বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

পদার্থ বিজ্ঞান সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন৩,৭৪৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

পদার্থ বিজ্ঞান সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা ১২ / ৩৮ · ১,১০১১,২০০ / ৩,৭৪৭

১,১০১.
সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল কোনটি? 
  1. মহাকর্ষ বল
  2. দুর্বল নিউক্লিয় বল
  3. তড়িৎ চৌম্বক বল
  4. সবল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবল নিউক্লিয় বল
ব্যাখ্যা
সবল নিউক্লিয় বল: 
- সবল নিউক্লিয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল। 
- এটি তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ বেশি শক্তিশালী। কিন্তু এটা খুবই অল্প দূরত্বে (10-15m) কাজ করে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে। 
- তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে আলোর তাপও এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১০২.
সৌর জগতের গ্রহগুলির গতি সংক্রান্ত সূত্র কে দেন?
  1. গ্যালিলিও
  2. কোপারনিকাস
  3. কেপলার
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
কেপলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেপলার
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানীরা সৌর জগতের সূর্য ও গ্রহগুলির গতিবিধি সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু ছিলেন।
- বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানীরা এ সম্পর্কে বিভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেন।
- গ্রীক বিজ্ঞানী টলেমী, কোপার্নিকাস, ট্রাইকোব্রাহে প্রমুখ বিজ্ঞানীদের পরস্পর বিরোধী, জটিল এবং অস্পষ্ট তথ্যসমূহ বিশ্লেষণ করে।
- ডেনমার্কের বিজ্ঞানী জন কেপলার সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- তিনি সৌর জগতের গ্রহগুলির গতি সংক্রান্ত কয়েকটি সূত্র উপস্থাপন করেন।
- তার নাম অনুসারে এগুলো কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত

• প্রথম সূত্র - সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
• দ্বিতীয় সূত্র - প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্ৰ সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
• তৃতীয় সূত্র - সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের (semi major axis) ঘনফলের সমানুপাতিক। গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১০৩.
কোয়ান্টাম মেকানিক্সের অনিশ্চয়তা নীতির প্রবক্তা কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. হাইজেনবার্গ
  3. বোর
  4. শ্রোডিঞ্জার 
সঠিক উত্তর:
হাইজেনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইজেনবার্গ
ব্যাখ্যা

◉ ভার্নার হাইজেনবার্গ (Heisenberg) ১৯২৭ সালে Uncertainty Principle (অনিশ্চয়তা নীতি) প্রবর্তন করেন।

হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি (Uncertainty Principle): 
- জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ভার্নার হাইজেনবার্গ ১৯২৭ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
- কোনো কণার অবস্থান (position) এবং বেগ/ভরবেগ (velocity/momentum) একসাথে সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা অসম্ভব। প্রকৃতিতে “একই সাথে সঠিক অবস্থান ও সঠিক ভরবেগ”-এর ধারণাটির কোনো বাস্তব অর্থ নেই।
- পরমাণু বা পরমাণু কণার (যেমন: ইলেকট্রন) ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে। ইলেকট্রনের বেগ নির্ণয় করতে গেলে অবস্থান পরিবর্তিত হয়, আর অবস্থান মাপতে গেলে বেগের তথ্য অনিশ্চিত হয়।
- অনিশ্চয়তা নীতির ধারণা থেকেই তৈরি হয়েছে কণা ত্বরক বা পার্টিকল অ্যাকসিলারেটর যন্ত্র। যেমন সুইজারল্যান্ডের লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার।

গাণিতিক রূপ:
Δx⋅Δp ≥ h/4π

এখানে, 
Δx = অবস্থান নির্ণয়ের অনিশ্চয়তা, 
Δp = ভরবেগ নির্ণয়ের অনিশ্চয়তা, 
h = প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক। 

অন্যান্য অপশনসমূহ,
আলবার্ট আইনস্টাইন (Einstein): আপেক্ষিকতার বিশেষ ও সাধারণ তত্ত্বের প্রবক্তা।
নিলস বোর (Bohr): পরমাণুর গঠন ও বোর মডেলের প্রবক্তা।
এরউইন শ্রোডিঙ্গার (Schrödinger): তরঙ্গ যান্ত্রিকতায় (wave mechanics) অবদান ও Schrödinger সমীকরণ প্রদান করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১,১০৪.
রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য কতটি মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. পাঁচটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
• রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য মৌলিক রং ব্যবহৃত হয়।

• টেলিভিশন:

- টেলিভিশন শব্দের অর্থ দূরদর্শন।
- ১৯২৬ সালে স্কটিশ বিজ্ঞানী লজি বেয়ার্ড টেলিভিশন আবিষ্কার করেন।
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য প্রয়োজন একটি প্রেরক ষ্টেশনের।
- এ প্রেরক ষ্টেশনে থাকে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য দুটো পৃথক প্রেরক যন্ত্র।
- একটি প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গে রূপান্তরিত করে প্রেরণ করা হয় এবং অন্য প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে ছবিকে তড়িৎ-সংকেতে রূপান্তরিত করে তা তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।

• রঙিন টেলিভিশন:
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এই তিনটি মৌলিক রঙ ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১০৫.
কোন লেন্সে আলো এক বিন্দুতে মিলিত হওয়ার পর আবার ছড়িয়ে পড়ে?
  1. উত্তল লেন্স
  2. অবতল লেন্স
  3. অপসারী লেন্স
  4. সমতল লেন্স
সঠিক উত্তর:
উত্তল লেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তল লেন্স
ব্যাখ্যা
লেন্স: 
- দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দিয়ে সীমাবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
- অধিকাংশ লেন্স কাচের তৈরি হয়। তবে কোয়ার্টজ এবং প্লাস্টিক দিয়েও আজকাল লেন্স তৈরি হয় এবং এদের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। 
- লেন্স সাধারণত দুই ধরনের। 
যথা- 
(ক) উত্তল বা অভিসারী লেন্স (Convex lens): 
- উত্তল বা অভিসারী লেন্সে আলো রশ্মি হচ্ছে অভিসারী অর্থাৎ এক বিন্দুতে মিলিত হয়। 
- উত্তল লেন্সের মাঝখানে মোটা ও প্রান্ত সরু, তাই এটিকে কখনো কখনো স্থূলমধ্য লেন্সও বলা হয়। 
- আলোকরশ্মি উত্তল লেন্সের উত্তল পৃষ্ঠে আপতিত হয়। 
- এই লেন্স সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোকরশ্মিকে কেন্দ্রীভূত বা অভিসারী করে কোনো একটি বিন্দুতে মিলিত করে। এই বিন্দুটি হচ্ছে লেন্সের ফোকাস বিন্দু এবং লেন্সের কেন্দ্র থেকে এই বিন্দুর দূরত্ব হচ্ছে ফোকাস দূরত্ব। 
- উত্তল লেন্সে আলো এক বিন্দুতে মিলিত হওয়ার পর সেটি আবার ছড়িয়ে পড়ে। 

(খ) অবতল বা অপসারী লেন্স (Concave lens): 
- অবতল বা অপসারী লেন্সে আলোকরশ্মি অপসারী অর্থাৎ পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়। 
- অবতল লেন্সের মাঝখানে সরু ও প্রান্তের দিকটা মোটা। 
- এই লেন্সের অবতল পৃষ্ঠে সমান্তরাল আলোক রশ্মি আপতিত হলে আলোকরশ্মি অপসারী হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। 
- যদি অপসারিত রশ্মিগুচ্ছ সোজা পিছনের দিকে বাড়িয়ে নেওয়া হয়েছে কল্পনা করে নিলে সেগুলো একটি বিন্দুতে মিলিত হচ্ছে বলে মনে হয়। এই বিন্দুটি হচ্ছে অবতল লেন্সের ফোকাস বিন্দু এবং লেন্সের কেন্দ্র থেকে এই বিন্দুর দূরত্ব হচ্ছে ফোকাস দূরত্ব। 

উল্লেখ্য, 
- অবতল বা অপসারী লেন্সে আলোকরশ্মি মিলিত না হয়ে ছড়িয়ে যায়, কল্পিতভাবে পেছনের দিকে এক বিন্দুতে মিলিত হতে দেখা যায়। 
- সমতল লেন্সে সাধারণত আলো কোনো উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১০৬.
শরীরের ব্যথা-বেদনা উপশমে নিচের কোন রশ্মিটি ব্যবহৃত হয় ?
  1. ক) অতিবেগুনি রশ্মি
  2. খ) এক্স রশ্মি
  3. গ) অবলােহিত রশ্মি
  4. ঘ) বিটা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) অবলােহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অবলােহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন রােগের চিকিৎসায়, জ্যোতির্বিদ্যায়, শিল্প কারখানায় অবলোহিত রশ্মি ব্যবহৃত হয়। অন্ধকারে দেখার জন্য নাইট গগলস হিসেবে এবং অন্ধকারে ছবি তােলার জন্য এই রশ্মির ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। মাংসপেশীর ব্যথা ও টান এর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। (উৎসঃ  ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

১,১০৭.
তড়িৎ বলরেখার ধারণা সর্বপ্রথম কে দেন?
  1. নিউটন 
  2. কেপলার 
  3. আইনস্টাইন 
  4. ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
ফ্যারাডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা

তড়িৎ বলরেখা: 
- দুটি আধান পরস্পরকে বল প্রয়োগ করে, এই বল কিভাবে ক্রিয়া করে তা ব্যাখ্যা করার জন্য ফ্যারাডে সর্বপ্রথম বলরেখার ধারণা দেন। এই বলরেখাগুলো ফ্যারাডের কাল্পনিক রেখা, বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। 
- কোনো তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি অতি ক্ষুদ্র ধনাত্মক আধান রাখলে আধানটি এক প্রকার বল অনুভব করে এবং ঐ বলের প্রভাবে ক্ষুদ্র ধনাত্মক আধানটি গতিশীল হয়। 
- তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান রাখলে আধানটি যে পথে গতিশীল হয় সেই পথকে তড়িৎ বলরেখা বলে। 
- তড়িৎগ্রস্থ বস্তুর চারিপার্শ্বে এবং তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে এমন অসংখ্য বল রেখা টানা যেতে পারে। 
- বলরেখাগুলো দিয়ে ফ্যারাডে দুটি আধানের মধ্যে আকর্ষণ ও বিকর্ষণ সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন। 
- পরবর্তিতে বলরেখাগুলো তড়িৎ ক্ষেত্র ব্যাখ্যা করার জন্যও ব্যবহৃত হয়েছে। 
সুতরাং, তড়িৎ ক্ষেত্রকে বুঝানোর জন্য তড়িৎ বলরেখা কল্পনা করা হয়। 

- এই কাল্পনিক তড়িৎ বলরেখাগুলির নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। 
যেমন- 
১। তড়িৎ বলরেখাগুলো বক্ররেখা এবং ধনাত্মক আধানের পৃষ্ঠ থেকে লম্বভাবে নির্গত হয়ে ঋণাত্মক আধানের পৃষ্ঠে লম্বভাবে আপতিত হয়। 
২। এরা কখনো পরস্পরকে ছেদ করেনা। 
৩। এই বলরেখাগুলো স্থিতিস্থাপক সূতার ন্যায় আচরণ করে এবং দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হতে চায়। 
৪। এই বলরেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্বচাপ প্রয়োগ করে। 
৫। শূন্য বা বায়ু মাধ্যমে 1 C আধান থেকে 1/∈° সংখ্যক বলরেখা নির্গত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১০৮.
পৃথিবী থেকে কোনো বস্তুর মুক্তিবেগের (Escape velocity) মান কত?
  1. 9.8 km/s
  2. 11.2 km/s
  3. 15.8 km/s2
  4. 25 km/s
সঠিক উত্তর:
11.2 km/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11.2 km/s
ব্যাখ্যা

- সর্বাপেক্ষা কম যে বেগে কোনো বস্তুকে খাড়া ওপরের দিকে নিক্ষেপ করলে তা আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সে বেগকে মুক্তিবেগ বলে।

• মুক্তিবেগের মান:
- কোনো বস্তুকে এমন গতিশক্তি দিতে হবে যাতে সেটি পৃথিবীর আকর্ষণ কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যেতে পারে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কোনো বস্তুকে অসীমে নিয়ে যেতে যে কাজ করতে হবে বস্তুটিকে নিক্ষেপের সময় সে গতিশক্তি প্রদান করতে হবে। এরূপ গতিশক্তি অর্জন করতে যে বেগ দিতে হবে তাই মুক্তিবেগ Ve .
- পৃথিবীর মুক্তিবেগের মান 11.2 kms- 1 .
- অর্থাৎ, কোন বস্তুকে এই বেগে নিক্ষেপ করলে তা পৃথিবীর আকর্ষণ কাটিয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ড. শাহজাহান তপন।

১,১০৯.
ট্রান্সফরমার এর মাধ্যমে কি প্রবাহিত হয়?
  1. বিদ্যুৎ
  2. ভোল্টেজ
  3. ফ্রিকোয়েন্সি
  4. বিদ্যুৎ ও ভোল্টেজ
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ ও ভোল্টেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ ও ভোল্টেজ
ব্যাখ্যা

যে যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চবিত্ত নিম্নবিত্ত ও নিম্ন বিভক্তির ছবি ভাবে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ট্রান্সফর্মার বলেv
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশ এর উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- ট্রান্সফর্মার ভোল্টেজ এবং তড়িৎ প্রবাহকে রূপান্তর করে।
- ট্রান্সফর্মার দুই প্রকার: স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার এবং স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার । -

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি

১,১১০.
ট্রানজিস্টরের মধ্যকার সরু অংশকে কী বলা হয়?
  1. Transformer
  2. Emitter
  3. Collector
  4. Base
সঠিক উত্তর:
Base
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Base
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টরের মধ্যকার সরু অংশকে Base বলা হয়। ট্রানজিস্টর মূলত তিনটি অংশে বিভক্ত—Emitter, Base, এবং Collector। Emitter হলো সেই অংশ যেখান থেকে ইলেকট্রন বা হোল প্রবাহ শুরু হয়, আর Collector হলো যেখানে তারা জমা হয়। Base অংশটি খুবই পাতলা এবং এটি Emitter এবং Collector এর মাঝখানে অবস্থান করে। Base এর মাধ্যমে ছোট একটি সিগন্যাল প্রবাহিত হলে Emitter থেকে Collector পর্যন্ত বড় সিগন্যালের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তাই Base ট্রানজিস্টরের নিয়ন্ত্রণকারী অংশ হিসেবে কাজ করে এবং এর মাধ্যমে ট্রানজিস্টর সুইচ বা অ্যাম্প্লিফায়ার হিসেবে কাজ করতে পারে।
- সঠিক উত্তর: ঘ) Base.

ট্রানজিস্টর (Transistor):

- ট্রানজিস্টর হলো এমন একটি ব্যবস্থা যাতে দুটি চওড়া p-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু n-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে অথবা দুটি চওড়া n-টাইপ কেলাসের মধ্যে একটি সরু p-টাইপ কেলাস যুক্ত থাকে।
- প্রকৃত পক্ষে একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে তিনযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে p-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে p-n-p ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়।
- আর একটি অর্ধপরিবাহী খণ্ডের দুই প্রান্তে চওড়া করে পাঁচযোজী পরমাণু (অপদ্রব্য) ডোপিং প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস এবং এদের মধ্যে সরু করে তিনযোজী পরমাণু প্রক্রিয়ায় যুক্ত করে n-টাইপ কেলাস গঠনের মাধ্যমে n-p-n ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়।

- তাই একটি ট্রানজিস্টরকে দুটি ডায়োডকে পিঠাপিঠি (Back to back) যুক্ত বলে ধরা হয়।
- ট্রানজিস্টরের মধ্যকার সরু অংশকে ট্রানজিস্টরের বেস (Base) বা ভূমি বলে।
- প্রান্তের যে অংশের চওড়া অপর প্রান্তের চেয়ে তুলনামূলক কম এবং অপদ্রব্যের অনুপাত একটু বেশি তাকে এমিটার (Emiter) বা নিঃসারক বলে।
- যে প্রান্তের চওড়া একটু বেশি এবং অপদ্রব্যের অনুপাত বেসের সমান তাকে কালেক্টর (Collector) বা সংগ্রাহক বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১১.
মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে যে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা আমাদের দেশে প্রচলিত তাতে মাইক্রোওয়েভ অধিকাংশ দূরত্ব অতিক্রম করে-
  1. ওয়েভ গাইডের মধ্য দিয়ে
  2. ভূমি ও আয়নোস্ফেয়ারের মধ্যে প্রতিফলন হতে হবে
  3. বিশেষ ধরনের ক্যাবলের মধ্য দিয়ে
  4. খোলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরল রেখায়
সঠিক উত্তর:
খোলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরল রেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খোলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরল রেখায়
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোওয়েভ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় সঠিক উত্তরটি হল "ঘ) খোলামেলা জায়গার মধ্য দিয়ে সরল রেখায়"।

এর কারণগুলো হল:
1) মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ অত্যন্ত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির (সাধারণত 300 MHz থেকে 300 GHz) হওয়ায় এটি সরল রেখায় চলে।
2) দুটি মাইক্রোওয়েভ টাওয়ারের মধ্যে সরাসরি দৃষ্টিরেখা (Line of Sight) থাকা আবশ্যক।

3) এই পদ্ধতিতে অন্যান্য মাধ্যম যেমন ক্যাবল বা ওয়েভগাইডের প্রয়োজন হয় না।
4) আয়নোস্ফিয়ার প্রতিফলনের প্রয়োজন নেই, কারণ মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ আয়নোস্ফিয়ার ভেদ করে যায়।

এই কারণে বাংলাদেশে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে মাইক্রোওয়েভ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় টাওয়ারগুলি এমনভাবে স্থাপন করা হয় যাতে তাদের মধ্যে সরাসরি দৃষ্টিরেখা (Line of Sight) বজায় থাকে এবং সিগন্যাল খোলা আকাশের মধ্য দিয়ে সরল রেখায় যেতে পারে।

১,১১২.
বর্ণালীর প্রান্তীয় বর্ণ কি কি?
  1. বেগুনি ও হলুদ
  2. লাল ও নীল
  3. নীল ও সবুজ
  4. বেগুনি ও লাল
সঠিক উত্তর:
বেগুনি ও লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুনি ও লাল
ব্যাখ্যা
- বর্ণালির প্রান্তীয় বৰ্ণগুলো হচ্ছে- বেগুনী এবং লাল। 
- আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে এর রং ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল। 
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়। 
- আবার আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ তত কম হয়। 
- লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৩.
সময়ের সাথে সরণের পরিবর্তনের হারকে কী বলে?
  1. ক) দ্রুতি
  2. খ) বেগ
  3. গ) গতি
  4. ঘ) ত্বরণ
সঠিক উত্তর:
খ) বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেগ
ব্যাখ্যা
বেগ:
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের পরিবর্তনের হারকে বেগ বলে।
- কোনো নির্দিষ্ট দিকে দ্রুতিকে বলা হয় বেগ।
- বেগের মান বলার সাথে দিকও উল্লেখ করতে হয়। কারণ, বেগের মান ও দিক উভয়ই আছে।
- নির্দিষ্ট কোনো দিকে ১০০ মিটার দৌড়ে প্রতি সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব হলো বেগ। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
১,১১৪.
বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি হলো-
  1. ৫০ হার্জ
  2. ২২০ হার্জ
  3. ২০০ হার্জ
  4. ১০০ হার্জ
সঠিক উত্তর:
৫০ হার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ হার্জ
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ: 
- যে তড়িৎ প্রবাহ নির্দিষ্ট সময় পরপর দিক পরিবর্তন করে তাকে পর্যাবৃত্ত প্রবাহ (Alternating Current ) বলে।
- আমাদের দেশে বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুৎ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার দিক পরিবর্তন করে।
অর্থাৎ, বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি ৫০ হার্জ। 

- বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কতৃক ৪ ধরনের বিদ্যুত সরবরাহ করা হয়। 
যথা- 
১। নিম্নচাপ (এলটি): ২৩০/৪০০ ভোল্ট। 
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: নিম্নচাপ এসি সিঙ্গেল ফেজ ২৩০ ভোল্ট এবং তিন ফেজ ৪০০ ভোল্ট। 
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড। 

২। মধ্যমচাপ (এমটি): ১১ কেভি। 
-বিদ্যুৎ সরবরাহ: মধ্যমচাপ এসি ১১ কেভি। 
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড। 

৩। উচ্চচাপ (এইচটি): ৩৩ কেভি । 
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: উচ্চচাপ এসি ৩৩ কেভি। 
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড। 

৪। অতি উচ্চচাপ (ইএইচটি): ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি । 
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: অতি উচ্চচাপ এসি ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি। 
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড। 

উৎস: desco.org.b; বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১১৫.
আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ওয়াকিটকি কোন ট্রান্সমিশন মোডে কাজ করে? 
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. কো-ডুপ্লেক্স
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স: 
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না। 
উদাহরণ- রেডিও, টিভি। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স: 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
উদাহরণ- ওয়াকিটকি। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স: 
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৬.
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের Frequency কত?
  1. ক) ৫০ হার্জ
  2. খ) ৬০ হার্জ
  3. গ) ৩৩ হার্জ
  4. ঘ) ৬৬ হার্জ
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০ হার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০ হার্জ
ব্যাখ্যা
বাসা বাড়ির বিদ্যুৎ ফ্রিকোয়েন্সিঃ ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কতৃক ৪ ধরনের বিদ্যুত সরবরাহ করা হয়।

১। নিম্নচাপ (এলটি): ২৩০/৪০০ ভোল্ট
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: নিম্নচাপ এসি সিঙ্গেল ফেজ ২৩০ ভোল্ট এবং তিন ফেজ ৪০০ ভোল্ট।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

২। মধ্যমচাপ (এমটি): ১১ কেভি
 -বিদ্যুৎ সরবরাহ: মধ্যমচাপ এসি ১১ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

৩। উচ্চচাপ (এইচটি): ৩৩ কেভি
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: উচ্চচাপ এসি ৩৩ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

৪। অতি উচ্চচাপ (ইএইচটি): ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: অতি উচ্চচাপ এসি ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

উৎস: Source: desco.org.bd, জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [link].
১,১১৭.
যে ভৌত রাশিগুলোর মান ও দিক উভয়ই আছে, সেগুলোকে কী বলা হয়?
  1. স্কেলার রাশি
  2. ঘূর্ণন রাশি
  3. অদিক রাশি 
  4. ভেক্টর রাশি 
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর রাশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর রাশি 
ব্যাখ্যা

• যে সকল ভৌত রাশির মানের পাশাপাশি নির্দিষ্ট দিকও থাকে, সেগুলোকে ভেক্টর রাশি বলা হয়। ভেক্টর রাশির ক্ষেত্রে শুধু পরিমাণ জানলেই যথেষ্ট নয়, কোন দিকে ক্রিয়া করছে তাও জানা জরুরি। উদাহরণ হিসেবে বল, বেগ, ত্বরণ ও বল উল্লেখযোগ্য। এর বিপরীতে স্কেলার রাশির শুধু মান থাকে, দিক থাকে না, যেমন ভর বা তাপমাত্রা। 

রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এই জন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 

১। স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

২। ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১১৮.
পৃষ্ঠটান প্রধানত কোন বলের কারণে সৃষ্টি হয়?
  1. ঘর্ষণ বল
  2. অভিকর্ষ বল
  3. বাহ্যিক চাপ
  4. আন্তঃআণবিক আকর্ষণ
সঠিক উত্তর:
আন্তঃআণবিক আকর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তঃআণবিক আকর্ষণ
ব্যাখ্যা

• আন্তঃআণবিক আকর্ষণ — তরলের পৃষ্ঠে অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বলের অসম বণ্টনের ফলেই পৃষ্ঠটান সৃষ্টি হয়।

• পৃষ্ঠটান:
- তরলের পৃষ্ঠে অবস্থিত অণুগুলোর উপর ভেতরের দিকে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল ক্রিয়া করে।
- পৃষ্ঠের অণুগুলো চারদিক থেকে সমান বল পায় না।
- ভেতরের অণুগুলো চারদিক থেকে সমান আকর্ষণ পায়, কিন্তু পৃষ্ঠের অণুগুলো নিচের ও পাশের দিক থেকে আকর্ষণ পায়। ফলে পৃষ্ঠটি সংকুচিত হয়ে টানটান অবস্থায় থাকতে চায়। এই প্রবণতাকে পৃষ্ঠটান বলা হয়।

• পৃষ্ঠটানের বৈশিষ্ট্য:
- তরলের পৃষ্ঠকে স্থিতিস্থাপক পর্দার মতো আচরণ করতে দেখা যায়।
- পৃষ্ঠটান কম হলে তরল সহজে ছড়িয়ে পড়ে।
- পৃষ্ঠটান বেশি হলে তরল ফোঁটার আকার ধারণ করে।
- তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে পৃষ্ঠটান হ্রাস পায়।

• পৃষ্ঠটানের উদাহরণ:
- পানির ফোঁটা গোলাকার হয়।
- ক্ষুদ্র পোকা পানির উপর ভাসতে পারে।
- সাবান মেশালে পানির পৃষ্ঠটান কমে যায়।

• অন্যান্য অপশন:
- অভিকর্ষ বল → তরলকে নিচের দিকে টানে, পৃষ্ঠটানের কারণ নয়।
- ঘর্ষণ বল → সংস্পর্শে গতির প্রতিবন্ধক বল।
- বাহ্যিক চাপ → পৃষ্ঠটানের মৌলিক কারণ নয়।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.

১,১১৯.
কোন পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী ও অপরিবাহীর মাঝামাঝি অবস্থায় থাকে? 
  1. লোহা
  2. ইস্পাত
  3. প্লাস্টিক
  4. জার্মেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম
ব্যাখ্যা
- জার্মেনিয়ামের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী ও অপরিবাহীর পদার্থের মাঝামাঝি অবস্থায় থাকে। 

পরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে, সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন - রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না, সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন - কাঁচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 

অর্ধপরিবাহী: 
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি অর্থাৎ যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১২০.
নিউটনের গতিবিষয়ক সূত্র কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ২টি
  3. ৪টি
  4. ১টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
১৬৮৭ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটন তাঁর অমর গ্রন্থ "ন্যাচারালিস ফিলোসোফিয়া প্রিন্সিপিয়া ম্যাথেমেটিকা" তে বস্তুর ভর, গতি ও বলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন। এ তিনটি সূত্র নিউটনের গতি সূত্র নামে পরিচিত। 

নিউটনের সূত্র তিনটি। যথা:

প্রথম সূত্র: বাইরে থেকে কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করলে, স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে সরলরেখায় বা সরল পথে চলতে থাকে।

দ্বিতীয় সূত্র: কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে।

তৃতীয় সূত্র: প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে৷

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান। 
১,১২১.
কোন রং আলোর প্রায় সব রং প্রতিফলিত করে?
  1. কালো
  2. সাদা
  3. লাল
  4. বেগুনি
সঠিক উত্তর:
সাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদা
ব্যাখ্যা
রঙ: 
- কোনো বস্তু তার নিজস্ব রঙে দেখা যায়, কারণ নির্দিষ্ট রঙের বস্তুটি নিজের রঙ ছাড়া সকল রঙ শোষণ করে এবং নিজের রঙ প্রতিফলিত করে। 
- তাই বস্তু তার নিজের রঙে দেখা যায়। 
- সাতটি রঙের সমন্বয়ে সাদা রঙ হয়, সব রঙের অনুপস্থিতির জন্য কালো রঙ হয়। 
- যে বস্তু আলোর সব রঙ প্রতিফলিত করে তা সাদা দেখায়। 
- কোনো বস্তু যখন সমস্ত আলো শোষণ করে তখন তাকে কালো দেখায়। 
যেমন- আলোর সকল বর্ণ প্রতিফলিত করে বলে বরফ সাদা দেখায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,১২২.
কোনটি তড়িতচৌম্বক তরঙ্গ নয়?
  1. ক) গামা
  2. খ) এক্সরে
  3. গ) বিটা
  4. ঘ) অতিবেগুণী
সঠিক উত্তর:
গ) বিটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিটা
ব্যাখ্যা
তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ: 
- যে তরঙ্গ চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না তাকে তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ বলে।
- যেমন: 
রেডিও তরঙ্গ,
মাইক্রোওয়েভ,
অবলোহিত রশ্মি,
দৃশ্যমান আলো,
অতিবেগুণী রশ্মি, 
এক্সরে,
গামা রশ্মি।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,১২৩.
ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলোকসম্পাত করলে আলোক শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. তাপ শক্তি
  2. রাসায়নিক শক্তি
  3. যান্ত্রিক শক্তি
  4. বৈদ্যুতিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি
ব্যাখ্যা

আলোক শক্তির রূপান্তর:
• হারিকেনের চিমনিতে হাত দিলে গরম অনুভূত হয়।
এখানে, আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলোক সম্পাত করলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে আলোকচিত্র তৈরি করা হয়।
এখানে, আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১২৪.
লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কেমন দেখায়?
  1. বেগুনী
  2. সবুজ
  3. হলুদ
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
- লাল আলোতে নীল, হলুদ ইত্যাদি রংয়ের বস্তুকে কালো দেখায়। 
- আমরা জানি, কোন বর্ণ ঐ বর্ণের আলো ছাড়া অন্য সকল বর্ণের আলোকে শোষণ করে নেয়। 
- এক্ষেত্রে লাল আলোতে হলুদ বস্তুর রং লাল আলো শোষণ করে নেবে। 
- ফলে কোনো বর্ণের আলো প্রতিফলিত হবে না। 
সুতরাং, লাল আলোতে হলুদ বস্তু কালো দেখাবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান,  নবম-দশম শ্রেণি।
১,১২৫.
প্রতিফলক তলের মসৃণতা বৃদ্ধি পেলে আলোর প্রতিফলনের উপর কী প্রভাব পড়ে?
  1. প্রতিফলনের পরিমাণ হ্রাস পায়
  2. প্রতিফলনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
  3. প্রতিসরণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
  4. আলোর শোষণের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা

• প্রতিফলক তল যত বেশি মসৃণ হয় প্রতিফলন তত বেশি হয়।

• আলোর প্রতিফলন :
কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে।
- যে বিভেদ তল থেকে আলো ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক তল বা প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলে, আর পূর্ববর্তী মাধ্যমে ফিরে আসা আলোকে বলা হয় প্রতিফলিত আলো বা রশ্মি।
- সাধারণতঃ দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে যে পরিমাণ আলো এসে পড়ে সবসময় তা সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয় না।
পতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
 তা হলো -
১. মাধ্যম দুটির প্রকৃতি এবং
২. আপতিত আলো প্রতিফলক তলের উপর কত কোণে আপতিত হয় তার পরিমাণ।

 - প্রতিফলক তল যত বেশি মসৃণ হয় প্রতিফলন তত বেশি হয়।
- আবার অস্বচ্ছ প্রতিফলকের চেয়ে স্বচ্ছ প্রতিফলকে প্রতিফলন কম হয়।
- যেমন সাদা তলে আলোর প্রতিফলন বেশি হয়।
- কালো রঙের তলে আলোর প্রতিফলন হয় না বললেই চলে।
- কাচ একটি আলোক স্বচ্ছ মাধ্যম। এর উপর আলো আংশিক প্রতিফলিত হয়।
- আবার আলোক রশ্মি লম্বভাবে পড়লে খুব সামান্য প্রতিফলিত হয়।
- রশ্মি যত বেশি কোণে আপতিত হয় প্রতিফলনের পরিমাণও তত বেশি হয়।

- প্রতিফলন তলের মসৃণতা অনুযায়ী প্রতিফলনকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে;
তা হলো-
১. নিয়মিত প্রতিফলন এবং
২. ব্যাপ্ত প্রতিফলন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১২৬.
আলফা কণিকা সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল? 
  1. আলফা কণিকা ধনাত্মক চার্জ বহন করে।
  2. আলফা কণিকা ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
  3. আলফা কণিকার ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি।
  4. আলফা কণিকা চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
সঠিক উত্তর:
আলফা কণিকার ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফা কণিকার ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি।
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরণের রশ্মি নির্গত হয়। 
- যে রশ্মিটি ধনাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ। 
- আবার যে রশ্মিটি ঋণাত্মক পাতের দিকে বেঁকে গেছে সেটি ধনাত্মক আধান গ্রন্থ। 
- আর যে রশ্মিটি কোনো দিকেই বিচ্যুত হয়নি সেটি তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
- ধনাত্মক আধান গ্রস্থ রশ্মিকে আলফা (α) রশ্মি, ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ রশ্মিকে বিটা (β) রশ্মি এবং তড়িৎ নিরপেক্ষ রশ্মিকে গামা (γ) রশ্মি বলে। 

আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর 6.6×10-27 কেজি। 
২। ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2×10-19 কুলম্ব। 
৩। এর শক্তি 1 MeV বা 1.6×10-13 হতে 9 MeV বা 1.44×10-12 J পর্যন্ত হয়। 
৪। এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
৫। এর আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশি। β-কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ-কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশি। 
৬। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৭। ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
৮। জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৯। ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১২৭.
‘হিগস বোসন’ কণার আবিষ্কারক কে?
  1. স্টিভেন হকিং
  2. জন বারডিন
  3. পিটার হিগস
  4. জেমস ফ্রাংক
সঠিক উত্তর:
পিটার হিগস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিটার হিগস
ব্যাখ্যা
‘হিগস বোসন’ কণা
- হিগস বোসন বা ঈশ্বর কণা পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের প্রস্তাবিত মৌলিক কণা।
- হিগস ক্ষেত্র এবং তার সহযোগী হিগস বোসন অস্তিত্ব সহজ কয়েকটি পদ্ধতির মাধ্যমে কিভাবে কিছু প্রাথমিক কণা ভর আছে ব্যাখ্যা করা হবে।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল বলছে এই কণার হিগস ক্ষেত্র, যা অ শূন্য শক্তি আছে সর্বত্র এমনকি অন্যথায় ফাঁকা জায়গাও, সাথে আলাপচারিতার দ্বারা ভর অর্জন।
- ‘হিগস বোসন’ কণার আবিষ্কার করেন পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস। 
- পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ও সত্যেন বোস-এর নামে এই কণার নামকরণ করা হয়।
- যে তত্ত্বের মাধ্যমে আমরা ভাগ করতে পারি তাকে The Standard Model of Particle Physics বলে।
- এই তথ্য অনুসারে মহাবিশ্বের ব্যারিওনিক ম্যাটার অর্থ্যাত যাদের প্রোটন এবং নিউট্রন রয়েছে কিন্তু ইলেকট্রন বা নিউট্রিনো নেই, তাদের দুটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- একটি হলো ফার্মিওন যেখানে কণাগুলোর ভর আছে এবং ইলেকট্রিক চার্জ আছে।
- অন্যদিকে, আরেকটি ভাগ হল বোসন যেখানে কণাগুলো প্রকৃতির বল ধারণ করে।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে আরেকটি অভিনব কণার সন্ধান মিলতে পারে বলে ১৯৬০ সাল থেকে আশাবাদী ছিলেন পদার্থবিদেরা।
- অবশেষে ৪ জুলাই, ২০১২ সালে CERN এ অবস্থিত Large Hadron Collider(LHC) দিয়ে সেই অভিনব কণার সন্ধান মেলে।
- এই হিগস-বোসন এর চিহ্ন হলো H0।

সূত্র- openspace.org.bd. 
১,১২৮.
তথ্য প্রযুক্তির বৈপ্লবিক ও ব্যাপক বিকাশের সূচনা মূলত কোন ঘটনার মাধ্যমে ঘটে?
  1. উপগ্রহ যোগাযোগের সূচনা
  2. মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার
  3. ফাইবার অপটিক ক্যাবলের ব্যবহার
  4. ইন্টেলস্যাট উপগ্রহ উৎক্ষেপণ
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার — ১৯৭০-৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার ও সফল কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তির প্রকৃত বিকাশ শুরু হয়।

• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্রমবিকাশ:
- আধুনিক যুগ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ।
- এ প্রযুক্তির বিকাশ মানুষের দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফল।
- প্রাচীনকালে মানুষ আকার-ইঙ্গিতে তথ্য আদান-প্রদান করত।
- পরবর্তীতে দেয়ালে আঁচড় কেটে, পাথর খোদাই করে তথ্য সংরক্ষণ করা হতো।
- কাগজ-কলমের আবির্ভাব তথ্য সংরক্ষণে নতুন ধাপ সৃষ্টি করে।
- আধুনিক সভ্যতার উন্নয়ন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগের উপর নির্ভরশীল।

• ইলেক্ট্রনিক্স ও উপগ্রহ যোগাযোগ:
- ইলেক্ট্রনিক্স, ইলেক্ট্রনিক যোগাযোগ, কম্পিউটার প্রযুক্তির সমন্বয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশ ঘটে।
- ইলেক্ট্রনিক্স প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে টেলিযোগাযোগ, কম্পিউটিং, কনজিউমার ইলেক্ট্রনিক্সকে পৃথকভাবে কল্পনা করা যায় না।
- ষাটের দশকে উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে টেলিযোগাযোগে নতুন অগ্রযাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৬৫ সালে প্রতিটি ইন্টেলস্যাট উপগ্রহে ২৪০টি টেলিফোন সার্কিট অথবা একটি টেলিভিশন চ্যানেল পরিবহনের ব্যবস্থা ছিল।

• তথ্য প্রযুক্তির প্রকৃত বিকাশ:
- ১৯৭০-৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার তথ্য প্রযুক্তিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে।
- ১৯৭৬ সালে মাইক্রোকম্পিউটার, ১৯৮১ সালে পার্সোনাল কম্পিউটার, ১৯৮৪ সালে মেকিনটোশ, ১৯৯৬ সালে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও ইন্টারনেট গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
- আধুনিক টেলিযোগাযোগ, ডাটা নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট এ প্রযুক্তির ভিত্তি।

• ডিজিটাল যুগ ও ফাইবার অপটিক:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বশেষ ধারা হলো ডিজিটাল প্রযুক্তি।
- ডিজিটাল প্রযুক্তির ভিত্তি বাইনারি পদ্ধতি।
- বর্তমান যুগকে ডিজিটাল যুগ বলা হয়।
- ফাইবার অপটিক ক্যাবল আন্তর্জাতিক যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।
- ফাইবার অপটিক সংকেতের মান উপগ্রহ সংকেতের তুলনায় উন্নত।

• অন্যান্য অপশন:
- উপগ্রহ যোগাযোগের সূচনা → ষাটের দশকে টেলিযোগাযোগে নতুন ধাপের সূচনা করে।
- ফাইবার অপটিক ক্যাবলের ব্যবহার → আন্তর্জাতিক যোগাযোগে উচ্চগতির ডাটা পরিবহনে ব্যবহৃত।
- ইন্টেলস্যাট উপগ্রহ উৎক্ষেপণ → ১৯৬৫ সালে ২৪০টি টেলিফোন সার্কিট পরিবহনের সক্ষমতা ছিল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১২৯.
আলট্রাসনোগ্রাফি হলো -
  1. ক) এক প্রকার আলোক তরঙ্গ
  2. খ) এক্স-রে এর মাধ্যমে ইমেজিং
  3. গ) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
  4. ঘ) শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ
সঠিক উত্তর:
গ) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
ব্যাখ্যা
আলট্রাসনোগ্রাফি দিয়ে শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, মাংসপেশি ইত্যাদির ছবি তোলা হয়।
এটি করার জন্য খুব উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ ও ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দ ব্যবহার করে তার প্রতিধ্বনিকে শনাক্ত করা হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৩০.
কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত কোনটির ওপর নির্ভরশীল? 
  1. সিপিইউ
  2. হার্ডডিস্ক
  3. সফটওয়্যার
  4. গ্রাফিক্স কার্ড
সঠিক উত্তর:
সিপিইউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপিইউ
ব্যাখ্যা
সিপিইউ (CPU): 
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে। 
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit. 
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে। 
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়। 
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল। 
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়। মূলত সিপিইউ'র গাণিতিক যুক্তি ইউনিটকে (ALU) কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়। 
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট ও 
- রেজিস্টার স্মৃতি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩১.
নিচের কোনটি মৌলিক রাশি?
  1. বল
  2. ত্বরণ
  3. বেগ
  4. সময়
সঠিক উত্তর:
সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি:
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলা হয়।
যেমন - একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়। এখানে ভর একটি রাশি।

মৌলিক রাশি:
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
যেমন - সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
যেমন-
• দৈর্ঘ্য,
• ভর,
• সময়,
• তাপমাত্রা,
• তড়িৎপ্রবাহ,
• দীপন তীব্রতা এবং
• পদার্থের পরিমাণ।

যৌগিক রাশি:
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
যেমন - বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল।
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়।
যেমন -
• বেগ,
• ত্বরণ,
• কাজ,
• বল,
• তাপ,
• বিভব ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩২.
রক্তরসে বিদ্যমান জৈব পদার্থ কোনটি?
  1. ক) পানি
  2. খ) লৌহ
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

- রক্তরসের দুইটি প্রধান উপাদান হলো পানি এবং কঠিন পদার্থ। কঠিন পদার্থ জৈব এবং অজৈব উভয় ধরনের হতে পারে।
- লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, তামা, ফসফরাস ইত্যাদি হলো অজৈব পদার্থ।
- ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া, ইউরিক এসিড, গ্লোবিউলিন, ফাইব্রিনোজেন, বিলিরুবিন, হরমোন ইত্যাদি রক্তরসে বিদ্যমান জৈব পদার্থ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,১৩৩.
ভরবেগের একক কোনটি? 
  1. N
  2. m/s 
  3. kg m/s
  4. kg m/s2
সঠিক উত্তর:
kg m/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
kg m/s
ব্যাখ্যা

ভরবেগ (Momentum): 
- ভরবেগ হচ্ছে গতিশীল বস্তুর ভর ও বেগের সমন্বয়ে গঠিত একটি ভৌত রাশি। 
- এটি গতিশীল বস্তুর ভর ও বেগের উপর নির্ভরশীল। 
যেমন- টেবিল টেনিস বলকে থামানোর চেয়ে একটি গতিশীল ট্রাক থামানো অনেক কঠিন কেন যদিও বস্তু দুটি সমদ্রুতিতে চলছে; কারণ টেবিল টেনিস বল এবং প্রাইভেট গাড়ি একই দ্রুতিতে গতিশীল থাকা সত্ত্বেও প্রাইভেট গাড়ির ভরবেগ বেশি। 
- কোন গতিশীল বস্তুকে থামানো কত কঠিন তা নির্ভর করে গতিশীল বস্তুটির ভরবেগের পরিমাপের উপর। 
- কোন বস্তুর ভর ও বেগের গুণফলকে এর ভরবেগ বলে। 
একটি বস্তুর ভর = m এবং বেগ= v হলে, ভরবেগ, p = mv  । 
- ভরবেগ একটি ভেক্টর রাশি, এর দিক বেগের দিকে। 
- ভরবেগের একক kgms-1 এবং মাত্রা MLT -1 । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৩৪.
নিচের কোনটি মুক্তি বেগ (Escape Velocity)-এর সঠিক সংজ্ঞা?
  1. সর্বোচ্চ বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে যায়
  2. সর্বনিম্ন বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে
  3. সর্বনিম্ন বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু পৃথিবীর আকর্ষণ অতিক্রম করে মহাশূন্যে চলে যায়
  4. যে কোনও বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু কিছু সময়ের জন্য স্থিতিশীল থাকে
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু পৃথিবীর আকর্ষণ অতিক্রম করে মহাশূন্যে চলে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বনিম্ন বেগ, যার মাধ্যমে বস্তু পৃথিবীর আকর্ষণ অতিক্রম করে মহাশূন্যে চলে যায়
ব্যাখ্যা

সর্বনিম্ন যে বেগে কোনো বস্তুকে উপরের দিকে নিক্ষেপ করলে নিক্ষিপ্ত বস্তুটি আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তি বেগ বলে।

• মুক্তি বেগ (Escape Velocity):
- এক টুকরো পাথরকে উপরের দিকে ছুড়ে দিলে অভিকর্ষের টানে তা আবার ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসবে।
- পুনরায় একে দ্বিগুণ বলে ছুড়ে দিলে এটির বেগ বেশি হবে, আরও উপরে উঠবে বটে কিন্তু আবার ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসবে।
- পৃথিবীর অভিকর্ষ বল ঊর্ধ্বে উৎক্ষিপ্ত পাথর খন্ডকে এভাবে টেনে আনে। কিন্তু যদি পাথর খন্ডের উপর এমন বল প্রয়োগ করা যায় যাতে এটি এমন বেগ প্রাপ্ত হয় যে পৃথিবীর আকর্ষণ সীমা বা অভিকর্ষ ক্ষেত্র অতিক্রম করে যায় তাহলে আর এটি ভূ-পৃষ্ঠে ফিরে আসবে না।
- এটি পৃথিীবীর আকর্ষণ মুক্ত হয়ে মহাশূন্যে চলে যাবে।
- এই বেগ হবে অভিকর্ষের থেকে মুক্তির পাওয়ার বেগ।
- সুতরাং মুক্তি বেগকে নিম্ন রূপে সংজ্ঞায়িত করা হয়।

• মুক্তি বেগ (Escape Velocity):
- সর্বনিম্ন যে বেগে কোনো বস্তুকে উপরের দিকে নিক্ষেপ করলে নিক্ষিপ্ত বস্তুটি আর পৃথিবীতে ফিরে আসে না সেই বেগকে মুক্তি বেগ বলে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৩৫.
তেজস্ক্রিয়তার এস.আই লব্ধ একক কোনটি? 
  1. ওহম 
  2. রন্টজেন 
  3. বেকেরেল 
  4. কুরী 
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল 
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- তেজস্ক্রিয়তার এসআই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি। 
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৩৬.
তরঙ্গ সম্পর্কে কোনটি সত্য নয়?
  1. শূন্যস্থানে তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের গতিবেগ সর্বোচ্চ
  2. আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান
  3. শব্দ তরঙ্গ এক ধরনের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  4. তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গুণফল
সঠিক উত্তর:
আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান
ব্যাখ্যা

আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান, এই বিবৃতিটি সত্য নয়।
- আলো যখন শূন্যস্থান ছাড়া অন্য যেকোনো মাধ্যমে (যেমন বাতাস, জল, কাঁচ) প্রবেশ করে, তখন সেই মাধ্যমের ঘনত্বের (বা প্রতিসরাঙ্কের) কারণে আলোর বেগ পরিবর্তিত হয়।
- মাধ্যম পরিবর্তনের সাথে সাথে আলোর বেগও পরিবর্তিত হয়।

• তরঙ্গ:
- তরঙ্গ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনো মাধ্যম ছাড়া বা মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চালিত হয়, কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলির কোনো স্থায়ী সরণ ঘটে না। কণাগুলি কেবল তাদের সাম্যাবস্থানের সাপেক্ষে স্পন্দিত বা কম্পিত হয়।
• তরঙ্গের প্রকারভেদ:
- মাধ্যমের প্রয়োজন অনুসারে:
১। যান্ত্রিক তরঙ্গ: মাধ্যম প্রয়োজন (যেমন: শব্দ, পানির ঢেউ)
২। তড়িৎচুম্বক তরঙ্গ: মাধ্যম প্রয়োজন নেই (যেমন: আলো, রেডিও তরঙ্গ)

- কম্পনের দিক অনুসারে:
১। অনুপ্রস্থ তরঙ্গ: কণা তরঙ্গ সঞ্চালনের লম্বভাবে কম্পিত হয় (যেমন: আলো)।
২। অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ: কণা তরঙ্গ সঞ্চালনের সমান্তরালে কম্পিত হয় (যেমন: শব্দ)।

তরঙ্গের সাধারণ বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
- তরঙ্গের মূল কাজ হলো স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি পরিবহন করা।
- তরঙ্গ প্রবাহের সময় মাধ্যমের কণাগুলির স্থান পরিবর্তন হয় না, কণাগুলি কেবল সাম্যাবস্থানের সাপেক্ষে কম্পিত হয়।
- অধিকাংশ তরঙ্গই (আলো, শব্দ, ইত্যাদি) প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার এবং অপবর্তন ধর্মগুলি প্রদর্শন করে।
- তরঙ্গবেগ (v), কম্পাঙ্ক (f) এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্য (λ) এর মধ্যে সম্পর্কটি হলো: v = fλ.
- যান্ত্রিক তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে (যেমন কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি)।

অপশন আলোচনা:
ক) শূন্যস্থানে তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গের গতিবেগ সর্বোচ্চ: 
- আলো হলো একটি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ। শূন্যস্থান (ভ্যাকুয়াম) হলো সবচেয়ে কম ঘনত্বের মাধ্যম। শূন্যস্থানে আলোর বেগ (c) প্রায় 3 × 108 মি./সে., যা এই ধরনের তরঙ্গের জন্য সর্বোচ্চ সীমা।
খ) আলোর বেগ শূন্যস্থান ব্যতীত অন্য সকল মাধ্যমে সমান:
- এটি সত্য নয়। আলোর বেগ মাধ্যমের প্রতিসরাঙ্ক (n) দ্বারা নির্ধারিত হয়। যেহেতু পানি, কাঁচ, বাতাস ইত্যাদির প্রতিসরাঙ্ক ভিন্ন ভিন্ন, তাই আলোর বেগও এই মাধ্যমগুলিতে ভিন্ন ভিন্ন হবে। যেমন, পানিতে আলোর বেগ কাঁচের চেয়ে বেশি।
গ) শব্দ তরঙ্গ এক ধরনের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ:
- শব্দ তরঙ্গ হলো একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ। এর সঞ্চালনের সময় মাধ্যমের কণাগুলি তরঙ্গের গতির দিকের সমান্তরালে স্পন্দিত হয় (সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে), তাই এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
ঘ) তরঙ্গবেগ হলো এর কম্পাঙ্ক এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের গুণফল:
- v = fλ। অর্থাৎ, তরঙ্গবেগ তার কম্পাঙ্ক (f) এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (λ) গুণফলের সমান।

উৎস: 
১। পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১,১৩৭.
কোনটি হাইড্রোলিক মেশিন?
  1. ক) ইঞ্জিন
  2. খ) পাম্প
  3. গ) মোটর
  4. ঘ) কম্প্রেসর
সঠিক উত্তর:
খ) পাম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাম্প
ব্যাখ্যা
হাইড্রোলিক পাম্প: 
- হাইড্রোলিক পাম্প হাইড্রোলিক টুলের মাধ্যমে হাইড্রোলিক তরলকে স্থানান্তরিত করে এবং যান্ত্রিক গতি এবং শক্তিকে জলবাহী শক্তিতে রূপান্তর করে।
- পাম্প একটি বৈদ্যুতিক মোটর, অভ্যন্তরীণ জ্বলন ইঞ্জিন, বায়ুচাপ বা পাওয়ার টেক অফ থেকে শক্তি উৎপন্ন করতে পারে।
- পিস্টন, ভ্যান এবং গিয়ার সহ বিভিন্ন ধরনের পাম্প রয়েছে।
- সকল হাইড্রোলিক পাম্প একই নীতিতে কাজ করে যার মধ্যে রয়েছে প্রতিরোধী চাপ বা লোডের বিরুদ্ধে তরলের পরিমাণ স্থানান্তর করা।

উৎস: metrohydraulic.
১,১৩৮.
কোন মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি?
  1. শূন্য মাধ্যমে
  2. কঠিন পদার্থের মাধ্যমে
  3. বায়বীয় পদার্থের মাধ্যমে
  4. তরল পদার্থের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
কঠিন পদার্থের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন পদার্থের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

শব্দের বেগ: 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়। 
- তরল পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের গতি সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৩৯.
তড়িৎ বিভবপার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম কী?
  1. ভোল্টামিটার
  2. ভেলাটোমিটার
  3. অ্যামিটার
  4. ভোল্টমিটার
সঠিক উত্তর:
ভোল্টমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোল্টমিটার
ব্যাখ্যা

- কোনো তড়িৎ-বিশ্লেষ্য পদার্থের ভিতর দিয়ে তড়িৎ চালনা করার সময় পদার্থটিকে জলে দ্রবীভূত বা গলিত অবস্থায় একটি পাত্রের মধ্য রেখে তড়িৎ-বিশ্লেষণ করা হয় । এই পাত্রটিকে ভোল্টামিটার বলে ।
- বেগ পরিমাপক যন্ত্র হলো ভেলাটোমিটার।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপক যন্ত্র হলো অ্যামিটার।
- তড়িৎ বিভবপার্থক্য নির্ণয়ের যন্ত্র হলো ভোল্টমিটার।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,১৪০.
লোকভর্তি হল ঘরে শূন্য ঘরের চেয়ে শব্দ ক্ষীণ হয়, কারণ-
  1. লোকভর্তি হল ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়।
  2. লোকভর্তি হল ঘরে মানুষের সোরগোল হয়।
  3. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়।
  4. শুন্য ঘরে শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হয়।
সঠিক উত্তর:
লোকভর্তি হল ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোকভর্তি হল ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়।
ব্যাখ্যা
শব্দ এক ধরনের যান্ত্রিক এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ, বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দের উৎপত্তি হয়।
যখন একটি ঘরে মানুষ বা আসবাব পত্র দিয়ে ভর্তি থাকে, তখন অনেক শব্দ সেগুলোর মাধ্যমে শোষিত হয়ে যায়।
অর্থাৎ, লোকভর্তি হল ঘরে মানুষ বেশি থাকায় শব্দের শোষণ বেশি হয় তাই সেখানে শব্দের আওয়াজ ক্ষীণ হয়।
১,১৪১.
সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কি রঙের দেখায়?
  1. নীল
  2. কালো
  3. সবুজ
  4. হলুদ
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা

একটা বস্তু সব রং শোষন করে যেটা প্রতিফলিত করে, সেটাকেই তার রং বলে মনে হয়। একটি হলুদ রংয়ের বস্তুর উপর সবুজ আলো ফেললে, হলুদ রংয়ের বস্তুটি সবুজ আলো শোষন করে ফেলবে এবং কোন রং প্রতিফলিত করবে না। এই কারনে সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কালো রঙের দেখায়।

১,১৪২.
তাপীয় ইঞ্জিনের মূল কাজ কোনটি? 
  1. তাপ শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর
  2. বৈদ্যুতিক শক্তিকে তাপ শক্তিকে রূপান্তর
  3. তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
  4. যান্ত্রিক শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর
ব্যাখ্যা

- তাপীয় ইঞ্জিন (heat engine) হলো এমন একটি যন্ত্র যা তাপগতিবিদ্যার নীতি অনুসারে তাপ শক্তিকে (thermal energy) যান্ত্রিক কাজে (mechanical work) রূপান্তর করে। 

তাপীয় ইঞ্জিন: 
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। 
যেমন- বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি। 
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে। 
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে। তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে। 
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে। 
অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে। ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৪৩.
জিংক এর খনিজ উৎস কোনটি?
  1. ক) গ্যালেনা
  2. খ) বক্সাইট
  3. গ) ক্যালামাইন
  4. ঘ) সিন্নাবার
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালামাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালামাইন
ব্যাখ্যা
• গ্যালেনা - সীসা এর খনিজ উৎস।
• বক্সাইট - অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ উৎস।
• ক্যালামাইন - জিংক এর খনিজ উৎস।
• সিন্নাবার - মার্কারির খনিজ উৎস।

সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
১,১৪৪.
অপটিক্যাল ফাইবার যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কোন বিকিরণ প্রধানত ব্যবহৃত হয়?
  1. আলফা রশ্মি 
  2. গামা রশ্মি
  3. অতিবেগুনি রশ্মি
  4. অবলোহিত রশ্মি
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা

◉ অপটিক্যাল ফাইবারে সাধারণত ৮৫০ nm, ১৩১০ nm এবং ১৫৫০ nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ব্যবহার করা হয়। এগুলো অবলোহিত (Infrared) অঞ্চলের আলো।

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- বর্তমামে পৃথিবীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তুর ব্যবহার বেড়ে গেছে। 
- আগে যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হতো এখন সেখানে আলোর সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হয়। 
- মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় যায় কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে যায় বলে সেটাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব। 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু। 
- এর ভেতরের অংশকে বলে কোর এবং বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড। 
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। 
- এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়। 
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম। 
- দৃশ্যমান আলোতে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৪৫.
দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৩০০ ন্যানোমিটার থেকে ৪০০ ন্যানোমিটার
  2. খ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৬০০ ন্যানোমিটার
  3. গ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
  4. ঘ) ৫০০ ন্যানোমিটার থেকে ৮০০ ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
আলো হচ্ছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। 
সব ধরনের আলো আমরা দেখতে পাই না। 
যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত সেই আলো আমরা দেখতে পাই। 
ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এর আলো বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকলে রং পরিবর্তন হতে থাকে।
আই আলোই হচ্ছে দৃশ্যমান আলো। 

সূত্র - নবম - দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান, পৃষ্ঠা - ২১৩ - ২১৪, বোর্ড বই
১,১৪৬.
নক্ষত্রের মধ্যে পদার্থ কোন অবস্থায় থাকে?
  1. ক) কঠিন অবস্থায়
  2. খ) তরল অবস্থায়
  3. গ) গ্যাসীয় অবস্থায়
  4. ঘ) প্লাজমা অবস্থায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাজমা অবস্থায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাজমা অবস্থায়
ব্যাখ্যা

প্লাজমা অবস্থা (Plasma state):
প্লাজমা অবস্থায় পদার্থ তার সর্বোচ্চ গতিশক্তি প্রাপ্ত হয়। পদার্থ তার উপাদান কণায় বিয়োজিত হয়ে প্রতিটি কণা আধানযুক্ত হয় এবং প্রচন্ড গতিশক্তির কারণে ছুটাছুটি করতে থাকে, কিন্তু বিপরীত আধানের মধ্যে কোনরূপ আকর্ষণ বল অনুভূত হয় না।
- সাধারণত ১০৪ থেকে  ১০ কেল্ভিন তাপমাত্রায় বেশ কিছু পদার্থকে প্লাজমা অবস্থায় অবস্থান করতে দেখা যায়।
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র মন্ডলের মধ্যে পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় অবস্থান করে।
- পারমাণবিক চুল্লীর মধ্যে যখন নিউক্লিয়ার ফিউশান ঘটানো হয় তখন পদার্থকে প্লাজমা অবস্থায় পরিবর্তন করে নেয়া হয়।

সূত্রঃ রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,১৪৭.
পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে কী তৈরি হয়?
  1. হিলিয়াম ও বেরিয়াম
  2. ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম
  3. হিলিয়াম ও ক্রিপ্টন
  4. হাইড্রোজেন ও ক্রিপ্টন
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম
ব্যাখ্যা
• বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম পরমাণুতে পরিণত হয়।

• পারমাণবিক শক্তি:

- ফ্রেঞ্চ পদার্থবিদ হেনরি বেকেরেল সর্বপ্রথম ১৮৯৬ সালে পারমাণবিক শক্তি উদ্ভাবন করেন।
- যে প্রক্রিয়ায় পরমাণুর সংযোজন বা বিভাজন ঘটিয়ে ব্যবহারযোগ্য শক্তি পাওয়া যায় তাকে পারমাণবিক বিক্রিয়া বলে।
- পরমাণুর নিউক্লিইয়াসই পারমাণবিক শক্তির উৎস।
- পারমাণবিক শক্তি মূলত দুই ভাবে পাওয়া যায়। যথা:
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া,
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া।

- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভর হতে শক্তির রূপান্তর আইনস্টাইনের E = mc2 শক্তির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে E = উৎপন্ন শক্তি, m = শক্তি উৎপন্নকারী পদার্থের ভর এবং c = আলোর গতিবেগ (শূণ্য মাধ্যমে)।
- নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া প্রয়োজন মত সঠিক পরিমাণে তাপ উৎপাদন করে যা বিভিন্ন গবেষণা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়।
- অনিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া বিপুল পরিমাণ তাপ উৎপন্ন করে যা খুবই বিপজ্জনক। পারমাণবিক বোমা মূলত অনিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া।
- তেজস্ক্রিয় ইউরেনিয়াম ধাতু পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙে ক্রিপ্টন ও বেরিয়াম পরমাণুতে পরিণত হয়।

উৎস:
১. HSC পদার্থবিজ্ঞান , শাহজাহান তপন।
২. ব্রিটানিকা।
১,১৪৮.
তেজস্ক্রিয় বিকিরণে কোন কণিকা নির্গত হয়?
  1. ক) ইলেকট্রন ও প্রোটন
  2. খ) প্রোটন ও নিউট্রন
  3. গ) প্রোটন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) ইলেকট্রন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেকট্রন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেকট্রন ও হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য :
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়ঃ 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
- আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
- বিটা কণিকা খুব হালকা। এরা ইলেকট্রন প্রবাহ।  এরা ঋণাত্মক চার্জ বহন করে। 
- গামা রশ্মি তড়িৎ নিরপেক্ষে।  গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল। এর কোন চার্জ ও ভর নাই।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া ।


সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,১৪৯.
ঘড়ির কাটার গতি কি রকম গতি?
  1. রৈখিত গতি
  2. উপবৃত্তাকার গতি
  3. পর্যায়বৃত্ত গতি
  4. স্পন্দন গতি
সঠিক উত্তর:
পর্যায়বৃত্ত গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়বৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
পর্যাবৃত্ত গতি: 
- কোনো গতিশীল বস্তু যদি একই পথ বারবার অতিক্রম করে তাহলে সে গতিকে পর্যাবৃত্ত গতি বলে।
- ঘড়ির কাঁটার গতি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, সেকেন্ডের কাটাটি প্রতি এক মিনিটে একবার এর কেন্দ্র বিন্দুর চারদিকে ঘুরে আসে। 
- ঘড়ির কাঁটাটি বারবার একটি পথে ঘুরছে অর্থাৎ এর গতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এ ধরনের গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি।  
- বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় চারপাক দৌড়ের একজন প্রতিযোগী একই দিক থেকে চারবার অতিক্রম করে যা একটি পর্যাবৃত্ত গতি। 
- ঘড়ির কাঁটার গতি, পাকদৌড়ের গতি, বৈদ্যুতিক পাখার গতি হলো পর্যাবৃত্ত গতি।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,১৫০.
BTS এর পূর্ণরুপ কোনটি?
  1. ক) Base Transceiver System
  2. খ) Base Transceiver Station
  3. গ) Base Transmission System
  4. ঘ) Base Transmission Station
সঠিক উত্তর:
খ) Base Transceiver Station
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Base Transceiver Station
ব্যাখ্যা
প্রত্যেক টি সেলে একটি করে বেস স্টেশন (BTS-Base Transceiver Station) থাকে । একটি এলাকার অনেকগুলো বেস স্টেশন একটা বেস স্টেশন কন্ট্রোলারের(BSC-Base station controller) মাধ্যমে মোবাইল সুইচিং কেন্দ্রের (MSC - Mobile service switching) সাথে যোগাযোগ করে ।  

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
১,১৫১.
এন্ডােস্কোপিতে প্রয়ােগ করা হয়-
  1. ক) আলাের প্রতিসরণ ও বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ
  2. খ) বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ ও আলাের পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  3. গ) আলোর প্রতিফলন ও বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ
  4. ঘ) আলাের প্রতিসরণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলাের প্রতিসরণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলাের প্রতিসরণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

এন্ডােসকোপি যন্ত্রে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করা হয় যেখানে আলাে পূর্ণ অভ্যন্তরীন প্রতিফলন হয়ে আঁকাবাকা পথে যেতে পারে।
বর্তমানে অত্যন্ত ক্ষুদ্র সিসিডি ক্যামেরার প্রযুক্তির কারণে এন্ডোসকপি যন্ত্রের নলের মাথায় একটি ক্ষুদ্র ক্যামেরা বসিয়ে সেটি সরাসরি শরীরের ভেতরে ঢুকিয়ে ভিডিও সিগন্যাল দেখা সম্ভবপর হচ্ছে।
যে অঙ্গগুলাে পরীক্ষা করার জন্য এন্ডােসকপি ব্যবহার করা হয় সেগুলাে হচ্ছে-
১। ফুসফুস এবং বুকের কেন্দ্রীয় বিভাজন অংশ;
২। পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র বা কোলন;
৩। স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ;
৪। উদর এবং পেলভিস;
৫। মূত্রনালির অভ্যন্তর ভাগ;
৬। নাসা গহ্বর, নাকের চারপাশের সাইনাস এবং কান।
উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান

১,১৫২.
একটি পদার্থ বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্রের অনুপস্থিতিতেও নিজে থেকেই চুম্বকত্ব প্রদর্শন করে। নিচের কোনটি এই প্রকার পদার্থের উদাহরণ?
  1. প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থ
  2. ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থ
  3. ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ
  4. অ্যান্টিফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ
সঠিক উত্তর:
ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ
ব্যাখ্যা

• ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ (Ferromagnetic Materials):
- এই ধরনের পদার্থ বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্র ছাড়াও স্থায়ীভাবে চৌম্বকত্ব ধারণ করতে সক্ষম।
- এদের মধ্যে ইলেকট্রনের স্পিন ও কক্ষপথীয় চৌম্বক মুহূর্ত (magnetic moment) একই দিকে সজ্জিত থাকে।
- উদাহরণ: লোহা (Fe), কোবাল্ট (Co), নিকেল (Ni), এবং কিছু সংকর ধাতু।

• প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থ (Paramagnetic Materials):
- এদের মধ্যে অসম জোড় ইলেকট্রন থাকে, ফলে বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগে চৌম্বকত্ব দেখা দেয়।
- উদাহরণ: অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম।

• ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থ (Diamagnetic Materials):
- এরা বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্রের বিপরীতে দুর্বল চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে।
- চৌম্বকত্ব সাধারণত খুবই দুর্বল এবং বিপরীতমুখী।
- উদাহরণ: বিসমাথ, তামা।

• অ্যান্টিফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ (Antiferromagnetic Materials):
- এদের পরমাণবিক ডাইপোল বিপরীতমুখী এবং সমান মানের, ফলে নিট চৌম্বকত্ব থাকে না।
- উদাহরণ: ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড (MnO)

উৎস: Encyclopaedia Britannica. [লিংক]

১,১৫৩.
কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে কোন শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. যান্ত্রিক শক্তি
  2. নিউক্লিয় শক্তি
  3. বিদ্যুৎ শক্তি
  4. চৌম্বক শক্তি
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর (Energy transformation): 
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে।
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে।
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।
- এক রূপের শক্তিকে রুপান্তর করে অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 

যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর: 
- হাতে হাত ঘষলে তাপ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
- পানি যখন ভূপৃষ্ট হতে উপরে কোন পাত্রে থাকে তখন তাতে বিভব শক্তি সঞ্চিত থাকে। নিচে প্রবাহিত হবার সময় বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৫৪.
What is caused by refraction of light?
  1. Rainbow
  2. Solar Eclipse
  3. Loner Eclipse
  4. UV rays
সঠিক উত্তর:
Rainbow
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rainbow
ব্যাখ্যা
• রংধনু গঠিত হয় যখন সূর্যের আলো বৃষ্টির জলকণায় পড়ে এবং সেই আলো বিকরণ (refraction), পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (total reflection) এবং বিচ্ছুরণ (dispersion) এর মাধ্যমে ভেঙে যায়। এই বিকরণের ফলেই বিভিন্ন রঙের আলো আলাদা হয়ে চোখে পৌঁছে রংধনু দেখা যায়।

• রংধনু:
- রংধনু তৈরি হয় পানির পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন দিয়ে।
- শুধু তা-ই নয় যারা প্রিজমের অভাবে সাদা আলোকে তার রংগুলোতে ভাগ করে দেখতে পারোনি তারাও এই ব্যাপারটি রংধনুতেই ঘটতে দেখেছ।
- বৃষ্টি হওয়ার পরপর যদি রোদ ওঠে তাহলে রংধনু দেখা যায়, কারণ তখন বাতাসে পানির কণা থাকে এবং পানির কণায় সেই আলো পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলিত হওয়ার সময় ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলো ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে বেঁকে যায়। এই আলোর রশ্মিগুলো দিয়ে রংধনুর ভিন্ন ভিন্ন রঙের ব্যান্ড (Band) তৈরি হয়।
- রংধনু সব সময়ই সূর্যের বিপরীত আকাশে দেখা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৫৫.
শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র-
  1. অডিওমিটার
  2. অ্যামিটার
  3. অডিওফোন
  4. অলটিমিটার
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
ব্যাখ্যা
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- অ্যামিটার তড়িৎ প্রবাহের মান নির্ণয় করে। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,১৫৬.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তির বৈশিষ্ট্য?
  1. সীমিত পরিমাণে পাওয়া যায়
  2. উৎপাদনে বেশি দূষণ ঘটে
  3. একবার ব্যবহার করলে শেষ হয়ে যায়
  4. প্রকৃতিতে পুনরায় উৎপন্ন হয়
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতিতে পুনরায় উৎপন্ন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতিতে পুনরায় উৎপন্ন হয়
ব্যাখ্যা

- নবায়নযোগ্য শক্তির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রকৃতিতে পুনরায় উৎপন্ন হয় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না

শক্তির উৎস ও এর প্রকারভেদ:

- শক্তির উৎস প্রধানত দুই ধরনের।
যথা- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
১. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- নবায়নযোগ্য শক্তি এমন একটি শক্তির উৎস, যা প্রকৃতিতে বারবার পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না।
- এটি সাধারণত পরিবেশবান্ধব হওয়ায় গ্রীন শক্তি নামেও পরিচিত।
- নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ কম থাকে।
- এটি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই এবং প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় উৎপন্ন হয়।
উদাহরণ: সৌর শক্তি, বায়ু শক্তি, জলবিদ্যুৎ, সমুদ্রস্রোত, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি।

২. অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস প্রকৃতিতে সীমিত এবং একবার ব্যবহার হয়ে গেলে পুনরায় সৃষ্টি হতে দীর্ঘ সময় লাগে বা আর উৎপন্ন হয় না।
- এটি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না বা খুব ধীরগতিতে পুনরায় গঠিত হয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন ব্যয়বহুল এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণের কারণ হতে পারে।
উদাহরণ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, নিউক্লিয় শক্তি ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৫৭.
ভূমি কম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গকে বলা হয়-
  1. স্থির তরঙ্গ
  2. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  3. বেতার তরঙ্গ
  4. তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• ভূমিকম্পের ফলে ভূ-অভ্যন্তরে যে শক্তির মুক্তি ঘটে তা তরঙ্গের আকারে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, একে সিসমিক তরঙ্গ (Seismic Wave) বলে। এই তরঙ্গগুলো সঞ্চালনের জন্য কঠিন, তরল বা বায়বীয় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। আমরা জানি, যে সকল তরঙ্গ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়, তাদের যান্ত্রিক তরঙ্গ (Mechanical Wave) বলা হয়।

তরঙ্গ: 
- যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন ঐ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না সেই পর্যাবৃত্ত আন্দোলনকে তরঙ্গ বলে। 

যান্ত্রিক তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে বলা হয় যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
যেমন- পানির তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, ভূমি কম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গ ইত্যাদি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 

যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
১. মাধ্যমের কণার স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 
২. মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপরে নিচে অথবা সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। মাধ্যমের মধ্য দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় না। 
৩. তরঙ্গ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা স্থানান্তর করে। 
৪. তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়। স্পন্দনের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে বাড়ে। কিন্তু তরঙ্গ সুষম বেগে সঞ্চারিত হয়। অর্থাৎ কণাগুলোর স্পন্দন গতি এবং তরঙ্গ বেগ এক নয়। 
৫. তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণাগুলোর স্পন্দনের দিক এবং তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক এক নাও হতে পারে। 

তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলন ছাড়া যে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, সে তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো এবং তাপ আসে তরঙ্গাকারে। সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। 
- আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়। এ তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
যেমন- বেতার তরঙ্গ, এক্সরশ্মির তরঙ্গ, গামারশ্মির তরঙ্গ ইত্যাদি তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৫৮.
সুরযুক্ত শব্দের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) প্রাবল্য
  2. খ) তীক্ষ্মতা
  3. গ) গুণ
  4. ঘ) বিস্তার 
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিস্তার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিস্তার 
ব্যাখ্যা
সুরযুক্ত শব্দের বৈশিষ্ট্য (Charectaristics of Musical Sound) সুরযুক্ত শব্দের তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য থাকে ।
যথা-

১। তীব্রতা বা প্রাবল্য (Intensity)
২। তীক্ষ্ণতা (Pitch)
৩। গুণ বা জাতি (Quality)

বিস্তার সুরযুক্ত শব্দের কোনো বৈশিষ্ঠ্য নয়।
১,১৫৯.
কোন তরল পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায় কোনটির সাহায্যে?
  1. ক) গলনাঙ্ক
  2. খ) স্ফুটনাঙ্ক
  3. গ) ব্যাপন
  4. ঘ) নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
খ) স্ফুটনাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ফুটনাঙ্ক
ব্যাখ্যা

স্ফুটনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন তরল পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।
গলনাঙ্ক নির্ণয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোন কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা নির্ণয় করা যায়।

উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - রসায়ন বোর্ড বই।

১,১৬০.
১ ইঞ্চিতে কত সেন্টিমিটার হয়?
  1. ক) 1.54 cm
  2. খ) 2.54 cm
  3. গ) 2.12 cm
  4. ঘ) 3.54 cm
সঠিক উত্তর:
খ) 2.54 cm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 2.54 cm
ব্যাখ্যা

 ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার 

সেন্টিমিটার (প্রতীক cm বা সেমি) মেট্রিক পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের এক ধরনের একক, যা ১ মিটারের ১ শত ভাগের ১ ভাগ (১ সেমি = ১০০ / ১ মিটার)। এই পরিমাপ বর্তমানে এসআই একক পদ্ধতিতে চালু আছে। বাংলা ভাষায় এর প্রতীক সেমি হিসাবেও লেখা হয়ে থাকে।
ইঞ্চি দৈর্ঘ্য পরিমাপের একটি ব্রিটিশ একক। ৩৬ ইঞ্চিতে এক গজ এবং ১২ ইঞ্চিতে ১ ফুট হয়। ক্ষেত্রফল মাপার জন্য রয়েছে বর্গ ইঞ্চি এবং আয়তন মাপার জন্য ঘন ইঞ্চি।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান। 

১,১৬১.
যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে, তাদের কী বলা হয়? 
  1. অপরিবাহী
  2. পরিবাহী 
  3. অর্ধপরিবাহী 
  4. অন্তরক 
সঠিক উত্তর:
পরিবাহী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবাহী 
ব্যাখ্যা

পরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে, সেই সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী। 
- পরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধানগুলো কোনো জায়গায় আবদ্ধ না থেকে সমস্ত পরিবাহীতে ছড়িয়ে পরে। তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো পরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে সহজেই আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয়ে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
- পরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে না বললেই চলে। 
- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন- কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 

অর্ধপরিবাহী: 
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশি এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৬২.
নিচের কোনটি এক্সরের ধর্ম নয়? 
  1. ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে
  2. তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
  3. এক্সরে সরল পথে গমন করে
  4. তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড়
ব্যাখ্যা

• এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি:
- এটি এক ধরনের তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ। সাধারণ আলোর সঙ্গে এক্স-রের পার্থক্য হলো তরঙ্গ দৈর্ঘ্যে।
- বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
- এজন্য তিনি ১৯০১ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- এটি বিজ্ঞান বিষয়ে প্রথম নোবেল পুরস্কার।

• এক্সরের ধর্ম:
- এক্সরে সরল পথে গমন করে।
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
- এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
- এটি আলোর সমবেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই ।
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৬৩.
কোন আলোতে আমাদের দর্শন ক্ষমতা প্রায় শূন্য?
  1. কমলা
  2. হলুদ
  3. লাল
  4. সবুজ
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। 
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র। 
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়। 
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনি, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি তাই এই রঙের আলোর দর্শন ক্ষমতা প্রায় শূন্য। 
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬৪.
পরমাণু চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য মূলত কোনটি ঘটে?
  1. ক) প্রোটনের ভাঙ্গন
  2. খ) ইলেক্ট্রনের ভাঙ্গন
  3. গ) নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন
  4. ঘ) অণুর ভাঙ্গন
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিয়াসের ভাঙ্গন
ব্যাখ্যা
যে বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে তাকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে।
এটা স্বতঃস্ফূর্ত ভাঙ্গন অথবা কৃত্রিম ভাঙ্গন হতে পারে যাতে খুব শক্তিশালি কণা নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে এর ভাঙ্গন ত্বরান্বিত করে, যেমনটি পারমাণবিক চুল্লিতে ঘটে।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রসায়ন (১ম পত্র বোর্ড বই)।
১,১৬৫.
আইনস্টাইন থিওরি অব রিলেটিভিটির কত সালে প্রদান করেছিলেন?
  1. ক) ১৯০৫
  2. খ) ১৯১৫
  3. গ) ১৯১২
  4. ঘ) ১৯২১
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯০৫
ব্যাখ্যা
আইনস্টাইন থিওরি অব রিলেটিভিটির বা আপেক্ষিকতা তত্ত্বের প্রবক্তা ৷ ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রদান করেন। উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই
১,১৬৬.
১৮ কেজি ভরের বস্তুর ওজন চাঁদে কত নিউটন হবে?
  1. ২৯.৪
  2. ১৯.৪
  3. ৩৯.৪
  4. ৪৯.৪
সঠিক উত্তর:
২৯.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯.৪
ব্যাখ্যা
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে। 
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে। 
- এরূপে চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়। 
- পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ৬০ নিউটন হলে চাঁদে ঐ জিনিসের ওজন ১০ নিউটন হবে অর্থাৎ কমবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

- চাঁদে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পৃথিবীর পৃষ্ট হতে ৬ গুণ কম।
আমরা জানি, 
W = mg 
= 18 (g/6) 
= 3g 
= 3 × 9.8 [g এর মান 9.8 ms-2
= 29.4 নিউটন
১,১৬৭.
কোন পদ্ধতিতে শব্দকে সরাসরি তড়িতে পরিণত করে প্রেরণ করা হয়?
  1. ক) ডিজিটাল পদ্ধতি
  2. খ) এনালগ পদ্ধতি
  3. গ) ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতি
  4. ঘ) হাইব্রিড পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
খ) এনালগ পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এনালগ পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
- টেলিফোনে প্রধাণত দুটো প্রধান অংশ থাকে।  যথা- গ্রাহক যন্ত্র ও প্রেরক যন্ত্র।
- টেলিফোনে সংবাদ আদান দু'পদ্ধতিতে হয়ে থাকে, যথা- এনালগ ও ডিজিটাল।
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দকে সরাসরি তড়িতে পরিণত করে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে তড়িৎশক্তিকে ডিজিটাল সংবাদে রূপান্তর করে।
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দ আদান-প্রদানে অসুবিধা হয় কিন্তু ডিজিটাল পদ্ধতিতে শব্দ আদান প্রদানে সুবিধা হয়।
- বর্তমানে ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা বহুলভাবে প্রচলিত। এটির সুবিধা হল কম্পিউটার ব্যবস্থার সঙ্গে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬৮.
সেকেন্ড দোলক হচ্ছে যে সরল দোলকের দোলনকাল - 
  1. এক সেকেন্ড
  2. দুই সেকেন্ড
  3. তিন সেকেন্ড 
  4. চার সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
দুই সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
সরল দোলক: 
- একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে একটি ওজনহীন, নমনীয় ও অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে একটি উল্লম্ব তলে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে। 

সেকেন্ড দোলক: 
- যে দোলকের দোলনকাল দুই সেকেন্ড অর্থাৎ, দোলকের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে এক সেকেন্ড সময় লাগে তাকে সেকেন্ড দোলক বলে। 

কার্যকরী দৈর্ঘ্য: 
- ঝুলন বিন্দু থেকে ববের ভারকেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্বকে সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বলে। 

সরল দোলন গতি: 
- যদি কোনো বস্তুর ত্বরণ একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে এর সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদা ঐ বিন্দু অভিমুখী হয়, তাহলে বস্তুর ঐ গতিকে সরল দোলন গতি বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।
১,১৬৯.
অ্যামিটার কী পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. রোধ
  2. তড়িৎ প্রবাহ
  3. বিভব পার্থক্য 
  4. ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ প্রবাহ
ব্যাখ্যা

- অ্যামিটার (Ammeter) একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা কোনো বর্তনীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ (Electric Current) সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। 

অ্যামিটার: 
- অ্যামিটার একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র। 
- অ্যামিটারের সাহায্যে বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ সরাসরি অ্যাম্পিয়ার এককে পরিমাপ করা যায়। 
- অ্যামিটার বর্তনীর সাথে শ্রেণি সংযোগে যুক্ত থাকে। 
- এই যন্ত্রে মূলত একটি গ্যালভানোমিটার থাকে। গ্যালভানোমিটার হচ্ছে সেই যন্ত্র যার সাহায্যে বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাণ নির্ণয় করা যায়। 
- এই গ্যালভানোমিটারে বিক্ষেপ নির্ণয়ের জন্য একটি সূচক বা কাঁটা লাগানো থাকে। সূচকটি অ্যাম্পিয়ার, মিলিঅ্যাম্পিয়ার বা মাইক্রোঅ্যাম্পিয়ার এককে দাগকাটা একটি স্কেলের উপর ঘুরতে পারে। 
- বিদ্যুৎ কোষের মতো অ্যামিটারেও দুটি সংযোগ প্রান্ত থাকে, একটি ধনাত্মক ও একটি ঋণাত্মক প্রান্ত। 
- সাধারণত ধনাত্মক প্রান্ত লাল এবং ঋণাত্মক প্রান্ত কালো রঙের হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১,১৭০.
Who is the Author of the Book ''Brief Answer to the Big Questions''?
  1. ক) Chadwick
  2. খ) Stephen Hawking
  3. গ) Albert Einstein
  4. ঘ) Newton
সঠিক উত্তর:
খ) Stephen Hawking
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Stephen Hawking
ব্যাখ্যা
Brief Answers to the Big Questions is a book written by prominent theoretical physicist Stephen Hawking.

Source: Goodreads
১,১৭১.
ঘূর্ণায়মান কোনো বস্তুকণার অবস্থান ভেক্টর এবং কণাটির ওপর প্রযুক্ত বলের ভেক্টর গুণফলকে বলা হয়-
  1. ক) টর্ক
  2. খ) দ্বন্দ্ব
  3. গ) কেন্দ্রমুখী বল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) টর্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টর্ক
ব্যাখ্যা
দ্বন্দ্ব:
- সমান, সমান্তরাল ও বিপরীতমুখী দুটি বল যদি একই বস্তুর দুটি ভিন্ন বিন্দুতে ক্রিয়া করে তখন উক্ত বলদ্বয়কে দ্বন্দ্ব বলে।

টর্ক:
- ঘূর্ণায়মান কোনো বস্তুকণার অবস্থান ভেক্টর এবং কণাটির ওপর প্রযুক্ত বলের ভেক্টর গুণফলকে টর্ক বলে

কেন্দ্রমুখী বল:
- কোনো বৃত্তের ব্যাসার্ধ বৃত্তপথের কোনো বিন্দুতে স্পর্শক বা বস্তুর বেগের দিকের সাথে লম্ব। সুতরাং সরল রৈখিক গতির প্রবণতা প্রতিরোধ করে বস্তুকে বৃত্তপথে ঘূর্ণনশীল রাখার জন্য বৃত্তের ব্যাসার্ধ বরাবর কেন্দ্রের দিকে একটি বল ক্রিয়া করে । এই বলই কেন্দ্রমুখী বল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৭২.
আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ -
  1. ক) আলোর বিচ্ছুরণ
  2. খ) আলোর বিক্ষেপণ
  3. গ) আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. ঘ) আলোর প্রতিসরণ
সঠিক উত্তর:
গ) আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
রংধনু সৃষ্টির কারণ হচ্ছে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। 

- সূর্য থেকে যে আলোর রশ্মি পৃথিবীতে আসে তার রঙ মূলত সাদা।
- এই সাদা রঙের ভেতরে বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি রং বিদ্যমান থাকে।
- সাদা আলোর একটি বিশেষ ধর্ম আছে।
- প্রিজমের মধ্য দিয়ে গমন করলে সাদা আলো সাতটি ভিন্ন রঙে বিশ্লেষিত হয়ে যায়।
- আকাশে যখন বৃষ্টি পড়ে তখন বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ভাসমান প্রিজমের মতো কাজ করে।
- সূর্য হতে আলো বৃষ্টির ফোঁটার একপাশ দিয়ে প্রবেশ করে বের হবার সময় সাত রঙা বর্ণালী সৃষ্টি করে।
- বৃষ্টির ফোঁটার প্রিজমসুলভ বৈশিষ্ট্যের কারণেই সৃষ্টি হয় রংধনু।
- বৃষ্টির ফোঁটা হতে বের হওয়া সাত রঙের আলো আমাদের চোখে এসে পৌঁছায় বলেই আমরা রংধনুকে দেখতে পাই।
- ঘণমাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যাওয়ার সময় আলোকরশ্মি যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে মাধ্যম দুটির সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়, তবে ওই আপতিত রশ্মি, দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হওয়ার পর ওর সবটুকুই প্রতিফলিত হয়ে আবার ঘণমাধ্যমেই ফিরে আসে। এই ঘটনাকে অভ্যন্তরীণ পূর্ণ প্রতিফলন বলে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৭৩.
পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে কোনটি? 
  1. ডায়োড
  2. জেনারেটর
  3. ট্রান্সজিস্টর
  4. ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র, এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 
- একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের এক বাহুতে অন্তরিত তামার তার পেঁচিয়ে মুখ্য কুণ্ডলী এবং অপর বাহুতে একইভাবে অন্তরিত তামার তার পেঁচিয়ে গৌণ কুণ্ডলী তৈরি করা হয়। 
- মুখ্য কুণ্ডলীতে পরিবর্তি তড়িচ্চালক শক্তি প্রয়োগ করলে কোরে চৌম্বক বলরেখার সৃষ্টি হয়। যেহেতু কোরটি আয়তাকার সেহেতু চৌম্বক বলরেখাগুলো বদ্ধ হয় এবং যে পরিমাণ বলরেখা মুখ্য কুণ্ডলীর বাহুতে সৃষ্টি হয় সেই পরিমাণ বলরেখার গৌণ কুণ্ডলীর কোরের বাহু অতিক্রম করে। 
- ফলে পরিবর্তিত প্রবাহের কারণে মুখ্য কুণ্ডলীতে যে পরিমাণ বলরেখার পরিবর্তন ঘটে ঠিক সেই পরিমাণ বলরেখার পরিবর্তন গৌণ কুণ্ডলীতেও ঘটে। 
- স্টেপ আপ ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা বেশি থাকে। 
- অপরদিকে স্টেপ ডাউন ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৭৪.
ওহমের সূত্র সম্পর্কিত গাণিতিক সমীকরণটি হলো-
  1. V = IR
  2. I = V/P
  3. Q = I/t
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
V = IR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
V = IR
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- ক) V = IR 

• ওহমের সূত্র:

 • সূত্রটির গাণিতিক রূপ হলো-
V = IR

এখানে,
V = ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য (Volt),
I = কারেন্ট বা বিদ্যুৎ প্রবাহ (Ampere),
R = রোধ  (Ohm)।
এই সূত্র অনুসারে, কোনো পরিবাহকের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য পরিবাহকের রোধ ও পরিবাহকের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টর সাথে সম্পর্কযুক্ত।

অন্যদিকে,
• P = VI – এটি বিদ্যুৎ শক্তি বা Power-এর সূত্র।
• Q = It – এটি আধান (Charge) নির্ণয়ের সূত্র।
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৭৫.
Isolator একটি বর্তনীর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য ব্যবহৃত হয় যখন
  1. Line is energized
  2. Line is on full-load
  3. Line carries no current
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Line carries no current
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Line carries no current
ব্যাখ্যা
- আইসোলেটর হল এমন ডিভাইস যা বৈদ্যুতিক সরবরাহ থেকে একটি সার্কিট বা সরঞ্জাম সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা বিচ্ছিন্ন করতে ব্যবহৃত হয়।
- এগুলি সাধারণত রক্ষণাবেক্ষণ বা সুরক্ষার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।

একটি সার্কিট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য একটি আইসোলেটর ব্যবহার করা হলে সঠিক অবস্থা হল:
- লাইন যখন কোন কারেন্ট বহন করে না

- আইসোলেটরগুলি সাধারণত ব্যবহার করা হয় যখন লাইন বা সরঞ্জামগুলিকে ডি-এনার্জাইজ করা দরকার বা যখন রক্ষণাবেক্ষণ বা মেরামত কাজের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এটি কোনও কারেন্ট বহন করে না।
- বৈদ্যুতিক বিপদ বা সরঞ্জামের ক্ষতি রোধ করার জন্য একটি আইসোলেটর ব্যবহার করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার আগে লাইন বা সরঞ্জামের মধ্য দিয়ে কোনও কারেন্ট প্রবাহিত হচ্ছে না তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১,১৭৬.
ঢাকা শহরে প্রথম বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হয় কত সালে?
  1. ১৯০১
  2. ১৯০৫
  3. ১৯৪৫
  4. ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
১৯০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ব্যবহারের আদি কথা:

আজ থেকে প্রায় সোয়া’শ বছর আগের কথা। ব্রিটিশ শাসিত ভারতের তৎকালীন পূর্ববঙ্গ বর্তমান বাংলাদেশের গাজীপুর জেলার ভাওয়াল পরগনার রাজা পূর্ববঙ্গের প্রথম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী হিসেবে পরিচিত। ঊনবিংশ শতাব্দীতেই তিনি সর্বপ্রথম বিলাত থেকে আমদানী করা জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে রাজবাড়ী আলোকিত করেন। আধুনিকতার ছোঁয়া থেকে যোজন যোজন দূরত্বে থাকা ভাওয়ালবাসীর কাছে রাজকীয় ও সৌখিন এ প্রয়াস শুধুমাত্র বিস্ময়বোধের উদ্রেকই করেনি, এর সার্বজনীন ব্যবহারের গুরুত্ব বোধকেও জাগ্রত করে তোলে।

এরপর ১৯০১ সালে ঢাকার নবাব আহসানউল্লাহর বাসভবনে একটি জেনারেটর স্থাপন করা হয়। ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর মি. বোল্টন নামে জনৈক ব্রিটিশ নাগরিক আহসান মঞ্জিলে সুইচ টিপে প্রথম বিদ্যুৎ সরবরাহের সূচনা করেন। নবাব আহসানউল্লাহর অর্থানুকূল্যে অক্টাভিয়াস স্টিল নামক কোম্পানি তৎকালীন ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়ক ও আহসান মঞ্জিলসহ পর্যায়ক্রমে ঢাকার কয়েকটি অভিজাত ভবনকে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার আওতায় এনেছিল। এই কোম্পানির বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা অনেক কম থাকায় তাদের বিদ্যুৎ সরবরাহ শুধু অভিজাত এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল।

১৯১৯ সালে ‘ডেভকো’ নামক ব্রিটিশ কোম্পানির মাধ্যমে ঢাকায় সীমিত আকারে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার প্রথম বাণিজ্যিক বিকাশ শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৩৩ সালে ওই কোম্পানি ঢাকার পরীবাগে প্রায় ৬ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ধানমণ্ডি পাওয়ার হাউজ’ নির্মাণ করে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ বিতরণ শুরু করে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার অভিজাত বাসিন্দারা ছিল এই বিদ্যুতের গ্রাহক, যা তাদের আভিজাত্যের মুকুটে সংযুক্ত করেছিল আরেকটি নতুন পালক।

উৎস: bd.bpdb.gov.bd.
১,১৭৭.
LASER এর পূর্ণরূপ হচ্ছে -
  1. ক) Light Amplification by Straight Emission of Radiation
  2. খ) Light Amplification by Simultaneous Emission of Radiation
  3. গ) Light Amplification by Serial Emission of Radiation
  4. ঘ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
সঠিক উত্তর:
ঘ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ - Light Amplification by Stimulated Emission Radiation.
অর্থাৎ উত্তেজিত বিকিরণের সাহায্যে আলোক বিবর্ধক।

১৯৬০ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ থিওডর মাইম্যান প্রথম লেজার তৈরী করেন। লেজারের বিবিধ ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে মৃদু শল্যচিকিৎসা এবং পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব পরিমাপ করা।

Source: Britannica
১,১৭৮.
একটি তেজষ্ক্রিয় পদার্থের অর্ধায়ু ১০ দিন। কতদিন পর ঐ মৌলের ১/৮ অংশ অবশিষ্ট থাকবে?
  1. ক) ২০
  2. খ) ৩০
  3. গ) ৪০
  4. ঘ) ৫০
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩০
ব্যাখ্যা
অর্ধায়ু হলো যে সময়ে তেজষ্ক্রিয় পদার্থের পরিমান অর্ধেকে নেমে আসে।

তাহলে,
১ থেকে ১/২ হতে সময় লাগবে ১০ দিন 
পুনরায় ১/২ থেকে ১/৪ হতে সময় লাগবে আরো  ১০ দিন 
এবং ১/৪ থেকে ১/৮ এ আসতে সময় লাগবে আরো ১০ দিন 

অর্থাৎ, মোট সময় লাগবে ৩০ দিন ।

উৎস: একাদশ শ্রেনীর পদার্থবিজ্ঞান বই, শাহজাহান তপন স্যার।
১,১৭৯.
অবতল লেন্স ব্যবহৃত হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. চোখের দীর্ঘ দৃষ্টি ত্রুটি সংশোধনে
  2. অণুবীক্ষণ যন্ত্র
  3. সৌর প্যানেলে সূর্যের আলো কেন্দ্রীভূত করতে
  4. চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে
সঠিক উত্তর:
চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে
ব্যাখ্যা

চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে অবতল লেন্স ব্যবহৃত হয়।

লেন্স:
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে।
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
১. অভিসারী বা উত্তল লেন্স:
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অভিসারী লেন্স বলে।

- উত্তল লেন্সের ব্যবহার:
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
৪. সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে ব্যবহার করা হয়।
৫. চোখের দীর্ঘ দৃষ্টি ত্রুটি সংশোধনে।

২. অপসারী বা অবতল লেন্স:
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে অপসারী লেন্স বলে।
- অবতল লেন্সের ব্যবহার:
১. চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি (Myopia) ত্রুটি সংশোধনে।
৩. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৮০.
চৌম্বক মধ্যতল ও ভৌগোলিক মধ্যতলের মধ্যকার কৌণিক ব্যবধানকে বলা হয় - 
  1. চৌম্বক দৈর্ঘ্য
  2. বিচ্যুতি 
  3. চৌম্বক মেরু 
  4. চৌম্বক ক্ষেত্র
সঠিক উত্তর:
বিচ্যুতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচ্যুতি 
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর কোনো স্থানে ভৌগোলিক মধ্যতল (Geographic Meridian) এবং চৌম্বক মধ্যতলের (Magnetic Meridian) মধ্যবর্তী যে সূক্ষ্ম কোণ উৎপন্ন হয়, তাকে ওই স্থানের চৌম্বক বিচ্যুতি (Magnetic Declination) বলা হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এই বিচ্যুতির মান ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে।

• চুম্বক: 
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। 
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়। 

• চুম্বকত্ব (Magnetism): 
- চুম্বক পদার্থের ধর্মই হলো চুম্বকত্ব। 
- চুম্বকত্ব পদার্থের ভৌত ধর্ম। 
- কারণ পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন ও তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- তবে চুম্বকত্বের উপর তাপমাত্রার বাহ্যিক প্রভাব রয়েছে। 

• চৌম্বক মেরু (Magnetic pole): 
- যেকোনো চুম্বকের যে দুই প্রান্তের আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি সে প্রান্তকে চৌম্বক মেরু বলে। 
- চিত্রে একটি দন্ডচুম্বকের দুটি মের° N ও S দেখানো হয়েছে। 
 
N = North Pole (উত্তর মেরু), 
S = South Pole (দক্ষিণ মেরু)। 

• চৌম্বক অক্ষ (Magnetic axis): 
- যেকোনো চুম্বকের মেরু দুটিকে সংযোগ করে যে সরলরেখা পাওয়া যায়, তাকে চৌম্বক অক্ষ বলে। চিত্রে AB দন্ডচুম্বকের অক্ষ। 

• ভৌগোলিক মধ্যতল (Geographical meridian): 
- পৃথিবীর কোনো স্থানে ভৌগোলিক উত্তর ও দক্ষিণমের বরাবর কল্পিত উলম্ব তলকে ঐ স্থানের ভৌগোলিক বা জ্যামিতিক মধ্যতল বলে। 
- চৌম্বক মধ্যতল ও ভৌগোলিক মধ্যতলের মধ্যকার কিছুটা কৌণিক ব্যবধান থাকে, যাকে বিচ্যুতি বলে। 

• চৌম্বক দৈর্ঘ্য (Magnetic length): 
- চৌম্বক অক্ষ বরাবর চুম্বকের দুটি মেরুর মধ্যবর্তী দূরত্বের দৈর্ঘ্যকে চৌম্বক দৈর্ঘ্য বলে। চিত্রে NS = চৌম্বক দৈর্ঘ্য। 

• চৌম্বক মধ্যতল (Magnetic meridian): 
- চুম্বকের ভারকেন্দ্র দিয়ে মুক্তভাবে ঝুলড্ কোনো একটি স্থির চুম্বকের চৌম্বক অক্ষের মধ্য দিয়ে কল্পিত তলকে চৌম্বক মধ্যতল বলে। 

• চৌম্বক ক্ষেত্র:
- কোনো চুম্বকের চারপাশে যে অঞ্চল জুড়ে তার প্রভাব বা আকর্ষণ-বিকর্ষণ বল অনুভূত হয়, তাকে চৌম্বক ক্ষেত্র বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৮১.
কোনটি মডারেটর হিসাবে ব্যবহৃত হয়? 
  1. সীসা
  2. কয়লা
  3. গ্রাফাইট
  4. লিথিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
মডারেটর: 
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন। 
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন। 
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়। 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর। 
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হল: 
১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং 
২। গ্রাফাইট। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮২.
273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি কত? 
  1. 0 ms-1
  2. 332 ms-1
  3. 338 ms-1
  4. 232 ms-1
সঠিক উত্তর:
332 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
332 ms-1
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 

- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো- শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮৩.
উচ্চ শব্দের শিল্প কারখানায় শ্রবণশক্তি দশ বছরে কি রকম হয়? 
  1. ক) ১/২ হ্রাস পায় 
  2. খ) ১/২ বৃদ্ধি পায়
  3. গ) ১/৩ হ্রাস পায়
  4. ঘ) কোন প্রভাব পড়ে না 
সঠিক উত্তর:
ক) ১/২ হ্রাস পায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১/২ হ্রাস পায় 
ব্যাখ্যা
যারা নিয়মিত উচ্চ শব্দে ষ্টিরিও বা টেলিভিশন চালান, যারা সারাক্ষণ কানে মাইক্রোফোন লাগিয়ে উচ্চ স্বরে গান শোনে তাদের পেটের পীড়া ও কানের অসুখ দেখা দেয়, বিশেষ করে শ্রবণ শক্তি ধীরে ধীরে কমে যায়। ফলে অল্প বয়সেই বধিরতা আসতে পারে। গবেষণা করে দেখা গেছে যে সব শিল্প কারখানায় যন্ত্রে উচ্চ শব্দ উৎপন্ন হয় সেখানকার শ্রমিকদের শ্রবণ শক্তি দশ বছরে প্রায় অর্ধেক হ্রাস পায়।     
১,১৮৪.
বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান-
  1. 9.75 ms-2
  2. 9.78 ms-2
  3. 9.81 ms-2
  4. 9.83 ms-2
সঠিক উত্তর:
9.78 ms-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.78 ms-2
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর মান:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে।
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্ঠে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। একে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- বিষুব রেখা বরাবর g-এর মান সর্বনিম্ন প্রায় 9.78 ms-2.
- মেরু বিন্দুতে সর্বোচ্চ 9.83 ms-2.
- এভারেষ্ট শৃঙ্গে g-এর মান 9.81 ms-2
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮৫.
তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে গবেষণার সময় কোন বিজ্ঞানী এনট্রপি ধারণা প্রদান করেন?
  1. নিউটন
  2. জুল
  3. ক্লসিয়াস
  4. বোল্টজম্যান
সঠিক উত্তর:
ক্লসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লসিয়াস
ব্যাখ্যা

- তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে গবেষণার সময় ক্লসিয়াস (Rudolf Clausius) এনট্রপির ধারণা প্রদান করেন, যিনি ১৮৬৫ সালে 'এনট্রপি' শব্দটি চালু করেন এবং এটি তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্রের মূল ভিত্তি স্থাপন করে, যা কোনো বিচ্ছিন্ন সিস্টেমের বিশৃঙ্খলার পরিমাণকে বোঝায়। 

এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এনট্রপি বলে।
- কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয় যার ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে যার ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

১,১৮৬.
বলের একক কি?
  1. ক) নিউটন
  2. খ) জুল
  3. গ) ওয়াট
  4. ঘ) মিটার
সঠিক উত্তর:
ক) নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিউটন
ব্যাখ্যা
S.I (international system) পদ্ধতিতে বলের একক নিউটন, কাজের একক জুল ক্ষমতার একক ওয়াট,এবং দৈর্ঘ্যের একক মিটার।
১,১৮৭.
আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ভিত্তিতে নিচের কোনটি ব্যাখ্যা করা যায়? 
  1. মহাকর্ষ
  2. নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি
  3. সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিকতার তত্ত্ব: 
- যখন কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ পরিমাপ করা হয় তখন কোনো স্থির বিন্দুকে প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা হয়। ঐ প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দূরত্বকে তার অবস্থান বলা হয় এবং প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দ্রুতিকে বেগ বলা হয়। 
- কিন্তু এই মহাবিশ্বে কোনো কিছুই স্থির নয়। সুতরাং পরম স্থির বলে কোনো অবস্থান পাওয়া সম্ভব নয় যাকে স্থির প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা যায়। 
- তাই প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে যা পরিমাপ করা হয় তা পরম নয়। অর্থাৎ সব সময় অবস্থান বা বেগকে আপেক্ষিকভাবে পরিমাপ করা হয়। 
- চিরায়ত বল বিদ্যার মতে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি। 
- কিন্তু ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান । তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক। 
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এদের পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। 
- উচ্চ গতিশীল (আলোর কাছাকাছি বেগে) বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধ মানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক বলা হয়। 
- পরমাণবিক ও নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে এই তত্ত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বে বলেন প্রাকৃতিক নিয়মাবলীর গাণিতিক সূত্রসমূহ সকল জড় কাঠামোতে অভিন্ন। এটাই আপেক্ষিকতার নীতি। 
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। 
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮৮.
ইলেকট্রনের প্রতিকণিকা কোনটি?
  1. মিউয়ন
  2. গ্রাভিটন
  3. গ্লুঅন
  4. পজিট্রন
সঠিক উত্তর:
পজিট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পজিট্রন
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকাগুলো দুই রকমের হতে পারে- কণা এবং প্রতিকণা। কোনো কণার প্রতিকণার ভর ঐ কণাটির ভরের সমান কিন্তু চার্জ সমমানের হলেও বিপরীতধর্মী। ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পল ডিরাক ইলেকট্রনের বিপরীত কণা এন্টিইলেকট্রন বা পজিট্রন আবিষ্কার করেন। এজন্য তাঁকে ১৯৩২ সালে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,১৮৯.
যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে কোনটি?
  1. জেনারেটর 
  2. বৈদ্যুতিক মোটর
  3. লাউড স্পিকার
  4. মাইক্রোফোন
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর 
ব্যাখ্যা

• শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৯০.
ইলেকট্রোস্কোপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় কেন?
  1. ক) চল বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
  2. খ) ভোল্টেজ পরীক্ষার জন্য
  3. গ) রোধ পরীক্ষার জন্য
  4. ঘ) স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য
ব্যাখ্যা
স্থির বিদ্যুৎ পরীক্ষার জন্য ইলেকট্রোস্কোপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। 
এখানে চার্জের অস্তিত্ব বােঝার জন্য রয়েছে খুবই হালকা সােনা, অ্যালুমিনিয়াম বা অন্য কোনাে ধাতুর দুটি পাত। 

উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান
১,১৯১.
সূর্যে শক্তি তৈরি হচ্ছে কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) রাসায়নিক প্রক্রিয়ায়
  2. খ) আণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়
  3. গ) পারমাণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়
  4. ঘ) বিদ্যুৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায়
সঠিক উত্তর:
গ) পারমাণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পারমাণবিক শক্তি প্রক্রিয়ায়
ব্যাখ্যা

সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলা হয় সৌরশক্তি।
সূর্য সকল শক্তির উৎস। পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকেই আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে।
প্রকৃতপক্ষে সূর্যের শক্তির উৎস পারমাণবিক শক্তি, কারণ সূর্যে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়।
এ শক্তি পৃথিবীতে বিকিরিত হয়।
সৌরশক্তির সকল উৎস ফিউশন বিক্রিয়া।

উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি (উন্মুক্ত)।

১,১৯২.
সিজিএস পদ্ধতিতে ভরের একক কী?
  1. ক) কিলোগ্রাম
  2. খ) পাউন্ড
  3. গ) গ্রাম
  4. ঘ) আউন্স
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্রাম
ব্যাখ্যা

Thecentimetre–gram–second system of units (abbreviated CGS or cgs) is a variant
of the metric system based on the centimetre as the unit of length, the gram as the 
unit of mass, and the second as the unit of time.

১,১৯৩.
ট্রানজিস্টরের প্রধান ব্যবহার কী? 
  1. বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপাদন 
  2. নিউট্রন নিয়ন্ত্রণ 
  3. দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করা 
  4. শক্তিশালী আলোর উৎস সৃষ্টি 
সঠিক উত্তর:
দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করা 
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- ট্রানজিস্টর (Transistor) হচ্ছে একটি ইংরেজি শব্দ। 
- Transfer এবং Resistor এই দুটি পৃথক ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে Transistor শব্দটি গঠিত হয়েছে। 
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলা যায়। 
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিকস এর জগতে বিপ্লব সংঘটিত করেছে। 
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন (J.Bardeen), ডব্লিউ ব্রাটেন (W. Brattain) ও ডব্লিউ সক্লে (W. Shockley) ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 
- এই গুরত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তিন জনকে ১৯৫৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়। 
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
- দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n-টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল (Device) তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে। 
সুতরাং, একটি জাংশন ট্রানজিস্টর দুটি p-n জাংশনের সমন্বয়ে গঠিত এবং এর তিনটি প্রান্ত রয়েছে। 
- গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকার। 
যথা- (১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং (২) n-p-n ট্রানজিস্টর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৯৪.
চাঁদের বিস্ফোরনের শব্দ পৃথিবীতে শোনা যাবে বিস্ফোরণের কত সময় পরে?
  1. ক) ৩.৩৭ মিনিট পর
  2. খ) ৮.৩২ মিনিট পর
  3. গ) ৬.২১ মিনিট পর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

যেকোন কম্পনশীল বস্তুই হলো শব্দের উৎস। শব্দ বিস্তারের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন। ভ্যাকুয়াম বা শূণ্য মাধ্যমে শব্দ চলতে পারে না।
চাঁদ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত দূরত্বের বেশির ভাগই শূণ্য। তাই চাঁদে কোনো বিস্ফোরণ হলে জড় মাধ্যমের অভাবে শব্দ পৃথিবীতে এসে পৌঁছায় না।
উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।

১,১৯৫.
Renewable energy source নিচের কোনটি? 
  1. কয়লা 
  2. খনিজ তেল 
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস 
  4. বায়োগ্যাস 
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
ব্যাখ্যা

- বায়োগ্যাস একটি Renewable energy source অর্থাৎ নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। এই শক্তি পরিবেশ বান্ধব তাই এই শক্তিকে গ্রীন শক্তি বলা হয়। 

শক্তি: 

- শক্তি ছাড়া সভ্যতা এক মুহূর্ত চলতে পারে না, শক্তির বিনিময়ে কাজ পাওয়া যায়। 
- শিল্পায়নের ক্রমবিকাশ এবং জীবনে যাত্রার মানোন্নয়নের জন্য শক্তির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তাই ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য বিজ্ঞানীরা নতুন শক্তির উৎসের সন্ধান করে চলছে। 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার।
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable energy): 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তি (Non-renewable energy): 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির (যেমন কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি) মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- শক্তির চাহিদা মেটাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে বিদেশ থেকে খনিজ তেল, কয়লা আমদানি করতে হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি জনপ্রিয় করা এবং এদের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে পারলে একদিকে যেমন অর্থের সাশ্রয় হবে এবং অন্যদিকে দূষণের হাত থেকে পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৯৬.
নিচের কোনটি ফেরো চৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
  2. খ) এদের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন থাকে না।
  3. গ) এদের চৌম্বক ধারকত্ব নেই।
  4. ঘ) এদের কুরী বিন্দু নেই।
সঠিক উত্তর:
ক) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
ব্যাখ্যা
যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে চুম্বকায়নকারী ক্ষেত্রের দিকে শক্তিশালী চুম্বকত্ব লাভ করে তাদেরকে ফেরোচৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।

ফেরােচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট:
১) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
২) এরা কঠিন এবং স্ফটিকাকারের হয়।
৩) এদের চৌম্বক ধারকত্ব ধর্ম রয়েছে।
৪) এদের নির্দিষ্ট কুরী বিন্দু রয়েছে। কুরী বিন্দুর ওপরে এর কোনাে চুম্বকত্ব থাকে না। যেমন: লোহার কুরি তাপমাত্রা ১০৪৩ K.

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।
১,১৯৭.
কার্বনের কোন আইসোটোপটি অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়?
  1. 12C
  2. 13C
  3. 14C
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
14C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14C
ব্যাখ্যা

• তেজস্ক্রিয়তা:
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি”। পরবর্তিতে মাদাম কুরী (Madame Marie Curie) এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী (Pierre Curie) নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।

• তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা: প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা।
প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা : কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে।
কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা : কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে।

- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা ৮২ অতিক্রম করলেই (পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ থেকে বেশি) যে নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় হয়ে থাকে তা নয়, অন্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসও তেজস্ক্রিয় হতে পারে। 
- পরমাণুর শ্রেণিবিন্যাস করা হয় তার ইলেকট্রনের সংখ্যা দিয়ে, যেটা প্রোটনের সংখ্যার সমান। একটি মৌলের বাহ্যিক ধর্ম, প্রকৃতি, এবং রাসায়নিক গুণাগুণ নির্ভর করে বাইরের ইলেকট্রনের শ্রেণিবিন্যাসের ওপর। 
- কোনো একটি মৌলের পরমাণুতে তার ইলেকট্রন এবং প্রোটনের সংখ্যা সুনির্দিষ্ট হলেও নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন হতে পারে। ভিন্ন নিউট্রন সংখ্যায় নিউট্রনযুক্ত একই প্রোটন সংখা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াসের পরমাণুকে বলা হয় সেই মৌলের আইসোটোপ।
- কোনো একটি মৌলের একটি আইসোটোপ স্থিতিশীল হতে পারে আবার সেই মৌলের অন্য একটি আইসোটোপ অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয় হতে পারে।

- উদাহরণ হিসেবে কার্বন মৌলটির কথা বলা যেতে পারে যার নিউক্লিয়াসে ছয়টি প্রোটন এবং এর প্রধাণত তিনটি আইসোটোপ:

12C : 6টি প্রোটন এবং 6টি নিউট্রন
13C : 6টি প্রোটন এবং 7টি নিউট্রন
14C : 6টি প্রোটন এবং 8টি নিউট্রন

কার্বনের এই তিনটি আইসোটোপের মাঝে 14C আইসোটোপটি অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়।
- 14C (কার্বন–১৪) স্বতঃস্ফূর্তভাবে β-কণা নির্গত করে নাইট্রোজেন–১৪ এ রূপান্তরিত হয়।
- এই আইসোটোপটি রেডিওকার্বন ডেটিং-এ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১। পদার্থ বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।
২। পদার্থ বিজ্ঞান (এসএসসি প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৯৮.
বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে কী বলে? 
  1. ডোপিং
  2. ক্যাপিং
  3. মিক্সিং
  4. ট্রান্সেন্ডিং
সঠিক উত্তর:
ডোপিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোপিং
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping): 
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে। 
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। 
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৯৯.
পেট্রোল বা ডিজেল পোড়ালে কোন ধরণের শক্তি পাওয়া যায়?
  1. ক) রাসায়নিক শক্তি
  2. খ) আলোক শক্তি
  3. গ) যান্ত্রিক শক্তি
  4. ঘ) তাপ শক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) তাপ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তাপ শক্তি
ব্যাখ্যা

পেট্রোল অথবা, ডিজেল পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। এছাড়া গ্যাস, কয়লা, কাঠ এর অনুরূপ।
রান্না করতে, মোটর গাড়ী বা, রেলগাড়ির ইঞ্জিন চালাতে যে শক্তি ব্যবহার করা হয়, তাকে তাপ শক্তি বলে।
তাপ শক্তি ছাড়া কোন প্রাণী, উদ্ভিদ বাঁচতে পারে না।

উৎস: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

১,২০০.
মেট্রিক পদ্ধতিতে ভরের একক কোনটি?
  1. গ্রাম
  2. পাউন্ড
  3. কিলোগ্রাম
  4. মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
কিলোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিলোগ্রাম
ব্যাখ্যা
সি.জি.এস. পদ্ধতি বা সেন্টিমিটার-গ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার (cm), ভরের একক গ্রাম (g) এবং সময়ের একক (s). 

এম.কে.এস. পদ্ধতি বা মিটার-কিলোগ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক মিটার (m), ভরের একক কিলোগ্রাম (kg) এবং সময়ের একক (s). 

এফ.পি.এস পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতিতে দৈর্ঘ্যের একক ফুট (ft), ভরের একক পাউন্ড (lb) এবং সময়ের একক (s). 

উৎস: britannica.com এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।