বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সংবিধান সম্পর্কিত ইতিহাস

মোট প্রশ্ন২১৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সংবিধান সম্পর্কিত ইতিহাস

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ২১৩

১০১.
সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের কত তারিখ ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে কমিটি গঠন করা হয়?
  1. ১০ এপ্রিল
  2. ১১ এপ্রিল
  3. ১৭ এপ্রিল
  4. ১৯ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।   

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১০২.
১৯৭২ সালের সংবিধানে কতগুলো সংরক্ষিত মহিলা আসন রাখা হয়েছিল?
  1. ১৫টি
  2. ২৫টি
  3. ৩৫টি
  4. ৪৫টি
সঠিক উত্তর:
১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫টি
ব্যাখ্যা
এক কক্ষবিশিষ্ট আইন পরিষদ:
- ১৯৭২-এর সংবিধানে এক কক্ষবিশিষ্ট আইন পরিষদের ব্যবস্থা করা হয়।
- সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে ৩০০ জন সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা আসনে ১৫ জন সদস্য নিয়ে আইন পরিষদ গঠিত হয়। 
- আইন পরিষদ জাতীয় সংসদ বলে অভিহিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৩.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে গণরিষদ গঠনের আদেশ কে জারি করেন?
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. শাহ আবদুল হামিদ
  3. মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. ড. কামাল হোসেন
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- গণপরিষদ গঠন সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক বিধি-বিধানের সমষ্টি।
- পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নেও এমন একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়।

⇒ ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী গণরিষদ গঠনের আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না।
- রাজনৈতিক দল থেকে বহিঃস্কৃত ব্যক্তি গণপরিষদ থেকে বহিঃস্কৃত হতেন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সংবিধান রচনার পবিত্র দায়িত্ব এ পরিষদের উপর ন্যস্ত ছিল।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার যথাক্রমে শাহ আবদুল হামিদ ও মোহাম্মদ উল্লাহ।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার কোন ভাগে 'শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২য় ভাগে
  2. ৩য় ভাগে
  3. ৪য় ভাগে
  4. ৫য় ভাগে
সঠিক উত্তর:
৩য় ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় ভাগে
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১০৫.
সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয় কত তারিখ?
  1. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিল - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালরে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১০৬.
খসড়া সংবিধান প্রণয়ণ কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য কে ছিলেন?
  1. মযহারুল ইসলাম
  2. বেগম রাজিয়া বানু
  3. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  4. ড. আনিসুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান লেখার পর এর বাংলা ভাষারূপ পর্যালোচনার জন্য ড. আনিসুজ্জামানকে আহবায়ক, সৈয়দ আলী আহসান এবং মযহারুল ইসলামকে ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি কমিটি গঠন করে পর্যালোচনার ভার দেয়া হয়।
- গণপরিষদ ভবন, যা বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন, সেখানে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির বৈঠকে সহযোগিতা করেন ব্রিটিশ আইনসভার খসড়া আইন-প্রণেতা আই গাথরি।
- সংবিধান ছাপাতে ১৪ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছিলো। শিল্পী হাশেম খান অলংকরণের দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১০৭.
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র নারী সদস্য কে ছিলেন?
  1. সুফিয়া কামাল
  2. বেগম রোকেয়া
  3. বেগম রাজিয়া বানু
  4. সেলিনা পারভীন
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।
- রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন-১০  এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২
- গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন।
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৮.
হস্তলিখিত মূল সংবিধানে গণপরিষদের কতজন সদস্য স্বাক্ষর করেননি?
  1. ১ জন
  2. ৪ জন
  3. ৩ জন
  4. ২ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
হস্তলিখিত মূল সংবিধানে গণপরিষদের ৪ জন সদস্য স্বাক্ষর করেননি।

সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর বঙ্গবন্ধুর:

- বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- এটি একটি লিখিত দলিল।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গণপরিষদের সদস্য চিল মোট ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধানে গণপরিষদ সদস্যদের স্বাক্ষর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৪ তারিখ স্পিকারের আমন্ত্রণে সংবিধানে সর্ব প্রথম স্বাক্ষর দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- প্রথমে সংবিধানের বাংলা এবং পরে ইংরেজি পাঠে।
- তারপর স্বাক্ষর করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমদ।
- ১৫ তারিখ অনুষ্ঠানের শেষ সময় পর্যন্ত ৪ জন মাননীয় সদস্য- শ্রীমানবেন্দ্র নারায়ন লারমা, শ্রী সুরঞ্জিৎ সেন গুপ্ত, মোহাম্মদ আজিজার রহমান এবং মোহাম্মদ ইব্রাহীম সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
        ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১০৯.
When was the 'Draft Constitution Drafting Committee' formed?
  1. April 09, 1972
  2. April 11, 1972
  3. April 16, 1972
  4. April 19, 1972
  5. April 21, 1972
সঠিক উত্তর:
April 11, 1972
উত্তর
সঠিক উত্তর:
April 11, 1972
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিল - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১১০.
বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন কে?
  1. আবু সায়েম 
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. ড. কামাল হোসেন
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না। 
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।
- বহিস্কৃত ও পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য পোষণকারী সদস্যরা গণপরিষদের সদস্য পদ লাভে অযোগ্য ছিলেন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।

⇒ ৪০৩ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র:
: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১১.
বাংলাদেশের সংবিধানের ভাগ কতটি?
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।
- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১১২.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন?
  1. কমিউনিস্ট পার্টি
  2. ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
  3. কৃষক প্রজা পার্টি
  4. জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল
সঠিক উত্তর:
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের (ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি) সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১১৩.
সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. শাহ আবদুল হামিদ
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- গণপরিষদ গঠন সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক বিধি-বিধানের সমষ্টি।
- পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নেও এমন একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার যথাক্রমে শাহ আবদুল হামিদ ও মোহাম্মদ উল্লাহ।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল আছে -
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১১৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় কবে?
  1. ১ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১১৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় কবে?
  1. ১ নভেম্বর, ১৯৭২
  2. ২ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ৩ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১১৭.
গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় কত তারিখে?
  1. ৩ নভেম্বর ১৯৭২
  2. ১৭ অক্টোবর ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যা

• গণপরিষদ:
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে- ১০  এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২।
- সংবিধান গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৮.
সংবিধানের ৫৭ নং অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
  2. মন্ত্রিসভা
  3. মন্ত্রিগণ
  4. স্থানীয় শাসন
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
ব্যাখ্যা
নির্বাহী বিভাগ:
অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
অনুচ্ছেদ ৬০ -স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা
অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি
অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ
অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্ণি জেনারেল

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।
১১৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের অষ্টম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. আইনসভা
সঠিক উত্তর:
মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১২০.
বাংলাদেশের গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. ড. কামাল হোসেন
  2. মনসুর আলী
  3. এম ইদ্রিস
  4. মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।

⇒ ৪০৩ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- গণপরিষদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মনোনীত না হওয়া পর্যন্ত গণপরিষদের প্রবীনতম সদস্য মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ-এর সভাপতিত্বে গণপরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়। 

⇒ ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ গণপরিষদের অধিবেশনে মনসুর আলী বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করার উদ্দেশ্যে একটি প্রস্তাব করেন। সেই প্রস্তাবে ছিল, 'গণপরিষদের ৩৪ জন সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত খসড়া প্রণয়ন কমিটি- যার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. কামাল হোসেন'।
- ১৯৭২ সালের ১০ জুনের মধ্যে কমিটি বিল আকারে একটি খসড়া শাসনতন্ত্রসহ রিপোর্ট পেশ করার কথা থাকলেও কমিটির পক্ষে সভাপতি কামাল হোসেন ১২ অক্টোবর ১৯৭২ 'সংবিধান বিল' গণপরিষদে উত্থাপন করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২১.
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন -
  1. বেগম সুফিয়া কামাল
  2. বেগম মতিয়া চৌধুরী
  3. সিতারা বেগম
  4. বেগম রাজিয়া বানু
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১২২.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে গণপরিষদের মোট কয়টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ২০টি
  2. ২১টি
  3. ২২টি
  4. ২৩টি
সঠিক উত্তর:
২১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:

- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে সময় লেগেছিলো ৯ মাস।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে গণপরিষদের মোট ২১ টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ জন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১২৩.
সংবিধানের সংশোধন সংক্রান্ত বিধান কোন অধ্যায়ে অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৭ম অধ্যায়
  2. ৮ম অধ্যায়
  3. ৯ম অধ্যায়
  4. ১০ম অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
১০ম অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ম অধ্যায়
ব্যাখ্যা

• দশম অধ্যায়:
- সংবিধানের দশম অধ্যায়ে 'সংবিধানের সংশোধন' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবে।
- অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না।

- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না।
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১২৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি তফসিল সংযুক্ত রয়েছে?
  1. ১ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১২৫.
বাংলাদেশ সংবিধান কী জাতীয়?
  1. পরিবর্তনীয়
  2. অপরিবর্তনীয়
  3. দুষ্পরিবর্তনীয়
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
দুষ্পরিবর্তনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্পরিবর্তনীয়
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।

• ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের বৈশিষ্ট্য:

- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের একটি মূল দলিল।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-

১. লিখিত দলিল:

- মূল সংবিধান একটি সুলিখিত দলিল।
-  এতে ১টি প্রস্তাবনা, ৭টি তফসিল, ১১টি ভাগ এবং ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।

২.দুষ্পরিবর্তনীয়:
- বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।
- সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রস্তাব পাস করানো যায়।

৩. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি:
- সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা-এই চারটি মূলনীতিকে সংবিধানের মূল স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

৪. মৌলিক অধিকার:
- সংবিধানের জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- রাষ্ট্রের নাগরিকদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য সংবিধানে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৬.
বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান গণপরিষদে প্রথম উত্থাপিত করা হয় কত তারিখে?
  1. ১ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ ১০৯ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১২৭.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয় -
  1. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ২২ মার্চ, ১৯৭২ সালে
  4. ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয় - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান রচনা কমিটির প্রধান - ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিল - ৩৪ জন।
- একমাত্র মহিলা সদস্য ছিল - বেগম রাজিয়া বানু।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য - সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয় - ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১২৮.
বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে কবে গৃহীত হয়?
  1. ১০ এপ্রিল
  2. ১৭ এপ্রিল
  3. ৪ নভেম্বর
  4. ১৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয় ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল।
- এই কমিটি লক্ষ্য ছিল সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন।
- একইদিনে পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়  ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে ।
- গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন ১৫ ডিসেম্বর।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত । তিনি এতে স্বাক্ষর করেননি।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।

 উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।

১২৯.
হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন -
  1. তাজউদ্দীন আহমদ
  2. হাশেম খান
  3. কাইয়ুম চৌধুরী
  4. এস এম সুলতান
সঠিক উত্তর:
হাশেম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাশেম খান
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
 
- হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন হাশেম খান।
- অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন জয়নুল আবেদিন। 
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি। 
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৩০.
বাংলাদেশ সংবিধান গৃহীত হয় কবে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ১৭ নভেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধান রচনার লক্ষ্যে ১০ এপ্রিল ৪৩০ জন সদস্য বিশিষ্ট গণ-পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এদের মধ্য থেকে ৩৪ জন সদস্য নিয়ে একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল গণ-পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পেশ করা হয়।
-  বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
 
উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩১.
কবে থেকে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়?
  1. ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার যথাক্রমে শাহ আবদুল হামিদ ও মোহাম্মদ উল্লাহ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান ও বাংলাপিডিয়া।
১৩২.
বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষাকর্তা কে? 
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সেনাবাহিনী প্রধান
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষক হল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত অর্থাৎ সুপ্রিমকোর্ট।
- সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান হিসেবে সংবিধানের রক্ষাকর্তা হলেন প্রধান বিচারপতি।

♦ সংবিধানের রক্ষক:
- সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক ।
- তাই এর ক্ষমতা ও কার্যাবলী অপরিসীম।
- সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে সুপ্রীম কোর্ট দেশের সকল আদালতের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- সংবিধান বহির্ভূত সব কিছুকেই সুপ্রীম কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করতে পারে।
- সুপ্রীম কোর্ট জনগণের মৌলিক অধিকারের সংরক্ষক ও সংবিধানের রক্ষক।

♦ উল্লেখ্য:
- গণপরিষদের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল একটি কমিটি গঠন করা হয় ।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান ও বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৩.
সংবিধানের কয়টি সংশোধনী আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ১টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়।
- এর মধ্যে চারটি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে।
এগুলো হলো:
• পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) : বাতিল (আগস্ট ২০০৫)
• সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) : বাতিল (আগস্ট ২০১০)
• ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) : বাতিল (২০১১)
• ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) : বাতিল (২০১৭)।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩৪.
সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন-
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. তাজউদ্দীন আহমদ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন আবু সাঈদ চৌধুরী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান, বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
১৩৫.
কার নেতৃত্বে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়?
  1. ড. কামাল হোসেন
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. বেগম রাজিয়া বানু
  4. মাওলানা ভাসানী
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন: 
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে আইন ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে কমিটি প্রথম বৈঠক করে। এই কমিটি সংবিধান সম্পর্কে মতামত লাভের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে অনেকগুলো বৈঠক করে।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংবিধান সম্পর্কে বিভিন্ন মহল থেকে ৯৮টি প্রস্তাব ও সুপারিশ পায়।
- ১০ জুন, ১৯৭২ সালে কমিটির শেষ বৈঠকে সংবিধানের প্রাথমিক খসড়াটি অনুমোদন করা হয়।
- ১১ জুন, ১৯৭২ সালে কমিটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করে খসড়া সংবিধানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
- ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে কমিটি সর্বশেষ আলাপ-আলোচনা করে এবং সেদিনই সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ খসড়া চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩৬.
সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান কে?
  1. মোহাম্মদ ইকরামুল হক
  2. অধ্যাপক আলী রীয়াজ
  3. এম মঈন আলম ফিরোজী
  4. সালেহ উদ্দিন সিফাত
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আলী রীয়াজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আলী রীয়াজ
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- এই কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন।

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হবে। 
- নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন।
 - উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ)।
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স হবে ২১ বছর। 

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। 

১৩৭.
গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন কে?
  1. মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ
  2. ড. কামাল হোসেন
  3. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. শাহ আব্দুল হামিদ
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।
- রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন-১০  এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২
- গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন।
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৮.
Who was the head of the constitution drafting committee of Bangladesh?
  1. Begum Razia Banu
  2. Abu Sayeed Chowdhury
  3. Syed Nazrul Islam
  4. Tajuddin Ahmed
  5. Dr. Kamal Hossain
সঠিক উত্তর:
Dr. Kamal Hossain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dr. Kamal Hossain
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৩৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৪র্থ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়বস্তু কী?
  1. নির্বাহী বিভাগ
  2. আইনসভা
  3. মৌলিক অধিকার
  4. নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪০.
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি ভাগ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪১.
গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হয়-
  1. ৪ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ১৩ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ:
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে- ১০  এপ্রিল ১৯৭২।
গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২।
সংবিধান গৃহীত হয়- ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ।
সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন
একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪২.
সংবিধানের ২য় তফসিলের আলোচ্য বিষয় -
  1. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
  2. অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  3. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
  4. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তফসিলসমূহ: 
প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্ট্রপতি নির্বাচন(বর্তমানে বিলুপ্ত)
তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা।
চতুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
ষষ্ঠ তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল - স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
১৪৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল রয়েছে -
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪৪.
বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর
  2. ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর
  3. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- অনুচ্ছেদ আছে ১৫৩ টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪৫.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কত সালে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ প্রণয়ন করা হয়েছিলো?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২:
- বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর সংসদ কার্যকর না থাকায় ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ জারি করেছিলেন।
- এটি ছিল ওই বছর রাষ্ট্রপতির ১৫৫ নম্বর আদেশ।
- ১৯৭৩ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে আদেশটি অনুমোদন পায়।
- পরে বিভিন্ন সময়ে জাতীয় সংসদ আরপিও সংশোধনও করেছে।
- বাংলাদেশের সব কয়টি নির্বাচন হয়েছে ১৯৭২ সালে জারি করা রাষ্ট্রপতির আদেশ দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (আরপিও) অনুযায়ী।
- এটি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ নামে পরিচিত।

⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো। 
- ২০২৩ সালে সর্বশেষ সংসদে পাশ হয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন ২০২৩।
- নির্বাচনের জন্য দেশের মানুষের গণঅধিকার কোনগুলো এবং এ অধিকার রক্ষায় নির্বাচন কমিশন কী করবে সেটিই বলা হয়েছে আরপিওতে।
- “এর ১৪৫টি ধারার মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত সব বিষয় বর্ণনা করা আছে।
- এর মাধ্যমে বলা আছে যে কীভাবে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে। 

⇒ ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই বছরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছিলো এ আইনে।
- রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন, প্রার্থীদের যোগ্যতা-অযোগ্যতার বিষয় নিরূপণ কিংবা রাজনৈতিক দলগুলোর কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারীকে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো সে সময়ে সংযোজিত হয়েছে।

⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯১(এ) ধারায় বলা আছে, নির্বাচন কমিশন যদি সন্তুষ্ট হয় যে, নির্বাচনে বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন এবং চাপ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিরাজমান অপকর্মের কারণে যুক্তিযুক্ত, ন্যায়সঙ্গত এবং আইনানুগভাবে নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে না, তাহলে যে কোনো ভোটকেন্দ্র বা সম্পূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচনের যে কোনো পর্যায়ে ভোট গ্রহণসহ নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
ii) বিবিসি।
১৪৬.
গণপরিষদের কোন সদস্য বাংলাদেশের হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি?
  1. সুরঞ্জিৎ সেন গুপ্ত
  2. মোহাম্মদ আজিজার রহমান
  3. শ্রীমানবেন্দ্র নারায়ন লারমা
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।

উল্লেখ্য,
- গণপরিষদের সদস্য চিল মোট ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধানে গণপরিষদ সদস্যদের স্বাক্ষর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৫ তারিখ অনুষ্ঠানের শেষ সময় পর্যন্ত ৪ জন মাননীয় সদস্য- শ্রীমানবেন্দ্র নারায়ন লারমা, শ্রী সুরঞ্জিৎ সেন গুপ্ত, মোহাম্মদ আজিজার রহমান এবং মোহাম্মদ ইব্রাহীম সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৪৭.
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি ভাগ বা অধ্যায় আছে?
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪৮.
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় কবে?
  1. ১২ অক্টোবর ১৯৭২
  2. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর ১৯৭২
  4. ২৬ মার্চ ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।
- রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন-১০  এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২
- গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন।
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৯.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে কোন দেশের সংবিধান অনুসরণ করা হয়েছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. চীন
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে অনুসরণ করা হয় ভারত ও যুক্তরাজ্যের সংবিধান।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংবিধান ভারতের।
- পৃথিবীর যে সকল দেশের সংবিধান অলিখিত- স্পেন, নিউজিল্যান্ড, ব্রিটেন, সৌদি আরব ও ইসরায়েল।
- গণপরিষদের সর্বমোট ২১ টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান হাতে লিখে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
- সংবিধানের হস্তলিপির কাজ করেছেন এ কে এম আবদুর রুউফ ।
- হাতে লেখা বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের পৃষ্ঠা ছিল ১০৯ ।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা হয়েছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'। 

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫০.
সংবিধানের প্রস্তাবনায় নিচের কোন বিষয়টি অনুপস্থিত?
  1. ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা
  2. আইনের শাসন ও মানবাধিকার সুনিশ্চিত করা
  3. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ণ রাখা নাগরিকের কর্তব্য
  4. সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ
সঠিক উত্তর:
সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

প্রস্তাবনা: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
- ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণার [জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের] মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি। 
- সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও .
সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হবে।
- আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেইজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ণ রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য।
- এতদ্বারা আমাদের এই গণপরিষদে, অদ্য তের শত ঊনআশী বঙ্গাব্দের কার্তিক মাসের আঠারো তারিখ, মোতাবেক ঊনিশ শত বাহাত্তর খ্রীষ্টাব্দের নভেম্বর মাসের চার তারিখে, আমরা এই সংবিধান রচনা ও বিধিবদ্ধ করিয়া সমবেতভাবে গ্রহণ করিলাম।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫১.
গণ পরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার কে ছিলেন?
  1. আব্দুর রউফ
  2. শাহ আব্দুল হামিদ
  3. মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. আব্দুল হামিদ খান
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ উল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ উল্লাহ
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ:
-বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংবিধান অধিবেশন।
- রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন-১০ এপ্রিল ১৯৭২।
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের ডেপুটি স্পিকার ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২
- গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর অক্টোবর ১৯৭২সালে।
- কার্যকর হয়-১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২সালে।

উল্লেখ্য: সংবিধান দিবস-৪ নভেম্বর ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৫২.
সংবিধানের কোন অধ্যায়ে 'সংবিধানের সংশোধন' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭ম অধ্যায়
  2. ৮ম অধ্যায়
  3. ৯ম অধ্যায়
  4. ১০ম অধ্যায়
সঠিক উত্তর:
১০ম অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ম অধ্যায়
ব্যাখ্যা

দশম অধ্যায়:
- সংবিধানের দশম অধ্যায়ে 'সংবিধানের সংশোধন' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হইতে পারিবে।
- অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হইবে বলিয়া স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাইবে না।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না।
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫৩.
সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান
  2. যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের প্রথম সংশোধনী:
- বিলটি উত্থাপিত হয় - ১২ জুলাই, ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহিত হয়।
- এটি উত্থাপন করেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী শ্রী মনোরঞ্জন ধর।
- প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিলো - যুদ্ধাপরাধীসহ গণবিরোধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন করা।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ৪৭-ক নামে নতুন একটি অনুচ্ছেদ এবং ৪৭ নম্বর অনুচ্ছেদে একটি নতুন দফা যুক্ত করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৫৪.
বাংলাদেশ সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত ছিল?
  1. হাশেম খান
  2. এ.কে.এম আব্দুর রউফ
  3. কামরুল ইসলাম 
  4. সমরজিৎ রায় চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
এ.কে.এম আব্দুর রউফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ.কে.এম আব্দুর রউফ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল- এ.কে.এম আব্দুর রউফ। 

বাংলাদেশ সংবিধান: 
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হাতে লেখা সংবিধানের কপিতে স্বাক্ষর প্রদান করেন।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- হস্তলিখিত সংবিধানে মোট ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক এ.কে.এম আব্দুর রউফ।

উল্লেখ্য,
- হাশেম খান বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী। তিনি ১৯৯২ সালে একুশে পদক লাভ করেন। 
- কামরুল হাসান "পটুয়া" হিসাবেও পরিচিত।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৫৫.
বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন -
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. মোহাম্মদউল্লাহ
  4. আবদুস সাত্তার
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন: আবু সাঈদ চৌধুরী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন: এম মনসুর আলী।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান, বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
১৫৬.
How many members were in the committee for Drafting the Constitution of Bangladesh?
  1. 30
  2. 33
  3. 34
  4. 38
  5. 42
সঠিক উত্তর:
34
উত্তর
সঠিক উত্তর:
34
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৫৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া প্রথম কবে গণপরিষদে উত্থাপিত হয়?
  1. ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ১২ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ইতিহাস: 
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আবির্ভূত হয় একটি স্বাধীন দেশ রূপে।
- শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুযায়ি পাকিস্তানী কারাগার থেকে ঢাকা প্রত্যাবর্তন করেন।
- ২৩ মার্চ সংবিধান রচনার উদ্দেশ্যে একটি ৪৩০ সদস্যবিশিষ্ট গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকায় গণপরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ অধিবেশনে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি সংবিধান কমিটি গঠন করা হয়।
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
• ড. কামাল হোসেন ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে খসড়া বিধান পেশ করেন।
- পরিশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর উক্ত সংবিধান বলবৎ করা হয়। ঐ দিন থেকে গণপরিষদ বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের  রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন-
  1. ১৯৭২ সালের ২১ মার্চ
  2. ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি
  3. ১৯৭২ সালের ২৩ এপ্রিল
  4. ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
ব্যাখ্যা

• গণপরিষদ আদেশ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ জারি করেন।
- এই আদেশ ২৬ মার্চ, ১৯৭১ সাল থেকে কার্যকর হয়। 
- এই আদেশ অনুসারে ডিসেম্বর, ১৯৭০ এবং জানুয়ারি, ১৯৭১ সালে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যগণ গণপরিষদের সদস্য বলে বিবেচিত হয়। 
- মৃত্যু এবং আইনে অযোগ্য ঘোষিত হওয়ার ফলে উভয় পরিষদ মিলে সর্বমোট ৪৬৯ জন সদস্যের স্থলে ৪০৪ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়।
- এই গণপরিষদের উপর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য সংবিধান প্রণয়নের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।
- গণপরিষদ তার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একজন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৯.
সংবিধানে মোট অনুচ্ছেদের সংখ্যা কতটি?
  1. ২০০
  2. ১৬০
  3. ১৭৮
  4. ১৫৩
সঠিক উত্তর:
১৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে;
- মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩ টি।
- সংবিধানে তফসিল: ৭টি,
- সংবিধানে মূলনীতি: ৪টি,
- সংবিধানে প্রস্তাবনা: ১টি।
- সংবিধানে মোট ভাগ: ১১টি।
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে, যথা:-

উল্লেখ্য,
- প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও,
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬০.
বাংলাদেশ সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক কে ছিলেন?
  1. ড. আনিসুজ্জামান
  2. এ.কে.এম আব্দুর রউফ
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. শিল্পী মনোয়ার হোসেন
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
⇒  সংবিধান:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়। 
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান হাতে লিখে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক - এ.কে.এম আব্দুর রউফ। 
- এ কে এম আবদুর রউফ ছিলেন একজন মুক্তিযুদ্ধা।
- হস্তলিখিত সংবিধানের পৃষ্ঠা ছিল ৯৩, তবে স্বাক্ষরসহ ১০৯ পৃষ্ঠা।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা হয়েছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'। 
- সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবদায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধান লেখার পর, এর বাংলা সংস্করণের পর্যালোচনা করার জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন ড. আনিসুজ্জামান, এবং ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে সৈয়দ আলী আহসান ও মযহারুল ইসলাম ছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৬১.
বাংলাদেশ সংবিধানের মুলনীতি কয়টি?
  1. চারটি
  2. তিনটি
  3. পাঁচটি
  4. সাতটি
সঠিক উত্তর:
চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

উল্লেখ্য
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান , আরিফ খান।
১৬২.
বাংলাদেশ সংবিধান প্রণয়নের পিছনে প্রথম পদক্ষেপ ছিল -
  1. বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান অধ্যাদেশ জারি
  2. অস্থায়ী প্রতিনিধিত্বমূলক আদেশ জারি
  3. নাগরিক আদেশ জারি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান অধ্যাদেশ জারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান অধ্যাদেশ জারি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান প্রণয়ন:
- বাঙালি জাতি রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রাম ও বহু তাজা প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে গঠিত মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার পর ঢাকা স্থানান্তরিত হয়।
- ঢাকায় এসে এ সরকার প্রকৃত শাসনভার গ্রহণ করে।
- প্রবাসী সরকারের রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানী কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লন্ডন হয়ে ঢাকায় আসেন।
- তার পরের দিন অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি "বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান অধ্যাদেশ" জারি করা হয়।
- এ আদেশ জারিই হল বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম পদক্ষেপ।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশে একটি নতুন ও সময়োপযোগী সংবিধান প্রণীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৩.
বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা কত ছিল?
  1. ৯৩ পৃষ্ঠা
  2. ৯৯ পৃষ্ঠা
  3. ১০৩ পৃষ্ঠা
  4. ১০৯ পৃষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
৯৩ পৃষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৩ পৃষ্ঠা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।

এছাড়াও,
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।

উৎস: ⅰ) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
iii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৬৪.
খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য কে ছিলেন?
  1. ড. কামাল হোসেন
  2. রাজিয়া বানু
  3. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  4. আমিরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। 
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।

উল্লেখ্য,
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
 
উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
         iii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 
১৬৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ধনিকতন্ত্র
  2. সমাজতন্ত্র
  3. ধর্মনিরপেক্ষতা
  4. জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
ধনিকতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনিকতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• সংবিধান হল মৌলিক বিধানাবলির  সমন্বয়  একটি গঠনতন্ত্র যার উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।

- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধান গণাপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩ ‍টি।
• বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি হলো: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৬৬.
সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ড. কামাল হোসেন কোন কোন দেশ সফর করেন?
  1. যুক্তরাজ্য ও ভারত
  2. যুক্তরাজ্য ও জার্মানি
  3. ভারত ও রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য ও ভারত
ব্যাখ্যা
খসড়া সংবিধান প্রস্তুতকরণ:
- বিভিন্ন সুপারিশ ও ব্যাপক আলোচনার পর ১৯৭২ সালের ১০ জুন খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের একটি প্রাথমিক খসড়া অনুমোদন করেন।
- পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সংবিধান সম্পর্কে অভিজ্ঞতা লাভের উদ্দেশ্যে কমিটির সভাপতি (আহবায়ক) ড. কামাল হোসেন ভারত ও যুক্তরাজ‍্য সফর করেন।
- সংবিধানের আইনি ভাষা ও কারিগরি বিভিন্ন দিক পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ব্রিটিশ আইনি খসড়া প্রণয়ন বিশেষজ্ঞ জন গাথরিকের পরামর্শ গ্রহণ করা হয়।
- সংবিধানের ভাষাগত সংস্থান ও ব্যাকরণগত ভুলত্রুটি পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির সদস্যরা হলেন: 
→ আহবায়ক - অধ্যাপক আনিসুজ্জামান (তৎকালীন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান)
→ সদস্য - ড. মযহারুল ইসলাম (বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক)
→ সদস্য - সৈয়দ আলী আহসান (তৎকালীন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য)

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান ও উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৬৭.
সংবিধানের অলংকরণ করেন কে?
  1. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
  2. একেএম আব্দুর রউফ
  3. আমিনুজ্জামান
  4. মোস্তফা কামাল
সঠিক উত্তর:
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান: 
- ১৯৭২ সালে প্রণীত হয় বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান।
- মরহুম একেএম আব্দুর রউফ প্রথম এটি হাতে লিখেন।
- এটি মুদ্রিত হয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীন মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস)।
- মহান সংবিধানের অলংকরণ করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন এবং তাঁর সহকারী হিসেবে কাজ করেন শিল্পী হাশেম খান।
- এতে সহযোগিতা দেন বিজি প্রেসের প্রাক্তন রীডার মরহুম আমিনুজ্জামান।
- প্রথম সংবিধান মুদ্রণে ব্যবহুত যন্ত্রটির নাম Crabtree Double Demy Two Colour, যা আমদানী করা হয় ১৯৫২ সালে এবং এটি মুদ্রণ কাজে ব্যবহৃত হয় ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৩৫ বছর। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১৬৮.
গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় কত তারিখ?
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৬৯.
গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন কে?
  1. মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ
  2. ড. কামাল হোসেন
  3. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত 
  4. আব্দুল হামিদ খান
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ:
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে- ১০  এপ্রিল ১৯৭২।
গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২।
সংবিধান গৃহীত হয়- ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ্ আব্দুল হামিদ।
গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ।
সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন
একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭০.
হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক ছিলেন কে?
  1. ড. কামাল হোসেন
  2. আব্দুর রউফ
  3. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
আব্দুর রউফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুর রউফ
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্বাবধায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি। 
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৭১.
বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ -
  1. ১০১ পৃষ্ঠা
  2. ১০৩ পৃষ্ঠা
  3. ১০৭ পৃষ্ঠা
  4. ১০৯ পৃষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
১০৯ পৃষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৯ পৃষ্ঠা
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিল - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালরে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৭২.
When was the Constitution of the People's Republic of Bangladesh adopted?
  1. 11 April 1972
  2. 17 April 1972
  3. 19 October 1972
  4. 4 November 1972
  5. 16 December 1972
সঠিক উত্তর:
4 November 1972
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4 November 1972
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর।

বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান:
- ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রয়োজন হয়।
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন।
- এ আদেশ অনুযায়ী সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন ইত্যাদি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয়।
- এ আদেশ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ।
- রাষ্ট্রপতি ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন আহবান ও উদ্বোধন করেন।
 
উল্লেখ্য,
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ১৯৭২ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের  ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে তা কার্যকর হয়। 
 
উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
         ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৩.
অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় -
  1. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
  3. ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
  4. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রয়োজন হয়।
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয়।

⇒ এ আদেশ অনুযায়ী সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন ইত্যাদি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই আদেশে গণপরিষদকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হয় নি।
- এ ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের উপর ন্যস্ত ছিল।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয়।
- এ আদেশ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ।
- রাষ্ট্রপতি ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন আহবান ও উদ্বোধন করেন।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার কয়টি ভাগ রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং তা কার্যকর হয় একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর। সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।

- এই কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ১৭ এপ্রিল। পরবর্তীতে দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনার পর ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধানটি গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা এতে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।

- বাংলাদেশের সংবিধান রচনা ও গৃহীত হওয়ার সময় রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। সেই সময় গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আবদুল হামিদ এবং ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ।

সংবিধানের প্রস্তাবনা: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।

এগুলো হলো: 

→ ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
→ ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
→ ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
→ ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
→ ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা। 

সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।

১৭৫.
গণপরিষদ কর্তৃক সংবিধান গৃহীত হয় কত তারিখে?
  1. ১২ অক্টোবর ১৯৭২
  2. ৪ নভেম্বর ১৯৭২
  3. ১০ এপ্রিল ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংবিধান অধিবেশন।
• রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন - ১০ এপ্রিল ১৯৭২।
• গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয়-১২ অক্টোবর ১৯৭২।
• গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
• কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
• গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন - ড. কামাল হোসেন।
• গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন - শাহ আব্দুল হামিদ।
• গণপরিষদের ডেপুটি স্পিকার ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
• গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
• সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন - ৩৪ জন।
• একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
• সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন - সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৬.
গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় কবে?
  1. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে
  2. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে
  3. ১৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে
  4. ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৭৭.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে কবে?
  1. ১৯৭২ সালের ১১ মার্চ
  2. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  3. ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল
  4. ১৯৭২ সালের ৩০ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান রচনার ইতিহাস:
- দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর আমাদের বিজয় অর্জিত হয়।
- পাকিস্তানের শাসন মুক্ত হয়ে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ।
- ১৯৭২ সালের ১০ই এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। 
- ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- কমিটি ছয় মাসের মধ্যে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন করে।
- ১৯৭২ সালের ৩০শে অক্টোবর গণপরিষদে এটি আলোচিত হয়।
- অবশেষে একই বছরের ৪ঠা নভেম্বর গণপরিষদে এটি চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৭৮.
অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় কবে?
  1. ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  2. ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  3. ১৫ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  4. ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ এবং অস্থায়ী সংবিধান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরি।
- সংবিধানে স্বাক্ষরের সময় গণপরিষদের মোট সদস্য - ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে। ঐদিন গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- প্রথম অধিবেশন এর সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ।
- প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।
- প্রথম ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ্‌।
- সংবিধান কমিটি গঠন করা হয় ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- কমিটির মোট সদস্য ছিলো ৩৪ জন।
- একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭৯.
বাংলাদেশের সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন কে?
  1. বেগম রাজিয়া বানু
  2. নীলিমা হক
  3. রাবেয়া খাতুন
  4. জাহানারা ইমাম
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৮০.
বাংলাদেশের সংবিধানে অধ্যায় রয়েছে -
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিল - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। 
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৮১.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি প্রস্তাবনা রয়েছে?
  1. ১ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি 
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনা রয়েছে ১ টি।
• প্রস্তাবনা:

- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৮২.
বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান কে ছিলেন?
  1. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  2. ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ
  3. ড. কামাল হোসেন
  4. আবুল ফজল
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান ছিলেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।

সংবিধান প্রণয়ন কমিটি:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উল্লেখ্য,
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। 
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৮৩.
বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. গণবিপ্লব
  2. সাধারণ আইন পরিষদ
  3. গণপরিষদ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদ
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৮৪.
সংবিধান রচনার জন্য 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন কে?
  1. মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. ড. কামাল হোসেন
  4. মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না। 
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।
- বহিস্কৃত ও পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য পোষণকারী সদস্যরা গণপরিষদের সদস্য পদ লাভে অযোগ্য ছিলেন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।

⇒ ৪০৩ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- গণপরিষদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মনোনীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর প্রস্তাব অনুযায়ী গণপরিষদের প্রবীনতম সদস্য মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ-এর সভাপতিত্বে গণপরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়। 

⇒ ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ গণপরিষদের অধিবেশনে মনসুর আলী বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করার উদ্দেশ্যে একটি প্রস্তাব করেন।
- সেই প্রস্তাবে ছিল, 'গণপরিষদের ৩৪ জন সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত খসড়া প্রণয়ন কমিটি- যার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. কামাল হোসেন'।
- ১৯৭২ সালের ১০ জুনের মধ্যে কমিটি বিল আকারে একটি খসড়া শাসনতন্ত্রসহ রিপোর্ট পেশ করার কথা থাকলেও কমিটির পক্ষে সভাপতি কামাল হোসেন ১২ অক্টোবর ১৯৭২ 'সংবিধান বিল' গণপরিষদে উত্থাপন করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. সংসদীয় পদ্ধতির সরকার
  2. এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র
  3. দুষ্পরিবর্তনীয়
  4. দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা
সঠিক উত্তর:
দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
-  ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
 
মূল সংবিধানের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
১. লিখিত দলিল।
২. দুষ্পরিবর্তনীয়।
৩. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
৪. মৌলিক অধিকার।
৫. এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
৬. প্রজাতন্ত্র।
৭. এক-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
৮. সংসদীয় পদ্ধতির সরকার।
৯. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা।
১০. ন্যায়পাল।
১১. সাংবিধানিক প্রাধান্য।
 
উৎস: পৌরনীতি, বাংলাদেশের সংবিধান, এস এস সি প্রোগ্রাম।
১৮৬.
গণপরিষদ আদেশ জারি করেন কে?
  1. শেখ ‍মুজিবুর রহমান
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
  4. ড. কামাল হোসেন
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
সংবিধান রচনার সাথে জড়িৎ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ-
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- প্রথম অধিবেশন এর সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ।
- প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।
- প্রথম ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ্‌।
- সংবিধান কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- কমিটির মোট সদস্য ছিলো ৩৪ জন।
- একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৮৭.
বাংলাদেশের 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয় কখন?
  1. ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল
  2. ১৯৭১ সালের ২৫ ডিসেম্বর
  3. ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল
  4. ১৯৭২ সালের ২০ জুলাই
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য, 

- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৮৮.
বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি প্রস্তাবনা রয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ১টি
  3. ২টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।
- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৮৯.
বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়—
  1. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  2. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
  3. ১০ এপ্রিল ১৯৭২
  4. ১ জানুয়ারি ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।
- রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন-১০  এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২
- গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন।
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯০.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির মোট সদস্য ছিল -
  1. ৩২ জন
  2. ৩৩ জন
  3. ৩৪ জন
  4. ৩৫ জন
সঠিক উত্তর:
৩৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ জন
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৯১.
বাংলাদেশের সংবিধান কয়টি অধ্যায় বিশিষ্ট?
  1. ৫ টি
  2. ৭টি
  3. ৯ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৯২.
কোন বিরোধী দলীয় সদস্য হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি?
  1. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  2. রাজিয়া সুলতানা
  3. আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন: ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ ১০৯ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৯৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনার ৩য় ভাগে কোনটির উল্লেখ রয়েছে?
  1. মূলনীতি গ্রহণ
  2. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
  3. শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা
  4. গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা
সঠিক উত্তর:
শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৯৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনা কয়টি?
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৯৫.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে কত তারিখে?
  1. ১৯৭২ সালের ৭ এপ্রিল
  2. ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল
  3. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  4. ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কিত ইতিহাস:
- ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয় ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য বেগম রাজিয়া বানু।
- ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে।
- ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- সংবিধান ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়। 
- এতে ১১টি ভাগ রয়েছে।
- ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১৯৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের মূলনীতি:
- আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হবে।
- সংবিধানের মূলনীতি ৪ টি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।

উল্লেখ্য,
- ভারত এবং  আয়ারল্যান্ডের ন্যায় বাংলাদেশের সংবিধানেও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কতগুলো মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এ নীতিগুলো রাষ্ট্র শাসনের মূলসূত্র।
- মূল সংবিধানের 'দ্বিতীয় ভাগে' রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি শিরোনামে ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মূলনীতিগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

  উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৭.
বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম কী?
  1. Republic of Bangladesh
  2. Democratic Bangladesh
  3. The People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
  4. The people’s of Bangladesh
সঠিক উত্তর:
The People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The People‌‌‍’s Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের নাম- The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh.

⇒ সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধান রচনার লক্ষ্যে ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে ৪০৩ জন সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এদের মধ্য থেকে ৩৪ জন সদস্য নিয়ে একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। ১৯৭২ সালে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল গণপরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পেশ করা হয়। প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় পাঠের পর ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান বলবৎ করা হয়।
- উল্লেখ্য, সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।

⇒ সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি। সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি হলো: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
- সংবিধান সংশোধন হয়েছে ১৭ বার।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৯৮.
হস্তলিখিত সংবিধানে কতজন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে?
  1. ৩৭৮ জন
  2. ৩৮৪ জন
  3. ৩৯৯ জন
  4. ৪০৭ জন
সঠিক উত্তর:
৩৯৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৯ জন
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে। 
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ ১০৯ পৃষ্ঠা।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৯৯.
নিচের কোন দুটি দেশের সংবিধান অলিখিত?
  1. England ও Spain
  2. England ও New Zealand
  3. Spain ও USA
  4. Saudi Arabia ও Spain
সঠিক উত্তর:
England ও New Zealand
উত্তর
সঠিক উত্তর:
England ও New Zealand
ব্যাখ্যা

অলিখিত সংবিধান :
- অলিখিত সংবিধান বলতে এমন সংবিধানকে বোঝায়, যার মৌলিক বিধানগুলো লিখিত কোনো একক দলিলে লিপিবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন প্রথা, রীতিনীতি, নজির এবং আইনের মাধ্যমে গড়ে ওঠে।
- এর মানে এই নয় যে এতে কোনো লিখিত অংশ নেই; বরং এর মূল নীতিগুলি কোনো একটি নির্দিষ্ট দলিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। 
- যেমন, ইংল্যান্ডের ও নিউজিল্যান্ডের সংবিধান অলিখিত।

ইংল্যান্ডের সংবিধান :
- ইংল্যান্ডের সংবিধান একক লিখিত দলিলের আকারে নেই, বরং সাধারণ আইন, বিচার বিভাগীয় সিদ্ধান্ত, সংসদীয় আইন, প্রথা ও রীতিনীতির মিশ্রণের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
নিউজিল্যান্ডের সংবিধান :
-  নিউজিল্যান্ডের সংবিধানকেও অলিখিত বলা হয়, কারণ এটি কোনো একক লিখিত দলিলে সংকলিত নয়;
- বরং এটি বিভিন্ন লিখিত আইন, আদালতের নির্দেশ, সাধারণ আইন এবং রীতিনীতির সংমিশ্রণ।

অন্যদিকে, 
• স্পেনের সংবিধান ১৯৭৮ সালে লিখিতভাবে গৃহীত হয়েছিল এবং 
- গণভোটের মাধ্যমে অনুমোদিত হয়ে ২৯ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।
- এটি ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর মৃত্যুর পর গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
• সৌদি আরবে কোনো প্রচলিত লিখিত সংবিধান নেই;
- কিন্তু, ১৯৯২ সালে রাজকীয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে "মৌলিক আইন" গৃহীত হয়, যা দেশের সংবিধান হিসেবে কাজ করে এবং যা কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে তৈরি।

উৎস: 
পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

২০০.
খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয় কবে?
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।