বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Limitation Act, 1908

মোট প্রশ্ন১,০৫৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Limitation Act, 1908

PrepBank · পাতা / ১১ · ৮০১৯০০ / ১,০৫৪

৮০১.
আলীর একটি মামলার অধিকার সৃষ্টি হয়েছিল, কিন্তু তিনি মামলা দায়েরের আগেই মারা যান। তার মেয়ে যখন প্রাপ্তবয়স্ক হলো, তখন মামলা দায়ের করল। এই ক্ষেত্রে, Limitation Act-এর ১৭ ধারা অনুসারে তামাদি গণনার সময় কখন শুরু হবে?
  1. আলীর মৃত্যুর তারিখ থেকে
  2. আলীর মেয়ের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে
  3. আদালতে মামলা দায়েরের দিন থেকে
  4. প্রতিপক্ষের আপত্তি জানানোর দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
আলীর মেয়ের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলীর মেয়ের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর  ১৭ ধারা অনুযায়ী,
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে।

⇒ যেহেতু আলীর মেয়ে তার আইনি প্রতিনিধি এবং সে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর মামলা দায়ের করেছে, তাই তামাদি গণনার সময় তার প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দিন থেকে শুরু হবে।

একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে। এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা। অর্থাৎ অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমার ক্ষেত্রে ১৭ প্রযোজ্য নয়।
৮০২.
ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইন কোথায় প্রযোজ্য হয়?
  1. আপিলের ক্ষেত্রে
  2. অভিযোগ দাখিলের ক্ষেত্রে
  3. এজাহার দাখিলের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
আপিলের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে,
বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।

- তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারী মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।

Section-3: Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation:
Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence.

Explanation.-
A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.
৮০৩.
তামাদি আইনের কোন ধারায় আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে?
  1. ৫ ধারা
  2. ১০ ধারা
  3. ২০ ধারা
  4. ২৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধারা
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। একে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে।

তামাদি আইনের কঠোরতা লাঘবের জন্য এই আইনে যুক্ত করা হয়েছে ‘কতিপয় বিশেষ ক্ষেত্রে মেয়াদ বৃদ্ধিকরণ’ শিরোনামে ৫ ধারা। যেখানে বলা হয়েছে, কোন পক্ষ শুধুমাত্র আপীল, রিভিউ, রিভিশন, লিভ টু আপীল এবং বিভিন্ন প্রকার দরখাস্ত দায়েরে ক্ষেত্রে তামাদির সময় বৃদ্ধি করার আবেদন করতে পারে। এই সকল আবেদন করার সময় উল্লেখ করতে হবে ‘কেন সঠিক সময় আবেদন দায়ের করা যায়নি তার কারণ’। আদালত উক্ত ‘কারণ’ বিবেচনায় নিয়ে সন্তুষ্টচিত্তে ক্ষেত্র বিশেষে সময় বৃদ্ধির আবেদন মঞ্জুর করতে পারেন। তবে মূল মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা কখনো গ্রহণযোগ্য হয় না।

এই ৫ ধারায় মূলত ’Equity will not suffer a wrong to be without a remedy’- অর্থাৎ ‘ইকুইটিতে ভুলের প্রতিকার বিদ্যমান’ নীতির প্রকাশ পেয়েছে। তামাদি আইনের ৫ ধারার বক্তব্য বুঝার জন্য এই ধারার ব্যাখ্যা অংশে বলা আছে- হাইকোর্ট বিভাগের কোন আদেশ, প্রথা কিংবা সিদ্ধান্তের দ্বারা তামাদির সময়কাল হিসাব কিংবা নির্ধারণে বিভ্রান্ত হলে তা বর্তমান ধারা অনুযায়ী ‘যথার্থ কারণ’ বলে বিবেচিত হতে পারে। তবে বর্তমান আইনে বা আরও যেসব আইনে ‘যথার্থ কারণ/Sufficient cause’ শব্দগুলি ব্যবহার করা হয়েছে সে সকল কোন আইনেই শব্দ গুলোর ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত থেকে বলা যায় ১.অসুস্থতা (অবশ্যই গুরুতর বা মারাত্মক) ২.কারাবাস ৩.সরল বিশ্বাসে ভুল ৪.কৌসুলি বা উকিলের ভুল ৫.আদালতের সংঘাতপূর্ণ সিদ্ধান্ত ৬.রায় বা ডিক্রি তুলতে আদালতের কর্মচারীর ভুল ইত্যাদি ‘যথার্থ কারণ/Sufficient cause’ হিসেবে আদালত বিবেচনায় নিতে পারে। তবে কোন ভাবেই এই ৫ ধারার সময় বৃদ্ধির আবেদন কোন পক্ষ অধিকার হিসেবে আদালতে দাবি করতে পারবে না।
৮০৪.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ অনুযায়ী, দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ কখন থেকে গণনা হবে?
  1. দরখাস্ত দাখিলের তারিখ থেকে
  2. অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
  3. আদালতের রায়ের তারিখ থেকে
  4. দরখাস্ত গ্রহণের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী,
যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়।
এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে।

অর্থাৎ, যখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বা দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে।
৮০৫.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৭ অনুসারে, বিদেশী রায়ের ক্ষেত্রে মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৭ অনুযায়ী: "দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এ সংজ্ঞায়িত বিদেশী রায় (foreign judgment)-এর ভিত্তিতে মামলা করার তামাদি মেয়াদ হলো ৬ বছর। এবং এই ৬ বছরের সময়সীমা গণনা শুরু হয় রায়ের তারিখ থেকে।"
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১১৭ অনুযায়ী, বিদেশী রায় সম্পর্কিত মামলার তামাদি মেয়াদ ৬ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় বিদেশী রায় প্রদানের তারিখ থেকে।
৮০৬.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের কত অনুচ্ছেদে হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮০
  2. অনুচ্ছেদ ১৮১
  3. অনুচ্ছেদ ১৮২
  4. অনুচ্ছেদ ১৮৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৮৩
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৮৩:
হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ অথবা আপিল বিভাগ [Appellate Division] কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলা:
তামাদি মেয়াদ: ১২ বছর।

সময় গণনার শুরু:
যেদিন সেই ব্যক্তি, যিনি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করতে পারেন, প্রথমবারের মতো তা কার্যকর করার অধিকার লাভ করেন, সেদিন থেকে।

৮০৭.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান অপ্রযোজ্য?
  1. আপিল
  2. ডিক্রি জারি
  3. মোকদ্দমা দায়ের
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-

(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা শুধু মোকদ্দমা, কার্যক্রম কিংবা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৮০৮.
তামাদি আইনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধানটি সঠিক?
  1. ১৭ ধারা- প্রতারণার ফলাফল
  2. ১৮ ধারা- মামলা করার অধিকার লাভের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল
  3. ১৯ ধারা- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল
  4. ২০ ধারা- অবিরাম চুক্তিভঙ্গ এর ফলাফল
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন তৃতীয় অধ্যায় - তামাদির সময় /মেয়াদ গণনা-
ধারা ১২- আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে
ধারা ১৩- বাংলাদেশ ও অনান্য কয়েকটি এলাকা থেকে বিবাদীর অনুপস্থিতকালীন সময় হিসাব থেকে বাদ দিতে হবে।
ধারা ১৪- এখতিয়ারবিহীন আদালতের সুউদ্দেশ্যমূলক কার্যক্রমে যে সময় গণনা হতে বাদ দিতে হয়।
ধারা ১৫- কার্যধারা স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে।

ধারা ১৬- ডিক্রি জারীর বিক্রয় রদ করার কার্যধারা মূলতবী থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হবে।
ধারা-১৭- মামলা করার অধিকার লাভের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল।
ধারা-১৮- প্রতারণার ফলাফল।
ধারা-১৯- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল।
ধারা ২০- উত্তর দায় বিষয়ক ঋণ পরিশোধের কিংবা সুদ দেয়ার ফলাফল।

ধারা ২১- অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি।
ধারা-২২- নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারো স্থলাভিষিক্ত কিংবা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল।
ধারা-২৩- অবিরাম চুক্তিভঙ্গ অথবা অন্যায় করা।
ধারা-২৪- বিশেষ ক্ষতির কারণ না হলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা।
ধারা-২৫- দলিলের উল্লিখিত সময়ের হিসাব।
৮০৯.
তামাদি আইনের ধারা ১২(১) অনুযায়ী- মামলা, আপীল বা দরখাস্তের তামাদি গণনার সময় কোন দিনটি বাদ যাবে?
  1. রায় ঘোষণার দিন
  2. মামলা দায়েরের দিন
  3. যেদিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয় সেই দিন
  4. ডিক্রী কার্যকর হওয়ার দিন
সঠিক উত্তর:
যেদিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয় সেই দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেদিন থেকে তামাদি গণনা শুরু হয় সেই দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।

৮১০.
তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকরের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হয়?
  1. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে
  2. ক্রেতার সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণের তারিখ থেকে
  3. বিক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে
  4. 'ক' বা 'খ' উভয় ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' উভয় ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফশিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর। এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় নিম্নলিখিত দুটি ক্ষেত্রে:
১. ক্রেতার সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণের তারিখ থেকে: যদি ক্রেতা বিক্রয়কৃত সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।
২. বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে: যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে।

অর্থাৎ, তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয় ক্রেতার দখল গ্রহণের তারিখ বা বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ—এই দুটির যেকোনো একটি থেকে।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
ক) বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে: এটি শুধুমাত্র আংশিক সঠিক, কারণ ক্রেতা যদি প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকেও মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
খ) ক্রেতার সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণের তারিখ থেকে: এটি শুধুমাত্র আংশিক সঠিক, কারণ ক্রেতা যদি প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
গ) বিক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে: এটি সঠিক নয়, কারণ তামাদির মেয়াদ চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে গণনা করা হয় না।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) 'ক' এবং 'খ' উভয় ক্ষেত্রে।
৮১১.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের কোন বিভাগে আপীল দায়েরের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. প্রথম বিভাগ
  2. দ্বিতীয় বিভাগ
  3. তৃতীয় বিভাগ
  4. চতুর্থ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিল (First Schedule) তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
→ প্রথম বিভাগ (First Division): অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
বিষয়: মামলা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division): অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division): অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
বিষয়: দরখাস্ত (Applications) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।

অর্থাৎ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় বিভাগে (Second Division) আপীল দায়েরের (Limitation for filing appeals) তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) দ্বিতীয় বিভাগ।

৮১২.
তামাদি আইনের ২৩ ধারার অধীনে কোনটি সঠিক?
  1. উক্ত ধারা শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
  2. অন্যায়ের পুনরাবৃত্তি ঘটলেও তামাদি মেয়াদ অপরিবর্তিত থাকে।
  3. চুক্তি একবার ভঙ্গ হলে, মামলার কারণ একটি সময়েই সীমাবদ্ধ থাকে।
  4. অবিরত চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন মামলা দায়ের করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর:
অবিরত চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন মামলা দায়ের করা সম্ভব।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিরত চুক্তি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তেই নতুন মামলা দায়ের করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৩ ধারায় অবিরামভাবে চুক্তি ভঙ্গ বা অনিষ্টের ফলাফল (Continuing breaches and wrongs) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৩ ধারাটি বিশ্লেষণ করলে প্রতীয়মান হয় যে, এমন কিছু চুক্তির অস্তিত্ব রয়েছে যা লংঙ্ঘন করা হলে প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণ উদ্ভব হয়ে থাকে। এছাড়া চুক্তি বহির্ভূত এমন কিছু ক্ষতি বা লোকসান রয়েছে যা প্রতি মুহূর্তেই নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এ সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ নতুন করে বৃদ্ধি পায়।
- অর্থাৎ কোন চুক্তি ক্রমাগত ভঙ্গ করা হতে থাকলে বা অবিরত অন্যায় আচরণ অব্যাহত রাখা হলে, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধ সংঘটনের প্রতি মুহূর্তেই নতুন ভাবে মামলার কারণ উদ্ভব হবে।
---------------
⇒ The Limitation Act- Section 23.Continuing breaches and wrongs:
- In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

৮১৩.
মোকদ্দমা চলাকালীন সময়ে কোনো ব্যক্তিকে বিবাদী পক্ষভুক্ত করা হলে তাঁর বিরুদ্ধে মোকদ্দমা কোন সময় থেকে দায়ের করা হয়েছে মর্মে ধরে নেওয়া হবে?
  1. যখন তাঁকে পক্ষ করা হয়েছে
  2. যখন মোকদ্দমা দায়ের করা হয়েছে
  3. যখন তাঁকে সমন দেওয়া হয়েছে
  4. যখন সে আদালতে হাজির হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যখন তাঁকে পক্ষ করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন তাঁকে পক্ষ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ধারা ২২ মতে নতুন বাদী বা বিবাদী পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত হলে স্থলাভিষিক্তের তারিখে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ কোন মামলায় নতুন করে বাদী বা বিবাদী পক্ষভুক্ত করা হলে সেই নতুন বাদী বা বিবাদীর তামাদি মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নতুন বাদী বা বিবাদীর পক্ষভুক্তির তারিখ হতে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে। কিন্তু স্বত্ব স্থানান্তরের ফলে পক্ষভূক্ত বা স্থলাভিষিক্ত হলে অথবা বাদীকে বিবাদীতে এবং বিবাদীকে বাদীতে পরিণত করা হলে উক্ত বিধান কার্যকর হবে না।
৮১৪.
দখল পুনরুদ্ধারের একটি মামলা দায়েরের তামাদি ৬ মাস। কিন্তু 'ক' ৮ মাস পর উক্ত মামলা দায়ের করে। মামলার বিবাদী পক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করেনি। এক্ষেত্রে আদালত নিম্নলিখিত কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারে?
  1. মামলা খারিজ করবে
  2. বিবাদীর শর্তসাপেক্ষে মামলা বিচারে নিবে
  3. বিবাদী আপত্তি না করায় মামলা গ্রহণ করে বিচার শুরু করবে
  4. বিবাদী আপত্তি না করায় তামাদি মওকুফ করে আদালত মামলা আমলে নিবে
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ করবে
ব্যাখ্যা
এই ক্ষেত্রে আদালত মামলা খারিজ করবে।

• তামাদি আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী-
তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর মামলা, আপীল বা দরখাস্ত দায়ের বা দাখিল করা হলে বিবাদী পক্ষ যদি তামাদির প্রশ্ন উত্থাপন নাও করে তবুও উক্ত মামলা, আপীল বা দরখাস্ত খারিজ বলে বিবেচিত হবে।

এই ধারা অনুযায়ী তামাদির বিষয়বস্তু ৩ টি। যথা-
১) মামলা;
২) আপিল; ও
৩) আবেদনপত্র।

এই ধারার বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
৮১৫.
তামাদি আইনে কয়টি আইনগত অপারগতার উল্লে­খ আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুযায়ী ৩টি বিষয়কে আইনগত অপারগতা (Legal Disability) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. নাবালকত্ব [Minority];
২. উন্মাদ [Insanity];
৩. জড়বুদ্ধি বা চরম বুদ্ধিহীনতা [Idiocy]।


⇒ মােকদ্দমা করার অধিকারী ব্যক্তি যে সময়ে মামলা করার অধিকারী হয়, তখন সে নাবালক বা উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি সম্পন্ন থাকলে, তার মামলা দায়ের করার ও তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে, যে সময় থেকে তার আইনগত অপারগতার অবসান ঘটবে।

⇒ যদি উক্ত ব্যক্তির একটি আইনগত অপারগতা থাকাকালীন সময়ে আরাে একটি অপারগতায় আক্রান্ত হয়, সেক্ষেত্রে দুটি আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

⇒ যদি উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেইক্ষেত্রে তার আইনানুগ প্রতিনিধি, যদি তার আবার কোন অপারগতা না থাকে, তাহলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

৮১৬.
দেওয়ানী আদালতের ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের কত সময়ের মধ্যে ডিক্রিজারী মামলা দায়ের করতে হয়?
  1. তিন বৎসর
  2. পাঁচ বৎসর
  3. বিশ বৎসর
  4. এক বৎসর
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন বৎসর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৮২ অনুচ্ছেদমতে-
যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রি সংশোধন করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে উক্ত সংশোধিত ডিক্রি জারির দরখাস্ত সংশোধনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হবে।

এছাড়া, রেজিস্ট্রিকৃত/নিবন্ধিত ডিক্রি বা আদেশের ক্ষেত্রে জারি বা কার্যকর করার জন্য আবেদনের সময়সীমা ৬ বছর।
৮১৭.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি বা বিলম্ব মওকুফ (Condonation of Delay) প্রযোজ্য নয়?
  1. আপিল
  2. মূল মোকদ্দমা
  3. রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত
  4. আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত
সঠিক উত্তর:
মূল মোকদ্দমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল মোকদ্দমা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের-৫ ধারার বিধান তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি বা বিলম্ব মওকুফ (Condonation of Delay)- তামাদি আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কোন মামলা, আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য কোন দরখাস্ত আইনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাখিল করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করা না হলে আদালত সরাসরি ৩ ধারানুযায়ী মামলাটি খারিজ করে দিবে; তবে মূল মামলা ব্যতীত আপিল, রিভিউ, রিভিশন বা অন্য যে কোন দরখাস্ত নির্ধারিত সময়ের পর করা হলেও দরখাস্তকারী ৫ ধারার বিধান মতে বিজ্ঞ আদালতকে সন্তুষ্ট করার মতো যথাযথ কারণ (sufficient cause) উল্লেখ পূর্বক তামাদির মেয়াদ মওকুফের (Condonation of Delay) জন্য আবেদন করতে পারবেন। আদালত ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তামাদির মেয়াদ মওকুফ করতে পারেন।
সুতরাং তামাদি আইন কঠোর হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই কঠোর বিধি লঙ্ঘনের স্বাধীনতা রয়েছে। যেটিকে আইনের ভাষায় বিলম্ব মওকুফ বা Condonation of Delay বলা হয়।

তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫ টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। 
 নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য -
i) আপিল (Appeal);
ii) আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত (Leave to appeal)
iii) রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত (Revision)
iv) রায়ের পুনঃনিরীক্ষণের দরখাস্ত (Review)
v) অন্য কোনো দরখাস্তে ( Any other application)
এছাড়া অন্যকোনো ক্ষেত্রে ৫ ধারায় বিলম্ব মওকুফের সুযোগ নেয়া যাবে না।

১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়-
১. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে।
২. মূল মামলার ক্ষেত্রে। যেমন- স্বত্ব ঘোষণা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি।

-১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার প্রদত্ত ব্যাখ্যা অনুযায়ী আপিলকারী বা দরখাস্তকারী হাইকোর্ট বিভাগের কোন আদেশ, প্রথা বা রায় দ্বারা তামাদির মেয়াদ গণনা বা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হলে তা পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে। এছাড়া উচ্চ আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পর্যাপ্ত কারণ বলে গণ্য হবে- মারাত্মক অসুস্থতা, কারাবাস, সরল বিশ্বাসে ভুল, আইনজীবী বা উকিলের ভুল ইত্যাদি।
-তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৫ ধারার অধীন বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায়। কিন্তু তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান মূল মোকদ্দমা [suit) এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না।
অর্থাৎ কোন মোকদ্দমা দায়েরে বিলম্ব হলে উক্ত বিলম্ব মওকৃষ্ণের জন্য ৫ ধারায় আবেদন করা হলে, আবেদনটি গ্রহণযোগ্য না।
৮১৮.
যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের মেয়াদ শুরু হবে-
  1. দরখাস্ত দাখিলের দিন থেকে
  2. অধিকার উদ্ভবের দিন থেকে
  3. মামলার শেষ হওয়ার দিন থেকে
  4. বিচারকের আদেশ পাওয়ার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী,
যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে।
অর্থাৎ, যখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বা দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে।

৮১৯.
তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে এর ফলাফল কী হবে?
  1. আদালত বন্ধ হওয়ার আগেই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  2. আদালত খোলার ৭ দিনের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  3. আদালত যেদিন খুলবে সেদিনই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  4. যত দিন বন্ধ থাকবে ততোদিন তামাদির মেয়াদ বৃদ্ধি পাবে।
সঠিক উত্তর:
আদালত যেদিন খুলবে সেদিনই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত যেদিন খুলবে সেদিনই মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৪ ধারার বিধান-

কোনো মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে (সরকারি ছুটির বন্ধ), উক্ত মোকদ্দমা যেদিন আদালত খুলবে সেদিন দায়ের করতে হবে।

Section 4: Where Court is closed when period expires
Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
৮২০.
The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১৫৮ এর বিধান The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ রোয়েদাদ দাখিলের নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।
অর্থাৎ তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়।
৮২১.
নাসিমের মামলা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ায় খারিজ হয়। তিনি খারিজের কত দিনের মধ্যে খারিজ আদেশ বাতিল করার দরখাস্ত দায়ের করতে পারেন?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ-১৬৩
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।

৮২২.
সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকাদ্দমার তামাদির মেয়াদ বছর।
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী  সুনির্দিষ্ট চুক্তি প্রবলের মোকাদ্দমার তামাদির মেয়াদ ১ বছর । চুক্তি সম্পাদনে অস্বীকৃতির বিষয় জানতে পারার দিন থেকে ১ বছরের মধ্যে  সুনির্দিষ্ট চুক্তি সম্পাদনের জন্য মামলা  করতে হবে।
৮২৩.
তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা ১৪ প্রযোজ্য হয় -
  1. স্যুটের ক্ষেত্রে
  2. রেফারেন্সের ক্ষেত্রে
  3. রিভিশনের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
স্যুটের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যুটের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
ধারা : ১৪ ‘এখতিয়ারবিহীন আদালতে সদুদ্দেশ্যমূলক কার্যধারায় যেই সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে’ 

১৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, এখতিয়ারবিহীন কোনো আদালতে যদি মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, তবে সেই আদালতে মোকদ্দমাটি করার জন্য যে সময় ব্যয় করা হয় তা মূল গণনা থেকে বাদ যাবে। তবে এক্ষেত্রে ৩টি বিষয় প্রমাণ করতে হবে যেমন,
১. বাদীর সদবিশ্বাস,
২. মোকদ্দমার কারণের অভিন্নতা, মানে, এখতিয়ারবিহীন আদালতে যে কারণে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো পরবর্তীতে ঠিক একই কারণে এখতিয়ারাধীন আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছে বা হচ্ছে; এবং
৩. প্রথমে যেই আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো, সেই আদালতের সেই মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আদালতের এখতিয়ারের অপর্যাপ্ততা বা অনুপস্থিতি।

১৪ ধারার বিধান শুধু উপধারা ১ অনুসারে স্যুট বা মোকদ্দমা এবং উপধারা ২ অনুসারে দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। মোকদ্দমা দায়েরের পর যদি আরজি ফেরত দেওয়া হয় এবং ইতিমধ্যে তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় তাহলে এখতিয়ারবান আদালতে পুনরায় আরজি দাখিলের ক্ষেত্রে আরজির সাথে তামাদি আইনের ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে।
৮২৪.
'ক' সুস্থ থাকতে মামলা করার অধিকার অর্জন করে। পরবর্তীতে সে উন্মাদ হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তামাদির-
  1. মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে 
  2. মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না 
  3. সুস্থ হওয়ার পর পুনরায় তামাদি গণনা শুরু হবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না 
ব্যাখ্যা

মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে না।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি মামলা করার অধিকার লাভের সময় আইনগতভাবে সক্ষম থাকে তাহলে পরবর্তীতে সে ব্যক্তি আইনগত অক্ষম হলেও- তামাদি মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে।
- অর্থাৎ একবার তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হলে, পরবর্তীতে যদি কোনো আইনগত অপারগতা বা অক্ষমতার কারণে তা স্থগিত হবে না।

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৯: সময়ের অবিরাম চলন:  অনুযায়ী, একবার তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে আরম্ভ হইলে পরবর্তী কোনো অপারগতা বা অক্ষমতার দ্বারা তাহা বন্ধ হইবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, যেইক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ন্যস্ত থাকিবে, ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকিবে।
-----------------------
The Limitation Act 1908,Section 9: Continuous running of time:   Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

৮২৫.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে কোন বিভাগে ১৫০ থেকে ১৫৭ অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. প্রথম বিভাগ
  2. দ্বিতীয় বিভাগ
  3. তৃতীয় বিভাগ
  4. চতুর্থ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিল (First Schedule) তিনটি বিভাগে বিভক্ত:
→ প্রথম বিভাগ (First Division): অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
বিষয়: মামলা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division): অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
বিষয়: আপীল (Appeal) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।
→ তৃতীয় বিভাগ (Third Division): অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।
বিষয়: দরখাস্ত (Applications) দায়েরের তামাদি মেয়াদ।

অর্থাৎ অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ এর মধ্যে আপীল সংক্রান্ত তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত থাকায়, এটি দ্বিতীয় বিভাগের অন্তর্ভুক্ত।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) দ্বিতীয় বিভাগ।
৮২৬.
বিলম্বিত মোহরের তামাদির সময় গণনা শুরু হবে কখন?
  1. বিয়ের দিন থেকে
  2. পরিশোধ অস্বীকার করার তারিখ থেকে
  3. মৃত্যু বা তালাকের সময় থেকে
  4. মোহর তলব করার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
মৃত্যু বা তালাকের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যু বা তালাকের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১০৪:
বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য (deferred dower) একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে 
তামাদির মেয়াদকাল
- ৩ বছর;
সময় গণনা শুরু- মৃত্যু অথবা তালাক দ্বারা যখন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়।

৮২৭.
'ক' একটা ফার্মের নিকট দেনাগ্রস্ত। চ, ছ এবং জ সেই ফার্মের অংশীদার। চ ও ছ উম্মাদ এবং জ নাবালক। এক্ষেত্রে-
  1. শুধুমাত্র 'চ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে থাকবে
  2. শুধুমাত্র 'ছ' এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে
  3. শুধুমাত্র 'জ" এর বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হবে
  4. 'চ', 'ছ', 'জ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
সঠিক উত্তর:
'চ', 'ছ', 'জ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'চ', 'ছ', 'জ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন ১৯০৭ এর ৭ ধারা অনুসারে 'চ', 'ছ', 'জ' সকলে তামাদির মেয়াদ হতে অব্যাহতি পাবে

ধারা-৭ (কতিপয় বাদী অথবা দরখাস্তকারীর একজনের অপারগতা: যেইক্ষেত্রে কতিপয় ব্যক্তি মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার অথবা ডিক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী এবং তাহাদের একজন উপরোক্ত প্রকারের অপারগতা এবং তাহার সম্মতি ছাড়াই দায়মুক্ত করা চলে, সেই ক্ষেত্রে তাহাদের সকলের প্রতিকূলেই তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে থাকিবে। কিন্তু যেইক্ষেত্রে অনুরূপভাবে দায়মুক্ত করিবার যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত অথবা উপরোক্ত অপারগতার অবসান না হওয়া পর্যন্ত তাহাদের কাহারও প্রতিকূলে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইবে না।
----------
Section 7: Disability of one of several plaintiffs or applicants: Where one of several persons jointly entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is under any such disability, and discharge can be given without the concurrence of such person, time will run against them all: but, where no such discharge can be given, time will not run as against any of them until one of them becomes capable of giving such discharge without the concurrence of the others or until the disability has ceased.

৮২৮.
লিমিটেশন এ্যাক্ট, ১৯০৮ এর কোন কিছুই প্রযোজ্য হবে না-
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১১৪ ধারার ক্ষেত্রে
  3. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১০৭ ধারার ক্ষেত্রে
  4. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১১৫(২) ধারার ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ২৯ ধারার বিধান সংরক্ষণ:

(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের (১৮৭২ সালের ৯নং আইনে) ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করিবে না।

(২) যেইক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রহিয়াছে, সেইক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হইবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের বিধান অনুসারে কোনো মামলা, আপিলে বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-

(ক) এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হইতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হইবে, যেই পরিমাণ উহা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নহে, এবং
(খ) এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।

(৩) এই আইনের কোনো বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন (১৮৬৯ সালের ৪ নং আইন) অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না।

(৪) যেই সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতা আপাতত সম্প্রসারিত করা হইবে, সেই সকল এলাকা হইতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত ‘সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হইবে না।
৮২৯.
তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি বাদ যাবে?
  1. বিবাদীর প্রতি সমন জারির সময়
  2. আরজি প্রস্তুতের জন্য ব্যয়িত সময়
  3. রায়ের নকল সংগ্রহের সময় 
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
রায়ের নকল সংগ্রহের সময় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের নকল সংগ্রহের সময় 
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১২ ধারামতে, তামাদির মেয়াদ গণনার সময় নিম্নলিখিত দিনগুলো বাদ দিয়ে তামাদি গণনা করতে হবে। যথা-
i) তামাদির মেয়াদ আরম্ভের দিন বা যে তারিখ হতে তামাদি গণনা শুরু হবে (the day from which such period is to be reckoned shall be excluded);

ii) রায় ঘোষণার দিন (the day on which the judgment complained of was pronounced);

iii) রায় বা ডিক্রির নকল (certified copy) পেতে ব্যয়িত সময় (the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded);

iv) রোয়েদাদ নামঞ্জুর করার দরখাস্তের জন্য রোয়েদাদের নকল পেতে ব্যয় হওয়া সময় (for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded)।

৮৩০.
অবিরাম চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে-
  1. চুক্তি ভঙ্গের প্রথম দিন থেকে
  2. চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার দিন থেকে
  3. চুক্তি ভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন করে
  4. চুক্তি ভঙ্গ প্রমাণিত হওয়ার পর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি ভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি ভঙ্গ চলাকালীন প্রতি মুহূর্তে নতুন করে
ব্যাখ্যা

• The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

Section 23: Continuing breaches and wrongs
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

৮৩১.
তামাদি আইন আনুসারে 'বিনিময় পত্র' বলতে বুঝায়-
  1. চেক ও ব্যংক ড্রাফ্‌ট
  2. ব্যংক ড্রাফ্‌ট ও পে অর্ডার 
  3. চেক ও হুন্ডি
  4.  হুন্ডি ও নগদ অর্থ 
সঠিক উত্তর:
চেক ও হুন্ডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেক ও হুন্ডি
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন আনুসারে 'বিনিময় পত্র' বলতে -চেক ও হুন্ডী বুঝায়।

⇒The Limitation Act,1908: ধারা ২ সংজ্ঞা (Definitions):
(২) 'বিনিময় পত্র' (Bill of Exchange) বলতে- হুন্ডি এবং চেককেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 
- "bill of exchange" includes- a hundi and a cheque।

৮৩২.
বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকলে তার অনুপস্থিতির সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে – এই বিধান তামাদি আইনের কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৩
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৩ অনুযায়ী, কোনো মামলা (Suit) দায়েরের তামাদি মেয়াদ গণনা করার সময় বিবাদী যদি বাংলাদেশের বাইরে এবং সরকার-শাসিত অঞ্চলের বাইরে অনুপস্থিত থাকে, তাহলে তার সেই পুরো অনুপস্থিতির সময়টুকু তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে। ফলে বিবাদী ফিরে আসার পর বাদী আবার পূর্ণ তামাদি মেয়াদ পাবেন। এই বিধান শুধুমাত্র মামলা (Suit)-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, আপিল বা দরখাস্তের ক্ষেত্রে নয়।
-  সুতরাং, বিবাদীর বিদেশ অবস্থানকালীন সময় বাদ দেওয়ার বিধানটি ধারা ১৩-তে বর্ণিত।

⇒ তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী, যদি বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে থাকে, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনার সময় তার অনুপস্থিতির সময় বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, বিবাদী যতদিন অনুপস্থিত থাকবে, সেই সময় তামাদি গণনার মধ্যে পড়বে না, বরং সে ফিরে আসার পর তামাদি গণনা চলবে।
- এই বিধান বাদীর স্বার্থ রক্ষার জন্য রাখা হয়েছে, যাতে বিবাদির বিদেশে থাকার কারণে বাদী মামলা দায়েরের সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হন।
--------
⇒ The Limitation Act:- Section 13. Exclusion of the time of the defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories:
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.

৮৩৩.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৪৮ অনুসারে সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি হারিয়ে যাওয়া বা অসাধুভাবে আত্মসাৎ করার ক্ষেত্রে মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৪৮ অনুযায়ী, যদি কোনো সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি হারিয়ে যায়, বা চুরি হয়, বা অসাধুভাবে আত্মসাৎ (dishonest misappropriation) করা হয়, বা পরিবর্তন করা হয়, বা অন্যায়ভাবে নেওয়া বা আটক রাখা হয় তবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন।
- তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর। 
- গণনার শুরু: যেদিন দাবিদার প্রথম জানতে পারেন যে, ঐ সম্পত্তি কার কাছে আছে।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) ৩ বছর।
৮৩৪.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ বর্ধিতকরণ সংক্রান্ত ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়?
  1. রিভিশন
  2. আপীল
  3. রিভিউ
  4. মূল মোকদমা
সঠিক উত্তর:
মূল মোকদমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল মোকদমা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী, বিলম্ব মওকুফ (Condonation of Delay) বা তামাদির মেয়াদ বর্ধিতকরণ একাধিক বিশেষ ক্ষেত্রে করা যায়, কিন্তু মূল মোকদমা (Original Suit) এর ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।

→ তামাদি আইন, ১৯০৮ – ধারা ৫ অনুযায়ী বিধান প্রযোজ্য ক্ষেত্রসমূহ:
ধারা ৫ অনুসারে, বিলম্ব মওকুফ করার বিধান নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য:
রিভিশন (Revision) – যদি কোনো রিভিশন দরখাস্তের সময়সীমা শেষ হয়ে যায়, তবে যথাযথ কারণ দেখিয়ে বিলম্ব মওকুফ করা যায়।
আপীল (Appeal) – আপিল করার সময়সীমা শেষ হলে, আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে।
রিভিউ (Review) – রিভিউ দরখাস্তের তামাদি উত্তীর্ণ হলে, যথাযথ কারণ দেখিয়ে বিলম্ব মওকুফ করা যেতে পারে।

তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান যেখানে প্রযোজ্য নয়:
মূল মোকদমা (Original Suit) এর ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ধারা ৫ প্রযোজ্য নয়, অর্থাৎ, মূল মামলায় তামাদির মেয়াদ বর্ধিত করা যাবে না।

মূল মোকদমার ক্ষেত্রে সময়সীমা উত্তীর্ণ হলে সাধারণত পুনরায় আবেদন বা মামলা করা সম্ভব হয় না।
- উদাহরণস্বরূপ, স্বত্ব ঘোষণার মামলা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মামলা ইত্যাদির ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ শেষ হলে, আদালত সাধারণত বিলম্ব মওকুফের সুযোগ দেয় না।

অর্থাৎ তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী, আপিল, রিভিশন, রিভিউ ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফ করা যেতে পারে, তবে মূল মোকদমায় এটি প্রযোজ্য নয়।
৮৩৫.
তামাদি আইনে বিভিন্ন দরখাস্ত দায়েরের তামাদির মেয়াদ প্রথম তফশিলের কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫১ থেকে ১৮৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৮৩
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৫ থেকে ১৮৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে ৩টি বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এই ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম বিভাগ (First Division)
মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]
- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division)
আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]
- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত।

তৃতীয় বিভাগ (Third Division)
বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]
- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত।
৮৩৬.
তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু-
  1. তামাদি মেয়াদের সাথে যুক্ত হবে
  2. তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে
  3. দেশে আসার পর প্রথম থেকে পুনরায় তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে
  4. দ্বিগুণ হিসেবে তামাদি মেয়াদের সাথে যুক্ত হবে
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৮৩৭.
নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করলে মামলাটি তার ক্ষেত্রে দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে-
  1. মামলার মূল দাখিল তারিখে
  2. পক্ষভুক্তির তারিখে
  3. নোটিশ প্রদানের তারিখে
  4. আদালতের নির্দেশের তারিখে
সঠিক উত্তর:
পক্ষভুক্তির তারিখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষভুক্তির তারিখে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এর বিধান নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবি থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।

৮৩৮.
স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশে ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদিকাল কত?
  1. ৬ বছর
  2. ২ বছর
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ (trespass) করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হল ৩ বছর।
- অর্থাৎ, যদি কেউ অন্যের স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ করে এবং এর ফলে কোনো ক্ষতি হয়, তাহলে অনধিকার প্রবেশের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা দায়ের করতে হবে।
৮৩৯.
তামাদি আইনের ৫ ধারায় তামাদি মওকুফের জন্য আবেদন মঞ্জুর করা আদালতের জন্য কী ধরনের?
  1. বাধ্যতামূলক
  2. আদেশসূচক
  3. স্বেচ্ছাধীন
  4. নির্দেশনামূলক
সঠিক উত্তর:
স্বেচ্ছাধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বেচ্ছাধীন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ৫ অনুযায়ী ৫টি ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পর আদালতকে যথেষ্ট কারণ (sufficient cause) দেখিয়ে সন্তুষ্ট করতে পারলে, আদালত বিলম্ব মওকুফ করতে পারে। একে Condonation of delay বা বিলম্ব মওকুফ করা বলে।

১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান নিম্নোক্ত ৫টি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য -
i) আপিল (Appeal);
ii) আপিল করার অনুমতি দরখাস্ত (Leave to appeal);
iii) রায়ের পুনর্বিচার দরখাস্ত (Revision);
iv) রায়ের পুনরীক্ষণের দরখাস্ত (Review);
v) অন্য কোন দরখাস্তে ( Any other application)।

১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধান প্রযোজ্য নয়-
১. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে।
২. মূল মামলার ক্ষেত্রে। যেমন- স্বত্ব ঘোষণা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, অগ্রক্রয়ের মোকদ্দমা ইত্যাদি।

তামাদি আইনের ৫ ধারায় তামাদি মওকুফের জন্য আবেদন মঞ্জুর করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন।
৮৪০.
'চুক্তিভঙ্গের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হতে থাকে' এটি তামাদি আইনের কত ধারার বিধান-
  1. ২১ ধারার
  2. ২২ ধারার
  3. ২৩ ধারার
  4. ২৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারার
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করাঃ

যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেইক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।

 ♦এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
৮৪১.
মোকদ্দমা দায়েরের অধিকারী ব্যক্তির অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই মৃত্যু হলে, সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধির ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখ থেকে
  2. আইনগত প্রতিনিধির যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে
  3. আইনগত প্রতিনিধির ইচ্ছানুযায়ী সময় থেকে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আইনগত প্রতিনিধির যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত প্রতিনিধির যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা (অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল) অনুযায়ী-

কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।

Section 17- Effect of death before right to sue accrues

(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application. 
 
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application. 
 
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
৮৪২.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭০-এ কার আপীল করার অনুমতির বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তির
  2. পাগলের
  3. অক্ষম ব্যক্তির
  4. যে কোন ব্যক্তির
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃস্ব ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
♠ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৭০-এ নিঃস্ব ব্যক্তির আপিল করার অনুমতির বিষয়ে বলা হয়েছে। 
৮৪৩.
The Limitation Act, 1908-এর ২৩ ধারা অনুসারে অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় সংঘটিত হলে তামাদির গণনা কখন শুরু হয়?
  1. আদালতে মামলা দায়েরের দিন থেকে
  2. ক্ষতিপূরণের দাবি উত্থাপনের দিন থেকে
  3. চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় সংঘটনের প্রথম দিন থেকে
  4. অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন প্রতিটি মুহূর্তে
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908-এর ২৩ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো অবিরাম চুক্তিভঙ্গ (Continuing Breach of Contract) বা অবিরাম অন্যায় (Continuing Wrong) সংঘটিত হয়, তাহলে তামাদির মেয়াদ প্রতিটি মুহূর্তে নতুন করে শুরু হয়, যতক্ষণ না ওই চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় বন্ধ হয়।

উদাহরণ:
- পরিবেশ দূষণ (Pollution Cases):
যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে কোনো নদী বা বায়ু দূষণ করছে, তবে প্রতিদিনই নতুন করে অন্যায় সংঘটিত হচ্ছে।
ফলে তামাদির গণনা প্রতিদিন নতুন করে শুরু হবে, যতক্ষণ না দূষণ বন্ধ হয়।

অর্থাৎ যতদিন অন্যায় চলতে থাকবে, ততদিন তামাদির গণনা চলবে এবং নতুন করে মামলা দায়েরের সুযোগ থাকবে।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ২৩ ধারার বিধান অবিরাম চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায় করা:
- যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নূতন করিয়া তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হইতে শুরু করে।
- এমন অনেক চুক্তি রহিয়াছে, যাহা ভঙ্গ হইলে প্রতি মুহূর্তে নালিশের কারণ উদ্ভব হইতে পারে। চুক্তি বহির্ভূত এমন অনেক লোকসান রহিয়াছে, যাহা প্রতিমুহূর্তে নালিশের কারণের উদ্ভব ঘটায়। এইসব ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ প্রতি মুহূর্তে বৃদ্ধি পায়।
----------
⇒ The Limitation Act, 1908: Section-23: Continuing breaches and wrongs:
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.
৮৪৪.
যে ক্ষেত্রে কোন তামাদি মেয়াদ নির্দিষ্ট নেই, সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কত হবে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
♠♠
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২০ অনুযায়ী যে ক্ষেত্রে মামলা করার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সময় উল্লেখ নেই, সেই ক্ষেত্রে-
• মামলা করার অধিকার যখন উদ্ভব হয় তখন থেকে ৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে। 
৮৪৫.
'ক' উন্মাদ থাকা অবস্থায় সত্ত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়েরের অধিকার অর্জন করে। এর ১০ বৎসর পর সে সুস্থ হলো। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী তার মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ অবশিষ্ট আছে ২ বছর। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সে সর্বোচ্চ কত বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে পারবে?
  1. ২ বছর
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• আইনগত অপারগতার ক্ষেত্রে যখন মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে মামলা করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যে সময়ে সে মামলা করার অধিকারী হয় উক্ত সময়ে সে নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকলে তার মামলা করার তামাদির মেয়াদ গণনা করা শুরু হবে যখন তার এই আইনগত অপারগতা অর্থাৎ নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধিতার অবসান হবে তখন থেকে।

• ধারা ৮ হচ্ছে ৬ ও ৭ ধারার আইনগত অপারগতার ব্যতিক্রম। ৮ ধারায় উল্লেখিত বিশেষ ব্যতিক্রম সাপেক্ষে ৬ ও ৭ ধারায় উল্লেখিত আইনগত অপারগতা বিশ্লেষণ করতে হবে। নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ৬ এবং ৭ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না-

১. অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার বলবৎকরণের মামলায়, এবং

২. আইনগত অপারগতার অবসান হওয়ার পর বা আইনগত অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ার তিন (৩) বছরের বেশী সময় তামাদির মেয়াদ থাকবে না এবং সর্বোচ্চ এই ৩ বৎসরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। অর্থাৎ যেক্ষেত্রে ৬ বা ৭ ধারায় আইনগত অপারগতার সুবিধা প্রার্থনা করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আইনগত অক্ষমতার অবসান হওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে অন্যথায় মামলা খারিজ হবে।

• তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সত্ত্বসহ দখল পুনরুদ্ধারের মোকদ্দমা দায়ের করতে হয় বেদল হওয়ার ১২ বছরের মধ্যে। কিন্তু যেহেতু 'ক' উন্মাদ ব্যক্তি অর্থাৎ আইনগত অপারগতায় পতিত তাই তার সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে না।

প্রশ্নমতে, 'ক' বেদখল হওয়ার ১০ বছর পর সুস্থ হয়েছে। তাই হিসাব অনুযায়ী তার মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ যদিও অবশিষ্ট আছে ২ বছর, কিন্তু ৬ ও ৮ ধারার বিধান অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ আরো ১ বছর বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৩ বছর করা যাবে। অর্থাৎ সে সর্বোচ্চ ৩ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করতে পারবে
৮৪৬.
তামাদি আইন __________ কে নষ্ট করে না, তবে _________ কে বারিত করে।
  1. প্রতিকার, অধিকার
  2. স্বত্ব, দখল
  3. অধিকার, প্রতিকার
  4. অধিকার, অধিকার
সঠিক উত্তর:
অধিকার, প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার, প্রতিকার
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মামলা বা দরখাস্ত দায়ের করলে তা গ্রহণ করা হয় না। এর মাধ্যমে তামাদি আইন প্রতিকার পাওয়া হতে বারিত করে, তবে অন্যভাবে কেউ তাঁর অধিকার প্রয়োগ করলে তা পেতে বারিত করে না।
♦অর্থাৎ তামাদি আইন অধিকার কে নষ্ট করে না, তবে প্রতিকার কে বারিত করে।
৮৪৭.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য মামলা দায়ের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2.  ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
 ১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুসারে, একটি চুক্তি বলবৎ করার (Specific Performance of a Contract) জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ হলো ১ বছর।
⇒ চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এর ১ম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, চুক্তি বলবৎ করণের জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ ১ বৎসর।

৮৪৮.
মোহন একটি মামলায় অভিযোগ করে যে, প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে একটি দলিল গোপন রাখা হয়েছে। মোহন সেই দলিলটি উত্থাপন করতে সক্ষম হলে, তামাদি গণনা শুরু হবে কোন সময় থেকে?
  1. মামলা দায়ের করার দিন থেকে
  2. আদালতের শুনানির দিন থেকে
  3. আদালত মামলাটি গ্রহণ করার দিন থেকে
  4. দলিল উত্থাপন করার দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
দলিল উত্থাপন করার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল উত্থাপন করার দিন থেকে
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।

Section 18: Effect of fraud-
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application- 
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,  
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
৮৪৯.
তামাদি আইনের ১৪ ধারা অনুযায়ী মামলাটি যদি এখতিয়ারবিহীন আদালতে করা হয়, তাহলে কী হবে?
  1. মামলাটি চলতে থাকবে
  2. তামাদি গণনা চলমান থাকবে
  3. মামলাটি বাতিল হয়ে যাবে
  4. এখতিয়ারবিহীন আদালতে ব্যয়িত সময় মূল তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারবিহীন আদালতে ব্যয়িত সময় মূল তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখতিয়ারবিহীন আদালতে ব্যয়িত সময় মূল তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন ১৪ ধারার বিধান: এখতিয়ারবিহীন আদালতে সদুদ্দেশ্যমূলক কার্যধারায় যেই সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
১৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, এখতিয়ারবিহীন কোনো আদালতে যদি মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, তবে সেই আদালতে মোকদ্দমাটি করার জন্য যে সময় ব্যয় করা হয় তা মূল গণনা থেকে বাদ যাবে। তবে এক্ষেত্রে ৩টি বিষয় প্রমাণ করতে হবে যেমন,
১. বাদীর সদবিশ্বাস,
২. মোকদ্দমার কারণের অভিন্নতা, মানে, এখতিয়ারবিহীন আদালতে যে কারণে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো পরবর্তীতে ঠিক একই কারণে এখতিয়ারাধীন আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছে বা হচ্ছে; এবং
৩. প্রথমে যেই আদালতে মোকদ্দমা করা হয়েছিলো, সেই আদালতের সেই মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আদালতের এখতিয়ারের অপর্যাপ্ততা বা অনুপস্থিতি।

১৪ ধারার বিধান শুধু উপধারা ১ অনুসারে স্যুট বা মোকদ্দমা এবং উপধারা ২ অনুসারে দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। মোকদ্দমা দায়েরের পর যদি আরজি ফেরত দেওয়া হয় এবং ইতিমধ্যে তামাদির মেয়াদ শেষ হয়ে যায় তাহলে এখতিয়ারবান আদালতে পুনরায় আরজি দাখিলের ক্ষেত্রে আরজির সাথে তামাদি আইনের ১৪ ধারায় বিলম্ব মওকুফের আবেদন করতে হবে।
৮৫০.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বংশগত পদ দখল করার জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ১৯
  2. অনুচ্ছেদ ১১৪
  3. অনুচ্ছেদ ১২৪
  4. অনুচ্ছেদ ১৪২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১২৪
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১২৪ অনুযায়ী, বংশগত পদ দখল করার জন্য মামলা দায়ের করার তামাদি মেয়াদ নির্ধারিত হয়। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, বংশগত পদ দখল করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ ১২ বছর। এই মেয়াদ বিবাদী যখন বাদীর প্রতিকূলে পদটি দখল করে সেই তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।

- বংশগত পদ বলতে এমন পদকে বোঝায় যা বংশপরম্পরায় উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত হয়, যেমন জমিদারি, পুরোহিত পদ ইত্যাদি।
- পদ দখল বলতে কোনো ব্যক্তি কর্তৃক বংশগত পদটি অন্যায়ভাবে দখল করা বা অধিকার লঙ্ঘন করা বোঝায়।

সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) অনুচ্ছেদ ১২৪।
৮৫১.
নতুন পক্ষ যোগ করার সময়সীমা গণনায় তামাদি আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২২ নতুন বাদী বা বিবাদী যোগ করার সময় তামাদির মেয়াদ গণনার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- ধারা ২২(১): মামলা দায়েরের পর যদি কোনো নতুন বাদী বা বিবাদী যুক্ত বা প্রতিস্থাপিত হয়, তবে তাদের ক্ষেত্রে মামলাটি সেই তারিখ থেকে দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে যখন তারা পক্ষ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এর বিধান নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবি থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।
-----------
⇒ The Limitation Act:- Section-22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:-
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.

৮৫২.
বৈদেশিক চুক্তির ক্ষেত্রে তামাদি আইনের প্রয়োগের বিষয়টি আইনের কত ধারায় আছে?
  1. ০৭
  2. ১০
  3. ১১
  4. ১২
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
♣♣  
• তামাদি আইনের ১১ ধারায় বৈদেশিক চুক্তির ক্ষেত্রে তামাদি আইনের প্রয়োগের বিষয়টি বলা আছে।
• বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশে কোন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে।
৮৫৩.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৪ প্রযোজ্য?
  1. দেউলিয়াত্ব ঘোষণা
  2. সম্পত্তির মালিকানা
  3. দখল পুনরুদ্ধার
  4. বংশগত পদ রক্ষা
সঠিক উত্তর:
দখল পুনরুদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ : ১৪৪, প্রথম তফসিল, তামাদি আইন-
যদি কারো জমি বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য কেউ জবরদখল করে নেয়, সেই দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ (Limitation Period) - ১২ বছর। এই সময় গণনা শুরু হবে যখন প্রতিপক্ষের দখল বাদীর স্বার্থের বিরুদ্ধে (adverse) হয়ে ওঠে।
৮৫৪.
Applications বা Petitions দায়েরের সময়সীমা তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন বিভাগে উল্লেখ আছে?
  1. চতুর্থ বিভাগ
  2. তৃতীয় বিভাগ
  3. দ্বিতীয় বিভাগ
  4. প্রথম বিভাগ
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৩টি বিভাগ:
১) প্রথম বিভাগ (First Division): → মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Suits) - এই বিভাগের অধীনে ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

২) দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
 → আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Appeals) - এই বিভাগের অধীনে ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত বিভিন্ন আপীলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

৩) তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
 → বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Applications and Petitions) - এই বিভাগের অধীনে ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিভিন্ন দরখাস্ত বা পিটিশনের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

৮৫৫.
নিচের কোনটি তামাদি আইনের ধারা ৮ অনুসারে আইনি অক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অপ্রাপ্তবয়স্কদের মামলা
  2. পাগলামিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন
  3. মৃত ব্যক্তির আইনি প্রতিনিধির মামলা
  4. অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮ অনুসারে, ধারা ৬ বা ধারা ৭-এর বিধানগুলো অগ্রক্রয়ের অধিকার (Pre-emption) সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এছাড়াও, এই ধারা উল্লেখ করে যে আইনি অক্ষমতার সমাপ্তি বা অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুর পর তামাদির মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে, যদি না তফসিলে উল্লিখিত মেয়াদ এর চেয়ে কম হয়।
- অর্থাৎ ধারা ৮-এর বিধান অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রম-
৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
----------- 
⇒ The Limitation Act, 1908,Section 8- Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.

৮৫৬.
তামাদি আইনের ধারা ২২ এর অধীনে, নতুন পক্ষের জন্য মামলার তামাদি গণনা কিভাবে হবে?
  1. মামলার প্রথম দিন থেকে
  2. নতুন পক্ষের পক্ষভুক্তির তারিখ থেকে
  3. মামলার শুনানির তারিখ থেকে
  4. আদালতের রায়ের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
নতুন পক্ষের পক্ষভুক্তির তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন পক্ষের পক্ষভুক্তির তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এ নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে। যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয় বা কারও স্থলাভিষিক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির জন্য পক্ষভুক্তির তারিখেই মামলাটি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

তবে, যেক্ষেত্রে মামলা স্থগিত থাকার সময় স্বত্বাপণ কিংবা কোন স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত কিংবা স্থলাভিষিক্ত করা হয় বা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদীতে কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয় সেক্ষেত্রে ১ উপধারার কোন কিছুই প্রয়োগযোগ্য হবে না।

Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party. 

(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৮৫৭.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদির মেয়াদ আছে?
  1. ২৩
  2. ২৯
  3. ৩৩
  4. ৩৭
সঠিক উত্তর:
২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ২৯ অনুচ্ছেদের বিধান আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- জব্দ করার তারিখ থেকে।
----------
⇒ limitation Act-1908 Schedule-1 Article 29: For compensation for wrongful seizure of moveable property under legal process - One year from the date of Seizure.
৮৫৮.
Nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with _______.
  1. due care
  2. attention
  3. due care & attention
  4. None of above
সঠিক উত্তর:
due care & attention
উত্তর
সঠিক উত্তর:
due care & attention
ব্যাখ্যা
ধারা ২(৭)-

‘সরল বিশ্বাস' অর্থে যথার্থ যত্ন কিংবা সাবধানতা ও মনোযোগের সহিত করা হয়নি-এমন কোন কিছুই সরল বিশ্বাসে করা হয়েছে বলে পরিগণিত হবে না।

Section 2(4)
“good faith”: nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with due care and attention.
৮৫৯.
তামাদি আইনের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না।
  2. তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয় না, অধিকার নষ্ট হয়।
  3. তামাদির দরুন প্রতিকার ও অধিকার উভয়ই নষ্ট হয়।
  4. তামাদির দরুন প্রতিকার ও অধিকার কোনটাই নষ্ট হয় না।
সঠিক উত্তর:
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না।
ব্যাখ্যা
⇒  তামাদি আইন অনুসারে প্রতিকার পাওয়ার অধিকার নির্দিষ্ট সময়সীমা উত্তীর্ণ হলে নষ্ট হয়, কিন্তু অধিকার নিজে থেকে ধ্বংস হয় না।
-অর্থাৎ, আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে মামলা না করেন, তবে সেই সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর আপনি আর আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার পাবেন না।
⇒ তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না:

- তামাদির কারণে প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নয়। তামাদি আইন কেবলমাত্র অধিকার ধ্বংস করে না, পরোক্ষভাবে অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে।
- তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান বলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না। ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত তামাদি আইনের অন্যান্য ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে মামলা করে আইনগত প্রতিকার লাভ করা নিষিদ্ধ হয় থাকে, কিন্তু সংশ্লিষ্ট অধিকার বিদ্যমান থেকেই যায়।
-মামলা-মোকদ্দমা ব্যতীত অন্য কোনো উপায়ে যদি সেই অধিকার প্রয়োগ করতে পারা যায়, তবে তামাদি আইন সেক্ষেত্রে কোনো বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে না।
-  তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধান ব্যতীত অন্য কোন বিধান বলে কোন অধিকার সৃষ্টিও হয় না, নষ্টও হয় না।
- যদি আদালতের বাইরে অন্য কোন উপায়ে অধিকার প্রয়োগ করা যায়, তাহলে তামাদি আইন বাধা সৃষ্টি করে না।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে তামাদি আইনের ক্ষেত্রে "তামাদির দরুন প্রতিকার নষ্ট হয়, অধিকার নষ্ট হয় না" কথাটি সঠিক। 
৮৬০.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-৩৭ অনুযায়ী, রাস্তায় বা জলপ্রবাহের পথে বাধা সৃষ্টির জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৩৭ অনুযায়ী, যদি কেউ রাস্তায় বা জলপ্রবাহের পথে বাধা সৃষ্টি করে, তবে সেই কারণে ক্ষতিপূরণের মামলা করা যাবে।
- তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর।
- সময় গণনা শুরু হবে: যেদিন বাধা সৃষ্টি করা হয়, সেই তারিখ থেকে।
 সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) ৩ বছর।
৮৬১.
খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুযায়ী আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ ________?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১৮০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦প্রশ্নটি লেখাতে ভুল আছে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধিতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার তামাদির মেয়াদ ৬০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে ৪১৭ (৩)) এবং এই সময় শুধুমাত্র নালিশকারী কর্তৃক খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের সময় ৬ মাস উল্লেখ করা হয়েছে তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ অনুচ্ছেদে এবং এই সময় শুধুমাত্র পাবলিক প্রসিকিউটর কর্তৃক খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। প্রশ্নটি সঠিক হবে যদি ৬ মাসের পরিবর্তে ৬০ দিন উত্তর করা হয় বা প্রশ্নে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর পরিবর্তে the Limitation Act, 1908 লেখা হয়। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ বা পাবলিক প্রসিকিউটর আপীল করলে, আপীল করার তামাদির মেয়াদ ৬ মাস। কিন্তু সি.আর মামলায় নালিশকারী বা অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করলে আপীল করার তামাদির মেয়াদ ৬০ দিন।
♦অর্থাৎ খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়। [ধারা ৪১৭(৩)] এবং খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে। [অনুচ্ছেদ ১৫৭, তামাদিআইন, ১৯০৮]
♦সুতরাং প্রশ্নটির সব কিছু বিবেচনা করে উত্তর ৬ মাস গ্রহণ করা হল।
৮৬২.
তামাদি আইনের অধীনে বিল অব এক্সচেঞ্জ (Bill of Exchange) বলতে কী অর্ন্তভুক্ত হবে?
  1. চেক
  2. হুন্ডি
  3. যে কোন হস্তান্তর যোগ্য দলিল
  4. ক ও খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ধারা ২(২) অনুযায়ী-
 হুন্ডি এবং চেক, বিল অব এক্সচেঞ্জ-এর অন্তর্ভুক্ত হয়।

Section 2(2)
“bill of exchange” includes a hundi and a cheque.
৮৬৩.
তামাদি আইনে কোন সম্পত্তিতে দখল লাভের মামলা করার যে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেয়া হয়েছে, তা অতিবাহিত হয়ে গেলে উক্ত সম্পত্তিতে-
  1. বিবাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
  2. বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
  3. বাদীর অধিকার বহাল থাকবে
  4. বাদীর অধিকার নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে
ব্যাখ্যা
কোন সম্পত্তিতে দখল লাভের জন্য মামলা করার বিষয়ে এই আইনে যে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে, তা অতিবাহিত হবার পর উক্ত সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

• তামাদি আইনে ২৬-২৮ ধারায় মালিকানা অর্জনের ২টি পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে-
১) সুখাধিকার (Easement) 
২) প্রেসক্রিপশন (Law of Prescription)

• তামাদি আইনের ২৮ ধারার বিধানে Adverse possession বা জবর দখলের কথা বলা হয়েছে।

ধারা ২৮ (সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি)-
কোনো সম্পত্তি দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

Section 28: Extinguishment of right to property-
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.
৮৬৪.
'ক', গ্রন্থস্বত্ব লংঘনের কারণে 'খ' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করতে চায়। এক্ষেত্রে কত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. লঙ্ঘনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে
  2. লঙ্ঘনের তারিখ হতে ২ বছরের মধ্যে
  3. লঙ্ঘনের তারিখ হতে ১ বছরের মধ্যে
  4. লঙ্ঘনের তারিখ হতে ৬ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
লঙ্ঘনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লঙ্ঘনের তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• মৌলিক সৃষ্টিকর্মের মালিকানা বা সত্ত্বাধিকারী নিশ্চিত করাই হচ্ছে কপিরাইট।
সাহিত্য বা যেকোনো লেখা, শিল্পকর্ম, সংগীত, চলচ্চিত্র, স্থাপত্য, আলোকচিত্র, ভাস্কর্য, লেকচার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, নকশা অর্থাৎ যা কিছু মৌলিকভাবে তৈরি করা হবে, সবকিছুই কপিরাইটের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ৪০
গ্রন্থস্বত্ব [Copyright] বা অন্য কোন বিশেষ সুবিধা লঙ্ঘনের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি হচ্ছে লঙ্ঘনের তারিখ হতে - ৩ বৎসর
৮৬৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির প্রতিনিধি তামাদির সুবিধা পাবেন না?
  1. চুক্তিভঙ্গের মামলা
  2. অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মামলা
  3. দানপত্র সম্পর্কিত মামলা
  4. দখল হস্তান্তরের মামলা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭(৩) অনুযায়ী, নিচের মামলাগুলোর ক্ষেত্রে যদি বাদী বা বিবাদী মৃত্যুবরণ করেন এবং তাদের প্রতিনিধি না থাকেন, তাহলেও তামাদি মেয়াদ বন্ধ হবে না বা স্থগিত হবে না।
- অর্থাৎ, আইনানুগ প্রতিনিধি তামাদির সুবিধা পাবেন না।
এই মামলাগুলো হলো:
১) অগ্রক্রয় (Pre-emption) সংক্রান্ত মামলা।
২) স্থাবর সম্পত্তির দখল (Possession of immovable property) সংক্রান্ত মামলা।
৩) বংশগত পদ (Hereditary office) সংক্রান্ত মামলা।

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা (অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল) অনুযায়ী- কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।
এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।

⇒ The Limitation Act:- Section 17- Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
৮৬৬.
প্রতারণার ফলে অধিকার সম্পর্কে বাদী অজ্ঞ থাকলে তামাদি গণনা শুরু হবে-
  1. মামলা দায়েরের তারিখ থেকে
  2. অধিকার সৃষ্টি হওয়ার তারিখ থেকে
  3. বাদী প্রথম প্রতারণা জানতে পারার দিন থেকে
  4. আদালতের আদেশের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
বাদী প্রথম প্রতারণা জানতে পারার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী প্রথম প্রতারণা জানতে পারার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল-
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।

৮৬৭.
According to Section 25 of The Limitation Act, 1908, for the purposes of the Act, how is time to be computed in all instruments?
  1. Based on the fiscal year
  2. Based on the lunar calendar
  3. With reference to the local time
  4. With reference to the Gregorian calendar
সঠিক উত্তর:
With reference to the Gregorian calendar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
With reference to the Gregorian calendar
ব্যাখ্যা
Section-25. Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar. 

তামাদি আইন ১৯০৮ এর ২৫ ধারায় বলা হয়েছে যে,
এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সব দলিলে উল্লেখিত সময় গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।

এর অর্থ হচ্ছে, তামাদি আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন দলিলে হিজরি, বাংলা বা অন্য কোন ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সময় উল্লেখ থাকলেও, আইনগতভাবে তা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে রূপান্তরিত হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। উদাহরণস্বরূপ, কোন দলিলে হিজরি সনে কোন তারিখ উল্লেখ থাকলেও, তামাদি আইনের প্রয়োজনে সেটি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী গণনা করে নির্ধারণ করতে হবে।
৮৬৮.
যে উদ্দেশ্য সম্পত্তি ব্যবহারে অধিকারী তা ভিন্ন অন্য উদ্দেশ্যে সম্পত্তি ব্যবহার করা হলে, উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মোকদ্দমা দায়েরে তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908) এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী,
যদি কেউ এমন কোনো সম্পত্তি নির্দিষ্ট একটি উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অধিকার পায়, কিন্তু সে সেই উদ্দেশ্য ভঙ্গ করে অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করে, তাহলে এটি "misuse of property" বা "অধিকার লঙ্ঘন" হিসেবে গণ্য হয়।

এই ধরনের পরিস্থিতিতে, যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি ক্ষতির বিষয়টি যেদিন জানতে পারেন, সেদিন থেকেই ২ বছরের মধ্যে আদালতে মামলা (Suit) দায়ের করতে পারবেন।

৮৬৯.
তামাদি আইনের ২৯ ধারা অনুসারে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
  1. চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
  3. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
 ⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
 
⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভুক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
-------------
The Limitation Act, 1908 Section-29. Savings:
(1) Nothing in this Act shall affect section 25 of the Contract Act, 1872. 
(2) Where any special law prescribes for any suit, appeal or application a period of limitation different from the period prescribed therefore by the first schedule, the provision of section 3 shall apply, as if such period were prescribed therefor in that schedule, and for the purpose of determining any period of limitation prescribed for any suit, appeal or application by any special law- 
(a) the provisions contained in section 4, sections 9 to 18, and section 22 shall apply only in so far as, and to the extent to which, they are not expressly excluded by such special law; and 
(b) the remaining provisions of this Act shall not apply. 
(3) Nothing in this Act shall apply to suits under the Divorce Act. 
(4) Sections 26 and 27 and the definition of “easement” in section 2 shall not apply to cases arising in territories to which the Easements Act, 1882, may for the time being extend.
৮৭০.
তামাদি আইনের ১৯ ধারা অনুসারে, নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনার জন্য কী শর্ত পূরণ করতে হবে?
  1. প্রাপ্তি স্বীকার লিখিত হতে হবে
  2. প্রাপ্তি স্বীকার স্বাক্ষরিত হতে হবে
  3. প্রাপ্তি স্বীকার তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে হতে হবে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
- কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয়, সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
- লিখিত হতে হবে,
- উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে,
- অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে,
- উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।
-------------------------
⇒ The Limitation Act:- Section-19. Effect of acknowledgement in writing:

(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed. 

(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received. 

Explanation I - For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time 
for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right. 
Explanation II - For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf. 
Explanation III - For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.
৮৭১.
The Limitation Act, 1908 এর কত ধারায় “আবেদনকারী” (Applicant)- কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে?
  1. ধারা ২(৪)
  2. ধারা ২(৩)
  3. ধারা ২(২)
  4. ধারা ২(১)
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২(১)
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908 এর সংজ্ঞাসমূহ (ধারা ২):
এই আইনে, যদি প্রেক্ষাপট বা বিষয়বস্তুর সাথে অসামঞ্জস্য না থাকে, তাহলে—

১. “আবেদনকারী” (Applicant): আবেদনকারীর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে আবেদনকারী তার আবেদন করার অধিকার লাভ করেছে।

২. “বিল অব এক্সচেঞ্জ” (Bill of Exchange): এর মধ্যে হুন্ডি ও চেক অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

৩. “বন্ড” (Bond): এমন কোনো দলিল, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যজনকে টাকা পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে, এই শর্তে যে, নির্দিষ্ট কোনো কাজ সম্পাদিত হলে বা না হলে (যথাযথ ক্ষেত্রে), সেই অঙ্গীকার অকার্যকর হবে।

৪. “বিবাদী” (Defendant): এর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে কোনো বিবাদী তার দায়-দায়িত্ব অর্জন করেছে, অর্থাৎ যার কারণে তাকে মামলা করা যেতে পারে।

৫. “সুখাধিকার” (Easement): এমন একটি অধিকার যা চুক্তি থেকে উদ্ভূত নয়, কিন্তু যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যের জমি থেকে নিজের স্বার্থে মাটি, গাছপালা বা অন্য কোনো জিনিস অপসারণ করে ব্যবহার করতে পারেন।

৬. “বিদেশি দেশ” (Foreign Country): বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য যেকোনো দেশ।

৭. “সদ্ভাব” (Good Faith): কোনো কাজ যদি যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া সম্পাদিত হয়, তবে সেটি সদ্ভাবে (good faith) সম্পাদিত বলে গণ্য হবে না।

৮. “বাদী” (Plaintiff): এর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে মামলাকারী তার মামলা করার অধিকার অর্জন করেছে।

৯. “প্রমিসরি নোট” (Promissory Note): এমন একটি দলিল, যার মাধ্যমে নির্মাতা (maker) নিঃশর্তভাবে প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নির্দিষ্ট সময়ে, অথবা দাবির ভিত্তিতে, অথবা দর্শনের ভিত্তিতে অপর পক্ষকে পরিশোধ করবেন।

১০. “মোকদ্দমা” (Suit): এর মধ্যে আপিল বা আবেদন অন্তর্ভুক্ত নয়।

১১. “ট্রাস্টি” (Trustee): এর মধ্যে বেনামি মালিক (benamider), ঋণ পরিশোধের পরও দখলে থাকা বন্ধকগ্রহীতা (mortgagee), বা অবৈধভাবে দখলকারী (wrong-doer) অন্তর্ভুক্ত নয়।

৮৭২.
জারী মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে The Limitation Act, 1908 এর নিম্নোক্ত কোন Article অনুসারে তামাদীর মেয়াদ গণনা করতে হয়?
  1. ১৪৮
  2. ১৮৪
  3. ১৮২
  4. ১২৮
সঠিক উত্তর:
১৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮২
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৮২

ডিক্রি বাস্তবায়নের দরখাস্তটিকে প্রথমত তামাদি আইনের ১৮২ অনুচ্ছেদের শর্ত পূরণ করতে হবে, যেখানে প্রাথমিক সময়সীমা অর্থাৎ ডিক্রি জারির প্রথম আবেদন (First petition for execution of decree) ডিক্রি প্রদানের তারিখ হতে ৩ বছর নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

এর পরে দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার শর্ত, যেখানে তামাদির সর্বোচ্চ সময়সীমা ১২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটা পূরণ করতে হবে। ৪৮ ধারা অনুযায়ী ডিক্রি জারির নতুন আবেদন (fresh application) দাখিল করার সর্বোচ্চ মেয়াদ ১২ বছর।
৮৭৩.
তামাদি আইনের কত ধার‍ায় তামাদির মেয়াদ গণনায় প্রতারনার ফলাফল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ?
  1. ধারা ১৮
  2. ধারা ১৯
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১৮ ধার‍ায় তামাদির মেয়াদ গণনায় প্রতারনার ফলাফল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রতারণার ফলাফল (Effect of Fraud): তামাদি আইনের ১৮ ধার‍া অনুসারে যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হয়, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাহাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করিবার জন্য যেই দলিল প্রয়োজনীয়, তাহা প্রতারণা করিয়া তাহার নিকট হইতে গোপন রাখা হইয়াছে, সেই সকল ক্ষেত্রে-
(ক) প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তাহার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যেই ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্য প্রকারে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে, তাহার বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন প্রতারণার কথা জানিতে পারে, সেইদিন হইতে অথবা দলিল গোপন করা হইয়া থাকিলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন হইতে অথবা দলিল গোপন করা হইয়া থাকিলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেইদিন দলিলটি উপস্থাপন করিতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উহা উপস্থাপন করিবার জন্য বাধ্য করিতে পারে, সেইদিন হইতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।
--------------------
The limitation Act 1908, Section 18, Effect of Fraud: Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded,
or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him,
the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

৮৭৪.
নিচের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না?
  1. আপিল
  2. দরখাস্ত দাখিল
  3. ডিক্রি জারি
  4. মোকদ্দমা দায়ের
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হবার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা শুধু মোকদ্দমা, কার্যক্রম, দরখাস্ত দাখিল কিংবা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৮৭৫.
তামাদি আইনের কোন ধারায় ‘‘Acquisition of right to easements’’ রয়েছে?
  1. ২৪ ধারায়
  2. ২৬ ধারায়
  3. ২৮ ধারায়
  4. ২৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ২৬ ধারায় সুখাধিকার অর্জনের (Acquisition of right to easements)  বিধান রয়েছে। ২৬ ধারা অনুযায়ী কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অথবা যে কোন সুখাধিকার অব্যাহতভাবে ২০ বছর (সরকারী সম্পত্তিতে ৬০ বছর) ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে উক্ত সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অনঙ্গনীয় অধিকারে পরিণত হবে।
♦অর্থাৎ ২৬ ধারামতে কোন দালানে আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার অথবা স্থল ও জল পথের ব্যবহার অথবা পানির ব্যবহার অব্যাহতভাবে ২০ বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করলে সুখাধিকার অর্জন করা যায়। সুখাধিকার দাবি করতে হলে উক্ত অধিকার ২০ বছর ধরে অব্যাহতভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করতে হবে। সরকারী সম্পত্তির উপর সুখাধিকার দাবি করতে হলে ৬০ বছর ধরে ভোগ করতে হবে।
৮৭৬.
বিদেশে অনুষ্ঠিত চুক্তির উপর তামাদি আইনের প্রভাব কী?
  1. দুই দেশের তামাদির বিধান গ্রহণযোগ্য হবে
  2. পক্ষদ্বয়ের ইচ্ছানুযায়ী যেকোনো এক দেশের বিধান গ্রহণযোগ্য হবে
  3. বাংলাদেশের আদালতে মামলা হলে, উক্ত তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে
  4. সকল ক্ষেত্রে বিদেশের আদালতের তামাদির বিধান বিধান প্রযোজ্য হবে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের আদালতে মামলা হলে, উক্ত তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের আদালতে মামলা হলে, উক্ত তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লিখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশি কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।
---------------------
⇒The Limitation Act, 1908: Section 11: Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act.
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.
৮৭৭.
The Limitation Act, 1908 এর ধারায় 'Legal Disability' বিষয়ে ‍উল্লেখ আছে?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ আইনগত অক্ষমতা/বৈধ অপারগতা (Legal Disability)- নাবালকত্ব, পাগল বা উম্মাদ অবস্থা অথবা নিবুদ্ধিতার কারণে মামলা দায়ের করতে অসমর্থ হওয়াকে আইনগত অক্ষমতা বা বৈধ অপারগতা (legal disability) বলে। কোন মামলা বা প্রসিডিংস দায়ের করার অধিকারী ব্যক্তি অথবা ডিক্রিজারির দরখাস্ত পেশ করার অধিকারী কোন ব্যক্তি যদি উক্ত মামলা, প্রসিডিংস বা দরখাস্ত পেশ করার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ যেদিন হতে গণনা শুরু হবে সেদিন নাবালক, পাগল বা উম্মাদ থাকেন তাহলে তিনি তার নাবালকত্ব, পাগলামি বা উম্মত্ততা শেষ হওয়ার পর ঐ একই মেয়াদের মধ্যে উক্ত মামলা, প্রসিডিংস বা দরখাস্ত দায়ের বা পেশ করতে পারবেন।

♦ মামলা করার কারণ সৃষ্টির সময় (cause of action) মামলা করার অধিকারী ব্যক্তি আইনগতভাবে মামলা করতে অপারগ হলে উক্ত ব্যক্তির তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬-৯ ধারা কার্যকর হবে। কোন ব্যক্তি যতদিন নাবালক, উম্মাদ বা জড়বুদ্ধ/নির্বোধ থাকে ততদিন তার তামাদির মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। অর্থাৎ নাবালকত্ব, উম্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ শুরু হবে। অন্যভাবে বলা যায়, আইনগত সক্ষমতা অর্জন না করা পর্যন্ত তামাদি সময়সীমা গণনা করা হয় না অর্থাৎ কোন ব্যক্তি আইনগতভবে সক্ষম হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী মামলা করতে পারবে।

♦ তামাদি আইনের ৬ ধারামতে আইনগত অপারগতা বা Legal Disability বলতে ৩টি বিষয়কে বুঝায়। যথা- ১) নাবালকত্ব (minor); ২) উন্মাদ (insane); এবং ৩) জড়বুদ্ধ/নির্বোধ (idiot)।
আইনগত অক্ষমতার বিধানসমূহ কেবলমাত্র বাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হয়, বিবাদীর অক্ষমতার ক্ষেত্রে নয় । 
কেবলমাত্র মূল মামলা ও ডিক্রি জারির দরখাস্তের ক্ষেত্রেই আইনগত অক্ষমতা প্রযোজ্য হয়- অন্য কোন ক্ষেত্রে নয় । 

অর্থাৎ তামাদি আইনের ৬ ধারায় আইনগত অক্ষমতা/বৈধ অপারগতা (Legal Disability) বিধান আছে।
৮৭৮.
মামলা দায়েরের জন্য একজন নাবালক নির্ধারিত তামাদি অতিরিক্ত সময় পায় কত দিন?
  1. ৩ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ২১ বছর বয়স পর্যন্ত
  4. সাবালকত্ব অর্জন পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রমঃ ৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
♦ তামাদি আইনের ৮ ধারামতে আইনগত অক্ষমতা শেষ হওয়ার পর তিন (৩) বছর অতিবাহিত হলে তামাদি মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ আইনগত অক্ষমতা শেষ হওয়ার তিন বছর পর মামলা করলে উক্ত মামলা খারিজ হবে।
♦ মামলা দায়েরের জন্য একজন নাবালক নির্ধারিত তামাদি অতিরিক্ত সময় পায় তিন (৩) বছর।
৮৭৯.
তামাদি আইনের কোন ধারার বিধান অনুসারে সুদ বা দায় পরিশোধের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদি গণনা শুরু হবে?
  1. ১২ ধারার
  2. ১৫ ধারার
  3. ২০ ধারার
  4. ২২ ধারার
সঠিক উত্তর:
২০ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২০ মূলত এই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি দেনাদার তার দায় (loan/debt) বা তার সুদ আংশিক বা পূর্ণরূপে পরিশোধ করে, অথবা লিখিতভাবে দায় স্বীকার করে, তাহলে যে তারিখে অর্থ পরিশোধ বা স্বীকারোক্তি দেওয়া হয়েছে, সেই তারিখ থেকে পুনরায় তামাদি গণনা শুরু হবে।

উদাহরণ:
আপনি কাউকে ১ লাখ টাকা ধার দিয়েছেন এবং সে পরিশোধের সময়সীমা পেরিয়ে গেছে। এরপর সেই ব্যক্তি ২ বছর পর ৫০০০ টাকা সুদ পরিশোধ করে বা একটি লিখিত স্বীকারোক্তি দেয় যে সে বাকি টাকা শোধ করবে।
- তখন সেই দিন থেকে আবার তামাদির সময় গণনা শুরু হবে, আগের সময় বাতিল হয়ে যাবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২০ বলছে: “Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made... a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made...”
অর্থাৎ, যদি কোনো দেনা বা ঐতিহ্যগত সুদ (interest on legacy) পরিশোধ করা হয়, এবং তা তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই করা হয়, তাহলে যেদিন সেই অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে, সেদিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

সঠিক উত্তর: গ) ২০ ধারার।
৮৮০.
তামাদি আইনের বিধান অনুসারে সাধারণ সম্পত্তির উপর সুখাধিকার অর্জনের জন্য কত বছর শান্তিপূর্ণ, প্রকাশ্য ও অব্যাহত ভোগ করতে হয়?
  1. ১২ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৬(১) এর বিধান অনুযায়ী, সাধারণ বেসরকারি সম্পত্তির উপর সুখাধিকার (Easement) অর্জনের জন্য ২০ (বিশ) বছর ধরে শান্তিপূর্ণ, প্রকাশ্য, অব্যাহতভাবে ও অধিকার দাবি করে ভোগ করতে হয়।
- তবে ধারা ২৬(২) অনুসারে, সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই সময়সীমা ৬০ (ষাট) বছর।
- সুতরাং, প্রশ্নে "সাধারণ সম্পত্তি" বলতে বেসরকারি সম্পত্তি বোঝায়, যার জন্য ২০ বছর ভোগ আবশ্যক।

⇒ তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবৎ শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলঙ্ঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।
(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা : এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

উদাহরণ:
(ক) পথ চলার অধিকারে বাধা প্রদানের জন্য ১৯১১ সালে একটি মামলা দায়ের করা হয়। বিবাদী বাধা প্রদানের কথা স্বীকার করে কিন্তু পথ চলার অধিকারের প্রতি অস্বীকৃতি জানায়। বাদী প্রমাণ করে যে, সে এই অধিকার ১৮৯০ সালের ১লা জানুয়ারি হইতে ১৯১০ সালের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত অব্যাহতভাবে উহাতে সুখাধিকার হিসাবে স্বত্ব দাবি করিয়া শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে। বাদী স্বীয় অনুকূলে রায় পাইবার অধিকারী।

(খ) অনুরূপ এক মামলায় বাদী দাবি করে যে, সে এই অধিকার শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে বিশ বৎসর যাবত ভোগ করিয়াছে, বিবাদী প্রমাণ করে যে, ঐ বিশ বৎসরের মধ্যে বাদী একবার এই অধিকার ভোগের জন্য তাহার অনুমতি প্রার্থনা করিয়াছিল। মামলাটি খারিজ হইয়া যাইবে।

৮৮১.
কোনো দলিল গোপন করার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির তামাদির মেয়াদ গণনা কখন শুরু হবে?
  1. দলিল গোপন করার দিন থেকে
  2. দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে
  3. দলিল তৈরি করার দিন থেকে
  4. আদালতে মামলা দায়েরের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) দলিল উপস্থাপনের দিন থেকে।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৮ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে কোনো দলিল গোপন করা হয়, এবং সেই দলিল তার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তাহলে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে: যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় অথবা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করতে বাধ্য করতে সক্ষম হয়, সেই দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.
৮৮২.
'সময়ের অবিরাম চলন' The Limitation Act, 1908 এর কত ধারার বিধান?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦The Limitation Act, 1908 এর ৯ ধারার বিধান হল একবার তামাদির মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়া শুরু করলে মোকদ্দমা দায়েরে পরবর্তি কোন অপারগতা (Disability) বা অক্ষমতা (Inability) দ্বারা তা বন্ধ হবে না। তবে যেক্ষেত্রে পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদের উপর অর্পিত হয়েছে সেক্ষেত্রে তার দায়িত্বপালঙ্কালীন সময়ে দেনার টাকা আদায়ে মোকদ্দমা দায়েরের মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।
♦অর্থাৎ 'সময়ের অবিরাম চলন' হল তামাদি আইনের ৯ ধারার বিধান।
৮৮৩.
তামাদি মেয়াদের পরে দেওয়ানি মামলা দায়ের করার ফল হচ্ছে-
  1. আরজি নাকচ
  2. আরজি ফেরৎ
  3. মামলা খারিজ
  4. কোর্ট ফি বাতিল
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত মোকদ্দমার ফলাফল: ৩ ধারার মূল বিধান হলো তামাদির মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত দেওয়ানি মোকদ্দমা খারিজ হবে।
♦ অর্থাৎ, প্রথম তফসিলে বর্ণিত নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার পর মোকদ্দমা, আপিল, দরখাস্ত দায়ের করলে বিবাদীপক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন না করলেও মোকদ্দমা খারিজ হবে।
৮৮৪.
কত বছরের মধ্যে দলিল সংশোধনের মামলা দায়ের করতে হয়?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
-The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯৬ এর বিধান ভুলের কারণে প্রতিকার লাভের মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর।
 
- প্রতারণা বা পক্ষগণের পারস্পরিক ভুলের কারণে লিখিত দলিল বা চুক্তি সত্যিকারভাবে পক্ষগণের উদ্দেশ (intention) প্রকাশ না করলে, প্রকৃত উদ্দেশ্য দলিলে সন্নিবেশ করার জন্য দলিল সংশোধন করা যায়।
 
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩১ ধারার অধীন দলিল সংশোধনের প্রতিকার শুধুমাত্র লিখিত চুক্তি সংশোধনের ক্ষেত্রে  বা অন্য যেকোনো লিখিত দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে  প্রযোজ্য হবে।
- দলিল সংশোধন করা আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা। (Discretionary Power)
- চুক্তি বা দলিলের পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিরা দলিল সংশোধনের জন্য মামলা করতে পারে।
-  দলিল সংশোধনের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর (‘তামাদি আইন, ১৯০৮' অনুচ্ছেদ ৯৫ ও ৯৬)।
---------------------------------
SR Act-Section-31. When instrument may be rectified:
-When, through fraud or a mutual mistake of the parties, a contract or other instrument in writing does not truly express their intention, either party, or his representative in interest, may institute a suit to have the instrument rectified; and if the Court find it clearly proved that there has been fraud or mistake in framing the instrument, and ascertain the real intention of the parties in executing the same, the Court may in its discretion rectify the instrument so as to express that intention, so far as this can be done without prejudice to rights acquired by third persons in good faith and for value.
৮৮৫.
তামাদি আইনের ধারা ২৮ কোন নীতিকে প্রতিফলিত করে?
  1. Criminal liability never ends
  2. Delay defeats equity
  3. Justice delayed is justice denied
  4. Possession is nine-tenths of the law
সঠিক উত্তর:
Delay defeats equity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Delay defeats equity
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ধারা ২৮ “Delay defeats equity” নীতিকে প্রতিফলিত করে।

এই নীতির অর্থ হলো-
যে ব্যক্তি দীর্ঘসময় ধরে নিজের অধিকার দাবি করেন না, আইনও আর তাকে সহায়তা করে না। তাই সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য নির্ধারিত তামাদি সময়সীমা (limitation period) অতিক্রম করলে— শুধু মামলা করার অধিকার নয়, সম্পত্তির অধিকারই বিলুপ্ত হয়ে যায়।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

৮৮৬.
তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুসারে, পরিশোধের স্বীকৃতি কীভাবে প্রদান করতে হবে?
  1. ঋণদাতার মৌখিক স্বীকৃতি
  2. আদালতের অনুমোদন
  3. পরিশোধকারীর হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
  4. কোনো স্বীকৃতি প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
পরিশোধকারীর হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিশোধকারীর হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) পরিশোধকারীর হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত লিখিত স্বীকৃতি।

তামাদি আইনের ২০ ধারা অনুসারে, সুদ পরিশোধের পর তামাদি মেয়াদ নবায়নের জন্য একটি লিখিত স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে।
- এটি হতে হবে পরিশোধকারী ব্যক্তির হস্তলিখিত বা স্বাক্ষরিত একটি লিখিত স্বীকৃতি।
- এটা মৌখিক বা অন্য কোনো অপ্রমাণিত উপায়ে হতে পারবে না।
- এটি সুদের পরিশোধের প্রমাণ হিসাবে ব্যবহৃত হবে, যা তামাদি মেয়াদ নবায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ The Limitation Act:- Section- 20. Effect of payment on account of debt as of interest on legacy:
(1) Where payment on account of a debt or of interest on a legacy is made before the expiration of the prescribed period by the person liable to pay the debt or legacy, or by his duly authorized agent, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the payment was made: 
Provided that, save in the case of a payment of interest made before the 1st day of January, 1928, an acknowledgment of the payment appears in the handwriting of, or in a writing signed by the person making the payment.
৮৮৭.
'ক' একটি নিলামে অংশগ্রহণ করে এবং আদালতের ডিক্রি জারির মাধ্যমে একটি সম্পত্তি ক্রয় করে। তবে, বিক্রয়টি বাতিলের জন্য তৃতীয় পক্ষ একটি মামলা দায়ের করে, যা ২ বছর ধরে চলে। 'ক' এই সময়ের পর দখল নিতে চাইলে তামাদি আইনের ১৬ ধারা অনুযায়ী সময় গণনা কীভাবে হবে?
  1. ২ বছর বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে
  2. নিলামের তারিখ থেকেই তামাদির সময় গণনা হবে
  3. বিক্রয় বাতিলের মামলা থাকলেও তামাদির মেয়াদ পরিবর্তন হবে না
  4. ক্রেতার দখল পাওয়ার জন্য নতুন করে সময় নির্ধারণ করা হবে না
সঠিক উত্তর:
২ বছর বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ১৬ ধারা নিলাম বিক্রয় সম্পর্কে বলা আছে-
ডিক্রি জারির বিক্রয়ে ক্রেতা কর্তৃক দখল লাভের জন্য দায়েরকৃত মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করার সময়, যে সময়কাল ধরে বিক্রয় বাতিলের জন্য কার্যধারা চালানো হয়েছে, সেই সময়কাল বাদ দেওয়া হবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending-
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৮৮৮.
অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলার তামাদির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮- অনুচ্ছেদ ৪৮- হারানো, চুরি বা অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার বা ক্ষতিপূরণের মামলা:

প্রযোজ্য ক্ষেত্র: এমন অস্থাবর সম্পত্তি যেটি-
▸ হারিয়ে গেছে,
▸ চুরি হয়েছে,
▸ অসাধুভাবে আত্মসাৎ (dishonest misappropriation) করা হয়েছে,
▸ অন্যায়ভাবে নেওয়া বা আটক রাখা হয়েছে।

মামলার ধরন: উক্ত সম্পত্তি ফেরত পাওয়া বা ক্ষতিপূরণ দাবিতে মামলা।
তামাদির মেয়াদ: ৩ বছর;
সময় গণনার শুরু: যেদিন সম্পত্তির অধিকারী প্রথমবার জানতে পারেন যে, ওই সম্পত্তি বর্তমানে কার নিকট আছে।

৮৮৯.
Easement Right কয়ভাবে অর্জন করা যায়?
  1. ১ ভাবে
  2. ২ ভাবে
  3. ৩ ভাবে
  4. ৬ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
♣ তামাদি আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী ২ ভাবে (ভোগ দখল ও ব্যবহার) Easement Right অর্জন হয়।
৮৯০.
দলিলের সময় গণনা ক্ষেত্রে কোন বর্ষপঞ্জি অনুসরণ করতে হবে?
  1. গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জি
  2. বাংলা বর্ষপঞ্জি
  3. আরবী বর্ষপঞ্জি
  4. শাস্ত্রীয় বর্ষপঞ্জি
সঠিক উত্তর:
গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জি
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ২৫ ধারায় দলিলে উল্লেখিত সময় গণনার বিধান রয়েছে। তামাদি আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে যাবতীয় দলিল গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জী (Gregorian calendar) অনুসারে প্রণীত বলে বিবেচীত হবে।
৮৯১.
যদি কোন দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ তফসিলে উল্লেখিত না থাকে, তবে কখন থেকে তামাদি মেয়াদ শুরু হবে?
  1. দরখাস্ত দায়েরের তারিখ থেকে
  2. অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
  3. আদালতের আদেশের তারিখ থেকে
  4. দরখাস্ত দাখিলের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১:
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।
৮৯২.
রাশেদ ১ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখে করিমের জমিতে অনধিকার প্রবেশ করে। করিম ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা করতে চান। সর্বোচ্চ কোন তারিখের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২১
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২২
  3. ১ জানুয়ারি, ২০২৩
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৩
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- গ) ১ জানুয়ারি ২০২৩।

The Limitation Act, 1908–এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৩৯ অনুযায়ী, স্থাবর সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ (trespass)–এর জন্য-
ক্ষতিপূরণ দাবির তামাদি মেয়াদ = ৩ বছর
তামাদি গণনা শুরু হবে = অনধিকার প্রবেশের তারিখ থেকে

এখানে,
অনধিকার প্রবেশের তারিখ: ১ জানুয়ারি ২০২০;
তামাদি মেয়াদ: ৩ বছর;
সুতরাং সর্বশেষ মামলা দায়েরের তারিখ হবে: ১ জানুয়ারি ২০২৩।

৮৯৩.
তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদের হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. ১৫০
  2. ১৫১
  3. ১৫৩
  4. ১৫৫
সঠিক উত্তর:
১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫১
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদের বিধান: হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ২০ দিন।

-অর্থাৎ তামাদি আইনের ১ম তফসিলের ১৫১ অনুচ্ছেদের হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ২০ দিন উল্লেখ আছে।

-তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগ করে প্রদত্ত কোনো ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার নির্ধারিত সময়সীমা হলো ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ২০ দিন।

-অর্থাৎ, হাইকোর্ট বিভাগের আদি এখতিয়ার প্রয়োগে কোনো মামলার ক্ষেত্রে যে চূড়ান্ত রায় বা আদেশ দেওয়া হয়, সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হলে আবেদনকারীকে সেই রায় বা আদেশের তারিখ থেকে ২০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। ২০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার কারণে আবেদনটি গ্রহণযোগ্য হবে না বা তামাদি হয়ে যাবে।

৮৯৪.
তামাদি আইন ১৯০৮-এর Section 14-এর অধীনে সময়সীমা বাদ দেওয়ার জন্য কোন শর্ত বাধ্যতামূলক? 
  1. মামলা ফৌজদারি হতে হবে
  2. বাদী অবশ্যই আপিল করতে হবে
  3. মামলা সরকারের বিরুদ্ধে হতে হবে 
  4. বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদীকে মামলাটি সৎ বিশ্বাসে দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৪ এর মূল উদ্দেশ্য হল যদি কোনো ব্যক্তি যথাযথ যত্ন (due diligence) এবং সৎ বিশ্বাসে (good faith) একটি দেওয়ানি মামলা বা দরখাস্ত এমন কোনো আদালতে দায়ের করেন যেটি এখতিয়ারগত ত্রুটির কারণে সেই মামলার বিচার করতে অক্ষম, তবে উক্ত মামলায় যে সময় ব্যয় হয়, তা বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

এখানে "সৎ বিশ্বাসে" দায়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
- কারণ যদি বাদী জানার পরও ভুল আদালতে মামলা করেন বা ইচ্ছাকৃতভাবে এখতিয়ারবিহীন আদালতে মামলা করেন, তাহলে সেটা “সৎ বিশ্বাসে” ধরা হবে না।
- সৎ বিশ্বাসের মানে হলো যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ সহকারে, ভুল না করে, বিশ্বাসযোগ্য ও ন্যায্য উদ্দেশ্যে মামলা করা।

⇒ তামাদি আইনের ১৪ ধারার বিধান এখতিয়ারবিহীন আদালতে সৎ উদ্দেশ্যে দায়ের করা কার্যধারায় যেই সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে:
(১) কোনো মামলা দায়েরের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে, বাদী মূল বা আপিল আদালতে বিবাদির বিরুদ্ধে যদি অন্য একটা দেওয়ানি কার্যক্রম যথাবিহিত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত মামলা ও কার্যক্রমের কারণ যদি একই হয় এবং এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোনো কারণে যে আদালত শেষোক্ত কার্যক্রমের বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয়, সেই আদালতে যদি সৎবিশ্বাসে তা দায়ের করা হয়ে থাকে, তবে কার্যক্রমে যে সময় ব্যয়িত হয়, মামলার মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।
(২) কোন দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে দরখাস্তকারী মূল বা আপিল আদালতে একই পক্ষের বিরুদ্ধে যদি অন্য একটি দেওয়ানি কার্যধারা যথোপযুক্ত যত্ন সহকারে চালাতে থাকে এবং তাতে একই প্রতিকার দাবি করা হয়ে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে এখতিয়ার নিয়ে ত্রুটি বা অনুরূপ অন্য কোন কারণে যে আদালতে শেষোক্ত কার্যধারার বিচার করার ক্ষমতা সম্পন্ন নয় সেই আদালতে সৎবিশ্বাসে উপরোক্ত কার্যধারা দায়ের করা হয়ে থাকলে শেষোক্ত কার্যধারায় যে সময় ব্যয়িত হয়, উপরোক্ত দরখাস্তের মেয়াদ গণনা হতে তা বাদ দিতে হবে।
ব্যাখ্যা-১: যে সময়ের জন্য পূর্ববর্তী মামলা বা দরখাস্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল তা বাদ দিতে, যে ঐ মামলা বা দরখাস্ত রুজু বা দাখিল করা হয়েছিল এবং যে দিন তাদের কার্যধারা শেষ হয়েছিল, উভয় দিনই গণনা করতে হবে।
ব্যাখ্যা-২: এ ধারার উদ্দেশ্যে যে বাদী বা দরখাস্তকারী আপিলে বিরোধিতা করছে, সে কার্যধারা চালাচ্ছে বলে গণ্য হবে ।
ব্যাখ্যা-৩: এ ধারার উদ্দেশ্যে ভুল পক্ষভুক্তি বা মামলার কারণভুক্তি, এখতিয়ারগত ত্রুটির ন্যায় একই প্রকৃতির কারণ বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Limitation Act:- Section- 14. Exclusion of time of proceeding bona fide in Court without jurisdiction:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the plantiff has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the defendant, shall be excluded, where the proceeding is founded upon the same cause of action and is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for any application, the time during which the applicant has been prosecuting with due diligence another civil proceeding, whether in a Court of first instance or in a Court of appeal, against the same party for the same relief shall be excluded, where such proceeding is prosecuted in good faith in a Court which, from defect of jurisdiction, or other cause of a like nature, is unable to entertain it. 
Explanation I: - In excluding the time during which a former suit or application was pending, the day on which that suit or application was instituted or made, and the day on which the proceedings therein ended, shall both be counted. 
Explanation II: - For the purposes of this section, a plaintiff or an applicant resisting an appeal shall be deemed to be prosecuting a proceeding.  
Explanation III: - For the purposes of this section misjoinder of parties or of causes of action shall be deemed to be a cause of a like nature with defect of jurisdiction.

৮৯৫.
তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-
  1. চুক্তি আইন,১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
  2. বিবাহ বিচ্ছেদ আইন,১৯৬৯ এর ক্ষেত্রে
  3. বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ অনুসারে, তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়-

⇒ বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা
⇒ চুক্তি আইন,১৮৭২ এর ২৫ ধারার ক্ষেত্রে
⇒ বিবাহ বিচ্ছেদ আইন মোতাবেক আনীত মামলার ক্ষেত্রে
⇒ সুখাধিকার আইন, ১৮৮২ এর আওতাভূক্ত এলাকা থেকে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত "সুখাধিকার" এর সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

ধারা ২৯-

(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।
৮৯৬.
মুচলেকা, বিনিময়পত্র, প্রত্যয়নপত্র বা প্রতিজ্ঞাপত্ৰ সম্পর্কে যে কোন মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ৬৬ থেকে ৮০ পর্যন্ত মুচলেকা [bond], বিনিময়পত্র [bill of exchange], প্রত্যয়নপত্র বা প্রতিজ্ঞাপত্ৰ [promissory note] সম্পর্কে কোন মামলা দায়েরের সময় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিনিময়পত্র, প্রত্যয়নপত্র, প্রতিজ্ঞাপত্র এবং মুচলেকা সম্পর্কে যে কোন মামলার তামাদির মেয়াদ ৩ বছর হবে।
৮৯৭.
চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের কোন মামলায় যেক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত নেই সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে-
  1. অস্বীকৃতির বিষয় জানায় তারিখ হতে
  2. আইন জানার তারিখ থেকে
  3. চুক্তির বিষয়ে জানার তারিখ হতে
  4. চুক্তি নিবন্ধনের তারিখ হতে
সঠিক উত্তর:
অস্বীকৃতির বিষয় জানায় তারিখ হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্বীকৃতির বিষয় জানায় তারিখ হতে
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা দায়েরর তামাদির মেয়াদ ১ বছর।
♦তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে চুক্তি পালনের জন্য নির্ধারিত তারিখ হতে অথবা যখন অনুরুপ কোন তারিখ নির্দিষ্ট না থাকে, তখন বাদী যখন অবগত হয় যে চুক্তি পালন অস্বীকৃত হয়েছে তখন হতে। 
৮৯৮.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর কোন ধারা বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর মামলা সংক্রান্ত?
  1. ধারা ১০
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908)-এর ধারা ১১ (Section 11) হলো:
- "Suits on foreign contracts" অর্থাৎ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলা সংক্রান্ত ধারা।
- বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।
- তবে যদি, সেই বিধি অনুসারে চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

(১) উপধারা:
বাংলাদেশে দায়েরকৃত সেই সব মামলা যেগুলি বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির ভিত্তিতে হয়, তাদের তামাদি গণনা হবে বাংলাদেশের তামাদি আইন অনুযায়ী।  অর্থাৎ, বাংলাদেশের আইনই প্রযোজ্য, বিদেশি তামাদি আইন নয়।
(২) উপধারা: কোনো বিদেশি তামাদি বিধান সাধারণভাবে প্রতিরক্ষা (defence) হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে, যদি সেই বিদেশি আইন চুক্তিটিকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত (extinguished) করে দেয় এবং চুক্তির উভয় পক্ষ সেই বিদেশি দেশে বসবাসরত (domiciled) থাকে তামাদি মেয়াদের পুরো সময়কাল, তবে সেই ক্ষেত্রে বিদেশি তামাদি আইন গ্রহণযোগ্য হতে পারে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section-11. Suits on foreign contracts:
(1) Suits instituted in Bangladesh on contracts entered into in a foreign country are subject to the rules of limitation contained in this Act. 
(2) No foreign rule of limitation shall be a defence to a suit instituted in Bangladesh on a contract entered into in a foreign country, unless the rule has extinguished the contract and the parties were domiciled in such country during the period prescribed by such rule.

৮৯৯.
The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. শুধু মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ গণনা  করতে 
  2. শুধু আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
  3. আপীলের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
  4. মোকদ্দমা বা আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বা আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা বা আবেদনের তামাদির মেয়াদ গণনা করতে 
ব্যাখ্যা

ধারা-১৭। মামলা করিবার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:
(১) যেই ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হইতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি উক্ত মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার যোগ্যতাসম্পন্ন হইবার সময় হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।
(২) যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে তাহার বিরুদ্ধে কেহ একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকার লাভ করিতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে যখন মৃত ব্যক্তির এইরূপ কোনো আইনানুগ প্রতিনিধি থাকিবে, যাহার বিরুদ্ধে বাদী মামলা দায়ের বা দরক্ষাস্ত দাখিল করিতে পারিবে, তখন হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।
(৩) সম্পত্তি প্রয়োগের অগ্রাধিকার প্রয়োগের মামলা অথবা স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দখল বা বংশগত কোনো পদলাভ সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে উপরোক্ত (১) ও (২) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য নহে।
----------
17, Effect of death before right to sue accrues:
(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application.
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application.
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.

৯০০.
সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে ইজমেন্ট অধিকার অর্জনের জন্য কত বছরের শান্তিপূর্ণ ভোগ প্রয়োজন?
  1. ২০ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৯০ বছর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৬(২) অনুসারে, সাধারণ সম্পত্তির ক্ষেত্রে ইজমেন্ট (সুবিধাভোগী অধিকার) অর্জনের জন্য ২০ বছর শান্তিপূর্ণ, নিরবচ্ছিন্ন ও অধিকার হিসেবে ভোগ করতে হয়। তবে যদি সম্পত্তিটি সরকারি হয়, সেক্ষেত্রে ৬০ বছর ভোগ করতে হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৬ ‘সুখাধিকার’ (Easement) সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। 
এই ধারা অনুযায়ী:
সুখাধিকারের সংজ্ঞা ও অর্জন: সুখাধিকার বলতে এমন অধিকার বোঝায় যা কোনো চুক্তি ছাড়াই উদ্ভূত হয়, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যের সম্পত্তির কোনো অংশ (যেমন, মাটি, গাছপালা, বা অন্য কিছু) নিজের লাভের জন্য ব্যবহার বা অপসারণ করতে পারে। ধারা ২৬(১) বলে, যদি কেউ শান্তিপূর্ণভাবে, প্রকাশ্যে এবং অধিকার হিসেবে ২০ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে আলো, বাতাস, পথ, পানি বা অন্য কোনো সুখাধিকার উপভোগ করে, তবে তা পরম ও অবিচ্ছেদ্য অধিকার হিসেবে গণ্য হবে।
সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে: ধারা ২৬(২) অনুযায়ী, যদি সুখাধিকার সরকারি সম্পত্তির উপর দাবি করা হয়, তবে ২০ বছরের পরিবর্তে ৬০ বছরের সময় প্রয়োজন।
মামলার সময়সীমা: সুখাধিকার দাবি করার জন্য মামলা দায়ের করতে হলে, ২০ বছরের উপভোগের সময়টি মামলা দায়েরের ২ বছরের মধ্যে শেষ হতে হবে।
-------- 
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 26: Acquisition of right to easements-
(1) Where the access and use of light or air to and for any building have been peaceably enjoyed therewith as an easement, and as of right, without interruption, and for twenty years, and where any way or watercourse, or the use of any water, or any other easement (whether affirmative or negative) has been peaceably and openly enjoyed by any person claiming title thereto as an easement and as of right without interruption, and for twenty years, the right to such access and use of light or air, way, water-course, use of water, or other easement shall be absolute and indefeasible.
Each of the said periods of twenty years shall be taken to be a period ending within two years next before the institution of the suit wherein the claim to which such period relates is contested.
(2) Where the property over which a right is claimed under sub-section (1) belongs to the Government, that sub-section shall be read as if for the words “twenty years” the words “sixty years” were substituted.
Explanation - Nothing is an interruption within the meaning of this section, unless where there is an actual discontinuance of the possession or enjoyment by reason of an obstruction by the act of some person other than the claimant, and unless such obstruction is submitted to or acquiesced in for one year after the claimant has notice thereof and of the person making or authorising the same to be made.