• BitTorrent হলো একটি P2P (Peer-to-Peer) নেটওয়ার্ক অ্যাপ্লিকেশনের উদাহরণ। P2P নেটওয়ার্কে কেন্দ্রীয় সার্ভারের পরিবর্তে ব্যবহারকারীরা একে অপরের সঙ্গে সরাসরি তথ্য আদান-প্রদান করে। BitTorrent-এ কোনো একটি ফাইল ডাউনলোড করার সময় সেই ফাইলটি বিভিন্ন অংশে বিভক্ত থাকে এবং ব্যবহারকারীরা একই সঙ্গে একাধিক কম্পিউটার থেকে সেই অংশগুলো সংগ্রহ করে। ফলে ডাউনলোডের গতি বাড়ে এবং সার্ভারের ওপর চাপ কমে। অন্যদিকে Facebook, Google Drive ও Gmail মূলত ক্লায়েন্ট-সার্ভার ভিত্তিক সেবা, যেখানে সব তথ্য একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
নেটওয়ার্ক:
- নেটওয়ার্কে বিদ্যমান ডিভাইসসমূহ কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে এবং সেগুলোর সার্ভিস মডেল কেমন হবে, তার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে নিম্নরুপে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network)
২. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network)
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)
পিয়ার-টু-পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পৃথক সার্ভার কম্পিউটার ব্যতীত দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে রিসোর্স শেয়ার করার জন্য যে নেটওয়ার্ক গঠন করা হয় তা হলো পিয়ার-টু- পিয়ার নেটওয়ার্ক।
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network):
- একাধিক ক্লায়েন্ট/ওয়ার্কস্টেশন ও একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারের সমন্বয়ে ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- এখানে সার্ভার কম্পিউটারে কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা জমা রাখা হয় এবং এসব ডেটা নেটওয়ার্কে অবস্থিত ক্লায়েন্ট কম্পিউটার কর্তৃক রিসোর্স হিসেবে ব্যবহার (শেয়ার) করা হয়।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।
হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network):
- এটি মূলত পিয়ার-টু-পিয়ার ও ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- এক্ষেত্রে হোস্ট কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রসেসিং-এর পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য (যেমন- গ্লোবাল স্টোরেজ মিডিয়া) বিদ্যমান থাকায় কর্পোরেট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এর জনপ্রিয়তা রয়েছে।
- এই নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট সার্ভারের প্রাধান্য বেশি থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।