উত্তর
ব্যাখ্যা
• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-এর অন্যতম মূলে রয়েছে Superposition বা “সুপারপজিশন” নীতি। এই নীতি অনুযায়ী, একটি কিউবিট একসাথে একাধিক অবস্থায় থাকতে পারে, অর্থাৎ শুধু 0 বা 1 অবস্থায় নয়, বরং 0 এবং 1-এর কোনো সংমিশ্রণে থাকতে পারে। এটি ক্লাসিক্যাল বিটের চেয়ে কিউবিটকে অনেক বেশি তথ্য ধারণক্ষম করে তোলে। সুপারপজিশনের ফলে কোয়ান্টাম কম্পিউটার সমান্তরালভাবে বিভিন্ন গণনা করতে পারে, যা জটিল সমস্যা সমাধানে বিপুল শক্তি প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি কিউবিট যদি সুপারপজিশনে থাকে, তবে এটি একসাথে 0 এবং 1 অবস্থায় থাকতে পারে, এবং পরিমাপের সময় এর ফলাফল সম্ভাব্যতার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। তাই, গ) Superposition হল সেই নীতি যা কিউবিটকে একাধিক অবস্থায় একই সময়ে থাকতে সক্ষম করে।
কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা।