বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ছয়দফা ও ছয়দফা আন্দোলন [Old Syllabus]

মোট প্রশ্ন৩৯৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ছয়দফা ও ছয়দফা আন্দোলন [Old Syllabus]

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৩৯৪

১০১.
ঐতিহাসিক ছয় দফার ষষ্ঠ দফার বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  2. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  3. রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  4. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১০২.
আনুষ্ঠানিকভাবে কত তারিখে ৬ দফা ঘোষণা করা হয়?
  1. ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা ঘোষণা:

• ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন।
• এটাই ইতিহাসে 'ছয় দফা কর্মসূচি' নামে পরিচিত।
• ৬ দফা উত্থাপন করা হয় মোট ৩বার। 
• প্রথমবার ৫-৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরের বিরোধী দলীয় সম্মেলনে।
• দ্বিতীয়বার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে অনানুষ্ঠানিকভাবে।
• তৃতীয়বার ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
• বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা পূর্ব পাকিস্তানের ম্যাগনাকার্টা বলা হয়- ৬ দফাকে।
• ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা রুহুল কুদ্দুস। তিনি একজন সি এস পি কর্মকর্তা ছিলেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া। 
১০৩.
ছয় দফা আন্দোলনের ৫ম দফাটি কী ছিল?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  4. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- আওয়ামী লীগ এ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকাটা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত। 

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা। 
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা।
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৪.
'ছয় দফা' কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে
  2. খ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  3. গ) ২৬ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  4. ঘ) ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১০৫.
ছয় দফার কতটি দফা অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট নয়?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
- এই ৬ দফার মধ্যে ৩ টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩ টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক দাবি ছিল।

ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০৬.
আওয়ামী লীগের ৬-দফা পেশ করা হয়েছিল - 
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
• ৬ দফা দাবি পেশ করা হয়: ১৯৬৬ সালে। 
----------------- 
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।

ঐতিহাসিক ছয় দফার দফাসমূহ:
• প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
• দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)
• তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
• চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
• পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
• ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৭.
ছয় দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. ম্যাগনাকার্টা
  2. পিটিশন অব রাইটস
  3. মুখ্য আইন
  4. মুক্তির প্রথা
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনাকার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।

- ৬ দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য-পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনা কার্টা’ বা বাঙালি জাতির 'মুক্তির সনদ'ও বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ম্যাগনা কার্টা হল ইংরেজদের রাজনৈতিক স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদানকারী একটি দলিল যা রাজা জন তার বিদ্রোহী ব্যারন বা অভিজাতদের চাপে ১৫ জুন, ১২১৫ সালে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- এটিকে বলা হয় ব্রিটিশ গঠনতন্ত্রের বাইবেল।
- এর শর্ত গুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে, রাজা প্রতিনিধি স্থানীয় লোকদের অনুমোদন ছাড়া কারো স্বাধীনতায় এবং সম্পত্তিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না।

উৎস:  অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাপিডিয়া এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি,  যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।।
১০৮.
৬-দফা দাবি কোথায় উত্থাপিত হয়?
  1. ঢাকা
  2. লাহোর
  3. দিল্লি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
লাহোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ৬ দফা দাবি পেশ করা হয়: ১৯৬৬ সালে। 
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।

ঐতিহাসিক ছয় দফার দফাসমূহ:
• প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
• দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)
• তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
• চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
• পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
• ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৯.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. বিল অব রাইটস
  2. ম্যাগনাকার্টা
  3. পিটিশন অব রাইটস
  4. মূখ্য আইন
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনাকার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয়দফা: 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনাকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা রুহুল কুদ্দুস।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

উল্লেখ্য,
- প্রতিবছর ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা পালিত হয়।
- ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন আওয়ামী লীগের ডাকে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় হরতাল চলাকালে পুলিশ ও ইপিআর নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালায়।
- এতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, মুজিবুল হকসহ অনেকে শহীদ হন। 

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii)  ৭ জুন ২০২৩, প্রথম আলো।
১১০.
ছয়দফা প্রস্তাবনায় কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে কতটি বিষয় ন্যস্ত হওয়ার কথা বলা হয়?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
ক) দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুইটি
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
এগুলো হলো:
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে
- ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।
- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
- ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১১১.
ছয়দফা আন্দোলন ছিল বাঙালির -
  1. ক) রাজনৈতিক মুক্তির আন্দোলন
  2. খ) সামাজিক আন্দোলন
  3. গ) শিক্ষা মুক্তির আন্দোলন
  4. ঘ) অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ঘ) অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ছয়দফা দাবি
- ছয়দফা দাবিকে বাঙালির ‘মুক্তিসনদ' বলা হয়।
- ছয়দফা আন্দোলনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় শাসক গোষ্ঠীর শোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হয়।
- ভাষার দাবিতে হয় ভাষা আন্দোলন।
- ছাত্রদের দাবি ভিত্তিক হয় শিক্ষা আন্দোলন।
- ছয়দফার আন্দোলন ছিল বাঙালির অর্থনৈতিক মুক্তির আন্দোলন।
- কিন্তু ছয়দফার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিলেন বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর সংগঠন আওয়ামী লীগ।
- এ আন্দোলনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জাতীয় নেতায় পরিণত হন।
- ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে ৬ দফা দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যে নির্বাচনী মেনিফেস্টো প্রচার করে তাতে ছয়দফা দাবিগুলি সন্নিবেশিত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু ছয়দফাকে নির্বাচনী ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১২.
১৯৬৬ সালের ৬ দফার কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
  1. ৪ টি
  2. ৩ টি
  3. ২ টি
  4. ১ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
ছয় দফায় অর্থনীতি বিষয়ক দফা:
অর্থনৈতিক বিষয়ক দফা ছিল তিনটি। এগুলো হলো: 
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা।

• ছয় দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।


উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১১৩.
ঐতিহাসিক ৬-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. ক) বিল অব রাইটস
  2. খ) ম্যাগনাকার্টা
  3. গ) পিটিশন অব রাইটস
  4. ঘ) মুখ্য আইন
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগনাকার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অর্থনৈতিক বৈষম্য থেকে মুক্তির জন্য ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন।
- এ কর্মসূচিকে বাংলার জনগণ ম্যাগনাকার্টা হিসেবে গ্রহণ করে। স্বয়ং বঙ্গবন্ধু এ ছয় দফাকে পূর্ব পাকিস্তানের 'বাঁচার দাবি' বলে অভিহিত করেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১১৪.
ঐতিহাসিক ছয় দফার পঞ্চম দফা কোনটি?
  1. রাজস্ব
  2. বৈদেশিক মুদ্রা
  3. শুল্কনীতি
  4. প্রতিরক্ষা
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক মুদ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক মুদ্রা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১১৫.
ছয় দফার কোন দফায় লাহোর প্রস্তাবকে ভিত্তি করা হয়েছে?
  1. ক) ২য় দফা
  2. খ) ১ম দফা
  3. গ) ৩য় দফা
  4. ঘ) ৫ম দফা
সঠিক উত্তর:
খ) ১ম দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ম দফা
ব্যাখ্যা

ছয় দফা কর্মসূচি
পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠী কর্তৃক পূর্ব বাংলাকে শোষণের বিরুদ্ধে ছয় দফা কর্মসূচি ছিল তীব্র প্রতিবাদ আর বাঙালির অধিকার আদায়ের সনদ বা মুক্তিসনদ । ছয় দফা কর্মসূচি ছিল নিম্নরূপ :
১ম দফা : লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানের জন্য সত্যিকার অর্থে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে । সরকার হবে সংসদীয় পদ্ধতির । সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সকল প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটে জাতীয় ও প্রাদেশিক আইনসভাগুলো গঠিত হবে ।
২য় দফা : যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের হাতে থাকবে দেশরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়। অবশিষ্ট সকল বিষয় প্রদেশের হাতে থাকবে ।
৩য় দফা : দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু থাকবে অথবা দেশের দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে। তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা ও মূলধন অন্য অঞ্চলে পাচার হতে না পারে।
৪র্থ দফা : সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে তবে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নির্বাহের জন্য আদায় কৃত অর্থের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে ।
৫ম দফা : বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক মুদ্রার উপর প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা থাকবে। সকল প্রকার বৈদেশিক চুক্তি ও সহযোগিতার ব্যাপারে প্রাদেশিক সরকার দায়িত্ব পালন করবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা যুক্তিযুক্ত হারে উভয় সরকার কর্তৃক মেটানো হবে।
৬ষ্ঠ দফা : আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য আঞ্চলিক সরকারগুলো স্বীয় কর্তৃত্বাধীন আধা সামরিক বাহিনী (প্যারা মিলিশিয়া) গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে ।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৬.
বাঙালি জাতির 'মুক্তির সনদ' কোনটি?
  1. ৬ দফা
  2. ১১ দফা
  3. ২১ দফা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- আওয়ামী লীগ এ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা 'ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির 'মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকাটা' হিসাবে পরিচিত। 

ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
• দফা গুলো হলো:
প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৭.
ঐতিহাসিক ছয় দফার ষষ্ঠ দফা কী ছিল?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌,
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৮.
ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির দ্বিতীয় দফা -
  1. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  4. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১৯.
ঐতিহাসিক ৬-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. বিল অব রাইটস
  2. ম্যাগনাকার্টা
  3. পিটিশন অব রাইটস
  4. মুখ্য আইন
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনাকার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা
• ৬ দফা:
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
-  ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব। পরবর্তীকালে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার হয়।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনাকার্টা’ বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।

• ৬ দফার দাবিসমূহ নিম্নরূপ:
১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
৪. রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক ক্ষমতা।
৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১, পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১২০.
ছয় দফার চতুর্থ দফা কী বিষয়ক ছিল?
  1. মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
  2. প্রতিরক্ষা বিষয়ক
  3. রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
ব্যাখ্যা
ছয় দফার চতুর্থ দফা: রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
- প্রাদেশিক সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য ও কর আদায়ের ক্ষমতা।
- তবে প্রদেশে আদায়কৃত রাজস্বের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অংশ কেন্দ্রে প্রেরণ করতে হবে যা রিজার্ভ ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
- এভাবে ফেডারেল সরকারের তহবিল সমৃদ্ধ হবে।

অন্যান্য দফার বিষয়বস্তু: 
প্রথম দফা: পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রকৃতি ও শাসনতন্ত্র
দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রিয় সরকারের ক্ষমতা
তৃতীয় দফা: মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
পঞ্চম দফা: বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য
ষষ্ঠ দফা: প্রতিরক্ষা বিষয়ক

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২১.
কোনটি মারী চুক্তির বিষয়বস্তু নয়?
  1. ক) পাকিস্তানে দুটি প্রদেশ থাকবে
  2. খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা
  3. গ) বাংলা ও উর্দু উভয়ই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে
  4. ঘ) পৃথক মুদ্রা থাকবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) পৃথক মুদ্রা থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পৃথক মুদ্রা থাকবে
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান দ্বিতীয় গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৫৫ সালের ৭ জুলাই পশ্চিম পাকিস্তানের মারীতে।
- দ্বিতীয় গণপরিষদ সদস্যগণ সংবিধান প্রণয়ন সম্পর্কে একটি চুক্তি সম্পাদন করেন, যা মারী চুক্তি' নামে খ্যাত।

এ চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল নিম্নরুপ - 
১. পাকিস্তানে দুটি প্রদেশ থাকবে। একটি গঠিত হবে ‘পূর্ব বাংলা' নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান’ নামে এবং পশ্চিম পাকিস্তানের সকল প্রদেশকে নিয়ে একটি ইউনিট গঠিত হবে এবং এর নাম হবে ‘পশ্চিম পাকিস্তান।
২. প্রদেশ দুটিতে পূর্ণ আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হবে।
৩. উভয় প্রদেশে সংখ্যাসাম্য নীতি’ (Principle of Parity) অনুসরণ ও কার্যকর করা হবে।
৪. যুক্ত নির্বাচন ব্যবস্থা কার্যকর হবে।
৫. বাংলা ও উর্দু উভয়ই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে ।

- মারী চুক্তির ফলে পাকিস্তানের জন্য একটি সংবিধান প্রণয়নের সুযােগ সৃষ্টি হয়।
- ছয় দফার তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।

তথসুত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১২২.
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় কোথায়?
  1. ঢাকায়
  2. লাহোরে
  3. করাচিতে
  4. রাওয়ালপিন্ডিতে
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।

ছয় দফা:
- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১২৩.
ঐতিহাসিক ৬ দফার কয়টি দাবি অর্থনীতি বিষয়ক?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো। 
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১২৪.
৬ দফার পঞ্চম দফা কোনটি?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  2. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা,
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১২৫.
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ছয় দফা দাবি সংক্রান্ত পুস্তিকাটির নাম কী ছিলো?
  1. বাংলাদেশের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি
  2. পূর্ব বাংলার বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি
  3. আমাদের বাঁচার চাবি: ৬ দফা কর্মসূচি
  4. আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি
সঠিক উত্তর:
আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৯৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে চৌধুরী মোহাম্মদ আলীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন।
- ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, ছয় লক্ষ বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। ছয়দফা রচিত হয় লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে।
- এরপর ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ ও প্রচার করা হয়।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সঙ্গে মিল রেখে।
- ছয় দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য ছিল- পাকিস্তান হবে একটা ফেডারেল রাষ্ট্র।

• ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি:
- ১ম দফা: শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
- ২য় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
- ৩য় দফা: মুদ্রা ও অর্থ বিষয়ক ক্ষমতা।
- ৪র্থ দফা: কর বা রাজস্ব বিষয়ক ক্ষমতা।
- ৫ম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা।
- ৬ষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক মিলিশিয়া বাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

• এছাড়াও -
- ৬ দফা উত্থাপন করা হয় মোট ৩বার।
- উত্থাপনকারী- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রথমবার ৫-৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরের বিরোধী দলীয় সম্মেলনে।
- দ্বিতীয়বার ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ সালে অনানুষ্ঠানিকভাবে।
- তৃতীয়বার ২৩ মার্চ ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা পূর্ব পাকিস্তানের ম্যাগনাকার্টা বলা হয়- ৬ দফাকে।
- ছয় দফা দিবস পালিত হয়ে আসছে- ৭ জুন।
- ছয় দফার অর্থনীতি বিষয়ক দাবি- ৩টি (৩য়, ৪র্থ, ৫ম)।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া, দৈনিক কালের কণ্ঠ।
১২৬.
ছয় দফার ৬নং দফার আলোচ্য বিষয়টি কোনটি?
  1. ক) প্রতিরক্ষা বিষয়ক
  2. খ) মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
  3. গ) রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. ঘ) বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য
সঠিক উত্তর:
ক) প্রতিরক্ষা বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রতিরক্ষা বিষয়ক
ব্যাখ্যা
ছয় দফা
• পাক-ভারত যুদ্ধ সমাপ্ত হলে ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে নিখিল পাকিস্তান জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
• শেখ মুজিবুর রহমান সম্মেলনে যোগদানের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন।
• এতে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীকার আন্দোলনের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মোট ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন।

ঐতিহাসিক ছয় দফার দফাসমূহ
• প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
• দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)
• তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
• চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
• পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৭.
ছয়দফার কোন দফায় পাকিস্তানের দুই অংশের জন্যে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকার বিষয়টি উল্লেখিত রয়েছে?
  1. তৃতীয় দফা
  2. চতুর্থ দফা
  3. পঞ্চম দফা
  4. ষষ্ঠ দফা
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম দফা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
ছয়দফা দাবীসমূহ হলো:
প্রথম দফা:
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে
দ্বিতীয় দফা:
- ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে
তৃতীয় দফা:
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে
চতুর্থ দফা:
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে
পঞ্চম দফা:
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
ষষ্ঠ দফা:
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।

- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
- ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১২৮.
ছয় দফার তৃতীয় দফা কী সম্পর্কে ছিল?
  1. প্রতিরক্ষা
  2. বাণিজ্য
  3. মুদ্রা
  4. ট্যাক্স
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা
ব্যাখ্যা
ছয় দফার তৃতীয় দফা:
এই দফায় মুদ্রা সম্পর্কে দুটি বিকল্প প্রস্তাব দেয়া হয়। এর যে কোনো একটি গ্রহণের প্রস্তাব রাখা হয়:
(ক) পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুইটি সম্পূর্ণ পৃথক অথচ সহজে বিনিয়োগযোগ্য মুদ্রার প্রচলন করতে হবে। এই ব্যবস্থা অনুসারে কারেন্সি কেন্দ্রের হাতে থাকবে না, আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। দুই অঞ্চলের জন্য দুইটি স্বতন্ত্র 'স্টেট' ব্যাংক থাকবে।
(খ) দুই অঞ্চলের জন্য একই কারেন্সি থাকবে। এই ব্যবস্থায় মুদ্রা কেন্দ্রের হাতে থাকবে। কিন্তু এ অবস্থায় শাসনতন্ত্রে এমন সুনির্দিষ্ট বিধান থাকতে হবে যাতে পূর্ব পাকিস্তানের মুদ্রা পশ্চিম পাকিস্তনে পাচার হতে না পারে। এই বিধানে পাকিস্তানের একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থাকবে। দুই অঞ্চলে দুইটি পৃথক রিজার্ভ ব্যাংক থাকবে।

অন্যান্য দফা: 
প্রথম দফা: ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানকে একটি সত্যিকার ফেডারেশনরূপে গড়তে হবে। 
দ্বিতীয় দফা: ফেডারেশন সরকারের এখতিয়ারে কেবল দেশরক্ষা ও পররাষ্ট্রীয় ব্যাপার এই দুটি বিষয় থাকবে। অবশিষ্ট সমস্ত বিষয় স্টেটসমূহের (বর্তমান ব্যবস্থায় যাকে প্রদেশ বলা হয়) হাতে থাকবে।
চতুর্থ দফা: সকল প্রকার ট্যাক্স-খাজনা-কর ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা থাকবে আঞ্চলিক সরকারের হাতে। 
পঞ্চম দফা:. এই দফায় বৈদেশিক বাণিজ্য ব্যাপারে শাসনতান্ত্রিক বিধানের সুপারিশ করা হয়।
ষষ্ঠ দফা: এই দফায় পূর্ব পাকিস্তানে মিলিশিয়া বা প্যারা মিলিটারি রক্ষীবাহিনী গঠনের সুপারিশ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৯.
ঐতিহাসিক 'ছয়-দফা' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন—
  1. ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
  2. ২৩ মার্চ ১৯৬৬
  3. ২৬ মার্চ ১৯৬৬
  4. ৩১ মার্চ ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।

- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩০.
ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস কবে?
  1. ২৬ মার্চ
  2. ৭ জুন
  3. ১ আগস্ট
  4. ২৩ জুন
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা দিবস: 
ছয় দফা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আসে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১১ দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সর্বশেষ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়। 

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ছয় দফা উত্থাপন করেন।
- পরবর্তীতে ১৮-২০ মার্চ ১৯৬৬ আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সভায় ৬ দফা গৃহিত হয়।
- পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
- ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়।
-  ছয় দফার সমর্থনে ১৯৬৬ সালের ১৩ মে আওয়ামী লীগ আয়োজিত পল্টনের জনসভায় ৭ জুন হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
- ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।  
১৩১.
ছয় দফা কর্মসূচি ১৯৬৬ সালের কত তারিখে পেশ করা হয়?
  1. ক) ৫ ফ্রেব্রুয়ারি
  2. খ) ৮ ফ্রেব্রুয়ারি
  3. গ) ১২ ফ্রেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ ফ্রেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ ফ্রেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ছয় দফা বাঙালি জাতির জীবনে এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। ধর্মগত ঐক্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র তৈরি হলেও, পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে বাঙালিদের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামরিক-বেসামরিক চাকরি, শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাঙালীদের প্রতি ক্রমবর্ধমান বৈষম্য দেখানো হয়।
• শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মেলনে যোগ দেয়ার জন্য আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন।
• পরদিন অর্থাৎ ৫ ফেব্রুয়ারি সাবজেক্ট কমিটির সভায় তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দাবি হিসেবে ‘ছয়দফা’ প্রস্তাব পেশ করেন এবং তা সম্মেলনের আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। কিন্তু সম্মেলনের উদ্যোক্তারা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। 
• পরদিন অর্থাৎ ৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানি পত্রপত্রিকায় ছয়দফার বিবরণ ছাপিয়ে শেখ মুজিবকে বিচ্ছিন্নতাবাদীরূপে চিত্রিত করা হয়। ফলে শেখ মুজিব ৬ ফেব্রুয়ারির সম্মেলন বর্জন করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।
• ১৯৬৬ সালের ৭ জুন হরতালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আওয়ামী লীগের মনু মিয়া, মজিবুল্লাহ, শফিক, শামসুল হকসহ ১১ জন।
• বর্তমানে ৭ জুন ছয় দফা দিবস হিসেবে পালিত হয়।  

নোট:- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৬ ফেবু্রয়ারি ঐতিহাসিক মুক্তির বাণী তথা ‘ছয় দফা’ কর্মসূচি পেশ করেন। (পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)। যদি প্রশ্নে ৫ ফ্রেব্রুয়ারি না থাকে তাহলে ৬ ফ্রেব্রুয়ারি উত্তর করতে হবে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩২.
“সাঁকো দিলাম, স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতায় উন্নীত হওয়ার জন্য।” - উক্তিটি কার?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) এ.কে. ফজলুল হক
  3. গ) মাওলানা ভাসানী
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই কথা বলেন। তিনি প্রায় বলতেন, ‘ছয় দফার সাঁকো দিলাম স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতায় উন্নীত হওয়ার জন্য।’

ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' (Charter of Freedom) বা 'ম্যাগনা কার্টা' (Magna Carta) হিসাবে পরিচিত। 

প্রকৃত অর্থে শেখ মুজিবের নেতৃত্বেই পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শোষণ-বিরোধী আন্দোলন গড়ে ওঠে। এরই এক পর্যায়ে ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ লাহোরে বিরোধী দলগুলোর কনভেনশনে বঙ্গবন্ধু ‘ছয় দফা দাবি' উত্থাপন করেন।

ছয় দফা কর্মসূচি সমগ্র বাঙালির চেতনার মূলে অগ্নস্ফুিলিঙ্গ ঘটায়। এই দাবির পক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে। ১৯৭১ সালে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং দৈনিক যুগান্তর।
১৩৩.
বঙ্গবন্ধু কত সালে ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন?
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬৬ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।

একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।

৭ জুন ছয়দফা দিবস পালিত হয়।
ছয়দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৩৪.
বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) ৬ দফাকে
  2. খ) ২১ দফাকে
  3. গ) ১১ দফাকে
  4. ঘ) ৩৫ দফাকে
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ দফাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ দফাকে
ব্যাখ্যা
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ অবসানের পর পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানি সরকারের চরম অবহেলা এবং সীমাহীন বৈষম্যের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সোচ্চার হন। তিনি ১৯৬৬ সালে ঘোষণা করেন পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ছয় দফা। তিনি ছয় দফাকে ‘আমাদের বাঁচার দাবি’ বলে আখ্যায়িত করেন। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
১৩৫.
ঐতিহাসিক '৬ দফায়' যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-
  1. বৈদেশিক বাণিজ্য
  2. বিচার ব্যবস্থা
  3. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  4. স্বতন্ত্র মুদ্রাব্যবস্থা
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

• বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ১৯৬৬ সালের ছয় দফার প্রথম দফা ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
• ৬ দফার বাকি দফাগুলো হলো- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৩৬.
'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক পুস্তিকাটি কত তারিখে প্রকাশিত হয়?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ৬ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ২১ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
গ) ২১ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২১ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতাদের একটি সম্মেলন আহ্বান করেন। 
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু বিরোধীদলীয় নেতাদের সম্মেলন পকিস্তানের লাহোরে পৌছান। 
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন। 
- বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন। 
- ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়। 
- ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী। 

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭.
শেখ মুজিবর রহমান কোথায় ৬ দফা কর্মসূচি পেশ করেন? 
  1. পাঞ্জাব
  2. লাহোর
  3. ইসলামাবাদ
  4. করাচি
সঠিক উত্তর:
লাহোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর
ব্যাখ্যা
৬ দফা কর্মসূচি:

• শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলের সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন। 
• তিনি ছয়দফা ভিত্তিক আন্দোলনও গড়ে তোলেন।
• ১৩ মার্চ, ১৯৬৬ আওয়ামী লীগ ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা কর্মসূচি অনুমোদন করা হয়।
• ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উত্থাপন করা হয়।
• ছয়দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
• ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে ৬ দফা দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
• ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু ছয়দফাকে নির্বাচনী ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন।
• ছয়দফার আন্দোলনে স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৮.
ঐতিহাসিক ৬ দফাকে কীসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. মুখ্য আইন
  2. পিটিশন অব রাইটস
  3. বিল অব রাইটস
  4. ম্যাগনাকার্টা
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনাকার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা
• ৬ দফা:
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
-  ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব। পরবর্তীকালে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার হয়।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনাকার্টা’ বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।

• ৬ দফার দাবিসমূহ নিম্নরূপ:
১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
৪. রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক ক্ষমতা।
৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
১৩৯.
বাঙালি জাতির 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত -
  1. লাহোর প্রস্তাব
  2. ২১ দফা
  3. ১১ দফা
  4. ৬ দফা
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ৭ জুন ছয় দফা দিবস। 
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত। 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪০.
ঐতিহাসিক ছয় দফার পঞ্চম দফা কী ছিল?
  1. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  2. রাজস্ব
  3. বৈদেশিক মুদ্রা
  4. প্রতিরক্ষা
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক মুদ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক মুদ্রা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪১.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা ছিলো কোনটি?
  1. ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. খ) মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. গ) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  4. ঘ) বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা আন্দোলনের পটভূমি:
- ‘পাকিস্তান’ রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়েছিল লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে।
- লাহোর প্রস্তাবে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের কথা বলা হলেও পাকিস্তানে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই পূর্ব বাংলার জনগণের উপর শুরু হয় পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠীর শোষণ, বঞ্চনা ও নির্যাতন।
- ফলে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বৈষম্য পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে প্রকট আকার ধারণ করে।
- পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠীর অপশাসনের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে।
- ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হলে পূর্ব পাকিস্তান সম্পূর্ণ অরক্ষিত হয়ে পড়ে।
- সামরিক দিক থেকে পূর্ব পাকিস্তানের অসহায় অবস্থা এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য থেকে মুক্তির লক্ষে শুরু হয় স্বাধিকারের আন্দোলন।
- শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এ আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলের এক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
- উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা' কর্মসূচি পেশ করেন।
- এরপর তিনি জনমত সৃষ্টি করতে ছয় দফা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
- ছয় দফা কর্মসূচিকে তিনি ‘পূর্ব বাংলার বাঁচার দাবি’ বলে অভিহিত করেন।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, 
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, 
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং 
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা। 

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪২.
ঐতিহাসিক ছয়দফা দাবি প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. ক) আগরতলায়
  2. খ) করাচিতে
  3. গ) লাহোরে
  4. ঘ) ঢাকায়
সঠিক উত্তর:
গ) লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাহোরে
ব্যাখ্যা
 ছয়দফা দাবি
- ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে শেখ মুজিবুর রহমান যে ছয়দফা দাবিনামা উত্থাপন করেছিলেন তা আদায়ের জন্য তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে। 
- তিনি ছয়দফা ভিত্তিক আন্দোলনও গড়ে তোলেন।
- ছয়দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
- ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে ৬ দফা দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু ছয়দফাকে নির্বাচনী ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ছয়দফার আন্দোলনে স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৩.
ছয় দফার চতুর্থ দফায় কোন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ক) শুল্ক সম্বন্ধীয়
  2. খ) অর্থ ও মুদ্রা
  3. গ) বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  4. ঘ) পররাষ্ট্র সংক্রান্ত
সঠিক উত্তর:
ক) শুল্ক সম্বন্ধীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শুল্ক সম্বন্ধীয়
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে '৬ দফা দাবি' পেশ করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।
• ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল। নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল।

১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হবে। 

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম
ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। 

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা—সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৪.
'প্রতিরক্ষা' ঐতিহাসিক ছয় দফার কততম দফায় অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ৩য়
  2. ৪র্থ
  3. ৫ম
  4. ৬ষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪৫.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কে ঘোষণা করেন?
  1. ক) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  2. খ) মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪৬.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কোন সালে পেশ করা হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৬৭ সালে
  3. গ) ১৯৬৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন

১৯৯৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে চৌধুরী মোহাম্মদ আলীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন। ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, ছয় লক্ষ বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। ছয়দফা রচিত হয় লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে।

ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি

১ম দফাঃ শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
২য় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩য় দফাঃ মুদ্রা ও অর্থ বিষয়ক ক্ষমতা।
৪র্থ দফাঃ কর বা রাজস্ব বিষয়ক ক্ষমতা।
৫ম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা।
৬ষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক মিলিশিয়া বাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

এছাড়াও 

৬ দফা উত্থাপন করা হয় মোট ৩বার। উত্থাপনকারী- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
প্রথমবার ৫-৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরের বিরোধী দলীয় সম্মেলনে।
দ্বিতীয়বার ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ সালে অনানুষ্ঠানিকভাবে।
তৃতীয়বার ২৩ মার্চ ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা পূর্ব পাকিস্তানের ম্যাগনাকার্টা বলা হয়- ৬ দফাকে।
ছয় দফা দিবস পালিত হয়ে আসছে- ৭ জুন।
ছয় দফার অর্থনীতি বিষয়ক দাবি- ৩টি (৩য়, ৪র্থ, ৫ম)।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৭.
ছয় দফা দিবস পালিত হয় -
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ২৩ মার্চ
  3. গ) ১৭ এপ্রিল
  4. ঘ) ৭ জুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ জুন
ব্যাখ্যা
ছয় দফা দিবস
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণ-আন্দোলনের সূচনা হয়।
- প্রতি বছর ৭ই জুন বাংলাদেশে '৬ দফা দিবস' পালন করা হয়।
- এই দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গী, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআরের গুলিতে মনু মিয়া , শফিক, শামসুল হক, মুজিবুল হকসহ মোট ১১ জন বাঙালি নিহত হন।

অন্যদিকে -
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উত্থাপন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ দিনে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।

উৎস: প্রথম আলো, ০৭ জুন, ২০২০।
১৪৮.
ঐতিহাসিক ছয় দফার শেষ দফাটি কী ছিল?
  1. প্রতিরক্ষা
  2. রাজস্ব
  3. বাণিজ্য
  4. বৈদেশিক মুদ্রা
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪৯.
৬ দফা কর্মসূচী উত্থাপন করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৬৪ সালে
  2. খ) ১৯৬৫ সালে
  3. গ) ১৯৬৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
- পাক-ভারত যুদ্ধ সমাপ্ত হলে ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে নিখিল পাকিস্তান জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- শেখ মুজিবুর রহমান সম্মেলনে যোগদানের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন।
- এতে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীকার আন্দোলনের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মোট ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন।

ঐতিহাসিক ছয় দফার দফাসমূহ
- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)
বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক
সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫০.
'আমাদের বাঁচার দাবি: ৬-দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক পুস্তিকা প্রচার করা হয় কার নামে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. খাজা নাজিমউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের লাহোরে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। 
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
 - ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।
- ৬ দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য-পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র।
- ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে এই ফেডারেল রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসন দিতে হবে। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃমোজাম্মেল হক।
১৫১.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা কোনটি?
  1. ক) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি
  2. খ) পররাষ্ট্র সংক্রান্ত
  3. গ) বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  4. ঘ) অর্থ ও মুদ্রা
সঠিক উত্তর:
ক) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল। নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল।
১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হবে। 
২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।
৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। 
৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।
৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। 
৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা—সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫২.
পূর্ব বাংলার মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. শিক্ষা আন্দোলন
  3. ছয়দফা আন্দোলন
  4. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
ছয়দফা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়দফা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৫৩.
“দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে।” - ছয় দফার কত নং দফায় এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
⇨ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৬ ফেবু্রয়ারি ঐতিহাসিক মুক্তির বাণী তথা ‘ছয় দফা’ কর্মসূচি পেশ করেন।
আওয়ামী লীগের ছয় দফা ছিল ঐতিহাসিক দাবি।
⇨ এ ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল।

নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল:-
১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা হবে। সরকার হবে সংসদীয় পদ্ধতির, সর্বদলীয় ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকদের ভোটে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা গঠিত হবে।

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশির সম্পর্ক প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম
ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা:
বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। বৈদেশিক বাণিজ্য ও সাহায্য সম্পর্কে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর সরকার আলাদা আলোচনা বা সম্পর্ক করতে পারবে।

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা-সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে।


তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৪.
ছয় দফার কোন দফাটি রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি সংক্রান্ত?
  1. প্রথম দফা
  2. দ্বিতীয় দফা
  3. তৃতীয় দফা
  4. চতুর্থ দফা
সঠিক উত্তর:
প্রথম দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫৫.
ছয়দফা কর্মসূচিতে ছিল -
  1. ক) বাংলাদেশ পরিচালনার ছয়টি নীতি বা কৌশল।
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার ছয়টি কৌশল।
  3. গ) পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।
  4. ঘ) পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।
সঠিক উত্তর:
গ) পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।
ব্যাখ্যা
ছয়দফা কর্মসূচিতে ছিল -  পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।

• ছয় দফা:

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌছান।
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন৷ বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৬.
আওয়ামী লীগের ছয়-দফা কত সালে পেশ করা হয়েছিল?
  1. ১৯৬৭ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি,  যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
১৫৭.
আওয়ামীলীগের ঐতিহাসিক ছয় দফার দ্বিতীয় দফা-
  1. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু
  2. ফেডারেল সরকার
  3. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  4. রাষ্ট্রভাষা বাংলা
সঠিক উত্তর:
ফেডারেল সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেডারেল সরকার
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫৮.
১৯৬৬ সালের ছয় দফার তৃতীয় দফা কী ছিল?
  1. মুদ্রা
  2. রাজস্ব
  3. বাণিজ্য
  4. প্রতিরক্ষা
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫৯.
ছয়দফার কোন দফায় পাকিস্তানের দুই অংশের জন্যে দুটো পৃথক মুদ্রা প্রচলনের কথা বলা হয়?
  1. তৃতীয় দফা
  2. চতুর্থ দফা
  3. পঞ্চম দফা
  4. ষষ্ঠ দফা
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় দফা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
ছয়দফা দাবীসমূহ হলো:
প্রথম দফা:
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে
দ্বিতীয় দফা:
- ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে
তৃতীয় দফা:
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে
চতুর্থ দফা:
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে
পঞ্চম দফা:
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
ষষ্ঠ দফা:
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।

- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
- ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৬০.
ছয়দফা প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. করাচি
  2. লাহোর
  3. দিল্লি
  4. কলকাতা
সঠিক উত্তর:
লাহোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করা হয়।

⇒ ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয় দফা কর্মসূচীর মূল বক্তব্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি।
১৬১.
নিচের কোনটি ছয় দফার গুরুত্ব নয়?
  1. বাঙালি জাতীয়তাবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ
  2. আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি
  3. মুক্তিযুদ্ধে প্রভাব
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ছয় দফার গুরুত্ব:
- ছয়দফার প্রতিটি দফাই ছিল তাৎপর্যপূর্ণ এবং এ কারণে একে বাঙালির বাঁচার দাবি বলা হয়েছে।
- ৬ দফা কর্মসূচি প্রচারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তানে বিরাট সাড়া পড়ে যায়।
- পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ ব্যাপকভাবে এই কর্মসূচী সমর্থন করে।
- আওয়ামী লীগ স্বল্প সময়ের ব্যবধানে জনগণের হৃদয় জয় করে নিল।
- পূর্ব বাংলার বুদ্ধিজীবী ব্যবসায়ী, আইনজীবী, সরকারী কর্মকর্তাসহ, সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ৬ দফা কর্মসূচী সমর্থন করেছিল।
- ৬ দফার মূল বক্তব্য ছিল, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা বিষয় বাদ দিয়ে আর সব ব্যাপারে পূর্ব-বাংলার স্বায়ত্তশাসন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফার মধ্যে দেশের দুই অঞ্চলের মাঝে বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক বৈষম্য তুলে ধরেন।
- এই গুরুত্বপূর্ণ দাবী নিয়ে আওয়ামী লীগ রাজনীতি ক্ষেত্রে প্রাধান্য লাভ করে।

উল্লেখ্য, ছয় দফার গুরুত্ব:
১. বাঙালি জাতীয়তাবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ:
- ছয় দফার প্রতি জনগণের সমর্থন ছিল স্বতঃস্ফূর্ত।
- ছয় দফা আন্দোলন কঠোরভাবে দমনের ফলে বাঙালি জাতি নবযাগ্রত চেতনাবোধ তাদের ঐক্যবদ্ধ করে।
- এর ফলে স্বায়ত্ত শাসন দাবি জোরদার হয়।

২. আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি:
- ছয় দফা ভিত্তিক দাবিগুলো ছিল বাঙালির প্রাণের দাবি, তাই এদলটি '৬৬ সালের পর ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

৩. ১৯৭৫ সালের নির্বাচনে প্রভাব:
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কর্মসূচিতে ছয় দফা অন্তর্ভূক্ত করায় এদলটি ব্যপক জনপ্রিয়তা ও নিরংকুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা লাভ করে।

৪. মুক্তিযুদ্ধে প্রভাব:
- ছয় দফাকে কেন্দ্র করেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ অংকুরিত হয়।
- ৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বাঙালির স্বাশাসনের নিষয়টি সময়ের ব্যাপারে পরিণত হয়।
- এভাবে ছয় দফা বাঙালি জাতিকে মুক্তির প্রেরণা দেয়।
১৬২.
উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা কোন বৈষম্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. শিক্ষা
  2. সাংস্কৃতিক
  3. চাকুরি
  4. সামাজিক
সঠিক উত্তর:
সাংস্কৃতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংস্কৃতিক
ব্যাখ্যা
সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বৈষম্য:

- পাকিস্তানের দু'অঞ্চলের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি ছিল সম্পূর্ণ আলাদা।
- পূর্ব বাংলার অধিবাসীরা ছিল পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৫ শতাংশ।
- এদের ভাষা এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি ছিল হাজার বছরের পুরনো।
- অন্যদিকে পাকিস্তানের বাকি ৪৫ শতাংশ লোকের ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি ছিল বিভিন্ন ধরনের।
- এদের মধ্যে মাত্র ৭.২ শতাংশ লোকের ভাষা ছিল উর্দু।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করতে চেষ্টা করে।
- উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা একটি সাংস্কৃতিক বৈষম্যে।
- এছাড়াও হাজার বছরের পুরনো বাঙালি জাতির সংস্কৃতিকে মুছে ফেলে বাঙালিদের পাকিস্তানি করণের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।
- তাদের এই বৈষম্য বাঙালিরা মেনে নিতে পারেনি।
- তাই পূর্ব বাংলায় সাংস্কৃতিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রথমে প্রতিবাদ এবং পরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফার তৃতীয় দফা কী ছিল?
  1. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা - প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌,
- দ্বিতীয় দফা - কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা - মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা - রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা - বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা - আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৪.
আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় কবে?
  1. ২১ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  2. ২২ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  4. ২৪ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬৫.
কোনটি ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) ছয়দফা
  2. খ) এগারো দফা
  3. গ) একুশ দফা
  4. ঘ) উনিশ দফা
সঠিক উত্তর:
ক) ছয়দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ছয়দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন। একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন। ৭ জুন ছয়দফা দিবস পালিত হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৬৬.
ঐতিহাসিক ছয় দফায় কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিলো না?
  1. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  2. বিচার ব্যবস্থা
  3. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয় দফায় বিচার ব্যবস্থা উল্লেখ ছিল না।

• ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
- আর এটি ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস। 

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
১৬৭.
'প্যারা মিলিশিয়া গঠন' ৬ দফার কততম দফা ছিল?
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা

১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন। ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬৮.
বঙ্গবন্ধু'র ছয় দফা দাবীকে বলা হয় -
  1. ক) বাঙালির ম্যাগনাকার্টা
  2. খ) বাঙালির মুক্তির সনদ
  3. গ) বাঙালির স্বাধীনতার দলিল
  4. ঘ) ক+খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক+খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক+খ
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবী কে বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ছয় দফা দিবস পালিত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬৯.
কোন সমস্যার কারণে ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে পাক-ভারত যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. তাসখন্দ
  2. পাঞ্জাব
  3. বাংলা
  4. কাশ্মীর
সঠিক উত্তর:
কাশ্মীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাশ্মীর
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ:
- ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টির পর কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে এই দুই দেশের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
- ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই কাশ্মীরকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করত।
- কাশ্মীর সমস্যাকে কেন্দ্র করে ১৯৬৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।
- ৬ আগস্ট পাকিস্তান বাহিনী ভারত আক্রমণ করলে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়।
- ৬ সেপ্টেম্বর ভারত লাহোর আক্রমণে অগ্রসর হয়।
- ১৭ দিন যুদ্ধের পর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২৩ সেপ্টেম্বর যুদ্ধ বিরতি ঘোষিত হয়।
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত 'তাসখন্দ চুক্তি'র মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
১৭০.
ছয় দফা দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ৪ জুন
  2. ৫ জুন
  3. ৬ জুন
  4. ৭ জুন
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ৭ জুন ছয় দফা দিবস।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭১.
ছয় দফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় -
  1. ১২ মার্চ, ১৯৬৬
  2. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ৬ দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলার কারণ - এটি বাঙালির ন্যায্য অধিকারের সনদ।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা,
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১'।
১৭২.
৬-দফা দাবি কোথায় উত্থাপিত হয়?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) লাহোর
  3. গ) দিল্লি
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোর
ব্যাখ্যা
পশ্চিম পাকিস্তানের বিরোধীদলীয় নেতারা তাসখন্দ-উত্তর রাজনীতির গতিধারা নিরূপণের উদ্দেশ্যে ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে এক জাতীয় সম্মেলন আহবান করেন। আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান সম্মেলনে যোগদানের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন। পরদিন সাবজেক্ট কমিটির সভায় তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দাবি হিসেবে ‘ছয়দফা’ প্রস্তাব পেশ করেন এবং তা সম্মেলনের আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। [উৎসঃ বাংলাপিডিয়া]
১৭৩.
'ছয় দফা' কখন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিলো?
  1. ক) ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. খ) ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. গ) ২০ এপ্রিল, ১৯৬৬
  4. ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ৬ দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলার কারণ - এটি বাঙালির ন্যায্য অধিকারের সনদ।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
১৭৪.
তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের জন্য তখনকার বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয়-দফা দাবি পেশ করেন। ঐ সম্মেলন কোথায় হয়েছিল?
  1. ঢাকায়
  2. নারায়ণগঞ্জে
  3. লাহোরে
  4. করাচীতে
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
ব্যাখ্যা
ছয়দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৫.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল?
  1. ক) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. খ) মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  4. ঘ) বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৬.
ঐতিহাসিক ৬ দফা কত সালে পেশ করা হয়?
  1. ১৯৬৬
  2. ১৯৭০
  3. ১৯৬৫
  4. ১৯৬৭
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- ৭ জুন ছয় দফা দিবস। 
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত। 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭৭.
How many points are related to monetary economics in the 'Six-Point Demands'?
  1. ক) 2
  2. খ) 3
  3. গ) 4
  4. ঘ) 5
সঠিক উত্তর:
খ) 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 3
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো। 
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭৮.
৬ দফা দাবি কোথায় উত্থাপিত হয়?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) লাহোর
  3. গ) ইসলামাবাদ
  4. ঘ) কাহমারী
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোর
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলসমূহের সম্মেলেনে বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন সংবলিত ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন।
- পরবর্তীতে ১৮-২০ মার্চ ১৯৬৬ আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সভায় ৬ দফা গৃহিত হয়। পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
- ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়। এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।
উৎসঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১৭৯.
ছয় দফা আন্দোলনের তৃতীয় দফা কোন বিষয় সংক্রান্ত ছিল?
  1. প্রতিরক্ষা বিষয়ক
  2. মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
  3. রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
ব্যাখ্যা

ছয় দফা:
⇒ প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি):
→ পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক কাঠামো পরিবর্তন করে একটি ফেডারেল শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার দাবি। পূর্ব পাকিস্তানকে সমানভাবে ক্ষমতা দেওয়া হবে।
⇒ দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা):
→ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত করার এবং প্রাদেশিক সরকারের হাতে অধিক ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব।
⇒ তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক):
→ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নিজস্ব মুদ্রা, অর্থনৈতিক নীতি ও বাজেট ব্যবস্থা গঠনের দাবি।
⇒ চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক):
→ পূর্ব পাকিস্তানে রাজস্ব ও শুল্ক নীতি নির্ধারণের অধিকার প্রদান, যাতে স্থানীয় অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হতে পারে।
⇒ পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য):
→ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য নীতি স্বাধীনভাবে পরিচালনা করার দাবি।
⇒ ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক):
→ পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পৃথক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গঠন ও দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে সমান অংশগ্রহণের দাবি।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।

১৮০.
ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা কে?
  1. রুহুল কুদ্দুস
  2. আবুল মনসুর আহম্মেদ
  3. আবদুল কুদ্দুস
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
রুহুল কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুহুল কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।
• ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস। তিনি একজন পাকিস্তান সিএসপি কর্মকর্তা ছিলেন। 

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
১৮১.
The Emancipation Charter of the Bengali Nation is -
  1. ক) March seven
  2. খ) eleven points
  3. গ) election of seventy
  4. ঘ) Six points
সঠিক উত্তর:
ঘ) Six points
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Six points
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধিদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে, যা আইয়ুব খান কর্তৃক তাসখন্ড চুক্তি স্বাক্ষরের বিরোধিতা করার জন্য আয়োজন করা হয়েছিল, সেখানে (৬.৬.১৯৬৬ তারিখে) শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয়দফা কর্মসূচি উপস্থাপন করেন। 
- ছয়দফার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ছয়দফা দাবিকে বাঙালির ‘মুক্তির সনদ’ বলা হয়।
- কিন্তু ছয়দফার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিলেন বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর সংগঠন আওয়ামী লীগ।
- বঙ্গবন্ধু এ আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে দেন।
- এ আন্দোলনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু জাতীয় নেতায় পরিণত হন। 
-  ফলে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতার আন্দোলনে পরিণত হয়।
- তাই বলা যায় যে, ছয় দফা আন্দোলনে স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয়দফা দাবিকে ‘বাঙালির বাচাঁর দাবি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
- ছয়দফার মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের নিজস্ব অর্থনৈতিক সম্পদ, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয় ও বৈদেশিক আয়ের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করা হয়।
- সর্বোপরি পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষমতাও দাবি করা হয়।
- ছয়দফা দাবিকে বাঙালির ‘মুক্তিসনদ’ বলা হয়।
- ছয়দফা আন্দোলনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় শাসক গোষ্ঠীর শোষণ ও অবিচারের বিরুদ্ধে বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হয়।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮২.
ঐতিহাসিক ছয় দফার 'ষষ্ঠ দফা' কী বিষয়ক ছিল?
  1. রাজস্ব
  2. বাণিজ্য
  3. বৈদেশিক মুদ্রা
  4. প্রতিরক্ষা
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮৩.
পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ বা বাঙালি মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) ৬ দফাকে
  2. খ) ২১ দফাকে
  3. গ) ১১ দফাকে
  4. ঘ) ৩৫ দফাকে
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ দফাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬ দফাকে
ব্যাখ্যা
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ অবসানের পর পূর্ব পাকিস্তানের নিরাপত্তার প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানি সরকারের চরম অবহেলা এবং এর পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক, সামরিক, শিক্ষা প্রভৃতি ক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি সীমাহীন বৈষম্যের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সোচ্চার হন। ১৯৬৬ সালে ঘোষণা করেন পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ঐতিহাসিক ছয় দফা। তিনি ছয় দফাকে ‘আমাদের বাঁচার দাবি’ বলে আখ্যায়িত করেন। ফলে ছয় দফার পক্ষে দ্রুত জনমত গড়ে উঠে। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
১৮৪.
ঐতিহাসিক 'ছয়দফা কর্মসূচির' প্রথম দফা-
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. বাণিজ্য বিষয়ক সরকারের ক্ষমতা
  3. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  4. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
ব্যাখ্যা
ছয়দফা কর্মসূচি:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক 'ছয়দফা কর্মসূচি' পেশ করেন।
- এ কর্মসূচিকে তিনি 'পূর্ব পাকিস্তানের বাঁচার দাবি' বলে অভিহিত করেন।
- বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয়দফা দাবি সংক্রান্ত পুস্তিকাটির নাম 'ছয়দফা: আমাদের বাঁচার দাবি।'

• বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ১৯৬৬ সালের ছয় দফার দফা গুলো হলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
১৮৫.
ঐতিহাসিক ছয় দফার চতুর্থ দফাটি কী ছিল?
  1. অর্থবিষয়ক
  2. বৈদেশিক মুদ্রা
  3. শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. প্রতিরক্ষা বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
শুল্কনীতি বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুল্কনীতি বিষয়ক
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮৬.
১৯৬৬ সালের ৬ দফার কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ১ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
• ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা(৩,৪ ও ৫ নং দফা) অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো।

- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন। 
২. ফেডারেল সরকারের এখতিয়ার। 
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা। 
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য ।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য।
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

 ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮৭.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৮.
ঐতিহাসিক “ছয় দফা দাবিতে” যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-
  1. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  2. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  3. শিক্ষা নীতি
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা নীতি
ব্যাখ্যা

• ছয় দফা কর্মসূচি:
- ছয় দফা কর্মসূচিকে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়, কারণ এটি স্বাধীনতার ভিত্তি গড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। -
- ছয় দফার মূল উদ্দেশ্য ছিল:
∗ পাকিস্তানকে একটি ফেডারেল রাষ্ট্রে রূপান্তর করা;
∗ এবং পূর্ব পাকিস্তানকে (বর্তমান বাংলাদেশ) পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা।
- এই কর্মসূচির ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর মহাসম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবিসহ ছয় দফা ঘোষণা করেন।
- এই ছয় দফা ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে পেশ করা হয়।
- ঐতিহাসিক “ছয় দফা দাবিতে” অন্তর্ভুক্ত ছিল না- শিক্ষা নীতি।


উল্লেখ্য, 
ছয় দফার দফাগুলো ছিল:
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন;
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত করা;
৩. মুদ্রা ও অর্থ-সংক্রান্ত ক্ষমতা;
৪. রাজস্ব, কর ও শুল্কের নিয়ন্ত্রণ;
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য সম্পর্কিত ক্ষমতা;
৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা;
- এই কর্মসূচি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ হিসেবে পরিচিত।

উৎস:
ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি;
বাংলাপিডিয়া। 

১৮৯.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা ছিল-
  1. ক) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু
  2. খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  3. গ) পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা
  4. ঘ) বৈদেশিক বাণিজ্য
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা
ছয় দফা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শােষণ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ছয় দফা কর্মসূচি ঘােষণা করেন।
- বঙ্গবন্ধুর উদ্দেশ্য ছিল, ছয় দফা দাবি আদায়ের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে বৈষম্যের হাত থেকে রক্ষা করা ।

• দফা গুলো হলোঃ
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯০.
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন কে?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) তাজউদ্দিন আহমদ
  3. গ) আবুল মনসুর আহমদ
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার 
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো।
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯১.
ঐতিহাসিক ছয় দফায় কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিলো না?
  1. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  2. বিচার ব্যবস্থা
  3. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
⇒ ঐতিহাসিক ছয় দফায় বিচার ব্যবস্থা উল্লেখ ছিল না।

 ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
- আর এটি ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস। 

দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
১৯২.
ঐতিহাসিক ছয় দফা পালিত হয় -
  1. ৫ ফেব্রুয়ারি
  2. ৬ ফেব্রুয়ারি
  3. ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ৭ জুন
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয়দফা: 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনাকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা রুহুল কুদ্দুস।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

উল্লেখ্য,
- প্রতিবছর ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা পালিত হয়।
- ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন আওয়ামী লীগের ডাকে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় হরতাল চলাকালে পুলিশ ও ইপিআর নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালায়।
- এতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, মুজিবুল হকসহ অনেকে শহীদ হন। 

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii)  ৭ জুন ২০২৩, প্রথম আলো।
১৯৩.
৬ দফা ঘোষিত হয় ১৯৬৬ সালের-
  1. জানুয়ারি মাসে
  2. জুন মাসে
  3. এপ্রিল মাসে
  4. ফেব্রুয়ারি মাসে
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি মাসে
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্বলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- এটিই ইতিহাসে ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯৪.
ছয়-দফা দাবি প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. ঢাকায়
  2. লাহোরে
  3. করাচিতে
  4. নারায়ণগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
ব্যাখ্যা
ছয়-দফা দাবি:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয় দফা কর্মসূচীর মূল বক্তব্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।

⇒ ছয়দফা কর্মসূচির দাবিসমূহ:
• প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
• দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
• তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
• চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
• পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
• ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯৫.
কত তারিখে ঐতিহাসিক ছয় দফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. খ) ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. গ) ১৮ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয় দফা
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- এরপর ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সংগে মিল রেখে।
- ৬ দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য-পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র।
- ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে এই ফেডারেল রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসন দিতে হবে।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনা কার্টা’ বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।

উৎস: যুগান্তর, ০৭ জুন, ২০২১।
১৯৬.
আওয়ামী লীগ ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা কর্মসূচি অনুমোদন করা হয় কবে? 
  1. ৬ মার্চ, ১৯৬৬
  2. ১৩ মার্চ, ১৯৬৬
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
১৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
ছয়দফা কর্মসূচি অনুমোদন:

• ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন।
• ১৩ মার্চ, ১৯৬৬ আওয়ামী লীগ ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা কর্মসূচি অনুমোদন করা হয়। 
• ১৮-১৯ মার্চ ১৯৬৬ কাউন্সিল অধিবেশনেও তা অনুমোদিত হয়। 
• কাউন্সিল অধিবেশনে নতুন কমিটি গঠিত হয়। 
• শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি এবং তাজউদ্দিন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
• ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
• ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উত্থাপন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোথায় ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন?
  1. ঢাকা
  2. লাহোর
  3. রাওয়ালপিন্ডি
  4. ইসলামাবাদ
সঠিক উত্তর:
লাহোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- তিনি লাহোরে এই ঘোষনা দেন।

ছয় দফা কর্মসূচি,
১) লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানের জন্য একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। এটি হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা। প্রাপ্ত বয়স্কদের সরাসরি ভোটে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আইনসভাগুলো হবে সার্বভৌম ।
২) শুধু দেশরক্ষা এবং পররাষ্ট্র বিষয় থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। অবশিষ্ট ক্ষমতা থাকবে প্রদেশগুলোর হাতে।
৩) দেশের দুই অংশে সহজেই বিনিময়যোগ্য অথচ পৃথক দুটো মুদ্রা থাকবে। অথবা ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই দেশের দুটি রিজার্ভ ব্যাংক ব্যবস্থাসহ একই ধরনের মুদ্রা চালু থাকবে।
৪) আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া হবে ।
৫) দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা আলাদা হিসেব থাকবে। প্রয়োজনে দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে অথবা সংবিধানে নির্ধারিত হারে কেন্দ্র বৈদেশিক মুদ্রা পাবে।
৬) অঙ্গরাজ্যগুলো আঞ্চলিক সেনাবাহিনী অর্থাৎ মিলিশিয়া ও প্যারা মিলিশিয়া গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৮.
কোনটি ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  2. খ) সংবিধান
  3. গ) ছয়দফা
  4. ঘ) এগারো দফা
সঠিক উত্তর:
গ) ছয়দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছয়দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবীকে ‘বাঙালির ‍মুক্তির সনদ’ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়।
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন। একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু সাংবাদিক সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন। ৭ জুন ছয়দফা দিবস।
সূত্র : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
১৯৯.
ছয় দফা আন্দোলনের চতুর্থ দফা কী ছিল?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
-  ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।

• ছয়টি দফা হলো-
- প্রথম দফা: শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা। 
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা ও অর্থ সম্বন্ধীয় ক্ষমতা। 
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব কর ও শুল্ক বিষয়ক ক্ষমতা। 
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা। 
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিখ্যাত ৬ দফা কর্মসূচি সম্বন্ধে সংবাদপত্রে প্রচারিত হয়-
  1. ১৯৫৪
  2. ১৯৬৬
  3. ১৯৬৫
  4. ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিখ্যাত ৬ দফা কর্মসূচি সম্বন্ধে সংবাদপত্রে প্রচারিত হয় ১৯৬৬ সালে।

ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- তিনি লাহোরে এই ঘোষনা দেন।

ছয় দফা কর্মসূচি,
১) লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানের জন্য একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। এটি হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা। প্রাপ্ত বয়স্কদের সরাসরি ভোটে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আইনসভাগুলো হবে সার্বভৌম ।
২) শুধু দেশরক্ষা এবং পররাষ্ট্র বিষয় থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। অবশিষ্ট ক্ষমতা থাকবে প্রদেশগুলোর হাতে।
৩) দেশের দুই অংশে সহজেই বিনিময়যোগ্য অথচ পৃথক দুটো মুদ্রা থাকবে। অথবা ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই দেশের দুটি রিজার্ভ ব্যাংক ব্যবস্থাসহ একই ধরনের মুদ্রা চালু থাকবে।
৪) আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া হবে ।
৫) দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা আলাদা হিসেব থাকবে। প্রয়োজনে দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে অথবা সংবিধানে নির্ধারিত হারে কেন্দ্র বৈদেশিক মুদ্রা পাবে।
৬) অঙ্গরাজ্যগুলো আঞ্চলিক সেনাবাহিনী অর্থাৎ মিলিশিয়া ও প্যারা মিলিশিয়া গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।