বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

মোট প্রশ্ন১৫৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ১৫৭

.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন নামে স্বাক্ষর করতেন?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. বিদ্যাসাগর শর্মা
  3. ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা
  4. ঈশ্বরচন্দ্র চট্টপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবি - বন্দ্যোপাধ্যায়। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর পারিবারিক পদবি অনুসারে, তাঁর প্রকৃত নাম - 'ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়', কিন্তু তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন। 

-------------------
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। 
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবি 'বন্দ্যোপাধ্যায়'। তাঁর প্রকৃত নাম- ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা, 
- সীতার বনবাস, 
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন শতকের মানুষ?
  1. ১৪ শতক
  2. ১৫ শতক
  3. ১৭ শতক
  4. ১৯ শতক
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- সে হিসেবে, তিনি উনিশ শতকের সাহিত্যিক। 
----------------------------- 
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
- তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আত্মজীবনীমূলক লেখা?
  1. আমার কথা
  2. আত্মকথা
  3. আত্মচরিত
  4. স্মৃতি কথামালা
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৮২৮ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁকে কলকাতার একটি পাঠশালায় এবং ১৮২৯ সালের জুন মাসে সংস্কৃত কলেজে ভর্তি করানো হয়।
- বাল্যবিয়ের কুফল এবং বিধবাদের করুণ জীবন ঈশ্বরচন্দ্রকে ব্যাথিত করে। ঈশ্বরচন্দ্রের চেষ্টায় ভারত সরকার এগিয়ে আসে। অবশেষে ১৮৫৬ সালে বিধবা পুনর্বিবাহ আইন পাশ হয়।
- বাংলা গদ্যে প্রথম আত্মজীবনী রচনা করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তাঁর রচিত আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।
- ১৮৯১ সালের ২৯ জুলাই তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত গদ্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. ক) বেতাল পঞ্চবিংশতি
  2. খ) শকুন্তলা
  3. গ) ভ্রান্তিবিলাস
  4. ঘ) বিত্ত চপলা
ব্যাখ্যা

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থের নামঃ
- 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (হিন্দি বৈতালপৈচ্চিসির বঙ্গানুবাদ ১৮৪৭),
- 'শকুন্তলা' (কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলম নাটকের উপাখ্যান ভাগের বঙ্গানুবাদ, ১৮৫৪),
- 'সীতার বনবাস’ (ভবভূতির উত্তররাম চরিত নাটকের প্রথম ও রামায়ণের উত্তর কাণ্ডের বঙ্গানুবাদ, ১৮৬০),
- ‘ভ্রান্তিবিলাস' (শেক্সপিয়রের Comedy of Errors-এর বঙ্গানুবাদ, ১৮৬৯)।
- বিত্ত চপলা ‘কাঙাল হরিনাথ’ রচিত গ্রন্থ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর

.
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম কী?
  1. রত্ন পরীক্ষা
  2. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  3. ব্রজবিলাস
  4. শকুন্তলা
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে। তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনা নয় কোনটি?
  1. ক) রত্নপরীক্ষা
  2. খ) অতি অল্প হইল
  3. গ) বেতালপঞ্চবিংশতি
  4. ঘ) ব্রজবিলাস
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থসমূহ - 
- অতি অল্প হইল 
- আবার অতি অল্প হইল 
- ব্রজবিলাস 
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা 
- রত্নপরীক্ষা 

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থ-
- ভ্রান্তিবিলাস (শেক্সপিয়রের কমেডি অব এররস অনুসারে)
- বেতালপঞ্চবিংশতি (হিন্দি বৈতালপচ্চিসি এর বঙ্গানুবাদ)
- শকুন্তলা (কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলাম অনুসারে),
- সীতার বনবাস (রামায়ণ অনুসারে) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পৈতৃক পদবি কী ছিলো?
  1. বিদ্যাসাগর
  2. শর্মা
  3. চট্টোপাধ্যায়
  4. বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈতৃক পদবি - বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর পারিবারিক পদবি অনুসারে, তাঁর প্রকৃত নাম - 'ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়', কিন্তু তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন। 
----------------------------
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈতৃক পদবি 'বন্দ্যোপাধ্যায়'।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তাঁর প্রকৃত নাম- ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা, 
- সীতার বনবাস, 
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কবে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয়?
  1. ১৯৪১ সালে
  2. ১৮৩৯ সালে
  3. ১৮৪৭ সালে
  4. ১৮৫১ সালে
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পিতৃপ্রদত্ত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। এবং 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন। তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার কারণে ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেলের সম্মতিক্রমে বিধবা বিবাহ আইন পাশ হয়।
- ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ বন্ধ করার জন্য 'সিভিল ম্যারেজ অ্যাক্ট' প্রণয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৯১ খ্রিস্টাব্দে ৭১ বছর বয়েসে মৃত্যু বরণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর কোন গ্রন্থে প্রথম যতিচিহ্নের ব্যবহার করেন?
  1. শকুন্তলা
  2. বর্ণপরিচয়
  3. আখ্যান মঞ্জরী
  4. বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।

- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
- বাংলায় যতি/ছেদ চিহ্নের প্রবর্তক হলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭) গ্রন্থে প্রথম যতিচিহ্নের ব্যবহার দেখান।

- বাংলা গদ্যে প্রথম আত্মজীবনী রচনা করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।

- বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

-ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনা কোনটি?
  1. ব্রজবিলাস
  2. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  3. আবার অতি অল্প হইল
  4. সীতার বনবাস
ব্যাখ্যা

প্রভাবতী সম্ভাষণ:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' একটি শোকগাঁথা। এটি বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক রচনা
- বন্ধুর বালিকা কন্যা প্রভাবতীর অকাল মৃত্যুর শোকে বিদ্যাসাগর এটি রচনা করেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭)।
- ব্রজবিলাস ও রত্নপরীক্ষা গ্রন্থ দুটির রচয়িতাও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১১.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ব্রজবিলাস
  2. সীতার বনবাস
  3. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  4. শকুন্তলা
ব্যাখ্যা

- বেতাল পঞ্চবিংশতি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। 
- এটি হিন্দি বৈতাল পচ্চীসীর অনুবাদ।
- এ গ্রন্থেই প্রথম তিনি যতিচিহ্ন ব্যবহার করেন। 

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১২.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  2. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  3. ভ্রান্তিবিলাস
  4. আখ্যান মঞ্জরী
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।  তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত। তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৩.
শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটকটি বাংলায় অনুবাদ করেন কে?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা

'ভ্রান্তিবিলাস':
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'ভ্রান্তিবিলাস' শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটকের অনুবাদ।
- ভ্রান্তিবিলাস রচিত হয় ১৮৬৯ সালে, বিদ্যাসাগরের প্রথম রচনা বেতালপঞ্চবিংশতির বাইশ বছর পরে।
- ভ্রান্তিবিলাস বিশ্বখ্যাত নাট্যকার শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটক অবলম্বনে রচিত।

• বইয়ের 'বিজ্ঞাপন' শিরোনাম অংশে তিনি লিখেছেন:
'কিছু দিন পূর্বে, ইংলন্ডের অদ্বিতীয় কবি শেক্সপীয়রের প্রণীত ভ্রান্তিপ্রহসন পড়িয়া আমার বোধ হইয়াছিল, এতদীয় উপাখ্যানভাগ বাঙ্গালাভাষায় সঙ্কলিত হইলে লোকের চিত্তরঞ্জন হইতে পারে। তদনুসারে ঐ প্রহসনের উপাখ্যানভাগ বাঙ্গালাভাষায় সঙ্কলিত ও ভ্রান্তিবিলাস নামে প্রচারিত হইল।'
এরপরে তিনি বলেছেন যে এই নাটকের কাব্য-অংশ শেক্সপীয়রের অন্যান্য নাটকের চেয়ে 'নিকৃষ্ট', কিন্তু এর কাহিনী-অংশ কৌতুকপূর্ণ।
সেজন্য তিনি এই নাটকটি বাংলাভাষায় রূপান্তরের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- তিনি বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্নের প্রবর্তন করেন।
- বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত’ সৃষ্টি করেন।
- তিনি বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন।
- বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'ভ্রান্তিবিলাস' গ্রন্থ।

১৪.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম কী?
  1. গৌড়ীয় ব্যাকরণ
  2. ব্যাকরণ মঞ্জুরী
  3. বাঙ্গালা ব্যাকরণ 
  4. ব্যাকরণ কৌমুদী
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• 'ব্যাকরণ মঞ্জুরী' এর লেখক - ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
• 'বাঙ্গালা ব্যাকরণ' এর রচয়িতা-ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। 
• 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' এর রচয়িতা-  রাজা রামমোহন রায়। 


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫.
কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনা নয়?
  1. ক) রত্নপরীক্ষা
  2. খ) ব্রজবিলাস
  3. গ) অতি অল্প হইল
  4. ঘ) শকুন্তলা
ব্যাখ্যা
'শকুন্তলা' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থ।
- প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম' নাটক অবলম্বনে ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান বা উপন্যাসোম  কাহিনী লিখে নাম দেন 'শকুন্তলা'। 

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থসমূহ -  
- অতি অল্প হইল 
- আবার অতি অল্প হইল 
- ব্রজবিলাস 
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা 
- রত্নপরীক্ষা 

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অন্যান্য অনুবাদ গ্রন্থ-
- ভ্রান্তিবিলাস (শেক্সপিয়রের কমেডি অব এররস অনুসারে)
- বেতালপঞ্চবিংশতি (হিন্দি বৈতালপচ্চিসি এর বঙ্গানুবাদ)
- সীতার বনবাস (রামায়ণ অনুসারে) ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবনকাল কোনটি?
  1. ১৮২০ - ১৮৯১
  2. ১৮২৪ - ১৮৭৩
  3. ১৮৩৮ - ১৮৯৪
  4. ১৮৪৭ - ১৯১১
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবনকাল - ১৮২০ - ১৮৯১

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৭.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ নয় কোনটি? 
  1. অতি অল্প হইল
  2. রত্ন পরীক্ষা
  3. ব্রজবিলাস
  4. বেতাল পঞ্চবিংশতি 
ব্যাখ্যা
• বেতাল পঞ্চবিংশতি:
-  বেতাল পঞ্চবিংশতি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
- এটি হিন্দি 'বৈতাল পচ্চীসীর' অনুবাদ। 
- এ গ্রন্থেই প্রথম তিনি যতিচিহ্ন ব্যবহার করেন। 

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া
১৮.
কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম' নাটক অবলম্বনে আখ্যান কাহিনি 'শকুন্তলা' রচনা করেন কে?
  1. রামরাম বসু
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. কালীপ্রসন্ন সিংহ
  4. চণ্ডীচরণ মুন্সি
ব্যাখ্যা

• প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাস রচিত 'অভিজ্ঞান শকুন্তলা' নাটক অবলম্বনে - ১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান কাহিনি লিখেন - তার নাম দেন — শকুন্তলা। কালিদাসের ‘অভিজ্ঞানশকুন্তলম্’ নাটকটি মূলত মহাভারতের বনপর্বের একটি অংশ থেকে অনুপ্রাণিত।
-----------------------
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
- তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।

• 'শকুন্তলা' আখ্যান কাহিনি:
- প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম্‌' নাটক অবলম্বনে ১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান বা উপন্যাসোপম কাহিনি লিখে নাম দেন 'শকুন্তলা'।
- 'শকুন্তলা'য় কাহিনি নির্মাণ ও ভাষাব্যবহারে বিদ্যাসাগর যথেষ্ট স্বাধীন্তা নিয়েছেন।
- চন্দ্রবংশীয় রাজা দুষ্মন্ত শিকারে এসে কম্ব মুনির তপোবনে উপস্থিত হয়।
- সেখানে শকুন্তলা, প্রিয়ংবদা, অনসূয়া নামের মুনির তিন রূপবতী পালিতা কন্যার মধ্যে শকুন্তলার সঙ্গে দুষ্মন্তের বিয়ে হয়।
- দৈববাণীতে দুষ্মন্ত সব অবগত হয় এবং শকুন্তলা- ভরতকে যোগ্য স্থান দেয়।
- বৃদ্ধ বয়সে দুষ্মন্ত ভরতকে নিজ রাজ্যের উত্তরাধিকারী করে।
- বাংলা সাহিত্যে 'শকুন্তলা' গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে, এ গ্রন্থের আগে গদ্যে রচিত এতো চমৎকার কাহিনি বা আখ্যান বর্ণনা পাওয়া যায় না।
- গদ্যসাহিত্য প্রতিষ্ঠার যুগে 'শকুন্তলা' একটি অসাধারণ সৃষ্টি।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
২) বাংলাপিডিয়া।
৩) লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।

১৯.
কোনটি মৌলিক সাহিত্য?
  1. শকুন্তলা
  2. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  3. ভ্রান্তিবিলাস
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

প্রভাবতী সম্ভাষণ:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' একটি শোকগাঁথা। এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনা।
- বন্ধুর বালিকা কন্যা প্রভাবতীর অকাল মৃত্যুর শোকে বিদ্যাসাগর এটি রচনা করেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭)।
- ব্রজবিলাস ও রত্নপরীক্ষা গ্রন্থ দুটির রচয়িতাও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

অন্যদিকে,
শকুন্তলা: - প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম্' নাটক অবলম্বনে ১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান বা উপন্যাসোপম কাহিনি লিখে নাম দেন 'শকুন্তলা'।
'ভ্রান্তিবিলাস': - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'ভ্রান্তিবিলাস' শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটকের অনুবাদ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৩) বাংলাপিডিয়া।

২০.
বাংলা গদ্যপ্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য 'উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ' ও 'অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত' সৃষ্টি করেন কে?
  1. ক) প্রমথ চৌধুরী
  2. খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. ঘ) আহসান হাবীব
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১) :
সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত৷
- তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যে যতি চিহ্ন বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন৷
- বাংলা গদ্যপ্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি তার গদ্যে 'উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ' ও 'অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত' সৃষ্টি করেন৷

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২১.
বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন-
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. প্রমথ চৌধুরী 
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের ‘প্রথম শিল্পী’ বলে অভিহিত করেছেন।
তিনি বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন ও সহজবোধ্য করে তুলেছেন
- তার আগে গদ্য কঠিন ও শিলাময় ছিল।

- বিদ্যাসাগর গদ্যে সুন্দর শব্দবিন্যাস, বাক্যগঠন এবং যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার চালু করেন।
- তিনি প্রথম যে বাংলা গদ্যের ছন্দ, সুর এবং ধ্বনির নিয়ম বুঝতে পেরেছিলেন, যা পাঠ্যকে আরও সুরবদ্ধ ও শিল্পসমৃদ্ধ করেছে।

- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যকে শ্বাসপর্ব ও অর্থপর্ব অনুসারে ভাগ করে সেখানে যথাযথ যতিচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর এই অবদানের জন্যই বাংলা গদ্য এখন আরও সাহিত্যসম্মত ও ভাব প্রকাশে সক্ষম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

২২.
বাংলা গদ্যে প্রথম আত্মজীবনীর রচয়িতা কে?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• বাংলা গদ্যে প্রথম 'আত্মজীবনী' রচনা করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত আত্মজীবনীর নাম  "আত্মচরিত"। 

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈত্রিক পদবী বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
- তিনি প্রথম গদ্যে যতিচিহ বা বিরামচিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭), এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে ১৮৩৯ সালে কলকাতা'র সংস্কৃত কলেজ থেকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয়। অসাধারণ মেধার কারণে তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়।

• বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতালপঞ্চবিংশতি'।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২. বাংলাপিডিয়া।
২৩.
‘ব্যাকরণকৌমুদী’ কে রচনা করেন?
  1. ক) ড. হুমায়ন আজাদ
  2. খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যয়
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. ঘ) ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• সিদ্ধান্তকৌমুদী ও মুগ্ধবোধ প্রভৃতি ব্যাকরণের সঙ্গে সামঞ্জস্য করে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৫৩ সালে ‘ব্যাকরণকৌমুদী’ রচনা করেন। এতে বাংলা ব্যাখ্যা সংযোজিত হওয়ায় এবং শব্দরূপ-ধাতুরূপাদির সহজ বিন্যাস থাকায় ব্যাকরণ চর্চা সহজ হয়।

• বাংলা বৈয়াকরণেরাও সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়মগুলো ভালোভাবে জানবার সুযোগ পান। শব্দরূপ ও ক্রিয়ারূপের বিন্যাস, সন্ধি, সমাস, ধাতুর গণবিভাগ ইত্যাদি বহু বিষয়ে বাংলা ব্যাকরণ বিদ্যাসাগরের ‘ব্যাকরণকৌমুদী’র কাছে ঋণী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৪.
বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কে?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত। এবং বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।

অন্যদিকে,
- রাজা রামমোহন রায় পশ্চিম বাংলার রাধানগর গ্রামে এক রক্ষণশীল ব্রাহ্মণ পরিবারে তাঁর জন্ম।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২৫.
‘কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো-সহচরস্য’ ছদ্মনামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. রত্নপরীক্ষা
  2. বোধোদয়
  3. কথামালা
  4. ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা
• 'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য' ছদ্মনামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন।
• অতি অল্প হইল, আবার অতি অল্প হইল, ব্রজবিলাস, বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা, রত্ন পরীক্ষা। এই পাঁচটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেনামি রচনা।

• 'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য' নামে প্রথম রচনা 'অতি অল্প হইল' (১৮৭৩)।
• উক্ত বেনামিতে দ্বিতীয় রচনা 'আবার অতি অল্প হইল' (১৮৭৩)। এই বই দুটি বহুবিবাহ বিষয়ে তারানাথ তর্কবাচস্পতির লিখিত বক্তব্যের প্রতিবাদে লেখা, বিতর্কমূলক উত্তর-প্রত্যুত্তর।

• তৃতীয় রচনা ‘ব্রজবিলাস’ (নভেম্বর, ১৮৮৪) - ''কবিকুলতিলকস্য কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য'' ছদ্মনামে রচিত। বিধবাবিবাহের বিরুদ্ধে ব্রজনাথ বিদ্যারত্নের রচনার প্রত্যুত্তরে লিখেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
 
• চতুর্থ রচনা ‘কস্যচিৎ তত্ত্বণ্বেষিণ’ ছদ্মনামে রচিত ‘বিধবা বিবাহ ও যশোহর হিন্দুধর্ম রক্ষণী সভা’।
• পঞ্চম রচনা ‘কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো-সহচরস্য’ ছদ্মনামে রচিত- রত্নপরীক্ষা।


-------------------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতালপঞ্চবিংশতি'।

• বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৬.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ কোনটি?
  1. ব্যাকরণ মঞ্জুরী
  2. বাঙ্গালা ব্যাকরণ
  3. ব্যাকরণ কৌমুদী
  4. ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা
• ব্যাকরণ কৌমুদী:
- 'ব্যাকরণ কৌমুদী' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ।
- তিনি মোট চারটি খণ্ডে গ্রন্থটি রচনা করেন।
- প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫৩ সালে, তৃতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫৪ সালে এবং চতুর্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৬২ সালে।
- ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’ গ্রন্থটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিখ্যাত বৈয়াকরণিক পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী নামক সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে অনুবাদ করেন। 

আরো উল্লেখযোগ্য কিছু ব্যাকরণ গ্রন্থ রচয়িতা:
• 'ব্যাকরণ মঞ্জুরী' এর লেখক - ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
• 'ব্যাকরণ কৌমুদী' এর লেখক - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
• 'বাঙ্গালা ব্যাকরণ' এর রচয়িতা-ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ। 
• "ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ" - গ্রন্থের রচয়িতা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।
• ১৯০০ সালে হৃষিকেশ শাস্ত্রী রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ: 'বাঙ্গালা ব্যাকরণ'।
• ড. সুকুমার সেন - 'ভাষার ইতিবৃত্ত' (১৯৩৯)।
• বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান - আহমদ শরীফ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
২৭.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কাকে বাংলা গদ্যের 'প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছেন?
  1. রামমোহন রায় 
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  4. উইলিয়াম কেরি
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও জনহিতৈষী।
- বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তিনি বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্নের প্রবর্তন করেন।
- বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি 'উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ' ও 'অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত' সৃষ্টি করেন।
- তিনি বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন।
- বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের 'প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

২৮.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ - 
  1. গৌড়ীয় ব্যাকরণ
  2. ভাষার ইতিবৃত্ত
  3. ব্যাকরণ কৌমুদী
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে,
- রাজা রামমোহন রায় রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থটির নাম হলো "গৌড়ীয় ব্যাকরণ"।
- সুকুমার সেন রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ হলো "ভাষার ইতিবৃত্ত"।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৯.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পৈতৃক পদবি কী ছিল?
  1. বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. দাস
  3. চট্টোপাধ্যায়
  4. শর্মা
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত। এবং বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'। বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৩০.
বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন গদ্য সাহিত্যের কোন লেখক?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. প্রমথ চৌধুরী 
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে বাংলা গদ্যের 'প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছেন।
- প্রমথনাথ বিশি বিদ্যাসাগরকে 'বাংলা গদ্যের যথার্থ শিল্পী' নামে অভিহিত করেন।

- তাকে 'বাংলা গদ্যের জনক' বলা হয়। কারণ তিনি প্রথম বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণ দান করেছেন। তিনি বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতি সন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস তিনিই প্রথম উপলব্ধি করেন।

- তিনি বাংলা গদ্যকে সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন। বিদ্যাসাগরের সৃষ্ট গদ্যরীতির প্রভাবেই পরবর্তী পর্যায়ে বাংলা গদ্যের পরিণত রূপের সৃষ্টি হয়।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ। ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
• প্রমথ চৌধুরী ছিলেন সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার সংস্কৃত পন্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক। তৎকালীন ওড়িষা প্রদেশের মেদিনীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩১.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া
  2. কাঁঠালপাড়া গ্রাম, চব্বিশ পরগনা
  3. বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
  4. দেবানন্দপুর গ্রাম, হুগলি
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
- তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩২.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কবে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ১৮৮২ সালে
  2. ১৮২০ সালে
  3. ১৮১১ সালে
  4. ১৯০৩ সালে
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবি 'বন্দ্যোপাধ্যায়'।
- তাঁর প্রকৃত নাম- ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।

তাঁর কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

৩৩.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ভ্রান্তিবিলাস
  2. আখ্যান মঞ্জরী
  3. শকুন্তলা
  4. বেতালপঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ - বেতালপঞ্চবিংশতি

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৪.
শিক্ষামূলক গ্রন্থ 'আখ্যান মঞ্জরী' এর রচয়িতা কে?
  1. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. রাজা রামমোহন রায়
  4. রামরাম বসু
ব্যাখ্যা
শিক্ষামূলক গ্রন্থ 'আখ্যান মঞ্জরী' এর রচয়িতা - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
 
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৫.
ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে কোন প্রতিষ্ঠান? 
  1. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ 
  2. সংস্কৃত কলেজ 
  3. হিন্দু কলেজ 
  4. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় 
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩৬.
কোন লেখক ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের হেড পণ্ডিত পদে নিযুক্ত ছিলেন?
  1. গোলকনাথ শর্মা
  2. চণ্ডীচরণ মুনশী
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. রামরাম বসু
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- তিনি বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্নের প্রবর্তন করেন।
- বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত’ সৃষ্টি করেন।
- তিনি বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন।
- বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৮৪১ খ্রিষ্টাব্দের ২৯শে ডিসেম্বরে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের হেড পণ্ডিত পদে নিযুক্তি হন

উল্লেখ্য,
- চণ্ডীচরণ মুনশী ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের বাংলা বিভাগের অন্যতম অধ্যাপক। ১৮০৫ খ্রী. কাদির বখশ রচিত ফারসী গ্ৰন্থ ‘তুতীনামা’র বঙ্গানুবাদ করেন।

অন্যদিকে,
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ হলেন:
- উইলিয়াম কেরী,
- রামরাম বসু,
- গোলকনাথ শর্মা,
- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার,
- তারিণীচরণ মিত্র,
- রাজীবলোচন,
- চণ্ডীচরণ মুনশী,
- হরপ্রসাদ রায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

৩৭.
বাংলা সাধু ভাষার জনক কে?
  1. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. হরলাল রায়
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• সাধু ভাষা  বাংলা লেখ্য গদ্যের অপেক্ষাকৃত প্রাচীন রূপ; এর নবীন ও বর্তমানে বহুল প্রচলিত রূপটি হলো চলিত।
- বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন বিদ্যাসাগর। 
- এর আগে তা ছিলো প্রস্তরবৎ। 
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিন্যাস ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। 
- বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস তিনিই প্রথম উপলব্ধি করেন এবং বাংলা গদ্যকে শ্বাসপর্ব ও অর্থপর্ব অনুসারে ভাগ করে সেখানে যতিচিহ্ন স্থাপন করেন। 
- বিদ্যাসাগরের পরিকল্পিত সাধুভাষা তাই পরবর্তীকালে আদর্শ সাধুভাষা রূপে গৃহীত হয়। 
- তাই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে সাধু ভাষার জনক বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৮.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত বাংলা ভাষায় প্রথম মৌলিক গদ্য কোনটি?
  1. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  2. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  3. অতি অল্প হইল
  4. বর্ণপরিচয়
ব্যাখ্যা

‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য। এটি ১৮৯২ সালে প্রকাশিত হয়।
বিদ্যাসাগরের মৌলিক গদ্যগুলো হলো :
- অতি অল্প হইল
- আবার অতি অল্প হইল
- ব্রজবিলাস
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা
- রত্ন পরীক্ষা
উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

৩৯.
কোন সমাজ সংস্কারমূলক আন্দোলনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন?
  1. ক) বাল্যবিবাহ
  2. খ) বিধবাবিবাহ
  3. গ) সতীদাহ
  4. ঘ) ধর্মীয় গোড়ামী
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সাহিত্যিকের চেয়ে সমাজ সংস্কারক আগে। 
- তিনি সমাজ সংস্কারক হিসেবে যে লেখগুলো লেখেন তা পরবর্তিতে সাহিত্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বাল্যবিধবাদের পুনর্বিবাহের পক্ষে তাঁর প্রথম বেনামী লেখা প্রকাশিত হয় ১৮৪২ সালের এপ্রিল মাসে বেঙ্গল স্পেক্টেটর পত্রিকায়।
- আর এ বিষয়ে তাঁর প্রথম গ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৮৫৫ সালের জানুয়ারি মাসে, দ্বিতীয় গ্রন্থ অক্টোবর মাসে।
- এভাবে বিধবাবিবাহের পক্ষে শাস্ত্রীয় প্রমাণ দেওয়া ছাড়াও, বিধবাদের পুনর্বিবাহ প্রবর্তনের পক্ষে একটি আইন প্রণয়নের জন্যে তিনি সামাজিক আন্দোলন আরম্ভ করেন।
- বিভিন্ন আন্দোলনের মধ্যদিয়ে ১৮৫৬ সালের জুলাই মাসে বিধবাবিবাহ আইন প্রণীত হয়।
- বিধবাবিবাহ আইন প্রণয়নে সাফল্য লাভ করায় পরে কুলীনদের বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ রোধ আইন পাস করার পক্ষে সরকারের কাছে আবেদন জানান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪০.
কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শিক্ষামূলক গ্রন্থ নয় ?
  1. ক) বর্ণপরিচয়
  2. খ) সীতার বনবাস
  3. গ) বোধোদয়
  4. ঘ) কথামালা
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা,
- শব্দ মঞ্জুরী ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি। 

- বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪১.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের 'প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছেন-
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

- তিনি বাংলা গদ্যকে সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন। বিদ্যাসাগরের সৃষ্ট গদ্যরীতির প্রভাবেই পরবর্তী পর্যায়ে বাংলা গদ্যের পরিণত রূপের সৃষ্টি হয়।

- তিনি বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতি সন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস তিনিই প্রথম উপলব্ধি করেন। তিনি বাংলা গদ্যকে শ্বাসপর্ব ও অর্থপর্ব অনুসারে ভাগ করে সেখানে যতিচিহ্ন স্থাপন করেন।

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে বাংলা গদ্যের 'প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছেন।
- প্রমথনাথ বিশি বিদ্যাসাগরকে 'বাংলা গদ্যের যথার্থ শিল্পী' নামে অভিহিত করেন।
- তাকে 'বাংলা গদ্যের জনক' বলা হয়। কারণ তিনি প্রথম বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণ দান করেছেন। সুতরাং, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পূর্বে অনেকেরই গদ্যের বিকাশে অবদান থাকলেও, বাংলা ভাষার প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা তাকেই বলা যায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪২.
'বোধোদয়' গ্রন্থ রচনা করেছেন-
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• 'বোধোদয়' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৩.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ কোনটি?
  1. আখ্যান মঞ্জরী
  2. বর্ণপরিচয়
  3. বোধোদয়
  4. সবকটি
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।

- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
- বাংলা গদ্যে প্রথম আত্মজীবনী রচনা করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।

- বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

-ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৪.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ -
  1. গৌড়ীয় ব্যাকরণ
  2. ব্যাকরণ কৌমুদী
  3. বাঙ্গালা ব্যাকরণ
  4. বর্ণপরিচয়
ব্যাখ্যা
• ব্যাকরণ কৌমুদী:
- 'ব্যাকরণ কৌমুদী' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ।
- তিনি মোট চারটি খণ্ডে গ্রন্থটি রচনা করেন।
- প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫৩ সালে, তৃতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫৪ সালে এবং চতুর্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৬২ সালে।
- ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’ গ্রন্থটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিখ্যাত বৈয়াকরণিক পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী নামক সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে অনুবাদ করেন। 

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম - প্রভাবতী সম্ভাষণ।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
রাজা রামমোহন রায় রচনা করেন 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'। গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৮৩৩ সালে। এটিই বাঙালি রচিত বাংলা ভাষার প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৪৫.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মারা যান কত সালে?
  1. ১৮২০
  2. ১৮৯১
  3. ১৮৯৯
  4. ১৯৭৬
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৯১ খ্রিস্টাব্দে ৭১ বছর বয়েসে মৃত্যু বরণ করেন।

• বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

৪৬.
কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত মৌলিক রচনা?
  1. ব্রজবিলাস
  2. শকুন্তলা
  3. ভ্রান্তিবিলাস
  4. সীতার বনবাস
ব্যাখ্যা

• ব্রজবিলাস: 
‘ব্রজবিলাস’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত একটি মৌলিক রচনা।

- ‘ব্রজবিলাস’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচিত একটি প্রখর ব্যঙ্গাত্মক গ্রন্থ, যা তিনি ‘কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য’ ছদ্মনামে ১৮৮৪ সালে প্রকাশ করেন।
- এই রচনায় তৎকালীন সমাজব্যবস্থার ভণ্ডামি, সংকীর্ণতা ও কুসংস্কারকে সূক্ষ্ম অথচ তীক্ষ্ণ ভাষায় বিদ্রূপ করা হয়েছে, বিশেষত ব্রাহ্মণ সমাজের প্রচলিত রীতিনীতি ও আচরণকে কেন্দ্র করে।
- ‘ব্রজনাথ বিদ্যারত্ন’ নামের এক তথাকথিত পণ্ডিতের জীবনকাহিনি ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে লেখক সমাজের নৈতিক অবক্ষয়, অসার পাণ্ডিত্য এবং বহুমাত্রিক অসংগতিকে শিল্পিত ভঙ্গিতে উন্মোচিত করেছেন।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত অনুবাদ গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ: 
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

৪৭.
কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ নয়?
  1. আখ্যান মঞ্জুরী
  2. বোধোদয়
  3. কথামালা
  4. ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ নয় - ভ্রান্তিবিলাস।
- ভ্রান্তিবিলাস বিশ্বখ্যাত নাট্যকার শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটক অবলম্বনে রচিত।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা,
- শব্দ মঞ্জুরী ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
- তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৪৮.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রকৃত নাম কী ছিল?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. ঈশ্বরচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: 
- সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবি 'বন্দ্যোপাধ্যায়'।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তাঁর প্রকৃত নাম- ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।

• বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা, 
- সীতার বনবাস, 
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর পারিবারিক পদবি অনুসারে, তাঁর প্রকৃত নাম- 'ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়', কিন্তু তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৯.
কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো ছদ্মনামটি কোন সাহিত্যিকের? 
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় 
  2. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

-  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর ছদ্মনাম- কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো।

→ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
-  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভারতীয় শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক এবং লেখক, যিনি বাংলা গদ্যের অন্যতম রূপকার হিসেবে পরিচিত।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদানের মধ্যে রয়েছে নারীশিক্ষা ও বিধবা বিবাহের পক্ষে আন্দোলন এবং ‘বর্ণপরিচয়’-এর মতো যুগান্তকারী পাঠ্যপুস্তক রচনা। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ছদ্মনাম ছিল কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উপাধি ছিল  আধুনিক বাংলা গদ্যর জনক।
- মাত্র ১৯ বছর বয়সে তিনি সংস্কৃত  কলেজ থেকে ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য ১৮৩৯ সালে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি লাভ করেন।
- ১৮৪৭ সালে বেতাল পঞ্চবিংশতি গ্রন্থে প্রথম বিরামচিহ্ন ব্যবহৃত হয়
- তার বর্ণ পরিচয় বই classical মর্যাদা লাভ করেছেন।
- তার রচিত ব্যাকরণ বইয়ের নাম - ব্যাকরণ কৌমুদী।
- তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হিসেবে সমাদৃত হলেও তার পারিবারিক উপাধি ছিল বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা নামে স্বাক্ষর করতেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
- বর্ণপরিচয় ,
- কথামালা,
- বোধোদয়,
- আখ্যানমঞ্জরী
- ব্যাকরণ কৌমুদী,
- বেতাল পঞ্চবিংশতি,
- শকুন্তলা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
- হেমচন্দ্রের উপাধি ছিল- বাংলার মিল্টন।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় 'ক্বচিৎ প্রৌঢ়' ছদ্মনামে লিখতেন।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

৫০.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৃত্যুসাল কোনটি?
  1. ১৮৭৫ সালে
  2. ১৮৯১ সালে
  3. ১৮৮৫ সালে
  4. ১৮৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫১.
কোন লেখকের নাটক অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'শকুন্তলা' রচনা করেন?
  1. আলাওল
  2. গোপীচাঁদ
  3. কালিদাস
  4. গৌরীশঙ্কর মিত্র
ব্যাখ্যা
'শকুন্তলা':
- প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাস রচিত 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম্' নাটক অবলম্বনে ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান বা উপন্যাসোপম কাহিনি লিখে নাম দেন 'শকুন্তলা'।'
- শকুন্তলা'য় কাহিনি নির্মাণ ও ভাষাব্যবহারে বিদ্যাসাগর যথেষ্ট স্বাধীনতা নিয়েছেন।
- এখানে লেখকের সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গি, আধুনিক মনোভাব, শিল্প ও পরিমিতিবোধ প্রকাশিত।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে। তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি প্রথম গদ্যে যতিচিহ বা বিরামচিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭)। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫২.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত গ্রন্থ কোনটি? 
  1. প্রবোধচন্দ্রিকা 
  2. ইতিহাসমালা 
  3. লিপিমালা 
  4. কথামালা
ব্যাখ্যা

'কথামালা' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত গ্রন্থ।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
• অনুবাদ গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- প্রবোধচন্দ্রিকা' গ্রন্থের লেখক হচ্ছে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার।
- 'লিপিমালা' রচনা করেছেন- রামরাম বসু। 
-  'ইতিহাসমালা' (১৮১২) উইলিয়াম কেরি সঙ্কলিত বিভিন্ন বিষয়ের ১৫০টি গল্পের সংগ্রহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৫৩.
"বর্ণপরিচয়" প্রাথমিক শিশুশিক্ষা গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. আহসান হাবীব
  2. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টােপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• "বর্ণপরিচয়" প্রাথমিক শিশুশিক্ষা গ্রন্থ:
- 'বর্ণপরিচয়' প্রাথমিক স্তরের শিশুশিক্ষা গ্রন্থের রচয়িতা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। শিশুদের বাংলা ভাষা শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে এটিই প্রথম।

- ১৮৫৫ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এটি রচনা করেন। সেই সময় থেকে অদ্যাবধি শিশুপাঠ্য গ্রন্থ হিসেবে এটি উভয় বাংলায় সমান গুরুত্বের সঙ্গে ব্যবহূত হয়ে আসছে।

- গ্রন্থটির প্রথম ভাগে স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জণবর্ণ, তদ্যোগে বিভিন্ন শব্দ ও বাক্যগঠন এবং অনুচ্ছেদ আকারে রচিত মোট একুশটি পাঠ আছে।

- দ্বিতীয় ভাগে সংযুক্ত বর্ণের ব্যবহার দ্বারা শব্দ ও বাক্য গঠন, ফলাযোগে নানা শব্দসৃষ্টি, অঙ্কে ও কথায় সংখ্যা গণনা এবং উপদেশধর্মী ছোট ছোট রচনা মিলে মোট দশটি পাঠ আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৪.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) স্মৃতি কথামালা
  2. খ) আত্মচরিত
  3. গ) আত্মকথা
  4. ঘ) আমার কথা
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ- 'আত্মচরিত'
 
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম :
- শকুন্তলা
- সীতার বনবাসের
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৫.
'বর্ণপরিচয়' প্রাথমিক স্তরের শিশুশিক্ষা গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. রামরাম বসু
  4. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
ব্যাখ্যা
'বর্ণপরিচয়' গ্রন্থ:
- 'বর্ণপরিচয়' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত প্রাথমিক স্তরের শিশুশিক্ষা গ্রন্থ।

- শিশুদের বাংলা ভাষা শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে এটিই প্রথম। ১৮৫৫ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এটি রচনা করেন। সেই সময় থেকে অদ্যাবধি শিশুপাঠ্য গ্রন্থ হিসেবে এটি উভয় বাংলায় সমান গুরুত্বের সঙ্গে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

- গ্রন্থটির প্রথম ভাগে স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জণবর্ণ, তদ্যোগে বিভিন্ন শব্দ ও বাক্যগঠন এবং অনুচ্ছেদ আকারে রচিত মোট একুশটি পাঠ আছে। দ্বিতীয় ভাগে সংযুক্ত বর্ণের ব্যবহার দ্বারা শব্দ ও বাক্য গঠন, ফলাযোগে নানা শব্দসৃষ্টি, অঙ্কে ও কথায় সংখ্যা গণনা এবং উপদেশধর্মী ছোট ছোট রচনা মিলে মোট দশটি পাঠ আছে।

অন্যদিকে,
- 'লিপিমালা' গ্রন্থ রচনা করেছেন রামরাম বসু।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ 'বিশ্বপরিচয়'।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৬.
'ভ্রান্তিবিলাস' গ্রন্থের রচয়িতা -
  1. প্রমথ চৌধুরী 
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

'ভ্রান্তিবিলাস':
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'ভ্রান্তিবিলাস' শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটকের অনুবাদ।
- ভ্রান্তিবিলাস রচিত হয় ১৮৬৯ সালে, বিদ্যাসাগরের প্রথম রচনা বেতালপঞ্চবিংশতির বাইশ বছর পরে।
- ভ্রান্তিবিলাস বিশ্বখ্যাত নাট্যকার শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটক অবলম্বনে রচিত।
বইয়ের 'বিজ্ঞাপন' শিরোনাম অংশে তিনি লিখেছেন:
'কিছু দিন পূর্বে, ইংলন্ডের অদ্বিতীয় কবি শেক্সপীয়রের প্রণীত ভ্রান্তিপ্রহসন পড়িয়া আমার বোধ হইয়াছিল, এতদীয় উপাখ্যানভাগ বাঙ্গালাভাষায় সঙ্কলিত হইলে লোকের চিত্তরঞ্জন হইতে পারে। তদনুসারে ঐ প্রহসনের উপাখ্যানভাগ বাঙ্গালাভাষায় সঙ্কলিত ও ভ্রান্তিবিলাস নামে প্রচারিত হইল।'
এরপরে তিনি বলেছেন যে এই নাটকের কাব্য-অংশ শেক্সপীয়রের অন্যান্য নাটকের চেয়ে 'নিকৃষ্ট', কিন্তু এর কাহিনী-অংশ কৌতুকপূর্ণ।
সেজন্য তিনি এই নাটকটি বাংলাভাষায় রূপান্তরের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'ভ্রান্তিবিলাস' গ্রন্থ।

৫৭.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ?
  1. বোধোদয়
  2. শকুন্তলা
  3. ভ্রান্তিবিলাস
  4. বেতালপঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ - বেতালপঞ্চবিংশতি।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৫৮.
কার নাটক অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'শকুন্তলা' রচনা করেন?
  1. নূরুদ্দীন আব্দুর রহমান জামী
  2. আলাওল
  3. কালিদাস
  4. মালিক মুহম্মদ জায়সী
ব্যাখ্যা

শকুন্তলা:
- প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম্‌' নাটক অবলম্বনে ১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান বা উপন্যাসোপম কাহিনি লিখে নাম দেন 'শকুন্তলা'।
- 'শকুন্তলা'য় কাহিনি নির্মাণ ও ভাষাব্যবহারে বিদ্যাসাগর যথেষ্ট স্বাধীন্তা নিয়েছেন।
- চন্দ্রবংশীয় রাজা দুষ্মন্ত শিকারে এসে কম্ব মুনির তপোবনে উপস্থিত হয়।
- সেখানে শকুন্তলা, প্রিয়ংবদা, অনসূয়া নামের মুনির তিন রূপবতী পালিতা কন্যার মধ্যে শকুন্তলার সঙ্গে দুষ্মন্তের বিয়ে হয়। 
- দৈববাণীতে দুষ্মন্ত সব অবগত হয় এবং শকুন্তলা- ভরতকে যোগ্য স্থান দেয়।
- বৃদ্ধ বয়সে দুষ্মন্ত ভরতকে নিজ রাজ্যের উত্তরাধিকারী করে।
- বাংলা সাহিত্যে 'শকুন্তলা' গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে, এ গ্রন্থের আগে গদ্যে রচিত এতো চমৎকার কাহিনি বা আখ্যান বর্ণনা পাওয়া যায় না।
- গদ্যসাহিত্য প্রতিষ্ঠার যুগে 'শকুন্তলা' একটি অসাধারণ সৃষ্টি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত। তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৫৯.
‘বর্ণপরিচয়’ গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. আহসান হাবীব
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. আল মাহমুদ
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা
⇒ বর্ণপরিচয়: 
- বর্ণপরিচয় প্রাথমিক স্তরের শিশুশিক্ষা গ্রন্থ।
- শিশুদের বাংলা ভাষা শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে এটিই প্রথম।
- ১৮৫৫ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এটি রচনা করেন।
- সেই সময় থেকে অদ্যাবধি শিশুপাঠ্য গ্রন্থ হিসেবে এটি উভয় বাংলায় সমান গুরুত্বের সঙ্গে ব্যবহূত হয়ে আসছে।
- গ্রন্থটির প্রথম ভাগে স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জণবর্ণ, তদ্যোগে বিভিন্ন শব্দ ও বাক্যগঠন এবং অনুচ্ছেদ আকারে রচিত মোট একুশটি পাঠ আছে।
- দ্বিতীয় ভাগে সংযুক্ত বর্ণের ব্যবহার দ্বারা শব্দ ও বাক্য গঠন, ফলাযোগে নানা শব্দসৃষ্টি, অঙ্কে ও কথায় সংখ্যা গণনা এবং উপদেশধর্মী ছোট ছোট রচনা মিলে মোট দশটি পাঠ আছে।
- বইটি প্রাথমিক স্তরের শিশুশিক্ষা গ্রন্থ হিসেবে এখনো পঠিত হয়। 

============
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।

• বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যানমঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৬০.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ-
  1. বোধোদয়
  2. ভ্রান্তিবিলাস
  3. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  4. কথামালা
ব্যাখ্যা

• বেতাল পঞ্চবিংশতি:
- 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। এটি হিন্দি বৈতাল পচ্চীসীর অনুবাদ।
- গ্রন্থটি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।

----------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক পদবী বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি প্রথম গদ্যে যতিচিহ বা বিরামচিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে ১৮৩৯ সালে কলকাতা'র সংস্কৃত কলেজ থেকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয়। অসাধারণ মেধার কারণে তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৬১.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  2. শকুন্তলা
  3. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  4. ব্যাকরণ কৌমুদী
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হচ্ছে বেতাল পঞ্চবিংশতি। 

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও জনহিতৈষী ছিলেন।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ তাঁকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন তিনি।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলো 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত তাঁর প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস, ইত্যাদি।

তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৬২.
বাংলা সাধুভাষার জনক কে?
  1. প্রমথ চৌধুরী 
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে সাধু ভাষার জনক বলা হয়।

• সাধু ভাষা বাংলা লেখ্য গদ্যের অপেক্ষাকৃত প্রাচীন রূপ; এর নবীন ও বর্তমানে বহুল প্রচলিত রূপটি হলো চলিত। বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- এর আগে তা ছিলো প্রস্তরবৎ।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিন্যাস ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস তিনিই প্রথম উপলব্ধি করেন এবং বাংলা গদ্যকে শ্বাসপর্ব ও অর্থপর্ব অনুসারে ভাগ করে সেখানে যতিচিহ্ন স্থাপন করেন।
- বিদ্যাসাগরের পরিকল্পিত সাধুভাষা তাই পরবর্তীকালে আদর্শ সাধুভাষা রূপে গৃহীত হয়।
- তাই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে সাধু ভাষার জনক বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৬৩.
বাংলা গদ্যরীতিতে লালিত্যসঞ্চার করেন কে?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. মানোএল দা আসসুম্পসাঁও
  3. উইলিয়াম কেরি
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
⇒ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
- বিদ্যাসাগর গদ্যরীতির মধ্যে লালিত্যসঞ্চার ও নমনীয়তা আনয়নপূর্বক ভাষারীতি হিসেবে গদ্যের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে গৌরবময় অগ্রগতি সাধন করেন। 
- তিনি বাংলা ভাষার অন্তর্নিহিত ধ্বনিপ্রবাহ অনুধাবন করে বাক্যে স্বাভাবিক শব্দানুবৃত্তির রূপ প্রদান পূর্বক গদ্যরীতিতে পরিমিতিবোধ সৃষ্টি করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের ‘প্রথম শিল্পী’ বলে অভিহিত করেছেন।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থের নাম হলো:
• 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (হিন্দি বৈতালপৈচ্চিসির বঙ্গানুবাদ ১৮৪৭)।
• 'শকুন্তলা' (কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলম নাটকের উপাখ্যান ভাগের বঙ্গানুবাদ, ১৮৫৪)।
• 'সীতার বনবাস’ (ভবভূতির উত্তররাম চরিত নাটকের প্রথম অঙ্কের ও রামায়ণের উত্তর কাণ্ডের বঙ্গানুবাদ, ১৮৬০)।
• ‘ভ্রান্তিবিলাস' (শেক্সপিয়ারের Comedy of Errors-এর বঙ্গানুবাদ, ১৮৬৯) ।

অন্যদিকে,
⇒ রোমান ক্যাথলিক পর্তুগিজ পাদ্রি মানোএল দা আসসুম্পসাঁও কর্তৃক ১৭৩৪ সালে রচিত এবং ১৭৪৩ সালে লিসবনে রোমান হরফে মুদ্রিত ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ’ গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের প্রাথমিক প্রচেষ্টার নিদর্শন হিসেবে উল্লেখযোগ্য। কিন্তু এর লিপি ছিল রোমান।

⇒ উইলিয়াম কেরি রচিত ‘কথোপকথন’ গ্রন্থে বাংলা ভাষার কথ্যরীতির প্রথম নিদর্শন বিধৃত। কথোপকথন গ্রন্থটি ছিল দ্বিভাষিক-এক পৃষ্ঠায় বাংলা, অপর পৃষ্ঠায় ইংরেজি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৬৪.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পৈতৃক পদবি কী?
  1. শর্মা
  2. বিদ্যাসাগর
  3. মুখোপাধ্যায়
  4. বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত। তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
১৮৫৫ সালে বিদ্যাসাগরের লেখা কোন বইটি ক্লাসিক মর্যাদা লাভ করেছে?
  1. শকুন্তলা
  2. বর্ণ পরিচয়
  3. সীতার বনবাস
  4. ভ্রান্তি বিলাস
ব্যাখ্যা
• বর্ণপরিচয়: 
- বর্ণপরিচয় প্রাথমিক স্তরের শিশুশিক্ষা গ্রন্থ।
- শিশুদের বাংলা ভাষা শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে রচিত গ্রন্থসমূহের মধ্যে এটিই প্রথম।
- ১৮৫৫ সালে  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এটি রচনা করেন।
- সেই সময় থেকে অদ্যাবধি শিশুপাঠ্য গ্রন্থ হিসেবে এটি উভয় বাংলায় সমান গুরুত্বের সঙ্গে ব্যবহূত হয়ে আসছে।
- গ্রন্থটির প্রথম ভাগে স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জণবর্ণ, তদ্যোগে বিভিন্ন শব্দ ও বাক্যগঠন এবং অনুচ্ছেদ আকারে রচিত মোট একুশটি পাঠ আছে।
- দ্বিতীয় ভাগে সংযুক্ত বর্ণের ব্যবহার দ্বারা শব্দ ও বাক্য গঠন, ফলাযোগে নানা শব্দসৃষ্টি, অঙ্কে ও কথায় সংখ্যা গণনা এবং উপদেশধর্মী ছোট ছোট রচনা মিলে মোট দশটি পাঠ আছে।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।

কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম :
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৬.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক শেক্সপিয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটকের বাংলা অনুবাদ কোনটি?
  1. শকুন্তলা
  2. বেতালপঞ্চবিংশতি
  3. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  4. ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা
• ভ্রান্তিবিলাস:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর যখন "ভ্রান্তিবিলাস" (১৮৬৯) নাম দিয়ে শেক্সপিয়রের কমেডি অব এররস নাটকের (Comedy of Errors) অনুবাদ করেছেন, তখন তাকে বাঙালি পরিবেশের উপযুক্ত করে রচনা করেছেন। যদি তাঁর রচিত ভ্রান্তিবিলাস গল্প ছিল, নাটক নয়। তাঁর ভাষাভঙ্গি, সূক্ষ্ম হাস্যরস এবং শব্দের মারপ্যাঁচে এই গ্রন্থকে অনুবাদ নয়, বরং মৌলিক গ্রন্থ বলে মনে হয়। তাঁর গদ্যে তিনি অনুপ্রাসসহ সঙ্গীতময় এবং বিষয়ের উপযোগী শব্দ ব্যবহার করেছেন। শ্বাসযতি ও অর্থযতির সমন্বয় ঘটানোর ফলে তাঁর গদ্যে এমন সৌন্দর্য এসেছে যা তাঁর পূর্ববতী লেখকরা আবিষ্কার করতে পারেননি।

অন্যদিকে, 
--------------
• তাঁর প্রথম সাহিত্যগ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতিতেই (হিন্দি বৈতালপচ্চিসি এর বঙ্গানুবাদ) বিদ্যাসাগর প্রমাণ দিয়েছেন, তিনি কেবল বেতালের গল্পগুলিকেই নতুন করে বলেছেন, অনুবাদ করেননি। গল্পগুলি বলতে গিয়ে তিনি তাদের সংস্কার এবং পরিবর্তন করেছেন এবং মূল বেতালের স্থূল রুচি ত্যাগ করে তাদের আধুনিক পাঠকদের কাছে পরিবেশনের উপযোগী করে তুলেছেন।

• একই কথা বলা যায় কালিদাসের রচনা অবলম্বনে রচিত 'শকুন্তলা' (১৮৫৪) সম্পর্কে। তাছাড়া এ গ্রন্থে তিনি শকুন্তলা এবং তার দুই সখীকে রীতিমতো বাঙালি নারীর মতো করে নির্মাণ করেছেন।

• রামায়ণ অনুসারে 'সীতার বনবাস' গ্রন্থে (১৮৬০) সীতাও নিতান্ত বাঙালি নারী হয়ে উঠেছেন। 

• বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনা 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' (১৮৯২)। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬৭.
'রত্নপরীক্ষা' গ্রন্থের রচয়িতা -
  1. রামমোহন রায়
  2. অক্ষয়কুমার দত্ত
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. রাধানাথ শিকদার
ব্যাখ্যা
• 'রত্নপরীক্ষা':
- 'রত্নপরীক্ষা' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেনামি রচিত রচনাগুলোর মধ্যে একটি। এটি বেনামি লেখা ঈশ্বরচন্দ্রের পঞ্চম রচনা।
- তিনি 'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো-সহচরস্য' ছদ্মনামে গ্রন্তটি রচনা করে।
- এতে ভাষা নির্মাণে বিদ্যাসাগর সাধুরীতিকে কথ্যরীতিতে নিয়ে এসেছেন।

• বিদ্যাসাগর 'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য' ছদ্মনামে নিম্নোক্ত পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্নপরীক্ষা।

--------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একজন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে কলকাতার ‘সংস্কৃত কলেজ’ থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয়। তিনি এই কলেজেরই ছাত্র ছিলেন। অসাধারণ মেধার কারণে তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়।
- তাকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি প্রথম গদ্যে যতিচিহ বা বিরামচিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ (১৮৪৭)। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।
- প্রভাবতী সম্ভাষণ বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনা।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৮.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ব্যাকরণ মঞ্জুরী
  2. লিপিমালা
  3. অল্প হইল
  4. বোধোদয়
  5. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

'বোধোদয়' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ।

অন্যদিকে,
• 'ব্যাকরণ মঞ্জুরী' গ্রন্থের রচয়িতা - মুহম্মদ এনামুল হক।
• 'লিপিমালা' রচনা করেছেন- রামরাম বসু। 
• অতি অল্প হইল রচনা করেছেন - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৬৯.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ঈশপের 'ফেবলস' অবলম্বনে কোন গ্রন্থটি রচনা করেন?
  1. নীতিবোধ
  2. বোধোদয়
  3. কথামালা
  4. ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১):
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবী বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য সংস্কৃত কলেজ থেকে ১৮৩৯ সালে তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন।
-  ২৯ ডিসেম্বর ১৮৪১ সালে মাত্র একুশ বছর বয়সে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান পণ্ডিতের পদে আবৃত হন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- বর্ণপরিচয় (১ম ও ২য় ভাগ ; ১৮৫৫)
- ঋজুপাঠ (১ম, ২য় ও ৩য় ভাগ ; ১৮৫১-৫২)
- সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমণিকা (১৮৫১)
- ব্যাকরণ কৌমুদী (১৮৫৩)

তাঁর উল্লেখযোগ্য অনুবাদ গ্রন্থ
- ভ্রান্তিবিলাস (শেক্সপিয়রের কমেডি অফ এররস অবলম্বনে রচিত)
- হিন্দি থেকে বাংলাবেতাল পঞ্চবিংশতি (লল্লুলাল কৃত বেতাল পচ্চীসী অবলম্বনে)
- সংস্কৃত থেকে বাংলাশকুন্তলা (কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম্ অবলম্বনে)
- সীতার বনবাস (ভবভূতির উত্তররামচরিতম্‌ নাটকের আখ্যানবস্তু)
- মহাভারতের উপক্রমণিকা (ব্যাসদেব মূল মহাভারত-এর উপক্রমণিকা অংশ অবলম্বনে)
- বামনাখ্যানম্ (মধুসূদন তর্কপঞ্চানন রচিত ১১৭টি শ্লোকের অনুবাদ)
- নীতিবোধ (রবার্ট ও উইলিয়াম চেম্বার্সের মরাল ক্লাস বুক অবলম্বনে রচিত)
- বোধোদয় (চেম্বার্সের রুডিমেন্টস অফ নলেজ অবলম্বনে রচিত)
- কথামালা (ঈশপস ফেবলস অবলম্বনে রচিত)

তাঁর উল্লেখযোগ্য মৌলিক গ্রন্থ
- সংস্কৃত ভাষা ও সংস্কৃত সাহিত্য বিষয়ক প্রস্তাব
- বিধবা বিবাহ চলিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব
- বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক বিচার
- অতি অল্প হইল এবং ”আবার অতি অল্প হইল দুখানা পুস্তক ( বিধবা বিবাহ বিরোধী পণ্ডিতদের প্রতিবাদের উত্তরে 'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য' ছদ্মনামে।)
- রত্নপরীক্ষা 
- প্রভাবতী সম্ভাষণ
- জীবন-চরিত
- শব্দমঞ্জরী 
- নিষ্কৃতি লাভের প্রয়াস 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭০.
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক শোকগাঁথামূলক গদ্য গ্রন্থ- 
  1. বেতাল পঞ্চবিংশতি 
  2. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  3. ব্রজবিলাস
  4. রত্নপরীক্ষা
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক শোকগাঁথামূলক গদ্য গ্রন্থ- প্রভাবতী সম্ভাষণ। 
----------------------
• 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' নিয়ে আলোচনা:
- প্রভাবতী সম্ভাষণ হলো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক শোকগাঁথা বা শোকমূলক গদ্য গ্রন্থ। 
- এটি রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকালমৃত কন্যা প্রভাবতীর স্মৃতিতে রচিত। 
- বিদ্যাসাগর প্রভাবতীকে নিজের কন্যার মতো স্নেহ করতেন। 
- তার অকাল মৃত্যুর পর ব্যক্তিগত শোক ও করুণার অনুভূতি তিনি গ্রন্থের গদ্যে প্রকাশ করেছেন।
--------------------- 
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন একজন সংস্কৃত পণ্ডিত, শিক্ষাবিদ, লেখক, সমাজসংস্কারক ও জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তাঁর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। 
- তাঁর প্রধান ছদ্মনাম ছিল ‘কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য’।
- ১৮৩৯ সালে ১৯ বছর বয়সে কলকাতার সংস্কৃত কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় অসাধারণ জ্ঞানের কারণে তিনি ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

- তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ:
- বেতাল পঞ্চবিংশতি (এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন ব্যবহার করেন)।
- প্রভাবতী সম্ভাষণ (বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক গদ্য রচনা)।
- ব্রজবিলাস।
- রত্নপরীক্ষা।

উৎস:
বাংলাপিডিয়া;
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

৭১.
'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য' নামে সাহিত্য রচনা করেছেন কে?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. রাজা রামমোহন রায়
  4. দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা
• 'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য' ছদ্মনামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন।
• অতি অল্প হইল, আবার অতি অল্প হইল, ব্রজবিলাস, বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা, রত্ন পরীক্ষা। এই পাঁচটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেনামি রচনা।

• 'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য' নামে প্রথম রচনা 'অতি অল্প হইল' (১৮৭৩)।
• উক্ত বেনামিতে দ্বিতীয় রচনা 'আবার অতি অল্প হইল' (১৮৭৩)। এই বই দুটি বহুবিবাহ বিষয়ে তারানাথ তর্কবাচস্পতির লিখিত বক্তব্যের প্রতিবাদে লেখা, বিতর্কমূলক উত্তর-প্রত্যুত্তর।

• তৃতীয় রচনা ‘ব্রজবিলাস’ (নভেম্বর, ১৮৮৪) - ''কবিকুলতিলকস্য কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য'' ছদ্মনামে রচিত। বিধবাবিবাহের বিরুদ্ধে ব্রজনাথ বিদ্যারত্নের রচনার প্রত্যুত্তরে লিখেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
 
• চতুর্থ রচনা ‘কস্যচিৎ তত্ত্বণ্বেষিণ’ ছদ্মনামে রচিত ‘বিধবা বিবাহ ও যশোহর হিন্দুধর্ম রক্ষণী সভা’।

• পঞ্চম রচনা ‘কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো-সহচরস্য’ ছদ্মনামে রচিত- রত্নপরীক্ষা।
-------------------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতালপঞ্চবিংশতি'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭২.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) বেতালপঞ্চবিংশতি
  2. খ) সীতার বনবাস
  3. গ) অতি অল্প হইল
  4. ঘ) শকুন্তলা
ব্যাখ্যা
‘অতি অল্প হইল’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত মৌলিক গ্রন্থ যা তিনি ‘কস্যাচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য’ নামে লিখেন।
উৎসঃ Live MCQ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর
৭৩.
'ভ্রমণকারী বন্ধু' কার ছদ্মনাম-
  1. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
  2. মধুসূদন মজুমদার
  3. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত:
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে যুগসন্ধির (মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের মিলনকারী) কবি হিসেবে পরিচিত।
- 'ভ্রমণকারী বন্ধু' ছিল ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ছদ্মনাম।
- কারণ তিনি সমকালের সামাজিক ও ঐতিহাসিক বিষয় নিয়ে কবিতা রচনা করলেও তাঁর ভাষা, ছন্দ ও অলঙ্কার ছিলো মধ্যযুগীয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা 'সংবাদ প্রভাকর' সম্পাদনা করেন।
- তিনি ১৮৩১ সালে সংবাদ প্রভাকর (সাপ্তাহিক) পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো কবিয়ালদের লুপ্তপ্রায় জীবনী উদ্ধার করে প্রকাশ করা।
- ঈশ্বরচন্দ্র সংবাদ প্রভাকর ছাড়াও সংবাদ রত্নাবলী, পাষন্ডপীড়ন ও সংবাদ সাধুরঞ্জন পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।

অন্যদিকে,
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম ছিল- যাযাবর।
- মধুসূদন মজুমদার এর ছদ্মনাম ছিল- দৃষ্টিহীন।
- বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যাযয়ের ছদ্মনাম ‘বনফুল'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৭৪.
বাংলা গদ্যে প্রথম আত্মজীবনী রচনা করেন কে?
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  4. গোলোকনাথ শর্মা
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত। তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- বাংলা গদ্যে প্রথম আত্মজীবনী রচনা করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। তাঁর রচিত আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৫.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন নামে স্বাক্ষর করতেন?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র কান্ত
  4. বিদ্যাসাগর শর্মা
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পৈত্রিক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়। পারিবারিক পদবি অনুসারে, তাঁর প্রকৃত নাম 'ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়'। কিন্তু তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।

-----------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

বিদ্যাসাগরের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি প্রকাশক গ্রন্থগুলো হলো তাঁর অনুবাদমূলক রচনা। গ্রন্থগুলো হলো: 
• সুপ্রসিদ্ধ হিন্দি গ্রন্থ 'বৈতাল পচ্চিসী' থেকে অনুবাদ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি',
•কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম' নামক সংস্কৃত নাটক থেকে অনুবাদ 'শকুন্তলা',
• মহাভারতের কিছু অংশের অনুবাদ 'মহাভারত' (উপক্রমণিকা ভাগ),
• ভবভূতির 'উত্তর রামচরিত' নাটকের অংশবিশেষ এবং বাল্মীকির 'রামায়ণ' অবলম্বনে রচিত 'সীতার বনবাস',
• সেক্সপিয়রের Comedy of Errors অবলম্বনে 'ভ্রান্তিবিলাস' এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য রচনা।

•  তাঁর সাহিত্যসৃষ্টির মধ্যে মৌলিক রচনা হিসেবে 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' ক্ষুদ্র নিবন্ধ এবং স্বরচিত 'বিদ্যাসাগর চরিত' গ্রন্থও উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৬.
নিচের কোনটি বাংলা গদ্যে রচিত প্রথম আত্মচরিত গ্রন্থ?
  1. ক) আত্মকাহিনী
  2. খ) বিদ্যাসাগর চরিত
  3. গ) আমার জীবন
  4. ঘ) আমার সাহিত্য জীবন
ব্যাখ্যা
বাংলা সাহিত্যে আত্মচরিত রচনার শুরু গদ্যের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের স্বরচিত 'বিদ্যাসাগর চরিত' (১৮৯১) এ ধরনের প্রথম গ্রন্থ।

এছাড়া আরও কিছু আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো: 

 • নবীনচন্দ্র সেনের ‘আমার জীবন' (পাঁচ খণ্ড),
 • শিবনাথ শাস্ত্রীর ‘আত্মচরিত',
 • তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘আমার সাহিত্য জীবন',
 • সজনীকান্ত দাসের 'আত্মচরিত',
• আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ‘আত্মচরিত’,
• রাজনারায়ণ বসুর 'আত্মচরিত',
• কার্তিকেয়চন্দ্র রায়ের ‘আত্মজীবন চরিত’ ইত্যাদি বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য আত্মচরিত।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।
৭৭.
‘কস্যচিৎ তত্ত্বণ্বেষিণ’ ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেছেন কে?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়
  5. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
'কস্যচিৎ’ ছদ্মনাম ব্যবহারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত গ্রন্থগুলো হলো:
• 'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য' ছদ্মনামে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন।
• অতি অল্প হইল, আবার অতি অল্প হইল, ব্রজবিলাস, বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা, রত্ন পরীক্ষা। এই পাঁচটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেনামি রচনা।

• 'কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য' নামে প্রথম রচনা 'অতি অল্প হইল' (১৮৭৩)।
• উক্ত বেনামিতে দ্বিতীয় রচনা 'আবার অতি অল্প হইল' (১৮৭৩)। এই বই দুটি বহুবিবাহ বিষয়ে তারানাথ তর্কবাচস্পতির লিখিত বক্তব্যের প্রতিবাদে লেখা, বিতর্কমূলক উত্তর-প্রত্যুত্তর।

• তৃতীয় রচনা ‘ব্রজবিলাস’ (নভেম্বর, ১৮৮৪) - ''কবিকুলতিলকস্য কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য'' ছদ্মনামে রচিত। বিধবাবিবাহের বিরুদ্ধে ব্রজনাথ বিদ্যারত্নের রচনার প্রত্যুত্তরে লিখেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
 
• চতুর্থ রচনা ‘কস্যচিৎ তত্ত্বণ্বেষিণ’ ছদ্মনামে রচিত ‘বিধবা বিবাহ ও যশোহর হিন্দুধর্ম রক্ষণী সভা’।

• পঞ্চম রচনা ‘কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপো-সহচরস্য’ ছদ্মনামে রচিত- রত্নপরীক্ষা।


অন্যদিকে,
- ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ব্যবহৃত ছদ্মনাম ছিল- ভ্রমণকারী বন্ধু।
- বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিল- ক্বচিৎ প্রৌঢ়।   
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত ব্যবহৃত ছদ্মনামগুলো হলো: Timothy Penpoem, দত্তকুলোদ্ভব কবি, এ নেটিভ।
- বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিলো- যাযাবর।

-------------------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতালপঞ্চবিংশতি'।

• বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৮.
কোন প্রতিষ্ঠান ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেয়?
  1. ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ
  2. হিন্দু কলেজ
  3. প্রেসিডেন্সি কলেজ
  4. সংস্কৃত কলেজ
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
- তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
২) বাংলাপিডিয়া।
৭৯.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত মৌলিক রচনা-
  1. শকুন্তলা
  2. ভ্রান্তিবিলাস
  3. ব্রজবিলাস
  4. সীতার বনবাস
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৮০.
ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে-
  1. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
  3. সংস্কৃত কলেজ
  4. বেথুন কলেজ
ব্যাখ্যা
• সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পিতৃপ্রদত্ত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি একজন সফল সমাজ সংস্কারকও ছিলেন।
- তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার কারণে ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেলের সম্মতিক্রমে বিধবা বিবাহ আইন পাশ হয়।
- ১৮৭২ খ্রিস্টাব্দে বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ বন্ধ করার জন্য 'সিভিল ম্যারেজ অ্যাক্ট' প্রণয়নে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৯১ খ্রিস্টাব্দে ৭১ বছর বয়েসে মৃত্যু বরণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
৮১.
শিক্ষামূলক গ্রন্থ 'কথামালা' রচনা করেন কে?
  1. রামমোহন রায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. রামরাম বসু
  4. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি একজন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী ছিলেন।
- তিনি১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবি 'বন্দ্যোপাধ্যায়'। তাঁর প্রকৃত নাম- ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৮২.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন গ্রন্থে প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন?
  1. বর্ণপরিচয়
  2. ভ্রান্তিবিলাস
  3. শকুন্তলা
  4. বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা

বেতাল পঞ্চবিংশতি:
- 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। এটি হিন্দি বৈতাল পচ্চীসীর অনুবাদ।
- গ্রন্থটি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক পদবী বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি প্রথম গদ্যে যতিচিহ বা বিরামচিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে ১৮৩৯ সালে কলকাতা'র সংস্কৃত কলেজ থেকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয়। অসাধারণ মেধার কারণে তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৮৩.
বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক রচনার নাম - 
  1. ভ্রান্তিবিলাস
  2. সীতার বনবাস
  3. শকুন্তলা
  4. প্রভাবতী সম্ভাষণ
ব্যাখ্যা
প্রভাবতী সম্ভাষণ:
- বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক রচনার নাম প্রভাবতী সম্ভাষণ।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত প্রভাবতী সম্ভাষণ একটি শোকগাঁথা।
- বন্ধুর বালিকা কন্যা প্রভাবতীর অকাল মৃত্যুর শোকে বিদ্যাসাগর এটি রচনা করেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭)। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন। 
- প্রভাবতী সম্ভাষণ বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনা।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
৮৪.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের ‘প্রথম শিল্পী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন কে?
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
- বিদ্যাসাগর গদ্যরীতির মধ্যে লালিত্যসঞ্চার ও নমনীয়তা আনয়নপূর্বক ভাষারীতি হিসেবে গদ্যের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে গৌরবময় অগ্রগতি সাধন করেন।
- তিনি বাংলা ভাষার অন্তর্নিহিত ধ্বনিপ্রবাহ অনুধাবন করে বাক্যে স্বাভাবিক শব্দানুবৃত্তির রূপ প্রদান পূর্বক গদ্যরীতিতে পরিমিতিবোধ সৃষ্টি করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের ‘প্রথম শিল্পী’ বলে অভিহিত করেছেন।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থের নাম হলো:
• 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (হিন্দি বৈতালপৈচ্চিসির বঙ্গানুবাদ ১৮৪৭)।
• 'শকুন্তলা' (কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলম নাটকের উপাখ্যান ভাগের বঙ্গানুবাদ, ১৮৫৪)।
• 'সীতার বনবাস’ (ভবভূতির উত্তররাম চরিত নাটকের প্রথম অঙ্কের ও রামায়ণের উত্তর কাণ্ডের বঙ্গানুবাদ, ১৮৬০)।
• ‘ভ্রান্তিবিলাস' (শেক্সপিয়ারের Comedy of Errors-এর বঙ্গানুবাদ, ১৮৬৯)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৮৫.
বাংলা গদ্যে প্রথম আত্মজীবনী কোনটি?
  1. ক) আত্মচরিত
  2. খ) বিদ্যাসাগর চরিত
  3. গ) বিদ্যাসাগর আত্মকথা
  4. ঘ) ক+খ
ব্যাখ্যা
• বাংলা গদ্যে প্রথম আত্মজীবনী রচনা করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
• তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কে ১৮৩৯ সালে কলকাতা'র সংস্কৃত কলেজ থেকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয়। অসাধারণ মেধার কারণে তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবী বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তিনি প্রথম গদ্যে যতিচিহ বা বিরামচিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭)। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৮৬.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে 'বাংলা গদ্যের যথার্থ শিল্পী' নামে অভিহিত করেন কে?
  1.  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. প্রমথনাথ বিশী 
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ক ও খ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

- তিনি বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতি সন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস তিনিই প্রথম উপলব্ধি করেন।

- তিনি বাংলা গদ্যকে শ্বাসপর্ব ও অর্থপর্ব অনুসারে ভাগ করে সেখানে যতিচিহ্ন স্থাপন করেন। তিনি বাংলা গদ্যকে সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন।

- বিদ্যাসাগরের সৃষ্ট গদ্যরীতির প্রভাবেই পরবর্তী পর্যায়ে বাংলা গদ্যের পরিণত রূপের সৃষ্টি হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে বাংলা গদ্যের 'প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেছেন।
- প্রমথনাথ বিশী বিদ্যাসাগরকে 'বাংলা গদ্যের যথার্থ শিল্পী' নামে অভিহিত করেন।

- তাকে 'বাংলা গদ্যের জনক' বলা হয়। কারণ তিনি প্রথম বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণ দান করেছেন। সুতরাং, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পূর্বে অনেকেরই গদ্যের বিকাশে অবদান থাকলেও, বাংলা ভাষার প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা তাকেই বলা যায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৮৭.
নিচের কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনা?
  1. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  2. সীতার বনবাস
  3. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  4. ভ্রান্তিবিলাস
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সাহিত্যসৃষ্টির মধ্যে মৌলিক রচনা হিসেবে ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ' ক্ষুদ্র নিবন্ধ এবং স্বরচিত 'বিদ্যাসাগর চরিত' গ্রন্থ উল্লেখযোগ্য।

• প্রভাবতী সম্ভাষণ:
- বাংলা ভাষার প্রথম মৌলিক রচনার নাম প্রভাবতী সম্ভাষণ।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত প্রভাবতী সম্ভাষণ একটি শোকগাঁথা।
- বন্ধুর বালিকা কন্যা প্রভাবতীর অকাল মৃত্যুর শোকে বিদ্যাসাগর এটি রচনা করেন।

অন্যদিকে, 
-------------------
 ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি প্ৰকাশক গ্রন্থগুলো হল তাঁর অনুবাদমূলক রচনা। তিনি অন্য ভাষার সাহিত্য থেকে কয়েকটি গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করেন। এগুলো হলো- 
• সুপ্রসিদ্ধ হিন্দি গ্রন্থ 'বৈতাল পচ্চিসী' থেকে অনুবাদ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'। 
• কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম' নামক সংস্কৃত নাটক থেকে অনুবাদ 'শকুন্তলা'। 
• মহাভারতের কিছু অংশের অনুবাদ 'মহাভারত' (উপক্রমণিকা ভাগ), ভবভূতির 'উত্তর রামচরিত' নাটকের অংশবিশেষ। 
• বাল্মীকির 'রামায়ণ' অবলম্বনে রচিত ‘সীতার বনবাস'
• সেক্সপীয়রের Comedy of Errors অবলম্বনে 'ভ্রান্তিবিলাস' এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য রচনা।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবিউল আলম। 

৮৮.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত প্রথম বাংলা মৌলিক গদ্য রচনার নাম কী?
  1. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  2. অতি অল্প হইল
  3. ব্রজবিলাস
  4. শকুন্তলা
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৮৯.
বাংলা গদ্যে শ্বাস-যতি ও অর্থ-যতির সমন্বয় ঘটান কে?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. অক্ষয়কুমার দত্ত
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের শব্দ-সাযুজ্য আবিষ্কার, বাক্য-কাঠামো সংস্কার, কর্তা ও ক্রিয়াপদ এবং ক্রিয়া ও কর্মের মধ্যে যথাযথ অন্বয় স্থাপন করে বাংলা গদ্যকে মাধুর্য দান করেন। তাছাড়া, শ্বাস-যতি ও অর্থ-যতির সমন্বয় ঘটান এবং পাঠক যাতে তা সহজেই দেখতে পান, তার জন্যে ইংরেজি রীতির যতিচিহ্ন, বিশেষ করে কমা, ব্যবহার করেন। তাঁর আগে একমাত্র অক্ষয়কুমার দত্তই ইংরেজি যতিচিহ্ন সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করেছিলেন।

---------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিন ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈত্রিক পদবি ছিল 'বন্দ্যোপাধ্যায়'।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পারিবারিক পদবি অনুসারে, তাঁর প্রকৃত নাম -'ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়', কিন্তু তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৯০.
বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য করে তোলেন কে?
  1. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- তিনি বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্নের প্রবর্তন করেন।
- বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত’ সৃষ্টি করেন।
- তিনি বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন।
- বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৯১.
মহাকবি কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম' নাটক অবলম্বনে 'শকুন্তলা' রচনা করেন -
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
ব্যাখ্যা

• প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাস রচিত অভিজ্ঞান শকুন্তলা নাটক অবলম্বনে ১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান কাহিনী লিখেন - তার নাম দেন শকুন্তলা।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি।
- তার আত্মজীবনীর নাম বিদ্যাসাগর চরিত বা আত্মচরিত।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
২) বাংলাপিডিয়া।
৩) লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।

৯২.
'কবিকুল তিলকস্য কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য' ছদ্মনামে রচিত গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) রত্নপরীক্ষা
  2. খ) শকুন্তলা
  3. গ) ব্রজবিলাস
  4. ঘ) বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা
ব্যাখ্যা
'ব্রজবিলাস' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত মৌলিক গ্রন্থ।
- 'ব্রজবিলাস' (১৮৮৫) 'কবিকুল তিলকস্য কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য' ছদ্মনামে রচিত।
- নবদ্বীপের ব্রজনাথ বিদ্যারত্নের বিধবাবিবাহ বিরোধী সংস্কৃত বক্তৃতাবলির উত্তর।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থসমূহ - 
- অতি অল্প হইল 
- আবার অতি অল্প হইল 
- ব্রজবিলাস 
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা 
- রত্নপরীক্ষা 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৯৩.
বিখ্যাত বৈয়াকরণিক পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী নামক সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে অনুবাদ গ্রন্থ কোনটি?
  1. বোধোদয়
  2. আখ্যান মঞ্জুরী
  3. ব্যাকরণ কৌমুদী
  4. কথামালা
ব্যাখ্যা
• 'ব্যাকরণ কৌমুদী':
- 'ব্যাকরণ কৌমুদী' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থ। তিনি মোট চারটি খণ্ডে গ্রন্থটি রচনা করেন।
- প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫৩ সালে, তৃতীয় খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫৪ সালে এবং চতুর্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৬২ সালে।
- 'ব্যাকরণ কৌমুদী' গ্রন্থটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বিখ্যাত বৈয়াকরণিক পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী নামক সংস্কৃত ব্যাকরণ থেকে অনুবাদ করেন।

-------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবি 'বন্দ্যোপাধ্যায়'। তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রকৃত নাম- ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৪.
বাংলা ভাষায় রচিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম-
  1. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  2. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  3. ব্যাকরণ কৌমুদী
  4. ব্রজবিলাস
  5. রত্ন পরীক্ষা
ব্যাখ্যা

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৯৫.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের শিশুশিক্ষা বিষয়ক গ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. ক) বোধোদয়
  2. খ) কথামালা
  3. গ) বর্ণমালা
  4. ঘ) আখ্যান মঞ্জুরী
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা,
- শব্দ মঞ্জুরী ইত্যাদি।

বিদ্যাসাগর ঈশ্বরচন্দ্র ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতালপঞ্চবিংশতি। 

- বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম :-
- শকুন্তলা
- সীতার বনবাসের
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৬.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন গ্রন্থে প্রথম যতিচিহ্নের ব্যবহার করেন?
  1. বোধোদয়
  2. বর্ণপরিচয়
  3. আখ্যান মঞ্জরী
  4. বেতালপঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা
• বেতালপঞ্চবিংশতি:
বেতালপঞ্চবিংশতি একখানা গল্পগ্রন্থ। মূল গ্রন্থটি সংস্কৃত ভাষায় রচিত। ১৮০৫ সালে বৈতাল পচ্চিসী নামে এর একটি হিন্দি অনুবাদ ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ থেকে প্রকাশিত হয়, যা ওই কলেজের পাঠ্য ছিল। পরে কলেজের অধ্যক্ষ জি.টি মার্শালের অনুরোধে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ সালে এটি বাংলায় অনুবাদ করেন। অনুবাদের সময় তিনি মূল গল্পের অশ্লীল অংশ বর্জন এবং কোনো কোনো দীর্ঘ কাহিনী সংক্ষিপ্ত করেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বেতাল পঞ্চবিংশতি (১৮৪৭)। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম যতি বা বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ছাড়াও একজন অজ্ঞাতনামা লেখক ১৮৫২ সালে এবং জীবানন্দ বিদ্যাসাগর ১৮৭৩ সালে বেতালপঞ্চবিংশতি বাংলায় অনুবাদ করেন। তবে ঈশ্বরচন্দ্রের গ্রন্থখানি গদ্যরীতি ও রস-রুচির বিচারে উত্তম। দীর্ঘকাল এটি বিদ্যালয়ের পাঠ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

গল্পের কাহিনি সংক্ষেপ-
মৃত রাজা চন্দ্রভানুর প্রেতাত্মার নাম বেতাল। তৎকর্তৃক কথিত পঁচিশটি উপাখ্যানের সমাহার হচ্ছে বেতালপঞ্চবিংশতি। বেতাল ঘটনাচক্রে রাজা বিক্রমাদিত্যের স্কন্ধে ভর করে তাঁকে গল্পগুলি পরপর শোনায়। গল্পগুলির অধিকাংশ প্রাচীন রাজকাহিনী; দু-তিনটিতে ব্রাহ্মণ চরিত্র আছে। বাস্তব ও কল্পনা মিশ্রিত রোম্যান্টিক ধাঁচের এসব আখ্যানের মুখ্য আবেদন গল্পরস; তবে রাজবিধি, শাস্ত্রবিধি ও ন্যায়নীতির কথাও আছে। প্রতিটি গল্পের শেষে বেতাল ও বিক্রমাদিত্যের প্রশ্নোত্তরে এসব বিষয় আরও পরিস্ফুট হয়েছে। প্রাচীন ভারতের রাজ-পরিবারের ভোগ-বিলাস ও নৈতিক স্খলনের নানা চিত্র গল্পগুলিতে ফুটে উঠেছে।

-------------------
• বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাসের,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৭.
নিচের কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত অনুবাদগ্রন্থ নয়?
  1. ভ্রান্তিবিলাস
  2. সীতার বনবাস
  3. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  4. ব্রজবিলাস
ব্যাখ্যা
• 'ব্রজবিলাস' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত মৌলিক রচনা।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত অনুবাদগ্রন্থ:
• হিন্দি গ্রন্থ 'বৈতাল পচ্চিসী' থেকে অনুবাদ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
• কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম' নামক সংস্কৃত নাটক থেকে অনুবাদ 'শকুন্তলা'।
• মহাভারতের কিছু অংশের অনুবাদ 'মহাভারত' (উপক্রমণিকা ভাগ)।
• ভবভূতির 'উত্তর রামচরিত' নাটকের অংশবিশেষ এবং বাল্মীকির 'রামায়ণ' অবলম্বনে রচিত 'সীতার বনবাস'।
• সেক্সপিয়রের Comedy of Errors অবলম্বনে 'ভ্রান্তিবিলাস' এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য রচনা।

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৯৮.
নিচের কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থ নয়?
  1. ক) জীবন চরিত
  2. খ) বাঙলার ইতিহাস
  3. গ) ব্রজবিলাস
  4. ঘ) বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কিছু অনুবাদ গ্রন্থ হলো-
- ভ্রান্তিবিলাস (শেক্সপিয়রের কমেডি অব এররস অনুসারে)
- জীবনচরিত (ইংরেজি বই অবলম্বনে),
- বেতালপঞ্চবিংশতি (হিন্দী থেকে),
- বাঙ্গলার ইতিহাস (মার্শম্যানের বই অনুসারে),
- শকুন্তলা (কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলাম অনুসারে),
- সীতার বনবাস (রামায়ণ অনুসারে)।

অন্যদিকে,
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক গ্রন্থসমূহ - 
- প্রভাবতী সম্ভাষণ,
- স্বরচিত জীবনচরিত,
- ব্রজবিলাস,
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, উচ্চমাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ এবং বাংলাপিডিয়া; লাল নীল দীপাবলী, হুমায়ুন আজাদ।
৯৯.
নিচের কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনা নয়?
  1. অল্প হইল
  2. অতি অল্প হইল
  3. রত্ন পরীক্ষা
  4. ব্রজবিলাস
ব্যাখ্যা

• 'অল্প হইল'  নামে  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কোনো মৌলিক রচনা নেই।

তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:

- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,

• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত।
- তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।
- বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনার নাম 'প্রভাবতী সম্ভাষণ'।
- তাঁর রচিত ব্যাকরণগ্রন্থের নাম 'ব্যাকরণ কৌমুদী'।
- তিনি ২৯ জুলাই, ১৮৯১ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- শকুন্তলা,
- সীতার বনবাস,
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত মৌলিক রচনা:
- অতি অল্প হইল,
- আবার অতি অল্প হইল,
- ব্রজবিলাস,
- বিধবা বিবাহ ও যশোরের হিন্দু ধর্মরক্ষিণী সভা,
- রত্ন পরীক্ষা।

• তাঁর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১০০.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রকৃত নাম কী?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. ঈশ্বরচন্দ্র মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবি - বন্দ্যোপাধ্যায়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর পারিবারিক পদবি অনুসারে, তাঁর প্রকৃত নাম - 'ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়'। কিন্তু তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন। 

-----------------------
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী। 
- তিনি১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর পৈত্রিক পদবি 'বন্দ্যোপাধ্যায়'।
- তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
- তাঁর প্রকৃত নাম- ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামেও স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম:
- শকুন্তলা, 
- সীতার বনবাস, 
- ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ:
- আখ্যান মঞ্জুরী,
- বোধোদয়,
- বর্ণপরিচয়,
- কথামালা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।