বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৫৯ / ৬৪ · ৫,৮০১৫,৯০০ / ৬,৪০৯

৫,৮০১.
আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. হাইগেন
  2. ম্যাক্সওয়েল
  3. ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন তত্ত্বের প্রবক্তা:
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮০২.
একটি বৈদ্যুতিক হিটারে '1000W-220V' লেখা আছে। হিটারটির রোধ কত ওহম (Ohm)?
  1. 48.4
  2. 50
  3. 51.6
  4. 55
সঠিক উত্তর:
48.4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
48.4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৈদ্যুতিক হিটারে '1000W-220V' লেখা আছে। হিটারটির রোধ কত ওহম (Ohm)?

সমাধান:
এখানে, বিভব পার্থক্য, V = 220V
ক্ষমতা, P = 1000 W
রোধ, R = ?

আমরা জানি,
P = V2/R
বা, R = V2/P
বা, R = (220 × 220)/1000
বা, R = 48400/1000
∴ R = 48.4 ওহম

৫,৮০৩.
মানুষের শ্রবণসীমার নিচের শব্দকে কী বলা হয়?
  1. ইনফ্রাসাউন্ড
  2. আলট্রাসাউন্ড
  3. মেগাসাউন্ড
  4. সাবসোনিক
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রাসাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রাসাউন্ড
ব্যাখ্যা

• ইনফ্রাসাউন্ড (Infrasound):
- যেসব শব্দের কম্পাঙ্ক মানুষের শ্রবণ সীমার নিচে থাকে, অর্থাৎ 20 Hz-এর নিচে, সেগুলোকে ইনফ্রাসাউন্ড বলা হয়।
- উদাহরণ: ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির গর্জন, কিছু বৃহৎ প্রাণীর শব্দ।

• আলট্রাসাউন্ড (Ultrasound):
- যেসব শব্দের কম্পাঙ্ক মানুষের শ্রবণ সীমার উপরে থাকে, অর্থাৎ 20 kHz-এর উপরে।
- উদাহরণ: ডেন্টিস্টদের ডেন্টাল ক্লিনিং যন্ত্র, ভয়েসহীন নেভিগেশন বা ডাক্তারি ইমেজিং (সোনোগ্রাফি)।

• মেগাসাউন্ড (Megasound):
- সাধারণত এটি ব্যবহার হয় খুব উচ্চশক্তির শব্দের জন্য যা কোনো বড় শক্তি বা বিস্ফোরণের সাথে সম্পর্কিত।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮০৪.
পলিথিন ব্যাগ কোন মনোমার থেকে তৈরি?
  1. ফেনল
  2. মেলামাইন
  3. ভিনাইল ক্লোরাইড
  4. ইথিলিন
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
ব্যাখ্যা

- পলিথিন (polyethylene) হলো একটি পলিমার যা ইথিলিন (ethylene) নামক মনোমার অণুগুলোর পলিমারাইজেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। 

পলিমার (Polymer): 
- পলিমার হলো বহু ছোট মনোমার অণু একত্রে যুক্ত হয়ে গঠিত বৃহৎ অণু, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ, যেমন পলিথিন ব্যাগ, পিভিসি পাইপ, সুইচ বোর্ড, কাপড় ও রাবারে পাওয়া যায়। 
- পলিমার (Polymer) শব্দটি এসেছে দুটি গ্রিক শব্দ পলি (Poly) ও মেরোস (Meros) থেকে। পলি শব্দের অর্থ হলো অনেক (Many) এবং মেরোস শব্দের অর্থ অংশ (Part)। অর্থাৎ, অনেকগুলো ছোট অণু পরপর যুক্ত হয়ে বড় আকারের যে অণু তৈরি হয় তাকে পলিমার বলে। 
- যে ছোট অণু থেকে পলিমার তৈরি হয়, তাকে বলে মনোমার (Monomer)। 
- যে পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার করা হয় তা 'ইথিলিন' নামের মনোমার থেকে তৈরি এক ধরনের পলিমার। একইভাবে, পিভিসি পাইপ (PVC) হলো ভিনাইল ক্লোরাইড নামের মনোমার থেকে তৈরি পলিমার। তবে সব সময় একটি মনোমার থেকেই পলিমার তৈরি হবে এমন নয়, একের অধিক মনোমার থেকেও পলিমার তৈরি হতে পারে। 
যেমন- বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড তৈরিতে ব্যবহৃত বস্তু। বৈদ্যুতিক সুইচে ব্যাকেলাইট নামের একটি পলিমার ব্যবহার করা হয়। ব্যাকেলাইট তৈরি হয় ফেনল ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে। আবার, মেলামাইনের থালা-বাসন হলো মেলামাইন রেজিন নামের পলিমার, যা তৈরি হয় মেলামাইন ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থাকে। 

প্রাকৃতিক পলিমার: 
- পাট, সিল্ক, সুতি কাপড়, রাবার প্রভৃতি হচ্ছে প্রাকৃতিক পলিমার। 

কৃত্রিম পলিমার: 
- মেলামাইন, রেজিন, বাকেলাইট, পিভিসি, পলিথিন প্রভৃতি হলো কৃত্রিম পলিমার। এগুলো প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না, শিল্পকারখানায় কৃত্রিমভাবে তৈরি করতে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮০৫.
কিসের অভাবে ফসলের পরিপক্বতা বিলম্বিত হয়?
  1. ক) দস্তা
  2. খ) সালফার
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) পটাশিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) সালফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সালফার
ব্যাখ্যা
Plants deficient in sulphur are small and spindly with short and slender stalks, their growth is retarded, maturity in cereals is delayed, nodulation in legumes may be poor and nitrogen-fixation reduced, fruits often do not mature fully and remain light-green in color, forages contain an undesirably wide N:S ratio and thus have lower nutritive value.
Source: The Sulphur Institute, Washington, USA.
৫,৮০৬.
এক্স-রশ্মি হচ্ছে-
  1. ক) যান্ত্রিক তরঙ্গ
  2. খ) দীঘল তরঙ্গ
  3. গ) আড়তরঙ্গ
  4. ঘ) অবলোহিত তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
গ) আড়তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আড়তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
- এক্স-রশ্মি চার্জিত কোন কণার প্রবাহ নয়।
- ইহা তড়িৎচুম্বকীয় আড়তরঙ্গ।
- দৃশ্যমান আলো ও এক্স-রশ্মির প্রধান পার্থক্য এদের তরঙ্গদৈর্ঘ্যে।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 7×10-7m  4 ×10-7m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10×10-8m থেকে 10-13m  পর্যন্ত।
- সাধারণ আলো বা দৃশ্যমান আলো অস্বচ্ছ পদার্থ ভেদ করতে পারে না।
- কিন্তু, এক্স-রশ্ম উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। এটি চামড়া, মাংস ইত্যাদি ভেদ করে যেতে পারে।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮০৭.
নিচের কোনটি দিক রাশির উদাহরণ?
  1. দৈর্ঘ্য
  2. সরণ
  3. দ্রুতি
  4. কাজ
সঠিক উত্তর:
সরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরণ
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য এদের বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি এবং 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

 ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশির ধর্ম: 
- ভেক্টর রাশিগুলো কিছু মৌলিক নিয়ম বা ধর্ম অনুসরণ করে। 
যেমন- 
১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে। 
২. সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না। 
৩. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি। 
৪. দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি। 
৫. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না। 
৬. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮০৮.
নিচের কোনটি অন্তরক পদার্থের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) প্লাস্টিক
  2. খ) রাবার
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) কাঠ
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনাে মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলাে হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। মূলত অধাতুগুলাে বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়।
উদাহরণ: প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলাে হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থ । (উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান)

৫,৮০৯.
গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা আলফা কণার চেয়ে কত গুণ বেশি?
  1. ক) ১০ গুণ
  2. খ) ১০০ গুণ
  3. গ) ১০০০ গুণ
  4. ঘ) ১০,০০০ গুণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০,০০০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০,০০০ গুণ
ব্যাখ্যা
- একটি সরু ছিদ্রযুক্ত লেড বা সীসার পাত্রে রেডিয়াম রেখে দিলে তা থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় রশ্মি ছিদ্র দিয়ে সরলরেখায় বের হয়। এ রশ্মিকে চৌম্বক বা বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত করলে তা তিন ভাগে ভাগ হয়ে যায়। এদেরকে যথাক্রমে আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি বলা হয়।
- এদের মধ্যে আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জযুক্ত, বিটা রশ্মি ঋনাত্মক চার্জযুক্ত এবং গামা রশ্মি হচ্ছে চার্জবিহীন বা চার্জনিরপেক্ষ। 

গামা রশ্মি (γ-রশ্মি):
প্রকৃতি: গামা রশ্মি সাধারণ অর্থে কোন কণিকা নয়, এটি সাধারণ আলোকের ন্যায় তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ। α-কণা বা β-কণা বিচ্ছুরণের পর নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে শক্তির পূর্ণবিন্যাসের ফলে γ-রশ্মির উদ্ভব ঘটে। এদের তরঙ্গ-দৈর্ঘ্য খুবই কম, এমনকি রঞ্জন রশ্মি অপেক্ষাও কম হয়।
বেগ: তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ বলে এদের গতিবেগ সেকেন্ডে 186000 মাইল বা 3 × 108 km। 
বায়ুর আয়নীকরণ: এরা প্রধানত পরোক্ষভাবে পদার্থকে আয়নিত করে। বহু দীর্ঘ পথে ঐ আয়নীকরণ সংঘটিত হয় বলে গামা রশ্মির আপেক্ষিক আয়নীকরণ ক্ষমতা খুব কম।
ছেদন ক্ষমতা: গামা রশ্মির ছেদন ক্ষমতা α-কণার চেয়ে 10,000 গুণ বেশি। রঞ্জন রশ্মির ন্যায় তা বিভিন্ন পদার্থের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে পারে।
জীবকোষের উপর ক্রিয়া: জীবন্ত কোষের ক্ষতিসাধন করে। 
- গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) বিকিরণের ফলে মৌলের নিউক্লিয়াসের কোন পরিবর্তন ঘটে না। কারণ গামা রশ্মি (γ-রশ্মি) হলো বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মির (γ-রশ্মি) কোন ভর বা চার্জ নেই। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
৫,৮১০.
একটি অণু ভাঙলে কী পাওয়া যায়?
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) ইলেকট্রন
  3. গ) নিউট্রন
  4. ঘ) পরমাণু
সঠিক উত্তর:
ঘ) পরমাণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পরমাণু
ব্যাখ্যা
একটি অণু ভাঙলে পরমাণু পাওয়া যায় এবং পরমাণু ভাঙলে পাওয়া যায় ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৫,৮১১.
ঊর্ধ্বপাতন প্রক্রিয়ায় পদার্থকে তাপ দিলে কী ঘটে? 
  1. সরাসরি তরলে রূপান্তরিত হয় 
  2. সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয় 
  3.  প্রথমে তরলে, পরে বাষ্পে রূপান্তরিত হয় 
  4. কোনো পরিবর্তন হয় না 
সঠিক উত্তর:
সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হয় 
ব্যাখ্যা

ঊর্ধ্বপাতন: 
- পদার্থের সাধারণ পরিবর্তনের ধারাক্রম হলো তাপের প্রভাবে কঠিন থেকে তরল, তরল থেকে বাষ্পীয় অবস্থায় রূপান্তর। 
- কিন্তু এমন কিছু পদার্থ আছে যাদেরকে তাপ দিয়ে কঠিন থেকে সরাসরি বাষ্প এবং বাষ্পকে শীতল করলে সরাসরি কঠিন অবস্থা প্রাপ্ত হয়। 
- এক্ষেত্রে কঠিন থেকে বাষ্প এবং বাষ্প থেকে কঠিন অবস্থায় পরিবর্তিত হওয়ার সময় পদার্থ তার মধ্যবর্তী তরল অবস্থা প্রাপ্ত হয় না, যাদের উদ্বায়ী পদার্থ বলে। 
- কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত করে এবং ঐ বাষ্পকে শীতল করে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আনার প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতনবলা হয়। 
যেমন- আয়োডিন, কর্পূর, নিশাদল, ন্যাপথোলিন প্রভৃতি উদ্বায়ী পদার্থ এবং এরা উর্ধ্বপাতিত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮১২.
Which semiconductor is used in Transistor?
  1. Manganese
  2. Arsenic
  3. Germanium
  4. Tungsten
সঠিক উত্তর:
Germanium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Germanium
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ১৯৪৮ সালে জে বার্ডিন ও ডব্লিউ এইচ ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রিক সার্কিট বা বর্তনীতে  ট্রানজিস্টর বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- যে যন্ত্র এর অন্তর্গামীতে প্রদত্ত সংকেত বহির্গামীতে বিবর্ধিত করে তাকে অ্যামপ্লিফায়ার বলে।
- ট্রানজিস্টর দুই ধরনের। যথা- n-p-n এবং p-n-p ।
- ট্রানজিস্টরে অর্ধপরিবাহী হিসেবে ব্যবহৃত হয় - জার্মেনিয়াম, সিলিকন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৮১৩.
কোনটি এসিডের প্রভাব নিষ্ক্রিয় করতে ব্যবহৃত ক্ষারক নয়? 
  1. চুন
  2. বেকিং সোডা
  3. ক্যালামিন
  4. মেলিটিন
সঠিক উত্তর:
মেলিটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেলিটিন
ব্যাখ্যা
ক্ষারক: 
- সকল ক্ষারক লাল লিটমাস কাগজের রং পরিবর্তন করে নীল করে। 
- পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারক অর্থাৎ ক্ষারসমূহ পানিতে হাইড্রক্সাইড আয়ন (OH-) উৎপন্ন করে। 
যেমন- 
• NaOH → Na+ + OH- 
• KOH → K+ + OH- 
- ক্ষারক এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ উৎপন্ন করে। 
- ক্ষারক ও এসিড পরস্পর বিপরীতধর্মী পদার্থ এবং বিক্রিয়া করে একে অপরকে নিষ্ক্রিয় করে নিরপেক্ষ পদার্থ লবণ ও পানি তৈরি করে। 

প্রাত্যহিক জীবনে ক্ষারকের ব্যবহার: 
- মৌমাছি হুল ফুটালে এবং পিঁপড়া কামড় দিলে শরীরে যেহেতু ফরমিক এসিড, মেলিটিন এবং অ্যাপামিন নামক এসিডিক পদার্থ নিঃসৃত হয়, তাই সেগুলি জ্বালাপোড়া এবং ফুলে যাওয়ার কারণ হয়ে থাকে। 
- এসিডের প্রভাবকে নিষ্ক্রিয় করতে ক্ষারক ধর্মীয় মলম, লোশন (যেমন চুন), ক্যালামিন (যা জিংক কার্বোনেট) এবং বেকিং সোডা ব্যবহার করা হয়, যা এই জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে। 

মাটির এসিডিটি দূর ক্ষারকের ব্যবহার: 
- মাটিতে এসিডিটি বৃদ্ধি পেলে উর্বরতা নষ্ট হয়ে যায়, যা প্রশমিত করতে ক্ষারক যেমন- চুন (CaO), মিল্ক অব লাইম (Ca(OH)2 এবং চুনাপাথর (CaCO3) ব্যবহৃত হয়। 
- বাসাবাড়িতে পরিষ্কারক হিসেবে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ব্যবহৃত হয়। 
- টুথপেস্ট ও টুথপাউডার ক্ষারীয় পদার্থ হয়ে মুখে এসিডীয় অবস্থা নিরসন করে দাঁতের ক্ষয় রোধ করে। 
- সাবান যেমন- শক্ত সাবান, তরল সাবান এবং কাপড় কাচার সাবান ক্ষারক হিসেবে তৈরি হয়। আবার শেভিং ফোম এবং নরম সাবানও ক্ষারক দিয়ে তৈরি। 
- গ্যাস্ট্রিক ব্যথা বা এসিডিটির জন্য ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (Mg(OH)2) ও অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (Al(OH)3) এন্টাসিড হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮১৪.
কোন রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি? 
  1. লাল
  2. সাদা
  3. কালো
  4. বেগুনি
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
- কালো রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি। 
- চায়ের কাপ কালো রঙের হলে তা থেকে অধিক পরিমাণ তাপ শোষণ করবে এবং এতে চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হবে। 
- সাদা রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। সেজন্য গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের জামা অধিক আরামদায়ক, কারণ সাদা রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। 
- অন্যদিকে, কালো রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, তা গ্রীষ্মকালে ততটা আরামদায়ক হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮১৫.
শুষ্ক কোষে কোনটি ইলেকট্রন দান করে? 
  1. দস্তার খোল
  2. কার্বন দণ্ড
  3. কয়লার গুড়া
  4. ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
দস্তার খোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্তার খোল
ব্যাখ্যা
শুষ্ক কোষ (Dry Cell): 
- শুষ্ক কোষ হল একটি প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি সেল, যা লেকল্যান্স বিদ্যুৎ কোষের একটি ভিন্ন রূপ। 
- এ বিশেষ লেকল্যান্স কোষে বিদ্যুৎ উত্তেজক হিসেবে NH4Cl এর পেস্ট এবং ক্যাথোডের গায়ে H2 গ্যাস দ্বারা পোলারন বা ছদন নিবারক হিসেবে জারকরূপে কঠিন ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড (MnO2) ব্যবহৃত হয় বলে একে শুষ্ক কোষ বলে। 

গঠন: 
- শুষ্ক বিদ্যুৎ কোষে জিংক অর্থাৎ দস্তার তৈরি একটি একমুখ বন্ধ ফাঁপা চোঙকে বহিঃপাত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় যা ঋণাত্মক পাত বা অ্যানোড হিসেবে কাজ করে। 
- চোঙটিকে একটি কাগজের মোড়কে ঢেকে রাখা হয়। 
- এ চোঙের ঠিক মাঝখানে একটি কার্বন দণ্ড (কোষের নিষ্ক্রিয় তড়িৎদ্বাররূপে) কোষের ধনাত্মক পাত বা ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে। 
- কার্বন দণ্ডের মাথায় একটি পিতলের টুপি থাকে। 
- এ কার্বন দণ্ডটি আলকাতরাযুক্ত কাগজের উপর খাড়াভাবে বসানো থাকে ফলে কার্বন দণ্ড থেকে দস্তার ফাঁপা চোঙ বিচ্ছিন্ন থাকে। 
- এর চারপাশে কাগজের থলিতে MnO2 ও গুঁড়া কার্বনের একটি আঠালো পেস্ট থাকে। 
- কাগজের থলি সচ্ছিদ্র পাত্রের কাজ করে এবং কার্বন গুঁড়া ব্যবহারের ফলে ক্যাথোডের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল বেড়ে যায়। 
- দস্তার চোঙ ও কাগজের থলির মাঝে আঠালো স্টার্চের গুঁড়া, NH4Cl ও সামান্য ZnCl2 এর একটি পেস্ট থাকে, যা MnO2 কে ভেজা রাখতে সাহায্য করে। 
- কোষের উপরের মুখে পিচ বা গালা স্তর থাকে। 
- জিঙ্ক (Zn) বা দস্তা ইলেক্ট্রন দান করে এবং ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে
- এ কোষের E.M.F. প্রায় 1.5 Volt. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
৫,৮১৬.
কোনটির আবিষ্কার ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছে? 
  1. টেলিভিশন
  2. কম্পিউটার
  3. অসিলেটর
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ও এর প্রভাব: 
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব ঘটিয়েছে
- ১৯৪৮ সালে বেল ল্যাবরেটরিতে উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন প্রথম ব্যবহারিক পয়েন্ট-কন্টাক্ট ট্রানজিস্টর তৈরি করেন।
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে: এমিটার, বেস, এবং কালেক্টর।
- এটি একটি তিন প্রান্তবিশিষ্ট ডিভাইস।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে এর আবিষ্কার ঘটে।
- আবিষ্কারের পর থেকে ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক যন্ত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
- বিবর্ধক (Amplifier) হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন ও হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে, তাই এটিকে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলা হয়।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮১৭.
সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগের হ্রাসের হারকে কী বলে? 
  1. দ্রুতি 
  2. মন্দন 
  3. বেগ 
  4. সরণ 
সঠিক উত্তর:
মন্দন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্দন 
ব্যাখ্যা

মন্দন:
- সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগের হ্রাসের হারকে মন্দন বলে
- অন্য ভাবে একক সময়ে গতিশীল বস্তুকণার বেগের পরিবর্তন কমতে থাকলে যে রাশি পাওয়া যায় তাকে মন্দন বলে।
- মন্দনের একক ও মাত্রা ত্বরণের অনুরূপ। 

ত্বরণ:
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলা হয়।
- ত্বরণ একটি ভেক্টর রাশি ।
- কোনো বস্তুর ত্বরণ জানতে হলে বস্তুটির বেগের পরিবর্তনের হার এবং উক্ত পরিবর্তনের দিক উভয়ই জানতে হয়।

দ্রুতি:
- কোনো বস্তু একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে বা দূরত্বের হারকে দ্রুতি বলে।
- এটি একটি স্কেলার রাশি।
- বেগের মান দ্বারা দ্রুতি পরিমাপ করা হয়।

সরণ:
- কোনো নির্দিষ্ট দিকে সরল পথে কোনো বস্তু যে দূরত্ব বা পথ অতিক্রম করে তাকে সরণ বলে।
- সরণ একটি ভেক্টর রাশি।
- কোনো গতিশীল বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন একটি  নির্দিষ্ট দিকে হলে সরণ ঘটে।

বেগ:
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে বেগ বলে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮১৮.
অপটিক্যাল ফাইবারে আলোক রশ্মি কিভাবে চলে?
  1. সরাসরি তন্তুর মধ্য দিয়ে 
  2. দেয়ালে পুনঃপুন অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে 
  3. তন্তুর বাইরের অংশ দিয়ে 
  4. যেকোনো পথে বিচ্ছিন্ন হয়ে 
সঠিক উত্তর:
দেয়ালে পুনঃপুন অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেয়ালে পুনঃপুন অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটিয়ে 
ব্যাখ্যা

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো খুব সরু এবং নমনীয় কাঁচ তন্তুর আলোক নল। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। 
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তুর অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি) দেখার জন্য যে আলোক নলটি ব্যবহার করে সেটি হচ্ছে একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। 
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৫,৮১৯.
আলফা রশ্মি হলো মূলত -
  1. প্রোটন
  2. আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
  3. নিউট্রন
  4. ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
- আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি মূলত আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস যার ভর 6.6 × 10-27 কেজি। 
- ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2 × 10-19 কুলম্ব। 
- আলফা কণিকার শক্তি 1 MeV বা 1.6 x 10-13J হতে 9 MeV বা 1.44 x 10-12J পর্যন্ত হয়। 
- আলফা রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
- আলফা কণিকার আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশি। β -কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ -কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশি। 
- আলফা কণিকা ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
- আলফা কণিকা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
- জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
- ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮২০.
যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ বরফ গলতে শুরু করে, তাকে কী বলে? 
  1. স্টিম বিন্দু 
  2. ত্রৈধ বিন্দু 
  3. নিম্ন স্থির বিন্দু
  4. ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু
সঠিক উত্তর:
নিম্ন স্থির বিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্ন স্থির বিন্দু
ব্যাখ্যা

থার্মোমিটার: 
- তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য থার্মোমিটারের নলে একটি দাগ কাঁটা স্কেল প্রয়োজন হয়। 
- দাগ কাঁটার জন্য দুটি বিশেষ তাপমাত্রাকে নির্দিষ্ট করা হয়। 
- এ দুটি বিশেষ তাপমাত্রাকে থার্মোমিটারের স্থিরাংক (Fixed point) বলে। 
- পারদ থার্মোমিটারের ক্ষেত্রে বরফের গলনাংককে নিম্ন স্থিরাংক (Lower Fixed point) এবং পানির স্ফুটাঙ্ককে ঊর্ধ্ব স্থিরাংক (Upper Fixed point) ধরা হয়। 
- নলের যে দুটি বিন্দুতে নিম্ন স্থিরাংক এবং ঊর্ধ্ব স্থিরাংক দাগ কাটা হয় তাদের নিম্ন স্থির বিন্দু এবং ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু বলে। 

নিম্ন স্থির বিন্দু: 
- যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ বরফ পানির সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে। 
অর্থাৎ, যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ গলতে শুরু করে তাকে নিম্ন স্থির বিন্দু বা বরফ বিন্দু বলে। 

ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু: 
- যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পের সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে। 
অর্থাৎ‍, যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে তাকে ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু বা স্টিম বিন্দু বলে। 

ত্রৈধ বিন্দু: 
- 4.58 mm পারদস্তম্ভ চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ, পানি ও জলীয় বাষ্প তাপীয় সমতায় থাকে, তাকে পানির ত্রৈধ বিন্দু বলে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮২১.
৪.২ জুল যান্ত্রিক শক্তি =_____________ তাপ।
  1. ২ ক্যালরি
  2. ১ ক্যালরি
  3. ৪ ক্যালরি
  4. ৩ ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
১ ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ। 
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। 
তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮২২.
আধানের অস্তিত্ব নির্ণয়ের যন্ত্রের নাম কি?
  1. ক) অ্যামিটার
  2. খ) ভোল্টামিটার
  3. গ) দূরবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যাখ্যা

যে যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তু তড়িৎগ্রস্থ কিনা তা যাচাই করা যায় এবং তড়িৎগ্রস্থ বস্তুর চার্জের প্রকৃতি নির্ণয় করা যায় তাকে তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র বলে।
অ্যামিটার হলো একটি যন্ত্র যার সহায়তায় বিদ্যুতের প্রবাহ সরাসরি বৈদ্যুতিক একক অ্যাম্পিয়ারে পরিমাপ করা যায়।

যে যন্ত্রের সাহায্যে বর্তনীর যে কোন দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য সরাসরি ভোল্ট এককে পরিমাপ করা যায় তাকে ভোল্টমিটার বলে।

দূরবীক্ষণ যন্ত্র তথা দূরবীন (টেলিস্কোপ) এমন একটি যন্ত্র যা দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তু দর্শনের জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি দূরবর্তী বস্তু থেকে নির্গত বিকিরণ সংগ্রহ, পরিমাপ এবং বিশ্লেষণ করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান। 

৫,৮২৩.
পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন কোথায় অবস্থান করে?
  1. ক) পানির উপরিভাগে
  2. খ) পানির মধ্যভাগে
  3. গ) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
  4. ঘ) পানির তলদেশে
সঠিক উত্তর:
গ) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
ব্যাখ্যা

যদি, জলাধার হিসেবে বলা হয়,
তাহলে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন সবচেয়ে বেশি থাকে পানির উপরিভাগে, এবং গভীরতার সাথে সাথে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ কমতে থাকে। এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই।

কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন পানির সকল স্তর তথা উপরিভাগ, মধ্যভাগ এবং তলদেশ সকল স্তরেই থাকে।
না হলে মধ্য এবং তলদেশের জলজ প্রাণীদের পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব হতো না। মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। যারা বায়ুমণ্ডল থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না তাদের বেঁচে থাকার জন্য পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ।

যাইহোক, প্রশ্ন যদি এটা দেয়া হতো, 
পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন সবচেয়ে বেশি কোথায় অবস্থান করে?
সঠিক উত্তর: ক) পানির উপরিভাগে; এটা হতো।
-----
তবে, প্রথমত,
প্রশ্নে এটা চাওয়া হয়নি যে, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন "সবচেয়ে বেশি" কোথায় অবস্থান করে।
দ্বিতীয়ত,
গ) পানির আন্তঃআণবিক স্থানে - এই অপশনটি অকারণে দেয়া হয়নি।

পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন, এখানে দ্রবীভূত মানে হচ্ছে পানির মধ্যে অক্সিজেনের অণুগুলো অবস্থান করছে। কীভাবে করছে? আণবিক স্তর বিবেচনায়, পানির আন্তঃআণবিক স্থানে।
The United States Geological Survey অনুসারে, প্রতি মিলিয়ন পানির অণুতে অক্সিজেনের প্রায় দশ অণু পর্যন্ত দ্রবীভূত হতে পারে।

নিচে University of Florida, Institute of Food and Agricultural Sciences থেকে পানির আন্তঃআণবিক স্থানে দ্রবীভূত অক্সিজেন কীভাবে অবস্থান করে তার একটা চিত্র দেয়া হল -

৫,৮২৪.
সিলিন্ডারে যে গ্যাস বিক্রি করা হয় তা প্রধানত-
  1. বিউটেন
  2. ইথেন
  3. প্রোপেন
  4. মিথেন
সঠিক উত্তর:
বিউটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিউটেন
ব্যাখ্যা
বিউটেন: 
- সিলিন্ডারে করে বাজারে যে গ্যাস বিক্রি করা হয় তার মূল উপাদান হলো বিউটেন, যা সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে। 
- কিন্তু উচ্চচাপে তরল অবস্থায় পরিবর্তিত করা হয় যা উচ্চচাপ যুক্ত আধারে সংরক্ষণ ব্যবহার ও স্থানান্তরের জন্য সুবিধাজনক। 
- বিউটেন একটি চার কার্বন বিশিষ্ট হাইড্রোকার্বন। 
- কক্ষতাপমাত্রায় বিউটেন একটি গ্যাসীয় পদার্থ। 
- এলপিজি মূলত বিউটেন ও প্রোপেন এর সমন্বয়ে গঠিত হয়। 
 - বিউটেনের রাসায়নিক সংকেত C4H10. 
 - বিউটেনের দুটি আইসোমার বা সমাণু আছে। 
যথা- n-বিউটেন এবং আইসো বিউটেন। 
- আইসো বিউটেনের আরেকটি নাম মিথাইল প্রোপেন, এটি মূলত জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- এলপিজি মূলত একটি আমদানিনির্ভর পণ্য, এটি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। 
 
উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩)।
৫,৮২৫.
বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে কোনটি ঘটে? 
  1. পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপ কমে যায় 
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ বন্ধ হয় 
  3. সৌরশক্তি বৃদ্ধি পায় 
  4. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যায় 
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যায় 
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর এবং পরিবেশের উপর তার প্রভাব: 
- শক্তির রূপান্তরে পরিবেশের উপর প্রভাবের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে ফসিল জ্বালানি বা তেল, গ্যাস এবং কয়লা। 
- এই তিনটিতেই কার্বনের পরিমাণ অনেক বেশি এবং এগুলো পুড়িয়ে যখন তাপশক্তি তৈরি হয়, তখন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয় যেটি একটি গ্রিন হাউস গ্যাস। 
অর্থাৎ, এই গ্রিন হাউস গ্যাস পৃথিবীতে তাপকে ধরে রাখতে পারে এবং এ কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে, যেটি বৈশ্বিক উষ্ণতা নামে পরিচিত। 
- বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে গিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে, সে কারণে পৃথিবীর যেসব দেশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হবে এবং কৃষিজমি লবণাক্ত হয়ে পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে, তার মাঝে বাংলাদেশ একটি। 
- এই মুহূর্তে পৃথিবীর সব দেশ মিলে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের পরিমাণ কমানোর চেষ্টা করছে। 

- নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রে কার্বন ডাই-অক্সাইডের নিঃসরণ হয় না, কিন্তু নিউক্লিয়ার বর্জ্য অত্যন্ত তেজস্ক্রিয় এবং এদের তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা নিরাপদ মাত্রায় পৌঁছানোর জন্য লক্ষ লক্ষ বছর সংরক্ষণ করতে হয় যেটি পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। 
- আধুনিক প্রযুক্তির কারণে নিউক্লিয়ার শক্তিকেন্দ্র অনেক নিরাপদ হলেও মাঝে মাঝে মানুষের ভুল কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এখানে বড় দুর্ঘটনা ঘটে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় ঘটতে পারে। 
যেমন- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের চেরনোবিল এবং জাপানের ফুকুশিমার দুর্ঘটনা। 
- তুলনামূলকভাবে পরিবেশের উপর নবায়নযোগ্য শক্তির ক্ষতিকর প্রভাব কম, তবে জলবিদ্যুতের জন্য যখন নদীতে বাঁধ দেওয়া হয় তখন একদিকে বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে পরিবেশের ক্ষতি হয়, অন্যদিকে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে বাঁধের পরবর্তী এলাকায় তীব্র খরার সৃষ্টি হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮২৬.
বর্তনীতে কত প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা

• ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে বর্তনীতে প্রধানত দুই প্রকার রোধ বা রোধক ব্যবহার করা হয়।

• রোধ: 
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে। 
- বর্তনীতে দুই প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. স্থির রোধ: 
- যে সকল রোধের মান নির্দিষ্ট অর্থাৎ মানের পরিবর্তন করা যায় না তাদেরকে স্থির রোধ বলে। 

২. পরিবর্তনশীল রোধ: 
- যে সকল রোধের মান প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করা যায় তাদেরকে পরিবর্তনশীল রোধ বলে। 
- বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন এবং বিভব পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তনশীল রোধের প্রয়োজন পড়ে। 

• রোধের নির্ভরশীলতা: 
- কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 
- স্থির তাপমাত্রায় ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮২৭.
প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম 10 টাকা হলে 10টি 100 ওয়াট বাল্ব 3 ঘন্টা জ্বালিয়ে রাখলে কত টাকা বিল পরিশোধ করতে হবে?
  1. ক) 300 টাকা
  2. খ) 100 টাকা
  3. গ) 30 টাকা
  4. ঘ) 3 টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) 30 টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 30 টাকা
ব্যাখ্যা
• ১ ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎস ১ ঘণ্টা চলতে থাকলে যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় হয় তাকে ১ ওয়াট-ঘণ্টা বলা হয়।
• ১ কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎস ১ ঘণ্টা ধরে চলতে থাকলে যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় হয় তাকে ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা ১ ইউনিট বলা হয়।
• ১ ইউনিট = ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা। 

১০ টি ১০০ ওয়াট বাল্ব ৩ ঘন্টা জ্বললে বিদ্যুৎ খরচ হয় (১০ × ১০০ × ৩) = ৩০০০ ওয়াট বা ৩ কিলোওয়াট-ঘন্টা

সুতরাং, বিল পরিশোধ করতে হবে ৩ × ১০ = ৩০ টাকা
৫,৮২৮.
কোন রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি? 
  1. সবুজ
  2. লাল
  3. সাদা
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
- কালো রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি। 
- চায়ের কাপ কালো রঙের হলে তা থেকে অধিক পরিমাণ তাপ শোষণ করবে এবং এতে চা তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হবে। 
- সাদা রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। সেজন্য গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের জামা অধিক আরামদায়ক, কারণ সাদা রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা কম। 
- অন্যদিকে, কালো রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, তা গ্রীষ্মকালে ততটা আরামদায়ক হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮২৯.
ইলেকট্রনকে ত্বরান্বিত করে কোনো ধাতব পদার্থের উপর নিক্ষেপ করা হলে -
  1. ক) আলফা রশ্মি উৎপন্ন হয়
  2. খ) বিটা রশ্মি উৎপন্ন হয়
  3. গ) গামা রশ্মি উৎপন্ন হয়
  4. ঘ) এক্সরে উৎপন্ন হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক্সরে উৎপন্ন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক্সরে উৎপন্ন হয়
ব্যাখ্যা
এক্সরে: 
কোন উপায়ে ইলেকট্রনকে ত্বরান্বিত করে সেই ত্বরান্বিত ইলেকট্রনগুলো কোনো ধাতব পদার্থের উপর নিক্ষেপ করা হলে ঐ পদার্থের ভিতরের ইলেকট্রন দ্বারা বিকর্ষিত হয়ে ত্বরান্বিত ইলেকট্রনগুলোর মন্দন হয় এবং গতি শক্তি হারায়।
এই হারানো গতি শক্তি E = hf আকারে রশ্মিতে পরিণত হয়। একে এক্সরে বলে।

এক্সরের একক হলো রন্টজেন। যে পরিমাণ বিকিরণের জন্য স্বাভাবিক চাপ ও তাপমাত্রায় এক মিলিলিটার বায়ুতে এক কুলম্ব আধান উৎপন্ন করতে পারে তাকে এক রন্টজেন বলে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,৮৩০.
ফল পাকানোর জন্য দায়ী-
  1. ইথিলিন
  2. মিথিলিন
  3. এস্টার
  4. জিবেরেলিন
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
ব্যাখ্যা
• ইথিলিন (C₂H₄):
- ইথিলিন (C₂H₄) একটি উদ্ভিদের হরমোন, যা ফল পাকানোর জন্য প্রধানত দায়ী।
- এটি একটি গ্যাসীয় উদ্ভিদ হরমোন, যা স্বাভাবিকভাবে ফল, ফুল ও অন্যান্য উদ্ভিদকোষ উৎপন্ন করে।
- ইথিলিন ফলের কোষে কিছু এনজাইম সক্রিয় করে ফক পাকতে সাহায্য করে।

অন্যদিকে,
- মিথিলিন (Methyline) – এটি একটি রাসায়নিক যৌগ, যা ফল পাকানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- এস্টার (Ester) – এটি মূলত সুগন্ধি যৌগ, যা ফলের সুগন্ধ বাড়ায়, তবে পাকানোর কাজে সরাসরি ভূমিকা রাখে না।
- জিবেরেলিন (Gibberellin) – এটি গাছের বৃদ্ধি ও অঙ্কুরোদগমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তবে ফল পাকানোর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৮৩১.
সম্মুখী ঝোঁকের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. P-type ধনাত্মক প্রান্তে , N-type ঋণাত্মক প্রান্তে
  2. N-type ধনাত্মক প্রান্তে , P-type ঋণাত্মক প্রান্তে
  3. P-type, N-type উভয়ই ঋণাত্মক প্রান্তে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
P-type ধনাত্মক প্রান্তে , N-type ঋণাত্মক প্রান্তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P-type ধনাত্মক প্রান্তে , N-type ঋণাত্মক প্রান্তে
ব্যাখ্যা
সম্মুখী ঝোঁক:
- যখন জাংশনে বহিভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যাতে বিভব প্রাচীর হ্রাস পায় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ চালু হয় তখন একে সম্মুখী ঝোঁক প্রয়োগ করা বুঝায়।
- এক্ষেত্রে ব্যাটারীর ধনাত্মক প্রান্ত p-টাইপের প্রান্তের সাথে এবং ঋণাত্মক প্রাপ্ত n টাইপের প্রান্তের সাথে সংযোগ দেয়া হয়।
- যখন সম্মুখী ঝোঁক দ্বারা বিভব প্রাচীর অপসারিত হয়, জাংশনের রোধ তখন শূন্যে নেমে আসে।
- তখন p-n জাংশানে ও বহিঃস্থ বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্ঠি হয়।
- এই প্রবাহকে সম্মুখী প্রবাহ বলে।

বিমুখী ঝোঁক:
- যদি বহির্ভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয়, যাতে বিভব প্রাচীরের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তবে এ ধরনের ঝোঁক প্রয়োগকে বলা হয় বিমুখী ঝোঁক প্রয়োগ বা বিপরীত বায়াসিং (Reverse biasing)।
- এক্ষেত্রে ব্যাটারীর ঋণাত্মক প্রান্ত p-টাইপের প্রান্তের সঙ্গে এবং ধনাত্মক প্রান্ত n-টাইপের প্রান্তের সঙ্গে সংযোগ দেয়া হয়।
- বিভব প্রাচীর বৃদ্ধির ফলে আধান বাহকের চলাচলে আরো অধিক বাধার সৃষ্টি হয়।
- অর্থাৎ রোধ অনেক বেড়ে যায় ফলে বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৩২.
নিচের প্রাণীগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে?
  1. মানুষ
  2. বিড়াল
  3. কুকুর
  4. বাদুড়
সঠিক উত্তর:
বাদুড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদুড়
ব্যাখ্যা


সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৩৩.
মৌলগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ধাতু?
  1. লিথিয়াম (Li)
  2. সোডিয়াম (Na)
  3. ক্যালসিয়াম (Ca)
  4. ম্যাগনেসিয়াম (Mg)
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম (Na)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম (Na)
ব্যাখ্যা

• ধাতুর প্রতিক্রিয়াশীলতা: ধাতুর প্রতিক্রিয়াশীলতা নির্ভর করে ধাতুটি কত সহজে ইলেকট্রন হারিয়ে ধনায়ন (cation) তৈরি করতে পারে তার উপর। অর্থাৎ, যে ধাতুটি দ্রুত ইলেকট্রন হারাতে পারে, সেটিই বেশি প্রতিক্রিয়াশীল।

- লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাসিয়াম (K) ইত্যাদি ধাতু গ্রুপ-১ এ অন্তর্ভুক্ত, যাদের প্রতিক্রিয়াশীলতা অত্যন্ত বেশি।
- এদের মধ্যে প্রতিক্রিয়াশীলতা নিচের দিকে বাড়ে, অর্থাৎ Li < Na < K < Rb < Cs 

• সোডিয়াম (Na):
- এটি একটি নরম, রূপালী ধাতু যা বাতাসে বা পানির সংস্পর্শে এলে দ্রুত বিক্রিয়া করে।
- পানির সাথে বিক্রিয়া করলে এটি হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে এবং সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) তৈরি করে:
2Na + 2H2O → 2NaOH + H2
- এই বিক্রিয়াটি এতটাই তীব্র যে, সোডিয়ামকে সাধারণত কেরোসিন তেলে সংরক্ষণ করা হয় যেন এটি বাতাস বা আর্দ্রতার সাথে বিক্রিয়া না করে।

সুতরাং, সবচেয়ে প্রতিক্রিয়াশীল ধাতু হলো সোডিয়াম (Na)।

তথ্যসূত্র: NCTB মধ্যমিক রসায়ন।

৫,৮৩৪.
নিচের কোনটি হিগস বোসনের সঠিক বৈশিষ্ট্য? 
  1. স্পিন আছে, ভর নেই
  2. স্পিন নেই, ভর আছে 
  3. স্পিন ও ভর উভয়ই আছে 
  4. স্পিন ও ভর উভয়ই নেই 
সঠিক উত্তর:
স্পিন নেই, ভর আছে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিন নেই, ভর আছে 
ব্যাখ্যা

হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা। 
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়। 
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্তানান্তরিত হয়। হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্তানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে। 
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত। 

 উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৩৫.
মানবদেহে লেড কত মাত্রার বেশি থাকলে বিষক্রিয়া দেখা দেয়? 
  1. 25 ppb 
  2. 50 ppb
  3. 75 ppb
  4. 85 ppb
সঠিক উত্তর:
50 ppb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50 ppb
ব্যাখ্যা

লেড (pb)-এর ব্যবহার:
- লেড-এসিড স্টোরেজ ব্যাটারির ইলেকট্রোড তৈরিতে লেড পারঅক্সাইড (PbO2) ব্যবহৃত হয়। পরিত্যক্ত স্টোরেজ ব্যাটারির PbO2 মাটিতে ও সারফেস ওয়াটারে Pb2+ আয়নরূপে মিশে থাকে। 
- কয়লার দহনকালে কয়লার মধ্যস্থ লেড যৌগ থেকে লেড বাষ্পরূপে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া হার্বিসাইড লেড আর্সেনেট যুক্ত পাউডার এবং স্প্রে থেকেও লেড বাতাসে সংক্রমিত হয়। পরে অধঃক্ষেপরূপে বাতাস থেকে এসব লেড যৌগ ও লেড কণা মাটিতে পুকুর ও জলাভূমিতে মিশে থাকে। 
- মাটি ও পানি থেকে লেড (II) আয়নরূপে উদ্ভিদ দেহে প্রবেশ করে। পরে উদ্ভিদ থেকে গরু-ছাগল ও হাঁস-মুরগির দেহে চর্বিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। 
- পেট্রোল ইঞ্জিনে ব্যবহৃত জ্বালানির অকটেন নাম্বার বৃদ্ধির জন্য এখনও টেট্রাঅ্যালকাইল লেড (PbR4) ব্যবহৃত হয়। 
- মোটর ইঞ্জিনে জ্বালানির দহনে সৃষ্ট বর্জ্য গ্যাসে লেড বাষ্প লেড অক্সাইডে পরিণত হয়ে মাটিতে অধঃক্ষিপ্ত হয়। এই উভয় উৎসের Pb2+ আয়ন মাটিসহ পুকুর, নদী ও হ্রদের পানিতে মিশে থাকে। 
 
খাদ্য শৃঙ্খলে Pb-এর প্রবেশ পথ: 
- মাটি থেকে উদ্ভিদে এবং উদ্ভিদ থেকে গরু, ছাগল ও পোল্ট্রির হাঁস-মুরগির দেহে তিন ধাপে সঞ্চিত হয়।
- এ সব প্রাণীর মাংস খাদ্যরূপে তৃতীয় স্তরের খাদক মানুষ গ্রহণ করলে মানুষের দেহে লেডের বিষক্রিয়া ঘটায়।
- আবার পুকুর, নদী ও হ্রদের পানি লেড দ্বারা দূষিত হলে ঐ লেড প্রথমে প্লাঙ্কটনে এর পরে মাছ ও পাখির দেহে সঞ্চিত হয়। 
- সবশেষে ঐ মাছ ও পাখির মাংস লেড দূষিত হওয়ায় তা খাদ্য শৃঙ্খলের তৃতীয় পর্যায়ভুক্ত খাদক মানুষের দেহে লেডের বিষক্রিয়া ঘটায়। 
 
লেড (pb)-এর বিষক্রিয়ার প্রভাব: 
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর রিপোর্ট মতে, মানবদেহে লেডের পরিমাণ 50 ppb এর বেশি হলে লেডের বিষক্রিয়া দেখা দেয়। 
- লেডের বিষক্রিয়ায় দাঁতের মাড়ি নীলাভ হয়। 
- এছাড়া লেড হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে বাঁধা দেয়, ফলে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 
- লেড দূষণের ফলে গর্ভবতী মহিলা মৃত সন্তান প্রসব করেন। 
- সাত বছরের কম বয়সের শিশুর লেড বিষাক্ততায় মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়; শিশুর বুদ্ধিবৃত্তি বা IQ হ্রাস পায়। 
 
উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (ড. হাজারী ও নাগ)।

৫,৮৩৬.
পারমাণাবিক বোমা তৈরি হয় কি ধাতু দিয়ে?
  1. ক) রেডিয়াম
  2. খ) প্লুটোনিয়াম
  3. গ) সোডিয়াম
  4. ঘ) ক্যালসিয়মি
সঠিক উত্তর:
খ) প্লুটোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লুটোনিয়াম
ব্যাখ্যা
পারমাণাবিক বোমা তৈরি হয় ইউরেনিয়াম-235 বা প্লুটোনিয়াম-239 ধাতু দিয়ে। বোমা বিস্ফোরণের সময় ইউরেনিয়াম ভেঙ্গে বেরিয়াম এবং ক্রিপ্টনে পরিণত হয়।
Verified From: Britannica Encyclopaedia.
৫,৮৩৭.
তাপ প্রয়োগে তরলকে গ্যাসে পরিণত করবার প্রক্রিয়াটির নাম কী?
  1. ক) গলন
  2. খ) স্ফুটন
  3. গ) বাষ্পীভবন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) স্ফুটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ফুটন
ব্যাখ্যা
তাপ প্রয়োগে কোন তরলের তাপমাত্রা বাড়িয়ে কোন নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় দ্রুত বাষ্পে পরিণত করার পদ্ধতিকে স্ফুটন বলা হয়।

উদাহরণ : পানিতে তাপ প্রয়োগ করলে এর তাপমাত্রা বাড়ে। তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে 100°C মানে পৌঁছালে পানি ফুটতে শুরু করে। এ অবস্থায় তাপ প্রয়োগ অব্যাহত থাকলে পানি দ্রুত বাষ্পে পরিণত হয়।
 
তাপ প্রয়োগ করলে কঠিন বস্তু যখন তরলে পরিণত হয় তখন এই প্রক্রিয়াকে গলন বলে। অর্থাৎ তাপমাত্রা স্থির রেখে পদার্থের কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় পরিণত হওয়াকে গলন বলে। 

সূত্র: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৩৮.
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে-
  1. ক) ১০ কিমি
  2. খ) ১০ নিউটন
  3. গ) ২৭ কিমি
  4. ঘ) ৫ কিমি
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নিউটন
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপৃষ্টে বায়ু চাপ ১০ নিউটন বা 10m/atm.
(m = meter, atm = atmosphere)
• যেহেতু পানির ঘনত্ব সমান তাই তলদেশের দিকে যেতে থাকলে চাপ একই হারে বাড়তে থাকে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বাের্ড বই।
৫,৮৩৯.
তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোথায়?
  1. লাউড স্পীকারে
  2. মোবাইল ফোনে
  3. মাইক্রোফোনে
  4. বৈদ্যুতিক মোটরে
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক মোটরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক মোটরে
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
⇒ মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
⇒ জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
⇒ লাউড স্পীকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা- বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
⇒ মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৪০.
কৃষ্ণবিবর হতে আলো বেরিয়ে আসতে না পারার কারণ কোনটি?
  1. এর মধ্যাকর্ষণ শক্তি অত্যন্ত বেশি
  2. এতে ভাসমান ধুলিকণা অত্যন্ত বেশি
  3. এর মহাকর্ষ শক্তি অত্যন্ত বেশি
  4. এদের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
এর মহাকর্ষ শক্তি অত্যন্ত বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এর মহাকর্ষ শক্তি অত্যন্ত বেশি
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Blackhole)
তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Blackhole)। বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না।
১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।

সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৪১.
ওজনের একক কোনটি?
  1. ক) গ্রাম
  2. খ) কিলোগ্রাম
  3. গ) পাউন্ড
  4. ঘ) নিউটন
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউটন
ব্যাখ্যা
আমরা জানি যে, কোনো বস্তুকে উপরের দিকে ছুড়ে দিলে ভূমিতে ফিরে আসে। এটা ঘটে বস্তুর ওজনের জন্য যা একে পৃথিবীর দিকে টানে। পৃথিবীর অভিকর্ষ বলের কারণে এটা ফিরে আসে ।

কোনো বস্তুকে পৃথিবী যে বল দ্বারা তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে তাকে বস্তুর ওজন বলে। কোনো বস্তুর ভর m এবং পৃথিবীর কোনো স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ g হলে ঐ স্থানে বস্তুর ওজন W হবে, W = mg
ওজনের একক হলো বলের একক অর্থাৎ নিউটন।
৫,৮৪২.
আলোক রশ্মি গমন পথে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে পূর্বের মাধ্যমে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ব্যতিচার
  2. অপসরণ
  3. প্রতিসরণ
  4. প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
প্রতিফলন: 
- কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাঁধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে। 
অর্থাৎ, আলোক রশ্মি গমন পথে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে পূর্বের মাধ্যমে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে প্রতিফলন বলে। 
- যে বিভেদ তল থেকে আলো ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক তল বা প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলে। 
- আর পূর্ববর্তী মাধ্যমে ফিরে আসা আলোকে বলা হয় প্রতিফলিত আলো বা রশ্মি। 
- সাধারণত দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে যে পরিমাণ আলো এসে পড়ে সবসময় তা সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয় না। পতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
যেমন- 
১. মাধ্যম দুটির প্রকৃতির উপর এবং 
২. আপতিত আলো প্রতিফলক তলের উপর কত কোণে আপতিত হয় তার পরিমাণের উপর। 

- প্রতিফলক তল যত বেশি মসৃণ হয় প্রতিফলন তত বেশি হয়। 
- আবার অস্বচ্ছ প্রতিফলকের চেয়ে স্বচ্ছ প্রতিফলকে প্রতিফলন কম হয়। 
যেমন- সাদা তলে আলোর প্রতিফলন বেশি হয়। কালো রঙের তলে আলোর প্রতিফলন হয় না বললেই চলে। 
- কাঁচ একটি আলোক স্বচ্ছ মাধ্যম। এর উপর আলো আংশিক প্রতিফলিত হয়। 
- আবার আলোক রশ্মি লম্বভাবে পড়লে খুব সামান্য প্রতিফলিত হয়। রশ্মি যত বেশি কোণে আপতিত হয় প্রতিফলনের পরিমাণও তত বেশি হয়। 
- প্রতিফলন তলের মসৃণতা অনুযায়ী প্রতিফলনকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- ১. নিয়মিত প্রতিফলন এবং ২. ব্যাপ্ত প্রতিফলন। 

আলোর প্রতিফলনের সূত্র: 
- আলোর প্রতিফলন দু'টি সূত্র মেনে চলে, এদের প্রতিফলনের সূত্র বলে। 
- সূত্র দু'টি হলো - 
১. আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে প্রতিফলকের উপর অংকিত অভিলম্ব এবং প্রতিফলিত রশ্মি একই সমতলে থাকে। 
২. আপতন কোণ এবং প্রতিফলন কোণ সর্বদা সমান হয়। 
অর্থাৎ, আপতন কোণ i এবং প্রতিফলন কোণ r হলে, ∠i = ∠r । 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৪৩.
তড়িৎপ্রবাহ পরিমাপ করা হয় কোনটির সাহায্যে?
  1. ক) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
  2. খ) অ্যামিটার
  3. গ) ভোল্টমিটারের
  4. ঘ) ক্যালরিমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যামিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যামিটার
ব্যাখ্যা
- অ্যামিটার ব্যবহৃত হয় তড়িৎপ্রবাহ পরিমাপের জন্য।
- কোনো বস্তুতে উপস্থিত আধানের অস্তিত্ব নির্ণয় করা হয় তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে।
- বিভব পার্থক্য নির্ণয় করা হয় ভোল্টমিটারের সাহায্যে।
- তাপ পরিমাপক যন্ত্র হচ্ছে ক্যালরিমিটার। 

সূত্র: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, নবম-দশম শ্রেণি। 
৫,৮৪৪.
পানির অণু নিচের কোন ধরনের চুম্বকীয় পদার্থ?
  1. প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ
  2. ডায়াচুম্বকীয় পদার্থ
  3. ফেরোচুম্বকীয় পদার্থ
  4. অ্যান্টি-ফেরোচুম্বকীয় পদার্থ
সঠিক উত্তর:
ডায়াচুম্বকীয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াচুম্বকীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা

• পানির অণু একটি ডায়াচৌম্বকীয় (Diamagnetic) পদার্থ কারণ এর পরমাণুগুলোতে থাকা সমস্ত ইলেকট্রন জোড়ায় জোড়ায় (paired) থাকে। যখন পানির অণুকে কোনো বাহ্যিক শক্তিশালী চুম্বক ক্ষেত্রের কাছে নেওয়া হয়, তখন এটি আকর্ষিত হওয়ার পরিবর্তে খুব সামান্য পরিমাণে বিকর্ষিত (repelled) হয়। এই দুর্বল বিকর্ষণ ধর্মই ডায়াচুম্বকত্বের বৈশিষ্ট্য।

• প্যারাচৌম্বক: 
- এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ। 

• ডায়াচৌম্বক: 
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। 
অর্থাৎ, সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- হাইড্রোজেন, পানির অণু (H2O), সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ। 

• ফেরোচৌম্বক: 
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৪৫.
কোনটি ভিনেগার? 
  1. 6-10% CH3-COOH
  2. 6-10% HCOOH
  3. 6-10% C6H5COOH
  4. 6-10% C2H5COOH
সঠিক উত্তর:
6-10% CH3-COOH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6-10% CH3-COOH
ব্যাখ্যা
ভিনেগার
- প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ভিনেগার অতুলনীয়। 
- ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড (CH3-COOH) -এর 6-10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে। 
- এটি বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস। 
- এটি বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় ও দামে সস্তা এবং অতি সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়। 
- খাদ্য দ্রব্যে প্রিজারভেটিভস হিসেবে একে ব্যবহার করলে খাদ্যদ্রব্যের pH এর মান কমিয়ে দেয়। 
- তখন অণুজীবগুলো আর বংশ বিস্তার করতে পারে না। যেমন- অধিকাংশ অণুজীবের বংশ বিস্তারের অনুকূল pH এর মান 6.5-7.5 এর মধ্যে। 
- তাই প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের কোনো তুলনা হয় না। 

ভিনেগারের ব্যাপক ব্যবহারের কারণ: 
১. মাত্র ৬% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ হওয়ায় এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 
২. যদিও ভিনেগার এসিডের দ্রবণ কিন্তু খাদ্যের সাথে এটি গ্রহণে পেটে এসিডিটির কোনো সমস্যা হয় না। 
৩. ভিনেগার ব্যবহারে খাদ্য দ্রব্য দীর্ঘ সময় টাটকা থাকে। 
৪. পানিতে অতি সহজেই যেকোনো অনুপাতে মিশ্রণীয়। 
৫. দামে সস্তা এবং সহজেই সংগ্রহ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৪৬.
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ -
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. একই থাকে
  4. তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল নয়।
সঠিক উত্তর:
কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমে
ব্যাখ্যা
- তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ কমে। 
- ঠাণ্ডা পানি গরম পানির চেয়ে বেশি দ্রবীভূত অক্সিজেন ধরে রাখতে পারে।
-  শীতকালে এবং বসন্তের শুরুতে, যখন পানির তাপমাত্রা কম থাকে, তখন দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
- গ্রীষ্ম এবং শরত্কালে, যখন পানির তাপমাত্রা বেশি থাকে, তখন দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমান প্রায়ই কম থাকে।
- উষ্ণ পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় কম দ্রবীভূত অক্সিজেন ধারণ করার কারণ অণুগুলি ঠান্ডা পানির তুলনায় দ্রুত গতিতে চলে এবং এর ফলে অক্সিজেন পানি থেকে বেরিয়ে যায়।
 
উৎস: www.usgs.gov/
৫,৮৪৭.
সেলসিয়াস স্কেলে কোন স্থানের তাপমাত্রা 35 ডিগ্রী হলে ফারেনহাইট স্কেলে তাপমাত্রা কত হবে?
  1. 67 ডিগ্রী ফারেনহাইট
  2. 95 ডিগ্রী ফারেনহাইট
  3. 135 ডিগ্রী ফারেনহাইট
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
95 ডিগ্রী ফারেনহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
95 ডিগ্রী ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেলের সম্পর্কঃ
C/5 = (F-32)/9
35/5 = (F-32)/9
বা, 7 = (F-32)/9
বা, (F-32) = 63
বা, F = 63+32
বা, F = 95
৫,৮৪৮.
সাপের বিষে কী থাকে?
  1. ক) জিঙ্ক সালফাইড
  2. খ) কপার সালফাইড
  3. গ) লেড মনোফাইড
  4. ঘ) ফ্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ক) জিঙ্ক সালফাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জিঙ্ক সালফাইড
ব্যাখ্যা
সাপের বিষে জিঙ্ক সালফাইড পাওয়া যায়। এই জিঙ্ক সালফাইডের উপস্থিতির জন্যই ব্যাথা হয়। তবে সাপভেদে বিভিন্ন নিউরোটক্সিনের উপস্থিতির কারণে বিষের প্রভাবে তারতম্য ঘটে। জিঙ্ক সালফাইড আলোকোজ্জ্বল আলোকচিত্রের কাজেও ব্যবহার করা যায়।
Source: WHO, NatGEO, britannica
৫,৮৪৯.
একটি ৩৫ নিউটন ওজনের গাছের গুড়ি পানিতে রাখায় তার ওজন ৩০ নিউটন অনুভূত হলো। গাছটি দ্বারা অপসারিত পানির ওজন কত হবে?
  1. ক) ৩৫ নিউটন
  2. খ) ৩০ নিউটন
  3. গ) ৫ নিউটন
  4. ঘ) গাছটি পানি অপসারণ করবে না।
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ নিউটন
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিসের নীতি: বস্তুকে কোনো স্থির তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ ডুবালে বস্তুটি কিছু ওজন হারায়, এই হারানো ওজন বস্তুটি দ্বারা অপসারিত তরল পদার্থের ওজনের সমান।

এখানে, 
গাছের প্রকৃত ওজন ৩৫ নিউটন 
পানিতে অনুভূত ওজন ৩০ নিউটন  
∴ গাছটির হারানো ওজন = (৩৫ - ৩০) নিউটন 
= ৫ নিউটন 

আমরা জানি,
পানিতে বস্তুর হারানো ওজন = বস্তু দ্বারা অপসারিত পানির ওজন 

∴ গাছটি দ্বারা অপসারিত পানির ওজন ৫ নিউটন হবে।
৫,৮৫০.
তরঙ্গ সঞ্চালনের সময় কোনো কণার একটি পূর্ণ কম্পন (স্পন্দন) সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে, তাকে কী বলে?
  1. কম্পাঙ্ক
  2. পর্যায়কাল
  3. বিস্তার
  4. তরঙ্গ দৈর্ঘ্য
সঠিক উত্তর:
পর্যায়কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়কাল
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে সৃষ্ট যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন ঐ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চালিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না সেই পর্যাবৃত্ত আন্দোলনকে তরঙ্গ বলে। 

তরঙ্গ দৈর্ঘ্য: 
- তরঙ্গ সঞ্চারকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে। 
- তরঙ্গের উপর পরপর দুটি সমদশা সম্পন্ন কণার মধ্যবর্তী দূরত্বই তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্যকে গ্রীক বর্ণ λ (ল্যামডা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- পর পর দুটি তরঙ্গ শীর্ষ বা পরপর দুটি তরঙ্গ পাদের মধ্যবর্তী দূরত্বও একটি তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 

তরঙ্গ শীর্ষ ও তরঙ্গ পাদ: 
- তরঙ্গের সাম্যাবস্থান থেকে সর্বোচ্চ (ধনাত্মক) বিস্তারের বিন্দুটিকে তরঙ্গ শীর্ষ এবং সর্বনিম্ন (ঋণাত্মক) বিস্তারের বিন্দুটিকে তরঙ্গ পাদ বলা হয়। 
- অসংখ্য তরঙ্গ পাদ এবং তরঙ্গ শীর্ষ নিয়ে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। 

তরঙ্গ বেগ: 
- তরঙ্গ নির্দিষ্ট দিকে একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ঐ তরঙ্গের বেগ বা সংক্ষেপে তরঙ্গ বেগ বলে। 
- তরঙ্গ বেগকে v দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

পর্যায়কাল: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোন কণার একটি স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। 
- পর্যায়কালকে T অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। পর্যায়কালের একক সেকেন্ড (s)। 

কম্পাঙ্ক: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ঐ কণার বা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে। 
- কম্পাঙ্ককে সাধারণত ƒ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। কম্পাঙ্কের একক হার্জ (Hz)। 

বিস্তার: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা সাম্য অবস্থান থেকে যে কোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গের বিস্তার বলে। 

দশা: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তের গতির সম্যক অবস্থানকে তার দশা বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৫১.
একটি নির্দিষ্ট ব্যাসের কৈশিক নলে পানি h উচ্চতা পর্যন্ত ওঠে। অপর কৈশিক নল নেওয়া হল যার ব্যাস পূর্বের নলের অর্ধেক। দ্বিতীয় নলে পানি যে উচ্চতা পর্যন্ত উঠবে তা হল-
  1. h
  2. 2h
  3. 1/2 h
  4. 1/4 h
সঠিক উত্তর:
2h
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2h
ব্যাখ্যা

কৈশিক ক্রিয়া অনুযায়ী তরল যে উচ্চতায় উঠে, সেটির সমীকরণ
h = (2T cosθ) / (ρ g r)

যেখানে,
T = পৃষ্ঠটান ।
θ = সংস্পর্শ কোণ। 
ρ = পানির ঘনত্ব।
g = মধ্যাকর্ষণ বল।
r = কৈশিক নলের ব্যাসার্ধ।
অর্থাৎ, h ∝ 1/r
ধরি,
প্রথম নলের ব্যাস = 2r.
ব্যাসার্ধ = r, উচ্চতা = h
দ্বিতীয় নলের ব্যাস = (2r)/2 = r
ব্যাসার্ধ = r/2 
ব্যাসার্ধ অর্ধেক হলে উচ্চতা দ্বিগুণ হবে।
∴ দ্বিতীয় নলে পানি উঠবে = 2h.

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫,৮৫২.
তেজস্ক্রিয়তার কোন বৈশিষ্ট্যটি সত্য?
  1. এটি শুধুমাত্র তাপের দ্বারা পরিবর্তিত হয়
  2. এটি শুধুমাত্র বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত
  3. এটি একটি নিউক্লীয় ঘটনা এবং বাইরের কোনো উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না
  4. এটি বাইরের চাপ, তাপ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় 
সঠিক উত্তর:
এটি একটি নিউক্লীয় ঘটনা এবং বাইরের কোনো উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি একটি নিউক্লীয় ঘটনা এবং বাইরের কোনো উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না
ব্যাখ্যা

- তেজস্ক্রিয়তার সঠিক বৈশিষ্ট্যটি হছে 'এটি একটি নিউক্লীয় ঘটনা এবং বাইরের কোনো উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না'। 

তেজস্ক্রিয়তা: 
- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে সেটাকে স্থিতিশীল রাখার জন্য নিউট্রনের সংখ্যাও বেড়ে যেতে থাকে, কিন্তু তারপরও নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা 82 অতিক্রম করার পর থেকে নিউক্লিয়াসগুলো অস্থিতিশীল হতে শুরু করে। এই অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াসগুলো কোনো এক ধরনের বিকিরণ করে স্থিতিশীল হওয়ার চেষ্টা করে এবং এই প্রক্রিয়াটাকে বলা হয় তেজস্ক্রিয়তা। 
- নিউক্লিয়াসের ভেতর থেকে যে বিকিরণ বের হয়ে আসে তাকে বলে তেজস্ক্রিয় রশ্মি। 
- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা 82 অতিক্রম করলেই (পারমাণবিক সংখ্যা ৪2 থেকে বেশি) যে নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় হয়ে থাকে তা নয়, অন্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসও তেজস্ক্রিয় হতে পারে। 
- একটি মৌলের বাহ্যিক ধর্ম, প্রকৃতি, এবং রাসায়নিক গুণাগুণ নির্ভর করে বাইরের ইলেকট্রনের শ্রেণিবিন্যাসের ওপর। 
- 1896 সালে হেনরি বেকেরেল (Henri Becquerel) প্রথম ইউরেনিয়াম থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। 
- পরবর্তীতে আরনেস্ট রাদারফোর্ড, পিয়ারে কুরি, মেরি কুরি এবং অন্যা বিজ্ঞানীরা অন্যান্য মৌলের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- এটি বাইরের চাপ, তাপ, বৈদ্যুতিক বা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে কোনোভাবে প্রভাবিত বা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, কাজেই এটি একটি নিউক্লী ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তার কারণে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়ে নিউক্লিয়াসের গঠন পরিবর্তিত হয়ে সেটিও ভিন্ন একটি মৌলে রূপান্তরিত হয়ে যেতে পারে। 
- নিউক্লিয়াস থেকে যে তিনটি প্রধান তেজস্ক্রিয় রশ্মি বের হয়, সেগুলো হচ্ছে আলফা, বিটা এবং গামা রশ্মি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৫৩.
নিচের কোনটি অ্যালকেলি মেটাল (Alkali Metals)?
  1. ক্যালসিয়াম
  2. ম্যাগনেসিয়াম
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
• অ্যালকেলি মেটাল (Alkali Metals) বা ক্ষারধাতু:
- পর্যায় সারণির গ্রুপ ১ (Group 1) এর মৌলসমূহকে অ্যালকেলি মেটাল (Alkali Metals) বলে।
- এরা অত্যন্ত সক্রিয় ধাতু এবং এদের কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
এই গ্রুপের ধাতুগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- লিথিয়াম (Li), 
- সোডিয়াম (Na), 
- পটাসিয়াম (K), 
- রুবিডিয়াম (Rb), 
- সিজিয়াম (Cs), 
- ফ্রানসিয়াম (Fr), 

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৮৫৪.
প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমান কত?
  1. ক) ৯০%
  2. খ) ৮৫%
  3. গ) ৮৯%
  4. ঘ) ৮০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮০
ব্যাখ্যা

- প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমান ৮০%।

প্রাকৃতিক গ্যাস:ঃ
- প্রাকৃতিক গ্যাসে সবচেয়ে পরিমানে বেশি থাকে মিথেন।
- প্রাকৃতিক গ্যাসে ইথেন ৭%।
- প্রাকৃতিক গ্যাসে প্রোপেন ৬%।
- প্রাকৃতিক গ্যাসে বিউটেন ৪%।
- প্রাকৃতিক গ্যাসে পেন্টেন  ৩%।

তথ্যসূত্র -রসায়ন,নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৫৫.
ভিনেগারের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. HCl
  2. HNO3
  3. CH3COOH
  4. H2SO4
সঠিক উত্তর:
CH3COOH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CH3COOH
ব্যাখ্যা

• CH3COOH — ভিনেগার মূলত ৫–৬% ইথানয়িক অ্যাসিড (Acetic acid) এর জলীয় দ্রবণ।
 
• অ্যাসিডের ধারণা ও শ্রেণিবিভাগ:
- যেসব রাসায়নিক পদার্থ পানিতে আয়নিত হয়ে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) উৎপন্ন করে, তাদের অ্যাসিড বলে।
- উদাহরণ: HCl → H+ + Cl-, CH3COOH → CH3COO- + H+.
- স্বাদে টক এবং নীল লিটমাসকে লাল করে।

• জৈব অ্যাসিড:
- ফলমূল বা উদ্ভিজ্জ উৎসে পাওয়া যায়।
- অণুতে সাধারণত কার্বক্সিল মূলক (-COOH) উপস্থিত থাকে।
- সাধারণত দুর্বল প্রকৃতির এবং আংশিকভাবে আয়নিত হয়।
- উদাহরণ: সাইট্রিক অ্যাসিড, টারটারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড, অ্যাসিটিক অ্যাসিড।

• অজৈব বা খনিজ অ্যাসিড:
- খনিজ পদার্থ থেকে প্রস্তুত।
- অধিকাংশই শক্তিশালী এবং সম্পূর্ণ আয়নিত হয়।
- উদাহরণ: হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCl), নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3), সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4), ফসফরিক অ্যাসিড (H3PO4)।

• ভিনেগার (Vinegar):
- ৫–৬% ইথানয়িক অ্যাসিড (CH3COOH) এর জলীয় দ্রবণ।
- এটি একটি দুর্বল জৈব অ্যাসিড।
- খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়া প্রতিরোধ করে খাদ্য পচন রোধ করে।
- মাছ ও মাংস নরম করতেও ব্যবহৃত হয়।

• ভিনেগারের রাসায়নিক ধর্ম:
- CH3COOH + H2O ⇌ CH3COO- + H3O+.
- আংশিক আয়নিত হয়, তাই এটি দুর্বল অ্যাসিড।
- pH মান ৭-এর কম।
 
• অন্যান্য অপশন:
- HCl → শক্তিশালী অজৈব অ্যাসিড, পাকস্থলীতে খাদ্য হজমে সহায়ক।
- HNO3 → শক্তিশালী নাইট্রিক অ্যাসিড, সার ও বিস্ফোরক প্রস্তুতে ব্যবহৃত।
- H2SO4 → শক্তিশালী সালফিউরিক অ্যাসিড, ব্যাটারি ও শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৫৬.
Which color of light has the longest wavelength?
  1. Blue
  2. Violet
  3. Yellow
  4. Orange
  5. Red
সঠিক উত্তর:
Red
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Red
ব্যাখ্যা
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৮৫৭.
১ ফ্যাদম = ?
  1. ক) ২.৬ ফুট
  2. খ) ৩.৪ ফুট
  3. গ) ৫.২ ফুট
  4. ঘ) ৬ ফুট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ ফুট
ব্যাখ্যা
১ ফ্যাদম = ৬ ফুট বা ১.৮৩ মিটার।
এই একক পানির গভীরতা পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দুই হাত প্রসারিত করলে এক হাতের মধ্যাঙ্গুলির প্রান্ত থেকে অন্য হাতের মধ্যাঙ্গুলির প্রান্ত পর্যন্ত এক ফ্যাদম ধরা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা [লিংক]
৫,৮৫৮.
যদি প্রধান শক্তিস্তর n = 3 হয়, তবে M শক্তিস্তরের সর্বাধিক ইলেকট্রন সংখ্যা কত?
  1. 18
  2. 16
  3. 8
  4. 32
সঠিক উত্তর:
18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
18
ব্যাখ্যা

পরমাণুর শক্তিস্তরে ইলেকট্রন বিন্যাস: 
- বোরের মডেলে যে শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে তাকে প্রধান শক্তিস্তর বলা হয়। 
- প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2, যেখানে n = 1, 2, 3, 4 ইত্যাদি। 
অতএব এই সূত্রানুসারে- 
• K শক্তিস্তরের জন্য n = 1 অতএব, K শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = 2n2 টি = (2 × 12) টি = 2 টি। 
• L শক্তিস্তরের জন্য n = 2 অতএব, L শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = 2n2 টি = (2 × 22) টি = 8 টি। 
M শক্তিস্তরের জন্য n = 3 অতএব, M শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = 2n2 টি = (2 × 32) টি = 18 টি। 
• N শক্তিস্তরের জন্য n = 4 অতএব, N শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = 2n2 টি = (2 × 42) টি = 32 টি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৫৯.
ভেক্টর রাশির ধর্ম নয় কোনটি?
  1. ক) ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে।
  2. খ) দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
  3. গ) ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়।
  4. ঘ) দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
ব্যাখ্যা
কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়।
এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি:
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়।
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

 ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়।
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি।  

ভেক্টর রাশির ধর্ম (Properties of vector):

- ভেক্টর রাশিগুলো কিছু মৌলিক নিয়ম বা ধর্ম অনুসরণ করে। যেমন -
- ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে।
- সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না।
- দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
- দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি।
- ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না।
- ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়।
- ভেক্টর রাশির উদাহরণ সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল, কৌণিক ভরবেগ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৬০.
তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা যায়?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
দুই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা-
১. প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষ:
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে।
- লেকল্যান্স কোষ, ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ।

২. সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষ:
- যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে।
- লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ, লেড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৬১.
তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেলে বাতাসে শব্দের বেগ কতটুকু বৃদ্ধি পায়?
  1. ক) ০.৩১ মিটার/সেকেন্ড
  2. খ) ০.৬০ মিটার/সেকেন্ড
  3. গ) ১.০ মিটার/সেকেন্ড
  4. ঘ) ০.৫ মিটার/সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৬০ মিটার/সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৬০ মিটার/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের বেগও বাড়ে।
যেমন, পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস (0°) তাপমাত্রায় বাতাসে শব্দের গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩১ মিটার।
কিন্তু প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে এর বেগ ০.৬ মিটার বৃদ্ধি পাবে।
শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের উপরও নির্ভর করে। যে মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি সে মাধ্যমে শব্দের বেগও বেশি। ফলে পানিতে শব্দের বেগ ১৪৪০ মিটার/সেকেন্ড। কঠিন পদার্থ যেমন কাঠের মধ্যে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা ১২ গুণ বেশি। ইস্পাতে শব্দের বেগ বায়ুর চেয়ে ১৫ গুণ বেশি। সহজ কথায়, যে পদার্থের ঘনত্ব বেশি সে পদার্থে শব্দের বেগও বেশি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
৫,৮৬২.
নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়- 
  1. বায়ু টারবাইনে
  2. সৌর প্যানেলে
  3. সৌর ক্যালকুলেটরে
  4. পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া: 
- নিউক্লিয় ফিউশন হল সেই প্রক্রিয়া যেখানে দুটি হালকা নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াস তৈরি করে। 
- এই বিক্রিয়াকে সংযোজন বিক্রিয়াও বলা হয়। 
- ফিউশন বিক্রিয়ার ফলে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়, যা সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রের শক্তির মূল উৎস। 
- হাইড্রোজেন বোমার কার্যপ্রক্রিয়া নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে। 

নিউক্লিয় ফিশন বিক্রিয়া: 
- নিউক্লিয় ফিশন হল এমন একটি পারমাণবিক প্রক্রিয়া যেখানে একটি ভারী নিউক্লিয়াস ভেঙে দুটি বা ততোধিক হালকা নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। 
- একে বিয়োজন বিক্রিয়াও বলা হয়। 
- এই বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়, যা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পারমাণবিক অস্ত্র, বিশেষত পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৬৩.
রোধের এস আই একক কী? 
  1. ও'ম
  2. সিমেন্স
  3. ভোল্ট
  4. অ্যাম্পিয়ার
সঠিক উত্তর:
ও'ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ও'ম
ব্যাখ্যা
রোধ: 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি হয় ইলেকট্রনের প্রবাহের জন্য। 
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য থাকলে এই প্রবাহ শুরু হয়, এক্ষেত্রে ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- এই ইলেকট্রন স্রোত পরিবাহীর মধ্য দিয়ে চলার সময় পরিবাহীর অভ্যন্তরস্থ অণু-পরমাণুর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ফলে এর গতি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহও বিঘ্নিত হয়। পরিবাহীর এই বাধাদানের ধর্ম হলো রোধ। 
- রোধের এস আই একক হলো ও'ম। 
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য ১ ভোল্ট এবং এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ ১ অ্যাম্পিয়ার হলে, ঐ পরিবাহীর রোধ হবে ১ ও'ম। 

অন্যদিকে, 
- তড়িৎ প্রবাহের একক হচ্ছে- অ্যাম্পিয়ার। 
- তড়িৎ পরিবাহিতার একক হচ্ছে- সিমেন্স। 
- বিভব পার্থ্যকের একক হচ্ছে- ভোল্ট । 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫,৮৬৪.
ট্রানজিস্টরের সাথে রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে যে সার্কিট তৈরি করা হয় তাকে কী বলে?
  1. IC
  2. RAM
  3. Processor
  4. Motherboard
সঠিক উত্তর:
IC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IC
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC):
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
- আইসি আবিষ্কারের সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৬৫.
পরমশূন্য তাপমাত্রা কত?
  1. - ২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  2. ২৭৩ কেলভিন
  3. - ২৭৩ কেলভিন
  4. শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
- ২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- ২৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
• পরমশূন্য তাপমাত্রা:
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলে।
- পরমশূন্য তাপমাত্রা হলো: -২৭৩°C বা শূণ্য কেলভিন।
- পরমশূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না।
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্দ হয়ে যায়।
- এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়।
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি হাজারী নাগ।
৫,৮৬৬.
পানিতে শব্দের বেগ কত?
  1. ক) 920 ms-1
  2. খ) 790 ms-1
  3. গ) 1140 ms-1
  4. ঘ) 1493 ms-1
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1493 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1493 ms-1
ব্যাখ্যা

বাতাসের চেয়ে তরল পদার্থে শব্দের বেগ বেশি।
তরলের চেয়ে কঠিন পদার্থে শব্দের বেগ বেশি।
বাতাসে শব্দের বেগ ৩৩০ মি/সে,
পানিতে ১৪৯৩ মি/সে,
লােহাতে ৫১৩০ মি/সে এবং
হীরায় শব্দের বেগ ১২,০০০ মি/সে।
উৎসঃ নবম দশম শ্রেণীর পদার্থজ্ঞান বই, পৃষ্ঠা নং ২০৩

৫,৮৬৭.
আপেক্ষিকতার নীতি অনুযায়ী, কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ মূলত কীভাবে পরিমাপ করা হয়?
  1. শূন্য মাধ্যমে
  2. আলোর উৎসের সাপেক্ষে 
  3. স্থির বিন্দুর সাপেক্ষে
  4. প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা

আপেক্ষিকতার নীতি: 
- যখন কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ পরিমাপ করা হয় তখন কোনো স্থির বিন্দুকে প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা হয়। 
- ঐ প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দূরত্বকে তার অবস্থান বলা হয় এবং প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দ্রতিকে বেগ বলা হয়, কিন্তু এই মহাবিশ্বে কোনো কিছুই স্থির নয়। 
- সুতরাং পরম স্থির বলে কোনো অবস্থান পাওয়া সম্ভব নয় যাকে স্থির প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা যায়। তাই প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে যা পরিমাপ করা হয় তা পরম নয়। 
অর্থাৎ, সব সময় অবস্থান বা বেগকে আপেক্ষিকভাবে পরিমাপ করা হয়। 
- চিরায়ত বল বিদ্যার মতে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি।
- কিন্তু ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান। তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়, এগুলো সকলই আপেক্ষিক। 
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এদের পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। 
- উচ্চ গতিশীল (আলোর কাছাকাছি বেগে) বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়, আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক বলা হয়। 
- পরমাণবিক ও নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে এই তত্ত্বের গুরত্ব অপরিসীম। 
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বে বলেন প্রাকৃতিক নিয়মাবলীর গাণিতিক সূত্রসমূহ সকল জড় কাঠামোতে অভিন্ন, এটাই আপেক্ষিকতার নীতি। 
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। 
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 
প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 
দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৬৮.
কোন বিজ্ঞানী পড়ন্ত বস্তুর সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন? 
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. জোহান কেপলার
  4. গ্যালেলিও গ্যালিলাই
সঠিক উত্তর:
গ্যালেলিও গ্যালিলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালেলিও গ্যালিলাই
ব্যাখ্যা
পড়ন্ত বস্তুর সূত্রসমূহ: 
- কোন বস্তুকে উপর থেকে ছেড়ে দিলে অভিকর্ষের প্রভাবে মাটিতে পড়ে। 
- বাতাসের বা অন্য কোন বাঁধা দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে কেবল অভিকর্ষের প্রভাবে পড়ন্ত বস্তুকে বলা হয় মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তু। 
- ষোড়শ শতাব্দীতে ইটালীর বিখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী গ্যালেলিও গ্যালিলাই পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে তিনটি সূত্র দেন, এই সূত্রগুলোকে পড়ন্ত বস্তুর সূত্র বলা হয়। 
- এই সূত্রগুলো এখন সর্বজন গৃহীত সূত্র। 
- সূত্রগুলো নিম্নরূপ - 
প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাঁধায় বা মুক্তভাবে পড়ন্ত সকল বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে। 

দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে প্রাপ্ত বেগ ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, বস্তু t সময়ে v বেগ প্রাপ্ত হলে, v ∝ t  । 

তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, t সময়ে বস্তু h দূরত্ব অতিক্রম করলে, h ∝ t2  । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৬৯.
সবচেয়ে হালকা ধাতু কোনটি?
  1. হিলিয়াম
  2. পারদ
  3. সোডিয়াম
  4. লিথিয়াম
সঠিক উত্তর:
লিথিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিথিয়াম
ব্যাখ্যা

• লিথিয়াম (Li):
- লিথিয়াম (Li) হলো বিশ্বের সবচেয়ে হালকা ধাতু।
- এটি পারমাণবিক সংখ্যা ৩ এবং ঘনত্ব পানির ঘনত্ব এর চেয়েও কম।
- ফলে লিথিয়াম পানিতে ভাসতে পারে।

• লিথিয়ামের বিশেষ বৈশিষ্ট্য:
- এটি পর্যায় সারণির ক্ষারীয় ধাতু (Alkali Metal) গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত।
- এটি খুবই হালকা এবং নরম, ছুরি দিয়ে কাটা যায়।
- এটি খুব বেশি বিক্রিয়াশীল (reactive), বিশেষ করে পানির সাথে তীব্র বিক্রিয়া করে।
- লিথিয়াম ব্যাটারি, ওষুধ (বাইপোলার ডিসঅর্ডার), মহাকাশ প্রযুক্তি, এবং হালকা সংকর ধাতু (alloy) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

• কয়েকটি ধাতু সম্পর্কে গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
- পারদ একমাত্র ধাতু যা তরল অবস্থায় থাকে, এটি তাপ কুপরিবাহী, ধাতুর মধ্যে পারদের গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম।
- সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু- পটাসিয়াম (K)।
- সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ধাতু- লোহা।
- উড়োজাহাজ তৈরিতে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়।
- লিথিয়াম, সোডিয়াম এবং পটাসিয়াম ধাতু পানি আপেক্ষা হালকা।
- লোহা বায়ুর অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে মরিচা (Fe2O3.nH2O) গঠন করে।
- সোডিয়াম ধাতুকে কেরোসিনের নিচে রাখা হয়।
- সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু- প্লাটিনাম।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, রসায়ন এবং ব্রিটানিকা।

৫,৮৭০.
পদার্থের ক্ষয় ঘটায় কোনটি?
  1. সূর্যের আলো
  2. বাতাস ও পানি
  3. শীতল তাপমাত্রা
  4. নিষ্ক্রিয় পদার্থ
সঠিক উত্তর:
বাতাস ও পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাস ও পানি
ব্যাখ্যা

• পদার্থের ক্ষয়: এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে পদার্থ ধীরে ধীরে তার প্রাকৃতিক অবস্থা, শক্তি বা আকৃতি হারায়, সাধারণত রাসায়নিক বিক্রিয়া বা পরিবেশগত প্রভাবে।

বাতাস ও পানি:
- বাতাসে থাকা অক্সিজেন এবং পানির আর্দ্রতা লোহা বা অন্যান্য ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে।
- এর ফলে ধাতু মরচে ধরে বা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
- উদাহরণ: লোহা যখন আর্দ্র পরিবেশে থাকে, তখন লোহায় লাল মরচে গঠিত হয়।

অন্যান্য উপাদান:
- সূর্যের আলো: এটি প্রধানত তাপ ও আলোর প্রভাব ফেলে, কিন্তু সরাসরি ক্ষয় ঘটায় না।
- শীতল তাপমাত্রা: পদার্থকে ঠান্ডা করে, কিন্তু ক্ষয় সৃষ্টি করে না।
- নিষ্ক্রিয় পদার্থ: রাসায়নিকভাবে প্রতিক্রিয়াশীল নয়, তাই ক্ষয় ঘটায় না।

সুতরাং, পদার্থের ক্ষয় ঘটায় মূলত বাতাস ও পানি।

তথ্যসূত্র: NCTB মধ্যমিক রসায়ন।  

৫,৮৭১.
কোনটি চাপের একক? 
  1. ওয়াট
  2. জুল
  3. নিউটন
  4. প্যাসকেল
সঠিক উত্তর:
প্যাসকেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যাসকেল
ব্যাখ্যা
চাপ: 
- চাপ হলো একক ক্ষেত্রফলে কোন বস্তুর তলের ওপর লম্বভাবে প্রযুক্ত সমভাবে বিতরিত বল। 
- পারিপার্শ্বিক চাপের সাপেক্ষে যে চাপ উৎপন্ন হয় তাকে বলা হয় গজ চাপ। 
- চাপের একক হলো প্যাসকেল এবং সংকেত Pa. 

অন্যদিকে, 
- কাজ/শক্তি/তাপের একক - জুল, 
- বল/ওজনের একক - নিউটন এবং 
- বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক - ওয়াট। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি।
৫,৮৭২.
হাইড্রোজেনের প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন স্থায়ী আইসোটোপ কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

হাইড্রোজেনের প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন স্থায়ী আইসোটোপ সংখ্যা ৩টি। 

স্থায়ী আইসোটোপ
- স্থায়ী আইসোটোপ তিনটি যা প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। এরা হল হাইড্রোজেন/প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম।
- যে সব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, সে সব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
- আইসোটোপসমূহের মধ্যে রাসায়নিক ধর্মের কোন পার্থক্য দেখা যায় না।
- হাইড্রোজেনের আইসোটোপ তিনটিতেই হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা 1।
- প্রথমটির ভর সংখ্যা 1, দ্বিতীয়টির 2 এবং তৃতীয়টির 3।
- প্রথম আইসোটোপে কোন নিউট্রন নেই, দ্বিতীয়টিতে ১টি নিউট্রন এবং তৃতীয়টিতে ২টি নিউট্রন আছে।
- প্রকৃতিতে সকল আইসোটোপের পরিমাণ সমান থাকে না। যেমন, এক লক্ষ হাইড্রোজেন পরমাণুর মধ্যে হাইড্রোজেনের পরিমাণ 99985 টি, ডিউটেরিয়াম পরমাণুর সংখ্যা 15টি এবং ট্রিটিয়ামের সংখ্যা অতি নগণ্য।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৭৩.
মুদ্রা ধাতু বলতে কোন গ্রুপের মৌলগুলোকে বোঝায়?
  1. গ্রুপ-২ 
  2. গ্রুপ-১১
  3. গ্রুপ-১৭ 
  4. গ্রুপ-১৮
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ-১১
ব্যাখ্যা

মুদ্রা ধাতু বলতে ১১ গ্রুপের মৌলগুলোকে বোঝায়। 

মুদ্রা ধাতু (Coin Metals)
- গ্রুপ-11 এর 4টি মৌল হলো কপার, সিলভার, গোল্ড এবং রন্টজেনিয়াম।
- প্রথম দুটি মৌল কালের জন্য মুদ্রা তৈরি ও ব্যবসায় ব্যবহৃত হতো।

মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals)
- পর্যায় সারণির 2 নং গ্রুপে বেরিলিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, স্ট্রনসিয়াম, বেরিয়াম এবং রেডিয়াম মৌলগুলো রয়েছে।
- এই মৌলগুলো মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায় এবং ক্ষার তৈরি করে।

হ্যালোজেন গ্রুপ (Halogen)
- গ্রুপ-17 এর 6টি মৌল হলো ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (As) এবং টেনেসিন (Ts)।
- এই মৌলগুলোকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- হ্যালোজেন মানে লবণ উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠন করে, যেমন F + Na → NaF এবং Cl + Na → NaCl।
- হ্যালোজেন মৌল নিজেই ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বিমৌল অণু গঠন করে, যেমন Cl₂, I₂ ইত্যাদি।

নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gases)
- পর্যায় সারণির 18 নং গ্রুপের মৌল হলো হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) এবং ওগানেসন (Og)।
- এই মৌলগুলোর সবচেয়ে বাইরের শক্তিস্তরে ইলেকট্রন পূর্ণ থাকে, তাই এরা যৌগ গঠন করতে চায় না।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নিষ্ক্রিয় থাকে।
- সাধারণ তাপমাত্রায় এরা গ্যাস আকারে থাকে।

উৎস: রসায়ন- ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

৫,৮৭৪.
ভূ-চুম্বকের উত্তর মেরু থাকে ভৌগলিক-
  1. উত্তর মেরুতে
  2. দক্ষিণ মেরুতে
  3. পূর্ব মেরুতে
  4. কেন্দ্রস্থলে
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ মেরুতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ মেরুতে
ব্যাখ্যা
• ভূ-চুম্বক:
- ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে রাণী এলিজাবেথের পারিবারিক চিকিৎসক ড. গিলবার্ট বিভিন্ন পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণ করেন যে পৃথিবী একটি চুম্বক।
- এই ভূ-চুম্বকের দক্ষিণ মেরু, ভৌগলিক উত্তর মেরু অর্থাৎ কানাডার উত্তর দিকে বুথিয়া উপদ্বীপে।
- উত্তর মেরু এন্টার্কটিকা মহাদেশের ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে অর্থাৎ ভৌগলিক দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত।
- প্রকৃতপক্ষে ভূ-চুম্বকের দক্ষিণ মেরু ভৌগলিক উত্তর মেরু থেকে প্রায় ২৫০০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ভূ-চুম্বকের উত্তর মেরু ভৌগলিক দক্ষিণ মেরু থেকে প্রায় ২২০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৮৭৫.
বায়োগ্যাসের প্রধান উপাধান কোনটি?
  1. ইথেন
  2. প্রোপেন
  3. মিথেন
  4. বিউটেন
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা
- বিকল্প জ্বালানির উৎস হিসাবে বায়োগ্যাস একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
- বিভিন্ন পচনশীল জৈব পদার্থ বা বর্জ্যপদার্থ যেমন গোবর, হাঁস- মুরগীর মলমূত্র, গৃহস্থালীর বর্জ্য ইত্যাদি বাতাসের অনুপস্থিতিতে পচনের ফলে যে গ্যাস তৈরী হয় তাকে বায়োগ্যাস বলে।
- এ জাতীয় গ্যাসে অধিকাংশ পরিমাণই থাকে মিথেন।

উৎসঃ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়।
৫,৮৭৬.
তরলের মধ্যে বস্তুর চলাচলের ফলে যে ঘর্ষণ বল সৃষ্টি হয় তা মূলত কোন ধরনের ঘর্ষণ?
  1. স্থিতি ঘর্ষণ
  2. চল ঘর্ষণ
  3. আবর্ত ঘর্ষণ
  4. প্রবাহী ঘর্ষণ
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ
ব্যাখ্যা

• তরলের মধ্যে বস্তুর চলাচলের ফলে যে ঘর্ষণ বল সৃষ্টি হয় তাকে প্রবাহী ঘর্ষণ বলে।

• ঘর্ষণ:
- দুটি স্পর্শকৃত পৃষ্ঠের মধ্যে আপেক্ষিক গতির বিরোধী যে বল ক্রিয়া করে তাকে ঘর্ষণ বলে।
- ঘর্ষণ বল সর্বদা গতির বিপরীত দিকে ক্রিয়া করে।
- স্পর্শকৃত পৃষ্ঠের প্রকৃতি, মসৃণতা ও চাপের উপর ঘর্ষণের মান নির্ভর করে।
- ঘর্ষণ না থাকলে হাঁটা, বস্তু ধরা বা যানবাহন চলাচল সম্ভব হতো না।

• ঘর্ষণের প্রকারভেদ:
- স্থিতি ঘর্ষণ: কোনো বস্তু স্থির অবস্থায় থাকলে এবং তাকে সরানোর চেষ্টা করলে যে প্রতিরোধী বল ক্রিয়া করে।
- চল বা পিছলানো ঘর্ষণ: একটি বস্তু অন্য বস্তুর উপর দিয়ে স্লাইড বা পিছলে চললে যে ঘর্ষণ বল সৃষ্টি হয়।
- আবর্ত ঘর্ষণ: কোনো বস্তু গড়িয়ে চলার সময় যে ঘর্ষণ বল ক্রিয়া করে।
- প্রবাহী ঘর্ষণ: তরল বা বায়ুর মধ্যে বস্তুর চলাচলের ফলে যে প্রতিরোধমূলক ঘর্ষণ বল সৃষ্টি হয়।

• প্রবাহী ঘর্ষণের বৈশিষ্ট্য:
- এটি তরল বা গ্যাসের কণার সঙ্গে বস্তুর পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন হয়।
- বস্তুর বেগ যত বেশি হয়, প্রবাহী ঘর্ষণ তত বৃদ্ধি পায়।
- বস্তুর আকৃতি ও তরলের ঘনত্ব প্রবাহী ঘর্ষণের মানকে প্রভাবিত করে।
- বিমান, জাহাজ ও সাবমেরিনের নকশায় প্রবাহী ঘর্ষণ কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.

৫,৮৭৭.
ট্রান্সফরমারের কাজ কী? 
  1. তাপ শক্তি উৎপাদন করা 
  2. বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা
  3. বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা
  4. উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করা
সঠিক উত্তর:
উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র, এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- এখানে মূলত দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 
- একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের এক বাহুতে অন্তরিত তামার তার পেঁচিয়ে মুখ্য কুণ্ডলী এবং অপর বাহুতে একইভাবে অন্তরিত তামার তার পেঁচিয়ে গৌণ কুণ্ডলী তৈরি করা হয়।
- মুখ্য কুণ্ডলীতে পরিবর্তি তড়িচ্চালক শক্তি প্রয়োগ করলে কোরে চৌম্বক বলরেখার সৃষ্টি হয়। 
- যেহেতু কোরটি আয়তাকার সেহেতু চৌম্বক বলরেখাগুলো বদ্ধ হয় এবং যে পরিমাণ বলরেখা মুখ্য কুণ্ডলীর বাহুতে সৃষ্টি হয় সেই পরিমাণ বলরেখার গৌণ কুণ্ডলীর কোরের বাহু অতিক্রম করে। 
- ফলে পরিবর্তিত প্রবাহের কারণে মুখ্য কুণ্ডলীতে যে পরিমাণ বলরেখার পরিবর্তন ঘটে ঠিক সেই পরিমাণ বলরেখার পরিবর্তন গৌণ কুণ্ডলীতেও ঘটে। 
- স্টেপ আপ ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা বেশি থাকে। 
- অপরদিকে স্টেপ ডাউন ট্রন্সফরমারে মুখ্য কুণ্ডলীর পাক সংখ্যার চেয়ে গৌণ কুণ্ডলীর পাক সংখ্যা কম থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৭৮.
সাধারণ স্ট্রোরেজ ব্যাটারিতে সিসার ইলেকট্রোডের সঙ্গে যে তরলটি ব্যবহৃত হয় তা হলো-
  1. নাইট্রিক এসিড
  2. সালফিউরিক এসিড
  3. এমোনিয়াম ক্লোরাইড
  4. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা
- সৌর প্যানেলে তৈরি সৌরবিদ্যুৎ সংরক্ষণের জন্য সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄) ব্যবহার করা হয়।
- বাসাবাড়িতে আইপিএস (IPS) চালানোর জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄)।
- সাধারণ স্টোরেজ ব্যাটারিতে সিসার ইলেকট্রোডের সঙ্গে যে তরলটি পাওয়া যায় তা হলো সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄)।
- ফসল উৎপাদনের জন্য সার হলো অতি প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। সার হিসেবে আমরা যেগুলো ব্যবহার করি তার মধ্যে অন্যতম হলো অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH₄NO₃), অ্যামোনিয়াম সালফেট [(NH₄)2SO₄] ও অ্যামোনিয়াম ফসফেট [(NH₄)3PO₄]। আর সার কারখানায় এগুলো তৈরি করা হয় যথাক্রমে নাইট্রিক এসিড (HNO₃), সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄) এবং ফসফরিক এসিড (H₃PO₄) ব্যবহার করে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৭৯.
"ভর এবং শক্তি একই সত্তার দ্বৈত প্রকাশ" - এই মতামত প্রথম প্রকাশ করেন কে?
  1. স্যার আইজ্যাক নিউটন
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. এইচ. এ. লরেন্টজ
  4. শেলডন গ্ল্যাশো
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
- আপেক্ষিকতা তত্ত্বের যে দুটো গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের ওপর ভিত্তি করে আজকের নিউক্লীয় যুগের সূচনা হয়েছিলো তা হলো ভরের আপেক্ষিকতা অর্থাৎ গতির সাথে ভরের পরিবর্তন এবং ভরকে শক্তিতে রূপান্তর।
- আলবার্ট আইনস্টাইনের মতে ভর এবং শক্তির মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
- এরা একই সত্ত্বার দ্বৈত প্রকাশ যা E= mc2 সমীকরণের মাধ্যমে গাণিতিকভাবে প্রকাশিত হয়। 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৫,৮৮০.
পাথরে পাথর ঘষলে কীভাবে শক্তির রূপান্তর হয়?
  1. যান্ত্রিক → তাপ ও আলোক
  2. যান্ত্রিক → তাপ
  3. গতি → তাপ
  4. গতি → শব্দ ও রাসায়নিক
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক → তাপ ও আলোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক → তাপ ও আলোক
ব্যাখ্যা
যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর: 
- হাত দিয়ে শরীরের অন্য কোনো অংশ ঘষলে গরম অনুভূত হয় ফলে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বাঁশি বাজালে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- এক খন্ড পাথরের উপর একটি ধাতব দন্ড দ্বারা জোরে আঘাত করলে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বের হতে দেখা যায় এবং এক ধরনের শব্দেরও সৃষ্টি হয়। ধাতব দণ্ড ও পাথর খন্ডটি খানিকটা উত্তপ্ত হয়ে যান্ত্রিক শক্তি তাপ, শব্দ ও আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- ঢেঁকি দিয়ে ধান ভানার সময় এতে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ ও তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- একই ভাবে দোলনার ক্ষেত্রে স্থিতি ও গতিশক্তির রূপান্তর ঘটে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫,৮৮১.
কোন প্রক্রিয়ায় হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়?
  1. শ্বসন
  2. অভিস্রবণ
  3. ব্যাপন
  4. প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
ব্যাখ্যা
অভিস্রবণ:

- অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়।
- দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পাশাপাশি পৃথক থাকলে দ্রাবক অণুর কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে পর্দা অতিক্রম করে প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে অভিস্রবণ বলে।
- এ প্রক্রিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হবে।
- অভিস্রবণ একটি ভৌত প্রক্রিয়া, কিন্তু উদ্ভিদের ক্ষেত্রে প্রোটোপ্লাজমের নিয়ন্ত্রণে ঘটে বলে এটি একটি জৈব প্রক্রিয়া।
- অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ মাটি হতে পানি শোষণ করে।
- অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের পানি শোষণ বুঝতে হলে, অভিস্রবণ প্রক্রিয়াটি ভালোভাবে জানা প্রয়োজন।
- পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিসমিস ফুলে ওঠে।

তথ্যসূত্র - উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৮২.
পটাসিয়াম মৌলটির প্রতীক হল-
  1. ক) Pt
  2. খ) Pa
  3. গ) K
  4. ঘ) Po
সঠিক উত্তর:
গ) K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) K
ব্যাখ্যা

প্লাটিনামের রাসায়নিক সংকেত Pt
প্রোটোএকটিনিয়ামের রাসায়নিক সংকেত Pa
পোলোনিয়ামের রাসায়নিক সংকেত Po
পটাশিয়ামের রাসায়নিক সংকেত K 

Source: pubchem.ncbi.nlm.nih.gov

৫,৮৮৩.
বিটা কণিকার ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. এরা ধনাত্বক চার্জ বহন করে
  2. ভেদন ক্ষমতা আলফা কণিকা অপেক্ষা কম
  3. সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয় না
  4. ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে
সঠিক উত্তর:
ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে
ব্যাখ্যা
বিটা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি:

- বিটা কণিকা খুব হালকা।
- এর ভর 9.1×10-31 kg.
- এরা ঋণাত্নক চার্জ বহন করে। এই চার্জের মান 1.6×10-19 C.
- তেজস্ক্রিয় বস্তু থেকে বিটা কণিকা প্রচন্ড বেগে নির্গত হয়।
- এই কণিকা তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
- এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে, তবে আলফা কণিকা অপেক্ষা কম ।
- এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে
- ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়।
- এর ভেদন ক্ষমতা আলফা কণিকা অপেক্ষা বেশী ।
- জিংক সালফাইডে বিটা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
- ধাতব প্লেটের মধ্যদিয়ে যাবার সময় বিটা কণিকাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়।
- আলফা কণিকা অপেক্ষা অনেক বেশী বিক্ষিপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৮৪.
বিদ্যুৎশক্তির বাণিজ্যিক একক কী?
  1. ওয়াট
  2. ওয়াট-ঘণ্টা
  3. জুল
  4. কিলোওয়াট-ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
কিলোওয়াট-ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিলোওয়াট-ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
- বিদুৎশক্তির বাণিজ্যিক একক- কিলোওয়াট-ঘন্টা। 
- সাধারণত বিদ্যুৎ শক্তির বাণিজ্যিক হিসাবের জন্য কিলোয়াট-ঘন্টা একক ব্যবহৃত হয়। 
- এক কিলোয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোন যন্ত্র এক ঘন্টা কাজ করলে যে শক্তি ব্যয় হয় তাকে এক কিলোয়াট-ঘন্টা বলে। 
- কোন পরিবাহীর  দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য পরিমাপ করা হয় ভোল্ট একক দ্বারা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান-১ম পত্র (বোর্ড বই), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৮৮৫.
সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টারে কোন ধরনের লেন্স ব্যবহৃত হয়?
  1. উত্তল
  2. অবতল
  3. জুম
  4. সিলিনড্রিক্যাল
সঠিক উত্তর:
সিলিনড্রিক্যাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিনড্রিক্যাল
ব্যাখ্যা
• সিনেমাক্সোপ (Cinemascope) প্রজেক্টরে সাধারণত অ্যানামর্ফিক লেন্স (Anamorphic Lens) - (সিলিনড্রিক্যাল লেন্স) ব্যবহার করা হয়।

• Cinemascope কী?
- Cinemascope হলো একটি ওয়াইডস্ক্রিন ফরম্যাট যা ১৯৫০-এর দশকে জনপ্রিয় হয়। এটি 35mm ফিল্ম ব্যবহার করে, কিন্তু চিত্রটিকে হরাইজন্টালি সংকুচিত (squeeze) করে রেকর্ড করা হয়।

- লেন্সের ভূমিকা:
- অ্যানামর্ফিক লেন্স ক্যামেরায় ব্যবহার করা হয় চিত্রটিকে সংকুচিত করে ধারণ করতে (সাধারণত 2:1 অনুপাতের সংকোচন)।

- প্রজেকশন টাইমে আবার একটি অ্যানামর্ফিক প্রজেকশন লেন্স ব্যবহার করে সংকুচিত চিত্রটিকে পুনরায় প্রসারিত করে সঠিক অনুপাত ও রেশিওতে স্ক্রিনে দেখানো হয়।
- ব্যবহার করা হয়:
- 1.5x বা 2x অ্যানামর্ফিক প্রজেকশন লেন্স, যা সংকুচিত চিত্রটিকে 2.35:1 বা 2.39:1 স্ক্রিন রেশিওতে পুনঃপ্রসারিত করে।
- সিনেমাক্সোপ প্রজেক্টরে অ্যানামর্ফিক প্রজেকশন লেন্স ব্যবহার করা হয়, যা সংকুচিত চিত্রকে পুনরায় প্রাকৃতিকভাবে স্ক্রিনে দেখায়।

সূত্র: widescreenmuseum [লিংক]
৫,৮৮৬.
টমাস আলফা এডিসন কোনটি আবিষ্কার করেন? 
  1. বিদ্যুৎ
  2. রকেট
  3. ফনোগ্রাফ
  4. ডায়নামো
সঠিক উত্তর:
ফনোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফনোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
- টমাস আলফা এডিসন ফনোগ্রাফ এবং বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেন। 

অন্যদিকে, 
- মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো আবিষ্কার করেন। 
- উইলিয়াম গিলবার্ট বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেন। 
- ডব্লিউ কনগ্রিড রকেট আবিষ্কার করেন। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৮৮৭.
কোনটি সাবান শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়?
  1. ক) ফ্যাট
  2. খ) NaOH
  3. গ) Ca(OH)2
  4. ঘ) গ্লিসারিন
সঠিক উত্তর:
গ) Ca(OH)2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Ca(OH)2
ব্যাখ্যা
•রোমানরা পশুর চর্বি, চামড়া এবং হাড় ইত্যাদির ছাইয়ের সাথে পানি ফুটিয়ে সাবান তৈরি করত।
• প্রাচীন কালে গরু, মহিষ ও উট ইত্যাদি পশুর চর্বি থেকে মিশরীয়রা সাবান তৈরি করত।
• পরবর্তীতে মধ্যযুগে পশুর চর্বির সাথে কস্টিক সোডাকে উত্তপ্ত করে সাবান তৈরির কৌশল আবিষ্কৃত হয়।
• ১৮৯০ সালে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সাবান উৎপাদন শুরু হয়।
• এই সময় সাবান তৈরির উপাদান কস্টিক সোডার উৎপাদনও ব্যাপকভাবে শুরু হয়।
• উদ্ভিদ বা প্রাণীজ তেল বা চর্বিকে NaOH বা KOH দ্বারা আর্দ্রবিশ্লেষণ করে সাবান তৈরি করা হয়। সাবান তৈরির এই প্রক্রিয়াকে সাবানায়ন বলা হয়।




উৎস: রসায়ন, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,৮৮৮.
‘অলটিমিটার’ যন্ত্রের সাহায্যে কী পরিমাপ করা হয়?
  1. ক) উচ্চতা
  2. খ) বিদ্যুৎ প্রবাহ
  3. গ) শব্দের তীব্রতা
  4. ঘ) গ্যাসের চাপ
সঠিক উত্তর:
ক) উচ্চতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উচ্চতা
ব্যাখ্যা

উচ্চতা নির্ণয়ের যন্ত্র - অলটিমিটার
শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অডিওমিটার
বিদ্যুৎ প্রবাহ মাপক যন্ত্র - অ্যামিটার
গ্যাসের চাপ নির্ণয়ক যন্ত্র - ম্যানােমিটার।

৫,৮৮৯.
তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে মূলত কী বোঝায়? 
  1. দৈর্ঘ্যের প্রসারণ
  2. ক্ষেত্রফলের প্রসারণ
  3. আয়তনের প্রসারণ
  4. ভরের প্রসারণ
সঠিক উত্তর:
আয়তনের প্রসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়তনের প্রসারণ
ব্যাখ্যা

• তরল পদার্থের প্রসারণ:
- তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থের মতো তরল পদার্থেরও প্রসারণ ঘটে।
- কঠিন পদার্থের সুনির্দিষ্ট আকার থাকায় এর বিভিন্ন প্রসারণ স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়। এর দৈর্ঘ্য, ক্ষেত্রফল এবং আয়তনের প্রসারণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা সহজ হয় ৷
- কিন্তু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও আকার বা দৈৰ্ঘ্য নেই ।
- যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে।
- তাপের প্রভাবে তরল পদার্থের আয়তনের পরিবর্তনই কেবল প্রতীয়মান হয়, তাই তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে এর আয়তনের প্রসারণকেই বুঝায় ।
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, একই পরিমাণ তাপ প্রয়োগে সম আয়তনের কঠিন পদার্থের তুলনায় তরল পদার্থের আয়তনের প্রসারণ বেশি হয়।
- আবার একই পরিমাণ তাপে বিভিন্ন প্রকার তরলের প্রসারণের পরিমাণও সমান হয় না।
- তাপে পদার্থের প্রসারণ পর্যবেক্ষণের জন্য ঐ পদার্থকে তাপ দিতে হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

৫,৮৯০.
আয়রনের আকরিক কোনটি? 
  1. লিমোনাইট
  2. ডলোমাইট
  3. ক্রায়োলাইট
  4. চুনাপাথর
সঠিক উত্তর:
লিমোনাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিমোনাইট
ব্যাখ্যা
আকরিক: 
- অধিকাংশ ধাতু প্রকৃতিতে ধাতব অক্সাইড ও ধাতব সালফাইড আকরিকরূপে থাকে। 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৬ এর মৌলসমূহকে (যেমন O, S, Se, Te ইত্যাদিকে) আকরিক উৎপন্নকারী মৌল বা চ্যালকোজেনস (chalcogens) বলা হয়। 

ক্যালসিয়ামের আকরিক: 
- চুনাপাথর
- জিপসাম, 
- ডলোমাইট ইত্যাদি। 

আয়রনের আকরিক: 
- ম্যাগনেটাইট, 
- হেমাটাইট, 
- আয়রন পাইরাইটস, 
- লিমোনাইট ইত্যাদি। 

অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: 
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম, 
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৯১.
জৈব যৌগের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. ক্যালসিয়াম
  2. কার্বন
  3. লোহা
  4. সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা
• জৈব যৌগ:
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।'
যেমন:- মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি।

কার্বনের ক্যাটেনেশন ধর্মের কারণে এটি জৈব যৌগের প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়।

• জৈব যৌগের বৈশিষ্ট্য:
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, সালফার প্রভৃতি মৌল যুক্ত থাকে।  
- প্রধানত সমযোজী বন্ধন দ্বারা গঠিত হয়। 
- নিম্ন গলনাঙ্ক ও নিম্ন স্ফুটনাংক বিশিষ্ট হয়।
- জৈব যৌগ পোলার দ্রাবক যেমন পানিতে অদ্রবণীয়, কিন্তু জৈব দ্রাবক যেমন, ইথার ও বেনজিনে দ্রবণীয়। তবে হাইড্রক্সিল মূলক যুক্ত যৌগ (চিনি, অ্যালকোহল) পানিতে দ্রবণীয়।
-জৈব যৌগের দহনের পর কোনো অবশেষ থাকে না। 
-জৈব যৌগ গলিত অবস্থায় বা দ্রবণে আয়নিত হয় না বলে তড়িৎ বিশ্লেষ্য নয়। অর্থাৎ বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ অপরিবাহী।
-জৈব বিক্রিয়ার কৌশল জটিল ও মন্থর গতির হয়।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৯২.
লোহার টুকরো সলিনয়েডের ভেতরে রাখলে এবং সলিনয়েডে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করলে কী ঘটে?
  1. লোহা চৌম্বকত্ব হারিয়ে ফেলে
  2. চৌম্বক ক্ষেত্র উৎপন্ন হয় না
  3. লোহার চৌম্বক কণিকাগুলো এলোমেলো থাকে
  4. লোহার চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয় 
সঠিক উত্তর:
লোহার চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহার চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয় 
ব্যাখ্যা

তাড়িতচুম্বক (Electromagnet): 
- শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করা যায়। তবে, যদি একটি লোহার টুকরো কয়েল বা সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয় এবং সলিনয়েড দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়, তাহলে অনেক শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়। 
- লোহা, কোবাল্ট এবং নিকেল এই ধাতুগুলোর চৌম্বকীয় ধর্ম রয়েছে। এদের ভেতর ছোট ছোট চৌম্বকের মতো অনেক কণিকা এলোমেলোভাবে থাকে। ফলে সাধারণ অবস্থায় লোহা চৌম্বক হিসেবে কাজ করে না। 
- কিন্তু যখন লোহার টুকরোটি বিদ্যুৎপ্রবাহিত সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয়, তখন ওই চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে লোহার অভ্যন্তরের ছোট ছোট চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়। ফলে লোহার নিজস্ব চৌম্বক ক্ষেত্র গঠিত হয় এবং এটি সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে একটি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। 
- এইভাবে তৈরি হওয়া চুম্বককে বলা হয় তাড়িতচুম্বক। 
- যখন সলিনয়েডে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন লোহার অভ্যন্তরের চৌম্বক কণিকাগুলো আবার এলোমেলো হয়ে পড়ে এবং চৌম্বকত্ব হারিয়ে যায়। 
- স্পিকারে বা এয়ারফোনে যে শব্দ শোনা যায় সেখানে তাড়িতচুম্বক ব্যবহার করা হয়। এখানে শব্দের কম্পন এবং তীব্রতার সমান বিদ্যুৎপ্রবাহ পাঠানো হয়, সেই বিদ্যুৎ একটা তাড়িতচুম্বক বা ইলেকট্রোম্যাগনেটের চৌম্বকত্ব শব্দের কম্পন বা তীব্রতার উপযোগী করে তৈরি করে সেটা একটা ডায়াফ্রামকে কাঁপায় এবং সেই ডায়াফ্রাম সঠিক শব্দ তৈরি করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৯৩.
বায়ু ও পানির সংস্পর্শে জাহাজ চলাচল করলে কোন ঘর্ষণের সৃষ্টি হয়?
  1. চল ঘর্ষণ
  2. প্রবাহী ঘর্ষণ
  3. স্থিতি ঘর্ষণ
  4. আবর্ত ঘর্ষণ
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ
ব্যাখ্যা
ঘর্ষণ ও ঘর্ষণ বল: 
- দু'টি বস্তু পরস্পরের সংস্পর্শে থেকে যদি একটির উপর দিয়ে অপরটি চলতে চেষ্টা করে, তবে বস্তু দু'টির স্পর্শ তলে একটি বাধার সৃষ্টি হয়। এ বাধাকে ঘর্ষণ বলে। 
- আর যে বল গতিশীল বস্তুটির গতির পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলে। 
- ঘর্ষণ সাধারণত চার প্রকার। 
যথা- 
১. স্থিতি ঘর্ষণ (Static friction), 
২. চল বা পিছলানো ঘর্ষণ (Sliding friction), 
৩. আবর্ত ঘর্ষণ (Rolling friction) এবং 
৪. প্রবাহী ঘর্ষণ (Fluid friction) । 

প্ৰবাহী ঘর্ষণ:
- যখন কোনো বস্তু যেকোনো প্রবাহী পদার্থ যেমন- তরল বা বায়বীয় পদার্থের মধ্যে প্রবাহিত হয় বা গতিশীল থাকে বা যখন কোনো তরল বা বায়বীয় পদার্থের গতিপথে কোনো স্থির বস্তু রাখা হয়, তখন উভয়ের মধ্যে যে ঘর্ষণের সৃষ্টি হয়, তাকে প্রবাহী ঘর্ষণ বলে। 
- জাহাজ পানিতে চলার সময় একটি বাধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়, আবার পুকুরে সাঁতার কাটার সময় পুকুরের পানির মধ্য দিয়ে একটি বাঁধাকে অতিক্রম করে সামনের দিকে এগুতে হয়। আর এ বাঁধাই প্রবাহী ঘর্ষণ। 
- বৃষ্টির পানি বাতাসের মধ্য দিয়ে পড়ার সময় প্রবাহী ঘর্ষণের উৎপত্তি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৯৪.
যে বর্তনীর সাহায্যে A.C কে D.C তে রূপান্তর করা হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. অ্যামিটার
  2. রেকটিফায়ার
  3. ট্রান্সফরমার
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা:
একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার: যে বর্তনীর সাহায্যে পরিবর্তী প্রবাহ (Alternating Current বা A.C.) কে একমুখী প্রবাহ (Direct Current বা D.C.)-এ রূপান্তর করা হয়, তাকে একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier) বলা হয়।
এটি মূলত ডায়োড ব্যবহার করে A.C.-এর নেগেটিভ অংশকে ইতিবাচক করে বা শুধু ইতিবাচক অংশকে ব্যবহার করে D.C. প্রবাহ তৈরি করে।

অন্য অপশনগুলো-
ক) অ্যামিটার: বর্তনীতে তড়িৎপ্রবাহ (কারেন্ট) পরিমাপ করার যন্ত্র, রূপান্তরের কোনো কাজ করে না।

গ) ট্রান্সফরমার: শুধুমাত্র A.C. ভোল্টেজকে বাড়ায় বা কমায়, কিন্তু A.C. কে D.C. তে রূপান্তর করে না।

ঘ) ট্রানজিস্টর: সুইচ, অ্যামপ্লিফায়ার বা অসিলেটর হিসেবে কাজ করে, সরাসরি A.C. কে D.C. তে রূপান্তর করে না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৯৫.
ঢাকা বেতার কেন্দ্র মিডিয়াম ওয়েভে 630Hz এ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। রেডিও তরঙ্গের বেগ 3 × 108 ms-1 হলে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত হবে?
  1. ক) 476190 m
  2. খ) 476.19 m
  3. গ) 476190 cm
  4. ঘ) 476.19 cm
সঠিক উত্তর:
ক) 476190 m
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 476190 m
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঢাকা বেতার কেন্দ্র মিডিয়াম ওয়েভে 630Hz এ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে। রেডিও তরঙ্গের বেগ 3 × 108 ms-1 হলে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত হবে?

সমাধান:
কম্পাঙ্ক, f = 630 Hz 
তরঙ্গের বেগ, v = 3 × 108 ms-1
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য λ

আমরা জানি, 
v = fλ
⇒ λ = v/f
= 3 × 108/630 
= 476190 m
৫,৮৯৬.
স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে আয়তন বিকৃতি ও আয়তন পীড়নের অনুপাতকে কী বলে?
  1. সংনম্যতা
  2. ইয়ং গুণাঙ্ক
  3. দৃড়তার গুণাঙ্ক
  4. পয়সনের অনুপাত
সঠিক উত্তর:
সংনম্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংনম্যতা
ব্যাখ্যা
আয়তন গুণাঙ্ক: 
- স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে বস্তুর আয়তন পীড়ন ও আয়তন বিকৃতির অনুপাত একটি ধ্রুব সংখ্যা। এ ধ্রুব সংখ্যাকে বস্তুর উপাদানের আয়তন গুণাঙ্ক বলে। 
- আয়তন গুণাঙ্ককে B দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
অর্থাৎ, আয়তন গুণাঙ্ক, B = আয়তন পীড়ন/আয়তন বিকৃতি। 
- কঠিন, তরল ও গ্যাস সবারই আয়তন থাকায় আয়তন গুণাঙ্ক পদার্থের একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য। 

সংনম্যতা: 
- স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে আয়তন বিকৃতি ও আয়তন পীড়নের অনুপাততে সংনম্যতা বলে। 
∴ সংনম্যতা =  আয়তন বিকৃতি/আয়তন পীড়ন = 1/(আয়তন পীড়ন/আয়তন বিকৃতি) = 1/আয়তন গুণাঙ্ক = 1/B. 
অর্থাৎ, সংনম্যতা হচ্ছে আয়তন গুণাঙ্কের বিপরীত রাশি। 
- আয়তন গুণাঙ্ককে তাই কখনো কখনো অসংনম্যতা বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
৫,৮৯৭.
নিচের কোন মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম? 
  1. শূন্য মাধ্যমে
  2. পানি মাধ্যমে 
  3. বায়ু মাধ্যমে 
  4. কঠিন মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
বায়ু মাধ্যমে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু মাধ্যমে 
ব্যাখ্যা
• শব্দের গতি বা দ্রুতি:
- শব্দ প্রতি সেকেন্ডে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে শব্দের গতি বা দ্রুতি বলে।
- কঠিন মাধ্যমে (যেমন- ইস্পাত, লোহা) শব্দ সবচেয়ে দ্রুত চলে।
- তরল মাধ্যমে (যেমন- পানি) তার চেয়ে ধীরে চলে।
- বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে কম।
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি শূন্য। এ মাধ্যমে শব্দের কোনো অস্তিত্ব নেই। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৯৮.
কোনটির আবিষ্কার আধুনিক ইলেকট্রনিক্স এর সূচনা করে?
  1. রেডিও
  2. ট্রানজিস্টর
  3. ক্যাথোড রশ্মি
  4. তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর একটি আধা-পরিবাহী ডিভাইস যা ইলেকট্রনিক সিগন্যাল বুস্ট (amplify) বা সুইচ (switch) করতে ব্যবহৃত হয়। ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারই আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের সূচনা করে।
এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
⇒ ১৯৪৭ সালে আমেরিকার Bell Laboratories-এর বিজ্ঞানী John Bardeen, Walter Brattain এবং William Shockley ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 1956 Physics Nobel Prize দেওয়া হয় Bardeen, Brattain, ও Shockley-কে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য।
  এর আগে ইলেকট্রনিক ডিভাইসে ব্যবহৃত হত বিশালাকৃতির ভ্যাকুয়াম টিউব, যা ছিল ভারী ও অকার্যকর।

ট্রানজিস্টর এর প্রভাব:
⇒ কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, টিভি, রেডিওসহ প্রায় সব আধুনিক ডিভাইসে ট্রানজিস্টর ব্যবহার হয়।
⇒ এটি দিয়েই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) এবং মাইক্রোপ্রসেসর তৈরির ভিত্তি স্থাপন হয়।
⇒ Digital Revolution বা তথ্য প্রযুক্তির বিপ্লব সম্ভব হয় ট্রানজিস্টরের জন্যই। 

অন্যদিকে, 
রেডিও: এটি তথ্য পাঠানোর একটি মাধ্যম, তবে ইলেকট্রনিক্সের মূল ভিত্তি নয়।

ক্যাথোড রশ্মি: এটি একটি ইলেকট্রন রশ্মি, যা টিভি স্ক্রিন বা মনিটরে ব্যবহৃত হয়; এটি ইলেকট্রনিক্সের একটি ধাপ হলেও সূচনা নয়।

তরঙ্গ:
এটি যোগাযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ইলেকট্রনিক্সের যন্ত্রাংশ বা সার্কিট বোঝাতে তরঙ্গ ব্যাবহার করা হয় না।

তথ্যসূত্র:
-  ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান। 
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – নবম-দশম শ্রেণি (NCTB)
-  San José State University, California. 
-   NobelPrize.org
৫,৮৯৯.
কোন রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়?
  1. ক) সাদা
  2. খ) কালো
  3. গ) লাল
  4. ঘ) হলুদ
সঠিক উত্তর:
গ) লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাল
ব্যাখ্যা
• দূর থেকে আমরা লাল রং আগে দেখতে পাই।
- লাল রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম। তাই লাল রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়।
- আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে এর রং ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের উপর।
- আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি হলে তাঁর বিক্ষেপণ তত কম হয়।
- লাল রং বেশি দূর থেকে দেখা যায় তাই উঁচু টাওয়ারে লাল রং এর লাইট ব্যবহৃত হয় যাতে বিমান নিচ দিয়ে যাবার সময় অনেক দূর থেকে দেখা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৯০০.
নিম্নলিখিত কোন অঞ্চলে দিন এবং একই রাতের মধ্যে সর্বাধিক তাপমাত্রা তারতম্য পরিলক্ষিত হয়?
  1. উপকূলীয় এলাকা 
  2. দ্বীপ 
  3. মরুভূমি 
  4. উপদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
মরুভূমি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরুভূমি 
ব্যাখ্যা

- মরুভূমিতে বাতাস খুবই শুষ্ক থাকে, জলীয় বাষ্প প্রায় থাকে না, মেঘও থাকে না।
- দিনের বেলা সূর্যের তাপ সরাসরি বালুতে পড়ে, বালি খুব তাড়াতাড়ি গরম হয়ে যায়, ফলে তাপমাত্রা ৪৫-৫০° সে. বা তার বেশিও হয়ে যায়।
- সূর্য ডুবে গেলে আকাশ থেকে তাপ বিকিরণে দ্রুত হারিয়ে যায় এবং রাতের মধ্যেই তাপমাত্রা ৫-১৫° সে. পর্যন্ত নেমে আসে।
- এই কারণে দিন-রাতের তাপমাত্রার তারতম্য মরুভূমিতে সবচেয়ে বেশি (৩০-৫০° সে. পর্যন্ত হতে পারে)।

অন্যান্য অপশন:
উপকূলীয় এলাকা: সমুদ্রের পানি তাপ ধরে রাখে, তাই তারতম্য খুব কম।
দ্বীপ: চারদিকে সমুদ্র থাকায় আবহাওয়া আরও মৃদু, তারতম্য খুবই কম।
উপদ্বীপ: কিছুটা সমুদ্রের প্রভাব থাকে, তাই মরুভূমির মতো এত বেশি তারতম্য হয় না।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।