উত্তর
ব্যাখ্যা
অপরদিকে,
- কঠিন অবস্থায় পদার্থের অণুগুলো কাছাকাছি থাকে, কিন্তু একটি অনু অন্য অণুর সাপেক্ষে নড়তে পারে না।
- তরল অবস্থায় পদার্থের অণুগুলো কাঁপে নিজ অবস্থানে থেকে, কিন্তু স্থান পরিবর্তন করতে পারে না।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ২৮ / ৩৮ · ২,৭০১–২,৮০০ / ৩,৭৪৭
- এক্স-রশ্মি (X-ray) হলো এক প্রকার উচ্চ শক্তি সম্পন্ন তড়িৎচৌম্বকীয় বিকিরণ। দৃশ্যমান আলোর মতোই এক্স-রশ্মিও একটি নির্দিষ্ট মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সর্বদা সরল পথে চলাচল করে, এটি বিদ্যুৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয় না।
এক্স-রশ্মির ধর্ম:
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।
- এক্স-রশ্মি সরল পথে গমন করে।
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে।
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ:
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২%
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১%
• আর্গন ⇒ o.৮০%
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩%
• ওজোন ⇒ ০.০০০১%
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯%
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১%
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১%
তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ উত্তল লেন্সের ফোকাস ধনাত্মক ধরা হয়, তাই ক্ষমতাও ধনাত্মক হবে।২০ সেমি ফোকাস দূরত্ব মানে +৫ ডাইঅপ্টার ক্ষমতা।
লেন্সের ক্ষমতা:
- প্রধান অক্ষের সমান্তরাল এক গুচ্ছ আলোকরশ্মিকে উত্তল লেন্স কেন্দ্রীভূত বা অভিসারী করে এক বিন্দুতে মিলিত করে।
- অপরদিকে অবতল লেন্স একগুচ্ছ সমান্তরাল রশ্মিকে অপসারী করে; ফলে ঐ রশ্মিগুচ্ছ কোনো একটি বিন্দু থেকে অপসারিত হচ্ছে বা ছড়িয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়।
- আলোকরশ্মিকে অভিসারী বা অপসারী করার প্রক্রিয়াটি পরিমাপ করার জন্য লেন্সের "ক্ষমতা" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ১-কে লেন্সের ফোকাস দূরত্ব (মিটারে প্রকাশ করে) দিয়ে ভাগ করা হলে লেন্সের ক্ষমতা পাওয়া যায়, যার একক হল ডায়াপ্টর।
অর্থাৎ, একটি উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ২ মিটার হলে তার ক্ষমতা হবে ১/২ ডায়াপ্টর বা ০.৫ ডায়াপ্টর।
- লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক বা ঋণাত্মক দুই-ই হতে পারে।
- কোনো লেন্সের ক্ষমতা +1D বলতে বোঝায়, লেন্সটি উত্তল এবং এটি প্রধান অক্ষের ১ মিটার দূরে আলোকরশ্মিগুচ্ছকে মিলিত করবে।
- আবার লেন্সের ক্ষমতা -2D হলে বুঝতে হবে লেন্সটি অবতল এবং এটি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোকরশ্মিকে এমনভাবে অপসারিত করে যে, এগুলো কোনো লেন্স থেকে ১/২ মিটার বা ৫০ সেমি দূরের কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়।
লেন্সের ক্ষমতা (P) = 100 / f
যেখানে, f = ফোকাস দূরত্ব (সেমি) = 20 সেমি
P = 100/20 = +5 D (ডাইঅপ্টার)
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি:
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়।
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ।
ডিজিটাল পদ্ধতি:
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত।
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়।
- ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়।
- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়।
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে ০ এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বল এবং সরণ পরস্পরের লম্ব অবস্থায় বল দ্বারা কোনো কাজ হয় না।
বলের দ্বারা কাজ বা ধনাত্মক কাজ:
- যদি বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের দিকে সরে যায় বা বলের দিকে সরণের উপাংশ থাকে, তাহলে সেই বল এবং বলের দিকে সরণের উপাংশের গুণফলকে ধনাত্মক কাজ বা বলের দ্বারা কাজ বলে।
উদাহরণ:
- একটি বস্তু উপর থেকে মাটিতে ফেলে দিলে বস্তুটি অভিকর্ষ বলের দিকে পড়বে। এক্ষেত্রে প্রযুক্ত বল তথা বস্তুর ওজন mg এবং সরণ s একই দিকে তথা নিচের দিকে হয়; ফলে বস্তুর উপর অভিকর্ষ বল দ্বারা কাজ হয়েছে বা অভিকর্ষ বলের জন্য ধনাত্মক কাজ হয়েছে বোঝায়।
বলের বিরুদ্ধে কাজ বা ঋণাত্মক কাজ:
- যদি বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের বিপরীত দিকে সরে যায় বা বলের বিপরীত দিকে সরণের উপাংশ থাকে তাহলে সেই বল এবং বলের বিপরীত দিকে সরণের উপাংশের গুণফলকে ঋণাত্মক কাজ বা বলের বিরুদ্ধে কাজ বলে।
উদাহরণ:
- একখানি বই যদি মেঝে থেকে টেবিলের উপর ওঠানো হয়, তাহলে বস্তুর উপর অভিকর্ষ বল তথা বস্তুর ওজন mg খাড়া নিচের দিকে এবং সরণ s খাড়া উপরের দিকে ক্রিয়া করে। এক্ষেত্রে অভিকর্ষ বল ও সরণ বিপরীতমুখী হওয়ায় অভিকর্ষ বলের বিরুদ্ধে কাজ করা হবে বা অভিকর্ষ বলের জন্য ঋণাত্মক কাজ হবে।
শূন্য কাজ:
- বল প্রয়োগে যদি কোনো বস্তুর সরণ বলের লম্ব বরাবর হয়, তবে ঐ বলের দ্বারা কোনো কাজ হয় না।
- কেননা, এই ক্ষেত্রে θ = 90° হওয়ায় W = FS cos90° = 0 ।
উদাহরণ:
- কোনো বস্তুকে বৃত্তাকার পথে ঘোরায় যে কেন্দ্রমুখী বল, তার দ্বারা কোনো কাজ হয় না। কেননা, প্রতি মুহূর্তে বল ব্যাসার্ধ বরাবর কেন্দ্রের দিকে ক্রিয়া করে আর সরণ হয় বৃত্তের স্পর্শক বরাবর।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
• লব্ধ রাশি হলো সেই ভৌত রাশি, যা এক বা একাধিক মৌলিক রাশির সমন্বয়ে গঠিত হয়। প্রদত্ত উদাহরণগুলোর মধ্যে বেগ একটি লব্ধ রাশি, কারণ বেগ নির্ণয় করা হয় দূরত্ব ও সময়ের সাহায্যে (বেগ = দূরত্ব ÷ সময়)। এখানে দূরত্ব ও সময় উভয়ই মৌলিক রাশি। অন্যদিকে সময়, ভর এবং দৈর্ঘ্য নিজেরা মৌলিক রাশি; এদেরকে অন্য কোনো রাশির মাধ্যমে প্রকাশ করতে হয় না। তাই এরা লব্ধ রাশি নয়। সুতরাং প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে কেবল বেগই লব্ধ রাশির উদাহরণ।
রাশি:
- বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিামাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়।
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায় যেখানে ভর একটি রাশি। আবার কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় যেখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি। পানির তাপমাত্রা পরিমাপ করা যায় যেখানে পানির তাপমাত্রাও একটি রাশি ইত্যাদি।
মৌলিক রাশি:
- এসকল রাশির মধ্যে কয়েকটি রাশি রয়েছে যেগুলো পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, এই রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ।
লব্ধ রাশি:
- অপরদিকে, এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়।
যেমন- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ, যেগুলো মৌলিক রাশি থেকে গঠিত হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) এর মান শূন্য (0) হয়।
- অভিকর্ষজ ত্বরণের সূত্র হলো: g = GM/R2,
- যেখানে M হলো পৃথিবীর ভর এবং R হলো পৃথিবীর ব্যাসার্ধ।
- কিন্তু পৃথিবীর কেন্দ্রে যখন দূরত্ব r = 0, তখন পৃথিবীর ভরের কারণে কোনো নেট অভিকর্ষজ ত্বরণ কার্যকর হয় না, কারণ সব দিক থেকে সমান আকর্ষণ একে অপরকে বাতিল করে দেয়।
• পৃথিবীর আকৃতির জন্য বিভিন্ন স্থানে বস্তুর ওজন বিভিন্ন হওয়ার কারণ:
- পৃথিবী সুষম গোলক না হওয়ায় পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের সকল স্থান সমদূরে নয়।
- যেহেতু g এর মান পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্বের উপর নির্ভর করে, তাই পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে g এর মানের পরিবর্তন হয়।
- বিষুবীয় অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হওয়ায় g এর মান সবচেয়ে কম (৯.৭৮ মিটার/সেকেন্ড২)। সুতরাং বিষুবীয় অঞ্চলে কোনো বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়।
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে যত যাওয়া যায়, কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব তত কমতে থাকে এবং g এর মান বাড়তে থাকে (৯.৮৩ মিটার/সেকেন্ড২)। এর ফলে বস্তুর ওজনও বাড়তে থাকে।
- মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ভূপৃষ্ঠের দূরত্ব সবচেয়ে কম হওয়ায় g এর মান মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি, ফলে ওজনও সবচেয়ে বেশি হয়।
- আবার, পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য, তাই সেখানে বস্তুর ওজনও শূন্য।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
বিটা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি:
১। বিটা কণিকা খুব হালকা, এরা ইলেকট্রন প্রবাহের ভর 9.1×10-31 কেজি।
২। এরা ঋণাত্মক চার্জ বহন করে, এই চার্জের মান 1.6×10-19 কুলম্ব।
৩। তেজস্ক্রিয় বস্তু থেকে বিটা কণিকা প্রচন্ড বেগে নির্গত হয়, এর বেগ প্রায় 0.9×108 ms-1 পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৪। এই কণিকা তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
৫। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে, তবে আলফা কণিকা অপেক্ষা কম।
৬। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
৭। ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়, এর ভেদন ক্ষমতা আলফা কণিকা অপেক্ষা বেশি।
৮। জিংক সালফাইডে বিটা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
৯। ধাতব প্লেটের মধ্যদিয়ে যাবার সময় বিটা কণিকাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। আলফা কণিকা অপেক্ষা অনেক বেশি বিক্ষিপ্ত হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
পরিবাহিতা (Conductance):
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক।
- অর্থাৎ কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়ে I
- পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে,
I ∝ V
বা, I= GV; এখানে G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক।
- একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে।
- পরিবাহীতায় একক সিমেন্স (Siemens)। একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশি।
- আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশি।
- প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তার রোধের মানের বিপরীত সংখ্যা।
- উপাদান, তাপমাত্রা এবং আকার আকৃতির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সকল পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়।
- সকল ধাতুই উত্তম পরিবাহী কিন্তু একই আকার আকৃতির সকল ধাতুর তড়িৎ পরিবাহিতা সমান নয়।
যেমন- রূপার তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি।
- অপরদিকে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা সাধারণ তাপমাত্রায় খুবই কম।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাঙ্ক বলা হয়। এটি তরঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য যা তরঙ্গের ঘনত্ব ও তার গতির সাথে সম্পর্কিত। কম্পাঙ্ক বৃদ্ধি পেলে স্পন্দনের সংখ্যা বাড়ে এবং কম্পাঙ্ক কমলে স্পন্দনের সংখ্যা কমে। এটি সাধারণত হার্জ (Hz) এককে পরিমাপ করা হয়।
তরঙ্গ:
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাঙ্ক বলে।
- একে সাধারণত f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এর একক হার্জ। সংক্ষেপে লেখা হয় Hz।
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণা কোনো বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে একই দিক থেকে পুনরায় ঐ বিন্দুতে ফিরে এলে তাকে একটি পূর্ণস্পন্দন বলে।
- সঞ্চারণকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। পর্যায়কালকে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। পর্যায়কালের একক সেকেন্ড।
- সঞ্চারণকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে।
- তরঙ্গ নির্দিষ্ট দিকে একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ঐ তরঙ্গের বেগ বা সংক্ষেপে তরঙ্গ বেগ বলে।
তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• পেরিস্কোপ:
- পেরিস্কোপ হলো এমন একটি আলোক যন্ত্র, যা মূলত আয়না বা প্রিজম দিয়ে তৈরি হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি হয় যেন পানির নিচে থাকা ডুবোজাহাজের ভেতর থেকে মানুষ পানির উপরিভাগে থাকা বস্তু দেখতে পারে।
অন্যদিকে,
- স্পেকট্রোস্কোপ: আলোকরশ্মিকে তার উপাদান বর্ণালীতে বিশ্লেষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ক্যালিডোস্কোপ (Kaleidoscope): এটি এমন একটি অপটিক্যাল যন্ত্র, যা একাধিক দর্পণ ব্যবহার করে বিভিন্ন প্যাটার্ন (Pattern) তৈরি করে।
- বাইনোকুলার (Binocular): দূরবর্তী বস্তুগুলোকে দেখার জন্য চোখের জন্য ব্যবহৃত দ্বিনেত্র দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তল লেন্সের ব্যবহার:
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
অবতল লেন্সের ব্যবহার:
১. চশমায় ব্যবহার করা হয়।
২. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
• থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 ব্যবহৃত হয়।
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- রক্তের লিউকেমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- এই রেডিও আইসোটোপ ব্যবহৃত হয় গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে।
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
উল্লেখ্য:
- রক্তস্বল্পতা বা লিউকেমিয়া চিকিৎসায় সাধারণত তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32) ব্যবহৃত হয়।
- হাড়ের ব্যথানাশক বা হাড়ের ক্যান্সারের চিকিৎসায় স্ট্রনসিয়াম (Sr-89) অথবা রেডিয়াম ব্যবহৃত হয়।
- হৃদযন্ত্রের রক্ত সঞ্চালন বা ব্লকেজ পরীক্ষা করতে টেকনেশিয়াম (Tc-99m) ব্যবহৃত হয়।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
- উড়োজাহাজের গতি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রের নাম হলো ট্যাকোমিটার (Tachometer)। আধুনিক বিমানে বায়ুর গতির সাপেক্ষে গতি মাপতে 'এয়ার স্পিড ইন্ডিকেটর' ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে,
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্ণায়ক যন্ত্র:
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার।
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার।
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
• ট্রান্সফরমারের ক্ষমতা KVA (কিলোভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার) এককে প্রকাশ করা হয়। কারণ ট্রান্সফরমার হলো একটি যন্ত্র যা বিদ্যুৎশক্তি স্থানান্তর করে কিন্তু নিজে কোনো বিদ্যুৎ খরচ করে না।
ট্রান্সফরমার:
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়।
- যে পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানো যায়, সেই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সফরমার।
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়, যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে।
- এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়।
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়।
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞন, নবম-দশম শ্রেণি।
সি.জি.এস. পদ্ধতি বা সেন্টিমিটার-গ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে-
• দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার (cm),
• ভরের একক গ্রাম (g) এবং
• সময়ের একক (s).
এম.কে.এস. পদ্ধতি বা মিটার-কিলোগ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি:
- আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি (SI) এম.কে.এস. পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা হয়েছে। তাই
• দৈর্ঘ্যের একক মিটার (m),
• ভরের একক কিলোগ্রাম (kg) এবং
• সময়ের একক (s).
এফ.পি.এস পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে-
• দৈর্ঘ্যের একক ফুট (ft),
• ভরের একক পাউন্ড (lb)এবং
• সময়ের একক (s).
উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং britannica.com।
- তাপের আন্তর্জাতিক বা এস.আই (S.I) একক হলো জুল (Joule)। অন্যদিকে, ক্যালরি (Calorie) হলো তাপের একটি প্রচলিত একক। বৈজ্ঞানিক পরিমাপে এই দুই এককের মধ্যে সম্পর্ক হলো ১ ক্যালরি তাপ প্রায় ৪.১৮৪ জুলের সমান, যাকে গাণিতিক সুবিধার্থে সাধারণত ৪.২ জুল ধরা হয় অর্থাৎ, 1 Cal ≈ 4.2 J ।
তাপ:
- তাপ হল বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- তাপ শক্তির একটি রূপ, তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক।
- তাপের এস.আই একক জুল (J)।
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক যা পুষ্টি বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো।
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল।
- তাপ পরিমাপের যন্ত্র ক্যালরিমিটার।
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বিদ্যুতের রোধ (Resistance, R) হলো পরিবাহকের বৈদ্যুতিক প্রবাহের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের মাত্রা।
কোনো পরিবাহকের রোধ নির্ভর করে:
- দৈর্ঘ্য (L) – দীর্ঘ পরিবাহকের রোধ বেশি।
- ক্ষেত্রফল (A) – বড় ক্ষেত্রফলের পরিবাহকের রোধ কম।
- প্রতিরোধ (ρ) – পদার্থের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।
•মূল সূত্র: R=ρ(L/A)
- R ∝ L (দৈর্ঘ্যের সাথে সরাসরি সমানুপাতিক)
- R ∝ 1/A (ক্ষেত্রফলের সাথে বিপরীত সমানুপাতিক)
ফলাফল: ক্ষেত্রফল বাড়ালে রোধ কমে, ক্ষেত্রফল কমলে রোধ বেড়ে যায়।
তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান।
বস্তুর ওজন:
- একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বলে।
- কোন বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল।
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি, সে স্থানে বস্তুর ওজনও বেশি হয়।
- বস্তুর ওজন মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি তাই মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজনও বেশি।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য হওয়ায় বস্তুর ওজন শূন্য।
উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
• জেনারেটর বা ডায়নামো যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- এটি মাইকেল ফ্যারাডের তড়িৎ-চুম্বকীয় আবেশ (Electromagnetic Induction) নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- যখন কোনো পরিবাহী কুন্ডলীকে চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে যান্ত্রিকভাবে ঘুরানো হয়, তখন তাতে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।
• বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর:
- মাইক্রোফোন শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
- জেনারেটর বা ডায়নামো যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উল্লেখ্য:
-অ্যামিটার: এটি বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ (Current) পরিমাপ করার যন্ত্র, শক্তি রূপান্তরকারী নয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ভোল্টমিটার (Voltmeter):
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যেকোনো দু'বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা হয়, তাকে ভোল্টমিটার বলে।
- এটিও প্রকৃতপক্ষে একটি বিশেষ ধরনের গ্যালভানোমিটার।
- একে বর্তনীতে সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত করতে হয়।
অ্যামিটার (Ammeter):
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহমাত্রা সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করা হয়, তাকে অ্যামিটার বলে।
- এর আসল নাম অ্যাম্পিয়ার মিটার, সংক্ষেপে একে অ্যামিটার বলে।
- এটি প্রকৃতপক্ষে একটি বিশেষ ধরনের গ্যালভানোমিটার।
- বর্তনীর প্রবাহমাত্রা নির্ণয়ের জন্য অ্যামিটারকে বর্তনীর সাথে শ্রেণী সমবায়ে যুক্ত করা হয়।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র- ক্রোনোমিটার।
অন্যদিকে,
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্নায়ক যন্ত্র- ক্রেসকোগ্রাফ।
- মোটর গাড়ির গতি নির্নায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার।
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
- আইসি তৈরি করতে 'ট্রান্সফরমার' লাগে না, কিন্তু ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে এই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি) তৈরি করা হয়।
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি):
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।
- ১৯৬৮ সালে বারোস কোম্পানি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার বি-২৫০০ ও বি-৩৫০০ এর উপস্থাপন করে।
- আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার আইবিএম সিস্টেম ৩৬০।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
গ্রিক, ভারতবর্ষ, চীন এবং মুসলিম সভ্যতার অবদান:
- প্রাচীনকালে পদার্থবিজ্ঞান শুরু হয়েছিল জ্যোতির্বিদ্যা, আলোকবিজ্ঞান, গতিবিদ্যা ও জ্যামিতির সমন্বয়ে।
- গ্রিক বিজ্ঞানী থেলিস প্রথম ধর্ম ও পৌরাণিক ব্যাখা পরিহার করে যুক্তিনির্ভর ব্যাখ্যা দেন এবং সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেন।
- পিথাগোরাস জ্যামিতি ও কম্পমান তারের ওপর কাজ করেন।
- ডেমোক্রিটাস পদার্থের অবিভাজ্য একক অ্যাটম-এর ধারণা দেন, যদিও প্রমাণ করতে পারেননি।
- অ্যারিস্টটল চার উপাদান (মাটি, পানি, বাতাস, আগুন) দ্বারা গঠিত জগতের মতবাদ দেন।
- আরিস্তারাকস সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা দেন এবং সেলেউকাস তা যুক্তি দিয়ে সমর্থন করেন।
- আর্কিমিডিস তরলে ঊর্ধ্বমুখী বলের সূত্র ও আয়নার মাধ্যমে সূর্যরশ্মি কেন্দ্রীভূত করে যুদ্ধজাহাজে আগুন ধরানোর জন্য বিখ্যাত।
- ইরাতোস্থিনিস সঠিকভাবে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ নির্ণয় করেন।
- গ্রিক যুগের পর প্রায় দেড় হাজার বছর জ্ঞানচর্চা থেমে যায়, তবে ভারতীয়, মুসলিম ও চীনা সভ্যতা তা ধরে রাখে।
- ভারতে আর্যভট্ট, ব্রহ্মগুপ্ত ও ভাস্কর গণিত ও জ্যোতির্বিদ্যায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এবং শূন্যের ব্যবহার প্রবর্তন করেন।
- মুসলিম বিজ্ঞানী আল খোয়ারিজমি-র আল জাবির বই থেকে “অ্যালজেবরা” শব্দের উৎপত্তি।
- ইবনে আল হাইয়াম আলোকবিজ্ঞানের স্থপতি।
- আল মাসুদি প্রকৃতির ইতিহাসে এনসাইক্লোপিডিয়া লেখেন।
- ওমর খৈয়াম ছিলেন কবি, গণিতবিদ ও দার্শনিক।
- চীনে শেন কুয়ো চুম্বক নিয়ে গবেষণা করেন ও কম্পাস ব্যবহার করে দিক নির্ধারণের ধারণা দেন।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
• অশ্বক্ষমতা (Horsepower):
- অশ্বক্ষমতা হলো শক্তি উৎপাদনের একক, যা সাধারণত ইঞ্জিন বা যন্ত্রের ক্ষমতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- 1 অশ্বক্ষমতা বলতে বোঝায় এমন শক্তি যা প্রতি সেকেন্ডে 746 জুল কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম।
- এটি প্রায়শই বৈদ্যুতিক বা মেকানিক্যাল যন্ত্রের পাওয়ার রেটিং নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়।
- কিলোওয়াটে রূপান্তর করলে, 1 HP = 0.746 kW.
• কিলোওয়াট (Kilowatt):
- কিলোওয়াট শক্তির মাপকাঠি, যা 1000 ওয়াটের সমান।
- এটি বৈদ্যুতিক যন্ত্রের শক্তি পরিমাপের সাধারণ একক।
- HP থেকে kW রূপান্তর করতে 1 HP × 0.746 = kW সূত্র ব্যবহার করা হয়।
• সঠিক রূপান্তর:
- যেহেতু 1 HP = 0.746 kW, তাই 1 অশ্বক্ষমতা কে কিলোওয়াটে রূপান্তর করলে ফলাফল হবে 0.746 kW.
- অন্য অপশনগুলো (1 kW, 0.764 kW, 0.784 kW) ভুল কারণ সঠিক রূপান্তর 0.746 kW.
সুতরাং, 1 অশ্বক্ষমতার জন্য সঠিক মান হলো 0.746 kW.
সঠিক উত্তর: গ) 0.746 KW
সূত্র: Britannica [লিংক]
• কোনো কোনো ক্ষেত্রে কঠিন পদার্থকে উত্তপ্ত করলে তা তরলে রূপান্তরিত না হয় সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয়। এ প্রক্রিয়াকে উর্ধ্বপাতন বলা হয়। যেমন:
- কর্পুর,
- গন্ধক,
- আয়োডিন,
- ন্যাপথালিন,
- নিশাদল,
- অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড,
- কার্বন ডাই অক্সাইড,
- আর্সেনিক,
- বেনজয়িক এসিড ইত্যাদি।
• কিন্তু বেনজিন উর্ধ্বপাতিত পদার্থ নয়।
উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
• আর্কিমিডিসের নীতি:
- কোনো বস্তু তরলে নিমজ্জিত করলে সেটি যে পরিমাণ তরল অপসারণ করে সেইটুকু তরলের সমান ওজন বস্তুটির ওজন থেকে কমে যায়।
- কোনো বস্তু তরলে নিমজ্জিত থাকলে তার ওপর যে উর্ধ্বমুখী প্লবতা বল ক্রিয়া করে, তার মান বস্তুটি কর্তৃক বিতাড়িত তরলের ওজনের ঠিক সমান।
• প্রথম অবস্থা:
- যখন কোনো বস্তু কর্তৃক অপসারিত তরলের ওজন বস্তুর ওজনের চেয়ে বেশি হয়, তখন প্লবতা বল বস্তুর ওজনের চেয়ে বেশি হয়।
- ফলে বস্তুর ওপর ক্রিয়ারত নেট বল উর্ধ্বমুখী হয় এবং বস্তুটি তরলের উপরিভাগে ভেসে থাকে।
- উদাহরণ: কাঠ, কর্ক, প্লাস্টিকের বল, জাহাজ, হাওয়াই জুতা ইত্যাদি।
• দ্বিতীয় অবস্থা:
- যখন অপসারিত তরলের ওজন বস্তুর ওজনের সমান হয়, তখন প্লবতা বল এবং বস্তুর ওজন পরস্পর সমান ও বিপরীতমুখী হয়ে একে অপরকে নিঃশেষ করে ফেলে।
- ফলে বস্তুর ওপর কোনো নেট বল ক্রিয়া করে না এবং বস্তুটি তরলের যেকোনো গভীরতায় নিমজ্জিত অবস্থায় ভেসে থাকে।
উদাহরণ: পানিতে সাঁতার কাটা মাছ, ব্যালাস্ট ট্যাঙ্ক সামঞ্জস্য করা সাবমেরিন, ঘন লবণপানিতে ডিম ইত্যাদি।
• তৃতীয় অবস্থা:
- যখন অপসারিত তরলের ওজন বস্তুর ওজনের চেয়ে কম হয়, তখন প্লবতা বল বস্তুর ওজনের চেয়ে কম হয়।
- ফলে বস্তুর ওপর ক্রিয়ারত নেট বল নিম্নমুখী হয় এবং বস্তুটি তরলের তলদেশে ডুবে যায়।
- উদাহরণ: লোহা, পাথর, ইট, সোনা, তামা, কাচের গোলক ইত্যাদি।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
পেরিস্কোপ:
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়।
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়।
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে।
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা আমরা দেখতে পাই।
- পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে।
- দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়।
- এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়।
- স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে।
উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
- উড়োজাহাজ বা বিমানের গতি নির্ণয় করার জন্য ট্যাকোমিটার (Tachometer) নামক যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়। এই যন্ত্রটি মূলত বিমানের ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি (RPM - Revolutions Per Minute) পরিমাপ করে যা গতি নির্ধারণে সহায়তা করে।
বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র:
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার।
- তাপ পরিমাপক যন্ত্র- ক্যালরিমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র- ম্যানোমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার।
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার।
উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েসাইট।
- আলোর বিক্ষেপণ তার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে। আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম হয়, তার বিক্ষেপণ তত বেশি হয়। দৃশ্যমান বর্ণালীর মধ্যে বেগুনি বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, তাই এই বর্ণের আলো সবচেয়ে বেশি বিক্ষিপ্ত হয়। অন্যদিকে, নীল আলোর বিক্ষেপণ অনেক বেশি হলেও তা বেগুনির চেয়ে কিছুটা কম, তবে বায়ুমণ্ডলে এর প্রভাব বেশি স্পষ্ট হয়।
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7 m থেকে 7×10-7 m মাত্র। এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়।
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি।
- লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রান্নার কাজে আমরা এলুমিনিয়ামের পাত্র বা লোহার কড়াই ব্যবহার করে থাকি।
কারণ, এগুলো চুলার আগুন থেকে তাপ দ্রুত পরিবহণ করে রান্নার মূল উপাদানে পৌঁছে দেয়। ফলস্বরূপ, উপাদানগুলো ঐ তাপে সিদ্ধ হয়।
এলুমিনিয়াম তাপ সুপরিবাহী পদার্থ।
উৎস: ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান
নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া:
- নিউক্লিয় ফিউশন হল সেই প্রক্রিয়া যেখানে দুটি হালকা নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস তৈরি করে।
- এই বিক্রিয়াকে সংযোজন বিক্রিয়াও বলা হয়।
- ফিউশন বিক্রিয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়, যা সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রের শক্তির মূল উৎস।
- হাইড্রোজেন বোমার কার্যপ্রক্রিয়া নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে।
নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়া:
- নিউক্লিয় ফিশন হল এমন একটি পারমাণবিক প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী নিউক্লিয়াস ভেঙে দুটি বা ততোধিক হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়।
- একে বিয়োজন বিক্রিয়াও বলা হয়।
- এই বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়, যা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পারমাণবিক অস্ত্র, বিশেষত পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা:
পূর্বে তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য বিভিন্ন তাপমান যন্ত্রে বিভিন্ন স্কেল ব্যবহার করা হতো। তাপমাত্রার বিভিন্ন স্কেল হলো সেলসিয়াস, ফারেনহাইট এবং কেলভিন স্কেল।
বিভিন্ন স্কেলে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রার মান সমান ছিলো না। এই অসুবিধা দূর করার জন্য আন্তর্জাতিক ওজন ও পরিমাপ কমিটি ১৯২৭ সালে তাপমাত্রার একটি ব্যবহারিক স্কেল অনুমোদন করেন। এর নাম আন্তর্জাতিক তাপমাত্রা স্কেল।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি