বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৫১ / ৬৪ · ৫,০০১৫,১০০ / ৬,৪০৯

৫,০০১.
বায়ুর সাপেক্ষে কেরোসিনের প্রতিসরণাঙ্ক কত?
  1. 1.30
  2. 1.44
  3. 1.33
  4. 2.41
সঠিক উত্তর:
1.44
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1.44
ব্যাখ্যা
পরম প্রতিসরণাঙ্ক: 
- শূন্য মাধ্যমের সাপেক্ষে কোনো মাধ্যমের প্রতিসরণাঙ্ক ঐ মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক। 
অর্থাৎ, আলোক রশ্মি যখন শূন্য মাধ্যম থেকে অন্য কোনো মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন শূন্য মাধ্যমের আপতন কোণের সাইন ও সেই মাধ্যমের প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাতকে ঐ মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক বিবেচনা করা হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন শূন্য মাধ্যম থেকে কোনো বস্তু মাধ্যমে তীর্যকভাবে প্রবেশ করে তখন নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাতকে ঐ মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক বলে। 
গাণিতিকভাবে শূন্য মাধ্যমে আপতন কোণ i এবং অন্য কোন মাধ্যম 'a' তে প্রতিসরণ কোণ r হলে, 'a' মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক μa প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- সাধারণত বায়ু মাধ্যমের সাপেক্ষে কোনো মাধ্যমের প্রতিসরণাঙ্ককে ঐ মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক হিসাবে ধরা হয়। 
- কাঁচের পরম প্রতিসরণাঙ্ক 1.5 বলতে বুঝায় যে শূন্য মাধ্যম বা বায়ু মাধ্যম থেকে আলোক রশ্মি তীর্যকভাবে কাঁচের মধ্যে প্রবেশ করলে আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইন-এর অনুপাত 1.5 হয়। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,০০২.
কোন ধরনের মাটি চাষাবাদের জন্য খুবই উপযোগী?
  1. ক) পলিমাটি
  2. খ) কাদামাটি
  3. গ) বালু মাটি
  4. ঘ) দোআঁশ মাটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোআঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোআঁশ মাটি
ব্যাখ্যা
দো-আঁশ মাটি এই মাটি বালু, পলি আর কাদা মাটির সমন্বয়েই তৈরি হয়। দো-আঁশ মাটিতে থাকা বালু, পলি আর কাদা মাটির অনুপাতের উপর নির্ভর করে দো-আঁশ মাটির ধরন কেমন হবে।
দো-আঁশ মাটির একদিকে যেমন পানি ধারণক্ষমতা ভালাে আবার প্রয়ােজনের সময় পানি দ্রুত নিষ্কাশনও হতে পারে। তাই ফসল চাষাবাদের জন্য দো-আঁশ মাটি খুবই উপযােগী।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান।
৫,০০৩.
আলোর ব্যাপারে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ক) কোনো তথ্যই ভুল নয়
  2. খ) আলো এক ধরনের তরঙ্গ
  3. গ) আলো এক ধরনের কণা
  4. ঘ) আলো এক ধরনের তাড়িত চৌম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ক) কোনো তথ্যই ভুল নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোনো তথ্যই ভুল নয়
ব্যাখ্যা
আলো একধরনের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। তরঙ্গতত্ত্ব অনুসারে আলো তরঙ্গ এবং কণাতত্ত্ব অনুসারে আলো কণা দিয়ে গঠিত৷ আসলে আলো তরঙ্গ এবং কণা দুই ধরণের বৈশিষ্ট্যই প্রদর্শন করে৷
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই এবং ব্রিটানিকা
৫,০০৪.
নিচের কোন জৈব যৌগটিতে হাইড্রোজেনের উপস্থিতি নেই?
  1. ক) ফরমালিন
  2. খ) বিউটিন
  3. গ) ক্লোরোপিক্রিন
  4. ঘ) ইথাইন
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরোপিক্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরোপিক্রিন
ব্যাখ্যা
- গ্যামাক্সিন, হেক্সাক্লোরো ইথেন, ফসজিন, পাইরিন, ক্লোরোপিক্রিন, ফ্রেয়ন ইত্যাদি হলো হাইড্রোজেনবিহীন জৈব যৌগ।
- ফরমালিন, বিউটিন, ফরমিক এসিড, বিউটেন, ইথাইন ইত্যাদি বেশিরভাগ জৈব যৌগতেই হাইড্রোজেন উপস্থিত থাকে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৫,০০৫.
যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে কী বলা হয়?
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোটোন
  3. আইসোবার
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic Number):
- কোনো মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটন সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।

আইসোটোপ (Isotope):
- একই মৌলের একাধিক ভর সংখ্যাবিশিষ্ট পরমাণু থাকলে সেগুলিকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে। 
- নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। 

আইসোটোন (Isotone):
- যে সকল পরমাণুতে সমান সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাদের পরস্পরকে আইসোটোন বলে।

আইসোবার (Isober):
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে বলা হয় আইসোবার
- এদের ভর সংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়।

তথ্যসুত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০০৬.
শিল্পক্ষেত্রে ইউরিয়া থেকে কোন ধরনের পলিমার তৈরি করা হয়? 
  1. পলিস্টারিন
  2. পলিথিন
  3. ম্যালামাইন
  4. টেফলন
সঠিক উত্তর:
ম্যালামাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালামাইন
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া (Urea): 
- ইউরিয়া একটি মূল্যবান পদার্থ। 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং অ্যামোনিয়া গ্যাসের মিশ্রণকে উচ্চ চাপে এবং 130°-150° C তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে প্রথমে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট (NH2COONH4) উৎপন্ন হয়। 
- পরবর্তীতে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট ভেঙে ইউরিয়া (NH2-CO-NH2) প্রস্তুত হয়। 


- শিল্পক্ষেত্রে এবং কৃষিক্ষেত্রে ইউরিয়ার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- শিল্পক্ষেত্রে ইউরিয়া থেকে ম্যালামাইন পলিমার তৈরি করা হয়। 
- কৃষিক্ষেত্রে ইউরিয়াকে সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- জমিতে ইউরিয়া সার দেওয়া হয় যাতে গাছ ইউরিয়া সার থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে। 
- উদ্ভিদ সরাসরি N2 গ্রহণ করে না। 
- মাটিতে ইউরিয়েজ এনজাইমের উপস্থিতিতে ইউরিয়া পানির সাথে বিক্রিয়া করে NH4+, OH- এবং CO2 তৈরি করে।
- উদ্ভিদ এই NH4+ শোষণ করে। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,০০৭.
ড্রাই সেলে ধনাত্মক তড়িৎদ্বার হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. ক) অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) কার্বন দন্ড
  3. গ) দস্তার কৌটা
  4. ঘ) ম্যাংগানিজ ডাইঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন দন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন দন্ড
ব্যাখ্যা
- টর্চ লাইট, বিভিন্ন রকম কন্ট্রোলার, নানা রকম খেলনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়, তাকে ড্রাই সেল বা শুষ্ক কোষ বলে।
- শুষ্ক কোষে দস্তার কৌটা ঋণাত্মক তড়িৎদ্বারে বা অ্যানোড হিসেবে কাজ করে।
- ধাতব টুপিঁ দিয়ে ঢাকা কার্বন দন্ডের উপরিভাগ ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বা ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে। 

সূত্র: বিজ্ঞান বই, অষ্টম শ্রেণি।
৫,০০৮.
শক্তির একক নয় কোনটি?
  1. আর্গ
  2. ক্যালরি
  3. ইলেকট্রন ভোল্ট
  4. ডাইন
সঠিক উত্তর:
ডাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাইন
ব্যাখ্যা
- আর্গ, ক্যালরি এবং ইলেকট্রন ভোল্ট হলো শক্তির বিভিন্ন পুরাতন একক।
- জুল হলো শক্তির আন্তর্জাতিক একক। 
- ডাইন হলো বলের পুরাতন একক।
- বলের আন্তর্জাতিক একক হলো নিউটন। 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৫,০০৯.
পৃথিবী পৃষ্ঠের অক্ষাংশ মানের সাথে অভিকর্ষজ ত্বরণের সম্পর্ক কী?
  1. অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান বাড়ে
  2. অক্ষাংশ মান কমলে g-এর মান কমে
  3. অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান কমে
  4. অক্ষাংশ মানের সাথে g-এর কোন সম্পর্ক নাই
সঠিক উত্তর:
অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান কমে
ব্যাখ্যা
⇒ অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান কমে।

অভিকর্ষজ ত্বরণ:
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির জন্য বিষুব রেখা অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি।
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে যত মেরু অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া যায় g-এর মান তত বাড়তে থাকে।
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g -এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g -এর মানকে আদর্শ ধরা হয়।
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০১০.
লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হলে প্রতিবিম্বটি হবে- 
  1. সমান
  2. খর্বিত
  3. বিবর্ধিত
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
খর্বিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খর্বিত
ব্যাখ্যা
রৈখিক বিবর্ধন: 
- সমতল দর্পণে বিম্বের আকার এবং আকৃতি লক্ষ্যবস্তুর আকার ও আকৃতির সমান হয়। কিন্তু গোলীয় দর্পণ এবং লেন্সের ক্ষেত্রে গঠিত প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর সমান, ছোট বা বড় হয়। 
- প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর তুলনায় কতগুণ বড় বা ছোট সেই রাশিকে তার বিবর্ধন বলে। 
- কোনো বিস্তৃত বস্তুর বিবর্ধন পরিমাপের জন্য বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে ব্যবহার করা হয়। 
- তাই বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে। 
ধরা যাক, কোনো লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য L এবং প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য Li । 
তাহলে, রৈখিক বিবর্ধন m = Li/Lo  । 
• m > 1 হলে, প্রতিবিম্বটি বিবর্ধিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার বড় হবে। 
• m = 1 হলে, প্রতিবিম্বটি লক্ষ্যবস্তুর সমান হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তুর আকার ও প্রতিবিম্বের আকার সমান হবে। 
m < 1 হলে, প্রতিবিম্বটি খর্বিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০১১.
হাইড্রোজেনের আইসোটোপ নয় কোনটি? 
  1. হিলিয়াম 
  2. ডিউটেরিয়াম 
  3. প্রোটিয়াম 
  4. ট্রিটিয়াম 
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম 
ব্যাখ্যা

- হাইড্রোজেনের আইসোটোপ নয়- হিলিয়াম। এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি মৌল এবং নোবেল গ্যাস, যার পারমাণবিক সংখ্যা ২ । 

আইসোটোপ: 
- 1912 সালে সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয় পদার্থে আইসোটোপ থাকার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। 
- 1916 সালে জে.জে. থমসন (J.J.Thomson) নিয়নের একটি নমুনায় 22 amu ভরের অতি সামান্য পরিমাণে এবং 20 amu ভরের অধিকাংশ নিয়ন অণু শনাক্ত করেন। 
- তিনি সর্বপ্রথম ধারণা করেন, নিয়ন নমুনায় 22 amu (atomic mass unit) ভরের কোনো নতুন মৌল থাকতে পারে। 
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে। 
- যেহেতু আইসোটোপগুলোর প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা একই তাই এরা একই মৌলের পরমাণু। 
- হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ: প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম। 
- আইসোটোপসমূহের (গ্রিক শব্দ iso = একই, top = স্থান) প্রোটন সংখ্যা একই হওয়ায় পর্যায় সারণিতে এদের স্থান একই জায়গায় নির্ধারিত। 

আইসোবার: 
- প্রকৃতিতে এমন কিছু পরমাণু রয়েছে যাদের পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন কিন্তু ভর সংখ্যা অভিন্ন। এ ধরনের পরমাণুকে পরস্পরের আইসোবার বলে। 
- আইসোবারসমূহের প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় পর্যায় সারণিতে এদের অবস্থানও ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়। 
- এদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মও ভিন্ন ভিন্ন। 

আইসোটোন: 
- প্রকৃতিতে এমন কতিপয় পরমাণু রয়েছে যাদের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা এবং ভর সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন, এসব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোন বলে। 
- আইসোটোনসমূহের প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় এরা ভিন্ন ভিন্ন পরমাণুর হয়ে থাকে। 
- পর্যায় সারণিতে এদের অবস্থান ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়। 
- এদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০১২.
জৈব যৌগের মূল উপাদান কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. কার্বন
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা
• কার্বনের ক্যাটেনেশন ধর্মের কারণে এটি জৈব যৌগের প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়।

• জৈব যৌগ:
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।

• উদাহরণ:  মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি।

• জৈব যৌগের বৈশিষ্ট্য:
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, সালফার প্রভৃতি মৌল যুক্ত থাকে।
- কার্বন জৈব যৌগের প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয় কারণ কার্বন ক্যাটেনেশন ধর্ম সম্পন্ন মৌল। 
- প্রধানত সমযোজী বন্ধন দ্বারা গঠিত হয়।
- নিম্ন গলনাঙ্ক ও নিম্ন স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট হয়।
- জৈব যৌগ পোলার দ্রাবক যেমন পানিতে অদ্রবণীয়, কিন্তু জৈব দ্রাবক যেমন, ইথার ও বেনজিনে দ্রবণীয়। তবে হাইড্রক্সিল মূলক যুক্ত যৌগ (চিনি, অ্যালকোহল) পানিতে দ্রবণীয়।
- জৈব যৌগের দহনের পর কোন অবশেষ থাকে না।
- জৈব যৌগ গলিত অবস্থায় বা দ্রবণে আয়নিত হয় না বলে তড়িৎ বিশ্লেষ্য নয়। অর্থাৎ বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ অপরিবাহী।
- জৈব বিক্রিয়ার কৌশল জটিল ও মন্থর প্রকৃতির হয়। 

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০১৩.
নিচের কোনটি চার্লসের সূত্র?
  1. V ∝ T
  2. PV = K
  3. V ∝ n
  4. P ∝ T
সঠিক উত্তর:
V ∝ T
উত্তর
সঠিক উত্তর:
V ∝ T
ব্যাখ্যা
চার্লসের সূত্র: 
- স্থির চাপে কোন নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসে 0°C তাপমাত্রায় তার আয়তনের 1/273 ভাগ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। 
গাণিতিক ভাষায়, Vt = V0 (273 + t)/273 ; 
- এ সূত্রকে অন্যভাবেও প্রকাশ করা যায়, “স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক”। 
গাণিতিকভাবে, V ∝ T

বয়েলের সূত্র: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, PV = K. 

গে-লুস্যাকের চাপের সূত্র: 
- স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের কোন গ্যাসের চাপ তার পরম তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, P ∝ T. 

অ্যাভোগেড্রোর সূত্র: 
- ১৮১১ সালে ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী অ্যাভোগেড্রো গ্যাসের আয়তন ও অণুর সংখ্যার মধ্যকার সম্পর্ক প্রকাশকারী যে সূত্র প্রদান করেন তাকে অ্যাভোগেড্রো সূত্র বলে। 
- স্থির তাপমাত্রা ও চাপে কোনো গ্যাসের মোল সংখ্যা বাড়লে তার আয়তনও বৃদ্ধি পায় এবং মোল সংখ্যা হ্রাস করলে আয়তনও হ্রাস পায়। 
অর্থাৎ, "স্থির তাপমাত্রা ও চাপে কোনো গ্যাসের আয়তন তার মোল সংখ্যার সমানুপাতিক”। 
সুতরাং কোনো গ্যাসের আয়তন V এবং মোল সংখ্যা n হলে অ্যাভোগেড্রোর সূত্রানুসারে, V ∝ n (চাপ ও তাপমাত্রা স্থির থাকলে)। 
বা, V = Kn (K সমানুপাতিক ধ্রুবক)। 
- একে NA দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অ্যাভোগেড্রোর সংখ্যার পরীক্ষালব্ধ মান NA = 6.023 × 1023  । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ) এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০১৪.
উচ্চ পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে; কারণ উচ্চ পর্বত চূড়ায়-
  1. অক্সিজেন কম
  2. ঠাণ্ডা বেশি
  3. বায়ুর চাপ বেশি
  4. বায়ুর চাপ কম
সঠিক উত্তর:
বায়ুর চাপ কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর চাপ কম
ব্যাখ্যা
- উঁচু পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সম্ভাবনা থাকে। 
কারণ- 
বায়ুর চাপ কম
• শুষ্ক বায়ু এবং 
• অক্সিজেন স্বল্পতা ইত্যাদি কারণে রক্তনালিতে চাপ পড়ে, ফলে রক্তপাত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,০১৫.
কোন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি? 
  1. শূন্য 
  2. কঠিন 
  3. তরল 
  4. বায়বীয় 
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
ব্যাখ্যা

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক। 
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। 
যেমন- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি বেশি। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়। 
- অন্যান্য যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,০১৬.
ডায়াবেটিক চকলেট তৈরীতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ভিনেগার
  2. TBHQ
  3. সরবিটল
  4. লেসিথিন
সঠিক উত্তর:
সরবিটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরবিটল
ব্যাখ্যা

• ডায়াবেটিক চকলেট তৈরিতে সাধারণত সরবিটল ব্যবহৃত হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো গ) সরবিটল। সরবিটল একটি সুগার অ্যালকোহল, যা সাধারণ চিনির তুলনায় ধীরে রক্তে শোষিত হয় এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বাড়ায় না। এজন্য ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি তুলনামূলকভাবে নিরাপদ মিষ্টিকারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে ভিনেগার সংরক্ষণ বা স্বাদে ব্যবহৃত হলেও চকলেট তৈরিতে নয়, TBHQ একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা তেলজাত খাদ্যে ব্যবহৃত হয়, আর লেসিথিন ইমালসিফায়ার হিসেবে চকলেটের টেক্সচার উন্নত করতে ব্যবহৃত হলেও এটি মিষ্টি উপাদান নয়।

• ডায়াবেটিক চকলেট তৈরীতে ব্যবহৃত উপাদান:
- ডায়াবেটিক চকলেট হলো এমন একটি চকলেট যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।
- সাধারণ চকলেটে চিনি ব্যবহৃত হলেও ডায়াবেটিক চকলেটে চিনি ব্যবহার করা হয় না।
- এর পরিবর্তে এমন সুইটেনার ব্যবহার করা হয় যা রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ায় না।
- এই ধরনের চকলেটে সাধারণত সরবিটল ব্যবহৃত হয়।
- সরবিটল হলো একটি সুগার অ্যালকোহল, যা মিষ্টি স্বাদ দিলেও গ্লুকোজের মতো দ্রুত রক্তে মিশে যায় না।
- তাই এটি ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপযোগী হিসেবে বিবেচিত।

• অপশন আলোচনা:
- ভিনেগার খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হলেও চকলেট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না।
- TBHQ একটি কৃত্রিম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা তেল বা চর্বি সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
- লেসিথিন একটি ইমালসিফায়ার, যা চকলেটের গঠন মসৃণ করতে সাহায্য করে, তবে এটি মিষ্টি উপাদান নয়।

সুতরাং, ডায়াবেটিক চকলেট তৈরীতে ব্যবহৃত উপাদান হলো সরবিটল
সঠিক উত্তর: গ) সরবিটল। 

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

৫,০১৭.
নিচের কোনটি রাসায়নিক পরিবর্তন?
  1. গলন
  2. বাষ্পীভবন
  3. সালোকসংশ্লেষণ
  4. প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
সালোকসংশ্লেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালোকসংশ্লেষণ
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক পরিবর্তন:  
- যে পরিবর্তনের ফলে পদার্থের অণুর গঠনের পরিবর্তন হয় অর্থাৎ সম্পূর্ণ নতুন পদার্থে পরিণত হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। যেমন: 
• লোহায় মরিচা ধরা,
• দুধ থেকে দই হওয়া,
• গাছের পাতা হলুদ হওয়া,
• উদ্ভিদ, মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর বৃদ্ধি,
• ফল পেকে লাল বা হলুদ হওয়া,
• সালোকসংশ্লেষণ, ইত্যাদি।

ভৌত পরিবর্তন: 
- যে পরিবর্তনের ফলে কোন পদার্থের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক গঠনের কোন পরিবর্তন না ঘটে শুধু বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে, তাকে ভৌত পরিবর্তন বলে। যেমন:
• পানিকে তাপ দিয়ে বাষ্পে পরিণত করা (বাষ্পীভবন),
• লবণ পানিতে দ্রবীভূত হওয়া,
• বরফ গলে পানি হওয়া,
• তাপ দ্বারা মোম গলানো (গলন) ইত্যাদি। 

→ সালোকসংশ্লেষণ হল সেই প্রক্রিয়া যেখানে আলোক শক্তি শর্করার আকারে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। আলোক শক্তি দ্বারা চালিত একটি প্রক্রিয়ায়, গ্লুকোজ অণু (বা অন্যান্য শর্করা), পানি এবং কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে তৈরি হয় এবং অক্সিজেন একটি উপজাত হিসাবে নির্গত হয়।

উৎস:
১) রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২) ব্রিটানিকা।
৫,০১৮.
সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগ হ্রাসের হারকে কী বলে? 
  1. দ্রুতি
  2. মন্দন
  3. সরণ
  4. বেগ
সঠিক উত্তর:
মন্দন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্দন
ব্যাখ্যা
মন্দন: 
- সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগের হ্রাসের হারকে মন্দন বলে। 
- অন্য ভাবে একক সময়ে গতিশীল বস্তুকণার বেগের পরিবর্তন কমতে থাকলে যে রাশি পাওয়া যায় তাকে মন্দন বলে। 
- মন্দনের একক ও মাত্রা ত্বরণের অনুরূপ। 

ত্বরণ: 
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলা হয়। 
- ত্বরণ একটি ভেক্টর রাশি। 
- কোনো বস্তুর ত্বরণ জানতে হলে বস্তুটির বেগের পরিবর্তনের হার এবং উক্ত পরিবর্তনের দিক উভয়ই জানতে হয়। 

দ্রুতি: 
- কোনো বস্তু একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে বা দূরত্বের হারকে দ্রুতি বলে। 
- এটি একটি স্কেলার রাশি। 
- বেগের মান দ্বারা দ্রুতি পরিমাপ করা হয়। 

সরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট দিকে সরল পথে কোনো বস্তু যে দূরত্ব বা পথ অতিক্রম করে তাকে সরণ বলে। 
- সরণ একটি ভেক্টর রাশি। 
- কোনো গতিশীল বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন একটি  নির্দিষ্ট দিকে হলে সরণ ঘটে। 

বেগ: 
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে বেগ বলে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০১৯.
SATP এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Standard Air Temperature and Pressure
  2. Standard Absolute Temperature and Pressure
  3. Standard Actual Temperature and Pressure
  4. Standard Ambient Temperature and Pressure
সঠিক উত্তর:
Standard Ambient Temperature and Pressure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Standard Ambient Temperature and Pressure
ব্যাখ্যা
SATP: 
- SATP হলো Standard Ambient Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- এক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 25°C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 24.789 dm3। 

STP: 
- STP হলো Standard Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- এক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 0°C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 22.4 dm3। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০২০.
অ্যারোসল কোন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে? 
  1. নিঃসরণ 
  2. ব্যাপন 
  3. বাষ্পীভবন 
  4. পাতন 
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন 
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে। 
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে আমরা যে অ্যারোসল ব্যবহার করি তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 

নিঃসরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
- যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ। 

বাষ্পীভবন: 
- কোনো তরলকে তাপ প্রদান করে ঐ তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। 
- যেমন: চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়। 

পাতন: 
- কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে। 
- অর্থাৎ, পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,০২১.
পানির বিভব শক্তি নিচে নামার সময় কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. গতি শক্তি
  2. তাপ শক্তি
  3. শব্দ শক্তি
  4. রাসায়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
গতি শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গতি শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে।
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে। 
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।
- এক রূপের শক্তিকে রুপান্তর করে অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 

যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর: 
- হাতে হাত ঘষলে তাপ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- পানি যখন ভূপৃষ্ট হতে উপরে কোন পাত্রে থাকে তখন তাতে বিভব শক্তি সঞ্চিত থাকে, নিচে প্রবাহিত হবার সময় বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০২২.
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় বস্তুর যে তাপীয় ধর্ম স্থির থাকে, সেটি কী?
  1. এন্ট্রপি
  2. চাপ
  3. ওজন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
এন্ট্রপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ট্রপি
ব্যাখ্যা
এন্ট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে। 
- কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। 
- অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে, ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। 
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এন্ট্রপি। 
- কোনো বস্তুর এন্ট্রপির মান আজো জানা সম্ভব হয়নি। তবে কোনো বস্তু যদি তাপ গ্রহণ বা বর্জন করে, তাহলে বস্তুর এন্ট্রপির পরিবর্তন হয়। 
- কোনো বস্তুর তাপমাত্রার সাপেক্ষে গৃহীত বা বর্জিত তাপ পরিবর্তনের হার দ্বারা এন্ট্রপির পরিবর্তন পরিমাপ করা হয়। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় বস্তুর যে তাপীয় ধর্ম স্থির থাকে, তাকে এন্ট্রপি বলে। 
অর্থাৎ, এন্ট্রপি হলো বস্তুর এমন একটি ভৌত ধর্ম যা রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় স্থির থাকে। এন্ট্রপিরকে s দ্বারা সূচিত করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০২৩.
বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস কী জন্য বিখ্যাত?
  1. প্লবতা সূত্র আবিষ্কারের জন্য
  2. ত্রিকোণমিতির ভিত প্রতিষ্ঠার জন্য
  3. পড়ন্ত বস্তুর সূত্র প্রতিষ্ঠার জন্য
  4. গতির সূত্রাবলী আবিষ্কারের জন্য
সঠিক উত্তর:
প্লবতা সূত্র আবিষ্কারের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লবতা সূত্র আবিষ্কারের জন্য
ব্যাখ্যা
• প্লবতার সূত্র এবং আর্কিমিডিসের নীতি পানির ভিতরে কোনো বস্তুর বৈশিষ্ট্য এবং তরল পদার্থের সাথে তার সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এখানে উভয়ের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

প্লবতার সূত্র:
- প্লবতার সূত্রটি আর্কিমিডিসের সূত্র নামেও পরিচিত।
- বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস - প্লবতা সূত্র আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- এটি মূলত হল:
"যে কোনো বস্তু যখন কোনো তরলে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে নিমজ্জিত থাকে, তখন সেই বস্তুটি তরলের দ্বারা একটি ঊর্ধ্বমুখী বল অনুভব করে, যার মান বস্তু দ্বারা স্থানচ্যুত তরলের ওজনের সমান।"
- প্লবতা = শূন্যস্থানে বস্তুর ওজন − তরলে নিমজ্জিত বস্তুর ওজন

আর্কিমিডিসের নীতি:
- আর্কিমিডিসের নীতি হচ্ছে প্লবতার সূত্রের মূল ধারণা এবং এটি প্রাচীন গ্রিক গণিতজ্ঞ আর্কিমিডিস দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। আর্কিমিডিসের নীতির মূল বক্তব্য হলো:
- "যে কোনো বস্তুকে একটি তরলে নিমজ্জিত করলে, তার উপর একটি ঊর্ধ্বমুখী বল কাজ করে যা সেই বস্তু দ্বারা তরলে স্থানচ্যুত তরলের ওজনের সমান।"
- এই নীতি বস্তুর ভাসমানতা এবং তরলে বস্তু কতটা ডুববে তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। এটি জাহাজ নির্মাণ, পণ্যের ভাসমানতা এবং বিভিন্ন পদার্থবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উদাহরণ:
- জাহাজ: একটি জাহাজ সমুদ্রের পানিতে ভাসছে কারণ এটি এত বড় যে এটি অনেক পানি স্থানচ্যুত করে এবং তারপরে প্লবতার সূত্রের মাধ্যমে একটি বড় উর্ধ্বমুখী বল অনুভব করে।
- গ্লাসে পানির তলায় নিমজ্জিত বস্তু: যদি একটি বস্তুকে পানিতে নিমজ্জিত করা হয়, এটি একটি ঊর্ধ্বমুখী বল অনুভব করবে যা পানির দ্বারা স্থানচ্যুত পানি ওজনের সমান।

- প্লবতার সূত্র এবং আর্কিমিডিসের নীতি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ রয়েছে।

তথ্যসুত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,০২৪.
NH4Cl কোন ধরনের এসিড ও ক্ষার থেকে উৎপন্ন লবণ?
  1. মৃদু এসিড ও তীব্র ক্ষার
  2. মৃদু এসিড ও মৃদু ক্ষার
  3. তীব্র এসিড ও মৃদু ক্ষার
  4. তীব্র এসিড ও তীব্র ক্ষার
সঠিক উত্তর:
তীব্র এসিড ও মৃদু ক্ষার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তীব্র এসিড ও মৃদু ক্ষার
ব্যাখ্যা
লবণের আর্দ্র বিশ্লেষণ (Hydrolysis of Salts): 
- এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় লবণ উৎপন্ন হয়। 
- বেশির ভাগ লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়। আবার কোনো কোনো লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয় না, এসব লবণের পানিতে দ্রাব্যতা গুণ নেই। 
- লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে যে দ্রবণ উৎপন্ন করে তা নিরপেক্ষ, অম্লীয় বা ক্ষারীয় প্রকৃতির হয়। 
- কোনো লবণকে পানিতে দ্রবীভূত করে যে বিক্রিয়ার মাধ্যমে লবণটি জলীয় দ্রবণে H3O+ বা OH- আয়নের পরিমাণে বৃদ্ধি ঘটিয়ে দ্রবণটির প্রকৃতি অম্লীয় বা ক্ষারীয় করে, সে বিক্রিয়াকে লবণের আর্দ্র বিশ্লেষণ বলে। 
- লবণের আর্দ্র বিশ্লেষণে লবণটি পানির সাথে বিক্রিয়া করে ওই লবণের উৎপাদন এসিড ও ক্ষার উৎপন্ন করে। 
- যে লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয় না সে লবণের আর্দ্র বিশ্লেষণ হয় না। 
- বিভিন্ন প্রকার এসিড ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ নিম্নরূপ: 
যেমন- 
i. তীব্র এসিড ও তীব্র ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ: NaCl, KCl, NaNO3, KNO3, Na2SO4, K2SO4 ইত্যাদি। 
ii. তীব্র এসিড ও মৃদু ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ: NH4Cl, NH4NO3, (NH4)2SO4, CuSO4, FeSO4, FeCl3, AlCl3 ইত্যাদি। 
iii. মৃদু এসিড ও তীব্র ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ: Na2CO3, CH3-COONa, KCN, H-COONa, K2CO3 ইত্যাদি। 
iv. মৃদু এসিড ও মৃদু ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ: (NH4)2CO3, H-COONH4, CH3-COONH4 ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০২৫.
স্থির তরঙ্গের নিস্পন্দ বিন্দুতে কণার বেগ কত ?
  1. ক) শূন্য
  2. খ) সর্বনিম্ন কিন্তু শূন্য নয়
  3. গ) সর্বাধিক
  4. ঘ) কোনােটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শূন্য
ব্যাখ্যা

সুস্পন্দ বিন্দু (Antinode) : স্থির তরঙ্গের উপরস্থ যে সকল বিন্দুতে কণার স্পন্দনের বিস্তার সর্বাধিক হয় অর্থাৎ কণার সরণ সর্বোচ্চ হয় সেই সকল বিন্দুকে সুস্পন্দ বিন্দু বলে।
নিস্পন্দ বিন্দু (Node) : স্থির তরঙ্গর উপরস্থ যে সকল বিন্দুতে কণার কোনাে বিস্তার নেই অর্থাৎ কণার সরণ শূন্য হয় সেই সকল বিন্দুকে নিস্পন্দ বিন্দু বলে।
নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দুর অবস্থানগুলাে স্থির। পর পর দুটি সুস্পন্দ বা দুটি নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অর্ধেক। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

৫,০২৬.
পদার্থ কোন তাপমাত্রায় চুম্বকত্ব হারায় ?
  1. পরম শূন্য তাপমাত্রায়
  2. কক্ষ তাপমাত্রায়
  3. কুরি তাপমাত্রায়
  4. স্ফুটনাংকে
সঠিক উত্তর:
কুরি তাপমাত্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুরি তাপমাত্রায়
ব্যাখ্যা
• চুম্বকত্ব (Magnetism):
- চুম্বক পদার্থের ধর্মই হলো চুম্বকত্ব। চুম্বকত্ব পদার্থের ভৌত ধর্ম।
- কারণ পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন ও তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- তবে চুম্বকত্বের উপর তাপমাত্রার বাহ্যিক প্রভাব রয়েছে। অর্থাৎ বাহ্যিকভাবে তাপ প্রয়োগে পদার্থের চুম্বকত্ব নষ্ট হয়ে যায়। 

• কুরি তাপমাত্রা বা কুরি বিন্দু (Curie temperature or Curie point):
- যে তাপমাত্রায় কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় তাকে কুরি তাপমাত্রা বলে। এই তাপমাত্রার পর পদার্থের আর কোন চুম্বকত্ব থাকে না।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০২৭.
বায়বীয় পদার্থ অত্যন্ত সংকোচনশীল হওয়ার প্রধান কারণ কী? 
  1. কণিকাগুলোর গতি কম
  2. কণিকাগুলো নির্দিষ্ট স্থানে থাকে
  3. কণিকাগুলোর মধ্যে দূরত্ব কম
  4. কণিকাগুলোর মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি
সঠিক উত্তর:
কণিকাগুলোর মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণিকাগুলোর মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি
ব্যাখ্যা

- বায়বীয় পদার্থ অত্যন্ত সংকোচনশীল হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে কণিকাগুলোর মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি 

কঠিন পদার্থ: 

- কঠিন পদার্থের মধ্যে কণিকাগুলো গতিশীল কিন্তু তা দেখা সম্ভব নয়। 
- একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে থেকে প্রতিটি কণা অবিরত কম্পিত হচ্ছে। 
- এদের মধ্যকার প্রবল আন্তঃআণবিক শক্তি কণাগুলোকে পরস্পর থেকে বিছিন্ন হতে দেয় না, তাই কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন বজায় থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থ থেকে তরল অবস্থায় আসতে পদার্থ অতিরিক্ত শক্তি গ্রহণ করে। 
- এ অবস্থায় অতিরিক্ত শক্তির কারণে কণিকাগুলো গতির বিস্তার বৃদ্ধি পায় বা কণাগুলো মধ্যের দূরত্ব বেশি হয় এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের প্রভাব কমে যায়। কিন্তু একেবারে লুপ্ত হয় না। 
- সামান্য আকর্ষণ বলের কারণে কণিকা গুচ্ছগুলো পাত্রের মধ্যে থাকে। একারণে এটি পাত্রের যে কোন স্থানে সরে যায় এবং পাত্রের আকার গ্রহণ করতে পারে। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- বায়বীয় অবস্থায় পদার্থের মধ্যে আরও অনেক বেশি শক্তি যোগ হয় তখন কণিকাগুলোর গতি অত্যন্ত বেড়ে যায় এলোমেলোভাবে সবদিকে ছুটাছুটি করে পরস্পরের থেকে অনেক দূরত্বে চলে যায়। 
- তখন এই পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল খুবই নগন্য হয়ে যায়। এজন্য বায়বীয় অবস্থায় বস্তুর কোন আকার বা আয়তন নাই এবং অত্যন্ত সংকোচনশীল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০২৮.
নিচের কোন ক্ষেত্রের জন্য প্যাসকেলের সূত্রটি প্রযোজ্য?
  1. বায়বীয় ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে
  2. কঠিন ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে
  3. বায়বীয় ও কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• বায়বীয় ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে প্যাসকেলের সূত্রটি প্রযোজ্য।

• প্যাসকেলের সূত্র:
- প্যাসকেলের সূত্র (Pascal's Law) হলো পদার্থবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নীতি যা তরলের গতিবিদ্যা (fluid dynamics) এর অন্তর্গত।
- এই সূত্রটি প্রথম ফরাসি বিজ্ঞানী ব্লেজ প্যাসকেল প্রস্তাব করেছিলেন।
- প্যাসকেলের সূত্রটি প্রযোজ্য- বায়বীয় ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে।

প্যাসকেলের সূত্র:
- "কোনো আবদ্ধ তরলের মধ্যে চাপের পরিবর্তন হলে, সেই পরিবর্তনটি তরলের সব দিকেই সমানভাবে সঞ্চারিত হয়।"
এই সূত্রটি গাণিতিকভাবে প্রকাশ করা যায়:
P = F/A
এখানে,
- P হলো চাপ (Pressure),
- F হলো বল (Force),
- A হলো ক্ষেত্রফল (Area).

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,০২৯.
নিচের কোনটির জলীয় দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির?
  1. ক) CH3COONa
  2. খ) NaCl
  3. গ) Na2SO4
  4. ঘ) FeCl3
সঠিক উত্তর:
ঘ) FeCl3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) FeCl3
ব্যাখ্যা

FeCl3  এর জলীয় দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির। 

অপরদিকে, NaCl হল জলীয় দ্রবণ নিরপেক্ষ এবং Na2SO4,   CH3COONa জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির।

সূত্র: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

৫,০৩০.
বাষ্পায়ন কোন বিষয়টির উপর নির্ভর করে না?
  1. তরলের প্রকৃতি
  2. পদার্থের ঘনত্ব
  3. তরল তল সংলগ্ন বায়ুর আর্দ্রতা
  4. তরলের উপরি তলের ক্ষেত্রফল
সঠিক উত্তর:
পদার্থের ঘনত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থের ঘনত্ব
ব্যাখ্যা
বাষ্পায়নের উপর বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাব: 
- পরিবেশ থেকে সুপ্ত তাপ সংগ্রহ করে কোনো তরল পদার্থের বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াটি হলো বাষ্পায়ন। 
- এ ক্ষেত্রে তরল পদার্থটিকে স্ফুটনাঙ্কে উত্তপ্ত করা হয় না। 
- এটি একটি স্বতঃস্ফুর্ত ঘটনা। এজন্য প্রক্রিয়াটিকে স্বতঃবাষ্পভবনও বলা হয়। 
- কিন্তু তরলের বাষ্পায়ন সাধারণত বেশ কয়েকটি ঘটনা বা বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়। 
যেমন - 

১। তরলের প্রকৃতি: 
- বিভিন্ন তরল পদার্থের বাষ্পায়নের হার বিভিন্ন। 
- সাধারণত তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন হার বেশি হয়। 
- উদ্বায়ী পদার্থের বাষ্পায়ন হার অত্যন্ত বেশি। 

২। বায়ু প্রবাহ: 
- তরলের উপর বায়ু প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। 

৩। তরলের উপর চাপ: 
- তরলের উপর বায়ু মন্ডলের চাপ বাড়লে বাষ্পায়ন হার কমে যায়। 
- চাপ কমলে বাষ্পায়ন বৃদ্ধি পায়। 
- শূন্য স্থানে বাষ্পায়নের হার সর্বাধিক। 

৪। তরলের উপরি তলের ক্ষেত্রফল: 
- বাষ্পায়ন কেবল উপরিতলে সংঘঠিত হয়। 
- তরলের উপরিতলের ক্ষেত্রফল যত বেশি বিস্তৃত হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। 

৫। তরল তল সংলগ্ন বায়ু বা বাষ্পের তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। 

৬। তরল তল সংলগ্ন বায়ুর আর্দ্রতা: 
- বায়ুর আর্দ্রতা যত কম হয় তরলের বাষ্পায়ন তত দ্রুত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৩১.
বৈদ্যুতিক হিটার ও ইস্ত্রির জন্য কোন ধাতুর তার ব্যবহৃত হয়?
  1. প্লাটিনাম
  2. নাইক্রোম
  3. টাংস্টেন
  4. স্টেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম
ব্যাখ্যা

• বৈদ্যুতিক হিটার ও ইস্ত্রির জন্য নাইক্রোম ধাতুর তার ব্যবহৃত হয়। নাইক্রোম হলো নিকেল ও ক্রোমিয়ামের সংকর ধাতু, যার বৈদ্যুতিক রোধ খুব বেশি। বেশি রোধের কারণে এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়, যা হিটার ও ইস্ত্রির জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এছাড়া নাইক্রোম উচ্চ তাপমাত্রায় সহজে গলে না এবং বাতাসে জারিত হয়ে নষ্ট হয় না, ফলে এটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। প্লাটিনাম ও টাংস্টেন দামি এবং অন্য কাজে বেশি ব্যবহৃত হয়, আর স্টেনিয়াম তাপ উৎপাদনে উপযুক্ত নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) নাইক্রোম।


নাইক্রোম তার: 
- বৈদ্যুতিক হিটার এবং ইস্ত্রিসহ আরো অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রে নাইক্রোমের তার ব্যবহার করা হয়। 
- বৈদ্যুতিক হিটারের মধ্যে অপরিবাহী পদার্থের একটি গোল চাকতি থাকে। 
- চাকতিতে নাইক্রোম তারের কুণ্ডলী সাজিয়ে রাখা হয়। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তারটি গরম হয় এবং উত্তপ্ত হয়ে তাপ বিকিরণ করে। 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রির নাইক্রোম তারটি ইস্ত্রির নিচের মসৃণ লৌহ নির্মিত তলটিকে উত্তপ্ত করে। 
- এক্ষেত্রে তাপ উৎপাদন বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। 
- প্রবাহ বেশি হলে ইস্ত্রি বেশি উত্তপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,০৩২.
এন্ডোসকপি (Endoscopy) -তে প্রয়োগ করা হয়-
  1. আলোর প্রতিসরণ
  2. আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  3. বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ
  4. আলোর আংশিক প্রতিসরণ
সঠিক উত্তর:
আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

এন্ডোসকপি (Endoscopy):
- মানুষের উপর কোনো অস্ত্রোপাচার না করে তার শরীরের ভেতরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দেখার কাজে এন্ডোস্কপি করা হয়।
- এন্ডোসকপি যন্ত্রের মাধ্যমে আমরা শরীরের ফাঁকা অঙ্গসমূহের অভ্যন্তরভাগ পরীক্ষা করে থাকি।
- এন্ডোসকপি সাধারণত তখনই ব্যবহার করা হয় যখন শরীরের অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যা এক্সরে বা সিটি স্ক্যান করে নিশ্চিত হওয়া যায় না।
- এন্ডোসকপির মাধ্যমে চিকিৎসকগন শরীরের অভ্যন্তরে বিশেষ করে পাকস্থলীতে যে কোনো ধরনের অস্বস্থিবোধ, ক্ষত, প্রদাহ এবং অস্বাভাবিক কোষবৃদ্ধি পরীক্ষা করে থাকেন।
- পেটে ব্যাথা, গ্যাস্ট্রিক, আলসার, পরিপাকতন্ত্র, মূত্রনালী, স্ত্রী প্রজননতন্ত্র প্রভৃতির সমস্যার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ এন্ডোসকপি ব্যবহার নির্ধারণ করেন। এছাড়া পেটের আলসার নির্ণয়ে এন্ডোসকপি করা হয়।
- এন্ডোসকপি যন্ত্র সাধারণত একটি বাঁকানো টেলিস্কোপ। এই যন্ত্রের দুটি নল থাকে, এদের একটির মধ্যদিয়ে বাইরে থেকে রোগীর শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গে আলো প্রেরণ করা হয়।
- আলোক তন্ত্রর ভিতরের দেয়ালে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে উজ্জ্বল আলো রোগীর দেহ গহব্বরে প্রবেশ করে।
- এই আলো ক্ষতিগ্রস্থ অঙ্গকে আলোকিত করে। দ্বিতীয় আলোক তন্তু নলের ভিতর দিয়ে আলোর প্রতিফলিত অংশ একইভাবে ফিরে আসে।
- প্রতিফলিত আলো অভিনেত্র লেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসকের চোখে প্রবেশ করে।
- ফলে চিকিৎসক পরীক্ষণীয় অঙ্গের অভ্যন্তরে কী ঘটছে বা হচ্ছে-তা দেখতে পারে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০৩৩.
ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়?
  1. ক) তামা
  2. খ) সীসা
  3. গ) দস্তা
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
অ্যালুমিনিয়াম:
- ভূপৃষ্ঠে অ্যালুমিনিয়াম ধাতুটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় শতকরা ৮ ভাগ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায়। 
- কিন্ত প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায় না।
- অ্যালুমিনিয়াম অন্যান্য মৌলিক পদার্থের সাথে যৌগ গঠন করে অবস্থান করে।
- এগুলো হলো অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক। 
- এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বক্সাইট, ক্রায়োলাইট, কোরানডাম ইত্যাদি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৩৪.
স্যাটেলাইট ডিস এন্টেনায় কোন ধরনের দর্পণ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) অবতল দর্পণ
  2. খ) উত্তল দর্পণ
  3. গ) সমতল দর্পণ
  4. ঘ) উত্তল ও অবতল দর্পণ
সঠিক উত্তর:
ক) অবতল দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অবতল দর্পণ
ব্যাখ্যা

অবতল দর্পণের প্রতিফলক তল নিচু। এটি আলোক রশ্মিকে বাস্তবে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করতে পারে, ফলে এটি সদ ও অসদ উভয় প্রকারের বিম্ব গঠন করতে পারে। এজন্য এর ব্যবহার ব্যাপক। 

স্যাটেলাইট ডিস এন্টিনায় অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়। কমিউনিকেশন স্যাটেলইটের মাধ্যমে প্রেরক এন্টিনাসমূহ তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গকে মহাশূন্যে ছড়িয়ে দেয়। যেহেতু পৃথিবী থেকে স্যাটেলাইটগুলোর দূরত্ব অনেক বেশি তাই পৃথিবীতে আসা দুর্বল তরঙ্গগুলো প্রায় সমান্তরালভাবে অবতল তলে আপতিত হয় এবং প্রতিফলনের নিয়মে ফোকাসে মিলিত হয়। আগত দুর্বল তরঙ্গ একটি ফোকাসে মিলিত হওয়ায় বেশ জোরাল হয়। অতপর এটি বর্ধিত করে গ্রাহক যন্ত্রে প্রেরিত হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫,০৩৫.
AC প্রবাহ কে DC প্রবাহে রূপান্তর করতে কোন ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) জেনারেটর
  2. খ) ডায়োড
  3. গ) ট্রানজিস্টর
  4. ঘ) অ্যামপ্লিফায়ার
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়োড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়োড
ব্যাখ্যা
• AC প্রবাহ কে DC প্রবাহে রূপান্তর করতে ডায়োড ব্যবহার করা হয়।

• ডায়োড: ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,০৩৬.
বৈদ্যুতিক ফিউজে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. তামা ও সীসা
  2. সীসা ও টিন
  3. সীসা ও ব্রোঞ্জ
  4. লোহা ও তামা
সঠিক উত্তর:
সীসা ও টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীসা ও টিন
ব্যাখ্যা
• বৈদ্যুতিক ফিউজ: 
- কোনো বৈদ্যুতিক বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহকালে সরবরাহ লাইন থেকে যাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত মাত্রার বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে অগ্নিকান্ড ঘটাতে না পারে বা গৃহে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হতে না পারে সে জন্য বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা ফিউজ ব্যবহৃত হয়। 
- বৈদ্যুতিক ফিউজ সাধারণত সীসা ও টিন (সীসা ৭৫% এবং টিন ২৫%) এর সংকরের উপযুক্ত ব্যাসের এক টুকরা সরু তার। 
- এর গলনাংক প্রায় ৩০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 
- এরূপ এক খন্ড তার চীনা মাটির বাক্সে বাড়ির বৈদ্যুতিক বর্তনীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের সাথে আটকানো থাকে। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৩৭.
শূন্যস্থান বা ভ্যাকুয়ামে বাষ্পায়ন কেমন হয়? 
  1. খুব ধীরে 
  2. স্থির থাকে 
  3. বাতাসের মতো 
  4. সবচেয়ে বেশি 
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে বেশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে বেশি 
ব্যাখ্যা

বাষ্পায়নের নির্ভরশীলতা: 
- বর্ষাকালের বৃষ্টিভেজা দিনগুলোতে ভেজা কাপড় কিছুতেই শুকাতে চায় না। আবার শীতকালে ঘরের ভেতর ছায়াতেও কাপড় ধুয়ে শুকাতে দিলে দ্রুত শুকিয়ে যায়। 
- ভেজা কাপড় শুকানোর বিষয়টি পানির বাষ্পায়ন ছাড়া আর কিছুই না, কাজেই পানির বাষ্পায়ন বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
- একটা তরলের বাষ্পায়ন কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে তা নিম্নে দেওয়া হলো- 
১। বাতাসের প্রবাহ: বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 
২। তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল: তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। এক গ্লাস পানি বাষ্পীভূত হতে অনেক সময় নেবে কিন্তু সেই পানিটা বড় থালায় ঢেলে দিলে অনেক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। 
৩। তরলের প্রকৃতি: তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন বেশি। উদ্বায়ী তরলের বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি। 
৪। বাতাসের চাপ: বাতাসের চাপ যত কম হবে বাষ্পায়নের হার তত বেশি। শূন্যস্থানে বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি, তাই খাদ্য সংরক্ষণের জন্য খাবারকে শুকাতে পাম্প দিয়ে বাতাস বের করে নেওয়া হয়। 
৫। উষ্ণতা: তরল এবং তরলের কাছাকাছি বাতাসের উষ্ণতা বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 
৬। বায়ুর শুষ্কতা: বাতাস যত শুষ্ক হবে তরল তত তাড়াতাড়ি বাষ্পায়ন হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,০৩৮.
কোয়ান্টাম তত্ত্বের মাধ্যমে কোন বিকিরণ ব্যাখ্যা করা হয়?
  1. রেডিও তরঙ্গ
  2. আলোর প্রতিফলন
  3. কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ
ব্যাখ্যা

কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে বের হয়ে না, বরং ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট বা গুচ্ছ আকারে নির্গত হয়। 
- প্রতি কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্বনিম্ন মান নির্দিষ্ট থাকে। এই সর্বনিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- প্লাঙ্কের মতে, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ আকারে সংঘটিত হয়। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন, যার ফলে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০৩৯.
পর্যায় সারণীতে কোন মৌলের অবস্থানে ব্যতিক্রমতা পরিলক্ষিত হয়?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) আয়রন
সঠিক উত্তর:
ক) হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

পর্যায় সারণীতে হাইড্রোজেনের অবস্থানে ব্যতিক্রমতা পরিলক্ষিত হয়।
আধুনিক পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেনকে IA শ্রেণিতে স্থান দেয়া হয়েছে। গ্রুপ IA এর সদস্যরা তীব্র ক্ষার ধাতু, কিন্তু হাইড্রোজেন একটি অধাতু।

পর্যায় সারণীতে হাইড্রোজেনের অবস্থান:
আধুনিক পর্যায় সারণিতে মেন্ডেলিফের পর্যায় সারণির অনেক ত্রুটির সংশোধন করা সম্ভব হলেও এখনও হাইড্রোজেনের স্থান নিয়ে মতভেদ রয়েছে। 

• আধুনিক পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেনকে IA শ্রেণীতে স্থান দেয়ার পক্ষে যুক্তিগুলো হলো:
i) IA শ্রেণীর অন্যান্য ক্ষার ধাতুগুলোর ন্যায় (Li-1s2 2s1) হাইড্রোজেন পরমাণুর সর্ব:বহিস্থ স্তরের (এক মাত্র শক্তি স্তরে) s অরবিটালে 1টি মাত্র ইলেকট্রন রয়েছে (H-1s1)।
ii) ক্ষার ধাতুগুলোর মতই হাইড্রোজেন তীব্র তড়িৎধনাত্নক গুণ সম্পন্ন। ঐ ধাতুগুলোর মত হাইড্রোজেন ইলেকট্রন অপসারণের মাধ্যমে ধনাত্নক আয়ন সৃষ্টি করে।
iii) ক্ষার ধাতুর মৌলগুলোর মত হাইড্রোজেনের যোজনীও এক।
iv) Li, Na ইত্যাদি ক্ষার ধাতুর মতই হাইড্রোজেন হ্যালোজেন, অক্সিজেন, সালফার ইত্যাদি অধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে যৌগ গঠন করে।
v) ক্ষার ধাতুর মত হাইড্রোজেনের তীব্র বিজারণ গুণ রয়েছে।

• অন্যদিকে VII-A শ্রেণীতে হাইড্রোজেনের স্থান সম্পর্কে নিচের যুক্তিসমূহের উল্লেখ করা যায়:
i) হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা 1, সুতরাং হিলিয়ামের (পারমাণবিক সংখ্যা 2) ঠিক আগের শ্রেণীতে অর্থাৎ VIIA শ্রেণীতে ফ্লোরিনের উপর এর স্থান হওয়া উচিৎ।
ii) হ্যালোজেন মৌলসমূহের মত হাইড্রোজেনও দ্বি-পরমাণুক ও অধাতু। হাইড্রোজেন ফ্লোরিন ও ক্লোরিনের ন্যায় সাধারণ তাপমাত্রায় একটি গ্যাস।
iii) Si, C ইত্যাদি অধাতব মৌলের সাথে হ্যালোজেন SiX4, CX4 যৌগ উৎপন্ন করে, হাইড্রোজেনও অনুরূপ যৌগ SiH4 ও CH4 উৎপন্ন করে।
iv) Na, Ca, Al এই সব ধাতুর সাথে হ্যালোজেন বিক্রিয়া করে যথাক্রমে NaX, CaX2 এবং AIX3, প্রভৃতি হ্যালাইড উৎপন্ন করে । হাইড্রোজেনও NaH, CaH2, ও AlH3, ইত্যাদি সাদৃশ্যপূর্ণ হাইড্রাইড উৎপন্ন করে।
v) হ্যালোজেন মৌলসমূহের মতই পরবর্তী নিষ্ক্রিয় গ্যাস অর্থাৎ হিলিয়াম থেকে হাইড্রোজেনের একটি ইলেকট্রন কম থাকে।
vi) LiH সহ অন্যান্য কোন কোন ধাতুর গলিত হাইড্রাইড থেকে তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় হ্যালোজেনের মতই হাইড্রোজেন উৎপন্ন হয়ে অ্যানোডে জমা হয়।


# উপরের আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, IA ও VIIA এই উভয় শ্রেণির যে কোনটিতে হাইড্রোজেনের স্থান দেওয়ার পক্ষে যুক্তি দেয়া যায়। হাইড্রোজেন একটি s-ব্লক মৌল এবং প্রায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই +1 জারণ অবস্থা প্রাপ্ত হয় বলে একে IA শ্রেণিতে স্থান দেয়া হয়।

# কোন কোন বিজ্ঞানী উভয় শ্রেণীতে হাইড্রোজেনের স্থান দেওয়ার পক্ষে যুক্তি থাকায় হাইড্রোজেনকে পর্যায় সারণির উপরে আলাদাভাবে একটি বিশেষ স্থান দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন।

৫,০৪০.
কোন পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য 150 V এবং তড়িৎ প্রবাহ 15 A হলে এর রোধ কত?
  1. ক) 0.1Ω
  2. খ) 2250Ω
  3. গ) 10Ω
  4. ঘ) 100Ω
সঠিক উত্তর:
গ) 10Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 10Ω
ব্যাখ্যা

দেওয়া আছে,
বিভব পার্থক্য, V = 150 V
তড়িৎ প্রবাহ, I = 15 A
এবং রোধ, R = ?
আমরা জানি,
I = V/R
বা, R = V/I
বা, R = 150/15
= 10Ω

৫,০৪১.
বায়োগ্যাস তৈরির পর যে অবশিষ্টাংশ থাকে তা-
  1. সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়
  2. জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা য়ায়
  3. হাঁস-মুরগির খাবার হিসেবে ব্যবহার করা যায়
  4. কোনো কাজে লাগে না
সঠিক উত্তর:
সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়
ব্যাখ্যা
বায়োগ্যাস: 
- গোবর ও অন্যান্য পঁচনশীল পদার্থ বাতাসের অনুপস্থিতিতে (অবায়বীয় অবস্থায়) পঁচানোর ফলে যে বর্ণহীন জ্বালানি গ্যাস তৈরী হয়, তাকে বায়োগ্যাস বলে।
- বায়োগ্যাসে শতকরা ৬০-৭০ ভাগ মিথেন থাকে, তাই একে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- মিথেন ছাড়া বায়োগ্যাসে থাকে মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2)।
- সাধারণত অবায়বীয় ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতায় গোবর ও অন্যান্য আবর্জনা পঁচে বায়োগ্যাস সৃষ্টি হয়।
- এ গ্যাস উৎপাদনের পর অবশিষ্ট অংশ উন্নত মানের সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
[এখানে অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে সার হিসেবে ব্যবহার করাকে নেয়া হয়েছে কারণ অবশিষ্ট অংশ সার হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।] 


বায়োগ্যাস তৈরির সময় রেসিডিউ (অবশিষ্টাংশ) নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে - 
১. উন্নতমানের জৈব সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার করা যায়। 
২. মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
৩. মাশরুম চাষ করা যায়। 
৪. মুক্তা চাষে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: ৩৯৫ পৃষ্ঠা, উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৪২.
নিচের কোনটি সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড নয়?
  1. অক্সালিক এসিড
  2. পামিটিক এসিড
  3. স্টিয়ারিক এসিড
  4. প্রোপানোয়িক এসিড
সঠিক উত্তর:
অক্সালিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সালিক এসিড
ব্যাখ্যা

- অক্সালিক এসিড একটি ডাই-কার্বক্সিলিক এসিড, যা কোনো ফ্যাটি এসিড নয়। ফ্যাটি এসিড সাধারণত দীর্ঘ কার্বন শিকলযুক্ত মনো-কার্বক্সিলিক এসিড হয়ে থাকে। অক্সালিক এসিডের সংকেত  (COOH)2, যেখানে কোনো দীর্ঘ হাইড্রোকার্বন শিকল নেই। 

ফ্যাটি এসিড: 
- অ্যালিফেটিক এসিডের অণুতে একটি মাত্র কার্বক্সিলমূলক থাকলে এদেরকে মনোকার্বক্সিল এসিড বলে। 
- অ্যালিফেটিক মনোকার্বক্সিলিক এসিড শ্রেণীকে ফ্যাটি এসিডও বলা হয়। 
- সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের সাধারণ সংকেত হল CnH2n+1COOH. 
- ফ্যাটি এসিড সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত উভয় প্রকার হতে পারে। 
যেমন- 
১। সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
• প্রোপানোয়িক এসিড, 
• স্টিয়ারিক এসিড, 
• পামিটিক এসিড। 

২। অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
• অক্সালিক এসিড, 
• অলিয়িক এসিড, 
• লিনোলিক এসিড। 
- অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের কার্বন শিকলে এক বা একাধিক দ্বি-বন্ধন থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।

৫,০৪৩.
তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো দূরত্বে রেডিও সংকেত প্রেরণ করার কাজটি কে করেছেন? 
  1. গ্রাহাম বেল 
  2. ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল 
  3. জি. মার্কনী 
  4. জন বেয়ার্ড 
সঠিক উত্তর:
জি. মার্কনী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জি. মার্কনী 
ব্যাখ্যা

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অবদান: 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে। 
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। 
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়। 

- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০৪৪.
Bolts মূলত বহন করে-
  1. ক) Shear
  2. খ) Bending
  3. গ) Axial tension
  4. ঘ) Shear and banding
সঠিক উত্তর:
গ) Axial tension
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Axial tension
ব্যাখ্যা
bolts: 
- বোল্ট/নাট সমাবেশগুলি সাধারণত মেশিন এবং কাঠামোতে ব্যবহার করা হয় যাতে সহজে সমাবেশ এবং বিচ্ছিন্নকরণ সক্ষম হয়।
- বল্টু/নাট অ্যাসেম্বলিতে পুনরাবৃত্ত বাহ্যিক লোডিংয়ের কারণে এই জাতীয় সমাবেশগুলির অক্ষীয় শক্তি হ্রাস পায়।
- বোল্ট সাধারনত সকল ধরনের অক্ষীয় টান বা লোড ধারন করে। একটি নির্দিষ্ট লোড এর বেশি ধারন করতে পারে না তখন সমন্বয় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

উৎস: sciencedirect.
৫,০৪৫.
চকচকে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী মৌলকে কী বলে? 
  1. উপধাতু
  2. ধাতু
  3. অধাতু
  4. খনিজ
সঠিক উত্তর:
ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধাতু
ব্যাখ্যা
- চকচকে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী মৌলকে ধাতু বলে।

পদার্থ: 
- সকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত।
যথা- ধাতু ও অধাতু।
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি। 
- আবার অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

- ধাতুর কতগুলো বৈশিষ্ট্য আছে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো - 
• ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
• নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
• উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
• পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
• ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
• গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
• ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৪৬.
হাউজ ওয়্যারিং এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কালো রংয়ের তারটি-
  1. জীবন্ত
  2. নিরপেক্ষ
  3. ধনাত্মক আধানযুক্ত
  4. ঋণাত্মক আধানযুক্ত
সঠিক উত্তর:
জীবন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন্ত
ব্যাখ্যা
The International Electrotechnical Commission (IEC) অনুসারে, 
- Live Wire : কালো, লাল অথবা অনু যে কোন রংয়ের হতে পারে (সাদা, ধূসর এবং সবুজ বাদে) 
- Neutral Wire: সাদা বা ধূসর রংয়ের হতে পারে
- Earth/Ground Wire: সবুজ 

অতএব, সঠিক উত্তর হবে 'ক' । 

উৎস: IEC এর ওয়েবসাইট।
৫,০৪৭.
কোনো যন্ত্রের কর্মদক্ষতা ৭৫% বলতে কী বোঝায়?
  1. ৭৫ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়
  2. ৭৫ একক শক্তি অপচয় হয়
  3. ৩৫ একক শক্তি অপচয় হয়
  4. ২৫ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর:
৭৫ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা

কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা ৭৫% বলতে বোঝায় যন্ত্রটিতে ১০০ একক শক্তি সরবরাহ করলে তার ৭৫ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়, বাকী ২৫ একক শক্তি অপচয় হয়।

• কর্মদক্ষতা:
- যন্ত্রের কার্যকর শক্তি এবং মোট প্রদত্ত শক্তি হিসাব করে যন্ত্রের কর্মদক্ষতা পরিমাপ করা যায়।
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা হচ্ছে যন্ত্রটির কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত।
- যন্ত্রের কর্মদক্ষতাকে η (ইটা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- কর্মদক্ষতাকে শতকরায় প্রকাশ করা হয়।
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা ৭৫% বলতে বোঝায় যন্ত্রটিতে ১০০ একক শক্তি সরবরাহ করলে তার ৭৫ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়, বাকী ২৫ একক শক্তি অপচয় হয়।
-  কর্মদক্ষতা, η = কার্যকর শক্তি/মোট প্রদত্ত শক্তি। 
- আবার, কর্মদক্ষতা, η = কার্যকর ক্ষমতা/ মোট প্রদত্ত ক্ষমতা।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০৪৮.
প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন মৌলিক পদার্থের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১১৮
  2. খ) ৯৮
  3. গ) ৯২
  4. ঘ) ২০
সঠিক উত্তর:
খ) ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯৮
ব্যাখ্যা

প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন মৌলিক পদার্থের সংখ্যা- ৯৮টি। তবে, এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত মৌলিক পদার্থের সংখ্যা ১১৮টি এবং কৃত্রিমভাবে আবিষ্কৃত মৌলিক পদার্থের সংখ্যা ২০টি।
যে সকল পদার্থ একটি মাত্র উপাদান দিয়ে তৈরি অর্থাৎ যে সব পদার্থকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করলে ওই পদার্থ ছাড়া অন্য কোন পদার্থ পাওয়া যায়না তাদেরকে মৌলিক পদার্থ বলে।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি

৫,০৪৯.
ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য দায়ী কোনটি? 
  1. এস্টার
  2. গ্লুকোজ 
  3. ইথার
  4. অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
এস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস্টার
ব্যাখ্যা
এস্টার: 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের -OH অংশকে অ্যালকক্সি বা অ্যারাইলক্সি দ্বারা প্রতিস্থাপিত করে যে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে এস্টার বলে। 
- এস্টারের কার্যকরী মূলক -CO-O-R । 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সুগন্ধি। 
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফলের সুগন্ধি হয়ে থাকে। 
- সংশ্লেষিত এস্টার দিয়ে ফলের সুগন্ধি তৈরি করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৫০.
কোন পদ্ধতিতে গ্যাস পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বাইরে বের হয়ে যায়?
  1. ঊর্ধ্বপাতন
  2. পাতন
  3. নিঃসরণ
  4. ব্যাপন
সঠিক উত্তর:
নিঃসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে।
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে আমরা যে অ্যারোসল ব্যবহার করি তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে।
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তার ব্যাপনের হার তত কম। আর যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তার ব্যাপনের হার তত অধিক।

নিঃসরণ:
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়।
যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৫১.
অনবায়নযোগ্য শক্তি নয় কোনটি? 
  1. বায়োগ্যাস 
  2. খনিজ তেল 
  3. কয়লা 
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস 
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
ব্যাখ্যা

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার।
যথা-
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
- নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে- সৌর শক্তি, জলবিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস ও ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি।

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে- কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও নিউক্লিয় শক্তি ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০৫২.
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়?
  1. কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. পেট্রোলিয়াম
  4. বায়োগ্যাস
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
ব্যাখ্যা
◉ জীবাশ্ম জ্বালানি কয়েক মিলিয়ন বছর আগে মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশেষ থেকে গঠিত হয়, যেমন কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম। বায়োগ্যাস জৈব বর্জ্য (গোবর, উদ্ভিজ্জ বর্জ্য ইত্যাদি) পচিয়ে উৎপাদিত হয়, তাই এটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়, বরং নবায়নযোগ্য জ্বালানি।

জীবাশ্ম জ্বালানি:
- কোটি কোটি বছর পূর্বে গাছপালা, জীবজন্তু প্রভৃতি প্রচন্ড ভুমিকম্প বা কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে কাদা ও বালির বেশ গভীরে ঢাকা পড়ে। এদেরই দেহাবশেষ এ জীবাশ্ম কঠিন বা তরল আকারে খনি থেকে তুলে তাপ শক্তি উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এদেরকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। 

• জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ:
- কয়লা,
- খনিজ তেল,
- প্রাকৃতিক গ্যাস।

বায়োগ্যাস: 
- বায়োগ্যাস হল জৈব পদার্থের পচনের মাধ্যমে উৎপন্ন গ্যাসীয় জ্বালানি।
- এটি মূলত মিথেন এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের মিশ্রণ।
- বায়োগ্যাস নবায়নযোগ্য, কারণ জৈব পদার্থ ক্রমাগত উৎপাদিত হতে থাকে এবং এটি পচিয়ে বায়োগ্যাস তৈরি করা যায়। 
- অক্সিজেনবিহীন পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া বর্জ্য ভেঙে মিথেন উৎপন্ন করে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 
৫,০৫৩.
লোহার সাথে কী মিশিয়ে ইস্পাত তৈরি করা হয়?
  1. ক) ক্রোমিয়াম
  2. খ) তামা
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ইস্পাত লোহা ও কার্বনের একটি সংকর ধাতু যাতে মান ভেদে মোট ওজনের ০.২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে। ম্যাংগানিজ, ক্রোমিয়াম, ভ্যানাডিয়াম এবং ট্যাংস্টেন লোহার সাথে মিশিয়ে ইস্পাত তৈরী যায়।
৫,০৫৪.
ফরমালিন কী?
  1. ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণ
  2. ফরমালডিহাইডের ৩০% জলীয় দ্রবণ
  3. ফরমালডিহাইডের ১০% জলীয় দ্রবণ
  4. ফরমালডিহাইডের ৬০% জলীয় দ্রবণ
সঠিক উত্তর:
ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণ
ব্যাখ্যা
• ফরমালিন:
- মিথান্যাল বা ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
- ফরমালিনে শতকরা ৪0% মিথান্যাল, ৫২% পানি ও ৮% মিথাইল অ্যালকোহলের মিশ্রিত থাকে।
 
এছাড়াও
- 95.6% ইথানল ও 4.4% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- 6 -10% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলে। 

উৎস: রসায়ন, ৯ম- ১০ম শ্রেণি।
৫,০৫৫.
শক্তির উৎস প্রধানত কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস:

- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার।
- একটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অন্যটি হচ্ছে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে খনিজ তেল, গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
- কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৫৬.
প্রোটনের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. প্রোটনের ভর হাইড্রোজেনের ভরের চেয়ে বেশি।
  2. আপেক্ষিক আধান -1.
  3. প্রোটনের সংকেত n.
  4. প্রোটন পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে।
সঠিক উত্তর:
প্রোটন পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে।
ব্যাখ্যা
প্রোটন:

- প্রোটন সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা।
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে।
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়।
- ইহার সংকেত H+
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান।
- প্রোটনের আসল ভর ও আধান যথাক্রমে 1.67×10-24g ও 1.60×10-19 C
- প্রোটনের আপেক্ষিক ভর 1 একক।
- প্রোটনের আরেকটি সংকেত P
- আপেক্ষিক আধান +1

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৫৭.
কোনটি পানিতে অদ্রবণীয়?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
ক্ষারক:

- ক্ষারক হলো মূলত ধাতব অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড।
- কিছু কিছু ক্ষারক আছে যারা পানিতে দ্রবীভূত হয় আর কিছু আছে যারা দ্রবীভূত হয় না।

- যে সমস্ত ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত হয় তাদেরকে বলে ক্ষার। তাহলে ক্ষার হলো বিশেষ ধরনের ক্ষারক।
- সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH)4 OH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 এগুলো ক্ষার। এদেরকে কিন্তু ক্ষারকও বলা যায়।

- পক্ষান্তরে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Al(OH)2] কিন্তু পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই এটি একটি ক্ষারক হলেও ক্ষার নয়।
- অতএব একথা বলা যায় যে, সকল ক্ষার ক্ষারক হলেও সকল ক্ষারক কিন্তু ক্ষার নয়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫,০৫৮.
1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে কত তাপ প্রয়োজন?
  1. 1 জুল 
  2. 4.2 ক্যালরি 
  3. 1 ক্যালরি 
  4. 0.1 ক্যালরি 
সঠিক উত্তর:
1 ক্যালরি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 ক্যালরি 
ব্যাখ্যা

তাপ: 
- তাপ হল বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ, তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক যা পুষ্টি বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
-  তাপ পরিমাপের যন্ত্র ক্যালরিমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। 
- দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০৫৯.
ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস বেরিয়ে যাবার সঙ্গে বেলুনটি ছুটে যায়। কোন ইঞ্জিনের নীতির সঙ্গে এর মিল আছে?
  1. বাষ্পীয় ইঞ্জিন
  2. অন্তর্দহন ইঞ্জিন
  3. স্টারলিং ইঞ্জিন
  4. রকেট ইঞ্জিন
সঠিক উত্তর:
রকেট ইঞ্জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রকেট ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা

• ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস বেরিয়ে যাবার সঙ্গে বেলুনটি ছুটে যায়। রকেট ইঞ্জিনের নীতির সঙ্গে এর মিল আছে।

- ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বেলুনটি ছুটে যায় এবং এই প্রক্রিয়াটি নিউটনের তৃতীয় সুত্রের (Newton's Third Law of Motion) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- নিউটনের তৃতীয় সুত্রটি হলো: "প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।"
- বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বেলুনের ভিতরের বাতাস উচ্চচাপে বাইরে বেরিয়ে আসে, যা বেলুনের উপর বিপরীত দিকের বল প্রয়োগ করে। এই প্রতিক্রিয়া হিসাবে বেলুনটি বিপরীত দিকে ছুটে যায়।
- এই ধারণাটি রকেট ইঞ্জিনের কার্যপ্রণালীতে ব্যবহৃত হয়।
- রকেট ইঞ্জিনে জ্বালানী পুড়িয়ে উচ্চচাপের গ্যাস বাইরে বেরিয়ে আসে এবং এর ফলে রকেটটি বিপরীত দিকে ধাবিত হয়।

উৎস: ScienceDirect & Britannica Website

৫,০৬০.
পেপটিক আলসার নির্ণয়ের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি কোনটি?
  1. ইসিজি
  2. এমআরআই
  3. আল্ট্রাসনোগ্রাফি
  4. এন্ডোসকপি 
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি 
ব্যাখ্যা

- পেপটিক আলসার নির্ণয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলো এন্ডোস্কোপি, কারণ এটি সরাসরি খাদ্যনালী, পাকস্থলী ও ডিওডেনামের ভেতরের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে এবং বায়োপসি নিতে সাহায্য করে, যা আলসারের সঠিক কারণ ও ধরন (যেমন H. pylori সংক্রমণ) শনাক্ত করতে সবচেয়ে কার্যকর। যদিও আল্ট্রাসাউন্ড বা এক্স-রে সহায়ক হতে পারে, এন্ডোস্কোপিই "গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য" পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়। 

গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার: 
- আলসার বলতে যেকোনো এপিথেলিয়াম বা আবরণী টিস্যুর একধরনের ক্ষত বোঝায়। 
- পেপটিক আলসার বলতে খাদ্যনালির কোনো অংশের আলসার বোঝায়, সেটি যদি পাকস্থলীতে হয় তাহলে তাকে গ্যাস্ট্রিক আলসার, ডিওডেনামে হলে ডিওডেনাল আলসার বলা হয়। 
- দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যগ্রহণে অনিয়ম হলে পাকস্থলীতে অম্লের আধিক্য ঘটে এবং অনেক দিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে এই অম্ল বা এসিড দিয়ে পাকস্থলী বা অন্ত্রে ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে পেপটিক আলসার হতে পারে। 
- তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন ও ব্যারি মার্শালের গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া, বিষণ্ণতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া। এজন্য তাঁরা ২০০৫ সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।  
- আগে ভাবা হতো পাকস্থলীর তীব্র হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে (pH 1.5-3.5) কোনো ব্যাকটেরিয়া টিকতে পারে না। নিজের ধারণা প্রমাণ করার জন্য ব্যারি মার্শাল H. pylori ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত দ্রবণ পান করে পেপটিক আলসারে ভুগেছিলেন। 
(উল্লেখ্য, এই ব্যাকটেরিয়া যে শুধু আলসারের জন্য দায়ী তাই নয়, এ থেকে পাকস্থলীর ক্যান্সারও হতে পারে। মার্শাল তাঁর নিজের জীবনের উপর মারাত্মক ঝুঁকি নিয়েছিলেন, যা অনুসরণীয় নয়)। 

- পেপটিক আলসার রোগে সাধারণত পেটের ঠিক মাঝ বরাবর, নাভির একটু উপরে একঘেয়ে ব্যথা অনুভূত হয়। খালি পেটে বা অতিরিক্ত তেলজাতীয় খাদ্য খেলে ব্যথা বাড়ে। আলসার মারাত্মক হলে বমি হতে পারে, কখনো কখনো বমি এবং মলের সাথে রক্ত নির্গত হয়। 
- এন্ডোসকপি (Endoscopy) বা বেরিয়াম এক্স-রের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়। 
- এই রোগ থেকে দূরে থাকতে হলে যা করতে হবে তা হলো- 
• নিয়মিত সহজপাচ্য খাদ্য গ্রহণ করা। 
• অধিক তেল এবং মশলাযুক্ত গুরুপাক খাদ্য পরিহার করা। 
• ফুটানো দুধ, পনির এবং কলা খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। 
• নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ করে, কফি, সিগারেট ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে ইত্যাদি। 
- প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিয়ে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,০৬১.
কোন বিজ্ঞানী প্রথম কাজ এবং তাপের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করেন?
  1. জুল
  2. ফ্যারাডে
  3. নিউটন
  4. ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুল
ব্যাখ্যা

- বিজ্ঞানী জুল প্রথম যান্ত্রিক কাজ এবং তাপের মধ্যে একটি সঠিক ও গাণিতিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে, যান্ত্রিক শক্তি ও তাপ পরস্পর রূপান্তরযোগ্য এবং তারা পরস্পরের সমানুপাতিক ( W ∝ H)। তার এই যুগান্তকারী আবিষ্কারই পরবর্তীতে তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রের ভিত্তি স্থাপন করে। 

তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র: 

- কাজ তথা যান্ত্রিক শক্তিকে তাপে বা তাপশক্তিকে কাজে তথা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হলে যান্ত্রিক শক্তি এবং তাপ পরস্পরের সমানুপাতিক হবে। 
সুতরাং, W ∝ H. 
বা, W = JH 
এখানে, W হলো কাজের পরিমাণ, H হলো তাপের পরিমাণ এবং J হচ্ছে জুলের ধ্রুবক। 
- J কে তাপের যান্ত্রিক সমতা বা জুল তুল্যাঙ্কও বলা হয়। 
- বিজ্ঞানী জুল সর্বপ্রথম কাজ ও তাপের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং এ সম্পর্কটি একটি সূত্রের সাহায্যে প্রকাশ করেন। এ সূত্রকে জুলের সূত্র আবার তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০৬২.
রাজঅম্লে কোন এসিড থাকে না?
  1. ক) হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  2. খ) নাইট্রিক অ্যাসিড
  3. গ) সালফিউরিক এসিড
  4. ঘ) সবগুলোই থাকে
সঠিক উত্তর:
গ) সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা
১ মোল নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3) ও ৩ মোল হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCL) এর মিশ্রণকে রাজঅম্ল বা অ্যাকোয়া রেজিয়া বলে।
স্বর্ণের খাঁদ বের করতে এই অম্ল ব্যবহৃত হয়। 

Aqua regia dissolves gold, though neither constituent acid will do so alone, because, in combination, each acid performs a different task.
Nitric acid is a powerful oxidizer, which will actually dissolve a virtually undetectable amount of gold, forming gold ions (Au3+). The hydrochloric acid provides a ready supply of chloride ions (Cl-), which react with the gold ions to produce chloroaurate anions, also in solution.

Source: MIT
৫,০৬৩.
এক হর্স পাওয়ার (H.P) কত ওয়াটের সমান?
  1. 746 W
  2. 764 W
  3. 646 W
  4. 664 W
সঠিক উত্তর:
746 W
উত্তর
সঠিক উত্তর:
746 W
ব্যাখ্যা

- ক্ষমতার একটি প্রচলিত একক হলো হর্স পাওয়ার (HP), যা সাধারণত ইঞ্জিন বা মোটরের ক্ষমতা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। এক হর্স পাওয়ার সমান ৭৪৬ ওয়াট। 

ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
সুতরাং, ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট। 
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- এক হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (H.P) = 746 W. 
- ক্ষমতার মাত্রা [ML2T -3]. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০৬৪.
The upper limit of the human hearing range is approximately:
  1. 26 kHz
  2. 15 kHz
  3. 14 kHz
  4. 23 kHz
  5. 20 kHz
সঠিক উত্তর:
20 kHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20 kHz
ব্যাখ্যা
শ্রাব্যতার সীমা:
- মানুষের কানের শ্রাব্য কম্পাঙ্কের সীমা ২০ হার্জ থেকে ২০,০০০ হার্জ হয়ে থাকে।
- এই সীমার মধ্যে কম্পাঙ্কের শব্দকে শ্রাব্য শব্দ বলে।
- কম্পাঙ্কের যে সীমার মধ্যে সৃষ্ট শব্দ মানুষ শুনতে পায় তাকে শ্রাব্যতার সীমা বলে।
- যে শব্দ শুনতে পাওয়া যায় না তাকে অশ্রাব্য শব্দ বলে। অশ্রাব্য শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ হার্জের কম এবং ২০,০০০ হার্জের বেশি হয়। এ শব্দ কুকুর, বাদুড়, মাকড়সা ইত্যাদি প্রাণী শুনতে পায়।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫,০৬৫.
কোনো পদার্থের এক মোলের তাপমাত্রা এক কেলভিন বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় তাপকে কী বলা হয়? 
  1. আপেক্ষিক সুপ্ততাপ 
  2. সুপ্ততাপ 
  3. আপেক্ষিক তাপ 
  4. মোলার আপেক্ষিক তাপ 
সঠিক উত্তর:
মোলার আপেক্ষিক তাপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোলার আপেক্ষিক তাপ 
ব্যাখ্যা

গ্যাসের মোলার আপেক্ষিক তাপ: 
- কোনো পদার্থের এক মোলের তাপমাত্রা এক কেলভিন বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় তাপকে মোলার আপেক্ষিক তাপ বলে
- কোনো পদার্থের এক মোলের তাপমাত্রা এক কেলভিন বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় তাপকে ঐ পদার্থের মোলার আপেক্ষিক তাপ বা মোলার তাপীয় ক্ষমতা বলে।
- তাপমাত্রা পরিবর্তনের জন্য পদার্থের চাপ এবং আয়তনের পরিবর্তন ঘটে।
- চাপ স্থির রেখে এক মোল গ্যাসের তাপমাত্রা এক কেলভিন বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় তাপশক্তিকে স্থির চাপে গ্যাসের মোলার আপেক্ষিক তাপ বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০৬৬.
কোনো মাধ্যমে প্রতিসরণের ফলে যৌগিক আলো থেকে মূল বর্ণের আলো পাওয়ার পদ্ধতিকে বলা হয় আলোর-
  1. ক) বর্ণালী
  2. খ) বিক্ষেপন
  3. গ) বিচ্যুতি
  4. ঘ) বিচ্ছুরণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিচ্ছুরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিচ্ছুরণ
ব্যাখ্যা

- সূর্যের সাদা আলো যদি কোনো কাচের প্রিজমের মধ্য দিয়ে যায় তাহলে তা সাতটি রঙ্গে বিশিষ্ট হয়।
- প্রিজম থেকে নির্গত আলোকরশ্মি যদি কোনো পর্দার উপর ফেলা হয় তাহলে পর্দায় সাতটি রঙের পট্টি দেখা যায়। আলোর এই রঙিন পট্টিকে বর্ণালী বলে।
- কোনো মাধ্যমে প্রতিসরণের ফলে যৌগিক আলো থেকে মূল বর্ণের আলো পাওয়ার পদ্ধতিকে আলোর বিচ্ছুরণ বলে।
- বর্ণালীতে বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এ সাতটি রঙ পরপর দেখা যায়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫,০৬৭.
দীর্ঘ দৃষ্টি বা হাইপারমেট্রোপিয়ার কারণ কী?
  1. ক) চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ কমে যাওয়া
  2. খ) চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব কমে যাওয়া
  3. গ) চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে যাওয়া
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ কমে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ কমে যাওয়া
ব্যাখ্যা
দীর্ঘ দৃষ্টি বা দূর বদ্ধ দৃষ্টি বা হাইপারমেট্রোপিয়াঃ
এই ত্রুটিগ্রস্থ মানুষ দূরের বস্তু ভালভাবে দেখতে পারে, কিন্তু কাছের বস্তু ভালভাবে দেখতে পারে না। চোখের স্পষ্ট দর্শনের নিকট দূরত্ব দূরে সরে যায় বা বেড়ে যায়। চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ কমে গেলে বা চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বেড়ে গেলে এই ত্রুটি দেখা দেয়। এই ত্রুটির ফলে চোখের কাছের লক্ষ্যবস্তু থেকে আগত রশ্মিগুচ্ছ চক্ষু লেন্সের মধ্য দিয়ে প্রতিসৃত হয়ে রেটিনার পেছনে একটি বিন্দুতে মিলিত হয়, ফলে রেটিনার পরিবর্তে পেছনে প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। ফলে রেটিনায় গঠিত বিম্বটি অস্পষ্ট হয়। তাই চোখ কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় না। এই ত্রুটি দূর করার জন্যও চোখে চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে ত্রুটির পরিমাণ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ফোকাস দৈর্ঘ্যর বা পাওয়ারের উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়। উত্তল লেন্স লক্ষ্যবস্তু থেকে আগত রশ্মিকে পরিমাণ মতো সংকুচিত করে, ফলে ফোকাসটি রেটিনাতে পড়ে এবং বস্তুর সুস্পষ্ট বিম্ব তৈরি হয়। এক্ষেত্রে লেন্স চোখের নিকট বিন্দুটি সামনেএগিয়ে আনে।
৫,০৬৮.
ব্যারোমিটার মূলত কোন বৈজ্ঞানিক মাত্রা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়? 
  1. বায়ুচাপ
  2. আর্দ্রতা
  3. তাপমাত্রা 
  4. বাতাসের গতি 
সঠিক উত্তর:
বায়ুচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুচাপ
ব্যাখ্যা

ব্যারোমিটার: 
- টরেসিলি ১৬৪৩ সালে তরল তলের উচ্চতা ও বায়ুচাপের সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে প্রথম বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের যন্ত্র আবিস্কার করেন, এর নাম ব্যারোমিটার
- ব্যারোমিটারে পারদ স্তম্ভের উচ্চতাকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপের আদর্শ ধরা হয়। 
- আদর্শ বায়ু চাপ 76cm পারদ স্তম্ভের ওজনের সমান। 

​অন্যদিকে, 
- ল্যাকটোমিটার হলো দুধের বিশুদ্ধতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
- থার্মোমিটার (Thermometer) হল তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র।
- স্পিডোমিটার, একটি যন্ত্র যা একটি গাড়ির গতি নির্দেশ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৫,০৬৯.
ডায়মন্ডের কঠোরতার প্রধান কারণ কী?
  1. দুর্বল আন্তঃআণবিক আকর্ষণ
  2. কার্বন পরমাণুর শক্তিশালী কোভালেন্ট বন্ধন
  3. ভ্যান ডার ওয়ালস বল
  4. হাইড্রোজেন বন্ধন
সঠিক উত্তর:
কার্বন পরমাণুর শক্তিশালী কোভালেন্ট বন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন পরমাণুর শক্তিশালী কোভালেন্ট বন্ধন
ব্যাখ্যা
- ডায়মন্ড হলো কার্বনের একটি স্ফটিক রূপভেদ, যা পৃথিবীর অন্যতম কঠিন পদার্থ হিসেবে পরিচিত।
- এর কঠোরতার প্রধান কারণ হলো কার্বন পরমাণুগুলোর মধ্যে শক্তিশালী কোভালেন্ট বন্ধন।

• কোভালেন্ট বন্ধন:
- প্রতিটি  কার্বন পরমাণু তার চারটি ভ্যালেন্স ইলেকট্রনের মাধ্যমে চারটি অন্যান্য কার্বন পরমাণুর সঙ্গে শক্তিশালী C-C কোভালেন্ট বন্ধন তৈরি করে।
- ফলে এটি একটি ত্রিমাত্রিক (3D) জালিকা কাঠামো তৈরি করে।
- এই বন্ধনগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী, তাই ডায়মন্ড খুব কঠিন এবং এটি সহজে ভাঙে না বা চ্যাপ্টা হয় না।

উৎস: রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৫,০৭০.
চতুর্থ শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ কতটি ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৮ টি
  3. গ) ১৮ টি
  4. ঘ) ৩২ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩২ টি
ব্যাখ্যা
- বোর মডেলে যে শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে তাকে প্রধান শক্তিস্তর বলা হয়।
- প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n² । যেখানে n = 1, 2, 3, 4 ইত্যাদি। 
এ সূত্রানুসারে,
- প্রথম বা K শক্তিস্তরের জন্য n = 1, অতএব
K শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n² = ( 2 x 1²) টি = 2 টি
- দ্বিতীয় বা L শক্তিস্তরের জন্য n = 2, অতএব
L শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n² = ( 2 x 2²) টি = 8 টি
- তৃতীয় বা M শক্তিস্তরের জন্য n = 3, অতএব
M শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n² = ( 2 x 3²) টি = 18 টি
- চতুর্থ বা N শক্তিস্তরের জন্য n = 4, অতএব
N শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n² = ( 2 x 4²) টি = 32 টি।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
৫,০৭১.
F = ma সূত্রের জন্য, F এর মাত্রা কোনটি?
  1. MLT-2
  2. ML2T-3
  3. ML2T-1
  4. ML2T2
সঠিক উত্তর:
MLT-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MLT-2
ব্যাখ্যা
• F = ma সূত্রের জন্য, F (বল) এর মাত্রা  MLT-2

• মাত্রা:
- ভৌত রাশিগুলো এক বা একাধিক মৌলিক রাশি দ্বারা গঠিত হয়।
- সুতরাং যে কোনো ভৌত রাশিকে বিভিন্ন সূচকের এক বা একাধিক মৌলিক রাশির গুণফল হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
- কোনো ভৌত রাশিতে বিদ্যমান মৌলিক রাশি গুলোর সূচককে রাশিটির মাত্রা বলে।
- মৌলিক রাশি দৈর্ঘ্য, ভর ও সময়কে যথাক্রমে L, M ও T দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- L কে দৈর্ঘ্যের মাত্রা, M কে ভরের মাত্রা, T কে সময়ের মাত্রা বলে।
- যেমন, বল = ভর × ত্বরণ। সুতরাং, বলের মাত্রা MLT-2.

- কাজের মাত্রা ML2T-2.
- শক্তির মাত্রা ML2T-2.
- টর্কের মাত্রা ML2T-2.
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T-3.

উৎস: পদার্থিবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৭২.
P-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরিতে কয়টি যোজন ইলেকট্রন প্রয়োজন?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

- যে সব মৌলের (যেমন- অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, গ্যালিয়াম বা ইনডিয়াম) তিনটি যোজন ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম P-টাইপ বস্তুতে বা P-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়।
- যে সকল মৌলের (যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক বা অ্যান্টিমনি) বহির্খোলকে পাঁচটি ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম n-টাইপ বস্তুতে বা n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।

৫,০৭৩.
তাপমাত্রার এস. আই একক কী?
  1. জুল
  2. সেলসিয়াস
  3. কেলভিন
  4. ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেলভিন
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ। 
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। 
তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 

উষ্ণতা বা তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হলো বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- তাপমাত্রার S.I একক কেলভিন। 
- তবে তাপমাত্রার কেলভিন ছাড়াও বহুল প্রচলিত দুটি সেলসিয়াস বা সেন্টিগ্রেড এবং ফারেনহাইট একক আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,০৭৪.
খর পানিতে উত্তম ফেনা তৈরি করে কোনটি? 
  1. সাবান
  2. ইমালশান
  3. লবণ
  4. ডিটারজেন্ট
সঠিক উত্তর:
ডিটারজেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিটারজেন্ট
ব্যাখ্যা
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। 

ডিটারজেন্ট: 
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়। 
- এই সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাচাঁমাল ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি। 
- এছাড়া ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রঙ এবং কখনো জীবাণুনাশক পদার্থ। 
- ডিটারজেন্ট খর পানিতে কাজ করে এবং উত্তম ফেনা তৈরি করে। 
- ডিটারজেন্ট লবণের সাথে বিক্রিয়া করে দই বা চুন উৎপন্ন করে না। 
- ডিটারজেন্টের কঠিন তলে ঢোকার ক্ষমতা বেশি। 
- ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায় কিন্তু সাবান ঠান্ডা পানিতে সহজে গলে না। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৭৫.
কৌণিক গতির জন্য নিউটন কতটি সূত্র প্রদান করেছেন?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
- কৌণিক গতির ক্ষেত্রেও নিউটনের  তিনটি সূত্র আছে।
নিম্নে সূত্রগুলো বর্ণনা করা হলো:

প্রথম সূত্র:
- বস্তুর ওপর বাহ্যিক টর্ক ক্রিয়া না করলে, স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং ঘূর্ণনরত বস্তু সমকৌণিক বেগে ঘুরতে থাকবে।

দ্বিতীয় সূত্র:
- ঘূর্ণনরত বস্তুর কৌণিক ভরবেগের পরিবর্তনের হার ঐ বস্তুর ওপর প্রকুক্ত টর্কের সমানুপাতিক এবং কৌণিক ভরবেগের এই পরিবর্তন প্রযুক্ত টর্কের দিকেই ঘটে।

তৃতীয় সূত্র:
- ঘূর্ণনরত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্রিয়ামূলক টর্কের একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়ামূলক টর্ক আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৭৬.
অচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. চুম্বক আকর্ষণ করে কিন্তু চুম্বকে পরিণত হয় না
  2. চুম্বক আকর্ষণ করে না কিন্তু চুম্বকে পরিণত হতে পারে
  3. চুম্বক আকর্ষণ করে এবং চুম্বকে পরিণত হতে পারে
  4. চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং চুম্বকে পরিণত করা যায় না
সঠিক উত্তর:
চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং চুম্বকে পরিণত করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং চুম্বকে পরিণত করা যায় না
ব্যাখ্যা

- অচৌম্বক পদার্থ বলতে সেই সকল পদার্থকে বোঝায় যাদের চুম্বক দ্বারা আকর্ষণ বা বিকর্ষণ করা যায় না, যেহেতু এসব পদার্থের মধ্যে কোনো চৌম্বক প্রবেশ্যতা নেই, তাই এদের সাধারণ উপায়ে চুম্বকেও পরিণত করা সম্ভব নয়। 

চৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদের চুম্বকে পরিণত করা যায় তাদের চৌম্বক পদার্থ বলে। 
- বেশিরভাগ চৌম্বক পদার্থে লোহা থাকে তাই চৌম্বক পদার্থকে ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। ফেরো শব্দটির অর্থ লোহা। 
- উদাহরণ: লোহা, ইস্পাত, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি। 

অচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং যাদের চুম্বকে পরিণত করা যায় না তাদের অচৌম্বক পদার্থ বলে। 
- উদাহরণ: অ্যালুমিনিয়াম, স্টিল, সোনা, রূপা, তামা, পিতল, দস্তা ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,০৭৭.
জৈব রসায়নের জনক-
  1. ক) জাবির ইবনে হায়ান
  2. খ) জন ডাল্টন
  3. গ) ফ্রেডারিক উহলার
  4. ঘ) রবার্ট বয়েল
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্রেডারিক উহলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্রেডারিক উহলার
ব্যাখ্যা

- রসায়নের যে শাখায় হাইড্রোকার্বন ও হাইড্রোকার্বনের বিভিন্ন জাতক সম্বন্ধে আলোচনা করা হয় তাকে জৈব রসায়ন বলে।
- অর্থাৎ হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত দ্বিমৌল যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলে।
- ফ্রেডারিক উহলারকে জৈব রসায়নের জনক বলা হয়।
- জৈব বস্তুর সম্পূর্ণ দহনে কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং অসম্পূর্ণ দহনে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন হয়।

৫,০৭৮.
জীবাশ্ম নিয়ে গবেষণার শাস্ত্রকে কী বলা হয়?
  1. Paleontology
  2. Archaeology
  3. Fossilogy 
  4. Anthropology
সঠিক উত্তর:
Paleontology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paleontology
ব্যাখ্যা

- প্যালিওন্টোলজি (Paleontology) হলো বিজ্ঞানসম্মতভাবে জীবাশ্ম বা ফসিল (fossil) নিয়ে গবেষণা ও অধ্যয়নের শাস্ত্র

জীবাশ্ম: 

- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil), ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি। Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে, পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (palaeontology) বলা হয়। 
- Paleobotany হলো জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে প্রাচীন উদ্ভিদের জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়, এটি জীবাশ্মবিদ্যার (Paleontology) একটি উপশাখা। 

অন্যদিকে, 
- Fossilogy শব্দটি বিজ্ঞানে প্রচলিত বা স্বীকৃত কোনো শাখা নয়। 
- Archaeology হলো প্রাচীন মানুষের বস্তু, স্থাপনা, সংস্কৃতি ও সভ্যতা নিয়ে গবেষণা। 
- Anthropology হলো মানুষের উৎপত্তি, বিকাশ এবং সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণার শাস্ত্র।। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। এবং ব্রিটানিকা।

৫,০৭৯.
সমন্বিত বর্তনী তৈরিতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়? 
  1. মাইক্রো প্রযুক্তি
  2. রেডিও ওয়েভ
  3. ইলেকট্রোম্যাগনেটিক
  4. নিউক্লিয়ার ফিউশন
সঠিক উত্তর:
মাইক্রো প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রো প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (IC): 
- ইলেকট্রনিকসের একটি শাখা হলো মাইক্রোইলেকট্রনিকস। 
- মাইক্রোইলেকট্রনিকস প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিকস বর্তনী তৈরি করা যায়। এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক সার্কিট বা ইনট্রিগ্রেটেড সার্কিট (integrated circuit) বা সমন্বিত বর্তনী। 
- সমন্বিত বর্তনী বা আইসি-এর মধ্যে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রাংশ একত্রে মাইক্রো প্রযুক্তির সাহায্য তৈরি করা হয়, ফলে আলাদা আলাদা ট্রানজিস্টার, রোধ, ডায়োড ইত্যাদি পরস্পরের সাথে সংযোগ করে তৈরি করার দরকার হয় না। 
- সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমন্বিত বর্তনীকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
১। মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits): 
- এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০ টি উপাদান থাকে। 

২। বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits): 
- এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০০ টি উপাদান থাকে। 

৩। অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits): 
- এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০,০০০ টির অধিক উপাদান থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৮০.
তড়িৎ উৎপাদন ও সরবরাহের মাধ্যমে বিদ্যুতের অপচয়কে বলে -
  1. ক) লোড শেডিং
  2. খ) সিস্টেম লস
  3. গ) পরিবহন ত্রুটি
  4. ঘ) অবৈধ সংযোগ 
সঠিক উত্তর:
খ) সিস্টেম লস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিস্টেম লস
ব্যাখ্যা
সিস্টেম লস
বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে উৎপন্ন বিদ্যুৎ শক্তি পরিবাহী তারের সাহায্যে প্রথমে সাব-স্টেশনে এবং সেখান থেকে গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণ করা হয়। বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য যে পরিবাহী তার ব্যবহার করা হয় এরও কিছু পরিমাণ রোধ আছে। ফলে কিছু পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি তাপে রূপান্তরিত হয়। এ কারণে গ্রাহক পর্যায়ে প্রাপ্ত বিদ্যুৎ শক্তি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শক্তি অপেক্ষা কম হয়। অর্থাৎ বিদ্যুৎ শক্তি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শক্তি অপেক্ষা কম হয়।

অর্থাৎ বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সময় পরিবাহী তারে যে বিদ্যুৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় তাকে সিস্টেম লস বলে।

SOURCE:এস  এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,০৮১.
নিচের কোন ধাতু ইলেকট্রোপ্লেটিংয়ে সাধারণত ব্যবহৃত হয়? 
  1. ক্রোমিয়াম
  2. ম্যাঙ্গানিজ
  3. লোহার অক্সাইড
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক্রোমিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোমিয়াম
ব্যাখ্যা
গ্যালভানাইজিং: 
- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে জিংক বা দস্তা ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যালভানাইজিং। 
- লোহার তৈরি দ্রব্যসামগ্রীর উপর দস্তার পাতলা আস্তরণ দেওয়াকে গ্যালভানাইজেশন বলে। 
- জিংক এর আবরণ লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও পানি থেকে রক্ষা করে, ফলে মরিচা পড়তে পারে না এবং লোহারও ক্ষতি হয় না। 
- দস্তার পরিবর্তে টিন দিয়েও অনেক সময় আবরণ দিয়ে ধাতব পদার্থকে ক্ষয় হতে রক্ষা করা যায়। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। 
- এই প্রক্রিয়ায় সাধারনত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। 
- এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয় রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি বস্তুটি দেখতে আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। 
- খাবারের কৌটা, সাইকেল, এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

পেইন্টিং: 
- পেইন্টিং বা রং করেও ধাতব পদার্থসমূহের ক্ষয় রোধ করা যায়। 
- বাসার রেফ্রিজারেটর, আলমারি, গাড়ি, স্টিলের আসবাবপত্র এসবেরই ক্ষয় রোধ করা জন্য পেইন্ট দিয়ে রং করা হয়। 
- এই পেইন্ট সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব আবার পেইন্টিং করে নেওয়া ভালো। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৫,০৮২.
গামা রশ্মির উৎস কোনটি?
  1. ইলেকট্রন
  2. প্রোটন
  3. পরমাণুর নিউক্লিয়াস
  4. নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা

• গামা রশ্মি উৎপন্ন হয় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের (Atomic Nucleus) ভিতরে।

- যখন কোনো নিউক্লিয়াস তেজস্ক্রিয় (radioactive) হয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, তখন এটি তার অতিরিক্ত শক্তি নির্গত করে গামা রশ্মির আকারে।
- এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Gamma Decay বা গামা ক্ষয়।
- গামা রশ্মি হলো তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের (Electromagnetic Wave) একটি অত্যন্ত উচ্চ-শক্তির রূপ, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুবই ক্ষুদ্র 10-12 মিটার।
- এটি দৃশ্যমান আলোর চেয়ে কোটি গুণ বেশি শক্তিধর।

গামা রশ্মির বৈশিষ্ট্য:
- কোনো ভর বা চার্জ নেই।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য অতি ক্ষুদ্র, ফলে অনুপ্রবেশ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি।
- বায়ু, কাগজ বা মানুষের ত্বক ভেদ করতে সক্ষম।
- সীসা (lead) বা কংক্রিটের মোটা স্তর দ্বারা শোষিত বা প্রতিরোধ করা যায়।
- এর বেগ আলোর সমান (3 × 108 m/s)।

গামা রশ্মির ব্যবহার:
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে: ক্যানসার কোষ ধ্বংসে (Radiation therapy)।
- শিল্পক্ষেত্রে: ধাতুর ফাটল শনাক্তে।
- বিজ্ঞান গবেষণায়: তেজস্ক্রিয় পদার্থ সনাক্তে।
- জীবাণুনাশে: খাবার বা চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করতে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]

৫,০৮৩.
একটি সুরে কতটি কম্পাঙ্ক থাকতে পারে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৪ টি
  4. অসংখ্য
সঠিক উত্তর:
১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি
ব্যাখ্যা
সুর ও স্বর:
- যদি কোনো উৎস থেকে উৎপন্ন শব্দের একটি মাত্র কম্পাঙ্ক থাকে, তবে তাকে সুর বলে।
- কোনো শব্দের মধ্যে যদি একাধিক কম্পাঙ্ক থাকে তবে তাকে স্বর বলে।

মৌলিক সুর ও উপসুর:
কোনো স্বরের মধ্যে যে সব বিভিন্ন সুর থাকে তাদের মধ্যে যে সুরের কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম তাকে মৌলিক সুর বলে ।
- বাকি সকল সুরই উপসুর।

হারমোনিক :
উপসুরগুলোর কম্পাঙ্ক যদি মূলসুরের কম্পাঙ্কের অখন্ড বা সরল গুণিতক হয় তবে সেসব উপসুরগুলোকে সমমেল বা সুর সঙ্গতি বা হারমোনিক বলে।

অষ্টক:
উপসুরগুলোর কোনোটির কম্পাঙ্ক মূল সুরের কম্পাঙ্কের দ্বিগুণ হলে তাকে অষ্টক বলে ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৮৪.
নিচের কোন বস্তুটি এক্স-রে এর বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে?
  1. লেড
  2. অ্যালুমিনিয়াম
  3. কাঠ
  4. প্লাস্টিক
সঠিক উত্তর:
লেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেড
ব্যাখ্যা
লেড বা সীসার উচ্চ পারমাণবিক সংখ্যা (৮২) এবং সীসার ঘনত্ব এটিকে এক্স-রের তীব্রতা হ্রাস বা ব্লক করার জন্য একটি কার্যকর উপাদান করে তোলে।
সীসা বা লেড এক্স-রেকে বাধা দেয় যে প্রক্রিয়াগুলির সমন্বয়ের মাধ্যমে, সেগুলো হল:
(i) ফটোইলেকট্রিক শোষণ এবং 
(ii) কম্পটন বিচ্ছুরণ। 

এক্স-রে:
- ১৮৯৫ সালে উইলহেম রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
- এক্স-রে এর একক হলো রন্টজেন যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়। 
- এক্স-রে -এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-8m থেকে 10-13m এর কাছাকাছি।
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে।

এক্স-রের ব্যবহার:
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায়।
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়। 
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১) Title: "Bushberg's Physics of Medical Imaging"
Authors: Stewart C. Bushberg, John M. Boone, Edwin M. Leidholdt Jr., and J. Anthony Seibert
Publisher: Wolters Kluwer
Edition: 4th Edition (2018)
২) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৮৫.
নিচের কোনটি তাপ কুপরিবাহী নয়?
  1. ক) পানি
  2. খ) কাঁচ
  3. গ) কাঠ
  4. ঘ) রাবার
সঠিক উত্তর:
ক) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পানি
ব্যাখ্যা
যে সব পদার্থ খুব সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে তাকে তাপ সুপরিবাহী বলে।
যেমন - লোহা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, পানি ইত্যাদি।

যে সব পদার্থ সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে না তাকে তাপ কুপরিবাহী পদার্থ বলে।
যেমন - তুলা, কাঠ, পশম, কাঁচ, কাঠ ইত্যাদি।
৫,০৮৬.
অপ্টিকাল ফাইবার ব্যবহার করা হয় কোন যন্ত্রে?
  1. ক) ইসিজি
  2. খ) সিটিস্ক্যান
  3. গ) এন্ডোস্কোপি
  4. ঘ) এনজিওগ্রাফি
সঠিক উত্তর:
গ) এন্ডোস্কোপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এন্ডোস্কোপি
ব্যাখ্যা
চিকিৎসার কারণে দেহের ভেতরের কোনো অঙ্গকে বাইরে থেকে সরাসরি দেখার প্রক্রিয়ার নাম এন্ডোস্কোপি৷ এন্ডোস্কোপি যন্ত্রে অপটিকাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
৫,০৮৭.
কোনটি হ্যালোজেন মৌল নয়? 
  1. আয়োডিন
  2. ব্রোমিন
  3. আর্গন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্গন
ব্যাখ্যা
হ্যালোজেন মৌল: 
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল। 
যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি। 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) মৌল বলে। 
যেমন: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)। 
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- হ্যালোজেন মানে লবণ উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ। 
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়। 
যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়। 
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বি-মৌল অণু গঠন করে। যেমন: Cl2, I2 ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,০৮৮.
কাজের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. ক) বল × সরণ
  2. খ) ভর × সরণ
  3. গ) ভর × বল
  4. ঘ) ভর × সময়
সঠিক উত্তর:
ক) বল × সরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বল × সরণ
ব্যাখ্যা
কাজ:

- কাজ = বল × সরণ।
- কাজ একটি স্কেলার রাশি। এর কোন দিক নেই ৷
- কাজের মাত্রা = বলের মাত্রা × সরণের মাত্রা।
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N) এবং সরণর একক হচ্ছে (m)। অতএব, কাজের একক হবে নিউটন মিটার (Nm)। নিউটন মিটারকে জুল (J)বলা হয়।
-  বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের দিকে সরে যায় তখন বল যে কাজ সম্পন্ন করে তাকে ধনাত্মক কাজ বলা হয়।
- বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের বিপরীত দিকে সরে যায় তাহলে সেই বল যে কাজ সম্পন্ন করে তাকে ঋণাত্মক কাজ বলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৮৯.
স্থির তড়িৎ এর ব্যবহার হয় -
  1. স্প্রের সাহায্যে কোন বস্তু রং করতে
  2. ফটোকপি মেশিনে
  3. ক্যামেরায়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

কল কারখানা থেকে নির্গত কালো ধোয়ার কারণে বায়ুদূষণ মুক্ত করা, ছোট বা অসম আকৃতির বস্তুকে স্প্রের সাহায্যে রং করা, উচ্চ বিভব সৃষ্টি করা ইত্যাদির জন্য আমরা স্থির তড়িৎ ব্যবহার করে থাকি।
এমনকি বর্তমানে যে সব মুভি ক্যামেরা এবং স্থির ক্যামেরা ব্যবহার করা হয় সেগুলোও পরিচালনার জন্য স্থির তড়িৎ ব্যবহার করা হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০৯০.
সমটান সম্পন্ন একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পনাঙ্কের কতটা পরিবর্তন ঘটবে?
  1. অর্ধেক হবে
  2. দ্বিগুণ হবে
  3. তিনগুণ হবে
  4. চারগুণ হবে
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক হবে
ব্যাখ্যা
- টানা তারে আড় কম্পনের দৈর্ঘ্যের সূত্রানুযায়ী টান স্থির থাকলে একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য এর কম্পাঙ্কের ব্যস্তানুপাতিক।
অর্থাৎ, তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পনাঙ্ক অর্ধেক হবে। 
৫,০৯১.
জাহাজের সার্চলাইটে কোন ধরনের দর্পণ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) উত্তল
  2. খ) অবতল
  3. গ) সমতলীয়
  4. ঘ) গোলীয়
সঠিক উত্তর:
খ) অবতল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অবতল
ব্যাখ্যা
জাহাজ এবং লঞ্চ এর সার্চলাইটে অবতল দর্পণ ব্যবহৃত হয়। 

কোনো গোলকের অবতল পৃষ্ঠ যদি প্রতিফলকরূপে কাজ করে অর্থাৎ আলোর নিয়মিত প্রতিফলন যদি গোলীয় দর্পণের অবতল পৃষ্ঠ হতে সংঘটিত হয় তবে সে দর্পণকে অবতল দর্পণ বলে।

অবতল দর্পণের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ :
১. অবতল দর্পণে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে।
২. অবতল দর্পণ একটি অভিসারী দর্পণ।
৩. অবতল দর্পণে সব ধরনের (বাস্তব ও অবাস্তব) বিম্ব গঠিত হয়।

অবতল দর্পণ ব্যবহারসমূহ- 
১. সুবিধাজনক আকৃতির অবতল দর্পণ ব্যবহার করে মুখমণ্ডলের বিবর্ধিত এবং সোজা প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, এতে রূপচর্চা ও দাঁড়ি কাটার সুবিধা হয়।
২. দন্ত চিকিৎসকগণ অবতল দর্পণ ব্যবহার করেন।
৩. প্রতিফলক হিসেবে অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়। যেমন– টর্চলাইট, স্টিমার বা লঞ্চের সার্চলাইটে অবতল দর্পণ ব্যবহার করে গতিপথ নির্ধারণ করা হয়।
৪. অবতল দর্পণের সাহায্যে আলোকশক্তি, তাপশক্তি ইত্যাদি কেন্দ্রীভূত করে কোনো বস্তুকে উত্তপ্ত করতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও এটি রাডার এবং টিভি সংকেত সংগ্রহে ব্যবহৃত হয়। যেমন– ডিশ এন্টেনা, সৌরচুল্লী, টেলিস্কোপ এবং রাডার সংগ্রাহক ইত্যাদি।
৫. অবতল দর্পণের সাহায্যে আলোক রশ্মিগুচ্ছকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করা যায় বলে ডাক্তাররা চোখ, নাক, কান ও গলা পরীক্ষা করার সময় এ দর্পণ ব্যবহার করেন।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,০৯২.
সালফিউরিক এসিডে সালফার এর জারণ সংখ্যা কত?
  1. ক) - ৬
  2. খ) + ২
  3. গ) - ২
  4. ঘ) + ৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) + ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) + ৬
ব্যাখ্যা
ধরি, H2SO4 এ সালফারের জারণ সংখ্যা x 

অতএব, (+ 1) 2 + x + (- 2) × 4 = 0
⇒ 2 + x - 8 = 0
∴ x = + 6

সালফারের জারণ সংখ্যা +6

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি 
৫,০৯৩.
চুনের পানিতে লিটমাস পেপার ডুবালে কী হয়?
  1. ক) লাল লিটমাস নীল হয়
  2. খ) নীল লিটমাস লাল হয়
  3. গ) লাল লিটমাস সাদা হয়
  4. ঘ) নীল লিটমাস কালো হয়
সঠিক উত্তর:
ক) লাল লিটমাস নীল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লাল লিটমাস নীল হয়
ব্যাখ্যা
CaO + H2O = Ca(OH)2
ক্যালসিয়াম অক্সাইড (চুন) + পানি --> ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
Ca(OH)2, স্ন্যাক লাইম নামেই বেশি পরিচিত। এই বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন হয় যার ফলে পানি ফুটতে থাকে। স্ন্যাক লাইম বা Ca(OH)2, পানিতে খুব অল্প পরিমাণে দ্রবীভূত হয়।
আর, পানিতে Ca(OH)2, এর সম্পৃক্ত দ্রবণকেই চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার বলা হয়।

লিটমাস পেপার এসিডে ডুবালে নীল লিটমাস লাল হয়।
আবার, ক্ষারকের দ্রবণে ডুবালে লাল লিটমাসকে নীল করে।

চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার ক্ষারকীয় দ্রবণ। তাই এতে লিটমাস পেপার ডুবালে লাল লিটমাস নীল হবে।
৫,০৯৪.
আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে কোনটি তৈরি করা হয়?
  1. ক) পেরিস্কোপ
  2. খ) টেলিস্কোপ
  3. গ) নভো-দূরবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) অণুবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ক) পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা

আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 

পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়। আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই। এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে। দর্পণের প্রতিফলন ‘তল’ এমনভাবে স্থাপিত যাতে নলটির অঙের সঙ্গে তা ৪৫ ডিগ্রি কোণ সৃষ্টি করতে পারে। ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য। পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

উৎস: নবম অধ্যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বই।

৫,০৯৫.
জিঙ্ক সালফেটকে কী বলা হয়?
  1. ব্লু ভিট্রিওল
  2. হোয়াইট ভিট্রিওল
  3. চাইনিজ হোয়াইট
  4. গ্রিন ভিট্রিওল
সঠিক উত্তর:
হোয়াইট ভিট্রিওল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোয়াইট ভিট্রিওল
ব্যাখ্যা
• জিঙ্ক সালফেটকে বলা হয় হোয়াইট ভিট্রিওল।

• হোয়াইট ভিট্রিওল:
- জিঙ্ক সালফেট একটি অজৈব লবণ, যা হোয়াইট ভিট্রিওল নামে পরিচিত। এর রাসায়নিক সংকেত ZnSO4·7H2O।

• "ভিট্রিওল" শব্দটি ল্যাটিন vitriolum (কাচের মতো) থেকে এসেছে, কারণ এই লবণগুলি কাচের মতো স্বচ্ছ স্ফটিক গঠন করে।

অন্যদিকে,
• ব্লু ভিট্রিওল (কপার সালফেট):  

- আর্দ্র কপার সালফেটকে বলা হয় ব্লু ভিট্রিওল। 
- এর রাসায়নিক সংকেত CuSO4·5H2O
- এটি সাধারণত ছত্রাকনাশক, কীটনাশক এবং ইলেক্ট্রোপ্লেটিং-এ ব্যবহৃত হয়।

• গ্রিন ভিট্রিওল :  
- আর্দ্র ফেরাস সালফেটকে বলা হয় গ্রিন ভিট্রিওল। এর রাসায়নিক সংকেত FeSO4·7H2O।
- এটি একটি সবুজ রঙের স্ফটিক।
- এটি আয়রনের ঘাটতিজনিত রোগ এবং কিছু শিল্প প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।

• চাইনিজ হোয়াইট:
- জিঙ্ক অক্সাইড ZnO কে চাইনিজ হোয়াইট বলা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
৫,০৯৬.
কোন কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হবে?
  1. ক) কপার
  2. খ) আয়রন
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) বরফ
সঠিক উত্তর:
গ) আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আয়োডিন
ব্যাখ্যা
যে সকল কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় তাদেরকে উদ্বায়ী পদার্থ বলে। যেমন আয়োডিন, নিশাদল, কর্পূর, ন্যাপথালিন, কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
৫,০৯৭.
রাদারফোর্ডের কোন পরীক্ষার মাধ্যমে পরমাণুর কেন্দ্রের অস্তিত্ব জানা যায়? 
  1. β কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
  2. α কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
  3. ∞ কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
  4. γ কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
α কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
α কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
ব্যাখ্যা

রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল: 
- বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড 1911 সালে α-কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা শেষে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল উপস্থাপন করেন। সেটি হলো- 

i. পরমাণুর দুটি অংশ একটি নিউক্লিয়াস এবং অপরটি নিউক্লিয়াসের বাইরের অংশ।
ii. পরমাণু প্রায় সমস্ত ভর পরমাণুর আয়তনের তুলনায় খুব সূক্ষ্ম স্থানে পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে। পরমাণুর কেন্দ্রের এ সূক্ষ্ম অংশকে নিউক্লিয়াস বলে। নিউক্লিয়াসের আকার গোলাকার এবং ব্যাস 10-12 10-13 cm এর মধ্যে।
iii. ভারী ধনাত্মক আধান যুক্ত কণা প্রোটন পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে। ইলেকট্রনের ভর অত্যন্ত নগণ্য। পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত থাকে।
iv. পরমাণু আধান নিরপেক্ষ। পরমাণুতে ধনাত্মক আধান যুক্ত প্রোটনের সংখ্যা ও ঋণাত্মক আধান যুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে। একটি প্রোটন যে পরিমাণ ধনাত্মক আধান বহন করে, একটি ইলেকট্রন ঠিক ঐ একই পরিমাণ ঋণাত্মক আধান বহন করে।
v. নিউক্লিয়াসের বাইরে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বৃত্তাকার পথে সমদ্রুতগতিতে আবর্তন করে।

• রাদারফোর্ড পরমাণুর মডেলকে সৌর মডেলের সাথে তুলনা করা হয়। কারণ-
- রাদারফোর্ড তাঁর পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেন।
- সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ কক্ষ পথে বিভিন্ন গ্রহগুলো যেভাবে পরিভ্রমণ করে ঠিক একইভাবে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ কক্ষপথে তীব্র বেগে পরিভ্রমণ করে।
- তাঁর ধারণা মতে নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের মধ্যে বিদ্যমান স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণজনিত কেন্দ্রমুখী বল এবং অপরটি ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের কেন্দ্রবিমুখী বল।
- এ দুই প্রকার বলের মান পরস্পর সমান কিন্তু বিপরীতমুখী।
- তাই বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলকে সৌর মডেলের সাথে তুলনা করেন।

তথ্যসূত্র: রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,০৯৮.
এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় -
  1. ক) ১০-৭ মি
  2. খ) ১০-৬ মি
  3. গ) ১০-৯ মি
  4. ঘ) ১০-১০ মি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০-১০ মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০-১০ মি
ব্যাখ্যা
- এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুব ছোট।
- এ রশ্মি অত্যন্ত ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় ১০-১০ মি।

[তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, ড সাহজাহান তপন, পৃষ্ঠা - ৩৮8]
৫,০৯৯.
ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটরের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিটকে কী বলে? 
  1. RAM
  2. ROM
  3. IC
  4. Motherboard
সঠিক উত্তর:
IC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IC
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট(IC):
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি(IC) নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
- যার ফলে সাথে সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।
- আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার আইবিএম সিস্টেম ৩৬০।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৫,১০০.
সূক্ষ্ম রক্তনালিকার ব্লকেজ পরীক্ষা করার প্রযুক্তির নাম হলো-
  1. ক) এনজিওগ্রাফি
  2. খ) এন্ডোস্কোপি
  3. গ) এমআরআই
  4. ঘ) সিটিস্ক্যান
সঠিক উত্তর:
ক) এনজিওগ্রাফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এনজিওগ্রাফি
ব্যাখ্যা
এনজিওগ্রাফি
এনজিওগ্রাফি হলো এমন একটি প্রতিবিম্ব তৈরির পরীক্ষা যেখানে শরীরের রক্তনালিকাসমূহ দেখার জন্য এক্সরে ব্যবহার
করা হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তবাহী শিরা বা ধমনীগুলো সরু, ব্লকেজ  ও প্রসারিত হয়েছে কী না তা নির্ণয় করা যায়।
রক্তনালিতে ব্লক  এবং রক্তনালি সরু এবং অপ্রসস্থ হলে শরীরে রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘ্নিত হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।