বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩২ / ৬৪ · ৩,১০১৩,২০০ / ৬,৪০৯

৩,১০১.
সুউচ্চ পর্বত‌ এ রান্না করা কঠিন কেন?
  1. ক) বায়ুর চাপ বেশি ও পানির স্ফুটনাঙ্ক কম
  2. খ) বায়ুর চাপ কম ও পানির স্ফুটনাঙ্ক কম
  3. গ) বায়ুর চাপ কম ও পানির স্ফুটনাঙ্ক বেশি
  4. ঘ) বায়ুর চাপ বেশি ও পানির স্ফুটনাঙ্ক বেশি
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুর চাপ কম ও পানির স্ফুটনাঙ্ক কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বায়ুর চাপ কম ও পানির স্ফুটনাঙ্ক কম
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর পৃষ্ঠে বায়ুর চাপ সবচেয়ে বেশি। তাই পৃথিবীর পৃষ্ঠে পানির স্ফুটনাঙ্ক সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ১০০° সেলসিয়াস।
কিন্তু পৃথিবী হতে যত উপরে উঠা যায় তত বায়ুর চাপ কমে যায়, ফলে স্ফুটনাঙ্ক হ্রাস পায়।
সুউচ্চ পর্বতে বায়ুর চাপ পৃথিবীর বায়ুর চাপ অপেক্ষা কম বিধায় পর্বতের উপর পানির স্ফুটনাঙ্ক কম। তাই পর্বতের উপর পানি কম তামপাত্রায় ফুটতে থাকে।
হিসাব করে দেখা গেছে এভারেস্ট পর্বত শৃঙ্গে মাত্র ৭০° সেলসিয়াতাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে, কিন্তু মাছ, মাংস, ডিম প্রভৃতি দ্রুত সিদ্ধ হয় না।

৩,১০২.
IC এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Integrated Circuit
  2. খ) Integrated Circle
  3. গ) Integrated Cycle
  4. ঘ) Internal Coil
সঠিক উত্তর:
ক) Integrated Circuit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Integrated Circuit
ব্যাখ্যা

- IC এর পূর্ণরূপ - Integrated Circuit
- আইসি হল একটি সংকর সমন্বিত বর্তনী যার উপরে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন অর্ধপরিবাহী বস্তু ও নিষ্ক্রিয় (প্যাসিভ) উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত ক্ষুদ্র ইলেক্ট্রনিক বর্তনী।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটকে মাইক্রোইলেক্ট্রনিক সার্কিট, মাইক্রোচিপ বা চিপও বলা হয়।

উৎস: Britannica

৩,১০৩.
কার্বনের আইসোটোপ কয়টি?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা

কার্বনের আইসোটোপ তিনটি হল C12 (6টি প্রোটন এবং 6টি নিউট্রন), C13 (6টি প্রোটন এবং 7টি নিউট্রন), C14 (6টি প্রোটন এবং 8টি নিউট্রন)।
আইসোটোপ হলো একই মৌলিক পদার্থের ভিন্ন ভিন্ন পরমাণু যাদের পারমাণবিক সংখ্যা একই তবে নিউক্লিয়াসে নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন। আইসোটোপগুলো পারমাণবিক সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন।
সূত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান

৩,১০৪.
তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা -
  1. ম্যাক্সপ্লাঙ্ক
  2. ম্যাক্সওয়েল
  3. হাইগেন
  4. নিউটন
  5. রাদারফোর্ড
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্সওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্সওয়েল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন তত্ত্বের প্রবক্তা:
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১০৫.
যে তড়িৎদ্বার থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করে ধাতু চার্জমুক্ত হয় সেটি -
  1. ক) এ্যানোড
  2. খ) ক্যাথোড
  3. গ) নিরপেক্ষ তড়িৎদ্বার
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাথোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাথোড
ব্যাখ্যা
যে ধাতব পাতে ধাতু বা কোন আয়ন ইলেকট্রন ছেড়ে দেয় তাকে ঋণাত্নক তড়িৎদ্বার বা এ্যানোড বলে।
অর্থাৎ, এ্যানোডে  ধাতু বা কোন আয়ন ইলেকট্রন ছেড়ে দেয়। 
অ্যানায়ন বা ঋণাত্মক আয়ন অ্যানোডে এক বা একাধিক ইলেকট্রন দান করে জারিত হয়।

অন্যদিকে, যে তড়িৎদ্বারে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ইলেকট্রন শোষিত হয় তাকে ধনাত্নক তড়িৎদ্বার বা ক্যাথোড বলে।
অর্থাৎ, ক্যাথোড থেকে ইলেকট্রন গ্রহণ করে ধাতু চার্জমুক্ত হয়। 
ক্যাটায়ন বা ধনাত্মক আয়ন ক্যাথোড হতে এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারিত হয়। 

উৎস : রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১০৬.
অচৌম্বক পদার্থ নিচের কোনটি? 
  1. লোহা 
  2. কোবাল্ট
  3. ইস্পাত 
  4. তামা 
সঠিক উত্তর:
তামা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামা 
ব্যাখ্যা

চৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে। 
- বেশিরভাগ চৌম্বক পদার্থে লোহা থাকে তাই চৌম্বক পদার্থকে ফেরো চৌম্বক পদার্থ বা ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ বলা হয়। ফেরো শব্দটির অর্থ লোহা। 
যেমন- লোহা, ইস্পাত, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি চৌম্বক পদার্থ। 

অচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় না তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- সোনা, রূপা, তামা, পিতল, অ্যালুমিনিয়াম, দস্তা, টিন, কাঠ, কাগজ, প্লাস্টিক, রাবার ইত্যাদি অচৌম্বক পদার্থ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১০৭.
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ কত?
  1. ৩৪৮ মিটার/সেকেন্ড
  2. ৩২৮ মিটার/সেকেন্ড
  3. ৩৩২ মিটার/সেকেন্ড
  4. ০ মিটার/সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
০ মিটার/সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০ মিটার/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ: 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়।
- তরল  পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়। 
- বায়োবীয় পদার্থে সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১০৮.
মৌলিক রাশির একক কোনটি? 
  1. কেলভিন 
  2. কিলোগ্রাম 
  3. ক্যান্ডেলা 
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
ব্যাখ্যা
মৌলিক রাশি: 
- যে সকল রাশি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এবং অন্য রাশির উপর নির্ভর করে না বরং অন্যান্য রাশি এদের ওপর নির্ভর করে সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলে। 
- মৌলিক রাশি সাতটি। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎ প্রবাহ, দীপন তীব্রতা ও পদার্থের পরিমাণ। 

মৌলিক একক: 
- মৌলিক রাশির একককে মৌলিক একক বলা হয়। 
যেমন: 
• দৈর্ঘ্যের একক- মিটার, 
• ভরের একক- কিলোগ্রাম
• সময়ের একক- সেকেন্ড, 
• তাপমাত্রা/উষ্ণতার একক- কেলভিন
• তড়িৎ প্রবাহের একক- অ্যাম্পিয়ার, 
• দীপন তীব্রতার একক- ক্যান্ডেলা ও 
• পদার্থের পরিমাণের একক- মোল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১০৯.
​পাকস্থলীতে খাবার হজমের জন্য কোন এসিড প্রয়োজন? 
  1. ভিনেগার 
  2. এসিটিক এসিড 
  3. হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
  4. এসকরবিক এসিড 
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
ব্যাখ্যা

এসিডের ব্যবহার: 
- নিচে বিভিন্ন এসিডের ব্যবহার উল্লেখ করা হলো- 
• হাইড্রোক্লোরিক এসিড: 
- সাধারণত মাংস, পোলাও, বিরিয়ানি এ ধরনের খাবার খাওয়ার পর আমাদের পাকস্থলীতে নির্দিষ্ট মাত্রায় হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) -এর প্রয়োজন হয়। 
- কোমল পানীয়গুলো অল্পমাত্রায় এসিডিক, তাই গুরুপাক খাবার পর কোমল পানীয় আমাদের পরিপাকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) তৈরিতে সাহায্য করে। 

• ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড: 
- লেবু, কমলা, আপেল, পেয়ারা, আমলকী ইত্যাদি ফলের মধ্যে ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড (C6H8O6) আছে। 
- এটি দেহের ক্ষত সারাতে খুবই সহায়ক এবং এর অভাবে আমাদের শরীরে স্কার্ভি রোগ হয়। 

• ভিনেগার বা এসিটিক এসিড: 
- আম, জলপাই ইত্যাদির নানা রকম আচার সংরক্ষণ করতে ভিনেগার বা এসিটিক এসিড (CH3COOH) ব্যবহার করা হয়। 

• ল্যাকটিক এসিড: 
- কোমল পানীয়ের মতো বোরহানি বা দই খেলে এতে বিদ্যমান ল্যাকটিক এসিড [(CH3-CH(OH)-COOH] আমাদের হজম শক্তিতে সাহায্য করে। 

• বেকিং সোডা: 
- কেক, বিস্কুট, পাউরুটি ইত্যাদি বেকিং সোডা (NaHCO3) ব্যবহার করে ফোলানো হয়। 
- তাপ দিলে এই বেকিং সোডা ভেঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়, যা কেক, বিস্কুট, পাউরুটিকে ফুলিয়ে তোলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১১০.
নিচের কোনটি অভিজাত গ্যাস নয়?  
  1. রেডন
  2. ক্রিপ্টন
  3. জেনন
  4. ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাস:

• যে সকল অন্য কোনো গ্যাসের সাথে বিক্রিয়া করে না তাদের নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে।
• নিষ্ক্রিয় গ্যাসকে অভিজাত গ্যাস ও বলা হয়।
• নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা অভিজাত গ্যাস সাধারণত ৬টি, যথা: হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন, জেনন ও রেডন।
• নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মৌলসমূহ রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয় এবং কক্ষ তাপমাত্রায় গ্যাসীয়।
• নিষ্ক্রিয় গ্যাসমূহের সর্ববহিঃস্থ স্তরে ৮টি ইলেকট্রন থাকে। ব্যতিক্রম হিলিয়াম। হিলিয়ামের সর্ববহিঃস্থ স্তরে ২টি ইলেকট্রন থাকে।
• সূর্যে মৌলিক পদার্থের মধ্যে হিলিয়াম (He) এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
• রেডন তেজষ্ক্রিয় মৌল। বিজ্ঞানী ডর্ন ১৯০০ সালে রেডিয়ামের তেজষ্ক্রিয় বিভাজন হতে রেডন আবিষ্কার করেন।
• ইউরেনিয়াম নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা অভিজাত গ্যাস নয়। 
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন বই।
৩,১১১.
কার্বনের কয়টি রূপভেদ আছে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৪ টি
  4. ১০০০ এর বেশি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা

কার্বনের দু'টি রূপভেদ আছে যথা গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড (হীরক)। বিভিন্ন রূপভেদে কার্বনের ব্যবহারও বিভিন্ন।

গ্রাফাইট উত্তম বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যন্ত্রাংশ লুব্রিকেশন (lubrication) করার জন্য এবং কাদা সহযােগে পুড়িয়ে কাঠ পেন্সিলের সীস তৈরীতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।
ডায়মন্ড বা হীরক ভংগুর হলেও প্রকৃতিতে প্রাপ্ত পদার্থসমূহের মধ্যে অন্যতম কঠিনতম। ডায়মন্ড উত্তম তাপ-পরিবাহী হলেও বিদ্যুৎ-অপরিবাহী।

উৎসঃ রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,১১২.
মৃৎক্ষার ধাতু নিচের কোনটি?
  1. বেরিয়াম 
  2. সিজিয়াম 
  3. রুবিডিয়াম 
  4. সোডিয়াম 
সঠিক উত্তর:
বেরিয়াম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিয়াম 
ব্যাখ্যা

মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals): 
- পর্যায় সারণির 2নং গ্রুপের মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। 
যেমন- 
• বেরিলিয়াম (Be), 
• ম্যাগনেসিয়াম (Mg), 
• ক্যালসিয়াম (Ca), 
• স্ট্রনসিয়াম (Sr), 
বেরিয়াম (Ba) এবং 
• রেডিয়াম (Ra)। 
- এই মৃৎক্ষার ধাতুগুলোকে মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়, আবার এরা ক্ষার তৈরি করে। 
- এজন্য সামগ্রিকভাবে এদের মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals) বলা হয়। 

ক্ষার ধাতু (Alkali Metals): 
- পর্যায় সারণির 1নং গ্রুপের মৌলগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেন ছাড়া বাকি মৌলগুলোকে ক্ষারধাতু বলে। 
- এই মৌলগুলোর প্রত্যেকটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস এবং ক্ষার তৈরি করে বলে এদেরকে ক্ষার ধাতু (Alkali Metals) বলা হয়। 
যেমন- 
• লিথিয়াম (Li), 
• সোডিয়াম (Na), 
• পটাসিয়াম (K), 
• রুবিডিয়াম (Rb), 
• সিজিয়াম (Cs) এবং 
• ফ্রান্সিয়াম (Fr)। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১১৩.
কম্পোজিট কণিকা হলো -
  1. আলফা কণিকা
  2. নিউট্রিনো
  3. পজিট্রন
  4. অ্যান্টি নিউট্রিনো
সঠিক উত্তর:
আলফা কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফা কণিকা
ব্যাখ্যা

পরমাণুর মূল কণিকাসমূহ: 
পরমাণুর মূল কণিকা তিন ধরনের, যথা স্থায়ী মূল কণিকা, অস্থায়ী মূল কণিকা এবং কম্পোজিট কণিকা।

(১) স্থায়ী মূল কণিকা:
- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা হাইড্রোজেন পরামাণু ছাড়া সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূলকণিকা বলা হয়।
- হাইড্রোজেন-। পরমাণুতে শুধু ১টি ইলেকট্রন ও ১টি প্রোটন আছে। এতে কোন নিউট্রন নেই। 

(২) অস্থায়ী মূল কণিকা:
- কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে।
- এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়।
- অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০।
- নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা।

(৩) কম্পোজিট কণিকা (Composite particles):
- স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়।
- আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ।

তথ্যসূত্র: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,১১৪.
স্টার্চ থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ায় নিচের কোনটি উৎপাদন করা হয়? 
  1. ইথানল
  2. বেনজিন
  3. ফ্যাটি এসিড
  4. অ্যালডিহাইড
সঠিক উত্তর:
ইথানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 

- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়। এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্যে শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়। 
- এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে। 
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১১৫.
'তামা ও টিন' এর সমন্বয়ে কোন ধাতু গঠিত হয়?
  1. ক) ব্রাস
  2. খ) ইনভার
  3. গ) কাঁসা
  4. ঘ) গান মেটাল
সঠিক উত্তর:
গ) কাঁসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাঁসা
ব্যাখ্যা
- দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে। যেমন-
• কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো কপার ও টিনের সংকর ধাতু।
• পিতল হলো তামা ও দস্তার (জিঙ্ক) সংকর ধাতু।

উৎস- রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১১৬.
কোনটি অনবায়নযােগ্য সম্পদ?
  1. সূর্যের আলাে
  2. সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা
  3. সমুদ্রের ঢেউ
  4. গ্যাস
সঠিক উত্তর:
গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাস
ব্যাখ্যা

নবায়নযােগ্য শক্তি (Renewable Energy):
- যে জ্বালানি পুন: পুন ব্যবহার করলে সাধারণত ফুরােয় না এমনকি অদূর ভবিষ্যতেও ঘাটতির সম্ভাবনা থাকে না, তাকে নবায়নযােগ্য জ্বালানি বলা হয়।
যেমন: সূর্যের আলাে, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, সমুদ্রের ঢেউ, বায়ু, নদীর বহমান পানি, পৃথিবীর গভীরের উত্তপ্ত ম্যাগমা।

অনবায়নযােগ্য শক্তি (Non-Renewable Energy):
- অনবায়নযােগ্য মানে হলাে, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না। এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পুনরায় উৎপন্ন করা যায় না।
যেমন - তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১১৭.
নিচের কোনটি এককবিহীন?
  1. ক) চৌম্বক প্রাবল্য
  2. খ) চৌম্বক প্রবেশ্যতা
  3. গ) চৌম্বক গ্রাহিতা
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) চৌম্বক গ্রাহিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চৌম্বক গ্রাহিতা
ব্যাখ্যা
♦ চৌম্বক গ্রাহিতা বা প্রবণতা (Magnetic susceptibiliby):
- কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকায়ন তীব্রতা (I) এবং চৌম্বক তীব্রতা (H) এর অনুপাতকে চৌম্বক গ্রাহিতা বা প্রবণতা বলে । 
- এটি একটি এককবিহীন রাশি।

♦ চৌম্বক প্রাবল্য (Magnetic Intensity):

- চৌম্বকক্ষেত্রের কোনো চৌম্বক আবেশ এবং চৌম্বক প্রবেশ্যতার অনুপাতকে চৌম্বক প্রাবল্য বা তীব্রতা বলে । একে H দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
এর একক Am-1

♦ চৌম্বক প্রবেশ্যতা (Magnetic permeability):
- চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপিত কোনো চৌম্বক পদার্থের চৌম্বক আবেশ (B) ও চৌম্বক তীব্রতা (H) এর অনুাতকে ঐ পদার্থের চৌম্বক প্রবশ্যেতা বলে । একে μ (মিউ) দ্বারা প্রকাশ করা হয় 
এর একক TmA-1

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১১৮.
অতিবেগুনি রশ্মি কোথা হতে আসে?
  1. ক) চন্দ্র
  2. খ) সূর্য
  3. গ) বৃহস্পতি
  4. ঘ) পেট্রোলিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) সূর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সূর্য
ব্যাখ্যা
 -জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলাে গামা রশ্মি।
 -গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা, অন্য তেজস্ক্রিয় রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি।
- গামা রশ্মি প্রায় কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত সীসা ভেদ করতে পারে।
- আলট্রাভায়ােলেট বা অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে, যা তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে কম ক্ষতিকর।
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়।
- বিটা ও আলফা রশ্মি গামা রশ্মির তুলনায় কম ক্ষতিকর।
৩,১১৯.
সোলার প্যানেলে বিদ্যুৎ তৈরি হয় কোন প্রভাবে?
  1. ফটোভোলটাইক
  2. ইলেক্ট্রোলাইটিক
  3. নিউক্লিয়ার
  4. মেকানিক্যাল
সঠিক উত্তর:
ফটোভোলটাইক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফটোভোলটাইক
ব্যাখ্যা

• সোলার প্যানেলে সূর্যের আলোকে সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়াকে ফটোভোলটাইক প্রভাব বলা হয়।

- সোলার প্যানেল হলো একটি ডিভাইস যা সূর্যের আলোকে সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে। এটি সোলার সেল বা photovoltaic cell দ্বারা গঠিত।

ফটোভোলটাইক (Photovoltaic):
- Photovoltaic effect হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কিছু উপাদান (যেমন সেমিকন্ডাক্টর) আলো শোষণ করলে ইলেকট্রন মুক্ত হয় এবং বৈদ্যুতিক কারেন্ট তৈরি হয়।
- সাধারণত সোলার সেলে সিলিকন (Silicon) ব্যবহার করা হয়।
- সূর্যের আলো পড়লে সিলিকনের ইলেকট্রন উত্তেজিত হয়ে চলাচল শুরু করে, যা DC কারেন্ট উৎপন্ন করে।

ব্যবহার ও সুবিধা:
- বাড়ি ও অফিসে বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহ।
- দূরবর্তী এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ।
- পরিবেশবান্ধব ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি।

তথ্যসূত্র: 
- ব্রিটানিকা [লিংক]

৩,১২০.
কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম কী?
  1. ক্লোরোপিক্রিন
  2. মিথেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. ইথেন
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোপিক্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোপিক্রিন
ব্যাখ্যা
- কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম ক্লোরোপিকরিন।
- অশ্রু উৎপাদক বলে একে কাঁদুনে গ্যাস বলা হয়।
- এর রাসায়নিক নাম হলো নাইট্রোক্লোরোফরম।
- কাঁদুনে গ্যাসের রাসায়নিক সংকেত CCl3NO2.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,১২১.
অপটিক্যাল ফাইবার কোন নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. প্রতিফলন
  2. প্রতিসরণ
  3. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. বিচ্ছুরণ
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন:
- যখন আলো ঘন মাধ্যম (যেমন: কাচ) থেকে হালকা মাধ্যমের দিকে যায় এবং আপতন কোণ সংকট কোণের চেয়ে বেশি হয়, তখন সমস্ত আলো প্রতিফলিত হয়ে পুনরায় ঘন মাধ্যমে ফিরে আসে। এটিই পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন।

• অপটিক্যাল ফাইবার:
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু। এটি আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের নীতিতে কাজ করে।
- অপটিক্যাল ফাইবারের ভিতরের দেয়ালে আলো এভাবেই বারবার প্রতিফলিত হয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে।
- এর ভেতরের অংশকে বলে কোর (core), বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড (clad)।
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়।
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম।
- দৃশ্যমান আলো হলে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
৩,১২২.
সৌর প্যানেলে সৌরবিদ্যুৎ সংরক্ষণে কোন এসিড ব্যবহার করা হয়? 
  1. নাইট্রিক এসিড
  2. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  3. ফসফরিক এসিড
  4. সালফিউরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা
এসিডের ব্যবহার: 
- সৌর প্যানেলে তৈরি সৌর বিদ্যুৎ সংরক্ষণের জন্য সালফিউরিক এসিড (H2SO4) ব্যবহার করা হয়। 
- বাসাবাড়িতে আইপিএস (IPS) চালানোর জন্য এবং গাড়িতে যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়, তার অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড (H2SO4)। 
- ফসল উৎপাদনের জন্য সার হলো অতি প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। সার হিসেবে যেগুলো ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হলো- অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম সালফেট [(NH4)2SO4] ও অ্যামোনিয়াম ফসফেট [(NH4)3PO4]। 
- আর সার কারখানায় এগুলো তৈরি করা হয় যথাক্রমে নাইট্রিক এসিড (HNO3), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) এবং ফসফরিক এসিড (H3PO4) ব্যবহার করে। 
- শক্তিশালী এসিডগুলো ( যেমন সালফিউরিক এসিড (H2SO4), নাইট্রিক এসিড (HNO3), হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) মানবদেহের জন্য যেমন মারাত্মক ক্ষতিকর, তেমনি আমাদের অনেক প্রয়োজনীয় এবং নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্রেরও অনেক ক্ষতি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১২৩.
কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধের ক্রম কত?
  1. 10-4 Ωm
  2. 10-8 Ωm
  3. 1012 Ωm
  4. শূন্য
সঠিক উত্তর:
10-4 Ωm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10-4 Ωm
ব্যাখ্যা

• পরিবাহী:
- যে সব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে, যেমন-রুপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী।
- পরিবাহী পদার্থের আপেক্ষিক রোধ 10-8 Ωm ক্রমের।
- পরিবাহীতে অনেক মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। পরিবাহীর দুই প্রান্তে সামান্য বিভব পার্থক্য ঘটালেই ইলেকট্রনগুলো তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে।
- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে এর তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

• অপরিবাহী:
যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে, যেমন-কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। মূলতঃ প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী।
- অপরিবাহী পদার্থের আপেক্ষিক রোধ 1012 Ωm ক্রমের।
- অপরিবাহীতে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না। তাই অপরিবাহীর দুই প্রান্তে অনেক বিভব পার্থক্য ঘটালেও তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি হয় না। অপরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে।

• অর্ধপরিবাহী:
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি যার তড়িৎ পরিবহণ ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি অর্থাৎ যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে।
- পরিবাহী এবং অর্ধপরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো, পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়, আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়।
- অর্ধপরিবাহী পদার্থের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm ক্রমের।

উৎস:
পদার্থ বিজ্ঞান (এসএসসি প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১২৪.
নিচের কোনটি টুথপেস্টের উপাদান নয়?
  1. ক) পাউডার
  2. খ) সাবান
  3. গ) মেনথল
  4. ঘ) তারপিনল
সঠিক উত্তর:
ঘ) তারপিনল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তারপিনল
ব্যাখ্যা


- এখানে সোডিয়াম লরেল সালফেট হচ্ছে সাবান যা দাত ব্রাশ করার সময় ফেনা তৈরি করে।
৩,১২৫.
কোন লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. উত্তল 
  2. অবতল 
  3. অপসারী 
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
উত্তল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তল 
ব্যাখ্যা

লেন্স: 
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। অভিসারী বা উত্তল লেন্স: 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অভিসারী লেন্স বলে। 

উত্তল লেন্সের ব্যবহার: 
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। 
৩. চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। 

২। অপসারী বা অবতল লেন্স: 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে অপসারী লেন্স বলে। 

অবতল লেন্সের ব্যবহার: 
১. চশমায় ব্যবহার করা হয়। 
৩. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১২৬.
ডুবোজাহাজ থেকে সমুদ্র পৃষ্টে কোনো বস্তু দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ক্যালাইডোস্কোপ
  2. খ) টেলিস্কোপ
  3. গ) পেরিস্কোপ
  4. ঘ) মাইক্রোস্কোপ
সঠিক উত্তর:
গ) পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়।
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়। আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে।
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই।
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে।
- দর্পণের প্রতিফলন ‘তল’ এমনভাবে স্থাপিত যাতে নলটির অঙের সঙ্গে তা ৪৫ ডিগ্রি কোণ সৃষ্টি করতে পারে।
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য।
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।
[সুত্রঃ বিজ্ঞান ৬ষ্ঠ শ্রেণি]
৩,১২৭.
গামা রশ্মি সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল? 
  1. গামা রশ্মির বেগ সব সময়েই আলোর বেগের সমান 
  2. গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন একটি কণা 
  3. গামা রশ্মিকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না 
  4. গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব বেশি 
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব বেশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব বেশি 
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মি (Gamma Ray): 
- গামা রশ্মি হচ্ছে শক্তিশালী বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। 
- গামা রশ্মির কোনো চার্জ নেই (আধানহীন), কিন্তু শক্তিশালী হওয়ার কারণে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব কম (কম্পন অনেক বেশি)
- শক্তি বেশি বা কম হলেও এর বেগ সব সময়েই আলোর বেগের সমান।
- যখন কোনো নিউক্লিয়াস আলফা কণা কিংবা বিটা কণা বিকিরণ করে 'উত্তেজিত' অবস্থায় থাকে তখন বাড়তি শক্তি গামা রশ্মি হিসেবে বের করে এটি নিরুত্তেজ হয়।
- গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন কণা, তাই এর বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- গামা রশ্মির যেহেতু চার্জ নেই তাই এটাকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না।
- চার্জ না থাকলেও এটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অণু-পরমাণুকে আয়নিত করতে পারে এবং সেখান থেকে গামা রশ্মির অস্তিত্বও বোঝা যায়।
- গামা রশ্মিকে থামাতে সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার সিসার পুরু পাতের দরকার হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১২৮.
কোনটি পর্যায়বৃত্ত ধর্ম নয়?
  1. পরমাণুর ব্যাসার্ধ
  2. প্রথম আয়নিকরণ শক্তি
  3. রাসায়নিক বন্ধন 
  4. ইলেকট্রন আসক্তি
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক বন্ধন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক বন্ধন 
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক বন্ধন পর্যায়বৃত্ত ধর্ম নয়। 

মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
- মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি।
- যে কোনো মৌলের রাসায়নিক ধর্ম ও অনেক ভৌত ধর্ম নির্ভর করে ঐ মৌলের সর্ববহিঃস্থ ইলেকট্রন বিন্যাসের উপর।
- মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস পারমাণবিক সংখ্যার বৃদ্ধির সাথে পরিবর্তিত হয়ে থাকে।
- তাই পর্যায় সারণিতে মৌলে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে নির্দিষ্ট ব্যবধানে মৌলের ধর্মের পুনরাবৃত্তি ঘটে।
- মৌলের ধর্মের এ জাতীয় পুনরাবৃত্তিকে মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম বলে।
- পর্যায় সারণির কোনো একটি পর্যায়ের ক্ষেত্রে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসে ধারাবাহিক পরিবর্তন ঘটে। এ কারণে মৌলের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের ধারাবাহিক পরিবর্তন ঘটে।
- প্রকৃতপক্ষে মৌলমূহের ধর্মাবলি ইলেকট্রন বিন্যাসের উপর ভিত্তি করে পরিবর্তিত হয় এবং ধর্মের পুনরাবৃত্তি ঘটে।
- পর্যায় সারণির কোনো পর্যায়ের বাম দিক হতে ডান দিকে এবং কোনো গ্রুপের উপর থেকে নিচের দিকে অগ্রসর হলে এ সব ধর্মাবলি একটি নির্দিষ্ট নিয়মের অধীনে পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়। 

পর্যায় সারণিতে অবস্থিত মৌলগুলোর কিছু ধর্ম আছে,
যেমন-
- ধাতব ধর্ম,
- অধাতব ধর্ম,
- পরমাণুর আকার,
- আয়নিকরণ শক্তি,
- তড়িৎ ঋণাত্মকতা,
- ইলেকট্রন আসক্তি, ইত্যাদি। এসব ধর্মকে পর্যায়বৃত্ত ধর্ম বলে।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১২৯.
সূর্য থেকে আমাদের পৃথিবীতে আলো আসে কোন তরঙ্গের মাধ্যমে?
  1. ক) যান্ত্রিক তরঙ্গ
  2. খ) অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  3. গ) অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
  4. ঘ) তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

আমরা সূর্য থেকে আলো এবং তাপ পাই। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো এবং তাপ আসে তরঙ্গাকারে। সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়। এ তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ। বেতার তরঙ্গ, এক্সরশ্মি, গামারশ্মি, তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ ইত্যাদি তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গের উদাহরণ।
আলো একটি তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। ১৮৬২ সালে জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল প্রমাণ করেন তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ মহাশূন্যের মধ্য দিয়ে ধ্রুব দ্রুতিতে গমন করতে পারে। ১৮৬৪ সালে তিনি আলোর তাড়িতচৌম্বক তত্ত্বের অবতারণা করেন।
সুত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি।

৩,১৩০.
স্বাভাবিক কথোপকথনের ক্ষেত্রে শব্দের তীব্রতা লেভেল কত? 
  1. ৮০ ডেসিবল
  2. ৬০ ডেসিবল
  3. ৭০ ডেসিবল
  4. ৯০ ডেসিবল
সঠিক উত্তর:
৬০ ডেসিবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ডেসিবল
ব্যাখ্যা
- স্বাভাবিক কথোপকথনের ক্ষেত্রে শব্দের তীব্রতা লেভেল- ৬০ ডেসিবল। 

শব্দের তীব্রতা: 
- শব্দের তীব্রতা হচ্ছে একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত শব্দ শক্তির পরিমাণ।
- সাধারণ ক্ষেত্রে বাতাসের মধ্যে শ্রোতার অবস্থানের সাপেক্ষে তীব্রতা পরিমাপ করা হয়।
- শব্দের তীব্রতার মূল একক Wm-2
- শব্দের তীব্রতা ও পরিমাপ আপেক্ষিক শ্রাব্যতার সর্ব নিম্ন ধাপ থেকে শুরু হয়।
- এই সর্বনিম্ন তীব্রতাকে বলা হয় প্রমিত বা প্রমাণ তীব্রতা। এর মান 10-12 Wm-2 কে বেছে নেয়া হয়েছে।
- এটি হচ্ছে 1000Hz কম্পাঙ্কের একটি শব্দ তরঙ্গের তীব্রতা যাকে শ্রাব্যতার সূচনা সীমা (threshold of audibility) হিসাবেও ধরা হয়। 


উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৩১.
শব্দের তীব্রতার SI একক কোনটি?
  1. নিউটন
  2. জুল
  3. হার্টজ
  4. ওয়াট প্রতি বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
ওয়াট প্রতি বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াট প্রতি বর্গমিটার
ব্যাখ্যা

• শব্দের তীব্রতার SI একক হলো ওয়াট প্রতি বর্গমিটার।

• শব্দের তীব্রতা (Intensity):
- শব্দের তীব্রতা হলো একক ক্ষেত্রফল দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রবাহিত শব্দশক্তির পরিমাণ।
- এটি নির্দেশ করে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রফলে কত দ্রুত শক্তি সঞ্চালিত হচ্ছে।
- শব্দের তীব্রতা শক্তির সাথে সম্পর্কিত একটি ভৌত রাশি।
- তীব্রতা যত বেশি, শব্দ তত বেশি জোরালো অনুভূত হয়।
- শব্দের উৎস থেকে দূরত্ব বৃদ্ধি পেলে তীব্রতা হ্রাস পায়।
- তীব্রতা ক্ষেত্রফলের ব্যস্তানুপাতিকভাবে পরিবর্তিত হয়।

• শব্দের তীব্রতার একক:
- শব্দের তীব্রতার SI একক ওয়াট প্রতি বর্গমিটার (Wm-2)।
- এখানে ওয়াট শক্তির একক এবং বর্গমিটার ক্ষেত্রফলের একক।
- একক ক্ষেত্রফলে প্রতি সেকেন্ডে যত ওয়াট শক্তি প্রবাহিত হয় সেটিই তীব্রতা।
- তীব্রতার মান পরিমাপ করে শব্দের শক্তির বিস্তার নির্ণয় করা হয়।

• অন্যান্য একক:
- নিউটন → বলের একক,
- জুল → শক্তির একক,
- হার্টজ → কম্পাঙ্কের একক,
- শব্দের তীব্রতা স্তর (Intensity Level): ডেসিবেল (dB).

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2) Science Expert, Live Publications.

৩,১৩২.
গেজ বোসন কণার স্পিন সংখ্যা কত?
  1. -1
  2. 0
  3. 1
  4. 2
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা
বোসন (Boson):
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন।
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি।
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না।
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই । এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা।
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দু'ধরনের।
(i) গেজ বোসন (Gauge Boson).
(ii) হিগস বোসন (Higgs Boson ).

• গেজ বোসন:
- এদের স্পিন হলো 1। এই কণাগুলো হলো- গণ্ডুওন (g), ফোটন (y) এবং w ও Z বোসন।
- গণ্ডুওন: কণা হলো সবল নিউক্লিয় বলবাহী কণা। এর নিশ্চল ভর শূন্য।
- ফোটন: এই কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। এর নিশ্চল ভর শূন্য।
- W ও Z বোসন : w+, w- এবং z° এই তিনটি বোসন কণা দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক। এ কণাগুলোর ভর আছে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৩৩.
স্থির তাপমাত্রায় কোন বিষয়গুলো রোধের ওপর নির্ভর করে? 
  1. দৈর্ঘ্য এবং তাপমাত্রা
  2. উপাদান এবং তাপমাত্রা
  3. দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল
  4. উপাদান এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল
ব্যাখ্যা
রোধ: 
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে।  
- বর্তনীতে দুই প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. স্থির রোধ: 
- যে সকল রোধের মান নির্দিষ্ট অর্থাৎ মানের পরিবর্তন করা যায় না তাদেরকে স্থির রোধ বলে। 

২. পরিবর্তনশীল রোধ: 
- যে সকল রোধের মান প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করা যায় তাদেরকে পরিবর্তনশীল রোধ বলে। 
- বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন এবং বিভব পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তনশীল রোধের প্রয়োজন পড়ে। 

রোধের নির্ভরশীলতা: 
- কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 
- স্থির তাপমাত্রায় ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৩৪.
কোন মাধ্যমে আলোর গতি সর্বাধিক থাকে?
  1. পানি
  2. কাচ
  3. বায়ু
  4. শূন্যস্থান
সঠিক উত্তর:
শূন্যস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্যস্থান
ব্যাখ্যা
◉ আলো সবচেয়ে দ্রুত চলে শূন্যস্থানে (Vacuum)। শূন্যস্থানে আলোর গতি প্রায় 3×108 মিটার/সেকেন্ড (299,792 কিমি/সেকেন্ড)।

আলো: 
- আলো একপ্রকার শক্তি। 
- আলো একধরনের তড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ যা আমাদের চোখে দর্শনের অনুভূতি যোগায়। 
- আলোর কণাকে ফোটন বলে। 
- আলোর বেগ 3×108 ms-1 অর্থাৎ সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড প্রায়।
- দৃশ্যমান আলো সাতটি বর্ণের সমষ্টি। বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল।

উৎস: 
১। পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২। Evident Scientific ওয়েবসাইট। [লিংক] 
৩,১৩৫.
বাংলাদেশে পাওয়া প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ -
  1. ৮০%
  2. ৯৭%
  3. ৬৫.৪২%
  4. ৯৯.৯৯%
সঠিক উত্তর:
৯৯.৯৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৯.৯৯%
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন। প্রাকৃতিক গ্যাসে এর পরিমাণ প্রায় ৮০%।
এছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসে ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন, আইসোবিউটেন, পেন্টেন ইত্যাদি উপাদানও উপস্থিত থাকে।
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত যে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া গিয়েছে, তার ৯৯.৯৯% উপাদান হলো মিথেন।

সূত্র: রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
৩,১৩৬.
নিচের কোন প্রাণীটি পরস্পরের সাথে যোগাযোগের জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে থাকে?
  1. মানুষ
  2. তিমি
  3. ইঁদুর
  4. কুকুর
সঠিক উত্তর:
তিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিমি
ব্যাখ্যা

- মানুষ ছাড়াও অন্যান্য প্রাণীরাও শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- বাদুর পথ চলতে এবং খাদ্য বস্তুর অনুসন্ধানের জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে।
- তিমি পরস্পরের সাথে যোগাযোগ এবং মনোভাব আদান-প্রদানের জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে
- বলা হয়, শব্দোত্তর তরঙ্গই তিমির ভাষা।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৩৭.
চন্দ্রে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হলে ঐ বিষ্ফোরণের শব্দ কতক্ষণ পর পৃথিবীতে শোনা যাবে?
  1. ১.৩০ মিনিট
  2. ২.০০ মিনিট
  3. ২.৩০ মিনিট
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
শব্দ সঞ্চার [Propagation of Sound]:
- শব্দ বিস্তারের জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- শব্দের উৎস এবং আমাদের কানের মধ্যবর্তী স্থানে যদি কোনো স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যম না থাকে, তাহলে শব্দ আমাদের কানে পৌঁছাতে পারে না।
- চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই, তাই চন্দ্রে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটলে তা পৃথিবীতে শোনা যাবে না।
- কারণ শব্দ সঞ্চারনের জন্য মাধ্যম নেই এবং ভ্যাকুয়াম বা শূন্যের মধ্য দিয়ে শব্দ সঞ্চালিত হতে পারে না।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৩,১৩৮.
স্বরগ্রামের যেকোন একটি সুরের দ্বিগুণ কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট সুরটিকে কী বলে?
  1. ক) টোনিক
  2. খ) উপসুর
  3. গ) সম সুর
  4. ঘ) অষ্টক
সঠিক উত্তর:
ঘ) অষ্টক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অষ্টক
ব্যাখ্যা
একটি সুরের কম্পাঙ্ক অন্য একটি সুরের কম্পাঙ্কের দ্বিগুণ হলে প্রথমটিকে দ্বিতীয়টির অষ্টক বলে। 
যেমন-   100 কম্পাঙ্কের সুরটি 50 কম্পাঙ্কের সুরের অষ্টক।

যে সুরের কম্পাঙ্ক মূল সুরের চেয়ে বেশি সেগুলিকে উপসুর বলে।

সুর : একটিমাত্র কম্পাঙ্কবিশিষ্ট শব্দকে সুর বলে। কোন সুর শলাকা থেকে উৎপন্ন শব্দকে সুর বলা হয়।

স্বর : একাধিক কম্পাঙ্কবিশিষ্ট শব্দকে স্বর বলা হয়। বাদ্যযন্ত্র থেকে যে শব্দ নিঃসৃত হয় তা স্বর। অর্থাৎ স্বর হলো একাধিক সুরের সমষ্টি । যে কথা বলি তা হচ্ছে স্বর।

শব্দ স্বরের তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
যথা :
১. প্রাবল্য বা তীব্রতা
২. তীক্ষ্মতা
৩. গুণ বা জাতি।

সূত্র- পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৩৯.
দুইটি বস্তুর মধ্যকার দূরত্ব দ্বিগুন করা হলে তাদের মহাকর্ষ বল পূর্বের কতগুণ হবে?
  1. ক) ৪ গুণ
  2. খ) ৮ গুণ
  3. গ) ১/৪ গুণ
  4. ঘ) ১/৮ গুণ
সঠিক উত্তর:
গ) ১/৪ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১/৪ গুণ
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের যেকোন দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে।

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
- দুইটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ বল বস্তু দুইটির ভরের গুণফলের সমানুপাতিক।
- মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।

অতএব, দূরত্ব দ্বিগুণ করা হলে, মহাকর্ষ বল ১/৪ গুণ হবে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪০.
সেকেন্ড দোলকের দোলনকাল কত সেকেন্ড? 
  1. ০.৫ সেকেন্ড
  2. ১ সেকেন্ড
  3. ২ সেকেন্ড
  4. ৪ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
২ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
সরল দোলক: 
- একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে একটি ওজনহীন, নমনীয় ও অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে একটি উল্লম্ব তলে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে। 

সেকেন্ড দোলক: 
যে দোলকের দোলনকাল দুই সেকেন্ড অর্থাৎ, দোলকের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে এক সেকেন্ড সময় লাগে তাকে সেকেন্ড দোলক বলে। 

কার্যকরী দৈর্ঘ্য: 
- ঝুলন বিন্দু থেকে ববের ভারকেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্বকে সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বলে। 

সরল দোলন গতি: 
- যদি কোনো বস্তুর ত্বরণ একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে এর সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদা ঐ বিন্দু অভিমুখী হয়, তাহলে বস্তুর ঐ গতিকে সরল দোলন গতি বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।
৩,১৪১.
কোনটি পরমাণুর গঠনের মৌলিক কণার অংশ নয়?
  1. ইলেকট্রন
  2. নিউট্রন
  3. ফোটন
  4. প্রোটন
সঠিক উত্তর:
ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোটন
ব্যাখ্যা

• পরমাণুর মৌলিক কণা: পরমাণু মূলত তিনটি মৌলিক কণার সমন্বয়ে গঠিত: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন।

- প্রোটন (Proton): ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা, যা পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে।
- নিউট্রন (Neutron): নিরপেক্ষ চার্জযুক্ত কণা, নিউক্লিয়াসে থাকে এবং পরমাণুর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।
- ইলেকট্রন (Electron): ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা, নিউক্লিয়াসের চারপাশে কক্ষপথে ঘোরে।

• ফোটন (Photon):
- এটি আলোর কণা বা কণা-প্রকৃতির তরঙ্গ যা শক্তি বহন করে, কিন্তু পরমাণুর কাঠামোর অংশ নয়। 
- ফোটন কোনো ভর রাখে না।
- এটি নিউক্লিয়াস বা ইলেকট্রনের অংশ নয়।

সুতরাং, পরমাণুর মৌলিক কণার মধ্যে নেই ফোটন।

তথ্যসূত্র: NCTB মাধ্যমিক রসায়ন। 

৩,১৪২.
হৃদপিন্ডের পেশীজনিত কাজকর্ম পর্যবেক্ষন করার ক্ষেত্রে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) MRI
  2. খ) ETT
  3. গ) ECG
  4. ঘ) Endoscopy
সঠিক উত্তর:
গ) ECG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ECG
ব্যাখ্যা
ইসিজি (ECG) হলো ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম (Electrocardiogram)।
- ইসিজি করে মানুষের হৃদপিন্ডের বৈদ্যুতিক ও পেশীজনিত কাজকর্মগুলো পর্যবেক্ষন করা যায়।
- ইসিজি সংকেত হৃৎপিন্ডের মধ্যে রক্তপ্রবাহের একটি পরোক্ষ প্রমাণ দেয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই।
৩,১৪৩.
কোনটিকে চুম্বকে পরিণত করা যায়?
  1. তামা
  2. ইস্পাত
  3. পিতল
  4. সোনা
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
ব্যাখ্যা
চৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায়, তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে। 
- বেশির ভাগ চৌম্বক পদার্থে লোহা থাকে তাই চৌম্বক পদার্থকে ফেরো চৌম্বক পদার্থ বা ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থও বলা হয়। 
- ফেরো শব্দটির অর্থ লোহা। 
উদাহরণ: লোহা, ইস্পাত, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি। 

অচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় না, তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। 
উদাহরণ: সোনা, রূপা, তামা, পিতল, অ্যালুমিনিয়াম, দস্তা, টিন, কাঠ, কাগজ, প্লাস্টিক, রাবার ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৪৪.
তড়িৎ চুম্বক তৈরিতে নিচের কোন পদার্থ সবচেয়ে বেশি উপযোগী? 
  1. ইস্পাত
  2. নিকেল
  3. কাঁচা লোহা 
  4. অ্যালুমিনিয়াম 
সঠিক উত্তর:
কাঁচা লোহা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁচা লোহা 
ব্যাখ্যা

স্থায়ী চুম্বক: 
- যে সকল চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে নষ্ট হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত চুম্বক স্থায়ী হলেও তা অত্যন্ত দুর্বল প্রকৃতির হয়। তাই চৌম্বক পদার্থের সাথে অন্য পদার্থের মিশ্রণে অথবা বিশেষ প্রক্রিয়ায় (স্পর্শ-ঘর্ষণ পদ্ধতি) স্থায়ী শক্তিশালী চুম্বক তৈরি করা হয়। 

অস্থায়ী চুম্বক: 
- যদি কোনো চৌম্বক পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রের উপস্থিতিতে চৌম্বক ধর্ম প্রদর্শন করে এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের অনুপস্থিতিতে যদি তা চুম্বকত্ব হারায় তবে তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে।  

তড়িৎ চুম্বক: 
- একটি বৃত্তাকার কুন্ডলী বা সলিনয়েডে তড়িৎ প্রবাহিত হলে এর মধ্যে চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয় এবং এটি একটি চুম্বকে পরিণত হয়।
- তড়িৎ প্রবাহের ফলে এ চুম্বক সৃষ্টি হয় বলে একে তড়িৎ চুম্বক বলে।
- স্থায়ী চুম্বকের জন্য ইস্পাত এবং বৈদ্যুতিক চুম্বকের জন্য কাঁচা লোহা উপযোগী হওয়ার কারণ:
• ইস্পাতের তুলনায় কাঁচা লোহার রিমেনেন্স বা ধারণশীলতা কিছু বেশি কিন্তু নিগ্রাহিতা অনেক কম। স্থায়ী চুম্বকের জন্য ধারণশীলতা ও নিগ্রাহিতা উচ্চমানের হওয়া প্রয়োজন। এজন্য স্থায়ী চুম্বক তৈরিতে ইস্পাত ব্যবহার করা হয়। 
বৈদ্যুতিক চুম্বকের জন্য ক্ষণস্থায়ী ও শক্তিশালী চুম্বকের প্রয়োজন। কাঁচা লোহার রিমেনেন্স বা ধারণশীলতা বেশি এবং নিগ্রাহিতা কম বলে এর চুম্বকত্ব শক্তিশালী ও ক্ষণস্থায়ী হয়। এজন্য বৈদ্যুতিক চুম্বকের ক্ষেত্রে কাঁচা লোহা ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৪৫.
পেরিস্কোপের প্রধান কার্যপদ্ধতি কোন নীতির উপর ভিত্তি করে?
  1. আলোর প্রতিসরণ
  2. আলোর বিচ্ছুরণ
  3. আলোর ব্যতিচার
  4. আলোর প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
আলোর প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

• পেরিস্কোপ আলোর প্রতিফলন নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে।

• পেরিস্কোপ (Periscope):
- পেরিস্কোপ একটি অপটিক্যাল যন্ত্র।
- এটি সরাসরি দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা বস্তু দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত সাবমেরিনে পানির নিচ থেকে উপরের বস্তু পর্যবেক্ষণে ব্যবহৃত হয়।

• কার্যপদ্ধতি:
- পেরিস্কোপে সাধারণত দুটি আয়না বা প্রিজম ব্যবহৃত হয়।
- আয়নাগুলো এমনভাবে স্থাপন করা হয় যাতে আলো প্রথম আয়নায় প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় আয়নায় পৌঁছায়।
- দ্বিতীয় আয়না থেকে প্রতিফলিত হয়ে আলো পর্যবেক্ষকের চোখে পৌঁছে।
- এই পুরো প্রক্রিয়া আলোর প্রতিফলন নীতির উপর নির্ভরশীল।

• ব্যবহার:
- সাবমেরিনে।
- যুদ্ধক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ কাজে।
- ট্যাঙ্ক ও নজরদারি টাওয়ারে।

• অন্যান্য অপশন:
- আলোর প্রতিসরণ → প্রিজমে আলো বেঁকে যাওয়ার প্রক্রিয়া।
- আলোর বিচ্ছুরণ → মাধ্যমের মধ্যে আলো ছড়িয়ে পড়া।
- আলোর ব্যতিচার → তরঙ্গের উপর তরঙ্গের প্রভাবজনিত প্যাটার্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা [লিংক]।

৩,১৪৬.
pH স্কেলের বিস্তৃতি কত?
  1. ক) ০-১৪
  2. খ) ১-১৪
  3. গ) ১-৭
  4. ঘ) ৭-১৪
সঠিক উত্তর:
ক) ০-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০-১৪
ব্যাখ্যা
- pH এর মান ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত বিবেচনা করা হয়।
- নিরপেক্ষ কোনো দ্রবণের pH এর মান ৭।
- এসিড দ্রবণে pH এর মান ৭ এর চেয়ে কম হয় এবং ক্ষারের দ্রবণে pH এর মান ৭ এর চেয়ে বেশি হয়।
- pH স্কেলে সবচেয়ে শক্তিশালী এসিডের pH এর মান ০ এবং সবচেয়ে শক্তিশালী ক্ষারের pH এর মান ১৪।

সূত্রঃ রসায়নবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি
৩,১৪৭.
এক ফ্যারাডে সমান কত তড়িৎ চার্জ?
  1. 69500 C
  2. 96500 C
  3. 89500 C
  4. 98500 C
সঠিক উত্তর:
96500 C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
96500 C
ব্যাখ্যা
ফ্যারাডে (Faraday): 
- এক মোল পরিমাণ ইলেকট্রনের চার্জকে 96500 কুলম্ব ধরা হয়। 
- মোল পরিমাণ তড়িৎ চার্জকে এক ফ্যারাডে বলা হয়। 
- ফ্যারাডের প্রতীক হলো F. 
- এক ফ্যারাডে = 96500 C তড়িৎ চার্জ। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
৩,১৪৮.
নিচের কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম?
  1. ক) প্লাটিপাস
  2. খ) লিমুলাস
  3. গ) ইকুইজিটাম
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম:
কতগুলাে জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনােরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনাে পৃথিবীতে বেঁচে আছে অথচ তাদের সমগােত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে।
যেমন - লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী এর উদাহরণ।
অন্যদিকে,
- ইকুইজিটাম, নিটামপিঙ্কো বাইলােবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ।

প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগে লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আথ্রোপোডাগুলাে বিলুত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

সুত্র: নব জীবনের সুচনা, বিজ্ঞান, নবম-দশম।
৩,১৪৯.
সবুজ তেলের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. ফেনল
  2. ক্রিসল
  3. পিরিডিন
  4. অ্যানথ্রাসিন
সঠিক উত্তর:
অ্যানথ্রাসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানথ্রাসিন
ব্যাখ্যা

আলকাতরার আংশিক পাতন করলে লঘু তেল, মধ্যম তেল, ভারি তেল, সবুজ তেল, পিচ ইত্যাদি পাওয়া যায়।
- লঘু তেলের প্রধান উপাদান বেনজিন, টলুইন, জাইলিন, পিরিডিন, থায়োফিন, অ্যানিলিন, ফেনল।
- মধ্যম তেলের প্রধান উপাদান হলো ফেনল, ক্রিসল, ন্যাপথালিন।
- ভারি তেলের প্রধান উপাদান হলো ক্রিসল, ন্যাপথালিন, কুইনোলিন।
- সবুজ তেলের উপাদান হলো অ্যানথ্রাসিন, ফিনানথ্রিন ইত্যাদি।
- অবশিষ্ট পিচ এর প্রধান উপাদান কোক-কার্বন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,১৫০.
মৌলের নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. 15
  2. 18
  3. 16
  4. 31
সঠিক উত্তর:
16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা লেখার নিয়ম: 
- কোন মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা (Z) যত তার নিউক্লিয়াসে ঠিক ততটি প্রোটন থাকে। 
- যদি কোন পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা Z হয়, তবে সেই পরমাণুতে Z সংখ্যক প্রোটন ও Z সংখ্যক ইলেকট্রন আছে। 
- পরমাণুর ভর সংখ্যা যদি A হয়, তবে নিউট্রনের সংখ্যা = A - Z. 
- কোন মৌলের পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা, ভর সংখ্যা নিম্ন রীতিতে দেখানো হয়। 

এখানে, 
X = মৌলের প্রতীক। 
Z = মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা। এটি প্রতীকের বাম পার্শ্বে পাদদেশে বসে। 
A = পরমাণুর ভর সংখ্যা। এটি প্রতীকের বাম পার্শ্বে শীর্ষদেশে বসে। এটি প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যা যাকে নিউক্লিয়ন সংখ্যাও বলা হয়। 

ফসফরাস (P) মৌলের নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়: 
এখানে, 

- নিউক্লিয়ন সংখ্যা বা পারমাণবিক ভর = 31 এবং
- ফসফরাসের প্রোটন সংখ্যা = 15 
অতএব, নিউট্রন সংখ্যা হবে = (31 - 15) = 16 । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৫১.
বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি পরমাণুর শক্তি ----
  1. ক) যুক্ত অবস্থার চাইতে কম
  2. খ) যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক
  3. গ) যুক্ত অবস্থার সমান
  4. ঘ) কোনোটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক
ব্যাখ্যা
বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি পরমাণুর শক্তি যুক্ত অবস্থায় পরমাণুর যে শক্তি থাকে তার চাইতে অধিক হয়।
৩,১৫২.
চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি ত্রুটি দূর করতে ব্যবহার হয় কোনটি?
  1. উত্তল লেন্স
  2. অবতল লেন্স
  3. দ্বি-উত্তল লেন্স
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অবতল লেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবতল লেন্স
ব্যাখ্যা

চোখের হ্রস্ব দৃষ্টি ত্রুটি দূর করতে অবতল লেন্স ব্যবহার হয়।

হ্রস্ব দৃষ্টি/মায়োপিয়া:
১. দূরের জিনিস ভালোভাবে দেখতে পায় না কিন্তু কাছের জিনিস দেখতে পায়।
২. এই চোখের নিকট বিন্দু ২৫ সেন্টিমিটার এরও কম হতে পারে।
৩. চোখের লেন্সের অভিসারী ক্ষমতায় বেড়ে যাওয়ার জন্য এই ত্রুটি দেখা দেয়।
৪. অভিসারী ক্ষমতা কমানোর জন্য সহায়ক লেন্স বা চশমা হিসেবে অবতল লেন্স ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১৫৩.
বাতাসের চাপ কমলে স্ফুটনাঙ্ক- 
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. অপরিবর্তীত থাকবে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমে
ব্যাখ্যা
• চাপ ও স্ফুটনাঙ্কের সম্পর্ক:
- চাপের কারণে স্ফুটনাঙ্কের পরিবর্তন হয়।
- চাপ কম হলে স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়, চাপ বেশি হলে স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে যায়।
- এজন্য যারা পর্বতারোহণ করে অনেক উচ্চতায় যায় তাদের রান্না করতে সময় বেশি নেয়।
- বাতাসের চাপ কম বলে সেখানে পানি তুলনামূলকভাবে কম তাপমাত্রায় ফুটতে থাকে, তাই তাপমাত্রা বাড়ানো যায় না, সেজন্য রান্না করতে সময় বেশি লাগে।
- একই কারণে প্রেশার কুকার তৈরি হয়েছে, এটি আসলে একটি নিশ্ছিদ্র পাত্র, তাই রান্না করার সময় বাষ্প আবদ্ধ হয়ে চাপ বাড়িয়ে দেয় এবং সে কারণে পানির স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে যায় বলে বেশি তাপমাত্রায় পানি ফুটতে থাকে।
- তাপমাত্রা বেশি বলে রান্নাও করা যায় তাড়াতাড়ি। -

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৫৪.
প্রতি 1K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি বাড়ে প্রায় - 
  1. 1.0 ms-1
  2. 0.9 ms-1
  3. 0.6 ms-1
  4. 1.2 ms-1
সঠিক উত্তর:
0.6 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.6 ms-1
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগের পরিবর্তন: 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3×108 ms-1 নির্দিষ্ট। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1 । 
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি 1°C বা 1 K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। 

- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। 
যেমন- 
• বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
• পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং 
• লোহার মধ্যে 5220ms-1। 
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি। 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি। 
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৫৫.
1 বায়মন্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক কত?
  1. 0° C
  2. 50° C
  3. 100° C
  4. 75° C
সঠিক উত্তর:
100° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
100° C
ব্যাখ্যা
স্ফুটনাঙ্ক: 
- তাপ প্রয়োগ করে তরলকে গ্যাসে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে স্ফুটন বলে।
- 1 বায়ুমণ্ডলীয় চাপে তাপ প্রদানের ফলে যে তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে উত্ত তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে।
- প্রত্যেক বিশুদ্ধ তরলের একটি নির্দিষ্ট স্ফুটনাঙ্ক থাকে।
- যেমন 1 বায়ুমন্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C
- স্ফুটনের বিপরীত প্রক্রিয়াটির নাম ঘনীভবন।
- স্ফুটনের জন্যে তাপ দিতে হয়, ঘনীভবনের সময় তাপ সরিয়ে নিতে হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৫৬.
আলোক রশ্মি গমন পথে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে পূর্বের মাধ্যমে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে কী বলে? 
  1. ব্যতিচার
  2. প্রতিফলন
  3. অপবর্তন
  4. অপসরণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
প্রতিফলন: 
- কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাঁধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে। 
অর্থাৎ, আলোক রশ্মি গমন পথে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে পূর্বের মাধ্যমে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে প্রতিফলন বলে। 
- যে বিভেদ তল থেকে আলো ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক তল বা প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলে। 
- আর পূর্ববর্তী মাধ্যমে ফিরে আসা আলোকে বলা হয় প্রতিফলিত আলো বা রশ্মি। 
- সাধারণত দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে যে পরিমাণ আলো এসে পড়ে সবসময় তা সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয় না। পতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
যেমন- 
১. মাধ্যম দুটির প্রকৃতির উপর এবং 
২. আপতিত আলো প্রতিফলক তলের উপর কত কোণে আপতিত হয় তার পরিমাণের উপর। 
- প্রতিফলক তল যত বেশি মসৃণ হয় প্রতিফলন তত বেশি হয়। 
- আবার অস্বচ্ছ প্রতিফলকের চেয়ে স্বচ্ছ প্রতিফলকে প্রতিফলন কম হয়। 
যেমন- সাদা তলে আলোর প্রতিফলন বেশি হয়। কালো রঙের তলে আলোর প্রতিফলন হয় না বললেই চলে। 
- কাঁচ একটি আলোক স্বচ্ছ মাধ্যম। এর উপর আলো আংশিক প্রতিফলিত হয়। 
- আবার আলোক রশ্মি লম্বভাবে পড়লে খুব সামান্য প্রতিফলিত হয়। রশ্মি যত বেশি কোণে আপতিত হয় প্রতিফলনের পরিমাণও তত বেশি হয়। 
- প্রতিফলন তলের মসৃণতা অনুযায়ী প্রতিফলনকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- ১. নিয়মিত প্রতিফলন এবং ২. ব্যাপ্ত প্রতিফলন। 

আলোর প্রতিফলনের সূত্র: 
- আলোর প্রতিফলন দু'টি সূত্র মেনে চলে, এদের প্রতিফলনের সূত্র বলে। 
- সূত্র দু'টি হলো - 
১. আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে প্রতিফলকের উপর অংকিত অভিলম্ব এবং প্রতিফলিত রশ্মি একই সমতলে থাকে। 
২. আপতন কোণ এবং প্রতিফলন কোণ সর্বদা সমান হয়। 
অর্থাৎ, আপতন কোণ i এবং প্রতিফলন কোণ r হলে, ∠i = ∠r. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৫৭.
পটাস অ্যালামে কত অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে?
  1. ৫ অণু
  2. ১০ অণু
  3. ১৮ অণু
  4. ২৪ অণু
সঠিক উত্তর:
২৪ অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ অণু
ব্যাখ্যা
ফিটকিরি অথবা পটাশ অ্যালাম: 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O]  । 
- ফিটকিরি মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত। 
- ফিটকিরি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৫৮.
তাপ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক? 
  1. উৎসের তাপমাত্রা গ্রাহকের চেয়ে কম হয়
  2. উৎসের তাপমাত্রা গ্রাহকের চেয়ে বেশি হয়
  3. সবটুকু তাপ কাজে রূপান্তরিত হয়
  4. কোনো তাপ বর্জিত হয় না
সঠিক উত্তর:
উৎসের তাপমাত্রা গ্রাহকের চেয়ে বেশি হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎসের তাপমাত্রা গ্রাহকের চেয়ে বেশি হয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর- খ) উৎসের তাপমাত্রা গ্রাহকের চেয়ে বেশি হয়

• তাপীয় ইঞ্জিন:

- যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। যথা:
১. বাষ্পীয় ইঞ্জিন,
২. পেট্রোল ইঞ্জিন,
৩. ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি।
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে।
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে।
- তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে।
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে
- অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে। ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে।
- বাসাবাড়ির রেফ্রিজারেটর তাপীয় পাম্পের একটি উদাহরণ যা আসলে একটি তাপ ইঞ্জিনের ঠিক বিপরীত।
- তাপ ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা হলো ইঞ্জিন দ্বারা কৃত কার্যকর কাজ এবং উৎস থেকে শোষিত তাপশক্তির অনুপাত। এটি শতাংশে প্রকাশ করা হয় এবং নির্দেশ করে যে ইনপুট তাপের কত অংশ কাজের রূপান্তর হয়েছে।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৫৯.
কোন রশ্মি আধান নিরপেক্ষ?
  1. আলফা
  2. বিটা
  3. গামা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মি (β)
- গামা রশ্মি, স্বল্পতম তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং সর্বোচ্চ শক্তির ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণ।
- ফরাসি রসায়নবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী পল ভিলার্ড ১৯০০ সালে গামা রশ্মি আবিষ্কার করেন। একে γ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- গামা রশ্মি এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ।
- এ রশ্মি আধান নিরপেক্ষ।
- এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। 

- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোকের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তুলনায় অনেক কম।
- তবে গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে। 
- মানব দেহে ক্যান্সার আক্রান্ত সেল ধ্বংস করতে বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে, বিজ্ঞানগারে গবেষণার কাজে ও ধাতব বস্তুতে ফাটল নির্ণয়ে গামা রশ্মি ব্যবহৃত হয়।
- কিন্ত মানবদেহের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর এই গামা রশ্মি।

- গামা রশ্মি একটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি।
- ভারী এবং অস্থিত তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে গামা রশ্মি নির্গত হয়।
- এটি নির্গমনের সাথে কোনো প্রোটন, নিউট্রন বা ইলেকট্রনের সংখ্যার হ্রাস-বৃদ্ধি বা রূপান্তর ঘটে না।
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এই রশ্মির কোনো ভর নেই।
- আয়নিত করার ক্ষমতা সর্বনিম্ন ও ভেদন ক্ষমতা সর্বোচ্চ।

তথ্যসূত্র:  পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৬০.
নিচের কোনটি হাইড্রোকার্বন?
  1. ক) C2H4
  2. খ) C6H6
  3. গ) C4H6
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
হাইড্রোকার্বন হলো শুধু কার্বন ও হাইড্রোজেন এর সমন্বয়ে গঠিত যৌগ। যেমন: মিথেন (CH4), ইথিন (C2H4), সাইক্লোহেক্সেন (C6H12), বেনজিন (CH) ইত্যাদি৷  যৌগগুলোতে কার্বন আর হাইড্রোজেন ছাড়া আর কোনো মৌল নেই।
হাইড্রোকার্বন মূলত দুই প্রকার:
(i) অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন ও
(ii) অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি। 
৩,১৬১.
নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) গ্যাস
  3. গ) সূর্যালোক
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্যালোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্যালোক
ব্যাখ্যা
নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা রিনিউয়েবল এনার্জি হলো এমন শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির উদাহরণ হলো- পরমানু শক্তি, সৌর শক্তি, বাহুপ্রবাহ ,সূর্যালোক ইত্যাদি। পেট্রোল, কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি জীবাশ্ম জালানী।

তথ্যসূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৬২.
পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত নিউক্লিয়াসকে বেষ্টনকারী মৌলিক কণিকার নাম কী?
  1. ক) ইলেকট্রন
  2. খ) প্রোটন
  3. গ) নিউট্রন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত নিউক্লিয়াসকে বেষ্টনকারী মৌলিক কণিকার নাম হচ্ছে ইলেকট্রন।

- পরমাণু তিনটি মৌলিক কণা দ্বারা গঠিত। যথা- ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন। 

- ইলেকট্রনের ধর্মসমূহ-
১. ইলেকট্রন হল ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা।
২. ইলেকট্রন হলো একটি ঋণাত্মক আধানবিশিষ্ট উপপারমাণবিক কণা।
৩. একটি ইলেক্ট্রনের চার্জ একটি প্রোটন দ্বারা ধারণ করা চার্জের পরিমাণের সমান (প্রোটন ধনাত্মক আধানবিশিষ্ট কণা এবং ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানবিশিষ্ট কণা) ।
৪. এটি হয় মুক্ত হতে পারে (কোন পরমাণুর সাথে সংযুক্ত নয়), বা একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে আবদ্ধ হতে পারে।
৫. পরমাণুর ইলেকট্রন বিভিন্ন র‍্যাডিআইয়ের গোলাকার শেলগুলিতে বিদ্যমান, যা শক্তির স্তরের প্রতিনিধিত্ব করে। গোলাকার শেল যত বড়, ইলেকট্রনের মধ্যে শক্তি তত বেশি।
৬. ইলেকট্রন হল নিউক্লিয়াসের বাইরে পাওয়া উপ-পরমাণু কণা, প্রোটন এবং নিউট্রনের বিপরীতে, যা নিউক্লিয়াসের ভিতরে থাকে।

সূত্র- ২ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,১৬৩.
আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G-এর মান কত ?
  1. 6.673× 109 Nm2kg-2
  2. 6.663× 10-9 Nm2kg2
  3. 6.773× 10-11 Nm-2kg-2
  4. 6.673× 10-11 Nm2kg-2
সঠিক উত্তর:
6.673× 10-11 Nm2kg-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6.673× 10-11 Nm2kg-2
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষীয় ধ্রুবক:

- যে বল মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণাকে পরস্পরের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- একক ভরের দুটি বস্তু পরস্পর থেকে একক দূরত্বে থেকে যে পরিমাণ বল দ্বারা পরস্পরকে আকর্ষণ করে তার মানকে মহাকর্ষীয় ধ্রুবক বলে।
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G- এর গৃহীত মান 6.673× 10-11 Nm2kg-2.
- G-এর মাত্রা L3M-1T-2.
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G-এর একক Nm2kg-2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৬৪.
অধাতুর বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
  1. তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী
  2. তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী না
  3. গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বেশি
  4. আঘাত করলে টুন টুন শব্দ করে
সঠিক উত্তর:
তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী না
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগের যে অংশ তুলনামূলক নরম, সহজেই গুড়ো হয়ে যায়, পানিতে ভিজলে নরম হয়ে যায় এবং গাছ পালা জন্মে তাকে মাটি বলে। 
- আবার, যে অংশ শক্ত, ভিজলে নরম হয় না, আকৃতিতে বড় বড় এবং গাছ পালা জন্মায় না তাকে শিলা বলে। 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি। 
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি। 
- আবার অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি। 

ধাতুর বৈশিষ্ট্য: 
ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 

অধাতুর বৈশিষ্ট্য: 
- তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়। 
- আঘাত করলে শব্দ হয় না। 
- অধাতু ঘাত সহনশীল ও নমনীয় নয়। 
- ঘষলে চকচক করে না। 
- অধাতু সমূহের দ্যুতি নেই। 
- ওজনে হালকা হয়। 
- সহজে জোড়া লাগানো যায় না। 
- পিটিয়ে পাত করা যায় না। 
- কার্বন ব্যতীত অন্যান্য অধাতুগুলো জারক পদার্থ। 
- অপেক্ষাকৃত নিম্ন গলনাংক ও স্ফুটনাংক বিশিষ্ট। 
- অধাতুসমূহ এসিডের হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপন করে লবণ উৎপন্ন করে না। 
- চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত হয় অর্থাৎ ডায়াম্যাগনেটিক প্রকৃতির। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Live MCQ লেকচার।
৩,১৬৫.
একটি চার্জিত বস্তুকে পৃথিবীর সাথে যুক্ত করলে বস্তুটিকে আধানের পরিমাণ—
  1. বৃদ্ধি পাবে
  2. শূন্য হবে
  3. হ্রাস পাবে
  4. অপরিবর্তিত হবে
সঠিক উত্তর:
শূন্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য হবে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বিভব শূন্য (Earth is at Zero Potential):
- পৃথিবী তড়িৎ পরিবাহী এবং আকারে বিশাল।
- ফলে কিছু ইলেকট্রন পৃথিবীর সাথে আদান প্রদান হলে পৃথিবীর বিভবের কোনো পরিবর্তন হয়না।
- যেমন সমুদ্র থেকে এক বালতি পানি নিলে সমুদ্রের পানিতলের কোনো পরিবর্তন হয় না।
- পৃথিবী প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বস্তু থেকে আধান গ্রহণ করে আবার সাথে সাথে অন্য বস্তুকে আধান সরবরাহ করে, ফলে পৃথিবীকে আধানহীন মনে করা হয়।

- কোনো স্থানে উচ্চতা নির্ণয়ের সময় সমুদ্রের উপরিতলে উচ্চতাকে যেমন শূন্য ধরা হয় তেমনি বিভব নির্ণয়ের সময় পৃথিবীর বিভবকে শূন্য ধরা হয়।
- আধানহীন বস্তুর বিভব শূন্য।
- পৃথিবীর সাথে যুক্ত সকল বস্তুরই বিভব শূন্য।
- পৃথিবীর বিভবকে শূন্য ধরে যে বস্তুর বিভব পৃথিবীর বিভব থেকে বেশী তার বিভবকে ধনাত্মক বিভব বা উচ্চ বিভব এবং যার বিভব কম তাকে ঋণাত্মক বিভব বা নিম্ন বিভব বলে।
- মূল কথা হলো বস্তুতে ইলেকট্রনের বাড়তি থাকলে অর্থাৎ বস্তুটি ঋণাত্মক আধানে আহিত হলে বস্তুটি নিম্ন বিভব সম্পন্ন এবং বস্তুতে ইলেকট্রনের ঘাটতি থাকলে অর্থাৎ বস্তুটি ধনাত্মক আধানে আহিত হলে বস্তুটি উচ্চ বিভব সম্পন্ন।

- চার্জিত বস্তুকে পৃথিবীর সাথে যুক্ত করলে এটি পর্যাপ্ত পরিমাণ বিপরীত চার্জ গ্রহণ করে।
- ধনাত্মক ও ঋনাত্মক চার্জ সমান হয়ে গেলে বস্তুটির চার্জ শূন্য হবে।
- অর্থাৎ একটি চার্জিত বস্তুকে পৃথিবীর সাথে যুক্ত করলে বস্তুটিকে আধানের পরিমাণ— শূন্য হবে।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৬৬.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. এটি স্বতঃস্ফুর্ত
  2. এটি অবিরাম
  3. এটি প্রত্যাবর্তী
  4. এটি অপ্রত্যাবর্তী
সঠিক উত্তর:
এটি প্রত্যাবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি প্রত্যাবর্তী
ব্যাখ্যা

- তেজস্ক্রিয়তা হলো একটি নিউক্লীয় বিক্রিয়া যা তেজস্ক্রিয় মৌলের কেন্দ্রীন বা নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবং অবিরাম ঘটে। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া; অর্থাৎ একবার তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ফলে কোনো পরমাণু নতুন কোনো মৌলে রূপান্তরিত হয়ে গেলে তাকে স্বাভাবিক উপায়ে আর পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। সুতরাং, এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

সুতরাং, তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য নয় - এটি প্রত্যাবর্তী। 
----------------------

তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। 
যেমন- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। 
- স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় 'বেকেরেল রশ্মি'। 
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নামে পরিচিত পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। 

- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
- তাপ, চাপ, তড়িৎক্ষেত্র, চৌম্বকক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
- তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। 
- পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৬৭.
নিচের কোনটি একই ভর সংখ্যা কিন্তু ভিন্ন প্রোটন সংখ্যার পরমাণুর জন্য ব্যবহৃত হয়? 
  1. আইসোমার 
  2. আইসোটোপ 
  3. আইসোবার 
  4. আইসোটোন 
সঠিক উত্তর:
আইসোবার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার 
ব্যাখ্যা

আইসোবার: 
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোবার বলা হয়। 

আইসোটোন: 
- যে সকল পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোন বলে। 

আইসোটোপ: 
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়। 

আইসোমার: 
- যে সব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোমার বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১৬৮.
দুটি চার্জিত সংযুক্ত বস্তুর মধ্যে চার্জ প্রবাহিত হতে থাকে যতক্ষণ না তাদের -
  1. ক) বিভব সমান হয়।
  2. খ) চার্জ সমান হয়।
  3. গ) সঞ্চিত শক্তি সমান হয়।
  4. ঘ) ধারকত্ব সমান হয়।
সঠিক উত্তর:
ক) বিভব সমান হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিভব সমান হয়।
ব্যাখ্যা
- আমরা জানি যে, কোনো নির্দিষ্ট বস্তুতে যত আধান দেয়া হবে তার বিভব তত বৃদ্ধি পাবে।
- সুতরাং একই আকারের দুটি বস্তুতে একই জাতীয় (ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক) সমমানের আধান প্রদান করলে বস্তু দুিটতে সমান বিভব সৃষ্টি হবে।
- কিন্তু ভিন্ন মানের আধান প্রদান করলে বস্তু দুিটতে ভিন্ন মানের বিভব সৃষ্টি হবে।
- এই অবস্থায় বস্তু দুটিকে কোনো পরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে আধান প্রবাহিত হতে থাকবে ।
- যতক্ষণ বিভব পার্থক্য থাকবে ততক্ষণ আধান প্রবাহিত হবে। বস্তু দুটির বিভব সমান হলে আধান প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাবে। 
উৎস: এস.এস.সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৬৯.
ফোটন কণা সম্পর্কে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. নিশ্চল ভর শূন্য।
  2. কণা ও তরঙ্গ দ্বৈত রূপ আছে।
  3. ধনাত্মক চার্জবিশিষ্ট।
  4. উপরের সবকটি সত্য
সঠিক উত্তর:
ধনাত্মক চার্জবিশিষ্ট।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনাত্মক চার্জবিশিষ্ট।
ব্যাখ্যা
 • ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।

• ফোটন:

- ফোটন কণায় তাড়িতচৌম্বক বল বিদ্যমান।
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)।
- প্রতিটি কোয়ান্টা আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)।

• ফোটন কণার ধর্মসমূহ:
১. পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
২. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
৩. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
৪. প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
৫. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
৬. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রূপ আছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৭০.
সেমিকন্ডাক্টরে ডোপিং এর জন্য পর্যায় সারণির কোন সারির মৌল অপদ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping):
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে ।
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। যথা-
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৭১.
হাইড্রোকার্বনকে কোন শ্রেণির যৌগ বলা হয়? 
  1. জৈব যৌগ 
  2. এসিড 
  3. লবণ 
  4. অজৈব যৌগ 
সঠিক উত্তর:
জৈব যৌগ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জৈব যৌগ 
ব্যাখ্যা

জৈব যৌগ: 
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 
যেমন- মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি জৈব যৌগ। 
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে। 
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- জৈব যৌগের জনক ফ্রেডরিখ ভোলার। 

অজৈব যৌগ: 
- দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়।
- সাধারণত অজৈব যৌগে কার্বন অনুপস্থিত থাকে। 
যেমন- পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি অজৈব যৌগ। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১৭২.
স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে শব্দের তীব্রতার লেভেল কত? 
  1. 10 dB
  2. 25 dB
  3. 40 dB
  4. 50 dB
সঠিক উত্তর:
10 dB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10 dB
ব্যাখ্যা

• স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে শব্দের তীব্রতার লেভেল হচ্ছে 10 dB. 

• শব্দের তীব্রতার লেভেল: 
- শব্দের তীব্রতা হচ্ছে একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রান্ত শব্দ শক্তির পরিমাণ। 
- সাধারণ ক্ষেত্রে বাতাসের মধ্যে শ্রোতার অবস্থানের সাপেক্ষে তীব্রতা পরিমাপ করা হয়। 
- এর মূল একক W/m2.
- শব্দের তীব্রতা ও পরিমাপ আপেক্ষিক শ্রাব্যতার সর্বনিম্ন ধাপ থেকে শুরু হয়। 
- এই সর্বনিম্ন তীব্রতাকে বলা হয় প্রমিত বা প্রমাণ তীব্রতা। 
- এর মান 10-12 Wm-2 বেছে নেয়া হয়েছে। 
- এটি হচ্ছে 1000Hz কম্পাঙ্কের একটি শব্দ তরঙ্গের তীব্রতা যাকে শ্রাব্যতার সূচনা সীমা হিসাবেও ধরা হয়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৭৩.
Solar energy is due to -
  1. Fusion reactions
  2. Fission reactions
  3. Chemical reactions
  4. Combustion reactions
সঠিক উত্তর:
Fusion reactions
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fusion reactions
ব্যাখ্যা
ফিউশন বিক্রিয়া:
- যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় দুটি ক্ষুদ্র নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে অপেক্ষাকৃত বড় নিউক্লিয়াসযুক্ত ভিন্ন মৌল তৈরি করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন বা নিউক্লিয় সংযোজন বিক্রিয়া বলে।
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে শক্তির উৎস হচ্ছে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়া।
- নিউক্লিয় ফিউশন নীতির উপর ভিত্তি করে হাইড্রোজেনের আইসোটোপ- ডিউটেরিয়াম, ট্রিটিয়াম ব্যবহার করে হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। যথা:
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন:
- যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে।

২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন:
- যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে।
- জার্মান বিজ্ঞানী বেথের মতে সূর্য রশ্মি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক উচ্চ তাপমাত্রায় সব সময় হাইড্রোজেন পরমাণু হিলিয়াম পরমাণুতে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং শক্তি নির্গত হচ্ছে।
- প্রকৃতি এ শক্তি ব্যবহার করছে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৭৪.
পরমশূন্য তাপমাত্রা কত?  
  1. 0°C
  2. - 1000°C
  3. 273°K
  4. - 273°C
সঠিক উত্তর:
- 273°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 273°C
ব্যাখ্যা

• পরমশূন্য তাপমাত্রা: 
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলে। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রা হলো -273°C । 
- পরমশূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্দ হয়ে যায়। এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।

৩,১৭৫.
কোন রশ্মিটি আধান নিরপেক্ষ?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) ক + খ
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
- ধনাত্মক আধান গ্রন্থ রশ্মি আলফা রশ্মি,
- ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ রশ্মি বিটা রশ্মি
- আধান নিরপেক্ষ রশ্মি গামা রশ্মি

মনে রাখুন-
১। আলফা ও বিটা রশ্মি হলো কণা প্রবাহ কিন্তু গামা রশ্মি হলো তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
২। গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যর চেয়ে অনেক কম। একে চোখে দেখা যায় না।

সূত্র- পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম - ১০ম শ্রেণি।
৩,১৭৬.
গ্যাসীয় অবস্থায় পদার্থের
  1. ক) আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল গতি শক্তির তুলনায় অনেক বেশি হয়।
  2. খ) আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল গতি শক্তির তুলনায় অনেক কম হয়।
  3. গ) আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল গতি শক্তির সমান হয়।
  4. ঘ) আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল গতি শক্তির সমানুপাতিক হয়।
সঠিক উত্তর:
খ) আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল গতি শক্তির তুলনায় অনেক কম হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল গতি শক্তির তুলনায় অনেক কম হয়।
ব্যাখ্যা
পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল গতিশক্তির তুলনায় বেশি হলে কঠিন অবস্থা, আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল এবং গতিশক্তি সমান হলে তখন তরল অবস্থা। আর যদি উপাদান কণার গতিশক্তি, আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের তুলনায় অনেক বেশি হয় তবে পদার্থ গ্যাসীয় অবস্থায় অবস্থান করবে।

সূত্রঃ রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৭৭.
গ্লুবার লবণে কয় অণু পানি থাকে? 
  1. ৫ অণু
  2. ১০ অণু
  3. ১৮ অণু
  4. ২৪ অণু
সঠিক উত্তর:
১০ অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ অণু
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa, 
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 

- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O, 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O], 
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O, 
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl. 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৭৮.
কোনটি সোডিয়ামের আকরিক?
  1. কোরান্ডাম
  2. ন্যাট্রোন
  3. জিপসাম
  4. গ্যালেনা
সঠিক উত্তর:
ন্যাট্রোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যাট্রোন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধাতুর আকরিক:
- অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: বক্সাইট, কোরান্ডাম, ক্রায়োলাইট ইত্যাদি।
- সোডিয়ামের আকরিক: রকসল্ট, চিলি সল্টপিটার, ন্যাট্রোন, বোরাক্স ইত্যাদি।
- ক্যালসিয়ামের আকরিক: চুনাপাথর, জিপসাম, ডলোমাইট ইত্যাদি।
- আয়রনের আকরিক: ম্যাগনেটাইট, হেমাটাইট, আয়রন পাইরাইটস, লিমোনাইট ইত্যাদি।
- লেড এর আকরিক-গ্যালেনা (PbS)
- পটাসিয়ামের আকরিক হলো সল্টপিটার (KNO₃)

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৭৯.
একটি গ্রহের ব্যাসার্ধ পৃথিবীর ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ কিন্তু ভর অর্ধেক। ঐ গ্রহের পৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ g হলো—
  1. ক) g
  2. খ) 1/8 g
  3. গ) 1/2 g
  4. ঘ) 1/4 g
সঠিক উত্তর:
খ) 1/8 g
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 1/8 g
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ, g = GM/R2
যেখানে, G = মহাকর্ষীয় ধ্রুবক
M = পৃথিবীর ভর
R = পৃথিবীর ব্যাসার্ধ

একটি গ্রহের ব্যাসার্ধ পৃথিবীর ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ কিন্তু ভর অর্ধেক।
গ্রহের ব্যাসার্ধ  R1 = 2R
গ্রহের ভর M1 = M/2
গ্রহটির অভিকর্ষজ ত্বরণ, g1 = GM1/R12
= G(M/2)/(2R)2
= GM/8R2
= (1/8)g

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৮০.
অননুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ কোনটি? 
  1. ভিনেগার
  2. আসিটিলিন
  3. বেনজোয়িক এসিড
  4. সোডিয়াম বেনজোয়েট
সঠিক উত্তর:
আসিটিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসিটিলিন
ব্যাখ্যা
ফুড প্রিজারভেটিভ: 
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য খাদ্যসামগ্রীতে দিলে খাদ্যসামগ্রীতে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না, দুর্গন্ধ হয় না, পচন হয় না সেসব রাসায়নিক দ্রব্যকে ফুড প্রিজারভেটিভ বলে। 

অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ: 
- যেসব ফুড প্রিজারভেটিভ আমাদের শরীরে গেলে শরীরের কোনো ক্ষতি হয় না এবং সেগুলোকে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে সেসব ফুড প্রিজারভেটিভকে অনুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ বলা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম বেনজোয়েট, বেনজোয়িক এসিড, ভিনেগার, লবণের দ্রবণ, চিনির প্রবণ ইত্যাদি। 

অননুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ: 
- যেসব ফুড প্রিজারভেটিভ আমাদের শরীরে গেলে আমাদের শরীরের ক্ষতি হয় সেগুলোকে অননুমোদিত ফুড প্রিজারভেটিভ বলা হয়। 
যেমন- ইথিলিন, আসিটিলিন ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৮১.
'পরীক্ষণ এবং বিভিন্ন রাশির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মূল ভিত্তি' এই কথাটি প্রথম কে প্রমাণ করেন?
  1. থেলিস
  2. গ্যালিলিও
  3. আর্কিমিডিস
  4. টলেমি
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা
গ্যালিলিও গ্যালিলি: 
-গ্যালিলিও গ্যালিলি (১৫৬৪-১৬৪২) কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির জনক বলা হয়। 
- তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন যে 'পরীক্ষণ এবং বিভিন্ন রাশির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মূল ভিত্তি'। 
- পরীক্ষালব্ধ ফলাফল ছাড়া কখনোই কোন ঘটনা গাণিতিকভাবে প্রমাণ করা যায় না। 

অন্যদিকে, 
- টলেমি ছিলেন প্রাচীন গণিতজ্ঞ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, জ্যোতিষী, ভূগোল-বিশারদ। তাঁর মডেল অনুসারে পুরোহিতরা মনে করেছিলেন যে, স্বর্গ নরক রয়েছে বাইরের গোলকের ঊর্ধ্বে। 
- আর্কিমিডিসের নীতির উপর ভিত্তি করে জাহাজ পানিতে ভাসার কারণ, একখণ্ড লোহা পানিতে ডুবে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করা হয়। 
- থেলিস সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন এবং লোডস্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কে জানতেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৮২.
মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল কোন রাশিটি?
  1. তাপমাত্রা
  2. বেগ
  3. সময়
  4. দীপন তীব্রতা
সঠিক উত্তর:
বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ
ব্যাখ্যা
• বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়, তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল।

• রাশি:
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায়, তাকে রাশি বলা হয়।
- উদাহরণসমূহ: একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায়, এখানে ভর একটি রাশি।

• মৌলিক রাশি:
- যে সকল রাশির পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না, সেগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়।
- উদাহরণসমূহ: সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
-  সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। যথা:
-  দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ।

• যৌগিক রাশি:
- এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়।
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়, তাই বেগ মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল।
- অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি।
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়।
যেমন- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৮৩.
কোমল এক্স-রে (Soft X-ray)-এর সঠিক বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট, ভেদন ক্ষমতা বেশি
  2. তরঙ্গদৈর্ঘ্য বড়, ভেদন ক্ষমতা কম
  3. উচ্চ বিভব প্রয়োগে উৎপন্ন
  4. শুধুমাত্র ধাতব পদার্থ অতিক্রম করতে পারে
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গদৈর্ঘ্য বড়, ভেদন ক্ষমতা কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গদৈর্ঘ্য বড়, ভেদন ক্ষমতা কম
ব্যাখ্যা

এক্স-রে (X-rays): 
- জার্মান বিজ্ঞানী প্রফেসর উইলিয়াম রঞ্জন ১৮৯৫ সালে ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় আকস্মিকভাবে এক্স-রে (X-rays) আবিষ্কার করেন। 
- তিনি 10-3 mmHg চাপে একটি ক্ষরণ নল (Crookes tube) ব্যবহার করছিলেন। পরীক্ষার সময় তিনি লক্ষ্য করেন যে নলের কাছে রাখা বেরিয়াম প্ল্যাটিনোসায়ানাইড আবৃত পাতের ওপর একটি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি হচ্ছে। 
- আরও বিশদ পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ক্যাথোড রশ্মি যেখানে আপতিত হয়, সেখান থেকে সবুজাভ-হলুদ আলো বিকিরিত হওয়ার পাশাপাশি এক ধরনের অদৃশ্য রশ্মি নির্গত হচ্ছে। যেহেতু সে সময় এই রশ্মির প্রকৃতি জানা ছিল না, তাই প্রফেসর রঞ্জন একে "X-rays" নামে অভিহিত করেন। পরবর্তীতে একে "রঞ্জন রশ্মি" নামেও ডাকা হয়। 
- পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তিনি নিশ্চিত হন যে, উচ্চগতির ইলেকট্রন কোনো ধাতব প্রতিবন্ধকের (Target) সাথে সংঘর্ষে বাঁধাপ্রাপ্ত হলে তার গতিশক্তি এক্স-রেতে রূপান্তরিত হয়। 

এক্সরের প্রকারভেদ: 
- এক্সরে দুই প্রকার। 
যথা- কোমল এক্সরে (Soft X-ray) এবং কঠিন এক্সরে (Hard X-ray)। 
১। কোমল এক্সরে: 
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক কম বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কোমল এক্সরে বলে। 
- কোমল এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক বড়, ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক কম। 
২। কঠিন এক্সরে: 
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক বেশি বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কঠিন এক্সরে বলে। 
- কঠিন এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক ছোট ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক বেশি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৮৪.
দোলকের দোলন গতি কোন ধরনের গতির উদাহরণ?
  1. ক) সরল রৈখিক গতি
  2. খ) বক্র রৈখিক গতি
  3. গ) পর্যায় গতি
  4. ঘ) ঘূর্ণন গতি
সঠিক উত্তর:
গ) পর্যায় গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পর্যায় গতি
ব্যাখ্যা
পর্যায় গতি:

- দোলকের দোলন গতি পর্যায় গতির উদাহরণ।
- কোন গতিশীল বস্তু গতি পথের কোন নির্দিষ্ট বিন্দুকে নির্দিষ্ট সময় পর পর একই দিক থেকে অতিক্রম করে তা হলে সেই গতিকে পর্যায় গতি বলে।
- বৈদ্যুতিক পাখার গতি, ঘড়ির কাঁটার গতি, গ্রামফোন রেকর্ডের গতি, ঘড়ির পেন্ডুলামের গতি, দোলকের দোলন গতি, ইঞ্জিনের মধ্যে পিস্টনের সামনে পেছনের গতি পর্যায় গতির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
- যখন কোন বস্তু সরল রেখা বরাবর চলে তখন বস্তুর ঐ গতিকে সরল রৈখিক গতি বলে।যেমন - মসৃণ মেঝের উপর গড়িয়ে দেওয়া মার্বেলের গতি।
- কোন গতিশীল বস্তুর গতিপথ যদি বাঁকা হয়, বক্র রেখা বরাবর হয় তখন বস্তুটির গতিকে বক্র রৈখিক গতি বলে।যেমন - সাইকেলের গতি, রিক্সার গতি, মোটর গাড়ির গতি।
- কোন বিন্দু বা অক্ষকে কেন্দ্র করে যখন কোন বস্তু ঘুরতে থাকে তাতে বস্তুটির যে গতি হয় তাকে ঘূর্ণন গতি বলে।যেমন - চলন্ত সাইকেল বা রিক্সার চাকার গতি, বৈদ্যুতিক পাখার গতি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৮৫.
দর্পণ প্রধানত কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
দর্পণ: 
- যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে দর্পণ বলে। 
- দর্পণ প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। সমতল দর্পণ ও 
২। গোলীয় দর্পণ। 

- আবার গোলীয় দর্পণ ২ প্রকার। 
যথা- 
১। উত্তল দর্পণ ও 
২। অবতল দর্পণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,১৮৬.
জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনের ফলে কোন ধরনের তরঙ্গ সৃষ্টি হয়? 
  1. তাপ তরঙ্গ
  2. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  3. আলোক তরঙ্গ
  4. তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ: 
- তরঙ্গ সৃষ্টির জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয়। 
- যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন ঐ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না সেই পর্যাবৃত্ত আন্দোলনকে তরঙ্গ বলে। 

যান্ত্রিক তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলন ছাড়াও তরঙ্গ সৃষ্টি হতে পারে। 
- কিন্তু জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে বলা হয় যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
যেমন- পানির তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, ভূমি কম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গ ইত্যাদি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 

তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ: 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো এবং তাপ আসে তরঙ্গাকারে। 
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। 
- আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়, এ তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
যেমন- বেতার তরঙ্গ, এক্স-রশ্মি, গামা রশ্মি ইত্যাদি তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ। 

যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
১. মাধ্যমের কণার স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 
২. মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপরে নিচে অথবা সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। মাধ্যমের মধ্য দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় না। 
৩. তরঙ্গ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা স্থানান্তর করে। 
৪. তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়। স্পন্দনের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে বাড়ে। কিন্তু তরঙ্গ সুষম বেগে সঞ্চারিত হয়। অর্থাৎ কণাগুলোর স্পন্দন গতি এবং তরঙ্গ বেগ এক নয়। 
৫. তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণাগুলোর স্পন্দনের দিক এবং তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক এক নাও হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৮৭.
ভূ-পৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. লোহা
  3. তামা
  4. জিংক
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

• ভূ-পৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অ্যালুমিনিয়াম ধাতু। পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৮% অংশই অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে গঠিত। এটি মূলত বক্সাইট আকরিকের মধ্যে পাওয়া যায় এবং এর রাসায়নিক বিক্রিয়াশীলতা খুব বেশি হওয়ায় এটি শুদ্ধ অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে পাওয়া যায় না। অ্যালুমিনিয়াম হালকা, জং ধরে না এবং তাপ ও বিদ্যুৎ ভালোভাবে পরিবাহন করতে পারে। এই কারণে এটি বিমান, গাড়ি, বৈদ্যুতিক তার, প্যাকেজিং ও নির্মাণ শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, লোহা, তামা ও জিংক তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে পাওয়া যায়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো — ক) অ্যালুমিনিয়াম।

• পৃথিবীতে যে ধাতুটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় তা হলো অ্যালুমিনিয়াম।
- ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%)। লোহার পরিমাণ ৫%, ক্যালসিয়াম ৩.৬%।
- কিন্ত প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায় না।
- অ্যালুমিনিয়াম অন্যান্য মৌলিক পদার্থের সাথে যৌগ গঠন করে অবস্থান করে। এগুলো হলো অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক। 
- এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বক্সাইট, ক্রায়োলাইট, কোরানডাম ইত্যাদি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৮৮.
PVC এর সংকেত -
  1. CH2=CHCl
  2. CH3-CHCl
  3. CH3CCl
  4. CH2=CCl
সঠিক উত্তর:
CH2=CHCl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CH2=CHCl
ব্যাখ্যা
PVC এর সংকেত CH2=CHCl
PVC এর পূর্ণ নাম - পলিভিনাইল ক্লোরাইড।
এটি শক্ত, কঠিন ও পলিথিনের তুলনায় কম নমনীয়। 
পানির পাইপ ও বিদ্যুৎ ইত্যাদির কাজে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস - নবম-দশম শ্রেণি, রসায়ন, বোর্ড বই
৩,১৮৯.
নিচের কোন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. ইট
  3. পারদ
  4. অ্যামোনিয়া
সঠিক উত্তর:
পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারদ
ব্যাখ্যা
পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
যেমন- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও  নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
যেমন- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরলের কণাগুলো কঠিনের পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৯০.
কোন বস্তু পরিমাপের জন্য ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স ব্যবহার করা হয়?
  1. বিদ্যুৎ প্রবাহ
  2. তাপমাত্রা
  3. দৈর্ঘ্য
  4. ভর
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা

• ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স একটি সুনির্দিষ্ট যন্ত্র যা মূলত দৈর্ঘ্য, ব্যাসার্ধ, গভীরতা বা ভিতরের এবং বাইরের আকার পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি খুব ক্ষুদ্র পরিবর্তনও ঠিকভাবে মাপতে সক্ষম, কারণ এতে একটি ভার্নিয়ার স্কেল থাকে যা মূল স্কেলের সঙ্গে মিলিয়ে পরিমাপের ফলাফলকে আরও নিখুঁত করে। ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স ব্যবহার করে আমরা কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, গভীরতা বা ব্যাসার্ধ সহজে এবং সঠিকভাবে মাপতে পারি। এটি সাধারণত বিদ্যুৎ প্রবাহ বা তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য নয় এবং ভর পরিমাপের জন্যও ব্যবহার হয় না। তাই, ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স মূলত দৈর্ঘ্য পরিমাপের যন্ত্র।

- সঠিক উত্তর: গ) দৈর্ঘ্য।

• ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স:
- ভার্নিয়ার ক্যালিপার্স (Vernier Calipers) হলো একটি সুনির্দিষ্ট পরিমাপক যন্ত্র যা খুব ছোট দৈর্ঘ্য বা ব্যাস, গভীরতা ইত্যাদি 0.01 সেন্টিমিটার পর্যন্ত নিখুঁতভাবে পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- ভার্নিয়ার স্কেল বিশিষ্ট ক্যালিপার্স দিয়ে ছোট দৈর্ঘ্য খুব সঠিকভাবে নির্ণয় করা যায়, যা সাধারণ স্কেলের চেয়ে অনেক বেশি নিখুঁত ।

• এটি প্রধানত দুটি স্কেল নিয়ে গঠিত। যথা:
– প্রধান স্কেল ও
– ভার্নিয়ার স্কেল।

• এটি দিয়ে পরিমাপ করা হয়- 
- ছোট বস্তু বা নলাকার জিনিসের দৈর্ঘ্য, বাহ্যিক ব্যাস বা প্রস্থ। 
- ফাঁপা বস্তুর অভ্যন্তরীণ ব্যাস। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৩,১৯১.
সেলুলয়েডকে পশমী কাপড় দিয়ে ঘর্ষণ করলে সেলুলয়েডে কোন ধরণের আধানের সৃষ্টি হবে?
  1. ক) ধনাত্মক আধান
  2. খ) ঋণাত্মক আধান
  3. গ) নিরপেক্ষ আধান
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ঋণাত্মক আধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঋণাত্মক আধান
ব্যাখ্যা
- আধান দুই প্রকার: ধনাত্মক আধান ও ঋণাত্মক আধান। 
- দুটি ভিন্ন বস্তুকে পরস্পরের সাথে ঘর্ষণ করলে বস্তু দুটি তড়িতগ্রস্থ হয়। একটিতে ধনাত্মক আধান ও অপরটিতে ঋণাত্মক আধানের সৃষ্টি হয়। 
- কাচ দন্ডকে রেশমী কাপড় দিয়ে ঘষলে কাচে যে ধরণের আধান পাওয়া যায় তা ধনাত্মক আধান।
- অ্যাম্বার দন্ডকে পশমী কাপড় দিয়ে ঘষলে অ্যাম্বার যে ধরণের আধান পাওয়া যায় তা ঋণাত্মক আধান।
- সেলুলয়েডকে পশমী কাপড় দিয়ে ঘর্ষণ করলে সেলুলয়েডে ঋণাত্মক আধানের সৃষ্টি হবে এবং পশমী কাপড়ে ধনাত্মক আধানের সৃষ্ট হবে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,১৯২.
নিচের কোন স্কেলটি সূক্ষ্মতম?
  1. ক) স্লাইড ক্যালিপার্স
  2. খ) স্ক্রুগজ
  3. গ) মিটার স্কেল
  4. ঘ) স্ফেরোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) স্ক্রুগজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্ক্রুগজ
ব্যাখ্যা
স্ক্রু গজ
- স্ক্রু গজকে মাইক্রোমিটার স্ক্রু গজও বলা হয়।
- এটি ইস্পাত দ্বারা নির্মিত হয়।
- এই যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়।

স্লাইড ক্যালিপার্স
যে পরিমাপক যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তুর দু প্রান্তের মধ্যবর্তী দূরত্ব নির্ণয় করে পরিমাপ করা যায় তাকে স্লাইড ক্যালিপার্স বলে।

[অপশনগুলোর মধ্যে স্ক্রুগজ স্কেলটি সূক্ষ্মতম।]
৩,১৯৩.
কোন দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনো পরিবর্তন ঘটে না?
  1. সম্পৃক্ত দ্রবণে
  2. অসম্পৃক্ত দ্রবণে
  3. অতিপৃক্ত দ্রবণে
  4. খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
সম্পৃক্ত দ্রবণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পৃক্ত দ্রবণে
ব্যাখ্যা
• দ্রবণ (Solution): 
- কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় যেকোনো ভৌত অবস্থায় একাধিক উপাদানের সম্পূর্ণ সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যাতে উপাদানগুলোর পরিমাণের অনুপাত একটি সীমার মধ্যে আবদ্ধ থাকে তাকে দ্রবণ বলা হয়। 
- দ্রবণের প্রতিটি অংশের গঠন, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম অভিন্ন হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদান কম পরিমাণে থাকে অর্থাৎ যা দ্রবীভূত হয়, তাকে দ্রব বলা হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানের পরিমাণ বেশি এবং যার মধ্যে দ্রব যোগ করা হয় তাকে দ্রাবক বলা হয়।

দ্রবণের শ্রেণিবিভাগ: 
- ঘনমাত্রা অনুযায়ী দ্রবণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। আথা: 

i. সম্পৃক্ত দ্রবণ (Saturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক দ্রব দ্রবীভূত হয়ে যে দ্রবণ উৎপন্ন করে তাকে ঐ নির্দিষ্ট তাপমাত্রার সম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- এ অবস্থায় দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 

ii. অসম্পৃক্ত দ্রবণ (Unsaturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত হতে পারে তার চেয়ে কম পরিমাণ দ্রব দ্রবণে উপস্থিত থাকলে তাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- অসম্পৃক্ত দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলে দ্রবণের ঘনমাত্রা বেড়ে যায়। 

iii. অতিপৃক্ত দ্রবণ (Super-saturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকতে পারে যদি কোনো বিশেষ কারণে দ্রবণে আরও অতিরিক্ত দ্রব দ্রবীভূত থাকে তবে ঐ দ্রবণকে অতিপৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- অতিপৃক্ত দ্রবণ অস্থায়ী প্রকৃতির হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৯৪.
ডায়োডের প্রধান ব্যবহার কী? 
  1. তাপ উৎপাদন করা 
  2. শব্দ সংকেত বৃদ্ধি করা 
  3. এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করা 
  4. বিদ্যুৎ উৎপাদন করা 
সঠিক উত্তর:
এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করা 
ব্যাখ্যা

ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode. 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়। 
- 'ডায়োড' মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১৯৫.
পানিতে দ্রবীভূত করলে এসিডের অণু বিয়োজিত হয়ে কী আয়ন দান করে?
  1. ক) হাইড্রোজেন আয়ন
  2. খ) হিলিয়াম আয়ন
  3. গ) হাইড্রোক্সাইড আয়ন
  4. ঘ) অক্সাইড আয়ন
সঠিক উত্তর:
ক) হাইড্রোজেন আয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাইড্রোজেন আয়ন
ব্যাখ্যা

এসিড এক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্য যা পানিতে দ্রবীভূত করলে এসিডের অণু বিয়োজিত হয়ে (ভেঙে) হাইড্রোজেন আয়ন বা প্রােটন (H+) দান করে।
যেমন- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) এরা তীব্র এসিড৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি

৩,১৯৬.
চা ও কফিতে যে পদার্থটি শরীরকে চাঙ্গা করে তার নাম কি?
  1. ক) টলুইন
  2. খ) গ্লুকোজ
  3. গ) ক্যাফেইন
  4. ঘ) টেনিন
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাফেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাফেইন
ব্যাখ্যা
আমরা প্রতিনিয়ত চা, কফি, চকলেট, হাল্কা পানীয় যেমন- কোকোকোলা, সেভেন-আপ, পেপসি এমনকি ওষুধের সাথেও ক্যাফেইন গ্রহন করছি। এটি তিক্ত স্বাদযুক্ত একটি পদার্থ। আমাদের দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় এর অনেক প্রভাব আছে। বিশেষ করে ক্যাফেইন আমাদের দেহের স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করতে পারে। এবং তা আমাদের শরীরকে চাঙ্গা করতে পারে।
উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর
৩,১৯৭.
Which of the following is a source of solar energy?
  1. ক) Nuclear fusion
  2. খ) Chemical combustion
  3. গ) Ionization
  4. ঘ) Nuclear Fission
সঠিক উত্তর:
ক) Nuclear fusion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Nuclear fusion
ব্যাখ্যা
আমাদের দেশের সূর্যের শক্তির সবটুকু ব্যবহারের ব্যবস্থা নেই।
আমেরিকা, জাপান প্রভৃতি দেশ সৌরশক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে থাকে। পৃথিবীতে আগত মোট সৌরশক্তির ব্যবহার করা হয় না।
৩২ মিনিটে যে পরিমাণ সৌরশক্তি পতিত হয় তার সবটুকু যদি ব্যবহার করা যেত তাহলে তা দিয়ে যে কোনো দেশের শক্তি চাহিদা মেটানো যেত।
সৌরশক্তি ব্যবহারে পরিবেশের কোনো দুষণ হয়না এবং বিপদের সম্ভাবনা কম।
প্রকৃতপক্ষে সূর্যের শক্তির উৎস পারমাণবিক শক্তি, কারণ সূর্যে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়।
এ শক্তি পৃথিবীতে বিকিরিত হয়।
সৌরশক্তির সকল উৎস ফিউশন বিক্রিয়া।

উৎস : সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,১৯৮.
নিচের কোনটি মৌলিক রং নয়?
  1. লাল
  2. নীল
  3. সবুজ
  4. হলুদ
সঠিক উত্তর:
হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলুদ
ব্যাখ্যা
তিনটি মৌলিক রং হচ্ছে লাল, নীল, সবুজ। 

এই ৩টি রং এর সমন্বয়ে বাকী রং গুলো তৈরি করা যায়।
লাল ও সবুজ মিলে হলুদ রং তৈরি হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা 
৩,১৯৯.
জঁ ফ্রেডেরিক জোলিও ছিলেন একজন নোবেলজয়ী -
  1. অর্থনীতিবিদ
  2. চিকিৎসক
  3. পদার্থবিজ্ঞানী
  4. রসায়নবিজ্ঞানী
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিজ্ঞানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিজ্ঞানী
ব্যাখ্যা
- বাংলায় পদকের নাম ‘জুলিও কুরি’ বলা হলেও এর ফরাসি উচ্চারণ ‘জোলিও ক্যুরি’।
- ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী জঁ ফ্রেডেরিক জোলিও ক্যুরি ১৯৫৮ সালে মৃত্যুবরণ করলে বিশ্বশান্তি পরিষদ তাদের শান্তি পদকের নাম ১৯৫৯ সাল থেকে রাখে ‘জোলিও ক্যুরি’।
- ফ্রেডেরিকের মূল নাম ছিল জঁ ফ্রেডেরিক জোলিও। ফ্রেডেরিকের স্ত্রী ইরেন ক্যুরি। তিনিও বিজ্ঞানী।
- বিয়ের পর ফ্রেডেরিক ও ইরেন উভয়ে উভয়ের পদবি গ্রহণ করেন এবং একজনের নাম হয় জঁ ফ্রেডেরিক জোলিও ক্যুরি এবং অন্যজনের নাম ইরেন জোলিও ক্যুরি।
- পরে যৌথভাবে তাঁরা নোবেল পুরস্কারও লাভ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্রেডেরিক জোলিও ক্যুরি শুধু বিজ্ঞানী হিসেবেই কাজ করেননি, তিনি গেরিলা বাহিনীতে যোগ দিয়ে এবং তাদের জন্য হাতিয়ার তৈরি করেও অবদান রাখেন।
- তাঁর অবদানের কারণেও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরিসমাপ্তি সহজতর হয়। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এই যুদ্ধ পরিসমাপ্তি ছিল খুবই জরুরি।
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদ জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে।

তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো
৩,২০০.
ড্রাই ক্লিনিং এ ব্যবহৃত হয় -
  1. কস্টিক সোডা
  2. পটাশিয়াম স্টিয়ারেট
  3. কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ট্রাই ক্লোরো ইথেন
সঠিক উত্তর:
ট্রাই ক্লোরো ইথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাই ক্লোরো ইথেন
ব্যাখ্যা

DRYCLEANING SOLVENTS Historically, a number of different chemicals have been utilized as drycleaning solvents. These include: camphor oil, turpentine spirits, benzene, kerosene, white gasoline, petroleum solvents (primarily petroleum naphtha blends), chloroform, carbon tetrachloride, perchloroethylene, trichloroethylene, 1,1,2-trichlorotrifluoroethane, glycol ethers, 1,1,1-trichloroethane, decamethylcylcopentasiloxane, n-propyl bromide and liquid carbon dioxide.
Source: dnr.wi.gov