বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

মোট প্রশ্ন১,২০৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

PrepBank · পাতা / ১২ · ২০১৩০০ / ১,২০৬

২০১.
সাধারণত টেলিফোনে কোন ধরনের ব্যান্ডউইথ বেশি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ব্রড ব্যান্ড (Broadband)
  2. খ) ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band)
  3. গ) ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band)
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band)
ব্যাখ্যা
ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ন্যারো ব্যান্ড(Narrow Band)
২। ভয়েস ব্যান্ড(Voice Band)
৩। ব্রড ব্যান্ড(Broad Band)
ভয়েস ব্যান্ড: এই ব্যান্ডের গতি ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২০২.
টেলিভিশন রিমোট কন্ট্রোলে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মাইক্রোওয়েভ
  2. খ) ইনফ্রারেড
  3. গ) রেডিও ওয়েভ
  4. ঘ) লেজার
সঠিক উত্তর:
খ) ইনফ্রারেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইনফ্রারেড
ব্যাখ্যা
-ইনফ্রারেড হলো এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সী সীমা 300 GHz থেকে 400THz হয়ে থাকে। 
- খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইনফ্রারেড ব্যবহার করা হয়।
-  এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে। 
- টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদির ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
 
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৩.
ডাটা ট্রান্সমিশনের সময় সিগন্যালের বিটের শুরু ও শেষ শনাক্ত করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. ডাটা এনকোডিং
  2. বিট সিনক্রোনাইজেশন
  3. ডাটা কমপ্রেশন
  4. ডাটা এনক্রিপশন
সঠিক উত্তর:
বিট সিনক্রোনাইজেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিট সিনক্রোনাইজেশন
ব্যাখ্যা

• ডাটা ট্রান্সমিশনের সময় সিগন্যালের বিটের শুরু ও শেষ শনাক্ত করার পদ্ধতিকে বিট সিনক্রোনাইজেশন বলা হয়।

• বিট সিনক্রোনাইজেশনের ধারণা:
- ডাটা ট্রান্সমিশনের সময় প্রেরক ও গ্রাহক কম্পিউটারের মধ্যে সমন্বয় থাকা প্রয়োজন।
- সিগন্যালের কোন অংশ থেকে বিট শুরু এবং কোথায় শেষ হচ্ছে তা শনাক্ত করার প্রক্রিয়াই বিট সিনক্রোনাইজেশন।
- বিটের শুরু ও শেষ ঠিকভাবে বোঝা না গেলে গ্রহণকারী কম্পিউটার ডাটা পুনরুদ্ধার করতে পারে না।

• বিট সিনক্রোনাইজেশনের ভিত্তিতে ডাটা ট্রান্সমিশনের প্রকারভেদ:
- বিট সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি দুই ভাগে বিভক্ত।
- অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission)
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- এই পদ্ধতিতে প্রেরক থেকে গ্রাহকে একটি একটি করে ক্যারেক্টার পাঠানো হয়।
- যেকোনো সময় ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
- প্রতিটি ক্যারেক্টারের সাথে একটি স্টার্ট বিট ও একটি স্টপ বিট যুক্ত থাকে।
- প্রতিটি ক্যারেক্টারের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান সমান হয় না।

• সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- এই পদ্ধতিতে প্রথমে ডাটাকে প্রাইমারি স্টোরেজে সংরক্ষণ করা হয়।
- পরে ডাটাকে একাধিক ক্যারেক্টার নিয়ে ব্লক বা গ্রুপ আকারে পাঠানো হয়।
- সাধারণত একটি ব্লকে ৪০ থেকে ১৩২টি বর্ণ থাকে।
- দুটি ব্লকের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান সমান থাকে।
- প্রতিটি ব্লকের শুরুতে হেডার (Header) এবং শেষে টেইলার (Tailer) ইনফরমেশন যুক্ত থাকে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ডাটা এনকোডিং: ডাটাকে সিগন্যাল আকারে রূপান্তরের পদ্ধতি।
- ডাটা কমপ্রেশন: ডাটার আকার কমানোর কৌশল।
- ডাটা এনক্রিপশন: ডাটাকে নিরাপদ করার পদ্ধতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৪.
এনএফসি কাজ করার জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. RFID
  2. GPS
  3. Wi-Fi
  4. Bluetooth
সঠিক উত্তর:
RFID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RFID
ব্যাখ্যা

• এনএফসি (NFC) হলো একটি স্বল্প-পাল্লার ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা মূলত RFID (Radio-Frequency Identification) প্রযুক্তির একটি বিশেষ রূপ বা শাখা।

• NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- এটি আরএফআইডি (RFID - Radio Frequency Dentification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার ব্যান্ডে ডেটা যোগাযোগ করে।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC।

• এনএফসি প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডে
- টোল প্লাজায় টোল পরিশোধের কার্ডে
- স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে হেলথ কার্ডে
- বাস/ট্রেনের ভাড়া পরিশোধের কার্ডে ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২০৫.
এক বা একাধিক শহরকে সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা কী হিসেবে পরিচিত?
  1. PAN
  2. LAN
  3. MAN
  4. WAN
সঠিক উত্তর:
MAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MAN
ব্যাখ্যা

• এক বা একাধিক শহরকে সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা MAN (Metropolitan Area Network) হিসেবে পরিচিত। MAN হলো একটি নেটওয়ার্ক যা একটি শহর বা নগর অঞ্চলের মধ্যে কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে। এটি LAN (Local Area Network)-এর চেয়ে বড়, কিন্তু WAN (Wide Area Network)-এর চেয়ে ছোট। MAN সাধারণত বিভিন্ন অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল বা সরকারি ভবনের মধ্যে উচ্চ গতির ডেটা আদানপ্রদান নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি অপটিক্যাল ফাইবার বা অন্যান্য দ্রুত মাধ্যম ব্যবহার করে, যা শহরের ভেতরে স্থিতিশীল এবং দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। তাই, এক বা একাধিক শহরকে সংযুক্ত করার জন্য MAN সবচেয়ে উপযুক্ত।

- সঠিক উত্তর: গ) MAN.

মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস:
১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২০৬.
নিচের কোন প্রটোকলটি WWW-এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. HTML
  4. DNS
সঠিক উত্তর:
HTTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HTTP
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)-এ ব্রাউজার ও সার্ভারের মধ্যে ওয়েব পেজ এবং তথ্য আদান-প্রদান করার জন্য HTTP (Hypertext Transfer Protocol) ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত একটি অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার প্রটোকল যা ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করে।
- বর্তমানে এর নিরাপদ সংস্করণ HTTPS সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে।

 • World Wide Web (WWW):
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার নিয়ে গঠিত।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

অন্যান্য অপশন:
- SMTP: ইমেইল পাঠানোর (Simple Mail Transfer Protocol) কাজে ব্যবহৃত হয়।
- HTML: এটি কোনো প্রটোকল নয়, বরং ওয়েব পেজ তৈরির একটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ (Hypertext Markup Language)।
- DNS: এটি ডোমেইন নেমকে আইপি (IP) অ্যাড্রেসে রূপান্তর করে, কিন্তু সরাসরি ওয়েব পেজ স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয় না।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

২০৭.
কোন ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবহারে কম্পিউটার প্রিন্টারের সাথে যোগাযোগ করে?
  1. Simplex
  2. Half-Duplex
  3. Multiplex
  4. Full-Duplex
সঠিক উত্তর:
Simplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simplex
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার প্রিন্টারের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সাধারণত Simplex ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবহৃত হয়। Simplex পদ্ধতিতে ডেটা একমুখীভাবে আদান–প্রদান হয়, অর্থাৎ তথ্য শুধু এক দিকেই প্রবাহিত হয়। কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারের দিকে ডেটা পাঠানো হয়, কিন্তু প্রিন্টার থেকে কম্পিউটারে কোনো ডেটা ফেরত পাঠানো হয় না। যেমন- ডকুমেন্ট, ছবি বা লেখা কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে যায় এবং প্রিন্টার সেটি কাগজে মুদ্রণ করে। এখানে প্রিন্টার শুধুমাত্র গ্রহণকারী ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। তাই কম্পিউটার ও প্রিন্টারের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ক) Simplex ডেটা ট্রান্সমিশন সবচেয়ে উপযুক্ত।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex).

• সিমপ্লেক্স:
- সিমপ্লেক্স হলো একমুখী ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি, যেখানে ডেটা শুধুমাত্র একটি দিক থেকে অন্য দিকে প্রবাহিত হতে পারে।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
উদাহরণ: রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণ সম্ভব না।
- উদাহরণ: ওয়াকি-টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে একইসাথে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- উদাহরণ: টেলিফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৮.
USB (Universal Serial Bus) এর মাধ্যমে ডেটা স্থানান্তর কোন পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়?
  1. প্যারালাল ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে
  2. সিরিয়াল ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে
  4. হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
সিরিয়াল ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়াল ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা

◉ USB (Universal Serial Bus) একটি Serial Communication Standard। অর্থাৎ, এখানে ডেটা এক বিট করে লাইনের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।

​USB বাস:
- USB-এর পূর্ণ অর্থ হলো Universal Serial Bus.
- ১৯৯৮ সাল থেকে ইন্টেল মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারগুলোতে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হচ্ছে।
- এই বাস দিয়ে সিরিয়াল পদ্ধতিতে ডেটা চলাচল করে।
- USB বাস অন্যান্য বাসের তুলনায় কম গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে কিন্তু এটি প্রচলিত সিরিয়াল বাসের তুলনায় অনেকটা উন্নত।

​এ ধরনের বাসের সুবিধাগুলো নিম্নরূপ:
১। বাসের মধ্য দিয়ে একই গতিতে ডেটা চলাচল করে। ফলে যেসব ডিভাইসের মধ্যে একই গতিতে ডেটা চলাচলের প্রয়োজন হয় সেসব ক্ষেত্রে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হয়।
২। এ ধরনের বাসে একসাথে অনেকগুলো যন্ত্রের সংযোগ প্রদান করা যায়।
৩। USB বাস পেরিফেরাল যন্ত্রগুলো হতে সিপিইউতে দ্রুতগতিতে ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৯.
নিচের কোনটিতে সাধারণত ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. WAN
  2. Satellite Communication
  3. MAN
  4. TV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
সঠিক উত্তর:
TV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
ব্যাখ্যা
• TV রিমোট কন্ট্রোলে সাধারণত ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়।

• ইনফ্রারেড:
- এটি এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সী সীমা 300GHz থেকে 400THz হয়ে থাকে।
- খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইন্ফ্রারেড ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে।
- টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১০.
ডেটার বাইনারিতে রূপান্তর, ডেটা সংকোচন ও এনক্রিপশন OSI ফ্রেমওয়ার্কের কোন লেয়ারে সংঘটিত হয়?
  1. অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার
  2. প্রেজেন্টেশন লেয়ার
  3. ডেটা লিঙ্ক লেয়ার
  4. ফিজিক্যাল লেয়ার
সঠিক উত্তর:
প্রেজেন্টেশন লেয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেজেন্টেশন লেয়ার
ব্যাখ্যা
♦ OSI ফ্রেমওয়ার্ক:
- Open Systems Interconnection বা OSI মূলত নেটওয়ার্ক সিস্টেমের কাজকে ব্যাখ্যা করার জন্য একটি ধারনাগত কাঠামো (Conceptual Framework)।
- এটি International Standards Organization (ISO) কর্তৃক প্রণীত এবং ৭টি লেয়ারে বিভক্ত।
- এই লেয়ারগুলো হলো – ফিজিক্যাল, ডেটা লিংক, নেটওয়ার্ক, ট্রান্সপোর্ট, সেশন, প্রেজেন্টেশন এবং অ্যাপ্লিকেশন লেয়ার।

উৎস: ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি।[২০২৩ সংস্করণ]
২১১.
WLAN এর উদাহরণ নিচের কোনটি?
  1. ক) Bluetooth
  2. খ) WiMAX
  3. গ) Wi-Fi
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) Wi-Fi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Wi-Fi
ব্যাখ্যা
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি; একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি। 
 
২১২.
গ্রাফিক কমিউনিকেশনে সকল ধরণের কমিউনিকেশন কিসের মাধ্যমে হয়ে থাকে?
  1. ক) রেডিও
  2. খ) মস্তিষ্ক
  3. গ) ছবি
  4. ঘ) ফাইবার অপটিকস
সঠিক উত্তর:
গ) ছবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছবি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে অনেক ধরনের কমিউনিকেশন সিস্টেম রয়েছে। যেমন:
• বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন সিস্টেম : শরীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে। যেমন- মস্তিষ্ক, স্বরযন্ত্র, কান, হাত ইত্যাদি অঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ করা হয়।

• গ্রাফিক কমিউনিকেশন সিস্টেম: গ্রাফিক কমিউনিকেশন সিস্টেমে সকল ধরনের যোগাযোগ ছবি ও চিহ্নের মাধ্যমে ভিজুয়ালী প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়।

• টেলিকমিউনিকেশন: দূরবর্তী স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থা। দূরবর্তী যোগাযোগের জন্য টেলিফোন ব্যবহার করার মাধ্যমে যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে টেলিকমিউনিকেশন বলে। যেমন- মোবাইল ফোনে দুই জনের মধ্যে কথোপকথোন।

• ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন: বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় বা যে যোগাযোগ গড়ে উঠে তাকে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন বলে। ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের জন্য অনেক মিডিয়া ব্যবহার করা হয়। যেমন- রেডিও, টেলিভিশন, ফাইবার অপটিকস, ফ্যাক্স, স্যাটেলাইট ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২১৩.
কোনো ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে বলে ঐ ডাটাবেজের -
  1. ইন্সট্যান্স (Instance)
  2. স্কিমা (Schema)
  3. এনটিটি (Entity)
  4. এট্রিবিউট (Attribute)
সঠিক উত্তর:
স্কিমা (Schema)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্কিমা (Schema)
ব্যাখ্যা
একটি ডাটাবেজে চলকের মানসমূহ (values) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পরিবর্ধন, সংরক্ষণ, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায়ই পরিবর্তিত হয়।

একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে ঐ ডাটাবেজের ইন্সট্যান্স (Instance) বলে

আর ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।
২১৪.
কোন নেটওয়ার্ক মডেলে সব কম্পিউটার সমান ক্ষমতাসম্পন্ন এবং একে অপরের সাথে সরাসরি রিসোর্স শেয়ার করে?
  1. Client-Server Network
  2. Peer-to-Peer Network
  3. Hybrid Network
  4. Metropolitan Area Network
সঠিক উত্তর:
Peer-to-Peer Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Peer-to-Peer Network
ব্যাখ্যা
◉ Peer-to-Peer (P2P) Network এ সব কম্পিউটার (Peer) সমান ক্ষমতাসম্পন্ন থাকে। প্রতিটি কম্পিউটারই অন্যদের সাথে সরাসরি ফাইল, প্রিন্টার বা অন্যান্য রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভারের প্রয়োজন হয় না।
 
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৫.
ট্রি টপোলজিতে, যে কোনো দুটি নোডের মধ্যে কতটি পথ রয়েছে?
  1. একাধিক
  2. শূন্য
  3. এক
  4. নোডের উপর নির্ভর করে
সঠিক উত্তর:
এক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক
ব্যাখ্যা

• ট্রি (Tree) হলো একটি সংযুক্ত, চক্রবিহীন (acyclic) গ্রাফ। অর্থাৎ, এটি এমন একটি গ্রাফ যেখানে কোনো চক্র নেই এবং প্রতিটি নোড একে অপরের সাথে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সংযুক্ত। ট্রির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর মধ্যে যে কোনো দুটি নোডের মধ্যে সঠিকভাবে একটিমাত্র অনন্য পথ (unique path) থাকে। কারণ, যদি দুটি নোডের মধ্যে একাধিক পথ থাকে, তবে সেগুলোর সংযোগে একটি চক্র তৈরি হবে, যা ট্রির সংজ্ঞার বিরোধী। আবার যদি কোনো পথ না থাকে, তবে নোডগুলো সংযুক্ত থাকবে না, যা একটি ট্রি নয়। তাই, যেকোনো দুটি নোডের মধ্যে পথের সংখ্যা একটি নির্দিষ্ট এবং একমাত্র। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) এক।

​• ​ট্রি টপোলজি: 
​-যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২১৬.
Which network topology is a hierarchical structure formed by connecting multiple star networks?
  1. Loop
  2. Bus
  3. Mesh
  4. Tree
  5. Ring
সঠিক উত্তর:
Tree
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tree
ব্যাখ্যা

ট্রি টপোলজি হলো একটি হায়ারারকিক্যাল নেটওয়ার্ক কাঠামো, যা একাধিক স্টার টপোলজিকে সংযুক্ত করে গঠিত হয়।

নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- একটি নেটওয়ার্কের ফিজিক্যাল ডিভাইস (যেমন- ক্যাবল, পিসি, রাউটার ইত্যাদি) যেভাবে নেটওয়ার্কে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে টপোলজি বলা হয়।
- নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি যন্ত্রের সংযোগস্থলকে নোড (Node) বলা হয়।

• কম্পিউটার নেটওয়ার্কে মূলত ছয় ধরণের টপোলজি থাকে। যথা:
১. বাস নেটওয়ার্ক টপোলজি (Bus Network Topology),
২. রিং নেটওয়ার্ক টপোলজি (Ring Network Topology),
৩. স্টার নেটওয়ার্ক টপোলজি (Star Network Topology),
৪. ট্রি নেটওয়ার্ক টপোলজি (Tree Network Topology),
৫. মেশ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Mesh Network Topology) এবং
৬. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক টপোলজি (Hybrid Network Topology)।

স্টার টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট বা হাব বা সুইচের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার বা পেরিফেরালসমূহকে সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, তাকে স্টার টপোলজি বলে।
- স্টার টপোলজি সম্প্রসারিত হয়ে ট্রি টপোলজিতে রূপান্তর হয়।
- এক্ষেত্রে সংযুক্ত নোডগুলো কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা হাব বা সুইচের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রাদান করে থাকে।

ট্রি টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
- এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২১৭.
GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে কী বলা হয়?
  1. ক) CDMA
  2. খ) UMTS
  3. গ) 3G
  4. ঘ) HSPA
সঠিক উত্তর:
খ) UMTS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) UMTS
ব্যাখ্যা
GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) বলা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
২১৮.
১০২৪ বাইট = কত?
  1. ক) ১ মেগাবাইট
  2. খ) ১ গিগাবাইট
  3. গ) ১ কিলোবাইট
  4. ঘ) ১ টেরাবাইট
সঠিক উত্তর:
গ) ১ কিলোবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১ কিলোবাইট
ব্যাখ্যা

১ নিবল সমান ৪ বিট।
১ বাইট সমান ৮ বিট।
১ কিলোবাইট সমান ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
১ মেগাবাইট সমান ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
১ গিগাবাইট সমান ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
১ টেরাবাইট সমান ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
১ পিটাবাইট সমান ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।

২১৯.
কোন সফটওয়্যারটি Database Package Program এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Ms-Excel
  2. Qrater Pro
  3. Oracle
  4. Word Note
সঠিক উত্তর:
Oracle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle
ব্যাখ্যা
Oracle সফটওয়্যারটি Database Package Program এর অন্তর্ভুক্ত।

Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। 
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্য সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
১। Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

Other options:
Word note- Word Processing Package Program.
Ms-Excel, Qrater Pro- Spreadsheet Package Program.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২০.
কোন সেলুলার কোম্পানি বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 5G চালু করে?
  1. ক) টেলিটক
  2. খ) গ্রামীণফোন
  3. গ) রবি
  4. ঘ) বাংলালিংক
সঠিক উত্তর:
ক) টেলিটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টেলিটক
ব্যাখ্যা
- টেলিটক বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 5G চালু করে।
- ১২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক দেশের ছয়টি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে।
- বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু হয়েছে।
২২১.
রাউটার হচ্ছে এক ধরণের -
  1. ক) সাের্স
  2. খ) ডেসটিনেশন
  3. গ) মিডিয়াম
  4. ঘ) রিসিভার
সঠিক উত্তর:
ঘ) রিসিভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রিসিভার
ব্যাখ্যা

১. সাের্স : ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, কম্পিউটার কী-বাের্ড ইত্যাদি
২. ট্রান্সমিটার : মডেম, রাউটার, টিভি স্টেশন, রেডিও স্টেশন, টেলিফোন ও মােবাইল ফোন কোম্পানির এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি।
৩. মিডিয়াম : টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি
৪. রিসিভার : মডেম, রাউটার, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি।
৫, ডেসটিনেশন : কম্পিউটার, সার্ভার, টেলিফোন বা মােবাইল ফোন ইত্যাদি।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

২২২.
প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা
বর্তমানে মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-GMS এবং CDMA

GSM: 
- GSM হচ্ছে মূলত FDMA ও TDMA এর একটি সম্মিলিত চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS বলে।
- UMTS এর পূর্ণরূপ- Universal Mobile Telecommunication System। 

সুবিধাসমূহ- 
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধার কারণে GSM প্রযুক্তি পৃথিবীর প্রায় ২১৮টি দেশে ব্যবহৃত হয়।  
- যেকোনো ধরণের SIM কার্ড সহজেই ব্যবহার যায়। 
- অধিক দক্ষ ও কার্যকরী ফ্রিকোয়েন্সির সুবিধা প্রদান। 
- উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন নিরবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন।

CDMA: 
- CDMA এর পূর্ণরূপ- Code Division Multiple Access। 

সুবিধাবলী- 
- ট্রান্সমিশন পাওয়ার কম হওয়ায় রেডিয়েশন কম থাকে।
- অপেক্ষাকৃত ভালো মানের কল পাওয়া যায়।

অসুবিধাবলী- 
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা অপ্রতুল। 
- যেকোনো মোবাইল সেট ব্যবহারের সুবিধা নেই।
- ব্যবহারকারী বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে ট্রান্সমিশনের গুণগত মান হ্রাস পায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২২৩.
নেটওয়ার্ক ট্রান্সমিশন রেট বোঝাতে ব্যবহৃত 'Mbps' এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Megabytes per second
  2. Megabits per second
  3. Milibyte per second
  4. Milibits per second
সঠিক উত্তর:
Megabits per second
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Megabits per second
ব্যাখ্যা

Mbps এবং ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড:
- Mbps এর পূর্ণরূপ: Megabits per second.
- Mbps হলো নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের ডেটা ট্রান্সমিশন গতি পরিমাপের একক। 
- এটি বোঝায় যে এক সেকেন্ডে কত মেগাবিট তথ্য স্থানান্তরিত হতে পারে।
- Mbps যত বেশি, ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্ক সংযোগ তত দ্রুত হয়।
- ডেটা স্থানান্তরের হারকে সাধারণত ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বা ব্যান্ডউইডথ বলা হয়।
- Mbps- bit per second (bps) এককে হিসাব করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- MB (Megabyte) এবং Mb (Megabit) দুটি ভিন্ন একক।
- MBps দ্বারা মেগাবাইট পার সেকেন্ড বুঝানো হয়।
- ফাইলের সাইজ, যেমন গান, ছবি বা মিউজিক, সাধারণত Megabyte (MB) এ পরিমাপ করা হয়;

• ডেটা পরিমাপের অন্যান্য এককগুলো হলো:
- bps: bit per second (1 বিট = 0 বা 1)।
- kbps: kilobits per second (1000 বিট = 1 কিলোবিট)।
- Mbps: Megabits per second (1000 কিলোবিট = 1 মেগাবিট)।
- Gbps: Gigabits per second (1000 মেগাবিট = 1 গিগাবিট)।
- Tbps: Terabits per second (1000 গিগাবিট = 1 টেরাবিট)।
- Pbps: Petabits per second (1000 টেরাবিট = 1 পেটাবিট)।

• NOTE: 
- বড় হাতের B হলে সেটি মেগাবাইট, আর ছোট হাতের b হলে সেটি মেগাবিট নির্দেশ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২২৪.
কোনটি ডাটাবেস প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. MS-Word
  2. Lotus 1-2-3
  3. Oracle
  4. Word Perfect
সঠিক উত্তর:
Oracle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle
ব্যাখ্যা
Oracle একটি ডাটাবেস প্যাকেজ প্রোগ্রাম।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, Word Perfect, MS Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৫.
কোন ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে "পেজার" ডেটা ট্রান্সফার করে?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সিমপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিমপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।

- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়। প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
- যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
- যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
২২৬.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার করা
  2. তথ্য সংরক্ষণ করা
  3. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার নেটওয়ার্ক:
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলতে বুঝায় দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ।
- যে বিশেষ ব্যবস্থায় মডেম, ক্যাবল বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এক কম্পিউটারের সাথে অন্য এক বা একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তাদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করাই হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উদ্দেশ্য:
- ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা।
- হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার করা
- সফটওয়্যার রিসোর্স শোয়ার করা।
- তথ্য সংরক্ষণ করা
- ই-কমার্স ব্যবহার করা।
- তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা
- মেসেj বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৭.
In data communication, which transmission mode allows data flow in only one direction?
  1. Simplex
  2. Half Duplex
  3. Full Duplex
  4. Multiplex
সঠিক উত্তর:
Simplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simplex
ব্যাখ্যা

ডেটা কমিউনিকেশনে যে ট্রান্সমিশন মোডটি ডেটা প্রবাহকে শুধুমাত্র এক দিকে প্রেরণ করে, তা হলো সিমপ্লেক্স (Simplex)।

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
• সিমপ্লেক্স (Simplex):

- কেবলমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা প্রথাকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- সিমপ্লেক্স মোডে কেবলমাত্র এক দিকে ডেটা প্রেরণ করে থাকে।
- কিন্তু বিপরীত দিকে ডেটা প্রেরণ করতে পারে না।
- অর্থাৎ এই ব্যবস্থায় ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণের যে কোন একটি সম্ভব।
- যে প্রান্ত ডেটা প্রেরণ করবে সে প্রান্ত গ্রহণ করতে পারবে না এবং গ্রহণ প্রান্ত প্রেরণ করতে পারে না।
- উদাহরণ-রেডিও, টিভি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- এই ব্যবস্থায় উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সুযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব নয়।
- যে কোন প্রান্ত একই সময়ে কেবলমাত্র ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে, কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- উদাহরণ-ওয়াকি টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- এক্ষেত্রে একইসময়ে উভয় দিক হতে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডেটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। উদাহরণ-টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২২৮.
Client-Server Network ব্যবহার করার জন্য নিচের কোনটি প্রয়োজন?
  1. অফলাইন সফটওয়্যার
  2. পেইন্ট প্রোগ্রাম
  3. নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম
  4. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
Client-Server Network ব্যবহার করার জন্য নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন।

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক:
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন
সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম
সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/ ২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২২৯.
NPSB stands for -
  1. ক) Nationwide Payment Switch Bangladesh
  2. খ) National Payment Switch Bangladesh
  3. গ) National Payment System Bangladesh
  4. ঘ) Nationwide Payment System Bangladesh
সঠিক উত্তর:
খ) National Payment Switch Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) National Payment Switch Bangladesh
ব্যাখ্যা
National Payment Switch Bangladesh (NPSB) is a domestic ATM sharing network governed by the Bangladesh Bank.
Through this network, NPSB member bank's customers are to perform ATM transactions at other NPSB member banks' ATM terminals using their Debit/Credit/ATM cards.

Source: hsbc.com.bd
২৩০.
নিচের কোনটি নেটওয়ার্ক লেয়ার ডিভাইস?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. রাউটার
  4. মডেম
সঠিক উত্তর:
রাউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাউটার
ব্যাখ্যা

◉ নেটওয়ার্ক লেয়ার হলো OSI (Open Systems Interconnection) মডেলের তৃতীয় স্তর, যা ডাটা প্যাকেট রাউটিং এবং IP অ্যাড্রেসিং পরিচালনা করে।

OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- হাব এবং সুইচ ডেটা লিংক লেয়ার ডিভাইস (OSI মডেলের লেয়ার 2), যা MAC অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ডেটা ফরওয়ার্ড করে।
- মডেম ফিজিক্যাল লেয়ার ডিভাইস (OSI মডেলের লেয়ার 1), যা ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটালে রূপান্তর করে।

Source: Cisco Learning Network. [লিংক] 

২৩১.
ব্যান্ডউইডথ কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) এক
  2. খ) দুই
  3. গ) তিন
  4. ঘ) চার
সঠিক উত্তর:
গ) তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তিন
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইডথকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। ন্যারোব্যান্ড,ভয়েসব্যান্ড এবং ব্রডব্যান্ড।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
২৩২.
Wi-Fi-এর পুরো রূপ কী?
  1. Wide Facility
  2. Wireless Facility
  3. Wireless Fidelity
  4. Wide Fidelity
সঠিক উত্তর:
Wireless Fidelity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wireless Fidelity
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi-এর পুরো রূপ হিসেবে সাধারণভাবে Wireless Fidelity-কেই গ্রহণ করা হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Wireless Fidelity। Wi-Fi এমন একটি প্রযুক্তি যা তারবিহীনভাবে ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করে। এর মাধ্যমে রাউটার ও বিভিন্ন ডিভাইস যেমন মোবাইল, ল্যাপটপ ও ট্যাবলেটের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান হয়। যদিও প্রযুক্তিগতভাবে Wi-Fi কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নয় এবং এটি একটি ব্র্যান্ড নাম, তবুও শিক্ষা ও সাধারণ জ্ঞানের ক্ষেত্রে Wireless Fidelity নামটিই প্রচলিত ও স্বীকৃত। এই প্রযুক্তি আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করেছে।

• Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়‍্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৩৩.
কোন নেটওয়ার্কটি পাবলিক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. CAN
  2. WAN
  3. LAN
  4. PAN
সঠিক উত্তর:
WAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WAN
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের মালিকানা: 
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে, তাকে পাবলিক নেটওয়ার্ক বলে। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় অনেক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে, অর্থাৎ এর একক মালিকানা থাকে না। 
- এর ব্যবহারকারীকে সাধারণত ফিস্ বা মূল্য পরিশোধ করতে হয় না। 
- WAN বা ইন্টারনেট হলো পাবলিক নেটওয়ার্কের উদাহরণ। 

২। প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত এবং কোনো কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়, তাকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বলে। 
- কেউ ইচ্ছা করলেই এই নেটওয়ার্কে অ্যাকসেস করতে পারে না। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ও তত্ত্বাবধানে। 
- এর সিকিউরিটি সিস্টেম মজবুত এবং এতে ট্রাফিক নেই বললেই চলে। 
- ডেটা আদান-প্রদানে ডিলে (Delay) কম হয়। 
- PAN, LAN বা CAN এ ধরনের নেটওয়ার্ক। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২৩৪.
IPv6 এর সাহায্যে সর্বোচ্চ কত সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়?
  1. ক) 28
  2. খ) 216
  3. গ) 232
  4. ঘ) 2128
সঠিক উত্তর:
ঘ) 2128
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 2128
ব্যাখ্যা
(1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 X ৪ বা 32 বিটের যা 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলাে IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
২৩৫.
কোন নেটওয়ার্কে হোস্ট কম্পিউটার থাকে?
  1. ক) বাস নেটওয়ার্ক
  2. খ) স্টার নেটওয়ার্ক
  3. গ) রিং নেটওয়ার্ক
  4. ঘ) ট্রি নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
খ) স্টার নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্টার নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
স্টার নেটওয়ার্কে একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট কম্পিউটারের সঙ্গে অন্যান্য কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে। এ সংগঠনের নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটার গুলো পরস্পরের মধ্যে সরাসরি সংকেত আদান-প্রদান করতে পারে না। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট কম্পিউটারের মাধ্যমে এক কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সঙ্গে ডেটা বা সংকেত আদান-প্রদান করে থাকে।
২৩৬.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) তৈরি এবং পরিচালনার জন্য যথাক্রমে কোন প্রোটোকল ও ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. HTML এবং HTTP
  2. HTTP এবং HTML
  3. TCP/IP এবং C++
  4. SMTP এবং HTTP
সঠিক উত্তর:
HTTP এবং HTML
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HTTP এবং HTML
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) তৈরি এবং পরিচালনার জন্য যথাক্রমে HTTP এবং HTML প্রোটোকল ও ভাষা ব্যবহৃত হয়।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web, WWW) 
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব হল ইন্টারনেট এর মাধ্যমে টেক্সট, গ্রাফিক্স ও অডিও দেখার একটি মাধ্যম। 
- এটি একটি তথ্য পুনরুদ্ধার পরিষেবা যা ব্যবহারকারীদের হাইপারটেক্সট বা হাইপারমিডিয়া লিংকের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ডেটা যেমন ছবি, শব্দ, অ্যানিমেশন এবং মুভি ইত্যাদি তে অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে। 
- প্রতিটি তথ্য পুনরুদ্ধার করার জন্য একটি ওয়েবপেজ (Webpage) প্রয়োজন হয়। 
- ১৯৮৯ সালে টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee) এবং তার সহকর্মীরা CERN এ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করেন। 
- তারা হাইপারটেক্সট ট্রান্সফার প্রোটোকল (HyperText Transfer Protocol, HTTP) নামে একটি প্রোটোকল তৈরি করেন, যা সার্ভার এবং ক্লায়েন্টদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করে। 
- হাইপারটেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ (HyperText Markup Language, HTML) ব্যবহার করে একটি ওয়েবপেজের বিষয়বস্তু লেখা হয় এবং এর একটি অনলাইন ঠিকানা থাকে, যাকে ইউনিফর্ম রিসোর্স লোকেটর (Uniform Resource Locator, URL) বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৩৭.
কোনো সিগন্যালকে নির্দিষ্ট পোর্টে প্রেরণ করে কোন নেটওয়ার্ক ডিভাইস?
  1. সুইচ
  2. ব্রিজ
  3. রিপিটার
  4. হাব
সঠিক উত্তর:
সুইচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইচ
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্ক ডিভাইস:
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য কম্পিউটারগুলো যুক্ত করতে যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে নেটওয়ার্ক ডিভাইস বলা হয়।
- এসব যন্ত্রপাতি মূলত নেটওয়ার্কে ডেটার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং সংকেত ও ডেটাকে তার সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
- এসব যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে:
• মডেম
• হাব
• রাউটার
• গেটওয়ে
• সুইচ
• নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড।

• সুইচ:
- নেটওয়ার্কিং করার জন্য বর্তমানে হারের পরিবর্তে ব্যাপকভাবে সুইচ ব্যবহৃত হয়।
- কার্যক্রমের দিক থেকে হাব এর সাথে সুইচের তেমন কোনো পার্থক্য নেই তবে সুইচেন্ন ৰুদ্ধিমত্তা রয়েছে।
- সুইচ কোনো সংকেতকে ব্রডকাস্ট করে না, সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য প্রতিটি কম্পিউটারের MAC (Media Access Control) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে শুধু নির্দিষ্ট পোর্টে সিগন্যালটি পাঠায়।
- শুধু তাই নয় দুর্বল হয়ে পড়া সংকেতটিকে অ্যামপ্লিফাই (বর্ধিত) করে গন্তব্য কম্পিউটারের পোর্টে প্রেরণ করে। 
- সুইচে পোর্টের সংখ্যা ৪, 16, 24 থেকে 48 পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে ডেটা ফিল্টারিং (প্রকৃত সিগনাল থেকে নয়েজ সিগনাল বাদ দেয়া) করা সম্ভব তবে ব্যবহারের দিক থেকে একটু জটিল।
- একটি সুইচ দিয়ে একটি LAN তৈরি করা যায়, একাধিক LAN তৈরি সম্ভব নয়। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৮.
Wi-Fi এর সিগন্যাল কোন ফ্রিকোয়েন্সিতে প্রেরিত হয়?
  1. 100 MHz - 200 MHz
  2. 10 GHz - 20 GHz
  3. 2.4 GHz - 5 GHz
  4. 0.5 GHz - 2 GHz
সঠিক উত্তর:
2.4 GHz - 5 GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2.4 GHz - 5 GHz
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: 2.4 GHz - 5 GHz

Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারলেস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz।
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৩৯.
ব্লুটুথের ট্রান্সমিশন ফ্রিকুয়েন্সি কত?
  1. 3.8 গিগাহার্টজ 
  2. 5.2 গিগাহার্টজ 
  3. 2.4 গিগাহার্টজ 
  4. 4.8 গিগাহার্টজ 
সঠিক উত্তর:
2.4 গিগাহার্টজ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2.4 গিগাহার্টজ 
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ একটি সংক্ষিপ্ত-দূরত্বের ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি যা ডিভাইসগুলির মধ্যে ডেটা এবং অডিও পাঠাতে ব্যবহৃত হয়। ব্লুটুথ সাধারণত ২.৪ গিগাহার্টজ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে। এটি একটি বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত ISM (Industrial, Scientific, and Medical) ব্যান্ড, যা ওয়াইফাই, মাইক্রোওয়েভ এবং অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সহজেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। ২.৪ GHz ফ্রিকোয়েন্সি উচ্চ গতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন, কম শক্তি ব্যবহার এবং কম ব্যয় নিশ্চিত করে। সুতরাং, প্রদত্ত অপশন গুলির মধ্যে সঠিক উত্তর হলো: গ) 2.4 গিগাহার্টজ ।

• ব্লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ।
- এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তিটির নাম ব্লুটুথ রাখা হয়েছে।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10-100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪০.
The IEEE standard that defines Wireless LAN (Wi-Fi) technology is:
  1. 802.11
  2. 802.3
  3. 802.16
  4. 802.15.4
সঠিক উত্তর:
802.11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
802.11
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi-এর জন্য মূল IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.11

• Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়‍্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ককম্পিউটার/ডিজিটাল বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিগুলোকে তারবিহীন উপায়ে ইন্টারনেটে সংযুক্ত করার একটি প্রযুক্তি হলো ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) I
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- এটি একটি ওয়্যারলেস বা তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ওয়াই-ফাই অ্যানাবল্ড ডিভাইস যেমন- ল্যাপটপ, ভিডিও গেম কনসোল, স্মার্টফোন কিংবা ডিজিটাল অডিও প্লেয়ার প্রভৃতি একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক অ্যাকসেস পয়েন্টের মাধ্যমে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হতে পারে।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কভুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়। হটস্পট হলো এক নেটওয়ার্ক।
- এর ডেটা কমিউনিকেশন গতি খুবই কম এবং সিকিউরিটি ব্যবস্থাও দুর্বল।

উল্লেখ্য,
- 802.3: এই স্ট্যান্ডার্ডটি ইথারনেট নেটওয়ার্কগুলির জন্য ব্যবহৃত হয়।
-  802.16: এই স্ট্যান্ডার্ডটি ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN) বা WiMAX প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।
- 802.15.4: এটি ZigBee, Thread ইত্যাদি লো-পাওয়ার ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কের (WPAN) স্ট্যান্ডার্ড।
- 802.15.1: এই স্ট্যান্ডার্ডটি Bluetooth প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

২৪১.
ব্লুটুথের ফ্রিকুয়েন্সি কত?
  1. 4.8 গিগাহার্টস
  2. 2.4 গিগাহার্টস
  3. 5.2 গিগাহার্টস
  4. 3.8 গিগাহার্টস
সঠিক উত্তর:
2.4 গিগাহার্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2.4 গিগাহার্টস
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ।
- এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তিটির নাম ব্লুটুথ রাখা হয়েছে।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10-100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪২.
কোন নেটওয়ার্কে ইমেইল সুবিধা পাওয়া যায়?
  1. ক) LAN
  2. খ) WAN
  3. গ) PAN
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) WAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) WAN
ব্যাখ্যা
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক: বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের কম্পিউটারের সাথে সংযােগ স্থাপন করে।
টেলিফোনের সাথে সংযুক্ত মডেমের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ডায়াল করতে হয়। এভাবে ভিন্ন প্রকৃতির নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযুক্ত করার জন্য গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়। গেটওয়ে ডাটা বা তথ্য চলাচলের জন্য প্রয়ােজনীয় পরিবর্তনের কাজ করে দেয়।
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারী বিভিন্ন সুবিধা পেতে পারে।
যেমনঃ ই-মেইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি।
২৪৩.
নিচের কোনটি ৩য় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ড নয়?
  1. ক) HSPA ( (High speed package Access)
  2. খ) MIMO (Multiple Input Multiple Output)
  3. গ) WCDMA (Wide band division multiple access)
  4. ঘ) UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)
সঠিক উত্তর:
খ) MIMO (Multiple Input Multiple Output)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) MIMO (Multiple Input Multiple Output)
ব্যাখ্যা

তৃতীয় প্রজন্মের মােবাইলফোনে ৪টি স্ট্যান্ডার্ড চালু আছে। যথাঃ
1. HSPA ( (High speed package Access)
2. WCDMA (Wide band division multiple access)
3, 3GPP (3rd Gen Partnership Project)
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)
৫ম প্রজন্মের মােবাইলফোনে স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

২৪৪.
Chronous শব্দের অর্থ কী?
  1. সময়
  2. শ্রমিক
  3. সমান
  4. গতি
সঠিক উত্তর:
সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়
ব্যাখ্যা
♦ আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- গ্রিক শব্দ Iso অর্থ 'সমান' আর Chronous অর্থ 'সময়'। সুতরাং Isochronous হলো 'সমান সময়'।
- যে পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপক স্টেশনের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় একই অর্থাৎ কোনো প্রকার দেরি ছাড়া একক সময়ে সমস্ত ডেটা ব্লক বা প্যাকেট ট্রান্সফার করা হয়, তাকে আইসোক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড বলে।
-  এটি হলো সিনক্রোনাস ও অ্যাসিনক্রোনাস এ দুই পদ্ধতির সমন্বিত একটি ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড।

• আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন-এর সুবিধা:
১. ট্রান্সমিশন স্পিড তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।
২. প্রতি ক্যারেক্টারের মাঝে বিরতির প্রয়োজন হয় না।
৩. প্রতি ক্যারেক্টারের শুরুতে স্টার্ট বিট এবং শেষে স্টপ বিট- এর প্রয়োজন হয় না।

• আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন-এর অসুবিধা:
১. তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল।
২. ডেটা ব্লক যথাযথভাবে প্রাপক পেয়েছে কিনা তা চেক করা যায় না এবং ভুল সংশোধন করার ব্যবস্থা নেই।
৩. প্রেরক স্টেশনে স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২৪৫.
কোন ধরনের শেয়ারিং এর মাধ্যমে একই নেটওয়ার্কে থাকা কম্পিউটারগুলো নিজেদের মধ্যে ফাইল শেয়ার করতে পারে?
  1. ক) ইনফরমেশন রিসোর্স শেয়ার
  2. খ) নেটওয়ার্ক রিসোর্স শেয়ার
  3. গ) সফটওয়্যার রিসোর্স শেয়ার
  4. ঘ) হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার
সঠিক উত্তর:
ক) ইনফরমেশন রিসোর্স শেয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইনফরমেশন রিসোর্স শেয়ার
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার: একটি কম্পিউটারের কোনো হার্ডওয়্যার উপাদান একই নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত অন্য কম্পিউটার সমূহে ব্যবহৃত হতে পারে, এটিই হলো হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার। যেমন কোনো নেটওয়ার্কের অধিনস্থ কতগুলো কম্পিউটারে একটি মাত্র প্রিন্টার ব্যবহার করেই প্রিন্ট করার কাজটি করা যায়।

সফটওয়্যার রিসোর্স শেয়ার: প্রত্যেক কম্পিউটারের জন্য আলাদা আলাদাভাবে সফটওয়্যার না কিনে, একটি কপি কিনেই তা নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত সকল কম্পিউটারে শেয়ার করা যায়।

ইনফরমেশন রিসোর্স শেয়ার: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক স্থাপনের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে ঐ নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত অন্য কম্পিউটারের কোনো ফাইল বা ইনফরমেশন অ্যাকসেস করা যায়। অর্থাৎ একটি স্থানে তথ্য সঞ্চয় করে ঐ স্থান থেকে তথ্য শেয়ার করা যায়। যেমন ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে মূল সার্ভারে রক্ষিত ডেটাবেজ থেকে ফাইল ঐ নেটওয়ার্কের অধিনস্থ বিভিন্ন কম্পিউটারে শেয়ার করা যায়।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
২৪৬.
Which of the following is a spreadsheet software?
  1. FoxPro
  2. Quattro Pro
  3. Informix
  4. dBase
সঠিক উত্তর:
Quattro Pro
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Quattro Pro
ব্যাখ্যা
Quattro Pro is a spreadsheet software.

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

যেমন-
১। Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৭.
ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. সিমপ্লেক্স মোডে কেবল একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়।
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
  3. সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ: মাউস।
  4. হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ: টেলিফোন।
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ: টেলিফোন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ: টেলিফোন।
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়।
- প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
- যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
- যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
- যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
২৪৮.
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মােবাইল ফোনে আবেদন করার সুবিধা - কোনটির উদাহরণ?
  1. ক) ই-সার্ভিস
  2. খ) এম-লার্নিং
  3. গ) ই-গভর্ন্যান্স
  4. ঘ) ই-লার্নিং
সঠিক উত্তর:
গ) ই-গভর্ন্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ই-গভর্ন্যান্স
ব্যাখ্যা
শিক্ষা ক্ষেত্রে ই-গভর্ন্যান্সের একটি উদাহরণ হলাে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মােবাইল ফোনে আবেদন করার সুবিধা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, পূর্বে যশাের জেলায় একজন শিক্ষার্থী সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ইচ্ছুক হলে তাকে অনেকগুলাে কাজ সম্পন্ন করতে হতাে।
এজন্য নিজে অথবা প্রতিনিধিকে সিলেট গিয়ে একবার ভর্তির আবেদনপত্র সংগ্রহ এবং পরে আবার আবেদনপত্র জমা দিতে হতাে। বর্তমানে মােবাইল ফোনেই এই আবেদন করা যায়। ফলে, ভর্তিচ্ছুদের ভর্তির আবেদন ফরম জোগাড় ও জমা দেওয়ায় জন্য শহর থেকে শহরে ঘুরতে হয় না।
উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উদাহরণ নয়?
  1. ক) LAN
  2. খ) PAN
  3. গ) KAN
  4. ঘ) MAN
সঠিক উত্তর:
গ) KAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) KAN
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক
ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN)
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান (Local Area Network - LAN)
৩। মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ম্যান  (Metropolitan Area Network - MAN)
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়্যান (Wide Area Network - WAN)

পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা
প্যান বলে। 
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্যান USB Bus এবং Firewire Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে ।
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলির সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত ক্যাবল ব্যবহার হয়।
- সাধারণত সীমিত এলাকার মধ্যে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়। 

মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত কোন ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন-একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে। WAN কে ইন্টারনেট বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২৫০.
Which Wi-Fi mode allows devices to connect directly without using a router?
  1. Infrastructure Mode
  2. Bridge Mode
  3. Ad-hoc Mode
  4. Client Mode
সঠিক উত্তর:
Ad-hoc Mode
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ad-hoc Mode
ব্যাখ্যা
Wi-Fi এর মাধ্যমে Ad-hoc মোড এর মাধ্যমে রাউটার ছাড়াও সংযোগ করা যায়।

• Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ Wireless Fidelity.
- Wi-Fi হলো একটি তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ডিজিটাল যন্ত্রপাতি (যেমন: ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ইত্যাদি) বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়।
- Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.11।
- এর কভারেজ এরিয়া সাধারণত ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত।
- এর ব্যান্ডউইথ: ১০ Mbps – ৫০ Mbps.
- Ad-hoc Mode এর মাধ্যমে রাউটার ছাড়াও সংযোগ সম্ভব।
- এটি LAN-এর তুলনায় সস্তা ও সহজলভ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২৫১.
ওয়াকিটকিতে কোন পদ্ধতিতে Data Transmission হয়?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ ডুপ্লেক্স
  3. ফুল ডুপ্লেক্স
  4. ট্রিপ্লেক্স
সঠিক উত্তর:
হাফ ডুপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাফ ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex) I

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সুযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
যেমন- ওয়াকি টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
যেমন- টেলিফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫২.
কোন টপোলজিতে কম্পিউটার ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়ে যায়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
সঠিক উত্তর:
রিং টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা

• যে টপোলজিতে একটি কম্পিউটার ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হলে পুরো নেটওয়ার্কই বন্ধ হয়ে যায় তা হলো রিং টপোলজি। রিং টপোলজিতে প্রতিটি ডিভাইস ঠিক পরবর্তী ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং ডেটা একটি নির্দিষ্ট দিক বরাবর পাঠানো হয়। অর্থাৎ, ডেটা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ধাপে ধাপে পৌঁছায়। যদি কোনো কম্পিউটার বা সংযোগে সমস্যা হয়, তাহলে পুরো রিং ব্যাহত হয়ে যায় এবং ডেটা পরিবহন থেমে যায়। অন্যদিকে, স্টার বা বাস টপোলজিতে একক ডিভাইসের ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে না। তাই রিং টপোলজিতে নেটওয়ার্কের নির্ভরশীলতা সবচেয়ে বেশি।

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে;
- এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমূখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫৩.
কোনটি IEEE এর WiFi স্ট্যান্ডার্ড?
  1. ক) 802.11B
  2. খ) 802.1u
  3. গ) 802.15
  4. ঘ) 802.16
সঠিক উত্তর:
ক) 802.11B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 802.11B
ব্যাখ্যা
ওয়াই-ফাই হচ্ছে একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা ব্যবহার করে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে উচ্চ গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে।
WiFi এর প্রাথমিক স্ট্যান্ডার্ড ছিলো IEEE 802.11B, এরপরের দ্রুততর সংস্করণের নাম ছিলো IEEE 802.11G এবং সর্বশেষ WiFi 6 নামে পরিচিত স্ট্যান্ডার্ড হচ্ছে IEEE 802.11ax।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি  - মোঃ মজিবুর রহমান এবং tp-link.com
 
২৫৪.
Personal Area Network (PAN) এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড কত?
  1. ক) 802.11
  2. খ) 802.12
  3. গ) 802.15
  4. ঘ) 802.16
সঠিক উত্তর:
গ) 802.15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 802.15
ব্যাখ্যা
PAN (Personal Area Network)
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ (Laptop), পিডিএ (PDA), মোবাইল (Mobile), প্রিন্টার (Printer) ইত্যাদি।

PAN এর বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
২. খরচ তুলনামূলক কম।
৩. দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
৪. এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
৫. ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
৬. ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি দ্বারা একটি ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা WPAN তৈরি করা সম্ভব।

- PAN (Personal Area Network) এর স্টান্ডার্ড  IEEE 802.15

=======================
- Bluetooth এর IEEE স্টান্ডার্ড IEEE 802.15
- Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- WIMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৫৫.
মেশ টপোলজিতে 6 টি নোডের জন্য মোট তারের সংখ্যা কত?
  1. 15 টি
  2. 12 টি
  3. 21 টি
  4. 36 টি
সঠিক উত্তর:
15 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15 টি
ব্যাখ্যা
• মেশ টপোলজি (Mesh Topology):
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি বলা হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটারকে প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা মেশ টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়।
- একে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n - 1)টি সংযোগের প্রয়োজন হয়। ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n - 1)/2.

• নোড n = 6 হলে, তারের সংখ্যা = 6(6 - 1)/2 = 15 টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৫৬.
কোন ধরনের টপোলজি বিভিন্ন টপোলজির সমন্বয়ে গঠিত?
  1. হাইব্রিড টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড টপোলজি
ব্যাখ্যা
⚪ হাইব্রিড টপোলজি এমন একটি নেটওয়ার্ক গঠন যা একাধিক টপোলজির (যেমন স্টার, বাস, রিং ইত্যাদি) সমন্বয়ে গঠিত। এটি বিভিন্ন টপোলজির সুবিধা একত্রিত করে একটি নমনীয় ও দক্ষ নেটওয়ার্ক তৈরি করে।

⚪ নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়। 
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে। 
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে। 

⚪ নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টপোলজি হচ্ছে- 
১। বাস টপোলজি (Bus Topology): 
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে। 
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়। 
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)। 

- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। 
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না। 
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। 

২। হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology): 
- এ ধরনের টপোলজিতে কয়েক প্রকার টপোলজির সংমিশ্রণ দেখা যায় তাই একে হাইব্রিড টপোলজি বলে। 
- সব ধরনের সংগঠনে কিছু সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। এ জন্য হাইব্রিড টপোলজি কয়েক ধরনের টপোলজির সমন্বয়ে তৈরি হয়। 

৩। স্টার টপোলজি (Star Topology): 
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে। কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ। 
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ। 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়। এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়। 

৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topolopy): 
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে। বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে। 
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে। আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে। মূল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৭.
WiMax কোন প্রজন্মের সেবা দেয়?
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৩য়
  3. গ) ৪র্থ
  4. ঘ) ৫ম
সঠিক উত্তর:
গ) ৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
Along with a competing standard called ''LTE,'' WiMax, short for Worldwide Interoperability for Microwave Access, represents 4G or the ''fourth generation”.
Source:businessinsider.com
২৫৮.
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের Jacket-এর নিচের স্তরটিই হলো-
  1. Insulation
  2. Filler Stands
  3. Inner Conductors
  4. Shield
সঠিক উত্তর:
Shield
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shield
ব্যাখ্যা
• টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল:
- দুটি পরিবাহী তামার তারকে পরস্পর সুষমভাবে পেঁচিয়ে টুইস্টেড পেয়ার তৈরি করা হয়।
- পেঁচানো পরিবাহী তার দুটিকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ক্যাবলে সাধারণত ৪ জোড়া তার ব্যবহৃত হয়।
- প্রতি জোড়া তারের মধ্যে একটি কমন রংয়ের (সাদা) তার থাকে।
- অপর তারগুলো হয় ভিন্ন রংয়ের।
- তার সমূহ সংযোজনের সময় 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 নম্বরের ভিত্তিতে সংযোগ দিতে হয়।
- জোড়ার তার দুটির এক একটির পুরুত্ব হয় 0.4 মিঃ মিঃ থেকে 0.9 মিঃ মিঃ।
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল দুই প্রকার। যথা- ইউটিপি ক্যাবল (UTP-Unshielded Twisted pair) এবং এসটিপি ক্যাবল (STP-Shield Twisted pair)।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৯.
কোম্পানির সুরক্ষিত রিসোর্স সংবলিত নেটওয়ার্ককে কী বলা হয়?
  1. এক্সট্রানেট
  2. ইন্টারনেট
  3. ইন্ট্রানেট
  4. ক্লাউডনেট
সঠিক উত্তর:
ইন্ট্রানেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ট্রানেট
ব্যাখ্যা
ইন্ট্রানেট এবং এক্সট্রানেট:
ধরা যাক একটি বৃহৎ কোম্পানি যার অফিস দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় সদরে এবং দেশের বাইরেও আরও কয়েকটি দেশব্যাপি বিস্তৃত। এই কোম্পানির প্রতিটি অফিসেই ল্যান রয়েছে এবং দেশে ও দেশের বাইরে এই ল্যানগুলো পরস্পরের সাথে যুক্ত। এ ধরনের নেটওয়ার্ককে ওয়ান (WAN) বলা যায়।
তবে পার্থক্য হচ্ছে, এই ওয়ানের একটি অংশ বা রিসাের্স (যেমন : আর্থিক হিসাব, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, ব্যবসায়িক কৌশল ইত্যাদি) অত্যন্ত সুরক্ষিত অবস্থায় থাকে। পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে শুধু কোম্পানির নিজস্ব লােকজন এসব রিসাের্স ব্যবহার করতে পারে।
কোম্পানির সুৱক্ষিত রিসোর্স সংবলিত এই নেটওয়ার্ক অংশটিকে বলা হয় ইন্ট্রানেট (Intranet)।
ইন্টারনেটের মতােই সম্প্রতি ইন্ট্রানেটও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ইট্রানেট হচ্ছে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা ইন্টারনেট প্রটোকল প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তথ্য, কর্মক্ষম সিস্টেম অথবা কম্পিউটিং সেবা শেয়ার করে।

কোন কোম্পানির ওয়ানের একটি নির্দিষ্ট অংশ বা এর রিসাের্স সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকতে পারে। এসব উন্মুক্ত রিসাের্সের মধ্যে থাকতে পারে কোম্পানির প্রােফাইল, প্রজেক্ট এবং প্রোগ্রাম, শেয়ার স্ট্যাটাস, বাৎসরিক প্রতিবেদন ইত্যাদি। কোম্পানির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সাধারণ ইউজাররা এসব তথ্য দেখতে পারে বা ডাউনলােড করে সংরক্ষণ করতে পাত্রে। ওয়ানের এ ধরনের উক্ত অংশকে বলা হয় এক্সট্রানেট (Extranet)।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২৬০.
মােবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় নিচের কোন শক্তি?
  1. বিভব শক্তি
  2. তড়িৎ শক্তি
  3. চৌম্বক শক্তি
  4. আলােক শক্তি
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি
ব্যাখ্যা
• তড়িৎশক্তি (বা বিদ্যুৎ শক্তি) মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমে, আমাদের কথাবার্তা (শব্দ সিগন্যাল) প্রথমে বিদ্যুৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত হয় এবং তারপর এই বিদ্যুৎ সিগন্যাল ওয়্যারলেস মাধ্যমে রেডিও তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- টেলিফোনের লাইনের মধ্যে (যেমন ল্যান্ডলাইন) সরাসরি বিদ্যুৎ সিগন্যাল প্রবাহিত হয়।

মোবাইল টেলিফোনের সিস্টেমে যে তড়িৎশক্তি প্রবাহিত হয়, তার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:

১. ভয়েস টু ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যাল রূপান্তর:
- যখন আপনি মোবাইল ফোনে কথা বলেন, তখন আপনার কণ্ঠস্বর (শব্দ তরঙ্গ) মোবাইলের মাইক্রোফোনে পড়ে। মাইক্রোফোন এই শব্দ তরঙ্গকে তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।

২. অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল রূপান্তর:
- এই তড়িৎ সিগন্যাল প্রথমে অ্যানালগ ফরম্যাটে থাকে। ফোনের ভেতরে ADC (Analog-to-Digital Converter) এই অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে (বাইনারি কোড - 0 এবং 1 এর সিরিজ) রূপান্তরিত করে।

৩. ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং:
- এই ডিজিটাল সিগন্যাল এরপর প্রসেস হয় - এর মধ্যে কম্প্রেশন (ডাটা সাইজ কমানো), এনক্রিপশন (সুরক্ষার জন্য), এবং সিগন্যাল এনহ্যান্সমেন্ট (শব্দের মান উন্নত করা) অন্তর্ভুক্ত।

৪. রেডিও তরঙ্গে রূপান্তর:
- এই প্রক্রিয়াকৃত ডিজিটাল সিগন্যাল পরে মোবাইলের ট্রান্সমিটার দ্বারা রেডিও তরঙ্গে (বিদ্যুতচুম্বকীয় তরঙ্গ) রূপান্তরিত হয়, যা মোবাইল টাওয়ারে প্রেরিত হয়।

৫. সিগন্যাল ট্রান্সমিশন:
- মোবাইল টাওয়ার এই রেডিও তরঙ্গ গ্রহণ করে এবং তারপর তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- এই তড়িৎ সিগন্যাল টেলিকম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রবাহিত হয় - যা ফাইবার অপটিক কেবল, কপার কেবল বা মাইক্রোওয়েভ লিংকের মাধ্যমে হতে পারে।
- নেটওয়ার্কের মধ্যে, সিগন্যাল মোবাইল স্যুইচিং সেন্টার (MSC) দ্বারা প্রক্রিয়াকৃত হয়, যেখানে সিগন্যাল রাউটিং ও প্রসেসিং হয়।

৬. প্রাপকের দিকে:
- প্রাপকের নিকটবর্তী মোবাইল টাওয়ার থেকে আবার রেডিও তরঙ্গ হিসেবে সিগন্যাল প্রেরিত হয়।
- প্রাপকের মোবাইল ফোন এই রেডিও তরঙ্গ গ্রহণ করে এবং আবার তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ রূপান্তরের পর, স্পিকারের মাধ্যমে এই তড়িৎ সিগন্যাল আবার শব্দে পরিণত হয়।
- তাই, সমগ্র প্রক্রিয়াটিতে শব্দ→তড়িৎ→রেডিও তরঙ্গ→তড়িৎ→রেডিও তরঙ্গ→তড়িৎ→শব্দ এই রূপান্তর চক্র চলে।
- যদিও রেডিও তরঙ্গ ওয়্যারলেস মাধ্যমে প্রবাহিত হয়, তবুও নেটওয়ার্কের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে সিগন্যাল তড়িৎশক্তি হিসেবেই প্রবাহিত হয়।
২৬১.
Googleplex কী ধরণের নেটওয়ার্ক?
  1. CAN
  2. MAN
  3. WAN
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
CAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAN
ব্যাখ্যা
• CAN:
- CAN এর পূর্ণরূপ হলো Campus/Corporate Area Network
- অনেকগুলো LAN সংযুক্ত করে তৈরি করা হয়।
- একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, লাইব্রেরি ভবন, আবাসিক হলসমূহ, একাডেমিক ভবন, স্টুডেন্ট সেন্টার, জিমনেসিয়াম এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত ভবনে স্থাপিত LAN গুলোকে সংযুক্ত করতে CAN ব্যবহার করা হয়।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বড় অফিস কমপ্লেক্সের একাধিক ভবনে LAN ব্যবহারকারীদের কাজের সমন্বয়ের জন্য কিংবা ব্যয়বহুল এক বা একাধিক পেরিফেরাল ডিভাইস অনেক ব্যবহারকারীর ব্যবহারের জন্য CAN ব্যবহার করা হয়। যেমন: Googleplex, মাইক্রোসফটের নেটওয়ার্ক।
- এর বিস্তৃতি ১ থেকে ৫ কি.মি. দূরত্ব পর্যন্ত হতে পারে।

• CAN এর বৈশিষ্ট্য:
- ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের দূরত্ব ১ - ৫ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- শ্রেণি সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত হয়।
- এ নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি সহজ ও খরচ কম।
- এ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহ তার বা তারবিহীন সংযোগ প্রদান করা যায়।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬২.
কোনটি ফ্লিপ-ফ্লপের কাজ নয়?
  1. Data Transfer
  2. Data Communication
  3. Memory device
  4. Counter and Register
সঠিক উত্তর:
Data Communication
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Data Communication
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ (Flip-Flop):
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের কার্যাবলী - মেমরি ডিভাইস, কাউন্টার এবং রেজিস্টার, ডেটা ট্রান্সফার।
- প্রতিটা ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- মেমোরি ডিভাইসের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফ্লিপ-ফ্লপ গেইট।
- অসংখ্য ফ্লিপ-ফ্লপ এর সমন্বয়ে তৈরি হয় ইলেক্ট্রনিক মেমোরি ডিভাইস।
• ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
১. মেমোরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. কাউন্টার, রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. ডেটা ট্রান্সফারে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৬৩.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো
  1. একটি তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা
  2. একটি সার্চ ইঞ্জিন
  3. একটি ব্রাউজার
  4. একটি মেইল সার্ভার
সঠিক উত্তর:
একটি তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো একটি তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)
- WWW একটি বিশাল তথ্যভিত্তিক সিস্টেম।
- সংক্ষেপে ওয়েব নামে পরিচিত।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি একটি তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা, যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন সার্ভারে থাকা তথ্যকে হাইপারটেক্সট লিঙ্কের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যুক্ত করে ব্যবহারকারীদের উপস্থাপন করে।
- অন্য পেইজে যাবার জন্য থাকে বিশেষ ধরনের লিংক থাকে যা হাইপারলিংক (Hyperlink) নামে পরিচিত।
- এই হাইপারলিংকের মাধ্যমে সহজেই এক পৃষ্ঠা থেকে আরেক পৃষ্ঠায় যাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২৬৪.
ওয়াইম্যাক্স সাধারণত কত ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে?
  1. 70-100GHz
  2. 0-2GHz
  3. 80-120GHz
  4. 2-66GHz
সঠিক উত্তর:
2-66GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2-66GHz
ব্যাখ্যা

ওয়াইম্যাক্স 2 GHz-66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।

• ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- কভারেজ এরিয়া সাধারণত 10 থেকে 60 কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সাধারণত নেটওয়ার্কের জন্য কোনো প্রকার ক্যাবল বা তারের প্রয়োজন হয় না।
- নেটওয়ার্কে সহজে নতুন ব্যবহারকারী যুক্ত করে নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়ানো যায়।
- ডেটা ট্রান্সফারের রেট সাধারণত 80 Mbps থেকে 1 Gbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত 2 GHz-66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। তবে Non Line of Sight-এর জন্য ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 11 GHz এবং Line of Sight-এর জন্য ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 66 GHz।
- সিগন্যাল নয়েজ (SNR-signal to noise ratio) সর্বোচ্চ 7 dB (decibel)।
- বাধামুক্ত সিগন্যাল ট্রান্সফারের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনক্রিপশন সুবিধা আছে।
- ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন হতে পারে।
- ওয়াইম্যাক্স কানেকশন ওরিয়েন্টেড MAC প্রোটোকল ব্যবহার করে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৫.
পিকোনেটে একটি মাস্টার সর্বোচ্চ কয়টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে?
  1. ৩ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. অসংখ্য
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ:
- স্বল্প দূরত্বের ভেতর ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসসমূহ থেকে তথ্য বিনিময়ের জন্য একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়‍্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড হলো ব্লুটুথ।
- এর মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক সৃষ্টি হয় যেখানে উঁচু মানের নিরাপত্তা বজায় থাকে।
- দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তিটির নাম ব্লুটুথ রাখা হয়েছে।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদন ক্ষেত্রের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।

• ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
- কাছাকাছি দুইটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের কোন লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে চলতে পারে।
- 10-100 মিটারের মধ্যে অবস্থানকারী ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ইনফ্রারেড ডাটা কমিউনিকেশনের ন্যায় দেয়াল বা অন্যকোন বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে না।
- কোনো পিকোনেটে (Piconet) একটি মাস্টার সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৬.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) কী?
  1. একটি সফটওয়্যার
  2. একটি সার্ভার
  3. হাইপারটেক্সট ভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা
  4. একটি অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
হাইপারটেক্সট ভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইপারটেক্সট ভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
World Wide Web (WWW) হচ্ছে হাইপারটেক্সট ভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web: WWW)

- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।
- টিম বার্নাস লী (Tim Berners-Lee) কে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৯৮৯ সালে এই ওয়েব ব্যবস্থাটি উদ্ভাবন করেন।
- এটি সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি অনেকগুলো ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তৃত তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের বৈশিষ্ট্য হলো বিশেষ ধরনের ভাষা বা যোগাযোগ মাধ্যম, যাকে বলে http বা Hyper Text Transfer Protocol.
- http হলো ইন্টারনেটে টিসিপি/আইপি প্রটোকলের মাধ্যমে ওয়েব সার্ভার ও ওয়েব ক্লায়েন্টের যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত প্রটোকল।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ বিএড।
২। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৭.
অনেকগুলো LAN সংযুক্ত করে কোন নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়?
  1. PAN
  2. CAN
  3. MAN
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
CAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CAN
ব্যাখ্যা
• ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- CAN এর পূর্ণরূপ হলো (Campus / Corporate Area Network)।
- অনেকগুলো LAN সংযুক্ত করে তৈরি করা হয়।
- একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, লাইব্রেরি ভবন, আবাসিক হলসমূহ, একাডেমিক ভবন, স্টুডেন্ট সেন্টার, জিমনেসিয়াম এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত ভবনে স্থাপিত LAN গুলোকে সংযুক্ত করতে CAN ব্যবহার করা হয়। 

• ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য:
১. ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের দূরত্ব ১ কি.মি. থেকে ৫ কি.মি. পর্যন্ত।
২. শ্রেণি সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত হয়।
৩. এ নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি সহজ ও খরচ কম।
৪. ব্যবহার করা সহজ।
৫. এ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহ তার বা তারবিহীন সংযোগ প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৬৮.
Which of the following networks can be connected through a WAN?
  1. LAN and MAN
  2. Only LAN
  3. Only PAN
  4. Only MAN
সঠিক উত্তর:
LAN and MAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LAN and MAN
ব্যাখ্যা

• WAN-এর মাধ্যমে একাধিক LAN এবং MAN সংযুক্ত করা যায়, ফলে বড় ভৌগোলিক এলাকায় তথ্য আদান–প্রদান সম্ভব হয়—যেমন এক শহর থেকে অন্য শহর বা এক দেশ থেকে অন্য দেশ।

• Wide Area Network (WAN):
- WAN-এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- এটি এমন একটি নেটওয়ার্ক, যেখানে কম্পিউটার ও নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলো বিশাল ভৌগোলিক এলাকায় বিস্তৃত থাকে।
- WAN সাধারণত একই দেশের বিভিন্ন শহর কিংবা এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।
- WAN-এর মাধ্যমে একাধিক LAN (Local Area Network) এবং MAN (Metropolitan Area Network) সংযুক্ত থাকতে পারে।
- এই সংযোগের ফলে বিভিন্ন ছোট ও মাঝারি নেটওয়ার্ক একত্রে একটি বড় নেটওয়ার্ক গঠন করে।
 
• WAN-এর উদাহরণ ও ব্যবহার:
- WAN-এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো Internet.
- বৃহৎ পরিসরে তথ্য আদান–প্রদানের জন্য WAN বেশি ব্যবহৃত হয়।
- সরকারি, বাণিজ্যিক ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগে WAN গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
 
• WAN-এ ব্যবহৃত প্রযুক্তি:
- টেলিফোন লাইন।
- স্যাটেলাইট।
- মাইক্রোওয়েভ।
- মডেম ও বেতার তরঙ্গ।
 
• নিভিন্ন ধরণের নেটওয়ার্ক:
- PAN (Personal Area Network) খুব ছোট (যেমন: Bluetooth দিয়ে ফোন-হেডফোন)।
- LAN → ছোট এলাকা (একটা বিল্ডিং/অফিস)।
- MAN → মাঝারি এলাকা (একটা শহর)।
- WAN → বড় এলাকা (দেশ/বিশ্ব) → LAN এবং MAN উভয়কেই সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৯.
Bluetooth প্রযুক্তির সাহায্যে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তার মৌলিক উপাদান কোনটি?
  1. ক) সাইবারনেট
  2. খ) ফিউনেট
  3. গ) পিকোনেট
  4. ঘ) অথারনেট
সঠিক উত্তর:
গ) পিকোনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পিকোনেট
ব্যাখ্যা
Bluetooth : 
- এই প্রযুক্তির সাহায্যে ২.৪ থেকে ২.৪৮৩৫GHz এর ডেটা চলাচল করতে পারে।
- এই প্রযুক্তির সাহায্যে যে মৌলিক নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তার মৌলিক উপাদান হলো পিকোনেট।
- পিকোনেটে কোনো মুহূর্তে একটি মাস্টার নোড এবং সর্বাধিক ৭ টি সক্রিয় নোড থাকতে পারে যাদের দাস নোড বলা হয়।
- পাশাপাশি দুটি পিকোনেট একটি সাধারণ দাস নোডের সাহায্যে যুক্ত থাকলে এই দুইটি পিকোনেটকে একসাথে স্ক্যাটারনেট বলে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলি মুজিবুর রহমান।
২৭০.
Bluetooth operations use
  1. Magnetic technology
  2. Radio technology
  3. Optical technology
  4. Laser technology
সঠিক উত্তর:
Radio technology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Radio technology
ব্যাখ্যা
♦ ব্লুটুথ (Bluetooth): 
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২৭১.
WAN মূলত কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি 
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
ব্যাখ্যা
WAN মূলত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়। যথা- রাউটার, WAN কানেকশন, এবং সিকিউরিটি পলিসি। 

যে নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কগুলি পরস্পর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদান করে তাকে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN) বলে। 
WAN এর সম্পূর্ণরুপ হচ্ছে Wide Are Network । 

WAN এর বৈশিষ্ট্যসমূহ- 

১। এই নেটওয়ার্ক সমস্ত ভৌগলিক এলাকা বা সমস্ত পৃথিবী জুড়ে গড়ে ওঠে।
২। পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে বা স্থনে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN) এর মাধ্যমে তথ্য প্রেরন করা যায়।
৩। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN) এ যোগাযোগ এর মাধ্যম হিসেবে কেব্‌ল (Cable) বা উপগ্রহ (Satellite) ব্যাবহার করা হয়। 
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN) এর দ্বারা আমরা খুবি উন্নতমানের সুভিধা যেমন কালাউড কম্পিউটিং ( Cloud Computing ) ব্যাবহার করতে পারি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২৭২.
"End-To-End Communication" এবং "Error Handling" এর জন্য OSI Model এর কোন লেয়ার ব্যবহৃত হয়?
  1. Network Layer
  2. Transport Layer
  3. Data Link Layer
  4. Session Layer
সঠিক উত্তর:
Transport Layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Transport Layer
ব্যাখ্যা
⚪ End-To-End Communication এবং Error Handling এর জন্য Transport Layer (OSI মডেলের চতুর্থ লেয়ার) ব্যবহৃত হয়।
- Transport Layer এর কাজ হলো ডেটাকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঠিকভাবে প্রেরণ করা এবং এতে Error Handling এবং Flow Control অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- এটি End-to-End Communication নিশ্চিত করে, যার মানে হল যে এটি প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যে নির্ভরযোগ্য যোগাযোগ স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করে।

⚪ অন্য লেয়ারগুলো:
- Network Layer (Layer 3): এটি মূলত রুটিং এবং ডেটা প্যাকেটের স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ করে।
- Data Link Layer (Layer 2): এটি একাধিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশনকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং অ্যাড্রেসিং ব্যবস্থা (MAC Address) পরিচালনা করে।
- Session Layer (Layer 5): এটি সেশন এবং সংযোগের পরিচালনা করে, কিন্তু সরাসরি End-To-End Communication বা Error Handling এর জন্য নয়।

⚪ OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
1. Physical Layer – ডেটা বাইনারি সিগন্যাল হিসেবে ট্রান্সমিট করে।
2. Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।

3. Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
4. Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।

5. Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
6. Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
7. Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

সূত্র: aws.amazon.com [লিংক]
২৭৩.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত OSI মডেল কতটি স্তরে বিভক্ত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
◉ OSI মডেলটি ISO (International Organization for Standardization) কর্তৃক প্রস্তাবিত একটি নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন মডেল, যা ৭টি স্তর (Layer) নিয়ে গঠিত।

OSI মডেলের ৭টি লেয়ার:
Physical Layer – ডাটা সিগন্যাল ও মিডিয়া ট্রান্সমিশন নিয়ন্ত্রণ করে।
Data Link Layer – MAC Address ও Frame Transmission পরিচালনা করে।
Network Layer – IP Addressing এবং প্যাকেট রাউটিং নিয়ন্ত্রণ করে।
Transport Layer – End-to-end Communication নিশ্চিত করে (TCP, UDP)।
Session Layer – সেশন কন্ট্রোল এবং ডাটা এক্সচেঞ্জ ব্যবস্থাপনা করে।
Presentation Layer – ডাটা এনক্রিপশন, ডিক্রিপশন ও কম্প্রেশন পরিচালনা করে।
Application Layer – ব্যবহারকারী ও নেটওয়ার্কের মধ্যে ইন্টারফেস তৈরি করে (HTTP, FTP, SMTP ইত্যাদি)।

Source: Cisco Learning Network. [Link] 
২৭৪.
নিচের কোনটি ফাইবার অপটিক ক্যাবলের অংশ নয়?
  1. কোর
  2. বাফার
  3. ক্ল্যাডিং
  4. জ্যাকেট
সঠিক উত্তর:
বাফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাফার
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা-

১. কোর
- ভিতরের ডাই-ইলেকট্রিক কোর যার ব্যাস ৮ থেকে ১০০ মাইক্রোন হয়ে থাকে।
২. ক্ল্যাডিং
- কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে।
৩. জ্যাকেট
- অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে জ্যাকেট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭৫.
মডেম টেলিফোন লাইনের সাথ সংযুক্ত হয় কিসের মাধ্যমে?
  1. এডাপ্টার
  2. সিপিইউ
  3. ফ্লপি ডিস্ক
  4. পেনড্রাইভ
সঠিক উত্তর:
এডাপ্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডাপ্টার
ব্যাখ্যা
- মডেম টেলিফোন লাইনের সাথে সংযুক্ত হয় একটি এডাপ্টারের মাধ্যমে। 
- এডাপ্টারটি একধরনের হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা মডেমকে টেলিফোন লাইনে সংযোগ করতে সাহায্য করে। 

মডেম: 
- মডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ সাধন হয়। 
-মডেম হলো একধরনের হার্ডওয়্যার নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি কম্পিউটার স্যাটেলাইট বা টেলিফোন লাইনে ডেটা ট্রান্সমিশন এর কাজ করে। 
- মডেমের সাহায্যে ডিজিটাল ডাটাকে অ্যানালগ ও অ্যানালগ ডাটাকে ডিজিটাল ডাটায় পরিবর্তন করা যায়। 
- মডেম একটি ইনপুট আউটপুট ডিভাইস। 
- কম্পিউটারের সাথে এটি যুক্ত হলে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
২৭৬.
এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্ভরযোগ্যভাবে ডাটা আদান–প্রদানের প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ডাটা স্টোরেজ
  2. ডাটা প্রসেসিং
  3. ডাটা কমিউনিকেশন
  4. ডাটা এনক্রিপশন
সঠিক উত্তর:
ডাটা কমিউনিকেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা কমিউনিকেশন
ব্যাখ্যা

 এক স্থান (উৎস) থেকে অন্য স্থানে (গন্তব্য) নির্ভরযোগ্যভাবে ডাটা আদান–প্রদানের প্রক্রিয়াকে ডাটা কমিউনিকেশন বলা হয়।

• তথ্য প্রযুক্তি (Information Technology – IT):

- আধুনিক যুগকে তথ্য প্রযুক্তির যুগ বলা হয়।
- সাধারণভাবে তথ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও প্রয়োগ করার প্রযুক্তিকে তথ্য প্রযুক্তি বলা হয়।
- তথ্য প্রযুক্তিকে সংক্ষেপে ইনফরমেশন টেকনোলজি (IT) বলা হয়।
- টেলিযোগাযোগ, স্যাটেলাইট যোগাযোগ, অডিও–ভিডিও সম্প্রচার, ডাটাবেস ব্যবস্থাপনা, সফটওয়্যার উন্নয়ন, নেটওয়ার্ক, মুদ্রণ প্রযুক্তি, - বিনোদন প্রযুক্তি, শিক্ষণ–প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং তথ্যভান্ডার—সবই তথ্য প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত।
- এক কথায়, কম্পিউটার ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও প্রয়োগের সমন্বিত ব্যবস্থাই তথ্য প্রযুক্তি।
 
• যোগাযোগ প্রযুক্তি (Communication Technology):

- কম্পিউটার বা অন্যান্য যন্ত্রের মাধ্যমে ডাটাকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে ডাটা কমিউনিকেশন বলা হয়।
- যোগাযোগ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে উৎস থেকে গন্তব্যে নির্ভরযোগ্যভাবে ডাটা বা উপাত্ত আদান–প্রদান করা যায়।
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত প্রযুক্তিকে যোগাযোগ প্রযুক্তি (Communication Technology) বলা হয়।
 
• তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (Information and Communication Technology – ICT):

- তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।
- এই দুই প্রযুক্তির সমন্বিত রূপকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে তথ্যকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নির্ভরযোগ্যভাবে আদান–প্রদানের প্রযুক্তিই ICT।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার মানুষের কার্যক্রমকে দ্রুত, সহজ ও অধিক কার্যকর করে তুলেছে।

• অন্যান্য অপশন:
A) ডাটা স্টোরেজ:
→ এটি ডাটা সংরক্ষণের প্রক্রিয়া, আদান–প্রদান নয়।

B) ডাটা প্রসেসিং:
→ এটি ডাটা বিশ্লেষণ বা প্রক্রিয়াকরণের কাজ, স্থানান্তর নয়।

D) ডাটা এনক্রিপশন:
→ এটি ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পদ্ধতি, কমিউনিকেশন প্রক্রিয়া নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭৭.
WiMAX এর কাভারেজ এরিয়া কত?
  1. প্রায় ৫০ কিলোমিটার
  2. প্রায় ৮০ কিলোমিটার
  3. প্রায় ১০০ কিলোমিটার
  4. প্রায় ২০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৫০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৫০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার।

• WiMAX:

- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৭৮.
কোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একটি অফিস বা স্কুলের অভ্যন্তরীন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি হয়?
  1. WAN
  2. PAN
  3. MAN
  4. LAN
সঠিক উত্তর:
LAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LAN
ব্যাখ্যা
Local Area Network - LAN এর মাধ্যমে একটি অফিস বা স্কুলের অভ্যন্তরীন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি হয়।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭৯.
নিচের কোনটি তার সাথে যুক্ত প্রতিটি ডিভাইসকে পৃথকভাবে শনাক্ত করতে পারে?
  1. ক) হাব
  2. খ) সুইচ
  3. গ) হাব ও সুইচ উভয়
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) সুইচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুইচ
ব্যাখ্যা
হাব:
নেটওয়ার্কে থাকা অনেকগুলো আইসিটি যন্ত্রকে একসাথে যুক্ত করতে হাব ব্যবহৃত হয়। হাব নির্দিষ্ট ঠিকানা অনুযায়ী তথ্য পাঠাতে পারেনা। প্রেরিত ডাটা হাবের সাথে যুক্ত সকল যন্ত্রে একসাথে চলে যায়।

সুইচ:
এটিও হাবের মত একটি যন্ত্র। এটি তার সাথে যুক্ত প্রতিটি যন্ত্রকে পৃথকভাবে শনাক্ত করতে পারে। এটি প্রেরিত ডাটা নির্দিষ্ট যন্ত্রকে পাঠায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (৮ম শ্রেণি)
২৮০.
নিচের কোনটি ব্লুটুথের IEEE standard হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 802.3
  3. IEEE 802.1
  4. IEEE 802.15
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.15
ব্যাখ্যা

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

• Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11.
• WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৮১.
কোনটি প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়?
  1. ক) হাব
  2. খ) রাউটার
  3. গ) সুইচ
  4. ঘ) গেটওয়ে
সঠিক উত্তর:
গ) সুইচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুইচ
ব্যাখ্যা
সুইচ এবং হাবের কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
২৮২.
নিচের কোনটি GSM এর বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে
  2. খ) কলের খরচ কম
  3. গ) রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা

জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য
১. ব্যান্ড উইডথকে টাইমস্লটে ভাগ করে।
২. কলের খরচ বেশী
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়। ।
৪. জিএসএম হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু কম।

সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮৩.
LAN এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Large Area Network
  2. খ) Local Army Network
  3. গ) Land Array Network
  4. ঘ) Local Area Network
সঠিক উত্তর:
ঘ) Local Area Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Local Area Network
ব্যাখ্যা
LAN- Local Area Network
২৮৪.
র‍্যাম কোথায় যুক্ত থাকে?
  1. মাদারবোর্ড
  2. এক্সপানশন বোর্ড
  3. ফ্লপি ডিস্ক
  4. এক্সটার্নাল ড্রাইভ
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
র‌্যাম: কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‌্যাম এলাকা গঠিত।
র‌্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা। র‌্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‌্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‌্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‌্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে য়ায়। তাই র‌্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২৮৫.
কোন টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সবকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
সঠিক উত্তর:
বাস টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা
• বাস টপোলজি (Bus Topology):
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে। একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে দুটি টার্মিনেটর থাকে।
- এখানে কোন কেন্দ্রীয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৬.
WiMax সাধারণত কোন ধরনের নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়?
  1. PAN (Personal Area Network)
  2. LAN (Local Area Network)
  3. WAN (Wide Area Network)
  4. VPN (Virtual Private Network)
সঠিক উত্তর:
WAN (Wide Area Network)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WAN (Wide Area Network)
ব্যাখ্যা

◉ WiMax (Worldwide Interoperability for Microwave Access) মূলত ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (WAN)-এ ব্যবহৃত হয়, যা শহর বা দেশব্যাপী বিস্তৃত ওয়্যারলেস কভারেজ প্রদান করে।
এটি উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দেয় এবং টেলিকম অপারেটররা সাধারণত এটিকে লাস্ট মাইল কানেক্টিভিটি (গ্রাহকদের শেষ প্রান্তে ইন্টারনেট পৌঁছানোর জন্য) হিসাবে ব্যবহার করে।

WiMax:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো - Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৮৭.
কোন ধরণের নেটওয়ার্কে মাইক্রোওয়েভ ব্যবহৃত হয়? 
  1. LAN
  2. MAN
  3. PAN
  4. WAN
সঠিক উত্তর:
WAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WAN
ব্যাখ্যা
ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক: 
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে বিস্তৃত থাকে। 
যেমন- একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে। 
- WAN কে ইন্টারনেট বলা হয়। 
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। 
- তথ্য আদানপ্রদানের জন্যে এই ধরনের নেটওয়ার্ক বেশি ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৮.
কোন প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের ব্যবহার ছিল?
  1. ১ম প্রজন্ম
  2. ২য় প্রজন্ম
  3. ৩য় প্রজন্ম
  4. ৪র্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
১ম প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হতো এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন হতো।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৯.
নিম্নলিখিত কোনটি LAN-এর উদাহরণ?
  1. একটি অফিসের কম্পিউটার ল্যাব
  2. শহরের বিভিন্ন অফিসের নেটওয়ার্ক
  3. ব্লুটুথ ডিভাইসের সংযোগ
  4. ইন্টারনেট
সঠিক উত্তর:
একটি অফিসের কম্পিউটার ল্যাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি অফিসের কম্পিউটার ল্যাব
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - একটি অফিসের কম্পিউটার ল্যাব।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN): 
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়। 
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়। 
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে। 
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়। 
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব। 
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৯০.
Which of the following is a Spreadsheet Package Program?
  1. Word Note
  2. MS Excel
  3. FoxPro
  4. WordStar
সঠিক উত্তর:
MS Excel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MS Excel
ব্যাখ্যা
MS Excel is a Spreadsheet Package Program.

Application Software: 
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

যেমন-
১। Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯১.
What does WiMAX stand for?
  1. Worldwide International Standard for Microwave Access
  2. Wireless Maximum Communication
  3. Worldwide Interoperability for Microwave Access
  4. Wireless Interconnection for Mobile Access
সঠিক উত্তর:
Worldwide Interoperability for Microwave Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Worldwide Interoperability for Microwave Access
ব্যাখ্যা

• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX)–এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির IEEE মান (Standard) হলো IEEE 802.16।
- “WiMAX” নামটি প্রদান করে WiMAX Forum, যা ২০০১ সালের জুন মাসে গঠিত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা তারবিহীন (Wireless) পদ্ধতিতে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে প্রদান করা যায়।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকায় সহজেই ইন্টারনেট অ্যাকসেস সুবিধা পায়।
 
• ওয়াইম্যাক্সের সুবিধাসমূহ:
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই হটস্পটে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা যায়।
- ক্যাবল ও DSL-এর বিকল্প হিসেবে তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা সম্ভব।
- প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা যায়, এমনকি যেখানে টেলিফোন সংযোগ পৌঁছায়নি সেখানেও।
- ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য ও টেলিযোগাযোগ সেবা একসাথে প্রদান করা যায়।
- এটি নিরাপদ (Secure) ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯২.
কোন সার্কিটের সাহায্যে ডেটাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করা হয়?
  1. এনকোডার
  2. ডিকোডার
  3. রেজিস্টার
  4. অ্যাডার
সঠিক উত্তর:
এনকোডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনকোডার
ব্যাখ্যা
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে। 
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। 

• অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা। আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায়, তাকে বলে অ্যাডার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৩.
ডেটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ?
  1. রেডিও
  2. ওয়াকিটকি
  3. মোবাইল ফোন
  4. টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
ওয়াকিটকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াকিটকি
ব্যাখ্যা

• হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে তথ্য উভয় দিকে প্রবাহিত হতে পারে, তবে তা একই সময়ে সম্ভব নয়। একজন কথা বলা শেষ করার পর অন্যজন কথা বলতে পারেন। ওয়াকিটকির ক্ষেত্রে এক পক্ষ কথা বলে 'ওভার' (Over) না বলা পর্যন্ত অন্য পক্ষ কথা পাঠাতে পারে না।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex).

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণ সম্ভব না।
- উদাহরণ: ওয়াকি টকি, ফ্যাক্স।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে একইসাথে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল ফোন।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

২৯৪.
ফেসবুকের ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেটের নাম কী?
  1. ক) Daydream
  2. খ) Hololens
  3. গ) PlayStation VR
  4. ঘ) Oculus Rift
সঠিক উত্তর:
ঘ) Oculus Rift
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Oculus Rift
ব্যাখ্যা
- Oculus Rift হল একটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট যা ফেসবুকের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান ওকুলাস ভিআর দ্বারা উদ্ভাবিত এবং মালিকানাধীন।
- এটি ব্যবহারকারীদেরকে ভার্চুয়াল পরিবেশের অভিজ্ঞতা প্রধান করে থাকে।

উৎস : www.oculus.com
২৯৫.
কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তর হয় কোন ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস
  2. সিনক্রোনাস
  3. আইসোক্রোনাস
  4. ক্রিপ্টোক্রোনাস
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস
ব্যাখ্যা
• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।
- কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তর অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের উদাহরণ।

• সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission):
- যে পদ্ধতিতে প্রথমে স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটাকে সংরক্ষণ করা হয় এবং ডেটার ক্যারেক্টারসমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে সমান বিরতিতে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- যেমন কম্পিউটারব থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তর।

• আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous Transmission):
- যে পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপক স্টেশনের মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় একই অর্থাৎ কোনো প্রকার দেড়ি ছাড়া একক সময়ে সমস্ত ডেটা ব্লক বা প্যাকেট ট্রান্সফার করা হয়, তাকে আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন মেথড বলে।
- যেমন অডিও বা ভিডিও কল এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২৯৬.
The process of converting analog signals into digital signals in modem is called—
  1. Modulation
  2. Demodulation
  3. Amplification
  4. Filtering
সঠিক উত্তর:
Demodulation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Demodulation
ব্যাখ্যা

• অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে মডেমের ক্ষেত্রে বলা হয় ডি-মডুলেশন।

• মডেম:

- Modem হলো একটি electronic device, যা computer networking–এ তথ্য আদান–প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- Modem শব্দটি এসেছে Modulator এবং Demodulator—এই দুটি শব্দ থেকে।

• মডুলেটর:
- Modulator–এর কাজ হলো computer–এর digital signal–কে analog signal–এ রূপান্তর করা।
- Digital signal থেকে analog signal–এ রূপান্তরের এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Modulation.

• ডি-মডুলেটর:
- Demodulator–এর কাজ হলো প্রাপ্ত analog signal–কে পুনরায় digital signal–এ রূপান্তর করা।
- Analog signal থেকে digital signal–এ রূপান্তরের এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Demodulation.

• মডেমের গতি:
- বাজারে বিভিন্ন গতিসম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। মডেমের গতি সাধারণত kbps (kilobits per second) এককে পরিমাপ করা হয়।
উদাহরণ: 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps.

• অন্যান্য অপশন:
• Amplification:
- সংকেতের শক্তি বাড়ায়, রূপ পরিবর্তন করে না।
• Filtering:
- সিগন্যাল থেকে নয়েজ/অনাকাঙ্ক্ষিত ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯৭.
মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্কে নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. হাব
  2. গেটওয়ে
  3. সুইচ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN):
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network।
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে যখন তারবিহীন সংযোগ দেয়া হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropoliton Area Network) বলা হয়।
- এই নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- MAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো অর্গানাইজেশনের হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৯৮.
ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের মিডিয়া নয় কোনটি?
  1. টেলিভিশন
  2. স্বরযন্ত্র
  3. স্যাটেলাইট
  4. ফাইবার অপটিকস
সঠিক উত্তর:
স্বরযন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরযন্ত্র
ব্যাখ্যা

কমিউনিকেশন সিস্টেম: 
বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে কমিউনিকেশন সিস্টেম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 
- বর্তমান কমিউনিকেশন সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেট। 
- ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে একাধারে যেমন ব্যয় হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে তেমনি কার্য সম্পাদনের গতিও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। 
- গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত উন্নত কমিউনিকেশন সিস্টেম সহজ করেছে দূরবর্তী অবস্থানের সাথে দ্রুত ও নির্ভুল তথ্যের আদান-প্রদান। 
- দুইটি পক্ষের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে মাধ্যম ব্যবহার করা হয় তাকে কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে। 
- কমিউনিকেশন সিস্টেমে তথ্য আদান প্রদানের জন্য নিচের কাজ গুলো করতে হয়- 
১. তথ্য আদান প্রদান ব্যবস্থাপনা করা। 
২. তথ্যের উৎস, গন্তব্য নির্ধারণ করা। 
৩. ডাটার নিরাপত্তা প্রদান। 
৪. হারানো তথ্য পুনরুদ্ধার। 
৫. সম্পূর্ন সিস্টেমের বিভিন্ন যন্ত্রপাতির ব্যবস্থাপনা করা। 

বিভিন্ন ধরনের কমিউনিকেশন সিস্টেম: 
- পৃথিবীতে অনেক ধরনের কমিউনিকেশন সিস্টেম রয়েছে। 
যেমন- 
বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন সিস্টেম: শরীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে। যেমন- মস্তিষ্ক, স্বরযন্ত্র, কান, হাত ইত্যাদি অঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ করা হয়। 
গ্রাফিক কমিউনিকেশন সিস্টেম: গ্রাফিক কমিউনিকেশন সিস্টেমে সকল ধরনের যোগাযোগ ছবি ও চিহ্নের মাধ্যমে ভিজুয়ালী প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়। 
টেলিকমিউনিকেশন: দূরবর্তী স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থা। দূরবর্তী যোগাযোগের জন্য টেলিফোন ব্যবহার করার মাধ্যমে যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে টেলিকমিউনিকেশন বলে। যেমন- মোবাইল ফোনে দুই জনের মধ্যে কথোপকথোন। 
ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন: বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় বা যে যোগাযোগ গড়ে উঠে তাকে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন বলে। ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের জন্য অনেক মিডিয়া ব্যবহার করা হয়। যেমন- রেডিও, টেলিভিশন, ফাইবার অপটিকস, ফ্যাক্স, স্যাটেলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯৯.
মেশ টপোলজিতে যদি n সংখ্যক নোড থাকে, তাহলে প্রতিটি নোডে কত সংখ্যক সংযোগের প্রয়োজন হবে?
  1. n - 2
  2. (n - 1)/2
  3. n - 1
  4. n(n - 1)/2
সঠিক উত্তর:
n - 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
n - 1
ব্যাখ্যা
মেশ টপোলজির ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের অধীনস্থ প্রত্যেকটি নোড (কম্পিউটার বা ডিভাইস) একে অপরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকে।

উল্লেখ্য যে, মেশ টপোলজিতে যদি n সংখ্যক নোড (কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইস) থাকে তাহলে প্রতিটি নোডে (n-1) টি সংযোগের প্রয়োজন হয় এবং এই নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n - 1)/2 টি।
যে সকল নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে ডেটা ট্রান্সফারে দ্রুত গতি কাম্য ও ডেটা যোগাযোগের নির্ভরশীলতাই মুখ্য এবং নেটওয়ার্ক স্থাপনের ব্যয় বা খরচ যেখানে গৌণ সেসব ক্ষেত্রে মেশ টপোলজি ব্যবহার করা হয়।
যেমন ব্যাংক কিংবা প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে মেশ ব্যবহৃত হতে পারে।
 
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩০০.
একটি শহরের বিভিন্ন LAN নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. LAN
  2. MAN
  3. WLAN
  4. PAN
সঠিক উত্তর:
MAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MAN
ব্যাখ্যা

• MAN — এটি একটি শহর বা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যা একাধিক LAN-কে সংযুক্ত করে।

• MAN (Metropolitan Area Network):
- MAN-এর পূর্ণরূপ Metropolitan Area Network.
- এটি সাধারণত প্রায় ১০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- একটি শহর বা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিভিন্ন LAN নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে MAN গঠিত হয়।
- নেটওয়ার্ক পরিচালনায় হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।

• WLAN:
- তারবিহীন প্রযুক্তির সাহায্যে LAN তৈরি করা হলে তাকে WLAN (Wireless Local Area Network) বলা হয়।

• MAN-এর ব্যবহার:
- একটি শহরের ব্যাংক শাখাগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিল্ডিংয়ে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান।
- শহরের পুলিশ স্টেশনসমূহকে সংযুক্ত করা।
- টেলিকম কোম্পানির শহরজুড়ে পরিষেবা প্রদান।

• অন্যান্য অপশন:
- LAN → সীমিত এলাকা, যেমন একটি অফিস বা ভবনের মধ্যে ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক।
- WLAN → তারবিহীন LAN।
- PAN → ব্যক্তিগত ডিভাইসসমূহের স্বল্প পরিসরের নেটওয়ার্ক।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।