমে দেশের শিল্প উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা যাবে, সরকারের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, বদ্বীপ পরিকল্পনা, পরবর্তী ৯ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ এর আলোকে পরিকল্পনা পরিবীক্ষণ, জাতীয় অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও সম্পদ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

অন্যদিকে,
- PAPI (Paper and Pencil Interviewing): প্রথাগত কাগজ-কলম ভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি।
- CATI (Computer-Assisted Telephone Interviewing): টেলিফোনের মাধ্যমে কম্পিউটার সহায়তায় তথ্য সংগ্রহ।
- CAWI (Computer-Assisted Web Interviewing): ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ ফর্ম পূরণ করে তথ্য সংগ্রহ।

উৎস: পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ।
৫৬.
বাংলাদেশের উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী -
  1. ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক
  2. নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  3. এশিয়া ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  4. বিশ্বব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম :
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (BDTF) হল একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা ফোরাম যা বাংলাদেশ সরকার এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে আগ্রহী আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বার্ষিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণ করে - বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- বাংলাদেশের উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী - বিশ্বব্যাংক।
-  ১৯৭৪ সালের অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ২০০১ সালের আগ পর্যন্ত এ সম্মেলনকে ‘প্যারিস কনসোর্টিয়াম’ বলা হতো।

উৎস: Economic Relations Division.
৫৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে, চরম দারিদ্র্যের হার কত শতাংশ?
  1. ৪.৭%
  2. ৫.১%
  3. ৫.৬%
  4. ৬.২%
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫৮.
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত আর্থিক বছরে কোনো দেশের নাগরিকগণ কর্তৃক যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপন্ন হয় তার বাজার মূল্যের সমষ্টিকে কী বলে?
  1. GDP
  2. GNI
  3. NNP
  4. NNI
সঠিক উত্তর:
GNI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GNI
ব্যাখ্যা
মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product বা GDP):
একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে। 

মোট জাতীয় আয় (Gross National Income বা GNI):
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত আর্থিক বছরে কোনো দেশের নাগরিকগণ কর্তৃক যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপন্ন হয় তার বাজার মূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় আয় (GNI) বলে। একে মোট জাতীয় উৎপাদনও (GNP) বলে।

নিট জাতীয় আয় (Net National Income বা NNI) / নিট জাতীয় উৎপাদন (NNP):
কোনো দেশের মোট জাতীয় আয় থেকে মূলধন ব্যবহারজনিত অবচয় পুরণের ব্যয় (Capital Consumption Allowance বা Depreciation) বাদ দিলে যা থাকে তাকে নিট জাতীয় আয় বলে।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫৯.
কোন দুটি ব্যাংক একীভূত করে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ঢাকা ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা
  2. বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা
  3. আব্দুল্লাহ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংক
  4. ঢাকা ব্যাংক ও ব্র্যাক ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক:
- বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থাকে একীভূত করে ১৬/১১/২০০৯ খ্রি. তারিখে শতভাগ রাষ্ট্র মালিকানাধীন বিশেষায়িত বাণিজ্যিক ব্যাংক (পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি) হিসেবে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) "কোম্পানি আইন ১৯৯৪ (১৯৯৪ সালের ১৮নং আইন)" এর আওতায় ১৬ নভেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এন্ড ফার্মস-এ রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হয় এবং ব্যাংক পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ১৯ নভেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে ব্যাংকিং লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিডিবিএল এর মধ্যে ৩১ ডিসেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে সম্পাদিত Vendors Agreement মোতাবেক বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (বিএসআরএস) ও বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংকের সকল সম্পদ-দায় বিডিবিএল এর নিকট হস্তান্তরিত হয় এবং ০৩ জানুয়ারি, ২০১০ খ্রি. তারিখে ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

⇒ প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী:
- দেশের অন্যতম প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই), অবকাঠামো, ইউটিলিটি, পরিবহন, যোগাযোগ এবং অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পসহ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের জন্য ঋণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতা প্রদান;
- আমানত সংগ্রহের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ভিত্তি সুদৃঢ় করা এবং সঞ্চয়ের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে জনগণের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা;
- দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা।

উৎস: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৬০.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের শিরোনাম কী?
  1. বৈষম্যহীন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
  2. বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
  3. টেকসই ও দারিদ্র্য মুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
  4. বৈষম্যহীন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়
সঠিক উত্তর:
বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
৬১.
VGD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Vulnerable Group Development
  2. Voluntary Group Development
  3. Valuable Group Development
  4. Vulnerable Growth Development
সঠিক উত্তর:
Vulnerable Group Development
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vulnerable Group Development
ব্যাখ্যা

- VGD-এর পূর্ণরূপ -  Vulnerable Group Development Programme (VGD).
-  VGD হলো বাংলাদেশের একটি সামাজিক নিরাপত্তা ও দারিদ্র্য হ্রাস কর্মসূচি।
- সময়কাল: ০১ আগস্ট ২০১৯ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০।
- উদ্দেশ্য: দরিদ্র ও অসহায় নারীদের ক্ষমতায়ন এবং জীবিকা পরিবর্তন করা।
- তহবিলের উৎস: মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর (জিওবি)।

উৎস: National Development Programme (NDP).

৬২.
PRSP-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. বেকারত্ব হ্রাস করা
  2. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
  3. দারিদ্র্য হ্রাস করা
  4. শিক্ষার হার বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য হ্রাস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য হ্রাস করা
ব্যাখ্যা

দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ হলো: Poverty Reduction Strategy Papers.
- PRSP হলো আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র।
- দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP) দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে মোট দুটি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- মার্চ ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে। এর শিরোনাম ছিল ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নের কৌশল’।
- একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য সুশাসনকে প্রধান সোপান হিসাবে গণ্য করে প্রথম যাত্রা শুরু হয়।
- আইপিআরএসপিকে প্রাথমিক সোপান হিসাবে গণ্য করে অক্টোবর ২০০৫ সালে অধিকতর ও ব্যাপক কর্মসূচি ও কৌশল প্রণয়নে কাজ সম্পন্ন করা হয়। এই দলিলটির শিরোনাম ছিল ‘আনলকিং দ্য পটেনশিয়াল: দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের জাতীয় কৌশল’ যা পিআরএসপি নামে বহুল প্রচারিত।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়। উন্নয়ন সংক্রান্ত নীতির ধারাবাহিক স্বাক্ষর হিসাবে গৃহীত এ দলিলের শিরোনাম হলো ‘দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।

উৎস: i) পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৬৩.
দেশের সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) সাতক্ষীরা
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খুলনা
ব্যাখ্যা
খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত। এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র।
বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

(সূত্র: খুলনা ও ময়মনসিংহ জেলা ওয়েবসাইট এবং বিডিনিউজ)
৬৪.
'ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন' জাতীয় সংসদে পাস হয় কত সালে?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন:
- বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই আইনটি প্রণীত হয়।
- এর মাধ্যমে ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড কে একটি স্বতন্ত্র ও আইনগত স্বীকৃত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- যা প্রবাসী কর্মীদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য বিভিন্ন কল্যাণমূলক সেবা প্রদান করে থাকে।
- 'ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড আইন' ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদে পাস হয়।
- আইনটি বোর্ডের গঠন, দায়িত্ব ও কার্যক্রম নির্ধারণ করে। এতে বোর্ডের সদস্য সংখ্যা, তাদের নিয়োগ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে।
- আইনটি ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার ফান্ডের গঠন, ব্যবস্থাপনা ও ব্যয়ের দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
- প্রবাসী কর্মীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য বোর্ডকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড ওয়েবসাইট।

৬৫.
সরকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কোন বাজেট থেকে প্রণয়ন করে থাকে?
  1. রাজস্ব বাজেট
  2. অ-উন্নয়ন বাজেট
  3. চলতি বাজেট
  4. উন্নয়ন বাজেট
সঠিক উত্তর:
উন্নয়ন বাজেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নয়ন বাজেট
ব্যাখ্যা

মূলধন বাজেট বা উন্নয়ন বাজেট:
- সরকারের মূলধন আয় ও ব্যয়ের হিসাব যে বাজেটে দেখানো হয় তাকে মূলধন বা উন্নয়ন বাজেট বলে।
- এ বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশের ও জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধন করা।
- এ লক্ষ্যে সরকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় উৎস হতে অর্থসংস্থান করে।
- অভ্যন্তরীণ আয়ের উৎস হলো-রাজস্ব উদ্বৃত্ত, বেসরকারি সঞ্চয় ব্যাংক ঋণ ও অতিরিক্ত কর ধার্য করা ইত্যাদি।
- বৈদেশিক আয়ের উৎস হলো-বৈদেশিক ঋণ, বৈদেশিক অনুদান ইত্যাদি।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায়- কৃষি, শিল্প, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, মহিলা ও যুব উন্নয়ন, পরিবহণ ও যোগাযোগ, পল্লি উন্নয়ন ও গৃহায়ণ ইত্যাদি খাতে সরকার ব্যয় করে থাকে।
- এ বাজেটের মূল লক্ষ্য হলো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রবৃদ্ধি অর্জন।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৬৬.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রকাশিত হিটম্যাপে কয়টি খাতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১১টি
  2. ১৩টি
  3. ১৭টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা):
- BIDA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Investment Development Authority.
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি,
- বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ বা এফডিআই আকর্ষণে  হিটম্যাপ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)।
- তথ্যনির্ভর এফডিআই হিটম্যাপটি ১৯টি সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ টানতে কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেবে।
- এফডিআই হিটম্যাপে থাকা ১৯টি খাতকে তিনটি প্রধান মানদণ্ড বাজার প্রস্তুতি ও সম্ভাবনা, ইনপুট ফ্যাক্টরের প্রাপ্যতা ও জাতীয় লক্ষ্য (এসডিজি ও ইএসজি)-এর সঙ্গে কৌশলগত সংযোগের ভিত্তিতে ভাগ করা হয়েছে।
- অগ্রাধিকার খাতের প্রধান হলো ছয়টি খাত হচ্ছে- কোর অ্যাপারেল, ফার্মাসিউটিক্যালস (এপিআই ছাড়া), কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, আইটি-সক্ষম সেবা, উন্নত টেক্সটাইল এবং নবায়নযোগ্য শক্তি।
- এফডিআই হিটম্যাপের কার্যকারিতা সর্বাধিক করতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ফোরাম, রোড শো এবং নীতি উন্নয়নের উদ্যোগ নেবে বিডা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৬৭.
কারা ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে সহায়তা পেয়ে থাকেন?
  1. দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষেরা
  2. মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরা
  3. বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্ররা
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
VGF:
- VGF- এর পূর্ণরূপ: Vulnerable Group Feeding.
- VGF হলো খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের একটি ত্রাণ কর্মসূচির নাম।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
- প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
- এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

⇒ ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে:
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যেরমাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬৮.
সম্প্রতি, এফডিআই আর্কষণে বিডা প্রকাশিত হিটম্যাপে কয়টি খাতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৯টি
  2. ১৯টি
  3. ২৯টি
  4. ৩৯টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা):
- BIDA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Investment Development Authority.
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি,
- বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ বা এফডিআই আকর্ষণে হিটম্যাপ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)।
- তথ্যনির্ভর এফডিআই হিটম্যাপটি ১৯টি সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ টানতে কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেবে।
- এফডিআই হিটম্যাপে থাকা ১৯টি খাতকে তিনটি প্রধান মানদণ্ড বাজার প্রস্তুতি ও সম্ভাবনা, ইনপুট ফ্যাক্টরের প্রাপ্যতা ও জাতীয় লক্ষ্য (এসডিজি ও ইএসজি)-এর সঙ্গে কৌশলগত সংযোগের ভিত্তিতে ভাগ করা হয়েছে।
- অগ্রাধিকার খাতের প্রধান হলো ছয়টি খাত হচ্ছে- কোর অ্যাপারেল, ফার্মাসিউটিক্যালস (এপিআই ছাড়া), কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, আইটি-সক্ষম সেবা, উন্নত টেক্সটাইল এবং নবায়নযোগ্য শক্তি।
- এফডিআই হিটম্যাপের কার্যকারিতা সর্বাধিক করতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ফোরাম, রোড শো এবং নীতি উন্নয়নের উদ্যোগ নেবে বিডা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৬৯.
VGF এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Voluntary Group Fund
  2. Vulnerable Group Feeding
  3. Village Growth Forum
  4. Voluntary Grant Fund
সঠিক উত্তর:
Vulnerable Group Feeding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vulnerable Group Feeding
ব্যাখ্যা

• Vulnerable Group Feeding (VGF) বা “দুর্বল গোষ্ঠী খাদ্য কর্মসূচি”
- ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর, বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP)-এর সহযোগিতায় “ Vulnerable Group Feeding (VGF) চালু করে। 
- সূচনাকালে, এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ৩১.২৫ কিলোগ্রাম গম সরবরাহ করা হতো।
- এখনো পর্যন্ত VGF একটি মানবিক কর্মসূচি হিসেবে চলমান আছে, 
- যা দুর্যোগকালীন সময়ে এবং প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে।

• VGF কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:

• দরিদ্র ও অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
• দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও শিশুদের রোগব্যাধি প্রতিরোধ করা;
• নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারমূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা;
• মন্দার সময় বেকার জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা;
• দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অস্থায়ী সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখা; এবং
• অতিদরিদ্র জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: বিশ্ব ব্যাংক।

৭০.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের নিয়মিত বৈঠক হয়-
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) জেনেভা
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।

উৎসঃ ইআরডি ওয়েবসাইট।
৭১.
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এর কাজ নয় কোনটি?
  1. মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ
  2. সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ
  3. মানি লন্ডারিং করা
  4. গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং করা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU):
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (BFIU) হল মানি লন্ডারিং (ML), সন্ত্রাসে অর্থায়ন (TF) এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার (PF) প্রতিরোধে নিয়োজিত কেন্দ্রীয় সংস্থা।

প্রধান কার্যক্রম:
- সন্দেহজনক লেনদেন/কার্যক্রম প্রতিবেদন (STRs/SARs) এবং নগদ লেনদেন প্রতিবেদন (CTRs) বিশ্লেষণ।
- রিপোর্টিং সংস্থা (ROs) এবং অন্যান্য উৎস থেকে প্রাপ্ত মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ।
- বিশ্লেষণের ভিত্তিতে গোয়েন্দা প্রতিবেদন তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সরবরাহ।
- রিপোর্টিং সংস্থাগুলোর মানিলন্ডারিং, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের প্রসার সম্পর্কিত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও তদারকি।
- বিদেশি সংস্থাগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়ের দায়িত্ব পালন।
- BFIU দেশের আর্থিক খাতকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী কাজ করে এবং মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: BFIU  ওয়েবসাইট
৭২.
'টাকা বন্ড' ছাড়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে কোন স্টক এক্সচেঞ্জে?
  1. NSE
  2. Nasdaq
  3. LSE
  4. FSE
সঠিক উত্তর:
LSE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LSE
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাজ্যের লন্ডনে IFC এর সহযোগিতায় লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে (LSE) বাংলা বন্ড ছাড়ার পর এবার টাকা বন্ড ছাড়ার উদ্যোগ নেয় IFC।
- এর উদ্দেশ্য হল বন্ড ছেড়ে টাকা তুলে দেশের বিভিন্ন শিল্পে বিনিয়োগ করা।
-  অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ERD) এ বন্ড ছাড়ার প্রাথমিক সম্মতি দেয়। 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট
৭৩.
বাণিজ্য শুল্ক কী?
  1. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর কর
  2. আমদানি ও রপ্তানির ওপর আরোপিত কর
  3. ব্যক্তিগত আয়ের ওপর কর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আমদানি ও রপ্তানির ওপর আরোপিত কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমদানি ও রপ্তানির ওপর আরোপিত কর
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য শুল্ক:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস হলো বাণিজ্য শুল্ক।
- দেশের আমদানি ও রপ্তানিকৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে বাণিজ্য শুল্ক বলা হয়।

আবগারি শুল্ক:

- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই, মদ, গাঁজা, আফিম প্রভৃতি দ্রব্যের ওপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

আয়কর:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের এটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস আয়কর।
- জনসাধারণের ব্যক্তিগত আয়ের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তাকে আয়কর বলা হয়।
- যাদের আয় একটি নির্দিষ্ট সীমার ঊর্ধ্বে তাদের নিকট থেকে প্রগতিশীল (Progressive) হারে আয়কর আদায় করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই। 
৭৪.
মুদ্রাস্ফীতি কী?
  1. ক) অর্থের মূল্য কমে আসা
  2. খ) অর্থের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া
  3. গ) অর্থের মূল্য সমান থাকা
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) অর্থের মূল্য কমে আসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অর্থের মূল্য কমে আসা
ব্যাখ্যা
- মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি। অর্থাৎ বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- মুদ্রাস্ফিতির ফলে মুদ্রার মান হ্রাস পায়। পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়। একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭৫.
E-TIN এর পূর্ণরূপ -
  1. Electronic Trade Identification Number
  2. Electronic Tax Invoice Number
  3. Electronic Taxpayer's Identification Number
  4. Electronic Tax Integration Number
সঠিক উত্তর:
Electronic Taxpayer's Identification Number
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Electronic Taxpayer's Identification Number
ব্যাখ্যা

E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধন আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

৭৬.
BACPS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Automated Check Processing System
  2. Bangladesh Automated Clearance Processing System
  3. Bangladesh Automated Character Processing System
  4. Bangladesh Automated Cheque Processing System
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Automated Cheque Processing System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Automated Cheque Processing System
ব্যাখ্যা
BACPS:
- BACPS-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Automated Cheque Processing System.

উল্লেখ্য,
- BACH হচ্ছে বাংলাদেশ অটোমেটেড ক্লিয়ারিং হাউস, যেখানে দু'ধরণের আন্তঃব্যাংক লেনদেন নিষ্পত্তি করা হয়।
- একটি হচ্ছে বাংলাদেশ অটোমেটেড চেক প্রসেসিং সিস্টেম (BACPS), যার মাধ্যমে ব্যাংকসমূহের ক্লিয়ারিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- অপরটি হচ্ছে বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস্ ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (BEFTN) যার মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক ইলেকট্রনিক ডেবিট ও ক্রেডিট লেনদেনসমূহ পরিচালিত হয়।

⇒ চেক ক্লিয়ারিং:
- চেক ক্লিয়ারিং এর জন্য চেকের প্রাপককে নিম্নোক্ত হারে চার্জ পরিশোধ করতে হয়:
• ৫০,০০০ টাকার নিচে চেক ক্লিয়ারিং এর জন্য কোন চার্জ দিতে হয় না;
• ৫০,০০০ টাকা বা এর বেশি কিন্তু ৫ লক্ষ টাকার নিচে চেক এর জন্য ভ্যাটসহ মোট ১০ টাকা;
• ৫ লক্ষ টাকা বা এর বেশি অংকের চেক Regular Value ক্লিয়ারিং এর জন্য উপস্থাপিত হলে ভ্যাটসহ ২৫ টাকা; ৫ লক্ষ টাকা বা এর বেশি অংকের চেক High Value ক্লিয়ারিংএর জন্য উপস্থাপিত হলে ভ্যাটসহ মোট ৬০ টাকা; • সকল ধরণের G2P অর্থাৎ কোন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে দেয়া সরকারি চেক, সরকারি পাওনার বিপরীতে কিংবা সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভার বিভিন্ন পাওনার বিপরীতে অথবা ইউটিলিটি বিলের বিপরীতে প্রদত্ত চেক ক্লিয়ারিং এর জন্য কোন চার্জ পরিশোধ করতে হয় না।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৭৭.
বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়াকে বলা হয়- 
  1. মুদ্রার অবমূল্যায়ন
  2. মুদ্রা সংকোচন
  3. কারেন্সি সোয়াপ
  4. মুদ্রাস্ফিতি
সঠিক উত্তর:
মুদ্রাস্ফিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রাস্ফিতি
ব্যাখ্যা

- বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে মুদ্রাস্ফিতি বলা হয়।
- মুদ্রাস্ফিতির ফলে বাজারে পণ্যের দাম ‍বৃদ্ধি পায়।

অন্যদিকে,
- মুদ্রা সংকোচন হলো উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ হ্রাস পাওয়া।
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন মুদ্রার মূল্যমান হ্রাস করা।
- কারেন্সি সোয়াপ হলো দুটি ভিন্ন মুদ্রায় ঋণ ও সুদের অর্থ বিনিময়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ও ইনভেস্টোপিডিয়া। 

৭৮.
'উরি ব্যাংক' কোন দেশ ভিত্তিক বাণিজ্যিক ব্যাংক?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. জাপান
  3. চীন
  4. উওর কোরিয়ার
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি। 
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩ট।

বিদেশী ব্যাংক:
- 'উরি ব্যাংক' (Woori Bank) দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিদেশি তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এগুলো হলো: -
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড।
- হাবিব ব্যাংক লিমিটেড।
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া।
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন।
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।
- সিটি ব্যাংক এনএ।
- উরি ব্যাংক।
- হংকং সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন (এইচএসবিসি) লিমিটেড।
- ব্যাংক আল-ফালাহ লিমিটেড।
- এদের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড সবচেয়ে পুরনো এবং বৃহৎ বিদেশি ব্যাংক।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৭৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ১৭%
  2. ২২%
  3. ২৬%
  4. ৩২%
সঠিক উত্তর:
১৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৪%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮০.
বাংলাদেশে VAT চালু হয় কত সালে?
  1. ১ জুলাই, ১৯৮৯
  2. ১ জুলাই, ১৯৯০
  3. ১ জুলাই, ১৯৯১
  4. ১ জুলাই, ১৯৯২
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই, ১৯৯১
ব্যাখ্যা
• মূ্ল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট:
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূ্ল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- সরকারি আয়ের দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর
- তৃতীয় সম্পূরক শুল্ক এবং চতুর্থ আমদানি শুল্ক।

উৎসঃ এনবিআরের ওয়েবসাইট।
৮১.
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো অর্থনীতিতে চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্য থেকে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় বা অবচয় ব্যয় বাদ দিলে যা থাকে তাকে কী বলে?
  1. মোট জাতীয় আয়
  2. নিট জাতীয় আয়
  3. মোট দেশজ উৎপাদন
  4. নিট দেশজ উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
নিট জাতীয় আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিট জাতীয় আয়
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় আয় (Gross National Income: GNI):
- মোট জাতীয় আয় ও মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাণগতভাবে একই অর্থ প্রকাশ করে।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে একটি দেশের নাগরিক কর্তৃক দাবিকৃত দেশীয় ও বৈদেশিক উৎস হতে সংগৃহীত মূল্য সংযোজনকে মোট জাতীয় আয় (GNI) বলা যায়।
- GNI মোট দেশজ উৎপাদন এবং বৈদেশিক উৎস হতে প্রাপ্ত প্রাথমিক আয়কে অন্তর্ভুক্ত করে।

নিট জাতীয় আয় (Net National Income বা NNI):
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো অর্থনীতিতে চূড়ান্ত পর্যায়ের দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্য (GNI) থেকে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় (Capital Consumption Allowance-CCA) বা অবচয় ব্যয় (Depreciation Cost) বাদ দিলে যা থাকে তাকে নিট জাতীয় আয় বলে।

মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product বা GDP):
- GDP জাতীয় আয় নির্ধারণ, সামষ্টিক বিশ্লেষণ ও উন্নয়ন নীতি নির্ধারণের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ সূচক। GDP ধারণাটি GNP ধারণার সাথে সমজাতীয় হলেও উভয়ের মধ্যে কিছুটা তাৎপর্যপূর্ণ পার্থক্য লক্ষ করা যায়।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজারমূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয়-এর সমষ্টি (includes) থেকে দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ থেকে বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) বলা হয়।

নিট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product বা NDP):
- মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) হতে মূলধন সামগ্রীর ব্যবহারজনিত ব্যয় (CCA) বা অবচয় ব্যয় (DC) বাদ দেওয়ার পর যা পাওয়া যায়, তাকে নিট দেশজ উৎপাদন বলে।

উৎস: Macroeconomics, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২.
এডিবির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার কততম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. দ্বিতীয়
  2. পঞ্চম 
  3. অষ্টম 
  4. নবম 
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা

বৃহৎ অর্থনীতিতে বাংলাদেশ:
- এডিবির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় এবং এশিয়ার নবম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ।
- এডিবির পরিসংখ্যান অনুসারে, দক্ষিণ এশিয়ায় এখন ভারতের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি সবচেয়ে বড়।
- বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।

⇒ এশিয়ার মধ্যে নবম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হলো বাংলাদেশ। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকারের ভিত্তিতে এই হিসাব করা হয়েছে। বাংলাদেশের জিডিপির আকার এখন ৪৫০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৫০ কোটি ডলার।
- এটি ২০২৪ সালের হিসাবের ভিত্তিতে করা হয়।
- এডিবির পরিসংখ্যান অনুসারে, অর্থনীতির আকারের দিক থেকে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে আছে চীন, ভারত, কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, তাইপে, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইন।
- এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ চীন।
- এপ্রিল, ২০২৫-এ এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে, যা ২০২৫ বেসিক স্ট্যাটিসটিকস নামে পরিচিত। ৪৬টি দেশের জিডিপির আকারের হিসাব দিয়েছে এডিবি।

উল্লেখ্য,
- একটি দেশের অভ্যন্তরে পণ্য ও সেবা উৎপাদন করতে গিয়ে যে পরিমাণ অর্থের মূল্য সংযোজন করে, তা জিডিপি দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- কৃষি, শিল্প ও সেবা—এই তিন উপখাত দিয়ে জিডিপি গণনা করা হয়। তবে দেশের বাইরের আয়, যেমন প্রবাসী আয় জিডিপিতে যুক্ত হয় না। 

উৎস: প্রথম আলো।

৮৩.
মুহাম্মদ ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০০৪ সাল
  2. ২০০৬ সাল
  3. ২০০৮ সাল
  4. যৌথভাবে পুরস্কার পাননি
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সাল
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।

⇒ ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- এর মধ্যে রয়েছে:
- স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।


উৎস: ইউনূস সেন্টার।
৮৪.
বাংলাদেশ কত সালে LDC হতে উত্তরণ করবে?
  1. ২০২৪ সালে
  2. ২০২৫ সালে
  3. ২০২৬ সালে
  4. ২০২৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা

LDC (Least Developed Countries):
- LDC হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- তিনটি সূচককে মানদন্ড হিসেবে নিয়ে LDC কর্যক্রম পরিচালনা  করে থাকে। সেগুলো হলো:
১. আয় সূচক
২. মানব সম্পদ সূচক
৩. অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দুর্বলতা সূচক

- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৪টি দেশ রয়েছে।
- সপ্তম দেশ হিসেবে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (LDC) তালিকা থেকে বের হয় - ভুটান(১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩)।
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC হতে উত্তরণ করবে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
- অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যিক ব্যাংক কতটি?
  1. ক) ৬০টি
  2. খ) ৫৭টি
  3. গ) ৫৯টি
  4. ঘ) ৫২টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৫৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫৯টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যিক ব্যাংক ৫৯টি এবং বাংলাদেশে ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৩৪টি।
নতুন তফসিলি ব্যাংকের অনুমোদনঃ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বাংলাদেশ ব্যাংক এর ৪০২ তম পরিচালনা পর্ষদ সভায় দেশের ৬০ তম তফসিলি ব্যাংক হিসেবে চুড়ান্তভাবে অনুমোদন পায় বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড। এর প্রধান উদ্যোক্তা হলেন বেঙ্গল গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন। বর্তমানে দেশে ৬০টি তফসিলি ব্যাংকের মধ্যে ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণীজ্যিক ব্যাংক, ৩টি সরকারি বিশেষায়িত ব্যাংক এবং বাকি ৫১টি বেসরকারি ব্যাংক যার মধ্য়ে ৯টি বিদেশি মালিকানাধীন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
৮৬.
নিচের কোনটি বিশেষায়িত ব্যাংক?
  1. ক) বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  3. গ) আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা তিনটি। এগুলো হলো:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
অন্যদিকে,
বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড হলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।
আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড এবং আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড হলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৮৭.
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির স্কিম কোনটি?
  1. দেশী স্কিম
  2. সুগতি স্কিম
  3. অগ্রগতি স্কিম
  4. সমতা স্কিম
সঠিক উত্তর:
সমতা স্কিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতা স্কিম
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন পেনশন:
- দেশের মানুষের জন্য সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনা।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৪টি স্কিম রাখা হয়েছে।
• প্রবাস স্কিম,
• প্রগতি স্কিম,
• সুরক্ষা ও
• সমতা স্কিম।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মচারী বা ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক এতে অংশ নিতে পারবেন।
- অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা নিজ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যেমন- কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেল, তাঁতিরা এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে।
- দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের ব্যক্তিরা (যাদের বর্তমান আয়সীমা বছরে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা) এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
-  সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।

তথ্যসূত্র – ডেইলী স্টার।
৮৮.
দেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৩টি:
১. ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর,
২. শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও
৩. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর৷

• বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) (Civil Aviation Authority of Bangladesh-CAAB):
- বাংলাদেশের আকাশসীমায় ও বিমানবন্দরসমূহে চলাচলকারী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সকল উড়োজাহাজ এর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পালন করে থাকে। 
- CAAB এর অধীনে বর্তমানে দেশে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ৭টি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর এবং ২টি স্টলপোর্ট রয়েছে।
- এই ১২টি বিমানবন্দর ও স্টলপোর্টের মধ্যে বর্তমানে ৮টি বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে।
- যাত্রী স্বল্পতার কারণে ২টি অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর ও ২টি স্টলপোর্টে কোন ফ্লাইট যাতায়াত করছে না।
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড: বর্তমানে ৭টি অভ্যন্তরীণ ও ১৯টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সার্ভিস পরিচালনা করছে।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৮৯.
বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে কবে?
  1. ১৪ নভেম্বর, ২০২৬
  2. ১৬ নভেম্বর, ২০২৬
  3. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
  4. ২৬ নভেম্বর, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
২৪ নভেম্বর, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ নভেম্বর, ২০২৬
ব্যাখ্যা

LDC:
- ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- প্রারম্ভিক তালিকায় ২৫টি দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমানে ৪৪টি দেশ এলডিসি তালিকাভুক্ত।
- মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
- সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।

⇒ বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জাতিসংঘের আয়োজনে ১৯৭১ সালে এলডিসি তালিকা প্রণয়নের পর থেকে এযাবৎ এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া সাতটি দেশ এবং উত্তরণের প্রক্রিয়াধীন ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশই একমাত্র সদস্য রাষ্ট্র, যেটি টানা তিন বারের মূল্যায়নে সকল সূচকে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। 
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য,
- এলডিসি থেকে কোন দেশ বের হবে, সে বিষয়ে সুপারিশ করে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) অধীন কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)।
- তিন বছর পরপর এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর ত্রিবার্ষিক মূল্যায়ন করা হয়।
- মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা—এই তিন সূচকের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়, কোনো দেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্য কি না। যেকোনো দুটি সূচকে উত্তীর্ণ হতে হয় অথবা মাথাপিছু আয় নির্ধারিত সীমার দ্বিগুণ হতে হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব মানদণ্ড অবশ্য পরিবর্তিত হয়।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৯০.
বাংলাদেশে প্রথম স্বতন্ত্র আইএফআরএস প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোন ব্যাংক?
  1. ব্র্যাক ব্যাংক
  2. এবি ব্যাংক
  3. সিটি ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক ব্যাংক
ব্যাখ্যা
আইএফআরএস প্রতিবেদন:
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো স্বতন্ত্র আইএফআরএস ‘এস-১’ ও ‘এস-২’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
- ইন্টারন্যাশনাল সাসটেইনেবিলিটি স্ট্যান্ডার্স বোর্ডের (আইএসএসবি) তৈরি জলবায়ু ও টেকসই ঝুঁকি প্রকাশের বৈশ্বিক ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করে এ রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে।
- এই প্রতিবেদনে টেকসই ও জলবায়ু–সম্পর্কিত ঝুঁকি ও সুযোগে কীভাবে ব্র্যাক ব্যাংক এক্সপোজার শনাক্ত, পরিচালনা ও প্রকাশ করে থাকে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
- প্রথম ইনডিপেনডেন্ট রিপোর্ট প্রকাশের মধ্য দিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাংক হিসেবে নতুন প্রবর্তিত এই স্ট্যান্ডার্ড গ্রহণ করেছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ডস (আইএফআরএস) এস–১ ও এস–২ স্ট্যান্ডার্ডস প্রবর্তিত হয়।
- যা সাসটেইনেবিলিটি ও জলবায়ু–সম্পর্কিত আর্থিক তথ্য প্রকাশে একটি সমন্বিত ও বিনিয়োগকারীকেন্দ্রিক কাঠামো প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৯১.
মোট জাতীয় উৎপাদনকে কয়টি দিক থেকে বিবেচনা করে পরিমাপ করা যায়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপ: 
- মোট জাতীয় উৎপাদনকে তিনটি দিক থেকে বিবেচনা করে পরিমাপ করা যায়। 

১. উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা: 
- যে কোনো দেশের অর্থনীতিতে জনগণের প্রয়োজনের ভিত্তিতে নানাবিধ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা উৎপাদন করা হয়। 
- মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ নির্ণয় করতে হলে প্রতিটি দ্রব্য ও সেবার মোট উৎপাদনের পরিমাণকে তার বাজার দাম দিয়ে গুণ করতে হয়।
- এভাবে প্রাপ্ত প্রতিটি দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন বলে।
- এ পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় করতে হলে শুধুমাত্র চূড়ান্ত দ্রব্যই গণনা করতে হবে।

২. উৎপাদনের উপকরণের অর্জিত আয়: 
- এ পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপ করতে হলে উৎপাদনের উপাদানসমূহের মোট আয়ের সমষ্টি নির্ণয় করতে হয়।
- ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন-উৎপাদনের এ চারটি উপাদানের আয় যথাক্রমে খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা।
- এক বছরে কোনো দেশের জাতীয় আয় হলো ঐ বছরে উৎপাদনের উপাদানসমূহের অর্জিত মোট খাজনা, মজুরি বা বেতন, সুদ ও মুনাফার সমষ্টি।

৩. সমাজের মোট ব্যয়: 
- সমাজের মোট ব্যয়ের ভিত্তিতেও মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় করা যায়।
- এই পদ্ধতি অনুসারে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের সমস্ত ধরনের ব্যয় যোগ করলে মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য পাওয়া যায়।
- কোনো দেশের মোট আয় দু'ভাবে ব্যয়িত হয়- (i) ভোগ্যদ্রব্য ও সেবা কেনার জন্য এবং (ii) বিনিয়োগ করার জন্য।
- ব্যয়কারীদের প্রধানত তিন শ্রেণিতে বিন্যাস করা যায়: সরকার, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং জনগণ।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত এক বছরে সরকারি, প্রাতিষ্ঠানিক এবং বেসরকারি ভোগ-ব্যয় ও বিনিয়োগ-ব্যয়ের সমষ্টি ঐ সময়ে ঐ দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
৯২.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা কোনটি?
  1. আশা
  2. প্রশিকা
  3. কারিতাস
  4. ব্র্যাক
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র্যাক
ব্যাখ্যা
ব্র্যাক:
- ব্র্যাক বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা।
- ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কর্মসূচি ছাড়াও এই সংস্থাটি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, সুরক্ষা, পানি- পয়:নিষ্কাশন সেবা, স্বাস্থ্য নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ, অতিদারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষা, আইনি সহায়তা, আর্থিক সেবা, প্রাক-অভিবাসন সেবা, অভিবাসন চলাকালীন সেবা, বিদেশ ফেরত শ্রমিকদের পুনর্বাসন সেবা এবং সর্বোপরি সামাজিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

⇒ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত সংস্থাটির ক্রমপুঞ্জিভূত ঋণ বিতরণ ও আদায়ের পরিমাণ যথাক্রমে ৪,৫৬,১৯০.৮৫ কোটি ও ৪,১৬,০৪২.৫৯ কোটি টাকা।
- প্রদানকৃত উক্ত ক্ষুদ্রঋণ সুবিধার আওতায় মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা ছিল ৮,৮০৮,৩৩৯ জন যার মধ্যে ৮৯ শতাংশই মহিলা।

অন্যদিকে,
⇒ আশা:
- ১৯৯১ সালে বিশেষায়িত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে আশা কার্যক্রম শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠানটির স্বল্প ব্যয় ও টেকসই ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

⇒ কারিতাস:
- কারিতাস দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
- ঋণ সহায়তাসহ আত্ম-কর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকার উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমানে দেশের ৩০টি জেলার ৮৭টি উপজেলার ৭৭৭টি ইউনিয়নের ৫,৮৯৪টি গ্রামে কারিতাসের ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 

⇒ প্রশিকা:
- দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ে ১৯৭৬ সালে মানিকগঞ্জ থেকে প্রশিকার যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশের ৪৩টি জেলায় এর কার্যক্রম বিস্তৃত।
- ডিসেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত সংস্থাটি মোট ১২,২৭৮.৪০ কোটি টাকা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করেছে।
- একই সময় পর্যন্ত প্রশিকা থেকে ঋণ নিয়ে উপকৃত হয়েছেন ৫,৭৭,৪০৭ জন দরিদ্র মানুষ।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯৩.
কোনটি বাংলাদেশের মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা?
  1. BSEC
  2. FID
  3. Bangladesh Bank
  4. CDBL
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Bank
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- প্রতিটি দেশে বাধ্যতামূলকভাবে একটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকে।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে মুদ্রা বাজার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থেকে এসকল কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে।
- এটিকে সরকারের ব্যাংক বলে।
- তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাহায্য ছাড়া অর্থ ও মূদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্ব অপরিসীম।
- সৃষ্টির পর থেকেই মুদ্রা প্রচলন, অর্থ সরবরাহ এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক পালন করে আসছে।

⇒ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি:
- মুদ্রা প্রচলন।
- মুদ্রার মুল্যমান সংরক্ষণ।
- মুদ্রা বাজার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ।
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ।
- রিজার্ভ সংরক্ষণ।
- বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- বৈদেশিক মূদ্র্য ও বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- সরকারের উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি।
- সরকারের আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪.
বাংলাদেশ প্রথম কবে দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র প্রণয়ন করে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা
দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।
- ২০০৮ সালে সম্পাদিত পিআরএসপি-২ এর সরকার বদলের ফলে কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া।
৯৫.
নিচের কোন জেলাটিতে সাধারণত জুম চাষ হয় না?
  1. ক) রাঙ্গামাটিতে
  2. খ) বান্দরবানে
  3. গ) খাগড়াছড়িতে
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
- জুম বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের এক ধরনের চাষাবাদ পদ্ধতি।
- পাহাড়ের ঢালু এলাকায় জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে পাহাড়িরা সাধারণত চাষাবাদ করে থাকে।
- বাংলাদেশের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটিতে জুম চাষ হয়।
৯৬.
ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. আহম্মদুল্লাহ মিয়া
  3. ডা. এ কে এম আবদুল ওয়াহেদ
  4. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
সঠিক উত্তর:
স্যার ফজলে হাসান আবেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
BRAC: 
- BRAC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rural & Advancement Committee।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ BRAC প্রতিষ্ঠা করেন।
- ব্র্যাক হলো একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা।
- এটি নারী ও শিশুদের উপর বিশেষ ফোকাস রেখে কাজ করে।

উল্লেখ্য, 
- ফজলে হাসান আবেদ যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক উপাধি 'নাইট' উপাধি লাভ করেন।

উৎস: ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
৯৭.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুসারে, জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান - [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ৩৭.৩২ শতাংশ
  2. ৩৭.৪৪ শতাংশ
  3. ৩৭.৫২ শতাংশ
  4. ৩৭.৮৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩৭.৪৪ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৪৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা

খাতভিত্তিক জিডিপি:
- সর্বশেষ (মে, ২০২৫) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -
• কৃষি খাতের অবদান ১০.৯৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৪৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪%।
• সেবা খাতের অবদান ৫১.৬২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭% [উল্লেখ্য, চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%]।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

৯৮.
বাংলাদেশের আর্থিক বছর কোনটি?
  1. ফেব্রুয়ারি-ডিসেম্বর
  2. জানুয়ারি-ডিসেম্বর
  3. জুন-জুলাই
  4. জুলাই-জুন
সঠিক উত্তর:
জুলাই-জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই-জুন
ব্যাখ্যা
→ জুলাই-জুন।

• অর্থবছর:

- বাজেট বলতে আয় ও ব্যয়ের সুবিন্যস্ত হিসাবকে বোঝায়।
- ব্যক্তি তার বিভিন্ন উৎস থেকে যে আয় পায় তা কীভাবে ব্যয় করে তা যদি সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়, তা হবে ব্যক্তিগত বাজেট।
- একইভাবে সরকারের কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে বিভিন্ন উৎস থেকে কতটুকু আয় প্রাপ্তির আশা করে এবং বিভিন্ন খাতে কী পরিমাণ ব্যয় করতে চায়, তার সুবিন্যস্ত হিসাবকে সরকারি বাজেট বলে।
- বাংলাদেশে আর্থিক বছর হলো জুলাই থেকে জুন।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে বাজেট প্রণয়ন করে জাতীয় সংসদে অনুমোদন নিতে হয়।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি নিয়ে সরকারের নির্ধারিত আয়-ব্যয় ও তার পদ্ধতি কার্যকর হয়।

• বাজেটের প্রকারভেদ: 
- সরকারের আয়-ব্যয়ের প্রকৃতি অনুযায়ী বাজেটকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- চলতি বাজেট।
- মূলধন বাজেট।

উৎস: অর্থনীতি নবম-দশম শ্রেণি।
৯৯.
একটি বৈধ ব্যাংক চেকের মেয়াদ কত দিন?
  1. ক) ৬ মাস
  2. খ) ১৫ দিন
  3. গ) ১ বছর
  4. ঘ) ২ মাস
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ মাস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী একটি বৈধ চেকের মেয়াদ ৬ মাস। একটি চেক ইস্যুর তারিখ থেকে ছয় মাস মেয়াদে কার্যকর থাকে।

এছাড়াও,
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০০.
২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল---
  1. ক) ৫.১২%
  2. খ) ৫.৩৮%
  3. গ) ৫.৪৪%
  4. ঘ) ৫.৫৬%
  5. ঙ) ৫.৭৮%
সঠিক উত্তর:
গ) ৫.৪৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫.৪৪%
ব্যাখ্যা
২০১৮-১৯ অর্থবছরে মার্চ, ২০১৯ পর্যন্ত গড় মূল্যস্ফীতি ৫.৪৪% যা আগের অর্থবছরে ছিলো ৫.৭৮%। উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।