বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

মোট প্রশ্ন১,২০৬এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও সেলুলার নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ও ডাটা কমিউনিকেশন

PrepBank · পাতা / ১২ · ১০০ / ১,২০৬

.
স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না কোন ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশনে?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস
  2. সিনক্রোনাস
  3. আইসোক্রোনাস
  4. উল্লেখিত সকলক্ষেত্রেই
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসিনক্রোনাস
ব্যাখ্যা
♦ সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
১. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও
২. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission).

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
একাধিক ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) হাব
  2. খ) সুইচ
  3. গ) ব্রিজ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রিজ
ব্যাখ্যা
ব্রিজ একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ককে ছোট ছোট সেগমেন্টে বিভক্ত করে।
এর সাহায্যে ভিন্ন মাধ্যম অথবা ভিন্ন কাঠামো বিশিষ্ট একাধিক নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করা যায়।
এটি একাধিক ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে একটি বৃহৎ নেটওয়ার্ক তৈরি করে। এটি অনেকটা সুইচ বা হাব এর মতো।
এক্ষেত্রে পার্থক্য হলো, হাব বা সুইচ একই নেটওয়ার্কের বিভিন্ন নোডকে সংযুক্ত করে অন্যদিকে ব্রিজ একাধিক ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে।
.
নিম্নলিখিত কোনটি একটি LAN-এর বৈশিষ্ট্য?
  1. বিভিন্ন দেশ জুড়ে বিস্তৃত
  2. শুধু ওয়্যারলেস সংযোগ ব্যবহার করে
  3. স্যাটেলাইট সংযোগ প্রয়োজন
  4. ছোট ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত 
সঠিক উত্তর:
ছোট ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোট ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত 
ব্যাখ্যা

• LAN বা Local Area Network হলো একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা সাধারণত একটি ছোট ভৌগোলিক এলাকায় ব্যবহৃত হয়, যেমন একটি বাড়ি, অফিস, স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। LAN-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি ছোট এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং সাধারণত উচ্চ গতির ডেটা সংযোগ প্রদান করে। এটি তারের (Ethernet) বা ওয়্যারলেস (Wi-Fi) উভয় পদ্ধতিতে কাজ করতে পারে, তবে LAN-এর জন্য স্যাটেলাইট সংযোগ বা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিস্তার জরুরি নয়। তাই LAN-এর সবচেয়ে মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর সীমিত ভৌগোলিক পরিসর এবং দ্রুত, নির্ভরযোগ্য স্থানীয় ডেটা আদানপ্রদানের সুবিধা। সুতরাং, এখানে সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ছোট ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
 
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN-Local Area Network):
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস (যেমন- প্রিন্টার) সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়। 
- LAN এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ 1 কিলোমিটার করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করতে হয়।
- LAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো একক ব্যাক্তি বা কিছুসংখ্যক লোকের একটি গ্রুপের হতে পারে।
- ল্যানের IEEE স্ট্যন্ডার্ড: IEEE 802

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. IEEE.

.
কোনটি হাফ ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের উদাহরণ?
  1. ওয়াকিটকি
  2. মোবাইলফোন
  3. টেলিভিশন
  4. রেডিও
সঠিক উত্তর:
ওয়াকিটকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াকিটকি
ব্যাখ্যা
ওয়াকিটকি হাফ ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের উদাহরণ।
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)।
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)।
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex) ।

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।উদাহরণ- রেডিও, টিভি।
• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।উদাহরণ-ওয়াকিটকি।
• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।
উৎস:তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনী),প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন ভাগে
ব্যাখ্যা
• ব্যান্ডউইথ:
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বা ব্যান্ডউইড্থ বলে।
- ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়। একে Band Speed ও বলা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।
- ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. ন্যারো ব্যান্ড,
২. ভয়েস ব্যান্ড ও
৩. ব্রড ব্যান্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
নিম্নলিখিত কোনটি আইপি অ্যাড্রেস উপস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি নয়?
  1. হায়ারোগ্লিফিক্স নোটেশন
  2. ডটেড ডেসিমাল নোটেশন
  3. হেক্সাডেসিমাল নোটেশন
  4. বাইনারি নোটেশন
সঠিক উত্তর:
হায়ারোগ্লিফিক্স নোটেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হায়ারোগ্লিফিক্স নোটেশন
ব্যাখ্যা

হায়ারোগ্লিফিকস হলো প্রাচীন মিশরীয়দের চিত্রলিপির একটি পদ্ধতি। এটি তথ্য বা ভাষাকে প্রকাশ করার একটি পদ্ধতি হলেও, আধুনিক কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা আইপি অ্যাড্রেস উপস্থাপনে এর কোনো ব্যবহার নেই।

আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত।
- এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।

• একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation):
-উদাহরণ: 192.168.15.5
২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation):
-উদাহরণ: A8.0F.05
৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation):
- উদাহরণ: 100000011111000.

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোন টপোলজিতে কেন্দ্রীয় হাব থাকে?
  1. বাস টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. হাইব্রিড টপোলজি
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচ থাকে, যার সাথে সব কম্পিউটার সরাসরি সংযুক্ত থাকে।

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
- নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।



উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
প্রতিরক্ষা বা ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রে কোন ধরনের টপোলজি ব্যবহৃত হয়?
  1. মেশ টপোলজি
  2. ট্রি টপোলজি
  3. স্টার টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
সঠিক উত্তর:
মেশ টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেশ টপোলজি
ব্যাখ্যা
প্রতিরক্ষা বা ব্যাংকিং এর ক্ষেত্রে মেশ টপোলজি ব্যবহৃত হয়।
এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য (n - 1) সংখ্যক সংযোগের প্রয়োজন হয়।
এই নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা n(n - 1)/2

সূত্র - ICT, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি , বোর্ড বই
.
ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে কোন ডিভাইস?
  1. হাব
  2. মডুলেটর
  3. সুইচ
  4. ডিমডুলেটর
সঠিক উত্তর:
মডুলেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মডুলেটর
ব্যাখ্যা
মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
- মডেমের দুটি অংশ। যথা-
১। মডুলেটর (Modulator) ও
২। ডি-মডুলেটর (De-modulator)
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
WAN এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Wide Array Network
  2. World Access Network
  3. Wide Area Network
  4. Wireless Access Network
সঠিক উত্তর:
Wide Area Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wide Area Network
ব্যাখ্যা
• WAN:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Wide Area Network"।
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় WAN-এর উদাহরণ হলো ইন্টারনেট।
- WAN-এর বিস্তৃতি সমগ্র দেশ বা পৃথিবী জুড়ে হতে পারে।
- অনেক বড় ভৌগোলিক বিস্তৃতিতে অবস্থিত LAN, MAN কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসের সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে WAN বলা হয়।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা:
১. বিভিন্ন তথ্য, পত্র-পত্রিকা, বই, চলচ্চিত্র প্রভৃতি সংগ্রহ ও ব্যবহার করা যায়।
২. বিশ্বের যেকোনো স্থানে ই-মেইল প্রেরণ করা যায়।
৩. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৪. অনলাইন শপিং করা যায়।
৫. ক্লাউট কম্পিউটিং সুবিধা পাওয়া যায়।
৬. কম খরচে বিশ্বের যে কোনো স্থানে ভয়েস ও ভিডিও যোগাযোগ করা যায়।
৭. কম খরচে ও অল্পসময়ে বিশ্বের একস্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১১.
ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) কোন ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে কাজ করে?
  1. সিমপ্লেক্স (Simplex)
  2. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)
  4. সিমপ্লেক্স ডুপ্লেক্স (Simplex Duplex)
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)
ব্যাখ্যা

Wi-Fi এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কারণ, ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) ডিভাইসগুলো একই সময়ে একই ওয়্যারলেস চ্যানেলের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে না, হয় ট্রান্সমিট করবে অথবা রিসিভ করবে।

• Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-Fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
গেটওয়ের প্রধান কাজ কী?
  1. নেটওয়ার্কে ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি করা
  2. বিভিন্ন প্রোটোকল যুক্ত করে যোগাযোগ স্থাপন করা
  3. নেটওয়ার্কে ডেটা সংরক্ষণ করা
  4. নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন প্রোটোকল যুক্ত করে যোগাযোগ স্থাপন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভিন্ন প্রোটোকল যুক্ত করে যোগাযোগ স্থাপন করা
ব্যাখ্যা

গেটওয়ের প্রধান কাজ হচ্ছে বিভিন্ন প্রোটোকল যুক্ত করে যোগাযোগ স্থাপন করা।

• গেটওয়ে (Gateway)
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ইহা বিভিন্ন প্রোটোকলগুলোকে জড়ো করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- একটি প্রোটোকল এর সাথে অন্য একটি প্রোটোকল যুক্ত করতে হলে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

• গেটওয়ের সুবিধাসমূহ-
১. গেটওয়ে ডেটার সংঘর্ষ বা কলিশন সম্ভাবনা কমায়।
২. গেটওয়ের মাধ্যমে নানারকম নেটওয়ার্ক বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধাসমূহ-
১. এটি ধীরগতি সম্পন্ন।
২. এর কনফিগারেশন তুলনামূলক জটিল।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩.
CPU কোন address generate করে?
  1. ক) Physical address
  2. খ) Logical Address
  3. গ) Both physical and logical addresses
  4. ঘ) উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) Logical Address
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Logical Address
ব্যাখ্যা

The address generated by the CPU is referred to as Logical Address.

সিপিইউ দ্বারা প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় সর্বদা Logical Adress generate করে।

অন্যদিকে, ভৌত ঠিকানা (Physical Address) হচ্ছে, মেমরি ইউনিট দ্বারা প্রদর্শিত ঠিকানা এবং এটি ডেটা বাসকে প্রধান মেমরিটি একটি বিশেষ মেমরি সেল ব্যবহার করতে দেয়।

কম্পিউটারে চলমান এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম গুলো Physical Adress দেখতে পায় না। তারা সবসময় Logical Adress ব্যবহার করে কাজ করে।

১৪.
ইন্টারনেট হলো এক ধরণের ___
  1. সার্কিট সুইচিং নেটওয়ার্ক
  2. ম্যাসেজ সুইচিং নেটওয়ার্ক
  3. প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক
  4. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যাকেট সুইচিং নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
The Internet is a packet-switched network, in which information is broken down into small packets, sent individually over many different routes at the same time, and then reassembled at the receiving end. 

Source: Britannica
১৫.
ফুল অ্যাডার কত বিট যোগ করতে পারে?
  1. ২ বিট
  2. ৩ বিট
  3. n বিট
  4. অসংখ্য
সঠিক উত্তর:
৩ বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বিট
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটো বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।

২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬.
রিং টপোলজিতে ডাটা কীভাবে প্রবাহিত হয়?
  1. একমুখী
  2. দ্বিমুখী
  3. কেন্দ্রীয়
  4. র‍্যান্ডম
সঠিক উত্তর:
একমুখী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একমুখী
ব্যাখ্যা
রিং টপোলজিতে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে। 

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১। স্টার টপোলজি (Star Topology),
২। বাস টপোলজি (Bus Topology),
৩। রিং টপোলজি (Ring Topology),
৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topology)।

• রিং টপোলজি
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।




• বাকি টপোলজিগুলো হলো:
• স্টার টপোলজি
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়, নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।


• বাস টপোলজি
- বাস টপোলজি বা বাস সংগঠনে সমস্ত কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রাদি নোডের মাধ্যমে একটি বাস বা সাধারণ পরিবহণ মাধ্যমের সাথে যুক্ত থাকে। - ডাটা বাসের মাধ্যমে যে কোন কম্পিউটার অন্য যে কোন কম্পিউটারে সংকেত বা ডাটা পাঠাতে পারে।
- ডাটা চলাচলের পথ অভিন্ন। তাই প্রেরিত ডাটা প্রবাহিত হওয়ার সময় প্রতিটি কম্পিউটার তা পরীক্ষা করে দেখে।
- তবে যে কম্পিউটারের উদ্দেশ্যে ডাটা প্রেরণ করা হয় শুধুমাত্র সেই কম্পিউটারই ডাটা গ্রহণ করে।
- প্রতিটি কম্পিউটার আলাদাভাবে নোডের মাধ্যমে বাসের সাথে যুক্ত থাকে বলে নেটওয়ার্কে তথ্য বা ডাটা পরিবহনে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করে না।
- নেটওয়ার্কের একটি কম্পিউটার বিকল হয়ে গেলে তাকে সহজেই নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়।



• ট্রি টপোলজি
- ট্রি টপোলজি বা ট্রি সংগঠনে কোন কম্পিউটার সরাসরি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে না।
- এখানে কম্পিউটারগুলো গাছের ন্যায় শাখা প্রশাখায় বিন্যস্ত থাকে।
- এখানে প্রত্যেক স্তরের কম্পিউটার তার পরবর্তী স্তরের কম্পিউটারের হোষ্ট কম্পিউটার হিসাবে কাজ করে।
- কম্পিউটারসমূহ উচ্চগতি সম্পন্ন সংযোগ পথ দ্বারা সংযোগ করা হয়।



উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কোন নেটওয়ার্ককে সার্ভার ম্যানেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. Personal Network Area
  2. Hybride Network
  3. Peer to Peer Network
  4. Client-Server Network
সঠিক উত্তর:
Client-Server Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Client-Server Network
ব্যাখ্যা

• সার্ভার ম্যানেজড নেটওয়ার্ক বলতে Client-Server Network–কে বোঝায়। এই নেটওয়ার্কে একটি শক্তিশালী কম্পিউটারকে সার্ভার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যা পুরো নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা করে। সার্ভার ব্যবহারকারীদের (ক্লায়েন্ট) তথ্য সংরক্ষণ, নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ, ফাইল শেয়ারিং, প্রিন্টার ব্যবহারের অনুমতি এবং বিভিন্ন সেবা প্রদান করে। ক্লায়েন্ট কম্পিউটারগুলো সরাসরি একে অপরের উপর নির্ভর না করে সার্ভারের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করে। ফলে তথ্যের নিরাপত্তা বেশি থাকে, ব্যবস্থাপনা সহজ হয় এবং বড় প্রতিষ্ঠানে এই নেটওয়ার্ক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) Client-Server Network.

 
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
ভয়েস ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি কত?
  1. 300 - 3400 Hz
  2. 200 - 3600 Hz
  3. 1MHz - 300 GHz
  4. 1MHz - 500 GHz
সঠিক উত্তর:
200 - 3600 Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
200 - 3600 Hz
ব্যাখ্যা
♦ ব্যান্ডউইথ (Bandwidth):
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বা ব্যান্ডউইড্থ বলে।
- ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়। একে Band Speed ও বলা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।
- ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা:

১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band),
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band) ও
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)।

- ন্যারো ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি 300 - 3400 Hz
- ভয়েস ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি 200 - 3600 Hz
- ব্রড ব্যান্ড এর ফ্রিকুয়েন্সি 1MHz - 300 GHz

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১৯.
'IEEE 802' স্ট্যান্ডার্ড কোনটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. LAN
  2. MAN
  3. CAN
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
The IEEE 802 LAN/MAN Standards Committee develops and maintains networking standards and recommended practices for local, metropolitan, and other area networks, using an open and accredited process, and advocates them on a global basis.

• Wi-fi standard= IEEE 802.11,
• Bluetooth Standard= IEEE 802.15
• Wi-Max standard= IEEE 802.16.

Source: ieee802.org
২০.
নিচের কোনটি Line of Sight যোগাযোগ করে থাকে?
  1. মাইক্রোওয়েব
  2. টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ
  3. রেডিও ওয়েব
  4. স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ
সঠিক উত্তর:
টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
• Line of Sight যোগাযোগ করে থাকে টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ।

• মাইক্রোওয়েভ:
- মাইক্রোওয়েভ এক ধরনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ যা সেকেন্ডে প্রায় 1 গিগা বা তার চেয়ে বেশিবার কম্পন বিশিষ্ট।
- মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে ডাটা স্থানান্তর অর্থাৎ কম্পিউটার প্রদত্ত ডাটা, কথা এবং ছবি ইত্যাদি অনেক দ্রুত স্থানাত্তর করা সম্ভব।
- মাইক্রোওয়েভ যোগাযোগ দু' ধরনের হতে পারে। যথা:
১. টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ ও
২. স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ।

• টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ:
- এ ধরনের প্রযুক্তিতে ভূ-পৃষ্ঠেই ট্রান্সমিটার ও রিসিভার বসানো হয়। 
- এতে মেগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সী সীমার নিচের দিকে ফ্রিকোয়েন্সী ব্যবহার করা হয়।
- ট্রান্সমিটার ও রিসিভার মুখোমুখি বা Line of Sight-LOS যোগাযোগ করে থাকে এবং সিগন্যাল কোন ক্রমেই মধ্যবর্তী কোন বাধা অতিক্রম করতে পারে না।
- অল্প পরিসরে ডেটা পাঠানোর ক্ষেত্রে টেরেস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
ব্লুটুথ কত দূরত্ব পর্যন্ত কাজ করে?
  1. ১০-৩০ মিটার
  2. ১০-৫০ মিটার।
  3. ১০-১০০ মিটার
  4. ১০-৩০০ মিটার
সঠিক উত্তর:
১০-১০০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০-১০০ মিটার
ব্যাখ্যা
• ব্লুটুথ:
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
- ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২২.
What is the TCP/IP?
  1. ক) The practice of long-distance networking
  2. খ) A set of guidelines for making the Internet accessible to the publc
  3. গ) A system that separates information into smaller “packets” of data
  4. ঘ) A set of guidelines for data transfer using packet switching
সঠিক উত্তর:
ঘ) A set of guidelines for data transfer using packet switching
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) A set of guidelines for data transfer using packet switching
ব্যাখ্যা
Vinton Cerf  and Bob Kahn developed a set of guidelines for data transfer using packet switching in 1980, calling those guidelines TCP/IP, or Transmission Control Protocol and Internet Protocol.
 
Source: Britannica
২৩.
কোন নেটওয়ার্কের বিস্তার সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে?
  1. LAN
  2. WAN
  3. PAN
  4. MAN
সঠিক উত্তর:
PAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PAN
ব্যাখ্যা

পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) এর বিস্তার সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 

পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Personal Area Network - PAN):

- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে PAN বলা হয়।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ একটি ধরনের PAN।

উৎস:
1. এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৪.
WiMax মূলত কী ধরনের প্রযুক্তি?
  1. 2G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি 
  2. 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি
  3. 3G মোবাইল প্রযুক্তি
  4. 1G মোবাইল প্রযুক্তি 
সঠিক উত্তর:
4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

WiMax মূলত 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।

WiMAX
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- WiMax হলো 4G ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যা বড় এলাকা কভার করে উচ্চ-গতির ইন্টারনেট সরবরাহ করে।
- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি আধুনিক তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা DSL ও তারযুক্ত ইন্টারনেটের বিকল্প হিসেবে ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16।
- এর ডেটা স্থানান্তরের গতি 80 – 1000 Mbps।
- এর ব্যান্ডউইথ 30 – 75 Mbps।
- এর কভারেজ এরিয়া 10 – 50 কিলোমিটার।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি: বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩। ব্রিটানিকা।

২৫.
নিচের কোনটিতে সিমপ্লেক্স পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়?
  1. ওয়াকি টকি
  2. ফ্যাক্স
  3. টেলিভিশন
  4. টেলিফোন
সঠিক উত্তর:
টেলিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেলিভিশন
ব্যাখ্যা
•  টেলিভিশনে Simplex পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়।
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex)
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full - Duplex).

• সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টিভি, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
যেমন- ওয়াকি টকি, এস.এম.এস, ফ্যাক্স

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেমন: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
নিচের কোনটিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলা হয়?
  1. বাস টপোলজি
  2. ট্রি টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. মেশ টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

ট্রি টপোলজিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজিও বলা হয়।

ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭.
ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি কত সালে গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৮৭
  2. খ) ১৯৯৯
  3. গ) ২০০১
  4. ঘ) ২০০৭
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১
ব্যাখ্যা
ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গঠিত হয়। এর পূর্ণরূপ হলো- Worldwide Interoperability for Microwave Access (WiMax). উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮.
রেডিও ওয়েভ কোন ধরনের তরঙ্গ?
  1. শব্দ তরঙ্গ
  2. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  3. আলোক তরঙ্গ
  4. ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• রেডিও ওয়েভ হলো ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ।

• রেডিও ওয়েভের সংজ্ঞা:
- ১০ কিলোহার্টজ (kHz) থেকে ১ গিগাহার্টজ (GHz) পর্যন্ত সীমাবদ্ধ ইলেকট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রামকে রেডিও ওয়েভ বলা হয়।
- রেডিও ওয়েভ তারবিহীন ডাটা কমিউনিকেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

• রেডিও ওয়েভের বৈশিষ্ট্য:
- রেডিও ওয়েভ সহজে উৎপন্ন করা যায়।
- এটি অনেক দূরত্ব পর্যন্ত চলাচল করতে পারে।
- বিল্ডিং ও অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা ভেদ করে চলাচল করতে সক্ষম।
- যোগাযোগ ব্যবস্থায় রেডিও ওয়েভ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- যান্ত্রিক তরঙ্গ: মাধ্যম ছাড়া চলাচল করতে পারে না।
- শব্দ তরঙ্গ: এটি যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- আলোক তরঙ্গ: এটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক হলেও রেডিও ওয়েভের অন্তর্ভুক্ত নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
A web browser is often called the gateway to—
  1. Databases
  2. Operating systems
  3. Websites
  4. Networks
সঠিক উত্তর:
Websites
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Websites
ব্যাখ্যা

• ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা হয়, কারণ ব্রাউজারের মাধ্যমেই ব্যবহারকারী ইন্টারনেটে থাকা বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তথ্য দেখতে পারে।

• ওয়েব ব্রাউজার (Web Browser):
- ওয়েব ব্রাউজার হলো এক ধরনের application software.
- ইন্টারনেট থেকে তথ্য পাওয়ার জন্য ব্যবহারকারীকে যে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয়, সেটিই ওয়েব ব্রাউজার।
 
• ওয়েব ব্রাউজার কেন Gateway বলা হয়:
- ইন্টারনেটে থাকা তথ্য সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে।
- সার্ভারগুলো ব্যবহারকারীকে text, image, sound ইত্যাদি তথ্য সরবরাহ করে।
- এই তথ্যগুলো দেখার ও ব্যবহারের জন্য ব্যবহারকারীকে অবশ্যই ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করতে হয়।
- তাই ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশের Gateway বলা হয়।
 
• ওয়েব ব্রাউজারের ভূমিকা:
- ব্যবহারকারী ও ওয়েব সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- সার্ভার থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহারকারীর স্ক্রিনে প্রদর্শন করে।

• বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার হলো:
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer), 
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Fire Fox), 
- সাফারি (Safari), 
- অপেরা (Opera), 
- গুগল ক্রম (Google Chrome), 
- নেটস্কেপ নেভিগেটর ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৩০.
নিচের কোনটি OSI মডেলের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) Session Layer
  2. খ) Series Layer
  3. গ) Network Layer
  4. ঘ) Presentation Layer
সঠিক উত্তর:
খ) Series Layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Series Layer
ব্যাখ্যা
- OSI এর পূর্ণরূপ Open Systems Interconnection.

OSI Model হলো মোট ৭টি। এগুলো হলো :
- Physical Layer
- Data Link Layer
- Network Layer
- Transport Layer
- Session Layer
- Presentation Layer
- Application Layer
৩১.
ব্লুটুথ (Bluetooth) এর উদ্ভাবক কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) সনি
  2. খ) এরিকসন
  3. গ) নোকিয়া
  4. ঘ) আইবিএম
সঠিক উত্তর:
খ) এরিকসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এরিকসন
ব্যাখ্যা
ব্লুটুথ (Bluetooth)
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর আওতায় সর্বোচ্চ ৮ (আট) টি যন্ত্রের সাথে সিগন্যাল আদান-প্রদান করতে পারে।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩২.
Bluetooth নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. Spread spectrum
  2. Direct Sequence spread spectrum
  3. Frequency-hopping spread spectrum
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
Frequency-hopping spread spectrum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Frequency-hopping spread spectrum
ব্যাখ্যা
Bluetooth utilizes frequency-hopping spread spectrum technology to avoid interference problems. The ISM 2.4 GHz band is 2400 to 2483.5 MHz, and Bluetooth uses 79 radio frequency channels in this band, starting at 2402 MHz and continuing every 1 MHz. It is these frequency channels that Bluetooth technology is "hopping" over. The signal switches carrier channels rapidly, at a rate of 1600 hops per second, over a determined pattern of channels. There are six defined types of hopping sequences.
Source: http://stanford.edu/
৩৩.
কোন নেটওয়ার্ক আওতাধীন সব গ্রাহক ডেটা গ্রহণ করতে পারে?
  1. ক) ব্রডকাস্ট
  2. খ) মাল্টিকাস্ট
  3. গ) ইউনিকাস্ট
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রডকাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রডকাস্ট
ব্যাখ্যা

ব্রডকাস্ট (Broadcast mode):
এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক আওতাধীন সব গ্রাহক ডেটা গ্রহণ করতে পারে। ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে। রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মোডের উদাহরণ।

মাল্টিকাস্ট (Multicast mode):
মাল্টিকাস্ট মোড অনেকটা ব্রডকাস্ট মোডের মতো হলেও এই মোডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমোদিত সদস্য গ্রহণ করতে পারে। মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্স-এ হয়ে থাকে। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে, চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাট ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

৩৪.
ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) প্রযুক্তি সাধারণত কোন ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়?
  1. WPAN
  2. WLAN
  3. WMAN
  4. WWAN
সঠিক উত্তর:
WLAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WLAN
ব্যাখ্যা

• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) প্রযুক্তি সাধারণত ওয়‍্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN)-এ ব্যবহৃত হয়।

• ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের ধরন:
- কভারেজ এরিয়ার ভিত্তিতে ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশন চার প্রকার।
- WPAN, WLAN, WMAN ও WWAN.

• ওয়‍্যারলেস প্যান (WPAN):
- স্বল্প দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত আইসিটি ডিভাইসগুলোর মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সীমিত পরিসরে নেটওয়ার্ক গঠন করা হয়।
- উদাহরণ: মোবাইল ফোন, পিডিএ, ল্যাপটপ, মাউস, প্রজেক্টর ইত্যাদি।

• ওয়‍্যারলেস ল্যান (WLAN):
- একটি নির্দিষ্ট বিল্ডিং, অফিস বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অবস্থিত ডিভাইসগুলোর মধ্যে স্থাপিত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা।
- WLAN সংযোগে সাধারণত ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

• ওয়‍্যারলেস ম্যান (WMAN):
- একটি শহর বা মহানগর এলাকার বিভিন্ন আইসিটি ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- শহরব্যাপী নেটওয়ার্ক কভারেজ প্রদান করে।

• ওয়‍্যারলেস ওয়ান (WWAN):
- বহু শহর বা বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকার আইসিটি ডিভাইসগুলোর মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা।
- দীর্ঘ দূরত্বে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫.
ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য কোন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়?
  1. WinZip
  2. নেভিগেটর
  3. ইউডোরা প্রো
  4. MIRC
সঠিক উত্তর:
নেভিগেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেভিগেটর
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য নেভিগেটর সফটওয়্যারটি ব্যবহৃত হয়।

• ইন্টারনেট সংযোগে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার:

হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে তোলার জন্য সফট্ওয়্যার প্রয়োজন। ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় কাজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন রকমের সফট্ওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
যেমন:
- ই-মেইল পাঠানো ও গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার: ইন্টারনেট মেইল, ইউডোরা প্রো।
- ওয়েব ব্রাউজিং করার জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার: নেটস্কেপ, নেভিগেটর, নেভিগেটর গোল্ড, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার।
- চ্যাটিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় MIRC (রিলে চ্যাট সফটওয়্যার)।
- FTP, Gopher ইত্যাদি বিভিন্ন প্রটোকলের জন্য আলাদা আলাদা সফট্ওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
কোন পদ্ধতিতে ডেটা ব্লক আকারে স্থানান্তরিত হয়?
  1. সিনক্রোনাস
  2. অ্যাসিনক্রোনাস
  3. আইসােক্রোনাস
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• সিনক্রোনাস:
- যে ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে ডেটার ক্যারেক্টার সমূহকে ব্লক (যাকে প্যাকেট ও বলা হয়) আকারে ভাগ করে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।
- সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন ব্যবস্থায় প্রেরক স্টেশনে প্রথমে ডেটাকে কোন প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইসে সংরক্ষণ করে নেয়া হয়।
- এ সিস্টেমে ব্লক বাই ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সমিট করা হয়। 
- প্রতিটি ব্লকের মাঝের বিরতি সমান হয়ে থাকে।
- এ ধরনের ট্রান্সমিশনে দক্ষতা বেশি। 
- এখানে তুলনামূলক সময় কম লাগে।
- এ ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে Start ও Stop বিটের প্রয়োজন হয় না। 

• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।

• আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন।
- এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
- যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়ােজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়।
- সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
- বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৭.
TV Remote এর Carrier Frequency-র Range কত? 
  1. < 100 MHZ
  2. < 1 GHZ
  3. < 2 GHZ
  4. Infra-red range-এর 
সঠিক উত্তর:
Infra-red range-এর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Infra-red range-এর 
ব্যাখ্যা
• ইনফ্রারেড:
- এটি এক ধরনের ওয়েভ যার ফ্রিকুয়েন্সি সীমা ৩০০ 300 GHz থেকে ৪০০ THz হয়ে থাকে।
- খুব কাছাকাছি অবস্থিত দুইটি ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইনফ্রারেড ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের যোগাযোগে দুই প্রান্তে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার থাকে।
- টেলিভিশন, ভিসিআর এ ব্যবহৃত রিমোট কন্ট্রোলে, বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদির ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮.
নিচের কোনটির ক্ষেত্রে লাইসেন্সসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হয়?
  1. ওয়াই-ফাই
  2. ওয়াই-ম্যাক্স
  3. ব্লুটুথ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ওয়াই-ম্যাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াই-ম্যাক্স
ব্যাখ্যা
- ব্লুটুথ একটি পার্সোনাল প্রটোকল, তাই লাইসেন্সের প্রয়োজন হয়না।
- ওয়াই-ফাই এর ক্ষেত্রে লাইসেন্স বা কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের প্রয়োজন হয় না।
- ওয়াই-ম্যাক্স এর ক্ষেত্রে লাইসেন্সসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হয়।
- ব্লুটুথের কভারেজ এরিয়া ৩ থেকে ১০ মিটার।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া ৫০ থেকে ২০০ মিটার।
- ওয়াই-ম্যাক্স এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কিলোমিটার।
- ব্লুটুথের IEEE স্ট্যন্ডার্ড 802.15
- ওয়াই-ফাই এর IEEE স্ট্যন্ডার্ড 802.11
- ওয়াই-ম্যাক্স এর IEEE স্ট্যন্ডার্ড 802.16

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৯.
ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি কত?
  1. ৫০০ - ১০০০ মিটার
  2. ১ - ৫ কিলোমিটার
  3. ৫ - ১০ কিলোমিটার
  4. যেকনো দূরত্বে কাজ করতে সক্ষম
সঠিক উত্তর:
১ - ৫ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ - ৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি সাধারণত ১ - ৫ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।

• CAN:
- CAN এর পূর্ণরূপ হলো Campus/Corporate Area Network.
- অনেকগুলো LAN সংযুক্ত করে তৈরি করা হয়।
- একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, লাইব্রেরি ভবন, আবাসিক হলসমূহ, একাডেমিক ভবন, স্টুডেন্ট সেন্টার, জিমনেসিয়াম এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত ভবনে স্থাপিত LAN গুলোকে সংযুক্ত করতে CAN ব্যবহার করা হয়।
- এর বিস্তৃতি ১ থেকে ৫ কি.মি. দূরত্ব পর্যন্ত হতে পারে।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বড় অফিস কমপ্লেক্সের একাধিক ভবনে LAN ব্যবহারকারীদের কাজের সমন্বয়ের জন্য কিংবা ব্যয়বহুল এক বা একাধিক পেরিফেরাল ডিভাইস অনেক ব্যবহারকারীর ব্যবহারের জন্য CAN ব্যবহার করা হয়। যেমন: Googleplex, মাইক্রোসফটের নেটওয়ার্ক।

• CAN এর বৈশিষ্ট্য:
- ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের দূরত্ব ১ - ৫ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- শ্রেণি সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত হয়।
- এ নেটওয়ার্ক স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি সহজ ও খরচ কম।
- এ নেটওয়ার্কে কম্পিউটারসমূহ তার বা তারবিহীন সংযোগ প্রদান করা যায়।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ কোনটি?
  1. হাইব্রিড টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. মেশ টপোলজি
  4. ট্রি টপোলজি
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রি টপোলজি
ব্যাখ্যা

স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপ হলো ট্রি টপোলজি।

• ট্রি টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
- এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
-অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।

• স্টার টপোলজি:
- যে টপোলজিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট বা হাব বা সুইচের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার বা পেরিফেরালসমূহকে সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, তাকে স্টার টপোলজি বলে।
- এক্ষেত্রে সংযুক্ত নোডগুলো কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা হাব বা সুইচের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রাদান করে থাকে।
- এ সংগঠনের কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলে বাকি নেটওয়ার্কে তার প্রভাব পড়েনা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪১.
Which software is specifically designed for database tasks?
  1. MS-Word
  2. Quattro Pro
  3. Informix
  4. Word Star
সঠিক উত্তর:
Informix
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Informix
ব্যাখ্যা
Informix is specifically designed for database tasks.
 
• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

যেমন-
১। Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
এনএফসি (NFC) কার্যকর করতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. GPS
  2. Wi-Fi
  3. RFID
  4. Bluetooth
সঠিক উত্তর:
RFID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RFID
ব্যাখ্যা

•  এনএফসি (NFC) কার্যকর করতে মূলত RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। NFC একটি সংক্ষিপ্ত-পরিসরের ওয়্যারলেস যোগাযোগ পদ্ধতি, যা সাধারণত ৪ সেন্টিমিটারের মধ্যে ডিভাইস বা ট্যাগের সঙ্গে তথ্য বিনিময় করতে সক্ষম। এটি RFID-এর উন্নত আকার, যেখানে একটি লো-পাওয়ার রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ডেটা স্থানান্তর করা হয়। NFC ডিভাইস সাধারণত দুটি মোডে কাজ করে: পিয়ার-টু-পিয়ার কমিউনিকেশন এবং রিডার/রাইটার মোড। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল পেমেন্ট, টিকিটিং, পরিচয় যাচাই এবং তথ্য ভাগ করার মতো কাজ করা যায়। অন্য প্রযুক্তিগুলো যেমন GPS, Wi-Fi বা Bluetooth আলাদা উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় এবং NFC-এর জন্য প্রাথমিক ভিত্তি নয়।

- উত্তর: গ) RFID.

• NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- এটি আরএফআইডি (RFID - Radio Frequency Dentification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার ব্যান্ডে ডেটা যোগাযোগ করে।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC।

• এনএফসি প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডে
- টোল প্লাজায় টোল পরিশোধের কার্ডে
- স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করতে হেলথ কার্ডে
- বাস/ট্রেনের ভাড়া পরিশোধের কার্ডে ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৩.
দুই কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগের সময় অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকে কী বলে?
  1. র‍্যানসমওয়্যার
  2. ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল
  3. ম্যালওয়্যার
  4. ফিশিং
সঠিক উত্তর:
ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল
ব্যাখ্যা
- Man-in-the-Middle:
দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

- ম্যালওয়্যার:
ইহা হলো কম্পিউটারের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া পরিকল্পিত কোনো নেটওয়ার্কে আক্রমণ করে তথ্য বা ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।
 
- র‍্যানসমওয়্যার:
ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়। 
কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে। যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়। 
ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে। যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।
 
- DoS (Denial of Service):
ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে। কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
- ফিশিং (Phishing):
ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
 
উৎস: প্রথম আলো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৪৪.
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) এর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত
  2. সীমিত ভৌগলিক এলাকায় সীমাবদ্ধ
  3. ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া কাজ করতে পারে না
  4. শুধুমাত্র তারবিহীন সংযোগ ব্যবহার করে
সঠিক উত্তর:
সীমিত ভৌগলিক এলাকায় সীমাবদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীমিত ভৌগলিক এলাকায় সীমাবদ্ধ
ব্যাখ্যা

◉ LAN (Local Area Network) হলো একটি সীমিত ভৌগলিক এলাকার মধ্যে সংযুক্ত নেটওয়ার্ক, যা সাধারণত বাড়ি, অফিস, স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ব্যবহৃত হয়।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণনাম হচ্ছে Local Area Network। সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে।
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলির সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত ক্যাবল ব্যবহার হয়।
- সাধারণত সীমিত এলাকার মধ্যে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়।
- LAN ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াও কাজ করতে পারে। তবে ইন্টারনেটের সংযোগ থাকলে ভাল হয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Cisco ওয়েবসাইট। [লিংক]

৪৫.
Computers that use resources from the server are called—
  1. Hosts
  2. Clients
  3. Servers
  4. Nodes
সঠিক উত্তর:
Clients
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clients
ব্যাখ্যা

• সার্ভারের রিসোর্স ব্যবহারকারী কম্পিউটারগুলোকে Client বলা হয়।

• Client–Server Network:
- Client–Server Network হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা, যেখানে একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার সকল রিসোর্স সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- এই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিকে Server বলা হয়।

• Client-এর ভূমিকা:
- Client হলো সেই কম্পিউটার, যা সার্ভারের কাছ থেকে ডাটা, ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন বা অন্যান্য রিসোর্স ব্যবহার করে।
ব্যবহারকারী সাধারণত ক্লায়েন্ট কম্পিউটার থেকেই সার্ভারে অনুরোধ পাঠায়।

• কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের সুবিধা:
- সব রিসোর্স সার্ভারে সংরক্ষিত থাকায় নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা সহজ হয়।
- ডাটা ব্যাকআপ, অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ও সার্ভিস পরিচালনা কেন্দ্রীয়ভাবে করা যায়।

• অন্যান্য অপশন:
- Server হলো রিসোর্স প্রদানকারী কেন্দ্রীয় কম্পিউটার।
- Hosts হলো সাধারণত যেকোনো নেটওয়ার্কে সংযুক্ত ডিভাইসকে বলা হয় (Client বা Server উভয়ই হতে পারে)।
- Nodes হলো নেটওয়ার্কের যেকোনো পয়েন্ট/ডিভাইস (router, switch, computer ইত্যাদি)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬.
কোন নেটওয়ার্কে ব্যক্তিগত পরিচয় গোপন রাখা যায়?
  1. ক) VAN
  2. খ) PAN
  3. গ) VPN
  4. ঘ) MAN
সঠিক উত্তর:
গ) VPN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) VPN
ব্যাখ্যা
Virtual Private Network (VPN)
পাবলিক নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটে যেহেতু পৃথিবীর সবাই সংযুক্ত তাই এখানে তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার একটা ঝুঁকি থাকে। যেহেতু ইন্টারনেট ব্যবহার করে সরাসরি তথ্য আদানপ্রদানের ক্ষেত্রে তথ্যের গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার একটা ঝুঁকি থাকে, তাই ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হওয়ার নিরাপদ পদ্ধতি হলো VPN। এ পদ্ধতিতে ব্যবহারকারী এবং প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার জন্য ইন্টারনেটে একটি কাল্পনিক সুড়ঙ্গ তৈরি হয় ।

VPN সংযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসটির আসল আইপি (Internet Protocol) ঠিকানা গোপন করে এবং ইন্টারনেট ট্রাফিক এবং ডাটা একটি ব্যক্তিগত এবং সুরক্ষিতভাবে এনক্রিপ্ট করা টানেলের মাধ্যমে সর্বজনীন নেটওয়ার্কগুলির মাধ্যমে রাউটিং করে। VPN অতি দ্রুত সময়ে জনপ্রিয় হওয়ার কারণ হচ্ছে এ নেটওয়ার্ক আপনার ব্যক্তিগত পরিচয়, অবস্থান বা ডাটা না দিয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজ করার একটি উপায় তৈরি করে।
VPN টানেলের ভেতরে যখন ডাটা এনক্রিপ্ট করা হয় তখন আইএসপি, অনুসন্ধান ইঞ্জিন, বিপণনকারী, হ্যাকার এবং অন্যরা ওয়েবে আপনার ক্রিয়াকলাপ দেখতে বা ট্র্যাক করতে পারে না।

উৎস : টেলিকমিউনিকেশন এবং নেটওয়ার্ক, এমবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
In data communication, which device converts digital data to analogue signal?
  1. ক) Router
  2. খ) Modem
  3. গ) Switch
  4. ঘ) Hub
সঠিক উত্তর:
খ) Modem
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Modem
ব্যাখ্যা
ইংরেজি Modem শব্দটি Modulator ও Demodulator শব্দের সংক্ষিপ্তরূপ।
মডেম হল এমন একটি ডিভাইস  যা  প্রেরিত এনালগ সংকেতকে ডিজিটাল তথ্যে রূপান্তর করে এবং ডিজিটাল তথ্যকে পাঠানোর সময় এনকোড করে এনালগ সংকেত হিসেবে প্রেরণ করে। 
 মডেমের দুটি অংশ। যথা:
- মডুলেটর ও
- ডি-মডুলেটর
 
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন। 
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন। 
 
- A modem is an electronic device that converts digital data signals into modulated analog signals suitable for transmission over analog telecommunications circuits. 
- A modem also receives modulated signals and demodulates them, recovering the digital signal for use by the data equipment. 
- Modems thus make it possible for established telecommunications media to support a wide variety of data communication.
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
৪৮.
যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে বলে-
  1. সিস্টেম বাস
  2. ভেসা বাস
  3. ফায়ারওয়্যার বাস
  4. আইএসএ বাস
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম বাস
ব্যাখ্যা
♦ কম্পিউটার বাসের প্রকারভেদ:
- কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- সিস্টেম বাস বা প্রধান বাস ও  এক্সপানশন বাস বা সম্প্রসারিত বাস।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. ডেটা বাস,
২. অ্যাড্রেস বাস ও
৩. কন্ট্রোল বাস।

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস (যেমন- নেটওয়াক কার্ড, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড, টিভি কার্ড ইত্যাদি) যে প্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন স্লট বলে।
- এক্সপানশন প্লটগুলো এক্সপানশন বাসের সাহায্যে/দ্বারা সিপিইউকে পেরিফেরিয়াল ডিভাইসগুলোর সাথে সংযুক্ত করে।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশের বিভিন্ন পর্যায়ে অনেক ধরনের এক্সপানশান বাস আবিষ্কৃত হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture), 
২. ইআইএসএ বাস (EISA Extended Industry Standards Architecture), 
৩. লোকাল বাস (Local Bus)
i. ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture)
ii. পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect)
৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus), 
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus) বা IEEE 1394,
৬. এজিপি (AGP - Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯.
কোন টপোলজির ক্ষেত্রে সকল ডিভাইস একটি কেন্দ্রীয় লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকে?
  1. মেশ টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. বাস টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
সঠিক উত্তর:
বাস টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা

◉ বাস টপোলজি-তে একটি কেন্দ্রীয় কেবল (বা বাস) থাকে, এবং সমস্ত নেটওয়ার্ক ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার, প্রিন্টার ইত্যাদি) এই কেন্দ্রীয় লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই টপোলজিতে ডেটা কেন্দ্রীয় লাইনের মাধ্যমে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তরিত হয়।

নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- দুই বা ততোধিক কম্পিউটারকে ক্যাবল, হাব বা সুইচ ইত্যাদি দ্বারা নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার জন্য যুক্তি নির্ভর পথের ডিজাইন এবং ব্যবস্থাপনাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলা হয়।
অর্থাৎ, যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারসমূহ বা নোডসমূহ পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান প্রদানের গতি ও নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলি বিভিন্ন ভাবে সংযুক্ত থাকে।

বাস টপোলজি (Bus Topology):
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন (Backbone)।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০.
ওয়াই-ফাই এর জনক কে?
  1. Tim Berners-Lee
  2. Victor Vic Heres
  3. Vint Cerf
  4. Mark Zuckerberg
সঠিক উত্তর:
Victor Vic Heres
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Victor Vic Heres
ব্যাখ্যা
• ওয়াই-ফাই (Wi-Fi):
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেরেস।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Tim Berners-Lee ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক।
- Vint Cerf ইন্টারনেট প্রোটোকল TCP/IP এর অন্যতম উদ্ভাবক।
- Mark Zuckerberg মেটার প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫১.
কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবলের সর্বোচ্চ ক্যাবল দৈর্ঘ্য কত?
  1. ২-১০ কিলোমিটার
  2. ২০০-৫০০ মিটার
  3. ১০০ মিটার
  4. ২-১০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
২০০-৫০০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০-৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা
- ডেটা কমিউনিকেশনের ক্ষেত্রে তার বা ক্যাবল একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
- সাধারণত স্বল্প পরিসরের নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে ডাটা স্থানান্তরের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের ক্যাবল ব্যবহৃত হয়।
- ক্যাবল বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন-
১। কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবল,
২। টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল,
৩। ফাইবার অপটিক ক্যাবল ইত্যাদি।

- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের সর্বোচ্চ ক্যাবল দৈর্ঘ্য ১০০ মিটার।
- কো-অ্যাক্সিয়াল ক্যাবলের সর্বোচ্চ ক্যাবল দৈর্ঘ্য ২০০-৫০০ মিটার।
- ফাইবার অপটিক ক্যাবলের সর্বোচ্চ ক্যাবল দৈর্ঘ্য ২-১০০ কিলোমিটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৫২.
VoIP সুবিধা প্রদানে ব্যাপক সহায়তা করে কোন প্রযুক্তি?
  1. ক) Bluetooth
  2. খ) InfraRed
  3. গ) Zigbee
  4. ঘ) WiMAX
সঠিক উত্তর:
ঘ) WiMAX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) WiMAX
ব্যাখ্যা
WiMAX IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত। এটি ডেটা আদান প্রদান, টেলিযোগাযোগ (Voice Over Internet Protocol - VoIP) এবং আইপি টিভি ইত্যাদি বিভিন্ন কাজে ব্যাপক সহায়তা প্রদান করে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৫৩.
সবচেয়ে বেশি এরিয়া জুড়ে কমিউনিকেশন করার পদ্ধতি-
  1. ক) Wifi
  2. খ) Wimax
  3. গ) Bluetooth
  4. ঘ) Infrared
সঠিক উত্তর:
খ) Wimax
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Wimax
ব্যাখ্যা

WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই নেটওয়ার্কে ডাটা ট্রান্সফারের স্পিড দুরত্বভেদে 10 Mbps - 100 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।

৫৪.
মেশ নেটওয়ার্কে n সংখ্যক নোড থাকলে মোট তারের সংখ্যা কতটি হবে?
  1. ক) n - 1
  2. খ) n(n - 1)/2
  3. গ) (n - 1)/2
  4. ঘ) n/2
সঠিক উত্তর:
খ) n(n - 1)/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) n(n - 1)/2
ব্যাখ্যা
মেশ টপোলজি
- যদি কোনো নেটওয়ার্কে ডিভাইস বা পিসিসমূহ একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে, তাহলে তাকে মেশ টপোলজি হয়।
- এতে ডেটা কমিউনিকেশনে অনেক বেশি নিশ্চয়তা থাকে এবং নেটওয়ার্কের সমস্যা খুব সহজে সমাধান করা যায়।
- রিং টপোলজিতে প্রতিটি কমপিউটারকে প্রতিটি কমপিউটারের সাথে অতিরিক্ত নোড দিয়ে সংযুক্ত করলেই তা টপোলজিতে রূপান্তরিত হবে।
- মেশ টপোলজিতে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার বা ডিভাইস প্রয়োজন পড়ে না।
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট বা পিয়ার টু পিয়ার লিংক বলা হয়। এ
- কে সম্পূর্ণরূপে আন্তসংযুক্ত বা Completely interconnected টপোলজিও বলা হয়ে থাকে।
- এই টপোলজিতে n সংখ্যক নোডের জন্য প্রতিটি নোডে (n - 1) টি সংযোগের প্রয়োজন হয়।
- ফলে নেটওয়ার্কে মোট তারের সংখ্যা হবে n(n - 1)/2.
- প্রতিরক্ষা, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস, বা ব্যাংক ইত্যাদি ক্ষেত্রে মেশ নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. https://www.bbc.co.uk
৫৫.

নিচের কোনটি উপরের চিত্রের ন্যায় ডেটা ট্রান্সমিট করে?
  1. রেডিও
  2. টিভি
  3. টেলিফোন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
টেলিফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেলিফোন
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা পাঠানো হয়।
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) এবং 
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)। 

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না।
- চিত্রে, A হতে B এর দিকে ডাটা প্রেরণ করা যাবে। কিন্তু B হতে A এর দিক ডাটা প্রেরণ সম্ভব নয়।
- উদাহরণ: রেডিও, টিভি।

 

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- চিত্রে, হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডেটা প্রেরণ করবে B তখন ডেটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। A এর প্রেরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে B ডেটা প্রেরণ করতে পারবে।
- উদাহরণ: ওয়াকিটকি।


• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডেটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডেটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
- চিত্রে, ফুল-ডুপ্লেক্সের ক্ষেত্রে, A যখন B এর দিকে ডেটা প্রেরণ করবে B ও তখন A এর দিকে ডেটা প্রেরণ করতে পারবে। 
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬.
কোনটিকে ‘মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক’ (MAN) এর ওয়্যারলেস সংস্করণ বলা হয়?
  1. Zigbee 
  2. NFC
  3. Wi-Fi
  4. WiMAX
সঠিক উত্তর:
WiMAX
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WiMAX
ব্যাখ্যা

• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX)-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলে। যেহেতু এটি একটি সম্পূর্ণ শহর বা বড় ভৌগোলিক এলাকায় (১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত) উচ্চগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা দিতে সক্ষম, তাই একে MAN-এর ওয়্যারলেস সংস্করণ বলা হয়।

• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- WiMAX-এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- এটি এমন এক যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগোলিক অঞ্চলে দ্রুতগতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। 
- এর কভারেজ এরিয়া প্রায় ৫০ কি.মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- স্পীড প্রায় 1000 Mbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর Frequency প্রায় 2-66 GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- WiMAX এর IEEE standard হচ্ছে IEEE 802.16

অন্যান্য অপশন:
- Zigbee (802.15.4): এটি অত্যন্ত কম শক্তির ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা মূলত স্মার্ট হোম বা আইওটি ডিভাইসে মাত্র ১০-১০০ মিটারের মধ্যে ব্যবহৃত হয়।
- NFC: নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (NFC) মাত্র ৪ সেন্টিমিটার বা তার কম দূরত্বে কাজ করে, যা মূলত পেমেন্ট বা ডেটা শেয়ারিংয়ের জন্য ব্যবহৃত।
- Wi-Fi (802.11): এটি মূলত একটি লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) যা একটি বাড়ি বা নির্দিষ্ট অফিসের (১০০-২৫০ মিটার) মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

৫৭.
১ পেটাবাইট = ?
  1. ক) ১০০০ টেরাবাইট
  2. খ) ১০২৪ টেরাবাইট
  3. গ) ১০০০ এক্সাবাইট
  4. ঘ) ১০২৪ এক্সাবাইট
সঠিক উত্তর:
খ) ১০২৪ টেরাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০২৪ টেরাবাইট
ব্যাখ্যা

The units of Computer Memory Measurements are:
- 1 Bit = Binary Digit.
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

৫৮.
নিচের কোন উক্তিটি সত্য নয়?
  1. ক) রাউটার বিভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
  2. খ) গেটওয়ে শুধু একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
  3. গ) মডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
- রাউটার একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- মডুলেটর ও ডি-মডুলেটর নিয়ে মডেম গঠিত।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৫৯.
What is a firewall?
  1. A word processor
  2. A cloud storage service
  3. A network security system
  4. A type of antivirus
সঠিক উত্তর:
A network security system
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A network security system
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।

• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো নেটওয়ার্ক সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী একটি নিরাপত্তা সিস্টেম।
- এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ অনুমতি দেয় বা ব্লক করে নির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে।
ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
৬০.
PAN এর IEEE ষ্ট্যাণ্ডার্ড কত?
  1. ক) ৮০২.১১
  2. খ) ৮০২.১৫
  3. গ) ৮০২.১৬
  4. ঘ) ৮০২.০৯
সঠিক উত্তর:
খ) ৮০২.১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮০২.১৫
ব্যাখ্যা
Personal Area Network (PAN) এর IEEE ষ্ট্যাণ্ডার্ড ৮০২.১৫। 

- এটি এমন এক ধরনের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা আমাদের পার্সোনাল বা ব্যক্তিগত ডিভাইসসমূহ, যেমনঃ কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল, ওয়াই-ফাই রাউটার ইত্যাদির মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য তৈরী করা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্ক সাধারণত ১০ মিটার বা এর থেকে কিছুটা বড় এরিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা- 
১. পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
২. বাড়িতে বা অফিসে ব্যাক্তিগত ছোট প্রয়োজনে এ নেটওয়ার্কের জুড়ি নেই।
খরচ কম।
৩. কম ঝামেলায় সহজেই যেকোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
৪. দ্রুত ডাটা আদান-প্রদানে বেশ সহায়ক।
৫. এর ব্যাপ্তি কয়েক মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
৬. কম্পিউটার বাসসমূহ যেমন – USB বা ফায়ারওয়্যার এর মাধ্যমে তার দ্বারা যুক্ত থাকতে পারে।
৭. ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি দ্বারা একটু ওয়্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা WPAN তৈরি করা সম্ভব।
৮. অতি অল্প দূরত্বে এই নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৬১.
কোনটি 2.4-5GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে?
  1. ক) Bluetooth
  2. খ) WiMax
  3. গ) Wifi
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
গ) Wifi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Wifi
ব্যাখ্যা

Bluetooth 2.45GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
Wifi 2.4-5GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
WiMax 2-66GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।

 

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

৬২.
মাইক্রোসফট - এর Azure কোন মডেলে কাজ করে?
  1. ক) Paas
  2. খ) Iaas
  3. গ) Saas
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) Paas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Paas
ব্যাখ্যা
প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Paas: Platform as a service) : এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রােগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন।
Microsoft -এর Azure এবং Google এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি
৬৩.
বিশ্বের প্রথম নেটওয়ার্কের নাম কী?
  1. টপোলজি
  2. প্রটোকল
  3. ইন্ট্রানেট
  4. আরপানেট
সঠিক উত্তর:
আরপানেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরপানেট
ব্যাখ্যা
আরপানেট (ARPANET):
- আরপানেট (ARPANET) এর পূর্ণরুপ Advance Research Project Agency Network.
- এটিই ছিল প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

⇒ ইন্টারনেট কথার অর্থ হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কম্পিউটারগুলোর নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক। অর্থাৎ ইন্টারনেট হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থিত কম্পিউটারগুলোর নেটওয়ার্ক। বিশ্বের বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে তাকে ইন্টারনেট বলে। এটি বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

⇒ প্রথম দিকে ইন্টারনেটের নাম ছিল ARPANET।
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিল ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- এ প্রযুক্তির উন্নয়ন সাধিত হয় আমেরিকার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে।
- তবে চারটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর ARPANET-এর মাধ্যমে।
- প্রথম যে চারটি কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয় সে কম্পিউটারগুলো লস এঞ্জেলেস, মেনলোপার্ক, সান্তা বারবার (U.C. Santa Barbara) এবং ইউটাহ বিশ্ববিদ্যালয় (The University of Utah)-তে অবস্থিত ছিল।
- ১৯৮২ সালে বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগের জন্য TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) TechTarget.
৬৪.
ডাটা স্থানান্তরের কোন ব্যান্ডউইডথকে 'Sub Voice Band' নামে চিহ্নিত করা হয়?
  1. ন্যারো ব্যান্ড
  2. ব্রড ব্যান্ড
  3. ভয়েস ব্যান্ড
  4. অপটিক্যাল ব্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ন্যারো ব্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যারো ব্যান্ড
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইডথ: 
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের হারকে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে। এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়। 
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit Per Second (bps) এ হিসাব করা হয়। 
অর্থাৎ, প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা ব্যান্ডউইডথ বলে। 
- এই ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। ন্যারো ব্যান্ড: 
- ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত ৪৫ থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে, এই ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা Sub Voice Band বলে। 
- ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- টেলিগ্রাফিতে ন্যারো ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়। 

২। ভয়েস ব্যান্ড: 
- এই ব্যান্ডের ডাটা গতি ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়। 
- তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়। 

৩। ব্রড ব্যান্ড: 
- ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইডথ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড (Mbps) হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়। 
- তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫.
Zigbee কোন ধরনের নেটওয়ার্ক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. WAN
  2. PAN
  3. LAN
  4. MAN
সঠিক উত্তর:
PAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PAN
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) PAN

• Zigbee
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৬.
WiMAX Forum কোন সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৯২
  2. ১৯৯৭
  3. ২০০১
  4. ২০০৫
সঠিক উত্তর:
২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০১
ব্যাখ্যা

• WiMAX Forum ২০০১ সালে গঠিত হয়।

• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):
- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX)–এর পূর্ণরূপ হলো ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপেরিবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাকসেস (Worldwide Interoperability for Microwave Access).
- ওয়াইম্যাক্সের IEEE স্ট্যান্ডার্ড নাম হলো IEEE 802.16।
- “WiMAX” নামটি প্রদান করে WiMAX Forum, যা ২০০১ সালের জুন মাসে গঠিত হয়।
 
• ওয়াইম্যাক্সের ব্যবহার ও কার্যকারিতা:
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা সম্ভব।
- এটি একটি তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট অ্যাকসেস পাওয়া যায়।
- ওয়াইম্যাক্স ব্যবহার করে দূরবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণ করা যায়।
 
• ওয়াইম্যাক্সের সুবিধাসমূহ:
- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই হটস্পট ব্যবহার করে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা যায়।
- ক্যাবল ও DSL–এর বিকল্প হিসেবে তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়।
- প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ইন্টারনেট সেবা প্রদান সম্ভব, এমনকি যেখানে টেলিফোন সংযোগ পৌঁছেনি।
- তথ্য ও টেলিযোগাযোগ সেবা একসাথে প্রদান করা যায়।
- ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপদ ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওয়াইম্যাক্স ফোরাম [Link].

৬৭.
নিচের কোনটি সেলুলার টেলিফোনের মূল অংশ নয়?
  1. ক) কন্ট্রোল ইউনিট
  2. খ) রিসিভার ইউনিট
  3. গ) ট্রান্সিভার
  4. ঘ) এন্টেনা সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
খ) রিসিভার ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রিসিভার ইউনিট
ব্যাখ্যা
সেলুলার টেলিফোনের তিনটি মূল অংশ আছে৷ যথাঃ কন্ট্রোল ইউনিট, ট্রান্সিভার এবং এন্টেনা সিস্টেম৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৬৮.
নিচের কোন ফ্রিকোয়েন্সিতে একটি Wi-Fi নেটওয়ার্ক কাজ করে?
  1. 2.4 MHz
  2. 5 MHz
  3. 10 GHz
  4. 5 GHz
সঠিক উত্তর:
5 GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5 GHz
ব্যাখ্যা
- Wifi 2.4-5GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- WiMax 2-66GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- Bluetooth 2.45GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
৬৯.
When did the initial activities of the Internet begin?
  1. 1969
  2. 1992
  3. 1982
  4. 1968
সঠিক উত্তর:
1969
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1969
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) 1969

ইন্টারনেট
- ইন্টারনেট হলো পৃথিবীজুড়ে বিস্তৃত একটি বৃহৎ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- এটি অসংখ্য ছোট-বড় নেটওয়ার্কের সংযোগের মাধ্যমে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক।
- ভিনটন গ্রে সার্ফকে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয় ARPANET দিয়ে।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ ARPANET চালু করে।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

ARPANET
- ARPANET হলো একটি প্রাথমিক ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
- ১৯৬৮ সালে ARPANET ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায় হিসেবে কার্যকর হয়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো Advanced Research Projects Agency Network।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET-এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP প্রটোকলের উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শক্তিশালী হয়।
- ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল হলো TCP/IP।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২. ব্রিটানিকা। 

৭০.
Who is credited with inventing the first fax machine?
  1. Guglielmo Marconi
  2. Nikola Tesla
  3. Alexander Bain 
  4. Thomas Edison
সঠিক উত্তর:
Alexander Bain 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alexander Bain 
ব্যাখ্যা
• প্রথম ফ্যাক্স মেশিন আবিষ্কারের কৃতিত্ব দেওয়া হয় Alexander Bain-কে (গ)। ১৮৪৩ সালে তিনি "Electric Printing Telegraph" নামে একটি যন্ত্র উদ্ভাবন করেন, যা আধুনিক ফ্যাক্স মেশিনের প্রাথমিক রূপ। এই যন্ত্রে পেন্ডুলাম ও কেমিক্যাল পেপারের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে লেখা ও ছবি প্রেরণ করা যেত। এটি কাগজের উপর থাকা তথ্যকে ইলেকট্রিক সিগন্যালের মাধ্যমে অন্য প্রান্তে পৌঁছে দিত, যা পরে পুনরায় কাগজে ছাপা হতো। যদিও পরবর্তীতে আরও উন্নত প্রযুক্তি আসে, তবে ফ্যাক্স প্রযুক্তির সূচনা Bain-এর হাত ধরেই হয়। অন্যান্য বিজ্ঞানীরা পরে এই ধারণার উন্নয়ন করেন, কিন্তু প্রাথমিক আবিষ্কারের কৃতিত্ব Bain-এর।

• ফ্যাক্স (Fax):
- ফ্যাক্স (fax) এর পূর্ণরূপ facsimile.
- ফ্যাক্সকে টেলিকপি বা টেলিফ্যাক্সও বলা হয়।
- স্কটল্যান্ডের বিজ্ঞানী আলেকজেন্ডার বেইন ফ্যাক্স আবিষ্কার করেন।
- ফ্যাক্স এর মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে ছবি ও টেক্সট পাঠানো যায়।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা কমিউনিকেশনে ফ্যাক্স, হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- মূলত ফ্যাক্স হলো একটি প্রিন্টার বা অন্যান্য আউটপুট যন্ত্রের সাথে সংযুক্ত একটি টেলিফোন নম্বর।

উৎস:
১. এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৭১.
Who usually owns a Local Area Network (LAN)?
  1. An individual or a small group
  2. The government only
  3. International organizations
  4. Public users
সঠিক উত্তর:
An individual or a small group
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An individual or a small group
ব্যাখ্যা

• Local Area Network (LAN)-এর মালিকানা সাধারণত একজন ব্যক্তি বা অল্পসংখ্যক লোকের একটি গ্রুপের হয়ে থাকে, যেমন একটি স্কুল বা অফিসের নিজস্ব নেটওয়ার্ক।

• Local Area Network (LAN):
- Local Area Network (LAN) হলো স্বল্প ভৌগোলিক পরিসরে গঠিত একটি নেটওয়ার্ক।
- এটি কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার ও ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।

• LAN-এর মালিকানা (Ownership of LAN):
- LAN-এর মালিকানা সাধারণত একজন ব্যক্তি অথবা কিছুসংখ্যক লোকের একটি ছোট গ্রুপের হাতে থাকে।
- কারণ LAN ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনে স্থাপন করা হয়।
- স্কুল, কলেজ, অফিস বা একটি ভবনের LAN সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই নিয়ন্ত্রণ করে।
 
• LAN-এর ব্যবহারিক বৈশিষ্ট্যের সাথে মালিকানার সম্পর্ক:
- LAN ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি ব্যক্তিগত নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ।
- নেটওয়ার্ক পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ স্থানীয়ভাবেই সম্পন্ন করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২.
একটি কেন্দ্রীয় হাব দ্বারা কোন টপোলজি সংযুক্ত থাকে?
  1. Bus topology
  2. Mesh topology
  3. Ring topology
  4. Star topology
সঠিক উত্তর:
Star topology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Star topology
ব্যাখ্যা
• স্টার টপোলজি: 
- এ ধরনের সংগঠনে একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটারগুলো সংযুক্ত থাকে
- কেন্দ্রীয় ডিভাইসটি হতে পারে একটি হাব বা সুইচ।
- হাব বা সুইচ এর মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
- ডেটা চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে হাব বা সুইচ।
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার এ ডেটা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে কেন্দ্রীয় ডিভাইসে প্রেরণ করতে হয়। এরপর কেন্দ্রিয় ডিভাইস ডাটা গ্রহণকারী কম্পিউটারে ডেটা পাঠিয়ে দেয়।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩.
একটি LAN এ সর্বোচ্চ কয়টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যায়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
• LAN: 
- LAN এর মাধ্যমে 1Km বা তার কম দূরত্বের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়।
- LAN এর পূর্ণরূপ হলো Local Area Network.
- তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে LAN তৈরি করা হলে থাকে WLAN (Wireless Local Area Network) বলে।
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত (ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হয়)।
- একটি LAN এ সর্বোচ্চ ৪টি রিপিটার স্টেশন ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৪.
Which type of network would use phone lines?
  1. ক) Wireless
  2. খ) LAN
  3. গ) WWAN
  4. ঘ) WAN
সঠিক উত্তর:
ঘ) WAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) WAN
ব্যাখ্যা
Wide Area Network (WAN) – A network infrastructure that provides access to other networks over a wide geographical area, which is typically owned and managed by a telecommunications service provider.

Example: Phoneline
৭৫.
কোনটি ডাটাবেজ মডেল?
  1. XML
  2. Object-Oriented
  3. Hierarchical
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- স্প্রেডশীট এক ধরনের ডাটাবেস মডেল নয়। স্প্রেডশীটগুলি সাধারণত একটি ট্যাবুলার বিন্যাসে ডেটা সংগঠিত এবং বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

বিভিন্ন ধরণের ডাটাবেজ মডেল: 
- Relational Database Model

- NoSQL Database Model

- Hierarchical Database Model

- Network Database Model

- Object-Oriented Database Model

- Entity-Relationship Model (ER Model)

- XML Database Model

- Columnar Database Model

- Time-Series Database Model

- NewSQL Database Model.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৬.
ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় প্রটোকল ট্রান্সলেশন করতে পারে কোনটি
  1. হাব
  2. গেটওয়ে
  3. সুইচ
  4. রাউটার
সঠিক উত্তর:
গেটওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেটওয়ে
ব্যাখ্যা
• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস।
- একে WAN ডিভাইসও বলা হয়।
- এটি ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট দুই বা ততোধিক নেটওয়ার্ককে(LAN,MAN,WAN) সংযুক্ত করে WAN তৈরি করে।
- ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করার সময় গেটওয়ে প্রটোকল ট্রান্সলেশন করে থাকে।

• গেটওয়ের সুবিধা:
১। রাউটারের চেয়ে দ্রুত গতিসম্পন্ন এবং ডেটার কলিশন বা সংঘর্ষ কম।
২। ভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
৩। ডেটা ফিল্টারিং করতে পারে।

• গেটওয়ের অসুবিধা:
১। অন্য ডিভাইসের চেয়ে ব্যয়বহুল।
২। জটিল কনফিগারেশন।

• বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস যেমন - হাব, সুইচ এবং রাউটার ইত্যাদি ডিভাইসসমূহ প্রোটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না। 

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সাধারণত হিসাব করা হয় -
  1. bit/s
  2. Hz
  3. m/s
  4. Cycle/s
সঠিক উত্তর:
bit/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
bit/s
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইড্থ- ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড: 
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় Bandwidth বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ্ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়
- একে Band Speed ও বলা হয়।
অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।

- এই ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।
যথা-
১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band), 
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band), 
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৭৮.
কোনটি সর্বাধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা নির্দেশ করে?
  1. পেটাবাইট
  2. গিগাবাইট
  3. এক্সাবাইট
  4. টেরাবাইট
সঠিক উত্তর:
এক্সাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সাবাইট
ব্যাখ্যা
৮ বিট = ১ বাইট
১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট
১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট
১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট
১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট
১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট
১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট
[সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২ (ভোকেশনাল)]
৭৯.
হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য নিচের কোনটি অধিক যুক্তিযুক্ত?
  1. একদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়
  2. দুইদিকে একসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়
  3. দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় তবে একই সময়ে নয়
  4. ডেটা শুধুমাত্র এক দিকে প্রেরণ করা যায়, গ্রহণ করা যায় না
সঠিক উত্তর:
দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় তবে একই সময়ে নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় তবে একই সময়ে নয়
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১. সিমপ্লেক্স মোড
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়। প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে।
যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৮০.
১৯৭৩ সালে মার্টিন কুপার আধুনিক সেল ফোনের অগ্রদূত হিসেবে কোন যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেন?
  1. Brick phone
  2. Pager
  3. Cordless phone
  4. Walkie-Talkie
সঠিক উত্তর:
Brick phone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Brick phone
ব্যাখ্যা
ব্রিক ফোন:
- মার্টিন কুপারকে মোবাইল ফোনের জনক বলা হয়।
- মটোরোলার গবেষক মার্টিন কুপারের আবিষ্কৃত ফোন ডায়না টিএসি যা ব্রিক ফোন নামে পরিচিত।
- ১৯৭৩ সালের ৩ এপ্রিল মোবাইল ফোন থেকে প্রথমবার কল করা হয়েছিল।
- কুপার সেই মোবাইল ফোন দিয়ে প্রথম কথা বলেছিলেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী বেল ল্যাবসের গবেষক জোয়েল এনজেলের সঙ্গে।
- মার্টিন কুপার প্রথমবারের মতো সেলুলার টেলিফোনে বিশ্বের প্রথম ফোনকলটি করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- সোয়া এক কেজি ওজনের সেই সেলুলার ফোনটি লম্বায় ছিল ১০ ইঞ্চি।
- একবার ব্যাটারি চার্জ হলে ২০ মিনিট কথা বলা যেত।
- আর ব্যাটারি চার্জ করতেও লাগত অনেক সময়।
- এরপর একসময় এর পরিচিত দাঁড়ায় ব্রিক ফোন বা ইট আদলের ফোন।

উৎস: i) ৫ অক্টোবর ২০২২, সময় নিউজ।
        ii) Britannica.
৮১.
নিচের কোনটি ডাটা গাইড মাধ্যম?
  1. WAN
  2. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
  3. রাউটার
  4. হাব
সঠিক উত্তর:
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
ব্যাখ্যা


উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৮২.
হায়ারার্কিকাল টপোলজির জন্য ব্যবহৃত আরেকটি নাম কী?
  1. Tree Topology
  2. Star Topology
  3. Bus Topology
  4. Ring Topology
সঠিক উত্তর:
Tree Topology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tree Topology
ব্যাখ্যা
• হায়ারার্কিকাল টপোলজির আরেকটি নাম হলো Tree Topology. এই টপোলজিতে নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলো একটি গাছের মতো কাঠামো তৈরি করে, যেখানে একটি মূল নোড থেকে বিভিন্ন শাখা বেরিয়ে আসে। Tree Topology মূলত Star ও Bus Topology এর সংমিশ্রণ হিসেবে কাজ করে। এতে প্রধান নোড থেকে বিভিন্ন স্তরের সাব-নোড যুক্ত থাকে, যা হায়ারার্কিকাল ব্যবস্থা তৈরি করে।
- Star Topology, Bus Topology এবং Ring Topology আলাদা আলাদা নেটওয়ার্ক কাঠামো, যা হায়ারার্কিকাল নয়। তাই, হায়ারার্কিকাল টপোলজির সঠিক নাম হলো Tree Topology।

- সঠিক উত্তর: ক) Tree Topology

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।

- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১. স্টার টপোলজি,
২. বাস টপোলজি,
৩. রিং টপোলজি,
৪. ট্রি টপোলজি।

• ট্রি টপোলজি:
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।

- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ:
- দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা যায়।
- যেকোন সময় নতুন শাখা-প্রশাখা সৃষ্টির মাধ্যমে ট্রি-টপোলজির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
- নতুন কোনো নোড সংযোগ বা বাদ দিলে নেটওয়ার্কের স্বাভাবিক কাজকর্মের কোনো অসুবিধা হয় না।
- ট্রি টপোলজিতে ত্রুটি সনাক্তকরণ এবং সংশোধন খুব সহজ।

- নেটওয়ার্কের কোন নোড বা শাখা নষ্ট হলে, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
- প্রতিটি পৃথক সেগমেন্ট এর জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ওয়্যারিং রয়েছে।
- বড় ধরণের নেটওয়ার্ক গঠনে বা অফিস ব্যবস্থাপনার কাজে এ নেটওয়ার্ক টপোলজি খুবই উপযোগী।
- ডেটা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ:
- এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৩.
একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস কিভাবে গঠিত হয়?
  1. Username-Domain
  2. MailID#Domain
  3. User ID@Domain Name
  4. ID&Server
সঠিক উত্তর:
User ID@Domain Name
উত্তর
সঠিক উত্তর:
User ID@Domain Name
ব্যাখ্যা
একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।

ই-মেইল এ্যাড্রেস:
- ই-মেইল এ্যাড্রেস হলো প্রতিটি ই-মেইল ব্যবহারকারীর স্বতন্ত্র (Unique) পরিচয়।
- এটি User ID@Domain Name গঠন দ্বারা তৈরি হয়।
উদাহরণ: anik@bdonline.com.bd
- User ID হলো ই-মেইল ব্যবহারকারীর নিজস্ব নাম যা @ চিহ্নের আগে থাকে।
- User ID-তে ইংরেজি অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ব্যবহার করা যায়
- @ চিহ্ন ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেমকে পৃথক করে।
- Domain Name হলো ই-মেইল প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পরিচয়।
যেমন: bdonline.com.bd
- Domain Name আবার কয়েকটি অংশে বিভক্ত হয়, যা ডট (.) চিহ্ন দিয়ে আলাদা করা হয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪.
Which network is a packet switching network?
  1. ক) Ring network
  2. খ) LAN
  3. গ) Star network
  4. ঘ) EuroNET
সঠিক উত্তর:
ঘ) EuroNET
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) EuroNET
ব্যাখ্যা
A packet-switched network is a digital communications network that groups all transmitted data, irrespective of content, type, or structure into suitably sized blocks.
৮৫.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে HSPA এবং UMTS প্রযুক্তির ব্যবহার বিকাশ লাভ করে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ দ্বিতীয় প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
১. ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য সার্কিট সুইচিংয়ের বদলে প্যাকেট সুইচিংয়ের প্রবর্তন।
২. ভয়েস ও ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার।
৩. সেল সিগন্যাল এনকোডিং বা চ্যানেল একসেস পদ্ধতি হলো TD-CDMA
৪. উচ্চগতির ডেটা স্থানান্তর (2 Mbps বা অধিক) এবং আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা ।
5. WCDMA, CDMA, HSPA, HSDPA, UMTS প্রযুক্তির ব্যবহার বিকাশ লাভ।
৬. এর ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps-এর বেশি। খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান-প্রদান করা যায় এবং ভিডিও কলের প্রচলন শুরু।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮৬.
সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে ব্যবহারকারীর আইডি ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষার জন্য কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. কম্প্রেশন
  2. ফরম্যাটিং
  3. ডিফ্র্যাগমেন্টেশন
  4. এনক্রিপশন
সঠিক উত্তর:
এনক্রিপশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা

সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে ব্যবহারকারীর আইডি ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষার জন্য এনক্রিপশন (Encryption) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এটি পাসওয়ার্ড ও সংবেদনশীল তথ্যকে সুরক্ষিত রাখে, যাতে তৃতীয় পক্ষ বা হ্যাকাররা সহজে তা পড়তে না পারে।

• ডাটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)

• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৭.
Which transmission mode allows data to be sent in both directions simultaneously?
  1. Simplex
  2. Half-duplex
  3. Full-duplex
  4. Broadcast
সঠিক উত্তর:
Full-duplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Full-duplex
ব্যাখ্যা

• Full-duplex transmission mode-এ একই সময়ে দুই দিকেই ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস (Source) থেকে গন্তব্যে (Destination) ডাটা পাঠানোর সময় ডাটা প্রবাহের দিক অনুযায়ী যে পদ্ধতি ব্যবহৃত হয় তাকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলে।
- ডাটা প্রবাহের দিকের ভিত্তিতে ট্রান্সমিশন মোড তিন ধরনের: Simplex, Half-duplex, Full-duplex।

• Simplex:
- Simplex মোডে ডাটা কেবলমাত্র একদিকে প্রবাহিত হয়।
- প্রেরক ডাটা পাঠাতে পারে কিন্তু গ্রাহক একই লাইনে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টেলিভিশন।

• Half-duplex:
- Half-duplex মোডে উভয় দিকেই ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
- তবে একই সময়ে ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না।
- এক সময় এক দিকেই ডাটা প্রবাহ ঘটে।
- উদাহরণ: ওয়াকি-টকি।

• Full-duplex:
- Full-duplex মোডে একই সময়ে দুই দিকেই ডাটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা সম্ভব।
- প্রেরণ ও গ্রহণ একসাথে চলতে পারে।
- এটি যোগাযোগকে দ্রুত ও কার্যকর করে।
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থা।

• অন্যান্য অপশন:
- Simplex → একমুখী ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি যেখানে কেবলমাত্র একদিকে তথ্য প্রবাহ ঘটে।
- Half-duplex → উভয় দিকে ডাটা যেতে পারে কিন্তু একই সময়ে নয়।
- Broadcast → একটি ডিভাইস থেকে একই নেটওয়ার্কের সব ডিভাইসে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৮.
কোন ডিভাইসের সাহায্যে প্রেরক কম্পিউটার থেকে সিগন্যাল নির্দিষ্ট প্রাপক কম্পিউটারে প্রেরণ করা যায়?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. রাউটার
  4. গেটওয়ে
সঠিক উত্তর:
সুইচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইচ
ব্যাখ্যা
• সুইচ:
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডেটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রীয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯.
মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো-
  1. Ring Topology
  2. Mesh Topology
  3. Star Topology
  4. Tree Topology
সঠিক উত্তর:
Star Topology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Star Topology
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন:
- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো সেলুলোর বা স্টার টপোলজি (Star Topology)।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯০.
কোনটি মিডিয়া?
  1. রাউটার
  2. অপটিক্যাল ফাইবার
  3. নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
  4. প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা
ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম (Media): 

- প্রেরণ প্রাপ্ত এবং দূরবর্তী গ্রহণ প্রান্তের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজন উভয় প্রান্তের মধ্যে সংযোগ স্থাপন।
- এই সংযোগকে সাধারণত চ্যানেল (Channel) বলা হয়।
- ডেটা বিনিময় করার জন্য চ্যানেলের সুনির্দিষ্ট ক্ষমতা থাকে যাকে ব্যান্ডউইডথ্ বা বিট রেট বা ডেটা পার সেকেন্ড বলা হয়।
- এই চ্যানেল বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন প্রকার মাধ্যম (Medium) ব্যবহার করা হয়।
- ডেটা চলাচলের এই মাধ্যমগুলোকেই কমিউনিকেশন মাধ্যম বলা হয় । একে ট্রান্সমিশন মিডিয়াও বলা হয়।

- ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম দুই ধরনের দেখা যায় । যথা-
১। গাইডেড (Guided) মিডিয়া বা তার মাধ্যম (Wired): সাধারণ টেলিফোন ক্যাবল বা তার, ফাইবার অপটিক লাইন ক্যাবল ইত্যাদি মাধ্যম।
২। আনগাইডেড (Unguided) মিডিয়া বা তারবিহীন বা বেতার মাধ্যম: বেতার তরঙ্গ, মাইক্রোওয়েভ, ভূ-উপগ্রহ ব্যবস্থা, ইনফ্রারেড ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯১.
নিচের কোনটি সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম?
  1. ব্যাংকিং সফটওয়্যার
  2. পেজ মেকার
  3. পেরোল সিস্টেম
  4. ই-কমার্স সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
পেজ মেকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেজ মেকার
ব্যাখ্যা
পেজ মেকার একটি সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম।

• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম।

• সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়‍্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অর্থাৎ ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরি যে সমস্ত বাণিজ্যিক সফটওয়‍্যার পাওয়া যায় তাদেরকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলা হয়।
- যেমন- এমএসওয়ার্ড প্রোগ্রামের সাহায্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেল প্রোগ্রামের সাহায্যে হিসাব-নিকাশের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেস প্রোগ্রামের সাহায্যে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করা যায় ইত্যাদি।
- মূলত কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের সাহায্যে প্রাত্যহিক সমস্যার সমাধান করে থাকেন।

• উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো
- এমএস অফিস,
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
- নেটস্কেপ নেভিগেটর,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইলেকট্রনিক মেইল,
- পেজ মেকার,
- ফটোশপ,
- ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

• অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- সমস্যার ধরন ও প্রকৃতি অনুসারে ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে থাকে।

• উল্লেখযোগ্য অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম 
- ব্যাংকিং কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সফটওয়‍্যার,
- ইলেকট্রনিস কমার্স,
- পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।

• কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
ক্যাশ মেমরির কর্মক্ষমতা কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. Baud Rate
  2. Hit ratio
  3. Bit Rate
  4. Miss ratio
সঠিক উত্তর:
Hit ratio
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hit ratio
ব্যাখ্যা
ক্যাশে মেমরির কর্মক্ষমতা Hit ratio এককে পরিমাপ করা হয়।

ক্যাশে মেমরির কর্মক্ষমতা নিম্নোক্তভাবে বৃদ্ধি করা যায়:
- higher cache block size,
- higher associativity,
- reduce miss rate,
- reduce miss penalty, and
- reduce the time to hit in the cache.
৯৩.
বাস টপোলজির মূল ক্যাবল বা তারটিকে কী বলা হয়?
  1. ডুডল
  2. ব্যাকবোন
  3. নোড
  4. ব্যাকরাব
সঠিক উত্তর:
ব্যাকবোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকবোন
ব্যাখ্যা
♦ বাস টপোলজি:
- যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
- একে অনেক সময় লিনিয়ার বাস টপোলজিও বলা হয়।
- এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন।
- মূল ক্যাবলের উভয় প্রান্তে টারমিনেটর ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়।
- এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯৪.
কোন প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব?
  1. প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
  2. দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
  3. তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
  4. চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
ব্যাখ্যা
মোবাইলের দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০): 
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়। 
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়। 
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- 
১। দ্বিতীয় প্রজন্মে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়। 
২। GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব। 
৩। সিগনাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। 
8। পেজিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। 
৫। SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়। 
৬। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫.
What is a bus topology?
  1. A computer hardware
  2. A LAN configuration
  3. A type of memory
  4. An internet browser
সঠিক উত্তর:
A LAN configuration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A LAN configuration
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) A LAN configuration

বাস টপোলজি
- বাস টপোলজি হলো একটি LAN (Local Area Network) কনফিগারেশন যেখানে একটি মূল চ্যানেল (main channel) বিভিন্ন নোড বা সেকেন্ডারি চ্যানেলকে শাখার মতো সংযুক্ত করে।
- এই সেটআপে, প্রতিটি কম্পিউটার পরোক্ষভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে।
- অন্যান্য কনফিগারেশন থাকলেও, বাস কনফিগারেশন সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত।

বাস-সংযুক্ত ইথারনেট
- ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে, বাস-সংযুক্ত ইথারনেট LAN-এর সবচেয়ে সাধারণ ডিজাইন।
- প্রতিটি ডিভাইসের একটি 48-বিটের ইউনিক অ্যাড্রেস থাকে।
- যেকোনো কম্পিউটার ডেটা পাঠাতে চাইলে প্রথমে ক্যারিয়ার সিগন্যালের জন্য শুনে।
- যদি কোনো সিগন্যাল না থাকে, তখন কম্পিউটার ট্রান্সমিট করে এবং প্রাপকের অ্যাড্রেস ট্রান্সমিশনের শুরুতে যুক্ত করে।
- প্রতিটি সিস্টেম প্রতিটি বার্তা গ্রহণ করে, কিন্তু শুধুমাত্র তাদের ঠিকানার বার্তা গ্রহণ করে; অন্য বার্তা উপেক্ষা করে।
- সিস্টেম ট্রান্সমিশন চলাকালীনও শোনে এবং যদি একসাথে ট্রান্সমিশন (collision) সনাক্ত করে, তাহলে একটি random সময় পর পুনরায় চেষ্টা করে।
- এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Carrier Sense Multiple Access with Collision Detection (CSMA/CD)।
- এটি ঠিকঠাক কাজ করে যতক্ষণ পর্যন্ত নেটওয়ার্ক কম ব্যস্ত থাকে; নেটওয়ার্ক ভারী হলে collision বেশি হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৬.
কোনটি তারহীন মাধ্যম নয়?
  1. মাইক্রোওয়েভ
  2. ইনফ্রারেড
  3. অপটিক্যাল ফাইবার
  4. রেডিও ওয়েভ
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা
তার মাধ্যম:
ডাটা কমিউনিকেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল তার মাধ্যম। ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরী এই মাধ্যম ডাটাকে গাইড করে প্রেরক যন্ত্র থেকে গ্রাহক যন্ত্রে নিয়ে যায় বলে এ মাধ্যমকে গাইডেড মাধ্যম বলা হয়। তার মাধ্যম মিডিয়াকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়-
- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল,
- কো-এক্সিয়াল ক্যাবল,
- অপটিকাল ফাইবার। 

তারহীন মাধ্যম:
ওয়্যারলেস কথাটির অর্থ তার বিহীন বা তারহীন। তার বিহীন যোগাযোগ বা ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন হলো এমন ধরণের যোগাযোগ যেখানে কোন তার বা ক্যাবলের প্রয়োজন হয় না। ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনে সাধারণত রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করা হয়। ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের মিডিয়াকে কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- রেডিও ওয়েভ (Radio wave),
- মাইক্রো ওয়েভ (Micro wave),
- ইনফ্রারেড (Infrared)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
কোন নেটওয়ার্ক টপোলজিতে হাব (Hub) ব্যবহার করা হয়?
  1. স্টার টপোলজি
  2. ​ট্রি টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• স্টার টপোলজি:
-​ যে টপোলজিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট বা হাব বা সুইচের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার বা পেরিফেরালসমূহকে সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, তাকে স্টার টপোলজি বলে।
এক্ষেত্রে সংযুক্ত নোডগুলো কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা হাব বা সুইচের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রাদান করে থাকে।
- এ সংগঠনের কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলে বাকি নেটওয়ার্কে তার প্রভাব পড়েনা।

​• ​ট্রি টপোলজি: 
​-যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৯৮.
ডাটা কমিউনিকেশনের প্রথম উপাদান কী? 
  1. তথ্য
  2. মাধ্যম
  3. প্রাপক
  4. গন্তব্য
সঠিক উত্তর:
তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশন: 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডাটার আদান প্রদান বা তথ্য বিনিময়কে ডাটা কমিউনিকেশন বা ডাটা স্থানান্তর বলা হয়। 
- ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার ও দূরবর্তী টার্মিনালের মধ্যে ডাটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার প্রচলন শুরু হয়। 
- পরবর্তীতে টার্মিনালের পরিবর্তে কম্পিউটার ব্যবহার করার মাধ্যমেই শুরু হয় ডাটা স্থানান্তরের প্রচলন। 

ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান: 
- ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত ৬ টি উপাদান থাকে। 
যথা- 
১। ডাটা বা তথ্য (Information): 
- ডাটা কমিউনিকেশনের প্রথম উপাদান হচ্ছে ডাটা বা তথ্য। কমিউনিকেশনের জন্য ডাটা হতে পারে শব্দ, অক্ষর, সংখ্যা, ছবি ইত্যাদি। 

২। ডাটার উৎস (Source): 
- যে ডিভাইস থেকে ডাটা সংগ্রহ করা হয় তাকে উৎস বলা হয়। উৎস ডাটা বা তথ্য তৈরি করে। ডাটার উৎসের উদাহরণ হলো কম্পিউটার, টেলিফোন। 

৩। প্রেরক (Sender): 
- প্রেরক 'উৎস' হতে ডাটা নিয়ে কমিউনিকেশনের বাহককে বা মাধ্যমকে পাঠায়। প্রেরক নির্দিষ্ট একটি যন্ত্র ব্যবহার করে ডাটাকে ট্রান্সফরম এবং এনকোড করে প্রেরণ উপযোগী সিগন্যাল তৈরী করে। যেমন-মডেম। 

৪। মাধ্যম (Medium): 
- যার মাধ্যমে ডাটাসমূহ একস্থান থেকে অন্যস্থানে অথবা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর করা হয় তাকে ডাটা প্রবাহের বাহক বা মাধ্যম বলা হয়। যেমন- ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট, অপটিক্যাল ফাইবার, টেলিফোন লাইন, মডেম ইত্যাদি। 

৫। প্রাপক (Receiver): 
- যে ডিভাইস ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম থেকে ডাটা গ্রহণ করে তাকে প্রাপক বলে। 

৬। গন্তব্য (Destination): 
- উপাত্তের উৎস বা প্রেরক ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম ব্যবহার করে যার নিকট বা যে ডিভাইস ডাটা গ্রহণ করে তাকে উপাত্তের গন্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। যেমন- কম্পিউটার, সার্ভার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
ওয়াই-ম্যাক্স (WiMAX) কোন ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে?
  1. 1 থেকে 12 GHz
  2. 1.4 থেকে 5 GHz
  3. 5 থেকে 100 GHz
  4. 2 থেকে 66 GHz
সঠিক উত্তর:
2 থেকে 66 GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2 থেকে 66 GHz
ব্যাখ্যা
ওয়াই-ম্যাক্স (WiMAX): 
- এটি দ্রুতগতির একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি, যেটি প্রচলিত DSL (Digital Subscriber Line) এবং তারযুক্ত ইন্টারনেটের পরিবর্তে ওয়্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা দিয়ে থাকে। 
- Worldwide Interoperability for Microwave Access-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে WiMAX  I 
- এটি সাধারণত 2 থেকে 66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে এবং 80 Mbps থেকে 1Gbps পর্যন্ত গতিতে ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রদানে সক্ষম। 
- WiMAX এর প্রধান অংশ দুটি হচ্ছে- 
১. বেস স্টেশন, যেটি ইনডোর ডিভাইস এবং আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। প্রতিটি বেস স্টেশনের কভারেজ এরিয়া 10 থেকে 50 km পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
২. অ্যান্টেনাযুক্ত WiMAX রিসিভার, যা কম্পিউটারে সংযুক্ত করা হয় যেটি ওয়‍্যারলেস নির্ভর হওয়ায় পরিবহনযোগ্য। 

- এই প্রযুক্তিতে একটি একক বেস স্টেশনের মাধ্যমে বিশাল ভৌগোলিক এলাকায় হাজার হাজার ব্যবহারকারীকে ওয়‍্যারলেস ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া যায়।
- ওয়্যারলেস হওয়ায় পোর্টেবিলিটির সুবিধা পাওয়া যায় এবং এর রিসিভার সহজে বহনযোগ্য।
- বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসের মাধ্যমে শহর এবং গ্রামে পোর্টেবল ব্রডব্যান্ড সংযোগ প্রদান করে।
- WiMAX নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হয়।
- অনেক বিস্তৃত নেটওয়ার্ক হওয়ায় অন্যান্য নেটওয়ার্কের তুলনায় এটি ব্যয়বহল এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।
- Bluetooth, Wi-Fi এবং WIMAX- এই তিনটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তির তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য নিম্নে দেওয়া হলো- 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১০০.
সর্ববৃহৎ এলাকা জুড়ে কোন নেটওয়ার্কটি তৈরি হয়?
  1. PAN
  2. LAN
  3. MAN
  4. WAN
সঠিক উত্তর:
WAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WAN
ব্যাখ্যা
• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- WAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Wide Area Network.
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিশাল জায়গা জুড়ে যেমন- একই দেশের বিভিন্ন শহরের এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশ পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে একাধিক LAN, MAN সংযুক্ত থাকতে পারে।
- WAN কে ইন্টারনেট বলা হয়।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কে টেলিফোন, স্যাটেলাইট, মাইক্রোওয়েভ, মডেম, বেতার তরঙ্গ ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য আদান- প্রদানের জন্যে এই ধরনের নেটওয়ার্ক বেশি ব্যবহৃত হয়।

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- PAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Personal Area Network.
- সাধারণত ১০ মিটার এর মধ্যে সীমাবদ্ধ কোনো ব্যক্তির বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের উদ্দেশ্যে তৈরি নেটওয়ার্ককে PAN বলা হয়। 

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network.
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়। 

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারসমূহ, বিভিন্ন ডিভাইস ও LAN গুলোর সংযোগে যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়, তাকে MAN  বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।