বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

মোট প্রশ্ন১,২০৬এই পাতা৯৮প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

PrepBank · পাতা ১২ / ১২ · ১,১০১১,১৯৮ / ১,২০৬

১,১০১.
ব্লুটুথ এর উদ্ভাবক কোন কোম্পানি?
  1. স্যামসাং
  2. এরিকসন
  3. সনি
  4. নোকিয়া
সঠিক উত্তর:
এরিকসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিকসন
ব্যাখ্যা
♦ ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর আওতায় সর্বোচ্চ ৮ (আট) টি যন্ত্রের সাথে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১,১০২.
একটি নোড ক্ষতিগ্রস্ত হলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় কোন টপোলজিতে?
  1. মেশ টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
সঠিক উত্তর:
রিং টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা


• রিং টপোলজি:
- এ ধরনের সংগঠনে কম্পিউটারগুলো পরস্পর বৃত্তাকারে যুক্ত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।
- প্রতিটি কম্পিউটার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারগুলোকে এমনভাবে সংযোগ দেয়া হয় যেন রিংয়ের সর্বশেষ কম্পিউটারটি প্রথমটির সাথে যুক্ত থাকে।

• রিং টপোলজি ব্যবহারের সুবিধা:
- এ পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয় কোনো কম্পিউটার বা সার্ভারের প্রয়োজন হয় না।
- নেটওয়ার্কে অবস্থিত প্রতিটি কম্পিউটারের গুরুত্ব সমান।
- কম তার প্রয়োজন বিধায় বাস্তবায়ন খরচ কম।

• রিং টপোলজি ব্যবহারের অসুবিধা:
- সিগন্যাল আদান-প্রদান অপেক্ষাকৃত ধীরগতিতে সম্পন্ন হয়।
- নেটওয়ার্কের যে কোনো একটি কম্পিউটার সমস্যায় আক্রান্ত হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ে।
- নেটওয়ার্কে কম্পিউটারের সংখ্যা বাড়লে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় বৃদ্ধি পায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,১০৩.
কোনটি OSI মডেলের লেয়ার নয়?
  1. Connection
  2. Application
  3. Transport
  4. Network
সঠিক উত্তর:
Connection
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Connection
ব্যাখ্যা
• OSI Model:
- OSI এর পূর্ণরূপ হলো Open Systems Interconnection Model.
- OSI মডেলের লেয়ার সংখ্যা ৭টি।
- উপরের তিনটি লেয়ারকে বলা হয় Upper Layer.
- নিচের চারটি লেয়ারকে বলা হয় Lower Layer. 


figure: OSI model (image source: researchgate.net)

The 7 layers of the OSI model: 
• Layer 7 - Application layer.
• Layer 6 - Presentation layer.
• Layer 5 - Session layer.
• Layer 4 - Transport layer.
• Layer 3 - Network layer.
• Layer 2 - Data Link layer.
• Layer 1 - Physical layer.

- উল্লেখ্য Connection Layer - OSI model এর লেয়ার নয়।

উৎস: researchgate.net
১,১০৪.
অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে কোন ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ব্রড ব্যান্ড
  2. খ) ভয়েস ব্যান্ড
  3. গ) ন্যারাে ব্যান্ড
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রড ব্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রড ব্যান্ড
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউডথকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা -
১। ন্যারাে ব্যান্ড (Narrow Band)
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band) ও
৩। ব্রডব্যান্ড (Broad Band)

ন্যারাে ব্যান্ড: ন্যারাে ব্যান্ড সাধারণত 45 থেকে 300 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারাে ব্যান্ড বা Sub Voice Band বলে। ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।

ভয়েস ব্যান্ড: এই ব্যান্ডের ডাটা গতি 9600 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়। তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।

ব্রড ব্যান্ড: ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইথ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,১০৫.
GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব -
  1. ক) প্রথম প্রজন্মের মোবাইল
  2. খ) দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল
  3. গ) তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল
  4. ঘ) চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল
ব্যাখ্যা
GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. রেডিও সিগন্যাল হিসেবে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার।
২. GSM (Global System for Mobile Communication) ও CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির ব্যবহার।
৩. সীমিত আকারে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৪. GSM পদ্ধতিতে ডেটা ও ভয়েস প্রেরণ করা সম্ভব হয়। 
৫. GSM স্ট্যান্ডার্ডে Handset Interoperability বা সিম কার্ড ব্যবহারের সুবিধা। CDMA স্ট্যান্ডার্ডে এই সুবিধা নেই।
৬. মোবাইল ডেটা স্থানান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক এবং ভয়েস কল স্থানান্তরের জন্য কোর সুইচ নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। 
৭. এ প্রজন্ম থেকেই প্রিপেইড সিস্টেম চালু হয়।
৮. SMS, MMS এবং ভয়েস মেইল ব্যবহারের সুবিধা।
৯. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন।
১০. কথা বলার সময় অবস্থান পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন অবিচ্ছিন্ন থাকে। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
১,১০৬.
DDoS Attack এক ধরণের-
  1. সাইবার সিকিউরিটি
  2. সাইবার অপরাধ
  3. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  4. ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
সাইবার অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার অপরাধ
ব্যাখ্যা
সাইবার অপরাধ:
• ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
• বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার বুলি,
- স্পুফিং,
- ফিশিং,
- স্নিকিং,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
১,১০৭.
The ability of a computer system to remain operational despite various failures is
  1. ক) Relation
  2. খ) Schema
  3. গ) Resilience
  4. ঘ) Versatility
সঠিক উত্তর:
গ) Resilience
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Resilience
ব্যাখ্যা
Resilience is referred to as stability, recovery or failover testing. Assesses the behavior of the system in the event of crashes
১,১০৮.
ISDN কোন ধরনের চ্যানেল প্রদান করে?
  1. শুধু ভিডিও চ্যানেল
  2. শুধু ডেটা চ্যানেল
  3. শুধু ভয়েস চ্যানেল
  4. ভয়েস আর ডেটা উভয় চ্যানেল
সঠিক উত্তর:
ভয়েস আর ডেটা উভয় চ্যানেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয়েস আর ডেটা উভয় চ্যানেল
ব্যাখ্যা

• ISDN (Integrated Services Digital Network) হলো একটি ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা যা একই লাইন ব্যবহার করে একসাথে ভয়েস এবং ডেটা ট্রান্সমিশন করতে পারে। এটি পূর্বের অ্যানালগ লাইনগুলোর তুলনায় অনেক দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য, কারণ এটি ডিজিটাল সিগন্যাল ব্যবহার করে। ISDN লাইন দুটি প্রধান চ্যানেল প্রদান করে: B-চ্যানেল (Bearer Channel) যা ডেটা, ভয়েস বা ভিডিও পরিবহন করতে পারে, এবং D-চ্যানেল (Delta Channel) যা সিগন্যালিং এবং কন্ট্রোলের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তাই ISDN শুধুমাত্র ভয়েস বা ডেটার জন্য সীমাবদ্ধ নয়; এটি উভয় ধরনের যোগাযোগের সুবিধা দেয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ভয়েস আর ডেটা উভয় চ্যানেল।

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- sciencedirect. [link]

১,১০৯.
ওয়াইম্যাক্স-এর ডাটা ট্রান্সফার রেট -
  1. ৭৫ মেগাবিট/সেকেন্ড
  2. ৭৫ মেগাবাইট/সেকেন্ড
  3. ৭৫ গিগাবিট/সেকেন্ড
  4. ৭৫ গিগাবাইট/সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
৭৫ মেগাবিট/সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫ মেগাবিট/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

ওয়াইম্যাক্সকে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির অংশ বা একে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির 4G ও বলা হয়।
ওয়াইম্যাক্স ৭৫ মেগাবিট/সেকেন্ড ডাটা ট্রান্সফার রেট প্রদান করতে সক্ষম যা সাধারণ ক্যাবল-মডেমের তুলনায় অপেক্ষাকৃত দ্রুত।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান

১,১১০.
ওয়াই-ফাই সাধারণত __________ ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। 
  1. 4 থেকে 6.2 GHz 
  2. 2 থেকে 10 GHz
  3. 1 থেকে 2.4 GHz
  4. 2.4 থেকে 5 GHz
সঠিক উত্তর:
2.4 থেকে 5 GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2.4 থেকে 5 GHz
ব্যাখ্যা

• ওয়াই-ফাই সাধারণত ২.৪ থেকে ৫ গিগাহার্জ (GHz) ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। এটি দুইটি প্রধান ব্যান্ড ব্যবহার করে: ২.৪ GHz এবং ৫ GHz। ২.৪ GHz ব্যান্ড বেশি দূরত্বে সিগন্যাল পৌঁছাতে সক্ষম, কিন্তু এতে ব্যস্ততার কারণে গতি কম হতে পারে। অন্যদিকে ৫ GHz ব্যান্ডে দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব, তবে এর সীমিত কভারেজ থাকে। আধুনিক ওয়াই-ফাই রাউটার ও ডিভাইসগুলো সাধারণত দুটো ব্যান্ড সমর্থন করে, যা ব্যবহারকারীদের দ্রুত এবং স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করে। তাই, ঘরে বা অফিসে ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় এই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সঠিক উত্তর: ঘ) ২.৪ থেকে ৫ GHz

• Wi-fi: 
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়। 
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়। 
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১১১.
The IEEE standard used for Wi-Fi technology is—
  1. IEEE 802.3
  2. IEEE 802.11
  3. IEEE 802.15
  4. IEEE 802.16
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.11
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi প্রযুক্তির মান নির্ধারণ করেছে IEEE 802.11.

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi):
- Wi-Fi (Wireless Fidelity) হলো একটি তারবিহীন নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি।
- এটি রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা আদান–প্রদান করে।

• Wi-Fi–এর মান (Standard):
- Wi-Fi প্রযুক্তির জন্য নির্ধারিত মান হলো IEEE 802.11।
- এই মান অনুসরণ করে Wi-Fi ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ও ডিভাইস কাজ করে।

• Wi-Fi–এর ব্যবহারক্ষেত্র:
- বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস ও পাবলিক স্থানে তারবিহীন ইন্টারনেট সংযোগে ব্যবহৃত হয়।
- ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, প্রিন্টার ইত্যাদি ডিভাইস সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

• Wi-Fi–এর সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা:
- তার ছাড়াই নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুবিধা দেয়।
- তবে কভারেজ এলাকা সীমিত এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকতে পারে।

• অন্যান্য অপশন:
- IEEE 802.3 তারযুক্ত ইথারনেট (Ethernet) নেটওয়ার্কের মান।
- IEEE 802.15 ব্লুটুথ ও পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কের মান।
- IEEE 802.16 ওয়াইম্যাক্স (WiMAX) প্রযুক্তির মান।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।

১,১১২.
তারবিহীন ইন্টারনেট প্রযুক্তি সেবা প্রদান করে কোনটি?
  1. WAN
  2. Wi-fi
  3. MAN
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Wi-fi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wi-fi
ব্যাখ্যা
 ওয়াই-ফাই: 
- ওয়াই-ফাই হল তারবিহীন ইন্টারনেট প্রযুক্তি। 
- Wi-Fi এর পূর্ণরুপ Wireless Fidelity. 
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা কম্পিউটার, মোবাইল ডিভাইস এবং অন্যান্য প্রযুক্তির সাথে ইন্টারনেট সংযোগের সুযোগ দেয়। 
- এই প্রযুক্তিতে একে অপরের সাথে তথ্য সরবরাহ করতে তারের পরিবর্তে একটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি সংকেত ব্যবহার করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
১,১১৩.
WiMAX এর ডেটা ট্রান্সমিশনে কোন মোড ব্যবহার করা হয়?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. ফুল ডুপ্লেক্স
  3. হাফ ডুপ্লেক্স
  4. স্টোর এন্ড ফরোয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
ফুল ডুপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
WiMAX এর ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করা হয়।

• WiMAX
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16.
- এর ডেটা স্থানান্তরের গতি 80 – 1000 Mbps.
- এর ব্যান্ডউইথ 30 – 75 Mbps.
- এর কভারেজ এরিয়া 10 – 50 কিলোমিটার।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,১১৪.
ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করে-
  1. ক) FDMA
  2. খ) PDMA
  3. গ) TDMA
  4. ঘ) None of them
সঠিক উত্তর:
ক) FDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) FDMA
ব্যাখ্যা
ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করার জন্য FDMA ( Frequency Division Multiple Access) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছিলো৷ TDMA, PDMA এ এক সেল থেকে অন্য সেলে সিগনাল আলাদা করা যায় না৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
১,১১৫.
Which method is used for transmitting data in both directions at the same time?
  1. Full- duplex
  2. Half-duplex
  3. Simplex
  4. None of these
সঠিক উত্তর:
Full- duplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Full- duplex
ব্যাখ্যা

- একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডাটা প্রেরনের পদ্ধতিকে Full- duplex বলে।

অন্যদিকে,
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়। উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)
সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। উদাহরণ- রেডিও, টিভি।
হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। উদাহরণ-ওয়াকিটকি।
ফুল-ডুপ্লেক্স: এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: এইচ. এস. সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১১৬.
In which year was the e-banking system introduced?
  1. 1961
  2. 1969
  3. 1971
  4. 1979
সঠিক উত্তর:
1961
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1961
ব্যাখ্যা
• ই-ব্যাংকিং: 
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকিং এর যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তাকে ই-ব্যাংকিং বা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বলে।
- ১৯৬১ সালে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রের ‘The National City Bank of New York’ ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে EFTS (Electronic Fund Transfer System) নামে।
- ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘Barclays bank’ প্রথম Cash Dispenser (CD) স্থাপন করে। 
- সুইডেন, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড প্রথম 'National Cash Dispenser Network' ব্যবহার শুরু করে।  
- জাপান ও আমেরিকা ১৯৬৯ সালে CD মেশিন ব্যবহার করা শুরু করে।
- Loyd’s Bank ১৯৭২ সালে প্রথম Cashpoint বসিয়ে আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহকগণ সাধারণ ব্যাংকিং এর পাশাপাশি ATM কার্ড, ডেভিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, Online Banking, SMS ব্যাংকিং, Home ব্যাংকিং ইত্যাদি সেবা গ্রহণ করে থাকে। 
- ব্যাংকের সার্ভারে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার জন্য Firewall ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: ফিনান্স, ব্যাংকিং ও বিমা, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৭.
GPRS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. General Private Radio Service
  2. General Public Radio System
  3. Global Packet Radio Service
  4. General Packet Radio Service
সঠিক উত্তর:
General Packet Radio Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
General Packet Radio Service
ব্যাখ্যা

GPRS এর পূর্ণরূপ হলো General Packet Radio Service। 
- এটি 2G এবং 3G সেলুলার মোবাইল নেটওয়ার্কের একটি ডেটা সার্ভিস।
- এটি GSM (Global System for Mobile Communications) নেটওয়ার্কের একটি আপগ্রেড সংস্করণ, যা মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ইন্টারনেটের সঙ্গে সবসময় যুক্ত থাকার সুবিধা দেয়।
- এটি ব্যবহারকারীদের ই-মেইল, MMS (Multimedia Messaging Service) এবং সীমিত ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের মতো পরিষেবাগুলো ব্যবহার করার সুযোগ করে দেয়।

• বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. GSM [Global System for Mobile Communication):
- GSM হল TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়। 
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে। 
২. CDMA (Code Division Multiple Access):
এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২। ব্রিটানিকা।

১,১১৮.
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল
  2. অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল
  3. ক ও খ দুইটিই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ দুইটিই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ দুইটিই
ব্যাখ্যা
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণরূপ Local Area Network.
- সাধারণত 1km বা তার কম জায়গার মধ্যে কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- এটি সাধারণত স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাসে, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা কোনো ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসকে অনেক ব্যবহারকারী যাতে ব্যবহার করতে পারে সেজন্য ব্যবহার করা হয়।
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- তারবিহীন বা ওয়্যারলেস (LAN) প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত এবং ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে বাবহৃত হয়।
 
• নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরনের উপর ভিত্তি করে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক এবং
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,১১৯.
নিচের কোনটি ট্রান্সমিটার?
  1. ক) মডেম
  2. খ) মাইক্রোওয়েভ
  3. গ) মাইক্রোফোন
  4. ঘ) টেলিফোন লাইন
সঠিক উত্তর:
ক) মডেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মডেম
ব্যাখ্যা

১. সাের্স : ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, কম্পিউটার কী-বাের্ড ইত্যাদি
২. ট্রান্সমিটার : মডেম, রাউটার, টিভি স্টেশন, রেডিও স্টেশন, টেলিফোন ও মােবাইল ফোন কোম্পানির এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি।
৩. মিডিয়াম : টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি
৪. রিসিভার : মডেম, রাউটার, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি।
৫, ডেসটিনেশন : কম্পিউটার, সার্ভার, টেলিফোন বা মােবাইল ফোন ইত্যাদি।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

১,১২০.
গেটওয়ের কাজের মুখ্য উদ্দেশ্য কী?
  1. ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
  2. অপারেটিং সিস্টেম সাপোর্ট
  3. ডেটা সংরক্ষণ
  4. একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা
ব্যাখ্যা

• গেটওয়ের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা। নেটওয়ার্কে ডেটা আদানপ্রদানের জন্য বিভিন্ন প্রটোকল ব্যবহার করা হয়, যেমন TCP/IP, IPX/SPX বা অন্য কোনো প্রটোকল। যদি দুটি নেটওয়ার্ক ভিন্ন প্রটোকল ব্যবহার করে, তবে সরাসরি তাদের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান সম্ভব হয় না। এই সমস্যার সমাধান করতে গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়। গেটওয়ে একটি বিশেষ ধরনের নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠানোর সময় প্রটোকল রূপান্তর (protocol conversion) করে। ফলে ভিন্ন প্রটোকল ব্যবহারকারী নেটওয়ার্কগুলোকে কার্যকরভাবে সংযুক্ত করা সম্ভব হয় এবং ডেটা বিনিময় সহজ হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা।

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে WAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এটি ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে (LAN, MAN, WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় গেটওয়ে প্রটোকল ট্রান্সলেশন করে থাকে।
- বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস যেমন হাব, সুইচ এবং রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ প্রোটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না।

• গেটওয়ের সুবিধা:
- রাউটারের চেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন এবং ডেটার কলিশন বা সংঘর্ষ কম।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধা:
- অন্যান্য ডিভাইসের চেয়ে ব্যয়বহুল।
- কনফিগারেশন করা তুলনামূলক জটিল।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১২১.
dBase কোন ধরণের সফটওয়্যার?
  1. Word Processing Software
  2. Spreadsheet Software
  3. Database Software
  4. Graphics Design Software
সঠিক উত্তর:
Database Software
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Database Software
ব্যাখ্যা
dBase একটি Database Package Program সফটওয়্যার।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, WordPerfect, MS Word.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program : dBase, FoxPro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১২২.
What is the process of transmitting data without storing it in a storage device?
  1. ক) Simplex
  2. খ) Asynchronous
  3. গ) Synchronous
  4. ঘ) Isochronous
সঠিক উত্তর:
ঘ) Isochronous
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Isochronous
ব্যাখ্যা
আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous transmission)
- অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস -এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন।
- এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
- যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়োজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়।
- সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
- বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১,১২৩.
কোনটি তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য উপযোগী?
  1. ওয়াইম্যাক্স
  2. সি-মস
  3. ব্লু-টুথ
  4. ব্রডব্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ওয়াইম্যাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াইম্যাক্স
ব্যাখ্যা
• তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য উপযোগী হলো 'ওয়াইম্যাক্স'।

• WiMAX:
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- WiMax এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz.
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,১২৪.
নিচের কোনটি Private Network?
  1. ক) LAN
  2. খ) PAN
  3. গ) CAN
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
এখানে LAN, PAN ও CAN সবগুলো Private Network এর অন্তর্ভূক্ত। 

নেটওয়ার্ক মালিকানার ভিত্তিতে দুই ধরনের হয়ে থাকে। 
- Public Network 
- Private Network
Public Network: 
- যেকোন কম্পিউটার থেকে সংযোগ করা যায়।
- সাধারণত ব্যবহারকারীকে ফিস বা মূল্য পরিশোধ করতে হয়।
- একক মালিকানাধীন থাকে না। 
- WAN বা ইন্টারনেট এ নেটওয়ার্কের উদাহরণ। 
Private Network: 
- কোন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মালিকানাধীন থাকে।
- যেকেউ Access করতে পারে না। অনুমতির প্রয়োজন। 
- সিকিউরিটি সিস্টেম মজবুত। 
- LAN, PAN ও CAN এ নেটওয়ার্কের উদাহরণ। 

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
         তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (বোর্ড বই) ।
১,১২৫.
কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা প্রেরণের ক্ষেত্রে কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোডটি প্রযোজ্য?
  1. Simplex
  2. Half-Duplex
  3. Full-Duplex
  4. Serial
সঠিক উত্তর:
Simplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simplex
ব্যাখ্যা

একটি কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণের ক্ষেত্রে সিমপ্লেক্স (Simplex) পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex).

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণ সম্ভব না।
- উদাহরণ: ওয়াকি টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে একইসাথে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
উদাহরণ: টেলিফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১২৬.
CAN-এর বিস্তৃতি কত?
  1. ১ থেকে ৫ কি.মি.
  2. ১ থেকে ১০ কি.মি.
  3. ১ থেক ১০০ কি.মি.
  4. কোনো সীমাবদ্ধতা নেই
সঠিক উত্তর:
১ থেকে ৫ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ থেকে ৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- CAN এর পূর্ণরূপ Campus/Corporate Area Network.
- অনেকগুলো LAN সংযুক্ত করতে CAN ব্যবহার করা হয়।
- এর বিস্তৃতি ১ থেকে ৫ কি.মি. দূরত্ব পর্যন্ত হতে পারে।
- এ নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি সহজ ও খরচ কম।
- এ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহ তার বা তারবিহীন সংযোগ প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,১২৭.
কোন ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিকে একই সাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে?
  1. সিমপ্লেক্স মোড
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  3. অ্যাসিনক্রোনাস মোড
  4. ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
ব্যাখ্যা

ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode) হলো এমন একটি ডেটা ট্রান্সমিশন মোড, যেখানে ডেটা একই সময়ে উভয় দিকে আদান-প্রদান করা সম্ভব।

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিক-এর উপর নির্ভর করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১। সিমপ্লেক্স মোড (Simplex mode):
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা পাঠানো সম্ভব হয়, প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
- যেমন- কি বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক ইত্যাদি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ

২। হাফ-ডুপ্লেক্স মোড (Half-duplex mode):
- এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে।
- একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযোগ আসার জন্য।
- এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়।
- যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে চলে।

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-duplex mode):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কমিউনিকেশন এই পদ্ধতির উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

১,১২৮.
কোনটি CDMA এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
  2. খ) বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
  3. গ) ডেটা ট্রান্সফার রেট তুলনামূলক বেশি।
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা বিদ্যমান।
সঠিক উত্তর:
ঘ) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা বিদ্যমান।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা বিদ্যমান।
ব্যাখ্যা
সিডিএমএ (CDMA) এর বৈশিষ্ট্য

সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
বিদ্যুৎ খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
ডেটা ট্রান্সফার রেট তুলনামূলক বেশি (154kbps-614 kbps)।
আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।
ব্যবহৃত RUIM কার্ড যেকোন হ্যান্ডসেটে ব্যবহারের করা যায়।

উৎস:  Live MCQ Lecture.
১,১২৯.
নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
ব্যাখ্যা
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ;
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।

- কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩০.
মোবাইল নেটওয়ার্কে কোন ধরনের টপোলজি ব্যবহৃত হয়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. মেশ টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• মোবাইল নেটওয়ার্কে সাধারণত স্টার টপোলজি ব্যবহার করা হয়। এতে একটি কেন্দ্রীয় নোড বা বেস স্টেশন থাকে, যার সাথে সব মোবাইল ডিভাইস সরাসরি সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি ডিভাইস বেস স্টেশনের মাধ্যমে ডেটা পাঠায় এবং গ্রহণ করে, ফলে যোগাযোগ সহজ এবং নিয়ন্ত্রণ করা যায়। এই টপোলজিতে একটি লিঙ্ক ব্যর্থ হলেও পুরো নেটওয়ার্কে বড় প্রভাব পড়ে না, শুধুমাত্র সেই নির্দিষ্ট লিঙ্কের সমস্যা হয়। স্টার টপোলজি সহজে স্কেল করা যায়, নতুন ডিভাইস যুক্ত করা সহজ, এবং নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স স্থিতিশীল থাকে। তাই মোবাইল নেটওয়ার্কে এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

- উত্তর: ক) স্টার টপোলজি। 

• মোবাইল ফোন:
- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো সেলুলোর বা স্টার টপোলজি।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১,১৩১.
নিচের কোনটি ডাটা (data) সংরক্ষণ ও স্থানান্তরে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) পেনড্রাইভ
  2. খ) প্রসেসর
  3. গ) ভিজিএ
  4. ঘ) পাওয়ার সাপ্লাই
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) পেনড্রাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেনড্রাইভ
ব্যাখ্যা

A USB flash drive (Pendrive) is a data storage device that includes flash memory with an integrated USB interface. It is typically removable, re writable and much smaller than an optical disc.

১,১৩২.
"যদি একটি নোড বা সংযোগ ব্যর্থ হয় এবং পুরো নেটওয়ার্কের যোগাযোগ ব্যাহত করে" - তাহলে এটি কোন টপোলজির বৈশিষ্ট্য?
  1. Mesh Topology
  2. Ring Topology
  3. Bus Topology
  4. Star Topology
সঠিক উত্তর:
Ring Topology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ring Topology
ব্যাখ্যা
• যদি একটি নোড বা সংযোগ ব্যর্থ হয় এবং পুরো নেটওয়ার্কের যোগাযোগ ব্যাহত হয়, তাহলে এটি Ring Topology এর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার বা ডিভাইস একটি সার্কুলার (বৃত্তাকার) লাইন আকারে সংযুক্ত থাকে, যেখানে ডেটা এক নোড থেকে পরবর্তী নোডের মাধ্যমে প্রেরণ হয়। যেহেতু ডেটা একটি নির্দিষ্ট দিক দিয়ে প্রবাহিত হয়, তাই যদি কোনও এক নোড বা তার সংযোগে সমস্যা হয়, তখন পুরো নেটওয়ার্কের ডেটা আদানপ্রদান বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে পুরো নেটওয়ার্ক ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়ে।
- অন্য টপোলজিতে যেমন Mesh বা Star, এক নোডের ব্যর্থতা পুরো নেটওয়ার্ককে প্রভাবিত করে না, কিন্তু রিং টপোলজিতে এটা ঘটে। তাই এই পরিস্থিতি রিং টপোলজির জন্যই প্রযোজ্য।


• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে;
- এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমূখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৩.
TCP দিয়ে কোনটি বোঝানো হয়?
  1. ক) প্রোগ্রাম
  2. খ) প্রোগ্রামিং
  3. গ) ফ্লোচার্ট
  4. ঘ) প্রোটকল
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রোটকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রোটকল
ব্যাখ্যা
Simple Mail Transfer Protocol (SMTP) is a TCP/IP protocol used in sending and receiving e-mail. Source: ibm.com
১,১৩৪.
বাংলাদেশ কোন সাবমেরিন ক্যাবলের সাথে যুক্ত?
  1. LASH
  2. SEA-ME-WE4
  3. SPLASH
  4. SEA-EM-WE8
সঠিক উত্তর:
SEA-ME-WE4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SEA-ME-WE4
ব্যাখ্যা
- দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপিত হবে- কক্সবাজারে। 
- দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-6 এর সাথে সংযুক্ত হবে। 
- এটি বাস্তবায়িত হবে ২০২৪ সালে। 
- এর আগে  ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-5 এর সাথে সংযুক্ত হয়। 
- ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম  সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-4 এর সাথে সংযুক্ত হয়। 
- SEA-ME-WE এর পূর্ণরূপ হলো South East Asia-Middle East-Western Europe. 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।
১,১৩৫.
HTML আবিষ্কার করেন -
  1. ক) টিম বার্নাস লী
  2. খ) জার্জ বুল
  3. গ) স্টিভ জবস
  4. ঘ) জন বার্ডিন
সঠিক উত্তর:
ক) টিম বার্নাস লী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টিম বার্নাস লী
ব্যাখ্যা
HTML এর পূর্নরুপ Hyper Text Markup Language যা মূলত ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েবপেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরম্যাট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন। HTML দ্বারা তৈরি ফাইলসমূহের এক্সটেনশন .html অথবা .htm হয় যা সাধারণত ওয়েবপেইজ নামে পরিচিত।

জেনেভার সার্ন (CERN) এ কাজ করার সময় টিম বার্নাস-লী (Tim Berners-Lee) সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে HTML আবিষ্কার করেন।
HTML এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে HTML 5.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,১৩৬.
কোন ধরনের ট্রান্সফার সিস্টেমে প্রেরক একবারে একটি অক্ষর গ্রাহকের কাছে পাঠায়?
  1. আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা

• যে ধরনের ট্রান্সফার সিস্টেমে প্রেরক একবারে একটি অক্ষর পাঠায় তা হলো অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন। এতে ডেটা স্টিম ছোট ছোট ইউনিট বা চর হিসেবে প্রেরিত হয়, সাধারণত এক অক্ষর বা এক বাইট। প্রতিটি ইউনিটের আগে এবং পরে স্টার্ট এবং স্টপ বিট থাকে, যা প্রেরক ও গ্রাহকের মধ্যে সময় সমন্বয় নিশ্চিত করে। এই পদ্ধতিতে প্রেরক ও গ্রাহকের ঘড়ি মিলানো প্রয়োজন হয় না, তাই এটি সহজ এবং ছোট ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য উপযুক্ত। আইসোক্রোনাস বা সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে ডেটা ধারাবাহিকভাবে ব্লক আকারে পাঠানো হয়, যেখানে একবারে কেবল একটি অক্ষর প্রেরণ হয় না।
- তাই প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো খ) অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন।

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন: 
- এ পদ্ধতিতে প্রেরক হতে গ্রাহকে একটি একটি করে ক্যারেক্টার পাঠানো হয়।
- এ ধরনের ট্রান্সমিশনে যে কোন সময় ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ সম্ভব।
- এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টারের সাথে একটি স্টার্ট বিট ও একটি স্টপ বিট পাঠানো হয়।
- প্রতিটি ক্যারেক্টার পাঠানোর মাঝখানে সময়ের ব্যবধান সমান হয় না।

উল্লেখ্য,
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন: যে ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে ক্যারেক্টারগুলো সংরক্ষণ করে কমপক্ষে ৮০ থেকে ১৩২ টি ক্যারেক্টারের ব্লক/ প্যাকেট করে এবং প্রতিটি ব্লক/প্যাকেট সমান বিরতিতে স্থানান্তর করে তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন: এটিও সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের মতো অনেকগুলো ক্যারেক্টার একত্রিত করে একটি ব্লক/প্যাকেট তৈরি করে ট্রান্সমিশন করে কিন্তু প্রতিটি ব্লক/প্যাকেট বিরতিহীনভাবে স্থানান্তরিত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।

১,১৩৭.
WiMAX প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ফ্রিক্যুয়েন্সি 2 - 66 GHz
  2. IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
  3. ফুল ডুপ্লেক্স মুডে ডেটা ট্রান্সফার হয়
  4. কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয় না
সঠিক উত্তর:
কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয় না
ব্যাখ্যা
 WiMAX:
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2 - 66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,১৩৮.
Wi-Fi সাধারণত কত মিটার পর্যন্ত কভারেজ দেয়?
  1. ৫০ - ২০০ মিটার
  2. ৪০০ - ৭০০ মিটার
  3. ৫০০ - ৮০০ মিটার
  4. ৫০০ - ১০০০ মিটার
সঠিক উত্তর:
৫০ - ২০০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ - ২০০ মিটার
ব্যাখ্যা
Wi-Fi সাধারণত ৫০-২০০ মিটার পর্যন্ত কভারেজ দেয়।

• Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ Wireless Fidelity.
- Wi-Fi হলো একটি তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ডিজিটাল যন্ত্রপাতি (যেমন: ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ইত্যাদি) বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয়।
- Wi-fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.11।
- এর কভারেজ এরিয়া সাধারণত ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত।
- এর ব্যান্ডউইথ: ১০ Mbps – ৫০ Mbps.
- Ad-hoc Mode এর মাধ্যমে রাউটার ছাড়াও সংযোগ সম্ভব।
- এটি LAN-এর তুলনায় সস্তা ও সহজলভ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১,১৩৯.
নিচের কোনটি ডিজিটাল সিগন্যাল ও অ্যানালগ সিগন্যাল এর মধ্যে রুপান্তর ঘটাতে পারে?
  1. ক) হাব
  2. খ) রাউটার
  3. গ) মডেম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) মডেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মডেম
ব্যাখ্যা
মডেম (Modem): মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ। মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে এবং ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে। মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে। প্রেরক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা গ্রাহকের নিকট ডেটা ও তথ্য প্রেরণ করে। এভাবে টেলিফোন লাইনের উপযোগী করে অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে মডুলেশন (Modulation) বলে। গ্রাহক কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত মডেম সেই অ্যানালগ সংকেতকে আবার ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে তা কম্পিউটারের ব্যবহারের উপযোগী করে। করে। এভাবে টেলিফোন লাইন থেকে প্রাপ্ত অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে ডিমডুলেশন (Demodulation) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১,১৪০.
নিচের কোনটি ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে নেটওয়ার্ক এর প্রকারভেদ নয়?
  1. ক) PAN
  2. খ) TAN
  3. গ) MAN
  4. ঘ) LAN
সঠিক উত্তর:
খ) TAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) TAN
ব্যাখ্যা

ভৌগোলিক বিস্তৃতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network-PAN)
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ল্যান (Local Area Network-LAN)
৩। মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ম্যান (Metropolitan Area Network-MAN)
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা ওয়্যান (Wide Area Network-WAN)

১,১৪১.
সাশ্রয়ীভাবে পাহাড়ি এলাকায় কার্যকরী নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য সুবিধাজনক মাধ্যম হতে পারে -
  1. ক) অপটিক্যাল ফাইবার
  2. খ) ওয়াইফাই
  3. গ) রেডিও ওয়েভ
  4. ঘ) ওয়াইম্যাক্স
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওয়াইম্যাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওয়াইম্যাক্স
ব্যাখ্যা
ওয়াইম্যাক্স একটি উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড যোগাযোগ প্রযুক্তি। যা বিস্তৃত অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো: Worldwide Interoperability for Microwave Access. এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.16 নামে পরিচিত।
১,১৪২.
CAN সাধারণত কোন ধরনের সংযোগ ব্যবহার করে?
  1. শুধুমাত্র ফাইবার অপটিক
  2. তার বা তারবিহীন সংযোগ
  3. কেবলমাত্র Wi-Fi
  4. স্যাটেলাইট সংযোগ
সঠিক উত্তর:
তার বা তারবিহীন সংযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তার বা তারবিহীন সংযোগ
ব্যাখ্যা
• ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহ তার বা তারবিহীন সংযোগ প্রদান করা যায়।

• CAN:
- CAN এর পূর্ণরূপ হলো Campus/Corporate Area Network
- অনেকগুলো LAN সংযুক্ত করে তৈরি করা হয়।
- একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, লাইব্রেরি ভবন, আবাসিক হলসমূহ, একাডেমিক ভবন, স্টুডেন্ট সেন্টার, জিমনেসিয়াম এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত ভবনে স্থাপিত LAN গুলোকে সংযুক্ত করতে CAN ব্যবহার করা হয়।
- এর বিস্তৃতি ১ থেকে ৫ কি.মি. দূরত্ব পর্যন্ত হতে পারে।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বড় অফিস কমপ্লেক্সের একাধিক ভবনে LAN ব্যবহারকারীদের কাজের সমন্বয়ের জন্য কিংবা ব্যয়বহুল এক বা একাধিক পেরিফেরাল ডিভাইস অনেক ব্যবহারকারীর ব্যবহারের জন্য CAN ব্যবহার করা হয়। যেমন: Googleplex, মাইক্রোসফটের নেটওয়ার্ক।

• CAN এর বৈশিষ্ট্য:
- ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের দূরত্ব ১ - ৫ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- শ্রেণি সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত হয়।
- এ নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি সহজ ও খরচ কম।
- এ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহ তার বা তারবিহীন সংযোগ প্রদান করা যায়।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪৩.
সিমপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সমিশনের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ
  2. রেডিও
  3. টেলিফোন
  4. টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
টেলিফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেলিফোন
ব্যাখ্যা
• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সংযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি-টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেকোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
১,১৪৪.
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সিগন্যাল বৃদ্ধির জন্য কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. রিপিটার
  2. মডেম
  3. গেটওয়ে
  4. ক্যাবল
সঠিক উত্তর:
রিপিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিপিটার
ব্যাখ্যা
রিপিটার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
১। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
২। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৩। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক :
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
উদাহরণ:
একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪৫.
নিয়ন্ত্রণ কাঠামো অনুসারে নেটওয়ার্ক কয় প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়াকসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)


উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,১৪৬.
অ্যানিকাস্ট ট্রান্সমিশন কোন মোডে সংগঠিত হতে পারে?
  1. সিমপ্লেক্স
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. উল্লিখিত সকল মোডে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল মোডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল মোডে
ব্যাখ্যা
• ইউনিকাস্ট:
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না।
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট মোডও বলা হয়।
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় A নোড থেকে কোন ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত একটিমাত্র নোড-ই (যেমন- কম্পিউটার) গ্রহণ করবে।
- এটি ১ থেকে ১ (1 to 1) মোড নামেও পরিচিত।

• ব্রডকাস্ট:
- এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্কের আওতাধীন সব গ্রাহকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে।
- ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে।
- রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মােডের উদাহরণ।

• মাল্টিকাস্ট:
- মাল্টিকাস্ট মােড অনেকটা ব্রডকাস্ট মােডের মতাে হলেও এই মােডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমােদিত সদস্যরা গ্রহণ করতে পারে।
- মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্স-এ হয়ে থাকে।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে, চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ।

• অ্যানিকাস্ট:
- যে ডাটা ট্রান্সমিশনে ডাটাসমূহ অনেকগুলো গন্তব্যের মধ্যে যেকোন একটি গন্তব্যে গমন করে, তাকে অ্যানিকাস্ট ডাটা ট্রান্সমিশন বলে।
- অ্যানিকাস্ট ট্রান্সমিশন সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোড হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,১৪৭.
কোন ধরনের টপোলজি একাধিক টপোলজির সংমিশ্রণ?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. হাইব্রিড টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইব্রিড টপোলজি
ব্যাখ্যা
• একাধিক টপোলজির সংমিশ্রণকে হাইব্রিড টপোলজি বলা হয়। এটি বিভিন্ন ধরনের টপোলজির মিলিত রূপ, যেখানে একটি নেটওয়ার্কে একাধিক টপোলজি একসাথে ব্যবহৃত হয়। যেমন, একটি বড় নেটওয়ার্কে স্টার, বাস, এবং ট্রি টপোলজি একসাথে থাকতে পারে। এর ফলে নেটওয়ার্কের কার্যক্ষমতা ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায় এবং বিভিন্ন টপোলজির সুবিধা একসাথে পাওয়া যায়। হাইব্রিড টপোলজি বড় ও জটিল নেটওয়ার্কের জন্য উপযুক্ত কারণ এটি নমনীয় ও দক্ষ। তাই, একাধিক টপোলজির সংমিশ্রণ হলো হাইব্রিড টপোলজি।

• নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়। 
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে। 
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে। 

নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টপোলজি হচ্ছে- 
১। বাস টপোলজি (Bus Topology): 
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে। 
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়। 
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)। 
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। 
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না। 
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। 

২। হাইব্রিড টপোলজি (Hybrid Topology): 
- এ ধরনের টপোলজিতে কয়েক প্রকার টপোলজির সংমিশ্রণ দেখা যায় তাই একে হাইব্রিড টপোলজি বলে। 
- সব ধরনের সংগঠনে কিছু সুবিধা ও অসুবিধা রয়েছে। এ জন্য হাইব্রিড টপোলজি কয়েক ধরনের টপোলজির সমন্বয়ে তৈরি হয়। 

৩। স্টার টপোলজি (Star Topology): 
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে। কেন্দ্রিয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ। 
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। ডাটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ। 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডাটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রিয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়। এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডাটা পাঠিয়ে দেয়। 

৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topolopy): 
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে। বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে। 
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে। আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে। মূল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪৮.
ফাইবার অপটিক ক্যাবলে কয়টি অংশ থাকে?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ টি
ব্যাখ্যা
ফাইবার অপটিকে ৩টি  অংশ থাকে। 

ফাইবার অপটিক ক্যাবল (Fiber Optic Cable): 
- এটি কাচের তৈরি অত্যন্ত সূক্ষ তন্তু। 
- ফাইবার দেখতে মানুষের চুলের চেয়েও সরু হয়ে থাকে।
- বিদ্যুৎ অপরিবাহী হলেও আলো পরিবহনে অত্যন্ত দক্ষ।
- ডাই-ইলেক্ট্রিক পদার্থ দিয়ে তৈরি।

 ফাইবার অপটিকে তিনটি  অংশ: 
- কোর: ভেতরের ডাই-ইলেকট্রিক কোর যার ব্যাস ৮ থেকে ১০০ মাইক্রোন হয়ে থাকে।
- ক্ল্যাডিং: কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণ ক্ল্যাডিং নামে পরিচিত। 
- জ্যাকেট: আবরণ হিসেবে কাজ করে। 
সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
         তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,১৪৯.
কোন নেটওয়ার্ক টপোলজি "হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি" নামে পরিচিত?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. মেশ টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

• হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক কাঠামো যেখানে নোডগুলো স্তরভিত্তিক বা ধাপে ধাপে সাজানো থাকে, অর্থাৎ এক ধরনের "বৃক্ষের মতো" গঠন থাকে। এতে একটি মূল নোড থাকে যা উপরের স্তরে অবস্থান করে এবং এর অধীনে অন্যান্য নোডগুলো শাখার মতো যুক্ত থাকে। এই কারণে এটি “ট্রি টপোলজি” নামেও পরিচিত। ট্রি টপোলজিতে তথ্য প্রেরণ বা সংযোগ স্থাপন করা একটি কেন্দ্রীয় নোডের মাধ্যমে ঘটে, যা হায়ারার্কির ধারণা প্রতিফলিত করে। অন্য টপোলজিগুলো যেমন মেশ, রিং বা বাস টপোলজি স্তরভিত্তিক কাঠামোর মতো হায়ারার্কিক্যাল কাঠামো তৈরি করে না।
- তাই হায়ারার্কিক্যাল টপোলজির সঠিক উত্তর হলো ক) ট্রি টপোলজি।

• ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৫০.
অপটিকাল ফাইবারের সবচেয়ে ভিতরের অংশের নাম কী?
  1. ক্ল্যাডিং
  2. জ্যাকেট
  3. বাফার
  4. কোর
সঠিক উত্তর:
কোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোর
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা-
১. কোর:
- সবচেয়ে ভিতরের অংশ হচ্ছে কোর যা কাঁচ বা প্লাস্টিক দ্বারা তৈরি যা ১০০ মাইক্রোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

২. ক্ল্যাডিং:
- কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে।

৩. জ্যাকেট:
- অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে জ্যাকেট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,১৫১.
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী UMTS স্ট্যান্ডার্ড কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা হয়?
  1. চতুর্থ প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. প্রথম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
♦ তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ডেটা রূপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয় । তবে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতির সাহায্যে খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান প্রদান করা যায়।
- মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।
- EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) পদ্ধতি কার্যকর হয়। ফলে অধিক পরিমাণ ডেটা স্থানান্তর সম্ভব হয়।
- ডেটা স্থানান্তর উচ্চগতি সম্পন্ন। ডেটা রেট ২ এমবিপিএস এর অধিক।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয় ।
- এক্ষেত্রে GSM, EDGE, UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী W-CDMA বা UMTS স্ট্যান্ডার্ড।
- চ্যানেল অ্যাকসেস বা সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো TD-SCDMA এবং TD-CDMA ।
- উচ্চ স্পেকট্রাম কর্মদক্ষতা।
- আর্ন্তজাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।
উদাহরণ: UMTS (Universal Mobile Telecommunication System), IMT (International Mobile Telecommunication)-2000, MC-CDMA, TD-SCDMA, EDGE, HSPA ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,১৫২.
কোনটি WAN-এর মূল বৈশিষ্ট্য?
  1. ছোট ভৌগোলিক এলাকা কভার করে
  2. উচ্চ গতির LAN সুইচের প্রয়োজন
  3. দীর্ঘ দূরত্বে ডিভাইস সংযুক্ত করে 
  4. শুধু এক ভবনের মধ্যে কাজ করে
সঠিক উত্তর:
দীর্ঘ দূরত্বে ডিভাইস সংযুক্ত করে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীর্ঘ দূরত্বে ডিভাইস সংযুক্ত করে 
ব্যাখ্যা

• WAN বা Wide Area Network হলো একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক যা সাধারণত বড় ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে ডিভাইস সংযোগ স্থাপন করে। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি দীর্ঘ দূরত্বে বিভিন্ন কম্পিউটার, সার্ভার বা নেটওয়ার্ক ডিভাইসকে সংযুক্ত করতে পারে, এমনকি ভিন্ন শহর বা দেশের মধ্যে থাকলেও। এটি LAN-এর মতো সীমিত এলাকায় কাজ করে না, তাই LAN-এর উচ্চ গতির সুইচের প্রয়োজন হয় না এবং শুধুমাত্র একটি ভবনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তাই WAN-এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো দীর্ঘ দূরত্বে ডিভাইস সংযোগ করা, যা গ্লোবাল যোগাযোগ এবং ডেটা শেয়ারিংকে সহজ করে তোলে।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) দীর্ঘ দূরত্বে ডিভাইস সংযুক্ত করে।

• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ Wide Area Network.
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN, কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।
- WAN এর বিস্তৃতি সারা দেশ বা সমগ্র পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বর WAN এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ই-মেইল আদান-প্রদান করা, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা, ফাইল ডাউনলোড, অনলাইন শপিং ইত্যাদি করা যায়।

• LAN:
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।

• PAN:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- কোনো ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এর ক্ষেত্রে ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১,১৫৩.
IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে তৈরি নিচের কোন প্রযুক্তি?
  1. Bluetooth
  2. WiMAX
  3. Wi-Fi
  4. Ethernet
সঠিক উত্তর:
Wi-Fi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wi-Fi
ব্যাখ্যা
- Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.15
- WiMAXএর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16
- Ethernet এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.3

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
১,১৫৪.
কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক টপোলজি কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে নিম্ন বর্ণিত ছয় ধরণের টপোলজি থাকে। যথা: 
১) বাস নেটওয়ার্ক টপোলজি (Bus Network Topology)
২) রিং নেটওয়ার্ক টপোলজি (Ring Network Topology)
৩) স্টার নেটওয়ার্ক টপোলজি (Star Network Topology)
৪) ট্রি নেটওয়ার্ক টপোলজি (Tree Network Topology)
৫) মেশ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Mesh Network Topology)
৬) হাইব্রিড নেটওয়ার্ক টপোলজি (Hybrid Network Topology )

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,১৫৫.
স্টার টপোলজিতে নেটওয়ার্কের সমস্ত ডিভাইস একত্রিত হতে কী ব্যবহার করা হয়?
  1. ব্রিজ
  2. গেটওয়ে
  3. হাব
  4. রাউটার
সঠিক উত্তর:
হাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাব
ব্যাখ্যা
• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজিতে কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসসমূহ একটি হাব বা সুইচের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।
- হাব বা সুইচের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ডিভাইস সমূহ যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
- হাব অচল হয়ে হয়ে গেলে সম্পূর্ন নেটওয়ার্ক অকেজো হয়ে যায়।
- যেকোন মুহূর্তে নতুন কম্পিউটার যুক্ত করা যায়।
- এই সিস্টেমে সমস্যা নির্ণয় করা তুলনামূলক সহজ।

- কোন একটি কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে ডেটা ট্রান্সফারে কোন সমস্যা সৃষ্টি হয়না।
- এই নেটওয়ার্ক সিস্টেমে খুব সহজেই সমস্যায় আক্রান্ত কম্পিউটারটিকে সরিয়ে নেওয়া যায়।
- এই সিস্টেমে অনেক বেশি ক্যাবল ব্যবহৃত হয় বলে খরচের পরিমান বেশি।
- কম্পিউটারে সংখ্যা খুব বেশি বৃদ্ধি করলে ডেটা ট্রান্সফার স্পীড কমে যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
১,১৫৬.
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps
  2. মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার
  3. ত্রি-মাত্রিক ছবির প্রদর্শনের ব্যবস্থা চালু
  4. ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা
সঠিক উত্তর:
ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভূক্ত।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা ট্রান্সফার।
- GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।

• অন্যান্য অপশন সমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- ত্রি-মাত্রিক ছবির প্রদর্শনের ব্যবস্থা চালু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার শুরু হয় প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে।
- ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা চালু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,১৫৭.
ব্লুটুথ নামকরণ কার নাম অনুসারে করা হয় ?
  1. বৃটেনের রানী
  2. সুইজারল্যান্ড রাজকুমার
  3. লন্ডনের মেয়র
  4. ডেনমার্কের রাজা
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্কের রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্কের রাজা
ব্যাখ্যা

৯০০ খ্রীস্টাব্দের পরবর্তী সময়ের ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নামানুসারে এই প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়েছে।
Bluetooth (IEEE 802.15) ক্ষুদ্র পাল্লার জন্য প্রণীত একটি ওয়্যারলেস প্রোটোকল।
- এটি ১-১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ওয়্যারলেস যোগাযোগের একটি পদ্ধতি। ব্লুটুথ-এর কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে। ব্লুটুথ ২.৪৫ গিগাহার্টজ-এ কাজ করে।
- ব্লুটুথ ১.০-এর তথ্য আদান-প্রদান-এর সর্বোচ্চ গতি ছিল সেকেন্ডে ১ মেগাবিট। বর্তমানে ব্লুটুথ ৫.০-এর সর্বোচ্চ গতি হল সেকেন্ডে ২ মেগাবাইট। এটা পারসোনাল এরিয়া নেটও্যার্কের উদাহরণ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান)

১,১৫৮.
WiMAX এর কাভারেজ এরিয়া কত?
  1. প্রায় ৫০ কিলোমিটার
  2. প্রায় ৯০ কিলোমিটার
  3. প্রায় ১২০ কিলোমিটার
  4. প্রায় ২০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৫০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৫০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

• WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার।

• WiMAX:
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১,১৫৯.
WiMAX এর ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. IEEE স্ট্যান্ডার্ড 802.16
  2. ডেটা ট্রান্সমিশনে হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে। 
  3. ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz
  4. কাভারেজ এড়িয়া প্রায় ৫০ কিলোমিটার।
সঠিক উত্তর:
ডেটা ট্রান্সমিশনে হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা ট্রান্সমিশনে হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে। 
ব্যাখ্যা
• WiMAX: 
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো  Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়। 
- WiMax  এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে। 
- WiMax  এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax  এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।ন

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,১৬০.
স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস কিংবা বড় অফিস বিল্ডিংয়ে কোন ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়?
  1. Local Area Network
  2. Personal Area Network
  3. Metropolitan Area Network
  4. Wide Area Network
সঠিক উত্তর:
Local Area Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Local Area Network
ব্যাখ্যা
• সাধারণত স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাস, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসে Local Area Network নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।

• Local Area Network (LAN):
- রিপিটার ব্যবহার করে এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ ১ কি.মি. করা যায় ।
- LAN এর টপোলজি সাধারণত স্টার, বাস, ট্রি ও রিং হয়ে থাকে।
- যেমন: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• অন্যন্য অপশনগুলো:
• Personal Area Network (PAN):
- ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- PAN এর ব্যাপ্তি বা পরিসীমা ১০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ ।
- যেমন: ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ওয়েব ক্যামেরা, সাউন্ড সিস্টেম, পিডিএ, মোবাইল স্ক্যানার ও প্রিন্টার ইত্যাদি।

• Metropolitan Area Network (MAN):
- একটি শহর বা ছোট অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত এলাকাকে বুঝায়।
- এটির নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি LAN এর চেয়ে বড় কিন্তু WAN এর চেয়ে ছোট।
- যেমন: ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক, ফ্যাক্টরি, ওয়্যারহাউজ, বিক্রয়কেন্দ্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

• Wide Area Network (WAN):
- বড় এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা করা হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারদের মধ্যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলাই WAN নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN এর উদাহরণ হলো – Internet.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (বোর্ড বই) এবং
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,১৬১.
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) ব্যবস্থায় সাধারণত কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসেবে কোন ধরনের মাধ্যম ব্যবহার করা হয়?
  1. রেডিও ওয়েভ
  2. মাইক্রো ওয়েভ
  3. কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল
ব্যাখ্যা

◉ Local Area Network (LAN) এ কমিউনিকেশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল (Coaxial Cable) ব্যবহার করা হয়। 

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণনাম হচ্ছে Local Area Network।
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে।
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলির সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত ক্যাবল (কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল) ব্যবহার হয়।
- সাধারণত সীমিত এলাকার মধ্যে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৬২.
LAN কার্ড এর অপর নাম কী?
  1. Network Identifier Card
  2. Local Area Interface card
  3. Network Interface Card
  4. Local Interface card
সঠিক উত্তর:
Network Interface Card
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Network Interface Card
ব্যাখ্যা
 NIC (Network Interface Card):
- কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কভুক্ত করার জন্য যে ইন্টারফেস কার্ড ব্যবহার করা হয় তাকে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বলে।
- এ কার্ডকে ল্যান কার্ডও বলা হয়।
- এ কার্ড মাদারবোর্ডের বিভিন্ন আকৃতির স্লটের মধ্যে বসানো থাকে। অধিকাংশ NIC কার্ড কম্পিউটারের সাথে বিল্ট-ইন থাকে।
- নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড পিসি এবং ডেটা কেবলের মধ্যে সিগন্যাল আদান-প্রদানের কাজটি সমন্বয় করে থাকে।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
- যথা-ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক, পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী।
১,১৬৩.
WiMAX বলতে কী বোঝায়?
  1. Worldwide Interprovincial for Microwave Excess
  2. Worldwide Interchangeable for Microwave Excess
  3. Worldwide Interpenetration for Microwave Access
  4. Worldwide Interoperability for Microwave Access
সঠিক উত্তর:
Worldwide Interoperability for Microwave Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Worldwide Interoperability for Microwave Access
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) Worldwide Interoperability for Microwave Access.

WiMAX হলো একটি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে, বিশেষ করে যেখানে ব্রডব্যান্ড কেবল বা ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছায় না। এটি “Worldwide Interoperability for Microwave Access” এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা মূলত দূরদূরান্তের এলাকায় ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস এক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়। WiMAX প্রযুক্তি ব্যবহারে বড় এলাকার জন্য ইন্টারনেট সংযোগ তৈরি করা যায়, এবং এটি সেলুলার নেটওয়ার্কের মতো মোবাইল ব্যবহারকেও সমর্থন করে। এটি প্রধানত ৩০০ মিটার থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, ফলে শহর ও গ্রাম উভয় অঞ্চলে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে।

• WiMAX: 
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো - Worldwide Interoperability for Microwave Access. 
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়। 
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে। 
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,১৬৪.
Front-end processor is a _____ designed specifically to handle the communications processing task.
  1. ক) ALU
  2. খ) Control unit
  3. গ) CPU
  4. ঘ) Register
সঠিক উত্তর:
গ) CPU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) CPU
ব্যাখ্যা
A central processing unit (CPU), also called a central processor, main processor or just processor, is the electronic circuitry within a computer that executes instructions that make up a computer program. The CPU performs basic arithmetic, logic, controlling, and input/output (I/O) operations specified by the instructions in the program.
১,১৬৫.
সুইচের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানে কোন ঠিকানা ব্যবহৃত হয়? 
  1. URL Address
  2. MAC Address
  3. IP Address
  4. Gateway Address
সঠিক উত্তর:
MAC Address
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MAC Address
ব্যাখ্যা
সুইচ (Switch): 
- এটিও হাবের মতো একটি ক্ষুদ্র আইসিটি যন্ত্র। 
- বর্তমানে যেকোনো নেটওয়ার্ক তৈরি করতে বেশিরভাগ সময় সুইচ ব্যবহার করা হয়। 
- হাবের সাথে সুইচের প্রধান পার্থক্য হলো সুইচ তারের সাথে যুক্ত প্রত্যেকটি আইসিটি যন্ত্রকে পৃথকভাবে শনাক্ত করতে পারে কিন্তু হাব তা পারে না। 
- ফলে সুইচ দিয়ে তৈরি নেটওয়ার্কের যেকোনো আইসিটি যন্ত্র (node) সরাসরি অন্য যন্ত্রের সাথে যোগযোগ করতে পারে। 
- সুইচের সাথে যুক্ত যন্ত্রগুলো শুধু যাকে ডেটা বা উপাত্ত পাঠাতে চায় তাকেই উপাত্ত পাঠায়। 
- সুইচ তার সাথে সংযুক্ত প্রত্যেকটি আইসিটি যন্ত্রের একটি করে ঠিকানা বরাদ্দ করে এবং ঐ ঠিকানা অনুযায়ী তথ্যের আদান-প্রদান করে। 
অর্থাৎ, কোনো একটি ঠিকানা থেকে অন্য কোনো ঠিকানায় উপাত্ত বা ডেটা পাঠাতে চাইলে সুইচ এক ঠিকানার তথ্য অন্য ঠিকানায় পৌঁছে দেয়। এ বরাদ্দকৃত ঠিকানাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভাষায় MAC (Media Access Control) address নামে ডাকা হয়। 
- আলাদা আলাদা ঠিকানা ব্যবহারের কারণে সুইচ হাবের চেয়ে অনেক দ্রুত গতিতে কাজ করতে পারে, এজন্য নেটওয়ার্ক তৈরিতে সুইচই এখন সবার পছন্দের হয়ে উঠেছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১,১৬৬.
Which transmission mode is generally used in video conferencing?
  1. Broadcast
  2. Multicast 
  3. Unicast
  4. Half-duplex
সঠিক উত্তর:
Multicast 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Multicast 
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) Multicast 

• মাল্টিকাস্ট (Multicast)
- মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হলো মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোডই গ্রহণ করতে পারে না। 
- শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে। 
- যেমন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।

ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে ডেটা পাঠানো হয়। প্রাপকের সংখ্যা ও ডেটা গ্রহণের অধিকারের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। ইউনিকাস্ট (Unicast)
২। ব্রডকাস্ট (Broadcast) এবং
৩। মাল্টিকাস্ট (Multicast) |

• ইউনিকাস্ট (Unicast)
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে। 
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না। 
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট (Unicast) মোডও বলা হয়।

• ব্রডকাস্ট (Broadcast)
- ব্রডকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড (কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোড-ই গ্রহণ করে। 
- যেমন টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোন মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ করতে পারেন। 
- এক্ষেত্রে একটি প্রেরক থেকে নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,১৬৭.
বিটকয়েন আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) অ্যাডওয়্যার্ড স্নোডেন
  2. খ) সাতোশি নাকামোতো
  3. গ) রিচার্ড নক
  4. ঘ) বিল গেটস
সঠিক উত্তর:
খ) সাতোশি নাকামোতো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাতোশি নাকামোতো
ব্যাখ্যা
- বিটকয়েন একধরনের ক্রিপ্টো-কারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রা। ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এই মুদ্রার লেনদেন হয়ে থাকে।
- ২০০৮ সালের শেষের দিকে জাপানের একজন নাগরিক সাতোশি নাকামোতো নামের কেউ বা একদল সফটওয়্যার বিজ্ঞানী এই ‘ক্রিপ্টোকারেন্সির’ উদ্ভাবন করেন। যদিও এই ব্যক্তির আসল নাম বা পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

উৎস: বিবিসি ওয়েবসাইট 
১,১৬৮.
নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি যন্ত্রের সংযোগস্থলকে কী বলা হয়? 
  1. Dot
  2. Mode
  3. Node
  4. Connector
সঠিক উত্তর:
Node
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Node
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- একটি নেটওয়ার্কের ফিজিক্যাল ডিভাইস (যেমন- ক্যাবল, পিসি, রাউটার ইত্যাদি) যেভাবে নেটওয়ার্কে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে টপোলজি বলা হয়। 
- নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি যন্ত্রের সংযোগস্থলকে নোড (Node) বলা হয়। 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে মূলত ছয় ধরণের টপোলজি থাকে। 
যথা: 
১) বাস নেটওয়ার্ক টপোলজি (Bus Network Topology), 
২) রিং নেটওয়ার্ক টপোলজি (Ring Network Topology), 
৩) স্টার নেটওয়ার্ক টপোলজি (Star Network Topology), 
৪) ট্রি নেটওয়ার্ক টপোলজি (Tree Network Topology), 
৫) মেশ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Mesh Network Topology) এবং 
৬) হাইব্রিড নেটওয়ার্ক টপোলজি (Hybrid Network Topology)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ  শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,১৬৯.
সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্কের প্রধান কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
  1. ওয়ার্কস্টেশন
  2. টার্মিনাল
  3. হোস্ট
  4. ক্লায়েন্ট
সঠিক উত্তর:
হোস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোস্ট
ব্যাখ্যা

সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্কের প্রধান কম্পিউটারকে হোস্ট বলা হয়। 

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার সেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
- এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এ ধরনের নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- এ ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসি'র জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
- সার্ভিসসমূহ হলো ফাইল, প্রিন্ট মেসেজ, ডেটাবেজ, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি।

হোস্ট ও টার্মিনাল সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ককে ২ ভাগে বিভক্ত করা হয়। 
• সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network):
- সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রধান কম্পিউটারটিকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।
 
২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network):
- পরস্পর সংযুক্ত কিছু ওয়ার্কস্টেশন, বিভিন্ন শেয়ারড স্টোরেজ ডিভাইস এবং প্রয়োজনীয় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- ওয়ার্কস্টেশনগুলোর নিজস্ব মেমোরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা থাকায় এগুলো নিজস্ব সফটওয়‍্যার, ডেটা ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে লোকাল কাজগুলো করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১,১৭০.
বাংলাদেশে কত সালে 4G সেবা চালু হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
4G:
- 4G হল ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্ম শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ফোরজি নেটওয়ার্কে যেসব সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে সংশোধিত মোবাইল ওয়েব সেবা, আইপি টেলিফোনি, গেমিং সেবা, এইচডিটিভি, হাই-ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্স, ত্রিমাত্রিক টেলিভিশন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং উল্লেখযোগ্য।
- যুক্তরাষ্ট্রে স্প্রিন্ট নেক্সটেল ২০০৮ সালে মোবাইল ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক স্থাপন করে এবং মেট্রোপিসিএস ২০১০ সালে প্রথম এলটিই সেবা চালু করে।
- বাংলাদেশে ২০১৮ সালে মোবাইল ফোনে ৪জি (এলটিই) সেবা প্রদান শুরু হয়। ১৯ ফেব্রুযারী, ২০১৮ সালে প্রথমবারের মত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু করে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক।
- ৩জি এবং ৪জি উভয়ই এক বিশেষ মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা তার বিহীন কথা বলা, মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার, ভিডিও কল করা, মোবাইল টিভি ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে। 
- তবে ৪জি তে যে বিশেষ সুবিধা অতিরিক্ত হিসেবে রয়েছে তা হলো মোবাইল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। 
- IP based Network হল - 4G এর বৈশিষ্ট্য।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৭১.
ইন্টারনেট প্রোটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার- কোন মোবাইল প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) প্রথম
সঠিক উত্তর:
খ) চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট প্রোটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার হচ্ছে চতুর্থ মোবাইল প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য। 

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. IP (Internet Protocol) নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রায় ১ Gbps।
৩. হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টেলিভিশন এবং গেমিং ইত্যাদির ব্যবহার শুরু।
৪. Bluetooth, WLAN, GPS (Global Positioning System), WCDMA, GPRS (General Packet Radio Service) প্রভৃতি ওয়্যারলেস সিস্টেম সাপোর্টের জন্য নেটওয়ার্কে SDR (Software Defined Radio) প্রযুক্তির ব্যবহার।
৫. ডেটা ট্রান্সফার রেট বেশি। 
৬. 4G এর গতি 3G এর চেয়ে প্রায় ৫০ গুণ বেশি। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
১,১৭২.
Peer-to-Peer Network এর বৈশিষ্ট্য নয় -
  1. ১০ জন বা তার কম ইউজারের জন্য সুবিধাজনক
  2. ইউজাররা তাদের কম্পিউটারের বিভিন্ন রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। 
  3. ডেডিকেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রয়োজন হয় না।
  4. পুরো নেটওয়ার্কের ইউজার ও সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর:
পুরো নেটওয়ার্কের ইউজার ও সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরো নেটওয়ার্কের ইউজার ও সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব।
ব্যাখ্যা
Peer-to-Peer Network:
প্রত্যেক ইউজার তাদের রিসোর্স অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারে এবং প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার ও ওয়ার্কস্টেশনে ভূমিকা পালন করে।

বৈশিষ্ট্য: 
- ইউজাররা তাদের কম্পিউটারের বিভিন্ন রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। 
- ১০ জন বা তার কম ইউজারের জন্য সুবিধাজনক।
- ডেডিকেটেড অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের প্রয়োজন হয় না।
- বিশেষ কোনো সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন নেই।
- পুরো নেটওয়ার্কের ইউজার ও সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়ভাবে ম্যানেজ করা সম্ভব নয়।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
১,১৭৩.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হয় কত সাল থেকে?
  1. ক) ১৯৯০ সাল
  2. খ) ২০০১ সাল
  3. গ) ২০০৯ সাল
  4. ঘ) ২০১০ সাল
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৯ সাল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন
মোবাইল ফোন প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নতি ও ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে মোবাইল ফোনের আবিষ্কারের শুরু থেকে বর্তমান সময় পর্যন্তকে পাঁচ প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১। প্রথম প্রজন্ম (১৯৫০ - ১৯৮৯) (First Generation -1G)
২। দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০ - ২০০০) (Second Generation -2G)
৩। তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১ - ২০০৮) (Third Generation -3G)

৪। চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯ - বর্তমান) (Forth Generation - 4G)

৫। পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation -5G) ২০১৮ সাল থেকে আলোচনা শুরু হয়।

উৎস: Live MCQ Lecture. এবং (BBC News বাংলা, ২৯ জুলাই ২০১৮)
১,১৭৪.
নিচের কোনটি DBMS-এর উদাহরণ?
  1. ক) MICROSOFT Access
  2. খ) ORACLE
  3. গ) MySQL
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
DBMS
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১,১৭৫.
ব্লুটুথ প্রযুক্তি নিচের কোন ধরনের নেটওয়ার্ক হিসেবে বিবেচিত?
  1. LAN
  2. MAN
  3. WAN
  4. PAN
সঠিক উত্তর:
PAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PAN
ব্যাখ্যা

◉ Bluetooth প্রযুক্তি সাধারণত একটি ছোট অঞ্চল জুড়ে ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত রাখতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি ব্যক্তিগত অঞ্চলভিত্তিক নেটওয়ার্ক হিসেবে বিবেচিত হয়, যাকে PAN (Personal Area Network) বলে।

ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,১৭৬.
বাংলাদেশ প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে কত সালে?
  1. ক) ২০১৭
  2. খ) ২০১৮
  3. গ) ২০১৯
  4. ঘ) ২০২০
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৮
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ : বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ

উৎক্ষেপণ সময়:
১১ মে ২০১৮ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪ : ১৪ মিনিট 
অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২ : ১৪ মিনিট

স্থান:
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।

মন্ত্রণালয়/বিভাগ: ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)
বাস্তবায়নকারী সংস্থা: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
বাস্তবায়নকাল: ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত

নির্মাণ সংস্থা: বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে। উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।
Thales এর চুক্তিমূল্য: ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা।

সূত্র: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
১,১৭৭.
চাঁদ কত দিনে পৃথিবীর চারদিকে নিজ কক্ষপথে একবার আবর্তন করে?
  1. ২৬ দিন
  2. ২৭ দিন
  3. ২৮ দিন
  4. ২৯ দিন
সঠিক উত্তর:
২৯ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ দিন
ব্যাখ্যা

চাঁদ (Moon):
- পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার।
- চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে নিজ কক্ষপথে ২৯ দিন ১২ ঘন্টায় একবার আর্বতন করে।
- চাঁদের ব্যাস ৩,৪৭৫ কিলোমিটার।
- ১৯৬৯ সালের ২১ শে জুলাই সর্বপ্রথম মানুষ চাঁদে অবতরণ করেন।
- চাঁদে পানি, বায়ু, উদ্ভিদ বা প্রাণী নেই। চাঁদে বহু সমতলভূমি, পাহাড় পর্বত ও বৃহদাকার গর্তের উপরিভাগ দেখা যায়। চাঁদের সবচেয়ে বড় গহ্বরটির নাম ক্লেভিউস।
- চাঁদের আকাশ দিনে-রাতে একই রকম কালো। চাঁদের নিজস্ব আলো নেই।
- সূর্যের আলোতে চাঁদ আলোকিত হয়।
- চাঁদের যে পৃষ্ঠে সূর্যালোক পড়ে সে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১০০° সেলসিয়াস এর ওপরে এবং অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১৫০° সেলসিয়াসের নীচে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৭৮.
ই-মেইল অ্যাড্রেসে ‘.com’ ডোমেইন দ্বারা বোঝায়—
  1. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  2. সামরিক প্রতিষ্ঠান
  3. সরকারি প্রতিষ্ঠান
  4. ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
ই-মেইল অ্যাড্রেসে ‘.com’ দ্বারা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

• ডোমেইন নামের বিভিন্ন রকম পরিচয়:

.com - ব্যবসায়িক (Commercial) প্রতিষ্ঠান,
.org - অ-লাভজনক (Organization),
.gov - সরকারি (Government) প্রতিষ্ঠান
.mil - সামরিক (Military),
.edu - শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (Educational),
.net - সাধারণ নেটওয়ার্ক/আইএসপি (Network provider).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৭৯.
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার প্রথম শুরু হয় কোন দেশে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাপান
ব্যাখ্যা
২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন অ-বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়

তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
১। মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং ডেটা আদান প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।
২। ডেটা স্থানান্তরের গতি 2 Mbps এর অধিক।
৩। মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
৪। আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।

উৎস: Live MCQ Lecture. এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (এইচ এস সি প্রোগ্রাম) 
১,১৮০.
ওয়াই-ফাই (WiFi) এর ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ কত?
  1. 2.4 GHz এবং 5 GHz
  2. 1 GHz এবং 3 GHz
  3. 10 GHz এবং 20 GHz
  4. 100 GHz এবং 200 GHz
সঠিক উত্তর:
2.4 GHz এবং 5 GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2.4 GHz এবং 5 GHz
ব্যাখ্যা

◉ Wi-Fi (Wireless Fidelity) হল তারবিহীন (wireless) নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি (RF) ব্যবহার করে ডাটা ট্রান্সমিট করে। Wi-Fi এর সাধারণ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড: 2.4-5 GHz.

Wi-fi:
- Wi-fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৮১.
নিচের কোনটি প্রটোকল কনভার্টার হিসেবে পরিচিত?
  1. সক্রিয় হাব
  2. নিষ্ক্রিয় হাব
  3. গেটওয়ে
  4. রাউটার
সঠিক উত্তর:
গেটওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেটওয়ে
ব্যাখ্যা

গেটওয়ে (Gateway):
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত করে। 
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ভিন্নধর্মী প্রটোকলবিশিষ্ট নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযােগ স্থাপনের জন্য গেটওয়ে ব্যবহৃত হয়।
- এটি একই ধরনের বা ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকলবিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের সুযােগ করে দেয় অর্থাৎ এটি মূলত একটি নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি ডিভাইস।
- গেটওয়ে PAT(Protocol Address Translation) ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করে থাকে বলে একে 'প্রটোকল কনভার্টার' বলে। 

উল্লেখ্য, রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।  

১,১৮২.
ভিডিও কনফারেন্সিং এ কোন প্রটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. UDP
  2. SIP
  3. TFTP
  4. TCP
সঠিক উত্তর:
SIP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SIP
ব্যাখ্যা
The major protocols that have been used or are being used for video conferencing are the H. 323 protocol and the Session Initiation Protocol (SIP). The session parameters and control of incoming and outgoing signals is done at this layer.
Source: engineersgarage.com
১,১৮৩.
মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়েছে কোন মেমোরিতে?
  1. ROM
  2. PROM
  3. EAPROM
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
EAPROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
EAPROM
ব্যাখ্যা
বাইপােলার মেমােরি: সেমিকন্ডাক্টর পদার্থের তৈরি ট্রানজিস্টর হলাে বাইপােলার ডিভাইস। ট্রানজিস্টর বা ট্রাইজিস্টর লজিক বা টিটিএল ব্যবহার করে এ ধরনের মেমােরি তৈরি করা হয় । নিশ্চল র‍্যাম, ROM এবং PROM বাইপােলার মেমােরি ।

ইউনিপােলার মেমােরি:
ইউনিপােলার মেমােরিকে মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর বা MOSFET দিয়ে তৈরি করা হয়।
গতিশীল র‍্যাম, ইপ্রম (EPROM), ইএপ্রম (EAPROM) হলাে ইউনিপােলার রমের উদাহরণ।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১,১৮৪.
ওয়াইম্যাক্স কোন ধরনের নেটওয়ার্ক?
  1. ক) PAN
  2. খ) WLAN
  3. গ) WMAN
  4. ঘ) WAN
সঠিক উত্তর:
গ) WMAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) WMAN
ব্যাখ্যা

• ওয়াইম্যাক্স (Wi-Max):
- ওয়াইম্যাক্স এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access এবং এর IEEE নাম হলো 802.16.
- ওয়াইম্যাক্স নামটি দিয়েছে ওয়াইম্যাক্স ফোরাম যা গঠিত হয়েছিল ২০০১ সালের জুনে।
- ওয়াইম্যাক্স WMAN (Wireless Metropolitan Area Network) নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে।
- ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড সেবা, তারবিহীন ব্যবস্থা বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করার সুযোগ থাকে।

ওয়াইম্যাক্সের সুবিধা:
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ওয়াইফাই হটস্পটে ইন্টারনেট সেবা দেয়া যায়।
- ক্যাবল ও ডিএসএল এর পরিবর্তে তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়।
- প্রত্যন্ত অঞ্চলেরও সেবা পাওয়া যায় এমনকি যেখানে ফোনের সংযোগ পৌঁছেনি সেখানেও।
- তথ্য ও টেলিযোগাযোগ সেবাগুলো প্রদান করা যায়।
- নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৮৫.
ব্যান্ডউইড্থ সাধারণত হিসাব করা হয় -
  1. ক) Hz
  2. খ) bit/s
  3. গ) m/s
  4. ঘ) Cycle/s
সঠিক উত্তর:
খ) bit/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) bit/s
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইড্থ : ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড (Bandwidth: Data Transmission Speed)
এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় Bandwidth বলা হয়।
এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়।
একে Band Speed ও বলা হয়। অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।
এই ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।
যথা
১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band)
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band)
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি
১,১৮৬.
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা।
  2. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা না করা।
  3. হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার করা।
  4. সফটওয়্যার রিসোর্স শোয়ার করা।
সঠিক উত্তর:
তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা না করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা না করা।
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক: 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলতে বুঝায় দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ। 
- যে বিশেষ ব্যবস্থায় মডেম, ক্যাবল বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এক কম্পিউটারের সাথে অন্য এক বা একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তাদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করাই হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।  - কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ফলে একটি কম্পিউটারের যাবতীয় তথ্য একাধিক ব্যবহারকারীর স্ব স্ব কম্পিউটারের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে। 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যোগাযোগ, তথ্যের আদান প্রদান, ই-কমার্স, ইলেক্ট্রনিক মেইল, ইলেকট্রনিক লাইব্রেরি, বুলেটিন বোর্ড ইত্যাদির প্রচলন ও প্রসার ক্রমেই বেড়েই চলেছে। 

কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উদ্দেশ্য: 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্দেশ্যগুলো নিম্নরূপ- 
ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা। 
হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার করা। 
সফটওয়্যার রিসোর্স শোয়ার করা। 
• তথ্য সংরক্ষণ করা। 
• ই-কমার্স ব্যবহার করা। 
তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা। 
• মেসেস বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮৭.
একটি এনকোডারের ইনপুট 32 হলে আউটপুট কত?
  1. 5
  2. 8
  3. 12
  4. 16
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে। 
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 23 = 8টি ইনপুট হয় তাহলে 3টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।
- এনকোডারের সাহায্যে যে কোন আলফানিউমেরিক বর্ণকে অ্যাসকি, ইবিসিডিক ইত্যাদি কোডে পরিণত করা যায়। সেজন্য ইনপুট ব্যবস্থায় কী-বোর্ডের সঙ্গে এনকোডার যুক্ত থাকে।

• যেহেতু, এনকোডারে 2n সংখ্যক ইনপুট এবং n সংখ্যক আউটপুট লাইন থাকে
∴ ইনপুট, 32 = 25
∴ আউটপুট = 5

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮৮.
ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হওয়া ছোট নেটওয়ার্ককে কী বলা হয়?
  1. ব্লুটনেট
  2. পিকোনেট
  3. ব্লুটুথনেট
  4. মাইক্রোনেট
সঠিক উত্তর:
পিকোনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিকোনেট
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হওয়া ছোট নেটওয়ার্ককে পিকোনেট বলে।

ব্লুটুথ
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের (১০ মিটার বা ৩৩ ফিটের কাছাকাছি) ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- টেলিকম ভেন্ডর কোম্পানি এরিকসন ১৯৯৪ সালে এটি উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা হ্যারোল্ড ব্লুটুথ (Harald Bluetooth)-এর নামানুসারে ব্লুটুথ নামকরণ হয়েছে।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- ট্র্যাডিশনাল ডেস্কটপ কম্পিউটার, যেগুলোতে ব্লুটুথ প্রযুক্তি বিল্ট-ইন থাকে না, সেগুলোর ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ইউএসবি ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার সংযুক্ত করে ঐ ডেস্কটপ কম্পিউটারে ব্লুটুথ সংযোগের সুবিধা উপভোগ করা যায়।
- বর্তমানে মোবাইল ফোন থেকে শুরু করে ল্যাপটপ, ট্যাব, পিডিএ, মেডিক্যাল ডিভাইস এবং বাসাবাড়ির বিনোদনের অনেক ডিভাইসে ব্লুটুথ প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে যে নেটওয়ার্ক তৈরি হয়, তাকে পিকোনেট বলে।
- দুটি পাশাপাশি পিকোনেট একটি সাধারণ স্লেভ নোডের মাধ্যমে যুক্ত হলে এ দু'টি পিকোনেটকে একসাথে স্কাটারনেট বলে।
- মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, ডিজিটাল ক্যামেরা এবং ভিডিও গেম কনসোলগুলোকে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করতে এবং তথ্য বিনিময় করতে ব্লুটুথ একটি জনপ্রিয় উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
১,১৮৯.
কোন মাধ্যমে আলাের পালস্ ব্যবহৃত হয়?
  1. তামার তার
  2. কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
  3. অপটিক্যাল ফাইবার
  4. ওয়্যারলেস মিডিয়া
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়।
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে। যথা-

• কোর:
- ভিতরের ডাই-ইলেকট্রিক কোর যার ব্যাস ৮ থেকে ১০০ মাইক্রোন হয়ে থাকে।

• ক্ল্যাডিং:
- কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে।

• জ্যাকেট:
- অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে জ্যাকেট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,১৯০.
এনএফসি সক্রিয় করতে কোন প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়?
  1. Bluetooth
  2. Wi-Fi
  3. GPS
  4. RFID
সঠিক উত্তর:
RFID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RFID
ব্যাখ্যা

• এনএফসি (Near Field Communication) একটি সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা সাধারণত ৪–১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদানপ্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তির উন্নত রূপ। এনএফসি ডিভাইসগুলো রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে যোগাযোগ করে এবং সাধারণত “ট্যাপ” বা “ক্লিক” করে সংযোগ স্থাপন করা যায়। এটি Bluetooth বা Wi-Fi-এর মতো দীর্ঘ দূরত্বের সংযোগ নয়, এবং GPS-এর মতো অবস্থান নির্ধারণে ব্যবহার হয় না। তাই NFC সক্রিয় করার জন্য মূল প্রযুক্তি হিসেবে প্রয়োগ করা হয় RFID, যা নিরাপদ, দ্রুত এবং কম শক্তি খরচে ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব করে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) RFID.

• NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- এটি আরএফআইডি (RFID - Radio Frequency Dentification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্জ ব্যান্ডে ডেটা যোগাযোগ করে।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC।

• এনএফসি প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডে
- টোল প্লাজায় টোল পরিশোধের কার্ডে
- স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে হেলথ কার্ডে
- বাস/ট্রেনের ভাড়া পরিশোধের কার্ডে ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,১৯১.
ভিডিও কল এবং লাইভ টেলিকাস্ট-এ কোন ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবহৃত হয়?
  1. আইসোক্রোনাস
  2. অ্যাসিনক্রোনাস
  3. সিনক্রোনাস
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
আইসোক্রোনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোক্রোনাস
ব্যাখ্যা
আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস -এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশন।
- এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
- যেহেতু পুরোটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়োজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়।
- সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
- বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন- অডিও বা ভিডিও কল, লাইভ টেলিকাস্ট এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,১৯২.
Wi-Fi এর ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্ট কোনটি?
  1. মোডেম
  2. রাউটার
  3. সুইচ
  4. হাব
সঠিক উত্তর:
রাউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাউটার
ব্যাখ্যা
Wi-Fi এর ওয়্যারলেস অ্যাকসেস পয়েন্ট হচ্ছে রাউটার।

• Wi-Fi
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়‍্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz
- ওয়াই-ফাই এর ওয়‍্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,১৯৩.
কোন যন্ত্রটি তারবিহীন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে? 
  1. ল্যান কার্ড
  2. হাব
  3. মডেম
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ল্যান কার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যান কার্ড
ব্যাখ্যা
মডেম (Modem): 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হলো মডেম। 
- Modulator-এর Mo এবং Demodulator হতে Dem এই অংশ দুটির সমন্বয়ে Modem শব্দটি তৈরি হয়েছে। 
- মডেম তার দ্বারা সংযুক্ত বা তারবিহীন (wireless) প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হতে পারে। 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা বা উপাত্ত পাঠানোর জন্য এক ধরনের সিগনাল দরকার হয়, মডেম এমন একটি নেটওয়ার্ক যন্ত্র (network device), যা কম্পিউটার হতে প্রাপ্ত ডিজিটাল সিগনালকে রূপান্তর করে network কে প্রেরণ করে। আবার নেটওয়ার্ক হতে প্রাপ্ত সিগনালকে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 
- পূর্বে স্বল্প গতির ডায়াল-আপ মডেম ব্যবহার করা হতো, বর্তমানে এর পরিবর্তে দ্রুতগতির কেবল বা DSL (Digital Subscribers Line) মডেম ব্যবহার হচ্ছে। 
- এছাড়া বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে Wi-Fi ব্যবহৃত হচ্ছে। 

ল্যানকার্ড (LAN Card): 
- দুটো বা অধিকসংখ্যক কম্পিউটারকে একসাথে যুক্ত করতে যে যন্ত্রটি অবশ্যই প্রয়োজন হয়, তা হলো ল্যানকার্ড। 
অর্থাৎ, যদি কোনো নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হয়, তবে অবশ্যই ল্যান কার্ডের প্রয়োজন হবে। 
- নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত এক আইসিটি যন্ত্র থেকে অন্য যন্ত্রে কোনো তথ্য বা উপাত্ত পাঠাতে কিংবা গ্রহণ করতে ল্যান কার্ডের প্রয়োজন হয়, এক্ষেত্রে ল্যান কার্ডের ভূমিকা ইন্টারপ্রেটারের মতো। 
- বর্তমানে পাওয়া যায় এমন প্রায় সব কম্পিউটার বা ল্যাপটপ বা আইসিটি যন্ত্রের মাদারবোর্ডের সাথেই ল্যান কার্ড সংযুক্ত (built-in) থাকে। তারপরও কিছু আইসিটি যন্ত্রে আলাদা করে ল্যানকার্ড সংযুক্ত করতে হয়। - প্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে এখন তারবিহীন ল্যানকার্ড খুবই জনপ্রিয়, অর্থাৎ এই ল্যানকার্ড যন্ত্রটি তারবিহীন প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। 

হাব (Hub): 
- সাধারণত তারযুক্ত নেটওয়ার্কে থাকা অনেকগুলো আইসিটি যন্ত্র তথা কম্পিউটার, প্রিন্টার ইত্যাদিকে একসাথে যুক্ত করতে হাব ব্যবহার করা হয়। 
- হাব এক যন্ত্রকে অন্য যন্ত্রের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। 
- একই নেটওয়ার্কে হাব দ্বারা সংযুক্ত সকল কম্পিউটার একটি আরেকটির সাথে যোগাযোগ করতে পারে। 
- হাব বললেই ইন্টারনেট হাব বা নেটওয়ার্ক হাবকেই বুঝায় তবে ইদানীং অনেক USB হাবও দেখা যায়। 
- হাবের মধ্য দিয়ে যখন তথ্য বা উপাত্ত এক যন্ত্র থেকে অন্য যন্ত্রে যায়, হাব তখন সেগুলো পড়তে পারে না। 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য একটি কম্পিউটারে তথ্য বা উপাত্ত পাঠালে হাব তার সাথে সংযুক্ত সকল কম্পিউটারে ঐ তথ্য বা উপাত্ত পাঠিয়ে দেয়। 
- এমনকি যে কম্পিউটার থেকে তথ্য পাঠানো হলো, তাকেও হাব আবার ঐ তথ্য পাঠিয়ে দেয় অর্থাৎ হাব নির্দিষ্ট ঠিকানা অনুযায়ী তথ্য পাঠাতে পারে না। 
- বর্তমানে কম গতি ও বেশি সুবিধা পাওয়া যায় না বলে হাবের ব্যবহার অনেক কমে গেছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১,১৯৪.
Bluetooth Frequency রেঞ্জ কত? 
  1. 2.4 GHz
  2. 3.5 GHz
  3. 5 GHz
  4. 1 GHz
সঠিক উত্তর:
2.4 GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2.4 GHz
ব্যাখ্যা

Bluetooth Frequency রেঞ্জ হচ্ছে 2.4 GHz। 

ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে
বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা। 

১,১৯৫.
WiMAX প্রধানত কোন ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. Circuit Switching
  2. Packet Switching
  3. Analog Transmission
  4. Frequency Modulation
সঠিক উত্তর:
Packet Switching
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Packet Switching
ব্যাখ্যা
• WiMAX হলো একটি IP-ভিত্তিক প্রযুক্তি, যা প্যাকেট স্যুইচিং ব্যবহার করে।

• WiMAX:

- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- WiMax এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz.
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
- WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,১৯৬.
Wi-Fi 6 এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ কত গতির ইন্টারনেট পাওয়া যায়?
  1. ২০ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড
  2. ১২ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড
  3. ১.২ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড
  4. ৯.৬ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
৯.৬ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৬ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

◉ Wi-Fi 6 (IEEE 802.11ax) হলো Wi-Fi এর সর্বশেষ প্রজন্মের স্ট্যান্ডার্ড, যা পুরোনো Wi-Fi 5 (802.11ac)-এর তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত ও কার্যকর। Wi-Fi 6 সর্বাধিক ৯.৬ গিগাবিট প্রতি সেকেন্ড (Gbps) স্পিড দিতে পারে।

Wi-Fi: 
- Wi-Fi হল তারহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, যা রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্বল্প দূরত্বে উচ্চ-গতির ডাটা স্থানান্তর করে।
- ১৯৮৫ সালে মার্কিন ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশন (FCC) ২.৪ GHz এবং ৫.৮ GHz ব্যান্ড উন্মুক্ত করে, যা Wi-Fi প্রযুক্তির বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করে।
- ১৯৯৭ সালে: IEEE 802.11 নামে প্রথম Wi-Fi স্ট্যান্ডার্ড অনুমোদিত হয়।
- ১৯৯৯ সালে: Wi-Fi Alliance (পূর্বে WECA) গঠিত হয় Wi-Fi প্রযুক্তির প্রচার ও উন্নয়নের জন্য।
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ "Wireless Fidelity" নয়, বরং এটি (Wi-Fi) একটি মার্কেটিং টার্ম।
- Wi-Fi নামটি WECA দ্বারা নিয়োগকৃত একটি মার্কেটিং ফার্ম দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল এবং এর মনোরম শব্দ এবং “hi-fi” [high-fidelity] এর সাথে সাদৃশ্যের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল।
- প্রাথমিক 802.11 স্ট্যান্ডার্ড: সর্বোচ্চ গতি ২ Mbps।
- Wi-Fi 6 (802.11ax, ২০১৯): সর্বোচ্চ ৯.৬ Gbps পর্যন্ত গতিতে ডাটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- Wi-Fi বর্তমান ডিজিটাল যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি, যা তারবিহীন দ্রুতগতির ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করে।

উৎস:
১। Britannica ওয়েবসাইট। 
২। TP-Link ওয়েবসাইট। 

১,১৯৭.
PAN- এ ব্যবহৃত ডিভাইস কোনটি?
  1. প্রিন্টার
  2. মডেম
  3. টেলিফোন
  4. স্যাটেলাইট
সঠিক উত্তর:
প্রিন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network।
- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী ব্যক্তিগত  ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান বলে।
- তবে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত ডিভাইসগুলো ব্যক্তিগত নাও হতে পারে।
- প্যান এর বিস্তৃতি সাধারণত কয়েক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- প্যান USB Bus এবং Fireware Bus দ্বারা সংযুক্ত হতে পারে।
- প্যানে ব্যবহৃত ডিভাইসগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডিভাইস হচ্ছে- ল্যাপটপ, পিডিএ, মোবাইল, প্রিন্টার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,১৯৮.
ফাইবার অপটিক ক্যাবলের কোরকে আবদ্ধ করে থাকা ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে কি বলে?
  1. জ্যাকেট
  2. ক্ল্যাডিং
  3. বাফার
  4. সিলিকন পর্দা
সঠিক উত্তর:
ক্ল্যাডিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ল্যাডিং
ব্যাখ্যা
• ফাইবার অপটিক ক্যাবল:
-  অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হলো এক ধরনের আলোক পরিবাহী তার যা এক বা একাধিক অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে তৈরি।
- অপটিক্যাল ফাইবার বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
- অপটিক্যাল ফাইবারে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালের পরিবর্তে আলোর পালস ব্যবহৃত হয়। 
- ফাইবার তৈরির জন্য বৈদ্যুতিক অন্তরক পদার্থ হিসেবে সিলিকা এবং মাল্টি কমপোনেন্ট কাঁচ ব্যবহৃত হয়।
- অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন পদ্ধতিতে ডেটা উৎস থেকে গন্তব্যে গমন করে।
- ফাইবার অপটিকে তিনটি অংশ থাকে।
যথা-

১. কোর: 
- ভিতরের ডাই-ইলেকট্রিক কোর যার ব্যাস ৮ থেকে ১০০ মাইক্রোন হয়ে থাকে।

২. ক্ল্যাডিং: 
- কোরকে আবদ্ধ করে থাকা বাইরের ডাই-ইলেকট্রিক আবরণকে ক্ল্যাডিং বলে।

৩. জ্যাকেট: 
- অপটিক্যাল ফাইবারের আবরণকে জ্যাকেট বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।