বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভৌত বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন৬,৪০৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভৌত বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১৭ / ৬৪ · ১,৬০১১,৭০০ / ৬,৪০৯

১,৬০১.
পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. গ্রাফাইট
  2. সীসা
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. পারদ
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
• কার্বন:
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হল গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড বা হীরক।
- কার্বনের অদানাদার রূপভেদ হল কোক কার্বন, চারকোল, কয়লা ও কার্বন ব্ল‍্যাক।

• গ্রাফাইটের ব্যবহার:
- গ্রাফাইট অতি উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বলে ও গলে বলে ধাতু ক্রুসিবল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক/মডারেটর হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।
- কাঠ পেন্সিলের শীষ হিসেবে গ্রাফাইট প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়।
- বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে গ্রাফাইটের বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার বিদ্যমান।
- তন্মধ্যে শুষ্ক ব্যাটারির পজিটিভ দণ্ড হিসেবে এবং গ্রাফাইটের গুঁড়া ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের সাথে মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহার উল্লেখযোগ্য।
- এ ছাড়া বৈদ্যুতিক চুল্লিতে ইলেকট্রোডরূপে ও ইলেকট্রোটাইপ তৈরিতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।
- গলিত ধাতব লবণের তড়িৎ বিশ্লেষণে গ্রাফাইট অ্যানোড ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ- NaCl-এর তড়িৎ বিশ্লেষণ থেকে সোডিয়াম নিষ্কাশনে, KCI থেকে K, MgCl₂ থেকে Mg, CaCl₂ থেকে Ca প্রভৃতি ধাতু আহরণে গ্রাফাইট ইলেকট্রোড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
১,৬০২.
একটি গতিশীল বস্তুর বেগ 2ms-1 এবং গতিশক্তি 1J হলে বস্তুটির ভর হবে -
  1. ক) 0.5 kg
  2. খ) 1 kg
  3. গ) 1.5 kg
  4. ঘ) 2 kg
সঠিক উত্তর:
ক) 0.5 kg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 0.5 kg
ব্যাখ্যা
এখানে,
গতিশক্তি, Ek = 1 
বেগ, v = 2
ভর, m = ?

আমরা জানি,
Ek = 1/2 .mv2
or, 1 = 1/2 . m . 4
or, m = 0.5kg
১,৬০৩.
বাষ্পায়ন কোন বিষয়টির উপর নির্ভর করে না?
  1. তরলের প্রকৃতি
  2. পদার্থের ঘনত্ব
  3. তরলের উপর চাপ
  4. তরলের উপরি তলের ক্ষেত্রফল
সঠিক উত্তর:
পদার্থের ঘনত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থের ঘনত্ব
ব্যাখ্যা
- পদার্থের ঘনত্ব বাষ্পায়ন প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, তাই এটি প্রভাবিত করে না। 

বাষ্পায়নের উপর বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাব: 

- পরিবেশ থেকে সুপ্ত তাপ সংগ্রহ করে কোনো তরল পদার্থের বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াটি হলো বাষ্পায়ন। 
- এ ক্ষেত্রে তরল পদার্থটিকে স্ফুটনাঙ্কে উত্তপ্ত করা হয় না। 
- এটি একটি স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা, এজন্য প্রক্রিয়াটিকে স্বতঃবাষ্পভবনও বলা হয়। 
- কিন্তু তরলের বাষ্পায়ন সাধারণত বেশ কয়েকটি ঘটনা বা বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়। 
যেমন- 
তরলের প্রকৃতি: 
- বিভিন্ন তরল পদার্থের বাষ্পায়নের হার বিভিন্ন। সাধারণত তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন হার বেশি হয়। উদ্বায়ী পদার্থের বাষ্পায়ন হার অত্যন্ত বেশি। 

বায়ু প্রবাহ: 
- তরলের উপর বায়ু প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। 

তরলের উপর চাপ: 
- তরলের উপর বায়ু মন্ডলের চাপ বাড়লে বাষ্পায়ন হার কমে যায়। চাপ কমলে বাষ্পায়ন বৃদ্ধি পায়। শূন্য স্থানে বাষ্পায়নের হার সর্বাধিক। 

তরলের উপরি তলের ক্ষেত্রফল: 
- বাষ্পায়ন কেবল উপরিতলে সংঘঠিত হয়। তরলের উপরিতলের ক্ষেত্রফল যত বেশি বিস্তৃত হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। 

তরল তল সংলগ্ন বায়ু বা বাষ্পের তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। 

তরল তল সংলগ্ন বায়ুর আর্দ্রতা: 
- বায়ুর আর্দ্রতা যত কম হয় তরলের বাষ্পায়ন তত দ্রুত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০৪.
পানির তলায় শব্দ নির্ধারণের যন্ত্র কোনটি?
  1. ক) ব্যারোমিটার
  2. খ) হাইড্রোফোন
  3. গ) অ্যামিটার
  4. ঘ) অডিওমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) হাইড্রোফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাইড্রোফোন
ব্যাখ্যা
হাইড্রোফোন:
- পানির তলায় শব্দ নির্ধারণের যন্ত্র হাইড্রোফোন।
- হাইড্রোফোন হলো একটি পানির নিচের যন্ত্র যা সমস্ত দিক থেকে সমুদ্রের শব্দ সনাক্ত করে এবং রেকর্ড করে।
- অসংখ্য সামুদ্রিক জীব যোগাযোগ, প্রজনন এবং শিকার খোঁজার জন্য শব্দ ব্যবহার করে। যা হাইড্রোফোনের মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়।

অন্যদিকে,
• শব্দের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র - অডিওমিটার,
• বিদ্যুত প্রবাহ মাপক যন্ত্র - অ্যামিটার,
• বায়ু চাপ মাপক যন্ত্র - ব্যারোমিটার। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬০৫.
সোনায় মরিচা ধরে না কেন?
  1. ক) সোনা সক্রিয় ধাতু
  2. খ) সোনা অনেকটা নিষ্ক্রিয় ধাতু
  3. গ) সোনা মূল্যবান ধাতু
  4. ঘ) সোনা অত্যন্ত উজ্জ্বল ধাতু
সঠিক উত্তর:
খ) সোনা অনেকটা নিষ্ক্রিয় ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোনা অনেকটা নিষ্ক্রিয় ধাতু
ব্যাখ্যা
সোনা, রুপা, প্লাটিনাম, রোডিয়াম, প্যালাডিয়াম প্রভৃতি ধাতু সমূহ বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা সহজে জারিত হয় না।
অর্থাৎ এরা নিষ্ক্রিয় অবস্থায় থাকে। এইজন্য এদেরকে অভিজাত ধাতু বলা হয়।
সবচেয়ে মূল্যবান ভারী ধাতু‌ প্লাটিনাম।
১,৬০৬.
ষোল থেকে উচ্চতর কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের ভৌত অবস্থা হলো -
  1. কঠিন
  2. গ্যাসীয়
  3. তরল
  4. বায়বীয়
সঠিক উত্তর:
কঠিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন
ব্যাখ্যা
অ্যালকেন: 
- অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনের সাথে হাইড্রোজেন সংযোজন করে অ্যালকেন প্রস্তুত করা হয়। 
- প্রভাবক নিকেল ধাতু (Ni) এর উপস্থিতিতে 150-180° সে. তাপমাত্রায় অ্যালকিন ও অ্যালকাইনের সাথে হাইড্রোজেন সংযুক্ত করে অ্যালকেন প্রস্তুত করা হয়। 

অ্যালকেনের ভৌত ধর্ম: 
- অ্যালকেনের ভৌত ধর্ম বিশেষ করে ভৌত অবস্থা, গলনাংক, স্ফুটনাংক নির্ভর করে যৌগের অণুতে কার্বনের সংখ্যার উপর। 
- এক থেকে চার কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন গ্যাসীয়। 
- পাঁচ থেকে পনের কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের ভৌত অবস্থা তরল। 
- ষোল থেকে উচ্চতর কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের ভৌত অবস্থা কঠিন। 

অ্যালকেনের রাসায়নিক ধর্ম: 
- অ্যালকেন সাধারণভাবে প্যারাফিন (Paraffin) নামে পরিচিত। 
- Param অর্থ কম বা স্বল্প এবং affinis অর্থ আসক্তি। 
- তাই Paraffin অর্থ স্বল্প আসক্তির যৌগ। 
- অ্যালকেন যৌগের অণুতে কার্বন-কার্বন ও কার্বন-হাইড্রোজেন শক্তিশালী একক বন্ধনের মাধ্যমে সংযুক্ত। 
- এ কারণে এরা অনেকটাই রাসায়নিকভাবে বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে না। 
- এমনকি এসিড, ক্ষার, ধাতু ও ক্ষারকের সাথেও কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া করে না। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০৭.
ইউরেনিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা কত?
  1. ক) ৯০
  2. খ) ৯১
  3. গ) ৯২
  4. ঘ) ৯৩
সঠিক উত্তর:
গ) ৯২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯২
ব্যাখ্যা

ইউরেনিয়াম পর্যায় সারণীর ৯২তম মৌল এবং পর্যায় সারণীর ৭ম পর্যায়ের ৩য় শ্রেণির B উপশ্রেনিতে অবস্থিত। ইউরেনিয়াম দেখতে নীলচে সাদা বর্ণের এবং ষ্টীল হতে অপেক্ষাকৃত নমনীয়।
ইউরেনিয়ামের একটি আইসোটোপ আলফা কণা বিকিরণ করে থোরিয়ামের একটি আইসোটোপে পরিণত হয়।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান

১,৬০৮.
ফটোইলেকট্রিক কোষের উপর আলো পড়লে কী উৎপন্ন হয়?
  1. বিদ্যুৎ
  2. তাপ
  3. চুম্বক
  4. কিছুই হয় না
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা
- ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, রুবিডিয়াম প্রভৃতি ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হতে দেখা যায়। 
- ফটোইলেকট্রিক কোষ এই নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ফটোইলেকট্রিক কোষ হলো বিশেষ এক ধরনের ডায়োড, যার ওপর আলো পড়লে আলোক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৬০৯.

বিক্রিয়াটি কোন ধরনের বিক্রিয়া?
  1. সমানুকরণ
  2. অপসারণ
  3. প্রতিস্থাপন
  4. সংযোজন
সঠিক উত্তর:
সমানুকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমানুকরণ
ব্যাখ্যা
সমানুকরণ বিক্রিয়া(Isomerization reaction): 
- যে বিক্রিয়ার কোন যৌগের উপস্থিত পরমাণু বা মূলক সমূহ পূর্ণবিন্যাস্ত হয়ে ভিন্ন গাঠনিক কাঠামো বিশিষ্ট নতুন যৌগ উৎপন্ন করে, তাকে সমানুকরণ বিক্রিয়া বলে। 
যেমন - 
1. অ্যামোনিয়াম সায়ানেটকে উত্তপ্ত করলে ইউরিয়া পাওয়া যায়। 


2. অনার্দ্র AICI3 এর উপস্থিতিতে n -বিউটেনকে উত্তপ্ত করলে iso -বিউটেন উৎপন্ন হয়। 


উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬১০.
টুথপেস্টের প্রধান উপাদান-
  1. জেলী ও মশলা
  2. ভোজ্য তেল ও সোডা
  3. সাবান ও পাউডার
  4. ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল
সঠিক উত্তর:
সাবান ও পাউডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবান ও পাউডার
ব্যাখ্যা
• টুথপেস্ট:
- টুথপেস্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত উপাদানগুলির উপাদানের পরিমাণের তালিকা নিচে দেওয়া হল। 

এখানে, সোডিয়াম লরেল সালফেট হচ্ছে সাবান যা দাত ব্রাশ করার সময় ফেনা তৈরি করে।

• অন্যদিকে,
জেলী ও মশলা: এগুলি টুথপেস্টের প্রধান উপাদান নয়।
ভোজ্য তেল ও সোডা: এগুলি টুথপেস্টে ব্যবহৃত হয় না।
ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল: এগুলি সহায়ক উপাদান, প্রধান উপাদান নয়।
১,৬১১.
কোনটি গ্যালভানিক কোষ?
  1. ক) ল্যাকলেন্স কোষ
  2. খ) ড্রাই সেল
  3. গ) ডেনিয়েল সেল
  4. ঘ) লেড স্টোরেজ ব্যাটারি
সঠিক উত্তর:
গ) ডেনিয়েল সেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডেনিয়েল সেল
ব্যাখ্যা
ডেনিয়েল সেল একটি গ্যালভানিক কোষ কারণ এখানে বাহির থেকে শক্তির দরকার হয় না এবং রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত হয়৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১,৬১২.
অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি কোথায়?
  1. মেরু অঞ্চলে 
  2. বিষুব অঞ্চলে 
  3. পৃথিবীর কেন্দ্রে  
  4. মহাকাশে 
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলে 
ব্যাখ্যা

বস্তুর ওজন: 
- যখন কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নেয়া হয় তখন তার ওজন বাড়তে থাকে। 
- বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি। 
- কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষীয় ত্বরণের উপর নির্ভরশীল। 
- যে স্থানে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, সে স্থানে বস্তুর ওজনও বেশি। 
- অভিকর্ষীয় ত্বরণ যে স্থানে কম বস্তুর ওজন সে স্থানে কম। 
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, তাই মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন বেশি। 
- আবার, বিষুবীয় অঞ্চল অভিকর্ষীয় ত্বরণ কম তাই বিষুবীয় অঞ্চল বস্তুর ওজনও কম। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষীয় ত্বরণ শূন্য, এজন্য পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৬১৩.
কোনটি মৃৎক্ষার ধাতু?
  1. সোডিয়াম
  2. পটাসিয়াম
  3. সিজিয়াম
  4. স্ট্রনসিয়াম
সঠিক উত্তর:
স্ট্রনসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রনসিয়াম
ব্যাখ্যা

• স্ট্রনসিয়াম (Sr) মৃৎক্ষার ধাতু। এটি পর্যায় সারণির 2 নং গ্রুপে অবস্থিত। এর পারমাণবিক সংখ্যা ৩৮।

ক্ষার ধাতু:
- পর্যায় সারণির 1নং গ্রুপে 7 টি মৌল আছে।
- এদের মধ্যে হাইড্রোজেন ছাড়া বাকি 6 টি মৌল লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাসিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb), সিজিয়াম (Cs) এবং ফ্রান্সিয়াম (Fr) -কে ক্ষারধাতু বলে।
- এই ছয়টি মৌলের প্রত্যেকটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস এবং ক্ষার তৈরি করে বলে এদেরকে ক্ষার ধাতু (Alkali Metals) বলা হয়।

মৃৎক্ষার ধাতু:
- পর্যায় সারণির 2নং গ্রুপে বেরিলিয়াম (Be), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), স্ট্রনসিয়াম (Sr), বেরিয়াম (Ba) এবং রেডিয়াম (Ra) এই 6 টি মৌল আছে, যাদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে।
- এই মৃৎক্ষার ধাতুগুলোকে মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়, আবার এরা ক্ষার তৈরি করে। এজন্য সামগ্রিকভাবে এদের মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals) বলা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৬১৪.
p-n জাংশনে সম্মুখী ঝোঁকের ফলে রোধের মান -
  1. শূন্য হয়
  2. সর্বোচ্চ হয়
  3. অসীম হয়
  4. কোনো পরিবর্তন হয় না
সঠিক উত্তর:
শূন্য হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য হয়
ব্যাখ্যা

জাংশান ডায়োড:
- একটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি -টাইপ অর্ধপরিবাহীকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করা হলে সংযোগ পৃষ্ঠকে তথা সৃষ্ট ব্যবস্থাকে p-n জাংশন বা জাংশন ডায়োড বলে।
- দুটি অর্ধপরিবাহী সমন্বয়ে গঠিত বলে একে অর্ধপরিবাহী ডায়োডও বলে।

একটি p-n জাংশনে বাহ্যিক ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করা হলে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি হয়। এটি নির্ভর করে p-n জাংশনে বিভব পার্থক্য কীভাবে প্রয়োগ করা হয়, তার ওপর। একটি p-n জাংশনকে দুই ভাবে বায়াসিং বা ঝোঁক প্রদান করা যায়। এগুলো হলো -
১। সম্মুখী ঝোঁক (Forward Bias);
২। বিমুখী ঝোঁক (Reverse Bias)। 

সম্মুখী ঝোঁক:
- যখন জাংশনে বহিভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যাতে বিভব প্রাচীর হ্রাস পায় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ চালু হয় তখন একে সম্মুখী ঝোঁক প্রয়োগ করা বুঝায়।
- এক্ষেত্রে ব্যাটারীর ধনাত্মক প্রান্ত p-টাইপের প্রান্তের সাথে এবং ঋণাত্মক প্রাপ্ত n টাইপের প্রান্তের সাথে সংযোগ দেয়া হয়। 
- যখন সম্মুখী ঝোঁক দ্বারা বিভব প্রাচীর অপসারিত হয়, জাংশনের রোধ তখন শূন্যে নেমে আসে।
- তখন p-n জাংশানে ও বহিঃস্থ বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্ঠি হয়।
- এই প্রবাহকে সম্মুখী প্রবাহ বলে। 

বিমুখী ঝোঁক: 
- যদি বহির্ভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয়, যাতে বিভব প্রাচীরের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় তবে এ ধরনের ঝোঁক প্রয়োগকে বলা হয় বিমুখী ঝোঁক প্রয়োগ বা বিপরীত বায়াসিং (Reverse biasing)।
- এক্ষেত্রে ব্যাটারীর ঋণাত্মক প্রান্ত p-টাইপের প্রান্তের সঙ্গে এবং ধনাত্মক প্রান্ত n-টাইপের প্রান্তের সঙ্গে সংযোগ দেয়া হয়। 
- বিভব প্রাচীর বৃদ্ধির ফলে আধান বাহকের চলাচলে আরো অধিক বাধার সৃষ্টি হয়।
- অর্থাৎ রোধ অনেক বেড়ে যায় ফলে বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় না।

তথ্যসূত্র: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬১৫.
কোন লবণটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না?
  1. ক) NaOH
  2. খ) NaCl
  3. গ) Na2SO4
  4. ঘ) CuCl
সঠিক উত্তর:
ঘ) CuCl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) CuCl
ব্যাখ্যা
নিচের সারণিতে পানিতে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় কিছু নমুনা লবণের উদাহরণ দেয়া হলোঃ

সূত্রঃ রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৬১৬.
কোন দ্রবণ অম্লীয় হবে? 
  1. যার pH > ৭
  2. যার pH = ৭
  3. যার pH < ৭
  4. যার pH = ১৪
সঠিক উত্তর:
যার pH < ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যার pH < ৭
ব্যাখ্যা
pH-এর মান জানার প্রয়োজনীয়তা: 
- কোনো একটি পদার্থ এসিড, ক্ষার না নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। 
- কিন্তু তাতে কী পরিমাণ এসিড বা ক্ষার আছে, সেটি বোঝা যায় pH-এর মান পরিমাপ করে। 
- নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণ বা বিশুদ্ধ পানি যেখানে কোনো এসিড বা ক্ষার থাকে না, তার pH হয় ৭ । 
- আর যদি এতে এসিড যোগ করা হয় তাহলে pH-এর মান কমে যায়। যত বেশি এসিড যোগ করা যায়, pH-এর মান ততই কমে যায়। 
- পক্ষান্তরে যদি বিশুদ্ধ পানি বা নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণে ক্ষার যোগ করা হয়, তাহলে এর pH বাড়তে থাকে। যত বেশি ক্ষার যোগ করা হয়, pH-এর মান ততই বাড়তে থাকে। 
সুতরাং বলা যায়, 
• কোনো দ্রবণের pH = ৭ হলে তা নিরপেক্ষ জলীয় দ্রবণ বা বিশুদ্ধ পানি হবে। 
কোনো দ্রবণের pH < ৭ হলে (৭ থেকে কম হলে) তা অম্লীয় বা এসিডিয় দ্রবণ হবে। 
• কোনো দ্রবণের pH > ৭ হলে (৭ থেকে বেশি হলে) তা ক্ষারীয় দ্রবণ হবে। 
- pH-এর মান ৭ থেকে যত বেশি কম হবে, এসিডটি তত শক্তিশালী, আবার pH-এর মান ৭ থেকে যত বেশি হবে, ক্ষারকত্বও তত বেশি শক্তিশালী হবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬১৭.
In which year Maddhapara hard rock mine was discovered?
  1. In 1971
  2. In 1973
  3. In 1974
  4. In 1976
  5. In 1978
সঠিক উত্তর:
In 1974
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In 1974
ব্যাখ্যা
কঠিন শিলা (Hard Rock):
- পাললিক শিলা থেকে পৃথক এবং সাধারণভাবে শক্ত, ঘন, কেলাসিত আগ্নেয় অথবা রূপান্তরিত শিলাকে কঠিন শিলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া গিয়েছে।
- আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৭৪।
- গভীরতা: ১২৮ মিটার।
- মজুদ: ১৭১ মেট্রিক টন।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১,৬১৮.
বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে কী বলে? 
  1. ক্যাপিং
  2. ডোপিং
  3.  ট্রান্সেন্ডিং
  4. মিক্সিং
সঠিক উত্তর:
ডোপিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোপিং
ব্যাখ্যা

• ডোপিং (Doping): 
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে। 
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। 
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি। 
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬১৯.
বায়ুর চাপ নির্ভর করে কোনটির উপর?
  1. ক) জলীয়বাষ্প
  2. খ) উষ্ণতা
  3. গ) উচ্চতা
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

বায়ুর চাপ সব জায়গায় একরকম থাকে না। কোনাে স্থানে বায়ুর তাপ বেড়ে গেলে বায়ু আয়তনে বেড়ে যায় ও প্রসারিত হয়। ফলে বায়ুহালকা হয় এবং ওজন কমে যায়। তখন সেখানকার বায়ুর চাপ কমে যায়। আবার কোথাও বায়ুর তাপ কমে গেলে সেখানকার বায়ুর ওজন বেড়ে যায়। ফলে বায়ুর চাপও বেড়ে যায়। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, বায়ুর তাপ কমলে চাপ বাড়ে এবং বায়ুর তাপ বাড়লে, চাপ কমে।

এছাড়া জলীয়বাষ্প বায়ুর চেয়ে হালকা। এ কারণে বায়ুতে যদি জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হয় তখন সেই বায়ুর ওজন অনেক কমে যায়। ফলে বায়ুর চাপও কম থাকে। বায়ুর চাপ বেশি থাকলে তাকে উচ্চচাপ বলে। আবার বায়ুর চাপ কম থাকলে তাকে নিম্নচাপ বলে।

নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ঃ
নিরক্ষরেখা থেকে ৫ ডিগ্রি উত্তর ও ৫ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যে এই নিম্নচাপ বলয় বিস্তৃত। নিরক্ষরেখার উপর সূর্য বৎসরে দুইবার লম্বভাবে কিরণ দেয়। তাই এ অঞ্চল ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতম অঞ্চল। অত্যধিক তাপের জন্য এ অঞ্চলের বায়ু অত্যন্ত হালকা ও প্রসারিত হয়ে উর্ধ্বমূখী হয়। ফলে বায়ুর ওজন কমে যায় এবং নিম্নচাপের সৃষ্টি করে। এভাবেই নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়ের সৃষ্টি হয়েছে।

ক্রান্তিয় উচ্চচাপ বলয়ঃ
নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে উত্তপ্ত বায়ুউর্ধ্বমুখী হয় এবং যতই উপরে ওঠে ততই ধীরে ধীরে শীতল হয়। শীতল বায়ু ভারী হওয়ার ফলে ভূপৃষ্ঠে নেমে আসে এবং ক্রান্তীয় অঞ্চলে (কর্কটক্রান্তী ও মকরক্রান্তীর কাছাকাছি) স্থান করে নেয়। এভাবে ২৫ ডিগ্রি থেকে ৩৫ ডিগ্রি উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষাংশের মধ্যবর্তী অঞ্চলে দুইটি উচ্চচাপ বলয়ের সৃষ্টি হয়। উত্তর গােলার্ধে এর নাম কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয় এবং দক্ষিণ গােলার্ধে এর নাম মকরীয় উচ্চচাপ বলয়।

উৎসঃ ভূগােল, এসএসসি প্রােগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬২০.
কোন রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম?
  1. গামা 
  2. আলফা 
  3. বিটা 
  4. সবগুলোই সমান ভেদনক্ষমতা বিশিষ্ট
সঠিক উত্তর:
আলফা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফা 
ব্যাখ্যা
• আলফা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম। 

• ভেদন ক্ষমতা:
- ভেদন ক্ষমতা (Penetrating Power) বলতে বোঝায় কোনো বিকিরণ পদার্থের কতটুকু গভীরে বা কতদূর ভেদ করে যেতে পারে।
- এটি নির্ভর করে কণার শক্তি, ভর ও আধান-এর উপর।

• তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে তিন ধরনের রশ্মি নির্গত হয়।
যথা:
- আলফা, বিটা, গামা । 

• আলফা কণার ধর্ম:
- আলফা কণার ধনাত্মক আধানযুক্ত। এর আধান 3.2 × 10-19 C । 
- এ কণা চৌম্বক ও তড়িৎক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়।
- এ কণা তীব্র আয়নায়ন সৃষ্টি করতে পারে।
- এর ভর বেশি হওয়ায় ভেদনক্ষমতা কম।

• বিটা কণার ধর্ম:
- এ কণা ঋণাত্মক আধানযুক্ত। এর আধান 1.6 × 10 -19 C ।
- এ কণা চৌম্বক ও তড়িৎক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
- এ কণা অত্যন্ত দ্রুত নির্গত হয়। এর দ্রুতি আলোর দ্রুতির শতকরা 98 ভাগ পর্যন্ত হতে পারে।
- এ কণা অতি উচ্চ দ্রুতিসম্পন্ন ইলেকট্রনের প্রবাহ। এর ভেদন ক্ষমতা আলফা ও গামা রশ্মির মাঝামাঝি। 

• গামা রশ্মির ধর্ম:
- এ রশ্মি আধান নিরপেক্ষ।
- এ রশ্মি তড়িৎ ও চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয় না।
- এর বেগ আলোর বেগের সমান অর্থাৎ 3 × 108 ms-1
- আলফা ও বিটা কণার চেয়ে এ রশ্মির ভেদনক্ষমতা বেশি। এটি কয়েক সেন্টিমিটার পুরু সীসার পাত ভেদ করে যেতে পারে।

• তিনটি বিকিরণের মধ্যে গামা রশ্মি সবচেয়ে বেশি ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সবচেয়ে কম ভেদনক্ষমতা সম্পন্ন রশ্মি হলো আলফা।
- বিটা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা আলফা ও গামা রশ্মির মাঝামাঝি। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
১,৬২১.
যে তরঙ্গের জন্য কোনো মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না, তাকে কী বলা হয়? 
  1. যান্ত্রিক তরঙ্গ 
  2. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ
  3. অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ 
  4. পানির তরঙ্গ 
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

তরঙ্গের প্রকারভেদ: 
- যে তরঙ্গ সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয় তাকে তরঙ্গকে যান্ত্রিক তরঙ্গ বলে। 
- আবার, যে তরঙ্গের জন্য কোনো মাধ্যম প্রয়োজন হয় না সেই তরঙ্গকে তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ বলে। 
- মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে যে যান্ত্রিক তরঙ্গ সৃষ্ট হয় তা দুই ধরণের। 
যথা- (১) অনুপ্রস্থ তরঙ্গ ও (২) অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। 

অনুপ্রস্থ তরঙ্গ (Transverse wave): 
- পানির মধ্যে তরঙ্গ সৃষ্টি হয় সে ক্ষেত্রে পানির কণাগুলো সাম্য অবস্থান পানির তল থেকে উপর-নিচে ওঠা-নামা করে। কিন্তু তরঙ্গ পানি পৃষ্ঠ বা পানির তলের উপর দিয়ে সামনে ছড়িয়ে পড়ে। এ ধরণের তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ। 
অর্থাৎ, যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয়, তাকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে। 
- এ তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে বা আড়াআড়ি অগ্রসর হয় বলে একে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বা আড় তরঙ্গ বলে। 
যেমন- আলোক তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ অনুপ্রস্থ তরঙ্গ। 

অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ (Longitudinal wave): 
- অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ হলো এমন এক ধরনের তরঙ্গ, যেখানে মাধ্যমের কণাগুলো কম্পনের দিকের সমান্তরালে আন্দোলিত হয়, কিন্তু নিজ অবস্থান পরিবর্তন করে না। 
- নমনীয় স্প্রিংয়ে মৃদু আঘাত করলে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি পরিবহন করে। 
- এ তরঙ্গে তরঙ্গ শীর্ষ বা তরঙ্গ পাদ থাকে না, বরং সংকোচন ও প্রসারণের পর্যায়ক্রমিক বিন্যাস থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬২২.
স্বাভাবিক দৃষ্টিসম্পন্ন বয়স্ক মানুষের চোখে স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব কত সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে? 
  1. ৫.০ সে.মি
  2. ১৫.০ সে.মি
  3. ২৫.০ সে.মি
  4. ৫০.০ সে.মি
সঠিক উত্তর:
২৫.০ সে.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫.০ সে.মি
ব্যাখ্যা
স্পষ্ট দৃষ্টির নিকট বিন্দু: 
- মানুষ তার চোখের লেন্সে ফোকাস দূরত্ব বাড়িয়ে বা কমিয়ে একটা বস্তুকে সবসময় স্পষ্ট দেখার চেষ্টা করে। 
- কিন্তু লক্ষ্যবস্তু চোখের কাছাকাছি একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে বেশি কাছে এলে আর স্পষ্ট দেখা যায় না। 
- চোখের সবচেয়ে কাছের যে বিন্দু পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুকে খালি চোখে স্পষ্ট দেখা যায়, তাকে স্পষ্ট দৃষ্টির নিকট বিন্দু বলে এবং চোখ থেকে ঐ বিন্দুর দূরত্বকে স্পষ্ট দৃষ্টির ন্যূনতম দূরত্ব ধরে নেওয়া হয়। 
- এই দূরত্ব মানুষের বয়সের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। 
- একজন শিশুর এই দূরত্ব ৫ সেন্টিমিটারের কাছাকাছি এবং একজন স্বাভাবিক বয়স্ক লোকের এই দূরত্ব ২৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। 
- দূর বিন্দু চোখ থেকে অসীম দূরত্বে অবস্থান করে। এ কারণে বহুদূরের নক্ষত্রও খালি চোখে দেখা যায়। 
- সুস্থ ও স্বাভাবিক চোখ “নিকট বিন্দু” (near point) থেকে শুরু করে অসীম দূরত্বের দূর বিন্দুর মাঝখানে যে স্থানেই কোন বস্তু থাকুক না কেন সেটা স্পষ্ট দেখতে পারে। আর এটাই হচ্ছে চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬২৩.
সাবমেরিন থেকে সমুদ্রের উপরের জাহাজ দেখার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. মাইক্রোস্কোপ
  2. টেলিস্কোপ
  3. পেরিস্কোপ
  4. বাইনোকুলার
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা আমরা দেখতে পাই। 

- পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে। 
- দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। 
- এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। 
- স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। 
- এছাড়া বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
১,৬২৪.
পদার্থ এবং শক্তিকে অভিন্নরূপে দেখান -
  1. ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. খ) আইজ্যাক নিউটন
  3. গ) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
  4. ঘ) নিকোলাস কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দেখান যে, পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন।

E = mc2, একে আইনস্টাইনের পদার্থ ও শক্তির অভিন্নতা বিষয়ক সূত্র বলা হয়। পদার্থকে শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়।
এখানে, 
E = শক্তি,
m = ভর,
c = আলোর বেগ।

আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব:

বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বিজ্ঞান জগতে এক নতুন যুগের সূচনা হয় । আর এ নতুন যুগের সূচনা করেন বিজ্ঞানী আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।

চিরায়ত বলবিজ্ঞানের মতে স্থান, কাল এবং ভর ধ্রুব।
আইনস্টাইন এগুলো সম্পর্কে চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, স্থান, কাল এবং ভর এগুলো পরম কিছু নয়; এগুলো আপেক্ষিক। সুতরাং আইনস্টাইনের এ তত্ত্বকে বলা হয় আপেক্ষিকতা তত্ত্ব।

আপেক্ষিকতা তত্ত্বটি দুটো ভাগে বিভক্ত। এগুলো হলো:
(ক) আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব (Special theory of relativity) এবং
(খ) আপেক্ষিকতার সার্বিক তত্ত্ব (General theory of relativity)


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র; একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)
১,৬২৫.
দেশলাই কাঠিতে কোনটি থাকে না?
  1. ক) জিংক ও বেরিয়াম লবণ
  2. খ) ক্যালসিয়াম সিলিকেট
  3. গ) পটাশিয়াম সিলিকেট
  4. ঘ) সবকটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবকটি
ব্যাখ্যা
- কাঠজাতীয় কাঠি দিয়ে দিয়াশলাই প্রস্তুত করা হয়।
- দেশলাইয়ের কাঠির মাথায় লোহিত ফসফরাস থাকে।
- কাঠিতে ঘর্ষণের ফলে উৎপন্ন তাপের ফলে লোহিত ফসফরাস শ্বেত ফসফরাসে রূপান্তরিত হয়।

উৎস : পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬২৬.
বিভবশক্তির সূত্র কোনটি?
  1. Ep = 1/2(mv2)
  2. Ep = mv
  3. Ep = gh
  4. Ep = mgh
সঠিক উত্তর:
Ep = mgh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ep = mgh
ব্যাখ্যা

• বিভবশক্তি বস্তুর ভর (m), উচ্চতা (h) এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ (g)-এর ওপর নির্ভরশীল, তাই এর গাণিতিক প্রকাশ Ep = mgh.

• বিভবশক্তি (Potential Energy):
- বিভবশক্তি হলো কোনো বস্তুর অবস্থানজনিত শক্তি।
- কোনো বস্তু ভূপৃষ্ঠ থেকে যত উচ্চতায় অবস্থান করে, তার বিভবশক্তি তত বেশি হয়।
- বিভবশক্তি বস্তুর ভর এবং উচ্চতার ওপর নির্ভর করে।
- বিভবশক্তির সূত্র: Ep = mgh.
- এখানে, m = বস্তুর ভর, g = অভিকর্ষজ ত্বরণ, h = ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা।
- যখন কোনো বল ঢাল বরাবর নিচের দিকে নামে, তখন তার উচ্চতা ক্রমশ কমতে থাকে।
- উচ্চতা কমার ফলে বিভবশক্তিও কমে যায়।

• গতিশক্তি (Kinetic Energy):
- গতিশক্তি হলো বস্তুর চলনের কারণে সৃষ্ট শক্তি।
- কোনো বস্তু স্থির অবস্থা থেকে চলতে শুরু করলে তার গতিশক্তি সৃষ্টি হয়।
- গতিশক্তি বস্তুর ভর এবং বেগ উভয়ের ওপর নির্ভরশীল।
- যখন বল নিচের দিকে গড়িয়ে পড়ে, তখন তার বেগ বৃদ্ধি পায়।
- বেগ বৃদ্ধির ফলে গতিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।
- বিভবশক্তি কমার সঙ্গে সঙ্গে গতিশক্তি বৃদ্ধি পাওয়া লক্ষ্য করা যায়।

• শক্তির রূপান্তর সম্পর্কিত ধারণা:
- উচ্চ স্থানে অবস্থানরত বস্তুর বিভবশক্তি বেশি এবং গতিশক্তি কম থাকে।
- বস্তু নিচের দিকে নামার সময় বিভবশক্তি কমে এবং গতিশক্তি বৃদ্ধি পায়।
- এই প্রক্রিয়ায় শক্তির এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তন ঘটে।

• অন্যান্য অপশন:
Ep = 1/2(mv2) — এটি গতিশক্তির সূত্র।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান , নবম-দশম শ্রেণি।

১,৬২৭.
খুব অল্প পরিমাণ জিনিসের ভর সূক্ষ্মভাবে মাপতে কোন যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. স্ক্রু গজ
  2. তুলা যন্ত্র
  3. স্লাইড ক্যালিপার্স
  4. ডিজিটাল স্কেল
সঠিক উত্তর:
তুলা যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা যন্ত্র
ব্যাখ্যা
তুলা যন্ত্র: 
- পদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নে খুব অল্প পরিমাণ জিনিসের ভর সূক্ষ্মভাবে মাপার জন্য তুলা যন্ত্র ব্যবহৃত হয়। 
- তখন সাধারণ নিক্তির সাহায্যে তা পরিমাপ করা সম্ভব হয় না। 
- বস্তু বা পদার্থের ভর যত কম হবে, তার ভর পরিমাপের জন্য তত সুক্ষ্ম নিক্তির প্রয়োজন হবে। 
- এই রকম একটি নিক্তি হল তুলা যন্ত্র। 
- পদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নের ল্যাবরেটরীতে খুব অল্প পরিমাণ নমুনার ভর পরিমাপ করতে এই যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬২৮.
সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য অভিকর্ষজ ত্বরণের - 
  1. সমানুপাতিক
  2. ব্যস্তানুপাতিক
  3. বর্গের সমানুপাতিক
  4. বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
সমানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমানুপাতিক
ব্যাখ্যা
সেকেন্ড দোলক (Second Pendulum): 
- যে সরল দোলকের দোলনকাল দুই সেকেন্ড অর্থাৎ যে দোলকের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে এক সেকেন্ড সময় লাগে তাকে সেকেন্ড দোলক বলে। 
- সেকেন্ড দোলক ১ সেকেন্ডে একটি অর্ধদোলন সম্পন্ন করে। 

সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য: 
- সেকেন্ড দোলকের দোলনকাল, T = 2 s 
আমরা জানি, 
সরল দোলকের দোলনকাল, T = 2π √(L/g) 
∴ সেকেন্ড দোলকের জন্য, 2 s = 2π √(L/g) 
বা, L = gs22 
সুতরাং দেখা যায় যে, সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর নির্ভর করে। 
- সেকেন্ড দোলকের দৈর্ঘ্য অভিকর্ষজ ত্বরণের সমানুপাতিক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
১,৬২৯.
ক্ষার জলীয় দ্রবণে কোন আয়ন দান করে? 
  1. Cl
  2. Na
  3. H
  4. OH-
সঠিক উত্তর:
OH-
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OH-
ব্যাখ্যা

ক্ষার: 
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সব হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে। 
- ক্ষার বা ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে। 
- ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে। 

তীব্র ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত হয়, তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- NaOH, KOH, Ca(OH)2 ইত্যাদি। 

মৃদু ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয়, তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- NH4OH, Fe(OH)2, Fe(OH)3, Al(OH)3 ইত্যাদি। 
- ক্ষার পানিতে দ্রবণীয়। 
- ক্ষারের জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাসকে নীল করে। 
- ক্ষারের জলীয় দ্রবণকে স্পর্শ করলে সাবানের ন্যায় পিচ্ছিল মনে হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৩০.
ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা সমান হলে কী ঘটে?
  1. ভোল্টেজ দশ গুণ কমে যায়
  2. ভোল্টেজ শূন্যে নেমে যায়
  3. ভোল্টেজ দ্বিগুণ হয়
  4. ভোল্টেজ অপরিবর্তিত থাকে 
সঠিক উত্তর:
ভোল্টেজ অপরিবর্তিত থাকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোল্টেজ অপরিবর্তিত থাকে 
ব্যাখ্যা

- ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা সমান হলে ভোল্টেজ অপরিবর্তিত থাকে, কারণ ভোল্টেজ পরিবর্তনের অনুপাত প্যাঁচসংখ্যার অনুপাতের সমান; তাই Np = Ns হলে Vs = Vp হয়, যা একটি আইসোলেশন ট্রান্সফরমার হিসেবে কাজ করে এবং ভোল্টেজ বাড়ায়ও না কমায়ও না। 

ট্রান্সফরমার: 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- তড়িচ্চালক শক্তি বা EMF পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানোর প্রক্রিয়াকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়। 
- যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- ট্রান্সফরমারের দুই পাশে কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা যদি সমান হয়, তাহলে বাম দিকে যে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হবে ডান দিকে ঠিক সেই এসি ভোল্টেজ ফেরত পাওয়া যাবে। 
- ডান দিকে প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ বেশি হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ বেশি হবে। প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ কম হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ কম হবে। আবার, বাম দিকের কয়েল যেখানে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তার নাম প্রাইমারি কয়েল বা মুখ্য কুণ্ডলী এবং ডান দিকে যেখানে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয় তার নাম সেকেন্ডারি কয়েল বা গৌণ কুণ্ডলী। 

স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার: 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। 
- বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 

স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার: 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৬৩১.
নিচের কোনটিতে  ফিউশন বিক্রিয়া ঘটে? 
  1. ক) পারমাণবিক বোমা 
  2. খ) হাইড্রোজেন বোমা
  3. গ) জার বোমা
  4. ঘ) রাসায়নিক বোমা
সঠিক উত্তর:
খ) হাইড্রোজেন বোমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাইড্রোজেন বোমা
ব্যাখ্যা
যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে এক বা একাধিক ভিন্ন মৌলের পরমাণু তৈরি করে তাই নিউক্লিয় ফিউশন (fusion) বিক্রিয়া। যেমন -
হাইড্রোজেনের দুইটি আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম যুক্ত হয়ে হিলিয়াম তৈরি করে থাকে। 
এই বিক্রিয়াটি সূর্যে ঘটে থাকে।
ফিউশন বিক্রিয়াকে মূলনীতি হিসেবে ধরে হাইড্রোজেন বোমা তৈরি করা হয়।

অপরদিকে যে নিউক্লিয় বিক্রিয়ায় একটি পরমাণু ভেঙ্গে (জোড়পূর্বক অথবা স্বতঃস্ফূর্ত) একাধিক হালকা ভিন্ন মৌলের পরমাণু তৈরি করে তাই ফিশন (fission) বিক্রিয়া। যেমন- 
পারমাণবিক চুল্লিতে ইউরেনিয়াম পরমাণুকে একটি নিউট্রন দ্বারা আঘাত করে এর ফিশন ঘটানো হয়।
ফিশন বিক্রিয়াকে মূলনীতি হিসেবে ধরে পারমাণবিক বোমা তৈরি করা হয়।

উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান
১,৬৩২.
সময়ের সাথে সরণের পরিবর্তনের হারকে কী বলে? 
  1. দূরত্ব
  2. ত্বরণ
  3. দ্রুতি
  4. বেগ
সঠিক উত্তর:
বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ
ব্যাখ্যা
বেগ: 
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের পরিবর্তনের হারকে বেগ বলে। 
- কোনো নির্দিষ্ট দিকে দ্রুতিকে বলা হয় বেগ। 
- বেগের মান বলার সাথে দিকও উল্লেখ করতে হয়। কারণ, বেগের মান ও দিক উভয়ই আছে। 
- কিন্তু দ্রুতির শুধু মান আছে। 
- ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পাকদৌড়ে প্রতি সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্বই হলো দ্রুতি। 
- দ্রুতির কোনো নির্দিষ্ট দিক নেই, শুধু মান আছে। 
- নির্দিষ্ট কোনো দিকে ১০০ মিটার দৌড়ে প্রতি সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব হলো বেগ। 
- কোনো নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে কোনো বস্তুর সরণ হলো ঐ বিন্দু থেকে নির্দিষ্ট দিকে দূরত্বের সমান। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,৬৩৩.
পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কিত সূত্রগুলো কোন বিজ্ঞানী প্রদান করেন? 
  1. গ্যালিলিও 
  2. কেপলার 
  3. নিউটন 
  4. আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও 
ব্যাখ্যা

পড়ন্ত বস্তুর সূত্র (Laws of Falling Bodies):
- সমত্বরণের একটি চমকপ্রদ উদাহরণ হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ g, এর প্রভাবে যেকোনাে বস্তু উপর থেকে ছেড়ে দিলে এটি গতিশীল হয়ে নিচের দিকে নামতে থাকে। 
- সূত্রগুলো একমাত্র স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 
- পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও তিনটি সূত্র প্রদান করেন। 
যেমন- 
১। প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে। 

২। দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∝ t. 

৩। তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, h ∝ t2

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৩৪.
Air conditioner এর capacity প্রকাশ করা হয়-
  1. ক) Watt
  2. খ) HP
  3. গ) KW-h
  4. ঘ) Tons
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) Tons
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Tons
ব্যাখ্যা
Tons এর মাধ্যমে AC-এর মান প্রকাশ করা হয়।
১,৬৩৫.
গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩টি
ব্যাখ্যা
1618 খ্রিস্টাব্দে ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলার (Johann Kepler) সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্ৰ করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে নামকরণ করা হয়েছে কেপলার এর গ্রহ সম্পৰ্কীয় গতিসূত্র।
১,৬৩৬.
যদি একটি লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ২ মিটার হয়, তবে তার ক্ষমতা কত হবে? 
  1. ০.২ ডায়াপ্টর
  2. ০.৫ ডায়াপ্টর
  3. ২.০ ডায়াপ্টর
  4. ৫.০ ডায়াপ্টর
সঠিক উত্তর:
০.৫ ডায়াপ্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৫ ডায়াপ্টর
ব্যাখ্যা
লেন্সের ক্ষমতা: 
- প্রধান অক্ষের সমান্তরাল এক গুচ্ছ আলোকরশ্মিকে উত্তল লেন্স কেন্দ্রীভূত বা অভিসারী করে এক বিন্দুতে মিলিত করে। 
- অপরদিকে অবতল লেন্স একগুচ্ছ সমান্তরাল রশ্মিকে অপসারী করে; ফলে ঐ রশ্মিগুচ্ছ কোনো একটি বিন্দু থেকে অপসারিত হচ্ছে বা ছড়িয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়। 
- আলোকরশ্মিকে অভিসারী বা অপসারী করার প্রক্রিয়াটি পরিমাপ করার জন্য লেন্সের "ক্ষমতা" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ১-কে লেন্সের ফোকাস দূরত্ব (মিটারে প্রকাশ করে) দিয়ে ভাগ করা হলে লেন্সের ক্ষমতা পাওয়া যায়, যার একক হল ডায়াপ্টর। 
অর্থাৎ, একটি উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ২ মিটার হলে তার ক্ষমতা হবে ১/২ ডায়াপ্টর বা ০.৫ ডায়াপ্টর। 
- লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক বা ঋণাত্মক দুই-ই হতে পারে। 
- কোনো লেন্সের ক্ষমতা +1D বলতে বোঝায়, লেন্সটি উত্তল এবং এটি প্রধান অক্ষের ১ মিটার দূরে আলোকরশ্মিগুচ্ছকে মিলিত করবে। 
- আবার লেন্সের ক্ষমতা -2D হলে বুঝতে হবে লেন্সটি অবতল এবং এটি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোকরশ্মিকে এমনভাবে অপসারিত করে যে, এগুলো কোনো লেন্স থেকে ১/২ মিটার বা ৫০ সেমি দূরের কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৩৭.
জৈব যৌগের প্রধান রসায়নিক উপাদান কোনটি?
  1. লোহা
  2. সোডিয়াম
  3. ক্যালসিয়াম
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা

• জৈব যৌগের প্রধান রসায়নিক উপাদান হলো কার্বন। কারণ জীবজগতে উপস্থিত সব প্রজাতির অণু মূলত কার্বন দ্বারা গঠিত। কার্বন বিভিন্ন পরমাণুর সঙ্গে স্থায়ী বন্ধন সৃষ্টি করতে পারে, যা জটিল ও বড় অণু তৈরিতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, প্রোটিন, লিপিড, শর্করা এবং নিউক্লিক অ্যাসিড- কার্বনের ভিত্তিতে গঠিত। কার্বনের এই বৈশিষ্ট্য জৈব যৌগকে স্থিতিশীল এবং বৈচিত্র্যময় করে তোলে। লোহা, সোডিয়াম বা ক্যালসিয়াম জীবকোষে থাকা খনিজ উপাদান হলেও, জৈব যৌগের মূল কাঠামো গঠনে তারা ভূমিকা রাখে না। তাই জৈব রসায়নে কার্বনকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ধরা হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) কার্বন।
 
• জৈব যৌগ:
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।'
যেমন:- মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি।

• কার্বনের ক্যাটেনেশন ধর্মের কারণে এটি জৈব যৌগের প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়।

• জৈব যৌগের বৈশিষ্ট্য:
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, সালফার প্রভৃতি মৌল যুক্ত থাকে।  
- প্রধানত সমযোজী বন্ধন দ্বারা গঠিত হয়। 
- নিম্ন গলনাঙ্ক ও নিম্ন স্ফুটনাংক বিশিষ্ট হয়।
- জৈব যৌগ পোলার দ্রাবক যেমন পানিতে অদ্রবণীয়, কিন্তু জৈব দ্রাবক যেমন, ইথার ও বেনজিনে দ্রবণীয়। তবে হাইড্রক্সিল মূলক যুক্ত যৌগ (চিনি, অ্যালকোহল) পানিতে দ্রবণীয়।
-জৈব যৌগের দহনের পর কোনো অবশেষ থাকে না। 
-জৈব যৌগ গলিত অবস্থায় বা দ্রবণে আয়নিত হয় না বলে তড়িৎ বিশ্লেষ্য নয়। অর্থাৎ বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ অপরিবাহী।
-জৈব বিক্রিয়ার কৌশল জটিল ও মন্থর গতির হয়।

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৩৮.
ইপসম লবণের রাসায়নিক সংকেত কী?
  1. ZnSO4.7H2O
  2. CuSO4.5H2O
  3. FeSO4.7H2O
  4. MgSO4.7H2O
সঠিক উত্তর:
MgSO4.7H2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MgSO4.7H2O
ব্যাখ্যা
• ইপসম লবণের সংকেত MgSO4.7H2O ।

• বিভিন্ন যৌগের রাসায়নিক সংকেত:
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O,
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl.
- ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত- CHCl3,
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3,
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O,
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa,
- সাদা ভিট্রিওলের সংকেত - ZnSO4.7H2O।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৬৩৯.
একটি m ভরের বস্তু দেয়ালে ছুড়লে v বেগে আঘাত করে, তারপর একই বেগে উল্টো দিকে ফিরে আসে। এই প্রক্রিয়ায় বস্তুটির ভরবেগের পরিবর্তন কত হবে? 
  1. 0
  2. mv
  3. 2mv
  4. mv/2
সঠিক উত্তর:
2mv
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2mv
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি m ভরের বস্তু দেয়ালে ছুড়লে v বেগে আঘাত করে, তারপর একই বেগে উল্টো দিকে ফিরে আসে। এই প্রক্রিয়ায় বস্তুটির ভরবেগের পরিবর্তন কত হবে? 

সমাধান: 
ছুড়ে দেওয়ার সময় ভরবেগ p = mv, 
দেয়ালে আঘাত করে ঠিক উল্টো দিকে ফিরে আসার সময় ভরবেগ হচ্ছে p' = - mv 
কাজেই ভরবেগের পরিবর্তন: 
p - p' = mv – (- mv) = 2mv 
অর্থাৎ, একটি m ভরের বস্তু দেয়ালে ছুড়লে v বেগে আঘাত করে, একই বেগে উল্টো দিকে ফিরে আসায় বস্তুটির ভরবেগের পরিবর্তন হবে: 2mv, 
-এই পরিবর্তনের জন্য টেনিস বলটার উপর দেয়ালটা খুব অল্প সময়ের জন্য বল প্রয়োগ করেছে। 
- ক্রিকেট খেলার সময় ব্যাটসম্যানরা এভাবে ব্যাট দিয়ে খুব অল্প সময়ের জন্য ক্রিকেট বলকে আঘাত করে ভরবেগের পরিবর্তন করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৪০.
সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপ করতে কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়? 
  1. সেক্সট্যান্ট 
  2. ক্রোনােমিটার 
  3. ম্যানোমিটার 
  4. ফ্যাদোমিটার 
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট 
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র: 
• অ্যানিমোমিটার - বায়ু প্রবাহের গতিবেগ নির্ণয়ের যন্ত্র। 
• ব্যারােমিটার - বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
সেক্সট্যান্ট - সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র। 
• সিসমোগ্রাফ - ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র। 
ম্যানােমিটার - গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র। 
ফ্যাদোমিটার - সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 
• জাইরাে কম্পাস - জাহাজের দিক নির্ণয়ের যন্ত্র। 
ক্রোনােমিটার - সমুদ্রের দ্রাঘিমা নির্ণয়ের যন্ত্র বা সূক্ষ্মভাবে সময় পরিমাপ করার যন্ত্র। 

উৎস: উচ্চ-মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান এবং ব্রিটানিকা।

১,৬৪১.
MKS পদ্ধতিতে ভরের একক-
  1. কিলোগ্রাম
  2. পাউন্ড
  3. গ্রাম
  4. আউন্স
সঠিক উত্তর:
কিলোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিলোগ্রাম
ব্যাখ্যা
• এম.কে.এস. পদ্ধতি বা মিটার-কিলোগ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতিতে
- দৈর্ঘ্যের একক মিটার।
- ভরের একক কিলোগ্রাম।
- সময়ের একক সেকেন্ড।

• সি.জি.এস. পদ্ধতি বা সেন্টিমিটার-গ্রাম-সেকেন্ড পদ্ধতিতে
- দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার।
- ভরের একক গ্রাম।
- সময়ের একক সেকেন্ড।

• এফ.পি.এস পদ্ধতিতে
- দৈর্ঘ্যের একক ফুট।
- ভরের একক পাউন্ড।
- সময়ের একক সেকেন্ড।

উৎস:
১. পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
১,৬৪২.
গামা রশ্মির কোন আলোকীয় ধর্ম আছে? 
  1. ব্যতিচার
  2. প্রতিসরণ
  3. প্রতিফলন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি: 
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ। 
- গামা রশ্মি আলোর ন্যায় বেগে গতিশীল। 
- গামা রশ্মির কোনো চার্জ ও ভর নাই। 
- গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে। 
- গামা রশ্মি ফটোগ্রাফিক পেণ্টটের উপর বিক্রিয়া করে। 
- গামা রশ্মির আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম। 
- জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে। 
- গামা রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৬৪৩.
সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কোন ধরনের পরিবর্তন হয়?
  1. তাপীয় পরিবর্তন
  2. বৈদ্যুতিক পরিবর্তন
  3. রাসায়নিক পরিবর্তন
  4. ভৌত পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
- পরিবেশে সবসময় নানা ধরনের পরিবর্তন ঘটছে।  
- একটুকরা লোহাকে খোলা অবস্থায় বাতাসে কিছুদিন রেখে দিলে তার উপর এক প্রকার আবরণ পড়ে, এটিকে মরিচা বলে। আবার তাপদিলে বরফ গলে পানি হয় ও পানি এক সময়ে আরো তাপে বাষ্পে পরিণত হয়। 
- পরিবেশে সব সময় পদার্থের দুই প্রকারের পরিবর্তন ঘটে। 
যেমন- একটি হলো ভৌত পরিবর্তন ও অপরটি হলো রাসায়নিক পরিবর্তন। 

ভৌত পরিবর্তন (Physical Change): 
- ভৌত পরিবর্তনে কোনো নতুন অণু বা পরমাণুর সৃষ্টি হয় না, বরং পদার্থের অবস্থা (যেমন, ভৌত অবস্থা, বৈদ্যুতিক অবস্থা বা চৌম্বক অবস্থা) পরিবর্তিত হয়। 
উদাহরণস্বরূপ: 
ইস্পাতের চুম্বকত্ব: 
- ইস্পাতকে চুম্বক দ্বারা ঘর্ষণ করলে এটি একসময় লোহাকে আকর্ষণ করার ক্ষমতা পায়, তবে এতে ইস্পাতের গঠন বা উপাদানে কোনো পরিবর্তন হয় না, শুধুমাত্র তার চৌম্বক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। 

লবণ দ্রবণ: 
- খাবার লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে দ্রবণ তৈরি হলে এবং পরে উত্তপ্ত করলে পানি বাষ্পীভূত হয়ে যায়, এবং শুধু লবণই অবশিষ্ট থাকে। এতে লবণের গঠন বা সংযোগে কোনো পরিবর্তন ঘটছে না, কেবল অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। 

অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের পরিবর্তন: 
- তাপে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড বাষ্পীভূত হয়ে শীতল স্থানে জমা হয়, তবে এতে কোনো নতুন উপাদান তৈরি হচ্ছে না, শুধুমাত্র অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। 

রাসায়নিক পরিবর্তন (Chemical Change): 
- রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থের পরমাণু বা আণবিক গঠন পরিবর্তিত হয় এবং নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয়। 
উদাহরণস্বরূপ: 
জ্বালানি পুড়ানোর মাধ্যমে রাসায়নিক পরিবর্তন: 
- কয়লা, কাঠ, প্রাকৃতিক গ্যাস, কেরোসিন ইত্যাদি পুড়িয়ে তাপ, আলো এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন হয়। এই পরিবর্তনে কার্বন (C) ও অক্সিজেন (O2) একত্রিত হয়ে নতুন পদার্থ CO2 সৃষ্টি করে, এবং এতে তাপশক্তির পরিবর্তন ঘটে। 

মিথেনের দহন: 
- মিথেন (CH4) ও অক্সিজেন (O2) জ্বালালে CO2 ও পানির (H2O) সৃষ্টি হয়। এতে মূল পদার্থের গঠন পরিবর্তিত হয়ে নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয়, যা রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ। 

শরীরের পুষ্টি প্রক্রিয়া: 
- দেহে খাবার খাওয়ার পর পাকস্থলী ও অন্ত্রের মাধ্যমে খাবারের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে, যা শক্তি ও পুষ্টি প্রদান করে। 

উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ: 
- উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে CO2 ও পানি গ্রহণ করে, এবং ক্লোরোফিলের সাহায্যে স্টার্চ বা সেলুলোজ উৎপন্ন করে। এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন, কারণ নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৪৪.
দৈর্ঘ্যের আপেক্ষিকতা সম্পর্কে সঠিক বিবৃতি কী?
  1. দৈর্ঘ্য পরম রাশি
  2. দৈর্ঘ্য সকল কাঠামোতে সমান থাকে
  3. দৈর্ঘ্যের পরিমাপ আপেক্ষিক কাঠামোর গতির উপর নির্ভরশীল
  4. উপরের সবগুলোই সঠিক বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্যের পরিমাপ আপেক্ষিক কাঠামোর গতির উপর নির্ভরশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্যের পরিমাপ আপেক্ষিক কাঠামোর গতির উপর নির্ভরশীল
ব্যাখ্যা
- লরেঞ্জ রূপান্তর বিধি অনুসারে, স্থানাঙ্ক এবং সময়াঙ্ক জড় কাঠামোর আপেক্ষিক বেগের উপর নির্ভরশীল। 
- সুতরাং দৈর্ঘ্য এবং সময় পরম হতে পারে না। 
- দৈর্ঘ্য ও সময়ের আপেক্ষিকতার বিষয়গুলো আইনস্টইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায়। 

দৈর্ঘ্যের আপেক্ষিকতা: 
- কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্যের পরিমাপ সকল কাঠামোতে সমান নয় অর্থাৎ দৈর্ঘ্যের পরিমাপ পরম নয়। 
- এর দৈর্ঘ্য পর্যবেক্ষক ও বস্তুর মধ্যে আপেক্ষিক গতির উপর নির্ভরশীল। 
- সুতরাং কোনো বস্তুর দৈর্ঘ্যের পরিমাপ আপেক্ষিক। 

সময়ের আপেক্ষিকতা: 
- সময়ের পরিমাপ সকল কাঠামোতে সমান নয় অর্থাৎ সময়ের পরিমাপ পরম নয়।
- দুটি জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর মধ্যে যদি আপেক্ষিক গতি থাকে তবে এই দুই কাঠামোতে অবস্থিত দুইজন পর্যবেক্ষকের নিকট সংঘটিত দুটি ঘটনার মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান সমান হবে না। 

ভরের আপেক্ষিকতা: 
- ভরের পরিমাপ সকল কাঠামোতে সমান নয় অর্থাৎ ভর পরম নয়। 
- দুটি জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর মধ্যে যদি আপেক্ষিক গতি থাকে তবে একই ভরের কোনো বস্তু দুই কাঠামোতে অবস্থিত দুইজন পর্যবেক্ষকের নিকট বস্তুটির পরিমাপকৃত বস্তুর ভর সমান হবে না। 
- স্থির জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের নিকট বস্তুর ভর গতিশীল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের পরিমাপকৃত বস্তুর ভর অপেক্ষা বেশি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৪৫.
কোন মৌল হাইড্রোকার্বনের মূল উপাদান হিসেবে কাজ করে?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. কেরোসিন
  3. মোম
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• হাইড্রোকার্বন হলো কার্বন এবং হাইড্রোজেন পরমাণুর সংমিশ্রণে গঠিত যৌগ। প্রাকৃতিক গ্যাস, কেরোসিন, এবং মোম—এই সবই মূলত হাইড্রোকার্বন থেকে তৈরি। প্রাকৃতিক গ্যাস প্রধানত মিথেনের সমন্বয়ে গঠিত, যা সহজ একটি হাইড্রোকার্বন। কেরোসিন তেল থেকে প্রাপ্ত একটি ফ্র্যাকশন, যা লম্বা চেইনের হাইড্রোকার্বন নিয়ে গঠিত। মোমও বিশেষ ধরনের লিপিড এবং হাইড্রোকার্বনের বড় চেইন দ্বারা গঠিত। সুতরাং, এই তিনটি পদার্থই হাইড্রোকার্বনের উপর নির্ভরশীল। তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো “ঘ) সবগুলোই”, কারণ সবগুলোই হাইড্রোকার্বনকে মূল উপাদান হিসেবে ব্যবহার করে।

হাইড্রোকার্বন: 
- হাইড্রোকার্বন হলো শুধু কার্বন ও হাইড্রোজেন এর সমন্বয়ে গঠিত যৌগ। 
যেমন - মিথেন (CH4), ইথিন (C2H4), বেনজিন (C6H6) ইত্যাদি। 
- যৌগগুলোতে কার্বন আর হাইড্রোজেন ছাড়া আর কোনো মৌল নেই। 
- হাইড্রোকার্বন মূলত দুই প্রকার। 
যথা - 
(i) অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন ও 
(ii) অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন। 

- কেরোসিন, প্রাকৃতিক গ্যাস, মোম এগুলোর মূল উপাদান হাইড্রোকার্বন। 
- হাইড্রোকার্বন হচ্ছে কার্বন আর হাইড্রোজেনের যৌগ। 
- তাই যখন এগুলোর দহন ঘটে তখন বাতাসের অক্সিজেনের সাথে এগুলোর বিক্রিয়া হয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলো আর তাপশক্তির সৃষ্টি হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৬৪৬.
5Ω, 7Ω ও 10Ω মানের তিনটি রোধ শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত থাকলে তাদের তুল্য রোধ হবে- 
  1. 19Ω
  2. 22Ω
  3. 0.4Ω
  4. 10Ω
সঠিক উত্তর:
22Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
22Ω
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5Ω, 7Ω ও 10Ω মানের তিনটি রোধ শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত থাকলে তাদের তুল্য রোধ হবে-

দেওয়া আছে, 
রোধ, R1 = 5Ω, 
রোধ, R2 = 7Ω এবং 
রোধ, R3 = 10Ω. 

যেহেতু রোধ তিনটি শ্রেণি সমবায়ে সংযুক্ত সুতরাং তুল্য রোধ, R = R1 + R2 + R3 
= 5Ω + 7Ω + 10Ω 
= 22Ω 

সঠিক উত্তর- খ) 22Ω

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৪৭.
Transformer ও Conservator এর মধ্যে কোন রিলে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) পটেনশিয়াল
  2. খ) বুখলজ
  3. গ) ডিফারেনশিয়াল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) বুখলজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বুখলজ
ব্যাখ্যা
বুখলজ রিলে:

- বুখলজ রিলে (Buchholz Relay) হলো একটি প্রটেক্টিভ ডিভাইস যা সাধারণত বড় বড় ট্রান্সফর্মার যেমন 500Kva এর বেশি রেটিং এর ট্রান্সফর্মার গুলোতে ব্যবহার করা হয়।
- এটি এক ধরনের গ্যাস একচুয়েটেড প্রটেক্টিভ রিলে। এই রিলে ট্রান্সফরমারের মেন ট্যাংক এবং কনজারভেটর ট্যাংকের সংযোগকারী পাইপের মধ্যবর্তী স্থানে লাগানো থাকে।

উৎস:
electricalEasy.
১,৬৪৮.
নিঃশ্বাসের শব্দের তীব্রতার মাত্রা কত?
  1. 5db
  2. 10db
  3. 20db
  4. 30db
সঠিক উত্তর:
10db
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10db
ব্যাখ্যা
• স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসে শব্দের তীব্রতা লেভেল 10 dB

শব্দ:
শব্দ এক প্রকার শক্তি। বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এটি অগ্রগামী দীঘল তরঙ্গ আকারে মাধ্যমের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়।

শব্দের প্রাবল্য বা তীব্রতা:
শব্দ বিস্তারের অভিমুখে লম্বভাবে কল্পিত একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ শব্দ শক্তি প্রবাহিত হয় তাকে শব্দের তীব্রতা বলে।

শব্দের তীব্রতার নিয়ামক সমূহ:
শব্দ তরঙ্গের বিস্তার, কম্পাঙ্ক,মাধ্যমের ঘনত্ব,শব্দের উৎস থেকে শ্রোতার দূরত্ব, মাধ্যমে শব্দের বেগ, শব্দ উৎসের আকার ও ধরন, শ্রোতা ও মাধ্যমের গতি প্রকৃতি শব্দের তব্রতার নিয়ামক।



উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৪৯.
আলোর বেগ কত?
  1. ক) 30000 km/s
  2. খ) 300000 km/s
  3. গ) 300000 m/s
  4. ঘ) 30000 m/s
সঠিক উত্তর:
খ) 300000 km/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 300000 km/s
ব্যাখ্যা
- আলাে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলােমিটার পথ অতিক্রম করে।
- অর্থাৎ আলোর বেগ 300000 km/s . 
- এই বেগে ১ বছরে যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ১ আলােক বর্ষ বলে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলাে আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট।

উৎস: ভূগােল ও পরিবেশ-৯ম-১০ম শ্রেণি।
১,৬৫০.
নিচের কোন আয়নটি শিখা পরীক্ষায় পোড়া ইটের মতো লাল বর্ণ সৃষ্টি করে?
  1. Ca2+
  2. Cu2+
  3. Na+
  4. K+
সঠিক উত্তর:
Ca2+
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ca2+
ব্যাখ্যা

• ক্যালসিয়াম আয়ন (Ca2+) শিখায় পোড়া ইটের মতো লাল বর্ণ প্রদর্শন করে।

• শিখা পরীক্ষা:
- শিখা পরীক্ষা হলো একটি গুণগত বিশ্লেষণ পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোনো অজৈব লবণে উপস্থিত ধাতব আয়ন (Cation) শনাক্ত করা হয়।
- লবণের সাথে গাঢ় HCl মিশিয়ে বুনসেন বার্নারের শিখায় ধরলে নির্দিষ্ট ধাতু নির্দিষ্ট বর্ণ প্রদর্শন করে।
- যেমন: 
• ক্যালসিয়ামের জন্য পোড়া ইটের মতো লাল।
• সোডিয়াম আয়ন থেকে সোনালী হলুদ।
• পটাশিয়াম আয়ন থেকে হালকা বেগুনি।
• কপার আয়নের থেকে নীল-সবুজ।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)। 

১,৬৫১.
নাইক্রোমের তার ব্যবহৃত হয় কোন যন্ত্রে?
  1. ক) Bulb
  2. খ) Filament
  3. গ) Iron
  4. ঘ) Glass
সঠিক উত্তর:
গ) Iron
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Iron
ব্যাখ্যা
বৈদ্যুতিক হিটার ও ইস্ত্রি (Electric heater and Iron)
এই সমস্ত যন্ত্রের মধ্যে তাপ সৃষ্টিকারী একটি রোধ কুন্ডলী থাকে।
কুন্ডলীটি নাইক্রোম নামক একটি সংকর ধাতুর তৈরি।
এই কুন্ডলীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে কুন্ডলীটি উত্তপ্ত হয়; ফলে যন্ত্রটিও গরম হয়।

উৎস : পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৫২.
‘মিল্ক অফ ম্যাগনেসিয়া’ - নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড
  2. ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ফেরিক অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড এর সাসপেনশন ‘মিল্ক অফ ম্যাগনেসিয়া’ নামেই অধিক পরিচিত।
আমাদের পাকস্থলীতে এসিডিটি হলে আমরা যে এন্টাসিড ওষুধ খাই তা মূলত ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড যা সাসপেনশন ও ট্যাবলেট দুইভাবে পাওয়া যায়।কখনো কখনো এন্টাসিডে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইডও থাকে।
সূত্রঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী
১,৬৫৩.
যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা সমান নয় তাদের বলা হয়-
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোমার
  3. আইসোটোন
  4. আইসোবার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোন
ব্যাখ্যা
• আইসোটোন:
- যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়।

• আইসোটোপ:
- যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা একই , কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে।

• আইসোবার:
- যেসব নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোবার বলে।

• আইসোমার:
- যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৫৪.
নিচের কোনটি ডাইইলেকট্রিক পদার্থ?
  1. ক) তামা
  2. খ) পানি
  3. গ) সিলিকন
  4. ঘ) রূপা
সঠিক উত্তর:
খ) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানি
ব্যাখ্যা
অপরিবাহী ও ডাইইলেকট্রিক পদার্থ
- যে সকল অপরিবাহী পদার্থকে তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করলে পোলারায়ন ঘটে তাদেরকে ডাইইলেকট্রিক বলে।
- তাই বলা যায়, সকল অপরিবাহী ডাইইলেকট্রিক নয় কিন্তু সকল ডাইইলেকট্রিক অপরিবাহী।
- ডাইইলেকট্রিক হচ্ছে উচ্চ পোলারায়িত অপরিবাহী।
- তাই ধারকে শক্তি সঞ্চয়ের জন্য ডাইইলেকট্রিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: পানি, অভ্র (Mica), প্লাস্টিক, সিরামিক, রাবার, অ্যাম্বার, কাচ, বায়ু, শূন্যস্থান ইত্যাদি।

ডাইইলেকট্রিক পদার্থ দুই ধরণের। যথা:
১. পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থ।
- উদাহরণ: পানি, হাইড্রোক্লোরিক এসিড প্রভৃতি।

২. অ-পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থ।
- অ-পোলার ডাইইলেকট্রিক পদার্থের দ্বিমের‍্য ভ্রামক শুন্য হয়।
- উদাহরণ: হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, ক্লোরিন প্রভৃতি।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, [তপন, হাসান, ও চৌধুরী]
১,৬৫৫.
প্রিজমে কোন আলোকীয় ঘটনা আবলোকন করা যায়?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিসরণ
  3. গ) ব্যতিচার
  4. ঘ) অপবর্তন
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা

- দুটি হেলানো সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা সীমাবদ্ধ স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধমকে প্রিজম বলে।
- প্রিজমে আলোর প্রতিসরণ ঘটে থাকে। প্রিজমের মত লেন্সেও আলোর প্রতিসরণ লক্ষ্য করা যায়।

- দর্পণের ক্ষেত্রে আলোর প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায়। 
- কোনো প্রতিবন্ধকের ধার ঘেঁষে বা সরু চিরের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় জ্যামিতিক ছায়া অঞ্চলের মধ্যে আলোর বেঁকে যাওয়ার ঘটনাকে আলোর অপবর্তন বলে। 
- কোনো স্থানে বিন্দু থেকে বিন্দুতে আলোর তীব্রতার পর্যায়ক্রমিক তারতম্যকে আলোর ব্যতিচার বলে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 

১,৬৫৬.
তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে পরিবাহীর রোধ কেমন হয়?
  1. রোধ কমে
  2. রোধ বাড়ে
  3. রোধ অপরিবর্তিত থাকে
  4. রোধ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় স্থির হয়ে যায়
সঠিক উত্তর:
রোধ বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোধ বাড়ে
ব্যাখ্যা
রোধের উপর তাপমাত্রার প্রভাব: 
- পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহকালে বাধার সৃষ্টি হয় তাকে পরিবাহীর রোধ বলে। 
- পরিবাহীর বিভিন্ন ধর্মের উপর রোধ নির্ভর করে। 
যেমন- পরিবাহীর দৈর্ঘ্য, প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল, উপাদান ইত্যাদি। 
- তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর রোধ বাড়ে, আবার তাপমাত্রা কমে গেলে পরিবাহীর রোধ কমে যায়। 
- তবে পরিবাহীতে রোধ তাপমাত্রার সমানুপাতিক নয়। 
- রোধের উষ্ণতা সহগ দ্বারা তাপমাত্রার সাথে রোধের সম্পর্ক নির্ধারণ করা হয়। 

- তড়িৎ প্রবাহের ফলে তড়িৎ বর্তনীতে তাপের উদ্ভব হয়। 
- তড়িৎ বর্তনীতে তাপ উৎপাদনের কারণ ইলেকট্রন মতবাদের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায়। 
- পরিবাহীতে বহু সংখ্যক মুক্ত ইলেক্ট্রন থাকে। 
- পরিবাহীর মধ্যে মুক্ত ইলেকট্রনের প্রবাহের দরণ তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টি হয়। 
- পরিবাহীতে দুই বিন্দুর মধ্যে বিভব পার্থক্য সৃষ্টি হলে মুক্ত ইলেকট্রনগুলো অণু পরমাণুর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, ফলে পরিবাহীতের রোধের সৃষ্টি হয়। 
- এভাবে তাপমাত্রা যদি আরও বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে পরিবাহীর অণু পরমাণুগুলো অতিরিক্ত শক্তি অর্জন করে অতিমাত্রায় কাঁপতে থাকে। 
- ফলে মুক্ত ইলেকট্রনের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বৃদ্ধি পায় এবং চলার পথে বেশী বাধাপ্রাপ্ত হয়। 
- এতে করে পরিবাহীর রোধও বাড়তে থাকে এবং পরিবাহী গরম হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৫৭.
একটি বৈদ্যুতিক বাল্বে ‘60W–120V’ লেখা আছে। বাল্বটির রোধ কত?
  1. 240 Ω
  2. 350 Ω
  3. 400 Ω
  4. 680 Ω
সঠিক উত্তর:
240 Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
240 Ω
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৈদ্যুতিক বাল্বে ‘60W–120V’ লেখা আছে। বাল্বটির রোধ কত?

সমাধান:
এখানে, 
ক্ষমতা, P = 60W
ভোল্টেজ, V = 120V
রোধ, R = ?

আমরা জানি, 
P = V²/R
⇒ R = V²/P
 = (120)²/60
= 240

∴ বাল্বটির রোধ = 240 Ω

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৬৫৮.
আপেক্ষিকতার তত্ত্ব অনুযায়ী কিসের পরিবর্তনে স্থান, কাল ও ভরের পরিবর্তন হয়?
  1. সময়
  2. সূর্যের অবস্থান
  3. বেগ
  4. স্থানাংক
সঠিক উত্তর:
বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক।
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়।
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। সেটি হলো আপেক্ষিকতার সার্বিক তত্ত্ব।
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়।
- তাই আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়, যথা-
- বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব।
- সার্বিক আপেক্ষিক তত্ত্ব।

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য:
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন।
যথা -
- প্রথম স্বীকার্য - স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে ।
- দ্বিতীয় স্বীকার্য - শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৫৯.
মূদ্রণ-কালি এবং কালো ও ধূসর রং প্রস্তুতিতে প্রচুর ব্যবহার রয়েছে কোনটির?
  1. ক) কোক
  2. খ) চারকোল
  3. গ) গ্রাফাইট
  4. ঘ) ভুসা কয়লা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভুসা কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভুসা কয়লা
ব্যাখ্যা
কয়লা, কোক, চারকোল ইত্যাদি অনিয়তাকার কার্বন। চারকোলের গ্যাস পরিশোষনের ক্ষমতা থাকায় বিষাক্ত গ্যাস পরিশোষনের জন্য নির্মিত গ্যাস প্রতিরোধক মুখোশে চারকোল ব্যবহৃত হয়। কার্বনের বিজারণ ক্ষমতা বেশ উল্লেখযোগ্য। সক্রিয়তা শ্রেণীতে অ্যালুমিনিয়ামের নিচের অনেক ধাতুর অক্সাইড থেকে বিজারণের মাধ্যমে ধাতু নিষ্কাশনের জন্য কোক ব্যবহৃত হয়। বাত্যাচুল্লীতে আয়রন অক্সাইডকে কোকের সাহায্যে বিজারিত করে লোহা উৎপাদন করা যায়। কার্বনের একটি রূপ ভুসা কয়লা (lamp black)। মূদ্রণ-কালি এবং কালো ও ধূসর রং প্রস্তুতিতে এর প্রচুর ব্যবহার রয়েছে।
[সূত্রঃ রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি পোগ্রাম, উন্মুক্ত]
১,৬৬০.
বিটা রশ্মির বিকিরণ মূলত - 
  1. ক) প্রোটনের প্রবাহ
  2. খ) ইলেকট্রনের প্রবাহ
  3. গ) নিউট্রনের প্রবাহ
  4. ঘ) মেসনের প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
খ) ইলেকট্রনের প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইলেকট্রনের প্রবাহ
ব্যাখ্যা
বিটা রশ্মি বা বিটা কণা আসলে ইলেকট্রন।  বিটা রশ্মির বিকিরণ মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ।

বিটা রশ্মির ধর্ম:
- এই রশ্মি ঋণাত্মক আধানযুক্ত।
- এই রশ্মি চৌম্বক ও তড়িৎ ক্ষেত্র দ্বারা বিচ্যুত হয়। 
- এটি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে।
- বিটা কণিকার ভর একটি ইলেকট্রনের ভরের সমান।
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- বিটা কণা প্রকৃতপক্ষে দ্রুত গতি সম্পন্ন ইলেকট্রন
- এর ভেদন ক্ষমতা আলফা রশ্মির চেয়ে বেশি এবং এটি 0.01m পুরু।

SOURCE: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৬৬১.
ঘর্ষণের কারণে কোন শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. যান্ত্রিক শক্তি
  2. শব্দ শক্তি
  3. বিদ্যুৎ শক্তি
  4. আলোক শক্তি
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক শক্তি
ব্যাখ্যা
যান্ত্রিক শক্তি: 
- জেনারেটরে যখন বিদ্যুৎ তৈরি হয় তখন আসলে যান্ত্রিক শক্তি ব্যবহার করে তারের কুণ্ডলীকে চৌম্বক ক্ষেত্রে ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয়। 
- ঘর্ষণের কারণে সব সময়ই তাপশক্তি তৈরি হচ্ছে, সেখানে আসলে যান্ত্রিক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

অন্যদিকে, 
- বৈদ্যুতিক ঘন্টায় বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বৈদ্যুতিক মটরে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- বৈদ্যুতিক পাখার ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১,৬৬২.
কোনো দেশের শিল্পোন্নয়ন নিরূপণে কোন এসিডের ব্যবহারকে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়?
  1. নাইট্রিক এসিড
  2. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  3. সালফিউরিক এসিড
  4. কার্বোলিক এসিড
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা

দৈনন্দিন জীবনে এসিডের ব্যবহার: 
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং শিল্প কারখানায় এসিডের ব্যবহার অনস্বীকার্য।
যেমন-
• সোনার গহনা তৈরির সময় স্বর্ণকাররা নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করেন। 
• আইপিএস, গাড়ি, মাইক বাজানোর সময়, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় তাতে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• বাসাবাড়িতে সাপের উপদ্রব কমানোর জন্য যে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহৃত হয় সেটি হলো কার্বোলিক এসিড। 
• আমাদের খাদ্যদ্রব্য হজম করার জন্য পাকস্থলীতে এসিড অত্যাবশ্যকীয় এবং সেটি হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড। 
• সার কারখানায় অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড। 
• এছাড়া ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে নানারকম রং, ঔষধপত্র, কীটনাশকসহ পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক ও রেয়ন তৈরিতে প্রচুর সালফিউরিক এসিড (H2SO4) ব্যবহৃত হয়। 
কোনো একটি দেশ কতটা শিল্পোন্নত তা বিচার করা হয় ঐ দেশ কতটুকু সালফিউরিক এসিড (H2SO4) ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে। 
• ইস্পাত তৈরির কারখানা, ঔষধ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি অনেক শিল্পে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI) এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির সাথে নাইট্রিক এসিড (HNO3) এসিড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১,৬৬৩.
কোন প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না? 
  1. সমচাপ প্রক্রিয়া
  2. রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
  3. সমোষ্ণ প্রক্রিয়া
  4. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে। 
- আমরা জানি, কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। 
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
১,৬৬৪.
পোকামাকড় দমনে কোন ক্ষারীয় বস্তু ব্যবহার করা হয়? 
  1. ব্লিচিং পাউডার
  2. লাইম ওয়াটার
  3. মিল্ক অফ লাইম
  4. মিল্ক অফ ম্যাগনেসিয়া
সঠিক উত্তর:
মিল্ক অফ লাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিল্ক অফ লাইম
ব্যাখ্যা
প্রাত্যহিক জীবনে ক্ষারের ব্যবহার: 
- কাপড় কাচার সাবান তৈরি হয় সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও চর্বি বা তেল থেকে। 
- সেভিং ফোম বা নরম সাবান তৈরিতে পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও চর্বি বা তেল ব্যবহার করা হয়। 
- টুথপেস্ট বা টুথ পাউডারে যে উপাদান ব্যবহার করা হয় সেগুলো মূলত ক্ষারীয়। 
- এন্টাসিড অ্যাসিড মূলত ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Mg(OH)2 ও অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড Al(OH)3 নামের ক্ষার যা গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বা অ্যাসিডিটির কারণে খাওয়া হয়। 
- মৌমাছির হুল ফুটালে বা পিঁপড়া কামড়ের জ্বালা কমানোর জন্য ক্যালামিন লোশন ব্যবহার করা হয় যা আসলে জিংক কার্বোনেট। অনেকে বেকিং সোডাও ব্যবহার করে থাকেন। কারণ, পিঁপড়ার কামড়ে মূলত ফরমিক অ্যাসিড এবং মৌমাছির হুলে ফরমিক অ্যাসিড, মেলিটিন, ও অ্যাপামিন নামক অ্যাসিডডক পদার্থ নিঃসৃত হয়।  ফলে ঐ স্থান জ্বালা-পোড়া করে ও ফুলে যায় । এই অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করতে এ জাতীয় ক্ষারীয় বস্তু ব্যবহার করা হয়। 
- মাটির অ্যাসিডিটি বাড়লে এর উর্বরতা শক্তি নষ্ট হয়, তাই মাটির উর্বরতা শক্তি ফেরাতে চুন (CaO), চুনাপাথর জাতীয় ক্ষারক পদার্থ ব্যবহার করা হয়। 
- 'মিল্ক অফ লাইম' নামক ক্ষারীয় বস্তু পোকামাকড় দমনে ব্যবহার করা হয়

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৬৫.
'কুলম্ব' কিসের একক?
  1. ওহম
  2. আধান
  3. সিমেন্স
  4. ভোল্ট
সঠিক উত্তর:
আধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধান
ব্যাখ্যা
• আধান বা চার্জের একক হলো কুলম্ব।
- SI এককে পরিবাহিতার একক সিমেন্স(S)।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:

- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক হলো ভোল্ট।
- রোধ পরিমাপের একক হলো ওহম।

উৎস: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৬৬.
কিলোওয়াট ঘণ্টা সমান-
  1. ক) ৪.২ × ১০ জুল
  2. খ) ৩.৬ × ১০ জুল
  3. গ) ৭.২ × ১০ জুল
  4. ঘ) ৩.৬ × ১০ জুল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩.৬ × ১০ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩.৬ × ১০ জুল
ব্যাখ্যা

- বিদ্যুৎ শক্তির বাণিজ্যিক বা ব্যবহারিক একক হচ্ছে কিলোওয়াট ঘন্টা।
- বিদ্যুৎ বিলের হিসাব করা হয় কিলোওয়াট ঘণ্টায়।
- এক কিলোওয়াট ঘণ্টা সমান ৩.৬ × ১০ জুল।

১,৬৬৭.
পর্যায় সারণির বামদিকের মৌলগুলো সাধারণত -
  1. ধাতু
  2. অধাতু
  3. অপধাতু
  4. অর্ধধাতু
সঠিক উত্তর:
ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধাতু
ব্যাখ্যা
- পর্যায় সারণির যেকোনো একটি পর্যায়ের দিকে লক্ষ করলে দেখা যাবে যে, বামদিকের মৌলগুলো সাধারণত ধাতু, মাঝের মৌলগুলো সাধারণত অর্ধধাতু বা অপধাতু এবং ডানদিকের মৌলগুলো সাধারণত অধাতু। 

- পর্যায় সারণিতে অবস্থিত মৌলগুলোর কিছু ধর্ম আছে।
যেমন-ধাতব ধর্ম, অধাতব ধর্ম, পরমাণুর আকার, আয়নিকরণ শক্তি, তড়িৎ ঋণাত্মকতা ইলেকট্রন আসক্তি ইত্যাদি, এসব ধর্মকে পর্যায়বৃত্ত ধর্ম বলে।

ধাতব ধর্ম: 
- যে সকল মৌল চকচকে, আঘাত করলে ধাতব শব্দ করে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী তাদেরকে ধাতু বলে। 
- আধুনিক সংজ্ঞা অনুযায়ী, যে সকল মৌল এক বা একাধিক ইলেকট্রন ত্যাগ করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয় তাদেরকে ধাতু বলে। 
- ধাতুর ইলেকট্রন ত্যাগের এই ধর্মকে ধাতব ধর্ম বলে। 
- যে মৌলের পরমাণু যত সহজে ইলেকট্রন ত্যাগ করতে পারবে সেই মৌলের ধাতব ধর্ম তত বেশি। 
যেমন- লিথিয়াম (Li) একটি ধাতু কারণ Li একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Li+ এ পরিণত হয়। 
Li → Li+ + e
- পর্যায় সারণিতে যেকোনো পর্যায়ের বাম থেকে ডানে গেলে ধাতব ধর্ম হ্রাস পায়। 

অধাতব ধর্ম: 
- যে সকল মৌল চকচকে নয়, আঘাত করলে ধাতব শব্দ করে না এবং তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয় তাদেরকে অধাতু বলে। 
- আধুনিক সংজ্ঞা অনুযায়ী, যে সকল মৌল এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে ঋণাত্মক আয়নে পরিণত হয় তাদেরকে অধাতু বলে। 
- অধাতুর ইলেকট্রন গ্রহণের এই ধর্মকে অধাতব ধর্ম বলে। 
- যে মৌলের পরমাণু যত সহজে ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পারবে সেই মৌলের অধাতব ধর্ম তত বেশি। 
যেমন- ক্লোরিন (CI) একটি অধাতু কারণ Cl একটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে Cl- এ পরিণত হয়। 
Cl + e- → Cl
- পর্যায় সারণিতে যেকোনো পর্যায়ের বাম থেকে ডানে গেলে অধাতব ধর্ম বৃদ্ধি পায়। 

অর্ধধাতু বা অপধাতু: 
- যে সকল মৌল কোনো কোনো সময় ধাতুর মতো আচরণ করে এবং কোনো কোনো সময় অধাতুর মতো আচরণ করে তাদেরকে অর্ধধাতু বা অপধাতু বলা হয়। 
- আবার আধুনিক সংজ্ঞা অনুযায়ী, যে সকল মৌল কোনো কোনো সময় ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং কোনো কোনো সময় ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাদেরকে অপধাতু বলে। 
যেমন- সিলিকন (Si) একটি অপধাতু। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৬৮.
এসিড লিটমাস কাগজে কী পরিবর্তন করে? 
  1. নীল থেকে লাল করে
  2. লাল থেকে নীল করে
  3. নীল থেকে সবুজ করে
  4. কোনো পরিবর্তন হয় না
সঠিক উত্তর:
নীল থেকে লাল করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীল থেকে লাল করে
ব্যাখ্যা
এসিড: 
- এসিড টক স্বাদ যুক্ত। 
- এসিড নীল লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে। 
- ক্ষার ও ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
- ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে H2 গ্যাস উৎপন্ন করে। 

জৈব এসিড: 
- জৈব এসিড মূলত কার্বক্সিলিক মূলক (-COOH) অথবা সালফোনিক এসিড মূলক (-SO3H) বর্তমান থাকে এবং অম্লধর্ম প্রকাশ পায়, ওদেরকে জৈব এসিড বলে। 

অজৈব এসিড: 
- অজৈব যৌগ কিন্তু টক স্বাদ যুক্ত, নীললিটমাস লাল করে, ক্ষার বা ক্ষারকের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে এবং ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে H2 গ্যাস উৎপন্ন করে তাকে অজৈব এসিড বলে। 

তীব্র এসিড: 
- জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণ ভাবে আয়নিত হয়। 
যেমন- HCl, HNO3, H2SO4 ইত্যাদি। 

দুর্বল এসিড: 
- জলীয় দ্রবণ আংশিকভাবে আয়নিত হয়। 
যেমন- H2CO3, H-COOH, CH3-COOH ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৬৯.
বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনীকে কী বলে? 
  1. LSI
  2. VSI
  3. MSI
  4. SSI
সঠিক উত্তর:
LSI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LSI
ব্যাখ্যা
সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (Integrated Circuits or IC): 
- ইলেকট্রনিকসের একটি শাখা হলো মাইক্রোইলেকট্রনিকস। 
- মাইক্রোইলেকট্রনিকস প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিকস বর্তনী তৈরি করা যায়। 
- এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক সার্কিট (microelecrtonic circuit) বা ইনট্রিগ্রেটেড সার্কিট (integrated circuit) বা সমন্বিত বর্তনী। 
- সমন্বিত বর্তনী বা আইসি-এর মধ্যে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রাংশ একত্রে মাইক্রো প্রযুক্তির সাহায্য তৈরি করা হয়, ফলে আলাদা আলাদা ট্রানজিস্টার, রোধ, ডায়োড ইত্যাদি পরস্পরের সাথে সংযোগ করে তৈরি করার দরকার হয় না। 
- সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমন্বিত বর্তনীকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। 
১। মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits), 
২। বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits) এবং 
৩। অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৭০.
কোয়ার্টজ অধাতব খনিজ পদার্থ কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. মাটির প্রশমনে 
  2. কাচ ও সিরিজ কাগজে 
  3. লোহা উৎপাদনে 
  4. ঘরবাড়ি নির্মাণে 
সঠিক উত্তর:
কাচ ও সিরিজ কাগজে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাচ ও সিরিজ কাগজে 
ব্যাখ্যা

খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
যথা- 
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: 
• লোহা (Fe), 
• তামা  (Cu), 
• সোনা (Au) এবং 
• রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

২। অধাতব খনিজ পদার্থ: 
• কোয়ার্টজ (Quartz), 
• মাইকা (Mica) এবং 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

- আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে। 
- মাইকা (Mica) খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- কোয়ার্টজ (Quartz) খনিজ পদার্থ কাচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৬৭১.
যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়?
  1. ডায়নামো
  2. হুইল
  3. বৈদ্যুতিক মটর
  4. ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
ব্যাখ্যা

• যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করার জন্য ডায়নামো ব্যবহার করা হয়। ডায়নামো হলো একটি বিশেষ ধরনের যন্ত্র যা ঘূর্ণনশীল চৌম্বকীয় ক্ষেত্র এবং কুণ্ডলী ব্যবহার করে যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে। যখন এর শরীর বা হাতিয়ার ঘোরানো হয়, তখন কুণ্ডলীর মধ্যে চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের পরিবর্তনের ফলে বৈদ্যুতিক প্রবাহ সৃষ্টি হয়। এটি মূলত সাইকেলের হেডলাইট, ছোট জেনারেটর এবং বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জামে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, হুইল শুধু ঘূর্ণনশীল যান্ত্রিক অংশ, বৈদ্যুতিক মটর বিদ্যুৎকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে, আর ট্রান্সফরমার বিদ্যুতের ভোল্টেজ পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং যান্ত্রিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে ডায়নামোই সঠিক উত্তর।

• ডায়নামো: 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ডায়নামো বা জেনারেটর বলে। 
- তাড়িত চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্রের মূলনীতি প্রতিষ্ঠিত। 

• বৈদ্যুতিক মটর: 
- যে তড়িৎযন্ত্র তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে তাকে বৈদ্যুতিক মটর বলে। 

• ট্রান্সফর্মার: 
-যে যন্ত্রের সাহায্যে উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভব এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করা হয় তাকে ট্রান্সফর্মার বলে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৬৭২.
একটি জ্বলন্ত মোমবাতিকে কাঁচের গ্লাস দ্বারা ঢাকলে মোমবাতি নিভে যায়, কারণ -
  1. ক) কাঁচ আলোকে জ্বলতে বাধা দেয়
  2. খ) পাত্রের ভিতর বায়ুশূন্য হয়ে যায়
  3. গ) গ্লাসের ভিতর হাইড্রোজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
  4. ঘ) গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়
ব্যাখ্যা

একটি জ্বলন্ত মোমবাতিতে কাঁচের গ্লাস দ্বারা ঢাকলে মোমবাতি নিভে যায়, কারণ গ্লাসের ভিতর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
অক্সিজেনের আগুন জ্বালাতে সাহায্য করে। অক্সিজেনের অভাবে আগুন নিভে যায়।
উৎসঃ টেক্সট বুক, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৭৩.
অর্ধপরিবাহীর যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তির পার্থক্য কোনটি? 
  1. প্রায় 50.1 eV
  2. প্রায় 15.0 eV
  3. প্রায় 1.1 eV
  4. প্রায় 25.1 eV
সঠিক উত্তর:
প্রায় 1.1 eV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় 1.1 eV
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী: 
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ। 
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি। 
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের। 
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না। 
- কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু ও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়। 

অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য: 
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0 K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে। 
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm এর মধ্যে থাকে। 
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার উঠা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়। 
৫। অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তির পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম। 
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৭৪.
যদি কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ৬০ নিউটন হয়, তবে চাঁদে তা কত হবে? 
  1. ৬ নিউটন
  2. ২০ নিউটন
  3. ৩০ নিউটন
  4. ১০ নিউটন
সঠিক উত্তর:
১০ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নিউটন
ব্যাখ্যা
বস্তুর ওজন: 
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে। 
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে। 
- এরূপে চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ঐ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়। 
অর্থাৎ, পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ৬০ নিউটন হলে চাঁদে ঐ জিনিসের ওজন ১০ নিউটন হবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,৬৭৫.
মৌলিক পদার্থ কোনটি?
  1. লোহা
  2. রুপা
  3. সোনা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
- যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোন পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে।
- লোহা, সোনা, রুপা এগুলো হলো মৌলিক পদার্থ।
- এ পর্যন্ত ১১৮ টি মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে। এর মধ্যে প্রকৃতিতে পাওয়া যায় ৯৮ টি। 
[সূত্র: ৯ম-১০ম শ্রেণীর রসায়ন]
১,৬৭৬.
ক্যালসিয়ামের ইলেক্ট্রন বিন্যাস কোনটি?
  1. [Ne] 3s1
  2. [Ar] 4s1
  3. [Ar] 4s2
  4. [Ne] 3s2
সঠিক উত্তর:
[Ar] 4s2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
[Ar] 4s2
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম:
- ক্যালসিয়াম (Calcium) পর্যায় সারণির ২০তম মৌলিক পদার্থ।
- ক্যালসিয়ামের রাসায়নিক প্রতীক Ca.
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ২০।
- ক্যালসিয়াম পর্যায় সারণির ৪র্থ পর্যায়ের গ্রুপ ২ - এ অবস্থিত।
- ক্যালসিয়ামের ইলেক্ট্রন বিন্যাস 1s2 2s22p6 3s23p6 4s2.
- ক্যালসিয়ামের ইলেক্ট্রন বিন্যাসকে সংক্ষেপে [Ar] 4s2 লেখা যায়।
- Ar (আর্গন) এর ইলেক্ট্রন বিন্যাস 1s2 2s22p6 3s23p6.
- Ne (নিয়ন) এর ইলেক্ট্রন বিন্যাস 1s2 2s22p6.

অপশন আলোচনা:
- [Ne] 3s1 - সোডিয়ামের (Na) এর ইলেক্ট্রন বিন্যাস।
- [Ar] 4s1 - পটাশিয়ামের (K) এর ইলেক্ট্রন বিন্যাস।
- [Ne] 3s2 - ম্যাগনেসিয়ামের (Mg) এর ইলেক্ট্রন বিন্যাস।

তথ্যসূত্র: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৭৭.
হর্স পাওয়ার কিসের একক? 
  1. চাপ পরিমাপের একক 
  2. কাজ পরিমাপের একক 
  3. শক্তি পরিমাপের একক 
  4. ক্ষমতা পরিমাপের একক 
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা পরিমাপের একক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা পরিমাপের একক 
ব্যাখ্যা

ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়) 
বা, P = (বল × সরণ)/সময় 
বা, P = বল × বেগ 
∴ ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট। 
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- 1 H. P = 746 W 
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T -3

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৭৮.
পরিবাহিতার একক কোনটি?
  1. সিমেন্স
  2. নিউটন
  3. জুল
  4. ওয়াট
সঠিক উত্তর:
সিমেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিমেন্স
ব্যাখ্যা
পরিবাহিতা: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়ে I পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে, 
I ∝ V 
বা, I = GV 
এখানে, G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। 
- একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে। 
- পরিবাহীতার একক সিমেন্স (Siemens)। একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশী তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশী। 
- আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশী। 

অন্যদিকে,
- নিউটন - বলের একক।
- জুল - কাজ ও শক্তির একক।
- ওয়াট - ক্ষমতার একক।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৭৯.
বলকে ভেক্টর রাশি বলা হয় কেন?
  1. এটি কেবল মানযুক্ত
  2. এটি কেবল দিকযুক্ত
  3. এটির মান ও দিক উভয়ই আছে
  4. এটি জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়াশীল
সঠিক উত্তর:
এটির মান ও দিক উভয়ই আছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটির মান ও দিক উভয়ই আছে
ব্যাখ্যা

• বল একটি ভেক্টর রাশি, কারণ এর মান ও দিক উভয়ই আছে।

• বল:
- যে বাহ্যিক কারণ বস্তুর স্থির বা গতিশীল অবস্থায় পরিবর্তন ঘটায় বা ঘটাতে চায় তাকে বল বলে।
- যে বল বস্তুকে গতিশীল করে বা গতি বাড়িয়ে দেয় তাকে ত্বরণ সৃষ্টিকারী বল বলে।
- যে বল গতিশীল বস্তুকে থামিয়ে দেয় বা বেগ কমিয়ে দেয় তাকে মন্দন সৃষ্টিকারী বল বলে।
- কোনো বস্তুকে ঠেলতে বা টানতে হলে প্রত্যক্ষ স্পর্শ প্রয়োজন, তাই এই বলকে স্পর্শ বল বলে।
- যেমন—ঘর্ষণ বল, সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট বল, টান বল ইত্যাদি।
- দুটি চুম্বকের বিপরীত মেরু পরস্পরকে আকর্ষণ করে এবং সমমেরু পরস্পরকে বিকর্ষণ করে, এটি অস্পর্শ বল।
- পৃথিবী তার পৃষ্ঠস্থ ও নিকটস্থ সকল বস্তুকে কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে, এ আকর্ষণ বল হচ্ছে অভিকর্ষ বা মহাকর্ষ বল।

• বলের কিছু বৈশিষ্ট্য:
- বল প্রয়োগে কোনো বস্তুর জড়তার পরিবর্তন হয় বা হওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়।
- বল সর্বদা জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়াশীল থাকে, অর্থাৎ প্রযুক্ত বলের বিপরীত দিকে আরেকটি বল ক্রিয়া করে, একে মিথস্ক্রিয়া বলে।
- যেমন—দড়িতে বেঁধে টানলে প্রযুক্ত বলের বিপরীত দিকে দড়িতে টান বল ক্রিয়া করে।
- বল বস্তুর বেগের পরিবর্তন ঘটায়, ফলে ত্বরণ বা মন্দন হয়।
- বল বস্তুকে বিকৃত করতে পারে বা ভৌত ধর্মের পরিবর্তন করতে পারে।
- বল একটি ভেক্টর রাশি, কারণ এর মান ও দিক উভয়ই আছে।

• অন্যান্য অপশন:
- এটি কেবল মানযুক্ত → স্কেলার রাশির বৈশিষ্ট্য।
- এটি জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়াশীল → বলের একটি বৈশিষ্ট্য, কিন্তু ভেক্টর হওয়ার কারণ নয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৮০.
বাষ্পায়নের উপর বায়ুর আর্দ্রতার প্রভাব কী? 
  1. আর্দ্রতা বেশি হলে বাষ্পায়ন বৃদ্ধি পায়
  2. আর্দ্রতা কম হলে বাষ্পায়ন বৃদ্ধি পায় 
  3. আর্দ্রতা কম হলে বাষ্পায়ন কম হয় 
  4. আর্দ্রতার কোনো প্রভাব নেই
সঠিক উত্তর:
আর্দ্রতা কম হলে বাষ্পায়ন বৃদ্ধি পায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্দ্রতা কম হলে বাষ্পায়ন বৃদ্ধি পায় 
ব্যাখ্যা

বাষ্পায়নের উপর বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাব: 
- পরিবেশ থেকে সুপ্ত তাপ সংগ্রহ করে কোনো তরল পদার্থের বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াটি হলো বাষ্পায়ন। 
- এ ক্ষেত্রে তরল পদার্থটিকে স্ফুটনাঙ্কে উত্তপ্ত করা হয় না। 
- এটি একটি স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা, এজন্য প্রক্রিয়াটিকে স্বতঃবাষ্পভবনও বলা হয়। 
- কিন্তু তরলের বাষ্পায়ন সাধারণত বেশ কয়েকটি ঘটনা বা বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়। 
যেমন- 
তরলের প্রকৃতি: বিভিন্ন তরল পদার্থের বাষ্পায়নের হার বিভিন্ন। সাধারণত তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন হার বেশি হয়। উদ্বায়ী পদার্থের বাষ্পায়ন হার অত্যন্ত বেশি। 
বায়ু প্রবাহ: তরলের উপর বায়ু প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। 
তরলের উপর চাপ: তরলের উপর বায়ু মন্ডলের চাপ বাড়লে বাষ্পায়ন হার কমে যায়। চাপ কমলে বাষ্পায়ন বৃদ্ধি পায়। শূন্য স্থানে বাষ্পায়নের হার সর্বাধিক। 
তরলের উপরি তলের ক্ষেত্রফল: বাষ্পায়ন কেবল উপরিতলে সংঘঠিত হয়। তরলের উপরিতলের ক্ষেত্রফল যত বেশি বিস্তৃত হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। 
তরল তল সংলগ্ন বায়ু বা বাষ্পের তাপমাত্রা: তাপমাত্রা বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। 
তরল তল সংলগ্ন বায়ুর আর্দ্রতা: বায়ুর আর্দ্রতা যত কম হয় তরলের বাষ্পায়ন তত দ্রুত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৮১.
pH স্কেলে দ্রবণের সীমা কোনটি?
  1. 0–7
  2. 7–14
  3. 0–14
  4. 1–10
সঠিক উত্তর:
0–14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0–14
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয় 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 
 
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৮২.
নিচের কোনটির অনুপস্থিতিতে এসিড তার এসিডিয় ধর্ম প্রদর্শন করতে পারে না?
  1. পানি
  2. জিংক
  3. আয়রন
  4. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
এসিডের রাসায়নিক ধর্মে পানির ভূমিকা: 
- এসিডের ধর্ম কার্যকর হয় পানির উপস্থিতিতে। 
- পানির অনুপস্থিতিতে এসিড তার এসিডিয় ধর্ম প্রদর্শন করতে পারে না। 
- হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস ভর্তি গ্যাসজারের মধ্যে শুষ্ক নীল লিটমাস কাগজ ধরলে দেখা যাবে লিটমাস কাগজের বর্ণ অপরিবর্তিত আছে। 
- এ গ্যাসজারের মধ্যে কঠিন ক্যালসিয়াম কার্বনেটের টুকরা ফেললে দেখা যায় কোনো বিক্রিয়া ঘটে না এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন হয় না। 
- আবার গ্যাসজারের মধ্যে আয়রন ধাতুর টুকরা বা জিংক ধাতুর টুকরা রাখলেও কোনো রূপ বিক্রিয়া সংগঠিত হয় না। 
• HCl(g) + শুষ্ক নীল লিটমাস কাগজ → নীল লিটমাস কাগজের বর্ণ অপরিবর্তিত থাকে। 
• HCl(g) + CaCO3(s) → কোনো বিক্রিয়া ঘটে না এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন হয় না। 
• HCl(g) + Fe → কোন বিক্রিয়া ঘটে না এবং H2 গ্যাস উৎপন্ন হয় না। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮৩.
লোহার কোন যৌগটি মরিচা নামে পরিচিত?
  1. সালফেট
  2. কার্বনেট
  3. আর্দ্র অক্সাইড
  4. হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
আর্দ্র অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্দ্র অক্সাইড
ব্যাখ্যা
মরিচা: 
- আদ্র বাতাসের সংস্পর্শে বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে লোহার রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সৃষ্টি হয় আয়রন অক্সাইডের একধরনের যৌগ যা মরিচা নামে পরিচিত। 
- মরিচা সৃস্টিকে নিম্নরূপ সমীকরণের আকারে দেখানো যায়- 
    লোহার সামগ্রী + আর্দ্র বাতাস = আয়রন অক্সাইড বা মরিচা। 
- মরিচার সংকেত Fe2O3.nH2O. 
- মরিচায় পানির অণুর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়। 
এখানে, n এর মান 1, 2, 3 ইত্যাদি যে কোন পূর্ণ সংখ্যা হতে পারে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮৪.
আইসি (Integrated Circuit) এর উদ্ভাবক কে?
  1. জ্যাক কিলবি
  2. উইলিয়াম শকলে
  3. এডিসন
  4. টেসলা
সঠিক উত্তর:
জ্যাক কিলবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যাক কিলবি
ব্যাখ্যা

• আইসি বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট উদ্ভাবনের কৃতিত্ব জ্যাক কিলবির, যিনি আধুনিক ইলেকট্রনিক্স যুগের সূচনা করেন।

আইসি (Integrated Circuit):
- Integrated Circuit বা IC হলো একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক সার্কিট যা ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর, ডায়োড ও অন্যান্য উপাদানকে একটি একক সিলিকন চিপে সংযুক্ত করে।
- এটি আধুনিক কম্পিউটার, মোবাইল, মাইক্রোচিপ ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মূল ভিত্তি।

উদ্ভাবক:
- জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) ১৯৫৮ সালে Texas Instruments-এ কাজ করার সময় প্রথম Integrated Circuit উদ্ভাবন করেন।
- পরবর্তীতে একই ধারণা Robert Noyce-ও স্বাধীনভাবে বিকাশ করেন।
- জ্যাক কিলবি ২০০০ সালে নোবেল পুরস্কার (Physics) পান এই আবিষ্কারের জন্য।
 
আইসির গুরুত্ব:
- এটি ইলেকট্রনিক যন্ত্রকে ক্ষুদ্র, শক্তিশালী ও দ্রুত করেছে।
- কম শক্তিতে কাজ করে, নির্ভরযোগ্যতা বেশি।
- আধুনিক কম্পিউটার ও মাইক্রোপ্রসেসরের মূল ভিত্তি।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

১,৬৮৫.
কোন উপকরণের সাহায্যে বায়ুর আর্দ্রতা নির্ণয় করা যায়?
  1. হাইগ্রোমিটার
  2. পাইরোমিটার
  3. ম্যানোমিটার
  4. ব্যারোমিটার
সঠিক উত্তর:
হাইগ্রোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইগ্রোমিটার
ব্যাখ্যা

• বায়ুর আর্দ্রতা নির্ণয় করতে হাইগ্রোমিটার ব্যবহৃত হয়। হাইগ্রোমিটার এমন একটি যন্ত্র যা বায়ুর আর্দ্রতার পরিমাণ বা আর্দ্রতার শতকরা মান পরিমাপ করতে সাহায্য করে। বায়ুর আর্দ্রতা হলো বায়ুর মধ্যে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি, যা আবহাওয়া এবং স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। হাইগ্রোমিটার বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে, যেমন: কাপড় বা কাশ্মীরের তন্তু ব্যবহার করে তৈরি অ্যানালগ হাইগ্রোমিটার, কিংবা আধুনিক ডিজিটাল হাইগ্রোমিটার। অন্যদিকে, পাইরোমিটার তাপমাত্রা মাপার জন্য, ম্যানোমিটার চাপ পরিমাপের জন্য এবং ব্যারোমিটার বায়ুর চাপ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই আর্দ্রতা নির্ণয়ের জন্য সঠিক উত্তর হলো ক) হাইগ্রোমিটার।
 
বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity): 
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না। 
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে তাই বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা। 
অর্থাৎ, বায়ুর আর্দ্রতার উপর বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে। 
- বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম। 
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে। 
- বায়ুর এই আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার দ্বারা পরিমাপ করা যায়। 
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। পরম আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা। 

২। আপেক্ষিক আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাতকে বলা হয় আপেক্ষিক আর্দ্রতা। 

অন্যদিকে, 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার। 
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার। 
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৮৬.
নবায়নযোগ্য শক্তি বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র খনিজ শক্তি 
  2. শুধুমাত্র কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. এমন শক্তি যা সীমিত এবং পুনঃব্যবহার করা যায় না 
  4. এমন শক্তি যা পুনঃব্যবহার করা যায় এবং নিঃশেষ হয় না
সঠিক উত্তর:
এমন শক্তি যা পুনঃব্যবহার করা যায় এবং নিঃশেষ হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমন শক্তি যা পুনঃব্যবহার করা যায় এবং নিঃশেষ হয় না
ব্যাখ্যা

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- বর্তমানে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন এক শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ, পরমাণুর শক্তি, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অন্যদিকে অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৬৮৭.
পিভিসি প্লাস্টিক পোড়ালে কোন গ্যাসটি নিঃসৃত হয়? 
  1. ওজোন
  2. হাইড্রোজেন ক্লোরাইড
  3. ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
  4. হাইড্রোজেন সায়ানাইড
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ক্লোরাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিক: 
- প্লাস্টিক শব্দের অর্থ হলো সহজেই ছাচঁযোগ্য। 
- নরম অবস্থায় প্লাস্টিক ইচ্ছেমতো ছাঁচে ফেলে সেটা থেকে নির্দিষ্ট আকার-আকৃতি বিশিষ্ট পদার্থ তৈরি করা যায়। 
- প্লাস্টিক জাতীয় সবকিছুই পলিমার পদার্থ, বেশির ভাগ প্লাস্টিকই পানিতে অদ্রবণীয়। 
- প্লাস্টিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্ম হলো এরা বিদ্যুৎ এবং তাপ পরিবহন করে না তাই বিদ্যুৎ এবং তাপ নিরোধক হিসেবে এদের বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্লাস্টিকের সবচেয়ে বড় ধর্ম হলো গলিত অবস্থায় এদেরকে যেকোন আকার দেয়া যায়। 
- পলিথিন, পিভিসি পাইপ, পলিস্টার কাপড়, বাচ্ছাদের খেলনা- এসব প্লাস্টিক তাপ দিলে নরম হয়ে যায় এবং গলিত প্লাস্টিক ঠান্ডা করলে শক্ত হয়ে যায়, এদেরকে থার্মোপ্লাস্টিকস (Thermoplastics) বলে। 
- অন্যদিকে মেলামাইন, বাকেলাইট এগুলো তাপ দিলে নরম হয় না বরং পুড়ে শক্ত হয়ে যায়। এদেরকে একবারের বেশি ছাঁচে ফেলে নির্দিষ্ট আকার দেওয়া যায় না, এসব প্লাস্টিককে থার্মোসেটিং প্লাস্টিকস (Thermosetting Plastics) বলে। 
- প্লাস্টিক পোড়ালে অনেক ক্ষতিকর পদার্থ বের হয়। 
যেমন: পিভিসি পোড়ালে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (HCl) গ্যাস নিঃসৃত হয়। আবার পলিইউরেথেন প্লাস্টিক পোড়ালে কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস এবং হাইড্রোজেন সায়ানাইডের মতো বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হয়। 
- বেশির ভাগ প্লাস্টিক রাসায়নিকভাবেশ যথেষ্ট নিষ্ক্রিয়, এরা বাতাসের জলীয় বাষ্প এবং অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে না এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। 
- প্লাস্টিক কোন পচনশীল বস্তু নয়, এরা দীর্ঘদিন মাটি বা পানিতে পড়ে থাকলেও পচে না। 
- প্লাস্টিক সাধারণত দাহ্য হয় অর্থাৎ এদেরকে আগুন ধরালে পুড়তে থাকে এবং প্রচুর তাপশক্তি উৎপন্ন করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৮৮.
পদার্থের কোন অবস্থায় কণিকাগুলো সর্বাধিক গতিশীল থাকে? 
  1. কঠিন 
  2. তরল 
  3. গ্যাসীয় 
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ্যাসীয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাসীয় 
ব্যাখ্যা

পদার্থের আণবিক গতিতত্ত্ব: 
- পদার্থ কঠিন, তরল, বায়বীয় এবং প্লাজমা চারটি অবস্থায় থাকতে পারে। এই চার অবস্থায় থাকার কারণ পদার্থের মধ্যকার তাপমাত্রা বা শক্তির পার্থক্য। 
- পদার্থের আণবিক গতি তত্ত্ব পদার্থের অবস্থা রূপান্তরের একটি মডেল হতে পারে। এই তত্ত্বটি অতি সরল কিন্তু পদার্থের ভৌত ধর্ম ব্যাখ্যার জন্য অত্যন্ত সহায়ক। 
- এই তত্ত্বের মূল কথা হলো বস্তু অসংখ্য ক্ষুদ্র কণিকা দিয়ে গঠিত যা হলো মূলত পরমাণু। 
- কতগুলো পরমাণু মিলে গঠিত হয় একটি অণু, এই অণুগুলো নিয়ত গতিশীল। 

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে কণিকাগুলো গতিশীল কিন্তু তা দেখা সম্ভব নয়। 
- একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে থেকে প্রতিটি কণা অবিরত কম্পিত হচ্ছে। 
- এদের মধ্যকার প্রবল আন্তঃআণবিক শক্তি কণাগুলোকে পরস্পর থেকে বিছিন্ন হতে দেয় না, তাই কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার আয়তন বজায় থাকে।

তরল পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থ থেকে তরল অবস্থায় আসতে পদার্থ অতিরিক্ত শক্তি গ্রহণ করে। 
- এ অবস্থায় অতিরিক্ত শক্তির কারণে কণিকাগুলো গতির বিস্তার বৃদ্ধি পায় বা কণাগুলো মধ্যের দূরত্ব বেশি হয় এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের প্রভাব কমে যায়। কিন্তু একেবারে লুপ্ত হয় না। 
- সামান্য আকর্ষণ বলের কারণে কণিকা গুচ্ছগুলো পাত্রের মধ্যে থাকে। একারণে এটি পাত্রের যে কোন স্থানে সরে যায় এবং পাত্রের আকার গ্রহণ করতে পারে। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- বায়বীয় অবস্থায় পদার্থের মধ্যে আরও অনেক বেশি শক্তি যোগ হয় তখন কণিকাগুলোর গতি অত্যন্ত বেড়ে যায় এলোমেলোভাবে সবদিকে ছুটাছুটি করে পরস্পরের থেকে অনেক দূরত্বে চলে যায়। 
- তখন এই পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল খুবই নগন্য হয়ে যায়। 
- এজন্য বায়বীয় অবস্থায় বস্তুর কোন আকার বা আয়তন নাই এবং অত্যন্ত সংকোচনশীল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৮৯.
জীবাশ্ম জ্বালানি নিচের কোনটি? 
  1. জিও থার্মাল 
  2. জল বিদ্যুৎ 
  3. পারমাণবিক শক্তি 
  4. পেট্রোলিয়াম 
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়াম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়াম 
ব্যাখ্যা

জীবাশ্ম জ্বালানি: 
- কোটি কোটি বছর পূর্বে গাছপালা, জীবজন্তু প্রভৃতি প্রচন্ড ভুমিকম্প বা কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে কাদা ও বালির বেশ গভীরে ঢাকা পড়ে। এদেরই দেহাবশেষ এ জীবাশ্ম কঠিন বা তরল আকারে খনি থেকে তুলে তাপ শক্তি উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এদেরকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। 
যেমন: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি।

পেট্রোলিয়াম: 
- পেট্রোলিয়াম এক ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানি। 
- তেলের প্রতিশব্দ হচ্ছে পেট্রোলিয়াম। 
- ইহা একটি ল্যাটিন শব্দ যা দুটো শব্দ নিয়ে গঠিত ''পেট্রো + অলিয়াম''। 
- পেট্রো শব্দের অর্থ রক বা শিলা এবং অলিয়াম শব্দের অর্থ অয়েল বা তৈল। 
অর্থাৎ, পাথরের বা শিলার স্তরে সঞ্চিত যে তেল তাহাকে পেট্রোলিয়াম বলে। 
- আজ থেকে প্রায় পাঁচশত কোটি বছর আগে সমুদ্রের তলদেশে পাললিক শিলার স্তরে গাছ-পালা ও প্রাণিদেহের দেহাবশেষ জৈব বিধ্বংসী পাতন প্রক্রিয়ার ফলে খনিজ তেলের সৃষ্টি হয়। 
- ইহা কার্বন ও হাইড্রোজেন গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌগ, তাই পেট্রোলিয়াম হচ্ছে তরল জীবাশ্ম জ্বালানি। 

অন্যদিকে, 
- পারমাণবিক শক্তি, জল বিদ্যুৎ ও জিও থার্মাল বা ভূ-তাপীয় শক্তি হচ্ছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৯০.
মাধ্যমের ঘনত্ব বৃদ্ধির সাথে সাথে শব্দের বেগ-
  1. ক) হ্রাস পায়
  2. খ) বৃদ্ধি পায়
  3. গ) অপরিবর্তিত থাকে
  4. ঘ) অনিয়মিত হয়
সঠিক উত্তর:
খ) বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ মাধ্যমের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে। যে মাধ্যমের ঘনত্ব বেশি সে মাধ্যমে শব্দের বেগও বেশি। মাধ্যমের ঘনত্ব বৃদ্ধির সাথে সাথে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়। সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৯১.
নিষ্ক্রিয় গ্যাসের পর সবচেয়ে নিষ্ক্রিয় মৌল কোনটি?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসের পর সবচেয়ে নিষ্ক্রিয় মৌল হচ্ছে নাইট্রোজেন।

====================
যে সব গ্যাসীয় মৌল রাসায়নিকভাবে নিস্ক্রিয় অর্থাৎ অন্য কোনো মৌলের সাথে সংযুক্ত হয় না, এমনকি নিজেদের মধ্যেও সংযুক্ত হয় না, সর্বদা এক পরমাণুক অবস্থা বিরাজ করে তাদেরকে নিস্ক্রিয় গ্যাস (Noble Gas) বলে। নিস্ক্রিয় গ্যাস মোট ৭টি। এগুলো হলো : হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) এবং ওগানেসন (Og)।

নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলোর ধর্মসমূহ- 
১. নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলো সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে এক পরমাণুক গ্যাস।
২. নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলোর কোন বর্ণ, স্বাদ বা গন্ধ নেই।
৩. প্রতি লিটার পানিতে নিস্ক্রিয় গ্যাসের দ্রাব্যতা অনেক কম।
৪. গ্যাসের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত কম।
৫. নিস্ক্রিয় গ্যাসসমূহের মধ্যে দুর্বল আকর্ষণ বল থাকার কারণে এদের গলনতাপ ও বাষ্পীয়ভবন তাপ কম।
৬. নিস্ক্রিয় গ্যাসের আয়নিকরণ শক্তি সবচেয়ে বেশি।

সূত্র:
১. রসায়ন ১য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী ও নাগ।
২. ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১,৬৯২.
কেপলারের তৃতীয় সূত্র কী নির্দেশ করে?
  1. গ্রহের আবর্তনকাল ও তার কক্ষপথের আকারের মধ্যে সম্পর্ক
  2. গ্রহের গতি ও দূরত্বের মধ্যে সম্পর্ক
  3. গ্রহের ভর ও ঘূর্ণনের সময়ের মধ্যে সম্পর্ক
  4. সূর্য ও গ্রহের মধ্যবর্তী বলের মান
সঠিক উত্তর:
গ্রহের আবর্তনকাল ও তার কক্ষপথের আকারের মধ্যে সম্পর্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহের আবর্তনকাল ও তার কক্ষপথের আকারের মধ্যে সম্পর্ক
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় সূত্র: সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের' (semi major axis) ঘনফলের সমানুপাতিক। গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র (Kepler's Law of Planetary Motion):
- প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানীরা সৌর জগতের সূর্য ও গ্রহগুলির গতিবিধি সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু ছিলেন।
- গ্রীক বিজ্ঞানী টলেমী, কোপার্নিকাস, ট্রাইকোব্রাহে প্রমুখ বিজ্ঞানীদের পরস্পর বিরোধী, জটিল এবং অস্পষ্ট তথ্যসমূহ বিশ্লেষণ করে ডেনমার্কের বিজ্ঞানী জন কেপলার সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এ সম্পর্কে তিনি কয়েকটি সূত্র উপস্থাপন করেন।
- তার নাম অনুসারে এগুলো কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত।

সূত্রগুলো হলো:
• প্রথম সূত্র: সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
• দ্বিতীয় সূত্র: প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
• তৃতীয় সূত্র: সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের' (semi major axis) ঘনফলের সমানুপাতিক। গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৯৩.
এটমিক সংখ্যা একই হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে ভরসংখ্যা বেড়ে যায় বলে তাদের বলা হয়-
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোমার
  3. আইসোটোন
  4. আইসোবার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়। 
- অন্যভাবে বলা যায়, এটমিক সংখ্যা একই হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে ভরসংখ্যা বেড়ে যায় তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়। 
- সেইজন্য আইসোটোপ তৈরি হয় নিউট্রনের তারতম্যের কারণে। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৯৪.
কোন প্রক্রিয়ায় হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়? 
  1. শ্বসন
  2. ব্যাপন
  3. প্রস্বেদন
  4. অভিস্রবণ
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
ব্যাখ্যা
অভিস্রবণ: 
- অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পাশাপাশি পৃথক থাকলে দ্রাবক অণুর কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে পর্দা অতিক্রম করে প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে অভিস্রবণ বলে। 
- এ প্রক্রিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হবে। 
- অভিস্রবণ একটি ভৌত প্রক্রিয়া, কিন্তু উদ্ভিদের ক্ষেত্রে প্রোটোপ্লাজমের নিয়ন্ত্রণে ঘটে বলে এটি একটি জৈব প্রক্রিয়া। 
- উদ্ভিদ মূলরোমের সাহায্যে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে। 
- অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের পানি শোষণ বুঝতে হলে, অভিস্রবণ প্রক্রিয়াটি ভালোভাবে জানা প্রয়োজন। 
- পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিসমিস ফুলে ওঠে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৯৫.
বাতাসে শব্দের বেগ তাপমাত্রার- 
  1. সমানুপাতিক
  2. ব্যস্তানুপাতিক
  3. বর্গমূলের সমানুপাতিক
  4. বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
বর্গমূলের সমানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্গমূলের সমানুপাতিক
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগের পার্থক্য: 
- বাতাসে শব্দের বেগ তাপমাত্রার বর্গমূলের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, v ∞ √T 
এখানে তাপমাত্রা কিন্তু সেলসিয়াস তাপমাত্রা নয়। কেলভিন স্কেলে তাপমাত্রা। 
- শব্দের বেগ বাতাসের চাপের ওপর নির্ভর করে না। 
- তবে বাতাসের ঘনত্বের বর্গমূলের ওপর ব্যস্তানুপাতিকভাবে নির্ভর করে। 
- তাই বাতাসে জলীয়বাষ্প থাকলে বাতাসের ঘনত্ব কমে যায়, সে জন্য শব্দের বেগ বেড়ে যায়। 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- এটি মাধ্যমের স্থিতিস্থাপকতার ওপর নির্ভর করে। 
- তরল এবং কঠিন পদার্থের প্রকৃতি বাতাস থেকে ভিন্ন এবং স্বাভাবিক কারণেই শব্দের বেগ সেখানে ভিন্ন। 
- তরলে শব্দের বেগ বাতাস থেকে বেশি এবং কঠিন পদার্থে শব্দের বেগ তরল থেকেও বেশি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৯৬.
নিচের কোনটি অধাতব খনিজ?
  1. ম্যাঙ্গানিজ
  2. নিকেল
  3. তামা
  4. গ্রাফাইট
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদের ধাতব খনিজ বলে।
বিভিন্ন প্রকার ধাতব খনিজের মধ্যে রয়েছে:
- লোহা
- ম্যাঙ্গানিজ
- নিকেল
- তামা
- টিন
- সোনা
- রূপা প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে।
অধাতব খনিজের মধ্যে রয়েছে:
- গ্রাফাইট
- জিপসাম
- সালফার
- অভ্র প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ভূগোল : দ্বিতীয়পত্র)
১,৬৯৭.
নিচের কোনটি ব্যতিচারের শর্ত নয়?
  1. উৎস দুটি সুসঙ্গত হতে হবে
  2. ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোক উৎস হতে হবে
  3. তরঙ্গ দুটির বিস্তার সমান হতে হবে
  4. তরঙ্গ উৎস দুটি খুব কাছাকাছি হতে হবে
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোক উৎস হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোক উৎস হতে হবে
ব্যাখ্যা
ব্যতিচার (Interference):
দুটি আলোক উৎস থেকে একই বিড়ারের এবং একই তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো নির্গত হয়ে কোনো বিন্দুতে আপতিত হলে উপরিপাতনের ফলে কোথাও উজ্জ্বল এবং কোথাও অন্ধকার সৃষ্টি হয়। আলোর এই উজ্জ্বলতার হ্রাস-বৃদ্ধির ঘটনাকে ব্যতিচার বলে । সমদশা সম্পন্ন আলো রশ্মির উপরিপাতনের ফলে উজ্জ্বল বা চরম এবং বিপরীত দশা সম্পন্ন আলো রশ্মির উপরিপাতনের ফলে অন্ধকার বা অবম-এর সৃষ্টি হয়। এটি একটি অবস্থানিক ঘটনা।

ব্যতিচারের শর্ত:-
১। উৎস দুটি সুসঙ্গত হতে হবে।
২। একই তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোক উৎস হতে হবে।
৩। তরঙ্গ দুটির বিস্তার সমান হতে হবে।
৪। তরঙ্গ উৎস দুটি খুব কাছাকাছি হতে হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৯৮.
হাইড্রোজেনের আইসোটোপ ট্রিটিয়ামে নিউট্রনের সংখ্যা কয়টি?  
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. কোনো নিউট্রন নেই
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
আইসোটোপ:

- যেসকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন হয় তাদের প্রত্যেককে একে অপরের আইসোটোপ বলা হয়।
- অর্থাৎ একই মৌলের যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- যেমন: হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ আছে।
- প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম, এবং ট্রিটিয়াম পরস্পরের আইসোটোপ। কারণ এদের প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন।
- প্রোটিয়াম আইসোটোপে কোনো নিউট্রন নেই, কিন্তু একটি প্রোটন ও একটি ইলেকট্রন রয়েছে। 
- ডিউটেরিয়াম আইসোটোপে ১ টি প্রোটন ও ১ টি নিউট্রন রয়েছে।
- ট্রিটিয়াম আইসোটোপে ২ টি নিউট্রন রয়েছে।


উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন ১ম পত্র।
১,৬৯৯.
ট্রান্সফরমার কোন প্রকার বৈদ্যুতিক প্রবাহ ব্যবহার করে কাজ করে? 
  1. স্থির বৈদ্যুতিক প্রবাহ 
  2. পরিবর্তি প্রবাহ 
  3. সরল প্রবাহ 
  4. নিকটবর্তী ক্ষুদ্র প্রবাহ 
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তি প্রবাহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তি প্রবাহ 
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার: 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমারে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে।
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই ট্রান্সফরমারের মূল কাজ। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- 
১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও ২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭০০.
দৃশ্যমান আলোর বিভিন্ন রঙ মূলত কোন কারণে দেখা যায়?
  1. কম্পাঙ্ক স্থির থাকার কারণে 
  2. তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিন্নতার কারণে 
  3. আলোর বেগ পরিবর্তনের কারণে 
  4. আলোর তীব্রতা পরিবর্তনের কারণে 
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিন্নতার কারণে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিন্নতার কারণে 
ব্যাখ্যা

- দৃশ্যমান আলোর বিভিন্ন রঙ মূলত তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিন্নতার কারণে দেখা যায়। 

দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 

- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। 
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4×10-7 m থেকে 7×10-7 m মাত্র। 
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়।
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনী, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি। 
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনী আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।